(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: -)
فوائد أبي بكر القاسم المطرز وأماليه القسم: كتب السنة
الكتاب: فوائد أبي بكر القاسم المطرز وأماليه
المؤلف: أَبُو بَكْرٍ القَاسِمُ بنُ زَكَرِيَّا بنِ يَحْيَى البَغْدَادِيُّ، المَعْرُوْفُ: بِالمُطَرِّزِ (ت 305هـ)
دراسة وتحقيق: ناصر بن محمد المنيع
الناشر: دارالوطن للنش والتوزيع
الطبعة: الأولى، 1421 هـ - 2000 م
عدد الصفحات: 237
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবু বকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজের ফাওয়াইদ ও তার আমালি বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
গ্রন্থ: আবু বকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজের ফাওয়াইদ ও তার আমালি
লেখক: আবু বকর আল-কাসিম বিন জাকারিয়া বিন ইয়াহইয়া আল-বাগদাদি, সুপরিচিত: আল-মুতাররিজ হিসেবে (মৃত্যু ৩০৫ হিজরি)
গবেষণা ও তাহকিক: নাসির বিন মুহাম্মদ আল-মানি‘
প্রকাশক: দারুল ওয়াতান পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২১ হিজরি - ২০০০ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৩৭
[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মূল মুদ্রণের অনুরূপ]
শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: -)
الْجُزْءُ الأَوَّلُ مِنْ فَوَائِدِ أَبِي بَكْرٍ الْقَاسِمِ بْنِ زَكَرِيَّا الْمُطَرِّزِ، وَأَمَالِيهِ الْقَدِيمَةِ الْغَرَائِبِ الْحِسَانِ، مِمَّا رَوَاهُ عَنْهُ، أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ ، الْمَعْرُوفُ بِالزَّيَّاتِ.
رِوَايَةُ أَبِي مُحَمَّدٍ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْجَوْهَرِيِّ، عَنْهُ.
رِوَايَةُ الْقَاضِي أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْبَزَّارِ، عَنْهُ.
رِوَايَةُ أَبِي حَفْصٍ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْمَرِ بْنِ طَبَرْزَدَ الْبَغْدَادِيِّ، عَنْهُ.
أَلا كُلُّ شَيْءٍ مَا خَلا اللَّهَ بَاطِلٌ
… وَكُلُّ نَعِيمٍ لا مَحَالَةَ زَائِلٌ
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ وَمَا تَوْفِيقِي إِلا بِاللَّهِ
আবু বকর আল-কাসিম ইবনে যাকারিয়া আল-মুতাররিজ-এর ফাওয়াইদ (উপকারসমূহ) এবং তাঁর প্রাচীন, বিরল ও সুন্দর আমালি (শ্রুতিলিপি) থেকে সংকলিত প্রথম খণ্ড, যা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলি, যিনি আয-যায়্যাত নামে পরিচিত।
তাঁর থেকে আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে আলি ইবনে মুহাম্মদ আল-জাওহারির বর্ণনা।
তাঁর থেকে আল-কাদি আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাকি ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-বাযযার-এর বর্ণনা।
তাঁর থেকে আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মা’মার ইবনে তাবারযাদ আল-বাগদাদির বর্ণনা।
জেনে রেখো, আল্লাহ ছাড়া প্রতিটি বিষয়ই অসার
… এবং প্রতিটি নেয়ামত অবশ্যই নশ্বর।
পরম করুণাময় দয়ালু আল্লাহর নামে। আর আমার সাফল্য কেবল আল্লাহরই সাহায্যে।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٢٥)
أَخْبَرَكُمُ الشَّيْخُ أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْمَرِ بْنِ طَبَرْزَدَ الْمُؤَدِّبُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي الْبَزَّارُ، فَأَقَرَّ بِهِ، أنا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَوْهَرِيُّ، أنبا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الصَّيْرَفِيُّ الزَّيَّاتُ، ثنا أَبُو بَكْرٍ الْقَاسِمُ بْنُ زَكَرِيَّا بْنِ يَحْيَى الْمُقْرِئُ الْمُطَرِّزُ،
1 - ثنا مُوسَى بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمَسْرُوقِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ أَبُو نُشَيْطٍ، قَالا: ثنا مُؤَمَّلُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، ثنا سُفْيَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ، قَالَ: قُلْتُ: " يَا رَسُولَ اللَّهِ ، أَرْسِلُ
আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মা’মার ইবনে তাবারজাদ আল-মুয়াদ্দিব, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। তিনি বলেন: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল বাকি আল-বাযযার, অতঃপর তিনি তা স্বীকার করেছেন। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান ইবনে আলী আল-জাওহারী। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী আস-সায়রাফী আজ-যাইয়্যাত। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আল-কাসিম ইবনে যাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া আল-মুকরি আল-মুতাররিজ।
১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে আব্দুর রহমান আল-মাসরুকী এবং মুহাম্মাদ ইবনে হারুন আবু নুশাইত। তাঁরা উভয়ই বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুয়াম্মিল ইবনে ইসমাইল। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি আমাশ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি হাম্মাম ইবনে আল-হারিস থেকে, তিনি আদি ইবনে হাতিম থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আমি বললাম: "হে আল্লাহর রাসুল, আমি (শিকারি কুকুর) পাঠাই..."
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٢٦)
كَلْبِي الْمُعَلَّمَ؟ قَالَ: إِذَا أَرْسَلْتَ كَلْبَكَ الْمُكَلَّبَ وَذَكَرْتَ اسْمَ اللَّهِ فَكُلْ ، قُلْتُ: فَإِنْ قَتَلَ ، قَالَ: وَإِنْ قَتَلَ، مَا لَمْ يُشْرِكْهُ كَلْبٌ غَيْرُهُ ، قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ فَأَرْمِي بِالْمِعْرَاضِ فَخَزَقَ ، قَالَ: مَا خَزَقَ فَكُلْ، وَمَا أَصَابَ بِعَرْضِهِ فَلا تَأْكُلْ " ، مُدْرَجٌ عَلَى شُيُوخِ الْقَاسِمِ بْنِ زَكَرِيَّا الْمُطَرِّزِ
আমার প্রশিক্ষিত কুকুর? তিনি বললেন: যখন তুমি তোমার প্রশিক্ষিত কুকুর পাঠাবে এবং আল্লাহর নাম নেবে তখন তা ভক্ষণ করো। আমি বললাম: যদি সেটি (শিকারকে) মেরে ফেলে? তিনি বললেন: যদিও সেটি মেরে ফেলে, যতক্ষণ পর্যন্ত তার সাথে অন্য কোনো কুকুর শরিক না হয় অন্য কেউ। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমি মি'রাজ (এক প্রকার তূণহীন তীর) দিয়ে নিক্ষেপ করি এবং তা বিদ্ধ করে। তিনি বললেন: যা বিদ্ধ করে তা ভক্ষণ করো, আর যা পার্শ্বদেশের আঘাতে (চ্যাপ্টাভাবে) আঘাতপ্রাপ্ত হয় তা ভক্ষণ করো না।", এটি আল-কাসিম ইবনে জাকারিয়া আল-মুতাররিজ-এর উস্তাদগণের সূত্রের ওপর মুদরাজ।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٢٧)
2 - حَدَّثَنَا يُوسُفُ، ثنا أَبُو مُعَاوِيَةَ، وَحَدَّثَنَا الزَّعْفَرَانِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، قَالا: حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا أَرْسَلْتَ كَلْبَكَ وَسَمَّيْتَ، فَخَالَطَ كِلابًا أُخَرَ فَأَخَذْتُهُ جَمِيعًا فَلا تَأْكُلْ ، فَإِنَّكَ لا تَدْرِي أَيُّهَا أَخَذَهُ ، وَإِذَا رَمَيْتَ فَسَمَّيْتَ فَخَزَقْتَ فَكُلْ، وَإِنْ لَمْ تْخَزِقْ فَلا تَأْكُلْ، وَلا تَأْكُلْ مِنَ الْمِعْرَاضِ إِلا مَا ذَكَّيْتَ» ، وَقَالَ مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ: سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الْبُنْدُقَةِ فَقَالَ: " لا تَأْكُلْ إِلا مَا ذَكَّيْتَ ، قُلْتُ: فَإِنَّا نُرْسِلُ كِلابًا؟ قَالَ: كُلْ إِلا أَنْ يَكُونَ شَرَكَ مَعَهُمْ كِلابُ غَيْرِهِمْ ، قُلْتُ: الْمِعْرَاضُ؟ قَالَ: إِذَا خَزَقَ فَكُلْ "
২ - ইউসুফ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু মুআবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; এবং আয-যা’ফারানি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়েই বলেছেন: আমাশ আমাদের নিকট ইব্রাহিম থেকে, তিনি আদি ইবনে হাতিম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যখন তুমি তোমার কুকুর (শিকারের উদ্দেশ্যে) পাঠাবে এবং আল্লাহর নাম নেবে, অতঃপর তা যদি অন্য কুকুরের সাথে মিশে যায় এবং তারা একত্রে শিকারটি ধরে ফেলে, তবে তুমি তা খেয়ো না; কারণ তুমি জানো না তাদের মধ্যে কোনটি তা ধরেছে, আর যখন তুমি তীর নিক্ষেপ করবে এবং আল্লাহর নাম নেবে, অতঃপর যদি তা (শিকারকে) বিদ্ধ করে তবে খাও; আর যদি বিদ্ধ না করে তবে খেয়ো না। আর মি’রাজ (ভোঁতা তীর বা আড়াআড়িভাবে নিক্ষিপ্ত কাঠের আঘাত) হতে প্রাপ্ত শিকার খেয়ো না, যতক্ষণ না তুমি তা যবেহ করো।’ এবং মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ বর্ণনা করেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ‘বুন্দুকাহ’ (মাটির গুলির আঘাত) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি বললেন: "তুমি তা খেয়ো না যতক্ষণ না যবেহ করো।" আমি বললাম: আমরা তো কুকুর পাঠিয়ে থাকি? তিনি বললেন: "খাও, তবে যদি তাদের সাথে অন্য কোনো কুকুর শরিক না হয়ে থাকে।" আমি বললাম: মি’রাজ? তিনি বললেন: "যদি তা বিদ্ধ করে তবে খাও।"
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٢٨)
3 - حَدَّثَنَا الرَّمَادِيُ، ثَنَا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ مَهْدِيٍّ، قَالَ: سَمِعْتُ الثَّوْرِيَّ، يَقُولَ: حَدَّثُونِي عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ، فِي اللَّيْلِ، فَقُلْتُ عَنِ الأَعْمَشِ، فَقَالَ: إِنَّ هَذَا لَيْسَ مِنْ حَدِيثِهِ، قَالَ: مَا أَصْنَعُ بِمَا حَدَّثُونِي، يَقُولُونَ حَدَّثَنَا مَا رَوَاهُ عَنْكَ شُعْبَةُ، وَرَوَاهُ عَنْهُ الأَعْمَشُ.
قَالَ ابْنُ مَهْدِيٍّ: وَأَخْبَرَنِي الْحَسَنُ بْنُ عَيَّاشٍ ، أَخُو أَبِي بَكْرِ بْنِ عَيَّاشٍ،
৩ - আর-রামাদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে মাহদীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আস-সাওরীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: তারা আমার নিকট আল-আ'মাশ থেকে, তিনি ইব্রাহীম থেকে, তিনি আদি বিন হাতিম থেকে রাতের (বিষয়ক হাদীসটি) বর্ণনা করেছেন। তখন আমি বললাম: আল-আ'মাশ থেকে? তিনি (আস-সাওরী) বললেন: নিশ্চয়ই এটি তার হাদীসের অন্তর্ভুক্ত নয়। তিনি বললেন: তারা আমার নিকট যা বর্ণনা করেছেন তা নিয়ে আমি কী করব? তারা বলে: শু'বাহ আপনার থেকে যা বর্ণনা করেছেন তা তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আর আল-আ'মাশ তাঁর থেকে তা বর্ণনা করেছেন।
ইবনে মাহদী বলেন: এবং আল-হাসান বিন আইয়াশ, যিনি আবু বকর বিন আইয়াশ-এর ভাই, তিনি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٢٩)
قَالَ: كُنَّا نَأْتِي سُفْيَانَ الثَّوْرِيَّ إِذَا سَمِعْنَا مِنَ الأَعْمَشِ بِالْعَشِيِّ، فَنَعْرِضُهَا عَلَيْهِ، فَيَقُولُ: هَذَا مِنْ حَدِيثِهِ، وَهَذَا لَيْسَ مِنْ حَدِيثِهِ.
مِنْ حَدِيثِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها.
4 - حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، وَابْنُ الْمُثَنَّى، وَيُوسُفُ، وَيَعْقُوبُ، وَالزَّعْفَرَانِيُّ، قَالُوا: ثنا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ هَمَّامٍ، قَالَ:
نَزَلَ بِعَائِشَةَ ضَيْفٌ، فَأَمَرْتُ لَهُ بِمِلْحَفَةٍ لَهَا فَنَامَ فِيهَا، فَاحْتَلَمَ فِيهَا، فَاسْتَحْيَا أَنْ يُرْسِلَ بِهَا وَفِيهَا أَثَرُ الاحْتِلامِ، فَغَمَسَهَا فِي الْمَاءِ، ثُمَّ أَرْسَلَ بِهَا، فَقَالَتْ عَائِشَةُ: «لِمَ أَفْسَدَ عَلَيْنَا ثَوْبَنَا؟ إِنَّمَا كَانَ يَكْفِيهِ أَنْ يَفْرُكَهُ بِأَصَابِعِهِ، وَلَرُبَّمَا فَرَكْتُهُ مِنْ
তিনি বললেন: আমরা যখন সন্ধ্যায় আমাশের নিকট থেকে হাদিস শুনতাম, তখন সুফিয়ান সাওরির কাছে আসতাম এবং তা তাঁর নিকট পেশ করতাম। তখন তিনি বলতেন: এটি তাঁর হাদিস, আর এটি তাঁর হাদিস নয়।
ইবরাহিমের হাদিস থেকে, তিনি হাম্মাম ইবনুল হারিস থেকে, তিনি আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেছেন।
৪ - আবু কুরাইব, ইবনুল মুসান্না, ইউসুফ, ইয়াকুব এবং যাফরানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেছেন: আবু মুআবিয়া আমাদের নিকট আমাশ থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি হাম্মাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
আয়েশার নিকট এক মেহমান আসলেন, তিনি তাঁকে নিজের একটি চাদর দেওয়ার নির্দেশ দিলেন। মেহমান তাতে ঘুমালেন এবং তাঁর স্বপ্নদোষ হলো। তিনি চাদরটি ফেরত পাঠাতে লজ্জা পেলেন যেহেতু তাতে স্বপ্নদোষের চিহ্ন লেগে ছিল। এরপর তিনি তা পানিতে চুবালেন এবং তা ফেরত পাঠালেন। আয়েশা বললেন: "তিনি কেন আমাদের কাপড়টি নষ্ট করলেন? তাঁর জন্য তো এটুকুই যথেষ্ট ছিল যে তিনি তা নিজের আঙুল দিয়ে খুঁটে ফেলবেন। অনেক সময় আমি তা খুঁটে ফেলতাম..."
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٣٠)
ثَوْبِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم»
আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পোশাক»
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٣١)
5 - حَدَّثَنَا مُجَاهِدُ بْنُ مُوسَى، ثنا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ، ثنا الأَعْمَشُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ هَمَّامٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «كُنْتُ أَرَاهُ عَلَى ثَوْبِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَأَفْرُكُهُ» ، تَعْنِي الْمَنِيَّ
6 - حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، ثنا أَبُو أُسَامَةَ، وَثنا ابْنُ مَنِيعٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، وَثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعِيدٍ، ثنا ابْنُ نُمَيْرٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ هَمَّامٍ، عَنْ َ عَائِشَةَ مِثْلِهِ.
إِلا أَنَّ أَبَا أُسَامَةَ قَالَ: قَالَتْ «لَقَدْ رَأَيْتُنِي أَحُتُّهُ مِنْ ثَوْبِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم» .
وَقَالَ ابْنُ نُمَيْرٍ: «رُبَّمَا رَأَيْتُ الْمَنِيَّ مِنْهُ فِي ثَوْبِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَحَكَكْتُ عَنْهُ»
مِنْ حَدِيثِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ هَمَّامٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُرَحْبِيلَ.
7 - حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، وَالزَّعْفَرَانِيُّ، قَالا: ثنا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ هَمَّامٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُرَحْبِيلَ، قَالَ: جَاءَ مَعْقِلٌ الْمُزَنِيُّ إِلَى
৫ - মুজাহিদ ইবন মূসা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ আল-কাত্তান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আল-আমাশ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইবরাহীম থেকে, তিনি হাম্মাম থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «আমি তা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাপড়ে দেখতে পেতাম, অতঃপর আমি তা ঘষে পরিষ্কার করতাম», অর্থাৎ বীর্য।
৬ - আবু কুরাইব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু উসামা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন; এবং ইবন মানী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবন উবাইদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন; এবং ইবরাহীম ইবন সাঈদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইবন নুমাইর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আল-আমাশ থেকে, তিনি ইবরাহীম থেকে, তিনি হাম্মাম থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
তবে আবু উসামা বলেছেন যে, আয়েশা (রা.) বলেছেন: «আমি নিজেকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাপড় থেকে তা চেঁছে ফেলতে দেখেছি»।
ইবন নুমাইর বলেছেন: «মাঝে মাঝে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাপড়ে বীর্য দেখতে পেতাম, অতঃপর আমি তা খুঁটে ফেলতাম»
ইবরাহীমের সূত্রে হাম্মাম থেকে, তিনি আমর ইবন শুরাহবীল থেকে বর্ণিত হাদিস হতে।
৭ - আবু কুরাইব এবং আল-জাফরানি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আবু মুআবিয়া আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আল-আমাশ থেকে, তিনি ইবরাহীম থেকে, তিনি হাম্মাম থেকে, তিনি আমর ইবন শুরাহবীল থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মাকিল আল-মুজানি আসলেন...
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٣٢)
عَبْدِ اللَّهِ، فَقَالَ: يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ إِنِّي حَرَّمْتِ فِرَاشِي ، فَقَالَ لَهُ عَبْدُ اللَّهِ: {يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لا تُحَرِّمُوا طَيِّبَاتِ مَا أَحَلَّ اللَّهُ لَكُمْ وَلا تَعْتَدُوا إِنَّ اللَّهَ لا يُحِبُّ الْمُعْتَدِينَ} [المائدة: 87] ، نَمْ وَكَفِّرْ ، فَقَالَ: أَيُّ الإِيمَانِ أَزْكَى؟ قَالَ: أَعْتِقْ رَقَبَةً "
আবদুল্লাহ্ থেকে বর্ণিত, অতঃপর তিনি বললেন: হে আবু আবদুর রহমান! নিশ্চয়ই আমি আমার জন্য আমার বিছানা হারাম করেছি। তখন আবদুল্লাহ্ তাঁকে বললেন: {হে মুমিনগণ, আল্লাহ তোমাদের জন্য যে সব চমৎকার বস্তু হালাল করেছেন, সেগুলোকে তোমরা হারাম করো না এবং সীমালঙ্ঘন করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদের ভালোবাসেন না} [আল-মায়িদাহ: ৮৭]। আপনি ঘুমান এবং কাফফারা প্রদান করুন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: কোন (দাস) মুক্ত করা অধিকতর বিশুদ্ধ? তিনি বললেন: একটি গর্দান (দাস) মুক্ত করুন।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٣٣)
8 - حَدَّثَنَا الرَّمَادِيُّ، ثنا يَزِيدُ بْنُ أَبِي حَكِيمٍ، ثنا سُفْيَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ هَمَّامٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُرَحْبِيلَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، مِثْلَ مَعْنَاهُ
مِنْ حَدِيثِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي مَعْمَرٍ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَخْبَرَةَ
9 - حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، وَابْنُ الْمُثَنَّى، وَيُوسُفُ، وَالزَّعْفَرَانِيُّ، قَالُوا: ثنا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي مَعْمَرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: "
انْشَقَّ الْقَمَرُ وَنَحْنُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: حَتَّى ذَهَبَ فِرْقَةٌ مِنْهُ خَلْفَ الْجَبَلِ ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: اشْهَدُوا "
৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আর-রাোমাদী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ বিন আবি হাকিম, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, আ’মাশ থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি হাম্মাম থেকে, তিনি আমর বিন শারাহবিল থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে, একই অর্থবোধক।
ইবরাহিমের বর্ণিত হাদীস থেকে, তিনি আবু মা’মার আবদুল্লাহ বিন সাখবারাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।
৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু কুরাইব, ইবনুল মুসান্না, ইউসুফ এবং আয-যাফরানী, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া, আ’মাশ থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি আবু মা’মার থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: “
চন্দ্র বিদীর্ণ হয়েছিল যখন আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম। তিনি বলেন: এমনকি তার এক অংশ পাহাড়ের পেছনে চলে গেল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমরা সাক্ষী থাকো।”
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٣٤)
10 - حَدَّثَنَا يُوسُفُ، ثنا أَبُو أُسَامَةَ، ثنا الأَعْمَشُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي مَعْمَرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: "
كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمَكَّةَ، فَانْشَقَّ الْقَمَرُ، فَرَفَعْتُ شُقَّةً وَرَاءَ الْجَبَلِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: اشْهَدُوا ، فَنَزَلَتْ: اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانْشَقَّ الْقَمَرُ " ،
11 - حَدَّثَنِي أَبُو شَيْبَةَ حَدَّثَنِي عَمِّي، ثنا أَبِي، ثنا الأَعْمَشُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، بِإِسْنَادِهِ مِثْلَهُ
12 - حَدَّثَنَا ابْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، ثنا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، وَثنا بِشْرُ بْنُ خَالِدٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، وَثنا بُنْدَارٌ، ثنا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، وَأَبُو دَاوُدَ، قَالُوا: ثنا شُعْبَةُ، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي مَعْمَرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، فِي هَذِهِ الآيَةِ: {اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانْشَقَّ الْقَمَرُ} [القمر: 1] ،
10 - ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু উসামা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আমাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম থেকে, তিনি আবু মা'মার থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "
আমরা মক্কায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম, তখন চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হলো। আমি এক অংশকে পাহাড়ের পেছনে দেখলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমরা সাক্ষী থাকো। এরপর নাযিল হলো: কিয়ামত নিকটবর্তী হয়েছে এবং চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়েছে।",
11 - আবু শায়বা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার চাচা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আমাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম থেকে, তাঁর সনদ অনুসারে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
12 - ইবনে আবদিল আলা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খালিদ ইবনুল হারিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং বিশর ইবনে খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং বুন্দার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবু আদি ও আবু দাউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা সকলে বলেছেন: শু'বা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি আবু মা'মার থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে এই আয়াতের বিষয়ে বর্ণনা করেছেন: {কিয়ামত নিকটবর্তী হয়েছে এবং চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়েছে} [আল-ক্বামার: ১] ,
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٣٥)
قَالَ: انْشَقَّ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِرْقَتَيْنِ أَوْ فَلْقَتَيْنِ ، شَكَّ شُعْبَةُ، وَكَانَ فِرْقَةً مِنْ وَرَاءِ الْجَبَلِ وَفِرْقَةً عَلَى الْجَبَلِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «اشْهَدُوا» ،
13 - وَحَدَّثَنِي أَبُو شَيْبَةَ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، ثنا شَيْبَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي مَعْمَرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، بِمِثْلِ مَعْنَاهُ
14 - حَدَّثَنَا ابْنُ زَنْجَوَيْهِ، ثنا مُسَدَّدٌ، ثنا يَحْيَى، عَنْ شُعْبَةَ، وَسُفْيَانَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي مَعْمَرٍ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: "
انْشَقَّ الْقَمَرُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِرْقَتَيْنِ: فِرْقَةً وَرَاءَ الْجَبَلِ وَفِرْقَةً دُونَهُ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: اشْهَدُوا "
15 - حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ
তিনি বললেন: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে চাঁদ দুই ভাগে বা দুই টুকরোয় বিদীর্ণ হয়েছিল, শো’বাহ এ বিষয়ে সন্দেহ পোষণ করেছেন। একটি ভাগ ছিল পাহাড়ের ওপারে এবং একটি ভাগ ছিল পাহাড়ের উপরে। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «তোমরা সাক্ষী থাকো»,
১৩ - এবং আমার নিকট আবু শাইবাহ হাদিস বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ বিন মুসা আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, শাইবান আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আ’মাশ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি আবু মা’মার থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ অর্থের হাদিস বর্ণনা করেছেন।
১৪ - ইবনে জানজুওয়াইহি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, মুসাদ্দাদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, শো’বাহ ও সুফিয়ান থেকে, তাঁরা আ’মাশ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি আবু মা’মার থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে চাঁদ দুই ভাগে বিদীর্ণ হয়েছিল: এক ভাগ পাহাড়ের ওপারে এবং এক ভাগ পাহাড়ের এপারে। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমরা সাক্ষী থাকো"
১৫ - আবু কুরাইব আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন ইদরিস আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আ’মাশ থেকে, তিনি...
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٣٦)
إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي مَعْمَرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ "
{أُولَئِكَ الَّذِينَ يَدْعُونَ يَبْتَغُونَ إِلَى رَبِّهِمُ الْوَسِيلَةَ أَيُّهُمْ أَقْرَبُ} [الإسراء: 57] ، قَالَ: كَانَ قَوْمٌ مِنَ الإِنْسِ يَعْبُدُونَ قَوْمًا مِنَ الْجِنِّ، فَأَسْلَمُوا، وَبَقِيَ الَّذِينَ كَانُوا يَعْبُدُونَهُمْ عَلَى عِبَادَتِهِمْ، فَقَالَ: {أُولَئِكَ الَّذِينَ يَدْعُونَ يَبْتَغُونَ إِلَى رَبِّهِمُ الْوَسِيلَةَ} [الإسراء: 57] "
16 - حَدَّثَنَا بُنْدَارٌ، وَابْنُ سِنَانٍ، قَالا: ثنا ابْنُ مَهْدِيٍّ، وَحَدَّثَنَا الْمَخْرَمِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سُفْيَانَ، ثنا الْفِيرْيَابِيُّ، كُلُّهُمْ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي مَعْمَرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ "
{قُلِ ادْعُوا الَّذِينَ زَعَمْتُمْ مِنْ دُونِهِ إِلَى قَوْلِهِ: أُولَئِكَ الَّذِينَ يَدْعُونَ يَبْتَغُونَ إِلَى رَبِّهِمُ الْوَسِيلَةَ أَيُّهُمْ أَقْرَبُ} [الإسراء: 56-57] ، قَالَ: كَانَ نَاسٌ مِنَ الإِنْسِ
ইব্রাহীম, আবু মা’মার থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন: "
{তারা যাদের আহ্বান করে, তারা নিজেরাই তো তাদের রবের নৈকট্য লাভের মাধ্যম অনুসন্ধান করে যে, তাদের মধ্যে কে কত নিকটতর} [আল-ইসরা: ৫৭]। তিনি বলেন: মানুষের মধ্য থেকে একটি দল জিনের একটি দলের ইবাদত করত। অতঃপর তারা (জিনরা) ইসলাম গ্রহণ করল, কিন্তু যারা তাদের ইবাদত করত তারা তাদের ইবাদতেই অটল রইল। তখন তিনি (আল্লাহ) বললেন: {তারা যাদের আহ্বান করে, তারা নিজেরাই তো তাদের রবের নৈকট্য লাভের মাধ্যম অনুসন্ধান করে} [আল-ইসরা: ৫৭]। "
১৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বুন্দার এবং ইবনু সিনান, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনু মাহদী; এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাখরামী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর; এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনু সুফইয়ান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফিরইয়াবী; তাঁরা সকলে সুফইয়ান থেকে, তিনি আমাশ থেকে, তিনি ইব্রাহীম থেকে, তিনি আবু মা’মার থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন: "
{বলুন: তোমরা আল্লাহ ব্যতীত যাদের (উপাস্য) মনে করো তাদের আহ্বান করো... তাঁর এই বাণী পর্যন্ত: তারা যাদের আহ্বান করে, তারা নিজেরাই তো তাদের রবের নৈকট্য লাভের মাধ্যম অনুসন্ধান করে যে, তাদের মধ্যে কে কত নিকটতর} [আল-ইসরা: ৫৬-৫৭]। তিনি বলেন: মানুষদের মধ্য থেকে কিছু লোক...
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٣٧)
يَعْبُدُونَ نَاسًا مِنَ الْجِنِّ، فَأَسْلَمَ الْجِنُّ وَتَمَسَّكَ الآخَرُونَ بِعِبَادَتِهِمْ، فَنَزَلَتْ: {قُلِ ادْعُوا الَّذِينَ زَعَمْتُمْ مِنْ دُونِهِ} [الإسراء: 56] "
17 - وَحَدَّثَنَا ابْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، وَأَبُو الأَشْعَثِ، قَالَ: ثنا خَالِدٌ، ثنا شُعْبَةُ، أَخْبَرَنِي سُلَيْمَانُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي مَعْمَرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، فِي قَوْلِهِ: "
{أُولَئِكَ الَّذِينَ يَدْعُونَ يَبْتَغُونَ إِلَى رَبِّهِمُ الْوَسِيلَةَ} [الإسراء: 57] ، قَالَ: نَاسٌ مِنَ الْجِنِّ أَسْلَمُوا "
তারা জিনদের কিছু লোকের ইবাদত করত, অতঃপর জিনেরা ইসলাম গ্রহণ করল কিন্তু অন্যরা তাদের ইবাদতেই লিপ্ত থাকল। তখন নাযিল হলো: {বলুন, তোমরা তাঁকে ছাড়া যাদের (উপাস্য) মনে করতে তাদের আহ্বান করো} [আল-ইসরা: ৫৬]
১৭ - এবং ইবনে আবদিল আ’লা ও আবুল আশ’আস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শু’বা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, ইব্রাহিম থেকে, তিনি আবু মা’মার থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন: "
{তারা যাদেরকে আহ্বান করে, তারা নিজেরাই তো তাদের রবের নৈকট্য লাভের মাধ্যম অন্বেষণ করে} [আল-ইসরা: ৫৭], তিনি বলেন: জিনদের কিছু লোক যারা ইসলাম গ্রহণ করেছিল।"
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٣٨)
18 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ السَّكَنِ، ثنا أَبُو زَيْدٍ النَّحْوِيُّ، ثنا قَيْسٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي مَعْمَرٍ، قَالَ: قَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ "
{أُولَئِكَ الَّذِينَ يَدْعُونَ يَبْتَغُونَ إِلَى رَبِّهِمُ الْوَسِيلَةَ أَيُّهُمْ أَقْرَبُ} [الإسراء: 57] ، قَالَ: كَانَ رِجَالٌ مِنَ الإِنْسِ يَعْبُدُونَ رِجَالا مِنَ الْجِنِّ، فَأَسْلَمَ الْجِنُّ وَبَقِيَتِ الإِنْسُ عَلَى عِبَادَتِهِمْ، فَقَالَ: {أُولَئِكَ الَّذِينَ يَدْعُونَ يَبْتَغُونَ إِلَى رَبِّهِمُ الْوَسِيلَةَ} [الإسراء: 57] "
مِنْ حَدِيثِ إِبْرَاهِيمَ عَنْ سَهْمِ بْنِ مُنْجَابٍ
19 - حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، وَيُوسُفَ، وَابْنُ الْمُثَنَّى، وَعَلِيُّ بْنُ مُسْلِمٍ، وَالزَّعْفَرَانِيُّ، قَالُوا: ثنا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ سَهْمِ بْنِ مُنْجَابٍ، عَنِ الْقَرْثَعِ، قَالَ: لَمَّا ثَقُلَ أَبُو مُوسَى صَاحَتِ امْرَأَتُهُ، فَقَالَ لَهَا: أَمَا عَلِمْتَ مَا قَالَ
১৮ - হাসান ইবনুল সাকান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু যায়িদ আন-নাহবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কায়স আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আ’মাশ থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি আবু মা’মার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ইবনে মাসউদ (রা.) বলেছেন: “
তারা যাদেরকে আহ্বান করে, তারা নিজেরাই তাদের রবের নিকট মাধ্যম (নৈকট্য লাভের উপায়) সন্ধান করে যে, তাদের মধ্যে কে অধিক নিকটবর্তী” [আল-ইসরা: ৫৭]। তিনি বলেন: একদল মানুষ একদল জিনের ইবাদত করত, অতঃপর সেই জিনেরা ইসলাম গ্রহণ করে, কিন্তু মানুষরা তাদের ইবাদতেই লিপ্ত থাকে। তখন নাজিল হয়: “তারা যাদেরকে আহ্বান করে, তারা নিজেরাই তাদের রবের নিকট মাধ্যম সন্ধান করে” [আল-ইসরা: ৫৭]।
ইবরাহিমের হাদিস হতে সাহম ইবনে মুনজাব-এর সূত্রে।
১৯ - আবু কুরাইব, ইউসুফ, ইবনুল মুসান্না, আলী ইবনে মুসলিম এবং যা’ফরানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আবু মুয়াবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আ’মাশ থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি সাহম ইবনে মুনজাব থেকে, তিনি আল-কারসা’ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন আবু মুসা (রা.)-এর অবস্থা সংকটাপন্ন হলো, তখন তাঁর স্ত্রী চিৎকার করে কেঁদে উঠলেন। তখন তিনি তাঁকে বললেন: তুমি কি জানো না তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কী বলেছেন?
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٣٩)
رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ قَالَتْ: بَلَى، وَسَكَتَتْ ، فَقِيلَ لَهَا بَعْدُ: أَيَّ شَيْءٍ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ قَالَتْ: «إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَعَنْ مَنْ حَلَقَ أَوْ سَلَقَ أَوْ خَرَقَ»
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম? তিনি বললেন: হ্যাঁ, এবং তিনি নীরব থাকলেন। এরপর তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কী বলেছিলেন? তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই ব্যক্তিকে অভিশাপ দিয়েছেন যে (বিপদে পড়ে) মাথা মুণ্ডন করে, উচ্চস্বরে বিলাপ করে অথবা কাপড় ছিঁড়ে ফেলে।»
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٤٠)
مِنْ حَدِيثِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَمْلاهُ عَلَيْنَا مِنْ كِتَابِهِ.
20 - حَدَّثَنِي وَاصِلُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، إِمْلاءً مِنْ كِتَابِهِ، ثنا ابْنُ فُضَيْلٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ بْنِ الْمُصْطَلِقِ، عَنْ زَيْنَبَ امْرَأَةِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَتْ: أَتَانَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَنَحْنُ فِي الْمَسْجِدِ، فَقَالَ: «يَا مَعْشَرَ النِّسَاءِ تَصَدَّقْنَ وَلَوْ مِنْ حُلِيِّكُنَّ» ، قَالَتْ: وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ
ইবরাহীমের বর্ণিত হাদীস হতে, আবু উবাইদাহ বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি এটি তাঁর কিতাব থেকে আমাদের নিকট ইমলা করিয়েছেন।
২০ - ওয়াসিল বিন আব্দুল আ'লা তাঁর কিতাব হতে ইমলার মাধ্যমে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন ফুযাইল আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আমাশ হতে, তিনি ইবরাহীম হতে, তিনি আবু উবাইদাহ হতে, তিনি আমর বিন আল-হারিস বিন আল-মুস্তালিক হতে এবং তিনি আব্দুল্লাহর স্ত্রী যায়নাব হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের নিকট আসলেন যখন আমরা মসজিদে ছিলাম, অতঃপর তিনি বললেন: «হে নারী সমাজ! তোমরা সদাকাহ করো, এমনকি তোমাদের অলঙ্কারাদি হতে হলেও», তিনি বলেন: আর আব্দুল্লাহ ছিলেন
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٤١)
رَجُلا خَفِيفَ ذَاتِ الْيَدِ، وَكُنْتُ أُنْفِقُ عَلَيْهِ وَعَلَى أَيْتَامٍ فِي حِجْرِي، فَقُلْتُ لِعَبْدِ اللَّهِ: يُجْزِئُ عَنِّي مِنَ الصَّدَقَةِ أَنْ أُنْفِقَ عَلَيْكَ وَعَلَى أَيْتَامٍ فِي حِجْرِي، فَقَالَ: ائْتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَاسْأَلِيهِ عَنْ ذَلِكَ ، قَالَتْ: فَانْطَلَقْتُ، وَإِذَا امْرَأَةٌ مِنَ الأَنْصَارِ حَاجَتُهَا حَاجَتِي، فَخَرَجَ إِلَيْنَا بِلالٌ، فَقُلْتُ: ائْتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، فَقُلْ لَهُ: " هَلْ يُجْزِئُ عَنَّا مِنَ الصَّدَقَةِ نَفَقَتُنَا عَلَى أَزْوَاجِنَا وَأَيْتَامٍ فِي حُجُورِنَا؟ وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَدْ أُلْقِيَتْ عَلَيْهِ الْمَهَابَةُ، فَقَالَ لَهُ ذَلِكَ، قَالَ: مَنْ هُمَا؟ قَالَ: امْرَأَةٌ مِنَ الأَنْصَارِ وَزَيْنَبُ، قَالَ: أَيُّ الزَّيَانِبِ؟ قَالَ: امْرَأَةُ عَبْدِ اللَّهِ ، قَالَ: لَهُمَا أَجْرَانِ: أَجْرُ الْقَرَابَةِ وَأَجْرُ الصَّدَقَةِ "
স্বল্প আয়ের একজন মানুষ ছিলেন, আর আমি তাঁর জন্য এবং আমার তত্ত্বাবধানে থাকা এতিমদের জন্য ব্যয় করতাম। আমি আব্দুল্লাহকে বললাম: আমি আপনার এবং আমার তত্ত্বাবধানে থাকা এতিমদের ওপর যে ব্যয় করি, তা কি আমার পক্ষ থেকে সদকা হিসেবে যথেষ্ট হবে? তিনি বললেন: তুমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে যাও এবং তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করো। তিনি (যয়নব) বললেন: অতঃপর আমি রওয়ানা হলাম, তখন এক আনসারী নারীকে দেখতে পেলাম যার প্রয়োজন ছিল ঠিক আমারই মতো। এমতাবস্থায় বিলাল (রা.) আমাদের নিকট বের হয়ে এলেন, তখন আমি বললাম: আপনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে যান এবং তাঁকে বলুন— আমাদের স্বামী এবং আমাদের তত্ত্বাবধানে থাকা এতিমদের জন্য আমাদের ব্যয় করা কি সদকা হিসেবে গণ্য হবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অত্যন্ত গাম্ভীর্যের অধিকারী ছিলেন। বিলাল (রা.) তাঁকে তা জানালেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন: তাঁরা দুজন কে? বিলাল বললেন: একজন আনসারী নারী এবং যয়নব। তিনি বললেন: কোন যয়নব? বিলাল বললেন: আব্দুল্লাহর স্ত্রী। তিনি বললেন: তাঁদের জন্য দুটি সওয়াব রয়েছে: আত্মীয়তার সওয়াব এবং সদকার সওয়াব।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٤٢)
مِنْ حَدِيثِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي الشَّعْثَاءِ سُلَيْمٍ بْنِ الأَسْوَدِ.
21 - حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، ثنا أَبُو خَالِدٍ، وَثنا الْمَسْرُوقِيُّ، وَيُوسُفُ، قَالا: ثنا يَعْلَى، قَالَ: ثنا الأَعْمَشُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي الشَّعْثَاءِ، قَالَ: قُلْتُ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ:
إِنَّا نَدْخُلُ عَلَى أُمَرَائِنَا فَنَقُولُ قَوْلا، فَإِذَا خَرَجْنَا مِنْ عِنْدِهِمْ قُلْنَا غَيْرَهُ، فَقَالَ: «كُنَّا نَعُدُّ ذَلِكَ نِفَاقًا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم»
ইবরাহীমের হাদীস থেকে বর্ণিত, আবু আশ-শা’সা সুলাইম ইবনুল আসওয়াদ হতে।
২১ - আবু কুরাইব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু খালিদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, এবং মাসরূকী ও ইউসুফ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন: ইয়ালা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাশ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইবরাহীম থেকে, আবু আশ-শা’সা হতে, তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহ ইবনে উমরকে বললাম:
"নিশ্চয়ই আমরা আমাদের আমীরদের নিকট প্রবেশ করি এবং এক ধরণের কথা বলি, অতঃপর যখন তাদের নিকট থেকে বের হয়ে আসি তখন ভিন্ন কথা বলি।" তখন তিনি বললেন: "আমরা একে নিফাক (কপটতা) বলে গণ্য করতাম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর যুগে।"
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٤٣)
22 - حَدَّثَنَا فَيَّاضٌ، ثنا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي الشَّعْثَاءِ سُلَيْمِ بْنِ الأَسْوَدِ، قَالَ: " سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنِ الْقُنُوتِ فِي الْفَجْرِ؟ فَقَالَ: وَأَيُّ شَيْءٍ الْقُنُوتُ؟ فَقُلْتُ: إِذَا فَرَغَ مِنَ الْقِرَاءَةِ قَامَ سَاعَةً ، قَالَ ابْنُ عُمَرَ: مَا شَعُرْتُهُ "
২২ - ফাইয়াদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ওয়াকী' আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আল-আ'মাশ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবরাহীম থেকে, তিনি আবুশ শা'সা সুলাইম ইবনুল আসওয়াদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমি ইবনে উমরকে ফজরের সালাতে কুনুত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম? তিনি বললেন: কুনুত আবার কী জিনিস? আমি বললাম: যখন তিনি কিরাআত শেষ করেন তখন কিছু সময় দাঁড়িয়ে থাকেন। ইবনে উমর বললেন: আমি তা লক্ষ্য করি নি।"
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٤٤)
23 - حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثنا ابْنُ نُمَيْرٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ،
২৩ - হারুন ইবনে আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে নুমায়র আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আ'মাশ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে,
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٤٥)
عَنْ أَبِي الشَّعْثَاءِ، قَالَ: " سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنِ
الْقُنُوتِ؟ فَقَالَ: مَا رَأَيْتُ أَحَدًا يَفْعَلُهُ "
مِنْ حَدِيثِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عُمَارَةَ الأَنْصَارِيِّ
24 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى الأَنْصَارِيُّ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عُمَارَةَ، عَنْ عَمَّتِهِ، عَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ:
«إِنَّ أَوْلادَكُمْ مِنْ أَطْيَبِ كَسْبِكُمْ، فَكُلُوا مِنْ كَسْبِ أَوْلادِكُمْ» ، قِيلَ لِسُفْيَانَ، فَقَالَ: أَحْفَظُهُ مِنَ الأَعْمَشِ، كَمَا أَخْبَرْتُكُمْ لَيْسَ فِيهِ شَكٌّ، وَعَجِبْنَا حَيْثُ رَوَاهُ إِبْرَاهِيمُ، عَنْ عُمَارَةَ
আবুশ শা’সা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আমি ইবনে উমরকে
কুনূত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম? তিনি বললেন: আমি কাউকে তা করতে দেখিনি।"
ইবরাহীমের বর্ণিত হাদীস হতে, উমারা আল-আনসারী থেকে বর্ণিত।
২৪ - ইসহাক বিন মূসা আল-আনসারী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান বিন উয়াইনা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমাশ হতে, তিনি ইবরাহীম হতে, তিনি উমারা হতে, তিনি তাঁর ফুফু হতে, তিনি আয়েশা (রা.) হতে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন:
"নিশ্চয়ই তোমাদের সন্তানরা তোমাদের সর্বোত্তম উপার্জনের অন্তর্ভুক্ত, সুতরাং তোমরা তোমাদের সন্তানদের উপার্জন হতে ভক্ষণ করো।" সুফিয়ানকে (এই হাদীস সম্পর্কে) বলা হলো, তখন তিনি বললেন: আমি এটি আমাশ হতে মুখস্থ রেখেছি, ঠিক যেমন আমি তোমাদের সংবাদ দিয়েছি, এতে কোনো সন্দেহ নেই। আর আমরা আশ্চর্য হলাম যখন ইবরাহীম এটি উমারা হতে বর্ণনা করলেন।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٤٧)
25 - حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ شُجَاعٍ، ثنا ابْنُ أَبِي زَائِدَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عُمَارَةَ، عَنْ عَمَّتِهِ 27 عَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ:
«أَطْيَبُ مَا أَكَلْتُمْ مِنْ كَسْبِكُمْ وَأَوْلادُكُمْ مِنْ كَسْبِكُمْ»مِنْ حَدِيثِ إِبْرَاهِيمَ عَنْ مَسْرُوقٍ
26 - حَدَّثَنَا يُوسُفُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَغْرَاءَ، ثنا الأَعْمَشُ، عَنْ شَقِيقٍ، وَإِبْرَاهِيمُ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ مُعَاذٍ، قَالَ: «بَعَثَنِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِلَى
২৫ - আল-ওয়ালীদ ইবনে শুজা‘ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইবনে আবী যায়দাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি আ‘মাশ থেকে, তিনি ‘উমারাহ থেকে, তিনি তাঁর ফুফু থেকে, তিনি ‘আয়িশাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন:
«তোমরা যা আহার করো তার মধ্যে সর্বোত্তম হলো তোমাদের নিজস্ব উপার্জন, আর তোমাদের সন্তানরাও তোমাদের উপার্জনের অন্তর্ভুক্ত।»ইবরাহীম হতে বর্ণিত হাদীসে মাসরূক থেকে।
২৬ - ইউসুফ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবদুর রহমান ইবনে মাগরা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আ‘মাশ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি শাকীক ও ইবরাহীম থেকে, তাঁরা মাসরূক থেকে, তিনি মু‘আয (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে প্রেরণ করেছেন...
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٤٨)
الْيَمَنِ، فَأَمَرَنِي أَنْ آخُذَ مِنْ كُلِّ أَرْبَعِينَ مِنَ الْبَقَرِ مُسِنَّةً، وَمِنْ كُلِّ ثَلاثِينَ تَبِيعًا أَوْ تَبِيعَةً، وَمِنْ كُلِّ حَالِمٍ دِينَارًا أَوْ قِيمَتَهُ مِنَ الْمُعَافِرِ» ،
ইয়ামেন, অতঃপর তিনি আমাকে আদেশ করলেন যেন আমি প্রতি চল্লিশটি গরু থেকে একটি মুসিন্নাহ (দুই বছর পূর্ণ হওয়া গরু) এবং প্রতি ত্রিশটি থেকে একটি তাবি‘ অথবা তাবি‘আহ (এক বছর পূর্ণ হওয়া পুরুষ বা স্ত্রী বাছুর) গ্রহণ করি, আর প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্কের থেকে এক দিনার অথবা মু‘আফিরি কাপড় থেকে তার সমমূল্য» ,
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٥١)
27 - حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، وَيُوسُفُ، قَالا: ثنا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ مُعَاذٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، مِثْلَهُ ،
28 - حَدَّثَنَا هَارُونُ، ثنا يَعْلَى، ثنا الأَعْمَشُ، عَنْ شَقِيقٍ، عَنْ
২৭ - আমাদের নিকট ইবনুল মুসান্না ও ইউসুফ বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট আবু মুআবিয়াহ্ বর্ণনা করেছেন আল-আমাশ থেকে, তিনি ইবরাহীম থেকে, তিনি মাসরূক থেকে, তিনি মুআয থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে এরই অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
২৮ - আমাদের নিকট হারুন বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইয়ালা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আল-আমাশ বর্ণনা করেছেন শাকীক থেকে, তিনি...
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٥٢)
مَسْرُوقٍ، وَالأَعْمَشُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: قَالَ مُعَاذٌ: «بَعَثَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم» ، فَذَكَرَ مِثْلَهُ ، وَقَالَ يُوسُفُ: عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ مَسْرُوقٍ، قَالَ: لَمَّا بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مُعَاذًا.
29 - قَالَ: وَحَدَّثَنِي أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ النَّسَائِيُّ: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنِي عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَ هَذَا الْكَلامِ وَهَذَا اللَّفْظِ
মাসরুক এবং আমাশ, ইবরাহিম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুয়াজ বলেছেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে প্রেরণ করেছেন», এরপর তিনি অনুরূপ উল্লেখ করেছেন। আর ইউসুফ, ইবরাহিম থেকে, তিনি মাসরুক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুয়াজকে প্রেরণ করেন।
২৯ - তিনি বলেন: আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস আহমদ বিন হাসান আন-নাসায়ী: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন জাফর, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন ঈসা বিন ইউনুস, আমাশ থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি মাসরুক থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই কথা ও এই শব্দের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٥٣)
مِنْ حَدِيثِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ
30 - حَدَّثَنَا بُنْدَارٌ، ثنا أَبُو دَاوُدَ، ثنا شُعْبَةُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ:
«سُنَّتْ لَكُمُ الرُّكَبُ فَأَمْسِكُوا بِالرُّكَبِ»
ইব্রাহিমের হাদীস হতে, আবু আবদুর রহমান আস-সুলামী থেকে বর্ণিত
30 - বুন্দার আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু দাউদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ আল-আ'মাশ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি আবু আবদুর রহমান আস-সুলামী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উমর বলেছেন:
«তোমাদের জন্য হাঁটু (ধরা) সুন্নাত করা হয়েছে, সুতরাং তোমরা হাঁটু আঁকড়ে ধরো।»
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٥٤)
31 - حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ كَعْبٍ، وَكَانَ رَافِضِيًّا، ثنا
31 - আলী ইবনুল হুসাইন ইবনু কাব আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আর তিনি ছিলেন জনৈক রাফেযী; তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন-
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বাকর আল-কাসিম আল-মুতাররিজ ওয়া আমালিহি
(পৃষ্ঠা: ١٥٥)
سَعِيدُ بْنُ عُثْمَانَ الْخَزَّازُ، ثنا أَبُو مَرْيَمَ، حَدَّثَنِي الأَعْمَشُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ النَّخَعِيِّ، عَنْ سَهْمِ بْنِ مُنْجَابٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " فُضِّلْنَا عَلَى مَنْ كَانَ قَبْلَنَا بِثَلاثٍ: جُعِلَتْ لَنَا الأَرْضُ مَسْجِدًا وَطَهُورًا وَكَانَ مَنْ قَبْلَنَا يُصَلُّونَ فِي الْمِحْرَابِ، وَكَانَ الرِّجَالُ وَالنِّسَاءُ يُصَلُّونَ جَمِيعًا فَأُمِرْنَا أَنْ نُصَلِّيَ صُفُوفًا "
সাঈদ বিন উসমান আল-খাজ্জায, আবু মারইয়াম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আ'মাশ আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন ইবরাহিম আন-নাখায়ি থেকে, তিনি সাহম বিন মুঞ্জাব থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: " তিনটি বিষয়ে আমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর আমাদের শ্রেষ্ঠত্ব দান করা হয়েছে: আমাদের জন্য সমগ্র জমিনকে সালাতের স্থান ও পবিত্রতা অর্জনের মাধ্যম করা হয়েছে, অথচ আমাদের পূর্ববর্তীরা কেবল মিহরাবে সালাত আদায় করত, আর পুরুষ ও নারীরা একত্রে সালাত আদায় করত, অতঃপর আমাদের কাতারবদ্ধ হয়ে সালাত আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।"