(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুস সানিয়্যাহ মানজুমাতুন ফী ইলমিল ফারায়িদ (পৃষ্ঠা: -)
الدرة السنية منظومة في علم الفرائض   (محمد باي بلعالم)

القسم: الفرائض والوصايا


الكتاب: الدرة السنية منظومة في علم الفرائض

(مطبوع مع الكوكب الزهري نظم مختصر الأخضري)

المؤلف: محمد باي بلعالم [ت 1430 هـ]

(إمام أستاذ ومدرس بآولف - ولاية أدرار)

الناشر: دار ابن حزم، بيروت - لبنان

الطبعة: الأولى، 1431 هـ - 2010 م

عدد الصفحات: 9

أعده للشاملة: أبو ياسر الجزائري، جزاه الله خيرا

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 6 جُمادَى الآخرة 1433

আদ-দুররাতুস সানিয়্যাহ: ফারায়েয শাস্ত্রের কাব্যগ্রন্থ   (মুহাম্মাদ বাই বিলালাম)

বিভাগ: ফারায়েয (উত্তরাধিকার) ও ওসিয়াত


কিতাব: আদ-দুররাতুস সানিয়্যাহ: ফারায়েয শাস্ত্রের কাব্যগ্রন্থ

(আল-কাওকাবুজ জহরী নাযমু মুখতাসার আল-আখদরী-এর সাথে মুদ্রিত)

লেখক: মুহাম্মাদ বাই বিলালাম [ওফাত ১৪৩০ হি.]

(ইমাম, উস্তাদ এবং আওলফ-এর শিক্ষক - আদরার প্রদেশ)

প্রকাশক: দার ইবনে হাযম، বৈরুত - লেবানন

সংস্করণ: প্রথম، ১৪৩১ হি. - ২০১০ খ্রি.

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৯

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আবু ইয়াসির আল-জাযায়েরী، আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দিন

[কিতাবটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৬ জুমাদাল আখিরাহ ১৪৩৩

(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুস সানিয়্যাহ মানজুমাতুন ফী ইলমিল ফারায়িদ (পৃষ্ঠা: ২৭)
بسم الله الرحمن الرحيم

صَلَّى اللَّهُ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَآلِهِ وَصَحْبِهِ وَسَلَّمَ تَسْلِيمًا

 

‌‌مُقَدِّمَةٌ

يَقُولُ بَايُ نَجْلُ عَبْدِ الْقَادِرِ … الْقَبْلَوِيُّ حَامِدًا لِلْغَافِرِ

صَلَّى وَسَلَّمَ إِلَهُنَا عَلَى … مَنْ قَالَ فِي الْحَدِيثِ نَحْنُ لَا وَلَا

وَبَعْدُ إِنَّ الْعِلْمَ خَيْرُ كُلِّ مَا … يُلْفَى عَلَى الْأَرْضِ جَمِيعًا فَاعْلَمَا

وَنِصْفُهُ عِلْمُ الْفَرَائِضِ الْمُنِيْرْ … كَمَا أَتَى عَنْ كُلِّ عَالَمٍ خَبِيْرْ

فِي قَوْلِهِ تَعَلَّمُوا الْفَرَائِضَا … وَعَلِّمُوهَا النَّاسَ ذَا قَوْلٌ أَضَا

فَهَاكَ فِيهِ دُرَّةً سَنِيَّهْ … فِي عِلْمِ مَا تَرِثُهُ الْبَرِيَّهْ

أَخَذْتُهَا مِنْ شَيْخِنَا الْحَبْرِ الْأَدِيبْ … مَوْلَايَ أَحْمَدَ بْنَ إِدْرِيسَ النَّجِيبْ

لَا زَالَ بَاقِيًّا لِبَثِّ الْعِلْمِ … يَرْشِدُ ذَا ضَلَالَةٍ لِلْفَهْمِ

مُعْتَذِرًا لِكُلِّ عَالَمٍ جَلِي … وَمِنْهُ أَرْجُو سَدَّ كُلِّ خَلَلِ

لِأَنِّي مَجْبُولٌ عَلَى كُلِّ خَلَلْ … سُبْحَانَ مَنْ لَا يَعْتَرِيهِ عَزَّ جَلَّ

 

‌‌بَابُ أَسْبَابِ الْمِيرَاثِ وَشُرُوطِهِ وَمَوَانِعِهِ

أَسْبَابُهُ ثَلَاثَةٌ قَدْ تُحْسَبُ … وَهْيَ نِكَاحٌ وَوَلَاءٌ نَسَبُ

شُرُوطُهُ ثَلَاثَةٌ أَيْضًا أَتَتْ … مَوْتٌ لِمَوْرُوثٍ مَوَانِعُ خَلَتْ
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

আল্লাহ তাআলা আমাদের নেতা মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও তাঁর সাহাবীদের ওপর পরিপূর্ণ রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।

 

‌‌ভূমিকা

আব্দুল কাদিরের পুত্র বায়ু আল-কাবলাওয়ি ক্ষমাশীল আল্লাহর প্রশংসা করে বলছেন …

আমাদের ইলাহ রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন সেই সত্তার ওপর … যিনি হাদিসে বলেছেন, "আমরা না এবং না"

অতঃপর জেনে রেখো যে, জমিনে পাওয়া যায় এমন সবকিছুর মধ্যে … ইলম বা জ্ঞানই হলো শ্রেষ্ঠ বিষয়

আর এর অর্ধেক হলো ফরায়েজের উজ্জ্বল জ্ঞান … যেমনটি প্রত্যেক বিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ আলিমের নিকট থেকে বর্ণিত হয়েছে

তাঁর এই বাণীতে: "তোমরা ফরায়েজ শিক্ষা করো … এবং তা মানুষকে শিক্ষা দাও"—এই উক্তিটি উজ্জ্বল

সুতরাং সৃষ্টিজগতের উত্তরাধিকার সংক্রান্ত জ্ঞানের বিষয়ে … এখানে গ্রহণ করো এক উজ্জ্বল মুক্তা

আমি এটি আমাদের বিজ্ঞ শাইখ ও সাহিত্যিক … মওলা আহমদ বিন ইদরিস আন-নাজীবের নিকট থেকে গ্রহণ করেছি

জ্ঞান প্রচারের জন্য তিনি যেন দীর্ঘজীবী হন … এবং বিভ্রান্ত ব্যক্তিদের সঠিক বুঝের পথ দেখান

প্রত্যেক স্পষ্ট আলিমের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি … এবং তাঁর নিকট সকল ত্রুটি সংশোধনের আশা রাখছি

কারণ আমি সকল ত্রুটির ওপরই স্বভাবজাতভাবে সৃষ্ট … পবিত্র সেই সত্তা যাঁর কোনো ত্রুটি নেই, যিনি মহাপরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত

 

‌‌মিরাসের কারণসমূহ, শর্তাবলি এবং প্রতিবন্ধকতাসমূহের অধ্যায়

এর কারণসমূহ তিনটি গণনা করা হয় … আর সেগুলো হলো বিবাহ, অলী হওয়া এবং বংশীয় সম্পর্ক

এর শর্তাবলিও তিনটি বর্ণিত হয়েছে … উত্তরাধিকার দাতার মৃত্যু এবং প্রতিবন্ধকতা মুক্ত হওয়া
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুস সানিয়্যাহ মানজুমাতুন ফী ইলমিল ফারায়িদ (পৃষ্ঠা: ২৮)
ثَالِثُهَا وُجُودُ وَارِثٍ لَدَى … وَفَاةِ مَوْرُوثٍ وَلَوْ حَمْلاً بَدَا

ثُمَّ الْمَوَانِعُ أَتَتْ مَسْطُورَةْ … فِي سَبْعَةٍ عِنْدَهُمُ مَحْصُورَةْ

عِشْ لَكَ رِزْقٌ رَمَزُهَا فَالْعَيْنُ … لِعَدَمِ اسْتِهْلَالٍ ثُمَّ الشِّينُ

لِلشَّكِّ فِي السَّابِقِ وَاللاَّمُ أَتَى … لِلَّعْنِ وَالْكَافُ لِكُفْرٍ يَا فَتَى

وَالرَّاءُ لِلرِّقِّ وَزَايٌ لِلزِّنَا … وَالْقَافُ لِلْقَتْلِ حَمَانَا رَبُّنَا

 

‌‌بَابُ الْوَارِثِينَ مِنَ الرِّجَالِ وَالْوَارِثَاتِ مِنَ النِّسَاءِ

وَوَارِثُوا الرِّجَالِ عَشَرَةٌ أَتَتْ … لَدَى طَرِيقِ الاِخْتِصَارِ عُدِّدَتْ

فَالاِبْنُ وَابْنُهُ أَبٌ وَالْجَدُّ إِنْ … كَانَ لَهُ وَمُطْلَقُ الْأَخِ يَعِنْ

وَابْنُ أَخٍ وَالْعَمُّ وَابْنُهُ وَلَا … يَرِثُ مَنْ أَخَى مِنْ أُمٍّ فَاعْقِلَا

مِنْ هَذِهِ الثَّلَاثَةِ الْمُعَقَّبَهْ … وَالزَّوْجُ وَالْمُعْتِقُ قُلْ لِلرَّقَبَهْ

سَبْعُ مِنَ النِّسَاءِ إِرْثُهَا اسْتَقَرْ … دُونَ مَزِيدِ عِنْدَ مَنْ قَدْ اخْتَصَرْ

الْبِنْتُ بِنْتُ الاِبْنِ الْأُمُّ الْجَدَّةُ … وَالْأُخْتُ وَالزَّوْجَةُ وَالْمُعْتِقَةُ

 

‌‌بَابُ الْفُرُوضِ الْمُقَدَّرَةِ فِي كِتَابِ اللَّهِ وَأَهْلِهَا وَقَدَرِ مَا لِكُلٍّ

فَسِتَّةٌ فُرُوضُنَا الْمُقَدَّرَةْ … فِي مُحْكَمِ التَّنْزِيلِ قُلْ مُسَطَّرَةْ

أَوَّلُهَا النِّصْفُ لِخَمْسَةٍ وُجِدْ … زَوْجٌ إِذَا فَرْعٌ لِعِرْسِهِ فُقِدْ

وَالْبِنْتُ إِنْ عَنْ عَاصِبٍ لَهَا خَلَتْ … وَبِنْتُ الاِبْنِ إِنْ تَكُنْ ذِي فُقِدَتْ

وَلِلشَّقِيقَةِ إِذَا لَا يُوجَدُ … فَرْعٌ وَعَاصِبٌ أَبٌ أَوْ جَدُّ
তৃতীয়টি হলো উত্তরাধিকার দানকারীর মৃত্যুর সময় উত্তরাধিকারীর অস্তিত্ব থাকা, যদিও তা ভ্রূণ হিসেবে প্রকাশ পায়।

অতঃপর উত্তরাধিকারের প্রতিবন্ধকসমূহ লিখিতভাবে এসেছে, যা তাদের (ফকিহদের) নিকট সাতটিতে সীমাবদ্ধ।

"ইশ লাকা রিযক" (তুমি বেঁচে থাকো তোমার রিযক আছে) হলো এর প্রতীক; সুতরাং 'আইন' হলো জন্মের পর শিশুর কান্নাকাটি না করার (জীবিত ভূমিষ্ঠ না হওয়ার) কারণে, অতঃপর 'শীন' হলো

কে আগে মারা গেছে সেই সন্দেহের কারণে। আর 'লাম' এসেছে লিয়ানের (অভিশাপ) জন্য এবং হে যুবক, 'কাফ' হলো কুফরের (অবিশ্বাসের) জন্য।

'রা' হলো দাসত্বের জন্য, 'ঝা' হলো যিনার (অবৈধ সম্পর্কের) জন্য এবং 'কাফ' হলো হত্যার জন্য; আমাদের প্রতিপালক আমাদের রক্ষা করুন।

 

‌‌পুরুষ ও নারী উত্তরাধিকারীদের পরিচ্ছেদ

পুরুষ উত্তরাধিকারীদের সংখ্যা দশটি এসেছে, যা সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে গণনা করা হয়েছে।

আর ভ্রাতুষ্পুত্র (ভাইয়ের ছেলে), চাচা ও চাচার ছেলে; তবে বৈমাত্রেয় (মা-শরিক) ভাইয়ের বংশধর উত্তরাধিকারী হয় না, সুতরাং বিষয়টি অনুধাবন করো।

এই তিনটি বংশধারার উত্তরসূরীদের মধ্য হতে (যারা উত্তরাধিকারী হয়); এবং স্বামী ও ক্রীতদাস মুক্তকারী।

নারীদের মধ্যে সাতজনের উত্তরাধিকার সুনির্ধারিত, যারা সংক্ষেপ করেছেন তাদের নিকট এর অতিরিক্ত কেউ নেই।

কন্যা, পৌত্রী (পুত্রের কন্যা), মাতা, দাদী বা নানী, বোন, স্ত্রী এবং দাসত্ব মোচনকারিণী নারী।

 

‌‌আল্লাহর কিতাবে নির্ধারিত অংশসমূহ, তাদের প্রাপক ও প্রত্যেকের অংশের পরিমাণ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ

আমাদের নির্ধারিত অংশসমূহ হলো ছয়টি, যা সুস্পষ্টভাবে অবতীর্ণ কিতাবে (কুরআনে) লিপিবদ্ধ আছে।

তার মধ্যে প্রথমটি হলো অর্ধেক (নিসফ), যা পাঁচজনের জন্য সাব্যস্ত; (প্রথমত) স্বামী, যদি তার স্ত্রীর কোনো সন্তানাদি না থাকে।

এবং কন্যা, যদি তার সাথে আসাবা (অংশীদার করার মতো ভাই) না থাকে; আর পৌত্রী (পুত্রের কন্যা), যদি কন্যা অনুপস্থিত থাকে।

এবং আপন বোনের জন্য, যখন কোনো সন্তানাদি, আসাবা (ভাই), পিতা কিংবা দাদা না থাকে।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুস সানিয়্যাহ মানজুমাতুন ফী ইলমিল ফারায়িদ (পৃষ্ঠা: ২৯)
وَالْأُخْتُ لِلْأَبِ إِذَا مَا فُقِدَتْ … شَقِيقَةٌ وَعَنْ مُعَصِّبٍ خَلَتْ

وَالرُّبْعُ لِلزَّوْجِ إِذَا مَا وُجِدَا … فَرْعٌ لَهَا وَهْوَ لَهَا إِنْ فُقِدَا

فَرْعٌ لَهُ وَإِنْ يَكُنْ لَهَا الثُّمُنْ … وَإِنْ تَعَدَّدْنَ فَسَوِّ كُلَّهُنْ

وَالْفَرْعُ شَامِلُ لِوَلَدِ الاِبْنِ … لَا وَلَدِ الْبِنْتِ فَكُنْ ذَا ذِهْنِ

وَالثُّلُثَانِ لِذَوَاتِ النِّصْفِ مَا … زَادَ عَلَى وَاحِدَةٍ فَلْتَعْلَمَا

وَالثُّلُثُ لِلْأُمِّ بِفَقْدِ الْوَلَدِ … وَالْجَمْعِ لِلْإِخْوَةِ فَوْقَ الْوَاحِدِ

وَثُلُثُ الْبَاقِي إِذَا مَا غَرَّهَا … أَبٌ لَدَى أَحَدِ زَوْجَيْنِ اعْطِهَا

وَلِبَنِيهَا فِي الْكَلَالَةِ أَتَى … وَالْقَسْمُ بِالسَّوَاءِ فِيهِ ثَبَتَا

بَيْنَ الْإِنَاثِ وَالذُّكُورِ وَلِجَدّ … إِنْ كَانَ أَوْفَرَ لَهُ لَدَى الْعَدَدْ

وَالسُّدُسُ لِلْأَبِ إِذَا كَانَ وُجِدْ … فَرْعٌ لِهَالِكٍ وَلِلْأُمِّ وَجَدّ

مَعْهُ وَزِدْ لِلْأُمِّ جَمَعَ إِخْوَةْ … وَزِدْ لِجَدِّ عِنْدَ ضَيْقِ الْقِسْمَهْ

وَبِنْتُ الاِبْنِ مَعَ بِنْتِ الصُّلْبِ … كَذَا مَعَ الشَّقِيقَةِ أُخْتُ الْأَبِ

وَالْأَخُ لِلْأُمِّ إِذَا مَا انْفَرَدَا … وَفَقْدُ فَرْعٍ مَعَ أَصْلٍ قَدْ بَدَا

وَمُطْلَقُ الْجَدَّةِ يُعْطَى وَاقْسِمَا … إِنْ كَانَتَا اثْنَتَيْنِ سُدْسًا لَهُمَا

وَالْإِرْثُ بِالْأَقْوَى أَتَى فِي كَالْغَلَطْ … لَا بِالْكَثِيرِ فِي الْمِيرَاثِ لَا شَطَطْ

 

‌‌بَابُ التَّعْصِيبِ وَأَقْسَامُهُ

ثُمَّ الْعُصُوبَةُ لَهَا أَقْسَامُ … ثَلَاثَةٌ فِي إِرْثِنَا تُرَامُ

فَعَاصِبٌ بِنَفْسِهِ إِحْدَى عَشَرْ … وَفِي انْفِرَادِهِ لَهُ الْمَالُ اسْتَقَرْ

كَلاَّ وَبَاقِ بَعْدَ فَرْضِ إِنْ وُجِدْ … هُنَا أَخُو فَرْضٍ وَهُمْ أَبٌ وَجَدْ

وَالاِبْنُ وَابْنُ الاِبْنِ وَالْأَخُ كَذَا … نَجْلُ أَخٍ وَالْعَمُّ وَابْنُهُ خُذَا
বৈমাত্রেয় বোন, যখন সহোদরা বোন না থাকে … এবং তাকে আসাবা করার মতো কেউ না থাকে।

স্বামীর জন্য এক-চতুর্থাংশ যখন (স্ত্রীর) সন্তান বিদ্যমান থাকে … আর স্ত্রীর জন্য এক-চতুর্থাংশ হবে যখন (স্বামীর) সন্তান না থাকে।

যদি তার (স্বামীর) সন্তান থাকে তবে স্ত্রীর জন্য এক-অষ্টমাংশ … আর স্ত্রীরা একাধিক হলে তাদের সবার মাঝে তা সমানভাবে বণ্টন করো।

উত্তরাধিকারী শাখা বলতে পৌত্রকেও (পুত্রের সন্তান) অন্তর্ভুক্ত করে … দৌহিত্রকে (কন্যার সন্তান) নয়, সুতরাং তুমি প্রখর মেধাসম্পন্ন হও।

যাদের নির্ধারিত অংশ অর্ধেক, তাদের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ … যখন তারা একজনের অধিক হয়, তা তুমি জেনে রাখো।

মায়ের জন্য এক-তৃতীয়াংশ যখন সন্তান না থাকে … এবং যখন একের অধিক ভাই-বোন না থাকে।

অবশিষ্টাংশের এক-তৃতীয়াংশ প্রদান করো যখন সে ঘাররাহ অবস্থায় পড়ে … অর্থাৎ যখন স্বামী বা স্ত্রীর সাথে পিতা বিদ্যমান থাকে।

আর কালালাহ ব্যক্তির ক্ষেত্রে মায়ের সন্তানদের (বৈপিত্রীয় ভাই-বোন) জন্য এটি এসেছে … এবং তাদের মাঝে সমবণ্টন করার বিধান সাব্যস্ত হয়েছে।

নারী ও পুরুষের মাঝে; আর দাদার জন্য … যদি তা গণনার ক্ষেত্রে তার জন্য অধিক লাভজনক হয়।

পিতার জন্য এক-ষষ্ঠাংশ যখন মৃত ব্যক্তির … উত্তরাধিকারী শাখা থাকে; আর মা ও দাদার জন্যও তা-ই।

তার সাথে মায়ের জন্য ভাই-বোনদের সমাবেশ হলে আরও বৃদ্ধি করো … আর দাদার জন্য বৃদ্ধি করো যখন বণ্টন সংকুচিত হয়ে পড়ে।

সহোদরা কন্যার সাথে পৌত্রী (পুত্রের কন্যা) … তদ্রূপ সহোদরা বোনের সাথে বৈমাত্রেয় বোন (এক-ষষ্ঠাংশ পাবে)।

বৈপিত্রীয় ভাই যখন একাকী থাকে … এবং উত্তরাধিকারী শাখা ও মূলের অনুপস্থিতি প্রকাশ পায়।

সাধারণভাবে দাদী বা নানীকে অংশ প্রদান করা হবে এবং বণ্টন করো … যদি তারা দুইজন হয় তবে তাদের উভয়ের মাঝে এক-ষষ্ঠাংশ।

উত্তরাধিকার শক্তিশালী সম্পর্কের ভিত্তিতে সাব্যস্ত হয় ভুলের মতো নয় … মিরাছের ক্ষেত্রে সংখ্যার আধিক্যের ভিত্তিতে নয়, এতে কোনো বাড়াবাড়ি নেই।

 

‌‌আসাবা (অংশীদারহীন উত্তরাধিকারী) ও তার প্রকারভেদ সংক্রান্ত অধ্যায়

অতঃপর আসাবার রয়েছে বিভিন্ন প্রকার … আমাদের উত্তরাধিকার শাস্ত্রে তা তিন প্রকারে অন্বেষণ করা হয়।

স্বয়ং আসাবা (আসাবা বিন-নাফসিহি) হলো এগারো জন … এবং সে একাকী থাকলে সমুদয় সম্পদ তার জন্যই নির্ধারিত হয়।

কখনোই নয়, বরং নির্ধারিত অংশ প্রদানের পর যা অবশিষ্ট থাকে … এখানে যারা নির্ধারিত অংশের অধিকারী (তাদের দেওয়ার পর), আর তারা হলো পিতা ও দাদা।

পুত্র, পৌত্র এবং ভাই, তদ্রূপ … ভ্রাতুষ্পুত্র, চাচা এবং চাচার পুত্র; তুমি তা গ্রহণ করো।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুস সানিয়্যাহ মানজুমাতুন ফী ইলমিল ফারায়িদ (পৃষ্ঠা: ৩০)
مِنْ جِهَةِ الْأَبِ أَتَوْكَ وَامْنَعِ … تَعْصِيبَ مَنْ خُصَّ بِأُمٍّ تَتْبَعِ

كَذَاكَ مَنْ أَعْتَقَ وَالْمُعَصَّبُ … لَهُ وَبَيْتُ الْمَالِ فِيهِمْ يُحْسَبُ

وَعَاصِبُ بِغَيْرِهِ كَالْبِنْتِ … وَبِنْتِ الاِبْنِ فَاسْتَمِعْ وَالْأُخْتِ

وَالْجَدُّ مَعْ أُخْتِ كَمِثْلِ الْأَخِ إِنْ … شَقِيقَةٌ أَوْ لِأَبٍ مِنْ دُونِ هِنْ

وَعَاصِبُ مَعَ غَيْرِهِ كَالْأُخْتِ … مَعَ بِنْتِ ابْنِ هَالِكٍ أَوْ بِنْتِ

 

‌‌بَابُ حَجْبِ النَّقْصِ وَالْإِسْقَاطِ

الاِبْنُ وَابْنُهُ وَإِنْ قَدْ سَفُلَا … الْأَبَ وَالجَدَّ لِسِدْسٍ نَقَلَا

وَالْأُمَّ لِلسُّدْسِ وَزَوْجًا لِلرُّبُعْ … وَمِنْهُ زَوْجَةٌ لِثُمْنٍ فَاسْتَمِعْ

وَالْبِنْتُ مِثْلَ الاِبْنِ ثُمَّ نَقَلَتْ … لِلسُّدْسِ بِنْتَ الاِبْنِ ثُمَّ حَجَبَتْ

أُخْتًا مِنَ الْفَرْضِ إِلَى التَّعْصِيبِ … وَبِنْتُ الاِبْنِ مِثْلُهَا فِي الْغَيْبِ

وَنَقَلُ الْأِخْوَةُ مُطْلقًا وَلَوْ … قَدْ حُجِبُوا أُمًّا لِسُدْسٍ قَدْ رَوُوْا

شَقِيقَةٌ أُخْتًا لِأَبٍ نَقَلَتْ … لِلسُّدْسِ مِنْ نِصْفٍ وَلَوْ تَعَدَّدَتْ

 

‌‌فَصْلٌ فِي حَجْبِ الْإِسْقَاطِ

حَجْبُ الاِبْنُ ابْنًا لِابْنٍ وَهُمَا … مُطْلَقَ إِخْوَةٍ وَأَعْمَامًا كَمَا

حَجْبُ ذَيْنِ مَعَ جَدِّ الْأَبِ … وَالْجَدَّ فَرْعَ أُخْوَةٍ قَدْ يَحْجُبُ

وَأُخْوَةَ الْأُمِّ وَصَدَّ كُلُّ عَمّ … وَالْبِنْتُ بِنْتُ الاِبْنِ إِخْوَةً لِأُمّ

وَبِنْتَ الاِبْنِ حَجْبُ الْبِنْتَانِ … فِي فَقْدِ عَاصِبٍ مِنَ الْإِخْوَانِ

أَوْ اِبْنِ عَمِّ إِنْ سَاوَاهَا وَحَجَبْ … شَقِيقٌ أَعْمَامًا وَأُخْوَةٌ لِأَبْ
তারা পিতার পক্ষ থেকে তোমার নিকট আসে এবং বাধা প্রদান করো … সেই ব্যক্তির আসাবা হওয়াকে যে কেবল মায়ের সাথে সম্পর্কযুক্ত হওয়ার মাধ্যমে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত।

অনুরূপভাবে যে ব্যক্তি দাস মুক্ত করেছে এবং সেই আসাবা … যার আসাবা হওয়ার স্বত্ব আছে; আর বায়তুল মাল তাদের মধ্যে গণ্য হবে।

অন্যের মাধ্যমে আসাবা (আসাবা বি-গাইরিহি) যেমন কন্যা … এবং পৌত্রী—মনোযোগ দিয়ে শোনো—ও সহোদরা বোন।

আর বোনের সাথে দাদা ভাইয়ের স্থলাভিষিক্ত হবেন, যদি সে … সহোদরা বোন হয় অথবা বৈমাত্রেয় বোন।

অন্যের সাথে আসাবা (আসাবা মা’আল গাইর) যেমন বোন … মৃত ব্যক্তির পৌত্রী অথবা কন্যার সাথে।

 

‌‌অংশ হ্রাসকরণ ও অংশ হতে বঞ্চিতকরণ সংক্রান্ত অধ্যায়

পুত্র এবং তার পুত্র (পৌত্র)—যদিও সে যতই নিচে হোক না কেন … পিতা এবং দাদাকে এক-ষষ্ঠমাংশের দিকে স্থানান্তরিত করে।

আর মাতাকে এক-ষষ্ঠমাংশে এবং স্বামীকে এক-চতুর্থাংশে … এবং এর ফলে স্ত্রী এক-অষ্টমাংশ প্রাপ্ত হয়, তুমি মনোযোগ দিয়ে শোনো।

আর কন্যা পুত্রের মতোই (নির্ধারিত অংশ হতে আসাবার দিকে নিয়ে যায়), এরপর সে (কন্যা) … পৌত্রীকে এক-ষষ্ঠমাংশের দিকে নিয়ে যায়, অতঃপর সে (কন্যা) বঞ্চিত করে

বোনকে নির্ধারিত অংশ থেকে আসাবা হওয়ার দিকে; আর পৌত্রীও অনুপস্থিতির ক্ষেত্রে তার (কন্যার) মতোই।

আর সাধারণভাবে ভাইবোনেরা মাতাকে এক-ষষ্ঠমাংশের দিকে স্থানান্তরিত করে, যদিও … তারা নিজেরা বঞ্চিত হয়, এটিই তারা বর্ণনা করেছেন।

সহোদরা বোন বৈমাত্রেয় বোনকে স্থানান্তরিত করে … অর্ধেক থেকে এক-ষষ্ঠমাংশের দিকে, যদিও তারা সংখ্যায় একাধিক হয়।

 

‌‌পূর্ণ বঞ্চিতকরণ (হাজবে ইসকাত) সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ

পুত্র পৌত্রকে বঞ্চিত করে এবং তারা উভয়ে (পুত্র ও পৌত্র) … সকল প্রকার ভাই ও চাচাদের বঞ্চিত করে যেমন—

এই দুজনের (পিতা ও পুত্রের) বঞ্চিতকরণ প্রপিতামহের সাথে … আর দাদা ভাইদের সন্তানদের বঞ্চিত করতে পারেন।

এবং বৈপিত্রেয় ভাইদের এবং সকল চাচাকে বাধা প্রদান করেন … আর কন্যা ও পৌত্রী বৈপিত্রেয় ভাইদের বঞ্চিত করে।

আর দুই কন্যা পৌত্রীকে বঞ্চিত করে … যদি ভাইদের মধ্য থেকে কোনো আসাবা না থাকে।

অথবা এমন চাচাতো ভাই যে তার সমান হয়; আর সহোদর ভাই … চাচাদের এবং বৈমাত্রেয় ভাইদের বঞ্চিত করে।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুস সানিয়্যাহ মানজুমাতুন ফী ইলমিল ফারায়িদ (পৃষ্ঠা: ৩১)
وَهَكَذَا كُلُّ شَقِيقٍ قُدِّمَا … عَلَى الَّذِي بِالْأَبِ خُصَّ فَاعْلَمَا

وَمُطْلَقُ ابْنِ الْأَخِ بِالْأَخِ لِأَبْ … يُحْجَبُ وَالْعَمُّ بِهَذَيْنِ حُجِبْ

وَذِي الثَّلَاثَةِ اِمْنَعَنْ حَقِيقَهْ … بِالْبِنْتِ إِنْ تُضَفْ لَهَا شَقِيقَهْ

وَالبِنْتُ مَعْ أُخْتٍ لِأَبٍ مَنَعَا … نَجْلَ أَخٍ وَالْعَمَّ يَا مَنْ قَدْ وَعَى

وَالْأُخْتَ لِلْأَبِ الشَّقِيقَتَانْ … فِي فَقْدِ مَنْ عَصَّبَ يَمْنَعَانْ

وَاحْجُبْ بِأُمِّ جَدَّةً حَيْثُ أَتَتْ … وَجَدَّةً لِلْأُمِّ مَنْ قَدْ بَعُدَتْ

مِنْ جِهَةِ الْأَبِ وَلَا عَكْسَ يُرَا … وَجَدَّةَ الْأَبِ بِهِ فَادَّكِرَا

 

‌‌بَابُ الْحِمَارِيَّةِ وَالْمَالِكِيَّةِ

مَسْأَلَةٌ تُنسَبُ لِلْحِمَارِ … لَدَى ذَوِي الْفُرُوضِ وَالْأَحْجَارِ

أُمٌّ وَزَوْجٌ إِخْوَةٌ مِنْ أُمِّهَا … وَإِخْوَةٌ أَشِقَّةٌ تُضَفْ لَهَا

لِلزَّوْجِ نِصْفُ الْكُلِّ وَالسُّدُسِ لِأُمّ … وَإخْوَةُ الْأُمِّ لِثُلْثٍ قَدْ تَؤُمّ

قَالَ الْأَشِقَّا هَبْ أَبَانَا كَحَجَرْ … وَنَحْنُ لِلْأُمِّ جَمِيعًا نَسْتَقِرّ

فَقَسَمَ الثُّلُثُ عَلَى الْكُلِّ عُمَرْ … وَسَوَّى فِيهِ بَيْنَ أُنْثَى وَذَكَرْ

وَإِنْ تَجِدْ جَدًّا فِي ذِي الْيَمِّيَّةْ … فَسَمِّهَا شِبْهًا لِمَالِكِيَّهْ

فَمَالِكٌ يَقُولُ لَا شَيْءَ لِمَنْ … أَخَى وَعَكْسُهُ لِزَيْدٍ فَاعْلَمَنْ

 

‌‌بَابُ أَحْوَالِ الْجَدِّ

فَخَمْسَةٌ أَحْوَالٌ جَدِّنَا فَإِنْ … خَلَى عَنْ الْوُرَّاثِ بِالْكُلِّ قَمِنْ

وَافْرِضْ لَهُ السُّدْسُ مَعَ الاِبْنِ وَمَعْ … اِبْنِ لاِبْنٍ وَأَخِي فَرْضٍ تَبِعْ
একইভাবে প্রত্যেক সহোদর ভাইকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয় … সেই ভাইয়ের ওপর যে কেবল পিতার দিক থেকে সম্পৃক্ত, সুতরাং তা জেনে নাও।

আর সাধারণ ভ্রাতুষ্পুত্র বৈমাত্রেয় ভাইয়ের মাধ্যমে … বঞ্চিত হয়, আর চাচা এই উভয়ের মাধ্যমেই বঞ্চিত হন।

আর এই তিনজনের প্রাপ্য অধিকার তুমি নিশ্চিতভাবে রোধ করবে … কন্যার সাথে যদি সহোদরা বোন যুক্ত হয়।

আর কন্যার সাথে বৈমাত্রেয় বোন থাকলে তারা উভয়ে বাধা দেয় … ভ্রাতুষ্পুত্র এবং চাচাকে, হে বিজ্ঞ পাঠক।

আর বৈমাত্রেয় বোনকে দুইজন সহোদরা বোন … আসাবাকারী কেউ না থাকলে (উত্তরাধিকার থেকে) বাধা প্রদান করে।

আর মা থাকলে দাদি বা নানিকে বঞ্চিত করো যেখানেই সে আসুক … এবং মায়ের দিকের দূরবর্তী নানিকেও।

পিতার দিক থেকে, তবে এর বিপরীত দেখা যায় না … আর পিতার মাধ্যমে পিতার দাদি বঞ্চিত হন, সুতরাং এটি স্মরণ রাখো।

 

‌‌হিমারিয়া ও মালিকিয়া মাসআলা সংক্রান্ত অধ্যায়

গাধার সাথে সম্পর্কিত একটি মাসআলা … যা নির্ধারিত অংশীদার এবং আসাবা হিসেবে বঞ্চিতদের মাঝে (পরিবেশিত)।

মা, স্বামী এবং মায়ের দিক থেকে ভাই (বৈমাত্রেয় ভাই) … আর তাদের সাথে যুক্ত সহোদর ভাইগণ।

স্বামীর জন্য মোট সম্পদের অর্ধাংশ এবং মায়ের জন্য ষষ্ঠাংশ … আর বৈমাত্রেয় ভাইগণ এক-তৃতীয়াংশ পেতে পারে।

সহোদর ভাইগণ বলল, মনে করুন আমাদের পিতা একটি পাথরের মতো … আর আমরা সবাই মায়ের দিক থেকে একই অবস্থানে আছি।

অতঃপর ওমর (রা.) এক-তৃতীয়াংশ সবার মাঝে বণ্টন করে দিলেন … এবং তাতে নারী ও পুরুষের মাঝে সমতা বজায় রাখলেন।

আর যদি তুমি এই ইয়াম্মিয়া মাসআলায় দাদাকে পাও … তবে তাকে মালিকিয়া সদৃশ মাসআলা হিসেবে নামকরণ করো।

কেননা ইমাম মালিক বলেন, ঐ ব্যক্তির জন্য কিছুই নেই যে … ভ্রাতৃত্বের দাবি করে, আর জায়েদ (রা.)-এর নিকট এর বিপরীত মত, সুতরাং জেনে নাও।

 

‌‌দাদার অবস্থাসমূহ সংক্রান্ত অধ্যায়

আমাদের দাদার জন্য পাঁচটি অবস্থা রয়েছে, সুতরাং যদি … অন্য কোনো ওয়ারিশ না থাকে তবে তিনি সমস্ত সম্পদের যোগ্য।

আর তার জন্য ষষ্ঠাংশ নির্ধারণ করো পুত্রের সাথে এবং … পৌত্রের সাথে, এবং নির্ধারিত অংশীদারের অনুগামী হিসেবে।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুস সানিয়্যাহ মানজুমাতুন ফী ইলমিল ফারায়িদ (পৃষ্ঠা: ৩২)
وَمَعَ ذَا الْأَخِيرِ بَاقيًا يَحُوزْ … لَهُ بِتَعْصِيبٍ فَحَقِّقْ كَيْ تَفُوزْ

ثُمَّ مَعَ الْإِخْوَةِ قَطْ أَنْ يُنْظَرَا … فِي الثُّلُثِ وَالْقِسْمَةِ مَا قَدْ أَوْفَرَا

وَمَعَ إِخْوَةٍ وَذِي فَرْضٍ نَظَرْ … ثَلَاثَةَ مِنَ الْأُمُورِ تُسْتَقَرْ

ثُلُثَ مَا بَقِي وَسُدْسَ الْمَالِ … أَوْ قِسْمَةً فَحَقِّقَنْ مَقَالِي

قِيلَ لَهُ إِذْ ذَّاكَ فُزْ بِالْأَوْفَرِ … مِنْ هَذِهِ الْأَقْسَامِ بَعْدَ النَّظَرِ

وَحَسَبَ الشَّقِيقُ ذَا أَبٍ عَلَى … جَدٍّ وَلَا شَيْءَ لَهُ فَامْتَثِلَا

 

‌‌بَابُ الْأَكْدَرِيَّةِ

مَسْأَلَةٌ تُسَمَّى بَالْأَكْدَرِيَّهْ … عَنْ عُلَمَائِنَا أَتَتْ مَرْوِيَّهْ

زَوْجٌ وَأُمٌّ جَدٌّ أُخْتٌ لَا لِأُمّ … نِصْفٌ لِزَوْجٍ ثُمَّ الْأُمُّ قَدْ تَؤُمْ

ثُلُثَا وَسُدْسُهَا لِجَدٍّ لِأَبِ … وَقَالَ لِلْأُخْتِ لِفَرْضِكِ اطْلُبِي

فَطَلَبَتْ فَفُرِضَ النِّصْفُ لَهَا … فَبَلَغَتْ لِتِسْعَةٍ بِعَوْلِهَا

ثُمَّ أَتَاهَا بَعْدَ ذَلِكَ وَقَالَ … تَأْخُذِي نِصْفًا مَعَ جَدِّكِ مُحَالْ

حَظَّانِ مِنْ مَجْمُوعِنَا لِي وَلَكِ … حَظٌّ لِأَنَّنِي كَمِثْلِ أَخِيكِ

فَاضْرِبْ رُؤُوسَهُمْ فِي تِسْعَةِ خَلِيلْ … لِسَبْعَةٍ مِنْ بَعْدِ عِشْرِيْنَ تَصِلْ

وَاوٌ لِأُمٍّ وَلِزَوْجٍ طَاءُ … دَالٌّ لِأُخْتِ وَلِجَدِّ حَاءُ

فَإِنْ يَكُنْ مَكَانَهَا أَخٌ شَقِيْقْ … أَوْ لِأَبٍ فَمَنْعُهُ إِرْثًا حَقِيْقْ

 

‌‌بَابُ الْأُصُولِ السَّبْعَةِ

ثُمَّ الْأُصُولُ سَبْعَةٌ مَشْهُورَةْ … كَمَا أَتَتْ عِنْدَهُمُ مَسْطُورَهْ
এবং এই শেষোক্তটির সাথে সে অবশিষ্ট অংশ অর্জন করে … তার জন্য আসাবা হিসেবে, সুতরাং এটি নিশ্চিতভাবে জানো যাতে তুমি সফল হও।

অতঃপর ভাইদের সাথে সর্বদা যা লক্ষ্য করা হবে … তা হলো এক-তৃতীয়াংশ এবং (মাথা পিছু) বণ্টনের মধ্যে যা অধিক লাভজনক।

আর ভাইদের সাথে এবং অংশীদারদের উপস্থিতিতে তিনটি … বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য স্থির করা হবে।

অবশিষ্টের এক-তৃতীয়াংশ এবং মোট সম্পদের এক-ষষ্ঠাংশ … অথবা বণ্টন, সুতরাং আমার কথাটি যাচাই করে নাও।

এমতাবস্থায় তাকে বলা হলো, তুমি অধিক লাভজনক অংশটি গ্রহণ করো … পর্যালোচনার পর এই বিভাগগুলোর মধ্য থেকে।

আর আপন ভাই বৈমাত্রেয় ভাইকে দাদার বিপক্ষে … গণনা করবে, কিন্তু তার জন্য কিছুই থাকবে না, সুতরাং এটি অনুসরণ করো।

 

‌‌আকদরিয়্যাহ সংক্রান্ত অধ্যায়

একটি মাসআলা যা আকদরিয়্যাহ নামে অভিহিত … যা আমাদের আলেমদের নিকট থেকে বর্ণিত হয়ে এসেছে।

স্বামী, মাতা, দাদা এবং বোন যে বৈপিত্রেয় নয় … স্বামীর জন্য অর্ধেক, অতঃপর মাতা এক-তৃতীয়াংশের অধিকারী হবেন।

আর দাদার জন্য এক-ষষ্ঠাংশ; অতঃপর বোনকে বলা হলো, তোমার নির্ধারিত অংশটি চাও।

সে চাইল এবং তার জন্য অর্ধেক অংশ নির্ধারিত হলো … ফলে 'আওল' হওয়ার মাধ্যমে মাসআলাটি নয় পর্যন্ত পৌঁছাল।

এরপর দাদা তার নিকট এলেন এবং বললেন … তোমার দাদার উপস্থিতিতে তোমার অর্ধেক অংশ গ্রহণ করা অসম্ভব।

আমাদের উভয়ের সমষ্টির দুই অংশ আমার এবং এক অংশ তোমার … কারণ আমি তোমার এক ভাইয়ের সমতুল্য।

হে বন্ধু! তাদের মাথা পিছু সংখ্যাকে নয় দিয়ে গুণ করো … তবে তা সাতাশ পর্যন্ত গিয়ে উপনীত হবে।

মাতার জন্য ছয় এবং স্বামীর জন্য নয় … বোনের জন্য চার এবং দাদার জন্য আট।

যদি বোনের পরিবর্তে কোনো আপন ভাই থাকত … কিংবা বৈমাত্রেয় ভাই, তবে তার উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়া সুনিশ্চিত হতো।

 

‌‌সাতটি মূল ভিত্তি (উসুল) সংক্রান্ত অধ্যায়

অতঃপর মূল ভিত্তি (উসুল) হলো সাতটি যা সুপ্রসিদ্ধ … যেমনটি তাদের নিকট লিপিবদ্ধ হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুস সানিয়্যাহ মানজুমাতুন ফী ইলমিল ফারায়িদ (পৃষ্ঠা: ৩৩)
الاِثْنَانِ لِلنِّصْفِ وَلِلثُّلُثِ اِعْلَمَنْ … ثَلَاثَةٌ وَالرُّبُعُ مِنْ دَالٍ يُسَنْ

وَالْوَاوُ لِلسُّدُسِ وَحَاءٌ لِلثُّمُنْ … وَجَمْعُ ذَيْنِ رَمْزُ كَدٍّ اخْرِجَنْ

يب لِثُلْثِ مَعَ رُبْعٍ فَاسْمَعَنْ … وَجَمْعَ ثُلْثٍ مَعَ ثُمْنِ امْنَعْنْ

 

‌‌فَصْلٌ فِي الْعَوْلِ

وَقَدْ تَعُولُ سِتَّةٌ وَضِعْفُهَا … وَضِعْفُ ضِعْفِهَا فَكُنْ مُنْتَبِهَا

لِسَبْعَةٍ تَعُولُ سِتَّةٌ إِذَا … زَوْجًا أَوْ أُخْتَيْنِ وَجَدْتَ فَعِ ذَا

وِلِثَمَانٍ إِنْ تَزِدْ أُمٌّ وَإِنْ … يُضَفْ أَخٌ لَهَا لِتِسْعَةٍ فَدِنْ

وَبِزِيَادَةِ أَخِيهِ تَصِلُ … لِعَشْرَةٍ وَالْحَصْرُ فِيهَا يُعْقَلُ

وَضِعْفُ سِتَّةٍ يَعُولُ إِنْ تَرَا … أُمًّا وَأُخْتَيْنِ وَزَوْجَةً جَرَا

إِلَى الثَّلَاثَ عَشَرِ وَإِنْ تَضُمْ … لِذِي الْوِرَاثَةِ أَخًا لَهُ مِنْ أُمْ

تَعُولُ لِلْعَشْرَةِ بَعْدَ الْخَمْسَةْ … وَآخَرًا لِلْعَشْرِ بَعْدَ السَّبْعَهْ

الْأَرْبَعُ وَالْعِشْرُونَ تَبْلُغُ إِلَى … عِشْرِينَ بَعْدَ سَبْعَةٍ لَدَى الْمَلَا

قَضَى بِهَا عَلِيٌّ فَوْقَ الْمِنْبَرِ … وَعَدَّهَا خَلِيلٌ فِي الْمُخْتَصَرِ

بِنْتَانِ زَوْجَةٌ وَأُمٌّ وَأَبُ … وَثُمْنُ زَوْجَةٍ كَتِسْعٍ يُنْسَبُ

 

‌‌بَابُ الْحِسَابِ

وَإِنْ يَكُنْ كَسْرٌ فَبِالْأَبْصَارِ … يُنْظَرُ فِي الْأَرْبَعَةِ الْأَنْظَارِ

وَهِيَ التَّبَايُنُ وَمَا تَدَاخَلَا … كَذَا التَّوَافُقُ وَمَا تَمَاثَلَا

فَفِي التَّمَاثُلِ اكْتَفَى بِوَاحِدِ … وَفِي التَّدَاخُلِ كَذَا بِزَائِدِ
অর্ধেক ও এক-তৃতীয়াংশের জন্য ভিত্তি দুই, জেনে রেখো … তিন, আর এক-চতুর্থাংশ 'দাল' (৪) থেকে নির্ধারিত হয়।

'ওয়াও' (৬) ষষ্ঠাংশের জন্য এবং 'হা' (৮) অষ্টমাংশের জন্য … আর এই দুইয়ের সমষ্টি 'কাদ্দুন' (২৪) এর প্রতীক হিসেবে বের করো।

'ইয়া-বা' (১২) এক-তৃতীয়াংশ ও এক-চতুর্থাংশের জন্য, অতএব শ্রবণ করো … আর এক-তৃতীয়াংশ ও এক-অষ্টমাংশের একত্রীকরণকে নিষিদ্ধ করো।

 

‌‌আওল (আনুপাতিক হ্রাস) সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ

ছয় এবং এর দ্বিগুণ (১২) কখনও বৃদ্ধি পেতে পারে … এবং তারও দ্বিগুণ (২৪), সুতরাং তুমি সচেতন থাকো।

ছয় বৃদ্ধি পেয়ে সাতে পৌঁছায় যখন … তুমি স্বামী অথবা দুই বোনকে পাবে, তখন এটি অনুধাবন করো।

আর আটে উন্নীত হয় যদি মা বৃদ্ধি পায়, আর যদি … তার সাথে একজন (বৈপিত্রেয়) ভাই যোগ করা হয় তবে তা নয়-এ পৌঁছাবে।

এবং তার আরেক ভাই বৃদ্ধিতে তা পৌঁছে যায় … দশ-এ, এবং এতেই সীমাবদ্ধতা অনুধাবন করা হয়।

আর ছয়ের দ্বিগুণ (১২) বৃদ্ধি পায় যদি তুমি দেখ … মা, দুই বোন এবং একজন স্ত্রী বিদ্যমান থাকে।

তেরো পর্যন্ত, আর যদি তুমি যুক্ত করো … এই ওয়ারিশদের সাথে তার একজন বৈপিত্রেয় ভাইকে।

তবে তা পনেরোতে উন্নীত হয় … এবং অন্যজনের কারণে সতেরোতে পৌঁছায়।

চব্বিশ বৃদ্ধি পেয়ে পৌঁছে যায় … সাতাশ পর্যন্ত সর্বজনসমক্ষে।

আলী (রা.) মিম্বরের ওপর দাঁড়িয়ে এই ফয়সালা দিয়েছিলেন … এবং খলীল তার 'মুখতাসার'-এ এটি গণনা করেছেন।

দুই মেয়ে, স্ত্রী, মা এবং বাবা … এখানে স্ত্রীর এক-অষ্টমাংশ নয় ভাগের এক ভাগ হিসেবে গণ্য হয়।

 

‌‌হিসাব (গাণিতিক পরিমাপ) অধ্যায়

আর যদি ভগ্নাংশ থাকে তবে দূরদৃষ্টির সাথে … চারটি সম্পর্কের প্রতি লক্ষ্য করতে হবে।

আর সেগুলো হলো তাবায়ুন (বৈসাদৃশ্য) ও যা তাদাখুল (অন্তর্ভুক্তি) হয় … অনুরূপভাবে তাওয়াফুক (সাদৃশ্য) ও তামাছুল (সমতা)।

অতঃপর তামাছুলের ক্ষেত্রে একটিই যথেষ্ট … এবং তাদাখুলের ক্ষেত্রেও তদ্রূপ বড় সংখ্যাটি যথেষ্ট।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুস সানিয়্যাহ মানজুমাতুন ফী ইলমিল ফারায়িদ (পৃষ্ঠা: ৩৪)
وَكُلَّ مَا بَايَنَ يُضْرَبُ فِي مَا … بَايَنَهُ وَالْوَفْقُ فِي الْوَفْقِ اعْلَمَا

واقْنَعْ بِأَصْلٍ إِنْ تَكُنْ مِنْهُ تَصِحْ … وَالطَّوْلُ إِذَا ذَاكَ كَعَيْبٍ مُتَّضِحْ

 

‌‌فَصْلٌ فِي التَّصْحِيحِ

وَالْكَسْرُ مِنْ بَيْنِ السِّهَامِ وَالرُّؤُوسِ … انْظُرْ لَهُ بِنَظِرَيْنِ مِنْ أُسُوسْ

وَهِيَ التَّبَايُنُ وَمَا يُوَافِقُ … وَرَدُّ لِلْوَفْقِ الَّذِي يُوَافِقُ

وَإِنْ يَكُنْ بَيْنَهُمَا تَبَايُنْ … فَاضْرِبْ جَمِيعَهُمْ بِأَصْلٍ يُعْلَنْ

وَسَمِّ مَا يُضْرَبُ جُزْءُ السَّهْمِ … فِي عُرْفِ قَاطِبَةِ أَهْلِ الْعِلْمِ

وَالْكَسْرُ قَدْ يَأْتِي فِي حَيِّزَيْنِ … كَزَوْجَتَيْنِ كَانَتَا وَابْنَيْنِ

وَفِي ثَلَاثَةٍ كَزَوْجَتَيْنِ … خَمْسُ بَنَاتٍ مَعْ شَقِيقَتَيْنِ

وَالْحُكْمُ فِي كِلَيْهِمَا أَنْ تُنْظَرَا … بَيْنَ رُؤُوسٍ وَسِهَامٍ نَظَرَا

بِالْوَفْقِ وَالْبَيْنِ كَمَا تَقَدَّمَا … وَخَارِجُ الرُّؤُوسِ مِنْ ذَاكَ اعْلَمَا

ثُمَّ اجْمَعَنْ تِلْكَ الرُّؤُوسَ وَانْظُرَا … بِالْأَرْبَعِ الْأَنْظَارِ فِيهَا تَبْصُرَا

وَخَارِجٌ يُضْرَبُ فِي الْأَصْلِ وَمِنْ … مَضْرُوبِهِ تَصِحُّ فَاعْلَمِ وَاسْتَبِنْ

وَلَا يُجَاوِزُ الثَّلَاثَةِ لَدَى … مَذْهَبُنَا وَزَادَ زَيْدٌ وَاحِدَا

 

‌‌بَابُ الْمُنَاسَخَةِ

وَوَارِثٌ يَمُوتُ قَبْلَ الْقِسْمَةِ … يُنْظَرُ سَهْمُهُ مِنَ السَّابِقَةِ

مَعَ الَّتِي يَصِحُّ مِنْهَا مَا تَرَكْ … بِالْوَفْقِ وَالْبَيْنِ لَدَى مَنْ قَدْ سَلَكْ

إِنْ بَايَنَتْهُ فَجَمِيعًا تُضْرَبُ … فِي تِلْكَ أَوْ لَا فَوِفَاقًا تَضْرِبُ
এবং যা কিছু ভিন্ন তাকে গুণ করো তার সাথে যা ভিন্ন, আর ওয়াফককে ওয়াফকের সাথে, জেনে রেখো।

মূল সংখ্যা নিয়ে তুষ্ট থাকো যদি তা হতে সঠিক সমাধান আসে, আর সেই ক্ষেত্রে দীর্ঘ করা স্পষ্ট ত্রুটি সদৃশ।

 

‌‌তাসহীহ (সংশোধন) সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ

অংশ এবং উত্তরাধিকারীদের সংখ্যার মধ্যকার ভগ্নাংশকে দুটি মৌলিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বিবেচনা করো।

তা হলো তবায়ুন (বৈষম্য) এবং যা মুওয়াফাক (সাদৃশ্যপূর্ণ); আর যা মুওয়াফাক তাকে তার ওয়াফকের দিকে ফিরিয়ে নাও।

যদি তাদের উভয়ের মধ্যে তবায়ুন (বৈষম্য) থাকে, তবে তাদের পূর্ণ সংখ্যাকে মূল সংখ্যার সাথে গুণ করো যা প্রকাশ করা হবে।

আর যাকে গুণ করা হয় তার নাম দাও 'জুযউস সাহম' (অংশের অংশ), সকল জ্ঞানীদের পরিভাষায়।

ভগ্নাংশ কখনো দুটি খাতে আসতে পারে, যেমন দুইজন স্ত্রী ও দুইজন পুত্র ছিল।

আবার তিনটিতেও হতে পারে, যেমন দুইজন স্ত্রী, পাঁচজন কন্যা এবং দুইজন সহোদর বোন।

উভয় ক্ষেত্রে বিধান হলো উত্তরাধিকারীদের সংখ্যা এবং অংশের মধ্যে দৃষ্টিপাত করা।

ওয়াফক এবং তবায়ুনের মাধ্যমে যেভাবে পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে; আর তা থেকে উত্তরাধিকারীদের সংখ্যার ফলাফল জেনে নাও।

তারপর সেই উত্তরাধিকারীদের সংখ্যাকে একত্রিত করো এবং চারটি দৃষ্টিভঙ্গির (আরবায়াহ আনজার) মাধ্যমে তা লক্ষ্য করো যাতে তুমি সঠিক দিক দেখতে পাও।

প্রাপ্ত ফলাফল মূল সংখ্যার সাথে গুণ করা হবে এবং তার গুণফল থেকে তাসহীহ (সংশোধন) হবে; তা জেনে নাও এবং সুস্পষ্টভাবে বুঝে নাও।

আমাদের মাযহাব অনুযায়ী তা তিনের (খাতের) অধিক হয় না, তবে যায়েদ (রা.) আরও একটি বাড়িয়ে চার করেছেন।

 

‌‌মুনাসাখাহ অধ্যায়

বণ্টনের পূর্বে যদি কোনো উত্তরাধিকারী মারা যায়, তবে পূর্ববর্তী মাসআলা থেকে তার অংশ লক্ষ্য করো।

তার সাথে সেই সংখ্যাটি দেখবে যা থেকে তার পরিত্যক্ত সম্পদ সঠিক হয়, ওয়াফক ও তবায়ুনের মাধ্যমে, যারা এই পথে চলেন তাদের নিকট।

যদি তাদের মধ্যে তবায়ুন (বৈষম্য) হয় তবে তার পূর্ণ সংখ্যাকে সেই সংখ্যার সাথে গুণ করো, নতুবা ওয়াফকের সাথে গুণ করো।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুস সানিয়্যাহ মানজুমাতুন ফী ইলমিল ফারায়িদ (পৃষ্ঠা: ৩৫)
وَخَارِجُ مِنْهُ تَصِحُّ مُسَجَّلَا … مَسْأَلَةٌ أُوْلَى وَأُخْرَى فَاعْقِلَا

 

‌‌خَاتِمَةٌ فِي الْخُنْثَى وَالْحَمْلِ وَالْمَفْقُودِ وَالْإِقْرَارِ

وَافْرِضْ لِخُنْثَى نِصْفَ أُنْثَى وَذَكَرْ … إِنْ ظَهَرَ الْإِشْكَالَ فِيهِ وَاسْتَقَرْ

وَالْحَمْلُ إِنْ لَهُ الْمِيرَاثُ فَامْنَعَا … قِسْمُ التَّرِيكَةِ إِلَى أَنْ يُوْضَعَا

وَمَالُ مَنْ فُقِدَ يُوقَفُ إِلَى … سَبْعِينَ وَالْخِلَافُ فِيهِ نُقِلَا

وَمَنْ بِوَارِثٍ أَقَرَّ قُدِّرَا … عَلَيْهِ مَنْ بِهِ أَقَرَّ حَاضِرَا

قَدِ انْتَهَى مَا رُمْتُ فِي رَمْزِ قَبُولْ … أَبْيَاتُهُ إِشَارَةٌ إِلَى الْقَبُولْ

فِي حَيِّ شَوَّالَ فِي عَامِ شَاسِعْ … مِنْ هِجْرَةِ الْمُخْتَارِ خَيْرُ شَافِعْ

صَلَّى عَلَيْهِ اللَّهُ مَا بَدْرٌ طَلَعْ … وَالْآلِ وَالصَّحْبِ وَمَنْ لَهُ تَبَعْ

يَا رَبِّ يَا رَبِّ بِجَاهِ أَحْمَدِ … ارْزُقْ لِشَيْخِنَا تَمَامَ الْمَقْصِدِ

لِوَالِدَيَّ اغْفِرْ وَكُلِّ الْمُسْلِمِينْ … وَالْخَتْمُ بِالْحَمْدِ لِرَبِّ الْعَالَمِينْ

 

أَتْمَمْتُ الدُّرَّةُ السَّنِيَّةُ بِحَمْدِ اللَّهِ
যা এর বাইরে তা স্পষ্টভাবে সহীহ হবে … প্রথম ও দ্বিতীয় মাসয়ালাসমূহ অনুধাবন করো।

 

‌‌উভয়লিঙ্গ, গর্ভস্থ সন্তান, নিখোঁজ ব্যক্তি এবং স্বীকৃতির পরিচ্ছেদে সমাপ্তি

উভয়লিঙ্গের জন্য একজন নারী ও একজন পুরুষের অংশের অর্ধেক নির্ধারণ করো … যদি তার মাঝে লিঙ্গ নির্ধারণে জটিলতা প্রকাশ পায় এবং তা বজায় থাকে।

গর্ভস্থ সন্তানের যদি উত্তরাধিকার থাকে, তবে ভূমিষ্ঠ হওয়া পর্যন্ত … সম্পদ বণ্টন বন্ধ রাখো।

নিখোঁজ ব্যক্তির সম্পদ সত্তর বছর পর্যন্ত স্থগিত রাখা হবে … আর এ বিষয়ে মতভেদ বর্ণিত হয়েছে।

যে ব্যক্তি কোনো উত্তরাধিকারীর ব্যাপারে স্বীকৃতি দেয়, তবে তার ওপর … যার ব্যাপারে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে তাকে উপস্থিত গণ্য করা হবে।

আমি যা ইচ্ছা করেছিলাম তা কবুলের প্রতীক হিসেবে শেষ হয়েছে … এর পঙক্তিগুলো কবুল হওয়ারই ইঙ্গিত বহন করে।

শাওয়াল মাসে, এক সুদূর বছরে … সর্বশ্রেষ্ঠ সুপারিশকারী মনোনীত নবীর হিজরতের পর।

আল্লাহ তাঁর উপর রহমত বর্ষণ করুন যতক্ষণ পূর্ণিমা উদিত হয় … এবং তাঁর পরিবার, সাহাবীগণ ও যারা তাঁদের অনুসরণ করে তাদের সবার ওপর।

হে প্রতিপালক, হে প্রতিপালক! আহমদের সম্মানে … আমাদের শাইখকে তাঁর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূর্ণতা দান করুন।

আমার পিতা-মাতাকে ক্ষমা করুন এবং সকল মুসলিমকে … আর সমাপ্তি করছি বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর প্রশংসার মাধ্যমে।

 

আল্লাহর প্রশংসার সাথে আমি আদ-দুররাতুস সানিয়্যাহ সমাপ্ত করলাম।