(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: -)
ذيل لب اللباب في تحرير الأنساب   (ابن العجمي، شهاب الدين)

القسم: الأنساب


الكتاب: ذيل لب اللباب في تحرير الأنساب

المؤلف: أحمد بن أحمد بن محمد بن أحمد ابن إبراهيم العجمي الشافعيّ الوفائي المصري الأزهري، شهاب الدين (ت 1086 هـ)

دراسة وتحقيق: د. شادي بن محمد بن سالم آل نعمان

الناشر: مركز النعمان للبحوث والدراسات الإسلامية وتحقيق التراث والترجمة، اليمن

الطبعة: الأولى، 1432 هـ - 2011 م

عدد الصفحات: 346

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 28 رجب 1433

যাইলু লুব্বিল লুবাব ফি তাহরীরিল আনসাব   (ইবনুল আজমি, শিহাবুদ্দিন)

বিভাগ: বংশপরম্পরা বিদ্যা


গ্রন্থ: যাইলু লুব্বিল লুবাব ফি তাহরীরিল আনসাব (বংশপরম্পরা বর্ণনায় সারনির্যাস গ্রন্থের পরিশিষ্ট)

লেখক: আহমদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমদ ইবন ইব্রাহিম আল-আজমি আশ-শাফিয়ি আল-ওয়াফাই আল-মিসরি আল-আজহারি, শিহাবুদ্দিন (মৃত্যু ১০৮৬ হিজরি)

গবেষণা ও সম্পাদনা: ড. শাদি বিন মুহাম্মাদ বিন সালিম আল নুমান

প্রকাশক: আল-নুমান সেন্টার ফর ইসলামিক রিসার্চ অ্যান্ড স্টাডিজ, ঐতিহ্য গবেষণা ও অনুবাদ কেন্দ্র, ইয়েমেন

সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩২ হিজরি - ২০১১ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৪৬

[গ্রন্থের পৃষ্ঠাসংখ্যা মূল মুদ্রণ কপির অনুরূপ]

শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ২৮ রজব ১৪৩৩

(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ১)
ذيل لب اللباب

في تحرير الأنساب
লুব্বুল লুবাবের পরিশিষ্ট

বংশলতিকা পরিমার্জনে
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ২)
حقوق الطبع محفوظة

المركز الرئيس: اليمن - صنعاء

ت: 733702792 - 00967

ص. ب: صنعاء (4173)

البريد الإلكتروني: Shady_noaman@hotmail.com

 

الطبعة الأولى 1432هـ الموافق2011م
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

প্রধান কেন্দ্র: ইয়েমেন - সানা

টেলিফোন: ৭৩৩৭০২৭৯২ - ০০৯৬৭

পি.ও. বক্স: সানা (৪১৭৩)

ইমেইল: Shady_noaman@hotmail.com

 

প্রথম সংস্করণ ১৪৩২ হিজরি মোতাবেক ২০১১ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ৩)
ذيل

لب اللباب

سلسلة أعمال حديثية

تنشر لأول مرة (5)

 

في تحرير الأنساب

 

تصنيف

شهاب الدين أحمد بن أحمد العجمي الوفائي

المتوفى سنة (1086هـ)

 

(ينشر لأول مرة على أربع نسخ خطية)

 

دراسة وتحقيق

د. شادي بن محمد بن سالم آل نعمان
পরিশিষ্ট

লুব্বুল লুবাব

হাদীস বিষয়ক রচনাসমগ্রের ধারাবাহিকতা

প্রথমবারের মতো প্রকাশিত (৫)

 

বংশলতিকা বিন্যাস ও সংস্কার প্রসঙ্গে

 

রচনা

শিহাবুদ্দীন আহমদ বিন আহমদ আল-আজমী আল-ওয়াফায়ী

মৃত্যু সন (১০৮৬ হিজরী)

 

(চারটি পাণ্ডুলিপির ভিত্তিতে প্রথমবারের মতো প্রকাশিত)

 

গবেষণা ও সম্পাদনা

ড. শাদী বিন মুহাম্মদ বিন সালেম আল নুমান
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ৫)
بسم الله الرحمن الرحيم

الحمد لله، والصلاة والسلام على رسول الله، وبعد:

فبين يديك أخي القارئ الكريم أحد أعمال مشروعنا الذي أطلقنا عليه اسم «مشروع سلسلة أعمال حديثية تنشر لأول مرة»، عمدنا فيه إلى إخراج كنوز تراثية لا تزال قابعة في عالم «ألَّا مطبوع»، فنزيح عنها-بحول الله وقوته- غبار الزمان، ونكشف الستار عن مكنونها وخباياها، لنخرجها إلى عالم «المطبوع» في حُلَّةٍ قشيبة-بعون الله وتوفيقه- ليعم الانتفاع بها بين أهل العلم وطلابه.

أما المجموعة الأولى من أعمال هذه السلسلة فهي:

1 - «قضاء الوطر من نزهة النظر» للَّقاني المالكي، طبع عن المكتبة الأثرية بالأردن في ثلاثة مجلدات.

2 - «الثقات ممن لم يقع في الكتب الستة» طبع عن مركز النعمان ودار ابن عباس في تسعة مجلدات.

3 - «التكميل في الجرح والتعديل ومعرفة الثقات والضعفاء والمجاهيل» للحافظ ابن كثير، وقد وَصَلَنا القسم الأخير منه، يصدر قريباً بإذن الله في أربعة مجلدات.

4 - «ذيل لب اللباب في الأنساب» لابن العجمي، وهو الذي بين
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রাসূলের ওপর। অতঃপর:

হে সম্মানিত পাঠক ভাই, আপনার সম্মুখে আমাদের সেই প্রকল্পের একটি কাজ পেশ করা হচ্ছে, যাকে আমরা ‘প্রথমবার প্রকাশিত হাদিস বিষয়ক কর্মতৎপরতা ধারাবাহিক প্রকল্প’ নাম দিয়েছি। এতে আমরা সেই সব ঐতিহ্যবাহী সম্পদ বের করার উদ্যোগ নিয়েছি, যা এখনও ‘অপ্রকাশিত’ জগতের অন্তরালে রয়ে গেছে। সুতরাং আমরা—আল্লাহর শক্তি ও সামর্থ্যে—সেগুলোর ওপর থেকে সময়ের ধুলোবালি সরিয়ে দিচ্ছি এবং সেগুলোর লুকায়িত রহস্য ও অমূল্য সম্পদ উন্মোচন করছি, যাতে আল্লাহর সাহায্য ও তাওফিকে এগুলোকে ‘প্রকাশিত’ জগতের এক নবসজ্জায় বের করে আনা যায়; যেন এর মাধ্যমে আলেম ও শিক্ষার্থীদের মাঝে কল্যাণ ছড়িয়ে পড়ে।

আর এই সিরিজের প্রথম পর্যায়ের কাজগুলো হলো:

১ - লাক্কানী মালেকী রচিত ‘কাযাউল ওয়াতার মিন নুযহাতিন নাযার’। এটি জর্ডানের আল-মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ থেকে তিন খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে।

২ - ‘আস-সিকাতু মিম্মান লাম ইয়াকা’ ফীল কুতুবিস সিত্তাহ’। এটি মারকাযুন নু’মান এবং দারু ইবনি আব্বাস থেকে নয় খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে।

৩ - হাফেজ ইবনে কাসীর রচিত ‘আত-তাকমীল ফীল জারহি ওয়াত তা’দীল ওয়া মা’রিফাতিস সিকাত ওয়াদ দুয়াফা ওয়াল মাজাহীল’। এর শেষ অংশটি আমাদের নিকট পৌঁছেছে, যা অচিরেই ইনশাআল্লাহ চার খণ্ডে প্রকাশিত হবে।

৪ - ইবনুল আজামী রচিত ‘যাইলু লুব্বিল লুবাব ফিল আনসাব’। এটি সেই কিতাব যা...
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ৬)
يديك.

5 - «تجريد الأسماء والكنى» للفراء، يصدر قريباً بإذن الله في مجلد.

6 - «شرح ألفية العراقي» للعيني، يصدر قريباً بإذن الله في مجلد.

7 - «مفتاح السعيدية في شرح الألفية الحديثية» لابن عمار المالكي، يصدر قريباً بإذن الله في مجلد.

8 - «بهجة المحافل وأجمل الوسائل في التعريف برواة الشمائل» للقاني المالكي، يصدر قريباً بإذن الله في مجلدين.

وأنا أعمل بِجِدٍّ في هذا المشروع بإزاء مشروعي الآخر «موسوعة العلامة الألباني» والذي صدر منه العمل الأول «جامع تراث الألباني في العقيدة» في تسعة مجلدات، سائلاً المولى عز وجل أن يُنْعِم عليِّ بالأسباب المعينة على إنجاز هذه الأعمال وأن يجعل ذلك في ميزان حسناتي يوم ألقاه.

وكما عودنا الإخوة القُرَّاء فقد قدمنا لكتاب «ذيل لب اللباب» بدراسةٍ حول الكتاب ومنهج مؤلفه فيه، ومن ثَمَّ الكلام على المنهج الذي ارتضيناه في تحقيقه، والله من وراء القصد.

وكتب

د. شادي بن محمد بن سالم آل نعمان

في صنعاء اليمن حرسها الله

في يوم الأربعاء 19/ 8/1432هـ

الموافق 20/ 7/2011م
আপনার হাতে।

৫ - আল-ফাররা রচিত ‘তাজরীদুল আসমা ওয়াল কুনা’, আল্লাহর ইচ্ছায় শীঘ্রই এক খণ্ডে প্রকাশিত হবে।

৬ - আল-আইনী রচিত ‘শারহু আলফিয়াতিল ইরাকী’, আল্লাহর ইচ্ছায় শীঘ্রই এক খণ্ডে প্রকাশিত হবে।

৭ - ইবনু আম্মার আল-মালিকী রচিত ‘মিফতাহুস সাঈদীয়া ফী শারহিল আলফিয়াতিল হাদীসীয়াহ’, আল্লাহর ইচ্ছায় শীঘ্রই এক খণ্ডে প্রকাশিত হবে।

৮ - আল-লাক্কানী আল-মালিকী রচিত ‘বাহজাতুল মাহাফিল ওয়া আজমালুল ওয়াসাইল ফীত তারিফ বি-রুয়াতিল শামায়েল’, আল্লাহর ইচ্ছায় শীঘ্রই দুই খণ্ডে প্রকাশিত হবে।

আমি আমার অন্য প্রকল্প ‘মাওসুআতুল আল্লামাহ আল-আলবানী’ (আল্লামাহ আলবানীর বিশ্বকোষ)-এর পাশাপাশি এই প্রকল্পটিতেও কঠোর পরিশ্রম করছি, যার প্রথম কাজ ‘জামেউ তুরাসিল আলবানী ফিল আকীদাহ’ নয় খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে। আমি মহান রবের নিকট প্রার্থনা করছি, তিনি যেন এই কাজগুলো সম্পন্ন করার জন্য আমাকে সহায়ক মাধ্যমসমূহ দান করে অনুগ্রহ করেন এবং যেদিন আমি তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করব, সেদিন যেন তিনি এগুলোকে আমার নেক আমলের পাল্লায় যুক্ত করেন।

এবং আমরা পাঠকদের যেভাবে অভ্যস্ত করেছি, সেই অনুযায়ী ‘যাইলু লুব্বিল লুবাব’ গ্রন্থের শুরুতে গ্রন্থটি এবং এতে লেখকের অনুসৃত পদ্ধতি সম্পর্কে একটি গবেষণামূলক আলোচনা পেশ করেছি; এরপর এর তাহকীক বা সম্পাদনায় আমরা যে পদ্ধতি গ্রহণ করেছি তা আলোচনা করেছি। আর আল্লাহই একমাত্র লক্ষ্য।

লিখেছেন—

ড. শাদী বিন মুহাম্মাদ বিন সালিম আল নুমান

সানআ, ইয়েমেন—আল্লাহ একে রক্ষা করুন।

বুধবার, ১৯/০৮/১৪৩২ হিজরী

২০/০৭/২০১১ খ্রিষ্টাব্দের সাথে সংগতিপূর্ণ।
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ৭)
‌‌شكر وعرفان

يسرني في هذا المقام أن أتقدم بشكر خاص إلى أخي الكريم

فؤاد الزيلعي الذي قام بجهد كبير كعادته في صف وتنسيق وإخراج الكتاب.

وإلى الإخوة الأفاضل حسن الزيلعي وحسين الوعوعي اللذين شاركا في مراحل المقابلة والمراجعة جزاهما الله خيرا.

والحمد لله أولا وآخراً وظاهراً وباطناً.
কৃতজ্ঞতা ও স্বীকৃতি

এই মুহূর্তে আমি আমার সম্মানিত ভাই

ফুয়াদ আল-যাইলায়ীর প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পেরে আনন্দিত, যিনি বরাবরের মতো এই বইটির বিন্যাস, সজ্জা ও মুদ্রণকার্যে ব্যাপক শ্রম দিয়েছেন।

এবং শ্রদ্ধেয় ভ্রাতৃদ্বয় হাসান আল-যাইলায়ী ও হুসাইন আল-ওয়াইওয়ায়ী, যাঁরা পাণ্ডুলিপি মোকাবিলা ও নিরীক্ষণের বিভিন্ন পর্যায়ে অংশগ্রহণ করেছেন; আল্লাহ তাঁদের উত্তম প্রতিদান দান করুন।

আর সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য—আদিতে ও অন্তে, প্রকাশ্যে ও গোপনে।
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ৮)
‌‌مقدمة التحقيق والدراسة

الحمد لله الذي أحسن كل شئ خلقه، وبدأ خلق الإنسان من طين، ثم جعل نسله من سلالة من ماء مهين، ثم جعلهم شعوبا وقبائل ليتعارفوا ويتناصروا، وبطونا وفصائل ليتآلفوا ويتظاهروا، فتارة يتناسبون بالآباء والأجداد، وطورًا بالصناعات والبلاد، ذلك من فضل الله والله ذو الفضل العظيم.

والصلاة والسلام على رسوله محمد سيد العرب والعجم، المرسل إلى كافة الأمم، وعلى آله وصحبه وسلم (1).

أما بعد: فإن معرفة الأنساب من أعظم النعم التي أكرم الله تعالى بها عباده، لأن تَشَعُّبَ الأنساب على افتراق القبائل والطوائف أحد الأسباب الممهِّدة لحصول الائتلاف، وكذلك اختلاف الألسنة والصور وتباين الألوان والفِطَر على ما قال تعالى: {وَاخْتِلَافُ أَلْسِنَتِكُمْ

--------------------------------------------

(1) من مقدمة ابن الأثير على «اللباب»: (1/ 7).
সম্পাদনা ও গবেষণা পরিচিতি

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি তাঁর সৃষ্টি করা প্রতিটি বিষয়কে নিখুঁত করেছেন এবং কাদা থেকে মানুষের সৃষ্টির সূচনা করেছেন। অতঃপর তিনি তার বংশধারাকে এক তুচ্ছ পানির নির্যাস থেকে তৈরি করেছেন। এরপর তিনি তাদেরকে জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছেন যেন তারা একে অপরের সাথে পরিচিত হতে পারে এবং একে অপরকে সাহায্য করতে পারে; আর উপগোত্র ও শ্রেণীতে বিন্যস্ত করেছেন যেন তারা হৃদ্যতা স্থাপন করতে পারে এবং পরস্পরকে সহযোগিতা করতে পারে। ফলে কখনও তারা পিতা ও পূর্বপুরুষদের মাধ্যমে নিজেদের বংশপরিচয় তুলে ধরে, আবার কখনও পেশা ও অঞ্চলের মাধ্যমে। এটা আল্লাহর অনুগ্রহের অন্তর্ভুক্ত এবং আল্লাহ মহান অনুগ্রহের অধিকারী।

সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর রাসূল মুহাম্মদের ওপর, যিনি আরব ও অনারবদের নেতা এবং যিনি সকল জাতির নিকট প্রেরিত হয়েছেন; আরও বর্ষিত হোক তাঁর পরিবার ও সাহাবীগণের ওপর (১)।

অতঃপর: বংশপরিচয় বা নসব বিষয়ক জ্ঞান সেই মহান নেয়ামতসমূহের অন্তর্ভুক্ত যার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের সম্মানিত করেছেন। কেননা বিভিন্ন গোত্র ও গোষ্ঠীর ভিত্তিতে বংশের এই বিস্তৃতি হৃদ্যতা ও ঐক্য অর্জনের অন্যতম সোপান। অনুরূপভাবে ভাষা ও আকৃতির ভিন্নতা এবং বর্ণ ও স্বভাবের বৈচিত্র্যও সেই উদ্দেশ্যেই, যেমন আল্লাহ তাআলা বলেছেন: {এবং তোমাদের ভাষার ভিন্নতা...

--------------------------------------------

(১) ইবনুল আসির রচিত «আল-লুবাব» গ্রন্থের ভূমিকা থেকে: (১/ ৭)।
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ৯)
وَأَلْوَانِكُمْ} [الروم:22] (1).

ولأهمية هذا العلم توجَّهَت عناية العلماء لإفراده بالجمع والتصنيف، فكان كتاب «الأنساب» لأبي سعد عبد الكريم بن محمد بن منصور السمعاني من أعظم وأوسع وأشمل ما صُنِّفَ في هذا الباب، حتى قال ابن الأثير في وصفه (2): «فلو قال قائل أن هذا تصنيف لم يسبق إليه لكان صادقاً، ولو زعم أنه استقصى الأنساب لكان بالحق ناطقاً».

إلا أن ابن الأثير رحمه الله حين أمعن النظر في كتاب أبي سعد رأى أنه قد أطال واستقصى حتى خرج – في نظره- عن حد الأنساب وصار بالتواريخ أشبه، ووقف فيه على أوهام، فشرع حينها في اختصار الكتاب والتنبيه على ما فيه من غلط وسهو (3)، فكان كتابه «اللباب في تهذيب الأنساب».

ثم جاء بعدهما الحافظ السيوطي فاختصر كتاب ابن الأثير وأورد زيادات كثيرة عليه في كتابه «لب اللباب في تحرير الأنساب».

--------------------------------------------

(1) من مقدمة السمعاني على «الأنساب»: (1/ 403).

(2) «اللباب»: (1/ 8).

(3) المصدر السابق.
এবং তোমাদের বর্ণসমূহ। [রূম: ২২] (১)।

এই শাস্ত্রের গুরুত্বের কারণে আলেমদের মনোযোগ একে সংকলন ও শ্রেণীবদ্ধ করার প্রতি নিবদ্ধ হয়। ফলে আবু সাদ আব্দুল কারীম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মানসুর আস-সামআনি রচিত «আল-আনসাব» গ্রন্থটি এই বিষয়ে রচিত গ্রন্থাবলির মধ্যে অন্যতম মহান, বিস্তৃত ও ব্যাপক একটি গ্রন্থ হিসেবে পরিগণিত হয়। এমনকি ইবনুল আসীর এর বর্ণনায় বলেছেন (২): «যদি কেউ বলে যে এটি এমন একটি রচনা যার আগে আর কেউ এমনটি করেনি, তবে সে সত্যই বলবে; আর যদি সে দাবি করে যে এটি বংশপরম্পরাকে পূর্ণাঙ্গরূপে অনুসন্ধান করেছে, তবে সে যথাযথ সত্যই উচ্চারণ করবে»।

কিন্তু ইবনুল আসীর (রহিমাহুল্লাহ) যখন আবু সাদের গ্রন্থটি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলেন, তখন তিনি দেখলেন যে তিনি দীর্ঘ আলোচনা ও বিস্তৃত অনুসন্ধান করেছেন, এমনকি তা—তাঁর দৃষ্টিতে—বংশবিদ্যার সীমা অতিক্রম করে ইতিহাসের সদৃশ হয়ে গেছে। তিনি এতে কিছু বিভ্রমের সম্মুখীন হন; ফলে তিনি তখন গ্রন্থটিকে সংক্ষেপ করতে এবং এতে বিদ্যমান ভুল ও বিচ্যুতি সম্পর্কে সতর্ক করতে শুরু করেন (৩), এরই ফলশ্রুতিতে তাঁর গ্রন্থ «আল-লুবাব ফি তাহযিবিল আনসাব» রচিত হয়।

এরপর তাঁদের উভয়ের পরে আসলেন হাফেজ সুয়ূতী। তিনি ইবনুল আসীরের গ্রন্থটিকে সংক্ষেপ করেন এবং তাঁর «লুব্বুল লুবাব ফি তাহরিরিল আনসাব» গ্রন্থে এতে অনেক সংযোজন যুক্ত করেন।

--------------------------------------------

(১) আস-সামআনি রচিত «আল-আনসাব»-এর ভূমিকা হতে: (১/ ৪০৩)।

(২) «আল-লুবাব»: (১/ ৮)।

(৩) পূর্বোক্ত উৎস।
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ১০)
إلى أن جاء الحافظ أحمد بن أحمد العجمي فصنف ذيلا على كتاب السيوطي، فزاد عليه زيادات كثيرة نُقَدِّمُهَا اليوم للقراء الكرام لأوَّل مرة، محققة منقحة؛ لتكتمل سلسلة الذيول على كتاب السمعاني، وقد لمستُ أهمية هذا الكتاب وأنا أعمل على تحقيق كتاب «الثقات ممن لم يقع في الكتب الستة» حيث كانت تمر بي بعض الأنساب فلا أجدها إلا فيه، فقوي العزم على إخراجه ليستفيد منه الباحثون ويعم به النفع.
পরিশেষে হাফেজ আহমদ বিন আহমদ আল-আজমি আগমন করেন এবং তিনি ইমাম সুয়ুতির গ্রন্থের ওপর একটি পরিশিষ্ট রচনা করেন। তিনি এতে প্রচুর পরিমাণে নতুন তথ্য সংযোজন করেছেন, যা আজ আমরা প্রথমবারের মতো সুধী পাঠকদের সামনে সম্পাদিত ও পরিমার্জিত অবস্থায় উপস্থাপন করছি; যেন ইমাম সামআনীর গ্রন্থের ওপর রচিত পরিশিষ্টের ধারাবাহিকতা পূর্ণতা লাভ করে। আমি যখন ‘আস-সিকাতু মিম্মান লাম ইয়াকা‘ ফিল কুতুবিস সিত্তাহ’ গ্রন্থটির সম্পাদনার কাজ করছিলাম, তখন এই কিতাবটির গুরুত্ব উপলব্ধি করি। কেননা সেখানে এমন কিছু বংশপরিচয়ের বর্ণনা আসত যা আমি এই কিতাবটি ছাড়া অন্য কোথাও খুঁজে পেতাম না। ফলে এটি প্রকাশের ব্যাপারে আমার সংকল্প সুদৃঢ় হয়, যাতে গবেষকগণ এর মাধ্যমে উপকৃত হতে পারেন এবং এর কল্যাণ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ১১)
المبحث الأول

ترجمة المصنف أحمد بن أحمد العجمي (1)

رحمه الله

‌‌اسمه ولقبه ونسبه ومذهبه:

هو: أحمد بن أحمد بن محمد بن أحمد بن إبراهيم بن محمد بن علي بن محمد، المعروف بالعجمي، الشافعي، الوفائي، المصري، الأزهري، شهاب الدين.

 

‌‌مولده:

كانت ولادته في ثالث عشر رجب سنة أربع عشرة بعد الألف.

 

‌‌شيوخه وطلبه للعلم:

ذكر العجمي في مشيخته أنه في مبدأ أمره اجتمع بالنور الزيادي بصحبة

--------------------------------------------

(1) مصادر ترجمته: «خلاصة الأثر»: (1/ 112) و «هدية العارفين»: (1/ 87) و «الأعلام»: (1/ 92).
প্রথম পরিচ্ছেদ

গ্রন্থকার আহমাদ ইবনে আহমাদ আল-আজামির জীবনী (১)

আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন

‌‌তাঁর নাম, উপাধি, বংশপরিচয় এবং মাযহাব:

তিনি হলেন: আহমাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলি ইবনে মুহাম্মাদ; তিনি আল-আজামি নামে পরিচিত, শাফিঈ, আল-ওয়াফায়ি, মিসরীয়, আল-আজহারি এবং তাঁর উপাধি শিহাবুদ্দীন।

 

‌‌তাঁর জন্ম:

তাঁর জন্ম হয়েছিল এক হাজার চৌদ্দ হিজরি সালের তেরোই রজব তারিখে।

 

‌‌তাঁর উস্তাদগণ এবং জ্ঞানার্জন:

আল-আজামি তাঁর মাশয়াখাহ (উস্তাদদের তালিকায়) উল্লেখ করেছেন যে, তাঁর শিক্ষা জীবনের শুরুতে তিনি নুরুদ্দীন আয-যিয়াদির সাহচর্যে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করেন...

--------------------------------------------

(১) তাঁর জীবনীর উৎসসমূহ: «খুলাসাতুল আসার»: (১/ ১১২), «হাদিয়াতুল আরিফীন»: (১/ ৮৭) এবং «আল-আ'লাম»: (১/ ৯২)।
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ১২)
والده أحمد مرتين وحل نظره عليه.

ثم ابتدأ الاشتغال في سنة سبع وعشرين وألف، فقرأ على الشيخ على الحلبي صاحب «السيرة»، والبرهان اللقاني، والشهاب الغنيمي، وقاضي القضاة الشهاب الخفاجي، والشمس الشوبري، وسلطان المزاحي، والشمس البابلي، والعلا الشبراملسي، وغيرهم.

 

‌‌تلاميذه:

أخذ عن أحمد ابن العجمي جماعة منهم:

إبراهيم الخياري.

وابراهيم بن محمد بن عبد العزيز الجينيني ثم الدمشقي وغيرهما.

 

‌‌مؤلفاته:

من مؤلفاته:

«شرح ثلاثيات البخاري».

«رسالة في الآثار النبوية».

«مشيخة» استوفي أخبار أشياخه فيها.
তাঁর পিতা আহমাদ তাঁকে দুবার দেখেছিলেন এবং তাঁর দৃষ্টি তাঁর উপর নিপতিত হয়েছিল।

অতঃপর তিনি এক হাজার সাতাশ হিজরী সনে জ্ঞানার্জনে আত্মনিয়োগ করেন এবং 'আস-সিরাহ' গ্রন্থের রচয়িতা শায়খ আলী আল-হালাবী, আল-বুরহান আল-লাক্কানী, আশ-শিহাব আল-গুনাইমি, প্রধান বিচারপতি আশ-শিহাব আল-খাফাজি, আশ-শামস আশ-শওবারী, সুলতান আল-মাজাহি, আশ-শামস আল-বাবিলি, আল-আলা আশ-শুবরামালসি এবং আরও অনেকের নিকট পাঠ গ্রহণ করেন।

 

‌‌তাঁর ছাত্রবৃন্দ:

আহমাদ ইবনুল আজামির নিকট থেকে একদল ব্যক্তি জ্ঞান অর্জন করেছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন:

ইব্রাহিম আল-খিয়ারি।

এবং ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-জিনিউনি অতঃপর আদ-দামেশকি এবং আরও অনেকে।

 

‌‌তাঁর রচনাবলি:

তাঁর রচনাবলির মধ্যে রয়েছে:

«শারহু সুলাসিয়াতিল বুখারি» (বুখারির সুলাসিয়াত সমূহের ব্যাখ্যা)।

«রিসালা ফীল আসারিন নববিয়্যাহ» (নবীজীর নিদর্শনসমূহ বিষয়ক পুস্তিকা)।

«মাশয়খাহ» যাতে তিনি তাঁর উস্তাদদের বৃত্তান্ত বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ১৩)
«ملخص الفهرس الصغير» للسيوطي.

«تنزيه المصطفى المختار مما لم يثبت من الأخبار».

«كرامات الأولياء».

«ذيل لب اللباب في تحرير الأنساب». وهو الذي بين يديك.

 

‌‌ثناء العلماء عليه:

قال المحبي: الإمام المفنن اللَّوذعي، كان من أجلَّاء علماء مصر، له الفضل الباهر، والحافظة القوية، والذهن الثاقب، وكان صدوقاً، حسن العشرة والمحاضرة، وإليه النهاية في معرفة التاريخ، وأيام العرب، وأنسابهم، مع ما انضم إليه من معرفة بقية الفنون، وكان مرجعاً لأفاضل العصر في مراجعة المسائل المشكلة لطول باعه، وسعة اطلاعه، وكثرة الكتب التي جمعها.

وقال الخياري: وبالجملة فإنه مستجمِعٌ للعلم والحِلْم والظرف، ومستكمل في الفضل الاسم والفعل والحرف، تفنن في العلوم العقلية والنقلية، الفرعية والأصلية، فأخذها عن أهلها، وأوصل الأمانة إلى محلها، وقد جمع من الكتب المؤلفة في سائر العلوم والفنون فأوعى، وحصلها
সুয়ূতী-রচিত ‘মুলখাস আল-ফিহরিস আস-সাগীর’।

‘তানযীহ আল-মুস্তফা আল-মুখতার মিম্মা লাম ইয়াছবুত মিনাল আখবার’।

‘কারামাতুল আউলিয়া’।

‘যাইল লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব’। আর এটিই আপনার সামনে বিদ্যমান গ্রন্থ।

 

‌‌আলেমগণের নিকট তাঁর প্রশংসা:

মুহিব্বী বলেন: তিনি ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ইমাম ও অত্যন্ত মেধাবী ব্যক্তিত্ব, তিনি মিশরের প্রখ্যাত আলেমদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তাঁর ছিল চমৎকার শ্রেষ্ঠত্ব, শক্তিশালী স্মৃতিশক্তি এবং প্রখর মেধা। তিনি ছিলেন সত্যবাদী, সুন্দর সাহচর্য ও বাগ্মিতার অধিকারী। ইতিহাস, আইয়্যামুল আরব (আরবদের ঐতিহাসিক ঘটনাবলি) এবং বংশবিদ্যা সম্পর্কে জ্ঞানের ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন চূড়ান্ত পর্যায়ের পারদর্শী। এর পাশাপাশি অন্যান্য জ্ঞান-বিজ্ঞানেও তাঁর গভীর পাণ্ডিত্য যুক্ত হয়েছিল। তাঁর অগাধ পাণ্ডিত্য, ব্যাপক পড়াশোনা এবং সংগৃহীত বিশাল কিতাবভাণ্ডারের কারণে জটিল মাসআলাগুলো পর্যালোচনার ক্ষেত্রে তিনি সমসাময়িক বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিকট নির্ভরযোগ্য আশ্রয়স্থল ছিলেন।

খিয়ারী বলেন: সংক্ষেপে বলতে গেলে, তিনি জ্ঞান, সহনশীলতা এবং মার্জিত আচরণের এক অনন্য সমন্বয় ছিলেন। শ্রেষ্ঠত্বের সকল শাখায় (ইসম, ফিয়েল ও হরফ - তথা পূর্ণাঙ্গভাবে) তিনি পরিপূর্ণতা অর্জন করেছিলেন। তিনি বুদ্ধিভিত্তিক ও ঐতিহ্যগত (আকলী ও নাকলী), মৌলিক ও শাখাভিত্তিক জ্ঞান-বিজ্ঞানে ব্যুৎপত্তি অর্জন করেছিলেন। তিনি উপযুক্ত বিশেষজ্ঞদের নিকট থেকে ইলম গ্রহণ করেছেন এবং এই আমানতকে তার সঠিক স্থানে পৌঁছে দিয়েছেন। তিনি সমস্ত জ্ঞান ও শিল্পের সংকলিত কিতাবসমূহ অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে সংগ্রহ ও আয়ত্ত করেছিলেন।
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ১৪)
بسائر أقسامها فصلاً وجنساً ونوعاً، بحيث أصبح بمصر خزانة العلم الذي عليه في النقل يعول وإليه في ذلك يُشار، وعمدة الفضلاء الذين يَرِدُون من مَعِين كتبه البحار. انتهى.

وكان الشبر املسي مع جلالته يحترمه، ويثني عليه، ويراجعه في كثير من المسائل وأسماء الرجال.

 

‌‌وفاته:

وتوفي ليلة الأربعاء، ثامن من عشر ذي القعدة، سنة ست وثمانين وألف، ودُفِنَ بمقبرة المجاورين.
এর যাবতীয় বিভাজন, বর্গ ও শ্রেণি বিন্যাসসহ সকল শাখায় তিনি এমন বুৎপত্তি অর্জন করেছিলেন যে, তিনি মিসরে ইলমের এমন এক ভাণ্ডারে পরিণত হয়েছিলেন যার ওপর বর্ণনার ক্ষেত্রে নির্ভর করা হতো এবং এ বিষয়ে তাঁর দিকেই ইঙ্গিত করা হতো। তিনি ছিলেন সেই সকল গুণীজনদের মূল স্তম্ভ, যারা তাঁর গ্রন্থরূপ ঝরনাধারা থেকে সমুদ্রসম জ্ঞান আহরণ করেন। সমাপ্ত।

আল-শিবরামাল্লিসী স্বীয় সুউচ্চ মর্যাদা সত্ত্বেও তাঁকে সম্মান করতেন, তাঁর প্রশংসা করতেন এবং বহু মাসআলা ও আসমাউর রিজাল (বর্ণনাকারীদের পরিচয়) বিষয়ে তাঁর শরণাপন্ন হতেন।

 

‌‌মৃত্যু:

তিনি এক হাজার ছিয়াশি হিজরি সনের আঠারোই জিলকদ বুধবার দিবাগত রাতে ইন্তেকাল করেন এবং মুজাওয়িরীন কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ১৫)
‌‌المبحث الثاني

التعريف بكتاب ابن العجمي

من خلال مقدمته وخاتمته

جاء في مقدمة هذا الكتاب ما نصه:

فيقول الفقير إلى الله تعالى عبد الرحمن الأُشْمُوني: هذا ما جَرَّدْتُهُ من خط شيخنا شيخ الإسلام والمسلمين، سيدنا ومولانا الشيخ أحمد العجمي من هامش نسخة «لب اللباب» للسيوطي بعد إذن نجله مولانا شيخ الإسلام الشيخ محمد أبي العز العجمي …

وجاء في خاتمته ما نصه:

يقول مجرده الفقير عبد الرحمن بن عبد العظيم بن عبد الرحمن بن محمد بن تقي الدين الأُشْمُوني:

هذا آخر ما وُجِدَ بخط شيخنا خاتمة الحفاظ والمحدثين وعمدة المحققين والمدققين: مولانا الشيخ أحمد بن أحمد العجمي الوفائي الوفوي رحمه الله تعالى ورحم مشايخه وأصوله وتلاميذه، وذلك مما
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

ইবনুল আজামির কিতাবের পরিচিতি

এর ভূমিকা ও উপসংহারের আলোকে

এই কিতাবের ভূমিকায় যা বর্ণিত হয়েছে তার ভাষ্য নিম্নরূপ:

মহান আল্লাহর প্রতি মুখাপেক্ষী দরিদ্র বান্দা আবদুর রহমান আল-উশমুনি বলেন: এটি সেই নির্যাস যা আমি আমাদের শায়খ, ইসলাম ও মুসলিমদের শায়খ, আমাদের সাইয়্যেদ ও মাওলানা শায়খ আহমাদ আল-আজামির স্বহস্তে লিখিত নোট থেকে সুয়ূতির ‘লুব্বুল লুবাব’ কপির পার্শ্বটীকা হতে সংগ্রহ করেছি; তাঁর পুত্র আমাদের মাওলানা শায়খুল ইসলাম শায়খ মুহাম্মাদ আবিল ইজ্জ আল-আজামির অনুমতিক্রমে …

এবং এর উপসংহারে যা বর্ণিত হয়েছে তার ভাষ্য নিম্নরূপ:

এর সংকলক দরিদ্র বান্দা আবদুর রহমান বিন আবদুল আজিম বিন আবদুর রহমান বিন মুহাম্মাদ বিন তাকিউদ্দীন আল-উশমুনি বলেন:

এটিই আমাদের শায়খ—যিনি হাফেজ ও মুহাদ্দিসগণের সমাপ্তিকারী এবং গবেষক ও সূক্ষ্মদর্শী আলেমদের প্রধান স্তম্ভ—মাওলানা শায়খ আহমাদ বিন আহমাদ আল-আজামি আল-ওয়াফাই আল-ওয়াফাউই (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর এবং তাঁর উস্তাদগণ, পূর্বপুরুষ ও ছাত্রদের ওপর রহম করুন)-এর হস্তাক্ষরে পাওয়া শেষ অংশ; আর এটি সেই সব বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত যা
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ১৬)
بهامش نسخته «لب اللباب في تحرير الأنساب» للإمام الحافظ السيوطي، وكتب بخطه في آخر نسخته المرقومة: نُقِل ذلك من خط الشيخ محمد بن علي بن أحمد الداودي المالكي رحمه الله تعالى، وغالب ما بهامش هذه النسخة من خطه أيضاً، ثم أَلحَقْتُ أكثر مما نُقِلَ من خط الداودي، ولله الحمد. انتهى.

وهذان النقلان يوضحان موضوع الكتاب، ويتلخص ذلك في التالي:

- علق الشيخ محمد بن علي بن أحمد الداودي المالكي (1) رحمه الله على هامش نسخته من «لب اللباب» للسيوطي تعليقات فيها تنقيح وإضافات على ما ذكره السيوطي.

- نقل الشيخ أحمد بن أحمد العجمي هذه التعليقات على هامش نسخته هو من «لب اللباب».

- ثم زاد عليها زيادات كثيرة فجاءت أكثر مما نقله عن الداودي.

- ثم جاء عبد الرحمن الأُشموني فاستأذن ابن الشيخ أحمدالعجمي في تجريد وإفراد حواشي أبيه على «لب اللباب» للسيوطي فأذن له.

- فأفرد الأشموني هذه الحواشي فكان كتاب «ذيل لب اللباب في تحرير الأنساب» لأحمد بن أحمد العجمي.

--------------------------------------------

(1) صاحب «طبقات المفسرين»، والمتوفي سنة (945).
ইমাম হাফিজ সুয়ূতী রহ.-এর 'লুব্বুল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব' গ্রন্থের নিজ পাণ্ডুলিপির হাশিয়ায় (পার্শ্বটীকা) তিনি স্বহস্তে তাঁর চিহ্নিত পাণ্ডুলিপির শেষে লিখেছেন: এটি শায়খ মুহাম্মদ বিন আলী বিন আহমদ আদ-দাউদী আল-মালিকী রহ.-এর হস্তলিপি থেকে নকল করা হয়েছে এবং এই পাণ্ডুলিপির হাশিয়ার অধিকাংশও তাঁরই হস্তলিপির অন্তর্ভুক্ত। এরপর আমি দাউদীর হস্তলিপি থেকে যা নকল করা হয়েছে তার চেয়েও বেশি কিছু যুক্ত করেছি, আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। সমাপ্ত।

এই দুটি উদ্ধৃতি গ্রন্থের বিষয়টি স্পষ্ট করে, যা নিম্নোক্তভাবে সংক্ষেপ করা যায়:

- শায়খ মুহাম্মদ বিন আলী বিন আহমদ আদ-দাউদী আল-মালিকী (১) রহ. সুয়ূতীর 'লুব্বুল লুবাব'-এর নিজ পাণ্ডুলিপির হাশিয়ায় কিছু টীকা লিখেছেন, যাতে সুয়ূতী যা উল্লেখ করেছেন তার ওপর পরিমার্জন ও সংযোজন রয়েছে।

- শায়খ আহমদ বিন আহমদ আল-আজামী এই টীকাগুলো তাঁর 'লুব্বুল লুবাব'-এর নিজস্ব পাণ্ডুলিপির হাশিয়ায় নকল করেছেন।

- অতঃপর তিনি এতে প্রচুর সংযোজন করেন, যার ফলে তা দাউদীর নিকট থেকে করা নকলের চেয়েও অধিক হয়ে যায়।

- এরপর আব্দুর রহমান আল-উশমুনি এসে শায়খ আহমদ আল-আজামীর পুত্রের কাছে সুয়ূতীর 'লুব্বুল লুবাব'-এর ওপর তাঁর পিতার হাশিয়াগুলোকে পৃথক ও সংকলিত করার অনুমতি চাইলে তিনি তাকে অনুমতি দেন।

- ফলে উশমুনি এই হাশিয়াগুলোকে পৃথক করেন এবং এভাবেই আহমদ বিন আহমদ আল-আজামীর 'যাইলু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব' গ্রন্থটি অস্তিত্ব লাভ করে।

--------------------------------------------

(১) 'তাবাকাতুল মুফাসসিরীন' গ্রন্থের রচয়িতা, যিনি ৯৪৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ১৭)
‌‌المبحث الثالث

منهج ابن العجمي في كتابه

تتلخص أهم الملامح المنهجية التي سار عليها ابن العجمي في كتابه في التالي:

- زاد ابن العجمي الكثير من الأنساب التي فاتت السيوطي في كتابه «لب اللباب».

- يذكر ابن العجمي النسبة ثم يذكر في الغالب لأيِّ شيءٍ هي، ثم يذكر أحيانًا بعض من اشتهر بها.

- الأنساب التي أوردها ابن الأثير في كتابه لكنها فاتت السيوطي فلم يوردها في «لبه» يستدركها ابن العجمي عليه. مثالها: الآزاذاني، الأبرص، الأجير، الأحدب، البهزي، الكماري، وغيرها.

- إذا ذكر السيوطي وجهًا واحدًا في نسبةٍ ما، فإن ابن العجمي يوردها في كتابه إذا أراد أن يضيف وجوهًا أخرى فيها.

- هناك نسب أورها السيوطي في كتابه لكنه أجحف الكلام عليها
তৃতীয় পরিচ্ছেদ

ইবনুল আজামির কিতাবের পদ্ধতি

ইবনুল আজামি তার কিতাবে যে সকল গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতিগত বৈশিষ্ট্য অনুসরণ করেছেন, তা সংক্ষেপে নিম্নরূপ:

- আস-সুয়ূতী তার «লুব্বল লুবাব» কিতাবে যে সকল বংশনাম (আনসাব) বাদ দিয়েছেন, ইবনুল আজামি তার অনেকগুলো এতে যুক্ত করেছেন।

- ইবনুল আজামি বংশনাম উল্লেখ করেন, তারপর সেটি সাধারণত কিসের সাথে সম্পৃক্ত তা বর্ণনা করেন এবং মাঝে মাঝে যারা এই নামে প্রসিদ্ধ ছিলেন তাদের কয়েকজনের কথা উল্লেখ করেন।

- যে সকল বংশনাম ইবনুল আসীর তার কিতাবে উল্লেখ করেছেন কিন্তু আস-সুয়ূতী তা বাদ দিয়েছেন এবং তার «লুবব» গ্রন্থে উল্লেখ করেননি, ইবনুল আজামি সেগুলো পরিপূরক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। উদাহরণস্বরূপ: আল-আজাদানি, আল-আবরাসি, আল-আজির, আল-আহদাব, আল-বাহজি, আল-কুমারি এবং অন্যান্য।

- যদি আস-সুয়ূতী কোনো বংশনামের কেবল একটি দিক উল্লেখ করেন, তবে ইবনুল আজামি তার কিতাবে সেটি পুনরায় উল্লেখ করেন যদি তিনি সেখানে অন্যান্য দিক যুক্ত করতে চান।

- এমন কিছু বংশনাম রয়েছে যা আস-সুয়ূতী তার কিতাবে উল্লেখ করেছেন কিন্তু সেগুলোর বর্ণনায় ইনসাফ করতে পারেননি (অর্থাৎ বর্ণনা অপূর্ণাঙ্গ রেখেছেন)।
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ১৮)
جدًا، فأوردها ابن العجمي في كتابه متوسعًا. مثالها: الأرزنجاني، البَهي، البلاذري.

- هناك نسب أوردها السيوطي ومن سبقه ولكنهم لم يضبطوها، فأوردها ابن العجمي ليضبطها كالخوارزمي.

- جاء الكلام على الأنساب في كتاب ابن العجمي مختصرًا في الجملة.
অত্যন্ত [বিস্তারিতভাবে], তাই ইবনুল আজামি তাঁর গ্রন্থে এগুলো বিস্তৃতভাবে উল্লেখ করেছেন। উদাহরণস্বরূপ: আল-আরজিনজানি, আল-বাহি, আল-বালাজুরি।

- এমন কিছু বংশনাম রয়েছে যা আস-সুয়ূতি এবং তাঁর পূর্বসূরিগণ উল্লেখ করেছেন কিন্তু সেগুলোর সঠিক উচ্চারণরীতি (যাবত) নির্ধারণ করেননি; তাই ইবনুল আজামি সেগুলো সুনির্দিষ্ট করার জন্য উল্লেখ করেছেন, যেমন: আল-খাওয়ারিজমি।

- ইবনুল আজামির গ্রন্থে বংশনাম সংক্রান্ত আলোচনাগুলো সাধারণত সংক্ষিপ্ত আকারে এসেছে।
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ১৯)
‌‌المبحث الرابع

موارد ابن العجمي

المطالع لكتاب ابن العجمي يتعجب من كثرة موارده وتنوعها في كتابه هذا على صغر حجمه، مما يدل على سعة اطلاعه وطول نفسه في جمع مادته، وهذه قائمة بموارد ابن العجمي في كتابه:

- «حواشي الداودي على لب اللباب»، وهذا هو المورد الرئيس لابن العجمي كما تقدم.

- «اللباب في تهذيب الأنساب» لابن الأثير.

- «الانساب» للسمعاني.

- «تبصير المنتبه» للحافظ ابن حجر، وهو من الكتب التي أكثر ابن العجمي من النقل عنها.

- «وفيات الأعيان» لابن خلكان، وهو من الكتب التي أكثر ابن العجمي من النقل عنها.
‌চতুর্থ পরিচ্ছেদ

ইবনুল আজমীর উৎসসমূহ

ইবনুল আজমীর গ্রন্থটি পাঠকারী এর সংক্ষিপ্ত কলেবর সত্ত্বেও এতে ব্যবহৃত উৎসের প্রাচুর্য ও বৈচিত্র্য দেখে বিস্মিত হন, যা তাঁর বিস্তৃত অধ্যয়ন এবং এর উপাদানসমূহ সংকলনে তাঁর ধৈর্য ও নিরলস প্রচেষ্টার সাক্ষ্য দেয়। ইবনুল আজমীর গ্রন্থে ব্যবহৃত উৎসসমূহের তালিকা নিম্নরূপ:

- «লুব্বুল লুবাব-এর ওপর আদ-দাউদী-র টীকা», এটিই ইবনুল আজমীর প্রধান উৎস যেমনটি ইতিপূর্বে বর্ণিত হয়েছে।

- ইবনুল আসীরের «আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব»।

- আস-সামআনীর «আল-আনসাব»।

- হাফেজ ইবনে হাজারের «তাবসীরুল মুনতাব্বিহ», এটি সেই সব কিতাবের অন্তর্ভুক্ত যেখান থেকে ইবনুল আজমী অধিক পরিমাণে উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছেন।

- ইবনে খাল্লিকানের «ওয়াফায়াতুল আইয়ান», এটিও এমন একটি কিতাব যেখান থেকে ইবনুল আজমী প্রচুর পরিমাণে উদ্ধৃতি পেশ করেছেন।
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ২০)
- «الجواهر المضية» لعبد القادر القرشي، وهو من الكتب التي أكثر ابن العجمي من النقل عنها.

- «جامع الأصول» لابن الأثير، وهو من الكتب التي أكثر ابن العجمي من النقل عنها.

- «الدرر الكامنة» للحافظ ابن حجر، وهو من الكتب التي أكثر ابن العجمي من النقل عنها.

- «الضوء اللامع» للسخاوي، وهو من الكتب التي أكثر ابن العجمي من النقل عنها.

- «المقفى الكبير» للمقريزي، وهو من الكتب التي أكثر ابن العجمي من النقل عنها.

- «عنوان الزمان» للبقاعي، وهو من الكتب التي أكثر ابن العجمي من النقل عنها.

- «طبقات الشافعية الكبرى» للسبكي، وهو من الكتب التي أكثر ابن العجمي من النقل عنها.

- «التكمة لوفيات النقلة» للمنذري، وهو من الكتب التي أكثر ابن
- «আল-জাওয়াহিরুল মুদিয়্যাহ», আবদুল কাদির আল-কুরাশি রচিত; এটি সেই সব কিতাবের অন্যতম যা থেকে ইবনুল আজমি অধিক পরিমাণে উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন।

- «জামিউল উসুল», ইবনুল আসির রচিত; এটি সেই সব কিতাবের অন্যতম যা থেকে ইবনুল আজমি অধিক পরিমাণে উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন।

- «আদ-দুরারুল কামিনাহ», হাফিজ ইবনে হাজার রচিত; এটি সেই সব কিতাবের অন্যতম যা থেকে ইবনুল আজমি অধিক পরিমাণে উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন।

- «আদ-দাওউল লামি», আস-সাখাভি রচিত; এটি সেই সব কিতাবের অন্যতম যা থেকে ইবনুল আজমি অধিক পরিমাণে উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন।

- «আল-মুকাফ্ফাল কাবির», আল-মাকরিজি রচিত; এটি সেই সব কিতাবের অন্যতম যা থেকে ইবনুল আজমি অধিক পরিমাণে উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন।

- «উনওয়ানুয যামান», আল-বিকাঈ রচিত; এটি সেই সব কিতাবের অন্যতম যা থেকে ইবনুল আজমি অধিক পরিমাণে উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন।

- «তাবাকাতুশ শাফিয়্যাহ আল-কুবরা», আস-সুবকি রচিত; এটি সেই সব কিতাবের অন্যতম যা থেকে ইবনুল আজমি অধিক পরিমাণে উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন।

- «আত-তাকমিলা লি-ওয়াফায়াতিন নাকালাহ», আল-মুনযিরি রচিত; এটি সেই সব কিতাবের অন্যতম যা থেকে ইবনুল
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ২১)
العجمي من النقل عنها.

- «طبقات الشافعية الكبرى» للسبكي، وهو من الكتب التي أكثر ابن العجمي من النقل عنها.

- «فتاوى ابن حجر الهيتمي».

- «الفائق في غريب الحديث» للزمخشري.

- «معجم البلدان» لياقوت الحموي.

- «مراصد الاطلاع» للبقاعي.

- «أساس البلاغة» للزمخشري.

- «شرح الرسالة» لشيخ الإسلام.

- «حواشي ابن الشحنة» على «الجواهر المضية».

- «فهرست اليونينية».

- «شرح الكافيجي على تهذيب المنطق».

- «القاموس المحيط» للفيروز أبادي.

- «تهذيب الأسماء واللغات» للنووي.
আল-আজামি এর থেকে উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছেন।

- আস-সুবকি রচিত ‘তাবাকাতুশ শাফিইয়্যাহ আল-কুবরা’, এটি এমন একটি গ্রন্থ যা থেকে ইবনুল আজামি প্রচুর পরিমাণে উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছেন।

- ‘ফাতাওয়া ইবনে হাজার আল-হাইতামী’।

- আয-যামাখশারী রচিত ‘আল-ফাইক ফি গারীবিল হাদিস’।

- ইয়াকুত আল-হামাওয়ী রচিত ‘মু’জামুল বুলদান’।

- আল-বিকায়ি রচিত ‘মরাসাদুল ইত্তিলা’।

- আয-যামাখশারী রচিত ‘আসাসুল বালাগাহ’।

- শায়খুল ইসলাম রচিত ‘শারহুর রিসালাহ’।

- ‘আল-জাওয়াহিরুল মুদিয়্যাহ’-এর ওপর ‘হাশিয়া ইবনে আশ-শিহনাহ’।

- ‘ফিহরিস্ত আল-ইউনিনিইয়াহ’।

- ‘তাহজিবুল মানতিক’-এর ওপর ‘শারহুল কাফিয়াজি’।

- আল-ফাইরুযাবাদি রচিত ‘আল-কামুসুল মুহিত’।

- আন-নওয়াবী রচিত ‘তাহজিবুল আসমা ওয়াল লুগাত’।
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ২২)
- «شرح نسيم الرياض في شرح شفا القاضي عياض» للخفاجي.

- «الصحاح» للجوهري.

- «النهاية في غريب الحديث والأثر» لابن الجزري.

- «فتح الباري» لابن حجر.

- «حسن المحاضرة» للسيوطي.

- «طبقات الشافعية» لابن قاضي شهبة.

- «التدوين في تاريخ قزوين» للرافعي.

- «الاكتساب في تلخيص الأنساب» للخيضري.

- «المصباح المنير في غريب الشرح الكبير» للفيومي.

- «لسان الميزان» للحافظ ابن حجر.

- «ذيل طبقات الحنابلة» لابن رجب.

- «معراج الدراية» للكاكي.

- «ترتيب المدارك» للقاضي عياض.

- «العقد الثمين في تاريخ البلد الأمين» للفاسي.
- «শরাহ নাসিমুর রিয়াদ ফি শারহি শিফা আল-কাদি ইয়াদ» আল-খাফাজি-র।

- «আস-সিহাহ» আল-জাওহারি-র।

- «আন-নিহায়াহ ফি গারিবিল হাদিস ওয়াল আসার» ইবনুল জাযারি-র।

- «ফাতহুল বারি» ইবনে হাজার-এর।

- «হুসনুল মুহাদারা» আস-সুয়ুতি-র।

- «তাবাকাতুশ শাফিয়্যাহ» ইবনে কাদি শুহবা-র।

- «আত-তাদউইন ফি তারিখি কাজউইন» আর-রাফেয়ি-র।

- «আল-ইকতিসাব ফি তালখিসিল আনসাব» আল-খাইদারি-র।

- «আল-মিসবাহুল মুনির ফি গারিবিশ শারহিল কাবির» আল-ফাইয়ুমি-র।

- «লিসানুল মিজান» হাফেজ ইবনে হাজার-এর।

- «জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ» ইবনে রজব-এর।

- «মিরাজুদ দিরাইয়াহ» আল-কাকি-র।

- «তারতিবুল মাদারিক» কাদি ইয়াদ-এর।

- «আল-ইকদুদ সামিন ফি তারিখিল বালাদিল আমিন» আল-ফাসি-র।
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ২৩)
- «الديباج المذهب» لابن فرحون.

- «طبقات الإسنوي».

- «ألفية العراقي».

- «فتح الرحمن بشرح لقطة العجلان وبله الظمآن»، اللقطة للزركشي، و «فتح الرحمن» لزكريا الأنصاري

- «تفسير البقاعي».

- «غاية النهاية في طبقات القراء» لابن الجزري.

- «شرح الألفية» للبرماوي.

- «المغرب في ترتيب المعرب» لابن المطرز.

- «طبقات الحنفية» للعيني.

- «معجم ما استعجم» للبكري.

- «التقييد» لابن نقطة.

- «الشقائق النعمانية» لطاشكبري زاده.

- «ذيل تاريخ بغداد» لابن الدبيثي.
- ইবনু ফারহুনের «আদ-দিবাজ আল-মুজাহহাব»।

- «তাবাকাতুল ইসনাউয়ি»।

- «আলফিয়াতুল ইরাকি»।

- «ফাতহুর রহমান বি-শারহি লুকতাতুল আজলান ওয়া বিল্লাতুজ জামআন», ‘লুকতাহ’ আজ-যারকাশির এবং ‘ফাতহুর রহমান’ জাকারিয়া আল-আনসারির

- «তাফসিরুল বিকাঈ»।

- ইবনুল জাজারির «গায়াতুন নিহায়াহ ফি তাবাকাতিল কুররা»।

- আল-বারমাউয়ির «শারহুল আলফিয়াহ»।

- ইবনুল মুতাররিজের «আল-মুগরিব ফি তারতিবিল মু'রিব»।

- আল-াইনির «তাবাকাতুল হানাফিয়্যাহ»।

- আল-বাকরির «মু'জামু মাসতু'জাম»।

- ইবনু নুকতার «আত-তাকয়িদ»।

- তাশ কুবরি জাদাহ-র «আশ-শাকাইকুন নু'মানিয়্যাহ»।

- ইবনু আদ-দুবাইসির «যাইলু তারিখি বাগদাদ»।
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ২৪)
- «تفسير ابن عادل» المسمى بـ «اللباب في علوم الكتاب».

- «درة الغواص في أوهام الخواص» للحريري.

- «معجم شيوخ السمعاني».

- «شرح الهمزية» لابن حجر.

- «معرفة القراء الكبار» للذهبي.

- «اقتباس الأنوار والتماس الأزهار في أنساب الصحابة ورواة الآثار» للرشاطي.

- «النوادر» للهجري.

- «المزهر في علوم اللغة» للسيوطي.

- «بغية الوعاة في طبقات النحاة» للسيوطي.

- «الإشارات إلى ما وقع في المنهاج من الأسماء والأماكن واللغات» لابن الملقن.

- «ذيل تاريخ بغداد» لابن النجار.

- «شرح أبي شامة على الشقراطسية».
- ইবনে আদিলের ‘তাফসীর’, যা ‘আল-লুবাব ফি উলূমিল কিতাব’ নামে পরিচিত।

- হারীরীর ‘দুররাতুল গাওয়াস ফি আওহামিল খাওয়াস’।

- সামআ’নীর ‘মুজামু শুয়ূখ’।

- ইবনে হাজারের ‘শারহুল হামযিয়্যাহ’।

- যাহাবীর ‘মা’রিফাতুল কুররাউল কিবার’।

- রুশাতীর ‘ইকতিবাসুল আনওয়ার ওয়াতিলমাসুল আযহার ফি আনসাবিস সাহাবাহ ওয়া রুয়াতিল আসার’।

- হিজরীর ‘আন-নাওয়াদির’।

- সুয়ূতীর ‘আল-মুযহির ফি উলূমিল লুগাহ’।

- সুয়ূতীর ‘বুগয়াতুল উয়াত ফি তাবাকাতিন নুহাত’।

- ইবনুল মুলাক্কিন রচিত ‘আল-ইশারাত ইলা মা ওয়াকাআ ফিল মিনহাজ মিনাল আসমা ওয়াল আমাকিন ওয়াল লুগাত’।

- ইবনুন নাজ্জারের ‘যাইলু তারিখি বাগদাদ’।

- শাকরাতসিয়্যাহর ওপর আবু শামার ব্যাখ্যা।
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ২৫)
- «شرح مغني اللبيب» للدماميني.

- «معرفة علوم الحديث» للحاكم.

- «تدريب الراوي» للسيوطي.

- «المعجم المفهرس» لابن حجر.

- «تاج التراجم» لابن قطلوبغا.

- «طبقات القراء» للداني.

- «تاريخ مصر» للقطب الحلبي.

- «الوافي بالوفيات» للصفدي.

- «مختصر طبقات ابن الجزري» للطرابلسي.

- «الزواجر عن اقتراف الكبائر» للهيتمي.

- «شرح الشافية» للرضي.

- «لحن العوام» للزبيدي.

- «طبقات الحفاظ» للذهبي.

- «طبقات المفسرين» للداودي.
- «শারহু মুগনীল লাবীব» — আল-দামামিনী।

- «মা'রিফাতু উলূমিল হাদীস» — আল-হাকেম।

- «তাদরীবুর রাবী» — আস-সুয়ূতী।

- «আল-মু'জামুল মুফাহরাস» — ইবনে হাজার।

- «তাজুত তারাজিম» — ইবনে কুতলুবুগা।

- «তাবাকাতুল কুররা» — আদ-দানী।

- «তারীখে মিসর» — কুতুব আল-হালাবী।

- «আল-ওয়াফী বিল ওয়াফায়াত» — আস-সাফাদী।

- «মুখতাসারু তাবাকাতু ইবনিল জাযারি» — আত-তারাবলুসী।

- «আয-যাওয়াজির আন ইকতিরাফিল কাবাইর» — আল-হাইতামী।

- «শারহুশ শাফিয়া» — আর-রাদী।

- «লাহনুল আওয়াম» — আয-যুবায়দী।

- «তাবাকাতুল হুফফাজ» — আয-যাহাবী।

- «তাবাকাতুল মুফাসসিরীন» — আদ-দাউদী।
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ২৬)
- «شرح بادشاه على تحرير ابن الهمام».

- «مقدمة المهمات» للإسنوي.

- «مختصر الضوء» للقسطلاني.

- وبقيت موارد قليلة تنظر في فهرس الكتب الملحق بآخر الكتاب.
«ইবনুল হুমামের তাহরির-এর ওপর বাদশাহর ব্যাখ্যাগ্রন্থ»।

- ইসনাভি রচিত «মুকাদ্দিমাতুল মুহিম্মাত»।

- আল-কাসতাল্লানি রচিত «মুখতাসারুদ দাউ»।

- এবং অল্প কিছু উৎস বাকি রয়েছে যা গ্রন্থের শেষে সংযুক্ত গ্রন্থতালিকার নির্ঘণ্টে দ্রষ্টব্য।
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ২৭)
‌‌المبحث الخامس

الرموز والاصطلاحات

تتلخص أهم الرموز والاصطلاحات التي استخدمها المصنف في كتابه ورأيت أنها بحاجة إلى تنبيه في:

ج ص: هو رمز لكتاب «جامع الأصول» لابن الأثير.

س: رمز لسيبويه.

ط: رمز للرشاطي.

الأصل: يريد به كتاب السيوطي «لب اللباب».

الترتيب: يريد به كذلك كتاب السيوطي «لب اللباب».
পঞ্চম পরিচ্ছেদ

সংকেত ও পরিভাষা

গ্রন্থকার তাঁর কিতাবে যে সকল গুরুত্বপূর্ণ সংকেত ও পরিভাষা ব্যবহার করেছেন এবং যেগুলোর বিষয়ে আমি সতর্ক করা প্রয়োজন মনে করেছি, সেগুলোর সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:

জিম সদ: এটি ইবনুল আসিরের ‘জামেউল উসুল’ কিতাবের সংকেত।

সিন: এটি সিবওয়াইহের সংকেত।

ত: এটি রাশাতীর সংকেত।

আল-আসল: এর দ্বারা তিনি সুয়ুতির ‘লুব্বুল লুবাব’ কিতাবকে বুঝিয়েছেন।

আত-তারতিব: এর দ্বারাও তিনি সুয়ুতির ‘লুব্বুল লুবাব’ কিতাবকে বুঝিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ২৮)
‌‌المبحث السادس

أوهام ابن العجمي في كتابه

لا يخلو كتاب سوى كتاب الله عز وجل من أوهام تعتريه، وتتلخص أهم الأوهام الواقعة في كتاب ابن العجمي في التالي:

- أورد ابن العجمي في كتابه بعض الأنساب التي أوردها كلٌ من السمعاني وابن الأثير والسيوطي في كتبهم، ولم يزد عليهم شيئًا يذكر، فلم يكن هناك داع لذكرها. مثاله: الحذاء، الحديثي.

- يذكر النسبة في غير موضعها، كإيراده نسبة المقدوني في حرف القاف.

- أورد بعض الأنساب مصحفةً كالقرمطي فصوابها القرطمي بتقديم الطاء، والخربوي ذكرها بالخاء المعجمة، وصوابها الحربوي بالمهملة، والخطيري صوابها الحظيري وغير ذلك.

- تصحفت لديه بعض الأنساب فظنها زائدة على السيوطي وليست بزائدة كالقرمطي، والكنجاراني تصحفت عن الكَيْخَاراني.
ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

তার কিতাবে ইবনুল আজমির ভুলসমূহ

মহান আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা-এর কিতাব ব্যতীত অন্য কোনো কিতাব ভুল-ভ্রান্তি মুক্ত নয়। ইবনুল আজমির কিতাবে বিদ্যমান প্রধান ভুলগুলোর সারসংক্ষেপ নিচে দেওয়া হলো:

- ইবনুল আজমি তার কিতাবে এমন কিছু বংশনাম উল্লেখ করেছেন যা সামআনি, ইবনুল আসির এবং সুয়ুতি ইতিপূর্বেই তাদের কিতাবসমূহে উল্লেখ করেছেন, অথচ তিনি তাদের বর্ণনার ওপর উল্লেখযোগ্য নতুন কিছুই যোগ করেননি; ফলে এগুলো পুনরায় উল্লেখ করার কোনো প্রয়োজন ছিল না। উদাহরণস্বরূপ: আল-হিজা এবং আল-হাদিসি।

- তিনি কোনো কোনো বংশনামকে তার সঠিক স্থানের পরিবর্তে অন্য স্থানে উল্লেখ করেছেন, যেমন 'আল-মাকদুনি' বংশনামটিকে 'ক্বাফ' বর্ণের অধ্যায়ে উল্লেখ করা।

- তিনি কিছু বংশনাম ভুল বানানে উল্লেখ করেছেন, যেমন: 'আল-ক্বরমাতি', যার সঠিক রূপ হবে 'তা' বর্ণকে আগে এনে 'আল-কুরতুমি'। এছাড়া তিনি নুক্তাযুক্ত 'খা' দিয়ে 'আল-খারবুয়ি' উল্লেখ করেছেন, অথচ সঠিক হলো নুক্তাহীন 'হা' দিয়ে 'আল-হারবুয়ি'। একইভাবে 'আল-খাতিরি' উল্লেখ করেছেন যার সঠিক হলো 'আল-হাযিরি' ইত্যাদি।

- কিছু বংশনামের বানান বিকৃতি ঘটার কারণে তিনি সেগুলোকে সুয়ুতির বর্ণনার অতিরিক্ত মনে করেছেন, অথচ আসলে তা অতিরিক্ত ছিল না; যেমন: 'আল-ক্বরমাতি'। আবার 'আল-কানজারানি' নামটি মূলত 'আল-কাইখারানি' শব্দের বিকৃত রূপ।
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ২৯)
- جاء ترتيب الكتاب في الجملة على حروف المعجم إلا أنه وقع خلل في الترتيب في بعض المواضع نبهنا عليها في أماكنها، إلا أن هذا قد يُعَصَّب بالأشموني الذي جرَّد الكتاب لا ابن العجمي.
- কিতাবটির বিন্যাস সামগ্রিকভাবে বর্ণানুক্রমিক পদ্ধতিতে করা হয়েছে, তবে কিছু কিছু স্থানে বিন্যাসে কিছু বিচ্যুতি ঘটেছে যা আমরা সংশ্লিষ্ট স্থানগুলোতে নির্দেশ করেছি। তবে এই বিচ্যুতির দায় সম্ভবত আল-আশমুনীর ওপর বর্তাবে যিনি কিতাবটি সংক্ষেপিত করেছেন, ইবনুল আজমীর ওপর নয়।
(খণ্ড: ১) যাই লু লুব্বিল লুবাব ফী তাহরীরিল আনসাব (পৃষ্ঠা: ৩০)
‌‌المبحث السابع

الإفادة من كتاب ابن العجمي

لا شك أن اعتناءَ أهل العلم بالنقل من بعض الكتب والإفادة منها دليلٌ على أهمية الكتاب في بابه، لا سيما إذا كان الناقل من أئمة العلم، ومن كبار المصنفين، وممن لاحظت احتفاءه بكتاب ابن العجمي واعتناءه بالنقل منه: الإمام الزبيدي في كتابه الموسوعي «تاج العروس من جواهر القاموس».

فقد أكثر الزبيدي من النقل عن هذا الكتاب والإفادة منه، ومن التراجم التي أفاد منها في كتابه: البَيلوني، الدَّرية، الدمدمكي، السَّمهودي، الشافعي، الطاووسي، القسطلاني، وغيرها.

وينعتُ الزبيديُّ ابنَ العجمي أحيانا بشيخ شيوخنا، وأحيانا بشيخ مشايخنا.

ونعتَ كتابه بذيل اللب، وأحيانا بحواشي لب اللباب، وأحيانا بذيل لب اللباب.

وقد اعتنينا بالتنبيه على المواضع التي استفادها الزبيدي في كتابه في حاشية التحقيق.
সপ্তম পরিচ্ছেদ

ইবনে আল-আজামির কিতাব থেকে প্রাপ্ত উপকারিতা

এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, নির্দিষ্ট কোনো কিতাব থেকে উদ্ধৃতি প্রদান এবং তা থেকে উপকৃত হওয়ার প্রতি বিজ্ঞ আলিমগণের গুরুত্বারোপ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কিতাবটির গুরুত্বের প্রমাণ বহন করে; বিশেষত যখন উদ্ধৃতি প্রদানকারী ইলমের ইমাম ও বড় বড় গ্রন্থকারদের অন্তর্ভুক্ত হন। ইবনে আল-আজামির কিতাবটির প্রতি যার বিশেষ মূল্যায়ন ও তা থেকে উদ্ধৃতি চয়নের প্রতি মনোনিবেশ আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে, তিনি হলেন ইমাম আল-যাবিদি, তাঁর বিশ্বকোষীয় গ্রন্থ ‘তাজুল আরুস মিন জাওয়াহিরিল কামুস’-এ।

আল-যাবিদি এই কিতাব থেকে প্রচুর উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন এবং তা থেকে উপকৃত হয়েছেন। তিনি তাঁর গ্রন্থে যেসব জীবনী আলোচনা থেকে তথ্য গ্রহণ করেছেন, তার মধ্যে রয়েছে: আল-বাইলোনি, আদ-দারিইয়াহ, আদ-দামদামকি, আস-সামহুদি, আশ-শাফিঈ, আত-তাউসি, আল-কাসতালানি এবং অন্যান্য।

আল-যাবিদি কখনো কখনো ইবনে আল-আজামিকে ‘আমাদের শায়খদের শায়খ’ এবং কখনো ‘আমাদের উস্তাদদের উস্তাদ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

আর তিনি ইবনে আল-আজামির কিতাবকে কখনো ‘যাইলুল লুব’, কখনো ‘হাওয়াশি লুব্বিল লুবাব’, আবার কখনো ‘যাইলু লুব্বিল লুবাব’ নামে বিশেষায়িত করেছেন।

আমরা এই তাহকিকের (গবেষণালব্ধ সংস্করণ) টীকায় সেই সব স্থানগুলো নির্দেশ করার বিষয়ে যত্নবান হয়েছি, যেখানে আল-যাবিদি তাঁর কিতাবে এই মূল গ্রন্থ থেকে উপকার লাভ করেছেন।