(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: -)
الأحاديث الصحاح الغرائب للمزي القسم: كتب السنة
الكتاب: الأحاديث الصحاح الغرائب للمزي
المؤلف: عبد الرحمن بن يوسف بن الزكي عبد الرحمن زين الدين أبو الفرج (ابن الحافظ جمال الدين المزي) (ت 749هـ)
تحقيق ودراسة: إبراهيم بن علي بن محمد آل كليب
الناشر: مكتبة العبيكان، السعودية
الطبعة: الأولى، 1421 هـ - 2001 م
عدد الصفحات: 140
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
মিযযীর সহীহ ও গারীব হাদীসসমূহ বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: মিযযীর সহীহ ও গারীব হাদীসসমূহ
লেখক: আব্দুর রহমান বিন ইউসুফ বিন আয-যাকী আব্দুর রহমান যাইনুদ্দীন আবুল ফারাজ (হাফিজ জামালুদ্দীন আল-মিযযীর পুত্র) (মৃত্যু: ৭৪৯ হিজরী)
তাহকীক ও গবেষণা: ইব্রাহীম বিন আলী বিন মুহাম্মদ আল কুলাইব
প্রকাশক: মাকতাবাতুল ওবাইকান, সৌদি আরব
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২১ হিজরী - ২০০১ খ্রিষ্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৪০
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের অনুরূপ]
শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ৮৫)
الْحَمْدُ لِلَّهِ وَحْدَهُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّمَا الأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ، وَإِنَّمَا لِكُلِّ امْرِئٍ مَا نَوَى، فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ فَهِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ، وَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى دُنْيَا يُصِيبُهَا، أَوِ امْرَأَةٍ يَتَزَوَّجُهَا فَهِجْرَتُهُ إِلَى مَا هَاجَرَ إِلَيْهِ» .
وَهَذَا حَدِيثٌ فَرْدٌ تَفَرَّدَ بِهِ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رضي الله عنه.
সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই প্রতিটি আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। আর প্রত্যেক ব্যক্তি তাই পাবে যা সে নিয়ত করেছে। সুতরাং যার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যে হবে, তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে। আর যার হিজরত দুনিয়া হাসিল করার জন্য কিংবা কোনো নারীকে বিবাহ করার জন্য হবে, তার হিজরত সেই উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে যার জন্য সে হিজরত করেছে।"
এটি একটি একক হাদিস যা এককভাবে উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ৮৮)
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي عَلَّمَ الإِنْسَانَ مَا لَمْ يَعْلَمْ، وَبَصَّرَهُ بِحَقَائِقِ الْعُلُومِ النَّافِعَةِ وَأَلْهَمَ، وَكَمُلَ لِمَنِ ارْتَضَاهُ مِنْ عِبَادِهِ أَدِلَّةُ دِينِهِ دِرَايَةً وَرِوَايَةً وَفَهْمًا، وَأَلْحَقَ بِالْمُؤْمِنِينَ ذُرِّيَّاتِهِمْ فِيمَا مَنَّ عَلَيْهِمْ بِهِ وَأَنْعَمَ، وَحَفِظَ عَلَيْهِمْ دِينَهُمْ، وَأَوْضَحَ لَهُمْ دَلائِلَهُ، وَسَهَّلَ وَسَائِلَهُ بِتَصْحِيحِ طُرُقِهِ، بِمُحَافَظَةِ عُدُولِ النَّقْلِ وَالإِتْقَانِ، وَخَصَّهُمْ بِنَقْدِهِ وَوَزْنِهِ بِأَعْدَلِ مِيزَانٍ وَكَرَّمَ، فَمُسَلْسَلُ ذِكْرِهِمْ بِصَحِيحِ فِكْرِهِمْ حَسَنٌ مُعَلَّمٌ، لا يُعْضِلُ عَزْمَهُمْ وُقُوفٌ وَلا انْقِطَاعٌ، وَلا يُرْسِلُ حَزْمَهُمْ وَضْعُ وَاضِعٍ يُرِيدُ الْعُلُوَّ وَالارْتِفَاعَ، وَلا يُدَاخِلُ صِدْقَهُمْ كَذِبٌ وَلا قَدْحٌ، وَلا يَعْتَرِضُ عَرْضَهُمْ تَدْلِيسٌ وَلا جَرْحٌ.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি মানুষকে তা শিক্ষা দিয়েছেন যা সে জানত না, এবং তাকে উপকারী জ্ঞানসমূহের প্রকৃত রূপ প্রত্যক্ষ করিয়েছেন ও ইলহাম দান করেছেন। তিনি তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাঁদের মনোনীত করেছেন, তাঁদের জন্য তাঁর দ্বীনের প্রমাণসমূহকে বর্ণনা, বিচারবুদ্ধি এবং উপলব্ধির নিরিখে পূর্ণতা দান করেছেন। তিনি মুমিনদের প্রতি কৃত তাঁর অনুগ্রহ ও নিআমত স্বরূপ তাঁদের উত্তরসূরিদেরও তাঁদের সাথে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তিনি তাঁদের জন্য তাঁদের দ্বীনকে সংরক্ষিত রেখেছেন এবং এর প্রমাণাদি স্পষ্ট করেছেন। বিশ্বস্ত বর্ণনাকারীদের নির্ভরযোগ্যতা ও নিপুণতা বজায় রাখার মাধ্যমে তিনি দ্বীনের পথসমূহকে সঠিক ও সহজতর করেছেন। তিনি তাঁদেরকে সবচেয়ে ন্যায়সঙ্গত মানদণ্ডে বিষয়সমূহ বিচার ও বিশ্লেষণের বিশেষ যোগ্যতা দিয়ে সম্মানিত করেছেন। ফলে তাঁদের বিশুদ্ধ চিন্তাপ্রসূত এই নিরবচ্ছিন্ন পরম্পরা অতীব সুন্দর ও সুপ্রসিদ্ধ। কোনো প্রকার স্থবিরতা বা বিচ্ছিন্নতা তাঁদের সংকল্পকে ব্যাহত করতে পারে না এবং কোনো আত্মগর্বী জালিয়াতের জালিয়াতি তাঁদের দৃঢ়তাকে বিচলিত করতে পারে না। তাঁদের সত্যনিষ্ঠার মাঝে কোনো মিথ্যা বা কলঙ্ক প্রবেশ করতে পারে না এবং তাঁদের উপস্থাপনার ক্ষেত্রে কোনো প্রকার প্রতারণা বা ত্রুটিারোপ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে না।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ৮৯)
وَأَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ، شَهَادَةً تُوجِبُ لِمَنْ شَهِدَهَا تَوَاتُرَ النَّعْمَاءِ وَالإِحْسَانِ، وَيُجْمَعُ لَهُ مِنْ صِحَاحِ الْمَقَاصِدِ خَيْرَاتٌ حِسَانٌ.
وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ الْمَبْعُوثُ بِأَعْظَمِ حُجَّةٍ وَأَوْضَحِ بَيَانٍ.
صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ وَسَلَّمَ، صَلاةً تُبَوِّءُ قَائِلَهَا غُرَفَ الْجِنَانِ، مَا تَعَاقَبَ الْجَدِيدَانِ وَمَا رَمَقَ بِإِنْسَانِهِ إِنْسَانٌ، وَسَلَّمَ وَشَرَّفَ وَكَرَّمَ وَعَظَّمَ سَيِّدَ وَلَدِ عَدْنَانٍ.
وَبَعْدُ، فَإِنَّ الأَحَادِيثَ النَّبَوِيَّةَ عَلَى قَائِلِهَا أَفْضَلُ الصَّلاةِ وَالسَّلامِ مِنْ أَعْظَمِ مَا يَتَعَيَّنُ الاعْتِنَاءُ بِنَقْلِهِ وَتَصْحِيحِ طَرَائِقِهِ وَفَهْمِ مَعَانِيهِ وَدَرْكِ حَقَائِقِهِ، وَلا سِيَّمَا مَنِ اخْتُصَّتْ رِوَايَتُهُ مِنَ الْعُلُوِّ وَالْقُرْبِ بِالنَّصِيبِ الْوَافِرِ، وَحَقَّ لأَهْلِ هَذَا الْفَنِّ أَنْ يَغْتَرِفُوا مِنْ بَحْرِهِ الزَّاخِرِ، فَقَدِ اسْتَخَرْتُ اللَّهَ سبحانه وتعالى فِي ذِكْرِ بَعْضِ مَا وَقَعَ لِي مِنْ غَرَائِبِ الأَحَادِيثِ، وَأَعَزِّهَا وُجُودًا، وَأَحْسَنِهَا فِي هَذَا النَّمَطِ صِحَّةً، وَمِثْلُ ذَلِكَ مَا زَالَ مَطْلُوبًا مَقْصُودًا.
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ الْعَالِمُ الْعَدْلُ بَدْرُ الدِّينِ أَبُو الْمَحَاسِنِ يُوسُفُ
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। এমন সাক্ষ্য, যা সাক্ষ্যদানকারীর জন্য নেয়ামত ও অনুগ্রহের ধারাবাহিকতা অবধারিত করে এবং তার জন্য সঠিক উদ্দেশ্যসমূহ থেকে উত্তম কল্যাণরাজি একত্রিত করে।
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর বান্দা ও রাসূল, যাকে মহানতম প্রমাণ ও সুস্পষ্ট বর্ণনা দিয়ে প্রেরণ করা হয়েছে।
আল্লাহ তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবীগণের ওপর এমন রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন, যা পাঠকারীকে জান্নাতের সুউচ্চ কক্ষসমূহে স্থান করে দেয়; যতক্ষণ রাত ও দিন পর্যায়ক্রমে আগমন করবে এবং যতক্ষণ কোনো মানুষ তার চোখের মণি দিয়ে অন্য কারো প্রতি দৃষ্টিপাত করবে। তিনি আদনান-সন্তানদের সরদারকে শান্তি দান করুন এবং তাঁকে সম্মানিত, মর্যাদাবান ও মহান করুন।
অতঃপর, নবুয়তপ্রাপ্ত হাদিসসমূহ—যার বক্তার ওপর সর্বোত্তম রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক—তা এমন মহান বিষয় যার বর্ণনা রক্ষা করা, তার সূত্রসমূহ যাচাই করা, তার অর্থসমূহ অনুধাবন করা এবং তার নিগূঢ় রহস্য উপলব্ধি করার প্রতি যত্নশীল হওয়া একান্ত প্রয়োজন। বিশেষ করে সেই বর্ণনা যার রাবীগণ উচ্চ সনদ ও নৈকট্যের পূর্ণ অংশ লাভ করেছেন। আর এই শাস্ত্রের পণ্ডিতদের জন্য এটাই সংগত যে, তারা এর প্রবহমান সমুদ্র থেকে জ্ঞান আহরণ করবেন। সুতরাং আমি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার নিকট ইস্তিখারা করেছি এমন কিছু বিরল হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে যা আমি লাভ করেছি, যার অস্তিত্ব অত্যন্ত দুর্লভ এবং এই ধারায় যা বিশুদ্ধতার দিক থেকে অনন্য; আর এই জাতীয় বিষয় সর্বদা কাঙ্ক্ষিত ও অন্বেষিত হয়ে আসছে।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, ইমাম, বিজ্ঞ আলেম, ন্যায়পরায়ণ বদরুদ্দীন আবু আল-মাহাসিন ইউসুফ।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ৯০)
بْنُ عُمَرَ بْنِ حُسَيْنٍ الْخُتَنِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِمَنْزِلِهِ بِظَاهِرِ الْقَاهِرَةِ، قَالَ: أَنْبَأَ الإِمَامُ الْحَافِظُ رَشِيدُ الدِّينِ أَبُو الْحُسَيْنِ يَحْيَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْقُرَشِيُّ الْمَعْرُوفُ بِالْعَطَّارِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: سَمِعْتُ الصَّاحِبَ الْوَزِيرَ عِمَادَ الدِّينِ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ حَامِدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الأَصْبَهَانِيَّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي رَبِيعٍ الآخِرِ سِنَةَ اثْنَتَيْنِ وَتِسْعِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، قَالَ: سَمِعْتُ الشَّيْخَ الإِمَامَ الْفَقِيهَ الزَّاهِدَ أَبَا إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ نَبْهَانَ
...ইবনে উমর ইবনে হুসাইন আল-খুতানি, কায়রোর উপকণ্ঠে তাঁর নিজ বাসভবনে তাঁর নিকট আমার পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেন: ইমাম হাফিজ রাশিদুদ্দিন আবুল হুসাইন ইয়াহইয়া ইবনে আলি ইবনে আব্দুল্লাহ আল-কুরাশি—যিনি আল-আত্তার নামে পরিচিত—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমি ‘সাহিব’ উজির ইমাদুদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হামিদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-আসবাহানির নিকট থেকে শুনেছি, পাঁচশ বিরানব্বই হিজরি সালের রবিউস সানি মাসে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমি শায়খ, ইমাম, ফকিহ, জাহিদ আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে নাবহানের নিকট থেকে শুনেছি।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ৯১)
الرَّقِّيَّ الْغَنَوِيَّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِمَدِينَةِ السَّلامِ بِالْجَانِبِ الْغَرْبِيِّ مِنْهَا فِي الْكُوخِ، فِي شَهْرِ رَمَضَانَ سَنَةَ ثَمَانٍ وَثَلاثِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، قَالَ: سَمِعْتُ الْحَافِظَ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدَ بْنَ أَبِي نَصْرٍ الْحُمَيْدِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا زَكَرِيَّا عَبْدَ الرَّحِيمِ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ نَصْرٍ الْبُخَارِيَّ الْحَافِظَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ
আর-রাক্কি আল-গানাউয়ী; মদিনাতুস সালাম (বাগদাদ)-এর পশ্চিম পার্শ্বে অবস্থিত আল-কুখে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, পাঁচশত আটত্রিশ হিজরি সালের রমজান মাসে। তিনি বলেন: আমি হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আবি নাসর আল-হুমায়দীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি হাফেজ আবু যাকারিয়া আব্দুর রহিম বিন আহমদ বিন নাসর আল-বুখারীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি শুনেছি...
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ৯২)
الْحَافِظَ أَبَا مُحَمَّدٍ عَبْدَ الْغَنِيِّ بْنَ سَعِيدٍ الأَزْدِيَّ، يَقُولُ: ثنا حَمْزَةَ بْنَ مُحَمَّدٍ الْكِنَانِيَّ، قَالَ: ثنا أَحْمَدُ بْنُ شُعَيْبٍ، قَالَ: ثنا كَثِيرُ بْنُ عُبَيْدٍ،
হাফেজ আবু মুহাম্মদ আব্দুল গনি বিন সাঈদ আল-আজদি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হামজা বিন মুহাম্মদ আল-কিনানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন শুআইব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন কাসির বিন উবাইদ,
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ৯৩)
قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ حَرْبٍ، عَنِ الزُّبَيْدِيِّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ، أَنَّ حُوَيْطِبَ بْنَ عَبْدِ الْعُزَّى أَخْبَرَهُ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ
তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জুবাইদী থেকে, তিনি জুহরী থেকে, তিনি সায়িব ইবনে ইয়াজিদ থেকে বর্ণনা করেন যে, হুওয়াইতিব ইবনে আবদিল উজ্জা তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবদুল্লাহ ইবনে
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ৯৪)
السَّعْدِيِّ أَخْبَرَهُ، أَنَّهُ " قَدِمَ عَلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فِي خِلافَةِ عُمَرَ، فَقَالَ لَهُ عُمَرُ: أُخْبِرْتُ أَنَّكَ تَلِي مِنْ أَعْمَالِ النَّاسِ أَعْمَالا، فَإِذَا أُعْطِيتَ الْعِمَالَةَ رَدَدْتَهَا؟ فَقُلْتُ: بَلَى.
فَقَالَ عُمَرُ: وَمَا تُرِيدُ إِلَى ذَلِكَ؟ فَقَالَ: إِنَّ لِي أَفْرَاسًا وَأَعْبُدًا وَأَنَا بِخَيْرٍ، وَأُرِيدُ أَنْ يَكُونَ عَمَلِي صَدَقَةً عَلَى الْمُسْلِمِينَ.
فَقَالَ عُمَرُ: فَلا تَفْعَلْ فَإِنِّي كُنْتُ أَرَدْتُ مِثْلَ الَّذِي أَرَدْتَ، كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
يُعْطِينِي الْعَطَاءَ، فَأَقُولُ: أَعْطِهِ أَفْقَرَ مِنِّي، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: خُذْهُ تَمَوَّلْهُ أَوْ تَصَدَّقْ بِهِ، وَمَا جَاءَكَ اللَّهُ مِنْ هَذَا الْمَالِ مِنْ غَيْرِ تَشَوُّفٍ وَلا سُؤَالٍ فَخُذْهُ، وَمَا لا فَلا تُتْبِعْهُ نَفْسَكَ ".
هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ مِنْ أَغْرَبِ الأَحَادِيثِ.
اجْتَمَعَ فِي إِسْنَادِهِ مِنْ أَرْبَعَةٍ مِنَ الصَّحَابَةِ يَرْوِي بَعْضُهُمْ عَنْ بَعْضٍ، وَهُمُ: 1 - السَّائِبُ بْنُ يَزِيدَ.
- وَحُوَيْطِبُ بْنُ عَبْدِ الْعُزَّى.
আস-সাদি তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি ওমর ইবনুল খাত্তাবের খেলাফতকালে তাঁর কাছে আসলেন। তখন ওমর তাঁকে বললেন: "আমাকে জানানো হয়েছে যে আপনি মানুষের বিভিন্ন কর্মের দায়িত্ব পালন করছেন, অথচ যখন আপনাকে এর পারিশ্রমিক প্রদান করা হয়, তখন আপনি তা ফিরিয়ে দেন?" আমি বললাম: "হ্যাঁ।"
ওমর বললেন: "এতে আপনার উদ্দেশ্য কী?" তিনি বললেন: "আমার কাছে কিছু ঘোড়া ও দাস রয়েছে এবং আমি সচ্ছল অবস্থায় আছি; আমি চাই আমার কাজ মুসলমানদের জন্য সদকা হিসেবে গণ্য হোক।"
ওমর বললেন: "এমন করবেন না। কারণ আমি যা চেয়েছিলাম, আপনিও তাই চেয়েছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
আমাকে কিছু দান করতেন, তখন আমি বলতাম: এটি এমন কাউকে প্রদান করুন যে আমার চেয়ে অধিক দরিদ্র। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: এটি গ্রহণ করো, এটি দিয়ে সম্পদ বৃদ্ধি করো অথবা তা দান করো এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমার কাছে এই মাল যদি এমনভাবে আসে যে তুমি তার প্রতি লালায়িত ছিলে না এবং প্রার্থনাও করোনি, তবে তা গ্রহণ করো। আর যা আসে না, তার পিছনে তোমার মনকে ধাবিত করো না।"
এটি একটি সহীহ হাদিস এবং এটি অন্যতম বিরল হাদিসসমূহের অন্তর্ভুক্ত।
এর বর্ণনাসূত্রে চারজন সাহাবী একত্রিত হয়েছেন যারা একে অপরের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা হলেন: ১ - আস-সাইব ইবন ইয়াজিদ।
- এবং হুওয়াইতিব ইবন আবদিল উজ্জা।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ৯৫)
- وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ السَّعْدِيِّ.
- وَعُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رضي الله عنهم أَجْمَعِينَ.
رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ، وَمُسْلِمٌ، وَالنَّسَائِيُّ، فِي كُتُبِهِمْ مِنْ طُرُقٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عُمَرَ
- আব্দুল্লাহ ইবন আস-সাদি।
- এবং উমর ইবনুল খাত্তাব (আল্লাহ তাদের সকলের প্রতি সন্তুষ্ট হোন)।
বুখারী, মুসলিম ও নাসাঈ তাদের গ্রন্থসমূহে বিভিন্ন সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন—জুহরি থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি উমর থেকে।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ৯৬)
فَأَمَّا حَدِيثُ الْبُخَارِيِّ: فَأَخْبَرَنَا بِهِ عَالِيًا الشَّيْخُ الْجَلِيلُ عِمَادُ الدِّينِ أَبُو الْمَحَاسِنِ يُوسُفُ بْنُ أَبِي الْفَرَجِ بْنِ أَبِي نَصْرٍ الشّقَارِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ، قَالَ: أَنْبَأَ الإِمَامُ سِرَاجُ الدِّينِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ الْمُبَارَكِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ الزُّبَيْدِيِّ الْبَغْدَادِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ، قَالَ: أَنْبَأَ أَبُو الْوَقْتِ عَبْدُ الأَوَّلِ بْنُ عِيسَى بْنُ شُعَيْبٍ السِّجْزِيُّ الْهَرَوِيُّ،
আর বুখারীর হাদিসের ব্যাপারে: আমাদের কাছে এটি উচ্চ সনদে বর্ণনা করেছেন মহিমান্বিত শাইখ ইমাদ উদ্দীন আবুল মাহাসিন ইউসুফ বিন আবিল ফারাজ বিন আবি নাসর আশ-শাকারি, তাঁকে পাঠ করে শোনানো হয়েছে এবং আমরা শুনছিলাম, তিনি বলেন: ইমাম সিরাজুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আল-মুবারক বিন মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া বিন আয-যুবাইদি আল-বাগদাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁকে পাঠ করে শোনানো হয়েছে এবং আমরা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আবুল ওয়াক্ত আব্দুল আউয়াল বিন ঈসা বিন শুআইব আস-সিজজি আল-হারাউই আমাদের সংবাদ দিয়েছেন,
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ৯৭)
قَالَ: أَنْبَأَ الإِمَامُ أَبُو الْحَسَنِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُظَفَّرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ دَاوُدَ الدَّاوُدِيُّ، قَالَ: أَنْبَأَ الإِمَامُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَمُّوَيْهِ السَّرَخْسِيُّ، قَالَ: أنبأ الإِمَامُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ يُوسُف بْن مَطَرَ بْنِ صَالِحٍ الْفَرَبْرِيُّ، قَالَ: ثنا الإِمَامُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْبُخَارِيُّ، قَالَ: ثنا ابْنُ بُكَيْرٍ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ يُونُسَ،
তিনি বলেন: ইমাম আবুল হাসান আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-মুজাফ্ফার ইবনে মুহাম্মদ ইবনে দাউদ আদ-দাউদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইমাম আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে হাম্মুয়াহ আস-সারখাসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইমাম আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইউসুফ ইবনে মাতার ইবনে সালিহ আল-ফারাবরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইমাম আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল ইবনে ইবরাহিম আল-বুখারি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে বুকাইর আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি লাইস থেকে, তিনি ইউনুস থেকে বর্ণনা করেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ৯৮)
عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عُمَرَ، قَالَ: " كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم
يُعْطِينِي الْعَطَاءَ، فَأَقُولُ: أَعْطِهِ مَنْ هُوَ أَفْقَرُ إِلَيْهِ مِنِّي فَقَالَ: «خُذْهُ إِذَا جَاءَكَ مِنْ هَذَا الْمَالِ شَيْءٌ، وَأَنْتَ غَيْرُ مُشْرِفٍ وَلا سَائِلٍ فَخُذْهُ، وَمَا لا فَلا تُتْبِعْهُ نَفْسَكَ» .
وَأَخْرَجَهُ أَيْضًا، عَنْ أَبِي الْيَمَانِ، عَنْ شُعَيْبٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ.
জুহরী থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তার পিতা থেকে এবং তিনি উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
আমাকে দান প্রদান করতেন, তখন আমি বলতাম: 'এটি তাকে দিন যে আমার চেয়ে এর প্রতি বেশি অভাবী।' তখন তিনি বললেন: "এটি গ্রহণ করো; যখন এই সম্পদ থেকে তোমার কাছে কিছু আসে এমতাবস্থায় যে তুমি তার প্রতি লালায়িত নও এবং যাঞ্চাকারীও নও, তবে তা গ্রহণ করো। আর যা এমন নয়, তার পেছনে নিজের নফসকে অনুগামী করো না" ।
এবং এটি আবু আল-ইয়ামান, শুআইব ও জুহরী থেকেও বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ৯৯)
وَأَمَّا حَدِيثُ مُسْلِمٍ، فَأَخْبَرَنَا بِهِ الشَّيْخَانِ شَرَفُ الدِّينِ أَبُو الْفَضْلِ أَحْمَدُ بْنُ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَسَاكِرَ الدِّمَشْقِيُّ، وَتَاجُ الدِّينِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ السَّلامِ بْنِ الْمُطَهَّرِ بْنِ أَبِي سَعْدِ بْنِ أَبِي عَمْرُونَ التَّمِيمِيُّ، قِرَاءَةً عَلَى كُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا، وَنَحْنُ نَسْمَعُ، قَالا: أنبأ أَبُو الْحَسَنِ الْمُؤَيَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الطُّوسِيُّ، إِجَازَةً، قَالَ: أَنْبَأَ فَقِيهُ الْحَرَمِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُفَضَّلِ بْنِ أَحْمَدَ الْفُرَاوِيُّ،
আর মুসলিমের হাদিসের বিষয়টি হলো, আমাদের তা অবহিত করেছেন দুই শায়খ—শরফুদ্দিন আবুল ফজল আহমদ বিন হিবাতুল্লাহ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন আসাকির আদ-দিমাশকি এবং তাজউদ্দিন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আবদুস সালাম বিন আল-মুতাহার বিন আবি সাদ বিন আবি আমরুন আত-তামিমি; তাঁদের প্রত্যেকের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, আর আমরা তা শ্রবণ করছিলাম। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আল-মুয়াইয়াদ বিন মুহাম্মদ বিন আলি আত-তুসি ইজাজতসূত্রে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফকিহুল হারাম আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-মুফায্যাল বিন আহমদ আল-ফুরাভি।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ১০০)
قَالَ: أنبأ أَبُو الْخَيْرِ عَبْدُ الْغَافِرِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْغَافِرِ الْفَارِسِيُّ، قَالَ: أنبأ أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى بْنِ عَمْرَوَيْهِ الْجُلُودِيُّ، قَالَ: أنبأ أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُفْيَانَ الْفَقِيهُ الزَّاهِدُ، قَالَ: ثنا مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ النَّيْسَابُورِيُّ، قَالَ: ثنا هَارُونُ بْنُ مَعْرُوفٍ، وَحَرْمَلَةُ بْنُ
তিনি বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল খায়ের আব্দুল গাফির ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল গাফির আল-ফারিসি, তিনি বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ মুহাম্মদ ইবনে ঈসা ইবনে আমরওয়াইহ আল-জুলুদি, তিনি বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুফিয়ান আল-ফকিহ আয-যাহিদ, তিনি বললেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ আন-নিশাপুরি, তিনি বললেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হারুন ইবনে মারুফ এবং হারমালা ইবনে
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ১০১)
يَحْيَى، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عُمَرَ، قَالَ: «كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُعْطِينِي الْعَطَاءَ» فَذَكَرَهُ.
وَرَوَاهُ النَّسَائِيُّ فِي الزَّكَاةِ مِنْ سَلْبِهِ، مِنْ وَجْهٍ آخَرَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَنْصُورٍ، عَنِ الْحَكَمِ بْنِ نَافِعٍ، عَنْ شُعَيْبٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، بِهِ
ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন ওয়াহব থেকে, তিনি ইউনুস থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তার পিতা থেকে এবং তিনি উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি বলেন: "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে দান-সামগ্রী প্রদান করতেন," অতঃপর তিনি হাদীসটি পূর্ণরূপে উল্লেখ করলেন।
এবং ইমাম নাসাঈ এটি যাকাত অধ্যায়ে তাঁর সংকলন থেকে অন্য এক সূত্রে বর্ণনা করেছেন; যা আমর বিন মানসূর থেকে, তিনি আল-হাকাম বিন নাফি‘ থেকে, তিনি শুআইব থেকে এবং তিনি যুহরী থেকে একই সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ১০৮)
وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْمَحَاسِنِ يُوسُفُ بْنُ عُمَرَ بْنِ حُسَيْنٍ الْخُتَنِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِظَاهِرِ الْقَاهِرَةِ، قَالَ: أنبأ الْحَافِظُ أَبُو الْحُسَيْنِ يَحْيَى بْنُ عَلِيٍّ الْقُرَشِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ الْوَزِيرَ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدَ بْنَ مُحَمَّدٍ الأَصْبَهَانِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمَ بْنَ مُحَمَّدٍ الرَّقِّيَّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، يَقُولُ: سَمِعْتُ الْحَافِظَ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدَ بْنَ أَبِي نَصْرٍ الْحُمَيْدِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا زَكَرِيَّا عَبْدَ الرَّحِيمِ بْنَ أَحْمَدَ الْبُخَارِيَّ يَقُولُ: سَمِعْتُ الْحَافِظَ أَبَا مُحَمَّدٍ عَبْدِ الْغَنِيِّ بْنَ سَعِيدٍ الْمِصْرِيَّ، قَالَ: ثنا حَمْزَةُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: ثنا أَحْمَدُ بْنُ شُعَيْبٍ، قَالَ: أنبأ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ يَعْنِي أَبَا قُدَامَةَ، عَنْ سُفْيَانَ وَهُوَ ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، سَمِعْتُهُ يَقُولُ:
এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-মাহাসিন ইউসুফ ইবনে উমর ইবনে হুসাইন আল-খুতানি—কায়রোর উপকণ্ঠে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে—তিনি বলেন: হাফেজ আবু আল-হুসাইন ইয়াহইয়া ইবনে আলী আল-কুরাশি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি উজির আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-আসবাহানিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মাদ আল-রাক্কিকে—তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে—বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি হাফেজ আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আবি নাসর আল-হুমাইদিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু জাকারিয়া আব্দুর রহিম ইবনে আহমদ আল-বুখারিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি হাফেজ আবু মুহাম্মাদ আব্দুল গনি ইবনে সাঈদ আল-মিসরিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হামজাহ ইবনে মুহাম্মাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে শুআইব, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উবায়দুল্লাহ ইবনে সাঈদ—অর্থাৎ আবু কুদামাহ—সুফিয়ান থেকে—আর তিনি হলেন ইবনে উয়াইনাহ—যুহরি থেকে, আমি তাঁকে বলতে শুনেছি:
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ১০৯)
عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ زَيْنَبَ، عَنْ حَبِيبَةَ، عَنْ أُمِّهَا أُمِّ حَبِيبَةَ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ، قَالَتْ: " انْتَبَهَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ مُحْمَرٌّ وَجْهُهُ،
উরওয়াহ হতে, যায়নাব হতে, হাবিবা হতে, তিনি তাঁর মাতা উম্মে হাবিবা হতে এবং তিনি যায়নাব বিনতে জাহাশ হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমতাবস্থায় জাগ্রত হলেন যে তাঁর চেহারা মুবারক ছিল আরক্তিম,
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ১১০)
وَهُوَ يَقُولُ:
لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، ثَلاثَ مَرَّاتٍ، وَيْلٌ لِلْعَرَبِ مِنْ شَرٍّ قَدِ اقْتَرَبَ، فُتِحَ الْيَوْمَ مِنْ رَدْمِ يَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ مِثْلُ هَذِهِ، وَعَقَدَ سُفْيَانُ عَشْرًا بِيَدِهِ، قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَنَهْلِكُ وَفِينَا الصَّالِحُونَ؟ قَالَ: نَعَمْ، إِذَا كَثُرَ الْخَبَثُ ".
هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ، وَهُوَ مِنْ أَغْرَبِ الأَحَادِيثِ أَيْضًا، وَأَعَزِّهَا وُجُودًا، اجْتَمَعَ فِي إِسْنَادِهِ أَرْبَعَةُ نِسْوَةٍ يَرْوِي بَعْضُهُنَّ عَنْ بَعْضٍ.
قَالَ الْحَافِظُ عَبْدُ الْغَنِيِّ الأَزْدِيُّ: اجْتَمَعَ فِي هَذَا الْحَدِيثِ زَوْجَتَانِ مِنْ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَهُمَا: أُمُّ حَبِيبَةَ، وَزَيْنَبُ بِنْتُ جَحْشٍ، وَرَبِيبَتَانِ مِنْ رَبَائِبِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.
أَحَدُهُمَا: زَيْنَبُ بِنْتُ أُمِّ سَلَمَةَ، وَهِيَ بِنْتُ أَبِي سَلَمَةَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الأَسَدِ الْمَخْزُومِيِّ.
وَالأُخْرَى: حَبِيبَةُ بِنْتُ أُمِّ حَبِيبَةَ، وَهِيَ بِنْتُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ جَحْشٍ الَّذِي تَنَصَّرَ بِأَرْضِ الْحَبَشَةِ
তিনি বলছিলেন:
আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই—তিনবার। আরবদের জন্য ধ্বংস সেই অনিষ্টের কারণে যা নিকটবর্তী হয়েছে। আজ ইয়াজুজ ও মাজুজের প্রাচীরে এই পরিমাণ ছিদ্র হয়ে গেছে, আর সুফিয়ান তাঁর হাত দিয়ে দশ (সংখ্যার) চিহ্ন তৈরি করে দেখালেন। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসুল! আমাদের মধ্যে নেককার লোক থাকা সত্ত্বেও কি আমরা ধ্বংস হয়ে যাব? তিনি বললেন: হ্যাঁ, যখন পাপাচার বৃদ্ধি পাবে।
এটি একটি সহিহ হাদিস এবং এটি অন্যতম বিরল ও দুষ্প্রাপ্য হাদিসগুলোর একটি। এর সনদে চারজন নারী একত্রিত হয়েছেন, যারা একে অপরের থেকে বর্ণনা করেছেন।
হাফিজ আব্দুল গনি আল-আজদি বলেন: এই হাদিসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দুইজন স্ত্রী একত্রিত হয়েছেন, তাঁরা হলেন: উম্মে হাবিবা এবং জয়নাব বিনতে জাহাশ; আর আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দুইজন পালিত কন্যা রয়েছেন।
তাঁদের একজন হলেন: জয়নাব বিনতে উম্মে সালামা, যিনি আবু সালামা আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আসাদ আল-মাখজুমির কন্যা।
এবং অন্যজন হলেন: হাবিবা বিনতে উম্মে হাবিবা, যিনি উবায়দুল্লাহ বিন জাহাশের কন্যা, যে হাবাশা (আবিসিনিয়া) দেশে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেছিল।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ১১১)
أَنْبَأَ الإِمَامُ بُرْهَانُ الدِّينِ أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ يَحْيَى بْنِ عَلَوِيِّ بْنِ الدَّرَجِيِّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ غَيْرَ مَرَّةٍ، قَالَ: أَنْبَأَ أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ نَصْرٍ الصَّيْدَلانِيُّ، وَغَيْرُ وَاحِدٍ إِجَازَةً، قَالُوا: أَخْبَرَتْنَا أُمُّ إِبْرَاهِيمَ فَاطِمَةُ بِنْتُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ الْجُوزْدَانِيَّةُ، قَالَتْ: أَنْبَأَ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ رِيدَةَ الضَّبِّيُّ، قَالَ: ثنا أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ اللَّخْمِيُّ، قَالَ: ثنا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، قَالَ: ثنا الْحُمَيْدِيُّ، قَالَ: ثنا سُفْيَانُ،
ইমাম বুরহানুদ্দীন আবু ইসহাক ইবরাহীম ইবনে ইসমাঈল ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আলাউই আদ-দারাজি তার নিকট একাধিকবার আমার পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে নাসর আস-সাইদালানি এবং একাধিক ব্যক্তি ইজাযাত প্রদানের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তারা বলেছেন: উম্মু ইবরাহীম ফাতিমা বিনতে আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ আল-জুযদানিয়্যাহ আমাদের জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন: আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে রিদাহ আদ-দাব্বি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবুল কাসিম সুলাইমান ইবনে আহমাদ আল-লাখমি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন। তিনি বলেন: বিশর ইবনে মুসা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন। তিনি বলেন: আল-হুমাইদি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন। তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ১১২)
قَالَ: ثنا الزُّهْرِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ حَبِيبَةَ بِنْتِ أُمِّ حَبِيبَةَ، عَنْ أُمِّهَا أُمِّ حَبِيبَةَ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ، قَالَتْ:
«اسْتَيْقَظَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ نَوْمِهِ» .الْحَدِيثَ، قَالَ سُفْيَانُ: أَحْفَظُ فِي هَذَا الْحَدِيثِ أَرْبَعَ نِسْوَةٍ مِنَ الزُّهْرِيِّ، وَقَدْ رَأَيْنَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ثِنْتَيْنِ مِنْ أَزْوَاجِهِ: أُمُّ حَبِيبَةَ، وَزَيْنَبُ، وَثِنْتَيْنِ رَبِيبَتُهُ: زَيْنَبُ بِنْتُ أُمِّ سَلَمَةَ، وَحَبِيبَةُ بِنْتُ أُمِّ حَبِيبَةَ، أَبُوهَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ جَحْشٍ، مَاتَ بِأَرْضِ الْحَبَشَةِ.
رَوَاهُ الأَئِمَّةُ فِي كُتُبِهِمْ سِوَى أَبِي دَاوُدَ، مِنْ طُرُقٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ بِهَذَا الإِسْنَادِ، وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ أَيْضًا مِنْ حَدِيثِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ، وَلَمْ يَذْكُرْ حَبِيبَةَ بِنْتَ أُمِّ حَبِيبَةَ.
وَرَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ فِي جَامِعِهِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ
তিনি বলেন: আয-যুহরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উরওয়াহ ইবনুল যুবায়র আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, যায়নাব বিনতে আবি সালামাহ থেকে, তিনি হাবীবা বিনতে উম্মে হাবীবা থেকে, তিনি তাঁর মা উম্মে হাবীবা থেকে, তিনি যায়নাব বিনতে জাহশ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
«আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ঘুম থেকে জাগ্রত হলেন»।সম্পূর্ণ হাদীস। সুফিয়ান বলেন: আমি আয-যুহরী থেকে এই হাদীসটিতে চারজন মহিলার নাম মুখস্থ রেখেছি, যারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছিলেন; তাঁদের মধ্যে দুইজন তাঁর স্ত্রী: উম্মে হাবীবা ও যায়নাব, এবং দুইজন তাঁর পালিতা কন্যা: যায়নাব বিনতে উম্মে সালামাহ এবং হাবীবা বিনতে উম্মে হাবীবা, যাঁর পিতা উবায়দুল্লাহ ইবনে জাহশ হাবাশার ভূমিতে মৃত্যুবরণ করেছিলেন।
ইমামগণ আবু দাউদ ব্যতীত তাঁদের কিতাবসমূহে এই সনদে আয-যুহরীর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। মুসলিমও এটি আয-যুহরীর হাদীস থেকে, উরওয়াহ ইবনুল যুবায়র থেকে, যায়নাব বিনতে আবি সালামাহ থেকে, উম্মে হাবীবা থেকে, যায়নাব বিনতে জাহশ সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি হাবীবা বিনতে উম্মে হাবীবার কথা উল্লেখ করেননি।
এবং তিরমিযী তাঁর জামে গ্রন্থে সাঈদ ইবনে আব্দুর রহমানের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ১১৩)
الْمَخْزُومِيِّ، وَغَيْرِ وَاحِدٍ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ بِهِ.
وَقَالَ: حَسَنٌ صَحِيحٌ.
وَرَوَاهُ النَّسَائِيُّ أَيْضًا، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ عَمِّهِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ نَحْوَهُ، وَلَمْ يَذْكُرْ حَبِيبَةَ
আল-মাখযুমি এবং একাধিক ব্যক্তি সুফিয়ান থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
এবং তিনি বলেছেন: এটি হাসান সহীহ।
আন-নাসায়ী-ও এটি বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ বিন সা'দ বিন ইবরাহিম বিন সা'দ থেকে, তিনি তাঁর চাচা থেকে, তিনি আবু সলিহ থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি হাবিবার কথা উল্লেখ করেননি।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ১২০)
وَأَخْبَرَنَا قَاضِي الْقُضَاةِ شِهَابُ الدِّينِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْخَلِيلِ بْنِ سَعَادَةَ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ عِيسَى الْخُوَيِّيُّ الشَّافِعِيُّ، بِقِرَاءَةِ وَالِدِي عَلَيْهِ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ فِي سَنَةِ إِحْدَى وَسَبْعِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ، وَأَنَا حَاضِرٌ، قَالَ: ثنا الإِمَامُ مُوَفَّقُ الدِّينِ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ يُوسُفَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْبَغْدَادِيُّ النَّحْوِيُّ، فِي كِتَابِهِ إِلَيْنَا مِنْ حَلَبَ، أَنَّ أَبَا الْحُسَيْنِ عَبْدَ الْحَقِّ بْنَ عَبْدِ الْخَالِقِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْقَادِرِ بْنِ يُوسُفَ الْيُوسُفِيُّ،
এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি শিহাবুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আল-খলীল ইবনে সাআদাহ ইবনে জাফর ইবনে ঈসা আল-খুওয়ায়্যী আশ-শাফেয়ী, ৬৭১ সনে আমার পিতার তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে যখন আমি উপস্থিত থেকে তা শ্রবণ করছিলাম। তিনি বলেন: ইমাম মুওয়াফফাকুদ্দীন আবু মুহাম্মদ আব্দুল লতীফ ইবনে ইউসুফ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-বাগদাদী আন-নাহবী হালব থেকে আমাদের নিকট লিখিত পত্রে জানিয়েছেন যে, আবুল হুসাইন আব্দুল হক ইবনে আব্দুল খালিক ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল কাদির ইবনে ইউসুফ আল-ইউসুফী,
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ১২১)
أَخْبَرَهُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ قَالَ: أنبا الْحَاجِبُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْعَلافِ، قَالَ: أنبأ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الْحَمَّامِيِّ الْمُقْرِي قَالَ: أنبأ أَبُو الْحُسَيْنِ عَبْدُ الْبَاقِي بْنُ قَانِعِ بْنِ مَرْزُوقٍ الْحَافِظُ، قَالَ: ثنا الْقَاسِمُ بْنُ حَمَّادٍ، ثنا مُخَوَّلُ بنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ
তাকে অবহিত করেছেন, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাজিব আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-আল্লাফ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী বিন আহমদ বিন উমর বিন জাফর বিন আল-হাম্মামি আল-মুকরি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আব্দুল বাকি বিন কানি‘ বিন মারজুক আল-হাফিজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-কাসিম বিন হাম্মাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুখাওওয়াল বিন ইব্রাহিম, থেকে...
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ১২২)
مَسْعُودِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ الْحَكَمِ، عَنْ الْحَسَنِ الْعَرَبِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ حُرَيْثٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ زَيْدٍ رَضِيَ اللَّهُ
মাসউদ ইবনে সাদ, মুতাররিফ থেকে, আল-হাকাম থেকে, আল-হাসান আল-আরাবি থেকে, আমর ইবনে হুরাইস থেকে, সাঈদ ইবনে যায়েদ (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ১২৩)
عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«الْكَمْأَةُ مِنَ الْمَنِّ الَّذِي أَنْزَلَهُ اللَّهُ عَلَى بَنِي إِسْرَائِيلَ، وَمَاؤُهَا شِفَاءٌ لِلْعَيْنِ» .هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ، مِنْ حَدِيثِ أَبِي سَعِيدٍ عَمْرِو بْنِ حُرَيْثٍ الْمَخْزُومِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ زَيْدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ نُفَيْلٍ رضي الله عنهما، وَقَدِ اجْتَمَعَ فِي إِسْنَادِهِ اثْنَانِ مِنَ الصَّحَابَةِ، وَاثْنَانِ مِنَ التَّابِعِينَ، وَاثْنَانِ مِنْ أَتْبَاعِ التَّابِعِينَ، يَرْوِي بَعْضُهُمْ عَنْ بَعْضٍ، فَمِنَ الصَّحَابَةِ: 1 - سَعِيدُ بْنُ زَيْدٍ.
- وَعَمْرُو بْنُ حُرَيْثٍ.
وَمِنَ التَّابِعِينَ: 1 - الْحَسَنُ الْعُرَنِيُّ.
- وَالْحَكَمُ بْنُ عُتَيْبَةَ.
وَمِنْ أَتْبَاعِ التَّابِعِينَ: 1 - مُطَرِّفُ بْنُ طَرِيفٍ.
- وَمَسْعُودُ بْنُ سَعْدٍ.
اتَّفَقَ الْبُخَارِيُّ، وَمُسْلِمٌ، وَالتِّرْمِذِيُّ، وَالنَّسَائِيُّ، وَابْنُ مَاجَهْ، عَلَى إِخْرَاجِهِ
তাঁর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
“মাশরুম (কাম’আহ) হলো সেই ‘মান্ন’-এর অন্তর্ভুক্ত যা আল্লাহ বনী ইসরাঈলের ওপর অবতীর্ণ করেছিলেন এবং এর পানি চোখের জন্য নিরাময়।”এটি একটি সহীহ হাদিস, যা আবু সাঈদ আমর ইবন হুরয়াইস আল-মাখজুমীর বর্ণিত হাদিস থেকে গৃহীত, যা সাঈদ ইবন যায়িদ ইবন আমর ইবন নুফায়েল (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। এর সনদে দুইজন সাহাবী, দুইজন তাবিঈ এবং দুইজন তাবি-তাবিঈর সমাবেশ ঘটেছে, যারা একে অপরের থেকে বর্ণনা করেছেন। সাহাবীদের মধ্য থেকে হলেন: ১ - সাঈদ ইবন যায়িদ।
- এবং আমর ইবন হুরয়াইস।
তাবিঈদের মধ্য থেকে হলেন: ১ - হাসান আল-উরানী।
- এবং হাকাম ইবন উতাইবাহ।
তাবি-তাবিঈদের মধ্য থেকে হলেন: ১ - মুতাররিফ ইবন তরীফ।
- এবং মাসঊদ ইবন সা'দ।
ইমাম বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ এবং ইবন মাজাহ এটি উদ্ধৃত করার ব্যাপারে একমত হয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ১২৪)
مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ.
وَانْفَرَدَ مُسْلِمٌ، وَالنَّسَائِيُّ، بِحَدِيثِ الْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ فَرَوَيَاهُ، عَنْ أَبِي مُوسَى مُحَمَّدِ بْنِ الْمُثَنَّى، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ غُنْدَرٍ، عَنْ شُعْبَةَ عَنْهُ.
وَقَدْ وَقَعَ لَنَا عَالِيًا، بِثَلاثِ دَرَجَاتٍ مِنْ حَدِيثِ سُفْيَانَ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ
أَخْبَرَنَا بِهِ قَاضِي الْقُضَاةُ شِهَابُ الدِّينِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا حَاضِرٌ أَسْمَعُ، قَالَ: أَنْبَأَ أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ
আব্দুল মালিক ইবনে উমাইরের হাদিস থেকে।
এবং ইমাম মুসলিম ও নাসাঈ হাকাম ইবনে উতাইবাহর হাদিসটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা এটি বর্ণনা করেছেন আবু মুসা মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে জাফর গুন্দার থেকে, তিনি শু’বাহ থেকে, আর তিনি তাঁর (হাকাম) থেকে।
এবং এটি সুফিয়ানের হাদিস থেকে আব্দুল মালিক ইবনে উমাইরের সূত্রে আমাদের নিকট তিনটি স্তরের উচ্চতর সনদে পৌঁছেছে।
প্রধান বিচারপতি শিহাবুদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আমাদের কাছে এটি সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর উপস্থিতিতে এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আমি উপস্থিত থেকে তা শুনছিলাম। তিনি বললেন: আবুল কাসিম আব্দুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ১২৫)
بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ بْنِ الصفرَاوِيِّ الْمَالِكِيُّ، إِجَازَةً، أَنَّ الْحَافِظَ أَبَا طَاهِرٍ أَحْمَدَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ السِّلَفِيَّ أَخْبَرَهُمْ، قَالَ: أَنْبَأَ أَبُو الْخَطَّابِ نَصْرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْبَطِرِ، قَالَ: أَنْبَأَ أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُثْمَانَ الْبَزَّازُ الْعُكْبَرِيُّ، قَالَ: أَنْبَأَ أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عُمَرَ بْنِ عَلِيِّ
বিন আব্দুল মাজিদ বিন আস-সাফরাউয়ি আল-মালিকি, অনুমতিসূত্রে, যে হাফিজ আবু তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আস-সিলাফি তাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আল-খাত্তাব নাসর বিন আহমাদ বিন আল-বাতর আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু হাফস উমর বিন আহমাদ বিন উসমান আল-বাযযার আল-উকবারি আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু জাফর মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া বিন উমর বিন আলি আমাদের জানিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ১২৬)
بْنِ حَرْبٍ الطَّائِيُّ، قَالَ: أَنْبَأَ جَدُّ أَبِي عَلِيِّ بْنِ حَرْبٍ الْمَوْصِلِيُّ، قَالَ: ثنا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ حُرَيْثٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ زَيْدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ نُفَيْلٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ:
«الْكَمْأَةُ مِنَ الْمَنِّ،
ইবনে হারব আত-তাঈ বলেন: আমার প্রপিতামহ আলী ইবনে হারব আল-মাওসিলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক ইবনে উমায়ের থেকে, তিনি আমর ইবনে হুরাইস থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে যায়েদ ইবনে আমর ইবনে নুফায়েল থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন:
«আল-কামআ (মাশরুম) হলো মান্ন-এর অন্তর্ভুক্ত,
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিহাহুল গারায়িব লিল মিযযী
(পৃষ্ঠা: ১২৭)
وَمَاؤُهَا شِفَاءٌ لِلْعَيْنِ» .
এবং সেটির পানি চোখের জন্য আরোগ্য।» .