(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: -)
سباعيات أبي المعالي الفراوي   (أبو المعالي الفراوي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: أحاديث محمد بن هشام بن ملاس النميري وهي سباعيات أبي المعالي الفراوي

المؤلف: عبد المنعم بن عبد الله ابن فقيه الحرم أبي عبد الله محمد بن الفضل بن أحمد النيسابوري، أبو المعالي الفُراوي، الصاعدي، الشافعي (ت 587هـ)

علق عليها وخرج نصوصها: يحيي بن عبد الله البكري الشهري

الناشر: أضواء السلف، الرياض - السعودية

الطبعة: الأولى، 1419 هـ - 1998 م

عدد الصفحات: 159

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু আল-মাআলি আল-ফারাউয়ির সুবাঈয়্যাত   (আবু আল-মাআলি আল-ফারাউয়ি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: মুহাম্মাদ বিন হিশাম বিন মাল্লাস আন-নুমাইরির হাদিসসমূহ, যা আবু আল-মাআলি আল-ফারাউয়ির সুবাঈয়্যাত

লেখক: আব্দুল মুনইম বিন আব্দুল্লাহ বিন ফকিহুল হারাম আবি আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আল-ফজল বিন আহমাদ আন-নাইসাবুরি, আবু আল-মাআলি আল-ফারাউয়ি, আস-সাঈদি, আশ-শাফেয়ি (মৃত্যু ৫৮৭ হিজরি)

টিকা প্রদান ও তথ্যসূত্র যাচাই: ইয়াহইয়া বিন আব্দুল্লাহ আল-বাকরি আশ-শাহরি

প্রকাশক: আদওয়াউস সালাফ, রিয়াদ - সৌদি আরব

সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৯ হিজরি - ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৫৯

[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বরকরণ মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: ৩৩)
أَخْبرَنَا أَبُو الْمَعَالِي الْفَرَاوِيُّ بِقِرَائَتِي عَلَيْهِ فِي شَهْرِ رَمَضَانَ سَنَةَ ثَمَانٍ وَسَبْعِينَ وَخَمْسِمِائَةٍ فِي مَسْجِدِ الْمُطَرَّزِ بِشَاذِيَاخِ نَيْسَابُورَ حَدَّثَنَا الشَّيْخُ الزَّكِيُّ أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ الْغَفَّارِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ الشِّيرَوِيُّ رضي الله عنه فِي السَّابِعِ عَشَرَ مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ عَظَّمَ اللَّهُ بَرَكَتَهُ سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وَخَمْسِمِائَةٍ فِي دَارِهِ بِنَيْسَابُورَ حَدَّثَنَا الشَّيْخُ أَبُو سَعِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى بْنِ الْفَضْلِ بْنِ شَاذَانَ الصَّيْرَفِيُّ فِي دَارِهِ قِرَاءَةً وَنَحْنُ نَسْمَعُ فِي شَهْرِ رَبِيعٍ الْأَوَّلِ سَنَةَ عِشْرِينَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ يُوسُفَ الْأَصَّمُّ مِنْ أَصْلِهِ فِي سَنَةِ سِتٍّ وَسِتِّينَ وَثَلَاثِمِائَةٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ هِشَامِ بْنِ مَلَّاسٍ النَّمَرِيُّ مِنْ أَهْلِ دِمَشْقَ سَنَةَ سِتٍّ وَسِتِّينَ وَمِائَتَيْنِ،

 

1 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ الْفَزَارِيُّ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، قَالَ: سُئِلَ أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، هَلْ خَضَبَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ فَقَالَ: ‌‌«لَمْ يَشِنْهُ الشَّيْبُ» ، وَلَكِنْ خَضَبَ أَبُو بَكْرٍ بِالْحِنَّاءِ وَالْكَتَمِ، وَخَضَبَ عُمَرُ بِالْحِنَّاءِ
আবু আল-মাআলি আল-ফারাউয়ি নিশাপুরের শাজিয়াখ অঞ্চলে অবস্থিত আল-মুতাররায মসজিদে পাঁচশ আটাত্তর হিজরি সালের রমজান মাসে আমাদের কাছে সংবাদ দিয়েছেন যখন আমি তাঁর সামনে পাঠ করছিলাম। তিনি বলেন: পবিত্র শায়খ আবু বকর আব্দুল গাফফার বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আশ-শিরাওয়ি (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) পাঁচশ দুই হিজরি সালের সতেরোই রমজান মাসে নিশাপুরে তাঁর নিজ গৃহে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন (আল্লাহ এর বরকত বৃদ্ধি করুন)। তিনি বলেন: শায়খ আবু সাঈদ মুহাম্মদ বিন মুসা বিন আল-ফাযল বিন শাযান আস-সাইরাফি তাঁর গৃহে চারশ বিশ হিজরি সালের রবিউল আউয়াল মাসে আমাদের কাছে পাঠ করে শুনিয়েছেন এবং আমরা তা শ্রবণ করেছি। তিনি বলেন: আবু আল-আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব বিন ইউসুফ আল-আসাম্ম তিনশ ছেষট্টি হিজরি সালে তাঁর মূল পাণ্ডুলিপি থেকে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: দামেস্কের অধিবাসী মুহাম্মদ বিন হিশাম বিন মাল্লাস আন-নামারি দুইশ ছেষট্টি হিজরি সালে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন।

 

১ - মারওয়ান বিন মুয়াবিয়া আল-ফাযারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমাইদ আত-ত্বাবিল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আনাস বিন মালিককে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি খেজাব লাগাতেন? তিনি বললেন: "পাকা চুল তাঁকে সৌন্দর্যহীন করেনি", তবে আবু বকর মেহেদি ও কাতাম (এক প্রকার উদ্ভিদ) দিয়ে খেজাব লাগাতেন এবং উমর মেহেদি দিয়ে খেজাব লাগাতেন।
(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: ৩৯)
2 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، وَقَالَ: قَالَ أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ رضي الله عنه أَهَلَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: ‌‌«لَبَّيْكَ بِعُمْرَةٍ وَحَجٍّ»
২ - আমাদের নিকট মারওয়ান বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হুমাইদ আত-তবিল বর্ণনা করেছেন, এবং তিনি বলেন: আনাস ইবনে মালিক (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) বলেছেন, আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) উচ্চস্বরে তালবিয়া পাঠ করলেন, অতঃপর তিনি বললেন: “আমি উমরাহ ও হজের জন্য আপনার দরবারে হাজির।”
(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: ৫০)
3 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، قَالَ: قَالَ أَنَسٌ: نَادَى رَجُلٌ بِالْبَقِيعِ: يَا أَبَا الْقَاسِمِ، فَالْتَفَتَ إِلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ لَمْ أَعْنِكَ، إِنَّمَا عَنَيْتُ فُلَانًا، فَقَالَ: ‌‌«سَمُّوا بِاسْمِي، وَلَا تَكَنَّوْا بِكُنْيَتِي»
৩ - মারওয়ান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হুমায়দ আত-তাবীল আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আনাস (রা.) বলেছেন: বাকী' নামক স্থানে এক ব্যক্তি ডাক দিল: হে আবুল কাসিম! তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দিকে ফিরে তাকালেন। তখন সে বলল: হে আল্লাহর রাসূল, আমি আপনাকে উদ্দেশ্য করিনি, বরং আমি অমুক ব্যক্তিকে বুঝিয়েছি। তখন তিনি বললেন: «তোমরা আমার নামে নাম রাখো, কিন্তু আমার উপনামে (কুনিয়াত) উপনাম গ্রহণ করো না»
(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: ৫৬)
4 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، قَالَ: قَالَ أَنَسٌ: رَأَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نُخَامَةً فِي قِبْلَةِ الْمَسْجِدِ، فَقَامَ فَحَكَّهَا، ثُمَّ قَالَ: ‌‌«إِنَّ أَحَدَكُمْ - أَوْ قَالَ إِنَّ الْمَرْءَ - إِذَا قَامَ يُصَلِّي، فَإِنَّمَا يُنَاجِي رَبَّهُ» قَالَ حُمَيْدٌ: أَوْ قَالَ: «رَبَّهُ بَيْنَهُ، وَبَيْنَ قِبْلَتِهِ، فَلْيَبْزُقْ عَنْ يَسَارِهِ إِذَا بَزَقَ، أَوْ تَحْتَ قَدَمِهِ، ثُمَّ أَخَذَ طَرَفَ رِدَائِهِ، وَتَفَلَ فِيهِ وَرَدَّ بَعْضَهُ عَلَى بَعْضٍ»
৪ - মারওয়ান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হুমায়দ আত-তবিল আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আনাস বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদের কিবলার দিকে শ্লেষ্মা দেখতে পেলেন, তখন তিনি দাঁড়িয়ে তা ঘষে পরিষ্কার করলেন, এরপর তিনি বললেন: «তোমাদের কেউ — অথবা তিনি বলেছেন কোনো ব্যক্তি — যখন সালাতে দাঁড়ায়, তখন সে মূলত তার রবের সাথে নিভৃতে কথা বলে।» হুমায়দ বলেন: অথবা তিনি বলেছেন: «তার রব তার, এবং তার কিবলার মাঝখানে থাকেন; সুতরাং সে যখন থুথু ফেলবে, তখন যেন তার বাম দিকে অথবা তার পায়ের নিচে ফেলে। এরপর তিনি তাঁর চাদরের এক প্রান্ত ধরলেন এবং তাতে থুথু ফেলে তার এক অংশ অন্য অংশের ওপর ভাঁজ করে দিলেন।»
(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: ৬১)
5 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، قَالَ: قَالَ أَنَسٌ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«انْصُرْ أَخَاكَ ظَالِمًا أَوْ مَظْلُومًا» ، قِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ نُصْرَتُهُ مَظْلُومًا، فَكَيْفَ أَنْصُرُهُ ظَالِمًا؟ قَالَ: «تَمْنَعُهُ مِنَ الظُّلْمِ، فَذَلِكَ نُصْرَتُكَ إِيَّاهُ»
৫ - আমাদের নিকট মারওয়ান বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হুমায়দ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আনাস (রা.) বলেছেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমার ভাইকে সাহায্য করো, সে জালেম হোক কিংবা মজলুম।" জিজ্ঞেস করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল, মজলুম অবস্থায় তাকে সাহায্য করা তো বুঝলাম, কিন্তু জালেম অবস্থায় আমি তাকে কীভাবে সাহায্য করব? তিনি বললেন: "তুমি তাকে জুলুম থেকে বিরত রাখবে, আর এটাই তাকে তোমার সাহায্য করা।"
(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: ৬৫)
6 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، قَالَ: قَالَ أَنَسٌ: ‌‌«كُنَّا نُصَلِّي الْمَغْرِبَ فِي مَسْجِدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، ثُمَّ نَأْتِي بَنِي سَلِمَةَ، وَأَحَدُنَا يَرَى مَوَاقِعَ نَبْلِهِ»
৬ - মারওয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমায়দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আনাস বলেছেন: «আমরা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মসজিদে মাগরিবের সালাত আদায় করতাম, অতঃপর আমরা বনী সালিমাহ-তে আসতাম এবং তখন আমাদের কেউ তার তীরের পতনের স্থানসমূহ দেখতে পেত।»
(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: ৬৭)
7 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: "‌‌ قُمْتُ يَوْمًا أُصَلِّي، وَبَيْنَ يَدَيَّ قَبْرٌ لَا أَشْعُرُ بِهِ، فَنَادَانِي عُمَرُ: الْقَبْرَ الْقَبْرَ، وَظَنَنْتُ أَنَّهُ يَعْنِي الْقَمَرَ، فَقَالَ لِي بَعْضُ مَنْ يَلِيَنِي: إِنَّمَا يَعْنِي الْقَبْرَ فَتَنَحَّيْتُ عَنْهُ "
৭ - আমাদের নিকট মারওয়ান বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হুমাইদ বর্ণনা করেছেন, আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "‌‌ একদিন আমি সালাত আদায় করতে দাঁড়ালাম, আর আমার সামনে একটি কবর ছিল যা আমি খেয়াল করিনি। তখন উমর (রা.) আমাকে ডেকে বললেন: 'কবর! কবর!' আর আমি ভেবেছিলাম তিনি চাঁদ বুঝিয়েছেন, তখন আমার নিকটবর্তী একজন আমাকে বললেন: তিনি কেবল কবরকেই বুঝিয়েছেন, ফলে আমি তা থেকে সরে দাঁড়ালাম।"
(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: ৬৮)
8 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، قَالَ: قَالَ أَنَسٌ: "‌‌ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ بَيْعِ ثَمَرَةِ النَّخْلِ حَتَّى تَزْهُوَ، قِيلَ: وَمَا زَهْوُهَا يَا رَسُولَ اللَّهِ؟، قَالَ: تَصْفَارَّ، أَوْ تَحْمَارَّ "
৮ - মারওয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমায়দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আনাস (রা.) বলেছেন: “আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খেজুরের ফল রঙিন হওয়ার পূর্বে তা বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। জিজ্ঞেস করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল! এর রঙিন হওয়া কী? তিনি বললেন: তা হলুদ হওয়া অথবা লাল হওয়া।”
(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: ৮১)
9 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، قَالَ: قَالَ أَنَسٌ: لَمَّا أُنْزِلَتْ هَذِهِ الْآيَةُ: {لَنْ تَنَالُوا الْبِرَّ حَتَّى تُنْفِقُوا مِمَّا تُحِبُّونَ} [آل عمران: 92] ، قَالَ أَبُو طَلْحَةَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، حَايِطِي الَّذِي بِكَذَا، وَكَذَا هُوَ لِلَّهِ، وَلَوِ اسْتَطَعْتُ أَنْ أُسِرَّهُ لَمْ أُعْلِنْهُ، فَقَالَ: ‌‌«اجْعَلْهُ فِي فُقَرَاءِ أَهْلِكَ، وَقَرَابَتِكَ»
৯ - আমাদের নিকট মারওয়ান বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হুমাইদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আনাস (রা.) বলেছেন: যখন এই আয়াতটি অবতীর্ণ হলো: {তোমরা ততক্ষণ পর্যন্ত পুণ্য লাভ করতে পারবে না, যতক্ষণ না তোমরা তোমাদের প্রিয় বস্তু হতে ব্যয় করো} [আলে ইমরান: ৯২], তখন আবু তালহা (রা.) বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, অমুক অমুক স্থানে অবস্থিত আমার বাগানটি আল্লাহর জন্য। আর আমি যদি এটি গোপন রাখতে সক্ষম হতাম, তবে আমি তা প্রকাশ করতাম না। তখন তিনি বললেন: «এটি তোমার পরিবারের দরিদ্রদের এবং তোমার নিকটাত্মীয়দের মাঝে বণ্টন করে দাও»
(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: ৮৫)
10 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: رُمِيَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ أُحُدٍ، فَكُسِرَتْ رَبَاعِيَّتُهُ، وَأُدْمِيَ وَجْهُهُ، فَجَعَلَ الدَّمُ يَسِيلُ عَلَى وَجْهِهِ، فَجَعَلَ يَمْسَحُ الدَّمَ عَنْ وَجْهِهِ، فَيَقُولُ: ‌‌«كَيْفَ يُفْلِحُ قَوْمٌ خَضَبُوا وَجْهَ نَبِيِّهِمْ بِالدَّمِ، وَهُوَ يَدْعُوهُمْ إِلَى رَبِّهِمْ» ، فَأَنْزَلَ اللَّهُ عز وجل: {لَيْسَ لَكَ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ أَوْ يَتُوبَ عَلَيْهِمْ أَوْ يُعَذِّبَهُمْ فَإِنَّهُمْ ظَالِمُونَ} [آل عمران: 128]
১০ - মারওয়ান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হুমাইদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আনাস (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: উহুদ যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আঘাত করা হয়েছিল, ফলে তাঁর সামনের দাঁত ভেঙে গিয়েছিল এবং তাঁর চেহারা রক্তাক্ত হয়েছিল। এমতাবস্থায় তাঁর চেহারা থেকে রক্ত ঝরছিল এবং তিনি তাঁর চেহারা থেকে রক্ত মুছছিলেন আর বলছিলেন: "সেই জাতি কীভাবে সফল হবে যারা তাদের নবীর মুখমণ্ডল রক্তে রঞ্জিত করেছে, অথচ তিনি তাদেরকে তাদের রবের দিকে আহ্বান করছিলেন?" তখন মহান আল্লাহ নাযিল করলেন: "এ বিষয়ে তোমার কোনো অধিকার নেই; হয় তিনি তাদের তওবা কবুল করবেন অথবা তাদের শাস্তি দেবেন, কারণ তারা জালিম।" [আলে ইমরান: ১২৮]
(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: ৮৯)
11 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: ‌‌«إِذَا أَصْبَحَ الرَّجُلُ، وَهُوَ يُرِيدُ الصِّيَامَ تَطَوُّعًا، فَهُوَ بِالْخِيَارِ مَا بَيْنَهُ، وَبَيْنَ أَنْ يَمِيلَ النَّهَارُ، مَا لَمْ يَتَكَلَّمْ بَعْدَ الصُّبْحِ»
১১ - আমাদের নিকট মারওয়ান বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হুমাইদ বর্ণনা করেছেন, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "যখন কোনো ব্যক্তি ভোরে উপনীত হয় এবং সে নফল রোজা রাখার ইচ্ছা পোষণ করে, তবে দিন ঢলে পড়া (দুপুর হওয়া) পর্যন্ত সে ইচ্ছাধীন থাকে, যতক্ষণ না সে সুবহের পর কোনো কথা বলে।"
(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: ৯১)
12 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، قَالَ: قَالَ أَنَسٌ: إِنَّ امْرَأَةً عَرَضَتْ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي طَرِيقٍ مِنْ طُرُقِ الْمَدِينَةِ، فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ لِي إِلَيْكَ حَاجَةً، فَقَالَ: «يَا أُمَّ فُلَانٍ،‌‌ اجْلِسِي فِي أَيِّ سِكَكِ الْمَدِينَةِ شِئْتِ، أَجْلِسُ إِلَيْكِ» ، قَالَ: فَفَعَلَتْ، قَالَ: فَقَعَدَ إِلَيْهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى قَضَتْ حَاجَتَهَا
১২ - মারওয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমায়দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আনাস (রা.) বলেছেন: মদিনার কোনো এক পথে এক নারী আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সম্মুখে উপস্থিত হলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনার নিকট আমার একটি প্রয়োজন আছে। তিনি বললেন: “হে অমুকের মা! মদিনার গলিগুলোর মধ্যে যেটিতে তুমি চাও বসো, আমি তোমার নিকট বসবো।” বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর মহিলাটি তা-ই করলেন। তিনি বলেন: ফলে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর নিকট বসলেন যতক্ষণ না তিনি তাঁর প্রয়োজন পূরণ করলেন।
(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: ৯৩)
13 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، قَالَ: قَالَ أَنَسٌ: ‌‌«أَوَلَمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَ ابْتَنَى بِزَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ، فَأَشْبَعَ الْمُسْلِمِينَ خُبْزًا، وَلَحْمًا»
13 - মারওয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আনাস (রা.) বলেছেন: «আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন যায়নাব বিনতে জাহশের সাথে বাসর সম্পন্ন করলেন তখন ওলীমা করলেন এবং মুসলমানদের রুটি দ্বারা পরিতৃপ্ত করলেন, ও গোশত দ্বারা»।
(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: ৯৭)
14 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: أُصِيبَ حَارِثَةُ يَوْمَ بَدْرٍ، فَجَاءَتْ أُمُّهُ، فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَدْ عَلِمْتَ مَنْزِلَةَ حَارِثَةَ مِنِّي، فَإِنْ يَكُنْ فِي الْجَنَّةِ صَبَرْتُ، وَإِنْ يَكُنْ غَيْرَ ذَلِكَ تَرَى مَا أَصْنَعُ، فَقَالَ: «جَنَّةٌ وَاحِدَةٌ، إِنَّهَا جِنَانٌ كَثِيرَةٌ، وَإِنَّهُ فِي الْفِرْدَوْسِ ⦗ص: 98⦘ الْأَعْلَى»
১৪ - আমাদের নিকট মারওয়ান বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হুমাইদ বর্ণনা করেছেন আনাস (রা.) হতে, তিনি বলেন: বদরের দিন হারিসা শহীদ হলেন। তখন তাঁর মা এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমার নিকট হারিসার মর্যাদা কতটুকু তা তো আপনি জানেনই। সে যদি জান্নাতে থাকে তবে আমি ধৈর্য ধারণ করব, আর যদি অন্য কিছু হয় তবে আমি কী করি তা আপনি দেখবেন। তখন তিনি বললেন: «সেটি কি একটিই জান্নাত? জান্নাত তো অনেকগুলো, আর সে তো ফিরদাউসে ⦗পৃষ্ঠা: ৯৮⦘ আল-আ’লা-তে (সর্বোচ্চ ফিরদাউসে) রয়েছে»
(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: ১০৩)
15 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، قَالَ: قَالَ أَنَسٌ: قَالَ مَرْوَانُ: قُلْتُ لِحُمَيْدٍ: رَفَعَهُ، قَالَ: مَا أَظُنُّهُ إِلَّا ذَلِكَ، قَالَ: ‌‌«مَا مِنْ نَفْسٍ تَمُوتُ لَهَا عِنْدَ اللَّهِ خَيْرٌ، يَسُرُّهَا أَنْ تَرْجِعَ إِلَى الدُّنْيَا، وَمَا فِيهَا، إِلَّا الشَّهِيدَ لِمَا يَرَى مِنْ فَضْلِ الشَّهَادَةِ، فَإِنَّهُ يَسُرُّهُ أَنْ يَرْجِعَ إِلَى الدُّنْيَا، فَيُقْتَلَ مَرَّةً أُخْرَى»
১৫ - মারওয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আনাস বর্ণনা করেছেন। মারওয়ান বলেন: আমি হুমাইদকে বললাম: তিনি কি এটি মারফু করেছেন? তিনি বললেন: আমি তাই মনে করি। তিনি বলেন: «এমন কোনো ব্যক্তি নেই যে আল্লাহর নিকট কল্যাণ লাভ করা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে, আর সে দুনিয়া এবং এতে যা আছে তার বিনিময়ে পুনরায় দুনিয়াতে ফিরে আসতে পছন্দ করবে, কেবল শহীদ ব্যতীত। কেননা সে শাহাদাতের যে ফযীলত প্রত্যক্ষ করে, সে কারণে সে দুনিয়াতে ফিরে আসা এবং পুনরায় নিহত হওয়া পছন্দ করবে»
(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: ১০৭)
16 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: ‌‌«غَدْوَةٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَوْ رَوْحَةٌ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا، وَلَقَابُ قَوْسِ أَحَدِكُمْ مِنَ الْجَنَّةَ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا، وَلَوِ اطَّلَعَتِ امْرَأَةٌ مِنْ نِسَاءِ أَهْلِ الْجَنَّةِ إِلَى الْأَرْضِ لَأَضَاءَتْ مَا بَيْنَهُمَا، وَلَمَلَأَتْ مَا بَيْنَهُمَا رِيحًا، وَلَنَصِيفُهَا عَلَى رَأْسِهَا خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا»
১৬ - মারওয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমায়দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আনাস থেকে, তিনি বলেন: «আল্লাহর পথে একটি সকাল অথবা একটি বিকাল অতিবাহিত করা দুনিয়া ও তার মধ্যে যা কিছু আছে তার চেয়ে উত্তম। আর জান্নাতে তোমাদের কারো একটি ধনুকের পরিমাণ জায়গা দুনিয়া ও তার মধ্যে যা কিছু আছে তার চেয়ে উত্তম। আর যদি জান্নাতবাসীদের কোনো নারী পৃথিবীর দিকে উঁকি দেয়, তবে সে আসমান ও জমিনের মধ্যবর্তী স্থানকে আলোকিত করে দিত এবং তা সুগন্ধে ভরে দিত। আর তার মাথার ওড়না দুনিয়া ও তার মধ্যে যা কিছু আছে তার চেয়েও উত্তম।»
(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: ১১৪)
17 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، قَالَ: "‌‌ ضَعُفَ أَنَسٌ عَنِ الصَّوْمِ، عَامَ تُوُفِّيَ فِيهِ، قَالَ حُمَيْدٌ: سَأَلْتُ ابْنَهُ عُمَرَ بْنَ أَنَسٍ: أَطَاقَ الصَّوْمَ، قَالَ: لَا، فَلَمَّا عَرَفَ أَنَّهُ لَا يَسْتَطِيعُ الْقَضَاءَ، أَمَرَ بِجِفَانٍ مِنْ خُبْزٍ، وَلَحْمٍ، فَأَطْعَمَ الْعِدَّةَ، أَوْ أَكْثَرَ " قَالَ الْفَزَارِيُّ: يَعْنِي عِدَّةَ الشَّهْرِ، أَوْ كَذَا
১৭ - মারওয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমায়দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "‌‌আনাস (রা.) যে বছর ইন্তেকাল করেন, সে বছর তিনি রোজা পালনে অক্ষম হয়ে পড়েছিলেন। হুমায়দ বলেন: আমি তাঁর পুত্র উমর ইবনে আনাসকে জিজ্ঞাসা করলাম: তিনি কি রোজা পালনে সক্ষম ছিলেন? তিনি বললেন: না। অতঃপর যখন তিনি বুঝতে পারলেন যে তিনি কাজা আদায় করতে সক্ষম নন, তখন তিনি রুটি ও গোশতের বড় বড় পাত্রের নির্দেশ দিলেন এবং নির্ধারিত সংখ্যা অনুযায়ী বা তার চেয়েও বেশি সংখ্যক লোককে আহার করালেন।" ফাযারি বলেন: অর্থাৎ মাসের দিনসংখ্যা অথবা অনুরূপ কিছু।
(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: ১১৬)
18 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: «كَانَ أَنَسٌ‌‌ يُصَلِّي تَطَوُّعًا، وَهُوَ عَلَى حِمَارِهِ حَيْثُ مَا تَوَجَّهَتْ بِهِ يُومِئُ إِيمَاءً»
১৮ - আমাদের নিকট মারওয়ান বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হুমায়দ বর্ণনা করেছেন, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আনাস তাঁর গাধার পিঠে আরোহণ করা অবস্থায় নফল সালাত আদায় করতেন, সেটি তাঁকে নিয়ে যেদিকেই মুখ করত সেদিকেই তিনি ইশারার মাধ্যমে ইশারা করতেন।"
(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: ১১৭)
19 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: " مَرَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا مَعَ الصِّبْيَانِ، فَسَلَّمَ عَلَيْنَا، ثُمَّ أَخَذَ بِيَدِي، فَأَرْسَلَنِي بِرِسَالَةٍ، فَقَالَ:‌‌ لَا تُخْبِرْ بِسِرِّ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَحَدًا "
১৯ - মারওয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অতিক্রম করছিলেন এমতাবস্থায় যে আমি বালকদের সাথে ছিলাম। তিনি আমাদের সালাম দিলেন, অতঃপর আমার হাত ধরলেন এবং আমাকে একটি বার্তা দিয়ে পাঠালেন। তিনি বললেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর গোপন বিষয় কাউকে জানাবে না।"
(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: ১২১)
20 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: " إِنَّ‌‌ الدَّجَّالَ أَعْوَرُ، عَيْنُهُ الشِّمَالُ عَلَيْهَا ظَفَرَةٌ غَلِيظَةٌ، بَيْنَ عَيْنَيْهِ مَكْتُوبٌ: كَافِرٌ ك ف ر "
২০ - মারওয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমায়দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণিত: " নিশ্চয়ই‌‌ দাজ্জাল একচোখা, তার বাম চোখের ওপর একটি পুরু মাংসখণ্ড রয়েছে, তার দুই চোখের মাঝে লেখা আছে: কাফির ক ফ র "
(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: ১২৫)
21 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، قَالَ: قَالَ أَنَسٌ: قَدِمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم، وَلِأَهْلِ الْمَدِينَةِ يَوْمَانِ يَلْعَبُونَ فِيهِمَا فِي الْجَاهِلِيَّةِ، فَقَالَ: " قَدِمْتُ عَلَيْكُمْ، وَلَكُمْ يَوْمَانِ تَلْعَبُونَ فِيهِمَا فِي الْجَاهِلِيَّةِ،‌‌ وَقَدْ أَبْدَلَكُمُ اللَّهُ بِهِمَا خَيْرًا مِنْهُمَا: يَوْمَ النَّحْرِ، وَيَوْمَ الْفِطْرِ "
২১ - মারওয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আনাস (রা.) বলেছেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন মদিনায় আগমন করলেন, তখন মদিনাবাসীদের নির্দিষ্ট দুটি দিন ছিল যাতে তারা জাহেলি যুগে খেলাধুলা করত। তখন তিনি বললেন: "আমি তোমাদের নিকট এসেছি এমতাবস্থায় যে তোমাদের দুটি দিন ছিল যাতে তোমরা জাহেলি যুগে খেলাধুলা করতে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের জন্য এই দুইটির পরিবর্তে তাদের চেয়েও উত্তম দুটি দিন প্রদান করেছেন: কোরবানির দিন এবং ঈদুল ফিতরের দিন।"
(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: ১৩০)
22 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: ‌‌«مَنْ أَحَبَّ لِقَاءَ اللَّهِ، أَحَبَّ اللَّهُ لِقَاءَهُ، وَمَنْ كَرِهَ لِقَاءَ اللَّهِ، كَرِهَ اللَّهُ لِقَاءَهُ» ، قِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، كُلُّنَا نَكْرَهُ الْمَوْتَ، فَقَالَ: «لَيْسَ ذَلِكَ بِكَرَاهِيَةِ الْمَوْتِ، إِنَّ الْمُؤْمِنَ إِذَا احْتُضِرَ، فَجَاءَهُ الْبُشْرَى مِنَ اللَّهِ أَحَبَّ لِقَاءَ اللَّهِ، وَأَحَبَّ اللَّهُ لِقَاءَهُ، وَإِنَّ الْكَافِرَ إِذَا احْتُضِرَ، فَجَاءَهُ الْبُشْرَى بِمَا هُوَ رَاجِعٌ إِلَيْهِ كَرِهَ لِقَاءَ اللَّهِ، وَكَرِهَ اللَّهُ لِقَاءَهُ»
২২ - মারওয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমায়দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করা ভালোবাসে, আল্লাহও তার সাথে সাক্ষাৎ করা ভালোবাসেন; আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করা অপছন্দ করে, আল্লাহও তার সাথে সাক্ষাৎ করা অপছন্দ করেন।» বলা হলো, হে আল্লাহর রাসুল, আমরা সবাই তো মৃত্যুকে অপছন্দ করি। তখন তিনি বললেন: «বিষয়টি মৃত্যু অপছন্দ করার সাথে সম্পর্কিত নয়। বরং মুমিন ব্যক্তির যখন মৃত্যু উপস্থিত হয় এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে তার নিকট সুসংবাদ আসে, তখন সে আল্লাহর সাক্ষাৎ ভালোবাসে এবং আল্লাহও তার সাক্ষাৎ ভালোবাসেন। আর কাফিরের যখন মৃত্যু উপস্থিত হয় এবং তার নিকট সে যে পরিণতির দিকে ফিরে যাচ্ছে তার সংবাদ আসে, তখন সে আল্লাহর সাক্ষাৎ অপছন্দ করে এবং আল্লাহও তার সাক্ষাৎ অপছন্দ করেন।»
(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: ১৩৩)
23 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: أَرَادَتْ بَنُو سَلِمَةَ أَنْ يَتَحَوَّلُوا، إِلَى قُرْبِ الْمَسْجِدِ، فَكَرِهَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ تَعْرَى الْمَدِينَةُ، فَقَالَ: «يَا بَنِي سَلِمَةَ‌‌ أَلَا تَحْتَسِبُونَ آثَارَكُمْ، فَأَقَامُوا»
২৩ - মারওয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমায়দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: বনু সালিমা গোত্র মসজিদের নিকটে স্থানান্তরিত হতে চাইল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনার শহরপ্রান্ত জনশূন্য হওয়া অপছন্দ করলেন এবং বললেন: «হে বনু সালিমা! তোমরা কি তোমাদের পদচিহ্নের সওয়াব প্রত্যাশা করো না? অতঃপর তারা সেখানেই অবস্থান করল।»
(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: ১৩৭)
24 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: اطَّلَعَ رَجُلٌ فِي ⦗ص: 138⦘ حُجْرَةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، ‌‌«فَأَشَارَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِشْقَصٍ لَهُ» ، فَأَخْرَجَ الرَّجُلُ رَأْسَهُ
২৪ - মারওয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আনাস থেকে, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি ⦗পৃষ্ঠা: ১৩৮⦘ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কক্ষে উঁকি দিল, "তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর একটি চওড়া ফলাযুক্ত তীর দিয়ে ইশারা করলেন", ফলে লোকটি তার মাথা সরিয়ে নিল।
(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: ১৪৩)
25 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: ‌‌«مَا شَمِمْتُ رَائِحَةً قَطُّ، مِسْكَةً، وَلَا عَنْبَرَةً، أَطْيَبَ مِنْ رَائِحَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَلَا مَسِسْتُ شَيْئًا قَطُّ، خَزَّةً، وَلَا حَرِيرَةً، أَلْيَنَ مِنْ كَفِّ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم»
25 - আমাদের নিকট মারওয়ান বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হুমাইদ বর্ণনা করেছেন, আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুগন্ধির চেয়ে অধিক সুঘ্রাণযুক্ত কোনো কস্তুরী বা আম্বর কখনোই ঘ্রাণ নিইনি এবং আমি কখনো স্পর্শ করিনি এমন কোনো বস্তু, তা মোটা রেশম হোক বা চিকন রেশমি কাপড়, যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাতের তালুর চেয়ে অধিক কোমল ছিল।»
(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: ১৪৭)
26 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: قَدِمَ نَاسٌ مِنْ عُرَيْنَةَ، فَاجْتَوَوُا الْمَدِينَةَ، فَقَالَ لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لَوْ خَرَجْتُمْ إِلَى إِبِلِ الصَّدَقَةَ، فَشَرِبْتُمْ مِنْ أَلْبَانِهَا» ، قَالَ قَتَادَةُ: وَقَدْ ذَكَرَ أَبْوَالَهَا، فَخَرَجُوا، فَلَمَّا صَحُّوا قَتَلُوا رَاعِيَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَاسْتَاقُوا الْإِبِلَ، وَانْطَلَقُوا هِرَابًا، «فَبَعَثَ ⦗ص: 148⦘ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي طَلَبِهِمْ، فَأُخِذُوا، فَقَطَعَ أَيْدِيَهُمْ، وَأَرْجُلَهُمْ، وَسَمَلَ أَعْيُنَهُمْ»
২৬ - মারওয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমায়দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: উরাইনাহ গোত্রের কিছু লোক আসলেন, অতঃপর মদীনার আবহাওয়া তাদের স্বাস্থ্যের প্রতিকূল হলো। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বললেন: “তোমরা যদি সদকার উটগুলোর কাছে যেতে এবং সেগুলোর দুধ পান করতে।” কাতাদাহ বলেন: আর তিনি (আনাস) সেগুলোর প্রস্রাবের কথাও উল্লেখ করেছিলেন। অতঃপর তারা বের হলেন এবং যখন তারা সুস্থ হলেন, তখন তারা আল্লাহর রাসূলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাখালকে হত্যা করলেন, উটগুলো হাঁকিয়ে নিয়ে গেলেন এবং পলায়নরত অবস্থায় চলে গেলেন। “অতঃপর ⦗পৃষ্ঠা: ১৪৮⦘ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের সন্ধানে লোক পাঠালেন। ফলে তাদের ধরা হলো এবং তিনি তাদের হাত ও পা কেটে দিলেন এবং তাদের চোখগুলো উপড়ে (তপ্ত শলাকা দিয়ে অন্ধ করে) দিলেন।”
(খণ্ড: ১) সুবাঈয়াত আবিউল মাআলী আল-ফারাউয়ী (পৃষ্ঠা: ১৫৯)
27 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: انْتَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى خَيْبَرَ لَيْلًا، فَلَمَّا أَصْبَحَ رَكِبَ، وَرَكِبَ الْمُسْلِمُونَ مَعَهُ، فَخَرَجَ أَهْلُ خَيْبَرَ بِمَسَاحِيهِمْ، وَمَكَاتِلِهِمْ، كَمَا كَانُوا يَصْنَعُونَ كُلَّ يَوْمٍ، فَلَمَّا بَصَرُوا بِالنَّبِيِّ صَلَّي اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالُوا: مُحَمَّدًا وَاللَّهِ مُحَمَّدًا وَالْخَمِيسِ، ثُمَّ رَجَعُوا هِرَابًا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«خَرِبَتْ خَيْبَرُ إِنَّا إِذَا نَزَلْنَا بِسَاحَةِ قَوْمٍ، فَسَاءَ صَبَاحُ الْمُنْذَرِينَ» قَالَ أَنَسٌ: وَأَنَا رَدِيفُ أَبِي طَلْحَةَ يَوْمَئِذٍ، وَإِنَّ رُكْبَتِي لَتَمَسُّ رُكْبَةَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
২৭ - মারওয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমায়দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রাতে খায়বারে পৌঁছালেন। অতঃপর যখন ভোর হলো, তিনি সওয়ার হলেন এবং মুসলিমগণও তাঁর সাথে সওয়ার হলেন। তখন খায়বারবাসী তাদের কোদাল ও ঝুড়ি নিয়ে বের হলো, যেমনটি তারা প্রতিদিন করত। অতঃপর যখন তারা নবীকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দেখতে পেল, তখন তারা বলল: আল্লাহর কসম, মুহাম্মাদ! মুহাম্মাদ এবং বিশাল বাহিনী। এরপর তারা পলায়নের উদ্দেশ্যে ফিরে গেল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «খায়বার ধ্বংস হয়েছে। নিশ্চয়ই যখন আমরা কোনো জাতির আঙিনায় অবতরণ করি, তখন সতর্ককৃতদের সকাল কতই না মন্দ হয়!» আনাস (রা.) বলেন: আর আমি সেদিন আবু তালহার পেছনে উপবিষ্ট ছিলাম, এবং আমার হাঁটু রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর হাঁটুর সাথে স্পর্শ করছিল।