(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: -)
معجم أعلام الجزائر القسم: التراجم والطبقات
الكتاب: مُعجَمُ أعلام الجزائِر - مِن صَدر الإسلام حَتّى العَصر الحَاضِر
المؤلف: عادل نويهض
الناشر: مؤسسة نويهض الثقافية للتأليف والترجمة والنشر، بيروت - لبنان
الطبعة: الثانية، 1400 هـ - 1980 م
عدد الصفحات: 430
أعده للمكتبة الشاملة/ أبو ياسر الجزائري
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 2 ذو الحجة 1433
আলজেরিয়ার বরণীয় ব্যক্তিত্বদের অভিধান বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ
বই: আলজেরিয়ার বরণীয় ব্যক্তিত্বদের অভিধান - ইসলামের সূচনা থেকে বর্তমান যুগ পর্যন্ত
লেখক: আদিল নুওয়াইহিদ
প্রকাশক: নুওয়াইহিদ সাংস্কৃতিক ফাউন্ডেশন ফর কম্পোজিশন, ট্রান্সলেশন অ্যান্ড পাবলিশিং, বৈরুত - লেবানন
সংস্করণ: দ্বিতীয়, ১৪০০ হিজরি - ১৯৮০ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৩০
মাকতাবা শামিলার জন্য এটি প্রস্তুত করেছেন/ আবু ইয়াসির আল-জাজায়েরি
[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ২ যুলহজ ১৪৩৩
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: -)
عادل نويهض
معجم
أعلام الجزائر
من صدر الإسلام حتى العصر الحاضر
مؤسسة نويهض الثقافية
للتأليف والترجمة والنشر
بيروت-لبنان
আদিল নুওয়াইহিদ
অভিধান
আলজেরিয়ার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
ইসলামের প্রারম্ভ থেকে বর্তমান যুগ পর্যন্ত
নুওয়াইহিদ সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান
রচনা, অনুবাদ এবং প্রকাশনার জন্য
বৈরুত-লেবানন
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ٢)
অভিধান
আলজেরিয়ার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ٤)
عادل نويهض
معجم
أعلام الجزائر
من صدر الإسلام حتى العصر الحاضر
مؤسسة نويهض الثقافية
للتأليف والترجمة والنشر
بيروت-لبنان
আদিল নুওয়াইহিদ
অভিধান
আলজেরিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিত্বগণ
ইসলামের সূচনালগ্ন হতে বর্তমান যুগ পর্যন্ত
নুওয়াইহিদ সাংস্কৃতিক ফাউন্ডেশন
রচনা, অনুবাদ ও প্রকাশনার জন্য
বৈরুত-লেবানন
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ٥)
جميع الحقوق محفوظة للمؤلف
الطبعة الثانية مزيدة ومنقحة
1400هـ - 1980م
সর্বস্বত্ব লেখকের সংরক্ষিত
পরিবর্ধিত ও পরিমার্জিত দ্বিতীয় সংস্করণ
১৪০০ হিজরি - ১৯৮০ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ٥)
مقدمة الطبعة الثانيةبسم الله الرحمن الرحيم
اللهم منك نستلهم العون والتوفيق، وبعد:
كتبت معظم تراجم الطبعة الأولى من هذا الكتاب في بداية حياتي العملية في الجزائر، بعد الاستقلال. وحينما أصدرته سنة 1971م، رجوت أن أتبعه ب"مستدرك" يضم تراجم فاتني تسجيلها، وأخرى جديدة قد تتجمع لدي من ثمرات مطالعاتي في مصادر لم أكن قد اطلعت عليها، أو صدرت بعد ذلك التاريخ.
ثم شغلت عن النظر في "المستدرك" بالعمل في "معجم المفسرين" - من صدر الإسلام حتى العصر الحاضر- حتى كمل بعون الله، كما شغلت بوضع معجمين آخرين، الأول "معجم أعلام لبنان" والثاني "معجم أعلام فلسطين" وسأتولى إصدار هذه المعاجم قريبا بإذن الله، بعد أن أنفقت في سبيل إعدادها جهودا مضنية. وهكذا بقي "معجم أعلام الجزائر" خلال هذه الأعوام المتتالية، دون تنقيح أو مستدرك.
ثم رأيت بعد ذلك أن أعود إلى هذا الكتاب، فعقدت العزم على استئناف العمل فيه. وقد بدأت بالتوفر على دراسة ما كتب عن الجزائر، قبل الاستقلال وبعده، خاصة ما نشر من تراث رجالها أو ما كتب عنهم في الصحف والمجلات، فتجمع لدي عدد غير قليل من التراجم. ثم شعرت بالرغبة تحدوني لمعرفة المزيد من
দ্বিতীয় সংস্করণের ভূমিকাপরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
হে আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট থেকেই সাহায্য ও তাওফিক প্রার্থনা করি। অতঃপর:
এই গ্রন্থের প্রথম সংস্করণের অধিকাংশ জীবনী আমি আলজেরিয়ার স্বাধীনতার পর সেখানে আমার কর্মজীবনের শুরুতে লিখেছিলাম। ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে যখন এটি প্রকাশ করি, তখন আশা করেছিলাম যে এর সাথে একটি "পরিশিষ্ট" যুক্ত করব, যেখানে বাদ পড়া জীবনীসমূহ এবং নতুন তথ্যসমূহ অন্তর্ভুক্ত থাকবে যা আমার পূর্বের না পড়া উৎসসমূহ অথবা সেই তারিখের পরে প্রকাশিত উৎসসমূহ থেকে সংগৃহীত হবে।
এরপর আমি 'মু'জামুল মুফাসসিরিন' (ইসলামের সূচনা থেকে বর্তমানকাল পর্যন্ত)-এর কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় 'পরিশিষ্ট' নিয়ে কাজ করার সুযোগ পাইনি, যা আল্লাহর অনুগ্রহে সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়াও আমি আরও দুটি অভিধান তৈরির কাজে নিয়োজিত ছিলাম, প্রথমটি 'লেবাননের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অভিধান' এবং দ্বিতীয়টি 'ফিলিস্তিনের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অভিধান'। এই অভিধানগুলো তৈরির পেছনে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করার পর শীঘ্রই আল্লাহর ইচ্ছায় আমি সেগুলো প্রকাশ করব। এভাবে এই ধারাবাহিক বছরগুলোতে 'আলজেরিয়ার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অভিধান' কোনো সংশোধন বা পরিশিষ্ট ছাড়াই রয়ে গিয়েছিল।
পরবর্তীতে আমি এই গ্রন্থে পুনরায় ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিলাম এবং এর কাজ পুনরায় শুরু করার সংকল্প করলাম। আমি স্বাধীনতা-পূর্ব ও স্বাধীনতা-পরবর্তী আলজেরিয়া সম্পর্কে যা কিছু লেখা হয়েছে তা অধ্যয়ন করতে শুরু করলাম, বিশেষ করে আলজেরিয়ার মনীষীদের যে সকল ঐতিহ্য প্রকাশিত হয়েছে অথবা সংবাদপত্র ও সাময়িকীতে তাঁদের সম্পর্কে যা লেখা হয়েছে, তা থেকে আমার কাছে বেশ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক জীবনী সংগৃহীত হলো। এরপর আরও জানার আকাঙ্ক্ষা আমাকে তাড়িত করল...
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ٦)
سير أعلام هذا القطر العربي الإسلامي، الذي أدهش العالم بثورته المباركة على الاستعمار، فكاتبت عددا من زملائي الباحثين والمحققين، ورجوت آخرين مشافهة، أن يزودوني بتراجم بعض شعراء وكتاب العصر الأخير، فضنوا علي - مع الأسف الشديد- بما يملكون من معلومات، باستثناء اثنين، هما الدكتور محمد ناصر والأستاذ الهادي الحسني، جزاهما الله خيرا، راجيا أن يجد غيرهما من الباحثين في عملها حافزا لهم على أن يخصوا تاريخ وطنهم وأعلامه البارزين بمزيد من إقبالهم وعنايتهم.
هذا "الضن" من زملائي الباحثين كان مشجعا لي على المزيد من البحث في مصادر تاريخ المغرب العربي، فعولت أن أتقصى هذه المصادر- بدراسة الموضوعات ذات العلاقة برجالات الجزائر، في القديم والحديث، وكان أشق ما في البحث هو تتبع ما انتشر من تراث هؤلاء الرجال الذين هاجروا من بلادهم واستوطنوا ما جاورها، أو بعد عنها، من بلدان. وقد استطعت لحسن الحظ، أن أقف على تراجم جديدة أرجو أن تذلل كثيرا من سبل البحت للباحثين في تاريخ الجزائر.
وكان من الطبيعي، بعد هذا المجهود الذي يمثل ناحية واحدة من مصادر التاريخ الجزائري، أن ألغي فكرة إخراج "المستدرك" وأن أعيد كتابة معظم تراجم الطبعة الأولى، مما يضفي على الكتاب - في طبعته الجديدة- مزيدا من القوة والوضوح.
أما عن ترتيب المواد لهذه الطبعة فلم ألتزم فيه الترتيب الذي ظهر في الطبعة الأولى، وهو الترتيب الأبجدي لأسماء أصحاب التراجم، وإن كان هنالك من نظر إليه بعين الرضا ونقده آخرون. إنما التزمت الترتيب الأبجدي لشهرة المترجم لهم، فمن كانت شهرته "التلمساني" تجد ترجمته (أبجديا) تحت هذه الشهرة، ومثله "الجزائري " و "الوهراني" .. الخ.
وقد يكون للمترجم له أكثر من شهره، وفي هذه الحالة أخذت بالشهرة الأكثر تداولا لدى المؤرخين والباحثين، مثال ذلك: يوسف بن أبي حمو موسى الثاني رابع ملوك الدولة الزيانية (العبد الوادية) بتلمسان، في دورها الثاني،
এই আরবীয় ইসলামী ভূখণ্ডের বরেণ্য ব্যক্তিদের জীবনী, যা উপনিবেশবাদের বিরুদ্ধে তার বরকতময় বিপ্লবের মাধ্যমে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। আমি আমার বেশ কিছু গবেষক ও সংকলক সহকর্মীকে চিঠি লিখেছিলাম এবং অন্যদের কাছে মৌখিকভাবে অনুরোধ করেছিলাম যাতে তারা আমাকে সাম্প্রতিক যুগের কিছু কবি ও লেখকের জীবনী প্রদান করেন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, তারা তাদের কাছে থাকা তথ্যের ব্যাপারে কার্পণ্য করেছেন; কেবল দুইজন ব্যতীত—তারা হলেন ড. মুহাম্মদ নাসির এবং উস্তাদ আল-হাদী আল-হাসানী, আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমি আশা করি যে, অন্য গবেষকরা তাদের এই কাজে অনুপ্রেরণা খুঁজে পাবেন যাতে তারা তাদের স্বদেশের ইতিহাস এবং এর প্রথিতযশা ব্যক্তিদের প্রতি অধিকতর মনোনিবেশ ও যত্নশীল হন।
সহকর্মী গবেষকদের এই "কার্পণ্য" আমাকে মাগরেব অঞ্চলের ইতিহাসের উৎসসমূহে আরও অধিক অনুসন্ধানের ব্যাপারে উৎসাহিত করেছিল। ফলে আমি প্রাচীন ও আধুনিককালের আলজেরিয়ার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো অধ্যয়নের মাধ্যমে এই উৎসগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করার সংকল্প করি। এই গবেষণার সবচেয়ে কঠিন অংশ ছিল সেইসব ব্যক্তিদের ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা উত্তরাধিকার বা ঐতিহ্যের অনুসন্ধান করা, যারা নিজ দেশ থেকে হিজরত করে পার্শ্ববর্তী বা দূরবর্তী দেশগুলোতে বসতি স্থাপন করেছিলেন। সৌভাগ্যবশত, আমি নতুন কিছু জীবনী খুঁজে পেতে সক্ষম হয়েছি, যা আমি আশা করি আলজেরিয়ার ইতিহাসের গবেষকদের জন্য গবেষণার অনেক পথ সুগম করে দেবে।
আলজেরীয় ইতিহাসের উৎসসমূহের একটি দিক উপস্থাপনকারী এই শ্রমের পর এটিই স্বাভাবিক ছিল যে, আমি "আল-মুস্তাদরাক" প্রকাশের পরিকল্পনা বাতিল করি এবং প্রথম সংস্করণের অধিকাংশ জীবনী পুনরায় রচনা করি, যা বইটিকে—তার নতুন সংস্করণে—অধিকতর শক্তিশালী ও প্রাঞ্জল করে তুলেছে।
এই সংস্করণের বিষয়বস্তু বিন্যাসের ক্ষেত্রে আমি প্রথম সংস্করণে প্রদর্শিত বিন্যাস অনুসরণ করিনি, যা ছিল জীবনীপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নামের বর্ণানুক্রমিক বিন্যাস—যদিও কেউ কেউ বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখেছিলেন এবং অন্যরা এর সমালোচনা করেছিলেন। বরং আমি জীবনীপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের প্রসিদ্ধ উপনামের বর্ণানুক্রমিক বিন্যাস অনুসরণ করেছি। ফলে যার প্রসিদ্ধি ছিল "আত-তিলিমসানী" হিসেবে, তার জীবনী (বর্ণানুক্রমিকভাবে) এই প্রসিদ্ধির অধীনে পাওয়া যাবে; একইভাবে "আল-জাজায়েরী" এবং "আল-ওয়াহরানী" ইত্যাদি।
কোনো কোনো ক্ষেত্রে জীবনীপ্রাপ্ত ব্যক্তির একাধিক প্রসিদ্ধ নাম থাকতে পারে; এমতাবস্থায় আমি ঐতিহাসিক ও গবেষকদের নিকট সর্বাধিক প্রচলিত নামটি গ্রহণ করেছি। উদাহরণস্বরূপ: ইউসুফ বিন আবি হাম্মু মুসা আল-থানি, যিনি তিলিমসানের জাইয়্যানী সাম্রাজ্যের (আব্দুল ওয়াদী) দ্বিতীয় পর্বের চতুর্থ রাজা ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ٧)
فهو يعرف بابن أبي حمو، وبالعبد الوادي، وبالزياني، وبابن الزابية. وقد أخذت بالشهرة الأخيرة، لأنها المتداولة بين مؤرخي العصر الزياني.
وتسهيلا للقارئ الكريم في البحث عن أية ترجمة، وضعت كشفا بشهرة أصحاب التراجم مع بداية كل حرف أبجدي تبدأ به الشهرة. فتحت حرف الألف، مثلا، تجد تراجم كل الذين تبدأ تراجمهم بهذا الحرف الأبجدي، كالآبلي، والإبراهيمي، وأبركان، والأخضري .. الخ. ومثله حرف الباء وبقية الحروف.
وإني أشعر بالغبطة إذ أقدم اليوم هذا الكتاب بثوبه الجديد بعد أن لبث محتجبا طوال هذه الحقبة. راجيا في الختام أن أكون قد وفقت بهذا المجهود المتواضع، إلى تحقيق بعض ما نطمح إليه من كتابة تاريخ الجزائر.
والله الموفق إلى أهدى سبيل.
بيروت 22 جمادى الآخرة 1400هـ
7 مايو (أيار) 1980 م
عادل نويهض
তিনি ইবনে আবি হাম্মু, আল-আবদ আল-ওয়াদি, আয-যাইয়ানি এবং ইবনুল যাবিয়াহ নামে পরিচিত। আমি শেষোক্ত উপাধিটিই গ্রহণ করেছি, কারণ যাইয়ানি যুগের ঐতিহাসিকদের নিকট এটিই সমধিক প্রচলিত।
সম্মানিত পাঠকের জন্য যেকোনো জীবনী খুঁজে পাওয়া সহজ করতে আমি প্রতিটি বর্ণমালার শুরুতে সংশ্লিষ্ট বর্ণ দিয়ে শুরু হওয়া প্রসিদ্ধ ব্যক্তিদের একটি তালিকা প্রদান করেছি। যেমন, 'আলিফ' বর্ণের অধীনে আপনি সেই সকল ব্যক্তির জীবনী পাবেন যাদের পরিচিতি এই বর্ণ দিয়ে শুরু হয়েছে, যথা: আল-আবলি, আল-ইব্রাহিমি, আবরকান, আল-আখদারি প্রমুখ। 'বা' এবং অন্যান্য বর্ণের ক্ষেত্রেও অনুরূপ বিন্যাস অনুসরণ করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন অপ্রকাশিত থাকার পর আজ এই গ্রন্থটি নতুন অবয়বে পেশ করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। পরিশেষে আমি আশাবাদী যে, এই বিনম্র প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমি আলজেরিয়ার ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে আমাদের উদ্দিষ্ট লক্ষ্যের কিয়দাংশ অর্জনে সফল হয়েছি।
আর আল্লাহই সঠিক পথে পরিচালনার তাওফিকদাতা।
বৈরুত, ২২ জুমাদাল আখিরাহ, ১৪০০ হিজরি
৭ মে ১৯৮০ খ্রিস্টাব্দ
আদিল নুওয়াইহিদ
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ٨)
مقدمة الطبعة الأولىبسم الله الرحمن الرحيم
{وَقُلِ اعْمَلُوا فَسَيَرَى اللَّهُ عَمَلَكُمْ وَرَسُولُهُ وَالْمُؤْمِنُونَ}
((صدق الله العظيم))
الحمد لله الذي هدانا إلى الإسلام، وشرفنا بالانتساب إلى العروبة، والصلاة على رسول الله خير الأنام، النبي العربي الأمي مخرج العرب من الظلمات إلى النور، ونشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، ونشهد أن محمدا عبده ورسوله الأمين، صلى الله عليه وعلى آله وأصحابه أجمعين.
وبعد، كان للجزائر عبر العصور والأجيال- منذ كرمها الله بنعمة الإسلام وتلونت بالصبغة العربية- تاريخ مجيد حافل، ولأعلام رجالها وأئمتها وسلاطينها وملوكها في الحضارتين العربية والإسلامية أثر بعيد. فهم الذين أسسوا المدن التاريخية ك "تيهرت" و"قلعة بني حماد" و" بجاية" وغيرها من الحواضر والمدن، وأنشأوا الجوامع والمساجد، وأقاموا دور الكتب والخزائن، فأصبحت على مر الزمان منبعا للعلوم الإسلامية والعربية، ومنارا للمعارف والآداب هوت إليها أفئدة أعلام الفقهاء والمحدثين والمفسرين والأدباء والكتاب والشعراء والمؤرخين من شتى البلدان المشرقية والمغربية، حتى غدت، في كثير من عصورها التاريخية من أهم الأقطار الإسلامية، وأوسعها شهرة، وأكثرها عمرانا وازدهارا.
وتاريخ هؤلاء الأعلام من أبناء القطر الجزائري موزع في كتب التاريخ
প্রথম সংস্করণের ভূমিকাপরম করুণাময়, অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।
{আর আপনি বলুন, তোমরা আমল করো, অচিরেই আল্লাহ তোমাদের আমল দেখবেন এবং তাঁর রাসূল ও মুমিনগণও।}
((মহান আল্লাহ সত্য বলেছেন))
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের ইসলামের পথে পরিচালিত করেছেন এবং আরবত্বের সাথে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে আমাদের সম্মানিত করেছেন। আর সৃষ্টির সেরা আল্লাহর রাসূলের প্রতি দরুদ বর্ষিত হোক, যিনি সেই নিরক্ষর আরব নবী, যিনি আরবদের অন্ধকার থেকে আলোর দিকে বের করে এনেছেন। আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি এক এবং তাঁর কোনো শরিক নেই। আমরা আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর বিশ্বস্ত রাসূল। আল্লাহ তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল সাহাবীর ওপর রহমত বর্ষণ করুন।
অতঃপর, আল্লাহ যখন থেকে আলজেরিয়াকে ইসলামের নেয়ামতে ধন্য করেছেন এবং দেশটি আরবীয় রঙে রঞ্জিত হয়েছে, তখন থেকে বিভিন্ন যুগ ও প্রজন্ম জুড়ে দেশটির এক গৌরবোজ্জ্বল ও সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। আরব ও ইসলামি সভ্যতায় এখানকার বরেণ্য ব্যক্তিত্ব, ইমাম, সুলতান ও বাদশাহদের সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে। তাঁরাই 'তিহরত', 'কালাত বনি হাম্মাদ', 'বেজাইয়া' এবং অন্যান্য ঐতিহাসিক নগরী ও শহরসমূহ প্রতিষ্ঠা করেছেন। তাঁরা জামে মসজিদ ও সাধারণ মসজিদসমূহ নির্মাণ করেছেন এবং কুতুবখানা ও গ্রন্থাগারসমূহ প্রতিষ্ঠা করেছেন। ফলে সময়ের পরিক্রমায় এই অঞ্চল ইসলামি ও আরবি জ্ঞানের একটি উৎসে এবং জ্ঞান-বিজ্ঞান ও সাহিত্যের আলোকবর্তিকায় পরিণত হয়েছে, যার দিকে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রখ্যাত ফকীহ, মুহাদ্দিস, মুফাসসির, সাহিত্যিক, লেখক, কবি ও ঐতিহাসিকদের হৃদয় ধাবিত হয়েছে। এমনকি এটি ইতিহাসের অনেক যুগে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইসলামি ভূখণ্ডে এবং সর্বাধিক প্রসিদ্ধ, জনবহুল ও সমৃদ্ধ জনপদে পরিণত হয়েছে।
আলজেরীয় ভূখণ্ডের এই বরেণ্য সন্তানদের ইতিহাস বিভিন্ন ইতিহাস গ্রন্থে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ٩)
والأدب، بعضه ممتزج بغيره من تاريخ أعلام الدول المغربية والمشرقية، وبعضه مدون في مؤلفات الجزائريين أنفسهم أو فيما ألفه غيرهم من كتب عن تاريخ هذا القطر وأدبه وغير ذلك.
ويرجع تاريخ اهتمامي بموضوع هؤلاء الأعلام إلى سنة 1962 حين انتدبت للعمل في الجزائر في أول حكومة وطنية قامت بعد الاستقلال. فأذعت من دار الإذاعة الجزائرية عدة أحاديث عن تاريخ قدامى أدباء الجزائر ومشاهير رجالاتها، ربما كانت يومئذ موفقة بعض التوفيق، غير أنها مهدت الطريق أمامي لوضع كتاب يتناول كل الأعلام الذين دونت اسماؤهم في كتب التاريخ والسير والتراجم والأدب والفقه وغيرها. ومع أن هذا العبء لا ينهض به الفرد، غير أني بدأت منذ ذلك التاريخ بجمع شتات ما تفرق في بطون الكتب، مضيفا إليه ما اجتمع إلي من ثمرات مطالعاتي، متوسعا في ذلك حسبما أمكنني أن أتحصله عليه من مختلف الوثائق والمعلومات والرسائل، فجاء هذا الكتاب الذي أسميت "معجم أعلام الجزائر" والذي يمكن قارىء العربية من أن يطلع بإيجاز على تراجم هؤلاء الأعلام منذ صدر الإسلام حتى يوم الناس هذا.
وإذا كنت قد أثبت في هذا المعجم، معظم تراجم المتقدمين والمتأخرين، فقد غابت عني ولا ريب أسماء أعلام آخرين، فجهد البحث والاستقراء طويلا وهذا الميدان يقصر عن اقتحامه جهد فرد مهما كانت معارفه التاريخية، وأمانته العلمية واطلاعه الغزير الوافر، وبخاصة أن جهد البحث عن وسائل العيش في يومنا هذا أطول وأشد قسوة، وإنني لأبتهل إلى الله، أن يوفقني لإكمال هذه المسيرة فأتدارك هذا النقص. فمع مضي الأيام وتتابع البحت، ومزيد من التحقيق، يمكن سد هذه الثغرة على قدر المستطاع وبما أرجوه لهذا العمل من الكمال.
يحوي هذا المعجم على تراجم معظم المؤلفين والكتاب والأدباء والشعراء والفقهاء والقضاة ..
وعلى هذا، فإن ما فاتنا تسجيله من تراجم، فسيكون لها "مستدرك" نعمل على إخراجه، إن أمد الله في العمر، نضيف إليه تراجم الولاة والقادة والأمراء والأعيان الذين لعبوا دورا مهما في سياسة الجزائر عبر العصور.
আর সাহিত্য—এর কিছু অংশ মাগরেব ও মাশরিকের রাষ্ট্রসমূহের প্রখ্যাত ব্যক্তিদের ইতিহাসের সাথে মিশ্রিত রয়েছে এবং কিছু অংশ আলজেরীয়দের নিজস্ব রচনায় অথবা এই ভূখণ্ডের ইতিহাস, সাহিত্য ও অন্যান্য বিষয়ে অন্যদের লেখা বইগুলোতে লিপিবদ্ধ রয়েছে।
এই মনীষীদের বিষয়ে আমার আগ্রহের সূত্রপাত ১৯৬২ সালে, যখন আমি স্বাধীনতার পর গঠিত প্রথম জাতীয় সরকারের অধীনে আলজেরিয়ায় কাজ করার জন্য নিযুক্ত হয়েছিলাম। তখন আমি আলজেরীয় বেতার কেন্দ্র থেকে আলজেরিয়ার প্রাচীন সাহিত্যিক ও প্রথিতযশা ব্যক্তিদের ইতিহাসের ওপর বেশ কিছু আলোচনা প্রচার করেছিলাম। সম্ভবত সেগুলো তৎকালীন সময়ে কিছুটা সফল হয়েছিল, তবে তা আমার সামনে এমন একটি গ্রন্থ রচনার পথ প্রশস্ত করে দিয়েছিল যা ইতিহাস, সীরাত, জীবনীগ্রন্থ, সাহিত্য, ফিকহ ও অন্যান্য কিতাবে লিপিবদ্ধ সকল মনীষীকে অন্তর্ভুক্ত করবে। যদিও এই বিশাল বোঝা একা একজন ব্যক্তির পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়, তবুও আমি সেই সময় থেকেই বিভিন্ন গ্রন্থের পাতা থেকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা তথ্যাদি সংগ্রহ করতে শুরু করি। এর সাথে আমি আমার অধ্যয়নের নির্যাসটুকু যোগ করেছি এবং বিভিন্ন দলিল-দস্তাবেজ, তথ্য ও চিঠিপত্র থেকে যতটুকু সম্ভব সংগ্রহ করে এর পরিধি বিস্তৃত করেছি। এর ফলে এই কিতাবটি প্রস্তুত হয়েছে যার নামকরণ করেছি "মু'জামু আ'লামিল জাযাইর" (আলজেরিয়ার মনীষী কোষ), যা একজন আরবি পাঠককে ইসলামের প্রারম্ভকাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত এই মনীষীদের জীবনী সম্পর্কে সংক্ষেপে জানার সুযোগ করে দেবে।
আমি এই অভিধানে পূর্ববর্তী ও পরবর্তী অধিকাংশ মনীষীর জীবনী লিপিবদ্ধ করলেও নিঃসন্দেহে আরও অনেক মনীষীর নাম আমার দৃষ্টির অগোচরে রয়ে গেছে। কারণ অনুসন্ধান ও পর্যালোচনার প্রচেষ্টা অত্যন্ত দীর্ঘ এবং এই ময়দানটি এমন যে, একজন ব্যক্তির ঐতিহাসিক জ্ঞান, বৈজ্ঞানিক আমানতদারিতা এবং অগাধ পাণ্ডিত্য থাকা সত্ত্বেও একা এতে সফল হওয়া দুঃসাধ্য। বিশেষ করে বর্তমান যুগে জীবনধারণের উপকরণের অনুসন্ধান আরও দীর্ঘ ও কঠোর। আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি, তিনি যেন আমাকে এই পথ চলা পূর্ণ করার তাওফিক দান করেন যাতে আমি এই অপূর্ণতাটুকু কাটিয়ে উঠতে পারি। দিন অতিবাহিত হওয়ার সাথে সাথে নিরন্তর গবেষণা ও অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে সাধ্যানুযায়ী এই শূন্যস্থান পূরণ করা সম্ভব হবে এবং এই কাজের যে পূর্ণতা আমি আশা করছি তা অর্জিত হবে।
এই অভিধানটি অধিকাংশ গ্রন্থকার, লেখক, সাহিত্যিক, কবি, ফকিহ ও কাজীদের জীবনী ধারণ করছে...
এর ভিত্তিতে, আমরা যেসব জীবনী লিপিবদ্ধ করতে ব্যর্থ হয়েছি, সেগুলোর জন্য একটি "মুস্তাদরাক" (পরিশিষ্ট) থাকবে যা প্রকাশের জন্য আমরা কাজ করছি—যদি আল্লাহ দীর্ঘ জীবন দান করেন। সেখানে আমরা সেই সকল গভর্নর, সেনাপতি, আমির এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জীবনী যুক্ত করব যারা যুগে যুগে আলজেরিয়ার রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ١٠)
وقد رتبت تراجم هذا المعجم على الحروف، مبتدأ بحرف الإسم الأول ثم بحرف الإسم الثاني، فيكون إبراهيم بن إبراهيم قبل إبراهيم بن أحمد، وأحمد ابن إبراهيم قبل أحمد بن أحمد، وهكذا، مضافا إليه تاريخ الوفاة، وبخاصة في التراجم التي تجمع بينها وحدة الأسماء، فإبراهيم بن أحمد المتوفى سنة 710هـ يجده القارىء قبل إبراهيم بن أحمد المتوفى سنة 866هـ. أما عملية التوفيق بين التاريخين الهجري والميلادي، المذكورين إلى جانب شهرة صاحب الترجمة، فقد كنت أمام حلين لها:
1 - في حالة إغفال المصادر ذكر اسم الشهر (من السنة الهجرية) الذي ولد أو مات فيه صاحب الترجمة، إما أن أذكر السنتين الميلاديتين الموافقتين للسنة الهجرية. (مثل1: سنة 759هـ توافق للسنتين 1357 و 1358م).
2 - أو أن أكتفي بذكر سنة واحدة أرجحها، وهذا ما اخترته، مع ما فيه من ارتجال قد لا يرضى عنه بعض الباحثين.
أما مصادر هذا المعجم، عربية وغير عربية، التي رجعت إليها وأخذت عنها، فقد اكتفيت بذكر أسمائها في نهاية كل ترجمة، ثم ذكرتها مع أسماء مؤلفيها وتواريخ وأماكن طبعها في نهاية الكتاب، وهي في جملتها عون للباحثين والدارسين في تاريخ الجزائر.
وبعد، أسأل الله أن يمدني بتوفيقه من عنده، حتى أتمكن من إخراج المستدرك، منه تعالى نستمد العون وبه نستعين.
بيروت: 9 من ذي القعدة. 1390
5 كانون الثاني 1971
عادل نويهض
এই অভিধানের জীবনীসমূহ বর্ণানুক্রমে বিন্যস্ত করা হয়েছে, যেখানে প্রথম নামের অক্ষর এবং পরবর্তীতে দ্বিতীয় নামের অক্ষরের ক্রমানুসারে সাজানো হয়েছে। ফলে ইবরাহীম বিন ইবরাহীম, ইবরাহীম বিন আহমদের পূর্বে স্থান পেয়েছে এবং আহমদ বিন ইবরাহীম, আহমদ বিন আহমদের পূর্বে। এভাবেই ক্রমানুসারে বিন্যাস করা হয়েছে। এর সাথে মৃত্যুর তারিখ যুক্ত করা হয়েছে, বিশেষ করে সেই সকল জীবনীর ক্ষেত্রে যেগুলোর নাম অভিন্ন। ফলে ৭১০ হিজরিতে ইন্তেকালকারী ইবরাহীম বিন আহমদকে পাঠক ৮৬৬ হিজরিতে ইন্তেকালকারী ইবরাহীম বিন আহমদের পূর্বে পাবেন। আর জীবনীর ব্যক্তির খ্যাতির পাশাপাশি উল্লিখিত হিজরি ও ঈসায়ী তারিখের মধ্যে সমন্বয় সাধনের ক্ষেত্রে আমার সামনে দুটি পথ খোলা ছিল:
১ - যদি উৎসগুলোতে সেই মাসের (হিজরি সনের) নাম উল্লেখ না থাকে যে মাসে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি জন্মগ্রহণ করেছেন বা ইন্তেকাল করেছেন, তবে হয় আমি হিজরি সনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ দুটি ঈসায়ী বছর উল্লেখ করব (যেমন ১: ৭৫৯ হিজরি সন ১৩৫৭ ও ১৩৫৮ ঈসায়ী সনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ)।
২ - অথবা আমি কেবল একটি বছর উল্লেখ করার ওপর সীমাবদ্ধ থাকব যেটিকে আমি অধিকতর অগ্রগণ্য মনে করি। আর আমি এটিই বেছে নিয়েছি, যদিও এতে কিছু তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তের ব্যাপার রয়েছে যা নিয়ে হয়তো কোনো কোনো গবেষক সন্তুষ্ট নাও হতে পারেন।
এই অভিধানের আরবি ও অনারবি উৎসসমূহ, যেগুলোর শরণাপন্ন আমি হয়েছি এবং যেখান থেকে তথ্য গ্রহণ করেছি, সেগুলোর ক্ষেত্রে আমি প্রতিটি জীবনীর শেষে কেবল নাম উল্লেখ করার ওপরই যথেষ্ট করেছি। অতঃপর গ্রন্থের শেষে সেগুলোর লেখকের নাম, মুদ্রণের তারিখ ও স্থানের নামসহ বিস্তারিত উল্লেখ করেছি। এগুলো সামগ্রিকভাবে আলজেরিয়ার ইতিহাসের গবেষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়ক হবে।
পরিশেষে, আমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাকে তাঁর পক্ষ থেকে তাওফিক দান করেন, যাতে আমি এর পরিশিষ্ট (আল-মুস্তাদরাক) প্রকাশ করতে সক্ষম হই। মহান আল্লাহর নিকটই আমরা সাহায্য চাই এবং তাঁরই নিকট সহায়তা প্রার্থনা করি।
বৈরুত: ৯ জিলকদ, ১৩৯০
৫ জানুয়ারি ১৯৭১
আদেল নুওয়াইহিদ
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ١١)
- أ -
آب
الآبلي= محمد بن ابراهيم
آز
آزبار= محمد بن عيسى
أب
الإبراهيمي= محمد البشير
أبركان= محمد بن الحسن
أح
الأحرش= محمد بن الأحرش
أخ
الأخضري= عبد الرحمن بن محمد
أد
إدريسو (إبن) = محمد بن سليمان
أر
الأريسي= محمد بن أحمد (فقيه)
الأريسي= محمد بن أحمد (شاعر)
أش
الأشيري (إبن) = حسن بن عبد الله
الأشيري= عبد الله بن محمد.
الأشيري= موسى بن حجاج
أص
الأصم= محمد بن عبد الله
الأصنامي= عبد القادر بن عمر
الأصولي= عبد الرحمن بن محمد
الأصولي= محمد بن إبراهيم
أط
أطفيش= إبراهيم بن محمد (أبو اسحاق)
أطفيش= محمد بن يوسف
أغ
الإغريسي= أحمد بن عبد القادر
الإغريسي= أحمد بن محمد
الإغريسي= علي بن مصطفى
الإغريسي= محمد بن عبد القادر
الإغريسي= محمد بن يحيى
الأغماتي= الحسن بن علي
أف
الأفرم= محمد بن علي
الأفضلي = يحيى بن صالح
أم
الإمام (إبن) = عبد الرحمن بن محمد
الإمام (إبن) = عيسى بن محمد
أم الحياء البسكرية= صفية بنت محمد
الأمين (إبن) = علي بن عبد القادر
الأمين (إبن) = محمود بن علي
أو
الأوراسي= أحمد بن عيسى
- আলিফ -
আব
আল-আবেলী = মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম
আজ
আজবার = মুহাম্মাদ বিন ঈসা
আব
আল-ইবরাহিমী = মুহাম্মাদ আল-বাশীর
আবরাকান = মুহাম্মাদ বিন আল-হাসান
আহ
আল-আহরাশ = মুহাম্মাদ বিন আল-আহরাশ
আখ
আল-আখদারী = আবদুর রহমান বিন মুহাম্মাদ
আদ
ইদ্রিসু (ইবন) = মুহাম্মাদ বিন সুলাইমান
আর
আল-আরিসী = মুহাম্মাদ বিন আহমাদ (ফকীহ)
আল-আরিসী = মুহাম্মাদ বিন আহমাদ (কবি)
আশ
আল-আশীয়ী (ইবন) = হাসান বিন আব্দুল্লাহ
আল-আশীয়ী = আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ।
আল-আশীয়ী = মূসা বিন হাজ্জাজ
আস
আল-আসাম্ম = মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ
আল-আসনামি = আব্দুল কাদির বিন উমর
আল-উসূলী = আবদুর রহমান বিন মুহাম্মাদ
আল-উসূলী = মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম
আত
আতফিশ = ইবরাহীম বিন মুহাম্মাদ (আবু ইসহাক)
আতফিশ = মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ
আগ
আল-ইগরীসী = আহমাদ বিন আব্দুল কাদির
আল-ইগরীসী = আহমাদ বিন মুহাম্মাদ
আল-ইগরীসী = আলী বিন মুস্তফা
আল-ইগরীসী = মুহাম্মাদ বিন আব্দুল কাদির
আল-ইগরীসী = মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া
আল-আগমাতি = হাসান বিন আলী
আফ
আল-আফরাম = মুহাম্মাদ বিন আলী
আল-আফদালি = ইয়াহইয়া বিন সালিহ
আম
আল-ইমাম (ইবন) = আবদুর রহমান বিন মুহাম্মাদ
আল-ইমাম (ইবন) = ঈসা বিন মুহাম্মাদ
উম্মুল হায়া আল-বিসকিরিয়্যাহ = সাফিয়্যাহ বিনতে মুহাম্মাদ
আল-আমীন (ইবন) = আলী বিন আব্দুল কাদির
আল-আমীন (ইবন) = মাহমুদ বিন আলী
আও
আল-আওরাসী = আহমাদ বিন ঈসা
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ١٢)
(أ)آ
الآبلي
(681 - 757 هـ / 1282 - 1350م)
محمد بن إبراهيم بن أحمد الآبلي، أبو عبد الله: شيخ العلوم العقلية والنقلية في عصره، وأشهر علماء المغرب الأوسط في المائة الثامنة هجرية، وأحد أساتذة إبن خلدون ولسان الدين بن الخطيب. ولد بتلمسان، وأصله أندلسي من مدينة آبلة Avilla في الشمال الغربي لمدينة مدريد، انتقل أبوه وعمه إلى تلمسان فاستخدمهم يغمراسن بن زيان وولده في جندهم، وولد محمد بها. وعكف على تحصيل العلم وتدريسه مخالفا في ذلك اتجاه أبيه وأعمامه الذين احترفوا الجندية. رحل إلى المشرق وحج، ولقي كثيرا من العلماء. وعاد إلى تلمسان ثم اندمج في طبقة العلماء بمجلس السلطان أبي الحسن المريني بفاس وظل هناك إلى
(অ)আ
আল-আবেলি
(৬৮১ - ৭৫৭ হি. / ১২৮২ - ১৩৫০ খ্রি.)
মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন আহমদ আল-আবেলি, আবু আবদুল্লাহ: তিনি ছিলেন তাঁর যুগের আকলি (যৌক্তিক) ও নাকলি (বর্ণনামূলক) শাস্ত্রসমূহের প্রধান শায়খ, অষ্টম হিজরি শতাব্দীতে মধ্য মাগরিবের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ আলেম এবং ইবনে খালদুন ও লিসানুদ্দীন ইবনুল খাতিবের অন্যতম শিক্ষক। তিনি তিলিমসানে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর মূল উৎস ছিল আন্দালুসের মাদ্রিদ শহরের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত আভিলা (Avilla) শহর। তাঁর পিতা ও চাচা তিলিমসানে স্থানান্তরিত হলে ইয়াগমুরাসান বিন জায়িয়ান ও তাঁর পুত্র তাঁদেরকে নিজেদের সৈন্যবাহিনীতে নিযুক্ত করেন এবং সেখানেই মুহাম্মদের জন্ম হয়। তিনি তাঁর পিতা ও চাচাদের অনুসৃত সামরিক পেশার বিপরীতে জ্ঞান অর্জন ও শিক্ষাদানে আত্মনিয়োগ করেন। তিনি প্রাচ্য ভ্রমণে বের হন এবং হজ পালন করেন, যেখানে তিনি বহু আলেমের সান্নিধ্য লাভ করেন। এরপর তিনি তিলিমসানে ফিরে আসেন এবং পরবর্তীতে ফাসে সুলতান আবুল হাসান আল-মারিনির মজলিসে আলেমদের স্তরে অন্তর্ভুক্ত হন এবং সেখানে অবস্থান করেন...
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ١٢)
أن مات. أخذ عنه عدد من الأئمة كتابن الصباغ والمكناسي والشريف التلمساني والشريف الرهوني وابن مرزوق الجد وابن عرفة وأبي عثمان العقباني. (1)
آز بار (القرن 14 هجري / القرن 20 ميلادي)
محمد بن عيسى آزبار: خطيب، من كبار علماء وادي ميزاب، له مشاركة في حركة الإصلاح الاجتماعي التي بدأت في القرن الثالث عشر للهجرة. ارتحل إلى المشرق فأقام بعمان مدة كبيرة وأخذ عن علمائها. انتخبه علماء وادي ميزاب شيخا عليهم. توفي في العقد الأول من القرن الرابع عشر الهجري. له "الضياء" و"بيان الشرع" في سبعين جزءا. (2)
--------------------------------------------
মৃত্যুবরণ পর্যন্ত। তাঁর নিকট থেকে বেশ কয়েকজন ইমাম শিক্ষা গ্রহণ করেছেন, যেমন ইবনুল সাব্বাগ, আল-মিকনাসি, আল-শরিফ আল-তিলিমসানি, আল-শরিফ আল-রাহুনি, ইবনু মারজুক আল-জাদ্দ (দাদা), ইবনু আরাফাহ এবং আবু উসমান আল-উকবানি। (১)
আজ বার (১৪শ হিজরি শতাব্দী / ২০শ খ্রিস্টীয় শতাব্দী)
মুহাম্মাদ বিন ঈসা আজ বার: তিনি একজন খতিব এবং ওয়াদি মিজাব-এর প্রথিতযশা আলেমদের অন্যতম। ত্রয়োদশ হিজরি শতাব্দীতে শুরু হওয়া সমাজ সংস্কার আন্দোলনে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল। তিনি প্রাচ্যের দেশসমূহে সফর করেন এবং ওমানে দীর্ঘকাল অবস্থান করে সেখানকার আলেমদের নিকট থেকে ইলম অর্জন করেন। ওয়াদি মিজাব-এর আলেমগণ তাঁকে তাঁদের প্রধান শাইখ হিসেবে নির্বাচিত করেন। তিনি চতুর্দশ হিজরি শতাব্দীর প্রথম দশকে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর রচিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে "আদ-দিয়া" এবং সত্তর খণ্ডে সমাপ্ত "বায়ানুল শরআ"। (২)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ١٣)
الإبراهيمي (1306 - 1385هـ / 1889 - 1965م)
محمد بن البشير بن عمر الإبراهيمي: رئيس جمعية العلماء المسلمين، وعضو المجامع العلمية العربية في القاهرة ودمشق وبغداد، وأحد رجال الإصلاح الإسلامي، خطيب، من الكتاب البلغاء، العلماء بالأدب والتاريخ واللغة وعلوم الدين. ولد في قصر الطير، في قبيلة ريغة الشهيرة ب "أولاد إبراهيم" بدائرة سطيف، والتي يرتفع نسبها إلى إدريس بن عبد الله مؤسس دولة الأدارسة في المغرب. تلقى دروسه الأولى عن أبيه وعمه، ثم في زاوية ابن شريف في شلاطة بجبال القبائل. هاجر إلى المدينة المنورة (1911 م) فأتم دراسته العالية فيها. ثم انتقل إلى دمشق (سنة 1917م) وعمل أستاذا للأدب العربي بالمدرسة السلطانية. وكان من بين الزعماء العرب وقادة الفكر فيهم الذين التفوا حول الأمير فيصل بن الحسين وبايعوه زعيما للثورة العربية الكبرى إثر إعدام جمال باشا السفاح لأحرار العرب في دمشقا وبيروت سنة 1916م. كما شارك في تأسيس المجمع العلمي العربي سنة 1921م. وفي نفس السنة عاد إلى الجزار وانقطع للخدمة العامة مع رائد
আল-ইবরাহিমি (১৩০৬ - ১৩৮৫ হিজরি / ১৮৮৯ - ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দ)
মুহাম্মদ বিন আল-বাশির বিন উমর আল-ইবরাহিমি: জমিয়তে উলামায়ে মুসলিমীনের সভাপতি, এবং কায়রো, দামেস্ক ও বাগদাদের আরবি বৈজ্ঞানিক একাডেমিগুলোর সদস্য, ইসলামি সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব, বাগ্মী এবং অলঙ্কারশাস্ত্রবিদ লেখকদের অন্যতম, সাহিত্য, ইতিহাস, ভাষা ও দ্বীনি বিজ্ঞানে পারদর্শী আলেম। তিনি কাযরুত তায়িরে, সেটিফ সার্কেলের 'আওলাদে ইবরাহিম' নামে পরিচিত প্রসিদ্ধ রিগা গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন, যাদের বংশপরম্পরা মরক্কোর ইদ্রিসি রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা ইদ্রিস বিন আব্দুল্লাহ পর্যন্ত পৌঁছেছে। তিনি তার প্রাথমিক শিক্ষা তার পিতা ও চাচার নিকট থেকে লাভ করেন, অতঃপর কাবাইল পর্বতমালার শালাতাহ অঞ্চলের ইবনে শরিফ জাওয়ায়াতে পড়াশোনা করেন। তিনি ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে মদিনা মুনাওয়ারায় হিজরত করেন এবং সেখানে উচ্চশিক্ষা সমাপ্ত করেন। এরপর ১৯১৭ সালে দামেস্কে চলে যান এবং মাদরাসাতুস সুলতানিয়ায় আরবি সাহিত্যের অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেন। তিনি ছিলেন সেই সকল আরব নেতা ও চিন্তাবিদদের অন্যতম, যারা ১৯১৬ সালে দামেস্ক ও বৈরুতে রক্তপিপাসু জামাল পাশা কর্তৃক স্বাধীনতাকামী আরবদের ফাঁসি দেওয়ার পর আমির ফয়সাল বিন আল-হুসাইনের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন এবং তাকে মহান আরব বিপ্লবের নেতা হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন। এছাড়াও তিনি ১৯২১ সালে আরবি বৈজ্ঞানিক একাডেমি প্রতিষ্ঠায় অংশগ্রহণ করেন। একই বছর তিনি আলজেরিয়ায় ফিরে আসেন এবং অগ্রদূতের সাথে জনসেবায় আত্মনিয়োগ করেন।
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ١٣)
النهضة ابن باديس وصحبه. ولما تأسست جمعية العلماء المسلمين الجزائريين سنة 1931 كان من أبرز مؤسسيها وانتخب نائبا للرئيس عبد الحميد بن باديس. وفي مطلع الحرب العالمية الثانية (سنة 1940) نفاه الفرنسيون إلى "آفلو" في جنوب الجزائر، ومات ابن باديس في نفس السنة، فانتخب لرئاسة جمعية العلماء خلفا له وهو في منفاه. واستمر معتقلا ما يزيد على ثلاث سنوات، ثم اعتقل وسجن وعذب سنة 1945. وفي هذه الفترة من حياته أنشأ عددا كبيرا من المدارس العربية وأهمها معهد عبد الحميد بن باديس الثانوي بقسنطينة، كما تولى مسؤولية جريدة "البصائر" الذائعة الصيت في المغرب والمشرق والتي كانت من أقوى الصحف العربية دفاعا عن قضايا العروبة والإسلام. وفي سنة 1952 رحل إلى المشرق وجال في أكثر بلدانه ثم استقر بالقاهرة. واندلعت نار الثورة الجزائرية التحريرية (1954) فانتدب من قبل قيادتها للقيام بمهمات لدى الدول العربية والإسلامية، فقام بها أحسن قيام. وإثر استقلال الجزائر (1962م) عاد إليها وأقام بالعاصمة مريضا وقد هده الجهد والإعياء إلى أن توفي. من آثاره "عيون
রেনেসাঁ, ইবনে বাদিস এবং তাঁর সঙ্গীবৃন্দ। ১৯৩১ সালে যখন আলজেরীয় মুসলিম উলামা সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন তিনি এর অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন এবং আব্দুল হামিদ বিন বাদিসের সহকারী সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুতে (১৯৪০ সালে) ফরাসিরা তাঁকে দক্ষিণ আলজেরিয়ার "আফলু"তে নির্বাসিত করে। একই বছর ইবনে বাদিস মৃত্যুবরণ করেন এবং তিনি নির্বাসিত থাকা অবস্থাতেই তাঁর স্থলাভিষিক্ত হিসেবে উলামা সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি তিন বছরেরও বেশি সময় বন্দি ছিলেন, এরপর ১৯৪৫ সালে তাঁকে পুনরায় গ্রেফতার, কারারুদ্ধ ও নির্যাতন করা হয়। জীবনের এই পর্যায়ে তিনি অনেকগুলো আরবি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন, যার মধ্যে কনস্ট্যান্টিনের আব্দুল হামিদ বিন বাদিস মাধ্যমিক ইনস্টিটিউট ছিল অন্যতম। এছাড়াও তিনি মাগরেব (পশ্চিম) ও মাশরেক (পূর্ব) অঞ্চলে অত্যন্ত সুপ্রসিদ্ধ "আল-বাশায়ির" সংবাদপত্রের দায়িত্ব পালন করেন, যা ছিল আরব ও ইসলামি ইস্যুগুলোর সমর্থনে সবচেয়ে শক্তিশালী আরবি সংবাদপত্রগুলোর একটি। ১৯৫২ সালে তিনি প্রাচ্যের দেশগুলোর উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন এবং সেখানকার অধিকাংশ দেশ ভ্রমণ শেষে কায়রোতে বসতি স্থাপন করেন। আলজেরিয়ার মুক্তি সংগ্রাম (১৯৫৪) শুরু হলে নেতৃত্বের পক্ষ থেকে তাঁকে আরব ও ইসলামি দেশগুলোতে বিশেষ দায়িত্ব পালনের জন্য নিযুক্ত করা হয় এবং তিনি তা অত্যন্ত সাফল্যের সাথে সম্পন্ন করেন। আলজেরিয়ার স্বাধীনতার পর (১৯৬২ খ্রি.) তিনি স্বদেশে ফিরে আসেন এবং অসুস্থ অবস্থায় রাজধানীতে বসবাস শুরু করেন। দীর্ঘ পরিশ্রম ও ক্লান্তিতে তাঁর শরীর অত্যন্ত ভেঙে পড়েছিল এবং অবশেষে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর রচনাবলির মধ্যে রয়েছে "উয়ুন...
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ١٤)
البصائر" طبع منها مجلدان، و"الإطراد والشذوذ في اللغة" و"أسرار الضمائر في العربية" و"التسمية بالمصدر" و"كاهنة أوراس" و"رسالة الضب" و"فصيح العربية من العامية الجزائرية" و"أرجوزة " في 36 ألف بيت ضمنها تقاليد الشعب الجزائري وعاداته .. الخ كما له مقالات كثيرة نشرت في صحف المغرب والمشرق. (1)
أبركان ( .. - 868هـ / .. - 1464م)
محمد بن الحسن بن مخلوف بن مسعود المزيلي الراشدي، أبو عبد الله، ويعرف بأبركان (ومعناها بالبربرية: الأسود) وهو لقب أبيه: فقيه مالكي، محدث، من أهل تلمسان، وبها نشأ وتعلم. من آثاره "المشرع المهيأ في ضبط مشكل رجال الموطأ" مخطوط، و"الزند الواري في ضبط رجال البخاري" مخطوط، و"فتح المبهم في ضبط رجال مسلم"
--------------------------------------------
"আল-বাসায়ির" (এর দুটি খণ্ড মুদ্রিত হয়েছে), "আল-ইততিরাদ ওয়াশ শুজুজ ফিল লুগাহ", "আসরারুদ দামায়ির ফিল আরাবিয়্যাহ", "আত-তাসমিয়াতু বিল মাসদার", "কাহিনাতু আউরাস", "রিসালাতুদ দব্ব", "ফাসিহুল আরাবিয়্যাহ মিনাল আমমিয়্যাহ আল-জাযায়িরিয়্যাহ" এবং ৩৬ হাজার পঙক্তির একটি "আরজুযা", যাতে আলজেরীয় জনগণের ঐতিহ্য ও রীতিনীতি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে... ইত্যাদি। এ ছাড়াও মরক্কো ও প্রাচ্যের বিভিন্ন সংবাদপত্রে তাঁর অসংখ্য নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। (১)
আবরাকান ( .. - ৮৬৮ হিজরি / .. - ১৪৬৪ খ্রিস্টাব্দ)
মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে মাখলুফ ইবনে মাসউদ আল-মাযিলি আর-রাশিদি, আবু আব্দুল্লাহ, এবং তিনি আবরাকান নামে পরিচিত (বার্বার ভাষায় এর অর্থ: কৃষ্ণবর্ণ/কালো)। এটি তাঁর পিতার উপাধি। তিনি তিলিমসানের অধিবাসী একজন মালিকি ফকিহ ও মুহাদ্দিস ছিলেন এবং সেখানেই তিনি বেড়ে ওঠেন ও শিক্ষা লাভ করেন। তাঁর রচনাবলির মধ্যে রয়েছে "আল-মুশরাউল মুহাইয়্যা ফি দবতি মুশকিলে রিজালিল মুয়াত্তা" (পাণ্ডুলিপি), "আয-যান্দুল ওয়ারি ফি দবতি রিজালিল বুখারি" (পাণ্ডুলিপি) এবং "ফাতহুল মুবহাম ফি দবতি রিজালিল মুসলিম"।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ١٤)
مخطوط و"الثاقب في لغة ابن الحاجب" وثلاثة شروح على الشفا أكبرها في مجلدين سماها "الغنية". (1)
الأحرش ( .. - 1281هـ / .. - 1864م)
محمد بن الأحرش الجزائري الحسني الخلوتي، أبو القاسم: صوفي، نشأ في المعلبة بالقرب من مدينة الجلفة. من آثاره "الفيض الرحماني في قول بعض الأولياء من رآني ومن رأى من رآني". (2)
الأخضري (910هـ - 953هـ / 1012 - 1546م)
عبد الرحمن بن محمد الصغير بن محمد ابن عامر الأخضري: أديب، منطقي، له مشاركة في بعض العلوم. من أهل بسكرة، وضريحه مشهور في زاوية بنطيوس من قراها. له كتب في البيان والمنطق عني بشرحها الأدباء، منها: "الجوهر المكنون في صدق الثلاثة
--------------------------------------------
পাণ্ডুলিপি এবং "আস-সাকিব ফী লুগাতি ইবনিল হাজিব" ও আশ-শিফা-এর ওপর তিনটি ব্যাখ্যাগ্রন্থ, যার মধ্যে বৃহত্তমটি দুই খণ্ডে সমাপ্ত এবং তিনি এর নামকরণ করেছেন "আল-গুনইয়াহ"। (১)
আল-আহরাশ ( .. - ১২৮১ হিজরী / .. - ১৮৬৪ খ্রিস্টাব্দ)
মুহাম্মাদ বিন আল-আহরাশ আল-জাযাইরি আল-হাসানি আল-খালওয়াতি, আবু আল-কাসিম: একজন সুফি, তিনি আল-জিলফাহ শহরের নিকটবর্তী আল-মা'লাবাহ-তে বেড়ে ওঠেন। তার রচনাবলির মধ্যে রয়েছে "আল-ফায়যুর রহমানি ফী ক্বওলি বা'দিল আউলিয়া মান রায়ানি ওয়া মান রাআ মান রায়ানি"। (২)
আল-আখদারি (৯১০ হিজরী - ৯৫৩ হিজরী / ১০১২ - ১৫৪৬ খ্রিস্টাব্দ)
আবদুর রহমান বিন মুহাম্মাদ আস-সগির বিন মুহাম্মাদ ইবনে আমির আল-আখদারি: একজন সাহিত্যিক, যুক্তিবিদ, বিভিন্ন শাস্ত্রে তার অবদান রয়েছে। তিনি বিসকরা-এর অধিবাসী ছিলেন এবং তার মাজার সেখানকার বানতিয়ুস নামক গ্রামের একটি জাউইয়ায় (খানকাহ) সুপরিচিত। অলঙ্কারশাস্ত্র ও যুক্তিবিদ্যায় তার বেশ কিছু গ্রন্থ রয়েছে যা সাহিত্যিকরা ব্যাখ্যা করেছেন, তার মধ্যে রয়েছে: "আল-জাওহারুল মাকনুন ফী সিদকিস সালাসাহ
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ١٥)
فنون" في المعاني والبيان والبديع، أوجز فيه "التلخيص"، و"شرح الجوهر" و"السلم المرونق" أرجوزة في علم المنطق، و"شرح السلم" و"الدرة البيضاء" في علمي الفرائض والحساب، نظما، و"شرح الدرة" في جزأين، و"شرح السراج" في علم الفلك، والأصل قصيدة لسحنون الونشريسي، و"المنظومة القدسية" و"مختصر الأخضري" في العبادات، على مذهب الإمام مالك، و"رسالة"، في التحذير من البدع. (1)
إدريسو- إبن (
… - 1298هـ /
… - 1881م)
محمد بن سليمان بن إدريسو: فقيه إباضي، قوي الحافظة، من دعاة الإصلاحفي وادي ميزاب. ولد ونشأ في بني يسقن وأخذ عن علمائها كالشيخ عبد العزيز الثميني وغيره. كان كفيف البصر أوذي في سبيل فكرة الإصلاح. له "نظم كتاب النيل" في ثلاثة آلاف وثلاثين بيتا، و"شرح الألفية" لابن مالك في النحو، و"نظم أبواب الطهارة" من ديوان
--------------------------------------------
"ফুনুন" যা অলঙ্কারশাস্ত্রের (আল-মাআনি, আল-বায়ান ও আল-বাদি) ওপর রচিত, যাতে তিনি "আত-তালখিস" গ্রন্থটিকে সংক্ষেপ করেছেন; এবং "শারহুল জাওহার"; এবং "আস-সুল্লামুল মুনাওনাক" যা যুক্তিবিদ্যার (মানতিক) ওপর একটি ছন্দোবদ্ধ কাব্য; এবং "শারহুস সুল্লাম"; এবং "আদ-দুররাতুল বায়দা" যা উত্তরাধিকার আইন (ফারায়েদ) ও গণিত শাস্ত্রের ওপর ছন্দোবদ্ধ রচনা; এবং দুই খণ্ডে "শারহুদ দুররা"; এবং "শারহুস সিরাজ" যা জ্যোতির্বিদ্যার ওপর রচিত, যার মূল কবিতাটি সাহনুন আল-ওয়ানশারিসির; এবং "আল-মানযুমাতুল কুদসিয়া"; এবং ইমাম মালিকের মাযহাব অনুযায়ী ইবাদত সংক্রান্ত "মুখতাসারুল আখদারি"; এবং বিদআত সম্পর্কে সতর্ককারী একটি "রিসালাহ" বা পুস্তিকা। (১)
ইদ্রিসু- ইবন ( ... - ১২৯৮ হিজরি / ... - ১৮৮১ খ্রিস্টাব্দ)
মুহাম্মদ বিন সুলাইমান বিন ইদ্রিসু: একজন ইবাদি ফকিহ, প্রখর স্মৃতিশক্তির অধিকারী এবং ওয়াদি মিজাবের সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম দাঈ। তিনি বনি ইয়াসকানে জন্মগ্রহণ করেন ও বেড়ে ওঠেন এবং সেখানকার আলিমদের নিকট থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেন, যেমন শেখ আব্দুল আজিজ আস-সামিনি ও অন্যান্য। তিনি দৃষ্টিহীন ছিলেন এবং সংস্কারবাদী চিন্তাধারার পথে বহু কষ্টের সম্মুখীন হন। তাঁর রচনার মধ্যে রয়েছে তিন হাজার ত্রিশ পঙক্তির "নাযমু কিতাবিন নীল", নাহু শাস্ত্রে ইবন মালিকের "শারহুল আলফিয়্যাহ", এবং দেওয়ান থেকে "নাযমু আবওয়াবিত তাহারাহ" (পবিত্রতা অধ্যায়ের ছন্দোবদ্ধ রূপ)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ١٥)
العزابة، وهو كتاب في الفقه الإباضي، و"نظم عقيدة العزابة" في التوحيد، للشيخ عمر بن جميع، و"نظم متن الآجرومية" (1)
أر
الأريسي (القرن السابع الهجري / القرن الثالث الميلادي)
محمد بن أحمد بن محمد بن عبد الله الأريسي، أبو عبد الله: فقيه مالكي، عاش في بجاية في المائة السابعة، ذكره الغبريني وقال: (وكان مشاورا مفتيا معمولا على قوله، موقوفا على ما عنده، له جلال ووقار، وأخلاق مرضية، وكان في غاية الجودة في الخط المشرقي .. الخ". (2)
الأريسي (القرن السابع الهجري / القرن الثالث الميلادي)
محمد بن أحمد بن محمد بن أحمد الأريسي المعروف بالجزائري، أبو عبد الله: شاعر، أديب، من كبار أدباء الجزائر في أواسط المائة السابعة. كان يسلك في شعره سلوك المتنبي. قال الغبريني:
--------------------------------------------
আল-আযযাবাহ, যা ইবাদি ফিকহ শাস্ত্রের একটি কিতাব, এবং তাওহিদ বিষয়ে শেখ উমর বিন জামিউ-এর "নাযমু আকিদাতিল আযযাবাহ", এবং "নাযমু মাতনিল আজরুমিয়্যাহ" (১)
আল-আরিসি (সপ্তম হিজরি শতাব্দী / তৃতীয় খ্রিস্টীয় শতাব্দী)
মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আরিসি, আবু আব্দুল্লাহ: মালিকি ফকিহ, সপ্তম শতাব্দীতে বিজায়ায় বসবাস করতেন। আল-গুবরিনি তার উল্লেখ করে বলেছেন: "তিনি ছিলেন একজন পরামর্শদাতা মুফতি যার মতের ওপর আমল করা হতো এবং যার সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করা হতো। তার মধ্যে গাম্ভীর্য ও মর্যাদা এবং পছন্দনীয় চারিত্রিক গুণাবলি বিদ্যমান ছিল। তিনি মাশরিকি হস্তাক্ষর লিখনে অত্যন্ত পারদর্শী ছিলেন... ইত্যাদি।" (২)
আল-আরিসি (সপ্তম হিজরি শতাব্দী / তৃতীয় খ্রিস্টীয় শতাব্দী)
মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-আরিসি, যিনি আল-জাজাইরি নামে পরিচিত, আবু আব্দুল্লাহ: কবি ও সাহিত্যিক, সপ্তম শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে আলজেরিয়ার অন্যতম প্রধান সাহিত্যিক ছিলেন। তিনি তার কবিতায় আল-মুতানাব্বির রীতি অনুসরণ করতেন। আল-গুবরিনি বলেছেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ١٦)
"وهو من أدباء الكتاب، كان حسن النظم والنثر، مليح الكتابة سهل الشعر، كثير التجنيس يأتيه عفوا من غير تكلف، وكان مليح التواشيح، إن طال في شعره أعرب، وإن اقتصر واقتصد أعجب، له شعر كثير في كل فن من فنون الشعر: وكان شيخ كتبة الديوان ببجاية" وهو حفيد الأريسي المتقدم. (1)
الأشيري- ابن (
… - بعد 569هـ /
… - بعد 1173م)
حسن بن عبد الله بن حسن الكاتب، أبو علي، ويعرف بابن الأشيري: أديب، كاتب، شاعر، عارف بالقراءات واللغة والغريب. قال ابن الأبار: ولد بتلمسان ونشأ بها. ثم انتقل إلى الأندلس قبل سنة 540هـ فأخذ بالمرية عن ابن يسعون وغيره. له "مجموع في غريب الموطأ" و"نظم اللآلي" مختصر في التاريخ، و"قصيدة" في غزوة السبطاط وكانت سنة 569هـ. ولم أعثر على تاريخ وفاته. (2)
--------------------------------------------
তিনি ছিলেন লেখকদের মধ্যে অন্যতম সাহিত্যিক; তিনি উত্তম কাব্য ও গদ্য রচয়িতা ছিলেন, তাঁর লিখনশৈলী ছিল চমৎকার এবং কবিতা ছিল প্রাঞ্জল। তিনি প্রচুর পরিমাণে শব্দালঙ্কার (তাজনীয়াস) ব্যবহার করতেন যা কোনো কৃত্রিমতা ছাড়াই স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁর লেখনীতে ফুটে উঠত। তিনি চমৎকার মুওয়াশশাহ রচয়িতা ছিলেন। তাঁর কবিতা দীর্ঘ হলে তা হতো অত্যন্ত প্রাঞ্জল, আর সংক্ষিপ্ত ও পরিমিত হলে তা হতো বিস্ময়কর। কবিতার প্রতিটি শাখায় তাঁর প্রচুর পদচারণা ছিল। তিনি বেজায়া নগরের দিওয়ান (প্রশাসনিক কার্যালয়) এর লেখকদের প্রধান ছিলেন। তিনি পূর্বে উল্লিখিত আল-আরীসীর পৌত্র। (১)
আল-আশিরী—ইবন (
… - ৫৬৯ হিজরীর পর /
… - ১১৭৩ খ্রিস্টাব্দের পর)
হাসান বিন আবদুল্লাহ বিন হাসান আল-কাতিব, আবু আলী, যিনি ইবন আল-আশিরী নামে পরিচিত: সাহিত্যিক, লেখক, কবি এবং ক্বিরাআত, ভাষা ও দুর্লভ শব্দাবলির (গারীব) বিশেষজ্ঞ। ইবনুল আব্বার বলেন: তিনি তিলিমসানে জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানেই লালিত-পালিত হন। অতঃপর তিনি ৫৪০ হিজরীর পূর্বে আন্দালুসে পাড়ি জমান এবং আলমেরিয়াতে ইবন ইয়াসুন ও অন্যদের নিকট শিক্ষা লাভ করেন। তাঁর রচনার মধ্যে রয়েছে "মাজমুউ ফি গারীবিল মুয়াত্তা" (মুয়াত্তার দুর্লভ শব্দাবলির সংগ্রহ), "নাজমুল লাআলী" নামক ইতিহাসের সংক্ষিপ্ত সার এবং ৫৬৯ হিজরীতে সংঘটিত সিবতাত অভিযানের ওপর একটি "কাসিদা"। আমি তাঁর মৃত্যুর তারিখ খুঁজে পাইনি। (২)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ١٦)
الأشيري (
… - 561هـ /
… - 1165م)
عبد الله بن محمد بن عبد الله بن علي الصنهاجي الأشيري، أبو محمد: فقيه، محدث، أديب، من أهل بلدة أشير. رحل إلى المغرب والأندلس والشام والعراق. قال ابن الأبار "سمع أبا جعفر بن غزلون، وأبا بكر بن العربي - بالأندلس- وغيرهما. وكان كاتبا لصاحب المغرب، فلما توفي، استسر، ونهبت كتبه، فتوجه إلى الشام، وقدم دمشق وأقام بها. وحدث بالموطأ وغيره". وذكره ابن عساكر وقال: "سمع مني وكتب عنه كتابا ألفته لأجله، فيمن وافقت كنيته كنية زوجه من الصحابة، وعلقت عنه شيئا من أخبار أبي الوليد الباجي، ولم أسمع منه حديثا مسندا لنزول روايته، وكان أديبا، له شعر جيد، ثم توجه إلى حلب، وأسمع بها الحديث سنتي ثمان وتسع وخمسين وخمسمائة، وحج وجاور. وتوفي بعد ذلك يوم الأربعاء الخامس والعشرين لشوال سنة 561هـ ودفن بظاهر باب حمص شمالي بعلبك" وذكره أبو بكر ابن نقطة الحنبلي البغدادي فقال: "سمع من أبي الحسن ابن موهب، وأبي بكر بن العربي، وأبي الحسن شريح بن محمد،
আল-আশিরি (
… - ৫৬১ হিজরি /
… - ১১৬৫ খ্রিস্টাব্দ)
আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন আলি আস-সিনহাজি আল-আশিরি, আবু মুহাম্মদ: ফকিহ, মুহাদ্দিস, সাহিত্যিক, আশির শহরের অধিবাসী। তিনি মাগরিব, আন্দালুস, শাম ও ইরাক ভ্রমণ করেন। ইবনুল আব্বার বলেন, "তিনি আন্দালুসে আবু জাফর ইবন গজলুন, আবু বকর ইবনুল আরাবি এবং আরও অনেকের থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন। তিনি মাগরিবের অধিপতির সচিব ছিলেন; কিন্তু যখন তিনি মৃত্যুবরণ করেন, তখন তিনি আত্মগোপন করেন এবং তার কিতাবসমূহ লুণ্ঠিত হয়। এরপর তিনি শামের দিকে যাত্রা করেন, দামেস্কে আগমন করেন এবং সেখানে অবস্থান করেন। তিনি সেখানে মুয়াত্তা ও অন্যান্য কিতাবের পাঠদান করেন।" ইবনে আসাকির তাকে উল্লেখ করে বলেন: "তিনি আমার কাছ থেকে শ্রবণ করেছেন এবং আমার পক্ষ থেকে তার উদ্দেশ্যে রচিত একটি গ্রন্থ অনুলিপি করেছেন, যা সেইসব সাহাবীদের সম্পর্কে ছিল যাদের কুনিয়াত তাদের স্ত্রীদের কুনিয়াতের সাথে মিলে যায়। আমি তার কাছ থেকে আবু ওয়ালিদ আল-বাজি সম্পর্কিত কিছু তথ্য সংগ্রহ করেছি, তবে তার বর্ণনার সনদ দীর্ঘ হওয়ার কারণে আমি তার থেকে কোনো মুসনাদ হাদিস শ্রবণ করিনি। তিনি একজন সাহিত্যিক ছিলেন এবং তার চমৎকার কাব্য ছিল। এরপর তিনি আলেপ্পোর দিকে যাত্রা করেন এবং সেখানে ৫৫৮ ও ৫৫৯ হিজরিতে হাদিস শ্রবণ করান। তিনি হজ পালন করেন এবং হারাইমাইন শরীফাইনে অবস্থান করেন। এরপর তিনি ৫৬১ হিজরির ২৫শে শাওয়াল বুধবার মৃত্যুবরণ করেন এবং তাকে বালবাকের উত্তরে বাব-ই হিমস-এর বহির্ভাগে দাফন করা হয়।" আবু বকর ইবন নুকতা আল-হাম্বলি আল-বাগদাদি তাকে উল্লেখ করে বলেন: "তিনি আবুল হাসান ইবন মাওহাব, আবু বকর ইবনুল আরাবি এবং আবুল হাসান শুরায়হ ইবন মুহাম্মদ থেকে শ্রবণ করেছেন।"
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ١٧)
وأبي جعفر بن غزلون، وأبي عبد الله بن أصبغ، وأبي الفضل بن عياض، وأبي الوليد بن الدباغ، ومحمد بن عبد العزيز الزغيبي، في آخرين، وحدث ببغداد وغيرها من البلاد. حدثنا عنه جماعة من أشياخنا. وكاق فاضلا، ثقة، حافظا. توفي في شهر رمضان سنة 561هـ وكان متوجها من المدينة إلى الشام". ويستفاد مما ذكره ياقوت أنه فاق جميع علماء الشام وحلب، وأن الناس تسابقوا إلى الأخذ عنه، وأن الوزراء والملوك تفاخروا بمجالسته والاسترشاد بعلمه وآرائه. وقد استدعاه الوزير يحيى بن هبيرة إلى بغداد وطلبه من الملك العادل نور الدين محمود بن زنكي لإقراء الحديث وتدريس علومه ببغداد، فسيره الملك إليه. فأقرأ هنالك كتاب "الإفصاح عن شرح معاني الصحاح" لابن هبيرة نفسه. وجرت له مع الوزير منافرة فتقاطعا، ثم ندم الوزير على موقفه واعتذر إليه وأغدق عليه. له "شرح" قصيدة الحصري. (1)
--------------------------------------------
আবু জাফর বিন গাযলুন, আবু আবদুল্লাহ বিন আসবাগ, আবু আল-ফজল বিন ইয়াদ, আবু আল-ওয়ালিদ বিন আদ-দাব্বাগ এবং মুহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ আয-যুগাইবি সহ অন্যান্যদের নিকট থেকে তিনি (শিক্ষা লাভ করেছেন)। তিনি বাগদাদ ও অন্যান্য শহরে হাদিস বর্ণনা করেছেন। আমাদের একদল উস্তাদ তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি ছিলেন একজন বিদগ্ধ পণ্ডিত, নির্ভরযোগ্য এবং হাফেজ (হাদিস বিশারদ)। তিনি ৫৬১ হিজরি সালের রমজান মাসে ইন্তেকাল করেন, যখন তিনি মদিনা থেকে শামের অভিমুখে যাচ্ছিলেন। ইয়াকুত যা উল্লেখ করেছেন তা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, তিনি শাম ও আলেপ্পোর সকল আলেমকে ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন এবং মানুষ তাঁর নিকট থেকে ইলম অর্জনের জন্য প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হতো। উজির ও বাদশাহগণ তাঁর মজলিসে বসা এবং তাঁর জ্ঞান ও মতামতের মাধ্যমে দিকনির্দেশনা গ্রহণ করাকে গৌরবের বিষয় মনে করতেন। উজির ইয়াহইয়া বিন হুবাইরা তাঁকে বাগদাদে আসার আমন্ত্রণ জানান এবং ন্যায়পরায়ণ বাদশাহ নুরউদ্দীন মাহমুদ বিন যাঙ্গির নিকট তাঁকে বাগদাদে হাদিস পাঠদান ও হাদিস শাস্ত্রের পাঠদানের জন্য তলব করেন; অতঃপর বাদশাহ তাঁকে সেখানে প্রেরণ করেন। সেখানে তিনি স্বয়ং ইবনে হুবাইরার রচিত কিতাব "আল-ইফসাহ আন শারহি মাআনিল সিহাহ" পাঠদান করেন। উজিরের সাথে তাঁর কিছু মনোমালিন্য ঘটেছিল, যার ফলে তাঁদের মধ্যে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরবর্তীতে উজির তাঁর আচরণের জন্য অনুতপ্ত হন, তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং তাঁকে প্রচুর দান-দক্ষিণা প্রদান করেন। আল-হুসরির কাসিদার ওপর তাঁর একটি "শারহ" (ব্যাখ্যাগ্রন্থ) রয়েছে। (১)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ١٧)
الأشيري (
… - 589هـ /
… - 1193م)
موسى بن حجاج بن أبي بكر الأشيري، أبو عمران: محدث، حافظ أصله من مدينة آشير، سكن تدلس (دلس) منه أعمال مدينة الجزائر. رحل إلى الاندلس وأقام بها من سنة 535هـ إلى سنة 540هـ، فسمع بأشبيلية من أبي بكر بن العربي وابن شريح، وبقرطبة من أبي عبد الله بن أصبغ وابن مسرة، وبالمرية من عبد الحق ابن عطية وابن وضاح وغيرهما، ثم عاد إلى مدينة الجزائر وأم بها في صلاة الفريضة، وحدث وأخذ عنه، وسمع منه بتدلس، وبها توفي. (1)
الأصم (أواخر القرن الخامس الهجري / الحادي عشر ميلادي)
محمد بن عبد الله بن زكريا، أبو عبد الله، القلعي الأصم: شاعر، من مجيدي شعراء المغرب الأوسط في عصره. من قلعة بني حماد ذكره ابن الزبير في مجموعه وقال: "كان جيد الشعر، واري زناد الفكر، لكنه مبخوس الجد. ورد إلى الاسكندرية ومصر، وأقام بها زمانا،
--------------------------------------------
আল-আশিরি (
… - ৫৮৯ হিজরি /
… - ১১৯৩ খ্রিস্টাব্দ)
মুসা বিন হাজ্জাজ বিন আবি বকর আল-আশিরি, আবু ইমরান: মুহাদ্দিস, হাফিজ; তাঁর মূল আবাস ছিল আশির শহরে, তিনি আলজেরিয়ার অন্তর্গত তাদাল্লাস (দাল্লাস) অঞ্চলে বসবাস করতেন। তিনি আন্দালুসে সফর করেন এবং সেখানে ৫৩৫ হিজরি থেকে ৫৪০ হিজরি পর্যন্ত অবস্থান করেন। সেখানে তিনি সেভিলে (ইশবিলিয়াহ) আবু বকর ইবনুল আরাবি ও ইবনু শুরাইহ থেকে, কর্ডোভায় (কুরতুবা) আবু আব্দুল্লাহ ইবনে আসবাগ ও ইবনু মাসাররা থেকে এবং আলমেইরিয়ায় (আল-মারিয়া) আব্দুল হক ইবনে আতিয়্যাহ ও ইবনু ওয়াদদাহ এবং অন্যদের থেকে হাদিস শ্রবণ করেন। অতঃপর তিনি আলজেরিয়া শহরে ফিরে আসেন এবং সেখানে ফরজ সালাতের ইমামতি করেন। তিনি হাদিস বর্ণনা করেন এবং তাঁর নিকট থেকে ইলম গ্রহণ করা হয়। তাদাল্লাসে তাঁর থেকে হাদিস শ্রবণ করা হয় এবং সেখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। (১)
আল-আসাম্ম (পঞ্চম হিজরি শতাব্দীর শেষভাগ / একাদশ খ্রিস্টাব্দ)
মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন যাকারিয়া, আবু আব্দুল্লাহ, আল-কালাই আল-আসাম্ম: কবি, তিনি তাঁর যুগের মাগরেবুল আওসাতের (মধ্য উত্তর আফ্রিকা) শ্রেষ্ঠ কবিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি কালাত বনি হাম্মাদের বাসিন্দা ছিলেন। ইবনুয যুবাইর তাঁর সংকলনে তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: "তিনি চমৎকার কবিতা লিখতেন, তাঁর চিন্তা ছিল প্রখর, কিন্তু তিনি ছিলেন দুর্ভাগা। তিনি আলেকজান্দ্রিয়া ও মিশরে আগমন করেন এবং সেখানে দীর্ঘকাল অবস্থান করেন,"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ١٨)
لا يجد من يروي ظمأته، ولا يسد خلته، وعاد إلى المغرب، في غير أوان سفر المركب، فسار راجلا، نعله مطيته، وزاده كديته، إلى أن وصل إلى قوم يعرفون ببني الأشقر من طرابلس الغرب، فامتدحهم بقصيدة ميمية، فأحسنوا صلته، وعظموا جائزته، ولم أدر ما فعل به بعد ذلك" وأورد له نماذج من شعره (1)
الأصنامي ( .. - بعد 1265هـ / .. - بعد 1847م)
عبد القادر بن عمر بن حمد بن مقران الأصنامي: قاض، باحث، فقيه، مالكي، من أهل مدينة الأصنام. وله القضاء بأولاد فارس في أيام دولة الأمير عبد القادر الجزائري. (2)
الأصولي (
… - بعد 639هـ /
… - بعد 1294م)
عبد الرحمن بن محمد بن إبراهيم الأصولي، أبو زيد: شاعر، أديب، من أهل بجاية. سكن تونس ومدح السلطان يحيى بن عبد الواحد الحفصي. له "نكت الناقد في الأدب". ذكره النيفر في كتابه
--------------------------------------------
তিনি এমন কাউকে পাননি যিনি তাঁর তৃষ্ণা মেটাতেন, কিংবা তাঁর অভাব পূরণ করতেন। তিনি মরক্কোর দিকে ফিরে যান এমন এক সময়ে যখন জাহাজ চলাচলের মৌসুম ছিল না। ফলে তিনি পায়ে হেঁটে যাত্রা করেন; তাঁর পাদুকা ছিল তাঁর বাহন এবং যাঞ্চালব্ধ পাথেয় ছিল তাঁর সম্বল। পরিশেষে তিনি পশ্চিম ত্রিপোলির বনু আশকার নামে পরিচিত এক গোত্রের নিকট পৌঁছান এবং মীম অক্ষরবিশিষ্ট একটি কবিতা পাঠ করে তাঁদের প্রশংসা করেন। ফলে তাঁরা তাঁকে উত্তম উপঢৌকন প্রদান করেন এবং তাঁর পুরস্কারকে মহিমান্বিত করেন। এর পরে তাঁর সাথে কী ঘটেছিল তা আমার জানা নেই।" তিনি তাঁর কাব্যের কিছু নমুনাও উদ্ধৃত করেছেন (১)
আল-আসনামী ( .. - ১২৬৫ হিজরির পরে / .. - ১৮৪৭ খ্রিস্টাব্দের পরে)
আব্দুল কাদির ইবনে উমর ইবনে হামদ ইবনে মুকরান আল-আসনামী: বিচারক, গবেষক, ফকিহ, মালিকি, আসনাম শহরের অধিবাসী। আমির আব্দুল কাদির আল-জাজাইরি-এর শাসনকালে তিনি আওলাদ ফারিস অঞ্চলে বিচারকার্য পরিচালনা করেন। (২)
আল-উসুলি (
… - ৬৩৯ হিজরির পরে /
… - ১২৯৪ খ্রিস্টাব্দের পরে)
আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আল-উসুলি, আবু যাইদ: কবি, সাহিত্যিক, বেজাইয়ার অধিবাসী। তিনি তিউনিসিয়ায় বসবাস করতেন এবং সুলতান ইয়াহিয়া ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আল-হাফসির প্রশংসা করেছেন। তাঁর রচিত "নুখাতুন নাকিদ ফিল আদাব" নামক গ্রন্থ রয়েছে। আন-নাইফার তাঁর গ্রন্থে তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ١٨)
عنوان الأريب فقال: "عالم جليل، وشاعر نبيل، انتفع الناس بعلمه اقراء وتأليفا"، وكان حيا سنة 630 هـ، وهو ولد القاضي الفيلسوف الحكيم محمد بن ابراهيم الأصولي (التالية ترجمته) (1)
الأصولي (
… - 612هـ /
… - 1216م)
محمد بن ابراهيم المهري البجائي، المشتهر بالأصولي، أبو عبد الله: فقيه، من القضاة، برز في علم الكلام وأصول الفقه حتى اشتهر بالأصولي، وكان علم وقته في هذا الميدان، من أهل بجاية، وأصله من بني مرزقان بأشبيلية. رحل إلى المشرق وأخذ عن جمهرة من أقطاب المحدثين، ولم يسمع إلا يسيرا بمصر، وعاد ولم يحج. ولي قضاء بجاية ثلاث مرات، صرف عن أخراها سنة 608 هـ 1211 م. ودخل الأندلس مرارا، وولي قضاء مرسية منها، واستخلف بمراكش على القضاء. ولما امتحن ابن رشد سنة 593هـ محنته المشهورة من أجل نظره في علوم الأوائل امتحن معه المهري، ونفي مثله من قرطبة إلى بعض الجهات، ثم عفي عنه، وقد تحدث الناس بصبره في ذلك المقام وتجلده وثبوت جأشه. وكف بصره
--------------------------------------------
উনওয়ানুল আরীব গ্রন্থে বলা হয়েছে: "একজন মহান আলেম এবং উচ্চমর্যাদাসম্পন্ন কবি, মানুষ তাঁর ইলম দ্বারা পাঠদান ও রচনার মাধ্যমে উপকৃত হয়েছে", তিনি ৬৩০ হিজরি সনে জীবিত ছিলেন। তিনি বিচারক, দার্শনিক এবং প্রজ্ঞাবান মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম আল-উসুলীর (পরবর্তীতে তাঁর জীবনী আসছে) পুত্র। (১)
আল-উসুলী (
… - ৬১২ হিজরি /
… - ১২১৬ খ্রিষ্টাব্দ)
মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম আল-মাহরী আল-বিজয়ী, যিনি আল-উসুলী নামে পরিচিত, আবু আব্দুল্লাহ: একজন ফকীহ, বিচারকদের অন্তর্ভুক্ত, ইলমে কালাম এবং উসূলে ফিকহ শাস্ত্রে বিশেষ ব্যুৎপত্তি অর্জন করেছিলেন, এমনকি তিনি আল-উসুলী নামেই প্রসিদ্ধি লাভ করেন। তিনি নিজ সময়ে এই ময়দানে অগ্রগণ্য আলেম ছিলেন। তিনি বিজার অধিবাসী ছিলেন এবং তাঁর আদি নিবাস ছিল সেভিলের (ইশবিলিয়া) বনী মারযুকান গোত্রে। তিনি প্রাচ্যের দেশগুলোতে ভ্রমণ করেন এবং হাদিস বিশারদদের এক বিশাল জামাতের নিকট থেকে ইলম হাসিল করেন, তবে মিসরে অল্প কিছু সময় ইলম শ্রবণ করেছেন। তিনি ফিরে আসেন কিন্তু হজ সম্পন্ন করেননি। তিনি তিনবার বিজার প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং সর্বশেষ ৬০৮ হিজরি মোতাবেক ১২১১ খ্রিষ্টাব্দে পদমুক্ত হন। তিনি বারবার আন্দালুসে প্রবেশ করেছেন এবং সেখানে মুরসিয়া অঞ্চলের বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেছেন, এছাড়াও মারাকেশে বিচারকার্যের স্থলাভিষিক্ত দায়িত্ব পালন করেছেন। যখন ৫৯৩ হিজরি সনে ইবনে রুশদ তাঁর পূর্বসূরীদের দর্শন শাস্ত্রে পর্যালোচনার কারণে সেই প্রসিদ্ধ পরীক্ষার সম্মুখীন হন, তখন আল-মাহরীও তাঁর সাথে পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছিলেন। ইবনে রুশদের মতো তাঁকেও কর্ডোভা (কুরতুবা) থেকে কিছু অঞ্চলে নির্বাসিত করা হয়েছিল, পরবর্তীতে তাঁকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়। সে সময় তাঁর ধৈর্য, সহনশীলতা এবং চিত্তস্থৈর্য সম্পর্কে মানুষ আলোচনা করত। জীবনের শেষ দিকে তিনি দৃষ্টিশক্তি হারান।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ١٩)
في أواخر حياته، وتوفي ببجاية سنة 612هـ. قال ابن الأبار: "كان علم وقته علما وكمالا وتفننا، يتحقق بعلم الكلام وأصول الفقه حتى شهر بالأصولي، واعتنى باصلاح "المستصفى" لأبي حامد الغزالي، وإزالة ما كان فيه من تصحيف، وله عليه "تقييد مفيد". وله "تقييد في الشرفاء العمرانيين". (1)
أطفيش (1305 - 1385هـ / 1888 - 1965م)
ابراهيم بن محمد ابراهيم بن يوسف أطفيش، أبو اسحاق: عالم إباضي، أديب، من كبار العاملين في سبيل وحدة المسلمين. ولد في قرية بني يسقن - بوادي ميزاب- وأخذ عن محمد بن يوسف أطفيش، ولازمه حتى وفاته سنة 1332 هـ (1914 م) فانتقل إلى تونس ودرس في جامع الزيونة. وشارك في حركتها الوطنية بزعامة الشيخ عبد العزيز الثعالبي، ولاسيما مقاومة الاستعمار
--------------------------------------------
তাঁর জীবনের শেষভাগে, এবং ৬১২ হিজরি সনে বিজায়ায় মৃত্যুবরণ করেন। ইবনুল আব্বার বলেন: "তিনি তাঁর সময়ের পাণ্ডিত্য, পূর্ণতা এবং বহুমুখী জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন। তিনি ইলমুল কালাম ও উসুলুল ফিকহ শাস্ত্রে এমন ব্যুৎপত্তি অর্জন করেছিলেন যে তিনি 'উসুলি' (মূলনীতিবিদ) হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করেন। তিনি আবু হামিদ আল-গাজালির 'আল-মুসতাসফা' গ্রন্থের সংস্কার এবং তাতে বিদ্যমান অনুলিপিজনিত ভুলগুলো দূর করার ব্যাপারে যত্নবান ছিলেন। এই গ্রন্থের ওপর তাঁর 'তাকিদ মুফিদ' (উপকারী টিকা) রয়েছে। এছাড়াও তাঁর 'তাকিদ ফিশ শুরাফাউল উমরানিইয়িন' নামক একটি গ্রন্থ রয়েছে।" (১)
আতফিশ (১৩০৫ - ১৩৮৫ হিজরি / ১৮৮৮ - ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দ)
ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ ইব্রাহিম বিন ইউসুফ আতফিশ, আবু ইসহাক: একজন ইবাদি আলেম, সাহিত্যিক এবং মুসলিমদের ঐক্যের পথে অন্যতম অগ্রণী কর্মী। তিনি ওয়াদি মিজাবের বানি ইয়াসকান গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আতফিশের নিকট শিক্ষা লাভ করেন। ১৩৩২ হিজরি (১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ) সনে তাঁর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি তাঁর সান্নিধ্যে ছিলেন। অতঃপর তিনি তিউনিসিয়ায় চলে যান এবং জামে জাইতুনায় অধ্যয়ন করেন। তিনি শেখ আবদুল আজিজ আল-সা'লিবি-র নেতৃত্বে সেদেশের জাতীয় আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন, বিশেষ করে উপনিবেশবাদ বিরোধী সংগ্রামে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ١٩)
الفرنسي، فأبعده الفرنسيون، فلجأ إلى القاهرة في أواخر سنة 1923م، وأنشأ فيها مجلة "المنهاج ". وعمل في دار الكتب المصرية، فشارك في تحقيق بعض كتب التراث، ثم كان ممثلا لدولة إمامة عمان في جامعة الدول العربية، ورئيسا لوفدها الرسمي في هيئة الأمم المتحدة (دورة 1960). وكان قبل ذلك (سنة 1956 م) أسس أول مكتب سياسي لدولة عمان في القاهرة. له مقالات سياسية واجتماعية كثيرة نشرت في المجلات والصحف المصرية. وتوفي بالقاهرة. (1)
أطفيش ( .. - نحو 1310هـ / .. - نحو 1893م)
إبراهم بن يوسف بن عيسى أطفيش: عالم إباضي، له معرفة بالكيمياء. من بني يسقن، تعلم بها وبعمان وبالأزهر، ثم اشتغل بالتدريس إلى أن توفي. وهو أخو محمد التالية ترجمته وجد ابراهيم السابق. (2)
أطفيش (1236 - 1332هـ / 1820 - 1914م)
محمد بن يوسف بن عيسى بن صالح--------------------------------------------
ফরাসি [বিরোধী কার্যকলাপের কারণে], ফরাসিরা তাকে বহিষ্কার করে, ফলে তিনি ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দের শেষের দিকে কায়রোতে আশ্রয় নেন এবং সেখানে "আল-মিনহাজ" নামক সাময়িকী প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি মিসরীয় দারুল কুতুব-এ কর্মরত ছিলেন, যেখানে তিনি ঐতিহ্যবাহী কিছু গ্রন্থ সম্পাদনায় অংশ নেন। এরপর তিনি আরব লীগে ওমান ইমামত রাষ্ট্রের প্রতিনিধি এবং জাতিসংঘে (১৯৬০ সালের অধিবেশনে) এর সরকারি প্রতিনিধি দলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে (১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দে) তিনি কায়রোতে ওমান রাষ্ট্রের প্রথম রাজনৈতিক কার্যালয় স্থাপন করেন। মিসরীয় সাময়িকী ও সংবাদপত্রগুলোতে তাঁর অসংখ্য রাজনৈতিক ও সামাজিক নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তিনি কায়রোতেই মৃত্যুবরণ করেন। (১)
আতফিশ ( .. - আনুমানিক ১৩১০ হিজরি / .. - আনুমানিক ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ)
ইবরাহিম ইবনে ইউসুফ ইবনে ঈসা আতফিশ: একজন ইবাদি আলিম, রসায়নশাস্ত্রে তাঁর জ্ঞান ছিল। তিনি বনি ইয়াসকান গোত্রের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি সেখানে, ওমানে এবং আল-আজহারে শিক্ষালাভ করেন, তারপর মৃত্যু পর্যন্ত শিক্ষকতায় নিয়োজিত ছিলেন। তিনি পরবর্তী জীবনীতে উল্লিখিত মুহাম্মদের ভাই এবং পূর্বোক্ত ইবরাহিমের দাদা। (২)
আতফিশ (১২৩৬ - ১৩৩২ হিজরি / ১৮২০ - ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ)
মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ ইবনে ঈসা ইবনে সালিহ--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
أطفيش، وينتهي نسبه إلى عمر بن حفص الهنتاني جد العائلة الحفصية المالكة في تونس: مجتهد، من أكابر العلماء بالفقه والأدب واللغة والتفسير، ومن رجال النهضة الاصلاحية الحديثة بالجزائر. ولد في بني يسقن وبها نشأ وتعلم. سافر إلى الديار المقدسة مرتين وكان يؤلف وهو في السفينة. عكف على التدريس والتصنيف والوعظ والإرشاد إلى أن وافاه الأجل في مسقط رأسه وعمره ستة وتسعون عاما. له "هميان الزاد ليوم المعاد في التفسير في ستة أجزاء، و"التيسير" في التفسير أيضا في سبعة أجزاء، و"داعي العمل ليوم الامل" في أربعة أجزاء، فسر فيه القرآن من سورة الرحمن إلى سورة الناس و"وفاء الضمانة في أداء الأمانة" في ثلاثة أجزاء، و"جامع الشمل" في جزء، و"ترتيب الترتيب" في جزء واحد، وهذه كلها في الحديث، و"حاشية- على الموجز" لأبي عمار عبد الكافي، في التوحيد، و"شرح عقيدة العزابة" لإبن جميع، في التوحيد أيضا، و"شرح النيل" في سبعة عشر جزءا في الفقه، و"شامل الأصل والفرع" في مجلد، و" الذهب الخالص" في جزء، و"جامع الوضع والحاشية - ط" في
আতফাইয়িশ; তাঁর বংশধারা তিউনিসিয়ার হাফসি রাজপরিবারের পূর্বপুরুষ উমর ইবনে হাফস আল-হান্তানি পর্যন্ত গিয়ে শেষ হয়। তিনি একজন মুজতাহিদ এবং ফিকহ, সাহিত্য, ভাষা ও তাফসীর শাস্ত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আলিম এবং আলজেরিয়ার আধুনিক সংস্কারবাদী আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি বনী ইসকেন-এ জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানেই বেড়ে ওঠেন ও শিক্ষা লাভ করেন। তিনি দুইবার পবিত্র ভূমিসমূহ সফর করেন এবং জাহাজে থাকা অবস্থায়ও গ্রন্থ রচনা করতেন। তিনি অধ্যাপনা, গ্রন্থনা, নসিহত ও দিকনির্দেশনামূলক কাজে আত্মনিয়োগ করেছিলেন, যতক্ষণ না নিজ জন্মভূমিতে ছিয়ানব্বই বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহের মধ্যে রয়েছে: তাফসীর শাস্ত্রে ছয় খণ্ডে ‘হিমইয়ানুয যা-দ লি-ইয়াওমিল মাআ-দ’, তাফসীর শাস্ত্রে আরও একটি গ্রন্থ সাত খণ্ডে ‘আত-তায়সীর’, চার খণ্ডে ‘দাঈ আল-আমাল লি-ইয়াওমিল আমাল’—যাতে তিনি সূরা আর-রহমান থেকে সূরা আন-নাস পর্যন্ত তাফসীর করেছেন। হাদীস শাস্ত্রে তিন খণ্ডে ‘ওয়াফাউদ দামানাহ ফী আদাইল আমানাহ’, এক খণ্ডে ‘জামিউশ শামল’ এবং এক খণ্ডে ‘তারতীবুত তারতীব’। তাওহীদ বিষয়ে আবু আম্মার আব্দুল কাফী রচিত ‘আল-মুজায’-এর উপর টীকা (হাশিয়া), তাওহীদ বিষয়ে ইবনে জামী’ রচিত ‘আকীদাতুল আযযাবাহ’-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ, ফিকহ শাস্ত্রে সতেরো খণ্ডে ‘শারহুন নীল’, এক খণ্ডে ‘শামিলুল আসল ওয়াল ফার’’, এক খণ্ডে ‘আয-যাহাবুল খালিস’ এবং ‘জামিউল ওয়াদ ওয়াল হাশিয়া’ (মুদ্রিত)।
(খণ্ড: ১)
মুজামু আলামিল জাযাইর
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
جزء كبير، و"لقط أبي موس" و"حي على الفلاح" و"شرح الدعائم" طبع منه جزءان، و"أساس الطاعات" وكلها في الفقه، و"شرح مختصر العدل والانصاف" في التشريع الإسلامي، و"فك العاني من ربقة المعاني" في البلاغة، و"أرجوزة " في القراءات، و"تحفة الحب" في الطب، و"الشافية" في تاريخ ميزاب وأنساب بعض قبائله، و"أرجوزة" في النحو في خمسة آلاف بيت، نظم بها "المغني" لإبن هشام، و"لغز الماء" و"الذهب الخالص" في الدين وآدابه و"السيرة الجامعة" في المعجزات و"شرح عقيدة التوحيد" و"إطالة الأجور في فضائل الشهور" و"الغسول في أسماء الرسول" و"شرح أسماء الله الحسنى" و"مختصر الوضع والحاشية" في الفقه وأصول الدين، و"بيان البيان في علم البيان" و"ربيع البديع .. في علم البديع"، و"إيضاح الدليل إلى علم الخليل"، عروض، و"شرح القلصادي" و"إيضاح المنطق" و"إزالة الاعتراض عن محقي آل إباض" و"رسالة الامكان" و"حاشية القناطر " في علوم الدين، و"الجنة في وصف الجنة" و"الرسم" في قواعد
একটি বিশাল খণ্ড, এবং "লাকাত আবি মুসা", "হায়্যা আলাল ফালাহ" ও "শারহুদ দুআয়িম" যার দুটি খণ্ড মুদ্রিত হয়েছে, এবং "আসাসুত তাআত"; এ সবই ফিকহ শাস্ত্রের অন্তর্ভুক্ত। ইসলামি আইনশাস্ত্রে "শারহু মুখতাসারিল আদলি ওয়াল ইনসাফ", অলংকারশাস্ত্রে "ফাক্কুল আনি মিন রিবকাতিল মাআনি", কিরাত শাস্ত্রে একটি "দীর্ঘ কবিতা (উরজুযা)", চিকিৎসা বিজ্ঞানে "তুহফাতুল হুব্ব", মিজাব অঞ্চলের ইতিহাস এবং এর কিছু গোত্রের বংশপরিচয় বিষয়ক "আশ-শাফিয়া", নাহু (ব্যাকরণ) শাস্ত্রে পাঁচ হাজার পংক্তির একটি "দীর্ঘ কবিতা (উরজুযা)" যার মাধ্যমে তিনি ইবনে হিশামের "আল-মুগনি" কাব্যরূপ দিয়েছেন, "লুগযুল মা", ধর্ম ও এর শিষ্টাচার বিষয়ক "আয-যাহাবুল খালিস", মুজিযা বিষয়ক "আস-সিরাতুল জামিআহ", "শারহু আকীদাতিত তাওহীদ", "ইতালাতুল উজুরি ফী ফাদাইলিশ শুহুর", "আল-গাসুল ফী আসমায়ির রাসূল", "শারহু আসমায়িল্লাহিল হুসনা" (আল্লাহর সুন্দর নামসমূহের ব্যাখ্যা), ফিকহ ও উসুলুদ্দীন (ধর্মের মূলনীতি) শাস্ত্রে "মুখতাসারুল ওয়াদ ওয়াল হাশিয়াহ", ইলমে বায়ানে "বায়ানুল বায়ান", ইলমে বাদী’তে "রাবিউল বাদী’", ছন্দশাস্ত্রে (আরুয) "ইদাহুল দালীল ইলা ইলমিল খলীল", "শারহুল কালাসাদী", "ইদাহুল মানতিক", "ইযালাতুল ইতিরায আন মুহিক্কি আলি ইবাদ", "রিসালাতুল ইমকান", ধর্মীয় বিজ্ঞানসমূহে "হাশিয়াতুল কানাতীর", "আল-জান্নাতু ফী ওয়াসফিল জান্নাহ" এবং লিখন পদ্ধতির নিয়মে "আর-রাসম"।