(খণ্ড: ১) মাজলিসুম মিন ফাওয়াইদিল লাইস বিন সাদ (পৃষ্ঠা: -)
مجلس من فوائد الليث بن سعد   (الليث بن سعد)

القسم: كتب السنة


الكتاب: جزء فيه مجلس من فوائد الليث بن سعد

المؤلف: أبو الحارث الليث بن سعد بن عبد الرحمن الفهمي المصري (ت 175هـ)

تحقيق وتخريج وتعليق: الشيخ محمد بن رزق بن الطرهوني

الناشر: دار عالم الكتب للنشر والتوزيع، الرياض

الطبعة: الأولى، 1407 هـ - 1987 م

عدد الصفحات: 55

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

লায়স বিন সা'দ-এর ফাওয়াইদসমূহ থেকে একটি মাজলিস   (লায়স বিন সা'দ)

বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ


বই: একটি জুয, যাতে লায়স বিন সা'দ-এর ফাওয়াইদসমূহ থেকে একটি মাজলিস রয়েছে

লেখক: আবু আল-হারিস লায়স বিন সা'দ বিন আবদুর রহমান আল-ফাহমি আল-মিসরি (মৃত্যু ১৭৫ হি.)

তাহকিক, তাখরিজ ও তালীক: শাইখ মুহাম্মদ বিন রিজক বিন আল-তারহুনি

প্রকাশক: দার আলম আল-কুতুব প্রকাশনা ও বিতরণ, রিয়াদ

সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৭ হিজরি - ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫৫

[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মাজলিসুম মিন ফাওয়াইদিল লাইস বিন সাদ (পৃষ্ঠা: -)
ـ[جزء فيه مجلس من فوائد الليث بن سعد]ـ

المؤلف: أبو الحارث الليث بن سعد بن عبد الرحمن الفهمي المصري (المتوفى: 175هـ)

المحقق: محمد بن رزق الطرهوني

الناشر: دار عالم الكتب للنشر والتوزيع - الرياض

الطبعة: الأولى، 1407 هـ - 1987 م

عدد الأجزاء: 1

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع، وهو ضمن خدمة التخريج]
[লাইস ইবনে সা'দ-এর জ্ঞানগর্ভ আলোচনার একটি অংশ সম্বলিত পুস্তিকা]

লেখক: আবু আল-হারিস লাইস ইবনে সা'দ ইবনে আবদুর রহমান আল-ফাহমি আল-মিসরি (মৃত্যু: ১৭৫ হিজরি)

গবেষক: মুহাম্মাদ ইবনে রিজক আত-তারহুনি

প্রকাশক: দার আলম আল-কুতুব প্রকাশনা ও বিতরণী - রিয়াদ

সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৭ হিজরি - ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ১

[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির সাথে সংগতিপূর্ণ এবং এটি তাখরিজ সেবার অন্তর্ভুক্ত]
(খণ্ড: ১) মাজলিসুম মিন ফাওয়াইদিল লাইস বিন সাদ (পৃষ্ঠা: -)
حَدِيثُ ثُمَامَةَ بْنِ أُثَالٍ الْحَنَفِيِّ
সুমামা বিন উসাল আল-হানাফীর হাদীস
(খণ্ড: ১) মাজলিসুম মিন ফাওয়াইদিল লাইস বিন সাদ (পৃষ্ঠা: ৩১)
وَأَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْحَافِظُ أَبُو الْخَيْرِ عَبْدُ الرَّحِيمِ الْأَصْفَهَانِيُّ، حَدَّثَنَا ⦗ص: 32⦘ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ الْمُقْرِي، وَأَبُو الْفَرَجِ الْبَكْرَانِيُّ وَجَمَاعَةٌ قَالُوا: ثنا عَبْدُ الرَّزَّاقِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُوسَى، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَلِيٍّ، ثنا ⦗ص: 33⦘ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ قُتَيْبَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ زَبَّانَ بْنِ حَبِيبٍ قَالَا: ثنا عِيسَى بْنُ حَمَّادٍ زُعْبَةُ، ثنا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ رضي الله عنه يَقُولُ: بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ ⦗ص: 34⦘ وَسَلَّمَ خَيْلًا قِبَلَ نَجْدٍ، فَجَاءَتْ بِرَجُلٍ مِنْ بَنِي حَنِيفَةَ، يُقَالُ لَهُ: ثُمَامَةُ بْنُ أُثَالٍ، سَيِّدُ أَهْلِ الْيَمَامَةِ، فَرَبَطُوهُ بِسَارِيَةٍ مِنْ سَوَارِي الْمَسْجِدِ، فَخَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: ‌‌«مَا عِنْدَكَ يَا ثُمَامَةُ بْنَ أُثَالٍ؟» فَقَالَ: عِنْدِي يَا مُحَمَّدُ خَيْرٌ، إِنْ تَقْتُلْنِي تَقْتُلْ ذَا دَمٍ، وَإِنْ تُنْعِمْ تُنْعِمْ عَلَى شَاكِرٍ، وَإِنْ كُنْتَ تُرِيدُ الْمَالَ فَسَلْ تُعْطَ مِنْهُ مَا شِئْتَ. فَتَرَكَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى كَانَ بَعْدَ الْغَدِ، قَالَ لَهُ: «مَا عِنْدَكَ يَا ثُمَامَةُ؟» قَالَ: عِنْدِي مَا قُلْتُ لَكَ: إِنْ تُنْعِمْ تُنْعِمْ عَلَى شَاكِرٍ، وَإِنْ تَقْتُلْ تَقْتُلْ ذَا دَمٍ، وَإِنْ كُنْتَ تُرِيدُ الْمَالَ فَسَلْ تُعْطَ مِنْهُ مَا شِئْتَ. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَطْلِقُوا ثُمَامَةَ» ، فَانْطَلَقَ إِلَى نَخْلٍ قَرِيبٍ مِنَ الْمَسْجِدِ، فَاغْتَسَلَ، ثُمَّ دَخَلَ الْمَسْجِدَ فَقَالَ: أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، يَا مُحَمَّدُ، وَاللَّهِ مَا كَانَ عَلَى الْأَرْضِ وَجْهٌ أَبْغَضَ إِلَيَّ مِنْ وَجْهِكَ، فَقَدْ أَصْبَحَ وَجْهُكَ أَحَبَّ الْوُجُوهِ كُلِّهَا إِلَيَّ، وَاللَّهِ مَا كَانَ مِنْ دِينٍ أَبْغَضَ إِلَيَّ مِنْ دِينِكَ، فَقَدْ أَصْبَحَ دِينُكَ أَحَبَّ الدِّينِ كُلِّهِ إِلَيَّ، وَوَاللَّهِ مَا كَانَ مِنْ بَلَدٍ أَبْغَضَ إِلَيَّ مِنْ بَلَدِكَ، فَقَدْ أَصْبَحَ بَلَدُكَ أَحَبَّ الْبِلَادِ إِلَيَّ، وَإِنَّ خَيْلَكَ أَخَذَتْنِي وَأَنَا أُرِيدُ الْعُمْرَةَ، فَمَاذَا تَرَى؟ فَبَشَّرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَأَمَرَهُ أَنْ يَعْتَمِرَ، فَلَمَّا قَدِمَ مَكَّةَ قَالَ لَهُ قَائِلٌ: صَبَوْتَ؟ قَالَ: لَا، وَلَكِنْ أَسْلَمْتُ مَعَ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم رَسُولِ اللَّهِ، وَلَا وَاللَّهِ لَا يَأْتِيكُمْ مِنَ الْيَمَامَةِ حِنْطَةٌ حَتَّى يَأْذَنَ فِيهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم. ⦗ص: 36⦘ صَحِيحٌ مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ، أَخْرَجَاهُ فِي كِتَابَيْهِمَا، الْبُخَارِيُّ رَوَاهُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُوسُفَ، عَنِ اللَّيْثِ، وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ عَنْ قُتَيْبَةَ بْنِ سَعِيدٍ، عَنِ اللَّيْثِ
আমাদের জানিয়েছেন শায়খ আল-হাফিজ আবু আল-খায়ের আবদুর রহিম আল-আসফাহানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৩২⦘ আবু বকর আহমদ বিন আলী আল-মুকরি, এবং আবু আল-ফারাজ আল-বাকরানি ও একদল বর্ণনাকারী; তাঁরা বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রাজ্জাক বিন উমর বিন মুসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন আলী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৩৩⦘ মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন কুতাইবাহ এবং মুহাম্মদ বিন জাব্বান বিন হাবিব; তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা বিন হাম্মাদ জুবা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-লাইস বিন সাদ, সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে শুনেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ⦗পৃষ্ঠা: ৩৪⦘ ওয়াসাল্লাম) নজদ অভিমুখে একদল অশ্বারোহী প্রেরণ করলেন। তাঁরা বনী হানিফা গোত্রের সুমামা বিন উসাল নামক এক ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে এলেন, যিনি ছিলেন ইয়ামামাবাসীদের সরদার। তাঁরা তাঁকে মসজিদের একটি খুঁটির সাথে বেঁধে রাখলেন। অতপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বের হয়ে এলেন এবং বললেন: «হে সুমামা বিন উসাল, তোমার কাছে কী খবর?» তিনি বললেন: "হে মুহাম্মদ, আমার কাছে কল্যাণকর খবর আছে। যদি আপনি আমাকে হত্যা করেন, তবে একজন রক্তধারীকে (যাঁর রক্তের দাবিদার আছে) হত্যা করবেন; আর যদি আপনি অনুগ্রহ করেন, তবে একজন কৃতজ্ঞ ব্যক্তির ওপরই অনুগ্রহ করবেন; আর যদি আপনি ধন-সম্পদ চান, তবে যা ইচ্ছা চেয়ে নিন, আপনাকে তা দান করা হবে।" রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে ছেড়ে রাখলেন পরবর্তী দিন পর্যন্ত। তিনি তাঁকে পুনরায় বললেন: "হে সুমামা, তোমার কাছে কী খবর?" তিনি বললেন: "আমি আপনাকে যা বলেছি তা-ই: যদি আপনি অনুগ্রহ করেন, তবে একজন কৃতজ্ঞ ব্যক্তির ওপরই অনুগ্রহ করবেন; আর যদি আপনি হত্যা করেন, তবে একজন রক্তধারীকে হত্যা করবেন; আর যদি আপনি সম্পদ চান, তবে যা ইচ্ছা চেয়ে নিন, আপনাকে তা দান করা হবে।" অতপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "সুমামাকে মুক্ত করে দাও।" তখন তিনি মসজিদের নিকটবর্তী একটি খেজুর বাগানে গিয়ে গোসল করলেন। অতপর মসজিদে প্রবেশ করে বললেন: "আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল। হে মুহাম্মদ, আল্লাহর কসম! ইতিপূর্বে পৃথিবীতে আপনার চেহারা অপেক্ষা অধিক ঘৃণিত কোনো চেহারা আমার নিকট ছিল না, অথচ এখন আপনার চেহারাই আমার নিকট সমস্ত চেহারার চেয়ে অধিক প্রিয় হয়ে গেছে। আল্লাহর কসম! আপনার ধর্মের চেয়ে অধিক ঘৃণিত কোনো ধর্ম আমার নিকট ছিল না, অথচ এখন আপনার ধর্মই আমার নিকট সমস্ত ধর্মের চেয়ে অধিক প্রিয় হয়ে গেছে। আল্লাহর কসম! আপনার শহরের চেয়ে অধিক ঘৃণিত কোনো শহর আমার নিকট ছিল না, অথচ এখন আপনার শহরই আমার নিকট সমস্ত শহরের চেয়ে অধিক প্রিয় হয়ে গেছে। আপনার অশ্বারোহী দল আমাকে পাকড়াও করেছে এমন অবস্থায় যখন আমি উমরা করার সংকল্প করেছিলাম। এখন এ বিষয়ে আপনার অভিমত কী?" রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে সুসংবাদ দিলেন এবং উমরা করার নির্দেশ দিলেন। যখন তিনি মক্কায় আসলেন, তখন এক ব্যক্তি তাঁকে বলল: "তুমি কি ধর্মত্যাগী হয়েছ?" তিনি বললেন: "না, বরং আমি আল্লাহর রাসূল মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে ইসলাম গ্রহণ করেছি। আল্লাহর কসম! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর অনুমতি ব্যতীত ইয়ামামা থেকে তোমাদের নিকট গমের একটি দানাও আসবে না।" ⦗পৃষ্ঠা: ৩৬⦘ হাদিসটি সহিহ এবং মুত্তাফাকুন আলাইহি। তাঁরা উভয়ে এটি নিজ নিজ কিতাবে বর্ণনা করেছেন। বুখারি এটি আবদুল্লাহ বিন ইউসুফ থেকে, লাইসের সূত্রে বর্ণনা করেছেন; আর মুসলিম এটি কুতাইবাহ বিন সাঈদ থেকে, লাইসের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মাজলিসুম মিন ফাওয়াইদিল লাইস বিন সাদ (পৃষ্ঠা: ৩৭)
قَرَأْتُ عَلَى الشَّيْخِ الثِّقَةِ أَبِي الْفَتْحِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ أَحْمَدَ بْنِ سَلْمَانَ حَرَسَهُ اللَّهُ فِي يَوْمِ السَّبْتِ مُسْتَهَلِّ رَبِيعٍ الْأَوَّلِ سَنَةَ ثَلَاثٍ وَسِتِّينَ وَخَمْسِمِائَةٍ قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمُ الشَّيْخُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مَالِكُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِىٍّ الْمَالِكِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ فِي مُحَرَّمِ سَنَةِ أَرْبَعٍ وَثَمَانِينَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ فَأَقَرَّ بِهِ قَالَ: ⦗ص: 38⦘

 

1 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي الْفَوَارِسِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ خَلَّادٍ النُّصَيْبِيُّ قَالَ: ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مِلْحَانَ الْمُؤَذِّنُ قَالَ: ثنا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُكَيْرٍ قَالَ: حَدَّثَنِي اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي ⦗ص: 39⦘ هِلَالٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ دَخَلَ عَلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُطِيعٍ لَيَالِيَ الْحَرَّةِ، فَقَالَ: ضَعُوا لَهُ وِسَادَةً، مَرْحَبًا بِكَ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ، هَا هُنَا فَاجْلِسْ، قَالَ: إِنِّي لَمْ آتِكَ كَيْمَا أَجْلِسُ؛ وَلَكِنْ جِئْتُكَ لِأُخْبِرَكَ شَيْئًا سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: ‌‌«مَنْ نَزَعَ يَدًا مِنْ طَاعَةٍ لَقِيَ اللَّهَ عز وجل لَيْسَتْ لَهُ حُجَّةٌ، وَمَنْ مَاتَ مُفَارِقًا لِلْجَمَاعَةِ مَاتَ مِيتَةً جَاهِلِيَّةً»
আমি বিশ্বস্ত শাইখ আবুল ফাতহ মুহাম্মদ বিন আবদুল বাকি বিন আহমাদ বিন সালমানের নিকট পাঠ করেছি—আল্লাহ তাঁকে রক্ষা করুন—৫৬৩ হিজরি সালের রবিউল আউয়াল মাসের শুরুতে শনিবার দিনে। আমি তাঁকে বলেছি: শাইখ আবু আব্দুল্লাহ মালিক বিন আহমাদ বিন আলি আল-মালিকি কি আপনার নিকট পাঠ করা অবস্থায় আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন এবং আপনি তা শুনছিলেন ৪৮৪ হিজরি সালের মহররম মাসে? এরপর তিনি তা স্বীকার করলেন। তিনি বললেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৩৮⦘

 

১ - আবুল ফাতহ মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন আবিল ফাওয়ারিস তাঁর নিকট পাঠ করা অবস্থায় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু বকর আহমাদ বিন ইউসুফ বিন খাল্লাদ আন-নুসাইবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ বিন ইবরাহিম বিন মিলহান আল-মুয়াজ্জিন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ইয়াহইয়া বিন আব্দুল্লাহ বিন বুকাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: লায়স বিন সাদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ বিন ইয়াজিদ থেকে, তিনি সাঈদ বিন আবি ⦗পৃষ্ঠা: ৩৯⦘ হিলাল থেকে, তিনি জায়েদ বিন আসলাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আব্দুল্লাহ বিন উমর হাররার (যুদ্ধের) রাতগুলোতে আব্দুল্লাহ বিন মুতি'র নিকট প্রবেশ করলেন। তখন তিনি (ইবনে মুতি') বললেন: তাঁর জন্য একটি বালিশ বিছিয়ে দাও। হে আবু আব্দুর রহমান, আপনাকে স্বাগতম! এখানে বসুন। তিনি (ইবনে উমর) বললেন: আমি আপনার নিকট বসার জন্য আসিনি; বরং আমি আপনার নিকট এসেছি আপনাকে এমন কিছু সংবাদ দিতে যা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছি। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «যে ব্যক্তি আনুগত্য থেকে হাত প্রত্যাহার করে নেয়, সে পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত আল্লাহর সাথে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করবে যে তার নিকট কোনো প্রমাণ থাকবে না। আর যে ব্যক্তি জামাআত থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় মারা যায়, সে জাহেলি মৃত্যু বরণ করে।»
(খণ্ড: ১) মাজলিসুম মিন ফাওয়াইদিল লাইস বিন সাদ (পৃষ্ঠা: ৪১)
2 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ.. . قَالَ: أَنَا أَحْمَدُ، ثنا أَحْمَدُ، ثنا ابْنُ بُكَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، عَنْ خَالِدِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلَالٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ أَنَّ عَطَاءَ بْنَ يَسَارٍ أَخْبَرَهُ عَنْ أَبِي قَتَادَةَ صَاحِبِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ قَالَ: خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَرَامٌ، وَالْقَوْمُ حُرُمٌ، وَأَنَا حِلٌّ، قَالَ: فَنَظَرْتُ إِلَى حِمَارٍ وَحْشِيٍّ، فَرَكِبْتُ فَرَسِي مُعْرَوْرِيًا، ثُمَّ قُلْتُ لِرَجُلٍ مِنَ الْقَوْمِ: نَاوِلْنِي السَّوْطَ، فَأَبَى، ثُمَّ قُلْتُ لِآخَرَ: نَاوِلْنِي السَّوْطَ، فَأَبَى، فَحَمَلْتُ عَلَيْهِ فَعَقَرْتُهُ، قَالَ: فَأَتَيْتُ بِهِ الْقَوْمَ، فَظَلَّ الْقَوْمُ عَلَيْهِ يَسِيرُونَ، فَلَمَّا رُحْنَا ذَكَرْنَاهُ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: ‌‌«هَلْ بَقِيَ مَعَكُمْ مِنْهُ شَيْءٌ؟»
২ - আবু আল-ফাতহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন... তিনি বলেন: আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ আমাদের বলেছেন, ইবন বুকাইর আমাদের বলেছেন, তিনি বলেন: লাইস আমার কাছে বর্ণনা করেছেন খালিদ বিন ইয়াযিদ থেকে, তিনি সাঈদ বিন আবি হিলাল থেকে, তিনি যায়দ বিন আসলাম থেকে যে, আতা বিন ইয়াসার তাঁকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গী আবু কাতাদাহ (রা.) থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি বলেছেন: আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে বের হলাম, এমতাবস্থায় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম অবস্থায় ছিলেন এবং লোকেরাও ইহরাম অবস্থায় ছিল, আর আমি ছিলাম ইহরাম মুক্ত। তিনি বলেন: আমি একটি বন্য গাধা দেখতে পেলাম, তখন আমি জিন ছাড়াই আমার ঘোড়ার পিঠে চড়ে বসলাম। অতঃপর আমি দলের এক ব্যক্তিকে বললাম: আমাকে চাবুকটি দাও, কিন্তু সে অস্বীকার করল। তারপর আমি অন্য একজনকে বললাম: আমাকে চাবুকটি দাও, সেও অস্বীকার করল। এরপর আমি সেটির ওপর আক্রমণ করলাম এবং সেটিকে শিকার করলাম। তিনি বলেন: আমি সেটি নিয়ে দলের কাছে আসলাম এবং লোকেরা সেটি খেতে খেতে পথ চলতে লাগল। যখন আমরা প্রস্থান করলাম, তখন আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে বিষয়টি উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন: ‌‌«তোমাদের কাছে কি এর থেকে কিছু অবশিষ্ট আছে?»
(খণ্ড: ১) মাজলিসুম মিন ফাওয়াইদিল লাইস বিন সাদ (পৃষ্ঠা: ৪৩)
3 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ قَالَ: أنا أَحْمَدُ، ثنا أَحْمَدُ، ثنا ابْنُ بُكَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، عَنْ خَالِدِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلَالٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَطَاءٍ، أَخْبَرَهُ، أَنَّ رَجُلًا مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ ⦗ص: 44⦘ صلى الله عليه وسلم مِنْ بَنِي سَلِمَةَ، قَالَ: بَيْنَا نَحْنُ يَوْمًا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذْ شَقَّ قَمِيصَهُ حَتَّى خَرَجَ مِنْهُ، فَقُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَا شَأْنُكَ؟ قَالَ: ‌‌«وَاعَدْتُ الْيَوْمَ الْهَدْيَ وَلَمْ أُشْعِرْ»
৩ - আবু আল-ফাতহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইবনে বুকায়র আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেছেন: লায়স আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, খালিদ বিন ইয়াজিদ থেকে, তিনি সাঈদ বিন আবি হিলাল থেকে, তিনি জায়েদ বিন আসলাম থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন আতা থেকে, তিনি তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন যে, বনি সালিমা গোত্রের আল্লাহর রাসূল ⦗পৃষ্ঠা: ৪৪⦘ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি বলেছেন: একদা আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছিলাম, এমতাবস্থায় তিনি তাঁর কামিজটি ছিঁড়ে ফেললেন এমনকি তিনি তা থেকে বের হয়ে আসলেন। আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আপনার কী হয়েছে? তিনি বললেন: «আমি আজ কুরবানির পশুর ওয়াদা করেছিলাম অথচ আমি তা অনুভব করিনি»
(খণ্ড: ১) মাজলিসুম মিন ফাওয়াইদিল লাইস বিন সাদ (পৃষ্ঠা: ৪৬)
4 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، ثنا ابْنُ بُكَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، عَنْ خَالِدِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلَالٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ أَنَّهُ قَالَ: قُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَنَرَى رَبَّنَا عز وجل؟ قَالَ: ‌‌«تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَةِ الشَّمْسِ إِذَا كَانَتْ صَحْوًا؟» قُلْنَا: لَا. قَالَ: «فَتُضَارُّونَ فِي رُؤْيَةِ الْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ إِذَا كَانَ صَحْوًا؟» قُلْنَا: لَا. قَالَ: «فَإِنَّكُمْ لَا تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَةِ رَبِّكُمْ عز وجل يَوْمَئِذٍ إِلَّا كَمَا تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَتِهِمَا» ، ثُمَّ قَالَ: " يُنَادِي مُنَادٍ: لِيَذْهَبْ كُلُّ قَوْمٍ مَعَ مَا كَانُوا يَعْبُدُونَ، فَيَذْهَبُ أَصْحَابُ الصَّلِيبِ مَعَ صَلِيبِهِمْ، وَأَصْحَابُ الْأَوْثَانِ مَعَ أَوْثَانِهِمْ، وَأَصْحَابُ كُلِّ إِلَهٍ مَعَ إِلَهِهِمْ، حَتَّى يَبْقَى مَنْ كَانَ يَعْبُدُ اللَّهَ عز وجل مِنْ بَرٍّ وَفَاجِرٍ، وَغُبَّرَاتٌ مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ، ثُمَّ يُؤْتَى بِجَهَنَّمَ تَعْتَرِضُ كَأَنَّهَا سَرَابٌ، فَيُقَالُ لِلْيَهُودِ: مَا كُنْتُمْ تَعْبُدُونَ؟ قَالُوا: كُنَّا نَعْبُدُ عُزَيْرَ ابْنَ اللَّهِ، فَيُقَالُ كَذَبْتُمْ، لَمْ يَكُنْ لِلَّهِ عز وجل صَاحِبَةٌ وَلَا وَلَدٌ، فَمَا تُرِيدُونَ؟ ⦗ص: 47⦘ قَالُوا: نُرِيدُ أَنْ تَسْقِيَنَا، فَيُقَالُ: اشْرَبُوا، فَيَتَسَاقَطُونَ فِي جَهَنَّمَ، ثُمَّ يُقَالُ لِلنَّصَارَى: مَا كُنْتُمْ تَعْبُدُونَ؟ فَيَقُولُونَ: كُنَّا نَعْبُدُ الْمَسِيحَ ابْنَ اللَّهِ، فَيُقَالُ: كَذَبْتُمْ، لَمْ يَكُنْ لِلَّهِ صَاحِبَةٌ وَلَا وَلَدٌ، فَمَا تُرِيدُونَ؟ فَيَقُولُونَ: نُرِيدُ أَنْ تَسْقِيَنَا، فَيُقَالُ: اشْرَبُوا، فَيَتَسَاقَطُونَ حَتَّى يَبْقَى مَنْ كَانَ يَعْبُدُ اللَّهَ عز وجل مِنْ بَرٍّ وَفَاجِرٍ، فَيُقَالُ لَهُمْ: مَا يُجْلِسُكُمْ وَقَدْ ذَهَبَ النَّاسُ؟ فَيَقُولُونَ: قَدْ فَارَقْنَاهُمْ، وَنَحْنُ أَحْوَجُ إِلَيْهِمْ مِنَّا الْيَوْمَ، وَإِنَّا سَمِعْنَا مُنَادِيًا يَقُولُ: لِيَلْحَقْ كُلُّ قَوْمٍ بِمَا كَانُوا يَعْبُدُونَ، وَإِنَّا نَنْتَظِرُ رَبَّنَا، فَيَأْتِيهِمُ الْجَبَّارُ عز وجل فِي صُورَةٍ غَيْرِ صُورَتِهِ الَّتِي رَأَوْهُ فِيهَا أَوَّلَ مَرَّةٍ، فَيَقُولُ: أَنَا رَبُّكُمُ، فَيَقُولُونَ: أَنْتَ رَبُّنَا وَلَا يُكَلِّمُهُ إِلَّا الْأَنْبِيَاءُ، فَيَقُولُ: هَلْ بَيْنَكُمْ وَبَيْنَهُ آيَةٌ تَعْرِفُونَهَا؟ فَيَقُولُونَ: السَّاقُ، فَيَكْشِفُ عَنْ سَاقِهِ، فَيَسْجُدُ كُلُّ مُؤْمِنٍ، وَيَبْقَى مَنْ كَانَ يَسْجُدُ لِلَّهِ رِيَاءً وَسُمْعَةً، فَيَذْهَبُ كَيْمَا يَسْجُدُ، فَيَعُودُ ظَهْرُهُ طَبَقًا وَاحِدًا، ثُمَّ يُؤْتَى بِالْجِسْرِ فَيُجْعَلُ بَيْنَ ظَهْرَيْ جَهَنَّمَ "، قُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، وَمَا الْجِسْرُ؟ قَالَ: " مَدْحَضَةٌ، مَزِلَّةٌ، عَلَيْهِ خَطَاطِيفُ، وَكَلَالِيبُ، وَحَسَكٌ مُفَلْطَحَةٌ، لَهَا شَوْكَةٌ عُقَيْفَاءُ تَكُونُ بِنَجْدٍ، يُقَالُ لَهَا: السَّعْدَانُ، يَمُرُّ الْمُؤْمِنُ عَلَيْهَا كَالطَّرْفِ، وَكَالْبَرْقِ، وَكَالرِّيَحِ، وَكَأَجَاوِيدِ ⦗ص: 48⦘ الْخَيْلِ وَالرِّكَابِ، فَنَاجٍ مُسَلَّمٌ، وَنَاجٍ مَخْدُوشٌ، ثُمَّ مَكْدُوحٌ فِي نَارِ جَهَنَّمَ، حَتَّى يَمُرَّ أَحَدُهُمْ يُسْحَبُ سَحْبًا، فَمَا أَنْتُمْ بِأَشَدَّ مِنَّا شِدَّةً فِي الْحَقِّ، قَدْ تَبَيَّنَ لَكُمْ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ يَوْمَئِذٍ لِلْجَبَّارِ عز وجل، إِذَا رَأَوْا أَنَّهُمْ قَدْ نَجَوْا فِي إِخْوَانِهِمْ، يَقُولُونَ: رَبَّنَا، إِخْوَانُنَا كَانُوا يُصَلُّونَ مَعَنَا، وَيَصُومُونَ مَعَنَا، وَيَعْمَلُونَ مَعَنَا؟ فَيَقُولُ اللَّهُ عز وجل: اذْهَبُوا فَمَنْ وَجَدْتُمْ فِي قَلْبِهِ دِينَارًا مِنْ إِيمَانٍ فَأَخْرِجُوهُ، وَيُحَرِّمُ اللَّهُ صُوَرَهُمْ عَلَى النَّارِ، فَيَأْتُونَهُمْ، وَبَعْضُهُمْ قَدْ غَابَ فِي النَّارِ إِلَى قَدَمَيْهِ، وَإِلَى أَنْصَافِ سَاقَيْهِ، فَيُخْرِجُونَ مَنْ عَرَفُوا، ثُمَّ يَعُودُونَ، فَيَقُولُ: اذْهَبُوا فَمَنْ وَجَدْتُمْ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالَ نِصْفِ دِينَارٍ فَأَخْرِجُوهُ، فَيُخْرِجُونَ مَنْ عَرَفُوا، ثُمَّ يَعُودُونَ، فَيَقُولُ: اذْهَبُوا فَمَنْ وَجَدْتُمْ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ مِنْ إِيمَانٍ فَأَخْرِجُوهُ، فَيُخْرِجُونَ مَنْ عَرَفُوا " قَالَ أَبُو سَعِيدٍ: فَإِنْ لَمْ تُصَدِّقُونِي فَاقْرَءُوا قَوْلَ اللَّهِ عز وجل: {إِنَّ اللَّهَ لَا يَظْلِمُ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ، وَإِنْ تَكُ حَسَنَةً يُضَاعِفْهَا} [النساء: 40] . " فَيَشْفَعُ النَّبِيُّونَ وَالْمَلَائِكَةُ وَالْمُؤْمِنُونَ، فَيَقُولُ الْجَبَّارُ: بَقِيَتْ شَفَاعَتِي، فَيَقْبِضُ مِنَ النَّارِ، فَيُخْرِجُ ⦗ص: 49⦘ أَقْوَامًا قَدِ امْتَحَشُوا، فَيُلْقَوْنَ فِي نَهْرٍ بِأَفْوَاهِ الْجَنَّةِ، يُقَالُ لَهُ الْحَيَاةُ، فَيَنْبُتُونَ فِي حَافَتَيْهِ كَمَا تَنْبُتُ الْحِبَّةُ فِي حَمِيلِ السَّيْلِ، قَدْ رَأَيْتُمُوهَا إِلَى جَانِبِ الصَّخْرَةِ، وَإِلَى جَانِبِ الشَّجَرَةِ، فَمَا كَانَ إِلَى الشَّمْسِ كَانَ أُخَيْضِرَ، وَمَا كَانَ إِلَى الظِّلِّ كَانَ أَبْيَضَ، فَيَخْرُجُونَ كَأَنَّهُمُ اللُّؤْلُؤُ، فَيُجْعَلُ فِي رِقَابِهِمُ الْخَوَاتِيمُ، فَيَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ، فَيَقُولُ أَهْلُ الْجَنَّةِ: هَؤُلَاءِ عُتَقَاءُ الرَّحْمَنِ مِنَ النَّارِ، أَدْخَلَهُمُ الْجَنَّةَ بِغَيْرِ عَمَلٍ عَمِلُوهُ، وَلَا خَيْرٍ قَدَّمُوهُ، فَيُقَالُ لَهُمْ: لَكُمْ مَا رَأَيْتُمْ وَمِثْلُهُ مَعَهُ " ⦗ص: 50⦘ قَالَ سَعِيدُ بْنُ أَبِي هِلَالٍ: بَلَغَنِي أَنَّ الْجِسْرَ أَدَقُّ مِنَ الشَّعْرِ، وَأَحَدُّ مِنَ السَّيْفِ
৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন ইউসুফ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন ইবরাহীম, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনু বুকাইর, তিনি বলেন, আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন লাইস, তিনি খালিদ বিন ইয়াযীদ থেকে, তিনি সাঈদ বিন আবু হিলাল থেকে, তিনি যায়দ বিন আসলাম থেকে, তিনি আতা বিন ইয়াসার থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমরা কি আমাদের মহান প্রতিপালককে দেখতে পাবো? তিনি বললেন: ‌‌«তোমরা কি মেঘমুক্ত পরিষ্কার আকাশে সূর্য দেখতে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হও?» আমরা বললাম: না। তিনি বললেন: «তোমরা কি মেঘমুক্ত পূর্ণিমার রাতে চাঁদ দেখতে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হও?» আমরা বললাম: না। তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই তোমরা সেদিন তোমাদের মহান প্রতিপালককে দেখতে তেমনি কোনো সমস্যার সম্মুখীন হবে না, যেমনটা এই দুইটিকে দেখার ক্ষেত্রে হও না।» এরপর তিনি বললেন: "একজন ঘোষক ঘোষণা করবেন: প্রত্যেক জাতি যার ইবাদত করত তারা যেন তারই অনুসরণ করে। ফলে ক্রুশের অনুসারীরা তাদের ক্রুশের সাথে চলে যাবে, মূর্তিপূজারীরা তাদের মূর্তির সাথে চলে যাবে এবং প্রত্যেক উপাস্যের অনুসারীরা তাদের উপাস্যের সাথে চলে যাবে। এমনকি শেষ পর্যন্ত কেবল তারাই বাকি থাকবে যারা আল্লাহর ইবাদত করত—চাই সে নেককার হোক বা গুনাহগার—এবং আহলে কিতাবদের কিছু অবশিষ্টাংশ। এরপর জাহান্নামকে সামনে আনা হবে, যা মরীচিকার ন্যায় দেখা যাবে। তখন ইহুদিদের বলা হবে: তোমরা কার ইবাদত করতে? তারা বলবে: আমরা আল্লাহর পুত্র উযাইরের ইবাদত করতাম। তখন বলা হবে: তোমরা মিথ্যা বলছো, মহান আল্লাহর কোনো স্ত্রী বা সন্তান নেই। এখন তোমরা কী চাও? ⦗পৃষ্ঠা: ৪৭⦘ তারা বলবে: আমরা চাই আপনি আমাদের পানি পান করান। তখন বলা হবে: পান করো। অতঃপর তারা জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে। এরপর নাসারাদের (খ্রিস্টানদের) বলা হবে: তোমরা কার ইবাদত করতে? তারা বলবে: আমরা আল্লাহর পুত্র মাসীহ-এর ইবাদত করতাম। তখন বলা হবে: তোমরা মিথ্যা বলছো, আল্লাহর কোনো স্ত্রী বা সন্তান নেই। এখন তোমরা কী চাও? তারা বলবে: আমরা চাই আপনি আমাদের পানি পান করান। তখন বলা হবে: পান করো। অতঃপর তারাও নিক্ষিপ্ত হবে। এমনকি শেষ পর্যন্ত কেবল তারাই বাকি থাকবে যারা আল্লাহর ইবাদত করত—চাই সে নেককার হোক বা গুনাহগার। তখন তাদের বলা হবে: মানুষ চলে গেলেও তোমরা কেন বসে আছো? তারা বলবে: আমরা তাদের থেকে পৃথক হয়েছি এমন সময়ে যখন আমরা আজকের চেয়েও তাদের অনেক বেশি মুখাপেক্ষী ছিলাম। আমরা একজন ঘোষককে বলতে শুনেছি: প্রত্যেক জাতি যার ইবাদত করত যেন তার সাথে মিলিত হয়। আর আমরা আমাদের প্রতিপালকের অপেক্ষা করছি। তখন মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ তাদের সামনে এমন এক সূরতে (আকৃতিতে) আসবেন যা তারা প্রথমবার দেখেছিল সেই সূরত ছাড়া ভিন্ন। তিনি বলবেন: আমি তোমাদের প্রতিপালক। তারা বলবে: আপনিই আমাদের প্রতিপালক। আর নবীগণ ব্যতীত সেদিন তাঁর সাথে কেউ কথা বলবে না। তিনি বলবেন: তোমাদের ও তাঁর মাঝে কি কোনো চিহ্ন আছে যা দিয়ে তোমরা তাঁকে চিনতে পারবে? তারা বলবে: আল্লাহর পা। তখন আল্লাহ তাঁর পা উন্মোচন করবেন। তখন প্রত্যেক মুমিন সিজদায় লুটিয়ে পড়বে। আর কেবল তারাই বাকি থাকবে যারা লোকদেখানো ও সুখ্যাতির জন্য সিজদা করত। সে সিজদা করতে চাইবে কিন্তু তার পিঠ একটি তক্তার মতো শক্ত হয়ে যাবে। এরপর পুল (সীরাত) আনা হবে এবং জাহান্নামের দুই পিঠের উপর স্থাপন করা হবে।" আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, পুল কী? তিনি বললেন: "এটি অত্যন্ত পিচ্ছিল ও স্খলনপ্রবণ স্থান। এতে রয়েছে লোহার অঙ্কুশ, আংটা এবং চওড়া কাঁটা যার মাথা বাঁকানো, যা নজদ অঞ্চলে পাওয়া যায় এবং একে ‘সা’দান’ বলা হয়। মুমিনগণ এর উপর দিয়ে চোখের পলকের মতো, বিদ্যুতের মতো, বাতাসের মতো এবং দ্রুতগামী ⦗পৃষ্ঠা: ৪৮⦘ ঘোড়া ও উষ্ট্রারোহীর গতিতে পার হয়ে যাবে। কেউ হবে সহিহ-সালামতে নাজাতপ্রাপ্ত, কেউ হবে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় নাজাতপ্রাপ্ত, আবার কেউ জাহান্নামের আগুনে নিক্ষিপ্ত হবে। এমনকি তাদের শেষ ব্যক্তিটি টেনে টেনে পার হবে। আর তোমরা সত্যের দাবিতে আমার চেয়েও বেশি কঠোর নও, যা সেদিন মুমিনদের পক্ষ থেকে মহাপরাক্রমশালী আল্লাহর নিকট স্পষ্টভাবে পেশ করা হবে। যখন তারা দেখবে যে তারা তাদের ভাইদের রেখে মুক্তি পেয়েছে, তখন তারা বলবে: হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের ভাইয়েরা আমাদের সাথে সালাত আদায় করত, সিয়াম পালন করত এবং আমাদের সাথে নেক আমল করত। তখন মহান আল্লাহ বলবেন: তোমরা যাও, যাদের অন্তরে এক দীনার পরিমাণ ঈমান পাবে তাদের বের করে আনো। আর আল্লাহ তাদের চেহারাকে আগুনের জন্য হারাম করে দেবেন। তারা তাদের কাছে আসবে; তাদের কেউ কেউ আগুনের মধ্যে তাদের দুই পা পর্যন্ত, আবার কেউ তাদের দুই পায়ের নলার অর্ধেক পর্যন্ত ডুবে থাকবে। তারা যাদের চিনতে পারবে তাদের বের করে আনবে। এরপর তারা পুনরায় ফিরে আসবে। আল্লাহ বলবেন: যাও, যাদের অন্তরে অর্ধেক দীনার পরিমাণ ঈমান পাবে তাদের বের করে আনো। তারা যাদের চিনতে পারবে তাদের বের করে আনবে। এরপর তারা পুনরায় ফিরে আসবে। আল্লাহ বলবেন: যাও, যাদের অন্তরে অণু পরিমাণ ঈমান পাবে তাদের বের করে আনো। তারা যাদের চিনতে পারবে তাদের বের করে আনবে।" আবু সাঈদ (রাযি.) বলেন: তোমরা যদি আমাকে বিশ্বাস না করো, তবে মহান আল্লাহর এই বাণী পাঠ করো: {নিশ্চয়ই আল্লাহ অণু পরিমাণও জুলুম করেন না, আর যদি তা নেক কাজ হয় তবে তিনি তা দ্বিগুণ করে দেন} [সূরা নিসা: ৪০]। "এরপর নবীগণ, ফেরেশতাগণ এবং মুমিনগণ সুপারিশ করবেন। তখন মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ বলবেন: এখন কেবল আমার সুপারিশ বাকি আছে। তখন তিনি জাহান্নাম থেকে এক মুঠো গ্রহণ করবেন এবং বের করবেন ⦗পৃষ্ঠা: ৪৯⦘ এমন কিছু জাতিকে যারা পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল। এরপর তাদের জান্নাতের প্রবেশপথে ‘হায়াত’ (জীবন) নামক একটি নদীতে নিক্ষেপ করা হবে। এতে তারা নদীর দুই কিনারায় এমনভাবে গজিয়ে উঠবে যেমন শস্যদানা প্লাবনের পলিমাটির স্রোতে গজিয়ে ওঠে। তোমরা নিশ্চয়ই তা পাথরের পাশে বা গাছের পাশে দেখেছ; তার যে অংশ রোদে থাকে তা হয় কিছুটা সবুজ আর যা ছায়ায় থাকে তা হয় সাদা। এরপর তারা মুক্তার মতো উজ্জ্বল হয়ে বের হবে। তাদের গলায় মোহর লাগিয়ে দেওয়া হবে এবং তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে। তখন জান্নাতীরা বলবে: এরা দয়াময় আল্লাহর নিকট থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত, যাদের তিনি জান্নাতে প্রবেশ করিয়েছেন তাদের কোনো আমল বা আগে প্রেরিত কোনো কল্যাণ ছাড়াই। তখন তাদের বলা হবে: তোমরা যা দেখেছ তা তোমাদের জন্য এবং তার সাথে সমপরিমাণ আরও দেওয়া হলো।" ⦗পৃষ্ঠা: ৫০⦘ সাঈদ বিন আবু হিলাল বলেন: আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, পুল (সীরাত) চুলের চেয়েও সূক্ষ্ম এবং তলোয়ারের চেয়েও ধারালো।
(খণ্ড: ১) মাজলিসুম মিন ফাওয়াইদিল লাইস বিন সাদ (পৃষ্ঠা: ৫১)
5 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ قَالَ: أنا أَحْمَدُ بْنُ خلَاَّدٍ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، ثنا ابْنُ بُكَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلَالٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ رَجُلٍ أَخْبَرَهُ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ: ‌‌«الدِّينُ النَّصِيحَةُ» ، قُلْنَا: لِمَنْ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «لِلَّهِ، وَلِكِتَابِهِ، وَلِرَسُولِهِ، وَلِأَئِمَّةِ الْمُسْلِمِينَ وَعَامَّتِهِمْ»
৫ - আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন খাল্লাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন ইব্রাহিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবন বুকাইর, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আল-লাইস, খালিদ থেকে, তিনি সাঈদ বিন আবি হিলাল থেকে, তিনি যাইদ বিন আসলাম থেকে, তিনি এক ব্যক্তি থেকে যিনি তাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেছেন: «দ্বীন হলো কল্যাণকামিতা», আমরা বললাম: কার জন্য হে আল্লাহর রাসূল? তিনি বললেন: «আল্লাহর জন্য, তাঁর কিতাবের জন্য, তাঁর রাসূলের জন্য এবং মুসলিমদের নেতৃবৃন্দের জন্য ও তাদের সাধারণ জনগণের জন্য।»
(খণ্ড: ১) মাজলিসুম মিন ফাওয়াইদিল লাইস বিন সাদ (পৃষ্ঠা: ৫৫)
6 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ قَالَ: أنا أَحْمَدُ بْنُ خَلَّادٍ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، ثنا ابْنُ بُكَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلَالٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، أَنَّ مُحَبَّرًا أَخْبَرَهُ أَنَّهُ دَخَلَ عَلَى رَأْسِ الْجَالُوتِ وَهُوَ ⦗ص: 56⦘ يَقْرَأُ التَّوْرَاةَ فَبَكَى، قَالَ: مَا يُبْكِيكَ؟ قَالَ: "‌‌ مَرَرْتُ بِحَرْفٍ فَأَبْكَانِي: يَا بَنِي إِسْرَائِيلَ، إِنِّي كُنْتُ أُحِبُّكُمْ، فَلَمَّا عَصَيْتُمُونِي أَبْغَضْتُكُمْ "
৬ - আবুল ফাতহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন খাল্লাদ আমাদের জানিয়েছেন, আহমাদ বিন ইবরাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন বুকাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: লাইস আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, খালিদ থেকে, তিনি সাঈদ বিন আবি হিলাল থেকে, তিনি যায়িদ বিন আসলাম থেকে বর্ণনা করেন যে, মুহাব্বার তাঁকে অবহিত করেছেন যে, তিনি রাসুল জালুতের নিকট প্রবেশ করলেন যখন তিনি ⦗পৃষ্ঠা: ৫৬⦘ তাওরাত পাঠ করছিলেন, এমতাবস্থায় তিনি কেঁদে ফেললেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: "কিসে আপনাকে কাঁদাচ্ছে?" তিনি বললেন: "আমি একটি বাক্যের মধ্য দিয়ে গিয়েছি যা আমাকে কাঁদিয়েছে: হে বনী ইসরাঈল, নিশ্চয়ই আমি তোমাদের ভালোবাসতাম, অতঃপর যখন তোমরা আমার অবাধ্যতা করলে, তখন আমি তোমাদের ঘৃণা করলাম।"