(খণ্ড: ১) আহাদীছ মুসনাদাহ ফী আবওয়াবিল কাদা লি আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: -)
أحاديث مسندة في أبواب القضاء لأبي نعيم الأصفهاني   (أبو نعيم الأصبهاني)

القسم: كتب السنة


الكتاب: أحاديث مسندة في أبواب القضاء - مخطوط

المؤلف: أبو نعيم أحمد بن عبد الله بن أحمد بن إسحاق بن موسى بن مهران الأصبهاني (ت 430هـ)

أعده للشاملة: أحمد الخضري

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 21

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু নুআইম আল-আসফাহানি বর্ণিত বিচারকার্য সংক্রান্ত অধ্যায়সমূহের মুসনাদ হাদিসসমূহ   (আবু নুআইম আল-আসফাহানি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


গ্রন্থ: বিচারকার্য সংক্রান্ত অধ্যায়সমূহের মুসনাদ হাদিসসমূহ - পাণ্ডুলিপি

লেখক: আবু নুআইম আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন ইসহাক বিন মুসা বিন মিহরান আল-আসফাহানি (মৃত্যু ৪৩০ হিজরি)

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমাদ আল-খুদরি

[গ্রন্থটি পাণ্ডুলিপি]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২১

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আহাদীছ মুসনাদাহ ফী আবওয়াবিল কাদা লি আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ১)
الكتاب: أحاديث مسندة في أبواب القضاء - مخطوط

المؤلف: أبو نعيم الأصفهاني

المتوفى: 430 هـ
গ্রন্থ: বিচার ব্যবস্থার অধ্যায়সমূহে বর্ণিত সনদযুক্ত হাদিসসমূহ - পাণ্ডুলিপি

লেখক: আবু নুআইম আল-আসফাহানি

মৃত্যু: ৪৩০ হিজরি
(খণ্ড: ১) আহাদীছ মুসনাদাহ ফী আবওয়াবিল কাদা লি আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ১)
-ق151أ-

1 - (1) ...... قَالَ لِعَلِيٍّ أَنْتَ تُبَيِّنُ لأُمَّتِي مَا اخْتَلَفُوا فِيهِ بَعْدِي هـ.

هذا علي شرط خ م قلت كلا فقد كذب ابن معين ضرارا فلعله واضعه هـ.

2 - الحسين بن علوان عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ادْعُوا لِي سَيِّدَ الْعَرَبِ قُلْتُ مِنْ قَالَ عَلِيٌّ سَيِّدِ الْعَرَبِ هـ. قلت ابن علوان كذاب هـ.

3 - عن إسماعيل بن يحيى بن سلمة بن كهيل عن أبيه عن جده عَنْ مُجَاهِدٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: فِي خطبة حَجَّةِ الْوَدَاعِ لأَقْتُلَنَّ الْعمالقةَ فِي كَتِيبَةٍ فَقَالَ له جِبْرِيلُ أو علي فقال أَوْ عَلِيُّ رضي الله عنه. قلت إسماعيل وأبوه تالفان هـ.

--------------------------------------------

(1) قال الحاكم في المستدرك على الصحيحين (ج 7 / ص 226) رقم (4620) : حَدَّثَنَا عَبْدَانُ بْنُ يَزِيدَ بْنِ يَعْقُوبَ الدَّقَّاقُ مِنْ أَصْلِ كِتَابِهِ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ دِيزِيلَ، حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ ضِرَارُ بْنُ صُرَدٍ، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ قَالَ سَمِعْتُ أَبِي يَذْكُرُ عَنِ الْحَسَنِ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِعَلِيٍّ أَنْتَ تُبَيِّنُ لأُمَّتِي مَا اخْتَلَفُوا فِيهِ بَعْدِي.
-পৃ ১৫১ক-

১ - (১) ...... [নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] আলীকে বললেন, "আমার পরে আমার উম্মত যে বিষয়ে মতভেদ করবে, তুমি তাদের কাছে তা স্পষ্ট করবে।"

এটি বুখারি ও মুসলিমের শর্তানুসারে [সহিহ]। আমি বললাম, মোটেই না; কেননা ইবনে মাঈন দিরার-কে মিথ্যুক বলেছেন, সুতরাং সম্ভবত সে-ই এটি জাল করেছে।

২ - হুসাইন ইবনুল আলওয়ান হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "আরবের সর্দারকে আমার কাছে ডেকে আনো।" আমি জিজ্ঞেস করলাম, কে? তিনি বললেন, "আলী আরবের সর্দার।" আমি বললাম, ইবনুল আলওয়ান একজন মিথ্যুক।

৩ - ইসমাইল ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে সালামাহ ইবনে কুহাইল থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিদায় হজের খুতবায় বলেছেন: "আমি অবশ্যই একটি সেনাদলের মাধ্যমে আমালিকা সম্প্রদায়কে হত্যা করব।" অতঃপর জিবরাঈল তাকে বললেন, "অথবা আলী?" তিনি বললেন, "অথবা আলী (রা.)।" আমি বললাম, ইসমাইল এবং তার পিতা উভয়ই অগ্রহণযোগ্য বা পরিত্যক্ত।

--------------------------------------------

(১) হাকেম 'আল-মুসতাদরাক আলাস-সহিহাইন' গ্রন্থে (খণ্ড ৭ / পৃষ্ঠা ২২৬) নং (৪৬২০) এ বলেছেন: আবদান ইবনে ইয়াজিদ ইবনে ইয়াকুব আদ-দাক্কাক আমাদের কাছে তার মূল কিতাব থেকে বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম ইবনুল হুসাইন ইবনে দিজিল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু নুআইম দিরার ইবনে সুরোদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুতামির ইবনে সুলাইমান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমি আমার পিতাকে হাসান থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে উল্লেখ করতে শুনেছি যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলীকে বললেন: "আমার পরে আমার উম্মত যে বিষয়ে মতভেদ করবে, তুমি তাদের কাছে তা স্পষ্ট করবে।"
(খণ্ড: ১) আহাদীছ মুসনাদাহ ফী আবওয়াবিল কাদা লি আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ২)
4 - أبو الصلت عبد السلام ثنا أبو معاوية عن الأعمش عن مجاهد عن ابن عباس قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أنا مدينة العلم وعلي بابها فمن أراد المدينة فليأت الباب هـ. صحيح قلت بل موضوع ثم قال وأبو الصلت ثقة مأمون قلت كلا والله رافضي غير ثقة وإن وثقه ابن معين، قال الحاكم وله شاهد باسناد صحيح. حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ الْقَفَّالُ ثنا النُّعْمَانُ بْنُ ْهَارُونِ الْبَلَدِيُّ بِبَلَدٍ مِنْ أَصْلِه عن أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ الْحَرَّانِيُّ ثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، ثَنَا الثَّوْرِيُّ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ خُثَيْمٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُثْمَانَ التَّيْمِيِّ سَمِعْتُ جَابِرَاً سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ أَنَا مَدِينَةُ الْعِلْمِ وَعَلِيٌّ بَابُهَا.. الحديث. وتمامه عليّ إمام البررة وقاتل الفجرة، منصور من نصره، مخذول من خذله قطعه الحاكم وصححه قلت فهذا كذب، وأحمد دجال هـ.

5 - أحمد بن الأزهر ثنا ثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَنْبَأَ مَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ نَظَرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِلَيَّ عليّ فَقَالَ أَنْتَ سَيِّدٌ فِي الدُّنْيَا والآخِرَةِ حَبِيبُكَ حَبِيبِي وَحَبِيبِي حَبِيبُ اللهِ وَعَدُوُّكَ عَدُوِّي وَعَدُوُّي عَدُوُّ اللهِ وَالْوَيْلُ لِمَنْ أَبْغَضَكَ بَعْدِي هـ.

هذا موضوع مع ثقة إسناده كأنه أدخل على معمر وإلا فلأي شيء كتمه عبد الرزاق وحدث به سرا لأبي الأزهر وما خسر أبن يرويه كل وقت مع كون اسناده كالشمس ثم إنه يقول لأبي الأزهر أنا حدثت به غيرك هـ.

6 - الْقَاسِمُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، ثَنَا يَحْيَى بْنُ يَعْلَى، ثَنَا عَمَّارُ بْنُ رُزَيْقٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ زِيَادِ بْنِ مُطَرِّفٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال مَنْ أرِادَ أَنْ يَحْيَى حَيَاتِي وَيَمُوتَ مَوْتِي وَيَسْكُنَ جَنَّةَ الْخُلْدِ فَلْيَتَوَلَّ عَلِيَّا هـ. هذا صحيح
৪ - আবুস সালত আব্দুস সালাম বর্ণনা করেছেন আবু মুআবিয়াহ থেকে, তিনি আ’মাশ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "আমি জ্ঞানের নগরী এবং আলী তার দরজা, সুতরাং যে ব্যক্তি এই নগরে প্রবেশ করতে চায় সে যেন দরজা দিয়ে আসে।" সমাপ্ত। (হাকেম বলেন) এটি সহীহ। আমি বলছি, বরং এটি বানোয়াট। অতঃপর তিনি বলেছেন, আবুস সালত নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত। আমি বলছি, আল্লাহর কসম, কখনোই নয়! সে একজন রাফেজি এবং নির্ভরযোগ্য নয়, যদিও ইবনে মঈন তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। হাকেম বলেছেন যে, এর একটি সহীহ সনদে সাক্ষী রয়েছে। আমাকে আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-কাফফাল হাদীস শুনিয়েছেন নুমান ইবনে হারুন আল-বালাদি থেকে, তিনি আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাররানি থেকে, তিনি আব্দুর রাজ্জাক থেকে, তিনি সাওরী থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উসমান ইবনে খুসাইম থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে উসমান আত-তায়মি থেকে বর্ণনা করেন যে, আমি জাবেরকে বলতে শুনেছি, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন: "আমি জ্ঞানের নগরী এবং আলী তার দরজা..." হাদীসটির শেষ পর্যন্ত। এর পূর্ণাঙ্গ রূপ হলো: "আলী পুণ্যবানদের নেতা এবং পাপাচারীদের হত্যাকারী; যে তাকে সাহায্য করবে সে সাহায্যপ্রাপ্ত হবে, আর যে তাকে পরিত্যাগ করবে সে লাঞ্ছিত হবে।" হাকেম এটি উদ্ধৃত করেছেন এবং একে সহীহ বলেছেন। আমি বলছি, এটি একটি মিথ্যা কথা এবং আহমাদ একজন দাজ্জাল। সমাপ্ত।

৫ - আহমাদ ইবনুল আযহার বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক থেকে, তিনি মা’মার থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি উবাইদুল্লাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আলীর দিকে তাকিয়ে বললেন: "তুমি দুনিয়া ও আখিরাতে নেতা; তোমার প্রেমিক আমার প্রেমিক এবং আমার প্রেমিক আল্লাহর প্রেমিক। তোমার শত্রু আমার শত্রু এবং আমার শত্রু আল্লাহর শত্রু। আর ধ্বংস তার জন্য যে আমার পরে তোমার প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করবে।" সমাপ্ত।

এটি বানোয়াট, যদিও এর সনদ আপাতদৃষ্টিতে নির্ভরযোগ্য। মনে হয় এটি মা’মারের বর্ণনার মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। নতুবা আব্দুর রাজ্জাক কেন এটি গোপন করবেন এবং গোপনে কেবল আবু আল-আযহারের কাছে বর্ণনা করবেন? অথচ এর সনদ সূর্যের মতো উজ্জ্বল হওয়া সত্ত্বেও কেন তিনি এটি সব সময় বর্ণনা করেননি? অধিকন্তু তিনি আবু আল-আযহারকে বলেন, "আমি এটি তোমার ছাড়া আর কারো কাছে বর্ণনা করিনি।" সমাপ্ত।

৬ - কাসিম ইবনে আবি শাইবাহ বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে ইয়ালা থেকে, তিনি আম্মার ইবনে রুযাইক থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি যিয়াদ ইবনে মুতাররিফ থেকে, তিনি যায়েদ ইবনে আরকাম থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি আমার মতো জীবন অতিবাহিত করতে, আমার মতো মৃত্যু বরণ করতে এবং চিরস্থায়ী জান্নাতে বসবাস করতে পছন্দ করে, সে যেন আলীকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে।" সমাপ্ত। এটি সহীহ।
(খণ্ড: ১) আহাদীছ মুসনাদাহ ফী আবওয়াবিল কাদা লি আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ৩)
-ق151ب-

قلت أنى له الصحة والقاسم متروك وشيخه ضعيف متنه ركيك هـ.

7 - عن سُرَيْجُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا أَبُو حَفْصٍ الأَبَّارُ، ثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ُ أن فَاطِمَةُ قالت يَا رَسُولَ اللهِ زَوَّجْتَنِي مِنْ عَلِيِّ وَهُوَ فَقِيرٌ َقَالَ أَمَا تَرْضَيْنَ أَنَّ اللَّهَ اطَّلَعَ إِلَى أَهْلِ الأَرْضِ فَاخْتَارَ رَجُلَيْنِ أَحَدُهُمَا أَبُوكِ وَالآخَرُ بَعْلَكِ هـ. هذا على شرط الشيخين، قلت بل موضوع على سريج رحمه الله هـ.

وسرقه أَبُو الصَّلْتِ وقد لصقه بعَبْدُ الرَّزَّاقِ عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ أَبِي نَجِيحٍ عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ هـ.

8 - حسين بن الأشقر، ثَنَا منصور بن أبي الأسود عن الأعمش عن المنهال عن عباد بن عبد الله عن علي ولكل قوم هاد قال النبي صلى الله عليه وسلم المنذر وأنا الهادي هـ. قلت هذا من وضع الأشقر.

مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عِيَاضِ بْنِ أَبِي طَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بِلَالٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ أَنَسِ بحديث الطَّيْرِ وقَالَ هذا على شرط خ م، قلت حتى يصح أن يحيى بن حسان رواه هـ.

9- أحمد بن حنبل ثَنَا سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدِ الْوَرَّاقُ عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْحَزَوَّرِ عن أَبي مَرْيَمَ الثَّقَفِيَّ سَمِعَ عَمَّارَ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ يَا عَلِيُّ طُوبَى لِمَنْ أَحَبَّكَ وَصَدَّقَ فِيكَ وَوَيْلٌ لِمَنْ أَبْغَضَكَ وَكَذَّبَ فِيكَ هذا صحيح، قلت بل سعيد وعلي متروكان، والله يغفر لأحمد أنا أتعجب منه كيف روى هذا فالله أعلم هـ.
-ক১৫১খ-

আমি বলি, এটি কীভাবে সহীহ হতে পারে? অথচ কাসিম পরিত্যক্ত (মাতরুক) এবং তার শাইখ দুর্বল; এর মূল পাঠ (মতন) অত্যন্ত দুর্বল।

৭ - সুরাইজ ইবনে ইউনুস থেকে বর্ণিত, আবু হাফস আল-আব্বার আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আল-আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, ফাতেমা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আপনি আমাকে আলীর সাথে বিয়ে দিয়েছেন অথচ সে দরিদ্র। তিনি বললেন: তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, আল্লাহ পৃথিবীবাসীর প্রতি দৃষ্টিপাত করেছেন এবং তাদের মধ্য থেকে দুজন পুরুষকে মনোনীত করেছেন, যাদের একজন তোমার পিতা এবং অন্যজন তোমার স্বামী? এটি শায়খাইনের (বুখারী ও মুসলিম) শর্তানুযায়ী। আমি বলি, বরং এটি সুরাইজ (রহিমাহুল্লাহ)-এর নামে জাল করা হয়েছে।

আবুস সালত এটি চুরি করেছেন এবং তিনি একে আব্দুর রাজ্জাক থেকে মা'মার, তিনি আবু নাজীহ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত বলে চালিয়ে দিয়েছেন।

৮ - হুসাইন ইবনুল আশকার, মানসুর ইবনে আবিল আসওয়াদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-আমাশ থেকে, তিনি মিনহাল থেকে, তিনি আব্বাদ ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি আলী থেকে (বর্ণনা করেন): "আর প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্য একজন পথপ্রদর্শক রয়েছে"। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: সতর্ককারী আমি এবং আমিই পথপ্রদর্শক। আমি বলি, এটি আশকারের জাল করা হাদীস।

মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে ইয়াদ ইবনে আবি তাইবা, আমার পিতা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে হাসসান আমাদের নিকট সুলাইমান ইবনে বিলাল থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি আনাস থেকে 'পাখির হাদীস' (হাদীসুত তয়র) বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বললেন, এটি বুখারী ও মুসলিমের শর্তানুযায়ী। আমি বলি, যতক্ষণ না এটি নিশ্চিত হয় যে ইয়াহইয়া ইবনে হাসসান এটি বর্ণনা করেছেন (ততক্ষণ এর বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ)।

৯- আহমাদ ইবনে হাম্বল, সাঈদ ইবনে মুহাম্মদ আল-ওয়াররাক আমাদের নিকট আলী ইবনুল হাযাওয়ার থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু মারিয়াম আস-সাকাফী থেকে, তিনি আম্মারকে বলতে শুনেছেন যে, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: হে আলী, সুসংবাদ তার জন্য যে তোমাকে ভালোবাসে এবং তোমার ব্যাপারে সত্যয়ন করে, আর ধ্বংস তার জন্য যে তোমার প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে এবং তোমাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে। এটি সহীহ। আমি বলি, বরং সাঈদ ও আলী উভয়েই পরিত্যক্ত (মাতরুক)। আল্লাহ আহমাদকে ক্ষমা করুন, আমি বিস্ময় বোধ করছি যে তিনি কীভাবে এটি বর্ণনা করলেন! আল্লাহই ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) আহাদীছ মুসনাদাহ ফী আবওয়াবিল কাদা লি আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ৪)
10- إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْحَاقَ الْجُعْفِيُّ، ثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ عَبْدِ رَبِّهِ الْعِجْلِيُّ، ثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال النَّظَرُ إِلَى عَلِيٍّ عِبَادَةٌ قال وشاهده صحيح، حَدَّثَنَاهُ ابْنُ قَانِعٍ، ثَنَا صَالِحُ بْنُ مُقَاتِلِ بْنِ صَالِحٍ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْيدِ بْنِ عُتْبَةَ، ثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَالِمٍ، ثَنَا يَحْيَى بْنُ عِيسَى الرَّمْلِيُّ عَنِ الأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلْقَمَةَ عَنْ عَبْدِ اللهِ مرفوعا مثله قَلت بئس الشاهد والمشهود له كلاهما موضوع وصالح كذاب حيل وحدثنا محمد بن أحمد بن يحيى الغازي ثنا المسيب بن زهير ثنا عاصم بن علي ثنا المسعودي عن عمرو بن مرة عن إبراهيم باسناده مثله هـ.

11- إِسْحَاقُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ أَرْكُونُ، ثَنَا خُلَيْدُ بْنُ دَعْلَجٍ أَظُنُّهُ، عَنْ قَتَادَةَ عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال النُّجُومُ أَمَانٌ لأَهْلِ الأَرْضِ مِنَ الْغَرَقِ وَأَهْلُ بَيْتِي أَمَانٌ لأُمَّتِي مِنَ الَاخْتِلَافِ فَإِذَا خَالَفَتْهَا قَبِيلَةٌ اخْتَلَفُوا فَصَارُوا حِزْبَ إِبْلِيسَ هـ. هذا حديث صحيح قلت كلا فخليد رواه

-ق151أأ-

وابن أركون أوهى منه هـ.
১০- ইব্রাহিম ইবন ইসহাক আল-জু'ফি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন আবদ রাব্বিহি আল-ইজলি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি হুমাইদ ইবন আবদুর রহমান থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে, তিনি ইমরান ইবন হুসাইন থেকে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: "আলীর দিকে তাকানো ইবাদত।" তিনি (লেখক) বলেছেন: এর সাক্ষী (সমর্থনমূলক বর্ণনা) সহিহ। আমাদের কাছে ইবন কানি' এটি বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে সালিহ ইবন মুকাতিল ইবন সালিহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে মুহাম্মদ ইবন উবাইদ ইবন উতবাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন সালিম বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে ইয়াহইয়া ইবন ঈসা আর-রামলি বর্ণনা করেছেন আমাশ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি আলকামা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে মারফু' হিসেবে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আমি বলি: সাক্ষী এবং যার জন্য সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে উভয়ই মন্দ; উভয়ই জাল (মওদু), এবং সালিহ একজন ধূর্ত মিথ্যাবাদী। এবং আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন ইয়াহইয়া আল-গাজি, আমাদের কাছে মুসাইয়িব ইবন জুহাইর বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আসিম ইবন আলী বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে মাসউদি বর্ণনা করেছেন আমর ইবন মুররাহ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে তার সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। সমাপ্ত।

১১- ইসহাক ইবন সাঈদ ইবন আরকুন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন খুলাইদ ইবন দালাজ—আমার ধারণা—তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি ইবন আব্বাস থেকে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: "নক্ষত্ররাজি পৃথিবীবাসীর জন্য নিমজ্জিত হওয়া থেকে নিরাপত্তার মাধ্যম, আর আমার আহলে বাইত আমার উম্মতের জন্য মতভেদ থেকে নিরাপত্তার মাধ্যম। সুতরাং যখন কোনো গোত্র তাদের বিরোধিতা করবে, তারা মতভেদে লিপ্ত হবে এবং ইবলিসের দলে পরিণত হবে।" সমাপ্ত। এটি একটি সহিহ হাদিস। আমি বলি: কখনোই নয়; খুলাইদ এটি বর্ণনা করেছেন

-পৃষ্ঠা ১৫১ক-

আর ইবন আরকুন তার চেয়েও অধিক দুর্বল। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১) আহাদীছ মুসনাদাহ ফী আবওয়াবিল কাদা লি আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ৫)
12- مُفَضَّلُ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ حَنَشٍ الْكِنَانِيِّ سَمِعَ أَبَا ذَرٍّ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَلَا إِنَّ مَثَلَ أَهْلِ بَيْتِي فِيكُمْ مَثَلُ سَفِينَةِ نُوحٍ مَنْ رَكِبَهَا نَجَا وَمَنْ تَخَلَّفَ عَنْهَا هلك هـ. صحيح قلت كلا المفضل واه هـ.

13- إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَمْرٍو الْبَجَلِيُّ، ثَنَا الأَجْلَحُ الْكِنْدِيُّ عَنْ حَبِيبِ بْنِ أبى ثَابِتٍ عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ عَنْ عَلِيٍّ قَالَ أَخْبَرَنِي رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم قال إَنَّ أَوَّلَ مَنْ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ أَنَا وَفَاطِمَةُ وَالْحَسَنُ وَالْحُسَيْنُ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللهِ فَمُحِبُّونَا قَالَ مِنْ وَرَائِكُمْ هـ. صحيح قلت هذا منكر جدا (1) تكلم فيهم هـ.

14- أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ بَالَوَيْهِ الْعَقِصِيُّ مِنْ أَصْلِه، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنِ نُمَيْرٍ، ثَنَا أَبُو مُسْلِمٍ قَائِدُ الأَعْمَشِ، ثَنَا الأَعْمَشُ عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ مرفوعا قال تُبْعَثُ الأَنْبِيَاءُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَأُبْعَثَ عَلَى الْبُرَاقِ وَتُبْعَثُ فَاطِمَةُ أَمَامِي، ويبعث صالح على ناقته وذكر الحديث قلت أبو مسلم قال البخاري في حديثه نظر وقال غيره متروك هـ.

15- العَبَّاسُ بْنُ الْوَلِيدِ بْنِ بَكَّارٍ، ثَنَا خَالِدٌ بن عبد الله، عَنْ بَيَانٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ أَبِي جُحَيْفَةَ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ سَمِعْتُ النبي صلى الله عليه وسلم يَقُولُ إِذَا كَانَ يَوْمُ الْقِيَامَةِ نَادَى مُنَادٍ مِنْ وَرَاءِ الْحُجُبِ: يَا أَهْلَ الْجَمْعِ غُضُّوا أَبْصَارَكُمْ حَتَّى تَمُرَّ فَاطِمَةَ. هذا على شرط خ م، قلت بل هذا موضوع قال الدارقطني العباس كذاب ثم رواه الحاكم فيما بعد بنحو ورقتين عن القطيعي عن الكجي حدثنا عبد الحميد بن بحر الكوفي ثنا خالد وزاد فيه فتمر وعليها ريطتان خضراوان. قال ابن حبان كان عبد الحميد يسرق الحديث هـ.
১২- মুফাদদ্বাল বিন সালিহ, আবু ইসহাক থেকে, তিনি হানাশ আল-কিনানী থেকে, তিনি আবু যার (রা.)-কে বলতে শুনেছেন, আমি নবী (সা.)-কে বলতে শুনেছি: "সাবধান! তোমাদের মাঝে আমার আহলে বাইতের উদাহরণ হলো নূহের নৌকার মতো; যে তাতে আরোহণ করল সে মুক্তি পেল, আর যে তা থেকে পিছিয়ে থাকল সে ধ্বংস হলো।" সমাপ্ত। সহীহ। আমি (গ্রন্থকার) বলছি: কখনোই নয়, মুফাদদ্বাল অত্যন্ত দুর্বল। সমাপ্ত।

১৩- ইসমাঈল বিন আমর আল-বাজালী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আজলাহ আল-কিনদী, হাবীব বিন আবি সাবিত থেকে, আসিম বিন দামরাহ থেকে, আলী (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাকে সংবাদ দিয়ে বলেছেন: "জান্নাতে সর্বপ্রথম যারা প্রবেশ করবে তারা হলাম আমি, ফাতিমা, হাসান ও হুসাইন।" আমি বললাম: "হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের যারা ভালোবাসে তাদের কী হবে?" তিনি বললেন: "তারা তোমাদের পেছনে থাকবে।" সমাপ্ত। সহীহ। আমি বলছি: এটি অত্যন্ত মুনকার (অগ্রহণযোগ্য)। (১) তাদের ব্যাপারে সমালোচনা রয়েছে। সমাপ্ত।

১৪- আহমাদ বিন বালওয়াইহ আল-আকিসী তাঁর মূল পাণ্ডুলিপি থেকে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ বিন উসমান বিন আবি শায়বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন নুমাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাশের পথপ্রদর্শক আবু মুসলিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাশ সুহাইল বিন আবি সালিহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "কিয়ামতের দিন নবীগণকে পুনরুত্থিত করা হবে এবং আমাকে বুরাকের ওপর পুনরুত্থিত করা হবে, আর ফাতিমাকে আমার সামনে পুনরুত্থিত করা হবে এবং সালিহ (আ.)-কে তাঁর উটের ওপর পুনরুত্থিত করা হবে..." এরপর তিনি হাদিসটি উল্লেখ করেন। আমি বলছি: আবু মুসলিম সম্পর্কে ইমাম বুখারী বলেছেন: "তার হাদিসে ত্রুটি রয়েছে" এবং অন্যগণ বলেছেন: সে পরিত্যক্ত। সমাপ্ত।

১৫- আব্বাস বিন আল-ওয়ালীদ বিন বাক্কার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ বিন আব্দুল্লাহ, বায়ান থেকে, তিনি শা’বী থেকে, তিনি আবু জুহাইফাহ থেকে, তিনি আলী (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নবী (সা.)-কে বলতে শুনেছি: "যখন কিয়ামতের দিন হবে, তখন পর্দার আড়াল থেকে একজন ঘোষণাকারী ঘোষণা করবেন: 'হে সমবেত জনতা! তোমরা তোমাদের দৃষ্টি অবনত করো যতক্ষণ না ফাতিমা অতিক্রম করেন'।" এটি বুখারী ও মুসলিমের শর্তানুযায়ী। আমি বলছি: বরং এটি জাল (মাওজু)। দারা কুতনী বলেছেন: "আব্বাস একজন চরম মিথ্যাবাদী।" অতঃপর হাকেম এর প্রায় দুই পৃষ্ঠা পরে আল-কাতিয়ী থেকে, তিনি আল-কাজ্জী থেকে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল হামীদ বিন বাহর আল-কুফী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ এবং তাতে এই অংশটুকু বৃদ্ধি করেছেন: "তিনি অতিক্রম করবেন এমতাবস্থায় যে তাঁর পরনে দুটি সবুজ চাদর থাকবে।" ইবনে হিব্বান বলেছেন: "আব্দুল হামীদ হাদিস চুরি করতেন।" সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১) আহাদীছ মুসনাদাহ ফী আবওয়াবিল কাদা লি আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ৬)
16- حُسَيْنُ بْنُ زَيْدِ بْنِ عَلِيٍّ ثنا جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ عَنْ جده عن أبيه الْحُسَيْنِ، عَنْ عَلِيٍّ أن رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم لِفَاطِمَةَ إِنَّ اللَّهَ يَغْضَبُ لِغَضَبِكِ وَيَرْضَى لِرَضَاكِ. هذا صحيح قلت بل غير صحيح وحسين تالف هـ.

17- حَدَّثَنَا مُكْرَمُ بْنُ أَحْمَدَ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفُ الْهَمْدَانِيُّ، ثَنَا عَبْدُ الْمُؤْمِنِ بْنُ عَلِيٍّ، ثَنَا عَبْدُ السَّلَامِ بْنُ حَرْبٍ عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ أَبِيهِ عَنْ عُمَرَ أَنَّهُ دَخَلَ عَلَى فَاطِمَةَ فَقَالَ وَاللَّهِ مَا أَحَدٌ مِنَ النَّاسِ بَعْدَ أَبِيكِ أَحَبَّ إِلَيَّ مِنْكِ. هذا ظن.

-ق151ب ب -

18- أَخْبَرَنَا أبو سهل بشر بن أحمد بن بشر ثنا الحسن بن سفيان ثنا عباس بن عبد العظيم، وأخبرنا محمد بن الحسن ومحمد بن أحمد الثقفي قالا أنا ابن أبي عاصم ثنا الحلواني ح، وأخبرنا الحسين بن مخارق ثنا أحمد بن يحيى بن زهير ثنا محمد بن أحمد بن زيد قالوا ثنا عمرو بن عاصم ثَنَا أَبُو الْعَوَّامِ، ثنا أَبو إِسْحَاقَ الشَّيْبَانِيِّ، عَنِ عبد الله بنِ أَبِي أَوْفَى قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ اللَّهَ عز وجل مَعَ الْقَاضِي مَا لَمْ يَجُرْ فَإِذَا جَارَ تَبَرَّأَ اللَّهُ مِنْهُ ولزمه الشيطان هـ.

رواه محمد بن بلال عن أبي العوام، أخبرنا أَحْمَدُ ومحمد قالا أنا ابن أبي عاصم، حدثني محمد بن عبد الله بن نمير ثنا مُحَمَّدُ بْنُ بِلَالٍ الكندي ثنا أبو العوام عِمْرَانَ الْقَطَّانِ عَنْ الشَّيْبَانِيِّ عَنْ ابْنِ أَبِي أَوْفَى قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ اللَّهَ تبارك وتعالى مَعَ الْقَاضِي مَا لَمْ يَجُرْ فَإِذَا جَارَ تخلى عنه هـ.
১৬- হুসাইন ইবনে যায়েদ ইবনে আলী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি তাঁর পিতা আল-হুসাইন থেকে, তিনি আলী (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতিমাকে বলেছেন: "নিশ্চয় আল্লাহ তোমার ক্রোধে রাগান্বিত হন এবং তোমার সন্তুষ্টিতে সন্তুষ্ট হন।" এটি সহীহ। আমি বলছি, বরং এটি সহীহ নয় এবং হুসাইন পরিত্যক্ত। হ।

১৭- আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুকরাম ইবনে আহমাদ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে ইউসুফ আল-হামদানী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল মুমিন ইবনে আলী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুস সালাম ইবনে হারব উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি যায়েদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি ফাতিমার নিকট প্রবেশ করলেন এবং বললেন: "আল্লাহর শপথ, আপনার পিতার পর মানুষের মধ্যে আপনার চেয়ে অধিক প্রিয় আমার নিকট আর কেউ নেই।" এটি একটি ধারণা মাত্র।

-পৃষ্ঠা ১৫১খ-

১৮- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাহল বিশর ইবনে আহমাদ ইবনে বিশর, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবনে সুফিয়ান, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্বাস ইবনে আবদুল আযীম; এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান ও মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ আল-সাকাফী, তাঁরা বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে আবি আসিম, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হালওয়ানী (হ); এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হুসাইন ইবনে মুখারিক, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে যুহাইর, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে যায়েদ; তাঁরা বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে আসিম, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আল-আওয়াম, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক আল-শায়বানী, আবদুল্লাহ ইবনে আবি আওফা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "নিশ্চয় আল্লাহ মহান ও পরাক্রমশালী বিচারকের সাথে থাকেন যতক্ষণ না তিনি অন্যায় করেন। যখন তিনি অন্যায় করেন, তখন আল্লাহ তাঁর থেকে দায়মুক্ত হন এবং শয়তান তাঁকে আঁকড়ে ধরে।" হ।

মুহাম্মদ ইবনে বিলাল এটি আবু আল-আওয়াম থেকে বর্ণনা করেছেন; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে আবি আসিম, আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে নুমাইর, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে বিলাল আল-কিন্দি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আল-আওয়াম ইমরান আল-কাত্তান আল-শায়বানী থেকে, তিনি ইবনে আবি আওফা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "নিশ্চয় আল্লাহ কল্যাণময় ও সুউচ্চ বিচারকের সাথে থাকেন যতক্ষণ না তিনি অন্যায় করেন। যখন তিনি অন্যায় করেন, তখন তিনি তাঁকে পরিত্যাগ করেন।" হ।
(খণ্ড: ১) আহাদীছ মুসনাদাহ ফী আবওয়াবিল কাদা লি আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ৭)
ورواه ابن مسعود، أخبرنا أحمد بن الحسن ومحمد بن أحمد الثقفي قالا أنا ابن أبي عاصم حدثني خليقة بن خياط ثنا سهل بن حماد، ثنا حفص بن سليمان العبدي، حدثني عيسى بن مسلم الجدلي، عن طارق بن شهاب، عن عبد الله بن مسعود رضي الله عنه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إِنَّ اللَّهَ تبارك وتعالى مَعَ الْقَاضِي مَا لَمْ يَجُرْ عمدا هـ.

ورواه معقل بن يسار أخبرنا سليمان بن أحمد أبو عبيد ثنا أبو زرعة الدمشقي ثنا أبو اليمان ثنا إسماعيل بن عياش عن يحيى بن يزيد عن زيد بن أبي أنيسة عن نفيع بن الحارث عن معقل بن يسار قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله مع القاضي ما لم يحف عمدا هـ.

أخبرنا عبد الله بن محمد بن عيسى ثنا سهل بن عبد الله

-ق152أ-

ثنا أيوب ثنا ابن عياش عن يحيى بن يزيد بن أبي شيبة (كذا بالأصل والصحيح يحيى بن يزيد أبوشيبة) (بياض بالأصل والكلمة الساقطة (عن زيد بن أبي)) أنيسة عن نفيع بن الحارث عن معقل بن (بياض بالأصل والكلمة الساقطة (يسار قَالَ: أَمَرَنِي)) رسول الله صلى الله عليه وسلم أَنْ أَقْضِيَ بَيْنَ قَوْمي (بياض بالأصل والكلمة الساقطة (فَقُلْتُ يا رسول الله مَا)) أُحْسِنُ أَنْ أَقْضِيَ فقال رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم إن اللَّهَ تعالى مَعَ (بياض بالأصل والكلمة المفقودة (الْقَاضِي مَا لَمْ)) يَحِفْ عَمْدًا ثلاث مرات.

باب أمر النبي صلى الله عليه وسلم عليا رضي الله عنه أن يجعل حكم الله بين عينيه

19- أخبرنا أحمد بن الحسن، ومحمد بن أحمد الثقفي قالا أنا ابن......... (1) ثنا محمد بن يحيى الباهلي ثنا يعقوب بن محمد ثنا عبد العزيز بن عمران عن محمد بن عبد العزيز عن الزهري عن سالم عن أبيه أن عمر رضي الله عنه قال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم عليا فقال يا علي اجعل حكم الله تبارك وتعالى بين عينيك، وحكم الشيطان تحت قدميك هـ.

--------------------------------------------

(1) غير واضح بالأصل والراجح عندي "ابن أبي عاصم".
এটি ইবনে মাসউদ কর্তৃক বর্ণিত হয়েছে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনুল হাসান এবং মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আস-সাকাফি, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে আবি আসিম, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন খলিফা ইবনে খইয়াত, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সাহল ইবনে হাম্মাদ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাফস ইবনে সুলাইমান আল-আবদি, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন ঈসা ইবনে মুসলিম আল-জাদালি, তারিক ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তায়ালা বিচারকের সাথে থাকেন যতক্ষণ না সে ইচ্ছাকৃতভাবে জুলুম করে।" (সমাপ্ত)

এবং এটি মা'কিল ইবনে ইয়াসার কর্তৃক বর্ণিত হয়েছে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান ইবনে আহমাদ আবু উবাইদ, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু জুরআ আদ-দিমাশকি, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু ইয়ামান, আমাদের বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে আইয়াশ, ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াজিদ থেকে, তিনি জায়েদ ইবনে আবি আনাইসা থেকে, তিনি নুফাই ইবনুল হারিস থেকে, তিনি মা'কিল ইবনে ইয়াসার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ বিচারকের সাথে থাকেন যতক্ষণ না সে ইচ্ছাকৃতভাবে অবিচার করে।" (সমাপ্ত)

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা, আমাদের বর্ণনা করেছেন সাহল ইবনে আবদুল্লাহ

-পৃষ্ঠা ১৫২-ক-

আমাদের বর্ণনা করেছেন আইয়ুব, আমাদের বর্ণনা করেছেন ইবনে আইয়াশ, ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াজিদ ইবনে আবি শাইবা থেকে (মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে, তবে সঠিক হলো ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াজিদ আবু শাইবা) (মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান রয়েছে এবং বাদ পড়া শব্দগুলো হলো: (জায়েদ ইবনে আবি)) আনাইসা থেকে, তিনি নুফাই ইবনুল হারিস থেকে, তিনি মা’কিল ইবনে (মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান রয়েছে এবং বাদ পড়া শব্দগুলো হলো: (ইয়াসার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন)) আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেন আমি আমার কওমের মধ্যে বিচার ফয়সালা করি (মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান রয়েছে এবং বাদ পড়া শব্দগুলো হলো: (আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমি তো ভালোমতো)) বিচার করতে জানি না। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা (মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান রয়েছে এবং হারানো শব্দটি হলো: (বিচারকের সাথে)) থাকেন যতক্ষণ না সে ইচ্ছাকৃতভাবে অবিচার করে" - এ কথাটি তিনি তিনবার বললেন।

পরিচ্ছেদ: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কর্তৃক আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে আল্লাহর বিধানকে তাঁর দুই চোখের সামনে রাখার নির্দেশ প্রদান

১৯- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনুল হাসান এবং মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আস-সাকাফি, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে... (১), আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-বাহিলি, আমাদের বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব ইবনে মুহাম্মাদ, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবদুল আজিজ ইবনে ইমরান, মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল আজিজ থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আলীকে (কোনো কাজে) প্রেরণ করলেন এবং বললেন: "হে আলী, তুমি আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তায়ালার বিধানকে তোমার দুই চোখের সামনে রাখবে এবং শয়তানের বিধানকে তোমার দুই পায়ের নিচে রাখবে।" (সমাপ্ত)

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এটি অস্পষ্ট, তবে আমার নিকট অধিকতর সঠিক মনে হয় "ইবনে আবি আসিম"।
(খণ্ড: ১) আহাদীছ মুসনাদাহ ফী আবওয়াবিল কাদা লি আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ৮)
باب بيان النبي صلى الله عليه وسلم حال الراشي والمرتشي هـ.

20- أخبرنا أبو بكر محمد بن أحمد بن يعقوب الشيباني ثنا إبراهيم بن نايلة ثنا عباس بن الوليد ح، وأخبرنا علي بن أحمد بن معاذ ثنا محمد بن حمدون بن خالد ثنا الحسن بن مكرم ثنا عمرو بن عون ح، وأخبرنا أحمد بن الحسن، ومحمد بن أحمد الثقفي قالا أنا ابن أبي عاصم ثنا عباس النرسي قالا ثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ عُمَرَ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الرَّاشِي وَالْمُرْتَشِي فِي الْحُكْمِ هـ.

ورواه عبيد الله بن عمرو هـ. أخبرنا أبو القاسم الطبراني ثنا ابن أبي مريم ثنا الفريابي ثنا الثوري عن ابن أبي ذئب عن الحارث بن

-ق152ب-

(طمس بالأصل والمطموس هو. . عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ) عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو رضي الله عنهما قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ (طمس بكلمتين من بداية السطر الثاني بق 151ب ب. . والمطموس. .صلى الله عليه وسلم لَعْنَةُ اللَّهِ عَلَى) الرَّاشِي وَالْمُرْتَشِي هـ.

رواه أحمد بن يونس وعلي بن (بياض بالأصل وهو بن بحر) هـ.:

أخبرنا عبد الله بن محمد الخشاب ثنا أحمد بن (بياض بالأصل أظنه بن مهدي) ثنا أحمد بن يونس، وأخبرنا أبو أحمد الحافظ ثنا عبد الله بن محمد (بياض بالأصل) بن الجعد قالا ثنا ابْنِِ أَبِي ذِئْبٍ بإسناده هـ ح.

وأخبرنا (بياض بالأصل) ثنا موسى بن إسحاق ثنا أحمد بن يونس ثنا ابن أبي ذئب بإسناده مثله.

ورواه ابن جريج عن ابن أبي ذئب:

وأخبرنا سليمان بن أحمد ثنا أحمد بن سهل بن أيوب ثنا علي بن بحر ثنا هشام بن يوسف عن ابن جريج عن ابن أبي ذئب عن الحارث عن أبي سلمة مثله.

ورواه وكيع عن ابن أبي ذئب:
নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক ঘুষদাতা এবং ঘুষগ্রহীতার অবস্থা বর্ণনা সংক্রান্ত অধ্যায়।

২০- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে ইয়াকুব আল-শায়বানি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবরাহিম ইবনে নাইলাহ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্বাস ইবনুল ওয়ালিদ (হ)। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে আহমাদ ইবনে মুয়ায, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে হামদুন ইবনে খালিদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাসান ইবনে মুকরিম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আমর ইবনে আউন (হ)। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনুল হাসান এবং মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আল-সাকাফি, তারা উভয়েই বলেছেন— আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে আবি আসিম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্বাস আল-নারসি। তারা উভয়েই বলেছেন— আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আওয়ানাহ, উমর ইবনে আবি সালামাহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিচারের ক্ষেত্রে ঘুষদাতা এবং ঘুষগ্রহীতার ওপর অভিসম্পাত করেছেন।

আর এটি উবাইদুল্লাহ ইবনে আমর বর্ণনা করেছেন। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আত-তাবারানি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবনে আবি মারইয়াম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-ফারইয়াবি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আস-সাওরি, ইবনে আবি যিব থেকে, আল-হারিস ইবনে

-পৃষ্ঠা ১৫২ বি-

(মূল কপিতে অস্পষ্ট এবং অস্পষ্ট অংশটি হলো: . . আবদুর রহমান, আবু সালামাহ থেকে, তিনি) আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (পৃষ্ঠা ১৫১ বি-র দ্বিতীয় লাইনের শুরু থেকে দুটি শব্দ অস্পষ্ট। অস্পষ্ট অংশটি হলো: . . সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর অভিসম্পাত বর্ষিত হোক) ঘুষদাতা এবং ঘুষগ্রহীতার ওপর।

এটি আহমাদ ইবনে ইউনুস এবং আলী ইবনে (মূল কপিতে শূন্যস্থান রয়েছে, তিনি হলেন ইবনে বাহর) বর্ণনা করেছেন।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-খাশ্শাব, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমাদ ইবনে (মূল কপিতে শূন্যস্থান রয়েছে, আমার ধারণা তিনি ইবনে মাহদি), আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমাদ ইবনে ইউনুস। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ আল-হাফিয, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ (মূল কপিতে শূন্যস্থান রয়েছে) ইবনুল জাদ। তারা উভয়েই বলেছেন— আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবনে আবি যিব তার সনদে (হ)।

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (মূল কপিতে শূন্যস্থান রয়েছে), আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুসা ইবনে ইসহাক, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমাদ ইবনে ইউনুস, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবনে আবি যিব তার সনদে এর অনুরূপ।

আর ইবনে জুরাইজ এটি ইবনে আবি যিব থেকে বর্ণনা করেছেন:

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান ইবনে আহমাদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমাদ ইবনে সাহল ইবনে আইয়ুব, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আলী ইবনে বাহর, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হিশাম ইবনে ইউসুফ, ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি ইবনে আবি যিব থেকে, তিনি হারিস থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

আর ওয়াকি' এটি ইবনে আবি যিব থেকে বর্ণনা করেছেন:
(খণ্ড: ১) আহাদীছ মুসনাদাহ ফী আবওয়াবিল কাদা লি আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ৯)
أخبرنا أحمد بن سهل بن أيوب ومحمد بن أحمد الثقفي قالا أنا ابن أبي عاصم ثنا أبو بكر بن أبي شيبة ثنا وكيع عن ابن أبي ذئب عن الحارث عن أبي سلمة عن أبي هريرة عن عبد الله بن عمرو قال لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم الراشي والمرتشي هـ.

ورواه سلم بن قتيبة:

أخبرنا أحمد بن الحسن، ومحمد بن أحمد الثقفي قالا أنا ابن أبي عاصم ثنا عقبة بن مكرم ثنا سلم بن قتيبة ثنا ابن أبي ذئب عن الحارث بن عبد الرحمن عن أبي سلمة عن عبد الله بن عمرو عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه لعن الراشي والمرتشي والمفتري (يحتمل المعزى. . والمقترى وهى بالأصل) الذي يسعى بينهما هـ.

رواه ثوبان:

أخبرنا أبو بكر الشافعي ثنا محمد بن عبد الله بن مهران ثنا أحمد بن عبد الله بن يونس ثنا أبو بكر بن عياش عن ليث عن أبي الخطاب عن أبي زرعة عن ثوبان رضي الله عنه قال لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم

-ق153أ-

الراشي والمرتشي والرائش الذي يعمل بينهما هـ.

ورواه عبد الرحمن بن عوف:

أخبرنا أبو بكر محمد بن حميد بن سهيل ثنا علي بن عبد الوهاب ثنا محمد بن يحيى الذهلي ثنا ابن أبي مريم ثنا عبد الجبار بن عمر عن أبي حزرة عن الحسن بن أخى أبى سلمة عن أبي سلمة بن عبد الرحمن عن أبيه رضي الله عنه قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لَعَنَ اللَّهُ الآكِلَ وَالْمُطْعِمَ يَعْنِي يُرِيدُ الرِّشْوَةَ.

رواه ابن وهب عن عبد الجبارهـ:

أخبرنا أحمد بن الحسن ومحمد بن أحمد الثقفي قالا أنا ابن أبي عاصم ثنا أبو سعيد دحيم ثنا عبد الله بن وهب ثنا عبد الجبار بن عمر عن أبي حزرة عن الحسن بن أخى أبى سلمة عن أبي سلمة قال سمعت أبي يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لَعَنَ اللَّهُ الآكِلَ وَالْمُطْعِمَ يَعْنِي المرتشي والراشي هـ.

وروت عائشة:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন সাহল বিন আইয়ুব এবং মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-সাকাফি, তাঁরা বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে আবি আসিম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু বকর বিন আবি শায়বাহ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ওয়াকি, ইবনে আবি জিব থেকে, তিনি হারিস থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুষদাতা এবং ঘুষগ্রহীতাকে অভিশাপ দিয়েছেন। সমাপ্ত।

এবং এটি সালাম বিন কুতাইবাহ বর্ণনা করেছেন:

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন আল-হাসান এবং মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-সাকাফি, তাঁরা বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে আবি আসিম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন উকবাহ বিন মুকরিম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সালাম বিন কুতাইবাহ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবনে আবি জিব, হারিস বিন আবদুর রহমান থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আমর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি ঘুষদাতা, ঘুষগ্রহীতা এবং মধ্যস্থতাকারীকে (সম্ভবত মুয়াযযী... এবং মুকতারী যা মূলে রয়েছে) অভিশাপ দিয়েছেন, যে তাদের উভয়ের মাঝে দৌড়ঝাঁপ করে। সমাপ্ত।

এটি সাওবান বর্ণনা করেছেন:

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আশ-শাফিঈ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন মিহরান, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমদ বিন আবদুল্লাহ বিন ইউনুস, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু বকর বিন আইয়াশ, লাইস থেকে, তিনি আবুল খাত্তাব থেকে, তিনি আবু যুরআহ থেকে, তিনি সাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভিশাপ দিয়েছেন—

-পৃষ্ঠা ১৫৩ক-

ঘুষদাতা, ঘুষগ্রহীতা এবং মধ্যস্থতাকারীকে, যে তাদের উভয়ের মাঝে কাজ করে। সমাপ্ত।

এবং এটি আবদুর রহমান বিন আউফ বর্ণনা করেছেন:

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন হুমাইদ বিন সুহাইল, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আলী বিন আবদুল ওয়াহহাব, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আদ-যুহলি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবনে আবি মারয়াম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল জাব্বার বিন উমর, আবু হাযরাহ থেকে, তিনি আবু সালামাহর ভ্রাতুষ্পুত্র হাসান থেকে, তিনি আবু সালামাহ বিন আবদুর রহমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আল্লাহ ভক্ষণকারী এবং আহার প্রদানকারীকে অভিশাপ দিয়েছেন, অর্থাৎ তিনি ঘুষ বুঝিয়েছেন।

এটি ইবনে ওয়াহাব আবদুল জাব্বার থেকে বর্ণনা করেছেন। সমাপ্ত।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন আল-হাসান এবং মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-সাকাফি, তাঁরা বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে আবি আসিম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু সাঈদ দুহাইম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন ওয়াহাব, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল জাব্বার বিন উমর, আবু হাযরাহ থেকে, তিনি আবু সালামাহর ভ্রাতুষ্পুত্র হাসান থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আল্লাহ ভক্ষণকারী এবং আহার প্রদানকারীকে অভিশাপ দিয়েছেন, অর্থাৎ ঘুষগ্রহীতা এবং ঘুষদাতা। সমাপ্ত।

এবং আয়েশা বর্ণনা করেছেন:
(খণ্ড: ১) আহাদীছ মুসনাদাহ ফী আবওয়াবিল কাদা লি আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ১০)
أخبرنا أبو القاسم الطبراني ثنا إبراهيم بن دحيم ثنا أبي ثنا مَرْوَانُ بن مُعَاوِيَةَ ثنا إسحاق بن يحيى بن طلحة عن أبي بكر بن حزم عن عروة عن عائشة رضي الله عنه قالت لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم الراشي والمرتشي هـ.

وروت أم سلمة:

أخبرنا أبو العباس أحمد بن محمد الصدوقي ثنا محمد بن سليمان بن فارس ثنا الزبير بن بكار حدثني يحيى بن المقدام عَنْ مُوسَى بن يَعْقُوبَ عَنْ قُرَيْبَةَ بنتِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهَا عن أُمِّ سَلَمَةَ رضي الله عنها قالت لعن رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الرَّاشِيَ وَالْمُرْتَشِيَ هـ.

باب ما أذن النبي صلى الله عليه وسلم لمن يتمنى الموت إذا بيع الحكم هـ.

حدثنا أحمد بن الحسن بن أيوب ومحمد بن أحمد الثقفي قالا أنا ابن أبي عاصم ثنا عبد الوهاب الحوطي ثنا تليد بن أعين عن الصباح الواسطي عن عبد العزيز بن سعيد عن عمرو بن عنبسة رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا يتمنى أحدكم الموت إلا أن يرى في الإسلام بيعَ الحكم هـ.

رواه عبس الغفاري هـ

أخبرنا أبو القاسم الطبراني ثنا علي بن
আবু আল-কাসিম আত-তাবারানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইব্রাহিম ইবনে দুহাইম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আমার পিতা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মারওয়ান ইবনে মুয়াবিয়া আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইসহাক ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে তালহা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু বকর ইবনে হাযম থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঘুষদাতা এবং ঘুষগ্রহীতাকে অভিশাপ দিয়েছেন। সমাপ্ত।

এবং উম্মে সালামাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহা) বর্ণনা করেছেন:

আবু আল-আব্বাস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আস-সাদুকি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান ইবনে ফারিস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, যুবায়ের ইবনে বাক্কার আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইয়াহইয়া ইবনে আল-মিকদাম আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন মুসা ইবনে ইয়াকুব থেকে, তিনি কুরাইবাহ বিনতে আবদুল্লাহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি উম্মে সালামাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঘুষদাতা এবং ঘুষগ্রহীতাকে অভিশাপ দিয়েছেন। সমাপ্ত।

পরিচ্ছেদ: বিচারকার্য বিক্রয় হতে দেখলে মৃত্যুর আকাঙ্ক্ষা করার বিষয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যা অনুমতি দিয়েছেন। সমাপ্ত।

আহমদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আইয়ুব এবং মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আস-সাকাফি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন, ইবন আবু আসিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল ওয়াহাব আল-হাউতি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তালিদ ইবনে আইয়ান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আস-সাবাহ আল-ওয়াসিতি থেকে, তিনি আবদুল আজিজ ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি আমর ইবনে আনবাসাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: তোমাদের কেউ যেন মৃত্যুর আকাঙ্ক্ষা না করে, যতক্ষণ না সে ইসলামের মধ্যে বিচারকার্য বিক্রয় হতে দেখে। সমাপ্ত।

এটি আবস আল-গিফারি বর্ণনা করেছেন। সমাপ্ত।

আবু আল-কাসিম আত-তাবারানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী ইবনে
(খণ্ড: ১) আহাদীছ মুসনাদাহ ফী আবওয়াবিল কাদা লি আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ১১)
-ق153ب-

عبد العزيز ثنا أبو عبيد القاسم بن سلام ثنا يزيد بن هارون ح. وأخبرنا أبو بكر أحمد بن إبراهيم الإسماعيلي ثنا أبو يعلى والحسن بن سفيان قالا ثنا سويد بن سعيد (بياض بالأصل) أخبرنا الإسماعيلي أنا المنيعي ثنا يحيى الحماني قالوا ثنا شريك عَنْ أَبِي الْيَقْظَانِ عثمان بن عميرعَنْ زَاذَانَ أبو عمر عَنْ عَلِيمٍ قَالَ كُنَّا مَعَ عبس الغفاري فوق سَطْحٍ فرأى الناس يفرون فقال من أي شيء يفرون قلت يفرون من الطاعون فقال ليت الطاعون أخذني فقلت ابن عم أتقول هذا وقد سمعت رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يقول لَا يَتَمَنَّى أَحَدُكُمُ الْمَوْتَ قَالَ قد سَمِعْتُه يَقُولُ بَادِرُوا بِالْمَوْتِ قبل خصال سِتّ إِمْرَة السُّفَهَاءِ وَكَثْرَةَ الشَّرَطِ وَبَيْعَ الْحُكْمِ وَاسْتِخْفَاف بِالدَّمِ وَقَطِيعَة الرَّحِمِ وَنَشْوء يَتَّخِذُونَ الْقُرْآنَ مَزَامِيرَ يُقَدِّمُونَ الرجل يُغَنِّيهِمْ بالقرآن وَإِنْ كَانَ أَقَلَّهم فِقْهًا هـ.

رواه ليث عن زاذان هـ:

أخبرنا أحمد بن الحسن بن أيوب أنا ابن أبي عاصم ثنا الحسين بن الحسن المروزي ثنا أبو الجواب ثنا عمار بن زريق عن ليث عن أبي اليقظان قال كنا جلوسا مع عابس بن عبس الغفاري فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يتخوف على أمته إمارة السفهاء، وبيع الحكم، ونشء يتخذون القرآن مزامير يقدمون الرجل ليس بخيرهم ولا بأفقههم إلا ليغنيهم بالقرآن هـ.

باب بيان النبي صلى الله عليه وسلم في ذم قبول الحاكم الهدية هـ
-১৫৩খ-

আবদুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু উবাইদ আল-কাসিম বিন সাল্লাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইয়াজিদ বিন হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। (হ)। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন ইব্রাহিম আল-ইসমাঈলি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইয়ালা এবং আল-হাসান বিন সুফিয়ান, তাঁরা উভয়ে বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুওয়াইদ বিন সাঈদ (মূল পাণ্ডুলিপিতে এখানে শূন্যস্থান রয়েছে), আল-ইসমাঈলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আল-মুনিঈ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, ইয়াহইয়া আল-হিমমানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা সকলে বলেছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শারিক, তিনি আবু আল-ইয়াকজান উসমান বিন উমাইর থেকে, তিনি জাযান আবু উমর থেকে, তিনি আলিম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা আবস আল-গিফারির সাথে একটি ছাদের উপরে ছিলাম, তখন তিনি দেখলেন যে মানুষ পলায়ন করছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তারা কী থেকে পালাচ্ছে? আমি বললাম, তারা মহামারি থেকে পালাচ্ছে। তখন তিনি বললেন, হায়! যদি মহামারি আমাকে নিয়ে নিত। আমি বললাম, হে চাচাতো ভাই, আপনি কি এ কথা বলছেন অথচ আপনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন যে, 'তোমাদের কেউ যেন মৃত্যুর কামনা না করে'? তিনি বললেন, আমি তাঁকে বলতে শুনেছি যে: 'তোমরা ছয়টি বিষয়ের পূর্বে মৃত্যুর জন্য ত্বরান্বিত হও; মূর্খদের শাসনব্যবস্থা, প্রহরীদের আধিক্য, বিচার বিক্রয় করা (ঘুষের বিনিময়ে রায় দেওয়া), রক্তপাতকে তুচ্ছ জ্ঞান করা, আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা এবং এমন এক প্রজন্মের উদ্ভব যারা কুরআনকে বাদ্যযন্ত্র হিসেবে গ্রহণ করবে; তারা এমন ব্যক্তিকে (ইমামতির জন্য) সামনে এগিয়ে দেবে যে তাদের কুরআন গেয়ে শোনাবে, যদিও সে তাদের মধ্যে ফিকহ বা জ্ঞানের দিক দিয়ে সবচেয়ে নগণ্য হয়।'

লাইস এটি জাযান থেকে বর্ণনা করেছেন।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন আল-হাসান বিন আইয়ুব, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবন আবি আসিম, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন বিন আল-হাসান আল-মারওয়াযি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-জাওয়াব, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আম্মার বিন যুরাইক, তিনি লাইস থেকে, তিনি আবু আল-ইয়াকজান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা আবিস বিন আবস আল-গিফারির সাথে বসা ছিলাম। তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাঁর উম্মতের ব্যাপারে আশঙ্কা প্রকাশ করতে শুনেছি: মূর্খদের শাসনব্যবস্থা, বিচার বিক্রয় করা এবং এমন এক প্রজন্মের উদ্ভব যারা কুরআনকে বাদ্যযন্ত্র হিসেবে গ্রহণ করবে; তারা এমন ব্যক্তিকে সামনে এগিয়ে দেবে যে তাদের মধ্যে উত্তম নয় এবং সবচেয়ে জ্ঞানীও নয়, শুধুমাত্র এই উদ্দেশ্যে যে সে তাদের কুরআন গেয়ে শোনাবে।

অধ্যায়: বিচারক কর্তৃক উপহার গ্রহণ করার নিন্দায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বর্ণনা।
(খণ্ড: ১) আহাদীছ মুসনাদাহ ফী আবওয়াবিল কাদা লি আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ১২)
22- أخبرنا أبو علي محمد بن أحمد بن الحسن ثنا بشر بن موسى ثنا الحميدي ثنا سفيان ثنا الزهري وهشام بن عروة أنا عروة أنه سمع أبا حميد الساعدي يقول اسْتَعْمَلَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم رَجُلاً مِنَ الأَزْدِ يُقَالُ لَهُ ابْنُ اللُّتْبِيَّةِ عَلَى الصَّدَقَةِ فَلَمَّا جَاءَ فَقَالَ هَذَا مَالُكُمْ وَهَذَا أُهْدِيَ إلِي قَالَ فَقَامَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْمِنْبَرِ

-ق154أ-

فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ ثُمَّ قَالَ مَا بَالُ الْعَامِلِ نَبْعَثُهُ عَلَى الْعَمَلِ مِنْ أَعْمَالِنَا فيجيء فَيَقُولُ هَذَا مَالُكُمْ وَهَذَا مَا لِي فَهَلَاّ جَلَسَ فِي بَيْتِ أَبِيهِ أَوْ فِي بَيْتِ أُمِّهِ فَينظر هَلْ يَأْتِيهِ هَدِيَّةٌ أَمْ لَا، ثُمَّ قَالَ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَا يَأْخُذُ أَحَدٌ مِنْكُمْ شَيْئًا إِلَاّ جَاءَ بِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يَحْمِلُهُ عَلَى رَقَبَتِهِ إِنْ كَانَ بَعِيرًا لَهُ رُغَاءٌ أَوْ بَقَرَةً لَهَا خُوَارٌ أَوْ شَاةً تَيْعَرُ (بياض بالأصل وبه. . ثُمَّ رَفَعَ) رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم رأسه (كذا بالأصل وهو خطأ والصحيح يَدَيْهِ) حَتَّى رَأَيْنَا عُفْرَةَ إِبْطَيْهِ ثُمَّ قَالَ (بياض بالأصل وبه. . اللَّهُمَّ هَلْ بَلَّغْتُ) اللَّهُمَّ هَلْ بَلَّغْتُ هـ. قَالَ سُفْيَانُ وَزَادَ فِيهِ هِشَامٌ قَالَ أَبُو حُمَيْدٍ فَبَصُرَتْ عَيْنِي وَسَمِعَتْ أُذُنِاي وَسَلُوا زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ فَإِنَّهُ كَانَ حَاضِرًا مَعِي هـ.

ورواه يحيى بن سعيد عن عروة هـ:

أخبرنا محمد بن نصر المؤدب ثنا عبد الله بن محمد بن زكريا ثنا محمد بن بكير ثنا إسماعيل بن عياش عن يحيى بن سعيد عن عروة عن ابن حميد الساعدي رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم هدايا الأمراء غلول هـ.

ورواه أبو سعيد هـ:
২২- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী মুহাম্মাদ ইবন আহমদ ইবনুল হাসান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন বিশর ইবন মূসা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হুমাইদী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আয-যুহরী এবং হিশাম ইবন উরওয়াহ; তাঁরা উরওয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবু হুমাইদ আস-সাঈদীকে বলতে শুনেছেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আযদ গোত্রের ইবনুল লুতবিয়্যাহ নামক এক ব্যক্তিকে সদকা আদায়ের কাজে নিযুক্ত করলেন। যখন সে ফিরে এল, তখন সে বলল: এগুলো আপনাদের মাল আর এগুলো আমাকে উপহার দেওয়া হয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন: তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বরে দাঁড়ালেন

-পৃ১৫৪ক-

অতঃপর তিনি আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করলেন, তারপর বললেন: সেই কর্মকর্তার কী হলো যাকে আমি আমাদের কোনো কাজে নিযুক্ত করি, আর সে এসে বলে: এটি আপনাদের মাল আর এটি আমার মাল? সে কেন তার বাবার ঘরে বা তার মায়ের ঘরে বসে থাকল না, তখন সে দেখত তাকে উপহার দেওয়া হয় কি না? তারপর তিনি বললেন: যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ, তোমাদের কেউ এর থেকে যা কিছু গ্রহণ করবে, সে তা কিয়ামতের দিন নিজের ঘাড়ের ওপর বহন করে নিয়ে আসবে; যদি তা উট হয় তবে তা চিৎকার করবে, অথবা যদি গাভী হয় তবে তা হাম্বা রব করবে, অথবা যদি বকরী হয় তবে তা ভ্যাঁ ভ্যাঁ করবে। (মূল পাণ্ডুলিপিতে এখানে শূন্যস্থান রয়েছে এবং এতে রয়েছে.. তারপর উত্তোলন করলেন) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর হাত (মূল পাণ্ডুলিপিতে 'মাথা' রয়েছে যা ভুল, সঠিক হলো 'হাত') এতটাই উঁচালেন যে আমরা তাঁর দুই বগলের শুভ্রতা দেখতে পেলাম। তারপর তিনি বললেন (মূল পাণ্ডুলিপিতে এখানে শূন্যস্থান রয়েছে এবং এতে রয়েছে.. হে আল্লাহ, আমি কি পৌঁছে দিয়েছি?) হে আল্লাহ, আমি কি পৌঁছে দিয়েছি? সমাপ্ত। সুফিয়ান বলেন: হিশাম এতে আরও বৃদ্ধি করেছেন যে, আবু হুমাইদ বলেছেন: আমার দুই চোখ তা দেখেছে এবং আমার দুই কান তা শুনেছে, আর তোমরা যায়েদ ইবন সাবিতকে জিজ্ঞাসা করো, কারণ তিনি আমার সাথে উপস্থিত ছিলেন। সমাপ্ত।

এবং ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ এটি উরওয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন। সমাপ্ত:

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবন নাসর আল-মুআদ্দিব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন যাকারিয়া, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন বুকাইর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবন আইয়াশ, তিনি ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি ইবন হুমাইদ আস-সাঈদী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: কর্মকর্তাদের জন্য উপহার হলো আত্মসাৎকৃত সম্পদ। সমাপ্ত।

এবং আবু সাঈদ এটি বর্ণনা করেছেন। সমাপ্ত:
(খণ্ড: ১) আহাদীছ মুসনাদাহ ফী আবওয়াবিল কাদা লি আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ১৩)
أخبرنا عبد الله بن جعفر ثنا إسماعيل ثنا أبو نعيم ثنا سفيان عن أبان بن أبي عياش عن أبي نضرة عن أبي سعيد أن النبي صلى الله عليه وسلم قال هدايا الأمراء غلول هـ.

ورواه أبو هريرةهـ:

أخبرنا محمد بن أبي قطن ثنا أحمد بن عمار ثنا أحمد بن (غير واضح بالأصل. . وهو ابن معاوية بن بكر) ثنا النضر بن شميل ثنا ابن عون عن ابن سيرين عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم هدايا الأمراء غلول هـ.

حدثنا أحمد بن الحسن بن أيوب أنا ابن أبي عاصم ثنا أبو بكر ثنا ابن مهدي عن شعبة عن أبي قزعة عن أبي سعيد الخدري قال هدايا الأمراء غلول هـ.

باب ذم النبي صلى الله عليه وسلم القاضي يتاجر في البلد الذي يلي الحكم بين أهله هـ

23- أخبرنا أحمد بن الحسن ومحمد بن أحمد الثقفي قالا ثنا ابن أبي حاتم ثنا الحوطي ثنا بقية ثنا خالد بن حميد المهري عن أبي (طمس بالأصل وهو. . الأَسْوَدِ) الْمَالِكِيُّ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ قَالَ

-ق154ب-

رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا عَدَلَ وَالٍ اتَّجَرَ فِي رَعِيَّتِهِ هـ. وبه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن من أخون الخيانة تجارة الوالي في رعيته هـ.

باب تولية القاضي قرابته هـ

أخبرنا أبو القاسم الطبراني ثنا أبو زرعة الدمشقي ثنا أبو مسهر الغساني ثنا صدقة بن خالد عن زيد بن واقد عن بسر بن (بياض بالأصل وهو. . عبد الله) عن يزيد بن الأصم قال سمعت عوف بن مالك في مسجد دابق يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إِنْ شِئْتُمْ أَنْبَأْتُكُمْ عَنِ الإِمَارَةِ وَمَا فيها فَقُمْتُ فَنَادَيْتُ بِأَعْلَى صَوْتِي مَا هِيَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ أَوَّلُهَا مَلامَةٌ وَثَانِيهَا نَدَامَةٌ وَثَالِثُهَا عَارٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِلا مَنْ عَدَلَ وَكَيْفَ يَعْدِلُ مَعَ أَقَارِبِهِ هـ. رواه الوليد عن صدقة
আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন ইসমাইল আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আবু নুআইম আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন সুফিয়ান আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবান ইবনে আবি আইয়াশ থেকে, তিনি আবু নাদরাত থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "শাসকদের উপহার গ্রহণ হলো আত্মসাৎ (গুলুল)।"

এবং এটি আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেছেন:

মুহাম্মাদ ইবনে আবি কুতন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আহমাদ ইবনে আম্মার আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আহমাদ ইবনে (মূল পাণ্ডুলিপিতে অস্পষ্ট... তিনি হলেন ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে بکر) আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন নাদর ইবনে শুমাইল আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন ইবনে আউন ইবনে সিরিন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "শাসকদের উপহার গ্রহণ হলো আত্মসাৎ।"

আহমাদ ইবনে হাসান ইবনে আইয়ুব আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন ইবনে আবি আসিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আবু বকর আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন ইবনে মাহদি শুবা থেকে, তিনি আবু কাযাআ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "শাসকদের উপহার গ্রহণ হলো আত্মসাৎ।"

পরিচ্ছেদ: বিচারক যে অঞ্চলে বিচারকার্য পরিচালনা করেন সেখানে তার ব্যবসা করার ব্যাপারে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিন্দা

২৩- আহমাদ ইবনে হাসান এবং মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আস-সাকাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তারা উভয়ে বলেন ইবনে আবি হাতিম আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আল-হাওতি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন বাকিয়া আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন খালিদ ইবনে হুমাইদ আল-মাহরি আবু (মূল পাণ্ডুলিপিতে অস্পষ্ট, তিনি হলেন... আসওয়াদ) আল-মালিকি থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন:

-পৃষ্ঠা ১৫৪খ-

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে শাসক তার প্রজাদের মধ্যে ব্যবসা করে সে ন্যায়বিচার করতে পারে না।" এবং এর মাধ্যমেই বর্ণিত যে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই সবচেয়ে জঘন্যতম খিয়ানত হলো শাসকের তার প্রজাদের মধ্যে ব্যবসা করা।"

পরিচ্ছেদ: বিচারক কর্তৃক তার আত্মীয়-স্বজনকে নিয়োগ প্রদান করা

আবুল কাসিম আত-তাবারানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আবু জুরআ আদ-দিমাশকি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আবু মুশহির আল-গাসসানি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন সাদাকা ইবনে খালিদ যায়েদ ইবনে ওয়াকিদ থেকে, তিনি বুসর ইবনে (মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান... তিনি হলেন আব্দুল্লাহ) থেকে, তিনি ইয়াজিদ ইবনে আল-আসাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি দাবিক মসজিদে আউফ ইবনে মালিককে বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা যদি চাও তবে আমি তোমাদেরকে নেতৃত্ব এবং এতে কী রয়েছে সে সম্পর্কে সংবাদ দেব।" তখন আমি দাঁড়িয়ে উচ্চস্বরে ডাক দিয়ে বললাম, "হে আল্লাহর রাসূল! সেটি কী?" তিনি বললেন: "এর প্রথমটি হলো তিরস্কার, দ্বিতীয়টি হলো অনুশোচনা এবং তৃতীয়টি হলো কিয়ামতের দিন লাঞ্ছনা, তবে যে ন্যায়বিচার করে তার কথা ভিন্ন। আর সে তার আত্মীয়-স্বজনদের ক্ষেত্রে কীভাবে ন্যায়বিচার করবে?" এটি ওয়ালিদ সাদাকা থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আহাদীছ মুসনাদাহ ফী আবওয়াবিল কাদা লি আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ১৪)
باب قول النبي صلى الله عليه وسلم إنكم تختصمون إلي ولعل بعضكم أن يكون ألحن بحجته من بعض وإنها على الحاكم أن يحكم بالظاهر هـ

24- أخبرنا أحمد بن محمد بن السني أن أبو عبد الرحمن ثنا عمرو بن علي ثنا يحيى ثنا هشام بن عروة ح. وأخبرنا أبو بكر عبد الله بن يحيى بن معاوية ثنا عبد الله بن غنام بن حفص ثنا أبو بكر بن أبي شيبة ثنا وكيع عن هشام بن عروة عن أبيه عن زينب بنت أم سلمة قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنكم تختصمون إليّ إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ لَعَلَّ بَعْضَكُمْ أَنْ يَكُونَ أَلْحَنَ بِحُجَّتِهِ مِنْ بَعْضٍ وأنا أَقْضِىَ بينكم عَلَى نَحْوِ مَا أَسْمَعُ فَمَنْ قَضَيْتُ لَهُ مِنْ حَقِّ أَخِيهِ شيئا فَلَا يَأْخُذَه مِنْهُ فَإِنَّمَا أَقْطَعُ لَهُ قِطْعَةً مِنَ نار جهنم يأتي بها يوم القيامة هـ.

رواه الزهري عن عروة هـ:

أخبرنا أحمد بن الحسن بن أيوب ومحمد بن أحمد الثقفي قالا أنا ابن أبي عاصم ثنا سلمة بن شبيب ثنا عبد الرزاق عن معمر عن الزهري عن عروة عن زينب بنت أم سلمة رضي الله عنها سمع النبيُّ صلى الله عليه وسلم جَلَبَةً خصمين عند باب أم سلمة فخرج إليها فقال إنكما

-ق155أ-

تختصمان إليّ وإِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ ولعل بعضكم أن يكون ألحن بِحُجَّتِهِ مِنْ بَعْضٍ فَأَقْضِي لَهُ بِمَا أَسْمَعُ وَأَظُنُّهُ صَادِقًا فَمَنْ قَضَيْتُ لَهُ بِشَيْءٍ مِنْ حَقِّ أَخِيهِ فإنما أقطع له قِطْعَةٌ مِنَ النَّارِ فَلْيَأْخُذْهَا أَوْ لِيَدَعْهَا هـ.

رواه أسامة بن زيد عن الزهري هـ:
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী সম্পর্কিত অধ্যায়: "তোমরা আমার নিকট বিবাদ নিয়ে আসো এবং সম্ভবত তোমাদের কেউ অন্যজনের চেয়ে দলিলে অধিক পারদর্শী হতে পারো" এবং বিচারকের জন্য বাহ্যিক বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে বিচার করা আবশ্যক।

২৪- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আস-সুন্নী যে, আবু আবদুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর বিন আলী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম বিন উরওয়াহ (হ)। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আবদুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া বিন মুয়াবিয়া, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন গান্নাম বিন হাফস, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবি শায়বাহ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়াকি, তিনি হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি উম্মে সালামার কন্যা যয়নব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমরা আমার নিকট বিবাদ নিয়ে আসো, অথচ আমি কেবল একজন মানুষ। সম্ভবত তোমাদের কেউ অন্যজনের চেয়ে তার দলিলে অধিক পারদর্শী হতে পারো এবং আমি যা শুনি তার আলোকেই তোমাদের মধ্যে বিচার করি। অতএব, আমি যদি কারো জন্য তার ভাইয়ের হকের কোনো অংশ ফয়সালা করে দিই, তবে সে যেন তা গ্রহণ না করে। কেননা আমি তাকে জাহান্নামের আগুনের একটি টুকরো কেটে দিচ্ছি, যা সে কিয়ামতের দিন বহন করে আনবে।"

এটি যুহরী, উরওয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন:

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন আল-হাসান বিন আইয়ুব এবং মুহাম্মদ বিন আহমদ আস-সাকাফী, তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনুল আবি আসিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালামাহ বিন শাবীব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রাজ্জাক, তিনি মা’মার থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি উম্মে সালামার কন্যা যয়নব (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মে সালামার দরজার কাছে দুই বিবাদীর উচ্চবাচ্য শুনতে পেলেন। তখন তিনি তাদের কাছে বেরিয়ে এলেন এবং বললেন: "তোমরা দুজনে

-পৃষ্ঠা ১৫৫ক-

আমার নিকট বিবাদ নিয়ে এসেছ, অথচ আমি কেবল একজন মানুষ। সম্ভবত তোমাদের কেউ অন্যজনের চেয়ে দলিলে অধিক পারদর্শী হতে পারো, ফলে আমি যা শুনি তার ভিত্তিতে বিচার করি এবং তাকে সত্যবাদী মনে করি। অতএব, আমি যদি কারো জন্য তার ভাইয়ের হকের কোনো কিছু ফয়সালা করে দিই, তবে আমি আসলে তাকে আগুনের একটি টুকরো কেটে দিচ্ছি। এখন সে চাইলে তা গ্রহণ করুক অথবা বর্জন করুক।"

এটি উসামাহ বিন যায়েদ, যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আহাদীছ মুসনাদাহ ফী আবওয়াবিল কাদা লি আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ১৫)
(بياض بالأصل. . والساقط هو أخبرنا أحمد بن) الحسن ومحمد بن أحمد الثقفي قالا نبأ ابن أبي عاصم ثنا يعقوب بن حُمَيْدٍ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بن مُوسَى عَنْ أُسَامَةَ بن زَيْدٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُرْوَةَ أَنَّ زَيْنَبَ بنتَ أُمِّ سَلَمَةَ عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ أَنّ رسول الله صلى الله عليه وسلم سَمِعَ جَلَبَةَ خصمٍ بِبَابِ حجرته فخرج إليهم فقال إني إنما أنا بشر يأتيني الخصم وَلَعَلَّ بَعْضَكُمْ أَنْ يَكُونَ أَبلَغ مِنْ بَعْضٍ فأحسب أنه صادقا فَأَقْضِي لَهُ فَمَنْ قَضَيْتُ لَهُ بِحق مسلم فَإِنَّما أقطع له قِطْعَةٌ مِنَ النَّارِ فَلْيَأْخُذْهَا أَوْ لِيَدَعْهَا هـ.

رواه شعيب عن الزهري هـ:

أخبرنا أبو القاسم الطبراني ثنا أبو زرعة الدمشقي ثنا أبو اليمان أنا شعيب عن الزهري أخبرني عروة بن الزبيرأ، زينب أم سلمة أخبرته عن أمها أم سلمة قالت سمع النبي صلى الله عليه وسلم خصاما عند بابه فخرج إليهم فقال إنما أنا بشر وإنه يأتيني الخصم فلعل بعضكم أن يكون أبلغ من بعض فأقضي له بذلك وأحسب أنه صادق فمن قضيت له بحق مسلم فإنما هي قطعة من النار فليأخذها أو فليدعها هـ.

رواه بشر بن شعيب عن أبيه ورواه جعفر عن الزهري هـ:

أخبرنا أحمد بن الحسن أنا ابن أبي عاصم ثنا سليمان بن عمر بن خالد ثنا فياض بن محمد عن جعفر بن برقان عن الزهري عن عروة عن زينب بنت أبي سلمنة عن أم سلمة رضي الله عنها قالت سمع النبي صلى الله عليه وسلم جلبة خصم عنه الباب فخرج إليهم إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ وإنكم تَخْتَصِمُونَ إِلَيَّ وَلَعَلَّ بَعْضَكُمْ أَنْ يَكُونَ أَبلَغ مِنْ بَعْضٍ فَأَقْضِي لَهُ بذلك لما أحسب أنه صادق فَمَنْ قَضَيْتُ لَهُ بحَقِّ مسلم فَإِنَّما أقطع له قِطْعَةٌ مِنَ جهنم أخذَهَا أَو يذرها هـ.

رواه عبد الله بن رافع

-ق155ب-

عن أم سلمةهـ:
(মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান। যা বাদ পড়েছে তা হলো: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনুল) হাসান এবং মুহাম্মদ ইবনু আহমাদ আস-সাক্বাফী; তাঁরা বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনু আবী আসিম, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াকূব ইবনু হুমায়দ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনু মূসা, উসামাহ ইবনু যায়েদ থেকে, তিনি ইবনু শিহাব থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে যে, উম্মু সালামাহর কন্যা যয়নাব উম্মু সালামাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর কক্ষের দরজায় বিবাদমান ব্যক্তিদের শোরগোল শুনতে পেলেন। তিনি তাদের নিকট বেরিয়ে আসলেন এবং বললেন: "নিশ্চয়ই আমি একজন মানুষ মাত্র। আমার নিকট বিবাদমান পক্ষ আসে এবং সম্ভবতঃ তোমাদের কেউ অন্য কারো চেয়ে অধিক বাকপটু হয়, ফলে আমি মনে করি যে সে সত্যবাদী এবং তার পক্ষে ফয়সালা প্রদান করি। সুতরাং আমি যার পক্ষে কোনো মুসলিমের হকের ফয়সালা করে দেই, আমি আসলে তার জন্য আগুনের একটি টুকরোই বরাদ্দ করি; সে চাইলে তা গ্রহণ করতে পারে অথবা বর্জন করতে পারে।" সমাপ্ত।

শুআইব এটি আয-যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন। সমাপ্ত।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আত-তাবারানী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবূ যুরআহ আদ-দিমাশকী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল ইয়ামান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শুআইব আয-যুহরী থেকে, তিনি বলেন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন উরওয়াহ ইবনুল যুবায়র, যয়নাব উম্মু সালামাহ তাঁকে তাঁর মা উম্মু সালামাহ থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর দরজার কাছে বিবাদ শুনতে পেলেন, ফলে তিনি তাদের নিকট বেরিয়ে আসলেন এবং বললেন: "আমি তো একজন মানুষ মাত্র এবং আমার নিকট বিবাদমান পক্ষ আসে। হতে পারে তোমাদের কেউ অন্য কারো চেয়ে অধিক বাকপটু, ফলে আমি সে অনুযায়ী তার পক্ষে ফয়সালা করি এবং মনে করি যে সে সত্যবাদী। সুতরাং আমি যার পক্ষে কোনো মুসলিমের হকের ফয়সালা করি, তা তো আগুনের একটি টুকরো মাত্র; সে চাইলে তা গ্রহণ করতে পারে অথবা বর্জন করতে পারে।" সমাপ্ত।

বিশর ইবনু শুআইব তাঁর পিতা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন এবং জাফর এটি আয-যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন। সমাপ্ত।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনুল হাসান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনু আবী আসিম, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুলাইমান ইবনু উমর ইবনু খালিদ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ফায়্যাদ ইবনু মুহাম্মদ, জা'ফর ইবনু বুরক্বান থেকে, তিনি আয-যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি যয়নাব বিনতে আবী সালামাহ থেকে, তিনি উম্মু সালামাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দরজার নিকট বিবাদকারীদের শোরগোল শুনতে পেলেন, তাই তিনি তাদের নিকট বেরিয়ে আসলেন (এবং বললেন): "আমি তো একজন মানুষ মাত্র এবং তোমরা আমার নিকট বিবাদ নিয়ে আসো। সম্ভবত তোমাদের কেউ অন্য কারো চেয়ে অধিক বাকপটু, ফলে আমি তার পক্ষে ফয়সালা দেই এ কারণে যে আমি তাকে সত্যবাদী মনে করি। সুতরাং আমি যার জন্য কোনো মুসলিমের হকের ফয়সালা করি, আমি আসলে তার জন্য জাহান্নামের একটি টুকরোই বরাদ্দ করি; সে তা গ্রহণ করুক অথবা বর্জন করুক।" সমাপ্ত।

এটি আবদুল্লাহ ইবনু রাফি' বর্ণনা করেছেন।

-পৃষ্ঠা ১৫৫খ-

উম্মু সালামাহ থেকে। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১) আহাদীছ মুসনাদাহ ফী আবওয়াবিল কাদা লি আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ১৬)
أخبرنا أحمد بن الحسن ومحمد بن أحمد الثقفي قالا أنا ابن أبي عاصم (بياض بالأصل والساقط. . ثنا يعقوب بن حميد بن) كاسب ثنا عبد الله بن موسى ثنا أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ رَافِعٍ (بياض بالأصل. . مولى) أبي سلمة عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ قَالَتْ جَاءَ رَجُلَانِ مِنْ الأَنْصَارِ يَخْتَصِمَانِ إلَى رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فِي مَوَارِيثَ بَيْنَها قَدْ (بياض بالأصل. . دَرَسَتْ لَيْسَتْ لها بَيِّنَةٌ فَقَالَ) النبى صلى الله عليه وسلم إنكم تختصمون إلىّ وإنما أقضى برأى فيما لم ينزل على فيه فمن قضيت له فيه بحجة يقتطع بها شيئا من حق أخيه فإنما اقتطع له قطعة من النار يأتى بها يوم القيامة أسطاما فى عنقه فبكى الرجلان وقال كل واحد منهما يا رسول الله حقى له فقال النبى صلى الله عليه وسلم أما إذا فعلتما فاذهبا فتوخيا الحق واقسما واستهما وليحلل كل واحد منكما صاحبه هـ.

ورواه أبو هريرة هـ:

أخبرنا أبو سهل بشر بن أحمد أنا الحسن بن سفيان ثنا وهب بن بقية ثنا خالد عن محمد بن عمرو عن أبي سلمة عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أنما أنا بشر ولعل بعضكم أن يكون ألحن بِحُجَّتِهِ مِنْ بَعْضٍ فمن قطعت لَهُ من مال أخيه ِشَيْئا فإنما أقطع له قِطْعَة مِنَ النَّارِ هـ.

رواه ابن بشر عن محمد هـ:

أخبرنا أحمد بن الحسن ومحمد بن أحمد قالا أنا ابن أبي عاصم ثنا أبو بكر ثنا محمد بن بشر ثنا محمد بن عمرو عن أبي سلمة عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما أنا بشر ولعل بعضكم أن يكون ألحن بحجته من بعض فمن قطعت له من حق أخيه فإنما أقطع له قطعة من النار هـ.

باب ما أمر به القاضي أن لا يسمع من خصم حتى يحضرخصمه هـ
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন হাসান এবং মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আস-সাকাফী, তাঁরা বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে আবি আসিম (মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান ও বিলুপ্ত অংশ... আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব বিন হুমায়িদ বিন কাসিব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন মূসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসামা বিন যায়িদ, আব্দুল্লাহ বিন রাফি (মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান... আবু সালামার মুক্তদাস) থেকে, তিনি উম্মে সালামাহ থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আনসারদের দুইজন ব্যক্তি তাদের মধ্যকার উত্তরাধিকার নিয়ে বিরোধপূর্ণ বিষয় নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন যা অনেক পুরাতন হয়ে গিয়েছিল এবং এর স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ ছিল না। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “তোমরা আমার নিকট বিবাদ নিয়ে আসো, আর আমি তো কেবল আমার মত অনুযায়ী ফয়সালা করি ঐসব বিষয়ে যে ব্যাপারে আমার নিকট ওহী অবতীর্ণ হয়নি। সুতরাং আমি যদি কারও অনুকূলে তার দলীল উপস্থাপনের ভিত্তিতে তার ভাইয়ের হকের কিছু অংশ প্রদানের ফয়সালা করি, তবে আমি তার জন্য আগুনের একটি টুকরোই বরাদ্দ করলাম, যা সে কিয়ামতের দিন তার গলায় বেড়ি হিসেবে পরিহিত অবস্থায় নিয়ে আসবে।” তখন লোক দুজন কান্নায় ভেঙে পড়লেন এবং তাদের প্রত্যেকেই বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল! আমার হক তার জন্য (ছেড়ে দিলাম)।” তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “যেহেতু তোমরা এরূপ করলে, তবে এখন যাও এবং সত্যকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করো ও (সম্পদ) বণ্টন করো এবং লটারি করো। আর তোমাদের প্রত্যেকে যেন তার সাথীকে দায়মুক্ত (হালাল) করে দাও।” সমাপ্ত।

আর এটি আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেছেন সমাপ্ত:

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাহল বিশর বিন আহমাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান বিন সুফিয়ান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়াহাব বিন বাকিয়্যাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ, মুহাম্মাদ বিন আমর থেকে, তিনি আবু সালামা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আমি তো কেবল একজন মানুষ। সম্ভবত তোমাদের কেউ অন্যজনের তুলনায় তার দলীল উপস্থাপনে অধিক পারদর্শী হতে পারো। সুতরাং আমি যদি কারো অনুকূলে তার ভাইয়ের সম্পদের কোনো অংশ ফয়সালা করে দেই, তবে আমি তার জন্য আগুনের একটি টুকরোই বরাদ্দ করছি।” সমাপ্ত।

ইবনে বিশর এটি মুহাম্মাদ থেকে বর্ণনা করেছেন সমাপ্ত:

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন হাসান এবং মুহাম্মাদ বিন আহমাদ, তাঁরা বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে আবি আসিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন বিশর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আমর, আবু সালামা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আমি তো কেবল একজন মানুষ। সম্ভবত তোমাদের কেউ অন্যজনের তুলনায় তার দলীল উপস্থাপনে অধিক পারদর্শী হতে পারো। সুতরাং আমি যদি কারও অনুকূলে তার ভাইয়ের হকের কিছু অংশ ফয়সালা করে দেই, তবে আমি তার জন্য আগুনের একটি টুকরোই বরাদ্দ করছি।” সমাপ্ত।

বিচারক তার প্রতিপক্ষের উপস্থিত হওয়া ছাড়া বিবাদমান কোনো পক্ষের কথা না শোনার নির্দেশ সংক্রান্ত অধ্যায় সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১) আহাদীছ মুসনাদাহ ফী আবওয়াবিল কাদা লি আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ১৭)
25- أخبرنا أحمد بن الحسن بن أيوب ثنا عبد الله بن محمد بن سلام ثنا إسحاق بن إبراهيم ثنا يحيى بن آدم ح. وأخبرنا أحمد ومحمد قالا أنا ابن أبي عاصم ثمت زكريا بن يحيى بن صبيح قالا ثنا شريك عن سماك عن حنش عن علي رضي الله عنه قال بَعَثَنِي رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى قَوْمٍ ذَوِي أَسْنَانٍ، وَأَنَا حَدِيثُ السِّنِّ،

-ق156أ-

فَقَالَ: إِذَا جَاءَكَ الْخَصْمَانِ فَلَا تَسْمَعْ مِنْ أَحَدِهِمَا، حَتَّى تَسْمَعَ مِنَ الآخَرِ، فَإِنَّهُ سَيُبِيرُ قَالَ: فَمَا زِلْتُ قَاضِيًا بعدُ هـ.

ورواه زائدة عن سماك (طمس بالأصل)

أخبرنا أبو الفضل محمد بن عبد الله بن حمدويه الهروي ثنا (بياض بالأصل) ثنا عثمان بن أبي شيبة ثنا جرير عن الأعمش وأخبرنا أحمد بن الحسن (بياض بالأصل) محمد بن سلام ثنا إسحاق بن إبراهيم أنا أَبُو مُعَاوِيَةَ عَنِ الأَعْمَشِ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ عَنْ أَبِي الْبَخْتَرِيِّ عَنْ عَلِيٍّ رضي الله عنه قَالَ بَعَثَنِي رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إلَى أَهْلِ الْيَمَنِ لأَقْضِيَ بَيْنَهُمْ فَقُلْت يَا رَسُولَ اللهِ إنِّي لَا عِلْمَ لِي بِالْقَضَاءِ قَالَ فَضَرَبَ بِيَدِهِ عَلَى صَدْرِي وقَالَ اللَّهُمَّ اهْدِ قَلْبَهُ وَسَدِّدْ لِسَانَهُ فَمَا شَكَكْت فِي قَضَاء اثْنَيْنِ حَتَّى جَلَسْتُ مَجْلِسِي هَذَا هـ.

باب زجر النبي صلى الله عليه وسلم القاضي أن يقضي وهو غضبان هـ
২৫- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন আল-হাসান বিন আইয়ুব, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন সালাম, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইসহাক বিন ইবরাহিম, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন আদম (হ)। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ও মুহাম্মাদ, তাঁরা বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবন আবু আসিম, অতঃপর জাকারিয়া বিন ইয়াহইয়া বিন সবিহ, তাঁরা বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন শরিক, সিমাক থেকে, তিনি হানাস থেকে, তিনি আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বয়োবৃদ্ধ এক সম্প্রদায়ের নিকট প্রেরণ করেছিলেন, অথচ আমি ছিলাম অল্পবয়সী,

-পৃষ্ঠা ১৫৬ক-

তখন তিনি বললেন: যখন তোমার নিকট দুই বিবাদী আসবে, তখন তাদের একজনের কথা শুনেই ফয়সালা করো না যতক্ষণ না অপরজনের কথা শোনো; কেননা শীঘ্রই বিষয়টি তোমার নিকট স্পষ্ট হবে। তিনি (আলী) বলেন: এরপর থেকে আমি সর্বদা বিচারক হিসেবেই দায়িত্ব পালন করে আসছি।

আর যায়িদাহ এটি সিমাক থেকে বর্ণনা করেছেন (মূল পাণ্ডুলিপিতে অস্পষ্ট)।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফজল মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন হামদুয়াইহ আল-হারাবি, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন (মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান), তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন উসমান বিন আবু শাইবাহ, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন জারির, আমাশ থেকে। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন আল-হাসান (মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান) মুহাম্মাদ বিন সালাম, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইসহাক বিন ইবরাহিম, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুয়াবিয়া, আমাশ থেকে, তিনি আমর বিন মুররাহ থেকে, তিনি আবুল বাখতারি থেকে, তিনি আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে ইয়েমেনবাসীদের নিকট তাদের মাঝে বিচার ফয়সালা করার জন্য প্রেরণ করলেন। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! বিচারকার্য সম্পর্কে আমার কোনো জ্ঞান নেই। তিনি বলেন: তখন তিনি তাঁর হাত দিয়ে আমার বুকে আঘাত করলেন এবং বললেন: "হে আল্লাহ! এর অন্তরকে সঠিক পথ প্রদর্শন করুন এবং এর জিহ্বাকে সুদৃঢ় রাখুন।" এরপর থেকে আমি আমার এই আসনে বসা পর্যন্ত দুই ব্যক্তির মধ্যে ফয়সালা করতে গিয়ে কোনো সংশয়ে পড়িনি।

পরিচ্ছেদ: বিচারক রাগান্বিত অবস্থায় থাকাকালীন বিচারকার্য পরিচালনা করা থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বারণ।
(খণ্ড: ১) আহাদীছ মুসনাদাহ ফী আবওয়াবিল কাদা লি আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ১৮)
26- أخبرنا أبو حفص فاروق بن عبد الكبير وسليمان بن أحمد وحبيب القزاز وعمر بن أحمد النهاوندي قالوا ثنا أبو مسلم الكشي أبو عاصم ح (كذا بالأصل والراجح ثنا أبو عاصم) ، وأخبرنا سليمان ثنا حفص بن عمر الرقي ثنا قبيصة بن عقبة ح، وأخبرنا عبد الله بن يحيى بن معاوية ثنا عبد الله بن غنام ثنا أبو بكر بن أبي شيبة ثنا وكيع قالوا ثَنَا سُفْيَانُ عن عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عُمَيْرٍ عن عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي بَكْرَةَ عن أبيه رضي الله عنه قَالَ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يقْضِي الحاكم بَيْنَ اثْنَيْنِ وَهُوَ غَضْبَانُ هـ.

رواه سفيان بن عيينة عن عبد الملك بن عمير هـ.

أخبرنا أبو بكر الشامي ومحمد بن أحمد بن الحسن قالا ثنا بشر بن موسى ثنا الحميدي ح، وأخبرنا أحمد بن جعفر بن مالك ثنا عبد الله بن أحمد بن حنبل حدثني أبي ح، وأخبرنا أحمد بن الحسن بن أيوب أنا ابن أبي عاصم ثنا ابن أبي عمر قالوا ثنا سفيان ثنا عبد الملك بن عمير أخبرني عبد الرحمن بن أبي بكرة قَالَ أَمْلَى عَلَىَّ أَبِي كِتَابًا إِلَى أَخٍ لِي كَانَ عَامِلاً لا تَقْضِيَ بَيْنَ اثْنَيْنِ وَأَنْتَ غَضْبَانُ فَإِنِّي سَمِعْتُ

-ق156ب-

رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ * لَا يَنْبَغِي لِلْحَاكِمِ أَنْ يَحْكُمَ بَيْنَ اثْنَيْنِ وَهُوَ غَضْبَانُ هـ.

ورواه أبو عوانة عن عبد الملك هـ:
২৬- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস ফারুক বিন আব্দুল কবির, সুলায়মান বিন আহমাদ, হাবীব আল-কাযযায এবং উমর বিন আহমাদ আন-নাহাওয়ান্দি; তাঁরা বলেছেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মুসলিম আল-কাশশি, আবু আসিম— হা (মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে, তবে সঠিক হলো: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আসিম)— এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলায়মান; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাফস বিন উমর আর-রাক্কি; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন কাবীসাহ বিন উকবাহ— হা; এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া বিন মুআবিয়াহ; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন গান্নাম; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবি শায়বাহ; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ওয়াকি; তাঁরা সকলে বলেছেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, আব্দুল মালিক বিন উমাইর থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন আবি বাকরাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: “বিচারক যেন রাগান্বিত অবস্থায় দুই ব্যক্তির মধ্যে ফয়সালা না করেন।”

সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ এটি আব্দুল মালিক বিন উমাইর থেকে বর্ণনা করেছেন।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আশ-শামী এবং মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আল-হাসান; তাঁরা বলেছেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন বিশর বিন মুসা; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হুমাইদি— হা; এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন জাফর বিন মালিক; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন হাম্বল; তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন— হা; এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন আল-হাসান বিন আইয়ুব; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবন আবি আসিম; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবন আবি উমর; তাঁরা সকলে বলেছেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক বিন উমাইর; তিনি বলেন: আমাকে আব্দুর রহমান বিন আবি বাকরাহ সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার এক ভাইয়ের উদ্দেশ্যে একটি পত্র লিখে দিয়েছিলেন—যিনি একজন সরকারি কর্মকর্তা (আমিল) ছিলেন—(তাতে লিখা ছিল): তুমি রাগান্বিত অবস্থায় দুই ব্যক্তির মধ্যে ফয়সালা করো না; কেননা আমি শুনেছি—

-পৃষ্ঠা ১৫৬খ-

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: “কোনো বিচারকের জন্য রাগান্বিত অবস্থায় দুই ব্যক্তির মধ্যে বিচার ফয়সালা করা উচিত নয়।”

এবং আবু আওয়ানাহ এটি আব্দুল মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আহাদীছ মুসনাদাহ ফী আবওয়াবিল কাদা লি আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ১৯)
أخبرنا أحمد بن محمد بن السني أنا أبو عبد الرحمن النسائي ثنا قتيبة بن سعيد ح، وأخبرنا أحمد بن الحسن ومحمد (بياض بالأصل) الثقفي قالاثنا أبو عاصم ثنا أبو كامل الفضل بن الحسين قالا أبو عوانة عن عبد الملك بن عمير عن عبد الرحمن بن أبي بكر ة قال كَتَبَ أَبِي - وَكَتَبْتُ لَهُ - إِلَى عُبَيْدِ اللهِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ وَهُوَ قَاضٍ بِسِجِسْتَانَ أَنْ لَا تَحْكُمَ بَيْنَ اثْنَيْنِ وَأَنْتَ غَضْبَانُ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ لَا يَحْكُمْ أَحَدٌ بَيْنَ اثْنَيْنِ وَهُوَ غَضْبَانُ.

رواه هشيم عن عبد الملك:

أخبرنا أحمد بن جعفر بن مالك ثنا عبد الله بن أحمد بن حنبل حدثني أبي ثنا هشيم أنا عبد الملك بن عمير عن عبد الرحمن بن أبي بكرة عن أبيه رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يقضي القاضي بين اثنين وهو غضبان.

ورواه عبيدة عن عبد الملك هـ:

أخبرنا أبو بكر عبد الله بن يحيى بن معاوية الطلحي ثنا عبد الله بن غنام ح، وأخبرنا أحمد بن الحسن ثنا ابن أبي عاصم قالا أبو بكر بن أبي شيبة ثنا عَبيدة بن حميد عن عبد الملك بن عمير عن عبد الرحمن بن أبي بكرة عن أبيه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يحكم الحاكم بين اثنين وهو غضبان هـ.

ورواه المحاربي عن عبد الملك هـ:

أخبرنا أحمد بن جعفر ثنا عبد الله بن أحمد بن حنبل حدثني أبي حدثني المحاربي عبد الله بن محمد ثنا عبد الملك بن عمير حدثني ابن أبي بكرة أن أباه أمره أن يكتب إلى ابن له وكان قاضيا بسجستان أما بعد فلا تحكم بين اثنين

-ق157أ-

وأنت غضبان فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا يحكم أحد بين اثنين وهو غضبان هـ.
আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আস-সুন্নী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আব্দুর রহমান আন-নাসায়ী আমাদের জানিয়েছেন, কুতাইবা ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (হাদীসটি ভিন্ন সনদেও বর্ণিত হয়েছে), এবং আহমাদ ইবনুল হাসান ও মুহাম্মাদ (মূল পাণ্ডুলিপিতে এখানে শূন্যস্থান রয়েছে) আস-সাকাফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেন: আবু আসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু কামিল আল-ফাদল ইবনুল হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আবু আওয়ানাহ আব্দুল মালিক ইবনে উমাইর থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে আবু বাকরাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমার পিতা উবাইদুল্লাহ ইবনে আবু বাকরাহ-এর নিকট একটি চিঠি লিখেছিলেন - আর আমিই তাঁর জন্য তা লিখেছিলাম - তখন তিনি সিজিস্তানের বিচারক ছিলেন। চিঠিতে লেখা ছিল: "তুমি রাগান্বিত অবস্থায় দুই ব্যক্তির মধ্যে বিচার করবে না; কারণ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, 'কেউ যেন রাগান্বিত অবস্থায় দুই ব্যক্তির মধ্যে বিচার না করে'।"

হুশাইম এটি আব্দুল মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন:

আহমাদ ইবনে জাফর ইবনে মালিক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, হুশাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল মালিক ইবনে উমাইর আমাকে জানিয়েছেন আব্দুর রহমান ইবনে আবু বাকরাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "কোনো বিচারক যেন রাগান্বিত অবস্থায় দুই ব্যক্তির মধ্যে ফয়সালা না করেন।"

উবাইদাহ এটি আব্দুল মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন:

আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে মুআবিয়াহ আত-তালহী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে গান্নাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (হাদীসটি ভিন্ন সনদেও বর্ণিত হয়েছে), এবং আহমাদ ইবনুল হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে আবু আসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন: আবু বকর ইবনে আবু শাইবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদাহ ইবনে হুমাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক ইবনে উমাইর থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে আবু বাকরাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "কোনো বিচারক যেন রাগান্বিত অবস্থায় দুই ব্যক্তির মধ্যে বিচার না করেন।"

আল-মুহারিবী এটি আব্দুল মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন:

আহমাদ ইবনে জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-মুহারিবী আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল মালিক ইবনে উমাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবু বাকরাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তাঁর পিতা তাঁকে তাঁর এক পুত্রের নিকট চিঠি লিখতে নির্দেশ দিয়েছিলেন, যিনি সিজিস্তানের বিচারক ছিলেন: "অতঃপর, তুমি দুই ব্যক্তির মধ্যে বিচার করবে না

—পৃষ্ঠা ১৫৭ ক—

যখন তুমি রাগান্বিত থাকো; কারণ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, 'কেউ যেন রাগান্বিত অবস্থায় দুই ব্যক্তির মধ্যে বিচার না করে'।"
(খণ্ড: ১) আহাদীছ মুসনাদাহ ফী আবওয়াবিল কাদা লি আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ২০)
وأخبرنا أبو بحر البربهاري ثنا (غير واضح بالأصل) بن السني (بياض) عبيد بن عبيدة ثنا سفيان عن عبد الملك بن عمير عن عبد الرحمن بن أبي بكرة عن أبيه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يقضي القاضي بين اثنين وهو غضبان هـ.

ورواه خالد الحذاء عن ابن أبي بكرة:

أخبرنا أحمد بن عمران بن موسى ثنا أحمد بن هارون ثنا أحمد بن عبد الرحمن الحراني (طمس بالأصل) ثنا خالد الحذاء عن عبد الرحمن بن أبي بكرة عن أبيه قال النبي صلى الله عليه وسلم لا يقضي القاضي بين اثنين وهو غضبان.

رواه بن جوشن هـ:

أخبرنا أحمد بن (بياض بالأصل) أنا ابن أبي عاصم ثنا محمد بن بكار ثنا إبراهيم بن صدقة ح، وأخبرنا (طمس) أبو العباس الحافظ (بياض) أحمد بن محمد بن أبي سعيد ثنا الْعَبَّاسُ بْنُ يَزِيدَ، ثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ صَدَقَةَ، ثَنَا سُفْيَانُ بْنُ حُسَيْنٍ عَنْ أَبِي بِشْرٍ عَنِ ابْنِ جَوْشَنٍ يعني عبد الرحمن قال كتب أبو بكرة رضي الله عنه إِلَى ابْنِهِ وَهُوَ عامل سِجِسْتَانَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ لَا يَقْضِ الْقَاضِي بَيْنَ اثْنَيْنِ وَهُوَ غَضْبَانُ هـ.

باب القاضي يقضي في وقت غضبه فوافق الحق هـ
এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বাহর আল-বারবাহারি, তিনি বর্ণনা করেছেন (মূলে অস্পষ্ট) ইবনুল সুন্নি থেকে (শূন্যস্থান) উবাইদ বিন উবাইদাহ, তিনি বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি আব্দুল মালিক বিন উমাইর থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন আবি বাকরাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "কোনো বিচারক যেন রাগান্বিত অবস্থায় দুই ব্যক্তির মধ্যে বিচার না করেন।" (সমাপ্ত)।

এবং এটি খালিদ আল-হাজ্জা ইবনে আবি বাকরাহ থেকে বর্ণনা করেছেন:

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন ইমরান বিন মুসা, তিনি বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন হারুন থেকে, তিনি আহমাদ বিন আব্দুর রহমান আল-হাররানি থেকে (মূলে মুছে গেছে), তিনি খালিদ আল-হাজ্জা থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন আবি বাকরাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "কোনো বিচারক যেন রাগান্বিত অবস্থায় দুই ব্যক্তির মধ্যে বিচার না করেন।"

এটি ইবনে জাওশান বর্ণনা করেছেন (সমাপ্ত):

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন (মূলে শূন্যস্থান), আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে আবি আসিম, তিনি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন বাক্কার থেকে, তিনি ইব্রাহিম বিন সাদাকাহ থেকে (হাদিস রূপান্তর), এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (মুছে গেছে) আবুল আব্বাস আল-হাফিজ (শূন্যস্থান) আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আবি সাঈদ, তিনি বর্ণনা করেছেন আল-আব্বাস বিন ইয়াজিদ থেকে, তিনি ইব্রাহিম বিন সাদাকাহ থেকে, তিনি সুফিয়ান বিন হুসাইন থেকে, তিনি আবু বিশর থেকে, তিনি ইবনে জাওশান অর্থাৎ আব্দুর রহমান থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আবু বাকরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর পুত্রের নিকট লিখলেন যখন সে সিজিস্তানের গভর্নর ছিল: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, "কোনো বিচারক যেন রাগান্বিত অবস্থায় দুই ব্যক্তির মধ্যে বিচার না করেন।" (সমাপ্ত)।

পরিচ্ছেদ: বিচারক তাঁর রাগান্বিত অবস্থায় বিচার করা এবং তা সত্যের অনুকূলে হওয়া (সমাপ্ত)
(খণ্ড: ১) আহাদীছ মুসনাদাহ ফী আবওয়াবিল কাদা লি আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ২১)
27- أخبرنا أبو بكر أحمد بن محمد بن الحسن الدينوري أنا أبو عبد الرحمن النسائي أنا يونس بن عبد الأعلى والحارث بن مسكين عن ابن وهب أخبرني يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ وَاللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ حَدَّثَهُ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ الزُّبَيْرِ حَدَّثَهُ عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ رضي الله عنه أَنَّهُ خَاصَمَ رَجُلاً مِنَ الأَنْصَارِ قَدْ شَهِدَ بَدْرًا مَعَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فِي شِرَاجِ الْحَرَّةِ كَانَا يَسْقِيَانِ بِهِ كِلَاهُمَا النَّخْلَ فَقَالَ الأَنْصَارِيُّ سَرِّحِ الْمَاءَ يَمُرَّ عَلَيْهِ فَأَبَى عَلَيْهِ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم اسْقِ يَا زُبَيْرُ ثُمَّ أَرْسِلِ إِلَى جَارِكَ فَغَضِبَ الأَنْصَارِيُّ فقَالَ يَا رَسُولَ اللهِ أَنْ كَانَ ابْنَ عَمَّتِكَ فَتَلَوَّنَ وَجْهُ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ قَالَ اسْقِ يَا زُبَيْرُ ثُمَّ احْبِسِ الْمَاءَ حَتَّى يَرْجِعَ علَى الْجَدْرِ فَاسْتَوْعب رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم

(انتهى الذي بين أيدينا وتكملة الحديث:)

لِلزُّبَيْرِ حَقَّهُ وَكَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَبْلَ ذَلِكَ أَشَارَ عَلَى الزُّبَيْرِ بِرَأْىٍ فِيهِ السَّعَةُ لَهُ وَلِلأَنْصَارِيِّ فَلَمَّا اَحْفَظَ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم الأَنْصَارِيُّ اسْتَوْفَى لِلزُّبَيْرِ حَقَّهُ فِي صَرِيحِ الْحُكْمِ قَالَ الزُّبَيْرُ لَا أَحْسَبُ هَذِهِ الآيَةَ أُنْزِلَتْ إِلَاّ فِي ذَلِكَ {فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ} وَأَحَدُهُمَا يَزِيدُ عَلَى صَاحِبِهِ فِي الْقِصَّةِ
২৭- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-হাসান আদ-দিনাওয়ারী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আবদুর রহমান আন-নাসায়ী, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইউনুস ইবনে আবদুল আ'লা এবং আল-হারিস ইবনে মিসকিন, ইবনে ওয়াহাব থেকে, তিনি বলেন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ এবং আল-লাইস ইবনে সাদ, ইবনে শিহাব থেকে, নিশ্চয়ই উরওয়াহ ইবনে আজ-যুবাইর তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আবদুল্লাহ ইবনে আজ-যুবাইর তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন আজ-যুবাইর ইবনুল আওয়াম (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে যে, তিনি জনৈক আনসারি ব্যক্তির সাথে হাররার নালা নিয়ে বিবাদে লিপ্ত হয়েছিলেন, যিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে বদরের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তাঁরা উভয়েই সেই নালা দিয়ে খেজুর বাগানে পানি সেচ দিতেন। তখন আনসারি ব্যক্তিটি বললেন, পানি ছেড়ে দাও যেন তা প্রবাহিত হয়ে যায়, কিন্তু তিনি (যুবাইর) তা করতে অস্বীকার করলেন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "হে যুবাইর, তুমি সেচ দাও, এরপর তোমার প্রতিবেশীর জন্য পানি ছেড়ে দাও।" এতে আনসারি ব্যক্তিটি রাগান্বিত হলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসূল, সে আপনার ফুফাতো ভাই বলে কি (এমন ফয়সালা দিলেন)? এতে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেল, অতঃপর তিনি বললেন, "হে যুবাইর, তুমি সেচ দাও, এরপর পানি আটকে রাখো যতক্ষণ না তা বাঁধ পর্যন্ত ফিরে আসে।" এভাবে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

(আমাদের নিকট বিদ্যমান অংশটি এখানে শেষ এবং হাদিসের পরিশিষ্টাংশ:)

যুবাইরের প্রাপ্য অধিকার পুরোপুরি আদায় করে দিলেন। এর আগে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুবাইরকে এমন একটি পরামর্শ দিয়েছিলেন যাতে তাঁর এবং আনসারির উভয়ের জন্য সুযোগ ছিল। কিন্তু যখন আনসারি ব্যক্তিটি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে রাগান্বিত করলেন, তখন তিনি স্পষ্ট বিধানের মাধ্যমে যুবাইরের পূর্ণ অধিকার আদায় করে দিলেন। আজ-যুবাইর বলেন, আমি মনে করি এই আয়াতটি এই ঘটনা কেন্দ্র করেই অবতীর্ণ হয়েছে: {অতঃপর না, আপনার রবের কসম, তারা মুমিন হতে পারবে না যতক্ষণ না তারা তাদের পারস্পরিক বিবাদপূর্ণ বিষয়ে আপনাকে বিচারক হিসেবে গ্রহণ করে}। তাঁদের উভয়ের একজন এই ঘটনায় অন্যজনের চেয়ে কিছু বেশি বর্ণনা করেছেন।