(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: -)
جواب الحافظ المنذري عن أسئلة في الجرح والتعديل القسم: علوم الحديث
الكتاب: جواب الحافظ أبى محمد عبد العظيم المنذري المصري عن أسئلة فى الجرح والتعديل
المؤلف: عبد العظيم بن عبد القوي بن عبد الله، أبو محمد، زكي الدين المنذري (ت 656هـ)
المحقق: عبد الفتاح أبو غدة
الناشر: مكتب المطبوعات الإسلامية بحلب
عدد الصفحات: 99
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
জারহ ও তাদীল সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে হাফেজ আল-মুনজিরীর জবাব বিভাগ: হাদিস শাস্ত্র
কিতাব: জারহ ও তাদীল সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে হাফেজ আবু মুহাম্মদ আব্দুল আজিম আল-মুনজিরী আল-মিসরীর জবাব
লেখক: আব্দুল আজিম বিন আব্দুল কাবি বিন আব্দুল্লাহ, আবু মুহাম্মদ, জাকিউদ্দীন আল-মুনজিরী (মৃত্যু ৬৫৬ হিজরি)
গবেষক: আব্দুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ
প্রকাশক: মাকতাবুল মাতবুআত আল-ইসলামিয়া, হালাব
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৯৯
[বইটির পৃষ্ঠা বিন্যাস মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ٣)
جواب الحافظ المنذري عن أسئلة في الجرح والتعديل
আল-জারহ ওয়াত-তাদিল বিষয়ক প্রশ্নাবলীর উত্তরে হাফিজ আল-মুনজিরীর জবাব
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ٥)
بسم الله الرحمن الرحيم
تقدمة بين يدي رسالة المنذري:كتب الحافظ المنذري رحمه الله هذه الرسالة، جوابا عن سؤال مطول ورد
إليه من أحد علماء عصره، وقد أطال السائل السؤال ونوعه، بغية ازدياد الاستفادة
له، وقد سال عن بعض المعضلات التي تعترض المشتغلين بالحديث، عند قيامهم
بالتخريج والجرح والتعديل ونقد الرواة.
والرسالة على صغر حجمها ولطافة قدرها، تضمنت فوائد جلى واجابات
مؤصلة، فلذا كانت جديرة بالعناية والنشر، لسدها ثغرة من ثغرات البحث الحديثي
لدى المشتغلين بالسنة المشرفة وعلومها. وهذه الرسالة مخطوطة محفوظة في المكتبة
الظاهرية بدمشق، ضمن مجموع، برقم 9 (ق 28 1 - 37 ا) وخطها حسن مقروء،
ولم يذكر اسم كاتبها ولا تاريخ كتابتها فيها.
وقد وقفت على مصورة هذه الرسالة من مدة بعيدة، وكنت أعزم على خدمتها
ونشرها، لتكون ضمن الرسائل الحديثية الأربع التي خدمتها واعتنيت بها، مما
يتصل بعلم الجرح والتعديل، وهي رسالتا التاج السبكي: قاعدة في الجرح
والتعديل، وقاعدة في المؤزخين، ورسالة الحافظ السخاوي: المتكلمون في
الرجال، ورسالة الحافظ الذهبي: ذكر من يعتمد قوله في الجرح والتعديل، فتكون
رسالة الحافظ المنذري خامسة هذه الرسائل، ولكن لم يقدر لي ذلك في حينه.
ثم وقفت عليها مطبوعة في سنة 1406 بمطبعة الفيصل بالكويت، بالعنوان
التالي: (رسالة في الجرح والتعديل للإمام الحافظ المنذري، حققه وعلق عليه
- كذا - عبد الرحمن عبد الجبار الفريوائي - مكتبة دار الأقصى) . فصرفت النظر
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
হাফেজ মুনযিরীর রিসালার ভূমিকা:হাফেজ মুনযিরী রহিমাহুল্লাহ তাঁর সমসাময়িক জনৈক আলেমের পক্ষ থেকে আসা একটি দীর্ঘ প্রশ্নের উত্তরে এই রিসালাটি লিখেছেন। প্রশ্নকারী প্রশ্নটিকে দীর্ঘ ও বৈচিত্র্যপূর্ণ করেছিলেন যাতে তিনি অধিকতর উপকৃত হতে পারেন। তিনি হাদীস নিয়ে গবেষণারত ব্যক্তিবর্গের সামনে আসা কিছু জটিল সমস্যা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, যা তখরীজ, জারহ-ওয়াত-তাদীল এবং রাবীদের সমালোচনার কাজ সম্পন্ন করার সময় তাদের সামনে উদ্ভূত হয়।
রিসালাটি আকারে ছোট এবং এর গুরুত্ব সূক্ষ্ম হওয়া সত্ত্বেও এতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফায়দা এবং মৌলিক উত্তরসমূহ সন্নিবেশিত হয়েছে। তাই এটি বিশেষ মনোযোগ এবং প্রকাশের যোগ্য ছিল, কেননা এটি সম্মানিত সুন্নাহ ও এর উলূম নিয়ে গবেষণারত ব্যক্তিবর্গের হাদীস বিষয়ক গবেষণার একটি শূন্যস্থান পূরণ করে। এই রিসালাটি দামেস্কের মাকতাবাতুজ জাহিরিয়্যাহ-তে একটি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত ৯ নম্বর (পৃষ্ঠা ২৮খ - ৩৭ক) পাণ্ডুলিপি হিসেবে সংরক্ষিত আছে। এর হাতের লেখা সুন্দর ও পাঠযোগ্য। এতে এর লেখকের নাম কিংবা এটি রচনার তারিখ উল্লেখ করা হয়নি।
আমি অনেক আগে এই রিসালাটির একটি ফটোকপি পেয়েছিলাম এবং জারহ-ওয়াত-তাদীল শাস্ত্র সংশ্লিষ্ট যে চারটি হাদীস বিষয়ক রিসালা নিয়ে আমি কাজ করেছি এবং গুরুত্ব দিয়েছি, সেগুলোর অন্তর্ভুক্ত করে এটিও সম্পাদনা ও প্রকাশের ইচ্ছা পোষণ করেছিলাম। সেই চারটি রিসালা হলো তাজ সুবকী-র দুটি রিসালা: ‘জারহ ও তাদীল বিষয়ক মূলনীতি’ এবং ‘ঐতিহাসিকদের বিষয়ে মূলনীতি’; হাফেজ সাখাভী-র রিসালা: ‘রাবীদের সমালোচনাকারীগণ’ এবং হাফেজ যাহাবী-র রিসালা: ‘জারহ ও তাদীলের ক্ষেত্রে যাদের কথা নির্ভরযোগ্য তাদের আলোচনা’। ফলে হাফেজ মুনযিরীর রিসালাটি হতো এই রিসালাগুলোর মধ্যে পঞ্চম। কিন্তু তখন আমার পক্ষে তা সম্ভব হয়ে ওঠেনি।
এরপর ১৪০৬ হিজরীতে কুয়েতের আল-ফয়সাল প্রেস থেকে আমি এটি মুদ্রিত অবস্থায় পাই, যার শিরোনাম ছিল নিম্নরূপ: (ইমাম হাফেজ মুনযিরীর জারহ ও তাদীল বিষয়ক রিসালা, এটি তাহকীক ও টীকা প্রদান করেছেন -এভাবেই- আবদুর রহমান আব্দুল জব্বার আল-ফারইউয়ায়ী - মাকতাবাতু দারিল আকসা)। ফলে আমি এটি প্রকাশের চিন্তা ছেড়ে দিয়েছিলাম।
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ٦)
عن خدمتها والعناية بها، اكتفاء بهذه النشرة التي قام بها الأستاذ عبد الرحمن
عبد الجبار الفريوائي جزاه الله خيرا.
ثم عرضت لي مراجعة فيها، فقرأتها في المطبوعة وتوقفت في كثير من
كلماتها التي أثبتت على غير وجهها، وظهر لي فيها أخطاء علمية فاحشة، فقابلت
المطبوعة بالأصل الوحيد المطبوعة عنه، فرأيتها مثلومة مكلومة في مواضع كثيرة،
ساقطا منها الكلمة والكلمتان، والجملة والجملتان، بل الصفحة والصفحتان!
فقد وقع فيها سقط كبير يبلغ في المطبوعة نحوثلاثين سطرا، مما يلغي
النشرة ويجعلها مرفوضة منبوذة. فاسفت لذلك جدا، وما كنت أظن بالأستاذ الكريم
أن تقع له تلك الأخطاء لولاوقوعها ووقوفي عليها.
فتحركت همتي من جديد إلى نشرها تامة كاملة، سليمة مستقيمة، بقراءة
صحيحة، أرجو أن لا تكون خاطئة ولا واهمة، وعلقت عليها بإيجاز بالغ في
مواضع، وبإسهاب في مواضع، نظرا لمقتضى المقام. وجعلت لشرح قول
أبي حاتم الرازي: (يكتب حديثه ولا يحتج به) ، ونقده (تتمة) في اخر الرسالة،
ووضعت لمباحثها عناوين تتقدمها بين هلالين، إضافة مني لتيسير فهمها، وترجمت
للحافظ المنذري ترجمة لائقة بسمو مقامه وإمامته رحمه الله تعالى. وأرجو أن تكون
هذه النشرة أو الطبعة مؤدية الغاية التي كتب الإمام المنذري الرسالة من أجلها.
ونبهت في تعليقي على الرسالة إلى مواضع التحريف والخطأ والسقط
والنقص في نشرة الأستاذ الفريوائي، رامزأ إلى اسمه بحرف (ف) . ورأيت أن أذكر
هنا جملة ماوهم فيه، ليتبئين عظم الخلل الذي وقع منه في تلك الطبعة، ولتظهر
مزية هذه الطبعة وتمامها وسلامتها من الأخطاء التي وقعت في تلك النشرة، ومن الله
العون والتوفيق:
ا - جاء في عنوان الرسالة: "رسالة في الجرح والتعديل. .. حققه وعلق عليه
عبد الرحمن. . . ". وهذا الخطأ ظاهر لا يحتاج إلى تعليق.
এর খেদমত ও এর প্রতি যত্ন নেওয়া থেকে বিরত ছিলাম, উস্তাদ আব্দুর রহমান আব্দুল জাব্বার আল-ফারিওয়ায়ী (আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দিন) কর্তৃক সম্পাদিত এই সংস্করণটির ওপর নির্ভর করে।
অতঃপর এটি পর্যালোচনার সুযোগ হলো, আমি মুদ্রিত কপিতে তা পাঠ করলাম এবং এমন অনেক শব্দের ওপর থমকে দাঁড়ালাম যা ভুলভাবে সাব্যস্ত করা হয়েছে। আর তাতে আমার কাছে অনেক জঘন্য ইলমি ভুল প্রকাশ পেল।
ফলে আমি মুদ্রিত কপিটিকে সেই একমাত্র মূল পাণ্ডুলিপির সাথে মিলিয়ে দেখলাম যা থেকে এটি মুদ্রিত হয়েছে। আমি দেখলাম এটি অনেক স্থানেই ত্রুটিযুক্ত ও ক্ষতবিক্ষত;
তাতে একটি বা দুটি শব্দ, একটি বা দুটি বাক্য, এমনকি এক বা দুই পৃষ্ঠাও বাদ পড়ে গেছে!
এতে অনেক বড় ধরনের বিচ্যুতি ঘটেছে, যা মুদ্রিত কপিতে প্রায় ত্রিশ লাইনের মতো, যা এই সংস্করণটিকে বাতিল করে দেয় এবং একে বর্জনীয় ও ত্যাজ্য করে তোলে। এতে আমি অত্যন্ত দুঃখিত হলাম।
সম্মানিত উস্তাদের পক্ষ থেকে এই ধরনের ভুল ঘটবে বলে আমি ভাবিনি, যদি না তা বাস্তবে ঘটত এবং আমি তা প্রত্যক্ষ করতাম।
ফলে এটি পূর্ণাঙ্গ, ত্রুটিমুক্ত ও নির্ভুল পাঠসহ যথাযথভাবে প্রকাশের ব্যাপারে আমার হিম্মত পুনশ্চ জেগে উঠল। আমি আশা করি এটি ভুল বা বিভ্রান্তিকর হবে না।
আর আমি এর ওপর স্থানভেদে অত্যন্ত সংক্ষেপে এবং কোনো কোনো স্থানে দীর্ঘ আলোচনা করে টীকা প্রদান করেছি, প্রেক্ষিতের প্রয়োজনের দিকে লক্ষ্য রেখে।
আর আবু হাতিম আর-রাজীর উক্তি: (তার হাদীস লেখা হবে কিন্তু তা দলিল হিসেবে গ্রহণ করা হবে না) এর ব্যাখ্যা এবং এর পর্যালোচনার জন্য রিসালাটির শেষে একটি (পরিশिष्ट) যুক্ত করেছি।
আর এর আলোচনার বিষয়গুলোর জন্য বন্ধনীর মাঝে শিরোনাম দিয়েছি, যা অনুধাবন সহজ করার লক্ষ্যে আমার পক্ষ থেকে একটি সংযোজন।
এবং হাফেয আল-মুনযিরী (আল্লাহ তাআলা তাকে রহমত করুন)-এর উচ্চ মর্যাদা ও ইমামতের সাথে মানানসই একটি জীবনী আমি তুলে ধরেছি। আমি আশা করি এই সংস্করণ বা মুদ্রণটি সেই উদ্দেশ্য পূরণ করবে যার জন্য ইমাম মুনযিরী এই রিসালাটি লিখেছিলেন।
আমি এই রিসালার ওপর আমার টীকাগুলোতে উস্তাদ ফারিওয়ায়ীর সংস্করণে বিদ্যমান বিকৃতি, ভুল, বিচ্যুতি ও ঘাটতির স্থানগুলো চিহ্নিত করেছি এবং তার নামের সংকেত হিসেবে (ফা) অক্ষরটি ব্যবহার করেছি।
আর আমি এখানে তার ভ্রান্তিসমূহের সারসংক্ষেপ উল্লেখ করা সঙ্গত মনে করেছি, যাতে সেই মুদ্রণে তার পক্ষ থেকে ঘটে যাওয়া ত্রুটির ভয়াবহতা স্পষ্ট হয় এবং সেই সংস্করণের ভুলগুলো থেকে মুক্ত হয়ে এই মুদ্রণটির শ্রেষ্ঠত্ব, পূর্ণতা ও বিশুদ্ধতা ফুটে ওঠে। আর আল্লাহর কাছেই সাহায্য ও তাওফীক কাম্য:
১- রিসালাটির শিরোনামে এসেছে: "জারহ ও তা'দীল বিষয়ক রিসালা... এটি তাহকীক ও তালীক করেছেন আব্দুর রহমান..."। আর এই ভুলটি অত্যন্ত স্পষ্ট, যা কোনো মন্তব্যের অপেক্ষা রাখে না।
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ٧)
2 - ذكر في ص 4 أن النسخة الخطية لهذه الرسالة (قد كتبت في سنة
871 هـ) . وهذا غير صحيح، فالواقع أن المخطوطة لا تاريخ لكتابتها إطلاقا،
وهذا التاريخ مكتوب على خاتمة رساله قبلها، مكتوبة بخط مغاير لخطها تمام
المغايرة، فالتاريخ لكتابتها بهذا التاريخ خطأ متبرع به! .
3- ترجم للحافظ المنذري ترجمة طويلة من ص 5حتى 19، بلغت
15 صفحة من تلك الطبعة، استقاها واستفادها من كتاب الأستاذ الدكتور بشار عواد
معروف: "المنذرى وكتابه التكملة لوفيات النقلة"، المطبوع في العراق سنة
1388. ولم يشر إلى ذلك بكلمة واحدة، وهذا إخلال بالأمانة العلمية، فما يضره
وينقصه أن لو قال استقيت هذه الترجمة أو جلها من كتاب. . . لفلان، بل يكون
ذلك عنوان أمانته العلمية، ففي هذا الذي سلكه غمط الحق! .
4 - قال في ص 9 أثناء ذكره شيوخ الحافظ المنذري، ما يلي:
(7 - الحافظ الكبير علي بن المفضل المقدسي، توفي سنة 611 هـ، وبه تخرج) .
وقال في ص 10 ما يلي: (15 - الحافظ أبو الحسن المقدسي) . وهو المذكور
برقم 7 عينة، فهما شيخ واحد! .
5 - وقال في ص 9 أيضا أثناء ذكره شيوخ الحافظ المنذري، ما يلي:
(12 - أبو اليمن الكندي بدمشق 130 - أبو اليمن زيد بن الحسن الكندي) . وقال
في ص 10 ما يلي: (17 -التاج الكندي) . وهؤلاء الثلاثة جميعا شيخ واحد
وشيخ واحد! ! ! .
6- وفي ص 13 س 15 جاء قوله: (وكان مجاب الدعوة وقال السبكي
عنه: نرتجي الرحمة بذكره ويستنزل رضا الرحمن بعلمه) . وفي العبارة تحريف عن
أصلها في "طبقات الشافعية الكبرى" للسبكي 8: 259، وهي (ترتجى الرحمة
بذكره، ويستنزل رضا الرحمن بدعائه) .
7- وفي ص 21 س 7 سقطت هذه الجملة بعد قوله وهوصدوق (ويقول
الأخر لاباس به) ! انظر ص 37 من هذه الطبعة.
২ - ৪ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে যে এই পুস্তিকার পাণ্ডুলিপিটি (৮৭১ হিজরিতে লেখা হয়েছে)। এটি সঠিক নয়, বাস্তবতা হলো পাণ্ডুলিপিটিতে লেখার কোনো তারিখই নেই,
আর এই তারিখটি এর আগের একটি পুস্তিকার শেষে লেখা রয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন হস্তাক্ষরে লিখিত, ফলে এই তারিখে এটি লেখা হয়েছে বলাটা একটি স্বপ্রণোদিত ভুল! ।
৩- ৫ থেকে ১৯ পৃষ্ঠা পর্যন্ত হাফেজ আল-মুনজিরির একটি দীর্ঘ জীবনী দেওয়া হয়েছে, যা ওই সংস্করণের ১৫ পৃষ্ঠা ব্যাপী বিস্তৃত। তিনি এটি অধ্যাপক ডক্টর বাশার আওয়াদ
মারুফের বই: "আল-মুনজিরি ওয়া কিতাবুহু আত-তাকমিলা লি-ওয়াফায়াতিন ნაკালা" থেকে সংগ্রহ ও ব্যবহার করেছেন, যা ১৩৮৮ হিজরিতে ইরাকে মুদ্রিত হয়েছিল।
কিন্তু তিনি এর একটি শব্দও উল্লেখ করেননি, যা বৈজ্ঞানিক আমানতের খেলাপ। তার কী ক্ষতি হতো
বা কী কমে যেত যদি তিনি বলতেন যে, আমি এই জীবনী বা এর অধিকাংশ অমুকের বই থেকে সংগ্রহ করেছি, বরং
এটিই হতো তার বৈজ্ঞানিক সততার পরিচয়; তিনি যা করেছেন তাতে সত্য গোপন করা হয়েছে! ।
৪ - ৯ পৃষ্ঠায় হাফেজ আল-মুনজিরির শায়খদের আলোচনার সময় তিনি নিম্নোক্ত কথাটি বলেছেন:
(৭ - আল-হাফেজ আল-কাবির আলী বিন আল-মুফাদ্দাল আল-মাকদিসি, ৬১১ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেছেন এবং তার কাছেই তিনি শিক্ষা সমাপ্ত করেছেন) ।
আবার ১০ পৃষ্ঠায় নিম্নোক্ত কথাটি বলেছেন: (১৫ - আল-হাফেজ আবুল হাসান আল-মাকদিসি) । অথচ তিনি
৭ নম্বরে উল্লিখিত ব্যক্তিই, তারা উভয়ে মূলত একজনই শায়খ! ।
৫ - ৯ পৃষ্ঠায় হাফেজ আল-মুনজিরির শায়খদের বর্ণনায় তিনি আরও বলেছেন:
(১২ - দামেস্কের আবু আল-ইয়ামান আল-কিন্দি ১৩০ - আবু আল-ইয়ামান যায়েদ বিন আল-হাসান আল-কিন্দি) । আবার
১০ পৃষ্ঠায় বলেছেন: (১৭ - আত-তাজ আল-কিন্দি) । অথচ এই তিনজনই মূলত একজনই শায়খ
এবং একজনই ব্যক্তি! ! ! ।
৬- ১৩ পৃষ্ঠার ১৫ লাইনে তার এই বক্তব্য এসেছে: (তিনি ছিলেন মুজাবুদ দাওয়াহ এবং সুবকি
তার সম্পর্কে বলেছেন: তার স্মরণে আমরা রহমতের আশা করি এবং তার ইলমের উসিলায় রহমানের সন্তুষ্টি কামনা করা হয়) । অথচ বাক্যটি
সুবকির "তাবাকাতুশ শাফিইয়্যাহ আল-কুবরা" ৮: ২৫৯-এর মূল পাঠ থেকে বিকৃত করা হয়েছে, যা হলো (তার স্মরণে রহমতের
আশা করা হয়, এবং তার দোয়ার উসিলায় রহমানের সন্তুষ্টি কামনা করা হয়) ।
৭- ২১ পৃষ্ঠার ৭ লাইনে 'তিনি সত্যবাদী' বলার পর এই বাক্যটি বাদ পড়েছে (এবং
অন্যজন বলেন তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই) ! এই সংস্করণের ৩৭ পৃষ্ঠা দেখুন।
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ٨)
8- وفي ص 21 س 12 جاء: (اذا قال واحد منهم) ، سقط منها: (وهل
اذا قال. 00) ، انظر ص 39 من هذه الطبعة.
9 - وفي ص 21 س 14 جاء: (فإن قال: ليس بشيء يقدم على من قال: هوثقة) ،
سقط من هذه الجملة كلمة (من) وبسقوطها فسدت العبارة! وهي في الأصل: (فان من قال:
ليس بشيء 000) ، انظرص 39 من هذه الطبعة.
10 - جاء في ص 24 س 4: (وقال ابن سعيد: كان ثقة. . .) . وقد وقع
في الأصل هكذا (ابن سعيد) بالياء، وهوخطا وتحريف عن (ابن سعد) فتابعه
وقرره.
اا- وفي ص 24 س. ا (كيف يقبل. . .) . في الأصل (وكيف
يقبل. . .) ، فاسقط الواو.
2 ا- وفي ص 24 س 10 وا او 12 (من غيرتعيين) . وهكذاوقع في
الأصل، وهوخطا فتابعه وقرره، وصوابه: (من غير تبيين) بالباء الموحدة في
المواضع الثلاثة.
13 - وفي ص 24 س هـ ا (فإن الشخص لا يكون صادقا كاذبا في حاله) .
كذا وقع في الأصل: (في حاله) . فتابعه وهوخطأ، صوابه: (في حالة) بالتاء
المنقوطة.
14 - جاء في ص 26 س 14، تفسيرا لقول السائل: (وقال أحمد بن
عبد الله: لا باس به) . قول الأستاذ الفريوائي: (هوأبو نعيم الأصفهاني صاحب
الحلية) 0 انتهى. وهوغلط فاحش! فليس هو أبا نعيم الأصفهاني، لانما هو:
(أحمد بن عبد الله بن صالح العجلي، صاحب كتاب الثقات) . وأوضحت هذا بيانا
ودليلا في موضعه من هذه الطبعة في ص 43.
5ا- في ص 27 س 7 جاء مايلي: (أمابعدحمدا لله العلي العظيم
والصلاة على خير خلقه محمد النبي الكريم) . فنصب (حمدا) وجعل لفظ الجلالة
৮- এবং ২১ পৃষ্ঠার ১২ নং লাইনে এসেছে: (যদি তাদের একজন বলে), এখান থেকে বাদ পড়েছে: (এবং কি যখন সে বলে...), এই সংস্করণের ৩৯ পৃষ্ঠা দেখুন।
৯ - এবং ২১ পৃষ্ঠার ১৪ নং লাইনে এসেছে: (যদি সে বলে: এটি কিছুই নয়, তবে তাকে অগ্রগণ্য করা হবে যে বলেছে: সে নির্ভরযোগ্য - এর ওপর), এই বাক্যটি থেকে 'মান' (من) শব্দটি বাদ পড়েছে এবং এর বাদ পড়ার কারণে বাক্যটি ত্রুটিপূর্ণ হয়ে পড়েছে! মূল পাঠে এটি হলো: (নিশ্চয় যে ব্যক্তি বলেছে: এটি কিছুই নয়...), এই সংস্করণের ৩৯ পৃষ্ঠা দেখুন।
১০ - ২৪ পৃষ্ঠার ৪ নং লাইনে এসেছে: (এবং ইবনে সাঈদ বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন...)। মূল পাণ্ডুলিপিতে এটি 'ইয়া' বর্ণ যোগে (ইবনে সাঈদ) এভাবেই এসেছে, যা ভুল এবং (ইবনে সাদ)-এর বিকৃতি; তিনি সেটিই অনুসরণ করেছেন এবং বহাল রেখেছেন।
১১- এবং ২৪ পৃষ্ঠার ১ নং লাইনে (কিভাবে কবুল করা হবে...)। মূল পাণ্ডুলিপিতে ছিল (আর কিভাবে কবুল করা হবে...), তিনি 'ওয়াও' অক্ষরটি বাদ দিয়েছেন।
১২- এবং ২৪ পৃষ্ঠার ১০ বা ১২ নং লাইনে (নির্দিষ্ট করা ছাড়াই)। মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই এসেছে, যা ভুল; তিনি সেটিই অনুসরণ করেছেন এবং বহাল রেখেছেন। এর সঠিক রূপ হলো: (স্পষ্ট করা ছাড়াই), তিনটি স্থানেই এক নুকতা বিশিষ্ট 'বা' বর্ণ যোগে হবে।
১৩ - এবং ২৪ পৃষ্ঠার ১৫ নং লাইনে (কেননা কোনো ব্যক্তি তার অবস্থায় একইসাথে সত্যবাদী ও মিথ্যাবাদী হতে পারে না)। মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই এসেছে: (তার অবস্থায় - হা বর্ণ যোগে)। তিনি সেটিই অনুসরণ করেছেন অথচ তা ভুল, এর সঠিক রূপ হলো: (অবস্থায় - নুকতাযুক্ত তা বা গোল তা বর্ণ যোগে)।
১৪ - ২৬ পৃষ্ঠার ১৪ নং লাইনে প্রশ্নকারীর উক্তি: (এবং আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ বলেছেন: এতে কোনো সমস্যা নেই)-এর ব্যাখ্যায় উস্তাদ ফারিওয়াই-এর বক্তব্য এসেছে: (তিনি হলেন আবু নুয়াইম আল-আসফাহানি, হিলইয়াহ গ্রন্থের লেখক)। সমাপ্ত। এটি একটি চরম ভুল! তিনি আবু নুয়াইম আল-আসফাহানি নন, বরং তিনি হলেন: (আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সালিহ আল-ইজলি, 'কিতাবুত সিকাত' গ্রন্থের লেখক)। আমি এই সংস্করণের ৪৩ পৃষ্ঠায় সংশ্লিষ্ট স্থানে এটি বর্ণনা ও প্রমাণসহ স্পষ্ট করেছি।
১৫- ২৭ পৃষ্ঠার ৭ নং লাইনে নিম্নোক্ত পাঠটি এসেছে: (অতঃপর সুউচ্চ ও মহান আল্লাহর প্রশংসার পর এবং তাঁর সৃষ্টির সেরা নবী মুহাম্মাদ (সা.)-এর ওপর দরূদ পাঠের পর)। এখানে 'হামদান' শব্দটিকে নসব (যবর) দেয়া হয়েছে এবং মহান আল্লাহর পবিত্র নামকে...
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ٩)
مجرورا هكذا (الله) ، وهي قراءة خاطئة مكشوفة الخطا، والصواب فيها: (أما بعد
حمد الله العلي! العظيم والصلاة. 00) ، انظر ص 45 من هذه الطبعة.
16 - في ص 27 س 13 جاء (أن يعمنا ببركات سيد المرسلين) . سقط هنا
كلمة وهي: (أن يعمنا أجمعين ببركات. 00) انظرص 45 من هذه الطبعة.
17 - في ص 35 س اجاء (هذا ما ذكره ابن أبي حاتم عندما وجده من
عباراتهم) . وجاء في الأصل: (عن ما وجده. . .) . وكلاهما تحريف! صوابه: (هذا
ما ذكره ابن أبي حاتم مما وجده من عباراتهم) انظر ص 53.
18 - في ص 33 س اجاء (قلت له: إذا أقيل أ: فلان لين أيش تريد به؟
قال: لا يكون. 00) انتهى، وعبارة الأصل هكذا (قلت له: إذا فلان لين. . .) .
ففيها سقط كلمة (قلت) بعد لفظ (إذا) . فاثبتها الأستاذ الفريوائي أقيل، وأخطا في
ذلك، والصواب: (قلت) كما أثبتها، بدليل قوله بعد: (قال: لا يكون. 00) 0 انظر
ص 61.
19 - فى ص 33 س 4 جاء (قال: لان نبهوه ويرجع عنه فلا يسقط. . .) .
هكذا وقع في الأصل: (ويرجع عنه) . وتابعه وقرره الأستاذ الفريوائي، وهوخطأ
وتحريف، صوابه: (ورجع عنه) ، كما جاء في أول (سؤالات السهمي للدارقطني "
ص 72.
20 - في ص 33 س 9 جاء (وأنا أسمع بنسأ) ، بهمزة فوق الألف، وهو في
الأصل غير مهموز، وهو الصواب، لاثبات الهمزة هنا خطا. انظر ص 62.
21- في ص 33 س 13 ضبط (00. الحسن بن عليك) بكسرالياء
المشددة مشكولا، وهو ضبط خاطىء، وصوابه بفتح الياء المشددة: (عليك) 0 انظر
ص 63.
22 - في ص 35 س 5جاء (أنبانا أبوالقاسم عبد الملك. . .) . وهكذا
وقعت كنيته في الأصل، وهوخطا أو سهو نظر، وصوابه: أبو الفتح، كما في غير
মজরুর হিসেবে এভাবে (আল্লাহ), যা একটি ভুল পাঠ এবং যার ভুল সুস্পষ্ট। এতে সঠিক হলো: (অতঃপর সুউচ্চ ও মহান আল্লাহর প্রশংসার পর এবং দরুদ...)। এই সংস্করণের ৪৫ পৃষ্ঠা দেখুন।
১৬ - ২৭ পৃষ্ঠার ১৩ নম্বর লাইনে এসেছে (যেন তিনি আমাদের রাসুলদের সরদারের বরকত দ্বারা আবৃত করেন)। এখানে একটি শব্দ বাদ পড়েছে আর তা হলো: (যেন তিনি আমাদের সকলকে বরকতের দ্বারা...)। এই সংস্করণের ৪৫ পৃষ্ঠা দেখুন।
১৭ - ৩৫ পৃষ্ঠার ১ম লাইনে এসেছে (ইবনে আবি হাতিম তাদের বক্তব্যের মধ্য থেকে যা পেয়েছেন বলে এটি উল্লেখ করেছেন)। মূল পাণ্ডুলিপিতে এসেছে: (তিনি যা পেয়েছেন তা থেকে...)। উভয়টিই বিকৃতি! এর সঠিক হলো: (ইবনে আবি হাতিম তাদের বক্তব্যের মধ্য থেকে যা পেয়েছেন, তা থেকে এটি উল্লেখ করেছেন)। ৫৩ পৃষ্ঠা দেখুন।
১৮ - ৩৩ পৃষ্ঠার ১ম লাইনে এসেছে (আমি তাকে বললাম: যখন বলা হয় 'আকিল': অমুক দুর্বল, আপনি এর দ্বারা কী বুঝাতে চান? তিনি বললেন: তা হবে না...)। সমাপ্ত। মূল পাঠের বাক্যরীতি এভাবে (আমি তাকে বললাম: যখন অমুক দুর্বল...)। এতে 'ইজা' শব্দের পরে 'কুলতু' (আমি বললাম) শব্দটি বাদ পড়েছে। উস্তাদ আল-ফারইউয়ায়ী একে 'আকিল' হিসেবে বহাল রেখেছেন এবং এতে ভুল করেছেন। সঠিক হলো: 'কুলতু' (আমি বললাম) যেমনটি আমি সাব্যস্ত করেছি, যার প্রমাণ হলো পরবর্তীতে তার এই উক্তি: (তিনি বললেন: তা হবে না...)। ৬১ পৃষ্ঠা দেখুন।
১৯ - ৩৩ পৃষ্ঠার ৪র্থ লাইনে এসেছে (তিনি বললেন: কারণ তারা তাকে সতর্ক করবে এবং সে তা থেকে ফিরে আসবে, ফলে সে বিচ্যুত হবে না...)। মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই এসেছে: (এবং সে তা থেকে ফিরে আসবে)। উস্তাদ আল-ফারইউয়ায়ী এটিই অনুসরণ ও বহাল রেখেছেন, অথচ এটি ভুল ও বিকৃতি। এর সঠিক হলো: (এবং সে তা থেকে ফিরে এসেছে), যেমনটি আদ-দারা কুতনি-র 'সুয়ালাতুস সাহমি' (পৃষ্ঠা ৭২)-র শুরুতে এসেছে।
২০ - ৩৩ পৃষ্ঠার ৯ম লাইনে এসেছে (আর আমি বিনাসআ শুনছি), আলিফের ওপর হামজা দিয়ে। মূল পাণ্ডুলিপিতে এটি হামজা ছাড়াই ছিল, আর সেটিই সঠিক; কেননা এখানে হামজা ব্যবহার করা ভুল। ৬২ পৃষ্ঠা দেখুন।
২১- ৩৩ পৃষ্ঠার ১৩ নম্বর লাইনে (আল-হাসান বিন আলাইক) নামটি তাশদিদযুক্ত ইয়া-এর নিচে যের দিয়ে হরকত প্রদান করা হয়েছে, যা একটি ভুল পদ্ধতি। এর সঠিক হলো তাশদিদযুক্ত ইয়া-এর ওপর জবর দিয়ে: (আলাইক)। ৬৩ পৃষ্ঠা দেখুন।
২২ - ৩৫ পৃষ্ঠার ৫ম লাইনে এসেছে (আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আব্দুল মালিক...)। মূলে তার উপনাম এভাবেই এসেছে, যা একটি ভুল বা দৃষ্টির বিভ্রম। এর সঠিক হলো: আবুল ফাতহ, যেমনটি অন্যান্য স্থানে...
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ١٠)
كتاب ترجم له فيه، ولم يذكروا هذه الكنية. فاثبته الأستاذ الفريوائي وقرره! انظر
ص 64.
23 - في ص 2 4 س 2 جاء (قد أكثر الأئمة الكلام فيه -أي: في
ابن اسحاق - في الطرفين: الثناء والذم) . وفي هذا سقط بالغ، وهوكما في
الأصل: (. . . فمحمد بن إسحاق بن يسار قد أكثر الأئمة الكلام فيه. . .) . انظر
مر، 73.
24 - في ص 4 4 س 4 جاء (وإن لم يقتض عنده حجة في رد حديثه) .
وهذه قراءة خاطئة مخالفة لما في الأصل، الذي هو: (لان لم يتيقن عنده حجة في
رد حديثه) 0 انظرص 76.
25- في ص 44 س 5جاء (غيرأنه أحدث ريبة منعته من. . .) ، سقط هنا
لفظ (ما) الثابت في الأصل هكذا: (غير أنه أحدث ريبة ما منعته. 00) 0 انظر
ص 76.
26- في ص 4 4 س 9 جاء (ومامن الكلام فيه. . .) . كذا وقع في
الأصل، فتابعه وأقره! وفيه سقط هو: (وما جاء من الكلام فيه.. .) . انظر
ص 77.
27 - في ص 5 4 س 2 -3 جاء (وحدث عنه ثلاثة من الأئمة) ،
وهوتحريف فاحش وقراءة خاطئة! وصوابه كما رسم في الأصل: (وحدث عنه ثلة
من الأئمة. 00) 0 انظر ص 78.
28 - في ص 45 س 7 جاء (فقال: أيش نقدر نقول في ذاك) ، كذا وقع
في الأصل فتابعه وقرره، وصوابه وتمامه هكذا: (فقال علي: أيش تقدر أن تقول
في ذاك) كما جاءت هذه العبارة في غير كتاب كتهذيب الكمال وتهذيب التهذيب
وغيرهما. ثم سقط من طبعة (ف) أيضا لفظ (علي) بعد (فقال) ! انظر ص 79.
29 - في ص 47 س 7 جاء (ويجري الكلام عنده فيه ما يكون
একটি গ্রন্থ যেখানে তাঁর জীবনী আলোচনা করা হয়েছে, কিন্তু তাঁরা এই উপনামটি উল্লেখ করেননি। উস্তাদ আল-ফারিওয়াই এটি সাব্যস্ত করেছেন এবং বহাল রেখেছেন! দেখুন
পৃষ্ঠা ৬৪।
২৩ - ৪২ পৃষ্ঠার ২ নম্বর লাইনে এসেছে (ইমামগণ তাঁর সম্পর্কে—অর্থাৎ ইবনে ইসহাকের ব্যাপারে—উভয় পক্ষেই অনেক কথা বলেছেন: প্রশংসা ও নিন্দা)। এতে একটি বড় বিচ্যুতি রয়েছে, অথচ মূল পাণ্ডুলিপিতে বিষয়টি এভাবে ছিল: (...মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন ইয়াসার সম্পর্কে ইমামগণ অনেক কথা বলেছেন...)। দেখুন
পৃষ্ঠা ৭৩।
২৪ - ৪৪ পৃষ্ঠার ৪ নম্বর লাইনে এসেছে (যদিও তাঁর নিকট তাঁর হাদিস প্রত্যাখ্যানের বিষয়ে কোনো প্রমাণ আবশ্যক মনে হয়নি)।
এটি একটি ভুল পাঠ যা মূল পাণ্ডুলিপির পরিপন্থী, যেখানে রয়েছে: (যেহেতু তাঁর নিকট তাঁর হাদিস প্রত্যাখ্যানের বিষয়ে কোনো প্রমাণ নিশ্চিতভাবে পাওয়া যায়নি)। দেখুন পৃষ্ঠা ৭৬।
২৫- ৪৪ পৃষ্ঠার ৫ নম্বর লাইনে এসেছে (তবে তিনি এমন সন্দেহ সৃষ্টি করেছেন যা তাঁকে... থেকে বিরত রেখেছে), এখানে মূল পাণ্ডুলিপিতে বিদ্যমান
(মা) শব্দটি বাদ পড়েছে, যা এভাবে ছিল: (তবে তিনি কিছুটা সন্দেহ সৃষ্টি করেছেন যা তাঁকে... থেকে বিরত রেখেছে)। দেখুন
পৃষ্ঠা ৭৬।
২৬- ৪৪ পৃষ্ঠার ৯ নম্বর লাইনে এসেছে (এবং তাঁর ব্যাপারে যা কথা আছে...)। মূল পাণ্ডুলিপিতেও
এভাবেই ছিল, তাই তিনি সেটিকে অনুসরণ করেছেন এবং বহাল রেখেছেন! অথচ এতে শব্দ বাদ পড়েছে, যা হলো: (এবং তাঁর ব্যাপারে যে সকল কথা বর্ণিত হয়েছে...)। দেখুন
পৃষ্ঠা ৭৭।
২৭ - ৪৫ পৃষ্ঠার ২-৩ নম্বর লাইনে এসেছে (এবং তাঁর থেকে তিনজন ইমাম হাদিস বর্ণনা করেছেন),
যা একটি জঘন্য বিকৃতি এবং ভুল পাঠ! এর সঠিক রূপটি মূল পাণ্ডুলিপিতে যেভাবে আছে: (এবং তাঁর থেকে ইমামদের একটি দল
হাদিস বর্ণনা করেছেন...)। দেখুন পৃষ্ঠা ৭৮।
২৮ - ৪৫ পৃষ্ঠার ৭ নম্বর লাইনে এসেছে (অতঃপর তিনি বললেন: সে বিষয়ে আমরা কী বলতে পারি), মূল পাণ্ডুলিপিতেও
এভাবেই ছিল তাই তিনি তা অনুসরণ ও বহাল রেখেছেন, এর সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ রূপ হলো: (অতঃপর আলী বললেন: সে বিষয়ে আপনি কী বলতে পারেন)
যেমনটি এই বাক্যটি তাহজিবুল কামাল এবং তাহজিবুত তাহজিবসহ অন্যান্য গ্রন্থে এসেছে। অধিকন্তু 'ফ' (ফারিওয়াই) সংস্করণে 'বললেন' শব্দের পর 'আলী' শব্দটি বাদ পড়েছে! দেখুন পৃষ্ঠা ৭৯।
২৯ - ৪৭ পৃষ্ঠার ৭ নম্বর লাইনে এসেছে (এবং তাঁর নিকট এ বিষয়ে যে কথা প্রচলিত আছে যা...
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ١١)
جرحا. . .) ، ولفظ (فيه) مكتوب في الأصل، ثم ضرب عليه وكتب بدلا عنه (في
ما يكون جرحا) . والصواب إثباتها هكذا (فيما يكون جرحا) انظر ص 83.
30- في ص 55-57سقط بعد قول المنذري في ص هـ ه سطر 10
(. . . ولا فرق بين أن يكون الجارح مخبرا بذلك للمحدث مشافهة، أوناقلا له عن
غيره، والله عزوجل أعلم) ، وقبل قول المنذري في ص 57س 2 (وأما شرط
الشيخين فقد ذكر الأئمة أن البخاري ومسلما لم ينقل عن واحد منهما. ..) ، سقط
نحو ثلاثين سطرا! ! وهذا نص السقط الواقع في طبعة الأستاذ الفريوائي، وهوفي
الأصل موجود بتمامه:
"واما مانقل عن يحيى بن معين من توثيق شجاع مرة، وتوهينه أخرى،
فهذان القولان في زمانين بلا شك، ولا يعلم السابق منهما، ويحتمل أنه وثقه ثم
وقف على شئ من حاله بعد ذلك يسوغ له الإقدام على ما قاله، وبحتمل أن يكون
تكلم فيه أولا، ثم وقف من حاله بعد ذلك على ما اقتضى توثيقه.
وقد نقل مثل هذا عن يحيى بن معين في غير شجاع بن الوليد من الرواة،
ونقل مثله أيضا عن غير يحيى بن معين من الحفاظ، في حق بعض الرواة، وكل
هذا محمول على اختلاف الأحوال.
وقد قال الحافظ أبو بكر أحمد بن إبراهيم الجرجاني: قد يخطر على قلب
المسئول عن الرجل، من حاله في الحديث وقتا: ما ينكره قلبه، فيخرج جوابه على
حسب النكرة التي في قلبه، وبخطر له ما يخالفه في وقت اخر، فيجيب على
ما يعرفه في الوقت منه ويذكره، وليس ذلك تناقضا ولا إحالة، ولكنه قولم صدر عن
حالين مختلفين، يعرض أحدهما في وقت والأخر في غيره.
ومذاهب النقاد للرجال: مذاهبئ غامضة دقيقة، فإذا سمع أحدهم في
بعضهم أدنى مغمز -وإن لم يكن ذلك موجبا رد خبر ولا إسقاط عدالة - رأى أن
ذلك مما لا يسع إخفاؤه عن أهله، رجاء إن كان صاحبه حيا أن يحمله ذلك على
জখম...)। আর 'তাতে' শব্দটি মূলে লিখিত ছিল, অতঃপর তা কেটে দেওয়া হয়েছে এবং এর পরিবর্তে 'যা জখম বা সমালোচনা স্বরূপ গণ্য হয়' লেখা হয়েছে। আর সঠিক হলো একে এভাবেই বহাল রাখা: (যা জখম বা সমালোচনা স্বরূপ গণ্য হয়), দেখুন পৃ. ৮৩।
৩০- ৫৫-৫৭ পৃষ্ঠায়, আল-মুঞ্জিরির বক্তব্যের পর পৃ. ৫, লাইন ১০-এ বাদ পড়েছে
(...আর জখমকারী (সমালোচক) মুহাদ্দিসকে সরাসরি মৌখিকভাবে তা সংবাদ দিচ্ছেন, নাকি অন্যের থেকে তা বর্ণনা করছেন—এর মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। আর মহান আল্লাহ্-ই সবচেয়ে ভালো জানেন।), এবং ৫৭ পৃষ্ঠার ২য় লাইনে মুঞ্জিরির এই উক্তির পূর্বে: (আর শাইখাইনের শর্তের ব্যাপারে ইমামগণ উল্লেখ করেছেন যে, বুখারি ও মুসলিম তাদের কারো থেকেই বর্ণনা করেননি...), প্রায় ত্রিশটি লাইন বাদ পড়েছে!! আর এটি উস্তাদ আল-ফারিওয়াই-এর সংস্করণে বাদ পড়া অংশটির পাঠ, যা মূলে পূর্ণাঙ্গভাবে বিদ্যমান রয়েছে:
"আর শুজা' সম্পর্কে ইয়াহইয়া ইবনে মায়িন থেকে একবার নির্ভরযোগ্যতা প্রদান এবং অন্যবার দুর্বল সাব্যস্ত করার যে বর্ণনা পাওয়া যায়, এই দুটি বক্তব্য নিঃসন্দেহে দুটি ভিন্ন সময়ের। এদের মধ্যে কোনটি আগে তা জানা যায় না। সম্ভাবনা রয়েছে যে, তিনি তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছিলেন, অতঃপর তার অবস্থা সম্পর্কে এমন কিছু জানতে পেরেছেন যা তাকে তার সেই সমালোচনা করতে বাধ্য করেছে। আবার এও সম্ভাবনা রয়েছে যে, তিনি প্রথমে তার সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করেছিলেন, পরবর্তীতে তার অবস্থা সম্পর্কে এমন কিছু জানতে পেরেছেন যা তাকে নির্ভরযোগ্য সাব্যস্ত করার দাবি রাখে।
ইয়াহইয়া ইবনে মায়িন থেকে শুজা' ইবনে ওয়ালিদ ছাড়া অন্য বর্ণনাকারীদের ক্ষেত্রেও এমনটি বর্ণিত হয়েছে। আবার ইয়াহইয়া ইবনে মায়িন ছাড়া অন্য হাফিযদের থেকেও কিছু বর্ণনাকারীর ক্ষেত্রে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। আর এর সবকিছুই ভিন্ন ভিন্ন অবস্থার ওপর নির্ভরশীল।
হাফিয আবু বকর আহমদ ইবনে ইবরাহিম আল-জুরজানি বলেছেন: কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির মনে কোনো এক সময়ে সেই ব্যক্তির হাদীস বর্ণনার অবস্থা সম্পর্কে এমন কিছু উদয় হতে পারে যা তার মন সায় দেয় না, ফলে তার উত্তর সেই অস্বস্তির ওপর ভিত্তি করেই আসে যা তার মনে উদয় হয়েছে। আবার অন্য কোনো সময়ে তার বিপরীতে অন্য কিছু মনে হতে পারে, তখন তিনি সেই সময়ে যা জানেন সে অনুযায়ী উত্তর দেন এবং তা উল্লেখ করেন। আর এটি কোনো বৈপরীত্য বা অসম্ভব কিছু নয়, বরং এটি দুটি ভিন্ন অবস্থা থেকে উদ্ভূত কথা, যার একটি এক সময়ে প্রকাশ পায় এবং অন্যটি অন্য সময়ে।
আর বর্ণনাকারীদের সমালোচকদের পদ্ধতিসমূহ অত্যন্ত জটিল ও সূক্ষ্ম। তাই তাদের কেউ যখন কারো ব্যাপারে সামান্যতম ত্রুটির কথা শোনেন—যদিও তা বর্ণনা প্রত্যাখ্যান করা বা ন্যায়পরায়ণতা বাতিলের কারণ না হয়—তবুও তিনি মনে করেন যে এটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের থেকে গোপন রাখা সমীচীন হবে না; এই আশায় যে, যদি ঐ ব্যক্তি জীবিত থাকেন তবে এটি তাকে বাধ্য করবে..."
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ١٢)
الارعواء وضبط نفسه عن الغميزة، و (ن كان ميتا أنزله من سمع ذلك منه منزلته،
فلم يلحقه ملحق من سلم من تلك الغميزة، وقصربه على درجة مثله.
ومنهم من رأى أن ذكره ذلك، لينظر: "هل له من أخوات؟ فان أحوال الناس
وطبائعهم جارية على إظهار الجميل و (خفاء ما خالفه، فإذا ظهر مما خالفه شيء، لم
يؤمن أن يكون وراءه له مشبة". انتهى السقط! ! ! انظر ص 86 -88.
كل هذا الكلام الطريل المفيد الهام سقط من طبعة الأستاذ الفريوائي! ثم
رأيته قد جعله تعليقا من كلامه! في ص 56 - 57، فذكره في الحاشية، فزاد الأمر
سوءا، ووقع فيه جملة تحريفات أيضا.
31- جاء في ص 57س 4 (وانما عرف ذلك من سبركتابيهما واعتبر
ماجرحاه) . وضبط لفظ (عرف) هكذا بالبناء للمجهول، وهوضبط خاطىء،
إذ هوبالبناء للمعلوم هكذا: (وانما عرف ذلك من سبركتابيهما. . .) . ووقع هنا في
طبعة (ف) تبعا للأصل! "واعتبر ما جرحاه ا. وهوتحريف صوابه: (واعتبر
ما خرجاه) . ولا دخل للجرح هنا إطلاقا. انظر ص 90.
32- في ص 59س 4 جاء (وإذا قيل له قد خرج في "الصحيح) . . .) ،
والواو هنا قبل (إذا) زيادة من الأستاذ الفريوائى، ليست في الأصل، وبها يفسد
تركيب الكلام. انظر ص 91.
33- في ص 59س 4 أيضا جاء (قد خرج في الصحيح.. .) . وضبط
بالشكل (خرج) بالبناء للمعلوم، وهوخطا، صوابه بالبناء للمجهول. انظر
ص ا 9. وما كانت تقع هذه الأخطاء الكثيرة للأستاذ الفريوائي لولا العجلة!
وفي الختام: أشكر الأستاذ الفريوائي المعروف بعلمه ودقته، على تواضعه
وأمانته، في عزوه وإحالته في كثير من المواضع من تعليقاته، إلى كتاب "الرفع
والتكميل في الجرح والتعديل " للإمام عبد الحي اللكنوي، الذي أكرمي الله تعالى
بخدمته والتعليق عليه، وجعله منهلا ثرا للواردين في موضوعه، وقد صرخ باسمي
في بعض المواضع، محيلا إلى تعليقاتي بكل وفاء وانصاف، فاشكره على ذلك.
ত্রুটি-বিচ্যুতি থেকে ফিরে আসা এবং নিজেকে তা থেকে সংযত রাখা; আর যদি সে মৃত হয়, তবে যে ব্যক্তি তার থেকে এমন কিছু শুনবে সে তাকে তার যথাযথ মর্যাদায় স্থান দেবে।
ফলে সে দোষত্রুটি থেকে মুক্ত ব্যক্তিদের সমপর্যায়ে গণ্য হবে না এবং তাকে তার অনুরূপ স্তরেই সীমাবদ্ধ রাখা হবে।
তাদের মধ্যে কেউ কেউ মনে করেন যে, এটি উল্লেখ করার উদ্দেশ্য হলো এটা দেখা যে: "তার কি আরও অনুরূপ দোষ আছে? কারণ মানুষের অবস্থা ও স্বভাব হলো সৌন্দর্য প্রকাশ করা এবং যা এর পরিপন্থী তা গোপন করা। সুতরাং যখন এর বিপরীত কিছু প্রকাশ পায়, তখন এর পেছনে আরও অনুরূপ কিছু থাকার সম্ভাবনা থেকে নিরাপদ থাকা যায় না।" বিলুপ্ত অংশ সমাপ্ত! ! ! দেখুন পৃষ্ঠা ৮৬-৮৮।
এই দীর্ঘ, উপকারী ও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনাটি উস্তাদ আল-ফারিওয়ায়ীর সংস্করণ থেকে বাদ পড়ে গেছে! এরপর আমি দেখলাম তিনি এটিকে তার নিজস্ব মন্তব্য হিসেবে যুক্ত করেছেন! পৃষ্ঠা ৫৬-৫৭ এ, তিনি এটি টীকায় উল্লেখ করেছেন, যা বিষয়টিকে আরও খারাপ করে তুলেছে এবং এতে বেশ কিছু বিকৃতিও ঘটেছে।
৩১- পৃষ্ঠা ৫৭, লাইন ৪-এ এসেছে (আর এটি কেবল তাদের কিতাবদ্বয় গভীরভাবে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমেই জানা যায় এবং তারা যা সমালোচনা করেছেন তা বিবেচনা করা হয়)। এখানে 'আরিফা' (জানা গেছে) শব্দটিকে কর্মবাচ্য হিসেবে হরকত দেওয়া হয়েছে, যা একটি ভুল লিখনশৈলী; কারণ এটি কর্তৃবাচ্য হিসেবে হবে এভাবে: (আর এটি কেবল তাদের কিতাবদ্বয় পর্যবেক্ষণের মাধ্যমেই তিনি জেনেছেন...)। এবং এখানে 'ফা' (ফারিওয়ায়ী) সংস্করণে মূল পাণ্ডুলিপির অনুসরণে ভুল রয়ে গেছে! "এবং তারা যা সমালোচনা করেছেন (জাররাহাহু) তা বিবেচনা করুন"। এটি একটি বিকৃতি যার সঠিক রূপ হলো: (এবং তারা যা বর্ণনা করেছেন (খাররাজাহু) তা বিবেচনা করুন)। এখানে সমালোচনার কোনো সম্পর্কই নেই। দেখুন পৃষ্ঠা ৯০।
৩২- পৃষ্ঠা ৫৯, লাইন ৪-এ এসেছে (আর যখন তাকে বলা হয় যে, 'সহীহ' গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে...)। এখানে 'যখন'-এর আগে 'আর' অব্যয়টি উস্তাদ আল-ফারিওয়ায়ীর পক্ষ থেকে একটি সংযোজন, যা মূল পাঠে নেই এবং এর ফলে বাক্যের গঠন নষ্ট হয়ে গেছে। দেখুন পৃষ্ঠা ৯১।
৩৩- পৃষ্ঠা ৫৯, লাইন ৪-এ আরও এসেছে (তিনি সহীহ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন...)। এখানে 'খারাজা' শব্দটিকে কর্তৃবাচ্য হিসেবে হরকত দেওয়া হয়েছে, যা ভুল; এর সঠিক রূপ হবে কর্মবাচ্য। দেখুন পৃষ্ঠা ৯১। উস্তাদ আল-ফারিওয়ায়ীর এই বহুবিধ ভুল তাড়াহুড়ো না করলে ঘটত না!
পরিশেষে: আমি উস্তাদ আল-ফারিওয়ায়ীকে তার জ্ঞান ও সূক্ষ্মদর্শিতার জন্য সমাদৃত মনে করি এবং তার বিনয় ও আমানতদারিতার জন্য তাকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি তার টীকাগুলোর অনেক স্থানেই ইমাম আব্দুল হাই লাখনভী-এর "আর-রাফ' ওয়াত তাকমীল ফিল জারহি ওয়াত তা'দীল" কিতাবের উদ্ধৃতি ও হাওয়ালা দিয়েছেন; যে কিতাবটির সেবা ও তার ওপর টীকা লেখার তাওফিক আল্লাহ তা'আলা আমাকে দান করেছেন এবং একে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের গবেষকদের জন্য একটি সমৃদ্ধ উৎস বানিয়েছেন। তিনি কিছু কিছু স্থানে স্পষ্টভাবে আমার নাম উল্লেখ করেছেন এবং পূর্ণ বিশ্বস্ততা ও ইনসাফের সাথে আমার টীকাগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। এ জন্য আমি তাকে ধন্যবাদ জানাই।
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ١٣)
ولقد شهدت غير واحد يرجعون إلى هذا الكتاب الفذ، ويستقون الكثير منه
ومن تعليقاتي عليه، وينقلون منه كثيرا من العبارات بحروفها، ولا يشيرون لذلك،
غمطا لأمانة العلم وخادميه! وقديما قالوا: من الأمانة في العلم عزوه إلى قائله
أو ناقله، ولكن الأمانة اليوم قلت بتسلط غير أهل العلم على كتب العلم، فإنا لله. . .
كلمة عن رسالة: أمراء المؤمنين في الحديث:
كنت أثناء مطالعاتي ومراجعاتي، أقف في كتب التراجم على تلقيب بعض
المحدثين الكبار بلقب (أمير المؤمنين في الحديث) ، وهو أشرف ألقاب الرواية،
فرأيت جمع أسماء من قيل فيهم هذا اللقب في رسالة لطيفة، لمعرفتهم وسمو
منزلتهم، وذكرت فيها شروط هذا اللقب، وماخذه من الحديث وبطلانه، ثم بينت
بطلان ماقيل: إن (الحافظ) و (الحجة) و (الحاكم) لقب لمن يحفظ كذا مئة ألف حديث.
كلمة عن رسالة: كلمات في كشف أباطيل وافتراءات
هذا، وكنت منذ15 سنة كتبت رسالة في كشف أباطيل الشيخ ناصر
الألباني، فيما كتبه نحوي - في تقدمة "شرح العقيدة الطحاوية" من الطبعة الرابعة
سنة 1391 وما بعدها - هو وصاحبه (سابقا) زهير الشاويش ومن ازرهما، وسميتها
(كلمات في كشف أباطيل وافتراءات "، وطبعتها في مدينة الرياض سنة 1394،
فاسكتتهم إلى حين، ولم أوزعها إلا لمن طلبها مني، ولم أسم فيها أحدا باسمه
من الألباني أو مؤازريه، أدبا في الرد وترفعا.
ثم لما عاود الألباني فكتب رسالة مطولة في الرد عليها بتوقيعه الصريح
خاصة، سماها "كشف النقاب عما في كلمات أبي غدة من الأكاذيب والافتراءات "،
ملأها بالإساءة والتجريح والتحامل، والنبز واللمز والتحقير، وتمادى كما سولت له
نفسه وهواه، كعادته التي صارت طابعا له في كثير من كتبه التي يرد في مقدماتها
على مخالفيه (1) .
--------------------------------------------
আমি একাধিক ব্যক্তিকে দেখেছি যারা এই অনন্য কিতাবটির দিকে প্রত্যাবর্তন করেন এবং এটি থেকে অনেক কিছু গ্রহণ করেন
এবং এর ওপর আমার টীকা থেকেও [গ্রহণ করেন], এবং তারা এর অনেক বক্তব্য হুবহু উদ্ধৃত করেন কিন্তু তার কোনো ইঙ্গিত প্রদান করেন না,
যা ইলমি আমানত এবং ইলমের খাদেমদের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শনস্বরূপ! প্রাচীনরা বলতেন: ইলমের আমানত হলো কোনো কথাকে তার বক্তা
বা বর্ণনাকারীর দিকে সম্বন্ধ করা। কিন্তু বর্তমানে ইলমের কিতাবসমূহের ওপর অনভিজ্ঞদের আধিপত্যের কারণে আমানতদারিতা কমে গিয়েছে। আমরা তো আল্লাহরই। . .
'উমারাউল মুমিনিন ফিল হাদিস' পুস্তিকা সম্পর্কে একটি কথা:
আমার অধ্যয়ন ও গবেষণাকালে আমি জীবনীগ্রন্থসমূহে লক্ষ্য করেছি যে, কিছু
বড় মুহাদ্দিসকে 'আমিরুল মুমিনিন ফিল হাদিস' উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে, যা বর্ণনাবিজ্ঞানের শ্রেষ্ঠতম উপাধি।
তাই আমি যাদের সম্পর্কে এই উপাধি বলা হয়েছে তাদের নামগুলো একটি সংক্ষিপ্ত পুস্তিকায় সংকলন করা সমীচীন মনে করলাম, যেন তাদের এবং তাদের সুউচ্চ
মর্যাদা সম্পর্কে জানা যায়। সেখানে আমি এই উপাধির শর্তাবলি, হাদিস থেকে এর উৎস ও তার অসারতা উল্লেখ করেছি। অতঃপর আমি বর্ণনা করেছি
সেই কথার অসারতা যা বলা হয় যে: 'হাফিজ', 'হুজ্জাহ' এবং 'হাকিম' সেই ব্যক্তির উপাধি যিনি নির্দিষ্ট কয়েক লক্ষ হাদিস মুখস্থ রাখেন।
'কালিমাতুন ফি কাশফি আবাতিল ওয়া ইফতিরাআত' পুস্তিকা সম্পর্কে একটি কথা:
প্রসঙ্গত, আমি ১৫ বছর আগে শেখ নাসির
আলবানি আমার বিরুদ্ধে যা লিখেছিলেন—যা তিনি 'শারহুল আকিদাহ আত-তাহাবিয়্যাহ'-এর ১৩৯১ হিজরি এবং তার পরবর্তী চতুর্থ মুদ্রণের ভূমিকায় লিখেছিলেন—তার অসারতা উন্মোচনে একটি পুস্তিকা রচনা করেছিলাম। তিনি এবং তার (প্রাক্তন) সহকর্মী জুহাইর আল-শাভিশ ও তাদের সাহায্যকারীরা। আমি এর নামকরণ করেছিলাম
'কালিমাতুন ফি কাশফি আবাতিল ওয়া ইফতিরাআত' এবং এটি ১৩৯৪ হিজরিতে রিয়াদ শহরে মুদ্রণ করেছিলাম।
এটি সাময়িকভাবে তাদের নীরব করে দিয়েছিল। আমি এটি কেবল তাদেরকেই দিতাম যারা আমার কাছে চাইত। আমি সেখানে আলবানি বা তার সহযোগীদের কারো নাম সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করিনি,
যা ছিল খণ্ডন করার ক্ষেত্রে শিষ্টাচার রক্ষা ও সৌজন্যবোধের পরিচয়স্বরূপ।
অতঃপর আলবানি যখন পুনরায় সক্রিয় হলেন এবং স্বনামে এর জবাবে একটি দীর্ঘ পুস্তিকা রচনা করলেন,
যার নাম তিনি দিয়েছিলেন 'কাশফুন নিকাব আম্মা ফি কালিমাত আবি গুদ্দাহ মিনাল আকাজিব ওয়াল ইফতিরাআত',
তিনি সেই পুস্তিকাটি কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, ব্যক্তিগত আক্রমণ, বিদ্বেষ, মন্দ উপাধি দান, উপহাস এবং তুচ্ছতাচ্ছিল্যে পূর্ণ করেছিলেন। তিনি সীমা লঙ্ঘন করেছিলেন যেভাবে তার
প্রবৃত্তি ও খেয়াল-খুশি তাকে প্ররোচিত করেছিল; যেমনটি তার অনেক কিতাবের ভূমিকায় বিরোধীদের খণ্ডন করার ক্ষেত্রে তার মজ্জাগত অভ্যাসে পরিণত হয়েছে (১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ١٤)
ولما كتب متحامل اخر، وهو الدكتور بكر بن عبد الله أبوزيد رسالة بروح
رسالة الألباني ومقدمته، شحنها بالكيد والعداء والإساءة إلي، وكان في رسالتي:
(كلمات) بعض الرد على رسالته: رأيت أن أعيد طبع تلك الرسالة، فقد طلبها مني
كثيرون استكشافا للحقيقة.
استهل الألباني كلامه بوصفي في مقدمة "شرح العقيدة الطحاوية" ص 15،
باني "أحد أعداء عقيدة أهل السنة والجماعة من متعصبة الحنفية"، وكنت عنده
في "اداب الزفاف " ص 160 - 165 من الطبعة السابعة سنة 1404 والطبعات
قبلها (بعض أصدقائنا من فضلاء الحنفية) و (حضرة الصديق) و (حضرة الصديق
الفاضل) ، فانقلبت (أحد أعداء عقيدة أهل السنة والجماعة من متعصبة الحنفية) ! !
ولقد وصفني في تلك المقدمة لشرح العقيدة الطحاوية -ثم في تلك
الرسالة - باقبح الأوصاف والشتائم وقذفني بالعظائم، فقد حشاها بالألفاظ التالية
التي أضعها بين قوسين هنا، ورماني فيها (بالتعصب، وتعشد الكذب، والتزوير،
والافتراء، والجور، والضلال، والتخرص، والاختلاق، والجهل، وضيق الفكر
والعطن، وسوء القصد، وفساد الطوية، والتقليد، والتجاهل، والتدليس الخبيث،
والحقد، والحسد، والنفاق، واللعب على الحبلين، وأني أجمع وأتصف باكثر
الصفات الست التي تجوز الغيبة لمن اتصف بها، وأني كحاطب ليل.
ووصفني المرات تلو المرات بأني (حنفي) ، مسوقة مساق التعيير والمسبة،
إذ يرى الانتساب إلى الإمام أبي حنيفة أو غيره من الأئمة المتبوعين الأجلة - رضى
الله تعالى عنهم - سبة ونقصا، ووصفني أني مخبر! .
ثم لما استنفد ما عنده من مثل هذه الألفاظ، الدائة على طوية قائلها، والتي
تكررت في هذه المقدمة المرات تلو المرات، ختمها برميي بالجاسوسية فزعم في
ص 57من المقدمة، بقوله عن نفسه وشركائه: أنه نالهم الأذى بسبب هذه التقارير
التي يقدمها الجواسيس والمخبرون المنتشرون في كل مكان مثل مقدم ذلك التقرير
الجائر". وهويعنيني بهذا كله.
وقد صرح بذلك في ص 43 من المقدمة، فذكر: اسمي، ونسبي، واسم
যখন অপর একজন পক্ষপাতদুষ্ট ব্যক্তি, অর্থাৎ ডক্টর বকর বিন আবদুল্লাহ আবু জায়েদ, আলবানী সাহেবের পুস্তিকা ও তার ভূমিকার আদলে একটি পুস্তিকা লিখলেন এবং সেটিকে আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত, শত্রুতা ও অপব্যবহারে পরিপূর্ণ করলেন, আর আমার পুস্তিকায় ছিল:
(কালিমাত) তার পুস্তিকার কিছু জবাব: আমি সেই পুস্তিকাটি পুনরায় ছাপানো সমীচীন মনে করলাম, কারণ প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের জন্য অনেকেই আমার কাছে এটি দাবি করেছিলেন।
আলবানী 'শারহুল আকিদাহ আত-তাহাবিয়্যাহ'-এর ভূমিকার ১৫ পৃষ্ঠায় আমাকে 'আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আকিদার অন্যতম শত্রু এবং চরমপন্থী হানাফী' হিসেবে অভিহিত করে তার বক্তব্য শুরু করেন। অথচ ১৪০৪ হিজরীতে প্রকাশিত সপ্তম সংস্করণ এবং তার পূর্ববর্তী সংস্করণগুলোর 'আদাবুয যিফাফ'-এর ১৬০-১৬৫ পৃষ্ঠায় আমি তার কাছে ছিলাম
(আমাদের হানাফী গুণীজনদের মধ্য থেকে জনৈক বন্ধু), (শ্রদ্ধেয় বন্ধু) এবং (শ্রদ্ধেয় ও মহৎ বন্ধু)। অতঃপর আমি হয়ে গেলাম (আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আকিদার অন্যতম শত্রু এবং চরমপন্থী হানাফী)!!
তিনি শারহুল আকিদাহ আত-তাহাবিয়্যাহ-এর সেই ভূমিকায় এবং পরবর্তীতে সেই পুস্তিকায় আমাকে অত্যন্ত কদর্য বিশেষণে ও গালিগালাজে ভূষিত করেছেন এবং আমার ওপর গুরুতর অপবাদ আরোপ করেছেন। তিনি সেটিকে নিম্নোক্ত শব্দাবলী দ্বারা পরিপূর্ণ করেছেন
যা আমি এখানে বন্ধনীর মধ্যে উল্লেখ করছি। সেখানে তিনি আমাকে অভিযুক্ত করেছেন (চরমপন্থা, ইচ্ছাকৃত মিথ্যাচার, জালিয়াতি,
অপবাদ, জুলুম, পথভ্রষ্টতা, অনুমান নির্ভর কথা বলা, উদ্ভাবন, মূর্খতা, সংকীর্ণমনা ও
স্থুলবুদ্ধিতা, অসৎ উদ্দেশ্য, কলুষিত অন্তর, অন্ধ অনুসরণ, জেনেশুনে না জানার ভান করা, জঘন্য প্রতারণা,
বিদ্বেষ, হিংসা, মুনাফেকী ও দুমুখো আচরণের)। তিনি আরও বলেছেন যে, যাদের গীবত করা বৈধ—এমন ছয়টি
বৈশিষ্ট্যের অধিকাংশ আমার মাঝে বিদ্যমান এবং আমি হচ্ছি ‘হাতিবু লাইল’ (রাতের অন্ধকারে কাঠ সংগ্রহকারীর মতো)।
তিনি বারবার আমাকে (হানাফী) বলে বর্ণনা করেছেন, যা মূলত গঞ্জনা ও গালমন্দ হিসেবেই পেশ করা হয়েছে।
কেননা তিনি ইমাম আবু হানিফা অথবা অন্যান্য অনুসরণীয় মহান ইমামগণের—আল্লাহ
তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হোন—সাথে সম্পৃক্ত হওয়াকে কলঙ্ক ও ত্রুটি মনে করেন। এমনকি তিনি আমাকে একজন গোয়েন্দা হিসেবেও অভিহিত করেছেন!
অতঃপর যখন তাঁর ভাণ্ডারের এ জাতীয় সব শব্দ শেষ হয়ে গেল, যা মূলত বক্তার অভ্যন্তরীণ কলুষতারই বহিঃপ্রকাশ,
এবং যা এই ভূমিকায় বারবার উচ্চারিত হয়েছে; তখন তিনি আমাকে গোয়েন্দাবৃত্তির অপবাদ দিয়ে শেষ করলেন। তিনি ভূমিকার ৫৭ পৃষ্ঠায় নিজের এবং তাঁর সহযোগীদের সম্পর্কে দাবি করেছেন যে: যত্রতত্র ছড়িয়ে থাকা
গোয়েন্দা ও তথ্যদাতাদের প্রদানকৃত এই সব রিপোর্টের কারণে তারা কষ্টের শিকার হয়েছেন,
যেমনটি সেই জুলুমপূর্ণ রিপোর্টের পেশকারী করেছে। আর এসব কথা দিয়ে তিনি আমাকেই বুঝিয়েছেন।
তিনি ভূমিকার ৪৩ পৃষ্ঠায় এ বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। সেখানে তিনি আমার নাম, বংশ পরিচয় এবং অন্যান্যের নাম উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ١٥)
بلدي، ومذهبي، واسم ولدي، وصرت أنا عنده بما كتبه في تلك المقدمة!
صاحب ثلاثين وصفا: من (التعصب، وتعمد الكذب، والتزوير، والافتراء،
والجور، والضلال. . .،. . .، إلى المخبر، والجاسوس "، كما ستقرؤه في رسالة
الكلمات! بنصه مطولا، وهي بين يديك.
وسبب ذلك اني غلطته في طريقته التي يصحح بها على البخاري ومسلم
أحاديثهما في صحيحيهما، كما شرحته في أول رسالتي (كلمات) ، فيا ويل من
غلطه او رد عليه أو اختلف معه! ! فقدصار هذا الأسلوب خلقه وديدنه في ردوده
ومقدمات كتبه!
وإنا أرجو القارىء الكريم ان يقرأ تلك المقدمة بعد قراءة رسالتي هذه، ليرى
فيها أن الألباني في نزاعه لم يسلك خطة أدب الخلاف عند العلماء، ولم يكن لسانه
بالعف النزيه، ولا خلقه بالرادع له عن الإقذاع والشتم لمخالفيه، وأن نقاشه لأهل
العلم يقوم على تجهيل غيره وتضليله، فقد كشف فيها عن سلوك وأخلافي لايحسد
عليها، وتصرفات مزرية محزنة!
بل لقد تمادى به الأمر في الهزء والسخرية بي ومني: أن وصفني في صدد
معرفتي بالكتب، باني (الله تبارك وتعالى ! وزعم أن ذلك قاله أحد الظرفاء الأذكياء
في، كما تراه في حاشية ص 48 من مقدمته على "شرح العقيدة الطحاوية"، في
كلامه على (نشرة) زعم أني نشرتها، أو نشرها بعض أصحابي بإشرافي.
وكل ذلك علم الله وشهد -وهوعلى كل شي شهيد-لم يكن بعلمي
أو موافقتي أو إشرافي، وإنما هي نشرة خاصة جدا كتبها عني بعض الإخوان حين كنت
معتقلا في بلدة تدمر، فأخذها الألباني - وصاحبه (سابقا) وعميل لهذا الصاحب -
وتزيدوا فيها ما شاؤوا بحسب ما يشفي غيظهم مني، وبحسب ما قدروا أنه يكيدني
ويؤذيني عند العارفين بي حيث أقوم بالتعليم الجامعي في الرياض، ونسجوا فيها
ما هوظاهر الدس والبطلان.
فعلق الألباني على قول من كتب عني: "ما ذكر أمامه مخطوط أومطبوع،
إلا بسط لك خصائص الكتاب، ومجمل محتواه، وأين طبع، وكم طبعة له إن كان
مطبوعا، ومكان وجوده وتاريخ نسخه إن كان مخطوطا"، علق عليه بقوله:
আমার দেশ, আমার মাযহাব এবং আমার সন্তানের নাম; আর আমি তাঁর কাছে এমন হয়ে গেলাম যা তিনি সেই ভূমিকার মাধ্যমে লিখেছেন!
ত্রিশটি বিশেষণে বিশেষিত ব্যক্তি: (গোঁড়ামি, ইচ্ছাকৃত মিথ্যাচার, জালিয়াতি, অপবাদ, জুলুম এবং পথভ্রষ্টতা... থেকে শুরু করে গোয়েন্দা ও চর পর্যন্ত), যা আপনি 'কালিমাত' নামক রিসালায় বিস্তারিত উদ্ধৃতিসহ পড়তে পাবেন, যা এখন আপনার সামনে রয়েছে।
এর কারণ হলো, আমি বুখারি ও মুসলিমের সহীহ গ্রন্থদ্বয়ে তাঁদের হাদিসগুলোকে সহীহ বলার ক্ষেত্রে তাঁর অনুসৃত পদ্ধতির ভুল ধরিয়ে দিয়েছিলাম, যেমনটি আমি আমার 'কালিমাত' রিসালার শুরুতে ব্যাখ্যা করেছি। সুতরাং ধ্বংস তার জন্য, যে তাঁর ভুল ধরে, তাঁকে খণ্ডন করে অথবা তাঁর সাথে ভিন্নমত পোষণ করে!! এই পদ্ধতিই তাঁর খণ্ডনমূলক লেখনি ও বইয়ের ভূমিকাগুলোতে তাঁর চরিত্রে এবং অভ্যাসে পরিণত হয়েছে!
আমি সম্মানিত পাঠকের কাছে আশা করি যে, তিনি আমার এই রিসালাটি পড়ার পর সেই ভূমিকাটি পড়বেন, যাতে তিনি দেখতে পান যে আলবানী তাঁর বিরোধে আলেমদের চিরাচরিত মতপার্থক্যজনিত শিষ্টাচার অনুসরণ করেননি। তাঁর ভাষা সংযত ও মার্জিত ছিল না এবং তাঁর চরিত্র তাঁকে বিরোধীদের প্রতি অশালীন উক্তি ও গালিগালাজ থেকে বিরত রাখেনি। আলেমদের সাথে তাঁর বিতর্ক অন্যদের মূর্খ প্রতিপন্ন করা এবং পথভ্রষ্ট সাব্যস্ত করার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। সেখানে তিনি এমন সব আচরণ ও চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন যা ঈর্ষণীয় নয় বরং অত্যন্ত শোচনীয় ও দুঃখজনক!
বরং তিনি আমাকে নিয়ে ঠাট্টা ও বিদ্রুপের ক্ষেত্রে এতটাই বাড়াবাড়ি করেছেন যে, গ্রন্থাদি সম্পর্কে আমার জ্ঞানের পরিধি প্রসঙ্গে তিনি আমাকে (আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা!) হিসেবে অভিহিত করেছেন! তিনি দাবি করেছেন যে, কোনো এক বুদ্ধিমান কৌতুকপ্রিয় ব্যক্তি আমার সম্পর্কে এটি বলেছে। যেমনটি আপনি তাঁর 'শারহুল আকীদা আত-তহবিয়্যাহ'-এর ভূমিকার ৪৮ নং পৃষ্ঠার টীকায় দেখতে পাবেন; যেখানে তিনি এমন একটি প্রচারপত্র (নশরহ) নিয়ে কথা বলেছেন যা তিনি দাবি করেছেন যে আমি প্রকাশ করেছি অথবা আমার তত্ত্বাবধানে আমার কোনো বন্ধু প্রকাশ করেছে।
আল্লাহ জানেন এবং তিনি সাক্ষী—আর তিনি সব কিছুর ওপর সাক্ষী—এসবের কোনো কিছুই আমার অবগতিতে, সম্মতিতে বা তত্ত্বাবধানে ছিল না। বরং সেটি ছিল অত্যন্ত ব্যক্তিগত একটি প্রচারপত্র যা আমার জনৈক দ্বীনি ভাই আমার সম্পর্কে লিখেছিলেন যখন আমি তাদমুর শহরে বন্দী ছিলাম। এরপর আলবানী এবং তাঁর জনৈক (সাবেক) বন্ধু ও সেই বন্ধুর এক এজেন্ট সেটি হাতে পায়—এবং আমার প্রতি তাদের ক্ষোভ মেটাতে তারা সেখানে নিজেদের ইচ্ছামতো যা খুশি সংযোজন করে। তারা চেয়েছিল রিয়াদে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে আমার শিক্ষকতা সম্পর্কে যারা অবগত, তাদের কাছে যেন আমাকে লাঞ্ছিত ও কষ্ট দেওয়া যায়। তারা সেখানে স্পষ্ট জালিয়াতি ও অসত্যের জাল বুনেছে।
অতঃপর আলবানী আমার সম্পর্কে লেখকের বর্ণনার ওপর মন্তব্য করেন, যেখানে বলা হয়েছিল: "তাঁর সামনে কোনো পাণ্ডুলিপি বা মুদ্রিত বইয়ের কথা উল্লেখ করা হলেই তিনি বইটির বৈশিষ্ট্য, সারসংক্ষেপ, কোথায় ছাপা হয়েছে, মুদ্রিত হলে তার কয়টি সংস্করণ হয়েছে এবং পাণ্ডুলিপি হলে তার অবস্থান ও অনুলিপি করার তারিখ আপনার সামনে সবিস্তারে তুলে ধরতেন।" এর ওপর তিনি এই বলে মন্তব্য করেন:
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ١٦)
"قلت: ومن الطرائف أن أحد الظرفاء الأذكياء، لما سمع هذا الوصف الأخير
قال: هذا هو الله تبارك وتعالى، يشيرالى ما فيه من الغلو والإطراء بالحفظ الذي
لا يبلغه البشر".
وما أدري كيف استساغ الألباني وصفي بان يقال في (هذا هو الله تبارك
وتعالى) ! شرعا وعقيدة وفقها وأدبا وعقلا؟! وكيف سجله في كلامه على لسان (أحد
الظرفاء الأذكياء) ؟! وأقره؟! وغاب عنه أوجهل أن هذا منكر كبير جدا يرتكبه
هووصاحبه أحد الظرفاء الأذكياء في جنب الله تعالى، وهزء مكشوف بمقام إجلال
الله سبحانه يؤذي الى ترد في هوة الجهل، فقد وصل به الأمر إلى أن يصفني بانني
الله تبارك وتعالى. فهذا مقياس معرفته بتنزيه الخالق جل شانه!
فكيف يقر الألباني أن يوصف انسان مخلوق ضعيف بانه (هو الله تبارك
وتعالى؟ وهو يرى نفسه معيار الحق في العلم والعقيدة والسنة المطهرة؟ .
كيف يقر الألباني وصف من يتوصل الى معرفة تلك الأمور، بطريق القراءة
والنظر، والبحث والتتبع، والحفظ والاستذكار، والنصب والتعب، وغيرها من لوازم
المخلوق الضيف، بانه (هو الله تبارك وتعالى ! ولم يزجر أو ينبه ذلك الواصف
الذي زعم أنه قال ذلك، بانه قال كلاما حراما ومنكرا جسيما جدا، ارتكبه في جنب
الله تعالى، فهل يسوغ ذلك في النقل أوفي العقل؟ .
نعم عند الألباني يجوز ذلك في باب الاستهزاء بمخالفه والتشفي منه، وهذا
نموذخ ناطق ودال على مدى معرفة الألباني بما يجوز أن يوصف به الله جل جلاله
وما لا يجوز، ودليل صريح على مستوى أدب الألباني مع الله سبحانه وتعالى!
وهذا الموقف في دلالته على مستوى معرفة الألباني بتنزيه الله تعالى:
يذكرنا بقول الألباني في كتبه مرارا وتكرارا: (العصمة لله وحده) ، ومنها قوله
في المقدمة على "شرح العقيدة الطحاوبة" نفسها ص 27 (ان العصمة لله وحده) ،
ومنها قوله في "الأحاديث الصحيحة" 4: 429 (والعصمة لله وحده) ، ومنها قوله في
الأحاديث الضعيفة" ا: 152 (والعصمة لله وحده) ، ومنها قوله في مقدمته لكتاب
"رياض الصالحين " للإمام النووي في الصفحة (س) مرتين: (والعصمة لله وحده.) ،
আমি বললাম: এটি একটি কৌতুকপূর্ণ বিষয় যে, একজন বুদ্ধিমান রসিক ব্যক্তি যখন এই শেষোক্ত বর্ণনাটি শুনলেন
তখন তিনি বললেন: "ইনিই হলেন আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা"। তিনি এর মাধ্যমে মুখস্থবিদ্যার ক্ষেত্রে এমন অতিরঞ্জন ও অতিশয়োক্তির দিকে ইঙ্গিত করেছেন যা
মানুষের পক্ষে অর্জন করা সম্ভব নয়।
আমি জানি না আলবানি কীভাবে আমাকে বর্ণনা করতে গিয়ে এই কথাটি (ইনিই হলেন আল্লাহ তাবারাকা
ওয়া তা'আলা) বলাকে সঙ্গত মনে করলেন! শরয়ি, আকিদাগত, ফিকহি, আদব এবং যুক্তির বিচারে এটি কীভাবে সম্ভব?! এবং কীভাবে তিনি (একজন
বুদ্ধিমান রসিক ব্যক্তির) মুখে এটি তাঁর বক্তব্যে লিপিবদ্ধ করলেন?! এবং একে অনুমোদন দিলেন?! তিনি কি ভুলে গেলেন নাকি তিনি অজ্ঞাত যে, এটি একটি অত্যন্ত বড় গর্হিত কাজ যা
তিনি এবং তাঁর সেই বন্ধু জনৈক বুদ্ধিমান রসিক ব্যক্তি মহান আল্লাহর শানে লিপ্ত হয়েছেন। এটি মহান আল্লাহর মর্যাদার সাথে এক
প্রকাশ্য উপহাস, যা মূর্খতার অতল গহ্বরে পতনের দিকে নিয়ে যায়; কারণ বিষয়টি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে তিনি আমাকে বর্ণনা করেছেন যে আমিই
আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা। এটিই হলো স্রষ্টা জাল্লা শানুহুর পবিত্রতা ঘোষণার ক্ষেত্রে তাঁর জ্ঞানের মাপকাঠি!
আলবানি কীভাবে একজন দুর্বল সৃষ্টি মানুষকে (তিনিই আল্লাহ তাবারাকা
ওয়া তা'আলা) হিসেবে বর্ণনা করার অনুমোদন দেন? অথচ তিনি নিজেকে ইলম, আকিদা এবং পবিত্র সুন্নাহর ক্ষেত্রে হকের মাপকাঠি মনে করেন?।
আলবানি কীভাবে এমন একজনকে বর্ণনা করার অনুমোদন দেন, যে পাঠ, পর্যবেক্ষণ, গবেষণা ও অনুসন্ধান,
মুখস্থকরণ ও স্মরণ এবং ক্লান্তি ও শ্রান্তি সহ সৃষ্টির অন্যান্য দুর্বলতার মাধ্যমে বিষয়গুলো অবগত হয়,
তাকে (তিনিই আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা) হিসেবে বর্ণনা করা হলো! আর তিনি সেই বর্ণনাকারীকে ধমক দেননি বা সতর্ক করেননি
যে ব্যক্তি এটি বলেছে বলে দাবি করা হয়েছে যে, সে একটি হারাম এবং অত্যন্ত গুরুতর গর্হিত কথা বলেছে যা মহান
আল্লাহর শানে অপরাধ। সুতরাং বর্ণনার ক্ষেত্রে বা যুক্তির বিচারে কি এটি সমীচীন?।
হ্যাঁ, আলবানির নিকট তাঁর বিরোধীদের উপহাস করা এবং মনের জ্বালা মেটানোর ক্ষেত্রে এটি জায়েজ। আর এটি
আলবানি মহান আল্লাহ জাল্লা জালালুহু-কে কী বিশেষণে ভূষিত করা জায়েজ আর কী জায়েজ নয়, সেই সম্পর্কে তাঁর জ্ঞানের পরিধির এক জীবন্ত উদাহরণ
এবং মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার সাথে আলবানির আদব বা শিষ্টাচারের স্তরের এক স্পষ্ট প্রমাণ!
আল্লাহ তা'আলার পবিত্রতা ঘোষণা সম্পর্কে আলবানির জ্ঞানের স্তরের ওপর এই অবস্থানটি:
আমাদেরকে তাঁর বইগুলোতে বারবার বলা আলবানির এই উক্তিটির কথা মনে করিয়ে দেয়: (নিষ্পাপতা কেবল আল্লাহর জন্যই), যার মধ্যে রয়েছে খোদ
"শারহুল আকিদাহ আত-তহাবিইয়াহ"-এর ভূমিকার ২৭ পৃষ্ঠায় তাঁর উক্তি (নিশ্চয়ই নিষ্পাপতা কেবল আল্লাহর জন্যই),
এবং "আল-আহাদিস আস-সহিহাহ" ৪: ৪২৯-এ তাঁর উক্তি (আর নিষ্পাপতা কেবল আল্লাহর জন্যই), এবং "আল-আহাদিস
আদ-দায়িফাহ" ১: ১৫২-তে তাঁর উক্তি (আর নিষ্পাপতা কেবল আল্লাহর জন্যই), এবং ইমাম নববি-এর
"রিয়াদুস সলিহিন" বইটির ভূমিকায় (সিন) পৃষ্ঠায় দুইবার তাঁর উক্তি: (আর নিষ্পাপতা কেবল আল্লাহর জন্যই।),
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ١٧)
فكيف يقول هذا ويكرره مرارا؟ ومن قدوتة في وصف الله تعالى بهذا التعبير الخطير؟ !
فمن الذي يعصم الله تعالى؟ ومم يعصم سبحانه وما الذي كان يمكن أن
يقع منه سبحانه حتى عصم منه؟ ثم مقتضى قوله هذا أيضا حصر العصمة بالله
وحده حصرا، ونفي العصمة جزما عن الأنبياء والرسل الكرام، ومنهم النبي! محمد
عليهم الصلاة والسلام، فهل هوقاصد قائل بذلك؟ ! أم لا يدري مدلول الألفاظ
حتى في أشد المباحث خطورة! ولو وقع هذا التعبير أو ذاك من أحد مخالفيه، لكان
حكمه عليه بما يشبه التكفير أو ما يدانيه، نسال الله العافية.
وبذكرنا أيضا بقول الألباني - وهو محدث -: (بان كيس الكاوتشوك يمنع
الحمل منعا باتا) ، علق ذلك على قول الرسول الصادق المصدوق سيدنا محمد صلى الله عيه وسلم:
"ليست نفس مخلوقة إلا الله خالقها"، وقوله عليه الصلاة والسلام: "ما من نسمة
كائنة إلى يوم القيامة إلا هي كائنة". وهذه عبارته في كتابه "اداب الزفاف في السنة
المطهرة" ص 55 -57.
قال الألباني: في حديث أبي سعيد الخدري قال: ذكر العزل عند
رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: ولم يفعل ذلك أحدكم؟ اولم يقل: فلا يفعل ذلك أحدكم،
فانه ليست نفسن مخلوقة إلا الله خالقها.
وفي رواية: لانكم لتفعلون؟ وإنكم لتفعلون؟ وإنكم لتفعلون؟ (ثلاثا) ،
- ووقع في كتاب "اداب الزفاف " تكرار الجملة مرتين فقط! - ما من نسمة كائنة إلى يوم
القيامة إلا هي كائنة.
رواه مسلم (4 /58 1، 59 1) بالروايتين، والنسائي في "العشرة" (82/ 1) ،
وابن منده في " التوحيد" (60 / 2) بالأولى، والبخاري (9 / 251 - 252) بالأخرى.
قال الحافظ في "الفتح " في شرح الرواية الأولي: أشار إلى أنه لم يصرح لهم
بالنهي، لانما أشار إلى أن الأولى ترك ذلك، لأن العزل إنما كان خشية حصول
الولد، فلا فائدة في ذلك، لأن الله إن كان قدر خلق الولد لم يمنع العزل ذلك،
فقد يسبق الماء ولا يشعر العازل، فيحصل العلوق ويلحقه الولد، ولا راد لما قضى
الله ". انتهى كلام الألباني. ثم علق على قول الرسول صلى الله عليه وسلم السابق بقوله:
তিনি কীভাবে এটি বলেন এবং বারবার এর পুনরাবৃত্তি করেন? আল্লাহ তাআলাকে এই বিপজ্জনক অভিব্যক্তিতে বর্ণনা করার ক্ষেত্রে তাঁর আদর্শ কে?!
আল্লাহ তাআলাকে কে রক্ষা করেন? এবং তিনি কিসের থেকে রক্ষিত হন আর তাঁর থেকে এমন কী ঘটা সম্ভব ছিল যেজন্য তাঁকে রক্ষা করা হয়েছে? অতঃপর তাঁর এই বক্তব্যের সারমর্ম হলো নিষ্পাপতাকে (ইসমাত) কেবল আল্লাহর জন্য সীমাবদ্ধ করা এবং নবী ও সম্মানিত রাসূলগণের থেকে নিষ্পাপতাকে নিশ্চিতভাবে অস্বীকার করা, যাঁদের মধ্যে নবী মুহাম্মদ (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) অন্তর্ভুক্ত। তিনি কি এটি উদ্দেশ্য করেই বলছেন?! নাকি তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ক্ষেত্রেও শব্দের অর্থের গাম্ভীর্য বুঝতে পারছেন না! আর যদি তাঁর বিরোধীদের কারো থেকে এই বা ওই অভিব্যক্তিটি প্রকাশ পেত, তবে তাঁর বিরুদ্ধে তাঁর ফতোয়া হতো কুফর বা তার কাছাকাছি কিছু। আমরা আল্লাহর কাছে নিরাপত্তা প্রার্থনা করছি।
আমরা আলবানীর বক্তব্যও উল্লেখ করছি—যিনি একজন মুহাদ্দিস—: (নিশ্চয়ই রাবারের ব্যাগ গর্ভধারণকে চূড়ান্তভাবে প্রতিরোধ করে), তিনি এই মন্তব্যটি করেছেন সত্যবাদী ও সত্যপ্রত্যাদেশপ্রাপ্ত আমাদের নেতা মুহাম্মদ (আল্লাহর রহমত ও শান্তি তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-এর বাণীর ওপর: "সৃষ্টি হবে এমন কোনো সত্তা নেই যার স্রষ্টা আল্লাহ নন", এবং তাঁর বাণী: "কিয়ামত পর্যন্ত অস্তিত্ব লাভ করবে এমন কোনো প্রাণ নেই যা অস্তিত্ব লাভ করবে না"। এটি তাঁর "আদাবুয যিফাফ ফিস সুন্নাতিল মুতাহহারা" বইয়ের ৫৫-৫৭ পৃষ্ঠার বক্তব্য।
আলবানী বলেন: আবু সাঈদ আল-খুদরী বর্ণিত হাদীসে এসেছে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (আল্লাহর রহমত ও শান্তি তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-এর কাছে আযল (গর্ভনিরোধ পদ্ধতি) সম্পর্কে উল্লেখ করা হলো। তিনি বললেন: তোমাদের মধ্যে কেউ কেন এটি করে? তিনি কি এটি বলেননি: তোমাদের কেউ যেন এটি না করে, কেননা আল্লাহ যে সত্তাকে সৃষ্টি করবেন তাকে তিনি সৃষ্টি করবেনই।
অন্য এক বর্ণনায় এসেছে: তোমরা কি এটি করছ? তোমরা কি এটি করছ? তোমরা কি এটি করছ? (তিনবার), —আর "আদাবুয যিফাফ" বইয়ে বাক্যটি মাত্র দুইবার পুনরাবৃত্তি হয়েছে!— কিয়ামত পর্যন্ত অস্তিত্ব লাভ করবে এমন কোনো প্রাণ নেই যা অস্তিত্ব লাভ করবে না।
মুসলিম উভয় বর্ণনায় এটি বর্ণনা করেছেন (৪/১৫৮, ১৫৯), নাসাঈ "আল-ইশরাহ" গ্রন্থে (১/৮২), ইবনে মান্দাহ "আত-তাওহীদ" গ্রন্থে প্রথম বর্ণনায় (২/৬০) এবং বুখারী অন্য বর্ণনায় (৯/২৫১-২৫২)।
হাফেজ ইবনে হাজার "ফাতহুল বারী" গ্রন্থে প্রথম বর্ণনার ব্যাখ্যায় বলেন: তিনি ইঙ্গিত করেছেন যে তিনি তাঁদের কাছে স্পষ্টভাবে নিষেধ করেননি, বরং তিনি কেবল ইঙ্গিত করেছেন যে এটি পরিহার করাই উত্তম। কারণ আযল করা হতো সন্তান হওয়ার ভয়ে, অথচ এতে কোনো ফায়দা নেই। কারণ আল্লাহ যদি সন্তান সৃষ্টির তাকদীর করে থাকেন, তবে আযল তা প্রতিরোধ করতে পারবে না। কেননা অনেক সময় বীর্য আগে চলে যায় এবং আযলকারী তা টের পায় না, ফলে গর্ভধারণ ঘটে যায় এবং সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। আর আল্লাহর ফয়সালা কেউ রুখতে পারে না।" আলবানীর বক্তব্য শেষ হলো। এরপর তিনি রাসূলুল্লাহ (আল্লাহর রহমত ও শান্তি তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-এর পূর্বোক্ত বাণীর ওপর মন্তব্য করে বলেন:
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ١٨)
"قلت: وهذه الإشارة -أي التي في الحديث - إنما هي بالنظر إلى العزل
المعروف يومئذ، وأما في هذا العصر، فقد وجدت وسائل يستطيع الرجل بها أن
يمنع الماء عن زوجته منعا باتا، مثل كيس الكاوتشوك الذي يوضع على العضو
عند الجماع، ونحوه، فلا يرد عليه حينئذ هذا الحديث وما في معناه ". انتهى كلام
الألباني بحروفه وألفاظه.
وهذا الذي قاله من منع (الكيس) الماء عن زوجته منعا باتا، يعارض
صريح قول النبي الكريم صلى الله عليه وسلم الذي نقله هو-: "ليست نفس مخلوقة إلا الله
خالقها"، وصريح قوله صلى الله عليه وسلم: (ما من نسمة كائنة إلى يوم القيامة
الا هي كائنة"، نعم يعارض قوله هذين الحديثين الصحيحين كل المعارضة! ! .
كما يعارض الروايات الأخرى الصحيحة من حديث أبي سعيد الخدري
رضي الله عنه عند مسلم أيضا: 10: 10 بشرح الإمام النووي: ". . . فقال صلى الله عليه وسلم:
لا عليكم أن لاتفعلوا، ماكتب الله خلق نسمة هي كائنة إلى يوم القيامة
إلا ستكون "، وفي رواية ثانية عند مسلم 10: 11 الا عليكم أن لا تفعلوا، فإنما
هو القدر" (1) .
وفي رواية عند البخاري 13: 391 بشرح "فتح الباري " في كتاب التوحيد،
ني (باب قوله تعالى: هو الله الم خالق البارىء المصور) : ". . . فقال: ما عليكم أن
لا تفعلوا، فإن الله كتب من هوخالق إلى يوم القيامة، وليست نفس مخلوقة إلا الله
خالقها.
وعند الإمام أحمد في االمسند" 3: 26، "عن أبي سعيد الخدري، عن
النبي صلى الله عليه وسلم في العزل: اصنعوا ما بدا لكم، فإن قدر الله شيئا
كان ".
--------------------------------------------
আমি বলি: এই ইঙ্গিত—অর্থাৎ যা হাদিসে রয়েছে—তা মূলত তৎকালীন পরিচিত আজল বা বীর্যপাত নিবৃত্তির প্রেক্ষিতে; কিন্তু বর্তমান যুগে এমন সব মাধ্যম আবিষ্কৃত হয়েছে যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি তার স্ত্রীর নিকট হতে বীর্যকে পুরোপুরি প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়, যেমন সহবাসের সময় লিঙ্গে ব্যবহৃত রাবারের থলি এবং এই জাতীয় বিষয়াদি, ফলে এই হাদিস এবং এর সমার্থক বিষয়গুলো তখন এর ওপর বর্তাবে না। আলবানীর বক্তব্য হুবহু শেষ হলো।
আর তিনি থলির মাধ্যমে স্ত্রীর নিকট বীর্য পৌঁছানো নিশ্চিতভাবে রোধ করার বিষয়ে যা বলেছেন, তা প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সেই স্পষ্ট বাণীর বিরোধী—যা তিনি নিজেই বর্ণনা করেছেন—: "এমন কোনো সৃষ্টি নেই যার স্রষ্টা আল্লাহ নন", এবং তাঁর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্পষ্ট উক্তি: "কিয়ামত পর্যন্ত অস্তিত্ব লাভ করবে এমন কোনো প্রাণ নেই যা অস্তিত্বশীল হবে না", হ্যাঁ, তাঁর এই বক্তব্য এই দুটি সহীহ হাদিসের সম্পূর্ণ বিরোধী!!
যেমন এটি মুসলিম শরীফে ইমাম নববীর ব্যাখ্যাসহ ১০:১০-এ বর্ণিত আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর হাদিসের অন্যান্য সহীহ বর্ণনারও বিরোধী: "...অতঃপর তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: তোমরা যদি তা না করো তবে তোমাদের কোনো ক্ষতি নেই, কিয়ামত পর্যন্ত যে প্রাণের সৃষ্টি আল্লাহ লিখে রেখেছেন তা অবশ্যই হবে", মুসলিমের দ্বিতীয় এক বর্ণনায় ১০:১১-তে রয়েছে: "তোমরা যদি তা না করো তবে তোমাদের কোনো ক্ষতি নেই, কেননা তা কেবলই তাকদীর" (১)।
বুখারী শরীফের ১৩:৩৯১-তে 'ফাতহুল বারী' ব্যাখ্যাগ্রন্থের কিতাবুত তাওহীদে (অধ্যায়: মহান আল্লাহর বাণী: তিনিই আল্লাহ, যিনি স্রষ্টা, উদ্ভাবক, রূপদানকারী) এক বর্ণনায় রয়েছে: "...অতঃপর তিনি বললেন: তোমরা যদি তা না করো তবে তোমাদের কোনো ক্ষতি নেই, কেননা আল্লাহ কিয়ামত পর্যন্ত কে সৃষ্টি হবে তা লিখে রেখেছেন, আর এমন কোনো সৃষ্টি নেই যার স্রষ্টা আল্লাহ নন।
আর ইমাম আহমদের 'মুসনাদ' গ্রন্থে ৩:২৬-এ রয়েছে, "আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, আজল প্রসঙ্গে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: তোমাদের যা ইচ্ছা করো, কেননা আল্লাহ যদি কোনো কিছুর ফয়সালা করেন তবে তা হবেই"।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ١٩)
وقال الحافظ ابن حجر في "فتح الباري " 9: 307، - بعد عبارته السابقة
التي نقلها الألباني - مؤيدا حديث أبي سعيد: أن العزل لا يمنع من الحمل قال
رحمه الله تعالى: "وقد أخرج أحمد والبزار، وصححه ابن حبان، من حديث أنس:
أن رجلا سال عن العزل؟ فقال النبي صلى الله عليه وسلم: لوأن الماء الذي يكون
منه الولد، أهرقته على صخرة، لأخرج الله منها ولدا. وله شاهدان في "الكبير"
للطبراني عن ابن عباس، وفي "الأوسط " عن ابن مسعود". انتهى كلام الحافظ
ابن حجر رحمه الله تعالى.
فبعد هذه الأحاديث الصريحة الصحيحة، الناطقة الصادقة، هل يسع إنسانا
يشتغل بالحديث الشريف أن يقول في مواجهة هذه الأحاديث بكل ارتياح وانشراح:
ما قاله الألباني؟ وهوقوله معلقا على قول الرسول صلى الله عليه وسلم بما يلي:
"قلت: وهذه الإشارة -أي التي في حديث النبي صلى الله عليه وسلم
إنما هي بالنظر إلى العزل المعروف يومئذ، وأما في هذا العصر، فقد وجدت وسائل
يستطيع الرجل بها أن يمنع الماء عن زوجته منعا باتا، مثل كيس الكاوتشوك الذي
يوضع على العضو عند الجماع، ونحوه، فلا يرد عليه حينئذ هذا الحديث وما في
معناه ". انتهى كلام الألباني.
ولو صدر هذا الكلام من إنسان عادي، أو طبيب ملحد، أو إنسان لا يؤمن
بالسنة المطهرة، أو لا صلة له بالسنة النبوية الشريفة: لهان الخطب! ولكنه صدر
ممن يدعي تمسكه بالسنة، والغيرة عليها، ويرى نفسه معيار الحق فيما يقوله
ويذهب إليه فيها وفي فهمها، فإنا الله وإنا إليه راجعون، فهذه بعض النماذج من
مبلغ علم الألباني مما يتعلق بالعقيدة وتنزيه الله تعالى، والله المستعان.
وفي الختام: أرجو من الله تعالى أن تقع رسالة "الكلمات " موقعها من نفوس
القراء، فتؤذي الحق على وجهه، ويعلموا منها ما لم يكونوا يعلمون، والله يقول
الحق، وهو يهدي السبيل. وصلى الله على سيدنا محمد وعلى اله وصحبه وسلم
والحمدلله رب العالمين. وكتبه
في الرياض. 10/9/1409 وكتبه عبد الفتاح ابو غدة
হাফেজ ইবনে হাজার তার "ফাতহুল বারী" ৯: ৩০৭-এ — আলবানী কর্তৃক উদ্ধৃত তাঁর পূর্ববর্তী বক্তব্যের পর — আবু সাঈদের হাদিসকে সমর্থন করে বলেছেন যে: আজল (বীর্য বাইরে ফেলা) গর্ভধারণকে বাধা দেয় না। তিনি
রাহিমাহুল্লাহ বলেন: "আহমদ ও বাজ্জার বর্ণনা করেছেন এবং ইবনে হিব্বান একে সহিহ বলেছেন আনাস (রা.)-এর হাদিস থেকে:
এক ব্যক্তি আজল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে নবী (সা.) বললেন: যদি সেই পানি যা থেকে
সন্তান হয়, তা তুমি পাথরের ওপরও ঢেলে দিতে, তবে আল্লাহ তা থেকে সন্তান বের করতেন। তাবারানির 'আল-কাবীর'-এ
ইবনে আব্বাস থেকে এবং 'আল-আওসাত'-এ ইবনে মাসউদ থেকে এর দুটি শাহিদ (সাক্ষী বর্ণনা) রয়েছে।" হাফেজ
ইবনে হাজার (রাহিমাহুল্লাহ)-এর বক্তব্য শেষ হলো।
এই স্পষ্ট এবং সহিহ হাদিসগুলোর পর, যা সত্য প্রকাশ করছে, হাদিস নিয়ে চর্চাকারী কোনো ব্যক্তির পক্ষে কি সম্ভব
এই হাদিসগুলোর বিপরীতে পূর্ণ স্বাচ্ছন্দ্য ও প্রশান্তির সাথে এই কথা বলা:
যা আলবানী বলেছেন? আর তা হলো রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর বাণীর ওপর তাঁর নিম্নোক্ত মন্তব্য:
"আমি বলি: এই ইশারা — অর্থাৎ যা নবী (সা.)-এর হাদিসে রয়েছে —
তা কেবল তখনকার সময়ে পরিচিত আজল-এর প্রেক্ষিতে। কিন্তু বর্তমান যুগে এমন সব মাধ্যম পাওয়া গেছে
যার দ্বারা একজন ব্যক্তি তার স্ত্রীর নিকট পানি পৌঁছানো নিশ্চিতভাবে রোধ করতে পারে, যেমন রবার ব্যাগ (কনডম) যা
সহবাসের সময় লিঙ্গে পরিধান করা হয় এবং এই জাতীয় বিষয়গুলো। এমতাবস্থায় এই হাদিস এবং এর সমার্থক
হাদিসগুলো এর ওপর প্রযোজ্য হবে না।" আলবানীর বক্তব্য শেষ হলো।
যদি এই কথা কোনো সাধারণ মানুষ, অথবা কোনো নাস্তিক ডাক্তার, অথবা পবিত্র সুন্নাহর ওপর বিশ্বাস নেই
এমন কোনো ব্যক্তি, অথবা যার সাথে পবিত্র নববী সুন্নাহর কোনো সম্পর্ক নেই এমন কারো থেকে আসত: তবে বিষয়টি তুচ্ছ হতো! কিন্তু এটি এমন একজনের
কাছ থেকে এসেছে যিনি সুন্নাহ আঁকড়ে ধরার এবং এর প্রতি অনুরাগের দাবি করেন, আর তিনি যা বলেন এবং সুন্নাহর
যা বুঝ তিনি পোষণ করেন সে ব্যাপারে নিজেকেই হকের মানদণ্ড মনে করেন। সুতরাং আমরা আল্লাহরই জন্য এবং তাঁরই কাছে আমাদের ফিরে যেতে হবে। আকিদা এবং
মহান আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা সম্পর্কিত আলবানীর ইলমের পরিধির এটি কিছু নমুনা মাত্র, আর আল্লাহর সাহায্যই কাম্য।
পরিশেষে: আমি মহান আল্লাহর কাছে আশা করি যে "আল-কালিমাত" পুস্তিকাটি পাঠকদের মনে
যথাযোগ্য স্থান করে নেবে এবং এর মাধ্যমে হক বা সত্য যথাযথভাবে প্রকাশিত হবে, আর তারা তা থেকে এমন কিছু জানতে পারবে যা তারা আগে জানত না। আল্লাহ
সত্য কথা বলেন এবং তিনিই সঠিক পথ প্রদর্শন করেন। আমাদের নেতা মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সঙ্গীদের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।
সমস্ত প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। রিয়াদে
১০/৯/১৪০৯ হিজরীতে এটি লিখেছেন আব্দুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ।
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
ترجمة الحافظ المنذري (1) :
هو الإمام الحافظ المحذث الناقد الفقيه المؤرخ اللغوي البارع، الضابط
الثبت المتقن، الورع الزاهد، شيخ الإسلام، زكن الدين أبومحمد عبد العظيم بن
عبد القوي بن عبد الله بن سلامة بن سعد بن سعيد، المنذري، المصري. وأصله
من بلاد الشام، ووالده مصري المولد والدار.
ولد في غرة شعبان من سنة 581بفسطاط مصر بكوم الجارح، وبها نشأ
وترعرع، وكان لوالده عناية بالعلم ومحبة، فأسمعه الحديث بإفادته في أواخر سنة
591، أي حين بلغ عشر سنوات من العمر، ثم لم يلبث والده أن مات بعد سنة
من هذا التاريخ، في رمضان سنة 592، فنشأ عبد العظيم يتيما، واستمر على
حضور مجالس العلماء والأخذ عنهم.
وكان والده حنبلي المذهب، فنشا هوحنبلي المذهب، ثم تحول إلى
المذهب الشافعي، وغدا من فقهائه وعلمائه والمؤلفين في فقهه.
شيوخ الحافظ المنذري:تلقى الحديث وغيره من شيوخ بلده ومصره بالسماع منهم، وفيهم كثرة بالغة
جدا وكان أول سماعه الحديث من أحد شيوخ الحنابلة بمصر، وهو أبو عبد الله
محمد بن حمد بن حامد الأنصاري، الأرتاحى الأصل، المصري المولد والدار،
المتوفى بمصر سنة 601، قال المنذري في ترجمته في "التكملة" 2: 72
برقم 900: "وهوأول شيخ سمعت منه الحديث بإفادة والدي رضي الله عنه، وأجاز
لي في شهررمضان المعظم سنة 591، وسمعت منه قبل ذلك ".
وكان بالقرب من بيتهم مسجد يعرف بمسجد الوزير ابن الفرات، يؤم به
--------------------------------------------
হাফিজ আল-মুনজিরীর জীবনী (১) :
তিনি হলেন ইমাম, হাফিজ, মুহাদ্দিস, সূক্ষ্মদর্শী সমালোচক, ফকিহ, ঐতিহাসিক, দক্ষ ভাষাবিদ, অত্যন্ত নির্ভুল
ও সুনিপুণ বর্ণনাকারী, ধর্মভীরু, পরহেজগার, শাইখুল ইসলাম, জাকিউদ্দীন আবু মুহাম্মদ আবদুল আজিম ইবনে
আবদুল কউয়ি ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে সালামাহ ইবনে সাদ ইবনে সাঈদ, আল-মুনজিরি, আল-মিসরি। তাঁর আদি নিবাস
ছিল শাম দেশে, তবে তাঁর পিতার জন্ম ও বাসস্থান ছিল মিসরে।
তিনি ৫৮১ হিজরির পহেলা শাবান মিসরের ফুসতাতের ‘কুমুল জারিহ’-এ জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানেই বড় হন
ও বেড়ে ওঠেন। ইলমের প্রতি তাঁর পিতার বিশেষ যত্ন ও অনুরাগ ছিল। ফলে তিনি তাঁর দিকনির্দেশনায় ৫৯১ হিজরির শেষদিকে হাদিস শ্রবণ করেন,
অর্থাৎ যখন তাঁর বয়স দশ বছর পূর্ণ হয়েছিল। এরপর তাঁর পিতা দীর্ঘকাল জীবিত থাকেননি, এই তারিখের মাত্র এক বছর পরই
৫৯২ হিজরির রমজান মাসে তিনি ইন্তেকাল করেন। ফলে আবদুল আজিম এতিম অবস্থায় বেড়ে ওঠেন এবং আলেমদের মজলিসে
উপস্থিত হওয়া ও তাঁদের থেকে ইলম অর্জন করা অব্যাহত রাখেন।
তাঁর পিতা হাম্বলি মাযহাবের অনুসারী ছিলেন, তাই তিনিও হাম্বলি মাযহাবে বেড়ে ওঠেন। পরবর্তীতে তিনি শাফেয়ি
মাযহাবে স্থানান্তরিত হন এবং এই মাযহাবের একজন বিশিষ্ট ফকিহ, আলেম ও গ্রন্থকার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
হাফিজ আল-মুনজিরীর উস্তাদবৃন্দ:তিনি সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে তাঁর শহর ও দেশের বহু সংখ্যক শায়খদের নিকট থেকে হাদিস ও অন্যান্য ইলম লাভ করেন।
তাঁদের সংখ্যা ছিল অত্যন্ত বেশি। মিসরে তিনি যার নিকট থেকে সর্বপ্রথম হাদিস শ্রবণ করেন, তিনি হলেন হাম্বলি শায়খদের অন্যতম আবু আবদুল্লাহ
মুহাম্মদ ইবনে হামদ ইবনে হামিদ আল-আনসারি। তাঁর আদি নিবাস আরতাহ-এ হলেও জন্ম ও বাসস্থান ছিল মিসরে।
তিনি ৬০১ হিজরিতে মিসরে ইন্তেকাল করেন। আল-মুনজিরি তাঁর জীবনীতে ‘আত-তাকমিলা’ গ্রন্থের ২য় খণ্ডের ৭২ পৃষ্ঠার
৯০০ নম্বর ক্রমিকে বলেন: “তিনিই প্রথম শায়খ যার নিকট থেকে আমি আমার পিতার (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) নির্দেশে হাদিস শ্রবণ করেছি। তিনি
আমাকে ৫৯১ হিজরির মহিমান্বিত রমজান মাসে ইজাযত (অনুমতি) প্রদান করেন, আর আমি তাঁর নিকট থেকে এর আগেও শ্রবণ করেছি।”
তাঁদের বাড়ির কাছেই উজির ইবনে আল-ফুরাত নামে পরিচিত একটি মসজিদ ছিল, সেখানে ইমামতি করতেন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ٢١)
شيخ حنبلي صالح، هوأبوالثناء محمود بن عبد الله بن مطروح المصري المقرىء
المؤدب، فقرأ عليه المنذري القران مدة.
وحضر في هذا المسجد أيضا على الإمام أبي محمد عبد الغني بن
عبد الواحد المقدسي الحنبلي المشهور، المتوفى بالمسجد المذكور سنة 600،
وأجازه في رجب من سنة 596.
وتلقى في محيط الجامع العتيق مسجد عمرو بن العاص: القران الكريم
بالقراء ات السبع، وتفقه بفقه الإمام الشافعي رضي الله عنه. ودرس علم العروض
وغيره من العلوم التي كانت تعمر بها حلق هذا الجامع العتيد وهذه الدوحة المباركة
في مدينة الفسطاط.
ثم رحل إلى الإسكندرية عدة مرات، وسمع من كبار شيوخها والقادمين
عليها، وكتب بها عن جماعة من العلماء ذكرهم وترجم لهم في كتابه "التكملة".
وجال في بلاد أخرى من القطر المصري، فدخل ثغر دمياط وسمع به، ومدينة
المنصورة وسمع بها، وبلبيس وسمع بها، وكتب عن شيوخها، وبلدة سمنود،
ورحل إلى الصعيد المصري، فدخل مدينة قنا وسمع بها وكتب، ومدينة قوص،
ودهروط، وغيرها.
وسافر إلى مدينة غزة وبلاد الشام وقراها، وبيت المقدس مرات متعددة. وهذا
يدل على كثرة ترحاله إلى بلدان العلم والعلماء، والاهتمام بتلقي الحديث عنهم.
ولاتساع رحلاته وكثرة تطوافه في البلاد كثرت شيوخه كثرة وافرة، ومن أبرز
شيوخه في بلده مصر الذين تاثر بهم وانتفع بصحبتهم: الإمام الحافظ المحدث
المتقن الضابط، الجامع لفنون من العلم، أبوالحسن علي بن المفضل المقدسي
الإسكندري، المولود سنة 544، والمتوفى سنة 611، فقد لازمه المنذري ملازمة
تامة، وقرأ عليه، وكتب عنه، وقال: انتفعت به انتفاعا كبيرا.
وكان هذا الشيخ حاذقا لجملة من العلوم، فاقتبسها المنذري منه معرفة
একজন নেককার হাম্বলি শাইখ, তিনি হলেন আবুস সানা মাহমুদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মাত্রুহ আল-মিসরি আল-মুকরি
আদব ও শিষ্টাচার শিক্ষক, আল-মুনজিরি তাঁর কাছে দীর্ঘ সময় কুরআন তিলাওয়াত করেন।
তিনি এই মসজিদে আরও উপস্থিত হয়েছিলেন বিখ্যাত হাম্বলি ইমাম আবু মুহাম্মাদ আব্দুল গনি ইবনে
আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসি-এর মজলিসে, যিনি ৬০০ হিজরিতে উল্লিখিত মসজিদে মৃত্যুবরণ করেন।
এবং তিনি ৫৯৬ হিজরির রজব মাসে তাঁকে অনুমতি প্রদান করেন।
তিনি প্রাচীন জামে মসজিদ (জামে আতিক) আমর ইবনে আস মসজিদে সাত কেরাআতে
কুরআনুল কারীম শিক্ষা করেন এবং ইমাম শাফিঈ (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর ফিকহ অনুযায়ী ফিকহ শিক্ষা করেন। তিনি ইলমে আরুয (ছন্দতত্ত্ব)
এবং অন্যান্য জ্ঞান অর্জন করেন যার মাধ্যমে ফুস্তাত শহরের এই প্রাচীন জামে মসজিদ ও এই বরকতময় জ্ঞান-কাননের হালকাগুলো সমৃদ্ধ ছিল।
এরপর তিনি কয়েকবার আলেকজান্দ্রিয়া সফর করেন এবং সেখানকার বড় বড় শাইখ ও আগত
আলেমদের নিকট থেকে শ্রবণ করেন এবং একদল আলেমের নিকট থেকে লিপিবদ্ধ করেন, যাদের কথা তিনি তাঁর "আত-তাকমিলা" গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং তাঁদের জীবনী আলোচনা করেছেন।
তিনি মিশর অঞ্চলের অন্যান্য শহরও ভ্রমণ করেন। তিনি দামিয়েত্তা বন্দরে প্রবেশ করেন এবং সেখানে শ্রবণ করেন, মানসুরা
শহরে ও বিলবাইস শহরে শ্রবণ করেন এবং সেখানকার শাইখদের নিকট থেকে লিপিবদ্ধ করেন, আর সামানুদ শহরও ভ্রমণ করেন।
তিনি উচ্চ মিশরে সফর করেন, ফলে কেনা শহরে প্রবেশ করেন এবং সেখানে শ্রবণ ও লিপিবদ্ধ করেন। এছাড়া কুস শহর,
দাহরুত এবং অন্যান্য স্থানেও যান।
তিনি গাজা শহর, শাম দেশ ও এর গ্রামগুলো এবং বাইতুল মাকদিসে একাধিকবার সফর করেন। এটি
জ্ঞান ও আলেমদের দেশে তাঁর অধিক সফরের এবং তাঁদের থেকে হাদিস গ্রহণের প্রতি তাঁর গুরুত্বের প্রমাণ বহন করে।
তাঁর সফরের পরিধি বিস্তৃত হওয়া এবং দেশ-বিদেশে তাঁর ভ্রমণের আধিক্যের কারণে তাঁর শাইখদের সংখ্যা প্রচুর বৃদ্ধি পায়। তাঁর নিজ দেশ মিশরের বিশিষ্ট
শাইখদের মধ্যে যাদের দ্বারা তিনি প্রভাবিত হয়েছিলেন এবং যাঁদের সান্নিধ্যে থেকে উপকৃত হয়েছিলেন তাঁরা হলেন: হাফেজ ইমাম, নিখুঁত মুহাদ্দিস,
জ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় পারদর্শী আবুল হাসান আলী ইবনে আল-মুফাদ্দাল আল-মাকদিসি
আল-ইসকান্দারি, যিনি ৫৪৪ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৬১১ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। আল-মুনজিরি তাঁর সার্বক্ষণিক সান্নিধ্যে
ছিলেন, তাঁর নিকট পড়াশোনা করেছেন, তাঁর নিকট থেকে লিপিবদ্ধ করেছেন এবং বলেছেন: আমি তাঁর দ্বারা ব্যাপকভাবে উপকৃত হয়েছি।
এই শাইখ জ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ ছিলেন এবং আল-মুনজিরি তাঁর নিকট থেকে অনেক জ্ঞান অর্জন করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
وحذاقة وضبطا ودقة؛ فهو من حسنات الإمام الجليل ومن الباقيات الصالحات من
اثاره الطيبة.
وشيوخة المصريون فيهم كثرة بالغة، ليسر لقائهم وقرب انتقاله إليهم، ففي
تعدادهم طول طويل، وكان ينتقي الشيوخ الماهرين ويتقصدهم ليكسب المهارة
منهم، كما يمر بالشيوخ العلماء فيستفيد منهم ويكتب عنهم، فما قصر في جنب
الرحلة والاستفادة من شيخ وعالم، وذلك مما يدل على شدة نهمه العلمي واتساع
أفقه الذهني، وقوة تمكنه من فرز ما يتلقاه، فيخرج منه ما يرتضيه، ويدع منه
ما لا يرتضيه، شأن العالم القدير الناقد الناخب لما يحصله ويسمعه.
وإلى جانب الكثرة البالغة التي لقيها من شيوخ العلم، استجاز ممن لم يتمكن
من لقائهم بالمراسلة والمكاتبة، فكانوا في عداد شيوخه ومفيديه، فاستجاز من
البغداديين -إذ لم يرحل إلى بغداد -، ومن الدمشقيين زيادة على من لقيهم فيها،
ومن علماء البلدان الذين لم يقدر له لقاؤهم ومشافهتهم. وسمع الحديث وكتبة من
النساء المحدثات العالمات.
ومن أبرز شيوخه الذين لقيهم وتلقى عنهم في دمشق: المحدث المسند
أبوحفص عمر بن محمد بن معمر البغدادي الدارقزي المؤدب، المعروف
بابن طبرزذ -وطبرزد -، المولود سنة 516، والمتوفى سنة 607، فقد كان هذا
الشيخ من المكثرين في التلقي عن الشيوخ، وتفرد بالرواية عن غير واحد منهم،
قال المنذري: لقيته بدمشق، وسمعت منه كثيرا من الكتب الكبار والأجزاء
والفوائد. . . وطبرزد: اسم
لنوع من السكر.
ومن أبرز شيوخه الذين أخذ عنهم في دمشق أيضا: تاج الدين أبو اليمن
زيد بن الحسن بن زيد الكندئ، البغدادئ المولد والمنشأ، الدمشقي الدار والقرار
الإمام النحوئ العالم الأديب، المولود سنة 520، والمتوفى سنة 613، وقد عمر
هذا الشيخ طويلا، فانفرد باشياء من القراءات والمسموعات، وتميز بمزايا من
العلوم، قال المنذري: وكان أحد البارعين في علم الأدب، وانتهى التقدم فيه إليه.
এবং বিচক্ষণতা, নিয়ন্ত্রণ ও নির্ভুলতা; এটি সেই মহান ইমামের পুণ্যকর্মসমূহের অন্তর্ভুক্ত এবং তাঁর পবিত্র নিদর্শনসমূহের মধ্যে অবিনশ্বর নেক আমল হিসেবে গণ্য।
তাঁর মিশরীয় উস্তাদগণের সংখ্যা অত্যন্ত বেশি ছিল, কারণ তাঁদের সাথে সাক্ষাৎ ছিল সহজ এবং তাঁদের কাছে যাতায়াত ছিল নিকটবর্তী। তাঁদের সংখ্যা গণনা করা অনেক দীর্ঘ বিষয়। তিনি দক্ষ উস্তাদদের নির্বাচন করতেন এবং তাঁদের থেকে দক্ষতা অর্জনের উদ্দেশ্যে তাঁদের কাছে যেতেন। তেমনিভাবে তিনি বিজ্ঞ আলিম উস্তাদদের কাছেও যেতেন, তাঁদের থেকে উপকৃত হতেন এবং তাঁদের থেকে (জ্ঞান) লিখে নিতেন। ইলমি সফর এবং কোনো শায়খ বা আলিমের কাছ থেকে উপকৃত হওয়ার ক্ষেত্রে তিনি কোনো ত্রুটি করেননি। এটি তাঁর ইলমের প্রতি প্রবল আকাঙ্ক্ষা, মানসিক দিগন্তের প্রশস্ততা এবং যা গ্রহণ করছেন তা যাচাই-বাছাই করার ক্ষেত্রে তাঁর শক্তিশালী সামর্থ্যের প্রমাণ দেয়। ফলে তিনি যা পছন্দ করতেন তা গ্রহণ করতেন এবং যা পছন্দ করতেন না তা বর্জন করতেন; যা একজন দক্ষ, সমালোচক এবং আহরিত ও শ্রুত বিষয়ের বাছাইকারী আলিমের বৈশিষ্ট্য।
ইলমি উস্তাদদের সাথে তাঁর যে ব্যাপক সাক্ষাতের সুযোগ হয়েছিল, তার পাশাপাশি যাদের সাথে তাঁর সাক্ষাৎ সম্ভব হয়নি, তাঁদের থেকে তিনি পত্রবিনিময় ও চিঠিপত্রের মাধ্যমে ইজাজত (অনুমতি) গ্রহণ করেছিলেন। ফলে তাঁরাও তাঁর উস্তাদ ও উপকার দানকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি বাগদাদীদের কাছ থেকে ইজাজত নিয়েছিলেন—যেহেতু তিনি বাগদাদে সফর করেননি—এবং দামেস্কবাসীদের কাছ থেকে তাঁদের বাইরেও ইজাজত নিয়েছিলেন যাদের সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হয়েছিল। এছাড়া বিভিন্ন দেশের আলিমদের থেকেও ইজাজত নিয়েছিলেন যাদের সাথে সরাসরি সাক্ষাৎ বা কথা বলার সুযোগ তাঁর হয়নি। তিনি বিদুষী নারী মুহাদ্দিসদের থেকেও হাদিস শুনেছেন এবং তা লিপিবদ্ধ করেছেন।
দামেস্কে তিনি যাদের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন এবং শিক্ষা গ্রহণ করেছেন তাঁদের মধ্যে তাঁর বিশিষ্ট উস্তাদগণ হলেন: মুহাদ্দিস ও মুসনিদ আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মা'মার আল-বাগদাদি আদ-দারকাজি আল-মুয়াদ্দিব, যিনি ইবনে তাবারজাদ (বা তাবারজাদ) নামে পরিচিত। তিনি ৫১৬ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৬০৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। এই শায়খ উস্তাদদের থেকে ইলম অর্জনের ক্ষেত্রে অধিক বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং অনেকের থেকে এককভাবে বর্ণনা করার গৌরব অর্জন করেছিলেন। আল-মুনজিরি বলেন: আমি দামেস্কে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করেছি এবং তাঁর থেকে অনেক বড় বড় কিতাব, জুজ (অংশ) ও ফাওয়ায়েদ শুনেছি। আর তাবারজাদ হলো এক প্রকার চিনির নাম।
দামেস্কে তিনি যাদের থেকে জ্ঞান আহরণ করেছেন তাঁদের মধ্যে আরও অন্যতম বিশিষ্ট উস্তাদ হলেন: তাজউদ্দীন আবুল ইয়ামান জায়েদ ইবনে আল-হাসান ইবনে জায়েদ আল-কিন্দি; জন্ম ও বেড়ে ওঠা বাগদাদে, আর স্থায়ী আবাস ছিল দামেস্কে। তিনি ছিলেন একজন ইমাম, নাহুবিদ, আলিম ও সাহিত্যিক। ৫২০ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৬১৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। এই শায়খ দীর্ঘজীবী হয়েছিলেন, ফলে কিরাত ও শ্রুত বিষয়াদির ক্ষেত্রে তিনি অনেক কিছুর একক বর্ণনাকারী ছিলেন এবং বিভিন্ন বিজ্ঞানে বিশেষত্বের অধিকারী ছিলেন। আল-মুনজিরি বলেন: তিনি আদব বা সাহিত্যশাস্ত্রে দক্ষ ব্যক্তিদের অন্যতম ছিলেন এবং এই শাস্ত্রে অগ্রগামিতা তাঁর মাধ্যমেই পূর্ণতা পেয়েছিল।
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
ومن شيوخه البارزين الذين لقيهم بدمشق أيضا: الحافظ المحدث أبو الحسن
علي بن المبارك الواسطي البرجوني، المقرىء الفقيه الشافعي، المعروف
بابن باسوية، المولود سنة 556، والمتوفى سنة 632، فقد كان من كبار المحدثين
وكبارالقراء، وممن شدت إليه الرحال، فتلقى عنه الحديث وغيره مما تميز به من
العلوم.
ومن شيوخه البارزين الذين تخرج بهم في دمشق أيضا: الإمام الفقيه البارع
الواسع الموفق ابن قدامة الحنبلي، أبومحمد عبد الله بن أحمد بن قدامة المقدسي
الجماعيلي، المولود سنة 541، والمتوفى سنة 620، وقد كان هذا الشيخ خزانة
الفقه الإسلامي بمذاهبه واختلافات المجتهدين فيه.
ومن شيوخه البارزين الذين لقيهم في بلاد الشام أيضا: الإمام العالم العلامة
الأديب المؤرخ الرحالة النسابة البلداني، أبوعبد الله ياقوت بن عبد الله الرومي
الحموي، المتفنن المتقن الثقة الضابط الأمين، المولود سنة 574، والمتوفى سنة
626. وهناك شيوخ كبار اخرون كثيرون، لقيهم المنذري في بلاد الشام، لا أطيل
بذكرهم روما للاختصار.
ورحل المنذري إلى الحرمين الشريفين، بغية الحج إلى بيت الله تعالى
وزيارة منازل الوحي الشريف، وبنية لقاء علماء الحرمين والعلماء الواردين عليهما
من بقاع الإسلام، وكان ذلك منه في سنة 656، وسمع في هذه الرحلة من علماء
الحجاز، ومن علماء كثيرين من أقطار العالم الإسلامي الذين حجوا في هذا العام،
فكان له من ذلك مزيد كثرة في الشيوخ، ومزيد وفرة في العلم وتلقيه عن رجاله،
من مختلف الأصقاع، وسمع وكتب وأوعب عن الشيوخ في ذهابه وإيابه وقراره في
الحرمين.
وعاد إلى بلده مصر في سنة 657، وأمضى معظم حياته في فسطاط مصر
والقاهرة، وهناك تولى الإمامة بالمدرسة الصالحية، والتدريس بالجامع الظافري،
ثم ولي مشيخة دار الحديث الكاملية، التي انقطع بها قرابة عشرين عاما إلى اخر
حياته، ومات فيها.
দামেস্কে তিনি যে সকল প্রখ্যাত শিক্ষকদের সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন তাঁদের মধ্যে আরও রয়েছেন: হাফেয মুহাদ্দিস আবু হাসান
আলী বিন আল-মুবারক আল-ওয়াসিতি আল-বুরজুনি, তিনি ছিলেন একজন ক্বারী ও শাফিঈ ফকীহ, যিনি
ইবনে বাসওয়াইহ নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি ৫৫৬ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৬৩২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বড় মাপের মুহাদ্দিস
ও ক্বারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং যাঁর নিকট জ্ঞান অর্জনের জন্য দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ সফর করে আসত। তিনি তাঁর নিকট থেকে হাদীস এবং অন্যান্য বিষয় শিক্ষা লাভ করেন যাতে তিনি
পারদর্শী ছিলেন।
দামেস্কে যাঁর অধীনে তিনি শিক্ষা সমাপন করেছিলেন, তাঁর সেই সকল প্রখ্যাত শিক্ষকদের মধ্যে আরও রয়েছেন: দক্ষ ও অগাধ পাণ্ডিত্যের অধিকারী ইমাম ফকীহ
আল-মুওয়াফফাক ইবনে কুদামা আল-হাম্বলি, আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন আহমদ বিন কুদামা আল-মাকদিসি
আল-জামাঈলি। তিনি ৫৪১ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৬২০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। এই শায়খ ছিলেন
ইসলামি ফিকহ, এর মাযহাবসমূহ এবং মুজতাহিদগণের মতপার্থক্যের এক বিশাল ভাণ্ডার।
শাম দেশে (সিরিয়া অঞ্চল) তিনি যে সকল প্রখ্যাত শিক্ষকদের সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে আরও রয়েছেন: প্রাজ্ঞ আলিম, আল্লামা
সাহিত্যিক, ঐতিহাসিক, পর্যটক, বংশবিদ্যা বিশারদ ও ভূগোলবিদ আবু আবদুল্লাহ ইয়াকুত বিন আবদুল্লাহ আর-রুমি
আল-হামাউয়ি। তিনি ছিলেন বহুমুখী জ্ঞানের অধিকারী, অত্যন্ত নির্ভুল, নির্ভরযোগ্য, স্মৃতিধর ও আমানতদার। তিনি ৫৭৪ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং মৃত্যুবরণ করেন
৬২৬ হিজরিতে। এছাড়া শাম দেশে আরও অনেক বড় বড় শায়খ ছিলেন যাঁদের সাথে আল-মুনযিরি সাক্ষাৎ করেছিলেন, সংক্ষেপ করার উদ্দেশ্যে আমি
তাঁদের নাম উল্লেখ করে দীর্ঘ করছি না।
আল-মুনযিরি মহান আল্লাহর ঘর হজ করার উদ্দেশ্যে
এবং ওহী নাযিলের পবিত্র স্থানসমূহ যিয়ারতের জন্য হারামাইন শরীফাইনের দিকে সফর করেন। একই সাথে তাঁর নিয়ত ছিল হারামাইনের উলামায়ে কেরাম এবং সেখানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত আলিমদের সাথে সাক্ষাৎ করা।
তাঁর এই সফরটি ছিল ৬৫৬ হিজরিতে। এই সফরে তিনি হিজাযের আলিমদের নিকট থেকে
এবং মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ওই বছর হজে আসা অসংখ্য আলিমের নিকট থেকে জ্ঞান অর্জন করেন।
ফলে তাঁর শিক্ষকদের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায় এবং বিভিন্ন অঞ্চলের মনীষীদের থেকে জ্ঞান ও শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ আরও অবারিত হয়।
তিনি তাঁর যাওয়া, আসা এবং হারামাইনে অবস্থানের সময় শিক্ষকদের নিকট থেকে শ্রবণ করেন, লিপিবদ্ধ করেন এবং জ্ঞান সংগ্রহ করেন।
তিনি ৬৫৭ হিজরিতে তাঁর নিজ দেশ মিশরে ফিরে আসেন এবং তাঁর জীবনের অধিকাংশ সময় মিশরের ফুসতাত
ও কায়রোতে অতিবাহিত করেন। সেখানে তিনি আস-সালিহিয়্যাহ মাদরাসায় ইমামতির দায়িত্ব পালন করেন এবং আয-জাফিরি মসজিদে অধ্যাপনা করেন।
এরপর তিনি দারুল হাদীস আল-কামিলিয়্যাহ-এর প্রধান শায়খের দায়িত্ব লাভ করেন, যেখানে তিনি তাঁর জীবনের শেষ প্রায় বিশ বছর নিরবচ্ছিন্নভাবে অতিবাহিত করেন
এবং সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
ولم يقتصر المنذري على السماع من شيوخ الحديث، بل كتب الكثير عن
العلماء، وعلق عنهم الفوائد، سواء كانوا محدثين أم أدباء أم شعراء أم صوفية
أم غيرهم من أهل عصره، وقد ذكر من ذلك جملة صالحة في كتابه "التكملة"،
وأغلبهم كتب عنهم بمصر والقاهرة والمنصورة، أو البلدان القريبة من هذه المدن
الكبرى، أو استجاز منهم.
ولم يقتصر المنذري في تحصيله على السماع واللقاء، بل كاتب العلماء
واستجاز منهم من البلدان المختلفة، فكان له شيوخ إجازة كثيرون، كما له شيوخ
سماع كثيرون، وكان هناك ناس يقومون بحمل الإجازات من بلد إلى اخر، قال في
"التكملة" ص 322، في ترجمة أبي الحسن علي بن النفيس البغدادي الإجازاتي،
المعروف بابن النفيس، المتوفى بالقاهرة سنة 640:
"وسعى في حمل الإجازات للناس، من بغداد إلى الإسكندرية سنين. وقال
جمال الدين أبوحامد بن الصابوني فيه أيضا: كان يسافر من بغداد إلى الإسكندرية،
مترددا في أخذ خطوط الشيوخ للناس في الإجازات المسيرة على يده، ليس له
"حاجة ولا بضاعة إلا ذلك، وما له قصد سوى الإفادة، وبقي على هذا الأمر سنين،
فجزاه الله خيرا".
وكان الزملاء في الطلب والرفاق في الرحلة، يتفقون على أن ياخذ كل واحد
منهم الإجازات من شيوخ بلده، ويبعث بها إلى صاحبه وزميله في البلد الاخر،
استكثارا من الشيوخ ومن ربط الصلة بينهم وتوسيع المعرفة بهم.
وقد كان المستجيز يستجيز الشيخ عدة مرات، ليكون له الحق في رواية أكبر
عدد ممكن من روايات الشيخ المجيز، وهكذا كان يفعل المنذري رحمه الله
تعالى.
ولم يكتب للمنذري الرحلة إلى بغداد كما سبقت الإشارة إلى ذلك، فاستجاز
من كثير من شيوخها ومحدثيها الكبار والمغمورين، ابتداء من سنة 593، وما زال
يستجيز إلى اخر حياته، حتى بلغ عدد شيوخه البغداديين بالإجازة أزيد من 335
মুনযিরী রহ. কেবল হাদীস শাস্ত্রের শায়খদের নিকট থেকে শ্রবণের ওপরই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং তিনি আলিমদের থেকে অনেক কিছু লিপিবদ্ধ করেছেন
এবং তাঁদের থেকে প্রাপ্ত ফায়দাগুলোও নোট করেছেন, চাই তাঁরা মুহাদ্দিস হোন বা সাহিত্যিক, কবি, সূফী
কিংবা তাঁর যুগের অন্য কেউ হোন। তিনি তাঁর 'আত-তাকমিলা' গ্রন্থে এর একটি বড় অংশ উল্লেখ করেছেন।
তাঁদের অধিকাংশের নিকট থেকে তিনি মিসর, কায়রো ও মানসুরা বা এই বড় শহরগুলোর নিকটবর্তী এলাকাগুলোতে
থেকে লিখেছেন অথবা তাঁদের নিকট থেকে ইজাযত গ্রহণ করেছেন।
মুনযিরী রহ. ইলম অর্জনের ক্ষেত্রে কেবল শ্রবণ ও সাক্ষাতের ওপরই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং তিনি বিভিন্ন দেশের আলিমদের নিকট পত্র লিখে
তাঁদের থেকে ইজাযত প্রার্থনা করেছেন। ফলে তাঁর ইজাযতের শায়খ অনেক ছিলেন, যেমন তাঁর
শ্রবণের শায়খও অনেক ছিলেন। সে সময় এমন কিছু লোক ছিলেন যারা এক দেশ থেকে অন্য দেশে ইজাযতনামাগুলো বহন করার কাজ করতেন। তিনি
'আত-তাকমিলা' গ্রন্থের ৩২২ পৃষ্ঠায় আবুল হাসান আলী ইবনে আন-নাফিস আল-বাগদাদী আল-ইজাযাতী—যিনি
ইবনে আন-নাফিস নামে পরিচিত এবং ৬৪০ হিজরীতে কায়রোতে মৃত্যুবরণ করেন—তাঁর জীবনীতে বলেছেন:
"তিনি বহু বছর ধরে বাগদাদ থেকে আলেকজান্দ্রিয়া পর্যন্ত মানুষের জন্য ইজাযতনামা বহনের চেষ্টা চালিয়েছেন। জামালুদ্দীন
আবু হামিদ ইবন আস-সাবুনীও তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: তিনি বাগদাদ থেকে আলেকজান্দ্রিয়া সফর করতেন এবং তাঁর মাধ্যমে
প্রেরিত ইজাযতনামাগুলোতে মানুষের জন্য শায়খদের দস্তখত নেওয়ার কাজে আসা-যাওয়া করতেন। এ ছাড়া তাঁর অন্য কোনো
প্রয়োজন বা ব্যবসা ছিল না এবং উপকার করা ছাড়া তাঁর অন্য কোনো উদ্দেশ্যও ছিল না। তিনি বহু বছর এ কাজের ওপর অটল ছিলেন,
আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দিন।"
ইলম অর্জনের সহপাঠী এবং সফরের সঙ্গীরা এ ব্যাপারে একমত হতেন যে, তাঁদের প্রত্যেকে
নিজ নিজ শহরের শায়খদের কাছ থেকে ইজাযত গ্রহণ করবেন এবং তা অন্য শহরে অবস্থানরত তাঁর সঙ্গী ও সহপাঠীর কাছে পাঠিয়ে দেবেন।
এর উদ্দেশ্য ছিল শায়খদের সংখ্যা বাড়ানো, তাঁদের সাথে সম্পর্ক তৈরি করা এবং তাঁদের সম্পর্কে জ্ঞান আরও প্রশস্ত করা।
ইজাযতপ্রার্থী কোনো শায়খের কাছ থেকে একাধিকবার ইজাযত চাইতেন, যাতে ইজাযতদানকারী শায়খের বর্ণনাগুলোর মধ্যে
যতটা সম্ভব বেশি সংখ্যক বর্ণনা করার অধিকার তাঁর লাভ হয়। আর ইমাম মুনযিরী রহমাতুল্লাহি
তা'আলা এভাবেই করতেন।
পূর্বে যেমনটি উল্লেখ করা হয়েছে, মুনযিরী রহ.-এর ভাগ্যে বাগদাদ সফর লিখে রাখা হয়নি। তাই তিনি
৫৯৩ হিজরী থেকে শুরু করে তাঁর জীবনের শেষ পর্যন্ত বাগদাদের বহু প্রথিতযশা এবং স্বল্প পরিচিত শায়খ ও মুহাদ্দিসদের থেকে ইজাযত গ্রহণ করেছেন।
এমনকি ইজাযতের সূত্রে তাঁর বাগদাদী শায়খদের সংখ্যা ৩৩৫ জনেরও বেশি পৌঁছেছিল।
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
شيخ وشيخة، وأكثرهم مذكورون في كتابه "التكملة"، وبلغ عدد شيوخه
الدمشقيين الذين استجاز منهم - غير الذين لقيهم وتلقى عنهم - أزيد من 135
شيخ وشيخة، وبينهم علماء أعلام ومحدثون وفقهاء وشعراء.
واستجاز من شيوخ بلدان أخرى، كانوا في مصر أو الإسكندرية أو ما يتصل
بهما أو يبعد عنهما، من علماء حران، والرها، وحلب، والموصل، واربل،
وخرسان، وهمذان، وأصبهان، ومن علماء مكة المكرمة والمدينة المنورة، والقادمين
عليهما والمجاورين بهما، وغيرها، حتى استجاز من بعض علماء الأندلس، فاستجاز
من حافظ بلنسية محدث الأندلس وبليغها أبي الربيع سليمان بن موسى الكلاعي
الأندلسي البلنسي الخطيب، المولود سنة565، والمتوفى شهيدا سنة 634، فبلغوا
أزيد من 92 شيخا، فكان عدد شيوخه بالإجازة قرابة 600 شيخ.
واستجاز من الشيخات العالمات في البلاد التي لم يرحل إليها، وما فرط في
سماع أو إجازة استطاع الوصول إليها منهن، استكثارا من ربط نفسه بقافلة خدمة
سنة النبي صلى الله عليه وسلم، فاستجاز من ابنة الحافظ السلفي بالإسكندرية، ومن عدد كبير من
الشيخات البغداديات، ومن شيخات أصبهان ونيسابور وهمذان ودمشق وحران.
توليه مشيخة دار الحديث الكاملية:
حكم الملك الكامل محمد ابن الملك العادل أبي بكر محمد بن أيوب:
البلاد المصرية قرابة أربعين عاما، كان في النصف الأول منها نائبا عن والده، ثم
استقل بها بعد وفاة والده سنة615 حتى وفاته سنة635.
وكان الملك الكامل ممن عني بالعلم أتم عناية، فقد طلبه لنفسه، وسمع
الحديث ورواه، وكان يحب العلماء ويحضرهم مجلسه في كل أسبوع، ويلقي
عليهم المشكلات من المسائل، ويتكلم معهم، وتكلم على صحيح مسلم بكلام
مليح ولفظ فصيح، وكان معظما للسنة النبوية وأهلها، راغبا في نشرها والتمسك
بها.
ونتيجة لهذا الاهتمام بالعلم وحمت السنة النبوية، أسس "دار الحديث
শায়খ ও শায়খা, যাদের অধিকাংশের কথা তার "আত-তাকমিলা" গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে। আর তার দামেস্কের শায়খদের সংখ্যা পৌঁছেছে
যাদের কাছ থেকে তিনি ইজাজত গ্রহণ করেছেন—যাদের সাথে তিনি সাক্ষাৎ করেছেন এবং সরাসরি পাঠ গ্রহণ করেছেন তারা ব্যতীত—১৩৫ জনেরও
বেশি শায়খ ও শায়খা। তাদের মধ্যে প্রখ্যাত আলেম, মুহাদ্দিস, ফকিহ এবং কবিগণ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
তিনি অন্যান্য জনপদের শায়খদের কাছ থেকেও ইজাজত গ্রহণ করেছেন, যারা মিসর অথবা আলেকজান্দ্রিয়া অথবা তার সাথে সংশ্লিষ্ট
বা তার থেকে দূরবর্তী অঞ্চলে অবস্থান করতেন। যেমন: হাররান, রুহা, হালাব, মোসুল, ইরবিল,
খুরাসান, হামাদান এবং ইসফাহানের আলেমগণ। এছাড়া মক্কা মুকাররমা ও মদিনা মুনাওয়ারার আলেমগণ, সেখানে আগন্তুক
ও সেখানে অবস্থানকারী আলেমগণসহ অন্যান্যদের থেকেও তিনি ইজাজত নেন। এমনকি তিনি আন্দালুসের কিছু আলেমের থেকেও ইজাজত নিয়েছেন। তিনি ইজাজত গ্রহণ করেন
বালেন্সিয়ার হাফিজ, আন্দালুসের মুহাদ্দিস ও প্রখ্যাত বাগ্মী আবু আল-রবি সুলাইমান ইবনে মুসা আল-কালায়ী
আল-আন্দালুসি আল-বালেন্সি আল-খতিব—যিনি ৫৬৫ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৬৩৪ হিজরিতে শহীদ হিসেবে মৃত্যুবরণ করেন। এভাবে তাদের সংখ্যা দাঁড়ায়
৯২ জনেরও বেশি শায়খ। ফলে ইজাজতের মাধ্যমে প্রাপ্ত তার শায়খদের মোট সংখ্যা ছিল প্রায় ৬০০ জন শায়খ।
তিনি যেসব দেশের বিদুষী শায়খাদের কাছ থেকেও ইজাজত গ্রহণ করেছেন যেসব স্থানে তিনি নিজে ভ্রমণ করতে পারেননি। তাদের কাছ থেকে হাদিস শ্রবণ বা ইজাজত লাভের
যে সুযোগই তিনি পেয়েছেন, তা গ্রহণে তিনি কোনো অবহেলা করেননি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহর খিদমতের কাফেলার সাথে
নিজেকে সম্পৃক্ত করার আধিক্যের আকাঙ্ক্ষায় তিনি আলেকজান্দ্রিয়ার হাফিজ আস-সালাফির কন্যার কাছ থেকে এবং বিপুল সংখ্যক
বাগদাদী নারী শিক্ষকদের থেকে এবং ইসফাহান, নিশাপুর, হামাদান, দামেস্ক ও হাররানের নারী শিক্ষকদের থেকে ইজাজত গ্রহণ করেন।
দারুল হাদিস আল-কামিলিয়্যাহ-র প্রধান হিসেবে তার দায়িত্ব গ্রহণ:
আল-মালিকুল কামিল মুহাম্মদ ইবনে আল-মালিকুল আদিল আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আইয়ুবের শাসনকাল:
মিসরের ভূখণ্ডে প্রায় চল্লিশ বছর। এর প্রথম অর্ধাংশে তিনি তার পিতার প্রতিনিধি ছিলেন, এরপর
৬১৫ হিজরিতে পিতার মৃত্যুর পর তিনি স্বাধীনভাবে শাসনভার পরিচালনা করেন ৬৩৫ হিজরিতে তার মৃত্যু পর্যন্ত।
আল-মালিকুল কামিল এমন একজন ব্যক্তি ছিলেন যিনি ইলম বা জ্ঞানের প্রতি অত্যন্ত যত্নশীল ছিলেন। তিনি নিজেও ইলম অন্বেষণ করেছেন এবং হাদিস
শুনেছেন ও বর্ণনা করেছেন। তিনি আলেমদের ভালোবাসতেন এবং প্রতি সপ্তাহে তাদের নিজের মজলিসে উপস্থিত করতেন, এবং পেশ করতেন
তাদের কাছে বিভিন্ন জটিল মাসয়ালাসমূহ এবং তাদের সাথে আলোচনা করতেন। তিনি সহিহ মুসলিমের ওপর চমৎকার
আলোচনা ও প্রাঞ্জল ভাষায় কথা বলতেন। তিনি সুন্নাহ এবং সুন্নাহর অনুসারীদের প্রতি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল ছিলেন এবং সুন্নাহর প্রসার ও তা আঁকড়ে ধরার
প্রতি আগ্রহী ছিলেন।
ইলমের প্রতি এই বিশেষ গুরুত্ব এবং সুন্নাহর প্রতি অনুরাগের ফলশ্রুতিতে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন "দারুল হাদিস
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
الكاملية" في خط (بين القصرين) من القاهرة سنة 621، ووقفها على المشتغلين
بالحديث النبوي الشريف، ثم من بعدهم على فقهاء الشافعية، وجعل فيها منازل
يسكن فيها الطلبة والمدرسون، وجعل فيها خزانة كتب.
وكان أول من أسس دارا للحديث هو الملك نور الدين الشهيد، المتوفى سنة
569 رحمه الله تعالى، أسسها بدمشق، ثم تلاها تاسيس دور للحديث في بلدان
أخرى، فدار الحديث الكاملية ليست هي ثاني دار للحديث اسست كما وهم
بعض العلماء في ذلك.
وتولى المنذري مشيخة دار الحديث الكاملية، بعد وفاة شيخها الأول:
أبي الخطاب عمر بن الحسن المعروف بابن دحية الكلبي الأندلسي ثم القاهري،
المتوفى سنة 634، وبعد أخيه أبي عمرو عثمان بن الحسن شيخها الثاني، فكان
المنذري شيخها الثالث، وكان قد بلغ بين علماء عصره وزاد على الخمسين نحو
ثلاث سنين، فولاه الملك الكامل شياخة هذه الدار الحديثية.
فانقطع بها وسكنها إلى اخر يوم من حياته، نحو العشرين سنة) عاكفا على
التصنيف والتحديث والإفادة والتخريج، فما كان يخرج منها إلا لصلاة الجمعة،
حتى إنه لما مات أكبر أولاده الحافظ رشيد الدين محمد سنة 643، صلى عليه فيها،
وشيعه إلى باب المدرسة، وقال له: أودعتك يا ولدي الله تعالى،
وفارقة (1) .
تلاميذ الحافظ المنذري:للحافظ المنذري تلاميذ تخرجوا به لا يحصون كثرة، لما كان عليه من
الصلاح والورع والفقه في الدين والإمامة في الحديث والإتقان فيه تحديثا وتخريجا،
وتعديلا وتجريحا، وضبطا وإتقانا، وفهما وشرحا، ورجالا وشيوخا، وتاريخا
--------------------------------------------
৬২১ হিজরিতে কায়রোর (বাইনাল কাসরাইন) এলাকায় "আল-কামিলিয়্যাহ" প্রতিষ্ঠানটি স্থাপন করেন এবং এটি পবিত্র হাদীস চর্চায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের জন্য ওয়াকফ করেন,
অতঃপর শাফিঈ ফকীহদের জন্য; আর সেখানে তিনি ছাত্র ও শিক্ষকদের বসবাসের উপযোগী আবাসন
ও একটি কুতুবখানা বা লাইব্রেরি স্থাপন করেন।
সর্বপ্রথম যিনি দারুল হাদীস প্রতিষ্ঠা করেন তিনি হলেন বাদশাহ নূরুদ্দীন আশ-শহীদ (মৃত ৫৬৯ হিজরি),
আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন; তিনি এটি দামেস্কে প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর অন্যান্য শহরেও
দারুল হাদীস প্রতিষ্ঠিত হয়। সুতরাং দারুল হাদীস আল-কামিলিয়্যাহ দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠিত দারুল হাদীস নয়,
যেমনটি কোনো কোনো আলিম এ বিষয়ে ভুল ধারণা করেছেন।
এর প্রথম শায়খ আবুল খাত্তাব উমর ইবনুল হাসান (যিনি ইবনে দিহয়া আল-কালবী আল-আন্দালুসী অতঃপর আল-কাহিরাবী হিসেবে পরিচিত,
মৃত ৬৩৪ হিজরি)-এর ইন্তিকালের পর আল-মুনযিরী দারুল হাদীস আল-কামিলিয়্যাহ-এর প্রধান শায়খের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
অতঃপর এর দ্বিতীয় শায়খ তাঁর ভাই আবু আমর উসমান ইবনুল হাসানের পর আল-মুনযিরী
এর তৃতীয় শায়খ নিযুক্ত হন। সে সময় তাঁর বয়স তাঁর যুগের আলিমদের মাঝে তিপ্পান্ন বছরের
কাছাকাছি হয়েছিল, তখন বাদশাহ আল-কামিল তাঁকে এই হাদীস কেন্দ্রের শায়খ নিযুক্ত করেন।
তিনি সেখানে নিজেকে নিবেদিত করেন এবং জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত প্রায় বিশ বছর সেখানে বসবাস করেন।
তিনি গ্রন্থ রচনা, হাদীস বর্ণনা, জ্ঞানদান ও তাখরীজ (সূত্র নির্দেশ)-এর কাজে মগ্ন ছিলেন। তিনি জুমার সালাত ব্যতীত
সেখান থেকে বের হতেন না। এমনকি যখন তাঁর বড় ছেলে হাফিজ রশীদুদ্দীন মুহাম্মদ ৬৪৩ হিজরিতে মারা যান,
তখন তিনি মাদরাসার ভেতরেই তাঁর জানাযার সালাত আদায় করেন এবং মাদরাসার গেট পর্যন্ত তাঁকে বিদায় জানান।
তিনি তাঁকে উদ্দেশ্য করে বলেন: হে বৎস! আমি তোমাকে আল্লাহ তাআলার কাছে সোপর্দ করলাম,
এরপর তিনি ফিরে আসেন (১)।
হাফিজ আল-মুনযিরীর ছাত্রগণ:হাফিজ আল-মুনযিরীর অসংখ্য ছাত্র রয়েছে যারা তাঁর নিকট থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। কারণ তিনি ছিলেন অত্যন্ত
নেককার, পরহেযগার, দ্বীনী জ্ঞানে পারদর্শী, হাদীস শাস্ত্রে ইমাম এবং হাদীস বর্ণনা, সূত্র নির্দেশ,
জারাহ-তাদীল (সমালোচনা ও গুণাগুণ বিচার), নির্ভুলতা ও সঠিকতা, অনুধাবন ও ব্যাখ্যা, রাবী ও শায়খদের পরিচয় এবং ইতিহাস শাস্ত্রে সুনিপুণ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
وحفظا، فقد غدا في مصره وعصره قبلة أنظار طلاب الحديث وأهله، حتى أخد عنه
بعض شيوخه الكبار وأقرانه المشهورين، كما أخذ عنه كل من استطاع الوصول إليه
من طلبة الحديث ورواته، ويحسن أن أذكر بعض من أخذ عنه من أولئك، ليظهر
للقارىء علو مرتبته في الحديث وعلومه.
فاخذ عنه من شيوخه: الإمام الفقيه أبو البركات عبد الرحمن بن الحسن
الأنصاري الخزرجي الدمياطي، المعروف بابن القصار، المتوفى سنة 613.
وأخذ عنه من شيوخه: الإمام أبو الغنائم مسافر بن يعمر بن مسافر الجيزي
الحنبلي المؤدب الصوفي، المتوفى بمصر سنة 620.
وأخذ عنه من شيوخه: زكي الدين أبو القاسم عبد الرحمن بن عبد الوهاب،
المعروف بابن وهيب القوصي، المتوفى بحماة سنة 631 وغيرهم.
وروى عنه من أقرانه: الحافظ أبو بكر محمد بن عبد الغني البغدادي
الحنبلي، المعروف بابن نقطة الحنبلي، المتوفى 629، صاحب "إكمال الإكمال ".
وذكر أخذه عن المنذري فيه في ترجمة أبي محمد عبد الله بن محمد بن المجتي،
المتوفى سنة 613.
كما سمع منه رفيقه: الإمام المحدث أبو عبد الله محمد بن يوسف البرزالي
الأندلسي، العالم المشهور، المتوفى سنة 636. وسمع منه أيضا وحضر مجالسه
الحديثية الإمام عز الدين بن عبد السلام المجتهد الفقيه.
وتخرج به من أعلام المحدثين تلميذه: الشريف عز الدين أحمد بن محمد
الحسيني، المتوفى سنة695، وهو الذي ذيل على كتاب شيخه بكتابه "صلة التكملة
لوفيات الثقلة"، وقال فيه: قرأت عليه قطعة حسنة من حديثه، وكتبت عنه جملة
صالحة، وانتفعت به انتفاعا كبيرا.
وممن نجب ولمع من تلامذته الذين لازموه: الإمام العالم العظيم الحافظ
شرف الدين عبد المؤمن بن خلف الدمياطي، المولود سنة 613، والمتوفى سنة
705، فقد لازمه مدة طويلة، وعينه المنذري بعد وفاة ولده رشيد الدين محمد سنة
এবং হেফযের (স্মৃতিশক্তির) ক্ষেত্রে তিনি তাঁর শহরে ও যুগে হাদিসের ছাত্র ও হাদিসবিদদের দৃষ্টির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিলেন, এমনকি তাঁর বড় উস্তাদদের কেউ কেউ এবং তাঁর প্রসিদ্ধ সমসাময়িকগণও তাঁর নিকট থেকে হাদিস গ্রহণ করেছিলেন। অনুরূপভাবে, হাদিসের ছাত্র ও বর্ণনাকারীদের মধ্য থেকে যারা তাঁর নিকট পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছিলেন, তারা সকলেই তাঁর থেকে ইলম অর্জন করেছেন। পাঠকদের সামনে হাদিস এবং হাদিস বিজ্ঞানে তাঁর উচ্চ মর্যাদা ফুটিয়ে তোলার জন্য তাঁর নিকট থেকে ইলম গ্রহণকারীদের মধ্য থেকে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা সমীচীন হবে।
তাঁর উস্তাদদের মধ্য থেকে যারা তাঁর নিকট থেকে ইলম গ্রহণ করেছেন তারা হলেন: ইমাম ফকিহ আবুল বারাকাত আবদুর রহমান বিন হাসান আনসারী খাজরাজী দুমইয়াতি, যিনি ইবনুল কাসসার নামে পরিচিত, মৃত্যু ৬১৩ হিজরি।
তাঁর উস্তাদদের মধ্য থেকে আরও যারা তাঁর নিকট থেকে ইলম গ্রহণ করেছেন: ইমাম আবুল গানায়েম মুসাফির বিন ইয়ামুর বিন মুসাফির আল-জিজি আল-হাম্বলি আল-মুয়াদ্দিব আস-সুফি, যিনি ৬২০ হিজরিতে মিশরে মৃত্যুবরণ করেন।
তাঁর উস্তাদদের মধ্য থেকে আরও যারা তাঁর নিকট থেকে ইলম গ্রহণ করেছেন: জাকিউদ্দিন আবুল কাসেম আবদুর রহমান বিন আবদুল ওয়াহহাব, যিনি ইবনে ওয়াহিব আল-কুসি নামে পরিচিত, মৃত্যু ৬৩১ হিজরি হামাতে, এবং আরও অনেকে।
তাঁর সমসাময়িকদের মধ্যে যারা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: হাফেজ আবু বকর মুহাম্মদ বিন আবদুল গনি বাগদাদি হাম্বলি, যিনি ইবনে নুকতাহ হাম্বলি নামে পরিচিত, মৃত্যু ৬২৯ হিজরি, তিনি "ইকমালুল ইকমাল" গ্রন্থের রচয়িতা।
তিনি তাতে আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আল-মুজাতি (মৃত্যু ৬১৩ হিজরি)-এর জীবনী আলোচনায় আল-মুনজিরির নিকট থেকে তাঁর শিক্ষা গ্রহণের কথা উল্লেখ করেছেন।
অনুরূপভাবে তাঁর থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন তাঁর সঙ্গী: ইমাম মুহাদ্দিস আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আল-বারজালি আল-আন্দালুসি, প্রখ্যাত আলেম, মৃত্যু ৬৩৬ হিজরি। ইমাম ইজ্জুদ্দিন বিন আব্দুস সালাম আল-মুজতাহিদ আল-ফকিহ-ও তাঁর নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন এবং তাঁর হাদিস মজলিসগুলোতে উপস্থিত ছিলেন।
বিখ্যাত মুহাদ্দিসগণের মধ্য থেকে তাঁর কাছে শিক্ষা সমাপ্ত করেছেন তাঁর ছাত্র: শরিফ ইজ্জুদ্দিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-হুসাইনি, মৃত্যু ৬৯৫ হিজরি, যিনি তাঁর উস্তাদের কিতাবের ওপর "সিলাতুত তাকমিলা লি-ওয়াফায়াতিন নাকলা" শিরোনামে পরিশিষ্ট (যাইল) লিখেছেন এবং তাতে বলেছেন: আমি তাঁর নিকট তাঁর বর্ণিত হাদিসের একটি উত্তম অংশ পাঠ করেছি, তাঁর নিকট থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ হাদিস লিখে নিয়েছি এবং তাঁর দ্বারা ব্যাপকভাবে উপকৃত হয়েছি।
তাঁর ঐ সকল ছাত্রদের মধ্যে যারা তাঁর দীর্ঘ সান্নিধ্যে থেকে শ্রেষ্ঠত্ব ও খ্যাতি অর্জন করেছেন তাদের অন্যতম হলেন: মহান আলেম ইমাম হাফেজ শরফউদ্দিন আবদুল মুমিন বিন খালাফ আদ-দুমইয়াতি, জন্ম ৬১৩ হিজরি এবং মৃত্যু ৭০৫ হিজরি। তিনি দীর্ঘকাল তাঁর সান্নিধ্যে ছিলেন এবং আল-মুনজিরি তাঁর পুত্র রশিদ উদ্দিন মুহাম্মদের মৃত্যুর পর তাঁকে নির্ধারিত করেছিলেন...
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
643 معيدا له في دار الحديث، قال الدمياطي: هوشيخي ومخرجي، أتيته مبتدئا،
وفارقته معيدا له في الحديث.
ومن العلماء الأعلام الذين تخرجوا به، وتمثلوا سيرته وورعه وفضائله: الإمام
ابن دقيق العيد، تقي الدين أبو الفتح محمد بن علي بن وهب القشيري، المولود
سنة625، والمتوفى سنة 702. كما سمع من المنذري أيضا أخوه تاج الدين
أحمد بن علي بن وهب القشيري القوصي، المتوفى سنة 723، مدرس المدرسة
النجيبية بقوص.
ومن العلماء الذين تلقوا عنه واقتبسوا منه: الإمام المؤرخ المحقق الأديب
النسابة قاضي القضاة شمس الدين بن خلكان، التراجمي المشهور، صاحب
وفيات الأعيان، المتوفى سنة 681.
ومن المحدثين المشهورين الذين أخذوا عنه ولازموه وتخرجوا به: الإمام
الحافظ الفقيه المحدث المتقن الضابط الدقيق شرف الدين أبو الحسين
علي بن محمد بن أحمد بن عبد الله اليونيني، المتوفى سنة 701 (ا) ، صاحب
النسخة المضبوطة المتقنة من "صحيح البخاري "، المعروفة بالنسخة اليونينية.
وأخذ! عنه غيرهم كثير-وكثير ممن سمعوا منه أو أجازهم من رجال ونساء.
--------------------------------------------
৬৪৩। তাকে দারুল হাদিসের শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছিল। আদ-দিমইয়াতি বলেন: তিনি আমার শায়খ এবং আমার পথপ্রদর্শক; আমি তার নিকট একজন নবীন ছাত্র হিসেবে এসেছিলাম,
এবং তাকে যখন বিদায় জানাই তখন আমি সেখানে হাদিসের শিক্ষক ছিলাম।
আর সেই সব প্রথিতযশা আলেমদের মধ্যে যারা তার নিকট শিক্ষা সমাপ্ত করেছেন এবং তার জীবনপদ্ধতি, তাকওয়া ও গুণাবলি অনুসরণ করেছেন, তারা হলেন: ইমাম
ইবনুল দাকীক আল-ঈদ, তাকিউদ্দীন আবুল ফাতহ মুহাম্মদ বিন আলী বিন ওয়াহব আল-কুশায়রী, যিনি ৬২৫ হিজরিতে জন্মগ্রহণ
করেন এবং ৭০২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। আল-মানজিরীর নিকট থেকে তার ভাই তাজউদ্দীন
আহমদ বিন আলী বিন ওয়াহব আল-কুশায়রী আল-কুসীও হাদিস শ্রবণ করেছেন, যিনি ৭২৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন এবং তিনি কুস-এর
নাজিবিয়্যাহ মাদরাসার শিক্ষক ছিলেন।
আর সেই সব আলেমদের মধ্যে যারা তার নিকট থেকে জ্ঞান লাভ করেছেন এবং তার থেকে উপকৃত হয়েছেন, তারা হলেন: ইমাম, ঐতিহাসিক, গবেষক, সাহিত্যিক,
বংশবিদ্যা বিশারদ এবং কাযিল কুযাত শামসউদ্দীন বিন খাল্লিকান, যিনি একজন বিখ্যাত জীবনীকার এবং
'ওয়াফায়াতুল আইয়ান' গ্রন্থের রচয়িতা, তিনি ৬৮১ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
আর সেই সব প্রখ্যাত মুহাদ্দিসদের মধ্যে যারা তার নিকট থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেছেন, তার দীর্ঘ সান্নিধ্যে ছিলেন এবং তার মাধ্যমেই শিক্ষা সম্পন্ন করেছেন: ইমাম
হাফেজ, ফকিহ, মুহাদ্দিস, সূক্ষ্ম ও নিখুঁত বর্ণনাকারী শরফুদ্দীন আবুল হুসাইন
আলী বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আবদুল্লাহ আল-ইউনিনী, যিনি ৭০১ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন (১), এবং তিনি
'সহীহ বুখারী'-র সেই অত্যন্ত নির্ভুল ও সুবিন্যস্ত পাণ্ডুলিপির অধিকারী ছিলেন যা 'ইউনিনী পাণ্ডুলিপি' হিসেবে প্রসিদ্ধ।
এবং তারা ব্যতীত আরও অসংখ্য নারী ও পুরুষ তার নিকট থেকে জ্ঞান অর্জন করেছেন, যারা হয় তার নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন অথবা তার পক্ষ থেকে বর্ণনার অনুমতি প্রদান করা হয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
مكانة الحافظ المنذري في العلم:احتل الحافظ المنذري في النصف الأول من القرن السابع الهجري: مكانة
عظيمة مرموقة، وعده العلماء حافظ عصره دون منازع، قال الحافظ عز الدين
الحسين! تلميذه: كان عديم النظير في معرفة علم الحديث على اختلاف فنونه،
عالما بصحيحه وسقيمه ومعلوله، متبحرا في معرفة أحكامه ومعانيه ومشكله، قيما
بمعرفة غريبه وإعرابه واختلاف ألفاظه، ماهرا في معرفة رواته وجرحهم وتعديلهم،
ووفياتهم ومواليدهم وأخبارهم، إماما حجة، ثبتا ورعا، متحريا فيما يقوله وينقله،
متثبتا فيما يرويه ويتحمله. انتهى.
وكان مجلسه في الحديث مضرب الأمثال، قال الشيخ أبو الحسن الشاذلي:
قيل لي: ما على وجه الأرض مجلس في الفقه أبهى من مجلس الشيخ عزالدين بن
عبد السلام، وما على وجه الأرض مجلس في الحديث أبهى من مجلس الشيخ
زكي الدين عبد العظيم المنذري، وما على وجه الأرض مجلس في علم الحقائق
أبهى من مجلسك.
وقد أطلق عليه (الحافظ) قبل وفاته بأكثر من ثلاثين عاما. ومرتبة (الحافظ)
هذه قال فيها الخطيب البغدادي في "الجامع لأخلاق الراوي واداب السامع "
2: 172 هي أعلى صفات المحدثين، وأسمى درجات الناقلين، من وجدت فيه
قبلت أقاويله، وسلم
له تصحيح الحديث وتعليله، غير أن المستحقين لها يقل
معدودهم، ويعز بل يتعذر وجودهم.
وقد وصفه بالحفظ تلميذه القاضي ابن خلكان، فقال فيه: حافظ مصر، وقال
فيه مؤرخ الإسلام الحافظ الذهبي: لم يكن في زمانه أحفظ منه، وقال ابن دقماق:
حافظ الوقت.
وكان المنذري مفيدا، والمفيد هو الذي يفيد الناس الحديث عن المشايخ،
فيكون عارفا بهم وبعلو إسنادهم، حتى إذا جاء الطالب دله على شيوخ ذلك البلد
من ذوي الإسناد العالي وما إليهم.
ইলম বা জ্ঞানের জগতে হাফেজ মুনযিরীর মর্যাদা:হাফেজ মুনযিরী হিজরি সপ্তম শতাব্দীর প্রথমার্ধে এক মহান
ও মর্যাদাপূর্ণ স্থান লাভ করেছিলেন। উলামায়ে কেরাম তাঁকে তাঁর যুগের অপ্রতিদ্বন্দ্বী হাফেজ হিসেবে গণ্য করতেন। তাঁর ছাত্র হাফেজ ইজ্জুদ্দীন
আল-হুসাইন বলেন: হাদীস শাস্ত্রের বিভিন্ন শাখায় তাঁর কোনো সমকক্ষ ছিল না।
তিনি হাদীসের সহীহ, সাকীম (দুর্বল) ও মুআল্লাল (ত্রুটিযুক্ত) হওয়া সম্পর্কে বিজ্ঞ আলেম ছিলেন; হাদীসের আহকাম (বিধান), মাআনী (অর্থ) ও মুশকিল (জটিল বিষয়সমূহ) সম্পর্কে গভীর পাণ্ডিত্যের অধিকারী ছিলেন। তিনি
হাদীসের গরীব (বিরল শব্দ), ইরাব (ব্যাকরণগত বিশ্লেষণ) ও শব্দের বিভিন্ন পাঠভেদ সম্পর্কে অবগতির ক্ষেত্রে অত্যন্ত দক্ষ ছিলেন। তিনি বর্ণনাকারীদের অবস্থা, তাঁদের জারাহ-তাদীল (সমালোচনা ও প্রশংসা),
মৃত্যুসন, জন্মসন ও জীবনী সম্পর্কে অত্যন্ত পারদর্শী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন ইমাম, হুজ্জাত (প্রামাণ্য ব্যক্তিত্ব), সুদৃঢ় ও পরহেযগার। তিনি যা বলতেন ও উদ্ধৃত করতেন তা সূক্ষ্মভাবে অনুসন্ধান করতেন
এবং যা বর্ণনা ও বহন করতেন তা অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে যাচাই করতেন। (সমাপ্ত)।
হাদীসের মজলিসে তিনি ছিলেন এক অনুপম দৃষ্টান্ত। শেখ আবু হাসান আশ-শাযিলী বলেন:
আমাকে বলা হয়েছে যে, যমীনের বুকে ফিকহ শাস্ত্রের মজলিসের মধ্যে শেখ ইজ্জুদ্দীন ইবনে
আবদুস সালামের মজলিসের চেয়ে উজ্জ্বল আর কোনো মজলিস নেই; হাদীস শাস্ত্রের মজলিসের মধ্যে শেখ
যাকিউদ্দীন আবদুল আজীম আল-মুনযিরীর মজলিসের চেয়ে উজ্জ্বল আর কোনো মজলিস নেই; এবং হাকীকত বা আধ্যাত্মিক জ্ঞানের মজলিসের মধ্যে
আপনার মজলিসের চেয়ে উজ্জ্বল আর কোনো মজলিস নেই।
তাঁর ইন্তেকালের ত্রিশ বছরেরও বেশি সময় আগে তাঁকে 'হাফেজ' উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল। এই 'হাফেজ' স্তর সম্পর্কে
খতীব আল-বাগদাদী তাঁর "আল-জামি লি-আখলাকির রাবী ওয়া আদাবিস সামি"
২: ১৭২ গ্রন্থে বলেন: এটি মুহাদ্দিসগণের সর্বোচ্চ বৈশিষ্ট্য এবং বর্ণনাকারীদের শ্রেষ্ঠতম স্তর। যার মধ্যে এটি
বিদ্যমান থাকে, তাঁর বক্তব্য গ্রহণ করা হয় এবং হাদীসকে সহীহ সাব্যস্ত করা ও তার ত্রুটি নির্ণয়ের বিষয়গুলো
তাঁর ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে এই স্তরের যোগ্য ব্যক্তিরা সংখ্যায় অত্যন্ত অল্প,
তাঁদের খুঁজে পাওয়া দুষ্কর, বরং অসম্ভবপর।
তাঁর ছাত্র কাজী ইবনে খাল্লিকান তাঁকে হাফেজ হিসেবে বর্ণনা করে বলেছেন: তিনি মিশরের হাফেজ। ইসলামের ইতিহাসবিদ হাফেজ যাহাবী তাঁর সম্পর্কে বলেছেন:
তাঁর সময়ে তাঁর চেয়ে বড় কোনো হাফেজ ছিল না। ইবনে দুকমাক বলেছেন:
তিনি সমকালীন সময়ের হাফেজ।
মুনযিরী একজন 'মুফীদ' ছিলেন। আর মুফীদ হলেন তিনি, যিনি মানুষকে শায়খদের বা উস্তাদদের নিকট থেকে হাদীসের ফায়দা পৌঁছে দেন।
তিনি উস্তাদদের সম্পর্কে এবং তাঁদের উচ্চ সনদ সম্পর্কে অবগত থাকেন; ফলে যখন কোনো শিক্ষার্থী আসত, তিনি তাকে ওই জনপদের উচ্চ সনদধারী শায়খদের
এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সন্ধান দিতেন।
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
أما كلامه على رجال سنن أبي داود، فكيفيه أنه نال إعجاب الناقد الحافظ
الذهبي، وذكره في ترجمته له في "سير أعلام النبلاءا، ويكفي لبيان سمو إمامته
في الحديث أن الإمام عز الدين بن عبد السلام الفقيه المجتهد، كان يحضر مجالسه
ويسمع الحديث منه.
أما في الفقه فقد شرح المنذري كتاب "التنبيه" لأبي إسحاق الشيرازي في
إحدى عشرة مجلدة، وذلك مما يدل على فقاهته الواسعة، وقد وصفه غير واحد
ممن ترجموا له بالفقيه. وكان يفتي الناس في الديار المصرية، فلما قدم الإمام
عز الدين بن عبد السلام مصر، بالغ الشيخ المنذري في الأدب معه، وامتنع عن
الإفتاء لأجله، وقال: كنا نفتي قبل حضوره، وأما بعده فمنصب الفتيا متعين فيه.
وبراعته في علم الرجال تبدو في كتابه"التكملة لوفيات النقلة" و"المعجم
المترجم " و"تاريخ من دخل مصر" وغيرها من تواليفه. وكتبه هذه تعد في كثير
مما حوته المصادر الأولى، تفردت بكثير من تراجم الرجال وأحوالهم.
ولقي الأدباء والشعراء وأخذ عنهم أو استجاز منهم كما سبقت الإشارة إلى
ذلك، ولهذا تبدو مسحة الأدب وطلاوته في عبارته وكلامه، ولم يحفظ له من النظم
سوى هذين البيتين اللطيفين الحكيمين:
اعمل لنفسك صالحا لاتحتفل بظهورقيل في الأنام وقال
فالخلق لايرجى اجتماع قلوبهم لابد من مثن عليك وقالي
وأما زهده وورعه وتدينه فقد كان مشهورا مذكورا، قال التاج السبكي: سمعت
أبي يحكي عن الحافظ الدمياطي -تلميذ المنذري -، أن الشيخ خرج مرة من
الحمام، وقد أخذ منه حرها، فما أمكنه المشي، فاستلقى على الطريق إلى جانب
حانوت، فقال له الدمياطي: يا سيدي أنا أقعدك على مسطبة الحانوت، وكان
مغلقا، فقال له، وهو في تلك الشدة: بغير إذن صاحبه كيف يكون؟! وما رضي.
ويكفي شهادة على ورعه وشدة تقواه قول تلميذه الإمام ابن دقيق العيد، الذي
كان يضرب به المثل في الزهد والتحري والخوف من الله تعالى، إذ قال فيه: كان
সুনান আবি দাউদের বর্ণনাকারীদের (রিজাল) ওপর তাঁর আলোচনার ব্যাপারে এতোটুকু বলাই যথেষ্ট যে, তা সমালোচক হাফিজ আয-যাহাবীর প্রশংসা অর্জন করেছে,
এবং তিনি 'সিয়ারু আলামিন নুবালা' গ্রন্থে তাঁর জীবনী আলোচনায় এটি উল্লেখ করেছেন। হাদীস শাস্ত্রে তাঁর সুউচ্চ ইমামতের প্রমাণের জন্য এতোটুকুই যথেষ্ট
যে, মুজতাহিদ ফকীহ ইমাম ইযযুদ্দীন ইবনে আব্দুস সালাম তাঁর মজলিসে উপস্থিত হতেন
এবং তাঁর নিকট থেকে হাদীস শ্রবণ করতেন।
ফিকহ শাস্ত্রের ক্ষেত্রে আল-মুনযিরী আবু ইসহাক আশ-শিরাজীর 'আত-তানবীহ' কিতাবের
এগারো খণ্ডে একটি ব্যাখ্যাগ্রন্থ রচনা করেছেন, যা তাঁর গভীর ফিকহী জ্ঞানের প্রমাণ বহন করে। তাঁর জীবনীকারদের মধ্যে একাধিক ব্যক্তি
তাঁকে 'ফকীহ' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি মিশরে ফতোয়া প্রদান করতেন; অতঃপর যখন ইমাম
ইযযুদ্দীন ইবনে আব্দুস সালাম মিশরে আগমন করলেন, তখন শায়খ আল-মুনযিরী তাঁর প্রতি চরম শিষ্টাচার প্রদর্শন করলেন এবং তাঁর সম্মানে
ফতোয়া প্রদান থেকে বিরত থাকলেন। তিনি বলতেন: "তাঁর আগমনের পূর্বে আমরা ফতোয়া দিতাম, কিন্তু তাঁর উপস্থিতির পর ফতোয়ার পদটি তাঁর জন্যই নির্ধারিত।"
রিজাল শাস্ত্রে (বর্ণনাকারীদের জীবনী) তাঁর পারদর্শিতা তাঁর রচিত 'আত-তাকমিলা লি-ওয়াফায়াতিন নাকলাহ', 'আল-মু'জামুল
মুতারজাম' এবং 'তারীখু মান দাখালা মিসর' সহ অন্যান্য গ্রন্থাবলীতে ফুটে ওঠে। তাঁর এই কিতাবসমূহ অনেক ক্ষেত্রেই
প্রাথমিক উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়, যা অসংখ্য বর্ণনাকারীর জীবনী ও তাঁদের অবস্থার বর্ণনায় অনন্য।
তিনি সাহিত্যিক ও কবিদের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন এবং তাঁদের নিকট থেকে জ্ঞান অর্জন করেছেন অথবা বর্ণনার অনুমতি নিয়েছেন যেমনটি পূর্বে ইঙ্গিত করা
হয়েছে। এই কারণেই তাঁর বক্তব্যে ও বাণীতে সাহিত্যের ছোঁয়া ও সাবলীলতা পরিলক্ষিত হয়। পদ্যের মধ্যে তাঁর পক্ষ থেকে কেবল
এই দুটি চমৎকার ও প্রজ্ঞাপূর্ণ পঙক্তিই সংরক্ষিত রয়েছে:
তুমি নিজের জন্য নেক আমল করো, মানুষের মধ্যে কার কী আলোচনা বা সমালোচনা ছড়ালো তাতে কর্ণপাত করো না;
কেননা মানুষের হৃদয়গুলো এক হওয়া অসম্ভব; কেউ তোমার প্রশংসা করবেই, আর কেউ তোমার সমালোচনা করবেই।
তাঁর যুহদ (সংসারবিরাগ), পরহেযগারী ও ধর্মপ্রাণতা অত্যন্ত সুপরিচিত ও চর্চিত ছিল। তাজউদ্দীন আস-সুবকী বলেন: আমি আমার
পিতাকে হাফিজ আদ-দামইয়াতী —আল-মুনযিরীর ছাত্র— থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, শায়খ একবার
হাম্মাম (গোসলখানা) থেকে বের হলেন, তখন প্রচণ্ড গরমে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন এবং তাঁর হাঁটার সামর্থ্য ছিল না। ফলে তিনি রাস্তার পাশে একটি দোকানের পাশে
শুয়ে পড়লেন। তখন দামইয়াতী তাঁকে বললেন: 'হে আমার সাইয়্যিদ, আমি আপনাকে এই দোকানের বারান্দায় বসিয়ে দিচ্ছি'—দোকানটি তখন
বন্ধ ছিল। তখন তিনি সেই কষ্টের অবস্থায়ও তাঁকে বললেন: 'মালিকের অনুমতি ছাড়া এটি কীভাবে হতে পারে?!' এবং তিনি তাতে সম্মত হলেন না।
তাঁর পরহেযগারী ও গভীর তাকওয়ার সাক্ষ্য হিসেবে তাঁর ছাত্র ইমাম ইবনে দাকীকুল ঈদ-এর বক্তব্যই যথেষ্ট, যাঁর
যুহদ, সতর্কতা এবং আল্লাহ তাআলার ভয়ের উদাহরণ দেওয়া হতো; তিনি তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: তিনি ছিলেন...
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ٣١)
أدين مني، وأنا أعلم منه. وقول الحافظ الذهبي فيه: كان الإمام الثبت، وكان
شيخ الإسلام متين الديانة، ذا نسك وتوزع وسمت وجلالة.
وقال تاج الدين السبكي فيه في "طبقات الشافعية الكبرى": الحافظ الكبير،
الورع الزاهد، زكي الدين أبومحمد المصري، ولي الله، والمحدث عن
رسول الله صلى الله عليه وسلم، والفقيه على مذهب ابن عم رسول الله صلى الله عليه وسلم، ترتجى الرحمة بذكره،
ويستنزل رضا الرحمن بدعائه.
كان رحمه الله تعالى قد أؤتي بالمكيال الأوفى من الورع والتقوى،
والنصيب الوافر من الفقه، وأما الحديث فلا مراء في أنه كان أحفظ أهل زمانه،
وفارس أقرانه، له القدم الراسخ في معرفة صحيح الحديث من سقيمه، وحفظ
أسماء الرجال حفظ مفرط الذكاء عظيمه، والخبرة باحكامه، والدراية بغريبه وإعرابه
واختلاف كلامه.
وفاته له:
توفي الإمام المنذري رحمه الله تعالى في داخل دار الحديث الكاملية
بالقاهرة، يوم السبت رابع ذي القعدة من سنة 656، وصلي عليه يوم الأحد بعد
الظهر في موضع تدريسه بدار الحديث الكاملية، ثم صلي عليه مرة أخرى تحت
القلعة، ودفن بسفح جبل المقطم، وقد رثاه غيرواحد من الشعراء بقصائد حسنة، رحمات
الله تعالى عليه ورضوانه العظيم.
مؤلفاته واثارة العلمية:أولا - في الحديث وعلومه:
قام المنذري باختصار مجموعة من كتب الحديث الأصول، مثل صحيح
مسلم، وسنن أبي داود، وسنن الخطيب البغدادي. وكان عمله في مثل هذه الكتب
يقوم على حذف الأسانيد والأحاديث المكررة، والتعليق على بعض الأحاديث
تعليقات مفيدة مهمة، تدل على غزارة علمه في هذا الفن وتبحره فيه، وعلى شفوف
তিনি আমার চেয়ে বেশি ধর্মনিষ্ঠ, আর আমি তাঁর চেয়ে বেশি জ্ঞানী। হাফেজ আয-যাহাবীর তাঁর সম্পর্কে উক্তি: তিনি ছিলেন একজন সুদৃঢ় ইমাম এবং শাইখুল ইসলাম, সুদৃঢ় ধর্মপরায়ণতা, ইবাদত-বন্দেগী, তাকওয়া, উত্তম শিষ্টাচার ও গাম্ভীর্যের অধিকারী।
তাজউদ্দীন আস-সুবকী তাঁর সম্পর্কে 'তাবাকাতুশ শাফিঈয়্যাহ আল-কুবরা'-তে বলেছেন: মহান হাফেজ, পরহেজগার, দুনিয়াবিমুখ, জাকিউদ্দীন আবু মুহাম্মদ আল-মিসরি, আল্লাহর ওলী, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদীসের বর্ণনাকারী এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চাচাতো ভাইয়ের মাযহাব অনুযায়ী ফকীহ, যাঁর আলোচনায় রহমতের আশা করা হয় এবং যাঁর দুআর মাধ্যমে রহমানের সন্তুষ্টি অবতীর্ণ হয়।
আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন, তিনি তাকওয়া ও পরহেজগারীর পূর্ণ মাত্রা এবং ফিকহ শাস্ত্রে বিপুল অংশ লাভ করেছিলেন। আর হাদীসের ক্ষেত্রে এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, তিনি তাঁর সময়ের শ্রেষ্ঠ হাফেজ এবং সমসাময়িকদের মধ্যে অশ্বারোহী ছিলেন। সহীহ হাদীসকে ত্রুটিযুক্ত হাদীস থেকে পৃথক করার ক্ষেত্রে তাঁর ছিল সুদৃঢ় পদচারণা। অত্যন্ত প্রখর মেধার অধিকারী হয়ে বর্ণনাকারীদের নাম মুখস্থ রাখার ক্ষেত্রে তাঁর ছিল অভাবনীয় দক্ষতা। হাদীসের হুকুম, এর বিরল শব্দাবলি, ব্যাকরণগত অবস্থান এবং পাঠ্যের বিভিন্নতা সম্পর্কে তাঁর অগাধ পাণ্ডিত্য ছিল।
তাঁর ইন্তেকাল:
ইমাম আল-মুনযিরী রাহিমাহুল্লাহু তাআলা কায়রোর দারুল হাদীস আল-কামিলিয়ার ভেতরে ৬৫৬ হিজরীর ৪ঠা যিলকদ শনিবার ইন্তেকাল করেন। রবিবার যোহরের পর তাঁর পাঠদানের স্থান দারুল হাদীস আল-কামিলিয়াতে তাঁর জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দুর্গের পাদদেশে পুনরায় তাঁর জানাযা হয় এবং তাঁকে মুকাত্তাম পাহাড়ের পাদদেশে দাফন করা হয়। অনেক কবি সুন্দর কাসীদার মাধ্যমে তাঁর শোকগাঁথা রচনা করেছেন। তাঁর ওপর আল্লাহর করুণা এবং মহান সন্তুষ্টি বর্ষিত হোক।
তাঁর রচনাবলী ও ইলমী অবদানসমূহ:প্রথমত - হাদীস ও হাদীস শাস্ত্রে:
আল-মুনযিরী মূল হাদীসগ্রন্থগুলোর একটি সংকলন সংক্ষেপ করার কাজ করেছেন, যেমন: সহীহ মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ এবং সুনানে খতীব বাগদাদী। এ জাতীয় গ্রন্থগুলোতে তাঁর কাজ ছিল সনদ এবং পুনরাবৃত্ত হাদীসগুলো বাদ দেওয়া এবং কিছু হাদীসের ওপর গুরুত্বপূর্ণ ও উপকারী টীকা প্রদান করা, যা এই শাস্ত্রে তাঁর জ্ঞানের গভীরতা ও পাণ্ডিত্যের প্রমাণ দেয় এবং তাঁর শ্রেষ্ঠত্বের স্বাক্ষর বহন করে।
(খণ্ড: ১)
জাওয়াবুল হাফিয আল-মুনযিরী আন আসইলাতিন ফিল জারহি ওয়াত তাদীল
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
ذوقه العلمي. وجمع (أربعينيات) في الحديث، وكان هذا النمط في التأليف قد
شاع قبله فتابع فيه، فمن تاليفه:
ا - أربعون حديثا في الأحكام، وتسمى أيضا: (الأربعون الأحكامية) .
2 - أربعون حديثا في اصطناع المعروف بين المسلمين وقضاء حوائجهم.
طبع.
3 - أربعون حديثأ في فضل العلم والقران والذكر والكلام والسلام
والمصافحة.
4 - أربعون حديثا في قضاء الحوائج. وربما كان هذا هو الكتاب الثاني
المذكور هنا، اختصر اسمه، فيكون الاسمان لمسمى واحد.
5 - أربعون حديثا في هداية الإنسان لفضل طاعة الإمام والندى والإحسان.
هكذا الاسم في كتاب الدكتور بشار ص 180، وقد أشار إلى وجود
نسختين منه في دار الكتب المصرية. ووقع في مقدمة الأستاذ
الفريوائي في ص 17 كما يلي: "أربعون حديثا في هداية الإنسان
بفضل طاعة الإمام العدل والإحسان ". وهوتحريف.
6 - الأمالي في الحديث. كما في "هدية العارفين " ا: 586.
7 - الترغيب والترهيب. الكتاب الفذ في موضوعه. طبع مرات.
8- جزء المنذري. جمع فيه ما ورد فيمن غفر له ما تقدم من ذنبه
وما تاخر. كما في "كشف الظنون " ا: 589.
9 - جزء فيه حديث الطهور شطر الإيمان.
10 - الجمع بين الصحيحين.
11 - زوال الظما في ذكر من استغاث برسول الله من الشدة والعمى.
12 - صحيح المنذري. كذا.
13 - عمل اليوم والليلة.
তাঁর ইলমি রুচি। তিনি হাদিসের ক্ষেত্রে (আরবাইনিয়াত) বা চল্লিশটি হাদিসের সংকলনসমূহ একত্রিত করেছেন। রচনার এই ধারাটি তাঁর পূর্বেই প্রচলিত হয়েছিল, তাই তিনি সেটির অনুসরণ করেছেন। তাঁর রচিত গ্রন্থাবলির মধ্যে রয়েছে:
১ - আহকাম বা বিধিবিধান বিষয়ক চল্লিশটি হাদিস। একে (আল-আরবাউন আল-আহকামিয়াহ)-ও বলা হয়।
২ - মুসলিমদের মধ্যে সৎকাজ করা এবং তাদের প্রয়োজন পূরণ বিষয়ক চল্লিশটি হাদিস।
এটি মুদ্রিত হয়েছে।
৩ - ইলম বা জ্ঞান, কুরআন, জিকর, কথা বলা, সালাম এবং মুসাফাহার ফজিলত বা গুরুত্ব বিষয়ক চল্লিশটি হাদিস।
৪ - প্রয়োজন পূরণ বিষয়ক চল্লিশটি হাদিস। সম্ভবত এটি এখানে উল্লিখিত দ্বিতীয় গ্রন্থটিই, যার নাম সংক্ষেপ করা হয়েছে। ফলে দুটি নামই একই বিষয়ের জন্য প্রযোজ্য।
৫ - ইমামের আনুগত্য, বদান্যতা এবং ইহসানের ফজিলত সম্পর্কে মানুষের হেদায়াতের জন্য চল্লিশটি হাদিস।
ডক্টর বাশারের বইয়ের ১৮০ পৃষ্ঠায় নামটি এভাবেই আছে। তিনি মিসরের ‘দারুল কুতুব’-এ এর দুটি পাণ্ডুলিপি থাকার কথা উল্লেখ করেছেন। তবে উস্তাদ আল-ফারিওয়াই-এর ভূমিকার ১৭ পৃষ্ঠায় এটি এভাবে এসেছে:
"ন্যায়পরায়ণ ইমামের আনুগত্য এবং ইহসানের ফজিলত সম্পর্কে মানুষের হেদায়াতের জন্য চল্লিশটি হাদিস।" এটি একটি বিকৃতি।
৬ - হাদিস বিষয়ক আল-আমালি। যেমনটি ‘হাদিয়াতুল আরিফিন’-এর ১ম খণ্ডের ৫৮৬ পৃষ্ঠায় রয়েছে।
৭ - আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব। এটি নিজ বিষয়ে একটি অনন্য গ্রন্থ। এটি কয়েকবার মুদ্রিত হয়েছে।
৮- জুজ আল-মুনজিরি। এতে তিনি সে সকল ব্যক্তির বর্ণনা সংগ্রহ করেছেন যাদের পূর্বের ও পরের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছে।
যেমনটি ‘কাশফুদ জুনুন’-এর ১ম খণ্ডের ৫৮৯ পৃষ্ঠায় রয়েছে।
৯ - একটি পুস্তিকা (জুজ), যাতে রয়েছে ‘পবিত্রতা ঈমানের অঙ্গ’ শীর্ষক হাদিস।
১০ - আল-জাম’ বাইনাস সাহিহাইন (সহিহ বুখারি ও মুসলিমের সমন্বয়)।
১১ - যাওয়ালুজ জামা ফি জিকরি মান ইস্তাগাসা বি-রাসুলিল্লাহি মিনাশ শিদ্দাতি ওয়াল আমা (কঠিন বিপদ ও অন্ধত্ব থেকে রাসূলুল্লাহর নিকট সাহায্য প্রার্থনাকারীদের স্মরণে পিপাসা নিবারণ)।
১২ - সহিহ আল-মুনজিরি। এভাবেই আছে।
১৩ - আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লায়লাহ (দিন-রাতের আমল)।