(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: -)
من قال فيه البخاري «فيه نظر»   (عبد القادر المحمدي)

القسم: علوم الحديث


الكتاب: من قال فيه البخاري «فيه نظر» وأقوال أهل الجرح والتعديل - دراسة تطبيقية في كتابه «التاريخ الكبير»

المؤلف: أبو ذر عبد القادر بن مصطفى بن عبد الرزاق المحمدي

الناشر: منشور في مجلة الجامعة الإسلامية - بغداد 2009.

عدد الصفحات: 31

[الكتاب مرقم آليا]

تاريخ النشر بالشاملة: 7 ربيع الآخر 1433

যাদের সম্পর্কে ইমাম বুখারি বলেছেন ‘তার ব্যাপারে আপত্তির অবকাশ রয়েছে (فيه نظر)’   (আব্দুল কাদির আল-মুহাম্মাদী)

বিভাগ: হাদিস বিজ্ঞান (علوم الحديث)


গ্রন্থ: যাদের সম্পর্কে ইমাম বুখারি বলেছেন ‘তার ব্যাপারে আপত্তির অবকাশ রয়েছে (فيه نظر)’ এবং জারহ ও তা'দীল (الجرح والتعديل) শাস্ত্রবিদদের মতামত - তাঁর গ্রন্থ ‘আত-তারিখুল কাবীর’-এর আলোকে একটি ফলিত গবেষণা

লেখক: আবু যার আব্দুল কাদির বিন মুস্তফা বিন আব্দুল রাজ্জাক আল-মুহাম্মাদী

প্রকাশক: ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় সাময়িকী-তে প্রকাশিত - বাগদাদ ২০০৯.

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩১

[গ্রন্থটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংখ্যায়িত]

শামেলা-তে প্রকাশের তারিখ: ৭ রবিউস সানি ১৪৩৩

(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ১)
من قال فيه البخاري "فيه نظر"

وأقوال أهل الجرح والتعديل

دراسة تطبيقية في كتابه "التاريخ الكبير"

 

بحث تقدم به

الدكتور عبد القادر مصطفى المحمدي

رئيس قسم الحديث

كلية أصول الدين -الجامعة الإسلامية-بغداد
যাদের সম্পর্কে ইমাম বুখারী "তার ব্যাপারে আপত্তি রয়েছে (فيه نظر)" বলেছেন

এবং জারহ ও তাদীল (الجرح والتعديل) শাস্ত্রের পণ্ডিতগণের মতামতসমূহ

তার রচিত "তারিখুল কাবীর" গ্রন্থের আলোকে একটি প্রায়োগিক গবেষণা

 

উপস্থাপিত গবেষণা প্রবন্ধ

ড. আব্দুল কাদির মুস্তফা আল-মুহাম্মাদী

বিভাগীয় প্রধান, হাদিস বিভাগ

উসুলুদ্দীন অনুষদ - ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় - বাগদাদ
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ১)
بسم الله الرحمن الرحيم

 

‌‌المقدمة

الحمد لله الذي خلق فسوى والذي قدر فهدى، والصلاة والسلام على خير الورى وأهل بيته وصحبه، ومن لإثرهم اقتفى، وبعد.

فإن علم الجرح والتعديل له يعد رأساً من رؤوس هذا العلم المبارك- علم الحديث- الذي شرفنا الله تعالى به، وجعلنا خداماً للسنة المطهرة.

ومن العلوم أن هذا الفن يبحث في أسماء الرواة وبلدانهم، وحديثهم، … الخ فهو غاية في الدقة، ومن تكلم فيه- كثر، وقليل منهم من أجاد وبرع، بل بعضهم قد يجرح وهو مجروح، أو يعدِّل وهو ليس كذلك- وهم قلة-، ومنهم من حاز الفضلين، ونال الحسنيين في هذا العلم، فهو أسمى من أن يذكر بجرح أو تعديل، ولا يجرئ كبير أحد أن يتكلم في تعديله ناهيك عن تجريحه، فإليه المنتهى في ذلك، وقوله الفصل إذا اختلفت الرجال.

وهؤلاء مصابيح الهدى في هذا العلم المبارك، كـ عبد الرحمن بن مهدي، وشعبة والسفيانيين، وابن المديني وابن معين، وأبي حاتم وأبي زرعة الرازيين، وأحمد البخاري ومسلم .. وغيرهم.

فهؤلاء الأئمة وغيرهم عرفوا الرجال، وعرفوا حديثهم، وعرفوا ما أصاب به ذاك الراوي وما أخطأ فيه، ومن يشتغل بهذا العلم العظيم يعرف قدرهم ومنزلتهم.

وقد استعمل هؤلاء الأئمة في تقييم الرجال ونقدهم مصطلحات كانت متداولة، أو متيسر على طلبة العلم آنذاك معرفتها، وما كانت هذه المصطلحات- يعني أن يصطلح عليها أهل بلد أو صنعة- ولم يصرحوا دائماً بمقصودهم من هاتيك المصطلحات خشق؟؟؟ بعضها على من جاء بعدهم، فذهبوا يستقرءونها من خلال صنيعهم، وهذا الاستقراء مرة يجيء دقيقاً إلى حد كبير بحيث يقارب أو يكاد من مراد الإمام الناقد، وأخرى ينأى بعيداً، بحسب عدد الأمثلة، أو مقدرة المستقرئ وحفظه.

لذا: نجد الخلاف قائماً بين بعض الأئمة من المتأخرين في المقصود من المصطلح كذا أو كذا.
পরম করুণাময় ও দয়ালু আল্লাহর নামে।

 

‌ভূমিকা

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সৃষ্টি করেছেন এবং সুসামঞ্জস্য করেছেন, আর যিনি নির্ধারণ করেছেন এবং পথ প্রদর্শন করেছেন। আর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মানব, তাঁর পরিবারবর্গ ও সঙ্গীদের ওপর এবং যারা তাঁদের পদাঙ্ক অনুসরণ করেছেন তাঁদের ওপর। অতঃপর:

নিশ্চয়ই জরাহ ও তাদীল (الجرح والتعديل) শাস্ত্র এই বরকতময় জ্ঞান তথা হাদিস বিজ্ঞানের অন্যতম প্রধান শাখা হিসেবে বিবেচিত, যার মাধ্যমে মহান আল্লাহ আমাদের সম্মানিত করেছেন এবং আমাদের পবিত্র সুন্নাহর সেবক হিসেবে নিয়োজিত করেছেন।

এটি সর্বজনবিদিত যে, এই শিল্প বর্ণনাকারীদের (الرواة) নাম, তাঁদের আবাসস্থল এবং তাঁদের বর্ণিত হাদিস ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে। এটি অত্যন্ত সূক্ষ্ম একটি বিষয়। এই বিষয়ে অনেকেই আলোচনা করেছেন, তবে তাঁদের মধ্যে খুব অল্প সংখ্যকই এতে পারদর্শিতা ও নিপুণতা অর্জন করেছেন। এমনকি তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ কাউকে অযোগ্য ঘোষণা (يجرح) করেন অথচ তিনি নিজেই অযোগ্য (مجروح), অথবা কাউকে যোগ্য ঘোষণা (يعدِّل) করেন অথচ বাস্তব তা নয়—তবে এমন ব্যক্তিরা সংখ্যায় কম। আবার তাঁদের মধ্যে এমনও রয়েছেন যাঁরা এই জ্ঞানে উভয় শ্রেষ্ঠত্ব ও কল্যাণ অর্জন করেছেন; তাঁরা জরাহ বা তাদীলের ঊর্ধ্বে। কোনো বড় আলেম তাঁদের যোগ্যতার (تعديل) বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সাহস করেন না, অযোগ্য (جرح) বলা তো দূরের কথা। এক্ষেত্রে তাঁদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত এবং বর্ণনাকারীদের বিষয়ে মতভেদ দেখা দিলে তাঁদের কথাই ফয়সালাকারী।

এই বরকতময় জ্ঞানের হেদায়েতের প্রদীপ হলেন তাঁরাই, যেমন—আব্দুর রহমান ইবনে মাহদী, শু'বাহ, দুই সুফিয়ান, ইবনুল মাদীনী, ইবনে মাঈন, আবু হাতিম ও আবু যুরআহ আল-রাজীদ্বয়, আহমাদ, বুখারী ও মুসলিম এবং অন্যান্যরা।

এই সকল ইমাম ও অন্যান্যরা বর্ণনাকারীদের চিনতেন, তাঁদের হাদিস সম্পর্কে জানতেন এবং কোন্ বর্ণনাকারী সঠিক বর্ণনা করেছেন আর কোথায় ভুল করেছেন তা বুঝতেন। যাঁরা এই মহান জ্ঞান নিয়ে কাজ করেন, তাঁরা তাঁদের মর্যাদা ও অবস্থান সম্পর্কে অবগত।

এই ইমামগণ বর্ণনাকারীদের মূল্যায়ন ও পর্যালোচনার ক্ষেত্রে এমন কিছু পরিভাষা (مصطلحات) ব্যবহার করেছেন যা সেই যুগে প্রচলিত ছিল অথবা তৎকালীন ইলম অন্বেষণকারীদের জন্য তা বোঝা সহজ ছিল। এই পরিভাষাগুলো—অর্থাৎ যা কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চল বা পেশার মানুষের মাঝে পারিভাষিক রূপ পায়—তাঁরা সবসময় স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেননি। ফলে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে এর কিছু অর্থ অস্পষ্ট হয়ে পড়েছিল। তাই তাঁরা ইমামদের কর্মপদ্ধতি বিশ্লেষণের (استقراء) মাধ্যমে তা বোঝার চেষ্টা করেছেন। এই বিশ্লেষণ পদ্ধতি কখনো অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিখুঁত হয়েছে যা সমালোচক ইমামের (الناقد) উদ্দেশ্যের প্রায় সমরূপ হয়েছে, আবার কখনো উদাহরণের সংখ্যা অথবা গবেষকের সক্ষমতা ও মুখস্থ শক্তির ভিন্নতার কারণে তা লক্ষ্য থেকে দূরে সরে গেছে।

একারণে আমরা পরবর্তী যুগের কিছু ইমামের মধ্যে নির্দিষ্ট কোনো পরিভাষার (المصطلح) উদ্দেশ্য নিয়ে মতভেদ বিদ্যমান দেখি।
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ২)
وقد بذل الأئمة المتأخرون جهداً كبيراً في هذه المصطلحات كيما ييسرون فهمها على الناس، فلا ينكر جهد الحافظ ابن الصلاح أو الخطيب البغدادي، أو الحافظ الذهبي أو العراقي أو ابن حجر العسقلاني، أو غيرهم من أئمة المصطلح إلا جاحد أعمى البصر والبصيرة.

ومثلما اتفقوا على كثير من هذه المصطلحات اختلفوا في بعض، وهذا أمر طبيعي، إذ وقع الخلاف في بعض تلك المصطلحات بناءً على قرائن توصل بها الإمام الفلاني إلى نتيجة خالفت ما توصل إليه.

ومن هذه المصطلحات في الجرح، قول الإمام البخاري رحمه الله تعالى «فيه نظر»، إذا وقع الخلاف في مراده منها، فحاولنا في هذه العجالة أن نناقش الأقوال، وأن نستقرئ الرجال الذين قال فيهم ذلك في كتابه العظيم «التأريخ الكبير»، مقارنين قوله بأقوال أئمة الجرح والتعديل من المتقدمين والمتأخرين، ولم نعرف بالإمام البخاري كعادة الباحثين أو بكتابة التأريخ، وذلك:

أولاً: لأن المقصد من البحث بيان مراد البخاري من قوله «فيه نظر»، ونحن على عجالة من أمرنا، وبحثنا هذا لأهل التخصص الدقيق، الذين هم أعرف مني بالكتاب والكاتب.

ثانياً: ترجمة الإمام البخاري وكتابه مشهورة ومتداولة بين طلبة الحديث فلا داع للنقل منها، ولا أرى جديداً في التكرار.

وقد اقتصرت في البحث على قوله «فيه نظر، أو في بعض النظر» أما ما تعلق بحديث الرجل أو بإسناد الحديث كأن يقول «حديثه فيه نظر» أو «إسناده فيه نظر»، فإني لم أتعرض لها لأنها تحتاج إلى بحث مستقل بها.

 

‌‌الفصل الأول

مراد الإمام البخاري من قوله: «فيه نظر»

اختلف أهل الصنعة في مراد الإمام البخاري في قوله على الراوي: «فيه نظر»، بين المتقدمين والمتأخرين على أقوال سنذكرها ثم نناقشها في المباحث الآتية:

 

‌‌المبحث الأول: أنها مرتبة في الجرح الشديد

يعد الإمام الذهبي- على حد علمي- أول من جعل هذه العبارة في هذه المرتبة، إذ يقول في الموقظة: «وكذا عادته- يعني البخاري- إذا قال «فيه نظر» بمعنى أنه متهم، أو ليس بثقة، فهو عنده أسوأ حالاً من الضعيف (1). وقال الذهبي في الميزان: «قال البخاري فيه نظر ولا يقول هذا إلا فيمن يتهمه غالباً» (2).

--------------------------------------------

(1) الموقظة: ص30.

(2) ميزان الاعتدال: 2/ 34.
পরবর্তী যুগের ইমামগণ এই পরিভাষাগুলোর (المصطلحات) ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রচেষ্টা ব্যয় করেছেন যাতে মানুষের কাছে এগুলোর অনুধাবন সহজতর হয়। ফলে হাফেজ ইবনুল সালাহ, খতিব বাগদাদী, হাফেজ দাহাবী, ইরাকী, ইবনে হাজার আসকালানী অথবা অন্যান্য পরিভাষা বিশেষজ্ঞ ইমামগণের প্রচেষ্টাকে কেবল জ্ঞানতাত্ত্বিক অন্ধ ও বোধহীন ব্যক্তিরাই অস্বীকার করতে পারে।

যেভাবে তাঁরা এই পরিভাষাগুলোর অধিকাংশের ক্ষেত্রে একমত হয়েছেন, তেমনি কিছু ক্ষেত্রে মতভেদও করেছেন; আর এটি একটি স্বাভাবিক বিষয়। কারণ নির্দিষ্ট কিছু প্রমাণের ভিত্তিতেই এই পরিভাষাগুলোর ক্ষেত্রে মতভেদ তৈরি হয়েছে, যার মাধ্যমে কোনো একজন ইমাম এমন একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যা অন্যের সিদ্ধান্তের বিপরীত হয়েছে।

সমালোচনা (الجرح) সংক্রান্ত এই পরিভাষাগুলোর মধ্যে একটি হলো ইমাম বুখারী (রহ.)-এর উক্তি ‘পর্যবেক্ষণ রয়েছে (فيه نظر)’। তাঁর এই উক্তির উদ্দেশ্য নিয়ে যেহেতু মতভেদ রয়েছে, তাই আমরা এই সংক্ষিপ্ত পরিসরে সংশ্লিষ্ট মতগুলো নিয়ে আলোচনা করার এবং তাঁর মহান গ্রন্থ আত-তারিখুল কাবির-এ যেসব রাবীর ক্ষেত্রে তিনি এই উক্তি ব্যবহার করেছেন তাদের ব্যাপারে অনুসন্ধান করার চেষ্টা করেছি। এক্ষেত্রে আমরা তাঁর উক্তিকে পূর্ববর্তী ও পরবর্তী যুগের সমালোচনা ও সংশোধন (الجرح والتعديل) শাস্ত্রের ইমামগণের বক্তব্যের সাথে তুলনা করেছি। আমরা গবেষকদের প্রথা অনুযায়ী ইমাম বুখারীর পরিচয় কিংবা ইতিহাসের বিবর্তন তুলে ধরিনি, তার কারণ:

প্রথমত: এই গবেষণার মূল উদ্দেশ্য হলো ‘পর্যবেক্ষণ রয়েছে (فيه نظر)’ উক্তিটি দ্বারা বুখারীর উদ্দেশ্য কী তা স্পষ্ট করা। এছাড়া আমরা সংক্ষিপ্ত পরিসরে এটি সম্পন্ন করছি এবং আমাদের এই গবেষণাটি এই শাস্ত্রের বিশেষায়িত ব্যক্তিদের জন্য, যাঁরা আমার চেয়েও লেখক এবং তাঁর কিতাব সম্পর্কে অধিক পরিজ্ঞাত।

দ্বিতীয়ত: ইমাম বুখারীর জীবনী এবং তাঁর কিতাব হাদিসের ছাত্রদের মাঝে সুপরিচিত ও প্রচলিত, তাই সেখান থেকে উদ্ধৃতি দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। আর পুনরাবৃত্তির মাঝে আমি নতুন কিছু দেখি না।

আমি এই গবেষণায় কেবল তাঁর ‘পর্যবেক্ষণ রয়েছে (فيه نظر)’ অথবা ‘কিছুটা পর্যবেক্ষণ রয়েছে (في بعض النظر)’ উক্তিটি পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রেখেছি। তবে রাবীর বর্ণিত হাদিস কিংবা হাদিসের সনদ (إسناد) সংশ্লিষ্ট বিষয় যেমন— ‘তার হাদিসে পর্যবেক্ষণ রয়েছে’ অথবা ‘এর সনদে (إسناد) পর্যবেক্ষণ রয়েছে’, এই বিষয়গুলো আমি আলোচনা করিনি; কারণ এগুলোর জন্য স্বতন্ত্র গবেষণার প্রয়োজন।

 

‌‌প্রথম পরিচ্ছেদ

ইমাম বুখারীর উক্তি ‘পর্যবেক্ষণ রয়েছে (فيه نظر)’-এর উদ্দেশ্য

কোনো রাবীর ব্যাপারে ইমাম বুখারীর উক্তি ‘পর্যবেক্ষণ রয়েছে (فيه نظر)’-এর উদ্দেশ্য নিয়ে এই শাস্ত্রের বিশেষজ্ঞগণের মাঝে মতভেদ রয়েছে। পূর্ববর্তী ও পরবর্তীগণের পক্ষ থেকে বর্ণিত সেই মতগুলো আমরা নিম্নোক্ত অনুচ্ছেদগুলোতে আলোচনা করব:

 

‌‌প্রথম অনুচ্ছেদ: এটি কঠোর সমালোচনার (الجرح الشديد) একটি স্তর

আমার জানামতে ইমাম দাহাবীই প্রথম ব্যক্তি যিনি এই বাক্যটিকে এই স্তরে ফেলেছেন। তিনি আল-মুকিজাহ গ্রন্থে বলেন: ‘ইমাম বুখারীর অভ্যাস হলো যখন তিনি বলেন ‘পর্যবেক্ষণ রয়েছে (فيه نظر)’, এর অর্থ হলো রাবী অভিযুক্ত (متهم) অথবা নির্ভরযোগ্য নয় (ليس بثقة)। এটি তাঁর নিকট দুর্বল (الضعيف)-এর চেয়েও মন্দ অবস্থা (১)।’ ইমাম দাহাবী মিজানুল ইতিদাল গ্রন্থে আরও বলেন: ‘বুখারী বলেছেন, ‘তার ব্যাপারে পর্যবেক্ষণ রয়েছে (فيه نظر)’, আর তিনি সাধারণত এমন ব্যক্তির ক্ষেত্রেই এটি বলেন যাকে তিনি অভিযুক্ত (متهم) মনে করেন (২)।’

--------------------------------------------

(১) আল-মুকিজাহ: পৃষ্ঠা ৩০।

(২) মিজানুল ইতিদাল: ২/৩৪।
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ৩)
أما ابن كثير فيقول: «من ذلك أن البخاري إذا قال في الرجل: «سكتوا عنه أو فيه نظر فإنه يكون في أدنى المنازل وأردئها عنده، ولكنه لطيف العبارة في التجريح» (1).

وقال العراقي في شرح الألفية: «فلان فيه نظر وفلان سكتوا عنه يقولهما البخاري فيمن تركوا حديثه» (2).

وقال السيوطي في تدريب الراوي: «تنبيهات الأول البخاري يطلق فيه نظر وسكتوا عنه فيمن تركوا حديثه ويطلق منكر الحديث على من لا تحل الرواية» (3).

وجعل هذا اللفظ في مقدمة الميزان مع المتروك، فقال: «ثم متروك، وليس بثقة، وسكتوا عنه، وذاهب الحديث، وفيه نظر، وهاك، وساقط» (4). لكنه لم يعزه للبخاري بل عمم الحكم.

ويتابع العراقي الذهبي في مراتبه، ويزيد عليها بعض الألفاظ، فقد جعل المرتبة الأولى من مراتب الجرح: «فلان كذاب، أو وضاع، أو دجال … والمرتبة الثانية: «فلان متهم بالكذب، أو الوضع، وساقط ومتروك، وفيه نظر وسكتوا عنه وهاتان العبارتان يقولهما البخاري فيمن تركوا حديثه. والمرتبة الثالثة: ضعيف جداً، أو رد حديثه، أو واهٍ بمرة» (5).

أما السخاوي فجعل مراتب الجرح ستاً أو لها صيغة المبالغة نحو: «أكذب الناس، والثانية: كذاب أو يضع الحديث، والثالثة متهم بالوضع وساقط وهالك، وقال: فيه نظر أو سكتوا عنه … وكثيراً ما يعبر البخاري بهاتين العبارتين الأخيرتين فيمن تركوا حديثه … لأنه لورعه قل أن يقول: كذاب أو وضّاع، نعم ربما يقول: كذبه فلان، ورماه فلان بالكذب، فعلى هذا فإدخالهما في هذه المرتبة بالنسبة إلى البخاري خاصة، مع تجوز فيه أيضاً وإلا فموضعهما منه التي قبلها- يعني المرتبة التي من ألفاظها: كذاب، أو يضع الحديث ونحوه (6). وهكذا نجدهم نصوا على اختصاص البخاري بالجرح الشديد بهذا اللفظ.

وقال الشيخ المعلمي في التنكيل: «وكلمة فيه نظر معدودة من أشد الجرح في اصطلاح البخاري" (7).

--------------------------------------------

(1) اختصار علوم الحديث، بشرحه الباعث الحثيث: ص105.

(2) شرح الألفية: 2/ 11.

(3) تدريب الراوي: 1/ 349.

(4) ميزان الاعتدال: 1/ 4.

(5) شرح الألفية: 2/ 11.

(6) فتح المغيب:

(7) التنكيل: 1/ 270.
ইবনে কাসীর বলেন: "এর একটি উদাহরণ হলো যে, ইমাম বুখারী যখন কোনো ব্যক্তির ব্যাপারে বলেন: 'তাঁরা তাঁর ব্যাপারে নীরবতা অবলম্বন করেছেন (سكتوا عنه)' অথবা 'তাঁর ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)', তখন সেই ব্যক্তি তাঁর নিকট সর্বনিম্ন ও নিকৃষ্টতম স্তরের অন্তর্ভুক্ত হন। তবে তিনি সমালোচনার (تجريح) ক্ষেত্রে অত্যন্ত মার্জিত শব্দ ব্যবহার করেন" (১)।

আল্লামা ইরাকী শরহু আলফিয়্যাহ-তে বলেন: "অমুক 'আপত্তিজনক (فيه نظر)' এবং অমুক 'নীরবতা অবলম্বনকৃত (سكتوا عنه)'; ইমাম বুখারী এই শব্দদ্বয় তাদের ক্ষেত্রেই ব্যবহার করেন যাদের হাদিস বর্জন করা (تركوا حديثه) হয়েছে" (২)।

ইমাম সুয়ুতী তদীবুর রাবীতে বলেন: "সতর্কবার্তা: প্রথমত, ইমাম বুখারী 'আপত্তিজনক (فيه نظر)' এবং 'নীরবতা অবলম্বনকৃত (سكتوا عنه)' শব্দগুলো তাদের ক্ষেত্রেই প্রয়োগ করেন যাদের হাদিস বর্জন করা (تركوا حديثه) হয়েছে। আর 'হাদিস গ্রহণে অযোগ্য (منكر الحديث)' শব্দটি তাঁর ক্ষেত্রে প্রয়োগ করেন যার থেকে বর্ণনা করা (رواية) বৈধ নয়" (৩)।

তিনি (ইমাম যাহাবী) এই শব্দটিকে মীযানুল ইতিদাল-এর ভূমিকায় 'পরিত্যক্ত (متروك)'-এর সাথে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তিনি বলেন: "অতঃপর 'পরিত্যক্ত (متروك)', 'নির্ভরযোগ্য নয় (ليس بثقة)', 'নীরবতা অবলম্বনকৃত (سكتوا عنه)', 'বিস্মৃত হাদিসধারী (ذاهب الحديث)', 'আপত্তিজনক (فيه نظر)', 'অত্যন্ত দুর্বল (وهاك)' এবং 'বর্জিত (ساقط)'" (৪)। তবে তিনি একে ইমাম বুখারীর সাথে নির্দিষ্ট না করে বরং হুকুমটিকে সাধারণ রেখেছেন।

আল্লামা ইরাকী সমালোচনার স্তরের ক্ষেত্রে ইমাম যাহাবীর অনুসরণ করেছেন এবং এতে কিছু শব্দ বৃদ্ধি করেছেন। তিনি সমালোচনার (جرح) স্তরের মধ্যে প্রথম স্তর সাব্যস্ত করেছেন: "অমুক 'চরম মিথ্যাবাদী (كذاب)', অথবা 'জালকারী (وضاع)', অথবা 'প্রতারক (دجال)' … এবং দ্বিতীয় স্তর হলো: "অমুক 'মিথ্যার অভিযোগে অভিযুক্ত (متهم بالكذب)', অথবা 'জাল করার অভিযোগে অভিযুক্ত (الوضع)', এবং 'বর্জিত (ساقط)', 'পরিত্যক্ত (متروك)', 'আপত্তিজনক (فيه نظر)' ও 'নীরবতা অবলম্বনকৃত (سكتوا عنه)'। আর এই শেষোক্ত শব্দদ্বয় ইমাম বুখারী তাদের ক্ষেত্রে বলেন যাদের হাদিস বর্জন করা (تركوا حديثه) হয়েছে। তৃতীয় স্তর হলো: 'অত্যন্ত দুর্বল (ضعيف جداً)', অথবা 'তার হাদিস প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে (رد حديثه)', অথবা 'একান্তই ভিত্তিহীন (واهٍ بمرة)'" (৫)।

ইমাম সাখাভী সমালোচনার (جرح) স্তরসমূহকে ছয়টি নির্ধারণ করেছেন। তার প্রথমটি হলো আতিশয্যবোধক শব্দ (صيغة المبالغة), যেমন: 'মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় মিথ্যাবাদী (أكذب الناس)'। দ্বিতীয়টি হলো: 'চরম মিথ্যাবাদী (كذاب)' অথবা 'সে হাদিস জাল করে (يضع الحديث)'। তৃতীয়টি হলো: 'জাল করার দায়ে অভিযুক্ত (متهم بالوضع)', 'বর্জিত (ساقط)' এবং 'নিশ্চিহ্ন (هالك)'। তিনি বলেন: 'আপত্তিজনক (فيه نظر)' অথবা 'নীরবতা অবলম্বনকৃত (سكتوا عنه)' … ইমাম বুখারী প্রায়শই এই শেষোক্ত শব্দদ্বয় তাদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করেন যাদের হাদিস বর্জন করা (تركوا حديثه) হয়েছে। কারণ তাঁর তাকওয়া বা পরহেযগারির (ورع) কারণে তিনি খুব কমই কাউকে 'চরম মিথ্যাবাদী (كذاب)' বা 'জালকারী (وضاع)' বলতেন। তবে হ্যাঁ, কখনো কখনো তিনি হয়তো বলেন: 'অমুক তাকে মিথ্যাবাদী বলেছেন' অথবা 'অমুক তার ওপর মিথ্যার অপবাদ দিয়েছেন'। সুতরাং এই পরিভাষা দুটিকে এই স্তরের অন্তর্ভুক্ত করা বিশেষভাবে ইমাম বুখারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং এতে কিছুটা শিথিলতাও রয়েছে; অন্যথায় এগুলো এর আগের স্তরের অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত ছিল—অর্থাৎ যে স্তরের শব্দাবলি হলো: 'চরম মিথ্যাবাদী (كذاب)' অথবা 'সে হাদিস জাল করে (يضع الحديث)' ইত্যাদি (৬)। এভাবে আমরা দেখতে পাই যে, আলেমগণ ইমাম বুখারীর ক্ষেত্রে এই শব্দের মাধ্যমে কঠোর সমালোচনা (جرح) করাকে নির্দিষ্ট হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

শায়খ মুয়াল্লিমী আত-তানকীল গ্রন্থে বলেন: "এবং 'আপত্তিজনক (فيه نظر)' শব্দটি ইমাম বুখারীর পরিভাষায় (اصطلاح) কঠোরতম সমালোচনার (جرح) অন্তর্ভুক্ত" (৭)।

--------------------------------------------

(১) ইখতিসার উলুমুল হাদিস, এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ আল-বাইস আল-হাছিছসহ: পৃষ্ঠা ১০৫।

(২) শরহু আলফিয়্যাহ: ২/ ১১।

(৩) তদীবুর রাবী: ১/ ৩৪৯।

(٤) মীযানুল ইতিদাল: ১/ ৪।

(৫) শরহু আলফিয়্যাহ: ২/ ১১।

(৬) ফাতহুল মুগীস:

(৭) আত-তানকীল: ১/ ২৭০।
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ৪)
وقال اللكنوي في الرفع والتكميل في الجرح والتعديل قول البخاري في حق أحد من الرواة «فيه نظر»: يدل على أنه متهم عنده ولا كذلك عند غيره» (1).

وقال التهانوي: «البخاري يطلق فيه نظر وسكتوا عنه فيمن تركوا حديثه» (2).

وهكذا نجد جملة من العلماء ممن عرف بالاستقراء والتقصي ذهب إلى ترجيح القول أن البخاري يطلق هذه العبارة ويريد بها الجرح الشديد.

 

‌‌المبحث الثاني: من عدها جرحاً خفيفاً

استدل بعض من ذهب إلى هذا القول بما جاء عن الإمام الترمذي بعد أن نقل كلام البخاري في حكيم بن جبير: «لنا فيه نظر»، فأعقبه الترمذي بقوله: «ولم يعزم فيه على كل شيء» (3).

وكذا من أقوال الإمام ابن عدي صاحب الكامل، فمن ذلك أنه نقل عن البخاري أنه قال عن بكير من مسمار: «في حديثه بعض النظر» فأعقبه ابن عدي بقوله: «لم أجد في رواياته حديثاً منكراً، وأرجو أنه لا بأس به، والذي قاله البخاري هو كما قال، روى عنه أبو بكر الحنفي أحاديث لا أعرف فيها شيئاً منكراً، وعندي أنه مستقيم الحديث» (4).

وقال في موضع آخر في ترجمة ثعلبة بن يزيد الحماني أن البخاري قال عنه: «سمع علياً، روى عنه حبيب بن أبي ثابت، فيه نظر، لا يتابع في حديثه». فقال ابن عدي بعد إخراجه حديثاً له: «ولثعلبة عن علي غير هذا، ولم أر له حديثاً منكراً في مقدار ما يرويه، وأما سماعه من علي ففيه نظر، كما قال البخاري فها هو ابن عدي يفسر قول البخاري: «فيه نظر» بأنه ينفي وينكر سماع ثعلبة من علي رضي الله عنه.

وذهب الحافظ ابن حجر إلى أبعد من ذلك في كتابه «بذل الماعون» عند ترجمة أبي بلج الفزاري الذي قال فيه البخاري: فيه نظر: «وهذه عبارته فيمن يكون وسطاً» (5).

--------------------------------------------

(1) الرفع والتنكيل: ص300.

(2) وقواعد في علوم الحديث: ص254.

(3) وانظر المرسل الخفي، الشريف العوني: 1/ 440.

(4) الكامل: 2/ 42.

(5) بذل الماعون: ص117.
وقال আল-লাখনবী ‘আর-রাফ‘ ওয়াত-তাকমিল ফীল জারহ ওয়াত-তাদিল’ গ্রন্থে বলেছেন: বর্ণনাকারীদের (راو) কারো ব্যাপারে ইমাম বুখারীর উক্তি "তাকে নিয়ে আপত্তির অবকাশ আছে (فيه نظر)" এটি নির্দেশ করে যে, তিনি তাঁর নিকট অভিযুক্ত (متهم), তবে অন্যদের নিকট বিষয়টি তেমন নয় (১)।

এবং আত-থানভী বলেছেন: "ইমাম বুখারী ‘তাকে নিয়ে আপত্তির অবকাশ আছে (فيه نظر)’ এবং ‘তারা তার সম্পর্কে নীরবতা অবলম্বন করেছেন (سكتوا عنه)’ পরিভাষা দুটি তাদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করেন যাদের হাদিস তারা পরিত্যাগ (تروك) করেছেন" (২)।

এভাবে আমরা একদল আলেমকে পাই যারা গভীর অনুসন্ধান ও পর্যালোচনার জন্য পরিচিত, তাঁরা এই মতটিকে প্রাধান্য দিয়েছেন যে, ইমাম বুখারী এই পরিভাষাটি প্রয়োগ করেন এবং এর দ্বারা তিনি তীব্র সমালোচনা (الجرح الشديد) উদ্দেশ্য নেন।

 

‌‌দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: যারা এটিকে লঘু সমালোচনা (جرحاً خفيفاً) হিসেবে গণ্য করেছেন

যারা এই মত পোষণ করেন তাদের কেউ কেউ ইমাম তিরমিযীর একটি বর্ণনা দ্বারা দলিল পেশ করেন। ইমাম তিরমিযী হাকীম ইবনে জুবায়ের সম্পর্কে ইমাম বুখারীর মন্তব্য—"আমাদের নিকট তাকে নিয়ে আপত্তির অবকাশ আছে (لنا فيه نظر)"—উদ্ধৃত করার পর বলেন: "এবং তিনি তার সম্পর্কে সব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি" (৩)।

একইভাবে আল-কামিল গ্রন্থের লেখক ইমাম ইবনে আদীর উক্তি থেকেও এটি জানা যায়। যেমন, তিনি বুকাইর ইবনে মুসমার সম্পর্কে ইমাম বুখারীর মন্তব্য—"তার হাদিসে কিছুটা আপত্তির অবকাশ আছে (في حديثه بعض النظر)"—উদ্ধৃত করার পর বলেন: "আমি তার বর্ণনায় কোনো অস্বীকৃত (منكر) হাদিস পাইনি, এবং আমি আশা করি তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই (لا بأس به)। ইমাম বুখারী যা বলেছেন তা তার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী বলেছেন, তার থেকে আবু বকর আল-হানাফী এমন কিছু হাদিস বর্ণনা করেছেন যাতে আমি কোনো আপত্তিকর কিছু দেখিনি, আর আমার মতে তিনি সঠিক হাদিস বর্ণনাকারী (مستقيم الحديث)" (৪)।

তিনি অন্য এক স্থানে সালাবা ইবনে ইয়াযীদ আল-হিমানীর জীবনীতে বলেছেন যে, ইমাম বুখারী তার সম্পর্কে বলেছেন: "তিনি আলী থেকে শুনেছেন, তার থেকে হাবীব ইবনে আবু সাবিত বর্ণনা করেছেন, তাকে নিয়ে আপত্তির অবকাশ আছে (فيه نظر), তার হাদিসের অনুসরণ করা হয় না (لا يتابع)"। ইবনে আদী তার একটি হাদিস উল্লেখ করার পর বলেন: "সালাবা কর্তৃক আলী থেকে বর্ণিত এই হাদিসটি ছাড়াও আরও বর্ণনা রয়েছে, তবে আমি তার বর্ণনার পরিমাণের মধ্যে কোনো অস্বীকৃত (منكر) হাদিস দেখিনি। আর আলী থেকে তার শোনার বিষয়টি নিয়ে আপত্তির অবকাশ আছে (فيه نظر), যেমনটি বুখারী বলেছেন"। এখানে ইবনে আদী ইমাম বুখারীর উক্তি "তাকে নিয়ে আপত্তির অবকাশ আছে (فيه نظر)"-কে সালাবা কর্তৃক আলী (রাযিআল্লাহু আনহু) থেকে শ্রবণের বিষয়টি অস্বীকার ও প্রত্যাখ্যান করার মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেছেন।

হাফিজ ইবনে হাজার তার ‘বাযলুল মাউন’ গ্রন্থে আবু বালজ আল-ফাযারীর জীবনীতে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেছেন, যার সম্পর্কে ইমাম বুখারী বলেছিলেন "তাকে নিয়ে আপত্তির অবকাশ আছে (فيه نظر)": "এটি তাঁর সেই পরিভাষা যা তিনি মাঝারি মানের (وسطا) বর্ণনাকারীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করেন" (৫)।

--------------------------------------------

(১) আর-রাফ‘ ওয়াত-তাকমিল: পৃষ্ঠা ৩০০।

(২) কাওয়াইদ ফী উলূমিল হাদিস: পৃষ্ঠা ২৫৪।

(৩) এবং দেখুন আল-মুরসালুল খাফী, আশ-শরীফ আল-আওনী: ১/৪৪০।

(৪) আল-কামিল: ২/৪২।

(৫) বাযলুল মাউন: পৃষ্ঠা ১১৭।
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ৫)
‌‌المبحث الثالث: مناقشة الآراء والترجيح

نقل الإمام الذهبي عن الإمام البخاري كلاماً يتعلق بتفسيره لقوله: «فيه نظر» - كما مر- وقد نقلها المزي بلفظ آخر ينبغي الوقوف الطويل عنده، إذ قال المزي في تهذيب الكمال- ترجمة عبد الكريم بن أبي المخارق-: «قال الحافظ أبو محمد عبد الله بن أحمد بن سعيد بن يربوع الأشبيلي: بين مسلم جرحه في صدر كتابه. وأما البخاري فلم ينبه من أمره على شيء، فدل أنه عنده على الاحتمال، لأنه قد قال في التاريخ: كل من لم أبين فيه جرحه فهو على الاحتمال، وإذا قلت: فيه نظر، فلا يحتمل» (1).

قلت: لم أقف على هذه العبارة في تاريخي البخاري الكبير والصغير، ولو كانت في واحد منهما في نسخ الكتابين في عصر المزي، لكان المزي من أولى الناس اطلاعاً عليها فيهما، ولما افتقر في نقله لها إلى هذا الحافظ الأندلسي. ولكن الدقة والأمانة العالية التي عرف بها الذهبي تجعلنا نسلم لنقله، ويؤيد هذا أن الاستقراء لحال الرواة يبين دقة النتيجة التي ذكرها الذهبي رحمه الله تعالى.

وقال الشيخ عبد الفتاح أبو غدة: «وقد انتقد أستاذنا العلامة المحقق النبيل الشيخ حبيب الرحمن الأعظمي كلام الحافظ الذهبي المذكور في أول هذا الإيقاظ وكلام الحافظ العراقي المذكور في آخره: فلان فيه نظر يقوله البخاري فيمن تركوا حديثه- يقول الشيخ عبد الفتاح- فكتب إليَّ سلَّمه الله من الهند يقول»: ولا ينقضي عجبي حين أقرأ كلام العراقي هذا وكلام الذهبي أن البخاري لا يقول: فيه نظر، أو يدخلونه في الصحيح وإليك أمثلة … - وساق الأعظمي أمثلة، منها:-

1 - تمام بن نجيح قال فيه البخاري: «فيه نظر». ووثقه ابن معين وقال البزار في موضع: هو صالح الحديث وروى له البخاري نفسه أثراً موقوفاً معلقاً في رفع عمر بن عبد العزيز يديه حين يركع أعني فلم يتركه البخاري نفسه ولم يتركه أبو داود ولا الترمذي.

2 - ثعلبة بن نجيح الحماني قال فيه البخاري: «في حديثه نظر، لا يتابع في حديثه». وقال النسائي: ثقة وقال ابن عدي: لم أر له حديثاً منكراً في مقدار ما يرويه وقال الحافظ ابن حجر: صدوق شيعي.

--------------------------------------------

(1) تهذيب الكمال: 10/ 265.
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: মতামতের পর্যালোচনা ও প্রাধান্য নিরূপণ

ইমাম আল-জাহাবি ইমাম আল-বুখারি থেকে তাঁর উক্তি: «এতে আপত্তি আছে (فيه نظر)»-এর ব্যাখ্যা সংক্রান্ত একটি বক্তব্য বর্ণনা করেছেন—যেমনটি পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে—আর আল-মিযযি এটি ভিন্ন শব্দে বর্ণনা করেছেন যা দীর্ঘ পর্যালোচনার দাবি রাখে। কেননা আল-মিযযি 'তাহযিবুল কামাল' গ্রন্থে—আব্দুল কারীম বিন আবিল মুখারিকের জীবনীতে—বলেছেন: «হাফেজ আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন সাঈদ বিন ইয়ারবু আল-ইশবিলি বলেছেন: ইমাম মুসলিম তাঁর কিতাবের শুরুতে তাঁর সমালোচনা (جرح) স্পষ্ট করেছেন। পক্ষান্তরে আল-বুখারি তাঁর বিষয়ে কিছুই উল্লেখ করেননি, যা প্রমাণ করে যে তিনি তাঁর নিকট গ্রহণযোগ্যতার পর্যায়ে (على الاحتمال); কারণ তিনি 'আত-তারিখ'-এ বলেছেন: যার ব্যাপারে আমি কোনো সমালোচনা (جرح) বর্ণনা করিনি, সে গ্রহণযোগ্যতার পর্যায়ে (على الاحتمال); আর যখন আমি বলি: এতে আপত্তি আছে (فيه نظر), তখন সে আর গ্রহণযোগ্য থাকে না» (১)।

আমি (লেখক) বলছি: আমি আল-বুখারির 'আত-তারিখুল কাবির' ও 'আস-সগির' গ্রন্থদ্বয়ে এই উক্তিটির সন্ধান পাইনি। যদি আল-মিযযির যুগে এই গ্রন্থ দুটির কোনো পাণ্ডুলিপিতে এটি থাকত, তবে আল-মিযযিই হতেন সেটি অবগত হওয়ার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি এবং এই আন্দালুসি হাফেজের মাধ্যমে তা উদ্ধৃত করার মুখাপেক্ষী হতেন না। তবে আল-জাহাবির প্রসিদ্ধ নির্ভুলতা ও সুউচ্চ আমানতদারিতা আমাদের তাঁর বর্ণনাটি মেনে নিতে উদ্বুদ্ধ করে। এছাড়া বর্ণনাকারীদের (রাবিদের) অবস্থা পর্যালোচনা করলে আল-জাহাবি (রহ.) যে ফলাফল উল্লেখ করেছেন তার যথার্থতা ফুটে ওঠে।

শেখ আব্দুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ বলেছেন: «আমাদের শিক্ষক বিজ্ঞ গবেষক আল্লামা শেখ হাবিবুর রহমান আল-আযমি এই 'ইক্বায'-এর শুরুতে উল্লিখিত হাফেজ আল-জাহাবির বক্তব্য এবং শেষে উল্লিখিত হাফেজ আল-ইরাকির বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন: 'অমুকের ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)'—কথাটি আল-বুখারি এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে বলেন যাদের হাদিস বর্জন করা হয়েছে (تركوا حديثه)। শেখ আব্দুল ফাত্তাহ বলেন—অতঃপর তিনি (আল্লাহ তাঁকে নিরাপদ রাখুন) ভারত থেকে আমাকে লিখে পাঠিয়েছেন: «আমার বিস্ময়ের সীমা থাকে না যখন আমি আল-ইরাকির এই বক্তব্য এবং আল-জাহাবির উক্তিটি পড়ি যে, আল-বুখারি 'এতে আপত্তি আছে (فيه نظر)' বলেন না অথবা তারা একে সহিহ (صحيح) হাদিসের অন্তর্ভুক্ত করেন। আপনার জন্য কিছু উদাহরণ পেশ করছি...» —অতঃপর আল-আযমি কিছু উদাহরণ পেশ করেন, যার মধ্যে রয়েছে:-

১ - তাম্মাম বিন নাজিহ: তাঁর সম্পর্কে আল-বুখারি বলেছেন: «এতে আপত্তি আছে (فيه نظر)»। অথচ ইবনে মাইন তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন (وثقه) এবং আল-বাযযার এক স্থানে বলেছেন: তিনি হাদিস বর্ণনায় গ্রহণযোগ্য (صالح الحديث)। স্বয়ং আল-বুখারি তাঁর থেকে উমর বিন আব্দুল আজিজ রুকুতে যাওয়ার সময় হাত তোলার ব্যাপারে একটি আসার (أثر), যা মাওকুফ (موقوف) এবং মুআল্লাক (معلق) হিসেবে বর্ণনা করেছেন; অর্থাৎ আল-বুখারি নিজে তাঁকে বর্জন করেননি এবং আবু দাউদ ও তিরমিজিও তাঁকে বর্জন করেননি।

২ - সা'লাবা বিন নাজিহ আল-হিমানি: তাঁর সম্পর্কে আল-বুখারি বলেছেন: «তাঁর হাদিসে আপত্তি আছে (في حديثه نظر), তাঁর হাদিস সমর্থিত নয় (لا يتابع في حديثه)»। অথচ আন-নাসায়ি বলেছেন: নির্ভরযোগ্য (ثقة)। ইবনে আদি বলেছেন: তিনি যা বর্ণনা করেন তার মধ্যে আমি কোনো প্রত্যাখ্যাত (منكر) হাদিস দেখিনি। হাফেজ ইবনে হাজার বলেছেন: সত্যবাদী (صدوق) শিয়া মতাবলম্বী (شيعي)।

--------------------------------------------

(১) তাহযিবুল কামাল: ১০/ ২৬৫।
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ৬)
3 - عبد الرحمن بن سلمان الرعيني، قال البخاري: «فيه نظر» وقد وثقه ابن يونس وقال أبو حاتم: ما رأيت من حديثه منكراً، وهو صالح الحديث وله عند مسلم في مبيت ابن عباس عند ميمونة، وقال النسائي: ليس به بأس، وأدخله البخاري في الضعفاء فقال أبو حاتم يحول من هناك.

قال الأعظمي:

«والصواب عندي: أن ما قاله العراقي ليس بمطرد ولا صحيح على إطلاقه بل كثيراً ما يقوله البخاري ولا يوافقه عليه الجهابذة وكثيراً ما يقوله ويريد به إسناداً خاصاً كما قال في التاريخ الكبير 3/ 1/ 103 في ترجمة عبد الله بن محمد بن عبد الله بن زيد) رائي الأذان (فيه نظر لأنه لم يذكر سماع بعضهم من بعض.

وكما في ترجمته من تهذيب التهذيب 6/ 160 وكثيراً ما يقوله ولا يعني الراوي بل حديث الراوي فعليك بالتثبت والتأني (1).

قلت:- الباحث- أما قول الأعظمي فمردود من عدة جهات: الأول: أن عدداً من الذين أوردهم قد ضعفهم غير البخاري فيكون مما اختلف فيه أهل العلم وهذا حاصل في كلام العلماء فكم من راو ضعفه عالم وقواه عالم آخر كما يعلم من كتب الرجال.

الثاني: أن بعض الأمثلة التي أوردها قال فيها البخاري: «في حديثه نظر»، وهذا يختلف عن قوله فيه نظر كما ذكره عدد من أهل العلم.

الثالث: إن سلم له مثال أو مثالين فقد يقال إن البخاري يستخدم هذا أحياناً قليلة في الجرح الخفيف وهذا ما يدل على كلام الذهبي رحمه الله حيث قال: قال البخاري: «فيه نظر»: «ولا يقول هذا إلا فيمن يتهمه غالباً»، فدل على أنه قد يذكرها أحياناً لغير الضعف الشديد.

وخلص الشريف العوني إلى القول: «لم يزل- يريد فيه نظر- غير دال وحده على الضعف الشديد، لأن من رأى أنها تدل على الضعف الشديد إنما اعتمد على ما نقل عن البخاري، غافلاً عن أدلة وإشكالات تنقض وتعترض النتيجة التي توصل إليها، وغير منتبه إلى أن عبارة البخاري وهي دليله الوحيد لا تدل أصلاً على المعنى الذي فهمه منها).

--------------------------------------------

(1) الرفع والتكميل: ص309.
৩ - আবদুর রহমান ইবনে সালমান আল-রুয়াইনি। ইমাম বুখারি বলেছেন: «তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)»। তবে ইবনে ইউনুস তাকে নির্ভরযোগ্য (ثقة) বলে অভিহিত করেছেন। আবু হাতিম বলেছেন: আমি তার বর্ণিত হাদিসে কোনো আপত্তিকর (منكر) কিছু দেখিনি; তিনি হাদিস বর্ণনায় উপযুক্ত (صالح الحديث)। মায়মুনার ঘরে ইবনে আব্বাসের রাত্রিযাপন সংক্রান্ত তার একটি বর্ণনা মুসলিমে রয়েছে। আন-নাসায়ি বলেছেন: «তার মধ্যে কোনো দোষ নেই (ليس به بأس)»। ইমাম বুখারি তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের (الضعفاء) তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করায় আবু হাতিম বলেছেন, তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া উচিত।

আল-আজমি বলেছেন:

«আমার মতে সঠিক (صواب) হলো: ইরাকি যা বলেছেন তা সর্বদা প্রযোজ্য নয় এবং ঢালাওভাবে তা সঠিক (صحيح) নয়। বরং ইমাম বুখারি অনেক সময় এমন কথা বলেন যাতে দক্ষ পণ্ডিতগণ (الجهابذة) তার সাথে একমত হন না। অনেক সময় তিনি এটি দ্বারা কোনো বিশেষ সনদ (إسناد) উদ্দেশ্য করেন; যেমনটি তিনি আত-তারিখুল কবির (৩/১/১০৩)-এ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে জাইদ (যিনি আজান দেখেছিলেন)-এর জীবনীতে বলেছেন: (তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)), কারণ সেখানে বর্ণনাকারীদের একে অপরের থেকে শ্রবণ (سماع) করার কথা উল্লেখ নেই।

অনুরূপভাবে তাহজিবুত তাহজিব (৬/১৬০) গ্রন্থে তার জীবনীতে উল্লেখ রয়েছে যে, ইমাম বুখারি অনেক সময় এমন কথা বলেন যা দ্বারা বর্ণনাকারী (راو) নিজে উদ্দেশ্য থাকেন না, বরং বর্ণনাকারীর বর্ণিত হাদিস উদ্দেশ্য থাকে। সুতরাং আপনার উচিত বিষয়টি দৃঢ়ভাবে যাচাই (تثبت) করা এবং ধৈর্য অবলম্বন করা (১)।

আমি (গবেষক) বলছি: আল-আজমির বক্তব্যটি কয়েকটি কারণে প্রত্যাখ্যাত (مردোর্ড): প্রথমত, তিনি যাদের উল্লেখ করেছেন তাদের মধ্যে অনেককে ইমাম বুখারি ছাড়াও অন্যরা দুর্বল (ضعيف) বলেছেন। সুতরাং এটি এমন একটি বিষয় যাতে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। আর রিজাল শাস্ত্রের কিতাবগুলো থেকে যেমন জানা যায়, এটি আলেমদের বক্তব্যের ক্ষেত্রে অহরহ ঘটে থাকে যে, কোনো একজন বর্ণনাকারীকে এক আলেম দুর্বল (ضعيف) বলছেন আর অন্য আলেম তাকে শক্তিশালী (ثقة) বলছেন।

দ্বিতীয়ত, তিনি যে উদাহরণগুলো পেশ করেছেন তার কয়েকটিতে বুখারি বলেছেন: «তার হাদিসে আপত্তি আছে (في حديثه نظر)»; আর এটি «তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)» উক্তিটি থেকে ভিন্ন, যা অনেক আলেম উল্লেখ করেছেন।

তৃতীয়ত, যদি তার পক্ষে একটি বা দুটি উদাহরণ মেনেও নেওয়া হয়, তবুও বলা যেতে পারে যে, বুখারি মাঝেমধ্যে লঘু সমালোচনা (الجرح الخفيف)-এর ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করেন। এটি ইমাম জাহাবির বক্তব্যের দিকেই ইঙ্গিত করে, যেখানে তিনি বলেছেন: ইমাম বুখারি যখন বলেন: «তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)», তখন বুঝতে হবে «তিনি সাধারণত এটি কেবল তার ব্যাপারেই বলেন যাকে তিনি অভিযুক্ত (متهم) মনে করেন»। এটি প্রমাণ করে যে, মাঝেমধ্যে তিনি কঠোর দুর্বলতা (ضعف شديد) ছাড়াও অন্য কারণে এই শব্দ ব্যবহার করতে পারেন।

শরীফ আল-আউনি এই উপসংহারে পৌঁছেছেন যে: «"তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)" - কথাটি এককভাবে কঠোর দুর্বলতা (ضعف شديد) নির্দেশ করা থেকে বিরত থেকেছে। কেননা যারা মনে করেন এটি কঠোর দুর্বলতা (ضعف شديد) নির্দেশ করে, তারা কেবল ইমাম বুখারি থেকে বর্ণিত তথ্যের ওপর নির্ভর করেছেন এবং এমন কিছু দলিল ও জটিলতা উপেক্ষা করেছেন যা তাদের এই সিদ্ধান্তকে খণ্ডন করে। তারা এ বিষয়ে লক্ষ্য করেননি যে, ইমাম বুখারির এই উক্তিটি—যা তাদের একমাত্র দলিল—মূলত সেই অর্থ প্রকাশ করে না যা তারা তা থেকে বুঝেছেন)।

--------------------------------------------

(১) আর-রাফ্ ওয়া আত-তাকমিল: পৃষ্ঠা ৩০৯।
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ৭)
ولم يزل عند حول هذه المسألة من الوقفات التي أسد بها ثغراتها، وأزيل عنها شبهاتها، وأفسر مقصود البخاري بقوله: «فيه نظر»: على اختلاف دلالاتها من خلال واقع استخدامها، وما هي مرتبة هذه اللفظة على التعيين؟ وغير ذلك مما هو من لوازم الدراسة العلمية المنضبطة، التي لا تستجيز العجلة، بل لا تطمئن إلى النتيجة إلا بعد سد الثغرات والإجابة عن كل اعتراض محتمل بجواب صحيح، لأن بقاء ثغرة واحدة أو قيام إشكال واحد قد يكون في حقيقته ناقضاً صحيحاً وارداً وجيهاً عمّا كنت قد تبنيته، فلابد من دراسة ذلك كله بصدق وأمانة» (1).

ومن خلال تراجم الرجال الذين قال فيهم البخاري: «نجدهم ضعفاء جداً في الغالب، متكلم فيهم بجرح صريح، منع من قبول روايته، إذ يجد الباحث أن أغلب من وصفهم البخاري بـ «فيه نظر» أن أئمة الجرح والتعديل قد جرحوهم شديداً، وحتى الأئمة الذين نسب إليهم القول أنهم فسروا تلك العبارة بالجرح الخفيف كابن عدي- مثلاً- جرحوهم بشدة، وعلى سبيل المثال:

جاء في ترجمة: عبد الحكيم بن منصور الخزاعي الواسطي: قال البخاري: «كذبه بعضهم فيه نظر»، وضعفه ابن معين، وقال مرة: كذبه وتركه، وقال أبو حاتم: لا يكتب حديثه، وضعفه أبو داود وابن سعد، وتركه النسائي والدارقطني وابن حجر، وقال ابن عدي: له أحاديث لا يتابع عليها، وقال ابن حبان: كان شيخاً مغفلاً يحدث بما لا يعلم لا يجوز الاحتجاج به إذا انفرد، وقال الحاكم: ذاهب الحديث، وقال الذهبي: تركوه.

وجاء في ترجمة: حسين بن حسن الفرازي الأشقر: قال البخاري: «فيه نظر». وقال مرة: عنده مناكير، ومرة: مقارب الحديث، وقال يحيى بن معين: لا بأس به، وأورده ابن حبان في الثقات، وقال أحمد بن حنبل: ليس بأهل أن يحدث عنه، وقال أبو زرعة: هو شيخ منكر الحديث، وقال أبو حاتم: ليس بقوي في الحديث، ومثله قال النسائي والدارقطني، وقال الجوزجاني: كان غالياً من الشتامين للخيرة، وأورده ابن حبان في الثقات، وقال ابن عدي بعد أن استنكر له أحاديث: والبلاء فيها من الأشقر، ثم قال: في حديثه بعض ما فيه، وقال العقيلي بعد أن ذكر له حديثاً: لا يعرف إلا به ولا يتابع عليه.

--------------------------------------------

(1) المرسل الخفي: 1/ 440.

এই মাসআলাটি সম্পর্কে আমি নিরন্তর গবেষণা ও পর্যালোচনার মাধ্যমে এর শূন্যস্থানগুলো পূরণ করার, অস্পষ্টতা দূর করার এবং বুখারীর উক্তি 'তার ব্যাপারে পর্যবেক্ষণ রয়েছে (فيه نظر)' এর প্রকৃত অর্থ—এর ব্যবহারের প্রেক্ষাপটে এর বিভিন্ন প্রকারের অর্থ এবং নির্দিষ্টভাবে এই শব্দটির স্তর কী তা ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছি। এছাড়া একটি সুশৃঙ্খল বৈজ্ঞানিক গবেষণার যা যা প্রয়োজনীয় উপাদান রয়েছে, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছি, যা তাড়াহুড়োকে প্রশ্রয় দেয় না; বরং যতক্ষণ না পর্যন্ত প্রতিটি শূন্যস্থান পূরণ হয় এবং সম্ভাব্য প্রতিটি আপত্তির সঠিক উত্তর পাওয়া যায়, ততক্ষণ কোনো ফলাফলের ওপর আশ্বস্ত হওয়া যায় না। কারণ, একটি মাত্র শূন্যস্থান বা একটি সমস্যার অস্তিত্ব আপনার গৃহীত মতের বিরুদ্ধে প্রকৃতপক্ষেই একটি বলিষ্ঠ ও সঠিক খণ্ডনকারী হতে পারে। অতএব, এই সমস্ত বিষয় অত্যন্ত সততা ও বিশ্বস্ততার সাথে অধ্যয়ন করা আবশ্যক। (১)

যাদের সম্পর্কে বুখারী এই মন্তব্য করেছেন, তাদের জীবনী পর্যালোচনার মাধ্যমে আমরা দেখতে পাই যে, তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রে অত্যন্ত দুর্বল (ضعفاء جداً), এবং তাদের সম্পর্কে স্পষ্ট সমালোচনা (جرح صريح) করা হয়েছে যা তাদের বর্ণনা গ্রহণের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। গবেষক লক্ষ্য করবেন যে, যাদের ক্ষেত্রে বুখারী 'তার ব্যাপারে পর্যবেক্ষণ রয়েছে (فيه نظر)' পরিভাষাটি ব্যবহার করেছেন, জারহ ও তাদিল (الجرح والتعديل)-এর ইমামগণ তাদের তীব্র সমালোচনা করেছেন। এমনকি যেসব ইমামদের দিকে এই মতটি নিসবত করা হয় যে, তারা এই পরিভাষাটিকে হালকা সমালোচনা (الجرح الخفيف) হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন—যেমন ইবনে আদি—তারাও তাদের ক্ষেত্রে কঠোর সমালোচনা করেছেন। উদাহরণস্বরূপ:

আবদুল হাকিম বিন মানসুর আল-খুজায়ি আল-ওয়াসিতির জীবনীর আলোচনায় এসেছে: বুখারী বলেছেন: 'কেউ কেউ তাকে মিথ্যাবাদী বলেছে (كذبه), তার ব্যাপারে পর্যবেক্ষণ রয়েছে (فيه نظر)'। ইবনে মাঈন তাকে দুর্বল (ضعفه) বলেছেন এবং অন্য এক সময়ে বলেছেন: 'তিনি তাকে মিথ্যাবাদী বলেছেন এবং তাকে পরিত্যাগ (تركه) করেছেন'। আবু হাতেম বলেছেন: 'তার হাদিস লেখা যাবে না (لا يكتب حديثه)'। আবু দাউদ ও ইবনে সাদ তাকে দুর্বল (ضعفه) বলেছেন। নাসায়ী, দারা কুতনী ও ইবনে হাজার তাকে পরিত্যাগ (تركه) করেছেন। ইবনে আদি বলেছেন: 'তার এমন কিছু হাদিস রয়েছে যার কোনো অনুসরণকারী নেই (لا يتابع عليها)'। ইবনে হিব্বান বলেছেন: 'তিনি ছিলেন একজন অসতর্ক শায়খ, যা জানতেন না তা বর্ণনা করতেন, তিনি একক (انفرد) বর্ণনায় থাকলে তার দ্বারা দলিল গ্রহণ (الاحتجاج) বৈধ নয়'। আল-হাকিম বলেছেন: 'তার হাদিস বিলুপ্ত (ذاهب الحديث)'। আজ-জাহাবী বলেছেন: 'তারা তাকে বর্জন করেছেন (تركوه)'।

হুসাইন বিন হাসান আল-ফারাজি আল-আশকার-এর জীবনীর আলোচনায় এসেছে: বুখারী বলেছেন: 'তার ব্যাপারে পর্যবেক্ষণ রয়েছে (فيه نظر)'। তিনি অন্য স্থানে বলেছেন: 'তার নিকট আপত্তিকর বর্ণনা (مناكير) রয়েছে'। আবার বলেছেন: 'তার হাদিস চলনসই (مقارب الحديث)'। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেছেন: 'তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই (لا بأس به)'। ইবনে হিব্বান তাকে আস-সিকাত গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। আহমাদ বিন হাম্বল বলেছেন: 'তার থেকে হাদিস বর্ণনা করার যোগ্যতা তার নেই'। আবু জুরআ বলেছেন: 'তিনি আপত্তিকর হাদিস বর্ণনাকারী (منكر الحديث) একজন শায়খ'। আবু হাতেম বলেছেন: 'হাদিসের ক্ষেত্রে তিনি শক্তিশালী নন (ليس بقوي)'। নাসায়ী ও দারা কুতনীও একই কথা বলেছেন। জুযজানি বলেছেন: 'তিনি চরমপন্থী এবং শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের গালিগালাজকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন'। ইবনে হিব্বান তাকে আস-সিকাত গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। ইবনে আদি তার কিছু হাদিসকে আপত্তিকর (استنكر) আখ্যা দেওয়ার পর বলেন: 'এর আপদ হলো আশকার নিজেই'। এরপর বলেন: 'তার হাদিসের মধ্যে যা ত্রুটি থাকার তা আছে'। উকাইলি তার একটি হাদিস উল্লেখ করার পর বলেন: 'এটি কেবল তার মাধ্যমেই পরিচিত এবং এর কোনো অনুসরণকারী নেই (لا يتابع عليه)'।

--------------------------------------------

(১) আল-মুরসাল আল-খাফি: ১/ ৪৪০।
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ৮)
فمذهب الحافظ الذهبي ومن تبعه أدق والله أعلم. وسيأتي بيان ذلك في الفصل التطبيقي، إن شاء الله تعالى.

 

‌‌الفصل الثاني

الدراسة التطبيقية في التأريخ الكبير

فيما يلي ترتيبا للرواة الذين قال فيهم لبخاري: "فيه نظر" من كتابه التأريخ الكبير، ثم ذكرت بعده بعض أقوال أئمة الجرح والتعديل من المتقدمين والمتأخرين، مرتبا على حروف المعجم ..

1. إبراهيم بن علي الرافعي: قال البخاري: "فيه نظر". وقال ابن معين: ليس به بأس، وقال أبو حاتم: شيخ، وقال ابن عدي: وسط، وقال ابن حبّان: كان يخطئ حتى خرج عن حدّ الاحتجاج به إذا انفرد، وضعفه الدارقطني وابن حجر. قلت: ليس له في التسعة سوى حديث واحد تفرّد به ابن ماجة (1).

2. إبراهيم بن محمّد بن عبد العزيز بن عمر بن عبد الرحمن بن عوف: قال البخاري: "فيه نظر". وقال مرة: منكر الحديث، ومرة: سكتوا عنه، وضعفه الدارقطني، وقال ابن عدي: عامة ما يرويه مناكير ولا يشبه حديثه أهل الصدق، وقال ابن حبان: تفرد بأشياء لا تعرف حتى خرج عن حدّ الاحتجاج به مع قلة تيقظ في الحفظ والإتقان. قلت: ليس له في التسعة شيء (2).

3. إسحاق بن إبراهيم بن نسطاس: قال البخاري: " فيه نظر".، وقال أبو حاتم: شيخ ليس بالقوي، وقال ابن الجارود: منكر الحديث، وقال ابن حبان: كان يخطئ لا يجوز الاحتجاج بخبره إذا انفرد، وقال ابن عدي: ليس له كبير رواية، وضعفه النسائي، وقال الذهبي: واه. قلت: وليس له في التسعة شيء.

4. إسماعيل بن عبد الرحمن الأودي: قال البخاري: "فيه نظر". وقال الأزدي: منكر الحديث، وقال ابن معين: شيخ كوفي، وقال العقيلي: لا يعرف إلا [بحديث الحمامات]، وقال ابن عدي: لا أعرف له غير [حديثين]. قلت: ليس له في التسعة شيء.

--------------------------------------------

(1) ينظر: التاريخ الكبير 1/ 310،والمجروحين1/ 103،والكامل 1/ 258،وتهذيب الكمال 2/ 155،والتقريب1/ 92.

(2) ينظر: التاريخ الكبير 1/ 322،وضعفاء العقيلي 1/ 61،والمجروحين1/ 114،والكامل 1/ 258،ولسان الميزان1/ 97.
হাফিজ যাহাবি এবং যারা তাকে অনুসরণ করেছেন তাদের মাযহাব বা মতাদর্শ অধিকতর সূক্ষ্ম, আর আল্লাহ-ই ভালো জানেন। অচিরেই প্রয়োগিক অধ্যায়ে এর বিস্তারিত বর্ণনা আসবে, ইনশাআল্লাহ তায়ালা।

 

‌‌দ্বিতীয় অধ্যায়

তারিখুল কাবির গ্রন্থে প্রয়োগিক গবেষণা

নিম্নে তাঁর তারিখুল কাবির গ্রন্থ থেকে ওই সকল বর্ণনাকারীদের (رواة) ক্রমবিন্যাস করা হলো যাদের ব্যাপারে ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে পর্যবেক্ষণ রয়েছে" (فيه نظر)। এরপর আমি তাদের সম্পর্কে পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী জারহ ও তাদিল (الجرح والتعديل) ইমামগণের কিছু বক্তব্য বর্ণনানুক্রমিকভাবে উল্লেখ করেছি...

1. ইব্রাহিম বিন আলি আল-রাফিয়ি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে পর্যবেক্ষণ রয়েছে" (فيه نظر)। ইবনে মাইন বলেছেন: তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই (ليس به بأس)। আবু হাতিম বলেছেন: শায়খ (شيخ)। ইবনে আদি বলেছেন: মধ্যম মানের (وسط)। ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি ভুল করতেন এমনকি যখন তিনি এককভাবে বর্ণনা (تفرّد) করতেন তখন তার বর্ণনা দ্বারা দলিল গ্রহণের (الاحتجاج به) সীমা থেকে বের হয়ে যেতেন। দারা কুতনি এবং ইবনে হাজার তাকে দুর্বল (ضعفه) বলেছেন। আমি বলি: কুতুবে তিসআ বা নয়টি গ্রন্থের মধ্যে তার কেবল একটি হাদিস রয়েছে যা ইবনে মাজাহ এককভাবে (تفرّد) বর্ণনা করেছেন (১)।

2. ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ বিন উমর বিন আব্দুর রহমান বিন আউফ: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে পর্যবেক্ষণ রয়েছে" (فيه نظر)। তিনি অন্য সময় বলেছেন: অগ্রহণযোগ্য হাদিস বর্ণনাকারী (منكر الحديث), এবং অন্য সময় বলেছেন: তার ব্যাপারে তারা নীরব থেকেছেন (سكتوا عنه)। দারা কুতনি তাকে দুর্বল (ضعفه) বলেছেন। ইবনে আদি বলেছেন: তার বর্ণিত অধিকাংশ হাদিসই অগ্রহণযোগ্য (مناكير) এবং তার হাদিস সত্যবাদী লোকদের বর্ণনার সদৃশ নয়। ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি এমন সব বিষয় এককভাবে (تفرد) বর্ণনা করতেন যা পরিচিত নয়, এমনকি হিফজ ও নির্ভুলতার (الإتقان) ক্ষেত্রে অসতর্কতার কারণে তিনি দলিল গ্রহণের (الاحتجاج به) সীমা থেকে চ্যুত হয়েছেন। আমি বলি: কুতুবে তিসআ-তে তার কোনো বর্ণনা নেই (২)।

3. ইসহাক বিন ইব্রাহিম বিন নাসতাস: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে পর্যবেক্ষণ রয়েছে" (فيه نظر)। আবু হাতিম বলেছেন: শায়খ, তিনি শক্তিশালী নন (ليس بالقوي)। ইবনে জারুদ বলেছেন: অগ্রহণযোগ্য হাদিস বর্ণনাকারী (منكر الحديث)। ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি ভুল করতেন, যখন তিনি এককভাবে (انفرد) বর্ণনা করতেন তখন তার খবর বা বর্ণনা দ্বারা দলিল গ্রহণ (الاحتجاج) করা বৈধ নয়। ইবনে আদি বলেছেন: তার অধিক বর্ণনা (رواية) নেই। নাসায়ি তাকে দুর্বল (ضعفه) বলেছেন এবং যাহাবি বলেছেন: অত্যন্ত দুর্বল (واه)। আমি বলি: কুতুবে তিসআ-তে তার কোনো বর্ণনা নেই।

4. ইসমাইল বিন আব্দুর রহমান আল-আউদি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে পর্যবেক্ষণ রয়েছে" (فيه نظر)। আজদি বলেছেন: অগ্রহণযোগ্য হাদিস বর্ণনাকারী (منكر الحديث)। ইবনে মাইন বলেছেন: কুফাবাসী শায়খ (شيخ كوفي)। উকায়লি বলেছেন: তিনি পরিচিত নন কেবল 'গোসলখানার হাদিস' (بحديث الحمامات) ব্যতীত। ইবনে আদি বলেছেন: আমি তার দুটি হাদিস ছাড়া অন্য কিছু জানি না। আমি বলি: কুতুবে তিসআ-তে তার কোনো বর্ণনা নেই।

--------------------------------------------

(১) দ্রষ্টব্য: তারিখুল কাবির ১/৩১০, আল-মাজরুহিন ১/১০৩, আল-কামিল ১/২৫৮, তাহজিবুল কামাল ২/১৫৫, তাকরিব ১/৯২।

(২) দ্রষ্টব্য: তারিখুল কাবির ১/৩২২, দুয়াফাউল উকায়লি ১/৬১, আল-মাজরুহিন ১/১১৪, আল-কামিল ১/২৫৮, লিসানুল মিজান ১/৯৭।
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ৯)
5. إسماعيل بن مختار: قال البخاري: «فيه نظر لم يصح حديثه». وقال أبو حاتم: شيخ، وقال ابن عدي: ليس بمعروف، وقال ابن معين: لا أعرفه، وقال الذهبي: مجهول، وأورده ابن حبان في الثقات. قلت: ليس له في التسعة شيء.

6. إياس بن عفيف سنان: قال البخاري: "فيه نظر".وذكره ابن حبان في الثقات. قلت: وليس له في التسعة سوى حديثاً واحداً عند أحمد.

7. أوس بن عبد الله بن بريدة بن حصيب الأسلمي: قال البخاري: "فيه نظر". قال النسائي: ليس بثقة، وقال ابن عدي: في بعض أحاديثه مناكير، وقال ابن حبان: كان ممن يخطئ، وتركه الدارقطني. قلت: له حديث واحد عند أحمد.

8. بريدة بن سفيان بن فروة الأسلمي: قال البخاري ": فيه نظر". وقال أحمد عنه: بليّة، ونقل عنه ابن معين شربه للخمر، وقال أبو حاتم: ضعيف الحديث، وقال ابن عدي: ليس له كثير رواية، قال الجوزجاني: رديء المذهب، وقال النسائي: ليس بالقوي، ووافقه ابن حجر، وأورده ابن حبان في الثقات، وتركه الدارقطني، وقال أبو داود: لم يكن بذاك. قلت: له في التسعة حديث واحد عند أحمد وآخر عند النسائي.

9. بشر بن الحسين الأصبهاني الهلالي: قال البخاري: "فيه نظر". وقال أبو حاتم: لا أعرفه، وتركه الدارقطني، وقال ابن عدي: ضعيف عامة ما يرويه غير محفوظ، وقال ابن حبان: يروي عن الزبير نسخة موضوعة. قلت: وليس له في التسعة شيء.

10. بكر بن قرواش الكوفي: قال البخاري ": فيه نظر". وقال ابن المديني: لم أسمع بذكره إلا في حديث واحد، وقال ابن عدي: ما أقل ما له من الروايات، وأورده ابن حبان في ثقاته، ووثقه العجلي، وقال الذهبي: لا يعرف وحديثه منكر،. قلت: ليس له في التسعة إلا حديثاً واحداً عند أحمد.
5. ইসমাঈল ইবনে মুখতার: বুখারি বলেছেন: "তার বিষয়ে আপত্তি রয়েছে (فيه نظر), তার হাদিস সহিহ বা বিশুদ্ধ (لم يصح) নয়।" আবু হাতিম বলেছেন: "শায়খ (شيخ)"। ইবনে আদি বলেছেন: "তিনি সুপরিচিত (معروف) নন।" ইবনে মঈন বলেছেন: "আমি তাকে চিনি না।" জাহাবি বলেছেন: "অজ্ঞাত (مجهول)।" ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য (الثقات) বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। আমি বলছি: কুতুবে তিসআ-তে তার কোনো বর্ণনা নেই।

6. ইয়াস ইবনে আফিফ সিনান: বুখারি বলেছেন: "তার বিষয়ে আপত্তি রয়েছে (فيه نظر)।" ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য (الثقات) বর্ণনাকারীদের তালিকায় উল্লেখ করেছেন। আমি বলছি: মুসনাদে আহমদ-এ বর্ণিত একটি হাদিস ছাড়া কুতুবে তিসআ-তে তার আর কোনো বর্ণনা নেই।

7. আউস ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বুরাইদাহ ইবনে হুসাইব আল-আসলামি: বুখারি বলেছেন: "তার বিষয়ে আপত্তি রয়েছে (فيه نظر)।" নাসায়ি বলেছেন: "তিনি নির্ভরযোগ্য (ثقة) নন।" ইবনে আদি বলেছেন: "তার কিছু হাদিসে মুনকার বা প্রত্যাখ্যাত (مناكير) বর্ণনা রয়েছে।" ইবনে হিব্বান বলেছেন: "তিনি ভুল করতেন।" দারা কুতনি তাকে পরিত্যাগ (تركه) করেছেন। আমি বলছি: মুসনাদে আহমদ-এ তার একটি হাদিস রয়েছে।

8. বুরাইদাহ ইবনে সুফিয়ান ইবনে ফারওয়াহ আল-আসলামি: বুখারি বলেছেন: "তার বিষয়ে আপত্তি রয়েছে (فيه نظر)।" আহমদ তার সম্পর্কে বলেছেন: "একটি আপদ (بليّة)।" ইবনে মঈন তার মদ্যপানের কথা বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেছেন: "হাদিসের ক্ষেত্রে দুর্বল (ضعيف الحديث)।" ইবনে আদি বলেছেন: "তার বর্ণনার সংখ্যা অধিক নয়।" জাওযাজানি বলেছেন: "নিকৃষ্ট মতাদর্শের (رديء المذهب)।" নাসায়ি বলেছেন: "তিনি শক্তিশালী (القوي) নন।" ইবনে হাজার তার সাথে একমত পোষণ করেছেন। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য (الثقات) বর্ণনাকারীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। দারা কুতনি তাকে পরিত্যাগ (تركه) করেছেন। আবু দাউদ বলেছেন: "তিনি তেমন নির্ভরযোগ্য (بذاك) ছিলেন না।" আমি বলছি: কুতুবে তিসআ-র মধ্যে মুসনাদে আহমদ-এ তার একটি এবং নাসায়িতে অন্য একটি হাদিস রয়েছে।

9. বিশর ইবনে আল-হুসাইন আল-আসফাহানি আল-হিলালি: বুখারি বলেছেন: "তার বিষয়ে আপত্তি রয়েছে (فيه نظر)।" আবু হাতিম বলেছেন: "আমি তাকে চিনি না।" দারা কুতনি তাকে পরিত্যাগ (تركه) করেছেন। ইবনে আদি বলেছেন: "তিনি যা বর্ণনা করেন তার অধিকাংশ দুর্বল (ضعيف) এবং সংরক্ষিত বা নির্ভরযোগ্য (غير محفوظ) নয়।" ইবনে হিব্বান বলেছেন: "তিনি জুবাইর থেকে একটি জাল বা বানোয়াট (موضوعة) পান্ডুলিপি বর্ণনা করেন।" আমি বলছি: কুতুবে তিসআ-তে তার কোনো বর্ণনা নেই।

10. বকর ইবনে কারওয়াশ আল-কুফি: বুখারি বলেছেন: "তার বিষয়ে আপত্তি রয়েছে (فيه نظر)।" ইবনে আল-মাদিনি বলেছেন: "একটি হাদিস ছাড়া আমি তার কথা শুনিনি।" ইবনে আদি বলেছেন: "তার বর্ণনার সংখ্যা কতই না নগণ্য!" ইবনে হিব্বান তাকে তার সিকাত (ثقاته) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। ইজলি তাকে নির্ভরযোগ্য (وثقه) বলেছেন। জাহাবি বলেছেন: "তাকে চেনা যায় না (لا يعرف) এবং তার হাদিস মুনকার বা প্রত্যাখ্যাত (منكر)।" আমি বলছি: মুসনাদে আহমদ-এ থাকা একটি হাদিস ছাড়া কুতুবে তিসআ-তে তার আর কিছু নেই।
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ১০)
11. تمام بن نجيح الأسدي: قال البخاري: "فيه نظر". وقال أحمد: لا أعرفه، ووثقه ابن معين والفسوي، وقال أبو حاتم: منكر الحديث ذاهب، وقال أبو زرعة: ليس بقوي ضعيف، وقال ابن عدي: عامة ما يرويه لا يتابعه الثقات عليه، وقال النسائي: لا يعجبني حديثه، وضعفه ابن حبان والدارقطني والذهبي وابن حجر، وقال ابن حبان مرة: منكر الحديث جداً يروي أشياء موضوعة عن الثقات، وقال أبو داود: له أحاديث مناكير. قلت: له في التسعة حديث واحد عند الترمذي وآخر عند أبي داود.

12. ثعلبة بن يزيد الحماني: قال البخاري ": فيه نظر"، وروى له حديثاً ثمّ قال: ولا يتابع عليه، ووثقه النسائي، وقال ابن حبّان: كان غالياً في التشيّع لا يحتجّ بأخباره التي يتفرّد بها عن علي، وقال ابن عدي: لم أر له حديثاً منكراً، وقال ابن سعد: وكان قليل الحديث، وقال ابن حجر: صدوق شيعي. قلت: ليس له في التسعة إلا حديثاً واحداً عند أحمد.

13. جميع بن عامر (أو عمير) التيمي: قال البخاري:" فيه نظر". وقال ابن حبّان: كان رافضيّاً يضع الحديث، وقال العجلي: لا بأس به يكتب حديثه وليس بالقوي، وقال ابن نمير: من أكذب الناس، وقال أبو حاتم: محله الصدق صالح الحديث، وقال ابن عدي: امة ما يرويه أحاديث لا يتابعه غيره عليه، وضعفه ابن حجر. قلت: إلا أنّ الترمذي حسّن بعض حديثه، وروى له أحمد والأربعة والدارمي ما مجموعه دون العشرة أحاديث.

14. جميل بن عامر (أو عمارة) الكوفي: قال البخاري: "فيه نظر". وقال ابن عدي: يعرف بحديث أو حديثين. قلت: ليس له في التسعة شيء.

15. حبيب بن سالم الأنصاري مولى النعمان بن بشير: قال البخاري: "فيه نظر". وقال ابن عدي: ليس في متون أحاديثه حديث منكر بل اضطرب في أسانيد ما يروى عنه، ووثقه أبو حاتم وأبو داود، وأورده ابن حبّان في الثقات، وقال عنه ابن حجر: لا بأس به. قلت: له عند مسلم حديثٌ واحدٌ متابعةً، وروى له أحمد والدارمي والأربعة ما مجموعه أربعة أحاديث دون المكرر.
11. তাম্মাম ইবনে নাজিয় আল-আসাদি: ইমাম বুখারি বলেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইমাম আহমাদ বলেন: "আমি তাকে চিনি না"। ইবনে মাইন ও ফাসাউয়ি তাকে নির্ভরযোগ্য (ثقة) বলে অভিহিত করেছেন। আবু হাতিম বলেন: "তিনি প্রত্যাখ্যাত হাদিস বর্ণনাকারী (منكر الحديث) এবং বর্জনীয় (ذاهب)"। আবু যুরআহ বলেন: "তিনি শক্তিশালী নন (ليس بقوي), বরং দুর্বল (ضعيف)"। ইবনে আদি বলেন: "তিনি যা বর্ণনা করেন, সাধারণত নির্ভরযোগ্য (ثقة) বর্ণনাকারীরা সে ব্যাপারে তার অনুসরণ করেন না"। নাসায়ি বলেন: "তার হাদিস আমার নিকট পছন্দনীয় নয়"। ইবনে হিব্বান, দারা কুতনি, যাহাবি ও ইবনে হাজার তাকে দুর্বল (ضعيف) সাব্যস্ত করেছেন। ইবনে হিব্বান অন্য এক জায়গায় বলেন: "তিনি চরমভাবে প্রত্যাখ্যাত হাদিস বর্ণনাকারী (منكر الحديث جداً), তিনি নির্ভরযোগ্য (ثقة) বর্ণনাকারীদের উদ্ধৃতি দিয়ে জাল (موضوع) বিষয়াদি বর্ণনা করেন"। আবু দাউদ বলেন: "তার বর্ণিত কিছু প্রত্যাখ্যাত (منكر) হাদিস রয়েছে"। আমি বলছি: নয়টি প্রধান হাদিস গ্রন্থের মধ্যে তিরমিজিতে তার একটি এবং আবু দাউদে তার একটি হাদিস রয়েছে।

12. ছালাবাহ ইবনে ইয়াযিদ আল-হিমানি: ইমাম বুখারি বলেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। তিনি তার একটি হাদিস বর্ণনা করার পর বলেন: "এ ব্যাপারে তার কোনো অনুসরণকারী নেই"। নাসায়ি তাকে নির্ভরযোগ্য (ثقة) বলে অভিহিত করেছেন। ইবনে হিব্বান বলেন: "তিনি শিয়া মতবাদে চরমপন্থী ছিলেন, আলি (রা.) থেকে তিনি যেসব বর্ণনা এককভাবে বর্ণনা (تفرد) করেন, সেগুলো দলিল হিসেবে গ্রহণ করা যায় না (لا يحتج)"। ইবনে আদি বলেন: "আমি তার বর্ণিত কোনো প্রত্যাখ্যাত (منكر) হাদিস দেখিনি"। ইবনে সাদ বলেন: "তিনি স্বল্প হাদিস বর্ণনাকারী ছিলেন"। ইবনে হাজার বলেন: "তিনি সত্যবাদী (صدوق) শিয়া"। আমি বলছি: নয়টি কিতাবের মধ্যে মুসনাদে আহমাদ ছাড়া তার আর কোনো হাদিস নেই।

13. জামি ইবনে আমির (বা উমায়ের) আত-তাইমি: ইমাম বুখারি বলেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইবনে হিব্বান বলেন: "তিনি রাফেযি ছিলেন এবং হাদিস জাল করতেন (يضع الحديث)"। আজলি বলেন: "তার বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই (لا بأس به), তার হাদিস লিখে রাখা যায়, তবে তিনি শক্তিশালী নন (ليس بالقوي)"। ইবনে নুমাইর বলেন: "তিনি মানুষের মধ্যে বড় মিথ্যাবাদী"। আবু হাতিম বলেন: "তার স্থান সত্যবাদিতার স্তরে (محله الصدق) এবং তিনি উত্তম হাদিস বর্ণনাকারী (صالح الحديث)"। ইবনে আদি বলেন: "তিনি যা বর্ণনা করেন তা এমন সব হাদিস যেগুলোতে অন্য কেউ তার অনুসরণ করে না"। ইবনে হাজার তাকে দুর্বল (ضعيف) সাব্যস্ত করেছেন। আমি বলছি: তবে ইমাম তিরমিজি তার কিছু হাদিসকে হাসান (حسن) বলেছেন এবং ইমাম আহমাদ, চার সুনান গ্রন্থকার ও দারেমি তার থেকে সর্বমোট দশটিরও কম হাদিস বর্ণনা করেছেন।

14. জামিল ইবনে আমির (বা আমারা) আল-কুফি: ইমাম বুখারি বলেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইবনে আদি বলেন: "তিনি এক বা দুটি হাদিসের মাধ্যমে পরিচিত"। আমি বলছি: নয়টি কিতাবে তার কোনো বর্ণনা নেই।

15. হাবিব ইবনে সালিম আল-আনসারি, নুমান ইবনে বাশিরের মুক্তদাস: ইমাম বুখারি বলেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইবনে আদি বলেন: "তার বর্ণিত হাদিসের মূল পাঠসমূহে (متن) কোনো প্রত্যাখ্যাত (منكر) বিষয় নেই, বরং তার থেকে যা বর্ণিত হয়েছে তার সনদসমূহের (سند) মধ্যে অসংগতি (اضطرب) রয়েছে"। আবু হাতিম ও আবু দাউদ তাকে নির্ভরযোগ্য (ثقة) বলে অভিহিত করেছেন। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য (ثقة) বর্ণনাকারীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। ইবনে হাজার তার সম্পর্কে বলেন: "তার বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই (لا بأس به)"। আমি বলছি: সহিহ মুসলিমে সমর্থক বর্ণনা হিসেবে (متابعة) তার একটি হাদিস রয়েছে। ইমাম আহমাদ, দারেমি ও চার সুনান গ্রন্থকার তার থেকে পুনরাবৃত্তি ছাড়া সর্বমোট চারটি হাদিস বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ১১)
16. حرب بن سريج المنقري التميمي: قال البخاري: "فيه نظر". وقال أحمد: لا بأس به، وقال أبو حاتم: ليس بقوي الحديث ينكر عن الثقات، وقال ابن حبان: يخطئ كثيراً حتى خرج عن حدّ الاحتجاج به، ووثقه ابن معين، وقال ابن عدي: ليس هو بكثير الحديث وكان حديثه غرائب وأفرادات وأرجو ألا بأس به، وقال الدارقطني: صالح، وقال ابن حجر: صدوق يخطئ. قلت: ليس له في التسعة شيء.

17. حريث بن أبي مطر (عمرو) الكوفي الحناط: قال البخاري: "فيه نظر". وضعفه ابن معين، وقال مرّة: لا شيء، وضعفه أبو حاتم وأبو داود وابن حجر، وقال ابن حبان: ممّن يخطئ ولم يغلب خطؤه صوابه، وقال ابن عدي: ليس رواياته بكثيرة، وتركه النسائي والذهبي. قلت: روى له البخاري حديثاً واحداً متابعةً، والترمذي حديثاً واحداً، وابن ماجة حديثين.

18. حريش بن الخريت البصري: قال البخاري: «فيه نظر»، وقال ابن معين: ليس به بأس، وقال ابن شاهين: ليس به بأس، وقال أبو زرعة: واهي الحديث، وقال أبو حاتم: شيخ لا يحتج بحديثه، وقال الدارقطني: يعتبر به، وقال ابن عدي: عزيز الحديث ولا أعرف له كثير حديث فأعتبر حديثه فأعرف ضعفه من صدقه، وضعفه ابن حجر. قلت: ليس له في التسعة إلا حديثاً واحداً عند ابن ماجة.

19. حسين بن حسن الفرازي الأشقر: قال البخاري: "فيه نظر". وقال يحيى بن معين: لا بأس به، وأورده ابن حبان في الثقات، وقال أحمد بن حنبل: ليس بأهل أن يحدّث عنه، وقال أبو زرعة: هو شيخ منكر الحديث، وقال أبو حاتم: ليس بقوي في الحديث، ومثله قال النسائي والدارقطني، وقال الجوزجاني: كان غالياً من الشتّامين للخيرة، وأورده ابن حبان في الثقات، وقال ابن عدي بعد أن استنكر له أحاديث: والبلاء فيها من الأشقر، ثمّ قال: في حديثه بعض ما فيه، وقال العقيلي بعد أن ذكر له حديثاً: لا يعرف إلا به ولا يتابع عليه، وقال عنه ابن حجر: صدوق يهم. قلت: روى له أحمد خمسة أحاديث ليس له غيرها في التسعة.

20. حصين بن يزيد الثعلبي: قال البخاري: "فيه نظر". وأورده ابن حبان في الثقات. قلت: ليس له في التسعة شيء.
১৬. হারব ইবনে সুরায়জ আল-মানক্বারি আত-তামিমি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইমাম আহমদ বলেছেন: "তার মাঝে কোনো সমস্যা নেই (لا بأس به)", আবু হাতিম বলেছেন: "তিনি হাদিসে শক্তিশালী নন (ليس بقوي), তিনি নির্ভরযোগ্য (ثقة) রাবিদের সূত্রে অস্বীকৃত (منكر) হাদিস বর্ণনা করেন"। ইবনে হিব্বান বলেছেন: "তিনি প্রচুর ভুল করতেন, এমনকি তিনি দলিল হিসেবে গ্রহণযোগ্যতার (الاحتجاج) সীমা থেকে বেরিয়ে গেছেন"। ইবনে মায়িন তাকে নির্ভরযোগ্য (وثقه) বলেছেন। ইবনে আদি বলেছেন: "তিনি অধিক হাদিস বর্ণনাকারী নন, তার বর্ণিত হাদিসগুলো দুর্লভ (غريب) ও একক (فرد); আমি আশা করি তার মাঝে কোনো সমস্যা নেই (لا بأس به)"। দারা কুতনি বলেছেন: "তিনি সৎ/যোগ্য (صالح)"। ইবনে হাজার বলেছেন: "তিনি সত্যবাদী (صدوق), তবে ভুল করেন (يخطئ)"। আমি বলছি: নয়টি গ্রন্থে তার কোনো বর্ণনা নেই।

১৭. হুরাইস ইবনে আবি মাতার (আমর) আল-কুফি আল-হান্নাত: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইবনে মায়িন তাকে দুর্বল (ضعفه) বলেছেন এবং অন্যবার বলেছেন: "তিনি কিছুই নন (لا شيء)"। আবু হাতিম, আবু দাউদ এবং ইবনে হাজার তাকে দুর্বল (ضعفه) বলেছেন। ইবনে হিব্বান বলেছেন: "তিনি তাদের অন্তর্ভুক্ত যারা ভুল করেন, তবে তার ভুল তার সঠিক বর্ণনার ওপর প্রাধান্য পায়নি"। ইবনে আদি বলেছেন: "তার বর্ণনাগুলো সংখ্যায় অধিক নয়"। নাসাঈ এবং যাহাবি তাকে বর্জন (تركه) করেছেন। আমি বলছি: ইমাম বুখারি তার থেকে একটি হাদিস সমর্থনমূলক বর্ণনা (متابعة) হিসেবে উল্লেখ করেছেন, তিরমিযি একটি এবং ইবনে মাজাহ দুটি হাদিস বর্ণনা করেছেন।

১৮. হুরয়েশ ইবনে আল-খিররিত আল-বাসরি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইবনে মায়িন এবং ইবনে শাহিন বলেছেন: "তার মাঝে কোনো সমস্যা নেই (ليس به بأس)"। আবু যুরআ বলেছেন: "তিনি হাদিসে অত্যন্ত দুর্বল (واهي الحديث)"। আবু হাতিম বলেছেন: "তিনি এমন একজন শাইখ যার হাদিস দলিল হিসেবে পেশ করা যায় না (لا يحتج به)"। দারা কুতনি বলেছেন: "তার হাদিস বিচার-বিশ্লেষণের জন্য গ্রহণ করা যায় (يعتبر به)"। ইবনে আদি বলেছেন: "তার হাদিস বিরল (عزيز), আমি তার খুব বেশি হাদিস জানি না যার মাধ্যমে তার সত্যতা ও দুর্বলতা (ضعف) যাচাই করতে পারি"। ইবনে হাজার তাকে দুর্বল (ضعفه) বলেছেন। আমি বলছি: নয়টি গ্রন্থের মধ্যে ইবনে মাজাহ-তে তার মাত্র একটি হাদিস রয়েছে।

১৯. হুসাইন ইবনে হাসান আল-ফারাযি আল-আশকার: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইয়াহইয়া ইবনে মায়িন বলেছেন: "তার মাঝে কোনো সমস্যা নেই (لا بأس به)"। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য (الثقات) রাবিদের তালিকায় উল্লেখ করেছেন। ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল বলেছেন: "তিনি এই যোগ্য নন যে তার থেকে হাদিস বর্ণনা করা হবে"। আবু যুরআ বলেছেন: "তিনি এমন একজন শাইখ যিনি অস্বীকৃত হাদিস (منكر الحديث) বর্ণনা করেন"। আবু হাতিম বলেছেন: "তিনি হাদিসে শক্তিশালী নন (ليس بقوي)", নাসাঈ ও দারা কুতনিও অনুরূপ বলেছেন। জাওযানী বলেছেন: "তিনি উগ্রপন্থী ছিলেন এবং শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের গালিগালাজ করতেন"। ইবনে আদি তার কিছু হাদিসকে অস্বীকৃত (منكر) সাব্যস্ত করার পর বলেছেন: "এসবের ত্রুটি আশকারের পক্ষ থেকেই এসেছে"। অতঃপর তিনি বলেন: "তার হাদিসে কিছু সমস্যা রয়েছে"। উকাইলি তার একটি হাদিস উল্লেখ করার পর বলেছেন: "এটি কেবল তার সূত্রেই পরিচিত এবং এর কোনো সমর্থক বর্ণনা (متابعة) নেই"। ইবনে হাজার তার সম্পর্কে বলেছেন: "তিনি সত্যবাদী (صدوق), তবে ভ্রমে পতিত হন (يهم)"। আমি বলছি: ইমাম আহমদ তার থেকে পাঁচটি হাদিস বর্ণনা করেছেন, এছাড়া নয়টি গ্রন্থে তার অন্য কোনো হাদিস নেই।

২০. হুসাইন ইবনে ইয়াযিদ আস-সালাবি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য (الثقات) রাবিদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। আমি বলছি: নয়টি গ্রন্থে তার কোনো বর্ণনা নেই।
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ১২)
21. حفص: قال البخاري: "فيه نظر". وأورده ابن حبان في الثقات، وقال أبو حاتم عن حديث رواه: حديث منكر، وقال الدارقطني: مجهول. قلت: ليس له في التسعة شيء.

22. حمّاد بن شعيب التميمي الحماني: قال البخاري: "فيه نظر". ونقل ابن الجارود أنّ البخاري قال فيه: منكر الحديث تركوا حديثه، وقال أحمد: لا أدري كيف هو، وقال ابن المديني: لم يزل ضعيفاً ليس بالقوي، وضعفه ابن معين، وقال مرة: ليس بشيء ولا يكتب حديثه، وقال أبو حاتم: ليس بالقوي، كما ضعفه أبو زرعة، وقال مرة: واهي الحديث، وقال أبو داود: تركوا حديثه، وضعفه النسائي والذهبي، وقال ابن عدي: أكثرها [أحاديثه] لا يتابع عليه، وهو ممّن يكتب حديثه مع ضعفه، وقال ابن حبان: يقلب الأخبار ويرويها جهتها، وقال الجوزجاني: واهي الحديث. قلت: انفرد أحمد بحديث واحد له.

23. حميضة بن الشمردل: قال البخاري: "فيه نظر". وأورده ابن حبان في الثقات، وقال ابن القطان: لا يعرف، وقال ابن حجر: مقبول. قلت: ليس له في التسعة سوى حديثاً واحداً رواه أبو داود.

24. حنطب المخزومي: قال البخاري: "فيه نظر"، وأورده ابن حبان في الثقات، وقال ابن عدي أحاديثه ليست محفوظة. قلت: ليس له في التسعة شيء.

25. حيي بن عبد الله المعافري المصري: قال البخاري: "فيه نظر". وقال أحمد: أحاديثه مناكير، وقال ابن معين: ليس به بأس، واستنكر له ابن عدي مجموعة أحاديث ثم قال: أرجو أنه لا بأس به إذا روى عنه ثقة، وأورده ابن حبان في الثقات، وقال ابن حجر: صدوق يهم. قلت: روى له أحمد والأربعة.

26. خالد بن شوذب: قال البخاري: "فيه نظر". وقال أبو حاتم: ليس به بأس، وأورده ابن حبان في الثقات، وقال ابن عدي: ولا أعرف لخالد حديثاً مسنداً. قلت: ليس له في التسعة شيء.
২১. হাফস: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্যদের (الثقات) তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। আবু হাতিম তার বর্ণিত একটি হাদিস সম্পর্কে বলেছেন: এটি প্রত্যাখ্যাত হাদিস (حديث منكر)। দারাকুতনি বলেছেন: তিনি অপরিচিত (مجهول)। আমি বলছি: নয়টি প্রধান হাদিস গ্রন্থের কোনোটিতে তার কোনো বর্ণনা নেই।

২২. হাম্মাদ বিন শুআইব আল-তামিমি আল-হিমমানি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইবনুল জারুদ বর্ণনা করেছেন যে, বুখারি তার সম্পর্কে বলেছেন: তিনি হাদিস বর্ণনায় অগ্রহণযোগ্য (منكر الحديث), মুহাদ্দিসগণ তার হাদিস বর্জন করেছেন (تركوا حديثه)। ইমাম আহমদ বলেছেন: আমি জানি না তিনি কেমন। ইবনুল মাদিনি বলেছেন: তিনি সর্বদা দুর্বল (ضعيف) ছিলেন, শক্তিশালী (ليس بالقوي) নন। ইবনে মাইন তাকে দুর্বল (ضعيف) আখ্যা দিয়েছেন এবং একবার বলেছেন: তিনি উল্লেখযোগ্য কেউ নন (ليس بشيء) এবং তার হাদিস লেখা যাবে না (لا يكتب حديثه)। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি শক্তিশালী নন (ليس بالقوي), যেমনটি আবু জুরআও তাকে দুর্বল (ضعيف) বলেছেন। আবু জুরআ একবার বলেছেন: তিনি অতি দুর্বল হাদিস বর্ণনাকারী (واهي الحديث)। আবু দাউদ বলেছেন: মুহাদ্দিসগণ তার হাদিস বর্জন করেছেন (تركوا حديثه)। নাসায়ি ও দাহাবি তাকে দুর্বল (ضعيف) বলেছেন। ইবনে আদি বলেছেন: তার অধিকাংশ হাদিসই এমন যার অন্য কোনো সূত্রের সমর্থন পাওয়া যায় না (لا يتابع عليه), তবে দুর্বল (ضعيف) হওয়া সত্ত্বেও তার হাদিস লিখে রাখা যায়। ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি বর্ণনাগুলো উল্টে-পাল্টে ফেলতেন (يقلب الأخبار) এবং সেগুলো ভুলভাবে বর্ণনা করতেন। জুযজানি বলেছেন: তিনি অতি দুর্বল হাদিস বর্ণনাকারী (واهي الحديث)। আমি বলছি: ইমাম আহমদ এককভাবে তার থেকে একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন।

২৩. হুমাইদাহ বিন আল-শামারদাল: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্যদের (الثقات) তালিকায় উল্লেখ করেছেন। ইবনুল কাত্তান বলেছেন: তিনি অপরিচিত (لا يعرف)। ইবনে হাজার বলেছেন: তিনি গ্রহণযোগ্য (مقبول)। আমি বলছি: আবু দাউদ বর্ণিত একটি মাত্র হাদিস ছাড়া নয়টি প্রধান গ্রন্থে তার আর কোনো বর্ণনা নেই।

২৪. হানতাব আল-মাখজুমি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্যদের (الثقات) তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। ইবনে আদি বলেছেন: তার হাদিসগুলো সংরক্ষিত নয় (ليست محفوظة)। আমি বলছি: নয়টি প্রধান হাদিস গ্রন্থের কোনোটিতে তার কোনো বর্ণনা নেই।

২৫. হাইয়্যি বিন আব্দুল্লাহ আল-মাআফিরি আল-মিসরি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইমাম আহমদ বলেছেন: তার হাদিসগুলো প্রত্যাখ্যাত (مناكير)। ইবনে মাইন বলেছেন: তার বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই (ليس به بأس)। ইবনে আদি তার একগুচ্ছ হাদিসকে অগ্রহণযোগ্য (استنكر) আখ্যা দিয়েছেন এবং এরপর বলেছেন: আমি আশা করি যদি কোনো নির্ভরযোগ্য (ثقة) বর্ণনাকারী তার থেকে বর্ণনা করেন তবে তাতে কোনো সমস্যা নেই (لا بأس به)। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্যদের (الثقات) তালিকায় উল্লেখ করেছেন। ইবনে হাজার বলেছেন: তিনি সত্যবাদী তবে ভ্রমপ্রবণ (صدوق يهم)। আমি বলছি: ইমাম আহমদ এবং সুনান চতুষ্টয়ের সংকলকগণ তার থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন।

২৬. খালিদ বিন শাওযাব: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। আবু হাতিম বলেছেন: তার বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই (ليس به بأس)। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্যদের (الثقات) তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। ইবনে আদি বলেছেন: আমি খালিদের কোনো সূত্রযুক্ত (مسنداً) হাদিস জানি না। আমি বলছি: নয়টি প্রধান হাদিস গ্রন্থের কোনোটিতে তার কোনো বর্ণনা নেই।
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ১৩)
27. خالد بن عبيد العتكي: قال البخاري: "فيه نظر". وقال العقيلي: لا يتابع على حديثه، وقال ابن عدي: ليس في حديثه حديثٌ منكرٌ جداً، وقال أبو نعيم: [حدّث] عن أنس بن مالك بأحاديث موضوعة لا شيء، وقال ابن حبان: يروي عن أنس بن مالك بنسخة موضوعة ما لها أصل لا تحلّ كتب حديثه إلا على جهة التعجّب، وقال الحاكم: يروي عن أنس بأحاديث موضوعة، وقال ابن حجر: متروك الحديث مع جلالته. روى له أحمد حديثين، والترمذي وأبو داود وابن ماجة حديثاً واحداً لكلٍّ منهم.

28. راشد بن داود الصنعاني: قال البخاري: "فيه نظر". وقال: ابن معين: ليس به بأس ثقة، وذكره ابن حبان في الثقات، وضعفه الدارقطني وقال: لا يعتبر به، وقال ابن حجر: صدوق له أوهام، وقال الذهبي: كان عزيز الحديث. قلت: له عند أحمد خمسة أحاديث ليس له غيرها في التسعة.

29. رفاعة بن هرير بن عبد الرحمن بن رافع بن خديج المدني: قال البخاري: "فيه نظر". وقال ابن حبان: كان ممن يخطئ فلا يجوز الاعتماد على ما انفرد به ولا يسقط فيما وافق الثقات بإطلاق الجرح عليه. قلت: ليس له في التسعة شيء.

30. زربي بن عبد الله المؤذّن: قال البخاري: "فيه نظر".، وقال الترمذي: له أحاديث مناكير عن أنس بن مالك وغيره، وقال ابن عدي: أحاديثه وبعض متون أحاديثه منكرة، وضعفه الذهبي وابن حجر، وقال ابن حبان: منكر الحديث على قلّته. قلت: له في التسعة عند الترمذي حديث واحد قال عنه: غريب، وآخر عند ابن ماجة، وروى له ابن خزيمة حديثاً في صحيحه.

31. سعيد بن خالد الخزاعي المدني: قال البخاري: "فيه نظر". وضعفه الرازيان وابن حجر، وقال الدارقطني: ليس بالقوي، وقال ابن حبان: يخطئ حتى لا يعجبني الاحتجاج بخبره إذا انفرد، وقال ابن عدي: يعرف بحديث واحد ولا يعرف له غيره. قلت: له في التسعة حديث واحد عند أبي داود.

32. سعيد بن عبد الجبار بن وائل بن حجر بن سنان: قال البخاري: "فيه نظر". وأورده ابن حبان في الثقات، وقال النسائي: ليس بالقوي، وقال ابن عدي: ليس له كثير حديث، وضعفه ابن حجر. قلت: ليس له في التسعة شيء.
27. খালিদ বিন উবাইদ আল-আতাকি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "এতে সংশয় আছে (فيه نظر)"। উকাইলি বলেছেন: তার হাদিসের কোনো সমর্থনকারী বর্ণনা নেই (لا يتابع على حديثه)। ইবনে আদি বলেছেন: তার বর্ণনার মাঝে অত্যন্ত আপত্তিকর (منكر جداً) কোনো হাদিস নেই। আবু নুআইম বলেছেন: তিনি আনাস বিন মালিক থেকে কতগুলো জাল (موضوعة) হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি গুরুত্বহীন (لا شيء)। ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি আনাস বিন মালিক থেকে একটি জাল (موضوعة) পাণ্ডুলিপির মাধ্যমে এমন সব বর্ণনা করেছেন যার কোনো ভিত্তি (أصل) নেই; বিস্ময় প্রকাশ ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে তার হাদিস লিখে রাখা বৈধ নয়। হাকেম বলেছেন: তিনি আনাস থেকে জাল (موضوعة) হাদিসসমূহ বর্ণনা করেন। ইবনে হাজার বলেছেন: তিনি উচ্চ মর্যাদার অধিকারী হওয়া সত্ত্বেও পরিত্যক্ত হাদিস বর্ণনাকারী (متروك الحديث)। আহমদ তার থেকে দুটি হাদিস এবং তিরমিযি, আবু দাউদ ও ইবনে মাজাহ প্রত্যেকে একটি করে হাদিস বর্ণনা করেছেন।

28. রাশিদ বিন দাউদ আস-সানআনি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "এতে সংশয় আছে (فيه نظر)"। ইবনে মাইন বলেছেন: তার মাঝে কোনো সমস্যা নেই (ليس به بأس), তিনি নির্ভরযোগ্য (ثقة)। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্যদের (الثقات) তালিকায় উল্লেখ করেছেন। দারা কুতনি তাকে দুর্বল (ضعفه) বলেছেন এবং বলেছেন: তাকে বিবেচনাযোগ্য মনে করা যাবে না (لا يعتبر به)। ইবনে হাজার বলেছেন: তিনি সত্যবাদী (صدوق), তবে তার কিছু ভ্রান্তি (أوهام) রয়েছে। জাহাবি বলেছেন: তিনি স্বল্প হাদিস বর্ণনাকারী (عزيز الحديث) ছিলেন। আমি (গ্রন্থকার) বলছি: মুসনাদে আহমদে তার পাঁচটি হাদিস রয়েছে এবং নয়টি গ্রন্থের (আত-তিসআহ) মাঝে অন্য কোথাও তার কোনো বর্ণনা নেই।

29. রিফায়াহ বিন হুরইয়ার বিন আবদুর রহমান বিন রাফি বিন খাদিজ আল-মাদানি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "এতে সংশয় আছে (فيه نظر)"। ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি তাদের অন্তর্ভুক্ত যারা ভুল করতেন (يخطئ), তাই তিনি যখন এককভাবে কোনো বর্ণনা (انفرد به) করবেন তখন তার ওপর নির্ভর করা জায়েজ নেই; তবে যখন তিনি নির্ভরযোগ্যদের (الثقات) অনুকূলে বর্ণনা করবেন, তখন কেবল সাধারণভাবে বিষোদগার (الجرح) করার কারণে তার হাদিস পরিত্যক্ত হবে না। আমি (গ্রন্থকার) বলছি: নয়টি হাদিস গ্রন্থে তার কোনো বর্ণনা নেই।

30. জারবি বিন আব্দুল্লাহ আল-মুয়াজ্জিন: ইমাম বুখারি বলেছেন: "এতে সংশয় আছে (فيه نظر)"। তিরমিযি বলেছেন: আনাস বিন মালিক ও অন্যদের থেকে তার বর্ণিত অনেকগুলো আপত্তিকর (مناكير) হাদিস রয়েছে। ইবনে আদি বলেছেন: তার হাদিসগুলো এবং হাদিসের কিছু মতন (متون) আপত্তিকর (منكرة)। জাহাবি এবং ইবনে হাজার তাকে দুর্বল (ضعفه) বলেছেন। ইবনে হিব্বান বলেছেন: তার হাদিস কম হওয়া সত্ত্বেও তিনি আপত্তিকর হাদিস বর্ণনাকারী (منكر الحديث)। আমি (গ্রন্থকার) বলছি: নয়টি গ্রন্থের মধ্যে তিরমিযিতে তার একটি হাদিস আছে যা সম্পর্কে তিনি বলেছেন: এটি বিরল (غريب); ইবনে মাজাহতে তার আরেকটি হাদিস আছে; এবং ইবনে খুজাইমা তার সহিহ গ্রন্থে তার একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন।

31. সাঈদ বিন খালিদ আল-খুজাই আল-মাদানি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "এতে সংশয় আছে (فيه نظر)"। দুই রাজী (আবু হাতিম ও আবু জুরআহ) এবং ইবনে হাজার তাকে দুর্বল (ضعفه) বলেছেন। দারা কুতনি বলেছেন: তিনি শক্তিশালী নন (ليس بالقوي)। ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি ভুল করেন (يخطئ), এমনকি তিনি যখন এককভাবে (انفرد) বর্ণনা করেন তখন তার বর্ণনা দলিল হিসেবে গ্রহণ করা (الاحتجاج) আমার নিকট পছন্দনীয় নয়। ইবনে আদি বলেছেন: তিনি কেবল একটি হাদিসের মাধ্যমে পরিচিত এবং এছাড়া তার অন্য কোনো বর্ণনা জানা নেই। আমি (গ্রন্থকার) বলছি: নয়টি গ্রন্থের মধ্যে আবু দাউদে তার একটি মাত্র হাদিস রয়েছে।

32. সাঈদ বিন আব্দুল জব্বার বিন ওয়াইল বিন হুজর বিন সিনান: ইমাম বুখারি বলেছেন: "এতে সংশয় আছে (فيه نظر)"। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্যদের (الثقات) তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। নাসায়ি বলেছেন: তিনি শক্তিশালী নন (ليس بالقوي)। ইবনে আদি বলেছেন: তার অধিক সংখ্যক হাদিস নেই। ইবনে হাজার তাকে দুর্বল (ضعفه) বলেছেন। আমি (গ্রন্থকার) বলছি: নয়টি গ্রন্থের মাঝে তার কোনো বর্ণনা নেই।
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ১৪)
33. سعيد بن مسلمة بن هشام بن عبد الملك بن مروان الأموي القرشي: قال البخاري: "فيه نظر". وقال مرة: منكر الحديث، وقال عنه ابن حبان: منكر الحديث جداً فاحش الخطأ في الأخبار، إلا أنّه أورده في الثقات، وقال ابن معين: ليس بشيء، وقال الترمذي: ليس عندهم بالقوي، وقال أبو حاتم: ليس بالقوي هو ضعيف الحديث منكر الحديث، وقال ابن عدي: أرجو أنّه ممن لا يترك حديثه ويحتمل في رواياته فإنها مقاربة، وقال الدارقطني: ضعيف يعتبر به، وضعّفه النسائي والذهبي وابن حجر. قلت: روى له أحمد وابن ماجة والترمذي.

34. سليمان بن أحمد الواسطي: قال البخاري: "فيه نظر". وكذّبه يحيى بن معين، وتركه أحمد وأبو حاتم، وقال صالح جزرة: كان يتهم في الحديث، ضعفه النسائي، ولينه الذهبي، وأورده ابن حبان في الثقات وقال: يغرب، وقال ابن عدي: هو عندي ممّن يسرق الحديث ويشتبه عليه. قلت: ليس له في التسعة شيء.

35. سليمان بن داود الخولاني: قال البخاري: "فيه نظر". وقال ابن معين: ليس بشيء، وقال مرة: لا يعرف، قال ابن المديني: منكر الحديث، وقال أحمد (أبو زرعة الدمشقي): ليس بشيء، وقال أبو حاتم: لا بأس به، واستبعد ابنه أن يكون أباه عني الخولاني ورجح أنّه قصد سليمان بن أرقم، ومثله قال الدارقطني إلا أنّه ضعّفه مرّة، ووثقه ابن حبان وقال أنّ الضعيف هو اليمامي وليس الخولاني وكلاهما رويا عن الزهري، ووافقه الذهبي وقال: صدوق اللهجة متقن ثقة، وقال ابن حجر: صدوق. قلت: لم يروِ في التسعة إلا حديث كتاب عمرو بن حزم عند النسائي والدارمي.

36. شعيب بن ميمون: قال البخاري: "فيه نظر". وقال أبو حاتم والعجلي: مجهول، وقال ابن حبان: يروي المناكير عن المشاهير على قلة روايته لا يحتج به إذا انفرد، وقال الدارقطني: ليس بالقوي، وليّنه ابن حجر، وقال مرة: ضعيف. قلت: وليس له في التسعة شيء.
৩৩. সাঈদ ইবনে মাসলামাহ ইবনে হিশাম ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ান আল-উমায়্যি আল-কুরাশি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি রয়েছে (فيه نظر)"। তিনি অন্য এক স্থানে তাকে প্রত্যাখ্যাত হাদিস বর্ণনাকারী (منكر الحديث) বলেছেন। ইবনে হিব্বান তার সম্পর্কে বলেছেন: তিনি অত্যন্ত বর্জনীয় হাদিস বর্ণনাকারী (منكر الحديث جداً) এবং বর্ণনার ক্ষেত্রে মারাত্মক ভুলকারী (فاحش الخطأ), তবে তিনি তাকে নির্ভরযোগ্যদের (الثقات) তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। ইবনে মাঈন বলেছেন: তিনি কোনো ধর্তব্য নন (ليس بشيء)। ইমাম তিরমিজি বলেছেন: তিনি তাদের নিকট শক্তিশালী নন (ليس بالقوي)। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি শক্তিশালী নন (ليس بالقوي), তিনি দুর্বল হাদিস বর্ণনাকারী (ضعيف الحديث) এবং প্রত্যাখ্যাত হাদিস বর্ণনাকারী (منكر الحديث)। ইবনে আদি বলেছেন: আমি আশা করি তিনি এমন পর্যায়ের নন যার হাদিস বর্জন করা (لا يترك حديثه) যায় এবং তার বর্ণনাগুলো গ্রহণযোগ্য (يحتمل) কারণ সেগুলো কাছাকাছি মানের (مقاربة)। আদ-দারাকুতনি বলেছেন: তিনি দুর্বল (ضعيف), তবে তার বর্ণনা বিবেচনাযোগ্য (يعتبر به)। ইমাম নাসাঈ, ইমাম যাহাবি এবং ইবনে হাজার তাকে দুর্বল (ضعيف) আখ্যা দিয়েছেন। আমি বলছি: ইমাম আহমাদ, ইবনে মাজাহ ও তিরমিজি তার থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন।

৩৪. সুলাইমান ইবনে আহমাদ আল-ওয়াসিতি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি রয়েছে (فيه نظر)"। ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন তাকে মিথ্যাবাদী (كذاب) বলেছেন এবং ইমাম আহমাদ ও আবু হাতিম তাকে বর্জন (متروك) করেছেন। সালিহ জাযারা বলেছেন: তিনি হাদিসের ক্ষেত্রে অভিযুক্ত (يتهم في الحديث) ছিলেন। ইমাম নাসাঈ তাকে দুর্বল (ضعيف) বলেছেন, ইমাম যাহাবি তাকে শিথিল (لين) করেছেন। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্যদের (الثقات) তালিকায় উল্লেখ করে বলেছেন: তিনি বিরল বা অপরিচিত বর্ণনা পেশ করেন (يغرب)। ইবনে আদি বলেছেন: আমার মতে তিনি এমন ব্যক্তি যিনি হাদিস চুরি করেন (يسرق الحديث) এবং বর্ণনায় তার ওলটপালট বা সংশয় (يشتبه عليه) হয়ে যায়। আমি বলছি: নয়টি প্রধান কিতাবের কোথাও তার কোনো বর্ণনা নেই।

৩৫. সুলাইমান ইবনে দাউদ আল-খাওলানি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি রয়েছে (فيه نظر)"। ইবনে মাঈন বলেছেন: তিনি কোনো ধর্তব্য নন (ليس بشيء); অন্য এক স্থানে বলেছেন: তিনি পরিচিত নন (لا يعرف)। ইবনে আল-মাদিনি তাকে প্রত্যাখ্যাত হাদিস বর্ণনাকারী (منكر الحديث) বলেছেন। আহমাদ (আবু জুরআ আদ-দিমাশকি) বলেছেন: তিনি কোনো ধর্তব্য নন (ليس بشيء)। আবু হাতিম বলেছেন: তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই (لا بأس به), তবে তার পুত্র আবু হাতিমের এই উক্তিটি আল-খাওলানি সম্পর্কে হওয়াকে দূরবর্তী মনে করেছেন এবং প্রাধান্য দিয়েছেন যে তিনি এর দ্বারা সুলাইমান ইবনে আরকামকে উদ্দেশ্য করেছেন। আদ-দারাকুতনিও অনুরূপ বলেছেন, তবে তিনি এক স্থানে তাকে দুর্বল (ضعيف) বলেছেন। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য (ثقة) বলেছেন এবং উল্লেখ করেছেন যে দুর্বল (ضعيف) রাবি হলেন আল-য়ামামি, আল-খাওলানি নন; যদিও তারা উভয়েই যুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম যাহাবি তার সাথে একমত পোষণ করে বলেছেন: তিনি সত্যবাদী (صدوق اللهجة), নিপুণ (متقন) ও নির্ভরযোগ্য (ثقة)। ইবনে হাজার তাকে সত্যবাদী (صدوق) বলেছেন। আমি বলছি: নয়টি কিতাবের মধ্যে সুনান নাসাঈ এবং সুনান দারিমিতে আমর ইবনে হাযমের কিতাব সংক্রান্ত হাদিসটি ছাড়া তার আর কোনো বর্ণনা নেই।

৩৬. شعيب بن ميمون: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি রয়েছে (فيه نظر)"। আবু হাতিম এবং আল-ইজলি তাকে অজ্ঞাত (مجهول) বলেছেন। ইবনে হিব্বান বলেছেন: স্বল্প বর্ণনাকারী হওয়া সত্ত্বেও তিনি প্রসিদ্ধদের থেকে প্রত্যাখ্যাত (منكر) বর্ণনা নিয়ে আসেন; একক বর্ণনাকারী হলে তাকে দলিল হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না (لا يحتج به)। আদ-দারাকুতনি বলেছেন: তিনি শক্তিশালী নন (ليس بالقوي)। ইবনে হাজার তাকে শিথিল (لين) বলেছেন এবং অন্য স্থানে দুর্বল (ضعيف) বলেছেন। আমি বলছি: নয়টি কিতাবের কোথাও তার কোনো বর্ণনা নেই।
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ১৫)
37. صالح بن حيان القرشي الكوفي: قال البخاري: "فيه نظر". وضعفه ابن معين والذهبي وابن حجر، وقال ابن معين مرة: ليس هو بذاك، وكذلك قال أحمد، وقال أبو حاتم: ليس بالقوي هو شيخ، وقال النسائي: ليس بثقة، وقال العجلي: جائز الحديث يكتب حديثه وليس بالقوي، وقال ابن حبان: يروي عن الثقات أشياء لا تشبه حديث الأثبات لا يعجبني الاحتجاج به إذا انفرد، وقال ابن عدي: عامة ما يرويه غير محفوظ. قلت: روى له أحمد حديثاً واحداً، والدارمي حديثين.

38. صالح بن يحيى بن المقدام بن معدي كرب سنان الشامي: قال البخاري: "فيه نظر"، وأورده ابن أبي حاتم في الجرح والتعديل) دون ذكره بأحدهما، قال ابن حبان: يخطئ، وقال الذهبي: وثّق، ولينه ابن حجر، قلت: روى له أحمد والنسائي وأبو داود وابن ماجة ما مجموعه أربعة أحاديث.

39. صعصعة بن ناجية المجاشعي: قال البخاري: "فيه نظر". وأورده ابن أبي حاتم في (الجرح والتعديل) دون أحدهما، وأورده ابن حبان في الثقات. قلت: ليس له شيء في التسعة.

40. ضرار بن عمرو الكوفي الملطي: قال البخاري: "فيه نظر". وأورده ابن أبي حاتم في (الجرح والتعديل) دون ذكره بأحدهما، وقال أبو زرعة: منكر الحديث، وقال ابن معين: ليس بشيء فلا يكتب حديثه، وقال ابن عدي: منكر الحديث، وقال الدارقطني: ذاهب متروك، وأنكر أبو نعيم حديثه عن تميم الداري، وقال ابن حبان: منكر الحديث جداً كثير الرواية عن المشاهير بالأشياء المناكير بطل الاحتجاج بآثاره، وقال الذهبي: متروك الحديث. قلت: ليس له في التسعة شيء.

41. طالب بن حبيب الأنصاري الضجيعي: قال البخاري: "فيه نظر". وقال ابن عدي: أرجو ألا بأس به، وأورده ابن حبان في الثقات، وأورده ابن أبي حاتم في (الجرح والتعديل) دون ذكره بأحدهما، وقال ابن حجر: صدوق يهم. قلت: ليس له في التسعة سوى استشهاد أبي داود بحديث واحد له.

42. عاصم بن عبد العزيز الأشجعي: قال البخاري: "فيه نظر". وقال أبو زرعة والنسائي والدارقطني: ليس بالقوي، وقال ابن حبّان: يخطئ كثيراً فبطل الاحتجاج به إذا انفرد، وقال ابن حجر: صدوق يهم. قلت: روى له الترمذي وابن ماجة حديثاً واحداً ليس له غيره في التسعة.
37. সালিহ বিন হাইয়্যান আল-কুরাশি আল-কুফি: ইমাম বুখারি বলেন: "তিনি বিবেচনাধীন (فيه نظر)"। ইবনে মাইন, যাহাবি এবং ইবনে হাজার তাকে দুর্বল (ضعيف) বলে অভিহিত করেছেন। ইবনে মাইন একবার বলেছেন: তিনি তেমন নির্ভরযোগ্য নন (ليس بذاك); ইমাম আহমাদও অনুরূপ বলেছেন। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি শক্তিশালী নন (ليس بالقوي), তিনি একজন শায়খ (شيخ)। নাসায়ি বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য নন (ليس بثقة)। ইজলি বলেছেন: তার হাদিস গ্রহণযোগ্য (جائز الحديث), তার হাদিস লিখে রাখা যায় (يكتب حديثه), তবে তিনি শক্তিশালী নন (ليس بالقوي)। ইবনে হিব্বান বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্যদের (الثقات) সূত্রে এমন সব বিষয় বর্ণনা করেন যা সুদৃঢ় বর্ণনাকারীদের (الأثبات) হাদিসের অনুরূপ নয়; তিনি যখন এককভাবে (انفرد) বর্ণনা করেন, তখন তার মাধ্যমে দলিল গ্রহণ (الاحتجاج به) আমার নিকট পছন্দনীয় নয়। ইবনে আদি বলেন: তার বর্ণিত অধিকাংশ হাদিসই অসংরক্ষিত (غير محفوظ)। আমি (গ্রন্থকার) বলছি: ইমাম আহমাদ তার থেকে একটি এবং দারিমি দুটি হাদিস বর্ণনা করেছেন।

38. সালিহ বিন ইয়াহইয়া বিন আল-মিকদাম বিন মাদি কারিব সিনান আল-শামি: ইমাম বুখারি বলেন: "তিনি বিবেচনাধীন (فيه نظر)"। ইবনে আবি হাতিম তাকে আল-জারহ ওয়াত তাদিল গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, তবে কোনো মন্তব্য করেননি। ইবনে হিব্বান বলেন: তিনি ভুল করেন (يخطئ)। যাহাবি বলেন: তাকে নির্ভরযোগ্য (وثق) বলা হয়েছে। ইবনে হাজার তাকে শিথিল (لين) বলেছেন। আমি (গ্রন্থকার) বলছি: আহমাদ, নাসায়ি, আবু দাউদ এবং ইবনে মাজাহ তার থেকে সর্বমোট চারটি হাদিস বর্ণনা করেছেন।

39. সা'সা'আ বিন নাজিয়াহ আল-মুজাশিয়ি: ইমাম বুখারি বলেন: "তিনি বিবেচনাধীন (فيه نظر)"। ইবনে আবি হাতিম তাকে আল-জারহ ওয়াত তাদিল গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন তবে কোনো মন্তব্য করেননি। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্যদের (الثقات) তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। আমি (গ্রন্থকার) বলছি: নয়টি গ্রন্থের কোথাও তার কোনো বর্ণনা নেই।

40. দিরার বিন আমর আল-কুফি আল-মালাতি: ইমাম বুখারি বলেন: "তিনি বিবেচনাধীন (فيه نظر)"। ইবনে আবি হাতিম তাকে আল-জারহ ওয়াত তাদিল গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন তবে কোনো মন্তব্য করেননি। আবু যুরআ বলেন: তিনি অস্বীকৃত হাদিস বর্ণনাকারী (منكر الحديث)। ইবনে মাইন বলেন: তিনি কিছুই নন (ليس بشيء), তাই তার হাদিস লেখা যাবে না। ইবনে আদি বলেন: তিনি অস্বীকৃত হাদিস বর্ণনাকারী (منكر الحديث)। দারাকুতনি বলেন: তিনি অতি দুর্বল ও পরিত্যক্ত (متروك)। আবু নুয়াইম তামীম আদ-দারির সূত্রে বর্ণিত তার হাদিসকে প্রত্যাখ্যান (أنكر) করেছেন। ইবনে হিব্বান বলেন: তিনি অত্যন্ত অস্বীকৃত হাদিস বর্ণনাকারী (منكر الحديث جداً); তিনি প্রসিদ্ধ ব্যক্তিদের বরাতে প্রচুর আপত্তিকর (المناكير) বিষয় বর্ণনা করেন, তাই তার বর্ণনার মাধ্যমে দলিল গ্রহণ (الاحتجاج به) বাতিল হয়ে গেছে। যাহাবি বলেন: তিনি হাদিসের ক্ষেত্রে পরিত্যক্ত (متروك الحديث)। আমি (গ্রন্থকার) বলছি: নয়টি গ্রন্থের কোথাও তার কোনো বর্ণনা নেই।

41. তালিব বিন হাবিব আল-আনসারি আদ-দাজিইয়ি: ইমাম বুখারি বলেন: "তিনি বিবেচনাধীন (فيه نظر)"। ইবনে আদি বলেন: আমি আশা করি তার বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই (لا بأس به)। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্যদের (الثقات) তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। ইবনে আবি হাতিম তাকে আল-জারহ ওয়াত তাদিল গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন তবে কোনো মন্তব্য করেননি। ইবনে হাজার বলেন: তিনি সত্যবাদী তবে বিভ্রান্ত হন (صدوق يهم)। আমি (গ্রন্থকার) বলছি: নয়টি গ্রন্থে আবু দাউদ কর্তৃক একটি হাদিস সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ (استشهاد) করা ছাড়া তার আর কোনো বর্ণনা নেই।

42. আসিম বিন আব্দুল আজিজ আল-আশজায়ি: ইমাম বুখারি বলেন: "তিনি বিবেচনাধীন (فيه نظر)"। আবু যুরআ, নাসায়ি এবং দারাকুতনি বলেছেন: তিনি শক্তিশালী নন (ليس بالقوي)। ইবনে হিব্বান বলেন: তিনি প্রচুর ভুল করেন (يخطئ كثيراً), তাই তিনি যখন এককভাবে (انفرد) বর্ণনা করেন তখন তার মাধ্যমে দলিল গ্রহণ (الاحتجاج به) বাতিল বলে গণ্য হবে। ইবনে হাজার বলেন: তিনি সত্যবাদী তবে বিভ্রান্ত হন (صدوق يهم)। আমি (গ্রন্থকার) বলছি: তিরমিজি ও ইবনে মাজাহ তার থেকে একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন, নয়টি গ্রন্থে এটি ছাড়া তার আর কোনো বর্ণনা নেই।
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ১৬)
43. عباد بن عبد الله الأسدي: قال البخاري: "فيه نظر". وأورده ابن أبي حاتم في الجرح والتعديل) دون ذكره بأحدهما، وقال العجلي: تابعي ثقة، أورده ابن حبان في الثقات، وضعفه ابن المديني وابن حجر، وقال الذهبي: تركوه، قلت: ليس له في التسعة شيء.

44. عباد بن عبد الصمد: قال البخاري: "فيه نظر". وقال أبو حاتم: ضعيف الحديث جداً منكر الحديث لا أعرف له حديثاً صحيحاً، وقال ابن عدي: ضعيف منكر الحديث، وقال العقيلي: أحاديثه مناكير لا يعرف أكثرها إلا به، وقال ابن حبان: منكر الحديث جداً فلا يجوز الاحتجاج به فيما وافق الثقات فكيف إذا انفرد بأوابد، وقال الطرابلسي: واه، قلت: ليس له في التسعة شيء.

45. عباد بن كثير الرملي الفلسطيني: قال البخاري: "فيه نظر". ووثقه أحمد وابن معين وابن شاهين، وقال ابن معين مرة: ليس به بأس، وقال ابن المديني: ثقة لا بأس به، وقال ابن حبان والأصبهاني: لا شيء، وقال الطرابلسي: مجهول، وضعفه الرازيان وابن حجر، وقال النسائي: ليس بثقة، وقال الحاكم: روى عن الثوري أحاديث موضوعة. قلت: له في التسعة حديثاً واحداً رواه له أحمد وابن ماجة، وروى له البخاري في الأدب المفرد.

46. عبد الحكيم بن منصور الخزاعي الواسطي: قال البخاري: "كذبه بعضهم فيه نظر"، وضعفه ابن معين، وقال مرة: ليس حديثه بشيء، وفي مرّة كذّبه وتركه، وقال أبو حاتم: لا يكتب حديثه، وضعفه أبو داود وابن سعد، وتركه النسائي والدارقطني وابن حجر، وقال ابن عدي: له أحاديث لا يتابع عليها، وقال ابن حبان: كان شيخاً مغفلاً يحدّث بما لا يعلم لا يجوز الاحتجاج به إذا انفرد، وقال الحاكم: ذاهب الحديث، وقال الذهبي: تركوه. قلت: له في التسعة حديث واحد انفرد به الترمذي.
43. আব্বাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আসাদি: ইমাম বুখারি বলেন: "তাঁকে নিয়ে পর্যালোচনা রয়েছে (فيه نظر)"। ইবনে আবি হাতিম তাঁকে আল-জারহ ওয়াত তাদিল গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন তবে (জরাহ বা তাদিল) কোনোটিই উল্লেখ করেননি। ইজলি বলেন: তিনি একজন নির্ভরযোগ্য (ثقة) তাবেঈ (تابعي)। ইবনে হিব্বান তাঁকে আস-সিকাত গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। ইবনে মাদিনি এবং ইবনে হাজার তাঁকে দুর্বল (ضعيف) বলেছেন। ইমাম দাহাবি বলেন: মুহাদ্দিসগণ তাঁকে বর্জন (تركوه) করেছেন। আমি বলছি: কুতুবুত তিসআহ-তে তাঁর কোনো বর্ণনা নেই।

44. আব্বাদ বিন আব্দুস সামাদ: ইমাম বুখারি বলেন: "তাঁকে নিয়ে পর্যালোচনা রয়েছে (فيه نظر)"। আবু হাতিম বলেন: তিনি অত্যন্ত দুর্বল হাদিস বর্ণনাকারী (ضعيف الحديث جداً) ও মুনকার হাদিস বর্ণনাকারী (منكر الحديث), আমি তাঁর কোনো সহিহ হাদিস সম্পর্কে অবগত নই। ইবনে আদি বলেন: তিনি দুর্বল (ضعيف) ও মুনকার হাদিস বর্ণনাকারী (منكر الحديث)। উকাইলি বলেন: তাঁর হাদিসসমূহ মুনকার (مناكير), যার অধিকাংশই কেবল তাঁর মাধ্যমেই বর্ণিত হয়েছে। ইবনে হিব্বান বলেন: তিনি অত্যন্ত মুনকার হাদিস বর্ণনাকারী (منكر الحديث جداً), সুতরাং তিনি যখন নির্ভরযোগ্য (ثقة) বর্ণনাকারীদের সাথে একমত হন তখনও তাঁর দ্বারা দলিল পেশ করা বৈধ নয় (لا يجوز الاحتجاج به), তাহলে যখন তিনি এককভাবে অদ্ভুত সব বর্ণনা করেন তখন তা কীভাবে গ্রহণযোগ্য হবে? ত্বরাবলুসি বলেন: তিনি অত্যন্ত দুর্বল (واه)। আমি বলছি: কুতুবুত তিসআহ-তে তাঁর কোনো বর্ণনা নেই।

45. আব্বাদ বিন কাসির আর-রামলি আল-ফিলিস্তিনি: ইমাম বুখারি বলেন: "তাঁকে নিয়ে পর্যালোচনা রয়েছে (فيه نظر)"। আহমদ, ইবনে মাঈন এবং ইবনে শাহিন তাঁকে নির্ভরযোগ্য (ثقة) বলেছেন। ইবনে মাঈন একবার বলেছেন: তাঁর বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই (ليس به بأس)। ইবনে মাদিনি বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্য (ثقة), কোনো সমস্যা নেই (لا بأس به)। ইবনে হিব্বান এবং আসবাহানি বলেন: তিনি অকিঞ্চিৎকর (لا شيء)। ত্বরাবলুসি বলেন: তিনি অপরিচিত (مجهول)। রাজীদ্বয় এবং ইবনে হাজার তাঁকে দুর্বল (ضعيف) বলেছেন। নাসায়ি বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্য (ثقة) নন। হাকেম বলেন: তিনি সাওরি থেকে জাল (موضوعة) হাদিস বর্ণনা করেছেন। আমি বলছি: কুতুবুত তিসআহ-তে তাঁর একটি মাত্র হাদিস রয়েছে যা ইমাম আহমদ এবং ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন; ইমাম বুখারি তাঁর আল-আদাবুল মুফরাদ গ্রন্থেও তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।

46. আব্দুল হাকিম বিন মনসুর আল-খুজায়ি আল-ওয়াসিতি: ইমাম বুখারি বলেন: "কেউ কেউ তাঁকে মিথ্যাবাদী (كذبه) বলেছেন, তাঁকে নিয়ে পর্যালোচনা রয়েছে (فيه نظر)"। ইবনে মাঈন তাঁকে দুর্বল (ضعيف) বলেছেন; একবার বলেছেন: তাঁর হাদিস অকিঞ্চিৎকর (ليس حديثه بشيء), অন্য এক বর্ণনায় তিনি তাঁকে মিথ্যাবাদী (كذبه) বলেছেন এবং বর্জন (تركه) করেছেন। আবু হাতিম বলেন: তাঁর হাদিস লেখা যাবে না। আবু দাউদ এবং ইবনে সাদ তাঁকে দুর্বল (ضعيف) বলেছেন। নাসায়ি, দারাকুতনি এবং ইবনে হাজার তাঁকে বর্জন (متروك) করেছেন। ইবনে আদি বলেন: তাঁর এমন কিছু হাদিস আছে যার সমর্থনে অন্য কোনো বর্ণনা পাওয়া যায় না। ইবনে হিব্বান বলেন: তিনি ছিলেন একজন অসতর্ক শায়খ, যা জানতেন না তা-ই বর্ণনা করতেন; তিনি যখন একা কোনো হাদিস বর্ণনা করেন তখন তা দ্বারা দলিল পেশ করা বৈধ নয় (لا يجوز الاحتجاج به)। হাকেম বলেন: তিনি পরিত্যক্ত হাদিস বর্ণনাকারী (ذاهب الحديث)। ইমাম দাহাবি বলেন: মুহাদ্দিসগণ তাঁকে বর্জন (تركوه) করেছেন। আমি বলছি: কুতুবুত তিসআহ-তে তাঁর একটি মাত্র হাদিস রয়েছে যা এককভাবে তিরমিজি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ১৭)
47. عبد الرحمن بن إسحاق بن الحارث الواسطي: قال البخاري: "فيه نظر".، وقال أحمد: ليس بشيء منكر الحديث ليس هو في الحديث بذاك، وقال ابن معين: ضعيف ليس بشيء، وقال أبو زرعة: ليس بقوي، وقال أبو حاتم: منكر الحديث يكتب حديثه ولا يحتجّ به، وقال ابن حبان: ضعيف واه كان ممن يقلب الأخبار والأسانيد وينفرد بالمناكير عن المشاهير لا يحلّ الاحتجاج بخبره، وقال العجلي: ضعيف جائز الحديث يكتب حديثه، وقال ابن عدي: في بعض ما يرويه لا يتابعه الثقات عليه، وضعفه ابن سعد والنسائي والذهبي وابن حجر، وقال ابن حجر مرة: متروك. قلت: روى له أحمد والترمذي وأبو داود والدارمي.

48. عبد الرحمن بن سلمان الحجري: قال البخاري: "فيه نظر". وقال أبو حاتم: صالح الحديث مضطرب الحديث، وقال النسائي: ليس بالقوي، وقال العقيلي: أحاديثه متقاربة في اللين، وقال ابن حجر: ليس به بأس. قلت: روى له مسلم حديثاً واحداً متابعةً، وكذلك فعل النسائي، وليس له في التسعة غير هذين الحديثين.

49. عبد الرحمن بن سعد المؤذّن: قال البخاري: "فيه نظر". وضعفه ابن معين وابن حجر، وأورده ابن حبان في الثقات، وقال الذهبي: ليس بذاك، وقال مرة: في حديثه نكارة. قلت: روى له ابن ماجة والدارمي.

50. عبد الرحمن بن صباب (أو ضباب) الأشعري: قال البخاري: "فيه نظر"، وأورده ابن حبان في الثقات. قلت: ليس له في التسعة شيء.

51. عبد الرحمن بن عطاء القرشي: قال البخاري: "فيه نظر". وقال أحمد: ما أرى به بأساً، ووثقه النسائي، وقال ابن سعد: ثقة قليل الحديث، وأورده ابن حبان في الثقات، وقال أبو حاتم: شيخ، وقال ابن حجر: صدوق فيه لين. قلت: روى له أحمد وأبوداود والترمذي حديثين بغير المكرر.

52. عبد الرحمن بن مسهر الكوفي القرشي: قال البخاري: "فيه نظر". وقال ابن معين: ليس بشيء، وتركه أبو حاتم والنسائي، وقال أبو زرعة: يضرب على حديثه، وقال الدارقطني: منكر الحديث، وقال ابن عدي: لا يعرف له كثير رواية ومقدار ما له من الروايات لا يتابع عليه، وقال ابن حبان: كان ممن يخطئ حتى يأتي بالأشياء المقلوبة، وقال الذهبي: كان خفيف العقل. قلت: ليس له في التسعة شيء.
47. আবদুর রহমান বিন ইসহাক বিন আল-হারিস আল-ওয়াসিতি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে পর্যবেক্ষণ রয়েছে (فيه نظر)"। ইমাম আহমাদ বলেছেন: "সে উল্লেখযোগ্য কিছু নয়, সে মুনকার আল-হাদিস (منكر الحديث), হাদিসের ক্ষেত্রে সে তেমন কিছু নয়।" ইবনে মাইন বলেছেন: "দুর্বল (ضعيف), সে উল্লেখযোগ্য কিছু নয়।" আবু যুরআহ বলেছেন: "শক্তিশালী নয় (ليس بقوي)।" আবু হাতিম বলেছেন: "মুনকার আল-হাদিস (منكر الحديث), তার হাদিস লেখা হবে কিন্তু তা দলিল হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না (لا يحتجّ به)।" ইবনে হিব্বান বলেছেন: "দুর্বল (ضعيف), অতিশয় দুর্বল (واه); সে ওইসব ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিল যারা সংবাদ ও সনদ উল্টে দিত এবং প্রসিদ্ধ বর্ণনাকারীদের থেকে একাকী মুনকার (مناكير) বর্ণনা করত, তার বর্ণনা দলিল হিসেবে গ্রহণ করা বৈধ নয়।" আল-ইজলি বলেছেন: "দুর্বল (ضعيف), তার হাদিস গ্রহণযোগ্য (جائز الحديث), তার হাদিস লেখা হবে।" ইবনে আদি বলেছেন: "সে যা বর্ণনা করে তার কিছু অংশে নির্ভরযোগ্য (ثقات) বর্ণনাকারীরা তার অনুসরণ করে না।" ইবনে সাদ, নাসায়ি, যাহাবি এবং ইবনে হাজার তাকে দুর্বল (ضعفه) বলেছেন। ইবনে হাজার একবার বলেছেন: "পরিত্যক্ত (متروك)"। আমি বলছি: আহমাদ, তিরমিজি, আবু দাউদ এবং দারিমি তার থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন।

48. আবদুর রহমান বিন সালমান আল-হাজরি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে পর্যবেক্ষণ রয়েছে (فيه نظر)"। আবু হাতিম বলেছেন: "হাদিসের ক্ষেত্রে সঠিক (صالح الحديث), তার হাদিসে বিশৃঙ্খলা রয়েছে (مضطرب الحديث)"। নাসায়ি বলেছেন: "শক্তিশালী নয় (ليس بالقوي)"। উকাইলি বলেছেন: "দুর্বলতার দিক থেকে তার হাদিসগুলো কাছাকাছি (اللين)"। ইবনে হাজার বলেছেন: "তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই (ليس به بأس)"। আমি বলছি: ইমাম মুসলিম অনুসরণমূলক বর্ণনা হিসেবে (متابعةً) তার থেকে একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন, নাসায়িও অনুরূপ করেছেন। নয়টি প্রসিদ্ধ হাদিস গ্রন্থের মধ্যে এই দুটি হাদিস ছাড়া তার আর কোনো হাদিস নেই।

49. আবদুর রহমান বিন সাদ আল-মুয়াযযিন: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে পর্যবেক্ষণ রয়েছে (فيه نظر)"। ইবনে মাইন ও ইবনে হাজার তাকে দুর্বল (ضعفه) বলেছেন। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্যদের (الثقات) অন্তর্ভুক্ত করেছেন। যাহাবি বলেছেন: "সে তেমন উল্লেখযোগ্য নয়", অন্য এক স্থানে বলেছেন: "তার হাদিসের মাঝে অগ্রহণযোগ্যতা (نكارة) রয়েছে।" আমি বলছি: ইবনে মাজাহ ও দারিমি তার থেকে বর্ণনা করেছেন।

50. আবদুর রহমান বিন সাবাব (বা দ্বাবাব) আল-আশআরি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে পর্যবেক্ষণ রয়েছে (فيه نظر)"। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্যদের (الثقات) অন্তর্ভুক্ত করেছেন। আমি বলছি: নয়টি প্রসিদ্ধ হাদিস গ্রন্থের মধ্যে তার কোনো হাদিস নেই।

51. আবদুর রহমান বিন আতা আল-কুরাশি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে পর্যবেক্ষণ রয়েছে (فيه نظر)"। ইমাম আহমাদ বলেছেন: "আমি তার মধ্যে কোনো সমস্যা দেখি না (ما أرى به بأساً)"। নাসায়ি তাকে নির্ভরযোগ্য (وثقه) বলেছেন। ইবনে সাদ বলেছেন: "নির্ভরযোগ্য (ثقة), স্বল্প হাদিস বর্ণনাকারী"। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্যদের (الثقات) অন্তর্ভুক্ত করেছেন। আবু হাতিম বলেছেন: "শাইখ (شيخ)"। ইবনে হাজার বলেছেন: "সদুিক (صدوق), তার মাঝে কিছুটা দুর্বলতা (لين) রয়েছে।" আমি বলছি: ইমাম আহমাদ, আবু দাউদ ও তিরমিজি পুনরুক্তি ছাড়া তার থেকে দুটি হাদিস বর্ণনা করেছেন।

52. আবদুর রহমান বিন মুসাহির আল-কুফি আল-কুরাশি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে পর্যবেক্ষণ রয়েছে (فيه نظر)"। ইবনে মাইন বলেছেন: "সে উল্লেখযোগ্য কিছু নয়"। আবু হাতিম ও নাসায়ি তাকে বর্জন (تركه) করেছেন। আবু যুরআহ বলেছেন: "তার হাদিস বাতিলযোগ্য (يضرب على حديثه)"। দারাকুতনি বলেছেন: "মুনকার আল-হাদিস (منكر الحديث)"। ইবনে আদি বলেছেন: "তার অনেক বেশি বর্ণনা পরিচিত নয় এবং তার বর্ণনার যে পরিমাণ রয়েছে সে ব্যাপারে নির্ভরযোগ্যরা তাকে অনুসরণ করে না।" ইবনে হিব্বান বলেছেন: "সে ওই ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিল যারা ভুল করত, এমনকি সে উলটপালট (مقلوبة) বিষয় নিয়ে আসত।" যাহাবি বলেছেন: "সে অল্পবুদ্ধিসম্পন্ন ছিল।" আমি বলছি: নয়টি প্রসিদ্ধ হাদিস গ্রন্থের মধ্যে তার কোনো হাদিস নেই।
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ১৮)
53. عبد الله بن الحسين بن عطاء بن يسار: قال البخاري: "فيه نظر". وضعفه أبو زرعة وابن حجر، وقال ابن حبان: يترك ما لم يوافق الثقات والاعتبار بما وافق الأثبات. قلت: له في التسعة حديث واحد انفرد به ابن ماجة.

54. عبد الله بن داود الواسطي التمّار: قال البخاري: "فيه نظر". وضعفه أبو زرعة والنسائي وابن حجر، وقال أبو حاتم: ليس بالقوي وفي حديثه مناكير، وقال ابن عدي: لا بأس به إن شاء الله، وقال ابن حبان: منكر الحديث جداً يروي المناكير عن المشاهير لا يجوز الاحتجاج به. قلت: روى له أحمد خبراً واحداً والترمذي خبرين أحدهما مرفوع قال عنه: إسناده ليس بذاك، والثاني موقوف على ابن سيرين.

55. عبد الله بن سليمان بن جنادة الدوسي: قال البخاري: "فيه نظر". وأورده ابن أبي حاتم في (الجرح والتعديل) دون ذكره بأحدهما، وقال ابن حبان: يعتبر حديثه من غير رواية بشر عنه، وقال ابن عدي: لا يتابع في حديثه، وقال الذهبي: لا يدرى من هو، وضعفه ابن حجر. قلت: له في التسعة حديث واحد رواه أبو داود وابن ماجة والترمذي.

56. عبد الله بن عبد الرحمن بن أسيد الأنصاري: قال البخاري: فيه نظر، وأورده ابن حبان في الثقات. قلت: ليس هو أبا نصر الأزدي لأنّ هذا روى عن أنس بن مالك والأزدي من الطبقة التي دون هذا، وليس له في التسعة شيء.

57. عبد الله بن عبد الرحمن بن يعلى الطائفي: قال البخاري: "فيه نظر". وأورده ابن حبان في الثقات، ووثقه العجلي، وقال ابن معين: صالح الحديث، وقال مرة: ليس به بأس يكتب حديثه، وقال أبو حاتم: ليس هو بقوي لين الحديث، وقال النسائي: ليس بالقوي، وقال ابن عدي: يكتب حديثه، وقال الذهبي: لا أعرفه، وقال ابن حجر: صدوق يخطئ ويهم. قلت: روى له مسلم حديثاً واحداً متابعةً، وروى له أحمد والأربعة عدا الترمذي.

58. عبد الله بن علي بن بعجة (أو نعجة) بن بدر الجهني: قال البخاري: "فيه نظر". وأورده ابن أبي حاتم في (الجرح والتعديل) دون ذكره بأحدهما. قلت: ليس له في التسعة.
53. আবদুল্লাহ ইবনুল হুসাইন ইবনে আতা ইবনে ইয়াসার: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। আবু যুরআ ও ইবনে হাজার তাকে দুর্বল (ضعيف) বলে অভিহিত করেছেন। ইবনে হিব্বান বলেছেন: নির্ভরযোগ্য (الثقات) বর্ণনাকারীদের সাথে মিল না থাকলে তার হাদিস পরিত্যাগ করা হবে (يترك), আর সুদৃঢ় বর্ণনাকারীদের (الأثبات) সাথে যা সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে তা বিবেচ্য (الاعتبار)। আমি বলছি: নয়টি কিতাবের মধ্যে তার একটি মাত্র হাদিস আছে যা ইবনে মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

54. আবদুল্লাহ ইবনে দাউদ আল-ওয়াসিতি আত-তাম্মার: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। আবু যুরআ, নাসায়ি ও ইবনে হাজার তাকে দুর্বল (ضعيف) বলেছেন। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি শক্তিশালী নন (ليس بالقوي) এবং তার হাদিসে অস্বীকৃত বর্ণনা (مناكير) রয়েছে। ইবনে আদি বলেছেন: ইনশাআল্লাহ তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই (لا بأس به)। ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি অত্যন্ত অস্বীকৃত হাদিস বর্ণনাকারী (منكر الحديث جداً), তিনি প্রসিদ্ধ রাবিদের থেকে অস্বীকৃত (المناكير) বর্ণনা করেন, তার দ্বারা দলিল গ্রহণ (الاحتجاج) করা জায়েজ নেই। আমি বলছি: ইমাম আহমাদ তার থেকে একটি এবং তিরমিজি দুটি হাদিস বর্ণনা করেছেন; যার একটি হলো মারফু (مرفوع), যার ব্যাপারে তিনি বলেছেন: এর সনদ (إسناد) তেমন শক্তিশালী নয়, আর দ্বিতীয়টি ইবনে সিরিন থেকে মাওকুফ (موقوف)।

55. আবদুল্লাহ ইবনে সুলায়মান ইবনে জুনাদাহ আদ-দাওসি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইবনে আবি হাতিম তাকে 'আল-জারহ ওয়াত-তাদিল' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন কিন্তু তার সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেননি। ইবনে হিব্বান বলেছেন: বিশর ব্যতীত অন্যদের বর্ণনায় তার হাদিস গ্রহণযোগ্য (يعتبر), ইবনে আদি বলেছেন: তার হাদিস সমর্থিত (لا يتابع) হয় না। যাহাবি বলেছেন: সে কে তা জানা যায় না, এবং ইবনে হাজার তাকে দুর্বল (ضعيف) বলেছেন। আমি বলছি: নয়টি কিতাবের মধ্যে তার একটি হাদিস রয়েছে যা আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ ও তিরমিজি বর্ণনা করেছেন।

56. আবদুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আসিদ আল-আনসারি: ইমাম বুখারি বলেছেন: তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্যদের (الثقات) তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। আমি বলছি: তিনি আবু নাসর আল-আযদি নন, কারণ তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, আর আযদি তার পরবর্তী স্তরের (طبقة) বর্ণনাকারী। নয়টি কিতাবে তার কোনো বর্ণনা নেই।

57. আবদুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে ইয়ালা আত-তায়েফি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্যদের (الثقات) অন্তর্ভুক্ত করেছেন এবং আজলি তাকে নির্ভরযোগ্য (وثقه) বলেছেন। ইবনে মাঈন বলেছেন: তার হাদিস গ্রহণযোগ্য (صالح الحديث); আবার অন্য সময়ে বলেছেন: তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই (ليس به بأس), তার হাদিস লেখা যায়। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি শক্তিশালী নন (ليس هو بقوي), বর্ণনায় শিথিল (لين الحديث)। নাসায়ি বলেছেন: তিনি শক্তিশালী নন (ليس بالقوي)। ইবনে আদি বলেছেন: তার হাদিস লেখা যায়। যাহাবি বলেছেন: আমি তাকে চিনি না। ইবনে হাজার বলেছেন: সত্যবাদী (صدوق), তবে ভুল করেন (يخطئ) এবং বিভ্রান্ত হন (يهم)। আমি বলছি: ইমাম মুসলিম তার থেকে সমর্থক বর্ণনা হিসেবে (متابعةً) একটি হাদিস গ্রহণ করেছেন। এছাড়া ইমাম আহমাদ ও তিরমিজি ব্যতীত বাকি চারজন সুনান গ্রন্থকার তার হাদিস বর্ণনা করেছেন।

58. আবদুল্লাহ ইবনে আলী ইবনে বাজাহ (বা নাজাহ) ইবনে বদর আল-জুহানি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইবনে আবি হাতিম তাকে 'আল-জারহ ওয়াত-তাদিল' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন কিন্তু তার সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্তমূলক মন্তব্য করেননি। আমি বলছি: নয়টি কিতাবে তার কোনো বর্ণনা নেই।
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ১৯)
59. عبد الله بن محمد بن عبد الله بن زيد بن عبدربه الأنصاري: قال البخاري: "فيه نظر". وأورده ابن أبي حاتم في (الجرح والتعديل) دون ذكره بأحدهما، وأورده ابن حبان في الثقات، وقال الذهبي: وُثّق، وقال ابن حجر: مقبول. قلت: له في التسعة حديث واحد رواه له أحمد وابو داود.

60. عبد الله بن محمد بن عبد الملك البصري: قال البخاري: "فيه نظر". وقال أبو حاتم: في حديثه نظر. قلت: ليس له في التسعة شيء.

61. عبد الله بن مكنف الحارثي: قال البخاري: "فيه نظر". وقال ابن حبان: لا يجوز الاحتجاج به، وقال العقيلي: لا يعرف إلى [بحدث واحد]، وقال الذهبي: واه، وقال مرة هو وابن حجر: مجهول. قلت: ليس له في التسعة غير حديث واحد انفرد به ابن ماجة.

62. عبد الله بن نافع مولى ابن عمر القرشي المدني: قال البخاري: "فيه نظر".، وقال ابن معين: ليس بذاك، وقال مرّة: ضعبف، وقال ابن المديني: روى أحاديث منكرة، وتركه النسائي والدارقطني، وقال أبو حاتم: منكر الحديث وهو أضعف ولد نافع، وقال ابن حبان: منكر الحديث كان ممن يخطئ، وقال ابن عدي: يكتب حديثه، وضعفه أحمد وابن سعد وابن حجر. قلت: روى له أحمد دون العشر أحاديث، وابن ماجة حديثاً واحداً.

63. عبد الله بن نجي الحضرمي: قال البخاري: "فيه نظر". وقال ابن عدي: أخباره فيها نظر، ووثقه النسائي والعجلي، وأورده ابن حبان في الثقات، وقال الشافعي: مجهول، وقال الدارقطني: ليس بقوي في الحديث، وقال ابن حجر: صدوق. قد روى له أحمد والنسائي وأبوداود وابن ماجة.

64. عبد الله بن يعمر الكلاعي: قال البخاري: "فيه نظر". ووثقه ابن معين، وأورده ابن حبان في الثقات. قلت: ليس له في التسعة شيء.

65. عبد الملك بن عبد الملك: قال البخاري: "فيه نظر". وأورده ابن أبي حاتم في (الجرح والتعديل) دون ذكره بأحدهما، وقال ابن حبان: منكر الحديث جداً، وتركه الدارقطني. قلت: ليس له في التسعة شيء.
59. আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ বিন যাইদ বিন আবদি রাব্বিহি আল-আনসারি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইবনে আবি হাতিম তাকে আল-জারহ ওয়া আত-তাদিল গ্রন্থে কোনো প্রকার মন্তব্য ছাড়াই উল্লেখ করেছেন। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্যদের (الثقات) তালিকায় স্থান দিয়েছেন। ইমাম দাহাবি বলেছেন: তাকে নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে (وُثّق), এবং ইবনে হাজার বলেছেন: তিনি গ্রহণযোগ্য (مقبুল)। আমি বলছি: কুতুবে তিসআয় তার একটি মাত্র হাদিস রয়েছে যা ইমাম আহমদ ও আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন।

60. আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল মালিক আল-বাসরি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। আবু হাতিম বলেছেন: তার বর্ণিত হাদিসের ব্যাপারে আপত্তি আছে (في حديثه نظر)। আমি বলছি: কুতুবে তিসআয় তার কোনো বর্ণনা নেই।

61. আবদুল্লাহ বিন মুকান্নাফ আল-হারিসি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইবনে হিব্বান বলেছেন: তার মাধ্যমে দলিল পেশ করা বৈধ নয় (لا يجوز الاحتجاج به)। উকায়লি বলেছেন: একটি [হাদিস] ব্যতীত তিনি পরিচিত নন। ইমাম দাহাবি বলেছেন: তিনি অত্যন্ত দুর্বল (واه)। দাহাবি এবং ইবনে হাজার এক স্থানে বলেছেন: তিনি অপরিচিত (مجهول)। আমি বলছি: কুতুবে তিসআয় তার একটি মাত্র হাদিস রয়েছে যা এককভাবে ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন।

62. আবদুল্লাহ বিন নাফে (ইবনে উমর আল-কুরাশি আল-মাদানির মুক্তদাস): ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইবনে মাইন বলেছেন: তিনি তেমন শক্তিশালী নন (ليس بذاك)। অন্য স্থানে বলেছেন: তিনি দুর্বল (ضعيف)। ইবনুল মাদিনি বলেছেন: তিনি অনেকগুলো প্রত্যাখ্যাত (منكرة) হাদিস বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ ও দারাকুতনি তাকে বর্জন করেছেন (تركه)। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি হাদিস বর্ণনায় প্রত্যাখ্যাত (منكر الحديث) এবং তিনি নাফে’র সন্তানদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্বল। ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি হাদিস বর্ণনায় প্রত্যাখ্যাত (منكر الحديث), তিনি ভুল করতেন। ইবনে আদি বলেছেন: তার হাদিস লিখে রাখা যায় (يكتب حديثه)। ইমাম আহমদ, ইবনে সাদ ও ইবনে হাজার তাকে দুর্বল (ضعفه) বলে অভিহিত করেছেন। আমি বলছি: ইমাম আহমদ তার থেকে দশটির কম হাদিস এবং ইবনে মাজাহ একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন।

63. আবদুল্লাহ বিন নাজি আল-হাদরামি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইবনে আদি বলেছেন: তার বর্ণনাসমূহের ব্যাপারে আপত্তি আছে। নাসাঈ ও ইজলি তাকে নির্ভরযোগ্য (وثقه) বলেছেন। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্যদের (الثقات) তালিকায় উল্লেখ করেছেন। ইমাম শাফিঈ বলেছেন: তিনি অপরিচিত (مجهول)। দারাকুতনি বলেছেন: হাদিস বর্ণনায় তিনি শক্তিশালী নন (ليس بقوي)। ইবনে হাজার বলেছেন: তিনি সত্যবাদী (صدوق)। ইমাম আহমদ, নাসাঈ, আবু দাউদ এবং ইবনে মাজাহ তার থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন।

64. আবদুল্লাহ বিন ইয়ামুর আল-কালাঈ: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইবনে মাইন তাকে নির্ভরযোগ্য (وثقه) বলেছেন এবং ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্যদের (الثقات) তালিকায় উল্লেখ করেছেন। আমি বলছি: কুতুবে তিসআয় তার কোনো বর্ণনা নেই।

65. আব্দুল মালিক বিন আব্দুল মালিক: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইবনে আবি হাতিম তাকে আল-জারহ ওয়া আত-তাদিল গ্রন্থে কোনো মন্তব্য ছাড়াই উল্লেখ করেছেন। ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি হাদিস বর্ণনায় অত্যন্ত প্রত্যাখ্যাত (منكر الحديث جداً)। দারাকুতনি তাকে বর্জন করেছেন (تركه)। আমি বলছি: কুতুবে তিসআয় তার কোনো বর্ণনা নেই।
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ২০)
66. عبد الملك بن الوليد بن معدان الضبعي البصري: قال البخاري: "فيه نظر". وقال ابن معين وابن شاهين: صالح، وضعفه أبو حاتم وابن حجر، وقال النسائي: ليس بالقوي، وقال ابن حبان: منكر الحديث جداً، وقال ابن حزم: ساقط الحديث بلا خلاف، وقال الذهبي: ضعفوه. قلت: روى له الترمذي حديثاً واحداً قال بعده: حديث غريب، ورواه له ابن ماجة أيضاً، وليس له في التسعة غيره.

67. عبد الواحد الثقفي (أو يحيى بن عبد الواحد): قال البخاري: "فيه نظر". وأورده ابن حبان في الثقات، وقال الذهبي: مجهول. قلت: ولم أجد فيه كلاماً آخر لأهل العلم، وليس له في التسعة شيء.

68. عبد الواحد بن سليم المالكي: قال البخاري: "فيه نظر". وقال أبو حاتم: شيخ، وأورده ابن حبان في الثقات، وقال أحمد: منكر الحديث أحاديثه موضوعة، وقال النسائي: ليس بثقة، وقال العقيلي: مجهول، وضعفه ابن معين وابن حجر، وقال الذهبي: هالك. قلت: روى له الترمذي حديثاً واحداً، ليس له في التسعة غيره.

69. عسل بن سفيان التميمي: قال البخاري: "فيه نظر". وليّنه أحمد وضعّفه وقال: ليس هو عندي قوي، ومثله قال النسائي، وضعفه ابن معين وابن حجر، وقال الفسوي: ليس بمتروك ولا هو حجة، وقال أبو حاتم: منكر الحديث، وقال محمد بن سعد: فيه ضعف، وقال ابن حبان: يخطئ ويخالف على قلة روايته، وقال ابن عدي: مع ضعفه يكتب حديثه، وليّنه الذهبي. قلت: له في التسعة ثلاثة أحاديث عند أحمد والترمذي وأبي داود والدارمي.

70. علي بن محمد أبي سارة الشيباني البصري: قال البخاري: "فيه نظر". وضعفه أبو حاتم وابن حجر، وتركه أبو داود وابن حبان والذهبي، وقال ابن معين: ليس بشيء، وقال ابن عدي: أحاديثه عن ثابت كلها غير محفوظة وله غير ذلك عن ثابت مناكير. قلت: ليس له في التسعة شيء.
66. আব্দুল মালিক বিন আল-ওয়ালিদ বিন মা'দান আদ-দুবায়ী আল-বাসরি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তাতে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইবনে মাঈন এবং ইবনে শাহীন বলেছেন: তিনি যোগ্য (صالح)। আবু হাতিম এবং ইবনে হাজার তাকে দুর্বল (ضعيف) বলেছেন। ইমাম নাসাঈ বলেছেন: তিনি শক্তিশালী নন (ليس بالقوي)। ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি অত্যন্ত মুনকার হাদিস (منكر الحديث جداً) বর্ণনা করেন। ইবনে হাজম বলেছেন: তিনি সর্বসম্মতিক্রমে হাদিস বর্ণনায় অযোগ্য (ساقط الحديث)। ইমাম যাহাবি বলেছেন: তারা তাকে দুর্বল (ضعيف) বলেছেন। আমি বলি: ইমাম তিরমিজি তার একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং এরপর বলেছেন: এটি একটি অপরিচিত (غريب) হাদিস। ইবনে মাজাহ-ও তার থেকে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন এবং নয়টি কিতাবের মধ্যে অন্য কোথাও তার বর্ণনা নেই।

67. আব্দুল ওয়াহিদ আস-সাকাফি (অথবা ইয়াহইয়া বিন আব্দুল ওয়াহিদ): ইমাম বুখারি বলেছেন: "তাতে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্যদের (ثقة) তালিকায় উল্লেখ করেছেন এবং ইমাম যাহাবি বলেছেন: তিনি অজ্ঞাত (مجهول)। আমি বলি: আমি তার সম্পর্কে ইলমে হাদিসের পণ্ডিতদের অন্য কোনো মন্তব্য খুঁজে পাইনি এবং নয়টি কিতাবের মধ্যে তার কোনো বর্ণনা নেই।

68. আব্দুল ওয়াহিদ বিন সুলাইম আল-মালিকি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তাতে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি একজন শাইখ (شيخ)। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্যদের (ثقة) অন্তর্ভুক্ত করেছেন। ইমাম আহমাদ বলেছেন: তিনি মুনকার হাদিস (منكر الحديث) বর্ণনাকারী এবং তার হাদিসগুলো বানোয়াট (موضوعة)। ইমাম নাসাঈ বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য (ثقة) নন। উকায়লি বলেছেন: তিনি অজ্ঞাত (مجهول)। ইবনে মাঈন এবং ইবনে হাজার তাকে দুর্বল (ضعيف) বলেছেন। ইমাম যাহাবি বলেছেন: তিনি ধ্বংসপ্রাপ্ত (هالك)। আমি বলি: ইমাম তিরমিজি তার একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং নয়টি কিতাবের মধ্যে অন্য কোথাও তার বর্ণনা নেই।

69. আসাল বিন সুফিয়ান আত-তামিমি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তাতে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইমাম আহমাদ তাকে শিথিল (لين) বলেছেন এবং দুর্বল (ضعيف) সাব্যস্ত করে বলেছেন: তিনি আমার নিকট শক্তিশালী নন। ইমাম নাসাঈ-ও অনুরূপ বলেছেন। ইবনে মাঈন এবং ইবনে হাজার তাকে দুর্বল (ضعيف) বলেছেন। ফাসাউয়ি বলেছেন: তিনি বর্জনীয় (متروك) নন এবং তিনি প্রমাণযোগ্য (حجة)-ও নন। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি মুনকার হাদিস (منكر الحديث) বর্ণনা করেন। মুহাম্মদ বিন সাদ বলেছেন: তার মধ্যে দুর্বলতা (ضعف) রয়েছে। ইবনে হিব্বান বলেছেন: অল্প হাদিস বর্ণনা করা সত্ত্বেও তিনি ভুল করেন (يخطئ) এবং প্রচলিত বর্ণনার বিরোধিতা (يخالف) করেন। ইবনে আদি বলেছেন: তার দুর্বলতা (ضعف) থাকা সত্ত্বেও তার হাদিস লেখা যায়। ইমাম যাহাবি তাকে শিথিল (لين) বলেছেন। আমি বলি: নয়টি কিতাবের মধ্যে মুসনাদে আহমাদ, সুনানুত তিরমিজি, সুনানে আবু দাউদ এবং সুনানে দারেমি-তে তার তিনটি হাদিস রয়েছে।

70. আলী বিন মুহাম্মদ আবি সারা আশ-শাইবানি আল-বাসরি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তাতে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। আবু হাতিম এবং ইবনে হাজার তাকে দুর্বল (ضعيف) বলেছেন। আবু দাউদ, ইবনে হিব্বান এবং ইমাম যাহাবি তাকে বর্জন (متروك) করেছেন। ইবনে মাঈন বলেছেন: তিনি গুরুত্বহীন (ليس بشيء)। ইবনে আদি বলেছেন: সাবিত থেকে বর্ণিত তার হাদিসগুলোর কোনোটিই সংরক্ষিত (غير محفوظة) নয় এবং সাবিত থেকে তার বর্ণিত অন্যান্য হাদিসগুলোও মুনকার (مناكير)। আমি বলি: নয়টি কিতাবের মধ্যে তার কোনো বর্ণনা নেই।
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ২১)
71. علي بن مسعدة الباهلي البصري: قال البخاري: "فيه نظر". ووثقه أبو داود الطيالسي، وضعفه النسائي وأبو داود السجستاني، وقال ابن معين وأبو حاتم: لا بأس به، وقال ابن عدي: أحاديثه عن قتادة كلّها غير محفوظة، وقال ابن حبان: كان ممن يخطئ على قلة روايته، وقال الذهبي: فيه ضعف، وقال ابن حجر: صدوق له أوهام. قلت: روى له البخاري في الأدب المفرد وله في التسعة حديثان عند أحمد والترمذي وابن ماجة والدارمي،.

72. عمر بن أبان بن عثمان: قال البخاري: "فيه نظر". وأورده ابن أبي حاتم في (الجرح والتعديل) دون ذكره بأحدهما، وأورده ابن حبان في الثقات، وقال ابن عدي: في إسناده شيء. قلت: ليس له في التسعة شيء.

73. عمر بن رؤبة التغلبي: قال البخاري: "فيه نظر". وقال أبو حاتم: صالح الحديث لا تقوم به حجة، وأورده ابن حبان في الثقات، وقال الذهبي: ليس بذاك، وقال ابن حزم: مجهول، وقال ابن حجر: صدوق. قلت: له في التسعة حديث واحد عند أحمد والترمذي وأبي داود وابن ماجة.

74. عمر بن زيد اليماني الصنعاني: قال البخاري: "فيه نظر". وأورده ابن أبي حاتم في (الجرح والتعديل) دون ذكره بأحدهما، وقال ابن حبان: يتفرّد بالمناكير عن المشاهير فلا يحتج به، وقال أبو نعيم: روى المناكير، لا شيء، وقال ابن حبان: ينفرد بالمناكير حتى خرج عن حد الاحتجاج به، وقال الحاكم: روى أحاديث موضوعة، وضعفه ابن حجر. قلت: له في التسعة حديث واحد عند أحمد والترمذي وأبي داود وابن ماجة.

75. عمر بن زرعة الخارقي: قال البخاري: "فيه نظر" وأورده ابن أبي حاتم في (الجرح والتعديل) دون ذكره بأحدهما، وقال الذهبي: واه. قلت: له في التسعة حديث واحد انفرد به الدارمي.

76. عمر بن فرقد الباهلي البصري: قال البخاري: "فيه نظر". وقال ابن عدي: في حديثه نظر، وقال أبو حاتم: منكر الحديث، وأورده ابن حبان في الثقات. قلت: ليس له في التسعة شيء.
71. আলী ইবনে মাসআদাহ আল-বাহিলী আল-বাসরী: বুখারী বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। আবু দাউদ আল-তায়ালিসি তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন (وثقه), এবং নাসাঈ ও আবু দাউদ আস-সিজিস্তানি তাকে দুর্বল বলেছেন (ضعفه)। ইবনে মাইন এবং আবু হাতিম বলেছেন: তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই (لا بأس به)। ইবনে আদী বলেছেন: কাতাদাহ থেকে তার বর্ণিত হাদিসগুলো সবই অসংরক্ষিত (غير محفوظة)। ইবনে হিব্বান বলেছেন: অল্প সংখ্যক বর্ণনা করা সত্ত্বেও তিনি ভুল করতেন (يخطئ)। জাহাবী বলেছেন: তার মধ্যে দুর্বলতা আছে (فيه ضعف)। ইবনে হাজার বলেছেন: তিনি সত্যবাদী তবে তার বিভ্রান্তি রয়েছে (صدوق له أوهام)। আমি বলছি: বুখারী তার থেকে আল-অদব আল-মুফরাদ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন এবং নয়টি কিতাবের (التسعة) মধ্যে আহমদ, তিরমিজি, ইবনে মাজাহ ও দারেমীর নিকট তার দুটি হাদিস রয়েছে।

72. উমর ইবনে আবান ইবনে উসমান: বুখারী বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইবনে আবি হাতিম তাকে আল-জারহ ওয়াত তাদিল গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন কিন্তু কোনো পক্ষের (জারহ বা তাদিল) মন্তব্য করেননি। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য রাবিগণ (الثقات) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। ইবনে আদী বলেছেন: তার সনদে কিছু ত্রুটি আছে (في إسناده شيء)। আমি বলছি: নয়টি কিতাবের মধ্যে তার কোনো বর্ণনা নেই।

73. উমর ইবনে রু’বাহ আত-তাগলিবী: বুখারী বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি হাদিস বর্ণনায় উপযুক্ত (صالح الحديث) তবে তার মাধ্যমে দলিল প্রতিষ্ঠিত হয় না (لا تقوم به حجة)। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য রাবিগণ (الثقات) গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। জাহাবী বলেছেন: তিনি তেমন সুদৃঢ় নন (ليس بذاك)। ইবনে হাজম বলেছেন: তিনি অপরিচিত (مجهول)। ইবনে হাজার বলেছেন: তিনি সত্যবাদী (صدوق)। আমি বলছি: নয়টি কিতাবের মধ্যে আহমদ, তিরমিজি, আবু দাউদ ও ইবনে মাজাহর নিকট তার একটি হাদিস রয়েছে।

74. উমর ইবনে যাইদ আল-ইয়ামানি আস-সানআনি: বুখারী বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইবনে আবি হাতিম তাকে আল-জারহ ওয়াত তাদিল গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন কিন্তু কোনো মন্তব্য করেননি। ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি সুপরিচিত রাবিদের বিপরীতে অস্বীকৃত বা মুনকার বর্ণনায় একাকী হয়ে পড়েন (يتفرّد بالمناكير), তাই তার দ্বারা দলিল গ্রহণ করা যাবে না (فلا يحتج به)। আবু নুয়াইম বলেছেন: তিনি অস্বীকৃত বা মুনকার বর্ণনা (المناكير) করেছেন, তিনি গুরুত্বহীন (لا شيء)। ইবনে হিব্বান পুনরায় বলেছেন: তিনি মুনকার বর্ণনা প্রদানে একক হয়ে পড়েন, এমনকি তিনি দলিল হিসেবে গ্রহণযোগ্যতার সীমা থেকে বেরিয়ে গেছেন। হাকেম বলেছেন: তিনি জাল (موضوعة) হাদিস বর্ণনা করেছেন। ইবনে হাজার তাকে দুর্বল (ضعفه) বলেছেন। আমি বলছি: নয়টি কিতাবের মধ্যে আহমদ, তিরমিজি, আবু দাউদ ও ইবনে মাজাহর নিকট তার একটি হাদিস রয়েছে।

75. উমর ইবনে জুরআহ আল-খারিকী: বুখারী বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইবনে আবি হাতিম তাকে আল-জারহ ওয়াত তাদিল গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন কিন্তু কোনো মন্তব্য করেননি। জাহাবী বলেছেন: তিনি অত্যন্ত দুর্বল (واه)। আমি বলছি: নয়টি কিতাবের মধ্যে তার একটি হাদিস রয়েছে যা দারেমী এককভাবে বর্ণনা করেছেন (انفرد به)।

76. উমর ইবনে ফারকাদ আল-বাহিলী আল-বাসরী: বুখারী বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইবনে আদী বলেছেন: তার হাদিসের ব্যাপারে আপত্তি আছে (في حديثه نظر)। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি অস্বীকৃত হাদিস বর্ণনাকারী (منكر الحديث)। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য রাবিগণ (الثقات) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। আমি বলছি: নয়টি কিতাবের মধ্যে তার কোনো বর্ণনা নেই।
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ২২)
77. عمر بن موسى بن الوجيه: قال البخاري: "فيه نظر .. وروى ابن إسحاق عن عمرو بن موسى بن وجيه عن أبي سفيان عن عبد الرحمن بن أبي بكرة في الدعاء منكر الحديث ". وقال أبو حاتم: متروك الحديث ذاهب الحديث كان يضع الحديث، وقال ابن عدي: هو بيّن الأمر في الضعفاء وهو في عداد من يضع الحديث متناً وسنداً، وقال ابن حبان: كان ممن يروي المناكير عن المشاهير فاستحق الترك، وقال الجوزجاني سمعتهم يذمّون حديثه، وتركه النسائي والدارقطني، وقال ابن حجر: هالك ضعيف جداً، وقال ابن معين: ليس حديثه بشئ وليس بثقة، وقال أبو داود: ليس بشيء، وقال الذهبي: واه. قلت: وله في التسعة حديث واحد رواه أحمد.

78. عمرو بن دينار البصري: قال البخاري: "فيه نظر". وقال أحمد: ضعيف، منكر الحديث، وقال ابن معين: ذاهب، وقال مرة: ليس بشيء، وقال أبو زرعة: واهي الحديث، وضعفه أبو حاتم والجوزجاني والنسائي والدارقطني وابن حجر، وقال ابن حبان: كان ممن ينفرد بالموضوعات عن الأثبات لا يحل كتابة حديثه إلا من جهة التعجّب، وقال العجلي: يكتب حديثه وليس بالقوي، وقال الترمذي: شيخ بصري تكلّم فيه بعض أصحاب الحديث، وقال مرة: وليس هو بالقوي في الحديث، وقال الذهبي: ضعفوه. قلت: روى له أحمد وأبو داود وابن ماجة والترمذي، ووصف الترمذي أحاديثه بالغرابة.

79. عمرو بن هاشم الجنبي: قال البخاري: "فيه نظر". وقال أحمد: صدوق ولم يكن صاحب حديث، وقال ابن سعد: صدوق يخطئ كثيراً، وقال أبو حاتم: لين الحديث يكتب حديثه، وقال ابن حبان: كان ممن يقلب الأسانيد لا يجوز الاحتجاج بخبره، وضعفه الإمام مسلم، وقال النسائي: ليس بالقوي، وقال ابن عدي: صدوق، ووثقه ابن معين، وقال ابن حجر: لين الحديث. قلت: روى له البخاري في الأدب المفرد، والنسائي حديثاً واحداً وكذلك فعل أبو داود، وليس له في التسعة أحاديث أخرى.
77. উমর ইবনে মুসা ইবনুল ওয়াজিহ: বুখারি বলেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি রয়েছে (فيه نظر)... ইবনে ইসহাক আমর ইবনে মুসা ইবনে ওয়াজিহ থেকে, তিনি আবু সুফিয়ান থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবি বাকরাহ থেকে দোয়ার বিষয়ে একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন যা প্রত্যাখ্যাত (منكر الحديث)"। আবু হাতিম বলেন: তিনি পরিত্যক্ত হাদিস বর্ণনাকারী (متروك الحديث), অসার হাদিস বর্ণনাকারী (ذاهب الحديث), তিনি হাদিস জাল (يضع الحديث) করতেন। ইবনে আদি বলেন: দুর্বলদের (الضعفاء) মধ্যে তার অবস্থা অত্যন্ত স্পষ্ট এবং তিনি সেই স্তরের অন্তর্ভুক্ত যারা হাদিসের মূলপাঠ (متناً) ও সনদ (سنداً) উভয় ক্ষেত্রেই জাল করেন। ইবনে হিব্বান বলেন: তিনি প্রসিদ্ধ বর্ণনাকারীদের সূত্রে প্রত্যাখ্যাত (المناكير) বিষয়সমূহ বর্ণনা করতেন, তাই তিনি ত্যাগের (الترك) যোগ্য। আল-জুযাজানি বলেন: আমি তাদেরকে তার হাদিসের নিন্দা করতে শুনেছি। নাসাঈ ও দারাকুতনি তাকে পরিত্যাগ (تركه) করেছেন। ইবনে হাজার বলেন: ধ্বংসপ্রাপ্ত (هالك) এবং অত্যন্ত দুর্বল (ضعيف جداً)। ইবনে মাঈন বলেন: তার হাদিস গ্রহণযোগ্য কিছু নয় এবং তিনি নির্ভরযোগ্য (ثقة) নন। আবু দাউদ বলেন: তিনি কিছুই নন। যাহাবি বলেন: অসার (واه)। আমি বলছি: নয়টি গ্রন্থের মধ্যে তার কেবল একটি হাদিস রয়েছে যা আহমাদ বর্ণনা করেছেন।

78. আমর ইবনে দিনার আল-বাসরি: বুখারি বলেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি রয়েছে (فيه نظر)"। আহমাদ বলেন: দুর্বল (ضعيف), প্রত্যাখ্যাত হাদিস বর্ণনাকারী (منكر الحديث)। ইবনে মাঈন বলেন: অসার (ذاهب), অন্যবার বলেছেন: তিনি কিছুই নন। আবু যুরআহ বলেন: ভিত্তিহীন হাদিস বর্ণনাকারী (واهي الحديث)। আবু হাতিম, জুযাজানি, নাসাঈ, দারাকুতনি এবং ইবনে হাজার তাকে দুর্বল (ضعفه) আখ্যা দিয়েছেন। ইবনে হিব্বান বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিদের সূত্রে জাল বিষয়সমূহ (الموضوعات) এককভাবে বর্ণনা করতেন, তাই বিস্ময় প্রকাশ করা ছাড়া অন্য কোনো কারণে তার হাদিস লিখে রাখা বৈধ নয়। আল-ইজলি বলেন: তার হাদিস লিখে রাখা যায় তবে তিনি শক্তিশালী (بالقوي) নন। তিরমিজি বলেন: তিনি একজন বাসরি শায়খ যার সমালোচনা (تكلّم فيه) হাদিস বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ করেছেন; তিনি অন্য স্থানে বলেছেন: তিনি হাদিসের ক্ষেত্রে শক্তিশালী (بالقوي) নন। যাহাবি বলেন: তারা তাকে দুর্বল (ضعفوه) সাব্যস্ত করেছেন। আমি বলছি: আহমাদ, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ ও তিরমিজি তার থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং তিরমিজি তার হাদিসগুলোকে অদ্ভুত (بالغرابة) বলে অভিহিত করেছেন।

79. আমর ইবনে হাশিম আল-জানবি: বুখারি বলেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি রয়েছে (فيه نظر)"। আহমাদ বলেন: সত্যবাদী (صدوق) তবে তিনি হাদিস বিশেষজ্ঞ ছিলেন না। ইবনে সাদ বলেন: সত্যবাদী (صدوق), তবে তিনি অধিক ভুল করতেন। আবু হাতিম বলেন: শিথিল হাদিস বর্ণনাকারী (لين الحديث), তার হাদিস লিখে রাখা যায়। ইবনে হিব্বান বলেন: তিনি সনদগুলো (الأسانيد) উল্টে ফেলতেন, তার বর্ণনা দ্বারা দলিল পেশ করা (الاحتجاج) বৈধ নয়। ইমাম মুসলিম তাকে দুর্বল (ضعفه) বলেছেন। নাসাঈ বলেন: তিনি শক্তিশালী (بالقوي) নন। ইবনে আদি বলেন: সত্যবাদী (صدوق)। ইবনে মাঈন তাকে নির্ভরযোগ্য (وثقه) বলেছেন। ইবনে হাজার বলেন: শিথিল হাদিস বর্ণনাকারী (لين الحديث)। আমি বলছি: বুখারি তার আদাবুল মুফরাদ গ্রন্থে তার থেকে বর্ণনা করেছেন, নাসাঈ একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং আবু দাউদও অনুরূপ করেছেন; নয়টি গ্রন্থে তার আর কোনো হাদিস নেই।
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ২৩)
80. عمران بن ظبيان الكوفي: قال البخاري: "فيه نظر". وقال أبو حاتم: يكتب حديثه، ووثقه الفسوي، وأورده ابن حبان في الثقات، إلا أنّه قال عنه: كان ممن يخطئ لم يفحش خطؤه حتى يبطل الاحتجاج به ولكن لا يحتج بما انفرد به من الأخبار، وضعفه ابن حجر. قلت: له عند أحمد حديثان وعند النسائي حديث واحد، وهو كلّ ما له في التسعة.

81. عمار المدني عن أنس: قال البخاري: "فيه نظر". وقال ابن عدي: لم ينسب وليس بمعروف. قلت: لم أجد فيه غير هذا الكلام، وليس له في التسعة شيء.

82. محمد بن ثابت بن أسلم البناني: قال البخاري: "فيه نظر". وقال ابن معين وابن شاهين: ليس بشيء، وضعفه يعقوب بن سفيان الفسوي والنسائي وأبو داود وابن حجر، وليّنه أبو زرعة، وقال أبو حاتم: يكتب حديثه ولا يحتجّ به منكر الحديث، وليّنه أبو زرعة، وقال ابن حبان: لا يجوز الاحتجاج به. قلت: وليس له في الكتب التسعة سوى بضعة أحاديث عند أحمد والترمذي.

83. محمد بن حجر بن عبد الجبار بن وائل بن حجر الحضرمي: قال البخاري: "فيه نظر". وقال أبو حاتم: شيخ، وقال ابن حبان: يروي بنسخة منكرة لا يجوز الاحتجاج به. قلت: ليس له في التسعة شيء.

84. محمد بن حميد الرازي: قال البخاري: "فيه نظر". وقال الترمذي: كان (البخاري) حسن الرأي في محمد بن حميد ثم ضعفه بعد، وقال يحيى بن معين: ثقة ليس به بأس، وكذّبه صالح جزرة وأبو زرعة وترك حديثه، وقال الجوزجاني: كان رديء المذهب ليس ثقة، وقال يعقوب بن شيبة: كثير المناكير، وقال ابن حبان: كان ممن ينفرد عن الثقات بالأشياء المقلوبات، وقال النسائي: ليس بثقة، وقال ابن عدي: تكثُر أحاديثه التي أُنكرت عليه، وضعفه الذهبي وابن حجر، وأورده ابن شاهين في ثقاته. قلت: وقد روى له ابن ماجة والدارمي والترمذي.

85. محمد بن الزبير الحنظلي: قال البخاري: "منكر الحديث وفيه نظر". وقال ابن معين: ضعيف لا شيء، وقال أبو حاتم: ليس بالقوي في حديثه أنكار، وضعفه النسائي، وقال ابن حبان: منكر الحديث جداً، وقال ابن عدي: حديثه قليل والذي يرويه غرائب وأفراد، وقال الذهبي: ضعفوه، وتركه ابن حجر. قلت: روى له أحمد حديثين، والنسائي وأبو داود حديثاً واحداً.
80. ইমরান বিন জাবিয়ান আল-কুফি: ইমাম বুখারি বলেন: "তিনি বিশেষ বিবেচনাধীন (فيه نظر)"। আবু হাতিম বলেন: তার হাদিস লেখা যাবে। আল-ফাসাওয়ি তাকে নির্ভরযোগ্য (وثقه) বলেছেন এবং ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্যদের (الثقات) অন্তর্ভুক্ত করেছেন, তবে তিনি তার সম্পর্কে বলেছেন: তিনি এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা ভুল করতেন, তবে তার ভুল এতটাই জঘন্য ছিল না যে তার দ্বারা দলিল পেশ করা (الاحتجاج به) বাতিল হয়ে যাবে। তবে তিনি এককভাবে (انفرد) যা বর্ণনা করেছেন তা দ্বারা দলিল পেশ করা যাবে না। ইবনে হাজার তাকে দুর্বল (ضعفه) বলেছেন। আমি (গ্রন্থকার) বলছি: আহমদে তার দুটি হাদিস এবং নাসায়িতে একটি হাদিস রয়েছে; নয়টি গ্রন্থে এটিই তার সর্বমোট বর্ণনা।

81. আম্মার আল-মাদানি, আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন: ইমাম বুখারি বলেন: "তিনি বিশেষ বিবেচনাধীন (فيه نظر)"। ইবনে আদি বলেন: তার বংশপরিচয় উল্লেখ করা হয়নি এবং তিনি সুপরিচিত (معروف) নন। আমি বলছি: আমি তার সম্পর্কে এই মন্তব্য ছাড়া আর কিছু পাইনি এবং নয়টি গ্রন্থে তার কোনো বর্ণনা নেই।

82. মুহাম্মদ বিন সাবিত বিন আসলাম আল-বুনানি: ইমাম বুখারি বলেন: "তিনি বিশেষ বিবেচনাধীন (فيه نظر)"। ইবনে মাইন ও ইবনে শাহিন বলেন: তিনি কিছুই নন (ليس بشيء)। ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাওয়ি, নাসায়ি, আবু দাউদ এবং ইবনে হাজার তাকে দুর্বল (ضعفه) বলেছেন। আবু যুরআ তাকে শিথিল (ليّنه) বলেছেন। আবু হাতিম বলেন: তার হাদিস লেখা যাবে তবে তা দ্বারা দলিল পেশ করা (يحتج به) যাবে না, তিনি আপত্তিকর হাদিস বর্ণনাকারী (منكر الحديث)। ইবনে হিব্বান বলেন: তার দ্বারা দলিল পেশ করা বৈধ নয়। আমি বলছি: নয়টি গ্রন্থে আহমদ ও তিরমিজিতে তার সামান্য কয়েকটি হাদিস ছাড়া আর কিছু নেই।

83. মুহাম্মদ বিন হাজার বিন আব্দুল জাব্বার বিন ওয়ায়েল বিন হাজার আল-হাদরামি: ইমাম বুখারি বলেন: "তিনি বিশেষ বিবেচনাধীন (فيه نظر)"। আবু হাতিম বলেন: তিনি একজন শাইখ (شيخ)। ইবনে হিব্বান বলেন: তিনি আপত্তিকর (منكرة) পাণ্ডুলিপি থেকে বর্ণনা করেন, তার মাধ্যমে দলিল পেশ করা (الاحتجاج به) বৈধ নয়। আমি বলছি: নয়টি গ্রন্থে তার কোনো বর্ণনা নেই।

84. মুহাম্মদ বিন হুমাইদ আল-রাজি: ইমাম বুখারি বলেন: "তিনি বিশেষ বিবেচনাধীন (فيه نظر)"। তিরমিজি বলেন: মুহাম্মদ বিন হুমাইদের ব্যাপারে ইমাম বুখারির সুধারণা ছিল, পরবর্তীতে তিনি তাকে দুর্বল (ضعفه) বলেছেন। ইয়াহইয়া বিন মাইন বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্য (ثقة), তাতে কোনো সমস্যা নেই (ليس به بأس)। সালিহ জাযরাহ ও আবু যুরআ তাকে মিথ্যাবাদী (كذبه) বলেছেন এবং তার হাদিস বর্জন (ترك) করেছেন। আল-জাওযজানি বলেন: তার মাজহাব বা মতাদর্শ নিকৃষ্ট ছিল এবং তিনি নির্ভরযোগ্য (ثقة) নন। ইয়াকুব বিন শাইবাহ বলেন: তিনি অধিক মাত্রায় আপত্তিকর হাদিস (المناكير) বর্ণনাকারী। ইবনে হিব্বান বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্য (الثقات) রাবীদের বিপরীতে উলটপালট (المقلوبات) বিষয় বর্ণনায় একাকী হয়ে পড়তেন। নাসায়ি বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্য (ثقة) নন। ইবনে আদি বলেন: তার এমন হাদিসের সংখ্যা অনেক যা প্রত্যাখ্যাত (أُنكرت) হয়েছে। আল-জাহাবি ও ইবনে হাজার তাকে দুর্বল (ضعفه) বলেছেন, তবে ইবনে শাহিন তাকে তার নির্ভরযোগ্যদের (ثقاته) কিতাবে উল্লেখ করেছেন। আমি বলছি: ইবনে মাজাহ, দারেমি এবং তিরমিজি তার থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন।

85. মুহাম্মদ বিন আল-জুবায়ের আল-হানজালি: ইমাম বুখারি বলেন: "তিনি প্রত্যাখ্যাত হাদিস বর্ণনাকারী (منكر الحديث) এবং বিশেষ বিবেচনাধীন (فيه نظر)"। ইবনে মাইন বলেন: তিনি দুর্বল (ضعيف), কিছুই নন। আবু হাতিম বলেন: তিনি শক্তিশালী (القوي) নন, তার হাদিসে আপত্তিকর বিষয় (أنكار) রয়েছে। নাসায়ি তাকে দুর্বল (ضعفه) বলেছেন। ইবনে হিব্বান বলেন: তিনি অত্যন্ত আপত্তিকর হাদিস বর্ণনাকারী (منكر الحديث جداً)। ইবনে আদি বলেন: তার বর্ণিত হাদিসের সংখ্যা কম এবং তিনি যা বর্ণনা করেন তা অপরিচিত (غرائب) ও একক (أفراد)। আল-জাহাবি বলেন: ইমামগণ তাকে দুর্বল (ضعفوه) বলেছেন এবং ইবনে হাজার তাকে বর্জন (تركه) করেছেন। আমি বলছি: মুসনাদে আহমদে তার দুটি এবং নাসায়ি ও আবু দাউদে একটি হাদিস রয়েছে।
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ২৪)
86. محمد بن عبد الرحمن بن قدامة البصري: قال البخاري: "فيه نظر". وقال ابن عدي: قليل الحديث. قلت: ليس له في التسعة شيء.

87. محمّد بن كريب مولى ابن عباس: قال البخاري: "فيه نظر". وقال عنه أحمد بن حنبل: منكر الحديث يجيء بعجائب، وقال ابن معين: ليس حديثه بشيء، وليّنه أبو زرعة، وقال أبو حاتم: شيخ لا يحتج بحديثه، وقال ابن عدي: هو مع ضعفه يكتب حديثه، وقال ابن حبان: كان منكر الحديث جداً استحق ترك الاحتجاج به، وتركه الدارقطني، وضعفه النسائي والذهبي وابن حجر: ضعيف. قلت: وليس له في التسعة إلا حديثاً واحداً عند ابن ماجة.

88. محمد بن معاوية البصري: قال البخاري: "فيه نظر"، وقال ابن عدي: ليس بالمعروف ولم يحضرني له شيء. قلت: ولم أعثر لأحد من أهل العلم كلاماً فيه غير ما ذكرت. وليس في الكتب التسعة راوٍ اسمه محمد بن معاوية سوى محمد بن معاوية ابن زيد الأنماطي، وليس هو هذا.

89. النضر بن كثير السعدي البصري: قال البخاري: "فيه نظر".وقال مرة: "عنده مناكير". وقال أبو حاتم: فيه نظر، وقال ابن حبان: يروي الموضوعات عن الرواة على قلة روايته لا يجوز الاحتجاج به بحال، وقال ابن عدي: ممن يكتب حديثه، وضعفه العقيلي وابن حجر، وقال الذهبي: واه. قلت: له في التسعة حديثان عند أحمد والنسائي وأبي داود.

90. يوسف بن محمد بن صيفي: قال البخاري: "فيه نظر". وقال أبو حاتم: شيخ لا بأس به، وقال العقيلي: لا يتابع، وأورده ابن حبّان في الثقات، وقال ابن حجر: مقبول. قلت: ليس له في التسعة سوى حديث انفرد به ابن ماجة.

 

‌‌قائمة ببعض المصادر والمراجع

- الإحسان في تقريب صحيح ابن حبان، تحقيق: شعيب الأرنؤوط وحسين أسد، مطبعة الرسالة، بيروت، 1984م.

- أحوال الرجال لأبي إسحاق الجوزجاني، تحقيق: صبحي السامرائي، مؤسسة الرسالة، بيروت، 1985م.

-أدب الإملاء والاستملاء، عبد الكريم بن محمد بن منصور السمعاني، تحقيق: ماكس فايسفايلر، دار الكتب العلمية، بيروت، الطبعة الأولى 1981 م.

- الإرشاد، الخليلي القزوني، تحقيق: د. محمد سعيد عمر إدريس، مكتبة الرشد، الرياض، الطبعة الأولى 1409 هـ.

-الإصابة في تمييز الصحابة، العسقلاني، بسيوني زغلول، دار الكتب العلمية.
86. মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন কুদামা আল-বসরী: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইবনে আদি বলেছেন: তিনি সল্প হাদিস বর্ণনাকারী (قليل الحديث)। আমি বলছি: নয়টি কিতাবে তার কোনো বর্ণনা নেই।

87. মুহাম্মদ বিন কুরাইব, ইবনে আব্বাসের মুক্তদাস: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। তার সম্পর্কে আহমদ বিন হাম্বল বলেছেন: তিনি অগ্রহণযোগ্য হাদিস বর্ণনাকারী (منكر الحديث), তিনি অদ্ভুত সব বর্ণনা নিয়ে আসেন। ইবনে মাঈন বলেছেন: তার হাদিস কোনো ধর্তব্য নয় (ليس حديثه بشيء)। আবু যুরআ তাকে দুর্বল বলেছেন (لينة)। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি এমন একজন শায়খ যার হাদিস দলিল হিসেবে গ্রহণ করা যায় না (لا يحتج بحديثه)। ইবনে আদি বলেছেন: তার দুর্বলতা (ضعفه) সত্ত্বেও তার হাদিস লিখে রাখা হয় (يكتب حديثه)। ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি অত্যন্ত অগ্রহণযোগ্য হাদিস বর্ণনাকারী (منكر الحديث جداً), তিনি দলিল হিসেবে গ্রহণ করা বর্জন করার যোগ্য। দারা কুতনী তাকে বর্জন করেছেন (تركه)। নাসাঈ এবং জাহাবী তাকে দুর্বল সাব্যস্ত করেছেন এবং ইবনে হাজার বলেছেন: দুর্বল (ضعيف)। আমি বলছি: নয়টি কিতাবের মধ্যে কেবল ইবনে মাজাহ-তে তার একটি হাদিস রয়েছে।

88. মুহাম্মদ বিন মুয়াবিয়া আল-বসরী: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। ইবনে আদি বলেছেন: তিনি সুপরিচিত নন এবং তার কোনো বর্ণনা আমার কাছে উপস্থিত নেই। আমি বলছি: আমি যাদের কথা উল্লেখ করেছি তারা ব্যতীত ইলমে হাদিসের অন্য কোনো পণ্ডিতের পক্ষ থেকে তার সম্পর্কে কোনো মন্তব্য পাইনি। নয়টি কিতাবে মুহাম্মদ বিন মুয়াবিয়া ইবনে যাইদ আল-আনমাতি ব্যতীত মুহাম্মদ বিন মুয়াবিয়া নামে অন্য কোনো বর্ণনাকারী নেই, আর তিনি এই ব্যক্তি নন।

89. আন-নদর বিন কাসীর আস-সাদী আল-বসরী: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। তিনি অন্য এক স্থানে বলেছেন: "তার নিকট অনেক অগ্রহণযোগ্য বর্ণনা (مناكير) রয়েছে।" আবু হাতিম বলেছেন: তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)। ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি স্বল্প হাদিস বর্ণনা করলেও বর্ণনাকারীদের সূত্রে বানোয়াট বর্ণনা (الموضوعات) বর্ণনা করেন, কোনো অবস্থাতেই তাকে দলিল হিসেবে গ্রহণ করা বৈধ নয় (لا يجوز الاحتجاج به)। ইবনে আদি বলেছেন: তিনি এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত যাদের হাদিস লিখে রাখা হয় (يكتب حديثه)। উকায়লী এবং ইবনে হাজার তাকে দুর্বল সাব্যস্ত করেছেন এবং জাহাবী বলেছেন: অত্যন্ত দুর্বল (واه)। আমি বলছি: নয়টি কিতাবের মধ্যে মুসনাদে আহমদ, সুনানে নাসাঈ এবং সুনানে আবু দাউদে তার দুটি হাদিস রয়েছে।

90. ইউসুফ বিন মুহাম্মদ বিন সাইফি: ইমাম বুখারি বলেছেন: "তার ব্যাপারে আপত্তি আছে (فيه نظر)"। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি এমন একজন শায়খ যার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই (لا بأس به)। উকায়লী বলেছেন: তার বর্ণনার কোনো সমর্থন পাওয়া যায় না (لا يتابع)। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্যদের (الثقات) তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন এবং ইবনে হাজার বলেছেন: গ্রহণযোগ্য (مقبول)। আমি বলছি: নয়টি কিতাবের মধ্যে ইবনে মাজাহ-তে এককভাবে বর্ণিত তার একটি হাদিস ছাড়া আর কিছু নেই।

 

‌কতিপয় উৎস ও তথ্যসূত্রের তালিকা

- আল-ইহসান ফি তাকরিব সহিহ ইবনে হিব্বান, তাহকিক: শুয়াইব আরনাউত ও হুসাইন আসাদ, মুয়াসসাসাতুর রিসালাহ, বৈরুত, ১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দ।

- আহওয়ালুর রিজাল, আবু ইসহাক আল-জুজাজানি, তাহকিক: সুবহি আস-সামাররাঈ, মুয়াসসাসাতুর রিসালাহ, বৈরুত, ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দ।

- আদাবুল ইমলা ওয়াল ইস্তিমলা, আব্দুল কারিম বিন মুহাম্মদ বিন মনসুর আস-সামআনী, তাহকিক: ম্যাক্স ভাইসওয়াইলার, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত, প্রথম প্রকাশ ১৯৮১ খ্রিষ্টাব্দ।

- আল-ইরশাদ, আল-খলিলি আল-কাযওয়িনি, তাহকিক: ড. মুহাম্মদ সাঈদ উমর ইদ্রিস, মাকতাবাতুর রুশদ, রিয়াদ, প্রথম প্রকাশ ১৪০৯ হিজরি।

- আল-ইসাবাহ ফি তামিযিস সাহাবাহ, আসকালানি, বাসয়ুনি যাগলুল, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ।
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ২৫)
-تاريخ بغداد، الخطيب البغدادي (ت463هـ)، تحقيق د. بشار عواد معروف، دار الغرب الإسلامي، بيروت الطبعة الأولى 2000م.

- التاريخ الصغير، البخاري، تحقيق: محمد إبراهيم زايد، دار الوعي، حلب، 1397 هـ

-التاريخ الكبير، البخاري، تحقيق: السيد هاشم الندوي، دار الفكر، بيروت.

- تاريخ يحيى بن معين، رواية الدوري، دراسة وترتيب وتحقيق: أحمد نور سيف، كلية الشريعة والدراسات الإسلامية بمكة المكرمة، الطبعة الأولى سنة 1399هـ.

- تأويل مختلف الحديث، ابن قتيبة الدينوري، تحقيق: عبد القادر أحمد عطا، بيروت، مؤسسة الكتب الثقافية، الطبعة الأولى، 1408هـ.

- التبصرة والتذكرة وشرحها للحافظ زين الدين العراقي، وبهامشه فتح الباقي، دار الكتب العلمية، بيروت.

- تبصير المنتبه بتحرير المشتبه، العسقلاني، تحقيق: محمد علي النجار، المكتبة العلمية، بيروت.

- تحفة الأشراف بمعرفة الأطراف، العسقلاني تحقيق د. بشار عواد معروف، دار الغرب الإسلامي، بيروت الطبعة الأولى 1999م.

-تدريب الراوي، السيوطي، تحقيق: أحمد عمر هاشم، دار الكتاب العربي-بيروت.

-تذكرة الحفاظ، الذهبي (ت784هـ) دار إحياء التراث العربي، بيروت.

- تعجيل المنفعة، العسقلاني، تحقيق: د إمداد الحق، دار الكتب العربي، بيروت ط1

-تقريب التهذيب، العسقلاني (ت852هـ)،مؤسسة الرسالة،1997م.

- تلخيص الحبير، العسقلاني حقيق: عبد الله هاشم اليماني، المدينة المنورة 1964.

- تلخيص المستدرك للحافظ الذهبي (ت748هـ) مطبوع بذيل المستدرك.

المغرب.

- التمييز للإمام مسلم (ت261هـ) تحقيق: الدكتور عبد القادر مصطفى المحمدي، دار ابن جوزي- الرياض ط1.

- تنقيح التحقيق في أحاديث التعليق لابن عبد الهادي الحنبلي (ت744هـ) دراسة وتحقيق وتخريج: الدكتور عامر حسن صبري، نشر المكتبة الحديثة-الإمارات، الطبعة الأولى 1409هـ-1989م.

- تهذيب الآثار للإمام أبي جعفر الطبري (ت310هـ) تحقيق: محمود محمد شاكر، مطبعة المدني-،القاهرة 1404هـ.

- تهذيب التهذيب، ابن حجر العسقلاني (ت852هـ)،دار الفكر بيروت، الطبعة الأولى،1984هـ.
-তারিখ বাগদাদ, আল-খাতিব আল-বাগদাদি (মৃত্যু ৪৬৩ হি.), সম্পাদনা (تحقيق): ড. বাশার আওয়াদ মারুফ, দারুল গারব আল-ইসলামি, বৈরুত, প্রথম সংস্করণ ২০০০ খ্রিষ্টাব্দ।

-আত-তারিখুস সাগির, আল-বুখারি, সম্পাদনা (تحقيق): মুহাম্মদ ইবরাহিম জায়েদ, দারুল ওয়ায়ি, আলেপ্পো, ১৩৯৭ হিজরি।

-আত-তারিখুল কাবির, আল-বুখারি, সম্পাদনা (تحقيق): আস-সাইয়িদ হাশিম আন-নাদবি, দারুল ফিকর, বৈরুত।

-তারিখ ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন, রেওয়ায়েতে আদ-দুরি, গবেষণা, বিন্যাস ও সম্পাদনা (تحقيق): আহমদ নূর সাইফ, কুল্লিয়াতুশ শরিয়া ওয়াদ দিরাসাতুল ইসলামিয়্যাহ (শরিয়া ও ইসলামি শিক্ষা অনুষদ), মক্কা মুকাররমা, প্রথম সংস্করণ ১৩৯৯ হিজরি।

-তাউয়িলু মুখতালিফিল হাদিস, ইবনে কুতাইবাহ আদ-দিনাওয়ারি, সম্পাদনা (تحقيق): আব্দুল কাদির আহমদ আতা, বৈরুত, মুয়াসসাসাতুল কুতুব আস-সাকাফিয়াহ, প্রথম সংস্করণ ১৪০৮ হিজরি।

-হাফেজ (الحافظ) জয়নুদ্দিন আল-ইরাকি রচিত আল-তাবসিরাহ ওয়াত তাজকিরাহ এবং এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ (شرح), এবং এর পার্শ্বটীকায় ফাতহুল বাকি, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত।

-তাবসিরুল মুনতাবিহ বিতাহরিরিল মুশতাবিহ, আল-আসকালানি, সম্পাদনা (تحقيق): মুহাম্মদ আলি আন-নাজ্জার, আল-মাকতাবাতুল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত।

-তুহফাতুল আশরাফ বি-মারিফাতিল আতরাফ, আল-আসকালানি, সম্পাদনা (تحقيق): ড. বাশার আওয়াদ মারুফ, দারুল গারব আল-ইসলামি, বৈরুত, প্রথম সংস্করণ ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দ।

-তদ্বরিবুর রাবি, আস-সুয়ুতি, সম্পাদনা (تحقيق): আহমদ ওমর হাশিম, দারুল কিতাব আল-আরাবি, বৈরুত।

-তাজকিরাতুল হুফফাজ, আয-যাহাবি (মৃত্যু ৭৮৪ হি.), দারু ইহয়ায়িত তুরাসিল আরাবি, বৈরুত।

-তা'জিলুল মানফায়াহ, আল-আসকালানি, সম্পাদনা (تحقيق): ড. ইমদাদুল হক, দারুল কুতুব আল-আরাবি, বৈরুত, প্রথম সংস্করণ।

-তাকরিবুত তাহজিব, আল-আসকালানি (মৃত্যু ৮৫২ হি.), মুয়াসসাসাতুর রিসালাহ, ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দ।

-তালখিসুল হাবির, আল-আসকালানি, সম্পাদনা (تحقيق): আব্দুল্লাহ হাশিম আল-ইয়ামানি, মদিনা মুনাওয়ারা ১৯৬৪ খ্রিষ্টাব্দ।

-হাফেজ (الحافظ) আয-যাহাবি (মৃত্যু ৭৪৮ হি.) রচিত তালখিসুল মুস্তাদরাক, যা আল-মুস্তাদরাকের পরিশিষ্টে মুদ্রিত।

আল-মাগরিব।

-ইমাম (الإمام) মুসলিম (মৃত্যু ২৬১ হি.) রচিত আত-তাময়িজ, সম্পাদনা (تحقيق): ডক্টর আব্দুল কাদির মুস্তফা আল-মুহাম্মাদি, দারু ইবনে জাওজি- রিয়াদ, প্রথম সংস্করণ।

-ইবনে আব্দুল হাদি আল-হাম্বলি (মৃত্যু ৭৪৪ হি.) রচিত তানকিহুত তাহকিক ফি আহাদিসিত তালি-ক, গবেষণা, সম্পাদনা (تحقيق) ও হাদিসের উৎস নির্দেশ (تخريج): ডক্টর আমির হাসান সাবরি, প্রকাশনায়: আল-মাকতাবাতুল হাদিসাহ-ইউএই, প্রথম সংস্করণ ১৪০৯ হিজরি-১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দ।

-ইমাম (الإمام) আবু জাফর আত-তবারি (মৃত্যু ৩১০ হি.) রচিত তাহজিবুল আসার, সম্পাদনা (تحقيق): মাহমুদ মুহাম্মদ শাকির, মাদানি প্রেস, কায়রো ১৪০৪ হিজরি।

-তাহজিবুত তাহজিব, ইবনে হাজার আল-আসকালানি (মৃত্যু ৮৫২ হি.), দারুল ফিকর বৈরুত, প্রথম সংস্করণ ১৯৮৪ হিজরি।
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ২৬)
- تهذيب الكمال في أسماء الرجال للحافظ جمال الدين أبي الحجاج يوسف المزي (ت742هـ) تحقيق: د. بشار عواد معروف، مؤسسة الرسالة، بيروت، الطبعة الأولى، 1998م.

- الثقات، محمد بن حبان بن محمد البستي، تحقيق: شرف الدين أحمد، دار الفكر، بيروت الطبعة الأولى،1975 م

- جامع التحصيل في أحكام المراسيل، الحافظ صلاح الدين أبي سعيد العلائي (ت761هـ) تحقيق: حمدي عبد المجيد السلفي، مكتبة النهضة العربية، بيروت، الطبعة الثانية،1986م.

- الجامع الكبير، الحافظ أبي عيسى محمد بن عيسى الترمذي (279هـ) تحقيق: الدكتور بشار عواد معروف، دار الغرب الإسلامي، بيروت، الطبعة الأولى،1996م.

- الجامع لأخلاق الراوي وآداب السامع للخطيب البغدادي (ت463هـ) تحقيق: د الطحان، مكتبة المعارف، الرياض 1403هـ

- الجرح والتعديل لابن أبي حاتم الرازي (ت303هـ) تحقيق: محمد السعيد بسيوني زغلول، دار الكتب العلمية-الطبعة الأولى-بيروت 1408هـ-1988م.

- حاشية ابن القيم، محمد بن أبي بكر الزرعي ابن قيم الجوزية، المطبوع ضمن كتاب عون المعبود تحقيق: عبد الرحمن محمد عثمان، دار الفكر، بيروت، الدار السلفية 1979.

- الحطة في ذكر الصحاح الستة، أبو الطيب صديق حسن خان ت (1307) هـ، تحقيق علي الحلبي، دار الجيل، الطبعة الأولى،1987 م.

- الدرر الكامنة في أعيان المائة الثامنة لابن حجر العسقلاني (ت852هـ) تحقيق: محمد سيد جاد الحق، القاهرة، الطبعة الثانية، 1966م.

ديوان الضعفاء والمتروكين لشمس الدين الذهبي، دار بيروت، الطبعة الأولى، 1988م.

- سؤالات أبي عبد الله بن بكير وغيره للدارقطني لأبي عبد الله بن بكير (ت388هـ) دراسة وتحقيق: علي حسن علي عبد الحميد، دار عمار-عمان، الطبعة الأولى 1408هـ-1988م.

- سؤالات السهمي للدارقطني لحمزة السهمي (ت428هـ)، تحقيق موفق بن عبد الله، مكتبة المعارف بالرياض،1404هـ.

- سؤالات محمد بن أبي شيبة لعلي بن المديني، علي بن المديني، تحقيق موفق بن عبد الله بن عبد القادر، مكتبة المعارف، الرياض 1984م.

- سنن ابن ماجه للحافظ أبي عبد الله محمد بن يزيد (ابن ماجه القزويني) (275هـ) تحقيق: د. بشار عواد معروف، دار الجيل، بيروت الطبعة الأولى 1988م.
- হাফিজ জামালুদ্দীন আবুল হাজ্জাজ ইউসুফ আল-মিজ্জি (মৃত্যু ৭৪২ হিজরি) বিরচিত তাহজিবুল কামাল ফি আসমাইর রিজাল। সম্পাদনা: ড. বাশার আওয়াদ মারুফ, মুয়াসসাসাতুর রিসালাহ, বৈরুত, প্রথম সংস্করণ, ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দ।

- মুহাম্মদ বিন হিব্বান বিন মুহাম্মদ আল-বুস্তি বিরচিত আস-সিকাত (নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীগণ (الثقات))। সম্পাদনা: শরাফ উদ্দিন আহমদ, দারুল ফিকর, বৈরুত, প্রথম সংস্করণ, ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দ।

- হাফিজ সালাহুদ্দীন আবু সাঈদ আল-আলায়ি (মৃত্যু ৭৬১ হিজরি) বিরচিত জামিউত তাহসিল ফি আহকামিল মারাসিল (বিচ্ছিন্ন সূত্র (المراسيل) সংক্রান্ত বিধানাবলি)। সম্পাদনা: হামদি আব্দুল মাজিদ আস-সালাফি, মাকতাবাতুন নাহদাতিল আরাবিয়্যাহ, বৈরুত, দ্বিতীয় সংস্করণ, ১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দ।

- হাফিজ আবু ঈসা মুহাম্মদ বিন ঈসা আত-তিরমিজি (মৃত্যু ২৭৯ হিজরি) বিরচিত আল-জামি আল-কাবির। সম্পাদনা: ডক্টর বাশার আওয়াদ মারুফ, দারুল গারব আল-ইসলামি, বৈরুত, প্রথম সংস্করণ, ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দ।

- খাতিব আল-বাগদাদি (মৃত্যু ৪৬৩ হিজরি) বিরচিত আল-জামি লি আখলাকির রাওয়ি ওয়া আদাবিস সামি। সম্পাদনা: ড. আত-তাহহান, মাকতাবাতুল মাআরিফ, রিয়াদ, ১৪০৩ হিজরি।

- ইবনে আবি হাতিম আর-রাজি (মৃত্যু ৩০৩ হিজরি) বিরচিত আল-জারহ ওয়াত তাদিল (যাচাই-বাছাই ও মূল্যায়ন (الجرح والتعديل))। সম্পাদনা: মুহাম্মদ আস-সাঈদ বাসিয়ুনি যাগলুল, দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ, প্রথম সংস্করণ, বৈরুত, ১৪০৮ হিজরি-১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ।

- মুহাম্মদ বিন আবু বকর আজ-জারি ইবনুল কায়্যিম আল-জাওজিয়্যাহ বিরচিত হাশিয়া ইবনিল কায়্যিম, যা আউনুল মাবুদ গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে মুদ্রিত। সম্পাদনা: আব্দুর রহমান মুহাম্মদ উসমান, দারুল ফিকর, বৈরুত, আদ-দারুস সালাফিয়্যাহ, ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দ।

- আবু তাইয়্যেব সিদ্দিক হাসান খান (মৃত্যু ১৩০৭ হিজরি) বিরচিত আল-হিত্তাহ ফি জিকরিল সিহাহ আস-সিত্তাহ। সম্পাদনা: আলি আল-হালাবি, দারুল জিল, প্রথম সংস্করণ, ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দ।

- ইবনে হাজার আল-আসকালানি (মৃত্যু ৮৫২ হিজরি) বিরচিত আদ-দুরারুল কামিনাহ ফি আয়ানিল মিআতিস সামিনাহ। সম্পাদনা: মুহাম্মদ সাইয়্যেদ জাদুল হক, কায়রো, দ্বিতীয় সংস্করণ, 1966 খ্রিস্টাব্দ।

শামসুদ্দীন আজ-জাহাবি বিরচিত দিওয়ানুদ দুয়াফা ওয়াল মাতরুকিন (দুর্বল (الضعفاء) ও পরিত্যক্ত (المتروكين) বর্ণনাকারীদের তালিকা)। দার বৈরুত, প্রথম সংস্করণ, ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ।

- আবু আব্দুল্লাহ বিন বুকাইর (মৃত্যু ৩৮৮ হিজরি) কর্তৃক ইমাম দারাকুতনিকে জিজ্ঞাসিত সুয়ালাত আবি আব্দুল্লাহ বিন বুকাইর ওয়া গাইরুহু। অধ্যয়ন ও সম্পাদনা: আলি হাসান আলি আব্দুল হামিদ, দার আম্মার-আম্মান, প্রথম সংস্করণ, ১৪০৮ হিজরি-১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ।

- হামজা আস-সাহমি (মৃত্যু ৪২৮ হিজরি) কর্তৃক ইমাম দারাকুতনিকে জিজ্ঞাসিত সুয়ালাতুস সাহমি। সম্পাদনা: মুওয়াফফাক বিন আব্দুল্লাহ, মাকতাবাতুল মাআরিফ, রিয়াদ, ১৪০৪ হিজরি।

- মুহাম্মদ বিন আবু শায়বাহ কর্তৃক আলি ইবনুল মাদিনিকে জিজ্ঞাসিত সুয়ালাত মুহাম্মদ বিন আবি শায়বাহ। সম্পাদনা: মুওয়াফফাক বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল কাদির, মাকতাবাতুল মাআরিফ, রিয়াদ, ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দ।

- হাফিজ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইয়াজিদ (ইবনে মাজাহ আল-কাজউইনি) (মৃত্যু ২৭৫ হিজরি) বিরচিত সুনান ইবনে মাজাহ। সম্পাদনা: ড. বাশার আওয়াদ মারুফ, দারুল জিল, বৈরুত, প্রথম সংস্করণ, ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ।
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ২৭)
- سنن أبي داود للحافظ سليمان بن الأشعث السجستاني (275هـ)،دار الحديث، القاهرة،1988م.

- سنن الدارقطني (ت385هـ)، للإمام علي بن عمر أبي الحسن الدارقطني، تحقيق: السيد عبد الله هاشم المدني، دار المعرفة، بيروت،1969 م.

- سنن الدارمي، لأبي محمد عبد الله ابن عبد الرحمن الدارمي (255هـ) تحقيق: فواز أحمد، وخالد العلمي، دار الكتاب العربي، بيروت، الطبعة الأولى،1407 هـ.

- سنن سعيد بن منصور (ت227هـ) حققه د. سعد بن عبد الله ال حميد، دار العصيمي الطبعة الأولى 1414هـ.

- سنن النسائي للحافظ أحمد بن شعيب النسائي (303هـ) بشرح السيوطي وحاشية السندي، دار الحديث، القاهرة،1987م.

- السنن الكبرى للنسائي، تحقيق: د. عبد الغفار البنداري وسيد كسروي حسن، دار الكتب العلمية، بيروت، الطبعة الأولى 1991م.

- سير أعلام النبلاء للإمام الذهبي (ت748هـ)،مؤسسة الرسالة-بيروت 1401هـ.

- الشذا الفياح، الحافظ الأبناسي ت 802هـ، تحقيق الشيخ صلاح هلل، مكتبة الرشد، الرياض ط 1،1998م

- شرح مشكل الآثار لأبي جعفر الطحاوي (ت321هـ)،مؤسسة قرطبة -القاهرة

- شرح معاني الآثار، أبو جعفر محمد الأزدي الطحاوي، تحقيق: محمد زهري النجار، دار الكتب العلمية، الطبعة الأولى، بيروت،1399 هـ.

-شرف أصحاب الحديث، الخطيب البغدادي، تحقيق د. محمد سعيد أوغلي، دار إحياء السنة، أنقرة.

- صحيح ابن خزيمة (مختصر المختصر)،محمد بن إسحاق بن خزيمة تحقيق: د. مصطفى الأعظمي، طبعة المكتب الإسلامي، بيروت 1970 م ..

- صحيح البخاري، تحقيق قاسم الشماعي، دار العلم، بيروت، الطبعة الأولى، 1987م.

- صحيح مسلم، الإمام أبو الحسين مسلم بن الحجاج النيسابوري (ت261 هـ)،حقق نصوصه وصححه: محمد فؤاد عبد الباقي، دار إحياء التراث العربي، بيروت، الطبعة الأولى 1955م.- صيانة صحيح مسلم من الإخلال والغلط، أبو عمرو بن الصلاح، تحقيق: د. موفق عبد الله عبد القادر، دار الغرب الإسلامي، الطبعة الأولى، بيروت 1408هـ.

- الضعفاء الكبير لأبي جعفر العقيلي (ت322هـ) حققه ووثقه: الدكتور عبد المعطي أمين قلعجي، دار الباز-مكة المكرمة، ودار الكتب العلمية-بيروت، الطبعة الأولى 1984 م.
- হাফেজ (الحافظ) সুলাইমান বিন আশআশ আস-সিজিস্তানি (২৭৫ হি.)-এর সুনান আবু দাউদ, দারুল হাদিস, কায়রো, ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দ।

- ইমাম আলী বিন উমর আবুল হাসান আদ-দারা কুতনি (মৃত্যু ৩৮৫ হি.)-এর সুনান আদ-দারা কুতনি, তাহকিক: আস-সাইয়্যিদ আবদুল্লাহ হাশেম আল-মাদানি, দারুল মা'রিফাহ, বৈরুত, ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দ।

- আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান আদ-দারিমি (২৫৫ হি.)-এর সুনান আদ-দারিমি, তাহকিক: ফাওয়াজ আহমাদ এবং খালিদ আল-আলামি, দারুল কিতাব আল-আরাবি, বৈরুত, প্রথম সংস্করণ, ১৪০৭ হিজরি।

- সাঈদ বিন মানসুর (মৃত্যু ২২৭ হি.)-এর সুনান সাঈদ বিন মানসুর, তাহকিক করেছেন ড. সা'দ বিন আবদুল্লাহ আল-হুমাইদ, দারুল উসাইমি, প্রথম সংস্করণ, ১৪১৪ হিজরি।

- হাফেজ (الحافظ) আহমাদ বিন শুআইব আন-নাসায়ি (৩০৩ হি.)-এর সুনান আন-নাসায়ি, আস-সুয়ুতির ব্যাখ্যা এবং আস-সিন্দি-র টীকা সহ, দারুল হাদিস, কায়রো, ১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দ।

- আন-নাসায়ি-র আস-সুনান আল-কুবরা, তাহকিক: ড. আবদুল গাফফার আল-বান্দারি এবং সাইয়্যিদ কাসরাউয়ি হাসান, দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ, বৈরুত, প্রথম সংস্করণ, ১৯৯১ খ্রিষ্টাব্দ।

- ইমাম আয-যাহাবি (মৃত্যু ৭৪৮ হি.)-এর সিয়ারু আলামিন নুবালা, মুয়াসসাসাতুর রিসালাহ-বৈরুত, ১৪০১ হিজরি।

- হাফেজ (الحافظ) আল-আবনাসি (মৃত্যু ৮০২ হি.)-এর আশ-শাযাল ফাইয়াহ, তাহকিক: শেখ সালাহ হাল্লাল, মাকতাবাতুর রুশদ, রিয়াদ, ১ম সংস্করণ, ১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দ।

- আবু জাফর আত-তাহাবি (মৃত্যু ৩২১ হি.)-এর শারহু মুশকিলিল আসার, মুয়াসসাসাতু কুরতুবা-কায়রো।

- আবু জাফর মুহাম্মদ আল-আযদি আত-তাহাবি-র শারহু মা'আনিল আসার, তাহকিক: মুহাম্মদ যুহরি আন-নাজ্জার, দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ, প্রথম সংস্করণ, বৈরুত, ১৩৯৯ হিজরি।

- আল-খতিব আল-বাগদাদি-র শারাফু আসহাবিল হাদিস, তাহকিক: ড. মুহাম্মদ সাঈদ উগলু, দারু ইহয়াউস সুন্নাহ, আঙ্কারা।

- মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন খুজাইমা-র সহিহ ইবনে খুজাইমা (সংক্ষিপ্তের সংক্ষিপ্ত সার), তাহকিক: ড. মুস্তফা আল-আজামি, আল-মাকতাব আল-ইসলামি সংস্করণ, বৈরুত, ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দ।

- সহিহ বুখারি, তাহকিক: কাসিম আশ-শামায়ি, দারুল ইলম, বৈরুত, প্রথম সংস্করণ, ১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দ।

- ইমাম আবুল হুসাইন মুসলিম বিন আল-হাজ্জাজ আন-নাইসাবুরি (মৃত্যু ২৬১ হি.)-এর সহিহ মুসলিম, এর পাঠ্য সম্পাদন ও বিশুদ্ধকরণ (صححه): মুহাম্মদ ফুয়াদ আবদুল বাকি, দারু ইহয়াউত তুরাসিল আরাবি, বৈরুত, প্রথম সংস্করণ, ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দ।- আবু আমর ইবনাস সালাহ-এর সিয়ানাতু সহিহ মুসলিম মিনাল ইখলাল ওয়াল গালাত, তাহকিক: ড. মুওয়াফফাক আবদুল্লাহ আবদুল কাদির, দারুল গারব আল-ইসলামি, প্রথম সংস্করণ, বৈরুত, ১৪০৮ হিজরি।

- আবু জাফর আল-উকাইলি (মৃত্যু ৩২২ হি.)-এর আদ-দুয়াফাউল কাবির, এর তাহকিক ও বর্ণনাকারীদের নির্ভরযোগ্যতা (وثقه) প্রতিপাদন করেছেন: ডক্টর আবদুল মু'তি আমিন কালাজি, দারুল বায-মক্কা মুকাররমা এবং দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ-বৈরুত, প্রথম সংস্করণ, ১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দ।
(খণ্ড: ১) মান কালা ফীহিল বুখারী ফিহি নাযার (পৃষ্ঠা: ২৮)
- الضعفاء والمتروكون للإمام النسائي (ت303هـ)،دار الوعي بحلب، تحقيق: محمود زايد.

-طبقات الفقهاء الشافعية، أبو عمرو ابن الصلاح ت 643هـ، تحقيق محي الدين علي نجيب، دار البشائر، بيروت ط1،1995م.

-العبر في خبر من غبر، شمس الدين الذهبي (ت 748 هـ) تحقيق:، محمد السعيد بن بسيوني زغلول دار الكتب العلمية -بيروت.

- العلل، لإمام علي بن المديني (ت234هـ) تحقيق: محمد مصطفى الأعظمي، المكتب الإسلامي 1972م.

- علل أحمد بن حنبل، أحمد بن حنبل الشيباني، برواية المروذي تحقيق: الشيخ صبحي السامرائي، مكتبة المعارف، الطبعة الأولى، الرياض 1989م.

- علل الترمذي الكبير للإمام الترمذي (ت279هـ) ترتيب: أبو طالب القاضي، حققه: الشيخ صبحي السامرائي، والسيد أبو المعاطي النوري ومحمود محمد خليل الصعيدي-عالم الكتب، مكتبة النهضة العربية، الطبعة الأولى 1405هـ،-1985م.

- علل الجارودي، محمد بن الحسين بن أحمد الجارودي ت (317) هـ، تحقيق: علي الحلبي، دار الهجرة، الرياض، الطبعة الأولى 1991 م.

- علل الحديث لأبي محمد عبد الرحمن الرازي، ابن الإمام أبي حاتم الرازي (ت327 هـ) دار المعرفة -بيروت، 1985م.

- العلل المتناهية في الأحاديث الواهية لأبي الفرج بن الجوزي (ت597هـ) حققه: إرشاد الحق الأثري وقدم له خليل الميس، دار الكتب العلمية، بيروت، الطبعة الأولى 1403هـ.

- العلل الواردة في الأحاديث النبوية للإمام الدارقطني (ت385هـ) تحقيق وتخريج: محفوظ الرحمن زين الله السلفي، دار طيبة، السعودية-الطبعة الأولى 1405هـ-1985م.

- العلل ومعرفة الرجال للإمام أحمد بن حنبل، تحقيق: وصي الله محمد عباس، المكتب الإسلامي-دار الخاني، بيروت، الرياض-الطبعة الأولى 1988هـ.

- العلل ومعرفة الرجال للإمام أحمد بن حنبل، تحقيق: د. طلعت قوج، ود. إسماعيل جراح، المكتبة الإسلامية- استانبول الطبعة الأولى 1987هـ.

- علوم الحديث، المعروف بـ:"مقدمة ابن الصلاح"،أبو عمرو عثمان بن عبد الرحمن الشهرزوري بن الصلاح ت (643هـ) تحقيق: نور الدين عتر، دار الفكر، الطبعة الثالثة1404هـ 1984م.
- ইমাম নাসাঈ (মৃত্যু ৩০৩ হিজরি) রচিত দুর্বল (الضعفاء) ও বর্জনীয় (المتروكون) বর্ণনাকারী বিষয়ক গ্রন্থ, দারুল ওয়াঈ, আলেপ্পো, সম্পাদনা: মাহমুদ জায়েদ।

- শাফেয়ী ফকিহগণের জীবনীগ্রন্থ (তাবাকাত), আবু আমর ইবনুস সালাহ (মৃত্যু ৬৪৩ হিজরি), সম্পাদনা: মহিউদ্দিন আলী নাজিব, দারুল বাশায়ের, বৈরুত, ১ম সংস্করণ, ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দ।

- আল-ইবার ফি খবর মান গাবার, শামসুদ্দিন আয-যাহাবি (মৃত্যু ৭৪৮ হিজরি), সম্পাদনা: মুহাম্মদ সাঈদ বিন বাসিউনি যাগলুল, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত।

- আল-ইলাল (হাদিসের ত্রুটিসমূহ (العلل)), ইমাম আলী ইবনুল মাদিনি (মৃত্যু ২৩৪ হিজরি), সম্পাদনা: মুহাম্মদ মুস্তফা আল-আজমি, আল-মাকতাবুল ইসলামি, ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দ।

- আহমদ বিন হাম্বলের ইলাল (হাদিসের ত্রুটিসমূহ (العلل)), আহমদ বিন হাম্বল আশ-শায়বানি, মারওয়াজির বর্ণনা সূত্রে, সম্পাদনা: শেখ সুবহি আস-সামাররাঈ, মাকতাবাতুল মাআরিফ, প্রথম সংস্করণ, রিয়াদ ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দ।

- ইমাম তিরমিযীর (মৃত্যু ২৭৯ হিজরি) আল-ইলাল আল-কাবির, বিন্যাস: আবু তালিব আল-কাদি, সম্পাদনা: শেখ সুবহি আস-সামাররাঈ, সাইয়্যেদ আবু আল-মাআতি আন-নুরি এবং মাহমুদ মুহাম্মদ খলিল আস-সাঈদী, আলমুল কুতুব, মাকতাবাতুন নাহদাহ আল-আরাবিয়্যাহ, প্রথম সংস্করণ ১৪০৫ হিজরি - ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দ।

- ইলাল আল-জারুদি, মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন আহমদ আল-জারুদি (মৃত্যু ৩১৭ হিজরি), সম্পাদনা: আলী আল-হালাবি, দারুল হিজরাহ, রিয়াদ, প্রথম সংস্করণ ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দ।

- আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান আর-রাজি সংকলিত হাদিসের ত্রুটিসমূহ (العلل), তিনি ইমাম আবু হাতিম আর-রাজির (মৃত্যু ৩২৭ হিজরি) পুত্র, দারুল মা’রিফাহ, বৈরুত, ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দ।

- অত্যন্ত দুর্বল (الواهية) হাদিসসমূহের চূড়ান্ত ত্রুটিসমূহ (العلل المتناهية), আবু আল-ফারাজ ইবনুল জাওজি (মৃত্যু ৫৯৭ হিজরি), সম্পাদনা: ইরশাদুল হক আসারি এবং ভূমিকা: খলিল আল-মাইস, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত, প্রথম সংস্করণ ১৪০৩ হিজরি।

- হাদিসসমূহে বর্ণিত ত্রুটিসমূহ (العلل الواردة), ইমাম দারা কুতনি (মৃত্যু ৩৮৫ হিজরি), সম্পাদনা ও তাহরিজ: মাহফুজুর রহমান জয়নুল্লাহ সালাফি, দারু তাইয়িবাহ, সৌদি আরব, প্রথম সংস্করণ ১৪০৫ হিজরি - ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দ।

- ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রচিত হাদিসের ত্রুটিসমূহ (العلل) এবং বর্ণনাকারীদের (الرجال) পরিচিতি, সম্পাদনা: ওয়াসিউল্লাহ মুহাম্মদ আব্বাস, আল-মাকতাবুল ইসলামি - দারুল খানি, বৈরুত, রিয়াদ, প্রথম সংস্করণ ১৯৮৮ হিজরি।

- ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রচিত হাদিসের ত্রুটিসমূহ (العلل) এবং বর্ণনাকারীদের (الرجال) পরিচিতি, সম্পাদনা: ড. তালাত কুজ এবং ড. ইসমাইল জাররাহ, আল-মাকতাবাতুল ইসলামিয়্যাহ - ইস্তাম্বুল, প্রথম সংস্করণ ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দ।

- হাদিস বিজ্ঞান (علوم الحديث), যা ‘মুকাদ্দিমাহ ইবনুস সালাহ’ নামে পরিচিত, আবু আমর উসমান বিন আবদুর রহমান আশ-শাহরাযুরি ইবনুস সালাহ (মৃত্যু ৬৪৩ হিজরি), সম্পাদনা: নূরুদ্দিন ইতর, দারুল ফিকর, তৃতীয় সংস্করণ ১৪০৪ হিজরি - ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দ।