(খণ্ড: ১) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: -)
الطيوريات   (أبو طاهر السلفي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الطيوريات

انتخاب: صدر الدين، أبي طاهر السِّلَفي أحمد بن محمد بن أحمد بن محمد بن إبراهيم سِلَفَه الأصبهاني

من أصول: أبي الحسين المبارك بن عبد الجبار الطيوري بن عبد الله الصيرفي الحنبلي

دراسة وتحقيق: دسمان يحيى معالي، عباس صخر الحسن

الناشر: مكتبة أضواء السلف، الرياض

الطبعة: الأولى، 1425 هـ - 2004 م

عدد الأجزاء: 4

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আত-তুয়ুরিয়্যাত   (আবু তাহির আস-সিলাফি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


গ্রন্থ: আত-তুয়ুরিয়্যাত

নির্বাচন: সদরুদ্দিন, আবু তাহির আস-সিলাফি আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম সিলাফাহ আল-আসফাহানি

মূল পাণ্ডুলিপি হতে: আবুল হোসেন আল-মুবারক বিন আব্দুল জব্বার আত-তুয়ুরি বিন আব্দুল্লাহ আস-সাইরাফি আল-হাম্বলি

গবেষণা ও তাহকিক: দসমান ইয়াহইয়া মাআলি, আব্বাস সাখর আল-হাসান

প্রকাশক: মাকতাবাতু আদওয়াউস সালাফ, রিয়াদ

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৫ হিজরি - ২০০৪ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ৪

[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٢٧٤)
‌‌الجزء السادس عشر

من انتخاب الشيخ الفقيه الإمام العالم الحافظ شيخ الإسلام

أوحد الأنام فخر الأئمة سيف السنة مقتدى الفرق بقية السلف ناصر الحديث

أبي طاهرِ أحمدَ بنِ محمدِ بن أحمدَ السِّلفِيِّ الأَصْبهانِيِّ

من أصول كتب الشيخ

أبي الحسين المبُاَرَكِ بنِ عبدِ الجَبَّارِ الطُّيُورِيِّ.

 

[ل259/بِ]
ষোড়শ খণ্ড

ফকীহ, ইমাম, আলেম, হাফেজ, শাইখুল ইসলামের চয়ন হতে

সৃষ্টির মাঝে অনন্য, ইমামগণের গৌরব, সুন্নাহর তরবারি, দলসমূহের অনুসরণীয়, সালাফদের উত্তরসূরি, হাদীসের সাহায্যকারী

আবু তাহির আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আস-সিলাফি আল-আসবাহানি

শাইখের মূল গ্রন্থসমূহ হতে

আবুল হুসাইন আল-মুবারক বিন আব্দুল জাব্বার আত-তুয়ূরী।

 

[২৫৯/খ]
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٢٧٥)
بسم الله الرحمن الرحيم

رب سهل برحمتك

 

1222- أخبرنا القاضي الفقيه المكين الأشرف الأمين جمال الدين أبو طالب أحمد ابن القاضي المكين أبي الفضل عبد الله بن القاضي المكين أبي علي الحسين بن حديد بثغر الإسكندرية حماه الله تعالى قراءة عليه وأنا أسمع في الثالث من ربيع الأول سنة عشر ستمائة، قال: أخبرنا الشيخ الفقيه الإمام العالم الحافظ شيخ الإسلام أوحد الأنام فخر الأئمة سيف السنة مقتدى الفرق ناصر الحديث بقية السلف

أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد السلفي الأصبهاني رضي الله عنه قراءة عليه وأنا أسمع في يوم السبت السادس عشر من شوال من سنة سبع وستين وخمسمائة، أخبرنا الشيخ أبو الحسين المبارك

ابن عبد الجبار بانتخبي عليه من أصول كتبه، حدثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ علي بن عبد الله الصوري الحافظ، أخبرنا أبو الحسين الغساني، حدثنا أبو رَوْقُ الهِزَّانِي أَحمد بن محمد بن بكر، حدثنا العباس

ابن الفرج الرياشي، وأبو حاتم (1) قالا: قال الأصمعي: قال أبو عمرو بن العلاء: ((كَانَ النبي صلى الله عليه وسلم أَفْرَعًا، وَكَانَ أَبُو بَكر أَفْرَعاً، وكانَ عُمر أَصْلَعًا، لَمْ يَبْقِ مِنْ

--------------------------------------------

(1) أبو حاتم: السجستاني.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

হে রব, আপনার রহমতের মাধ্যমে সহজ করে দিন।

 

১২২২- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারক, ফকিহ, সুপ্রতিষ্ঠিত, অতি সম্মানিত, বিশ্বস্ত জামালুদ্দিন আবু তালিব আহমদ ইবনুল কাজি আল-মাকিন আবুল ফজল আবদুল্লাহ ইবনুল কাজি আল-মাকিন আবু আলী আল-হুসাইন বিন হাদিদ আলেকজান্দ্রিয়া সীমান্তে (আল্লাহ তাআলা একে রক্ষা করুন)। ৬১০ হিজরির ৩রা রবিউল আউয়াল তাঁর সামনে পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, ফকিহ, ইমাম, বিজ্ঞ আলেম, হাফেজ, শাইখুল ইসলাম, সৃষ্টির মাঝে অনন্য, ইমামগণের গৌরব, সুন্নাহর তরবারি, দলসমূহের আদর্শ, হাদিসের সাহায্যকারী, সালাফদের অবশিষ্টাংশ

আবু তাহির আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আস-সালাফি আল-আসবেহানি (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)। ৫৬৭ হিজরির ১৬ই শাওয়াল শনিবার তাঁর সামনে পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবুল হুসাইন আল-মুবারক

ইবনে আবদিল জাব্বার, তাঁর মূল গ্রন্থসমূহ থেকে আমার নির্বাচনের মাধ্যমে; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলী বিন আবদুল্লাহ আস-সুরি আল-হাফিজ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হুসাইন আল-গাসসানি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু রওক আল-হিজজানি আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন বকর; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাস

ইবনুল ফারাজ আর-রিয়াশি এবং আবু হাতিম (১); তাঁরা উভয়ে বলেন: আসমায়ী বলেছেন: আবু আমর ইবনুল আলা বলেছেন: "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ছিলেন মাথার সামনের অংশে চুল কম বা উন্নত ললাটবিশিষ্ট, আবু বকরও ছিলেন মাথার সামনের অংশে চুল কম বিশিষ্ট এবং উমর ছিলেন টাকমাথা বিশিষ্ট, যার অবশিষ্ট ছিল না..."

--------------------------------------------

(১) আবু হাতিম: আস-সিজিস্তানি।
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٢٧٦)
شَعْرِهِ إِلَاّ حِفَافٌ، وَهُوَ أَنْ يَبْقَى مِنْهِ كَالطُّرَّةِ حَوْلَ رَأْسَهِ، يَقُولُ: رَجُلٌ أَفْرَعٌ، وامْرَأَة ٌفَرْعَىَ، وَذَلِكَ إِذَا كانَ الشَّعْرُ [ل260/أ] تَامًا لَمْ يَذْهَبْ مِنْهُ شَيْءٌ)) (1) .

1223- سمعت أبا عبد الله يقول: سمعت أبا الحسين يقول: سمعت أحمد بن محمد بن بكر يقول: سمعت أحمد بن روح (2) يقول: سمعت علي بن عبد الله بن جعفر بن نجيح المديني وهو مولى بني كنانة بن خزيمة يقول: وَجَدْتُ الإِسْنَادَ وجيد الحديث والأصول يدور على ستة:

من أهل المدينة: محمد بن مسلم بن عبيد الله بن عبد الله بن شهاب الزُّهْري يكنى أبا بكر، مات سنة أربع وعشرين ومائة.

--------------------------------------------

(1) رجال إسناده ثقات.

أخرجه أحمد أبو جعفر الطبري في الرياض النضرة: 1/411-412 رقم ((24)) . عن الأصمعي به.

 

وفي غريب الحديث لابن الجوزي 2/188 قال الأصمعي: كان أبو بكر أفرعاً، وكان عمر أصلعاً.

هذا وقد روى البخاري في المناقب: باب صفة النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم 3/1824 رقم ((3349)) ، وفي اللباس: بابالجعد 5/2210 رقم ((5560)) ، ومسلم في الفضائل: باب صفة شعر النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم 4/1824 رقم ((2347)) ، عن أنس بن مالك يصف النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قال: ((كان ربعة من القوم ليس بالطويل ولا بالقصير أزهر اللون ليس بأبيض أمهق ولا آدم ليس بجعد قطط ولا سبط … )) .

وليس بجعد قطط ولا سبط: أي شعره ليس بشعر فيه التواء وانقباض ولا بمسترسل.

وأما في حق أبي بكر فلم أجد في كتب التاريخ التصريح بأنه كان أفرعاً، وأما عمر بن الخطاب فقد ذكرت كتب التاريخ التي ذكرت صفته الخَلْقية أنه كان أصلعاً.

(2) أحمد بن روح: بن زياد بن أيوب أبو الطيب الشعراني، ذكره الخطيب دون جرح ولا تعديل، وذكر أن أبا القاسم الطبراني روى عنه، مات سنة تسعين ومائتين. تاريخ بغداد: 4/159، طبقات المحدثين بأصبهان: 4/86.
তার চুলের অগ্রভাগ ব্যতীত, আর তা হলো মাথার চারপাশে ঝালরের মতো চুল অবশিষ্ট থাকা। তিনি বলেন: 'আফরা' (পূর্ণ কেশধারী) পুরুষ এবং 'ফারআ' (পূর্ণ কেশধারিণী) নারী; আর এটি তখন হয় যখন চুল [পৃষ্ঠা ২৬০/ক] পূর্ণ থাকে এবং তা থেকে কিছুই ঝরে যায় না। (১)

১২২৩- আমি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু আল-হুসাইনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন বকরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আহমাদ বিন রুহ (২) কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আলী বিন আব্দুল্লাহ বিন জাফর বিন নাজিহ আল-মাদিনীকে বলতে শুনেছি—যিনি বনু কিনানা বিন খুজায়মাহ-এর মুক্তদাস—তিনি বলতেন: আমি ইসনাদ এবং হাদীসের উৎকর্ষ ও মূলনীতিসমূহকে ছয়জন ব্যক্তির ওপর আবর্তিত হতে দেখেছি:

মদীনার অধিবাসীদের মধ্যে: মুহাম্মদ বিন মুসলিম বিন উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন শিহাব আয-যুহরী, তাঁর উপনাম আবু বকর, তিনি ১২৪ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

--------------------------------------------

(১) এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।

আহমাদ আবু জাফর আত-তাবারী 'আর-রিয়াদ আন-নাদিরা' গ্রন্থে এটি বর্ণনা করেছেন: ১/৪১১-৪১২, নং (২৪), আল-আসমাঈ-এর সূত্রে।

 

ইবনুল জাওযীর 'গারীবুল হাদীস' (২/১৮৮) গ্রন্থে আছে, আল-আসমাঈ বলেছেন: আবু বকর (রা.) ছিলেন পূর্ণ কেশধারী এবং উমর (রা.) ছিলেন টেকো বা কেশহীন।

উল্লেখ্য যে, ইমাম বুখারী 'আল-মানাকিব' (মর্যাদা) অধ্যায়ে: 'নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শারীরিক বৈশিষ্ট্যের বিবরণ' অনুচ্ছেদে ৩/১৮২৪, নং (৩৩৪৯) এবং 'পোশাক' অধ্যায়ে: 'কুঞ্চিত চুল' অনুচ্ছেদে ৫/২২১০, নং (৫৫৬০), এবং ইমাম মুসলিম 'আল-ফাদায়িল' (ফজিলতসমূহ) অধ্যায়ে: 'নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চুলের বৈশিষ্ট্যের বিবরণ' অনুচ্ছেদে ৪/১৮২৪, নং (২৩৪৭)-এ আনাস বিন মালিক (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন: "তিনি মানুষের মধ্যে মাঝারি গড়নের ছিলেন, খুব বেশি লম্বাও ছিলেন না আবার খুব বেঁটেও ছিলেন না। তাঁর গায়ের রঙ ছিল উজ্জ্বল; ধবধবে সাদাও ছিলেন না আবার একদম তামাটে বর্ণেরও ছিলেন না। তাঁর চুল খুব বেশি কোঁকড়ানো ছিল না আবার একেবারেই সোজা বা লম্বাও ছিল না..."

'খুব বেশি কোঁকড়ানোও নয় এবং সোজা বা লম্বাও নয়' অর্থ হলো: তাঁর চুল এমন ছিল না যাতে প্যাঁচ বা কুঞ্চন আছে, আবার তা একদম ঝুলে পড়াও ছিল না।

আবু বকরের ব্যাপারে আমি ইতিহাসের গ্রন্থগুলোতে তিনি পূর্ণ কেশধারী ছিলেন বলে স্পষ্ট কোনো উল্লেখ পাইনি। তবে উমর বিন আল-খাত্তাবের ব্যাপারে ইতিহাসের গ্রন্থগুলো তাঁর শারীরিক বর্ণনা দিতে গিয়ে উল্লেখ করেছে যে, তিনি টেকো বা কেশহীন ছিলেন।

(২) আহমাদ বিন রুহ: বিন যিয়াদ বিন আইয়ুব আবু আত-তৈয়্যিব আশ-শা’রানী। আল-খাতিব তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন কোনো প্রকার দোষারোপ বা প্রশংসা ছাড়াই। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, আবু আল-কাসিম আত-তাবারানী তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি ২৯০ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। তারিখ বাগদাদ: ৪/১৫৯, তাবাকাতুল মুহাদ্দিসীন বি-আসবাহান: ৪/৮৬।
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٢٧٧)
ومن أهل مكة: عمرو بن دينار مولى بَاذان مولى بني جُمَح يكنى أبامحمد، مات سنة سبع وعشرين ومائة.

ومن أهل البصرة: قتادة بن دعامة يكنى أبا الخطاب، مات سنة ثمان عشرة ومائة (1) . ويحيى ابن أبي كثير يماني بصري [يكنى أبا نصر، مات سنة اثنتين وثلاثين ومائة باليمامة] (2)

ولأهل الكوفة: أبو إسحاق السَّبِيعي، [واسمه عمرو بن عبد الله بن عبيد، ومات سنة تسع وعشرين ومائة] .

وسليمان بن مهران الأعمش مولى بني أسد، وكَانَ مِهْرَان رَجُلاً جَمِيلاً [ويكنى أبا محمد، مات سنة ثمان وأربعين ومائة]

ثُمَّ صَارَ علم هؤلاء الستة إلى [أصناف الأصناف ممن صنف، فلأهل المدينة] :

مالك بن أنس بن مالك بن أبي عامر الأَصْبُحِي مولى بني تيم بن مرة يكنى أبا عبد الله، مات سنة تسع وسبعين ومائة، سمع من الزهري وحده من هؤلاء الستة.

ومحمد بن إسحاق بن يسار مولى مخرمة الزهري يكنى أبا بكر، مات سنة أربع وأربعين ومائة (3) ، سمع من ابن شهاب ومن

--------------------------------------------

(1) وفي علل ابن المدينة ((سنة سبع عشرة ومائة)) .

(2) ما بين المعقوفين في هذه الروية هو من علل لابن المديني، وتذكر الحفاظ.

(3) في العلل لابن المديني ص 37، ((سنة اثنتين وخمسين ومائة)) .
মক্কাবাসীদের মধ্যে রয়েছেন: আমর বিন দিনার, যিনি বাযানের মুক্তদাস এবং বনু জুমাহ-এর মুক্তদাস। তাঁর উপনাম আবু মুহাম্মাদ। তিনি একশত সাতাশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

আর বসরার অধিবাসীদের মধ্যে রয়েছেন: কাতাদাহ বিন দিয়ামাহ, যাঁর উপনাম আবু আল-খাত্তাব। তিনি একশত আঠারো হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন (১)। এবং ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর, যিনি ইয়ামানি ও বসরার অধিবাসী [তাঁর উপনাম আবু নাসর, তিনি একশত বত্রিশ হিজরিতে ইয়ামামায় মৃত্যুবরণ করেন] (২)

আর কুফাবাসীদের জন্য রয়েছেন: আবু ইসহাক আস-সাবিঈ, [তাঁর নাম আমর বিন আবদুল্লাহ বিন উবাইদ এবং তিনি একশত ঊনত্রিশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন]।

এবং সুলায়মান বিন মিহরান আল-আ’মাশ, যিনি বনু আসাদ গোত্রের মুক্তদাস; মিহরান ছিলেন একজন সুদর্শন ব্যক্তি [তাঁর উপনাম আবু মুহাম্মাদ, তিনি একশত আটচল্লিশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন]

অতঃপর এই ছয়জনের ইলম [যাঁরা গ্রন্থ সংকলন করেছেন তাঁদের বিভিন্ন স্তরে] স্থানান্তরিত হয়েছে; মদিনাবাসীদের জন্য রয়েছেন:

মালিক বিন আনাস বিন মালিক বিন আবি আমির আল-আসবাহি, যিনি বনু তায়ম বিন মুররাহ-এর মুক্তদাস; তাঁর উপনাম আবু আবদুল্লাহ। তিনি একশত উনআশি হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি এই ছয়জনের মধ্যে কেবল যুহরি থেকে শ্রবণ করেছেন।

এবং মুহাম্মাদ বিন ইসহাক বিন ইয়াসার, যিনি মাখরামাহ আজ-যুহরির মুক্তদাস; তাঁর উপনাম আবু বকর। তিনি একশত চুয়াল্লিশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন (৩)। তিনি ইবনে শিহাব এবং ... থেকে শ্রবণ করেছেন।

--------------------------------------------

(১) ইবনুল মদিনার ‘ইলাল’ গ্রন্থে রয়েছে: ((একশত সতেরো হিজরি))।

(২) এই বর্ণনার বন্ধনীভুক্ত অংশটুকু ইবনুল মাদিনির ‘ইলাল’ এবং হাফেজগণের বর্ণনা থেকে সংগৃহীত।

(৩) ইবনুল মাদিনির ‘ইলাল’ এর ৩৭ পৃষ্ঠায় রয়েছে: ((একশত বায়ান্ন হিজরি))।
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٢٧٨)
الأعمش. [ل260/ب]

[و] مِنْ (1) أَهْلِ مَكَّة عبد الملك بن عبد العزيز بن جريج يكنى أبا الوليد، لقي الزهري وعمرو بن دينار، ورأى الأعمش ولم يكتب عنه شيئا، وهو مولى لآل خالد بن أسيد، [مات سنة إحدى وخمسين ومائة] .

وسفيان بن عيينة بن ميمون مولى محمد بن مزاحم الهلالي يكنى أبا محمد، مات سنة ثمان وتسعين ومائة، لقي الزهري، وعمرو بن دينار، وأبا إسحاق، والأعمش، وابن جريج.

ومِنْ أَهْلِ البَصْرَةِ سعيد بن أبي عروبة، واسمه: مهران يكنى أبا النضر مولى بني عدي من بني يشكر، مات سنة ثمان أو تسع وخمسين ومائة.

وحماد بن سلمة بن دينار مولى بني تميم، يكنى أبا سلمة، مات سنة ثمان وسبعين ومائة (2) . وأبو عَوَانة الوَضَّاح مولى بني يزيد بن عطاء واسطي، مات سنة خمس وسبعين ومائة.

وشعبة بن الحجاج بن الورد أبو بِسْطَام مَوْلى الأَشَاقِر من الأزد (3)

، مات سنة ستين ومائة.

--------------------------------------------

(1) في الخطية هناك ضبة على (من) .

(2) وفي العلل لابن المديني ص 38، ((سنة ثمان وستين ومائة)) .

(3) تنتسب قبائل الأزد جميعاً إلى الأزْد بن الغوث بن نَبْتٍ بن مالك بن زيد بن كَهْلان بن سبأ بن يَشْجُب بن َعْرُب

ابن قحطان، والأزد لقبه، واسمه دراء بوزن (فِعَال) ، والأزْد والأسْد لغتان، والأخيرة أفصح، إلا أن الأولى أكثر، انظر: الإيناس: ص57. والصحاح: (أزد) 2/440.

وفي التصريح: ((واختلف في تسمية أزداً، وأسداً، فقيل: لأنه كان كثير العطاء، فقيل له ذلك، لكثرة من يقول أسدى إليّ كذا، أو أزدى، وقيل: لأنه كان كثير النكاح، والأزْد والأسد النّكاح)) . انظر: االتصريح بمضمون التوضيح:

 

2/263، ويذكر النسابون أن القبائل التي تنتسب إلى الأزْد افترقت على نحو ست وعشرين قبيلة، وهي: جَفْنة، وغسّان، والأوس، والخزرج، وخزاعة، ومازن، وبارق، وألمع، والحَجْر، والعَتيك، وراسب، وغامد، ووالِبَة، وثُمالة، ولِهْب، وزهران، ودُهمان، والحدّان، وشَكْر، وعكّ، ودوس، وفَهْم، والجَهاضم، والأشاقر، والقَسامل، والفَراهيد، انظرنسب عدنان وقحطان ص 44-46، والفصوص: 3/281-285، والأنباه على قبائل الرواة: ص108، وطرفة الأصحاب في معرفة الأنساب: ص46.
আল-আ'মাশ। [পৃষ্ঠা ২৬০/খ]

[এবং] মক্কাবাসীদের মধ্য থেকে আব্দুল মালিক ইবন আব্দুল আজীজ ইবন জুরাইজ, যাঁর উপনাম আবু আল-ওয়ালীদ। তিনি আয-যুহরী এবং আমর ইবন দীনারের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। তিনি আল-আ'মাশকেও দেখেছেন, তবে তাঁর থেকে কিছুই লিখে রাখেননি। তিনি খালেদ ইবন আসীদের বংশের আযাদকৃত দাস ছিলেন। [তিনি একশত একান্ন হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন]।

এবং সুফিয়ান ইবন উইয়াইনা ইবন মাইমুন, যিনি মুহাম্মদ ইবন মুযাহিম আল-হিলালীর আযাদকৃত দাস, তাঁর উপনাম আবু মুহাম্মদ। তিনি একশত আটানব্বই হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি আয-যুহরী, আমর ইবন দীনার, আবু ইসহাক, আল-আ'মাশ এবং ইবন জুরাইজের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন।

এবং বসরাবাসীদের মধ্য থেকে সাঈদ ইবন আবি আরুবাহ, তাঁর নাম মিহরান এবং উপনাম আবু আন-নাদর। তিনি বনু ইয়াশকুর গোত্রের বনু আদীর আযাদকৃত দাস ছিলেন। তিনি একশত আটান্ন অথবা উনষাট হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

এবং হাম্মাদ ইবন সালামাহ ইবন দীনার, যিনি বনু তামীম গোত্রের আযাদকৃত দাস, তাঁর উপনাম আবু সালামাহ। তিনি একশত আটাত্তর হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন (২)। এবং আবু আওয়ানাহ আল-ওয়াদদাহ, যিনি বনু ইয়াযীদ ইবন আতার আযাদকৃত দাস, তিনি ওয়াসিত শহরের অধিবাসী ছিলেন। তিনি একশত পঁচাত্তর হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

এবং শু'বাহ ইবনুল হাজ্জাজ ইবনুল ওয়ারদ, তাঁর উপনাম আবু বিসতাম। তিনি আযদ গোত্রের আল-আশাকির শাখার আযাদকৃত দাস ছিলেন (৩)

। তিনি একশত ষাট হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

--------------------------------------------

(১) পাণ্ডুলিপিতে 'মিন' শব্দের ওপর একটি চিহ্ন (দাব্বাহ) রয়েছে।

(২) এবং ইবনুল মাদীনীর 'আল-ইলাল' গ্রন্থের ৩৮ পৃষ্ঠায় রয়েছে: "একশত আটষট্টি হিজরী"।

(৩) আযদ গোত্রীয় সকল শাখা আযদ ইবনুল গাওস ইবন নাবত ইবন মালিক ইবন যাইদ ইবন কাহলান ইবন সাবা ইবন ইয়াশজুব ইবন ইয়া'রুব ইবন কাহতান-এর সাথে সম্পৃক্ত। আযদ হলো তার উপাধি এবং তার নাম হলো 'দারা' (ফে'আল এর ওজনে)। আযদ এবং আসদ দুটিই উচ্চারিত হয়, দ্বিতীয়টি অধিক বিশুদ্ধ ভাষা হলেও প্রথমটি অধিক প্রচলিত। দেখুন: আল-ইনাস: পৃষ্ঠা ৫৭ এবং আস-সিহাহ: (আযদ) ২/৪৪০।

এবং 'আত-তাসরিহ' গ্রন্থে রয়েছে: "আযদ ও আসদ নামকরণের বিষয়ে মতভেদ রয়েছে। বলা হয়েছে: তিনি প্রচুর দান করতেন বলে তাঁকে এই নামে ডাকা হতো, কারণ অনেকেই বলত 'সে আমার প্রতি এমন অনুগ্রহ (আসদা/আযদা) করেছে'। আবার বলা হয়েছে: তিনি অধিক বিয়ে করতেন বলে এমন নামকরণ হয়েছে, কারণ আযদ ও আসদ অর্থ বিবাহ।" দেখুন: আত-তাসরিহ বিমাদমুনিত তাওদিহ:

 

২/২৬৩। বংশবিদগণ উল্লেখ করেছেন যে, আযদ গোত্রের সাথে সম্পৃক্ত শাখাগুলো প্রায় ছাব্বিশটি গোত্রে বিভক্ত হয়েছে, সেগুলো হলো: জাফনাহ, গাসসান, আল-আউস, আল-খাযরাজ, খুযাআহ, মাযিন, বারিক, আলমাস, আল-হাজর, আল-আতিক, রাসিব, গামিদ, ওয়ালিবা, সুমালাহ, লিহব, যাহরান, দুহমান, আল-হিদ্দান, শাকর, আক্ক, দাওস, ফাহম, আল-জাহাদিম, আল-আশাকির, আল-কাসামিল এবং আল-ফাহারিদ। দেখুন: নাসাব আদনান ওয়া কাহতান পৃষ্ঠা ৪৪-৪৬, আল-ফুসুস: ৩/২৮১-২৮৫, আল-আনবাহু আলা কাবায়িলির রুওয়াত: পৃষ্ঠা ১০৮, এবং তুফাতুল আসহাব ফি মা'রিফাতিল আনসাব: পৃষ্ঠা ৪৬।
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٢٧٩)
ومعمر بن راشد بصري يكنى أبا عُروة مولى الحُدَّان (1) مات بِالْيَمَن سنة أربع وخمسين [ومائة] ، سمع من الزهري وعمرو بن دينار، وقَتَادَة ويحيى بن أبي إسحاق والأَعْمَش.

ومِنْ أَهْلِ الْكُوفَةِ: سفيان بن سعيد بن مَسْرُوق الثَّوْري، ويكنى أبا عبد الله، مات بالبصرة سنة إحدى وستين ومائة.

ومِنْ أَهْلِ الشَّامِ: عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَمْرٍو الأَوْزاعِي مِنْ سَبَأ سنة إِحْدَى وَخَمسين ومائة (2) . وهُشَيْم بن بَشِير،

--------------------------------------------

(1) قال ابن دريد: الحدّان حيٌّ من الأزد فأخل عليه اللام الأزهري، حُدّان قبيلة في اليمن وبنو حُدّان، - بضم – من بني سعد. لسان العرب: 3/144، مادة ((حدد)) ، وانظر الأزد ومكانتهم في العربية، ص: 348-349، من مجلة الجامعة الإسلامية، العدد: 116، السنة: 34-1422هـ.

(2) كتب الناسخ في هامش الخطية كلمة ((كذا)) ، كأنه يشير إلى أن ذكر ((سبأ)) بدل حمير التي ينتسب إليها الأوزاعي، أو إشارة منه إلى أنه لم يذكر كلمة ((مات)) ، أو أنه لم يكن يرى صحة تحديد سنة وفاته بهذه السنة.
এবং মা'মার ইবনে রাশিদ বসরী, তাঁর উপনাম আবু উরওয়াহ, তিনি হুদ্দান গোত্রের মুক্তদাস (১)। তিনি ইয়েমেনে একশ চুয়ান্ন হিজরী সনে মৃত্যুবরণ করেন; তিনি যুহরী, আমর ইবনে দীনার, কাতাদাহ, ইয়াহইয়া ইবনে আবি ইসহাক এবং আমাশ থেকে (হাদিস) শুনেছেন।

আর কুফাবাসীদের মধ্যে রয়েছেন: সুফিয়ান ইবনে সাঈদ ইবনে মাসরূক আস-সাওরী, তাঁর উপনাম আবু আব্দুল্লাহ; তিনি একশ একষট্টি হিজরী সনে বসরায় মৃত্যুবরণ করেন।

আর শামবাসীদের মধ্যে রয়েছেন: আবদুর রহমান ইবনে আমর আল-আওযায়ী, সাবা থেকে, একশ একান্ন হিজরী সনে (২)। এবং হুশাইম ইবনে বাশীর,

--------------------------------------------

(১) ইবনে দুরাইদ বলেছেন: হুদ্দান হলো আযদ গোত্রের একটি শাখা, আল-আযহারী এতে আল (লাম) যুক্ত করেছেন। হুদ্দান ইয়েমেনের একটি গোত্র এবং বনু হুদ্দান — পেশ (যম্মাহ) যোগে — বনু সা'দ গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। লিসানুল আরব: ৩/১৪৪, মূলধাতু: ((হা-দাল-দাল)), এবং দেখুন 'আল-আযদ এবং আরবি ভাষায় তাদের অবস্থান', পৃষ্ঠা: ৩৪৮-৩৪৯, মাজেলাত আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া (ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় সাময়িকী), সংখ্যা: ১১৬, বর্ষ: ৩৪, ১৪২২ হিজরী।

(২) অনুলিপিকারক মূল পাণ্ডুলিপির পার্শ্বটীকায় "কাজা" (এরূপই আছে) শব্দটি লিখেছেন; মনে হচ্ছে তিনি এর মাধ্যমে ইঙ্গিত করেছেন যে, আওযায়ীর বংশধারা হিসেবে হিমইয়ারের পরিবর্তে 'সাবা' উল্লিখিত হয়েছে, অথবা তিনি 'মারা গেছেন' (মাতা) শব্দটি উল্লেখ না করার দিকে ইঙ্গিত করেছেন, কিংবা তিনি এই নির্দিষ্ট বছরে তাঁর মৃত্যু সাল নির্ধারণ করাকে সঠিক মনে করেননি।
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٢٨٠)
[ل261/أ] مِنْ سُكاَّنِ وَاسِط مولى بني سُلَيْم، يكنى: أبا معاوية، مات سنة ثلاث وثمانين ومائة.

وانتهى علم هؤلاء [الستة وعلم الاثني عشر إلى ستة نفر:] إلى يحيى بن سعيد القطان يكنى أبا سعيد موى بني تميم، مات سنة ثمانٍ وتسعين ومائة.

وإلى يحيى ين زكرياء بن أبي زائدة، ويكن أبا سعيد مولى هَمْدان، مات سنة اثنتين وثمانين ومائة.

وإلى وَكِيعِ بن الجَرَّاح بن مَلِيح بن عَدِي بن فَرَسٍ الرُّؤَاسِي، يكنى أبا سفيان، مات سنة تسع وتسعين ومائة.

وصَارَ عِلْمُ هَؤلَاءِ إلَي ثَلَاثَة: عبد الله بن المبارك مولى بني حَنْظَلَة خُرَاسَاني، ومات بِهِيْت (1) سنة إحدى وثمانين ومائة،

وعَبد الرحمن بن مهدي مولى الأزْد يكنى أبا سعيد، مات ثمان وتسعين ومائة.

[ويحيى بن آدم ويكنى أبا زكريا وهو مولى خالد بن عبد الله بن أسد (2) مات سنة ثلاث ومائتين] (3) .

--------------------------------------------

(1) هيت: تقدمت تعريفها في رواية رقم: 515.

(2) في الخطية كلمة ((أسد)) غير واضح، كأنها ((أسيد)) والتصحيح من ترجمة خالد بن عبد الله، انظر التقريب:

1/189.

(3) أخرجه ابن المديني في العلل: 1/37 –40، وابن أبي حاتم في الجرح والتعديل: 1/59، و128، و186، و220، و234، و252، وابن مندة في شروط الأئمة: 1/33-40، والخطيب في تاريخه: 9/9، و10/400، و14/115، و178، و179، وفي الجامع لأخلاق الراوي: 2/294، والرامهرمزي في المحدث الفاصل: 1/616-620، والمزي في تهذيب الكمال: 18/347، و31/550-551، والذهبي في تذكرة الحفاظ: 1/111، و360، وسير أعلام النبلاء:

5/345، و9/526، و11/78-89، من طريق أحمد بن يحيى بن الجارود وعلي بن أحمد بن النضر ومحمد بن أحمد البراء وأبو علي صالح بن محمد وحنبل بن إسحاق كلهم عن علي بن المديني به. عند بعضهم مطولا وعند بعضهم مختصرا.
[ল২৬১/ক] ওয়াসিতের অধিবাসী, বনু সুলাইমের মুক্তদাস, তাঁর উপনাম আবু মুয়াবিয়া; তিনি ১৮৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

এবং এই [ছয়জনের ইলম এবং বারোজনের ইলম গিয়ে পৌঁছেছে ছয়জন ব্যক্তির নিকট:] ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান পর্যন্ত, যাঁর উপনাম আবু সাঈদ, তিনি বনু তামিমে মুক্তদাস, তিনি ১৯৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

এবং ইয়াহইয়া বিন যাকারিয়া বিন আবি যাইদাহ পর্যন্ত, যাঁর উপনাম আবু সাঈদ, তিনি হামদানের মুক্তদাস, তিনি ১৮২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

এবং ওয়াকী বিন আল-জাররাহ বিন মালিহ বিন আদি বিন ফারাস আর-রুয়াসী পর্যন্ত, যাঁর উপনাম আবু সুফিয়ান, তিনি ১৯৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

এবং এই ব্যক্তিদের ইলম তিনজনের নিকট এসে স্থিত হয়েছে: বনু হানযালার মুক্তদাস খুরাসানি আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক, তিনি ১৮১ হিজরিতে হীত (১) নামক স্থানে মৃত্যুবরণ করেন,

এবং আবদুর রহমান বিন মাহদী, আল-আযদ গোত্রের মুক্তদাস, তাঁর উপনাম আবু সাঈদ, তিনি ১৯৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

[এবং ইয়াহইয়া বিন আদম, যাঁর উপনাম আবু যাকারিয়া, তিনি খালিদ বিন আবদুল্লাহ বিন আসাদের (২) মুক্তদাস, তিনি ২০৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন] (৩)।

--------------------------------------------

(১) হীত: ৫১৫ নং বর্ণনায় এর পরিচয় ইতিপূর্বে প্রদান করা হয়েছে।

(২) পাণ্ডুলিপিতে 'আসাদ' শব্দটি অস্পষ্ট, মনে হচ্ছে যেন এটি 'উসাইদ'। এর সঠিক পাঠ খালিদ বিন আবদুল্লাহর জীবনী থেকে নেওয়া হয়েছে, দেখুন আত-তাকরীব: ১/১৮৯।

(৩) এটি ইবনুল মাদীনী 'আল-ইলাল' গ্রন্থে (১/৩৭-৪০), ইবনে আবি হাতিম 'আল-জারহ ওয়াত তা'দীল' গ্রন্থে (১/৫৯, ১২৮, ১৮৬, ২২০, ২৩৪, ২৫২), ইবনে মান্দাহ 'শুরুতুল আইম্মাহ' গ্রন্থে (১/৩৩-৪০), আল-খাতীব তাঁর 'তারিখ' গ্রন্থে (৯/৯, ১০/৪০০, ১৪/১১৫, ১৭৮, ১৭৯) এবং 'আল-জামি' লি-আখলাকির রাওয়ি' গ্রন্থে (২/২৯৪), আর-রামাহুরমুযী 'আল-মুহাদ্দিসুল ফাসিল' গ্রন্থে (১/৬১৬-৬২০), আল-মিযযী 'তাহযীবুল কামাল' গ্রন্থে (১৮/৩৪৭, ৩১/৫৫০-৫৫১), আয-যাহাবী 'তাযকিরাতুল হুফফায' গ্রন্থে (১/১১১, ৩৬০) এবং 'সিয়ারু আ'লামিন নুবালা' গ্রন্থে (৫/৩৪৫, ৯/৫২৬, ১১/৭৮-৮৯) বর্ণনা করেছেন। এটি আহমদ বিন ইয়াহইয়া বিন আল-জারুদ, আলী বিন আহমদ বিন আন-নাদর, মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-বাররা, আবু আলী সালিহ বিন মুহাম্মদ এবং হাম্বল বিন ইসহাক—তাঁরা সকলে আলী বিন আল-মাদীনীর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। তাঁদের কারো বর্ণনায় এটি বিস্তারিতভাবে এবং কারো বর্ণনায় সংক্ষিপ্তভাবে এসেছে।
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٢٨١)
1224- قال (1) : حدثنا الرياشي، حدثنا الأصمعي، عن أبي الأَشْهَب جعفر بن حيان قال: سمعت الأحنف يقول: الأَفْعَى تُحَكِّكُ فِي بَيْتِي أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ أَيِّمٍ رَدَدْتُ عَنْهَا كُفُؤاً (2) .

1225- قال (3) : أنشدنا خلف لابن شُبْرُمَة (4) :

لَقَدْ كَانَ فِيهَا لِلأَمَانَةِ مَوْضِعٌ

 

وَلِلْكَفِّ مُرْتَادٌ وَلِلْعَيْنِ مَنْظَرُ

ولِلْحَائِم (ِ (5) الصَّادي (6) رِيٌّ بِرِيقِهَا

 

وَلِلطَّرْبِ الْمُشْتَاقِ خَمْرٌ وَمُسْكِرُ (7)

--------------------------------------------

(1) القائل هو: أبو روق الهزاني.

(2) رجاله إسناده ثقات، إلا الأحنف لم أميّزه.

ذكره الجاحظ في البيان والتبيين: 1/314 ولفظه: ((ثلاث لا أناة فيهنَّ عندي، قيل: وما هنَّ يا أبا بحر؟، قال:

المبادرة بالعمل الصالح، وإخراج ميتك، وأن تُنكح الكفء أيمك، وكان يقول: لأفعى تحكك في ناحية بيتي أحب

إلي من أيِّم رددت عنها كفؤاً، وكان يقال: ما بعد الصواب إلا الخطأ، وما بعد منعهنّ من الأكفاء إلا بذلهنّ

للسفلة والغوغاء.

(3) القائل هو: أبو روق الهزاني.

(4) ابن شبرمة: عبد الله بن شبرة بضم المعجمة وسكون الموحدة وضم الراء بن الطفيل الضبي أبو شبرمة ثقة فقيه. التقريب: 1/307.

(5) الحائم: من حام، يقال: حام الرَّجل، إذا عطش، فهو حائم. انظر المنجد في اللغة والأعلام: 0/164.

(6) الصادي: من صَدِيَ، يَصْدَى، صَدًى، أي عطش شديداً، فهو صدٍ، وصادٍ، وصَدْيان، والصَّدَى: العطش الشديد. انظر المنجد في اللغة والأعلام: 0/420.

(7) البيتان لقيس بن ذريح في لُبْنى ضمن أبيات كما ذكرها أبو الفرج الأصبهاني في الأغاني: 9/238-239.
১২২৪- তিনি (১) বলেছেন: রিয়াশি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আসমায়ি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আশহাব জাফর ইবনে হাইয়ান থেকে, তিনি বলেন: আমি আহনাফকে বলতে শুনেছি: "আমার ঘরে একটি বিষধর সাপের নড়াচড়ার শব্দ হওয়া আমার কাছে অধিক প্রিয় এমন একজন অবিবাহিতা নারীর তুলনায়, যার জন্য আসা কোনো উপযুক্ত পাত্রকে আমি ফিরিয়ে দিয়েছি (২)।"

১২২৫- তিনি (৩) বলেছেন: খালাফ আমাদের কাছে ইবনে শুবরুমার (৪) কবিতা আবৃত্তি করেছেন:

নিশ্চয়ই তার মাঝে বিশ্বস্ততার একটি স্থান ছিল

 

এবং হাতের জন্য ছিল বিচরণস্থল আর চোখের জন্য ছিল মনোরম দৃশ্য

তৃষ্ণার্ত (৫) ও অতিপিপাসার্তের (৬) জন্য তার লালা ছিল তৃপ্তিদায়ক

 

আর বিরহী প্রেমিকের জন্য ছিল সুধা ও মাতাল করা বস্তু (৭)

--------------------------------------------

(১) প্রবক্তা হলেন: আবু রওক আল-হাযযানি।

(২) এর সনদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য, তবে আহনাফকে আমি নির্দিষ্টভাবে শনাক্ত করতে পারিনি।

জাহিয এটি 'আল-বায়ান ওয়াত তাবিইন' (১/৩১৪) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং তার পাঠ হলো: "তিনটি কাজে আমার কাছে কোনো বিলম্ব নেই। জিজ্ঞাসা করা হলো: হে আবু বাহর, সেগুলো কী কী? তিনি বললেন:

নেক আমলের দিকে দ্রুত অগ্রসর হওয়া, মৃতদেহ বের (দাফন) করা, এবং তোমার অভিভাবকত্বে থাকা অবিবাহিতা নারীকে কোনো উপযুক্ত পাত্রের সাথে বিবাহ দেওয়া। আর তিনি বলতেন: আমার ঘরের এক কোণে একটি বিষধর সাপের ঘর্ষণের শব্দ করা আমার কাছে অধিক

প্রিয় এমন একজন অবিবাহিতা নারীর তুলনায় যার কাছ থেকে কোনো উপযুক্ত পাত্রকে আমি ফিরিয়ে দিয়েছি। আর বলা হতো: সঠিক সিদ্ধান্তের পরেই কেবল ভুল থাকে, আর উপযুক্ত পাত্রদের থেকে তাদের বাধা দেওয়ার পরেই কেবল তাদের

নিচু ও সাধারণ বিশৃঙ্খল লোকদের হাতে সঁপে দেওয়ার পথ তৈরি হয়।"

(৩) প্রবক্তা হলেন: আবু রওক আল-হাযযানি।

(৪) ইবনে শুবরুমা: আব্দুল্লাহ ইবনে শুবরা—শীন বর্ণে পেশ, বা বর্ণে সাকিন এবং রা বর্ণে পেশ সহ—ইবনুত তুফাইল আদ-দব্বি আবু শুবরুমা, তিনি নির্ভরযোগ্য ফকিহ। আত-তাকরীব: ১/৩০৭।

(৫) আল-হা-ইম: 'হা-মা' ক্রিয়া থেকে আগত, বলা হয়: ব্যক্তিটি তৃষ্ণার্ত হয়েছে, তখন সে তৃষ্ণার্ত। দেখুন 'আল-মুনজিদ ফিল লুগাহ ওয়াল আলাম': ০/১৬৪।

(৬) আস-সা-দি: 'সাদিয়া', 'ইয়াসদা', 'সাদান' থেকে আগত, অর্থাৎ সে প্রচণ্ড তৃষ্ণার্ত হয়েছে; সে তৃষ্ণার্ত ও অত্যন্ত তৃষ্ণার্ত। আর 'আস-সাদা' অর্থ প্রচণ্ড তৃষ্ণা। দেখুন 'আল-মুনজিদ ফিল লুগাহ ওয়াল আলাম': ০/৪২০।

(৭) এই পঙক্তি দুটি কায়েস ইবনে যারীহ লুবনার শানে বলেছেন কিছু পঙক্তির মাঝে, যেমনটি আবু আল-ফারাজ আল-আসফাহানি 'আল-আগানি' (৯/২৩৮-২৩৯) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٢٨٢)
فقِيلَ: مَا بَقِيَ شيْءٌ؟ قال: بَلَى المُوَافَقَة (1) .

1226- قال (2) : وأَنْشَدَنِي لِإِبْنِ شُبْرُمَة. [ل261/ب] (3)

تَرَى طَالِبِ النِّسْوَانِ يَحْسَبُ

 

أَنَّهَا سَوَاءٌ وَبَوْنٌ بَيْنَهُنَّ بَعِيدُ

فَمِنْهُنَّ جنَّاتٌ تَفِيءُ ظِلَالُهَا

 

وَمِنْهُنَّ نِيرَانٌ بِهِنَّ وَقُودُ (4)

 

1227- قال (5) أنْشَدَنا عبدُ الله بن شَبِيْب:

لَئِنْ كَانَتْ الدُّنْيَا بِلُبنى (6) تَقَلَّبَتْ

 

فَلِلدَّهْرِ وَالدُّنْيَا بُطُونٌ وَأَظْهُرُ

وَلِلْكَفِّ مُرْتَادٌ وَلِلْعَيْنِ مَنْظَرُ … لَقَدْ كَانَ فِيهَا لِلأَمَانَةِ مَوْضِعٌ

وَلِلْحَائِمُ الْعَطْشَان ريٌّ برِيقِهَا

 

وَلِلْمَرِحِ الذَّيَّالِ خَمْرٌ وَمُسْكِرُ (7)

1228- قال (8) : أنشدنا محمد بن خَلَف قال: سمع رَجُلٌ إسماعيلَ بنَ

--------------------------------------------

(1) في الخطية ((الرافعة)) وكتب الناسخ في جانب السطر ((الموافقة)) وفوفها ((صح)) .

(2) القائل هو: أبو روق الهزاني) .

(3) في الخطية ما نصّه: ((لقد كان فيها للأمانة موضع وللكف مرتاد وللعين منظر)) وعليه علامة الضرب.

(4) ذكر الماوردي البيتين في أدب الدنيا والدين: 0/133.

(5) القائل هو: أبو روق الهزاني.

(6) في الخطية ((بليلى)) والتصحيح من الأغاني.

(7) انظر تخريجها في الرواية رقم: 539.

(8) القائل هو: أبو روق الهزاني) .
বলা হলো: "কিছু কি আর বাকি আছে?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ, অনুকূলতা (১)।"

১২২৬- তিনি (২) বললেন: ইবনে শুবরুমাহ্-এর এই কবিতাটি তিনি আমাকে শুনিয়েছেন: [পৃষ্ঠা ২৬১/খ] (৩)

তুমি নারীদের অন্বেষণকারীকে দেখবে সে মনে করে

 

তারা সবাই সমান, অথচ তাদের মধ্যে ব্যবধান অনেক দীর্ঘ।

তাদের মধ্যে কেউ ছায়াযুক্ত জান্নাতের মতো,

 

আবার কেউ প্রজ্বলিত আগুনের মতো যা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয় (৪)।

 

১২২৭- তিনি (৫) বললেন, আব্দুল্লাহ ইবন শাবীব আমাদের শুনিয়েছেন:

যদি লুবনার (৬) কারণে দুনিয়া পরিবর্তিত হয়ে থাকে,

 

তবে কাল ও জগতের উদর ও পিঠ (অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক দিক) রয়েছে।

হাতের জন্য রয়েছে বিচরণস্থল এবং চোখের জন্য রয়েছে দৃশ্য … তাতে আমানতের জন্য স্থান ছিল।

তৃষ্ণার্ত হাহাকারকারীর জন্য তার লালা ছিল পরিতৃপ্তি,

 

আর দাম্ভিক অহংকারীর জন্য ছিল সুরা ও নেশা (৭)।

১২২৮- তিনি (৮) বললেন: মুহাম্মদ ইবন খালাফ আমাদের শুনিয়েছেন, তিনি বলেছেন: এক ব্যক্তি ইসমাইল ইবন... কে শুনতে পেলেন।

--------------------------------------------

(১) পাণ্ডুলিপিতে 'আর-রাফিয়া' আছে, তবে লিপিকার পার্শ্বটীকাতে 'আল-মুয়াফাকাহ' (অনুকূলতা) লিখেছেন এবং এর উপরে 'সহিহ' (সঠিক) চিহ্ন দিয়েছেন।

(২) বক্তা হলেন: আবু রওক আল-হাযানি।

(৩) পাণ্ডুলিপিতে পাঠটি হলো: "নিশ্চয়ই তাতে আমানতের জন্য স্থান ছিল, হাতের জন্য বিচরণস্থল এবং চোখের জন্য ছিল দৃশ্য" এবং এর ওপর কাটার চিহ্ন রয়েছে।

(৪) আল-মাওয়ার্দি তাঁর 'আদাবুদ দুনিয়া ওয়াদ দীন' গ্রন্থের ০/১৩৩ পৃষ্ঠায় এই দুটি কবিতা উল্লেখ করেছেন।

(৫) বক্তা হলেন: আবু রওক আল-হাযানি।

(৬) পাণ্ডুলিপিতে 'লায়লার মাধ্যমে' রয়েছে, 'আল-আগানি' গ্রন্থ থেকে সংশোধন করা হয়েছে।

(৭) এর সূত্র দেখুন ৫৩৯ নম্বর বর্ণনায়।

(৮) বক্তা হলেন: আবু রওক আল-হাযানি।
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٢٨٣)
حَمَّاد بن أبي حنيفة (1) ينْشُدُ:

وَمَا نِلْتُ مِنْهاَ لَذَّةً غَيْرَ أَنَّنِي

 

إِذَا هِيَ بَاَلتْ بُلْتُ حَيْثُ تَبُولُ

وَإنْ ذُكِرَتْ حَنَّ الْفُؤَادُ لِذِكْرِهَا

 

وظَلَّ عَمُودُ الْخُصْيَتَيْنِ يَجُولُ

 

قال: وَلَمَّا عُزِلَ عَنْ قَضَاءِ الْبَصْرَةِ شَيَّعَهُ أَهْلُ الْبَصْرَةِ، وَقَالُوا: عَفَفْتَ عَنْ أَمْوَاِلنَا وأَعْرَاضِنَا، قال: نَعم، وَعَنْ أَوْلَادِكُمْ يُعَرِّضُ بيحيى بن أَكْثم (2) .

1229- قال (3) : وأَنْشَدَ أَبُو صَخْرَةَ الرِّيَاشِي (4) فِي يحيى بن أَكْثم:

أَنْطَقَنِي الدَّهْرُ بَعْدَ إِخْرَاسِ

 

لِنَائِبَاتٍ أَطَلْنَ (5) وَسْوَاسِي

--------------------------------------------

(1) إسماعيل بن حماد بن أبي حنيفة: الكوفي، قال صالح بن محمد: كان جهميا ليس بثقة. وقال ابن عدي: ضعيف. وقال يوسف: كان ثقة صدوقا لم يغمزه سوى الخطيب، وتعقبه ابن حجر بقوله: قد غمزه من هو أعلم به من الخطيب، فبطل الحصر الذي ادعاه. تاريخ بغداد: 6/243، ميزان الاعتدال: 1/26، لسان الميزان: 1/398.

(2) وقوله: (حنّ) في الخطية يمكن قراءة هذه الكلمة ب (خرّ) أيضاً، ولكن المثبت أليق، والله أعلم.

أخرجه الخطيب في تاريخ بغداد: 6/244، عن أبي الطيب طاهر بن عبد الله الطبري، عن المعافى بن زكرياء، عن محمد ابن أحمد بن إبراهيم الحكمي قال: قال أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ القاسم فذكره مختصرا. وهو مذكور في تهذيب الكمال للمزي: 31/212، وفي لسان الميزان لابن حجر: 1/399، بدون إسناد.

(3) القائل هو: أبو روق الهزاني.

(4) أبو صخرة الرياشي: هو العباس بن فرج، وكنيته أبو الفضل، ولم أجد من كنّاه بهذه الكنية ممن ترجم له.

(5) في الخطية (أطن) وفي الهامش (أطلن) وفوقها (صح) .
হাম্মাদ ইবনে আবু হানিফা (১) আবৃত্তি করছেন:

তার থেকে আমি কোনো স্বাদ লাভ করিনি, কেবল এটি ছাড়া যে—

 

সে যখন প্রস্রাব করত, তখন সে যেখানে প্রস্রাব করেছে আমিও সেখানে প্রস্রাব করতাম।

আর যখনই তাকে স্মরণ করা হয়, তখন তার স্মরণে অন্তর ব্যাকুল হয়ে ওঠে,

 

এবং অণ্ডকোষের দণ্ডটি বিচরণ করতে থাকে।

 

তিনি বললেন: যখন তাকে বসরার কাজি পদ থেকে অপসারণ করা হলো, তখন বসরার অধিবাসীরা তাকে বিদায় জানাতে এলো। তারা বলল: "আপনি আমাদের সম্পদ এবং সম্মানের ব্যাপারে সংযত ছিলেন।" তিনি বললেন: "হ্যাঁ, এবং তোমাদের সন্তানদের ব্যাপারেও (সংযত ছিলাম)।" তিনি এর মাধ্যমে ইয়াহইয়া ইবনে আকসাম (২)-কে ইঙ্গিত করছিলেন।

১২২৯- তিনি (৩) বলেন: আবু সাখরাহ আর-রিয়াশি (৪) ইয়াহইয়া ইবনে আকসাম সম্পর্কে আবৃত্তি করেছেন:

কাল আমাকে নির্বাক থাকার পর কথা বলিয়েছে,

 

এমন সব বিপদের কারণে যা আমার দুশ্চিন্তাকে দীর্ঘায়িত (৫) করেছে।

--------------------------------------------

(১) ইসমাইল ইবনে হাম্মাদ ইবনে আবু হানিফা: আল-কুফি। সালিহ ইবনে মুহাম্মদ বলেন: সে ছিল একজন জাহমি, বিশ্বস্ত নয়। ইবনে আদি বলেন: দুর্বল। ইউসুফ বলেন: সে বিশ্বস্ত ও সত্যবাদী ছিল, আল-খাতিব ব্যতীত কেউ তার সমালোচনা করেননি। ইবনে হাজার এর প্রতিবাদ করে বলেন: আল-খাতিবের চেয়েও তাকে সম্পর্কে অধিক জ্ঞানী ব্যক্তিরা তার সমালোচনা করেছেন, সুতরাং তার দাবিকৃত সীমাবদ্ধতাটি বাতিল হয়ে যায়। তারিখ বাগদাদ: ৬/২৪৩, মিজানুল ইতিদাল: ১/২৬, লিসানুল মিজান: ১/৩৯৮।

(২) এবং তার উক্তি: (হান্না/ব্যাকুল হওয়া) পাণ্ডুলিপিতে এই শব্দটি (খাররা/পতিত হওয়া) হিসেবেও পড়া সম্ভব, তবে যা সাব্যস্ত হয়েছে সেটিই অধিক উপযুক্ত, আর আল্লাহই ভালো জানেন।

আল-খাতিব এটি তারিখ বাগদাদে (৬/২৪৪) বর্ণনা করেছেন আবু তাইয়্যেব তাহের ইবনে আব্দুল্লাহ আত-তাবারী থেকে, তিনি আল-মুয়াফা ইবনে যাকারিয়া থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে ইবরাহিম আল-হাকামি থেকে; তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আল-কাসিম এটি সংক্ষেপে উল্লেখ করেছেন। এটি মিযযি-র তাহযিবুল কামাল: ৩১/২১২ এবং ইবনে হাজারের লিসানুল মিজান: ১/৩৯৯-এ কোনো সনদ ছাড়াই বর্ণিত হয়েছে।

(৩) বক্তা হলেন: আবু রওক আল-হাযযানি।

(৪) আবু সাখরাহ আর-রিয়াশি: তিনি হলেন আব্বাস ইবনে ফারাজ, তার উপনাম হলো আবুল ফজল। যারা তার জীবনী লিখেছেন তাদের মধ্যে কাউকে তাকে এই উপনামে ভূষিত করতে দেখিনি।

(৫) পাণ্ডুলিপিতে (আতান্না) এবং পার্শ্বটীকায় (আতালনা) রয়েছে এবং তার উপরে (সহিহ) লেখা আছে।
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٢٨٤)
يَرْفَعُ نَاسًا يَحُطُّ مِنْ نَاسِ … ياَ بُؤْسَ لِلدَّهْرِ لَا يَزَالُ كَمَا

بِطُولِ نَكْسٍ وَطُولِ أَنْفَاسِ [ل262/أ] … لَا أَفْلَحَتْ أُمَّةٌ وَحُقَّ لَهَا

وَلَيْسَ يَحْيَى لَهَا بِسَّوَاسِ … تَرْضَى بِيَحْيَى يَكُونُ سَائِسَهَا

وَلَا يَرَى عَلَى مَنْ يَلُوطُ مِنْ بَأْسِ … قَاضٍ يَرَى الْحَدَّ فِي الزِّنَا

مِثْلِ جَرِيرٍ ومِثْلِ عبَّاسِ … يَحْكُمُ لِلْأَمْرَدِ الْغَرِيرِ عَلَى

الْعَدْلُ وَقَلَّ الْوَفَاءُ فِي النَّاسِ … فَالْحَمْدُ لِلَّهِ كَيْفَ قَدْ ذَهَبَ

يَلُوطُ وَالرَّاشِ شرَّ مَا رَاشِ … أَمِينُهَا يَرْتَشِي وَحَاكِمُنَا

قَامَ عَلَى النَّاسِ كُلُّ مِقْيَاسِ … لَوْ صَلَحَ الدِّينُ وَاسْتَقَامَ لَقَدْ

لَاأَحْسَبُ الْجَوْرَ يَنْتَفِي وَعَلَى الْ

 

أُمَّةِ قَاضٍٍٍ مِنْ آلِ عَبَّاسِ (1)

 

1230- قال (2) : حدثنا الرِّيَاشِي، حدثنا الحُسَيْن بن محمد الذَّرَّاع (3) ، حدثنا عمر

ابن هارون البلخي (4) ، عن قرة بن خالد قال: سأَلَ رَجُلٌ م

--------------------------------------------

(1) أخرجه الخطيب في تاريخ بغداد: 14/195-196، عن أبي روق الهزاني به. وورد في البيت الثالث عند الخطيب ((اتّعاس)) بدل ((أنفاس)) . وفي البيت الثامن ((أميرنا)) بدل ((أمينها)) ، وهو أشبه بالصواب، وفي البيت الأخير ((ينقضي)) بدل ((ينتفي)) . وقال الخطيب: ليست هذه الأبيات للرياشي إنما هي لأحمد بن أبي نعيم.

(2) القائل: أبو روق الهزاني.

(3) الحسين بن محمد الزراع: بن أيوب وقيل الذارع، السعدي أبو علي البصري، وثقه أبو حاتم والنسائي. وقال ابن حجر: صدوق. مات سنة سبع وأربعين ومائتين. الجرح والتعديل: 3/64، الثقات: 8/190، تهذيب الكمال:

6/469، التقريب: 1/168.

(4) عمر بن هارون البلخي: بن يزيد الثقفي، قال ابن سعد، تركوا حديثه. وقال ابن معين: ليس بشيء. وقال أحمد: لا أروي عنه شيئا. وتركه النسائي وصالح بنمحمد الحافظ وأبو علي الحافظ وابن حجر. وقال الساجي والدارقطني: ضعيف. وقال أبو نعيم: حدث عن ابن جريج والأوزاعي وشعبة بالمناكير لا شيء. الضعفاء والمتروكون: 0/85، الجرح والتعديل: 6/140، المجروحين: 2/90، الضعفاء لأبي نعيم: 0/113، تهذيب الكمال: 21/520، التقريب: 1/41.
সে কোনো সম্প্রদায়কে উচ্চ করেন এবং কোনো সম্প্রদায়কে নিচু করেন … ধিক এই জামানার প্রতি, যা সর্বদা একইভাবে বিদ্যমান থাকে

দীর্ঘ দুর্ভাগ্য এবং দীর্ঘশ্বাসের সাথে [ল২৬২/ক] … কোনো জাতিই সফল হয়নি আর তাদের জন্য এটিই অবধারিত ছিল

যখন ইয়াহইয়া তাদের জন্য কোনো উপযুক্ত পরিচালক নয় … তারা সন্তুষ্ট হয়েছে যে ইয়াহইয়া তাদের শাসনকর্তা হবে

অথচ সে পুংমৈথুনকারীর মধ্যে কোনো দোষ দেখে না … এমন একজন বিচারক যে ব্যভিচারের দণ্ড প্রত্যক্ষ করে

যেমন জারীর এবং যেমন আব্বাস … সে অবুঝ কিশোরের পক্ষে ফয়সালা দেয়

ন্যায়বিচার এবং মানুষের মধ্যে বিশ্বস্ততা কমে গিয়েছে … সুতরাং সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, কীভাবে তা বিলীন হলো

সে পুংমৈথুন করে আর ঘুষ প্রদানকারী সবচেয়ে নিকৃষ্ট যা সে প্রদান করে … তার বিশ্বস্ত ব্যক্তি ঘুষ গ্রহণ করে এবং আমাদের শাসক

মানুষের উপর সকল পরিমাপদণ্ড দাঁড়িয়ে গিয়েছে … যদি দ্বীন সঠিক ও সুদৃঢ় থাকত তবে অবশ্যই

আমি মনে করি না যে জুলুম দূরীভূত হবে যতক্ষণ পর্যন্ত এই

 

জাতির উপর আব্বাস বংশীয় কোনো বিচারক থাকবে (১)

 

১২৩০- তিনি (২) বললেন: রিয়াশি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুসাইন ইবন মুহাম্মদ আদ-দারা (৩) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উমর ইবন হারুন আল-বালখি (৪) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কুররা ইবন খালিদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল...

--------------------------------------------

(১) আল-খতিব এটি 'তারিখ বাগদাদ' গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন: ১৪/১৯৫-১৯৬, আবু রওক আল-হাজানি থেকে। আল-খতিবের নিকট তৃতীয় পঙ্ক্তিতে 'আনফাস' (শ্বাস-প্রশ্বাস) এর স্থলে 'ইত'আস' (দুর্ভোগ) শব্দ এসেছে। অষ্টম পঙ্ক্তিতে 'আমিনুহা' (তার বিশ্বস্ত ব্যক্তি) এর স্থলে 'আমিরুনা' (আমাদের আমির) এসেছে, যা সঠিক হওয়ার অধিক কাছাকাছি। শেষ পঙ্ক্তিতে 'ইয়ানতাফি' (নিবৃত হওয়া) এর স্থলে 'ইয়ানকাদি' (শেষ হওয়া) শব্দ এসেছে। আল-খতিব বলেন: এই পঙ্ক্তিগুলো রিয়াশির নয় বরং এগুলো আহমাদ ইবন আবি নুয়াইম-এর।

(২) বক্তা হলেন: আবু রওক আল-হাজানি।

(৩) হুসাইন ইবন মুহাম্মদ আদ-দারা: ইবন আইয়ুব, কারো মতে আদ-দারা’, আস-সাদি আবু আলি আল-বাসরি। আবু হাতিম ও আন-নাসায়ি তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবন হাজার বলেছেন: সত্যবাদী। তিনি ২৪৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। আল-জারহ ওয়াত তাদিল: ৩/৬৪, আস-সিকাত: ৮/১৯০, তাহজিবুল কামাল:

৬/৪৬৯, আত-তাক্রিব: ১/১৬৮।

(৪) উমর ইবন হারুন আল-বালখি: ইবন ইয়াজিদ আস-সাকাফি। ইবন সাদ বলেন, মুহাদ্দিসগণ তার হাদিস বর্জন করেছেন। ইবন মাঈন বলেন: তিনি কিছুই নন। আহমাদ বলেন: আমি তার থেকে কিছুই বর্ণনা করি না। আন-নাসায়ি, সালিহ ইবন মুহাম্মদ আল-হাফিজ, আবু আলি আল-হাফিজ এবং ইবন হাজার তাকে বর্জন করেছেন। আস-সাজি এবং আদ-দারাকুতনি বলেন: দুর্বল। আবু নুয়াইম বলেন: তিনি ইবন জুরাইজ, আওজায়ি এবং শু'বা থেকে ভিত্তিহীন (মুনকার) বর্ণনা করেছেন, তিনি কিছুই নন। আদ-দুয়াফা ওয়াল মাত্রুকুন: ০/৮৫, আল-জারহ ওয়াত তাদিল: ৬/১৪০, আল-মাজরুহিন: ২/৯০, আদ-দুয়াফা (আবু নুয়াইম): ০/১১৩, তাহজিবুল কামাল: ২১/৫২০, আত-তাক্রিব: ১/৪১।
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٢٨٥)
حمدَ بْنَ سِيرينَ عن حديثٍ وقَدْ أَرَادَ أَنْ يَقُومَ فَقَالَ:

إِنَّكَ إِنْ كَلَّفْتَنِي مَالَمْ أُطِقْ سَاءَكَ مَاسَرَّكَ مِنِّي مِنْ خُلُقْ (1)

1231- قال (2) : حدثنا الرِّيَاشِي، عَنْ الأَصْمَعِي، عن نَافِع بن أبي نعيم (3) قال: ((مات عكرمةُ وكثيِّرُ (4) في يومٍ واحدٍ)) (5) .

--------------------------------------------

(1) إسناده ضعيف جداًّ فيه عمر بن هارون البلخي وهو متروك.

أخرجه الخطيب في الجامع لأخلاق الراوي: 1/215، من طريق أبو روق الهزاني به.

وأخرجه أبو نعيم في حلية الأولياء: 2/265، من طريق محمد بن جشم، عن أبي سعيد الأشج، عن عمر بن هارون به. وذكره السيوطي عن ابن سيرين في تدريب الراوي: 2/146.

(2) القائل هو: أبو روق الهزاني.

(3) نافع بن أبي نعيم: نافع بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي نعيم أبو رويم المقرئ، وثقه ابن سعد وابن معين، وقال أحمد: كان يؤخذ عنه القرآن وليس في الحديث بشيء. وقال أبو حاتم: صدوق. وقال النسائي: ليس به بأس. وذكره ابن حبان في الثقات. وقال الساجي وابن حجر صدوق. وقال ابن حجر: ثبت في القراءة. مات سنة تسع وستين ومائة. الجرح والتعديل: 8/456، الثقات: 7/532، طبقات المحدثين بأصبهان: 1/381، تهذيب الكمال: 29/281، التقريب: 1/558.

(4) كثيّر: بضم الكاف وفتح الثاء وكسر الياء المشددة بعدها راء، وهو أبو صخر كثيّر بن عبد الرحمن بن الأسود الخزاعي المدني، قال الذهبي من فحول الشعراء، كان شيعيّا، يقول بتناسح الأرواح، وكان خبيثا، يؤمن بالرجعة، مات هو وعكرمة في يوم سنة سبع ومائة. انظر سير أعلام النبلاء: 5/152.

(5) رجال إسناده كلهم ثقات.

أخرجه ابن سعد في الطبقات الكبرى: 5/292، وابن عبد البر في التمهيد: 2/35، والمزي في تهذيب الكمال:

20/291، من طريق محمد بن عمر الواقدي قال: حدثني خالد بن القاسم البياض قال: ((مات عكرمة وكثيّر عزة الشاعر في يوم واحد سنة خمس ومائة … )) .

وأخرجه المزي في تهذيب الكمال: 20/290، والذهبي في سير أعلام النبلاء: 5/34، ميزان الاعتدال: 5/119، عن الدراوردي من قوله، ولم يذكر سنة الوفاة.

وأخرجه ابن عدي في الكامل: 5/1906 من طريق أبي معشر، وابن عبد البر في التمهيد: 2/35، من طريق المفضل

ابن فضالة، والذهبي في ميزان الاعتدال: 5/119، من طريق سليمان بن معبد السبخي، قالوا: ((مات عكرمة وكثيّر عزة في يوم واحد في المحرم سنة تسع ومائة)) . ولم يذكر سليمان السبخي سنة الوفاة.
মুহাম্মদ ইবনে সিরীন থেকে একটি হাদীস সম্পর্কে বর্ণিত, তিনি যখন উঠে দাঁড়াতে চাইলেন তখন বললেন:

নিশ্চয় তুমি যদি আমাকে এমন কাজের দায়িত্ব দাও যা করার সামর্থ্য আমার নেই, তবে আমার যে চরিত্র তোমাকে আনন্দিত করেছিল তা তোমাকে ব্যথিত করবে। (১)

১২৩১- তিনি (২) বলেন: রিয়াশী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আসমায়ী থেকে, তিনি নাফি ইবনে আবি নুয়াইম (৩) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "ইকরিমা এবং কুসাইয়ির (৪) একই দিনে মৃত্যুবরণ করেছেন।" (৫) .

--------------------------------------------

(১) এর সনদ অত্যন্ত দুর্বল। এতে উমর ইবনে হারুন আল-বালখি রয়েছেন, যিনি মাতরুক (পরিত্যক্ত)।

খতীব এটি আল-জামি লি আখলাকির রাবি: ১/২১৫-এ আবু রূক আল-হাজ্জানি-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

আবু নুয়াইম এটি হিলইয়াতুল আউলিয়া: ২/২৬৫-এ মুহাম্মদ ইবনে জাশম-এর সূত্রে আবু সাঈদ আল-আশাজ থেকে, তিনি উমর ইবনে হারুন থেকে বর্ণনা করেছেন। সুয়ূতী ইবনে সিরীন থেকে এটি তাদরীবুর রাবি: ২/১৪৬-এ উল্লেখ করেছেন।

(২) বক্তা হলেন: আবু রূক আল-হাজ্জানি।

(৩) নাফি ইবনে আবি নুয়াইম: নাফি ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবি নুয়াইম আবু রুয়াইম আল-মুকরি। ইবনে সাদ ও ইবনে মাঈন তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আহমাদ বলেছেন: তার থেকে কুরআন গ্রহণ করা হতো, তবে হাদীস বর্ণনায় তিনি তেমন কিছুই নন। আবু হাতিম বলেছেন: সত্যবাদী। নাসায়ী বলেছেন: এতে কোনো সমস্যা নেই। ইবনে হিব্বান তাকে 'আস-সিকাত' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। সাজি এবং ইবনে হাজার তাকে সত্যবাদী বলেছেন। ইবনে হাজার বলেছেন: কিরাআতের ক্ষেত্রে তিনি সুপ্রতিষ্ঠিত। তিনি ১৬৯ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। আল-জারহু ওয়াত তা'দীল: ৮/৪৫৬, আস-সিকাত: ৭/৫৩২, তাবাকাতুল মুহাদ্দিসীন বি-আসফাহান: ১/৩৮১, তাহযীবুল কামাল: ২৯/২৮১, আত-তাকরীব: ১/৫৫৮।

(৪) কুসাইয়ির: কাফ বর্ণে পেশ, সা বর্ণে জবর এবং ইয়া বর্ণে তাসদীদসহ যের ও এরপর রা যোগে। তিনি হলেন আবু সাখর কুসাইয়ির ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আসওয়াদ আল-খুজায়ী আল-মাদানি। যাহাবী বলেছেন: তিনি কবিদের মধ্যে অত্যন্ত দক্ষ ছিলেন। তিনি শিয়া মতাবলম্বী ছিলেন, জন্মান্তরবাদে বিশ্বাস করতেন এবং তিনি মন্দ লোক ছিলেন। তিনি 'রাজআত' বা পুনরাগমনবাদে বিশ্বাস করতেন। তিনি ও ইকরিমা একই দিনে ১০৭ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: সিয়ারু আ'লামিন নুবালা: ৫/১৫২।

(৫) এই সনদের সকল বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য।

ইবনে সাদ এটি আত-তাবাকাতুল কুবরা: ৫/২৯২, ইবনে আব্দুল বার আত-তামহীদ: ২/৩৫ এবং মিযযী তাহযীবুল কামাল: ২০/২৯১-এ মুহাম্মদ ইবনে উমর আল-ওয়াকিদী-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: খালিদ ইবনে কাসিম আল-বায়াদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "ইকরিমা এবং কবি কুসাইয়ির আজ্জা ১০৫ হিজরীতে একই দিনে মৃত্যুবরণ করেছেন …" ।

মিযযী এটি তাহযীবুল কামাল: ২০/২৯০ এবং যাহাবী সিয়ারু আ'লামিন নুবালা: ৫/৩৪ ও মীযানুল ইতিদাল: ৫/১১৯-এ দারাওয়ার্দীর উক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি মৃত্যুর বছর উল্লেখ করেননি।

ইবনে আদী এটি আল-কামিল: ৫/১৯০৬-এ আবু মা'শার-এর সূত্রে, ইবনে আব্দুল বার আত-তামহীদ: ২/৩৫-এ মুফাদদাল ইবনে ফাদালাহ-এর সূত্রে এবং যাহাবী মীযানুল ইতিদাল: ৫/১১৯-এ সুলাইমান ইবনে মা'বাদ আস-সাবখি-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন; তারা বলেছেন: "ইকরিমা এবং কুসাইয়ির আজ্জা ১০৯ হিজরীর মহরম মাসে একই দিনে মৃত্যুবরণ করেছেন।" সুলাইমান আস-সাবখি মৃত্যুর বছর উল্লেখ করেননি।
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٢٨٦)
1232- قال (1) : حدثنا الرِّياشِي (2) ، حدثنا أَبُو عاصم (3) ، عن عبد الله بن الوليد، عن محمد ابن عبد الرحمن قال: سمعت ابْنَ الزُّبَيْر يقول: ((ما أَصَابَنِي فِي عَمَلِي هَذَا شَيْءٌ إِلَاّ وَقَدْ أَخْبَرَنِي بِهِ كَعْبٌ، وقال: الطَّيْرُ لَا يَرْفَعُ فِي السَّمَاءِ أَكْثَرَ مِنْ اثْنَي عَشَرَ مِيلاً، وَِإنَّ الذِّئْبَ يُكَنَّى أَبَاجَعْدَة، وَإنَّ الطِّلَاءَ خَمْرٌ)) (4) . [ل262/ب]

--------------------------------------------

(1) القائل: أبو روق الهزاني) .

(2) هنا في الخطية ((عن الأصمعي)) : وعليه علامة الضرب.

(3) أبو عاصم: الضحاك بن مخلد النبيل.

(4) رجاله إسناده ثقات.

ذكر ابن حجر شطره الأول في الإصابة 5/650، في ترجمة كعب بن ماتع.

وأما شطره الأخير فقد روى ابن أبي شيبة في المصنف: في نكاح المتعة وحرمتها 3/552 رقم ((17075)) من طريق محمد بن بشر، والفاكهي في أخبار مكة: 3/13-14، من طريق حماد بن أسامة، كلاهما عن عبد الله بن الوليد

ابن عبد الله، عن محمد بن عبد الرحمن بن أبي ذئب القرشي، عن عبد الله بن الزبير رضي الله عنهما قال: ((ألا إن الذئب يكنى أبا جعدة، ألا وإن المتعة هي الزنا)) . ورجال إسناده ثقات.

ويروى عن عبيد بن الأبرص قوله: هي الخمر تكنى الطلاء كما الذئب يكنى أبا جعدة.

وذكره البيهقي عنه في السنن الكبرى: 8/295، والصنعاني في سبل السلام: 4/35.
1232- তিনি (১) বলেছেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আর-রিয়াশি (২), আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আসিম (৩), আবদুল্লাহ ইবনুল ওয়ালিদ থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি বলেন: আমি ইবনুল জুবায়েরকে বলতে শুনেছি: ((আমার এই কাজে এমন কিছু ঘটেনি যা সম্পর্কে কাব আমাকে আগে সংবাদ দেননি। আর তিনি বলেছিলেন: পাখি আকাশে বারো মাইলের বেশি উপরে উঠতে পারে না; এবং নেকড়েকে ‘আবু জাদা’ উপনামে ডাকা হয়; এবং ‘তিলা’ হলো মদ)) (৪)। [পত্র ২৬২/খ]

--------------------------------------------

(১) বক্তা হলেন: আবু রওক আল-হাজ্জানি।

(২) এখানে পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে "আসমাঈ থেকে": এবং এর উপরে কাটার চিহ্ন রয়েছে।

(৩) আবু আসিম: আদ-দাহহাক ইবনে মাখলাদ আন-নাবিল।

(৪) এর সনদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।

ইবনে হাজার এর প্রথম অংশ আল-ইসাবাহ ৫/৬৫০ গ্রন্থে, কাব ইবনে মাতি‘-এর জীবনীতে উল্লেখ করেছেন।

আর এর শেষ অংশটি ইবনে আবি শাইবাহ আল-মুসান্নাফ গ্রন্থে: মুতআ বিবাহ ও তার নিষিদ্ধতা অধ্যায়ে ৩/৫৫২, নম্বর ((১৭০৭৫)) মুহাম্মাদ ইবনে বিশরের সূত্রে বর্ণনা করেছেন, এবং আল-ফাকিহি আখবারু মক্কা গ্রন্থে: ৩/১৩-১৪, হাম্মাদ ইবনে উসামার সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়েই আবদুল্লাহ ইবনুল ওয়ালিদ

ইবনে আবদুল্লাহ থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবি জিব আল-কুরাশি থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনুল জুবায়ের (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: ((জেনে রেখো, নেকড়েকে আবু জাদা উপনামে ডাকা হয়; জেনে রেখো, মুতআ হলো ব্যভিচার))। এবং এর সনদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।

এবং উবাইদ ইবনুল আবরাস থেকে তাঁর এই উক্তিটি বর্ণিত হয়েছে: সেটিই মদ যাকে তিলা উপনামে ডাকা হয়, যেমন নেকড়েকে আবু জাদা উপনামে ডাকা হয়।

আল-বায়হাকি এটি তাঁর থেকে আস-সুনান আল-কুবরা: ৮/২৯৫ গ্রন্থে এবং আস-সানআনি সুবুলুস সালাম: ৪/৩৫ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٢٨٧)
1233- قال (1) : حدثنا أَبُو حَاتِم (2) قال: ((كَتَبْتُ كِتَابًا إلى (3) اْلأَصْمَعِي فَقُلْتُ فِيهِ كَافأك اللهُ بِخَيْرٍ، فَخَرَّقَهُ، وَقَالَ: لَا تَعُدْ لِمِثْلِ هَذَا، إِنَّمَا تَكُونُ الْمُكَافَأَةُ بَيْنَ النُّظَرَاءِ وَاللهُ قَدْ تعَالَى (4) عَنْ ذَلِكَ)) (5) .

1234- قال (6) : أنشدنا الرِّيَاشِي:

ولَقَدْ عَلِِمْتُ وَأْنْتَ تَعْلَمُهُ أَنَّ الْعَطَاءَ يُشِينُهُ الْمَطْلُ

1235- قال (7) : حدثنا الرِّيَاشِي، حدثنا الأَصْمَعِي، حدثنا العَلَاءُ بنُ أَسْلَم، عن هِشَامِ ابن عقبة أَخِي ذِي الرُّمَّة، وَكَانَ ذُو الرُّمَّةِ يَتِيمًا فِي حِجْرِ هِشَام قال: ((أَتَانِي هِشَامٌ وَأَنَا أُرِيدُ الْحَجَّ، فقال: إِنَّكَ تُرِيدُ سجرا لحضره (8) الشَّيطَان حُضُوراً لا يَحْضُرُهُ فِي غَيْرِهِ، فَاتَّقِ اللهَ وَصَلِّ الصَّلَاةَ ِلوَقْتِهَا فَإِنَّكَ لَا مَحَالَةَ تُصَلِّ (9) فَصَلِّهَا صَلَاةً تَنْفَعُكَ.

--------------------------------------------

(1) القائل هو: أبو روق الهزاني.

(2) أبو حاتم: السجستاني.

(3) في الخطية ((عن)) .

(4) في الخطية يمكن أن يقرأ (يتعالى) وما أثبتناه أشبه.

(5) رجال إسناده ثقات.

(6) القائل هو: أبو روق الهزاني) .

(7) القائل هو: أبو روق الهزاني.

(8) في الخطية كذ: ((سجرا لحضره)) أو (شجراً لحضرة) ، ولم يتبيّن لي المراد.

(9) كذا في الخطية: ((تصل)) والصواب: تُصَلِّي، أو مصلٍّ.
১২৩৩- তিনি (১) বলেন: আমাদের নিকট আবু হাতেম (২) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "আমি আসমাঈর নিকট একটি পত্র লিখলাম এবং তাতে বললাম: আল্লাহ আপনাকে কল্যাণের মাধ্যমে প্রতিদান দান করুন। তখন তিনি সেটি ছিঁড়ে ফেললেন এবং বললেন: পুনরায় এমনটি করো না; প্রতিদান তো কেবল সমপর্যায়ভুক্তদের মাঝেই হয়ে থাকে, আর আল্লাহ তাআলা এর থেকে অনেক ঊর্ধ্বে (৪)।" (৫) ।

১২৩৪- তিনি (৬) বলেন: রিয়াশী আমাদের নিকট কবিতা আবৃত্তি করেছেন:

নিশ্চয়ই আমি জেনেছি আর আপনিও তা জানেন যে, দানকে কলঙ্কিত করে টালবাহানা বা বিলম্ব।

১২৩৫- তিনি (৭) বলেন: আমাদের নিকট রিয়াশী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আসমাঈ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আলা ইবনে আসলাম বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উকবাহ থেকে, যিনি যু-রুম্মার ভাই ছিলেন। আর যু-রুম্মা হিশামের তত্ত্বাবধানে একজন এতিম ছিলেন। তিনি বলেন: "হিশাম আমার কাছে আসলেন যখন আমি হজ্জের ইচ্ছা করছিলাম। তিনি বললেন: নিশ্চয়ই তুমি এমন এক সফরের (৮) ইচ্ছা করছ যেখানে শয়তান এমনভাবে উপস্থিত হয় যা অন্য কোথাও হয় না। সুতরাং আল্লাহকে ভয় করো এবং সালাত তার সঠিক সময়ে আদায় করো; কেননা তুমি তো অনিবার্যভাবেই সালাত আদায় করবে (৯), তাই এমনভাবে সালাত আদায় করো যা তোমার উপকারে আসে।

--------------------------------------------

(১) বক্তা হলেন: আবু রওক আল-হাযযানী।

(২) আবু হাতেম: আস-সিজিস্তানী।

(৩) পাণ্ডুলিপিতে "থেকে" রয়েছে।

(৪) পাণ্ডুলিপিতে এটি "উন্নত হন" হিসেবেও পড়া সম্ভব, তবে আমরা যা সাব্যস্ত করেছি সেটিই অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ।

(৫) এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।

(৬) বক্তা হলেন: আবু রওক আল-হাযযানী।

(৭) বক্তা হলেন: আবু রওক আল-হাযযানী।

(৮) পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে: "সাজরান লিহাযরা" অথবা "শাজারান লিহাদরা", এর মর্মার্থ আমার কাছে স্পষ্ট হয়নি।

(৯) পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে, আর সঠিক হলো: "তুসাল্লী" অথবা "মুসাল্লিন"।
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٢٨٨)
وَاعْلَمْ أَنَّ لِكُلِّ رُفْقَةٍ كَلْبًا يَنْبَحُ عَنْهُمْ، فَإِنْ يَكُنْ خَيْرًا شرَكُوهُ (1) ، وَإِنْ كَاَن شَراًّ تَقَلَّدَهُ دُونَهُمْ فَلَا تَكُنْ كَلْبَ الرُّفْقَةِ)) (2) .

1236 - قال (3) : حدثنا الرِّيَاشِي، عن الأَصْمَعِي، عن مُعْتَمر بن سليمان، عن أبيه (4) قال: قلت لهلال بن أسد المازني (5) : ((مَا أَكْلَةٌ تَبْلُغُنِي عَنْكَ؟ قَال: أَقْبَلْتُ مِنَ الْبَحْرَيْنِ عَلَي بَعِيٍر لِي فَلَمَّا كُنْتُ بَطْنَ الصُّلَيْبِ (6) انْدَقَّ فَأَكَلْتُهُ، وَجَمَعْتُ جِلْدَهُ وَقَوَائِمَهُ وَلَفَفْتُهَا وَحَمَلْتُهَا عَلَى ظَهْرٍ لِي (7)) ) .

1237- أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ الصُّورِي، أَخْبَرَنَا أَبُو محمد الحسن بن

--------------------------------------------

(1) كذا في الخطية، شرِكَ شَرْكاً وشَرِكاً، وشِِرْكةً وشَرِكَةً: صار شريكه، المنجد في اللغة والأعلام (ص384) .

(2) في إسناده العلاء بن أسلم، وهشام بن عقبة لم أقف على ترجمتهما.

(3) القائل هو: أبو روق الهزاني.

(4) أبوه: سليمان بن طَرخان التيمي.

(5) هلال بن أسد المازني: ذكره البخاري وابن أبي حاتم دون جرح ولا تعديل، وذكره ابن حبان في الثقات. التاريخ الكبير: 8/203، الجرح والتعديل: 9/73، الثقات: 5/504.

(6) في الخطية: ((بطن الصُّلَيب)) : والصواب: ببطن)) والصُّليب: بضم أوله على لفظ التصغير، كأنه تصغير صُلب موضع عند بطن فلج. وفُلْج: قال أبو منصور: هو اسم بلد، ومنه قيل لطريق تأخذ من طريق البصرة إلى اليمامة طريق بطن فلج. وقال غيره: فلج واد بين البصرة وحمى ضرية من منازل عدي بن جندب بن العنبر. انظر معجم ما استعجم: 3/841، معجم البلدان: 3/472.

(7) كذا في الخطية وفي الهامش ((ظهري)) وكتب فوقها ((صحَّ)) . ورجال إسناده ثقات.
জেনে রাখুন যে, প্রতিটি দলেরই একটি কুকুর থাকে যা তাদের হয়ে ঘেউ ঘেউ করে। যদি ভালো কিছু হয় তবে তারা তাকে তাতে অংশীদার করে (১), আর যদি মন্দ কিছু হয় তবে তারা ছাড়া কেবল সেই ব্যক্তিই এর দায়ভার গ্রহণ করে। সুতরাং আপনি দলের কুকুর হবেন না (২)।

১২৩৬ - তিনি (৩) বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রিয়াশি, আসমায়ি থেকে, তিনি মুতামির বিন সুলাইমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা (৪) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি হিলাল বিন আসাদ আল-মাযানিকে (৫) বললাম: "আপনার সম্পর্কে যে ভোজনের কথা আমার কাছে পৌঁছেছে তা কী? তিনি বললেন: আমি বাহরাইন থেকে আমার একটি উটের পিঠে চড়ে আসছিলাম, যখন আমি বাতনে সুলাইবে (৬) পৌঁছালাম, সেটি (উটটি) ভেঙে পড়ল (পা ভেঙে গেল)। তখন আমি সেটি খেয়ে ফেললাম এবং তার চামড়া ও পাগুলো একত্রিত করে পেঁচিয়ে নিলাম এবং তা আমার একটি পিঠের (বাহনের) (৭) ওপর বহন করলাম।"

১২৩৭- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আলি আস-সুরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান বিন...

--------------------------------------------

(১) পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে। শারিকা, শারকান, শারিকান এবং শিরকাতান ও শারিকাতান: অর্থ হলো তার অংশীদার হওয়া। আল-মুঞ্জিদ ফিল লুগাতি ওয়াল আলাম (পৃষ্ঠা ৩৮৪)।

(২) এর সনদ বা বর্ণনাসূত্রে রয়েছেন আলা বিন আসলাম এবং হিশাম বিন উকবা, যাঁদের জীবনী সম্পর্কে আমি অবগত হতে পারিনি।

(৩) বক্তা হলেন: আবু রওক আল-হাযযানি।

(৪) তাঁর পিতা হলেন: সুলাইমান বিন ত্বরখান আত-তাইমি।

(৫) হিলাল বিন আসাদ আল-মাযানি: ইমাম বুখারি এবং ইবনে আবি হাতিম তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন কোনো জরাহ (সমালোচনা) বা তাদিল (প্রশংসা) ছাড়াই, আর ইবনে হিব্বান তাঁকে 'আত-সিকাত' (নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। আত-তারিখুল কাবির: ৮/২০৩, আল-জারহু ওয়াত-তাদিল: ৯/৭৩, আস-সিকাত: ৫/৫০৪।

(৬) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "বাতন আস-সুলাইব": আর সঠিক হলো "বি-বাতনি"। আর আস-সুলাইব শব্দটি প্রথম অক্ষরে পেশ সহযোগে তাসগির (ক্ষুদ্রতাবোধক) রূপে ব্যবহৃত, যেন এটি "সুলব" এর তাসগির, যা বাতনে ফালজ-এর নিকটবর্তী একটি স্থান। ফালজ সম্পর্কে আবু মানসুর বলেন: এটি একটি শহরের নাম, আর এ থেকেই বসরা থেকে ইয়ামামার দিকে যাওয়া রাস্তাকে বাতনে ফালজ-এর রাস্তা বলা হয়। অন্যেরা বলেন: ফালজ হলো বসরা এবং হিময়া দ্বরিয়্যাহর মধ্যবর্তী একটি উপত্যকা যা আদি বিন জানদাব বিন আল-আনবারের বসতিগুলোর অন্তর্ভুক্ত। দেখুন মুজাম মা ইস্তাজাম: ৩/৮৪১, মুজামুল বুলদান: ৩/৪৭২।

(৭) পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে এবং পার্শ্বটীকায় "যহরি" (আমার পিঠ) রয়েছে এবং এর উপরে "সহিহ" (সঠিক) লেখা আছে। আর এই বর্ণনাসূত্রের রাবিগণ (বর্ণনাকারীগণ) নির্ভরযোগ্য।
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٢٨٩)
حَامِد بن [ل263/أ] الْحَسَنِ بْنِ حَامِد البَغْدَادِيُّ الأَدِيبُ (1) بِمِصْرَ، أَخْبَرَنَا أبُو الحَسَن عَلِيُّ ابن محمد بن سعيد الموصِلي (2) ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عُلَيْل العَنَزِي مِنْ كِتَابِه بِسُرَّ مَنْ رَأَى، حَدَّثَنَا عمرو

ابن الضَّحَّاكِ بْنِ مَخْلَدٍ الشَّيْبَانِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ زَوْجُ خَيْرَةَ الخُزَاعِيَّة، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ قالتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ((مَنْ حُرِمَ حَظُّهُ مِنَ الرِّفْقِ حُرِمَ حَظُّهُ مِنَ الرِّزْقِ، وَمَنْ أُعْطِيَ حظَّه مِنَ الرَّفقِ أعْطِي حَظُّهُ مِنَ الرِّزْقِ)) (3)

--------------------------------------------

(1) أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ حَامِدِ بن الحسن بن حامد البغدادي الأديب: قال الخطيب: صدوق، وكان تاجرا مموِّلا، مات سنة سبع أربعمائة. تاريخ بغداد: 7/303.

(2) أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بن سعيد الموصلي: كذّبه ابن المظفر وأبو نعيم. وقال ابن فرات: مخلط غير محمود. مات سنة تسع وخمسين وثلاثمائة. تاريخ بغداد: 12/82، لسان الميزان: 4/255.

(3) حديث حسن، وإسناد المؤلف ضعيف، فيه أبو الحسن علي الموصلي مخلط غير محمود، وكذّبه ابن المظفر أبو نعيم.

أخرجه أحمد في المسند: 6/159، وأبو يعلى في المسند: 8/24، وابن الجعد في المسند: 2/6186، رقم (3579) ، والعقيلي في الضعفاء الكبير: 2/324، وابن عدي في الكامل: 4/295، وأبو نعيم في حلية الأولياء: 9/159، وأبو محمد عبد الله الأنصاري في طبقات المحدثين بأصبهان: 2/326، والقضاعي في مسند الشهاب:

1/274-275، والبغوي في شرح السنة: 13/74 رقم (()) ، من طريق عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ بن أبي مليكة عن القسم بن محمد به.

وأخرج ابن أبي حاتم في العلل: 2/298، رقم (2406) قال سألت أبي عن حديث رواه يحيى بن حمزة، عن حيوة

 

ابن شريح، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ عائشة مرفوعا، بلفظ ((من رزق حظه من الرفق فقد رزف الخير كله، ومن حرم حظه من الرفق فقد حرم الخير كله)) . قال أبي: روى هذا الحديث ابن وهب عن حيوة، عن ابن الهاد، عن

ابن أبي ربيعة، عن ابن أبي ملكية.

وأخرجه أحمد في المسند 6/71، وابن عدي في الكامل: 4/1605 من طريق عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ القرشي، عن عمه بن أبي مليكة، عن عائشة مرفوعا. ولفظه: ((إذا أراد الله بأهل بيت خير أدخل عليهم الرفق)) .

وأخرجه أحمد في المسند 6/71 من طريق عروة بن الزبير، و6/104-105 من طريق عطاء بن يسار كلاهما عن عائشة مرفوعاً.

وأخرجه ابن عدي في الكامل: 4/296 من طريق عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ الزهري، عن عروة، عن أبي هريرة مرفوعا. ولفظه ((إن الله رفيق يحب الرفق ويعطي على الرفق ما لا يعطي على العنف)) .

وسئل الدارقطني عن هذه الرواية فقال: يرويه الزهري، عن عروة، واختلف عنه، فرواه عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ

ابن أبي مليكة، عن الزهري، فرواه عنه ابن أبي فديك وأبو أحمد الزبيري والقعنبي، وقالوا عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ الزهري، عن عروة، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، ورواه عبد الوهاب بن عطاء، عن الخفاف، عن شيخ من أهل مكة وهو المليكي قال: عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عائشة وهو ضعيف. علل الدارقطني: 8/292.

قال أحمد بن حميد سألت أحمد بن حنبل، عن عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ التيمي، يروي عن القاسم، عن عائشة قال: منكر الحديث، الكامل 4/1606، وقال ابن معين: عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ بن أبي مليكة ضعيف. وقال البخاري: عبد الرحمن ابن أبي مليكة القرشي منكر الحديث، وقال النسائي: متروك الحديث. وقال العقيلي بعدما ذكر له ثلاثة أحاديث وهذا آخرها، قال: فلا يتابعه عليها إلا من هو دونه أو مثله، وأما الرفق فقد روي فيه أحاديث من غير هذا الوجه بأسانيد جياد بألفاظ مختلفة. وقال

ابن عدي: وهذه الأحاديث عن القاسم وعن ابن أبي مليكة وعن الزهري في الرفق يرويها عنهم عبد الرحمن بن أبي مليكة هذا.

وأخرجه ابن راهوية في مسنده: 1/263، والحميدي في المسند: 1/193، وأحمد في السند: 6/451، والبخاري في الأدب المفرد: 1/164 رقم ((270)) ، والترمذي في البر والصلة: باب ما جاء في حسن الخلق رقم ((2002)) والبغوي في شرح السنة: رقم ((3496)) ، والبزار في المسند: رقم ((1975)) ، والقضاعي في مسند الشهاب: 1/274، والبيهقي في السنن الكبرى: 10/193، وفي شعب الإيمان: 1/238 رقم ((8002)) ، والخطيب في الجامع لأخلاق الراوي:

1/407، والمنذري في الترغيب والترهيب: 2/279، من طريق عمرو بن دينار، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ يعلى

ابن مملك، عن أم الدرداء، عن أبي الدرداء مرفوعا، وفيه ((من الخير)) بدل ((من الرزق)) وقال الترمذي: حسن صحيح.

وأخرجه ابن أبي شيبة في المصنف: 8/516، وأحمد في المسند: 6/446، و448، و442، والبخاري في الأدب المفرد: رقم ((270)) ، وأبو داود ف الأدب: باب حسن الخلق: رقم ((4799)) والترمذي في الأدب والصلة: باب ما جاء في حسن الخلق رقم ((2003)) ، وابن حبان في صحيحه: 2/230 رقم ((481)) والبيهقي في شعب الإيمان: 6/238، رقم (()) ، من طرق عن عطاء الكَيْخَاراني، عن أم الدرداء، عن أبي الدرداء مرفوعا مختصرا.

والحديث في هذا المعنى صحيح ثابت في الصحيحين، أخرجه البخاري في الإستتابة، باب إذا عرض الذمي وغيره بسب النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم 14/283 رقم (2927) وفي الأدب، باب الرفق في الأمر كله 12/64 رقم (6024) ، وفي الإستئذان، باب كيف الرد على أهل الذمة الشلام 12/308 رقم (256) ، ومسلم في السلام، باب النهي عن ابتداء أهل الكتاب بالسلام وكيف يرد عليهم، رقم (2165) من حديث عائشة، ها قالت: استأذن رهط من اليهود عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فقالوا: السام عليك، فقلت: بل عليكم السام واللعنة، فقال: يا عائشة: إن الله الرفيق، يُحِبُّ الرِّفْقَ فِي الأَمْرِ كُلِّهِ … )) .

وأخرجه مسلم من حديث عائشة أيضاً، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قال: يا عائشة، إن الله رفيق يحب الرفق، ويعطي على الرفق ما لا يعطي على العنف، وما لا يعطي على ما سواه)) .

وأخرجه أيضاً من طريق شريح بن هانئ عن عائشة مرفوعاً ((إن الرفق لا يكون في شيء إلا زانه، ولا ينزع في شيء إلا شانه)) 4/ 2003 رقم (2593) .

وأخرجه أيضاً من حديث جرير بن عبد الله مرفوعاً بلفظ: ((من حرم الرفق حرم الخير أو من يحرم الرفق يحرم الخير)) . 4/2003 رقم (2592) .
হামিদ বিন [ল২৬৩/অ] আল-হাসান বিন হামিদ আল-বাগদাদী আল-আদীব (১) মিশরে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-মাউসিলী (২), তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন উলাইল আল-আনজি তাঁর কিতাব থেকে ‘সুররা মান রাআ’ নামক স্থানে, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর

ইবনে আদ-দাহহাক বিন মাখলাদ আশ-শাইবানী, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খাইরা আল-খুজাঈয়্যাহ-এর স্বামী মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান, তিনি আল-কাসিম বিন মুহাম্মদ থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ((যাকে নম্রতার অংশ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, তাকে রিজিকের অংশ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে; আর যাকে নম্রতার অংশ দান করা হয়েছে, তাকে রিজিকের অংশ দান করা হয়েছে।)) (৩)

--------------------------------------------

(১) আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন হামিদ বিন আল-হাসান বিন হামিদ আল-বাগদাদী আল-আদীব: খতিব বাগদাদী বলেন: তিনি সত্যবাদী ছিলেন এবং একজন সম্পদশালী ব্যবসায়ী ছিলেন, তিনি চারশত সাত হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। তারিখ বাগদাদ: ৭/৩০৩।

(২) আবু আল-হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন সাঈদ আল-মাউসিলী: ইবনে আল-মুজাফফার ও আবু নুআইম তাকে মিথ্যুক বলেছেন। ইবনে ফুরাত বলেন: তিনি সংমিশ্রণকারী এবং প্রশংসিত নন। তিনি তিনশত উনষাট হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। তারিখ বাগদাদ: ১২/৮২, লিসানুল মিজান: ৪/২৫৫।

(৩) হাদিসটি হাসান (উত্তম), তবে লেখকের সনদটি যঈফ (দুর্বল), এতে আবু আল-হাসান আলী আল-মাউসিলী রয়েছেন যিনি সংমিশ্রণকারী এবং প্রশংসিত নন, এবং ইবনে আল-মুজাফফার ও আবু নুআইম তাকে মিথ্যুক বলেছেন।

হাদিসটি বর্ণনা করেছেন আহমদ মুসনাদ গ্রন্থে: ৬/১৫৯, আবু ইয়ালা মুসনাদ গ্রন্থে: ৮/২৪, ইবনে আল-জা'দ মুসনাদ গ্রন্থে: ২/৬১৮৬, নম্বর (৩৫৭৯), আল-উকাইলী আদ-দুয়াফা আল-কাবীর গ্রন্থে: ২/৩২৪, ইবনে আদী আল-কামিল গ্রন্থে: ৪/২৯৫, আবু নুআইম হিলইয়াতুল আউলিয়া গ্রন্থে: ৯/১৫৯, আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আনসারী তাবাকাতুল মুহাদ্দিসীন বি-আসবাহান গ্রন্থে: ২/৩২৬, এবং আল-কুদায়ী মুসনাদুশ শিহাব গ্রন্থে:

১/২৭৪-২৭৫, এবং আল-বাগাবী শারহুস সুন্নাহ গ্রন্থে: ১৩/৭৪ নম্বর (()), আবদুর রহমান বিন আবি বকর বিন আবি মুলাইকা থেকে, তিনি আল-কাসিম বিন মুহাম্মদ থেকে এই সূত্রে।

ইবনে আবি হাতিম আল-ইলাল গ্রন্থে (২/২৯৮, নম্বর ২৪০৬) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে ইয়াহইয়া বিন হামযাহ বর্ণিত একটি হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, যা তিনি হাইওয়াহ

 

ইবনে শুরাইহ থেকে, তিনি ইবনে আবি মুলাইকা থেকে, তিনি আয়েশা থেকে মারফু হিসেবে এই শব্দে বর্ণনা করেছেন: ((যাকে নম্রতার অংশ রিজিক হিসেবে দেওয়া হয়েছে তাকে সমস্ত কল্যাণ দান করা হয়েছে, আর যাকে নম্রতার অংশ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে তাকে সমস্ত কল্যাণ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে))। আমার পিতা বলেন: এই হাদিসটি ইবনে ওয়াহাব বর্ণনা করেছেন হাইওয়াহ থেকে, তিনি ইবনে আল-হাদ থেকে, তিনি ইবনে আবি রাবীআ থেকে, তিনি ইবনে আবি মুলাইকা থেকে।

আহমদ মুসনাদ গ্রন্থে (৬/৭১) এবং ইবনে আদী আল-কামিল গ্রন্থে (৪/১৬০৫) আবদুর রহমান বিন আবি বকর আল-কুরাশী থেকে, তিনি তাঁর চাচা ইবনে আবি মুলাইকা থেকে, তিনি আয়েশা থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এর শব্দ হলো: ((যখন আল্লাহ কোনো পরিবারের কল্যাণ চান, তখন তাদের মধ্যে নম্রতা প্রবেশ করিয়ে দেন))।

আহমদ এটি মুসনাদ গ্রন্থে ৬/৭১-এ উরওয়াহ বিন আল-জুবায়েরের সূত্রে এবং ৬/১০৪-১০৫-এ আতা বিন ইয়াসারের সূত্রে বর্ণনা করেছেন, উভয়েই আয়েশা থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

ইবনে আদী আল-কামিল গ্রন্থে (৪/২৯৬) আবদুর রহমান বিন আবি বকর থেকে, তিনি ইবনে আবি মুলাইকা থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এর শব্দ হলো: ((নিশ্চয়ই আল্লাহ নম্র, তিনি নম্রতা পছন্দ করেন এবং নম্রতার জন্য এমন কিছু দান করেন যা কঠোরতার জন্য দান করেন না))।

আদ-দারা কুতনীকে এই বর্ণনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: এটি যুহরী উরওয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এতে মতভেদ হয়েছে। আবদুর রহমান বিন আবি বকর

ইবনে আবি মুলাইকা এটি যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং তাঁর থেকে ইবনে আবি ফুদাইক, আবু আহমদ আল-যুবায়রী ও আল-কানাবী বর্ণনা করেছেন; তাঁরা বলেছেন: ইবনে আবি মুলাইকা থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে। আর এটি আব্দুল ওয়াহাব বিন আতা বর্ণনা করেছেন আল-খাফফাফ থেকে, তিনি মক্কার জনৈক শায়খ থেকে যিনি আল-মুলাইকী, তিনি বলেন: যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা থেকে; আর এটি যঈফ। ইলাল আদ-দারা কুতনী: ৮/২৯২।

আহমদ বিন হুমাইদ বলেন, আমি আহমদ বিন হাম্বলকে আবদুর রহমান বিন আবি বকর আত-তাইমী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যিনি আল-কাসিম থেকে, তিনি আয়েশা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: তিনি মুনকারুল হাদিস (পরিত্যক্ত হাদিস বর্ণনাকারী)। আল-কামিল ৪/১৬০৬। ইবনে মাঈন বলেন: আবদুর রহমান বিন আবি বকর বিন আবি মুলাইকা যঈফ (দুর্বল)। ইমাম বুখারী বলেন: আবদুর রহমান ইবনে আবি মুলাইকা আল-কুরাশী মুনকারুল হাদিস। ইমাম নাসাঈ বলেন: তিনি মাতরুক (পরিত্যক্ত)। আল-উকাইলী তাঁর তিনটি হাদিস উল্লেখ করার পর—যার মধ্যে এটি সর্বশেষ—বলেন: তাঁর চেয়ে নিম্নমানের বা তাঁর সমমানের ব্যক্তি ছাড়া কেউ এই বর্ণনায় তাঁর অনুসরণ করে না। আর নম্রতা (রিফক) বিষয়ে অন্যান্য সূত্রে উত্তম সনদে ভিন্ন ভিন্ন শব্দে হাদিস বর্ণিত হয়েছে।

ইবনে আদী বলেন: আল-কাসিম, ইবনে আবি মুলাইকা এবং যুহরী থেকে নম্রতা বিষয়ক এই হাদিসগুলো এই আবদুর রহমান বিন আবি মুলাইকা তাদের থেকে বর্ণনা করেন।

ইবনে রাহওয়াইহ তাঁর মুসনাদ গ্রন্থে: ১/২৬৩, হুমাইদী মুসনাদ গ্রন্থে: ১/১৯৩, আহমদ মুসনাদ গ্রন্থে: ৬/৪৫১, বুখারী আল-আদাবুল মুফরাদ গ্রন্থে: ১/১৬৪ নম্বর ((২৭০)), তিরমিযী আল-বিরর ওয়াস সিলাহ অধ্যায়ে: উত্তম চরিত্র পরিচ্ছেদ নম্বর ((২০০২)), বাগাবী শারহুস সুন্নাহ গ্রন্থে: নম্বর ((৩৪৯৬)), বাযযার মুসনাদ গ্রন্থে: নম্বর ((১৯৭৫)), কুদায়ী মুসনাদুশ শিহাব গ্রন্থে: ১/২৭৪, বায়হাকী আস-সুনানুল কুবরা গ্রন্থে: ১০/১৯৩ এবং শুআবুল ঈমান গ্রন্থে: ১/২৩৮ নম্বর ((৮০০২)), খতিব আল-জামি লি-আখলাকির রাবী গ্রন্থে:

১/৪০৭, এবং মুনযিরী আত-তারগীব ওয়াত তারহীব গ্রন্থে: ২/২৭৯-এ আমর বিন দীনারের সূত্রে, তিনি ইবনে আবি মুলাইকা থেকে, তিনি ইয়ালা

ইবনে মামলাক থেকে, তিনি উম্মুদ দারদা থেকে, তিনি আবু দারদা থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন, এবং এতে ((রিজিক থেকে)) শব্দটির পরিবর্তে ((কল্যাণ থেকে)) শব্দ রয়েছে। ইমাম তিরমিযী বলেন: এটি হাসান সহীহ।

ইবনে আবি শায়বাহ আল-মুসান্নাফ গ্রন্থে: ৮/৫১৬, আহমদ মুসনাদ গ্রন্থে: ৬/৪৪৬, ৪৪৮ এবং ৪৪২, বুখারী আল-আদাবুল মুফরাদ গ্রন্থে: নম্বর ((২৭০)), আবু দাউদ আদব অধ্যায়ে: উত্তম চরিত্র পরিচ্ছেদ নম্বর ((৪৭৯৯)), তিরমিযী আদব ও সিলাহ অধ্যায়ে: উত্তম চরিত্র পরিচ্ছেদ নম্বর ((২০০৩)), ইবনে হিব্বান তাঁর সহীহ গ্রন্থে: ২/২৩০ নম্বর ((৪৮১)), বায়হাকী শুআবুল ঈমান গ্রন্থে: ৬/২৩৮ নম্বর (())-এ আতা আল-কাইখারানী থেকে, তিনি উম্মুদ দারদা থেকে, তিনি আবু দারদা থেকে মারফু হিসেবে সংক্ষিপ্ত আকারে বর্ণনা করেছেন।

এই অর্থের হাদিসটি সহীহাইনে (বুখারী ও মুসলিম) প্রমাণিত ও সহীহ। ইমাম বুখারী এটি আল-ইস্তিতাবাহ অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন, পরিচ্ছেদ: যদি যিম্মি বা অন্য কেউ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গালি দেওয়ার ইঙ্গিত দেয় ১৪/২৮৩ নম্বর (২৯২৭) এবং আদব অধ্যায়ে, পরিচ্ছেদ: সকল কাজে নম্রতা ১২/৬৪ নম্বর (৬০২৪), এবং আল-ইস্তিযান অধ্যায়ে, পরিচ্ছেদ: আহলে কিতাবদের সালামের উত্তর কীভাবে দিতে হয় ১২/৩০৮ নম্বর (২৫৬)। ইমাম মুসলিম আস-সালাম অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন, পরিচ্ছেদ: আহলে কিতাবদের আগে সালাম দেওয়া নিষেধ এবং কীভাবে উত্তর দিতে হয়, নম্বর (২১৬৫); এটি আয়েশার হাদিস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: একদল ইহুদি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে অনুমতি চাইল এবং তারা বলল: 'আস-সামু আলাইকুম' (আপনার মৃত্যু হোক)। আমি বললাম: বরং তোমাদের উপর মৃত্যু এবং লানত হোক। তখন তিনি বললেন: হে আয়েশা, নিশ্চয়ই আল্লাহ নম্র, তিনি সকল কাজে নম্রতা পছন্দ করেন …।

মুসলিম এটি আয়েশার অন্য হাদিস থেকেও বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: হে আয়েশা, নিশ্চয়ই আল্লাহ নম্র, তিনি নম্রতা পছন্দ করেন। তিনি নম্রতার জন্য এমন কিছু দান করেন যা কঠোরতার জন্য দান করেন না এবং যা অন্য কিছুর জন্যও দান করেন না।

তিনি এটি শুরাইহ বিন হানি-এর সূত্রে আয়েশা থেকে মারফু হিসেবেও বর্ণনা করেছেন: ((নম্রতা যে জিনিসেই থাকে তাকে সুশোভিত করে, আর যা থেকে নম্রতা ছিনিয়ে নেওয়া হয় তাকে কলঙ্কিত করে)) ৪/২০০৩ নম্বর (২৫৯৩)।

তিনি এটি জারীর বিন আব্দুল্লাহ থেকে মারফু হিসেবেও বর্ণনা করেছেন এই শব্দে: ((যে ব্যক্তি নম্রতা থেকে বঞ্চিত হলো, সে কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলো অথবা যে ব্যক্তি নম্রতা থেকে বঞ্চিত হয়, সে কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হয়))। ৪/২০০৩ নম্বর (২৫৯২)।
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٢٩١)
1238- قال (1) : حدثنا الحسن (2) ، أنشدنا بعضُ الشُّعَرَاء:

الرِّفْقُ يُمْنٌ وَاْلأَنَاةُ سَعَادَةٌ فَاسْتَأْنِ فِي رِفْقٍ تُلَاقِ نَجَاحًا (3)

--------------------------------------------

(1) القائل هو: أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ الموصلي، وسيرد في الروايات التالية إلى نهاية الجزء ما عد رقم: (1255) .

(2) الحسن: هو ابن عليل وسيرد في الروايات التالية أيضاً إلى نهاية الجزء ما عدا رقم (1289) .

(3) علة إسناده كعلة الإسناد السابق.

ذكره الخطيب في تاريخ بغداد: 7/166، عن أمير المؤمنين المتوكل.

الرفق يمن والأناة سعادة … فاستأن في رفق تلاق نجاحا

لا خير في حزم بغير رويّة … والشك وَهْنٌ إن أردت سراحا

والبيت من أبيات النابغة الذبياني، انظر ديوانه (ص28) ، وجاء فيه: ((فتأن في رفق تنال نجاحا)) .

وعزاه إلى النابغة أبو عبيد البكري في فصل المقال في شرح كتاب الأمثال (ص328) ، وورد هذا البيت فيه كما عند المؤلف هنا.
১২৩৮- তিনি (১) বললেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান (২), জনৈক কবি আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন:

কোমলতা হলো বরকত এবং ধীরস্থিরতা হলো সৌভাগ্য; সুতরাং কোমলতার সাথে ধৈর্য ধারণ করুন, তবেই আপনি সফলতা পাবেন (৩)

--------------------------------------------

(১) বক্তা হলেন: আবু আল-হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-মাওসিলি, এবং ১২৫৫ নম্বর ব্যতীত এই খণ্ডের শেষ পর্যন্ত পরবর্তী বর্ণনাগুলোতে তাঁর উল্লেখ আসবে।

(২) আল-হাসান: তিনি হলেন ইবনে আলীল এবং ১২৮৯ নম্বর ব্যতীত এই খণ্ডের শেষ পর্যন্ত পরবর্তী বর্ণনাগুলোতেও তাঁর উল্লেখ আসবে।

(৩) এর সনদের ত্রুটি পূর্ববর্তী সনদের ত্রুটির মতোই।

আল-খতিব এটি তারিখ বাগদাদ-এ উল্লেখ করেছেন: ৭/১৬৬, আমীরুল মুমিনীন আল-মুতাওয়াক্কিলের সূত্রে।

কোমলতা হলো বরকত এবং ধীরস্থিরতা হলো সৌভাগ্য... সুতরাং কোমলতার সাথে ধৈর্য ধারণ করুন, তবেই আপনি সফলতা পাবেন

গভীর চিন্তা ব্যতীত দৃঢ়তার মাঝে কোনো কল্যাণ নেই... আর আপনি যদি মুক্তি চান তবে সন্দেহ হলো এক প্রকার দুর্বলতা

কবিতার এই চরণটি আন-নাবিগাহ আদ-দুবইয়ানির কবিতাগুলোর অন্তর্ভুক্ত, দেখুন তাঁর দিওয়ান (পৃ. ২৮), সেখানে এটি এভাবে এসেছে: ((কোমলতার সাথে ধীরস্থির হোন, তবেই আপনি সফলতা অর্জন করবেন))।

আবু উবায়েদ আল-বাকরি 'ফাসলুল মাকাল ফি শারহি কিতাবিল আমসাল' (পৃ. ৩২৮)-এ একে আন-নাবিগাহ-র দিকে নিসবত করেছেন এবং এই কবিতাটি সেখানে সেভাবেই বর্ণিত হয়েছে যেভাবে এখানে লেখকের নিকট এসেছে।
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٢٩٢)
1239- قال أنشدنا الحسن لنفسه:

لَا تَنْظُرَنَّ إِلي الثِّيَابِ فَإِنَّنِي خَلَقُ الثِّيَابِ مِنَ الْمُرُوءَةِِ كَاسِي (1) .

1240- قَالَ (2) : حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عُبيد (3) ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مَسْلَمَةَ بْنِ قَعْنَب أَخُو

عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْلَمَةَ، وَمَا رَأَيْنَا عِنْدَهُ إِلَاّ شَيْئًا يَسِيرًا، وَكَانَ يُحَدِّثُ وَيَبْكِي، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أبي حَازِمٍ (4) ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ

وسلم: ((مَنْ أَعْمَرَهُ اللهُ سِتِّينَ سَنَةً فَقَدْ أَعْذَرَهُ اللهُ إِلَيْهِ فِي الْعُمُرُ)) (5) .

--------------------------------------------

(1) علة إسناده كعلة الإسناد السابق.

(2) القائل هو: أبو الحسن الموصلي.

(3) كذا في الخطية، والصواب الحسن بن عليل كما عند الخطيب في تاريخ بغداد.

(4) عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي حَازِمٍ: وفي المخطوط عبد الله بن أبي حازم، والتصحيح من الخطيب في تاريخه، لأنيِّ لم أجد ضمن أولاد أبي حازم سوى عبد الجبار وعبد العزيز، وهو عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي حَازِمٍ سلمة بن دينار المخزومي مولاهم أبو تمام كما في تاريخ بغداد، صدوق، التقريب: 1/356.

(5) حديث صحيح، وإسناد المؤلف فيه علي بن محمد الموصلي، مخلط غير محمود، وكذّبه ابن المظفر وأبو نعيم،

وعبد العزيز بن مسلمة لم أجد له ترجمة.

أخرجه الخطيب في تاريخ بغداد: 7/303، عن الصوري، عن الحسن بن حامد بن الحسن، عن علي بن محمد الموصلي به.

وأخرجه القضاعي في مسند الشهاب: 1/262 رقم ((424)) ، والبيهقي في السنن الكبرى: 3/370، والرامهرمزي في الأمثال: 0/98، من طريق عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي حَازِمٍ، عن أبيه به.

وأخرجه البخاري في الرقاق: باب من بلغ ستين سنة فقد أعذر إلى الله في العمر 11/238 رقم ((6419)) من طريق معن بن محمد الغفاري، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ المقبري به. وقال تابعه أبو حازم وابن عجلان عن المقبري.
১২৩৯- তিনি বললেন, হাসান তার নিজের রচিত কবিতা পাঠ করেছেন:

পোশাকের দিকে তাকাবেন না, কারণ আমি জীর্ণ পোশাক পরিহিত হলেও পৌরুষের পোশাকে আবৃত। (১)।

১২৪০- তিনি (২) বললেন: আমাদের নিকট হাসান বিন উবাইদ (৩) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আব্দুল আজিজ বিন মাসলামাহ বিন কা'নাব বর্ণনা করেছেন, যিনি আব্দুল্লাহ বিন মাসলামাহর ভাই। আমরা তার নিকট সামান্য কিছু ছাড়া দেখিনি। তিনি বর্ণনা করতেন এবং কাঁদতেন। তিনি বলেন আমাদের নিকট আব্দুল আজিজ বিন আবি হাজিম (৪) বর্ণনা করেছেন, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ((আল্লাহ যাকে ষাট বছর বয়স দান করেছেন, আল্লাহ তার ওজোর বা অজুহাত পেশ করার অবকাশ শেষ করে দিয়েছেন।)) (৫)।

--------------------------------------------

(১) এর সনদের ত্রুটি পূর্ববর্তী সনদের ত্রুটির মতোই।

(২) বক্তা হলেন: আবু আল-হাসান আল-মাওসিলি।

(৩) পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে, তবে সঠিক হলো হাসান বিন আলীল, যেমনটি খতিব বাগদাদী তার ‘তারিখে বাগদাদ’-এ উল্লেখ করেছেন।

(৪) আব্দুল আজিজ বিন আবি হাজিম: পাণ্ডুলিপিতে আব্দুল্লাহ বিন আবি হাজিম রয়েছে, তবে খতিব তার ইতিহাসে এটি সংশোধন করেছেন। কারণ আমি আবু হাজিমের সন্তানদের মধ্যে আব্দুল জাব্বার এবং আব্দুল আজিজ ছাড়া কাউকে পাইনি। আর তিনি হলেন আব্দুল আজিজ বিন আবি হাজিম সালামাহ বিন দীনার আল-মাখজুমি, তাদের আযাদকৃত গোলাম, আবু তাম্মাম; যেমনটি তারিখে বাগদাদে রয়েছে, তিনি সত্যবাদী। আত-তাকরীব: ১/৩৫৬।

(৫) হাদীসটি সহীহ। এতে লেখকের সনদে আলী বিন মুহাম্মদ আল-মাওসিলি রয়েছেন, যিনি মিশ্রণকারী এবং প্রশংসিত নন; ইবনুল মুজাফফর এবং আবু নুআইম তাকে মিথ্যাবাদী বলেছেন।

আর আব্দুল আজিজ বিন মাসলামাহর কোনো জীবনী আমি পাইনি।

খতিব বাগদাদী এটি তারিখে বাগদাদে (৭/৩০৩) আস-সূরী থেকে, তিনি হাসান বিন হামিদ বিন হাসান থেকে, তিনি আলী বিন মুহাম্মদ আল-মাওসিলি থেকে এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

এছাড়া কুদায়ী ‘মুসনাদুশ শিহাব’-এ (১/২৬২ নং ৪২৪), বায়হাকী ‘আস-সুনানুল কুবরা’-তে (৩/৩৭০) এবং রামাহুরমুজী ‘আল-আমসাল’-এ (০/৯৮) আব্দুল আজিজ বিন আবি হাজিমের সূত্রে তার পিতা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

ইমাম বুখারী ‘আর-রিকাক’ অধ্যায়ে: ‘যার বয়স ষাট বছর হয়েছে, আল্লাহ তার অজুহাত পেশের সুযোগ শেষ করে দিয়েছেন’ অনুচ্ছেদে (১১/২৩৮ নং ৬৪১৯) মা’ন বিন মুহাম্মদ আল-গিফারীর সূত্রে সাঈদ বিন আবি সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, আবু হাজিম এবং ইবনে আজলান আল-মাকবুরি থেকে এর অনুসরণ করেছেন।
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٢٩٣)
1241- قال: أنشدنا الحَسَنُ لنفسه:

يُعَزِّي الْمُعَزِّي ثُمَّ يَمْضِي لِشَأْنِهِ

 

وَيَتْرُكُ فِي الصَّدْرِ الدَّخِيلَ المُجَمْجَمَا [ل263/ب]

حَرِيقًا ثَوَى فِي الصَّدْرِ لَوْ أَنَّ بَعْضَهُ

 

أَنَاخَ عَلَى سَلْمَى إذا لَتضرَّما (1) .

 

1242- قال: أنشدنا الحسن:

يَا عَمْرُو عَنِّي جَزَاكَ اللهُ صَالِحَةً

 

هَذَا وَدَاعٌ لَكُمْ مِنِّي وَتَسْلِيمُ

لَا تَزْهَدَنْ فِي اصْطِنَاعِ الْعُرْفِ تَفْعَلُهُ

 

إِنَّ الَّذِيْ يَحْرِمُ الْمَعْرُوفَ مَحْرُومُ (2)

1243- قال أنشدنا الحسن:

العُرْفُ نُزْهَةُ ذِي النُّهَى وَذَخِيرَةٌ

 

تُلْقِي جَوَادِيهَا بِكُلِّ مَكَانِ

--------------------------------------------

(1) في إسناده أبو الحسن الموصلي وهو مخلط، وقدكذّبه ابن المفظر وأبو نعيم.

(2) علة إسناده كعلة الإسناد السابق.

ذكرهما عبد الكريم القزويني في تدوين أخبار القزويني: 2/345، وياقوت الحموي في معجم البلدان: 1/106، ولم يذكرا القائل لهما: وورد عند القزويني:

يَا مَالَ نَحْن جَزَاكَ اللهُ صَالِحَةً

 

هَذاَ وَدَاعٌ لَكُمْ مِنِّي وَتَسْلِيمُ

وتَزْهَدُوا فِي اصْطِنَاعِ الْعُرْفِ مِنْ أَحَدٍ

 

إِنَّ الَّذِي يَحْرِمُ المحرِمَ مَحْرُومُ

 

وعند ياقوت الحموي:

 

يا مالُ عَنِّي جَزَاكَ اللهُ صَالِحَةً

 

هَذَا وَدَاعٌ لَكُمْ مِنِّي وَتَسْلِيمُ

لَا تَزْهَدَنْ فِي اصْطِنَاعِ الْعُرْفُ عَنْ أَحَدٍ

 

إِنَّ الَّذِي يَحْرِمُ الْمَعْرُوفَ مَحْرُومُ
১২৪১- তিনি বলেন: আল-হাসান আমাদের নিকট নিজের রচিত কবিতা আবৃত্তি করেছেন:

সান্ত্বনাদানকারী সান্ত্বনা দেয়, এরপর সে তার নিজের কাজে চলে যায়,

 

আর বুকের গভীরে রেখে যায় এক গুমরে মরা গোপন ব্যথা। [ল২৬৩/খ]

বুকের ভেতরে বাসা বেঁধেছে এমন এক দহন, যার সামান্য অংশও যদি

 

সালমা পাহাড়ের ওপর আপতিত হতো, তবে তা প্রজ্বলিত হয়ে উঠত। (১)।

 

১২৪২- তিনি বলেন: আল-হাসান আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন:

হে আমর, আমার পক্ষ থেকে আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন,

 

এটি আপনার প্রতি আমার পক্ষ থেকে বিদায় ও সালাম।

সদাচরণ করার ক্ষেত্রে বিমুখ হয়ো না যা তুমি করতে পারো,

 

নিশ্চয়ই যে ব্যক্তি কল্যাণ থেকে বঞ্চিত করে, সে নিজেও বঞ্চিত। (২)

১২৪৩- তিনি বলেন: আল-হাসান আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন:

সদাচরণ হলো জ্ঞানীর বিনোদন এবং এক সঞ্চিত সম্পদ,

 

যা তার বদান্যতা ছড়িয়ে দেয় সব স্থানে।

--------------------------------------------

(১) এর বর্ণনাসূত্রে আবু আল-হাসান আল-মাওসিলি রয়েছে, সে একজন সংমিশ্রণকারী (বিভ্রান্ত) বর্ণনাকারী; ইবনুল মুজাফফর এবং আবু নুআইম তাকে মিথ্যাবাদী বলেছেন।

(২) এর বর্ণনাসূত্রের ত্রুটি পূর্ববর্তী বর্ণনাসূত্রের ত্রুটির মতোই।

আবদুল কারিম আল-কাজভিনি তার 'তাদউইন আখবার আল-কাজভিনি' (২/৩৪৫) গ্রন্থে এবং ইয়াকুত আল-হামাউই 'মুজামুল বুলদান' (১/১০৬) গ্রন্থে এই কবিতা দুটি উল্লেখ করেছেন, তবে তারা এর কবির নাম উল্লেখ করেননি। আল-কাজভিনির বর্ণনায় এসেছে:

হে মাল (মালিক), আমাদের পক্ষ থেকে আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন,

 

এটি আপনার প্রতি আমার পক্ষ থেকে বিদায় ও সালাম।

কারো প্রতি সদাচরণ করতে তোমরা বিমুখ হয়ো না,

 

নিশ্চয়ই যে ব্যক্তি বঞ্চিতকারীকে বঞ্চিত করে, সে নিজেও বঞ্চিত।

 

আর ইয়াকুত আল-হামাউই-এর নিকট রয়েছে:

 

হে মাল, আমার পক্ষ থেকে আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন,

 

এটি আপনার প্রতি আমার পক্ষ থেকে বিদায় ও সালাম।

কারো প্রতি সদাচরণ করতে তুমি বিমুখ হয়ো না,

 

নিশ্চয়ই যে ব্যক্তি কল্যাণ থেকে বঞ্চিত করে, সে নিজেও বঞ্চিত।
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٢٩٤)
مَا ضَاعَ مَعْرُوفٌ أَتَيْتَ إِلَى امْرِئٍ

 

فَغَدَا وَرَاحَ يُذِيعُهُ بِلِسَانِ (1)

 

1244- قال: أنشدنا الحسن لنفسه:

أَوْلَى الْبَرِيَّةِ حَقًّا أَنْ تُوَاسِيَهُ

 

عِنْدَ السُّرُورِ الَّذِي وَاسَاكَ فِي الْحَزَنِ

إِنَّ الْكِرَامَ إِذَا مَا أَسْهَلُوا ذَكَرُوا

 

مَنْ كَانَ يَعْتَادُهُمْ فِي الْمَنْزِلِ الْخَشِنِ (2)

 

1245- قال: حدثنا الحسن، حدثنا أبو خيثمة زهير بن حرب مِنْ كِتَابِهِ، سَمِعْتُهُ

يُمْلِيهِ عَلَى ابْنِهِ أبي بكر (3) فَتَقَدَّمَتُ، فَلَمَّا رَآنِي قال: يا عَسْكَرِيُّ، طَفَّلْتَ (4) عَلَى ابْنِي،

اقْعد، اكْتُبْ، حدَّثَنَا عبد الله بن بكر السهمي، حدثنا أَبِي (5) ، حدثنا سلم بن قُتَيْبة قال:

كُنْتُ عِنْدَ ابْنِ هُبَيْرَةِ الأَكْبَرِ (6) قال: فجَرَى الْحَدِيثُ حَتَّى جَرَى ذِكْرُ الْعَرَبِيَّةِ، فَقَالَ: وَاللهِ

مَا اسْتَوَى رُجْلَانِ دِينُهُمَا وَاحِدٌ، وَحَسَبُهُمَا وَاحِدٌ،

--------------------------------------------

(1) في إسناده ابو الحسن الموصلي مخلط غيرمحمود، وكذّبه ابن المظفر وأبو نعيم.

(2) علة إسناده كعلة الإسناد السابق.

ذكر الخطيب البيت الثاني دون الأول ولم ينسبه إلى قائله، حيث جاء فيه:

إن الكرام إذا ما أسهلوا ذكروا من كان يؤنسهم في المنزل الخشن.

(3) أبو بكر: هو أحمد بن أبي خيثمة زهير بن حرب النسائي البغدادي.

(4) طفّلت: أي دخلت من دون إذن ولا دعوة، ومنه الطفيلي: الذي يدخل الوليمة والمآدب ولم يدع إليها. لسان العرب 11/404، مادة (طفل) .

(5) أبوه: بكر بن حبيب السهمي الباهلي، وثقه ابن وابن حبان. الجرح والتعديل: 2/383، الثقات: 6/104.

(6) ابن هبيرة: هو عمر بن هبيرة بن معاوية بن سُكَيْن الأمير أبو المثنى الفزاري، أمير العراقيين، مات سنة سبع ومائة تقريبا. االكامل في التاريخ: 5/97، سير أعلام النبلاء: 4/562.
কোনো ব্যক্তির প্রতি তোমার কৃত কোনো ভালো কাজ বৃথা যায় না, যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যা তা তার জিহ্বা দিয়ে প্রচার করে বেড়ায় (১)।

 

১২৪৪- তিনি বললেন: হাসান আমাদের নিকট নিজের রচিত কবিতা আবৃত্তি করেছেন:

সৃষ্টির মধ্যে সেই ব্যক্তিই প্রকৃতপক্ষে তোমার সহমর্মিতা পাওয়ার যোগ্য,

 

যে আনন্দের সময়েও তোমার সাথে তেমন সহমর্মিতা দেখায়, যেমনটা সে কষ্টের সময় দেখিয়েছিল।

নিশ্চয়ই মহৎ ব্যক্তিরা যখন সচ্ছলতা লাভ করেন, তখন তারা স্মরণ করেন

 

সেই ব্যক্তিকে যে তাদের কঠিন দিনগুলোতে তাদের নিকট যাতায়াত করত (২)।

 

১২৪৫- তিনি বললেন: হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু খাইসামাহ জুহাইর ইবনুল হারব তার কিতাব থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমি তাঁকে শুনতে পেয়েছি

তিনি তা তার পুত্র আবু বকরের (৩) নিকট শ্রুতিলিপি দিচ্ছিলেন, তখন আমি সামনে এগিয়ে গেলাম। যখন তিনি আমাকে দেখলেন, তখন বললেন: হে আসকারি! তুমি আমার পুত্রের মজলিসে বিনাদাওয়াতে উপস্থিত হয়েছ (৪),

বসো, লেখো। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে বকর আস-সাহমি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা (৫), আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালাম ইবনে কুতাইবাহ, তিনি বলেছেন:

আমি ইবনে হুবাইরা আল-আকবারের (৬) নিকট ছিলাম। তিনি বললেন: তখন আলোচনা চলছিল, একপর্যায়ে আরবি ভাষার প্রসঙ্গ আসল। তখন তিনি বললেন: আল্লাহর কসম,

এমন দুইজন ব্যক্তি সমান নয় যাদের দ্বীন এক এবং বংশমর্যাদাও এক,

--------------------------------------------

(১) এর সনদে আবু হাসান আল-মাওসিলি রয়েছে, যে একজন সংমিশ্রণকারী (মুখাল্লিত) এবং প্রশংসিত নয়। ইবনুল মুজাফ্ফার ও আবু নুআইম তাকে মিথ্যাবাদী বলেছেন।

(২) এই সনদের ত্রুটি পূর্ববর্তী সনদের ত্রুটির মতোই। খতিব আল-বাগদাদি প্রথম পঙ্‌ক্তিটি বাদ দিয়ে কেবল দ্বিতীয় পঙ্‌ক্তিটি উল্লেখ করেছেন এবং এর রচয়িতার নাম উল্লেখ করেননি, যেখানে পাঠ্যটি এভাবে এসেছে: নিশ্চয়ই সম্মানিত ব্যক্তিরা যখন সচ্ছলতা লাভ করেন, তখন তারা স্মরণ করেন সেই ব্যক্তিকে যে তাদের কঠিন দিনগুলোতে তাদের সঙ্গ দিত।

(৩) আবু বকর: তিনি হলেন আহমাদ ইবনে আবু খাইসামাহ জুহাইর ইবনুল হারব আন-নাসায়ি আল-বাগদাদি।

(৪) তুফফালতা (طفّلت): অর্থাৎ অনুমতি বা দাওয়াত ছাড়াই প্রবেশ করা। এ থেকেই 'তুফাইলি' শব্দের উৎপত্তি, যে দাওয়াত ছাড়াই ভোজ বা অনুষ্ঠানে প্রবেশ করে। লিসানুল আরব ১১/৪০৪, মূলধাতু (ত্ব-ফা-লাম)।

(৫) তাঁর পিতা: বকর ইবনে হাবিব আস-সাহমি আল-বাহিলি। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আল-জারহু ওয়াত তাদিল: ২/৩৮৩, আস-সিকাত: ৬/১০৪।

(৬) ইবনে হুবাইরা: তিনি হলেন উমর ইবনে হুবাইরা ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে সুকাইন আল-আমির আবু আল-মুসান্না আল-ফাজারি, ইরাকিদের আমির। তিনি আনুমানিক একশত সাত হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। আল-কামিল ফিত তারিখ: ৫/৯৭, সিয়ারু আলামিন নুবালা: ৪/৫৬২।
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٢٩٥)
وَمُرُوءَتُهُمَا وَاحِدَةٌ، أَحَدُهُمَا يَلْحَنُ

وَالآخَرُ لَا يَلْحَنُ، إِنَّ أَفْضَلَهُمَا فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ [ل264/أ] الّذِي لَا يَلْحَنُ، قال: قلنا:

أَصْلَحَ اللهُ الأَمِيرَ، هذَا أَفْضَلُ فِي الدُّنْيَا لِفَضْلِ فَصَاحَتِهِ وَعَرَبِيَّتِهِ، أَرَأَيْتَ اْلآخِرَة، مَا بَالُهُ

فَضُل فِيهَا؟ قال: إِنَّهُ يَقْرَأُ كِتَابَ اللهِ عَلَى مَا أَنْزَلَهُ اللهُ، وَإِنَّ الَّذِي يَلْحَنُ يَحْمِلُهُ لَحْنُهُ عَلَى

أَنْ يُدْخِلَ فِي كِتَابِ اللهِ مَا لَيْسَ فِيهِ، وَيُخْرِجَ مِنْهُ مَا هُوَ فيِهِ، قال: قُلْت: صَدَقَ الأَمِيرُ

وَبَرَّ (1) .

1246- قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ، وَأَيُّوبُ بْنُ صَالِحٍ الْمُؤَدِّبُ (2) بِالْبَصْرَةِ، قَالا: حَدَّثَنَا

أَبُو دَاوُدَ سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الشَّاذَكُوني (3) إِمْلاءً مِنْ حِفْظِهِ بِحَضَرَةِ أَبِي حَاتِم، وَأَبِي زُرْعَةَ، وصَالِح جَزَرَة، وَالْمُسْتَمْلِي أَبو (4) قِلَابة الضَّرِير، وَلَمْ يَذْكُرْ أَيُّوبُ بْنُ صَالِحٍ هَذِه الْقِصَّةَ حَدَّثَنَا الحكم

ابن

--------------------------------------------

(1) في إسناده أبو الحسن الموصلي وهو مخلط، وكذّبه أبو نعيم وابن المظفر.

أخرجه الخطيب في الجامع لأخلاق الراوي: 2/25-26، من طريق أبي عبد الله الصوري، عن الحسن بن حامد الأديب، عن علي بن محمد بن سعيد الموصلي، عن الحسن بن عليل، عن أبي خيثمة به.

(2) أيوب بن صالح المؤدب: لعله أيوب بن صالح بن سليمان بن هاشم أبو صالح المعافري القرطبي المالكي، كان إماما في المذهب، وكان متصرّفاً في علم النحو والبلاغة والشعر. الوافي بالوفيات: 10/52، سير أعلام النبلاء: 15/330-331، تاريخ علماء الأندلس: 1/86.

(3) أَبُو دَاوُدَ سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الشاذكوني: المنقري، قال البخاري: هو أضعف من كل ضعيف. كتب عنه أبو زرعة ثم ترك الرواية عنه. وقال النسائي: ليس بثقة. ورماه صالح الجزرة بالوضع. وقال أبو جعفر: مثل هذا لا يحدث عنه. وقال الخطيب: كان حافظا مكثرا. مات سنة ست وثلاثين ومائتين. الثقات: 1/279، طبقات المحدثين بأصبهان: 2/123، تاريخ بغداد: 9/40.

(4) كذا في الخطية، وفوقها (صح) .
এবং তাদের শৌর্য-বীর্য সমান, তাদের একজন ব্যাকরণগত ভুল করে

এবং অন্যজন ভুল করে না। নিশ্চয়ই দুনিয়া ও আখেরাতে তাদের মধ্যে সেই শ্রেষ্ঠ [পৃষ্ঠা ২৬৪/ক] যে ব্যাকরণগত ভুল করে না। তিনি বললেন: আমরা বললাম:

আল্লাহ আমীরকে সংশোধন করুন (তার কল্যাণ করুন), তার বাগ্মিতা ও আরবী ভাষার শ্রেষ্ঠত্বের কারণে সে দুনিয়াতে শ্রেষ্ঠ হতে পারে, কিন্তু আখেরাতের ব্যাপারে আপনার অভিমত কী, কেন সে

সেখানেও শ্রেষ্ঠ হবে? তিনি বললেন: নিশ্চয়ই সে আল্লাহর কিতাব সেভাবেই পাঠ করে যেভাবে আল্লাহ তা নাযিল করেছেন। আর যে ব্যক্তি ব্যাকরণগত ভুল করে, তার এই ভুল তাকে

আল্লাহর কিতাবে এমন কিছু অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য করে যা তাতে নেই এবং যা তাতে আছে তা বের করে দিতে (বাদ দিতে) বাধ্য করে। তিনি (বর্ণনাকারী) বললেন: আমি বললাম: আমীর সত্য বলেছেন

এবং পুণ্যময় কাজ করেছেন (১)।

১২৪৬- তিনি বললেন: আমাদের নিকট হাসান এবং বসরায় আইয়ুব ইবনে সালেহ আল-মুয়াদ্দিব (২) বর্ণনা করেছেন, তারা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট

আবু দাউদ সুলাইমান ইবনে দাউদ আল-শাযাকুনী (৩) আবু হাতিম, আবু যুরআহ ও সালেহ জাযারাহ-এর উপস্থিতিতে তার স্মৃতি থেকে শ্রুতিলিপি (ইমলা) হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আর আল-মুস্তামলী ছিলেন আবু (৪) কিলাবাহ আদ-দারীর। আইয়ুব ইবনে সালেহ এই কাহিনীটি উল্লেখ করেননি। আমাদের নিকট হাকাম

ইবনে

--------------------------------------------

(১) এর সনদ বা বর্ণনা সূত্রে আবু আল-হাসান আল-মাওসিলি রয়েছেন এবং তিনি একজন সংমিশ্রণকারী (বর্ণনায় বিশৃঙ্খলাকারী); আবু নুআইম এবং ইবনুল মুযাফ্ফর তাকে মিথ্যাবাদী বলেছেন।

খতীব এটি 'আল-জামি লি-আখলাক আল-রাওয়ি' গ্রন্থে (২/২৫-২৬) আবু আবদুল্লাহ আস-সূরী থেকে হাসান ইবনে হামিদ আল-আদীবের সূত্রে, তিনি আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-মাওসিলি থেকে, তিনি হাসান ইবনে আলীল থেকে, তিনি আবু খাইসামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।

(২) আইয়ুব ইবনে সালেহ আল-মুয়াদ্দিব: সম্ভবত তিনি হলেন আইয়ুব ইবনে সালেহ ইবনে সুলাইমান ইবনে হাশিম আবু সালেহ আল-মাআফিরী আল-কুরতুবী আল-মালিকী। তিনি মাযহাবে একজন ইমাম ছিলেন এবং নাহু (ব্যাকরণ), বালাগাত (অলঙ্কারশাস্ত্র) ও কবিতায় পারদর্শী ছিলেন। আল-ওয়াফি বিল-ওয়াফায়াত: ১০/৫২, সিয়ারু আলামিন নুবালা: ১৫/৩৩০-৩৩১, তারিখু উলামাইল আন্দালুস: ১/৮৬।

(৩) আবু দাউদ সুলাইমান ইবনে দাউদ আল-শাযাকুনী: আল-মানকারী। বুখারী বলেছেন: তিনি দুর্বলদের মধ্যেও অধিক দুর্বল। আবু যুরআহ তার থেকে লিখেছিলেন, পরবর্তীতে তার থেকে বর্ণনা করা ছেড়ে দেন। নাসাঈ বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য নন। সালেহ জাযারাহ তাকে হাদিস জাল করার দায়ে অভিযুক্ত করেছেন। আবু জাফর বলেছেন: তার মতো ব্যক্তির থেকে বর্ণনা গ্রহণ করা হয় না। খতীব বলেছেন: তিনি অধিক বর্ণনাকারী হাফেজ ছিলেন। তিনি ২৩৬ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। আস-সিকাত: ১/২৭৯, তাবাকাতুল মুহাদ্দিসীন বি-আসবেহান: ২/১২৩, তারিখু বাগদাদ: ৯/৪০।

(৪) পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে, আর এর উপরে 'সঠিক' চিহ্ন রয়েছে।
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٢٩٦)
ظَهِيرٍ (1)

، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ أَبِي مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: ((قَدِمَ مُلُوكُ حَضْرَمَوْت عَلَى رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم بَنُو وَلِيْعة، ومِخْوَس (2) ، وَمِشْرَح، وأبْضَّعَة (3) وَأُخْتُهُم الْعَمَرَّدَةِ، وَفِيهِمْ الأَشْعَثُ ابْنُ قَيْس، وَهُوَ مِنْ أَصْغَرِهِمْ فَقَالُوا: أَبَيْتَ اللَّعنَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: لستُ مَلِكًا، أنَا محمدُ

ابنُ عبدِ اللهِ بْنِ عَبْدِ المُطَّلِب، قَالُوا: لَا نُسَمِّيكَ بِاسْمِك، قَالَ: لَكِنَّ اللهَ سَمَّانِي، وَأَنَّا أَبُو الْقَاسِم، فَقَالُوا: يَا أَبَا الْقاَسِم، إِنَّا قَدْ خَبَّأْنَا لَك خَبِيئًا فَمَا هُوَ؟ وَكَانُوا خَبَؤُوا لِرَسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم رِجْلَ جَرَادَ ةٍ، وحَمِيْتَ َسْمنٍ، قال: وَالْحَمِيْتُ: الزِّقُّ [ل264/ب] الَّذِي قَدْ قُيِّرَ دَاخِلُهُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: إِنَّمَا يُفْعَلُ ذَلِك بِالْكَاهِنِ، وَإِنَّ الْكَاهِنَ وَالْكَهَانَةَ وَالْمُتَكَهِّنَ فِي النَّارِ، فَقَالُوا كَيْفَ

--------------------------------------------

(1) الحكم بن ظُهَيْر: بالمعجمة الفزاري أبو محمد، قال ابن معين: ليس بثقة، وقال البخاري: تركوه منكر الحديث. وقال أبو زرعة وأبو حاتم: متروك الحديث، وقال الجوزجانيك ساقط، وقال ابن حبان: يروي عن الثقات الأشياء الموضوعات. وقال ابن حجر: متروك رمي بالرفض واتهمه ابن معين. التاريخ الكبير: 2/345، الضعفاء الصغير:

 

0/31، الضعفاء والمتروكون: 0/31، الجرح والتعديل: 3/118، المجروحين: 1/250، تهذيب الكمال: 7/99، التقريب: 1/175.

(2) في الخطية (يحرس) والتصحيح من معجم البلدان 2/271، (حضرموت) وجاء في القاموس المحيط: 2/220 مادة (خوس) : ومخوس كمنبر ومشرح وجمد وأبضعة بنو معد يكرب الملوك الأربعة الذين لعنهم رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، ولعن أختهم العمردة، وفدوا مع الأشعث، فأسلموا ثم ارتدوا، فقتلوا يوم النجير، فقالت نائحتهم: يا عينُ بكّي لي الملوك الأربعة.

(3) في الخطية (الضعة) وهو تصحيف،
যুহায়র (১)

, শাবি থেকে, তিনি আবু মালিক থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ((হাদরামাউতের বাদশাহগণ—বনূ ওয়ালীয়া, মিখওয়াস (২), মিশরাহ, আবযাহ (৩) এবং তাদের বোন আল-আমাররাদা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হলেন। তাদের মধ্যে আশআস ইবনে কায়সও ছিলেন, যিনি ছিলেন তাদের মধ্যে বয়সে কনিষ্ঠ। তারা বলল: আপনি অভিশাপ মুক্ত হোন (তৎকালীন রাজকীয় অভিবাদন)। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: আমি কোনো বাদশাহ নই, আমি মুহাম্মাদ

ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল মুত্তালিব। তারা বলল: আমরা আপনাকে আপনার নামে ডাকব না। তিনি বললেন: কিন্তু আল্লাহই আমার নাম রেখেছেন, আর আমি আবুল কাসিম। তারা বলল: হে আবুল কাসিম, আমরা আপনার জন্য একটি বিষয় গোপন করে রেখেছি, সেটি কী? তারা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরীক্ষার জন্য একটি ফড়িংয়ের পা এবং চর্বিযুক্ত ঘি ভর্তি একটি চামড়ার মশক লুকিয়ে রেখেছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন: 'হামীত' হলো এমন চামড়ার মশক [পত্র ২৬৪/খ] যার অভ্যন্তরভাগ আলকাতরা বা পিচ দিয়ে প্রলেপ দেওয়া হয়েছে। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: এরূপ তো গণকদের সাথে করা হয়; আর নিশ্চয়ই গণক, গণনাবিদ্যা এবং গণকের কাছে আসা ব্যক্তি জাহান্নামে যাবে। তারা বলল: কীভাবে

--------------------------------------------

(১) আল-হাকাম বিন যুহায়র: মুজামাহ (বিন্দুযুক্ত বর্ণ) সহকারে আল-ফাজারী আবু মুহাম্মাদ। ইবনে মাঈন বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য নন। ইমাম বুখারী বলেছেন: তারা তাকে বর্জন করেছেন, তার বর্ণিত হাদিস প্রত্যাখ্যাত। আবু যুরআ এবং আবু হাতিম বলেছেন: তিনি হাদিস বর্ণনায় পরিত্যক্ত। জাওযাজানী বলেছেন: তিনি অযোগ্য বা পরিত্যক্ত। ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের উদ্ধৃতি দিয়ে বানোয়াট বিষয় বর্ণনা করেন। ইবনে হাজার বলেছেন: তিনি পরিত্যক্ত, তার বিরুদ্ধে রাফযী হওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে এবং ইবনে মাঈন তাকে অভিযুক্ত করেছেন। আত-তারীখুল কাবীর: ২/৩৪৫, আদ-দুয়াফাউস সাগীর:

 

০/৩১, আদ-দুয়াফা ওয়াল মাতরুকুন: ০/৩১, আল-জারহু ওয়াত তা'দীল: ৩/১১৮, আল-মাজরুহীন: ১/২৫০, তাহযীবুল কামাল: ৭/৯৯, আত-তাকরীব: ১/১৭৫।

(২) পাণ্ডুলিপিতে (য়াহরাস) ছিল, সঠিকটি মুজামুল বুলদান ২/২৭১ (হাদরামাউত) থেকে নেওয়া হয়েছে। আল-কামূসুল মুহীত ২/২২০-এ (খাওয়াস) পরিচ্ছেদে এসেছে: মিখওয়াস (মিনবার-এর ওজনে) এবং মিশরাহ, জুমাদ ও আবযাহ হলো মা'দী কারিবের চার পুত্র বাদশাহ, যাদেরকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লানত (অভিশাপ) দিয়েছিলেন এবং তাদের বোন আল-আমাররাদা-কেও লানত দিয়েছিলেন। তারা আশআসের সাথে প্রতিনিধি হিসেবে এসেছিলেন, এরপর ইসলাম গ্রহণ করেন কিন্তু পরবর্তীতে মুরতাদ (ধর্মত্যাগী) হয়ে যান। তারা নাযীরের যুদ্ধে নিহত হয়েছিলেন। তখন তাদের বিলাপকারিণী বলেছিল: হে চক্ষু! তুমি আমার জন্য সেই চার বাদশাহর শোকে অশ্রু বিসর্জন করো।

(৩) মূল পাণ্ডুলিপিতে (আয-যয়আ) ছিল, যা একটি লিখন প্রমাদ (তাসহিফ)।
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٢٩٧)
نَعْلَمُ أَنَّكَ رَسُولُ اللهِ؟ قَالَ: فَأَخَذَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم كَفًّا مِنْ حَصَى فَقَالَ: هَذَا يَشْهَدُ أَنِّي رَسُولُ اللهِ، [فَسَبَّحَ الْحَصَى فِي يَدِهِ فَقَالَ: أَشْهَدُ أَنَّكَ رَسُولُ اللهِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم] (1) : إِنَّ الَّذِي بَعَثَنِي بِالْحَقِّ أَنْزَلَ عَلَيَّ كِتَابًا لَايَأْتِيهِ الْبَاطِلُ مِنْ بَيْنَ يَدَيْهِ وَلَا مِنْ خَلْفهِ، أَثْقَلُ فِي الْمِيزَانِ مِنَ الْجَبَلِ الْعَظِيمِ فِي اللَّيْلَةِ الظَّلْمَاءِ فيِ مِثْلِ نُورِ الشِّهَاب، قَالَ: فأَسْمِعْنَا مِنْهُ، فتَلَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم {وَالصَّافاَتِ صَفًّا، فاَلزَّاجِرَاتِ زَجْرًا} (2) ، حَتَّى بَلَغَ {رّبُّ الْمَشَارِقِ} (3)

ثُمَّ سَكَنَ رسولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَلَمْ يَتَحَرَّكْ مِنْهُ شَيْءٌ ودُمُوعُه تَجْري عَلَى لِحْيَتِه، فَقَالُوا: إِنَّا نَرَاك تَبْكِي فمِنْ مَخَافةِ مَنْ أرسلَكَ تَبْكي؟ قَالَ: خَشْيَتِي مِنْهُ أبْكَتنْيِ، بَعَثَنِي عَلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ فِي مثْلِ حَدِّ السَّيْفِ إِن زِغْتُ عنْهُ هَلَكْتُ، ثُمَّ تلَا: {وَلَئِنْ شِئْنَا لَنَذْهَبَنَّ بِالَّذِي أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ} الآية (ْ (4) (5) .

--------------------------------------------

(1) ما بين المعقوفين مثبت من هامش الخطية وكتب عليها الناسخ ((صح)) .

(2) سورة الصافات آية رقم ((1 و2))

(3) سورة الصافات آية رقم ((5)) ..

(4) سورة الإسراء: آية رقم ((86)) .

(5) في إسناده أبو الحسن الموصلي وهو مخلط، كذّبه ابن المظفر وأبو نعيم، وأبو داود الشاذكوني ضعيف ورماه صالح الجزرة بالوضع والحكم بن ظهير متروك الحديث، وأبو موسى لم أميّزه.

أخرجه محمد بن علي الترمذي في نوادر الأصول في أحاديث الرسول: 2/216-217، عن ابن عباس بدون إسناد، بأطول مما عند المؤلف.
আমরা [কিভাবে] জানব যে আপনি আল্লাহর রাসূল? তিনি বললেন: অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক মুষ্টি কঙ্কড় নিলেন এবং বললেন: এগুলো সাক্ষ্য দেবে যে আমি আল্লাহর রাসূল, [অতঃপর কঙ্কড়গুলো তাঁর হাতে তসবিহ পাঠ করল এবং বলল: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আপনি আল্লাহর রাসূল, তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন] (১) : নিশ্চয় যিনি আমাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন, তিনি আমার প্রতি এমন এক কিতাব অবতীর্ণ করেছেন যার সামনে বা পেছন থেকে কোনো মিথ্যা আসতে পারে না। এটি মিজানের পাল্লায় বিশাল পাহাড়ের চেয়েও ভারী এবং অন্ধকার রাতে উল্কাপিণ্ডের আলোর মতো। তিনি বললেন: আমাদের তা থেকে কিছু শোনান। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিলাওয়াত করলেন: {শপথ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো ফেরেশতাদের, এবং শপথ ধমক দিয়ে পরিচালনাকারীদের} (২), {পূর্বাঞ্চলসমূহের পালনকর্তা} (৩) পর্যন্ত।

অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শান্ত হলেন, তাঁর শরীরের কোনো অংশ নড়ছিল না এবং তাঁর অশ্রু তাঁর দাড়ি বেয়ে গড়িয়ে পড়ছিল। তাঁরা বললেন: আমরা আপনাকে কাঁদতে দেখছি; আপনি কি আপনাকে যিনি পাঠিয়েছেন তাঁর ভয়ে কাঁদছেন? তিনি বললেন: তাঁর প্রতি আমার ভয়ই আমাকে কাঁদিয়েছে। তিনি আমাকে তলোয়ারের ধারের মতো এক সরল পথে পাঠিয়েছেন, যদি আমি তা থেকে বিচ্যুত হই তবে ধ্বংস হয়ে যাব। অতঃপর তিনি তিলাওয়াত করলেন: {আর আমি ইচ্ছা করলে আপনার প্রতি যা ওহী করেছি তা অবশ্যই তুলে নিতাম} আয়াতটি (৪) (৫)।

--------------------------------------------

(১) বন্ধনীর ভেতরের অংশটুকু পাণ্ডুলিপির পার্শ্বটীকা থেকে নেওয়া হয়েছে এবং সেখানে অনুলিপিকারক ((সহীহ)) লিখেছেন।

(২) সূরা আস-সাফফাত, আয়াত নম্বর ((১ ও ২))

(৩) সূরা আস-সাফফাত, আয়াত নম্বর ((৫)) ..

(৪) সূরা আল-ইসরা: আয়াত নম্বর ((৮৬)) ।

(৫) এর সনদে আবু হাসান আল-মাওসিলি রয়েছেন যিনি একজন সংমিশ্রণকারী, ইবনে মুজাফফর ও আবু নুআইম তাকে মিথ্যাবাদী বলেছেন। আবু দাউদ আশ-শাজকুনি দুর্বল এবং সালিহ জাযরাহ তাকে জাল হাদিস রচনার দায়ে অভিযুক্ত করেছেন। হাকাম বিন যুহাইর মাতরুকুল হাদিস (পরিত্যক্ত) এবং আবু মূসাকে আমি শনাক্ত করতে পারিনি।

মুহাম্মদ বিন আলী আত-তিরমিজি এটি 'নাওয়াদিরুল উসুল ফী আহাদিসির রাসূল'-এ (২/২১৬-২১৭) ইবনে আব্বাস থেকে সনদ ছাড়াই উদ্ধৃত করেছেন, যা লেখকের এখানে থাকা পাঠের চেয়েও দীর্ঘ।
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٢٩٨)
1247- قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَرْعَرَةَ، حَدَّثَنَا عُبَيْسُ بْنُ مَرْحُومٍ (1) ، حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ (2) ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَجْلان، عَنْ سُمَيِّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ

أَبِي هُرَيْرَةَ: ((أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا عَطَسَ غَضَّ بِهَا صَوْتَهُ، وَأَمْسَكَ عَلَى وَجْهِهِ)) (3) . [ل265/أ]

--------------------------------------------

(1) عبيس بن مرحوم: بن عبد العزيز العطار، وثقه ابن معين والعجلي وأبو حاتم وابن حبان، وزاد أبو حاتم أن في حديثه شيء. مات سنة تسع عشرة ومائتين. معرفة الثقات: 2/125، الجرح والتعديل: 7/34، الثقات: 8/52.

(2) حاتم بن إسماعيل: أبو إسماعيل المثني الحارثي مولاهم، وثقه ابن سعد والعجلي وابن حبان. قال أحمد زعموا أن حاتما فيه غفلة إلا أن كتابه صحيح. وقال النسائي: ليس به بأس، وقال مرة: ليس بالقوي. قال ابن حجر: صحيح الكتاب، صدوق يهم. مات سنة ست وثمانين ومائة. الطبقات الكبرى: 5/425، معرفة الثقات: 1/275، الثقات: 8/210، تهذيب الكمال: 5/187، التقريب: 1/144.

(3) حديث صحيح، وإسناد المؤلف فيه أبو الحسن الموصلي وهو مخلط، وقد كذّبه أبو نعيم وابن المظفر.

أخرجه أبو داود في الأدب: باب العطاس 5/287-288 رقم ((5029)) والترمذي في الإستئذان والآداب: باب ما جاء في حفض الصوت وتخمير الوجه عند العطاس 8/19 رقم ((2893)) وأحمد في المسند: 2/439، والحاكم في المستدرك: 4/325، والبيهقي في السنن الكبرى: 2/90، وابن عبد البر في التمهيد: 17/335، والبغوي في شرح السنة: 12/314 رقم ((3346)) ، من طريق يحيى بن سعيد، وأبو يعلى في المسند: 12/17 رقم ((6663)) من طريق خالد بن الحارث، والحميدي في المسند: 2/489 رقم ((1157)) والطبراني في معجم الصغير: 1/83، وفي معجم الأوسط: 2/505 رقم ((187)) ، من طريق سفيان الثوري، والبيهقي في السنن الكبرى: 2/90، من طريق إسرائيل، أربعتهم عن محمد بن عجلان به.

وقال الترمذي: حسن صحيح، وقال الحاكم: حديث صحيح الإسناد، وعند بعضهم زيادة ((غطّى وجهه بثوبه أو بيده)) .

وأخرجه الحاكم في المستدرك: 4/264، من طريق ابن وهب، عن عبد الله بن عياش، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ صلى الله عليه وسلم إِنَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قال: ((إذا عطس أحدكم فليضع كفيه على وجهه وليخفض صوته)) . وقال: هذا حديث صحيح الإسناد ولم يخرجاه، ووافقه الذهبي.

قلت: فيه عبد الله بن عياش وهو صدوق يغلط أخرج له مسلم في الشواهد، التقريب: 1/317.
১২৪৭- তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাসান বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইব্রাহিম ইবনে আরআরা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট উবাইস ইবনে মারহুম বর্ণনা করেছেন (১), আমাদের নিকট হাতিম ইবনে ইসমাঈল বর্ণনা করেছেন (২), আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে আজলান বর্ণনা করেছেন, সুমাই থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন:

নিশ্চয়ই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হাঁচি দিতেন, তখন তিনি তাঁর আওয়াজ নিচু করতেন এবং তাঁর মুখমণ্ডল ঢেকে রাখতেন। (৩) [পৃষ্ঠা ২৬৫/ক]

--------------------------------------------

(১) উবাইস ইবনে মারহুম: ইবনে আব্দুল আজিজ আল-আত্তার। ইবনে মাঈন, আল-ইজলি, আবু হাতিম এবং ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আবু হাতিম আরও বলেছেন যে, তাঁর হাদিসে কিছুটা ত্রুটি আছে। তিনি ২১৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। মারিফাতুস সিকাত: ২/১২৫, আল-জারহু ওয়াত তাদিল: ৭/৩৪, আস-সিকাত: ৮/৫২।

(২) হাতিম ইবনে ইসমাঈল: আবু ইসমাঈল আল-মুসান্না আল-হারিসি, তাঁদের মুক্তদাস। ইবনে সাদ, আল-ইজলি এবং ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আহমাদ বলেন: তাঁরা মনে করতেন যে হাতিমের মধ্যে কিছুটা অসতর্কতা আছে, তবে তাঁর কিতাব (লিখনী) সঠিক। নাসাঈ বলেন: এতে কোনো সমস্যা নেই। তিনি অন্য সময় বলেছেন: তিনি খুব একটা শক্তিশালী নন। ইবনে হাজার বলেন: তাঁর কিতাব সঠিক, তিনি সত্যবাদী তবে ভ্রমপ্রবণ। তিনি ১৮৬ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। আত-তবাকাতুল কুবরা: ৫/৪২৫, মারিফাতুস সিকাত: ১/২৭৫, আস-সিকাত: ৮/২১০, তাহজিবুল কামাল: ৫/১৮৭, আত-তাকরিব: ১/১৪৪।

(৩) হাদিসটি সহিহ। তবে গ্রন্থকারের সনদে আবুল হাসান আল-মাওসিলি রয়েছেন যিনি সংমিশ্রণকারী (মাখলাত)। আবু নুআইম ও ইবনুল মুজাফফর তাঁকে মিথ্যাবাদী বলেছেন।

আবু দাউদ আদব অধ্যায়ে এটি বর্ণনা করেছেন: হাঁচি পরিচ্ছেদ, ৫/২৮৭-২৮৮, নম্বর (৫০২৯); তিরমিজি অনুমতি ও আদব অধ্যায়ে: হাঁচির সময় শব্দ নিচু করা এবং মুখমণ্ডল আবৃত করা সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে, ৮/১৯, নম্বর (২৮৯৩); আহমাদ মুসনাদে: ২/৪৩৯; হাকেম মুস্তাদরাকে: ৪/৩২৫; বায়হাকি সুনানে কুবরায়: ২/৯০; ইবনে আব্দুল বার তামহিদে: ১৭/৩৩৫; বাগাওয়ী শারহুস সুন্নাহ-তে: ১২/৩১৪, নম্বর (৩৩৪৬), ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদের সূত্রে; আবু ইয়ালা মুসনাদে: ১২/১৭, নম্বর (৬৬৬৩), খালিদ ইবনুল হারিসের সূত্রে; হুমাইদি মুসনাদে: ২/৪৮৯, নম্বর (১১৫৭); তাবারানি মুজামুস সাগিরে: ১/৮৩ এবং মুজামুল আওসাতে: ২/৫০৫, নম্বর (১৮৭), সুফিয়ান সাওরির সূত্রে; বায়হাকি সুনানে কুবরায়: ২/৯০, ইসরাঈলের সূত্রে। তাঁরা চারজনই মুহাম্মদ ইবনে আজলান থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

তিরমিজি বলেন: এটি হাসান সহিহ। হাকেম বলেন: হাদিসটির সনদ সহিহ। তাঁদের কারো কারো বর্ণনায় অতিরিক্ত এসেছে: "তিনি তাঁর কাপড় বা হাত দিয়ে তাঁর মুখমণ্ডল ঢেকে রাখতেন।"

হাকেম মুস্তাদরাকে এটি বর্ণনা করেছেন: ৪/২৬৪, ইবনে ওয়াহাবের সূত্রে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আইয়াশ থেকে, তিনি আল-আরাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমাদের কেউ যখন হাঁচি দেয়, সে যেন তার হাতের তালুদ্বয় নিজের মুখের ওপর রাখে এবং আওয়াজ নিচু করে।" তিনি (হাকেম) বলেন: এই হাদিসটির সনদ সহিহ কিন্তু তাঁরা (বুখারি ও মুসলিম) এটি বর্ণনা করেননি। ইমাম জাহাবি তাঁর সাথে একমত পোষণ করেছেন।

আমি বলি: এতে আব্দুল্লাহ ইবনে আইয়াশ রয়েছেন। তিনি সত্যবাদী কিন্তু ভুল করেন। মুসলিম তাঁর বর্ণনা শাওয়াহেদে (সমর্থনমূলক বর্ণনায়) গ্রহণ করেছেন। আত-তাকরিব: ১/৩১৭।
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٢٩٩)
1248- قال: حدثنا الحسن، حدثنا علي بن المديني، حدثنا عبد الله بن هارون الشامي، حدثني أبي (1)

، حدثنا أبو يونس القشيري (2) ، حدثنا عمرو بن دينار: ((أَنَّ زَيْدَ

ابنَ أُسَامَة لَمَّا حَضَرَتْهُ الْوَفَاةُ جَعَلَ يَبْكِي، فقال لَهُ عَلِيُّ بْنُ حُسَيْن صلى الله عليه وسلم مَا يُبْكِيك؟ قال: أَبْكِي عَلَى أَنَّ عَليَّ خَمْسَةَ عَشَرَ أَلْفَ دِينَاٍر، فقال لَهُ عَلِيُّ، لَا تَبْكِ، فَهُنَّ عَلَيَّ، وَأَنْتَ مِنْهَا بَرِيءٌ (3) .

1249- قال: أخبرنا الحسن (4) قِرَاءَةً عَلَيْهِ، حدَّثَكُمْ عليُّ بْنُ المَدِينِي،

--------------------------------------------

(1) هارون بن أبي عيسى الشامي: قال البخاري: يخطئ في غير حديث محمد بن إسحاق. وذكره العقيلي في الضعفاء. ووثقه ابن حبان والذهبي. وقال ابن حجر: مقبول. الضعفاء الكبير: 4/358، الثقات: 9/238، تهذيب الكمال:

 

30/102، الكاشف: 2/331، التقريب: 1/569.

(2) أبو يونس القشيري: حاتم بن أبي صغير القشيري البصري، وابو مغيرة اسمه مسلم وهو جده لأمه وقيل زوج أمه ثقة من السادسة. التقريب: 1/144.

(3) في إسناده أبو الحسن الموصلي كذّبه ابن المظفر وأبو نعيم، وهو مروي من غير هذا الطريق.

أخرجه أبو نعيم في حلية الأولياء: 3/141، وابن عساكر في تاريخ دمشق: 41/385، من طريق إسماعيل بن إسحاق القاضي، عن علي بن المديني به.

وأخرجه المزي في تهذيب الكمال: 20/393، والذهبي في سير أعلام النبلاء: 4/394، معلقا على حاتم القشيري به. وابن الجوزي في صفة الصفوة: 2/101 معلقا على عمرو بن دينار به.

وورد عندهم ((محمد بن أسامة بن زيد)) بدل ((زيد بن أسامة)) ، وورد في السير: بضعة عشر ألف)) .

(4) في الخطية (الحسين) والتصحيح من روايات السابقة واللاحقة.
১২৪৮- তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-হাসান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আলী বিন আল-মাদিনী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন হারুন আল-শামি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন (১)

, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু ইউনুস আল-কুশায়রী (২) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আমর বিন দিনার বর্ণনা করেছেন: ((নিশ্চয়ই জায়েদ ইবনে উসামার যখন মৃত্যুর সময় উপস্থিত হলো, তখন তিনি কাঁদতে শুরু করলেন। তখন আলী বিন হুসাইন (তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) তাঁকে বললেন: আপনি কেন কাঁদছেন? তিনি বললেন: আমি এজন্য কাঁদছি যে, আমার ওপর পনের হাজার দিনার ঋণ রয়েছে। তখন আলী তাঁকে বললেন: আপনি কাঁদবেন না, সেই ঋণের ভার আমার ওপর, আর আপনি তা থেকে মুক্ত (৩)।

১২৪৯- তিনি বলেন: আল-হাসান (৪) আমাদের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আপনাদের নিকট আলী বিন আল-মাদিনী বর্ণনা করেছেন,

--------------------------------------------

(১) হারুন বিন আবি ঈসা আল-শামি: আল-বুখারী বলেছেন: তিনি মুহাম্মদ বিন ইসহাকের হাদিস ব্যতীত অন্য হাদিসে ভুল করেন। আল-উকায়লি তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের গ্রন্থে (আদ-দুয়াফা) উল্লেখ করেছেন। ইবনে হিব্বান এবং আয-যাহাবি তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবনে হাজার বলেছেন: মাকবুল (গৃহীত)। আদ-দুয়াফা আল-কাবীর: ৪/৩৫৮, আস-সিকাত: ৯/২৩৮, তাহযীবুল কামাল:

 

৩০/১০২, আল-কাশিফ: ২/৩৩১, আত-তাকরীব: ১/৫৬৯।

(২) আবু ইউনুস আল-কুশায়রী: হাতেম বিন আবি সাগির আল-কুশায়রী আল-বাসরি, আর আবু মুগিরাহ তার নাম মুসলিম, তিনি তার মাতামহ, আবার বলা হয়ে থাকে যে তিনি তার মায়ের স্বামী; তিনি ষষ্ঠ স্তরের একজন নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী। আত-তাকরীব: ১/১৪৪।

(৩) এর সনদে আবুল হাসান আল-মাওসিলি রয়েছেন যাকে ইবনুল মুজাফ্ফার ও আবু নুআইম মিথ্যাবাদী বলেছেন, তবে এটি এই সূত্র ছাড়াও অন্য সূত্রে বর্ণিত হয়েছে।

আবু নুআইম এটি ‘হিলয়াতুল আউলিয়া’: ৩/১৪১ গ্রন্থে, এবং ইবনে আসাকির ‘তারিখে দামেশক’: ৪১/৩৮৫ গ্রন্থে ইসমাঈল বিন ইসহাক আল-কাদির সূত্রে আলী বিন আল-মাদিনী থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

আল-মিযযি এটি ‘তাহযীবুল কামাল’: ২০/৩৯৩ গ্রন্থে এবং আয-যাহাবি ‘সিয়ারু আলামিন নুবালা’: ৪/৩৯৪ গ্রন্থে হাতেম আল-কুশায়রীর সূত্রে মুআল্লাক (ঝুলন্ত সনদ) হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আর ইবনুল জাওজি ‘সিফাতুস সাফওয়া’: ২/১০১ গ্রন্থে আমর বিন দিনারের সূত্রে মুআল্লাক হিসেবে এটি বর্ণনা করেছেন।

তাদের নিকট ‘জায়েদ বিন উসামা’ এর পরিবর্তে ‘মুহাম্মদ বিন উসামা বিন জায়েদ’ এসেছে, আর ‘সিয়ার’ গ্রন্থে ‘দশ হাজারেরও কিছু অধিক (দিনার)’ কথাটি এসেছে।

(৪) পাণ্ডুলিপিতে ‘আল-হুসাইন’ রয়েছে, তবে পূর্ববর্তী ও পরবর্তী বর্ণনাগুলোর আলোকে সঠিকটি হলো ‘আল-হাসান’।
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٣٠٠)
حدثنا سُفْيان (1) قال: ((كَانَ عَلِيُّ بنُ حَسَيْن رضي الله عنه يَحْمِلُ مَعَهُ جِرَاباً مِنْ خُبْزٍ بَتَصَدَّقُ بِهِ، ويقُولُ: بَلَغَنِي أَنَّ الصَّدَقَةَ تُطْفِئُ غَضَب

--------------------------------------------

(1) سفيان: هو ابن عيينة.
সুফিয়ান (১) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ((আলী ইবন হুসাইন রাযিয়াল্লাহু আনহু নিজের সাথে রুটির একটি থলে বহন করতেন এবং তা সদকাহ করতেন, আর বলতেন: আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, নিশ্চয়ই সদকাহ ক্রোধ নির্বাপিত করে

--------------------------------------------

(১) সুফিয়ান: তিনি হলেন ইবন উয়াইনাহ।
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٣٠١)
َ الرَّبِّ)) (1) .

1250 - قال: حدثنا الحسن، حدثنا علي (2) ، حدثنا سفيان (3) قال: قال عليُّ

ابن حسين: ((مَا يَسُرُّنِي بِنَصِيبِي مِنَ الذُّلِّ حُمْرُ النَّعَمِ)) (4) .

1251- قال (5) : حدثنا الحسن (6) ، حدثنا علي (7) ، حدثنا سفيان (8) قال: حدثونا عن الزهري قال: ((مَا رَأَيْتُ قُرَشِياًّ أَفْضَلَ مِنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْن)) (9) .

--------------------------------------------

(1) في إسناده أبو الحسن الموصلي وهو مخلط، كذّبه ابن المظفر وأبو نعيم ن وهو مروي من غير هذا الطريق.

 

أخرجه أبو نعيم في حلية الأولياء: 3/135-136، وابن عساكر في تاريخ دمشق: 12/21، والذهبي في سير أعلام النبلاء: 4/393، من طريق سفيان، عن أبي حمزة الثُّمالي أن علي بن حسن كان يحمل.. فذكره.

وأخرجه ابن الجوزي في صفة الصفوة: 2/96 عن أبي حمزة من قوله. وأبو حمزة الثمالي هذا هو ثابت بن أبي صفية الثمالي واسم أبيه دينار كوفي ضعيف رافضي، التقريب: 1/132.

وأخرج الترمذي في الزكاة: باب ما جاء في فضل الصدقة رقم ((664)) وابن حبان في صحيحه: 8/103-104 رقم ((3309)) والبغوي في شرح السنة: رقم ((1634)) من طريق عقبة بن مكرم، عن عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عِيسَى، عَنْ يونس

ابن عبيد، عن الحسن، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ((الصدقة تطفئ غضب الرب، وتدفع ميتة السُّوء)) . وقال الترمذي: حسن غريب من هذا الوجه.

قلت فيه عبد الله بن عيسى الخزاز وهو ضعيف كما في التقريب: 1/ 317، وفيه عنعنة الحسن أيضا.

وأخرج الطبراني في معجم الصغير: رقم ((128419)) ، ومن طريقه القضاعي في مسند الشهاب: 1/92 رقم ((99)) ، عن محمد ابن عون السيرافي، عن أصرم بن حوشب، عن قرة بن خالد، عن أبي جعفر محمد بن علي بن الحسين قال: قلت لعبد الله بن جعفر ابن أبي طالب حدّثنا شيئا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: … وسمعت رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يقول: صدقة السر تطفئ غضب الرب. وفي إسناده أصرم بن حوشب وهو متروك الحديث واتهمه غير واحد بالوضع. انظر الجرح والتعديل: 2/336. والمجروحين: 1/181.

وأخرجه الطبراني في معجم الأوسط: 1/513، رقم ((947)) ، وفي معجم الكبير: 19/421 رقم ((1018)) والقضاعي في مسند الشهاب: 1/94 رقم ((102)) ، من طريق صدقة بن عبد الله، وعن أصبغ، عن بهز بن حكيم، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ عَنِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قال: ((صانع المعروف تقي مصارع السوء، وإن صدقة السر تطفئ غضب الرب … )) وفي إسناده صدقة بن عبد الله وهو ضعيف، التقريب: 1/275.

(2) علي: بن المديني.

(3) سفيان: بن عيينة.

(4) في إسناده أبو الحسن الموصلي مخلط كذّبه ابن المظفر وأبو نعيم. لكنه روي من غير هذا الوجه.

أخرجه أبو نعيم في حلية الأولياء: 3/137، عن أبي بكر بن مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أحمد بن حنبل، عن أبيه عن سفيان به. وأبو بكر بن مالك هو القطيعي.

وأخرجه المزي في تهذيب الكمال: 20/398، والذهبي في سير أعلام البنلاء: 4/395، عن سفيان بن عيينة بدون إسناد. وعزاه ابن عبد البر إلى علي بن الحسين في التمهيد: 9/158.

(5) القائل هو: أبو الحسن الموصلي.

(6) الحسن: بن عليل.

(7) علي: بن المديني،

(8) سفيان: بن عيينة.

(9) صحيح، وإسناد المؤلف فيه أبو الحسن الموصلي، وهو مروي من غير هذا الطريق.

أخرجه عمر بن أحمد أبو حفص الواعظ في تاريخ أسماء الثقات: 1/140، ويعقوب الفسوي: 1/544، وأبو نعيم في حلية الأولياء: 3/141، وأبو الوليد الباجي في التعديل والتجريح: 3/956، وابن الجوزي في صفة الصفوة: 2/99، والمزي في تهذيب الكمال: 20/384، والذهبي في سير أعلام البنلاء: 4/387، وابن حجر في تهذيب التهذيب:

7/269، عن سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ به.

وذكره ابن عساكر في تاريخ دمشق: 41/375، عن الزهري بدون إسناد.
...প্রভুর (ক্রোধকে)) (১) ।

১২৫০ - তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাসান বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আলী (২) বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সুফিয়ান (৩) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনে হুসাইন বলেছেন: "অপমানের বিনিময়ে প্রাপ্ত আমার অংশের পরিবর্তে আমি লাল উট পাওয়াকেও পছন্দ করি না।" (৪) ।

১২৫১- তিনি (৫) বলেন: আমাদের নিকট হাসান (৬) বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আলী (৭) বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সুফিয়ান (৮) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: তারা আমাদের নিকট যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "আমি আলী ইবনে হুসাইন অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ কোনো কুরাইশ ব্যক্তিকে দেখিনি।" (৯) ।

--------------------------------------------

(১) এর সনদে আবুল হাসান আল-মাওসিলি রয়েছেন এবং তিনি সংমিশ্রণকারী, ইবনে মুজাফফর ও আবু নুআইম তাকে মিথ্যাবাদী বলেছেন। তবে এটি অন্য সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে।

 

আবু নুআইম 'হিলইয়াতুল আউলিয়া' (৩/১৩৫-১৩৬), ইবনে আসাকির 'তারিখে দামেশক' (১২/২১), এবং আয-যাহাবী 'সিয়ারু আলামিন নুবালা' (৪/৩৯৩) গ্রন্থে সুফিয়ানের সূত্রে আবু হামজা আস-সুমালি থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আলী বিন হাসান বহন করতেন... অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেন।

ইবনে আল-জাওযী 'সিফাতুস সাফওয়া' (২/৯৬) গ্রন্থে আবু হামজার উক্তি হিসেবে এটি বর্ণনা করেছেন। এই আবু হামজা আস-সুমালি হলেন সাবিত বিন আবি সাফিয়্যাহ আস-সুমালি এবং তার পিতার নাম দিনার। তিনি কুফি, দুর্বল এবং রাফেযী, দ্রষ্টব্য: আত-তাক্বরীব (১/১৩২)।

তিরমিযী যাকাত অধ্যায়ে: 'সাদাকাহর ফযীলত' অনুচ্ছেদ নম্বর (৬৬৪), ইবনে হিব্বান তার সহীহ গ্রন্থে (৮/১০৩-১০৪) নম্বর (৩৩০৯), এবং বাগাবী 'শারহুস সুন্নাহ' গ্রন্থে নম্বর (১৬৩৪) উক্ববাহ বিন মুকরাম থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন ঈসা থেকে, তিনি ইউনুস বিন উবাইদ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "সাদাকাহ রবের ক্রোধ নিভিয়ে দেয় এবং মন্দ মৃত্যু রোধ করে।" তিরমিযী বলেছেন: এই সূত্রে হাদীসটি হাসান গরীব।

আমি বলছি, এতে আব্দুল্লাহ বিন ঈসা আল-খাযযায রয়েছেন এবং তিনি দুর্বল, যেমনটি 'তাক্বরীব' (১/৩১৭) গ্রন্থে রয়েছে। এতে হাসানের 'আনআনা' (অস্পষ্ট বর্ণনা সূত্র) বিদ্যমান।

তাবারানী 'আল-মু'জামুস সাগীর' গ্রন্থে নম্বর (১২৮৪১৯) এবং তার সূত্রে আল-কুদায়ী 'মুসনাদুশ শিহাব' (১/৯২) নম্বর (৯৯)-এ মুহাম্মদ ইবনে আউন আস-সিরাফী থেকে, তিনি আসরাম বিন হাওশাব থেকে, তিনি কুররাহ বিন খালিদ থেকে, তিনি আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-হুসাইন থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহ বিন জাফর ইবনে আবি তালিবকে বললাম, আমাদের নিকট রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে যা শুনেছেন তা থেকে কিছু বর্ণনা করুন। তিনি বললেন: ... এবং আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: গোপন দান রবের ক্রোধ নিভিয়ে দেয়। এর সনদে আসরাম বিন হাওশাব রয়েছেন, যিনি মাতরুকুল হাদীস এবং একাধিক ব্যক্তি তাকে হাদীস জাল করার অভিযোগে অভিযুক্ত করেছেন। দেখুন: আল-জারহু ওয়াত তা'দীল (২/৩৩৬) এবং আল-মাজরুহীন (১/১৮১)।

তাবারানী 'আল-মু'জামুল আওসাত' (১/৫১৩) নম্বর (৯৪৭), 'আল-মু'জামুল কাবীর' (১৯/৪২১) নম্বর (১০১৮) এবং আল-কুদায়ী 'মুসনাদুশ শিহাব' (১/৯৪) নম্বর (১০২)-এ সাদাকাহ বিন আব্দুল্লাহর সূত্রে, আসবাগ থেকে, বাহয বিন হাকিম থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেছেন: "সৎকর্মশীল ব্যক্তি মন্দ বিপদ থেকে রক্ষা পায় এবং গোপন দান রবের ক্রোধ নিভিয়ে দেয়..." এর সনদে সাদাকাহ বিন আব্দুল্লাহ রয়েছেন, যিনি দুর্বল, আত-তাক্বরীব (১/২৭৫)।

(২) আলী: ইবনুল মাদীনী।

(৩) সুফিয়ান: ইবনে উয়ায়নাহ।

(৪) এর সনদে আবুল হাসান আল-মাওসিলি সংমিশ্রণকারী, ইবনে মুজাফফর ও আবু নুআইম তাকে মিথ্যাবাদী বলেছেন। তবে এটি অন্য সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে।

আবু নুআইম 'হিলইয়াতুল আউলিয়া' (৩/১৩৭) গ্রন্থে আবু বকর বিন মালিক থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। আবু বকর বিন মালিক হলেন আল-ক্বাতীঈ।

আল-মিযযী 'তাহযীবুল কামাল' (২০/৩৯৮) এবং আয-যাহাবী 'সিয়ারু আলামিন নুবালা' (৪/৩৯৫) গ্রন্থে সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহ থেকে সনদবিহীনভাবে বর্ণনা করেছেন। ইবনে আব্দুল বার 'আত-তামহীদ' (৯/১৫৮) গ্রন্থে এটি আলী ইবনে হুসাইনের উক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

(৫) বক্তা হলেন: আবু হাসান আল-মাওসিলি।

(৬) হাসান: বিন আলীল।

(৭) আলী: ইবনুল মাদীনী।

(৮) সুফিয়ান: ইবনে উয়ায়নাহ।

(৯) সহীহ, লেখকের সনদে আবুল হাসান আল-মাওসিলি রয়েছেন, তবে এটি অন্য সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে।

ওমর বিন আহমাদ আবু হাফস আল-ওয়ায়িয 'তারিখু আসমাউস সিক্বাত' (১/১৪০), ইয়াকুব আল-ফাসাবী (১/৫৪৪), আবু নুআইম 'হিলইয়াতুল আউলিয়া' (৩/১৪১), আবুল ওয়ালীদ আল-বাজী 'আত-তা'দীল ওয়াত তাজরীহ' (৩/৯৫৬), ইবনে আল-জাওযী 'সিফাতুস সাফওয়া' (২/৯৯), আল-মিযযী 'তাহযীবুল কামাল' (২০/৩৮৪), আয-যাহাবী 'সিয়ারু আলামিন নুবালা' (৪/৩৮৭), এবং ইবনে হাজার 'তাহযীবুত তাহযীব' (৭/২৬৯) গ্রন্থে সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহর সূত্রে যুহরী থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

ইবনে আসাকির 'তারিখে দামেশক' (৪১/৩৭৫) গ্রন্থে যুহরী থেকে সনদবিহীনভাবে এটি উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٣٠٢)
قال (1) : وسمعته يقول (2) : ((كُنْتُ كَثِيرَ الْمُجَالَسَةِ لِعَلِيِّ بْنِ حُسين، وَلَكِنَّهُ كَانَ قَلِيلَ الرِّوَايَةِ)) (3) .

1252- قال حدثنا الحسن، حدثنا ابن سلام (4) قال: قال عمرو بن العاص: ((يَثَّغِر الغُلَامُ وهوَ ابنُ سبْعِ سِنِينَ، وَيَحْتَلِمُ لاِبْنِ أَرْبَعَ عشرةَ، ويَكْمُلُ خَلْقُةُ لإِحْدَى وَعِشْرِينَ، وَيَكْمُلُ عَقْلُةُ لِثَمَانٍ وَعِشْرِينَ)) (5) .

--------------------------------------------

(1) القائل هو سفيان بن عيينة.

(2) أي الزهري.

(3) في إسناده أبو الحسن الموصلي أيضاً، وهو مروي من غير هذا الطريق.

 

أخرجه المزي في تهذيب الكمال: 20/386، والذهبي في سير أعلام البنلاء: 4/389، وابن حجر في تهذيب التهذيب: 7/269، عن سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنِ الزُّهْرِيِّ به.

وأخرجه ابن عساكر في تاريخ دمشق: 41/376، من طريق عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ الزهري به.

(4) ابن سلام: لعله محمد بن سلام البيكندي بكسر الموحدة وسكون التحتانية وفتح الكاف وسكون النون أبو جعفر ثقة ثبت من العاشرة مات سنة سبع وعشرين، التقريب: 1/482.

(5) في إسناده أبو الحسن الموصلي كذّبه ابن المظفر وأبو نعيم.

لم أجده عن عمرو العاص، ولكنّ الرامهرمزي روى في المحدث الفاصل: 1/188، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ الغراء، عن محمد بن يحيى الأزدي، عن قبيصة، عن الثوري قوله: ((يثغر الغلام لسبع، ويحتلم لأربع عشر، ويكمل عقله لعشرين، ثم هو التجارب)) وقال: وقد روي نحو من هذا عن علي،.

قلت: وفي إسناده عبد الله بن أحمد الغراء، لم أقف له على ترجمة، ومحمد بن يحيى الأزدي ثقة كما في التقريب: 1/513، وقبيصة هو ابن عقبة السُّوائي، صدوق ربما خالف، كما في التقريب: 1/453.

وروى الذهبي في سير أعلام النبلاء: 7/270، من طريق ضمرة، عن سفيان قال: يثغر الغلام لسبع ويحتلم بعد سبع ثم ينتهي طوله بعد سبع ثم يتكامل عقله بعد سبع ثم هي التجارب. وضمرة هو ابن ربيعة الفساطيطي صدوق يهم قليلا كما في التقريب: 1/280.

ويثّغر: أي تسقط أسنانه الرواضع، ثم ينبت مكانها الأسنان الدائمة، يقال: أثغر سنه: إذا سقط ونبت جميعا.
তিনি (১) বলেন: এবং আমি তাঁকে বলতে শুনেছি (২): "আমি আলী ইবনে হুসাইনের মজলিসে প্রচুর বসতাম, কিন্তু তিনি বর্ণনা কম করতেন।" (৩) .

১২৫২- তিনি বলেন, হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন সালাম (৪) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর ইবনুল আস বলেছেন: "বালকের দুধদাঁত সাত বছর বয়সে পড়ে যায়, চৌদ্দ বছর বয়সে সে স্বপ্নদোষগ্রস্ত (প্রাপ্তবয়স্ক) হয়, একুশ বছর বয়সে তার শারীরিক গঠন পূর্ণতা পায় এবং আঠাশ বছর বয়সে তার বুদ্ধি পূর্ণতা লাভ করে।" (৫) .

--------------------------------------------

(১) কথক হলেন সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনা।

(২) অর্থাৎ যুহরী।

(৩) এর সনদে আবু হাসান আল-মাওসিলিও রয়েছেন, এবং এটি এই পথ ছাড়াও অন্য পথে বর্ণিত হয়েছে।

 

এটি আল-মিযযী ‘তহযীবুল কামাল’-এ (২০/৩৮৬), আয-যাহাবী ‘সিয়ারু আ’লামিন নুবালা’-তে (৪/৩৮৯), এবং ইবনে হাজার ‘তহযীবুত তহযীব’-এ (৭/২৬৯) সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনা সূত্রে যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং ইবনে আসাকির ‘তারিখু দিমাশক’-এ (৪১/৩৭৬) আব্দুর রাজ্জাক সূত্রে মা’মার থেকে এবং তিনি যুহরী থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

(৪) ইবন সালাম: সম্ভবত তিনি মুহাম্মদ ইবন সালাম আল-বিকান্দি, আবু জাফর। তিনি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য এবং সুদৃঢ় (সিকাহ ছাবত), দশম স্তরের অন্তর্ভুক্ত। তিনি সাতাশ সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: আত-তাকরীব (১/৪৮২)।

(৫) এর সনদে আবু হাসান আল-মাওসিলি রয়েছেন, যাকে ইবনুল মুজাফ্ফর এবং আবু নুয়াইম মিথ্যাবাদী বলেছেন।

আমি এটি আমর ইবনুল আস থেকে পাইনি, তবে আর-রামাহুরমুযী ‘আল-মুহাদ্দিসুল ফাসিল’-এ (১/১৮৮) আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ আল-গারা সূত্রে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-আযদী থেকে, তিনি কাবিদাহ থেকে, তিনি আস-সাওরী থেকে তাঁর উক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছেন: "বালকের দুধদাঁত সাতে পড়ে যায়, চৌদ্দতে সে স্বপ্নদোষগ্রস্ত হয়, বিশে তার বুদ্ধি পূর্ণ হয়, এরপর তা অভিজ্ঞতার বিষয়।" তিনি বলেন: অনুরুপ বর্ণনা আলীর (রা.) পক্ষ থেকেও বর্ণিত হয়েছে।

আমি বলছি: এর সনদে আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ আল-গারা রয়েছেন, আমি তাঁর কোনো জীবনী পাইনি। মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-আযদী নির্ভরযোগ্য, যেমনটি ‘আত-তাকরীব’-এ (১/৫১৩) রয়েছে। কাবিদাহ হলেন ইবনে উকবা আস-সুওয়ায়ী, তিনি সত্যবাদী তবে কখনো কখনো ভুল করেন, যেমনটি ‘আত-তাকরীব’-এ (১/৪৫৩) রয়েছে।

আয-যাহাবী ‘সিয়ারু আ’লামিন নুবালা’-তে (৭/২৭০) দামরাহ সূত্রে সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেছেন: "বালকের দুধদাঁত সাতে পড়ে, চৌদ্দর পরে স্বপ্নদোষগ্রস্ত হয়, এরপর তার উচ্চতা সাত বছর পরে শেষ হয়, এরপর তার বুদ্ধি সাত বছর পরে পূর্ণতা পায় এবং এরপর তা অভিজ্ঞতার বিষয়।" দামরাহ হলেন ইবনে রাবিআ আল-ফাসাতিতি, তিনি সত্যবাদী তবে কিছুটা বিভ্রান্ত হন, যেমনটি ‘আত-তাকরীব’-এ (১/২৮০) রয়েছে।

"ইয়াছাগির" শব্দের অর্থ: অর্থাৎ তার দুধের দাঁতগুলো পড়ে যায় এবং সেগুলোর স্থলে স্থায়ী দাঁত গজায়। বলা হয়: "আছগারা সিননাহু", যখন তার দাঁত পড়ে যায় এবং একই সাথে নতুন দাঁত গজায়।
(খণ্ড: ٤) আত-তুয়ুরিয়াত (পৃষ্ঠা: ١٣٠٣)
1253- قال: أنشدنا الحسن، أنشدنا أبو عبد الله القاسمي: [ل265/ب]

سَائِلْ قُرَيْشًا إِذَا مَا كُنْتَ ذَا عَمَهٍٍ (1)

 

مَنْ كَان أَثْبَتَهَا في الدِّينِ أَوْتَادا

عِلْمًا وَأطْيَبَها أَهْلاً وَأَوْلَادا … مَنْ كَانَ أَوَّلَها سِلْمًا وَأَكْثرَها

تدْعُوا مَعَ اللهِ أَوْلَادًا وَأَنْدَادا … مَنْ كَانَ وَحَّدَ إِذْ كانتْ مَكذِّبَةً

عنْهَا وَإِنْ بَخِلُوا فِي كُرْبَةٍ جَادا … مَنْ كَانَ يَقْدُمُ في الهَيْجَاِ إذَا نَكَلُوا

جَدَّ الطِّعَانُ بِصَدْرِ الرُّمْحِ ذَوَّادا … مَنْ كَانَ بِالسَّيْفِ ذَبَّابًا وكَانَ إِذَا

إِنْ يَصْدُقُوكَ فَلَنْ يَعْدُوا أَبَا حَسَنٍ

 

إِنْ أَنْتَ لَنْ تَلْقَ للأَبْرَارِ حُسَّادا (2)

--------------------------------------------

(1) عمهٍ: من عَمَهَ، تعامه: إذا تحيَّر في طريقه. المنجد في اللغة والأعلام: 0/531.

(2) في إسناده أبو الحسن الموصلي كذّبه ابن المظفر وأبو نعيم.

ذكره ابن عبد البر في الاستيعاب: 3/1133، عن إسماعيل بن محمد الحميري من شعره، وورد عنده في البيت الثاني ((أقدم إسلاما)) بدل ((أولها سلما)) ، و ((أطهرها)) بدل ((أطيبها)) وفي البيت الثالث ((من وحّد)) بدل ((من كان وحّد)) ، و ((أوثانا)) بدل ((أولادا)) ، وفي البيت الرابع ورد عنده ((إن نكلوا)) بدل ((إذا نكلوا)) ، و ((وإن بخلوا في أزمة)) بدل ((وإن بخلوا في كربة)) ، وورد في البيت الخامس: من كان أعدلها حكما وأبسطها علما وأصدقها وعدا وإيعادا. بدل البيت الخامس الذي عند المؤلف. وورد البيت السادس عنده كما عند المؤلف وزيادة البيت السابع وهو: إن أنت لم تلق أقواما ذوي صلف، وذا عناد لحقٍّ الله حجَّادا، ووذكر أبو الفرج مطلعها في ترجمته في الأغاني: 7/286، وإسماعيل بن محمد ابن يزيد بن ربيعة المعروف بالسيد الحميري، كان شاعرا محسنا كثير القول، كان راضيا، وكان يرى رجعة بن الحنفية إلى الدنيا، قال الذهبي: له مدائح بديعة في أهل البيت، ونظمه في الذروة، ولذلك حفظ ديوانه أبو الحسن الدارقطني، وقيل إنه اجتمع بجعفر الصادق، فبين له ضلالته فتاب. توفي سنة ثلاث وسبعين ومائة، وقيل سنة ثمان وسعين ومائة. البداية والنهاية: 1/173، فوات الوفيات: 1/188، سير أعلام النبلاء: 8/44-46، لسان الميزان: 1/436.
১২৫৩- তিনি বললেন: আল-হাসান আমাদের শুনিয়েছেন, আবু আব্দুল্লাহ আল-কাসিমি আমাদের শুনিয়েছেন: [পৃষ্ঠা ২৬৫/খ]

কুরাইশদের জিজ্ঞাসা করো যদি তুমি বিভ্রান্তির মধ্যে থাকো (১)

 

দীনের ব্যাপারে কে তাদের মধ্যে সবচেয়ে সুদৃঢ় স্তম্ভ ছিল?

জ্ঞানে এবং পরিবার ও সন্তানে তাদের মধ্যে কে সবচেয়ে পবিত্র ছিল … ইসলাম গ্রহণে কে তাদের মধ্যে প্রথম এবং সংখ্যায় অধিক ছিল?

আল্লাহর সাথে সন্তান ও সমকক্ষদের ডাকত … কে একত্ববাদ ঘোষণা করেছিল যখন তারা ছিল মিথ্যারোপকারী,

তাদের থেকে দূরে, আর যদিও তারা সংকটে কার্পণ্য করত তবে সে ছিল দানশীল … যুদ্ধের ময়দানে কে অগ্রগামী হতো যখন তারা পিছিয়ে যেত,

বর্শার ফলক দিয়ে যখন আঘাত তীব্র হতো তখন সে ছিল প্রতিহতকারী … তরবারি দিয়ে কে ছিল অতন্দ্র রক্ষাকারী, আর সে যখন ছিল

তারা যদি তোমার প্রতি সত্যনিষ্ঠ হয় তবে তারা আবুল হাসানকে বাদ দেবে না,

 

যদি না তুমি পুণ্যবানদের প্রতি কোনো হিংসুককে দেখতে পাও (২)

--------------------------------------------

(১) আমাহ: আমাহা থেকে উদ্ভূত, তায়ামাহা: যখন কেউ তার পথে বিভ্রান্ত বা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়। আল-মুনজিদ ফিল লুগাহ ওয়াল আ'লাম: ০/৫৩১।

(২) এর বর্ণনাসূত্রে আবু আল-হাসান আল-মাওসিলি রয়েছে, যাকে ইবনুল মুজাফফর এবং আবু নুয়াইম মিথ্যাবাদী বলেছেন।

ইবন আব্দুল বার এটি 'আল-ইস্তিআব': ৩/১১৩৩ গ্রন্থে ইসমাইল ইবন মুহাম্মদ আল-হিমইয়ারির কবিতা থেকে উল্লেখ করেছেন। তার বর্ণনায় দ্বিতীয় চরণে 'আউয়ালাহা সিলমান'-এর স্থলে 'আক্বদামা ইসলামান' এবং 'আতিয়াবাহা'-এর স্থলে 'আত্বহারাহা' শব্দ রয়েছে। তৃতীয় চরণে 'মান কানা ওয়াহহাদা'-এর পরিবর্তে 'মান ওয়াহহাদা' এবং 'আওলাদান'-এর পরিবর্তে 'আওছানান' (প্রতিমা) এসেছে। চতুর্থ চরণে 'ইযা নাকালু'-এর স্থলে 'ইন নাকালু' এবং 'ফি কুরবাতিন'-এর স্থলে 'ফি আযমাতিন' (সংকটে) বর্ণিত হয়েছে। আর পঞ্চম চরণের স্থলে লেখকের বর্ণনার বিপরীতে তার নিকট এসেছে: "বিচারের ক্ষেত্রে কে তাদের মধ্যে সর্বাধিক ন্যায়পরায়ণ, জ্ঞানে প্রশস্ততর এবং ওয়াদা ও সতর্কবাণীতে সত্যবাদী ছিল।" ষষ্ঠ চরণটি তার বর্ণনায় লেখকের অনুরুপই এসেছে এবং সপ্তম চরণের অতিরিক্ত অংশটি হলো: "যদি না তুমি এমন এক কওমের দেখা পাও যারা দাম্ভিক, এবং আল্লাহর হকের ব্যাপারে চরম অবাধ্য ও অস্বীকারকারী।" আবু আল-ফারাজ 'আল-আগানি': ৭/২৮৬ গ্রন্থে আল-সায়েদ আল-হিমইয়ারি হিসেবে পরিচিত ইসমাইল ইবন মুহাম্মদ ইবন ইয়াযিদ ইবন রাবিআহ-এর জীবনীতে এর প্রারম্ভিকা উল্লেখ করেছেন। তিনি একজন নিপুণ এবং প্রচুর কবিতা রচনাকারী কবি ছিলেন। তিনি রাফেযি (শিয়া) ছিলেন এবং তিনি ইবনুল হানফিয়ার দুনিয়াতে পুনরাগমনে (রাজআত) বিশ্বাস করতেন। আয-যাহাবি বলেছেন: আহলে বাইতের প্রশংসায় তার চমৎকার কিছু কাসিদা রয়েছে এবং তার কাব্য ছিল উচ্চস্তরের, এজন্যই আবু আল-হাসান আদ-দারাকুতনি তার দিওয়ান (কাব্যসমগ্র) সংরক্ষণ করেছিলেন। বলা হয় যে, তিনি জাফর আস-সাদিকের সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন, তিনি তাকে তার ভ্রষ্টতা বুঝিয়ে দিলে তিনি তাওবা করেন। তিনি ১৭৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন, কারো মতে ১৭৮ হিজরি। আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া: ১/১৭৩, ফাওয়াতুল ওয়াফায়াত: ১/১৮৮, সিয়ারু আলামিন নুবালা: ৮/৪৪-৪৬, লিসানুল মিজান: ১/৪৩৬।