(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: -)
إعانة الطالب في بداية علم الفرائض القسم: الفرائض والوصايا
الكتاب: إعانة الطالب في بداية علم الفرئض
المؤلف: أحمد بن يوسف بن محمد الأهدل
مراجعة وتقديم: الدكتور هاشم محمد علي بن حسين مهدي
الناشر: دار طوق النجاة
الطبعة: الرابعة، 1427 هـ - 2007 م
عدد الصفحات: 194
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 1 صفر 1434
ফারায়েয শাস্ত্রের প্রারম্ভে শিক্ষার্থীর জন্য সহযোগিতা বিভাগ: ফারায়েয ও ওসিয়ত
গ্রন্থ: ফারায়েয শাস্ত্রের প্রারম্ভে শিক্ষার্থীর জন্য সহযোগিতা
লেখক: আহমদ বিন ইউসুফ বিন মুহাম্মদ আল-আহদাল
পর্যালোচনা ও উপস্থাপনা: ডক্টর হাশেম মুহাম্মদ আলী বিন হুসাইন মাহদি
প্রকাশক: দার তওকুন নাজাত
সংস্করণ: চতুর্থ, ১৪২৭ হিজরি - ২০০৭ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৯৪
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ১ সফর ১৪৩৪
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ৫)
بسم الله الرحمن الرحيم
قال الله تعالى:
(يُوصِيكُمُ اللَّهُ فِي أَوْلَادِكُمْ لِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْأُنْثَيَيْنِ فَإِنْ كُنَّ نِسَاءً فَوْقَ اثْنَتَيْنِ فَلَهُنَّ ثُلُثَا مَا تَرَكَ وَإِنْ كَانَتْ وَاحِدَةً فَلَهَا النِّصْفُ وَلِأَبَوَيْهِ لِكُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا السُّدُسُ مِمَّا تَرَكَ إِنْ كَانَ لَهُ وَلَدٌ فَإِنْ لَمْ يَكُنْ لَهُ وَلَدٌ وَوَرِثَهُ أَبَوَاهُ فَلِأُمِّهِ الثُّلُثُ فَإِنْ كَانَ لَهُ إِخْوَةٌ فَلِأُمِّهِ السُّدُسُ مِنْ بَعْدِ وَصِيَّةٍ يُوصِي بِهَا أَوْ دَيْنٍ آبَاؤُكُمْ وَأَبْنَاؤُكُمْ لَا تَدْرُونَ أَيُّهُمْ أَقْرَبُ لَكُمْ نَفْعًا فَرِيضَةً مِنَ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلِيمًا حَكِيمًا * وَلَكُمْ نِصْفُ مَا تَرَكَ أَزْوَاجُكُمْ إِنْ لَمْ يَكُنْ لَهُنَّ وَلَدٌ فَإِنْ كَانَ لَهُنَّ وَلَدٌ فَلَكُمُ الرُّبُعُ مِمَّا تَرَكْنَ مِنْ بَعْدِ وَصِيَّةٍ يُوصِينَ بِهَا أَوْ دَيْنٍ وَلَهُنَّ الرُّبُعُ مِمَّا تَرَكْتُمْ إِنْ لَمْ يَكُنْ لَكُمْ وَلَدٌ فَإِنْ كَانَ لَكُمْ وَلَدٌ فَلَهُنَّ الثُّمُنُ مِمَّا تَرَكْتُمْ مِنْ بَعْدِ وَصِيَّةٍ تُوصُونَ بِهَا أَوْ دَيْنٍ وَإِنْ كَانَ رَجُلٌ يُورَثُ كَلَالَةً أَوِ امْرَأَةٌ وَلَهُ أَخٌ أَوْ أُخْتٌ فَلِكُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا السُّدُسُ فَإِنْ كَانُوا أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ فَهُمْ شُرَكَاءُ فِي الثُّلُثِ مِنْ بَعْدِ وَصِيَّةٍ يُوصَى بِهَا أَوْ دَيْنٍ غَيْرَ مُضَارٍّ وَصِيَّةً مِنَ اللَّهِ وَاللَّهُ عَلِيمٌ حَلِيمٌ) (1).
عن ابن مسعود، رضي الله عنه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «تعلموا الفرائض وعلموه الناس فإني امرؤ مقبوض، وإن العلم سيقبض حتى يختلف الاثنان في الفريضة فلا يجدان أحدا يفصل بينهما» (2).
--------------------------------------------
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
মহান আল্লাহ তাআলা বলেন:
(আল্লাহ তোমাদের সন্তানদের বিষয়ে নির্দেশ দিচ্ছেন: এক ছেলের অংশ দুই মেয়ের অংশের সমান। যদি কেবল মেয়েরা থাকে এবং তারা দুইয়ের অধিক হয়, তবে তারা পাবে মৃত ব্যক্তি যা রেখে গেছে তার তিন ভাগের দুই ভাগ। আর যদি কেবল একজন মেয়ে থাকে, তবে সে পাবে অর্ধেক। মৃতের সন্তান থাকলে তার পিতা-মাতা প্রত্যেকের জন্য পরিত্যক্ত সম্পত্তির ছয় ভাগের এক ভাগ। যদি তার কোনো সন্তান না থাকে এবং কেবল পিতা-মাতা তার ওয়ারিশ হয়, তবে তার মায়ের জন্য তিন ভাগের এক ভাগ। আর যদি তার ভাই-বোন থাকে, তবে তার মায়ের জন্য ছয় ভাগের এক ভাগ। এসবই সে যা ওসিয়ত করে তা পূরণ করার পর অথবা ঋণ পরিশোধের পর। তোমাদের পিতা ও সন্তানদের মধ্যে কে তোমাদের উপকারে অধিক নিকটতর তা তোমরা জানো না। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত বিধান। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। আর তোমাদের জন্য তোমাদের স্ত্রীদের পরিত্যক্ত সম্পত্তির অর্ধেক, যদি তাদের কোনো সন্তান না থাকে। কিন্তু তাদের সন্তান থাকলে তোমাদের জন্য তাদের পরিত্যক্ত সম্পত্তির চার ভাগের এক ভাগ, তারা যা ওসিয়ত করে তা পূরণ করার পর অথবা ঋণ পরিশোধের পর। আর তাদের জন্য (স্ত্রীদের জন্য) তোমাদের পরিত্যক্ত সম্পত্তির চার ভাগের এক ভাগ, যদি তোমাদের কোনো সন্তান না থাকে। আর তোমাদের সন্তান থাকলে তাদের জন্য তোমাদের পরিত্যক্ত সম্পত্তির আট ভাগের এক ভাগ, তোমরা যা ওসিয়ত করো তা পূরণ করার পর অথবা ঋণ পরিশোধের পর। আর যদি এমন কোনো পুরুষ বা মহিলার মীরাস বণ্টন করা হয় যার কোনো সন্তান বা পিতা-মাতা নেই, অথচ তার এক ভাই বা এক বোন থাকে, তবে তাদের প্রত্যেকের জন্য ছয় ভাগের এক ভাগ। কিন্তু তারা এর অধিক হলে সবাই তিন ভাগের এক ভাগের মধ্যে অংশীদার হবে; যা সে ওসিয়ত করে তা পূরণ করার পর অথবা ঋণ পরিশোধের পর, তবে তা যেন কারো জন্য ক্ষতিকর না হয়। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্দেশ। আর আল্লাহ সর্বজ্ঞ, পরম সহনশীল।) (১)।
ইবনে মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা ফারায়িজ (উত্তরাধিকার আইন) শেখো এবং মানুষকে তা শেখাও। কেননা আমি একজন মরণশীল ব্যক্তি, অচিরেই আমার প্রাণ কবজ করা হবে। আর জ্ঞানও তুলে নেওয়া হবে, এমনকি শেষ পর্যন্ত অবস্থা এমন হবে যে, দুজন ব্যক্তি মীরাসের কোনো বিষয়ে বিবাদে লিপ্ত হবে কিন্তু তাদের মাঝে ফয়সালা করে দেওয়ার মতো কাউকে তারা পাবে না» (২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ৭)
بسم الله الرحمن الرحيم
مقدمة بقلم
الدكتور / هاشم محمد علي مهدي
الحمد لله باسط النعماء وكاشف الضراء ومزيل الهموم والغموم والعناء ونعوذ بالله من شرور أنفسنا وسيئات أعمالنا ومن الشقاء والبليّة والبلواء والصلاة والسلام على سيدنا محمد خير ناطق بحروف الهجاء صلاة أهل الأرض والسماء لا ابتداء لها ولا انتهاء ولا عدّ ولا إحصاء تعظيماً لحقه ووفاء وعلى آله وصحبه وسائر الأنبياء. أما بعد:
فقد طالعت رسالة (إعانة الطالب في بداية علم الفرائض) التي كتبها السيد اللبيب الحسيب أحمد بن يوسف الأهدل كمقدمة لعلم من أنفس علوم الشريعة الإسلامية ينظم حياة الأسرة الإسلامية فيما يتعلق بالأموال وانتقالها من كابر إلى كابر، وهذا العلم لم يكن مكتمل الصورة في أي شريعة من الشرائع السماوية السابقة، فعلى سبيل المثال تنص التوراة على أنَّ الذي يرث الأب هو الابن الأكبر فقط ثم يقوم برعاية اخوته وبقية الورثة، أما في الجاهلية فإن العرب لم يورثوا الإناث واقتصروا على توريث الذكور وكذلك النظم الوضعية المعاصرة لم تستطع حتى الآن أن تبلور الصيغة الشاملة لموضوع الإرث فنجدهم مثلاً في الغرب يورثون من تهوي أنفسهم ولو كان حيواناً مثل قط أو كلب، أو ما أشبهه
… !
أما علم الفرائض في الإسلام فقد جاء بنظرية متكاملة لمعنى الإرث والنفقة ومن يقوم بهما ويستحقهما فقد ذكر القرآن الكريم في ذلك الآيات المفصلات وبسطت السنة المطهرة العديد من التفصيلات مما حدا بالعلماء أن يضعوا في هذا الباب اكثر من (48) مؤلفاً وهي كما يلي:
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
ড. হাশেম মুহাম্মদ আলী মাহদী কর্তৃক লিখিত ভূমিকা
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি নেয়ামত বিস্তারকারী, বিপদ দূরকারী এবং দুশ্চিন্তা, দুঃখ ও কষ্ট বিদূরণকারী। আমরা আমাদের নফসের অনিষ্ট, আমাদের আমলের মন্দ দিকগুলো এবং দুর্গতি ও বালা-মুসিবত থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাচ্ছি। সালাত ও সালাম আমাদের নেতা মুহাম্মদ (সা.)-এর উপর বর্ষিত হোক, যিনি বর্ণমালার শব্দসমূহ উচ্চারণকারী শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি; আসমান ও জমিনবাসীর সালাতের ন্যায় এমন সালাত যার কোনো শুরু নেই, শেষ নেই এবং যা গণনা বা পরিসংখ্যানের অতীত—তাঁর হকের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও তা পূর্ণরূপে আদায়ের লক্ষ্যে। এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর পরিবার-পরিজন, সাহাবায়ে কেরাম এবং অন্যান্য সকল নবীদের উপর। অতঃপর:
আমি 'ইআনাতুত তালিব ফি বিদায়াতি ইলমিল ফারায়েজ' নামক পুস্তিকাটি পাঠ করেছি, যা বিজ্ঞ ও সম্মানিত জনাব আহমদ বিন ইউসুফ আল-আহদাল লিখেছেন। এটি ইসলামি শরিয়তের অন্যতম মূল্যবান জ্ঞান 'ইলমুল ফারায়েজ' বা উত্তরাধিকার আইনের প্রাথমিক পাঠ হিসেবে রচিত। এই জ্ঞান ইসলামি পরিবারের জীবনকে অর্থ-সম্পদ এবং এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে তা হস্তান্তরের বিষয়ে সুশৃঙ্খল করে। এই শাস্ত্রটি পূর্ববর্তী কোনো আসমানি শরিয়তেই পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়নি। উদাহরণস্বরূপ, তাওরাতে উল্লেখ আছে যে, পিতার উত্তরাধিকারী কেবল বড় ছেলে হবে এবং সে-ই তার ভাইদের ও অন্যান্য ওয়ারিশদের দেখাশোনা করবে। পক্ষান্তরে জাহেলি যুগে আরবরা নারীদের উত্তরাধিকারী করত না, বরং তা কেবল পুরুষদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখত। তেমনিভাবে বর্তমানের মানবীয় আইনগুলোও এখন পর্যন্ত উত্তরাধিকারের বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা তৈরি করতে সক্ষম হয়নি। উদাহরণস্বরূপ, আমরা পাশ্চাত্যে দেখতে পাই যে তারা তাদের খেয়ালখুশিমতো কাউকে উত্তরাধিকারী বানায়, এমনকি তা যদি বিড়াল বা কুকুরের মতো কোনো প্রাণী কিংবা অনুরূপ কিছু হয় তবুও
… !
পক্ষান্তরে ইসলামে উত্তরাধিকার শাস্ত্র মিরাস ও ভরণ-পোষণের অর্থ এবং তা পালন ও প্রাপ্তির হকদারদের ব্যাপারে একটি পূর্ণাঙ্গ মতবাদ প্রদান করেছে। পবিত্র কুরআনে এ সম্পর্কে বিস্তারিত আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে এবং পবিত্র সুন্নাহ এর বিশদ বিবরণ প্রদান করেছে। যার ফলে ওলামায়ে কেরাম এই বিষয়ে ৪৮টিরও বেশি গ্রন্থ রচনা করেছেন, যা নিম্নরূপ:
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ৮)
1 - تكملة زبدة الحديث في فقه المواريث. للعلامة السيد محمد بن سالم بن حفيظ العلوي الحسيني التريمي.
2 - المجموعة الراوية على المنظومة الرحبية في المسائل الفرضية. للشيخ عبدالفتاح راوه.
3 - المواريث في الشريعة الإسلامية على ضوء الكتاب والسنة. للشيخ محمد علي الصابوني.
4 - عدة الباحث في أحكام التوارث. للشيخ عبدالعزيز بن ناصر الرشيد.
5 - الرائد في علم الفرائض. للشيخ محمد العيد الخطراوي.
6 - الدرر اللؤلؤية على النفحة الحسنية شرح التحفة السنية. للشيخ عبدالفتاح راوه.
7 - الفوائد الجلية شرح التحفة السنية في أحوال الورثة الأربعينية. للشيخ عبدالله بن حسن الكوهجي.
8 - إعانة الناهض إلى علم الفرائض. لشيخ السيد علوي بن طاهر بن عبدالله الهدار الحداد العلوي الحسيني.
9 - خلاصة الكلام لمن يريد معرفة علم الفرائض من الأنام. للشيخ فضل ابن محمد بن عوض بافضل التريمي الحضرمي.
10 - التحفة السنية في أحوال الورثة الأربعينية. للشيخ حسن بن محمد المشاط.
11 - التحفة الخيرية على الفوائد الشنشورية. للشيخ إبراهيم بن محمد بن أحمد الباجوري الشافعي.
12 - الرحبية في علم الفرائض بشرح سبط المارديني وحاشية العلامة البقري رحمهما الله تعالى - علق عليها وخرج أدلتها الدكتور مصطفى ديب البغا.
13 - النفحة الحسنية على التحفة السنية في علم الفرائض. للعلامة السيد محسن بن علي المساوي وتعليق الشيخ محمد ياسين الفاداني.
1 - তাকমিলাতু জুবদাতিল হাদিস ফি ফিকহিল মাওয়ারিস। আল্লামা সাইয়্যিদ মুহাম্মদ বিন সালিম বিন হাফিজ আল-আলাউয়ি আল-হুসাইনি আত-তারিমি-এর রচিত।
2 - আল-মাজমুআতুর রাউইয়্যাহ আলাল মানজুমাতুর রাহবিয়্যাহ ফিল মাসাইলিল ফারদিয়্যাহ। শায়খ আবদুল ফাত্তাহ রাওয়াহ-এর রচিত।
3 - আল-মাওয়ারিস ফিশ শারীয়াতিল ইসলামিয়্যাহ আলা দাউয়িল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ। শায়খ মুহাম্মদ আলী আস-সাবূনি-এর রচিত।
4 - ইদ্দাতুল বাহিস ফি আহকামিত তাওয়ারুস। শায়খ আবদুল আজিজ বিন নাসির আর-রাশিদ-এর রচিত।
5 - আর-রায়িদ ফি ইলমিল ফরাইজ। শায়খ মুহাম্মদ আল-ঈদ আল-খাতরাউয়ি-এর রচিত।
6 - আদ-দুরারুল লুলুইয়্যাহ আলান নাফহাতিল হাসানিইয়্যাহ শারহুত তুহফাতুস সানিইয়্যাহ। শায়খ আবদুল ফাত্তাহ রাওয়াহ-এর রচিত।
7 - আল-ফাওয়াইদুল জালিয়্যাহ শারহুত তুহফাতুস সানিইয়্যাহ ফি আহওয়ালিল ওয়ারাসাতিল আরবাঈনিয়্যাহ। শায়খ আবদুল্লাহ বিন হাসান আল-কুহাজি-এর রচিত।
8 - ইয়ানাতুন নাহিদ ইলা ইলমিল ফরাইজ। শায়খ সাইয়্যিদ আলাউয়ি বিন তাহির বিন আবদুল্লাহ আল-হাদ্দার আল-হাদ্দাদ আল-আলাউয়ি আল-হুসাইনি-এর রচিত।
9 - খুলাসাতুল কালাম লিমান ইয়ুরিদু মারিফাতা ইলমিল ফরাইজ মিনাল আনাম। শায়খ ফজল ইবনে মুহাম্মদ বিন আওয়াজ বা-ফজল আত-তারিমি আল-হাদরামি-এর রচিত।
10 - আত-তুহফাতুস সানিইয়্যাহ ফি আহওয়ালিল ওয়ারাসাতিল আরবাঈনিয়্যাহ। শায়খ হাসান বিন মুহাম্মদ আল-মাশশাত-এর রচিত।
11 - আত-তুহফাতুল খাইরিয়্যাহ আলাল ফাওয়াইদিশ শানশুরিয়্যাহ। শায়খ ইবরাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-বাজুরি আশ-শাফিয়ি-এর রচিত।
12 - সিবত আল-মারদিনি-র ব্যাখ্যা এবং আল্লামা আল-বাকারি (আল্লাহ তাঁদের প্রতি রহম করুন)-এর টীকা সংবলিত ইলমে ফরাইজ শাস্ত্রের গ্রন্থ আর-রাহবিয়্যাহ - এর ওপর টীকা প্রদান এবং এর দলীলসমূহ যাচাই করেছেন ডক্টর মুস্তফা দীব আল-বুগা।
13 - আন-নাফহাতুল হাসানিইয়্যাহ আলাত তুহফাতুস সানিইয়্যাহ ফি ইলমিল ফরাইজ। আল্লামা সাইয়্যিদ মুহসিন বিন আলী আল-মাসাওয়ি-এর রচিত এবং শায়খ মুহাম্মদ ইয়াসীন আল-ফাদানি-এর টীকা সংবলিত।
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ৯)
14 - تدريب المبتدى وتذكرة المنتهي. للشيخ محمد عليش.
15 - دليل الخائض في علم الفرائض. للشيخ سعيد بن سعد بن نبهان الحضرمي.
16 - الدرة البهية بتحقيق مباحث الرحبية. للشيخ محمد محي الدين عبدالحميد.
17 - حكم الميراث في الشريعة الإسلامية. للشيخ ابو اليقظان عطية الجبوري.
18 - الروض الأنيق في أحوال الورثة. للشيخ عبدالرحمن محمود مضاي العلوني الجهني ..
19 - أرجوزة في علم الميراث- نظم خادم العلم والقرآن. الشيخ عبدالفتاح القاضي.
20 - تسهيل الفرائض. للشيخ محمد بن صالح بن عثيمين.
21 - مباحث في علم المواريث. للشيخ الدكتور مصطفى مسلم.
22 - فتح القريب المجيب بشرح كتاب الترتيب. للشيخ محمد بن عبدالله بن نور الدين علي الجمعي الشنشورى الفرضي
23 - رسالة تقسيم المواريث. للشيخ عبدالله احمد حجازي.
24 - نظام المواريث في الشريعة الإسلامية على المذاهب الأربعة. للشيخ عبدالعظيم جوده فياض الصوفي.
25 - أصول المواريث. للشيخ أبي عبدالله الحسين بن محمد الونّي الفرضي.
26 - علم الميراث أسراره وألغازه. للشيخ مصطفى عاشور.
27 - فتوحات الباعث بشرح تقرير المباحث في أحكام ارث الوارث. للشيخ أبو بكر عبدالرحمن محمد شهاب الدين العلوي الحسيني الشافعي.
28 - بداية المبتدي ونهاية المنتهي في علم الفرائض. للشيخ عبدالرحمن محمد عبدالعزيز الفارس.
29 - الهدية في شرح الرحبية في علم المواريث. للشيخ القاضي رشيد بن محمد
১৪ - তাদরীবুল মুবতাদি ওয়া তাযকিরাতুল মুনতাহী। শেখ মুহাম্মদ আলীশ।
১৫ - দালীলুল খা-ইদ ফী ইলমিল ফারায়েদ। শেখ সাঈদ বিন সাদ বিন নাবহান আল-হাদরামি।
১৬ - আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ বি-তাহকীকে মাবাহিসির রাহবিয়্যাহ। শেখ মুহাম্মদ মুহিউদ্দীন আব্দুল হামিদ।
১৭ - ইসলামী শরিয়াতে উত্তরাধিকারের বিধান। শেখ আবু আল-ইয়াকযান আতিয়্যা আল-জাবুরি।
১৮ - আর-রাওদুল আনীক ফী আহওয়ালিল ওয়ারাসা। শেখ আব্দুর রহমান মাহমুদ মাদায়ি আল-আলওয়ানি আল-জুহানি...
১৯ - আরজুযাহ ফী ইলমিল মিরাস - ইলম ও কুরআনের খাদেম শেখ আব্দুল ফাত্তাহ আল-কাদি কর্তৃক ছন্দবদ্ধ।
২০ - তাসহীলুল ফারায়েদ। শেখ মুহাম্মদ বিন সালিহ বিন উসাইমীন।
২১ - উত্তরাধিকার বিজ্ঞানের বিভিন্ন আলোচনা। শেখ ডক্টর মুস্তফা মুসলিম।
২২ - ফাতহুল কারীবিল মুজিব বি-শারহি কিতাবিত তারতীব। শেখ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন নূরুদ্দীন আলী আল-জামি আল-শানশুরি আল-ফারাদি।
২৩ - উত্তরাধিকার বণ্টন সংক্রান্ত পুস্তিকা। শেখ আব্দুল্লাহ আহমদ হিজাজি।
২৪ - চার মাযহাব অনুযায়ী ইসলামী শরিয়াতে উত্তরাধিকার ব্যবস্থা। শেখ আব্দুল আজিম জুদাহ ফায়াদ আস-সুফি।
২৫ - উসুলুল মাওয়ারিস (উত্তরাধিকারের মূলনীতি)। শেখ আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ আল-ওয়ান্নি আল-ফারাদি।
২৬ - উত্তরাধিকার বিজ্ঞান: এর রহস্য ও জটিলতাসমূহ। শেখ মুস্তফা আশুর।
২৭ - ফুতুহুল বায়িস বি-শারহি তাকরীরিল মাবাহিস ফী আহকামি ইরসিল ওয়ারিস। শেখ আবু বকর আব্দুর রহমান মুহাম্মদ শিহাবুদ্দীন আল-আলাওয়ী আল-হুসাইনী আশ-শাফেয়ী।
২৮ - বিদায়াতুল মুবতাদি ওয়া নিহায়াতুল মুনতাহী ফী ইলমিল ফারায়েদ। শেখ আব্দুর রহমান মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ আল-ফারিস।
২৯ - আল-হাদিয়্যাহ ফী শারহির রাহবিয়্যাহ ফী ইলমিল মাওয়ারিস। শেখ আল-কাদি রাশিদ বিন মুহাম্মদ।
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ১০)
بن سليمان القيسي.
30 - الفرائض. للدكتور عبدالكريم بن محمد اللاّحم.
31 - المواريث في الشريعة الإسلامية. للشيخ حسن خالد والشيخ عدنان نجا.
32 - المواريث في الشريعة الإسلامية. للشيخ حسنين محمد مخلوف.
33 - ملجأ الاضطراب في الفرائض. للشيخ ابن الهائم المقدسي.
34 - عدة الفارض في علم الفرائض. للشيخ سعيد بن سعد بن نبهان الحضرمي.
35 - الدرة المضيّة في شرح الفارضيّة على مذهب الامام أحمد بن حنبل -للعلامة الفرضي عبدالله بن محمد الشنشوري الشافعي.
36 - العذب الفائض شرح عمدة الفارض. للعلامة إبراهيم بن عبدالله بن إبراهيم الفرضي.
37 - شرح السراجية في علم المواريث. للعلامة السيد الشريف على بن محمد الجرجاني.
38 - حل المشكلات في الفرائض. للعلامة شجاع ابن نور الله الانقروي.
39 - أحكام التركات والمواريث. للشيخ محمد ابو زهرة.
40 - شرح رائض الفرائض. للشيخ يوسف الأسير الأزهري.
41 - الميراث والوصية في الإسلام. للشيخ زكريا البرديسي.
42 - التركات والوصايا في الفقه الإسلامي. للشيخ أحمد الحصري.
43 - شرح خلاصة الفرائض نظم متن السراجية. للشيخ عبدالملك بن عبدالوهاب المكي البتنى.
44 - شرح الدرة البيضاء. للشيخ عبدالرحمن الاخضري.
45 - الفرات الفائض على حديقة ذريعة الناهض الى تعلم أحكام الفرائض. للشيخ علي بن قاسم العباسي الحسني.
বিন সুলাইমান আল-কায়সী।
30 - আল-ফারায়েজ (উত্তরাধিকার আইন)। ড. আব্দুল কারীম বিন মুহাম্মদ আল-লাহিম-এর।
31 - ইসলামী শরীয়তে উত্তরাধিকার। শেখ হাসান খালিদ এবং শেখ আদনান নাজা-এর।
32 - ইসলামী শরীয়তে উত্তরাধিকার। শেখ হাসনাইন মুহাম্মদ মাখলুফ-এর।
33 - মালজাউল ইদতিরাব ফিল ফারায়েজ। শেখ ইবনুল হাইয়িম আল-মাকদিসী-এর।
34 - উত্তরাধিকার শাস্ত্রে উদ্দাতুল ফারিজ। শেখ সাঈদ বিন সাদ বিন নাবহান আল-হাদরামি-এর।
35 - ইমাম আহমদ বিন হাম্বলের মাযহাব অনুযায়ী আল-ফারাজিয়্যাহ-এর ব্যাখ্যায় আদ-দুররাতুল মুদিইয়াহ। আল্লামা ফারাজি আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-শানশুরি আশ-শাফিয়ী-এর।
36 - উমদাতুল ফারিজ-এর ব্যাখ্যা গ্রন্থ আল-আযবুল ফায়েজ। আল্লামা ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন ইব্রাহিম আল-ফারাজি-এর।
37 - উত্তরাধিকার শাস্ত্রে সিরাজিয়া-এর ব্যাখ্যা গ্রন্থ। আল্লামা সাইয়্যিদ শরীফ আলী বিন মুহাম্মদ আল-জুরজানি-এর।
38 - উত্তরাধিকার আইনের সমস্যাবলির সমাধান। আল্লামা শুজা ইবনে নূরুল্লাহ আল-আনকারাউয়ি-এর।
39 - পরিত্যক্ত সম্পদ ও উত্তরাধিকারের বিধানাবলি। শেখ মুহাম্মদ আবু জাহরা-এর।
40 - রায়িজুল ফারায়েজের ব্যাখ্যা গ্রন্থ। শেখ ইউসুফ আল-আসীর আল-আযহারী-এর।
41 - ইসলামে উত্তরাধিকার ও অসিয়ত। শেখ যাকারিয়া আল-বারদীসি-এর।
42 - ইসলামী ফিকহে পরিত্যক্ত সম্পদ ও অসিয়ত। শেখ আহমদ আল-হুসারি-এর।
43 - মাতনে সিরাজিয়ার কাব্যিক রূপ খুলাসাতুল ফারায়েজের ব্যাখ্যা গ্রন্থ। শেখ আব্দুল মালিক বিন আব্দুল ওয়াহাব আল-মাক্কী আল-বাতানি-এর।
44 - আদ-দুররাতুল বায়দা-এর ব্যাখ্যা গ্রন্থ। শেখ আব্দুর রহমান আল-আখদারি-এর।
45 - আল-ফুরাতুল ফায়েজ আলা হাদিকাতি যারিয়াতিন নাহিদ ইলা তাআল্লুমি আহকামিল ফারায়েজ। শেখ আলী বিন কাসিম আল-আব্বাসি আল-হাসানি-এর।
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ১১)
46 - أحكام المواريث في الشريعة الإسلامية. للشيخ محمد محي الدين عبدالحميد.
47 - قوانين الإرث في الإسلام. للشيخ فضيل الرحمن هلال العثماني.
48 - الفوائد في علم الفرائض تأليف الشيخ محمد جاد بدر الدين المدرس بمعهد الأئمة والدعاة برابطة العالم الإسلامي سابقًا.
وتجدر الإشارة إلى أن أهمية هذا العلم قد جعلت بعض المختصين في التكنولوجيا الحديثة يضعون برنامجًا خاصًا يسجلون فيه أنصبة المواريث في جداول على أشرطة الكمبيوتر. وخير ختام هو أن نحمد الله تعالى أن وفق السيد أحمد بن يوسف الأهدل فرع الدوحة النبوية الطاهرة في وضع هذا المختصر المفيد لهذا العلم العظيم الذي هو أول علوم الشريعة الإسلامية زوالاً على سطح الأرض كما أخبر بذلك المصطفى صلى الله عليه وسلم.
ولقد أحسن وأجاد في كتابة هذه الرسالة التي تسد ثغرةً كبيرة من حيث تبسيط أركان هذا العلم العظيم حتى يكون سهل التناول لطلاب العلم والعامة من المسلمين على السواء.
فنسأل الله أن يبارك في جهوده وأن يجعل عمله هذا مقبولاً ومن الأعمال الصالحة التي يسري نفعها وأجرها في الحياة وبعد الممات وآخر دعوانا أن الحمد لله رب العالمين.
وصلى الله على سيدنا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين.
كتبه الفقير إلى عفو ربه
الدكتور / هاشم محمد علي مهدي
مدير عام المنظمات الدولية
رابطة العالم الاسلامي- مكة المكرمة-
৪৬ - ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী উত্তরাধিকারের বিধানাবলি। শেখ মুহাম্মদ মুহিউদ্দীন আব্দুল হামিদের রচিত।
৪৭ - ইসলামে উত্তরাধিকার আইন। শেখ ফুদাইলুর রহমান হিলাল আল-উসমানীর রচিত।
৪৮ - মিরাস শাস্ত্রের উপকারিতা। মুসলিম ওয়ার্ল্ড লীগের ইমাম ও দাঈ ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন শিক্ষক শেখ মুহাম্মদ জাদ বদরুদ্দীনের সংকলিত।
উল্লেখ্য যে, এই ইলমের গুরুত্ব আধুনিক প্রযুক্তির কিছু বিশেষজ্ঞকে উৎসাহিত করেছে একটি বিশেষ প্রোগ্রাম তৈরি করতে, যেখানে তাঁরা উত্তরাধিকারের অংশগুলো কম্পিউটারের সারণিতে সংরক্ষণ করেছেন। পরিশেষে আমরা মহান আল্লাহর প্রশংসা করছি যে, তিনি পবিত্র নববী বংশের সন্তান জনাব আহমদ বিন ইউসুফ আল-আহদালকে এই মহান ইলমের ওপর এই উপকারী সারসংক্ষেপটি রচনার তাওফিক দান করেছেন। এটি ইসলামি শরিয়াহর সেই ইলম, যা পৃথিবী থেকে সর্বপ্রথম বিলুপ্ত হয়ে যাবে বলে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সংবাদ দিয়েছেন।
তিনি এই পুস্তিকাটি রচনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত নিপুণতা ও চমৎকারিত্ব প্রদর্শন করেছেন, যা এই মহান ইলমের মূল বিষয়গুলোকে সহজ করার মাধ্যমে একটি বড় অভাব পূরণ করেছে; যেন এটি জ্ঞানান্বেষী ছাত্র ও সাধারণ মুসলিম—সবার জন্যই সহজবোধ্য হয়।
আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি তাঁর প্রচেষ্টায় বরকত দান করেন এবং তাঁর এই আমলকে কবুল করেন। একে এমন একটি নেক আমল হিসেবে গণ্য করেন যার সওয়াব ও উপকারিতা ইহকালে এবং মৃত্যুর পরবর্তী জীবনেও জারি থাকে। আমাদের শেষ কথা হলো, সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।
আল্লাহ তাআলা আমাদের নেতা মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবীর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
তাঁর রবের ক্ষমার মুখাপেক্ষী
ডক্টর / হাশেম মুহাম্মদ আলী মাহদী
মহাপরিচালক, আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ
মুসলিম ওয়ার্ল্ড লীগ- মক্কা মোকাররমা-
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ১২)
بسم الله الرحمن الرحيم
تقريظفضيلة العلامة الشيخ أحمد جابر جبرانالمدرس بمعهد إعداد الإئمة والدعاة بمكة المكرمة
التابع لرابطة العالم الإسلامي -عافاه الله تعالى-
الحمد لله القائل: {يرفع الله الذين آمنوا منكم والذين أوتوا العلم درجات}
والصلاة والسلام على سيدنا محمد. سيد السادات القائل: (من يرد الله به خيرًا يفقهه في الدين) ليكون من أشرف البريات، والقائل صلى الله عليه وسلم: (تعلموا الفرائض وعلموها الناس) وأخبر أن علم الفرائض أول علم يُفقد من العلوم الموجودات صلى الله تعالى عليه وسلم وعلى آله وصحبه القادات صلاة وسلامًا متلازمين دائمين إلى يوم الدين وعلينا معهم برحمتك ياأرحم الراحمين.
أما بعد: فقد أطلعني الأستاذ الجليل والسيد النبيل الشيخ أحمد يوسف الأهدل على رسالته في علم الفرائض وتصفحت بعضها وراجع علىَّ بنفسه بعض ألفاظها فألفيتها رسالة مهمة، مسهلة للمبتدئين من طلاب العلم في هذا الفن صعابه مذللة لهم طرقه وأتعابه، متمشية مع الأساليب القديمة، آخذة بروح العصر وتقويمه وتعد من السهل الممتنع - فجزاه الله خيرًا - ونفع بها وبمؤلفها، وأكثر من أمثاله. كما نسأله تعالى أن يفتح علينا وعليه فتوح العارفين، وأن يجعلنا من العلماء العاملين، وأن يوجه شباب المسلمين ويرغبهم في طلب العلم النافع بمنه وكرمه إنه جواد كريم. وصلى الله على سيدنا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين وسلم تسليمًا كثيرًا الى يوم الدين، وآخر دعوانا أن الحمد لله رب العالمين.
قاله بفمه ورقمه بقلمه
الفقير الى عفو الرحمن/أحمد جابر جبران- رحمه الله عنه-
حررفي: 27/ 11/1417هـ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
অভিমতশ্রদ্ধেয় আল্লামা শাইখ আহমাদ জাবির জুবরানমক্কা মুকাররামায় অবস্থিত মা'হাদ ই'দাদিল আইম্মাহ ওয়াদ দুআ'ত (ইমাম ও দাঈ প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট)-এর শিক্ষক
যা রাবিতাতুল আলাম আল-ইসলামী (মুসলিম ওয়ার্ল্ড লীগ)-এর অন্তর্ভুক্ত -আল্লাহ তাআলা তাকে সুস্থ রাখুন-
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি বলেছেন: "তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে এবং যাদেরকে জ্ঞান দান করা হয়েছে, আল্লাহ তাদের মর্যাদা উচ্চ করবেন।"
আর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নেতা মুহাম্মাদের ওপর, যিনি সকল নেতার নেতা এবং যিনি বলেছেন: "আল্লাহ যার কল্যাণ চান, তাকে দ্বীনের গভীর প্রজ্ঞা দান করেন," যাতে সে সৃষ্টির মধ্যে সর্বোত্তম হতে পারে। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "তোমরা ফারায়েয (উত্তরাধিকার আইন) শেখো এবং মানুষকে তা শেখাও।" আর তিনি সংবাদ দিয়েছেন যে, বিদ্যমান জ্ঞানসমূহের মধ্যে ফারায়েয শাস্ত্রই সর্বপ্রথম হারিয়ে যাবে। আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও অনুসরণীয় সাহাবীদের ওপর কিয়ামত পর্যন্ত চিরস্থায়ী ও নিরবচ্ছিন্ন সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন; আর হে পরম দয়ালু! আপনার রহমতে তাদের সাথে আমাদের ওপরও রহম করুন।
অতঃপর: মহান উস্তাদ ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব শাইখ আহমাদ ইউসুফ আল-আহদাল আমাকে ফারায়েয শাস্ত্রের ওপর রচিত তাঁর পুস্তিকাটি দেখিয়েছেন। আমি এর কিছু অংশ লক্ষ্য করেছি এবং তিনি নিজেও এর কিছু শব্দ আমাকে পড়ে শুনিয়েছেন। আমি একে একটি গুরুত্বপূর্ণ পুস্তিকা হিসেবে পেয়েছি, যা এই শাস্ত্রের শিক্ষার্থী নতুনদের জন্য কঠিন বিষয়গুলোকে সহজ করে দেয় এবং তাদের জন্য এর পথ ও পরিশ্রমকে লাঘব করে। এটি প্রাচীন পদ্ধতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং আধুনিক যুগের চাহিদা ও সংস্কারকেও ধারণ করেছে। এটি অত্যন্ত সাবলীল অথচ অনন্য (সহলে মুমতেনা) পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দিন এবং এর মাধ্যমে ও এর লেখকের মাধ্যমে উপকৃত করুন এবং তাঁর মতো ব্যক্তিদের সংখ্যা বাড়িয়ে দিন। আমরা আল্লাহ তাআলার কাছে আরও প্রার্থনা করি যে, তিনি আমাদের ও তাঁর জন্য আরিফদের ন্যায় জ্ঞানের দ্বার উন্মুক্ত করে দিন, আমাদেরকে আমলকারী আলেমদের অন্তর্ভুক্ত করুন এবং তাঁর অনুগ্রহ ও করুণায় মুসলিম যুবকদের সঠিক দিকনির্দেশনা দিন ও তাদের উপকারী জ্ঞান অন্বেষণে আগ্রহী করুন। নিশ্চয়ই তিনি মহান দাতা ও অত্যন্ত দয়ালু। আর আল্লাহ তাআলা আমাদের নেতা মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবার ও সকল সাহাবীর ওপর কিয়ামত পর্যন্ত অফুরন্ত সালাত ও প্রচুর সালাম বর্ষণ করুন। আমাদের শেষ কথা হলো, সকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।
এটি মুখে বলেছেন এবং নিজ কলমে লিখেছেন
পরম করুণাময় আল্লাহর ক্ষমার মুখাপেক্ষী: আহমাদ জাবির জুবরান -আল্লাহ তাকে রহম করুন-
লিখিত তারিখ: ২৭/১১/১৪১৭ হিজরি।
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
بسم الله الرحمن الرحيم
تقريظفضيلة العلامة الدكتور قاسم بن محمد الأهدلرئيس قسم الشريعة بجامعة أم القرى
مكة المكرمة
الحمد لله رب العالمين والصلاة والسلام على أشرف المرسلين سيدنا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين .. وبعد:
فقد اطلعت على الرسالة المسماة (إعانة الطالب في بداية علم الفرائض) لابننا الفاضل الاستاذ السيد أحمد بن يوسف بن محمد الأهدل، أحد خريجي المدسة الصولتية بمكة المكرمة، فألفيتها رسالة قيمة مفيدة صغيرة الحجم كبيرة الفائدة لطلاب هذا الفن، فقد ذلل فيها الصعاب على الطلاب، وجمع اللُّباب، وازاح فيها بعض مشكلات هذا الباب، وعمل عملاً يشكر عليه ويؤجر من ربِّ الأرباب - وإني أدعو لي وله بالتوفيق والسداد والفلاح. وأتمنى له مستقبلاً علمياً موفقاً إن شاء الله تعالى. هذا وصل الله وسلم وبارك على سيدنا ونبينا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين.
وكتبه
دكتور / قاسم بن محمد بن قاسم الأهدل
عضو هيئة التدريس بكلية الشريعة جامعة أم القرى
مكة المكرمة في ذي القعدة الحرام 25/ 11 / 1417هـ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
প্রশংসাপত্রশ্রদ্ধেয় আল্লামা ডক্টর কাসিম বিন মুহাম্মদ আল-আহদালবিভাগীয় প্রধান, শরীয়াহ বিভাগ, উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়
মক্কাতুল মুকাররমা
সকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক রাসূলদের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব আমাদের নেতা মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল সাহাবীবর্গের ওপর। অতপর:
আমি আমাদের সুযোগ্য সন্তান বিদগ্ধ উস্তাদ সাইয়িদ আহমাদ বিন ইউসুফ বিন মুহাম্মদ আল-আহদাল—যিনি মক্কাতুল মুকাররমার মাদরাসাতুস সউলাতিয়্যাহর অন্যতম একজন স্নাতক—কর্তৃক রচিত ‘ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারাইদ’ নামক পুস্তিকাটি পর্যবেক্ষণ করেছি। আমি এটিকে সংশ্লিষ্ট শাস্ত্রের শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান ও কল্যাণকর একটি রিসালা হিসেবে পেয়েছি। এটি আকারে ছোট হলেও এর উপকারিতা অনেক ব্যাপক। লেখক এতে শিক্ষার্থীদের জন্য জটিল বিষয়গুলোকে সহজ করে দিয়েছেন, শাস্ত্রের সারসংক্ষেপ একত্রিত করেছেন এবং এই বিষয়ের নানাবিধ সমস্যার সমাধান দিয়েছেন। তিনি এমন এক মহৎ কর্ম সম্পাদন করেছেন যার জন্য তিনি প্রশংসার দাবিদার এবং এর বিনিময় তিনি প্রতিপালকদের প্রতিপালক মহান আল্লাহর নিকট থেকে প্রাপ্ত হবেন। আমি আমার নিজের এবং তাঁর জন্য সঠিক পথপ্রাপ্তি ও সফলতার দোয়া করছি। আমি তাঁর একটি সার্থক ইলমি ভবিষ্যৎ কামনা করছি ইনশাআল্লাহ। আমাদের নেতা ও নবী মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার ও সকল সাহাবীবর্গের ওপর আল্লাহর সালাত, সালাম ও বরকত অবতীর্ণ হোক।
নিবেদক
ডক্টর কাসিম বিন মুহাম্মদ বিন কাসিম আল-আহদাল
সদস্য, শিক্ষক পর্ষদ, শরীয়াহ অনুষদ, উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়
মক্কাতুল মুকাররমা, ২৫ জিলকদ ১৪১৭ হিজরী।
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
بسم الله الرحمن الرحيم
تقريظفضيلة العلامة الشيخ ماجد سعيد مسعود رحمت اللهمدير المدرسة الصولتية
بمكة المكرمة
الحمد لله الذي بذكره تتنزل الرحمات والصلاة والسلام على سيدنا محمد المؤيد بالمعجزات والآيات البينات وعلى آله وصحبه السادات.
أما بعد: يسرني أن أسطر هذه السطور للإبن العزيز الفاضل والأخ الكريم السيد أحمد يوسف محمد الأهدل الذي جمع ورتب هذه الفوائد وكتبها في أحسن ترتيب وأجمل تبويب في علم الفرائض والذي هو من جملة العلوم الشرعية المعتبرة والمعارف النبوية المشتهرة وأول علم يُفقد حتى لا يكاد يوجد - وحيث أنه من آل البيت الأكارم وأحد متخريجي القسم العالي للعلوم الدينية بالمدرسة الصولتية بمكة المحمية وقد تلقى العلم والدروس على جملة العلماء العظام والمشايخ الكرام في المسجد الحرام- فأسأل الله تعالى له دوام النجاح والتوفيق وأن يفتح الله عليه فتوح العارفين وينفع به وبعلمه مع البركة والإخلاص وأن يكون هذا الكتاب الأول مفتاح خير وحق وهدى وبصيرة له ولسائر طلاب العلم وأهله في خدمة العلم الشرعي ونشره بإذن الله.
وصلى الله على سيدنا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين .. ،
خويدم العلم والعلماء بالبلد الحرام
مدير المدرسة الصولتية بمكة المكرمة
ماجد سعيد مسعود رحمت الله
17/ 11 / 1417هـ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
অভিমতবিজ্ঞ আলেম শাইখ মাজিদ সাঈদ মাসউদ রহমতুল্লাহপরিচালক, মাদরাসা সওলাতিয়াহ
মক্কা মুকাররামাহ
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যাঁর স্মরণে রহমত অবতীর্ণ হয়। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নেতা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওপর, যিনি মুজিজা ও সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলি দ্বারা সমর্থিত, এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও মহান সাহাবীগণের ওপর।
অতঃপর: আমি অত্যন্ত আনন্দের সাথে এই কয়েকটি পঙক্তি লিখছি স্নেহাস্পদ ফযীলতসম্পন্ন পুত্র ও সম্মানিত ভাই আস-সাইয়্যেদ আহমদ ইউসুফ মুহাম্মদ আল-আহদালের জন্য, যিনি এই ফায়দাগুলো (উপকারী বিষয়সমূহ) সংগ্রহ ও বিন্যস্ত করেছেন এবং ইলমে ফারাইযের (উত্তরাধিকার আইন) ক্ষেত্রে এগুলোকে সর্বোত্তম বিন্যাস ও সুন্দরতম অধ্যায় বিভাজনে লিপিবদ্ধ করেছেন। এই ইলমটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শরয়ি জ্ঞান ও সুপরিচিত নববী প্রজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত এবং এটিই প্রথম জ্ঞান যা বিলুপ্ত হয়ে যাবে, এমনকি তা পাওয়াই দুষ্কর হয়ে পড়বে। যেহেতু তিনি (লেখক) সম্মানিত আহলে বায়তের সদস্য এবং সংরক্ষিত মক্কার মাদরাসা সওলাতিয়াহ-র উচ্চতর ধর্মীয় জ্ঞান বিভাগের একজন স্নাতক এবং তিনি মসজিদে হারামে প্রথিতযশা ওলামায়ে কেরাম ও সম্মানিত মাশায়েখদের নিকট ইলম ও সবক অর্জন করেছেন— তাই আমি মহান আল্লাহর কাছে তাঁর উত্তরোত্তর সাফল্য ও তাওফিক প্রার্থনা করছি। আল্লাহ তাঁর জন্য আরিফদের ন্যায় জ্ঞানের দুয়ার উন্মুক্ত করে দিন এবং বরকত ও ইখলাসের সাথে তাঁর মাধ্যমে ও তাঁর ইলমের মাধ্যমে সকলকে উপকৃত করুন। আল্লাহর ইচ্ছায় এই প্রথম কিতাবটি যেন তাঁর জন্য এবং দ্বীনি ইলমের সকল শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের জন্য শরয়ি ইলমের খেদমত ও তা প্রসারের ক্ষেত্রে কল্যাণ, সত্য, হেদায়েত এবং অন্তর্দৃষ্টির চাবিকাঠি হয়।
আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নেতা মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবীর ওপর।
পবিত্র নগরীর ইলম ও ওলামাদের ক্ষুদ্র খাদেম
পরিচালক, মাদরাসা সওলাতিয়াহ, মক্কা মুকাররামাহ
মাজিদ সাঈদ মাসউদ রহমতুল্লাহ
১৭/ ১১/ ১৪১৭ হিজরি
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
تقريظللعلامة الفاضل الشيخ أيوب أبكر الأهدلعافاه الله تعالى
الحمد لله الذي جعل الفرائض من أعظم القربات وأحبها إليه.
فقال على لسان نبيه: (وما تقرب إلىّ عبدي بشىء أحب إلىّ مما افترضته عليه)، فله الحمد على الدوام وعدد مايحسب أهل الحساب المسائل الفرضية في كل مسألة وباب.
والصلاة والسلام على أشرف الخلق على الإطلاق.
القائل: (أفرضكم زيد) وناهيك بها بلا شقاق. اللهم صل وسلم وبارك وعظم على سيدنا محمد المبعوث بمكارم الأخلاق، وعلى آله وصحابته ذكورًا وإناثًا وذات النطاق.
أما بعد: فقد اطلعت على مااشتمل عليه مؤلف أخينا الأستاذ / أحمد يوسف الأهدل -أحد فروع الدوحة النبوية، خريج القسم العالي من المدرسة الصولتية- وقد أحسن في تسمية كتابه بإعانة الطالب في بداية علم الفرائض، وقد أحسن كذلك تبويبه وترتيبه كما أحسن أيضًا في وضع جداول لكل مسألة. مما يجعل المبتدي يقرأه ويدرسه بدون عناء.
سدد الله خطاه وأرشده إلى رضاه وآتاه تقواه والظّفر عما تمناه آمين.
وآخر دعوانا أن الحمد لله رب العالمين، وصلى الله تعالى على محمد وآله وصحبه ومن دعا بدعوته وصار على نهجه إلى يوم الدين.
كاتبه
أيوب أبكر أسد بن علي الأهدل المكي المراوعي اليمني
ذو القعدة: 18/ 11/1417هـ
প্রশংসাপত্রপ্রাজ্ঞ আলেম শায়খ আইয়ুব আবকার আল-আহদালের পক্ষ থেকেআল্লাহ তাআলা তাঁকে সুস্থতা দান করুন
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি উত্তরাধিকার আইন বা ফারাইদ নির্ধারণকে তাঁর নৈকট্য লাভের অন্যতম মহত্তম ও তাঁর নিকট সর্বাধিক প্রিয় মাধ্যম হিসেবে গণ্য করেছেন।
তিনি তাঁর নবীর মুখে ঘোষণা করেছেন: (আমার বান্দা আমার প্রতি এমন কোনো কিছুর মাধ্যমে নৈকট্য লাভ করে না, যা আমার নিকট তার উপর যা আমি ফরয করেছি তার চেয়ে বেশি প্রিয়)। সুতরাং তাঁর জন্য চিরন্তন প্রশংসা এবং গণনাবিদগণ প্রতিটি মাসআলা ও অধ্যায়ে উত্তরাধিকারের গাণিতিক সমস্যাসমূহ যেভাবে গণনা করেন, সেই পরিমাণ প্রশংসা তাঁর প্রাপ্য।
এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক নিঃসন্দেহে সৃষ্টির সর্বশ্রেষ্ঠ সত্তার উপর।
যিনি বলেছেন: (তোমাদের মধ্যে মিরাস শাস্ত্রে সবচেয়ে পারদর্শী হলেন যায়েদ) এবং কোনো প্রকার বিরোধ ছাড়াই এটি তোমার জন্য যথেষ্ট। হে আল্লাহ! আমাদের নেতা মুহাম্মাদের উপর সালাত, সালাম ও বরকত বর্ষণ করুন এবং তাঁকে মহিমান্বিত করুন, যাঁকে সর্বোত্তম চরিত্রের সাথে প্রেরণ করা হয়েছে; এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও তাঁর পুরুষ ও মহিলা সাহাবীগণের উপর এবং বিশেষ করে আসমা বিনতে আবু বকরের উপর।
অতঃপর: আমি আমাদের ভ্রাতা উস্তাদ আহমাদ ইউসুফ আল-আহদালের—যিনি নববীয় বংশধারার অন্যতম শাখা এবং মাদ্রাসা সাওলাতিয়াহ-এর উচ্চতর বিভাগের স্নাতক—রচিত গ্রন্থটিতে যা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করেছি। তিনি তাঁর কিতাবটির নামকরণ ‘ইআনাতুত তালিব ফি বিদায়াতি ইলমিল ফারাইদ’ (উত্তরাধিকার শাস্ত্রের সূচনায় শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়তা) হিসেবে অত্যন্ত চমৎকার করেছেন। একইভাবে তিনি এর পরিচ্ছেদ বিন্যাস ও সাজানোর ক্ষেত্রেও মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন এবং প্রতিটি মাসআলার জন্য ছক তৈরি করার ক্ষেত্রেও পারদর্শিতা প্রদর্শন করেছেন। যা একজন নবীন শিক্ষার্থীর জন্য কোনো প্রকার কষ্ট ছাড়াই এটি পাঠ ও অধ্যয়ন করা সহজ করে দেয়।
আল্লাহ তাঁর পদক্ষেপসমূহকে সুদৃঢ় করুন, তাঁকে তাঁর সন্তুষ্টির দিকে পরিচালিত করুন, তাঁকে তাকওয়া দান করুন এবং তিনি যা আকাঙ্ক্ষা করেন তাতে সফলতা দান করুন। আমীন।
আমাদের শেষ প্রার্থনা হলো, সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। আর আল্লাহ তাআলা মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ, সাহাবীগণ এবং যারা তাঁর দাওয়াতের দিকে আহ্বান করেন ও কিয়ামত পর্যন্ত তাঁর আদর্শের ওপর অবিচল থাকেন, তাদের সকলের ওপর রহমত বর্ষণ করুন।
লেখক
আইয়ুব আবকার আসাদ বিন আলী আল-আহদাল আল-মাক্কী আল-মারাওয়ী আল-ইয়ামানী
জিলকদ: ১৮/১১/১৪১৭ হিজরি
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
شكر وتقديرالحمد لله الذي صحح مفاهيم العباد، وأرشدهم إلى طاعته وأمرهم بفرائضه، والصلاة والسلام على خير العباد القائل: (من لم يشكر للناس لم يشكر لله)
والقائل: (إذا قال الرجل جزاك الله خيراً فقد أبلغ في الثناء) وعلى آله وصحابته من اقتفوا أثره وساروا على هداه في أكمل منهاج، وبعد:
أقدم شكري وتقديري لشيخي العلامة الشيخ أحمد بن جابر بن جبران الذي قام بتصحيح هذه الرسالة - فجزاه الله خيراً.
كما أقدم شكري وتقديري لشيخي العلامة السيد إبراهيم بن محمد الأهدل الذي اطلع على هذه الرسالة وقام بتصحيح ألفاظها وفك رموزها - فجزاه الله خيراً.
كما أقدم شكري وتقديري لشيخي العلامة الدكتور قاسم بن محمد الأهدل رئيس قسم الشريعة بكلية الشريعة بجامعة أم القرى الذي أرشدني إلى بعض النقاط المهمة التي لا يستغني عنها أي باحث في علم الفرائض وغيره من الفنون - فجزاه الله خيراً.
كما أقدم شكري وتقديري لشيخي العلامة السيد علوي القدري جمل الليل الذي شجعني في إبراز هذه الرسالة على الوجه المطلوب - فجزاه الله خيراً.
كما أقدم شكري وتقديري لأخي العلامة الفاضل الشيخ محفوظ أمين الله شافعي الذي قام بمراجعة هذه الرسالة وأفادني إلى بعض النقاط المهمة فجزاه الله خيراً.
كما أقدم شكري وتقديري لشيخي الفاضل الدكتور / هاشم محمد علي مهدي الذي قام بمراجعة وبتقديم لهذه الرسالة - فجزاه الله خيراً.
كما أقدم شكري وتقديري إلى جميع مشايخي الذين تلقيت منهم العلوم النافعة، وكانت هذه الرسالة بعض ثمراتهم - فجزاهم الله خيراً.
كما أشكر كل من ساهم في إبراز هذا الكتيب المتواضع في علم الفرائض إلى حيز الوجود - فجزى الله الجميع خير الجزاء.
هذا
… والله أسأل التوفيق والهداية، وله الشكر في البدء والنهاية.
وصلى الله وسلم على سيدنا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين.
وكتبه راجي رحمة ربه الأجل
أحمد بن يوسف بن محمد الأهدل
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও স্বীকৃতিসমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি বান্দাদের বোধশক্তিকে সংশোধন করেছেন, তাদের তাঁর আনুগত্যের দিকে পরিচালিত করেছেন এবং তাঁর নির্ধারিত ফরজ বিধানসমূহ পালনের নির্দেশ দিয়েছেন। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক সর্বোত্তম বান্দার ওপর, যিনি বলেছেন: (যে মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ হয় না, সে আল্লাহর প্রতিও কৃতজ্ঞ হয় না)।
আর যিনি বলেছেন: (যদি কোনো ব্যক্তি বলে ‘আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন’, তবে সে প্রশংসার চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছে গেল)। আরও দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবীগণের ওপর, যাঁরা তাঁর পদাঙ্ক অনুসরণ করেছেন এবং পূর্ণাঙ্গতম পদ্ধতিতে তাঁর হেদায়েতের পথে চলেছেন। অতঃপর:
আমি আমার শায়খ আল্লামা শায়খ আহমদ বিন জাবির বিন জুবরান-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা জ্ঞাপন করছি, যিনি এই পুস্তিকাটি সংশোধন করেছেন—আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দিন।
অনুরূপভাবে আমি আমার শায়খ আল্লামা সাইয়্যেদ ইবরাহীম বিন মুহাম্মদ আল-আহদাল-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা জ্ঞাপন করছি, যিনি এই পুস্তিকাটি আদ্যোপান্ত পাঠ করেছেন এবং এর শব্দসমূহ সংশোধন ও এর জটিল বিষয়গুলো উন্মোচন করেছেন—আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দিন।
অনুরূপভাবে আমি আমার শায়খ আল্লামা ডক্টর কাসিম বিন মুহাম্মদ আল-আহদাল, উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীয়াহ অনুষদের শরীয়াহ বিভাগের প্রধান-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা জ্ঞাপন করছি, যিনি আমাকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন যা ফারায়েজ শাস্ত্র (উত্তরাধিকার আইন) ও অন্যান্য বিদ্যার কোনো গবেষকের পক্ষেই উপেক্ষা করা সম্ভব নয়—আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দিন।
অনুরূপভাবে আমি আমার শায়খ আল্লামা সাইয়্যেদ আলভী আল-কাদরী জামালুল লাইল-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা জ্ঞাপন করছি, যিনি আমাকে এই পুস্তিকাটি যথাযথভাবে উপস্থাপন করতে উৎসাহিত করেছেন—আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দিন।
অনুরূপভাবে আমি আমার ভাই আল্লামা ফাজেল শায়খ মাহফুজ আমিনুল্লাহ শাফেয়ি-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা জ্ঞাপন করছি, যিনি এই পুস্তিকাটি নিরীক্ষণ করেছেন এবং আমাকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে উপকৃত করেছেন—আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দিন।
অনুরূপভাবে আমি আমার ফাজেল শায়খ ডক্টর হাশেম মুহাম্মদ আলী মাহদী-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা জ্ঞাপন করছি, যিনি এই পুস্তিকাটি নিরীক্ষণ করেছেন এবং এর ভূমিকা লিখে দিয়েছেন—আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দিন।
অনুরূপভাবে আমি আমার সেই সকল শায়খগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা জ্ঞাপন করছি যাঁদের নিকট থেকে আমি উপকারী জ্ঞান অর্জন করেছি, আর এই পুস্তিকাটি তাঁদেরই কিছু ফলশ্রুতি—আল্লাহ তাঁদের সকলকে উত্তম প্রতিদান দিন।
সেই সঙ্গে আমি তাদের প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাই যারা ফারায়েজ শাস্ত্রের এই বিনীত পুস্তিকাটি প্রকাশ করতে অবদান রেখেছেন—আল্লাহ সকলকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন।
এই তো
... আমি আল্লাহর নিকট তাওফিক ও হেদায়েত প্রার্থনা করছি, আর আদিতে ও অন্তে সমস্ত কৃতজ্ঞতা কেবল তাঁরই।
আমাদের নেতা মুহাম্মদ এবং তাঁর সকল পরিবার ও সাহাবীগণের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।
এটি লিখেছেন তাঁর মহান রবের রহমতের প্রত্যাশী
আহমদ বিন ইউসুফ বিন মুহাম্মদ আল-আহদাল
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
بسم الله الرحمن الرحيم
مقدمة الطبعة الثانيةالحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام على أشرف المرسلين، سيدنا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين
… وبعد:
فقد أشار إليّ بعض المحبين من طلبة العلم الشريف بأن أكمل هذه الرسالة وذلك بإضافة باب الجد والإخوة، وباب المناسخات، ومعرفة تقسيم التركة، وميراث الخنثى المشكل، وميراث المفقود، وميراث الحمل، وميراث الغرقى والهدمى والحرقى ونحوهم، بأسلوب سهل ومبسط موضحًا بالجداول والشرح لكل مسألة، فامتنعت أولاً لأني لست أهلاً لذلك، فلما وافق قولهم قول بعض العلماء الأفاضل، وتكرر الطلب، وعلمت أنه لا ينفعني العذر منهم والهرب، استخرت الله في مطلوبهم، وشرعت في مقصودهم، وقد أعتنيت فيه بطرح الأمثلة بأسلوب سهل ومبسط، وطالعت الكتب لتهذيبه، ولم آل جهدًا في إجماله وتفصيله، لأنه الأحسن للطالب في فهمه وتحصيله.
أسأل الله العلي القدير أن يجعل عملي فيه خالصًا لوجهه الكريم ونافعًا للمشتغلين به في الدنيا ووسيلة في الفوز ليّ ولهم في العقبى إنه على كل شيء قدير وبالإجابة جدير. وما توفيقي إلا بالله عليه توكلت وإليه أنيب، وهو حسبي ونعم الوكيل. وصلى الله وسلم على سيدنا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين، والحمد لله رب العالمين.
وكتبه
أحمد بن يوسف بن محمد الأهدل
غفر الله له ولوالديه ولمشايخه
والمسلين أجمعين آمين
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
দ্বিতীয় সংস্করণের ভূমিকাসকল প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, এবং দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক রাসূলদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ, আমাদের নেতা মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সঙ্গীদের ওপর
… অতঃপর:
দ্বীনি ইলমের অন্বেষণকারী কিছু হিতাকাঙ্ক্ষী আমাকে এই পুস্তিকাটি পূর্ণ করার পরামর্শ দিয়েছেন; আর তা হলো এতে দাদা ও ভাইদের অধ্যায়, উত্তরাধিকারের পুনঃবণ্টন (মুনাসাখাত) অধ্যায়, ত্যাজ্য সম্পত্তি বণ্টনের নিয়ম জানা, জটিল হিজড়ার উত্তরাধিকার, নিখোঁজ ব্যক্তির উত্তরাধিকার, গর্ভস্থ সন্তানের উত্তরাধিকার এবং পানিতে ডুবে যাওয়া, ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া ও আগুনে পুড়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের উত্তরাধিকার ইত্যাদি বিষয়গুলো সহজ ও সরল পদ্ধতিতে, প্রতিটি মাসআলার জন্য ছক ও ব্যাখ্যাসহ যোগ করার মাধ্যমে। আমি প্রথমে নিজেকে এর যোগ্য মনে না করায় অস্বীকৃতি জানিয়েছিলাম; কিন্তু যখন তাদের কথা কতিপয় বিশিষ্ট আলেমের মতের সাথে মিলে গেল এবং বারবার অনুরোধ আসতে থাকল, আর আমি বুঝতে পারলাম যে তাদের কাছ থেকে কোনো ওজর পেশ করা বা এড়িয়ে যাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়, তখন আমি তাদের দাবির বিষয়ে আল্লাহর কাছে ইস্তিখারা করলাম এবং তাদের উদ্দেশ্য পূরণে কাজ শুরু করলাম। আমি এতে সহজ ও সাবলীল পদ্ধতিতে উদাহরণ পেশ করার প্রতি বিশেষ যত্ন নিয়েছি, একে পরিমার্জিত করতে বিভিন্ন কিতাব অধ্যয়ন করেছি এবং এর সংক্ষেপণ ও বিস্তারিত বর্ণনায় কোনো প্রচেষ্টাই বাকি রাখিনি; কারণ শিক্ষার্থীর বিষয়গুলো বোঝা ও আয়ত্ত করার জন্য এটিই সর্বোত্তম পন্থা।
আমি সুউচ্চ ও সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমার এই কাজটিকে কেবল তাঁর মহান সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কবুল করেন এবং দুনিয়াতে যারা এটি নিয়ে কাজ করবেন তাদের জন্য একে উপকারী করেন এবং পরকালে আমার ও তাদের জন্য নাজাতের মাধ্যম বানান। নিশ্চয়ই তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান এবং প্রার্থনা কবুল করার যোগ্য। আমার তাওফিক কেবল আল্লাহর সাহায্যেই সম্ভব; তাঁরই ওপর আমি ভরসা করেছি এবং তাঁরই দিকে আমি ফিরে যাই। তিনিই আমার জন্য যথেষ্ট এবং কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক। আল্লাহ দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন আমাদের নেতা মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সঙ্গীদের ওপর। আর সকল প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।
এটি লিখেছেন
আহমাদ ইবনে ইউসুফ ইবনে মুহাম্মদ আল-আহদাল
আল্লাহ তাকে, তার পিতামাতাকে, তার উস্তাদগণকে
এবং সকল মুসলিমকে ক্ষমা করুন। আমিন।
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
بسم الله الرحمن الرحيم
مقدمة الطبعة الأولىالحمد لله وارث السموات والأرض ومن فيهن، والصلاة والسلام على سيدنا محمد خاتم الأنبياء والمرسلين القائل: (تعلموا الفرائض وعلموها الناس) وعلى الأنبياء والمرسلين والآل والصحابة أجمعين صلاة وسلاماً دائمين متلازمين إلى يوم الدين
… وبعد:
فهذه رسالة مختصرة في علم الفرائض على مذهب الإمام الشافعي رحمه الله تعالى. وسبب تحرير هذه الرسالة أنه أتاني طالب من طلاب المرحلة الثانوية وألقى عليَّ بعض الأسئلة والإستشكالات في علم الفرائض فأسعفته بالإجابة، وأصبح بيننا لقاء ونقاش في هذا الفن، فعادت بي الذاكرة إلى هذا العلم ومراجعة بعض كتبه، فأحببت أن أعمل هذه الرسالة المختصرة وأسميتها: ?إعانة الطالب في بداية علم الفرائض?.
أسأل الله تعالى أن تكون هذه الرسالة نافعة للمبتدئين في هذا الفن.
كما أسأله جلَّ وعلا أن يرزقنا العلم النافع، والإخلاص والتوفيق .. ،
وكتبه
أحمد بن يوسف بن محمد الأهدل
أحد خريجي المدرسة الصولتية
وطالب العلم بالمسجدالحرام
غفر الله له ولوالديه ولمشايخه والمسلمين
أجمعين آمين
পরম করুণাময় দয়ালু আল্লাহর নামে
প্রথম সংস্করণের ভূমিকাসকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আসমানসমূহ ও জমিন এবং এর মধ্যস্থিত সকলের উত্তরাধিকারী। আর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নেতা মুহাম্মাদের ওপর, যিনি নবী ও রাসূলগণের সমাপ্তি এবং যিনি বলেছেন: (তোমরা ফরায়েজ তথা উত্তরাধিকার আইন শেখো এবং মানুষকে তা শেখাও); এবং সকল নবী, রাসূল, তাঁদের পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবীগণের ওপর বর্ষিত হোক কিয়ামত পর্যন্ত চিরন্তন ও অবিচ্ছিন্ন দরুদ ও সালাম
... অতঃপর:
এটি ইমাম শাফেয়ী রহমাতুল্লাহি আলাইহির মাযহাব অনুযায়ী ফরায়েজ বা উত্তরাধিকার শাস্ত্রের ওপর একটি সংক্ষিপ্ত পুস্তিকা। এই পুস্তিকাটি রচনার কারণ হলো, মাধ্যমিক স্তরের এক ছাত্র আমার কাছে এসেছিল এবং ফরায়েজ শাস্ত্রের কিছু প্রশ্ন ও জটিলতা আমার সামনে তুলে ধরেছিল, তখন আমি তাকে উত্তর দিয়ে সাহায্য করেছিলাম। এরপর এই শাস্ত্র নিয়ে আমাদের মাঝে নিয়মিত আলোচনা ও মতবিনিময় চলতে থাকে; যা আমাকে এই ইলম পুনশ্চর্চা এবং এর কিছু কিতাব পর্যালোচনার স্মৃতিতে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। তখন আমি এই সংক্ষিপ্ত পুস্তিকাটি রচনার আগ্রহ বোধ করি এবং এর নাম রাখি: ‘ইয়ানাতুত তালিব ফি বিদায়াতি ইলমিল ফরায়েজ’।
আমি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন এই পুস্তিকাটি এই শাস্ত্রের নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য উপকারী হয়।
সেইসাথে আমি মহামহিম আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদের উপকারী জ্ঞান, ইখলাস ও তাওফিক দান করেন... ,
লিখেছেন
আহমদ ইবনে ইউসুফ ইবনে মুহাম্মাদ আল-আহদাল
মাদ্রাসা সওলাতিয়্যার অন্যতম স্নাতক
এবং মসজিদে হারামের ইলম অন্বেষী
আল্লাহ তাকে, তার পিতামাতাকে, তার উস্তাদগণকে এবং সকল মুসলিমকে ক্ষমা করুন
আমিন
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
بسم الله الرحمن الرحيم
{وما توفيقي إلا بالله عليه توكلت وإليه أُنيب]
عن عبد الله بن عمرو بن العاص-رضي الله عنهما-أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: (العلم ثلاثة فما سوى ذلك فهو فضل: آية محكمة، أو سنة قائمة، أو فريضة عادلة) (1).
وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (يا أبا هريرة! تعلموا الفرائض وعلموها فإنه نصف العلم، وهو يُنسى، وهو أول شيء يُنزع من أمتى) (2).
و
مبادئ كل فن عشرة. قال الناظم -رحمه الله تعالى -:
إن مباديء كل فن عشرة ....... الحد والموضوع ثم الثمرة
وفضله ونسبة والواضع ....... والاسم الاستمداد حكم الشارع
(1) حده: هو فقه المواريث، وما يضم إلى ذلك من علم الحساب.
(2) موضوعه: التركات.
(3) ثمرته: إيصال ذوي الحقوق حقوقهم.
(4) نسبته إلى غيره: أنه من العلوم الشرعية.
(5) فضله: ما ورد من الحث والترغيب في تعلمه وتعليمه.
(6) واضعه: هو الله سبحانه وتعالى.
(7) اسمه: علم الفرائض.
(8) استمداده: من الكتاب والسنة والإجماع.
(9) حكمه: فرض كفاية إذا قام به البعض سقط الحرج عن الباقين
(10) مسائله: ما يذكر في كل باب من أبوابه.
--------------------------------------------
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
{আমার তাওফিক কেবল আল্লাহর সাহায্যেই; আমি তাঁরই ওপর ভরসা করি এবং তাঁরই অভিমুখী হই।]
আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবনুল আস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: (প্রকৃত জ্ঞান হলো তিন প্রকার, যা এর অতিরিক্ত তা হলো বাড়তি ফযিলত: সুস্পষ্ট আয়াত, অথবা প্রতিষ্ঠিত সুন্নাহ, অথবা ইনসাফপূর্ণ ফরয বিধান) (১)।
এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: (হে আবু হুরায়রা! তোমরা ফারায়েয (উত্তরাধিকার জ্ঞান) শেখো এবং তা অন্যদের শেখাও; কারণ তা হলো জ্ঞানের অর্ধেক, এটি বিস্মৃত হয়ে যাবে এবং এটিই প্রথম বিষয় যা আমার উম্মত থেকে উঠিয়ে নেওয়া হবে) (২)।
এবং
প্রতিটি শাস্ত্রের মূলনীতি হলো দশটি। কিতাব রচয়িতা (নাযিম) -রাহিমাহুল্লাহু তাআলা- বলেছেন:
নিশ্চয়ই প্রতিটি শাস্ত্রের মূলনীতি হলো দশটি ....... সংজ্ঞা, আলোচ্য বিষয় এবং ফলাফল
তার মর্যাদা, পারস্পরিক সম্পর্ক ও প্রবর্তক ....... নাম, উৎস এবং শরয়ী বিধান
(১) সংজ্ঞা: এটি হলো উত্তরাধিকার সংক্রান্ত ফিকহ এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট গণিত শাস্ত্র।
(২) আলোচ্য বিষয়: মৃত ব্যক্তির পরিত্যক্ত সম্পদ।
(৩) ফলাফল: হকদারদের কাছে তাদের প্রাপ্য অধিকার পৌঁছে দেওয়া।
(৪) অন্য শাস্ত্রের সাথে সম্পর্ক: এটি একটি শরয়ী শাস্ত্র।
(৫) মর্যাদা: এটি শেখা এবং শেখানোর ব্যাপারে যে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা বর্ণিত হয়েছে।
(৬) প্রবর্তক: তিনি হলেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা।
(৭) নাম: ইলমুল ফারায়েয।
(৮) উৎস: কুরআন, সুন্নাহ এবং ইজমা।
(৯) বিধান: ফরযে কিফায়া; যদি একদল লোক তা সম্পাদন করে, তবে বাকিরা দায়মুক্ত হয়ে যায়।
(১০) মাসয়ালাসমূহ: যা এর প্রতিটি অধ্যায়ে আলোচনা করা হয়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ২০)
ما يتعلق بتركة الميت:
يتعلق بتركة الميت خمسة حقوق مرتبة:
1 ـ الحق المتعلق بعين التركة: كالزكاة والرهن والجناية.
2 ـ مؤنة التجهيز: من كفن وأجرة حفر قبر وغسل ونحو ذلك.
3 ـ الديون المرسلة في الذمة: كدين بلا رهن.
4 ـ الوصايا بالثلث فما دونه لأجنبي: (أي لغير وارث).
5 ـ الإرث: وهو المقصود بالذات.
(تعريف الإرث)الإرث لغة: البقاء وانتقال الشيء من قوم إلى قوم آخرين.
وشرعًا: حق قابل للتجزئ يثبت لمستحق بعد موت من له ذلك لقرابة بينهما ونحوها من الأسباب.
وأركان الإرث ثلاثة:
1 ـ وارث
… 2 ـ مورث
… 3 ـ حق موروث
وشروط الإرث ثلاثة:
1 ـ تحقّق موت المورِّث.
2 ـ تحقق حياة الوارث بعد موت المورث ولو لحظة.
3 ـ العلم بالجهة المقتضية للإرث من زوجيه أو ولاء أوقرابه وتعين جهة القرابة من بنوّةٍ أو أبوّةٍ نحو ذلك.
أسباب الإرث
أسباب الإرث ثلاثة:
1 ـ النسب
… 2 ـ النكاح
… 3 ـ الولاء
وزيد رابع وهو (بيت المال) إن انتظم.
মৃত ব্যক্তির ত্যাজ্য সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়াবলী:
মৃত ব্যক্তির ত্যাজ্য সম্পত্তির সাথে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি অধিকার সংশ্লিষ্ট হয়:
১. ত্যাজ্য সম্পত্তির মূল বস্তুর সাথে সংশ্লিষ্ট অধিকার: যেমন জাকাত, বন্ধক এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত অপরাধের ক্ষতিপূরণ।
২. দাফন-কাফনের খরচ: যেমন কাফন, কবর খনন ও গোসলের মজুরি এবং এই জাতীয় অন্যান্য ব্যয়।
৩. জিম্মায় থাকা সাধারণ ঋণ: যেমন বন্ধকবিহীন ঋণ।
৪. অ-ওয়ারিস বা অনাত্মীয়ের জন্য এক-তৃতীয়াংশ বা তার কম পরিমাণ ওসিয়ত।
৫. উত্তরাধিকার: যা মূলত মূল উদ্দেশ্য।
(উত্তরাধিকারের সংজ্ঞা)উত্তরাধিকারের আভিধানিক অর্থ: অবশিষ্ট থাকা এবং এক দল থেকে অন্য দলের কাছে কোনো কিছু স্থানান্তরিত হওয়া।
শরয়ি পরিভাষায়: এটি এমন এক বিভাজনযোগ্য অধিকার, যা কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার সাথে আত্মীয়তা বা অনুরূপ অন্য কোনো কারণে পাওনাদারের জন্য সাব্যস্ত হয়।
উত্তরাধিকারের স্তম্ভ তিনটি:
১. উত্তরাধিকারী
… ২. মৃত ব্যক্তি (যিনি সম্পদ রেখে গেছেন)
… ৩. উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পদ বা অধিকার
উত্তরাধিকারের শর্ত তিনটি:
১. মুরিসের (সম্পদ প্রদানকারীর) মৃত্যু নিশ্চিত হওয়া।
২. মুরিসের মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারীর অন্তত এক মুহূর্তের জন্য হলেও জীবিত থাকা নিশ্চিত হওয়া।
৩. উত্তরাধিকার লাভের কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত জ্ঞান থাকা; যেমন বৈবাহিক সম্পর্ক, ওলা (মুক্ত দাসের সাথে সম্পর্ক) কিংবা আত্মীয়তা এবং আত্মীয়তার ধরন (যেমন সন্তান হওয়া বা পিতা হওয়া ইত্যাদি) সুনির্দিষ্ট হওয়া।
উত্তরাধিকারের কারণসমূহ
উত্তরাধিকারের কারণ তিনটি:
১. বংশীয় সম্পর্ক
… ২. বিবাহ
… ৩. ওলা (দাসত্ব মুক্তিজনিত সম্পর্ক)
চতুর্থ একটি কারণ বৃদ্ধি করা হয়েছে, আর তা হলো (বায়তুল মাল বা রাষ্ট্রীয় কোষাগার), যদি তা সুশৃঙ্খল অবস্থায় থাকে।
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ২১)
موانع الإرث ثلاثة:
1 ـ الرق: فلا يرث الرقيق بجميع أنواعه ولا يورث.
نعم يرثه وارثه بما ملكه ببعضه الحر.
2 ـ القتل: فلا يرث القاتل من مقتوله.
3 ـ اختلاف الدين: فلا توارث بين مسلم وكافر.
وزيد رابع وهو (اختلاف الدار) فلا توارث بين حربي وذمي (1). .
الوارثون من الرجالالوارثون من الرجال بالاختصار عشرة وبالبسط خمسة عشر وهم:
1 ـ الابن.
… 6 ـ الأخ لأب.
… 11ـ العم لأب.
2 ـ ابن الإبن.
… 7 ـ الأخ لأم.
… 12ـ ابن العم الشقيق.
3 ـ الأب.
… 8 ـ ابن الأخ الشقيق.
… 13ـ ابن العم لأب.
4 ـ الجد.
… 9ـ ابن الأخ لأب.
… 14ـ الزوج.
5 ـ الأخ الشقيق.
… 10ـ العم الشقيق.
… 15ـ المعتق
إذا اجتمع كل الذكور يرث منهم ثلاثة:
1 ـ الابن.
… 2 ـ الأب.
3 ـ الزوج.
ويسقط البقية بالابن والأب
(وصورتها رقم 1)
--------------------------------------------
উত্তরাধিকারের প্রতিবন্ধকতা তিনটি:
১. দাসত্ব: সুতরাং সকল প্রকারের দাস উত্তরাধিকারী হয় না এবং তাদের থেকেও উত্তরাধিকার পাওয়া যায় না।
হ্যাঁ, তবে আংশিক স্বাধীন দাসের মালিকানাধীন সম্পদ থেকে তার উত্তরাধিকারীরা উত্তরাধিকার লাভ করবে।
২. হত্যা: সুতরাং হত্যাকারী তার নিহত ব্যক্তি থেকে উত্তরাধিকার পায় না।
৩. ধর্মের ভিন্নতা: সুতরাং মুসলিম ও কাফিরের মধ্যে কোনো উত্তরাধিকার বিনিময় হবে না।
চতুর্থ আরেকটি কারণ বৃদ্ধি করা হয়েছে, আর তা হলো (রাষ্ট্রের ভিন্নতা)। সুতরাং হারবি ও জিম্মির মধ্যে কোনো উত্তরাধিকার বিনিময় হয় না (১)।
পুরুষদের মধ্য হতে ওয়ারিশগণসংক্ষেপে পুরুষ ওয়ারিশ দশ জন এবং বিস্তারিত বর্ণনায় পনের জন। তারা হলেন:
১. পুত্র।
… ৬. বৈমাত্রেয় ভাই।
… ১১. বৈমাত্রেয় চাচা।
২. পৌত্র (পুত্রের পুত্র)।
… ৭. বৈপিত্রীয় ভাই।
… ১২. সহোদর চাচার ছেলে।
৩. পিতা।
… ৮. সহোদর ভাইয়ের ছেলে।
… ১৩. বৈমাত্রেয় চাচার ছেলে।
৪. পিতামহ (দাদা)।
… ৯. বৈমাত্রেয় ভাইয়ের ছেলে।
… ১৪. স্বামী।
৫. সহোদর ভাই।
… ১০. সহোদর চাচা।
… ১৫. মুক্তিদানকারী মনিব।
যদি সকল পুরুষ একত্রে সমবেত হয় তবে তাদের মধ্য থেকে তিন জন উত্তরাধিকার পায়:
১. পুত্র।
… ২. পিতা।
৩. স্বামী।
আর বাকিরা পুত্র ও পিতার কারণে বাদ পড়ে যাবে।
(এর চিত্র নং ১)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ২২)
الوارثات من النساء سبع، وبالبسط عشر وهن:
1 - البنت.
… 5 - الجدة من قبل الأب.
… 9 - الزوجة.
2 - بنت الإبن.
… 6 - الأخت الشقيقة.
… 10 - المعتقة.
3 - الأم.
… 7 - الأخت لأب.
4 - الجدة من الأم. 8 - الأخت لأم.
وإذا اجتمع كل النساء يرث منهن خمس:
1 - البنت.
… 2 - بنت الابن.
3 - الأم
… 4 - الزوجة.
5 - الأخت الشقيقة.
وصورتها رقم (1)
إذا اجتمع الذكور والإناث يرث منهم خمسة:
1 - الأب.
2 - الأم.
3 - الابن.
4 - البنت.
5 - أحد الزوجين. ولها صورتان (أ، ب)
নারী উত্তরাধিকারীগণ সাতজন, আর বিস্তারিতভাবে দশজন; তারা হলো:
১ - কন্যা।
… ৫ - দাদী (পিতার দিক থেকে)।
… ৯ - স্ত্রী।
২ - ছেলের কন্যা।
… ৬ - সহোদরা বোন।
… ১০ - মুক্তকারিণী।
৩ - মাতা।
… ৭ - বৈমাত্রেয় বোন।
৪ - নানী (মায়ের দিক থেকে)। ৮ - বৈপিত্রেয় বোন।
যদি সকল নারী উত্তরাধিকারী একত্রিত হয়, তবে তাদের মধ্য থেকে পাঁচজন উত্তরাধিকার পায়:
১ - কন্যা।
… ২ - ছেলের কন্যা।
৩ - মাতা
… ৪ - স্ত্রী।
৫ - সহোদরা বোন।
এর চিত্র নং (১)
যদি পুরুষ এবং নারী উত্তরাধিকারীগণ সকলে একত্রিত হয়, তবে তাদের মধ্য থেকে পাঁচজন উত্তরাধিকার পায়:
১ - পিতা।
২ - মাতা।
৩ - পুত্র।
৪ - কন্যা।
৫ - স্বামী বা স্ত্রীর মধ্যে কোনো একজন। এর দুটি রূপ রয়েছে (ক, খ)
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
أنواع الإثالإرث نوعان:
أـ فرض.
ب ـ تعصيب.
وأما الوارث فعلى ثلاثة أنواع:
أـ وارث بالفرض فقط.
ب ـ وارث بالتعصيب فقط.
جـ ـ وارث بالفرض تارة، وبالفرض والتعصيب تارة أخرى.
(معنى الفرض والتعصيب)
1 ـ الفرض: هو النصيب المقدر شرعًا لوارث لا يزيد إلا بالردّ ولا ينقص إلا بالعول.
2 ـ التعصيب: هو نصيب غير مقدر لوارث.
الذين يرثون بالفرض من الورثة:
جميع النساء إلا المعتقة، ومن الرجال الزوج والأخ لأم (والأب والجد) في بعض أحوالهما.
الذين يرثون بالتعصيب:
جميع الرجال إلا الزوج والأخ لأم، ولا يرث بالتعصيب أحد من النساء إلا المولاة المعتقة.
قال صاحب الرحبية:
وليس في النساء طُرًا عصبه ....... إلا التي منَّت بعتق الرقبه
উত্তরাধিকারের প্রকারভেদউত্তরাধিকার দুই প্রকার:
ক— ফরজ (নির্ধারিত অংশ)।
খ — তাসীব (অনির্ধারিত অংশ বা অবশিষ্টাংশ)।
আর উত্তরাধিকারীগণ তিন প্রকার:
ক— কেবল ফরজের মাধ্যমে উত্তরাধিকারী।
খ — কেবল তাসীবের মাধ্যমে উত্তরাধিকারী।
গ — কখনো ফরজের মাধ্যমে, আবার কখনো ফরজ ও তাসীব উভয় পদ্ধতিতে উত্তরাধিকারী।
(ফরজ ও তাসীবের অর্থ)
১ — ফরজ: এটি উত্তরাধিকারীর জন্য শরীয়ত কর্তৃক নির্ধারিত অংশ, যা 'রাদ' (প্রত্যাবর্তন) ব্যতীত বৃদ্ধি পায় না এবং 'আওল' (আনুপাতিক হ্রাস) ব্যতীত কমে না।
২ — তাসীব: এটি উত্তরাধিকারীর জন্য অনির্ধারিত অংশ।
উত্তরাধিকারীদের মধ্যে যারা ফরজের মাধ্যমে উত্তরাধিকার লাভ করেন:
মুক্তিদানকারিণী দাসী ব্যতীত সকল নারী, এবং পুরুষদের মধ্যে স্বামী ও বৈপিত্রেয় ভাই (এবং পিতা ও দাদা) তাদের কিছু বিশেষ অবস্থায়।
যারা তাসীবের মাধ্যমে উত্তরাধিকার লাভ করেন:
স্বামী ও বৈপিত্রেয় ভাই ব্যতীত সকল পুরুষ। আর নারীদের মধ্যে মুক্তিদানকারিণী মনিব ব্যতীত আর কেউ তাসীবের মাধ্যমে উত্তরাধিকারী হন না।
রাহবিয়্যাহর রচয়িতা বলেছেন:
নারীদের মধ্যে কেউই আসাবা (অবশিষ্টাংশ ভোগী) নয়, কেবল সে নারী ব্যতীত যে দাস মুক্তির মাধ্যমে অনুগ্রহ করেছে।
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
(الفروض المقدرة في كتاب الله تعالى سته)
1 ـ فرض النصف.
… 4 ـ فرض الثلثين.
2 ـ فرض الربع.
… 5 ـ فرض الثلث.
3 ـ فرض الثمن.
… 6 ـ فرض السدس.
(أصحاب النصف)
أصحاب النصف خمسة:
1 ـ الزوج: يستحق النصف بشرط واحد وهو:
1ـ أن لا يكون للزوجة فرع وارث، وصورتها رقم (1)
فإن كان لها فرع وارث استحق الزوج الربع، وصورتها رقم (2)
والفرع الوارث هو الابن وابن الابن وان سفل، وصورتها رقم (3)
والبنت وبنت الابن وان سفل، .... وصورتها رقم (4)
(আল্লাহ তাআলার কিতাবে নির্ধারিত অংশসমূহ ছয়টি)
১ — অর্ধেকের অংশ।
… ৪ — দুই-তৃতীয়াংশের অংশ।
২ — এক-চতুর্থাংশের অংশ।
… ৫ — এক-তৃতীয়াংশের অংশ।
৩ — এক-অষ্টমাংশের অংশ।
… ৬ — এক-ষষ্ঠাংশের অংশ।
(অর্ধেক অংশের উত্তরাধিকারীগণ)
অর্ধেক অংশের উত্তরাধিকারী পাঁচজন:
১ — স্বামী: সে একটি শর্তে অর্ধেকের হকদার হয়, আর তা হলো:
১ — স্ত্রীর কোনো উত্তরাধিকারী বংশধর না থাকা, এবং এর চিত্র নম্বর (১)
যদি তার কোনো উত্তরাধিকারী বংশধর থাকে তবে স্বামী এক-চতুর্থাংশ পাবে, এবং এর চিত্র নম্বর (২)
আর উত্তরাধিকারী বংশধর হলো পুত্র এবং পুত্রের পুত্র, নিচে যতদূর যায়, এবং এর চিত্র নম্বর (৩)
এবং কন্যা ও পুত্রের কন্যা, নিচে যতদূর যায়, .... এবং এর চিত্র নম্বর (৪)
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
2 ـ البنت الصلب: تستحق النصف بشرطين:
1 ـ أن لا يكون لها معصّب
2 ـ أن لا يكون لها مماثل، وصورتها رقم (1)
فإن كان لها معصّب عصبّها: أي نقلها من حالة الفرض إلى حالة التعصيب وصار للذكر مثل حظ الأنثيين.
والمعصب لها هو ابن الميت الصلب، وصورتها رقم (2).
وإن كان لها مماثل واحدة أو أكثر فلهما أو لهن الثلثان ـ وصورتها رقم (3)
২. নিজ ঔরসজাত কন্যা: সে দুটি শর্তে অর্ধাংশ পাওয়ার যোগ্য হয়:
১. তার সাথে এমন কেউ না থাকা যে তাকে আসাবায় পরিণত করে
২. তার সমপর্যায়ের কেউ না থাকা, এর চিত্র নং (১)
যদি তার সাথে এমন কেউ থাকে যে তাকে আসাবায় পরিণত করে, তবে সে তাকে আসাবায় পরিণত করবে: অর্থাৎ তাকে নির্ধারিত অংশের অবস্থা থেকে আসাবার অবস্থায় স্থানান্তরিত করবে এবং তখন এক পুরুষের অংশ দুই নারীর অংশের সমান হবে।
আর তাকে আসাবাকারী হলো মৃত ব্যক্তির নিজ ঔরসজাত পুত্র, এর চিত্র নং (২)।
আর যদি তার সাথে সমপর্যায়ের একজন বা একাধিক জন থাকে, তবে তাদের দুইজনের বা তাদের সকলের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ—এর চিত্র নং (৩)
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
3 ـ بنت الابن: تستحق النصف بثلاثة شروط:
1ـ أن لا يكون للميت فرع وارث.
2 ـ أن لا يكون لها معصب.
3 ـ أن لا يكون لها مماثل، ............. وصورتها رقم (1)
فإن كان للميت ولد صلب أو ولد ابن أقرب منها فإن كان ذكراً حجب بنت الإبن حرماناً، ............. وصورتها رقم (2)
وإن كان للميت أنثى واحدة فلبنت الابن السدس تكملة للثلثين وصورتها .... رقم (3)
وإن كان للميت أكثر من أنثى واحدة فلا شيء لبنت الإبن، وصورتها .... رقم (4)
ما لم تعصب بقريب مبارك، والقريب المبارك هو ابن الابن (أخوها أو ابن عمها) في درجتها أو أنزل منها، ....... وصورتها رقم (5 و 6)
وإن كان لبنت الابن معصب عصبها: أي نقلها من حالة الفرض إلى حالة التعصيب وصار للذكر مثل حظ الانثيين ـ والمعصب لها هو (ابن ابن) في درجتها سواء كان أخاها أو ابن عمها، ....... وصورتها رقم (7)
ولا يعصبها ابن ابن أنزل منها إلا إذا لم يكن لها فرض. كما في مثال رقم (6) السابق.
ومثال عدم تعصيب ابن الابن النازل بنت الابن الأعلى، .... وصورتها (أ، ب)
وإن كان لبنت الابن مماثل واحدة أوأكثر فلهما أو لهن الثلثان
والمماثل: هو (بنت ابن) في درجتها، ....... وصورتها رقم (8)
৩ ـ ছেলের মেয়ে: সে তিনটি শর্তে অর্ধেক পাওয়ার যোগ্য হয়:
১ ـ মৃত ব্যক্তির কোনো ওয়ারিশ উত্তরসূরি না থাকা।
২ ـ তার সাথে কোনো মুআস্সিব (উত্তরাধিকার লাভে আসাবা প্রদানকারী) না থাকা।
৩ ـ তার সমপর্যায়ের কেউ না থাকা, ............. এবং এর চিত্র নং (১)
যদি মৃত ব্যক্তির নিজস্ব কোনো সন্তান অথবা তার চেয়ে নিকটবর্তী কোনো ছেলের ঘরের সন্তান থাকে, তবে সে যদি পুরুষ হয় সে ক্ষেত্রে সে ছেলের মেয়েকে পুরোপুরি বঞ্চিত করবে, ............. এবং এর চিত্র নং (২)
যদি মৃত ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা থাকে, তবে দুই-তৃতীয়াংশ পূর্ণ করার জন্য ছেলের মেয়ে এক-ষষ্ঠাংশ পাবে, এবং এর চিত্র .... নং (৩)
যদি মৃত ব্যক্তির একের অধিক কন্যা থাকে, তবে ছেলের মেয়ে কিছুই পাবে না, এবং এর চিত্র .... নং (৪)
যতক্ষণ না সে কোনো বরকতময় নিকটাত্মীয়ের মাধ্যমে আসাবা হয়; আর বরকতময় নিকটাত্মীয় হলো ছেলের ছেলে (তার ভাই অথবা চাচাতো ভাই), যে তার সমপর্যায়ের কিংবা তার নিচের স্তরের, ....... এবং এর চিত্র নং (৫ ও ৬)
আর ছেলের মেয়ের সাথে যদি কোনো মুআস্সিব থাকে, তবে সে তাকে আসাবা করবে: অর্থাৎ তাকে নির্ধারিত অংশের অবস্থা থেকে আসাবার অবস্থায় স্থানান্তরিত করবে এবং তখন এক পুরুষ দুই নারীর সমান অংশ পাবে — আর তার মুআস্সিব হলো তার সমপর্যায়ের (ছেলের ছেলে), সে তার ভাই হোক কিংবা চাচাতো ভাই হোক, ....... এবং এর চিত্র নং (৭)
নিচের স্তরের কোনো ছেলের ছেলে তাকে আসাবা করবে না, যদি না সে নির্ধারিত অংশ থেকে বঞ্চিত হওয়ার অবস্থায় থাকে। যেমনটি পূর্বের ৬ নম্বর উদাহরণে রয়েছে।
নিচের স্তরের ছেলের ছেলে কর্তৃক উপরের স্তরের ছেলের মেয়েকে আসাবা না করার উদাহরণ হলো, .... এবং এর চিত্র (ক, খ)
ছেলের মেয়ের যদি এক বা একাধিক সমপর্যায়ের কেউ থাকে, তবে তারা উভয়ে বা সকলে মিলে দুই-তৃতীয়াংশ পাবে।
আর সমপর্যায়ের হলো: তার সমপর্যায়ের (ছেলের মেয়ে), ....... এবং এর চিত্র নং (৮)
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
4 ـ الأخت الشقيقة: تستحق النصف بأربعة شروط:
1 ـ أن لا يكون للميت فرع وارث.
2 ـ أن لا يكون للميت أب.
3 ـ أن لا يكون لها معصب.
4 ـ أن لا يكون لها مماثل، ............ وصورتها رقم (1).
فإن كان للميت فرع وارث من ولد صلب أو ولد ابن، فإن كان ذكراً حجبها حرماناً، ......... وصورتها (أ، ب).
وإن كان للميت بنت واحدة أو متعددة فالشقيقة معها أو معهن عصبة ولها صور منها رقم (2، و3 و4).
وإن كان للميت أب حجبها حرماناً، ......... وصورتها رقم (5)
وإن كان لها معصب عصبها وصار للذكر مثل حظ الأنثيين.
(والمعصب لها أخوها الشقيق) ......... وصورتها رقم (6)
وإن كان لها مماثل (أخت شقيقة فأكثر) فلهما أو لهن الثلثان. وصورتها رقم (7)
৪ - সহোদরা বোন: তিনি চারটি শর্তে অর্ধাংশ পাওয়ার অধিকারী হবেন:
১ - মৃতের কোনো ওয়ারিশ মূলবংশধর না থাকা।
২ - মৃতের পিতা না থাকা।
৩ - তার সাথে কোনো মুয়াসসিব না থাকা।
৪ - তার কোনো সমকক্ষ না থাকা, ............ এবং এর চিত্র নং (১)।
যদি মৃতের ঔরসজাত সন্তান বা পুত্রের সন্তানের মধ্য থেকে কোনো ওয়ারিশ মূলবংশধর থাকে, তবে সে যদি পুরুষ হয়, তবে সে তাকে সম্পূর্ণরূপে বঞ্চিত করবে, ......... এবং এর চিত্র (ক, খ)।
আর যদি মৃতের এক বা একাধিক কন্যা থাকে, তবে সহোদরা বোন তার বা তাদের সাথে আসাবা হবে এবং এর বিভিন্ন চিত্র রয়েছে, যার মধ্যে নং (২, ৩ এবং ৪)।
আর যদি মৃতের পিতা থাকে, তবে তিনি তাকে সম্পূর্ণরূপে বঞ্চিত করবেন, ......... এবং এর চিত্র নং (৫)।
আর যদি তার সাথে কোনো মুয়াসসিব থাকে, তবে সে তাকে আসাবা বানাবে এবং তখন এক পুরুষের অংশ দুই নারীর অংশের সমান হবে।
(তার জন্য মুয়াসসিব হলো তার সহোদর ভাই) ......... এবং এর চিত্র নং (৬)।
আর যদি তার সমকক্ষ থাকে (এক বা একাধিক সহোদরা বোন), তবে তাদের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ। এবং এর চিত্র নং (৭)।
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
5 ـ الأخت لأب: تستحق النصف بخمسة شروط:
1 ـ أن لا يكون للميت فرع وارث.
2 ـ أن لا يكون للميت أب.
3 ـ أن لا يكون للميت أحد من الأشقاء.
4 ـ أن لا يكون لها معصب.
5 ـ أن لا يكون لها مماثل، وصورتها رقم (1)
فإن كان للميت فرع وارث، فإن كان ذكراً حجبها حرماناً، ..... وصورتها رقم (2)
وإن كان للميت أنثى (بنت أو أكثر) صارت الأخت لأب عصبة مع الفرع الوارث الأنثى، .. وصورتها رقم (3)
وإن كان للميت أب حجبها حرماناً، ......... وصورتها رقم (4)
وإن وجد مع الأخت لأب أحد من الأشقاء وكان ذكرًا حجبها حرماناً، ........... وصورتها رقم (5)
وإن وجد مع الأخت لأب شقيقة واحدة واستحقت النصف بالفرض فللأخت لأب السدس تكملة للثلثين، ...... وصورتها رقم (6)
وإن وجد مع الأخت لأب عدد من الأخوات الأشقاء فلا شيء للأخت
৫ ـ বৈমাত্রেয় বোন: পাঁচটি শর্তে অর্ধেকের (১/২) অধিকারী হয়:
১ ـ মৃত ব্যক্তির কোনো উত্তরাধিকারী অধঃস্তন বংশধর না থাকা।
২ ـ মৃত ব্যক্তির পিতা না থাকা।
৩ ـ মৃত ব্যক্তির কোনো সহোদর (ভাই বা বোন) না থাকা।
৪ ـ তার সাথে কোনো মুআসসিব (এমন পুরুষ যে তাকে আসাবা বানায়) না থাকা।
৫ ـ তার সাথে সমপর্যায়ের কেউ (অন্য বৈমাত্রেয় বোন) না থাকা, এর চিত্র নং (১)
যদি মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী অধঃস্তন বংশধর থাকে, আর সে যদি পুরুষ হয়, তবে সে তাকে উত্তরাধিকার থেকে সম্পূর্ণরূপে বঞ্চিত করবে, ..... এর চিত্র নং (২)
আর যদি মৃত ব্যক্তির কোনো নারী উত্তরাধিকারী (এক বা একাধিক কন্যা) থাকে, তবে বৈমাত্রেয় বোন সেই নারী উত্তরাধিকারীর সাথে আসাবা হিসেবে গণ্য হবে, .. এর চিত্র নং (৩)
আর যদি মৃত ব্যক্তির পিতা থাকে, তবে সে তাকে উত্তরাধিকার থেকে সম্পূর্ণরূপে বঞ্চিত করবে, ......... এর চিত্র নং (৪)
আর যদি বৈমাত্রেয় বোনের সাথে সহোদরদের কেউ থাকে এবং সে পুরুষ হয়, তবে সে তাকে উত্তরাধিকার থেকে সম্পূর্ণরূপে বঞ্চিত করবে, ........... এর চিত্র নং (৫)
আর যদি বৈমাত্রেয় বোনের সাথে একজন মাত্র সহোদর বোন থাকে এবং সে নির্ধারিত অংশ হিসেবে অর্ধেক পাওয়ার অধিকারী হয়, তবে বৈমাত্রেয় বোন দুই-তৃতীয়াংশ পূর্ণ করার জন্য এক-ষষ্ঠাংশ পাবে, ...... এর চিত্র নং (৬)
আর যদি বৈমাত্রেয় বোনের সাথে একাধিক সহোদর বোন থাকে, তবে বৈমাত্রেয় বোন কোনো অংশ পাবে না।
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ৩১)
لأب وصورتها رقم (7) مالم تعصب بأخ مبارك وصورتها رقم (8).
وإن صارت الشقيقة عصبه مع الفرع الوارث الأنثى فلا شيء b للزخت لأب بل تحجب حرمانا ....... وصورتها رقم (9)
وإن كان لها معصب ـ وهو أخو الميت لأب واحدًا فأكثر ـ عصبها وصار للذكر مثل حظ الأنثيين ....... وصورتها رقم (10)
وإن كان لها مماثل وهو (أخت لأب فأكثر) فلهما أو لهن الثلثان
… وصورتها رقم (11)
إذا اجتمع أصحاب النصف يرث منهم أربعة:
পিতা-শরীক বোন এবং এর চিত্র নং (৭), যতক্ষণ না সে মুবারক ভাই (বরকতময় ভাই) দ্বারা আসাবা হয় এবং এর চিত্র নং (৮)।
আর যদি আপন বোন নারী উত্তরাধিকারী অধস্তন বংশধরের সাথে আসাবা হয়, তবে পিতা-শরীক বোনের জন্য কিছুই থাকবে না, বরং সে বঞ্চিত (মাহজুব) হবে... এবং এর চিত্র নং (৯)
আর যদি তার সাথে কোনো আসাবা প্রদানকারী থাকে—যিনি মৃত ব্যক্তির এক বা একাধিক পিতা-শরীক ভাই—তবে তিনি তাকে আসাবাভুক্ত করবেন এবং তখন পুরুষ দুই নারীর অংশের সমান অংশ পাবে... এবং এর চিত্র নং (১০)
আর যদি তার সমজাতীয় কেউ থাকে—আর তা হলো (একাধিক পিতা-শরীক বোন)—তবে তাদের দুই জন বা ততোধিকের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ
… এবং এর চিত্র নং (১১)
যখন অর্ধেক অংশের প্রাপকগণ সমবেত হন, তখন তাদের মধ্য থেকে চারজন উত্তরাধিকার লাভ করেন:
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ৩২)
الزوج يأخذ الربع لوجود الفرع الوارث.
والبنت تأخذ النصف لعدم المعصب والمماثل.
وينت الابن تأخذ السدس تكملة للثلثين لوجود البنت الواحدة وعدم المعصب.
والشقيقة عصبة مع الغير لأنها مع البنات تقوم مقام الشقيق، والأخت لأب محجوبة لوجود الشقيقة عصبة مع الغير. وصورتها رقم (1)
2 ـ أصحاب الربع اثنين:1 ـ الزوج: يستحق الربع بشرط واحد:
1ـ أن يكون للزوجة فرع وارث. وصورتها (أ)
فإن لم يكن للزوجة فرع وارث استحق النصف. وصورتها (ب)
উত্তরাধিকারী বংশধরের উপস্থিতির কারণে স্বামী এক-চতুর্থাংশ পাবেন।
উত্তরাধিকার লাভে সহায়তাকারী পুরুষ এবং সমপর্যায়ের কেউ না থাকায় কন্যা অর্ধেক পাবেন।
একজন কন্যা থাকা এবং উত্তরাধিকার লাভে সহায়তাকারী পুরুষ না থাকায় দুই-তৃতীয়াংশ পূর্ণ করার জন্য পৌত্রী (পুত্রের কন্যা) এক-ষষ্ঠাংশ পাবেন।
সহোদরা বোন অন্যের সাথে আসাবা হিসেবে গণ্য হবেন, কারণ কন্যাদের উপস্থিতিতে তিনি সহোদর ভাইয়ের স্থলাভিষিক্ত হন। আর সহোদরা বোন অন্যের সাথে আসাবা হওয়ার কারণে বৈমাত্রেয় বোন অংশ থেকে বঞ্চিত হবেন। এর চিত্র নম্বর (১)।
২ — এক-চতুর্থাংশ প্রাপক দুইজন:১ — স্বামী: তিনি একটি শর্তে এক-চতুর্থাংশ পাওয়ার অধিকারী হন:
১ — স্ত্রীর কোনো উত্তরাধিকারী বংশধর থাকলে। এর চিত্র (ক)।
যদি স্ত্রীর কোনো উত্তরাধিকারী বংশধর না থাকে, তবে তিনি অর্ধেক পাওয়ার অধিকারী হবেন। এর চিত্র (খ)।
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
2 ـ الزوجة أو الزوجات تستحق الربع بشرط:
1ـ أن لا يكون للزوج فرع وارث
… وصورتها (أ، ب)
ـ فإن كان له فرع وارث فلها أو لهن الثمن. وصورتها (جـ، د)
3 ــ أصحاب الثمن: يفرض الثمن للزوجة أو الزوجات بشرط:
أـ أن يكون للزوج فرع وارث .. وصورتها رقم (1)
فإن لم يكن له فرع وارث فلها أو لهن الربع .. وصورتها رقم (2)
২ — স্ত্রী বা স্ত্রীগণ এক-চতুর্থাংশ পাওয়ার অধিকারী হন এই শর্তে:
১— যদি স্বামীর কোনো উত্তরাধিকারী বংশধর না থাকে
… এবং এর চিত্র (ক, খ)
— আর যদি তাঁর উত্তরাধিকারী বংশধর থাকে, তবে তাঁর বা তাঁদের জন্য এক-অষ্টমাংশ। এবং এর চিত্র (গ, ঘ)
৩ ── এক-অষ্টমাংশ প্রাপকগণ: স্ত্রী বা স্ত্রীগণের জন্য এক-অষ্টমাংশ নির্ধারিত হয় এই শর্তে:
ক— যদি স্বামীর উত্তরাধিকারী বংশধর থাকে .. এবং এর চিত্র নং (১)
আর যদি তাঁর কোনো উত্তরাধিকারী বংশধর না থাকে, তবে তাঁর বা তাঁদের জন্য এক-চতুর্থাংশ .. এবং এর চিত্র নং (২)
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
4 ـ أصحاب الثلثين: يفرض الثلثان لأربعة:
1 ـ البنتان للصلب فأكثر: تستحق بنتا الصلب فأكثر الثلثين بشرط:
1 ـ أن لا يكون لهما معصِّب ...... وصورتها رقم (1)
فإن كان لهما معصِّب عصَّبهما وصار للذكر مثل حظ الأنثيين .... وصورتها رقم (2)
2 ــ بنتا الابن فأكثر: تستحق بنتا الابن فأكثر الثلثين بشرطين:
1 ــ أن لا يكون للميت ولد صلب ولا ولد ابن أقرب منهما.
2 ــ أن لا يكون لهما معصب ........ وصورتها رقم (1)
فإن كان للميت ولد صلب أوولد ابن أقرب منهما فإن كان ذكراً حجبهما حرمانًا .... وصورتها رقم (2)
وإن كان للميت أنثى واحدة فلهما السدس تكملة للثلثين .. وصورتها رقم (3)
وإن كان للميت أنثى متعددة فلا شيء b لبنتي الابن
… وصورتها رقم (4)، مالم تعصبا بقريب مبارك ......... وصورتها رقم (5)
وإن كان لبنتي الإبن معصب عصبهما وصار للذكر مثل حظ الأنثيين ......... وصورتها رقم (6)
৪. দুই-তৃতীয়াংশের অধিকারীগণ: চার শ্রেণির ব্যক্তির জন্য দুই-তৃতীয়াংশ নির্ধারিত হয়:
১. দুই বা ততোধিক ঔরসজাত কন্যা: দুই বা ততোধিক ঔরসজাত কন্যা একটি শর্তে দুই-তৃতীয়াংশের অধিকারী হয়:
১. তাদের সাথে কোনো আসাবা (উত্তরাধিকার প্রাপ্তিতে সাহায্যকারী পুরুষ) না থাকা... চিত্র নম্বর (১)
যদি তাদের সাথে আসাবা থাকে, তবে সে তাদেরকে আসাবায় পরিণত করবে এবং তখন এক পুরুষের অংশ দুই নারীর অংশের সমান হবে... চিত্র নম্বর (২)
২. দুই বা ততোধিক পৌত্রী: দুই বা ততোধিক পৌত্রী দুটি শর্তে দুই-তৃতীয়াংশের অধিকারী হয়:
১. মৃত ব্যক্তির কোনো ঔরসজাত সন্তান অথবা তাদের চেয়ে নিকটবর্তী কোনো পৌত্র-পৌত্রী না থাকা।
২. তাদের সাথে কোনো আসাবা না থাকা... চিত্র নম্বর (১)
যদি মৃত ব্যক্তির কোনো ঔরসজাত সন্তান অথবা তাদের চেয়ে নিকটবর্তী কোনো পৌত্র থাকে, তবে সে পুরুষ হলে তাদেরকে পূর্ণ বঞ্চিত করবে... চিত্র নম্বর (২)
আর মৃত ব্যক্তির যদি একজন মাত্র কন্যা থাকে, তবে পৌত্রীরা দুই-তৃতীয়াংশ পূর্ণ করার জন্য এক-ষষ্ঠাংশ পাবে... চিত্র নম্বর (৩)
আর মৃত ব্যক্তির যদি একাধিক কন্যা থাকে, তবে পৌত্রীরা কিছুই পাবে না
... চিত্র নম্বর (৪); যদি না তারা কোনো বরকতময় নিকটাত্মীয়ের মাধ্যমে আসাবায় পরিণত হয়... চিত্র নম্বর (৫)
আর পৌত্রীদের সাথে যদি আসাবা থাকে, তবে সে তাদেরকে আসাবায় পরিণত করবে এবং তখন এক পুরুষের অংশ দুই নারীর অংশের সমান হবে... চিত্র নম্বর (৬)
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
3 ـ الأختان الشقيقتان فأكثر:
تستحق الأختان الشقيقتان فأكثر الثلثين بثلاثة شروط:
1 ـ أن لا يكون للميت فرع وارث.
2 ـ أن لا يكون للميت أب.
৩ - দুই বা ততোধিক সহোদর বোন:
দুই বা ততোধিক সহোদর বোন তিনটি শর্তে দুই-তৃতীয়াংশ পাওয়ার অধিকারী হয়:
১ - মৃত ব্যক্তির কোনো উত্তরাধিকারী বংশধর না থাকা।
২ - মৃত ব্যক্তির পিতা না থাকা।
(খণ্ড: ১)
ইয়ানাতুত তালিব ফী বিদায়াতি ইলমিল ফারায়িজ
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
3 ـ أن لا يكون لهما أو لهن معصب ....... وصورتها رقم (1)
فإن كان للميت فرع وارث فإن كان ذكرًا حجبهماحرمانًا .... وصورتها رقم (2)
وإن كان للميت أنثى فالأختان الشقيقتان مع الأنثى عصبة .... وصورتها رقم (3)
وإن كان للميت أب حجبهما حرمانًا .... وصورتها رقم (4)
وإن كان لهما معصب عصبهما وصار للذكر مثل حظ الأنثيين .... وصورتها رقم (5)
৩. তাদের জন্য কোনো মুআস্সিব (উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে আসাবা গঠনকারী পুরুষ) থাকবে না... এবং এর চিত্র নং (১)
যদি মৃত ব্যক্তির কোনো উত্তরাধিকারী বংশধর থাকে এবং সে যদি পুরুষ হয়, তবে সে তাদের উভয়কে উত্তরাধিকার থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত করবে... এবং এর চিত্র নং (২)
যদি মৃত ব্যক্তির কোনো নারী উত্তরাধিকারী থাকে, তবে সহোদর দুই বোন সেই নারী উত্তরাধিকারীর সাথে আসাবা হিসেবে গণ্য হবে... এবং এর চিত্র নং (৩)
যদি মৃত ব্যক্তির পিতা থাকে, তবে তিনি তাদের উভয়কে উত্তরাধিকার থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত করবেন... এবং এর চিত্র নং (৪)
যদি তাদের সাথে কোনো মুআস্সিব থাকে, তবে সে তাদের আসাবায় পরিণত করবে এবং তখন এক পুরুষের অংশ দুই নারীর অংশের সমান হবে... এবং এর চিত্র নং (৫)