(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: -)
جمهرة الأجزاء الحديثية   (مجموعة من المؤلفين)

القسم: كتب السنة


الكتاب: جمهرة الأجزاء الحديثية (يحتوي على 19 جزءاً حديثياً نادراً)

المؤلف: مجموعة من أصحاب الأجزاء الحديثية

قدم له: العلامة المحدث عبد القادر الأرناؤوط [ت 1425 هـ]

اعتناء وتخريج: محمد زياد عمر تكلة

الناشر: مكتبة العبيكان، الرياض

الطبعة: الأولى، 1421 هـ - 2001 م

عدد الصفحات: 376

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

জমহারাতুল আজজাইল হাদিসিয়্যাহ   (একদল লেখক)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


বই: জমহারাতুল আজজাইল হাদিসিয়্যাহ (১৯টি বিরল হাদিস বিষয়ক অংশ সম্বলিত)

লেখক: হাদিস বিষয়ক বিভিন্ন অংশের রচয়িতাবৃন্দ

উপস্থাপনা: আল্লামা মুহাদ্দিস আব্দুল কাদির আল-আরনাউত [মৃত্যু ১৪২৫ হি.]

সম্পাদনা ও তাখরিজ: মুহাম্মাদ যিয়াদ উমর তাকলা

প্রকাশক: মাকতাবাতুল ওবাইকান, রিয়াদ

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২১ হি. - ২০০১ খ্রি.

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৭৬

[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: -)
جمهرة الأجزاء الحديثية

(يحتوي على 19 جزءا حديثياً نادراً)

قدم له

العلامة المحدث عبد القادر الأرناؤوط

اعتناء وتخريج

محمد زياد عمر تكلة

مكتبة العبيكان
হাদিস বিষয়ক পুস্তিকাসমগ্র

(১৯টি বিরল হাদিস বিষয়ক পুস্তিকা সংবলিত)

উপস্থাপনায়

আল্লামা মুহাদ্দিস আবদুল কাদির আল-আরনাউত

সম্পাদনা ও তাহরিক

মুহাম্মদ জিয়াদ উমর তিকলাহ

মাকতাবাতুল ওবাইকান
(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٤٥)
الجزء فيه أحاديث الأربعين

تأليف أبي بكر محمد بن إبراهيم بن علي بن عاصم بن زاذان

المعروف بابن المقرئ رحمه الله

رواية أبي الطيب عبد الرزاق بن عمر بن موسى بن شمة
চল্লিশ হাদিস সংবলিত এই অংশ

রচনায়: আবু বকর মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম বিন আলী বিন আসিম বিন জাযান

যিনি ইবনুল মুকরি নামে পরিচিত, আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন

বর্ণনায়: আবু তাইয়্যিব আব্দুর রাজ্জাক বিন উমর বিন মুসা বিন শাম্মাহ
(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٤٧)
ذكر قول النبي صلى الله عليه وسلم طلب العلم فريضة على كل مسلم

أخبرنا الشيخ السديد أبو الوفاء منصور بن الحسن بن سليم أبقاه الله قال حدثنا الشيخ أبو الطيب عبد الرزاق بن عمر بن موسى بن شمة قال أخبرنا أبو بكر محمد بن إبراهيم بن علي بن عاصم بن زاذان المعروف بابن المقرئ رحمه الله ونور قبره قال

(1) أخبرنا أبو يعلى أحمد بن علي بن المثنى الموصلي قال حدثنا هذيل بن إبراهيم الجماني حدثنا عثمان بن إبراهيم الزهري حدثنا حماد ابن أبي سليمان عن شقيق عن عبد الله بن مسعود ح
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: 'জ্ঞান অন্বেষণ করা প্রত্যেক মুসলিমের ওপর ফরজ' সংক্রান্ত বর্ণনা

সুদৃঢ় শাইখ আবুল ওয়াফা মানসুর ইবনুল হাসান ইবনে সালিম (আল্লাহ তাঁকে দীর্ঘজীবী করুন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, শাইখ আবু তাইয়িব আবদুর রাজ্জাক ইবনে উমর ইবনে মুসা ইবনে শাম্মাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আলি ইবনে আসিম ইবনে জাযান, যিনি ইবনুল মুকরি নামে পরিচিত (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহমত বর্ষণ করুন এবং তাঁর কবরকে আলোকিত করুন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন:

(১) আবু ইয়ালা আহমদ ইবনে আলি ইবনুল মুসান্না আল-মাওসিলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, হুদাইল ইবনে ইব্রাহিম আল-জুমানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উসমান ইবনে ইব্রাহিম আয-যুহরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে আবু সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শাকিক থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে (হ)
(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٤٨)
(2) وحدثنا محمد بن نصير المديني أبو عبد الله حدثنا أبو إسحاق إسماعيل ابن عمرو البجلي حدثنا حفص بن سليمان عن كثير بن شنظير عن ابن سيرين عن أنس بن مالك ح

وحدثنا أبوعمران الجوني: حدثنا هشام بن عبد الملك أبوالتقي: حدثنا المعافى بن عمران: حدثنا إسماعيل بن عياش، عن يونس بن يزيد الأيلي، عن الزهري، عن أنس، قالا: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: طلب العلم فريضة على كل مسلم.
(২) এবং আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনু নাসির আল-মাদিনী আবু আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু ইসহাক ইসমাঈল ইবনু আমর আল-বাজালী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাফস ইবনু সুলাইমান বর্ণনা করেছেন কাছীর ইবনু শানজীর থেকে, তিনি ইবনু সীরীন থেকে, তিনি আনাস ইবনু মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন। (হ)

এবং আমাদের নিকট আবু ইমরান আল-জাওনী বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট হিশাম ইবনু আব্দুল মালিক আবুল তাকী বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আল-মুআফা ইবনু ইমরান বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট ইসমাঈল ইবনু আইয়াশ বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবনু ইয়াযীদ আল-আইলী থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন। তারা উভয়ে বলেছেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলিমের ওপর ফরজ।
(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٤٩)
(3) أخبرنا محمد بن أحمد بن أبي حازم القاضي حدثنا عمرو بن علي حدثنا أبو معاوية عن الأعمش عن أبي صالح عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من سلك طريقاً يبتغي فيه علما سهل الله له فيه طريقاً إلى الجنة
(৩) আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আবি হাযেম আল-কাজী, তিনি বলেন, আমাদের বর্ণনা করেছেন আমর বিন আলী, তিনি বলেন, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া, তিনি আমাশ হতে, তিনি আবু সালিহ হতে, তিনি আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: "যে ব্যক্তি জ্ঞান অন্বেষণের উদ্দেশ্যে কোনো পথে চলে, আল্লাহ তার বিনিময়ে তাঁর জন্য জান্নাতের পথ সহজ করে দেন।"
(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٥٠)
(4) حدثنا محمد بن إبراهيم بن يحيى بن الحكم مولى الأقرع بن السائب حدثنا يعقوب بن إبراهيم الدورقي حدثنا محمد بن عبد الرحمن الطفاوي حدثنا أبو هارون العبدي قال كنا إذا جئنا إلى أبي سعيد الخدري رضي الله عنه قال مرحبا بوصية رسول الله صلى الله عليه وسلم قلنا وما وصية رسول الله صلى الله عليه وسلم قال قال لأصحابه إن الناس لكم تبع وسيأتيكم ناس من أقطار الأرض يتفقهون فإذا أتوكم فاستوصوا بهم خيراً وعلموهم مما علمكم الله عز وجل
(৪) আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন ইয়াহইয়া বিন আল-হাকাম, যিনি আল-আকরা বিন আস-সাইবের মুক্তদাস; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব বিন ইবরাহীম আদ-দাওরাকী; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আত-তুফাওয়ী; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু হারুন আল-আবদী; তিনি বলেন, আমরা যখন আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর নিকট আসতাম, তখন তিনি বলতেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওসিয়ত অনুযায়ী তোমাদের স্বাগতম। আমরা বললাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওসিয়তটি কী? তিনি বললেন, তিনি তাঁর সাহাবীদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন: “নিশ্চয়ই মানুষ তোমাদের অনুসারী হবে এবং পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তোমাদের নিকট দ্বীনের গভীর জ্ঞান অর্জনের জন্য মানুষ আসবে। সুতরাং তারা যখন তোমাদের কাছে আসবে, তখন তোমরা তাদের সাথে কল্যাণকর আচরণের উপদেশ গ্রহণ করবে এবং আল্লাহ মহামহিম ও মহিয়ান তোমাদের যা শিখিয়েছেন তা থেকে তাদেরকে শিক্ষা দেবে।”
(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٥٢)
قوله صلى الله عليه وسلم رحم الله امرءاً سمع مقالتي فحفظها

(5) أخبرنا أبو يعلى الموصلي حدثنا عبد الله بن سالم المفلوج حدثنا عبيدة بن الأسود عن القاسم بن الوليد عن الحارث العكلي عن إبراهيم عن الأسود عن عبد الله بن مسعود رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم نضر الله امرءاً سمع مقالتي فحفظها فإنه رب حامل فقهٍ غير فقيهٍ ورب حامل فقهٍ إلى من هو أفقه منه
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: আল্লাহ সেই ব্যক্তির প্রতি দয়া করুন যে আমার কথা শুনেছে এবং তা মুখস্থ রেখেছে।

(৫) আমাদের নিকট আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে সালিম আল-মাফলুজ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট উবাইদাহ ইবনুল আসওয়াদ বর্ণনা করেছেন, তিনি কাসিম ইবনুল ওয়ালিদ থেকে, তিনি হারিস আল-উকিলী থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি আসওয়াদ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ সেই ব্যক্তিকে সজীব ও প্রফুল্ল রাখুন যে আমার কথা শুনেছে এবং তা মুখস্থ রেখেছে। কেননা অনেক জ্ঞানের বাহক রয়েছে যে নিজে ফকিহ (গভীর প্রজ্ঞাসম্পন্ন) নয়, আবার অনেক জ্ঞানের বাহক এমন ব্যক্তির কাছে জ্ঞান পৌঁছে দেয় যে তার চেয়েও অধিক ফকিহ।
(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٥٤)
قوله صلى الله عليه وسلم من حفظ على أمتي أربعين حديثاً

(6) أخبرنا أبو يعلى الموصلي حدثنا عمرو بن الحصين حدثنا ابن علاثة حدثنا خصيف عن مجاهد عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وعلى آله وسلم من حفظ على أمتي أربعين حديثاً فيما ينفعهم من أمر دينهم بعث أبعثه الله يوم القيامة من العلماء وفضل العالم على العابد سبعون درجة الله أعلم ما بين كل درجتين
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী: যে ব্যক্তি আমার উম্মতের জন্য চল্লিশটি হাদীস মুখস্থ করবে

(৬) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়া'লা আল-মাওসিলি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনুল হুসাইন, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবন উলাসাহ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খুসাইফ, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "যে ব্যক্তি আমার উম্মতের উপকারের জন্য দ্বীনি বিষয় সংক্রান্ত চল্লিশটি হাদীস মুখস্থ রাখবে, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাকে আলিমদের অন্তর্ভুক্ত করে পুনরুত্থিত করবেন। আর ইবাদতকারীর ওপর আলিমের শ্রেষ্ঠত্ব সত্তর গুণ; প্রতি দুই স্তরের মধ্যবর্তী দূরত্ব সম্পর্কে আল্লাহই সর্বাধিক অবগত।"
(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٥٦)
قوله صلى الله عليه وسلم بني الإسلام على خمسة

(7) أخبرنا أبو بشر الدولابي والوليد بن بنان الواسطي وعبد الله بن محمد بن عمران المعدل قالوا حدثنا محمد بن ميمون الخياط حدثنا سفيان بن عيينة عن مسعر بن كدام وسعير بن الخمس عن حبيب بن أبي ثابت عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما قال قال النبي صلى الله عليه وسلم بني الإسلام على خمسة شهادة أن لا إله إلا الله وأن محمداً رسول الله وإقام الصلاة وإيتاء الزكاة وصوم رمضان وحج البيت من استطاع إليه سبيلاً
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: ইসলাম পাঁচটি স্তম্ভের ওপর প্রতিষ্ঠিত

(৭) আবু বিশর আদ-দুলাবি, আল-ওয়ালিদ ইবনে জানান আল-ওয়াসিতি এবং আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইমরান আল-মুয়াদ্দাল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেছেন: মুহাম্মাদ ইবনে মাইমুন আল-খাইয়াত আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মিসআর ইবনে কিদাম ও সুআইর ইবনুল খুমুস থেকে, তিনি হাবিব ইবনে আবি সাবিত থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ইসলাম পাঁচটি বিষয়ের ওপর প্রতিষ্ঠিত—এই সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল, সালাত কায়েম করা, জাকাত প্রদান করা, রমজানের রোজা পালন করা এবং সামর্থ্যবান ব্যক্তির জন্য আল্লাহর ঘরের (কাবা) হজ সম্পাদন করা।
(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٥٧)
الإيمان بالقدر

(8) حدثنا محمد بن محمد بن بدر بن عبد الباهلي البغدادي بمصر حدثنا الحسن بن حماد سجادة حدثنا المطلب بن زياد الثقفي عن منصور عن عطاء عن ابن عمر قال أتاه رجل فقال يا أبا عبد الرحمن إنا نسافر فمررنا خ فنمر بأقوام يقولون لا قدر قال فإذا لقيت أولئك فأخبرهم أن ابن عمر رضي الله عنه منهم بريء قال كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم فجاء رجل حسن الوجه طيب الريح نقي الثوب فقال السلام عليك يا رسول الله قال وعليك السلام ادن فدنا دنوة خ رتوه ثم قال ادن فدنا دنوة ثم قال ادن فدنا دنوة خ رتوة حتى قارب ركبتي النبي صلى الله عليه وسلم قال فقلنا ما رأينا كاليوم رجلاً أحسن وجهاً ولا أطيب ريحاً ولا أنقى ثوباً ولا أشد توقيراً للنبي ألرسول الله صلى الله عليه وسلم قال يا رسول الله ما الإسلام قال تشهد أن لا إله إلا الله وأني رسول الله وإقام الصلاة وإيتاء الزكاة وصيام رمضان وحج البيت
তাকদীরের ওপর ঈমান

(৮) মিসরে মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন বদর বিন আবদ আল-বাহিলি আল-বাগদাদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান বিন হাম্মাদ সাজ্জাদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-মুত্তালিব বিন যিয়াদ আস-সাকাফি মানসুর থেকে, তিনি আতা থেকে এবং তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বলল, হে আবু আবদুর রহমান, আমরা সফর করি এবং এমন এক সম্প্রদায়ের পাশ দিয়ে অতিক্রম করি যারা বলে যে তাকদীর বলে কিছু নেই। তিনি বললেন, যদি তুমি তাদের সাক্ষাৎ পাও তবে তাদের জানিয়ে দিও যে ইবনে উমর (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন) তাদের থেকে বিমুক্ত। তিনি বলেন, আমরা নবী (আল্লাহ তাঁর উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম, এমতাবস্থায় সুন্দর চেহারার, সুগন্ধযুক্ত এবং পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তি আগমন করল। সে বলল, হে আল্লাহর রাসূল, আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক। তিনি বললেন, এবং তোমার ওপরও শান্তি বর্ষিত হোক, নিকটবর্তী হও। অতঃপর সে কিছুটা নিকটে এল। এরপর তিনি পুনরায় বললেন, নিকটবর্তী হও, সে আরও নিকটে এল। এরপর তিনি পুনরায় বললেন, নিকটবর্তী হও, সে আরও নিকটে এল, এমনকি সে নবী (আল্লাহ তাঁর উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন)-এর দুই হাঁটুর সন্নিকটে বসে পড়ল। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা বললাম, আমরা আজকের দিনের ন্যায় সুন্দর চেহারার, সুগন্ধযুক্ত, পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিহিত এবং আল্লাহর রাসূল (আল্লাহ তাঁর উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন)-এর প্রতি অধিক শ্রদ্ধাশীল আর কোনো ব্যক্তি দেখিনি। সে বলল, হে আল্লাহর রাসূল, ইসলাম কী? তিনি বললেন, তুমি এই সাক্ষ্য দেবে যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং নিশ্চয়ই আমি আল্লাহর রাসূল, আর সালাত কায়েম করবে, যাকাত প্রদান করবে, রমজানের সিয়াম পালন করবে এবং বায়তুল্লাহর হজ সম্পাদন করবে।
(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٥٨)
والغسل من الجنابة قال فإذا فعلت ذلك فأنا مسلم قال نعم قال صدقت قال فما الإيمان قال تؤمن بالله وملائكته وكتبه ورسله والجنة والنار والقيامة والبعث والقدر خيره وشره وحلوه ومره من الله عز وجل قال فإذا فعلت ذلك فأنا مؤمن قال نعم قال صدقت قال فما الإحسان قال تعبد الله كأنك تراه فإن لم تكن تراه خ-أفإن لم تره فإنه يراك قال فإذا فعلت ذلك فأنا محسن قال نعم قال صدقت قال ثم قام الرجل فذهب قال فقال النبي صلى الله عليه وسلم علي بالرجل قال فخرجنا في طلبه في طريق من طرق المدينة فلم نجده خ فلم نجد شيئاً قال فقال النبي صلى الله عليه وسلم هذا جبريل عليه السلام جاءكم يعلمكم مناسك دينكم فما أتاني في صورة قط إلا عرفته إلا في هذه الصورة

এবং জানাবাত (অপবিত্রতা) থেকে গোসল করা। তিনি বললেন, "যদি আমি তা করি তবে কি আমি মুসলিম?" তিনি বললেন, "হ্যাঁ।" তিনি বললেন, "আপনি সত্য বলেছেন।" তিনি বললেন, "ঈমান কী?" তিনি বললেন, "তা হলো তুমি আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ, তাঁর রাসূলগণ, জান্নাত, জাহান্নাম, কিয়ামত, পুনরুত্থান এবং তাকদীরের ভালো-মন্দ ও তিক্ত-মিষ্ট যা মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত হয়—তার প্রতি ঈমান আনবে।" তিনি বললেন, "যদি আমি তা করি তবে কি আমি মুমিন?" তিনি বললেন, "হ্যাঁ।" তিনি বললেন, "আপনি সত্য বলেছেন।" তিনি বললেন, "ইহসান কী?" তিনি বললেন, "তা হলো তুমি আল্লাহর ইবাদত এমনভাবে করবে যেন তুমি তাঁকে দেখছ; আর যদি তুমি তাঁকে দেখতে না পাও (অথবা বর্ণনান্তরে: যদি তাঁকে না দেখ), তবে নিশ্চয়ই তিনি তোমাকে দেখছেন।" তিনি বললেন, "যদি আমি তা করি তবে কি আমি মুহসিন?" তিনি বললেন, "হ্যাঁ।" তিনি বললেন, "আপনি সত্য বলেছেন।" বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর লোকটি উঠে চলে গেলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "লোকটিকে আমার কাছে ফিরিয়ে আনো।" বর্ণনাকারী বলেন, আমরা মদীনার অলিগলিতে তাঁর সন্ধানে বের হলাম কিন্তু তাঁকে পেলাম না (অথবা বর্ণনান্তরে: কোনো চিহ্নই পেলাম না)। বর্ণনাকারী বলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "ইনি জিবরাঈল আলাইহিস সালাম, তোমাদের দ্বীনের বিধিবিধান শেখাতে তোমাদের কাছে এসেছিলেন। তিনি যখনই কোনো আকৃতিতে আমার কাছে এসেছেন আমি তাঁকে চিনতে পেরেছি, কেবল এই আকৃতিটি ব্যতীত।"

(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٥٩)
أبواب الوضوء

ذكر المواضع خ في المواضع الذي نهى عن التخلي فيها

(9) حدثنا أبو عروبة الحراني حدثنا محمد بن زنبور المكي حدثنا إسماعيل بن جعفر المدني قال أخبرنا العلاء بن عبد الرحمن عن أبيه عن أبي هريرة رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم قال اتقوا اللعانين قالوا وما اللعانون يا رسول الله قال الذي يتخلى في طريق الناس وفي ظلهم
ওযুর অধ্যায়সমূহ

যে সকল স্থানে মলমূত্র ত্যাগ করা নিষেধ সেই স্থানসমূহের বর্ণনা

(৯) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আরুবাহ আল-হাররানী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন যানবুর আল-মাক্কী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল বিন জাফর আল-মাদানী, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-আলা বিন আবদুর রহমান, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা অভিশাপের দুটি কারণ হতে বেঁচে থাকো।" তারা আরজ করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! অভিশাপের কারণ দুটি কী? তিনি বললেন: "যে ব্যক্তি মানুষের চলাচলের পথে অথবা তাদের ছায়ায় (যেখানে তারা বিশ্রাম নেয়) মলমূত্র ত্যাগ করে।"
(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٦٠)
باب كراهية الكلام على الغائط

(10) حدثنا محمد بن إبراهيم بن المنذر الفقيه حدثنا محمد بن إسحاق حدثنا أبو موسى حدثنا عبد الرحمن بن مهدي حدثنا عكرمة بن عمار عن يحيى بن أبي كثير عن هلال بن عياض حدثني أبو سعيد الخدري رضي الله عنه سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا يخرجان الرجلان يضربان الغائط كاشفان عن عورتهما يتحدثان فإن الله يمقت ذلك
মলত্যাগের সময় কথা বলার অপছন্দনীয়তা সংক্রান্ত অধ্যায়

(১০) মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম ইবনুল মুনযির আল-ফাকিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মূসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান ইবনু মাহদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইকরিমা ইবনু আম্মার ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাসীর থেকে, তিনি হিলাল ইবনু ইয়াদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: "দুইজন ব্যক্তি যেন মলত্যাগের উদ্দেশ্যে বের হয়ে তাদের লজ্জাস্থান উন্মুক্ত রাখা অবস্থায় একে অপরের সাথে কথা না বলে, কারণ আল্লাহ তাআলা এতে অত্যন্ত অসন্তুষ্ট হন।"
(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٦١)
باب كراهية استقبال القبلة للغائط والبول في الصحاري

(11) أخبرنا أبو بكر محمد بن إبراهيم بن المنذر الفقيه حدثنا محمد ابن عبد الله بن عبد الحكم حدثنا عبد الله بن وهب أخبرني مالك بن أنس عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة عن رافع بن إسحاق خ نافع بن إسحاق أنه سمع أبا أيوب الأنصاري رضي الله عنه يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا ذهب أحدكم الغائط أو البول فلا يستقبل القبلة بفرجه ولا يستدبرها
উন্মুক্ত প্রান্তরে মলমূত্র ত্যাগের সময় কিবলার অভিমুখী হওয়ার অপছন্দনীয়তা বিষয়ক পরিচ্ছেদ

(১১) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম ইবনুল মুনযির আল-ফাকিহ, তিনি বলেন—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল হাকাম, তিনি বলেন—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব, তিনি বলেন—আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মালিক ইবনে আনাস, তিনি ইসহাক ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি তালহা থেকে, তিনি রাফি ইবনে ইসহাক অথবা নাফি ইবনে ইসহাক থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আবু আইয়ুব আনসারী (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমাদের কেউ যখন মলত্যাগ বা প্রস্রাব করতে যায়, তখন সে যেন কিবলার দিকে মুখ না করে এবং তার দিকে পিঠও না দেয়।"
(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٦٢)
باب ما يقال عند دخول الخلاء

(12) أخبرنا أبو يعلى الموصلي وعبد الله بن محمد بن عبد العزيز قالا حدثنا علي بن الجعد أخبرنا شعبة وهشيم وحماد بن سلمة عن عبد العزيز ابن صهيب عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا دخل الخلاء قال اللهم إني أعوذ بك من الخبث والخبائث
শৌচাগারে প্রবেশের সময় যা বলতে হয় সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ

(১২) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি এবং আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ, তাঁরা উভয়ে বলেন—আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী ইবনুল জা'দ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শু'বা, হুশাইম এবং হাম্মাদ ইবনে সালামাহ, তাঁরা আব্দুল আজিজ ইবনে সুহাইব থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন শৌচাগারে প্রবেশ করতেন, তখন বলতেন—হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট অপবিত্র পুরুষ ও নারী শয়তান হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٦٣)
باب النهي عن مس الفرج باليمين

(13) حدثنا عبدان بن أحمد القاضي حدثنا أبو موسى محمد بن المثنى حدثنا عبد الأعلى حدثنا معمر عن يحيى بن أبي كثير عن عبد الله ابن أبي قتادة عن أبيه رضي الله عنه قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن النفخ في السقاء وأن يمس ذكره بيمينه ويستطيب بيمينه
ডান হাত দিয়ে লজ্জাস্থান স্পর্শ করার নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কিত অধ্যায়

(১৩) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদান ইবনে আহমদ আল-কাদি, তিনি বর্ণনা করেছেন আবু মুসা মুহাম্মদ ইবনে আল-মুসান্না থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন আবদ আল-আলা থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন মা'মার থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি কাতাদা থেকে, তিনি তার পিতা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পানির পাত্রে ফুঁ দিতে, ডান হাত দিয়ে নিজের লিঙ্গ স্পর্শ করতে এবং ডান হাত দিয়ে শৌচকার্য সম্পাদন করতে নিষেধ করেছেন।
(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٦٤)
باب استحباب الوتر في الاستنجاء

(14) أخبرنا أبو بكر محمد بن يحيى بن رزين العطار حدثنا هشام بن عمار بن نصير حدثنا مالك بن أنس عن الزهري عن أبي إدريس الخولاني عن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من توضأ فلينتثر أفليستنثر ومن استجمر فليوتر
ইস্তিনজায় বেজোড় সংখ্যা অবলম্বন করা মুস্তাহাব হওয়ার পরিচ্ছেদ

(১৪) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে রাজীন আল-আত্তার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে আম্মার ইবনে নাসির, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনে আনাস, যুহরী থেকে, তিনি আবু ইদরীস আল-খাওলানী থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যে ব্যক্তি ওযু করবে সে যেন নাক ঝেড়ে পরিষ্কার করে, আর যে ব্যক্তি পাথরের সাহায্যে শৌচকার্য সম্পাদন করবে সে যেন বেজোড় সংখ্যা অবলম্বন করে।
(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٦٥)
باب ذكر ما يستنجي به وما لا يستنجي خ يستنجى به

(15) حدثنا محمد بن الحسن بن قتيبة العسقلاني حدثنا يزيد بن موهب أبو خال الرملي ح

وحدثنا محمد بن زبان بن حبيب وإسماعيل بن داود بن وردان ابن نافع قالا حدثنا زكريا بن يحيى كاتب العمري قالا حدثنا المفضل ابن فضالة عن هشام بن عروة أن عمرو بن خزيمة المدني أخبره أن عمارة بن خزيمة الأنصاري أخبره عن أبيه خزيمة بن ثابت الأنصاري رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم في الاستطابة قال بثلاثة أحجار ليس فيها رجيع
শৌচকার্যে ব্যবহারযোগ্য ও অব্যবহারযোগ্য বস্তুসমূহের বর্ণনার অধ্যায়

(১৫) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান ইবনে কুতায়বাহ আল-আসকালানী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ ইবনে মাওহাব আবু খালিদ আর-রামলি (সূত্রান্তর)

এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে যাবান ইবনে হাবীব এবং ইসমাঈল ইবনে দাউদ ইবনে ওয়ারদান ইবনে নাফে’, তাঁরা উভয়েই বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া কাতিবুল উমারী, তাঁরা বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-মুফায্যাল ইবনে ফাযালাহ, তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে বর্ণনা করেন যে, আমর ইবনে খুযাইমাহ আল-মাদানী তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন যে, উমারা ইবনে খুযাইমাহ আল-আনসারী তাঁকে তাঁর পিতা খুযাইমাহ ইবনে সাবিত আল-আনসারী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) শৌচকার্য সম্পর্কে বলেছেন: "তিনটি পাথর দ্বারা (শৌচকার্য করতে হবে), যার মধ্যে কোনো গোবর থাকবে না।"
(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٦٦)
(16) حدثنا إسحاق بن أحمد بن نافع الخزاعي إمام الحرمين حدثنا محمد ابن يحيى بن أبي عمر العدني حدثنا سفيان بن عيينة عن ابن عجلان عن القعقاع بن حكيم عن أبي صالح عن أبي هريرة رضي الله عنه قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الروث والرمة يعني أن يستنجى بهما قال سفيان الرمة العظام
(১৬) হারামাইনের ইমাম ইসহাক বিন আহমদ বিন নাফে আল-খুযায়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া বিন আবি উমর আল-আদানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান বিন উয়ায়না ইবনে আজলান থেকে, তিনি আল-কাক্কা বিন হাকিম থেকে, তিনি আবু সালেহ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) গোবর এবং জীর্ণ অস্থি ব্যবহার করতে অর্থাৎ এগুলো দ্বারা ইস্তিনজা করতে নিষেধ করেছেন। সুফিয়ান বলেন: জীর্ণ অস্থি হলো হাড়।
(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٦٧)
باب ذكر الاستنجاء بالماء

(17) أخبرنا أبو يعلى الموصلي حدثنا هدبة بن خالد القيسي حدثنا همام عن قتادة عن معاذة عن عائشة رضي الله عنها أنها قالت مرن خ مروا أزواجكن أن يغسلوا عنهم أثر الغائط والبول فإني أستحي أن آمرهم وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يفعله
পানি দ্বারা ইস্তিনজা করার বিবরণ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ

(১৭) আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হুদবাহ বিন খালিদ আল-কাইসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাম্মাম আমাদের নিকট কাতাদাহ হতে, তিনি মুয়াযা হতে এবং তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: তোমরা তোমাদের স্বামীদের নির্দেশ দাও যেন তারা তাদের মল ও মূত্রের চিহ্ন ধুয়ে ফেলে; কেননা আমি তাদের নির্দেশ দিতে লজ্জা বোধ করছি। আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরূপ করতেন।
(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٦٨)
باب ما يقال عن الفراغ من الخلاء

(18) أخبرنا محمد بن إبراهيم بن المنذر الفقيه حدثنا محمد بن إسماعيل حدثنا أبو النضر حدثنا إسرائيل عن يوسف بن أبي بردة عن أبيه عن عائشة رضي الله عنها قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا خرج من الخلاء قال غفرانك
শৌচাগার থেকে অবসর হওয়ার পর যা বলা হয় সেই সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ

(১৮) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফকিহ মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন আল-মুনজির, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আন-নজর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসরাঈল, তিনি ইউসুফ বিন আবু বুরদাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন শৌচাগার থেকে বের হতেন, তখন বলতেন: "আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি।"
(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٦٩)
باب النية عند الوضوء

(19) حدثنا أبو عمران موسى بن سهل بن عبد الحميد الجوني وكهمس ابن معمر الجوهري قالا حدثنا محمد بن رمح قال أخبرنا الليث بن سعد عن يحيى بن سعيد عن محمد بن إبراهيم التيمي عن علقمة بن وقاص الليثي عن عمر بن الخطاب رضي الله عنه أنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول أقال إنما الأعمال بالنية وإنما لامرئ ما نوى فمن هاجر إلى الله ورسوله فقد هاجر إلى الله ورسوله ومن هاجر لدنيا يصيبها أو امرأة يتزوجها فهجرته إلى ما هاجر إليه
ওযূর সময় নিয়ত করার অধ্যায়

(১৯) আবু ইমরান মুসা বিন সাহল বিন আব্দুল হামিদ আল-জাওনী এবং কাহমাস ইবনে মুয়াম্মার আল-জাওহারী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: মুহাম্মদ বিন রুমহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: লাইস বিন সাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন সাঈদ হতে, তিনি মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম আত-তাইমী হতে, তিনি আলকামাহ বিন ওয়াক্কাস আল-লাইসী হতে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন: "নিশ্চয়ই সমস্ত আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল, আর প্রত্যেক ব্যক্তি তাই পাবে যার সে নিয়ত করবে। সুতরাং যার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যে হবে, তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে। আর যার হিজরত দুনিয়া লাভের জন্য অথবা কোনো নারীকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে হবে, তবে তার হিজরত সেই বিষয়ের জন্যই গণ্য হবে যার উদ্দেশ্যে সে হিজরত করেছে।"
(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٧٢)
باب التسمية عند الوضوء

(20) حدثنا محمد بن إبراهيم بن المنذر الفقيه حدثنا محمد بن إسماعيل حدثنا عفان حدثنا وهيب حدثنا عبد الرحمن بن حرملة أنه سمع أبا ثفال المري يقول سمعت رباح بن عبد الرحمن أبي سفيان بن حويطب يقول: حدثتني جدتي أنها سمعت أباها يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا صلاة لمن لا وضوء له ولا وضوء لمن لم يذكر اسم الله عليه
ওজুর শুরুতে আল্লাহর নাম পাঠের অধ্যায়

(২০) আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম ইবনুল মুনজির আল-ফকিহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আফফান বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট উহাইব বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুর রহমান ইবনে হারমালা বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবু সুফাল আল-মুররিকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন, আমি রাবাহ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবি সুফিয়ান ইবনে হুয়াইতিবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমার দাদি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি তাঁর পিতাকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: "যার ওজু নেই তার সালাত নেই, আর যে ব্যক্তি তার (ওজুর) ওপর আল্লাহর নাম নেয়নি তার ওজু নেই।"
(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٧٣)
باب صفة وضوء النبي صلى الله عليه وسلم

(21) أخبرنا مفضل بن محمد بن إبراهيم الجندي حدثنا علي بن زياد اللحجي حدثنا أبو قرة موسى بن طارق السكسكي قال ذكر ابن جريج حدثني شيبة أن محمد بن علي أخبره أن حسين بن علي أخبره قال دعا خ-ادعاني علي بن أبي طالب بوضوء فقربته إليه فغسل كفيه ثلاث مرات قبل أن يدخلهما في وضوء ثم مضمض ثلاثاً واستنشق ثلاثاً ثم غسل وجهه ثلاث مرات وغسل يده اليمنى إلى المرفق ثلاثاً، ثم اليسرى ثلاثاً كذلك ومسح برأسه واحدة ثم غسل رجله اليمنى إلى الكعبين ثلاثا ثم اليسرى ثلاثاً ثم قام ثم قال ناولني فناولته الإناء الذي فيه فضل وضوئه فشرب من فضل وضوئه قائماً فتعجبت قال لا تعجب فإن رأيت النبي صلى الله عليه وسلم توضأ هكذا وشرب فضل وضوئه قائما
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওযুর পদ্ধতির বর্ণনা অধ্যায়

(২১) মুফাদদ্বাল ইবন মুহাম্মাদ ইবন ইবরাহীম আল-জুন্দী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী ইবন যিয়াদ আল-লাহজী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবূ কুররাহ মূসা ইবন তারিক আস-সাকসাকী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, ইবন জুরাইজ উল্লেখ করেছেন, শায়বাহ আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন যে, মুহাম্মাদ ইবন আলী তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন যে, হুসাইন ইবন আলী তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আলী ইবন আবী তালিব আমার কাছে ওযুর পানি চাইলেন, আমি তা তাঁর নিকট নিয়ে আসলাম। এরপর তিনি ওযুর পাত্রে হাত প্রবেশ করানোর পূর্বে তাঁর দুই কবজি তিনবার ধৌত করলেন। তারপর তিনবার কুলি করলেন এবং তিনবার নাকে পানি দিলেন। এরপর তিনি তাঁর মুখমণ্ডল তিনবার ধৌত করলেন এবং তাঁর ডান হাত কনুই পর্যন্ত তিনবার ধৌত করলেন, এরপর বাম হাত একইভাবে তিনবার ধৌত করলেন। এরপর তিনি তাঁর মাথা একবার মাসাহ করলেন। এরপর তিনি তাঁর ডান পা টাখনু পর্যন্ত তিনবার ধৌত করলেন, অতঃপর বাম পা তিনবার ধৌত করলেন। তারপর তিনি দাঁড়ালেন এবং বললেন, "আমাকে পাত্রটি দাও"। আমি তাঁকে সেই পাত্রটি দিলাম যাতে ওযুর অবশিষ্ট পানি ছিল। তিনি ওযুর সেই অবশিষ্ট পানি দাঁড়িয়ে পান করলেন। আমি এতে বিস্মিত হলাম। তিনি বললেন, "বিস্মিত হয়ো না, কারণ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এভাবেই ওযু করতে এবং ওযুর অবশিষ্ট পানি দাঁড়িয়ে পান করতে দেখেছি।"
(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٧٤)
باب في المسح على الخفين

(22) حدثنا أبو عبيد القاسم بن إسماعيل المحاملي حدثنا علي بن مسلم الطوسي حدثنا ابن علية حدثنا روح بن القاسم عن عاصم عن زر عن صفوان بن عسال قال سألت النبي صلى الله عليه وسلم عن المسح على الخفين فقال للمسافر ثلاثة أيام ولياليهن وللمقيم يوم وليلة
মোজা মাসেহ করা সম্পর্কিত অধ্যায়

(২২) আবু উবাইদ আল-কাসিম ইবন ইসমাঈল আল-মাহামিলি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আলী ইবন মুসলিম আত-তুসী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইবন উলাইয়্যাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, রাওহ ইবন আল-কাসিম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আসিম থেকে, তিনি যির থেকে, তিনি সাফওয়ান ইবন আসসাল থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে চামড়ার মোজার ওপর মাসেহ করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: মুসাফিরের জন্য তিন দিন ও তিন রাত এবং মুকিমের জন্য এক দিন ও এক রাত।
(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٧٦)
باب ذكر لا يقبل الله صلاة إلا بطهور.

(23) حدثنا محمد بن أحمد بن سالم الضراب الرقي وبكر بن بندار بن شعيب المتوثي الفقير بالرقة قالا حدثنا أيوب بن محمد الوزان الرقي حدثنا غسان بن عبيدة خ عبيد عن عكرمة بن عمار عن يحيى بن أبي كثير عن أبي سلمة عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يقبل الله صلاة إلا بطهور ولا صدقة من غلول
পবিত্রতা ব্যতীত আল্লাহ কোনো সালাত কবুল করেন না— এ বিষয়ের পরিচ্ছেদ।

(২৩) মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে সালিম আদ-দাররাব আর-রাক্কি এবং বাকর ইবনে বুন্দার ইবনে শুআইব আল-মুতাওয়াসসি আল-ফাকির আর-রাক্কাহ-তে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আইয়ুব ইবনে মুহাম্মদ আল-ওয়াযযান আর-রাক্কি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, গাসসান ইবনে উবায়দাহ (খ. উবায়দ) ইকরিমাহ ইবনে আম্মার থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, "পবিত্রতা ব্যতীত আল্লাহ কোনো সালাত কবুল করেন না এবং আত্মসাৎকৃত মালের সদকা কবুল করেন না।"
(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٧٧)
باب الاغتسال من الجنابة

(24) أخبرنا إسحاق بن إبراهيم بن جميل حدثنا أحمد بن منيع حدثنا أبو معاوية حدثنا الأعمش عن سالم بن أبي الجعد عن كريب عن ابن عباس عن ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم وعلى آله وسلم قالت كان إذا اغتسل من الجنابة يبدأ فغسل أفيغسل بيديه ثم يفرغ بيمينه على شماله فيغسل فرجه ثم يضرب بيديه أبيديه على الأرض فيمسحها ثم يغسلها ثم يتوضأ وضوءه للصلاة ثم يفرغ على رأسه وسائر جسده ثم تنحى فيغسل رجليه
জানাবাত থেকে গোসলের অধ্যায়

(২৪) ইসহাক বিন ইবরাহীম বিন জামীল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আহমদ বিন মানী‘ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন আবূ মুআবিয়া আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি আ’মাশ থেকে, তিনি সালিম বিন আবিল জা’দ থেকে, তিনি কুরাইব থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি নবী—আল্লাহ তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজনের ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন—এর সহধর্মিণী মাইমুনা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: যখন তিনি জানাবাত (অপবিত্রতা) থেকে গোসল করতেন, তখন হাত ধোয়ার মাধ্যমে শুরু করতেন। এরপর তিনি তাঁর ডান হাত দিয়ে বাম হাতের ওপর পানি ঢালতেন এবং তাঁর লজ্জাস্থান ধৌত করতেন। তারপর তিনি তাঁর হাত মাটিতে আঘাত করতেন (ঘষতেন), অতঃপর তা মুছতেন এবং ধুয়ে নিতেন। এরপর তিনি সালাতের অযুর ন্যায় অযু করতেন। অতঃপর তাঁর মাথায় এবং শরীরের বাকি অংশে পানি ঢালতেন। এরপর তিনি একটু সরে দাঁড়াতেন এবং তাঁর দুই পা ধৌত করতেন।
(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٧٨)
باب ما يجزئ من الماء في الوضوء والغسل

(25) حدثنا علي بن إبراهيم بن مطر السكري حدثنا داود بن رشيد حدثنا عباد بن عوام عن إبراهيم بن المهاجر عن صفية بنت شيبة عن عائشة أم المؤمنين رضي الله عنها أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يغتسل بالصاع ويتوضأ بالمد
অজু ও গোসলে পানির যে পরিমাণ যথেষ্ট হওয়া সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ

(২৫) আলী ইবনে ইব্রাহিম ইবনে মাতার আল-সুক্কারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, দাউদ ইবনে রাশিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্বাদ ইবনে আওয়াম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে আল-মুহাজির থেকে, তিনি সাফিয়্যা বিনতে শাইবা থেকে, তিনি মুমিনদের জননী আয়েশা (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) এক সা‘ পরিমাণ পানি দিয়ে গোসল করতেন এবং এক মুদ্দ পরিমাণ পানি দিয়ে অজু করতেন।
(খণ্ড: ১) জামহারাতুল আজজাউল হাদিসিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٧٩)
باب المحافظة على الوضوء

(26) أخبرنا محمد بن الحسن بن قتيبة حدثنا محمد بن أبي السري العسقلاني حدثنا فضيل بن عياض عن سليمان الأعمش عن سالم بن أبي الجعد عن ثوبان عن النبي صلى الله عليه وعلى آله وسلم قال استقيموا ولن تحصوا وخير أعمالكم الصلاة ولا يحافظ على الوضوء إلا مؤمن
অধ্যায়: ওযু নিয়মিত বজায় রাখা

(২৬) মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন কুতাইবা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন আবিস সারী আল-আসকালানী আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ফুদাইল বিন ইয়াদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সুলাইমান আল-আমাশ থেকে, তিনি সালিম বিন আবি আল-জাদ থেকে, তিনি সাওবান থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: "তোমরা সঠিক পথে অবিচল থাকো, যদিও তোমরা কখনোই তা পুরোপুরি আয়ত্ত করতে পারবে না। আর জেনে রেখো, তোমাদের সর্বোত্তম আমল হলো সালাত। আর মুমিন ব্যতীত অন্য কেউ ওযুর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ করে না।"