(খণ্ড: ১)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: -)
المجالسة وجواهر العلم القسم: كتب السنة
الكتاب: المجالسة وجواهر العلم
المؤلف: أبو بكر أحمد بن مروان بن محمد الدينوري القاضي المالكي (ت 333 هـ)
المحقق: أبو عبيدة مشهور بن حسن آل سلمان
الناشر: جمعية التربية الإسلامية (البحرين - أم الحصم)، دار ابن حزم (بيروت - لبنان)
الطبعة: الأولى، 1419 هـ - 1998 م
عدد الأجزاء: 10 (آخر 2 فهارس)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع، وفي الهامش قطوف من كلام المحقق]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
লেখক: আবু বকর আহমাদ ইবনে মারওয়ান ইবনে মুহাম্মাদ আদ-দায়নূরী আল-কাজী আল-মালিকী (মৃত্যু ৩৩৩ হিজরি)
তাহকীক: আবু উবাইদাহ মাশহুর বিন হাসান আল সালমান
প্রকাশক: জামঈয়াতুত তারবিয়াহ আল-ইসলামিয়্যাহ (বাহরাইন - উম্মুল হাসাম), দার ইবনে হাযম (বৈরুত - লেবানন)
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৯ হিজরি - ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ১০ (শেষ ২ খণ্ড নির্ঘণ্ট)
[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রণের অনুরূপ, এবং টীকায় মুহাক্কিকের বক্তব্যের অংশবিশেষ রয়েছে]
শামিলা সফটওয়্যারে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: -)
ـ[المجالسة وجواهر العلم]ـ
المؤلف: أبو بكر أحمد بن مروان الدينوري المالكي (المتوفى: 333هـ)
المحقق: أبو عبيدة مشهور بن حسن آل سلمان
الناشر: جمعية التربية الإسلامية (البحرين - أم الحصم) ، دار ابن حزم (بيروت - لبنان)
تاريخ النشر: 1419هـ
عدد الأجزاء: 10
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع، وفي الهامش قطوف من كلام المحقق الشيخ مشهور حسن]
[আল-মজালিসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম]
লেখক: আবু বকর আহমদ বিন মারওয়ান আদ-দিনাওয়ারী আল-মালিকী (মৃত্যু: ৩৩৩ হিজরি)
মুহাক্কিক: আবু উবাইদাহ মাশহুর বিন হাসান আল সালমান
প্রকাশক: জামইয়াতুত তারবিয়াহ আল-ইসলামিয়্যাহ (বাহরাইন - উম্মুল হাসাম), দার ইবনে হাযম (বৈরুত - লেবানন)
প্রকাশের তারিখ: ১৪১৯ হিজরি
খণ্ড সংখ্যা: ১০
[বইয়ের নম্বরবিন্যাস মূল মুদ্রণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, এবং পাদটীকায় মুহাক্কিক শায়খ মাশহুর হাসানের বক্তব্যের অংশবিশেষ রয়েছে]
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ١٨)
مدحه وثناء العلماء عليه.
مدح أبا بكر الدينوري أحمدَ بنَ مروان جل من ترجم له، فقال
--------------------------------------------
তাঁর প্রশংসা এবং তাঁর প্রতি আলেমগণের স্তুতি.
আবু বকর আদ-দায়নূরী আহমদ বিন মারওয়ান-এর জীবনী যারা লিখেছেন, তাঁদের অধিকাংশ ব্যক্তিই তাঁর প্রশংসা করেছেন এবং বলেছেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ١٩)
عنه الذهبي (1) : "الفقيه العلاّمة المحدّث "، "وكان بصيرا بمذهب مالك " وقال (2) : "وله يد في المذهب ".
وقال القاضي عياض: "وغلب عليه الحديث وشهر به" (3) .
وقال ابن العديم: "سمع الحديث الكثير" (4) .
كلام الدارقطني فيه.
اكتفى الذهبي في "تاريخ الإسلام " (ص 200- حوادث، 331 - 340 هـ) ، و "الميزان " (1/ 156/ رقم 620) ، والمغني في الضعفاء" (1/ 60/ رقم 462) ، و"ديوان الضعفاء والمتروكين " (1/ 36/ رقم 105) بقوله إن الدارقطني اتهمه.
وزاد في "الميزان " فقط قوله: "ومشَاهُ غيرُه ".
وقال في "السير" (15 / 428) ، وابن فرحون في "الديباج
المذهب " (ص 32) ، والقاضي عياض في "ترتيب المدارك " (5/ 51) : "ضعَفه الدارقطني ".
ولم أظفر بكلامٍ للدارقطني حوله في أجوبته على أسئلة كل من
--------------------------------------------
তাঁর সম্পর্কে আয-যাহাবী (১) বলেছেন: "তিনি ফকিহ, আল্লামা ও মুহাদ্দিস", "তিনি মালিকি মাযহাব সম্পর্কে বিজ্ঞ ছিলেন" এবং তিনি বলেছেন (২): "মাযহাবের ক্ষেত্রে তাঁর বিশেষ পারদর্শিতা ছিল।"
এবং কাযী আইয়াদ বলেছেন: "তাঁর ওপর হাদীস চর্চার প্রাধান্য ছিল এবং তিনি এর মাধ্যমেই প্রসিদ্ধি লাভ করেন" (৩)।
এবং ইবনুল আদীয়াম বলেছেন: "তিনি প্রচুর হাদীস শ্রবণ করেছেন" (৪)।
তাঁর সম্পর্কে আদ-দারা কুতনীর বক্তব্য.
আয-যাহাবী 'তারিখুল ইসলাম' (পৃষ্ঠা ২০০- ঘটনাপ্রবাহ, ৩৩১ - ৩৪০ হি.), 'আল-মিজান' (১/ ১৫৬/ নম্বর ৬২০), 'আল-মুগনি ফিত-দুয়াফা' (১/ ৬০/ নম্বর ৪৬২) এবং 'দিওয়ানুয-দুয়াফা ওয়াল-মাতরুকিন' (১/ ৩৬/ নম্বর ১০৫) গ্রন্থে কেবল এটুকু বলার মাধ্যমে সীমাবদ্ধ থেকেছেন যে, আদ-দারা কুতনী তাঁকে অভিযুক্ত করেছেন।
এবং তিনি শুধুমাত্র 'আল-মিজান' গ্রন্থে তাঁর এই উক্তিটি যোগ করেছেন: "এবং অন্য ব্যক্তিরা তাঁকে গ্রহণযোগ্য (চলাচলযোগ্য) বলেছেন।"
এবং তিনি 'আস-সিয়ার' (১৫/ ৪২৮) গ্রন্থে, ইবনু ফারহুন 'আদ-দিবাজুল মুযাহহাব' (পৃষ্ঠা ৩২) গ্রন্থে এবং কাযী আইয়াদ 'তারতিবুল মাদারিক' (৫/ ৫১) গ্রন্থে বলেছেন: "আদ-দারা কুতনী তাঁকে দুর্বল বলেছেন।"
এবং আমি তাঁর সম্পর্কে আদ-দারা কুতনীর কোনো বক্তব্য খুঁজে পাইনি তাঁর সেই উত্তরসমূহে যা তিনি নিম্নোক্তদের প্রশ্নের জবাবে দিয়েছিলেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
البرقاني والحاكم وحمزة بن يوسف السهمي- وهي المطبوعة-، ولا في القسم المطبوع من "العلل " له ولا في "السنن " (*)
ولما لم يكن ذِكْرُ المصنِّف مشهورا في كتب التراجم ولا يوجد حوله كلام لأئمة الجرح والتعديل؛ تلقّى الباحثون كلام الذهبي السابق واعتمدوا عليه، وحكموا على أسانيد الأحاديث والآثار الموجودة في "المجالسة" بأنها "تالفة" أو "واهية"، ويصرح بعضهم بأنها "موضوعة"!! بينما وجدتُ أن ابن عساكر في "تاريخ دمشق " يحكم على بعضها بالصِّحة، ويحسن بعضها ابن حجر (1) في " الإصابة " (2) .
ومن الجدير بالذكر أنَّ المصنِّف من رجال "المختارة" (3) للضياء المقدسي، ومن المعلوم أن شرطه فيه الصحة، وأسانيده أنظف من أسانيد "المستدرك " للحاكم، وفي هذا توثيق ضمني من قبل ضياء الدين المقدسي للمصنف.
وهذا يقضي بأن المصنف ثقة، وإن لم يكن كذلك، فهو ممن
--------------------------------------------
আল-বারকানি, আল-হাকিম এবং হামজা ইবনে ইউসুফ আস-সাহমি —যা মুদ্রিত— না তার "আল-ইলাল"-এর মুদ্রিত অংশে, আর না "আস-সুনান" (*) -এ।
যেহেতু জীবনীগ্রন্থগুলোতে গ্রন্থকারের উল্লেখ প্রসিদ্ধ নয় এবং জারহ ও তাদিল (সমালোচনা ও সংশোধন) শাস্ত্রের ইমামদের পক্ষ থেকে তার ব্যাপারে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায় না; তাই গবেষকগণ আয-যাহাবির পূর্বোক্ত কথাটিকে গ্রহণ করেছেন এবং তার ওপর নির্ভর করেছেন। তারা "আল-মুজালাসাহ" গ্রন্থে বিদ্যমান হাদিস ও আসারসমূহের সনদ বা সূত্রগুলোর ব্যাপারে এই হুকুম দিয়েছেন যে সেগুলো "পরিত্যক্ত" অথবা "অত্যন্ত দুর্বল", এমনকি তাদের কেউ কেউ এগুলোকে "জাল" বলেও স্পষ্ট উল্লেখ করেছেন!! অথচ আমি দেখেছি যে, ইবনে আসাকির তার "তারিখু দিমাসক" গ্রন্থে এগুলোর কোনো কোনোটির ব্যাপারে সহিহ হওয়ার হুকুম দিয়েছেন এবং ইবনে হাজার (১) "আল-ইসাবাহ" (২) গ্রন্থে এগুলোর কোনো কোনোটিকে হাসান বলেছেন।
আরও উল্লেখ্য যে, গ্রন্থকার দিয়া আল-মাকদিসির "আল-মুখতারাহ" (৩)-এর বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত। আর এটি সুবিদিত যে, এতে তার শর্ত হলো সহিহ হওয়া, এবং এর সনদসমূহ হাকিমের "আল-মুস্তাদরাক"-এর সনদসমূহের চেয়েও পরিচ্ছন্ন। এর মাধ্যমে দিয়াউদ্দিন আল-মাকদিসির পক্ষ থেকে গ্রন্থকারের প্রতি একটি পরোক্ষ নির্ভরযোগ্যতা প্রকাশ পায়।
এটি দাবি করে যে গ্রন্থকার নির্ভরযোগ্য, আর যদি তা না-ও হন, তবে তিনি এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত—
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ٢١)
يشملهم اسم الستر والعدالة ولذا لم يترجمه أحد- غير الذهبي- ممن خص (الضعفاء والمجاهيل، والمتروكين، والوضاعين) بالتصنيف.
ووجدتُ أنّ ابن حجر في "اللسان" قد فصل نقل الذهبي السابق عن الدارقطني، وقوله كذلك "ومشاه غيره"، فقال: "وصرح الدارقطني في "غرائب مالك " بأنه يضع الحديث، وروى مرة فيها عن الحسن الضَّرََّاب (1) عنه، عن إسماعيل بن إسحاق، عن إسماعيل بن أبي أويس، عن مالك، عن سُمَى عن أبي صالح، عن أبي هريرة حديث: "سبقت رحمتي غضبي ".
وقال: "لا يصح بهذا الإسناد، والمتهم به أحمد بن مروان، وهو عندي ممن كان يضع الحديث "!!
قلت: لا أعرف أحداً تكلم في المصنف غير الدارقطني، وهو
قد رماه بالوضع، والدارقطني إمام كبير، له قدم ثابتة في العلل، وهو من المتوسطين في حكمه على الرواة، ولكن لا يبعد أن يكون قد تعنَّت على هذا الإمام في هذا الحكم.
وقد وجدتُ في كتابنا "المجالسة" بعض الأمثلة (2) تشبه ما ذكره الدارقطني، والجناية تعصب فيها إما للمصنّف أو شيخه، ويكون شيوخه في أمثالها من المجاهيل؛ فهم بها أولى، وهذا من
--------------------------------------------
তারা আবৃতকরণ ও ন্যায়পরায়ণতা (আদালত) নামের অন্তর্ভুক্ত, আর এই কারণেই যাহাবী ব্যতীত অন্য কেউ—যারা দুর্বল, অপরিচিত, বর্জনীয় ও হাদীস জালকারীদের জন্য স্বতন্ত্র গ্রন্থ রচনা করেছেন—তার জীবনী উল্লেখ করেননি।
আমি লক্ষ্য করেছি যে, ইবনে হাজার ‘আল-লিসান’ গ্রন্থে দারা কুতনী থেকে উদ্ধৃত যাহাবীর পূর্বোক্ত বর্ণনা এবং তার এই বক্তব্য যে ‘অন্যরা তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন’—এটিকে বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: “দারা কুতনী ‘গারাইবে মালিক’ গ্রন্থে স্পষ্ট করে বলেছেন যে, সে হাদীস জাল করে। সেখানে একবার তিনি হাসান আদ-দাররাব (১) থেকে, তার সূত্রে ইসমাঈল বিন ইসহাক থেকে, তিনি ইসমাঈল বিন আবি উওয়াইস থেকে, তিনি মালিক থেকে, তিনি সুমাই থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন: ‘আমার রহমত আমার রাগকে অতিক্রম করে গেছে’।”
তিনি বলেছেন: “এই সনদে হাদীসটি সহীহ নয়, এবং এর জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন আহমদ বিন মারওয়ান। আমার নিকট তিনি সেই ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত যারা হাদীস জাল করত”!!
আমি বলছি: দারা কুতনী ব্যতীত অন্য কাউকে এই গ্রন্থকারের ব্যাপারে সমালোচনা করতে আমি চিনি না। আর তিনি
তার প্রতি হাদীস জালের অভিযোগ এনেছেন। দারা কুতনী একজন মহান ইমাম, ইল্লাল (হাদীসের সূক্ষ্ম ত্রুটি) শাস্ত্রে তার সুদৃঢ় পা রয়েছে এবং রাবীদের ব্যাপারে হুকুম প্রদানের ক্ষেত্রে তিনি মধ্যমপন্থী। তবে এটা অসম্ভব নয় যে, তিনি এই ইমামের প্রতি এই হুকুমের ক্ষেত্রে কিছুটা কঠোরতা অবলম্বন করেছেন।
আমি আমাদের ‘আল-মুজালাসা’ গ্রন্থে এমন কিছু উদাহরণ (২) পেয়েছি যা দারা কুতনীর উল্লিখিত বক্তব্যের সাথে সদৃশ। এতে ত্রুটিটি হয় গ্রন্থকারের গোঁড়ামির কারণে অথবা তার শাইখের কারণে; আর এ জাতীয় বর্ণনায় তার শাইখরা অজ্ঞাত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত, তাই তারাই এই ত্রুটির জন্য অধিকতর যোগ্য। আর এটি হলো
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
باب العدل والإنصاف.
وأما المثل الذي ذكره الدارقطني؟ فليس من هذا الباب، وهو
ليس في "المجالسة"، ولا يبعد أن يكون ممن هو دون المصنِّف، وعلى فرض كونه منه فلا يسلم إنسان من الوهم وإدخال إسناد في إسناد، على أن لا يكثر ذلك منه ويفحش، وقد وقع شبيهه من أئمة كبار من أمثال الطبراني (1) ، ولا يسقط الثقة بالوهم والخطأ النادر أو القليل، ومن الذي لا يغفل ولا يخطأ؟
ويؤيد هذا أني لم أجد في هذا الكتاب تفردا كثيراً منه، ومما يقوي أنه صدوق في باب الرواية: أنه روى بنزول في بعض الأحايين، وأثنى عليه غير واحد، واحتج به الخطيب في بعض كتبه، وكذا الضياء في "المختارة"، ونقل أخباراً من كتبه جمعٌ من المتأخرين ممن يدققون ويحررون، وأوردوها في مقام الرضى والقبول، من أمثال: ابن قدامة، والمزي، وابن القيم، وابن كثير، والذهبي، وغيرهم.
ويتأكد ما ذهبنا إليه من كون
المصنف في عداد من يحْتَجُّ به، ويُقبل حديثه بتوثيق مسلمة له.
قال ابن حجر: "وقال مسلمة في "الصلَة": كان- أي أحمد بن مروان- من أروى الناس عن ابن قتيبة
… وكان ثقةً، كثير
--------------------------------------------
ন্যায়বিচার ও ইনসাফ পরিচ্ছেদ।
আর দারাকুতনী যে দৃষ্টান্তটি উল্লেখ করেছেন? তা এই পরিচ্ছেদের অন্তর্ভুক্ত নয়। এটি 'আল-মুজালাসাহ' গ্রন্থে নেই। এটি গ্রন্থকারের নিম্নস্তরের কোনো বর্ণনাকারীর পক্ষ থেকে হওয়াও অসম্ভব নয়। যদি ধরে নেওয়া হয় যে এটি তাঁর পক্ষ থেকেই হয়েছে, তবে কোনো মানুষই ভুল-ভ্রান্তি এবং এক সনদের ভেতর অন্য সনদ ঢুকিয়ে ফেলা থেকে মুক্ত নয়, যদি না সেটি অত্যধিক ও গুরুতর হয়। অনুরূপ ঘটনা তাবারানীর মতো বড় বড় ইমামদের ক্ষেত্রেও ঘটেছে (১)। বিরল বা সামান্য ভুল-ভ্রান্তির কারণে নির্ভরযোগ্যতা নষ্ট হয় না। আর এমন কে আছে যার কোনো বিচ্যুতি বা ভুল হয় না?
এই বিষয়টি আরও শক্তিশালী হয় যে, আমি এই গ্রন্থে তাঁর থেকে খুব বেশি একক বর্ণনা পাইনি। বর্ণনার ক্ষেত্রে তিনি যে সত্যবাদী, তা আরও দৃঢ় হয় এই কারণে যে: তিনি মাঝে মাঝে দীর্ঘ সনদে বর্ণনা করেছেন এবং একাধিক ব্যক্তি তাঁর প্রশংসা করেছেন। আল-খাতীব তাঁর কিছু গ্রন্থে তাঁর মাধ্যমে দলিল পেশ করেছেন, তেমনি আদ-দিয়া 'আল-মুখতারা' গ্রন্থে। পরবর্তী যুগের একদল সূক্ষ্মদর্শী ও গবেষক আলেম তাঁর কিতাব থেকে সংবাদসমূহ উদ্ধৃত করেছেন এবং সেগুলো সন্তুষ্টি ও কবুলিয়াতের সাথে পেশ করেছেন, যেমন: ইবনে কুদামা, আল-মিযযি, ইবনুল কাইয়্যিম, ইবনে কাসীর, আয-যাহাবী এবং আরও অনেকে।
আমাদের এই অভিমত যে,
গ্রন্থকার সেই পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত যাঁদের মাধ্যমে দলিল পেশ করা যায় এবং যাঁদের হাদিস গ্রহণযোগ্য, তা মাসলামাহ কর্তৃক তাঁকে নির্ভরযোগ্য সাব্যস্ত করার মাধ্যমে আরও সুনিশ্চিত হয়।
ইবনে হাজার বলেন: "মাসলামাহ 'আস-সিলাহ' গ্রন্থে বলেছেন: তিনি—অর্থাৎ আহমদ বিন মারওয়ান—ইবনে কুতাইবাহ থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ ছিলেন... এবং তিনি ছিলেন নির্ভরযোগ্য, প্রচুর
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
الحديث "
وصحح ابن الهمام الحنفي في "فتح القدير" (2/ 506) أثرا في "المجالسة" (رقم 506) ، وهذا يدلل على أنه اعتمد توثيق من وثقه، والله أعلم
হাদিস:
ইবনুল হুমাম আল-হানাফী "ফাতহুল কাদির" (২/ ৫০৬) গ্রন্থে "আল-মুজালাসাহ" (নম্বর ৫০৬) এর একটি আছারকে (বর্ণনা) সহীহ বলেছেন। এটি এ কথার প্রমাণ দেয় যে, তিনি তাকে (বর্ণনাকারীকে) যারা নির্ভরযোগ্য বলেছেন তাদের সত্যায়নের ওপর নির্ভর করেছেন। আর আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ٢٨١)
بسم الله الرحمن الرحيم
الجزء الأولمن كتاب «المجالسة وجواهر العلم»
صلى الله على سيدنا محمد وآله وصحبه وسلم.
أخبرنا الشيخ أبو القاسم هبة الله بن علي بن سعود البوصيري وأبو عبد الله محمد بن حمد بن حامد الأرتاحي إذناً؛ قالا: أنا الشيخ أبو الحسن علي بن الحسين بن عمر الفراء الموصلي، قال البوصيري: قراءةً عليه وأنا أسمع، وقال ابن محمد: إجازة؛ قال: أخبرنا الشيخ أبو القاسم عبد العزيز بن الحسن بن إسماعيل بن الضراب الغساني سنة ست وخمسين وأربع مئة؛ قال: أنا أبي أبو محمد الحسن بن إسماعيل بن محمد بن مروان بن الغمر الغساني الضراب قراءة عليه في منزله؛ قال: حدثنا أبو بكر أحمد بن مروان بن محمد بن مالك الدينوري المالكي القاضي قراءةً عليه وأنا أسمع سنة إحدى وثلاثين وثلاث مئة؛ قال:
⦗ص: 282⦘ الحمد لله الذي علا بكل مكرمة، وبان بكل فضيلة، وبطن بخفيات الأمور، ودلت عليه أعلام الظهور، واستتر بلطفه عن عين البصير؛ فلا نفس من لا تراه تنكره، ولا عين من أثبتته تبصره، بسق في العلو؛ فلا شيء أعلا منه، وسقب في الدنو؛ فلا شيء أقربُ منه، ولا استعلاءه باعده من خلقه، ولا قربهُ ساواهم في المكان معه، لم تطلع العقول على تحديد صفته، ولم يحجبها عن كنه معرفته، لا يعزبُ عنه شيء، ولا تحجب عنه دعوة؛ ولا تَخيب لديه طلبة، ولا يضل عنده سعيُ الذي رضي عن عظيم النِّعم بقليل الشكر، وغفر بعقد الندم كثير الذنوب، ومحا بتوبة الساعة خطايا الزمان والدهور؛ فتعالى الله عما يقول الجاحدون له والملحدون في توحيده علوّاً كبيراً، لم يلد ولم يولد ولم يكن له كفواً أحد؛ نحمده، ونستعينه، ونؤمن به، ونتوكل عليه، ونشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأن محمداً عبده ورسوله؛ البشير، النذير، السراج المنير، المنتخب في علم الغيوب، والمصطفى في اللوح المحفوظ وعلم ما جرت به المقادير؛ فإنه المباعد من الرجس بالتطهير، مع سؤدد البشر وطيب المختبر وشرف المعشر من أهل المعشر؛ حتى بدا صلى الله عليه وسلم في خير قريش بطناً، وأنضرها عوداً، وأطولها باعاً، وأسفرها قناعاً، وأثبتها في مُرتقى الخير سلماً، هادياً إلى رضاه، وداعياً إلى محابِّه، ودالاً على سبيل جنته، فتح لنا باب رحمته، وأغلق عنا باب سخطه، وبلَّغ الرسالة، وأدى الأمانة، وجاهد في الله عز وجل حتى أتاه اليقين؛ فصلوات الله عليه ورحمته وبركاته وعلى آله، وسلم كثيراً أبداً ما طمى بحرٌ وذرَّ ريح، وعلى
⦗ص: 283⦘ جميع النبيين والمرسلين. أما بعد: فإن الله تبارك وتعالى في كل نعمة أنعم بها حقاً على عباده يجب عليهم الشكر له؛ فنسأل الله أن يجعلنا لنعمه شاكرين، وبأحسنه آخذين، وأن ينفعنا بالعلم؛ فإن خير العلوم أنفعُها، وأنفعُها أحمدُها مَغَبَّة، وأحمدها مَغَبَّة ما تُعُلِّم وعُلِّمَ لله تبارك وتعالى وأريد به وجهه، ونحن نسأل الله أن يجعلنا بما علمنا عاملين، وبأحسنه آخذين، ولوجهه الكريم بما يستفيد ويفيد وبحسن بلائه عندنا وبشكره آناء الليل والنهار عارفين، إنه أقربُ المدعوين، وأفضلُ المعطين، وأجودُ المسؤولين. وإني تكلَّفت بهذا الكتاب وجمعت فيه علوماً كثيرة؛ من التفسير ومعاني القرآن، وفي عظمة الله جلّ وعزّ، ومن حديث الرسول صلى الله عليه وسلم وحديث الصحابة وأخبارهم؛ رحمة الله عليهم أجمعين، ومن حديث أخبار التابعين والزهاد والعلماء والحكماء والشعر والنوادر وأخبار العرب وأيامها وأخبار الفرس وغير ذلك من فنون العلم، ولم أدع شيئاً يحتاج إليه العالم والمتعلم ويجري ذكره في مجالسهم؛ إلا وقد ذكرت في كتابي هذا منه طرفاً، وجعلته مختصراً كيلا يثقل على من كتبه، ويكون ذلك سهلاً على من نظر فيه وحفظه. ونسأل الله عز وجل التجاوز عن الزَّلَّة، وحسن التوفيق لما يحب؛ إنه خير مسؤول، وأفضل مأمول.
পরম করুণাময়, অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।
প্রথম খণ্ড‘আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম’ গ্রন্থ হতে
আমাদের নেতা মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সঙ্গীদের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শেখ আবু আল-কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন আলী বিন সাউদ আল-বুসিরি এবং আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন হামাদ বিন হামিদ আল-আরতাহি অনুমতি সূত্রে; তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শেখ আবু আল-হাসান আলী বিন আল-হুসাইন বিন উমর আল-ফাররা আল-মাওসিলি। আল-বুসিরি বলেছেন: তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করেছি; আর ইবনে মুহাম্মাদ বলেছেন: অনুমতি সূত্রে; তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শেখ আবু আল-কাসিম আবদুল আজিজ বিন আল-হাসান বিন ইসমাইল বিন আদ-দাররাব আল-গাসসানি চারশ ছাপ্পান্ন হিজরী সনে; তিনি বলেছেন: আমার পিতা আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান বিন ইসমাইল বিন মুহাম্মাদ বিন মারওয়ান বিন আল-গামর আল-গাসসানি আদ-দাররাব তাঁর নিজ গৃহে তাঁর নিকট পাঠ করার সময় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন মারওয়ান বিন মুহাম্মাদ বিন মালিক আদ-দিনাওয়ারি আল-মালিকি আল-কাদি, তিনশ একত্রিশ হিজরী সনে আমি শ্রবণরত অবস্থায় তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে; তিনি বলেছেন:
⦗পৃষ্ঠা: ২৮২⦘ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি প্রতিটি মহত্ত্বে সমুন্নত, সকল শ্রেষ্ঠত্বে অনন্য, অতি সূক্ষ্ম বিষয়সমূহেও যিনি পরিব্যাপ্ত, আর যাঁর অস্তিত্বের প্রমাণ সুস্পষ্ট নিদর্শনসমূহ প্রকাশ করে। তিনি তাঁর করুণার আবরণে চর্মচক্ষু হতে প্রচ্ছন্ন; তাই যে তাঁকে দেখে না, তার সত্তাও তাঁকে অস্বীকার করতে পারে না, আর যে তাঁর অস্তিত্ব স্বীকার করে, তার চোখও তাঁকে প্রত্যক্ষ করতে পারে না। তিনি উচ্চতায় সুউচ্চ, ফলে তাঁর ঊর্ধ্বে আর কিছুই নেই; আবার তিনি নৈকট্যে অতি নিকটবর্তী, ফলে তাঁর চেয়ে ঘনিষ্ঠ আর কিছুই নেই। তাঁর এই উচ্চতা তাঁকে তাঁর সৃষ্টিজগত থেকে বিচ্ছিন্ন করেনি, আর তাঁর নৈকট্য তাঁকে সৃষ্টির সমপর্যায়ে একই স্থানে শামিল করেনি। বিবেক-বুদ্ধি তাঁর গুণাবলীর সীমা নির্ধারণ করতে সক্ষম হয়নি, আবার তাঁর প্রকৃত পরিচয় জানা থেকেও তিনি বুদ্ধিকে বঞ্চিত করেননি। তাঁর অগোচরে কিছুই থাকে না, কোনো আহ্বানই তাঁর নিকট পৌঁছাতে বাধাগ্রস্ত হয় না; তাঁর দরবারে কোনো প্রার্থীই নিরাশ হয় না এবং তাঁর নিকট এমন ব্যক্তির প্রচেষ্টা বিফলে যায় না যে তাঁর মহান নেয়ামতের অল্প কৃতজ্ঞতাতেই সন্তুষ্ট থাকে। তিনি অনুতপ্ত হৃদয়ের সংকল্পের বিনিময়ে অগাধ পাপ ক্ষমা করেন এবং এক মুহূর্তের তওবার মাধ্যমে দীর্ঘ সময়ের অপরাধসমূহ মুছে দেন। অস্বীকারকারী এবং তাঁর তাওহীদের ব্যাপারে বিভ্রান্তরা যা বলে, আল্লাহ তা থেকে অনেক ঊর্ধ্বে ও অতি উচ্চ। তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং জন্ম নেননি, আর তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই। আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর সাহায্য চাই, তাঁর ওপর ঈমান আনি, তাঁর ওপর ভরসা করি এবং সাক্ষ্য দিই যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। আরও সাক্ষ্য দিই যে, মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসূল; তিনি সুসংবাদদাতা, সতর্ককারী ও প্রজ্জ্বলিত প্রদীপ। তিনি অদৃশ্যের জ্ঞানে মনোনীত এবং লাওহে মাহফুজে ও তাকদীরের পূর্বজ্ঞানে নির্বাচিত। মহান আল্লাহ তাঁকে পবিত্রতা দানের মাধ্যমে সকল অপবিত্রতা থেকে দূরে রেখেছেন; মানুষের মধ্যে তিনি শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী, চারিত্রিক মাধুর্যে অনন্য এবং সর্বশ্রেষ্ঠ বংশীয় মর্যাদার অধিকারী। অবশেষে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরাইশদের সর্বোত্তম পরিবারে আবির্ভূত হলেন, যার মূল অত্যন্ত মজবুত, প্রভাব সুদূরপ্রসারী এবং আভিজাত্য সুস্পষ্ট। তিনি ছিলেন কল্যাণের সোপানে অটল, আল্লাহর সন্তুষ্টির দিকে পথপ্রদর্শক, তাঁর প্রিয় আমলসমূহের দিকে আহ্বানকারী এবং জান্নাতের পথের দিশারী। তিনি আমাদের জন্য তাঁর রহমতের দ্বার উন্মোচন করেছেন এবং ক্রোধের দ্বার রুদ্ধ করেছেন। তিনি রিসালাত পৌঁছে দিয়েছেন, আমানত আদায় করেছেন এবং আল্লাহর পথে যথাযথ জিহাদ করেছেন যতক্ষণ না তাঁর নিকট মৃত্যু উপস্থিত হয়েছে। তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবারবর্গের ওপর আল্লাহর রহমত, করুণা ও বরকত বর্ষিত হোক চিরকাল, যতদিন সমুদ্র উত্তাল থাকবে এবং বায়ু প্রবাহিত হবে; এবং
⦗পৃষ্ঠা: ২৮৩⦘ সকল নবী ও রাসূলগণের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক। অতঃপর: আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা তাঁর বান্দাদের ওপর যে সকল নেয়ামত দান করেছেন, তার প্রতিটি নেয়ামতের জন্য তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা তাদের ওপর একটি পাওনা হক। আমরা আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদের তাঁর নেয়ামতের শুকরিয়া আদায়কারী এবং সর্বোত্তম বিষয়গুলো গ্রহণকারী বানান। আর তিনি যেন আমাদের ইলম বা জ্ঞানের মাধ্যমে উপকৃত করেন; কেননা সর্বোত্তম জ্ঞান হলো তা-ই যা সবচেয়ে বেশি উপকারী, আর সবচেয়ে উপকারী হলো তা যার শেষ পরিণাম প্রশংসনীয়। আর সেই ইলমই প্রশংসনীয় যা আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে শেখা ও শেখানো হয়। আমরা আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদের যা শিখেছি সেই অনুযায়ী আমলকারী এবং তার সর্বোত্তম অংশ গ্রহণকারী করেন। তিনি আমাদের যা দান করেছেন এবং যা আমরা অন্যদের দান করি, তা যেন কেবল তাঁরই সন্তুষ্টির জন্য হয় এবং দিনে-রাতে তাঁর কৃতজ্ঞতা ও উত্তম পরীক্ষার স্বরূপ অনুধাবন করতে পারি। নিশ্চয়ই তিনি আহ্বানকারীদের অতি নিকটবর্তী, শ্রেষ্ঠ দানকারী এবং যাঁর নিকট প্রার্থনা করা হয় তাদের মধ্যে সর্বাধিক মহানুভব। আমি এই গ্রন্থটি রচনার শ্রম স্বীকার করেছি এবং এতে প্রচুর জ্ঞান একত্রিত করেছি; যেমন তাফসীর ও কুরআনের অর্থ, মহান আল্লাহর মহিমা বর্ণনা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীস এবং সাহাবীগণের বর্ণনা ও সংবাদসমূহ (আল্লাহ তাঁদের সকলের ওপর রহমত বর্ষণ করুন)। আরও রয়েছে তাবেয়ী, সাধক, আলেম ও প্রজ্ঞাবানদের বর্ণনা, কবিতা, বিরল কিসসা, আরবদের ইতিহাস ও ঘটনাবলী এবং পারস্য ও অন্যান্য জাতির বিভিন্ন জ্ঞানের শাখা। আলেম ও শিক্ষার্থী যাদের যা প্রয়োজন হতে পারে এবং যা তাদের মজলিসসমূহে আলোচিত হয়, তার কোনো কিছুই আমি বাদ দেইনি বরং এই গ্রন্থে তার অংশবিশেষ উল্লেখ করেছি। আমি একে সংক্ষিপ্ত রেখেছি যাতে নকলকারীদের জন্য এটি ভারী না হয় এবং পাঠকারী ও মুখস্থকারীদের জন্য সহজ হয়। আমরা মহান আল্লাহর নিকট আমাদের ভুল-ভ্রান্তি মার্জনার এবং তাঁর প্রিয় কাজসমূহ সম্পাদনে উত্তম তাওফীক প্রার্থনা করি; নিশ্চয়ই তিনি শ্রেষ্ঠ প্রার্থিত সত্তা এবং সর্বোত্তম আশার স্থল।
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ٢٨٤)
بسم الله الرحمن الرحيم
1 - حَدَّثَنَا الْحَارِثُ بْنُ أَبِي أُسَامَةَ، أَنْبَأَنَا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ الْحِمَّانِيُّ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبَانَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم؛ قَالَ: {وَذَكِّرْهُمْ بِأَيَّامِ الله} [إبراهيم: 5] ؛ قَالَ:
⦗ص: 286⦘ بِنِعَمِ اللهِ عز وجل
--------------------------------------------
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
১ - আল-হারিস ইবনে আবি উসামা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইয়াহইয়া ইবনে আবদুল হামীদ আল-হিম্মানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে আবান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইসহাক থেকে বর্ণিত, সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে বর্ণিত, ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত; তিনি বলেছেন: {এবং তাদেরকে আল্লাহর দিবসসমূহ স্মরণ করিয়ে দিন} [ইব্রাহিম: ৫]; তিনি বলেছেন:
⦗পৃষ্ঠা: ২৮৬⦘ মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর নেয়ামতসমূহ দ্বারা।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ٢٨٦)
2 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الْأَصْبَهَانِيُّ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عُمَرَ؛ قَالَ: سَمِعْتُ سُفْيَانَ بْنَ عُيَيْنَةَ يَقُولُ: ⦗ص: 287⦘ يُستَحَبُّ لِلرَّجُلِ إِذَا دَعَا أَنْ يَقُولَ فِي دُعَائِهِ: اللهُمَّ! اسْتُرْنَا بِسِتْرِكَ الْجَمِيلِ، قَالَ سُفْيَانُ: وَمَعْنَى السِّتْرِ الْجَمِيلِ: أَنْ يَسْتُرَ عَلَى عَبْدِهِ فِي الدُّنْيَا ثُمَّ يَسْتُرَ عَلَيْهِ فِي الآخرة من غير أني يُوَبِّخَهُ عَلَيْهِ.
২ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আল-আসবাহানী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে আবি উমর বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আমি সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহকে বলতে শুনেছি: ⦗পৃষ্ঠা: ২৮৭⦘ কোনো ব্যক্তি যখন দুআ করে, তখন তার জন্য দুআয় এটি বলা মুস্তাহাব: হে আল্লাহ! আপনার সুন্দর আবরণের মাধ্যমে আমাদের আবৃত রাখুন। সুফিয়ান বলেন: "সুন্দর আবরণ"-এর অর্থ হলো, আল্লাহ দুনিয়াতে তাঁর বান্দার দোষসমূহ গোপন রাখবেন, অতঃপর পরকালেও তাকে তিরস্কার করা ব্যতিরেকেই তা গোপন রাখবেন।
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ٢٨٧)
3 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ مَوْلَى بَنِي هَاشِمٍ، نَا ابْنُ أَبِي بَزَّةَ الْمَكِّيُّ؛ قَالَ: سَمِعْتُ سُفْيَانَ بْنَ عُيَيْنَةَ يَقُولُ: ⦗ص: 288⦘ مَعْنَى قَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ نُوقِشَ الْحِسَابَ عُذِّبَ» قَالَ سُفْيَانُ: وَالنَّقْشُ هُوَ الاسْتِقْصَاءُ حَتَّى لَا يَتْرُكَ منه شيء. قَالَ: ثُمَّ الْتَفَتَ إِلَيْنَا سُفْيَانُ، فَقَالَ: أَبْشِرُوا؛ فَإِنَّهُ مَا اسْتَقْصَى كَرِيمٌ حَقَّهُ قَطُّ، أَمَا سَمِعْتَ قَوْلَهُ عز وجل: {وَإِذْ أَسَرَّ النَّبِيُّ إِلَى بَعْضِ أَزْوَاجِهِ حَدِيثًا} إِلَى قَوْلِهِ عز وجل: {عَرَّفَ بَعْضَهُ وَأَعْرَضَ عن بعض} [التحريم: 3] ؛ فَاللهُ تَبَارَكَ أَكْرَمُ الْأَكْرَمِينَ.
৩ - বনী হাশিমের মুক্তদাস মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন আবি বাযযাহ আল-মাক্কী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আমি সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহকে বলতে শুনেছি: ⦗পৃষ্ঠা: ২৮৮⦘ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী: "যার হিসাব সূক্ষ্মভাবে যাচাই করা হবে, তাকে শাস্তি দেওয়া হবে" এর অর্থ প্রসঙ্গে সুফিয়ান বলেন: 'নাকশ' (সূক্ষ্ম যাচাই) হলো পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসন্ধান করা, যাতে তা থেকে কোনো কিছুই বাদ না থাকে। তিনি বলেন: এরপর সুফিয়ান আমাদের দিকে ফিরে তাকালেন এবং বললেন: তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ করো; কারণ কোনো সম্মানিত ব্যক্তি কখনো নিজের প্রাপ্য অধিকার পুরোপুরি বা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দাবি করেন না। তোমরা কি মহান আল্লাহর বাণী শোনোনি: "আর যখন নবী তাঁর জনৈক স্ত্রীর নিকট একটি কথা গোপনে বলেছিলেন" থেকে মহান আল্লাহর বাণী: "তিনি এর কিছু অংশ ব্যক্ত করলেন এবং কিছু অংশ এড়িয়ে গেলেন" [আত-তাহরীম: ৩] পর্যন্ত? সুতরাং বরকতময় আল্লাহ হলেন সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু ও সম্মানিত।
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ٢٨٨)
4 - حَدَّثَنَا يحيى بن الْمُخْتَارُ الْبَغْدَادِيُّ، نَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، نَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ هِشَامٍ الدَّسْتُوَائِيِّ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ مُحْرِزٍ؛ قَالَ:
⦗ص: 290⦘ سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ: هَلْ سَمِعْتَ مِنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي النَّجْوَى شَيْئًا؟ فَقَالَ: سَمِعْتُهُ يَقُولُ: «يَدْنُو الْمُؤْمِنُ مِنْ رَبِّهِ تبارك وتعالى يَوْمَ الْقِيَامَةِ حَتَّى يَضَعَ كَنَفَهُ عَلَيْهِ، فَيُقَرِّرَهُ بِذُنُوبِهِ، ثُمَّ يقال لَهُ: إِنِّي قَدْ سَتَرْتُهَا عَلَيْكَ فِي الدُّنْيَا، وَأَنَا أَغْفِرُهَا لَكَ الْيَوْمَ. فَيُعْطَى صَحِيفَةَ حَسَنَاتِهِ
--------------------------------------------
৪ - আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনুল মুখতার আল-বাগদাদি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আহমাদ বিন হাম্বল বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইসমাঈল বিন উলাইয়্যাহ বর্ণনা করেছেন হিশাম আদ-দাস্তুওয়ায়ি থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি সাফওয়ান বিন মুহরিজ থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন:
⦗পৃষ্ঠা: ২৯০⦘ আমি ইবনে উমরকে জিজ্ঞাসা করলাম: আপনি কি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে গোপন কথোপকথন সম্পর্কে কিছু শুনেছেন? তিনি বললেন: আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: «কিয়ামতের দিন মুমিন ব্যক্তি তার রব তাবারাকা ওয়া তায়ালার অত্যন্ত নিকটে আসবে, এমনকি তিনি তার ওপর তাঁর আবরণ (পর্দা) দিয়ে দিবেন এবং তাকে দিয়ে তার গুনাহসমূহ স্বীকার করিয়ে নিবেন। এরপর তাকে বলা হবে: "আমি দুনিয়াতে তোমার গুনাহগুলো গোপন রেখেছিলাম এবং আজ আমি তোমার জন্য সেগুলো ক্ষমা করে দিচ্ছি।" অতঃপর তাকে তার নেক আমলের আমলনামা প্রদান করা হবে।»
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ٢٩١)
5 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بن حبيب الهمداني وَزَيْدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْوَاسِطِيُّ؛ قَالَا: نَا يَعْقُوبُ بْنُ إِسْحَاقَ الْحَضْرَمِيُّ، نَا مَرْحُومٌ، أَنْبَأَنَا صَالِحٌ الْمُرِّيُّ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ؛ قَالَ: يُخْرَجُ لِابْنِ آدَمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ثَلَاثُ دَوَاوِينَ: دِيوَانٌ فِيهِ ذُنُوبُهُ، وَدِيوَانٌ فِيهِ النِّعَمُ، وَدِيوَانٌ فِيهِ عَمَلُهُ الصَّالِحُ؛ فَيَأْمُرُ اللهُ تبارك وتعالى أَصْغَرَ نِعْمَةٍ مِنْ نِعَمِهِ، فَتَقُومُ، فَتَسْتَوْعِبُ عَمَلَهُ كُلَّهُ، ثُمَّ تَقُولُ: أَيْ رَبِّ! وَعِزَّتِكَ وَجَلَالِكَ مَا اسْتَوْفَيْتُ ثَمَنِي، وَقَدْ بَقِيَتِ الذُّنُوبُ وَالنِّعَمُ. قَالَ: فَإِذَا أَرَادَ اللهُ تبارك وتعالى بِعَبْدِهِ خَيْرًا؛ قَالَ لِابْنِ آدَمَ: ضَعَّفْتُ حَسَنَاتِكَ وَتَجَاوَزْتُ عَنْ سَيِّئَاتِكَ، وَوَهَبْتُ لَكَ نِعَمِي فِيمَا بَيْنِي وَبَيْنَكَ
--------------------------------------------
৫ - ইব্রাহিম ইবনে হাবিব আল-হামদানি এবং যায়েদ ইবনে ইসমাঈল আল-ওয়াসিতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তাঁরা বলেছেন: ইয়াকুব ইবনে ইসহাক আল-হাদরামি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মারহুম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সালিহ আল-মুররি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জাফর ইবনে যায়েদ থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেছেন: কিয়ামতের দিন আদম সন্তানের জন্য তিনটি দফতর বা আমলনামা বের করা হবে: একটি দফতর যাতে তার গুনাহসমূহ রয়েছে, একটি দফতর যাতে নেয়ামতসমূহ রয়েছে এবং একটি দফতর যাতে তার সৎ আমলসমূহ রয়েছে; অতঃপর আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তায়ালা তাঁর নেয়ামতসমূহের মধ্য থেকে ক্ষুদ্রতম একটি নেয়ামতকে নির্দেশ দেবেন, সেটি দাঁড়িয়ে তার সমস্ত আমলকে গ্রাস করে নেবে, অতঃপর বলবে: হে আমার রব! আপনার মর্যাদা ও মহিমার কসম, আমি আমার পূর্ণ মূল্য পাইনি, অথচ এখনও গুনাহ ও নেয়ামতসমূহ অবশিষ্ট রয়ে গেছে। তিনি বলেন: অতঃপর আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তায়ালা যখন তাঁর বান্দার কল্যাণ চান, তখন আদম সন্তানকে বলেন: আমি তোমার নেক আমলসমূহকে বহুগুণ বৃদ্ধি করে দিয়েছি, তোমার গুনাহসমূহ মার্জনা করেছি এবং আমার ও তোমার মাঝে বিদ্যমান নেয়ামতসমূহ তোমাকে দান করলাম।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ٢٩٢)
6 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ الدَّيْنَوَرِيُّ، نَا أَبُو سَلَمَةَ التَّبُوذَكِيُّ، نَا صَدَقَةُ، عَنْ أَبِي عِمْرَانَ الْجَوْنِيِّ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ بَابَنُوسَ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم؛ أَنَّهُ قَالَ
⦗ص: 294⦘: «الدَّوَاوِينُ عِنْدَ اللهِ تبارك وتعالى ثَلَاثَةٌ: فَدِيوَانٌ لَا يَغْفِرُهُ اللهُ عز وجل، قَالَ اللهُ تَعَالَى: {إِنَّ اللهَ لا يَغْفِرُ أَنْ يُشْرَكَ بِهِ وَيَغْفِرُ مَا دُونَ ذَلِكَ لِمَنْ يَشَاءُ} [النساء: 48] ، وَقَالَ: {مَنْ يُشْرِكْ بِاللهِ فَقَدْ حَرَّمَ اللهُ عَلَيْهِ الجنة} [المائدة: 72] ، وَأَمَّا الدِّيوَانُ الَّذِي لَا يَعْبَأُ اللهُ بِهِ شَيْئًا؛ فَظُلْمُ النَّاسِ بَيْنَهُمْ وَبَيْنَ اللهِ مِنْ صَلَاةٍ وَصِيَامٍ، وَأَمَّا الدِّيوَانُ الَّذِي لَا يَدَعُ مِنْهُ
⦗ص: 295⦘ شَيْئًا؛ فَظُلْمُ النَّاسِ بَعْضَهُمْ بَعْضًا»
--------------------------------------------
৬ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল আজীজ আদ-দায়নাওয়ারী বর্ণনা করেছেন, আবু সালামাহ আত-তাবুযাকী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাদাকাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইমরান আল-জাওনী থেকে, তিনি ইয়াজিদ ইবনে বাবানুস থেকে, তিনি আয়েশা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে, তিনি নবী (আল্লাহর তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন
⦗পৃষ্ঠা: ২৯৪⦘: «আল্লাহ বরকতময় ও সুউচ্চ-এর নিকট আমলনামাসমূহ তিন প্রকার: একটি আমলনামা যা আল্লাহ মহা প্রতাপশালী ও মহিমান্বিত ক্ষমা করবেন না; আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন: {নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে শরীক করাকে ক্ষমা করেন না এবং এর বাইরে যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন} [আন-নিসা: ৪৮], এবং তিনি বলেছেন: {নিশ্চয়ই যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শরীক করে, অবশ্যই আল্লাহ তার ওপর জান্নাত হারাম করে দিয়েছেন} [আল-মায়িদাহ: ৭২]। আর যে আমলনামার কোনো কিছুরই আল্লাহ পরোয়া করেন না; তা হলো বান্দার নিজের ও আল্লাহর মধ্যবর্তী বিষয়ের জুলুম, যেমন সালাত ও সিয়াম। আর যে আমলনামা থেকে তিনি
⦗পৃষ্ঠা: ২৯৫⦘ কিছুই ছেড়ে দেবেন না; তা হলো মানুষের একে অপরের ওপর কৃত জুলুম বা অন্যায়।»
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ٢٩٥)
7 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدٍ السُّكَّرِيُّ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ مَسْعَدَةَ، نَا حُصَيْنُ بْنُ نُمَيْرٍ، نَا حُسَيْنُ بْنُ قَيْسٍ الرَّحْبِيُّ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم؛ أَنَّهُ قَالَ
⦗ص: 298⦘: «لَا تَزُولُ قَدَمُ ابْنِ آدَمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِنْ عِنْدِ رَبِّهِ عز وجل حَتَّى يَسْأَلَهُ عَنْ خَمْسٍ: عَنْ عُمْرِهِ فِيمَا أَفْنَاهُ، وَعَنْ شَبَابِهِ فِيمَا أَبْلَاهُ، وَعَنْ مَالِهِ مِنْ أَيْنَ اكْتَسَبَهُ وَفِيمَا أَنْفَقَهُ، وَمَا عَمِلَ فِيمَا عَلِمَ»
--------------------------------------------
৭ - ইবরাহীম ইবনে মুহাম্মদ আস-সুককারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুমাইদ ইবনে মাসআদাহ থেকে, হুসাইন ইবনে নুমাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুসাইন ইবনে কাইস আর-রাহবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন
⦗পৃষ্ঠা: ২৯৮⦘: «কিয়ামতের দিন আদম সন্তানের পা তার মহান ও পরাক্রমশালী রবের নিকট থেকে সরবে না যতক্ষণ না তাকে পাঁচটি বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়: তার জীবন সম্পর্কে যে সে তা কিসে অতিবাহিত করেছে, তার যৌবন সম্পর্কে যে সে তা কিসে ব্যয় করেছে, তার সম্পদ সম্পর্কে যে তা কোথা থেকে উপার্জন করেছে এবং কিসে ব্যয় করেছে, আর সে যা জেনেছিল সেই অনুযায়ী কী আমল করেছে।»
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ٢٩٨)
8 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْآجُرِّيُّ، أَنْبَأَنَا نُعَيْمُ بْنُ حَمَّادٍ، نَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، نَا شَرِيكٌ، عَنْ هِلَالٍ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُكَيْمٍ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ؛ أَنَّهُ سَمِعَهُ بَدَأَ بِالْيَمِينِ قَبْلَ الْحَدِيثِ، فَقَالَ:
⦗ص: 300⦘ وَاللهِ؛ مَا مِنْكُمْ مِنْ أَحَدٍ إِلَّا سيخلوا بِهِ رَبُّهُ عز وجل كَمَا يَخْلُو أَحَدُكُمْ بِالْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ، ثُمَّ يَقُولُ: ابْنَ آدَمَ! مَا غَرَّكَ بِي؟ مَاذَا عَمِلْتَ فِيمَا عَلِمْتَ؟ ابْنَ آدَمَ! مَاذَا أَجَبْتَ الْمُرْسَلِينَ؟
--------------------------------------------
৮ - আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-আজুররী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, নুআইম বিন হাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনুল মুবারক আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, শারীক আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হিলাল থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন উকায়েম থেকে, তিনি ইবনে মাসঊদ (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি তাকে হাদীস বর্ণনার পূর্বে শপথ করতে শুনেছেন, অতঃপর তিনি বললেন:
⦗পৃষ্ঠা: ৩০০⦘ আল্লাহর কসম; তোমাদের এমন কেউ নেই যার সাথে তার মহাপরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত রব নির্জনে কথা বলবেন না, যেভাবে তোমাদের কেউ পূর্ণিমার রাতে চাঁদের সাথে নির্জনে থাকে। অতঃপর তিনি বলবেন: হে আদম সন্তান! কিসে তোমাকে আমার ব্যাপারে ধোঁকায় ফেলল? তুমি যা জানতে সে বিষয়ে কী আমল করেছ? হে আদম সন্তান! তুমি রাসূলগণের আহ্বানে কী সাড়া দিয়েছ?
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ٣٠٠)
9 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، نَا أَبِي، أَنْبَأَنَا هُشَيْمٌ، عَنِ ابْنِ شُبْرُمَةَ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم؛ أَنَّهُ قَالَ
⦗ص: 301⦘: «خَلَقَ اللهُ تبارك وتعالى كُلَّ دَابَّةٍ وَكَتَبَ أَجَلَهَا وَرِزْقَهَا وَأَثَرَهَا
⦗ص: 302⦘»
--------------------------------------------
৯ - আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুশাইম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে শুবরুমাহ থেকে, তিনি আবু জুরআ থেকে, তিনি আবু হুরাইরা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেছেন
⦗পৃষ্ঠা: ৩০১⦘: «আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা প্রতিটি জীব সৃষ্টি করেছেন এবং তার আয়ু, তার রিযিক ও তার পদচিহ্ন লিখে রেখেছেন
⦗পৃষ্ঠা: ৩০২⦘»
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ٣٠٢)
10 - حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ الْمُثَنَّى الْعَنْبَرِيُّ، نَا عَمْرُو بْنُ مَرْزُوقٍ، نَا شُعْبَةُ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ شِمْرِ بْنِ عَطِيَّةَ، عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ؛ قال: يُوتَى بِالنَّاسِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِلَى الْمِيزَانِ، فَيَتَجَادَلُونَ عِنْدَهُ أَشَدَّ الْجِدَالِ
--------------------------------------------
১০ - আমাদের নিকট মুআয ইবনুল মুসান্না আল-আনবারী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আমর ইবনু মারযূক বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট শু’বাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি আল-আ’মাশ থেকে, তিনি শিমর ইবনু আতিয়্যাহ থেকে, তিনি আবুল আহওয়াস থেকে এবং তিনি আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: কিয়ামতের দিন মানুষকে মীযানের নিকট আনা হবে, অতঃপর তারা সেখানে অত্যন্ত কঠোরভাবে বিতর্কে লিপ্ত হবে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ٣٠٢)
11 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ خُلَيْدٍ الْكِنْدِيُّ، نَا يُوسُفُ بْنُ يُونُسَ الْأَفْطَسُ، نَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلَالٍ، أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ دِينَارٍ؛ قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ
⦗ص: 304⦘: «إِذَا كَانَ يَوْمُ الْقِيَامَةِ؛ دَعَا اللهُ تبارك وتعالى بِعَبْدٍ مِنْ عَبِيدِهِ، فَيَسْأَلُهُ عَنْ جَاهِهِ كَمَا يَسْأَلُهُ عَنْ مَالِهِ»
--------------------------------------------
১১ - আহমাদ ইবনু খুলইদ আল-কিন্দি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ ইবনু ইউনুস আল-আফতাস আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান ইবনু বিলাল আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনু দীনার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আমি ইবনু উমরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি
⦗পৃষ্ঠা: ৩০৪⦘: «যখন কিয়ামত দিবস উপস্থিত হবে; আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা তাঁর বান্দাদের মধ্য থেকে কোনো এক বান্দাকে ডাকবেন, অতঃপর তিনি তাকে তার প্রভাব-প্রতিপত্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন যেভাবে তাকে তার ধন-সম্পদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন»
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ٣٠٤)
12 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ السَّقَطِيُّ الْبَغْدَادِيُّ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ الْعَبْدِيُّ، نَا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ شِمْرِ بْنِ عَطِيَّةَ، عَنْ أَبِي يَحْيَى، عَنْ كَعْبِ بْنِ عَجْرَةَ؛ قَالَ:
⦗ص: 305⦘ يُؤْتَى بِرَجُلٍ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، فَيُوزَنُ بِحَبَّةِ حِنْطَةٍ؛ فَلَا يَزِنُ، ثُمَّ يُوزَنُ بِجَنَاحِ بَعُوضَةٍ؛ فَلَا يَزِنُ، ثُمَّ قَرَأَ: {أُولَئِكَ الَّذِينَ كَفَرُوا بِآيَاتِ رَبِّهِمْ وَلِقَائِهِ فَحَبِطَتْ أَعْمَالُهُمْ فَلا نُقِيمُ لَهُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وزنا} [الكهف: 105]
--------------------------------------------
১২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আস-সাকাতী আল-বাগদাদী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন কাসীর আল-আবদী, তিনি সুফিয়ান আস-সাওরী থেকে, তিনি আল-আমাশ থেকে, তিনি শিমর বিন আতিয়্যাহ থেকে, তিনি আবু ইয়াহইয়া থেকে, তিনি কাব বিন আজরাহ থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন:
⦗পৃষ্ঠা: ৩০৫⦘ কিয়ামতের দিন এক ব্যক্তিকে আনা হবে, অতঃপর তাকে একটি গমের দানার বিপরীতে ওজন করা হবে; কিন্তু তার ওজন হবে না, এরপর তাকে মশার একটি ডানার বিপরীতে ওজন করা হবে; সেটির সমপরিমাণও ওজন হবে না, অতঃপর তিনি পাঠ করলেন: {তারাই সেই সব লোক যারা তাদের রবের নিদর্শনাবলী এবং তাঁর সাথে সাক্ষাতকে অস্বীকার করেছে, ফলে তাদের আমলসমূহ নিষ্ফল হয়ে গেছে। সুতরাং কিয়ামতের দিন আমি তাদের জন্য কোনো ওজনের ব্যবস্থা রাখব না} [আল-কাহাফ: ১০৫]
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ٣٠٥)
13 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، أَنْبَأَنَا عَارِمٌ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ، أَنْبَأَنَا أَبُو هِلَالٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ غَيْلَانَ؛ قَالَ: حَدَّثَنِي الْعَبْدُ الصَّالِحُ كَعْبٌ: ⦗ص: 306⦘ أَنَّ اللهَ تبارك وتعالى أَسَّسَ الْأَرَضِينَ عَلَى {قُلْ هو الله أحد} [الإخلاص: 1] .
১৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে আব্দুল আজিজ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আরিম মুহাম্মদ ইবনুল ফদল, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হিলাল, কাতাদাহ থেকে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ ইবনে গাইলান থেকে বর্ণিত; তিনি বলেন: আমাকে নেককার বান্দা কাব বর্ণনা করেছেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৩০৬⦘ যে, আল্লাহ বরকতময় ও সুউচ্চ, তিনি জমিনসমূহকে {বলুন, তিনিই আল্লাহ, এক} [আল-ইখলাস: ১]-এর ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠা করেছেন।
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ٣٠٦)
14 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ مَوْلَى بَنِي هَاشِمٍ، نَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ الْحِزَامِيُّ، نَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُهَاجِرٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ حَفْصِ بْنِ ذَكْوَانَ، عَنْ مَوْلَى لِحَرْقَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم؛ قَالَ
⦗ص: 308⦘: «إِنَّ اللهَ تبارك وتعالى قَرَأَ طه وَيس قَبْلَ أَنْ يَخْلُقَ الْخَلْقَ بِأَلْفِ عَامٍ، فَلَمَّا سَمِعَتِ الْمَلَائِكَةُ الْقُرْآنَ؛ قَالُوا: طُوبَى لِأُمَّةٍ يَنْزِلُ هَذَا عَلَيْهَا، وَطُوبَى لِأَجْوَافٍ تَحْمِلُ هَذَا، وَطُوبَى لِأَلْسِنَةٍ تَكَلَّمُ بِهَذَا»
--------------------------------------------
১৪ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান বর্ণনা করেছেন, যিনি বনী হাশেমের মুক্ত দাস, তিনি ইবরাহীম ইবনুল মুনযির আল-হিযামী থেকে, তিনি ইবরাহীম ইবনে মুহাজির থেকে, তিনি উমর ইবনে হাফস ইবনে যাকওয়ান থেকে, তিনি হারকাহ-এর জনৈক মুক্ত দাস থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেছেন
⦗পৃষ্ঠা: ৩০৮⦘: «নিশ্চয়ই আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা মাখলুক বা সৃষ্টিজগত সৃষ্টি করার এক হাজার বছর পূর্বে ত্ব-হা ও ইয়া-সীন পাঠ করেছেন। অতঃপর যখন ফেরেশতারা এই কুরআন শুনতে পেল, তখন তারা বলল: সেই উম্মতের জন্য সুসংবাদ যাদের উপর এটি অবতীর্ণ হবে, সেই সকল হৃদয়ের জন্য সুসংবাদ যা এটি ধারণ করবে এবং সেই সকল জিহ্বার জন্য সুসংবাদ যা এটি পাঠ করবে।»
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ٣٠٨)
15 - حَدَّثَنَا الْحَارِثُ بْنُ أَبِي أُسَامَةَ، نَا أَبُو عَاصِمٍ النَّبِيلُ، نَا عُبَيْدُ اللهِ بْنُ أَبِي زِيَادٍ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ أَسْمَاءَ؛ قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللهِ
⦗ص: 309⦘ صلى الله عليه وسلم: «اسْمُ اللهِ عز وجل الْأَعْظَمُ فِي هَاتَيْنِ الْآيَتَيْنِ: {اللهُ لا إِلَهَ إِلا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ} [البقرة: 255] ، {وَإِلَهُكُمْ إِلَهٌ وَاحِدٌ} [البقرة: 163] »
--------------------------------------------
১৫ - আল-হারিস ইবনে আবি উসামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আসিম আন-নাবিল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ ইবনে আবি যিয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শাহর ইবনে হাওশাব থেকে, তিনি আসমা থেকে বর্ণনা করেন; আসমা বলেন: আল্লাহর রাসূল
⦗পৃষ্ঠা: ৩০৯⦘ (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: «মহাপরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত আল্লাহর ইসমে আ’জম (সর্বশ্রেষ্ঠ নাম) এই দুটি আয়াতের মধ্যে রয়েছে: {আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, সর্বসত্তার ধারক} [আল-বাকারা: ২৫৫], {এবং তোমাদের ইলাহ কেবল এক ইলাহ} [আল-বাকারা: ১৬৩]»
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ٣٠٩)
16 - حَدَّثَنَا عَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ الدُّورِيُّ، نَا يحيى بن أبي بكر الْكَرْمَانِيُّ، نَا شَرِيكٌ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم؛ قَالَ
⦗ص: 310⦘: «أُوقِدَ عَلَى النَّارِ أَلْفَ عَامٍ حَتَّى احْمَرَّتْ، ثُمَّ أُوقِدَ عَلَيْهَا أَلْفَ عَامٍ حَتَّى ابْيَضَّتْ، ثُمَّ أُوقِدَ عَلَيْهَا أَلْفَ عَامٍ حَتَّى اسْوَدَّتْ؛ فَهِيَ سَوْدَاءُ مُظْلِمَةٌ»
--------------------------------------------
১৬ - আমাদের নিকট আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ আদ-দুরি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে আবি বকর আল-কারমানি বর্ণনা করেছেন, তিনি শারিক থেকে, তিনি আসিম থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেছেন
⦗পৃষ্ঠা: ৩১০⦘: «জাহান্নামের আগুনকে এক হাজার বছর প্রজ্বলিত করা হয়েছিল যতক্ষণ না তা লাল হয়ে যায়, এরপর পুনরায় তাকে এক হাজার বছর প্রজ্বলিত করা হয় যতক্ষণ না তা সাদা হয়ে যায়, তারপর তাকে আরও এক হাজার বছর প্রজ্বলিত করা হয় যতক্ষণ না তা কালো হয়ে যায়; অতএব তা এখন ঘোর কৃষ্ণবর্ণ ও অন্ধকারচ্ছন্ন»
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ٣١٠)
17 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْبَغْدَادِيُّ، نَا عَبْدُ الْمُنْعِمِ بْنُ إِدْرِيسَ ذَكَرَهُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ وَهْبِ بْنِ مُنَبِّهٍ؛ قَالَ:
⦗ص: 311⦘ لَمْ يَسْمَعِ السَّامِعُونَ بِمُصِيبَةٍ قط أعظم بمُصِيبَةِ مَنْ دَخَلَ النَّارَ
--------------------------------------------
১৭ - মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-বাগদাদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল মুনয়িম ইবনে ইদ্রিস এটি উল্লেখ করে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ওয়াহাব ইবনে মুনাব্বিহ থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন:
⦗পৃষ্ঠা: ৩১১⦘ জাহান্নামে প্রবেশকারীর বিপদের চেয়ে বড় কোনো বিপদের কথা শ্রোতারা কখনও শোনেনি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ٣١١)
18 - حَدَّثَنَا عَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ الدُّورِيُّ، نَا أَحْمَدُ بْنُ حَاتِمٍ الطَّوِيلُ، نَا يَحْيَى بْنُ الْيَمَانِ، أَنْبَأَنَا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ زِيَادِ بْنِ فَيَّاضٍ، عَنْ أَبِي عِيَاضٍ فِي قَوْلِ اللهِ تبارك وتعالى: {يسلكه عذابا صعدا} [الجن: 17] ؛ قال: صَخْرَةٌ فِي النَّارِ إِذَا وَضَعَ عَلَيْهَا يَدَهُ ذَابَتْ
--------------------------------------------
১৮ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ আদ-দুরী, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে হাতিম আত-তবীল, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনুল ইয়ামান, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুফিয়ান আস-সাওরী, যিয়াদ ইবনে ফাইয়াদ থেকে বর্ণিত, আবু ইয়াদ থেকে আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলার বাণী: {তিনি তাকে কঠোর আযাবে প্রবেশ করাবেন} [আল-জিন: ১৭] সম্পর্কে বর্ণিত; তিনি বলেন: এটি জাহান্নামের একটি পাথর, যখন আল্লাহ তার ওপর আল্লাহর হাত রাখবেন তখন তা গলে যাবে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ٣١٢)
19 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ النَّيْسَابُورِيُّ، نَا الْحَسَنُ بْنُ عِيسَى، نَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ الزُّهَرِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَحِمَهُ اللهُ تَعَالَى؛ قَالَ: يَوْمَيْنِ وَلَيْلَتَيْنِ لَمْ تَسْمَعِ الْخَلَائِقُ بِمِثْلِهِمَا: يَوْمَ تَأْتِيكَ الْبُشْرَى مِنَ
⦗ص: 313⦘ اللهِ تبارك وتعالى؛ إِمَّا بِعَذَابِهِ وَإِمَّا بِرَحْمَتِهِ، وَيَوْمَ تُعْطَى كِتَابَكَ؛ إِمَّا بِيَمِينِكَ أَوْ بِشِمَالِكَ، وَلَيْلَةَ تَبِيتُ فِي الْقَبْرِ وَحْدَكَ لَيْلَةٌ لَمْ تَبِتْ مِثْلَهَا لَيْلَةً، وَلَيْلَةً صُبحتها يَوْمُ الْقِيَامَةِ لَيْسَ بَعْدَهَا لَيْلٌ
--------------------------------------------
১৯ - আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আন-নাইসাবুরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান ইবনে ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনুল মুবারাক আমাদের নিকট ইউনুস থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেছেন: এমন দুটি দিন এবং দুটি রাত রয়েছে যার সদৃশ সৃষ্টিজগত কখনও শোনেনি: (প্রথমটি হলো) সেই দিন যেদিন মহান ও বরকতময়
⦗পৃষ্ঠা: ৩১৩⦘ আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমার নিকট সংবাদ আসবে; হয় তাঁর আজাবের, না হয় তাঁর রহমতের। আর (দ্বিতীয়টি হলো) সেই দিন যেদিন তোমাকে তোমার আমলনামা প্রদান করা হবে; হয় তোমার ডান হাতে অথবা তোমার বাম হাতে। আর (প্রথমটি হলো) সেই রাত যেদিন তুমি কবরে একাকী রাত যাপন করবে, এটি এমন এক রাত যার মতো রাত তুমি আগে কখনও যাপন করোনি। আর (দ্বিতীয়টি হলো) সেই রাত যার প্রভাত হবে কিয়ামতের দিন, যার পরে আর কোনো রাত নেই।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ٣١٣)
20 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ هَارُونَ، أَنْبَأَنَا أَبِي، نَا سَيَّارٌ، نَا جَعْفَرٌ، عَنْ مَالِكِ بْنِ دِينَارٍ - وَذَكَرَ عَظَمَةَ اللهِ جَلَّ وَعَزَّ -، فَقَالَ: بَلَغَنِي أنَّ في بعض السماوات مَلَكًا لَهُ مِنَ الْعُيُونِ مِثْلُ عَدَدِ الْحَصَى، مَا مِنْهَا مِنْ عَيْنٍ إِلَّا وَتَحْتَهَا لِسَانٌ وَشَفَتَانِ تَحْمَدُ اللهَ تبارك وتعالى بِلُغَةٍ لَا تَفْقَهُهَا صَاحِبَتُهَا، وَأَنَّ حَمَلَةَ الْعَرْشِ لَهُمْ قُرُونٌ؛ بين أطراف قرونهم ورؤوسهم مِقْدَارُ خمس مئة سَنَةٍ، وَالْعَرْشُ فَوْقَ ذَلِكَ.
২০ - আমাদের নিকট মূসা ইবনে হারুন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আমার পিতা সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট সাইয়্যার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট জাফর বর্ণনা করেছেন, মালিক ইবনে দিনার থেকে বর্ণিত—তিনি মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর মহিমা আলোচনা প্রসঙ্গে বলেন: আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, কোনো এক আসমানে এমন একজন ফেরেশতা রয়েছেন যার চোখের সংখ্যা মরুভূমির নুড়ি পাথরের সংখ্যার সমান। এমন কোনো চোখ নেই যার নিচে একটি জিহ্বা ও দুটি ঠোঁট নেই, যা বরকতময় ও মহান আল্লাহর প্রশংসা করে এমন এক ভাষায় যা তার পাশেরটি বুঝতে পারে না। আর নিশ্চয়ই আরশ বহনকারী ফেরেশতাদের শিং রয়েছে; তাদের শিঙের অগ্রভাগ এবং তাদের মাথার মধ্যবর্তী দূরত্ব পাঁচশত বছরের পথ, আর আরশ হলো তারও উপরে।
(খণ্ড: ١)
আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম
(পৃষ্ঠা: ٣١٣)
21 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْوَاسِطِيُّ، نَا عُبَيْدُ اللهِ بْنُ مُوسَى الْعَبْسِيُّ، نِا شَرِيكٌ، عَنِ السُّدِّيِّ، عَنْ أَبِي مَالِكٍ فِي قَوْلِهِ تبارك وتعالى: {وَسِعَ كرسيه السماوات وَالأَرْضَ} [البقرة: 255] ؛ قَالَ:
⦗ص: 315⦘ إِنَّ الصَّخْرَةَ الَّتِي تَحْتَ الْأَرْضِ السَّابِعَةِ عَلَى أَرْجَائِهَا أَرْبَعَةٌ مِنَ الْمَلَائِكَةِ، لِكُلِّ مَلَكٍ مِنْهُمْ أَرْبَعَةُ وُجُوهٍ: وَجْهُ إِنْسَانٍ، وَوَجْهُ أَسَدٍ، وَوَجْهُ نَسْرٍ، وَوَجْهُ ثَوْرٍ، وَهُمْ قِيَامٌ عَلَى نَوَاحِيهَا، قَدْ أحاطوا بالأرض والسماوات، ورؤوسهم تَحْتَ الْكُرْسِيِّ، وَالْكُرْسِيُّ تَحْتَ الْعَرْشِ
--------------------------------------------
২১ - মুহাম্মাদ ইবনে সুলায়মান আল-ওয়াসিতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ ইবনে মুসা আল-আবসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শারিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আস-সুদ্দি থেকে, তিনি আবু মালিক থেকে আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তায়ালার এই বাণী সম্পর্কে বর্ণনা করেন: {তাঁর কুরসি আসমানসমূহ ও জমিনকে পরিব্যাপ্ত করে আছে} [আল-বাকারা: ২৫৫]; তিনি বলেন:
⦗পৃষ্ঠা: ৩১৫⦘ নিশ্চয়ই সপ্তম জমিনের নিচে যে শিলা রয়েছে, তার প্রান্তসমূহে চারজন ফেরেশতা রয়েছেন। তাদের প্রত্যেকের চারটি করে মুখ রয়েছে: মানুষের মুখ, সিংহের মুখ, ঈগলের মুখ এবং ষাঁড়ের মুখ। তারা এর পার্শ্বদেশগুলোতে দণ্ডায়মান রয়েছেন, তারা আসমান ও জমিনকে পরিবেষ্টন করে রেখেছেন এবং তাঁদের মস্তকসমূহ কুরসির নিচে অবস্থিত, আর কুরসি হলো আরশের নিচে।
--------------------------------------------