(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: -)
إرشاد الحائر إلى معرفة قبيلة فلان في جنوب الجزائر القسم: الأنساب
الكتاب: إرشاد الحائر إلى معرفة قبيلة فلان في جنوب الجزائر
المؤلف: أبو عبد الله محمد عبد القادر بن محمد بن المختار بن أحمد العالم القبلوي الجزائري المالكي الشهير بالشيخ باي بلعالم (ت 1430هـ)
عدد الأجزاء: 1
أعده للمكتبة الشاملة/ أبو ياسر الجزائري.
[ترقيم الكتاب موافق للأصل]
تاريخ النشر بالشاملة: 6 جُمادَى الآخرة 1433
দক্ষিণ আলজেরিয়ার ফুলান গোত্র পরিচিতিতে বিভ্রান্তদের পথনির্দেশ বিভাগ: বংশবিদ্যা
বই: দক্ষিণ আলজেরিয়ার ফুলান গোত্র পরিচিতিতে বিভ্রান্তদের পথনির্দেশ
লেখক: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ আব্দুল কাদির বিন মুহাম্মদ বিন আল-মুখতার বিন আহমদ আল-আলিম আল-কিবলাওয়ী আল-জাজায়িরি আল-মালিকি, যিনি শায়খ বাই বেলালাম নামে পরিচিত (মৃত্যু ১৪৩০ হি.)
খণ্ড সংখ্যা: ১
মাকতাবা শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন/ আবু ইয়াসির আল-জাজায়িরি।
[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মূল কপির অনুরূপ রাখা হয়েছে]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৬ জুমাদিউল আখিরা ১৪৩৩
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ১)
إرشاد الحائر إلى معرفة قبيلة
فلان في جنوب الجزائر
تأليف
فضيلة الشيخ محمد باي بلعالم
إمام وأستاذ ومدرس بأولف
ولاية أدرار الجزائر
1433هـ
দক্ষিণ আলজেরিয়ার অমুক গোত্র পরিচিতি বিষয়ে বিভ্রান্তদের জন্য সঠিক নির্দেশনা
দক্ষিণ আলজেরিয়ার অমুক
রচনায়
শায়খ মুহাম্মদ বায় বিলআলাম
আওলাফের ইমাম, উস্তাদ ও শিক্ষক
আদরার প্রদেশ, আলজেরিয়া
১৪৩৩ হিজরি
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ২)
بسم الله الرحمن الرحيم
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ৩)
المقدمةالحمد لله الذي خلق الإنسان من طين، وصوره وجعل نسله من سلالة من ماء مهين، نحمده ونثني عليه الخير كله، ونشكره على مزيد فضله وآلائه التي عجز اللسان عن تعدادها، وكلَّت الأقلام عن كتابتها وسطرها، هو كما أثنى على نفسه له الحمد والشكر على الخير والشر والنفع والضر.
ونصلي ونسلم على من أرسله بالهدى ودين الحق ليظهره على الدين كله ولو كره الكافرون، سيدنا محمد بن عبد الله صلى الله وسلم عليه وعلى آله وأصحابه أجمعين.
وبعد: فيقول العبد الضعيف القاصر محمد باي بن محمد عبد القادر: بعد أن فرغت من كتابي الذي موضوعه "قبيلة فلان في الماضي والحاضر ومالها من العلوم والمعرفة والمآثر"، واطَّلع عليه جماعة من العلماء والمؤرخين وغيرهم، وقرظوه بأقلامهم، وأبدوا فيه رأيهم السديد، وأول من وضع له تقديماً الدكتور محمد عمر فلاتة رئيس قسم التربية بالجامعة الإسلامية والمشرف على مكتبة أهل الحديث بالمدينة المنورة والذي اقترح مشكوراً تخصيص كتاب عن الفُلَاّنين بالجزائر يتضمن الآتي:
• التعريف بالجزائر.
• توزع الفُلَاّن بالجزائر.
• عددهم التقريبي.
• الأفخاذ والبطون (إن وجدت).
• القبائل المنصهرة مع القبيلة.
ভূমিকাসমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি মানুষকে কাদা থেকে সৃষ্টি করেছেন, তাকে আকৃতি দান করেছেন এবং তার বংশধারাকে এক তুচ্ছ পানির নির্যাস থেকে তৈরি করেছেন। আমরা তাঁর প্রশংসা করি এবং তাঁর সকল কল্যাণের গুণকীর্তন করি। আমরা তাঁর অতিরিক্ত অনুগ্রহ ও নেয়ামতসমূহের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি, যা গণনা করতে জিহ্বা অক্ষম এবং যা লিখে শেষ করতে কলমগুলো ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তিনি তেমনই, যেমন তিনি নিজের প্রশংসা করেছেন। কল্যাণ ও অকল্যাণ এবং লাভ ও ক্ষতির জন্য সকল প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা তাঁরই প্রাপ্য।
আমরা সালাত ও সালাম পেশ করি তাঁর প্রতি, যাঁকে তিনি হিদায়াত ও সত্য দ্বীনসহ পাঠিয়েছেন যাতে একে সকল দ্বীনের ওপর বিজয়ী করেন, যদিও কাফেররা তা অপছন্দ করে। তিনি আমাদের নেতা মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ; তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবীর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।
অতঃপর: দুর্বল ও অক্ষম বান্দা মুহাম্মদ বাই ইবনে মুহাম্মদ আব্দুল কাদের বলছেন: আমি যখন আমার কিতাব—যার বিষয়বস্তু ছিল "অতীত ও বর্তমানে ফুলান গোত্র এবং তাদের জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও কীর্তিসমূহ"—তা সমাপ্ত করলাম এবং একদল আলেম, ঐতিহাসিক ও অন্যান্য গুণীজন তা পর্যবেক্ষণ করলেন, নিজ কলমে এর প্রশংসা লিখলেন এবং তাতে তাঁদের সুচিন্তিত মতামত ব্যক্ত করলেন; তখন সর্বপ্রথম এর ভূমিকা লিখেছিলেন মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা বিভাগের প্রধান এবং মদিনা মুনাওয়ারার মাকতাবাতু আহলিল হাদিসের তত্ত্বাবধায়ক ডক্টর মুহাম্মদ উমর ফাল্লাতাহ। তিনি কৃতজ্ঞতার সাথে আলজেরিয়ার ফুলানিদের সম্পর্কে একটি বিশেষ কিতাব রচনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন, যাতে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে:
• আলজেরিয়ার পরিচয়।
• আলজেরিয়ায় ফুলানিদের বিস্তৃতি।
• তাদের আনুমানিক সংখ্যা।
• উপশাখা ও বংশসমূহ (যদি থাকে)।
• এই গোত্রের সাথে একীভূত হওয়া অন্যান্য গোত্রসমূহ।
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ৪)
• العادات والتقاليد في الآتي: الطعام، اللباس، الأعياد والاحتفالات، السكن (الأبنية)، التداوي، الضيافة، الزي واللباس، الزواج والطلاق، الألعاب والفنون.
• المذاهب الدينية.
• المدارس العلمية.
• المدارس التعليمية: طرق التدريس، الأوقاف (الحبوس)، المساجد، تراجم القراء، تراجم العلماء، تراجم القضاة، الفهارس.
أقول: إنني سأعمل جاهداً في تحقيق رغبته في بعض الفقرات وكما قيل "ما لا يدرك كله لا يترك جله"، ولكن مع هذا فإنني لا ألتزم بالترتيب على الرد، وكما هي عادتي في الكتابين السابقين "قبيلة فلان في الماضي والحاضر"، و"الرحلة العلية في منطقة توات"، فقد قلت في الصفحة (4): وإنني معترف بأن ما جمعته في هذه المجموعة إنما هو قليل من كثير، ونقطة من بحر، وغيض من فيض، وإنني غير ملتزم بالترتيب ولا بالتقديم والتأخير، بل كلما تحصلت على معلوم ألحقته، غير مبال بأنه يحق له أن يتقدم أو يتأخر.
وعلم الأنساب بحسب ما ذكرت في مقدمة كتاب "قبيلة فُلَاّن"، قد عرف عند الناس قديماً قبل مجيء الإسلام. وثبت أنهم كانوا يتنافسون فيه، فلما جاء الإسلام أقرهم عليه، فصار مرغباً فيه، كتاباً وسنةً وإجماعاً، ووردت عدة أحاديث وأقوال في الاعتناء به وتعلمه. وهكذا فقد ألَّف المؤرخون فيه في مختلف مراحل التاريخ الإسلامي عن شعوب وقبائل وبطون وأفخاذ يجمعها نسب واحد، وذلك لما علموا من الحاجة إليه واستجابة للضروريات التي تفرضها العوامل الطبيعية والاجتماعية. وقد كتبوا فيه وألفوا من القرن الثاني للهجرة إلى يومنا هذا، وقد ألفت فيه تآليف
• অভ্যাস ও রীতিনীতি নিম্নোক্ত বিষয়গুলোতে: খাদ্য, পোশাক, উৎসব ও উদযাপন, আবাসন (ভবনসমূহ), চিকিৎসা, আতিথেয়তা, সাজসজ্জা ও পোশাক, বিবাহ ও বিবাহবিচ্ছেদ, খেলাধুলা ও শিল্পকলা।
• ধর্মীয় মাযহাবসমূহ।
• জ্ঞানতাত্ত্বিক ঘরানাসমূহ।
• শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ: পাঠদান পদ্ধতি, ওয়াকফ (হাবসসমূহ), মসজিদসমূহ, ক্বারীগণের জীবনী, উলামায়ে কেরামের জীবনী, বিচারকগণের জীবনী, সূচিপত্রসমূহ।
আমি বলছি: আমি কিছু অনুচ্ছেদে তাঁর ইচ্ছা পূরণে সচেষ্ট হব, যেমনটি বলা হয় "যা সম্পূর্ণ অর্জন করা সম্ভব নয়, তার অধিকাংশ বর্জন করা উচিত নয়"। তবে এ সত্ত্বেও আমি ধারাবাহিকতা বজায় রেখে উত্তর দিতে দায়বদ্ধ নই। আমার পূর্ববর্তী দুটি গ্রন্থ "অতীত ও বর্তমানে অমুক গোত্র" এবং "তুয়াত অঞ্চলে উচ্চতর সফর"-এ আমার রীতি যেমন ছিল; আমি চতুর্থ পৃষ্ঠায় বলেছিলাম: আমি স্বীকার করছি যে, এই সংকলনে আমি যা সংগ্রহ করেছি তা অনেকের মধ্যে অল্প, সমুদ্রের এক বিন্দু এবং প্রাচুর্যের মাঝে সামান্য অংশ মাত্র। আমি বিন্যাস কিংবা আগে-পিছে করার বাধ্যবাধকতায় নেই; বরং যখনই কোনো তথ্য পেয়েছি, আমি তা যুক্ত করেছি, সেটি আগে আসার কথা নাকি পরে আসার কথা তা বিবেচনা না করেই।
বংশলতিকা বিদ্যা, যেমনটি আমি "অমুক গোত্র" কিতাবের ভূমিকায় উল্লেখ করেছি, তা ইসলামের আগমনের পূর্ব থেকেই প্রাচীনকালে মানুষের মাঝে সুপরিচিত ছিল। এটি প্রমাণিত যে তারা এটি নিয়ে একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করত। অতঃপর যখন ইসলাম এল, তখন ইসলাম একে অনুমোদন দিল। ফলে কুরআন, সুন্নাহ এবং ইজমার ভিত্তিতে এটি একটি পছন্দনীয় ও উৎসাহিত বিষয়ে পরিণত হলো। এ বিষয়ে যত্নবান হওয়া এবং তা শিক্ষা করার ব্যাপারে একাধিক হাদীস ও বাণী বর্ণিত হয়েছে। এভাবে ঐতিহাসিকগণ ইসলামের ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে এমন সব জাতি, গোত্র, উপগোত্র ও শাখা সম্পর্কে গ্রন্থ রচনা করেছেন যা একটি সাধারণ বংশপরম্পরায় একত্রিত হয়। আর এটি তারা করেছেন এর প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে এবং প্রাকৃতিক ও সামাজিক উপাদানের মাধ্যমে আরোপিত অপরিহার্য চাহিদার প্রেক্ষিতে। হিজরি দ্বিতীয় শতাব্দী থেকে শুরু করে আজ অবধি তারা এ বিষয়ে লিখেছেন এবং গ্রন্থ রচনা করেছেন। এ বিষয়ে বহু গ্রন্থ রচিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ৫)
عديدة لا يمكن حصرها، والمقصود منها هو التنقيب عن الحقيقة والحفاظ على النسب نظراً لما لهذا العلم من مزايا فقد حث عليه صلى الله عليه وسلم بقوله: "تعلموا من أنسابكم ما تصلوا به أرحامكم". ونصه: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الله بْنُ الْمُبَارَكِ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عِيسَى الثَّقَفِيِّ عَنْ يَزِيدَ مَوْلَى الْمُنْبَعِثِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِىِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: "تَعَلَّمُوا مِنْ أَنْسَابِكُمْ مَا تَصلُوا بهِ أَرْحَامَكُمْ فَإِنَّ صِلَةَ الرَّحِمِ مَحَبَّةٌ فِي الْأَهْلِ مَثْرَاةٌ فِي الْمَالِ مَنْسَأَةٌ فِي الْأَثَرِ" (1).
فهذا الحديث والآية المتقدمة يدلان على وجوب صلة الرحم، وأن الرحم التي تجب صلته لا بد من معرفته، ومعرفته تكون عن طريق تعلم الأنساب، والعناية بها، ونقلها إلى الأجيال ليتواصل الترابط والتراحم بينهم.
وأدلة وجوب صلة الرحم، وحرمة قطعها كثيرة، قال تعالى: {وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا} (2). قال المفسرون: اتقوا الله في أمره ونهيه في حقوق الرحم التي هي أخص من حقوق الإنسانية بأن تصلوا الأرحام التي أمركم بوصلها وتحذروا ما نهاكم عنه من قطعها.
وفي صحيح البخاري عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: "إِنَّ الله خَلَقَ الْخَلْقَ حَتَّى إِذَا فَرَغَ مِنْ خَلْقِهِ قَالَتْ الرَّحِمُ هَذَا مَقَامُ الْعَائِذِ بِكَ مِنْ الْقَطِيعَةِ، قَالَ: نَعَمْ، أَمَا تَرْضَيْنَ أَنْ أَصِلَ مَنْ وَصَلَكِ وَأَقْطَعَ مَنْ قَطَعَكِ؟ قَالَتْ: بَلَى يَا رَبِّ، قَالَ: فَهُوَ لَكِ قَالَ رَسُولُ الله صلى الله عليه وسلم فَاقْرَءُوا إِنْ شئْتُمْ {فَهَلْ عَسَيْتُمْ إِنْ تَوَلَّيْتُمْ أَنْ تُفْسِدُوا فِي الْأَرْضِ وَتُقَطِّعُوا أَرْحَامَكُمْ} أ. هـ.
--------------------------------------------
অসংখ্য যা গণনা করা সম্ভব নয়। এর উদ্দেশ্য হলো সত্যের অনুসন্ধান এবং বংশের সংরক্ষণ, কারণ এই শাস্ত্রের অনেক ফজিলত রয়েছে। এই কারণেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ ব্যাপারে উৎসাহ দিয়ে বলেছেন: "তোমরা তোমাদের বংশধারা সম্পর্কে ততটুকু জ্ঞান অর্জন করো যা দ্বারা তোমরা তোমাদের আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখবে।" এর মূল পাঠ নিম্নরূপ: আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবদুল মালিক ইবনে ঈসা আস-সাকাফী থেকে, তিনি ইয়াজিদ মাওলা আল-মুনবাইস থেকে, তিনি আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "তোমরা তোমাদের বংশধারা থেকে ততটুকু শিখে নাও যার মাধ্যমে তোমরা তোমাদের আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করতে পারবে। কেননা আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করা পরিবারের মধ্যে ভালোবাসা বৃদ্ধি করে, ধন-সম্পদে প্রাচুর্য আনে এবং আয়ু বৃদ্ধি করে।" (১)।
এই হাদিস এবং পূর্বোল্লিখিত আয়াতটি আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করার আবশ্যকতা প্রমাণ করে। আর যে আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করা ওয়াজিব, তা অবশ্যই জানতে হবে। আর তা জানার উপায় হলো বংশবিদ্যা শিক্ষা করা, এর প্রতি যত্নশীল হওয়া এবং পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তা পৌঁছে দেওয়া, যাতে তাদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধন ও সহমর্মিতা বজায় থাকে।
আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করার আবশ্যকতা এবং তা ছিন্ন করার হারামের ব্যাপারে অনেক দলিল রয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন: "তোমরা আল্লাহকে ভয় করো যাঁর নামে তোমরা একে অপরের কাছে যাচ্ঞা করো এবং রক্ত-সম্পর্কিত আত্মীয়দের ব্যাপারেও সতর্কতা অবলম্বন করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের উপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখেন।" (২)। মুফাসসিরগণ বলেন: তোমরা আল্লাহর আদেশ ও নিষেধ পালনের মাধ্যমে আত্মীয়দের অধিকারের ব্যাপারে তাঁকে ভয় করো, যা সাধারণ মানবিক অধিকারের চেয়েও বেশি বিশিষ্ট; অর্থাৎ তোমরা সেই আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখো যা বজায় রাখার নির্দেশ তিনি তোমাদের দিয়েছেন এবং যা ছিন্ন করা থেকে তিনি তোমাদের নিষেধ করেছেন তা থেকে বেঁচে থাকো।
সহীহ বুখারীতে আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আল্লাহ তাআলা যখন সৃষ্টিজগত সৃষ্টি করলেন এবং সৃষ্টি কাজ সমাপ্ত করলেন, তখন ‘রহম’ (আত্মীয়তার বন্ধন) দাঁড়িয়ে বলল: এটি বিচ্ছিন্নতা থেকে আপনার কাছে আশ্রয়প্রার্থীর স্থান। আল্লাহ বললেন: হ্যাঁ, তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, যে তোমার সাথে সম্পর্ক বজায় রাখবে আমি তার সাথে সম্পর্ক বজায় রাখব, আর যে তোমাকে ছিন্ন করবে আমি তাকে ছিন্ন করে দেব? সে বলল: অবশ্যই, হে আমার প্রতিপালক। আল্লাহ বললেন: তবে তোমার জন্য তা-ই সাব্যস্ত হলো। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমরা চাইলে পাঠ করতে পারো— 'তবে কি তোমরা ক্ষমতা লাভ করলে পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করবে এবং তোমাদের আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করবে?'।" সমাপ্ত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ৬)
وأما الإجماع فلم يثبت عن أحد من أئمة المسلمين إنكاره، ولقد شهد الصادق المصدوق لخليفته أبي بكر الصديق بأنه أعلم الناس بالأنساب.
ودينن1 - كما هو معلوم- دين المساواة والمحبة والأخوة والوئام بين جميع الأجناس، لا يفرِّق بين عربي ولا عجمي. يدل على ذلك ما ذكر القرطبي في تفسيره عند قوله تعالى: {إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ} (1)، قال رحمه الله: وفي هذه الآية ما يدلك على أن التقوى هي المراعى عند الله تعالى وعند رسوله دون الحسب والنسب. وقرئ (أن) بالفتح. كأنه قيل: لم لا يتفاخر بالأنساب؟ قيل: لأن كرمكم عند الله أتقاكم لا أنسبكم وقال عليه الصلاة والسلام لثابت بن قيس رضي الله عنه:"انظر في وجوه القوم" فنظر، فقال: "ما رأيت؟ " قال: رأيت أبيض وأسود وأحمر، فقال: "فإئك لا تفضلهم إلا بالتقوى" (2).
وقد روى الترمذي أنه صلى الله عليه وسلم خطب بمكة فقال: "يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّ الله قَدْ أَذْهَبَ عَنْكُمْ عُبِّيَّةَ الْجَاهِلِيَّةِ وَتَعَاظُمَهَا بِآبَائِهَا فَالنَّاسُ رَجُلَانِ بَرٌّ تَقِيٌّ كَرِيمٌ عَلَى الله وَفَاجِرٌ شَقِيٌّ هَيِّنٌ عَلَى الله وَالنَّاسُ بَنُو آدَمَ وَخَلَقَ الله آدَمَ مِنْ تُرَابٍ، قَالَ الله: {يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّا خَلَقْنَاكُمْ مِنْ ذَكَرٍ وَأُنْثَى وَجَعَلْنَاكُمْ شُعُوبًا وَقَبَائِلَ لِتَعَارَفُوا إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرٌ} (3).
--------------------------------------------
পক্ষান্তরে ইজমা বা ঐকমত্যের বিষয়টি হলো, মুসলিম ইমামগণের কারো থেকেই এর অস্বীকৃতি প্রমাণিত হয়নি। আর সত্যবাদী এবং সত্যতা প্রত্যায়িত (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর খলীফা আবু বকর সিদ্দিকের ব্যাপারে সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, তিনি বংশবিদ্যা সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সর্বাধিক জ্ঞানী ছিলেন।
আর আমাদের দ্বীন—যেমনটি সুবিদিত—তা সকল জাতির মধ্যে সাম্য, ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্ব এবং সম্প্রীতির দ্বীন। এটি আরব কিংবা অনারবের মধ্যে কোনো পার্থক্য করে না। এর প্রমাণ বহন করে যা ইমাম কুরতুবী তাঁর তাফসীরে আল্লাহ তাআলার বাণী: "নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট তোমাদের মধ্যে সেই সবচাইতে বেশি সম্মানিত, যে তোমাদের মধ্যে সবচাইতে বেশি মুত্তাকী" (১) এর ব্যাখ্যায় উল্লেখ করেছেন। তিনি (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন: এই আয়াতে এমন নির্দেশ রয়েছে যা আপনাকে অবহিত করে যে, বংশীয় মর্যাদা বা আভিজাত্যের পরিবর্তে আল্লাহ তাআলা ও তাঁর রাসূলের নিকট তাকওয়াই হলো মূল বিবেচ্য বিষয়। আর (أن) শব্দটিকে ফাতহা (যবর) দিয়ে পড়া হয়েছে। যেন বলা হয়েছে: কেন বংশ নিয়ে গর্ব করা হবে না? উত্তরে বলা হয়েছে: কারণ আল্লাহর কাছে তোমাদের সম্মান তোমাদের তাকওয়ার ভিত্তিতে, তোমাদের বংশমর্যাদার ভিত্তিতে নয়। আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ছাবিত ইবনে কায়স (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে বললেন: "লোকদের চেহারার দিকে তাকাও।" তিনি তাকালেন। অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করলেন: "তুমি কী দেখলে?" তিনি বললেন: "আমি সাদা, কালো এবং লাল (বর্ণের মানুষ) দেখলাম।" তখন তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই তুমি তাকওয়া ব্যতীত তাদের ওপর কোনো শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করবে না" (২)।
ইমাম তিরমিযী বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মক্কায় ভাষণদানকালে বলেছিলেন: "হে লোকসকল! আল্লাহ তোমাদের থেকে জাহেলিয়াতের অহংকার এবং পিতৃপুরুষদের নিয়ে গর্ব করার প্রথা দূর করে দিয়েছেন। মানুষ দুই প্রকারের: এক—পুণ্যবান, মুত্তাকী যে আল্লাহর নিকট সম্মানিত; আর দুই—পাপাচারী, দুর্ভাগা যে আল্লাহর নিকট তুচ্ছ। সমস্ত মানুষ আদমের সন্তান, আর আল্লাহ আদমকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন: {হে মানুষ, আমি তোমাদেরকে এক পুরুষ ও এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদেরকে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি যাতে তোমরা একে অপরের সাথে পরিচিত হতে পার। নিশ্চয় আল্লাহর কাছে তোমাদের মধ্যে সেই সর্বাধিক সম্মানিত যে তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক মুত্তাকী। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সম্যক অবহিত} (৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ৭)
المبحث الأول: التعريف بالجزائر (1)
ـ[خريطة رقم (1) دولة الجزائر]ـ
الجزائر دولة عربية، تشكل - بفضل موقعها - حلقة وصل مهمة بين العالم العربي وبقية الدول الإفريقية وأوربا، في منطقة من أغنى مناطق الحضارة. فسواحلها المطلة على البحر المتوسط، تربطها بعلاقات وثيقة مع أوربا، التي لا تبعد عنها سوى700 كم، وهي قلب المغرب العربي، والجناح الغربي للعالم العربي، كما أنها منطقة اتصال طبيعي بين أوربا وأفريقيا، وكانت تعرف باسم المغرب الأوسط حتى دخولها نحت الحكم العثماني في العقد الثاني من القرن العاشر الهجري (السادس عشر الميلادي).
--------------------------------------------
প্রথম পরিচ্ছেদ: আলজেরিয়ার পরিচিতি (১)
—[মানচিত্র নং (১) আলজেরিয়া রাষ্ট্র]—
আলজেরিয়া একটি আরব রাষ্ট্র, যা তার ভৌগোলিক অবস্থানের সুবাদে সভ্যতার অন্যতম সমৃদ্ধ একটি অঞ্চলে আরব বিশ্ব, অবশিষ্ট আফ্রিকান দেশসমূহ এবং ইউরোপের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল হিসেবে বিবেচিত হয়। এর ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলীয় অঞ্চলগুলো একে ইউরোপের সাথে নিবিড় সম্পর্কে আবদ্ধ করেছে, যা এখান থেকে মাত্র ৭০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এটি আরব মাগরিবের হৃদপিণ্ড এবং আরব বিশ্বের পশ্চিম বাহু। পাশাপাশি এটি ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যে একটি প্রাকৃতিক সংযোগস্থল। হিজরি দশম শতাব্দীর দ্বিতীয় দশকে (ষোড়শ খ্রিস্টাব্দ) ওসমানীয় শাসনাধীনে আসার আগ পর্যন্ত এটি ‘আল-মাগরিব আল-আওসাত’ (মধ্য মাগরিব) নামে পরিচিত ছিল।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ৮)
وهي ثاني أكبر دول إفريقيا من حيث المساحة بعد السودان، تتبع مناطقها الشمالية إقليم البحر المتوسط مناخاً ونباتاً، ويتركز فيها ثلثا سكان البلاد، وأغلب الأنشطة الاقتصادية والبشرية، كما توجد بها مدينة الجزائر، عاصمة الدولة وإحدى أهم عواصم البحر الأبيض المتوسط وإفريقيا. وفي جنوبها توجد الصحراء التي تغطي ثلاثة أرباع مساحة البلاد، حيث توجد أغنى الموارد والثروات الطبيعية، كالنفط والغاز.
السكان:سكان الجزائر مزيج من العرب والبربر، وحَّدهم الدين الإسلامي، وجمعتهم اللغة العربية والعادات والتقاليد، فانصهروا في مجتمع متماسك ومنسجم، خضعت الجزائر للاحتلال الفرنسي طوال 130 سنة وانتزعت استقلالها عام 1962 م بعد كفاح مرير، وتضحيات جسام استشهد فيها مليون ونصف المليون شهيد.
وعدد السكان في الجزائر في إحصاء عام (1996 م) بلغ: (28،656،000) نسمة ونسب التوزيع السكاني بين سكان الحضر وسكان الريف في عام 1995 م كانت 55،8% لسكان الحضر، و 44،2% لسكان الريف.
وبالرغم من أن الكثافة السكانية العامة تقدر باثني عشر شخصاً في الكيلومتر المربع، إلا أن الظروف الطبيعية والاقتصادية تتحكم في تعديل هذا التوزيع؛ فتتركز الكثافة السكانية المرتفعة في المنطقة الشمالية، حيث تبلغ 223 نسمة/ كم2، في حين تنخفض هذه الكثافة إلى شخص واحد في الكيلومتر المربع في الصحراء.
এটি আয়তনের দিক থেকে সুদানের পর আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। এর উত্তরাঞ্চল জলবায়ু ও উদ্ভিদের দিক থেকে ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত, যেখানে দেশের দুই-তৃতীয়াংশ জনসংখ্যা এবং অধিকাংশ অর্থনৈতিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড কেন্দ্রীভূত। এখানেই দেশটির রাজধানী আলজিয়ার্স অবস্থিত, যা ভূমধ্যসাগর ও আফ্রিকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজধানী। এর দক্ষিণাঞ্চলে রয়েছে সাহারা মরুভূমি, যা দেশের মোট আয়তনের তিন-চতুর্থাংশ জুড়ে বিস্তৃত এবং এখানে তেল ও গ্যাসের মতো সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক সম্পদ ও খনিজ ভাণ্ডার রয়েছে।
জনসংখ্যা:আলজেরিয়ার জনসংখ্যা আরব ও বারবার জাতির এক মিশ্রণ, যাদেরকে ইসলাম ধর্ম ঐক্যবদ্ধ করেছে এবং আরবি ভাষা ও কৃষ্টি-কালচার একত্রে আবদ্ধ করেছে। এর ফলে তারা একটি সুসংহত ও সুসমন্বিত সমাজে পরিণত হয়েছে। আলজেরিয়া দীর্ঘ ১৩০ বছর ফরাসি উপনিবেশের অধীনে ছিল এবং এক তিক্ত সংগ্রাম ও বিশাল আত্মত্যাগের বিনিময়ে ১৯৬২ সালে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনে, যেখানে প্রায় পনেরো লক্ষ মানুষ শাহাদাতবরণ করেন।
১৯৯৬ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী আলজেরিয়ার মোট জনসংখ্যা ছিল ২,৮৬,৫৬,০০০ জন এবং ১৯৯৫ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী শহর ও গ্রামীণ জনসংখ্যার অনুপাত ছিল যথাক্রমে ৫৫.৮% ও ৪৪.২%।
যদিও সামগ্রিক জনঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১২ জন হিসেবে প্রাক্কলন করা হয়, তবে প্রাকৃতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবকসমূহ এই বণ্টনের তারতম্য নিয়ন্ত্রণ করে। উচ্চ জনঘনত্ব প্রধানত উত্তরাঞ্চলে পরিলক্ষিত হয়, যেখানে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ২২৩ জন মানুষ বসবাস করে; পক্ষান্তরে মরুভূমি অঞ্চলে এই ঘনত্ব হ্রাস পেয়ে প্রতি বর্গকিলোমিটারে মাত্র একজনে দাঁড়ায়।
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ৯)
ويتزايد عدد سكان الجزائر بمعدل 2،3% في العام، وهو معدل مرتفع، ويقيم أكثر من نصفهم (55،8%) في مراكز حضرية، والتحضر لا يظهر فقط في تزايد عدد سكان الحضر، وعدد المراكز الحضرية، بل يظهر أيضاً في انتشار نمط الحياة الحضرية في الريف.
يتكون سكان الجزائر من عرب وبربر. والبربر عنصر مهاجر، جاء من الشرق الأدنى، في نحو الألف الرابع قبل الميلاد. أما العرب فأصلهم من الجزيرة العربية، جاؤوا مع الفتوحات العربية وقبلها، وقد تمازج كل من العرب والبربر عبر العصور، فظهرت عادات موحدة، وتقاليد مشتركة، وحَّدهم الإسلام واللغة العربية، ولا توجد فوارق أو حواجز عنصرية بينهم، فالتعايش والتزاوج بينهم منذ القدم، أزال الفوارق بالمخالطة والمصاهرة.
كل السكان مسلمون يتكلمون اللغة العربية وهي اللغة الرسمية للبلاد. ونسبة عالية منهم يحسنون الفرنسية التي كانت سائدة في البلاد إبان الاحتلال الفرنسي الذي دام 130 سنة، هي عمر الاحتلال الفرنسي للبلاد، كما توجد بعض اللغات المحلية مثل (الأمازيغية) (1).
الأعراق السكانيه في دوله الجزائر:سكان الجزائر في السابق من الأمازيغ البربر، الليبيون القدامى المهاجرة والجيتول جنوب نوميديا.
--------------------------------------------
আলজেরিয়ার জনসংখ্যা বার্ষিক ২.৩% হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা একটি উচ্চ হার। তাদের অর্ধেকেরও বেশি (৫৫.৮%) শহরাঞ্চলে বসবাস করে। নগরায়ণ কেবল শহুরে জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং নগর কেন্দ্রের সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমেই প্রকাশ পায় না, বরং গ্রামাঞ্চলে শহুরে জীবনযাত্রার বিস্তারের মাধ্যমেও প্রকাশ পায়।
আলজেরিয়ার জনসংখ্যা আরব এবং বারবারদের সমন্বয়ে গঠিত। বারবাররা একটি অভিবাসী গোষ্ঠী, যারা খ্রিস্টপূর্ব আনুমানিক চতুর্থ সহস্রাব্দে নিকট প্রাচ্য থেকে এসেছে। আরবদের আদি নিবাস আরব উপদ্বীপে, তারা আরবীয় বিজয় অভিযান এবং তার আগে এখানে এসেছে। যুগ যুগ ধরে আরব ও বারবাররা একে অপরের সাথে মিশে গেছে, ফলে অভিন্ন অভ্যাস ও সাধারণ ঐতিহ্য তৈরি হয়েছে। ইসলাম এবং আরবি ভাষা তাদের ঐক্যবদ্ধ করেছে। তাদের মধ্যে কোনো বর্ণগত পার্থক্য বা বাধা নেই; প্রাচীনকাল থেকে তাদের মধ্যে সহাবস্থান এবং বৈবাহিক সম্পর্ক মেলামেশা ও আত্মীয়তার মাধ্যমে সকল ভেদাভেদ দূর করে দিয়েছে।
সকল অধিবাসীই মুসলিম এবং তারা আরবি ভাষায় কথা বলে, যা দেশটির রাষ্ট্রভাষা। তাদের একটি উচ্চ অংশ ফরাসি ভাষায় দক্ষ, যা ১৩০ বছর ব্যাপী ফরাসি ঔপনিবেশিক শাসনের সময় দেশে প্রচলিত ছিল, এটাই ছিল দেশটিতে ফরাসি দখলের সময়কাল। এছাড়াও কিছু স্থানীয় ভাষা যেমন (তামাজিঘত) বিদ্যমান রয়েছে (১)।
আলজেরিয়া রাষ্ট্রের জাতিগত গোষ্ঠীসমূহ:অতীতে আলজেরিয়ার জনসংখ্যা ছিল আমাজিঘ বারবার, অভিবাসী প্রাচীন লিবীয় এবং নুমিডিয়ার দক্ষিণে গায়েটুলিদের সমন্বয়ে গঠিত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ১০)
سبب تواجدهم في المكان تاريحياً غير واضح، وكانت هجرات من غرب أوربا (هناك أمازيغ بيض، زرق الأعين) ومن الشمال الشرقي الليبي، أيضاً من الطرف الصحراوي الإفريقي، شكلت كلها المجتمع الأمازيغي قديماً. لا يلاحظ فرق جسمي واضح بين عرب الجزائر والأمازيغ، يدل هذا على تمازجهم لفترات طويلة.
البربري (بتخفيف الراء) كلمة يونانية أطلقت على سكان شمال إفريقيا زمن الوندال، لها علاقة بـ (البرابرة) BARBARES، أطلقها القديس أوغستين على الأمازيغ التي اعتنقت مذهب الدوناتسين لتصبح Berbères ( بربر).
تمسك بها الأوربيون منذ القرن 17، عن العربية البربر.
لم يعرف المؤرخون العرب أصل الكلمة، فظهرت تأويلاتهم مبنية على الخيال:
من كتاب العبر لابن خلدون، الجزء السادس ص 104: يقال إن أفريقش بن قيس بن صيفي من ملوك التبابعة لما غزا المغرب وإفريقية، وقتل الملك جرجيس وبنى المدن والأمصار، وباسمه زعموا سميت إفريقية، لما رأى هذا الجيل من الأعاجم وسمع رطانتهم ووعى اختلافها وتنوعها تعجب من ذلك وقال: ما أكثر بربرتكم فسموا بالبربر، والبربرة بلسان العرب هي اختلاط الأصوات غير المفهومة ومنه يقال بربر الأسد إذا زأر بأصوات غير مفهومة.
ঐতিহাসিকভাবে এই স্থানে তাদের উপস্থিতির কারণ স্পষ্ট নয়। পশ্চিম ইউরোপ (সেখানে শ্বেতবর্ণ ও নীল চক্ষুবিশিষ্ট আমাজিঘ রয়েছে), উত্তর-পূর্ব লিবিয়া এবং আফ্রিকার সাহারা অঞ্চল থেকে আগত অভিবাসীদের সমন্বয়ে প্রাচীনকালে আমাজিঘ সমাজ গঠিত হয়েছিল। আলজেরিয়ার আরব ও আমাজিঘদের মধ্যে শারীরিক কোনো সুষ্পষ্ট পার্থক্য লক্ষ্য করা যায় না, যা দীর্ঘ সময় ধরে তাদের পারস্পরিক সংমিশ্রণের প্রমাণ দেয়।
'বারবারি' (র-এর ওপর হালকা উচ্চারণসহ) শব্দটি একটি গ্রিক শব্দ যা ভ্যান্ডালদের যুগে উত্তর আফ্রিকার অধিবাসীদের জন্য ব্যবহৃত হতো। এটি 'বারবারেস' (BARBARES) শব্দের সাথে সম্পর্কযুক্ত। সেন্ট অগাস্টিন এই শব্দটি সেই সব আমাজিঘদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করেছিলেন যারা ডোনাটিজম মতবাদ গ্রহণ করেছিল, যা পরে 'বারবার' (Berbères) হিসেবে পরিচিতি পায়।
১৭শ শতাব্দী থেকে ইউরোপীয়রা আরবি শব্দ 'বারবার' এর অনুসরণে এটি গ্রহণ করে।
আরব ঐতিহাসিকগণ এই শব্দের মূল উৎস জানতেন না, ফলে তাদের ব্যাখ্যাগুলো কল্পনাপ্রসূত হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে:
ইবনে খালদুনের কিতাবুল ইবার থেকে, ষষ্ঠ খণ্ড, ১০৪ পৃষ্ঠা: বলা হয় যে, তুব্বা রাজাদের অন্যতম রাজা আফ্রিকিশ ইবনে কায়স ইবনে সায়ফি যখন মাগরিব ও আফ্রিকা আক্রমণ করেন এবং রাজা জুর্জিকে হত্যা করে বিভিন্ন শহর ও নগর নির্মাণ করেন—যাদের বর্ণনা মতে তার নামেই আফ্রিকার নামকরণ হয়েছে—তখন তিনি যখন অনারবদের এই প্রজন্মকে দেখলেন এবং তাদের দুর্বোধ্য ভাষা ও এর বৈচিত্র্য ও ভিন্নতা শুনলেন, তখন তিনি বিস্মিত হয়ে বললেন: "তোমাদের বারবারা (অস্পষ্ট আওয়াজ) কতই না বেশি!" এরপর থেকেই তাদের 'বারবার' নামকরণ করা হয়। আর আরবি ভাষায় 'বারবারা' বলতে মূলত দুর্বোধ্য শব্দের মিশ্রণকে বোঝায়। একারণেই সিংহের গর্জন অস্পষ্ট হলে বলা হয় যে সিংহ 'বারবারা' করছে।
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ১১)
وقال الصولي البكري: أن الشيطان نزغ بين بني حام وبني سام، فانجلى بنو حام إلى المغرب ونسلوا به. وقال أيضاً إن حام لما اسود بدعوة أبيه فر إلى المغرب حياء واتبعه بنوه وهلك عن أربعمائة سنة. وكان من ولده بربر بن كسلاجيم فنسل بنوه بالمغرب.
وصف الرومانيون للأمازيغ كثر دقة، النوميديون، أو الموري، نعتهم المصريون بـ (ريبو) أو (الليبو) أو المشواش نسبة لأصولهم الليبية. نعتهم الإغريق بالليبين.
ظهرت كلمة مازيك زمن البيزنطيين، كتحريف لاسم مازيغ. والتي تمسك بها أهالي المنطقة، نسبة لجدهم الأكبر مازيغ. تعني كلمة إمازيغن: الحر.
واجه الأحر ار واختلطوا بالغزو الروماني، البيزنطي، الوندالي قديماً، ثم العربي. العرب قدموا فاتحين على يد أبو المهاجر دينار ثم غزاة تحت وطئ قبائل بني هلال وبني سليم (300000 حسب تقدير ابن خلدون وشارل أندري جوليان وغيرهم) التي أستوطنت تونس وشرق الجزائر ودحرت بربر زناتة شيئاً فشيئاً نحو الغرب.
وبينما ظل بربر صنهاجة وزناتة مستقلين، تدفق على الجزائر مئات الآلاف من عرب الأندلس ضاقت بهم مدن الجزائر، حتى اضطر عرب الأندلس في تشييد مدن جديدة كمدينة البليدة ومدينة القليعة.
نظراً للتعريب وأسلمة الأمازيغ، صار أكثر أهل الجزائر عربي
আস-সুলি আল-বাকরি বলেন: শয়তান হামের বংশধর ও সামের বংশধরদের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি করেছিল, ফলে হামের বংশধররা মাগরিবে (পাশ্চাত্যে) চলে যায় এবং সেখানে বংশবৃদ্ধি করে। তিনি আরও বলেন যে, হাম যখন তার পিতার দোয়ার কারণে কালো বর্ণ ধারণ করল, তখন সে লজ্জায় মাগরিবে পালিয়ে যায় এবং তার সন্তানরা তাকে অনুসরণ করে, আর সে চারশত বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করে। তার সন্তানদের মধ্যে ছিল কাসলাজিমের পুত্র বারবার, যার বংশধররা মাগরিবে বংশবিস্তার করে।
রোমানদের বর্ণনায় আমাজিগদের বিবরণ ছিল অত্যন্ত সূক্ষ্ম; তারা ছিল নুমিডীয় বা মৌরি। মিশরীয়রা তাদের লিবিয় বংশোদ্ভূত হওয়ার কারণে 'রিবু' বা 'লিবু' বা 'মাশওয়াশ' নামে অভিহিত করত। গ্রিকরা তাদের লিবিয় বলে ডাকত।
বাইজেন্টাইন যুগে 'মাজিগ' নামের বিকৃতি হিসেবে 'মাজিক' শব্দটি প্রকাশিত হয়। এই অঞ্চলের অধিবাসীরা তাদের আদি পিতা মাজিগের নামে এই পরিচয়টিই ধরে রেখেছিল। 'ইমাজিগেন' শব্দের অর্থ হলো: স্বাধীন মানুষ।
এই স্বাধীন মানুষরা প্রাচীনকালে রোমান, বাইজেন্টাইন এবং ভ্যান্ডাল আক্রমণের মোকাবিলা করে এবং তাদের সাথে মিশে যায়, পরবর্তীতে আরবদের সাথেও তাদের একইরূপ সংমিশ্রণ ঘটে। আরবরা আবু আল-মুহাজির দিনারের নেতৃত্বে বিজয়ী হিসেবে আগমন করে, পরবর্তীতে বনু হিলাল ও বনু সুলাইম গোত্রদ্বয়ের চাপে তারা জনস্রোত হিসেবে প্রবেশ করে (ইবনে খালদুন ও চার্লস-আন্দ্রে জুলিয়েন প্রমুখের মতে তাদের সংখ্যা ছিল ৩০০,০০০), যারা তিউনিসিয়া ও পূর্ব আলজেরিয়ায় বসতি স্থাপন করে এবং যনাতা বারবারদের ধীরে ধীরে পশ্চিম দিকে বিতাড়িত করে।
সানহাজা ও যনাতা বারবাররা যখন স্বাধীন ছিল, তখন আলজেরিয়ায় লক্ষ লক্ষ আন্দালুসিয়ান আরবের আগমন ঘটে, যার ফলে আলজেরিয়ার শহরগুলো জনাকীর্ণ হয়ে পড়ে। এমনকি আন্দালুসিয়ান আরবরা ব্লিন্ডা ও কলিয়া শহরের মতো নতুন শহর নির্মাণ করতে বাধ্য হয়।
আমাজিগদের আরবীকরণ ও ইসলামীকরণের ফলে আলজেরিয়ার অধিকাংশ অধিবাসী আরবীয় হয়ে ওঠে।
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ১২)
اللسان، يشكل الأمازيغ الباقية بأصولهم المختلفة (تفاوت متباين في لهجات الأمازيغية لظروف تاريحية وجغرافية) حوالي 20% من السكان الباقية.
نفوذ كِلا الطرفين في الآخر، العربي مع الأمازيغي، تمازجه أيضاً، منع تشكل قالبين منفصلين، إلا في حالات إنعزالية تاريحية، مثلاً: لدى القبائل، نظام العروش، حيث تتحد القرى القبائلية المبنية على قمم الجبال أوقات الشدة، للأمور الطارئة، كالغزو الغربي مثلاً. لدى العروش ما يسمى الجماعة، من نسل واحد، خلية تلتقي بعدة خلايا، مكونة من ذكور العائلة.
هذا النظام ديمقراطي، صلب، متين، لم تفلح الدولة في كسره، واصلت الجماعة أداء دورها الاجتماعي خاصة، في أحلك ظروف الاستعمار.
الشاوية نصف عدد القبائل، وأقل تجمعاً، استوطنوا جبال الأوراس الوعرة، شرق الجزائر. شكلهم في شمالها كفلاحين، زارعي قمح وشجر فاكهة. في الجنوب، تحدهم شبه رعاة، حين تكثر مواسم بيع الماشية في الصيف. الفرق بين الفئتين غير واضح مؤخراً، نظراً للحركة الداخلية.
عاش الشاوية في عزلة أشد من القبائلين، والقليل منهم تعرف على الفرنسية والعربية. اقتصادهم كان مغلقاً، والهجرة كانت محدودة جداً. اعتبرت الأوراس خلال حرب التحرير معقل الثوار، كما عزل أكثر من نصف سكانها في المحتشدات. تخلى الكثير منهم عن عزلته بعد الاستقلال. أقل بكثير من القبائل الشاوية، بني ميزاب، ساكني الخط الشمالي للصحراء، قرب وادي ميزاب، الذي أعطاهم اسمه. واحة غرداية مدينتهم الأهم، ويعرفون بالإباضية. تجار مشهورون، دورهم الكبير في التجارة
ভাষার বিচারে, বিভিন্ন বংশোদ্ভূত অবশিষ্ট আমাজিঘ সম্প্রদায় (ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক কারণে আমাজিঘ উপভাষাগুলোতে স্পষ্ট ভিন্নতা বিদ্যমান) বর্তমান জনসংখ্যার প্রায় ২০% গঠন করে।
উভয় পক্ষ তথা আরবি ও আমাজিঘের একে অপরের ওপর প্রভাব এবং তাদের পারস্পরিক সংমিশ্রণ দুটি পৃথক কাঠামো তৈরিতে বাধা প্রদান করেছে, কেবল ঐতিহাসিক বিচ্ছিন্নতার ক্ষেত্রগুলো ব্যতীত। উদাহরণস্বরূপ: কবায়েলিদের মাঝে 'আরশ' ব্যবস্থা বিদ্যমান, যেখানে পর্বতশৃঙ্গে নির্মিত কবায়েলি গ্রামগুলো বিপদের সময় বা জরুরি পরিস্থিতিতে ঐক্যবদ্ধ হয়, যেমন পশ্চিমা আক্রমণের সময়। আরশ ব্যবস্থার মাঝে 'জামাআত' নামক একটি পদ্ধতি রয়েছে, যা একই বংশোদ্ভূত। এটি একটি ক্ষুদ্র কোষ যা পরিবারের পুরুষ সদস্যদের নিয়ে গঠিত অন্যান্য কোষের সাথে মিলিত হয়।
এই ব্যবস্থাটি গণতান্ত্রিক, সুদৃঢ় এবং শক্তিশালী; রাষ্ট্র এটি ভেঙে ফেলতে সফল হয়নি। বিশেষ করে ঔপনিবেশিক শাসনের চরম অন্ধকার পরিস্থিতিতেও এই 'জামাআত' তার সামাজিক ভূমিকা পালন অব্যাহত রেখেছিল।
শাওয়িয়াতের সংখ্যা কবায়েলিদের অর্ধেক এবং তারা কম ঘনীভূত। তারা পূর্ব আলজেরিয়ার দুর্গম আওরাস পর্বতমালায় বসবাস করে। এর উত্তরাঞ্চলে তাদের অবস্থান কৃষিজীবী হিসেবে, যারা গম ও ফলের চাষ করে। দক্ষিণে তারা আধা-পশুপালকদের দ্বারা বেষ্টিত, যখন গ্রীষ্মকালে গবাদি পশু বিক্রির মৌসুম বৃদ্ধি পায়। সাম্প্রতিক সময়ে অভ্যন্তরীণ স্থানান্তরের কারণে এই দুই শ্রেণির মধ্যে পার্থক্য অস্পষ্ট হয়ে পড়েছে।
শাওয়িয়ারা কবায়েলিদের চেয়েও কঠোর বিচ্ছিন্নতায় বসবাস করত এবং তাদের খুব কম অংশই ফরাসি ও আরবি ভাষার সাথে পরিচিত ছিল। তাদের অর্থনীতি ছিল রুদ্ধ এবং অভিবাসন ছিল অত্যন্ত সীমিত। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় আওরাস অঞ্চলকে বিপ্লবীদের দুর্গ হিসেবে বিবেচনা করা হতো, ঠিক যেমন এর অর্ধেকেরও বেশি বাসিন্দাকে বন্দিশিবিরে বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল। স্বাধীনতার পর তাদের অনেকেই এই বিচ্ছিন্নতা পরিহার করেন। কবায়েলি ও শাওয়িয়াদের তুলনায় সংখ্যায় অনেক কম হলো বনী মিজাব, যারা সাহারা মরুভূমির উত্তর প্রান্তে মিজাব উপত্যকার কাছে বসবাস করে, যার নামানুসারে তাদের নামকরণ করা হয়েছে। গারদাইয়া মরূদ্যান তাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শহর এবং তারা ইবাদি হিসেবে পরিচিত। তারা বিখ্যাত ব্যবসায়ী এবং বাণিজ্যে তাদের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ১৩)
وراء الصحراء، تحولوا بعدها للشمال أكثر، كالعاصمة، وتملكوا البقالة والجزارة هنالك.
تبقى فئة الطوارق الضئيلة، أقلهم مخالطة، يسمون الرجال الزرق، بسبب اللون النيلي للباسهم، كذلك بالرجال المحجبة، نظراً لاستعمال الرجال دون النساء الغطاء، كعادة وحاجز لرمال الصحراء. سكناهم الصحراء، من جنوب غرب ليبيا، إلى مالي. تواجدهم المكثف في الطاسيلي، وقمم الهقار، قدروا أعوام 1970 بين 5000 و10000. متجمعون كقبائل، بثلاث فئات: النبلاء، الوكلاء، العبيد والخدم من زنوج إفريقيا عامة.
ربما كانت نساء الطوارق قديماً، أحظ نساء الجزائر، للتشريف الذي تحظى به، والمساواة التي تعامل بها مع الرجال.
الطوارق رعاة جمال، أدلة الصحراء، حماة قوافل بين غرب إفريقيا وشمالها، لكن هذا تراجع بعد القرن العشرين، بسبب الاستعمار وتأثير الاستقلال، التقنية، النفط في الصحراء، وأخيراً جفاف الواحات. تغيرت الوضعية، ليصبح الرحالة الطوارق مستوطني تمنراست وجانت.
اللغه في الجزائر:تاريحياً كانت الأمازيغية (بتعددها) لغة أهل الجزائر، تغيرت في عهد الرومان ثم البيزنطيين، لتصبح اللاتينية لغة مثقفيها، واللغة الإدارية الرسمية، ثم العربية بعد الفتح الإسلامي وأخذت موطناً في البلد.
মরুভূমির ওপারে, তারা পরবর্তীতে রাজধানীর মতো আরও উত্তরের দিকে চলে যায় এবং সেখানে মুদি ও কসাইখানার মালিকানা লাভ করে।
তুয়ারেগদের ক্ষুদ্র গোষ্ঠীটি অবশিষ্ট রয়েছে, যারা মানুষের সাথে সবচেয়ে কম মেলামেশা করে। তাদের পোশাকের নীল রঙের কারণে তাদের "নীল পুরুষ" বলা হয়, আবার "আবৃত পুরুষ"ও বলা হয়; কারণ নারীদের পরিবর্তে পুরুষেরাই মরুভূমির বালুকা থেকে বাঁচতে প্রথাগতভাবে মস্তক ও মুখমণ্ডল আবৃত রাখে। তাদের আবাসস্থল হলো লিবিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে মালি পর্যন্ত বিস্তৃত মরুভূমি। তাসিলি এবং হগগার পর্বতশৃঙ্গে তাদের ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে। ১৯৭০-এর দশকে তাদের সংখ্যা ৫,০০০ থেকে ১০,০০০ এর মধ্যে অনুমান করা হয়েছিল। তারা বিভিন্ন গোত্রে বিভক্ত হয়ে বসবাস করে এবং তাদের তিনটি স্তর রয়েছে: অভিজাত, প্রতিনিধি এবং সাধারণত আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ দাস ও সেবকবৃন্দ।
সম্ভবত প্রাচীনকালে তুয়ারেগ নারীরা আলজেরিয়ার নারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সৌভাগ্যবতী ছিল, কারণ তারা যে সম্মান লাভ করত এবং পুরুষের সাথে তাদের যে সমতাপূর্ণ আচরণ করা হতো।
তুয়ারেগরা ছিল উটের রাখাল, মরুভূমির পথপ্রদর্শক এবং পশ্চিম ও উত্তর আফ্রিকার মধ্যবর্তী কাফেলাগুলোর রক্ষক। তবে বিংশ শতাব্দীর পর উপনিবেশবাদ, স্বাধীনতার প্রভাব, প্রযুক্তি, মরুভূমিতে তেল এবং পরিশেষে মরূদ্যানগুলোর শুষ্কতার কারণে এই অবস্থার অবনতি ঘটে। পরিস্থিতির পরিবর্তনের ফলে যাযাবর তুয়ারেগরা তামানরাসেট এবং জানাত অঞ্চলে স্থায়ী বসতি স্থাপনকারীতে পরিণত হয়।
আলজেরিয়ার ভাষা:ঐতিহাসিকভাবে আমাজিগ ভাষা (এর বিভিন্ন রূপসহ) ছিল আলজেরিয়ার জনগণের ভাষা। রোমান এবং পরবর্তীতে বাইজেন্টাইন যুগে এর পরিবর্তন ঘটে এবং লাতিন ভাষা শিক্ষিত সমাজের ভাষা ও সরকারি দাপ্তরিক ভাষায় পরিণত হয়। এরপর ইসলামি বিজয়ের পর আরবি ভাষা এ দেশে নিজের স্থান করে নেয়।
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ১৪)
والعربية لغة سامية، يتحدثها أغلب المثقفين، البقية لهجة جزائرية
أو الدارجة، وتختلف هذه اللهجة نظراً لاتساع رقعة البلاد، فيتكلم باقي السكان الأمازيغ حسب تقسيمهم، الأمازيغية، التي تكتب بـ (التيفيناغ) الظاهرة أصولها في كتابات الطوارق أهل الصحراء، حيث تستعمل الرموز كمعاني أكثر منها للتواصل. الشاوية أقرب للعربية حالياً من غيرها.
إلى جانب اللغة العربية يتكلم سكان العاصمة والمدن الكبرى لهجة تختلط فيها العربية بالفرنسية بنسبة كبيرة، فيما يحافظ سكان المناطق الداخلية والصحراء على لهجتهم الأكثر قرباً للفصحى.
الدارجة الجزائرية، تسريع للفصحى، يميزها الشين المصري في الأفعال، وفي شرق البلاد، تحذف منها ألف في بداية الكلام، أو تخفيف الإدغام، اختلطت مع البربرية أيضاً، أسماء النبات والحيوان تعريب من الأمازيغية، وأسماء المدن أيضاً.
تدرس الفرنسية في المراحل الأولى للتعليم، تتبعها الإنجليزية، ويتم تداول اللغة الفرنسية بشكل واسع في الإدارات العمومية والهيئات الحكومية، لسيطرة الجيل القديم (الجيل الذي تعلم في عهد الاحتلال الفرنسي) على المناصب الحساسة في الدولة وهيئاتها، كما صارت الإنجليزية (لأهميتها) في مراحل متطورة، متغلغلة بين مثقفي البلد.
আরবি একটি সেমিটিক ভাষা, অধিকাংশ শিক্ষিত ব্যক্তি এতে কথা বলেন; অবশিষ্ট অংশ আলজেরীয় উপভাষা বা দারিজা ব্যবহার করেন। দেশের বিশালতার কারণে এই উপভাষায় ভিন্নতা দেখা যায়। অবশিষ্ট আমাজিগ অধিবাসীরা তাদের বিভাজন অনুযায়ী আমাজিগ ভাষায় কথা বলেন, যা 'তিফিনাঘ' লিপিতে লেখা হয়। এর মূল উৎস সাহারার তুয়ারেগদের লেখায় স্পষ্টভাবে দেখা যায়, যেখানে প্রতীকগুলোকে যোগাযোগের চেয়ে অর্থ প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে বেশি ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে শাওয়িয়া ভাষা অন্যদের তুলনায় আরবির সবচেয়ে কাছাকাছি।
আরবি ভাষার পাশাপাশি রাজধানী ও বড় শহরগুলোর অধিবাসীরা এমন এক উপভাষায় কথা বলেন যেখানে আরবির সাথে ফরাসির ব্যাপক মিশ্রণ রয়েছে। অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ অঞ্চল ও সাহারার অধিবাসীরা তাদের উপভাষাটি অক্ষুণ্ণ রেখেছেন যা শুদ্ধ আরবির অধিক নিকটবর্তী।
আলজেরীয় দারিজা হলো মূলত শুদ্ধ আরবির দ্রুত উচ্চারণ। ক্রিয়াপদে মিশরীয় 'শিন' এর ব্যবহার একে স্বতন্ত্র করে তুলেছে। দেশের পূর্বাঞ্চলে শব্দের শুরুতে 'আলিফ' বিলুপ্ত করা হয় অথবা সন্ধি বা লয় শিথিল করা হয়। এটি বার্বার ভাষার সাথেও মিশ্রিত হয়েছে। উদ্ভিদ ও প্রাণীর নামগুলো আমাজিগ ভাষা থেকে আরবিকরণ করা হয়েছে এবং শহরগুলোর নামের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।
শিক্ষার প্রাথমিক স্তরগুলোতে ফরাসি ভাষা পড়ানো হয়, যার পরে ইংরেজি আসে। সরকারি প্রশাসন ও রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোতে ফরাসি ভাষার ব্যাপক প্রচলন রয়েছে, কারণ পুরাতন প্রজন্ম (যারা ফরাসি উপনিবেশের যুগে শিক্ষা লাভ করেছে) রাষ্ট্রের সংবেদনশীল পদ ও সংস্থাগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে আছে। পাশাপাশি ইংরেজির গুরুত্বের কারণে এটি উচ্চতর স্তরগুলোতে দেশের শিক্ষিত মহলের মাঝে গভীরভাবে প্রবেশ করেছে।
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ১৫)
طالب الأحزاب الإسلامية بمواصلة سياسة التعريب الشامل، بعد نجاحه على مستوى وزارة العدل خلال السبعينات، تقابله مطالبة الأحزاب القومية بنظام لغتين في التعامل الإداري، ومنهجية الأمازيغية من جديد في التعليم الجزائري.
أقسام المسلمين في الجزائر:ـ[السنة]ـ: أغلبية المسلمين في الجزائر من المذهب السني، والمذهب المالكي هو مذهب الإفتاء لدى الدولة.
ـ[الصوفية]ـ: منتشرة، لا سيما في المناطق الغربية والداخلية، ومن بين أهم طرقها: التيجانية، القادرية، الشاذلية والمهدية. تغلغلت في المجتمع منذ القدم وعادت مؤخراً إلى البروز، وتحظى حالياً برعاية الدولة.
ـ[الإباضية]ـ: أحد ملل الخوارج، يتبعها بني ميزاب، من الأمازيغ المنتشرين في شتى أنحاء البلاد وأساساً في ولاية غرداية الواقعة شمال الصحراء. (تساؤل: تحت أي هذه الفئات الثلاثة يُصنف الفُلَاّنيين؟ وإذا كانوا من السنة فما مذهبهم؟ ومن أشهر الدعاة أو العلماء الذين تأثر الفلانيون بدعوتهم في القديم والحديث؟)
ইসলামী দলসমূহ সত্তর দশকে বিচার মন্ত্রণালয়ে সফলতার পর ব্যাপক আরবায়ন নীতি অব্যাহত রাখার দাবি জানায়। এর বিপরীতে জাতীয়তাবাদী দলসমূহ প্রশাসনিক লেনদেনে দ্বি-ভাষা পদ্ধতি এবং আলজেরীয় শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন করে আমাজিঘি পদ্ধতির অন্তর্ভুক্তির দাবি জানায়।
আলজেরিয়ায় মুসলিমদের শ্রেণিবিভাগ:ـ[সুন্নি]ـ: আলজেরিয়ার অধিকাংশ মুসলিম সুন্নি মতাদর্শের অনুসারী, এবং মালিকি মাজহাব হলো রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক ফতোয়া প্রদানের মাজহাব।
ـ[সুফিবাদ]ـ: এটি ব্যাপকভাবে বিস্তৃত, বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলীয় এবং অভ্যন্তরীণ এলাকাগুলোতে। এর প্রধান তরীকাগুলোর মধ্যে রয়েছে: তিজানিয়া, কাদিরিয়া, শাজিলিয়া এবং মাহদিয়া। এটি প্রাচীনকাল থেকেই সমাজে শেকড় গেড়েছে এবং সম্প্রতি আবারও প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে, বর্তমানে এটি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করছে।
ـ[ইবাদি]ـ: খারেজিদের একটি দল, যা বনু মিজাব অনুসরণ করে। তারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এবং মূলত সাহারার উত্তরে অবস্থিত গার্দায়া প্রদেশে বিস্তৃত আমাজিঘ জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। (প্রশ্ন: ফুলানিদের এই তিনটি শ্রেণির কোনটির অধীনে গণ্য করা হয়? আর যদি তারা সুন্নি হন, তবে তাদের মাজহাব কী? প্রাচীন ও আধুনিককালে কোন প্রসিদ্ধ দায়ী বা আলেমদের দাওয়াত দ্বারা ফুলানিরা প্রভাবিত হয়েছেন?)
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ১৬)
تظاريس الجزائر وتقسيماتها الإدارية:يتكون سطحها من سهول ساحلية في الشمال، وسلاسل جبلية وهضاب في الوسط والصحراء الكبرى في الجنوب، يعتمد اقتصادها على الزراعة والرعي، والمواد المعدنية، ومصادر الطاقة وبعض الصناعات.
وقد خضع ساحلها لسيادة "قرطاجة" في القرن السابع قبل الميلاد، ثم احتلها قيصر سنة 42 ق م، وجعلها مقاطعة رومانية (نوميديا) غزاها القاندال (429)، وفتحها المسلمون (682 م)، ثم استولى عليها الفاطميون، ثم الحفصيون، ثم العثمانيون، واحتلها الفرنسيون (1830 م) واستقلت (1962 م)، وفي نفس السنة انضمت إلى جامعة الدول العربية، وهي إحدى دول المغرب العربي.
আলজেরিয়ার ভূপ্রকৃতি ও এর প্রশাসনিক বিভাগসমূহ:এর উপরিভাগ উত্তরে উপকূলীয় সমভূমি, মধ্যভাগে পর্বতমালা ও মালভূমি এবং দক্ষিণে সাহারা মরুভূমি নিয়ে গঠিত। এর অর্থনীতি কৃষি, পশুপালন, খনিজ সম্পদ, শক্তির উৎস এবং কিছু শিল্পের ওপর নির্ভরশীল।
এর উপকূলভাগ খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতাব্দীতে "কার্থেজ"-এর সার্বভৌমত্বের অধীনে ছিল, এরপর ৪২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সিজার এটি দখল করেন এবং একে একটি রোমান প্রদেশে (নুমিডিয়া) পরিণত করেন। ৪২৯ খ্রিস্টাব্দে ভ্যান্ডালরা এটি আক্রমণ করে এবং ৬৮২ খ্রিস্টাব্দে মুসলমানরা এটি বিজয় করেন। এরপর ফাতিমীয়রা, তারপর হাফসীয়রা, এরপর উসমানীয়রা এটি নিজেদের দখলে নেয়। ১৮৩০ খ্রিস্টাব্দে ফরাসীরা এটি দখল করে এবং ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দে এটি স্বাধীনতা লাভ করে। একই বছর এটি আরব লীগের সদস্যপদ লাভ করে এবং এটি মাগরিব অঞ্চলের অন্যতম একটি দেশ।
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ১৭)
المبحث الثاني: التعريف بالفُلَاّنيينيرجع نسب الفُلَاّنيين كما ورد في العديد من الروايات والنصوص المكتوبة إلى التابعي الجليل فاتح إفريقيا وباني القيروان عقبة بن نافع الفهري القرشي، نجد ذلك في "إنفاق الميسور في تأريخ بلاد التكرور" للسلطان محمد بلو ابن الحاج عثمان بن فوديو سلطان سكوتو.
قال الألوري: "إن فلان من العرب، قول منسوب إلى آل فوديو، وقد نقله الشيخ عثمان وأخوه عبد الله وابنه محمد بلو عن أجدادهم وعلمائهم الثقات، حيث قالوا: إن الجد الأعلى لفلان هو عقبة بن نافع الصحابي، وإن الأم العليا لهم رومية تدعى (بج مع)، وهي بنت ملك بإحدى قبائل الروم تزوجها عقبة، وأنجبت له أربعة أولاد صاروا فيما بعد آباء القبائل الفلانية بأسرها في بلاد ونغارة وغانا ومالي وتكرور وسنغي وبلاد هوسة وبرنو" (1).
وقد ذكر الشيخ محمد بلو في إنفاق الميسور أن قبائل فلان افترقوا ثلاث فرق ببعض وقائع حدثت هناك في القرن الثالث عشر الميلادي، دخلت فرقة في بلاد فوتاتور، وفرقة أخرى في فوتاجالو وسكنوا هناك، وفرقة عزموا على أن يسيروا إلى الشرق ليدخلوا مع قبائل آبائهم العرب، فمضوا حتى وصلوا إلى هذه البلاد وأقاموا فيها، واستمر بعضهم حتى وصلوا إلى بلاد العرب واندمجوا ..
--------------------------------------------
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ফুলানিদের পরিচয়যেমনটি অসংখ্য বর্ণনা এবং লিখিত পাঠ্যসমূহে উল্লেখ করা হয়েছে, ফুলানিদের বংশধারা মহান তাবেয়ি, আফ্রিকার বিজেতা এবং কায়রোয়ানের প্রতিষ্ঠাতা উকবা ইবনে নাফে আল-ফিহরি আল-কুরাশি পর্যন্ত পৌঁছেছে। আমরা সোকোতোর সুলতান মুহাম্মদ বেল্লো ইবনুল হাজ উসমান ইবনে ফুদির 'ইনফাকুল মাইসুর ফি তারিখে বিলাদিত তাকরুর' গ্রন্থে এটি খুঁজে পাই।
আল-আলুরি বলেন: "ফুলানিরা আরবদের অন্তর্ভুক্ত—এই কথাটি ফুদির বংশধরদের সাথে সম্পর্কিত। শেখ উসমান, তাঁর ভাই আব্দুল্লাহ এবং তাঁর পুত্র মুহাম্মদ বেল্লো তাঁদের পূর্বপুরুষ ও বিশ্বস্ত আলেমদের নিকট থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। যেখানে তাঁরা বলেছেন: ফুলানিদের আদি পুরুষ হলেন সাহাবি উকবা ইবনে নাফে। আর তাঁদের আদি মাতা হলেন এক রোমান নারী যাঁকে 'বাজ-মা' নামে ডাকা হতো। তিনি রোমান গোত্রগুলোর একটির রাজার কন্যা ছিলেন, যাকে উকবা বিয়ে করেছিলেন। তিনি চারটি পুত্র সন্তান জন্ম দেন যারা পরবর্তীতে ওয়াঙ্গারা, ঘানা, মালি, তাকরুর, সোংহাই, হাউসা এবং বোর্নো অঞ্চলের সমগ্র ফুলানি গোত্রসমূহের পিতৃপুরুষে পরিণত হন।" (১)।
শেখ মুহাম্মদ বেল্লো 'ইনফাকুল মাইসুর' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, খ্রিস্টীয় ত্রয়োদশ শতাব্দীতে সেখানে ঘটা কিছু ঘটনার কারণে ফুলানি গোত্রগুলো তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এক দল ফুতা তোরো অঞ্চলে প্রবেশ করে, অন্য দল ফুতা জাল্লোনে প্রবেশ করে সেখানে বসবাস শুরু করে এবং অপর একটি দল তাদের আরব পিতৃপুরুষদের গোত্রগুলোর সাথে মিলিত হওয়ার জন্য পূর্ব দিকে যাত্রা করার সংকল্প করে। তারা চলতে থাকে যতক্ষণ না এই ভূখণ্ডে এসে পৌঁছায় এবং এখানে বসবাস স্থাপন করে। তাদের মধ্যে কিছু লোক আরব ভূখণ্ডে পৌঁছানো পর্যন্ত যাত্রা অব্যাহত রাখে এবং সেখানে একীভূত হয়ে যায়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ১৮)
ومن كتاب تعريف العشائر أيضاً صفحة (9)، قال الشيخ عبد الله
بن فودي الفُلَاّني عند تفسير قوله تعالى: {وَجَعَلَهَا كَلِمَةً بَاقِيَةً فِي عَقِبِهِ} (1) أي جعل الله أو إبراهيم كلمة التوحيد باقية في عقبه أي ذريته، فلا يزال فيهم من يوحد الله، ومن يدعو إلى توحيده، وقال: الحمد لله الذي جعلنا من ذريته على ما نسمع من أنساب سلفنا، وقال في منظومة له في كتابه تزيين الورقات:
فتوردبو أخوال الفلانيين إخوة
… لعرب فمن روم ابن عيص تفرعوا
وعقبة جد للفلانيين من عرب
… ومن تور كانت أمهم بجمع عوا
والمقصود في أبيات الشعر هو: عقبة بن نافع بن عبد القيس بن لقيط بن عامر بن أمية الظرب بن الحارث بن فهر القرشي، كما في إصابة ابن حجر وغيرها .. ، وهو الوالي على إفريقيا، والفاتح لغدامس، وبلاد البربر والسودان، والسوس الأقصى، وودان، والواصل إلى البحر المحيط بالمغرب، وباني القيروان، وأمير المغرب، وخاله عمرو بن العاص، وشهد معه فتح مصر وولَاّه إفريقيا، وبقي من أولاده بمصر والشام وإفريقيا بقية.
وأصل الفُلَاّنين يرجع كما ذكر الشيخ مولاي محمد بن مولاي سليمان القائم إلى قبيلة حمير، وهو قول من أقوال عديدة في أصل قبيلة فلان، وقد بينا في كتابنا "قبيلة فلان" (ص 5) الأقوال المتضاربة في أصل نسب فلان مع اتفاق المؤرخين أنهم من العرب، ولقد قلنا في (ص 12) من
--------------------------------------------
'তারীফুল আশায়ের' গ্রন্থ থেকেও, পৃষ্ঠা (৯): শায়খ আব্দুল্লাহ ইবনে ফুদি আল-ফুলানি মহান আল্লাহর বাণী: {আর তিনি একে তাঁর সন্তানদের মধ্যে একটি স্থায়ী বাণী হিসেবে রেখে গেছেন} (১)-এর ব্যাখ্যায় বলেন: অর্থাৎ আল্লাহ অথবা ইবরাহিম তাওহিদের বাণীকে তাঁর সন্তানদের মধ্যে অবশিষ্ট রেখেছেন, ফলে তাদের মধ্যে সর্বদা এমন কেউ থাকবে যে আল্লাহর একত্ববাদ ঘোষণা করবে এবং তাঁর তাওহিদের দিকে আহ্বান জানাবে। তিনি বলেন: সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি আমাদের তাঁর বংশধরদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন, যেমনটি আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের বংশপরম্পরা সম্পর্কে শুনে আসছি। তিনি তাঁর 'তাযয়ীনুল ওয়ারাকাত' গ্রন্থে রচিত একটি কবিতায় বলেছেন:
তুরুদবু হলো ফুলানিদের মামার গোষ্ঠী এবং আরবদের ভাই
… তারা ঈসের পুত্র রোমের শাখা থেকে বিস্তার লাভ করেছে।
আর উকবা আরবের পক্ষ থেকে ফুলানিদের পিতামহ
… এবং তুর থেকে তাদের মাতা সমবেত হয়েছিলেন।
কবিতার পঙক্তিগুলোতে যা বোঝানো হয়েছে তিনি হলেন: উকবা ইবনে নাফে ইবনে আব্দুল কায়স ইবনে লাকিত ইবনে আমির ইবনে উমাইয়া আদ-দারিব ইবনে আল-হারিস ইবনে ফিহর আল-কুরাইশি, যেমনটি ইবনে হাজারের 'আল-ইসাবাহ' ও অন্যান্য গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে। তিনি ছিলেন আফ্রিকার গভর্নর, এবং গাদামেস, বারবার ভূমি, সুদান, সুসুল আকসা ও ওয়াদানের বিজয়ী; তিনি মাগরেবের আটলান্টিক মহাসাগর পর্যন্ত পৌঁছেছিলেন, কাইরাওয়ান শহরের নির্মাতা এবং মাগরেবের আমির ছিলেন। তাঁর মামা ছিলেন আমর ইবনুল আস, তিনি তাঁর সাথে মিসর বিজয়ে অংশ নেন এবং তিনি তাঁকে আফ্রিকার দায়িত্ব প্রদান করেন। তাঁর সন্তানদের কিছু অংশ মিসর, সিরিয়া ও আফ্রিকায় রয়ে গেছে।
ফুলানিদের মূল উৎস শায়খ মুলাই মুহাম্মদ ইবনে মুলাই সুলাইমান আল-কায়িমের বর্ণনা অনুযায়ী হিমইয়ার গোত্র পর্যন্ত পৌঁছায়। ফুলান গোত্রের আদি উৎস সম্পর্কে বিদ্যমান অনেকগুলো মতের মধ্যে এটি একটি। আমরা আমাদের 'কাবালাহ ফুলান' (পৃষ্ঠা ৫) গ্রন্থে ফুলানদের বংশগত পরিচয় সম্পর্কে বিভিন্ন পরস্পরবিরোধী মত বর্ণনা করেছি, যদিও ঐতিহাসিকগণ এই বিষয়ে একমত যে তারা আরব বংশোদ্ভূত। আমরা ১২ পৃষ্ঠায় বলেছি...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ১৯)
الكتاب المذكور: من خلال هذه الأدلة المتقدمة إن قبيلة فلان قبيلة عربية وعلمية، ولقد كنا نسمع من أوائلنا أن قبيلة فلان من حمير، ويمكن أن تكون هذه القبيلة متكونة من عدة قبائل، منها ما هو فهري من أولاد عقبة بن نافع، ومنها ما هو من أولاد أبي بكر الصديق رضي الله عنه كما في تاريخ شنقيط للطالب بن المختار بن محمد بن أحمد الطلابي المتقدم الذكر، ومنها ما هو من ذرية جعفر بن أبي طالب كما في كتاب تعريف العشائر والخلان بشعوب وقبائل فلان، ومنها ما هو من أولاد عمر كما في كتاب إيقاظ همم أولي الأبصار عند ذكر نسب الشيخ صالح بن محمد بن نوح كما ذكر في الشجرة المتصلة بعمر بن الخطاب.
وأما كون أصلهم من حمير فلقد سمعت هذا القول من خالنا السيد الحاج أحمد بن محمد الحسان ومن شيخنا السيد محمد عبد الكريم المغيلي بن المنوفي، ومن السيد مولاي عبد الرحمن بن مولاي عبد الله الهيباوي مراراً وقد قال لي: أن فلان والأنصار من عرق واحد وأن أصلهم من اليمن، والله أعلم.
উল্লেখিত কিতাব: পূর্বোক্ত এই দলীলসমূহের মাধ্যমে প্রতীয়মান হয় যে, অমুক গোত্র একটি আরব ও ইলমী (জ্ঞানতাত্ত্বিক) গোত্র। আমরা আমাদের পূর্বসূরিদের নিকট থেকে শুনতাম যে, অমুক গোত্রটি হিমইয়ার বংশোদ্ভূত। সম্ভবত এই গোত্রটি বেশ কয়েকটি গোত্রের সমন্বয়ে গঠিত; যার মধ্যে কিছু হলো উকবা বিন নাফি'-এর সন্তান তথা ফিহরি বংশোদ্ভূত, আবার কিছু অংশ আবু বকর সিদ্দিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর বংশধর, যেমনটি পূর্বোল্লিখিত আল-তালিব বিন আল-মুখতার বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আত-তাল্লাবী রচিত ‘তারীখে শিনকীত’ গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে। আবার তাদের কিছু জাফর বিন আবি তালিব-এর বংশধর, যেমনটি ‘তা'রীফুল আশায়ির ওয়াল খুল্লান বি শুউবি ওয়া কাবায়িলি ফুলান’ কিতাবে পাওয়া যায়। আবার কেউ কেউ ওমরের বংশধর, যেমনটি ‘ইকাজু হিমামি উলিল আবসার’ কিতাবে শায়খ সালেহ বিন মুহাম্মদ বিন নূহ-এর বংশলতিকা বর্ণনার সময় উল্লেখ করা হয়েছে, যা ওমর বিন আল-খাত্তাবের সাথে সম্পৃক্ত বংশলতিকায় বর্ণিত হয়েছে।
আর তাদের মূল উৎস হিমইয়ার হওয়া প্রসঙ্গে আমি এই কথাটি আমাদের মামা সাইয়্যিদ আল-হাজ আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-হাসসান, আমাদের শায়খ সাইয়্যিদ মুহাম্মদ আব্দুল কারীম আল-মাগিলি আল-মানুফি এবং সাইয়্যিদ মাওলাই আব্দুর রহমান বিন মাওলাই আব্দুল্লাহ আল-হাইবাওয়ীর নিকট থেকে বারবার শুনেছি। তিনি আমাকে বলেছেন যে: অমুক গোত্র এবং আনসারগণ একই বংশোদ্ভূত এবং তাদের মূল উৎস হলো ইয়েমেন। আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ২০)
المبحث الثالث: الفُلَاّنيون في ولاية أدرار
التعريف بولاية أدرار:ولاية أدرار تقع في الجنوب الغربي للجزائر. هي الولاية رقم (1) في تصنيف الولايات حسب تنظيم الدولة الجزائرية، تتسم بمناخها الصحراوي، وبطيبة سكانها الذين يجيدون العربية بفصاحة بالغة. يهتم معظم سكان ولاية أدرار بالزراعة، وتعتبر من أكبر المصادر الزرا عية بالجزائر منذ أن كرست الدولة جهودها لمساعدة المزارعين بعام 1992 م، كما يهتم السكان بتربية المواشي وخاصة الإبل، وهناك بعض القبائل من الطوارق الذين يسكنون الولاية.
ـ[خريطة توضح موقع ولاية أدرار بالنسبة للولايات الجزائرية]ـ
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: আদরার প্রদেশে ফুলানিগণআদরার প্রদেশের পরিচিতি:আদরার প্রদেশ আলজেরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। আলজেরীয় রাষ্ট্রীয় বিন্যাস অনুযায়ী প্রদেশসমূহের শ্রেণিবিন্যাসে এটি ১ নম্বর প্রদেশ। এটি তার মরু আবহাওয়া এবং অধিবাসীদের অমায়িক ব্যবহারের জন্য বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত, যারা অত্যন্ত প্রাঞ্জলভাবে আরবি ভাষায় পারদর্শী। আদরার প্রদেশের অধিকাংশ অধিবাসী কৃষিকাজে নিয়োজিত। ১৯৯২ সালে রাষ্ট্র কৃষকদের সহায়তায় বিশেষ প্রচেষ্টা নিবেদিত করার পর থেকে এটি আলজেরিয়ার অন্যতম বৃহত্তম কৃষি উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এছাড়াও এখানকার অধিবাসীরা গবাদি পশু পালন, বিশেষ করে উট পালনে আগ্রহী। এই প্রদেশে তুয়ারেগ সম্প্রদায়ের কিছু গোত্রও বসবাস করে।
—[আলজেরিয়ার অন্যান্য প্রদেশের প্রেক্ষিতে আদরার প্রদেশের অবস্থান নির্দেশকারী মানচিত্র]—
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ২১)
وتتكون الولاية من 28 بلدية، ومناخها شديد الحرارة يصل إلى 50 درجة صيفاً، وتوجد بها عدة مناطق أثرية رائعة، أهمها قصور تيميمون وتمنطيط وزاوية كنتة. الخ. وتعرف الولاية بمشايخها وزواياها ومدارسها القرآنية المتعددة، حيث تشتهر المنطقة بحفظ القرآن وكرم سكانها، ومن أهم زوايا المنطقة (زاوية الشيح سيدي محمد بن لكبير، زاوية مولاي التهامي، زاوية الشيخ سيدي علي بن حنيني بزاجلوا مرابطين، زاوية الشيخ الحسان بأنزجمير، زاوية الشيخ باي بأولف
… الخ).
وتتكون المجموعة السكانية من قبائل عديدة منها قبيلة الشيخ سيد البكري الذين يتصفون بالجود والكرم، كما لهم مدرسة قرآنية يتخرج منها كل سنة حوالي 20 شخص، ويرأس هذه المدرسة الشيخ الحاج أحمد بن الحاج عبد القادر رحمه الله.
وتعتبر أدرار أكبر ولاية في الجزائر وأغناها. وتستقبل الضيوف على مدار العام. وحدودها من الجنوب مع دولة مالي بمدينتي برج باجي المختار وتيمياوين.
بلدية ساهل أقبلي:وهم في بلدية أقبلي موجودون في أربع قرى هي:
1 - زاوية الشيخ أبي نعامة: وغالب سكانها كنته، وفرقة من تنلان ومن أولاد الطالب أعلي بختي وغيرهم.
প্রদেশটি ২৮টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এবং এর জলবায়ু অত্যন্ত উষ্ণ, গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি পর্যন্ত পৌঁছায়। এখানে বেশ কিছু চমৎকার প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকা রয়েছে, যার মধ্যে তিমিনমুন, তামানতিত এবং জাউয়িয়া কুন্তাহ-এর প্রাসাদসমূহ অন্যতম। ইত্যাদি। প্রদেশটি এর মাশায়েখ, জাউয়িয়া এবং বহু সংখ্যক কুরআনিক মাদ্রাসার জন্য পরিচিত। এই অঞ্চলটি কুরআন হিফজ এবং এর অধিবাসীদের বদান্যতার জন্য প্রসিদ্ধ। অঞ্চলের প্রধান জাউয়িয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে (শায়খ সিদি মুহাম্মাদ বিন লাকবিরের জাউয়িয়া, মুলায় আল-তুহামির জাউয়িয়া, জাজলু মুরাবিতিন-এ শায়খ সিদি আলি বিন হুনাইনির জাউয়িয়া, আনজজমির-এ শায়খ আল-হাসসানের জাউয়িয়া, আউলাফ-এ শায়খ বায়ের জাউয়িয়া
… ইত্যাদি)।
জনগোষ্ঠীটি বিভিন্ন গোত্র নিয়ে গঠিত, যার মধ্যে শায়খ সাইয়্যেদ আল-বকরির গোত্র অন্যতম, যারা দানশীলতা ও উদারতার গুণে গুণান্বিত। তাদের একটি কুরআনিক মাদ্রাসা রয়েছে যেখান থেকে প্রতি বছর প্রায় ২০ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়। এই মাদ্রাসার প্রধান হলেন শায়খ আল-হাজ্জ আহমাদ বিন আল-হাজ্জ আব্দুল কাদির (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)।
আদরার আলজেরিয়ার বৃহত্তম এবং সমৃদ্ধতম প্রদেশ হিসেবে গণ্য হয়। এটি সারা বছর মেহমানদের স্বাগত জানায়। এর দক্ষিণ সীমানা মালির সাথে বুর্জ বাজি আল-মুখতার এবং তিমিয়াউইন শহর সংলগ্ন।
সাহেল আকবলি পৌরসভা:আকবলি পৌরসভায় তারা চারটি গ্রামে অবস্থান করছে, সেগুলো হলো:
১ - শায়খ আবু নুয়ামার জাউয়িয়া: এর অধিকাংশ অধিবাসী কুন্তাহ গোত্রের, এছাড়াও তানলান এবং আওলাদুত তালিব আলি বাখতি ও অন্যান্যদের একটি দল সেখানে রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ২২)
2 - المنصور: وغالب سكانه من الأنصار وأولاد ابن منوفي وأولاد سيدي حسان الأنصاري، وأولاد أوبكي، وأولاد برامة، وأجناس أخرى من الموالي.
3 - أركشاش: وسكانه يتألفون من أولاد منصوري، وإنشيقن، وأولاد لكصاسي، وأولاد ملايحاف، وقبائل أخرى من جهات متعددة مثل أولاد مرموري، وأولاد النوار، وأولاد حينوني، وأولاد حفيدي، وأولاد بجبي، وموالي للشرفاء البريشيين، كما يوجد كذلك فيها شرفاء، وفخذ من تنلان.
4 - ساهل: وهي موطن للفلانيين من أولاد ابن مالك، وأولاد بلعالم، وأولاد المنوفي، وأولاد التكوبة، وأولاد الفقي، وأولاد حفيدي، وأولاد عوماري، وأولاد عرقوب، وبعض الأفراد من قبائل متفرقة.
وجدهم الأعلى هو الشيخ محمد بن مالك بن أبي بكر بن أيوب بن حماد بن جلول بن طلحة بن سليم بن جابر بن يود بن أيوب، وهو المؤسس لقرية ساهل، بمعية الشيخ السيد محمد الأمين الكنتي المدفون معه في جوار المسجد القديم بقرية ساهل. وهذا الأخير ترك زاوية وقفاً، وهي صدقة جارية، وتتجلى في نخيل وسقيها من الماء، وهي الآن بيد بعض أبناء الشيخ محمد بن مالك المدفون معه.
وهي تعد مركز إشعاع علمي وثقافي خصوصاً ما بين القرنين القرن 13 و 14 الهجريين، وذلك نتيجة نبوغ علمائها في مختلف العلوم الإسلامية
২ - আল-মানসুর: এর অধিকাংশ বাসিন্দা আনসার সম্প্রদায়, ইবনে মানুফির বংশধর, সিদি হাসান আল-আনসারীর বংশধর, আওবাকি বংশধর, বারামাহ বংশধর এবং মাওয়ালিদের অন্যান্য গোত্র থেকে আগত।
৩ - আরকাশাশ: এর বাসিন্দারা গঠিত হয়েছে মানসুরি বংশধর, ইনশিকান, লাকসাসি বংশধর, মালায়হাফ বংশধর এবং বিভিন্ন এলাকার অন্যান্য গোত্র যেমন মারমুরি বংশধর, নাওয়ার বংশধর, হাইনুনি বংশধর, হাফিদি বংশধর, বাজাবি বংশধর এবং বারিশি আশরাফদের মাওয়ালিদের সমন্বয়ে; সেখানে আশরাফগণ এবং তানলান গোত্রের একটি উপশাখাও রয়েছে।
৪ - সাহেল: এটি ইবনে মালিকের বংশধর, বিলআলম বংশধর, আল-মানুফি বংশধর, তাকুবাহ বংশধর, আল-ফকিহ বংশধর, হাফিদি বংশধর, ওমারি বংশধর, আরকুব বংশধর এবং বিভিন্ন গোত্রের কতিপয় ব্যক্তিদের মধ্য থেকে ফুলানি সম্প্রদায়ের আবাসস্থল।
তাদের আদি পুরুষ হলেন শেখ মুহাম্মদ বিন মালিক বিন আবি বকর বিন আইয়ুব বিন হাম্মাদ বিন জালুল বিন তালহা বিন সুলাইম বিন জাবির বিন ইয়ুদ বিন আইয়ুব। তিনিই সাহেল গ্রামের প্রতিষ্ঠাতা, যার সাথে সেখানে সঙ্গী হিসেবে ছিলেন শেখ সাইয়্যেদ মুহাম্মদ আল-আমিন আল-কুনতি, যিনি সাহেল গ্রামের প্রাচীন মসজিদের পাশেই তাঁর সাথে সমাহিত আছেন। এই শেষোক্ত ব্যক্তি একটি জাউইয়া ওয়াকফ হিসেবে রেখে গিয়েছেন, যা একটি সদকায়ে জারিয়া; এটি খেজুর বাগান এবং সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হয় এবং বর্তমানে তা তাঁর সাথে সমাহিত শেখ মুহাম্মদ বিন মালিকের কতিপয় বংশধরদের হাতে রয়েছে।
এটি বিশেষ করে ১৩ ও ১৪ হিজরি শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে জ্ঞানতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক প্রসারের কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হতো, যা মূলত বিভিন্ন ইসলামি জ্ঞানে সেখানকার আলেমদের অসাধারণ মেধার ফলস্বরূপ।
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ২৩)
من فقه وحديث وتفسير، وغيرها، وكذا علوم اللغة والنحو والآداب، والمنطق، كل ذلك إلى امتلاكها علماء أجلاء.
وكانت الوجهة العلمية لكل طالب علم يريد التضلع في شتى العلوم الشرعية واللغوية، ومع ذلك حاولت هذه المدرسة أن تنقل هذا الإشعاع إلى مختلف مناطق جنوب هذا الوطن كالأغواط، وغرداية، وورقلة، وتمنراست، وخارج الوطن كمالي وتونس وليبيا. كل ذلك بفضل رحلات علمائها إلى تلك المناطق والبلدان.
وأصبحت المدرسة القرآنية مؤخراً في المسجد الجديد الذي بُني حديثاً شمال المدينة، وبقيت المدرسة القديمة تواصل مسيرتها، ويلقي الدروس المسجدية في المسجد أحد حفدة الشيخ محمد بن مالك.
ومن القرى المجاورة لقرية ساهل زاوية الشيخ أبي نعامة بشطريها الشرقي والغربي، وهي زاوية مشهورة. وتقدم لنا أن سكانها يتشكلون من الكنتيين وفخذ من تنلان وغيرها.
ويوجد في هذه القرية ضريح الشيخ السيد محمد بن عبد الرحمن بن أبي نعامة الكنتي، يقول فيها الشيخ عبد الرحمن بن بعمر في رحلته كما في كتابنا "الغصن الداني في ترجمة الشيخ عبد الرحمن بن محمد التنلاني" (ص 62): ثم رحلنا إلى زاوية أبي نعامة
… وزرناه، وهو الذي أحيا سنة الحج من بلاد توات وبلاد التكرور.
ثم قال في (ص 65) ونزلنا بقرية إثرغن قبل الزوال وأقمنا بها الاثنين إلى الخميس، وفيه ورد علينا ركب سيدي محمد بن الشيخ أبي نعامة، الذي
ফিকহ, হাদিস, তাফসির এবং অন্যান্য বিষয়, একইভাবে ভাষাবিজ্ঞান, ব্যাকরণ, সাহিত্য এবং তর্কবিদ্যা—এই সব কিছুই মহান আলেমগণ অর্জন করেছিলেন।
এটি ছিল প্রত্যেক এমন ইলম অন্বেষণকারীর জ্ঞানতাত্ত্বিক গন্তব্য, যারা বিভিন্ন শরয়ী ও ভাষাগত বিজ্ঞানে পারদর্শী হতে চাইত। তা সত্ত্বেও, এই মাদ্রাসাটি এই শিক্ষার আলোকচ্ছটাকে এই দেশের দক্ষিণের বিভিন্ন অঞ্চল যেমন লাঘওয়াত, ঘারদাইয়া, ওয়ারকলা এবং তামানরাসেত এবং দেশের বাইরে যেমন মালি, তিউনিসিয়া ও লিবিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এই সব কিছুই সম্ভব হয়েছিল সেই সব অঞ্চল ও দেশসমূহে এর আলেমদের ইলমি সফরের কল্যাণে।
সম্প্রতি কুরআনি মাদ্রাসাটি শহরের উত্তরে নবনির্মিত নতুন মসজিদে স্থানান্তরিত হয়েছে এবং পুরাতন মাদ্রাসাটি তার যাত্রা অব্যাহত রেখেছে। মসজিদের পাঠদানগুলো শেখ মুহাম্মদ বিন মালিকের জনৈক পৌত্র পরিচালনা করেন।
সাহেল গ্রামের পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে শেখ আবু না’আমা-র জাউইয়া, যার পূর্ব ও পশ্চিম দুটি অংশ রয়েছে এবং এটি একটি প্রসিদ্ধ জাউইয়া। আমরা আগে উল্লেখ করেছি যে, এর অধিবাসীরা কুন্তি গোত্রীয় লোক এবং তেনলানের একটি শাখা ও অন্যদের নিয়ে গঠিত।
এই গ্রামেই শেখ সাইয়্যেদ মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন আবু না’আমা আল-কুন্তির মাজার অবস্থিত। শেখ আবদুর রহমান বিন বা’মর তাঁর ভ্রমণবৃত্তান্তের বর্ণনায় এই সম্পর্কে বলেন, যেমনটি আমাদের গ্রন্থ "আল-গুসনুদ দানি ফি তারজামাতিল শাইখ আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ আত-তেনলানি" (পৃষ্ঠা ৬২)-তে রয়েছে: অতঃপর আমরা আবু না’আমা-র জাউইয়ার দিকে রওয়ানা হলাম
… এবং আমরা তাঁর জিয়ারত করলাম। তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি তুয়াত ও তাকরুর অঞ্চল থেকে হজ পালনের সুন্নাতকে পুনর্জীবিত করেছিলেন।
অতঃপর তিনি (পৃষ্ঠা ৬৫)-এ বলেন: আমরা দুপুরের আগে ইথরাগান গ্রামে অবতরণ করলাম এবং সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করলাম। সেখানেই আমাদের নিকট সিদি মুহাম্মদ বিন শেখ আবু না’আমা-র কাফেলা এসে পৌঁছাল, যিনি
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ২৪)
كنا ننتظره في هذه القرية. أي قرية زاوية أبي نعامة بأقبلي، كان الحجاج يجتمعون فيها من توات (من تيميمون إلى تيدكلت) ومن هناك يتكون الوفد متوجهين إلى الديار المقدسة. وقد ذكر الشيخ عبد الرحمن التنلاني المراحل التي يقطعها الحجاج من تنلان ثم من أقبلي إلى الديار المقدسة، كما هو مذكور في رحلته المنقولة في مؤلفنا "الغصن الداني" من (ص 60 - 71).
كما يوجد في قرية زاوية أبي نعامة أضرحة متعددة للكنتيين وللفلانين فالجد الأعلى لأبناء العالم مقبور بجوار الشيخ أبي نعامة، وكان يعرف بـ: سيدي محمد صاحب الشجرة.
وكان في القرية عالم كبير وهو الشيخ عبد الكريم بن التقي التنلاني، وهو من شيوخ الفلانيين، ذكره الشيخ حمزة في إجازاته، كان إماماً وقاضياً ولا زال أحفاده موجودين إلى الآن.
والكثير من المخطوطات المتواجدة في خزانة شيخ الركب الموجودة بزاوية أبي نعامة بقلم الفلانين، ويوجد في هذه الخزانة- أي خزانة شيخ الركب- قرابة مائتين وخمسين ما بين مخطوط ومطبوع، وقديم وجديد، وأغلب كتبها مخطوط.
ولقد كانت هذه الخزانة مهمشة وتحت جدر هشة، فقيض الله لها بعض المحسنين فأخرجها مما كانت فيه.
ومن كتابنا "قبيلة فلان" عند ذكر خزانة ساهل وما كانت تعيش فيه آنذاك من الوضعية السيئة: ونتمنى لها أن تحسن وضعيتها، وأن يزال عنها الغبار، وأن يمدها ذوو النية الحسنة بما يصلح شأنها، كما فعل الشيخ زعباط
আমরা এই গ্রামে তাঁর জন্য অপেক্ষা করতাম। অর্থাৎ আকবালির জাউইয়াত আবি নুয়ামা গ্রামে; এখানে তুয়াত (তিমিমুন থেকে তিদিকলত পর্যন্ত) অঞ্চল থেকে হাজীরা সমবেত হতেন এবং সেখান থেকেই পবিত্র ভূমির উদ্দেশ্যে কাফেলা গঠিত হতো। শেখ আব্দুর রহমান আত-তানলানি তানলান থেকে এবং পরবর্তীতে আকবালি থেকে পবিত্র ভূমি পর্যন্ত হাজীদের অতিক্রম করা পর্যায়গুলো উল্লেখ করেছেন, যা আমাদের রচিত "আল-গুসন আদ-দানি" (পৃষ্ঠা ৬০-৭১) গ্রন্থে তাঁর সফরনামায় উদ্ধৃত করা হয়েছে।
জাউইয়াত আবি নুয়ামা গ্রামে কুন্তি ও ফুলানি গোত্রীয়দের একাধিক মাজার রয়েছে। আল-আলিম সন্তানদের উর্ধ্বতন পূর্বপুরুষ শেখ আবি নুয়ামার পাশেই সমাহিত আছেন, তিনি 'সিদি মুহাম্মদ সাহিবুশ শাজারা' নামে পরিচিত ছিলেন।
এই গ্রামে একজন মহান আলেম ছিলেন, তিনি হলেন শেখ আব্দুল করিম বিন আত-তাকি আত-তানলানি। তিনি ফুলানিদের অন্যতম শায়খ ছিলেন, শেখ হামজা তাঁর ইজাজতনামায় তাঁর উল্লেখ করেছেন। তিনি ইমাম ও কাজী ছিলেন এবং তাঁর বংশধররা এখনও বর্তমান রয়েছেন।
জাউইয়াত আবি নুয়ামায় অবস্থিত 'শাইখুর রাকিব' গ্রন্থাগারের অনেক পাণ্ডুলিপিই ফুলানিদের হাতে লেখা। শাইখুর রাকিবের এই গ্রন্থাগারে পাণ্ডুলিপি ও মুদ্রিত, পুরাতন ও নতুন মিলিয়ে প্রায় দুইশত পঞ্চাশটি বই রয়েছে এবং এর অধিকাংশ বই-ই পাণ্ডুলিপি।
এই গ্রন্থাগারটি অবহেলিত এবং জরাজীর্ণ দেয়ালের নিচে পড়ে ছিল। অতঃপর আল্লাহ কিছু হিতাকাঙ্ক্ষী ব্যক্তির ব্যবস্থা করে দিলেন, যারা একে এই অবস্থা থেকে উদ্ধার করেছেন।
আমাদের লিখিত "কাবালাতু ফুলান" গ্রন্থে সাহিল গ্রন্থাগারের তৎকালীন শোচনীয় অবস্থার বর্ণনায় আমরা বলেছি: আমরা আশা করি এর অবস্থার উন্নতি হবে, এর উপর থেকে ধুলিকণা অপসারিত হবে এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা এর সংস্কারে এমনভাবে এগিয়ে আসবেন যেভাবে শেখ জাবাত করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ২৫)
من ورقلة لمكتبة شيخ الركب عقباوي بزاوية أقبلي، ولقد بقيت المخطوطات ردحاً من الزمان في إهمال وطعمة للأرضة- دابة الأرض- فبنى لها الشيخ زعباط وأنقذها من الوضعية الرديئة التي عاشتها زمناً طويلاً.
وبمناسبة تدشينها قلت وأنا العبد الضعيف محمد باي بن محمد عبد القادر بلعالم الفلاني الأبيات التالية:
بشرى لمكتبة العلوم بثوبها
… ثوب الصيانة والعناية والبها
قد زال عنك يا خزانة علمنا
… ثوب الغبار والتهمش والدها
فالأرضة الخرساء شل جبينها
… والغبرة انقشع الغبار غبارها
خزانة العقباوي بان كنزها
… والباحث المجد يجني ثمارها
والزائر الملم في جنباتها
… يرى الأمور تغيرت عن حالها
يرى الخزانة والرفوف نظمت
… ويرى النظافة جاء دور حياتها
ويرى اعتناء المحسنين بشأنها
… أهل المحبة للعلوم وكنزها
وترى قوافل المدارس كلها
… ما خلف الأسلاف لأحفادها
بشرى لمن صان الخزانة سابقاً
… ولمن بنى بشرى بنيل ثوابها
والله يعطي الشيخ ما أراده
… ويجازه الحسنى وخير جزائها
والحمد لله الموفق عبده
… لفعل هذا الخير في بنيانها
ثم الصلاة على النبي وآله
… مع السلام والتحية تتلها
انتهى من كتابنا "قبيلة فلان في الماضي والحاضر".
উয়ারকলা থেকে আকবালি জাউইয়ার শাইখুর রাকিব উকবাউয়ি-এর গ্রন্থাগারে। পাণ্ডুলিপিগুলো দীর্ঘ সময় ধরে অবহেলায় পড়ে ছিল এবং উইপোকার—মাটির পোকা—খাদ্যে পরিণত হয়েছিল। অতঃপর শাইখ জাববাত এর জন্য একটি ভবন নির্মাণ করেন এবং সেগুলোকে সেই শোচনীয় অবস্থা থেকে উদ্ধার করেন, যাতে সেগুলো দীর্ঘকাল অতিবাহিত করেছিল।
এর উদ্বোধন উপলক্ষে আমি, অধম বান্দা মুহাম্মদ বাই বিন মুহাম্মদ আবদুল কাদির বিলআলিম আল-ফুলানি, নিম্নলিখিত চরণগুলো বলেছি:
সুসংবাদ জ্ঞান-গ্রন্থাগারের জন্য তার নতুন আবরণে
… রক্ষণাবেক্ষণ, যত্ন এবং সৌন্দর্যের আবরণে
হে আমাদের জ্ঞানের ভাণ্ডার! তোমার থেকে দূর হয়েছে
… ধূলিকণা, অবহেলা এবং মলিনতার আবরণ
বোবা উইপোকার কপাল পঙ্গু হয়ে গেছে
… আর ধুলোর আস্তরণ ও তার ধূলিকণা অপসারিত হয়েছে
উকবাউয়ি ভাণ্ডারের সম্পদ এখন দৃশ্যমান
… আর পরিশ্রমী গবেষক এর ফল আহরণ করবে
এর চারপাশ পরিভ্রমণকারী দর্শনার্থী
… দেখবে যে পরিস্থিতি পূর্বের অবস্থা থেকে বদলে গেছে
সে দেখবে ভাণ্ডার ও তাকগুলো সুসজ্জিত হয়েছে
… এবং পরিচ্ছন্নতা তার জীবনের নতুন অধ্যায় হয়ে ফিরে এসেছে
সে দেখবে এর প্রতি হিতৈষীদের মনোযোগ
… যারা ইলম এবং তার ভাণ্ডারের প্রতি ভালোবাসা পোষণকারী
আর তুমি দেখবে মাদরাসার সকল কাফেলা
… পূর্বসূরিরা উত্তরসূরিদের জন্য যা রেখে গেছেন তা অবলোকন করছে
সুসংবাদ তাদের জন্য যারা পূর্বে এই ভাণ্ডার রক্ষা করেছেন
… আর সুসংবাদ এর নির্মাতা ও সওয়াব অর্জনকারীর জন্য
আল্লাহ শাইখকে তার অভীষ্ট দান করুন
… এবং তাকে সর্বোত্তম ও কল্যাণকর প্রতিদান দিন
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি তাঁর বান্দাকে তাওফিক দিয়েছেন
… এর নির্মাণে এই পুণ্যকর্মটি করার জন্য
অতঃপর নবী ও তাঁর পরিবারের প্রতি সালাত
… সাথে সালাম ও অভিবাদন পেশ করছি
আমাদের গ্রন্থ "অতীত ও বর্তমানে ফুলান গোত্র" থেকে সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ২৬)
الفُلَاّنيون في قرية المنصور:ومن القرى التي يتواجد بها الفُلَاّنيون قرية المنصور التي كانت تعرف في الزمن القديم بـ "دابدر". وهكذا سماها الشيخ عبد الرحمن بن عمر التنلاني في رحلته للحج، وكان هذا الاسم يطلق على منطقة أقبلي، وهو اسم لبئر كان في المنصور.
وسكان هذه القرية كما سبق من قبائل شتى، ومن أول المؤسسين لها أولاد أوبكي أخوال أولاد الحاج أحمد بن محمد مالك الفلاني، وأولاد الحاج علي الأنصاري.
وفي أركشاش والمنصور كان نزول قوافل الطوارق من صحراء مالي والنيجر في زمن الشتاء، وكانت تلك القرى شبه سوق للغنم واللحم وكل ما يجلب من ناحية أزواد؛ لأنها المحطة الأولى في الطريق الرابط بين الصحراء الجنوبية وتوات، فعلى أقبلي الدخول وعليها الخروج.
وكان رجال يعرفون بالسماسرة ويعرفون اللغة البربرية يتوسطون بين الطوارق والمواطنين، ونسأل الله تعالى أن يسامحهم على بعض التجاوزات التي كانوا يرتكبونها خلال توسطهم بين القوافل والمواطنين.
الفُلَاّنيون في قرية أركشاش:ومن القرى المجاورة لقرية ساهل قرية أركشاش، والتي تقدم ذكر قبائلها شأنها شأن قرية ساهل الفلانية في التخطيط والسكنى والفلاحة والمياه، وكانت فيها قصبة تعرف بقصبة العرب. وكان يسكنها شرفاء من
মনসুর গ্রামের ফুলানিগণ:যে সকল গ্রামে ফুলানিরা বসবাস করেন, তার মধ্যে অন্যতম হলো মনসুর গ্রাম, যা প্রাচীনকালে "দাবদার" নামে পরিচিত ছিল। শেখ আব্দুর রহমান বিন উমর আত-তানলানি তাঁর হজের সফরে একে এই নামেই অভিহিত করেছেন। আর এই নামটি আকবালি অঞ্চলের ওপর প্রয়োগ করা হতো, যা মূলত মনসুরে অবস্থিত একটি কূপের নাম ছিল।
পূর্বে যেমন উল্লিখিত হয়েছে, এই গ্রামের অধিবাসীগণ বিভিন্ন গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। এর প্রাথমিক প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে ছিলেন আওলাদে আওবাকি—যারা আল-হাজ্জ আহমদ বিন মুহাম্মদ মালিক আল-ফুলানির সন্তানদের মামা ছিলেন—এবং আল-হাজ্জ আলী আল-আনসারির বংশধরগণ।
শীতকালে মালি ও নাইজারের মরুভূমি থেকে আগত তুয়ারেগ কাফেলাগুলো আরকাশাশ ও মনসুর গ্রামে অবস্থান করত। এই গ্রামগুলো ছিল ভেড়া, গোশত এবং আজাওয়াদ অঞ্চল থেকে আনীত সকল পণ্যের এক প্রকার বাজারের মতো; কারণ এটি ছিল দক্ষিণ মরুভূমি ও তুয়াত অঞ্চলের সংযোগকারী পথের প্রথম বিরতিস্থল। ফলে আকবালির মাধ্যমেই প্রবেশ ও প্রস্থান সম্পন্ন হতো।
সেখানে দালাল হিসেবে পরিচিত একদল লোক ছিলেন যারা বারবারি ভাষা জানতেন এবং তারা তুয়ারেগ ও স্থানীয় নাগরিকদের মধ্যে মধ্যস্থতা করতেন। আমরা মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি যেন তিনি কাফেলা ও নাগরিকদের মাঝে মধ্যস্থতা করার সময় তাদের কৃত কিছু অন্যায়ের জন্য তাদের ক্ষমা করে দেন।
আরকাশাশ গ্রামের ফুলানিগণ:সাহিল গ্রামের নিকটবর্তী গ্রামগুলোর মধ্যে একটি হলো আরকাশাশ গ্রাম। এই গ্রামের গোত্রসমূহের কথা আগেই আলোচিত হয়েছে; পরিকল্পনা, আবাসন, কৃষি ও পানির ক্ষেত্রে এটি ফুলানি অধ্যুষিত সাহিল গ্রামের অনুরূপ ছিল। সেখানে একটি কাসবা (দুর্গ) ছিল যা 'কাসবাতুল আরব' নামে পরিচিত ছিল। সেখানে একদল শরীফ (বংশীয় মর্যাদাবান) বসবাস করতেন যারা...
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ২৭)
أولاد مولاي عمر البريشي "منهم الشيخ السيد بريشي" مولاي أحمد البريشي كان واسطة بين علماء أزواد آل الشيخ الكنتي، وعلماء توات، وخصوصاً علماء ساهل، وكان ينسخ مؤلفات شيوخ أزواد، وينشرها في توات والهقار توفي رحمه الله في أواخر الستينات من القرن الرابع عشر للهجرة تغمده الله برحمته وأسكنه فسيح جنته. انتهى من كتابنا "الرحلة العلية إلى منطقة توات الجزء الثاني ص: 572".
ومن بين سكان أركشاش أولاد سيدي محمد علي منصوري، ومنهم الأحياء ومنهم الأموات، ولقد ذكرنا في كتابنا الرحلة العلية ص: 419 - 420 أحد أفراد هذه العائلة وهو الحاج محمد علي، كما يوجد فيها قصبة "تفركرك " موقع المسجد، ويحتفظ في مسجدها بمصحف مخطوط قديم كُتب بطريقة جيدة، وهو أقدم مصحف يوجد في هذه المناطق، يرجع تاريخ نسخه إلى سنة 872 هـ بقلم إسماعيل بن أحمد بن حسن الأزهري، وعدد صفحاته 480 صفحة، ويوجد عليه ختم الطام أبو سعيد تمرنغا.
الفُلَاّنيون في دائرة أولف:وهي دائرة تشتمل على أربع بلديات، وهي من دوائر ولاية أدرار، التي هي الولاية الأولى في القطر الجزائري الذي يشتمل على 48 ولاية، وهي من منطقة تيدكلت، وفي السابق كانت تابعة لولاية الواحات، وكانت بلدية من بلديات دائرة عين صالح، وفي سنة 1975 م وقع التقسيم الإداري، وبموجبه التحقت أولف بدائرة رقان، وتم تكوينها دائرة في سنة 1985 م، لما وقع التقسيم الإداري مرة أخرى، وهي تبعد عن مقر الولاية
মাওলাই ওমর আল-বারিশির সন্তানগণ "তাদের মধ্যে শেখ সাইয়্যেদ বারিশি অন্যতম", মাওলাই আহমদ আল-বারিশি আযওয়াদ অঞ্চলের শেখ আল-কুনতি বংশীয় আলেম এবং তুয়াত অঞ্চলের আলেমদের মাঝে, বিশেষ করে সাহেল অঞ্চলের আলেমদের মাঝে সংযোগসূত্র ছিলেন। তিনি আযওয়াদের শায়খদের রচনাবলি অনুলিপি করতেন এবং সেগুলো তুয়াত ও হাগ্কারে প্রচার করতেন। তিনি হিজরি চতুর্দশ শতাব্দীর ষাটের দশকের শেষভাগে মৃত্যুবরণ করেন—আল্লাহ তাকে নিজ রহমতে সিক্ত করুন এবং জান্নাতুল ফিরদাউসে স্থান দান করুন। আমাদের গ্রন্থ "আর-রিহলাতুল আলিয়্যাহ ইলা মানতিকাতি তুয়াত", দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৫৭২ থেকে সমাপ্ত।
আরকাশাশের অধিবাসীদের মধ্যে রয়েছেন সিদি মুহাম্মদ আলী মানসুরির বংশধরগণ, যাদের মধ্যে কেউ জীবিত এবং কেউ মৃত। আমরা আমাদের গ্রন্থ 'আর-রিহলাতুল আলিয়্যাহ' এর ৪১৯-৪২০ পৃষ্ঠায় এই পরিবারের একজন সদস্য আল-হাজ্জ মুহাম্মদ আলীর কথা উল্লেখ করেছি। সেখানে 'তাফরাকরাক' নামক একটি কাসবাহ (দুর্গ) রয়েছে যেখানে মসজিদটি অবস্থিত। সেই মসজিদে একটি অত্যন্ত চমৎকারভাবে লিখিত প্রাচীন হাতে লেখা মুসহাফ সংরক্ষিত আছে। এটি এই অঞ্চলের প্রাচীনতম মুসহাফ। এর অনুলিপি করার ইতিহাস হিজরি ৮৭২ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত, যা ইসমাইল বিন আহমদ বিন হাসান আল-আযহারীর কলমে লিখিত। এর পৃষ্ঠাসংখ্যা ৪৮০ এবং এতে আবু সাঈদ তামানরাগার সীলমোহর রয়েছে।
আওলিফ জেলায় ফুলানিগণ:এটি চারটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত একটি জেলা। এটি আদরার প্রদেশের জেলাসমূহের অন্তর্ভুক্ত, যা আলজেরিয়ার ৪৮টি প্রদেশের মধ্যে প্রথম প্রদেশ। এটি তিদিকিলত অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। পূর্বে এটি ওয়াহাত প্রদেশের অধীনস্থ ছিল এবং ইন-সালেহ জেলার একটি পৌরসভা ছিল। ১৯৭৫ সালে প্রশাসনিক বিভাজন ঘটলে আওলিফ রাক্কান জেলার অন্তর্ভুক্ত হয়। এরপর ১৯৮৫ সালে পুনরায় প্রশাসনিক বিভাজন হলে এটি একটি স্বতন্ত্র জেলা হিসেবে গঠিত হয়। এটি প্রাদেশিক সদর দপ্তর থেকে...
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ২৮)
حسب الطريق المعبد المار على قصور توات بمائتين وأربعين كم، وتكونت فيها أربع بلديات: أولف، تمقطن، تيط، أقبلي، وتشتمل على 24536 كلم 2.
وفي المدة الأخيرة قام أحد أبنائها وهو الدكتور عبد المجيد قدي بدراسة تاريخية ثقافية واجتماعية سمي البحث: "صفحات مشرفة من تاريخ أولف العريقة"، تعرض فيه لتسميتها، وموقعها الجغرافي، وتكوينها، وتأسيسها، وسكانها، وتوزيعهم، ولغتهم. كما أنه تعرض لعلاقة المنطقة بأوربا، ولدخول الفرنسيين للمنطقة، ووقائع الاحتلال والمقاومة، وتعرض كذلك للحياة الاقتصادية باختصار، وركز نظام الري التقليدي على الفقاقير، ولم يهمل ثقافة الفقاقير ومشتقاتها ودورها وتاريخ تأسيسها ووضع جدولاً لنشاطاتها وحدده ما بين (1904 - 190 م) وبين في الجدول الفقاقير النشيطة والفقاقير المضمحلة.
فمنطقة أولف توجد في تيدكلت كما سبق وتشتمل على أربع بلديات وتيدكلت تطلق على المنطقة التي تبدأ شرقاً من فقارة الزوي من دائرة عين صالح، وتنتهي إلى بلدية تيمقطن بأولف، ومعنى تيدكلت بالبربرية "الكف المبسوط"، ابتداء تيدكلت من انتهاء هضبة تادمايت في الشرق الشمالي بين خطي العرض (28 - 30) و (27 - 30) شمالاً، وخطي الطول (0 - 30) شرقاً و (1 - 30) غرباً بعلو فوق سطح البحر يقدر بـ (290 م 4). وسكانها يتألفون من قبائل متعددة نزحوا لها من شمال الوطن وغربه وشرقه ومن إفريقيا السوداء.
فبلدية تيمقطن تقدم لنا ذكر قبائلها المتعددة في قصور أربعة بأولف الوسط يتألف سكانها من: أولاد زنان وأولاد النون ومن الشرفاء أولاد
তুয়াত প্রাসাদের ওপর দিয়ে অতিক্রমকারী পাকা রাস্তা অনুযায়ী এর দূরত্ব দুইশত চল্লিশ কিলোমিটার এবং এতে চারটি পৌরসভা গঠিত হয়েছে: আউলেফ, তিমাকতেন, তিত এবং আকবলি। এটি ২৪,৫৩৬ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
সাম্প্রতিক সময়ে এই অঞ্চলেরই এক কৃতি সন্তান ডক্টর আব্দুল মাজীদ কুদি একটি ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক অধ্যয়ন সম্পন্ন করেছেন। গবেষণাপত্রটির শিরোনাম হলো: "ঐতিহ্যবাহী আউলেফের ইতিহাসের উজ্জ্বল পাতাসমূহ"। এতে তিনি এর নামকরণ, ভৌগোলিক অবস্থান, গঠন, প্রতিষ্ঠা, অধিবাসী, তাদের বণ্টন এবং ভাষার ওপর আলোকপাত করেছেন। এছাড়াও তিনি ইউরোপের সাথে এই অঞ্চলের সম্পর্ক, ফরাসিদের এ অঞ্চলে প্রবেশ, দখলদারিত্ব ও প্রতিরোধের ঘটনাপ্রবাহ বর্ণনা করেছেন। তেমনিভাবে তিনি সংক্ষেপে অর্থনৈতিক জীবনের ওপরও আলোচনা করেছেন এবং ঐতিহ্যবাহী সেচ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে ফাক্কাকীর (প্রাচীন ভূগর্ভস্থ নালা) পদ্ধতির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি ফাক্কাকীর সংস্কৃতি, এর আনুষঙ্গিক বিষয়াদি, ভূমিকা এবং প্রতিষ্ঠার ইতিহাসকেও উপেক্ষা করেননি। তিনি এর কার্যক্রমের একটি সময়সূচী প্রদান করেছেন যা ১৯০৪ থেকে ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দের মধ্যবর্তী সময়কালকে নির্দেশ করে এবং উক্ত তালিকায় সক্রিয় ও বিলুপ্তপ্রায় ফাক্কাকীরগুলো তুলে ধরেছেন।
আউলেফ অঞ্চলটি তিদিকিলতে অবস্থিত, যা ইতিপূর্বেও উল্লেখ করা হয়েছে। এটি চারটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। তিদিকিলত নামটি সেই অঞ্চলটিকে বোঝায় যা পূর্বে আইন সলেহ জেলার ফাক্কারাত আল-যাউয়ি থেকে শুরু হয়ে আউলেফের তিমাকতেন পৌরসভায় গিয়ে শেষ হয়েছে। বারবার ভাষায় তিদিকিলত শব্দের অর্থ হলো "উন্মুক্ত হাতের তালু"। তিদিকিলতের সূচনা হয়েছে উত্তর-পূর্ব দিকে তাদাইমাইত মালভূমির শেষ প্রান্ত থেকে, যা উত্তর অক্ষাংশ (২৮ - ৩০) ও (২৭ - ৩০) এবং পূর্ব দ্রাঘিমাংশ (০ - ৩০) ও পশ্চিম দ্রাঘিমাংশ (১ - ৩০) এর মধ্যে অবস্থিত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা প্রায় ২৯০ মিটার। এখানকার অধিবাসীরা বিভিন্ন গোত্রের সমন্বয়ে গঠিত, যারা দেশের উত্তর, পশ্চিম, পূর্ব এবং কৃষ্ণাঙ্গ আফ্রিকা থেকে এখানে হিজরত করে এসেছেন।
তিমাকতেন পৌরসভা মধ্য আউলেফের চারটি প্রাসাদে বসবাসরত এর বিভিন্ন গোত্রসমূহের বিবরণ প্রদান করে। এখানকার অধিবাসীরা আওলাদ যানান, আওলাদ আল-নূন এবং শরীফ বংশীয় আওলাদ...
(খণ্ড: ১)
ইরশাদুল হায়ির ইলা মারিফাতি কাবীলাতি ফুলান ফী জানুবিল জাযায়ির
(পৃষ্ঠা: ২৯)
الرقاني وأولاد البريشي منهم (باقلاب) وشرفاء من تيمي منهم أولاد الدولة وأولاد بن مولاي وأولاد حمودة وأولاد نايل، وأولاد عباسي، وأولاد جعفري، والبرامكة، وأولاد دحاج، وقبيلة من الأنصار، وشرائح من توات، وأولاد القرافي، وأولاد سيد الحاج حفصي، وأولاد ملايخاف، وشرائح من واد سوف، وكذلك شرائح من تيط، وشرائح من الشعانبة، والشواودة، وأولاد الطالب على بختي، وأولاد صمادي، وأولاد الفزاري، وأولاد بنيان، وأولاد دحان، وأولاد بوكار، وأولاد بوكادي، وأولاد ابليلة وأولاد قدي، وأولاد الطالب مسعود، وأولاد حبادي، وأولاد حامد لمين، وأولاد سنبير، وطوائف من إفريقيا، وطوارق، والبرابرة، وشرائح من الأغواط والبيض وبطن من قبيلة فلان.
أسماء قرى أولف:زاوية حينون- قصبة بلال- عمنات- قصبة ميخاف- الركينة- اجديد- تقراف- قصبة حبادات.
وأولف الوسط هي البلدية الأم بالنسبة لبلديات دائرة أولف وهي المركز الرئيس لإدارة الاستعمار البائد أي مقر الحكام العسكريين الفرنسيين المستعمريين.
أما بلدية تيمقطن وتيط فلا يوجد بها أي بطن من فلان فلا داعي لذكرها في هذا الموضوع وستأتي الإشارة لهما فيما بعد.
ومن المناطق التي بها بطون من فلان تيمادنين.
রাক্কানি এবং আল-বারিশি-এর সন্তানগণ, তাদের মধ্যে রয়েছে (বাকলাব), এবং তিমির শরীফগণ, তাদের মধ্যে আওলাদে দাওলা, আওলাদে বিন মাওলাই, আওলাদে হামুদা, আওলাদে নায়েল, আওলাদে আব্বাসি, আওলাদে জাফরি, বারামিকা, আওলাদে দাহহাজ, আনসারদের একটি গোত্র, তুওয়াত-এর বিভিন্ন অংশ, আওলাদে কারাফি, আওলাদে সায়্যিদ আল-হাজ হাফসি, আওলাদে মুল্লা ইয়াকাফ, ওয়াদি সুফ-এর বিভিন্ন অংশ, এবং একইভাবে তিত-এর বিভিন্ন অংশ, শা'আনবা-এর অংশসমূহ, শাওয়াদা, আওলাদে তালিব আলি বখতি, আওলাদে সামাদি, আওলাদে ফাজারি, আওলাদে বুনইয়ান, আওলাদে দাহহান, আওলাদে বুকার, আওলাদে বুকাদি, আওলাদে ইবলিলা, আওলাদে কুদ্দি, আওলাদে তালিব মাসউদ, আওলাদে হাব্বাদি, আওলাদে হামিদ লামিন, আওলাদে সানবির, আফ্রিকার বিভিন্ন সম্প্রদায়, তুয়ারেগ, বারবার এবং আল-আঘওয়াত ও আল-বাইদ-এর কিছু অংশ এবং ফুলান গোত্রের একটি শাখা।
আউলাফ গ্রামগুলোর নাম:যাবিয়া হিনুন- কাসবা বিলাল- আমনাত- কাসবা মিকাফ- আর-রুকাইনা- ইজদিদ- তাকরাফ- কাসবা হাব্বাদাত।
মধ্য আউলাফ হলো আউলাফ সার্কেলের পৌরসভাগুলোর মধ্যে প্রধান পৌরসভা এবং এটি ছিল বিগত ঔপনিবেশিক শাসনের প্রধান কেন্দ্র, অর্থাৎ ফরাসি ঔপনিবেশিক সামরিক শাসকদের সদর দপ্তর।
পক্ষান্তরে তিমাকতান এবং তিত পৌরসভায় ফুলান গোত্রের কোনো শাখা নেই, তাই এই বিষয়ে সেগুলো উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই এবং পরবর্তীতে এগুলোর প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করা হবে।
আর যে অঞ্চলগুলোতে ফুলান গোত্রের শাখাগুলো রয়েছে তার মধ্যে তিমাদনিন অন্যতম।