0/0
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: -)
المعجم المختص بالمحدثين   (شمس الدين الذهبي)

القسم: التراجم والطبقات


الكتاب: المعجم المختص بالمحدثين

المؤلف: شمس الدين أبو عبد الله محمد بن أحمد بن عثمان بن قَايْماز الذهبي (ت 748 هـ)

تحقيق: د. محمد الحبيب الهيلة [ت 1440 هـ]

الناشر: مكتبة الصديق، الطائف

الطبعة: الأولى، 1408 هـ - 1988 م

عدد الصفحات: 309

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

মুহাদ্দিসগণের বিশেষ অভিধান   (শামসুদ্দিন আয-যাহাবি)

অনুবিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ


গ্রন্থ: আল-মুজাম আল-মুখতাস বিল মুহাদ্দিসিন

লেখক: শামসুদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন উসমান বিন কাইমাজ আয-যাহাবি (মৃত্যু: ৭৪৮ হিজরি)

সম্পাদনা: ড. মুহাম্মদ আল-হাবিব আল-হাইলা [মৃত্যু: ১৪৪০ হিজরি]

প্রকাশক: মাকতাবাতুস সিদ্দিক, তায়েফ

সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৮ হিজরি - ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩০৯

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]

শামেলার প্রকাশনার তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: -)
بِسم الله الرَّحْمَن الرَّحِيم،

وَصلى الله على مُحَمَّد وعَلى آله وَسلم،

الْحَمد لله فاطر السَّمَوَات وَالْأَرْض، وَأشْهد أَن لَا إِلَه إِلَّا الله شَهَادَة أدخرها ليَوْم الْعرض، وَأشْهد أَن مُحَمَّدًا عَبده وَرَسُوله الْمَبْعُوث بالسنن وَالْفَرْض، صلى الله عَلَيْهِ وَآله الَّذين هم ذُرِّيَّة [بَعْضهَا من] بعض.

 

وَبعد فَهَذَا «مُعْجم مُخْتَصّ» بِذكر من جالسته من الْمُحدثين أَو أجَاز لي مروياته من طلبة الحَدِيث وَبَعْضهمْ أميز فِي هَذَا الشَّأْن من غَيره كَمَا أنبه عَلَيْهِ بنعوتهم.

 

وَإِلَى الله ألجأ فِي الْإِخْلَاص والتوفيق، وَبِه الِاسْتِعَانَة.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

এবং মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবারবর্গের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আসমান ও জমিনের স্রষ্টা। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই—এমন এক সাক্ষ্য যা আমি কিয়ামতের দিন উপস্থাপনের জন্য সঞ্চয় করে রাখছি। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল, যাকে সুন্নাহ ও ফরজ বিধানসহ প্রেরণ করা হয়েছে। তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবারের ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক, যারা একে অপরের বংশধর।

 

অতঃপর, এটি একটি ‘সংক্ষিপ্ত অভিধান’ যাতে আমি সেই সকল মুহাদ্দিসের উল্লেখ করেছি যাঁদের সান্নিধ্য আমি লাভ করেছি অথবা হাদীসের সেই সকল শিক্ষার্থী যাঁরা তাঁদের বর্ণিত হাদীসসমূহের জন্য আমাকে অনুমতি প্রদান করেছেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ এই বিদ্যায় অন্যদের চেয়ে অধিক অগ্রগণ্য ও বিশিষ্ট, যা আমি তাঁদের গুণাবলি বা উপাধির মাধ্যমে উল্লেখ করব।

 

আমি একনিষ্ঠতা ও তাওফিকের জন্য আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি এবং তাঁরই নিকট সাহায্য কামনা করছি।
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ٧)
‌‌حَرْفُ الْأَلِفِ

الْأَبْرَقُوهِيُّ: أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ الْأَخْنَائِيُّ: الْإَسْكَنْدَرِيُّ: إِبْرَاهِيمُ بْنُ فَلَاحٍ، إِمَامُ الْكَلَاسَةِ.

الْأَنْدَرْشِيُّ: أَحْمَدُ بْنُ سَعْدٍ.

ابْنُ إِمَامِ الْمَشْهَدِ.

أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سِبَاعِ ضِيَاءٍ، الْعَلَّامَةُ شَرَفُ الدِّينِ أَبُو الْعَبَّاسِ الْفَزَارِيُّ الْمِصْرِيُّ ثُمَّ الدِّمَشْقِيُّ الشَّافِعِيُّ، الْمُقْرِئُ النَّحْوِيُّ الْمُحَدِّثُ خَطِيبُ دِمَشْقَ.

وُلِدَ سَنَةَ ثَلَاثِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ وَقَرَأَ عَلَى السَّخَاوِيُّ بِثَلَاثِ رِوَايَاتٍ، وَسَمِعَ مِنْهُ شَرْحَهُ لِلشَّاطِبِيَّةِ وَعِدَّةَ كُتُبٍ، وَسَمِعَ مِنَ الْفَخْرِ النَّسَّابَةِ وَالْحَافِظِ تَقِيِّ الدِّينِ بْنِ الصَّلَاحِ وَطَائِفَةٍ وَبَرَعَ فِي النَّحْوِ وَتَصَدَّرَ لِإِقْرَائِهِ مُدَّةً، وَطَلَبَ بِنَفْسِهِ بَعْدَ السِّتِّينَ وَسِتِّ مِائَةٍ فَأَكْثَرَ عَنِ ابْن
আলিফ বর্ণ

আবরাকুহি: আহমদ বিন ইসহাক। আখনাঈ: ইসকান্দারি: ইবরাহিম বিন ফালাহ, ইমানুল কালাসাহ।

আন্দারশি: আহমদ বিন সাদ।

ইবন ইমামুল মাশহাদ।

আহমদ বিন ইবরাহিম বিন সিবা জিয়া, আল্লামা শারাফুদ্দীন আবুল আব্বাস আল-ফাজারি আল-মিসরি অতঃপর আদ-দামেশকি আশ-শাফিঈ, মুকরি, নাহবি, মুহাদ্দিস ও দামেস্কের খতিব।

তিনি ৬৩০ হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন এবং সাখাভির নিকট তিনটি কেরাআতে পাঠ করেন। তার নিকট থেকে শাতবিয়্যাহ-র ব্যাখ্যা এবং বেশ কিছু কিতাব শ্রবণ করেন। এছাড়া তিনি ফখরুন নাসসাবাহ, হাফেজ তাকিউদ্দিন ইবনুস সালাহ এবং একদল আলেম থেকে শ্রবণ করেছেন। তিনি ব্যাকরণ শাস্ত্রে পারদর্শিতা অর্জন করেন এবং দীর্ঘ সময় তা পাঠদানের জন্য আসীন থাকেন। ৬৬০ হিজরি সনের পর তিনি নিজেই ইলম অন্বেষণ শুরু করেন এবং ইবনে... থেকে অধিক পরিমাণে বর্ণনা গ্রহণ করেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ٨)
عبد الدَّائِم وَطَبَقَتِهِ وَكَانَ فَصِيحًا مُفَوَّهًا وَخَطِيبًا بَلِيغًا، ابْنِ عَبْدِ الدَّائِمِ لَا يَكَادُ يَلْحَنُ مَعَ طِيبِ النَّغَمَةِ وَلِينِ الْكَلِمَةِ، وَحُسْنِ التَّوَدُّدِ وَالدِّينِ وَالْأَمَانَةِ وَاللُّطْفِ، وَمَعْرِفَتُهُ لِلرِّجَالِ مُتَوَسِّطَةٌ.

مَاتَ فِي شَوَّالٍ سَنَةَ خَمْسٍ وَسَبْعِ مِائَةٍ.

قَرَأْتُ عَلَى أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْخَطِيبَ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْحَسَنِ السَّخَاوِيُّ، أَنَا أَبُو طَاهِرٍ السِّلَفِيُّ، أَنَا الْخَلِيلُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ، أَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنُ جَابِرٍ الْقَاضِي بِتِنِّيسَ سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وَأَرْبَعِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، أَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ النَّقَّاشُ سَنَةَ ثَمَانٍ وَسِتِّينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، أَنَا الْقَاسِمُ بْنُ اللَّيْثِ، أَنَا الْمُعَافِي بْنُ سُلَيْمَانَ الْحَرَّانِيُّ، أَنَا أَبُو يَحْيَى فُلَيْحُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ هِلَالِ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " مَنْ قَالَ: أَنَا خَيْرٌ مِنْ يُونُسَ بْنِ مَتَّى فَقَدْ كَذَبَ "، هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ تَفَرَّدَ بِهِ فُلَيْحٌ.

أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ مِنْ دُونِ الْجَمَاعَةِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِنَانٍ الْعَوْفِيِّ عَنْهُ، وَعَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْمُنْذِرِ، عَنْ مُحَمَّد بْنِ فُلَيْحٍ، عَنْ أَبِيهِ، وَلَيْسَ فُلَيْحٌ فِي الْإِتْقَانِ كَمَالِكٍ وَلَا هُوَ فِي اللِّينِ كَإِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي يَحْيَى بَلْ هُوَ كَمُسْلِمِ بْنِ خَالِدٍ الزِّنْجِيِّ. . . . . ، قَالَ ابْنُ مَعِينٍ: لَيْسَ بِالْقَوِيِّ، وَمُرَّةً قَالَ: هُوَ ضَعِيفٌ، وَمَرَّةً قَالَ: لَيْسَ حَدِيثُهُ بِذَاكَ الْجَائِزِ.

وَقَالَ النَّسَائِيُّ: لَيْسَ بِالْقَوِيِّ، وَقَالَ دَاوُدُ: لَا يُحْتَجُّ بِهِ،
আবদুদ দায়িম এবং তার সমপর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বাগ্মী, সুবক্তা এবং একজন সাবলীল খতিব। ইবনে আবদুদ দায়িম তার সুললিত কণ্ঠস্বর ও নম্র বাকভঙ্গির পাশাপাশি আরবী ব্যাকরণে কোনো ভুল করতেন না বললেই চলে। তিনি ছিলেন অত্যন্ত অমায়িক, ধর্মপরায়ণ, বিশ্বস্ত ও দয়ালু স্বভাবের অধিকারী। রাবীদের (বর্ণনাকারীদের) সম্পর্কে তার জ্ঞান ছিল মাঝারি মানের।

তিনি ৭০৫ হিজরী সনের শাওয়াল মাসে ইন্তেকাল করেন।

আমি আহমাদ বিন ইব্রাহিম আল-খতিবের নিকট পাঠ করেছি: আবুল হাসান আস-সাখাবি আপনাদের জানিয়েছেন যে, আবু তাহির আস-সিলাফি আমাদের জানিয়েছেন, খলিল বিন আব্দুল জব্বার আমাদের জানিয়েছেন, ৪৪২ হিজরী সনে তিন্নিসের বিচারক আলী বিন হুসাইন বিন জাবির আমাদের জানিয়েছেন, ৩৬৮ হিজরী সনে আবু বকর মুহাম্মদ বিন আলী আন-নাক্কাশ আমাদের জানিয়েছেন, কাসিম বিন আল-লাইস আমাদের জানিয়েছেন, মুআফি বিন সুলাইমান আল-হাররানি আমাদের জানিয়েছেন, আবু ইয়াহইয়া ফুলাইহ বিন সুলাইমান হিলাল বিন আলী থেকে, তিনি আতা বিন ইয়াসার থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি বলবে যে, আমি ইউনুস বিন মাত্তা অপেক্ষা উত্তম, সে মিথ্যা বলেছে।" এটি একটি সহীহ গরীব হাদীস, যা ফুলাইহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

জামাআতভুক্ত অন্যান্যদের বাদ দিয়ে ইমাম বুখারী এটি মুহাম্মদ বিন সিনান আল-আওফি থেকে এবং ইব্রাহিম বিন আল-মুনজির থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন ফুলাইহ থেকে, তিনি তার পিতা (ফুলাইহ) থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। হাদীসশাস্ত্রে পারদর্শিতার দিক থেকে ফুলাইহ ইমাম মালিকের মতো নন, আবার দুর্বলতার দিক থেকে তিনি ইব্রাহিম বিন আবু ইয়াহইয়ার মতো নন; বরং তিনি মুসলিম বিন খালিদ আজ-জানজির মতো। ইবনে মাঈন বলেছেন: তিনি শক্তিশালী নন। অন্য এক স্থানে তিনি বলেছেন: তিনি দুর্বল। আবার অন্য স্থানে বলেছেন: তার হাদীস গ্রহণযোগ্যতার সেই মানে পৌঁছায়নি।

ইমাম নাসাঈ বলেছেন: তিনি শক্তিশালী নন। দাউদ বলেছেন: তাকে দলিল হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না।
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ٩)
وَقَالَ أَبُو كَامِلٍ مُظَفَّرُ بْنُ مُدْرِكٍ: يَبْقَى حَدِيثُهُ، وَقَالَ الدَّارَقُطْنِيُّ وَغَيْرُهُ: لَا بَأْسَ بِهِ، قُلْتُ: وَقَدِ احْتَجَّ بِهِ الْبُخَارِيُّ وَمُسْلِمٌ، وَحَدِيثُهُ مِنَ الْقِسْمِ الثَّانِي مِنْ أَقْسَامِ الصَّحِيحِ وَأَشْرَاطِهِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ النَّحْوِيُّ، أَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ، أَنَا الْمُبَارَكُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ، أَنَا أَبُو مَنْصُورٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ السَّوَّاقُ، أَنَا عِيسَى بْنُ حَامِدٍ، أَنَا عَبْدُ اللَّهِ الْبَغَوِيُّ، حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ زُهَيْرٍ، أَنَا أَبُو سَلَمَةَ، سَمِعْتُ حَمَّادَ بْنَ سَلَمَةَ، يَقُولُ: «إِنَّ الرَّجُلَ ليقل حَتَّى تَجِفَّ. . . . . . .»

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْخَطِيبَ، أَنَا أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحَافِظُ، أَنَا مَنْصُورُ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْفُرَاوِيُّ، أَنَا. . . . .، أَنَا عُبَيْدُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ الْإِشْكَالِيُّ سَنَةَ خَمْسٍ وَخَمْسِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، أَنَا عَبْدُ السَّلَامِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، أَنَا أَبُو الْفَضْلِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ السِّرَاجُ، أَنَا قُتَيْبَةُ، أَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ عَنِ الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَةَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ عَلَى الْمِنْبَرِ: «إِنَّ بَنِي هِشَامِ بْنِ الْمُغِيرَةِ اسْتَأْذَنُونِي فِي أَنْ يُنْكِحُوا ابْنَتَهُمْ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ، فَلَا إِذْنَ ثُمَّ لَا إِذْنَ إِلَّا أَنْ يُرِيدَ بْنَ أَبِي طَالِبٍ أَنْ يُطَلِّقَ ابْنَتِي وَيَنْكِحَ ابْنَتَهُمْ وَإِنَّمَا هِيَ بَضْعَةٌ مِنِّي يَرِيبُنِي مَا رَابَهَا وَيُؤْذِينِي مَا آذَاهَا» ، أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ وَمُسْلِمٌ وَالتِّرْمِذِيُّ وَالنَّسَائِيُّ عَنْ قُتَيْبَةَ
আবু কামিল মুজাফফর ইবনে মুদরিক বলেছেন: তার হাদিস গ্রহণযোগ্য হিসেবে অবশিষ্ট থাকবে। ইমাম দারাকুতনি এবং অন্যরা বলেছেন: তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। আমি বলছি: ইমাম বুখারি ও ইমাম মুসলিম তার দ্বারা দলিল গ্রহণ করেছেন এবং তার হাদিস সহিহ-এর প্রকারভেদ ও শর্তাবলির দ্বিতীয় স্তরের অন্তর্ভুক্ত।

আহমদ বিন ইব্রাহিম আন-নাহবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আলি বিন মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ বিন মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুবারক বিন আব্দুল জাব্বার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মনসুর মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আস-সাওয়াক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ঈসা বিন হামিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ আল-বাগাওয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ বিন জুহাইর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু সালামাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমি হাম্মাদ বিন সালামাহকে বলতে শুনেছি: "নিশ্চয়ই মানুষটি হ্রাস পেতে থাকে যতক্ষণ না শুকিয়ে যায় . . . . . . ."

আহমদ বিন ইব্রাহিম আল-খাতিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আমর উসমান বিন আব্দুর রহমান আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মনসুর বিন আব্দুল মুনইম বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-ফুরাবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, . . . . . আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উবাইদ বিন আবু সাঈদ আল-ইশকালি চারশত পঞ্চান্ন হিজরি সনে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুস সালাম বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু ফজল উবাইদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইসহাক আস-সিরাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, কুতাইবা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, লাইস বিন সাদ আমাদের নিকট ইবনে আবু মুলাইকা থেকে, তিনি মিসওয়ার বিন মাখরামা থেকে বর্ণনা করেছেন: আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে মিম্বারের উপর দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছি: "বনু হিশাম বিন মুগিরা তাদের কন্যাকে আলি বিন আবি তালিবের নিকট বিয়ে দেওয়ার জন্য আমার কাছে অনুমতি চেয়েছে। আমি অনুমতি দেব না, পুনরায় বলছি আমি অনুমতি দেব না; তবে আলি বিন আবি তালিব যদি আমার কন্যাকে তালাক দিয়ে তাদের কন্যাকে বিয়ে করতে চায় (তবে সেটি তার বিষয়)। কেননা সে (ফাতিমা) আমারই একটি অংশ, যা তাকে সন্দিহান বা বিচলিত করে তা আমাকেও বিচলিত করে এবং যা তাকে কষ্ট দেয় তা আমাকেও কষ্ট দেয়।" এটি বুখারি, মুসলিম, তিরমিজি এবং নাসায়ি কুতাইবা থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ١٠)
أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ صَارُو الْإِمَامُ الْمُحَدِّثُ شِهَابُ الدِّينِ الْبَعْلِيُّ.

شَابٌّ فَاضِلٌ فَقِيهٌ أَدِيبٌ، طَلَبَ الْحَدِيثَ فِي الْكِبَرِ مِنَ الْمِزِّيِّ وَزَيْنَبَ وَأَبِي الْعَبَّاسِ الْجَزَرِيِّ وَعِدَّةٌ.

وُلِدَ سَنَةَ عَشْرٍ وَسَبْعِ مِائَةٍ.

أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْفَرَجِ، الْعَلَّامَةُ عِزُّ الدِّينِ أَبُو الْعَبَّاسِ الْمُصْطَفَوِيُّ الْوَاسِطِيُّ الْفَارُوثِيُّ الشَّافِعِيُّ الْمُقْرِئُ الْمُفَسِّرُ الْخَطِيبُ الْوَاعِظُ الصُّوفِيُّ بَقِيَّةُ الْأَعْلَامِ.

وُلِدَ بِوَاسِطَ سَنَةَ أَرْبَعَةَ عَشْرَةَ وَسِتِّ مِائَةٍ فِي ذِي الْقَعْدَةِ.

اشْتَغَلَ عَلَى وَالِدِهِ الشَّيْخِ مُحْيِي الدِّينِ، وَقَرَأَ الْقَرِاءَاتِ عَلَى أَصْحَابِ أَبِي بَكْرٍ الْبَاقِلَّانِيِّ، وَصَحِبَ الشَّيْخَ شِهَابَ الدِّينِ السَّهْرَوَرْدِيَّ وَلَبِسَ مِنْهُ الْخِرْقَةَ.

سَمِعَ مِنْهُمْ وَمِنْ عُمَرَ بْنِ كَرَمٍ الدِّينَوَرِيِّ وَالْحَسَنَ بْنَ الزُّبَيْدِيَّ وَعَبْدَ اللَّطِيفِ بْنِ الْقُبَيْطِيِّ وَخَلْقٌ مِنْ مَشْيَخَةِ بَغْدَادَ، وَسَمِعَ بِأَصْبَهَانَ
আহমাদ বিন ইব্রাহিম বিন সারু, ইমাম, মুহাদ্দিস, শিহাবুদ্দীন আল-বালি।

তিনি একজন গুণী যুবক, ফকিহ ও সাহিত্যিক ছিলেন। তিনি বয়স্ক অবস্থায় মিযযি, যয়নব, আবু আব্বাস আল-জাযারি এবং আরও অনেকের নিকট থেকে হাদিস অন্বেষণ করেছেন।

তিনি ৭১০ হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন।

আহমাদ বিন ইব্রাহিম বিন উমর বিন আল-ফারাজ, আল্লামা ইযযুদ্দীন আবু আব্বাস আল-মুস্তফাভি আল-ওয়াসিতি আল-ফারুসি আশ-শাফিয়ি। তিনি ছিলেন ক্বারি, মুফাসসির, খতিব, ওয়ায়েজ, সুফি এবং শ্রেষ্ঠ আলেমদের অবশিষ্টাংশ।

তিনি ৬১৪ হিজরি সনের জিলকদ মাসে ওয়াসিত-এ জন্মগ্রহণ করেন।

তিনি তাঁর পিতা শায়খ মুহিউদ্দীনের নিকট জ্ঞানার্জন করেন এবং আবু বকর আল-বাকিলানির সঙ্গীদের নিকট কিরাত পাঠ করেন। তিনি শায়খ শিহাবুদ্দীন আস-সুহরাওয়ার্দীর সান্নিধ্য লাভ করেন এবং তাঁর নিকট থেকে খিরকা পরিধান করেন।

তিনি তাঁদের নিকট থেকে এবং উমর বিন কারাম আদ-দিনাওয়ারি, হাসান বিন আল-জুবাইদি, আব্দুল লতিফ বিন আল-কুবাইতি এবং বাগদাদের বহু শায়খের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন। এছাড়া তিনি ইসফাহানেও হাদিস শ্রবণ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ١١)
وَشِيرَازَ وَقَزْوِينَ وَبِدِمَشْقَ وَمَكَّةَ، وَحَدَّثَ بِالْكَثِيرِ بِدِمَشْقَ وَغَيْرِهَا، وَأَقْرَأَ بِالرِّوَايَاتِ، حَمَلَ عَنْهُ جَمَالُ الدِّينِ الْبَدَوِيُّ وَالشَّيْخُ أَحْمَدُ الْحَرَّانِيُّ وَالشَّيْخُ شَمْسُ الدِّينِ الرَّقِّيُّ بِأَصْبَهَانَ وَشِيرَازَ وَقَزْوِينَ وَبِدِمَشْقَ وَمَكَّةَ.

وَقَدْ سَلَّمْتُ عَلَيْهِ وَسَأَلْتُهُ عَنْ شَيْئٍ وَصَلَّيْتُ خَلْفَهُ كَثِيرًا وَسَمِعْتُهُ يَخْطُبُ عَلَى مِنْبَرِ دِمَشْقَ غَيْرَ مَرَّةٍ، وَكَانَ إِمَامًا مُتْقِنًا مُتَعَبِّدًا مُتَوَاضِعًا حَسَنَ الْبِشْرِ كَبِيرَ الْقَدْرِ، وَرَأَيْتُهُ يَسْجُدُ فِي سُورَةِ اقْرَأْ، وَقَامَ وَكَبَّرَ وَانْحَطَّ سَاجِدًا، وَكَانَ يُصَلِّي الْجُمُعَةَ بِالسَّوَادِ ثُمَّ يُشَيِّعُ فِيهِ الْجِنَازَةَ، وَرُبَّمَا ذَهَبَ وَهُوَ عَلَيْهِ فِي حَاجَةٍ لَهُ، وَقَدْ خَرَجَ بِنَا لِلِاسْتِسْقَاءِ وَسَمِعْتُ خُطْبَتَهُ يَوْمَئِذٍ حَكَى صَاحِبُنَا ابْنُ مُؤْمِنٍ الْوَاسِطِيُّ الْمُقْرِئُ أَنَّ الشَّيْخَ عِزُّ الدِّينِ أَظْهَرَ أَنَّهُ يُرِيدُ سَفَرًا فَطَلَبَ الْأَصْحَابَ، وَبَقِيَ يَقُولُ: قَدْ عَرَضَ لِي سَفَرٌ إِلَى شِيرَازَ فَاجْعَلُونَا فِي حِلٍ فَيَتَعَجَّبُونَ، وَنَقُولُ: سَفَرُ الشَّيْخِ فِي هَذَا السِّنِّ مُشِقٌ وَهَابَهُ أَنْ يَعْرِضَ عَلَيْهِ، وَلَمْ يَفْهَمْ مَقْصُودَهُ ثُمَّ تُوُفِّيَ إِلَى رَحْمَةِ اللَّهِ تَعَالَى بَعْدَ يَوْمَيْنِ، وَتَأَسَّفَ النَّاسُ عَلَيْهِ وَعُدَّ ذَلِكَ مِنْ كَرَامَاتِهِ رَحِمَهُ اللَّهُ تَعَالَى.

مَاتَ فِي أَوَّلِ ذِي الْحِجَّةِ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَتِسْعِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ بِوَاسِطَ، حَدَّثَ عَنْهُ طَائِفَةٌ مِنْ أَصْحَابِنَا كَالْمِزِّيِّ وَالْبَدَوِيِّ وَالْبَرَازِلِيِّ وَابْنِ بَصْمَاتٍ وَالرَّقِّيُّ وَابْنُ غَدِيرٍ الْمُقْرِئُ وَأَمْثَالُهُمْ.

أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُرِّيٍّ الصَّالِحِيُّ الطَّحَّانُ.

رَوَى لَنَا عَنْ خَطِيبِ مَرْدَا حُضُورًا، وَكَتَبَ طِبَاقًا كَثِيرَةً عَلَى ابْنِ الْكَمَالِ
এবং শিরাজ, কাজউইন, দামেস্ক ও মক্কায়; তিনি দামেস্ক ও অন্যান্য স্থানে প্রচুর হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং বিভিন্ন কিরাতে পাঠ করিয়েছেন। তাঁর নিকট থেকে জামালুদ্দিন আল-বাদাভি, শায়খ আহমাদ আল-হাররানি এবং শায়খ শামসুদ্দিন আল-রাক্কি ইসফাহান, শিরাজ, কাজউইন, দামেস্ক ও মক্কায় শিক্ষা গ্রহণ করেছেন।

আমি তাঁকে সালাম দিয়েছি, তাঁকে কোনো বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছি এবং তাঁর পেছনে অনেকবার সালাত আদায় করেছি। তাঁকে দামেস্কের মিম্বারে একাধিকবার খুতবা দিতে শুনেছি। তিনি ছিলেন একজন অত্যন্ত দক্ষ ইমাম, একনিষ্ঠ ইবাদতকারী, বিনয়ী, প্রফুল্ল চিত্তের অধিকারী এবং মহান মর্যাদাবান। আমি তাঁকে সূরা 'ইকরা' পাঠ করে সিজদা দিতে দেখেছি; তিনি দাঁড়ালেন, তাকবির দিলেন এবং সিজদায় অবনত হলেন। তিনি জুমার সালাতে কালো পোশাক পরিধান করতেন, অতঃপর তাতেই জানাজায় শরিক হতেন; কখনো কখনো সেই পোশাক পরা অবস্থায় নিজের কোনো প্রয়োজনে বের হতেন। তিনি আমাদের নিয়ে বৃষ্টির প্রার্থনার (ইসতিসকা) জন্য বের হয়েছিলেন এবং আমি সেদিন তাঁর খুতবা শুনেছি। আমাদের সাথী ক্বারি ইবনে মুমিন আল-ওয়াসিতি বর্ণনা করেছেন যে, শায়খ ইজ্জুদ্দিন প্রকাশ করলেন যে তিনি সফরে যেতে চান, তাই তিনি সাথীদের ডাকলেন এবং বলতে থাকলেন: 'আমার জন্য শিরাজ সফরের প্রস্তাব এসেছে, সুতরাং তোমরা আমাকে ক্ষমা করে দিও।' এতে তারা বিস্মিত হলো এবং আমরা বলতে লাগলাম: 'এই বৃদ্ধ বয়সে শায়খের সফর অত্যন্ত কষ্টকর হবে।' কেউ তাঁর সামনে কথাটি উপস্থাপন করতে সাহস পেল না এবং তাঁর উদ্দেশ্যও বুঝতে পারল না। অতঃপর দুই দিন পর তিনি আল্লাহ তাআলার রহমতের দিকে চলে গেলেন। মানুষ তাঁর জন্য অত্যন্ত আফসোস করল এবং একে তাঁর অন্যতম কারামত হিসেবে গণ্য করা হয়, আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন।

তিনি ৬৯৪ হিজরির পহেলা জিলহজ মাসে ওয়াসিতে ইন্তেকাল করেন। আমাদের একদল সাথী তাঁর নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন যেমন: আল-মিজ্জি, আল-বাদাভি, আল-বারজালি, ইবনে বাসমাত, আল-রাক্কি, ক্বারি ইবনে গাদির এবং তাঁদের সমপর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ।

আহমাদ বিন ইবরাহিম বিন মুররি আস-সালিহি আত-তাহহান।

তিনি খতিব মারদার নিকট উপস্থিত হয়ে আমাদের জন্য বর্ণনা করেছেন এবং ইবনুল কামালের নিকট থেকে বহু শ্রুতি-সনদ লিপিবদ্ধ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ١٢)
بِخَطٍ دَقِيقٍ فِي سَنَةِ سَبْعِينَ وَبَعْدَهَا وَكَانَ بِهِ صَمَمٌ وَفِيهِ سُكُونٌ.

أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْفَقِيهُ الْعَالِمُ شِهَابُ الدِّينِ الزُّهْرِيُّ الشَّافِعِيُّ تَفَقَّهَ وَسَمِعَ وَعَلَّقَ وَتَنَبَّهَ مَوْلِدُهُ سَنَةَ بِضْعٍ وَسَبْعِ مِائَةٍ.

أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْخَطِيبُ شِهَابُ الدِّينِ السِّنْجَارِيُّ، سَمِعَ مِنْ أَصْحَابِهِ البُسُطَ ثُمَّ بِدِمَشْقَ، وَخَطَبَ بِقَرْيَةِ كَفْرِ مُدِيرَا، وَلَهُ نَظْمٌ حَسَنٌ وَفَضِيلَةٌ، سَمِعْتُ مِنْهُ أَبْيَاتًا لَهُ فِي السُّنَّةِ.

تُوُفِّيَ فِي مُسْتَهَلِّ شَهْرِ ذِي الْقَعْدَةِ مِنْ سَنَةِ اثْنَتَيْنِ وَأَرْبَعِينَ وَسَبْعِ مِائَةٍ فِي الْكُهُولَةِ رحمه الله وَإِيَّانَا.

أَحْمَدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ نِعْمَةَ بْنِ أَحْمَدَ، الْعَلَّامَةُ شَرَفُ الدِّينِ مُفْتِي الشَّامِ.
সূক্ষ্ম হস্তাক্ষরে সত্তর সাল ও তার পরবর্তী সময়ে, এবং তিনি বধির ছিলেন আর তার মধ্যে শান্ত স্বভাব ছিল।

আহমাদ বিন ইব্রাহিম, ফকিহ, আলেম, শিহাবুদ্দিন আজ-জুহরি আশ-শাফেয়ি। তিনি ফিকহ অর্জন করেছেন, হাদিস শ্রবণ করেছেন, টীকা লিপিবদ্ধ করেছেন এবং প্রজ্ঞাবান হয়েছেন। তার জন্ম সাতশ কয়েক হিজরি সালে।

আহমাদ বিন ইব্রাহিম আল-খতিব শিহাবুদ্দিন আস-সিনজারি। তিনি আল-বাসত (গ্রন্থটি) তার শিক্ষকদের নিকট শ্রবণ করেছেন, অতঃপর দামেশকে শ্রবণ করেছেন। তিনি কাফর মুদিরা গ্রামে খুতবা প্রদান করতেন। তার চমৎকার কাব্য প্রতিভা ও পাণ্ডিত্য ছিল। আমি তার নিকট থেকে সুন্নাহ সম্পর্কিত তার কিছু পংক্তি শ্রবণ করেছি।

তিনি সাতশ বিয়াল্লিশ হিজরি সালের জিলকদ মাসের শুরুতে প্রৌঢ়াবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। আল্লাহ তাকে এবং আমাদের রহম করুন।

আহমাদ বিন আহমাদ বিন নিমাহ বিন আহমাদ, আল্লামা শরফুদ্দিন, শামের (সিরিয়া) মুফতি।
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ١٣)
أَقْضَى الْقُضَاةِ أَبُو الْعَبَّاسِ الْمَقْدِسِيُّ النَّابُلْسِيُّ ثُمَّ الدِّمَشْقِيُّ الشَّافِعِيُّ خَطِيبُ دِمَشْقَ.

وُلِدَ سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وَعِشْرِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ، وَأَجَازَ لَهُ الْفَتْحُ بْنُ عَبْدِ السَّلَامِ، وَأَبُو عَلِيٍّ الْجَوَالِيقِيُّ، وَسَمِعَ مِنَ السَّخَاوِيُّ وَابْنِ الصَّلَاحِ وَعِدَّةٌ وَطَلَبَ بِنَفْسِهِ وَقَرَأَ عَلَى الشُّيُوخِ وَلَمْ يُكْثِرْ، وَبَرَعَ فِي كِتَابِهِ الْمَنْسُوبِ، وَتَقَوَّمَ فِي عِلْمِ الأُصُولِ وَالْفِقْهِ، وَتَخَرَّجَ بِهِ الْأَصْحَابُ وَصَنَّفَ مَعَ الْكِبَرِ وَالتَّوَاضُعِ وَالدِّيَانَةِ وَسُرْعَةِ الْفَهْمِ وَوُفُورِ الْعِلْمِ.

مَاتَ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَتِسْعِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ.

وَكَانَ شَيْخَ دَارِ الْحَدِيثِ النَّوْرِيَّةِ.

قَرَأْتُ عَلَى أَحْمَدَ بْنِ أَحْمَدَ الْفَقِيهُ: أَخْبَرَكُمْ عَفِيفُ بْنُ أَبِي الْفَضْلِ السَّلْمَانِيُّ، أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْحَافِظُ، أَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْفَرَاوِيُّ، أَنَا عَبْدُ الْغَافِرِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفَارِسِيُّ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى الْجَلُودِيُّ، أَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفَقِيهُ، نَا مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ، نَا مَنْصُورُ بْنُ أَبِي مُزَاحِمٍ، نَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ.

وَبِهِ، نَا مُسْلِمٌ، حَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَاللَّفْظُ لَهُ نَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، نَا أَبِي، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عُرْوَةَ، حَدَّثَهُ ، أَنَّ عَائِشَةَ حَدَّثَتْهُمَا ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " دَعَا ابْنَتَهُ فَاطِمَةَ فَسَارَّهَا فَبَكَتْ ثُمَّ سَارَّهَا فَضَحِكَتْ: قَالَتْ
প্রধান বিচারপতি আবুল আব্বাস আল-মাকদিসি আন-নাবুলুসি, অতঃপর আদ-দিমাশকি আশ-শাফিয়ি, দামেস্কের খতিব।

তিনি ৬২২ হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন। ফাতহ ইবন আবদুস সালাম এবং আবু আলি আল-জাওয়ালিকি তাকে ইজাজত প্রদান করেন। তিনি আস-সাখাভি, ইবনুস সালাহ এবং আরও অনেকের নিকট থেকে হাদীস শ্রবণ করেছেন। তিনি নিজে ইলম অন্বেষণ করেছেন এবং শাইখদের নিকট পাঠ গ্রহণ করেছেন, তবে তা সংখ্যায় খুব বেশি ছিল না। তিনি লিপিবিদ্যায় পারদর্শিতা অর্জন করেন এবং উসুল ও ফিকহ শাস্ত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত হন। তার মাধ্যমে অনেক ছাত্র শিক্ষা সমাপ্ত করেছেন। তিনি বয়োজ্যেষ্ঠতা, বিনয়, ধার্মিকতা, দ্রুত অনুধাবন ক্ষমতা এবং ইলমের প্রাচুর্যের সাথে গ্রন্থ রচনা করেছেন।

তিনি ৬৯৪ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।

তিনি দারুল হাদিস আন-নুরিয়ার শাইখ ছিলেন।

আমি আহমাদ বিন আহমাদ আল-ফকিহর নিকট পাঠ করেছি: আফিফ বিন আবুল ফজল আস-সালমানি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আব্দুল্লাহ আল-ফারায়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল গাফির বিন মুহাম্মদ আল-ফারিসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন ঈসা আল-জালুদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ আল-ফকিহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুসলিম বিন আল-হাজ্জাজ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মনসুর বিন আবু মুজাহিম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইব্রাহিম বিন সাদ তার পিতা থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং একই সনদে মুসলিম বর্ণনা করেন, যুহাইর বিন হারব আমার কাছে বর্ণনা করেছেন—এবং শব্দসমূহ তার—ইয়াকুব বিন ইব্রাহিম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আমার পিতা তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, উরওয়াহ তাকে বর্ণনা করেছেন যে, আয়েশা তাদের দুইজনকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কন্যা ফাতিমাকে ডাকলেন এবং তাঁর কানে কানে চুপিচুপি কিছু কথা বললেন, ফলে তিনি কেঁদে ফেললেন। এরপর পুনরায় তিনি তাঁর কানে কানে চুপিচুপি কিছু বললেন, তখন তিনি হাসলেন। আয়েশা বললেন:
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ١٤)
عَائِشَةُ: فَقُلْتُ لَهَا مَا هَذَا الَّذِي سَارَّكِ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَبَكَيْتِ ثُمَّ سَارَّكِ فَضَحِكْتِ؟ ، قَالَتْ: سَارَّنِي فَأَخْبَرَنِي بِمَوْتِهِ فَبَكَيْتُ، ثُمَّ سَارَّنِي فَأَخْبَرَنِي أَنِّي أَوَّلُ مَنْ يَتْبَعُهُ مِنْ أَهْلِهِ فَضَحِكْتُ "، مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ وَلَهُ طُرُقٌ عَنْ عَائِشَةَ

أَحْمَدُ بْنُ أَيْبَكَ، الْإِمَامُ الْمُفِيدُ الْحَافِظُ شِهَابُ الدِّينِ أَبُو الْعَبَّاسِ الْحُسَامِيُّ الدِّمْيَاطِيُّ، مُحَدِّثُ مِصْرَ.

وُلِدَ سَنَةَ سَبْعِ مِائَةٍ وَسَمِعَ مِنْ سِتِّ الْوُزَرَاءِ، وَالْحَجَّارِ ، وَابْنِ رَشِيقٍ ، وَالْحَسَنِ الْكُرْدِيِّ ، وَيُونُسَ ، وَخَلْقٍ كَثِيرٍ، وَكَتَبَ وَأَلَّفَ وَخَرَّجَ وَتَمَيَّزَ وَصَارَ مِنْ أَعْيَانِ الطَّلَبَةِ، خَرَّجَ لِجَمَاعَةٍ، قَدِمَ عَلَيْنَا عَامَ أَرْبَعِينَ وَاسْتَفَدْنَا مِنْهُ وَظَهَرَتْ مَعْرِفَتُهُ وَحُسْنُ مُشَارَكَتِهِ، خَرَّجْتُ لَهُ جُزْءًا، سَمِعَ مِنِّي وَسَمِعْتُ مِنْهُ.

أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْمُؤَيَّدِ بْنِ عَلِيٍّ، الْمُحَدِّثُ الْعَالِمُ
আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণিত: আমি তাকে (ফাতিমাকে) বললাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আপনার সাথে কানে কানে কী এমন কথা বললেন যার কারণে আপনি কাঁদলেন, অতঃপর পুনরায় কানে কানে কথা বললেন আর আপনি হাসলেন? তিনি বললেন, "তিনি আমাকে তাঁর ইন্তেকালের সংবাদ গোপনে জানালেন, ফলে আমি কাঁদলাম। অতঃপর তিনি পুনরায় আমাকে সংগোপনে জানালেন যে, তাঁর পরিজনদের মাঝে আমিই সর্বপ্রথম তাঁর অনুগামী হব (ইন্তেকাল করে তাঁর সাথে মিলিত হব), ফলে আমি হাসলাম।" এটি মুত্তাফাকুন আলাইহি (বুখারি ও মুসলিম কর্তৃক সর্বসম্মত) এবং আয়িশা (রা.) থেকে এর আরও অনেক সূত্র বর্ণিত হয়েছে।

আহমদ ইবনে আইবাক, হিতৈষী ইমাম, হাফিজ শিহাবুদ্দিন আবুল আব্বাস আল-হুসামি আদ-দিমইয়াতি, মিসরের মুহাদ্দিস।

তিনি সাতশত হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং সিত্তুল উজারা, আল-হাজ্জার, ইবনে রাশিক, হাসান আল-কুর্দি, ইউনুস এবং আরও বহু সংখ্যক ব্যক্তির নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন। তিনি লেখনী ধারণ করেছেন, গ্রন্থ রচনা করেছেন, হাদিসের সূত্র চয়ন করেছেন এবং স্বাতন্ত্র্য অর্জন করে বিশিষ্ট তালিবে ইলমদের অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। তিনি একটি জামাতের জন্য হাদিস সংকলন করেছেন। তিনি সাতশত চল্লিশ হিজরিতে আমাদের নিকট আগমন করেন এবং আমরা তাঁর থেকে উপকৃত হই; তাঁর জ্ঞান ও চমৎকার পাণ্ডিত্য আমাদের নিকট প্রকাশ পায়। আমি তাঁর জন্য একটি হাদিস-সংগ্রহ (জুজ) প্রস্তুত করেছি; তিনি আমার নিকট থেকে শুনেছেন এবং আমিও তাঁর নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছি।

আহমদ ইবনে ইসহাক ইবনে আহমদ ইবনে আল-মুআইয়াদ ইবনে আলী, মুহাদ্দিস ও আলিম।
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ١٥)
الزَّاهِدُ الْبَرَكَةُ شِهَابُ الدِّينِ أَبُو الْمَعَالِي الْهَمَدَانِيُّ الْأَبْرَقُوهِيُّ ثُمَّ الْقَرَافِيُّ الْمُقْرِئُ.

وُلِدَ سَنَةَ خَمْسَ عَشْرَةَ وَسِتِّ مِائَةٍ، وَسَمِعَ سَنَةَ تِسْعَ عَشْرَةَ مِنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ سَابُورَ وَسَنَةَ عِشْرِينَ مِنَ الْفَتْحِ بْنِ عَبْدِ السَّلَامِ، وَأَحْمَدَ بْنِ صَرْمَا وَطَبَقَتِهِمَا بِبَغْدَادَ، وَمِنَ الْحُسَيْنِ بْنِ. . . . بِالْمَوْصِلِ، وَمِنَ الْفَخْرِ ابْنِ تَيْمِيَةَ الْخَطِيبِ بِحَرَّانَ ، وَمِنْ أَبِي مُحَمَّدِ بْنِ البِنِّ ، وَابْنِ أَبِي لُقْمَةَ بِدِمَشْقَ، وَمِنْ أَبِي عَلِيٍّ الْأَزْدِيِّ بِالْقُدْسِ، وَمِنْ عَبْدِ الْقَوِيِّ بْنِ الْجَيَّابِ بِمِصْرَ، وَانْتَهَى إِلَيْهِ عُلُوُّ الْإِسْنَادِ مَعَ الْخَيْرِ وَالتَّوَاضُعِ وَالْقَنَاعَةِ وَالصِّفَاتِ الْحَمِيدَةِ، حَجَّ وَأَدْرَكَهُ الْمَوْتُ بِمَكَّةَ بَعْدَ رَحِيلِ الْحَجَّاجِ بِأَرْبَعَةِ أَيَّامٍ فِي ذِي الْحَجَّةِ سَنَةَ إِحْدَى وَسَبْعِ مِائَةٍ، وَكَانَ يَذْكُرُ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَخْبَرَهُ بِأَنَّهُ يَحِجُّ وَيَمُوتُ بِمَكَّةَ.

سَمِعْتُ مِنْ لَفْظِهِ جُزْأَيْنِ.

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ الزَّاهِدُ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي. . . عَبْدِ السَّلَامِ، قَالَ: أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ الْقَاضِي، أَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ النَّقُّورِ، أَنَا عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ الْحَرْبِيُّ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ الصُّوفِيُّ، أَنَا أَبُو زَكَرِيَّا، يَحْيَى بْنُ نُعَيْمٍ، نَا غُنْدَرٌ، نَا شُعْبَةُ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ الشَّهِيدِ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم: «صَلَّى عَلَى قَبْرِ امْرَأَةٍ بَعْدَ أَنْ دُفِنَتْ» ، أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَرْعَرَةَ، أَخْرَجَهُ ابْنُ مَاجَهَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى الذُّهْلِيِّ، وَأَخَذَ عَنْ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلَ، كِلَاهُمَا، عَنْ غُنْدَرٍ

وَبِهِ عَنْ شَيْخِهِ إِسْمَاعِيلُ، عَنْ قَيْسٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، سَمِعْتُ
যাহিদ, বরকতস্বরূপ শিহাবুদ্দিন আবু আল-মা'আলি আল-হামাদানি আল-আবরাকুহি, অতঃপর আল-কারাফি আল-মুকরি।

তিনি ৬১৫ হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৬১৯ হিজরি সনে আবু বকর ইবনে সাবুর থেকে এবং ৬২০ হিজরি সনে ফাতহ ইবনে আবদুস সালাম ও আহমাদ ইবনে সারমা এবং তাদের সমসাময়িকদের থেকে বাগদাদে হাদিস শ্রবণ করেন। এছাড়া তিনি মসলে হুসাইন ইবনে... থেকে, হাররানে খতিব ফখর ইবনে তাইমিয়া থেকে, দামেস্কে আবু মুহাম্মদ ইবনুল বিন ও ইবনে আবু লুকমাহ থেকে, কুদস-এ আবু আলী আল-আজদি থেকে এবং মিশরে আবদুল কাবি ইবনুল জাইয়্যাব থেকে হাদিস শ্রবণ করেন। উচ্চতর সনদ ও সেই সাথে কল্যাণ, বিনয়, অল্পে তুষ্টি এবং প্রশংসনীয় গুণাবলী তার ব্যক্তিত্বে এসে সমাপ্ত হয়েছিল। তিনি হজ করেন এবং হাজিদের প্রত্যাবর্তনের চার দিন পর ৭০১ হিজরির জিলহজ মাসে মক্কায় তার মৃত্যু হয়। তিনি উল্লেখ করতেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে সংবাদ দিয়েছিলেন যে, তিনি হজ করবেন এবং মক্কায় মৃত্যুবরণ করবেন।

আমি তার মুখনিঃসৃত বাণী থেকে দুই খণ্ড হাদিস শ্রবণ করেছি।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে ইসহাক আজ-যাহিদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে আবু... আবদুস সালাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে উমর আল-কাদি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আন-নাক্কুর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে উমর আল-হারবি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আবদুল জব্বার আস-সুফি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যাকারিয়া ইয়াহিয়া ইবনে নুয়াইম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন গুন্দার, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শু'বা, হাবিব ইবনে আশ-শাহিদ থেকে, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম: "এক মহিলার কবরের ওপর সালাত আদায় করেছেন তাকে দাফন করার পর।" এটি ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে আরআরাহ থেকে এবং ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহিয়া আদ-দুহলি থেকে; আর তারা উভয়ই এটি আহমাদ ইবনে হাম্বল থেকে গ্রহণ করেছেন, তারা উভয়েই গুন্দার থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং সেই একই সূত্রে তার উস্তাদ ইসমাইল থেকে, তিনি কায়েস থেকে, তিনি আমর ইবনুল আস (রা.) থেকে, আমি শুনেছি...
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ١٦)
النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «إِنَّ آلَ فُلَانٍ لَيْسُوا لِي بِأَوْلِيَاءٍ وَإِنَّمَا وَلِيَّ اللَّهُ وَصَالِحُ الْمُؤْمِنِينَ» ، الْبُخَارِيُّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، وَمُسْلِمٌ، عَنْ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلَ، عَنْ غُنْدَرٍ

أَحْمَدُ بْنُ حَسَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ابْنِ الشَّيْخِ أَبِي عُمَرَ بْنِ قُدَامَةَ، الْإِمَامُ الْعَلَّامَةُ شَرَفُ الدِّينِ الْحَنْبَلِيُّ صَاحِبُ فُنُونٍ وَذِهْنٍ سَيَّالٍ وَتَوَدُّدٍ، سَمِعَ مَعِي مِنَ التَّقِيِّ بْنِ مُؤْمِنٍ، وَطَلَبَ الْحَدِيثَ وَقْتًا وَفِيهِ هَنَّاتٌ وَحَدَّثَ.

مَوْلِدُهُ سَنَةَ ثَلَاثٍ وَتِسْعِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ بِقَوْلِ إِسْمَاعِيلَ، تُوُفِّيَ فِي رَجَبٍ سَنَةَ 771، وَلَمْ يُحْمَدْ مِنْ مُبَاشَرَةِ الْقَضَاءِ.

أَحْمَدُ بْنُ حَمْدَانَ بْنِ شَيْبٍ، الْعَلَّامَةُ الْكَبِيرُ مُفْتِي الْفِرَقِ، نَجْمُ الدِّينِ
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: "নিশ্চয়ই অমুক বংশের লোকেরা আমার অভিভাবক নয়; বরং আমার অভিভাবক হলেন আল্লাহ এবং নেককার মুমিনগণ।" ইমাম বুখারী এটি আমর ইবনুল আস থেকে এবং ইমাম মুসলিম এটি আহমদ ইবনে হাম্বল থেকে, তিনি গুন্দার থেকে বর্ণনা করেছেন।

আহমদ ইবনে হাসান ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে শায়খ আবু উমর ইবনে কুদামা, ইমাম, আল্লামা, শারাফুদ্দিন আল-হাম্বলী। তিনি বহু শাস্ত্রের পণ্ডিত, প্রখর মেধা ও অমায়িক ব্যবহারের অধিকারী ছিলেন। তিনি আমার সাথে তাকী ইবনে মুমিন থেকে শ্রবণ করেছেন এবং এক সময় হাদিস অন্বেষণ করেছেন। তাঁর মাঝে কিছু বিচ্যুতি ছিল এবং তিনি হাদিস বর্ণনা করেছেন।

ইসমাইলের বর্ণনা অনুযায়ী তাঁর জন্ম ৬৯৩ হিজরি সনে। তিনি ৭৭১ হিজরি সনের রজব মাসে মৃত্যুবরণ করেন। বিচারকার্য পরিচালনার জন্য তিনি প্রশংসিত হননি।

আহমদ ইবনে হামদান ইবনে শায়িব, মহান আল্লামা, বিভিন্ন মতাদর্শের মুফতি, নাজমুদ্দিন।
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ١٧)
أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَرَّانِيُّ الْحَنْبَلِيُّ مُصَنِّفُ الْإِبَانَةِ الْكُبْرَى وَالصُّغْرَى كَانَ أَحَدُ أَوْعِيَةِ الْعِلْمِ.

وُلِدَ سَنَةَ ثَلَاثٍ وَسِتِّ مِائَةٍ وَسَمِعَ كَثِيرًا مِنَ الْحَافِظِ عَبْدِ الْقَادِرِ وَكَانَ خَاتِمَةَ أَصْحَابِهِ، وَسَمِعَ بِنَفْسِهِ مِنِ ابْنِ روزبَةَ ، وَابْنِ صَبَاحٍ ، وَأَبِي عَلِيٍّ الْأَوْقِيِّ ، وَعِدَّةً، وَقَرَأَ عَلَى الشُّيُوخِ.

تَخَرَّجَ بِهِ جَمَاعَةٌ وَحَكَمَ بِمِصْرَ نِيَابَةً.

كَتَبَ إِلَيَّ عَنِ الْحَافِظِ بْنِ عَبْدِ الْقَادِرِ أَخَذَ عَنْهُ الْقَاضِي سَعْدُ الدِّينِ الْحَارِثِيُّ ، وَوَلَدُهُ الْإِمَامُ شَمْسُ الدِّينِ الْيَعْمُرِيُّ ، وَالْحَافِظُ أَبُو مُحَمَّدٍ الْبَرزالِيُّ ، وَطَائِفَةٌ.

مَاتَ فِي صَفَرٍ سَنَةَ خَمْسٍ وَتِسْعِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ.

كَتَبَ إِليَّ ابْنُ حَمْدَانَ، وَحَدَّثَنِي عَنْهُ يُوسُفُ الْحَافِظُ، أَنَّ الْحَافِظَ عَبْدَ الْقَادِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَخْبَرَهُ ، أَنَا مَسْعُودُ بْنُ الْحَسَنِ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ السِّمْسَارُ، أَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدٍ التَّاجِرُ، نَا أَحْمَدُ بْنُ سَلْمٍ الْحَرْسِيُّ، نَا الزُّبَيْرُ بْنُ بَكَّارٍ، نَا أَبُو ضَمْرَةَ، عَنِ الْحَارِثِ، عَنِ يَزِيدَ بْنِ هُرْمُزَ، عَنِ الْأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَا: سَمِعْنَاهُ يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " احْتَجَّ آدَمُ وَمُوسَى عِنْدَ رَبِّهِمَا عز وجل ، فَقَالَ مُوسَى: أَنْتَ آدَمُ الَّذِي خَلَقَكَ اللَّهُ بِيَدِهِ، وَأَسْجَدَ لَكَ مَلَائِكَتَهُ، وَأَسْكَنَكَ جَنَّتَهُ، وَنَفَخَ فِيكَ مِنْ رُوحِهِ. . الْحَدِيثُ ".

أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ وَحْدَهُ عَنِ الثِّقَةِ، عَنْ أَبِي ضَمْرَةَ نَحْوَهُ.

فَوَقَعَ لَنَا بَدَلًا عَالِيًا
আবু আব্দুল্লাহ আল-হাররানী আল-হানবালী, যিনি 'আল-ইবানাতুল কুবরা' এবং 'আল-ইবানাতুস সুগরা' গ্রন্থদ্বয়ের রচয়িতা, ছিলেন ইলমের অন্যতম আধার।

তিনি ৬০৩ হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন এবং হাফিজ আব্দুল কাদির থেকে প্রচুর হাদিস শ্রবণ করেন। তিনি ছিলেন তাঁর ছাত্রদের মধ্যে সর্বশেষ ব্যক্তি (যিনি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন)। তিনি নিজে ইবনে রুজবাহ, ইবনে সাবাহ, আবু আলী আল-আওকী এবং আরও অনেকের নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন এবং শায়খদের নিকট পাঠ গ্রহণ করেছেন।

তাঁর নিকট একদল লোক শিক্ষালাভ করে যোগ্য হয়ে উঠেছেন এবং তিনি মিশরে উপ-বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি হাফিজ ইবনে আব্দুল কাদিরের সূত্রে আমার নিকট লিখেছেন। তাঁর নিকট থেকে কাজী সাদউদ্দীন আল-হারিসী, তাঁর পুত্র ইমাম শামসুদ্দীন আল-ইয়া'মুরী, হাফিজ আবু মুহাম্মদ আল-বারজালী এবং একটি দল ইলম অর্জন করেছেন।

তিনি ৬৯৫ হিজরি সনের সফর মাসে ইন্তেকাল করেন।

ইবনে হামদান আমার নিকট লিখেছেন এবং ইউসুফ আল-হাফিজ তাঁর সূত্রে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, হাফিজ আব্দুল কাদির বিন আব্দুল্লাহ তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন যে, মাসউদ বিন আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, মুহাম্মদ বিন আহমদ আস-সিমসার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, ইবরাহিম বিন আবদ আত-তাজির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আহমদ বিন সালম আল-হারসী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, যুবায়ের বিন বাক্কার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আবু জামরাহ হারিস থেকে, তিনি ইয়াজিদ বিন হুরমুজ থেকে, তিনি আল-আ'রাজ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমরা তাঁকে বলতে শুনেছি যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "আদম ও মুসা (আলাইহিমুস সালাম) তাঁদের মহান রবের নিকট বিতর্কে লিপ্ত হলেন। মুসা বললেন: আপনিই সেই আদম, যাকে আল্লাহ তাঁর নিজের হাত দিয়ে সৃষ্টি করেছেন, আপনার জন্য তাঁর ফেরেশতাদের সিজদা করিয়েছেন, আপনাকে তাঁর জান্নাতে বসবাস করতে দিয়েছেন এবং আপনার মধ্যে তাঁর রূহ ফুঁকে দিয়েছেন... (হাদিসটি শেষ পর্যন্ত)।"

ইমাম মুসলিম এককভাবে একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর সূত্রে আবু জামরাহ থেকে এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

ফলে এটি আমাদের নিকট একটি উচ্চ পর্যায়ের 'বাদাল' সনদ হিসেবে গণ্য হলো।
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ١٨)
أَحْمَدُ بْنُ حَمُّودِ بْنِ عُمَرَ بْنِ حَمُّودٍ، الْفَقِيهُ الْمُقْرِئُ أَبُو الْعَبَّاسِ الْحَرَّانِيُّ الْبَطَائِنِيُّ.

قَدِمَ دِمَشْقَ فِي صِغَرِهِ وَاشْتَغَلَ وَحَفِظَ وَقَرَأَ وَسَمِعَ الْكَثِيرَ وَأَثْبَتَ.

رَوَى لَنَا عَنِ ابْنِ عَبْدِ الدَّائِمِ.

تُوُفِّيَ سَنَةَ سِتٍّ وَعِشْرِينَ وَسَبْعِ مِائَةٍ.

أَحْمَدُ بْنُ زَاكِيٍّ الْبَالِسِيُّ الْخَوَّاصُ، سَمِعَ مِنَ الْفَخْرِ عَلِيِّ بْنِ الْبُخَارِيِّ ، وَغَازِيٍّ الْحَلَّاوِيِّ ، وَالْفَخْرِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحَنْبَلِيِّ، وَحَدَّثَ وَطَلَبَ بِنَفْسِهِ، وَكَانَ فِيهِ دِينٌ وَتَعَفُّفٍ، تُوُفِّيَ سَنَةَ إِحْدَى وَأَرْبَعِينَ وَسَبْعِ مِائَةٍ وَسَمِعَ مِنِّي.

أَحْمَدُ بْنُ سَامَةَ بْنِ كَوْكَبٍ، الْمُحَدِّثُ الْفَقِيهُ شِهَابُ الدِّينِ أَبُو الْعَبَّاسِ الطَّائِيُّ الشَّرُوطِيُّ.

قَرَأَ وَحَصَّلَ، وَأَجَازَ وَنَسَخَ الْأَجْزَاءَ لِي مَرْوِيَّاتِهِ،
আহমদ ইবনে হাম্মুদ ইবনে উমর ইবনে হাম্মুদ, ফকিহ, ক্বারী, আবু আব্বাস আল-হাররানি আল-বাতাইনি।

তিনি শৈশবে দামেশকে আগমন করেন এবং জ্ঞানার্জনে আত্মনিয়োগ করেন, হিফজ করেন, পাঠ করেন এবং প্রচুর (হাদিস) শ্রবণ করেন ও তা লিপিবদ্ধ করেন।

তিনি আমাদের নিকট ইবনে আবদুদ দায়িম থেকে বর্ণনা করেছেন।

তিনি সাতশত ছাব্বিশ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।

আহমদ ইবনে জাকি আল-বালিসি আল-খাওয়াস, তিনি ফখর আলী ইবনুল বুখারি, গাজি আল-হাল্লাউয়ি এবং ফখর আবদুর রহমান আল-হাম্বলি থেকে (হাদিস) শ্রবণ করেছেন। তিনি হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং স্বয়ং ইলম অন্বেষণ করেছেন। তিনি ধর্মনিষ্ঠ ও পবিত্র চরিত্রের অধিকারী ছিলেন। তিনি সাতশত একচল্লিশ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন এবং তিনি আমার থেকেও (হাদিস) শ্রবণ করেছেন।

আহমদ ইবনে সামা ইবনে কাওকাব, মুহাদ্দিস, ফকিহ, শিহাবুদ্দীন আবু আব্বাস আত-তাই আশ-শারুতি।

তিনি পাঠ করেছেন ও জ্ঞান অর্জন করেছেন, এবং তিনি ইজাজত প্রদান করেছেন এবং আমার জন্য তার বর্ণিত হাদিসের সংকলনগুলো অনুলিপি করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ١٩)
رَوَى عَنْ خَطِيبِ مَرْدَا ، وَابْنِ عَبْدِ الدَّائِمِ، وَأَصْحَابِ. . . الْبَرْزَالِيِّ ، وَغَيْرِهِ.

وَكَانَ حَنَفِيًا مُتَوَاضِعًا.

تُوُفِّيَ فِي صَفَرٍ سَنَةَ ثَلَاثٍ وَسَبْعِ مِائَةٍ فِي الْكُهُولَةِ.

أَحْمَدُ بْنُ سَعْدِ بْنُ مُحَمَّدٍ، الْإِمَامُ شَيْخُ الْعَرَبِيَّةِ بِدِمَشْقَ أَبُو الْعَبَّاسِ الْعَسْكَرِيُّ الْأَنْدَرْشِيُّ الصَّوْلِيُّ.

أَقْرَأَ التَّسْهِيلَ وَشَرَحَهُ، وَتَخَرَّجَ بِهِ عُلَمَاءٌ، وَكَانَ دَيِّنًا.

مُنْقَبِضًا عَلَى النَّاسِ، نَسَخَ تَهْذِيبَ الْكَمَالِ كُلَّهُ، وَشَارَكَ فِي الْفَضَائِلِ، وَتَلَا بِالسَّبْعِ عَلَى الصَّائِغِ.

مَوْلِدُهُ بَعْدَ التِّسْعِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ جَلَسْتُ مَعَهُ، اخْتَصَرَ تَهْذِيبَ الْكَمَالِ، وَشَرَعَ فِي تَفْسِيرٍ كَبِيرٍ.

أَحْمَدُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ عُمَرَ، الْمُقْرِئُ الْمُحَدِّثُ أَبُو الْعَبَّاسِ السِّيوَاسِيُّ، قَرَأَ الْقُرْآنَ وَاشْتَغَلَ، وَعَنِيَّ بِالرِّوَايَةِ، وَسَكَنَ بِدِمَشْقَ، وَطَلَبَ الْحَدِيثَ، وَكَتَبَ عَنْ أَبِي الْعَبَّاسِ الْجَزَرِيِّ ، وَأَبِي الْحَجَّاجِ الْحَافِظِ ، وَابْنِ عَبْدٍ
তিনি খতিব মারদা, ইবন আবদুদ দাইম, এবং আল-বারজালি-এর সঙ্গীগণ ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন।

তিনি একজন বিনয়ী হানাফি ছিলেন।

তিনি সাতশ তিন হিজরি সালের সফর মাসে প্রৌঢ়াবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

আহমদ বিন সাদ বিন মুহাম্মদ, ইমাম, দামেস্কের আরবি ভাষার শায়খ, আবু আব্বাস আল-আসকারি আল-আন্দারশি আস-সুলি।

তিনি 'আত-তাসহিল' এবং এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ পড়িয়েছেন, তাঁর নিকট অনেক আলেম জ্ঞান অর্জন করেছেন এবং তিনি ধর্মপ্রাণ ছিলেন।

তিনি লোকালয় থেকে বিমুখ থাকতেন, পুরো 'তাহজিবুল কামাল' গ্রন্থটি অনুলিপি করেছেন, জ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় তাঁর বিচরণ ছিল এবং আস-সায়িগ-এর নিকট সাত কিরাতে তিলাওয়াত করেছেন।

তাঁর জন্ম ছয়শ নব্বই হিজরির পরে; আমি তাঁর সাথে বসেছি, তিনি 'তাহজিবুল কামাল' সংক্ষিপ্ত করেছেন এবং একটি বৃহৎ তাফসির গ্রন্থ রচনা শুরু করেছিলেন।

আহমদ বিন সাঈদ বিন উমর, কারি, মুহাদ্দিস, আবু আব্বাস আস-সিওয়াসি; তিনি কুরআন পাঠ করেছেন এবং জ্ঞানার্জনে লিপ্ত ছিলেন, হাদিস বর্ণনার প্রতি তাঁর বিশেষ গুরুত্ব ছিল, দামেস্কে বসবাস করতেন এবং হাদিস অন্বেষণ করতেন। তিনি আবু আব্বাস আল-জাজারি, হাফেজ আবু হাজ্জাজ এবং ইবন আবদ... থেকে হাদিস লিপিবদ্ধ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ٢٠)
وَمُحَمَّدٍ السَّلَاوِيِّ ، وَطَبَقَتِهِمْ.

وُلِدَ فِي سَنَةِ تِسْعَ عَشْرَةَ وَسَبْعِ مِائَةٍ وَأَبِي الْحَجَّاجِ الْحَافِظِ ، وَابْنِ عَبْدٍ وَمُحَمَّدٍ السَّلَاوِيِّ ، وطبقتهم.

ولد فِي سنة تسع عشرَة وَسبع مائَة، وَأَجَازَ لَهُ جمَاعَة من مصر مِنْهُم. . . . . . . . . وَغَيره.

أَحْمد بن عبد الله بن أَحْمد بن الْمُحب، الْمُقْرِئ أَبُو الْفَتْح الْمَقْدِسِي، سَمِعَ حُضُورًا مِنِ ابْنِ سَعْدٍ ، وَابْنِ الشِّيرَازِيِّ وَجَمَاعَةٍ، وَسَمِعَ مِنِ ابْنِ السِّرَاجِ، وَسِتِّ الْفُقَهَاءِ ، وَالْحَجَّارِ، وَكَتَبَ وَقَرَأَ وَخَرَّجَ لِغَيْرِهِ وَتَنَبَّهَ، وُلِدَ سَنَةَ تِسْعَ عَشْرَةَ وَسَبْعِ مِائَةٍ سَمِعَ مِنِّي.

أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، الْإِمَامُ الزَّاهِدُ الصَّالِحُ بَقِيَّةُ السَّلَفِ الْأَخْيَارِ أَبُو الْعَبَّاسِ ابْنِ الْمُحَدِّثِ الرَّحَّالِ مُفِيدُ الطَّلَبَةِ مُحِبُّ الدِّينِ السَّعْدِيُّ الْمَقْدِسِيُّ الصَّالِحِيُّ الْحَنْبَلِيُّ الْكُتُبِ، وُلِدَ سَنَةَ ثَلَاثٍ وَخَمْسِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ.

وَحَضَرَ خَطِيبَ مَرْدَا وَجَمَاعَةٍ، وَسَمِعَ فِي الْخَامِسَةِ مِنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ خَلِيلٍ
এবং মুহাম্মদ আস-সালাবি এবং তাদের সমপর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ।

তিনি সাতশত ঊনিশ হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন। (তিনি শ্রবণ করেন) আবুল হাজ্জাজ আল-হাফিজ, ইবনে আবদ এবং মুহাম্মদ আস-সালাবি ও তাদের সমপর্যায়ের ব্যক্তিবর্গের নিকট থেকে।

তিনি সাতশত ঊনিশ হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন এবং মিশরের একদল আলেম তাকে ইজাজত প্রদান করেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন... এবং অন্যান্যরা।

আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে আল-মুহিব্ব, ক্বারী আবু আল-ফাতহ আল-মাকদিসি। তিনি ইবনে সাদ, ইবনে শিরাজী এবং একদল আলেমের উপস্থিতিতে (হাদিস) শ্রবণ করেছেন। তিনি ইবনে আল-সিরাজ, সিত্ত আল-ফুকাহা এবং আল-হাজ্জারের নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন। তিনি লিখেছেন, পাঠ করেছেন, অন্যদের জন্য হাদিস সংকলন করেছেন এবং অত্যন্ত সজাগ ও সচেতন ছিলেন। তিনি সাতশত ঊনিশ হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন এবং আমার নিকট থেকেও শ্রবণ করেছেন।

আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে আবু বকর, ইমাম, জাহিদ, সালেহ, শ্রেষ্ঠ সালাফদের যোগ্য উত্তরসূরি, আবুল আব্বাস, পরিভ্রাজক মুহাদ্দিসের পুত্র, শিক্ষার্থীদের জন্য উপকারী, মুহিব্বুদ্দীন আস-সাদি আল-মাকদিসি আস-সালিহি আল-হানবালি আল-কুতুবি। তিনি ছয়শত তিপ্পান্ন হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন।

তিনি খতিব মারদা এবং একদল আলেমের মজলিসে উপস্থিত ছিলেন এবং পাঁচ বছর বয়সে ইব্রাহিম ইবনে খলিলের নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ٢١)
، وَالنَّجِيبَ الْحَرَّانِيَّ ، وَسَمِعَ مِنِ ابْنِ عَبْدِ الدَّائِمِ ، وَمِنْ بَعْدِهِ، وَعَنِيَ بِطَلَبِ الْحَدِيثِ وَكَتَبَ وَقْتًا وَأَسْمَعَ أَوْلَادَهُ مِنِ ابْنِ الْبُخَارِيِّ ، وَابْنِ الْكَمَالِ، وَنَسَخَ لِنَفْسِهِ وَلِلنَّاسِ، وَكَانَ شَيْخًا بَهِيَّ الشَّيْبَةِ كَثِيرَ الْوَقَارِ وَالسَّكِينَةِ ذَا حَظٍّ مِنْ عِبَادَةٍ وَتَأَلُّهٍ وَتَوَاضُعٍ وَحُسْنِ هُدًى وَاتَّبَاعٍ لِلْأَثَرِ وَانْقِبَاضٍ عَنِ النَّاسِ، انْتَقَيْتُ لَهُ جُزْءًا، وَهُوَ شَيْخُ الْحَدِيثِ بِالضِّيَائِيَّةِ حَدَّثَ بِالْكَثِيرِ، وَرَوَى عَنْهُ نَجْمُ الدِّينِ بْنُ الْخَبَّازِ وَطَائِفَةٌ.

تُوُفِّيَ فِي ذِي الْحَجَّةِ سَنَةَ ثَلَاثِينَ وَسَبْعِ مِائَةٍ.

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الرَّجُلُ الصَّالِحُ وَخَلْقٌ، قَالُوا: أَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ خَلِيلٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنُ بْنُ عَلِيٍّ، أَنَا عَلِيُّ بْنُ. . . . . . .

، وَأَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَسَاكِرَ، أَنَا مُكْرِمُ، أَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَوْفِيُّ، أَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَبِي الْحَدِيدِ، قَالَا: أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ الْفَارِقِيُّ، أَنَا الْفَضْلُ مَكْحُولُ بْنُ جَعْفَرٍ التَّمِيمِيُّ، أَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْقَاسِمِ، نَا أَبُو الْقَاسِمِ الْغَسَّانِيُّ، نَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ زِيَادِ بْنِ جَارِيَةَ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ مَسْلَمَةَ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم: «نَفَلَ الثُّلُثَ» . . . . " لَمْ يَسْمَعْهُ عَنْ مَكْحُولٍ فَقَدْ رَوَاهُ بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى، عَنْ مَكْحُولٍ.

وَقَدْ أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ ، وَابْنُ مَاجَهْ مِنْ وَجْهَيْنِ، عَنْ مَكْحُولٍ، وَاللَّهُ أَعْلَمُ
... এবং আন-নাজিব আল-হাররানি। তিনি ইবনু আবদুদ দায়িম ও তাঁর পরবর্তীগণের নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন। তিনি হাদিস অন্বেষণে মনোনিবেশ করেন এবং দীর্ঘকাল তা লিপিবদ্ধ করেন। তিনি তাঁর সন্তানদের ইবনুল বুখারি ও ইবনুল কামালের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করান। তিনি নিজের জন্য এবং জনমানুষের জন্য পাণ্ডুলিপি অনুলিপি করতেন। তিনি ছিলেন সুন্দর শুভ্র শ্মশ্রুমণ্ডিত একজন শায়খ, অত্যন্ত গাম্ভীর্যপূর্ণ ও প্রশান্ত স্বভাবের অধিকারী। ইবাদত-বন্দেগি, খোদাভীতি, বিনয়, উত্তম আদর্শ, আছারের (পূর্বসূরিদের বর্ণনা) অনুসরণ এবং লোকচক্ষুর অন্তরালে নির্জনে থাকা— এসবে তাঁর বিশেষ অংশ ছিল। আমি তাঁর জন্য একটি 'জুয' (হাদিস সংকলন) নির্বাচন করেছি। তিনি দিয়াইয়াহ মাদরাসার শায়খুল হাদিস ছিলেন এবং প্রচুর হাদিস বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে নাজমুদ্দিন ইবনুল খাব্বাজ ও একদল বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন।

তিনি সাতশ ত্রিশ হিজরি সনের জিলহজ মাসে মৃত্যুবরণ করেন।

সৎকর্মপরায়ণ ব্যক্তি আহমাদ বিন আবদুল্লাহ এবং এক বিশাল জনতা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহিম বিন খলিল, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান বিন আলি, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলি বিন... . . . . . . .

...এবং আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন আসাকির, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুকরিম, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আলি আল-হাউফি, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন হাসান বিন আবিল হাদিদ, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আলি আল-ফারিকি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফাদল মাকহুল বিন জাফর আত-তামিমি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান বিন আল-কাসিম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আল-গাসসানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাইদ বিন আবদিল আজিজ, মাকহুল থেকে, তিনি জিয়াদ বিন জারিয়া থেকে, তিনি হাবিব বিন মাসলামা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম: "এক-তৃতীয়াংশ অতিরিক্ত গনিমত প্রদান করেছেন" . . . . এটি তিনি মাকহুল থেকে শ্রবণ করেননি, কারণ বাকিয়্যাহ বিন আল-ওয়ালিদ একে সাইদ থেকে, তিনি সুলায়মান বিন মুসা থেকে এবং তিনি মাকহুল থেকে বর্ণনা করেছেন।

আবু দাউদ ও ইবনু মাজাহ মাকহুল থেকে দুটি সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ٢٢)
أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْغَنِيِّ، الْمُحَدِّثُ الْفَقِيهُ شِهَابُ الدِّينِ أَبُو طَاهِرٍ الدِّرِينِيُّ الْبَعْلِيُّ الْحَنْبَلِيُّ.

وُلِدَ سَنَةَ سِتٍّ وَثَمَانِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ.

وَسَمِعَ مَعَنَا مِنَ التَّاجِ ، وَبِنْتِ كِنْدِيٍّ ، وَالْيُونِينِيُّ، ثُمَّ طَلَبَ وَكَتَبَ وَتَنَبَّهَ وَجَلَسَ مُؤَدِّبًا، كَتَبْتُ عَنْهُ.

تُوُفِّيَ سَنَةَ خَمْسٍ وَثَلَاثِينَ وَسَبْعِ مِائَةٍ.

أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ، الْحَافِظُ الْمُفْتِي شَيْخُ الْحَرَمِ مُحِبُّ الدِّينِ أَبِي الْعَبَّاسِ الطَّبَرِيُّ، ثُمَّ الْمَكِّيُّ الشَّافِعِيُّ، مُصَنِّفُ الْأَحْكَامِ الْكُبْرَى.

كَانَ عَالِمًا عَامِلًا جَلِيلَ الْقَدْرِ عَارِفًا بِالْآثَارِ، وَمَنْ نَظَرَ فِي أَحْكَامِهِ عَرَفَ مَحَلَّهُ مِنَ الْعِلْمِ وَالْفِقْهِ، عَاشَ ثَمَانِينَ سَنَةً، وَكَتَبَ إِلَيَّ مَرْوِيَّاتِهِ فِي سَنَةِ ثَلَاثٍ وَسَبْعِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ.

كَانَ جَدُّ أَبِيهِ الشَّيْخُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الطَّبَرِسْتَانِيُّ هُوَ الَّذِي جَاوَرَ فِي حُدُودِ الثَّمَانِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ فَجَاءَهُ سَبْعَةُ أَوْلَادٍ وَتَنَاسَلُوا وَفِيهِمْ عُلَمَاءٌ وَفُضَلَاءٌ وَكَانَ لِلْمُحِبِّ وَلَدِ الْفَقِيهِ
আহমদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন আব্দুল গনি, হাদীস বিশারদ, ফকীহ, শিহাবুদ্দীন আবু তাহের আদ-দিরিনি আল-বালি আল-হাম্বলী।

তিনি ৬৮৬ হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন।

তিনি আমাদের সাথে আত-তাজ, বিন্ত কিন্দি এবং আল-ইউনিনির নিকট থেকে হাদীস শ্রবণ করেছেন; অতঃপর তিনি ইলম অন্বেষণ করেছেন, গ্রন্থ রচনা করেছেন, প্রজ্ঞাবান হয়েছেন এবং শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। আমি তাঁর নিকট থেকে হাদীস লিখেছি।

তিনি ৭৩৫ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন।

আহমদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ, হাফেজ, মুফতি, শায়খুল হারাম মুহিব্বুদ্দীন আবুল আব্বাস আত-তবারী, অতঃপর আল-মাক্কী আশ-শাফেঈ, ‘আল-আহকামুল কুবরা’ গ্রন্থের রচয়িতা।

তিনি ছিলেন একজন আমলকারী আলেম, সুউচ্চ মর্যাদার অধিকারী এবং আছার (রেওয়ায়েত) সম্পর্কে বিশেষভাবে অভিজ্ঞ। যে ব্যক্তি তাঁর ‘আহকাম’ গ্রন্থটি পর্যালোচনা করবে, সে ইলম ও ফিকহ শাস্ত্রে তাঁর সুউচ্চ অবস্থান সম্পর্কে অবগত হতে পারবে। তিনি আশি বছর জীবন লাভ করেছিলেন এবং ৬৭৩ হিজরি সনে তিনি তাঁর বর্ণিত রেওয়ায়েতসমূহ লিখে আমার নিকট পাঠিয়েছিলেন।

তাঁর প্রপিতামহ শায়খ আবু বকর মুহাম্মদ ইবন ইব্রাহীম আত-তবারিস্তানি ৫৮০ হিজরির দিকে (হারামাইন এলাকায়) বসতি স্থাপন করেছিলেন। তাঁর সাতজন সন্তান জন্মগ্রহণ করে এবং তাঁদের বংশধারা বিস্তৃত হয়; তাঁদের মধ্যে অনেক আলেম ও গুণী ব্যক্তি ছিলেন। মুহিব্বুদ্দীনের এক পুত্র ছিলেন ফকীহ...
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ٢٣)
جَمَالِ الدِّينِ مُحَمَّدٍ سَمِعَهُ مِنِ ابْنِ الْجُمَيْزِيِّ وَأَجَازَ لِي مَرْوِيَّاتِهِ مَعَ وَالِدِهِ وَمَاتَ عَامَ مَوْتِهِ بِالْفَالِجِ، وَالْمُحِبُّ سَمِعَ مِنْ أَبِي الْحَسَنِ بْنِ الْمُقِيرِ ، وَشُعَيْبِ الزَّعْفَرَانِيِّ ، وَبَهاءِ الدِّينِ الْجُمَيْزِيِّ، وَطَائِفَةٍ ، أَخَذَ عَنْهُ إِفَادَةً ، وَأَبُو الْحَسَنِ بْنِ الْعَطَّارِ ، وَأَبُو مُحَمَّدٍ الْبَزَّالِيُّ ، وَجَمَاعَةٌ، تُوُفِّيَ فِي رَمَضَانَ سَنَةَ 694 وَقِيلَ فِي جُمَادَى الْآخِرَةَ مِنْهَا.

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْفَقِيهُ فِي كِتَابِهِ، وَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَا: أَنَا عَلِيُّ بْنُ هِبَةِ اللَّهِ، وَأَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ، أَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَلِيٍّ، وَأَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحُسَيْنِ، قَالُوا: أَخْبَرَنَا أَبُو طَالِبٍ السِّلَفِيُّ، أَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الثَّقَفِيُّ، نَا عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ الْبَرَحِيُّ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ حَفْصٍ، نَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ شَاذَانَ، نَا أَحْمَدُ بْنُ الصَّلْتِ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُمَارَةَ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ مُقْسِمٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: مَا يَحِلُّ لِي مِنَ الْغَنِيمَةِ؟ ، قَالَ: «لَا يَحِلُّ لَكَ مِنْهَا شَيْئٌ، وَإِنْ جَاءَكَ سَهْمٌ غَرْبٌ فَوَقَعَ فِي بَعْضِ جَسَدِكَ فَانْتَزِعْهُ وَصُفَّهُ فِي الْغَنِيمَةِ» .

إِسْنَادُهُ مُتَّصِلٌ مَعَ لِينِ ابْنِ عُمَارَةِ

أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ بْنِ طَلْحَةَ، الْإِمَامُ الْقُدْوَةُ الْفَقِيهُ الْمُحَدِّثُ بَرَكَةُ الْعُلَمَاءِ أَمِينُ الدِّينِ أَبُو الْعَبَّاسِ، ابْنُ الْأَشْتَرِيُّ الْحَلَبِيُّ الشَّافِعِيُّ.
জামালুদ্দিন মুহাম্মদ এটি ইবনুল জুমায়যী থেকে শুনেছেন। তিনি তাঁর পিতার সাথে তাঁর বর্ণিত বর্ণনাগুলো আমাকে বর্ণনা করার অনুমতি প্রদান করেছিলেন। তিনি (পিতার) মৃত্যুর বছরেই পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। মুহিব্ব (ইবনে তাহির) আবুল হাসান ইবনুল মুক্বীর, শুয়াইব আয-জা'ফারানী, বাহাউদ্দিন আল-জুমায়যী এবং একদল লোকের নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন। তাঁর নিকট থেকে আবুল হাসান ইবনুল আত্তার, আবু মুহাম্মদ আল-বারযালী এবং এক জামায়াত ইলমী ফায়দা গ্রহণ করেছেন। তিনি ৬৯৪ হিজরির রমজান মাসে মৃত্যুবরণ করেন, আর বলা হয় যে এটি ওই বছরের জুমাদাল আখিরা মাসে ছিল।

আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-ফকিহ তাঁর কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তাঁরা উভয়ে বলেন: আলী ইবনে হিবাতুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, এবং আবু আল-হুসাইন বলেন যে, জাফর ইবনে আলী, আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ এবং আব্দুল্লাহ ইবনে আল-হুসাইন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তাঁরা বলেন: আবু তালিব আস-সিলাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আব্দুল্লাহ আস-সাকাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উসমান ইবনে আহমাদ আল-বারাহি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে হাফস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম ইবনে শাজান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনে আস-সালত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে উমারা থেকে, তিনি হাকাম থেকে, তিনি মিকসাম থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে জিজ্ঞাসা করল, “গনিমতের মাল থেকে আমার জন্য কী হালাল?” তিনি বললেন: “তোমার জন্য তার কিছুই হালাল নয়। এমনকি যদি কোনো লক্ষ্যভ্রষ্ট তীর তোমার শরীরের কোনো অংশে এসে বিদ্ধ হয়, তবে তুমি তা টেনে বের করবে এবং গনিমতের মালের সাথে রেখে দেবে।”

এর সনদটি মুত্তাসিল (নিরবচ্ছিন্ন), তবে ইবনে উমারার বর্ণনায় দুর্বলতা রয়েছে।

আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল জব্বার ইবনে তালহা; তিনি ইমাম, আদর্শ ব্যক্তিত্ব, ফকিহ, মুহাদ্দিস, ওলামাদের বরকত, আমিনুদ্দিন আবুল আব্বাস, ইবনুল আশতারী আল-হালাবি আশ-শাফিঈ।
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ٢٤)
وُلِدَ فِي شَوَّالٍ سَنَةَ خَمْسَ عَشْرَةَ وَسِتِّ مِائَةٍ.

وَسَمِعَ مِنْ أَبِي مُحَمَّدٍ بْنِ عُلْوَانَ ، وَالْمُوَفَّقِ عَبْدِ اللَّطِيفِ ، وَالْمَجْدِ الْقَزْوِينِيِّ ، وَابْنِ شَدَّادٍ، وَابْنِ رَوْزَبَةَ ، وَمِنْ خَلْقٍ كَثِيرٍ، وَقَرَأَ بِنَفْسِهِ عَلَى جَمَاعَةٍ، وَكَانَ وَالِدُهُ شَمْسُ الدِّينِ مِنْ طَلَبَةِ الْحَدِيثِ، وَكَانَ شَيْخُنَا إِمَامًا وَرِعًا خَيِّرًا كَثِيرَ التِّلَاوَةِ رُئِيَ بَعْدَ مَوْتِهِ، فَقَالَ: مَا رَحِمَنِي اللَّهُ إِلَّا بِالْقُرْآنِ، وَكَانَ يُقْرِئُ التَّنْبِيهَ وَيُقَيِّدُ وَيَشْرَحُ وَيَدْرِي الْمَوَارِيثَ، سَرَدَ الصَّوْمَ أَرْبَعِينَ سَنَةً، وَكَانَ ذَا جُودٍ وَفُتُوَّةٍ وَتَخَلَّقَ مِنْ أَهْلِ الْخَانْقَاهِ، وَلَمْ يُخَلِّفْ شَيْئًا.

مَاتَ فَجْأَةً فِي رَابِعِ عَشَرِ رَبِيعٍ الْأَوَّلِ سَنَةَ إِحْدَى وَثَمَانِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ، أَخَذَ عَنْهُ الْمِزِّيُّ، وَأَبُو شَامَةَ.

أَنَا الْأَشْتَرِيُّ، عَنِ ابْنِ. . . .، عَنْ أَبِي الْوَلِيدِ الْبَاجِيِّ، عَنِ ابْنِ مُغِيثٍ، إِجَازَةً.

كَتَبَ إِلَى أَبُو الْعَبَّاسِ ابْنِ الْأَشْتَرِيِّ، أَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُلْوَانَ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْعَبَّاسُ، أَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الشَّافِعِيُّ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْكَرْجِيُّ، أَنَا جَعْفَرٌ الْخَوَّاصُ، أَنَا ابْنُ مَسْرُوقٍ، نَا إِبْرَاهِيمُ الْجُنَيْدُ، نَا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ يَحْيَى، نَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَارَةَ، قَالَ: كَانَ عُتْبَةُ الْغُلَامُ، يَقُولُ: «مَنْ سَكَنَ حُبُّ اللَّهِ قَلْبَهُ شَغَلَهُ حَتَّى لَا يَعْرِفَ الْحَرَّ مِنَ الْبَرْدِ، وَلَا الْحُلْوَ مِنَ الْحَامِضِ، وَلَا الْحَارَّ مِنَ الْبَارِدِ»
তিনি ৬১৫ হিজরী সনের শাওয়াল মাসে জন্মগ্রহণ করেন।

তিনি আবু মুহাম্মদ বিন উলওয়ান, আল-মুওয়াফফাক আব্দুল লতিফ, আল-মাজদ আল-কাযওয়িনি, ইবনু শাদ্দাদ, ইবনু রাওযাবাহ এবং আরও অনেক লোকের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন। তিনি নিজেই একদল উস্তাদের কাছে পাঠ করেছেন। তার পিতা শামসুদ্দিন হাদিসের ছাত্রদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। আমাদের শাইখ ছিলেন একজন ইমাম, পরহেজগার, নেককার এবং প্রচুর কুরআন তেলাওয়াতকারী। তার মৃত্যুর পর তাকে স্বপ্নে দেখা গেলে তিনি বলেছিলেন: "আল্লাহ কেবল কুরআনের কারণেই আমাকে রহম করেছেন।" তিনি 'আত-তানবিহ' গ্রন্থটি পড়াতেন, টীকা লিখতেন ও ব্যাখ্যা করতেন এবং তিনি উত্তরাধিকার আইন (ফারায়েয) সম্পর্কে পারদর্শী ছিলেন। তিনি একটানা চল্লিশ বছর রোজা পালন করেছেন। তিনি অত্যন্ত দানশীল ও মহানুভব ছিলেন এবং খানকাহর অধিবাসীদের ন্যায় চারিত্রিক গুণাবলী অর্জন করেছিলেন; তিনি উত্তরাধিকার হিসেবে কিছুই রেখে যাননি।

তিনি ৬৮১ হিজরী সনের ১৪ই রবিউল আউয়াল আকস্মিকভাবে ইন্তেকাল করেন। আল-মিযযি এবং আবু শামাহ তার নিকট থেকে ইলম অর্জন করেছেন।

আল-আশতারি আমাকে জানিয়েছেন, তিনি ইবনে... থেকে, তিনি আবু ওয়ালিদ আল-বাজি থেকে, তিনি ইবনে মুগিস থেকে ইজাযতনাক্রমে বর্ণনা করেছেন।

আবু আব্বাস ইবনুল আশতারি আমার নিকট লিখেছেন: আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ বিন উলওয়ান আমাদের জানিয়েছেন, আহমদ বিন মুহাম্মদ আব্বাস আমাদের জানিয়েছেন, হাসান বিন আব্দুর রহমান আশ-শাফিয়ী আমাদের জানিয়েছেন, আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-কারজি আমাদের জানিয়েছেন, জাফর আল-খাওয়াস আমাদের জানিয়েছেন, ইবনে মাসরুক আমাদের জানিয়েছেন, ইব্রাহিম আল-জুনায়েদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আব্দুর রহিম বিন ইয়াহইয়া আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, উসমান বিন উমারা আমাদের জানিয়েছেন যে: উতবাহ আল-গুলাম বলতেন: "আল্লাহর ভালোবাসা যার অন্তরে স্থান করে নেয়, তা তাকে এমনভাবে মগ্ন করে রাখে যে সে গরম ও শীতের মধ্যে পার্থক্য করতে পারে না, মিষ্টি ও টকের পার্থক্য বুঝে না এবং উত্তপ্ত ও শীতলতার তফাত অনুভব করতে পারে না।"
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ٢٥)
أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْحَلِيمِ بْنِ عَبْدِ السَّلَامِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي الْقَاسِمِ بْنِ تَيْمِيَةَ الْإِمَامُ الْعَلَّامَةُ الْحَافِظُ الْحُجَّةُ فَرِيدُ الْعَصْرِ بَحْرُ الْعُلُومِ تَقِيُّ الدِّينِ أَبُو الْعَبَّاسِ الْحَرَّانِيُّ ثُمَّ الدِّمَشْقِيُّ.

وُلِدَ بِحَرَّانَ فِي رَبِيعٍ الْأَوَّلِ سَنَةَ إِحْدَى وَسِتِّينَ وَسِتِّ مِائَةٍ وَقَدِمَ دِمَشْقَ مَعَ وَالِدِهِ الْمُفْتِي شِهَابُ الدِّينِ، فَسَمِعَ ابْنَ عَبْدِ الدَّائِمِ ، وَابْنَ أَبِي الْيُسْرِ ، وَالْمَجْدَ بْنَ عَسَاكِرَ ، وَأَكْثَرَ عَنْ أَصْحَابِ حَنْبَلٍ ، وَابْنِ طَبْرَزْدَ ، وَمَنْ بَعْدِهِمْ، وَنَسَخَ وَقَرَأَ وَانْتَقَى، وَبَرَعَ فِي عُلُومِ الْآثَارِ وَالسُّنَنِ وَدَرَسَ وَأَفْتَى وَفَسَّرَ وَصَنَّفَ التَّصَانِيفَ الْبَدِيعَةَ وَانْفَرَدَ بِمَسَائِلَ فَنِيلَ مِنْ عِرْضِهِ لِأَجْلِهَا، وَهُوَ بَشَرٌ لَهُ ذُنُوبٌ وَخَطَأٌ وَمَعَ هَذَا فَوَاللَّهِ مَا قَابَلَتْ عَيْنِي مِثْلَهُ وَلَا رَأَى هُوَ مِثْلَ نَفْسِهِ، وَكَانَ إِمَامًا مُتَبَحِّرًا فِي عُلُومِ الدِّيَانَةِ صَحِيحَ الذِّهْنِ، سَرِيعَ الْإِدْرَاكِ، سَيَّالَ الْفَهْمِ، كَثِيرَ الْمَحَاسِنِ، مَوْصُوفًا بِفَرْطِ الشَّجَاعَةِ وَالْكَرَمِ، فَارِغًا عَنِ الشَّهَوَاتِ؛ الْمَأْكَلِ، وَالْمَلْبَسِ، وَالْجِمَاعِ، لَا لَذَّةَ لَهُ فِي غَيْرِ نَشْرِ الْعِلْمِ وَتَدْوِينِهِ وَالْعَمَلِ بِمُقْتَضَاهُ.

ذَكَرَهُ أَبُو الْفَتْحِ الْيَعْمُرِيُّ فِي جَوَابِ سُؤَالَاتِ أَبِي الْعَبَّاسِ ابْنِ الدِّمْيَاطِيُّ الْحَافِظُ فَقَالَ: أَلْفَيْتُهُ مِمَّنْ أَدْرَكَ مِنَ الْعُلُومَ حَظًّا، وَكَادَ يَسْتَوْعِبُ السُّنَنَ وَالْآثَارَ حِفْظًا، إِنْ تَكَلَّمَ فِي التَّفْسِيرِ فَهُوَ حَامِلُ رَايَتَهُ، أَوْ أَفْتَى فِي الْفِقْهِ فَهُوَ مُدْرِكٌ غَايَتَهُ، أَوْ ذَاكَرَ بِالْحَدِيثِ فَهُوَ صَاحِبُ عِلْمِهِ وَذُو رايته، أَو حَاضر بالنحل
আহমদ ইবন আবদিল হালীম ইবন আবদিস সালাম ইবন আবদিল্লাহ ইবন আবিল কাসিম ইবন তাইমিয়্যাহ; তিনি ইমাম, আল্লামা, হাফেজ, হুজ্জাহ, যুগের অনন্য ব্যক্তিত্ব, ইলমের সমুদ্র, তাকিউদ্দীন আবুল আব্বাস আল-হাররানি অতঃপর আদ-দিমাশকি।

তিনি ৬৬১ হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে হাররানে জন্মগ্রহণ করেন এবং তাঁর পিতা মুফতি শিহাবুদ্দীনের সাথে দামেস্কে আগমন করেন। তিনি ইবন আবদুদ দায়িম, ইবন আবিল ইয়ুসর, মাজদ ইবন আসাকির এবং ইমাম হানবালের শাগরিদগণ ও ইবন তাবারজাদ এবং তাঁদের পরবর্তী অনেকের নিকট থেকে হাদীস শ্রবণ করেছেন। তিনি অনুলিপি করেছেন, পাঠ করেছেন এবং কিতাব নির্বাচন করেছেন। তিনি আসার ও সুনান শাস্ত্রে পারদর্শিতা অর্জন করেন এবং দরস প্রদান, ফতোয়া দান, তাফসির ও চমৎকার সব গ্রন্থ রচনা করেছেন। তিনি এমন কিছু মাসআলায় একক অবস্থান গ্রহণ করেছিলেন যার কারণে তাঁর সমালোচনা করে মান-সম্মানহানি করা হয়েছে। তিনি একজন মানুষ, যাঁর গুনাহ ও ভুল-ভ্রান্তি রয়েছে; তা সত্ত্বেও আল্লাহর কসম, আমার চোখ তাঁর মতো কাউকে দেখেনি এবং তিনিও নিজের মতো কাউকে দেখেননি। তিনি দ্বীনি জ্ঞানে একজন অগাধ পণ্ডিত ইমাম ছিলেন, যাঁর মেধা ছিল সঠিক, অনুধাবন শক্তি ছিল দ্রুত এবং বোধশক্তি ছিল প্রবহমান। তিনি বহু সদ্গুণের অধিকারী ছিলেন, চরম সাহসিকতা ও মহত্ত্বের গুণে গুণান্বিত ছিলেন। পানাহার, পোশাক এবং জৈবিক চাহিদা থেকে তিনি মুক্ত ছিলেন। ইলম প্রচার, কিতাব সংকলন এবং সেই অনুযায়ী আমল করা ছাড়া অন্য কোনো কিছুতে তাঁর স্বাদ বা তৃপ্তি ছিল না।

হাফেজ আবুল ফাতহ আল-ইয়া’মুরি, হাফেজ আবুল আব্বাস ইবনুদ দিময়াতির প্রশ্নের উত্তরে তাঁর সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন: আমি তাঁকে এমন এক ব্যক্তি হিসেবে পেয়েছি যিনি ইলমের এক বিশাল অংশ অর্জন করেছেন এবং মুখস্থের বিচারে প্রায় সমস্ত সুনান ও আসারকে আয়ত্ত করে ফেলেছেন। যদি তিনি তাফসির নিয়ে কথা বলেন, তবে তিনি তার পতাকাবাহী; আর যদি ফিকহ বিষয়ে ফতোয়া প্রদান করেন, তবে তিনি তার চরম সীমায় উপনীত; যদি হাদীস নিয়ে আলোচনা করেন, তবে তিনি তার ইলমের অধিকারী ও পতাকাধারী; আর যদি বিভিন্ন ধর্মীয় মতবাদ ও দল-উপদল নিয়ে আলোচনায় উপস্থিত হন...
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ٢٦)
والملل لم تَرَ أوسع من نحلته وَلَا أرفع من درايته برز فِي كل فن على أَبنَاء جنسه، لم تَرَ عَيْني مثله وَلَا رَأَتْ عينه مثل نَفسه.

قلت قد سجن غير مرّة ليفتر عَنْ خُصُومِهِ وَيُقْصِرَ عَنْ بَسْطِ لِسَانِهِ وَقَلَمِهِ وَهُوَ لَا يَرْجِعُ وَلَا يَلْوِي عَلَى نَاصِحٍ إِلَى أَنْ تُوُفِّيَ مُعْتَقَلًا بِقَلْعَةِ دِمَشْقَ فِي الْعِشْرِينَ مِنْ ذِي الْقَعْدَةِ سَنَةَ ثَمَانٍ وَعِشْرِينَ وَسَبْعِ مِائَةٍ.

وَشَيَّعَهُ أُمَمٌ لَا يُحْصَوْنَ إِلَى مَقْبَرَةِ الصُّوفِيَّةِ، غَفَرَ اللَّهُ لَهُ وَرَحِمَهُ آمِينَ.

حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْحَلِيمِ الْحَافِظُ سَنَةَ خَمْسٍ وَتِسْعِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ، وَأَنَا أَحْمَدُ بْنُ فَرَحٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ أَبِي الْفَتْحِ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَلِيِّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُثْمَانَ الْإِمَامُ، وَعَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَعَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ حَسَّانَ، وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ يَحْيَى، وَعَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنُ غَالِبٍ، وَجِبْرِيلُ الْفَقِيهُ، وَعِدَّةٌ، قَالُوا: أَنَا ابْنُ الدَّائِمِ، أَنْبَأَنَا ابْنُ كُلَيْبٍ، وَأَنْبَأَنِي عَنِ ابْنِ كُلَيْبٍ أَحْمَدُ بْنُ سَلَامَةَ، وَأَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ السَّلَامِ، وَالْخَضْرُ بْنُ حَمْوَيْهِ، أَنَّ عَلِيَّ بْنَ بَيَانٍ أَخْبَرَهُمْ ، قَالَ: أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ، نَا ابْنُ عَرَفَةَ، نَا الْمُبَارَكُ بْنُ سَعِيدٍ الثَّوْرِيُّ، عَنْ مُوسَى الْجَبَنِيِّ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ سَعْدٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَيَمْنَعُ أَحَدَكُمْ أَنْ يُكَبِّرَ فِي دُبُرِ كُلِّ صَلَاةٍ عَشْرًا ، وَيُسَبِّحَ عَشْرًا ، وَيَحْمَدْ عَشْرًا، فَذَلِكَ فِي خَمْسِ صَلَوَاتٍ خَمْسُونَ وَمِائَةٌ بِاللِّسَانِ وَأَلْفٌ وَخَمْسُ مِائَةٍ فِي الْمِيزَانِ، وَإِذَا أَوَى إِلَى فِرَاشِهِ كَبَّرَ أَرْبَعًا وَثَلَاثِينَ ، وَحَمَدَ ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ ، وَسَبَّحَ ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ، فَتِلْكَ مِائَةٌ بِاللِّسَانِ وَأَلْفٌ فِي الْمِيزَانِ» ، ثُمَّ قَالَ: «فَأَيُّكُمْ يَعْمَلُ فِي
এবং বিভিন্ন মতাদর্শের অনুসারীরা তাঁর মতাদর্শের চেয়ে প্রশস্ত এবং তাঁর প্রজ্ঞার চেয়ে উন্নত আর কিছুই দেখেনি। তিনি প্রতিটি বিদ্যায় তাঁর সমসাময়িকদের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছিলেন। আমার চক্ষু তাঁর মত আর কাউকে দেখেনি এবং তাঁর নিজের চোখও তাঁর নিজের মত দ্বিতীয় কাউকে দেখেনি।

আমি বলছি, তাঁকে একাধিকবার কারারুদ্ধ করা হয়েছিল যাতে তিনি তাঁর বিরোধীদের মোকাবিলা থেকে নিবৃত্ত হন এবং তাঁর জিহ্বা ও কলমের ব্যবহার সংকুচিত করেন; কিন্তু তিনি তাঁর পথ থেকে ফিরে আসেননি এবং কোনো উপদেশদাতার কথায় কর্ণপাত করেননি, যতক্ষণ না তিনি ৭২৮ হিজরির ২০শে জিলকদ তারিখে দামেস্ক দুর্গে বন্দি অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।

অগণিত মানুষ তাঁর জানাজায় শরিক হয়ে তাঁকে সুফিয়া কবরস্থান পর্যন্ত নিয়ে যায়। আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন এবং তাঁর প্রতি রহম করুন, আমিন।

আমাদের নিকট ৬৯৫ হিজরিতে বর্ণনা করেছেন হাফিজ আবু আব্বাস আহমাদ বিন আব্দুল হালিম; এবং আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন ফারাহ, মুহাম্মাদ বিন আবুল ফাতহ, মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়ালী, ইমাম মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন উসমান, আলী বিন ইবরাহিম, আব্দুল হামিদ বিন হাসান, ইবরাহিম বিন ইয়াহইয়া, আলী বিন মুহাম্মাদ বিন গালিব, ফকিহ জিবরাইল এবং একদল বর্ণনাকারী। তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনুদ্দায়িম, তিনি ইবনুল কুলাইব থেকে; এবং ইবনুল কুলাইব থেকে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন সালামাহ, আহমাদ বিন আব্দুস সালাম এবং খাযির বিন হামওয়াইহ। তাঁরা বলেছেন যে, আলী বিন বায়ান তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল বিন মুহাম্মাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আরাফাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুবারক বিন সাঈদ আস-সাওরি, তিনি মুসা আল-জাবানি থেকে, তিনি মুসআব বিন সাদ থেকে, তিনি সাদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমাদের কাউকে কি এটি বাধা দেয় যে, সে প্রত্যেক সালাতের পর দশবার তাকবির বলবে, দশবার তাসবিহ পাঠ করবে এবং দশবার তাহমিদ (আল্লাহর প্রশংসা) করবে? এগুলো পাঁচ ওয়াক্ত সালাতে মুখে একশত পঞ্চাশবার, কিন্তু মিজানে (আমলনামার পাল্লায়) তা দেড় হাজার। আর যখন সে তার বিছানায় আশ্রয় নেবে, তখন সে চৌত্রিশবার তাকবির বলবে, তেত্রিশবার তাহমিদ করবে এবং তেত্রিশবার তাসবিহ পাঠ করবে। এটি মুখে একশতবার, আর মিজানে এক হাজার হবে।» অতঃপর তিনি বললেন: «তাহলে তোমাদের মধ্যে কে সেই আমল করে যা...»
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ٢٧)
يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ أَلْفَيْنِ وَخَمْسَ مِائَةِ سَيِّئَةٍ؟» .

رَوَاهُ النَّسَائِيُّ فِي الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ ، عَنْ زَكَرِيَّا الْخَيَّاطِ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَرَفَةَ، فَوَقَعَ لَنَا بَدَلًا بِعُلْوٍ دَرَجَتَيْنِ

أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ الْمُنْعِمِ، الشَّيْخُ الْإِمَامُ شَيْخُ التَّعْبِيرِ شِهَابُ الدِّينِ النَّابُلْسِيُّ.

رَحَلَ وَسَمِعَ بِمِصْرَ وَبِالثُّغْرِ وَدِمَشْقَ، وَقَرَأَ بِنَفْسِهِ عَلَى الْقُوصِيِّ، وَكَانَ يُضْرَبُ بِهِ الْمَثَلُ فِي التَّعْبِيرِ، وَصَنَّفَ فِيهِ، سَمِعْنَا مِنْهُ.

وَتُوُفِّيَ بِدِمَشْقَ سَنَةَ سَبْعٍ وَتِسْعِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ.

نَبَّأَ عَنِ ابْنِ الْجُمَيْزِيِّ، وَالسَّبْطِ ، وَسَمِعَ مِنَ السَّاوِيِّ ، وَابْنِ رَوَاجٍ ، وَفِي الرَّابِعَةِ مِنْ سُلَيْمَانَ الْأَسْعَرْدِيَّ، وَأَجَازَ لَهُ فِي سَنَةِ تِسْعٍ وَعِشْرِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ مَحْمُودُ بْنُ مَنْدَهْ ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ الْمَدِينِيُّ ، ، وَابْنُ رَوْزَبَةَ.

وَذُكِرَ مَرَّةً لِقَضَاءِ الْحَنَابِلَةِ.

أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، الْإِمَامُ الْقَاضِي شِهَابُ الدِّينِ الظَّاهِرِيُّ الشَّافِعِيُّ.
এক দিন ও রাতে দুই হাজার পাঁচশটি গুনাহ?।

ইমাম নাসাঈ এটি 'আল-ইয়াওম ওয়াল-লাইলাহ' গ্রন্থে যাকারিয়া আল-খাইয়াত থেকে, তিনি হাসান ইবনে আরাফাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের নিকট দুই স্তর উচ্চতর সনদে 'বাদাল' (বিকল্প উচ্চতর সনদ) হিসেবে পৌঁছেছে।

আহমাদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল মুনইম, শাইখ, ইমাম, স্বপ্নের ব্যাখ্যাবিদদের প্রধান শিহাবুদ্দীন আন-নাবুলুসী।

তিনি সফর করেছেন এবং মিশর, সীমান্ত এলাকা ও দামেস্কে হাদীস শ্রবণ করেছেন। তিনি নিজে আল-কুসী’র নিকট পাঠ করেছেন। স্বপ্নের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে তাঁকে দৃষ্টান্ত হিসেবে পেশ করা হতো এবং তিনি এ বিষয়ে গ্রন্থ রচনা করেছেন। আমরা তাঁর থেকে (হাদীস) শুনেছি।

তিনি ৬৯৭ হিজরী সনে দামেস্কে মৃত্যুবরণ করেন।

তিনি ইবনুল জুমাইযী ও আস-সিবত থেকে বর্ণনা করেছেন; এবং আস-সাবী, ইবনে রওয়াজ ও চতুর্থ স্তরে সুলাইমান আল-আসআরদী থেকে শ্রবণ করেছেন। ৬২৯ হিজরী সনে মাহমুদ ইবনে মান্দাহ, মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে আল-মাদিনী এবং ইবনে রওযাবাহ তাঁকে ইজাযত প্রদান করেন।

একবার হাম্বলী মাযহাবের বিচারক (কাযী) পদের জন্যও তাঁর নাম উল্লেখ করা হয়েছিল।

আহমাদ ইবনে আব্দুর রহমান, ইমাম, কাযী শিহাবুদ্দীন আয-যহীরী আশ-শাফিঈ।
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ٢٨)
مَوْلِدُهُ فِي خْمَسٍ وَسَبْعِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ.

وَطَلَبَ وَسَمِعَ مِنِ ابْنِ عَسَاكِرَ ، وَعَائِشَةَ بِنْتِ مُحَمَّدٍ ، وَابْنِ هَاشِمٍ الْعَبَّاسِ، وَخَرَّجَ لَهُ الْبَرْزَالِيُّ وَجَمَعَ مَرَّاتٍ وَدَرَسَ وَأَفَادَ وَسَمِعَ مَعِي مِنْ طَائِفَةٍ.

أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَسْعُودِ بْنِ أَحْمَدَ الْحَارِثِيُّ، الْإِمَامُ الْفَقِيهُ مَجْدُ الدِّينِ ابْنُ شَيْخِ الدِّينِ، ابْنِ شَيْخِنَا الْمِصْرِيِّ.

وُلِدَ سَنَةَ عَشْرٍ وَسَبْعِ مِائَةٍ.

وَسَمِعَ كَثِيرًا بِاعْتِنَاءِ أَبِيهِ وَاشْتَغَلَ وَطَلَبَ بِنَفْسِهِ، قَدِمَ عَلَيْنَا وَسَمِعَ مِنَ الْمِزِّيِّ ، وَبِنْتِ الْكَمَالِ ، وَقَدْ دَرَسَ بِعِلْمِ وَالِدِهِ وَتَمَيَّزَ وَشَارَكَ، سَمِعَ مِنِّي وَسَأَلَ عَنْ فَوَائِدَ، وَذِهْنُهُ حَسَنٌ.

أَحْمَدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، الْمُحَدِّثُ نَجْمُ الدِّينِ ابْنُ الشَّمْسِ الْمَقْدِسِيُّ.

أَضَافَنَا بِجُنَيْنَتِهِ، وَكَانَ قَدْ سَمِعَ كَثِيرًا وَسَمِعَهُ أَبُوهُ حُضُورًا ، مِنِ ابْنِ عَبْدِ الدَّائِمِ.

لَمْ وَنَسَخَ الْأَجْزَاءَ يُحَدِّثْ.
তাঁর জন্ম ছয়শ পঁচাত্তর হিজরি সালে।

তিনি ইলম অন্বেষণ করেছেন এবং ইবন আসাকির, আইশা বিনতে মুহাম্মদ ও ইবন হাশিম আল-আব্বাসের নিকট থেকে হাদীস শ্রবণ করেছেন। আল-বারজালি তাঁর জন্য হাদীসের সংকলন তৈরি করেছেন। তিনি কয়েকবার নিজেই সংকলন করেছেন, অধ্যাপনা করেছেন, জ্ঞান দান করেছেন এবং আমার সাথে একদল আলেমের নিকট থেকে হাদীস শ্রবণ করেছেন।

আহমদ ইবন আবদুর রহমান ইবন মাসউদ ইবন আহমদ আল-হারিসি, ইমাম, ফকিহ, মাজদুদ্দিন ইবন শাইখুদ্দিন, আমাদের শাইখ আল-মিসরির বংশধর।

তিনি সাতশ দশ হিজরি সালে জন্মগ্রহণ করেন।

তিনি তাঁর পিতার তত্ত্বাবধানে প্রচুর হাদীস শ্রবণ করেছেন, পড়াশোনায় নিমগ্ন থেকেছেন এবং নিজ প্রচেষ্টায় ইলম অন্বেষণ করেছেন। তিনি আমাদের কাছে আগমন করেন এবং আল-মিযযি ও বিনতে আল-কামালের নিকট থেকে হাদীস শ্রবণ করেছেন। তিনি তাঁর পিতার বিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন, পারদর্শিতা দেখিয়েছেন এবং শিক্ষা বিস্তারে অংশ নিয়েছেন। তিনি আমার নিকট থেকে হাদীস শুনেছেন এবং বিভিন্ন গবেষণামূলক বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছেন; তাঁর মেধা ছিল চমৎকার।

আহমদ ইবন উবায়দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন উবায়দুল্লাহ, মুহাদ্দিস নাজমুদ্দিন ইবন আশ-শামস আল-মাকদিসি।

তিনি তাঁর ছোট বাগানে আমাদের মেহমানদারি করেছিলেন। তিনি প্রচুর হাদীস শ্রবণ করেছিলেন এবং তাঁর পিতা তাঁকে ইবন আবদুদ দায়িমের নিকট উপস্থিত করে হাদীস শুনিয়েছিলেন।

তিনি হাদীস বর্ণনা করেননি এবং হাদীসের পাণ্ডুলিপিগুলো অনুলিপি করেছিলেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ٢٩)
تُوُفِّيَ فِي ذِي الْحَجَّةِ سَنَةَ سَبْعِ مِائَةٍ.

أَحْمَدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُصْطَفًى، تَاجُ الدِّينِ ابْنُ التُّرْكُمَانِيُّ الْحَنَفِيُّ.

مِنْ عُلَمَاءِ الْقَاهِرَةِ، ارْتَحَلَ بِوَلَدِهِ وَسَمِعَا مِنِ ابْنِ الشِّحْنَةِ، وَجَمَاعَةٍ عَلَّقْتُ عَنْهُ.

مَوْلِدُهُ سَنَةَ بِضْعٍ وَثَمَانِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ.

دَرَسَ وَأَفْتَى وَنَابَ فِي الْحُكْمِ وَتَمَيَّزَ.

تُوُفِّيَ فِي مُسْتَهَلِّ جُمَادَى الْأُولَى سَنَةَ أَرْبَعٍ وَأَرْبَعِينَ وَسَبْعِ مِائَةٍ.

أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ قَاضِي الْقُضَاةِ تَقِيِّ الدِّينِ عَبْدِ الْكَافِي بْنِ عَلِيٍّ، الْإِمَامُ الْعَلَّامَةُ الْمُدَرِّسُ بَهَاءُ الدِّينِ أَبُو حَامِدٍ السُّبْكِيُّ.

وُلِدَ سَنَةَ تِسْعَ عَشْرَةَ وَسَبْعِ مِائَةٍ.
তিনি সাতশত হিজরি সনের জিলহজ মাসে ইন্তেকাল করেন।

আহমদ ইবনে উসমান ইবনে ইবরাহিম ইবনে মুস্তফা, তাজউদ্দীন ইবনুত তুর্কমানি আল-হানাফি।

তিনি কায়রোর আলেমদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি তাঁর পুত্রসহ সফর করেন এবং তাঁরা ইবনুশ শিহনা ও একদল উস্তাদ থেকে (হাদিস) শ্রবণ করেন; আমি তাঁর থেকে (বর্ণনা) লিপিবদ্ধ করেছি।

তাঁর জন্ম ছয়শত আশি হিজরি সনের কয়েক বছর পর।

তিনি অধ্যাপনা করেছেন, ফতোয়া দিয়েছেন, বিচারকার্যে প্রতিনিধিত্ব করেছেন এবং বিশেষ পারদর্শিতা অর্জন করেছেন।

তিনি সাতশত চুয়াল্লিশ হিজরি সনের জুমাদাল উলার শুরুতে ইন্তেকাল করেন।

আহমদ ইবনে আলী ইবনে কাযিউল কুযাত তাকিউদ্দীন আব্দুল কাফি ইবনে আলী, ইমাম, আল্লামা, মুদাররিস বাহাউদ্দীন আবু হামিদ আস-সুবকি।

তিনি সাতশত উনিশ হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ٣٠)
وَقَرَأَ التَّسْهِيلَ عَلَى أَثِيرِ الدِّينِ وَتَفَقَّهَ عَلَى أَبِيهِ لَهُ فَضَائِلٌ وَعِلْمٌ جَيِّدٌ وَفِيهِ أَدَبٌ وَتَقْوَى، سَادَ وَهُوَ ابْنُ عِشْرِينَ سَنَةٍ، وَدَرَّسَ فِي مَنَاصِبِ أَبِيهِ وَأُثْنِيَ عَلَى دُرُوسِهِ، قَرَأَ عَلَيَّ أَجْزَاءً وَسَمِعَ مِنَ الْحَجَّارِ حُضُورًا ، وَسَمِعَ مِنْ يُونُسَ الْعَسْقَلَانِيِّ، وَجَمَاعَةٍ مِنْ دِمَشْقَ ، مِنِ ابْنِ تَمَّامٍ ، وَالْجَزَرِيِّ.

أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ، الْإِمَامُ الْفَقِيهُ النَّحْوِيُّ ذُو الْفُنُونِ فَخْرُ الدِّينِ أَبُو طَالِبِ ابْنِ الْفَصِيحِ الْهَمَدَانِيُّ الْكُوفِيُّ ثُمَّ الْبَغْدَادِيُّ الْحَنَفِيُّ مَوْلِدُهُ تَقْرِيبًا سَنَةَ سَبْعٍ وَسَبْعِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ بِالْكُوفَةِ، تَفَقَّهَ وَبَرَعَ وَأَفْتَى وَتَخَرَّجَ بِهِ فَضْلًا، وَأَعَادَ بِالْمَشْهَدِ لِأَبِي حَنِيفَةَ وَأَقْرَأَ الْعَرَبِيَّةَ، وَسَمِعَ مِنَ الدَّوَالِيبِيِّ ، وَعَلِيِّ بْنِ أَبِي الْقَاسِمِ، وَأَجَازَ لَهُ الْعِمَادُ ابْنُ الطَّبَّالِ وَطَلَبَ وَنَسَخَ صَحِيحَ الْبُخَارِيَّ مَرَّتَيْنِ وَنَظَمَ السَّبْعَ فِي لَامِيَّةٍ كَالشَّاطِبِيَّةِ بِلَا رَمْزٍ، قَدِمَ عَلَيْنَا سَنَةَ إِحْدَى وَأَرْبَعِينَ وَسَبْعِ مِائَةٍ، وَجَلَسَ لِلْإِفَادَةِ وَمَحَاسِنُهُ كَثِيرَةٌ.

أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ، الْمُحَدِّثُ الْعَالِمُ الْمُفِيدُ أَبُو الْعَبَّاسِ الْبَغْدَادِيُّ الْقَلَانِسِيُّ.
তিনি আসীরুদ্দিনের নিকট 'আত-তাসহিল' পাঠ করেন এবং তাঁর পিতার নিকট ফিকহশাস্ত্র অধ্যয়ন করেন। তাঁর অনেক ফজিলত ও উত্তম ইলম ছিল এবং তাঁর মধ্যে আদব ও তাকওয়া ছিল। তিনি বিশ বছর বয়সে নেতৃত্ব লাভ করেন এবং তাঁর পিতার পদে শিক্ষকতা করেন; তাঁর দরসের প্রশংসা করা হতো। তিনি আমার নিকট কিছু অংশ পাঠ করেছেন এবং হাজ্জারের নিকট উপস্থিত হয়ে শুনেছেন। এছাড়া তিনি ইউনুস আসকালানী এবং ইবনে তাম্মাম ও জাযারীসহ দামেস্কের একদল উস্তাদের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন।

আহমাদ বিন আলী বিন আহমাদ, ইমাম, ফকিহ, ব্যাকরণবিদ, বহুবিদ্যায় পারদর্শী ফখরুদ্দীন আবু তালিব ইবনুল ফাসিহ আল-হামাদানী আল-কুফী, অতঃপর আল-বাগদাদী আল-হানাফী। তাঁর জন্ম আনুমানিক ৬৬৭ হিজরি সনে কুফায়। তিনি ফিকহ শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন, তাতে ব্যুৎপত্তি অর্জন করেন, ফতোয়া প্রদান করেন এবং তাঁর মাধ্যমে বহু গুণীজন তৈরি হয়। তিনি আবু হানিফার মাশহাদে (মাদ্রাসায়) পুনরাবৃত্তিকারী হিসেবে কাজ করেন এবং আরবি ভাষা শিক্ষা দেন। তিনি দাওয়ালিবি এবং আলী বিন আবিল কাসিম থেকে শ্রবণ করেছেন। ইমাদ ইবনুত তাব্বাল তাঁকে ইজাযাহ প্রদান করেন। তিনি ইলম অন্বেষণ করেছেন এবং সহীহ বুখারী দুইবার নিজ হাতে প্রতিলিপি করেছেন। তিনি সাত ক্বিরাতকে শাত্বিবিয়্যাহর ন্যায় একটি 'লামিয়্যা' কবিতায় নিবদ্ধ করেছেন তবে তাতে কোনো প্রতীক (রময) ব্যবহার করেননি। তিনি ৭৪১ হিজরি সনে আমাদের নিকট আসেন এবং জ্ঞান বিতরণের জন্য বসেন। তাঁর বহু সৎগুণাবলি রয়েছে।

আহমাদ বিন আলী, মুহাদ্দিস, আলেম, হিতৈষী ব্যক্তিত্ব আবুল আব্বাস আল-বাগদাদী আল-কালানিসী।
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ٣١)
طَلَبَ الْحَدِيثَ زَمَانًا وَقَرَأَ عَلَى الشُّيُوخِ وَكَتَبَ الطِّبَاقَ وَكَتَبَ فِي الْإِجَازَاتِ نِيَابَةً عَنْ شُيُوخِ بَغْدَادَ، وَأَجَازَ لِي مَرْوِيَّاتِهِ، سَنَةَ سَبْعٍ وَتِسْعِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ، وَهُوَ إِذْ ذَاكَ كَهْلٌ.

تُوُفِّيَ فِي سَنَةِ أَرْبَعٍ وَسَبْعِ مِائَةٍ.

أَكْثَرَ عَنْ وَأَقْرَانِهِ، وَأَوَّلُ طَلَبِهِ لِلْحَدِيثِ نَيِّفٌ وَسِتِّينَ وَسِتِّ مِائَةٍ.

أَحْمَدُ بْنُ الْفَقِيهِ عَلَمِ بْنِ مَحْمُودٍ، الْمُقْرِئُ الْمُحَدِّثُ تَقِيُّ الدِّينِ أَبُو الْعَبَّاسِ الْحَرَّانِيُّ الْحَنْبَلِيُّ، وُلِدَ سَنَةَ ثَمَانِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ، مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الدَّنِيَّهِ وَسَمِعَ فِي الْخَامِسَةِ مِنَ الْكَمَالِ الْفَاضِلِيُّ ، وَالزَّيْنُ الْفَارِقِيُّ، وَمَعَنَا مِنْ سِتِّ الْأَهْلِ ، وَمُحَمَّدِ بْنِ قَايِمَارَ، وَعَلَّقَ وَأَثْبَتَ وَعَرَضَ وَحَفِظَ الشَّاطِبِيَّةِ وَأَسْمَعَ أَوْلَادَهُ، وَفِيهِ دِينٌ وَمُرُوءَةٌ وَخَيْرٌ سَمِعْنَا مِنْهُ.

تُوُفِّي فِي ذِي الْقَعْدَةِ سَنَةَ 742 هـ.

أَحْمَدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ شَبِيبٍ، الْفَقِيهُ الْعَدْلُ شِهَابُ الدِّينِ الْبَالِسِيُّ ثُمَّ الْمِصْرِيُّ، صُوَيْحِبُنَا.
তিনি দীর্ঘকাল হাদিস অন্বেষণ করেছেন এবং শায়খদের নিকট পাঠ গ্রহণ করেছেন। তিনি তিবাক (উপস্থিতি তালিকা) লিপিবদ্ধ করেছেন এবং বাগদাদের শায়খদের পক্ষ থেকে ইজাজত বা অনুমতিপত্রসমূহ লিখেছেন। তিনি ৬৯৭ হিজরি সালে আমাকে তাঁর বর্ণিত হাদিসসমূহের ইজাজত প্রদান করেন, তখন তিনি ছিলেন প্রৌঢ়।

তিনি ৭০৪ হিজরি সালে ইন্তেকাল করেন।

তিনি তাঁর উস্তাদ ও সমসাময়িকদের থেকে প্রচুর বর্ণনা করেছেন। তাঁর হাদিস অন্বেষণের সূচনা ছিল ৬৬০ হিজরির কিছুকাল পর।

আহমাদ বিন ফকিহ আলাম বিন মাহমুদ, আল-মুকরি, আল-মুহাদ্দিস তাকিউদ্দীন আবুল আব্বাস আল-হাররানি আল-হাম্বলি। তিনি ৬৮০ হিজরি সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পাঁচ বছর বয়সে মুহাম্মাদ বিন আবিদ দানিয়্যাহ, আল-কামাল আল-ফাদিলি এবং আয-যাইন আল-ফারিফির নিকট শ্রবণ করেন। তিনি সিত্তুল আহল এবং মুহাম্মাদ বিন কায়িমার-এর নিকট আমাদের সাথে শ্রবণ করেছেন। তিনি টীকা লিখেছেন, বিষয়সমূহ প্রমাণ করেছেন, উপস্থাপন করেছেন এবং শাতবিয়্যাহ মুখস্থ করেছেন। তিনি তাঁর সন্তানদের হাদিস শ্রবণ করিয়েছেন। তাঁর মধ্যে দ্বীনদারি, বীরত্ব ও কল্যাণ বিদ্যমান ছিল; আমরা তাঁর থেকে শ্রবণ করেছি।

তিনি ৭৪২ হিজরি সালের জিলকদ মাসে ইন্তেকাল করেন।

আহমাদ বিন উমর বিন শাবিব, ফকিহ, ন্যায়পরায়ণ, শিহাবুদ্দীন আল-বালিসি অতঃপর আল-মিসরি, আমাদের সঙ্গী।
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ٣٢)
سَمِعَ الْكَثِيرَ وَقَرَأَ عَلَيَّ، كَتَبَ الطِّبَاقَ عَلَى الشُّيُوخِ، وَلَمْ يَتَكَهَّلْ.

تُوُفِّيَ فِي سَنَةِ أَرْبَعٍ وَعِشْرِينَ وَسَبْعِ مِائَةٍ بِدِمَشْقَ.

أَحْمَدُ بْنُ فَرَحِ بْنِ أَحْمَدَ، الْإِمَامُ الْبَارِعُ الْمُحَدِّثُ الْقُدْوَةُ بَقِيَّةُ الْمَشَايِخِ شِهَابُ الدِّينِ أَبُو الْعَبَّاسِ اللَّخْمِيُّ الْأَشْبِيلِيُّ الشَّافِعِيُّ، نَزِيلُ دِمَشْقَ.

وُلِدَ سَنَةَ خَمْسٍ وَعِشْرِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ.

وَأَسَرَهُ الْعَدُوُّ ثُمَّ نَجَّاهُ اللَّهُ وَحَجَّ وَطَلَبَ الْعِلْمَ، أَخَذَ بِمِصْرَ عَنِ الشَّيْخِ عِزِّ الدِّينِ بْنِ عَبْدِ السَّلَامِ ، وَشَيْخِ الشُّيُوخِ شَرَفِ الدِّينِ عَبْدِ الْعَزِيزِ ، وَالْكَمَالُ الضَّرِيرُ ، وَطَائِفَةٌ، وَبِدِمَشْقَ عَنِ ابْنِ عَبْدِ الدَّائِمِ ، وَعُمَرَ الْكَرْمَانِيِّ ، وَابْنِ أَبِي يُوسُفَ ، وَعَدَدٍ كَثِيرٍ، وَعَنِّي بِهَذَا الشَّأْنِ ثُمَّ أَقْبَلَ عَلَى تَجْوِيدِ الْمُتُونِ وَفَهْمِهَا فَتَقَدَّمَ فِي ذَلِكَ وَكَانَتْ لَهُ حَلْقَةُ اشْتِغَالٍ بِجَامِعِ دِمَشْقَ يُقْرِئُ فِيهَا فُنُونَ الْحَدِيثِ.

حَضَرْتُ مَجَالِسَهُ وَأَخَذْتُ عَنْهُ وَنِعْمَ الشَّيْخُ كَانَ، سَكِينَةً وَوَقَارًا وَدِيَانَةً وَاسْتِحْضَارًا.

مَاتَ بِبَيْتِهِ بِتُرْبَةِ أُمِّ الصَّالِحِ سَنَةَ تِسْعٍ وَتِسْعِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ فِي جُمَادَى الْآخِرَةَ.

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ فَرَحٍ، وَعِدَّةٌ، قَالُوا: أَنَا ابْنُ عَبْدِ الدَّائِمِ، أَنَا يَحْيَى بْنُ مَحْمُودٍ، أَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَدَّادُ حُضُورًا، أَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، أَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ، نَا أَحْمَدُ بْنُ الْفُرَاتِ، أَنَا يَعْلَى بْنُ عُبَيْدٍ، نَا الْأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي
তিনি প্রচুর শুনেছেন এবং আমার কাছে পাঠ করেছেন, তিনি শায়খদের থেকে প্রাপ্ত ইজাযতসমূহ (তিবাক) লিপিবদ্ধ করেছেন, এবং তিনি বার্ধক্যে উপনীত হওয়ার আগেই বিদায় নিয়েছেন।

তিনি সাতশ চব্বিশ হিজরি সনে দামেস্কে মৃত্যুবরণ করেন।

আহমদ ইবনে ফারাহ ইবনে আহমদ, তিনি ছিলেন সুদক্ষ ইমাম, মুহাদ্দিস, আদর্শ ব্যক্তিত্ব, শায়খদের উত্তরসূরি, শিহাবুদ্দীন আবুল আব্বাস আল-লাখমি আল-আশবিলি আশ-শাফিয়ি; তিনি দামেস্কের অধিবাসী ছিলেন।

তিনি ছয়শ পঁচিশ হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন।

শত্রুরা তাঁকে বন্দি করেছিল, অতঃপর আল্লাহ তাঁকে মুক্তি দান করেন। তিনি হজ পালন করেন এবং ইলম অন্বেষণ করেন। তিনি মিশরে শায়খ ইজ্জুদ্দীন ইবনে আব্দুস সালাম, শায়খুশ শুয়ুখ শরফুদ্দীন আব্দুল আজিজ, কামাল আদ-দারির এবং একদল আলিমের নিকট থেকে জ্ঞান অর্জন করেন। আর দামেস্কে তিনি ইবনে আব্দুল দায়েম, উমর আল-কিরমানি, ইবনে আবু ইউসুফ এবং বহু সংখ্যক আলিমের নিকট থেকে ইলম গ্রহণ করেন। তিনি আমার নিকট থেকেও এই শাস্ত্রে শিক্ষা গ্রহণ করেন। অতঃপর তিনি হাদিসের মূল পাঠসমূহ (মুতুন) শুদ্ধকরণ ও তা অনুধাবনের প্রতি মনোনিবেশ করেন এবং এতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন। দামেস্কের জামে মসজিদে তাঁর একটি বিশেষ পাঠচক্র ছিল যেখানে তিনি হাদিসের বিভিন্ন শাস্ত্র শিক্ষা দিতেন।

আমি তাঁর মজলিসে উপস্থিত হয়েছি এবং তাঁর থেকে ইলম গ্রহণ করেছি। তিনি কতই না উত্তম শায়খ ছিলেন; তিনি ছিলেন প্রশান্তি, গাম্ভীর্য, ধর্মপরায়ণতা এবং প্রখর স্মৃতিশক্তির অধিকারী।

তিনি ছয়শ নিরানব্বই হিজরি সনের জুমাদাল আখিরাহ মাসে তুরবাতু উম্মিস সালিহ এলাকায় নিজ বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেন।

আহমদ ইবনে ফারাহ এবং আরও কয়েকজন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেছেন: ইবনে আব্দুল দায়েম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াহইয়া ইবনে মাহমুদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলি আল-হাদ্দাদ উপস্থিতির ভিত্তিতে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু নুআইম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ ইবনে আল-ফুরাত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইয়ালা ইবনে উবাইদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমাশ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবু... থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ٣٣)
صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «تَجِدُ مِنْ شِرَارِ النَّاسِ ذَا الْوَجْهَيْنِ» .

قَالَ الْأَعْمَشُ: الَّذِي يَأْتِي هَؤُلَاءِ بِوَجْهٍ وَهَؤُلَاءِ بِوَجْهٍ.

حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ

أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنُ هِلَالٍ، الْإِمَامُ الْعَالِمُ الْمُحَدِّثُ شِهَابُ الدِّينِ أَبُو مَحْمُودٍ الْمَقْدِسِيُّ.

طَالِبٌ مُفِيدٌ سَرِيعُ الْقِرَاءَةِ.

وُلِدَ سَنَةَ أَرْبَعَ عَشْرَةَ وَسَبْعِ مِائَةٍ وَسَمِعَ الْكَثِيرَ وَقَرَأَ كُتُبًا بِالْقُدْسِ، وَمِصْرَ، وَالثُّغْرَ، قَرَأَ عَلَيَّ كِتَابَ ابْنِ مَاجَهْ.

مَاتَ فِي رَبِيعٍ الْأَوَّلِ.

وَيُقَالُ لَهُ الْخَوَّاصِيُّ قِيلَ أَنَّهُ مِنْ ذُرِّيَّةِ إِبْرَاهِيمَ الْخَوَّاصِ.

حَدَّثَ وَدَرَّسَ، وَصَنَّفَ فَضَائِلَ بَيْتِ الْمَقْدِسِ وَغَيْرَ ذَلِكَ.

أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ، الْإِمَامُ الْعَالِمُ الْمُفْتِي الْمُحَدِّثُ النَّحْوِيُّ كَمَالُ الدِّينِ أَبُو الْعَبَّاسِ وَلَدُ الْعَلَّامَةِ الْكَبِيرِ جَمَالُ الدِّينِ الْبَكْرِيُّ الْوَائِلِيُّ الْأَنْدَلُسِيُّ الشَّرِيشِيُّ ثُمَّ الدِّمَشْقِيُّ الشَّافِعِيُّ.
সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা মানুষের মধ্যে দু'মুখো ব্যক্তিকে সর্বনিকৃষ্টদের অন্তর্ভুক্ত পাবে»।

আ'মাশ বলেছেন: যে এদের কাছে এক চেহারা নিয়ে এবং অন্যদের কাছে অন্য চেহারা নিয়ে উপস্থিত হয়।

এটি একটি সহিহ হাদিস, যা ইমাম তিরমিজি বর্ণনা করেছেন।

আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে হিলাল, ইমাম, বিজ্ঞ আলেম, মুহাদ্দিস শিহাবুদ্দিন আবু মাহমুদ আল-মাকদিসি।

তিনি ছিলেন একজন মনোযোগী ছাত্র এবং দ্রুত পঠনকারী।

তিনি সাতশ চৌদ্দ হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন এবং প্রচুর হাদিস শ্রবণ করেছেন। তিনি আল-কুদ্স, মিশর ও সীমান্ত এলাকায় কিতাব পাঠ করেছেন। তিনি আমার নিকট ইবনে মাজাহ কিতাবটি পাঠ করেছেন।

তিনি রবিউল আউয়াল মাসে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁকে আল-খাওয়াসি বলা হয়; বলা হয় যে তিনি ইব্রাহিম আল-খাওয়াসের বংশধর।

তিনি হাদিস বর্ণনা করেছেন, দরস প্রদান করেছেন এবং বাইতুল মাকদিসের ফজিলত ও অন্যান্য বিষয়ে কিতাব রচনা করেছেন।

আহমদ ইবনে আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ, ইমাম, আলেম, মুফতি, মুহাদ্দিস ও ব্যাকরণবিদ কামালুদ্দিন আবু আব্বাস; তিনি প্রখ্যাত আল্লামা জামালুদ্দিন আল-বাকরি আল-ওয়াইলি আল-আন্দালুসি আশ-শারিশি অতঃপর আদ-দিমাশকি আশ-শাফিয়ি-এর পুত্র।
(খণ্ড: ১) আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসীন (পৃষ্ঠা: ٣٤)
مَوْلِدُهُ بِسِنْجَارَ سَنَةَ ثَلَاثٍ وَخَمْسِينَ وِسِتِّ مِائَةٍ.

وَتَفَقَّهَ بِوَالِدِهِ وَبِجَمَاعَةٍ، وَسَمِعَ بِمِصْرَ مِنَ النَّجِيبِ عَبْدِ اللَّطِيفِ، وَبِدِمَشْقَ مِنِ ابْنِ أَبِي الْخَيْرِ ، وَابْنِ الصَّيْرَفِيِّ الْفَخْرِ عَلِيٍّ ، وَجَمَاعَةٍ.

وَطَلَبَ الْحَدِيثَ وَقْتًا، وَقَرَأَ عَلَى الشُّيُوخِ وَحَصَّلَ مِنْهُ شَيْئًا، وَوَلِيَ الْمَنَاصِبَ الْكِبَارَ كَالْمَدْرَسَةِ النَّاصِرِيَّةِ، وَدَارَ الْحَدِيثِ، وَوَكَالَةَ بَيْتِ الْمَالِ، وَذُكِرَ لِلْقَضَاءِ.

تُوُفِّيَ بِنَاحِيَةِ الْكَرْكِ قَاصِدًا لِلْحَجِّ فِي ذِي الْقَعْدَةِ.

قَرَأْتُ عَلَى أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْوَائِلِيِّ، وَأَحْمَدَ بْنِ فَرَحٍ، وَشَعْبَانَ الْأَرْبِلِيِّ، وَعِدَّةٍ، قَالُوا: أَنَا النَّجِيبُ عَبْدُ اللَّطِيفِ، أَنَا ابْنُ كُلَيْبٍ، وَأَنْبَأَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ السَّلَامِ، وَالْخَضْرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، وَأَحْمَدُ بْنُ أَبِي الْخَيْرِ، عَنِ ابْنِ كُلَيْبٍ، أَنَا عَلِيُّ بْنُ بَيَانٍ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ، أَنَا إِسْمَاعِيلُ الصَّفَّارُ، نَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ، نَا هُشَيْمٌ، عَنِ أَبِي بَشِيرٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ ابْن يَسَارٍ أُصَلِّي بِصَلَاتِهِ، قَالَ: «فَأَخَذَ بِذُؤَابٍ كَانَ لِي أَوْ بِرَأْسِي فَأَقَامَنِي عَنْ يَمِينِهِ» .

أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ، عَنْ قُتَيْبَةَ، عَنْ هُشَيْمٍ.

فَوَقَعَ لَنَا بَدَلًا عَالِيًا

أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْغَنِيِّ الْعَلَائِيُّ الْحَرَّانِيُّ ثُمَّ الدِّمَشْقِيُّ الْحَنْبَلِيُّ، الْإِمَامُ الْفَقِيهُ شِهَابُ الدِّينِ.
তাঁর জন্ম ৬৫৩ হিজরি সনে সিনজারে।

তিনি তাঁর পিতা এবং একদল আলেমের নিকট ফিকহ শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন। তিনি মিশরে নাজীব আব্দুল লতিফের নিকট এবং দামেস্কে ইবনে আবিল খায়ের, আল-ফাখর আলী ইবনুল সায়রাফি ও একদল উস্তাদের নিকট হাদিস শ্রবণ করেন।

তিনি কিছুকাল হাদিস অন্বেষণ করেন, মাশায়েখদের নিকট পাঠ গ্রহণ করেন এবং এ বিষয়ে বুৎপত্তি লাভ করেন। তিনি আল-মাদরাসা আল-নাসিরিয়্যাহর প্রধান শিক্ষক, দারুল হাদিসের তত্ত্বাবধায়ক এবং বায়তুল মালের প্রতিনিধি (উকিল) এর ন্যায় উচ্চপদসমূহে অধিষ্ঠিত ছিলেন। বিচারক (কাযী) পদের জন্যও তাঁর নাম আলোচিত হয়েছিল।

তিনি হজ পালনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে যিলকদ মাসে কারাক অঞ্চলে ইন্তেকাল করেন।

আমি আহমাদ বিন মুহাম্মদ আল-ওয়াইলি, আহমাদ বিন ফারাহ, শাবান আল-ইরবিলি এবং আরও কয়েকজনের নিকট পাঠ করেছি; তাঁরা বলেছেন: নাজীব আব্দুল লতিফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ইবনে কুলাইব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন আব্দুস সালাম, আল-খাদর বিন আব্দুল্লাহ এবং আহমাদ বিন আবিল খায়ের, তাঁরা ইবনে কুলাইব থেকে, তিনি আলী বিন বায়ান থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন মাখলাদ থেকে, তিনি ইসমাইল আস-সাফফার থেকে, তিনি হাসান বিন আরাফাহ থেকে, তিনি হুশাইম থেকে, তিনি আবু বাশির থেকে, তিনি সাঈদ বিন জুবাইর থেকে, তিনি ইবনে ইয়াসার থেকে বর্ণনা করেন যে, আমি তাঁর (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাথে সালাত আদায় করছিলাম, তিনি বললেন: "অতঃপর তিনি আমার চুলের ঝুটি বা আমার মাথা ধরলেন এবং আমাকে তাঁর ডান পাশে দাঁড় করালেন।"

ইমাম বুখারি এটি কুতাইবা থেকে, তিনি হুশাইম থেকে বর্ণনা করেছেন।

এটি আমাদের নিকট একটি উচ্চস্তরের 'বাদাল' (বিকল্প উচ্চ সনদ) হিসেবে গণ্য হয়েছে।

আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন আব্দুল গনি আল-আলাই আল-হাররানি, অতঃপর আদ-দিমাশকি আল-হাম্বলি, ইমাম, ফকিহ, শিহাবুদ্দিন।