القسم: علوم الحديث
الكتاب: من قال فيه البخاري «فيه نظر» وأقوال أهل الجرح والتعديل - دراسة تطبيقية في كتابه «التاريخ الكبير»
المؤلف: أبو ذر عبد القادر بن مصطفى بن عبد الرزاق المحمدي
الناشر: منشور في مجلة الجامعة الإسلامية - بغداد 2009.
عدد الصفحات: 31
[الكتاب مرقم آليا]
تاريخ النشر بالشاملة: 7 ربيع الآخر 1433
বিভাগ: হাদিস বিজ্ঞান (علوم الحديث)
গ্রন্থ: যাদের সম্পর্কে ইমাম বুখারি বলেছেন ‘তার ব্যাপারে আপত্তির অবকাশ রয়েছে (فيه نظر)’ এবং জারহ ও তা'দীল (الجرح والتعديل) শাস্ত্রবিদদের মতামত - তাঁর গ্রন্থ ‘আত-তারিখুল কাবীর’-এর আলোকে একটি ফলিত গবেষণা
লেখক: আবু যার আব্দুল কাদির বিন মুস্তফা বিন আব্দুল রাজ্জাক আল-মুহাম্মাদী
প্রকাশক: ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় সাময়িকী-তে প্রকাশিত - বাগদাদ ২০০৯.
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩১
[গ্রন্থটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংখ্যায়িত]
শামেলা-তে প্রকাশের তারিখ: ৭ রবিউস সানি ১৪৩৩
--------------------------------------------
--------------------------------------------
--------------------------------------------
--------------------------------------------
--------------------------------------------
--------------------------------------------
--------------------------------------------
--------------------------------------------
--------------------------------------------
--------------------------------------------
--------------------------------------------
এই মাসআলাটি সম্পর্কে আমি নিরন্তর গবেষণা ও পর্যালোচনার মাধ্যমে এর শূন্যস্থানগুলো পূরণ করার, অস্পষ্টতা দূর করার এবং বুখারীর উক্তি 'তার ব্যাপারে পর্যবেক্ষণ রয়েছে (فيه نظر)' এর প্রকৃত অর্থ—এর ব্যবহারের প্রেক্ষাপটে এর বিভিন্ন প্রকারের অর্থ এবং নির্দিষ্টভাবে এই শব্দটির স্তর কী তা ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছি। এছাড়া একটি সুশৃঙ্খল বৈজ্ঞানিক গবেষণার যা যা প্রয়োজনীয় উপাদান রয়েছে, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছি, যা তাড়াহুড়োকে প্রশ্রয় দেয় না; বরং যতক্ষণ না পর্যন্ত প্রতিটি শূন্যস্থান পূরণ হয় এবং সম্ভাব্য প্রতিটি আপত্তির সঠিক উত্তর পাওয়া যায়, ততক্ষণ কোনো ফলাফলের ওপর আশ্বস্ত হওয়া যায় না। কারণ, একটি মাত্র শূন্যস্থান বা একটি সমস্যার অস্তিত্ব আপনার গৃহীত মতের বিরুদ্ধে প্রকৃতপক্ষেই একটি বলিষ্ঠ ও সঠিক খণ্ডনকারী হতে পারে। অতএব, এই সমস্ত বিষয় অত্যন্ত সততা ও বিশ্বস্ততার সাথে অধ্যয়ন করা আবশ্যক। (১)
যাদের সম্পর্কে বুখারী এই মন্তব্য করেছেন, তাদের জীবনী পর্যালোচনার মাধ্যমে আমরা দেখতে পাই যে, তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রে অত্যন্ত দুর্বল (ضعفاء جداً), এবং তাদের সম্পর্কে স্পষ্ট সমালোচনা (جرح صريح) করা হয়েছে যা তাদের বর্ণনা গ্রহণের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। গবেষক লক্ষ্য করবেন যে, যাদের ক্ষেত্রে বুখারী 'তার ব্যাপারে পর্যবেক্ষণ রয়েছে (فيه نظر)' পরিভাষাটি ব্যবহার করেছেন, জারহ ও তাদিল (الجرح والتعديل)-এর ইমামগণ তাদের তীব্র সমালোচনা করেছেন। এমনকি যেসব ইমামদের দিকে এই মতটি নিসবত করা হয় যে, তারা এই পরিভাষাটিকে হালকা সমালোচনা (الجرح الخفيف) হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন—যেমন ইবনে আদি—তারাও তাদের ক্ষেত্রে কঠোর সমালোচনা করেছেন। উদাহরণস্বরূপ:
আবদুল হাকিম বিন মানসুর আল-খুজায়ি আল-ওয়াসিতির জীবনীর আলোচনায় এসেছে: বুখারী বলেছেন: 'কেউ কেউ তাকে মিথ্যাবাদী বলেছে (كذبه), তার ব্যাপারে পর্যবেক্ষণ রয়েছে (فيه نظر)'। ইবনে মাঈন তাকে দুর্বল (ضعفه) বলেছেন এবং অন্য এক সময়ে বলেছেন: 'তিনি তাকে মিথ্যাবাদী বলেছেন এবং তাকে পরিত্যাগ (تركه) করেছেন'। আবু হাতেম বলেছেন: 'তার হাদিস লেখা যাবে না (لا يكتب حديثه)'। আবু দাউদ ও ইবনে সাদ তাকে দুর্বল (ضعفه) বলেছেন। নাসায়ী, দারা কুতনী ও ইবনে হাজার তাকে পরিত্যাগ (تركه) করেছেন। ইবনে আদি বলেছেন: 'তার এমন কিছু হাদিস রয়েছে যার কোনো অনুসরণকারী নেই (لا يتابع عليها)'। ইবনে হিব্বান বলেছেন: 'তিনি ছিলেন একজন অসতর্ক শায়খ, যা জানতেন না তা বর্ণনা করতেন, তিনি একক (انفرد) বর্ণনায় থাকলে তার দ্বারা দলিল গ্রহণ (الاحتجاج) বৈধ নয়'। আল-হাকিম বলেছেন: 'তার হাদিস বিলুপ্ত (ذاهب الحديث)'। আজ-জাহাবী বলেছেন: 'তারা তাকে বর্জন করেছেন (تركوه)'।
হুসাইন বিন হাসান আল-ফারাজি আল-আশকার-এর জীবনীর আলোচনায় এসেছে: বুখারী বলেছেন: 'তার ব্যাপারে পর্যবেক্ষণ রয়েছে (فيه نظر)'। তিনি অন্য স্থানে বলেছেন: 'তার নিকট আপত্তিকর বর্ণনা (مناكير) রয়েছে'। আবার বলেছেন: 'তার হাদিস চলনসই (مقارب الحديث)'। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেছেন: 'তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই (لا بأس به)'। ইবনে হিব্বান তাকে আস-সিকাত গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। আহমাদ বিন হাম্বল বলেছেন: 'তার থেকে হাদিস বর্ণনা করার যোগ্যতা তার নেই'। আবু জুরআ বলেছেন: 'তিনি আপত্তিকর হাদিস বর্ণনাকারী (منكر الحديث) একজন শায়খ'। আবু হাতেম বলেছেন: 'হাদিসের ক্ষেত্রে তিনি শক্তিশালী নন (ليس بقوي)'। নাসায়ী ও দারা কুতনীও একই কথা বলেছেন। জুযজানি বলেছেন: 'তিনি চরমপন্থী এবং শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের গালিগালাজকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন'। ইবনে হিব্বান তাকে আস-সিকাত গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। ইবনে আদি তার কিছু হাদিসকে আপত্তিকর (استنكر) আখ্যা দেওয়ার পর বলেন: 'এর আপদ হলো আশকার নিজেই'। এরপর বলেন: 'তার হাদিসের মধ্যে যা ত্রুটি থাকার তা আছে'। উকাইলি তার একটি হাদিস উল্লেখ করার পর বলেন: 'এটি কেবল তার মাধ্যমেই পরিচিত এবং এর কোনো অনুসরণকারী নেই (لا يتابع عليه)'।
--------------------------------------------
--------------------------------------------
--------------------------------------------