(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: -)
التطبيق النحوي   (عبده الراجحي)

القسم: النحو والصرف


الكتاب: التطبيق النحوي

المؤلف: الدكتور عبده الراجحي

الناشر: مكتبة المعارف للنشر والتوزيع

الطبعة: الأولى 1420هـ 1999م

عدد الصفحات: 453

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আত-তাতবিকুন নাহবি   (আবদুহ আল-রাজিহি)

বিভাগ: নাহু ও সরফ


বই: আত-তাতবিকুন নাহবি

লেখক: ড. আবদুহ আল-রাজিহি

প্রকাশক: মাকতাবাতুল মা’আরিফ পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২০ হিজরি - ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৫৩

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ৫)
باب‌‌ المقدمات:

‌‌بين يدي هذا الكتاب:

نحمد الله تعالى، ونستعينه، ونستهديه، ونصلي ونسلم على سيدنا محمد وعلى آله وأصحابه أجمعين.

وبعد،،،

فقد ظهرت الطبعة الأولى من هذا الكتاب منذ ست وعشرين سنة، وكنت قد توفرت على كتابته والانتهاء منه في شهر رمضان الواقع في سنة ألف وثلاثمائة وإحدى وتسعين للهجرة، فأدركتْهُ بركة هذا الشهر الكريم؛ فلقي من القبول ما لم أكن أطمح إليه ولقيت بسببه من التشجيع والتكريم ما أراني عير أهل له، وظهرت منه نسخة مصورة كل سنة في كثير من بلاد العالم في الشرق والغرب، غير أن ذلك لفتني عما ينبغي نحوه من مراجعته ومعاودة النظر فيه.

وهأنذا الآن أعود إليه بعد هذه السنوات التي نيفت على ربع قرن من الزمان، مؤكدا ما قلته في مقدمة طبعته الأولى عن حال تعليم النحو العربي في عصرنا هذا، مضيفا إليه ما كتبته -من قبل- في غير موضع من ضرورة التزام "العلم" في تعليم العربية، ومن الإفادة من جهود الناس -حيثما يكونون- في هذا المجال.

لا تختلف هذه الطبعة عن سابقتها في المنهج ولا في التبويب ولا في طريقة العرض؛ غير أني صوبت ما وقع في الأولى من خطأ، وحذفت ما حسبته غير نافع، وزدت فصلا جديدا بما أسميته بالجمل الأسلوبية، وضمنت المسائل جميعها عددا غير قليل من التنبيهات تلفت إلى الأخطاء التي شاعت في الاستعمال المعاصر.

أدين بشكر أراه نعمة من نعم الله التي لا تُحصى لكل أساتذتي وزملائي وتلاميذي ممن زودوني بنصائحهم وتعليقاتهم، وممن أكرموني في هذا الكتاب. وأود أن أشكر لأخي الأستاذ سعد الراشد صاحب مكتبة المعارف
পরিচ্ছেদ: ভূমিকা:

এই গ্রন্থের প্রেক্ষাপট:

আমরা মহান আল্লাহ তাআলার প্রশংসা করছি, তাঁরই সাহায্য ও হেদায়াত প্রার্থনা করছি। আর আমাদের নেতা মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল সাহাবীদের ওপর দরুদ ও সালাম পেশ করছি।

অতঃপর,

এই গ্রন্থের প্রথম সংস্করণটি আজ থেকে ছাব্বিশ বছর পূর্বে প্রকাশিত হয়েছিল। আমি ১৩৯১ হিজরির বরকতময় রমজান মাসে এটি লেখা শেষ করতে সক্ষম হয়েছিলাম, ফলে এই পবিত্র মাসের বরকত এতে শামিল হয়েছে। এটি এমন অভাবনীয় গ্রহণযোগ্যতা লাভ করেছে যা আমার প্রত্যাশার ঊর্ধ্বে ছিল এবং এর কারণে আমি এমন উৎসাহ ও সম্মাননা লাভ করেছি যার যোগ্য আমি নিজেকে মনে করি না। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের বহু দেশে প্রতি বছর এর পুনর্মুদ্রিত সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে, তবে এই বিষয়টি আমাকে বইটির প্রয়োজনীয় পরিমার্জন ও পুনর্বিবেচনা করার কাজ থেকে বিমুখ করে রেখেছিল।

দীর্ঘ পঁচিশ বছরেরও বেশি সময় অতিবাহিত হওয়ার পর এখন আমি পুনরায় গ্রন্থটির প্রতি মনোনিবেশ করছি। বর্তমান যুগে আরবি ব্যাকরণ শিক্ষার অবস্থা সম্পর্কে প্রথম সংস্করণের ভূমিকায় যা বলেছিলাম, তারই পুনরাবৃত্তি করছি। পাশাপাশি আরবি ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে 'জ্ঞানতাত্ত্বিক মান' বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা এবং এই ক্ষেত্রে যেখানেই যে প্রচেষ্টা হয়েছে তা থেকে উপকৃত হওয়ার গুরুত্ব সম্পর্কে আমার পূর্ববর্তী বিভিন্ন লেখনিও এখানে সংযোজন করেছি।

পদ্ধতি, অধ্যায় বিন্যাস কিংবা উপস্থাপনা রীতির দিক থেকে এই সংস্করণটি পূর্ববর্তী সংস্করণের চেয়ে ভিন্ন নয়; তবে আমি প্রথম সংস্করণে রয়ে যাওয়া ভুলগুলো সংশোধন করেছি, যা অপ্রয়োজনীয় মনে হয়েছে তা বাদ দিয়েছি এবং 'শৈলীগত বাক্য' নামে একটি নতুন পরিচ্ছেদ যুক্ত করেছি। এছাড়া প্রায় সকল মাসআলার ক্ষেত্রে বেশ কিছু সতর্কতা অন্তর্ভুক্ত করেছি, যা সমসাময়িক ব্যবহারে প্রচলিত ভুলগুলোর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করবে।

আমি আমার সকল শিক্ষক, সহকর্মী এবং ছাত্রদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি—যাঁরা আমাকে নানা পরামর্শ ও মন্তব্যের মাধ্যমে সমৃদ্ধ করেছেন এবং এই গ্রন্থের ক্ষেত্রে আমাকে নানাভাবে সম্মানিত করেছেন। আমি তাঁদের এই অবদানকে আল্লাহর অগণিত নিয়ামতের একটি মনে করি। আমি আমার ভ্রাতৃপ্রতিম উস্তাদ সাদ আল-রাশিদ, যিনি মাকতাবাতুল মাআরিফ-এর স্বত্বাধিকারী, তাঁর প্রতি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ৬)
للنشر والتوزيع بالرياض جهده الكريم في إخراج هذا الكتاب على هذه الصورة، والذي قد آلت له حقوق هذا الكتاب ونشره وتوزيعه، وجزاه الله خيرا، كما أشكر لابني وتلميذي الأستاذ السيد عبد القادر جهده في تصحيح صف هذا الكتاب والسهر على تصويب أصوله.

وأما زوجتي الحبيبة وأبنائي الأعزاء، فلا أملك لهم من الشكر إلا أن أدعوَ الله أن يتقبل مني ومنهم لقاء ما نقصت من وقتهم ومن حقوقهم عن سعادة منهم ورضًى.

أسأل الله تعالى أن ينفع بهذا الكتاب وأن يجعله خالصا لوجه الكريم.

عبده الراجحي

الإسكندرية في 15 ربيع الثاني 1420هـ

28 من يوليو 1999م
রিয়াদের প্রকাশনা ও বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ এই গ্রন্থটিকে বর্তমান অবয়বে প্রকাশের মহতী প্রচেষ্টার জন্য, যাদের নিকট এই গ্রন্থের স্বত্ব এবং এর মুদ্রণ ও বিতরণের অধিকার ন্যস্ত হয়েছে; আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দান করুন। পাশাপাশি আমি আমার স্নেহভাজন ছাত্র জনাব সৈয়দ আব্দুল কাদিরকে ধন্যবাদ জানাই এই গ্রন্থের বর্ণবিন্যাস সংশোধন এবং এর মূল পাণ্ডুলিপি (أصول) পরিমার্জনে তাঁর নিষ্ঠাপূর্ণ পরিশ্রমের জন্য।

আর আমার প্রিয়তমা স্ত্রী এবং আদরের সন্তানদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ভাষা আমার নেই; আমি কেবল আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন আমার ও তাদের পক্ষ থেকে এর বিনিময় কবুল করেন। আমি তাদের যে প্রাপ্য সময় ও অধিকারে ঘাটতি করেছি, তা তারা অত্যন্ত আনন্দ ও সন্তুষ্টির সাথেই মেনে নিয়েছে।

আমি মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন এই গ্রন্থের মাধ্যমে সকলকে উপকৃত করেন এবং একে একান্তই তাঁর সন্তুষ্টির নিমিত্তে কবুল করেন।

আবদুহু আল-রাজিহি

আলেকজান্দ্রিয়া, ১৫ রবিউস সানি ১৪২০ হিজরি

২৮ জুলাই ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ৭)
‌‌مقدمة الطبعة الأولى:

بسم الله الرحمن الرحيم، والصلاة والسلام على سيدنا محمد وعلى آله وأصحابه أجمعين.

وبعد،،،

فالذي لا شك فيه أن كثرة كثيرة من الناس تشكو من درس النحو العربي، ومما تعانيه من الكد في سبيل إتقانه وإقامة ألسنتها وأقلامها عليه. وعجيب أمر هذه اللغة المفترَى عليها! وعجيب أمر نحوها! فمنذ فجر الحضارة العربية نهض أصحاب هذه اللغة يدرسونها ويضعون القوانين التي تحكمها حتى إننا لا نعرف لغة اهتم بها أصحابها قدر ما لقيت العربية من اهتمام، ومنذ عصر الخلفاء الراشدين رضوان الله عنهم والعلماء يتتابعون واحدا في إثر واحد ومدرسة بعد مدرسة، في إنشاء النحو العربي وتطويره وتأصيله، حتى بلغ مرحلة من النضج العلمي والوضوح المنهجي لم يبلغها علم آخر.

يقول المستشرق الألماني "يوهان فك" ولقد تكلفت القواعد التي وضعها النحاة العرب في جهد لا يعرف الكلل، وتضحية جديرة بالإعجاب بعرض اللغة الفصحى وتصويرها في جميع مظاهرها، من ناحية الأصوات، والصيغ، وتركيب الجمل، ومعاني المفردات على صورة شاملة، حتى بلغت كتب القواعد الأساسية عنده مستوى من الكمال لا يسمح بزيادة لمستزيد1.

وتلك حقيقة لا نستشهد بكلام مستشرق على صوابها؛ ولكنا نشير فحسب إلى هذا النحو وقدرته على حفظ العربية طوال هذه القرون، وصيانتها من التحلل والفساد، وذلك وحده كافٍ أن نطرح من فكرنا تشكيك الناس في النحو العربي، وعلينا أن نبحث عن الداء في موطن آخر.

--------------------------------------------

1 يوهان فك: العربية، دراسة في اللغة واللهجات والأساليب، ترجمة الدكتور عبد الحليم النجار، مطبعة الخانجي، القاهرة 1951، ص2.
প্রথম সংস্করণের ভূমিকা:

পরম করুণাময় দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি, এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নেতা মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর এবং তাঁর পরিবার ও সকল সাহাবীদের ওপর।

অতঃপর, এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, বহু মানুষ আরবি ব্যাকরণ পাঠ নিয়ে অভিযোগ করেন এবং এটি আয়ত্ত করার ক্ষেত্রে এবং এর মাধ্যমে তাদের জিহ্বা ও কলমকে সঠিক করার পথে যে শ্রম ও কষ্ট স্বীকার করতে হয় সে বিষয়ে অনুযোগ করেন। এই অপবাদগ্রস্ত ভাষার বিষয়টি অত্যন্ত বিস্ময়কর! এবং এর ব্যাকরণের বিষয়টিও বিস্ময়কর! আরব সভ্যতার ঊষালগ্ন থেকেই এই ভাষার ধারক-বাহকেরা এর অধ্যয়নে আত্মনিয়োগ করেছেন এবং একে নিয়ন্ত্রণকারী নিয়মাবলি প্রণয়ন করেছেন; এমনকি আমাদের জানামতে এমন কোনো ভাষা নেই যার প্রতি এর ধারক-বাহকেরা ততটা গুরুত্ব দিয়েছেন যতটা আরবি ভাষা লাভ করেছে। খোলাফায়ে রাশেদিন (যাঁদের প্রতি আল্লাহ সন্তুষ্ট হয়েছেন)-এর যুগ থেকে ওলামায়ে কেরাম একের পর এক এবং এক পাঠশালা বা চিন্তাধারার পর অন্যটি আরবি ব্যাকরণ সৃষ্টি, উন্নয়ন ও এর মূলনীতি নির্ধারণে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে গেছেন, যতক্ষণ না এটি এমন এক বৈজ্ঞানিক পরিপক্কতা ও পদ্ধতিগত স্বচ্ছতার স্তরে পৌঁছেছে যা অন্য কোনো শাস্ত্র অর্জন করতে পারেনি।

জার্মান প্রাচ্যবিদ "ইয়োহান ফুক" বলেন, "আরব ব্যাকরণবিদগণ ক্লান্তিহীন প্রচেষ্টায় এবং প্রশংসনীয় আত্মত্যাগের মাধ্যমে যে নিয়মাবলি প্রণয়ন করেছেন, তা ধ্রুপদী ভাষাকে এর ধ্বনিবিজ্ঞান, শব্দরূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব এবং শব্দের অর্থের সকল দিক থেকে এমন এক সামগ্রিক রূপে চিত্রিত ও উপস্থাপন করেছে যে, তাদের মৌলিক ব্যাকরণ গ্রন্থগুলো পূর্ণতার এমন এক স্তরে পৌঁছেছে যেখানে কোনো জ্ঞানপিপাসুর পক্ষে নতুন কিছু যোগ করার অবকাশ নেই।"১

এটি এমন এক ধ্রুব সত্য যার যাথার্থ্য প্রমাণের জন্য আমরা কোনো প্রাচ্যবিদের বক্তব্যের মুখাপেক্ষী নই; বরং আমরা কেবল এই ব্যাকরণ এবং দীর্ঘ শতাব্দী ধরে আরবি ভাষাকে রক্ষা করার এবং একে বিশৃঙ্খলা ও বিকৃতি থেকে সুরক্ষা দেওয়ার ক্ষমতার প্রতি ইঙ্গিত করছি। ব্যাকরণ নিয়ে মানুষের এই সংশয়কে আমাদের চিন্তা থেকে ঝেড়ে ফেলার জন্য এটিই যথেষ্ট, এবং আমাদের উচিত অন্য কোনো স্থানে ব্যাধির মূল অনুসন্ধান করা।

--------------------------------------------

১ ইয়োহান ফুক: আল-আরাবিয়্যাহ, দিরাসাতুন ফিল লুগাহ ওয়াল লাহাজাত ওয়াল আসালিব, অনুবাদ: ড. আব্দুল হালিম আল-নাজ্জার, মাতবাআতুল খানজি, কায়রো ১৯৫১, পৃষ্ঠা ২।
(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ৮)
والمتتبعون لتاريخ العربية في العصر الحديث يعلمون أنها تعرضت لخطة مدروسة تستهدف القضاء عليها من خلال القضاء على نحوها، وظلت هذه الخطة تعمل عملها حتى وقر في أذهان الناس أن النحو العربي صار جامدا لا يساير العصر، وأن علينا أن نبحث عن نحو جديد، وظهرت إلى الوجود تجارب من هنا ومن هناك ماتت الواحدة منها بعد الأخرى، وظل النحو العربي هو هو دون أن يصل المخططون إلى ما يبغون من القضاء عليه.

على أننا لا ينبغي أن ننكر أن طريقة تدريس النحو في مدارسنا وفي جامعاتنا غير صالحة في نقل ما وضعه النحاة إلى الناشئة والدارسين، ولعل ضعف مدرس العربية ثمرة من ثمرات التخطيط الذي أشرنا إليه منذ قليل. فالعيب -في الحق- ليس في النحو العربي ولكنه يكمن فينا نحن لا جدال. ولقد رأينا شبابا من الأوربيين يتكلمون النحو العربي ويتقنونه ويرجعون فيه إلى مصادره الأولى، كما نرى كل يوم أعدادا لا حصر لها ممن يمارس اللغة فيتقنها كتابة وضبطا وأداء.

والنحو أساس ضروري لكل دراسة للحياة العربية، في الفقه والتفسير والأدب والفلسفة والتاريخ وغيرها من العلوم؛ لأنك لا تستطيع أن تدرك المقصود من نص لغوي دون معرفة بالنظام الذي تسير عليه هذه اللغة، يقول عبد القاهر: "إن الألفاظ مغلقة على معانيها حتى يكون الإعراب هو الذي يفتحها، وإن الأغراض كامنة فيها حتى يكون هو المستخرج لها، وإنه المعيار الذي لا يُتبين نقصان كلام ورجحانه حتى يُعرض عليه، والمقياس الذي لا يُعرف صحيح من سقيم حتى يرجع إليه، ولا ينكر ذلك إلا من ينكر حسه، وإلا من غالط في الحقائق نفسه"1.

--------------------------------------------

1 عبد القاهر الجرجاني، دلائل الإعجاز، مطبعة المنار 1331هـ، ص23.
আধুনিক যুগে আরবি ভাষার ইতিহাসের অনুসরণকারীরা জানেন যে, এই ভাষাটি তার ব্যাকরণকে ধ্বংস করার মাধ্যমে একে সমূলে বিনাশ করার একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের সম্মুখীন হয়েছে। এই ষড়যন্ত্রটি ততক্ষণ পর্যন্ত সক্রিয় ছিল যতক্ষণ না মানুষের মনে এই ধারণা বদ্ধমূল হয়েছে যে, আরবি ব্যাকরণ স্থবির হয়ে পড়েছে এবং তা যুগের সাথে তাল মেলাতে পারছে না, আর আমাদের উচিত একটি নতুন ব্যাকরণ খুঁজে বের করা। এরপর এখান থেকে ওখান থেকে কিছু নতুন অভিজ্ঞতার আবির্ভাব ঘটল যা একের পর এক বিলীন হয়ে গেল, কিন্তু আরবি ব্যাকরণ তার স্বকীয়তায় অটল থাকল এবং পরিকল্পনাকারীরা একে ধ্বংস করার যে হীন উদ্দেশ্য পোষণ করেছিল তাতে পৌঁছাতে পারল না।

তবে আমাদের এটি অস্বীকার করা উচিত নয় যে, আমাদের বিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ব্যাকরণ পাঠদানের পদ্ধতিটি ব্যাকরণবিদদের রচিত বিষয়সমূহ নতুন প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীদের মাঝে সঞ্চারিত করার ক্ষেত্রে অনুপযুক্ত। সম্ভবত আরবি ভাষার শিক্ষকের দুর্বলতা সেই ষড়যন্ত্রেরই একটি ফল যা আমরা ইতিপূর্বে উল্লেখ করেছি। প্রকৃতপক্ষে ত্রুটিটি আরবি ব্যাকরণের মধ্যে নয়, বরং নিঃসন্দেহে তা আমাদের নিজেদের মধ্যেই নিহিত। আমরা ইউরোপীয় যুবকদের দেখেছি যারা আরবি ব্যাকরণ অনুযায়ী কথা বলে, এতে পারদর্শিতা অর্জন করে এবং এর মূল উৎসগুলোর দিকে ফিরে যায়। ঠিক যেমন আমরা প্রতিদিন অগণিত মানুষকে দেখি যারা ভাষা চর্চা করে লেখা, ব্যাকরণগত নির্ভুলতা এবং উপস্থাপনায় পারদর্শী হয়ে উঠছে।

আরবি জীবনের প্রতিটি অধ্যয়ন—তা ফিকহ, তাফসির, সাহিত্য, দর্শন, ইতিহাস বা অন্যান্য বিজ্ঞান যাই হোক না কেন—ব্যাকরণ তার জন্য একটি অপরিহার্য ভিত্তি। কারণ এই ভাষার অনুসৃত নিয়মাবলী সম্পর্কে জ্ঞান না থাকলে আপনি কোনো ভাষাতাত্ত্বিক পাঠ্যের উদ্দেশ্য উপলব্ধি করতে পারবেন না। আব্দুল কাহির বলেন: "শব্দসমূহ তাদের অর্থের ওপর তালাবদ্ধ থাকে যতক্ষণ না ব্যাকরণিক বিশ্লেষণ (إعراب) তা উন্মোচন করে। আর উদ্দেশ্যসমূহ এর মাঝে নিহিত থাকে যতক্ষণ না ব্যাকরণ তা বের করে আনে। এটিই সেই মানদণ্ড যার কাছে পেশ করা ছাড়া বাক্যের ন্যূনতা বা শ্রেষ্ঠত্ব স্পষ্ট হয় না এবং এটিই সেই মাপকাঠি যার কাছে ফিরে যাওয়া ছাড়া সঠিক (صحيح) ও ত্রুটিযুক্ত (سقيم) নির্ণয় করা সম্ভব হয় না। কেবল সেই ব্যক্তিই একে অস্বীকার করে যে তার বিবেককে অস্বীকার করে অথবা যে সত্যের ব্যাপারে নিজের সাথে প্রতারণা করে"১।

--------------------------------------------

১ আব্দুল কাহির আল-জুরজানি, দালায়েলুল ইজাজ, মাতবাআতুল মানার ১৩৩১ হিজরি, পৃ. ২৩।
(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ৯)
ونحن نؤمن بضرورة تدريس النحو في جامعاتنا في مظانه القديمة إلى جانب الدرس التطبيقي، ولقد كان ذلك نهج القدماء قدموا لنا كتبا تضم أبواب النحو وتَوَفَّر عدد منهم على معالجة النصوص معالجة نحوية تطبيقية؛ فكثير من كتب التفسير يهتم بالقضايا النحوية في النص كما أفرد غير واحد كتبا خاصة في تحليل القراءات القرآنية تحليلا نحويا كما نعرف عن أبي علي الفارسي في كتابه "الحجة في القراءات السبع"، وعن تلميذه ابن جني في كتابه "المحتسب في تبيين وجوه شواذ القراءات والإيضاح عنها"، وكتب آخرون كتبا في إعراب القرآن مثل "إعراب القرآن" المنسوب إلى الزجاج، و"إعراب ثلاثين سورة من القرآن" لابن خالويه، و"إملاء ما من به الرحمن من وجوه الإعراب والقراءات في جميع القرآن" لأبي البقاء العكبري، كما كتب ابن جني شرحا نحويا لديوان المتنبي.

ومن هذه الطريقة، ومن الإيمان بضرورة تدريب الطلاب على درس النحو درسا تطبيقيا، نقدم هذا الكتاب وقد قسمناه بابين: أولهما عن الكلمة، وثانيهما عن الجملة، ثم ألحقنا به قسما خاصا عن بعض المتفرقات التي لها استعمالات معينة بالإضافة إلى نماذج إعرابية.

ويرى الدارس أننا نعتمد في عرض المادة النحوية على المصطلحات القديمة مع شرح ما تعنيه هذه المصطلحات بالأمثلة الموضحة وطريقة إعراب كل مثال، ثم ذيلنا كل قسم بتدريبات من القرآن الكريم، وغني عن البيان أن هذا الكتاب لا يعرض لشرح أبواب النحو جميعها على طريقة الكتب التفصيلية، وإنما يهدف إلى تقديم الاستعمالات المختلفة للجملة مع تحليلها تحليلا نحويا تطبيقيا، ولقد دلت التجربة على أن هذه الطريقة التطبيقية -بجانب الدرس اللغوي- تأخذ بيد الطالب إلى فهم أصول الجملة العربية وإلى إدراك نظامها ومن ثم إلى إتقان النحو إتقانا واضحا.

واللهَ نسألُ أن يجعل أعمالنا خالصة لوجهه.

والله وحده ولي التوفيق،،،

عبده الراجحي
আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রায়োগিক পাঠের (الدرس التطبيقي) পাশাপাশি প্রাচীন উৎসসমূহ থেকে নাহু (النحو) শিক্ষা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তায় বিশ্বাস করি। এটিই ছিল প্রাচীন পণ্ডিতদের পদ্ধতি; তাঁরা আমাদের কাছে এমন সব গ্রন্থ উপস্থাপন করেছেন যা নাহুর (النحو) বিভিন্ন অধ্যায়কে অন্তর্ভুক্ত করে। তাঁদের মধ্যে অনেকেই গ্রন্থসমূহের নাহুভিত্তিক প্রায়োগিক পর্যালোচনার (معالجة نحوية تطبيقية) কাজে আত্মنিয়োগ করেছিলেন। অনেক তাফসির গ্রন্থ মূল পাঠের নাহুভিত্তিক বিষয়াবলির প্রতি গুরুত্বারোপ করে, যেমন একাধিক লেখক কুরআনের কিরাতসমূহের (القراءات القرآنية) নাহুভিত্তিক বিশ্লেষণের জন্য বিশেষ গ্রন্থ রচনা করেছেন। যেমনটি আমরা জানি আবু আলি আল-ফারিসি তাঁর 'আল-হুজ্জাহ ফিল কিরাত আস-সাব' গ্রন্থে এবং তাঁর ছাত্র ইবনু জিন্নি তাঁর 'আল-মুহতাসিব ফি তাবিইনি ওয়ুজুহি সাওয়াজ্জিল কিরাত ওয়াল ইদাহি আনহা' গ্রন্থে করেছেন। অন্যান্যরা কুরআনের ইরাব (إعراب) বা ব্যাকরণিক বিশ্লেষণের ওপর গ্রন্থ লিখেছেন, যেমন আজ-জাজ্জাজ-এর প্রতি সম্বন্ধযুক্ত 'ইরাবুল কুরআন', ইবনু খালওয়াইহ-এর 'ইরাবু সালাছিনা সুরাতাম মিনাল কুরআন', এবং আবু আল-বাকা আল-উকবারি-র 'ইমলাউ মা মান্না বিহি আর-রাহমান মিন ওয়ুজুহিল ইরাবি ওয়াল কিরাতি ফি জামিইল কুরআন'। অনুরূপভাবে ইবনু জিন্নি মুতানাব্বি-র দিওয়ানের একটি নাহুভিত্তিক ব্যাখ্যা (شرح نحوي) লিখেছেন।

এই পদ্ধতির আলোকে এবং শিক্ষার্থীদেরকে প্রায়োগিক পদ্ধতিতে (درسا تطبيقيا) নাহু (النحو) পাঠে অভ্যস্ত করার প্রয়োজনীয়তার বিশ্বাস থেকে আমরা এই গ্রন্থটি পেশ করছি। আমরা একে দুটি অধ্যায়ে বিভক্ত করেছি: প্রথমটি শব্দ (الكلمة) সম্পর্কে এবং দ্বিতীয়টি বাক্য (الجملة) সম্পর্কে। অতঃপর আমরা এর সাথে কিছু বিবিধ বিষয়ের জন্য একটি বিশেষ অংশ যুক্ত করেছি যেগুলোর নির্দিষ্ট ব্যবহার রয়েছে, সাথে যুক্ত করা হয়েছে ইরাব সংক্রান্ত (إعرابية) কিছু নমুনা।

পাঠক দেখতে পাবেন যে, আমরা নাহুর (النحو) বিষয়বস্তু উপস্থাপনের ক্ষেত্রে প্রাচীন পরিভাষাগুলোর (المصطلحات القديمة) ওপর নির্ভর করেছি, পাশাপাশি উদাহরণ এবং প্রতিটি উদাহরণের ইরাব (إعراب) প্রদানের পদ্ধতির মাধ্যমে সেই পরিভাষাগুলোর অর্থ ব্যাখ্যা করেছি। এরপর আমরা প্রতিটি অংশকে কুরআনুল কারিমের অনুশীলনীর মাধ্যমে শেষ করেছি। এটি বলার অপেক্ষা রাখে না যে, এই গ্রন্থটি বিস্তারিত গ্রন্থসমূহের পদ্ধতিতে নাহুর (النحو) সকল অধ্যায়ের ব্যাখ্যা প্রদান করে না, বরং এর লক্ষ্য হলো বাক্যের বিভিন্ন ব্যবহারের প্রায়োগিক নাহুভিত্তিক বিশ্লেষণ (تحليل نحوي تطبيقي) উপস্থাপন করা। অভিজ্ঞতা এটি প্রমাণ করেছে যে, এই প্রায়োগিক পদ্ধতি—ভাষাতাত্ত্বিক পাঠের পাশাপাশি—শিক্ষার্থীকে আরবি বাক্যের মূলনীতিসমূহ (أصول الجملة) বুঝতে, এর শৃঙ্খলা অনুধাবন করতে এবং ফলস্বরূপ নাহু (النحو) শাস্ত্রে সুস্পষ্ট ব্যুৎপত্তি অর্জনে সহায়তা করে।

আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদের আমলসমূহকে কেবল তাঁর সন্তুষ্টির জন্য কবুল করেন।

আল্লাহই একমাত্র তাওফিকদাতা।

আবদুহ আল-রাজিহি
(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ১৩)
‌‌الباب الأول: الكلمة

1-‌‌ تحديد نوع الكلمة:

الجملة ميدان علم النحو؛ لأنه العلم الذي يدرس الكلمات في علاقة بعضها ببعض، وحين تكون الكلمة في جملة يصبح لها معنى نحوي؛ أي: تؤدي وظيفة معينة تتأثر بغيرها من الكلمات وتؤثر في غيرها أيضا. وأنت حين تقول: إن هذه الكلمة "فاعل" مثلا فإنك تعني أن قبلها "فعلا" بينه وبين الفاعل علاقة من نوع ما، وهكذا في بقية أبواب النحو.

النحو إذن لا يدرس أصوات الكلمات، ولا بنيتها، ولا دلالتها، وإنما يدرسها من حيث هي جزء في كلام تؤدي فيه عملا معينا.

على أن أهم خطوة في التحليل النحوي هي أن تحدد الكلمة، وعلى تحديدك لها يتوقف فهمك للجملة، ويتوقف صواب تحليلك من خطئه.

وأنت تعلم أن الكلمة العربية إما أن تكون اسما أو فعلا أو حرفا، فهي لا تخرج عن واحد من هذه الثلاثة. وعليك أن تسأل نفسك دائما:

ما نوع هذه الكلمة؟ أهي اسم أم فعل أم حرف؟

إن هذا السؤال له أهمية خاصة في التطبيق النحوي؛ لأن إجابتك عنه ستترب عليها كل خطواتك بعد ذلك.

وذلك:

- أن الكلمة إن كانت حرفا فهي مبنية ولا محل لها من الإعراب.

- إن كانت فعلا فقد تكون مبنية وقد تكون معربة، ولكن لا بد لها من معمولات تعمل فيها على ما سنعرفه تفصيلا.

- وإن كانت اسما فلا بد أن يكون لها موقع إعرابي، مبنية كانت أو معرفة.

فضلا عن أن نوع الكلمة يعينك على معرفة نوع الجملة التي هي مدار الدراسة النحوية.
প্রথম অধ্যায়: শব্দ

1-‌ শব্দের প্রকার নির্ধারণ:

বাক্য হলো ব্যাকরণ (النحو) শাস্ত্রের বিচরণক্ষেত্র; কারণ এটি এমন একটি শাস্ত্র যা শব্দসমূহের একটির সাথে অপরটির পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয়ে আলোচনা করে। যখন কোনো শব্দ বাক্যের অন্তর্ভুক্ত হয়, তখন তার একটি ব্যাকরণিক অর্থ তৈরি হয়; অর্থাৎ, এটি একটি নির্দিষ্ট ভূমিকা পালন করে যা অন্যান্য শব্দ দ্বারা প্রভাবিত হয় এবং নিজেও অন্য শব্দকে প্রভাবিত করে। আপনি যখন বলেন যে এই শব্দটি "কর্তা (فاعل)", তখন আপনার উদ্দেশ্য থাকে যে এর পূর্বে একটি "ক্রিয়া (فعل)" রয়েছে এবং সেই ক্রিয়া ও কর্তার মধ্যে এক ধরণের সম্পর্ক বিদ্যমান। ব্যাকরণ শাস্ত্রের অন্যান্য অধ্যায়ের বিষয়টিও এমনই।

অতএব, ব্যাকরণ শাস্ত্র শব্দের উচ্চারণরীতি, তার গঠন কাঠামো বা তার শাব্দিক অর্থ নিয়ে আলোচনা করে না, বরং এটি শব্দকে বাক্যের একটি অংশ হিসেবে আলোচনা করে যেখানে শব্দটি একটি নির্দিষ্ট ভূমিকা পালন করে।

ব্যাকরণিক বিশ্লেষণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো শব্দটিকে চিহ্নিত করা। আপনার শব্দ চিহ্নিতকরণের ওপরই বাক্যটি সঠিকভাবে বোঝা এবং আপনার বিশ্লেষণের শুদ্ধতা বা অশুদ্ধতা নির্ভর করে।

আপনি জানেন যে, আরবি শব্দ হয় বিশেষ্য (اسم), না হয় ক্রিয়া (فعل), অথবা অব্যয় (حرف) হয়ে থাকে। এটি এই তিন প্রকারের বাইরে যায় না। তাই আপনাকে সর্বদা নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে:

এই শব্দটি কোন প্রকারের? এটি কি বিশেষ্য (اسم), নাকি ক্রিয়া (فعل), নাকি অব্যয় (حرف)?

ব্যাকরণিক প্রয়োগের ক্ষেত্রে এই প্রশ্নটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে; কারণ এর উত্তরের ওপরই পরবর্তী সকল ধাপ নির্ভর করবে।

আর তা হলো:

- শব্দটি যদি অব্যয় (حرف) হয়, তবে তা অপরিবর্তনীয় (مبني) এবং বাক্যে তার কোনো ব্যাকরণিক স্থান (محل من الإعراب) থাকে না।

- যদি শব্দটি ক্রিয়া (فعل) হয়, তবে তা অপরিবর্তনীয় (مبني) হতে পারে আবার রূপান্তরযোগ্য (معرب) হতে পারে। তবে এর জন্য অবশ্যই এমন কিছু প্রভাবিত পদ (معمولات) থাকতে হবে যাতে এটি ক্রিয়াশীল হয়, যা আমরা বিস্তারিতভাবে জানব।

- আর যদি শব্দটি বিশেষ্য (اسم) হয়, তবে তার অবশ্যই একটি ব্যাকরণিক অবস্থান থাকতে হবে, চাই তা অপরিবর্তনীয় (مبني) হোক বা রূপান্তরযোগ্য (معرب) হোক।

তাছাড়া শব্দের প্রকারভেদ আপনাকে বাক্যের ধরণ বুঝতে সাহায্য করে, যা ব্যাকরণিক আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু।
(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ১৪)
ولننظر في الأمثلة التالية:

1- ما جاء علي.

2- {مَا هَذَا بَشَرًا} .

3- إنما محمد رسول.

4- {فَبِمَا رَحْمَةٍ مِنَ اللَّهِ لِنْتَ لَهُمْ} .

5- {يُسَبِّحُ لِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ} .

6- ما أدراك أن عليا قادم؟

7- ما أكلت اليوم؟

8- ما أجمل السماء!

فأنت ترى أن الكلمة المشتركة في هذه الجمل هي "ما"، ولكن نوعها في بعض الجمل يختلف عنه في الجمل الأخرى:

1- فهي في الجملة الأولى حرف نفي لا محل له من الإعراب، ولا تأثير لها على بقية كلمات الجملة إلا من ناحية المعنى وهو النفي.

2- وهي في الجملة الثانية حرف نفي لا محل له من الإعراب، ولكنها عاملة عمل ليس؛ أي: أنها تؤثر على كلمات الجملة، فكلمة "هذا" اسمها مبني على السكون في محل رفع، وكلمة "بشرا" خبرها منصوب بالفتحة.

3- وهي في الجملة الثالثة حرف كافّ لا محل له من الإعراب، كفَّ "إن" عن العمل.

4- وهي في الجملة الرابعة حرف زائد بين حرف الجر والمجرور.

5- وهي في الجملة الخامسة اسم موصول مبني على السكون في محل رفع؛ لأنه فاعل للفعل "يسبح".
চলুন নিচের উদাহরণগুলো লক্ষ্য করি:

1- আলী আসেনি।

2- {এ তো মানুষ নয়} ।

3- মুহাম্মাদ তো কেবল একজন রসূল।

4- {আল্লাহর দয়ার কারণেই আপনি তাদের প্রতি কোমল হয়েছিলেন} ।

5- {আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে, সবই আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করে} ।

6- আলী যে আসছে, তা তুমি কীভাবে জানলে?

7- আজ তুমি কী খেয়েছ?

8- আকাশ কতই না সুন্দর!

আপনি দেখতে পাচ্ছেন যে, এই বাক্যগুলোতে সাধারণ শব্দটি হলো "মা", কিন্তু বাক্যভেদে এর প্রকার অন্য বাক্যগুলো থেকে ভিন্ন:<

1- প্রথম বাক্যে এটি একটি না-বোধক অব্যয় যার কোনো ই’রাবি স্থান নেই এবং অর্থগত দিক থেকে ‘না’ বোধক করা ছাড়া বাক্যের অবশিষ্ট শব্দগুলোর ওপর এর কোনো প্রভাব নেই।

2- দ্বিতীয় বাক্যে এটি একটি না-বোধক অব্যয় যার কোনো ই’রাবি স্থান নেই, কিন্তু এটি ‘লাইসা’-এর ন্যায় আমলকারী; অর্থাৎ এটি বাক্যের শব্দগুলোর ওপর প্রভাব ফেলে। ফলে "হাজা" শব্দটি সুকুন-যুক্ত হওয়ার কারণে মারফু হওয়ার স্থানে এর ‘ইসিম’ হিসেবে এবং "বাশারান" শব্দটি ফাতহা দ্বারা মানসুব হয়ে এর ‘খবর’ হিসেবে গণ্য হয়েছে।

3- তৃতীয় বাক্যে এটি একটি কার্যবিরতি প্রদানকারী অব্যয় যার কোনো ই’রাবি স্থান নেই, যা "ইন্না"-কে আমল করা থেকে বিরত রেখেছে।

4- চতুর্থ বাক্যে এটি হরফে জর এবং মাজরুর-এর মধ্যবর্তী একটি অতিরিক্ত অব্যয়।

5- পঞ্চম বাক্যে এটি একটি সম্বন্ধসূচক বিশেষ্য যা সুকুন-যুক্ত এবং মারফু হওয়ার স্থানে অবস্থিত; কারণ এটি "ইউসাব্বিহু" ক্রিয়ার ফায়িল।
(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ১৫)
6- وهي في الجملة السادسة اسم استفهام مبني على السكون في محل رفع مبتدأ، ولا بد أن يكون له خبر، والخبر هو الجملة الفعلية بعده.

7- وهي في الجملة السابعة اسم استفهام مبني على السكون في محل نصب مفعول به للفعل بعده.

8- وهي في الجملة الثامنة اسم تعجب مبني على السكون في محل رفع مبتدأ، والجملة الفعلية بعده خبر.

ثم لننظر في الأسئلة الآتية:

1- هل حضر علي؟

2- متى حضر علي؟

3- مَن حضر اليوم؟

كلمة "هل" حرف استفهام لا محل له من الإعراب.

وكلمة "متى" اسم استفهام مبني على السكون في محل نصب ظرف زمان.

وكلمة "من" اسم استفهام مبني على السكون في محل رفع مبتدأ.

ومعنى ذلك أن كلمات الاستفهام ليست نوعا واحدا؛ فقد تكون حرفا أو اسما، وهي حين تكون اسما لا تكون في موقع إعرابي واحد، فقد تكون في محل رفع أو نصب أو جر.

فأنت ترى إذن أن تحديدك لنوع الكلمة يترتب عليه فهمك لموقعها ولوظيفتها في الجملة ولعلاقتها بالكلمات الأخرى مما يهديك في النهاية إلى المعنى المقصود، وهو الغاية الأساسية للدارسة النحوية.

ملحوظة: يخطئ بعض الدارسين حين يستعمل في دراسة النحو كلمة "أداة"، فيقول: أداة استفهام أو أداة نفي أو أداة شرط، وذلك كله خطأ؛ لأن الكلمة العربية -كما حددها النحاة- ليس فيها أداة، وإنما هي اسم أو فعل أو حرف ليس غير، ولو أنك أعربت الأمثلة الأخيرة وقلت عن "هل -
6- এবং এটি ষষ্ঠ বাক্যে একটি প্রশ্নবোধক বিশেষ্য (اسم استفهام), যা সুকুন দ্বারা অপরিবর্তনীয় (مبني على السكون) এবং মুবতাদা (مبتدأ) হিসেবে রফ-এর অবস্থানে (في محل رفع مبتدأ) অবস্থিত। আর এর জন্য অবশ্যই একটি খবর (خبر) থাকতে হবে এবং খবরটি হলো এর পরবর্তী ক্রিয়াধর্মী বাক্যটি (الجملة الفعلية)।

7- এবং এটি সপ্তম বাক্যে একটি প্রশ্নবোধক বিশেষ্য (اسم استفهام), যা সুকুন দ্বারা অপরিবর্তনীয় (مبني على السكون) এবং পরবর্তী ক্রিয়ার মাফউল বিহি (مفعول به) হিসেবে নাসব-এর অবস্থানে (في محل نصب مفعول به) অবস্থিত।

8- এবং এটি অষ্টম বাক্যে একটি বিস্ময়সূচক বিশেষ্য (اسم تعجب), যা সুকুন দ্বারা অপরিবর্তনীয় (مبني على السكون) এবং মুবতাদা (مبتدأ) হিসেবে রফ-এর অবস্থানে (في محل رفع مبتدأ) অবস্থিত এবং পরবর্তী ক্রিয়াধর্মী বাক্যটি (الجملة الفعلية) হলো এর খবর (خبر)।

অতঃপর আমরা নিম্নোক্ত প্রশ্নগুলোর দিকে লক্ষ্য করি:

1- আলি কি উপস্থিত হয়েছে?

2- আলি কখন উপস্থিত হয়েছে?

3- আজ কে উপস্থিত হয়েছে?

"হাল" (هل) শব্দটি একটি প্রশ্নবোধক অব্যয় (حرف استفهام), যার ব্যাকরণগত বিশ্লেষণে (الإعراب) কোনো স্থান নেই।

এবং "মাতা" (متى) শব্দটি একটি প্রশ্নবোধক বিশেষ্য (اسم استفهام), যা সুকুন দ্বারা অপরিবর্তনীয় (مبني على السكون) এবং সময়ের পরিচায়ক (ظرف زمان) হিসেবে নাসব-এর অবস্থানে (في محل نصب ظرف زمان) অবস্থিত।

এবং "মান" (من) শব্দটি একটি প্রশ্নবোধক বিশেষ্য (اسم استفهام), যা সুকুন দ্বারা অপরিবর্তনীয় (مبني على السكون) এবং মুবতাদা (مبتدأ) হিসেবে রফ-এর অবস্থানে (في محل رفع مبتدأ) অবস্থিত।

এর অর্থ এই যে, প্রশ্নবোধক শব্দগুলো কোনো একই প্রকারের নয়; সেগুলো অব্যয় (حرف) হতে পারে অথবা বিশেষ্য (اسم) হতে পারে। আর সেগুলো যখন বিশেষ্য (اسم) হয়, তখন ব্যাকরণগত অবস্থানে (موقع إعرابي) সর্বদা এক থাকে না; বরং কখনো রফ (رفع), কখনো নাসব (نصب) আবার কখনো জর (جر)-এর অবস্থানে হতে পারে।

অতএব আপনি দেখতে পাচ্ছেন যে, শব্দের প্রকারভেদ নির্ধারণের ওপরই বাক্যে তার অবস্থান ও ভূমিকা এবং অন্যান্য শব্দের সাথে তার সম্পর্কের উপলব্ধি নির্ভর করে, যা শেষ পর্যন্ত আপনাকে কাঙ্ক্ষিত অর্থের দিকে পরিচালিত করে। আর এটিই ব্যাকরণগত (النحوية) গবেষণার মূল লক্ষ্য।

দ্রষ্টব্য: কিছু শিক্ষার্থী ব্যাকরণ (النحو) চর্চায় 'উপকরণ' (أداة) শব্দটি ব্যবহার করে ভুল করেন। যেমন তারা বলেন: প্রশ্নবোধক উপকরণ (أداة استفهام), না-বোধক উপকরণ (أداة نفي) অথবা শর্তসূচক উপকরণ (أداة شرط)। এগুলোর সবই ভুল; কারণ আরবি শব্দ—যেমনটি ব্যাকরণবিদগণ (النحاة) নির্ধারণ করেছেন—তার মধ্যে উপকরণ (أداة) বলে কিছু নেই। বরং শব্দ কেবল বিশেষ্য (اسم), ক্রিয়া (فعل) অথবা অব্যয় (حرف) হতে পারে। এমনকি আপনি যদি সর্বশেষ উদাহরণগুলোর ব্যাকরণগত বিশ্লেষণ (إعراب) করতে গিয়ে "হাল" (هل) সম্পর্কে বলেন—
(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ১৬)
متى - من" إنها أداة استفهام لما أعانك ذلك على معرفة موقعها الإعرابي، ولا ارتباطها بما يتلوها من كلمات.

"কখন - কে" এটি কেবল একটি প্রশ্নবোধক অব্যয় (أداة استفهام); যা আপনাকে এর বাক্যতাত্ত্বিক অবস্থান (موقع إعرابي) নির্ণয়ে কোনো সহায়তা করবে না এবং এর পরবর্তী শব্দসমূহের সাথে এর সংশ্লিষ্টতা অনুধাবনেও কোনো ভূমিকা রাখবে না।

(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ১৭)
2-‌‌ حالة الكلمة "الإعراب والبناء":

والكلمة المعربة هي الكلمة التي يتغير آخرها لتغير العامل، أما الكلمة المبنية فهي التي لا يتغير آخرها مهما يتغير عليها من عوامل.

مثلا:

حضر زيدٌ حضر هذا

رأيتُ زيدًا رأيت هذا

مررتُ بزيدٍ مررت بهذا

كلمة "زيد" تغير شكل آخرها لتغير العوامل التي هي "حضر - رأيت - مررت بـ" وهي بذلك كلمة معربة، على حين بقيت كلمة "هذا" دون تغيير رغم تغير العوامل نفسها؛ فهي إذن كلمة مبنية.

وكل كلمة لا تخرج عن حالة من هاتين الحالتين؛ فهي إما مبنية وإما معربة، وليست هناك حالة ثالثة، كما أن الكلمة لا تكون مبنية ومعربة في وقت واحد.

ولننظر في المثال التالي:

ذهب محمد إلى المدينة صباحا.

فإذا أعربنا هذه الجملة قلنا:

ذهب: فعل ماضٍ مبني على الفتح.

محمد: فاعل مرفوع بالضمة الظاهرة.

إلى: حرف جر مبني على السكون لا محل له من الإعراب.

المدينة: مجرور بإلى وعلامة جره الكسرة الظاهرة.

صباحا: ظرف زمان منصوب بالفتحة الظاهرة.
২-‌‌ শব্দের অবস্থা: "ব্যাকরণিক পরিবর্তনশীলতা (إعراب) এবং অপরিবর্তনশীলতা (بناء)":

পরিবর্তনশীল (معرب) শব্দ হলো সেই শব্দ, যার শেষাংশ প্রভাবক (عامل)-এর পরিবর্তনের কারণে পরিবর্তিত হয়। পক্ষান্তরে, অপরিবর্তনশীল (مبني) শব্দ হলো সেটি, যার শেষাংশ তার ওপর আসা প্রভাবকগুলোর (عوامل) পরিবর্তন সত্ত্বেও কোনো অবস্থাতেই পরিবর্তিত হয় না।

উদাহরণস্বরূপ:

যায়েদ উপস্থিত হয়েছে, এই ব্যক্তি উপস্থিত হয়েছে

আমি যায়েদকে দেখেছি, আমি একে দেখেছি

আমি যায়েদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করেছি, আমি এর পাশ দিয়ে অতিক্রম করেছি

"যায়েদ" শব্দটির শেষাংশের রূপ পরিবর্তিত হয়েছে "হাজারা - রাইতু - মারারতু বি" নামক প্রভাবকগুলোর (عوامل) পরিবর্তনের কারণে, ফলে এটি একটি পরিবর্তনশীল (معرب) শব্দ। অন্যদিকে, "হাযা" শব্দটি একই প্রভাবকগুলো থাকা সত্ত্বেও কোনো পরিবর্তন ছাড়াই অপরিবর্তিত রয়ে গেছে; সুতরাং এটি একটি অপরিবর্তনশীল (مبني) শব্দ।

প্রতিটি শব্দই এই দুটি অবস্থার যেকোনো একটির অন্তর্ভুক্ত; সেটি হয় অপরিবর্তনশীল (مبني) হবে অথবা পরিবর্তনশীল (معرب) হবে। এর বাইরে তৃতীয় কোনো অবস্থা নেই এবং একটি শব্দ একই সাথে অপরিবর্তনশীল ও পরিবর্তনশীল হতে পারে না।

আসুন আমরা নিচের উদাহরণটি লক্ষ্য করি:

মুহাম্মদ সকালে শহরের দিকে গিয়েছে।

যদি আমরা এই বাক্যটির ব্যাকরণিক বিশ্লেষণ (إعراب) করি, তবে বলব:

দাহাবা: ফাতাহ-এর ওপর ভিত্তি করে অপরিবর্তনশীল (مبني على الفتح) এমন একটি অতীতকালীন ক্রিয়া (فعل ماضٍ)।

মুহাম্মদ: দৃশ্যমান দাম্মাহ (الضمة الظاهرة) দ্বারা রফা-প্রাপ্ত (مرفوع) হওয়া একজন কর্তা (فاعل)।

ইলা: সুকুন-এর ওপর ভিত্তি করে অপরিবর্তনশীল (مبني على السكون) এমন একটি অব্যয় (حرف جر), ব্যাকরণিক বিশ্লেষণে যার কোনো স্থান নেই (لا محل له من الإعراب)।

আল-মদিনাহ: ইলা দ্বারা জর-প্রাপ্ত (مجرور) এবং এর জর-এর চিহ্ন হলো দৃশ্যমান কাসরাহ (الكسرة الظاهرة)।

সাবাহান: দৃশ্যমান ফাতাহ (الفتحة الظاهرة) দ্বারা নসব-প্রাপ্ত (منصوب) এমন একটি কালবাচক ক্রিয়া বিশেষণ (ظرف زمان)।
(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ১৮)
فأنت ترى أن الكلمتين "ذهب" و"إلى" كلمتان مبنيتان، وأن الكلمات "محمد" و"المدينة" و"صباحا" كلمات معربة.

وينبغي أن تكون مدققا في استعمال العبارات التي تستخدمها في كل من الإعراب والبناء، ولعلك لاحظت أنا نقول:

مبني على الفتح، ولم نقل: مبني بالفتحة أو على الفتحة.

ومرفوع بالضمة، ولم نقل: مرفوع بالضم أو على الضم.

ففي حالة البناء نقول:

مبني على الضم.

مبني على الكسر.

مبني على الفتح.

مبني على السكون.

وفي حالة الإعراب لا بد أن نذكر كلمة مرفوع أو منصوب أو مجرور أو مجزوم فنقول:

مرفوع بالضمة.

منصوب بالفتحة.

مجرور بالكسرة.

مجزوم بالسكون.
সুতরাং আপনি দেখছেন যে "জাহাবা" এবং "ইলা" শব্দ দুটি অপরিবর্তনীয় (মাবনি), আর "মুহাম্মাদ", "আল-মদিনা" এবং "সাবাহান" শব্দগুলো পরিবর্তনশীল (মু'রাব)।

ইরাব (শব্দরূপের পরিবর্তন) এবং বিনা (শব্দরূপের অপরিবর্তনীয়তা)—উভয় ক্ষেত্রে আপনি যে শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করবেন, সেগুলোর প্রয়োগে আপনাকে অত্যন্ত সতর্ক হতে হবে। সম্ভবত আপনি লক্ষ্য করেছেন যে আমরা বলে থাকি:

ফাতহ-এর ওপর ভিত্তি করে মাবনি; আমরা "ফাতহা দ্বারা মাবনি" বা "ফাতহার ওপর ভিত্তি করে মাবনি" বলি না।

এবং দাম্মাহ দ্বারা মারফু; আমরা "দাম্ম দ্বারা মারফু" বা "দাম্ম-এর ওপর মারফু" বলি না।

সুতরাং অপরিবর্তনীয়তার (বিনা) ক্ষেত্রে আমরা বলি:

দাম্ম-এর ওপর ভিত্তি করে মাবনি।

কাসর-এর ওপর ভিত্তি করে মাবনি।

ফাতহ-এর ওপর ভিত্তি করে মাবনি।

সুকুন-এর ওপর ভিত্তি করে মাবনি।

আর শব্দরূপ পরিবর্তনের (ইরাব) ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই মারফু, মানসুব, মাজরুর অথবা মাজজুম শব্দগুলো উল্লেখ করতে হবে। যেমন আমরা বলি:

দাম্মাহ দ্বারা মারফু।

ফাতহা দ্বারা মানসুব।

কাসরাহ দ্বারা মাজরুর।

সুকুন দ্বারা মাজজুম।
(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ১৯)
3-‌‌ الإعراب:

الإعراب هو العلامة التي تقع في آخر الكلمة وتحدد موقعها من الجملة؛ أي: تحدد وظيفتها فيها، وهذه العلامة لا بد أن يتسبب فيها عامل معين، ولما كان موقع الكلمة يتغير حسب المعنى المراد كما تتغير العوامل، فإن علامة الإعراب تتغير كذلك.

ففي الجملة السابقة "ذهب محمد إلى المدينة صباحا" نرى أن كلمة "محمد" مرفوعة بالضمة، وهي علامة إعرابها التي دلت على موقعها أو وظيفتها وهي كونها فاعلا، فكلمة "محمد" هي المعرب، والفعل "ذهب" هو العامل، والضمة علامة الإعراب.

وكذلك كلمة "المدينة" اسم مجرور بالكسرة، فهو معرب، والعامل هو الحرف "إلى"، والكسرة علامة الإعراب. وكلمة "صباحا" ظرف منصوب بالفتحة، فهي اسم معرب، والعامل فيه هو الفعل "ذهب"، والفتحة علامة الإعراب. وكل اسم من هذه الأسماء المعربة معمول للعامل الذي عمل فيه الإعراب.

فالإعراب -إذن- له أركان لا بد أن تكون محيطا بها عند إعرابك الكلمة، وهي:

1- عامل: وهو الذي يجلب العلامة.

2- معمول: وهو الكلمة التي تقع في آخرها العلامة.

3- موقع: وهو الذي يحدد معنى الكلمة -أي وظيفتها- مثل الفاعلية والمفعولية والظرفية وغيرها.

4- علامة: وهي التي ترمز إلى كل موقع على ما تعرفه في أبواب النحو.
৩-‌‌ ই’রাব (الإعراب):

ই’রাব (الإعراب) হলো এমন একটি চিহ্ন (العلامة) যা শব্দের (الكلمة) শেষে যুক্ত হয় এবং বাক্যে (الجملة) তার অবস্থান (الموقع) নির্ধারণ করে; অর্থাৎ এটি বাক্যে শব্দটির কাজ বা ভূমিকা নির্ধারণ করে। এই চিহ্নটি আসার জন্য একটি নির্দিষ্ট আমিল বা প্রভাবক (عامل) থাকা আবশ্যক। যেহেতু উদ্দিষ্ট অর্থ অনুযায়ী শব্দের অবস্থান পরিবর্তিত হয় এবং প্রভাবকসমূহও পরিবর্তিত হয়, তাই ই’রাবের চিহ্নও (علامة الإعراب) একইভাবে পরিবর্তিত হয়।

পূর্ববর্তী বাক্য "যাহাবা মুহাম্মাদুন ইলাল মাদিনাতি সাবাহান" (ذهب محمد إلى المدينة صباحا)-এ আমরা দেখতে পাই যে, "মুহাম্মাদ" শব্দটি দম্মাহ (الضمة) দ্বারা রফা-প্রাপ্ত (مرفوع) হয়েছে। এটিই তার ই’রাবের চিহ্ন যা তার অবস্থান বা ভূমিকা নির্দেশ করছে, আর তা হলো তার ফায়িল বা কর্তা (فاعل) হওয়া। সুতরাং "মুহাম্মাদ" শব্দটি হলো মু’রাব বা পরিবর্তনশীল শব্দ (المعرب), আর "যাহাবা" (ذهب) ক্রিয়াটি হলো আমিল বা প্রভাবক (العامل), এবং দম্মাহ (الضمة) হলো ই’রাবের চিহ্ন (علامة الإعراب)।

তদ্রূপ "আল-মাদিনা" শব্দটি কাসরাহ (الكسرة) দ্বারা জর-প্রাপ্ত (مجرور) একটি বিশেষ্য (اسم)। সুতরাং এটি একটি মু’রাব (معرب) শব্দ, এর আমিল (العامل) হলো "ইলা" (إلى) অব্যয়টি এবং কাসরাহ (الكسرة) হলো ই’রাবের চিহ্ন (علامة الإعراب)। এবং "সাবাহান" শব্দটি ফাতহাহ (الفتحة) দ্বারা নসব-প্রাপ্ত (منصوب) একটি যরফ (ظرف), এটি একটি মু’রাব (معرب) বিশেষ্য। এর মধ্যে আমিল (العامل) হলো "যাহাবা" (ذهب) ক্রিয়াটি এবং ফাতহাহ (الفتحة) হলো ই’রাবের চিহ্ন (علامة الإعراب)। এই মু’রাব (معرب) বিশেষ্যগুলোর প্রত্যেকটিই সেই আমিলের মামূল (معمول) বা প্রভাবিত শব্দ, যা তার মধ্যে ই’রাবের কার্য সম্পাদন করেছে।

অতএব, ই’রাবের এমন কিছু রুকন বা মৌলিক উপাদান (أركان) রয়েছে যা কোনো শব্দের ই’রাব করার সময় আপনার অবগত থাকা আবশ্যক। সেগুলো হলো:

১- আমিল (عامل): যা চিহ্নটিকে আনয়ন করে।

২- মামূল (معمول): এটি এমন শব্দ যার শেষে চিহ্নটি প্রকাশ পায়।

৩- অবস্থান (موقع): যা শব্দের অর্থ তথা তার ভূমিকা নির্ধারণ করে—যেমন: ফায়িল বা কর্তা হওয়া (الفاعلية), মাফউল বা কর্ম হওয়া (المفعولية), যরফ হওয়া (الظرفية) ইত্যাদি।

৪- চিহ্ন (علامة): যা ইলমে নাহুর (النحو) অধ্যায়সমূহে আপনার পরিচিত প্রতিটি অবস্থানকে নির্দেশ করে।
(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ২০)
ملحوظة: ليس من هدف هذا الكتاب تقديم معالجات نظرية، لكننا نلفت إلى أن العامل عنصر جوهري في الفكر النحوي العربي.
দ্রষ্টব্য: এই গ্রন্থের লক্ষ্য তাত্ত্বিক কোনো আলোচনা উপস্থাপন করা নয়, বরং আমরা এ বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যে, ‘আমিল’ হলো আরবি ব্যাকরণিক চিন্তাধারার একটি মৌলিক উপাদান।
(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ২১)
4-‌‌ علامات الإعراب:

يحدد النحاة الكلمة المعربة بأنها الاسم المتمكن والفعل المضارع غير المتصل بنون التوكيد أو نون النسوة.

والاسم -كما تعلم- ينقسم قسمين: اسم متمكن، واسم غير متمكن. أما الاسم المتمكن فهو الذي لا يختلط بالحرف، وهو الذي إذا نطقته جلب إلى ذهنك على الفور صورة الشيء الذي يدل عليه دون التباسه بحرف من الحروف؛ فأنت حين تقول: "رجل - كتاب - شجرة" فإن كل كلمة منها لا تشبه الفعل ولا الحرف بأي وجه من وجوه الشبه، وبخاصة في بنيتها. وهذا النوع من الأسماء هو الاسم المعرب، وكل واحد منها يسمى اسما متمكنا.

فالمعربات إذن هي:

1- الاسم المتمكن.

2- الفعل المضارع غير المتصل بنون التوكيد أو بنون النسوة.

وللإعراب حالات أربع، لكل منها علامة خاصة، هي:

1- الرفع وعلامته الضمة.

2- النصب وعلامته الفتحة.

3- الجر وعلامته الكسرة.

4- الجزم وعلامته السكون.

وهذه العلامات هي التي تُعرف بالإعراب بالحركات.

ولنتدرب الآن على أمثلة لكل حالة:

1- يقرأ محمد كتابا.

يقرأ: فعل مضارع مرفوع بالضمة الظاهرة.
৪-‌‌ ই'রাব বা রূপান্তরের চিহ্নসমূহ (علامات الإعراب):

ব্যাকরণবিদগণ (النحاة) পরিবর্তনশীল শব্দকে (الكلمة المعربة) সুদৃঢ় বিশেষ্য (الاسم المتمكن) এবং নূনে তাকিদ (نون التوكيد) বা নূনে নিসওয়া (نون النسوة) যুক্ত হয়নি এমন বর্তমান ও ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়া (الفعل المضارع) হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেন।

এবং বিশেষ্য (الاسم) -যেমনটি আপনি জানেন- দুই ভাগে বিভক্ত: সুদৃঢ় বিশেষ্য (اسم متمكن) এবং অসমর্থ বা অপরিবর্তনশীল বিশেষ্য (اسم غير متمكن)। সুদৃঢ় বিশেষ্য (الاسم المتمكن) হলো সেই শব্দ যা অব্যয়ের (الحرف) সাথে সাদৃশ্য রাখে না এবং যা উচ্চারণ করলে কোনো ধরনের সংশয় ছাড়াই আপনার মনে তৎক্ষণাৎ সেই বস্তুর প্রতিচ্ছবি ভেসে ওঠে যাকে সেটি নির্দেশ করে; যেমন আপনি যখন বলেন: "ব্যক্তি (رجل) - বই (كتاب) - গাছ (شجرة)", তখন এই শব্দগুলোর কোনটিই গঠনগত দিক থেকে কোনোভাবেই ক্রিয়া (الفعل) বা অব্যয়ের (الحرف) সাথে সদৃশ হয় না। এই ধরনের বিশেষ্যগুলোই হলো রূপান্তরযোগ্য বিশেষ্য (الاسم المعرب), এবং এর প্রত্যেকটিকে সুদৃঢ় বিশেষ্য (اسما متمكنا) বলা হয়।

সুতরাং রূপান্তরযোগ্য শব্দগুলো (المعربات) হলো:

১- সুদৃঢ় বিশেষ্য (الاسم المتمكن)।

২- নূনে তাকিদ (نون التوكيد) বা নূনে নিসওয়া (نون النسوة) যুক্ত হয়নি এমন বর্তমান ও ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়া (الفعل المضارع)।

ই'রাব বা রূপান্তরের অবস্থা চারটি, যার প্রত্যেকটির জন্য নির্দিষ্ট চিহ্ন রয়েছে, সেগুলো হলো:

১- রফ' (الرفع) এবং এর চিহ্ন হলো পেশ (الضمة)।

২- নসব (النصب) এবং এর চিহ্ন হলো জবর (الفتحة)।

৩- জর (الجر) এবং এর চিহ্ন হলো যের (الكسرة)।

৪- জজম (الجزم) এবং এর চিহ্ন হলো সুকুন (السكون)।

এই চিহ্নগুলোই স্বরচিহ্নের মাধ্যমে ই'রাব (الإعراب بالحركات) হিসেবে পরিচিত।

এখন আমরা প্রতিটি অবস্থার উদাহরণ নিয়ে অনুশীলন করি:

১- মুহাম্মাদ একটি বই পড়ছে (يقرأ محمد كتابا)।

পড়ছে (يقرأ): দৃশ্যমান পেশ (الضمة الظاهرة) দ্বারা রফ'যুক্ত (مرفوع) বর্তমান ও ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়া (فعل مضارع)।
(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ২২)
محمد: فاعل مرفوع بالضمة الظاهرة.

كتابا: مفعول به منصوب بالفتحة الظاهرة.

2- يقرأ محمد في البيت كتاب النحو.

في: حرف جر مبني على السكون لا محل له من الإعراب.

البيت: اسم مجرور بفي وعلامة جره الكسرة الظاهرة.

كتاب: مفعول به منصوب بالفتحة، وهو مضاف.

النحو: مضاف إليه مجرور بالكسرة الظاهرة.

وأنت تعلم أن جمع المؤنث السالم ينصب بالكسرة نيابة عن الفتحة، وأن الممنوع من الصرف يجر بالفتحة نيابة عن الكسرة، فتقول:

رأيت شجراتٍ مثمرةً في أماكن كثيرة.

شجرات: مفعول به منصوب بالكسرة نيابة عن الفتحة؛ لأنه جمع مؤنث سالم.

مثمرة: صفة منصوبة بالفتحة الظاهرة.

في: حرف جر مبني على السكون لا محل له من الإعراب.

أماكن: مجرور بفي وعلامة جره الفتحة نيابة عن الكسرة؛ لأنه ممنوع من الصرف.

كثيرة: صفة مجرورة بالكسرة الظاهرة.

"أنت ترى أننا أعربنا الصفة حسب أصل الموصوف، فكلمة "مثمرة" صفة لكلمة "شجيرات" وهي منصوبة، والأصل في النصب هو الفتحة، أما الكسرة فقد جاءت لسبب عارض وهو كون الكلمة جمع مؤنث سالما، وكذلك الحال بالنسبة للصفة الثانية وموصوفها: أماكن كثيرة".

وهناك علامات أخرى غير هذه الحركات وهي التي نسميها الإعراب بالحروف، وهي الألف والواو والياء والنون.

فالمثنى يرفع بالألف وينصب ويجر بالياء.
মুহাম্মদ: স্পষ্ট পেশ (ضمة) দ্বারা মারফু (مرفوع) হওয়া কর্তা (فاعل)।

কিতাবান: স্পষ্ট জবর (فتحة) দ্বারা মানসুব (منصوب) হওয়া কর্মপদ (مفعول به)।

২- মুহাম্মদ ঘরে নাহু শাস্ত্রের বই পড়ছে।

ফী: সুকুন (سكون)-এর ওপর ভিত্তি করে গঠিত অব্যয় বা হারফে জার (حرف جر), যার বাক্যরীতিতে (إعراب) কোনো স্থান নেই।

আল-বাইত: ‘ফী’ দ্বারা মাজরুর (مجرور) হওয়া বিশেষ্য (اسم) এবং এর মাজরুর হওয়ার চিহ্ন হলো স্পষ্ট যের (كسرة)।

কিতাব: জবর (فتحة) দ্বারা মানসুব (منصوب) হওয়া কর্মপদ (مفعول به), এবং এটি মুদাফ (مضاف)।

আন-নাহু: স্পষ্ট যের (كسرة) দ্বারা মাজরুর (مجرুর) হওয়া মুদাফ ইলাইহি (مضاف إليه)।

আপনি অবগত আছেন যে, অপরিবর্তিত স্ত্রীবাচক বহুবচন (جمع المؤنث السالم)-এর ক্ষেত্রে জবর (فتحة)-এর স্থলাভিষিক্ত হিসেবে যের (كسرة) দ্বারা নসব (نصب) প্রদান করা হয় এবং রূপান্তরহীন বিশেষ্য (الممنوع من الصرف)-এর ক্ষেত্রে যের (كسرة)-এর স্থলাভিষিক্ত হিসেবে জবর (فتحة) দ্বারা জার (جر) প্রদান করা হয়। যেমন আপনি বলবেন:

আমি অনেক স্থানে ফলবতী গাছ দেখেছি।

শাজারাতি: জবর (فتحة)-এর পরিবর্তে যের (كسرة) দ্বারা মানসুব (منصوب) হওয়া কর্মপদ (مفعول به); কারণ এটি অপরিবর্তিত স্ত্রীবাচক বহুবচন (جمع مؤنث سالم)।

মুছমিরাতান: স্পষ্ট জবর (فتحة) দ্বারা মানসুব (منصوب) হওয়া বিশেষণ (صفة)।

ফী: সুকুন (سكون)-এর ওপর ভিত্তি করে গঠিত অব্যয় বা হারফে জার (حرف جر), যার বাক্যরীতিতে (إعراب) কোনো স্থান নেই।

আমাকিনা: ‘ফী’ দ্বারা মাজরুর (مجرور), এবং এর জার (جر)-এর চিহ্ন হলো যের (كسرة)-এর পরিবর্তে জবর (فتحة); কারণ এটি রূপান্তরহীন বিশেষ্য (الممنوع من الصرف)।

কাছীরাতিন: স্পষ্ট যের (كسرة) দ্বারা মাজরুর (مجرুর) হওয়া বিশেষণ (صفة)।

"আপনি দেখতে পাচ্ছেন যে, আমরা এখানে বিশেষণকে (صفة) তার বিশেষ্যের (موصوف) মূল অবস্থা অনুযায়ী বিশ্লেষণ (إعراب) করেছি। এখানে 'মুছমিরাহ' শব্দটি 'শাজারাতি' শব্দের জন্য বিশেষণ (صفة) এবং এটি মানসুব (منصوب)। মূলত নসব (نصب)-এর চিহ্ন হলো জবর (فتحة), কিন্তু এখানে যের (كسرة) আসার কারণ হলো শব্দটি অপরিবর্তিত স্ত্রীবাচক বহুবচন (جمع مؤنث سالم) হওয়া। দ্বিতীয় বিশেষণ এবং তার বিশেষ্যের ক্ষেত্রেও বিষয়টি একই: আমাকিনা কাছীরাতিন।"

এই স্বরচিহ্নগুলো ছাড়াও আরও কিছু চিহ্ন রয়েছে যেগুলোকে আমরা বর্ণভিত্তিক বিশ্লেষণ (الإعراب بالحروف) বলি; আর সেগুলো হলো আলিফ (ألف), ওয়াও (واو), ইয়া (ياء) এবং নুন (نون)।

দ্বিবচন (المثنى)-এর ক্ষেত্রে আলিফ (ألف) দ্বারা রাফা (رفع) হয় এবং ইয়া (ياء) দ্বারা নসব (نصب) ও জার (جر) হয়।
(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ২৩)
وجمع المذكر السالم يرفع بالواو وينصب ويجر بالياء.

والأسماء الستة ترفع بالواو وتنصب بالألف وتجر بالياء.

والأفعال الخمسة ترفع بثبوت النون وتنصب وتجزم بحذفها.

أمثلة:

1- يقرأ الطالبان كتابين.

الطالبان: فاعل مرفوع بالألف لأنه مثنى.

كتابين: مفعول به منصوب بالياء لأنه مثنى.

2- المحتاجون يطلبون العون من القادرين.

المحتاجون: مبتدأ مرفوع بالواو لأنه جمع مذكر سالم.

يطلبون: فعل مضارع مرفوع بثبوت النون لأنه من الأفعال الخمسة، والواو فاعل "والجملة خبر المبتدأ".

القادرين: اسم مجرور بمن وعلامة جرة الياء لأنه جمع مذكر سالم.

3- صار أبوه ذا مال وفير.

أبوه: اسم صار مرفوع بالواو لأنه من الأسماء الستة، وهو مضاف والهاء ضمير مبني على الضم في محل جر مضاف إليه.

ذا مال: ذا خبر صار منصوب بالألف لأنه من الأسماء الستة، وهو مضاف، ومال مضاف إليه مجرور بالكسرة.

{فَإِنْ لَمْ تَفْعَلُوا وَلَنْ تَفْعَلُوا فَاتَّقُوا النَّارَ الَّتِي وَقُودُهَا النَّاسُ وَالْحِجَارَةُ} .

لم: حرف جزم ونفي وقلب مبني على السكون لا محل له من الإعراب.

تفعلوا: فعل مضارع مجزوم بلم وعلامة جزمه حذف النون، والواو ضمير مبني على السكون في محل رفع فاعل.

الواو: حرف عطف مبني على الفتح لا محل له من الإعراب.

لن: حرف نصب ونفي واستقبال مبني على السكون لا محل له من الإعراب.
জমা মুজাক্কার সালিম (جمع المذكر السالم) ওয়াও (واو) দ্বারা রফ (رفع) প্রাপ্ত হয় এবং ইয়া (ياء) দ্বারা নসব (نصب) ও জর (جر) প্রাপ্ত হয়।

আসমায়ে সিত্তা (الأسماء الستة) ওয়াও (واو) দ্বারা রফ (رفع) প্রাপ্ত হয়, আলিফ (ألف) দ্বারা নসব (نصب) প্রাপ্ত হয় এবং ইয়া (ياء) দ্বারা জর (جر) প্রাপ্ত হয়।

আফআলে খামসাহ (الأفعال الخمسة) নুন বহাল থাকার (ثبوت النون) মাধ্যমে রফ (رفع) প্রাপ্ত হয় এবং নুন বিলুপ্ত হওয়ার (حذف النون) মাধ্যমে নসব (نصب) ও জজম (جزم) প্রাপ্ত হয়।

উদাহরণসমূহ:

১- ছাত্রদ্বয় দুইটি বই পড়ছে।

ছাত্রদ্বয় (الطالبان): আলিফ দ্বারা রফপ্রাপ্ত (مرفوع) কর্তা (فاعل); কারণ এটি দ্বিবচন (مثنى)।

দুইটি বই (كتابين): ইয়া দ্বারা নসবপ্রাপ্ত (منصوب) কর্ম (مفعول به); কারণ এটি দ্বিবচন (مثنى)।

২- অভাবীরা সামর্থ্যবানদের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করছে।

অভাবীরা (المحتاجون): ওয়াও দ্বারা রফপ্রাপ্ত (مرفوع) উদ্দেশ্য (مبتدأ); কারণ এটি জমা মুজাক্কার সালিম (جمع المذكر السالم)।

তারা প্রার্থনা করছে (يطلبون): নুন বহাল থাকার (ثبوت النون) মাধ্যমে রফপ্রাপ্ত (مرفوع) বর্তমান বা ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়া (فعل مضارع); কারণ এটি আফআলে খামসাহর (الأفعال الخمسة) অন্তর্ভুক্ত, এবং ওয়াও হলো কর্তা (فاعل) "আর পুরো বাক্যটি হলো উদ্দেশ্য বা মুবতাদার বিধেয় (خبر)"।

সামর্থ্যবানদের (القادرين): হরফে জর ‘মিন’ (من) এর কারণে মাজরুর হওয়া বিশেষ্য (اسم مجরুর) এবং এর জরের আলামত (علامة الجر) হলো ইয়া; কারণ এটি জমা মুজাক্কার সালিম (جمع المذكر السالم)।

৩- তার পিতা অঢেল সম্পদের অধিকারী হলেন।

তার পিতা (أبوه): ‘সারা’ (صار) এর রফপ্রাপ্ত (مرفوع) বিশেষ্য (اسم صار); যা ওয়াও দ্বারা রফপ্রাপ্ত কারণ এটি আসমায়ে সিত্তার (الأسماء الستة) অন্তর্ভুক্ত। এটি মুদাফ (مضاف) এবং ‘হা’ (هاء) হলো দম্মার ওপর ভিত্তি করে মাবনি (مبني على الضم) হওয়া সর্বনাম (ضمير), যা মুদাফ ইলাইহি (مضاف إليه) হিসেবে জরের স্থলাভিষিক্ত (محل جر)।

সম্পদের অধিকারী (ذا مال): ‘যা’ (ذا) হলো আলিফ দ্বারা নসবপ্রাপ্ত (منصوب) ‘সারা’ (صار) এর বিধেয় (خبر صار); কারণ এটি আসমায়ে সিত্তার (الأسماء الستة) অন্তর্ভুক্ত, এবং এটি মুদাফ (مضاف); আর ‘মাল’ (مال) হলো কাসরা দ্বারা মাজরুর (مجرور) হওয়া মুদাফ ইলাইহি (مضاف إليه)।

{অতঃপর যদি তোমরা তা না করো—আর তোমরা কখনোই তা করতে পারবে না—তবে সেই আগুনকে ভয় করো যার জ্বালানি হবে মানুষ ও পাথর।} .

লাম (لم): জজম (جزم), নফি (نفي) ও অর্থ পরিবর্তনকারী (قلب) হরফ (حرف), যা সুকুনের ওপর মাবনি (مبني على السكون) এবং ব্যাকরণিক বিশ্লেষণে (إعراب) এর কোনো স্থান নেই।

তোমরা করবে (تفعلوا): ‘লাম’ (لم) দ্বারা জজমপ্রাপ্ত (مجزوم) বর্তমান বা ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়া (فعل مضارع) এবং এর জজমের আলামত (علامة الجزم) হলো নুন বিলুপ্ত হওয়া (حذف النون), আর ওয়াও হলো সুকুনের ওপর মাবনি (مبني على السكون) হওয়া সর্বনাম (ضمير), যা কর্তা (فاعل) হিসেবে রফের স্থলাভিষিক্ত (محل رفع)।

ওয়াও (الواو): ফাতহার ওপর মাবনি (مبني على الفتح) হওয়া সংযোজক অব্যয় (حرف عطف), ব্যাকরণিক বিশ্লেষণে (إعراب) এর কোনো স্থান নেই।

লান (لن): নসব (نصب), নফি (نفي) ও ভবিষ্যৎকালীন (استقبال) হরফ (حرف), যা সুকুনের ওপর মাবনি (مبني على السكون) এবং ব্যাকরণিক বিশ্লেষণে (إعراب) এর কোনো স্থান নেই।
(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ২৪)
تفعلوا: فعل مضارع منصوب بلن وعلامة نصبه حذف النون، والواو ضمير مبني على السكون في محل رفع فاعل.

الأفعال المعتلة تجزم بحذف حرف العلة.

{وَلَا تَمْشِ فِي الْأَرْضِ مَرَحًا} .

لا: حرف نهي مبني على السكون لا محل له من الإعراب.

تمشِ: فعل مضارع مجزوم بلا وعلامة جزمه حذف حرف العلة، والفاعل ضمير مستتر وجوبا تقديره أنت.

تنبيهات:

جمع المذكر السالم مصطلح يطلق على الجمع بشروط:

1- أن يكون له مفرد.

2- أن يكون المفرد مذكرا.

3- أن يدل على عاقل.

4- أن يسلم هذا المفرد عند الجمع.

فكلمة مدرس: مفرد، مذكر، عاقل، وحين نجمعه: مدرسون لا يتغير شيء في هيئة المفرد، فقد ظلت الميم مضمومة والدال مفتوحة والراء مضعفة مكسورة؛ ولذلك نقول: إنه جمع مذكر سالم.

أما كلمت رجل فهي مفرد، مذكر، عاقل وحين نجمعه: رجال نرى هيئة المفرد تغيرت، فالراء صارت مكسورة بعد أن كانت مفتوحة وفتحت الجيم وكانت مضمومة؛ أي أن المفرد لم يسلم، بل كُسر، ولذلك يسمى جمع تكسير.

فإذا فقد الاسم شرطا من الشروط السابقة وجُمع مع ذلك جمع مذكر سالم، فإننا نسميه ملحقا بجمع المذكر السالم.
তাফ'আলু (تفعلوا): এটি 'লান' (لن) দ্বারা নসবপ্রাপ্ত (منصوب) মুদারে ক্রিয়া এবং এর নসবের আলামত হলো নুন বিলুপ্ত হওয়া (حذف النون); আর 'ওয়াও' হলো সুকুনের ওপর ভিত্তি করে গঠিত একটি জমির (ضمير), যা ফায়িল (فاعل) হিসেবে রফ (رفع)-এর স্থলাভিষিক্ত।

দুর্বল বর্ণযুক্ত ক্রিয়াগুলো (الأفعال المعتلة) জজমপ্রাপ্ত (جزم) হয় দুর্বল বর্ণ বিলুপ্ত হওয়ার (حذف حرف العلة) মাধ্যমে।

{আর যমিনে দম্ভভরে বিচরণ করো না}।

লা (لا): এটি সুকুনের ওপর ভিত্তি করে গঠিত একটি নিষেধজ্ঞাপক অব্যয় (حرف نهي), যার কোনো ইরাবি (إعراب) অবস্থান নেই।

তামশি (تمشِ): এটি 'লা' (لا) এর কারণে জজমপ্রাপ্ত (مجزوم) মুদারে ক্রিয়া এবং এর জজমের আলামত হলো দুর্বল বর্ণ বিলুপ্ত হওয়া (حذف حرف العلة); আর এর ফায়িল (فاعل) হলো উহ্য জমির (ضمير مستتر) 'আনতা' (তুমি), যার উপস্থিতি এখানে আবশ্যক।

সতর্কতাসমূহ:

জমা মুজাক্কার সালিম (جمع المذكر السالم) পরিভাষাটি নির্দিষ্ট কিছু শর্ত সাপেক্ষে বহুবচনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:

১- শব্দটির একটি একবচন (مفرد) রূপ থাকতে হবে।

২- একবচন রূপটি পুরুষবাচক (مذكر) হতে হবে।

৩- এটি বিবেকসম্পন্ন বা বুদ্ধিমান (عاقل) সত্তাকে বোঝাতে হবে।

৪- বহুবচন করার সময় একবচনের এই রূপটি অক্ষত বা নিরাপদ (يسلم) থাকতে হবে।

যেমন 'মুদাররিস' (مدرس) শব্দটি: এটি একবচন (مفرد), পুরুষবাচক (مذكر) ও বুদ্ধিমান (عاقل) সত্তা; যখন আমরা একে বহুবচন করি: 'মুদাররিসুনা' (مدرسون), তখন একবচনের কাঠামোতে কোনো পরিবর্তন হয় না। এখানে 'মীম' পেশযুক্ত, 'দাল' যবরযুক্ত এবং 'রা' তাশদীদসহ যেরযুক্ত অবস্থাতেই বহাল থাকে; এজন্যই আমরা একে বলি জমা মুজাক্কার সালিম (جمع المذكر السالم)।

পক্ষান্তরে 'রাজুল' (رجل) শব্দটি একবচন (مفرد), পুরুষবাচক (مذكر) ও বুদ্ধিমান (عاقل) সত্তা হওয়া সত্ত্বেও যখন আমরা একে বহুবচন করি: 'রিজাল' (رجال), তখন দেখা যায় যে একবচনের রূপটি পরিবর্তিত হয়ে গেছে। এখানে 'রা' যবরযুক্ত থেকে যেরযুক্ত হয়ে গেছে এবং 'জীম' যা পেশযুক্ত ছিল তা যবরযুক্ত হয়ে গেছে; অর্থাৎ একবচন রূপটি এখানে অক্ষত থাকেনি, বরং ভেঙে গেছে (كُسر)। একারণেই একে জমা তাকসির (جمع تكسير) বা ভগ্ন বহুবচন বলা হয়।

যদি কোনো বিশেষ্য উল্লিখিত শর্তাবলির কোনোটি হারিয়ে ফেলে এবং তবুও তা জমা মুজাক্কার সালিম-এর পদ্ধতিতে বহুবচন করা হয়, তবে আমরা তাকে জমা মুজাক্কার সালিম-এর অনুগামী (ملحق بجمع المذكر السالم) হিসেবে অভিহিত করি।
(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ২৫)
مثلا: كلمة: عالَم تجمع عالَمون {الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ} ؛ فهي ملحق بجمع المذكر السالم؛ لأنها لا تدل على عاقل.

وكلمة أولو {إِنَّمَا يَتَذَكَّرُ أُولُو الْأَلْبَابِ} ملحق بجمع المذكر السالم؛ لأنه ليس لها مفرد من نوعها.

وكذلك ألفاظ العقود: "عشرون - ثلاثون - أربعون … إلخ".

وكلمة سنة تجمع: سنون {وَلِتَعْلَمُوا عَدَدَ السِّنِينَ وَالْحِسَابَ} ؛ فهي ملحق بجمع المذكر السالم؛ لأنها تدل على مؤنث غير عاقل.

ملحوظة: يكثر على ألسنة الناس استخدام كلمة "سنين" المضافة مشددة الياء وهو خطأ، فيقولون:

كان متفوقا طوال سنيّ دراسته.

فتضعيف الياء هنا خطأ؛ لأن الكلمة هي "سنين"؛ فإذا أضيفت حذفت النون ليس غير، فنقول: طوال سِنِي دراسته، كما نقول: اجتمعت بمدرسي المدرسة.

الأسماء الستة هي: أب، أخ، حم، فم، هن، ذو. أما كلمة "هن" فلا تكاد تستعمل الآن؛ ولذلك اشتهرت هذه الأسماء بأنها خمسة، وهي تعرب الإعراب الخاص بها بشرطين:

1- أن يكون الاسم مفردا.

2- أن يكون مضافا إلى غير ياء المتكلم.

فإن فقد الاسم شرطا منهما فإنه يعرب إعرابا عاديا، مثل:

جاء أخي: فاعل مرفوع بضمة مقدرة منع ظهورها حركة المناسبة.

جاء أخواك: فاعل مرفوع بالألف لأنه مثنى.

استشر ذوي الاختصاص: مفعول به منصوب بالياء لأنه ملحق بجمع المذكر السالم.
যেমন: 'আলাম' (জগত) শব্দটি 'আলামুন' হিসেবে বহুবচন হয় {সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য}; এটি পুংলিঙ্গবাচক অক্ষত বহুবচনের সদৃশ (ملحق بجمع المذكر السالم); কারণ এটি বিবেকসম্পন্ন সত্তাকে বোঝায় না।

এবং 'উলু' শব্দটি {কেবল জ্ঞানবানরাই উপদেশ গ্রহণ করে} পুংলিঙ্গবাচক অক্ষত বহুবচনের সদৃশ (ملحق بجمع المذكر السالم); কারণ এর নিজস্ব কোনো একবচন নেই।

অনুরূপভাবে দশকের সংখ্যাবাচক শব্দসমূহ (ألفاظ العقود): "বিশ - ত্রিশ - চল্লিশ ... ইত্যাদি"।

এবং 'সানাহ' (বছর) শব্দটির বহুবচন হয়: 'সিনুন' {যাতে তোমরা বছরের সংখ্যা ও হিসাব জানতে পারো}; এটি পুংলিঙ্গবাচক অক্ষত বহুবচনের সদৃশ (ملحق بجمع المذكر السالم); কারণ এটি বিবেকহীন স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দকে বোঝায়।

দ্রষ্টব্য: মানুষের মুখে 'সিনিন' শব্দটি সম্বন্ধিত (مضاف) অবস্থায় ইয়া-তে তাশদীদসহ ব্যবহার করার প্রবণতা অধিক, যা ভুল। তারা বলে থাকে:

সে তার ছাত্রজীবনের সমস্ত বছরগুলোতে শ্রেষ্ঠ ছিল।

এখানে ইয়া-তে তাশদীদ (তাদয়ীফ) দেওয়া ভুল; কারণ মূল শব্দটি হলো 'সিনিন'; যখন এটি সম্বন্ধিত (مضاف) হয়, তখন কেবল 'নুন' বিলুপ্ত হয়, অন্য কিছু নয়। তাই আমরা বলব: 'সিনি দিরাসাতহি', যেমন আমরা বলি: আমি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের (মুদাররিসি) সাথে সাক্ষাৎ করেছি।

ছয়টি বিশেষ বিশেষ্য (الأسماء الستة) হলো: পিতা, ভাই, শ্বশুর, মুখ, লজ্জাকর বস্তু, অধিকারী। তবে 'হান' (লজ্জাকর বস্তু) শব্দটি বর্তমানে ব্যবহৃত হয় না বললেই চলে; এজন্য এই বিশেষ্যগুলো 'পাঁচটি' হিসেবেই প্রসিদ্ধি লাভ করেছে। এগুলোর বিশেষ কারক বিভক্তি (إعراب) হওয়ার জন্য দুটি শর্ত রয়েছে:

১- বিশেষ্যটিকে একবচন (مفرد) হতে হবে।

২- এটি মুতাকাল্লিমের ইয়া (ياء المتكلم) ব্যতীত অন্য কিছুর সাথে সম্বন্ধিত (مضاف) হতে হবে।

যদি বিশেষ্যটি এর কোনো একটি শর্ত হারিয়ে ফেলে, তবে সেটি সাধারণ কারক বিভক্তি (إعراب) গ্রহণ করবে, যেমন:

আমার ভাই এসেছে: এটি উহ্য যম্মাহ দ্বারা মারফু (مرفوع) অবস্থায় থাকা ফায়িল (فاعل), যা উপযুক্ত হরকতের কারণে প্রকাশিত হতে বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

Your browser does not support the audio element. তোমার দুই ভাই এসেছে: এটি আলিফ দ্বারা মারফু (مرفوع) অবস্থায় থাকা ফায়িল (فاعل), কারণ এটি দ্বিবচন (مثنى)।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নাও: এটি ইয়া দ্বারা মানসুব (منصوب) অবস্থায় থাকা মাফউল বিহি (مفعول به), কারণ এটি পুংলিঙ্গবাচক অক্ষত বহুবচনের সদৃশ (ملحق بجمع المذكر السالم)।
(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ২৬)
الأفعال الخمسة: كل فعل مضارع أسند إلى ألف الاثنين، أو واو الجماعة، أو ياء المخاطبة.

وهي خمسة لأن:

ألف الاثنين نوعان، ضمير يدل على المثنى المذكر، أو ضمير يدل على المثنى المؤنث:

الطالبان يكتبان الطالبان تكتبان

وواو الجماعة نوعان: ضمير يدل على المخاطبين، وضمير يدل على الغائبين:

أنتم تكتبون هم يكتبون

وياء المخاطبة نوع واحد: أنت تكتبين، فالمجموع إذن خمسة.
পঞ্চক্রিয়া: প্রতিটি বর্তমান ও ভবিষ্যৎকালবাচক ক্রিয়া যা দ্বিবচন নির্দেশক আলিফ, বহুবচন নির্দেশক ওয়াও অথবা সম্বোধনমূলক একক স্ত্রীলিঙ্গবাচক ইয়ার সাথে যুক্ত হয়।

আর এগুলো সংখ্যায় পাঁচটি হওয়ার কারণ হলো:

দ্বিবচন নির্দেশক আলিফ দুই প্রকার—এমন সর্বনাম যা দ্বিবচন পুংলিঙ্গ নির্দেশ করে অথবা এমন সর্বনাম যা দ্বিবচন স্ত্রীলিঙ্গ নির্দেশ করে:

ছাত্রদ্বয় লিখছে (পুংলিঙ্গ), ছাত্রীদ্বয় লিখছে (স্ত্রীলিঙ্গ)

এবং বহুবচন নির্দেশক ওয়াও দুই প্রকার—এমন সর্বনাম যা উপস্থিত সম্বোধিত ব্যক্তিদের নির্দেশ করে এবং এমন সর্বনাম যা অনুপস্থিত ব্যক্তিদের নির্দেশ করে:

তোমরা লিখছ, তারা লিখছে

আর সম্বোধনমূলক একক স্ত্রীলিঙ্গবাচক ইয়া এক প্রকারের হয়: তুমি লিখছ (স্ত্রীলিঙ্গ)। অতএব সর্বমোট সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচটি।
(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ২৭)
5-‌‌ الإعراب الظاهر والإعراب المقدر:

لعلك لاحظت في الأمثلة السابقة أنا أعربنا كلمة بأنها مرفوعة بالضمة الظاهرة، وأخرى بأنها منصوبة بالفتحة الظاهرة، وثالثة بأنها مجرورة بالكسرة الظاهرة، وهكذا. وهذا النوع هو الذي نسميه الإعراب بالعلامات الظاهرة. وأنت تعلم أن الحرف الأخير من الكلمة هو محل الإعراب، ومعنى ظهور العلامة عليه أنه صالح لتلقي هذه العلامة.

لكن هناك كلمات لا تظهر عليها علامة الإعراب التي يقتضيها موقعها في الجملة، ولا يرجع عدم ظهور العلامات إلى أن هذه الكلمات مبنية بل إلى أسباب أخرى، وهذا النوع من الإعراب نسميه الإعراب بالعلامات المقدرة والعلامات المقدرة قد تكون حركات كما قد تكون حروفا كما يظهر من الأمثلة.

وللإعراب بالعلامات المقدرة أسباب ثلاثة هي:

1- عدم صلاحية الحرف الأخير من الكلمة لتحمل علامة الإعراب.

2- وجود حرف يقتضي حركة معينة تناسبه.

3- وجود حرف جر زائد أو شبيه به.

1- النوع الأول: عدم صلاحية الحرف الأخير من الكلمة لتحمل علامة الإعراب:

إذا كانت الكلمة منتهية بحرف من حروف العلة -متعذرا أو ثقيلا- أن يتقبل لأي حركة الإعراب في الأساس هي الضمة والفتحة والكسرة، وهذه الحركات -كما يقول اللغويون- أبعاض حروف المد؛ أي: أن الضمة جزء من الواو، والفتحة جزء من الألف، والكسرة جزء من الياء.

والكلمات التي من هذا النوع يمكن ترتيبها على النحو التالي:
5-‌‌ প্রকাশ্য ই'রাব (الإعراب الظاهر) এবং উহ্য ই'রাব (الإعراب المقدر):

সম্ভবত আপনি পূর্ববর্তী উদাহরণগুলোতে লক্ষ্য করেছেন যে, আমরা কোনো শব্দকে প্রকাশ্য পেশ (بالضمة الظاهرة) দ্বারা মারফু (مرفوعة), অন্য একটি শব্দকে প্রকাশ্য জবর (بالفتحة الظاهرة) দ্বারা মানসুব (منصوبة) এবং তৃতীয় একটি শব্দকে প্রকাশ্য যের (بالكسرة الظاهرة) দ্বারা মাজরুর (مجرورة) হিসেবে ই'রাব (إعراب) করেছি, এবং এভাবেই সব। আর এটিই সেই প্রকার যাকে আমরা প্রকাশ্য চিহ্নের মাধ্যমে ই'রাব (الإعراب بالعلامات الظاهرة) বলে অভিহিত করি। আপনি জানেন যে, শব্দের শেষ অক্ষরটিই হলো ই'রাব (إعراب) এর স্থান, আর তাতে চিহ্ন প্রকাশ পাওয়ার অর্থ হলো যে তা এই চিহ্নটি গ্রহণ করার যোগ্য।

কিন্তু এমন কিছু শব্দ রয়েছে যেগুলোতে ই'রাব (إعراب) এর চিহ্ন প্রকাশ পায় না যা বাক্যে তাদের অবস্থানের দাবি অনুযায়ী হওয়া উচিত ছিল। চিহ্নসমূহ প্রকাশ না পাওয়ার কারণ এই নয় যে শব্দগুলো মাবনি (مبنية), বরং অন্যান্য কারণে তা হয়ে থাকে। এই ধরণের ই'রাব (إعراب) কে আমরা উহ্য চিহ্নের মাধ্যমে ই'রাব (الإعراب بالعلامات المقدرة) বলে থাকি। উদাহরণগুলো থেকে প্রতীয়মান হয় যে, এই উহ্য চিহ্নগুলো হরকত (حركات) হতে পারে আবার হরফ বা অক্ষর (حروفا) ও হতে পারে।

উহ্য চিহ্নের মাধ্যমে ই'রাব (الإعراب بالعلامات المقدرة) হওয়ার তিনটি কারণ রয়েছে, সেগুলো হলো:

1- শব্দের শেষ বর্ণটি ই'রাব (إعراب) এর চিহ্ন বহন করার যোগ্য না হওয়া।

2- এমন একটি বর্ণের উপস্থিতি যা তার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি নির্দিষ্ট হরকত (حركة) দাবি করে।

3- অতিরিক্ত অব্যয় (حرف جر زائد) বা এর সদৃশ কোনো কিছুর উপস্থিতি।

1- প্রথম প্রকার: শব্দের শেষ বর্ণটি ই'রাব (إعراب) এর চিহ্ন বহন করার যোগ্য না হওয়া:

যদি শব্দটি কোনো ইল্লত বর্ণ (حرف من حروف العلة) দিয়ে শেষ হয়—যা কোনো ই'রাব (إعراب) এর হরকত (حركة) গ্রহণ করা অসম্ভব (متعذرا) বা কষ্টসাধ্য (ثقيلا) করে তোলে—মূলত পেশ (الضمة), জবর (الفتحة) এবং যের (الكسرة) হলো ই'রাব (إعرাব) এর হরকত। আর ভাষাবিদদের মতে, এই হরকতগুলো হলো মাদ্দ বা দীর্ঘ স্বরবর্ণের (حروف المد) অংশ; অর্থাৎ: পেশ (الضمة) হলো ওয়াও (الواو) এর অংশ, জবর (الفتحة) হলো আলিফ (الألف) এর অংশ এবং যের (الكسرة) হলো ইয়া (الياء) এর অংশ।

এই প্রকারের শব্দগুলোকে নিম্নোক্তভাবে বিন্যস্ত করা যেতে পারে:
(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ২৮)
أ- الاسم المقصور.

ب- الاسم المنقوص.

ج- الفعل المضارع المعتل الآخر.

أ- الاسم المقصور:

وهو الاسم المعرب الذي في آخره ألف لازمة، وتقدر عليه الحركات الثلاث؛ لأن الألف لا تقبل الحركة مطلقا؛ ولذلك نعربه بحركة مقدرة منع من ظهورها التعذر؛ أي: استحالة وجود الحركة مع الألف، فنقول:

جاء فتى: فاعل مرفوع بضمة مقدرة منع من ظهورها التعذر.

رأيت فتى: مفعول به منصوب بفتحة مقدرة منع من ظهورها التعذر.

مررت بفتى: مجرور بالباء وعلامة جره كسرة مقدرة منع من ظهورها التعذر.

وإذا كان الاسم المقصور ممنوعا من الصرف فإنه لا ينون، مع جره بالفتحة كما هو متبع فنقول:

جاء موسى: فاعل مرفوع بضمة مقدرة منع من ظهورها التعذر.

رأيت موسى: مفعول به منصوب بفتحة مقدرة منع من ظهورها التعذر.

مررت بموسى: مجرور بفتحة مقدرة منع من ظهورها التعذر.

ب- الاسم المنقوص:

وهو الاسم المعرب الذي آخره ياء لازمة غير مشددة قبلها كسرة، وهذا الاسم تقدر عليه حركتان فقط هما الضمة والكسرة؛ وذلك لأن الياء الممدودة يناسبها كسر ما قبلها، والضمة حركة ثقيلة فيعسر الانتقال من كسر إلى ضم، كما أن الكسرة جزء من الياء كما ذكرنا، ويستثقل تحريك الياء بجزء منها، أما الفتحة فهي أخف الحركات؛ ولذلك تظهر على الياء، فنقول:

جاء القاضي: فاعل مرفوع بضمة مقدرة منع من ظهورها الثقل.
ক- ইসম মাকসূর (الاسم المقصور)।

খ- ইসম মানকূস (الاسم المنقوص)।

গ- শেষাক্ষর ইল্লতযুক্ত ফে’লে মুদারে (الفعل المضارع المعتل الآخر)।

ক- ইসম মাকসূর (الاسم المقصور):

এটি এমন একটি রূপান্তরশীল বিশেষ্য (الاسم المعرب) যার শেষে একটি অপরিহার্য আলিফ (ألف لازمة) থাকে এবং এর উপর তিনটি হরকতই (الحركات الثلاث) উহ্য থাকে; কারণ আলিফ কোনোভাবেই হরকত গ্রহণ করে না। এই কারণে আমরা একে উহ্য হরকতের মাধ্যমে ইরাব প্রদান করি, যা প্রকাশ পেতে অসম্ভবতা (التعذر) বাধা দেয়; অর্থাৎ আলিফের সাথে হরকতের অবস্থান অসম্ভব। যেমন আমরা বলি:

জা-আ ফাতান (جاء فتى): এটি উহ্য দম্মাহ (ضمة مقدرة) দ্বারা মারফু (مرفوع) হওয়া ফায়েল (فاعل), যা প্রকাশ পেতে অসম্ভবতা (التعذر) বাধা দিয়েছে।

রাআইতু ফাতান (رأيت فتى): এটি উহ্য ফাতহাহ (فتحة مقدرة) দ্বারা মানসুব (منصوب) হওয়া মাফউল বিহি (مفعول به), যা প্রকাশ পেতে অসম্ভবতা (التعذر) বাধা দিয়েছে।

মারারতু বিফাতিন (مررت بفتى): এটি 'বা' বর্ণের কারণে মাজরুর (مجرور) এবং এর জার হওয়ার চিহ্ন হলো উহ্য কাসরাহ (كسرة مقدرة), যা প্রকাশ পেতে অসম্ভবতা (التعذر) বাধা দিয়েছে।

আর যদি ইসম মাকসূরটি রূপান্তরহীন (ممنوعا من الصرف) হয়, তবে তাতে তানউইন হবে না এবং নিয়ম অনুযায়ী তা ফাতহাহ দ্বারা মাজরুর হবে। যেমন আমরা বলি:

জা-আ মুসা (جاء موسى): এটি উহ্য দম্মাহ (ضمة مقدرة) দ্বারা মারফু (مرفوع) হওয়া ফায়েল (فاعل), যা প্রকাশ পেতে অসম্ভবতা (التعذر) বাধা দিয়েছে।

রাআইতু মুসা (رأيت موسى): এটি উহ্য ফাতহাহ (فتحة مقدرة) দ্বারা মানসুব (منصوب) হওয়া মাফউল বিহি (مفعول به), যা প্রকাশ পেতে অসম্ভবতা (التعذر) বাধা দিয়েছে।

মারারতু বিমুসা (مررت بموسى): এটি উহ্য ফাতহাহ (فتحة مقدرة) দ্বারা মাজরুর (مجرور), যা প্রকাশ পেতে অসম্ভবতা (التعذر) বাধা দিয়েছে।

খ- ইসম মানকূস (الاسم المنقوص):

এটি এমন একটি রূপান্তরশীল বিশেষ্য (الاسم المعرب) যার শেষে একটি তশদীদবিহীন অপরিহার্য ইয়া (ياء لازمة) থাকে এবং তার পূর্বের বর্ণটি কাসরাহযুক্ত হয়। এই বিশেষ্যের উপর কেবল দুটি হরকত উহ্য থাকে, আর তা হলো দম্মাহ (الضمة) এবং কাসরাহ (الكسرة); এর কারণ হলো মদ্দযুক্ত ইয়া তার পূর্বের বর্ণের কাসরাহ হওয়ার অনুকূল, আর দম্মাহ হলো একটি ভারী হরকত, তাই কাসরাহ থেকে দম্মাহর দিকে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। একইভাবে কাসরাহ হলো ইয়ার একটি অংশ যেমনটি আমরা উল্লেখ করেছি, আর ইয়াকে তার নিজের অংশ দ্বারা হরকত প্রদান করাকে ভারী মনে করা হয়। তবে ফাতহাহ হলো সবচেয়ে হালকা হরকত; এই কারণে এটি ইয়ার উপর প্রকাশ পায়। যেমন আমরা বলি:

জা-আল ক্বাদি (جاء القاضي): এটি উহ্য দম্মাহ (ضمة مقدرة) দ্বারা মারফু (مرفوع) হওয়া ফায়েল (فاعل), যা প্রকাশ পেতে ভারাক্রান্ততা (الثقل) বাধা দিয়েছে।
(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ২৯)
مررت بالقاضي: مجرور بكسرة مقدرة منع من ظهورها الثقل.

رأيت القاضيَ: مفعول به منصوب بالفتحة الظاهرة.

فإذا كان الاسم المنقوص نكرة حذفت ياؤه، وعوض عنها بتنوين يسمى تنوين العوض، وذلك في حالتي الرفع والجر فقط، فنقول:

جاء قاضٍ: فاعل مرفوع بضمة مقدرة على الياء المحذوفة منع من ظهورها الثقل.

مررت بقاضٍ: مجرور بكسرة مقدرة على الياء المحذوفة منع من ظهورها الثقل.

رأيت قاضيًا: مفعول به منصوب بالفتحة الظاهرة.

وإن كان الاسم المنقوص ممنوعا من الصرف لكونه من صيغة منتهى الجموع قدرت فيه علامة الرفع والجر، وحذفت تنوين نكرته فيها، وحذفت الياء وعوضت عنها تنوين العوض، وأظهرت علامة النصب، فتقول:

هذه جوارٍ: خبر مرفوع بضمة مقدرة على الياء المحذوفة منع من ظهورها الثقل.

مررت بجوارٍ: مجرور بفتحة مقدرة على الباء المحذوفة منع من ظهورها الثقل.

رأيت جواريَ: مفعول به منصوب بالفتحة الظاهرة.

ج- الفعل المضارع المعتل الآخر:

وهذا الفعل إما أن يكون آخره ألفا أو واوا أو ياء، فإذا كان آخره ألفا قدرت عليه حركتا الرفع والنصب على النحو الذي بيناه في الاسم المقصور؛ أي بسبب التعذر، أما في حالة الجزم فتظهر فيه علامة الإعراب التي هي حذف حرف العلة، فنقول:
আমি বিচারকের পাশ দিয়ে অতিক্রম করলাম: এটি ঊহ্য কাসরাহ (كسرة مقدرة) দ্বারা মাজরুর (مجرور), যা প্রকাশ পেতে গুরুভার (الثقل) বাধা প্রদান করেছে।

আমি বিচারককে দেখলাম: এটি প্রকাশ্য ফাতহাহ (فتحة ظاهرة) দ্বারা মানসুব (منصوب) মাফউলে বিহি (مفعول به)।

যদি ইসমে মানকুস (الاسم المنقوص) নাকেরা (نكرة) বা অনির্দিষ্ট হয়, তবে তার ‘ইয়া’ বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং এর পরিবর্তে একটি তানউইন যুক্ত হয় যাকে তানউইনে এওয়াদ (تنوين العوض) বলা হয়। এটি কেবল রাফা (الرفع) এবং জার (الجر) এর অবস্থাদ্বয়ে ঘটে; তখন আমরা বলি:

একজন বিচারক এসেছেন: এটি বিলুপ্ত ‘ইয়া’-এর উপর ঊহ্য দম্মাহ (ضمة مقدرة) দ্বারা মারফু (مرفوع) ফায়েল (فاعل), যা প্রকাশ পেতে গুরুভার (الثقل) বাধা প্রদান করেছে।

আমি একজন বিচারকের পাশ দিয়ে অতিক্রম করলাম: এটি বিলুপ্ত ‘ইয়া’-এর উপর ঊহ্য কাসরাহ (كسرة مقدرة) দ্বারা মাজরুর (مجرور), যা প্রকাশ পেতে গুরুভার (الثقل) বাধা প্রদান করেছে।

আমি একজন বিচারককে দেখলাম: এটি প্রকাশ্য ফাতহাহ (فتحة ظاهرة) দ্বারা মানসুব (منصوب) মাফউলে বিহি (مفعول به)।

আর যদি ইসমে মানকুসটি (الاسم المنقوص) সিগাতু মুনতাহাল জুমু (صيغة منتهى الجموع) হওয়ার কারণে মামনু’ মিনাস সারফ (ممنوع من الصرف) হয়, তবে তাতে রাফা (الرفع) ও জার (الجر) এর চিহ্ন ঊহ্য থাকে, তার নাকেরা অবস্থার তানউইন বিলুপ্ত হয় এবং ‘ইয়া’ বিলুপ্ত হয়ে তার পরিবর্তে তানউইনে এওয়াদ (تنوين العوض) যুক্ত হয়, আর নাসাব (النصب) এর চিহ্ন প্রকাশ পায়। আপনি বলবেন:

এগুলো দাসী: এটি বিলুপ্ত ‘ইয়া’-এর উপর ঊহ্য দম্মাহ (ضمة مقدرة) দ্বারা মারফু (مرفوع) খবর (خبر), যা প্রকাশ পেতে গুরুভার (الثقل) বাধা প্রদান করেছে।

আমি কতগুলো দাসীর পাশ দিয়ে অতিক্রম করলাম: এটি বিলুপ্ত ‘বা’-এর উপর (الباء المحذوفة) ঊহ্য ফাতহাহ (فتحة مقدرة) দ্বারা মাজরুর (مجرور), যা প্রকাশ পেতে গুরুভার (الثقل) বাধা প্রদান করেছে।

আমি কতগুলো দাসীকে দেখলাম: এটি প্রকাশ্য ফাতহাহ (فتحة ظاهرة) দ্বারা মানসুব (منصوب) মাফউলে বিহি (مفعول به)।

গ- শেষ বর্ণটি ইল্লতযুক্ত ফে’লে মুদারে (الفعل المضارع المعتل الآخر):

এই ফে’লের শেষে আলিফ, ওয়াও অথবা ইয়া থাকে। যদি এর শেষে আলিফ থাকে, তবে তাতে রাফা (الرفع) ও নাসাব (النصب) এর চিহ্নসমূহ ঊহ্য থাকে, যেভাবে আমরা ইসমে মাকসুর (الاسم المقصور) এর ক্ষেত্রে বর্ণনা করেছি; অর্থাৎ অপারগতার (التعذر) কারণে। তবে জজম (الجزم) এর অবস্থায় ইরাবের (الإعراب) চিহ্ন প্রকাশ পায়, যা হলো হরফে ইল্লত বিলুপ্ত হওয়া (حذف حرف العلة)। আমরা বলি:
(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ৩০)
هو يسعى إلى الخير: فعل مضارع مرفوع بضمة مقدرة منع من ظهورها التعذر.

إنه لن يرضى بما تعرض عليه: فعل مضارع منصوب بلن وعلامة نصبه فتحة مقدرة منع من ظهورها التعذر.

لا تخشَ غير الله: فعل مضارع مجزوم بلا الناهية وعلامة جزمه حذف حرف العلة.

فإن كان آخر الحرف واوًا أو ياء قدرت عليه حركة واحدة فقط هي الضمة للثقل، وتظهر عليه الفتحة لخفتها، وكذلك يظهر الجزم لأنه يحذف حرف العلة، فنقول:

هو يدعو الناس إلى الخير: فعل مضارع مرفوع بضمة مقدرة منع من ظهورها الثقل.

هو يأتيك بالخير اليقين: فعل مضارع مرفوع بضمة مقدرة منع من ظهورها الثقل.

يحب أن يعفوَ عن المسيء: فعل مضارع منصوب بأن وعلامة نصبه الفتحة الظاهرة.

لن يأتيَ اليوم: فعل مضارع منصوب بلن وعلامة نصبه الفتحة الظاهرة.

لا تدعُ إلا إلى خير: فعل مضارع مجزوم بلا الناهية وعلامة جزمه حذف حرف العلة.

لم يأتِ أمس: فعل مضارع مجزوم بلم وعلامة جزمه حذف حرف العلة.

تنبيه:

الفرق بين التعذر والثقل أن التعذر يعني استحالة ظهور الحركة، أما الثقل فيعني إمكان ظهورها مع ثقلها في النطق، مثلا:

جاء الفتى رأيت الفتى مررت بالفتى
সে কল্যাণের অন্বেষণ করে: এটি একটি বর্তমানকালীন ক্রিয়া যা উহ্য পেশ দ্বারা রফ প্রাপ্ত হয়েছে এবং তা প্রকাশ পাওয়ার ক্ষেত্রে অক্ষমতা প্রতিবন্ধক হয়েছে।

সে কখনোই তোমার প্রস্তাবিত বিষয়ে সন্তুষ্ট হবে না: এটি ‘লান’ দ্বারা নসব প্রাপ্ত একটি বর্তমানকালীন ক্রিয়া এবং এর নসবের চিহ্ন হলো উহ্য জবর, যা প্রকাশ পাওয়ার ক্ষেত্রে অক্ষমতা প্রতিবন্ধক হয়েছে।

আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করো না: এটি নিষেধজ্ঞাসূচক ‘লা’ দ্বারা জজম প্রাপ্ত একটি বর্তমানকালীন ক্রিয়া এবং এর জজমের চিহ্ন হলো শেষাক্ষরের দুর্বল বর্ণটি বিলুপ্ত হওয়া।

যদি শব্দের শেষ বর্ণটি ‘ওয়াও’ অথবা ‘ইয়া’ হয়, তবে উচ্চারণের গুরুভার হওয়ার কারণে তার ওপর কেবল একটি হরকত উহ্য ধরা হয়, আর তা হলো পেশ; কিন্তু উচ্চারণে সহজ হওয়ার কারণে জবর প্রকাশ পায়। একইভাবে জজমও প্রকাশ পায়, কারণ তা দুর্বল বর্ণটিকে বিলুপ্ত করে দেয়। যেমন আমরা বলি:

সে মানুষকে কল্যাণের দিকে আহ্বান করে: এটি একটি বর্তমানকালীন ক্রিয়া যা উহ্য পেশ দ্বারা রফ প্রাপ্ত হয়েছে এবং তা প্রকাশ পাওয়ার ক্ষেত্রে উচ্চারণের গুরুভার হওয়া প্রতিবন্ধক হয়েছে।

সে তোমার কাছে সুনিশ্চিত কল্যাণ নিয়ে আসে: এটি একটি বর্তমানকালীন ক্রিয়া যা উহ্য পেশ দ্বারা রফ প্রাপ্ত হয়েছে এবং তা প্রকাশ পাওয়ার ক্ষেত্রে উচ্চারণের গুরুভার হওয়া প্রতিবন্ধক হয়েছে।

সে অপরাধীকে ক্ষমা করতে পছন্দ করে: এটি ‘আন’ দ্বারা নসব প্রাপ্ত বর্তমানকালীন ক্রিয়া এবং এর নসবের চিহ্ন হলো দৃশ্যমান জবর।

সে আজ আসবে না: এটি ‘লান’ দ্বারা নসব প্রাপ্ত বর্তমানকালীন ক্রিয়া এবং এর নসবের চিহ্ন হলো দৃশ্যমান জবর।

কল্যাণ ছাড়া অন্য কিছুর দিকে আহ্বান করো না: এটি নিষেধজ্ঞাসূচক ‘লা’ দ্বারা জজম প্রাপ্ত একটি বর্তমানকালীন ক্রিয়া এবং এর জজমের চিহ্ন হলো দুর্বল বর্ণটি বিলুপ্ত হওয়া।

সে গতকাল আসেনি: এটি ‘লাম’ দ্বারা জজম প্রাপ্ত বর্তমানকালীন ক্রিয়া এবং এর জজমের চিহ্ন হলো দুর্বল বর্ণটি বিলুপ্ত হওয়া।

সতর্কীকরণ:

‘অক্ষমতা’ এবং ‘উচ্চারণে গুরুভার হওয়া’র মধ্যে পার্থক্য হলো—‘অক্ষমতা’ মানে হরকত প্রকাশ পাওয়া অসম্ভব হওয়া, আর ‘উচ্চারণে গুরুভার হওয়া’ মানে হলো হরকত প্রকাশ করা সম্ভব হওয়া সত্ত্বেও উচ্চারণের সময় তা ভারী বা কষ্টসাধ্য মনে হওয়া। যেমন:

যুবকটি এসেছে, আমি যুবকটিকে দেখেছি, আমি যুবকটির পাশ দিয়ে অতিক্রম করেছি।
(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ৩১)
يستحيل ظهور الضمة والفتحة والكسرة مع الألف إلا إذا غيرتها إلى حرف آخر، كأن تقول: جاء الفتأ أو الفتؤ، وهذا طبعا تغيير في الكلمة.

أما حين نقول:

جاء القاضي مررت بالقاضي

فإنك تستطيع أن تنطق الضمة والكسرة مع الياء مع قدر كبير من الثقل:

جاء القاضي مررت بالقاضي

2 - النوع الثاني: وجود حرف يقتضي حركة معينة تناسبه:

وذلك في الاسم المضاف إلى ياء المتكلم؛ لأن ياء المتكلم التي هي مضاف إليه تكون بعد الحرف الأخير من الاسم مباشرة، وهذا الحرف الأخير هو موضع علامات الإعراب، ولكن ياء المتكلم تقتضي وجود كسرة تناسبها؛ أي أن الحرف الأخير لا بد أن يكون مكسورا وعلامات الإعراب -في الاسم- ضمة وفتحة وكسرة، ولا يمكن تحريك الحرف الواحد بحركتين في وقت واحد.

كسرة المناسبة للياء وحركة الإعراب فتقدر حركات الإعراب الثلاث بسبب حركة المناسبة فتقول:

جاء صديقي: فاعل مرفوع بضمة مقدرة على ما قبل الياء منع من ظهورها اشتغال المحل بحركة المناسبة.

رأيت صديقي: مفعول به منصوب بفتحة مقدرة على ما قبل الياء منع من ظهورها اشتغال المحل بحركة المناسبة.

مررت بصديقي: مجرور بالباء وعلامة جره كسرة مقدرة على ما قبل الياء منع من ظهورها حركة المناسبة.

ويصدق ذلك أيضا على جمع التكسير وجمع المؤنث السالم، فتقول:

جاء أصدقائي جاءت أخواتي
আলিফ বর্ণের সাথে জম্মাহ (পেশ), ফাতহাহ (জবর) এবং কাসরাহ (যের) প্রকাশ পাওয়া অসম্ভব, যদি না আপনি সেটিকে অন্য কোনো বর্ণে পরিবর্তন করেন। যেমন আপনি বললেন: 'জায়া আল-ফাতাউ' অথবা 'জায়া আল-ফাতাউ'; আর এটি অবশ্যই শব্দের মূল রূপের একটি পরিবর্তন।

কিন্তু যখন আমরা বলি:

জায়া আল-কাদি, মারারতু বিল-কাদি

তখন আপনি 'ইয়া' বর্ণের সাথে জম্মাহ এবং কাসরাহ উচ্চারণ করতে সক্ষম হবেন, তবে তা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হবে:

জায়া আল-কাদিউ, মারারতু বিল-কাদিয়ি

2 - দ্বিতীয় প্রকার: এমন একটি বর্ণের উপস্থিতি যা তার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি নির্দিষ্ট হারাকাত দাবি করে:

আর তা হলো ওই বিশেষ্যের (ইসিম) ক্ষেত্রে যা 'ইয়া-এ মুতাকাল্লিম'-এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত (মুদাফ) হয়; কারণ ইয়া-এ মুতাকাল্লিম যা মুদাফ ইলাইহি হিসেবে যুক্ত হয়, তা বিশেষ্যের শেষ বর্ণের ঠিক পরেই অবস্থান করে। আর এই শেষ বর্ণটিই হলো ইরাবের চিহ্নসমূহ প্রকাশের স্থান। কিন্তু ইয়া-এ মুতাকাল্লিম তার পূর্বে একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ কাসরাহ দাবি করে; অর্থাৎ শেষ বর্ণটিতে অবশ্যই কাসরাহ থাকতে হবে। অথচ বিশেষ্যের ক্ষেত্রে ইরাবের চিহ্নসমূহ হলো জম্মাহ, ফাতহাহ এবং কাসরাহ। আর একই সময়ে একটি বর্ণে দুটি হারাকাত প্রদান করা অসম্ভব।

ইয়া-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কাসরাহ এবং ইরাবি হারাকাতের মাঝে সংঘর্ষের কারণে তিনটি ইরাবি চিহ্নকেই উহ্য ধরা হয়। তাই আপনি বলবেন:

জায়া সাদিকি: এখানে 'সাদিকি' শব্দটি জম্মাহ দ্বারা মারফু হওয়া ফায়েল, যা 'ইয়া'-এর পূর্ববর্তী বর্ণের ওপর উহ্য রয়েছে। সামঞ্জস্যপূর্ণ হারাকাত দ্বারা স্থানটি দখল হয়ে যাওয়ায় তা প্রকাশ পেতে বাধা পেয়েছে।

রাআইতু সাদিকি: এটি ফাতহাহ দ্বারা মানসুব হওয়া মাফউল বিহি, যা 'ইয়া'-এর পূর্ববর্তী বর্ণের ওপর উহ্য রয়েছে। সামঞ্জস্যপূর্ণ হারাকাত দ্বারা স্থানটি দখল হয়ে যাওয়ায় তা প্রকাশ পেতে বাধা পেয়েছে।

مررت بصديقي: এটি 'বা' বর্ণের কারণে মাজরুর এবং এর জার হওয়ার চিহ্ন হলো 'ইয়া'-এর পূর্ববর্তী বর্ণের ওপর উহ্য থাকা কাসরাহ, যা সামঞ্জস্যপূর্ণ হারাকাতের কারণে প্রকাশ পায়নি।

আর এটি ভাঙা বহুবচন (জামউত তাকসির) এবং পরিপূর্ণ স্ত্রীবাচক বহুবচনের (জামউল মুআন্নাস আস-সালিম) ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়। যেমন আপনি বলবেন:

জায়া আসদিকায়ি, জায়াত আখাওয়াতি
(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ৩২)
رأيت أصدقائي رأيت أخواتي

مررت بأصدقائي مررت بأخواتي

أما إذا كان الاسم المضاف إلى ياء المتكلم مثنى، أو جمع مذكر سالما، فلا تقدر عليه علامات الإعراب فتقول:

جاء صديقاي: فاعل مرفوع بالألف.

رأيت صديقيّ: مفعول به منصوب بالياء "المدغمة في ياء المتكلم".

مررت بصديقيّ: مجرور بالباء وعلامة جره الياء "المدغمة في ياء المتكلم".

جاء مهندسيّ: فاعل مرفوع بالواو "التي انقلبت ياء ثم أدغمت في ياء المتكلم، أصلها: مهندسوي".

رأيت مهندسيّ: مفعول به منصوب بالياء "المدغمة في ياء المتكلم".

مررت بمهندسيّ: مجرور بالباء وعلامة جره الياء "المدغمة في ياء المتكلم".

أما الاسم المقصور أو المنقوص المضاف إلى ياء المتكلم فتقدر عليه حركات الإعراب لا بسبب إضافته إليها، بل للأسباب المذكورة آنفا، فتقول "المقصور":

هذا فتاي: فاعل مرفوع بضمة مقدرة منع من ظهورها التعذر.

رأيت فتاي: مفعول به منصوب بفتحة مقدرة منع من ظهورها التعذر.

مررت بفتاي: مجرور بالباء وعلامة جره كسرة مقدرة منع من ظهورها التعذر.

"المنقوص":

جاء محاميّ: فاعل مرفوع بضمة مقدرة على الياء "المدغمة في ياء المتكلم".

رأيت محاميّ: مفعول به منصوب بالفتحة "على الياء المدغمة في ياء المتكلم".

مررت بمحاميّ: مجرور بالباء وعلامة جره كسرة مقدرة على الياء "المدغمة في ياء المتكلم".

3- النوع الثالث: وجود حرف جر زائد أو شبيه بالزائد:
আমি আমার বন্ধুদের দেখেছি, আমি আমার বোনদের দেখেছি

আমি আমার বন্ধুদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করেছি, আমি আমার বোনদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করেছি

তবে যখন 'ইয়ায়ে মুতাকাল্লিম'-এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত (مضاف) বিশেষ্যটি দ্বিবচন (مثنى) অথবা পুরুষবাচক সুস্থ বহুবচন (جمع مذكر سالم) হয়, তখন তার ওপর ইরাবের চিহ্নসমূহ ঊহ্য ধরা হয় না। এমতাবস্থায় আপনি বলবেন:

আমার দুই বন্ধু এসেছে: আলিফ দ্বারা মারফু (مرفوع) হওয়া ফায়েল (فاعل)।

আমি আমার দুই বন্ধুকে দেখেছি: 'ইয়ায়ে মুতাকাল্লিম'-এর মধ্যে একীভূত (مدغم) ইয়া-এর মাধ্যমে মানসুব (منصوب) হওয়া মাফউলে বিহি (مفعول به)।

আমি আমার দুই বন্ধুর পাশ দিয়ে অতিক্রম করেছি: ‘বা’ দ্বারা মাজরুর (مجرুর) এবং এর জরের চিহ্ন হলো 'ইয়ায়ে মুতাকাল্লিম'-এর মধ্যে একীভূত (مدغم) ইয়া।

আমার প্রকৌশলীগণ এসেছেন: এটি ওয়াও-এর মাধ্যমে মারফু (مرفوع) হওয়া ফায়েল (فاعل) "যা ইয়া-তে রূপান্তরিত হয়েছে এবং অতঃপর ইয়ায়ে মুতাকাল্লিমের মধ্যে একীভূত (مدغم) হয়েছে; এর মূল রূপ ছিল: মুহানদিসুয়্যা"।

আমি আমার প্রকৌশলীদের দেখেছি: 'ইয়ায়ে মুতাকাল্লিম'-এর মধ্যে একীভূত (مدغم) ইয়া-এর মাধ্যমে মানসুব (منصوب) হওয়া মাফউলে বিহি (مفعول به)।

আমি আমার প্রকৌশলীদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করেছি: ‘বা’ দ্বারা মাজরুর (مجرুর) এবং এর জরের চিহ্ন হলো 'ইয়ায়ে মুতাকাল্লিম'-এর মধ্যে একীভূত (مدغم) ইয়া।

আর 'ইয়ায়ে মুতাকাল্লিম'-এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত (مضاف) মাকসুর (المقصور) বা মানকুস (المنقوص) বিশেষ্যের ক্ষেত্রে ইরাবের হারাকাতসমূহ ঊহ্য (مقدر) ধরা হয়। তবে তা তার দিকে ইজাফতের কারণে নয়, বরং পূর্বে উল্লেখিত কারণসমূহের জন্য। আপনি মাকসুর (المقصور) এর ক্ষেত্রে বলবেন:

এটি আমার যুবক: উচ্চারণ অসম্ভব (تعذر) হওয়ার কারণে যা প্রকাশ পেতে বাধাগ্রস্ত হয়েছে এমন ঊহ্য (مقدر) পেশ (ضمة) দ্বারা মারফু (مرفوع) হওয়া ফায়েল (فاعل)।

আমি আমার যুবককে দেখেছি: উচ্চারণ অসম্ভব (تعذر) হওয়ার কারণে যা প্রকাশ পেতে বাধাগ্রস্ত হয়েছে এমন ঊহ্য (مقدر) যবর (فتحة) দ্বারা মানসুব (منصুব) হওয়া মাফউলে বিহি (مفعول به)।

আমি আমার যুবকের পাশ দিয়ে অতিক্রম করেছি: এটি ‘বা’ দ্বারা মাজরুর (مجرুর) এবং এর জরের চিহ্ন হলো উচ্চারণ অসম্ভব (تعذر) হওয়ার কারণে যা প্রকাশ পেতে বাধাগ্রস্ত হয়েছে এমন ঊহ্য (مقدر) যের (كسرة)।

"মানকুস (المنقوص)":

আমার আইনজীবী এসেছেন: 'ইয়ায়ে মুতাকাল্লিম'-এর মধ্যে একীভূত (مدغم) ইয়া-এর ওপর ঊহ্য (مقدر) পেশ (ضمة) দ্বারা মারফু (مرفوع) হওয়া ফায়েল (فاعل)।

আমি আমার আইনজীবীকে দেখেছি: 'ইয়ায়ে মুতাকাল্লিম'-এর সাথে একীভূত (مدغم) ইয়া-এর ওপর যবর (فتحة) দ্বারা মানসুব (منصুব) হওয়া মাফউলে বিহি (مفعول به)।

আমি আমার আইনজীবীর পাশ দিয়ে অতিক্রম করেছি: ‘বা’ দ্বারা মাজরুর (مجرুর) এবং এর জরের চিহ্ন হলো 'ইয়ায়ে মুতাকাল্লিম'-এর মধ্যে একীভূত (مدغم) ইয়া-এর ওপর ঊহ্য (مقدر) যের (كسرة)।

৩- তৃতীয় প্রকার: অতিরিক্ত (زائد) অথবা অতিরিক্তের সদৃশ (شبيه بالزائد) হরফে জরের উপস্থিতি:
(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ৩৩)
وحروف الجر الزائدة سوف نفصل فيها القول بعد ذلك، وهي حروف لا تؤدي الوظيفة التي يقتضيها الجر في العربية، ولكنها مع ذلك تؤثر في الاسم الذي بعدها فتجره، فنعربه بعلامة مقدرة منع من ظهورها اشتغال المحل بحركة حرف الجر الزائد؛ لأن محل الإعراب -كما سبق- لا يتحمل علامتين في وقت واحد. فنقول:

ما جاء من رجل: من حرف جر زائد، رجل فاعل مرفوع بضمة مقدرة منع من ظهورها اشتغال المحل بحركة حرف الجر الزائد.

ما رأيت من رجل: من حرف جر زائد، رجل مفعول به منصوب بفتحة مقدرة منع من ظهورها اشتغال المحل بحركة حرف الجر الزائد.

{لَسْتَ عَلَيْهِمْ بِمُسَيْطِرٍ} : خبر "ليس" منصوب بفتحة مقدرة منع من ظهورها اشتغال المحل بحركة حرف الجر الزائد.

وقد تكون العلامة المقدرة حركة، كما في الأمثلة السابقة، وقد تكون حرفا، مثل:

هل من مخلصين يفعلون ذلك: من حرف جر زائد، مخلصين مبتدأ مرفوع بواو مقدرة منع من ظهورها اشتغال المحل بعلامة حرف الجر الزائد.

ليسا بمؤمنين: الباء حرف جر زائد، خبر "ليس" منصوب بياء مقدرة منع من ظهورها اشتغال المحل بعلامة حرف الجر الزائد.

ليسوا بمؤمنين: الباء حرف جر زائد، مؤمنين خبر "ليس" منصوب بياء مقدرة منع من ظهورها اشتغال المحل بعلامة حرف الجر الزائد.

أما حرف الجر الشبيه بالزائد فهو رب وواوها، فتقول:

رب ضارة نافعة.

رب: حرف جر شبيه بالزائد.

ضارة: مبتدأ مرفوع بضمة مقدرة منع من ظهورها اشتغال المحل بحركة حرف الجر الشبيه بالزائد.
অতিরিক্ত অব্যয়সমূহ (حروف الجر الزائدة) সম্পর্কে আমরা পরবর্তীতে বিস্তারিত আলোচনা করব। এগুলো এমন বর্ণ যা আরবিতে জার (জের প্রদান) এর জন্য আবশ্যকীয় কার্য সম্পাদন করে না, তবে তা সত্ত্বেও এগুলো পরবর্তী বিশেষ্যের ওপর প্রভাব ফেলে এবং সেটিকে মাজরুর (জেরযুক্ত) করে। ফলে আমরা সেটিকে একটি উহ্য চিহ্ন (علامة مقدرة) দ্বারা ইরাব প্রদান করি, যা প্রকাশ পেতে বাধা দেয় অতিরিক্ত অব্যয়ের হরকতের (حركة) কারণে মহলের ব্যস্ততা (اشتغال المحل); কারণ ইরাবের স্থান (محل الإعراب)—যেমনটি আগে অতিক্রান্ত হয়েছে—একই সময়ে দুটি চিহ্ন গ্রহণ করতে পারে না। আমরা বলি:

'মা জাআ মিন রাজুলিন': এখানে 'মিন' হলো অতিরিক্ত অব্যয় (حرف جر زائد), 'রাজুল' হলো মারফু ফায়েল (فاعل مرفوع) যা একটি উহ্য দম্মা (ضمة مقدرة) দ্বারা গঠিত, যা প্রকাশ পেতে বাধা দিচ্ছে অতিরিক্ত অব্যয়ের হরকতের (حركة) কারণে মহলের ব্যস্ততা (اشتغال المحل)।

'মা রাইতু মিন রাজুলিন': এখানে 'মিন' হলো অতিরিক্ত অব্যয় (حرف جر زائد), 'রাজুল' হলো মানসুব মাফউল বিহি (مفعول به منصوب) যা একটি উহ্য ফাতহা (فتحة مقدرة) দ্বারা গঠিত, যা প্রকাশ পেতে বাধা দিচ্ছে অতিরিক্ত অব্যয়ের হরকতের (حركة) কারণে মহলের ব্যস্ততা (اشتغال المحل)।

{লাস্তা আলাইহিম বি-মুসাইতির}: এটি 'লাইসা' (ليس)-এর মানসুব খবর (خبر منصوب) যা একটি উহ্য ফাতহা (فتحة مقدرة) দ্বারা গঠিত, যা প্রকাশ পেতে বাধা দিচ্ছে অতিরিক্ত অব্যয়ের হরকতের (حركة) কারণে মহলের ব্যস্ততা (اشتغال المحل)।

কখনও উহ্য চিহ্নটি (علامة مقدرة) হরকত (حركة) হতে পারে, যেমনটি পূর্বের উদাহরণগুলোতে দেখা গেছে, আবার কখনও তা হরফ (حرف) বা বর্ণ হতে পারে, যেমন:

'হাল মিন মুখলিসিনা ইয়াফআলুনা যালিকা': এখানে 'মিন' হলো অতিরিক্ত অব্যয় (حرف جر زائد), 'মুখলিসিনা' হলো মারফু মুবতাদা (مبتدأ مرفوع) যা একটি উহ্য ওয়াও (واو مقدرة) দ্বারা গঠিত, যা প্রকাশ পেতে বাধা দিচ্ছে অতিরিক্ত অব্যয়ের চিহ্নের (علامة) কারণে মহলের ব্যস্ততা (اشتغال المحل)।

'লাইসা বি-মু'মিনাইনি': এখানে 'বা' হলো অতিরিক্ত অব্যয় (حرف جر زائد), এটি 'লাইসা' (ليس)-এর মানসুব খবর (خبر منصوب) যা একটি উহ্য ইয়া (ياء مقدرة) দ্বারা গঠিত, যা প্রকাশ পেতে বাধা দিচ্ছে অতিরিক্ত অব্যয়ের চিহ্নের (علامة) কারণে মহলের ব্যস্ততা (اشتغال المحل)।

'লাইসু বি-মু'মিনিনা': এখানে 'বা' হলো অতিরিক্ত অব্যয় (حرف جر زائد), 'মু'মিনিনা' হলো 'লাইসা' (ليس)-এর মানসুব খবর (خبر منصوب) যা একটি উহ্য ইয়া (ياء مقدرة) দ্বারা গঠিত, যা প্রকাশ পেতে বাধা দিচ্ছে অতিরিক্ত অব্যয়ের চিহ্নের (علامة) কারণে মহলের ব্যস্ততা (اشتغال المحل)।

আর অতিরিক্তের সদৃশ অব্যয় (حرف جر شبيه بالزائد) হলো 'রুব্বা' (رب) এবং এর 'ওয়াও' (واو), আপনি বলবেন:

রুব্বা দাররাতিন নাফিয়াতুন।

রুব্বা (رب): অতিরিক্তের সদৃশ অব্যয় (حرف جر شبيه بالزائد)।

দাররাতিন: মারফু মুবতাদা (مبتدأ مرفوع) যা একটি উহ্য দম্মা (ضمة مقدرة) দ্বারা গঠিত, যা প্রকাশ পেতে বাধা দিচ্ছে অতিরিক্তের সদৃশ অব্যয়ের হরকতের (حركة) কারণে মহলের ব্যস্ততা (اشتغال المحل)।
(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ৩৪)
نافعة: خبر مرفوع بالضمة الظاهرة.

وليل كموج البحر أرخى سدوله: الواو واو رُبَّ حرف جر شبيه بالزائد، ليل مبتدأ مرفوع بضمة مقدرة منع من ظهورها اشتغال المحل بحركة حرف الجر الشبيه بالزائد "والجملة الفعلية خبره".

تدريب: أعرب الكلمات المكتوبة بخط واضح:

{إِنَّ الْهُدَى هُدَى اللَّه} .

{وَلا تَقْفُ مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ} .

{لَنْ نَدْعُوَ مِنْ دُونِهِ إِلَهًا} .

{وَلَا تَمْشِ فِي الْأَرْضِ مَرَحًا} .

{وَلَا تَنْسَ نَصِيبَكَ مِنَ الدُّنْيَا} .

{وَمَا رَبُّكَ بِظَلَّامٍ لِلْعَبِيدِ} .

{قُلْ كَفَى بِاللَّهِ شَهِيدًا بَيْنِي وَبَيْنَكُمْ} .

{قُلِ الرُّوحُ مِنْ أَمْرِ رَبِّي} .

{إِنَّ عِبَادِي لَيْسَ لَكَ عَلَيْهِمْ سُلْطَانٌ} .

{مَا أَنْزَلَ اللَّهُ بِهَا مِنْ سُلْطَانٍ} .

{مَنْ يَهْدِ اللَّهُ فَهُوَ الْمُهْتَدِي} .

{مَا لَهُمْ بِهِ مِنْ عِلْمٍ وَلَا لِآبَائِهِمْ} .
নাফিআহ: প্রকাশ্য পেশ দ্বারা মারফু (مرفوع) এমন একটি সংবাদ (خبر)।

“সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো এক রজনী তার পর্দা ঝুলিয়ে দিয়েছে”: এখানে ‘ওয়াও’ হলো ‘ওয়াও রুব্বা’ যা অতিরিক্ত সদৃশ একটি অব্যয়, ‘লাইল’ শব্দটি মুবতাদা যা ঊহ্য পেশ দ্বারা মারফু (مرفوع); অতিরিক্ত সদৃশ অব্যয়ের হরকতের ব্যস্ততার কারণে পেশটি প্রকাশিত হতে পারেনি। “এবং ক্রিয়াবাচক বাক্যটি তার সংবাদ (خبر)”।

অনুশীলন: স্পষ্ট অক্ষরে লেখা শব্দগুলোর ব্যাকরণগত বিশ্লেষণ করো:

{নিশ্চয়ই হেদায়েত হলো আল্লাহর হেদায়েত।}

{আর যে বিষয়ে তোমার জ্ঞান নেই, তার অনুসরণ করো না।}

{আমরা কখনোই তিনি ব্যতীত অন্য কোনো উপাস্যকে আহ্বান করব না।}

{এবং যমিনে দম্ভভরে বিচরণ করো না।}

{আর দুনিয়া থেকে তোমার অংশ ভুলে যেও না।}

{এবং তোমার প্রতিপালক বান্দাদের প্রতি বিন্দুমাত্র যুলুমকারী নন।}

{বলুন, আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট।}

{বলুন, রূহ আমার রবের আদেশঘটিত।}

{নিশ্চয়ই আমার বান্দাদের ওপর তোমার কোনো আধিপত্য নেই।}

{আল্লাহ এ বিষয়ে কোনো প্রমাণ অবতীর্ণ করেননি।}

{আল্লাহ যাকে পথপ্রদর্শন করেন, সে-ই সঠিক পথপ্রাপ্ত।}

{এ বিষয়ে তাদের কোনো জ্ঞান নেই এবং তাদের পিতৃপুরুষদেরও ছিল না।}
(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ৩৫)
‌‌البناء

‌‌النوع الأول

…

6- البناء:

البناء لزوم الكلمة حالة واحدة؛ أي أن آخر الكلمة يلزم علامة واحدة لا تتغير بتغير العوامل، على عكس ما عرفنا في الإعراب.

والكلمات المبنية ثلاثة أنواع، هي:

أ- كل الحروف.

ب- بعض الأفعال.

ج- بعض الأسماء.

النوع الأول:

الحروف كلها مبنية، وهي لا محل لها من الإعراب؛ أي أنها لا تتأثر بالعوامل، ومعنى ذلك أنها لا تحتل موقعا من الجملة، فلا تكون فاعلا أو مفعولا أو تمييزا أو غير ذلك، ولعلك تذكر أن النحاة يعرفون الحرف بأنه ما دل على معنى في غيره، أي أنه ليس له معنى مستقل يقتضي أن يكون له موقع في الجملة تنتج عنه حالة إعرابية، وهذا هو معنى قولنا: إن الحرف لا محل له من الإعراب، وسواء أكان الحرف عاملا في غيره أم غير عامل فهو دائما مبني، فنقول:

هل حضر زيد؟ حرف استفهام مبني على السكون لا محل له من الإعراب.

ما جاء علي: حرف نفي مبني على السكون لا محل له من الإعراب.

اكتب بالقلم: حرف جر مبني على الكسر لا محل له من الإعراب.

يا علي: حرف نداء مبني على السكون لا محل له من الإعراب.

إن زيدا قائم: حرف توكيد ونصيب مبني على الفتح لا محل له من الإعراب.

وهكذا في الحروف جميعها.
‌‌আল-বিনা (শব্দের অপরিবর্তনীয়তা)

‌‌প্রথম প্রকার

…

৬- আল-বিনা (শব্দের অপরিবর্তনীয়তা):

আল-বিনা বলতে শব্দের একটি অবস্থায় অপরিহার্যভাবে স্থির থাকাকে বোঝায়; অর্থাৎ শব্দের শেষাংশ একটি নির্দিষ্ট চিহ্নের ওপর অপরিহার্যভাবে স্থির থাকে যা আমেল বা প্রভাবকসমূহের পরিবর্তনের ফলে পরিবর্তিত হয় না; যা আমরা ই’রাব (শব্দের রূপান্তর)-এর আলোচনায় যা জেনেছি তার বিপরীত।

অপরিবর্তনীয় (মাবনি) শব্দসমূহ তিন প্রকার, যথা:

ক- সকল হরফ (অব্যয়)।

খ- কিছু ফেল (ক্রিয়া)।

গ- কিছু ইসম (বিশেষ্য)।

প্রথম প্রকার:

সকল হরফই মাবনি (অপরিবর্তনীয়), এবং ই’রাবের ক্ষেত্রে এগুলোর কোনো স্থান নেই; অর্থাৎ এগুলো আমেল বা প্রভাবক দ্বারা প্রভাবিত হয় না। এর অর্থ হলো বাক্যে এগুলোর এমন কোনো অবস্থান নেই যার ফলে এগুলো ফায়েল (কর্তা), মাফউল (কর্ম), তামিয (বিশিষ্টতা দানকারী) বা অন্য কিছু হতে পারে। সম্ভবত আপনার স্মরণে আছে যে, নাহুবিদগণ হরফের সংজ্ঞায় বলেন যে, হরফ হলো এমন শব্দ যা অন্য শব্দ ছাড়া নিজের পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। অর্থাৎ এর নিজস্ব কোনো স্বতন্ত্র অর্থ নেই যা বাক্যে এর কোনো সুনির্দিষ্ট স্থান দাবি করে এবং যা থেকে কোনো ই’রাবগত অবস্থার সৃষ্টি হয়। আর এটাই হলো আমাদের এই কথার অর্থ যে: হরফের কোনো ই’রাবগত স্থান নেই। হরফটি অন্য শব্দের ওপর আমল (প্রভাব বিস্তার) করুক বা না করুক, তা সর্বদা মাবনি। যেমন আমরা বলি:

হাল হাজারা যাইদুন?: এটি একটি প্রশ্নবোধক হরফ যা সুকুনের ওপর মাবনি এবং ই’রাবের ক্ষেত্রে এর কোনো স্থান নেই।

মা জা-আ আলিয়্যুন: এটি একটি না-বোধক হরফ যা সুকুনের ওপর মাবনি এবং ই’রাবের ক্ষেত্রে এর কোনো স্থান নেই।

উক্তুব বিল-কালামি: এটি একটি হরফে জার যা কাসরার (জের) ওপর মাবনি এবং ই’রাবের ক্ষেত্রে এর কোনো স্থান নেই।

ইয়া আলিয়্যুন: এটি একটি আহ্বানসূচক হরফ যা সুকুনের ওপর মাবনি এবং ই’রাবের ক্ষেত্রে এর কোনো স্থান নেই।

ইন্না যাইদান ক্বয়িমুন: এটি একটি তাকিদ ও নাসব প্রদানকারী হরফ যা ফাতহার (জবর) ওপর মাবনি এবং ই’রাবের ক্ষেত্রে এর কোনো স্থান নেই।

অনুরূপভাবে সকল হরফের ক্ষেত্রেই বিষয়টি প্রযোজ্য।
(খণ্ড: ১) আত-তাতবীকুন নাহভী (পৃষ্ঠা: ৩৬)
‌‌النوع الثاني: بعض الأفعال:

ذكرنا أن الفعل المضارع غير المتصل بنون التوكيد المباشرة أو بنون النسوة هو الفعل المعرب، ومعنى ذلك أن الأفعال المبنية أكثر من الأفعال المعربة، وهي:

أ- الفعل الماضي.

ب- فعل الأمر.

ج- الفعل المضارع المتصل بنون التوكيد المباشرة أو بنون النسوة.

1- الفعل الماضي:

للماضي ثلاث حالات في البناء،: الفتح، والسكون، والضم.

1- فيبنى على الفتح إذا لم يتصل به شيء، أو إذا اتصلت به ألف الاثنين أو تاء التأنيث، نقول:

فهم الطالب: فعل ماض مبني على الفتح.

فهمَتِ الطالبة: فعل ماض مبني على الفتح، والتاء للتألنيث حرف مبني على السكون لا محل له من الإعراب.

الطالبان فهما: فعل ماض مبني على الفتح، والألف ضمير مبني على السكون في محل رفع فاعل.

سعى محمد إلى الخير: فاعل ماض مبني على الفتح المقدر منع من ظهوره التعذر.

2- ويبنى على السكون إذا اتصل به ضمير رفع متحرك، وضمائر الرفع المتحركة هي: تاء الفاعل لمتكلم أو مخاطب أو مخاطبة، وضمير المثنى
দ্বিতীয় প্রকার: কিছু ক্রিয়া:

আমরা উল্লেখ করেছি যে, বর্তমানকালীন ক্রিয়া যা সরাসরি তাকিদ যুক্ত নুন অথবা স্ত্রীলিঙ্গবাচক নুন-এর সাথে যুক্ত নয়, তা হলো রূপান্তরযোগ্য ক্রিয়া। এর অর্থ হলো, অপরিবর্তনীয় ক্রিয়াগুলো রূপান্তরযোগ্য ক্রিয়াগুলোর চেয়ে সংখ্যায় বেশি। সেগুলো হলো:

ক- অতীতকালীন ক্রিয়া।

খ- আদেশসূচক ক্রিয়া।

গ- বর্তমানকালীন ক্রিয়া যা সরাসরি তাকিদ যুক্ত নুন অথবা স্ত্রীলিঙ্গবাচক নুন-এর সাথে যুক্ত।

১- অতীতকালীন ক্রিয়া:

অতীতকালীন ক্রিয়া অপরিবর্তনীয় হওয়ার তিনটি অবস্থা রয়েছে: ফাতহ, সুকুন এবং যম্ম।

১- সুতরাং এটি ফাতহ-এর ওপর ভিত্তি করে অপরিবর্তনীয় হয় যখন এর শেষে কোনো কিছু যুক্ত হয় না, অথবা যখন এর সাথে দ্বিবচনবাচক আলিফ বা স্ত্রীলিঙ্গবাচক ‘তা’ যুক্ত হয়। আমরা বলি:

ফাহিমা আত-তালিবু (ছাত্রটি বুঝেছে): এটি ফাতহ-এর ওপর ভিত্তি করে গঠিত একটি অতীতকালীন ক্রিয়া।

ফাহিমাত আত-তালিবাতু (ছাত্রীটি বুঝেছে): এটি ফাতহ-এর ওপর ভিত্তি করে গঠিত একটি অতীতকালীন ক্রিয়া, আর ‘তা’ হলো স্ত্রীলিঙ্গবাচক বর্ণ যা সুকুন-এর ওপর ভিত্তি করে গঠিত এবং এর কোনো কারকীয় অবস্থান নেই।

আত-তালিবানি ফাহিমা (ছাত্র দুজন বুঝেছে): এটি ফাতহ-এর ওপর ভিত্তি করে গঠিত একটি অতীতকালীন ক্রিয়া, আর আলিফ হলো সুকুন-এর ওপর ভিত্তি করে গঠিত একটি সর্বনাম যা কর্তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে রফা-এর অবস্থায় রয়েছে।

সা’আ মুহাম্মাদুন ইলাল খাইর (মুহাম্মদ কল্যাণের দিকে ধাবিত হয়েছে): এটি উহ্য ফাতহ-এর ওপর ভিত্তি করে গঠিত একটি অতীতকালীন ক্রিয়া, যা প্রকাশ পেতে অসম্ভবতা বাধা প্রদান করেছে।

২- আর এটি সুকুন-এর ওপর ভিত্তি করে অপরিবর্তনীয় হয় যখন এর সাথে কোনো গতিশীল কর্তৃবাচক সর্বনাম যুক্ত হয়। আর গতিশীল কর্তৃবাচক সর্বনামগুলো হলো: উত্তম পুরুষ, মধ্যম পুরুষ (পুংলিঙ্গ) অথবা মধ্যম পুরুষ (স্ত্রীলিঙ্গ)-এর জন্য ব্যবহৃত কর্তৃবাচক ‘তা’ এবং দ্বিবচনবাচক সর্বনাম।