(খণ্ড: ১)
জুযউন ফীহি আহাদীছ মিন মাসমুআতি লিশ-শায়খিল হাফিজ আবী যার উবাইদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হারাভী (ওয়া হুওয়া মাতবূ দ্বিমনা কিতাবিল ফাওয়াইদ)
(পৃষ্ঠা: -)
جزء فيه أحاديث من مسموعات للشيخ الحافظ أبي ذر عبيد بن أحمد بن محمد الهروي (وهو مطبوع ضمن كتاب الفوائد) القسم: كتب السنة
الكتاب: جزء فيه أحاديث من مسموعات للشيخ الحافظ أبي ذر عبيد بن أحمد بن محمد الهروي (وهو مطبوع ضمن كتاب الفوائد)
المؤلف: أبو ذر عبيد بن أحمد بن محمد بن عبد الله بن غفير بن محمد الأنصاري الخراساني الهروي (ت 434هـ)
المحقق: خلاف محمود عبد السميع
الناشر: دار الكتب العلمية، بيروت - لبنان
الطبعة: الأولى، 1423 هـ - 2002 م
عدد الصفحات: 51
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
শেখ আল-হাফিজ আবু যর উবাইদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-হারাবীর শ্রুত হাদিসসমূহের একটি খণ্ড (এটি কিতাবুল ফাওয়াইদের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে মুদ্রিত হয়েছে) বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
গ্রন্থ: শেখ আল-হাফিজ আবু যর উবাইদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-হারাবীর শ্রুত হাদিসসমূহের একটি খণ্ড (এটি কিতাবুল ফাওয়াইদের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে মুদ্রিত হয়েছে)
লেখক: আবু যর উবাইদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে গাফির ইবনে মুহাম্মদ আল-আনসারী আল-খুরাসানী আল-হারাবী (মৃত্যু ৪৩৪ হিজরি)
সম্পাদক: খিলাফ মাহমুদ আব্দুস সামি
প্রকাশক: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত - লেবানন
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৩ হিজরি - ২০০২ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫১
[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত সংস্করণের অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
জুযউন ফীহি আহাদীছ মিন মাসমুআতি লিশ-শায়খিল হাফিজ আবী যার উবাইদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হারাভী (ওয়া হুওয়া মাতবূ দ্বিমনা কিতাবিল ফাওয়াইদ)
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
الجزء فيه أحاديث من مسموعات للشيخ الحافظ أبي ذر عبيد بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْهَرَوِيِّرِوَايَةُ وَلَدِهِ أبي مكتوم عيسى بن أبي ذر عبيد بْنِ أَحْمَدَ الْهَرَوِيِّ عَنْهُ
رِوَايَةُ أَبِي الْعَبَّاسِ أحمد بن محمد بن عبد العزيز العباسي عَنْهُ
رِوَايَةُ أَبِي الْفَضْلِ عَبْدِ السَّلامِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الدَّاهِرِيِّ عَنْهُ
رِوَايَةُ أَبِي الْخَطَّابِ محفوظ بن عمر بن أبي بكر بن الحامض عنه
رواية أبي الحرم مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ الْقَلانِسِيِّ عَنْهُ
এই খণ্ডে শাইখ, হাফিজ আবু যার উবাইদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ আল-হারাভীর শ্রবণকৃত হাদিসসমূহ রয়েছে।তাঁর থেকে তাঁর পুত্র আবু মাকতুম ঈসা ইবনে আবু যার উবাইদ ইবনে আহমাদ আল-হারাভীর বর্ণনা
তাঁর থেকে আবু আল-আব্বাস আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-আব্বাসীর বর্ণনা
তাঁর থেকে আবু আল-ফাদল আব্দুস সালাম ইবনে আব্দুল্লাহ আদ-দাহিরীর বর্ণনা
তাঁর থেকে আবু আল-খাত্তাব মাহফুজ ইবনে উমর ইবনে আবু বকর ইবনুল হামিদের বর্ণনা
তাঁর থেকে আবু আল-হারাম মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-কালানিসীর বর্ণনা
(খণ্ড: ১)
জুযউন ফীহি আহাদীছ মিন মাসমুআতি লিশ-শায়খিল হাফিজ আবী যার উবাইদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হারাভী (ওয়া হুওয়া মাতবূ দ্বিমনা কিতাবিল ফাওয়াইদ)
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
بسم الله الرحمن الرحيم
رَبِّ أَعِنْ وَيَسِّرْ يَا كَرِيمُ
أَخْبَرَتْنَا المُسْنِدَةُ أُمُّ الْفَضْلِ هَاجَرُ بِنْتُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بن عبد الله القدسي بقراءتي عليها في ثاني عشر ين شعبان سنة 868: أخبرنا وَالِدِي شَرَفُ الدِّينِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْقُدُسِيُّ إجازة إن لم يكن سماعا: أخبرنا المسند أبو الحرم مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ الْقَلانِسِيُّ سَمَاعًا عَلَيْهِ فِي سَادِسِ ذِي الْقَعْدَةِ سَنَةَ ثَلاثٍ وستين وسبعمائة.
(ح) وَكَتَبَتْ إِلَيَّ الشَّيْخَةُ الأَصِيلَةُ الْكَاتِبَةُ أُمُّ الْفَضْلِ عَائِشَةُ بِنْتُ قَاضِي الْمُسْلِمِينَ عَلاءِ الدِّينِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْكِنَانِيِّ الْعَسْقَلانِيِّ، عَنْ أَبِي الحرم مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْقَلانِسِيِّ إِجَازَةً إن لم يكن سماعا: أخبرنا التَّقِيُّ أَبُو الْخَطَّابِ مَحْفُوظُ بْنُ عُمَرَ بْنِ أبي بكر بن الحامض سنة 691 قال: أخبرنا أَبُو الْفَضْلِ عَبْدُ السَّلامِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ بَكْرَانَ الدَّاهِرِيُّ قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَكُمُ الشَّرِيفُ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْعَبَّاسِيُّ الْمَكِّيُّ قِرَاءَهً عَلَيْهِ وأنتم تسمعون فأقر به: أخبرنا أبو مكتوم عيسى بن أبي ذر عبيد بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْهَرَوِيُّ بِالْمَسْجِدِ الْحَرَامِ فِي ذِي الْقَعْدَةِ سَنَةَ 497 قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو ذر عبيد بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْهَرَوِيُّ:
(1) أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الْبَزَّارُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ: حدثنا عبد الله بن سليمان: حدثنا أحمد بن عثمان بن حكيم الأودي: حدثنا شريح بن مسلمة: حدثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ الْبَجَلِيِّ، عَنْ عِكْرِمَةَ بْنِ أَبِي جَهْلٍ، أَوْ أَنَّ عِكْرِمَةَ بْنَ أَبِي جَهْلٍ لَمَّا رَآهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مُقْبِلا قَالَ: مَرْحَبًا بِالرَّاكِبِ الْمُسَافِرِ أَوِ الْمُهَاجِرِ، قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَا أَقُولُ؟ قَالَ: تَقُولُ أَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَأَنِّي رَسُولُ اللَّهِ، قَالَ: ثُمَّ مَاذَا أَقُولُ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: تَقُولُ: إِنِّي أُشْهِدُكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَنِّي مُهَاجِرٌ مُجَاهِدٌ، قَالَ: فَفَعَلَ الَّذِي قَالَ، فَقَالَ: مَا أَنْتَ سَائِلِي اليَوْمَ شَيْئًا أُعْطِيتَهُ أَحَدًا من الناس إلا أعطيتكه، فَقَالَ: أَمَّا أَنَا فَلا أَسْأَلُكَ (1) مَالا، إِنَّنِي لَمِنْ أَكْثَرِ قُرَيْشٍ مَالا، وَلَكِنْ أَسْأَلُكَ أَنْ تَسْتَغْفِرَ لِي كُلَّ قِتَالٍ قَاتَلْتَكُمُوه وَكُلَّ نَفَقَةٍ أَنْفَقْتُهَا لأَصُدُّ بِهَا عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ، فَوَاللَّهِ لَئِنْ طَالَتْ بِكَ حَيَاةٌ لأُضَعِّفَنَّ ذَلِكَ كُلَّهُ.
--------------------------------------------
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
হে আমার প্রতিপালক, আমাকে সাহায্য করুন এবং সহজ করে দিন, হে দয়ালু।
মুসনিদাহ উম্মুল ফজল হাজার বিনতে মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আবু বকর বিন আব্দুল্লাহ আল-কুদসি ৮৬৮ হিজরীর শাবান মাসের ১২ তারিখে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: তিনি বলেন, আমার পিতা শরফুদ্দিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-কুদসি ইজাজাতান (অনুমতিসূত্রে) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, যদি সরাসরি শ্রবণ না হয়ে থাকে: মুসনিদ আবুল হারাম মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-কালানিসি ৭৬৩ হিজরীর ৬ই জিলকদ তারিখে তাঁর নিকট সরাসরি শ্রবণকালে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(হা) এবং সম্ভ্রান্ত বিদুষী লেখিকা উম্মুল ফজল আয়েশা বিনতে মুসলিমদের প্রধান বিচারপতি আলাউদ্দিন আলী বিন মুহাম্মদ আল-কিনানি আল-আসকালানি আমার নিকট লিখেছেন, তিনি আবুল হারাম মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-কালানিসি থেকে ইজাজাতান, যদি সরাসরি শ্রবণ না হয়ে থাকে: তাকি আবুল খাত্তাব মাহফুজ বিন উমর বিন আবু বকর বিন আল-হামিজ ৬৯১ হিজরীতে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল ফজল আব্দুস সালাম বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন বাকরান আদ-দাহিরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁকে বলা হয়েছিল: শরীফ আবুল আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-আব্বাসি আল-মাক্কি কি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন যখন তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছিল এবং আপনারা তা শ্রবণ করেছিলেন এবং তিনি তা স্বীকার করেছিলেন? (তিনি বললেন, হ্যাঁ): আবু মাকতুম ঈসা বিন আবু জর উবাইদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ আল-হারাউই ৪৯৭ হিজরীর জিলকদ মাসে মসজিদে হারামে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাকে আবু জর উবাইদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ আল-হারাউই সংবাদ দিয়েছেন:
(১) ইব্রাহিম বিন আহমাদ বিন আল-হাসান আল-বাজজার তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আব্দুল্লাহ বিন সুলাইমান আমাদের বর্ণনা করেছেন: আহমাদ বিন উসমান বিন হাকিম আল-আওদি আমাদের বর্ণনা করেছেন: শুরাইহ বিন মাসলামাহ আমাদের বর্ণনা করেছেন: ইব্রাহিম বিন ইউসুফ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আমির বিন সাদ আল-বাজালি থেকে, তিনি ইকরামা বিন আবি জাহল থেকে বর্ণনা করেন, অথবা (বর্ণনাটি এমন যে) ইকরামা বিন আবি জাহল যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দিকে আসছিলেন, তখন নবীজি তাঁকে দেখে বললেন: "স্বাগতম হে আরোহী মুসাফির" অথবা বললেন "হে মুহাজির"। ইকরামা বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, আমি কী বলব? তিনি বললেন: তুমি বলবে, "আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং নিশ্চয়ই আমি আল্লাহর রাসুল।" তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, এরপর আমি কী বলব? তিনি বললেন: তুমি বলবে, "হে আল্লাহর রাসুল, আমি আপনাকে সাক্ষী রাখছি যে আমি একজন হিজরতকারী ও জিহাদকারী।" রাবী বলেন: নবীজি যা বললেন তিনি তা-ই করলেন। অতঃপর নবীজি বললেন: আজ তুমি আমার কাছে এমন কিছু চাইবে না যা আমি ইতিপূর্বে কাউকে দিয়েছি, তবে তোমাকে তা অবশ্যই দেব। তিনি বললেন: আমি আপনার কাছে কোনো সম্পদ চাইছি না, কারণ আমি কুরাইশদের অন্যতম সম্পদশালী ব্যক্তি। তবে আমি আপনার কাছে আরজি পেশ করছি যে, আপনি আমার সেই প্রতিটি যুদ্ধের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবেন যা আমি আপনাদের বিরুদ্ধে লড়েছি এবং আমার সেই প্রতিটি ব্যয়ের জন্য যা আমি আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে বাধা দেওয়ার জন্য খরচ করেছি। আল্লাহর কসম, যদি আমার হায়াত দীর্ঘ হয়, তবে আমি এর সবকিছুর দ্বিগুণ (আল্লাহর পথে) ব্যয় করব।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউন ফীহি আহাদীছ মিন মাসমুআতি লিশ-শায়খিল হাফিজ আবী যার উবাইদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হারাভী (ওয়া হুওয়া মাতবূ দ্বিমনা কিতাবিল ফাওয়াইদ)
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
(2) أخبرنا أبو ذر: حدثنا عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بن شاذان السكري / قراءة عليه: حدثنا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ الصُّوفِيُّ: حدثنا يحيى بن معين: حدثنا أَبُو اليَمَانِ، عَنْ شُعَيْبِ بْنِ أَبِي حَمْزَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي حُسَيْنٍ، عَنْ عِيسَى بْنِ طَلْحَةَ: سَمِعْتُ عَمْرَو بْنَ مُرَّةَ الْجُهَنِيَّ قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: أَرَأَيْتَ إِنْ شَهِدْتُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَأَنَّكَ رَسُولَ اللَّهِ، وَصَلَّيْتُ الصَّلَوَاتِ الْخَمْسَ، وَأَدَّيْتُ الزَّكَاةَ، وَصُمْتُ رَمَضَانَ وَقُمْتُهُ فَمَنْ أَنَا؟ قَالَ: أَنْتَ مِنَ الصِّدِّيقِينَ وَالشُّهَدَاءِ.
(3) أَخْبَرَنَا أَبُو ذر: حدثنا عمر بن أحمد بن عثمان: حدثنا الحسين بن إسماعيل الضبي: حدثنا يوسف بن موسى: حدثنا يزيد بن هارون: حدثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ رِفَاعَةَ بْنِ شَدَّادٍ، قَالَ: كُنْتُ أَقُومُ عَلَى رَأْسِ الْمُخْتَارِ، فَلَمَّا عَرَفْتُ كَذِبَاتِهِ هَمَمْتُ أَنْ أَخْتَرِطَ سَيْفِي فَأَضْرِبَ عُنُقَهُ، فَذَكَرْتُ حَدِيثًا حَدَّثَنِيهِ عَمْرُو بْنُ الْحَمِقِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: مَنْ أَمَّنَ رَجُلا عَلَى نَفْسِهِ فَقَتَلَهُ أُعْطِيَ لِوَاءَ غدر يوم القيامة.
(4) أخبرنا أبو ذر: أخبرنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ الْمُقْرِئُ بالبصرة: حدثنا محمد بن غسان بن جبلة: حدثنا أبو حفص عمر بن الخطاب السجستاني: حدثنا أبو صالح: حدثنا مُعَاوِيَةُ، أَنَّ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ جُبَيْرٍ حَدَّثَهُ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَمِقِ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَعْنِي يَقُولُ: إِذَا أَرَادَ اللَّهُ بِعَبْدٍ خَيْرًا عَسَّلَهُ، وَهَلْ تَدْرُونَ مَا عَسَّلَهُ؟ قَالُوا: اللَّهُ أَعْلَمُ، قَالَ: يَفْتَحُ اللَّهُ لَهُ عَمَلا صَالِحًا بَيْنَ يَدَيْ موته حتى يرضى عنه حيه ومن حوله.
(5) أخبرنا أبو ذر: حدثنا عمر بن أحمد بن عثمان: حدثنا نصر بن القاسم
(2) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যার: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবন উমর ইবন মুহাম্মদ ইবন আল-হাসান ইবন শাযান আস-সুক্কারি—তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবন আল-হাসান ইবন আবদিল জব্বার আস-সুফি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবন মাঈন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-ইয়ামান, শুআইব ইবন আবি হামযাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন আবদুর রহমান ইবন আবি হুসাইন থেকে, তিনি ঈসা ইবন তালহা থেকে বর্ণনা করেন: আমি আমর ইবন মুররাহ আল-জুহানিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: জনৈক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বলল, “বলুন তো, আমি যদি সাক্ষ্য দিই যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং আপনি আল্লাহর রাসূল, আর আমি পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করি, জাকাত প্রদান করি, রমজানের রোজা রাখি এবং কিয়াম (রাতের সালাত) করি, তবে আমি কে?” তিনি বললেন, “তুমি সিদ্দিকিন (সত্যনিষ্ঠ) ও শুহাদা (শহীদদের) অন্তর্ভুক্ত।”
(3) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যার: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর ইবন আহমদ ইবন উসমান: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন ইবন ইসমাইল আদ-দাব্বি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ ইবন মুসা: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযিদ ইবন হারুন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবন সালামাহ, আবদুল মালিক ইবন উমাইর থেকে, তিনি রিফাআহ ইবন শাদ্দাদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি মুখতারের মাথার কাছে দাঁড়িয়ে থাকতাম। যখন আমি তার মিথ্যাচারগুলো বুঝতে পারলাম, তখন আমি তলোয়ার কোষমুক্ত করে তার গর্দান উড়িয়ে দেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করলাম। কিন্তু তখন আমর ইবনুল হামিক বর্ণিত একটি হাদিস আমার স্মরণে এল যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি কোনো মানুষকে তার জীবনের নিরাপত্তা দিল, অতঃপর তাকে হত্যা করল, কিয়ামতের দিন তাকে বিশ্বাসঘাতকতার একটি নিশান বা ঝান্ডা প্রদান করা হবে।”
(4) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যার: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবন আহমদ আল-মুকরি বসরায়: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন গাসসান ইবন জাবালাহ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাফস উমর ইবনুল খাত্তাব আস-সিজিস্তানি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালেহ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুয়াবিয়া, আবদুর রহমান ইবন জুবাইর তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আমর ইবনুল হামিক থেকে বর্ণনা করেছেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, অর্থাৎ তিনি বলছিলেন: “যখন আল্লাহ কোনো বান্দার কল্যাণ চান, তখন তাকে ‘আসসালাহু’ (মধুময়) করেন।” তারা জিজ্ঞাসা করল, “আপনি কি জানেন ‘আসসালাহু’ কী?” তারা বলল, “আল্লাহই ভালো জানেন।” তিনি বললেন, “আল্লাহ তার মৃত্যুর আগে তাকে একটি নেক আমলের পথ খুলে দেন, এমনকি তার জীবিত প্রতিবেশী ও চারপাশের লোকজন তার ওপর সন্তুষ্ট হয়ে যায়।”
(5) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যার: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর ইবন আহমদ ইবন উসমান: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাসর ইবনুল কাসিম...
(খণ্ড: ১)
জুযউন ফীহি আহাদীছ মিন মাসমুআতি লিশ-শায়খিল হাফিজ আবী যার উবাইদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হারাভী (ওয়া হুওয়া মাতবূ দ্বিমনা কিতাবিল ফাওয়াইদ)
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
الفرائضي: حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة: حدثنا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ شَبِيبِ بْنِ غَرْقَدَةَ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ عَمْرِو بْنِ الأَحْوَصِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ: أَلا أَيُّ يَوْمٍ هَذَا؟ ثَلاثَ مَرَّاتٍ، قَالُوا: يَوْمُ الْحَجِّ الأَكْبَرِ، قَالَ: فَإِنَّ دِمَاءَكُمْ وَأَمْوَالَكُمْ وَأَعْرَاضَكُمْ بَيْنَكُمْ حَرَامٌ كَحُرْمَةِ يَوْمِكُمْ هَذَا فِي شَهْرِكُمْ هَذَا فِي بَلَدِكُمْ هَذَا، أَلا لا يَجْنِي جَانٍ إِلا عَلَى نَفْسِهِ، أَلا لا يَجْنِي وَالِدٌ عَلَى وَلَدِهِ، وَلا مَوْلُودٌ عَلَى وَالِدِهِ، أَلا إِنَّ الشَّيْطَانَ قَدْ أَيِسَ أَنْ يُعْبَدَ بِبَلَدِكُمْ هذا أبدا، ولكن سيكون لَهُ طَاعَةٌ فِي بَعْضِ مَا تَحْتَقِرُونَ مِنْ أعمالكم، ألا وإن كل دم من دماء الْجَاهِلِيَّةِ / مَوْضُوعٌ وَأَوَّلُ مَا وُضِعَ مِنْهَا دَمُ الْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ، وَكَانَ مُسْتَرْضَعًا فِي بَنِي لَيْثٍ فَقَتَلَتْهُ هُذَيْلٌ، أَلا وَإِنَّ كُلَّ ربا من ربا الجاهلية موضوع، لكم رؤوس أَمْوَالِكُمْ لا تَظْلِمُونَ وَلا تُظْلَمُونَ، أَلا يَا أُمَّتَاهُ هَلْ بَلَّغْتُ؟ ثَلاثَ مَرَّاتٍ، فَقَالُوا: نَعَمْ، قال: اللهم اشهد.
(6) حدثنا أبو ذر: حدثنا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَانَ الْحَافِظُ: أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ محمد بن سليمان: حدثنا أَبُو الْوَلِيدِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ بكار القرشي: حدثنا الوليد بن مسلم: حدثنا شَيْبَانُ، عَنْ شَبِيبِ بْنِ غَرْقَدَةَ الْبَارِقِيِّ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ عَمْرِو بْنِ الأَحْوَصِ، عَنْ أَبِيهِ، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال [في] (1) خُطْبَتَهُ يَوْمَ النَّحْرِ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ: أَلا وَاتَّقُوا اللَّهَ فِي النِّسَاءِ فَإِنَّهُنَّ عِنْدَكُمْ عَوَانٍ لَيْسَ لَكُمْ عَلَيْهِنَّ سَبِيلٌ إِذَا أَطَعْنَكُمْ، لَكُمْ عَلَيْهِنَّ حَقٌّ وَلَهُنَّ عَلَيْكُمْ حَقٌّ، إِنَّمَا أَخَذْتُمُوهُنَّ بِأَمَانَةِ اللَّهِ، وَاسْتَحْلَلْتُمْ فُرُوجَهُنَّ بِكَلِمَةِ اللَّهِ تَعَالَى، وَحَقُّكُمْ عَلَيْهِنَّ أَنْ لا يُوطِئْنَ فُرُشَكُمْ مَنْ تكرهون، ولا يأذن فِي بُيُوتِكُمْ لِمَنْ تَكْرَهُونَ، فَإِنْ فَعَلْنَ فَاهْجُرُوهُنَّ وَاضْرِبُوهُنَّ ضَرْبًا غَيْرَ مُبَرِّحٍ، فَإِنْ أَطَعْنَكُمْ فَلا تَبْغُوا عَلَيْهِنَّ سَبِيلا، وَإِنَّ مِنْ حَقِّهِنَّ عَلَيْكُمْ رزقهن وكسوتهن بالمعروف.
(7) أخبرنا أبو ذر: أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ أَبِي ذُهْلٍ الضَّبِّيُّ إِمْلاءً وَعُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُثْمَانَ قراءة عليه: حدثنا يحيى بن محمد بن صاعد: حدثنا عمرو بن علي: حدثنا معاذ بن هانئ: حدثنا حَرْبُ بْنُ شَدَّادٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ سِنَانٍ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ اللَّيْثِيِّ، أَنَّهُ حَدَّثَهُ أَبُوهُ وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: مَنْ يُقِيمُ الصَّلَوَاتِ الْخَمْسَ اللاتِي كتبن عليه، ويصوم رمضان يحتسب صومه نوى أنه عليه
--------------------------------------------
আল-ফারাঈদি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবি শায়বাহ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আহওয়াস, শাবীব বিন গারকাদাহ থেকে, তিনি সুলায়মান বিন আমর বিন আল-আহওয়াস থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বিদায় হজ্জের সময় বলতে শুনেছি: "সাবধান! এটি কোন দিন?" তিনি তিনবার এটি বললেন। তারা বললেন: "বড় হজ্জের দিন (ইয়াওমুল হাজ্জিল আকবার)"। তিনি বললেন: "নিশ্চয় তোমাদের রক্ত, তোমাদের সম্পদ এবং তোমাদের সম্মান তোমাদের পরস্পরের নিকট পবিত্র, যেমন পবিত্র তোমাদের এই দিন, তোমাদের এই মাস এবং তোমাদের এই শহর। সাবধান! কোনো অপরাধী কেবল নিজের বিরুদ্ধেই অপরাধ করে। সাবধান! কোনো পিতা তার সন্তানের ওপর অপরাধ করবে না এবং কোনো সন্তান তার পিতার ওপরও না। সাবধান! শয়তান তোমাদের এই শহরে পুনরায় ইবাদত পাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছে, কিন্তু তোমাদের তুচ্ছ আমলগুলোর মাঝে তার আনুগত্য করা হবে। সাবধান! জাহেলিয়াত যুগের সকল রক্তের দাবি রহিত করা হলো এবং সর্বপ্রথম হারিস বিন আব্দুল মুত্তালিবের রক্ত রহিত করা হলো, যে বনু লাইসে স্তন্যদানকারী অবস্থায় ছিল এবং হুযাইল তাকে হত্যা করেছিল। সাবধান! জাহেলিয়াত যুগের সকল সুদ রহিত করা হলো। তোমাদের জন্য কেবল তোমাদের মূলধন প্রাপ্য; তোমরা যুলুম করবে না এবং যুলুমের শিকারও হবে না। সাবধান, হে উম্মত! আমি কি পৌঁছে দিয়েছি?" তিনি তিনবার এটি বললেন। তারা বললেন: "হ্যাঁ"। তিনি বললেন: "হে আল্লাহ! আপনি সাক্ষী থাকুন।"
(৬) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যার: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন আবদান আল-হাফিজ: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন সুলায়মান: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ওয়ালীদ আহমাদ বিন আব্দুর রহমান বিন বাক্কার আল-কুরাশী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ওয়ালীদ বিন মুসলিম: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শায়বান, শাবীব বিন গারকাদাহ আল-বারিকী থেকে, তিনি সুলায়মান বিন আমর বিন আল-আহওয়াস থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিদায় হজ্জে কুরবানির দিনের খুতবায় বলেছেন: "সাবধান! তোমরা নারীদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো। কেননা তারা তোমাদের নিকট বন্দিনীদের মতো। তারা যখন তোমাদের আনুগত্য করবে তখন তাদের ওপর তোমাদের আর কোনো পথ নেই। তাদের ওপর তোমাদের অধিকার রয়েছে এবং তোমাদের ওপর তাদের অধিকার রয়েছে। তোমরা তাদেরকে আল্লাহর আমানতে গ্রহণ করেছ এবং মহান আল্লাহর বাণীর মাধ্যমে তাদের লজ্জাস্থানকে হালাল করেছ। তাদের ওপর তোমাদের অধিকার হলো তারা তোমাদের বিছানায় এমন কাউকে পদার্পণ করতে দেবে না যাকে তোমরা অপছন্দ করো এবং তোমাদের ঘরে এমন কাউকে অনুমতি দেবে না যাকে তোমরা অপছন্দ করো। যদি তারা এমনটি করে তবে তোমরা তাদের বিছানা আলাদা করে দাও এবং তাদেরকে মৃদু প্রহার করো। অতঃপর যদি তারা তোমাদের আনুগত্য করে তবে তাদের বিরুদ্ধে কোনো পথ অন্বেষণ করো না। আর তোমাদের ওপর তাদের অধিকার হলো উত্তমভাবে তাদের রিযিক ও পোশাক প্রদান করা।"
(৭) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যার: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ বিন আবি যুহল আদ-দাব্বী ইমলা হিসেবে এবং উমর বিন আহমাদ বিন উসমান তার নিকট পঠন হিসেবে: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ বিন সায়েদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর বিন আলী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুয়ায বিন হানি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হারব বিন শাদ্দাদ, ইয়াহইয়া বিন আবি কাসীর থেকে, তিনি আব্দুল হামীদ বিন সিনান থেকে, তিনি উবাইদ বিন উমায়ের আল-লাইসী থেকে বর্ণনা করেন যে, তার পিতা—যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একজন সাহাবী ছিলেন—তাকে বলেছেন: "যে ব্যক্তি তার ওপর ফরজকৃত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কায়েম করবে এবং সওয়াবের আশায় রমজানের রোজা রাখবে এই নিয়তে যে তা তার ওপর নির্ধারিত..."
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউন ফীহি আহাদীছ মিন মাসমুআতি লিশ-শায়খিল হাফিজ আবী যার উবাইদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হারাভী (ওয়া হুওয়া মাতবূ দ্বিমনা কিতাবিল ফাওয়াইদ)
(পৃষ্ঠা: ৪০)
حقا، وَيُعْطِي زَكَاةَ مَالِهِ يَحْتَسِبُهَا، وَيَجْتَنِبُ الْكَبَائِرَ الَّتِي نَهَى اللَّهُ عَنْهَا، ثُمَّ إِنَّ رَجُلا مِنْ أَصْحَابِهِ سَأَلَهُ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَا الْكَبَائِرُ؟ فَقَالَ: هِيَ تِسْعٌ: أَعْظَمُهُنَّ الإِشْرَاكُ بِاللَّهِ، وَقَتْلُ الْمُؤْمِنِ بِغَيْرِ حَقٍّ، وَالْفِرَارُ يَوْمَ الزَّحْفِ، وَالسِّحْرُ، وَأَكْلُ مَالِ الْيَتِيمِ، وَأَكْلُ الرِّبَا، وَقَذْفُ الْمُحْصَنَةِ، وَعُقُوقُ الْوَالِدَيْنِ، وَاسْتِحْلالُ الْبَيْتِ الْحَرَامِ قِبْلَتِكُمْ أَحْيَاءً وَأَمْوَاتًا، ثُمَّ قَالَ صلى الله عليه وسلم: لا يموت رجل لا يعمل هؤلاء الْكَبَائِرَ وَيُقِيمُ / الصَّلاةَ وَيُؤْتِي الزَّكَاةَ إِلا رَافَقَ مُحَمَّدًا صلى الله عليه وسلم فِي بُحْبُوحَةِ الْجَنَّةِ، أَبْوَابُهَا مَصَارِيعُ مِنْ ذَهَبٍ.
(8) أَخْبَرَنَا أَبُو ذر: أخبرنا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَانَ بْنِ مُحَمَّدٍ قِرَاءَةً عَلَيْهِ: حدثنا علي بن الحسين بن معدان: حدثنا محمد بن أبان: حدثنا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ الدَّسْتُوَائِيُّ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ عُمَيْرٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: إِنَّ اللَّهَ وَعَدَنِي أَنْ يُدْخِلَ الجنة من أمتي ثلاثمئة أَلْفٍ، قَالَ عُمَيْرٌ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ زِدْنَا، فَقَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهَكَذَا بِيَدَيْهِ، فَقَالَ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ زِدْنَا، قَالَ: وَهَكَذَا بِيَدَيْهِ، فَقَالَ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ زِدْنَا، فَقَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رضي الله عنه: حَسْبُكَ يَا عُمَيْرُ، فَقَالَ: مَا لَنَا ولك يا ابن الْخَطَّابِ؟ وَمَا عَلَيْكَ أَنْ يُدْخِلَنَا اللَّهُ الْجَنَّةَ؟ فَقَالَ عُمَرُ: إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى إِنْ شَاءَ أَدْخَلَ النَّاسَ الْجَنَّةَ بِحَفْنَةٍ وَاحِدَةٍ.
(9) أَخْبَرَنَا أَبُو ذر: حدثنا أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ خُمَيْرُوَيْهِ وَبِشْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُزَنِيُّ قراءة عليه، قالا: حدثنا محمد بن عبد الرحمن الشامي: حدثنا أحمد بن حنبل: حدثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ خَالِدٍ الصَّنْعَانِيُّ: حَدَّثَنِي أَبُو وَائِلٍ الصَّنْعَانِيُّ قَالَ: كُنَّا جُلُوسًا عِنْدَ عُرْوَةَ بْنِ مُحَمَّدٍ إِذْ دَخَلَ عَلَيْهِ رَجُلٌ فَكَلَّمَهُ بِكَلامٍ، فَلَمَّا غَضِبَ قَامَ، ثُمَّ عَادَ إِلَيْنَا وَقَدْ تَوَضَّأَ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ جَدِّي عَطِيَّةَ - وَكَانَتْ لَهُ صُحْبَةٌ - فَقَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: إِنَّ الْغَضَبَ مِنَ الشَّيْطَانِ، وَإِنَّ الشَّيْطَانَ خُلِقَ مِنَ النَّارِ، وَإِنَّمَا تطفى النَّارُ بِالْمَاءِ، فَإِذَا غَضِبَ أَحَدُكُمْ فَلْيَتَوَضَّأْ.
যথাযথভাবে এবং সওয়াবের আশায় তার মালের জাকাত প্রদান করে এবং সেই কবিরা গুনাহসমূহ থেকে বিরত থাকে যা আল্লাহ নিষেধ করেছেন। এরপর তাঁর এক সাহাবী তাঁকে প্রশ্ন করলেন: হে আল্লাহর রাসূল, কবিরা গুনাহ কী কী? তিনি বললেন: সেগুলো নয়টি: সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় হলো আল্লাহর সাথে শিরক করা, অন্যায়ভাবে কোনো মুমিনকে হত্যা করা, যুদ্ধের ময়দান থেকে পলায়ন করা, জাদু করা, এতিমের মাল ভক্ষণ করা, সুদ খাওয়া, সতী-সাধ্বী নারীর প্রতি অপবাদ দেওয়া, পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া এবং তোমাদের জীবিত ও মৃত অবস্থায় তোমাদের কিবলা স্বরূপ পবিত্র কাবার অবমাননা করা। এরপর তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: যে ব্যক্তি এই কবিরা গুনাহগুলো না করে মৃত্যুবরণ করবে এবং সালাত কায়েম করবে ও জাকাত প্রদান করবে, সে জান্নাতের মধ্যস্থলে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গী হবে, যার দরজাগুলো হবে স্বর্ণনির্মিত বিশাল কপাট।
(৮) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যার: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন আবদান বিন মুহাম্মদ তাঁর নিকট পাঠকালে: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আলী বিন হুসাইন বিন মা'দান: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আবান: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুআজ বিন হিশাম আদ-দাস্তুওয়ায়ী: আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, কাতাদাহ থেকে, তিনি আবু বকর বিন উমাইর থেকে, তিনি তাঁর পিতা উমাইর থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: নিশ্চয় আল্লাহ আমাকে ওয়াদা দিয়েছেন যে, তিনি আমার উম্মতের মধ্য থেকে তিন লক্ষ লোককে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। উমাইর বললেন: হে আল্লাহর নবী, আমাদের জন্য আরও বৃদ্ধি করুন। তখন আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর দুই হাত দিয়ে এভাবে ইশারা করলেন। তিনি বললেন: হে আল্লাহর নবী, আমাদের জন্য আরও বৃদ্ধি করুন। তিনি তাঁর দুই হাত দিয়ে এভাবে ইশারা করলেন। তিনি বললেন: হে আল্লাহর নবী, আমাদের জন্য আরও বৃদ্ধি করুন। তখন ওমর বিন খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন: হে উমাইর, আপনার জন্য এটাই যথেষ্ট। তিনি বললেন: হে ইবনে খাত্তাব, আমাদের ও আপনার মাঝে কীসের সম্পর্ক? আল্লাহ আমাদের জান্নাতে প্রবেশ করালে আপনার ওপর কী দায় বর্তাবে? তখন ওমর বললেন: নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা চাইলে আল্লাহর এক মুষ্টির মাধ্যমেই সকল মানুষকে জান্নাতে প্রবেশ করাতে পারেন।
(৯) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যার: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবুল ফজল মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন খুমাইরুওয়াইহ এবং বিশর বিন মুহাম্মদ আল-মুজানী তাঁদের নিকট পাঠকালে, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আশ-শামী: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমাদ বিন হাম্বল: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবরাহিম বিন খালিদ আস-সানআনী: আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু ওয়ায়েল আস-সানআনী, তিনি বলেন: আমরা উরওয়াহ বিন মুহাম্মদের নিকট বসা ছিলাম, এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি তাঁর নিকট প্রবেশ করল এবং তাঁর সাথে কিছু কথা বলল। তিনি যখন রাগান্বিত হলেন, তখন উঠে দাঁড়ালেন, অতঃপর ওজু করে আমাদের নিকট ফিরে এলেন এবং বললেন: আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, আমার দাদা আতিয়্যাহ থেকে - যিনি একজন সাহাবী ছিলেন - তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: নিশ্চয় রাগ শয়তানের পক্ষ থেকে আসে, আর শয়তান আগুন থেকে সৃষ্টি, আর আগুন কেবল পানি দিয়েই নেভানো যায়। সুতরাং তোমাদের কেউ যখন রাগান্বিত হয়, সে যেন ওজু করে নেয়।
(খণ্ড: ১)
জুযউন ফীহি আহাদীছ মিন মাসমুআতি লিশ-শায়খিল হাফিজ আবী যার উবাইদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হারাভী (ওয়া হুওয়া মাতবূ দ্বিমনা কিতাবিল ফাওয়াইদ)
(পৃষ্ঠা: ৪১)
(10) أخبرنا أبو ذر: أخبرنا أحمد بن عبدان بن محمد: أخبرنا محمد بن محمد بن سليمان: حدثنا هشام بن عمار: حدثنا صدقة، عن جَابِرٍ: حَدَّثَنِي عُرْوَةُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَطِيَّةَ السَّعْدِيُّ: حَدَّثَنِي أَبِي، أَنَّ أَبَاهُ أَخْبَرَهُ قَالَ: قَدِمْتُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي أُنَاسٍ مِنْ بَنِي سَعْدِ بْنِ بَكْرٍ، فَكُنْتُ أَصْغَرَ الْقَوْمِ، فَخَلَّفُونِي فِي رِحَالِهِمْ ثُمَّ أَتَوْا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَضَوْا مِنْ حَوَائِجِهِمْ، ثُمَّ قَالَ: هَلْ بَقِيَ مِنْكُمْ أَحَدٌ؟ قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، غُلامٌ مِنَّا خَلَّفْنَاهُ فِي رِحَالِنَا، فَأَمَرَهُمْ أَنْ يَبْعَثُونِي إِلَيْهِ، فَأَتَوْنِي فَقَالُوا: أَجِبْ رَسُولَ اللَّهِ، فأتيته، فلما رآني قال: مَا أَغْنَاكَ اللَّهُ، فَلا تَسْأَلِ النَّاسَ شَيْئًا، فَإِنَّ الْيَدَ الْعُلْيَا هِيَ الْمُنْطِيةُ، وَإِنَّ الْيَدَ السفلى هي المنطاة، وإن مال الله مسؤل ومنطا، قال: ويكلمني رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِلُغَتِنَا.
(11) / أخبرنا أبو ذر: أخبرنا عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُثْمَانَ قِرَاءَةً عَلَيْهِ: حدثنا نصر بن القاسم: حدثنا عبيد الله القواريري: حدثنا يزيد بن زريع: حدثنا سعيد: حدثنا قَتَادَةُ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ عِيَاضِ بْنِ حِمَارٍ قَالَ: قُلْتُ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: يا نبي الله، يسبني الرَّجُلُ مِنْ قَوْمِي هُوَ دُونِي فَانْتَصِرْ مِنْهُ؟ قال: المستبان شيطانان يتهاتران ويتكاذبان.
(12) أخبرنا أبو ذر: أخبرنا أحمد بن عبدان الحافظ: حدثنا عبد الرحمن بن أحمد المسيبي: حدثنا أحمد بن سليمان: حدثنا يزيد بن هارون: أخبرنا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، سَمِعْتُ عَدِيَّ بْنَ عَدِيٍّ، عَنْ رَجَاءِ بْنِ حَيْوَةَ وَالْعُرْسِ بْنِ عُمَيْرَة، أَنَّهُمَا حَدَّثَاهُ عَنْ أَبِيهِمَا عَدِيِّ بْنِ عُمَيْرَةَ قَالَ: كَانَ بَيْنَ امْرِئِ الْقَيْسِ وَرَجُلٍ مِنْ حَضْرَمَوْتَ خُصُومَةٌ، فَارْتَفَعَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ لِلْحَضَرِميِّ: بيِّنتُكَ وَإِلا فَيَمِينُهُ، قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنْ حَلَفَ ذَهَبَ بِأَرْضِي، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: مَنْ حَلَفَ عَلَى يَمِينٍ كَاذِبَةٍ لِيَقْتَطِعَ بِهَا حَقَّ امْرِئٍ مُسْلِمٍ لَقِيَ اللَّهَ وَهُوَ عَلَيْهِ غَضْبَانُ، قَالَ امْرُؤُ الْقَيْسِ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، فَمَا لِمَنْ تَرَكَهَا وَهُوَ يَعْلَمُ أَنَّهَا حَقٌّ؟ قَالَ: الْجَنَّةُ، قَالَ: فَأُشْهِدُكَ أَنِّي قد تركتها.
(১০) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যর: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে আবদান ইবনে মুহাম্মাদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে আম্মার: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাদাকাহ, জাবির থেকে: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন উরওয়াহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আতিয়্যাহ আস-সাদী: আমার নিকট আমার পিতা বর্ণনা করেছেন যে, তাঁর পিতা তাঁকে সংবাদ দিয়ে বলেছেন: আমি বনু সাদ ইবনে বকর গোত্রের কিছু লোকের সাথে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলাম। আমি ছিলাম দলের সর্বকনিষ্ঠ। তাই তারা আমাকে তাদের আসবাবপত্রের নিকট রেখে গেলেন। এরপর তারা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন এবং তাদের প্রয়োজন পূরণ করলেন। এরপর তিনি বললেন: তোমাদের মধ্যে কি আর কেউ অবশিষ্ট আছে? তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমাদের এক কিশোরকে আমরা আমাদের আসবাবপত্রের নিকট রেখে এসেছি। তখন তিনি তাদের নির্দেশ দিলেন আমাকে তাঁর নিকট পাঠানোর জন্য। তারা আমার কাছে এসে বললেন: আল্লাহর রাসূলের ডাকে সাড়া দাও। আমি তাঁর নিকট আসলাম। তিনি যখন আমাকে দেখলেন তখন বললেন: আল্লাহ তোমাকে যা দিয়েছেন তাতেই তুষ্ট থাকো, মানুষের কাছে কিছু চেয়ো না। কারণ উপরের হাত হলো প্রদানকারী, আর নিচের হাত হলো গ্রহণকারী। আর আল্লাহর সম্পদ চাওয়া হয় এবং প্রদান করা হয়। তিনি বললেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের ভাষায় আমার সাথে কথা বলেছিলেন।
(১১) / আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যর: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর ইবনে আহমাদ ইবনে উসমান তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাসর ইবনে কাসিম: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ আল-কাওয়ারীরী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ ইবনে যুরায়: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ, মুতাররিফ থেকে, ইয়াদ ইবনে হিমার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললাম: হে আল্লাহর নবী, আমার গোত্রের এক ব্যক্তি যে আমার চেয়ে হীন, সে আমাকে গালি দেয়। আমি কি তার থেকে প্রতিশোধ নিতে পারি? তিনি বললেন: পরস্পর গালিগালাজকারী দুজন হলো শয়তান, যারা একে অপরের সাথে উচ্চবাচ্য করে এবং একে অপরের প্রতি মিথ্যাারোপ করে।
(১২) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যর: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে আবদান আল-হাফিয: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান ইবনে আহমাদ আল-মুসাইবী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে সুলাইমান: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ ইবনে হারুন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জারীর ইবনে হাযিম, আমি আদী ইবনে আদীকে বলতে শুনেছি, তিনি রাজা ইবনে হাইওয়াহ এবং আল-উরস ইবনে উমাইরাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তাঁরা উভয়ে তাঁদের পিতা আদী ইবনে উমাইরাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ইমরুল কায়েস এবং হাযরামাউতের এক ব্যক্তির মাঝে বিবাদ ছিল। তারা উভয়ে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট বিষয়টি উত্থাপন করলেন। তিনি হাযরামী ব্যক্তিকে বললেন: তোমার প্রমাণ দাও, অন্যথায় তার শপথ গ্রহণ করা হবে। সে বলল: হে আল্লাহর রাসূল, সে যদি শপথ করে তবে তো আমার জমি নিয়ে যাবে। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: যে ব্যক্তি কোনো মুসলিম ব্যক্তির হক নষ্ট করার জন্য মিথ্যা শপথ করবে, সে আল্লাহর সাথে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করবে যে আল্লাহ তার উপর রাগান্বিত থাকবেন। ইমরুল কায়েস বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, যে ব্যক্তি সত্য জেনেও তা ছেড়ে দেয় তার জন্য কী রয়েছে? তিনি বললেন: জান্নাত। সে বলল: আমি আপনাকে সাক্ষী রাখছি যে, আমি তা ছেড়ে দিলাম।
(খণ্ড: ১)
জুযউন ফীহি আহাদীছ মিন মাসমুআতি লিশ-শায়খিল হাফিজ আবী যার উবাইদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হারাভী (ওয়া হুওয়া মাতবূ দ্বিমনা কিতাবিল ফাওয়াইদ)
(পৃষ্ঠা: ৪২)
(13) أخبرنا أبو ذر: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بن خميرويه: حدثنا أحمد بن نجدة: حدثنا سعيد بن منصور: حدثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ: حَدَّثَنِي أَبُو هَانِئٍ الْخَوْلانِيُّ، أَنَّ أَبَا عَلِيٍّ عَمْرَو بْنَ مَالِكٍ الْجَنْبِيَّ حَدَّثَهُ، عَنْ فَضَالَةَ بْنِ عُبَيْدٍ قَالَ: سَمِعْتُهُ يَقُولُ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي بِالنَّاسِ، فَيَخِرُّ رِجَالٌ مِنْ قَامَتِهِمْ (1) فِي الصَّلاةِ مِمَّا بِهِمْ مِنَ الْخَصَاصَةِ، وهم من أصحاب الصفة، حتى تقول الأَعْرَابُ: إِنَّ هَؤُلاءِ لَمَجَانِينُ، فَلَمَّا قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الصَّلاةَ انْصَرَفَ إِلَيْهِمْ، فَقَالَ: لَوْ تَعْلَمُونَ مَا لَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ لأَحْبَبْتُمْ لَوْ أَنَّكُمْ تَزْدَادُونَ فَاقَةً وَحَاجَةً. قَالَ: قَالَ فَضَالَةُ: وَأَنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَئِذٍ.
(14) أَخْبَرَنَا أَبُو ذر: أخبرنا عمر بن أحمد بن عثمان: حدثنا عبد الله بن سليمان بن الأشعث: حدثنا أَبُو الطَّاهِرِ أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ السَّرْحِ: أخبرنا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ سَعِيدٍ - وَهُوَ ابْنُ أَبِي أَيُّوبَ - عَنْ أَبِي هَانِئٍ، عَنْ أَبِي عَلِيٍّ الْجَنْبِيِّ، عَنْ فَضَالَةَ بْنِ عُبَيْدٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: اللَّهُمَّ مَنْ آمَنَ بِكَ وَشَهِدَ أَنِّي رَسُولُكَ، فَحَبِّبْ إِلَيْهِ لِقَاءَكَ، وَسَهِّلْ / عَلَيْهِ قَضَاءَكَ، وَأَقْلِلْ لَهُ مِنَ الدُّنْيَا، وَمَنْ لَمْ يُؤْمِنْ بِكَ وَلَمْ يَشْهَدْ أَنِّي رَسُولُكَ، فَلا تُحَبِّبْ إِلَيْهِ لِقَاءَكَ، وَلا تُسَهِّلْ عَلَيْهِ قَضَاءَكَ، وَأَكْثِرْ لَهُ مِنَ الدُّنْيَا.
(15) أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أحمد بن خميرويه: أخبرنا أحمد بن نجدة الحماني: حدثنا عبد الواحد بن (2) زياد: حدثنا عَاصِمُ بْنُ كُلَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ الْفَلَتَانِ بْنِ عَاصِمٍ قَالَ: كُنَّا قُعُودًا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي الْمَسْجِدِ، فَشَخَصَ بِبَصَرِهِ إِلَى رَجُلٍ يَمْشِي فِي الْمَسْجِدِ، فَقَالَ: يَا فُلانُ، فَقَالَ: لَبَّيْكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: وَلا يُنَازِعُهُ الْكَلامَ إِلا قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: أَتَشْهَدُ أَنِّي رَسُولُ اللَّهِ؟ قَالَ: لا، قَالَ: تَقْرَأُ التَّوْرَاةَ؟ قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: والإنجيل؟ قال: والقرآن، والذي نفسي بيده لو تشاء لقرأته، قال: ثم أنشده: هَلْ تَجِدُنِي فِي التَّوْرَاةِ؟ قَالَ: سَأُحَدِثُكَ نَجِدُ مِثْلَكَ وَمِثْلَ هَيْئَتِكَ، وَمِثْلَ مَخْرَجِكَ، فَلَمَّا خَرَجْتَ رَجَوْتُ أَنْ تَكُونَ فِينَا، فَلَمَّا رَأَيْنَاكَ عَرَفْنَاكَ أَنَّكَ لَسْتَ بِهِ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: وَلِمَ يَا يَهُودِيُّ؟ قَالَ: إِنَّا نَجِدُهُ مَكْتُوبًا أَنَّهُ يَدْخُلُ مِنْ أُمَّتِهِ سَبْعُونَ أَلْفًا بِغَيْرِ حِسَابٍ، وَلا نَرَى مَعَكَ إِلا نَفَرًا يَسِيرًا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: إن أمتي
--------------------------------------------
(১৩) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যার: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে খুমাইরাওয়াইহ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে নাজদাহ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে মানসুর: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হানি আল-খাওলানি, যে আবু আলী আমর ইবনে মালিক আল-জানবি তাকে বর্ণনা করেছেন ফাদালাহ ইবনে উবাইদ থেকে, তিনি বলেন: আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানুষকে নিয়ে সালাত পড়তেন, তখন কিছু লোক তাদের দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থা (১) থেকে সালাতের মধ্যেই পড়ে যেত ক্ষুধার তীব্রতার কারণে, তারা ছিলেন আসহাবে সুফফার অন্তর্ভুক্ত। এমনকি বেদুইনরা বলত: এরা তো পাগল। যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাত শেষ করলেন, তখন তাদের দিকে ফিরে বললেন: আল্লাহর নিকট তোমাদের জন্য কী রয়েছে তা যদি তোমরা জানতে, তবে তোমরা অবশ্যই আকাঙ্ক্ষা করতে যেন তোমাদের অভাব ও দারিদ্র্য আরও বৃদ্ধি পায়। ফাদালাহ বলেন: আমি সেদিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে ছিলাম।
(১৪) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যার: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর ইবনে আহমাদ ইবনে উসমান: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে সুলাইমান ইবনুল আশ’আস: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল তাহির আহমাদ ইবনে আমর ইবনুস সারাহ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে ওয়াহাব, সাঈদ থেকে—তিনি ইবনে আবি আইয়ুব—তিনি আবু হানি থেকে, তিনি আবু আলী আল-জানবি থেকে, তিনি ফাদালাহ ইবনে উবাইদ থেকে যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: হে আল্লাহ, যে ব্যক্তি আপনার প্রতি ঈমান আনে এবং সাক্ষ্য দেয় যে আমি আপনার রাসুল, আপনি তার নিকট আপনার সাথে সাক্ষাতকে প্রিয় করে দিন, তার জন্য আপনার ফয়সালা সহজ করে দিন এবং দুনিয়া থেকে তাকে অল্প দান করুন। আর যে আপনার প্রতি ঈমান আনে না এবং সাক্ষ্য দেয় না যে আমি আপনার রাসুল, তার নিকট আপনার সাথে সাক্ষাতকে প্রিয় করবেন না, তার জন্য আপনার ফয়সালা সহজ করবেন না এবং তাকে দুনিয়া থেকে প্রচুর দান করুন।
(১৫) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে খুমাইরাওয়াইহ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে নাজদাহ আল-হিমমানি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে (২) যিয়াদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসিম ইবনে কুলাইব, তার পিতা থেকে, তিনি ফালাতান ইবনে আসিম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে মসজিদে বসা ছিলাম। তিনি মসজিদে বিচরণকারী এক ব্যক্তির দিকে একদৃষ্টে তাকালেন এবং বললেন: হে অমুক! সে বলল: হে আল্লাহর রাসুল, আমি উপস্থিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখনই কথা বলতেন, সে কেবল ‘হে আল্লাহর রাসুল’ বলেই উত্তর দিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন: তুমি কি সাক্ষ্য দাও যে আমি আল্লাহর রাসুল? সে বলল: না। তিনি বললেন: তুমি কি তাওরাত পড়? সে বলল: হ্যাঁ। তিনি বললেন: আর ইঞ্জিল? সে বলল: হ্যাঁ। তিনি বললেন: আর কুরআন? সে বলল: যাঁর হাতে আমার প্রাণ, তাঁর শপথ! আপনি চাইলে আমি তা-ও পড়ে শোনাব। বর্ণনাকারী বলেন: তারপর তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন: তুমি কি তাওরাতে আমার কথা পাও? সে বলল: আমি আপনাকে বলছি, আমরা আপনার মতো বৈশিষ্ট্য, আপনার মতো অবয়ব এবং আপনার আবির্ভাবের স্থলের বর্ণনা পাই। যখন আপনি আত্মপ্রকাশ করলেন, আমরা আশা করেছিলাম যে আপনি আমাদের মধ্য থেকেই হবেন। কিন্তু যখন আমরা আপনাকে দেখলাম, তখন আমরা আপনাকে চিনতে পারলাম যে আপনি সেই ব্যক্তি নন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: কেন, হে ইহুদি? সে বলল: আমরা লিখিত পাই যে, তাঁর উম্মতের সত্তর হাজার লোক বিনা হিসেবে জান্নাতে প্রবেশ করবে, অথচ আপনার সাথে আমরা কেবল অল্প কিছু লোককেই দেখছি। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: নিশ্চয়ই আমার উম্মত...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউন ফীহি আহাদীছ মিন মাসমুআতি লিশ-শায়খিল হাফিজ আবী যার উবাইদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হারাভী (ওয়া হুওয়া মাতবূ দ্বিমনা কিতাবিল ফাওয়াইদ)
(পৃষ্ঠা: ৪৩)
أَكْثَرُ مِنْ سَبْعِينَ أَلْفًا، وَسَبْعِينَ أَلْفًا.
(16) أَخْبَرَنَا أبو ذر: أخبرنا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ شَاهِينَ: حدثنا إبراهيم بن عبد الله الزبيبي: حدثنا محمد بن عبد الأعلى: حدثنا خالد - يعني ابن الحارث -: حدثنا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ حَكِيمِ بْنِ قَيْسِ أَنَّ قَيْسَ بْنَ عَاصِمٍ أَوْصَى بَنِيهِ فَقَالَ: سوِّدوا أَكْبَرَكُمْ، فَإِنَّ الْقَوْمَ إِذَا سَوَّدُوا أَكْبَرَهُمْ خَلَفُوا آبَاءَهُمْ، وَإِذَا لَمْ يَفْعَلُوا - أَوْ كَلِمَة مَكَانِهَا - أَزْرَى بِهِمْ ذَلِكَ عِنْدَ أَكْفَائِهِمْ، وَعَلَيْكُمْ بِالْمَالِ وَاصْطِنَاعِهِ، فَإِنَّهُ مَنْبَهَةٌ لِلْكَرِيمِ،
সত্তর হাজারের অধিক, এবং সত্তর হাজার।
(১৬) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যার: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর বিন আহমাদ বিন শাহীন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইব্রাহীম বিন আব্দুল্লাহ আয-যাবীবী: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আ’লা: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন খালিদ - অর্থাৎ ইবনুল হারিস -: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন শু’বাহ, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি মুতাররিফ থেকে, তিনি হাকীম বিন কাইস থেকে বর্ণনা করেন যে, কাইস বিন আসিম তাঁর সন্তানদের অসিয়ত করে বলেন: তোমরা তোমাদের বড়কে নেতা বানাবে; কেননা কোনো সম্প্রদায় যখন তাদের বড়কে নেতা বানায়, তখন তারা তাদের পূর্বপুরুষদের স্থলাভিষিক্ত হয়। আর যদি তারা তা না করে - অথবা এর স্থলে অন্য কোনো শব্দ - তবে তা তাদের সমকক্ষদের নিকট তাদের মর্যাদাহানি ঘটায়। আর তোমরা সম্পদের যত্ন নিবে এবং তা উপার্জনে সচেষ্ট হবে; কেননা তা সম্মানিত ব্যক্তির মর্যাদা বৃদ্ধির মাধ্যম,
(খণ্ড: ১)
জুযউন ফীহি আহাদীছ মিন মাসমুআতি লিশ-শায়খিল হাফিজ আবী যার উবাইদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হারাভী (ওয়া হুওয়া মাতবূ দ্বিমনা কিতাবিল ফাওয়াইদ)
(পৃষ্ঠা: ৪৪)
وَيُسْتَغْنَى بِهِ عَنِ اللَّئِيمِ، وَإِيَّاكُمْ وَالْمَسْأَلَةَ، فَإِنَّهَا آخِرُ كَسْبِ الْمَرْءِ، لا تَنُوحُوا عَلَيَّ، فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَمْ ينح عليه.
(17) أخبرنا أبو ذر: أخبرنا عمر بن أحمد بن عثمان: حدثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ إملاء: حدثني عبد الله بن مطيع: حدثنا هُشَيْمُ بْنُ بَشِيرٍ أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ، عَنْ قَيْسِ بْنِ عَاصِمٍ قَالَ: أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، فَلَمَّا دَنَوْتُ مِنْهُ سَمِعْتُهُ يَقُولُ: هَذَا سَيِّدُ أَهْلِ الْوَبَرِ، فَسَلَّمْتُ وَجَلَسْتُ فَقُلْتُ: يا رسول اللهِ، المَالُ الَّذِي لا يَكُونُ عَلَيَّ فِيهِ تَبِعَةٌ مِنْ ضيف ضافني أو عيال كَثِرُوا، قَالَ: نَعَمْ المَالُ أَرْبَعُونَ مِنْ الإبِلِ، وَالكَثِيرُ سِتُونَ، وَوَيلٌ لأصْحَابِ المِئين، إِلا مَنْ أعطى في رسلها / ونجدتها، وأفقر ظَهْرَهَا، وَأَطْرَقَ فَحْلَهَا، وَنَحَرَ سَمِينَهَا، وَأَطْعَمَ الْقَانِعَ وَالْمُعْتَرَّ، قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَا أَكْرَمَ هَذِهِ الأَخْلاقِ وَأَحْسَنَهَا، إِنَّهُ لا يَحِلُّ بِالْوَادِي الَّذِي أَنَا بِهِ مِنْ كَثْرَةِ إِبِلِي، قَالَ: فَكَيْفَ تَصْنَعُ بِالْمَنِيحَةِ؟ قَالَ: إِنِّي لأَمْنَحُ فِي كل عام مئة، قال: فكيف تصنع بالغادية؟ قَالَ: تَغْدُو الإِبِلُ وَيَغْدُو النَّاسُ، فَمَنْ أَخَذَ بِرَأْسِ بَعِيرٍ ذَهَبَ بِهِ، قَالَ: فَكَيْفَ تَصْنَعُ بالفقار؟ قال: إني لأفقر البكر الصريح وَالنَّابَ الْمُدْبِرَ، قَالَ: مَالُكَ أَحَبُّ إِلَيْكَ أَمْ مَالُ مَوْلاكَ؟ قَالَ: بَلْ مَالِي، قَالَ: فَإِنَّ مَا لَكَ مِنْ مَالِكَ إِلا مَا أَكَلْتَ فَأَفْنَيْتَ، وَلَبِسْتَ فَأَبْلَيْتَ، وَأَعْطَيْتَ فَأَمْضَيْتَ، وَمَا بَقِيَ فَلِمَوْلاكَ، قَالَ: قُلْتُ: لِمَوْلايَ؟ قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: أما والله لئن بَقِيتُ لأَدَعَنَّ عِدَّتَهَا قَلِيلا، قَالَ الْحَسَنُ: فَفَعَلَ رحمه الله، فلما حضرته الوفاة دعى بَنِيهِ فَقَالَ: يَا بَنِيَّ خُذُوا عَنِّي، فَلا أحد أَنْصَحَ لَكُمْ مِنِّي، إِذَا أَنَا مِتُّ فَسَوِّدُوا أكابركم ولا تسودوا أصاغركم فيستسفه النَّاسُ كِبَارَكُمْ وَتَهُونُوا عَلَيْهِمْ، وَعَلَيْكُمْ بِاسْتِصْلاحِ الْمَالِ، فَإِنَّهُ مَنْبَهَةٌ لِلْكَرِيمِ، وَيُسْتَغْنَى بِهِ عَنِ اللَّئِيمِ، وَإِيَّاكُمْ وَالْمَسْأَلَةَ فَإِنَّهَا آخِرُ كَسْبِ الْمَرْءِ، إِنَّ أَحَدًا لَمْ يَسْأَلْ إِلا تُرِكَ كَسْبُهُ، وَإِذَا مِتُّ فَكَفِّنُونِي فِي ثِيَابِي الَّتِي كُنْتُ أُصَلِّي فِيهَا وَأَصُومُ، وَإِيَّاكُمْ وَالنِّيَاحَةَ عَلَيَّ، فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَنْهَى عَنْهَا، وَادْفِنُونِي فِي مَكَانٍ لا يَشْعُرُ بِهِ أَحَدٌ، فَإِنَّهُ قَدْ كَانَتْ بَيْنَنَا وَبَيْنَ بَكْرِ بْنِ وَائِلٍ خُمَاشَاتٌ فِي الْجَاهِلِيَّةِ، فَأَخَافُ أَنْ يدخلوها عليكم في الإسلام
فيفتنوا عَلَيْكُمْ دِينَكُمْ. قَالَ الْحَسَنُ: نَصَحَ فِي الْحَيَاةِ، ونصح في الممات.
(18) أخبرنا أبو ذر: أخبرنا أبو عبد الله شيبان بن محمد بن عبد الله بن شيبان بْنِ سَيْفٍ الضُّبَعِيُّ مِنْ أَصْلِ سَمَاعِهِ بِالْبَصْرَةِ قراءة عليه: حدثنا أَبُو خَلِيفَةَ الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ بْنِ مُحَمَّدٍ الجمحي إملاء سنة 304: حدثنا أبو الوليد: حدثنا همام: حدثنا يونس بن سيرين: حدثنا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ قَتَادَةَ بْنِ مِلْحَانَ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: صُومُوا أَيَّامَ الْبِيضَ ثَلاثَ عَشْرَةَ وَأَرْبَعَ عَشْرَةَ وَخَمْسَ عَشْرَةَ، وَقَالَ: هُنَّ كنز (1) الدهر.
(19) أخبرنا أبو ذر: أخبرنا زَاهِرُ بْنُ أَحْمَدَ أَبُو عَلِيٍّ الْفَقِيهُ قِرَاءَةً عليه / من أصله: أخبرنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ حَفْصٍ الْجُوَيْنِيُّ قراءة عليه: حدثنا محمد بن بشار: حدثنا محمد بن جعفر غندر: حدثنا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ شُرَحْبِيلَ بْنِ السَّمْطِ، أَنَّهُ قَالَ لِكَعْبِ بْنِ مُرَّةَ: حَدِّثْنَا حَدِيثًا سَمِعْتَهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلَّهِ أَبُوكَ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: أَيُّمَا رَجُلٍ أَعْتَقَ رَجُلا مُسْلِمًا كَانَ فِكَاكَهُ مِنَ النَّارِ يجزى كُلُّ عَظْمٍ مِنْهُ عَظْمًا مِنْ عِظَامِهِ مِنَ النَّارِ، وَأَيُّمَا رَجُلٍ أَعْتَقَ امْرَأَتَيْنِ مُسْلِمَتَيْنِ كَانَتَا فكاكه من النار يجزى بكل عظمتين منهما عَظْمًا مِنْ عِظَامِهِ مِنَ النَّارِ، وَأَيُّمَا امْرَأَةٍ أَعْتَقَتِ امْرَأَةً مُسْلِمَةً كَانَتْ فِكَاكَهَا مِنَ النَّارِ تجزى بِكُلِّ عَظْمٍ مِنْ عِظَامِهَا عَظْمًا مِنْ عِظَامِهَا من النار.
--------------------------------------------
এবং এর মাধ্যমে নীচ লোকের মুখাপেক্ষী হতে হয় না। আর তোমরা যাচ্ঞা (ভিক্ষা) করা হতে বেঁচে থাকো, কেননা এটি মানুষের উপার্জনের সর্বশেষ পথ। তোমরা আমার জন্য বিলাপ করো না, কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য বিলাপ করা হয়নি।
(১৭) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যার, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর ইবনে আহমাদ ইবনে উসমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ ইমলা (শ্রুতিলিপি) আকারে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুতি', তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুশাইম ইবনে বাশির আবু মুয়াবিয়া, তিনি ইয়াজিদ ইবনে আবি যিয়াদ থেকে, তিনি হাসান ইবনুল হাসান থেকে, তিনি কায়েস ইবনে আসেম থেকে বর্ণনা করেন। তিনি (কায়েস) বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলাম। যখন আমি তাঁর নিকটবর্তী হলাম, আমি তাঁকে বলতে শুনলাম: "ইনি তাবুনিবাসীদের (মরুবাসীদের) নেতা।" এরপর আমি সালাম দিলাম এবং বসলাম। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, এমন সম্পদ কোনটি যার জন্য আমার উপর কোনো দায়ভার থাকবে না—অতিথির আপ্যায়ন বা অধিক পরিজন পালনের ক্ষেত্রে? তিনি বললেন: "উত্তম সম্পদ হলো চল্লিশটি উট, আর ষাটটি হলো অনেক। আর ধ্বংস ওইসব শত শত উটের মালিকদের জন্য, তবে তারা ব্যতীত যারা তাদের (উটের) দুগ্ধ দানে এবং বিপদে সাহায্য করে, আর তাদের পিঠ (আরোহণের জন্য) উন্মুক্ত করে দেয়, তাদের প্রজননক্ষম পুরুষ উটকে ব্যবহারের সুযোগ দেয়, তাদের মোটাতাজা উট যবেহ করে (মেহমানের জন্য), এবং অল্পে তুষ্ট ও সাহায্যপ্রার্থীকে আহার করায়।" আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, এই চরিত্রগুলো কতই না মহান ও সুন্দর! আমি যে উপত্যকায় বাস করি, সেখানে আমার উটের আধিক্যের কারণে (অন্য কেউ) অবস্থান করতে পারে না। তিনি বললেন: "তুমি 'মানিহা' (দুগ্ধবতী উট সাময়িক দান) কী করো?" তিনি বললেন: আমি প্রতি বছর একশটি উট দান করি। তিনি বললেন: "তুমি 'গাদিয়া' (সকালে চারণে যাওয়া উট) কী করো?" তিনি বললেন: উটগুলো সকালে বের হয় এবং লোকেরাও ভোরে বের হয়, যারাই উটের লাগাম ধরে তারা তা নিয়ে যায়। তিনি বললেন: "তুমি 'ফাকার' (আরোহণের জন্য পিঠ দেওয়া) কী করো?" তিনি বললেন: আমি অল্পবয়সী উট এবং বৃদ্ধ উট উভয়কেই আরোহণের জন্য দিয়ে থাকি। তিনি বললেন: "তোমার কাছে কি নিজের সম্পদ অধিক প্রিয় নাকি তোমার উত্তরসূরির সম্পদ?" তিনি বললেন: বরং আমার নিজের সম্পদ। তিনি বললেন: "তোমার সম্পদ তো কেবল তা-ই যা তুমি খেয়ে শেষ করেছ, যা পরিধান করে জীর্ণ করেছ, অথবা যা দান করে স্থায়ী করেছ; আর যা অবশিষ্ট রইল তা তোমার উত্তরসূরির।" তিনি (কায়েস) বলেন: আমি বললাম: আমার উত্তরসূরির? তিনি বললেন: "হ্যাঁ।" কায়েস বললেন: আল্লাহর শপথ, যদি আমি বেঁচে থাকি তবে অবশ্যই তার সংখ্যা কমিয়ে যাব। হাসান (বসরী) বলেন: অতঃপর তিনি (কায়েস) তা-ই করেছিলেন (রহিমাহুল্লাহ)। যখন তাঁর মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এল, তিনি তাঁর পুত্রদের ডাকলেন এবং বললেন: হে আমার পুত্রগণ, আমার পক্ষ থেকে (উপদেশ) গ্রহণ করো, তোমাদের জন্য আমার চেয়ে হিতাকাঙ্ক্ষী আর কেউ নেই। আমি যখন মারা যাব, তখন তোমরা তোমাদের বড়দের নেতা হারিও, ছোটদের নেতা বানিও না; কেননা লোকেরা তোমাদের বড়দের নির্বোধ মনে করবে এবং তাদের কাছে তোমাদের মর্যাদা তুচ্ছ হয়ে পড়বে। আর তোমরা সম্পদ সংশোধনের (পরিচর্যার) প্রতি যত্নবান হও, কারণ এটি সজ্জনের সম্মান বৃদ্ধি করে এবং এর মাধ্যমে নীচ লোকের মুখাপেক্ষী হতে হয় না। আর তোমরা যাচ্ঞা (ভিক্ষা) করা হতে বেঁচে থাকো, কেননা এটি মানুষের উপার্জনের সর্বশেষ পথ; যে ব্যক্তিই যাচ্ঞা করে তার উপার্জন ত্যাগ হয়ে যায়। আর যখন আমি মারা যাব, তখন আমাকে আমার ওই কাপড়গুলো দিয়ে কাফন দিও যাতে আমি নামাজ পড়তাম এবং রোজা রাখতাম। আর তোমরা আমার জন্য বিলাপ করা হতে বেঁচে থাকো, কারণ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ থেকে নিষেধ করতে শুনেছি। আর আমাকে এমন জায়গায় দাফন করো যা কেউ টের না পায়, কারণ জাহেলিয়াত যুগে বকর ইবনে ওয়ায়েলের সাথে আমাদের কিছু রক্তক্ষয়ী বিবাদ ছিল, আমি আশঙ্কা করি তারা ইসলামের যুগেও তোমাদের জন্য তা (বিবাদ) টেনে আনবে
এবং তোমাদের দ্বীনের ব্যাপারে তোমাদের ফিতনায় ফেলবে। হাসান (বসরী) বলেন: তিনি জীবিত অবস্থায় উপদেশ দিয়েছেন এবং মৃত্যুর সময়ও উপদেশ দিয়েছেন।
(১৮) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যার, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ শাইবান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে শাইবান ইবনে সাইফ আদ-দুবায়ী বসরায় তাঁর মূল শ্রুতিলিপি থেকে পাঠ করে শুনিয়েছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু খলিফা আল-ফাদল ইবনুল হুবাব ইবনে মুহাম্মদ আল-জুমাহি ৩০৪ হিজরিতে ইমলা (শ্রুতিলিপি) আকারে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ওয়ালিদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবনে সিরিন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক ইবনে কাতাদা ইবনে মিলহান তাঁর পিতা থেকে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নির্দেশ দিয়ে বলেছেন: "তোমরা আইয়্যামে বিজ বা চন্দ্র মাসের তের, চৌদ্দ ও পনের তারিখে রোজা রাখো।" এবং তিনি বলেছেন: "এগুলো জামানার (কালের) ভাণ্ডার স্বরূপ (১)।"
(১৯) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যার, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জাহির ইবনে আহমদ আবু আলী আল-ফকিহ পাঠ করে শুনানোর মাধ্যমে তাঁর মূল পাণ্ডুলিপি থেকে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে হাফস আল-জুওয়াইনি পাঠ করে শুনানোর মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে বাশার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে জাফর গুন্দার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বা, আমর ইবনে মুররা থেকে, তিনি সালিম ইবনে আবি আল-জা'দ থেকে, তিনি শুরাহবিল ইবনে আস-সামত থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি কাব ইবনে মুররাকে বললেন: আপনি আমাদের নিকট এমন একটি হাদিস বর্ণনা করুন যা আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট থেকে শুনেছেন, আল্লাহ আপনার পিতার মঙ্গল করুন। তিনি বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: "যে কোনো ব্যক্তি একজন মুসলিম দাস মুক্ত করবে, তা তার জন্য জাহান্নাম থেকে মুক্তির মাধ্যম হবে; দাসের প্রতিটি হাড়ের বিনিময়ে তার প্রতিটি হাড় জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাবে। আর যে ব্যক্তি দুইজন মুসলিম নারী দাসীকে মুক্ত করবে, তারা তার জন্য জাহান্নাম থেকে মুক্তির মাধ্যম হবে; তাদের প্রত্যেকের দুই হাড়ের বিনিময়ে তার একটি হাড় জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাবে। আর যে কোনো নারী একজন মুসলিম নারী দাসীকে মুক্ত করবে, তা তার জন্য জাহান্নাম থেকে মুক্তির মাধ্যম হবে; দাসের প্রতিটি হাড়ের বিনিময়ে তার প্রতিটি হাড় জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাবে।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউন ফীহি আহাদীছ মিন মাসমুআতি লিশ-শায়খিল হাফিজ আবী যার উবাইদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হারাভী (ওয়া হুওয়া মাতবূ দ্বিমনা কিতাবিল ফাওয়াইদ)
(পৃষ্ঠা: ৪৫)
(20) قال: ودعى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى مضر، فقالوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ اللَّهَ قَدْ نَصَرَكَ وَأَعْطَاكَ وَاسْتَجَابَ لَكَ، وَإِنَّ قَوْمَكَ قَدْ هَلَكُوا، فَادْعُ اللَّهَ أَنْ يَسْقِيَهُمْ، فَأَعْرَضَ عَنْهُ، فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ اللَّهَ قَدْ نَصَرَكَ وَأَعْطَاكَ وَاسْتَجَابَ لَكَ، وَإِنَّ قَوْمَكَ قَدْ هَلَكُوا، فَادْعُ اللَّهَ أَنْ يَسْقِيَهُمْ، فَأَعْرَضَ عَنْهُ، فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ اللَّهَ قَدْ نَصَرَكَ وَأَعْطَاكَ وَاسْتَجَابَ لَكَ، وَإِنَّ قَوْمَكَ قَدْ هَلَكُوا، فادع الله أن يسقيهم، فقال: اللهم اسقنا غيثا مغيثا مَريعا طبقا غدقا، عاجلا غير آجل، رَائِثٍ، نَافِعًا غَيْرَ ضَارٍّ، قَالَ: فَمَا كَانَتْ جُمُعَةٌ أَوْ نَحْوُهَا حَتَّى مُطِرْنَا.
(21) أَخْبَرَنَا أَبُو عبد الله بن أبي ذهل العُصمي: أخبرنا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدَّغُولِيُّ: حدثنا أبو علي الحسن بن محمد بن الصباح الزعفراني: حدثنا يَحْيَى بْنُ سُلَيْمٍ الطَّائِفِيُّ: حَدَّثَنِي إِسْمَاعِيلُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ لَقِيطٍ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: كُنْتُ وَافِدَ بَنِي الْمُنْتَفِقِ أَوْ فِي وَفْدِ بَنِي الْمُنْتَفِقِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قال: فقدمنا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فلم نصادفه في منزله، فصادفنا عائشة فأمرت لنا بخزيرة فصنعت لنا، وأتينا بقناع، والقناع الطبق فيه تمر، ثم جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: هَلْ أَصَبْتُمْ شَيْئًا؟ أَوْ أُمِرَ لَكُمْ بِشَيْءٍ؟ قال: / فقلنا: نعم يا رسول الله، قال: فبينما نَحْنُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم جُلُوسٌ إِذْ دَفَعَ الرَّاعِي غَنَمَهُ إِلَى المراح ومعه سخلة تيعر، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: مَا وَلَّدْتَ يَا فُلَانُ؟ قَالَ: بَهْمَةً، قَالَ: فاذبح لنا مكانها شاة، ثم أقبل عليّ فقال: لا تحسِبن - ولم يقل: تحسَبن - أننا من أجلك ذبحناها، لنا غنم مئة لا نريد أن تزيد، إذا وَلَّدَ الرَّاعِي بَهْمَةً ذَبَحْنَا مَكَانَهَا شَاةً، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ لِي امْرَأَةً وفي لسانها شيئا، يعني البذاء، قال: فطلقها، قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ لَهَا صُحْبَةً، وإن لي منها ولدا، قَالَ: فَمُرْهَا، يَقُولُ: عِظْهَا، فَإِنْ يَكُ فِيهَا خير فستفعل، ولا تضرب ظعينتك كضربك أمتك، قال: قلت: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَخْبِرْنِي عَنْ الْوُضُوءِ، قَالَ: أسبغ الوضوء، وخلل
(20) তিনি বললেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুদার গোত্রের বিরুদ্ধে বদদোয়া করলেন। তখন তারা বলল: হে আল্লাহর রাসূল! নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনাকে সাহায্য করেছেন, দান করেছেন এবং আপনার দুআ কবুল করেছেন। কিন্তু আপনার কওম ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, তাই আল্লাহর কাছে তাদের জন্য বৃষ্টির প্রার্থনা করুন। তিনি তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনাকে সাহায্য করেছেন, দান করেছেন এবং আপনার দুআ কবুল করেছেন। কিন্তু আপনার কওম ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, তাই আল্লাহর কাছে তাদের জন্য বৃষ্টির প্রার্থনা করুন। তিনি তার থেকেও মুখ ফিরিয়ে নিলেন। আমি পুনরায় বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনাকে সাহায্য করেছেন, দান করেছেন এবং আপনার দুআ কবুল করেছেন। আর আপনার কওম ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, তাই আল্লাহর কাছে তাদের জন্য বৃষ্টির প্রার্থনা করুন। তখন তিনি বললেন: হে আল্লাহ! আমাদের এমন বৃষ্টি দান করুন যা উদ্ধারকারী, তৃপ্তিদায়ক, ভূমিকে আবৃতকারী, প্রচুর বর্ষণশীল, দ্রুত আগমনকারী—বিলম্বকারী নয়, এবং যা উপকারী—ক্ষতিকর নয়। বর্ণনাকারী বললেন: এক জুমা বা তার কাছাকাছি সময়ের মধ্যেই আমাদের ওপর বৃষ্টি বর্ষিত হলো।
(21) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ বিন আবু যুহল আল-উশমি: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্বাস মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আদ-দাগুলি: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আস-সাব্বাহ আজ-জাফরানি: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন সুলাইম আত-তায়েফি: আমার কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন ইসমাইল বিন কাসির, আসিম বিন লাকিত থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি (লাকিত) বলেন: আমি বনু মুনতাফিক গোত্রের প্রতিনিধি হিসেবে অথবা বনু মুনতাফিকের একটি প্রতিনিধিদলের সাথে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসলাম। তিনি বললেন: আমরা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট পৌঁছলাম কিন্তু তাঁকে তাঁর ঘরে পেলাম না। তবে আমরা আয়শা (রা.)-এর দেখা পেলাম। তিনি আমাদের জন্য 'খাজিরা' (এক প্রকার খাবার) তৈরির নির্দেশ দিলেন এবং তা আমাদের জন্য তৈরি করা হলো। আমাদের জন্য 'কিনা' আনা হলো; আর কিনা হলো এমন একটি পাত্র যাতে খেজুর থাকে। অতঃপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আসলেন এবং বললেন: তোমরা কি কিছু খাবার পেয়েছ? অথবা তোমাদের জন্য কি কিছুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে? বর্ণনাকারী বললেন: আমরা বললাম: হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেন: আমরা যখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে বসা ছিলাম, তখন রাখাল তার বকরিগুলোকে খোঁয়াড়ের দিকে তাড়িয়ে আনল এবং তার সাথে একটি মেষশাবক ছিল যা ডাকছিল। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বললেন: হে অমুক! তোমার পশুপালে কী জন্মেছে? সে বলল: একটি শাবক। তিনি বললেন: তাহলে এর বদলে আমাদের জন্য একটি বকরি জবাই করো। অতঃপর তিনি আমার দিকে ফিরে বললেন: তুমি মনে করো না—তিনি 'তাহসাবান্না' বলেননি—যে আমরা তোমার খাতিরে এটি জবাই করেছি। আমাদের একশটি বকরি আছে যা আমরা সংখ্যায় বাড়াতে চাই না; তাই যখনই রাখালের পশুপালে কোনো শাবক জন্মে, তখন আমরা তার বদলে একটি বকরি জবাই করি। তিনি (লাকিত) বললেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমার একজন স্ত্রী আছে যার জিহ্বায় সমস্যা আছে (অর্থাৎ সে কটুভাষী)। তিনি বললেন: তবে তাকে তালাক দাও। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! দীর্ঘকাল সে আমার সাথে আছে এবং তার গর্ভে আমার সন্তানও রয়েছে। তিনি বললেন: তবে তাকে নির্দেশ দাও—অর্থাৎ তাকে উপদেশ দাও; যদি তার মাঝে কোনো কল্যাণ থাকে তবে সে তা গ্রহণ করবে। আর তুমি তোমার স্ত্রীকে তোমার দাসীর মতো প্রহার করো না। তিনি বললেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে ওজু সম্পর্কে বলুন। তিনি বললেন: ওজু পূর্ণরূপে করো এবং আঙ্গুলসমূহ খিলাল করো।
(খণ্ড: ১)
জুযউন ফীহি আহাদীছ মিন মাসমুআতি লিশ-শায়খিল হাফিজ আবী যার উবাইদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হারাভী (ওয়া হুওয়া মাতবূ দ্বিমনা কিতাবিল ফাওয়াইদ)
(পৃষ্ঠা: ৪৬)
الْأَصَابِعِ، وَبَالِغْ فِي الِاسْتِنْشَاقِ إِلَّا أَنْ تَكُونَ صائما.
(22) أخبرنا أبو محمد محمد بن محمد بن خالد: حدثنا عبد الله بن محمد: حدثنا علي بن حجر: حدثنا إسماعيل بن جعفر: حدثنا العلاء بن عبد الرحمن، عن أبي كثير مولى محمد بن جحش، عن محمد بن جحش قال: كنا جلوسا يوما في موضع الجنائز مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم رأسه إلى السماء، ثم وضع راحته على جبهته، فقال: سبحان الله، ماذا أنزل من التشديد، فسكتنا وفرقنا، فلما كان من الغد سألته فقلت: يا رسول الله، ما هذا التشديد الذي نزل؟ قال: في الدَّين، والذي نفسي بيده لو أن رجلا قتل في سبيل الله، ثم أحيي، ثم قتل، ثم أحيي، ثم قتل، وعليه دين ما دخل الجنة، حتى يقضى عنه دينه.
(23) حدثنا أبو منصور محمد بن أحمد بن نوح بن طلحة الأزهري: حدثنا محمد بن إسحاق: أخبرنا أحمد بن منصور زاج: حدثنا محمد بن عبيد: حدثنا إسماعيل بن أبي خالد، عن عامر الشعبي، عن عامر بن شهر الهمداني، سَمِعْتَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كلمتين، ومن النجاشي كلمة، سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يقول: انظروا قريشا، واسمعوا من قولهم، ودعوا فعلهم، وكنت جالسا عند النجاشي، فجاء ابن له من الكتاب فقرأ آية من الإنجيل فضحكت، فقال: ما يضحكك؟ / فوالله إنها لمنزلة على عيسى بن مريم عليه السلام أن اللعنة تنزل في الأرض إذا كان أمراؤها الصبيان.
(24) أخبرنا العباس بن زكريا: أخبرنا الحسن بن إدريس: حدثنا سويد، عن ابن المبارك، عن أيمن بن نابل: حدثنا قدامة بن عبد الله بن عمار قال: رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يرمي الجمرة يوم النحر على ناقة صهباء، لا ضرب ولا طرد، ولا إليك إليك.
(25) أخبرنا أبو محمد ابن داسة بالبصرة: أخبرنا إبراهيم بن عبد الله: حدثنا أبو
আঙ্গুলসমূহের [খেলাল করো], এবং ভালোভাবে নাকে পানি দাও যদি না তুমি রোজা অবস্থায় থাকো।
(২২) আবু মুহাম্মদ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন খালিদ আমাদের অবহিত করেছেন: আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আমাদের জানিয়েছেন: আলি বিন হুজর আমাদের জানিয়েছেন: ইসমাইল বিন জাফর আমাদের জানিয়েছেন: আল-আলা বিন আবদুর রহমান আমাদের জানিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন জাহশের মুক্ত গোলাম আবু কাসির থেকে, মুহাম্মদ বিন জাহশ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: একদিন আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে জানাজার স্থানে বসা ছিলাম। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আকাশের দিকে তাঁর মাথা তুললেন, তারপর নিজের হাতের তালু কপালে রাখলেন এবং বললেন: সুবহানাল্লাহ! কতই না কঠোরতা অবতীর্ণ হয়েছে। আমরা চুপ হয়ে গেলাম এবং ভীত হলাম। পরের দিন আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম: হে আল্লাহর রাসূল! সেই কঠোরতা কী যা অবতীর্ণ হয়েছে? তিনি বললেন: ঋণ সম্পর্কে। সেই সত্তার কসম যার হাতে আমার প্রাণ, যদি কোনো ব্যক্তি আল্লাহর পথে নিহত হয়, তারপর পুনর্জীবিত হয়, তারপর আবার নিহত হয়, তারপর পুনর্জীবিত হয়, তারপর আবারও নিহত হয় এবং তার ওপর কোনো ঋণ থাকে, তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না যতক্ষণ না তার পক্ষ থেকে তার ঋণ পরিশোধ করা হয়।
(২৩) আবু মনসুর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন নুহ বিন তালহা আল-আজহারি আমাদের জানিয়েছেন: মুহাম্মদ বিন ইসহাক আমাদের জানিয়েছেন: আহমদ বিন মনসুর জাজ আমাদের জানিয়েছেন: মুহাম্মদ বিন উবাইদ আমাদের জানিয়েছেন: ইসমাইল বিন আবি খালিদ আমাদের জানিয়েছেন, আমির আশ-শাবি থেকে, আমির বিন শাহর আল-হামদানি থেকে বর্ণিত, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে দুটি কথা শুনেছি এবং নাজাশির কাছ থেকে একটি কথা শুনেছি। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: তোমরা কুরাইশদের দিকে তাকাও, তাদের কথা শোনো এবং তাদের কাজ বর্জন করো। আমি নাজাশির নিকট বসা ছিলাম, তখন মক্তব থেকে তার এক পুত্র এলো এবং ইঞ্জিলের একটি আয়াত পাঠ করল। আমি হাসলাম। তিনি বললেন: তোমাকে কিসে হাসালো? আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই এটি ঈসা ইবনে মারিয়াম আলাইহিস সালামের ওপর অবতীর্ণ; নিশ্চয়ই পৃথিবীতে অভিশাপ নেমে আসে যখন এর শাসক হয় শিশু-কিশোররা।
(২৪) আল-আব্বাস বিন যাকারিয়া আমাদের অবহিত করেছেন: আল-হাসান বিন ইদরিস আমাদের জানিয়েছেন: সুওয়াইদ আমাদের জানিয়েছেন, ইবনুল মুবারক থেকে, আয়মান বিন নাবিল থেকে: কুদামা বিন আবদুল্লাহ বিন আম্মার আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কুরবানির দিন একটি লালচে উটের ওপর বসে জামরায় পাথর নিক্ষেপ করতে দেখেছি। সেখানে কোনো মারধর বা কাউকে তাড়িয়ে দেওয়া ছিল না এবং 'সরে যাও সরে যাও' এমন চিৎকারও ছিল না।
(২৫) আবু মুহাম্মদ ইবনে দাসা বসরায় আমাদের অবহিত করেছেন: ইব্রাহিম বিন আবদুল্লাহ আমাদের জানিয়েছেন: আবু...
(খণ্ড: ১)
জুযউন ফীহি আহাদীছ মিন মাসমুআতি লিশ-শায়খিল হাফিজ আবী যার উবাইদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হারাভী (ওয়া হুওয়া মাতবূ দ্বিমনা কিতাবিল ফাওয়াইদ)
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
موسى: حدثنا أبو معاوية: حدثنا الأعمش، عن شقيق، عن قيس بن أبي غرزة قال: كنا نسمى على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم السماسرة، فمر بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فسمانا باسم هو أحسن منه، فقال: يا معشر التجار، إن البيع يحضره الحلف واللغو، فشوبوه بالصدقة.
(26) أخبرنا أبو الفضل بن أبي القاسم الكرابيسي قراءة عليه: أخبرنا أحمد بن نجدة: حدثنا سعيد بن منصور: حدثنا عبيد الله بن إياد بن لقيط، عن أبيه، عن قيس بن النعمان السكوني، وكان قد ختم القرآن على عهد عمر، قال: خرجت خيل لرسول الله صلى الله عليه وسلم، فسمع أكيدر دومة الجندل، فجاء إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فقال: إنه بلغني أن خيلا قد خرجت، وإني أخاف على أهلي ومالي، فاكتب لي كتابا أن لا تعترضوا لشيء هو لي، فإني مقر بالذي علي والذي لي، فكتب لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، ثم إن أكيدر أخرج قباء له منسوجا بذهب مما كان يكسوهم كسرى، فقال: إني أهديت هذا لك فاقبله مني، قال: ارجع بقبائك، فإنه لا يلبس هذا أحد إلا حرمه في الآخرة، فلما رجع إلى منزله شق عليه أن ترد هديته، فجاء إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فقال: إنا أهل بيت يشق علينا أن ترد هديتنا، فاقبله مني، قال: اذهب فادفعه إلى عمر بن الخطاب، وكان عمر قد سمع قول رسول الله صلى الله عليه وسلم، فلما أتاه بكى ودمعت عيناه، وخشي أن يكون لحقه شقاء، فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: هل حدث في أمري شيء؟ قال: وما ذاك؟ قال: قلت في هذا القباء ما قلت، ثم بعثت إلي به، فضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم، ووضع يده، أو ثوبه على فمه، فقال: ما بعثت / إليك لتلبسه، وإنما بَعَثْتُ بِهِ إِلَيْكَ لِتَبِيعَهُ وَتَنْتَفِع بِثَمَنِهِ.
(27) أَخْبَرَنَا أبو منصور النضروي: أخبرنا أبو سعد الزاهد: حدثنا بندار: حدثنا غندر: حدثنا شُعْبَةُ، سَمِعْتُ مُعَاوِيَةَ بْنَ قُرَّةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَجُلا كَانَ يَأْتِي النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَمَعَهُ ابْنٌ لَهُ صَغِيرٌ، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: تُحِبُّهُ؟ قَالَ: أَحَبَّكَ اللَّهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَمَا أُحِبُّهُ، فَفَقَدَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فسأل عنه، فقالوا: تُوُفِّيَ ابْنُهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ، فَقَالَ رَسُولُ
মুসা: আবু মুয়াবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আমাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শাকীক হতে, তিনি কায়স ইবনে আবি গারাজাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে আমাদের 'সামাসিরাহ' (দালাল) বলা হতো। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেন এবং আমাদের জন্য এর চেয়েও সুন্দর একটি নাম দিলেন। তিনি বললেন: "হে বণিক সম্প্রদায়! নিশ্চয় ক্রয়-বিক্রয়ে অনর্থক কথাবার্তা ও শপথের উপস্থিতি ঘটে, তাই তোমরা সদকার মাধ্যমে এতে পবিত্রতা মিশিয়ে দাও।"
(২৬) আবু ফজল বিন আবি কাসিম আল-কারাবিসি আমাদের নিকট তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন: আহমদ বিন নাজদাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: সাঈদ বিন মনসুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: উবায়দুল্লাহ বিন ইয়াদ বিন লাকীত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তাঁর পিতা হতে, তিনি কায়স বিন নুমান আস-সুকুনি হতে বর্ণনা করেন—যিনি উমরের যুগে কুরআন খতম করেছিলেন—তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল অশ্বারোহী বাহিনী বের হলো। দুমাতুল জান্দালের উকায়দির তা শুনতে পেয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন এবং বললেন: "আমি সংবাদ পেয়েছি যে একটি অশ্বারোহী দল বের হয়েছে, আর আমি আমার পরিবার ও সম্পদের ব্যাপারে শঙ্কিত। সুতরাং আমার জন্য একটি পত্র লিখে দিন যেন আপনারা আমার মালিকানাধীন কোনো কিছুর প্রতি হস্তক্ষেপ না করেন। কেননা আমি আমার উপর অর্পিত পাওনা এবং আমার অধিকারের ব্যাপারে অনুগত থাকব।" তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্য তা লিখে দিলেন। অতঃপর উকায়দির স্বর্ণখচিত একটি কাবা (পোশাক) বের করলেন যা কিসরা (পারস্য সম্রাট) তাদের পরিধান করাত। তিনি বললেন: "আমি এটি আপনাকে উপহার দিলাম, আপনি এটি আমার পক্ষ থেকে গ্রহণ করুন।" তিনি বললেন: "তোমার পোশাক নিয়ে ফিরে যাও; কেননা আখেরাতে যার কোনো অংশ নেই সে ব্যতীত এটি কেউ পরিধান করে না।" যখন তিনি তার বাড়িতে ফিরে গেলেন, উপহার ফিরিয়ে দেওয়ায় তিনি ব্যথিত হলেন। তিনি পুনরায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললেন: "আমরা এমন এক পরিবার যে আমাদের উপহার ফিরিয়ে দিলে আমরা তা খুব কষ্টকর মনে করি, সুতরাং এটি আমার পক্ষ থেকে গ্রহণ করুন।" তিনি বললেন: "যাও, এটি উমর ইবনুল খাত্তাবকে দিয়ে দাও।" উমর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের (এই পোশাক সম্পর্কে) উক্তি শুনেছিলেন। যখন তার নিকট এটি আনা হলো, তিনি কাঁদলেন এবং তার চক্ষুদ্বয় অশ্রুসিক্ত হলো; তিনি ভয় পেলেন যে তাঁর ব্যাপারে কোনো দুর্ভাগ্যের ফয়সালা হয়েছে কি না। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললেন: "আমার ব্যাপারে কি কোনো কিছু ঘটেছে?" তিনি বললেন: "সেটি কী?" তিনি বললেন: "আপনি এই পোশাক সম্পর্কে যা বলার বলেছিলেন, অতঃপর তা আমার নিকট পাঠালেন।" তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসলেন এবং তাঁর হাত অথবা তাঁর কাপড় তাঁর মুখের উপর রাখলেন। এরপর তিনি বললেন: "আমি এটি তোমার নিকট পরিধান করার জন্য পাঠাইনি; বরং আমি এটি তোমার নিকট পাঠিয়েছি যাতে তুমি এটি বিক্রয় করতে পারো এবং এর মূল্য দ্বারা উপকৃত হতে পারো।"
(২৭) আবু মনসুর আন-নাদরাওয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু সাদ আজ-জাহিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: বুন্দার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: গুন্দার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: শুবা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমি মুয়াবিয়া বিন কুররাহ হতে শুনেছি, তিনি তার পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসতেন এবং তাঁর সাথে তাঁর একটি ছোট পুত্র থাকত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন: "তুমি কি তাকে ভালোবাসো?" তিনি বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ আপনাকে ঠিক তেমনি ভালোবাসুন যেমন আমি তাকে ভালোবাসি।" অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে অনুপস্থিত দেখলেন এবং তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তারা বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল! তার পুত্রটি ইন্তেকাল করেছে।" তখন রাসূলুল্লাহ...
(খণ্ড: ১)
জুযউন ফীহি আহাদীছ মিন মাসমুআতি লিশ-শায়খিল হাফিজ আবী যার উবাইদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হারাভী (ওয়া হুওয়া মাতবূ দ্বিমনা কিতাবিল ফাওয়াইদ)
(পৃষ্ঠা: ৪৮)
اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: أَمَا يَسُرُّكَ كلما أتيت باب مِنْ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ جَاءَ حَتَّى يَفْتَحَ لَكَ؟ قال: بلى يا رسول الله، فَقَالَ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلَهُ خَاصَّةً؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: لَكُمْ كُلُّكُمْ.
(28) أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَانَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحَافِظُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِالأَهْوَازِ: أخبرنا محمد بن محمد بن سليمان: حدثنا علي بن عبد الله: حدثنا الوليد بن مسلم: حدثنا ثَوْرُ بْنُ يَزِيدَ: حَدَّثَنِي خَالِدُ بْنُ مَعْدَانَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَمْرٍو السُّلَمِيُّ وَحُجْرُ بن حجر الكلاعي قالا: أتينا الْعِرْبَاضُ بْنُ سَارِيَةَ، وَهُوَ مِنَ الَّذِينَ أَنْزَلَ اللَّهُ فِيهِمُ: الَّذِينَ إِذَا مَا أَتَوْكَ لِتَحْمِلَهُمْ قُلْتَ لا أَجِدُ مَا أَحْمِلُكُمْ عَلَيْهِ [التوبة: 92] ، فَقُلْنَا: أَتَيْنَاكَ عَائِدِينَ وَزَائِرِينَ وَمُقْتَبِسِينَ، فَقَالَ الْعِرْبَاضُ: صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الصُّبْحَ ذَاتَ يَوْمٍ فَوَعَظَنَا مَوْعِظَةً ذَرَفَتْ مِنْهَا الْعُيُونُ وَوَجِلَتْ مِنْهَا الْقُلُوبُ، قَالَ: فَقُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، كَأَنَّ هَذِهِ خُطْبَةُ مُوَدِّعٍ فَمَا تَعْهَدُ إِلَيْنَا؟ قَالَ: أُوصِيكُمْ بِتَقْوَى اللَّهِ، وَالسَّمْعِ وَالطَّاعَةِ وَإِنْ عَبْدًا حَبَشِيًّا، وَعَلَيْكُمْ بِسُنَّتِي وَسُنَّةِ الْخُلَفَاءِ الرَّاشِدِينَ، فَتَمَسَّكُوا بِهَا وَعَضُّوا عَلَيْهَا بِالنَّوَاجِذِ، وَإِيَّاكُمْ وَكُلَّ مُحْدَثَةٍ، فَإِنَّ كُلَّ مُحْدَثَةٍ بِدْعَةٌ، وَكُلَّ بِدْعَةٍ ضَلالَةٌ.
(29) حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عبدان: حدثنا محمد بن محمد بن سليمان: حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم دحيم: حدثنا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنْ حُرَيْزٍ بْنِ عُثْمَانَ، عَنْ شُرَحْبِيلَ بْنِ شَفْعَةَ، عَنْ عُتْبَةَ بْنِ عَبْدٍ السُّلَمِيِّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: مَنْ قَدَّمَ ثَلاثَةً مِنَ الولد لم يبلغوا الحنث، تلقوه مِنْ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ الثَّمَانِيَةِ مِنْ أَيِّهَا شَاءَ دَخَلَ.
(30) أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُثْمَانَ: حدثنا عبد الله بن سليمان: حدثنا محمد بن عبد الملك الدقيقي: حدثنا أبو زيد الهروي سعيد بن الربيع: حدثنا عَلِيُّ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كثير: حدثنا زَيدُ / بْنُ سَلامٍ، عَنْ جَدِّهِ أَبِي سَلامٍ، عن أبي
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম: তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, যখনই তুমি জান্নাতের কোনো দরজায় আসবে, তখনই সে এসে তোমার জন্য তা খুলে দিবে? তিনি বললেন: অবশ্যই, হে আল্লাহর রাসূল। তখন এক ব্যক্তি বলল: হে আল্লাহর রাসূল, এটি কি কেবল তার জন্য খাস? আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমাদের সবার জন্য।
(২৮) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবন আবদান ইবন মুহাম্মদ আল-হাফিজ, আহওয়াজে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ ইবন সুলাইমান: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবন আব্দুল্লাহ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওলীদ ইবন মুসলিম: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাওর ইবন ইয়াযিদ: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ ইবন মা'দান: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান ইবন আমর আস-সুলামী এবং হুজর ইবন হুজর আল-কালাঈ, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমরা ইরবায ইবন সারিয়ার নিকট আসলাম, আর তিনি ছিলেন তাদের অন্তর্ভুক্ত যাদের সম্পর্কে আল্লাহ অবতীর্ণ করেছেন: "যখন তারা আপনার নিকট বাহনের জন্য আসে, তখন আপনি বলেন যে, আমি তোমাদের জন্য কোনো বাহন পাচ্ছি না" [আত-তাওবাহ: ৯২]। আমরা বললাম: আমরা আপনার নিকট রুগী দেখতে, সাক্ষাৎ করতে এবং জ্ঞান অর্জন করতে এসেছি। তখন ইরবায বললেন: একদিন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিয়ে ফজরের সালাত আদায় করলেন, এরপর তিনি আমাদের এমন এক উপদেশ দিলেন যাতে চক্ষুসমূহ অশ্রুসিক্ত হলো এবং অন্তরসমূহ কম্পিত হলো। তিনি (বর্ণনাকারী) বললেন: আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, মনে হচ্ছে এটি যেন কোনো বিদায়ী ভাষণ, তাই আপনি আমাদের কী নির্দেশ দিচ্ছেন? তিনি বললেন: আমি তোমাদের আল্লাহকে ভয় করার, এবং শোনার ও আনুগত্য করার নির্দেশ দিচ্ছি, যদি সে একজন হাবশি ক্রীতদাসও হয়। আর তোমরা অবশ্যই আমার সুন্নাহ এবং হিদায়াতপ্রাপ্ত খুলাফায়ে রাশিদীনের সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরবে; তা শক্তভাবে ধারণ করবে এবং তা মাড়ির দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরে থাকবে। আর তোমরা নতুন উদ্ভাবিত বিষয়সমূহ থেকে সাবধান থাকবে, কেননা প্রতিটি নতুন বিষয়ই বিদআত, আর প্রতিটি বিদআতই ভ্রষ্টতা।
(২৯) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবন আবদান: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ ইবন সুলাইমান: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান ইবন ইবরাহীম দুহাইম: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওলীদ ইবন মুসলিম, হারীয ইবন উসমান থেকে, তিনি শুরাহবীল ইবন শাফ'আ থেকে, তিনি উতবাহ ইবন আবদ আস-সুলামী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যার তিনটি সন্তান (নাবালেগ অবস্থায়) মৃত্যুবরণ করে যারা গুনাহ করার বয়সে পৌঁছেনি, তারা তাকে জান্নাতের আটটি দরজায় অভ্যর্থনা জানাবে; সে তার যেটি দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করবে।
(৩০) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর ইবন আহমদ ইবন উসমান: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবন সুলাইমান: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন আব্দুল মালিক আদ-দাকীকী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যায়েদ আল-হারাবী সাঈদ ইবনুর রাবী': আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনুল মুবারক, ইয়াহইয়া ইবন আবী কাসীর থেকে: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যায়েদ ইবন সালাম, তাঁর দাদা আবু সালাম থেকে, তিনি আবু...
(খণ্ড: ১)
জুযউন ফীহি আহাদীছ মিন মাসমুআতি লিশ-শায়খিল হাফিজ আবী যার উবাইদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হারাভী (ওয়া হুওয়া মাতবূ দ্বিমনা কিতাবিল ফাওয়াইদ)
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
رَاشِدٍ الْحَبَرَّانِيِّ قَالَ: نَزَلْنَا مَرْجًا يُقَالُ لَهُ: مرج صالوحا، فلما أذن المؤذن أرسل مُعَاوِيَةُ إِلَى عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ شِبْلٍ فَقَالَ: إِنَّكَ مِنْ قُدَمَاءِ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وفقهائهم، فإذا صليتُ ودخلتُ فُسْطَاطِي فَقُمْ فِي النَّاسِ فَعِظْهُمْ، وَذَكِّرْهُمْ وَحَدِّثْهُمْ مَا سَمِعْتَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَامَ فِيهِمْ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ شِبْلٍ فَقَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يقول: اقرؤوا الْقُرْآنَ وَلا تَغْلُوا فِيهِ، وَلا تَأْكُلُوا بِهِ، وَلا تَسْتَكْثِرُوا بِهِ.
(31) قَالَ: وَحَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ شِبْلٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّه صلى الله عليه وسلم قَالَ: التُّجَّارُ هُمُ الْفُجَّارُ، قَالَ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَلَمْ يُحِلَّ اللَّهَ الْبَيْعَ؟ قَالَ: بَلَى، وَلَكِنَّهُمْ يَحْلِفُونَ فَيَأْثَمُونَ.
(32) قَالَ: وَحَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: إِنَّ الْفُسَّاقَ هُمْ أَهْلُ النَّارِ، إِنَّ الْفُسَّاقَ هُمْ أَهْلُ النَّارِ، فَقَالَ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا الْفُسَّاقُ؟ قال: النساء، قال: أليس أُمَّهَاتِنَا وَأَخَوَاتِنَا وَأَزْوَاجَنَا؟ قَالَ: بَلَى، قَالَ: إِنَّهُنَّ إِذَا أُعْطِينَ لَمْ يَشْكُرْنَ، وَإِذَا ابْتُلِينَ لَمْ يَصْبِرْنَ.
(33) قَالَ: وَحَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: لِيُسَلِّمِ الرَّاكِبُ عَلَى الرَّاجِلِ، وَيُسَلِّمِ الرَّاجِلُ عَلَى الْقَاعِدِ، ويسلم الأقل على الأكثر، ومن أجاب بالسلام فهو له، ومن لم يُجِبْهُ فَلا شَيْءَ لَهُ.
(34) أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ خُمَيْرُوَيْهِ لَفْظًا وَقِرَاءَةً عَلَيْهِ مَا لا أُحْصِي: حدثنا أبو الحسن علي بن محمد بن عيسى: حدثنا أبو اليمان: أَخْبَرَنِي شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ: أَنْبَأَنِي أَبُو سَلَمَةَ بن [عبد الرحمن، أن] (1) عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَدِيِّ بْنِ أَبِي الْحَمْرَاءِ الزهري،
--------------------------------------------
রাশিদ আল-হাবরানি বর্ণনা করেন: আমরা 'মারজে সালুহা' নামক একটি চারণভূমিতে অবতরণ করলাম। যখন মুয়াজ্জিন আজান দিলেন, তখন মুয়াবিয়া (রা.) আবদুর রহমান ইবনে শিবল (রা.)-এর কাছে লোক পাঠালেন এবং বললেন: আপনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রবীণ সাহাবীদের অন্যতম এবং তাঁদের মধ্যে ফকীহ। সুতরাং যখন আমি সালাত আদায় করব এবং আমার তাঁবুতে প্রবেশ করব, তখন আপনি মানুষের মাঝে দাঁড়াবেন এবং তাঁদের উপদেশ দেবেন, তাঁদের স্মরণ করিয়ে দেবেন এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যা শুনেছেন তা বর্ণনা করবেন। অতঃপর আবদুর রহমান ইবনে শিবল (রা.) তাঁদের মাঝে দাঁড়ালেন এবং বললেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: তোমরা কুরআন তিলাওয়াত করো, এতে বাড়াবাড়ি করো না, এর মাধ্যমে জীবিকা অন্বেষণ করো না এবং এর মাধ্যমে প্রাচুর্য কামনা করো না।
(৩১) তিনি বর্ণনা করেন: আবদুর রহমান ইবনে শিবল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ব্যবসায়ীরাই হলো পাপাচারী। এক ব্যক্তি বলল: হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ কি কেনাবেচা হালাল করেননি? তিনি বললেন: হ্যাঁ, অবশ্যই; কিন্তু তারা কসম খায় এবং তাতে গুনাহগার হয়।
(৩২) তিনি বর্ণনা করেন: আবদুর রহমান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: নিশ্চয়ই ফাসিকরাই জাহান্নামী, নিশ্চয়ই ফাসিকরাই জাহান্নামী। এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল: হে আল্লাহর রাসূল! ফাসিক কারা? তিনি বললেন: নারীরা। সে বলল: তারা কি আমাদের মা, বোন এবং স্ত্রী নয়? তিনি বললেন: হ্যাঁ, কিন্তু যখন তাদের কিছু দেওয়া হয় তারা শুকরিয়া আদায় করে না, আর যখন বিপদে পড়ে তখন ধৈর্য ধারণ করে না।
(৩৩) তিনি বর্ণনা করেন: আবদুর রহমান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: আরোহী যেন পথচারীকে সালাম দেয়, পথচারী যেন উপবিষ্ট ব্যক্তিকে সালাম দেয় এবং অল্প সংখ্যক লোক যেন অধিক সংখ্যক লোককে সালাম দেয়। যে ব্যক্তি সালামের উত্তর দেবে, তা তার জন্য; আর যে উত্তর দেবে না, তার জন্য কিছুই নেই।
(৩৪) আবু আল-ফজল মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে খুমাইরুওয়াইহ মৌখিকভাবে এবং তাঁর সামনে অসংখ্যবার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু আল-হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: আবু আল-ইয়ামান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: শুআইব আমাকে জুহরি থেকে সংবাদ দিয়েছেন: আবু সালামাহ ইবনে [আবদুর রহমান আমাকে জানিয়েছেন যে] (১) আবদুল্লাহ ইবনে আদি ইবনে আবি আল-হামরা আল-জুহরি...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউন ফীহি আহাদীছ মিন মাসমুআতি লিশ-শায়খিল হাফিজ আবী যার উবাইদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হারাভী (ওয়া হুওয়া মাতবূ দ্বিমনা কিতাবিল ফাওয়াইদ)
(পৃষ্ঠা: ৫০)
أَخْبَرَهُ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: وَهُوَ وَاقِفٌ بِالْحَزْوَرَةِ فِي سُوقِ مَكَّةَ: إِنَّكِ لَخَيْرُ أَرْضِ اللَّهِ، وَأَحَبُّ أَرْضِ اللَّهِ إِلَيَّ، وَلَوْلا أَنِّي أُخْرِجْتُ مِنْكِ مَا خَرَجْتُ.
(35) أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أحمد، بمكة قراءة عليه: أخبرنا أبو عبيد الله محمد بن الربيع: حدثنا يوسف بن سعيد: حدثنا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ: أَخْبَرَنِي عُثْمَانُ بْنُ أَبِي سُلَيْمَانَ، عَنْ عَلِيٍّ الأَزْدِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بن حبشي الخثعمي قال: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل أي الأعمال أفضل؟ قال: إيمان لا شَكَّ فِيهِ، وَجِهَادٌ لا غُلُولَ فِيهِ، وَحَجَّةٌ مَبْرُورَةٌ، قِيلَ: فَأَيُّ الصَّلاةِ أَفْضَلُ؟ قَالَ: طول القيام، قيل: فأي الصدقة أفضل؟ قال: جهد المقل، قيل: فأي الهجرة أفضل؟ قال من هجر ما حرم الله / عليه، قِيلَ: فَأَيُّ الْجِهَادِ أَفْضَلُ؟ قَالَ: مَنْ جَاهَدَ الْمُشْرِكِينَ بِمَالِهِ وَنَفْسِهِ، قِيلَ: فَأَيُّ الْقَتْلِ أَشْرَفُ؟ قَالَ: مَنْ أُهْرِيقَ دَمُهُ، وَعُقِرَ جَوَادُهُ.
(36) أَخْبَرَنَا عمر بن أحمد بن عثمان: حدثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ: حدثنا كامل بن طلحة: حدثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَقِيقٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي الْجَدْعَاءِ، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَتَى كُنْتَ نَبِيًّا؟ قَالَ: إِذْ آدَمُ بَيْنَ الرُّوحِ والجسد.
(37) أخبرنا أبو بكر بن عبدان: أخبرنا نصر بن القاسم: حدثنا الوليد بن همام: حدثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ دَاوُدَ - يَعْنِي ابْنَ قَيْسٍ - عَنْ عُبَيْدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَقْرَمَ (1) ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: صَلَّيْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَكُنْتُ أَرَى عُفْرَةَ إِبْطَيْهِ إِذَا سَجَدَ.
(38) أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عبد الله بن محمد بن خميرويه: حدثنا الحسين بن إدريس: حدثنا ابن أبي شيبة، عن سفيان الثَّوْرِيِّ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَطَاءٍ اللَّيْثِيِّ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ يَعْمُرَ الدِّيلِيَّ يَقُولُ: شَهِدْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَاقِفًا بعرفة فأتاه ناس من
--------------------------------------------
তিনি তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মক্কার বাজারের হাজওয়ারাহ নামক স্থানে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছেন: "নিশ্চয়ই তুমি আল্লাহর জমিনের মধ্যে সর্বোত্তম এবং আল্লাহর কাছে তাঁর জমিনসমূহের মধ্যে সবচেয়ে প্রিয়। আমাকে যদি তোমার থেকে বের করে দেওয়া না হতো, তবে আমি বের হতাম না।"
(৩৫) আহমাদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে আহমাদ মক্কায় আমাদের নিকট কিরাত হিসেবে সংবাদ দিয়েছেন: আবু উবাইদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনুর রবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: ইউসুফ ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন: হাজ্জাজ ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, ইবনে জুরাইজ থেকে: উসমান ইবনে আবি সুলাইমান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আলী আল-আজদি থেকে, উবাইদ ইবনে উমাইর থেকে, আবদুল্লাহ ইবনে হাবশি আল-খাসআমি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, কোন আমল সর্বোত্তম? তিনি বললেন: "এমন ঈমান যাতে কোনো সন্দেহ নেই, এমন জিহাদ যাতে কোনো আত্মসাৎ (গুলুল) নেই এবং কবুল হজ।" জিজ্ঞাসা করা হলো: কোন সালাত সর্বোত্তম? তিনি বললেন: "দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা।" জিজ্ঞাসা করা হলো: কোন সদকা সর্বোত্তম? তিনি বললেন: "অল্প পুঁজি থাকা ব্যক্তির সামর্থ্য অনুযায়ী দান করা।" জিজ্ঞাসা করা হলো: কোন হিজরত সর্বোত্তম? তিনি বললেন: "যে ব্যক্তি আল্লাহ যা তার ওপর হারাম করেছেন তা ত্যাগ করে।" জিজ্ঞাসা করা হলো: কোন জিহাদ সর্বোত্তম? তিনি বললেন: "যে ব্যক্তি মুশরিকদের বিরুদ্ধে নিজের সম্পদ ও জীবন দিয়ে জিহাদ করে।" জিজ্ঞাসা করা হলো: কোন নিহত হওয়া (শাহাদাত) সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ? তিনি বললেন: "যার রক্ত প্রবাহিত করা হয়েছে এবং যার ঘোড়াটি ধরাশায়ী করা হয়েছে।"
(৩৬) উমর ইবনে আহমাদ ইবনে উসমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল আজিজ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন: কামিল ইবনে তালহা আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন: হাম্মাদ ইবনে সালামাহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, খালিদ আল-হাদ্দা থেকে, আবদুল্লাহ ইবনে শাকিক থেকে, ইবনুল আবি আল-জাদআ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আপনি কখন নবী ছিলেন? তিনি বললেন: "যখন আদম রূহ এবং শরীরের মধ্যবর্তী অবস্থায় ছিলেন।"
(৩৭) আবু বকর ইবনে আবদান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: নাসর ইবনুল কাসিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আল-ওয়ালিদ ইবনে হাম্মাম আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন: ইসমাইল ইবনে জাফর আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, দাউদ—অর্থাৎ ইবনে কায়স—থেকে, উবাইদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আকরাম (১) থেকে, তার পিতা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সালাত আদায় করেছি, তখন তিনি যখন সাজদাহ করতেন আমি তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখতে পেতাম।
(৩৮) মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে খুমাইরুইয়াহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আল-হুসাইন ইবনে ইদ্রিস আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন: ইবনে আবি শাইবাহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান সাওরী থেকে, বুকায়র ইবনে আতা আল-লাইসি থেকে: আমি আবদুর রহমান ইবনে ইয়ামুর আদ-দিলিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আরাফাতে অবস্থানরত অবস্থায় দেখেছি, তখন তাঁর কাছে কিছু লোক আসলো...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউন ফীহি আহাদীছ মিন মাসমুআতি লিশ-শায়খিল হাফিজ আবী যার উবাইদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হারাভী (ওয়া হুওয়া মাতবূ দ্বিমনা কিতাবিল ফাওয়াইদ)
(পৃষ্ঠা: ৫১)
أَهْلِ نَجْدٍ، فَقَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ الْحَجُّ؟ فَقَالَ: الْحَجُّ عَرَفَةُ، فَمَنْ جَاءَ قَبْلَ صَلاةِ الْفَجْرِ مِنْ لَيْلِهِ جَمْعٍ فَقَدْ تَمَّ حَجُّهُ، أَيَّامَ مِنًى ثَلاثٌ، فَمَنْ تَعَجَّلَ فِي يَوْمَيْنِ فَلا إِثْمَ عَلَيْهِ، وَمَنْ تَأَخَّرَ فَلا إثم عليه، ثُمَّ أَرْدَفَ رَجُلا خَلْفَهُ فَجَعَلَ يُنَادِي بِهِنَّ.
(39) أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ أَبُو عَلِيٍّ الفقيه: حدثنا عبد الله بن محمد: أخبرنا محمد بن بكار: حدثنا ابن وَكِيعٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الْهَمْدَانِيِّ، عَنْ خَيْثَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم مَعَ أَبِي وَأَنَا غُلامٌ، فَقَالَ: مَا اسْمُ ابْنِكَ هَذَا؟ قال: اسمه عزيز، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: لا تُسَمِّهِ عَزِيزًا، وَلَكِنْ سَمِّهِ عَبْدَ الرَّحْمَنِ، فَإِنَّ أَحَبَّ الأَسْمَاءِ إِلَى اللَّهِ عز وجل عَبْدُ اللَّهِ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ وَالْحَارِثُ.
(40) أَخْبَرَنَا أَبُو حفص بن شاهين: حدثنا عبد الله بن سليمان: حدثنا محمود بن حازم يعني الدمشقي: حدثنا الْوَلِيدُ - يَعْنِي ابْنَ مُسْلِمٍ - وَعُمَرُ بْنُ عَبْدِ العزيز، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ الْخَوْلانِيِّ، عَنْ عبد الرحمن بن عُمَيْرَةَ (1) ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ لِمُعَاوِيَةَ: اللَّهُمَّ اجْعَلْهَُ هَادِيًا مهديا، واهد به.
آخر الجزءوالحمد لله وحده ***
--------------------------------------------
নজদবাসীগণ, তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! হজ কীভাবে? তিনি বললেন: হজ হলো আরাফাহ। সুতরাং যে ব্যক্তি মুযদালিফার রাতের ফজর সালাতের পূর্বে পৌঁছাল, তার হজ পূর্ণ হলো। মিনার দিনগুলো তিনটি। তবে যে ব্যক্তি দুই দিনে চলে আসে তার কোনো গুনাহ নেই, আর যে বিলম্ব করে তারও কোনো গুনাহ নেই। এরপর তিনি তার পিছনে একজন লোককে বসালেন এবং সে এই ঘোষণাগুলো দিতে থাকল।
(৩৯) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান ইবন আবুল হাসান আবু আলী আল-ফকীহ: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন বাক্কার: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইবন ওয়াকী, আবু ইসহাক আল-হামদানি থেকে, তিনি খায়সামাহ ইবন আব্দুর রহমান থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতার সাথে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আসলাম যখন আমি ছোট বালক ছিলাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: তোমার এই ছেলের নাম কী? তিনি (পিতা) বললেন: তার নাম আযীয। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তাকে আযীয নাম দিও না, বরং তার নাম রাখো আব্দুর রহমান। কেননা মহান আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় নাম হলো আব্দুল্লাহ, আব্দুর রহমান এবং হারিস।
(৪০) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস ইবন শাহীন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবন সুলাইমান: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মাহমুদ ইবন হাযিম অর্থাৎ আদ-দামিশকি: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আল-ওয়ালীদ—অর্থাৎ ইবন মুসলিম—এবং উমর ইবন আব্দুল আযীয, সাঈদ ইবন আব্দুল আযীয থেকে, তিনি রাবিয়াহ ইবন ইয়াযীদ থেকে, তিনি আবু ইদরীস আল-খাওলানি থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবন উমাইরাহ (১) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মুয়াবিয়া সম্পর্কে বলতে শুনেছি: হে আল্লাহ! আপনি তাকে পথপ্রদর্শক ও সুপথপ্রাপ্ত বানান এবং তার মাধ্যমে পথপ্রদর্শন করুন।
খণ্ডের সমাপ্তিএবং সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য ***
--------------------------------------------