(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: -)
مشاهداتي في المملكة العربية السعودية القسم: كتب عامة
الكتاب: مشاهداتي في المملكة العربية السعودية
المؤلف: أَبِو عَبد الرَّحمَن مُقْبلُ بنُ هَادِي بنِ مُقْبِلِ بنِ قَائِدَةَ (اسم رجل) الهَمْدَاني الوادعِيُّ (ت 1422هـ)
الناشر: دَارُ الآثَار للنشر وَالتوزيع، صَنعاء - اليمن
الطبعة: الأولى، 1426 هـ - 2005 م
عدد الصفحات: 32
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 6 محرم 1434
সৌদি আরব রাজ্যে আমার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতাসমূহ বিভাগ: সাধারণ বইসমূহ
গ্রন্থ: সৌদি আরব রাজ্যে আমার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতাসমূহ
লেখক: আবু আবদুর রহমান মুকবিল বিন হাদি বিন মুকবিল বিন কায়িদাহ (এক ব্যক্তির নাম) আল-হামদানি আল-ওয়াদি'ঈ (মৃত্যু ১৪২২ হিজরি)
প্রকাশক: দারুল আসার পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন, সানা - ইয়েমেন
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৬ হিজরি - ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩২
[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৬ মুহাররাম ১৪৩৪
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: -)
مشاهداتي في المملكة العربية السعودية
أبوعبد الرحمن مقبل بن هادي الوادعي
المتوفى سنة 1422هـ رحمه الله تعالى
تقديم
يحيى بن علي الحجوري
সৌদি আরবে আমার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতাসমূহ
আবু আবদুর রহমান মুকবিল ইবনে হাদি আল-ওয়াদি'ঈ
মৃত্যু: ১৪২২ হিজরি, আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন
উপস্থাপনা
ইয়াহইয়া বিন আলী আল-হাজুরি
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩)
بسم الله الرحمن الرحيم
مقدمة الشيخ يحيى بن علي الحجوريالحمد لله حمدًا كثيرًا طيبًا مباركًا فيه، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله. أما بعد:
فقد أثنى الله عزوجل على أهل العلم الصادقين الناصحين، فقال تعالى في كتابه الكريم: {شَهِدَ اللهُ أَنَّهُ لا إِلَهَ إِلَّا هُوَ وَالمَلائِكَةُ وَأُولُو العِلْمِ قَائِماً بِالقِسْطِ لا إِلَهَ إِلَّا هُوَ العَزِيزُ الحَكِيمُ} [آل عمران: 18].
وقال تعالى: {وَتِلْكَ الأَمْثَالُ نَضْرِبُهَا لِلنَّاسِ وَمَا يَعْقِلُهَا إِلَّا العَالِمُونَ} [العنكبوت: 43].
وقال تعالى: {قُلْ هَلْ يَسْتَوِي الَّذِينَ يَعْلَمُونَ وَالَّذِينَ لا يَعْلَمُونَ} [الزمر: 9].
وقال سبحانه في كتابه الكريم: {إِنَّمَا يَخْشَى اللهَ مِنْ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
শেখ ইয়াহইয়া বিন আলী আল-হাজুরীর ভূমিকাসমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, প্রচুর, পবিত্র ও বরকতময় প্রশংসা। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল। অতঃপর:
আল্লাহ আজ্জা ওয়াজাল সত্যনিষ্ঠ ও নসিহতকারী আলেমদের প্রশংসা করেছেন। তিনি তাঁর সম্মানিত কিতাবে বলেছেন: {আল্লাহ সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, নিশ্চয়ই তিনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই; এবং ফেরেশতাগণ ও ন্যায়নিষ্ঠ আলেমগণও (সাক্ষ্য দিয়েছেন)। তিনি ন্যায়বিচারের ওপর প্রতিষ্ঠিত। তিনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।} [আলে ইমরান: ১৮]।
এবং মহান আল্লাহ বলেন: {এই সকল দৃষ্টান্ত আমি মানুষের জন্য পেশ করি, কিন্তু কেবল আলেমরাই তা অনুধাবন করতে পারে।} [আল-আনকাবুত: ৪৩]।
এবং মহান আল্লাহ বলেন: {বলুন, যারা জানে আর যারা জানে না, তারা কি সমান হতে পারে?} [আয-যুমার: ৯]।
এবং মহান আল্লাহ তাঁর সম্মানিত কিতাবে বলেছেন: {নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে কেবল...}
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৪)
عِبَادِهِ العُلَمَاءُ} [فاطر: 28].
وقال تعالى: {يَرْفَعِ اللهُ الَّذِينَ آمَنُوا مِنْكُمْ وَالَّذِينَ أُوتُوا العِلْمَ دَرَجَاتٍ} [المجادلة: 11].
ففي هذه الآيات العظيمة بيان من الله عز وجل بفضل أهل العلم، وأن فضلهم ذلك يتضمن خشيتهم لله عزوجل، وتعقلهم للأمور؛ ولهذا رفعهم الله عزوجل في الدنيا؛ فأمر الناس بالرجوع إليهم في أهم ما خلقوا من أجله؛ وهو أمر دينهم.
فقال تعالى: {فَاسْأَلوا أَهْلَ الذِّكْرِ إِنْ كُنْتُمْ لا تَعْلَمُونَ} [النحل: 43].
ولما كانوا بهذه المنزلة عنده سبحانه أشهدهم على وحدانيته، وإذا قَبلَ الله عزوجل شهادتهم بأجل شهادة وأعظمهما وأصدقها من أجل شاهد بأجل مشهود، فلا غرابة أن يكون كلامهم فيما دون ذلك له من القبول والأهمية ما ليس لكلام غيرهم.
وقد ذكر العلامة الشوكاني رحمه الله في إرشاد الفحول
...তাঁর বান্দাদের মধ্যে কেবল জ্ঞানীরাই।} [ফাত্বির: ২৮]।
এবং মহান আল্লাহ বলেন: {তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে এবং যাদের জ্ঞান দান করা হয়েছে, আল্লাহ তাদের মর্যাদায় সুউচ্চ করবেন} [আল-মুজাদালাহ: ১১]।
এই মহান আয়াতসমূহে আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার পক্ষ থেকে জ্ঞানীদের শ্রেষ্ঠত্বের বর্ণনা রয়েছে। আর তাঁদের এই শ্রেষ্ঠত্ব মহান আল্লাহর প্রতি তাঁদের ভয় এবং বিষয়াবলি অনুধাবনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করে। এই কারণেই মহান আল্লাহ দুনিয়াতে তাঁদের মর্যাদা সুউচ্চ করেছেন; ফলে তিনি মানুষকে তাঁদের নিকট ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন এমন এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যার জন্য তাঁদের সৃষ্টি করা হয়েছে; আর তা হলো তাঁদের দ্বীনের বিষয়।
মহান আল্লাহ বলেন: {তোমরা যদি না জানো, তবে জ্ঞানীদের জিজ্ঞাসা করো} [আন-নাহল: ৪৩]।
যেহেতু তাঁরা সুবহানাহু ওয়া তাআলার নিকট এমন মর্যাদায় অধিষ্ঠিত, তাই তিনি তাঁদেরকে তাঁর একত্ববাদের সাক্ষী বানিয়েছেন। আর মহান আল্লাহ যখন তাঁদের সাক্ষ্যকে সর্বশ্রেষ্ঠ, মহান এবং সত্যতম সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছেন—যা এক মহান সাক্ষ্যদাতার পক্ষ থেকে এক মহান বিষয় সম্পর্কে প্রদান করা হয়েছে—তবে এতে আশ্চর্যের কিছু নেই যে, এর চেয়ে নিম্নতর বিষয়ে তাঁদের বক্তব্যের এমন গ্রহণযোগ্যতা (القبول) ও গুরুত্ব থাকবে যা অন্যদের বক্তব্যের ক্ষেত্রে নেই।
আর আল্লামা শাওকানি (রহিমাহুল্লাহ) ইরশাদুল ফুহুল গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৫)
قول الكيا الهراسي مستنكرًا على الشافعي رحمه الله قوله بعدم نسخ القرآن بالسنة قال: هفوات الكبار على أقدارهم، ومن عظم قدره عظم خطؤه، فالعالم من علماء المسلمين مهما بلغ علمه، وقوي فهمه، واشتد من الله خوفه، فإنه ليس بمعصوم، ولكن الله إذا علم من العبد محبته الهدى والحق والسعي إليه يسر له ذلك.
قال تعالى: {يَا أَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَكُمْ بُرْهَانٌ مِنْ رَبِّكُمْ وَأَنْزَلْنَا إِلَيْكُمْ نُوراً مُبِيناً * فَأَمَّا الَّذِينَ آمَنُوا بِاللهِ وَاعْتَصَمُوا بِهِ فَسَيُدْخِلُهُمْ فِي رَحْمَةٍ مِنْهُ وَفَضْلٍ وَيَهْدِيهِمْ إِلَيْهِ صِرَاطاً مُسْتَقِيماً} [النساء: 174 175]. وقال تعالى: {إِنَّ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ يَهْدِيهِمْ رَبُّهُمْ بِإِيمَانِهِمْ} [يونس: 9].
وقال تعالى: {وَالَّذِينَ اهْتَدَوْا زَادَهُمْ هُدىً وَآتَاهُمْ تَقْوَاهُمْ} [محمد: 17].
وهذا شأن علماء السنة رحمهم الله في كل زمان.
وما أعظم وصية أمير المؤمنين عمر بن الخطاب لأبي
আল-কিয়া আল-হাররাসি ইমাম শাফিঈ (রহিমাহুল্লাহ)-এর সুন্নাহ দ্বারা কুরআনের বিধান রহিতকরণ (نسخ) না হওয়ার মতের ওপর আপত্তি জানিয়ে বলেন: "বড়দের পদস্খলন তাদের মর্যাদা অনুযায়ীই হয়ে থাকে; যার মর্যাদা যত সুউচ্চ, তার ভুলও তত বড়।" সুতরাং মুসলিম উম্মাহর আলিমদের মধ্য থেকে কোনো আলিম ইলমে যত উচ্চ মাকামেই পৌঁছান না কেন, তাঁর বোধশক্তি যত প্রখরই হোক না কেন এবং আল্লাহর প্রতি তাঁর খোদাভীতি যত তীব্রই হোক না কেন, তিনি নিষ্পাপ (معصوم) নন। তবে আল্লাহ যদি কোনো বান্দার অন্তরে হিদায়াত ও সত্যের প্রতি মহব্বত এবং তা অন্বেষণের সংকল্প দেখেন, তবে তিনি তার জন্য সে পথ সুগম করে দেন।
মহান আল্লাহ বলেন: {হে মানবকুল! তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে অকাট্য প্রমাণ এসেছে এবং আমি তোমাদের প্রতি সুস্পষ্ট জ্যোতি অবতীর্ণ করেছি। অতঃপর যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছে এবং তাঁকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরেছে, তিনি তাদেরকে স্বীয় রহমত ও অনুগ্রহের অন্তর্ভুক্ত করবেন এবং তাদেরকে তাঁর নিজের দিকে সরল পথে পরিচালিত করবেন।} [নিসা: ১৭৪-১৭৫]। মহান আল্লাহ আরও বলেন: {নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম করেছে, তাদের প্রতিপালক তাদের ঈমানের কারণে তাদেরকে পথ প্রদর্শন করবেন।} [ইউনূস: ৯]।
মহান আল্লাহ আরও বলেন: {আর যারা হিদায়াত লাভ করেছে, আল্লাহ তাদের হিদায়াত আরও বৃদ্ধি করে দেন এবং তাদেরকে তাদের তাকওয়া প্রদান করেন।} [মুহাম্মদ: ১৭]।
আর এটিই হলো সর্বযুগের সুন্নাহর আলিমদের (রহিমাহুমুল্লাহ) বৈশিষ্ট্য।
আর আমিরুল মুমিনীন উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর পক্ষ থেকে আবু-এর প্রতি করা অসিয়ত কতই না মহান!
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৬)
موسى رضي الله عنهما إذ قال في كتابه إليه: أما بعد لا يمنعنَّكَ قضاء قضيته بالأمس راجعت فيه نفسك وهديت فيه لرُشدِك أن ترجِعَ إلى الحق فإن الحق قديمٌ.
وقال الإمام الشافعي رحمه الله: إننا بشر نقول القول اليوم ونرجع عنه غدًا.
وهذا من أجلِّ مناقب علماء السنة رحمهم الله: تحريهم للحق، وعدم اتصافهم بالهوى.
وهذا الذي مع شيخنا الإمام الوادعي رحمه الله عايشناه، ومن فضيلته لمسناهُ، ومن أوضح الأدلة على ذلك ما تراه في هذا التراجع النبيل عن كلامه في الدولة السعودية، وما تراه من حسنِ الثناءِ عليها بما هي أهله إن شاء الله من إجلال علماء السنة، وأكرامهم، وخدمة تلك المقدسات، ونشرهم للتوحيد ونفعهم سائر المسلمين. فجزاهم الله على ذلك خيرًا ودفع عن بلادهم وسائر بلاد المسلمين كل سوء ومكروه.
وهذا البيان الرائع من إمام الدعوة السلفية في اليمن
...মুসা (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা), যখন তিনি তাঁর নিকট লিখিত পত্রে বলেছিলেন: "অতঃপর, গতকাল আপনি যে ফয়সালা করেছেন, যাতে আপনি নিজের নফসের পর্যালোচনা করেছেন এবং সঠিক পথের দিশা পেয়েছেন, সেই ফয়সালা যেন আপনাকে সত্যের দিকে ফিরে আসতে বাধা না দেয়। কারণ সত্য চিরন্তন।"
এবং ইমাম শাফিঈ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: "নিশ্চয়ই আমরা মানুষ; আজ আমরা একটি কথা বলি এবং আগামীকাল তা থেকে ফিরে আসি।"
আর এটি সুন্নাহর আলেমদের (রাহিমাহুমুল্লাহ) অন্যতম শ্রেষ্ঠ মর্যাদা (مناقب): তাঁদের সত্যের অনুসন্ধান করা এবং প্রবৃত্তির (الهوى) বশবর্তী না হওয়া।
আমাদের শায়খ ইমাম আল-ওয়াদিয়ী (রাহিমাহুল্লাহ)-এর ক্ষেত্রেও আমরা তাই প্রত্যক্ষ করেছি এবং তাঁর ফযিলত থেকে আমরা তা অনুভব করেছি। এর অন্যতম স্পষ্ট প্রমাণ হলো সৌদি রাষ্ট্র সম্পর্কে তাঁর পূর্ববর্তী বক্তব্যের ক্ষেত্রে এই মহৎ প্রত্যাবর্তন (تراجع), এবং আপনি তাদের প্রতি যে সুউচ্চ প্রশংসা দেখতে পাচ্ছেন তারা ইনশাআল্লাহ তার যোগ্য—যেমন সুন্নাহর আলেমদের সম্মান ও মর্যাদা প্রদান, পবিত্র স্থানসমূহের খিদমত, তাওহীদ প্রচার এবং সাধারণ মুসলিমদের উপকার করা। আল্লাহ তাদের এর জন্য উত্তম প্রতিদান দিন এবং তাদের দেশসহ সকল মুসলিম দেশ থেকে যাবতীয় অনিষ্ট ও অপদ দূর করুন।
ইয়েমেনের সালাফি দাওয়াতের ইমামের পক্ষ থেকে এটি একটি চমৎকার বিবৃতি...
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৭)
بهذا الزمن رحمه الله نرجو أن يكون قاطعًا لدابر الفتنة بين علماء السنة في هذه المسألة، ودافعًا لتسلق ذوي الأفكار الخلَفية والأغراض الدنيوية على الدولة السعودية وفقها الله.
ونفيد إخواننا أهل السنة وغيرهم أن أي كلام لفضيلته في كتاب أو شريط أو غيرهما يمس الدولة السعودية وفقها الله بما لا ترضاه فالعزم منا والتحريض حاصل على سرعة حذف ذلك في أقرب طبعة لذلك الكتاب عن طريق أخينا الناشر السلفي المكلف بنشر كتب الشيخ رحمه الله (سعيد بن عمر حبيشان صاحب دار الآثار)، وأما ما طبع من الكتب عن غير هذه الدار بما فيه الكلام المذكور فإن هذا التصرف من تلك الدور كان عن غير إذن صحيح من الشيخ رحمه الله، ولا عن رضى منا؛ فلا يجوز لها ذلك.
وهذا نراه واجبًا علينا تنفيذًا لوصية شيخنا رحمه الله، ونحن شاكرون لمن نشر هذه الرسالة المتضمنة لنص كلام الشيخ على مراده بلا زيادة ولا نقصان.
ونذكّر إخواننا أهل السنة حفظهم الله بما أخرجه
এই সময়ে, আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন, আমরা আশা করি যে এটি এই বিষয়ে সুন্নাহর আলেমদের মধ্যে ফিতনার মূলোৎপাটনকারী হবে এবং সউদী রাষ্ট্র (আল্লাহ তাকে তাওফিক দান করুন)-এর বিরুদ্ধে পরবর্তী প্রজন্মের ভ্রান্ত চিন্তাধারা ও পার্থিব উদ্দেশ্য পোষণকারীদের অপতৎপরতা রুখে দেবে।
আমরা আমাদের আহলে সুন্নাত ভাইদের এবং অন্যদের অবহিত করছি যে, কোনো কিতাব, অডিও বা অন্য কিছুতে শাইখের এমন কোনো বক্তব্য যা সউদী রাষ্ট্র (আল্লাহ তাকে তাওফিক দান করুন)-এর জন্য সম্মানহানিকর হয়, তবে আমরা তা দ্রুত মুছে ফেলার ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। শাইখের (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত করুন) কিতাবসমূহ প্রকাশের দায়িত্বপ্রাপ্ত আমাদের সালাফি প্রকাশক ভাই (সাঈদ বিন উমর হুবাইশান, দারুল আসার-এর স্বত্বাধিকারী)-এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কিতাবের পরবর্তী সংস্করণেই এটি করা হবে। আর এই প্রকাশনী ব্যতীত অন্য যেসব প্রকাশনী থেকে উল্লিখিত বক্তব্য সংবলিত কিতাবসমূহ মুদ্রিত হয়েছে, তাদের সেই কর্মকাণ্ড শাইখের (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত করুন) কোনো সঠিক (صحيح) অনুমতি কিংবা আমাদের সম্মতি ব্যতিরেকে হয়েছে; সুতরাং তাদের জন্য এটি করা বৈধ নয়।
আমাদের শাইখের (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত করুন) অসিয়ত বাস্তবায়নের লক্ষে আমরা একে আমাদের দায়িত্ব বলে মনে করি। আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ যারা শাইখের বক্তব্যের মূল বয়ান কোনো প্রকার সংযোজন বা বিয়োজন ছাড়াই তাঁর উদ্দেশ্য অনুযায়ী এই পত্রটি প্রচার করবেন।
আমরা আমাদের আহলে সুন্নাত ভাইদের (আল্লাহ তাঁদের হেফাযত করুন) সেই হাদীসের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি যা বর্ণনা করেছেন (أخرجه)
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৮)
الشيخان في صحيحيهما من حديث أبي هريرة رضي الله عنه: في محاجة آدم وموسى عليهما السلام وفيه ((فحجَّ آدمُ موسى، فحجَّ آدمُ موسى))، ومما قيل في شرح هذا الحديث أن موسى عليه السلام لَامَ آدمَ عليه السلام على أمر قد تاب منه.
فنعتبر الخوض في هذه المسألة على العلامة الوادعي رحمه الله فيما قد رجع عنه كتابة أو خطابة أو نشرًا بعد هذا البيان المنشور من باب التشغيب الذي لا يصدر إلا عن حاقد لا ينبغي السكوت عنه.
ونسأل الله عزوجل أن يعفو عما قد سلف وحصل التراجع فيه مما قاله الشيخ رحمه الله في هذه المسألة، أو قيل عنه، فإن ربنا عزوجل {كَانَ لِلْأَوَّابِينَ غَفُوراً} [الاسراء: 25]. والحمد لله رب العالمين.
كتبه أبوعبد الرحمن يحيى بن علي الحجوري
بتاريخ: الثاني والعشرين من شهر المحرم عام ستة وعشرين وأربعمائة وألف
على صاحبها الصلاة والسلام
দুই শায়খ তাঁদের নিজ নিজ সহিহ গ্রন্থে আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণিত হাদিস থেকে বর্ণনা করেছেন: আদম ও মুসা (আ.)-এর বিতর্ক প্রসঙ্গে, আর তাতে রয়েছে: "অতঃপর আদম মুসার ওপর যুক্তিতে প্রবল হলেন, অতঃপর আদম মুসার ওপর যুক্তিতে প্রবল হলেন"। এই হাদিসের ব্যাখ্যায় যা বলা হয়েছে তার মধ্যে একটি হলো, মুসা (আ.) আদম (আ.)-কে এমন একটি বিষয়ের জন্য তিরস্কার করেছিলেন যা থেকে তিনি ইতিপূর্বেই তওবা করেছিলেন।
অতএব, আল্লামা আল-ওয়াদিঈ (রহ.) এই প্রকাশিত বিবৃতির পর যে সকল বিষয় থেকে লিখিতভাবে, বক্তব্যের মাধ্যমে বা প্রচারণার দ্বারা প্রত্যাবর্তন (تراجع) করেছেন, সেই সকল বিষয়ে তাঁর সমালোচনায় লিপ্ত হওয়াকে আমরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা হিসেবে গণ্য করি, যা কেবল একজন বিদ্বেষী ব্যক্তির পক্ষ থেকেই প্রকাশ পেতে পারে এবং যার ব্যাপারে নিশ্চুপ থাকা অনুচিত।
আমরা মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি, তিনি যেন শায়খ (রহ.) এই মাসআলায় যা বলেছিলেন বা তাঁর সম্পর্কে যা বলা হয়েছে এবং যা থেকে তিনি প্রত্যাবর্তন (تراجع) করেছেন, সেই পূর্ববর্তী বিষয়গুলো ক্ষমা করে দেন। নিশ্চয়ই আমাদের মহান প্রতিপালক {তওবাকারীদের প্রতি অত্যন্ত ক্ষমাশীল} [আল-ইসরা: ২৫]। আর সকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।
লিখেছেন: আবু আবদুর রহমান ইয়াহইয়া বিন আলী আল-হাজুরি
তারিখ: ২২ মহররম, ১৪২৬ হিজরি
হিজরতের প্রবর্তকের ওপর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক।
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৯)
مشاهداتي في المملكة العربية السعودية (1)
الحمد لله رب العالمين، وصلى الله وسلم على نبينا محمد وعلى آله وأصحابه أجمعين، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأشهد أن محمداً عبده ورسوله، اللهم صلِّ على محمدٍ وعلى آل محمدٍ، كما صلَّيت على إبراهيمَ وعلى آلِ إبراهيمَ إنَّكَ حَمِيدٌ مجيدٌ، اللهم بارك على محمدٍ وعلى آل محمدٍ، كما باركتَ على إبراهيمَ وعلى آل ابراهيم إنك حميد مجيد، أما بعد:
فكنت متردِّداً منذ زمن في الكلام في هذا الموضوعِ الذي سأتكلمُ فيه، ثم بعد ذلك قوي العزم؛ فإنني أخشى أن أموت ولم أبرِّئ ذمتي في هذا.
فقد عُرِضَ علي غير مرة أنه يُستأذَنَ لي من الأمير أحمد نائب وزير الداخلية، في الحج والعمرة، فقلت للإخوة: لا حاجةَ لي بذلك، وفي نفسي أنني لا أدخل
--------------------------------------------
সৌদি আরব রাজ্যে আমার পর্যবেক্ষণসমূহ (১)
সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ এবং তাঁর সকল সঙ্গীর ওপর। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসুল। হে আল্লাহ, আপনি মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদের পরিবারের ওপর রহমত বর্ষণ করুন, যেভাবে আপনি ইবরাহিম ও ইবরাহিমের পরিবারের ওপর রহমত বর্ষণ করেছেন; নিশ্চয়ই আপনি অত্যন্ত প্রশংসিত ও মহিমান্বিত। হে আল্লাহ, আপনি মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদের পরিবারের ওপর বরকত নাজিল করুন, যেভাবে আপনি ইবরাহিম ও ইবরাহিমের পরিবারের ওপর বরকত নাজিল করেছেন; নিশ্চয়ই আপনি অত্যন্ত প্রশংসিত ও মহিমান্বিত। অতঃপর:
আমি দীর্ঘ সময় ধরে এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলার ক্ষেত্রে দ্বিধাবোধ করছিলাম যে বিষয়ে আমি এখন আলোচনা করব। এরপর আমার সংকল্প দৃঢ় হলো; কারণ আমি আশঙ্কা করছি যে, আমি হয়তো মৃত্যুবরণ করব অথচ এই বিষয়ে আমার ওপর অর্পিত জিম্মাদারি বা দায়মুক্ততা সম্পন্ন করতে পারব না।
আমার নিকট একাধিকবার এই প্রস্তাব করা হয়েছিল যে, হজ ও উমরার উদ্দেশ্যে স্বরাষ্ট্র উপমন্ত্রী আমির আহমাদ-এর নিকট থেকে আমার জন্য অনুমতি গ্রহণ করা হবে। আমি ভাইদের বললাম: আমার এর কোনো প্রয়োজন নেই। আর আমার অন্তরে ইচ্ছা ছিল যে আমি প্রবেশ করব না
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১০)
تحت الذُّل وأنا مستريح في بلدي، وبين طلابي والحمد لله.
ثم قدر الله سبحانه وتعالى أن مرضت وتعالجت في مستشفى الثورة بصنعاء، بعدها قرَّر الأطباءُ الرحيل إلى الخارج، وقال قائلهم: ننصحكَ بالذهابِ إلى السعودية؛ فإنها متقدمةٌ في الطب.
ثم بعد ذلك أذهبُ إلى السعودية، وبعد أن تكلمت في أشرطة في غير ما شريط فيهم، أيضاً وافقت على ذلك، فَهُمْ على ما بيني وبينَهم خيرٌ مِن الذهاب إلى أعداءِ الإسلام.
بعد هذا استئذن لي وشفع فضيلة الشيخ العلامة محمد بن صالح بن عثيمين -رحمه الله تعالى- وقُبِلَت شفاعته في دخولي للعلاج، والحمدُ الله تنجَّزت أمورنا من السفارةِ السعوديةِ.
وبعد هذا وصلنا إلى الرياض فاستُقبِلنا من مسئولين تابعين لوزارة الداخلية جزاهم الله خيراً، واستأجروا لنا
অপমানিত হওয়ার চেয়ে আমি নিজ দেশে আমার ছাত্রদের মাঝে শান্তিতে আছি, আলহামদুলিল্লাহ।
অতঃপর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা নির্ধারণ করলেন যে আমি অসুস্থ হয়ে পড়লাম এবং সানার আস-সাওরা হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করলাম। পরবর্তীতে চিকিৎসকরা বিদেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত দিলেন এবং তাদের একজন বললেন: আমরা আপনাকে সৌদি আরব যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি; কারণ তারা চিকিৎসাবিজ্ঞানে অনেক উন্নত।
এরপর আমি সৌদি আরবে যাওয়ার সংকল্প করি। যদিও আমি তাদের সম্পর্কে একাধিক অডিও ক্যাসেটে বিভিন্ন সমালোচনা করেছিলাম, তবুও আমি এতে সম্মত হলাম। কারণ আমার ও তাদের মধ্যকার সম্পর্কের টানাপোড়েন সত্ত্বেও ইসলামের শত্রুদের কাছে যাওয়ার চেয়ে তাদের কাছে যাওয়া অনেক শ্রেয়।
এরপর শ্রদ্ধেয় শায়খ আল্লামা মুহাম্মদ বিন সালেহ আল-উসাইমিন (রহিমাহুল্লাহ তাআলা) আমার জন্য অনুমতি প্রার্থনা ও সুপারিশ করলেন। চিকিৎসার উদ্দেশ্যে আমার প্রবেশের ক্ষেত্রে তাঁর সুপারিশ কবুল করা হলো এবং আলহামদুলিল্লাহ, সৌদি দূতাবাস থেকে আমাদের কার্যক্রম সম্পন্ন হলো।
এরপর আমরা রিয়াদে পৌঁছালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে আমাদের অভ্যর্থনা জানানো হলো, আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিন। তারা আমাদের জন্য ভাড়া করলেন...
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১১)
فندقاً، ما كنا نتوقع ذلك، وأكرمونا غاية الإكرام جزاهم الله خيراً، وعجلوا في دخلونا المستشفى، ورأيت من تكريمهم لنا الشيء الكثير. كان يجتمع إخوان عندنا والحمد لله نتحدثُ في دروس علمية ليسَ لها دخل بذا ولا ذاك.
وإنَّنا بحمد الله لَسْنَا ممن يقابل الحسنة بالسيئة، ولا ممن يقابل التكريم أيضاً بالإساءة، فبحمد الله إخوة يأتون ويسألون عن أحاديث وأسألهم أنا أيضاً كذلك، ثم أدخلنا المستشفى وبقينا فيه نحو عشرة أيام وقالوا: الرحيل إلى الخارج يا أبا عبد الرحمن. خيراً إن شاء الله، وقدمنا إلى جدة واستُقبلنا في فندق الحمراء، فجزى الله الأمير نايفاً وزير الداخلية خيراً، وأكرمنا غاية الإكرام فجزاهم الله خيراً.
وبعد ذلك طلبت مقابلته، فالحمد لله جلسة ممتعه جلسة مع رجل عاقل، وإن ذاكرته في العلم وجدت عنده حصيلة لا بأس بها، فالحمد لله، بعد هذا يقول لي:
একটি হোটেল, আমরা এমনটি প্রত্যাশা করিনি। তাঁরা আমাদের অত্যন্ত সম্মান প্রদর্শন করেছেন, আল্লাহ তাঁদের উত্তম প্রতিদান দিন। তাঁরা আমাদের হাসপাতালে ভর্তির ব্যাপারে ত্বরিত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন এবং আমি তাঁদের পক্ষ থেকে ব্যাপক সম্মাননা প্রত্যক্ষ করেছি। আল্লাহর প্রশংসায়, আমাদের কাছে দ্বীনি ভাইয়েরা একত্রিত হতেন এবং আমরা ইলমি পাঠসমূহ নিয়ে আলোচনা করতাম যার সাথে অন্য কোনো বিষয়ের সংশ্রব ছিল না।
আল্লাহর শুকরিয়া যে, আমরা এমন লোক নই যারা উপকারের বিনিময়ে অপকার করে, কিংবা সম্মানের বিনিময়ে মন্দ আচরণ করে। আল্লাহর অনুগ্রহে ভাইয়েরা আসতেন এবং বিভিন্ন হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতেন, আমিও তাঁদের অনুরূপ জিজ্ঞাসা করতাম। অতঃপর আমাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হলো এবং সেখানে আমরা প্রায় দশ দিন অবস্থান করলাম। তাঁরা বললেন: "হে আবু আবদুর রহমান! বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিন।" ইনশাআল্লাহ কল্যাণ হবে। আমরা জেদ্দায় আসলাম এবং আল-হামরা হোটেলে আমাদের অভ্যর্থনা জানানো হলো। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমির নায়েফকে আল্লাহ উত্তম প্রতিদান দিন; তিনি আমাদের অত্যন্ত সম্মান প্রদর্শন করেছেন, আল্লাহ তাঁদের কল্যাণ দান করুন।
এরপর আমি তাঁর সাথে সাক্ষাতের অনুমতি চাইলাম। আলহামদুলিল্লাহ, একজন প্রাজ্ঞ ব্যক্তির সাথে সেটি ছিল অত্যন্ত চমৎকার একটি বৈঠক। ইলমি বিষয়ে তাঁর স্মৃতিচারণে আমি তাঁর নিকট বেশ সমৃদ্ধ জ্ঞান লক্ষ্য করেছি। আলহামদুলিল্লাহ, এরপর তিনি আমাকে বললেন:
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১২)
أي دولة ترغب فيها، فنحن إن شاء الله نهيء لك الأمور هنالك. فأنا لا خبرة لي بهذا قلتُ: أنتَ تختار. فاختار أمريكا، لأنها متقدمة في علاج الكبد، لم يسبقها أحد في ذلك.
بعد هذا أُعجبتُ عند أن نزلت إلى مكة؛ كنت باليمن عند الباب نحو أربعة حراس، ومع هذا فلسنا آمنين في بيتنا لا ليلاً ولا نهاراً.
وأنا في فندق دار الأزهر بمكة بعض الليالي لا يأتيني نوم، وأخرج إلى الحرم نصف الليل وحدي، أشعر بنعمة وراحة، ولذة ليس لها نظير، أخرج وحدي والحمد لله وأذهب، وأطوف، وأصلي، وأبقى ما استطعت، ثم أرجع إلى البيت.
فهذا الأمن الذي ما شاهدته في بلد؛ إن سببه هو الاستقامة على كتاب الله وعلى سنة رسول الله -صلى الله عليه وعلى آله وسلم- من المسئولين، ومن كثير من أهل البلد، وصدق ربنا عز وجل إذ يقول في كتابه الكريم في شأن أهل الكتاب:
আপনি যে রাষ্ট্রই পছন্দ করেন, ইনশাআল্লাহ আমরা সেখানে আপনার জন্য সব ব্যবস্থা করে দেব। এ বিষয়ে আমার কোনো অভিজ্ঞতা নেই বিধায় আমি বললাম: আপনিই নির্বাচন করুন। তখন তিনি আমেরিকাকে পছন্দ করলেন, কারণ লিভারের চিকিৎসায় তারা অনেক উন্নত এবং এ ক্ষেত্রে কেউ তাদের ছাড়িয়ে যেতে পারেনি।
এরপর আমি যখন মক্কায় আসলাম, তখন আমি অভিভূত হলাম; ইয়েমেনে থাকাকালীন আমার দরজায় প্রায় চারজন প্রহরী থাকত, তবুও আমরা আমাদের বাড়িতে দিনে বা রাতে নিরাপদ ছিলাম না।
মক্কার দার আল-আজহার হোটেলে থাকাকালীন কোনো কোনো রাতে আমার ঘুম আসত না; তখন আমি মধ্যরাতে একাকী হারামের উদ্দেশ্যে বের হতাম। সেখানে আমি এমন এক নেয়ামত, প্রশান্তি এবং অতুলনীয় স্বাদ অনুভব করতাম যার কোনো নজির নেই। আলহামদুলিল্লাহ, আমি একাই বের হতাম, যেতাম, তাওয়াফ করতাম, সালাত আদায় করতাম এবং যতক্ষণ সম্ভব অবস্থান করে পুনরায় ঘরে ফিরে আসতাম।
এই যে নিরাপত্তা যা আমি অন্য কোনো দেশে দেখিনি; এর মূল কারণ হলো দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ এবং দেশের অধিকাংশ মানুষের আল্লাহর কিতাব ও রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নাহ (سنة)-এর ওপর অবিচল থাকা। আমাদের মহান প্রতিপালক সত্যই বলেছেন যখন তিনি তাঁর সম্মানিত কিতাবে আহলে কিতাবদের প্রসঙ্গে বলেন:
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
{وَلَوْ أَنَّهُمْ أَقَامُوا التَّوْرَاةَ وَالإِنْجِيلَ وَمَا أُنْزِلَ إِلَيْهِمْ مِنْ رَبِّهِمْ لَأَكَلُوا مِنْ فَوْقِهِمْ وَمِنْ تَحْتِ أَرْجُلِهِمْ} (1).
ويقول سبحانه وتعالى: {وَلَوْ أَنَّ أَهْلَ القُرَى آمَنُوا وَاتَّقَوْا لَفَتَحْنَا عَلَيْهِمْ بَرَكَاتٍ مِنَ السَّمَاءِ وَالأَرْضِ} (2).
ويقول سبحانه وتعالى في شأن قريش: {وَقَالُوا إِنْ نَتَّبِعِ الهُدَى مَعَكَ نُتَخَطَّفْ مِنْ أَرْضِنَا} (3)، قال الله سبحانه وتعالى: {أَوَلَمْ نُمَكِّنْ لَهُمْ حَرَماً آمِناً يُجْبَى إِلَيْهِ ثَمَرَاتُ كُلِّ شَيْءٍ رِزْقاً مِنْ لَدُنَّا} (4).
وقال سبحانه وتعالى: {أَوَلَمْ يَرَوْا أَنَّا جَعَلْنَا حَرَماً آمِناً وَيُتَخَطَّفُ النَّاسُ مِنْ حَوْلِهِمْ} (5)، ورب العزة يقول في كتابه الكريم أيضاً: {وَأَلَّوِ اسْتَقَامُوا عَلَى الطَّرِيقَةِ لَأَسْقَيْنَاهُمْ
--------------------------------------------
{আর তারা যদি তাওরাত ও ইঞ্জিল এবং তাদের প্রতি তাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে যা অবতীর্ণ হয়েছে তা প্রতিষ্ঠা করত, তবে তারা অবশ্যই তাদের ওপর থেকে এবং তাদের পায়ের নিচ থেকে আহার করত} (১)।
এবং মহান আল্লাহ তাআলা বলেন: {আর যদি জনপদবাসীরা ঈমান আনত এবং তাকওয়া অবলম্বন করত, তবে আমি অবশ্যই তাদের জন্য আসমান ও জমিনের বরকতসমূহ উন্মুক্ত করে দিতাম} (২)।
এবং কুরাইশদের প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ তাআলা বলেন: {তারা বলে, "আমরা যদি আপনার সাথে হেদায়েত অনুসরণ করি, তবে আমাদের নিজ ভূমি থেকে আমাদের উচ্ছেদ করা হবে"} (৩), আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেন: {আমি কি তাদের জন্য একটি নিরাপদ হারাম প্রতিষ্ঠিত করিনি? যেখানে আমার পক্ষ থেকে রিজিক হিসেবে সব ধরনের ফলমূল সংগৃহীত হয়} (৪)।
এবং মহান আল্লাহ তাআলা বলেন: {তারা কি লক্ষ্য করে না যে, আমি একটি নিরাপদ হারাম তৈরি করেছি, অথচ তাদের চারপাশ থেকে মানুষকে ছিনতাই করা হচ্ছে?} (৫), এবং মহিমান্বিত প্রতিপালক তাঁর পবিত্র কিতাবে আরও বলেন: {আর তারা যদি সত্য পথে অবিচল থাকত, তবে আমি অবশ্যই তাদের প্রচুর পানি পান করাতাম}
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
مَاءً غَدَقاً} (1).
وصدق ربنا عز وجل إذ يقول في كتابه الكريم {وَعَدَ اللهُ الَّذِينَ آمَنُوا مِنْكُمْ وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لَيَسْتَخْلِفَنَّهُمْ فِي الأَرْضِ كَمَا اسْتَخْلَفَ الَّذِينَ مِنْ قَبْلِهِمْ وَلَيُمَكِّنَنَّ لَهُمْ دِينَهُمُ الَّذِي ارْتَضَى لَهُمْ وَلَيُبَدِّلَنَّهُمْ مِنْ بَعْدِ خَوْفِهِمْ أَمْناً يَعْبُدُونَنِي لا يُشْرِكُونَ بِي شَيْئاً وَمَنْ كَفَرَ بَعْدَ ذَلِكَ فَأُولَئِكَ هُمُ الفَاسِقُونَ} (2).
ويقول سبحانه وتعالى في كتابه الكريم: {لِإِيلافِ قُرَيْشٍ * إِيلافِهِمْ رِحْلَةَ الشِّتَاءِ وَالصَّيْفِ * فَلْيَعْبُدُوا رَبَّ هَذَا البَيْتِ * الَّذِي أَطْعَمَهُمْ مِنْ جُوعٍ وَآمَنَهُمْ مِنْ خَوْفٍ} (3).
فالأمن نعمة عظيمة من الله سبحانه وتعالى، نعمة عظيمة من الله؛ سببه الاستقامة على كتاب الله وعلى سنة
--------------------------------------------
...প্রচুর বারিধারা} (১)।
আমাদের মহান প্রতিপালক সত্যই বলেছেন যখন তিনি তাঁর সম্মানিত কিতাবে ইরশাদ করেন: {তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে ও সৎকাজ করেছে, আল্লাহ তাদের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন যে, তিনি অবশ্যই তাদের পৃথিবীতে প্রতিনিধিত্ব দান করবেন যেমন তিনি তাদের পূর্ববর্তীদের প্রতিনিধিত্ব দান করেছিলেন এবং তিনি অবশ্যই তাদের জন্য তাদের সেই দ্বীনকে সুদৃঢ় করবেন যা তিনি তাদের জন্য পছন্দ করেছেন এবং তাদের ভয়-ভীতির পরিবর্তে অবশ্যই তাদের নিরাপত্তা দান করবেন। তারা কেবল আমারই ইবাদত করবে, আমার সাথে কোনো কিছুকে শরিক করবে না। আর এরপরও যারা কুফরি করবে, তারাই তো পাপাচারী।} (২)।
এবং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাঁর সম্মানিত কিতাবে বলেন: {কুরাইশদের আসক্তির কারণে—শীত ও গ্রীষ্মকালীন সফরের প্রতি তাদের আসক্তির কারণে। অতএব তারা যেন এই ঘরের রবের ইবাদত করে, যিনি তাদের ক্ষুধা নিবারণ করে অন্ন দান করেছেন এবং ভয়-ভীতি থেকে তাদের নিরাপত্তা দিয়েছেন।} (৩)।
সুতরাং শান্তি ও নিরাপত্তা মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার পক্ষ থেকে এক সুমহান নিয়ামত, আল্লাহর পক্ষ থেকে এক মহান অনুগ্রহ; এর মূল কারণ হলো আল্লাহর কিতাব এবং সুন্নাহ (سنة)-এর ওপর অবিচল থাকা
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
رسول الله -صلى الله عليه وعلى آله وسلم-، لما استقامت هذه البلدة بحمد الله مكَّن الله لهم.
مع أننا نسأل الله سبحانه وتعالى أن يرزقهم البطانة الصالحة وأن يعيذهم من جلساء السوء الذين يزينون الباطل، وأن يحرصوا على مجالسة أهل الخير والفضل، وحتى ولو أتوا من الكلام ما يخشن عليهم، فإنه كان يقال: صديقك من صَدَقَك لا من صدَّقك، وعدوُّك من صَدَّقك.
فينبغي أن نحمد الله سبحانه وتعالى، كما أنه يجب على أهل هذه البلدة أن يحمدوا الله سبحانه وتعالى؛ فإن فيها أناساً ربما يكونون شهوانيين يطالبون بأشياء من الإباحية وغيرها، ولكن جزى الله المسئولين خيراً، فقد رأيت في جريدة أن الأمير نايفاً حفظه الله تعالى، طلب منه ترشيح المرأة فقال: أتريدون أن يبقى الرجل هو في بيته وهي تخرج؟ لا، هذا أمر لا تحاولوا فيه، وطلب منه الانتخابات فقال: رأيناها ليست ناجحة في البلدان
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম), যখন আল্লাহর প্রশংসায় এই জনপদ সুস্থিত হলো, তখন আল্লাহ তাদের সামর্থ্য ও শক্তি দান করলেন।
সেই সাথে আমরা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি তাদের নেককার ও সৎ পরামর্শদাতা (البطانة الصالحة) নসিব করেন এবং মন্দ সহচরদের (جلساء السوء) থেকে রক্ষা করেন যারা বাতিলকে (الباطل) সুশোভিত করে পেশ করে। আর তারা যেন কল্যাণ ও ফযিলতপূর্ণ ব্যক্তিদের সাহচর্যে থাকার ব্যাপারে সচেষ্ট থাকেন, এমনকি যদি তারা এমন কোনো কথা বলেন যা তাদের কাছে কঠোর মনে হয়। কেননা বলা হয়ে থাকে: "তোমার প্রকৃত বন্ধু সেই যে তোমাকে সত্য কথা বলে (صَدَقَك), সে নয় যে কেবল তোমার কথার সত্যয়ন করে (صَدَّقَك); বরং তোমার শত্রু সেই যে (সবকিছুতে) তোমার কথাকে অন্ধভাবে সত্য বলে মেনে নেয় (صَدَّقَك)।"
অতএব আমাদের উচিত আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার প্রশংসা করা, যেমনটি এই জনপদের বাসিন্দাদের জন্যও কর্তব্য যে তারা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করবে। কেননা এখানে এমন কিছু মানুষ থাকতে পারে যারা সম্ভবত প্রবৃত্তিপরায়ণ এবং তারা অশ্লীলতা ও এ জাতীয় বিষয়গুলোর দাবি জানায়। কিন্তু আল্লাহ দায়িত্বশীলদের উত্তম প্রতিদান দিন; আমি একটি সংবাদপত্রে দেখেছি যে, আমির নায়েফ (আল্লাহ তাআলা তাকে হেফাযত করুন), তার কাছে যখন নারীদের প্রার্থিতার আবেদন করা হলো তখন তিনি বললেন: "আপনারা কি চান যে পুরুষরা ঘরে বসে থাকবে আর নারীরা বাইরে বের হবে? না, এটি এমন একটি বিষয় যা নিয়ে আপনারা চেষ্টা করবেন না।" আর তার কাছে যখন নির্বাচনের ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলো, তিনি বললেন: "আমরা দেখেছি যে অন্যান্য দেশগুলোতে এটি সফল হয়নি।"
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
المجاورة، فإن الذي ينجح فيها هم النفوذ وأهل الأموال. وصدق.
ثم بعد ذلك أيضاً هي واردة من قبل أعداء الإسلام.
جمعية حقوق الإنسان استقبلها كثير من الناس على ما فيها من الأباطيل: الحدود وحشية، وتعطيل الكتاب والسنة، وإدخال الأنظمة من قبل أعداء الإسلام.
الحكومة السعودية وفقها الله لكل خير استقبلتها بشرط أن تكون خاضعة للإسلام وللكتاب والسنة.
هكذا أيضاً إقامة الحدود، وإقامة الحدود كما يقول ربنا عز وجل في كتابه الكريم: {وَلَكُمْ فِي القِصَاصِ حَيَاةٌ} (1).
إيْ نعم، القتل قليل في هذه البلدة، وكذلك السرقة تضع سيارتك عند المسجد أو عند باب بيتك، ولا يأتيها سَرَقٌ ولا شيء.
--------------------------------------------
পার্শ্ববর্তী অঞ্চলসমূহ, সেখানে তারাই সফলকাম হয় যারা প্রভাবশালী এবং বিত্তশালী। আর তিনি সত্যই বলেছেন।
অতঃপর এগুলো ইসলামের শত্রুদের পক্ষ থেকেও আগত।
মানবাধিকার সংস্থাকে অনেক মানুষ গ্রহণ করেছে তার মধ্যকার নানাবিধ বাতিল বিষয় থাকা সত্ত্বেও; যথা: নির্ধারিত দণ্ডবিধি পাশবিক হওয়া, কিতাব ও সুন্নাহর বিধানকে স্থগিত করা এবং ইসলামের শত্রুদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বিজাতীয় ব্যবস্থার অনুপ্রবেশ ঘটানো।
সৌদি সরকার—আল্লাহ তাদের সকল কল্যাণের তাওফিক দান করুন—এটিকে এই শর্তে গ্রহণ করেছে যে, তা ইসলাম এবং কিতাব ও সুন্নাহর অনুগত হতে হবে।
অনুরূপভাবে দণ্ডবিধি কায়েম করার বিষয়টিও; আর দণ্ডবিধি কায়েম করা ঠিক তেমন, যেমনটি আমাদের মহান প্রতিপালক তাঁর পবিত্র কিতাবে ইরশাদ করেছেন: {আর হে বুদ্ধিমানগণ, কিসাসের মধ্যে তোমাদের জন্য জীবন নিহিত রয়েছে} (১)।
হ্যাঁ, এই ভূখণ্ডে হত্যার ঘটনা অত্যন্ত বিরল, এবং চুরির ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য; আপনি আপনার গাড়ি মসজিদের নিকটে অথবা আপনার গৃহের দ্বারে রেখে দিলে কোনো চোর বা অন্য কোনো উপদ্রব সেখানে ঘটে না।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
ثم بعد ذلك في بلدان أخرى، تضعها وتخرج ولا تراها، بل ربما ينهبون على الشخص وهو في سيارته. فهذا هو بسبب إقامة الحدود فجزاهم الله خيراً. وكما سمعتهم قبل قول الله عز وجل: {وَلَكُمْ فِي القِصَاصِ حَيَاةٌ} (1)، فهكذا السارق إذا علم أنها ستقطع يده يكف عن سرقته، والزاني إذا علم أنه سيجلد إذا كان بكراً، أو يرمى إذا كان محصناً قلَّ ذلك، لا أقول أنه لا يوجد لكنه يقلُّ ذلك.
من ذلك أيضاً: تمكين هيئة الأمر بالمعروف والنهي عن المنكر، فقد رأينا في جريدة أن الملك فهداً حفظه الله تعالى أعطى للهيئة نحو ثلاثمائة سيارة، وقال لهم: أنتم هيئة ضبط، وأنتم المسئولون أمام الله سبحانه وتعالى. فجزاهم الله خيراً أحسنوا في هذا إلى بلدهم، وإلى أنفسهم، وإلى دولتهم.
إنه يجب على كل مسلم في جميع الأقطار الإسلامية،
--------------------------------------------
অতঃপর অন্যান্য দেশগুলোতে, আপনি কোনো কিছু রেখে চলে গেলে সেটি আর দেখতে পাবেন না, বরং অনেক সময় কোনো ব্যক্তিকে তার গাড়িতে থাকা অবস্থাতেই লুণ্ঠন করা হয়। এটি মূলত দণ্ডবিধি বাস্তবায়নের কারণেই সম্ভব হয়েছে, আল্লাহ তাদেরকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। আর যেমনটি আপনারা ইতিপূর্বে মহান আল্লাহর বাণী শুনেছেন: {আর হে বুদ্ধিমানগণ, কিসাসের মধ্যে তোমাদের জন্য জীবন নিহিত রয়েছে} (১), একইভাবে চোর যখন জানতে পারে যে তার হাত কেটে ফেলা হবে, তখন সে চুরি থেকে বিরত থাকে। আর ব্যভিচারী যখন জানতে পারে যে সে অবিবাহিত হলে তাকে বেত্রাঘাত করা হবে অথবা বিবাহিত হলে পাথর নিক্ষেপ করা হবে, তখন এ অপরাধ কমে যায়। আমি এটি বলছি না যে তা একেবারেই বিদ্যমান নেই, তবে তা হ্রাস পায়।
এরই অন্তর্ভুক্ত হলো: ‘সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ’ বিষয়ক সংস্থাকে ক্ষমতায়ন করা। আমরা সংবাদপত্রে দেখেছি যে বাদশাহ ফাহদ (আল্লাহ তাকে হিফাযত করুন) উক্ত সংস্থাকে প্রায় তিনশ গাড়ি প্রদান করেছেন এবং তাদের বলেছেন: তোমরা হলে শৃঙ্খলা বিধানকারী সংস্থা এবং তোমরা মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার নিকট দায়বদ্ধ। আল্লাহ তাদেরকে উত্তম প্রতিদান দান করুন, তারা এর মাধ্যমে নিজ দেশ, নিজেদের এবং নিজ রাষ্ট্রের প্রতি ইহসান করেছেন বা কল্যাণ সাধন করেছেন।
নিশ্চয়ই বিশ্বের সকল মুসলিম অঞ্চলের প্রত্যেক মুসলিমের ওপর এটি ওয়াজিব যে,
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
أن يتعاون مع هذه الحكومة، ولو بالكلمة الطيبة، فإن أعداءها كثير من الداخل ومن الخارج. هناك شهوانيون إباحيون من الداخل، ولكن الله كبتهم بتمكين هذه الدولة المباركة والحمد لله.
فيجب على كل مسلم أن يتعاون مع هذه الحكومة.
القصاص أو غير ذلك من الحدود، نعمة من الله سبحانه وتعالى على المجتمع. يعيبون علينا إذا أقمنا حداً من حدود الله، وهم يسحقون الشعوب سحقاً.
وهذه الحدود مصلحتها للفرد والمجتمع، فهي للفرد كفارة كما في «الصحيحين» من حديث عبادة بن الصامت رضي الله عنه.
وهي للمجتمع محافظة على أموالهم ودمائهم وأعراضهم، تخرج إلى الشاطئ أو إلى غيره أو إلى أي مكان، ترى الرجل وامرأته لا يخشى على نفسه من أحد.
فهذه الحدود مصلحة لما عُطِّلت في كثير من البلاد الإسلامية عجز أهلها عن مكافحة السرقة، وعجز أهلها عن مكافحة الجريمة، وعجز أهلها عن مكافحة المسكرات
এই সরকারের সাথে সহযোগিতা করা উচিত, এমনকি তা কেবল উত্তম বাণীর মাধ্যমে হলেও; কেননা অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিকভাবে এর শত্রুর সংখ্যা অনেক। সেখানে অনেক প্রবৃত্তি-পূজারি ও উগ্র-উদারপন্থী লোক রয়েছে, কিন্তু আল্লাহ এই বরকতময় রাষ্ট্রকে সুসংহত করার মাধ্যমে তাদের দমন করেছেন, আলহামদুলিল্লাহ।
অতএব, প্রত্যেক মুসলিমের জন্য এই সরকারের সাথে সহযোগিতা করা অপরিহার্য।
কিসাস বা দণ্ডবিধি সংক্রান্ত অন্যান্য বিধান সমাজের ওপর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার পক্ষ থেকে এক বিশেষ নেয়ামত। আমরা আল্লাহর কোনো দণ্ডবিধি কার্যকর করলে তারা আমাদের সমালোচনা করে, অথচ তারা নিজেরা বিভিন্ন জাতিসমূহকে নির্মমভাবে পিষ্ট করে।
আর এই দণ্ডবিধিগুলোর কল্যাণ ব্যক্তি ও সমাজ উভয় শ্রেণির জন্যই। ব্যক্তির জন্য এটি পাপমোচন বা কাফফারা স্বরূপ, যেমনটি উবাদাহ ইবনে সামিত (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণিত হাদিসে সহীহাইন-এ উল্লেখ করা হয়েছে।
আর সমাজের জন্য এটি তাদের জান-মাল ও মান-সম্মানের রক্ষাকবচ। আপনি সমুদ্র সৈকতে বা অন্য যে কোনো স্থানে গেলে দেখবেন, একজন পুরুষ ও তার স্ত্রী বিচরণ করছেন এবং তারা কারো পক্ষ থেকে নিজের প্রাণের ব্যাপারে কোনো শঙ্কা বোধ করছেন না।
সুতরাং এই দণ্ডবিধিগুলো অত্যন্ত কল্যাণকর; যেহেতু অনেক মুসলিম রাষ্ট্রে এগুলো স্থগিত করার ফলে সেখানকার অধিবাসীরা চুরি প্রতিরোধে ব্যর্থ হয়েছে, অপরাধ দমনে অক্ষম হয়েছে এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণেও অকৃতকার্য হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
والمخدرات؛ والسبب في هذا هو عدم إقامة الحدود والله المستعان.
وبعد هذا أيضاً: بناء المساجد في البلاد الإسلامية وفي غيرها، إلا أننا ننصحهم أنهم إذا بنوا مسجداً أن يسلموه لأهل السنة، فهم إذا سلموه لصوفي سيسبهم ويخطب الجمعة في سبِّهم، وهم إذا سلموه لحزبي أيضاً سيستغله للحزبية، فننصحهم أن يسلموا هذه المساجد لأهل السنة المحبين لهذه الحكومة وللقائمين عليها.
ثم بعد هذا مسألة الكتابة، قد سئلت عنها غير مرة، وأيضًا الكلام في الأشرطة، فقد أمرت الأخ الذي يطبع كتبي أن لا يُبْقى شيئاً فيه كلام على السعودية (1)، فالله سبحانه وتعالى يقول في كتابه الكريم:
--------------------------------------------
এবং মাদকদ্রব্য; আর এর কারণ হলো শারঈ দণ্ডবিধি (الحدود) কার্যকর না করা এবং আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাওয়া হয়।
আর এর পরেও একটি বিষয় হলো: ইসলামি দেশগুলোতে এবং অন্যান্য দেশে মসজিদ নির্মাণ করা। তবে আমরা তাদের এই পরামর্শ দিই যে, তারা যদি কোনো মসজিদ নির্মাণ করেন, তবে যেন তা সুন্নাহর অনুসারীদের (أهل السنة) কাছে হস্তান্তর করেন। কারণ তারা যদি তা কোনো সুফির কাছে হস্তান্তর করেন, তবে সে তাদের গালিগালাজ করবে এবং জুমার খুতবায় তাদের নিন্দা করবে। আর যদি তারা তা কোনো দলবাজ (حزبي) ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করেন, তবে সেও এটিকে দলীয় সংকীর্ণতায় (الحزبية) ব্যবহার করবে। তাই আমরা তাদের নসিহত করি যেন তারা এই মসজিদগুলো সেই সব সুন্নাহর অনুসারীদের (أهل السنة) কাছে হস্তান্তর করেন যারা এই সরকারের প্রতি এবং এর পরিচালকদের প্রতি শুভাকাঙ্ক্ষী।
এরপর লেখালেখির বিষয়টি, যে বিষয়ে আমাকে একাধিকবার জিজ্ঞাসা করা হয়েছে; এবং অডিও ক্যাসেটের বক্তব্যের বিষয়টিও। আমি আমার কিতাবসমূহ মুদ্রণকারী ভাইকে নির্দেশ দিয়েছি যেন তিনি সৌদি আরব সম্পর্কে কোনো (সমালোচনামূলক) বক্তব্য অবশিষ্ট না রাখেন (১)। কেননা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাঁর সম্মানিত কিতাবে বলেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২০)
{هَلْ جَزَاءُ الإِحْسَانِ إِلَّا الإِحْسَانُ} (1)، فقد أحسنوا إلينا وأكرمونا غاية الإكرام، فنحن لسنا ممن يقابل الإحسان بالإساءة، من فضل الله سبحانه وتعالى.
أنا أقول هذا، لم يدفعني أحد، ولم يلزمني أحد بأن أقوله، بل من نفسي أرى أنه يلزمني براءة لذمتي.
نعم إنني تكلمت وأنا أرى أنني أخرجت من المملكة مظلوماً، فلا إله إلا الله، كم أبقى في خصام مع الذين يكفرون الحكومة السعودية، وأنا أقول إنها ليست بكافرة.
وكنت أدرس دروساً لا تمس بشيء والحمد لله. لكن الصبر والعفو، وهم جزاهم الله خيراً قد عفَوا عنَّا، فنحن أيضاً كذلك أيضاً.
ومن ذلك أيضاً اهتمامهم بأمر الحجيج وتوسعة الحرمين، والرسول -صلى الله عليه وعلى آله وسلم- يقول: ((مَن بَنَى لِلهِ مسجداً بَنَى اللهُ لَهُ مِثلَهُ في الجنَّة))، اهتمامهم بأمر الحجيج والمحافظة على أمنهم والتفتيش في أبواب الحرم، وكذلك أيضاً لما
--------------------------------------------
{‘উত্তম কাজের প্রতিদান কি উত্তম কাজ ছাড়া আর কিছু হতে পারে?’} (১), তাঁরা আমাদের প্রতি ইহসান বা অনুগ্রহ করেছেন এবং আমাদের সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন করেছেন। আল্লাহর অশেষ মেহেরবানিতে আমরা এমন লোক নই যারা অনুগ্রহের প্রতিদান অপকার বা মন্দ ব্যবহারের মাধ্যমে দেয়।
আমি এ কথা বলছি—কেউ আমাকে এর জন্য প্ররোচিত করেনি এবং এটি বলতে আমাকে কেউ বাধ্যও করেনি; বরং আমি নিজের থেকে অনুভব করছি যে, নিজের দায়মুক্তির জন্য এটি বলা আমার জন্য আবশ্যক।
হ্যাঁ, আমি কথা বলেছি এমন এক অবস্থায় যখন আমি মনে করছিলাম যে আমাকে সৌদি আরব থেকে মজলুম হিসেবে বের করে দেওয়া হয়েছে। তবে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য মাবুদ নেই; যারা সৌদি সরকারকে কাফের বলে ফতোয়া দেয়, তাদের সাথে আমি কতকাল বিতর্কে লিপ্ত থেকেছি! আর আমি সর্বদা বলেছি যে, তারা কাফের নয়।
আলহামদুলিল্লাহ, আমি এমন পাঠ দান করতাম যা কোনো স্পর্শকাতর বিষয়কে ক্ষতিগ্রস্ত করত না। তবে ধৈর্য ও ক্ষমাশীলতাই বড় কথা; আল্লাহ তাঁদের উত্তম প্রতিদান দান করুন, তাঁরা আমাদের ক্ষমা করেছেন, আমরাও তদ্রূপ করছি।
তেমনিভাবে হাজীদের বিষয়ে তাঁদের গুরুত্ব প্রদান এবং দুই হারামের সম্প্রসারণও প্রশংসনীয়। রাসুলুল্লাহ -সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম- বলেছেন: "যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একটি মসজিদ নির্মাণ করবে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে অনুরূপ একটি ঘর নির্মাণ করবেন।" হাজীদের বিষয়ে তাঁদের মনোযোগ, তাঁদের নিরাপত্তা রক্ষা এবং হারামের প্রবেশপথগুলোতে তল্লাশি চালানো; একইভাবে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২১)
كَثُرَ الحريق أتَوا بخيام لا تؤثر فيها النار فجزاهم الله خيراً. فهُمْ في غاية من الاهتمام، فالطائرة ونحن بمنى تمشي على منى؛ من أجل المحافظة على الحجيج، فجزاهم الله خيراً على هذا الاهتمام.
وأنا أقول إنك إذا قرأت في كتب المتقدمين وتورايخ مكة، ترى أن أبا طاهر القرمطي قد قتل في الحرم وفي مكة وضواحيها في الكل نحو ثلاثين ألفاً، وإنك تجد في بعض الأعوام: مُنِعَ الحجيج المصري، في بعض الأحوال مُنِعَ الحجيج العراقي، وفي بعض الأحوال مُنِعَ الحجيج اليمني، ولكن عند أن تمكنت الحكومة السعودية بحمد الله فمحافظون على العدو، والصديق، ويعتبرونهم ضيوف الرحمن، ثم ضيوفهم فجزاهم الله خيراً.
وإنهم ليشكرون على ذلك وما يستطيع أحد من الحكومات كلها أن يقوم بهذا، لكن هم جزاهم الله خيراً قائمون، العساكر مبثوثون، المسئولون أيضاً كذلك مبثوثون فجزاهم الله خيراً، والحمد لله منهم من هو لابس لباساً
অগ্নিকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় তারা এমন সব তাবু নিয়ে এসেছেন যা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না, আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিন। তারা অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করছেন; আমরা যখন মিনায় ছিলাম, তখন হাজীদের জানমাল রক্ষার স্বার্থে বিমান মিনার ওপর দিয়ে টহল দিচ্ছিল। এই বিশেষ গুরুত্ব প্রদানের জন্য আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দান করুন।
আমি বলছি যে, আপনি যদি পূর্ববর্তী (المتقدمين) পণ্ডিতগণের কিতাবসমূহ এবং মক্কার ইতিহাস পাঠ করেন, তবে দেখতে পাবেন যে, আবু তাহের আল-কারমাতি হারাম শরীফে, মক্কায় এবং এর আশপাশের এলাকায় সর্বমোট প্রায় ত্রিশ হাজার মানুষকে হত্যা করেছিল। আপনি আরও দেখতে পাবেন যে, কোনো কোনো বছর মিশরীয় হাজীদের আসা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, কোনো পরিস্থিতিতে ইরাকী হাজীদের এবং কোনো পরিস্থিতিতে ইয়েমেনি হাজীদের আসা বন্ধ ছিল। কিন্তু আল্লাহর প্রশংসায় সৌদি সরকার যখন সক্ষমতা লাভ করল, তখন তারা শত্রু-মিত্র নির্বিশেষে সকলের নিরাপত্তা রক্ষা করছে এবং তারা হাজীদের পরম করুণাময়ের মেহমান ও এরপর নিজেদের মেহমান হিসেবে গণ্য করছে। আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিন।
এই মহতী কাজের জন্য তারা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার এবং বিশ্বের অন্য কোনো সরকারের পক্ষেই এই বিশাল দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়। কিন্তু তারা—আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিন—এই দায়িত্ব আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছেন। সর্বত্র নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে, দায়িত্বশীল ব্যক্তিরাও ছড়িয়ে আছেন। আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিন। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, তাদের মধ্যে কেউ কেউ বিশেষ পোশাক পরিহিত...
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২২)
رسمياً، ومنهم من هو لابس لباساً غير رسمي؛ من أجل ملاحظة أحوال الناس والحمد لله.
هذه نعمة من الله سبحانه وتعالى على هؤلاء الحكام، وقد نقلت شيئاً في كتابي: «إلحاد الخميني في أرض الحرمين» نقلت شيئاً من هذا، أعني في قلقلة أمور الحجيج فيما تقدم.
فقد أرسل الحاكم بأمر الله العبيدي الباطني، أرسل عبداً له وطعن الحجر بالدبوس، ثم بعد ذلك قام حول الحجر يقتل من عارضه أو من يريد أن يقبض عليه، وهو يقول: لا محمد ولا علي. حتى قتله رجلان من أهل اليمن.
فكما تقدم قبل أنه يجب على كل مسلم في جميع الأقطار الإسلامية أن يتعاون مع هذه الحكومة؛ فإن الله عز وجل يقول في كتابه الكريم: {وَتَعَاوَنُوا عَلَى البِرِّ وَالتَّقْوَى وَلا تَعَاوَنُوا عَلَى الإِثْمِ وَالعُدْوَانِ} (1).
--------------------------------------------
সরকারিভাবে, আবার তাদের মধ্যে কেউ কেউ বেসামরিক পোশাকে থাকেন; মানুষের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করার জন্য, আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
এটি এই শাসকদের ওপর মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার একটি বিশেষ নেয়ামত। আমি আমার ‘হারামাইন শরীফাইনের ভূমিতে খোমেনির নাস্তিকতা’ নামক গ্রন্থে এ বিষয়ে কিছু তথ্য উদ্ধৃত করেছি; অর্থাৎ অতীতে হাজীদের বিভিন্ন বিষয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ব্যাপারে।
বাতেনি (باطني) শাসক আল-হাকিম বি-আমরিল্লাহ আল-উবাইদি তার এক গোলামকে পাঠিয়েছিল, যে একটি সূঁচালো অস্ত্র দিয়ে হাজরে আসওয়াদকে আঘাত করেছিল। এরপর সে হাজরে আসওয়াদের চারপাশে দাঁড়িয়ে তাকে প্রতিরোধকারী কিংবা তাকে গ্রেফতার করতে উদ্যত ব্যক্তিদের হত্যা করতে লাগল। সে বলছিল: ‘মুহাম্মদ নেই, আলীও নেই।’ শেষ পর্যন্ত ইয়েমেনের দুই ব্যক্তি তাকে হত্যা করেন।
যেমনটি পূর্বে আলোচিত হয়েছে যে, বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তের সকল মুসলিমের জন্য এই সরকারের সাথে সহযোগিতা করা আবশ্যক; কেননা মহান আল্লাহ তাঁর পবিত্র গ্রন্থে ইরশাদ করেছেন: “তোমরা সৎকাজ ও তাকওয়ার ক্ষেত্রে একে অপরকে সহযোগিতা করো এবং পাপাচার ও সীমালঙ্ঘনের কাজে একে অপরকে সহযোগিতা করো না” (১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
ويقول الرسول -صلى الله عليه وعلى آله وسلم-: ((المؤمن للمؤمن كالبنيانِ يشدُّ بعضُه بعضاً)) متفق عليه من حديث أبي موسى، ويقول الرسول -صلى الله عليه وعلى آله وسلم-: ((مثلُ المؤمنين في توادِّهم وتراحمهم وتعاطُفِهِم، كمثل الجسد إذا اشتكى منه عضو، تداعى له سائر الجسد بالحمى والسهر)).
ومن ذلك أيضاً تكريمهم للعلماء، وقد أوصاهم والدهم عبد العزيز -رحمه الله تعالى- بذلك، فهم يجلون العلماء ويقدرونهم غاية التقدير، ولكن هناك علماء سوء يتكلمون في الحكومة السعودية وربما يكفرونها، فينبغي التمييز بين أهل العلم من كان على عقيدتهم أي على عقيدة التوحيد فينبغي أن يُكرَم، ومن كان على العقائد البدعية أو الحزبية هؤلاء الحزبيون يا إخواننا شرٌ، هم يهيئون أنفسهم للوثوب على الدولة متى تمكَّنوا فينبغي ألَاّ يمكنوا من شيء، وألَاّ يساعدوا على باطلهم، اللهم إلَاّ إذا كان من باب التأليف إذا عُلِمَ أنهم سيرجعون.
وإن إكرامهم لأهل العلم يعتبر منقبة لهم، وإحساناً
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "এক মুমিন অন্য মুমিনের জন্য একটি ভবনের ন্যায়, যার এক অংশ অন্য অংশকে শক্তিশালী করে।" এটি আবু মুসা-এর বর্ণিত হাদিস হতে সর্বসম্মতভাবে গৃহীত (متفق عليه)। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) আরও বলেছেন: "মুমিনদের পারস্পরিক ভালোবাসা, দয়া ও সহমর্মিতার উদাহরণ একটি দেহের ন্যায়; যখন দেহের কোনো একটি অঙ্গ ব্যথিত হয়, তখন পুরো শরীর অনিদ্রা ও জ্বরের মাধ্যমে তার প্রতি সাড়া দেয়।"
এর অন্তর্ভুক্ত আরও একটি বিষয় হলো আলেমদের প্রতি তাদের সম্মান প্রদর্শন। তাদের পিতা আবদুল আজিজ (রাহিমাহুল্লাহু তাআলা) তাদের এই বিষয়ে অসিয়ত করে গিয়েছেন। ফলে তারা আলেমদের অত্যন্ত শ্রদ্ধা ও চরম মূল্যায়ন করেন। তবে এমন কিছু মন্দ আলেম রয়েছে যারা সৌদি সরকারের সমালোচনা করে এবং সম্ভবত তাদের কাফির বলে আখ্যা দেয়। তাই আলেমদের মধ্যে পার্থক্য করা আবশ্যক; যারা তাদের আকিদাহ অর্থাৎ তাওহিদের আকিদাহর ওপর অটল রয়েছেন তাদের সম্মান করা উচিত। আর যারা বিদআতি (بدعية) বা দলপ্রীতির (حزبية) আকিদাহর ওপর রয়েছে—হে আমাদের ভাইয়েরা, এই দলবাজরা (الحزبيون) হচ্ছে মন্দ। তারা সুযোগ পেলেই রাষ্ট্রের ওপর চড়াও হওয়ার জন্য নিজেদের প্রস্তুত করে। সুতরাং তাদের কোনো কিছুতেই সুযোগ দেওয়া উচিত নয় এবং তাদের বাতিলের ওপর সহায়তা করা উচিত নয়। তবে হ্যাঁ, যদি এটি মন জয় করার (تأليف) অংশ হিসেবে হয়—যখন জানা যায় যে তারা সত্যে ফিরে আসবে।
নিশ্চয়ই আলেমদের প্রতি তাদের এই সম্মান প্রদর্শন তাদের জন্য একটি বিশেষ গুণ এবং একটি মহৎ কাজ হিসেবে গণ্য।
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
إلى دولتهم وإلى والدهم لوصيته -رحمه الله تعالى-.
فجزاهم الله خيراً، لقد استقبلونا غاية الاستقبال وأكرمونا غاية الإكرام وقاموا بإذن الله تعالى بكل مهمة تهمنا في علاجنا وفي ما نحتاج إليه، فجزاهم الله عنا خيراً، وأسال الله أن يبارك لهم، وأن يحفظ دولتهم، وأن يمكن لهم، وأن يصلحهم أيضاً، ويرزقهم البطانة الصالحة نسأل الله أن يرزقهم البطانة الصالحة؛ فان الله عز وجل يقول: {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لا تَتَّخِذُوا بِطَانَةً مِنْ دُونِكُمْ لا يَأْلُونَكُمْ خَبَالاً وَدُّوا مَا عَنِتُّمْ قَدْ بَدَتِ البَغْضَاءُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ وَمَا تُخْفِي صُدُورُهُمْ أَكْبَرُ} (1).
فنسأل الله أن يرزقهم البطانة الصالحة وإن يقيهم جلساء السوء؛ فإن الرسول -صلى الله عليه وعلى آله وسلم- يقول: ((مَثَلُ الجليسِ الصَّالِحِ وجَلِيسِ السُّوءِ، كَحَامِلِ المِسكِ ونَافِخِ الكِير، فحاملُ المسك، إما أن يحذِيكَ، وإما أن تبتَاعَ منهُ، وإما أن تجد منه ريحاً طيِّبةً، ونافخ الكير إما أن يُحرق ثِيَابك،
--------------------------------------------
তাদের রাষ্ট্রের প্রতি এবং তাদের পিতার অসিয়তের প্রেক্ষিতে —আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন—।
আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দান করুন। তারা আমাদের সর্বোত্তমভাবে অভ্যর্থনা জানিয়েছেন এবং সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন করেছেন। আল্লাহর ইচ্ছায় তারা আমাদের চিকিৎসার প্রয়োজনে এবং আমাদের যা কিছু প্রয়োজন ছিল তার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পাদন করেছেন। আল্লাহ আমাদের পক্ষ থেকে তাদের উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন তাদের বরকত দান করেন, তাদের রাষ্ট্রকে হিফাজত করেন, তাদের শক্তিশালী ও প্রতিষ্ঠিত করেন এবং তাদের সংশোধন করে দেন। আল্লাহ যেন তাদের সৎ সহচর (بطانة صالحة) দান করেন; আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন তাদের নেককার অন্তরঙ্গ বন্ধু (بطانة صالحة) নসিব করেন। কেননা আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা ইরশাদ করেন: {হে মুমিনগণ! তোমরা নিজেদের ব্যতিরেকে অন্যদের অন্তরঙ্গ বন্ধু (بطانة) হিসেবে গ্রহণ করো না; তারা তোমাদের অনিষ্ট সাধনে কোনো ত্রুটি করে না। তারা তোমাদের দুঃখ-দুর্দশাই কামনা করে। তাদের মুখ থেকে তো শত্রুতা প্রকাশ পেয়ে গেছে, আর তাদের অন্তরে যা গোপন আছে তা আরও গুরুতর} (১)।
আমরা আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন তাদের সৎ সহচর (بطانة صالحة) দান করেন এবং তাদের মন্দ সঙ্গীদের (جلساء السوء) থেকে রক্ষা করেন। কেননা রাসূলুল্লাহ —সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম— বলেছেন: ((সৎ সঙ্গী (الجليس الصالح) এবং মন্দ সঙ্গীর (جليس السوء) উদাহরণ হলো কস্তুরী বহনকারী এবং কামারের হাপর সঞ্চালনকারীর মতো। কস্তুরী বহনকারী হয় তোমাকে কিছু উপহার দেবে, নতুবা তুমি তার থেকে তা ক্রয় করবে, অথবা তার থেকে তুমি সুঘ্রাণ লাভ করবে। আর কামারের হাপর সঞ্চালনকারী হয় তোমার কাপড় পুড়িয়ে দেবে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
وإما أن تَجِدَ منه ريحاً منتنةً)). ولسنا بصدد ذكر الآيات والأحاديث في ضرر جلساء السوء وفي أيضاً فضل الجلساء الصالحين، ولكن ننصحهم بالحرص على الجلساء الصالحين الذين يريدون لهم الخير وللبلاد الإسلامية؛ فإن هذه البلدة تعتبر معقل المسلمين، وملجأ المسلمين، وإنني أحمد الله، فقد فتحوا صدورهم لكثير من الآتين من بلدان شتى، فنحمد الله سبحانه وتعالى والله المستعان.
بقي إننا قلنا الحامل لنا على هذه الكلمة، هو أننا نرى أنه واجب علينا أن نقول الحق، هذا هو الواجب، وإلَاّ فوالله لم تدفعني مادة، ولم يدفعني أحد إلى ذلك.
وأيضاً أنا بحمد الله لست ممن يغتر بالأقوال، ولكن أنا أتأثر من الأفعال، فرأيت أفعالاً حميدة مجيدة جزاهم الله خيراً، هذا الذي أتاثر به والله المستعان.
هذا ونسأل الله أن يوفقنا وإياكم لما يحب ويرضى، وقد كثر السؤال، هل أنت قد تراجعت عن كلامك في الحكومات؟ تراجعت عن كلامي على الحكومة السعودية
অথবা তুমি তার থেকে দুর্গন্ধ পাবে।")। আমরা এখানে অসৎ সঙ্গীদের অপকারিতা এবং সৎ সঙ্গীদের ফজিলত সম্পর্কে আয়াত ও হাদিসসমূহ উল্লেখ করার পর্যায়ে নেই, তবে আমরা তাদেরকে সৎ সঙ্গীদের সান্নিধ্য লাভের ব্যাপারে যত্নশীল হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি যারা তাদের এবং মুসলিম দেশসমূহের জন্য কল্যাণ কামনা করে; কেননা এই ভূখণ্ড মুসলিমদের দুর্গ এবং মুসলিমদের আশ্রয়স্থল হিসেবে বিবেচিত। আমি আল্লাহর প্রশংসা করি, কারণ তারা বিভিন্ন দেশ থেকে আগত বহু মানুষের জন্য তাদের হৃদয় উন্মুক্ত করে দিয়েছে। আমরা মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার প্রশংসা করি এবং আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করছি।
অবশিষ্ট কথা হলো, আমাদের এই আলোচনার নেপথ্য কারণ হিসেবে আমরা বলেছি যে, আমরা সত্য বলাকে আমাদের ওপর আবশ্যক মনে করি; এটাই হলো কর্তব্য, নতুবা আল্লাহর কসম, কোনো পার্থিব স্বার্থ আমাকে তাড়িত করেনি এবং কেউ আমাকে এ কাজে বাধ্য করেনি।
এছাড়া আল্লাহর প্রশংসায় আমি এমন ব্যক্তি নই যে কেবল কথায় প্রলুব্ধ হবে, বরং আমি কর্মের দ্বারা প্রভাবিত হই। আমি তাদের প্রশংসনীয় ও মহান কর্মকাণ্ড দেখেছি, আল্লাহ তাদেরকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। এটাই আমাকে প্রভাবিত করেছে এবং আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করি।
পরিশেষে আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদের এবং আপনাদের সেই কাজের তাওফিক দান করেন যা তিনি পছন্দ করেন এবং যাতে তিনি সন্তুষ্ট হন। এদিকে অনেক প্রশ্ন এসেছে—আপনি কি বিভিন্ন সরকার সম্পর্কে আপনার বক্তব্য থেকে ফিরে এসেছেন? আমি সৌদি সরকারের ব্যাপারে আমার বক্তব্য থেকে ফিরে এসেছি।
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
جزاهم الله خيراً، أما ما عداها فلا.
يوجد مقوله أنكم قدَّمتم لكتاب في تكفير الدولة للمقدسي، وأنكم ذكرتم هذا في المقدمة له، يا شيخ ما صحة هذا؟
هذا كَذِبٌ، وأنا إذ كنت من المدينة، وبعد السجن في المدينة وفي الرياض، خرجت وأنا لا أكفر الدولة السعودية، فكيف أكفرها؛ فإن الرسول -صلى الله عليه وعلى آله وسلم- يقول: ((مَن قَالَ لأخيهِ: يا كافرُ، فَقدْ بَاءَ بها أحدُهُما))، فلا يجوز لنا أن نكفرها وهي دولة مسلمة والله المستعان.
ما رأيكم في المدعو أبومحمد المقدسي؟ وهل هو من أهل العلم؟
هذا الرجل يكتب كتابات، وكتبه كثيرة الأخطاء.
في ذات مرة أرسل لنا بكتاب لعله والله أعلم «أعداد القادة الفوارس بترك المدارس» هو أو غيره وليس بكتاب «الكواشف الجلية»؛ فإنه كان لا يعترف بأنه له
আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিন, তবে এছাড়া অন্য ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য নয়।
একটি জনশ্রুতি রয়েছে যে আপনি মাকদিসির রাষ্ট্রকে কাফির সাব্যস্ত করা (تكفير) সংক্রান্ত একটি কিতাবের ভূমিকা লিখেছেন এবং আপনি সেখানে এর উল্লেখ করেছেন; হে শায়খ, এর সত্যতা (صحة) কতটুকু?
এটি একটি মিথ্যা (كذب)। আমি যখন মদীনায় ছিলাম এবং মদীনা ও রিয়াদের কারাগারে বন্দি থাকার পর যখন মুক্তি পেলাম, তখন আমি সৌদি রাষ্ট্রকে কাফির সাব্যস্ত করতাম না। তবে এখন কেন তাদের কাফির বলব? অথচ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি তার কোনো ভাইকে 'হে কাফির' বলে সম্বোধন করল, তাদের মধ্যে যেকোনো একজনের উপর তা বর্তাবে।" সুতরাং আমাদের জন্য তাদের কাফির সাব্যস্ত করা বৈধ নয়, কেননা এটি একটি মুসলিম রাষ্ট্র। আল্লাহই সাহায্যকারী।
আবু মুহাম্মদ মাকদিসি নামধারী ব্যক্তি সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তিনি কি ইলমের অধিকারী (من أهل العلم) ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত?
এই ব্যক্তি বিভিন্ন লেখা লিখে থাকেন এবং তার বইগুলোতে প্রচুর ভুল রয়েছে।
একবার তিনি আমাদের কাছে একটি বই পাঠিয়েছিলেন, আল্লাহই ভালো জানেন, সম্ভবত সেটি ছিল 'আদাদুল কাদাতিল ফাওয়ারিস বি-তারকিল মাদারিস'; এটি বা অন্য কোনো বই হতে পারে, তবে তা 'আল-কাওয়াশিফ আল-জালিয়্যাহ' ছিল না; কেননা তিনি তখন এটি তার নিজের লেখা বলে স্বীকার করতেন না।
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
فأعطاني أنظره، وأنا ما لدي وقت، فأعطيته الأخ الناقد البصير عبد العزيز البرعي، وبيَّن ما فيه من الخطأ، نصحاً لله سبحانه وتعالى، فوصلت إليه، فإذا هو يريد أن يرد على عبد العزيز البرعي، فقلت له: هذا رجل جاهل مكابر، أتركه ولا ينبغي أننا نشتغل به. والله المستعان.
ولكن الناس مَنْ رأوا عنده حماسة ظنوا أنه من أهل العلم، وما أكثر الذين يظنونهم من أهل العلم وليسوا من أهل العلم، فهذا رجل ليس من أهل العلم.
…ثم قال الشيخ رحمه الله: نسينا شيئاً وهو ما جاء في بعض الجرائد أن الأمير سلمان حفظه الله تعالى أعلن وقال أنه جلد أربعة من البريطانيين، وقال سنطبِّق شرع الله، وإن غضب من غضب، فلِلهِ درُّه درُّهم على هذا الإقدام، في حين أن كثيراً من الحكومات تخاف من إذاعة لندن، ويقولون: إذاعة عالمية، وتخاف من جريدة الحياة، ويقولون: جريدة عالمية، وهؤلاء جزاهم الله خيراً يقيمون
তিনি আমাকে এটি পর্যালোচনার জন্য প্রদান করেছিলেন, কিন্তু আমার নিকট পর্যাপ্ত সময় ছিল না। তাই আমি এটি ভ্রাতা সুতীক্ষ্ণ সমালোচক (الناقد البصير) আবদুল আজিজ আল-বুরাই-কে অর্পণ করি এবং তিনি মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির নিমিত্তে এতে বিদ্যমান ভুলত্রুটিসমূহ উন্মোচন করেন। বিষয়টি যখন তাঁর নিকট পৌঁছাল, তখন তিনি আবদুল আজিজ আল-বুরাই-এর প্রতিবাদ করতে চাইলেন। আমি তাঁকে বললাম: এই ব্যক্তি একজন অজ্ঞ (جاهل) ও হঠকারী (مكابر); তাকে পরিহার করুন এবং তাকে নিয়ে লিপ্ত হওয়া আমাদের জন্য সমীচীন নয়। আর আল্লাহর নিকটই সাহায্য প্রার্থনা করছি।
কিন্তু মানুষ যখন তার মধ্যে উদ্যম প্রত্যক্ষ করেছে, তখন তারা ধারণা করেছে যে সে আহলে ইলমদের (أهل العلم) অন্তর্ভুক্ত। এমন বহু ব্যক্তি রয়েছে যাদেরকে মানুষ আলিম বলে গণ্য করে অথচ তারা প্রকৃতপক্ষে ইলমের অধিকারী নয়; সুতরাং এই ব্যক্তিও আহলে ইলমদের (أهل العلم) অন্তর্ভুক্ত নয়।
…অতঃপর শাইখ —আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন— বললেন: আমরা একটি বিষয় বিস্মৃত হয়েছিলাম, যা কিছু সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছে যে, আমির সালমান —আল্লাহ তাঁকে হিফাযত করুন— ঘোষণা করেছেন এবং বলেছেন যে তিনি চারজন ব্রিটিশ নাগরিককে দোররা মেরেছেন। তিনি আরও বলেছেন: আমরা আল্লাহর শারিয়াহ (شرع الله) বাস্তবায়ন করব, তাতে কেউ রাগান্বিত হলে হোক। এই সাহসী পদক্ষেপের জন্য তাদের জানাই সাধুবাদ। যেখানে অনেক রাষ্ট্রই লন্ডন রেডিওকে ভয় পায় এবং সেটিকে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম বলে অভিহিত করে, আবার তারা আল-হায়াত পত্রিকাকে ভয় পায় এবং সেটিকে আন্তর্জাতিক সংবাদপত্র বলে গণ্য করে। পক্ষান্তরে এরা —আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিন— প্রতিষ্ঠা করছেন...
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
شرع الله، فأسأل الله أن يحفظهم وأن يحفظ بلادهم.
شيء آخر أيضاً نسيناه وهو مسألة المستشفيات، فقد رأينا ما يسرنا في المستشفيات، وهو أن المستشفيات بحمد الله في كل دور مسجد، وربما يكون مسجد للرجال، ومسجد للنساء، فيشكرون على هذا الاهتمام وجزاهم الله خيراً.
ثم بعد ذلك أيضاً بناء المستشفيات في بلدان شتى، فقد بني في بلادنا اليمن مستشفى كبير في صعدة اسمه: مستشفى السلام، وبني بعده مستشفى آخر ما أذكر اسمه وهو بحجة، العلاج مجاناً والأشعة أيضاً كذلك والعمليات، فيشكرون على هذا، والله يجزيهم خيراً على هذا العمل الجليل الذي يقومون به والله المستعان. وبهذا ننتهي، والحمد الله رب العالمين، ولا حوله ولا قوة إلا بالله، وإذا حصل خطأ، فالمريض قد يعذر والله المستعان.
وبعد: فإن قال قائل: لِمَ لم تؤخر هذا الكلام إلى
আল্লাহর বিধান; আমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি যেন তিনি তাদের হিফাযত করেন এবং তাদের দেশসমূহকেও হিফাযত করেন।
আরেকটি বিষয় যা আমরা ভুলে গিয়েছিলাম তা হলো হাসপাতাল সংক্রান্ত বিষয়। আমরা হাসপাতালগুলোতে এমন কিছু দেখেছি যা আমাদের আনন্দিত করেছে, আর তা হলো—আল্লাহর প্রশংসায়—হাসপাতালের প্রতিটি তলায় মসজিদ রয়েছে; সম্ভবত কোনোটি পুরুষদের জন্য এবং কোনোটি নারীদের জন্য। এই বিশেষ গুরুত্ব প্রদানের জন্য তারা ধন্যবাদের যোগ্য এবং আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দান করুন।
অতঃপর বিভিন্ন দেশে হাসপাতাল নির্মাণও প্রশংসনীয়। আমাদের দেশ ইয়ামেনের সা'দাহ নামক স্থানে একটি বিশাল হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়েছে যার নাম 'আস-সালাম হাসপাতাল'। এরপর হাজ্জাহ নামক স্থানে আরও একটি হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়েছে যেটির নাম এই মুহূর্তে আমার স্মরণে নেই। সেখানে চিকিৎসা, এক্স-রে এবং অপারেশন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। এই মহান কাজের জন্য তারা প্রশংসার দাবিদার এবং এই মহৎ কর্মতৎপরতার জন্য আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিন; আল্লাহই একমাত্র সাহায্যকারী। এখানেই আমরা ইতি টানছি। যাবতীয় প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো শক্তি বা সামর্থ্য নেই। যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে, তবে একজন অসুস্থ ব্যক্তি ক্ষমার যোগ্য হতে পারেন; আল্লাহই একমাত্র সাহায্যস্থল।
অতঃপর: যদি কোনো প্রশ্নকারী বলেন: কেন আপনি এই কথাটি বিলম্বিত করে এই পর্যন্ত নিয়ে আসলেন না...
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
الرجوع إلى البلد أي بلدي فالجواب: إننا لسنا متأكدين يعني بالرجوع فالله سبحانه وتعالى قد يقدر أموراً أخرى، والحمد لله رب العالمين.
ثم بعد ذلك إن هؤلاء المسئولين هاهنا بالمملكة جزاهم الله خيراً سبقونا بالعفو وسبقونا أيضاً بالفضيلة، فضيلة العفو فهم سبَّاقون إلى هذا، ولم يسبقونا بالعفو فحسب، بل بالعفو والإكرام فجزاهم الله خيراً.
يقول الشاعر:
إذا أنت أكرمت الكريم ملكته
… وإن أنت أكرمت اللئيم تمردا
إن هناك مسئولين إذا دخلت إليه، ربما تخرج وأنت مستريح بموافقته إياك ما تقول من تغيير المنكر أو غير ذلك، ولكن لا تثق بهذا الكلام يصير حالك كما قيل:
فأصبحت من ليلى الغداة كقابض
… على الماء خانته فروج الأصابع
وبعد هذا فنسيت شيئاً يجب أن يكون مقدماً، ذالكم الشيء الذي يجب أن يكون مقدماً؛ لأن له السبق في الترتيب، وهو ما قام به الأخ محمد بن عبد الله بن صالح
স্বদেশে অর্থাৎ আমার দেশে প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি সম্পর্কে উত্তর হলো: আমরা প্রত্যাবর্তনের ব্যাপারে নিশ্চিত নই, মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা হয়তো অন্য কিছু নির্ধারণ করে রেখেছেন। আর সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।
অতঃপর, এই সৌদি আরবের দায়িত্বশীলগণ—আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিন—ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে আমাদের চেয়ে অগ্রগামী হয়েছেন এবং তাঁরা মহানুভবতার ক্ষেত্রেও অগ্রগামী হয়েছেন, তথা ক্ষমার মহানুভবতা। তাঁরা এই বিষয়ে অগ্রগামী এবং তাঁরা কেবল ক্ষমা করেই ক্ষান্ত হননি, বরং ক্ষমা ও সম্মান প্রদানের মাধ্যমে আমাদের ধন্য করেছেন। আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিন।
কবি বলেন:
তুমি যদি কোনো মহৎ ব্যক্তিকে সম্মান করো, তবে তুমি তাকে আপন করে নেবে
… আর যদি কোনো নীচ ব্যক্তিকে সম্মান করো, তবে সে ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করবে।
নিশ্চয়ই এমন কিছু দায়িত্বশীল ব্যক্তি রয়েছেন যাদের কাছে আপনি গেলে হয়তো বেরিয়ে আসার সময় আপনি প্রশান্ত মনে বেরিয়ে আসবেন, কারণ আপনার বক্তব্য—তা অন্যায় প্রতিরোধ বা অন্য কিছু হোক—তাতে তিনি একমত পোষণ করেছেন। কিন্তু এই কথার ওপর পুরোপুরি আস্থা (ثقة) স্থাপন করবেন না, অন্যথায় আপনার অবস্থা ঠিক তেমনই হবে যেমনটি বলা হয়েছে:
অতঃপর আজ সকালে লায়লার ব্যাপারে আমার অবস্থা সেই ব্যক্তির মতো হয়েছে যে পানি মুষ্ঠিবদ্ধ করতে চায়
… অথচ আঙ্গুলের ফাঁক দিয়ে তা চুইয়ে পড়ে তাকে প্রতারিত করে।
এরপর, আমি একটি বিষয় ভুলে গিয়েছিলাম যা সর্বাগ্রে উল্লেখ করা আবশ্যক ছিল। এটি সেই বিষয় যা গুরুত্বের বিচারে প্রথমে থাকা প্রয়োজন; কারণ ক্রমিক বিন্যাসে এর অগ্রাধিকার রয়েছে। আর তা হলো আমাদের ভাই মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন সালেহ যা সম্পাদন করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মুশাহাদাতী ফিল মামালাকাতিল আরাবিয়্যাতিস সাউদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
أخو الرئيس في استقبالنا وتهيئته لنا بمستشفى الثورة، وحث الأطباء على القيام بالواجب، ف-رحمه الله تعالى-، وجزاه الله خيراً، ويشكر على هذا، الله يرحمه، ولا نزال نذكر له هذا العمل الطيب الذي قام به فجزاه الله خيراً، فالنبي -صلى الله عليه وعلى آله وسلم- يقول: ((لا يشكرُ الله من لا يشكر الناسَ)) فنحن نشكر له هذا العمل الذي قام به، وهذه العناية التي اهتمَّ بها فجزاه الله خيراً، ورحمه وأسكنه جنة الفردوس، فهو -رحمه الله تعالى- يعتبر نقصاً على المجتمع اليمني كله، والله المستعان، وقدر الله وما شاء فعل.
وعند أن بلغتنا وفاته حزِنَّا نحن وجميع الأخوة الذين يعرفون حقيقةَ وطيبَ محمد عبد الله جزاه الله خيراً، ومساعدته للأيتام في دار الشوكاني، فيشكر على هذا، وأحسن لنفسه وهو رجل صدوق ليس لديه تملُّق، وليس لديه سياسة خداعة كذابة، ولكنه الذي عنده يقوله في وَقته، والحمد لله.
هذا ما أردنا أضافته ونتواصى جميعاً بتقوى الله
রাষ্ট্রপতির ভ্রাতা আমাদের অভ্যর্থনা প্রদান এবং সউরা হাসপাতালে আমাদের জন্য সুব্যবস্থা নিশ্চিত করেছিলেন। তিনি চিকিৎসকদের তাদের কর্তব্য পালনে উদ্বুদ্ধ করেছেন; আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন এবং তাঁকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। এই মহান কর্মের জন্য তিনি প্রশংসার যোগ্য, আল্লাহ তাঁকে রহম করুন। তিনি আমাদের জন্য যে কল্যাণকর কাজ করেছেন তা আমরা সর্বদা স্মরণ করি, আল্লাহ তাঁকে জাযায়ে খায়ের দান করুন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) এরশাদ করেছেন: "যে ব্যক্তি মানুষের কৃতজ্ঞতা আদায় করে না, সে আল্লাহর কৃতজ্ঞতা আদায় করে না।" সুতরাং তিনি যে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং যে বিশেষ যত্ন প্রদান করেছেন তার জন্য আমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দিন, তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন এবং তাঁকে জান্নাতুল ফিরদাউসে দাখিল করুন। তাঁর প্রয়াণ সমগ্র ইয়েমেনি সমাজের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি; আল্লাহই একমাত্র সাহায্যকারী এবং আল্লাহ যা নির্ধারণ করেছেন তা-ই সংঘটিত হয়।
যখন তাঁর ইন্তেকালের সংবাদ আমাদের নিকট পৌঁছাল, তখন আমরা এবং সেই সকল ভাইয়েরা যারা মুহাম্মদ আব্দুল্লাহর (আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দিন) প্রকৃত অবস্থা ও সচ্চরিত্র সম্পর্কে জানতেন, তারা অত্যন্ত ব্যথিত হলাম। দারুশ শওকানিতে এতিমদের প্রতি তাঁর সহায়তা প্রশংসনীয়। তিনি নিজের পারলৌকিক জীবনের জন্য উত্তম আমল করেছেন; তিনি ছিলেন একজন সত্যনিষ্ঠ (صدوق) ব্যক্তি, যার মাঝে কোনো তোষামোদ ছিল না এবং কোনো প্রতারণামূলক মিথ্যা (كذابة) রাজনীতি ছিল না। বরং তাঁর অন্তরে যা থাকত তিনি সময়মতো তা-ই বলতেন, আলহামদুলিল্লাহ।
এটুকুই ছিল আমাদের সংযোজনীয় বক্তব্য এবং আমরা সকলকে আল্লাহভীতির উপদেশ দিচ্ছি।