(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: -)
مشيخة ابن الجوزي (ابن الجوزي)
القسم: كتب السنة
الكتاب: مشيخة ابن الجوزي
المؤلف: جمال الدين أبو الفرج عبد الرحمن بن علي بن محمد الجوزي (ت 597 هـ)
تقديم وتحقيق: محمد محفوظ [ت 1408 هـ]
الناشر: دار الغرب الإسلامي، بيروت
الطبعة: الثالثة، 2006 م
عدد الصفحات: 202
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
মাশইয়াকাতু ইবনে আল-জাওজি (ইবনে আল-জাওজি)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: মাশইয়াকাতু ইবনে আল-জাওজি
লেখক: জামালুদ্দিন আবুল ফারাজ আবদুর রহমান বিন আলী বিন মুহাম্মাদ আল-জাওজি (মৃত্যু ৫৯৭ হিজরি)
উপস্থাপনা ও সম্পাদনা: মুহাম্মাদ মাহফুজ [মৃত্যু ১৪০৮ হিজরি]
প্রকাশক: দারুল গারব আল-ইসলামি, বৈরুত
সংস্করণ: তৃতীয়, ২০০৬ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২০২
[কিতাবের পৃষ্ঠা নম্বর ছাপানো কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ্জ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
قَالَ ابْنُ الْجَوْزِيِّ فِي أَوَّلِ مَشْيَخَتِهِ: حَمَلَنِي شَيْخُنَا ابْنُ نَاصِرٍ إِلَى الأَشْيَاخِ فِي الصِّغَرِ وَأَسْمَعَنِي الْعَوَالِي، وَأَثْبَتَ سَمَاعَاتِي كُلَّهَا بِخَطِّهِ، وَأَخَذَ لِي إِجَازَاتٍ مِنْهُمْ.فَلَمَّا فَهِمْتُ الطَّلَبَ كُنْتُ أُلازِمُ مِنَ الشُّيُوخِ أَعْلَمَهُمْ، وَأُوثِرُ مِن أَرْبَابِ النَّقْلِ أَفْهَمَهُمْ، فَكَانَتْ هِمَّتِي تَجْوِيدُ الْعدَدِ لا تَكْثِيرُ الْعدَدِ.وَلَمَّا رَأَيْتُ مِنْ أَصْحَابِي مَنْ يُؤْثِرُ الاطِّلاعَ عَلَى كِبَارِ مَشَايِخِي، ذَكَرْتُ عَنْ كُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمْ حَدِيثًا.ثُمَّ ذَكَرَ فِي هَذِهِ الْمَشْيَخَةِ لَهُ سَبْعَةً وَثَمَانِينَ شَيْخًا. . . . شَيْخُنَا، وَكَانَ أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ الْحُصَيْنِ قَدْ بَكَّرَ بِهِ أَبُوهُ فَأَسْمَعَهُ مِنِ ابْنِ غَيْلانَ، وَابْنِ الْمَذْهَبِ وَالتَّنُوخِيِّ وَأَبِي الطَّيِّبِ الطَّبَرِيِّ، وَغَيْرِهِمْ.وُلِدَ سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وَثَلاثِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، وَعَمَّرَ حَتَّى صَارَ أَسْنَدَ أَهْلِ عَصْرِهِ، فَرَحَلَ إِلَيْهِ الطَّلَبَةُ، وَازْدَحَمُوا عَلَيْهِ.وَكَانَ صَحِيحَ السَّمَاعِ وَسَمِعْتُ
ইবনুল জাওযী তাঁর মাশইয়াখা (শিক্ষক-তালিকা)-র শুরুতে বলেন: আমাদের শাইখ ইবনু নাসির শৈশবে আমাকে শাইখদের নিকট নিয়ে যেতেন এবং আমাকে উচ্চ সনদ সংবলিত হাদিস শ্রবণ করাতেন। তিনি নিজ হাতে আমার সকল শ্রবণ লিপিবদ্ধ করেছিলেন এবং তাঁদের নিকট থেকে আমার জন্য ইজাজত গ্রহণ করেছিলেন।অতঃপর যখন আমি ইলম অন্বেষণের বিষয়টি অনুধাবন করলাম, তখন আমি শাইখদের মধ্যে সর্বাধিক জ্ঞানীর সাহচর্যে থাকতাম এবং বর্ণনাকারীদের মধ্যে অধিক প্রজ্ঞাবানকে অগ্রাধিকার দিতাম। আমার সংকল্প ছিল সংখ্যাগত উৎকর্ষ অর্জন করা, কেবল সংখ্যাধিক্য ঘটানো নয়।যখন আমি আমার সাথীদের মধ্যে কাউকে দেখলাম যে আমার বড় বড় শাইখদের সম্পর্কে জানতে আগ্রহী, তখন আমি তাঁদের প্রত্যেকের পক্ষ থেকে একটি করে হাদিস উল্লেখ করলাম।অতঃপর তিনি এই মাশইয়াখাতে তাঁর সাতাশিজন শাইখের কথা উল্লেখ করেছেন। ... আমাদের শাইখ আবুল কাসিম ইবনুল হুসাইন, তাঁর পিতা শৈশবেই তাঁকে দ্রুত নিয়ে যেতেন এবং ইবনু গাইলান, ইবনুল মাযহাব, আত-তানুখি, আবু তাইয়িব আত-তাবারী ও অন্যদের থেকে হাদিস শ্রবণ করাতেন।তিনি ৪৩২ হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন এবং দীর্ঘায়ু লাভ করেন, এমনকি তিনি তাঁর যুগের সর্বোচ্চ সনদের অধিকারী ব্যক্তিতে পরিণত হন। ফলে শিক্ষার্থীরা তাঁর পানে সফর করতেন এবং তাঁর নিকট ভিড় জমাতেন।তাঁর শ্রবণ ছিল নির্ভুল এবং আমি শুনেছি...
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
مِنْهُ جَمِيعَ مُسْنَدِ الإِمَامِ أَحْمَدَ، وَالْغَيْلانِيَّاتِ جَمِيعَهَا، وَأَجْزَاءَ الْمُزَكِّي وَهُوَ آخِرُ مَنْ حَدَّثَ بِذَلِكَ وَسَمِعْتُ مِنْهُ غَيْرَ ذَلِكَ.وَأَمْلَى بِجَامِعِ الْقَصْرِ مَجَالِسَ كَثِيرَةً، خَرَّجَهَا لَهُ شَيْخُنَا أَبُو الْفَضْلِ بْنُ نَاصِرٍ وَاسْتَمْلاهَا عَلَيْهِ، وَكُنْتُ أَحْضُرُ الإِمْلاءَ وَأَكْتُبُ.وَتُوُفِّيَ رحمه الله بَيْنَ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ يَوْمَ الأَرْبِعَاءِ رَابِعَ عَشَرَ شَوَّالَ مِنْ سَنَةِ خَمْسٍ وَعِشْرِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، وَأَشْرَفَ عَلَى غُسْلِهِ شَيْخُنَا ابْنُ نَاصِرٍ، وَتَوَلَّى الصَّلاةَ عَلَيْهِ بِوَصِيَّةٍ مِنْهُ فَصَلَّى عَلَيْهِ بِجَامِعِ الْقَصْرِ، ثُمَّ حُمِلَ إِلَى جَامِعِ الْمَنْصُورِ فَصَلَّى عَلَيْهِ شَيْخُنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ الأَنْمَاطِيُّ، وَدُفِنَ يَوْمَئِذٍ بِبَابِ حَرْبٍ مِمَّا يَلِي قَبْرَ بِشْرٍ الْحَافِي. الشَّيْخُ الثَّانِيأَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الرَّبِيعِ بْنِ ثَابِتِ بْنِ وَهْبِ بْنِ مَشْجَعَةَ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ الأَنْصَارِيُّ أَحَدُ الثَّلاثَةِ الَّذِينَ خُلِّفُوا، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ فِي يَوْمِ الثُّلاثَاءِ الْخَامِسِ مِنْ ذِي الْقَعْدَةِ مِنْ سَنَةِ ثَلاثٍ
আমি তাঁর নিকট থেকে সম্পূর্ণ মুসনাদে ইমাম আহমাদ, আল-গায়লানিয়াত-এর পূর্ণ অংশ এবং আল-মুযাক্কীর অংশসমূহ শ্রবণ করেছি। তিনিই শেষ ব্যক্তি যিনি এই হাদিসগুলো বর্ণনা করেছেন এবং আমি তাঁর নিকট থেকে এ ছাড়াও অন্যান্য হাদিস শ্রবণ করেছি।তিনি জামে আল-কাসর-এ অনেক মজলিসে হাদিসের শ্রুতিলিপি প্রদান করেছেন, যা আমাদের শায়খ আবুল ফজল বিন নাসির তাঁর জন্য সংকলন করেছেন এবং তাঁর নিকট থেকে শ্রুতিলিপি গ্রহণ করেছেন। আমি উক্ত মজলিসে উপস্থিত থাকতাম এবং লিখতাম।তিনি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) ৫২৫ হিজরি সালের ১৪ই শাওয়াল বুধবার জোহর ও আসরের মধ্যবর্তী সময়ে ইন্তেকাল করেন। আমাদের শায়খ ইবনে নাসির তাঁর গোসলের তত্ত্বাবধান করেন এবং তাঁরই অসিয়ত অনুযায়ী জানাযার নামায পরিচালনা করেন। অতঃপর জামে আল-কাসর-এ তাঁর জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তাঁকে জামে আল-মানসুরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে আমাদের শায়খ আব্দুল ওয়াহহাব আল-আনমাতি তাঁর জানাযা পড়ান। ঐ দিনই তাঁকে বিশর আল-হাফীর কবরের নিকটবর্তী বাব হারব নামক স্থানে দাফন করা হয়। দ্বিতীয় শায়খআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকী বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান বিন আর-রাবি বিন সাবিত বিন ওয়াহাব বিন মাশজাআহ বিন আল-হারিস বিন আব্দুল্লাহ বিন কাব বিন মালিক আল-আনসারী—যিনি (কাব) সেই তিনজনের একজন ছিলেন যাদের (তাবুকের যুদ্ধের সময়) পেছনে রাখা হয়েছিল—৫৩৩ হিজরি সনের ৫ই জিলকদ মঙ্গলবার তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
وَثَلاثِينَ بِمَنْزِلِهِ فِي النَّصْرِيَّةِ، مِنْ غَرْبِيِّ بَغْدَادَ، قَالَ: أنا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ الْبَرْمَكِيُّ قَالَ: أنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَيُّوبَ بْنِ مَاسِيِّ.قَالَ: أنا أَبُو مُسْلِمٍ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُسْلِمٍ الْكَجِّيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ، ثنا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، قَالَ: ثنا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، قَالَ: عَطَسَ عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم رَجُلانِ، فَشَمَّتَ أَحَدَهُمَا وَلَمْ يُشَمِّتِ الآخَرَ، فَقَالَ الرَّجُلُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ شَمَّتَّ هَذَا وَلَمْ تُشَمِّتَنِي قَالَ: إِنَّ هَذَا حَمِدَ اللَّهَ وَلَمْ تَحْمَدِ اللَّهَ. .
...এবং তিরিশ (তারিখ বা বছর) বাগদাদের পশ্চিমে আল-নাসরিয়্যাহ-তে তাঁর বাসভবনে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে উমর ইবনে আহমদ আল-বারমাকি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আইয়ুব ইবনে মাসি।তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসলিম ইব্রাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুসলিম আল-কাজ্জি। মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আনসারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। সুলায়মান আত-তায়মি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আনাস ইবনে মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট দুইজন ব্যক্তি হাঁচি দিলেন। তিনি তাঁদের একজনের হাঁচির উত্তর দিলেন কিন্তু অন্যজনের দিলেন না। তখন সেই ব্যক্তি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এর হাঁচির উত্তর দিলেন অথচ আমার দিলেন না? তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই সে আল্লাহর প্রশংসা করেছে, কিন্তু তুমি আল্লাহর প্রশংসা করোনি।"
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
أَخْرَجَاهُ فِي الصَّحِيحَيْنِ.وَأَمَّا الْحَدِيثُ: عَنْ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي أنا. . . فَكَأَنِّي سَمِعْتُهُ مِنْ طَرِيقِ الْبُخَارِيِّ أَنَا وَشَيْخُ شَيْخِنَا أَبِي الْوَقْتِ وَهُوَ الرَّاوِي. . .وُلِدَ شَيْخُنَا أَبُو بَكْرٍ يَوْمَ الثُّلاثَاءِ عَاشِرَ صَفَرٍ سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وَأَرْبَعِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ.وَذَكَرَ لَنَا: أَنَّ مُنَجِّمَيْنِ حَضَرَا حِينَئِذٍ وَحَكَمَا أَنَّ عُمْرَهُ اثْنَتَانِ وَخَمْسُونَ سَنَةً، فَظَهَرَ كَذِبُهُمَا، وَأَوَّلُ سَمَاعِهِ مِنْ أَبِي إِسْحَاقَ الْبَرْمَكِيِّ فِي رَجَبٍ سَنَةِ خَمْسٍ وَأَرْبَعِينَ حُضُورًا، وَبَقِيَ مُدَّةً لا يُخْبِرُنَا بِمُؤَيِّدِهِ، ثُمَّ أَخْبَرَنَا.وَهُوَ آخِرُ مَنْ حَدَّثَ فِي الدُّنْيَا عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الْبَرْمَكِيِّ، وَأَخِيهِ أَبِي الْحَسَنِ عُمَرَ، وَالْقَاضِي أَبِي الطَّيِّبِ الطَّبَرِيِّ، وَأَبِي طَالِبٍ العُشَارِيِّ
তারা এটি সহীহাইনে বর্ণনা করেছেন।আর হাদীসটি সম্পর্কে: আহমদ ইবনে আবী... থেকে। মনে হচ্ছে যেন আমি এটি ইমাম বুখারীর সূত্রে শুনেছি—আমি এবং আমাদের শাইখের শাইখ আবু আল-ওয়াক্ত, যিনি এর বর্ণনাকারী...আমাদের শাইখ আবু বকর ৪৪২ হিজরীর ১০ই সফর মঙ্গলবার জন্মগ্রহণ করেন।তিনি আমাদের কাছে উল্লেখ করেছেন যে: সেই সময়ে দুইজন জ্যোতিষী উপস্থিত ছিল এবং তারা রায় দিয়েছিল যে তাঁর আয়ু হবে বাহান্ন বছর, তবে তাদের মিথ্যা প্রকাশ হয়ে পড়েছিল। আবু ইসহাক আল-বারমাকীর কাছ থেকে তাঁর প্রথম শ্রবণ ছিল ৪৪৫ হিজরীর রজব মাসে উপস্থিতির মাধ্যমে; এবং তিনি একটি দীর্ঘ সময় আমাদের কাছে তাঁর সনদ প্রদানকারী সম্পর্কে অবহিত করেননি, অতঃপর তিনি আমাদের তা জানান।তিনি হলেন পৃথিবীর বুকে সর্বশেষ ব্যক্তি যিনি আবু ইসহাক আল-বারমাকী, তাঁর ভাই আবু আল-হাসান উমর, কাযী আবু আত-তৈয়িব আত-তাবারী এবং আবু তালিব আল-উশারী থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
وَأَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ إِبْرَاهِيمَ البَاقِلانِيِّ، وَأَبِي مُحَمَّدٍ الْجَوْهَرِيِّ، وَأَبِي الْقَاسِمِ عُمَرَ بْنِ الْحُسَيْنِ الْخَفَّافِ، وَأَبِي الْحُسَيْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ حَسْنُونَ، وَأَبِي عَلِيٍّ الْحَسَنِ بْنِ غَالِبٍ الْمُقْرِئِ، وَأَبِي الْحُسَيْنِ بْنِ الآبَنُوسِيِّ، وَأَبِي الْحَسَنِ بْنِ أَبِي طَالِبٍ الْمَكِّيِّ، وَأَبِي الْفَضْلِ هَبَةِ اللَّهِ بْنِ الْمَأْمَونِ، فَهَؤُلاءِ انْفَرَدَ بِالرِّوَايَةِ عَنْهُمْ، وَقَدْ سَمِعَ خَلْقًا يَطُولُ ذِكْرُهُمْ، وَكَانَتْ لَهُ إِجَازَةٌ مِنْ أَبِي الْقَاسِمِ التَّنُوخِيِّ، وَأَبِي الْفَتْحِ بْنِ شِيطَا، وَأَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ سَلامَةَ الْقُضَاعِيِّ، وَتَفَقَّهَ عَلَى
এবং আবুল হাসান আলী বিন ইবরাহিম আল-বাকিল্লানি, আবু মুহাম্মাদ আল-জাওহারি, আবুল কাসিম উমর বিন আল-হুসাইন আল-খাফফাফ, আবুল হুসাইন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন হাসনুন, আবু আলী আল-হাসান বিন গালিব আল-মুকরি, আবুল হুসাইন বিন আল-আবনূসি, আবুল হাসান বিন আবু তালিব আল-মাক্কি এবং আবুল ফাদল হিবাতুল্লাহ বিন আল-মামুন; এঁদের থেকে বর্ণনার ক্ষেত্রে তিনি একক ছিলেন। তিনি অগণিত লোকের নিকট থেকে (হাদিস) শ্রবণ করেছেন যাদের কথা উল্লেখ করতে গেলে দীর্ঘ হয়ে যাবে। আবুল কাসিম আত-তানুখি, আবুল ফাতহ বিন শিতা এবং আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন সালামাহ আল-কুদা'ঈর নিকট থেকে তাঁর ইজাজত ছিল। আর তিনি ফিকহ শাস্ত্র অধ্যয়ন করেছেন...
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
الْقَاضِي أَبِي عَلِيِّ بْنِ الْفَرَّاءِ، وَشَهِدَ عِنْدَ قَاضِي الْقُضَاةِ أَبِي الْحَسَنِ الدَّامَغَانِيِّ، وَعَمَّرَ حَتَّى أَلْحَقَ الصِّغَارَ بِالْكِبَارِ، وَأَمْلَى الْحَدِيثَ فِي جَامِعِ الْقَصْرِ بِاسْتِمْلاءِ شَيْخِنَا أَبِي الْفَضْلِ بْنِ نَاصِرٍ، وَكَانَ ثِقَةً، فَهِمًا، حُجَّةً، مُتَفَنِّنًا فِي عُلُومٍ كَثِيرَةٍ، مُنْفَرِدًا فِي عِلْمِ الْفَرَائِضِ، وَكَانَ قَدْ سَافَرَ فَوَقَعَ فِي أَيْدِي الرُّومِ، فَبَقِيَ فِي أَسْرِهِمْ سَنَةً وَنِصْفًا، وَقَيَّدُوهُ وَجَعَلُوا الْغُلَّ فِي عُنُقِهِ، وَأَرَادُوهُ عَلَى أَنْ يَنْطِقَ بِكَلِمَةَ الْكُفْرِ فَلَمْ يَفْعَلْ.وَدَخَلْتُ عَلَيْهِ بَعْدَ ثَلاثٍ وَتِسْعِينَ سَنَةً مِنْ عَمْرِهِ وَهُوَ صَحِيحُ الْحَوَاسِّ ثَابِتُ الْعَقْلِ.وَلَمَّا مَرِضَ لَمْ يَفْتَرْ عَنْ تِلاوَةِ الْقُرْآنِ، إِلَى أَنْ تُوُفِّيَ يَوْمَ الأَرْبَعَاءِ قَبْلَ الظُّهْرِ، ثَانِي رَجَبٍ مِنْ سَنَةِ خَمْسٍ وَثَلاثِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ.وَصُلِّيَ عَلَيْهِ بِجَامِعِ الْمَنْصُورِ، وَحَضَرَ قَاضِي الْقُضَاةِ أَبُو الْقَاسِمِ الزَّيْنَبِيِّ، وَوَجَوهَ النَّاسِ، وَدُفِنَ قَرِيبًا مِنْ بِشْرٍ الْحَافِي.
কাজি আবু আলি বিন আল-ফাররা; তিনি প্রধান বিচারপতি আবু আল-হাসান আদ-দামাগানির নিকট সাক্ষ্য প্রদান করেন। তিনি দীর্ঘ জীবন লাভ করেছিলেন, এমনকি তিনি পরবর্তী প্রজন্মকে পূর্ববর্তী প্রজন্মের সমপর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছিলেন। তিনি আমাদের শায়খ আবুল ফজল বিন নাসিরের শ্রুতলিখন সহযোগে জামি আল-কাসরে হাদিস বর্ণনা করেন। তিনি ছিলেন নির্ভরযোগ্য, প্রজ্ঞাবান, প্রামাণ্য ব্যক্তিত্ব এবং বহু বিদ্যায় পারদর্শী; বিশেষত ফরায়েজ শাস্ত্রে তিনি ছিলেন অদ্বিতীয়। তিনি একদা সফরে বের হলে রোমানদের হাতে বন্দি হন এবং তাদের নিকট দেড় বছর বন্দিদশায় অতিবাহিত করেন। তারা তাকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে এবং তার গলায় বেড়ি পরিয়ে দেয়। তারা তাকে কুফরি বাক্য উচ্চারণ করাতে বাধ্য করতে চেয়েছিল, কিন্তু তিনি তা করেননি।তার বয়স যখন তেরানব্বই বছর, তখন আমি তার নিকট উপস্থিত হয়েছিলাম; তখনও তার ইন্দ্রিয়সমূহ সুস্থ এবং বুদ্ধি স্থির ছিল।অসুস্থ অবস্থায়ও তিনি কুরআন তিলাওয়াত থেকে বিরত হননি, অবশেষে পাঁচশত পঁয়ত্রিশ হিজরি সনের দুই রজব, বুধবার যোহরের পূর্বে তিনি ইন্তেকাল করেন।জামি আল-মানসুরে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান বিচারপতি আবু আল-কাসিম আল-যায়নাবি এবং সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। তাকে বিশর আল-হাফির কবরের সন্নিকটে দাফন করা হয়।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
الشَّيْخُ الثَّالِثُأَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْحَاجِّيُّ، الْمَعْرُوفُ بِالْمَزْرَفِيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي رَجَبٍ مِنْ سَنَةِ عِشْرِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، بِمَسْجِدِهِ بِبَيْتِ الْقَيَّادِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أنا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْمُسْلِمَةِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ يَوْمَ السَّبْتِ عَاشِرَ الْمُحَرَّمِ مِنْ سَنَةِ تِسْعٍ وَخَمْسِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، قَالَ: أنا أَبُو الْفَضْلِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ سَعْدٍ الزُّهْرِيُّ، قَالَ: أنا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْمُسْتَفَاضِ الْفِرْيَابِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي سَنَةِ ثَمَانٍ وَتِسْعِينَ وَمِائَتَيْنِ، ثنا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ أَبِي
তৃতীয় শায়খআমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাজ্জী, যিনি আল-মাযরাফী নামে পরিচিত; পাঁচশত বিশ হিজরীর রজব মাসে বায়তুল কাইয়্যাদে অবস্থিত তাঁর মসজিদে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, এমতাবস্থায় যে আমি শ্রবণ করছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে আল-মুসলিমাহ; চারশত ঊনষাট হিজরীর মহররম মাসের দশম তারিখ শনিবার তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফজল আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে সা’দ আয-যুহরী। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জাফর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আল-মুস্তাফাদ আল-ফিরইয়াবী; দুইশত আটানব্বই হিজরীতে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন কুতাইবা ইবনে সাঈদ, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবনে জাফর, আবু... থেকে।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৬০)
سُهَيْلٍ نَافِعِ بْنِ مَالِكِ بْنِ أَبِي عَامِرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: آيَةُ الْمُنَافِقِ ثَلاثٌ: إِذَا حَدَّثَ كَذِبَ، وَإِذَا وَعَدَ أَخْلَفَ، وَإِذَا ائْتُمِنَ خَانَ.أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ وَمُسْلِمٌ عَنْ قُتَيْبَةَ.فَكَأَنِّي سَمِعْتُهُ مِنْ طَرِيقِ الْبُخَارِيِّ مِنْ الدَّاوُدِيِّ شَيْخِ شَيْخِنَا، وَكَأَنِّي سَمِعْتُهُ فِي طَرِيقِ مُسْلِمٍ مِنْ عَبْدِ الْغَافِرِ شَيْخِ شَيْخِ شَيْخِنَا.وُلِدَ شَيْخُنَا أَبُو بَكْرٍ الْمَزْرَفِيُّ فِي آخِرِ سَنَةِ تِسْعٍ وَثَلاثِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، وَقَرَأَ الْقُرْآنَ بِالْقِرَاءَاتِ وَسَمِعَ الْحَدِيثَ الْكَثِيرَ مِنِ ابْنِ الْمُهْتَدِي،
সুহাইল, নাফি ইবনে মালিক ইবনে আবি আমির থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “মুনাফিকের আলামত তিনটি: যখন সে কথা বলে মিথ্যা বলে, যখন সে ওয়াদা করে তা ভঙ্গ করে এবং যখন তার নিকট আমানত রাখা হয় সে তাতে খিয়ানত করে।”এটি ইমাম বুখারি ও মুসলিম কুতাইবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।সুতরাং আমি যেন এটি বুখারির সূত্রে আমাদের শায়খের শায়খ আদ-দাউদি থেকে শুনেছি, এবং আমি যেন এটি মুসলিমের সূত্রে আমাদের শায়খের শায়খের শায়খ আব্দুল গাফির থেকে শুনেছি।আমাদের শায়খ আবু বকর আল-মাযরাফি চারশত উনচল্লিশ হিজরি সনের শেষভাগে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বিভিন্ন কিরাতে কুরআন পাঠ করেছেন এবং ইবনুল মুহতাদি থেকে প্রচুর হাদিস শ্রবণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৬১)
والصَّرِيفِينِيِّ، وَابْنِ الْمُسْلِمَةِ، وَابْنِ النَّقُّورِ، وَخَلْقٍ كَثِيرٍ، وَقَرَأَ، وَرَوَى، وَتَفَرَّدَ بِعِلْمِ الْفَرَائِضِ.وَكَانَ ثِقَةً، ثَبْتًا، عَالِمًا، حَسَنَ الْعَقِيدَةِ حَنْبَلِيًّا وَلَمْ يَكُنْ مِنَ الْمَزْرَفَةِ، وَإِنَّمَا انْتَقَلَ أَبُوهُ إِلَى الْمَزْرَفَةِ أَيَّامَ الْفِتْنَةِ بِهَا مُدَّةً، فَلَمَّا رَجَعَ إِلَى بَغْدَادَ قِيلَ لَهُ الْمَزْرَفِيُّ. . . . تُوُفِّيَ يَوْمَ السَّبْتِ غُرَّةَ مُحَرَّمٍ سَنَةَ سَبْعِ وَعِشْرِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ فَجْأَةً، وَدُفِنَ بِبَابِ حَرْبٍ. الشَّيْخُ الرَّابِعُأَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ الْحَرِيرِيُّ الْبَغْدَادِيُّ الْمُقْرِئُ، أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عَنْبَسَ
সারিফিনি, ইবনুল মুসলিমা, ইবনুন নাক্কুর এবং আরও অনেকের নিকট (তিনি জ্ঞান লাভ করেছেন); তিনি পাঠ করেছেন, বর্ণনা করেছেন এবং উত্তরাধিকার বিজ্ঞানে (ইলমুল ফারায়েদ) অনন্য পাণ্ডিত্য অর্জন করেছিলেন।তিনি ছিলেন নির্ভরযোগ্য, সুদৃঢ়, আলেম, বিশুদ্ধ আকিদার অধিকারী এবং হাম্বলি। তিনি মাজরাফাহ-এর অধিবাসী ছিলেন না, বরং তার পিতা গোলযোগের সময় কিছুকাল সেখানে স্থানান্তরিত হয়েছিলেন। অতঃপর যখন তিনি বাগদাদে ফিরে আসেন, তখন তাকে মাজরাফি বলা হতে থাকে। ... তিনি পাঁচশত সাতাশ হিজরি সনের পহেলা মহররম শনিবার আকস্মিকভাবে ইন্তেকাল করেন এবং তাকে বাবুল হারব-এ দাফন করা হয়। চতুর্থ শায়খআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন আহমাদ বিন উমর আল-হারিরি আল-বাগদাদি আল-মুকরি এবং আবুল হুসাইন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন ইসমাইল বিন আনবাস।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৬২)
بْنِ إِسْمَاعِيلَ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ سَمْعُونَ الْوَاعِظِ، لَيْلا فِي مُسْتَهَلِّ رَمَضَانَ سَنَةَ سَبْعٍ وَثَمَانِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، ثنا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُسْلِمٍ الْكَاتِبُ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَيُّوبَ، ثنا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: إِذَا حَضَرَ الْعَشَاءُ وَأُقِيمَتِ الصَّلاةُ فَابْدَءُوا بِالْعَشَاءِ أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنِ ابْنِ بُكَيْرٍ، عَنِ اللَّيْثِ، عَنْ عَقِيلٍ.وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ زِيَادٍ، وَعَنِ ابْنِ عُيَيْنَةَ، كِلاهُمَا عَنِ الزُّهْرِيِّ.فَكَأَنِّي سَمِعْتُهُ مِنْ طَرِيقِ الْبُخَارِيِّ مِنِ ابْنِ أَعْيَنَ شَيْخِ شَيْخِنَا أَبِي الْوَقْتِ، وَمِنْ طَرِيقِ مُسْلِمٍ مِنْ عَبْدِ الْغَافِرِ شَيْخِ شَيْخِ شَيْخِنَا.كَانَ شَيْخُنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْحَرِيرِيُّ يُعْرَفُ بِابْنِ الطَّبَرِيِّ، وُلِدَ يَوْمَ الْخَمِيسِ وَهُوَ يَوْمَ عَاشُورَاءَ، سَنَةَ خَمْسٍ وَثَلاثِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ بِالتُّسْتُرِيِّينَ، وَسَمِعَ الْحَدِيثَ مِنْ أَبِي الْحَسَنِ بْنِ زَوْجِ الْحُرَّةِ، وَأَبِي طَالِبٍ الْعُشَارِيِّ، وَالْبَرْمَكِيِّ
...ইসমাইলের পুত্র, যিনি ইবনে সামউন আল-ওয়ায়েজ নামে পরিচিত; তিনশত সাতাশি হিজরী সালের রমজান মাসের শুরুতে এক রাতে। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল হুসাইন আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুসলিম আল-কাতিব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আইয়ুব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, যুহরি হতে, তিনি আনাস হতে বর্ণনা করেন যে, নবী (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) বলেছেন: "যখন রাতের খাবার উপস্থিত হয় এবং সালাতের ইকামত দেওয়া হয়, তখন তোমরা রাতের খাবার দিয়েই শুরু করো।" ইমাম বুখারি এটি ইবনে বুকাইর হতে, তিনি লাইস হতে এবং তিনি উকাইল হতে বর্ণনা করেছেন।এবং ইমাম মুসলিম এটি জিয়াদ ও ইবনে উয়ায়নাহ হতে বর্ণনা করেছেন, তারা উভয়েই যুহরি হতে।ফলে আমি যেন এটি বুখারির সূত্রে আমাদের শাইখের শাইখ আবু আল-ওয়াক্তের উস্তাদ ইবনে আয়ান হতে এবং মুসলিমের সূত্রে আমাদের শাইখের শাইখের শাইখ আবদুল গাফির হতে শ্রবণ করেছি।আমাদের শাইখ আবুল কাসিম আল-হারিরি ইবনে আল-তাবারী নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি চারশত পঁয়ত্রিশ হিজরী সালের আশুরার দিন বৃহস্পতিবার তুষতারিয়্যিন এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আবুল হাসান ইবনে জাওজ আল-হুররাহ, আবু তালিব আল-উশারি এবং আল-বারমাকি হতে হাদিস শ্রবণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৬৩)
وَابْنِ الْمَأْمُونِ، وَالصَّرِيفِينِيِّ، وَغَيْرِهِمْ.وَقَرَأَ الْقُرْآنَ بِالْقِرَاءَاتِ عَلَى أَبِي بَكْرٍ الْخَيَّاطِ، وَغَيْرِهِ.وَحَدَّثَ، وَأَقْرَأَ، وَكَانَ صَحِيحَ السَّمَاعِ، دَيِّنًا، ثَبْتًا، كَثِيرَ الذِّكْرِ، دَائِمَ التِّلاوَةِ.وَهُوَ آخِرُ مَنْ حَدَّثَ عَنْ أَبِي الْحَسَنِ بْنِ زَوْجِ الْحُرَّةِ، وَرَوَى عَنْ أَبِي الْحَسَنِ هَذَا أَبُو بَكْرٍ الْخَطِيبُ وَأَبُو الْقَاسِمِ هَذَا، وَبَيْنَ وَفَاتِهِمَا ثَمَانٍ وَسِتُّونَ سَنَةً.وَسَمِعْتُ عَلَيْهِ الْحَدِيثَ الْكَثِيرَ، وَمَتَّعَهُ اللَّهُ بِسَمْعِهِ وَبَصَرِهِ وَجَوَارِحِهِ إِلَى أَنْ تُوُفِّيَ يَوْمَ الْخَمِيسِ ثَانِي جُمَادَى الأُولَى سَنَةَ إِحْدَى وَثَلاثِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، عَن سِتٍّ وَتِسْعِينَ سَنَةً وأَشْهُرٍ، وَدُفِنَ بِالشُّونِيزِيَّةِ فِي تُرْبَةِ شَيْخِنَا عَبْدِ الْوَهَّابِ الأَنْمَاطِيِّ، وَهُوَ الَّذِي أَمَّ النَّاسَ فِي الصَّلاةِ عَلَيْهِ. الشَّيْخُ الْخَامِسُأَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ الدِّينَوَرِيُّ. . .
এবং ইবনুল মামুন, আস-সারিফিনি ও অন্যদের থেকে।তিনি আবু বকর আল-খাইয়্যাত ও অন্যদের নিকট বিভিন্ন কিরাতে কুরআন পাঠ করেছেন।তিনি হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং পাঠদান করেছেন; তিনি ছিলেন নির্ভুল শ্রবণের অধিকারী, ধর্মপ্রাণ, সুদৃঢ়, অত্যধিক জিকিরকারী এবং সর্বদা তিলাওয়াতকারী।তিনি ছিলেন আবুল হাসান বিন জাওজুল হুররাহ থেকে হাদিস বর্ণনাকারী সর্বশেষ ব্যক্তি। আর এই আবুল হাসান থেকে আবু বকর আল-খাতিব এবং এই আবুল কাসিম বর্ণনা করেছেন, এবং তাদের দুইজনের মৃত্যুর মধ্যবর্তী সময় ছিল আটষট্টি বছর।আমি তাঁর নিকট প্রচুর হাদিস শ্রবণ করেছি। আল্লাহ তাঁকে তাঁর শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দ্বারা মৃত্যু পর্যন্ত উপকৃত করেছেন। তিনি ৫৩১ হিজরি সনের ২রা জুমাদাল উলা বৃহস্পতিবার ছিয়ানব্বই বছর কয়েক মাস বয়সে ইন্তেকাল করেন। তাঁকে শুনুনিয়্যাহ গোরস্থানে আমাদের শাইখ আব্দুল ওয়াহহাব আল-আনমাতির কবরে দাফন করা হয়, আর তিনিই তাঁর জানাজার সালাতে ইমামতি করেছিলেন। পঞ্চম শাইখআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী বিন আব্দুল ওয়াহিদ আদ-দিনাওয়ারী...
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৬৪)
أَبِي جَمْرَةَ قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ يَقُولُ: إِنَّ وَفْدَ عَبْدِ الْقَيْسِ لَمَّا قَدِمُوا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَمَرَهُمْ بِالإِيمَانِ بِاللَّهِ، قَالَ: أَتَدْرُونَ مَا الإِيمَانُ باللَّهِ؟ قَالُوا: اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ.قَالَ: شَهَادَةُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهُ، وَإِقَامُ الصَّلاةِ، وَإِيتَاءُ الزَّكَاةِ، وَصَوْمُ رَمَضَانَ، وَأَنْ تُعْطُوا الْخُمْسَ مِنَ الْمَغْنَمِ.أَخْرَجَاهُ فِي الصَّحِيحَيْنِ، فَرَوَاهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْجَعْدِ، وَمُسْلِمٌ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، عَنْ غُنْدَرٍ، كِلاهُمَا عَنْ شُعْبَةَ، فَإِسْنَادُنَا إِلَى الْبُخَارِيِّ مِثْلُ إِسْنَادِنَا إِلَى أَحْمَدَ، وَكَأَنِّي سَمِعْتُهُ مِنْ طَرِيقِ مُسْلِمٍ مِنْ عَبْدِ الْغَافِرِ شَيْخِ شَيْخِ شَيْخِنَا وَسَمِعَ شَيْخُنَا أَبُو الْحَسَنِ مِنْ أَبِي مُحَمَّدٍ الْخَلالِ، وَالْجَوْهَرِيِّ، وَغَيْرِهِمَا
আবু জামরাহ বলেন: আমি ইবনে আব্বাসকে বলতে শুনেছি: আবদুল কায়াস গোত্রের প্রতিনিধি দল যখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন, তখন তিনি তাঁদেরকে আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার নির্দেশ দিলেন। তিনি বললেন: "তোমরা কি জানো আল্লাহর প্রতি ঈমান কী?" তাঁরা বললেন: "আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই অধিক অবগত।"তিনি বললেন: "এই সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল, সালাত কায়েম করা, জাকাত প্রদান করা, রমজানের সিয়াম পালন করা এবং গনীমতের (রণলব্ধ সম্পদ) এক-পঞ্চমাংশ প্রদান করা।"তাঁরা উভয়ই (বুখারি ও মুসলিম) এটি সহীহাইন গ্রন্থে উদ্ধৃত করেছেন। ইমাম বুখারি এটি আলী ইবনে আল-জাদ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম মুসলিম আবু বকর ইবনে আবি শায়বাহ থেকে, তিনি গুন্দার থেকে; তাঁরা উভয়ই শু'বাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। সুতরাং বুখারি পর্যন্ত আমাদের সনদ ঠিক ইমাম আহমাদ পর্যন্ত আমাদের সনদের মতোই। আর মনে হচ্ছে যেন আমি এটি মুসলিমের সূত্রে আমাদের শাইখের শাইখের শাইখ আবদুল গাফিরের নিকট থেকে শুনেছি। আমাদের শাইখ আবুল হাসান এটি আবু মুহাম্মাদ আল-খাল্লাল, আল-জাওহারি এবং অন্যান্যদের নিকট থেকে শুনেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৬৫)
وَكَانَ يَسْكُنَ بَابَ الْبَصْرَةِ مِنْ غَرْبِيِّ بَغْدَادَ.وَتُوُفِّيَ فِي جُمَادَى الآخِرَةِ سَنَةِ إِحْدَى وَعِشْرِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ. الشَّيْخُ السَّادِسُأَخْبَرَنَا أَبُو السَّعَادَاتِ أَحْمَدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي عِيسَى مُحَمَّدِ بْنِ الْمُتَوَكِّلِ بْنِ الْمُعْتَصِمِ بْنِ الرَّشِيدِ بْنِ الْمَهْدِيِّ بْنِ الْمَنْصُورِ، بِقِرَاءَةِ شَيْخِنَا أَبِي الْفَضْلِ بْنِ نَاصِرٍ عَلَيْهِ فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ الثَّالِثِ مِنْ جُمَادَى الأِولَى مِنْ سَنَةِ عِشْرِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، فِي جَامِعِ الْقَصْرِ، قَالَ: أنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ ثَابِتٍ قَالَ: أنا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُوسَى بْنِ هَارُونَ بْنِ الصَّلْتِ الأَهْوَازِيُّ قَالَ: ثنا الْقَاضِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الَمَحَامِلِيِّ، ثنا سَلَمُ بْنُ جَنَادَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ،
তিনি পশ্চিম বাগদাদের বাসরা ফটকে বসবাস করতেন।এবং তিনি পাঁচশত একুশ হিজরী সনের জুমাদাল আখিরা মাসে ইন্তেকাল করেন। ষষ্ঠ শায়খআবুল সাআদাত আহমাদ ইবনে আহমাদ ইবনে আবদুল ওয়াহিদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে উবায়দুল্লাহ ইবনে আবি ঈসা মুহাম্মাদ ইবনুল মুতাওয়াক্কিল ইবনুল মুতাসিম ইবনুর রাশিদ ইবনুল মাহদি ইবনুল মানসুর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—আমাদের শায়খ আবুল ফজল ইবনে নাসিরের পাঠের মাধ্যমে তাঁর নিকট পাঁচশত বিশ হিজরী সনের জুমাদাল উলা মাসের তিন তারিখ, জুমাবার, জামেউল কাসর মসজিদে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে আলী ইবনে সাবিত। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুসা ইবনে হারুন ইবনুল সালত আল-আহওয়াজি। তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন কাজী আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল আল-মাহামিলি। তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সালাম ইবনে জানাদাহ। তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু মুয়াবিয়া,
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৬৬)
عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: يَقُولُ اللَّهُ تَعَالَى: أَنَا عِنْدَ ظَنِّ عَبْدِي بِي، وَأَنَا مَعَهُ حِينَ يَذْكُرُنِي، فَإِنْ ذَكَرَنِي فِي نَفْسِهِ ذَكَرْتُهُ فِي نَفْسِي، وَإِنْ ذَكَرَنِي فِي مَلإٍ ذَكَرْتُهُ فِي مَلإٍ خَيْرٍ مِنْهُ، وَإِنِ اقْتَرَبَ إِلَيَّ شِبْرًا اقَتْرَبْتُ إِلَيْهِ ذِرَاعًا، وَإِنِ اقْتَرَبَ إِلَيَّ ذِرَاعًا اقَتْرَبْتُ إِلَيْهِ بَاعًا، وَإِنْ أَتَانِي يَمْشِي أَتَيْتُهُ هَرْوَلَةً.أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ عُمَرَ بْنِ حَفْصٍ.وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ سُوَيْدِ بْنِ سَعِيدٍ.فَكَأَنِّي سَمِعْتُهُ مِنْ طَرِيقِ الْبُخَارِيِّ مِنْ. . وَمِنْ طَرِيقِ مُسْلِمٍ كَأَنِّي سَمِعْتُهُ مِنْ عَبْدِ الْغَافِرِ شَيْخِ شَيْخِ شَيْخِنَا.وُلِدَ شَيْخُنَا أَبُو السَّعَادَاتِ الْمُتَوَكِّلِيُّ فِي ذِي الْقَعْدَةِ سَنَةِ إِحْدَى وَأَرْبَعِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ.وَسَمِعَ شَيْخُنَا أَبُو السَّعَادَاتِ الْمُتَوَكِّلِيُّ مِنْ أَبِي الْغَنَائِمِ بْنِ الْمَأْمُونِ، وَأَبِي جَعْفَرِ بْنِ الْمُسْلِمَةِ، وَالصَّرِيفِينِيُّ، وَابْنِ الْبُسْرِيِّ، وَالْخَطِيبِ، وَغَيْرِهِمْ، وَكَانَ سَمَاعُهُ صَحِيحًا.وَكَتَبَ لِي إِجَازَةً بِخَطِّهِ فَذَكَرَ فِيهَا سِنَّهُ
আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: মহান আল্লাহ বলেন: আমার বান্দা আমার প্রতি যেমন ধারণা পোষণ করে আমি তেমনই, আর সে যখন আমাকে স্মরণ করে আমি তার সাথেই থাকি। যদি সে আমাকে মনে মনে স্মরণ করে, আমি তাকে আমার মনে স্মরণ করি। আর যদি সে আমাকে কোনো সমাবেশে স্মরণ করে, তবে আমি তাকে তাদের চেয়ে উত্তম সমাবেশে স্মরণ করি। যদি সে আমার দিকে এক বিঘত এগিয়ে আসে, আমি তার দিকে এক হাত এগিয়ে যাই। যদি সে আমার দিকে এক হাত এগিয়ে আসে, আমি তার দিকে এক প্রসারিত হাত পরিমাণ এগিয়ে যাই। আর যদি সে আমার দিকে হেঁটে আসে, আমি তার দিকে দৌড়ে যাই।ইমাম বুখারী এটি উমর ইবনে হাফস থেকে বর্ণনা করেছেন।এবং ইমাম মুসলিম এটি সুওয়াইদ ইবনে সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন।যেন আমি এটি বুখারীর সূত্রে ... থেকে শুনেছি। আর মুসলিমের সূত্রে যেন আমি এটি আমাদের শাইখের শাইখের শাইখ আবদুল গাফির থেকে শুনেছি।আমাদের শাইখ আবুস সাআদাত আল-মুতাওয়াক্কিলি ৪৪১ হিজরী সনের যিলকদ মাসে জন্মগ্রহণ করেন।আমাদের শাইখ আবুস সাআদাত আল-মুতাওয়াক্কিলি আবুল গানাইম ইবনুল মামুন, আবু জাফর ইবনুল মুসলিমাহ, আস-সারিফিনি, ইবনুল বুসরি, আল-খাতিব ও অন্যান্যদের থেকে (হাদিস) শুনেছেন এবং তাঁর শ্রবণ ছিল বিশুদ্ধ।তিনি নিজ হাতে আমার জন্য একটি ইজাজতনামা লিখেছিলেন এবং তাতে তাঁর বয়সের কথা উল্লেখ করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৬৭)
الَّذِي ذَكَرْتُهُ.وَكَانَ يَسْكُنُ مَحَلَّةَ التُّوثَةِ مِنْ غَرْبِيِّ بَغْدَادَ.فَوَقَعَ فِي لَيْلَةِ الْخَمِيسِ سَابِعِ عِشْرِينَ رَمَضَانَ مِنْ سَنَةِ إِحْدَى وَعِشْرِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ مِنْ سَطْحِ دَارِهِ فَمَاتَ، وَدُفِنَ بِمَقْبَرَةِ بَابِ الدَّيْرِ وَقَدْ بَلَغَ ثَمَانِينَ سَنَةً. الشَّيْخُ السَّابِعُأَخْبَرَنَا أَبُو الْوَقْتِ عَبْدُ الأَوَّلِ بْنُ عِيسَى بْنِ شُعَيْبِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ إِسْحَاقَ، الْهَرَوِيُّ الْمَنْشَأُ، السِّجْزِيُّ الأَصْلُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي جُمَادَى الأُولَى مِنْ سَنَةِ ثَلاثٍ وَخَمْسِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، أنا أَبُو الْحَسَنِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُظَفَّرِ الدَّاوُدِيُّ، قَالَ: أنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَمَّوَيْهِ السَّرْخَسِيُّ، قَالَ: أنا أَبُو عِمْرَانَ عِيسَى بْنُ عُمَرَ بْنِ الْعَبَّاسِ السَّمَرْقَنْدِيُّ، قَالَ: أنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدَّارِمِيُّ، قَالَ: أنا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، ثنا شُعْبَةُ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، قَالَ: سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ: أَصَابَنَا
আমি যার কথা উল্লেখ করেছি।তিনি পশ্চিম বাগদাদের তুসাহ মহল্লায় বসবাস করতেন।অতঃপর তিনি পাঁচশত একুশ হিজরি সনের সাতাশে রমজান বৃহস্পতিবার রাতে নিজ ঘরের ছাদ থেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাকে বাবুদ দাইর কবরস্থানে দাফন করা হয়; তখন তার বয়স আশি বছর পূর্ণ হয়েছিল। সপ্তম শায়খআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ওয়াক্ত আবদুল আউয়াল ইবনে ঈসা ইবনে শুয়াইব ইবনে ইব্রাহিম ইবনে ইসহাক—যার বেড়ে ওঠা হেরাতে এবং মূল আদি নিবাস সিজিস্তানে—৫৫৩ হিজরি সনের জমাদিউল উলা মাসে তার সামনে পাঠ করা অবস্থায় আমি তা শুনছিলাম। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল মুজাফ্ফার আদ-দাউদী। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে হাম্মুয়াহ আস-সারখাসি। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইমরান ঈসা ইবনে উমর ইবনুল আব্বাস আস-সামারকান্দি। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান আদ-দারিমি। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ওয়ালিদ আত-তায়ালিসি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বা, হুসাইন থেকে, তিনি সালিম ইবনে আবিল জাদ থেকে, তিনি বলেন: আমি জাবির ইবনে আবদুল্লাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: আমাদের ওপর আপতিত হয়েছিল...
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৬৮)
عَطَشٌ فَجَهَشْنَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَجَعَلَ يَدَهُ فِي تَوْرٍ فَجَعَلَ يَفُورُ كَأَنَّهُ عُيُونٌ مِنْ خَلَلِ أَصَابِعِهِ، وَقَالَ: اذْكُرُوا اسْمَ اللَّهِ، فَشَرِبْنَا حَتَّى وَسِعَنَا وَكَفَانَا أَخْرَجَاهُ فِي الصَّحِيحَيْنِ.وُلِدَ شَيْخُنَا أَبُو الْوَقْتِ فِي سَنَةِ ثَمَانٍ وَخَمْسِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، وَسَمِعَ خَلْقًا كَثِيرًا، وَحَمَلَهُ أَبُوهُ عَلَى عُنُقِهِ مِنْ هُرَاةَ إِلَى بُوشَنْجَ، فَسَمِعَ صَحِيحَ الْبُخَارِيِّ، وَمُسْنَدَ الدَّارِمِيِّ وَالْمُنْتَخَبَ مِنْ مَسْنَدِ عَبْدِ بْنِ حُمَيْدٍ مِنْ جَمَالِ الإِسْلامِ الدَّاوُدُيِّ. . وَسِنُّهُ عَشْرُ سِنِينَ.وَأَلْحَقَ الصِّغَارَ بِالْكِبَارِ.وَكَانَ كَثِيرَ التَّعَبُّدِ وَالتَّهَجُّدِ، وَالْبُكَاءِ، عَلَى سَمْتِ السَّلَفِ.وَعَزَمَ عَلَى الْحَجِّ فِي سَنَةِ ثَلاثٍ وَخَمْسِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، فَهَيَّأَ آلاتِهِ، فَأَصْبَحَ مَيِّتًا.قَالَ لِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ التِّكْرِيتِيُّ: أَسْنَدْتُهُ إِلَيَّ فِي مَرَضِهِ فَمَاتَ، فَكَانَ آخِرُ كَلِمَةٍ قَالَها: {يَا لَيْتَ
আমরা তৃষ্ণার্ত ছিলাম, ফলে আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ফরিয়াদ করলাম। তখন তিনি একটি পাত্রে তাঁর হাত রাখলেন এবং তাঁর আঙুলের মধ্যভাগ থেকে প্রস্রবণের ন্যায় পানি উথলে উঠতে লাগল। তিনি বললেন: "তোমরা আল্লাহর নাম স্মরণ করো।" আমরা পান করলাম এমনকি আমরা তৃপ্ত হলাম এবং তা আমাদের জন্য যথেষ্ট হলো। ইমাম বুখারি ও মুসলিম এটি তাঁদের সহিহাইন গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।আমাদের শায়খ আবু আল-ওয়াক্ত চারশ আটান্ন হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি অসংখ্য আলেম থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন। তাঁর পিতা তাঁকে নিজের কাঁধে বহন করে হেরাত থেকে বুশাঞ্জ পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছিলেন, ফলে তিনি জামালুল ইসলাম আদ-দাউদি-এর নিকট থেকে সহিহ আল-বুখারি, মুসনাদে দারিমি এবং মুসনাদে আবদ ইবনে হুমাইদ-এর নির্বাচিত অংশ শ্রবণ করেন। তখন তাঁর বয়স ছিল দশ বছর।তিনি নবীনদের প্রবীণদের সমপর্যায়ে (উচ্চ সনদে) পৌঁছে দিয়েছিলেন।তিনি সালাফদের আদর্শ অনুযায়ী অত্যধিক ইবাদতগুজার, তাহাজ্জুদগুজার এবং ক্রন্দনশীল ছিলেন।তিনি পাঁচশ তিপ্পান্ন হিজরি সনে হজের সংকল্প করেন এবং তাঁর আসবাবপত্র প্রস্তুত করেন, কিন্তু ভোর হওয়ার পর তাঁকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আত-তিকরিতি আমাকে বলেছেন: তাঁর অসুস্থতার সময় আমি তাঁকে আমার গায়ের ওপর হেলান দিয়ে রেখেছিলাম, এমতাবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর বলা শেষ কথাটি ছিল: {হায়! যদি...
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৬৯)
قَوْمِي يَعْلَمُونَ {26} بِمَا غَفَرَ لِي رَبِّي وَجَعَلَنِي مِنَ الْمُكْرَمِينَ {27} } [يس: 26-27] .وَدُفِنَ بِالشُّونِيزِيَّةِ. الشَّيْخُ الثَّامِنُأَخْبَرَنَا أَبُو غَالِبٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْبَنَّاءِ، بِقِرَاءَةِ شَيْخِنَا أَبِي الْفَضْلِ بْنِ نَاصِرٍ عَلَيْهِ، فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ الثَّامِنِ وَالْعِشْرِينَ مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ مِنْ سَنَةِ سِتٍّ وَعِشْرِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، بِجَامِعِ الْقَصْرِ، قَالَ: أنا أَبُو الْغَنَائِمِ عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْفِضْلِ بْنِ الْمَأْمَونِ، قَالَ: أنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ الْحَرْبِيُّ السُّكَّرِيُّ، ثنا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الصَّبَّاحِ، ثنا حُمَيْدَةُ بْنُ مَسْعَدَةَ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ حَبِيبٍ، عَنِ
আমার সম্প্রদায় যদি জানত {২৬} যে আমার রব আমাকে ক্ষমা করেছেন এবং আমাকে সম্মানিতদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন {২৭} [ইয়াসিন: ২৬-২৭] ।এবং তাঁকে শুনিজিয়াতে দাফন করা হয়েছে। অষ্টম শায়খআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু গালিব আহমাদ বিন আল-হাসান বিন আহমাদ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-বান্না, আমাদের শায়খ আবু আল-ফাদল বিন নাসিরের পাঠ অনুযায়ী তাঁর সম্মুখে, ৫২৬ হিজরি সনের রমজান মাসের আটাশ তারিখ শুক্রবার, জামি আল-কাসর-এ। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-গানাইম আবদুস সামাদ বিন আলী বিন আল-হাসান বিন আল-ফাদল বিন আল-মামুন। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আলী বিন উমর আল-হারবি আস-সুক্কারি। জাফর বিন মুহাম্মদ বিন আস-সাব্বাহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, হুমাইদাহ বিন মাসআদাহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান বিন হাবিব আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, ... থেকে।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৭০)
الْحَجَّاجِ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ اللَّهَ يَغَارُ، وَالْمُؤْمِنُ يَغَارُ، وَغَيْرَةُ اللَّهِ أَنْ يَأْتِيَ الْمُؤْمِنُ مَا حُرِّمَ عَلَيْهِ.أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ أَبِي نُعَيْمٍ، عَنْ شَيْبَانَ، وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ
হাজ্জাজ ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, "নিশ্চয়ই আল্লাহ আত্মমর্যাদাবোধ প্রকাশ করেন এবং মুমিনও আত্মমর্যাদাবোধ প্রকাশ করে। আর আল্লাহর আত্মমর্যাদাবোধ হলো মুমিন বান্দার সেই কাজ করা যা তার জন্য হারাম করা হয়েছে।"এটি বুখারি আবু নুআইম থেকে, শায়বানের সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং মুসলিমও এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৭১)
عَنْ عَمْرٍو النَّاقِدِ، عَنِ ابْنِ عَطِيَّةَ، عَنْ حَجَّاجُ الصَّوَّافِ، كِلاهُمَا عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ.وَالإِسْنَادُ فِي طَرِيقِ الْبُخَارِيِّ يَتَسَاوَى، وَفِي طَرِيقِ مُسْلِمٍ كَأَنِّي سَمِعْتُهُ مِنْ شَيْخِ شَيْخِنَا.وُلِدَ أَبُو غَالِبٍ سَنَةَ خَمْسٍ وَأَرْبَعِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، وَسَمِعَ أَبَا مُحَمَّدٍ الْجَوهَرِيَّ وَأَبَا الْحُسَيْنِ بْنَ حَسْنَونَ، وَالْقَاضِي أَبَا عَلِيٍّ، وَأَبَا الْحُسَيْنِ بْنَ الْمُهْتَدِي، وَأَبَا الْغَنَائِمِ بْنَ الْمَأْمُونِ، وَغَيْرَهُمْ.وَكَانَ ثِقَةً، وَتُوُفِّيَ فِي رَبِيعٍ الأَوَّلِ مِنْ سَنَةِ سَبْعٍ وَعِشْرِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، وَقِيلَ فِي صَفَرٍ. الشَّيْخُ التَّاسِعُأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ يَحْيَى بْنُ أَبِي عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْبَنَّاءِ، بِقِرَاءَةِ شَيْخِنَا أَبِي الْفَضْلِ بْنِ نَاصِرٍ عَلَيْهِ فِي جُمَادَى الآخِرَةِ مِنْ سَنَةِ عِشْرِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أنا الْقَاضِي أَبُو الْحُسَيْنِ
আমর আন-নাকিদ থেকে, তিনি ইবনে আতিয়্যাহ থেকে, তিনি হাজ্জাজ আস-সাওওয়াফ থেকে, তারা উভয়ে ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর থেকে বর্ণনা করেছেন।বুখারীর সূত্রে সনদটি সমপর্যায়ের হয়েছে, আর মুসলিমের সূত্রে মনে হচ্ছে যেন আমি এটি আমার শায়খের শায়খের নিকট থেকে শুনেছি।আবু গালিব চারশত পঁয়তাল্লিশ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আবু মুহাম্মদ আল-জাওহারী, আবু আল-হুসাইন ইবনে হাসনুন, কাজী আবু আলী, আবু আল-হুসাইন ইবনুল মুহতাদী, আবু আল-গনাইম ইবনুল মামুন এবং অন্যদের নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন।তিনি বিশ্বস্ত ছিলেন এবং পাঁচশত সাতাশ হিজরীর রবিউল আউয়াল মাসে মৃত্যুবরণ করেন, মতান্তরে সফর মাসে। নবম শায়খআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ ইয়াহইয়া ইবনে আবি আলী আল-হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনুল বান্না; পাঁচশত বিশ হিজরীর জমাদিউল আখিরা মাসে আমাদের শায়খ আবু আল-ফজল ইবনে নাসির তাঁর নিকট পাঠ করেছেন এবং আমি তা শুনছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাজী আবু আল-হুসাইন...
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৭২)
مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الصَّمَدِ بْنِ الْمُهْتَدِي بِاللَّهِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي رَبِيعٍ الآخَرِ مِنْ سَنَةِ تِسْعٍ وَخَمْسِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، قَالَ: أنا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْخِضْرِ السُّوسُنْجِرْدِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْبَخْتَرِيِّ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ الْعُطَارِدِيُّ، ثنا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ طَلْحَةَ بْنِ نَافِعٍ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: لَقَدْ اهْتَزَّ عَرْشُ اللَّهِ تَعَالَى لِمَوْتِ سَعْدِ بْنِ مَعَاذٍ.أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُثَنَّى عَنِ
মুহাম্মদ ইবন আলী ইবন মুহাম্মদ ইবন আলী ইবন মুহাম্মদ ইবন আবদুস সামাদ ইবন আল-মুহতাদী বিল্লাহ, চারশ উনষাট হিজরীর রবিউস সানি মাসে তাঁর নিকট পাঠের সময় তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আহমদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন আল-খিদর আস-সুসানজির্দি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন আল-বাখতারী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবন আব্দুল জব্বার আল-উতারিদি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া, আমাশ থেকে, তিনি আবু সুফিয়ান তালহা ইবন নাফি থেকে, তিনি জাবির থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: নিশ্চয়ই সা’দ ইবন মুয়াযের মৃত্যুতে মহান আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠেছে।বুখারী এটি মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না থেকে...
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৭৩)
الْفَضْلِ بْنِ هِشَامِ بْنِ أَعْيَنَ السَّرْخَسِيِّ، وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ كِلاهُمَا عَنِ الأَعْمَشِ.فَكَأَنِّي فِي طَرِيقِ الْبُخَارِيِّ سَمِعْتُهُ مِنْ عَبْدِ الْغَافِرِ شَيْخِ شَيْخِ شَيْخِنَا.وَكَانَ شَيْخُنَا يَحْيَى ثِقَةً.سَمِعْتُهُ يَقُولُ: وُلِدْتُ فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ الرَّابِعِ وَالْعِشْرِينَ مِن ذِي الْقَعْدَةِ مِنْ سَنَةِ ثَلاثٍ وَخَمْسِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ.وَتُوُفِّيَ فِي رَبِيعٍ الأَوَّلِ مِنْ سَنَةِ إِحْدَى وَثَلاثِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ. الشَّيْخُ العَاشِرُأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْقَاسِمِ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ وَهْبٍ الدَّبَّاسُ، الْمَعْرُوفُ بِالْبَارِعِ، بِقِرَاءَةِ شَيْخِنَا أَبِي الْفَضْلِ بْنِ نَاصِرٍ عَلَيْهِ فِي رَجَبٍ سَنَةِ عِشْرِينَ
আল-ফাদল ইবনে হিশাম ইবনে আইয়ান আস-সারখাসি, এবং এটি মুসলিম আবু ইদ্রিস থেকে বর্ণনা করেছেন, তারা উভয়েই আল-আ'মাশ থেকে বর্ণনা করেছেন।সুতরাং মনে হচ্ছে বুখারীর সনদের ধারায় আমি এটি আমাদের শায়খের শায়খের শায়খ আব্দুল গাফিরের নিকট থেকে শুনেছি।এবং আমাদের শায়খ ইয়াহইয়া নির্ভরযোগ্য ছিলেন।আমি তাকে বলতে শুনেছি: আমি চারশ তিপান্ন হিজরি সালের চব্বিশে জিলকদ শুক্রবার জন্মগ্রহণ করেছি।এবং তিনি পাঁচশ একত্রিশ হিজরি সালের রবিউল আউয়াল মাসে মৃত্যুবরণ করেন। দশম শায়খআমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আল-কাসিম ইবনে সুলাইমান ইবনে ওয়াহাব আদ-দাব্বাস, যিনি আল-বারী' নামে পরিচিত; যা আমাদের শায়খ আবু আল-ফাদল ইবনে নাসিরের পাঠের মাধ্যমে তাঁর নিকট বিশ (৫২০) হিজরি সালের রজব মাসে পঠিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৭৪)
وَخَمْسِ مِائَةٍ، قَالَ: أنا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْمُسْلِمَةِ، قَالَ: أنا أَبُو الْفَضْلِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الزُّهْرِيُّ، ثنا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفِرْيَابِيُّ، ثنا قُتَيْبَةَ بْنُ سَعِيدٍ، ثنا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي مُوسَى الأَشْعَرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: مَثَلُ الْمُؤْمِنِ الَّذِي يَقْرَأُ الْقُرْآنَ مَثَلُ الأُتْرُجَّةِ رِيحُهَا طَيِّبٌ وَطَعْمُهَا طَيِّبٌ، وَمَثَلُ الْمُؤْمِنِ الَّذِي لا يَقْرَأُ الْقُرْآنَ مَثَلُ التَّمْرَةِ لا رِيحَ لَهَا، وَطَعْمُهَا حُلْوٌ، وَمَثَلُ الْمُنَافِقِ الَّذِي يَقْرَأُ الْقُرْآنَ مَثَلُ الرَّيْحَانَةِ رِيحُهَا طَيِّبٌ، وَطَعْمُهَا مُرٌّ، وَمَثَلُ الْمُنَافِقِ الَّذِي لا يَقْرَأُ الْقُرْآنَ كَمَثَلِ الْحَنْظَلَةِ لا رِيحَ لَهَا، وَطَعْمُهَا مُرٌّ أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ وَمُسْلِمٌ جَمِيعًا عَنْ هُدْبَةَ
এবং পাঁচ শত। তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে আল-মুসলিমা। তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফজল আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান আজ-জুহরি। আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে মুহাম্মদ আল-ফিরইয়াবি। আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন কুতাইবা ইবনে সাঈদ। আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আওয়ানা, কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে, তিনি আবু মুসা আল-আশ‘আরী (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “যে মুমিন কুরআন পাঠ করে তার উদাহরণ হলো উতরুজ্জাহ (লেবু জাতীয় সুগন্ধি ফল) এর মতো, যার ঘ্রাণও চমৎকার এবং স্বাদও চমৎকার। আর যে মুমিন কুরআন পাঠ করে না তার উদাহরণ হলো খেজুরের মতো, যার কোনো ঘ্রাণ নেই কিন্তু স্বাদ মিষ্টি। আর যে মুনাফিক কুরআন পাঠ করে তার উদাহরণ হলো রায়হানাহ (সুগন্ধি লতা) এর মতো, যার ঘ্রাণ চমৎকার কিন্তু স্বাদ তিক্ত। আর যে মুনাফিক কুরআন পাঠ করে না তার উদাহরণ হলো হানজালাহ (মাকাল ফল) এর মতো, যার কোনো ঘ্রাণ নেই এবং স্বাদও তিক্ত।” এটি বুখারী ও মুসলিম উভয়েই হুদবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৭৫)
عَنْ هَمَّامِ بْنِ يَحْيَى عَنْ قَتَادَةَ، فَكَأَنِّي فِي طَرِيقِ الْبُخَارِيِّ سَمِعْتُهُ مِنَ الدَّاوُدُيِّ شَيْخِ شَيْخِنَا، وَفِي طَرِيقِ مُسْلِمٍ كأَنَيِّ سَمِعْتُهُ مِنْ عَبْدِ الْغَافِرِ شَيْخِ شَيْخِ شَيْخِنَا.وُلِدَ شَيْخُنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْبَارِعُ فِي سَنَةِ ثَلاثٍ وَأَرْبَعِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ.وَقَرَأَ الْقِرَاءَاتِ عَلَى أَبِي بَكْرٍ الْخَيَّاطِ، وَأَبِي عَلِيِّ بْنِ الْبَنَّاءِ، وَغَيْرِهِمَا.وَصَنَّفَ لَهُ شَيْخُنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْمُقْرِئُ كِتَابًا يَتَضَمَّنُ الْخِلافَ بِمَا قَرَأَهُ وَلَقَبُهُ الشَّمْسَ الْمُنِيرَةَ.وَسَمِعَ الْحَدِيثَ مِنَ الْقَاضِي أَبِي يعْلَى وَغَيْرِهِ.وَكَانَ فَاضِلا عَارِفًا بِالأَدَبِ، وَلَهُ شِعْرٌ فِي الْغَايَةِ، وَأُضِرَّ فِي آخِرِ عُمْرِهِ، وَتُوُفِّيَ يَوْمَ الثُّلاثَاءِ سَابِعَ عَشَرَ مِنْ جُمَادَى الآخِرَةِ مِنْ سَنَةِ أَرْبَعٍ وَعِشْرِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، وَدُفِنَ بِبَابِ حَرْبٍ. الشَّيْخُ الْحَادِي عَشَرَأَخْبَرَنَا الشَّيْخ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْبَاقِي الْمُوَحِّدُ، بِقِرَاءَةِ شَيْخِنَا أَبِي الْفَضْلِ بْنِ نَاصِرٍ عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي رَجَبٍ سَنَةِ عِشْرِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، قَالَ: أنا الْقَاضِي أَبُو الْمُظَفَّرِ هَنَّادُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ نَصْرٍ النَّسَفِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ مِنْ كِتَابِهِ فِي يَوْمِ الإِثْنَيْنِ السَّادِسِ وَالْعِشْرِينَ مِنْ رَجَبٍ مِنْ سَنَةِ سَبْعٍ وَخَمْسِينَ، قَالَ: أنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ الأَدِيبُ
হাম্মাম ইবনে ইয়াহইয়া হতে বর্ণিত, তিনি কাতাদাহ হতে; যেন আমি বুখারীর সূত্রে এটি আমাদের শায়খের শায়খ আদ-দাউদী থেকে শুনেছি, আর মুসলিমের সূত্রে যেন আমি এটি আমাদের শায়খের শায়খের শায়খ আব্দুল গাফির থেকে শুনেছি।আমাদের শায়খ আবু আব্দুল্লাহ আল-বারী ৪৪৩ হিজরী সনে জন্মগ্রহণ করেন।তিনি আবু বকর আল-খাইয়াত, আবু আলী ইবনুল বান্না এবং অন্যদের নিকট কিরাতসমূহ পাঠ করেছেন।আমাদের শায়খ আবু মুহাম্মদ আল-মুকরি তাঁর জন্য একটি কিতাব সংকলন করেছেন যাতে তিনি যা পাঠ করেছেন তার ইখতিলাফ (পার্থক্য) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং এর নাম রেখেছেন 'আশ-শামস আল-মুনিরাহ'।তিনি কাজী আবু ইয়ালা এবং অন্যদের নিকট হাদীস শ্রবণ করেছেন।তিনি ছিলেন একজন গুণী ব্যক্তি এবং আদব (সাহিত্য) বিশারদ, তাঁর কবিতা অত্যন্ত চমৎকার ছিল। জীবনের শেষভাগে তিনি দৃষ্টিশক্তি হারান এবং ৫২৪ হিজরী সনের সতেরো জুমাদাল আখিরা মঙ্গলবার তিনি ইনতিকাল করেন এবং তাঁকে বাব হারবে দাফন করা হয়। একাদশ শায়খশায়খ আবু আল-হাসান আলী ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল বাকী আল-মুওয়াহহিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের শায়খ আবু আল-ফজল ইবনে নাসিরের তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আমি তখন শ্রবণ করছিলাম, ৫২০ হিজরী সনের রজব মাসে। তিনি বলেন: আমাকে কাজী আবু আল-মুজাফফর হান্নাদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে নাসর আন-নাসাফী সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর কিতাব থেকে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, ৪৫৭ হিজরী সনের ছাব্বিশে রজব সোমবার। তিনি বলেন: আমাকে আবু আল-হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-আদীব সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৭৬)
أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ الأَصَمُّ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ الْعُطَارِدِيُّ، ثنا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، ثنا الأَعْمَشُ، ثنا أَبُو إِسْحَاقَ السَّبِيعِيُّ، عَنِ الأَغَرِّ أَبِي مُسْلِمٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، وَأَبِي هُرَيْرَةَ، قَالا: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ اللَّهُ عز وجل: الْعِزُّ إِزَارِي، وَالْكِبْرِيَاءُ رِدَائِي، فَمَنْ نَازَعَنِي فِيهِمَا بِشَيْءٍ عَذَّبْتُهُ.أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ أَحْمَدَ بْنِ يُوسُفَ، عَنْ عُمَرَ بْنِ حَفْصٍ، عَنْ أَبِيهِ.فَكَأَنِّي سَمِعْتُهُ مِنْ طَرِيقِ مُسْلِمٍ مِنْ عَبْدِ الْغَافِرِ شَيْخِ شَيْخِ شَيْخِنَا.
আবুল আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব আল-আসাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবনে আব্দুল জাব্বার আল-উতারিদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাফস ইবনে গিয়াস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আ'মাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইসহাক আস-সাবিঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আগার আবু মুসলিম থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি এবং আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ বলেছেন: "মর্যাদা আমার তহবন্দ এবং অহংকার (মহিমা) আমার চাদর। সুতরাং যে ব্যক্তি এ দুটির কোনো একটি নিয়ে আমার সাথে বিবাদ করবে, আমি তাকে শাস্তি দেব।"এটি ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে ইউসুফ থেকে, তিনি উমর ইবনে হাফস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে।সুতরাং যেন আমি এটি আমাদের শাইখের শাইখের শাইখ আব্দুল গাফিরের মাধ্যমে মুসলিমের সূত্রে শ্রবণ করেছি।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৭৭)
وُلِدَ شَيْخُنَا أَبُو الْحَسَنِ فِي شَعْبَانَ سَنَةِ ثَلاثِ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ وَسَمِعَ مِنَ الْقُضَاةِ: أَبِي الْحَسَنِ بْنِ الْمُهْتَدِي، وَأَبِي عَلِيِّ بْنِ الْفَرَّاءِ وَهَنَّادِ النَّسَفِيِّ، وَمِنْ أَبِي جَعْفَرِ بْنِ الْمُسْلِمَةِ، وَابْنِ النَّقُّورِ، وَأَبِي بَكْرِ بْنِ سَاوُوشَ، وَغَيْرِهِمْ، وَكَانَ سَمَاعُهُ صَحِيحًا.وَكَانَ شَيْخُنَا ابْنُ النَّاصِرِ يَغْمِزُهُ بَشَيْئَيْنِ، أَحَدِهِمَا: الْمَيْلُ إِلَى الأَشَاعِرَةِ، وَالثَّانِي: خِدْمَةُ السُّلْطَانِ.قَالَ: فَكَانَ يُؤْذِي أَهْلَ السَّوَادِ.وَهُوَ مَعْرُوفٌ بِابْنِ الْبقشَلانِ، كَذَا قَالَهُ شَيْخُنَا ابْنُ نَاصِرٍ، بِالنُّونِ.وَكَانَ رَفِيقُنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ كَامِلٍ يَقُولُ: إِنَّمَا هُوَ بِالَّلامِ، وَأَنَّهُ بِالْمِيمِ، لأَنَّ أَبَاهُ أَوْ جَدَّهُ مَضَى إِلَى قَرْيَةٍ يُقَالَ لَهَا شَلامُ، فَبَاتَ بِهَا فَآذَاهُ الْبَقُّ، فَكَانَ يَقُولُ طُولَ اللَّيْلِ: بَقُّ شَلامَ، فَرَجَعَ إِلَى بَغْدَادَ، فَحَكَى ذَلِكَ، فَبَقِيَ عَلَيْهِ هَذَا الاسْمُ.وَتُوُفِّيَ أَبُو الْحَسَنِ لَيْلَةَ السَّبْتِ خَامِسَ رَمَضَانَ سَنَةَ ثَلاثِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، وَدُفِنَ بِمَقْبَرَةِ بِيَبْرَزَ. الشَّيْخُ الثَّانِيَ عَشَرَأَخْبَرَنَا أَبُو غَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ الْمَاوَرْدِيُّ، بِقِرَاءَةِ شَيْخِنَا أَبِي الْفَضْلِ بْنِ نَاصِرٍ عَلَيْهِ، فِي سَنَةِ اثْنَتَيْنِ وَعِشْرِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ،
আমাদের শাইখ আবুল হাসান চারশত তিন হিজরীর শাবান মাসে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কাজী আবুল হাসান বিন আল-মুহতাদী, আবু আলী বিন আল-ফাররা ও হান্নাদ আন-নাসাফী এবং আবু জাফর বিন আল-মুসলিমাহ, ইবনুন নাক্কুর, আবু বকর বিন সাউশ ও অন্যান্যদের নিকট হাদিস শ্রবণ করেছেন এবং তাঁর হাদিস শ্রবণ বিশুদ্ধ ছিল।আমাদের শাইখ ইবনু নাসের দুটি কারণে তাঁর সমালোচনা করতেন; যার একটি হলো আশআরি মতবাদের প্রতি তাঁর ঝোঁক এবং দ্বিতীয়টি হলো সুলতানের সংশ্রব বা সেবা।তিনি বলেন: তিনি গ্রামাঞ্চলের সাধারণ অধিবাসীদের কষ্ট দিতেন।তিনি ইবনুল বাকশালান নামে পরিচিত ছিলেন; আমাদের শাইখ ইবনু নাসের 'নুন' সহকারে এভাবেই তাঁর নাম উল্লেখ করেছেন।আমাদের সঙ্গী আবু বকর বিন কামিল বলতেন: এটি মূলত 'লাম' ও 'মিম' যোগে (অর্থাৎ বাকশালাম), কেননা তাঁর পিতা অথবা দাদা 'শালাম' নামক এক গ্রামে গিয়েছিলেন এবং সেখানে রাত্রি যাপন করেছিলেন। তখন ছারপোকা (বাক) তাঁকে কষ্ট দিচ্ছিল, ফলে তিনি সারা রাত বলছিলেন: 'বাক্কু শালাম' (শালামের ছারপোকা)। অতঃপর তিনি বাগদাদে ফিরে এসে সেই ঘটনা বর্ণনা করলে তাঁর উপর এই নামই স্থায়ী হয়ে যায়।আবুল হাসান পাঁচশত ত্রিশ হিজরীর পাঁচই রমজান শনিবার দিবাগত রাতে ইন্তেকাল করেন এবং তাঁকে বীবরাজ গোরস্থানে দাফন করা হয়। দ্বাদশ শাইখআমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আবু গালিব মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন আলী বিন আল-হাসান আল-মাওয়ারদী; ৫২২ হিজরীতে আমাদের শাইখ আবু আল-ফজল বিন নাসের তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এটি আমাদের জানিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৭৮)
قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَوَارِسِ طِرَادُ بْنُ مُحَمَّدٍ الزَّيْنَبِيُّ، ثنا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَضْلِ الْقَطَّانُ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّفَّارُ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ الْعَبْدِيُّ، ثنا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ الْمُغِيرَةِ عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: آتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ
তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাওয়ারিস তিরাদ বিন মুহাম্মদ আল-যাইনাবী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল হুসাইন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন আল-ফাদল আল-কাত্তান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল বিন মুহাম্মদ আস-সাফফার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান বিন আরাফাহ আল-আবদী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাশিম বিন আল-কাসিম, সুলাইমান বিন আল-মুগীরাহ থেকে, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আমি কিয়ামতের দিন আসব।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৭৯)
بَابَ الْجَنَّةِ فَأَسْتَفْتِحُ، فَيَقُولُ الْخَازِنُ: مَنْ أَنْتَ فَأَقُولُ: مُحَمَّدٌ، فَيَقُولُ: بِكَ أُمِرْتُ أَلا أَفْتَحُ لأَحَدٍ قَبْلَكَ.انْفَرَدَ بِإِخْرَاجِهِ مُسْلِمٌ، فَرَوَاهُ عَنْ زُهَيْرِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ هَاشِمٍ.فَكَأَنِّي فِي طَرِيقِنَا إِلَى مُسْلِمٍ سَمِعْتُهُ مِنْ عَبْدِ الْغَافِرِ شَيْخِ شَيْخِ شَيْخِنَا.وُلِدَ شَيْخُنَا أَبُو غَالِبٍ الْمَاوَرْدِيُّ سَنَةَ خَمْسٍ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ بِالْبَصْرَةِ، وَسَمِعَ الْحَدِيثَ الْكَثِيرَ، وَكَانَ يُوَرِّقُ لِلنَّاسِ، فَكَتَبَ الْكَثِيرَ، فَسَمِعْتُ عَلَيْهِ مَشْيَخَتَهُ وَهِيَ تَحْتَوِي عَلَى سَبْعَةٍ وَسَبْعِينَ شَيْخًا.وَتُوُفِّيَ فِي رَمَضَانَ سَنَةِ خَمْسٍ وَعِشْرِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، وَدُفِنَ قَرِيبًا مِنْ بَابِ مَسْجِدِ الْجَنَائِزِ بِقُرْبِ قَبْرٍ مَعْرُوفٍ عَلَى الْجَادَّةِ.وَرُؤِيَ فِي الْمَنَامِ فَقَالَ: غَفَرَ اللَّهُ لِي بِبَرَكَاتِ حَدِيثِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَعْطَانِي مَا أَمْلَيْتُهُ. الشَّيْخُ الثَّالِثَ عَشْرَأَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ نَصْرِ بْنِ السُّرِّيِّ الزَّاغُونِيُّ، بِقِرَاءَةِ شَيْخِنَا أَبِي الْفَضْلِ بْنِ نَاصِرٍ عَلَيْهِ، فِي شَهْرِ رَجَبٍ مِنْ سَنَةِ سِتٍّ وَعِشْرِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، قَالَ: أنا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ النَّقُّورِ، قَالَ: أنا عِيسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ عِيسَى بْنِ دَاوُدَ بْنِ الْجَرَّاحِ
(জান্নাতের) দরজায় এসে আমি তা খোলার আবেদন করব, তখন দ্বাররক্ষী বলবেন: ‘আপনি কে?’ আমি বলব: ‘মুহাম্মদ’। তখন তিনি বলবেন: ‘আপনার ব্যাপারেই আমাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন আপনার আগে আমি কারো জন্য তা না খুলি।’এটি ইমাম মুসলিম এককভাবে বর্ণনা করেছেন; তিনি এটি জুহাইর ইবনে হারব থেকে, তিনি হাশিম থেকে বর্ণনা করেছেন।মুসলিম পর্যন্ত আমাদের সনদে আমি যেন এটি আমাদের শাইখের শাইখের শাইখ আবদুল গাফিরের নিকট থেকে শুনেছি।আমাদের শাইখ আবু গালিব আল-মাওয়ার্দি চারশত পাঁচ হিজরি সনে বসরায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি প্রচুর হাদিস শ্রবণ করেছেন এবং মানুষের জন্য লিপিকারের কাজ করতেন, ফলে তিনি অনেক কিছু লিখেছিলেন। আমি তাঁর নিকট তাঁর 'মাশয়াখাহ' (শিক্ষক তালিকা) শ্রবণ করেছি, যা সাতাত্তর জন শাইখের বিবরণ সংবলিত।তিনি পাঁচশত পঁচিশ হিজরি সনের রমজান মাসে ইন্তেকাল করেন এবং তাঁকে জানাজা মসজিদের দরজার সন্নিকটে প্রধান সড়কের ধারের একটি পরিচিত কবরের পাশে দাফন করা হয়।তাঁকে স্বপ্নে দেখা গেলে তিনি বলেন: ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিসের বরকতে আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন এবং আমি যা কিছু শ্রুতলিপি দিয়েছিলাম তা আমাকে দান করেছেন।’ ত্রয়োদশ শাইখআমাদের শাইখ আবু আল-ফজল ইবনে নাসিরের পাঠের মাধ্যমে পাঁচশত ছাব্বিশ হিজরি সনের রজব মাসে আবু আল-হাসান আলি ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে নাসর ইবনে আস-সুররি আল-জাগুনি আমাদের সংবাদ প্রদান করেছেন; তিনি বলেন: আবু আল-হুসাইন আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনুন নাক্কুর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: ঈসা ইবনে আলি ইবনে ঈসা ইবনে দাউদ ইবনুল জাররাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৮০)
قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي يَوْمِ الإِثْنَيْنِ الْحَادِي وَالْعِشْرِينَ مِنْ جُمَادَى الأُولَى سَنَةِ تِسْعِينَ وَثَلاثِمِائَةٍ، قَالَ: ثنا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، ثنا نُعَيْمُ بْنُ الْهَيْصَمِ الْهَرَوِيُّ، إِمْلاءً مِنْ كِتَابِهِ فِي ذِي الْحِجَّةِ سَنَةِ سَبْعٍ وَعِشْرِينَ وَمِائَتَيْنِ، ثنا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم سَأَلَ أَهْلَهُ الأَدَمَ، فَقَالُوا: مَا عِنْدَنَا إِلا خَلٌّ، فَدَعَا بِهِ، فَجَعَلَ يَأْكُلُ وَيَقُولُ: نِعْمَ الأَدَمُ الْخَلُّ، مَرَّتَيْنِ.انْفَرَدَ بِإِخْرَاجِهِ مُسْلِمٌ، فَرَوَاهُ عَنْ يَحْيَى بْنِ يَحْيَى، عَنْ أَبِي عَوَانَةَ.فَكَأَنِّي فِي طَرِيقِ مُسْلِمٍ سَمِعْتُهُ مِنْ شَيْخِ شَيْخِنَا.وُلِدَ شَيْخُنَا أَبُو الْحَسَنِ فِي سَنَةِ خَمْسٍ وَخَمْسِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، وَقَرَأَ الْقِرِاءَاتِ، وَسَمِعَ الْحَدِيثَ الْكَثِيرَ مِنْ الصَّرِيفِينِيِّ، وَابْنِ الْمَأْمَونِ، وَغَيْرِهِمَا.
৩৯০ হিজরীর ২১শে জমাদিউল আউয়াল সোমবার তাঁর নিকট পাঠ করা হয়। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাভী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নুয়াইম ইবনুল হাইসাম আল-হারাবী, ২২৭ হিজরীর জিলহজ মাসে তাঁর কিতাব থেকে শ্রুতিলিখন হিসেবে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আওয়ানাহ, তিনি আবু বিশর থেকে, তিনি আবু সুফিয়ান থেকে, তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পরিবারের নিকট সালন চেয়েছিলেন। তাঁরা বললেন: আমাদের কাছে সিরকা ছাড়া আর কিছু নেই। তখন তিনি তা চাইলেন এবং খেতে শুরু করলেন এবং দুইবার বললেন: সিরকা কতই না চমৎকার সালন।ইমাম মুসলিম এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া থেকে, তিনি আবু আওয়ানাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।যেন আমি ইমাম মুসলিমের সনদে এটি আমাদের শায়খের শায়খের নিকট থেকে শুনেছি।আমাদের শায়খ আবুল হাসান ৪৫৫ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কিরাতসমূহ পাঠ করেছেন এবং আস-সারিফিনী, ইবনুল মামুন ও অন্যান্যদের নিকট থেকে প্রচুর হাদিস শুনেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ৮১)
وَتَفَقَّهَ عَلَى يَعْقُوبَ الْبرزبانيِّ.وَتُوُفِّيَ يَوْمَ الأَحَدِ سَابِعَ عَشَرَ مُحَرَّمٍ سَنَةَ سَبْعٍ وَعِشْرِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، وَدُفِنَ بِمَقْبَرَةِ بَابِ حَرْبٍ. الشَّيْخُ الرَّابِعَ عَشَرَأَخْبَرَنَا أَبُو مَنْصُورٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ خَيْرُونَ الْمُقْرِئُ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ فِي يَوْمِ الْخَمِيسِ ثَامِنَ عِشْرِينَ رَبِيعٍ الأَوَّلِ مِنْ سَنَةِ أَرْبَعٍ وَثَلاثِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، ثنا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْمُسْلِمَةِ، فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ الثَّانِيَ عَشَرَ مِنْ صَفَرٍ سَنَةِ ثَلاثٍ وَسِتِّينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، قَالَ: أنا أَبُو الْقَاسِمِ عِيسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ عِيسَى الْوَزِيرُ، ثنا الْبَغَوِيُّ، ثنا الْعَلاءُ بْنُ مُوسَى، ثنا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: رَأَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نُخَامَةً فِي قِبْلَةِ
তিনি ইয়াকুব আল-বারজাবানির নিকট ফিকহ শিক্ষা করেন।তিনি পাঁচশত সাতাশ হিজরির সতেরোই মহররম, রবিবার ইন্তেকাল করেন এবং তাঁকে বাব হারব কবরস্থানে দাফন করা হয়। চতুর্দশ শায়খআবু মনসুর মুহাম্মদ বিন আব্দুল মালিক বিন আল-হাসান বিন ইবরাহিম বিন খাইরুন আল-মুকরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; এটি ছিল পাঁচশত চৌত্রিশ হিজরির আটাশে রবিউল আউয়াল, বৃহস্পতিবার তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে। আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন আল-মুসলিমাহ চারশত তেষট্টি হিজরির বারোই সফর, শুক্রবার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম ঈসা বিন আলী বিন ঈসা আল-ওয়াজির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-বাগাভী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আলা বিন মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, লাইস বিন সাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিবলার দিকে শ্লেষ্মা দেখতে পেলেন।