(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: -)
تخريج أحاديث وآثار حياة الحيوان للدميري من التاء إلى الجيم القسم: التخريج والأطراف
الكتاب: الأحاديث المرفوعة والموقوفة في كتاب «حياة الحيوان الكبرى» للدَّمِيري، من بداية حرف (التاء) إلى نهاية حرف (الجيم)، تخريجاً ودراسة
إعداد: إبراهيم بن عبد الله بن عبد الرحمن المديهش
رسالة: مقدمة لنيل درجة الماجستير، قسم السنة وعلومها، كلية أصول الدين، جامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية - الرياض
إشراف: عبد الله بن ناصر الشقاري، الأستاذ المشارك
العام الجامعي: 1431هـ /1432هـ
(الرسالة: ضمن مشروع يقع في 8 رسائل ماجستير في تخريج أحاديث وآثار كتاب حياة الحيوان الكبرى للدميري (ت 808هجري))
عدد الصفحات: 1413
تاريخ النشر بالشاملة: 18 رمضان 1434
আদ-দামিরি রচিত ‘হায়াতুল হাইওয়ান’ গ্রন্থের ‘তা’ থেকে ‘জিম’ বর্ণ পর্যন্ত হাদিস ও আছারসমূহের তাখরিজ বিভাগ: হাদিসের উৎস অনুসন্ধান ও বিন্যাস (আত-তাখরিজ ওয়াল আতরাফ)
গ্রন্থ: আদ-দামিরি রচিত «হায়াতুল হাইওয়ান আল-কুবরা» গ্রন্থে বর্ণিত মারফু ও মাওকুফ হাদিসসমূহ, (তা) বর্ণের শুরু থেকে (জিম) বর্ণের শেষ পর্যন্ত: তাখরিজ ও পর্যালোচনা
প্রস্তুতি: ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আল-মুতাইহিশ
অভিসন্দর্ভ: মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনের লক্ষ্যে পেশকৃত, সুন্নাহ ও সুন্নাহ বিজ্ঞান বিভাগ, ধর্মতত্ত্ব অনুষদ (কুল্লিয়াহ উসুলুদ্দিন), ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় - রিয়াদ
তত্ত্বাবধান: আব্দুল্লাহ বিন নাসের আশ-শকারি, সহযোগী অধ্যাপক
শিক্ষাবর্ষ: ১৪৩১ হিজরি /১৪৩২ হিজরি
(অভিসন্দর্ভ: আদ-দামিরি (মৃত্যু ৮০৮ হিজরি) রচিত হায়াতুল হাইওয়ান আল-কুবরা গ্রন্থের হাদিস ও আছারসমূহের তাখরিজ সংক্রান্ত ৮টি মাস্টার্স অভিসন্দর্ভের একটি প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত)
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৪১৩
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ১৮ রমজান ১৪৩৪
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: -)
المملكة العربية السعودية
وزارة التعليم العالي
جامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية
كلية أصول الدين
قسم السنة وعلومها
الأحاديث المرفوعة والموقوفة
في كتاب
«حياة الحيوان الكبرى» للدَّمِيري ت 808 هـ
من بداية حرف (التاء) إلى نهاية حرف (الجيم)
تخريجاً ودراسة
رسالة مقدمة لنيل درجة الماجستير، في السنة وعلومها:
إعداد:/ إبراهيم بن عبد الله بن عبد الرحمن المديهش
إشراف فضيلة الشيخ: د. عبد الله بن ناصر الشقاري
الأستاذ المشارك بقسم السنة في جامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية
العام الجامعي 1431هـ /1432هـ
সৌদি আরব রাজ্য
উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়
ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়
ধর্মতত্ত্ব অনুষদ
সুন্নাহ ও তার জ্ঞান বিভাগ
মারফূ ও মাওকূফ হাদীসসমূহ
গ্রন্থে
আদ-দামিরী (মৃত্যু ৮০৮ হি.) রচিত «হায়াতুল হায়াওয়ান আল-কুবরা»
‘তা’ বর্ণের শুরু থেকে ‘জীম’ বর্ণের শেষ পর্যন্ত
তাকরীজ ও গবেষণা
সুন্নাহ ও তার জ্ঞান বিজ্ঞানে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনের জন্য উপস্থাপিত একটি অভিসন্দর্ভ:
প্রস্তুতকারক: ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আল-মাদিহেশ
তত্ত্বাবধানে: সম্মানিত শায়খ ড. আব্দুল্লাহ বিন নাসির আশ-শাকারি
ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের সুন্নাহ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক
শিক্ষাবর্ষ ১৪৩১ হিজরি / ১৪৩২ হিজরি
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১০৬)
1 - قال المصنف - رحمه الله تعالى -[1/ 532]: رَوَى الإِمَامُ مَالِكٌ فِيْ «المُوَطَّأ»، وَأَبُو دَاوُدَ، وَالتِّرْمِذِيُّ، وَالنَّسَائِيُّ، وَآخَرُوْنَ، عَنْ مُعَاذِ بنِ جَبَلَ رضي الله عنه، قَالَ: «بَعَثَنِي رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى اليَمَنِ، وَأَمَرَنِي أَنْ آخُذَ مِنْ كُلِّ أَرْبَعِيْنَ بَقَرَةً، بَقَرَةً، وَمِنْ كُلِّ ثَلاثِيْنَ مُسِنَّةً، تَبِيْعَاً أَوْ تَبِيْعَةً». قَالَ التِّرْمِذِيُّ: حَدِيْثٌ حَسَنٌ، وَرُوِيَ مُرْسَلَاً، وَهُوَ أَصَحُّ.
إسناد الحديث ومتنه:قال الإمام الترمذي رحمه الله: حدثنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا عبد الرزاق، قال: أخبرنا سفيان، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن مسروق، عن معاذ بن جبل، قال: «بعثني النبي صلى الله عليه وسلم إلى اليمن، فأمرني أن آخذ من كل ثلاثين بقرةً تبيعاً أو تبيعة، ومن كل أربعين مُسِنَّةً، ومن كل حالم ديناراً أو عِدْله معافرٌ».
قال أبو عيسى: «هذا حديث حسن، ورَوى بعضهم هذا الحديث عن سفيان، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن مسروق، أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث معاذاً إلى اليمن، فأمره أن يأخذ، وهذا أصح».
[«الجامع» للترمذي، (صـ 123)، كتاب الزكاة، باب ما جاء في زكاة البقر، حديث رقم (623)]
دراسة الإسناد:- محمود بن غَيلان العَدَوي مولاهم، أبو أحمد المرْوزي، نزيل بغداد.
مُتَّفَقٌ عَلى تَوْثِيْقِهِ.
قال الإمام أحمد: أعرفه بالحديث، صاحبُ سنَّةٍ، قد حُبس بسبب القرآن.
ت 239، وقيل: بعد ذلك.
[«التاريخ الكبير» (7/ 404)، «الثقات لابن حبان» (9/ 202)، «تهذيب الكمال» (27/ 305)، «تهذيب التهذيب» (10/ 64)، «تقريب التهذيب» (صـ 925)].
১ - গ্রন্থকার - আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন - বলেছেন [১/ ৫৩২]: ইমাম মালিক ‘মুওয়াত্ত্তা’-এ, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ এবং অন্যান্যরা মুআজ ইবনে জাবাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে ইয়ামেনে পাঠিয়েছেন এবং আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন আমি প্রতি চল্লিশটি গরু থেকে একটি গরু এবং প্রতি ত্রিশটি ‘মুসিন্না’ (দুই বছর বয়সী গরু) থেকে একটি ‘তাবি’ (এক বছর বয়সী এঁড়ে বাছুর) অথবা একটি ‘তাবিআ’ (এক বছর বয়সী বকনা বাছুর) গ্রহণ করি।» তিরমিযী বলেছেন: হাদিসটি হাসান, আর এটি মুরসাল হিসেবেও বর্ণিত হয়েছে এবং সেটিই অধিক বিশুদ্ধ।
হাদিসের সনদ ও মতন:ইমাম তিরমিযী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: মাহমুদ ইবনে গাইলান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুর রাজ্জাক আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আমাশ থেকে, তিনি আবু ওয়ায়িল থেকে, তিনি মাসরুক থেকে, তিনি মুআজ ইবনে জাবাল থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে ইয়ামেনে পাঠিয়েছেন এবং আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন আমি প্রতি ত্রিশটি গরু থেকে একটি ‘তাবি’ অথবা একটি ‘তাবিআ’ গ্রহণ করি, এবং প্রতি চল্লিশটি থেকে একটি ‘মুসিন্না’ (দুই বছর বয়সী গরু), আর প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির কাছ থেকে এক দীনার অথবা তার সমপরিমাণ ‘মাআফির’ (ইয়েমেনি কাপড়) গ্রহণ করি।»
আবু ঈসা বলেছেন: «এটি একটি হাসান হাদিস, আর কেউ কেউ এই হাদিসটি সুফিয়ান থেকে, তিনি আমাশ থেকে, তিনি আবু ওয়ায়িল থেকে, তিনি মাসরুক থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুআজকে ইয়ামেনে পাঠিয়েছিলেন এবং তাকে (যাকাত আদায়ের) নির্দেশ দিয়েছিলেন; আর এটিই অধিক বিশুদ্ধ।»
[তিরমিযীর ‘আল-জামি’, (পৃ. ১২৩), যাকাত অধ্যায়, গরু যাকাত সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ, হাদিস নং (৬২৩)]
সনদের বিশ্লেষণ:- মাহমুদ ইবনে গাইলান আল-আদাভী, তাঁদের আযাদকৃত গোলাম, আবু আহমদ আল-মারওয়াযী, বাগদাদের অধিবাসী।
তাঁর নির্ভরযোগ্যতার ব্যাপারে সকলে ঐকমত্য পোষণ করেছেন।
ইমাম আহমাদ বলেছেন: আমি তাঁকে হাদিস বিশারদ হিসেবে চিনি, তিনি সুন্নাহর অনুসারী ছিলেন, কুরআন সংক্রান্ত (ফিতনার) কারণে তাঁকে কারারুদ্ধ হতে হয়েছিল।
মৃত্যু ২৩৯ হিজরি, মতান্তরে এরপর।
[‘আত-তারিখুল কাবীর’ (৭/৪০৪), ইবনে হিব্বানের ‘আস-সিকাত’ (৯/২০২), ‘তাহযীবুল কামাল’ (২৭/৩০৫), ‘তাহযীবুত তাহযীব’ (১০/৬৪), ‘তাক্বরীবুত তাহযীব’ (পৃ. ৯২৫)]।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১০৭)
- عبد الرزاق بن هَمَّام بن نافع الحِمْيَري مولاهم، اليماني، أبو بكر الصنعاني.
إِمَامٌ، حَافِظٌ، ثِقَةٌ، وَحَدِيثُهُ مِنْ كِتَابِهِ أَصَحُّ، وحَدِيْثُهُ بَعْدَ المِئَتَيْنِ لِلْهِجْرَةِ ضَعِيْفٌ؛ لِقَبُوْلِهِ التَّلْقِيْنَ.
وثَّقَهُ: ابن معين، والعجلي، ويعقوب بن شيبة وزاد: ثبت، وأبو داود، والبزار، والدارقطني، وغيرهم، وذكره ابن حبان في الثقات.
وقال أحمد بن حنبل: مَنْ سمع من الكتب فهو أصح. وقال البخاري: ما حدث من كتابه فهو أصح. وقال ابن حبان: وكان ممن جمع، وصنف، وحفظ، وذاكر، وكان ممن يخطئ إذا حدث من حفظه، على تشيع فيه.
قال ابن عدي: رحل إليه أئمة المسلمين وثقاتهم، ولم نر بحديثه بأساً، إلا أنهم نسبوه إلى التشيع.
وضعَّفه: ابن معين كما في رواية ابن محرز، وأبو حاتم الرازي حيث قال: يكتب حديثه، ولا يحتج به.
قلتُ: وتضعيف ابن معين إنما هو تضعيف نسبي، لأنه جاء في معرض ذكره أصحابَ سفيان الثوري، فذكر الطبقة الأولى: وكيع، والقطان، وابن مهدي، وابن المبارك، وأبو نعيم، قال: هؤلاء ثقات. ثم قيل له: فأبو عاصم الضحاك بن مخلد، وعبد الرزاق، وقبيصة، وأبو حذيفة موسى بن مسعود؟ فقال: (هؤلاء ضعفاء).
فالطبقة الثانية هم من الثقات الأثبات، فضعَّفهم نِسبةً إلى الطبقة الأولى، ويدلُّ لذلك أنه وثَّقه كما في رواية الدارمي، وابن الجُنيد. وأما قول أبي حاتم فمُخالَف بتوثيق الأئمة، وهو
আবদুর রাজ্জাক বিন হাম্মাম বিন নাফে আল-হিময়ারি, তাদের আযাদকৃত গোলাম, আল-ইয়ামানি, আবু বকর আস-সানআনি।
তিনি একজন ইমাম, হাফেজ এবং নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)। তার কিতাব থেকে বর্ণিত হাদিস অধিকতর বিশুদ্ধ। হিজরি দুইশ সালের পরবর্তী সময়ে তার বর্ণিত হাদিসগুলো দুর্বল; কারণ তিনি তালকিন (অন্যের শিখিয়ে দেওয়া কথা) গ্রহণ করতেন।
তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন: ইবনে মাঈন, আল-ইজলি, ইয়াকুব বিন শায়বাহ—যিনি তাকে সুদৃঢ় হিসেবেও অভিহিত করেছেন—আবু দাউদ, আল-বাযযার, আদ-দারাকুতনি এবং আরও অনেকে। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্যদের তালিকায় উল্লেখ করেছেন।
ইমাম আহমদ বিন হাম্বল বলেছেন: যে ব্যক্তি তার কিতাব থেকে শুনেছে, তা অধিকতর বিশুদ্ধ। ইমাম বুখারি বলেছেন: তিনি তার কিতাব থেকে যা বর্ণনা করেছেন তা অধিকতর বিশুদ্ধ। ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা হাদিস সংগ্রহ করেছেন, সংকলন করেছেন, মুখস্থ করেছেন এবং আলোচনা করেছেন। তবে তিনি যখন নিজের মুখস্থ স্মৃতি থেকে বর্ণনা করতেন, তখন ভুল করতেন; এছাড়া তার মধ্যে শিয়া মতবাদের প্রভাব ছিল।
ইবনে আদি বলেছেন: মুসলিম উম্মাহর ইমামগণ এবং নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিবর্গ তার নিকট সফর করেছেন। আমরা তার হাদিসে কোনো সমস্যা দেখি না, তবে তারা তাকে শিয়া মতবাদের দিকে সম্পৃক্ত করেছেন।
তাকে দুর্বল বলেছেন: ইবনে মাঈন (ইবনে মুহরিযের বর্ণনা অনুযায়ী), এবং আবু হাতেম আর-রাজি। আবু হাতেম আর-রাজি বলেছেন: তার হাদিস লেখা যাবে, কিন্তু তা দ্বারা দলিল পেশ করা যাবে না।
আমি বলছি: ইবনে মাঈনের তাকে দুর্বল বলাটা মূলত আপেক্ষিক দুর্বলতা। কারণ তিনি যখন সুফিয়ান সাওরির ছাত্রদের ব্যাপারে আলোচনা করছিলেন, তখন প্রথম স্তরের ব্যক্তিদের কথা উল্লেখ করেন: ওয়াকি', আল-কাত্তান, ইবনে মাহদি, ইবনুল মুবারক এবং আবু নুআইম। তিনি বলেন: তারা নির্ভরযোগ্য। অতঃপর তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো: আবু আসিম আদ-দাহহাক বিন মাখলাদ, আবদুর রাজ্জাক, ক্বাবিসাহ এবং আবু হুযায়ফাহ মুসা বিন মাসউদের ব্যাপারে কী হুকুম? তখন তিনি বললেন: (তারা দুর্বল)।
সুতরাং এই দ্বিতীয় স্তরের ব্যক্তিরাও অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ়, কিন্তু প্রথম স্তরের তুলনায় তিনি তাদের দুর্বল বলেছেন। এর প্রমাণ হলো, আদ-দারিমী এবং ইবনুল জুনাইদের বর্ণনায় তিনি তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আর আবু হাতেমের বক্তব্যের বিপরীতে অন্যান্য ইমামদের নির্ভরযোগ্যতার সাক্ষ্য বিদ্যমান, এবং তিনি...
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১০৮)
معروف بتشدده في الرجال (1) - رحمه الله تعالى -، ولعلَّه أراد حديثه بعدما عمي - والله أعلم -.
ووَصَفَهُ بالكذب وسرقة الأحاديث: زيد بن المبارك، والعباس العنبري.
قال العباس العنبري: والله الذي لا إله إلا هو إنَّ عبد الرزاق كذاب، والواقدي أصدق منه.
تعقبه الذهبي في «الميزان» بقوله: (هذا ما وافَقَ عليه العباسَ مسلمٌ، بل سائر الحفاظ، وأئمة العلم يحتجون به، إلا في تلك المناكير المعدودة في سعة ما رَوَى).
وقال أيضاً في «السير»: (بل والله ما بَرَّ عباسٌ في يمينه، ولبئس ما قال، يعمد إلى شيخ الإسلام، ومحدث الوقت، ومن احتجّ به كلُّ أرباب الصحاح- وإن كان له أوهام مغمورة، وغيره أبرع في الحديث منه- فيرميه بالكذب، ويُقدِّم عليه الواقدي، الذي اجتمعت الحفاظ على تركه، فهو في
مقالته هذه خارق للإجماع بيقين).
وقال ابن حجر في «هدي الساري»: (وثّقه الأئمة كلهم، إلا العباس بن عبد العظيم العنبري وحده؛ فتكلّم بكلام أفرط فيه، ولم يُوافقه عليه أحد).
وقد يُحمل كلام العباس العنبري على أن ذلك كان في آخر عمره، بعد أن تغير، قاله ابن الكيّال.
وقد ذُكر فيه ثلاثة أمور:
الأول: التَشَيُّع:
نسَبَهُ إلى التَشيُّع: ابنُ معين، العجلي، وابن عدي، وابن حبان، وغيرهم.
--------------------------------------------
রিজাল (বর্ণনাকারী) শাস্ত্রের পণ্ডিতদের সমালোচনায় তিনি তাঁর কঠোরতার জন্য পরিচিত (১) - আল্লাহ তা'আলা তাঁর ওপর রহম করুন -; আর সম্ভবত তিনি তাঁর দৃষ্টিশক্তি হারানোর পরের হাদিসগুলো বুঝিয়েছেন - আর আল্লাহই ভালো জানেন।
আর যায়েদ বিন আল-মুবারক এবং আল-আব্বাস আল-আনবারী তাঁকে মিথ্যাচার এবং হাদিস চুরির দায়ে অভিযুক্ত করেছেন।
আব্বাস আল-আনবারী বলেন: সেই আল্লাহর কসম, যিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, নিশ্চয়ই আব্দুর রাজ্জাক একজন মিথ্যাবাদী, আর ওয়াকিদী তাঁর চেয়ে অধিক সত্যবাদী।
আয-যাহাবী ‘আল-মিজান’ গ্রন্থে এর সমালোচনা করে বলেন: (এটি এমন বিষয় যাতে মুসলিম (ইমাম মুসলিম), বরং অন্য কোনো হাফেজই আব্বাসের সাথে একমত হননি; বরং ইলমের ইমামগণ তাঁকে দলিল হিসেবে গ্রহণ করেন, তবে তাঁর প্রচুর বর্ণনার ভিড়ে সেই গুটিকয়েক মুনকার (অপ্রসিদ্ধ) বর্ণনা ব্যতীত)।
তিনি ‘আস-সিয়ার’ গ্রন্থে আরও বলেন: (বরং আল্লাহর কসম, আব্বাস তাঁর শপথ পালনে সঠিক ছিলেন না, এবং তিনি যা বলেছেন তা কতই না মন্দ! তিনি শাইখুল ইসলাম, সমকালীন শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস এবং যাঁকে সিহাহ (বিশুদ্ধ) হাদিস গ্রন্থসমূহের সকল সংকলকগণ দলিল হিসেবে গ্রহণ করেছেন - যদিও তাঁর কিছু ছোটখাটো ভুলভ্রান্তি ছিল এবং অন্য কেউ তাঁর চেয়ে হাদিসে অধিক পারদর্শী হতে পারেন - তাঁকে মিথ্যাচারের অপবাদ দিচ্ছেন, এবং তাঁর ওপর ওয়াকিদীকে প্রাধান্য দিচ্ছেন, যাঁকে বর্জন করার ব্যাপারে হাফেজগণ একমত হয়েছেন। সুতরাং তাঁর এই বক্তব্যটি নিশ্চিতভাবেই ইজমার পরিপন্থী)।
এবং ইবনে হাজার ‘হাদইউস সারী’ গ্রন্থে বলেন: (একমাত্র আব্বাস বিন আব্দুল আযীম আল-আনবারী ছাড়া সকল ইমামই তাঁকে নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) হিসেবে গণ্য করেছেন; তিনি (আব্বাস) তাঁর বক্তব্যে বাড়াবাড়ি করেছেন এবং কেউ তাঁর সাথে একমত হননি)।
আব্বাস আল-আনবারীর কথাকে এই অর্থে গ্রহণ করা যেতে পারে যে, এটি আব্দুর রাজ্জাকের শেষ বয়সের কথা যখন তাঁর স্মৃতিশক্তি পরিবর্তিত হয়েছিল, এটি ইবনুল কায়্যাল বলেছেন।
তাঁর ব্যাপারে তিনটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে:
প্রথম: শিয়া মতাবলম্বন (তাশায়্যু):
তাঁকে শিয়া মতাবলম্বী হিসেবে উল্লেখ করেছেন: ইবনে মায়ীন, আল-ইজলী, ইবনে আদী, ইবনে হিব্বান এবং অন্যান্যরা।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১০৯)
قلتُ: لم يكن غالياً في التشيع، فلم يكن يقدِّم على الشيخين أبي بكر وعمر رضي الله عنهما أحداً من الصحابة، وإنما كان يُقدِّم علياً على عثمان رضي الله عنهم، وهذا مذهب لبعض السلف أول الأمر، ثم أجمعوا على التثليث بعثمان رضي الله عنهم أجمعين - (1).
قال عبد الله بن الإمام أحمد: سألت أبي، قلتُ: عبد الرزاق، كان يتشيع ويفرط في التشيع؟ فقال: أما أنا فلم أسمع منه في هذا شيئاً، ولكن كان رجلاً تعجبه أخبار الناس.
وقال عبد الله أيضاً: سمعت سلمة بن شبيب يقول: سمعت عبد الرزاق يقول: والله ما انشرح صدري قطُّ أنْ أُفَضِّل علياً على أبي بكر وعمر، رحم الله أبا بكر، ورحم الله عمر، ورحم الله عثمان، ورحم الله علياً، مَنْ لم يحبهم فما هو مؤمن. وقال: أوثق عملي حُبِّي إياهم.
وقال أبو الأزهر أحمد بن الأزهر النيسابوري: سمعت عبد الرزاق يقول: أُفضِّل الشيخين بتفضيل عليٍّ إياهما على نفسه، ولو لم يفضلهما لم أفضلهما، كفى بي آزراً أن أحب علياً، ثم أُخالف قولَه.
الثاني: أنه اختلط بأخره؛ فكان يقبل التلقين.
قال الأثرم: سمعت أبا عبد الله أحمد بن حنبل، يُسأل عن حديث «النار جبار»؟ فقال: هذا باطل، ليس من هذا شيء. ثم قال: ومَنْ يحدث به عن عبد الرزاق؟ قلت: حدثني أحمد بن شبويه. قال: هؤلاء سمعوا بعد ما عَمِي، كان يُلقَّن، فلقنه، وليس هو في كتبه، وقد أسندوا عنه أحاديث
ليست في كتبه، كان يُلقنها بعدما عَمي.
--------------------------------------------
আমি বলছি: তিনি চরমপন্থী শিয়া ছিলেন না। কেননা তিনি আবু বকর ও ওমর (রা.)-এর ওপর অন্য কোনো সাহাবীকে প্রাধান্য দিতেন না। তবে তিনি আলীকে উসমানের (রা.) ওপর প্রাধান্য দিতেন। এটি প্রথম দিকে কোনো কোনো পূর্বসূরী (সালাফ)-এর মতাদর্শ ছিল। অতঃপর সকলে উসমানকে (রা.) তৃতীয় স্থানে রাখার বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেছেন - (১)।
ইমাম আহমদের পুত্র আবদুল্লাহ বলেছেন: আমি আমার পিতাকে জিজ্ঞেস করলাম, আবদুর রাজ্জাক কি শিয়া মতাদলম্বী ছিলেন এবং এ বিষয়ে কি তিনি চরমপন্থা অবলম্বন করতেন? তিনি বললেন: আমি নিজে তার থেকে এ বিষয়ে কিছু শুনিনি, তবে তিনি এমন একজন ব্যক্তি ছিলেন যিনি ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহ ও মানুষের সংবাদ পছন্দ করতেন।
আবদুল্লাহ আরও বলেছেন: আমি সালামাহ ইবনে শাবীবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: আমি আবদুর রাজ্জাককে বলতে শুনেছি: আল্লাহর কসম, আবু বকর ও ওমরের ওপর আলীকে প্রাধান্য দেওয়ার ব্যাপারে আমার অন্তর কখনোই সায় দেয়নি। আল্লাহ আবু বকরকে রহমত দান করুন, আল্লাহ ওমরকে রহমত দান করুন, আল্লাহ উসমানকে রহমত দান করুন এবং আল্লাহ আলীকে রহমত দান করুন। যে ব্যক্তি তাদের ভালোবাসবে না সে মুমিন নয়। তিনি আরও বলেছেন: আমার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য আমল হলো তাদের প্রতি আমার ভালোবাসা।
আবু আল-আজহার আহমদ ইবনে আল-আজহার আন-নিশাপুরী বলেছেন: আমি আবদুর রাজ্জাককে বলতে শুনেছি: আলী (রা.) স্বয়ং তাদের দুজনকে নিজের ওপর প্রাধান্য দিয়েছেন বলেই আমি আবু বকর ও ওমরকে প্রাধান্য দেই। তিনি যদি তাদের প্রাধান্য না দিতেন, তবে আমিও দিতাম না। আমার জন্য এটিই কি যথেষ্ট নয় যে, আমি আলীকে ভালোবাসব অথচ তার কথার বিরোধিতা করব!
দ্বিতীয়ত: শেষ বয়সে তার স্মৃতিবিভ্রম ঘটেছিল; ফলে তিনি অন্যের শিখিয়ে দেওয়া কথা গ্রহণ করতেন।
আল-আছরাম বলেছেন: আমি আবু আবদুল্লাহ আহমদ ইবনে হাম্বলকে 'আগুন ক্ষতিপূরণহীন' হাদিসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হতে শুনেছি। তিনি বললেন: এটি বাতিল, এর কোনো ভিত্তি নেই। অতঃপর তিনি বললেন: আবদুর রাজ্জাকের পক্ষ থেকে এটি কে বর্ণনা করে? আমি বললাম: আহমদ ইবনে শাবাওয়াইহ আমাকে এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বললেন: এরা তার অন্ধ হয়ে যাওয়ার পর তার থেকে হাদিস শুনেছে। তখন তাকে অন্যের শিখিয়ে দেওয়া কথা (তালকিন) গ্রহণ করানো হতো, আর তিনি তা গ্রহণ করতেন; অথচ এটি তার কিতাবসমূহে নেই। তারা তার থেকে এমন কিছু হাদিস বর্ণনা করেছে যা তার কিতাবসমূহে নেই; তিনি অন্ধ হওয়ার পর তাকে সেগুলো শিখিয়ে দেওয়া হতো।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১১০)
قال ابن هانيء: سألته-يعني الإمام أحمد- عمَّن سمع من عبد الرزاق سنة ثمان؟ قال: لا يُعبأ بحديث مَن سمع منه وقد ذهب بصرُه، كان يُلقّن أحاديث باطلة.
قال أبو زرعة الدمشقي: أخبرني أحمد بن حنبل قال: أتينا عبد الرزاق قبل المئتين، وهو صحيح البصر، ومن سمع منه بعدما ذهب بصره، فهو ضعيف السماع.
وقال النسائي والدارقطني: فيه نظر لمن كتب عنه بأخره.
قال ابن حجر في «هدي الساري»: (احتجَّ به الشيخان في جملة مِنْ حديث مَنْ سمع منه قبل الاختلاط، وضابط ذلك مَنْ سمع منه قبل المئتين، فأما بعدها فكان قد تغيَّر
… )
وعليه: فمن سمع منه قبل المئتين للهجره، فحديثه صحيح، وممن سمع منه: أحمد بن حنبل، وابن معين، وإسحاق بن راهوية، وابن المديني، ومحمود بن غيلان، ووكيع، وغيرهم.
الثالث: التدليس.
قال ابن حجر في «تعريف أهل التقديس»: نسبه بعضهم إلى التدليس، وقد جاء عنه التبرئ منه، وذكر قوله: حججت فمكثت ثلاثة أيام لا يجيئني أصحاب الحديث، فتعلقت بالكعبة، فقلتُ: يا رب ما لي، أكذاب أنا؟ أمدلس أنا؟ أبقية بن الوليد أنا؟ فرجعت إلى البيت، فجاؤني.
ويحتمل أن يكون نفي الإكثار من التدليس بقرينة ذكره بقية. إ. هـ. كلام ابن حجر.
وقد ذكره في المرتبة الثانية، وهم الذين احتمل الأئمة تدليسهم؛ لإمامتهم، وقلة تدليسهم في جنب ما رووا.
ولم أجد مَنْ وصفه بالتدليس، غير ما نسبه ابن حجر إلى بعضهم.
قال ابن حجر في «تقريب التهذيب»: ثقة، حافظ، مصنف شهير، عمي في آخر عمره؛
فتغير، وكان يتشيع.
وما قاله ابن حجر هو الراجح، وتغيُّره بعد المئتين. ت 211هـ.
ইবনে হানি বলেন: আমি তাকে—অর্থাৎ ইমাম আহমাদকে—জিজ্ঞেস করলাম ওই ব্যক্তি সম্পর্কে যে [দুইশত] আট সালে আবদুর রাজ্জাকের নিকট থেকে হাদিস শুনেছে? তিনি বললেন: যার দৃষ্টিশক্তি চলে যাওয়ার পর তার থেকে হাদিস শোনা হয়েছে, তার হাদিসের কোনো গুরুত্ব নেই। তাকে বানোয়াট হাদিস শিখিয়ে দেওয়া (তালকিন করা) হতো।
আবু যুরআহ আদ-দিমাশকি বলেন: আহমাদ ইবনে হাম্বল আমাকে জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমরা দুইশত হিজরির আগে আবদুর রাজ্জাকের কাছে এসেছি, তখন তার দৃষ্টিশক্তি ভালো ছিল। আর যে ব্যক্তি তার দৃষ্টিশক্তি চলে যাওয়ার পর তার থেকে শুনেছে, তার শোনা (রেওয়ায়েত) দুর্বল।
নাসায়ি এবং দারা কুতনি বলেন: যারা শেষ বয়সে তার থেকে লিখেছে, তাদের ব্যাপারে সংশয় রয়েছে।
ইবনে হাজার ‘হাদি আস-সারি’ গ্রন্থে বলেন: (শায়খাইন [বুখারি ও মুসলিম] তার ওইসব হাদিসের মাধ্যমে দলিল পেশ করেছেন যা বর্ণনাকারীরা তার স্মৃতিবিভ্রমের (ইখতিলাত) পূর্বে শুনেছেন। আর এর সময়সীমা হলো যারা দুইশত হিজরির পূর্বে তার থেকে শুনেছেন। আর দুইশত হিজরির পরের কথা হলো, তখন তিনি পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছিলেন
… )
অতএব: যে ব্যক্তি দুইশত হিজরির পূর্বে তার থেকে হাদিস শুনেছেন, তার হাদিস সহিহ। যারা তার থেকে শুনেছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন: আহমাদ ইবনে হাম্বল, ইবনে মাঈন, ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহ, ইবনুল মাদিনি, মাহমুদ ইবনে গাইলান, ওয়াকি এবং অন্যান্যরা।
তৃতীয়: তাদলিস।
ইবনে হাজার ‘তা’রিফু আহলিত তাকদিস’ গ্রন্থে বলেন: কেউ কেউ তাকে তাদলিসের (বর্ণনাকারীর নাম গোপন করা) দিকে নিসবত করেছেন। অথচ তার পক্ষ থেকে তা অস্বীকার করার কথা বর্ণিত হয়েছে। তার এই উক্তিটি উল্লেখ করা হয়েছে: আমি হজ করলাম এবং তিন দিন অবস্থান করলাম কিন্তু কোনো হাদিস অন্বেষণকারী আমার কাছে এলো না। তখন আমি কাবা শরীফ জড়িয়ে ধরলাম এবং বললাম: হে রব, আমার কী হয়েছে? আমি কি মিথ্যাবাদী? আমি কি মুদাল্লিস? আমি কি বাকিয়্যাহ ইবনুল ওয়ালিদ? এরপর আমি বাড়িতে ফিরে এলাম এবং তারা আমার কাছে আসতে শুরু করল।
সম্ভবত বাকিয়্যাহর কথা উল্লেখ করার মাধ্যমে তিনি অধিক পরিমাণে তাদলিস করাকে অস্বীকার করেছেন। ইবনে হাজারের বক্তব্য এখানেই সমাপ্ত।
তিনি তাকে দ্বিতীয় স্তরে উল্লেখ করেছেন, আর এরা এমন ব্যক্তি যাদের তাদলিস ইমামগণ গ্রহণ করেছেন; তাদের ইমামত এবং তাদের বর্ণিত হাদিসের তুলনায় তাদলিসের পরিমাণ অত্যল্প হওয়ার কারণে।
ইবনে হাজার যাদের কথা উল্লেখ করেছেন, তারা ছাড়া আর কাউকে তাকে তাদলিসকারী হিসেবে বর্ণনা করতে আমি দেখিনি।
ইবনে হাজার ‘তাকরিবুত তাহজিব’ গ্রন্থে বলেন: নির্ভরযোগ্য, হাফেজ, প্রসিদ্ধ গ্রন্থকার, শেষ বয়সে অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন;
ফলে তার স্মৃতিশক্তিতে পরিবর্তন এসেছিল এবং তিনি শিয়া মতাবলম্বী ছিলেন।
ইবনে হাজার যা বলেছেন সেটিই অগ্রগণ্য মত, আর তার এই পরিবর্তন দুইশত হিজরির পরেই ঘটেছিল। মৃত্যু: ২১১ হিজরি।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১১১)
[«سؤالات ابن الجنيد لابن معين» (780)، «تاريخ ابن معين رواية ابن محرز» (1/ 109) (504)، «تاريخ ابن معين رواية الدارمي» (102)، «العلل» للإمام أحمد رواية عبد الله (1545) (1546)، «مسائل ابن هاني للإمام أحمد» (2101) (2285)، «الثقات» للعجلي (2/ 93)، «تاريخ أبي زرعة الرازي» (1160)، «التاريخ الكبير» للبخاري (6/ 130)، «الجرح والتعديل» (6/ 38)، «الضعفاء والمتروكون» للنسائي (379)، «الثقات» لابن حبان (8/ 412)، «الكامل» لابن عدي (5/ 311)، «سؤالات ابن بكير للدارقطني» (20)، «تهذيب الكمال» (18/ 52)، «ميزان الاعتدال» (3/ 325)، «سير أعلام النبلاء» (9/ 563)، «مَنْ تُكلم فيه وهو موثق، أوصالح الحديث» للذهبي (218)، «كتاب المختلطين» للعلائي (29)، «تعريف أهل التقديس بمعرفة مراتب الموصوفين بالتدليس» (58)، «هدي الساري» (صـ 419)، «تهذيب التهذيب» (6/ 310)، «تقريب التهذيب» (صـ 607)، «الكواكب النيرات» (ص266) (34)، «معجم المختلطين» (206)]
- سفيان بن سعيد بن مسروق الثوري، أبو عبد الله الكوفي.
مُتَّفَقٌ عَلى تَوْثِيقِهِ وَإِمَامَتِهِ.
قال شعبة، وابن عيينة، وابن معين، وغير واحد من العلماء: سفيان أمير المؤمنين في الحديث.
وقال الإمام أحمد: لم يتقدمه في قلبي أحد. ثم قال: أتدري مَنْ الإمام؟ الإمام سفيان الثوري.
وقال الخطيب البغدادي: (كان إماماً من أئمة المسلمين، وعَلماً من أعلام الدين، مُجمعاً على إمامته؛ بحيث يُستغنى عن تزكيته، مع الإتقان، والحفظ، والمعرفة، والضبط، والورع، والزهد).
… قال النسائي: (هو أجلُّ من أن يُقال فيه ثقة، وهو أحد الأئمة الذين أرجو أن يكون الله ممن جعله للمتقين إماماً).
وكان مدلِّساً، لكن تدليسَه قليل. قال البخاري: ما أقلَّ تدليسه.
وذكره ابن حجر في المرتبة الثانية من مراتب المدلسين، وهم: الذين احتمل الأئمة
تدليسهم؛ لإمامتهم وقِلَّة تدليسهم في جنب ما رووا.
قال ابن حجر في «تقريب التهذيب»:ثقة، حافظ، فقيه، عابد، إمام، حجة،
… وكان ربَّما
[«ইবনুল জুনাইদ কর্তৃক ইবনু মাঈনকে করা প্রশ্নাবলি» (৭৮০), «ইবনু মাহরাযের বর্ণনায় তারিখু ইবনু মাঈন» (১/ ১০৯) (৫০৪), «আদ-দারিমীর বর্ণনায় তারিখু ইবনু মাঈন» (১০২), «আবদুল্লাহর বর্ণনায় ইমাম আহমদের আল-ইলাল» (১৫৪৫) (১৫৪৬), «ইমাম আহমদের মাসাইল ইবনু হানি» (২১০১) (২২৮৫), «আল-ইজলির আস-সিকাত» (২/ ৯৩), «তারিখু আবি যুরআহ আর-রাজি» (১১৬০), «বুখারীর আত-তারিখুল কাবীর» (৬/ ১৩০), «আল-জারহ ওয়াত-তাদীল» (৬/ ৩৮), «নাসায়ীর আদ-দুয়াফা ওয়াল মাতরুকুন» (৩৭৯), «ইবনু হিব্বানের আস-সিকাত» (৮/ ৪১২), «ইবনু আদীর আল-কামিল» (৫/ ৩১১), «দারাকুতনীর সুয়ালাতু ইবনু বুকাইর» (২০), «তাহযীবুল কামাল» (১৮/ ৫২), «মিযানুল ইতিদাল» (৩/ ৩২৫), «সিয়ারু আলামিন নুবালা» (৯/ ৫৬৩), «আয-যাহাবীর মান তুকুল্লিমা ফীহি ওয়াহুওয়া মুয়াসসাকুন আও সলিহুল হাদীস» (২১৮), «আল-আলাঈর কিতাবুল মুখতালিতীন» (২৯), «তারিফু আহলিত তাকদীস বি-মারিফাতি মারাতিবিল মাওসুফীনা বিত-তাদলীস» (৫৮), «হাদয়ুস সারী» (পৃষ্ঠা ৪১৯), «তাহযীবুত তাহযীব» (৬/ ৩১০), «তাকরীবুত তাহযীব» (পৃষ্ঠা ৬০৭), «আল-কাওয়াকিবুন নাইয়্যিরাত» (পৃষ্ঠা ২৬৬) (৩৪), «মুজামুল মুখতালিতীন» (২০৬)]
- সুফিয়ান ইবনে সাঈদ ইবনে মাসরুক আস-সাওরী, আবু আব্দুল্লাহ আল-কুফী।
তাঁর নির্ভরযোগ্যতা এবং ইমামতের (নেতৃত্বের) বিষয়ে সকলে ঐকমত্য পোষণ করেছেন।
শু'বাহ, ইবনে উয়াইনা, ইবনে মাঈন এবং একাধিক আলেম বলেছেন: সুফিয়ান হাদীস শাস্ত্রে আমীরুল মুমিনীন।
ইমাম আহমদ বলেছেন: আমার অন্তরে তাঁর চেয়ে অগ্রগামী কেউ নেই। তারপর বললেন: তুমি কি জানো ইমাম কে? ইমাম হলেন সুফিয়ান আস-সাওরী।
আল-খতীব আল-বাগদাদী বলেছেন: (তিনি ছিলেন মুসলিমদের ইমামগণের মধ্যে একজন ইমাম, এবং দ্বীনের অন্যতম একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র; তাঁর ইমামতের বিষয়ে সর্বসম্মত ঐকমত্য রয়েছে; যার ফলে তাঁর গুণের বর্ণনা নিষ্প্রয়োজন। সাথে ছিল তাঁর নিখুঁত কর্মতৎপরতা, মুখস্থ শক্তি, প্রজ্ঞা, নির্ভুলতা, খোদাভীতি ও দুনিয়াবিমুখতা)।
… আন-নাসায়ী বলেছেন: (তিনি এর চেয়েও মহান যে তাঁকে কেবল ‘সিকাহ’ বা নির্ভরযোগ্য বলা হবে। তিনি এমন একজন ইমাম যাঁকে আল্লাহ মুত্তাকীদের জন্য ইমাম হিসেবে কবুল করেছেন বলে আমি আশা রাখি)।
তিনি মুদাল্লিস ছিলেন, তবে তাঁর তাদলীস ছিল নগণ্য। ইমাম বুখারী বলেছেন: তাঁর তাদলীস কতই না কম!
ইবনে হাজার তাঁকে মুদাল্লিসদের দ্বিতীয় স্তরে উল্লেখ করেছেন, যারা হলেন: ইমামগণ যাঁদের তাদলীসকে গ্রহণযোগ্য গণ্য করেছেন; তাঁদের ইমামত এবং তাঁদের বর্ণিত বিশাল হাদীস ভাণ্ডারের তুলনায় তাদলীসের পরিমাণ অত্যন্ত কম হওয়ার কারণে।
ইবনে হাজার ‘তাকরীবুত তাহযীব’-এ বলেছেন: নির্ভরযোগ্য, হাফেজ, ফকীহ, ইবাদতগুজার, ইমাম, হুজ্জাহ (দলিল স্বরূপ),
… এবং তিনি সম্ভবত...
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১১২)
دلس.
ت 161 هـ.
[«تاريخ ابن معين» رواية الدوري (2/ 211)، «الجرح والتعديل» (1/ 55)، «تاريخ بغداد» (10/ 219)، «تهذيب الكمال» (11/ 154)، «سيرأعلام النبلاء» (7/ 229)، «التبيين لأسماء المدلسين» لسبط ابن العجمي (25)، «كتاب المدلسين» للعراقي (21)، «تهذيب التهذيب» (4/ 111)، «تعريف أهل التقديس بمراتب الموصوفين بالتدليس» (51)، «تقريب التهذيب» (صـ 394)].
- سليمان بن مهران الأسدي الكاهلي مولاهم، أبو محمد الكوفي الأعمش.
مُتَّفَقٌ عَلَى تَوْثِيْقِهِ، وَهُوْ مُدَلِّسٌ، لاتُقْبَلُ عَنْعَنَتُهُ إلَّا فِي خَمْسِ حَالَاتٍ، ذَكَرتُهَا في آخِرِ تَرْجَمَتِهِ.
قال شعبة: ما شفاني أحد في الحديث ما شفاني الأعمش. وكان إذا ذكره قال: المصحف المصحف.
قال الفلاس: كان الأعمش يُسمَّى المصحف من صدقه. وقال يحيى القطان: كان من النساك، وهو علاّمة الإسلام.
وقد وصفه بالتدليس جمعٌ من الأئمة، منهم: ابن المبارك، والثوري، وشعبة، وابن معين، وأبو حاتم الرازي، والنسائي، ويعقوب بن سفيان، والدارقطني، وابن حبان، وغيرهم.
قال ابن عمَّار الشهيد: (والأعمش كان صاحب تدليس، فربَّما أخذ عن غير ثقة)
قال ابن عبد البر: (قالوا: لا يُقبل تدليس الأعمش، لأنه إذا وقف أحال إلى غير ملئ، يعنون: على غير ثقة، إذا سألته عمَّن هذا؟ قال: عن موسى بن طريف، وعَبَايَة بن رِبعي (1)،
والحسن بن ذكوان (2) قالوا: ويُقبل تدليس ابن عيينة؛ لأنه إذا وقف أحال على ابن جريج،
--------------------------------------------
মুদাল্লিস। মৃত্যু ১৬১ হিজরি।
[«তারিখ ইবনে মাঈন» দুরি-এর বর্ণনা (২/ ২১১), «আল-জারহ ওয়াত-তাদিল» (১/ ৫৫), «তারিখ বাগদাদ» (১০/ ২১৯), «তাহজিবুল কামাল» (১১/ ১৫৪), «সিয়ারু আলামিন নুবালা» (৭/ ২২৯), সিবত ইবনুল আজমির «আত-তাবয়ীন লি-আসমাউল মুদাল্লিসীন» (২৫), ইরাকির «কিতাবুল মুদাল্লিসীন» (২১), «তাহজিবুত তাহজিব» (৪/ ১১১), «তারিফু আহলিত তাকদিস বি-মারাতিবিল মাউসুফিনা বিত-তাদলিস» (৫১), «তাকরিবুত তাহজিব» (পৃ. ৩৯৪)]।
- সুলাইমান বিন মিহরান আল-আসাদি আল-কাহিলি, তাঁদের মুক্তদাসা, আবু মুহাম্মদ আল-কুফি আল-আমাশ।
তাঁর নির্ভরযোগ্যতার বিষয়ে ঐকমত্য রয়েছে এবং তিনি একজন মুদাল্লিস। তাঁর ‘আনআনা’ (عنعنة) পাঁচটি অবস্থা ব্যতীত গ্রহণ করা হবে না, যা আমি তাঁর জীবনী আলোচনার শেষে উল্লেখ করেছি।
শুবা বলেন: হাদিসের ক্ষেত্রে আল-আমাশ আমাকে যতটা পরিতৃপ্ত করেছেন, অন্য কেউ তা করতে পারেনি। তিনি যখন তাঁর কথা উল্লেখ করতেন, তখন বলতেন: তিনি হলেন মুসহাফ (বিশুদ্ধ কিতাব), তিনি হলেন মুসহাফ।
আল-ফাল্লাস বলেন: সত্যবাদিতার কারণে আল-আমাশকে ‘মুসহাফ’ বলা হতো। ইয়াহইয়া আল-কাত্তান বলেন: তিনি ছিলেন অত্যন্ত ইবাদতগুজার এবং ইসলামের একজন মহান আল্লামা (পণ্ডিত)।
একদল ইমাম তাঁকে তাদলিসের গুণে বর্ণনা করেছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: ইবনুল মুবারক, সাওরি, শুবা, ইবনে মাঈন, আবু হাতিম আল-রাজি, আন-নাসায়ি, ইয়াকুব বিন সুফিয়ান, আদ-দারা কুতনি, ইবনে হিব্বান এবং অন্যান্যরা।
ইবনে আম্মার আল-শহীদ বলেন: (আল-আমাশ তাদলিসকারী ছিলেন, ফলে কখনও কখনও তিনি অনির্ভরযোগ্য ব্যক্তির নিকট থেকে হাদিস গ্রহণ করতেন)।
ইবনে আব্দুল বার বলেন: (তাঁরা বলেছেন: আল-আমাশের তাদলিস গ্রহণ করা হবে না। কারণ, যখন তিনি তাদলিস ছেড়ে মূল ব্যক্তির পরিচয় দিতেন, তখন তিনি কোনো অনির্ভরযোগ্য ব্যক্তির নাম উল্লেখ করতেন। অর্থাৎ: অবিশ্বস্ত ব্যক্তি। আপনি যখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করবেন, এটি কার থেকে? তিনি তখন বলতেন: মুসা বিন তারিফ এবং আবায়াহ বিন রিবয়ি (১) থেকে,
এবং হাসান বিন জাকওয়ান (২) থেকে। তাঁরা বলেন: ইবনে উয়াইনাহর তাদলিস গ্রহণ করা হবে; কারণ তিনি যখন মূল ব্যক্তির পরিচয় দিতেন, তখন তিনি ইবনে জুরাইজের নাম উল্লেখ করতেন)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১১৩)
ومعمر، ونظائرهما).
قال الحاكم: قال سليمان الشاذكوني: (من أراد التديُّن بالحديث، فلا يأخذ عن الأعمش وقتادة إلا ما قالا: سمعناه).
وقال الذهبي في «الميزان»: (أحد الأئمة الثقات، عِدَاده في صغار التابعين، ما نقموا عليه إلا التدليس
… وقال جرير بن عبد الحميد: سمعت مغيرة يقول: «أهلك أهل الكوفة أبو إسحاق، وأعيمشكم هذا»، كأنه عنى الراوية عمن جاء، وإلا فالأعمش عدلٌ، صادقٌ، ثبتٌ، صاحبُ سنةٍ وقرآن، يُحسن الظن بمن يحدثه، ويروي عنه، ولا يمكننا أن نقطع عليه بأنه عَلِمَ ضعف ذلك الذي يدلسه، فإن هذا حرام
…وقال: وهو يدلس، وربما دلَّس عن ضعيف، ولا يدري به، فمتى قال: (حدثنا)، فلا كلام، ومتى قال: (عن)، تطرق إليه احتمال التدليس، إلا في شيوخ له أكثر عنهم: كإبراهيم، وأبي وائل، وأبي صالح السمان، فإن روايته عن هذا الصنف محمولة عن الاتصال).
وقد وصفه الخطيب البغدادي في «الكفاية» بتدليس التسوية.
وقال العلائي: مشهور بالتدليس، مكثر منه.
وذكره ابن حجر في المرتبة الثانية من مراتب المدلسين، وهم: الذين احتمل الأئمة تدليسهم لإمامتهم، وقلة تدليسهم في جنب ما رووا، أو كانوا لا يدلسون إلا عن ثقة.
وقد ذكره ابن حجر أيضاً في «النكت على ابن الصلاح» في الطبقة الثالثة من المدلسين
المخرَّج حديثهم في الصحيحين، وهم: من أكثروا من التدليس، وعرفوا به.
وأما الثانية في «النكت»،فهي مثل الثانية في كتابه «تعريف أهل التقديس».
والصواب أنه في المرتبة الثالثة (1)،فلا يقبل إلا ما صرح بالسماع، كما في قول ابن
--------------------------------------------
এবং মা'মার, এবং তাদের সমপর্যায়ের অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।)
হাকিম বলেন: সুলাইমান আশ-শাযকুনি বলেছেন: (যে ব্যক্তি হাদিসের মাধ্যমে দ্বীনদারী অর্জন করতে চায়, সে যেন আমাশ এবং কাতাদা থেকে তা গ্রহণ না করে, যতক্ষণ না তারা বলে: আমরা তা শুনেছি)।
যাহাবি 'আল-মিজান'-এ বলেছেন: (তিনি বিশ্বস্ত ইমামগণের একজন, কনিষ্ঠ তাবিঈদের অন্তর্ভুক্ত; তার মধ্যে তাদলীস ব্যতীত তারা অন্য কোনো দোষ খুঁজে পায়নি … এবং জারীর ইবনে আব্দুল হামীদ বলেন: আমি মুগীরাকে বলতে শুনেছি: «আবু ইসহাক এবং তোমাদের এই ছোট আমাশ কুফাবাসীদের ধ্বংস করেছে», মনে হয় তিনি যার কাছ থেকে রিওয়ায়াত এসেছে তার বর্ণনার কথা বুঝিয়েছেন; অন্যথায় আমাশ হলেন ন্যায়নিষ্ঠ, সত্যবাদী, সুদৃঢ়, সুন্নাহ ও কুরআনের ধারক, তিনি যার সাথে হাদিস বর্ণনা করেন তার প্রতি সুধারণা পোষণ করেন এবং তার থেকে বর্ণনা করেন। আমরা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি না যে তিনি সেই ব্যক্তির দুর্বলতা জানতেন যার থেকে তিনি তাদলীস করছেন, কারণ এটি হারাম …
তিনি আরও বলেছেন: তিনি তাদলীস করেন, আর কখনো কখনো কোনো দুর্বল বর্ণনাকারী থেকে তাদলীস করেন অথচ তিনি তা বুঝতে পারেন না। সুতরাং যখন তিনি বলেন: (আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন), তখন কোনো কথা নেই, কিন্তু যখন তিনি বলেন: (থেকে), তখন তাদলীসের সম্ভাবনা তৈরি হয়; তবে তাঁর সেই সকল উস্তাদদের ক্ষেত্রে নয় যাদের থেকে তিনি অধিক বর্ণনা করেছেন: যেমন ইবরাহিম, আবু ওয়াইল এবং আবু সালিহ আস-সাম্মান। কেননা এই শ্রেণীর বর্ণনাকারীদের থেকে তাঁর রিওয়ায়াত নিরবচ্ছিন্ন হিসেবেই গণ্য হবে)।
খতিব আল-বাগদাদি 'আল-কিফায়া' গ্রন্থে তাকে 'তাদলীসুত তাসওয়িয়া' (সমতা বিধানের তাদলীস) করার বৈশিষ্ট্যে বর্ণনা করেছেন।
আল-আলাঈ বলেন: তিনি তাদলীসের জন্য প্রসিদ্ধ এবং এতে অত্যধিক অভ্যস্ত।
ইবনে হাজার তাকে মুদাল্লিসদের স্তরের দ্বিতীয় স্তরে উল্লেখ করেছেন। তারা হলেন: যাদের ইমামত এবং তাদের বর্ণনার তুলনায় তাদলীস কম হওয়ার কারণে ইমামগণ তাদের তাদলীসকে মেনে নিয়েছেন, অথবা যারা বিশ্বস্ত বর্ণনাকারী ছাড়া অন্য কারো থেকে তাদলীস করতেন না।
ইবনে হাজার 'আন-নুকাত আলা ইবনিস সালাহ' গ্রন্থেও তাকে সেই সকল মুদাল্লিসদের তৃতীয় স্তরে উল্লেখ করেছেন
যাদের হাদিস সহীহাইন-এ বর্ণিত হয়েছে। তারা হলেন: যারা অধিক মাত্রায় তাদলীস করেছেন এবং এর জন্য পরিচিত ছিলেন।
আর 'নুকাত' গ্রন্থের দ্বিতীয় স্তরটি তাঁর 'তারীফু আহলিত তাকদীস' গ্রন্থের দ্বিতীয় স্তরের মতোই।
সঠিক মত হলো যে তিনি তৃতীয় স্তরের (১), সুতরাং তিনি স্পষ্টভাবে শ্রবণের কথা ব্যক্ত না করা পর্যন্ত তা গ্রহণযোগ্য হবে না, যেমন ইবনে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১১৪)
عبد البر، والذهبي، ويستثنى من ذلك الحالات التالية:
1) ما كان في الصحيحين، فهو محمول على السماع (1).
2) إذا كان حديث الأعمش عن الشيوخ الذين أكثر عنهم: كإبراهيم، وأبي وائل، وأبي صالح السَمَّان، كما في قول الذهبي - وقد سبق -.
3) إذا كان من رواية شعبة عنه، لأنه قال: (كفيتكم تدليس ثلاثة: الأعمش، وأبي إسحاق، وقتادة) (2).قال ابن حجر في «تعريف أهل التقديس»: (فهذه قاعدة جيدة في أحاديث هؤلاء الثلاثة: أنها إذا جاءت من طريق شعبة، دلَّتْ على السماع، ولو كانت معنعنة).
4) إذا كان من رواية حفص بن غياث عنه، قال ابن حجر في «هدي الساري»: (اعتمد البخاري على حفص هذا في حديث الأعمش؛ لأنه كان يُمَيِّزُ بَين ما صرَّح به الأعمش بالسماع، وبين ما دلَّسَه، نبَّه على ذلك الفضل بن طاهر، وهو كما قال).
5) إذا كان الحديث في صحيح ابن حبان، فقد قال في مقدمة كتابه - كما في «الإحسان» (1/ 162) -: (فإذا صحَّ عندي خبرٌ من رواية مدلِّسٍ أنه بيَّن السماع فيه، لاأُبالي أن أذكره من
--------------------------------------------
ইবনে আবদিল বার এবং আয-যাহাবী; আর এ থেকে নিম্নোক্ত অবস্থাগুলো ব্যতিক্রম হিসেবে গণ্য হবে:
১) যা সহীহায়নে (বুখারী ও মুসলিম) রয়েছে, তা সরাসরি শ্রবণের (সামা') ওপর ভিত্তি করে গণ্য করা হবে (১)।
২) যদি আল-আ'মাশের হাদীস এমন শায়খদের থেকে হয় যাদের থেকে তিনি অধিক বর্ণনা করেছেন: যেমন ইবরাহীম, আবু ওয়ায়িল এবং আবু সালিহ আস-সাম্মান; যেমনটি আয-যাহাবীর বক্তব্যে এসেছে—যা পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে।
৩) যদি সেটি তাঁর থেকে শু'বাহর বর্ণনা হয়, কারণ তিনি বলেছেন: (আমি তোমাদের জন্য তিনজনের তাদলীসের ব্যাপারে যথেষ্ট হয়েছি: আল-আ'মাশ, আবু ইসহাক এবং কাতাদাহ) (২)। ইবনে হাজার 'তারীফ আহিলত তাকদীস'-এ বলেছেন: (এই তিনজনের হাদীসের ক্ষেত্রে এটি একটি উত্তম মূলনীতি: যদি তা শু'বাহর মাধ্যমে আসে, তবে তা সরাসরি শ্রবণের প্রমাণ বহন করে, যদিও তা 'আনআনা' সূত্রে বর্ণিত হয়)।
৪) যদি সেটি তাঁর থেকে হাফস ইবনে গিয়াসের বর্ণনা হয়, ইবনে হাজার 'হাদয়ুস সারী'-তে বলেছেন: (আল-বুখারী আল-আ'মাশের হাদীসের ক্ষেত্রে এই হাফসের ওপর নির্ভর করেছেন; কারণ তিনি আল-আ'মাশের সরাসরি শ্রবণকৃত বর্ণনা এবং তাঁর তাদলীসকৃত বর্ণনার মধ্যে পার্থক্য করতে পারতেন। আল-ফাদল ইবনে তাহির এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন এবং বিষয়টি তিনি যেমনটি বলেছেন তেমনই)।
৫) যদি হাদীসটি সহীহ ইবনে হিব্বানে থাকে, তবে তিনি তাঁর কিতাবের মুকাদ্দিমায় বলেছেন—যেমনটি 'আল-ইহসান' (১/ ১৬২)-এ রয়েছে—: (যখন আমার নিকট কোনো মুদাল্লিসের বর্ণনার সংবাদ সহীহভাবে প্রমাণিত হয় যে তিনি তাতে সরাসরি শ্রবণের কথা ব্যক্ত করেছেন, তখন সেটি উল্লেখ করতে আমার কোনো দ্বিধা থাকে না...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১১৫)
غير بيان السماع في خبره، بعد صحته عندي من طريق آخر) (1).
قال ابن حجر في «تقريب التهذيب»: (ثقة، حافظ، عارف بالقراءة، ورع، لكنه يدلس).
توفي سنة 148 هـ.
[«الطبقات» لابن سعد (6/ 342)، «سؤالات عبد الله للإمام أحمد» (صـ 199)، «تاريخ ابن معين برواية الدوري» (2/ 234)، «التاريخ الكبير» للبخاري (4/ 37)، «الجرح والتعديل» (4/ 146)، (8/ 179)، «الثقات» لابن حبان (4/ 302)، «معرفة علوم الحديث» للحاكم (ص346) (255)، «علل الحديث» لابن عمار الشهيد (ص160) (35)، «الكفاية» للخطيب البغدادي (2/ 387، 390)، «التمهيد» لابن عبد البر (1/ 30 - 31)، «تهذيب الكمال» (12/ 76)، «سير أعلام النبلاء» (6/ 226)، «ميزان الاعتدال» (2/ 414)، «كتاب المدلسين» للعراقي (25)، «التبيين لأسماء المدلسين» لسبط ابن العجمي (30)، «جامع التحصيل» (ص106) و (ص188) (رقم 258)، «تعريف أهل التقديس» (55) و (صـ 63)، «تقريب التهذيب» (صـ 414)، «هدي الساري» (ص398)، («تدريب الراوي» (1/ 264)، «التدليس في الحديث» أ. د. مسفر الدميني (ص303)، «روايات المدلسين في صحيح البخاري» (ص313)]
- شقيق بن سلمة، أبو وائل الأسدي.
ثِقَةٌ، مُخَضْرَمٌ، أَدْرَكَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ولمْ يَرَهُ.
قال يحيى بن معين: ثقة لا يُسأل عن مثله.
توفي سنة 82 هـ.
[«الطبقات» لابن سعد (6/ 96)، «التاريخ الكبير» (4/ 245)، «الجرح والتعديل» (4/ 371)، «تهذيب الكمال»
(12/ 548)، «الإصابة» (3/ 311)، «تهذيب التهذيب» (4/ 361)، «تقريب التهذيب» (ص439)]
- مسروق بن الأجدع الهَمْداني الوادعي، أبو عائشة الكوفي.
ثِقَةٌ، مُخَضْرَمٌ.
قال ابن عيينة: بقي مسروق بعد علقمة، لا يُفضَّل عليه أحدٌ.
وقال ابن معين: ثقةٌ لا يُسأل عن مثله.
قال ابن حجر في «تقريب التهذيب»: ثقة، فقيه، عابد، مخضرم.
--------------------------------------------
(আমার কাছে অন্য একটি সূত্রের মাধ্যমে এটি সহীহ হওয়ার পর, তাঁর বর্ণনায় শ্রুতির স্পষ্ট বর্ণনা ব্যতীত) (১)।
ইবনে হাজার 'তাকরিবুত তাহজিব'-এ বলেছেন: (নির্ভরযোগ্য, হাফেজ, কিরাআত বিশেষজ্ঞ, পরহেজগার, তবে তিনি তাদলিস করেন)।
তিনি ১৪৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
[ইবনে সা'দের 'আত-তবাকাত' (৬/ ৩৪২), 'ইমাম আহমাদকে করা আব্দুল্লাহর প্রশ্নাবলি' (পৃ. ১৯৯), 'আদ-দুরি-র বর্ণনায় ইবনে মুইনের ইতিহাস' (২/ ২৩৪), বুখারির 'আত-তারিখুল কাবির' (৪/ ৩৭), 'আল-জারহু ওয়াত তা'দিল' (৪/ ১৪৬), (৮/ ১৭৯), ইবনে হিব্বানের 'আস-সিকাত' (৪/ ৩০২), হাকিমের 'মা'রিফাতু উলুমিল হাদিস' (পৃ. ৩৪৬) (২৫৫), ইবনে আম্মার আশ-শাহিদের 'ইলালুল হাদিস' (পৃ. ১৬০) (৩৫), খতিব আল-বাগদাদির 'আল-কিফায়া' (২/ ৩৮৭, ৩৯০), ইবনে আব্দুল বারের 'আত-তামহিদ' (১/ ৩০-৩১), 'তাহজিবুল কামাল' (১২/ ৭৬), 'সিয়ারু আ'লামিন নুবালা' (৬/ ২২৬), 'মিজানুল ইতিদাল' (২/ ৪১৪), ইরাকির 'কিতাবুল মুদাল্লিসিন' (২৫), সিবত ইবনুল আজমির 'আত-তাবয়িন লি আসমায়িল মুদাল্লিসিন' (৩০), 'জামি'ুত তাহসিল' (পৃ. ১০৬) এবং (পৃ. ১৮৮) (নং ২৫৮), 'তা'রিফু আহলিত তাকদিস' (৫৫) এবং (পৃ. ৬৩), 'তাকরিবুত তাহজিব' (পৃ. ৪১৪), 'হাদিউস সারি' (পৃ. ৩৯৮), ('তাদরিবুর রাবি' (১/ ২৬৪), প্রফেসর ড. মিসফার আদ-দুমাইনির 'আত-তাদলিস ফিল হাদিস' (পৃ. ৩০৩), 'সহীহ বুখারিতে মুদাল্লিসদের বর্ণনা' (পৃ. ৩১৩)]
- শাকিক বিন সালামাহ, আবু ওয়ায়িল আল-আসাদি।
নির্ভরযোগ্য, মুখাদরাম, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগ পেয়েছেন কিন্তু তাঁকে দেখেননি।
ইয়াহইয়া ইবনে মুইন বলেছেন: নির্ভরযোগ্য, তাঁর মতো ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার প্রয়োজন নেই।
তিনি ৮২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
[ইবনে সা'দের 'আত-তবাকাত' (৬/ ৯৬), 'আত-তারিখুল কাবির' (৪/ ২৪৫), 'আল-জারহু ওয়াত তা'দিল' (৪/ ৩৭১), 'তাহজিবুল কামাল'
(১২/ ৫৪৮), 'আল-ইসাবাহ' (৩/ ৩১১), 'তাহজিবুত তাহজিব' (৪/ ৩৬১), 'তাকরিবুত তাহজিব' (পৃ. ৪৩৯)]
- মাসরুক বিন আল-আজদা' আল-হামদানি আল-ওয়াদি'য়ি, আবু আইশা আল-কুফি।
নির্ভরযোগ্য, মুখাদরাম।
ইবনে উয়ায়নাহ বলেছেন: আলকামাহ-র পর মাসরুকই অবশিষ্ট ছিলেন, তাঁর ওপর কাউকে প্রাধান্য দেওয়া যায় না।
ইবনে মুইন বলেছেন: নির্ভরযোগ্য, তাঁর মতো ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার প্রয়োজন নেই।
ইবনে হাজার 'তাকরিবুত তাহজিব'-এ বলেছেন: নির্ভরযোগ্য, ফকিহ, ইবাদতগুজার, মুখাদরাম।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১১৬)
وقد تُكُلِّم في سماعه من معاذ.
قال علي بن المديني: (ما أُقدِّمُ على مسروق أحداً مِن أصحاب عبد الله، صلّى خلف أبي بكر، ولقي عمر، وعلياً، ولم يرو عن عثمان شيئاً، وزيد بن ثابت، وعبد الله، والمغيرة، وخباب بن الأرت. هذا ما انتهى إلينا من لقائه أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم) (1).
وقال عبد الحق الأشبيلي: (مسروق لم يلق معاذاً، ولا ذكر مَنْ حدث به عن معاذ، ذكر ذلك أبو عمر، وغيره) (2).
وتعقبَه ابنُ القطان الفاسي بقوله: [أبو عمر أخاف أن يكون تصحف من (أبو محمد)، ولم
أبت بهذا (3)، ولذلك لم أذكره فيما سلف في باب الأسماء المغيرة، وإنما خفت ذلك، لأن أبا عمر بن عبد البر، المعروف له خلاف هذا، هو يقول في رواية مسروق هذه عن معاذ: إنها متصلة.
وأبو محمد بن حزم هو الذي كان رماها بالانقطاع، ثم رجع.
ولِنَنُصَّ لك قوليهما، حتى تنظر في ذلك:
قال أبو عمر في التمهيد - في باب حميد بن قيس - وقد روي هذا الخبر عن معاذ بإسناد
--------------------------------------------
মুয়াজ (রা.) থেকে তার শ্রবণের (সামা') ব্যাপারে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে।
আলী ইবনুল মাদিনী বলেন: (আমি আবদুল্লাহর [ইবনে মাসউদ] সাথীদের মধ্যে মাসরুকের উপর কাউকে অগ্রাধিকার দেই না। তিনি আবু বকরের পিছনে সালাত আদায় করেছেন, উমর ও আলীর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন, তবে উসমান থেকে কিছুই বর্ণনা করেননি। আর [সাক্ষাৎ করেছেন] জায়েদ বিন সাবিত, আবদুল্লাহ [ইবনে মাসউদ], মুগিরা এবং খাব্বাব ইবনুল আরাত-এর সাথে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের সাথে তার সাক্ষাতের ব্যাপারে এ তথ্যই আমাদের কাছে পৌঁছেছে) (১)।
আব্দুল হক আল-ইশবিলি বলেন: (মাসরুক মুয়াজের সাক্ষাৎ পাননি এবং মুয়াজ থেকে যিনি এটি বর্ণনা করেছেন তার নামও উল্লেখ করেননি; আবু উমর এবং অন্যান্যরা এটি উল্লেখ করেছেন) (২)।
ইবনুল কাত্তান আল-ফাসি এর সমালোচনা করে বলেন: [আমি আশঙ্কা করছি যে 'আবু উমর' নামটি সম্ভবত 'আবু মুহাম্মদ' থেকে পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছে, তবে আমি এ ব্যাপারে নিশ্চিত নই (৩)। একারণেই ইতিপূর্বে পরিবর্তিত নামসমূহের অধ্যায়ে আমি এটি উল্লেখ করিনি। আমি কেবল এ কারণেই আশঙ্কা করেছি যে, আবু উমর ইবনে আব্দুল বার-এর ব্যাপারে যা প্রসিদ্ধ তা এর বিপরীত; তিনি মুয়াজ থেকে মাসরুকের এই বর্ণনাটির ব্যাপারে বলেন যে, এটি মুত্তাসিল (সংযুক্ত)।
আর আবু মুহাম্মদ ইবনে হাজমই মূলত একে মুনকাতি (বিচ্ছিন্ন) হিসেবে অভিহিত করেছিলেন, পরে তিনি তা থেকে ফিরে আসেন।
আমরা আপনার জন্য তাদের উভয়ের বক্তব্য উদ্ধৃত করছি, যাতে আপনি সে বিষয়ে দৃষ্টিপাত করতে পারেন:
আবু উমর 'আত-তামহিদ' গ্রন্থে — হুমাইদ ইবনে কাইসের অধ্যায়ে — বলেন: এই সংবাদটি মুয়াজ থেকে একটি সনদে বর্ণিত হয়েছে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১১৭)
متصل صحيح ثابت، ذكره عبد الرزاق قال: حدثنا معمر والثوري، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن مسروق، عن معاذ بن جبل قال: «بعثه النبي صلى الله عليه وسلم إلى اليمن فأمره أن يأخذ من كل ثلاثين بقرة تبيعاً أو تبيعة، ومن كل أربعين مسنة، ومن كل حالم ديناراً أو عدله معافر» (1).
وقال في الاستذكار في باب صدقة الماشية - ولا خلاف بين العلماء أن السنة في زكاة البقر ما في حديث معاذ هذا وأنه النصاب المجتمع عليه فيها، وحديث طاوس هذا عندهم عن معاذ غير متصل، والحديث عن معاذ ثابت متصل من رواية معمر والثوري، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن مسروق، عن معاذ، بمعنى حديث مالك (2)، فهذا نص آخر له، بأن الحديث من رواية مسروق، عن معاذ متصل.
وأما أبو محمد بن حزم، فإنه قال: إنه منقطع، وأنه لم يلق معاذاً (3).
ثم استدرك في آخر المسألة، فقال: «وجدنا حديث مسروق إنما ذكر فيه فعل معاذ باليمن
في زكاة البقر، ومسروق بلا شك عندنا، أدرك معاذاً بسنه وعقله، وشاهد أحكامه يقيناً، وأفتى في أيام عمر وهو رجل، وأدرك النبي وهو رجل، وكان باليمن أيام معاذ يشاهد أحكامه، هذا ما لا شك فيه؛ لأنه همداني النسب كما في الدار (4)، فصح أن مسروقاً وإن كان لم يسمعه من معاذ، فإنه عنده بنقل الكافة من أهل بلده لذلك (5)، عن معاذ في أخذه لذلك عن عهد النبي صلى الله عليه وسلم عن الكافة»
--------------------------------------------
এটি একটি মুত্তাসিল (সংযুক্ত), সহিহ এবং প্রমাণিত বর্ণনা। আবদুর রাজ্জাক এটি উল্লেখ করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মা'মার এবং সাওরি, তারা আমাশ থেকে, তিনি আবু ওয়াইল থেকে, তিনি মাসরুক থেকে, তিনি মুয়াজ ইবনে জাবাল থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে ইয়েমেনে প্রেরণ করেন এবং নির্দেশ দেন যে, তিনি যেন প্রতি ত্রিশটি গরু থেকে একটি এক বছর বয়সী পুরুষ বা স্ত্রী বাছুর গ্রহণ করেন, এবং প্রতি চল্লিশটি গরু থেকে একটি দুই বছর বয়সী পূর্ণাঙ্গ গরু গ্রহণ করেন, আর প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির নিকট থেকে এক দিনার অথবা সমমূল্যের 'মাআফির' (ইয়েমেনি কাপড়) গ্রহণ করেন» (১)।
এবং তিনি 'আল-ইসতিজকার'-এর পশুপালনের জাকাত অধ্যায়ে বলেছেন - আলেমদের মধ্যে এ বিষয়ে কোনো মতভেদ নেই যে, গরুর জাকাতের ক্ষেত্রে সুন্নাহ হলো মুয়াজের এই হাদিসে যা বর্ণিত হয়েছে এবং এটিই সেই নেসাব যার ওপর ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাদের নিকট তাউসের এই হাদিসটি মুয়াজ থেকে মুত্তাসিল নয়। তবে মুয়াজ থেকে হাদিসটি মা'মার এবং সাওরীর বর্ণনায় সাবিত (প্রমাণিত) ও মুত্তাসিল, যা আমাশ থেকে, তিনি আবু ওয়াইল থেকে, তিনি মাসরুক থেকে এবং তিনি মুয়াজ থেকে বর্ণনা করেছেন, যা মালিকের হাদিসের সমার্থবোধক (২)। এটি তার পক্ষ থেকে আরেকটি সুস্পষ্ট বক্তব্য যে, মাসরুকের বর্ণনাটি মুয়াজ থেকে মুত্তাসিল।
তবে আবু মুহাম্মদ ইবনে হাজম বলেন যে, এটি মুনকাতি (বিচ্ছিন্ন) এবং তিনি মুয়াজের সাথে সাক্ষাৎ করেননি (৩)।
অতঃপর তিনি মাসয়ালার শেষে সংশোধনী দিয়ে বলেন: «আমরা মাসরুকের হাদিসে পেয়েছি যে, এতে কেবল ইয়েমেনে গরুর জাকাত আদায়ে মুয়াজের কর্মপদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে। আমাদের নিকট এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, মাসরুক তার বয়স ও বুদ্ধিবৃত্তিক পরিপক্কতার সময় মুয়াজকে পেয়েছেন এবং নিশ্চিতভাবে তার বিচারিক কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেছেন। তিনি উমর (রা.)-এর যুগে ফতোয়া দিয়েছেন যখন তিনি একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ছিলেন, এবং নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর যুগও পেয়েছেন যখন তিনি প্রাপ্তবয়স্ক ছিলেন। তিনি মুয়াজের ইয়েমেনে অবস্থানের দিনগুলোতে সেখানে উপস্থিত থেকে তার বিচারিক কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করতেন। এতে কোনো সন্দেহ নেই; কারণ তিনি বংশগতভাবে হামদানি যেমনটি আদ-দার-এ (৪) বর্ণিত হয়েছে। সুতরাং এটি সঠিক যে, মাসরুক যদিও সরাসরি মুয়াজের নিকট থেকে এটি না শুনে থাকেন, তবুও তার নিকট এটি তার দেশের এক বিশাল জনগোষ্ঠীর বর্ণনার মাধ্যমে পৌঁছেছে (৫), যা তারা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর যুগ থেকে মুয়াজের সেই কার্যক্রম সম্পর্কে ব্যাপকভাবে বর্ণনা করেছেন»
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১১৮)
انتهى كلام ابن حزم (1).
ولم أقل بعدُ - الكلام لابن القطان - إنَّ مسروقاً سمع من معاذ، وإنما أقول: إنه يجب على أصولهم أن يُحكم لحديثه عن معاذ، بحكم حديث المتعاصرين اللذين لم يعلم انتفاء اللقاء بينهما، فإن الحكم فيه أن يحكم له بالاتصال عند الجمهور، وشرط البخاري وعلي بن المديني: أن يعلم اجتماعهما ولو مرة واحدة، فهما - أعني البخاري وابن المديني - إذا لم يعلما لقاء أحدهما للآخر، لا يقولان في حديث أحدهما عن الآخر: إنه منقطع، إنما يقولان: لم يثبت سماع فلان من فلان، فإذن ليس في حديث المتعاصرين إلا رأيان أحدهما: هو محمول على الاتصال، والآخر: لم يعلم اتصال ما بينهما، فأما الثالث وهو: أنه منقطع، فلا، فاعلم ذلك، والله الموفق] ا. هـ. كلام ابن القطان (2).
وقد نقل ابنُ الملقن كلامَ ابن حزم وابن القطان، ثم أيَّده بإخراج ابن حبان للحديث في «صحيحه» ومن شرطه الاتصال، وتصحيح الدارقطني للموصول، ثم قال:
(وكانت وفاة معاذ سنة ثمان عشرة، في طاعون عمواس، فالسِّنُّ واللقاء محتمل لإدراك مسروق معاذاً، والاختلاف السائر فيه لا يضره) (3).
فالقول بالاتصال إذن هو قول:
ابن أبي خيثمة كما ذكره فيمن حدث عن مسروق (4) والدارقطني في «العلل» (5)،
--------------------------------------------
ইবনে হাজমের বক্তব্য সমাপ্ত (১)।
ইবনে আল-কাত্তান বলেন— আমি এখনও বলিনি যে, মাসরুক মুয়াজ থেকে শুনেছেন। বরং আমি বলতে চাচ্ছি যে, তাদের মূলনীতি অনুযায়ী মাসরুক কর্তৃক মুয়াজ থেকে বর্ণিত হাদিসের ক্ষেত্রে সমসাময়িক দুই ব্যক্তির বর্ণিত হাদিসের ন্যায় বিধান দেওয়া আবশ্যক, যাদের মাঝে সাক্ষাৎ না হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিতভাবে জানা নেই। কারণ জমহুর বা সংখ্যাধিক্য আলেমদের মতে এর বিধান হলো একে মুত্তাসিল (সংযুক্ত) হিসেবে গণ্য করা। আর ইমাম বুখারি এবং আলী ইবনুল মাদিনীর শর্ত হলো: অন্তত একবার তাদের উভয়ের একত্রিত হওয়ার বিষয়টি জানা থাকতে হবে। তাই তারা—অর্থাৎ বুখারি ও ইবনুল মাদিনী—যখন একজনের সাথে অন্যজনের সাক্ষাতের কথা জানতে পারেন না, তখন একজনের সূত্রে অন্যজনের বর্ণিত হাদিস সম্পর্কে সরাসরি ‘মুনকাতি’ (বিচ্ছিন্ন) বলেন না; বরং তারা বলেন: অমুকের থেকে অমুকের শ্রবণ প্রমাণিত নয়। সুতরাং সমসাময়িকদের হাদিসের ক্ষেত্রে কেবল দুটি মতই রয়েছে; একটি হলো: একে মুত্তাসিল হিসেবে ধরা হবে, আর অন্যটি হলো: তাদের উভয়ের মাঝে সংযোগ বা শ্রবণ প্রমাণিত নয়। কিন্তু তৃতীয় মত অর্থাৎ একে ‘মুনকাতি’ বলা—তা সঠিক নয়। সুতরাং এটি জেনে রাখুন, আর আল্লাহই তাওফিকদাতা।] ইবনে আল-কাত্তানের বক্তব্য সমাপ্ত (২)।
ইবনুল মুলাক্কিন ইবনে হাজম ও ইবনে আল-কাত্তানের বক্তব্য উদ্ধৃত করেছেন, এরপর তিনি একে সমর্থন করেছেন ইবনে হিব্বান তাঁর ‘সহিহ’ গ্রন্থে হাদিসটি অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে, যার শর্তই হলো ‘ইত্তিসাল’ (সূত্র নিরবচ্ছিন্ন হওয়া), এবং দারা কুতনী কর্তৃক ‘মাওসুল’ (সংযুক্ত) হিসেবে বিষয়টিকে সহিহ বলার মাধ্যমে। এরপর তিনি বলেন:
(মুয়াজের ইন্তেকাল হয়েছিল হিজরি আঠারো সনে আমওয়াসের মহামারীতে, সুতরাং মাসরুকের পক্ষে মুয়াজকে পাওয়ার ক্ষেত্রে বয়স এবং সাক্ষাতের সম্ভাবনা রয়েছে এবং এ বিষয়ে প্রচলিত মতভেদ তাঁর জন্য ক্ষতিকর নয়) (৩)।
সুতরাং ‘ইত্তিসাল’ বা সূত্র নিরবচ্ছিন্ন হওয়ার মতটি হলো:
ইবনে আবি খাইসামার—যেমনটি তিনি মাসরুক থেকে বর্ণনাকারীদের আলোচনায় উল্লেখ করেছেন (৪)—এবং দারা কুতনীর তাঁর ‘আল-ইলাল’ গ্রন্থে (৫),
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১১৯)
والحاكم في «المستدرك» (1) حيث صححه على شرطهما، وسكت عنه الذهبي؛ وابن عبد البر، وابن حزم - بعد تراجعه - وابن القطان (2)، وابن بطال (3) والألباني (4) - رحم الله الجميع -.
والقول بالإرسال: قول ابن المديني (5) في ظاهر كلامه فيمن لقيه مسروق من صحابة رسول الله صلى الله عليه وسلم. وهو ظاهر ترجيح الترمذي للرواية المرسلة عقب الحديث، قال الصنعاني: وكأنَّ رأي الترمذي رأي البخاري، إنه لابد من تحقُّقِ اللقاء (6). وقول عبد الحق الأشبيلي كما سبق. وهو قول الحافظ ابن حجر (7).
أما ابن دقيق العيد فقد توقف في ذلك، فقد أورد الحديث وتصحيح الحاكم على شرطهما ثم قال: (إن كان مسروق سمع من معاذ، فالأمر كما قال الحاكم) (8).
وقد بحثت في كتب السنن النبوية عن أحاديث مسروق عن معاذ، فلم أجد إلا هذا
--------------------------------------------
এবং হাকীম ‘আল-মুস্তাদরাক’ (১) গ্রন্থে, যেখানে তিনি একে শাইখায়নের শর্তানুযায়ী সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী এ ব্যাপারে নীরব থেকেছেন; এবং ইবনে আব্দুল বার্র, এবং ইবনে হাযম - তাঁর প্রত্যাবর্তনের পর - এবং ইবনুল কাত্তান (২), এবং ইবনে বাত্তাল (৩) ও আলবানী (৪) - আল্লাহ তাঁদের সকলের প্রতি রহম করুন।
আর বর্ণনাটি ইরসাল (বিচ্ছিন্ন) হওয়ার অভিমত হলো: ইবনুল মাদীনীর (৫) অভিমত, যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীদের মধ্যে মাসরূক যাদের সাক্ষাৎ পেয়েছেন তাদের ব্যাপারে তাঁর বক্তব্যের বাহ্যিক দিক থেকে বুঝা যায়। আর এটাই হাদিসটির পর তিরমিযীর মুরসাল বর্ণনাকে প্রাধান্য দেওয়ার ক্ষেত্রে স্পষ্ট। সানআনী বলেন: মনে হয় তিরমিযীর রায় বুখারীর রায়ের মতোই যে, সাক্ষাৎ সাব্যস্ত হওয়া আবশ্যক (৬)। এবং আব্দুল হক আল-ইশবিলীর বক্তব্য যেমনটি পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। আর এটাই হাফেজ ইবনে হাজারের (৭) বক্তব্য।
তবে ইবনে দাকীক আল-ঈদ এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে থেমে গেছেন; তিনি হাদিসটি এবং শাইখায়নের শর্তানুযায়ী হাকীমের সহীহ বলার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন এবং তারপর বলেছেন: (যদি মাসরূক মুয়ায থেকে শুনে থাকেন, তবে বিষয়টি তেমনই যেমনটি হাকীম বলেছেন) (৮)।
আমি নববী সুন্নাহর কিতাবগুলোতে মুয়ায থেকে মাসরূকের বর্ণিত হাদিসগুলো অনুসন্ধান করেছি, কিন্তু এটি ছাড়া আর কিছুই পাইনি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১২০)
الحديث وفيه: «زكاة البقر، والجزية، وزكاة الزرع» (1) مع الاختلاف الكثير فيه - كما سيأتي -.
ووجدت في ترجمة معاذ بن جبل في «تهذيب الكمال» (2):
الرواة عنه، فذكر المزي: خالد بن معدان وقال: يُقال مرسل، وذكر طاووس وقال: مرسل. ولم يتعقب ذكر مسروق بشيء.
وإن كان المزي لم يلتزم إبانة السماع في الرواة، فعلَّه أن يستأنس بفعله هذا للقائلين بالاتصال، ومثل ذلك الذهبي (3)، فلعَل القول بالاتصال أرجح.
ولد مسروق عام الهجرة، وتوفي سنة 63 هـ وقيل: 62 هـ.
[«الطبقات» لابن سعد (6/ 84)، «التاريخ الكبير» (8/ 35)، «الجرح والتعديل» (8/ 396)، «المراسيل» لابن أبي حاتم (صـ 215)، «المعرفة والتاريخ» للبسوي (2/ 561)، «تاريخ بغداد» (15/ 311)، «تهذيب الكمال» (27/
451)، «جامع التحصيل» (صـ 277)، «تحفة التحصيل» (صـ 488)، «تهذيب التهذيب» (10/ 109)، «تقريب التهذيب» (ص935)].
الحكم على الإسناد:إسناده صحيح.
تخريج الحديث:هذا الحديث مداره على: أبي وائل شقيق بن عبد الله، وإبراهيم النخعي.
--------------------------------------------
হাদিসটি এবং এতে রয়েছে: «গরুর জাকাত, জিজিয়া এবং ফসলের জাকাত» (১), এতে অনেক মতভেদ রয়েছে - যেমনটি সামনে আসবে।
আর আমি ‘তহজীবুল কামাল’ (২)-এ মুয়াজ বিন জাবাল-এর জীবনীতে পেয়েছি:
তাঁর থেকে বর্ণনাকারীদের বর্ণনায় আল-মিযযী উল্লেখ করেছেন: খালিদ বিন মা'দান এবং বলেছেন: একে মুরসাল বলা হয়; আর তাউস-কে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: মুরসাল। তবে মাসরুক-এর উল্লেখের ব্যাপারে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
যদিও আল-মিযযী বর্ণনাকারীদের শোনার বিষয়টি স্পষ্ট করার প্রতিশ্রুতি দেননি, তবে সম্ভবত তাঁর এই পদক্ষেপ থেকে যারা সনদ অবিচ্ছিন্ন হওয়ার কথা বলেন তারা প্রমাণ গ্রহণ করবেন। আর ইমাম আয-যাহাবীও (৩) অনুরূপ করেছেন; তাই সম্ভবত অবিচ্ছিন্ন হওয়ার মতটিই অধিক যুক্তিযুক্ত।
মাসরুক হিজরতের বছর জন্মগ্রহণ করেন এবং ৬৩ হিজরি সালে ইন্তেকাল করেন, মতান্তরে ৬২ হিজরি।
[ইবনে সা'দ-এর ‘আত-তবাকাত’ (৬/ ৮৪), ‘আত-তারিখুল কাবীর’ (৮/ ৩৫), ‘আল-জারহু ওয়াত-তাদীল’ (৮/ ৩৯৬), ইবনে আবি হাতিম-এর ‘আল-মারাসীল’ (পৃ. ২১৫), আল-ফাসাবী-র ‘আল-মা'রিফাতু ওয়াত-তারিখ’ (২/ ৫৬১), ‘তারিখে বাগদাদ’ (১৫/ ৩১১), ‘তহজীবুল কামাল’ (২৭/
৪৫১), ‘জামেউত তাহসীল’ (পৃ. ২৭৭), ‘তুহফাতুত তাহসীল’ (পৃ. ৪৮৮), ‘তহজীবুত তহজীব’ (১০/ ১০৯), ‘তাকরীবুত তহজীব’ (পৃ. ৯৩৫)]।
সনদ সম্পর্কে হুকুম:এর সনদ সহীহ।
হাদিসের তাখরীজ:এই হাদিসটি আবর্তিত হয়েছে: আবু ওয়াইল শাকীক বিন আব্দুল্লাহ এবং ইব্রাহিম আন-নাখায়ীর ওপর।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১২১)
*أولاً: حديث أبي وائل:
رواه عنه: الأعمش، وعاصم بن أبي النجود.
أ- حديث الأعمش: قد اختُلِف عليه من أربعة أوجه:
الوجه الأول: (الأعمش، عن أبي وائل، عن مسروق، عن معاذ)
رواه عن الأعمش كلٌّ مِن:
1) سفيان الثوري.
أخرجه: عبد الرزاق في «المصنف» (4/ 21)، ومن طريقه: [الترمذي في «جامعه» - كما تقدم في إسناد الحديث -، ومن طريقه: [البغوي في «شرح السُّنة» (6/ 19)، (11/ 172)]، وأحمد (36/ 338) (22013) ومن طريقه: [ابن الجوزي في «التحقيق» (2/ 33)]، وابن الجارود في «المنتقى» (2/ 12)، والطبراني في «المعجم الكبير» (20/ 128)، والدارقطني في «سننه» (2/ 102)، والبيهقي في «السنن الكبرى» (4/ 98)] وأبو داود في «سننه» (صـ 187) كتاب الزكاة، باب في زكاة السائمة حديث (1578)، والبزار في «مسنده» (7/ 96)، وابن خزيمة في «صحيحه» (4/ 19) (2268)، وأبو بكر الشافعي في «الغيلانيات» رقم (885) كلهم من طريق سفيان به، بلفظه.
وليس عند «أبي داود» و «ابن الجارود» الجملة الأخيرة في ذكر الجزية «ومن كل حالم
… ».
وعند «عبد الرزاق» و «الطبراني» و «الدارقطني» و «البيهقي» قُرن سفيان بمعمر.
2) أبو معاوية الضرير.
أخرجه: الحاكم في «المستدرك» (1/ 398) وقال: (صحيح على شرط الشيخين، ولم يخرجاه) وسكت عنه الذهبي.
ومن طريقه: [البيهقي في «السنن الكبرى» (9/ 193) في كتاب الجزية، باب كم الجزية؟
প্রথমত: আবু ওয়াইলের হাদিস:
তার থেকে এটি বর্ণনা করেছেন: আমাশ এবং আসিম ইবনে আবি আল-নাজুদ।
ক- আমাশের হাদিস: এর বর্ণনায় চারটি দিক থেকে মতপার্থক্য ঘটেছে:
প্রথম দিক: (আমাশ, আবু ওয়াইল থেকে, তিনি মাসরুক থেকে, তিনি মুয়াজ থেকে)
আমাশ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন তাদের প্রত্যেকে:
১) সুফিয়ান আল-সাওরি।
এটি বর্ণনা করেছেন: আবদুর রাজ্জাক তার ‘আল-মুসান্নাফ’ গ্রন্থে (৪/ ২১), এবং তার সূত্রে: [তিরমিযী তার ‘জামি’ গ্রন্থে - যেমনটি হাদিসের সনদে পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে -, এবং তার সূত্রে: [বাগাউয়ি তার ‘শারহুস সুন্নাহ’ গ্রন্থে (৬/ ১৯), (১১/ ১৭২)], এবং আহমাদ (৩৬/ ৩৩৮) (২২০১৩) এবং তার সূত্রে: [ইবনুল জাওজি তার ‘আত-তাহকিক’ গ্রন্থে (২/ ৩৩)], এবং ইবনুল জারুদ তার ‘আল-মুনতাকা’ গ্রন্থে (২/ ১২), এবং তাবারানি তার ‘আল-মু’জাম আল-কাবির’ গ্রন্থে (২০/ ১২৮), এবং দারাকুতনি তার ‘সুনান’ গ্রন্থে (২/ ১০২), এবং বায়হাকি তার ‘আস-সুনান আল-কুবরা’ গ্রন্থে (৪/ ৯৮)] এবং আবু দাউদ তার ‘সুনান’ গ্রন্থে (পৃ. ১৮৭) জাকাত অধ্যায়, চারণরত পশুর জাকাত পরিচ্ছেদ, হাদিস (১৫৭৮), এবং বাজ্জার তার ‘মুসনাদ’ গ্রন্থে (৭/ ৯৬), এবং ইবনে খুজাইমা তার ‘সহিহ’ গ্রন্থে (৪/ ১৯) (২২৬৮), এবং আবু বকর আশ-শাফেয়ি তার ‘আল-গাইলানিয়্যাত’ নম্বর (৮৮৫) তাদের সকলে সুফিয়ানের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন, হুবহু শব্দে।
‘আবু দাউদ’ এবং ‘ইবনুল জারুদ’-এর বর্ণনায় জিজিয়া সংক্রান্ত শেষ বাক্যটি নেই: “এবং প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক থেকে
… ”।
এবং ‘আবদুর রাজ্জাক’, ‘তাবারানি’, ‘দারাকুতনি’ ও ‘বায়হাকি’-এর বর্ণনায় সুফিয়ানের সাথে মা’মারকেও যুক্ত করা হয়েছে।
২) আবু মুয়াবিয়া আদ-দারির।
এটি বর্ণনা করেছেন: হাকিম তার ‘আল-মুসতাদরাক’ গ্রন্থে (১/ ৩৯৮) এবং তিনি বলেছেন: (শাইখাইনের শর্তানুযায়ী এটি সহিহ, কিন্তু তারা এটি বর্ণনা করেননি) এবং যাহাবি এ ব্যাপারে নীরব থেকেছেন।
এবং তার সূত্রে: [বায়হাকি তার ‘আস-সুনান আল-কুবরা’ গ্রন্থে (৯/ ১৯৩) জিজিয়া অধ্যায়, জিজিয়া কতটুকু? পরিচ্ছেদে।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১২২)
وفي «معرفة السنن والآثار» (2/ 232)، والحازمي في «الاعتبار» (1/ 487)] من طريق أبي معاوية به، بلفظه.
3) معمر بن راشد.
أخرجه: عبد الرزاق في «مصنفه» (4/ 21 - 22)، ومن طريقه: [الطبراني في «الكبير» (20/ 128 - 129)، والدارقطني في «سننه» (2/ 102)] بلفظه، وقد قُرن فيه معمر بالثوري.
4) يعلى بن عُبيد.
أخرجه: النسائي في «المجتبى» (صـ 265) كتاب الزكاة، باب زكاة البقر، حديث (2451)، والدارمي في «سننه» (1/ 320) (1630)، وابن زنجويه في «الأموال» (صـ 46) (96) (صـ 386) (1140)، والهيثم من كليب الشاشي في «مسنده» (3/ 249 - 250) (1347)، والبيهقي في «السنن الكبرى» (4/ 98) بلفظه.
عند ابن زنجويه: «ثنية بدل مسنة».
5) يحيى بن عيسى الرملي.
أخرجه: ابن ماجه في «سننه» (صـ 196)، كتاب الزكاة، باب صدقة البقرة (1803)، وابن حبان في «صحيحه» (11/ 244)، والطبراني في «الكبير» (20/ 129)، بلفظه.
وليس عند ابن ماجه ذكر الجزية.
6) مُفَضَّل بن مُهَلهل.
أخرجه: النسائي في «المجتبى» (صـ 265) كتاب الزكاة، باب زكاة البقر (2450) بنحوه.
7) عبد الرحمن بن مغراء.
এবং «মা'রিফাতুস সুনান ওয়াল আসার» (২/২৩২)-এ, এবং হাজিমি «আল-ইতিবার» (১/৪৮৭)-এ আবু মুয়াবিয়ার সূত্র হয়ে এর মাধ্যমে অনুরূপ শব্দে এটি বর্ণনা করেছেন।
৩) মা'মার ইবনে রাশিদ।
এটি বর্ণনা করেছেন: আবদুর রাজ্জাক তাঁর «মুসান্নাফ» (৪/২১-২২)-এ, এবং তাঁর সূত্রে: [তাবারানি «আল-কাবীর» (২০/১২৮-১২৯)-এ, এবং দারাকুতনি তাঁর «সুনান» (২/১০২)-এ] একই শব্দে, আর এখানে মা'মারকে সাওরির সাথে একত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
৪) ইয়ালা ইবনে উবাইদ।
এটি বর্ণনা করেছেন: নাসায়ি «আল-মুজতাবা» (পৃ. ২৬৫), জাকাত অধ্যায়, গরুর জাকাত পরিচ্ছেদ, হাদিস (২৪৫১)-এ, দারেমি তাঁর «সুনান» (১/৩২০) (১৬৩০)-এ, ইবনে জানজুয়াহ «আল-আমওয়াল» (পৃ. ৪৬) (৯৬) (পৃ. ৩৮৬) (১১৪০)-এ, হাইসাম ইবনে কুলাইব আশ-শাশী তাঁর «মুসনাদ» (৩/২৪৯-২৫০) (১৩৪৭)-এ, এবং বায়হাকি «আস-সুনানুল কুবরা» (৪/৯৮)-এ একই শব্দে।
ইবনে জানজুয়াহর বর্ণনায়: «মুসিন্নাহ-এর পরিবর্তে সানিইয়্যাহ» শব্দ এসেছে।
৫) ইয়াহইয়া ইবনে ঈসা আর-রামলি।
এটি বর্ণনা করেছেন: ইবনে মাজাহ তাঁর «সুনান» (পৃ. ১৯৬), জাকাত অধ্যায়, গরুর সদকা পরিচ্ছেদ (১৮০৩)-এ, ইবনে হিব্বান তাঁর «সহিহ» (১১/২৪৪)-এ, এবং তাবারানি «আল-কাবীর» (২০/১২৯)-এ একই শব্দে।
ইবনে মাজাহর বর্ণনায় জিজিয়ার উল্লেখ নেই।
৬) মুফাযযাল ইবনে মুহালহিল।
এটি বর্ণনা করেছেন: নাসায়ি «আল-মুজতাবা» (পৃ. ২৬৫), জাকাত অধ্যায়, গরুর জাকাত পরিচ্ছেদ (২৪৫০)-এ এর কাছাকাছি শব্দে।
৭) আবদুর রহমান ইবনে মাগরা।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১২৩)
أخرجه: ابن خزيمة في «صحيحه» (4/ 19)، والطبراني في «المعجم الكبير» (20/ 129 - 130)، بلفظه. وقد قُرن فيهما أبو وائل بإبراهيم النخعي (1).
8 - 9 - 10) شريك، وعيسى بن يونس، وزفر بن هذيل.
ذكرهم الدارقطني في «العلل» (6/ 67).
الوجه الثاني: (الأعمش، عن أبي وائل، عن مسروق) مرسلاً:
رواه عن الأعمش كلٌّ من:
1) شعبة بن الحجاج.
أخرجه: أبو داود الطيالسي في «مسنده» (1/ 461) (568)، والهيثم بن كليب في «مسنده» (3/ 250).
وفي رواية الطيالسي الاقتصار على ذكر الجزية.
2) معمر بن راشد.
أخرجه: عبد الرزاق في «مصنفه» (6/ 89)، (10/ 330)، ومن طريقه: [ابن حزم في «المحلى» (6/ 11)].
وفيهما الاقتصار على ذكر الجزية.
3) جرير بن عبد الحميد.
أخرجه: الهيثم بن كليب الشاشي في «مسنده» (3/ 253) (1353)، بنحوه.
4) أبو عوانة الوضَّاح اليشكري.
أخرجه: الهيثم بن كليب في «مسنده» (3/ 253) (1352)، بلفظه.
5) مروان بن معاوية الفزاري.
--------------------------------------------
এটি বর্ণনা করেছেন: ইবন খুজাইমাহ তাঁর ‘সহীহ’ গ্রন্থে (৪/ ১৯), এবং তাবারানি ‘আল-মুজাম আল-কাবীর’ গ্রন্থে (২০/ ১২৯ - ১৩০), হুবহু শব্দে। আর এই উভয় স্থানে আবু ওয়াইলকে ইব্রাহিম আন-নাখায়ির সাথে যুক্ত করা হয়েছে (১)।
৮ - ৯ - ১০) শারীক, ঈসা ইবন ইউনুস, এবং যুফার ইবন হুযাইল।
আদ-দারা কুতনি তাঁদের কথা ‘আল-ইলাল’ গ্রন্থে (৬/ ৬৭) উল্লেখ করেছেন।
দ্বিতীয় সূত্র: (আ’মাশ, আবু ওয়াইল থেকে, তিনি মাসরূক থেকে) মুরসাল হিসেবে:
আ’মাশ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন তাঁদের প্রত্যেকে:
১) শু’বাহ ইবনুল হাজ্জাজ।
এটি বর্ণনা করেছেন: আবু দাউদ আত-তায়ালিসি তাঁর ‘মুসনাদ’ গ্রন্থে (১/ ৪৬১) (৫৬৮), এবং আল-হাইসাম ইবন কুলাইব তাঁর ‘মুসনাদ’ গ্রন্থে (৩/ ২৫০)।
আর তায়ালিসির বর্ণনায় কেবল জিযিয়ার উল্লেখের ওপর সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।
২) মা’মার ইবন রাশিদ।
এটি বর্ণনা করেছেন: আব্দুর রাজ্জাক তাঁর ‘মুসান্নাফ’ গ্রন্থে (৬/ ৮৯), (১০/ ৩৩০), এবং তাঁর সূত্র ধরে: [ইবন হাযম ‘আল-মুহাল্লা’ গ্রন্থে (৬/ ১১)]।
আর এই উভয় বর্ণনায় কেবল জিযিয়ার উল্লেখের ওপর সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।
৩) জারীর ইবন আব্দুল হামিদ।
এটি বর্ণনা করেছেন: আল-হাইসাম ইবন কুলাইব আশ-শাশি তাঁর ‘মুসনাদ’ গ্রন্থে (৩/ ২৫৩) (১৩৫৩), এর অনুরূপ শব্দে।
৪) আবু আওয়ানাহ আল-ওয়াদদাহ আল-ইয়াশকরি।
এটি বর্ণনা করেছেন: আল-হাইসাম ইবন কুলাইব তাঁর ‘মুসনাদ’ গ্রন্থে (৩/ ২৫৩) (১৩৫২), হুবহু শব্দে।
৫) মারওয়ান ইবন মুআবিয়াহ আল-ফাযারি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১২৪)
أخرجه: أبو عبيد في «الأموال» (1/ 69) (65)، بلفظه. والهيثم بن كليب في «مسنده» (3/ 252) دون ذكر الجزية.
6) سفيان الثوري.
ذكره الترمذي مُعَلَّقاً عقب إخراجه للحديث. ولم أجده مسنداً بعد البحث.
7) يحيى بن سعيد.
ذكره مُعَلَّقاً أبو داود في «سننه» (صـ 187) بعد الحديث رقم (1578).
8) القاسم بن معن.
ذكر الدارقطني في «العلل» (6/ 69).
الوجه الثالث: (الأعمش، عن أبي وائل، عن معاذ):
رواه عن الأعمش كل من:
1) أبو معاوية الضرير.
أخرجه: أبو داود في «سننه» (صـ 187) كتاب الزكاة، باب في زكاة السائمة، حديث (1576)، بلفظه.
وأخرجه أيضاً (صـ 344) كتاب الخراج، باب في أخذ الجزية، حديث (3038) وفيه الاقتصار عن ذكر الجزية.
2) محمد بن إسحاق بن يسار.
أخرجه النسائي في «المجتبى» (صـ 265) كتاب الزكاة، باب زكاة البقر، حديث (2453).
الوجه الرابع: (الأعمش، عن أبي وائل) لم يذكر مسروقاً ولا معاذاً:
এটি বর্ণনা করেছেন: আবু উবাইদ তাঁর 'আল-আমওয়াল' গ্রন্থে (১/ ৬৯) (৬৫), এই শব্দেই। আর হাইসাম বিন কুলাইব তাঁর 'মুসনাদ' গ্রন্থে (৩/ ২৫২), জিজিয়ার কথা উল্লেখ না করেই।
৬) সুফিয়ান সাওরি।
তিরমিজি এটি হাদিসটি বর্ণনা করার পর মুআল্লাক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অনুসন্ধানের পর আমি এটি মুসনাদ হিসেবে পাইনি।
৭) ইয়াহইয়া বিন সাঈদ।
আবু দাউদ তাঁর 'সুনান' গ্রন্থে (পৃষ্ঠা ১৮৭), ১৫৭৮ নম্বর হাদিসের পরে এটি মুআল্লাক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
৮) আল-কাসিম বিন মা'ন।
দারা কুতনি এটি 'আল-ইলাল' গ্রন্থে (৬/ ৬৯) উল্লেখ করেছেন।
তৃতীয় তরিক: (আমাশ, আবু ওয়াইল থেকে, তিনি মুয়াজ থেকে):
আমাশ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন:
১) আবু মুয়াবিয়া আদ-দারির।
এটি বর্ণনা করেছেন: আবু দাউদ তাঁর 'সুনান' গ্রন্থে (পৃষ্ঠা ১৮৭), কিতাবুজ জাকাত, তৃণচারী পশুর জাকাত অধ্যায়, হাদিস (১৫৭৬), এই শব্দেই।
তিনি এটি আরও বর্ণনা করেছেন (পৃষ্ঠা ৩৪৪), কিতাবুল খারাজ, জিজিয়া গ্রহণ অধ্যায়, হাদিস (৩০৩৮) এবং এতে কেবল জিজিয়ার উল্লেখের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।
২) মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন ইয়াসার।
আন-নাসায়ি এটি 'আল-মুজতবা' গ্রন্থে (পৃষ্ঠা ২৬৫), কিতাবুজ জাকাত, গরুর জাকাত অধ্যায়, হাদিস (২৪৫৩) বর্ণনা করেছেন।
চতুর্থ তরিক: (আমাশ, আবু ওয়াইল থেকে), তিনি মাসরুক বা মুয়াজ কাউকেই উল্লেখ করেননি:
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১২৫)
رواه عن الأعمش:
وكيع، أخرجه ابن أبي شيبة في «مصنفه» (6/ 412).
ب - حديث عاصم أبي النجود:
يرويه عنه: أبو بكر بن أبي عياش، وشريك.
1 - حديث أبي بكر بن عياش: قد اختُلِفَ عليه من وجهين:
الوجه الأول: (أبو بكر بن عياش، عن عاصم بن أبي النجود، عن أبي وائل، عن مسروق، عن معاذ):
رواه عن أبي بكر بن عياش كلٌّ من:
1) يحيى بن آدم.
أخرجه: يحيى بن آدم في «الخراج» (228) و (364)، وابن ماجه في «سننه» (ص197) كتاب الزكاة، باب صدقة الزروع والثمار، حديث (1818)، والبزار في «مسنده» (7/
91)، وقال: «لا نعلم أحداً يرويه عن معاذ بإسناد إلا بهذا الإسناد». وأخرجه أيضاً البيهقي في «السنن الكبرى» (9/ 187)، والذهبي في «سير أعلام النبلاء» (9/ 527).
في الموضع الأول عند يحيى بن آدم، والبيهقي، الاقتصار على ذكر الجزية.
وفي الموضع الثاني عند يحيى، وابن ماجه، والبزار، الاقتصار على ذكر زكاة الزرع «فيما سقت السماء
… » ولم يُذكر الشاهد.
2) المعلى بن منصور.
أخرجه: البزار في «مسنده» (7/ 90)، وفيه الاقتصار على زكاة الزرع.
3) محمد بن سعيد بن الأصبهاني.
এটি আ'মাশ থেকে বর্ণনা করেছেন:
ওকী', এটি ইবন আবি শাইবা তাঁর «মুসান্নাফ»-এ (৬/৪১২) বর্ণনা করেছেন।
খ - আসিম আবি আন-নুজুদের হাদীস:
এটি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আবু বকর বিন আবি আইয়াশ এবং শারীক।
১ - আবু বকর বিন আইয়াশের হাদীস: তাঁর থেকে বর্ণনার ক্ষেত্রে দুইভাবে মতভেদ হয়েছে:
প্রথম পদ্ধতি: (আবু বকর বিন আইয়াশ, আসিম বিন আবি আন-নুজুদ থেকে, তিনি আবু ওয়াইল থেকে, তিনি মাসরুক থেকে, তিনি মু'আয থেকে):
আবু বকর বিন আইয়াশ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন:
১) ইয়াহইয়া বিন আদম।
এটি বর্ণনা করেছেন: ইয়াহইয়া বিন আদম তাঁর «আল-খারাজ»-এ (২২৮) ও (৩৬৪), ইবনে মাজাহ তাঁর «সুনান»-এ (পৃ. ১৯৭) যাকাত অধ্যায়, শস্য ও ফলের সাদাকা পরিচ্ছেদ, হাদীস (১৮১৮), এবং আল-বাযযার তাঁর «মুসনাদ»-এ (৭/
৯১), এবং তিনি বলেন: «আমরা মু'আয থেকে এই সনদ ব্যতীত অন্য কোনো সনদে এটি বর্ণিত হতে জানি না»। বায়হাকীও এটি «আস-সুনান আল-কুবরা»-তে (৯/১৮৭) এবং আয-যাহাবী «সিয়ারু আ'লামিন নুবালা»-তে (৯/৫২৭) বর্ণনা করেছেন।
ইয়াহইয়া বিন আদম এবং বায়হাকীর প্রথম স্থানে কেবল জিজিয়ার উল্লেখ করা হয়েছে।
আর ইয়াহইয়া, ইবনে মাজাহ এবং আল-বাযযারের দ্বিতীয় স্থানে কেবল শস্যের যাকাত «আকাশ যা সিঞ্চিত করে …» উল্লেখ করা হয়েছে এবং সাক্ষী (শাহেদ) অংশটি উল্লেখ করা হয়নি।
২) আল-মু'আল্লা বিন মানসুর।
এটি বর্ণনা করেছেন: আল-বাযযার তাঁর «মুসনাদ»-এ (৭/৯০), এবং এতে কেবল শস্যের যাকাতের কথা উল্লেখ রয়েছে।
৩) মুহাম্মদ বিন সাঈদ বিন আল-আসবাহানি।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১২৬)
أخرجه: ابن أبي خيثمة في «تاريخه» (3/ 118) (4068) مقتصراً على ذكر زكاة الزرع، ومن طريقه: [ابن عبد البر في «التمهيد» (7/ 71)] وأخرجه الهيثم بن كليب في «مسنده» (3/ 252) (1349) وفيه الاقتصار على ذكر زكاة الزرع.
وأخرجه الطبراني في «المعجم الكبير» (20/ 129) (262) بنحوه.
4) عاصم بن يوسف.
أخرجه: الدارمي في «سننه» (1/ 321) (1631) دون ذكر الجزية.
وأخرجه أيضاً (1/ 231) (1674) وفيه الاقتصار على ذكر زكاة الزرع.
5) أحمد بن يونس.
أخرجه: الدارمي في «سننه» (1/ 321) (1632) وقال: بنحوه. أي بنحو حديث عاصم بن يوسف السابق ذكره.
الوجه الثاني: (أبو بكر بن عياش، عن عاصم بن أبي النجود، عن أبي وائل، عن معاذ):
رواه عن أبي بكر بن عياش كلٌّ من:
1) سليمان بن داود الهاشمي.
أخرجه: الإمام أحمد في «مسنده» (36/ 365) (22037) وفيه زيادة زكاة الزرع.
2) هناد بن السري.
أخرجه: النسائي في «المجتبى» (صـ 269) كتاب الزكاة، باب ما يوجب العشر، وما يوجب نصف العشر، حديث (2490) وفيه الاقتصار على زكاة الزرع. ومن طريقه: [ابن عبد البر في «التمهيد» - ط. المغربية - (24/ 163)].
3) أسد بن عمرو بن عامر، أبو المنذر البجلي.
এটি বর্ণনা করেছেন: ইবনে আবি খায়সামা তাঁর «তারিখ» গ্রন্থে (৩/ ১১৮) (৪০৬৮), যেখানে তিনি কেবল ফসলের যাকাতের আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখেছেন। তাঁর সূত্র ধরে: [ইবনে আবদিল বার তাঁর «আত-তামহিদ» গ্রন্থে (৭/ ৭১)]। এটি আরও বর্ণনা করেছেন হাইসাম ইবনে কুলাইব তাঁর «মুসনাদ» গ্রন্থে (৩/ ২৫২) (১৩৪৯), সেখানেও কেবল ফসলের যাকাতের বর্ণনাই রয়েছে।
তাবারানি এটি «আল-মু'জামুল কাবির» গ্রন্থে (২০/ ১২৯) (২৬২) অনুরূপভাবে বর্ণনা করেছেন।
৪) আসিম ইবনে ইউসুফ।
এটি বর্ণনা করেছেন: আদ-দারিমি তাঁর «সুনান» গ্রন্থে (১/ ৩২১) (১৬৩১), তবে জিজিয়ার উল্লেখ ছাড়া।
তিনি এটি আরও বর্ণনা করেছেন (১/ ২৩১) (১৬৭৪), যাতে কেবল ফসলের যাকাতের বর্ণনাই রয়েছে।
৫) আহমদ ইবনে ইউনুস।
এটি বর্ণনা করেছেন: আদ-দারিমি তাঁর «সুনান» গ্রন্থে (১/ ৩২১) (১৬৩২) এবং তিনি বলেছেন: অনুরূপভাবে। অর্থাৎ পূর্বে উল্লিখিত আসিম ইবনে ইউসুফের হাদিসের অনুরূপ।
দ্বিতীয় সূত্র: (আবু বকর ইবনে আইয়াশ, আসিম ইবনে আবি আন-নাজুদ থেকে, তিনি আবু ওয়ায়িল থেকে, তিনি মুয়াজ থেকে):
আবু বকর ইবনে আইয়াশ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন তারা হলেন:
১) সুলাইমান ইবনে দাউদ আল-হাশেমি।
এটি বর্ণনা করেছেন: ইমাম আহমদ তাঁর «মুসনাদ» গ্রন্থে (৩৬/ ৩৬৫) (২২০৩৭), এতে ফসলের যাকাতের অতিরিক্ত অংশ রয়েছে।
২) হান্নাদ ইবনুস সারি।
এটি বর্ণনা করেছেন: আন-নাসায়ি তাঁর «আল-মুজতাবা» গ্রন্থে (পৃ. ২৬৯) যাকাত অধ্যায়, উশর ওয়াজিব হওয়ার এবং অর্ধেক উশর ওয়াজিব হওয়ার পরিচ্ছেদ, হাদিস নং (২৪৯০); এতে কেবল ফসলের যাকাতের কথা রয়েছে। তাঁর সূত্র ধরে: [ইবনে আবদিল বার তাঁর «আত-তামহিদ» গ্রন্থে - মরক্কো সংস্করণ - (২৪/ ১৬৩)]।
৩) আসাদ ইবনে আমর ইবনে আমির, আবু আল-মুনজির আল-বাজালি।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১২৭)
أخرجه: الطحاوي في «شرح المعاني» (2/ 36) بلفظه.
4 - 5) منصور بن أبي مزاحم، وعبد الرحمن بن صالح.
ذكرهما الداقطني في «العلل» (6/ 67).
2 - حديث شريك بن عبد الله القاضي:
أخرجه الإمام أحمد في «مسنده» (36/ 444) (22129) من طريق شريك، عن عاصم، عن أبي وائل، عن معاذ، بلفظه. ولم يذكر مسروقاً (1).
*ثانياً: حديث إبراهيم النخعي:
رواه عنه: الأعمش، واختلف عن الأعمش من أربعة أوجه:
الوجه الأول: (الأعمش، عن إبراهيم النخعي، عن معاذ):
رواه عن الأعمش: يعلى بن عبيد.
أخرجه: الدارمي في «سننه» (1/ 320) (1630) والنسائي في «المجتبى» (صـ 265) كتاب الزكاة، باب زكاة البقر حديث (2451)، وابن زنجويه في «الأموال» (صـ 46) (96)، والهيثم بن كليب في «مسنده» (3/ 249) (1347) بلفظه، والبيهقي في «السنن الكبرى»
… (4/ 98)، (9/ 193) بمثله.
لم يذكر الدارمي، والنسائي، الجملة الأخيرة في الحديث «الجزية»، وعند ابن زنجويه «ثنيه» بدل «مسنة».
الوجه الثاني: (الأعمش، عن إبراهيم النخعي، عن مسروق، عن معاذ):
رواه عن الأعمش كلٌّ من:
--------------------------------------------
এটি বর্ণনা করেছেন: তাহাবি 'শারহু মাআনিল আসার'-এ (২/ ৩৬) এই শব্দেই।
৪ - ৫) মনসুর বিন আবি মুযাহিম এবং আবদুর রহমান বিন সালিহ।
দারাকুতনি তাঁদেরকে 'আল-ইলাল'-এ (৬/ ৬৭) উল্লেখ করেছেন।
২ - শারিক বিন আব্দুল্লাহ আল-কাদির হাদিস:
এটি ইমাম আহমাদ তাঁর 'মুসনাদ'-এ (৩৬/ ৪৪৪) (২২১২৯) শারিক-এর সূত্রে, আসিম থেকে, আবু ওয়াইল থেকে, মুয়াজ থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি মাসরুক-এর নাম উল্লেখ করেননি (১)।
*দ্বিতীয়ত: ইব্রাহিম আন-নাখয়ির হাদিস:
তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আল-আ'মাশ; আর আল-আ'মাশ থেকে চারটি পদ্ধতিতে (সূত্রে) মতভেদ হয়েছে:
প্রথম পদ্ধতি: (আ'মাশ, ইব্রাহিম আন-নাখয়ি থেকে, মুয়াজ থেকে):
আ'মাশ থেকে বর্ণনা করেছেন: ইয়ালা বিন উবায়েদ।
এটি বর্ণনা করেছেন: দারেমি তাঁর 'সুনান'-এ (১/ ৩২০) (১৬৩০), নাসাঈ 'আল-মুজতাবা'-তে (পৃষ্ঠা ২৬৫), জাকাত অধ্যায়, গরু-মহিষের জাকাত পরিচ্ছেদ, হাদিস (২৪৫১), ইবনে জানজুওয়াইহ 'আল-আমওয়াল'-এ (পৃষ্ঠা ৪৬) (৯৬), হাইসাম বিন কুলাইব তাঁর 'মুসনাদ'-এ (৩/ ২৪৯) (১৩৪৭) এই শব্দেই, এবং বাইহাকি 'আস-সুনানুল কুবরা'-তে... (৪/ ৯৮), (৯/ ১৯৩) এর অনুরূপ।
দারেমি এবং নাসাঈ হাদিসের শেষ বাক্য 'আল-জিজিয়া' উল্লেখ করেননি, এবং ইবনে জানজুওয়াইহ-এর বর্ণনায় 'মুসিন্নাহ'-এর পরিবর্তে 'সানিয়্যাহ' শব্দ এসেছে।
দ্বিতীয় পদ্ধতি: (আ'মাশ, ইব্রাহিম আন-নাখয়ি থেকে, মাসরুক থেকে, মুয়াজ থেকে):
আ'মাশ থেকে তাঁদের প্রত্যেকেই বর্ণনা করেছেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১২৮)
1) أبو معاوية الضرير.
أخرجه: أبو داود في «سننه» (صـ 187) كتاب الزكاة، باب في زكاة السائمة حديث (1577)، ومن طريقه: [البيهقي في «السنن الكبرى» (9/ 193)] بمثله.
وأخرجه أبو داود أيضاً (صـ 344) كتاب الخراج، باب في أخذ الجزية حديث (3039)، ومن طريقه: [البيهقي في «السنن الكبرى» (4/ 98)] بنحوه.
وأخرجه النسائي في «المجتبى» (صـ 265) كتاب الزكاة، باب زكاة البقر، حديث (2452). وابن خزيمة في «صحيحه» (4/ 19) (2268). والطبراني في «المعجم الكبير» (20/ 129) (263). والدارقطني في «سننه» (2/ 102).
عند النسائي والدارقطني: بلفظه. وابن خزيمة والطبراني: بمثله.
وعند أبي داود في الموضع الثاني الاقتصار على ذكر الجزية.
2) عبد الرحمن بن مغراء.
أخرجه: ابن خزيمة في «صحيحه» (4/ 19) (2268) بمثله، وقد قُرن شقيق بإبراهيم، وفي «إتحاف المهرة» لابن حجر (13/ 287) خرجه من ابن خزيمة وقال: قال ابن مغراء: إبراهيم ليس في سماعنا.
وأخرجه الطبراني في «المعجم الكبير» (20/ 129) (264) بنحوه، وقد قرن فيه شقيق بإبراهيم (1).
الوجه الثالث: (الأعمش، عن إبراهيم، عن مسروق) لم يذكر معاذاً:
رواه عن الأعمش كلٌّ من:
1) أبو معاوية الضرير.
--------------------------------------------
১) আবু মুয়াবিয়া আদ-দারীর।
এটি বর্ণনা করেছেন: আবু দাউদ তাঁর 'সুনান' (পৃ. ১৮৭) গ্রন্থে, যাকাত অধ্যায়, চারণকারী পশুর যাকাত অনুচ্ছেদ, হাদিস (১৫৭৭); এবং তাঁর সূত্র থেকে: [আল-বাইহাকী 'আস-সুনান আল-কুবরা' (৯/১৯৩) গ্রন্থে] অনুরূপ শব্দে।
আবু দাউদ এটি আরও বর্ণনা করেছেন (পৃ. ৩৪৪) গ্রন্থে, খারাজ অধ্যায়, জিজিয়া গ্রহণ সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ, হাদিস (৩০৩৯); এবং তাঁর সূত্র থেকে: [আল-বাইহাকী 'আস-সুনান আল-কুবরা' (৪/৯৮) গ্রন্থে] কাছাকাছি শব্দে।
নাসায়ী এটি বর্ণনা করেছেন 'আল-মুজতাবা' (পৃ. ২৬৫) গ্রন্থে, যাকাত অধ্যায়, গরুর যাকাত অনুচ্ছেদ, হাদিস (২৪৫২)। ইবনে খুযায়মা তাঁর 'সহীহ' (৪/১৯) (২২৬৮) গ্রন্থে। তাবারানী 'আল-মুজাম আল-কাবীর' (২০/১২৯) (২৬৩) গ্রন্থে। আদ-দারাকুতনী তাঁর 'সুনান' (২/১০২) গ্রন্থে।
নাসায়ী এবং আদ-দারাকুতনীর নিকট: হুবহু শব্দে। ইবনে খুযায়মা এবং তাবারানীর নিকট: অনুরূপ শব্দে।
আর আবু দাউদের নিকট দ্বিতীয় স্থানে শুধুমাত্র জিজিয়ার বর্ণনার ওপর সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।
২) আবদুর রহমান ইবনে মাগরা।
এটি বর্ণনা করেছেন: ইবনে খুযায়মা তাঁর 'সহীহ' (৪/১৯) (২২৬৮) গ্রন্থে অনুরূপ শব্দে, যেখানে শাকীককে ইব্রাহীমের সাথে যুক্ত করা হয়েছে। আর ইবনে হাজার-এর 'ইতিহাফ আল-মাহারা' (১৩/২৮৭) গ্রন্থে তিনি এটি ইবনে খুযায়মা থেকে উদ্ধৃত করেছেন এবং বলেছেন: ইবনে মাগরা বলেছেন: ইব্রাহীম আমাদের শ্রবণের (সরাসরি শোনার) অন্তর্ভুক্ত নন।
তাবারানী এটি 'আল-মুজাম আল-কাবীর' (২০/১২৯) (২৬৪) গ্রন্থে কাছাকাছি শব্দে বর্ণনা করেছেন, যেখানে তিনি শাকীককে ইব্রাহীমের সাথে যুক্ত করেছেন (১)।
তৃতীয় তরীকা: (আ'মাশ, ইব্রাহীম থেকে, মাসরুক থেকে) যেখানে মুয়াজের কথা উল্লেখ করা হয়নি:
আ'মাশ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন প্রত্যেকেই:
১) আবু মুয়াবিয়া আদ-দারীর।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১২৯)
أخرجه: ابن أبي شيبة في «مصنفه» (6/ 408) عنه به، بلفظه، وأعاده في (17/ 404) (33306) مقتصراً على ذكر الجزية.
2) جرير.
أخرجه: الهيثم بن كليب في «مسنده» (3/ 253) (1353) عطفاً على رواية الأعمش، عن أبي وائل، عن مسروق مرسلاً، وذكرالحديث بنحوه.
3) أبو يوسف القاضي.
أخرجه في كتابه «الخراج» (صـ 77) عن الأعمش، به. دون ذكر «الجزية».
الوجه الرابع: (الأعمش، عن إبراهيم) مرسلاً:
رواه عن الأعمش:
وكيعٌ
أخرجه: ابن أبي شيبة في «مصنفه» (6/ 412) (10016) عنه، به. بلفظه. وقد قرن إبراهيم بأبي وائل.
التعريف برواة أوجه الاختلاف باختصار:
- محمد بن خازم التميمي السَّعدي مولاهم، أبو معاوية الضرير الكوفي.
قال ابن حجر في «التقريب»: ثقةٌ، أحفظ الناس في حديث الأعمش، وقد يهم في حديث غيره، وقد رمي بالإرجاء. ت 193 هـ وقيل: 194 هـ، وقيل: 195 هـ «تقريب التهذيب» (صـ 840)
- معمر بن راشد الأزدي مولاهم، أبو عروة البصري ثم اليماني.
এটি বর্ণনা করেছেন: ইবন আবি শায়বাহ তাঁর ‘মুসান্নাফ’-এ (৬/ ৪০৮) তাঁর থেকে এর মাধ্যমে, হুবহু শব্দে; এবং তিনি এটি পুনরায় উল্লেখ করেছেন (১৭/ ৪০৪) (৩৩৩০৬) অংশে, যেখানে কেবল জিজইয়ার বর্ণনায় সীমাবদ্ধ থেকেছেন।
২) জারির।
এটি বর্ণনা করেছেন: আল-হাইসাম বিন কুলাইব তাঁর ‘মুসনাদ’-এ (৩/ ২৫৩) (১৩৫৩), আল-আ’মাশ-এর বর্ণনার সাথে যুক্ত করে, আবু ওয়ায়েল থেকে, মাসরুক থেকে মুরসাল হিসেবে; এবং তিনি হাদিসটি এর সমার্থক শব্দে উল্লেখ করেছেন।
৩) আবু ইউসুফ আল-কাদি।
এটি তিনি তাঁর ‘আল-খারাজ’ (পৃ. ৭৭) গ্রন্থে আল-আ’মাশ থেকে এর মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, ‘জিজিয়া’ উল্লেখ ছাড়াই।
চতুর্থ পথ: (আল-আ’মাশ, ইব্রাহিম থেকে) মুরসাল হিসেবে:
আল-আ’মাশ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন:
ওয়াকি’
এটি বর্ণনা করেছেন: ইবন আবি শায়বাহ তাঁর ‘মুসান্নাফ’-এ (৬/ ৪১২) (১০০১৬) তাঁর থেকে এর মাধ্যমে, হুবহু শব্দে। আর তিনি ইব্রাহিমকে আবু ওয়ায়েলের সাথে যুক্ত করেছেন।
মতভেদের বর্ণনাকারীদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
- মুহাম্মাদ বিন খাযিম আত-তামিমি আস-সা’দি তাদের মুক্ত করা দাস, আবু মুয়াবিয়া আদ-দারির আল-কুফি।
ইবন হাজার ‘আত-তাকরিব’-এ বলেছেন: নির্ভরযোগ্য, আল-আ’মাশ-এর হাদিসের ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় হাফিজ, তবে অন্যের হাদিসের ক্ষেত্রে কখনও বিভ্রান্ত হতে পারেন, তাঁর ওপর ইরজা-এর অভিযোগ তোলা হয়েছে। মৃত্যু ১৯৩ হি. এবং বলা হয়: ১৯৪ হি., আবার বলা হয়: ১৯৫ হি. ‘তাকরিবুত তাহজিব’ (পৃ. ৮৪০)
- মা’মার বিন রাশিদ আল-আজদি তাদের মুক্ত করা দাস, আবু উরওয়াহ আল-বাসরি অতঃপর আল-ইয়ামানি।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১৩০)
قال في «التقريب»: ثقة، ثبت، فاضل، إلا أن في روايته عن ثابت والأعمش وعاصم بن أبي النجود وهشام بن عروة شيئاً، وكذا فيما حدث به بالبصرة ت 154 هـ. «تقريب التهذيب» (صـ 961).
- يعلى بن عُبيد بن أبي أمية الإيادي، ويقال: الحنفي، مولاهم، أبو يوسف الطنافسي الكوفي.
قال في «التقريب»: ثقة، إلا في حديثه عن الثوري، ففيه لين. ت: 209 هـ
… «تقريب التهذيب» (صـ 1091).
- يحيى بن عيسى بن عبد الرحمن، ويقال: ابن محمد، التميمي النَّهْشَلي، أبو زكريا الكوفي الجرار الفاخوري، سكن الرملة، فنُسب إليها.
قال ابن حجر في «التقريب»: صدوق يخطئ، ورمي بالتشيع ت: 201 هـ «تقريب التهذيب» (صـ 1063).
- مُفَضَّل بن مهلهل السَّعَدي، أبو عبد الرحمن الكوفي.
قال في «التقريب»: ثقة، ثبت، نيل، عابد ت167 هـ «تقريب التهذيب» (صـ 967).
- عبد الرحمن بن مَغْرَاء بن عياض بن الحارث الدوسي، أبو زهير الكوفي، نزيل الري.
قال ابن حجر في «التقريب»: صدوق، تُكُلِّم في حديثه عن الأعمش. ت: بضع وتسعين ومئة.
… «تقريب التهذيب» (صـ 600).
- شعبة بن الحجاج بن الورد العتكي الأزدي، أبو بسطام الواسطي.
قال في «التقريب»: ثقة، حافظ، متقن، كان الثوري يقول: هو أمير المؤمنين في الحديث. وهو أول من فتَّشَ بالعراق عن الرجال، وذَبَّ عن السُّنَّة، وكان عابداً. ت 160 هـ «تقريب التهذيب» (صـ 436).
'তাকরিব' গ্রন্থে বলা হয়েছে: নির্ভরযোগ্য (সিকাহ), সুদৃঢ় (সাবাত), মর্যাদাবান; তবে সাবিত, আল-আমাশ, আসিম বিন আবিন নাজুদ এবং হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে তাঁর বর্ণনায় কিছুটা ত্রুটি রয়েছে, এবং তেমনিভাবে তিনি বসরায় যা বর্ণনা করেছেন তাতেও ত্রুটি রয়েছে। মৃত্যু: ১৫৪ হিজরি। 'তাকরিবুত তাহজিব' (পৃ. ৯৬১)।
- ইয়ালা বিন উবাইদ বিন আবি উমাইয়াহ আল-ইয়াদি, তাঁকে আল-হানাফিও বলা হয়, তাঁদের আযাদকৃত দাস, আবু ইউসুফ আত-তানাফিসি আল-কুফি।
'তাকরিব' গ্রন্থে বলা হয়েছে: নির্ভরযোগ্য (সিকাহ), তবে আস-সাওরি থেকে তাঁর বর্ণিত হাদিসের ক্ষেত্রে কিছুটা শিথিলতা রয়েছে। মৃত্যু: ২০৯ হিজরি
… 'তাকরিবুত তাহজিব' (পৃ. ১০৯১)।
- ইয়াহইয়া বিন ঈসা বিন আবদুর রহমান, তাঁকে ইবনে মুহাম্মদও বলা হয়, আত-তামিমি আন-নাহশালি, আবু জাকারিয়া আল-কুফি আল-জাররার আল-ফাখুরি, তিনি রামলায় বসবাস করতেন এবং সেদিকের অধিবাসী হিসেবেই তাঁর নিসবত করা হয়।
ইবনে হাজার 'তাকরিব' গ্রন্থে বলেছেন: সত্যবাদী (সাদুক) কিন্তু ভুল করেন, এবং তাঁর ওপর শিয়া মতবাদের অভিযোগ করা হয়েছে। মৃত্যু: ২০১ হিজরি। 'তাকরিবুত তাহজিব' (পৃ. ১০৬৩)।
- মুফাদ্দাল বিন মুহালহাল আস-সাদি, আবু আবদুর রহমান আল-কুফি।
'তাকরিব' গ্রন্থে বলা হয়েছে: নির্ভরযোগ্য (সিকাহ), সুদৃঢ় (সাবাত), মর্যাদাবান, ইবাদতগুজার। মৃত্যু: ১৬৭ হিজরি। 'তাকরিবুত তাহজিব' (পৃ. ৯৬৭)।
- আবদুর রহমান বিন মাগরা বিন ইয়াদ বিন আল-হারিস আদ-দাউসি, আবু জুহাইর আল-কুফি, রাই নগরীর অধিবাসী।
ইবনে হাজার 'তাকরিব' গ্রন্থে বলেছেন: সত্যবাদী (সাদুক), আল-আমাশ থেকে তাঁর বর্ণিত হাদিসের ব্যাপারে সমালোচনা করা হয়েছে। মৃত্যু: একশত নব্বইয়ের কিছুকাল পরে।
… 'তাকরিবুত তাহজিব' (পৃ. ৬০০)।
- শু'বাহ বিন আল-হাজ্জাজ বিন আল-ওয়ারদ আল-আতাকি আল-আজদি, আবু বিসতাম আল-ওয়াসিতি।
'তাকরিব' গ্রন্থে বলা হয়েছে: নির্ভরযোগ্য (সিকাহ), হাফিজ, অত্যন্ত পারদর্শী (মুতকিন); আস-সাওরি বলতেন: তিনি হলেন হাদিস শাস্ত্রের আমিরুল মুমিনিন। ইরাকে বর্ণনাকারীদের (রিজাল) বিষয়ে অনুসন্ধান চালানো এবং সুন্নাহকে রক্ষা করার ক্ষেত্রে তিনি প্রথম ব্যক্তি ছিলেন এবং তিনি ইবাদতগুজার ছিলেন। মৃত্যু: ১৬০ হিজরি। 'তাকরিবুত তাহজিব' (পৃ. ৪৩৬)।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১৩১)
- جرير بن عبد الحميد بن قُرْط الضَّبِّيُّ الكوفي، نزيل الري وقاضيها.
قال ابن حجر في «التقريب»: ثقةٌ، صحيح الكتاب، قيل: كان في آخر عمره يهم من حفظه.
ت: 188 هـ
… «تقريب التهذيب» (صـ 196).
- الوضَّاح بن عبد الله اليشكري، أبو عوانة الواسطي البزاز
قال ابن حجر في «التقريب»: ثقةٌ، ثبت ت 175هـ، وقيل: 176 هـ «تقريب التهذيب» (1036).
- مروان بن معاوية بن الحارث بن أسماء الفزاري، أبو عبد الله الكوفي، نزيل مكة ثم دمشق.
قال ابن حجر في «التقريب»: ثقة، حافظ، وكان يدلس أسماء الشيوخ. ت: 193 هـ.
وذكره في المرتبة الثالثة من مراتب المدلسين وهم: مَنْ أكثر من التدليس، فلم يحتج الأئمة
من أحاديثهم إلا بما صرحوا فيه بالسماع، ومنهم مَنْ رد حديثهم مطلقاً، ومنهم من قبله.
[«تقريب التهذيب» (932)، «تعريف أهل التقديس» (105)]
- محمد بن إسحاق بن يسار بن خيار، ويقال: ابن كُوثَان، المدني، أبو بكر، ويقال: أبو عبد الله القرشي المُطَّلِبي مولاهم.
قال الذهبي في «الكاشف»: كان صدوقاً من بحور العلم، وله غرائب في سعة ما روى، تُستَنكر، واختُلف في الاحتجاج به، وحديثه حسن، وقد صححه جماعة.
قال في «التقريب»: إمام المغازي، صدوق، يدلس، ورُمي بالتشيع والقدر.
وذكره في المرتبة الرابعة من مراتب المدلسين وهم: مَنْ اتُفِق على أنه لا يحتج بحديثه إلا ما صرح بالسماع؛ لكثرة تدليسه عن الضعفاء والمجاهيل. ت: 151 هـ.
[«الكاشف» (3/ 19)، «تعريف أهل التقديس لابن حجر» (125)، «تقريب التهذيب» (صـ 825)]
- وكيع بن الجراح بن مَليح الرؤاسيّ، أبو سفيان الكوفي.
জারীর বিন আব্দুল হামিদ বিন কুর্ত আদ-দাব্বী আল-কুফী, রাই শহরের অধিবাসী এবং সেখানকার বিচারক।
ইবন হাজার 'আত-তাকরীব' গ্রন্থে বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য, তার কিতাব সঠিক, বলা হয়েছে: শেষ বয়সে তিনি তার স্মৃতি থেকে বর্ণনা করতে গিয়ে বিভ্রান্ত হতেন।
মৃত্যু: ১৮৮ হিজরি
… 'তাকরীবুত তাহযীব' (পৃষ্ঠা ১৯৬)।
- আল-ওয়াদদাহ বিন আব্দুল্লাহ আল-ইয়াশকারী, আবু আওয়ানা আল-ওয়াসিতী আল-বায্যায।
ইবন হাজার 'আত-তাকরীব' গ্রন্থে বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য, সুদৃঢ়; মৃত্যু ১৭৫ হিজরি, মতান্তরে ১৭৬ হিজরি। 'তাকরীবুত তাহযীব' (১০৩৬)।
- মারওয়ান বিন মুয়াবিয়া বিন আল-হারিস বিন আসমা আল-ফাযারী, আবু আব্দুল্লাহ আল-কুফী, মক্কার অধিবাসী ছিলেন অতঃপর দামেস্কের।
ইবন হাজার 'আত-তাকরীব' গ্রন্থে বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য, হাফিয, এবং তিনি উস্তাদদের নাম প্রকাশে লুকোচুরি (তাদলীস) করতেন। মৃত্যু: ১৯৩ হিজরি।
এবং তিনি তাকে তাদলীসকারীদের তৃতীয় স্তরে উল্লেখ করেছেন, আর তারা হলো: যারা অধিক পরিমাণে তাদলীস করে থাকেন, তাই ইমামগণ তাদের হাদীস দ্বারা দলীল গ্রহণ করেননি
যতক্ষণ না তারা স্পষ্টভাবে শ্রবণ করার কথা উল্লেখ করেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ তাদের হাদীসকে নিঃশর্তভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং কেউ কেউ তা গ্রহণ করেছেন।
[‘তাকরীবুত তাহযীব’ (৯৩২), ‘তারীফু আহলিত তাকদীস’ (১০৫)]
- মুহাম্মাদ বিন ইসহাক বিন ইয়াসার বিন খিয়ার, এবং তাকে ইবন কূসান বলা হয়; আল-মাদানী, আবু বকর, এবং তাকে আবু আব্দুল্লাহ আল-কুরাশী আল-মুত্তালিবী (তাদের আযাদকৃত দাস) বলা হয়।
আয-যাহাবী 'আল-কাশিফ' গ্রন্থে বলেছেন: তিনি সত্যবাদী ছিলেন, ইলমের সমুদ্রবিশেষ, তাঁর বর্ণিত হাদীসের বিশাল পরিসরে কিছু বিরল বর্ণনা রয়েছে যা আপত্তিকর; তাঁকে দলীল হিসেবে গ্রহণ করার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে, তাঁর হাদীস হাসান পর্যায়ের এবং একদল বিশেষজ্ঞ একে সহীহ বলেছেন।
তিনি ‘আত-তাকরীব’ গ্রন্থে বলেছেন: তিনি মাগাযী বা যুদ্ধাভিযান বিষয়ক বর্ণনার ইমাম, সত্যবাদী, তাদলীস করেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে শিয়া মতবাদ ও কাদারিয়া (তাকদীর অস্বীকারকারী) মতবাদের অপবাদ দেওয়া হয়েছে।
এবং তিনি তাঁকে তাদলীসকারীদের চতুর্থ স্তরে উল্লেখ করেছেন, আর তারা হলো: যাদের ব্যাপারে ঐকমত্য হয়েছে যে, তাদের হাদীস দ্বারা দলীল গ্রহণ করা যাবে না যতক্ষণ না তারা স্পষ্টভাবে শ্রবণ করার কথা উল্লেখ করেন; কারণ তারা দুর্বল ও অপরিচিত রাবীদের থেকে অধিক পরিমাণে তাদলীস করেন। মৃত্যু: ১৫১ হিজরি।
[‘আল-কাশিফ’ (৩/১৯), ইবন হাজারের ‘তারীফু আহলিত তাকদীস’ (১২৫), ‘তাকরীবুত তাহযীব’ (পৃষ্ঠা ৮২৫)]
- ওয়াকী ইবনুল জাররাহ বিন মালীহ আর-রুয়াসী, আবু সুফিয়ান আল-কুফী।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১৩২)
قال في «التقريب»: ثقة، حافظ، عابد. ت196هـ، وقيل: 197 هـ. «تقريب التهذيب» (صـ 1037).
- يحيى بن آدم بن سليمان القرشي الأموي مولاهم، أبو زكريا الكوفي.
قال ابن حجر في «التقريب»: ثقة، حافظ، فاضل. ت 203 هـ. «تقريب التهذيب» (صـ 1047).
- المعلى بن منصور الرازي، أبو يعلى، نزيل بغداد.
قال ابن حجر في «التقريب»: ثقة، سُنِّيٌّ، فقيه، طُلب للقضاء فامتنع، أخطأ مَنْ زعم أن أحمد رماه بالكذب. ت 211 هـ. «تقريب التهذيب» (صـ 961).
- محمد بن سعيد بن سليمان بن عبد الله الكوفي، أبو جعفر ابن الأصبهاني، ولقبه حمدان.
قال ابن حجر في «التقريب»: ثقة، ثبت. ت 220 هـ «تقريب التهذيب» (صـ 848).
- عاصم بن يوسف اليربُوعي، أبو عمرو الخياط الكوفي.
قال ابن حجر في «التقريب»: ثقة. ت 220 هـ.
… «تقريب التهذيب» (صـ 474).
- أحمد بن عبد الله بن يونس بن عبد الله بن قيس التميمي اليربوعي، أبو عبد الله الكوفي. وقد يُنسب إلى جده.
قال ابن حجر في «التقريب»: ثقة، حافظ. ت 227 هـ «تقريب التهذيب» (صـ 93).
- أبو بكر بن عياش بن سالم الأسدي، الكوفي الحنَّاط المقرئ، وفي تحديد اسمه عشرة أقوال، والصحيح أن اسمه كنيته، وهو مشهور بها.
قال ابن حجر في «التقريب»: ثقة، عابد، إلا أنه لما كبر ساء حفظه، وكتابه صحيح.
ت 192 هـ، وقيل: 193 هـ، وقيل: 194هـ.
… «تقريب التهذيب» (صـ 1118)
'তাকরিব' গ্রন্থে বলা হয়েছে: নির্ভরযোগ্য, হাফিজ, ইবাদতকারী। মৃত্যু ১৯৬ হিজরি, মতান্তরে ১৯৭ হিজরি। 'তাকরিবুত তাহজিব' (পৃ. ১০৩৭)।
- ইয়াহইয়া বিন আদম বিন সুলাইমান আল-কুরাশি আল-উমাউয়ি মাওলাহুম, আবু জাকারিয়া আল-কুফি।
ইবনে হাজার 'তাকরিব' গ্রন্থে বলেছেন: নির্ভরযোগ্য, হাফিজ, বিদগ্ধ। মৃত্যু ২০৩ হিজরি। 'তাকরিবুত তাহজিব' (পৃ. ১০৪৭)।
- আল-মুআল্লা বিন মানসুর আর-রাজি, আবু ইয়ালা, বাগদাদের অধিবাসী।
ইবনে হাজার 'তাকরিব' গ্রন্থে বলেছেন: নির্ভরযোগ্য, সুন্নি, ফকিহ, তাকে বিচারক (কাজির) পদের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছিল কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন; যে ব্যক্তি ধারণা করে যে আহমদ তাকে মিথ্যাচারের অপবাদ দিয়েছেন, সে ভুল করেছে। মৃত্যু ২১১ হিজরি। 'তাকরিবুত তাহজিব' (পৃ. ৯৬১)।
- মুহাম্মাদ বিন সাঈদ bin সুলাইমান বিন আব্দুল্লাহ আল-কুফি, আবু জাফর ইবনুল আসবাহানি, এবং তার উপাধি হামদান।
ইবনে হাজার 'তাকরিব' গ্রন্থে বলেছেন: নির্ভরযোগ্য, সুদৃঢ়। মৃত্যু ২২০ হিজরি। 'তাকরিবুত তাহজিব' (পৃ. ৮৪৮)।
- আসিম বিন ইউসুফ আল-ইয়ারবুয়ি, আবু আমর আল-খাইয়্যাত আল-কুফি।
ইবনে হাজার 'তাকরিব' গ্রন্থে বলেছেন: নির্ভরযোগ্য। মৃত্যু ২২০ হিজরি।
… 'তাকরিবুত তাহজিব' (পৃ. ৪৭৪)।
- আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইউনুস বিন আব্দুল্লাহ বিন কাইস আত-তামিমি আল-ইয়ারবুয়ি, আবু আব্দুল্লাহ আল-কুফি। কখনও কখনও তাকে তার দাদার দিকে সম্বন্ধ করা হয়।
ইবনে হাজার 'তাকরিব' গ্রন্থে বলেছেন: নির্ভরযোগ্য, হাফিজ। মৃত্যু ২২৭ হিজরি। 'তাকরিবুত তাহজিব' (পৃ. ৯৩)।
- আবু বকর বিন আইয়াশ বিন সালিম আল-আসাদি, আল-কুফি আল-হান্নাত আল-মুকরি। তার নাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে দশটি অভিমত রয়েছে, তবে সঠিক হলো তার উপনামই (কুনিয়াত) তার নাম এবং তিনি এর মাধ্যমেই প্রসিদ্ধ।
ইবনে হাজার 'তাকরিব' গ্রন্থে বলেছেন: নির্ভরযোগ্য, ইবাদতকারী, তবে তিনি বার্ধক্যে উপনীত হলে তার স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে গিয়েছিল, যদিও তার লিখিত কিতাবসমূহ সঠিক ছিল।
মৃত্যু ১৯২ হিজরি, মতান্তরে ১৯৩ হিজরি, আবার মতান্তরে ১৯৪ হিজরি।
… 'তাকরিবুত তাহজিব' (পৃ. ১১১৮)
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসা ওয়া আছারি হায়াতিল হায়াওয়ানি লিদ দামীরী মিনাত তা ইলাল জীম
(পৃষ্ঠা: ১৩৩)
- عاصم بن بهدلة وهو ابن أبي النَّجود، الأسدي مولاهم، الكوفي، أبو عبد الله المقرئ.
قال الذهبي في «الميزان»: ثبت في القراءة، وهو في الحديث دون الثبت، صدوق يهم، حسن الحديث
… ، خرج له الشيخان لكن مقروناً بغيره، لا أصلاً وانفراداً.
قال ابن حجر في «التقريب»: صدوق، له أوهام، حجة في القراءة، وحديثه في الصحيحين مقرون. ت 128 هـ. [«ميزان الاعتدال» (3/ 71)، «تقريب التهذيب» (صـ 471)].
- سليمان بن داود بن داود بن علي بن عبد الله بن عباس بن عبد المطلب القرشي، أبو أيوب الهاشمي، سكن بغداد.
قال في «التقريب»: ثقة، جليل. ت 219 هـ وقيل: بعدها «تقريب التهذيب» (صـ 407).
- هناد بن السري بن مصعب بن أبي بكر التميمي الدارمي، أبو السري الكوفي.
قال ابن حجر في «التقريب»: ثقة. ت 243 هـ. «تقريب التهذيب» (صـ 1025).
- أسد بن عمرو بن عامر البجلي، أبو المنذر الكوفي، قاضي واسط.
ضَعِيفٌ.
وثَّقَه: ابن سعد، وابن شاهين في الثقات.
وتوسَّطَ فيه: أحمد فقال: صدوق ولكن لا يُروى عنه؛ لأنه من أصحاب أبي حنيفة: وابن عدي، ابن معين في رواية، وأبو داود، وابن عمار الموصلي، والبخاري في رواية، والدارقطني.
وضعفه: ابن المديني، والبخاري، وأبو حاتم، ويزيد بن هارون، وابن معين في رواية، وفي رواية له أنه كذبه، وابن حبان، والنسائي، والفلاس، والجوزجاني، والساجي، وعثمان بن أبي شيبة، وابن شاهين في «ذكر من اختلف النقاد فيه»، والعقيلي، وأبو أحمد الحاكم.
والراجح أنه ضعيف؛ لأن الذين ضعفوه أكثر، وفيهم بلديُّه وهو يزيد بن هارون، كما قاله
আসিম বিন বাহদালাহ, তিনি ইবনে আবি আল-নাজুদ, আল-আসাদি (তাদের মুক্তদাস), আল-কুফি, আবু আব্দুল্লাহ আল-মুকরি।
আয-যাহাবি 'আল-মিজান'-এ বলেছেন: তিনি কিরাআতের ক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত (সাবিত), তবে হাদিসের ক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত পর্যায়ের নিচে, তিনি সত্যবাদী তবে বিভ্রম ঘটে, তার হাদিস হাসান
… , শাইখাইন (বুখারি ও মুসলিম) তার থেকে বর্ণনা করেছেন তবে অন্য বর্ণনাকারীর সাথে মিলিয়ে (মাকরুনান), মূল ভিত্তি হিসেবে বা এককভাবে নয়।
ইবনে হাজার 'আত-তাকরিব'-এ বলেছেন: তিনি সত্যবাদী, তার কিছু বিভ্রম রয়েছে, কিরাআতের ক্ষেত্রে তিনি প্রমাণ (হুজ্জাহ), এবং সহিহাইন-এ তার হাদিস অন্যের সাথে মিলিতভাবে এসেছে। মৃত্যু ১২৮ হিজরি। [‘মিজানুল ইতিদাল’ (৩/৭১), ‘তাকরিবুত তাহজিব’ (পৃ. ৪৭১)]।
সুলাইমান বিন দাউদ বিন দাউদ বিন আলি বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস বিন আব্দুল মুত্তালিব আল-কুরাশি, আবু আইয়ুব আল-হাশিমি, তিনি বাগদাদে বসবাস করতেন।
'আত-তাকরিব'-এ বলা হয়েছে: তিনি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ), মহান। মৃত্যু ২১৯ হিজরি, মতান্তরে তার পরে। 'তাকরিবুত তাহজিব' (পৃ. ৪০৭)।
হান্নাদ বিন আল-সাররি বিন মুসাব বিন আবি বকর আত-তামিমি আদ-দারিমি, আবু আস-সাররি আল-কুফি।
ইবনে হাজার 'আত-তাকরিব'-এ বলেছেন: নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)। মৃত্যু ২৪৩ হিজরি। 'তাকরিবুত তাহজিব' (পৃ. ১০২৫)।
আসাদ বিন আমর বিন আমির আল-বাজালি, আবু আল-মুনজির আল-কুফি, ওয়াসিতের বিচারক।
দুর্বল।
তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন: ইবনে সাদ এবং ইবনে শাহিন 'আস-সিকাত'-এ।
তার ব্যাপারে মধ্যমপন্থা অবলম্বন করেছেন: আহমাদ, তিনি বলেছেন: সত্যবাদী (সাদুক) কিন্তু তার থেকে বর্ণনা করা যাবে না; কারণ তিনি আবু হানিফার অনুসারীদের অন্তর্ভুক্ত; ইবনে আদি, এক বর্ণনায় ইবনে মাঈন, আবু দাউদ, ইবনে আম্মার আল-মাওসিলি, এক বর্ণনায় বুখারি এবং আদ-দারাকুতনি।
তাকে দুর্বল বলেছেন: ইবনে আল-মাদিনি, বুখারি, আবু হাতিম, ইয়াজিদ বিন হারুন, ইবনে মাঈন এক বর্ণনায় এবং অন্য এক বর্ণনায় তিনি তাকে মিথ্যাবাদী বলেছেন, ইবনে হিব্বান, আন-নাসায়ি, আল-ফাল্লাস, আল-জাওযাজানি, আস-সাজি, উসমান বিন আবি শাইবাহ, ইবনে শাহিন 'যিকর মান ইখতালাফা আন-নুক্কাদ ফিহি'-তে, আল-উকাইলি এবং আবু আহমাদ আল-হাকিম।
সঠিক মত হলো তিনি দুর্বল; কারণ যারা তাকে দুর্বল বলেছেন তারা সংখ্যায় বেশি এবং তাদের মধ্যে তার নিজ শহরের অধিবাসীও রয়েছেন, আর তিনি হলেন ইয়াজিদ বিন হারুন, যেমনটি তিনি বলেছেন।