(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: -)
قرة عيون المصلين في بيان صفة صلاة المحسنين من التكبير إلى التسليم في ضوء الكتاب والسنة القسم: مسائل فقهية
الكتاب: قرة عيون المصلين في بيان صفة صلاة المحسنين من التكبير إلى التسليم في ضوء الكتاب والسنة
المؤلف: د. سعيد بن علي بن وهف القحطاني
الناشر: مطبعة سفير، الرياض
توزيع: مؤسسة الجريسي للتوزيع والإعلان، الرياض
عدد الصفحات: 99
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 17 ذو القعدة 1433
কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে তাকবির থেকে সালাম পর্যন্ত মুহসিনদের নামাজের পদ্ধতির বর্ণনায় মুসল্লিদের চক্ষুশীতলকারী বিভাগ: ফিকহি মাসায়েল
কিতাব: কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে তাকবির থেকে সালাম পর্যন্ত মুহসিনদের নামাজের পদ্ধতির বর্ণনায় মুসল্লিদের চক্ষুশীতলকারী
লেখক: ড. সাঈদ বিন আলী বিন ওয়াহফ আল-কাহতাহানি
প্রকাশক: সাফির প্রেস, রিয়াদ
পরিবেশক: আল-জিরাইসি ডিস্ট্রিবিউশন অ্যান্ড অ্যাডভারটাইজিং ফাউন্ডেশন, রিয়াদ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৯৯
[কিতাবের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ১৭ জিলকদ ১৪৩৩ হিজরি
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: -)
24
سلسلة مؤلفات سعيد بن علي بن وهف القحطاني
_
قرة عيون المصلين
في بيان صفة صلاة المحسنين
من التكبير إلى التسليم
في ضوء الكتاب والسنة
২৪
সাঈদ বিন আলী বিন ওয়াহফ আল-কাহতানী-এর গ্রন্থাবলি সিরিজ
_
ক্বুররাতু উয়ুনিল মুসাল্লীন
মুহসিনদের সালাতের পদ্ধতি বর্ণনায়
তাকবীর হতে তাসলীম পর্যন্ত
কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ৩)
بسم الله الرحمن الرحيم
المقدمةإن الحمد لله، نحمده، ونستعينه، ونستغفره، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا، وسيئات أعمالنا، من يهده الله فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله، صلى الله عليه وعلى آله وأصحابه، ومن تبعهم بإحسانٍ إلى يوم الدين، وسلم تسليمًا كثيرًا، أما بعد:
فهذه رسالة مختصرة في ((صفة الصلاة)) بيّنت فيها بإيجاز: صفة الصلاة من التكبير إلى التسليم، بالأدلة من الكتاب والسنة.
وقد استفدت كثيرًا من تقريرات وترجيحات سماحة شيخنا الإمام العلامة عبد العزيز بن عبد الله ابن باز، رفع الله درجاته في الفردوس الأعلى.
والله أسأل أن يجعل هذا العمل القليل مباركًا، وخالصًا لوجهه الكريم، وأن ينفعني به في حياتي، وبعد
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম
ভূমিকানিশ্চয়ই সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য; আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই নিকট সাহায্য প্রার্থনা করি এবং তাঁরই নিকট ক্ষমা ভিক্ষা করি। আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি। আল্লাহ যাকে হিদায়াত দান করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথপ্রদর্শন করার কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল। আল্লাহ তাঁর ওপর, তাঁর পরিবার-পরিজন, তাঁর সাহাবীগণ এবং কিয়ামত পর্যন্ত যারা নিষ্ঠার সাথে তাঁদের অনুসরণ করবে, তাঁদের সকলের ওপর অগণিত রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন। অতঃপর:
এটি 'সালাতের পদ্ধতি (صفة)' বিষয়ক একটি সংক্ষিপ্ত পুস্তিকা, যেখানে আমি কুরআন ও সুন্নাহর দলিলসমূহ (أدلة) সহকারে তাকবির থেকে তাসলিম পর্যন্ত সালাতের পদ্ধতি (صفة) সংক্ষেপে বর্ণনা করেছি।
এই পুস্তিকাটি প্রণয়নে আমি আমাদের শ্রদ্ধেয় শাইখ, ইমাম, আল্লামা আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ বিন বাজ-এর সিদ্ধান্তসমূহ (تقريرات) ও অগ্রাধিকারসমূহ (ترجيحات) থেকে প্রভূত উপকৃত হয়েছি। আল্লাহ জান্নাতুল ফিরদাউসে তাঁর মর্যাদা উচ্চকিত করুন।
আমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি, তিনি যেন এই নগণ্য কাজটিকে বরকতময় করেন এবং একে কেবল তাঁর মহান সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কবুল করেন। আর এর মাধ্যমে আমার ইহকালীন জীবনে ও মৃত্যুর পরবর্তী জীবনে আমাকে উপকৃত করেন।
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ৪)
مماتي، وينفع به كل من انتهى إليه؛ فإنه سبحانه خير مسؤول، وأكرم مأمول، وهو حسبنا ونعم الوكيل، ولا حول ولا قوة إلا بالله العلي العظيم، وصلى الله وسلم على نبينا محمد وعلى آله، وأصحابه ومن تبعهم بإحسان إلى يوم الدين.
المؤلف
حرر في ضحى يوم الجمعة الموافق 18/ 8/1420هـ
আমার মৃত্যুর পর [সদকায়ে জারিয়া হিসেবে কবুল করুন], এবং এর দ্বারা যেন তিনি এমন প্রত্যেক ব্যক্তিকে উপকৃত করেন যার কাছে এটি পৌঁছাবে; কেননা তিনি সুবহানাহু ওয়া তা'আলা প্রার্থিতদের মধ্যে সর্বোত্তম এবং প্রত্যাশার স্থল হিসেবে সর্বশ্রেষ্ঠ। তিনি আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং কতই না চমৎকার কর্মবিধায়ক। সুউচ্চ ও সুমহান আল্লাহ ছাড়া আর কোনো উপায় ও শক্তি নেই। আর আমাদের নবি মুহাম্মদ, তাঁর পরিবার-পরিজন, সাহাবিবর্গ এবং কিয়ামত পর্যন্ত যারা নিষ্ঠার সাথে তাঁদের অনুসরণ করবেন, তাঁদের সকলের ওপর আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক।
গ্রন্থকার
১৮/০৮/১৪২০ হিজরি মুতাবিক জুমার দিন পূর্বাহ্ণে লিখিত।
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ৫)
صفة الصلاة
صفة الصلاة الكاملة من كل وجهٍ: هي أن يصلي المسلم كما كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلِّي؛ لحديث مالك بن الحويرث رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: ((
… صلوا كما رأيتموني أصلي (1). ومن أحب أن يصلي كما كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلِّي فليصلِّ على النحو الآتي:
1 - يسبغ الوضوء وهو أن يتوضأ كما أمره الله عز وجل عملاً بقوله سبحانه وتعالى: {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلاةِ فاغْسِلُواْ وُجُوهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ إِلَى الْمَرَافِقِ وَامْسَحُواْ بِرُؤُوسِكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ إِلَى الْكَعْبَينِ وَإِن كُنتُمْ جُنُبًا فَاطَّهَّرُواْ وَإِن كُنتُم مَّرْضَى أَوْ عَلَى سَفَرٍ أَوْ جَاءَ أَحَدٌ مَّنكُم مِّنَ الْغَائِطِ أَوْ لَامَسْتُمُ النِّسَاءَ فَلَمْ تَجِدُواْ مَاءً فَتَيَمَّمُواْ صَعِيدًا طَيِّبًا فَامْسَحُواْ بِوُجُوهِكُمْ وَأَيْدِيكُم مِّنْهُ مَا يُرِيدُ اللهُ لِيَجْعَلَ عَلَيْكُم مِّنْ حَرَجٍ وَلَكِن يُرِيدُ لِيُطَهَّرَكُمْ وَلِيُتِمَّ نِعْمَتَهُ عَلَيْكُمْ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ} (2)؛ ولحديث عبد الله بن
--------------------------------------------
সালাতের পদ্ধতি
সর্বদিক দিয়ে সালাতের পূর্ণাঙ্গ পদ্ধতি: তা হলো একজন মুসলিম সেভাবেই সালাত আদায় করবে যেভাবে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত আদায় করতেন; মালিক ইবনুল হুয়াইরিস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণিত হাদিসের কারণে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ((
… তোমরা সেভাবে সালাত আদায় করো যেভাবে আমাকে সালাত আদায় করতে দেখেছ (১)। আর যে ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সালাতের ন্যায় সালাত আদায় করতে পছন্দ করে, সে যেন নিম্নোক্ত পদ্ধতিতে সালাত আদায় করে:
১ - উত্তমরূপে অজু (إسباغ الوضوء) করা আর তা হলো মহান আল্লাহ যেভাবে নির্দেশ দিয়েছেন সেভাবে অজু করা, তাঁর বাণী অনুযায়ী: {হে ঈমানদারগণ! যখন তোমরা সালাতের জন্য দণ্ডায়মান হও, তখন তোমরা তোমাদের মুখমণ্ডল ও হাতগুলো কনুই পর্যন্ত ধৌত করো এবং তোমাদের মাথা মাসাহ করো এবং পদদ্বয় টাখনু পর্যন্ত (ধৌত করো)। আর যদি তোমরা অপবিত্র (جنب) থাকো, তবে বিশেষভাবে পবিত্রতা অর্জন করো। আর যদি তোমরা অসুস্থ হও বা সফরে থাকো অথবা তোমাদের কেউ পায়খানা থেকে আসে অথবা তোমরা স্ত্রীদের সাথে সহবাস করো, অতঃপর পানি না পাও, তবে পবিত্র মাটি দিয়ে তায়াম্মুম (تيمم) করো। সুতরাং তা দিয়ে তোমাদের মুখমণ্ডল ও হাত মাসাহ করো। আল্লাহ তোমাদের ওপর কোনো সংকীর্ণতা সৃষ্টি করতে চান না; বরং তিনি তোমাদের পবিত্র করতে চান এবং তোমাদের ওপর তাঁর নিয়ামত পূর্ণ করতে চান, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো} (২); এবং আবদুল্লাহ ইবনে... এর বর্ণিত হাদিসের কারণে
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ৬)
عمر رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال: ((لا تقبل صلاة بغير طهور، ولا صدقة من غلول)) (1)، فيجب على المسلم العناية بالطهارة، قبل دخول الصلاة (2).
2 ـ يتوجه إلى القبلة، وهي الكعبة، لقول الله تعالى:
{قَدْ نَرَى تَقَلُّبَ وَجْهِكَ فِي السَّمَاءِ فَلَنُوَلِّيَنَّكَ قِبْلَةً تَرْضَاهَا فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ وَحَيْثُ مَا كُنتُمْ فَوَلُّواْ وُجُوِهَكُمْ شَطْرَهُ} (3)؛ ولحديث أبي هريرة رضي الله عنه في قصة المسيء صلاته: ((إذا قمت إلى الصلاة فأسبغ الوضوء ثم استقبل القبلة
… )) (4).
3 ـ يجعل له سترة يصلِّي إليها إن كان إمامًا أو منفردًا؛ لحديث سبرة بن معبدٍ الجهني قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((ليستترْ أحدُكم في الصلاة ولو بسهمٍ)) (5)؛ ولحديث أبي
ذر رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((إذا قام أحدُكم يصلي فإنه يستره إذا كان بين يديه مثل مؤخرة الرَّحل، فإذا لم يكن بين يديه مثل مؤخرة الرحل فإنه يقطع صلاته: الحمار، والمرأة، والكلب الأسود)) (6).ويتأكد الدّنوُّ من السترة والصلاة إليها؛ لحديث أبي سعيد الخدري رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال: ((إذا صلى أحدُكم فليصلِّ إلى سترةٍ، وليدنُ منها)) (7)؛ ولحديث سهل بن سعد رضي الله عنه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: ((إذا صلّى أحدكم إلى سترة فليدنُ منها لا يقطع الشيطان عليه صلات)) (8)، ويجعل بينه وبين سترته قدر ممر الشاة، أو قدر مكان السجود، ولا يزيد على قدر ثلاثة أذرع،
--------------------------------------------
উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন: ((পবিত্রতা ব্যতীত কোনো সালাত কবুল করা হয় না এবং আত্মসাৎকৃত মালের সাদাকা কবুল করা হয় না)) (১), অতএব একজন মুসলিমের জন্য সালাতে প্রবেশের পূর্বে পবিত্রতার প্রতি যত্নবান হওয়া আবশ্যক (২)।
২ — কিবলার দিকে মুখ করা, আর তা হলো কাবা; মহান আল্লাহর এই বাণীর কারণে:
{নিশ্চয়ই আমি তোমার আকাশপানে বারবার মুখ ফেরানো লক্ষ্য করছি। অতএব আমি অবশ্যই তোমাকে এমন কিবলার দিকে ফিরিয়ে দেব যা তুমি পছন্দ করো। সুতরাং তুমি মসজিদুল হারামের দিকে মুখ ফেরাও। আর তোমরা যেখানেই থাকো না কেন, তার দিকেই মুখ ফেরাও} (৩); এবং সালাতে ভুলকারী ব্যক্তির ঘটনায় বর্ণিত আবু হুরায়রা (রা.)-এর হাদিসের কারণে: ((যখন তুমি সালাতের জন্য দাঁড়াবে, তখন পূর্ণাঙ্গভাবে অজু করবে, অতঃপর কিবলার দিকে মুখ করবে
… )) (৪)।
৩ — নিজের জন্য একটি সুতরা (আড়াল) নির্ধারণ করবে যার দিকে মুখ করে সে সালাত আদায় করবে যদি সে ইমাম বা একাকী সালাত আদায়কারী হয়; সাবরা ইবনে মাবাদ আল-জুহানি (রা.) বর্ণিত হাদিসের কারণে, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: ((তোমাদের কেউ যেন সালাতে সুতরা গ্রহণ করে, যদিও তা একটি তীরের মাধ্যমে হয়)) (৫); এবং আবু
যার (রা.) বর্ণিত হাদিসের কারণে, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: ((যখন তোমাদের কেউ সালাতে দাঁড়ায়, তখন তার সামনে যদি উটের হাওদার পিছনের কাঠের মতো কিছু থাকে তবে তা তাকে আড়াল করবে। আর যদি তার সামনে উটের হাওদার পিছনের কাঠের মতো কিছু না থাকে, তবে গাধা, নারী এবং কালো কুকুর তার সালাত বিচ্ছিন্ন করে দেয়)) (৬)। সুতরার নিকটবর্তী হওয়া এবং সেটির দিকে মুখ করে সালাত আদায় করা সুনিশ্চিত (তাগিদপূর্ণ); আবু সাঈদ আল-খুদরি (রা.) বর্ণিত নবী (সা.)-এর হাদিসের কারণে যে, তিনি বলেছেন: ((যখন তোমাদের কেউ সালাত আদায় করে, সে যেন সুতরার দিকে মুখ করে পড়ে এবং তার নিকটবর্তী হয়)) (৭); এবং সাহল ইবনে সাদ (রা.) বর্ণিত নবী (সা.)-এর হাদিসের কারণে, তিনি বলেছেন: ((যখন তোমাদের কেউ সুতরার দিকে মুখ করে সালাত আদায় করে, সে যেন তার নিকটবর্তী হয় যাতে শয়তান তার সালাত বিচ্ছিন্ন করতে না পারে)) (৮), এবং সে তার এবং সুতরার মাঝখানে একটি বকরী যাতায়াত করার মতো জায়গা অথবা সিজদার জায়গার সমপরিমাণ দূরত্ব রাখবে এবং তিন হাতের বেশি বৃদ্ধি করবে না,
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ৭)
وكذلك بين الصفوف؛ لحديث سهل بن سعد الساعدي رضي الله عنه قال: ((كان بين مصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وبين الجدار ممر الشاة)) (1). وإذا أراد أحد أن يمر بين يديه ردّه، ودافعه؛ فإن لم يمتنع دافعه بقوة؛ لحديث أبي سعيد الخدري رضي الله عنه قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: ((إذا صلى أحدكم إلى شيء يستره من الناس، فأراد أحد أن يجتاز بين يديه فليدفعْه، فإن أبى فليقاتلْه؛ فإنما هو شيطان)) (2). وفي رواية لمسلم: ((فإن معه القرين)) (3). ولا يجوز المرور بين يدي المصلي؛ لحديث أبي جُهيم رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((لو
--------------------------------------------
একইভাবে কাতারসমূহের মাঝেও; সাহল ইবনে সা’দ আল-সা’ঈদী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণিত হাদিসের কারণে, তিনি বলেন: ((রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সালাতের স্থান ও দেয়ালের মাঝে একটি বকরী চলাচলের সমপরিমাণ জায়গা ছিল)) (১)। আর যখন কেউ তাঁর সামনে দিয়ে অতিক্রম করতে চাইত, তিনি তাকে প্রতিহত করতেন এবং বাধা দিতেন; যদি সে বিরত না হতো, তবে তাকে সবলে প্রতিহত করতেন; আবু সা’ঈদ আল-খুদরী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণিত হাদিসের কারণে, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি: ((তোমাদের কেউ যখন এমন কিছুর দিকে মুখ করে সালাত আদায় করে যা তাকে লোকজনের যাতায়াত থেকে আড়াল (سترة) করে, আর কেউ যদি তাঁর সামনে দিয়ে অতিক্রম করতে চায়, তবে সে যেন তাকে প্রতিহত করে। সে যদি অস্বীকার করে, তবে সে যেন তার সাথে লড়াই (প্রবল প্রতিরোধ) করে; কেননা সে তো একটি শয়তান)) (২)। মুসলিমের এক বর্ণনায় রয়েছে: ((কেননা তার সাথে সহচর (القرين) রয়েছে)) (৩)। আর মুসল্লির সামনে দিয়ে অতিক্রম করা বৈধ নয়; আবু জুহাইম (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণিত হাদিসের কারণে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: ((যদি
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ৯)
يعلمُ المارُّ بين يدي المصلي ماذا عليه لكان أن يقف أربعين خيرًا له من أن يمرَّ بين يديه)) قال أبو النضر أحد الرواة: لا أدري قال: أربعين يومًا، أو شهرًا، أو سنة (1).
وسترة الإمام سترة لمن خلفه؛ لحديث عبد الله بن عباس رضي الله عنهما وفيه: أنه أقبل راكبًا على حمارٍ أتانٍ، وهو يومئذ قد ناهز الاحتلام، ورسول الله صلى الله عليه وسلم قائم بمنى في حجة الوداع يصلي بالناس إلى غير جدار، فسار ابن عباس على حماره بين يدي بعض الصف الأول، ثم نزل عنه فصف مع الناس وراء رسول الله صلى الله عليه وسلم، ولم ينكر ذلك عليه أحد (2). وسمعت شيخنا الإمام عبد العزيز ابن باز رحمه الله يقول: ((هذا يدل على أن المأمومين سترتهم سترة إمامهم، فلا يضرهم من مرّ من أمامهم إذا كان لإمامهم سترة)) (3).
--------------------------------------------
"সালাতরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে অতিক্রমকারী যদি জানত এতে তার কী (পাপ) রয়েছে, তবে তার সামনে দিয়ে অতিক্রম করার চেয়ে চল্লিশ (সময়) দাঁড়িয়ে থাকা তার জন্য উত্তম হতো।" বর্ণনাকারীদের (رواة) একজন আবু নাযর বলেন: "আমি জানি না তিনি চল্লিশ দিন, নাকি মাস, নাকি বছর বলেছিলেন" (১)।
আর ইমামের সুত্রাহ (سترة) তার পেছনের মুক্তাদিদের জন্যও সুত্রাহ (سترة); আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বর্ণিত একটি হাদিসের কারণে, যাতে রয়েছে: তিনি একটি গাধীর পিঠে সওয়ার হয়ে আসলেন, তখন তিনি প্রায় সাবালক হওয়ার কাছাকাছি পৌঁছেছিলেন। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিদায় হজ্জের সময় মিনায় কোনো দেয়াল ছাড়াই মানুষের ইমামতি করছিলেন। ইবনে আব্বাস তার গাধায় চড়ে প্রথম কাতারের কোনো এক অংশের সামনে দিয়ে অতিক্রম করলেন, এরপর তিনি নেমে মানুষের সাথে রাসুলুল্লাহ (সালล์াল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পেছনে কাতারে দাঁড়িয়ে গেলেন এবং কেউ তা অস্বীকার বা অপছন্দ করেননি (২)। আমি আমাদের শাইখ ইমাম আব্দুল আজিজ ইবনে বায (রাহিমাহুল্লাহ)-কে বলতে শুনেছি: "এটি প্রমাণ করে যে, মুক্তাদিদের সুত্রাহ (سترة) হলো তাদের ইমামের সুত্রাহ (سترة)। সুতরাং ইমামের সুত্রাহ (سترة) থাকলে তাদের সামনে দিয়ে কেউ অতিক্রম করলে তাতে তাদের কোনো ক্ষতি হবে না" (৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ১০)
4 - يكبّر تكبيرة الإحرام، قائمًا، قاصدًا بقلبه فعل الصلاة التي يريدها: من فريضة أو نافلة؛ تقربًا لله تعالى، قائلاً: الله أكبر، ناظرًا ببصره إلى محل سجوده، رافعًا يديه مضمومتي الأصابع، ممدودة إلى حذو منكبيه، أو إلى حيال أذنيه؛ لقول النبي صلى الله عليه وسلم في حديث المسيء صلاته: ((إذا قمت إلى الصلاة فكبر)) (1)، ولقول الله تعالى: {وَقُومُواْ لله قَانِتِينَ} (2)؛ولقول النبي صلى الله عليه وسلم لعمران بن حصين رضي الله عنه: ((صلِّ قائمًا، فإن لم تستطعْ فقاعداً، فإن لم تستطع فعلى جَنْبٍ)) (3)؛ ولحديث عمر بن الخطاب رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال: ((إنما الأعمال بالنيات)) (4)، ولا ينطق بلسانه بالنية؛ لأن النبي صلى الله عليه وسلم لم ينطق بها، ولا أصحابه رضي الله عنهم (5)؛ ولحديث عبد الله بن عمر رضي الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يرفع يديه حذو منكبيه إذا افتتح الصلاة، وإذا كبّر للركوع، وإذا رفع رأسه من الركوع، ولا يفعله حين
--------------------------------------------
৪ - তাকবীরে তাহরিমা বলবেন, দণ্ডায়মান অবস্থায়, অন্তরে অভীষ্ট নামাজের সংকল্প করে: তা ফরজ হোক বা নফল; মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে, 'আল্লাহু আকবার' উচ্চারণ করে, সিজদাহ করার স্থানের দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ রেখে এবং উভয় হাত কাঁধ বরাবর অথবা কান পর্যন্ত উত্তোলন করে। এ সময় আঙ্গুলসমূহ মিলিত ও প্রসারিত থাকবে; কেননা 'সালাতে ত্রুটিপূর্ণ ব্যক্তি'-র হাদিসে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ((যখন তুমি নামাজের জন্য দাঁড়াবে, তখন তাকবীর বলবে)) (১), এবং মহান আল্লাহর বাণীর কারণে: {আর তোমরা আল্লাহর প্রতি বিনীত হয়ে দণ্ডায়মান হও} (২); আরও নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইমরান ইবনুল হুসাইন (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলেছেন: ((দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ো, যদি না পারো তবে বসে, আর তাও যদি না পারো তবে পার্শ্বশায়িত হয়ে)) (৩); উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণিত হাদিসের কারণে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ((নিশ্চয়ই সকল কাজ নিয়তের ওপর নির্ভরশীল)) (৪), এবং তিনি মুখে নিয়ত উচ্চারণ করবেন না; কারণ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বা তাঁর সাহাবীগণ (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) এটি মুখে উচ্চারণ করেননি (৫); এবং আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) বর্ণিত হাদিসের কারণে যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন নামাজ শুরু করতেন, তখন উভয় হাত কাঁধ বরাবর উত্তোলন করতেন, আর যখন রুকুর জন্য তাকবীর দিতেন এবং রুকু থেকে মাথা তুলতেন তখনও (একইরূপ করতেন), তবে তিনি তা করতেন না যখন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ১১)
يرفع رأسه من السجود. وفي لفظ: ((وإذا قام من الركعتين رفع يديه)) (1)، وفي حديث مالك بن الحويرث رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا كبر رفع يديه حتى يُحاذيَ بهما أذنيه، وإذا ركع رفع يديه حتى يحاذيَ بهما أذنيه، وإذا رفع رأسه من الركوع فقال: ((سمع الله لمن حمده))، فعل مثل ذلك، وفي لفظ لمسلم: ((حتى يحاذي بهما فروع أذنيه)) (2).
والأحاديث الواردة في ابتداء رفع اليدين جاءت على وجوهٍ ثلاثة:
الوجه الأول: جاء ما يدل على أنه صلى الله عليه وسلم رفع يديه ثم كبّر، فعن ابن عمر رضي الله عنهما قال: ((كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قام للصلاة رفع يديه حتى تكونا حذو منكبيه، ثم كبر)) (3)؛
--------------------------------------------
তিনি সিজদাহ থেকে তাঁর মাথা উত্তোলন করতেন। অন্য একটি বর্ণনায় (لفظ) এসেছে: ((আর যখন তিনি দুই রাকাত শেষ করে দাঁড়াতেন, তখন হাত উত্তোলন করতেন)) (১)। মালিক ইবনে আল-হুওয়াইরিস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণিত হাদিসে এসেছে যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন তাকবির বলতেন, তখন তাঁর দুই কান বরাবর হওয়া পর্যন্ত হাত উত্তোলন করতেন; যখন রুকু করতেন তখনও দুই কান বরাবর হওয়া পর্যন্ত হাত উত্তোলন করতেন; আর যখন রুকু থেকে তাঁর মাথা উঠাতেন এবং বলতেন: ((সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ)), তখন অনুরূপ করতেন। মুসলিম-এর একটি বর্ণনায় (لفظ) রয়েছে: ((এমনকি তিনি হাত দুটিকে তাঁর কানের লতি বরাবর করতেন)) (২)।
হাত তোলার সূচনা সংক্রান্ত বর্ণিত হাদিসগুলো তিনটি পদ্ধতিতে (وجوه) এসেছে:
প্রথম পদ্ধতি (الوجه): এমন বর্ণনা এসেছে যা নির্দেশ করে যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হাত তুলতেন অতঃপর তাকবির বলতেন। ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ((রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন নামাজের জন্য দাঁড়াতেন, তখন তাঁর দুই কাঁধ বরাবর হওয়া পর্যন্ত হাত তুলতেন, অতঃপর তাকবির বলতেন)) (৩);
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ১২)
ولحديث أبي حُميد الساعدي رضي الله عنه يحدِّث به في عشرة من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم وفيه: ((كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قام إلى الصلاة يرفع يديه حتى يُحاذيَ بهما منكبيه ثم يُكبِّر)) (1).
الوجه الثاني: جاء ما يدل على أنه صلى الله عليه وسلم كبر ثم رفع يديه، فعن أبي قلابة أنه ((رأى مالك بن الحويرث إذا صلى كبَّر ثم رفع يديه
… وحدَّث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يفعل هكذا)) (2).
الوجه الثالث: جاء ما يدل على أنه صلى الله عليه وسلم رفع يديه مع التكبير، وانتهى منه مع انتهائه، فعن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما قال: ((رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم افتتح التكبير في الصلاة، فرفع يديه حين كبّر حتى جعلهما حَذْوَ منكبيه)) (3). فمن فعل صفة من هذه الصفات فقد أصاب السنة (4).
--------------------------------------------
আবু হুমাইদ আস-সাঈদী (রা.) বর্ণিত হাদিসে এসেছে যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর দশজন সাহাবীর উপস্থিতিতে তা বর্ণনা করেছেন এবং তাতে রয়েছে: "রাসূলুল্লাহ (সা.) যখন নামাজের জন্য দাঁড়াতেন, তখন তিনি তাঁর হাত দুটি কাঁধ বরাবর উঠাতেন, অতঃপর তাকবির বলতেন" (১)।
দ্বিতীয় পদ্ধতি: এমন বর্ণনা এসেছে যা নির্দেশ করে যে, তিনি (সা.) তাকবির বলতেন অতঃপর হাত উঠাতেন। আবু কিলাবা থেকে বর্ণিত যে, তিনি মালিক ইবনুল হুওয়াইরিস (রা.)-কে দেখেছেন যে, তিনি যখন নামাজ পড়তেন তখন তাকবির বলতেন অতঃপর হাত উঠাতেন
… এবং তিনি বর্ণনা করেছেন যে রাসূলুল্লাহ (সা.) এরূপই করতেন (২)।
তৃতীয় পদ্ধতি: এমন বর্ণনাও এসেছে যা নির্দেশ করে যে, তিনি (সা.) তাকবিরের সাথে সাথেই হাত উঠাতেন এবং তাকবির শেষ করার সাথে সাথে হাত উঠানো শেষ করতেন। আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে নামাজের তাকবির শুরু করতে দেখেছি, তিনি তাকবির বলার সময় তাঁর হাত দুটি উঠালেন এমনকি তা তাঁর দুই কাঁধ বরাবর করলেন" (৩)। সুতরাং যে ব্যক্তি এই পদ্ধতিগুলোর কোনো একটি পালন করবে, সে সুন্নাহ (سنة) অনুযায়ী সঠিক আমল করল (৪)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
وأما النظر إلى موضع السجود، ومطأطأة الرأس، ورمي البصر نحو الأرض؛ فلما رواه البيهقي والحاكم، وشهد له حديث عشرة من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم (1).
وعن أبي هريرة رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: ((لينتهين أقوام يرفعون أبصارهم إلى السماء في صلاتهم، أو لتُخْطَفَنَّ أبصارُهم)) (2).
5 - يضع يديه على صدره بعد أن ينزلهما من الرفع، اليمنى على ظهر كفه اليسرى والرسغ والساعد؛ لحديث وائل بن حُجْر قال: ((صليت مع النبي صلى الله عليه وسلم فوضع يده اليمنى على اليسرى على صدره)) (3)، وفي لفظ: ((ثم وضع
--------------------------------------------
আর সিজদাহর স্থানের দিকে দৃষ্টি রাখা, মাথা নিচু করে রাখা এবং দৃষ্টি মাটির দিকে রাখা প্রসঙ্গে; যা বায়হাকী ও হাকেম বর্ণনা করেছেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দশজন সাহাবীর হাদিস এর স্বপক্ষে সাক্ষ্য দেয় (১)।
আর আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ((কিছু লোক যেন অবশ্যই তাদের সালাতে আসমানের দিকে দৃষ্টি তোলা হতে বিরত থাকে, নতুবা তাদের দৃষ্টিশক্তি ছিনিয়ে নেওয়া হবে)) (২)।
৫ - তিনি তাঁর হাত দুটি বুকের ওপর রাখবেন হাত উত্তোলনের পর তা নামানোর সময়; ডান হাত থাকবে বাম হাতের পিঠ, কবজি ও বাহুর ওপর। কেননা ওয়ায়েল ইবনে হুজর (রা.) বর্ণিত হাদিসে এসেছে যে, তিনি বলেন: ((আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সালাত আদায় করলাম, এমতাবস্থায় তিনি তাঁর ডান হাত বাম হাতের ওপর রেখে বুকের ওপর স্থাপন করলেন)) (৩), আর অন্য শব্দে এসেছে: ((অতঃপর তিনি রাখলেন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
يده اليمنى على ظهر كفِّه اليسرى والرُّسغ والساعد)) (1)، وهذا يَعمُّ القيام بعد الرفع من الركوع؛ لحديث وائل رضي الله عنه في لفظ آخر، قال: رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم ((إذا كان قائمًا في الصلاة قبض بيمينه على شماله)) (2)، وهذا الحديث فيه صفة القبض، والأحاديث الأخرى فيها صفة وضع اليد اليمنى على اليسرى على الصدر، قال العلامة ابن عثيمين – رحمه الله: ((إذن هاتان صفتان: الأولى قبض، والثانية وضع)) (3)، وعن سهل بن سعد رضي الله عنه قال: ((كان الناس يؤمرون أن يضع الرَّجُلُ يده اليمنى على ذراعه اليسرى في الصلاة)). قال أبو حازم: لا أعلمه إلا ينمي ذلك إلى النبي صلى الله عليه وسلم)) (4)، وسمعت سماحة العلامة عبد العزيز بن عبد الله ابن باز – رحمه الله –
--------------------------------------------
((ডান হাত বাম হাতের পিঠ, কবজি ও বাহুর ওপর রাখা)) (১); এটি রুকু থেকে মাথা তোলার পরবর্তী দণ্ডায়মান (قائم) অবস্থাকেও অন্তর্ভুক্ত করে। কেননা ওয়াইল (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসের অন্য একটি শব্দে এসেছে, তিনি বলেন: "আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে দেখেছি যে, তিনি যখন সালাতে দণ্ডায়মান (قائم) থাকতেন, তখন তাঁর ডান হাত দিয়ে বাম হাত ধরতেন (قبض)" (২)। এই হাদিসে ধরার (قبض) পদ্ধতির কথা রয়েছে এবং অন্যান্য হাদিসে ডান হাত বাম হাতের ওপর বুকের ওপর রাখার (وضع) পদ্ধতির বর্ণনা রয়েছে। আল্লামা ইবনে উসাইমিন (রহ.) বলেছেন: ((সুতরাং এখানে দুটি পদ্ধতি রয়েছে: প্রথমটি হলো ধরা (قبض), এবং দ্বিতীয়টি হলো রাখা (وضع))) (৩)। সাহল ইবনে সা’দ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ((লোকদের নির্দেশ দেওয়া হতো যেন সালাতে ব্যক্তি তার ডান হাত বাম বাহুর (ذراع) ওপর রাখে))। আবু হাজিম বলেন: ((আমি এই বর্ণনাটিকে নবী (ﷺ)-এর দিকে সরাসরি সম্বন্ধযুক্ত (ينمي) করা ছাড়া অন্য কিছু জানি না)) (৪)। আমি বিজ্ঞ আল্লামা আব্দুল আজিজ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বাজ (রহ.)-কে বলতে শুনেছি—
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
يقول: ((وهذا يحتمل أن يكون نوعًا ثانيًا، ويحتمل أن يكون المراد مثل حديث وائل)) (1).
6 - يستفتح الصلاة بدعاء الاستفتاح وهو أنواع، يأتي بواحد منها ولا يجمع بينها، ولكن ينوِّع لكل صلاة، ومنها:
أ- عن أبي هريرة رضي الله عنه قال: ((كان رسول الله صلى الله عليه وسلم، إذا كبر في الصلاة سكت هُنيَّة (2) قبل أن يقرأ، فقلت: يا رسول الله! بأبي أنت وأمي! أرأيتَ سكوتك بين التكبير والقراءة ما تقول؟ قال: ((أقول: اللهم باعِدْ بيني وبين خَطايايَ كما باعَدْتَ بين المشرق والمغرب، اللهم نَقِّني من خَطايايَ كما يُنقَّى الثوبُ الأبيضُ من الدَّنس، اللهم اغْسلْني من خَطايايَ بالثلج والماء والبَرَدِ)) (3).
ب - وإن شاء قال: ((سبحانك اللهم وبحمدك (4)،
--------------------------------------------
তিনি বলেন: ((এটি সম্ভাব্য যে এটি দ্বিতীয় কোনো প্রকার হবে, আবার এটিও সম্ভাব্য যে এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো ওয়াইল-এর হাদিসের মতো)) (১)।
৬ - সালাত শুরু করবেন 'দুয়াউল ইস্তিফতাহ' (সালাত শুরুর দুয়া) পাঠ করার মাধ্যমে, যা বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে। তিনি এর মধ্য থেকে যেকোনো একটি পাঠ করবেন এবং এগুলোর মধ্যে সমন্বয় করবেন না (একত্রে পাঠ করবেন না), বরং প্রতিটি সালাতে ভিন্ন ভিন্নটি পাঠ করবেন। তার মধ্যে রয়েছে:
ক- আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ((রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাতে তাকবির দিতেন, তখন কিরাআত পাঠ করার পূর্বে কিছুক্ষণ (২) চুপ থাকতেন। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসর্গ হোক! তাকবির ও কিরাআতের মাঝখানে আপনার নীরবতার সময়ে আপনি কী পাঠ করেন? তিনি বললেন: ((আমি বলি: হে আল্লাহ! আমার এবং আমার পাপসমূহের মধ্যে এমন ব্যবধান তৈরি করে দিন যেমন আপনি পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে ব্যবধান তৈরি করেছেন। হে আল্লাহ! আমাকে আমার পাপসমূহ থেকে এমনভাবে পরিচ্ছন্ন করুন যেমন সাদা কাপড় ময়লা থেকে পরিচ্ছন্ন করা হয়। হে আল্লাহ! বরফ, পানি ও শিলা দিয়ে আমার পাপসমূহ ধুয়ে দিন)) (৩)।
খ - আর যদি ইচ্ছা করেন তবে বলতে পারেন: ((হে আল্লাহ! আমি আপনার পবিত্রতা বর্ণনা করছি এবং আপনার প্রশংসা করছি (৪),
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
وتبارك اسمك، وتعالى جدُّك، ولا إلهَ غيرُك)) (1).
ج - وإن شاء قال ما ثبت عن علي بن أبي طالب رضي الله عنه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه كان إذا قام إلى الصلاة (2) قال: ((وجهت
--------------------------------------------
এবং আপনার নাম বরকতময়, আপনার মহিমা সুউচ্চ এবং আপনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই)) (১)।
গ - আর তিনি চাইলে সেই দোয়াটিও পাঠ করতে পারেন যা আলি ইবনে আবি তালিব (রা.) হতে রাসূলুল্লাহ (সা.) সম্পর্কে প্রমাণিত (ثابت) হয়েছে যে, যখন তিনি সালাতে দাঁড়াতেন (২), তখন বলতেন: ((আমি অভিমুখ করেছি
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
وجهي للذي فطر السموات والأرض حنيفًا مسلمًا وما أنا من المشركين، إن صلاتي ونُسُكي، ومحياي، ومماتي لله رب العالمين، لا شريك له وبذلك أمرت وأنا من المسلمين، اللهم أنت الملك لا إله إلا أنت، أنت ربي وأنا عبدك، ظلمت نفسي واعترفت بذنبي فاغفر لي ذنوبي جميعًا، إنه لا يغفر الذنوب إلا أنت، واهدني لأحسن الأخلاق لا يهدي لأحسنها إلا أنت، واصرف عني سيئها لا يصرف عني سيئها إلا أنت، لبيك، وسعديك، والخير كله بيديك، والشر ليس إليك، أنا بك وإليك، تباركت وتعاليت، أستغفرك وأتوب إليك)) (1). وإن شاء قال ما ثبت عن النبي
--------------------------------------------
আমি আমার চেহারাকে সেই মহান সত্তার অভিমুখী করলাম যিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন, একনিষ্ঠ ও অনুগত হয়ে; আর আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই। নিশ্চয়ই আমার সালাত, আমার কোরবানি, আমার জীবন ও আমার মৃত্যু সারা জাহানের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। তাঁর কোনো শরিক নেই, আমাকে এরই নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে এবং আমি মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত। হে আল্লাহ! আপনিই অধিপতি, আপনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই। আপনিই আমার রব আর আমি আপনার বান্দা। আমি আমার নিজের ওপর জুলুম করেছি এবং আমার অপরাধ স্বীকার করছি, অতএব আপনি আমার সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিন। নিশ্চয়ই আপনি ছাড়া গুনাহ ক্ষমা করার আর কেউ নেই। আমাকে সর্বোত্তম চরিত্রের দিকে পথপ্রদর্শন করুন, আপনি ছাড়া অন্য কেউ সর্বোত্তম চরিত্রের দিকে হেদায়েত করতে পারে না। আর আমার থেকে মন্দ চরিত্রসমূহ সরিয়ে দিন, আপনি ছাড়া অন্য কেউ মন্দ চরিত্রসমূহ সরিয়ে দিতে পারে না। আমি আপনার দরবারে উপস্থিত এবং আপনার আনুগত্যে প্রস্তুত। সকল কল্যাণ আপনার দুই হাতে নিহিত এবং অকল্যাণ আপনার দিকে সম্বন্ধযুক্ত নয়। আমি আপনার তাওফিকেই টিকে আছি এবং আপনার দিকেই আমার প্রত্যাবর্তন। আপনি বরকতময় এবং সুউচ্চ। আমি আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং আপনার কাছে তওবা করছি। (১)। এবং তিনি ইচ্ছা করলে তা-ও বলতে পারেন যা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে প্রমাণিত (ثابت) হয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
- صلى الله عليه وسلم من الأنواع الأخرى في الاستفتاح (1).
--------------------------------------------
- সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - সালাত শুরুর (ইস্তিফতাহ) অন্যান্য প্রকারের মধ্য থেকে (১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
7 - يقول: ((أعوذ بالله من الشيطان الرجيم)) لقول الله تعالى: {فَإِذَا قَرَأْتَ الْقُرْآنَ فَاسْتَعِذْ بِاللهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ} (1)، أو يقول: ((أعوذ بالله السميع العليم من الشيطان الرجيم، من همزه (2)، ونفخه (3)، ونفثه (4) (5).
--------------------------------------------
৭ - তিনি বলবেন: ((আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি)) মহান আল্লাহর বাণীর প্রেক্ষিতে: {অতএব যখন তুমি কুরআন পাঠ করবে, তখন বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করো} (১), অথবা তিনি বলবেন: ((আমি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা আল্লাহর নিকট বিতাড়িত শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি—তার প্ররোচনা (২), তার অহংকার (৩) এবং তার অশুভ ফুঁৎকার (৪) থেকে)) (৫)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ২০)
8 - يقول: ((بسم الله الرحمن الرحيم، سرًّا؛ لحديث أنس رضي الله عنه قال: ((صلَّيْتُ خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم، وأبي بكر، وعمر، وعثمان، فلم يجهروا ببسم الله الرحمن الرحيم)) (1)، والبسملة آية مستقلة (2).
9 - يقرأ الفاتحة {الْحَمْدُ للهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ* الرَّحْمنِ الرَّحِيمِ* مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ* إِيَّاكَ نَعْبُدُ وإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ* اهدِنَا الصِّرَاطَ المُستَقِيمَ* صِرَاطَ الَّذِينَ أَنعَمتَ عَلَيهِمْ غَيرِ المَغضُوبِ عَلَيهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ}؛ لحديث عبادة بن
--------------------------------------------
৮ - বলবে: ((বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম, নিম্নস্বরে; আনাস (রা.)-এর বর্ণিত হাদিসের কারণে, তিনি বলেছেন: ((আমি আল্লাহর রাসুল (সা.), আবু বকর, উমর এবং উসমান-এর পেছনে সালাত আদায় করেছি, তারা বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম উচ্চস্বরে পাঠ করতেন না)) (১), আর বাসমালা একটি স্বতন্ত্র আয়াত (২)।
৯ - সুরা ফাতিহা পাঠ করবে {সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। পরম করুণাময়, অতি দয়ালু। বিচার দিবসের মালিক। আমরা কেবল তোমারই ইবাদত করি এবং কেবল তোমারই সাহায্য চাই। আমাদের সরল পথ প্রদর্শন করো। তাদের পথ, যাদের তুমি নেয়ামত দান করেছ; তাদের পথ নয় যারা ক্রোধনিপতিত এবং যারা পথভ্রষ্ট}; উবাদাহ বিন...-এর বর্ণিত হাদিসের কারণে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ২১)
الصامت رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ((لا صلاة لمن لم يقرأ بفاتحة الكتاب)) (1).
وقراءة الفاتحة تجب على كل مصلٍّ، ويدخل في ذلك المأموم في الصلاة الجهرية والسرية؛ لرواية حديث عبادة رضي الله عنه السابق، يرفعه: ((لعلكم تقرؤون خلف إمامكم)) قلنا: نعم، هذًّا يا رسول الله:، قال: ((لا تفعلوا إلا بفاتحة الكتاب؛ فإنه لا صلاةَ لمن لم يقرأْ بها)) (2). وعن محمد بن أبي عائشة عن رجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((لعلكم تقرؤون والإمام يقرأ))؟ قالوا: إنا لنفعل، قال: ((لا، إلا أن يقرأ أحدكم بفاتحة الكتاب)) (3)، وتسقط الفاتحة عن مسبوقٍ أدرك الإمام
--------------------------------------------
উবাদা ইবনাস সামিত (রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ((যে ব্যক্তি সুরা ফাতিহা পাঠ করে না, তার সালাত হয় না)) (১)।
আর প্রত্যেক মুসল্লির ওপর সুরা ফাতিহা পাঠ করা আবশ্যক, আর এর মধ্যে জাহরি ও সিররি সালাতে মুকতাদিও অন্তর্ভুক্ত; ইতিপূর্বে বর্ণিত উবাদা (রা.)-এর হাদিসের বর্ণনার কারণে, যা তিনি মারফু (مرفوع) হিসেবে বর্ণনা করেছেন: ((সম্ভবত তোমরা তোমাদের ইমামের পেছনে কিরাত পাঠ করো)) আমরা বললাম: হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল, দ্রুততার সাথে। তিনি বললেন: ((সুরা ফাতিহা ব্যতীত এমনটি করো না; কেননা যে ব্যক্তি এটি পাঠ করে না, তার সালাত হয় না)) (২)। আর মুহাম্মদ ইবনে আবি আইশা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর জনৈক সাহাবি থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ((সম্ভবত ইমাম কিরাত পড়ার সময় তোমরাও কিরাত পাঠ করো?)) তারা বললেন: আমরা অবশ্যই তা করি, তিনি বললেন: ((না, তবে তোমাদের কেউ যেন সুরা ফাতিহা পাঠ করে)) (৩), আর ইমামকে (রুকুতে) পাওয়া মাসবুকের ওপর থেকে সুরা ফাতিহা (পাঠের আবশ্যকতা) রহিত হয়ে যায়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ২২)
راكعًا، لحديث أبي بكرة رضي الله عنه أنه انتهى إلى النبي صلى الله عليه وسلم وهو راكع فركع قبل أن يصل إلى الصف، فذكر ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال: ((زادك الله حرصًا ولا تَعُدْ)) (1).
ولم يأمره النبي صلى الله عليه وسلم بقضاء الركعة التي أدرك ركوعها دون قراءتها، ولو كانت الركعة غير صحيحة لأمره صلى الله عليه وسلم بإعادتها.
وتسقط عن المأموم مع السهو والجهل (2).
10 - يقول بعد الانتهاء من قراءة الفاتحة: ((آمين)) يجهر بها في الجهرية، ويُسرُّ في السِّرية، [ومعناها: اللهم استجب]؛ لحديث أبي هريرة رضي الله عنه قال: ((كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا فرغ من قراءة أمِّ القرآن رفع صوته وقال: ((آمين)) (3)؛ ولحديثه رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: ((إذا أمَّن الإمام فأمِّنوا؛ فإنه
--------------------------------------------
রুকু অবস্থায়, আবু বাকরা (রা.) বর্ণিত হাদিসের কারণে যে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পৌঁছালেন যখন তিনি রুকুতে ছিলেন। ফলে তিনি কাতারে পৌঁছানোর আগেই রুকু করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বিষয়টি উল্লেখ করলে তিনি বললেন: "আল্লাহ তোমার আগ্রহ বাড়িয়ে দিন, তবে এমনটি আর করো না" (১)।
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে সেই রাকাতটি কাজা করার নির্দেশ দেননি যার রুকু তিনি পেয়েছিলেন কিন্তু কিরাত পাননি। যদি রাকাতটি শুদ্ধ (صحيح) না হতো, তবে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অবশ্যই তাকে তা পুনরায় আদায়ের নির্দেশ দিতেন।
আর ভুলবশত বা অজ্ঞতাবশত হলে মুক্তাদির ওপর থেকে এটি রহিত হয়ে যায় (২)।
১০ - সুরা ফাতিহা পাঠ শেষ করার পর বলবে: "আমীন" শব্দ করে পড়ার (জাহরি) নামাজে এটি উচ্চৈঃস্বরে বলবে এবং নিচুস্বরে পড়ার (সিররি) নামাজে এটি নিচুস্বরে বলবে। [এর অর্থ: হে আল্লাহ! কবুল করুন]; আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণিত হাদিসের কারণে, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন উম্মুল কুরআন (সুরা ফাতিহা) পাঠ শেষ করতেন, তখন উচ্চৈঃস্বরে বলতেন: "আমীন" (৩); এবং তাঁর বর্ণিত অন্য একটি হাদিসে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "ইমাম যখন আমীন বলবেন, তখন তোমরাও আমীন বলবে; কারণ যার...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
من وافق تأمينه تأمين الملائكة غُفِرَ له ما تقدَّم من ذنبه)) (1)؛ ولحديثه رضي الله عنه: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ((إذا قال الإمام: غير المغضوب عليهم ولا الضالين، فقولوا: آمين؛ فإنه من وافق قوله قول الملائكة غُفر له ما تقدَّم من ذنبه)) (2). ومن لم يستطعْ قراءة الفاتحة وعجز عنها قرأ غيرها مما تيسَّر من القرآن، فإن لم يكن عنده شيء قال: ((سبحان الله، والحمد لله، ولا إله إلا الله، والله أكبر، ولا حول ولا قوة إلا بالله العلي العظيم))؛ لحديث عبد الله بن أبي أوفى رضي الله عنه قال: جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال: إني لا أستطيع أن آخذ من القرآن شيئًا، فعلِّمْني ما يجزئني منه، فقال: ((قل: سبحان الله، والحمد لله، ولا إله إلا الله، والله أكبر، ولا حول ولا قوة إلا بالله العلي العظيم)) (3).
--------------------------------------------
((যার আমীন বলা ফেরেশতাদের আমীন বলার সাথে মিলে যাবে, তার পূর্ববর্তী গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে)) (১); এবং তাঁর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণিত হাদিস: রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ((যখন ইমাম ‘গায়রিল মাগদুবি আলাইহিম ওয়ালাদ-দাল্লিন’ বলবে, তখন তোমরা বলো: আমীন; কেননা যার কথা ফেরেশতাদের কথার সাথে মিলে যাবে, তার পূর্ববর্তী গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে)) (২)। আর যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পাঠ করতে সক্ষম নয় এবং তা পড়তে অপারগ, সে কুরআনের অন্য যা সহজসাধ্য তা পাঠ করবে। আর যদি তার নিকট কিছুই না থাকে, তবে সে বলবে: ((সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার, ওয়া লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আজিম)); আব্দুল্লাহ ইবনে আবি আওফা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত হাদিসের কারণে, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বলল: আমি কুরআন থেকে কিছুই শিখতে পারছি না, সুতরাং আমাকে এমন কিছু শিক্ষা দিন যা আমার জন্য যথেষ্ট হবে। তিনি বললেন: ((তুমি বলো: সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার, ওয়া লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আজিম)) (৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
11 - يقرأ سورة بعد الفاتحة، أو ما تيسر من القرآن في ركعتي الصبح، والجمعة، وفي الركعتين الأوليين: من صلاة الظهر، والعصر، والمغرب، والعشاء، وفي جميع ركعات النفل؛ لحديث أبي قتادة رضي الله عنه قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرأ في الركعتين الأوليين من صلاة الظهر بفاتحة الكتاب وسورتين يُطوِّل في الأولى ويُقصِّر في الثانية، ويُسمعُ الآية أحيانًا، وكان يقرأ في العصر بفاتحة الكتاب وسورتين، وكان يُطوِّل في الأولى، وكان يُطوِّل في الركعة الأولى من صلاة الصبح ويُقصِّر في الثانية)) (1). وفي لفظ: ((كان النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ في الركعتين من الظهر والعصر بفاتحة الكتاب وسورة سورة، ويسمعنا الآية أحيانًا)) (2)، وأما صلاة الظهر خاصة فقد ثبت ما يدل على أنه ربما قرأ في الركعتين الأخريين زيادة مع سورة الفاتحة، فعن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه قال: ((كنا نحزر (3) قيام رسول الله صلى الله عليه وسلم في الظهر والعصر، فحزرنا قيامه في الركعتين الأوليين من
--------------------------------------------
১১ - সুরা ফাতিহার পর একটি সুরা পাঠ করা, অথবা কোরআনের সহজ কোনো অংশ ফজরের দুই রাকাতে, জুমার সালাতে এবং জোহর, আসর, মাগরিব ও এশার প্রথম দুই রাকাতে এবং নফলের সকল রাকাতে (পাঠ করা); আবু কাতাদাহ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসের কারণে, তিনি বলেছেন: "রাসুলুল্লাহ (সা.) জোহরের সালাতের প্রথম দুই রাকাতে সুরা ফাতিহা এবং দুটি সুরা পাঠ করতেন। তিনি প্রথম রাকাতে দীর্ঘ করতেন এবং দ্বিতীয় রাকাতে সংক্ষিপ্ত করতেন এবং মাঝে মাঝে কোনো আয়াত আমাদের শোনাতেন। তিনি আসরের সালাতেও সুরা ফাতিহা এবং দুটি সুরা পাঠ করতেন এবং প্রথম রাকাতে দীর্ঘ করতেন। একইভাবে তিনি ফজরের সালাতের প্রথম রাকাতে দীর্ঘ করতেন এবং দ্বিতীয় রাকাতে সংক্ষিপ্ত করতেন" (১)। অন্য এক বর্ণনায় (لفظ) এসেছে: "নবী (সা.) জোহর ও আসরের দুই রাকাতে সুরা ফাতিহা এবং একটি করে সুরা পাঠ করতেন এবং মাঝে মাঝে আমাদের কোনো আয়াত শোনাতেন" (২)। তবে বিশেষভাবে জোহরের সালাতের ক্ষেত্রে এমন বর্ণনা সাব্যস্ত (ثبت) হয়েছে যা প্রমাণ করে যে, তিনি সম্ভবত শেষ দুই রাকাতেও সুরা ফাতিহার সাথে অতিরিক্ত কিছু পাঠ করতেন। আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আমরা জোহর ও আসরের সালাতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর দণ্ডায়মান থাকার সময় অনুমান করতাম (نقدر) (৩)। আমরা তাঁর প্রথম দুই রাকাতে দণ্ডায়মান থাকার সময় অনুমান করলাম...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
الظهر قدر قراءة {الم، تَنزِيلُ} السجدة، وحزرنا قيامه في الأخريين قدر النصف من ذلك، وحزرنا قيامه في الركعتين الأوليين من العصر على قدر قيامه من الأخريين من الظهر، وفي الأخريين على النصف من ذلك)). وفي لفظ: ((كان يقرأ في صلاة الظهر في الركعتين الأوليين في كل ركعة قدر ثلاثين آية، وفي الأخريين قدر خمس عشرة آية [في كل ركعة] أو قال: نصف ذلك، وفي العصر في الركعتين الأوليين في كل ركعة قدر قراءة خمس عشرة آية، وفي الأخريين قدر نصف ذلك)) (1). وهذا الحديث يدل على أنه صلى الله عليه وسلم كان يقرأ أحيانًا بزيادة على الفاتحة في الركعتين الأخريين من الظهر (2). وعن سليمان بن يسار عن أبي هريرة رضي الله عنه قال: ما رأيت رجلاً أشبه صلاة برسول الله صلى الله عليه وسلم من فلان لإمام كان بالمدينة، قال سليمان بن يسار: فصليت خلفه فكان يطيل الأوليين من الظهر ويخفف الأخريين، ويخفف العصر، ويقرأ في الأوليين من المغرب بقصار المفصل، ويقرأ في الأوليين من العشاء من وسط
--------------------------------------------
জোহরের নামাজের কিয়াম ছিল ‘আলিফ-লাম-মীম তানজিল’ আস-সাজদাহ তিলাওয়াতের সমপরিমাণ, এবং আমরা শেষ দুই রাকাতে তাঁর কিয়ামের স্থায়িত্ব এর অর্ধেক পরিমাণ অনুমান করেছি। এছাড়া আসরের প্রথম দুই রাকাতে তাঁর কিয়ামের স্থায়িত্ব জোহরের শেষ দুই রাকাতে কিয়ামের স্থায়িত্বের সমপরিমাণ অনুমান করেছি এবং শেষ দুই রাকাতে ছিল এর অর্ধেক। অন্য একটি বর্ণনায় (لفظ) এসেছে: ((তিনি জোহরের নামাজের প্রথম দুই রাকাতের প্রতি রাকাতে প্রায় ত্রিশ আয়াত তিলাওয়াত করতেন এবং শেষ দুই রাকাতে প্রায় পনের আয়াত [প্রতি রাকাতে], অথবা বর্ণনাকারী বলেছেন: এর অর্ধেক। আর আসরের প্রথম দুই রাকাতের প্রতি রাকাতে প্রায় পনের আয়াত পরিমাণ তিলাওয়াত করতেন এবং শেষ দুই রাকাতে এর প্রায় অর্ধেক।)) (১)। এই হাদিসটি প্রমাণ করে যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কখনো কখনো জোহরের শেষ দুই রাকাতে সূরা ফাতিহার অতিরিক্ত তিলাওয়াত করতেন (২)। সুলাইমান ইবনে ইয়াসার থেকে বর্ণিত, আবু হুরায়রা (রা.) বলেন: মদিনার অমুক ইমামের চেয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নামাজের সাথে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ নামাজ পড়তে আমি আর কাউকে দেখিনি। সুলাইমান ইবনে ইয়াসার বলেন: আমি তাঁর পেছনে নামাজ পড়েছি, তিনি জোহরের প্রথম দুই রাকাত দীর্ঘ করতেন এবং শেষ দুই রাকাত সংক্ষিপ্ত করতেন, আসর সংক্ষিপ্ত করতেন এবং মাগরিবের প্রথম দুই রাকাতে কিসারে মুফাসসাল (قصار المفصل) তিলাওয়াত করতেন এবং এশার প্রথম দুই রাকাতে মুফাসসালের মধ্যভাগ (وسط) থেকে তিলাওয়াত করতেন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
المفصل، ويقرأ في الغداة بطوال المفصل)) (1)، وربما طول النبي صلى الله عليه وسلم القراءة في صلاة الظهر أكثر مما تقدَّمَ؛ لحديث أبي سعيد الخدري رضي الله عنه قال: ((لقد كانت صلاة الظهر تقام فيذهب الذاهب إلى البقيع فيقضي حاجته ثم يتوضأ، ثم يأتي ورسول الله صلى الله عليه وسلم في الركعة الأولى مما يُطوِّلُها)) (2)، وثبت من حديث أبي برزة الأسلمي رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم ((كان يصلي الصبح وينصرف الرجل فيعرف جليسه، وكان يقرأ في الركعتين أو إحداهما ما بين الستين إلى المائة)) (3)، وسمعت شيخنا الإمام عبد العزيز بن عبد الله ابن باز –رحمه الله– يقول في القراءة في الصلوات الخمس: ((الأفضل في الفجر من طوال المفصل (4)، وفي الظهر والعصر والعشاء
--------------------------------------------
আল-মুফাসসাল, এবং তিনি ফজরের নামাজে মুফাসসালের দীর্ঘ অংশ (طوال المفصل) পাঠ করতেন)) (১), এবং কখনো কখনো নবী (সা.) জোহরের নামাজে পূর্বোক্ত বর্ণনার চেয়েও দীর্ঘ কেরাত পাঠ করতেন; আবু সাঈদ আল-খুদরী (রা.) বর্ণিত হাদিসের কারণে, তিনি বলেছেন: ((জোহরের নামাজের ইকামত হওয়ার পর কোনো ব্যক্তি জান্নাতুল বাকী‘তে গিয়ে তার প্রয়োজন সেরে ওজু করে ফিরে আসতেন, তখনও রাসূলুল্লাহ (সা.) প্রথম রাকাতে থাকতেন, কারণ তিনি তা দীর্ঘ করতেন)) (২), এবং আবু বারযাহ আল-আসলামী (রা.) বর্ণিত হাদিস থেকে প্রমাণিত হয়েছে যে, নবী (সা.) ((ফজরের নামাজ আদায় করতেন এবং নামাজ শেষে কোনো ব্যক্তি তার পাশের জনকে চিনতে পারত; আর তিনি দুই রাকাতে অথবা কোনো এক রাকাতে ষাট থেকে একশ আয়াত পর্যন্ত পাঠ করতেন)) (৩), আমি আমাদের শায়খ ইমাম আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ বিন বাজ (রহ.)-কে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের কেরাত সম্পর্কে বলতে শুনেছি: ((ফজরের নামাজে মুফাসসালের দীর্ঘ অংশ (طوال المفصل) (৪) থেকে পাঠ করা উত্তম, এবং জোহর, আসর ও এশায়...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
من أواسطه، وفي المغرب من قصاره؛ لفعل النبي صلى الله عليه وسلم في الأغلب، ولا بأس أن يقرأ من قصاره في الصبح في السفر والمرض، لكن الأفضل ما تقدم؛ لحديث سليمان ابن يسار عن أبي هريرة رضي الله عنه (1) عن النبي صلى الله عليه وسلم)) (2).
وقال الإمام ابن القيم – رحمه الله – في قراءته صلى الله عليه وسلم بعد الفاتحة: ((فإذا فرغ من الفاتحة أخذ في سورة غيرها، وكان يطيلها تارة، ويخففها لعارض من سفر أو غيره، ويتوسط فيها غالبًا)) (3). قلت: الأفضل في ذلك مراعاة فعل النبي صلى الله عليه وسلم في جميع الأوقات، والأحوال، والأزمان (4).
--------------------------------------------
(মুফাসসালের) মধ্যম ভাগ থেকে, এবং মাগরিবে তার সংক্ষিপ্ত ভাগ থেকে; কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অধিকাংশ সময় এরূপই করতেন। সফর ও অসুস্থতার সময় ফজরের নামাজে সংক্ষিপ্ত ভাগ থেকে কিরাত পাঠ করলে কোনো অসুবিধা নেই, তবে যা পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে তা-ই উত্তম; আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু (১) হতে বর্ণিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (২) এর সুলায়মান ইবনে ইয়াসারের হাদিসের কারণে।
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রহমাতুল্লাহি আলাইহি সুরা ফাতিহার পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কিরাত সম্পর্কে বলেন: ((যখন তিনি ফাতিহা শেষ করতেন, তখন অন্য একটি সুরা শুরু করতেন। কখনো তিনি তা দীর্ঘ করতেন, আবার সফর বা অন্য কোনো কারণে সংক্ষিপ্ত করতেন, তবে অধিকাংশ সময় মধ্যমপন্থা অবলম্বন করতেন)) (৩)। আমি বলি: সকল সময়, অবস্থা ও যুগে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আমলের অনুসরণ করাই হচ্ছে উত্তম (৪)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
12 - إذا فرغ من القراءة كلها سكت سكتة بقدر ما يترادُّ إليه نَفَسُه حتى لا يصل القراءة بالركوع، بخلاف السكتة الأولى قبل قراءة الفاتحة؛ فإنه يقرأ فيها دعاء الاستفتاح فتكون بقدره؛ لحديث الحسن عن سمرة عن النبي صلى الله عليه وسلم ((أنه كان يسكت سكتتين: إذا استفتح الصلاة وإذا فرغ من القراءة كلها)) (1). قال الترمذي: ((وهو قول
--------------------------------------------
১২ - যখন সম্পূর্ণ কিরাত শেষ করবেন, তখন সামান্য বিরতি (سكتة) দেবেন যাতে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস ফিরে আসে এবং কিরাতের সাথে রুকুর সরাসরি সংযোগ না ঘটে; এটি সুরা ফাতিহা পাঠের পূর্ববর্তী প্রথম বিরতির (سكتة) ব্যতিক্রম; কেননা সেখানে তিনি দুয়াউল ইস্তিতাহ পাঠ করতেন এবং সেই বিরতিটি তার সমপরিমাণ দীর্ঘ হতো। সামুরা থেকে বর্ণিত হাসানের হাদিসের কারণে, যা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত যে, ((তিনি সালাতে দুইবার নীরব থাকতেন: যখন সালাত শুরু করতেন এবং যখন সম্পূর্ণ কিরাত শেষ করতেন)) (১)। তিরমিজি বলেছেন: ((এটিই হলো অভিমত...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ৩১)
غير واحد من أهل العلم يستحبون للإمام أن يسكت بعدما يفتتح الصلاة، وبعد الفراغ من القراءة وبه يقول أحمد وإسحاق وأصحابنا)) (1).
13 - يركع مكبرًا رافعًا يديه إلى حذو منكبيه، أو أذنيه، جاعلاً رأسه حيال ظهره، واضعًا يديه على ركبتيه، مفرقًا أصابع يديه؛ لقول الله تعالى: {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا ارْكَعُوا وَاسْجُدُوا وَاعْبُدُوا رَبَّكُمْ وَافْعَلُوا الْخَيْرَ لَعَلَّكُمْ
--------------------------------------------
একাধিক আলেম (أهل العلم) ইমামের জন্য সালাত শুরু করার পর এবং কিরাত শেষ করার পর নীরবতা পালন করাকে মুস্তাহাব (يستحبون) মনে করেন। ইমাম আহমাদ, ইসহাক এবং আমাদের অনুসারীগণও এই মতই পোষণ করেন)) (১)।
১৩ - তিনি তাকবির দিয়ে রুকুতে যাবেন এবং তাঁর হাত দুটি কাঁধ বরাবর অথবা কান পর্যন্ত তাঁর হাত উত্তোলন করবেন, তাঁর মাথা পিঠের সমান্তরালে রাখবেন, হাত দুটি হাঁটুর ওপর স্থাপন করবেন এবং হাতের আঙুলগুলো ফাঁক করে রাখবেন; মহান আল্লাহর বাণীর কারণে: {হে মুমিনগণ! তোমরা রুকু করো, সিজদা করো, তোমাদের রবের ইবাদত করো এবং কল্যাণকর কাজ করো যাতে তোমরা...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ৩২)
تُفْلِحُونَ} (1)؛ ولحديث أبي هريرة رضي الله عنه في قصة المسيء صلاته وفيه: ((ثم اركع حتى تطمئنَّ راكعًا)) (2)؛ ولحديث أبي هريرة رضي الله عنه قال: ((كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قام إلى الصلاة يكبر حين يقوم، ثم يكبر حين يركع)) (3)، وفي لفظ: ((إنه كان يصلي بهم فيكبر كلما خفض ورفع فإذا انصرف قال: إني لأشبهكم صلاة برسول الله صلى الله عليه وسلم)) (4)؛ ولحديث عبد الله بن عمر رضي الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ((كان يرفع يديه حذو منكبيه إذا افتتح الصلاة، وإذا كبر للركوع
… )) (5)، وفي حديث مالك بن الحويرث رضي الله عنه: ((كان إذا كبر رفع يديه حتى يحاذي بهما أذنيه وإذا ركع رفع يديه حتى يحاذي بهما
--------------------------------------------
সফলকাম হতে পার।} (১); এবং আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত সেই হাদিসের কারণে যা নামাজে ভুলকারী ব্যক্তির ঘটনায় এসেছে এবং তাতে রয়েছে: ((অতঃপর রুকু করো যতক্ষণ না তুমি স্থিরভাবে রুকু সম্পন্ন করো)) (২); এবং আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদিসের কারণে, তিনি বলেছেন: ((রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন নামাজের জন্য দাঁড়াতেন তখন দাঁড়ানোর সময় তাকবির বলতেন, অতঃপর যখন রুকু করতেন তখনও তাকবির বলতেন)) (৩), এবং অন্য এক শব্দে এসেছে: ((নিশ্চয়ই তিনি তাদের নিয়ে নামাজ পড়তেন এবং প্রত্যেকবার অবনত হওয়ার ও উপরে উঠার সময় তাকবির বলতেন। অতঃপর নামাজ শেষে বলতেন: নিশ্চয়ই আমি তোমাদের মধ্যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নামাজের সাথে সবচেয়ে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ)) (৪); এবং আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত হাদিসের কারণে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ((যখন নামাজ শুরু করতেন তখন তাঁর দুই কাঁধ বরাবর হাত তুলতেন এবং যখন রুকুর জন্য তাকবির বলতেন
… )) (৫), এবং মালিক ইবনুল হুয়াইরিস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদিসে রয়েছে: ((তিনি যখন তাকবির বলতেন তখন তাঁর দুই হাত কান পর্যন্ত তুলতেন এবং যখন রুকু করতেন তখন তাঁর দুই হাত কান পর্যন্ত তুলতেন...))
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কুররাতু উয়ূনিল মুসাল্লীনা ফী বায়ানি সিফাতি সালাতিল মুহসিনীনা মিনাত তাকবೀರಿ ইলাত তাসলীমি ফী যাউইল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
أذنيه)) (1)؛ ولحديث عائشة رضي الله عنها: ((وكان إذا ركع لم يشخص رأسه (2) ولم يصوِّبه ولكن بين ذلك)) (3)؛ ولحديث أبي حميد الساعدي رضي الله عنه أنه قال لنفر من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم: ((أنا كنت أحفظكم لصلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم، رأيته إذا كبر جعل يديه حذو منكبيه، وإذا ركع أمكن يديه من ركبتيه [وفرج بين أصابعه] ثم هصر (4) ظهره
… )) (5). وفي لفظ: ((ثم ركع فوضع يديه على ركبتيه، كأنه قابضٌ عليهما، ووتَّر (6) يديه فتجافى عن جنبيه .. )) (7).وفي حديث رفاعة بن
--------------------------------------------
কান পর্যন্ত)) (১); আর আয়েশা (রা.)-এর হাদিসের কারণে: ((এবং তিনি যখন রুকু করতেন, তখন তার মাথা উঁচু করে রাখতেন না (২) এবং একেবারে নিচুও করতেন না, বরং এর মাঝামাঝি রাখতেন)) (৩); আর আবু হুমাইদ আস-সাঈদী (রা.)-এর হাদিসের কারণে যে তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একদল সাহাবীকে বলেছিলেন: ((আমি তোমাদের মধ্যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাত সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি অবগত। আমি তাকে দেখেছি যে, তিনি যখন তাকবির দিতেন তখন তার হাত দুই কাঁধ বরাবর তুলতেন, আর যখন রুকু করতেন তখন দুই হাত দুই হাঁটুর উপর শক্তভাবে রাখতেন [এবং আঙুলগুলোর মাঝে ফাঁকা রাখতেন], অতঃপর তার পিঠ বাঁকাতেন (৪) ...)) (৫)। অন্য শব্দে বর্ণিত হয়েছে: ((অতঃপর তিনি রুকু করলেন এবং তার দুই হাত দুই হাঁটুর উপর রাখলেন, যেন তিনি তা আঁকড়ে ধরে আছেন এবং তার হাত দুটি ধনুকের মতো বাঁকালেন (৬), ফলে তা তার দুই পাশ থেকে পৃথক থাকল...)) (৭)। আর রিফাত ইবনে...
--------------------------------------------