(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: -)
أحكام النساء - من «الجامع» للخلال القسم: الفقه الحنبلي
الكتاب: أحكام النساء عن الإمام أبي عبد الله أحمد بن حنبل
رواية: أبي بكر الخلال
المحقق: عمرو عبد المنعم سليم
الناشر: مؤسسة الريان للنشر والتوزيع - بيروت، لبنان
الطبعة: الأولى، 1423 هـ - 2002 م
عدد الصفحات: 63
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 28 ربيع الأول 1433
নারীদের বিধানাবলি - আল-খাল্লাল সংকলিত «আল-জামি» হতে বিভাগ: হাম্বলি ফিকহ
গ্রন্থ: ইমাম আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ ইবনে হাম্বল থেকে বর্ণিত নারীদের বিধানাবলি
বর্ণনা: আবু বকর আল-খাল্লাল
গবেষক: আমর আব্দুল মুনইম সালিম
প্রকাশক: মুআসসাসাতুর রায়্যান পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন - বৈরুত، লেবানন
সংস্করণ: প্রথম، ১৪২৩ হিজরি - ২০০২ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৩
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৩
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ১)
النص الصحيح لكتاب أحكام النساء
عن الإمام أبي عبد الله أحمد بن محمد بن حنبل
رواية أبي بكر الخلال
تحقيق ودراسة
عمرو عبد المنعم سليم
'আহকামুন নিসা' কিতাবের বিশুদ্ধ মূলপাঠ
ইমাম আবু আব্দুল্লাহ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হাম্বল থেকে বর্ণিত
আবু বকর আল-খাল্লালের বর্ণনা
সম্পাদনা ও গবেষণা
আমর আব্দুল মুনইম সেলিম
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৫)
[مقدمة المحقق]بسم الله الرحمن الرحيم
إن الحمد لله، نحمده، ونستعينه، ونستغفره، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا، ومن سيئات أعمالنا.
من يهده الله فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له.
وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدا عبده ورسوله.
صلى الله عليه، وعلى آله، وصحبه، وسلم تسليمًا كثيرا.
وبعد:
فهذا الجزء اللطيف من أجزاء الجامع المشهور في فقه ومسائل الإمام أحمد رحمه الله لأبي بكر الخلال، وهو المختص ببعض أحكام النساء: المتعلقة بالنظر والحجاب.
وقد طُبع هذا الكتاب من قبل ممسوخَا أيما مسخ، أخرجه عن صفته التي وضعه عليها مؤلفه، فلله الأمر من قبل ومن بعد.
وقد كنت قديما اشتغلت بتحقيق كتاب (أحكام النساء) لابن الجوزي الحنبلي- رحمه الله وأخرجته في زياداته التي لم تطبع من قبل، واليوم فها أنا ذا أخرج هذا الجزء اللطيف في أحكام النساء، من رواية الخلال عن الإمام أحمد، فى زيادات كثيرة لم تُطبع من قبل، مع بيان ما حُرف من نصوصه، وما دُس عليه من قِبل من تصدى لتحقيقه.
وتوجت هذا كله بدراسة وافية عن الكتاب، وأصوله المخطوطة،
[গবেষকের ভূমিকা]পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁর কাছেই সাহায্য চাই এবং তাঁর কাছেই ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের কর্মসমূহের মন্দ পরিণাম থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই।
আল্লাহ যাকে পথপ্রদর্শন করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথপ্রদর্শন করার কেউ নেই।
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল।
আল্লাহ তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবীবর্গের ওপর অজস্র দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন।
অতঃপর:
এটি আবু বকর আল-খাল্লাল রচিত ইমাম আহমাদ (রহিমাহুল্লাহ)-এর ফিকহ ও মাসআলা বিষয়ক প্রসিদ্ধ গ্রন্থ 'আল-জামে'-এর একটি ক্ষুদ্র অংশ; যা মহিলাদের দৃষ্টি ও হিজাব সংক্রান্ত কিছু বিধানের জন্য বিশেষায়িত।
এই বইটি ইতিপূর্বে অত্যন্ত বিকৃতভাবে মুদ্রিত হয়েছিল, যা একে লেখক কর্তৃক বিন্যস্ত মূল রূপ থেকে বিচ্যুত করে ফেলেছিল। বস্তুত সকল ফয়সালা পূর্বের হোক বা পরের, তা আল্লাহরই এখতিয়ারাধীন।
আমি পূর্বে ইবনুল জাওযী আল-হাম্বলী (রহিমাহুল্লাহ) রচিত 'আহকামুন নিসা' গ্রন্থের তাহকিক বা সম্পাদনার কাজ করেছিলাম এবং এমন কিছু বর্ধিত অংশসহ তা প্রকাশ করেছিলাম যা পূর্বে কখনো মুদ্রিত হয়নি। আজ আমি মহিলাদের বিধান সংক্রান্ত এই ক্ষুদ্র অংশটি প্রকাশ করছি, যা ইমাম আহমাদ থেকে আল-খাল্লালের বর্ণনায় সংকলিত। এতে এমন অনেক বর্ধিত অংশ রয়েছে যা ইতিপূর্বে ছাপানো হয়নি। সেই সাথে এর মূল পাঠে যা কিছু পরিবর্তন করা হয়েছিল এবং ইতিপূর্বে যারা এটি সম্পাদনার চেষ্টা করেছিলেন তাদের পক্ষ থেকে যা কিছু এতে প্রক্ষিপ্ত করা হয়েছিল, তা-ও আমি স্পষ্ট করে দিয়েছি।
আর আমি এই সম্পূর্ণ কাজটিকে গ্রন্থটি এবং এর পাণ্ডুলিপির উৎসসমূহ নিয়ে একটি পর্যাপ্ত পর্যালোচনার মাধ্যমে সুশোভিত করেছি।
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৬)
ونسخته المطبوعة.
وزينته بتراجم لرواة أسانيد المسائل، وبينت فيها ما وقع لبعض المترجمين لهؤلاء الرواة من أوهام عديدة، وجعلتها بمثابة معجم صغير يرجع إليه الباحث في أسانيد مسائل "الجامع" للخلال، هذا وإن لم يستوعب كل الرواة، إلا أنه لا يُعدم الخير منه إن شاء الله تعالى.
وعضدت ذلك كله بدراسة فقهية حديثية مقارنة لمسائل كل باب من أبواب الجزء، إتمامًا للفائدة.
هذا، وإني أرجو من الله تعالى أن يجعل في هذا الجهد المتواضع الخير العميم، والثواب الجزيل، لي ولإخواني من طلبة العلم الشرعي.
إنه على كل شيء قدير
وكتب: أبو عبد الرحمن
عمرو عبد المنعم سليم
এবং এর মুদ্রিত সংস্করণ।
এবং আমি একে মাসআলাসমূহের সনদের বর্ণনাকারীদের জীবনী দ্বারা সুশোভিত করেছি এবং এতে আমি সেইসব অসংখ্য ভুল-ভ্রান্তি স্পষ্ট করেছি যা এই বর্ণনাকারীদের কিছু জীবনীকারের ক্ষেত্রে ঘটেছিল। আমি একে একটি সংক্ষিপ্ত অভিধানের ন্যায় নির্ধারণ করেছি যার দিকে গবেষক আল-খল্লালের ‘আল-জামি’ এর মাসআলাসমূহের সনদের ক্ষেত্রে প্রত্যাবর্তন করতে পারবেন; যদিও এটি সকল বর্ণনাকারীকে বেষ্টন করেনি, তবুও ইনশাআল্লাহ তা কল্যাণ বর্জিত হবে না।
এবং আমি ফায়দা পূর্ণ করার লক্ষ্যে এই খণ্ডের প্রতিটি অধ্যায়ের মাসআলাসমূহের একটি তুলনামূলক ফিকহী ও হাদীসতাত্ত্বিক গবেষণা দ্বারা এই সব কিছুকে শক্তিশালী করেছি।
পরিশেষে, আমি মহান আল্লাহর কাছে আশা পোষণ করি যে, তিনি যেন এই বিনম্র প্রচেষ্টায় আমার জন্য এবং শরয়ী ইলমের অন্বেষণকারী আমার ভাইদের জন্য ব্যাপক কল্যাণ ও সুমহান প্রতিদান নিহিত রাখেন।
নিশ্চয়ই তিনি সর্ববিষয়ে ক্ষমতাবান।
লেখক: আবু আবদুর রহমান
আমর আবদ আল-মুনইম সালিম
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৭)
النسخة المطبوعة [*]وطبع هذا الجزء من قبل بتحقيق عبد القادر أحمد عطا عام 1406 هـ-1986 م. وهي الطبعة الوحيدة لهذا الجزء ولم أقف له على طبعة أخرى.
وهذه الطبعة طبعة ممسوخة عن الجزء، فقد تصرف فيه المحقق تصرفا مخلا من عدة وجوه:
1 - حذفه جملة كبيرة من المسائل الواردة في الجزء.
2 - إدخاله أبواب ليست من أبواب الجزء [من جامع الخلال].
3 - تغييره في تسمية الأبواب الواردة في الجزء.
4 - إسقاطه باب كامل من الأبواب.
5 - إسقاطه معظم باب كراهية النظر الى الإماء الا للبيع وذكر القناع.
6 - إسقاطه لبعض ألفاظ المسائل.
7 - تحريفه لبعض الألفاظ.
8 - إدخاله أبواب أخرى كثيرة من اختراعه وتصرفه [من بعض كتب المسائل للإمام أحمد]
والله ولى التوفيق
--------------------------------------------
মুদ্রিত সংস্করণ [*]এই খণ্ডটি ইতিপূর্বে ১৪০৬ হিজরী-১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দে আবদুল কাদির আহমদ আতা-এর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছে। এটিই এই খণ্ডের একমাত্র সংস্করণ এবং আমি এর অন্য কোনো সংস্করণের সন্ধান পাইনি।
তবে এই সংস্করণটি মূল খণ্ডের একটি বিকৃত সংস্করণ, কেননা সম্পাদক এতে বিভিন্নভাবে ক্ষতিকর হস্তক্ষেপ করেছেন:
১ - এই খণ্ডে বর্ণিত মাসয়ালাগুলোর একটি বড় অংশ তিনি বাদ দিয়েছেন।
২ - এমন সব অধ্যায় তিনি এতে অন্তর্ভুক্ত করেছেন যা এই খণ্ডের অন্তর্ভুক্ত নয় [জামেউল খাল্লাল থেকে]।
৩ - এই খণ্ডে বর্ণিত অধ্যায়গুলোর শিরোনাম তিনি পরিবর্তন করেছেন।
৪ - তিনি একটি পূর্ণাঙ্গ অধ্যায় বাদ দিয়েছেন।
৫ - বিক্রয় ব্যতীত দাসীদের দিকে তাকানোর অপছন্দনীয়তা এবং ওড়না (কিনা’আ) পরিধানের আলোচনা সম্বলিত অধ্যায়ের অধিকাংশ অংশ তিনি বাদ দিয়েছেন।
৬ - মাসয়ালাগুলোর কিছু শব্দ তিনি ফেলে দিয়েছেন।
৭ - কিছু শব্দের বিকৃতি ঘটিয়েছেন।
৮ - নিজের পক্ষ থেকে উদ্ভাবন ও হস্তক্ষেপের মাধ্যমে তিনি আরও অনেক অধ্যায় এতে যুক্ত করেছেন [ইমাম আহমদের মাসয়ালা বিষয়ক কিছু কিতাব থেকে]।
আর আল্লাহই তাওফীক দানকারী।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ১৪)
هذا الكتاب وصفتههذا الكتاب كما أسلفنا جزء من كتاب «الجامع لعلوم الإمام أحمد» لأبي بكر الخلال رحمه الله فيما يرويه من مسائل عن الإمام أحمد رحمه الله.
وهذه الجزء ناقص من أوله، ومن آخره.
وهو يبدأ بعد كتاب الوقوف للخلال، وقد طبع، وهذا الأخير ناقص من آخره، وهذا يشير إلى وجود سقط بين الكتابين، جاء على آخر كتاب الوقوف، وعلى أول كتابنا هذا في أحكام النظر والحجاب، أو كما يسمى «أحكام النساء».
وهذا الكتاب يبدأ بثمان مسائل، متعلقة بالخلوة، والمردان، وتفسير اللمم من الذنوب، وهذه المسائل كما يظهر لا تعلق لها من قريب بأحكام النساء، لا المسألة الأولى في الخلوة.
وينتهي الكتاب بباب في: كراهية النظر إلى الإماء إلا لبيع وذكر القناع.
وهذا الباب غير كامل، فقد سقط آخره، وقد يكون ثمة أبواب أخرى بعده، وهذا ما لا مجال لمعرفته إلا بالوقوف على نسخة أخرى تامة، أو على أقل الأحوال فيها زيادات عن هذه النسخة.
النسخة المخطوطة المعتمدة:وقد اعتمدت في تحقيق هذا الكتاب على نسخة خطية فريدة، هي
এই কিতাব এবং এর বর্ণনাএই কিতাবটি, যেমনটি আমরা আগে উল্লেখ করেছি, আবু বকর আল-খাল্লাল (রহিমাহুল্লাহ) সংকলিত «আল-জামি লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ» কিতাবের একটি অংশ, যেখানে তিনি ইমাম আহমাদ (রহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণিত মাসআলাসমূহ সংকলন করেছেন।
এই অংশটি এর শুরু এবং শেষ উভয় দিক থেকেই অসম্পূর্ণ।
এটি আল-খাল্লালের «কিতাবুল উকুফ»-এর পর থেকে শুরু হয়েছে, যা ইতিমধ্যে মুদ্রিত হয়েছে। শেষের উক্ত কিতাবটি (কিতাবুল উকুফ) এর শেষাংশে অসম্পূর্ণ, যা নির্দেশ করে যে এই দুই কিতাবের মাঝে কিছু অংশ বিলুপ্ত হয়েছে; যা «কিতাবুল উকুফ»-এর শেষে এবং আমাদের এই কিতাবের শুরুতে—অর্থাৎ দৃষ্টিপাত ও পর্দার বিধানাবলি, অথবা যেটিকে «আহকামুন নিসা» (নারীদের বিধানাবলি) বলা হয়—তার উপরে পড়েছে।
এই কিতাবটি আটটি মাসআলা দিয়ে শুরু হয়েছে, যা নির্জনবাস (খালওয়াত), দাড়িহীন কিশোর (মুরদান) এবং পাপের মধ্যে «আল-লামাম»-এর ব্যাখ্যার সাথে সম্পর্কিত। স্পষ্টত এই মাসআলাগুলোর সাথে নারীদের বিধানের কোনো নিকটবর্তী সম্পর্ক নেই, তবে নির্জনবাস সংক্রান্ত প্রথম মাসআলাটি ব্যতীত।
কিতাবটি শেষ হয়েছে একটি পরিচ্ছেদের মাধ্যমে, যার বিষয়বস্তু হলো: ক্রয়-বিক্রয় ব্যতিরেকে দাসীদের দিকে তাকানো অপছন্দনীয় হওয়া এবং ওড়না বা মাথার আবরণ (আল-কিনা) প্রসঙ্গে।
এই পরিচ্ছেদটি অসম্পূর্ণ, কারণ এর শেষাংশ বিলুপ্ত হয়ে গেছে। হয়তো এর পরে আরও কিছু পরিচ্ছেদ ছিল, তবে এটি নিশ্চিতভাবে জানার কোনো উপায় নেই; যদি না কোনো পূর্ণাঙ্গ পাণ্ডুলিপি পাওয়া যায়, অথবা অন্তত এমন কোনো কপি পাওয়া যায় যাতে এই পাণ্ডুলিপির চেয়ে বেশি অংশ রয়েছে।
নির্ভরযোগ্য পাণ্ডুলিপি:এই কিতাবটি সম্পাদনা (তাহকিক) করার ক্ষেত্রে আমি একটি অনন্য পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি, তা হলো:
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ১৫)
الأصل الوحيد لهذا الكتاب، وهي محفوظة بدار الكتب المصرية العامرة، تحت رقم: (2188 - ب)، ضمن مجموع فيه:
• كتاب: الترجل، وهو ناقص من آخره.
• كتاب: أهل الملل والردة والزنادقة، وهو كامل.
• كتاب: الوقوف، وهو ناقص من آخره كما أشرنا.
• كتابنا هذا، وهو ناقص من أوله وآخره، كما سبق الإشارة إليه.
وقد كتب هذا المجموع بخطين متمايزين، لا سيما في كتاب «أهل الملل» أحدهما أصلي، وهو خط نسخ مقروء، والآخر يظهر أنه خط حديث عن الخط الأول.
وأما كتابنا هذا فهو منسوخ بالخط الأول.
وأما تاريخ النسخ، فقد ورد في آخر كتاب «أهل الملل»:
«وافق الفراغ منه في المحرم من سنة ثلاث وثمانين وخمس مائة».
وأما باقي الكتب، فلم يرد فيها تاريخٌ لانتهاء نسخها، وذلك لأنها جميعا ناقصة من آخرها.
وقد كان هذا المجموع في ملك: عبد الله بن عبد العزيز بن زيد بن محمد آل سليمان، كما أُثبت على طرة كتاب «الترجل».
وقد وقفت على نسختين خطيتين منسوختين عن هذه النسخة الأصل
إحداهما: من محفوظات دار الكتب المصرية تحت رقم (12945 ب)، بخط محمد عبد اللطيف الناسخ.
وهذا الناسخ قد نسخ كثيرًا من أصول الدار المصرية المخطوطة، وهو جميل الخط، إلا أنه تتصحف عليه كثير من الأسماء والكلمات، كما تبين
এই গ্রন্থের একমাত্র মূল পাণ্ডুলিপিটি মিশরের সমৃদ্ধ 'দারুল কুতুব আল-মিসরিয়্যাহ'-তে ২১৮৮-ব (2188 - ب) নম্বরে সংরক্ষিত রয়েছে, যা একটি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত। এতে রয়েছে:
• কিতাবুত তারাজ্জুল; এটি শেষ অংশ থেকে অসম্পূর্ণ।
• কিতাবু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ ওয়ায যানাদিকাহ; এটি পূর্ণাঙ্গ।
• কিতাবুল উকুফ; এটি শেষ অংশ থেকে অসম্পূর্ণ যেমনটি আমরা উল্লেখ করেছি।
• আমাদের এই বর্তমান গ্রন্থটি; এটি শুরু ও শেষ উভয় দিক থেকেই অসম্পূর্ণ, যেমনটি ইতিপূর্বে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
এই সংকলনটি দুটি স্বতন্ত্র হস্তাক্ষরে লেখা হয়েছে, বিশেষ করে 'আহলুল মিলাল' গ্রন্থে। এর একটি মূল হস্তাক্ষর, যা পাঠযোগ্য নাসখ লিপিতে রচিত; আর অন্যটি দেখে মনে হয় যে এটি প্রথম লিপির তুলনায় আধুনিক হস্তাক্ষর।
আর আমাদের এই বর্তমান গ্রন্থটি প্রথম হস্তাক্ষরেই অনুলিপি করা হয়েছে।
আর অনুলিপি করার তারিখের ব্যাপারে 'আহলুল মিলাল' গ্রন্থের শেষে উল্লেখ করা হয়েছে:
«এটি সম্পন্ন করার কাজ পাঁচশ তিরাশি হিজরি সনের মহররম মাসে শেষ হয়েছে।»
আর অবশিষ্ট গ্রন্থগুলোর ক্ষেত্রে সেগুলো অনুলিপি শেষ হওয়ার কোনো তারিখ উল্লেখ নেই, কারণ সেগুলো সবকটিই শেষ দিক থেকে অসম্পূর্ণ।
এই সংকলনটি আব্দুল্লাহ ইবন আব্দুল আজিজ ইবন যায়েদ ইবন মুহাম্মদ আল সুলাইমান-এর মালিকানাধীন ছিল, যেমনটি 'কিতাবুত তারাজ্জুল'-এর শিরোনামের পার্শ্বে প্রমাণিত হয়েছে।
আমি এই মূল পাণ্ডুলিপি থেকে অনুলিপি করা আরও দুটি হস্তলিখিত পাণ্ডুলিপির সন্ধান পেয়েছি।
এর একটি হলো দারুল কুতুব আল-মিসরিয়্যাহ-তে সংরক্ষিত ১২৯৪৫-ব (12945 ب) নম্বরভুক্ত পাণ্ডুলিপি, যা অনুলিপিকারক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ-এর হস্তাক্ষরে লিখিত।
এই অনুলিপিকারক দারুল কুতুব আল-মিসরিয়্যাহ-এর অনেকগুলো মূল পাণ্ডুলিপি অনুলিপি করেছেন। তাঁর হাতের লেখা সুন্দর হলেও তাঁর অনুলিপিতে অনেক নাম ও শব্দের বিকৃতি ঘটেছে, যেমনটি স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ১৬)
لي من مراجعة أكثر من مخطوط.
والثانية: من محفوظات مكتبة الرياض برقم (578*86)، وهي بقلم الشيخ عبد الرحمن بن عبد لله التويجري، وذكر أنه نقلها عن نسخة كتبت في شهر محرم سنة 583 هـ، وهي المخطوط الأصل.
ولما كان الأمر على هذا النحو، فقد اعتمدت الأصل فقط، دون المنسوختين، لأنه لا زيادة فضل لهما على هذا الأصل.
وكتابنا هذا يقع في تسع ورقات، لكل ورقة وجهان.
وهو ناقص من أوله، ومن آخره.
وقد تقدم الكلام على تسميته، والاختلاف فيها.
وبعد؛ فكانت هذه نبذة مختصرة عن صفة الكتاب ومخطوطاته.
একাধিক পাণ্ডুলিপি পর্যালোচনা করার সুযোগ আমার হয়েছে।
দ্বিতীয়টি: রিয়াদ লাইব্রেরির সংরক্ষিত সংগ্রহশালার ৫৭৮*৮৬ নম্বর পাণ্ডুলিপি, যা শেখ আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ আল-তুওয়াইজরি-এর হস্তলিখিত; তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তিনি এটি ৫৮৩ হিজরীর মুহাররম মাসে লিখিত একটি অনুলিপি থেকে নকল করেছেন এবং এটিই মূল পাণ্ডুলিপি।
বিষয়টি যখন এই পর্যায়ে ছিল, তখন আমি অন্য দুটি অনুলিপির পরিবর্তে কেবল মূল পাণ্ডুলিপিটির ওপরই নির্ভর করেছি, কেননা মূল পাণ্ডুলিপির তুলনায় সেই অনুলিপি দুটিতে কোনো বাড়তি বৈশিষ্ট্য নেই।
আমাদের আলোচ্য এই বইটি নয়টি পত্রে বিন্যস্ত, যার প্রতিটি পত্রের দুটি করে পার্শ্ব রয়েছে।
এটি এর প্রারম্ভ এবং শেষ উভয় অংশ থেকেই অসম্পূর্ণ।
এর নামকরণ এবং এ সংক্রান্ত মতভেদ নিয়ে ইতিপূর্বে আলোচনা করা হয়েছে।
পরিশেষে; এটি ছিল বইটির বিবরণ এবং এর পাণ্ডুলিপিগুলো সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ।
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ২৭)
1 - . . . . وتبقى عنده المرأة، هل هذه الخلوة منهي عنها؟ قال: أليس على ظهر الطريق؟ قيل: نعم، قال: إنما الخلوة أن تكون في البيوت.
2 - أخبرنا عبد الله بن أحمد، أنه سال أباه عن قوله: {إِنما يَتَقَبلُ الله مِنَ المُتَّقِينَ} [المائدة:27]، قال: تبقى الأشياء لا تقع فيما لا يحل له.
3 - أخبرني العباس بن محمد بن أحمد بن عبد الكريم، قال: حدثني عبد الله بن أحمد بن حنبل، قال: سمعت إبراهيم النيسابوري، قال: سمعت يحيى بن معين - بمصر - يقول: ما طمع غلام أمرد بصحبتي قط، ولا لأحمد بن حنبل.
4 - حدثنا أبو بكر المروذي، قال: سمعت الأعين، يقول: قدم علينا إنسان من أصحابنا من خُراسان، ومعه غلام ابن أختِ له وضيء - أو قال: جميل -، فمضينا إلى أبي عبد الله، فسلم عليه وحدَّثه، فلما قام خلا بالرجل، فقال له: من هذا الغلام؟ قال: ابن أختىِ، قال: أحبّ إذا جئتني لا يكون معك، والذي أرى لك أن لا يمشي معك في الطريق.
5 - أخبرنا أبو داود السجستاني، قال: سمعت أبا عبد الله يُسئل عن رجل متهم بغلامه، فأراد بعض الناس أن يرفعه إلى الإمام، فدبَّر غلامه؟
--------------------------------------------
১ - . . . . এবং কোনো নারী তার সাথে থাকে, এই নির্জনতা (খলওয়াত) কি নিষিদ্ধ? তিনি বললেন: তা কি রাস্তার উপরে নয়? বলা হলো: হ্যাঁ। তিনি বললেন: নির্জনতা (খলওয়াত) হলো কেবল ঘরের ভেতরে হওয়া।
২ - আবদুল্লাহ ইবনুল আহমাদ আমাদের জানিয়েছেন যে, তিনি তাঁর পিতাকে আল্লাহর বাণী: {আল্লাহ কেবল মুত্তাকীদের পক্ষ থেকেই কবুল করেন} [আল-মায়িদাহ: ২৭] সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছেন। তিনি বললেন: এর অর্থ হলো বিষয়গুলো এমন পর্যায়ে থাকা যাতে সে তার জন্য যা বৈধ নয় তাতে লিপ্ত না হয়।
৩ - আল-আব্বাস ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে আব্দুল কারীম আমাকে জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইব্রাহিম আন-নিসাবুরীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে মিশরে বলতে শুনেছি: কোনো দাড়িহীন কিশোর কখনো আমার সান্নিধ্য পাওয়ার লালসা করেনি এবং আহমাদ ইবনে হাম্বলের সান্নিধ্যেও নয়।
৪ - আবু বকর আল-মারওয়াযী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আল-আ'ইয়ানকে বলতে শুনেছি: খোরাসান থেকে আমাদের এক সাথী আমাদের কাছে আসলেন, তার সাথে তার এক ভাগ্নে ছিল যে উজ্জ্বল চেহারার—বা তিনি বলেছিলেন: সুন্দর—ছিল। আমরা আবু আব্দুল্লাহর কাছে গেলাম, তিনি তাকে সালাম দিলেন এবং তার সাথে কথা বললেন। যখন তিনি উঠে দাঁড়ালেন, তখন তিনি ওই লোকটিকে একান্তে ডেকে বললেন: এই কিশোরটি কে? তিনি বললেন: আমার ভাগ্নে। তিনি বললেন: আমি পছন্দ করি যে, আপনি যখন আমার কাছে আসবেন তখন সে যেন আপনার সাথে না থাকে এবং আমি আপনার জন্য এটাই সমীচীন মনে করি যে, সে যেন রাস্তায় আপনার সাথে না হাঁটে।
৫ - আবু দাউদ আস-সিজিস্তানি আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হতে শুনেছি যার বিরুদ্ধে তার দাসের ব্যাপারে (অনৈতিকতার) অভিযোগ ছিল, এমতাবস্থায় কিছু লোক তাকে শাসকের কাছে নিয়ে যেতে চেয়েছিল, তখন সে কি তার দাসকে মুদাব্বার (মৃত্যুর পর মুক্ত হওয়ার প্রতিশ্রুতিপ্রাপ্ত দাস) করে দিয়েছিল?
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ২৮)
قال: هذا يُحال بينه وبينه إذا كان فاجراً معلناً.
6 - أخبرني محمد بن الحسين، أن الفضل حدثهم، قال: سمعت أبا عبد الله - وسئل عن اللمم - فقال: سمعت سفيان يقول:
هو ما بين الحدين، حد الدنيا، وحد الأخرة، أما حد الدنيا: ما يوجب به الجلد والقطع والرجم وإقامة الحدود، وأما حد الأخرة: فما أوجب الله به النار.
7 - أخبرني محمد بن علي، قال: حدثنا مهنا، قال: سألت أحمد عن قول من قال: ما بين الحدين؟ فقال: هذا قول ابن عباس: {إِلاَّ اللَمَمْ} [النجم: 32].
قال: هو ما بين الحدين، حد الدنيا وحد الأخرة.
فقلت: من ذكره عن ابن عباس؟ فقال: سفيان بن عيينة، عن ابن
--------------------------------------------
তিনি বললেন: এটি তার মাঝে এবং এর মাঝে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়াবে যদি সে প্রকাশ্যে পাপাচারী হয়।
৬ - মুহাম্মদ ইবনুল হোসেন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, ফযল তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি আবু আবদুল্লাহকে বলতে শুনেছি —যখন তাঁকে সামান্য অপরাধ (লামাম) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল— তিনি বললেন: আমি সুফিয়ানকে বলতে শুনেছি:
এটি হলো দুই সীমানার মধ্যবর্তী বিষয়; দুনিয়ার সীমানা এবং আখিরাতের সীমানা। দুনিয়ার সীমানা হলো: যার কারণে বেত্রাঘাত, অঙ্গকর্তন, রজম এবং দণ্ডবিধি কার্যকর করা ওয়াজিব হয়। আর আখিরাতের সীমানা হলো: যার কারণে আল্লাহ জাহান্নাম অবধারিত করেছেন।
৭ - মুহাম্মদ ইবনে আলী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহান্না আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আহমদকে সেই ব্যক্তির কথা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি যে বলে: "দুই সীমানার মধ্যবর্তী বিষয়"? তিনি বললেন: এটি ইবনে আব্বাসের কথা: {সামান্য অপরাধ ব্যতীত} [আন-নাজম: ৩২]।
তিনি বললেন: এটি দুই সীমানার মধ্যবর্তী বিষয়; দুনিয়ার সীমানা এবং আখিরাতের সীমানা।
আমি বললাম: ইবনে আব্বাস থেকে এটি কে উল্লেখ করেছেন? তিনি বললেন: সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ, ইবনে... থেকে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ২৯)
شبرمة، مرسل عن ابن عباس: في قوله: {إلاَّ اللَمَمْ} فقال: هو ما بين الحدين.
سألت أحمد، عن قول ابن عباس: ما بين الحدين، حد الدنيا، وحد الآخرة؟ فقال لي: أي شيء هو؟ فقلت: لا أدري؟ ثم سالته مرةً أخرى: فقال: مكثت زمانا لا أدري ما هو، فكرت، فإذا هو فيما رأيت: حد الدنيا، يقول: الزنا الذي تُقام فيه الحدود، وحد الأخرة: فهو العذاب يوم القيامة، فهو ما بين ذلك.
8 - أخبرني منصور بن الوليد، أن جعفر بن محمد حدَّثهم، قال: سمعت أبا عبد الله يقول: سمعت ابن عيينة يقول في قوله: {إلأ اللَمَمْ}، قال: هو ما بين حدود الأخرة والدنيا، يريد أن الله يغفر اللمم.
قال أبو عبد الله: حدود الدنيا؛ هو مثل: السرقة، والزنا، وعدَّ أشياء، وحدود الأخرة: ما يجد في الآخرة، فاللمم الذي بينهما.
…--------------------------------------------
শুবরুমাহ, ইবনে আব্বাস থেকে মুরসাল সূত্রে বর্ণনা করেছেন: {সামান্য পদস্খলন ব্যতীত} আল্লাহর এই বাণীর ব্যাখ্যায় তিনি বলেন: এটি হলো দুই দণ্ডের মধ্যবর্তী বিষয়।
আমি আহমাদকে ইবনে আব্বাসের উক্তি: "দুই দণ্ডের মধ্যবর্তী বিষয়—দুনিয়ার দণ্ড এবং আখিরাতের দণ্ড" সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি আমাকে বললেন: এটি কী জিনিস? আমি বললাম: আমি জানি না। অতঃপর আমি তাঁকে পুনরায় জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: আমি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত জানতাম না এটি কী; আমি চিন্তা করলাম, অতঃপর আমার কাছে যা প্রতীয়মান হলো তা হলো: দুনিয়ার দণ্ড বলতে তিনি বুঝিয়েছেন সেই ব্যভিচার যার জন্য দণ্ডবিধি কার্যকর করা হয়, আর আখিরাতের দণ্ড বলতে কিয়ামত দিবসের শাস্তি। সুতরাং এই দুইয়ের মধ্যবর্তী যা আছে তাই সামান্য পদস্খলন।
৮ - মানসুর বিন আল-ওয়ালিদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, জাফর বিন মুহাম্মাদ তাঁদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি যে, তিনি ইবনে উইয়াইনাহকে {সামান্য পদস্খলন ব্যতীত} এর ব্যাখ্যায় বলতে শুনেছেন: এটি হলো আখিরাত ও দুনিয়ার দণ্ডসমূহের মধ্যবর্তী বিষয়; এর দ্বারা তিনি বুঝিয়েছেন যে আল্লাহ তাআলা সামান্য পদস্খলন ক্ষমা করেন।
আবু আব্দুল্লাহ বলেন: দুনিয়ার দণ্ডসমূহ হলো যেমন: চুরি, ব্যভিচার—এভাবে তিনি আরও কিছু বিষয় গণনা করলেন। আর আখিরাতের দণ্ড হলো যা সে আখিরাতে পাবে। সুতরাং সামান্য পদস্খলন হলো সেই বিষয় যা এই দুয়ের মাঝে অবস্থিত।
…--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৩০)
قوله: {وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُن إلأَ مَا ظَهَرَ}9 - أخبرني حرب بن إسماعيل، قال: قيل لأحمد: الرجل يكون في السوق، يبيع ويشتري، فتأتيه المرأة تشتري منه، فيرى كفها ونحو ذلك، فكره ذلك، وقال: كل شيء من المرأة عورة، قيل له: فالوجه؟ قال: إذا كانت شابة تُشتهى فإني كره ذلك، وإن كانت عجوزَا رجوت.
10 - أخبرني إبراهيم بن رحمون السنجاري، قال: حدثنا نصر بن عبد الملك السنجاري، قال: حدثنا يعقوب بن بختان: أن أبا عبد الله سئل: فذكر مثل مسألة حرب سواءً.
11 - أخبرني محمد بن علي، قال: حدثنا مهنا، قال: سألت أحمد: عن الرجل يأكل مع مطلقته، قال: لا، هو رجل أجنبي، لا يحل له أن ينظر إليها، فكيف يأكل معها، ينظر إلى كفها؟! فلا يحل له ذاك.
12 - أخبرني منصور بن الوليد، أن جعفر بن محمد حدَّثهم، قال:
--------------------------------------------
তাঁর বাণী: {এবং তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, যা সাধারণত প্রকাশ পায় তা ব্যতীত}৯ - হারব বিন ইসমাইল আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: জনৈক ব্যক্তি বাজারে কেনা-বেচা করেন, এমতাবস্থায় কোনো নারী তার কাছে কেনাকাটা করতে আসে এবং তিনি তার হাতের তালু বা অনুরূপ কিছু দেখে ফেলেন। তিনি এটিকে অপছন্দ করেছেন এবং বলেছেন: নারীর প্রতিটি অঙ্গই আওরাত (আবরণীয়)। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো: তবে চেহারা? তিনি বললেন: যদি সে যুবতী ও আকর্ষণীয় হয়, তবে আমি তা অপছন্দ করি; আর যদি সে বৃদ্ধা হয়, তবে আমি (ছাড়ের) আশা রাখি।
১০ - ইবরাহিম বিন রাহমুন আস-সিনজারি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: নাসর বিন আব্দুল মালিক আস-সিনজারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াকুব বিন বাখতান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে: আবু আব্দুল্লাহকে (ইমাম আহমাদ) একই বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তখন হারবের মাসআলার হুবহু অনুরূপই বর্ণিত হয়েছে।
১১ - মুহাম্মাদ বিন আলী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহান্না আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আহমাদকে জনৈক ব্যক্তি তার তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীর সাথে আহার করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনি বললেন: না, সে তো একজন বেগানা (অপরিচিত) পুরুষ; তার জন্য ওই নারীর দিকে তাকানো বৈধ নয়। সুতরাং সে কীভাবে তার সাথে আহার করবে এবং তার হাতের তালুর দিকে তাকাবে?! এটি তার জন্য বৈধ নয়।
১২ - মানসুর বিন আল-ওয়ালিদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, জাফর বিন মুহাম্মাদ তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৩১)
سمعت أبا عبد الله يُسئل: ينظر إلى الأرملة اليتيمة تكون عنده؟ قال: لا ينظر نظر شهوة إلى ذي رحم - أو قال: محرم - وغيرها، ولا بأس بالنظر إلى الوجه إذا لم يكن من شهوة.
13 - وأخبرني منصور بن الوليد - في موضع آخر - أن جعفرًا حدَّثهم، قال: سمعت أبا عبد الله يقول: كل شيء من المرأة محرم - أو قال: عورة -.
14 - أخبرني محمد بن علي، والحسن بن عبد الوهاب، أن محمد ابن أبي حرب حدَّثهم، قال: قلت لأبي عبد الله: البيع تأتيه المرأة، فينظر إلى كفها ووجهها، قال: إن كانت عجوزًا، وإن كانت ممن تحركه يغض طرفه، وقال: كل شيء من المرأة عورة، حتى ظفرها.
15 - وأخبرني منصور بن الوليد: أن جعفر بن محمد حدَّثهم، قال: سمعت أبا عبد الله يقول: كل شيء من المرأة عورة، حتى ظفرها.
16 - أخبرني موسى بن سهل، قال: حدثنا محمد بن أحمد الأسدي، قال: حدثنا إبراهيم بن يعقوب، عن إسماعيل بن سعيد، أن أبا عبد الله، قال: الزينة الظاهرة، والثياب، وكل شيء منها عورة - يعنى: المرأة - حتى الظفر.
--------------------------------------------
আমি আবু আবদুল্লাহকে জিজ্ঞাসিত হতে শুনেছি: তাঁর কাছে থাকা কোনো বিধবা এতিমের প্রতি কি দৃষ্টি দেওয়া যাবে? তিনি বললেন: কামনাবশত কোনো রক্তসম্পর্কীয় আত্মীয় - অথবা তিনি বলেছিলেন: মাহরাম - বা অন্যদের দিকে দৃষ্টি দেওয়া যাবে না; আর যদি কামনাবশত না হয় তবে চেহারার দিকে তাকানোতে কোনো দোষ নেই।
১৩ - মনসুর বিন ওয়ালিদ আমাকে অন্য এক স্থানে অবহিত করেছেন যে, জাফর তাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি আবু আবদুল্লাহকে বলতে শুনেছি: নারীর প্রতিটি অংশই নিষিদ্ধ - অথবা তিনি বলেছিলেন: আওরাহ (পর্দার অন্তর্ভুক্ত) -।
১৪ - মুহাম্মাদ বিন আলী এবং হাসান বিন আব্দুল ওয়াহহাব আমাকে অবহিত করেছেন যে, মুহাম্মাদ ইবনে আবি হারব তাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি আবু আবদুল্লাহকে বললাম: কেনা-বেচার ক্ষেত্রে কোনো নারী আসলে বিক্রেতা কি তার হাতের তালু ও চেহারার দিকে তাকাতে পারবে? তিনি বললেন: যদি সে বৃদ্ধা হয়, আর যদি সে এমন কেউ হয় যে উত্তেজনা সৃষ্টি করে, তবে সে যেন দৃষ্টি অবনত রাখে। তিনি আরও বললেন: নারীর প্রতিটি অঙ্গই আওরাহ, এমনকি তার নখ পর্যন্ত।
১৫ - মনসুর বিন ওয়ালিদ আমাকে অবহিত করেছেন যে, জাফর বিন মুহাম্মাদ তাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি আবু আবদুল্লাহকে বলতে শুনেছি: নারীর প্রতিটি অঙ্গই আওরাহ, এমনকি তার নখ পর্যন্ত।
১৬ - মুসা বিন সাহল আমাকে অবহিত করেছেন, তিনি বলেছেন: মুহাম্মাদ বিন আহমদ আল-আসাদি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ইব্রাহিম বিন ইয়াকুব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইসমাইল বিন সাঈদের সূত্রে যে, আবু আবদুল্লাহ বলেছেন: প্রকাশ্য সৌন্দর্য হলো পোশাক, আর তার (অর্থাৎ নারীর) প্রতিটি অংশই আওরাহ, এমনকি নখ পর্যন্ত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৩২)
17 - أخبرني محمد بن علي، أن مهنا حدَّثهم، قال: سألت أحمد عن المرأة تغطي خفها؟ قال: نعم، قلت: لم؟ قال: لأنه يصف قدمها.
18 - أخبرني أحمد بن محمد بن مطر، قال: حدثنا أبو طالب، أنه سمع أبا عبد الله يقول: ظفر المرأة عورة، واذا خرجت فلا يبين منها لا يدها ولا ظفرها ولا خفها، فإن الخف يصف القدم، وأحب إليَّ أن تجعل كفها إلى عند يدها، حتى إذا خرجت يدها لا يبين منها شيء.
19 - أخبرنا حرب، قال: حدثنا محمد بن أبي بكر، قال: حدثنا زياد بن الربيع، عن صالح الدهان، عن جابر بن زيد:
أنه كان يكره أن تظهر المرأة خفها، ويقول: إنه يصف قدمها.
20 - أخبرني عبيد الله بن حنبل، قال: حدثني أبي أنه قال لأبي عبد الله: العبد ينظر إلى شعر مولاته، قال: نعم، ولا تتحين له، ولا تريه ذلك على عمد، إلا أن يكون أمر فجاة، ثم تختمر، ويرى وجهها وعينها.
21 - أخبرنا أحمد بن الحسن بن عبد الجبار، قال: حدثنا العباس بن
--------------------------------------------
১৭ - মুহাম্মাদ বিন আলী আমাকে অবহিত করেছেন যে, মুহান্না তাঁদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি আহমাদকে নারী কর্তৃক তার মোজা (খুফ) ঢেকে রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম? তিনি বললেন: হ্যাঁ, আমি বললাম: কেন? তিনি বললেন: কারণ এটি তার পায়ের গঠন প্রকাশ করে।
১৮ - আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন মাতার আমাকে অবহিত করেছেন, তিনি বলেছেন: আবু তালিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছেন: নারীর নখ সতর (আওরাহ), আর সে যখন বের হবে তখন তার হাত, তার নখ কিংবা তার মোজা যেন প্রকাশ না পায়। কেননা মোজা পায়ের গঠন প্রকাশ করে। আমার নিকট এটি অধিক পছন্দনীয় যে, সে তার জামার হাতা হাতের কবজি পর্যন্ত রাখবে, যাতে যখন তার হাত বের হয় তখন তার কিছুই যেন প্রকাশ না পায়।
১৯ - হারব আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেছেন: মুহাম্মাদ বিন আবি বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: যিয়াদ বিন আল-রাবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালিহ আদ-দাহহান থেকে, তিনি জাবির বিন যায়েদ থেকে বর্ণনা করেন:
তিনি নারীর মোজা প্রকাশ হওয়া অপছন্দ করতেন এবং বলতেন: এটি তার পায়ের গঠন প্রকাশ করে।
২০ - উবায়দুল্লাহ বিন হানবাল আমাকে অবহিত করেছেন, তিনি বলেছেন: আমার পিতা আমাকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবু আব্দুল্লাহকে বলেছেন: দাস কি তার মালকিনের চুলের দিকে তাকাতে পারবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, তবে সে (মালকিন) যেন তার জন্য সুযোগ তৈরি না করে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে তা না দেখায়, যদি না তা আকস্মিক কোনো বিষয় হয়; এরপর সে ওড়না দিয়ে মাথা ঢেকে নেবে এবং সে কেবল তার মুখমণ্ডল ও চোখ দেখবে।
২১ - আহমাদ বিন আল-হাসান বিন আব্দুল জাব্বার আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেছেন: আব্বাস বিন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
محمد بن موسى الخلال، أن أبا عبد الله، قال - في نساء السواد المسلمات يبدو منهن شعر أو صدر - قال:
لا، إذا كانت مسلمة، المرأة كلها عورة حتى ظفرها.
22 - أخبرني حرب بن إسماعيل، قال: حدثني عيسى بن محمد، قال: حدثنا ابن أبي مريم، عن يحيى بن أيوب (1)، عن ابن عجلان، عن سمي مولى أبي بكر، قال: كل المرأة عورة حتى ظفرهما.
23 - أخبرنا محمد بن الحسن بن هارون، قال: حدثنا محمد بن الصباح، قال: حدثنا عبد الله بن رجاء، عن ابن عجلان، عن سمي، عن أبي بكر بن عبد الرحمن، قال: كل شيء من المرأة عورة حتى ظفرها.
--------------------------------------------
মুহাম্মদ ইবনুল মুসা আল-খল্লাল থেকে বর্ণিত যে, আবু আব্দুল্লাহ (ইমাম আহমাদ) ইরাকের গ্রামীণ অঞ্চলের সেই সব মুসলিম মহিলাদের সম্পর্কে বলেছেন যাদের চুল বা বুক প্রকাশ পায়—তিনি বলেন:
না, যদি সে মুসলিম হয়, তবে মহিলার পুরো শরীরই আওরাত, এমনকি তার নখ পর্যন্ত।
২২ - হারব ইবনে ইসমাইল আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ঈসা ইবনে মুহাম্মদ আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবনে আবি মারইয়াম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব থেকে, তিনি ইবনে আজলান থেকে, তিনি আবু বকরের মুক্তদাস সামি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: মহিলার পুরো শরীরই আওরাত, এমনকি তাদের নখ পর্যন্ত।
২৩ - মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে হারুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনুস সাব্বাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে রাজা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবনে আজলান থেকে, তিনি সামি থেকে, তিনি আবু বকর ইবনে আব্দুর রহমান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: মহিলার প্রতিটি অঙ্গই আওরাত, এমনকি তার নখ পর্যন্ত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
قوله: {وَلْيَضْرِبْنَ بِخُمُرِهِن عَلَى جُيُوبِهِنَّ}24 - أخبرنا أحمد بن محمد بن حازم، قال: حدثنا إسحاق بن منصور، قال: قلت لأحمد: المرأة تكشف عن رأسها في بيتها؟ قال: نعم، قلت: وإن كانت في صحن الدار؟ قال: نعم.
25 - أخبرني منصور بن الوليد، أن جعفر بن محمد النسائي حدثهم، قال: قلت لأبي عبد الله: المرأة تقعد بين يدي زوجها مكشوفة في ثياب رقاق؟ فلم ير به بأسًا، قلت: تخرج في الدار من بيت إلى بيت مكشوفة الرأس ليس في الدار إلا هي وزوجها؟ فرخص في ذلك.
26 - أخبرني محمد بن علي الوراق، أن مهنا الشامي حدثهم، قال: سألت أحمد عن المرأة ينبغي لها أن تخفض من صوتها إذا كانت في بيتها، في قراءتها إذا قرأت بالليل، ينبغي لها أن تخفض من صوتها؟ قال: نعم.
…--------------------------------------------
তাঁর বাণী: {এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না তাদের বুকের ওপর টেনে দেয়}২৪ - আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাযিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসহাক বিন মানসুর আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আহমাদকে বললাম: নারী কি তার ঘরে নিজের মাথা অনাবৃত রাখতে পারে? তিনি বললেন: হ্যাঁ। আমি বললাম: এমনকি যদি সে বাড়ির আঙিনায় থাকে? তিনি বললেন: হ্যাঁ।
২৫ - মানসুর বিন আল-ওয়ালিদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, জাফর বিন মুহাম্মাদ আন-নাসায়ী তাঁদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: নারী কি তার স্বামীর সামনে পাতলা পোশাকে অনাবৃত অবস্থায় বসতে পারে? তিনি এতে কোনো সমস্যা দেখেননি। আমি বললাম: সে বাড়িতে এক কক্ষ থেকে অন্য কক্ষে অনাবৃত মাথায় চলাফেরা করে এবং বাড়িতে সে ও তার স্বামী ব্যতীত আর কেউ নেই? তিনি এতে অনুমতি দিয়েছেন।
২৬ - মুহাম্মাদ বিন আলী আল-ওয়াররাক আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, মুহান্না আশ-শামী তাঁদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আহমাদকে জিজ্ঞেস করলাম সেই নারী সম্পর্কে, তার কি উচিত নিজের আওয়াজ নিচু রাখা যখন সে তার ঘরে থাকে, তার কিরাআতের ক্ষেত্রে যখন সে রাতে কিরাআত পড়ে? তার কি আওয়াজ নিচু রাখা উচিত? তিনি বললেন: হ্যাঁ।
…--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
قوله. {وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلاً لِبعُولَتِهن} إلى {أوْ نِسَائِهِنّ}27 - أخبرني محمد بن علي، قال: حدثنا أبو بكر الأثرم، قال: سألت أبا عبد الله.
28 - وأخبرني الحسين بن الحسن، قال: حدثنا محمد بن داود، أن
أبا عبد الله سُئل عن الرجل ينظر إلى شعر امرأة أبيه، وامرأة ابنه، وأم امرأته؟ فقال: هذا في القرآن {وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ} إلا لكذا، وكذا.
زاد محمد: فرخص أن ينظر إلى شعورهن.
قلت له: فينظر إلى ساق امرأة أبيه وصدرها؟ قال: لا، ما يعجبني، ثم قال: أنا أكره أن ينظر من أمه وأخته إلى مثل ذلك، وإلى كل شيء لشهوة، قال محمد: منها الشهوة.
زاد الأثرم: قلت لأبي عبد الله: فينظر إلى شعر أم امرأته؟ فذكر حديث سعيد بن جبير، قال: فتلا علي الأية، ثم قال: لا أراها فيهن، ثم قال: إسماعيل كان يشوش في هذا، قال مرة: قال: لا أراها فيهن، وقال مرة: لا أراها فيهم، قلت له: فابنة امرأته، أينظر إلى شعرها؟ فذهب إلى أنها لا تبدي ذلك إلا لمن في هذه الأية.
--------------------------------------------
তাঁর বাণী: {তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে তাদের স্বামী ব্যতীত} থেকে {অথবা তাদের নারীগণ} পর্যন্ত।২৭ - আমাকে মুহাম্মাদ ইবনে আলী সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আল-আছরাম আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞাসা করেছি।
২৮ - এবং আমাকে আল-হুসাইন ইবনুল হাসান সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে দাউদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন যে,
আবু আব্দুল্লাহকে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তার পিতার স্ত্রী (সৎ মা), তার পুত্রের স্ত্রী (পুত্রবধূ) এবং তার স্ত্রীর মায়ের (শাশুড়ি) চুলের দিকে তাকায়? তিনি উত্তরে বললেন: এটি কুরআনে রয়েছে {তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে} কেবল অমুক অমুক ব্যতীত।
মুহাম্মাদ অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন: অতঃপর তিনি তাদের চুলের দিকে তাকানোর অনুমতি প্রদান করেছেন।
আমি তাকে বললাম: তবে কি সে তার পিতার স্ত্রীর নলা এবং তার বুকের দিকে তাকাতে পারবে? তিনি বললেন: না, আমি এটি পছন্দ করি না। অতঃপর তিনি বললেন: আমি মা এবং বোনের ক্ষেত্রেও অনুরূপ বিষয়ের দিকে এবং কামনাবশত যেকোনো কিছুর দিকে তাকানো অপছন্দ করি। মুহাম্মাদ বলেছেন: এর মধ্যে কামভাবও অন্তর্ভুক্ত।
আল-আছরাম অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: তবে কি সে তার স্ত্রীর মায়ের চুলের দিকে তাকাতে পারবে? তখন তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়েরের হাদিস উল্লেখ করলেন। তিনি বললেন: তিনি আমার নিকট আয়াতটি তেলাওয়াত করলেন, অতঃপর বললেন: আমি তাকে (শাশুড়িকে) তাদের (আয়াতে উল্লিখিত মাহরামদের) অন্তর্ভুক্ত মনে করি না। এরপর তিনি বললেন: ইসমাঈল এ বিষয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতেন; তিনি একবার বলতেন: আমি তাকে তাদের (নারীদের) মধ্যে দেখি না, আবার বলতেন: আমি তাকে তাদের (পুরুষদের) মধ্যে দেখি না। আমি তাকে বললাম: তবে কি তার স্ত্রীর কন্যার (সৎ মেয়ে) চুলের দিকে তাকানো যাবে? তখন তিনি এই অভিমত ব্যক্ত করলেন যে, সেও এই আয়াতে উল্লিখিত ব্যক্তিগণ ছাড়া অন্য কারও কাছে তা প্রকাশ করবে না।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
29 - أخبرني محمد بن أبي هارون، أن سندى الخواتيمي حدثهم، قال: سئل أبو عبد الله.
30 - وأخبرني محمد بن عبد الله بن إبراهيم، أن أباه حدَّثه، قال: حدثني أحمد بن القاسم.
31 - وأخبرني زكريا بن الفرج، عن أحمد بن القاسم: أن أبا عبد الله سُئل عن الرجل ينظر إلى شعر حميته، فقال: أليس يقول سعيد بن جبير، وقرأ الآية: {فَلَيْسَ عَلَيْهِنَّ جُنِاحٌ} [النور: 60]، ثم قال سعيد: لا أراها فيهم.
قال: وقد بلغني عن عكرمة أنه سئل عن العم لمَ لَم يُذكر مع من ذُكر من القرابة - الأب والأخ ومن سواه - قال: أرى ذلكَ من أجل ألا يصفها لابنه من طريق النكاح.
قال سندي: لِمَ لَم يذكر فيمن يرى الزينة؟ قال: يُقال: إنه من قبل ولده، يصفها لولده من طريق النكاح، قال أبو عبد الله: وإنما هو تأويل من عكرمة.
32 - أخبرني أحمد بن حمدويه الهمداني، قال: حدثنا محمد بن
--------------------------------------------
২৯ - আমাকে মুহাম্মদ বিন আবি হারুন সংবাদ দিয়েছেন যে, সিন্দী আল-খাওয়াতীমি তাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আবদুল্লাহকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল।
৩০ - এবং আমাকে মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন ইবরাহিম সংবাদ দিয়েছেন যে, তার পিতা তাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমার কাছে আহমাদ বিন আল-কাসিম বর্ণনা করেছেন।
৩১ - এবং যাকারিয়া বিন আল-ফারাজ আহমাদ বিন আল-কাসিম থেকে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে: আবু আবদুল্লাহকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তার সৎ মায়ের চুলের দিকে তাকায়। তিনি বললেন: সাঈদ বিন জুবায়ের কি বলেননি—অতঃপর তিনি এই আয়াত পাঠ করলেন: {তাদের জন্য কোনো গুনাহ নেই} [আন-নূর: ৬০], এরপর সাঈদ বললেন: আমি তাদের ক্ষেত্রে একে (অনুমতিযোগ্য) মনে করি না।
তিনি বলেন: ইকরিমা থেকে আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, তাকে চাচা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, কেন তাকে সেই নিকটাত্মীয়দের সাথে উল্লেখ করা হয়নি যাদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে—যেমন পিতা, ভাই এবং অন্যান্যরা? তিনি বললেন: আমি মনে করি এটি এজন্য যাতে তিনি (চাচা) বিবাহের উদ্দেশ্যে তার পুত্রের কাছে সেই নারীর রূপ বর্ণনা না করেন।
সিন্দী বললেন: কেন তাকে তাদের মধ্যে উল্লেখ করা হয়নি যারা সাজসজ্জা দেখতে পারে? তিনি বললেন: বলা হয় যে, এটি তার সন্তানের কারণে; তিনি বিবাহের উদ্দেশ্যে তার সন্তানের কাছে সেই নারীর বর্ণনা দিতে পারেন। আবু আবদুল্লাহ বললেন: এটি কেবল ইকরিমার একটি ব্যাখ্যা মাত্র।
৩২ - আমাকে আহমাদ বিন হামদাওয়াই আল-হামদানি সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে মুহাম্মদ বিন... বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
أبي عبد الله الهمداني، قال: حدثنا جعفر بن محمد، قال: سمعت أبا
عبد الله يُسئل عن المرأة تغمض الميت، قال: إذا كانت ذات محرم.
33 - أخبرنا عبد الله بن أحمد بن حنبل، قال: أملى عليَّ أبي:
قال الله تبارك وتعالى:
(وَلا يُبْدِينَ زِينَتَهن اٍلاُّ لِبُعُولَتِهِن أَوْآبَائِهِن أَوْآبَاءِ بُعُولَتِهِن اوْ أَبْنَائِهِنَّ اوْ أَبْنَاءِ بُعولَتِهِنَّ أَوْ إِخْوَانِهِنَّ أَوْ بَنِي إِخْوَانِهِن أَوْ بَنِي أَخَوَاتِهِن أَوْ نِسَائِهِن أَوْ مَا مَلَكَتْ ايْمَانُهُن أَوِ التابِعِينَ غَيْرِ أُوْلِي الإرْبَةِ مِنَ الرِجَالِ أَوِ الطفْلِ الذِينَ لَمْ يَظْهَرُوا عَلَى عَوْرَاتِ النسَاءِ} [النور: 31].
আবু আব্দুল্লাহ আল-হামদানি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট জাফর বিন মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু
আব্দুল্লাহকে জনৈক মহিলার মৃত ব্যক্তির চোখ বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে শুনেছি; তিনি বললেন: যদি সে মাহরাম হয়।
৩৩ - আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন হাম্বল আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট পাঠ করে লিখিয়েছেন:
আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তায়ালা ইরশাদ করেছেন:
{এবং তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে—তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুষ্পুত্র, ভাগিনেয়, নিজেদের নারীগণ, তাদের অধিকারভুক্ত দাসী, কামনামুক্ত পুরুষ পরিচারক অথবা ঐসব বালক যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অবগত নয়, তারা ব্যতীত।} [আন-নূর: ৩১]।
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
قوله: {أوْ نِسَائِهِنَّ}34 - أخبرني محمد بن علي، قال: حدثنا الأثرم، أن أبا عبد الله قيل له: فقوله: {أوْ نِسَائهِنَّ} قال: قد ذهب بعض الناس إلى أنها لا تضع خمارها عند اليهودية والنصرانية، لأنها ليست من نسائهن، وأما أنا فأذهب إلى أنه لا تنظر اليهودية ولا النصرانية ومن ليس من نسائها إلى الفرج، ولا تقبلها حين تلد، فأما الشعر، فلا بأس، أو قال: أرجو أن لا يكون به بأس.
35 - أخبرني محمد بن أبي هارون، أن إسحاق بن إبراهيم حدثهم، قال: سألت أبا عبد الله عن المسلمة تكشف رأسها عند نساء أهل الذمة، لأن الله يقول: {أوْ نِسَائِهِنَّ} (1)، قال: وسمعت أبا عبد الله وسئل عن هذه الأية: {أوْ نِسَائِهِنَّ}
(1)، قال: نساء أهل الكتاب، اليهودية والنصرانية لا تقبلان المسلمة، ولا ينظران إليها.
--------------------------------------------
তাঁর বাণী: {অথবা তাদের নারীদের}৩৪ - আমাকে মুহাম্মাদ ইবনে আলী সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে আল-আসরম বর্ণনা করেছেন যে, আবু আব্দুল্লাহকে তাঁর এই বাণী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: {অথবা তাদের নারীদের}। তিনি বললেন: কিছু মানুষ এই মত পোষণ করেছেন যে, মুসলিম নারী ইহুদি ও খ্রিস্টান নারীদের সামনে তার মাথার ওড়না খুলবে না, কারণ তারা তাদের নারীদের অন্তর্ভুক্ত নয়। তবে আমি এই মত পোষণ করি যে, ইহুদি বা খ্রিস্টান নারী এবং যারা মুসলিম নারী নয়, তারা যেন লজ্জাস্থানের দিকে না তাকায় এবং প্রসবের সময় যেন ধাত্রী হিসেবে তাকে স্পর্শ না করে। আর চুলের ব্যাপারে কোনো সমস্যা নেই, অথবা তিনি বলেছেন: আমি আশা করি এতে কোনো সমস্যা হবে না।
৩৫ - আমাকে মুহাম্মাদ ইবনে আবি হারুন সংবাদ দিয়েছেন যে, ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম তাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে জনৈক মুসলিম নারীর যিম্মি নারীদের সামনে মাথা খোলার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কারণ আল্লাহ তাআলা বলেছেন: {অথবা তাদের নারীদের} (১)। তিনি বললেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি, যখন তাকে এই আয়াত {অথবা তাদের নারীদের} (১) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তখন তিনি বলেছিলেন: আহলে কিতাব নারী, অর্থাৎ ইহুদি ও খ্রিস্টান নারীরা যেন মুসলিম নারীকে প্রসবকালে ধাত্রী হিসেবে সেবা না দেয় এবং তারা যেন তার দিকে না তাকায়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
36 - أخبرني أحمد بن محمد بن مطر، قال: حدثنا أبو طالب، أن أبا عبد الله قال: نساء أهل الكتاب لا ينظرن إلى شعورهن - يعني: إلى شعور المسلمات - قد قال ذلك مكحول، وذكر غير واحد.
37 - وأخبرني عبد الملك الميموني، أن أبا عبد الله سئل: عن القابلة من أهل الكتاب؟ فسمعته يقول: عدة كرهوه، مكحول وأهل الشام لم ير أن عليه (1) أن تكون القابلة يهودية أو نصرانية، وعمر كتب إلى أهل الشام: امنعوا نساءهم أن يدخلوا مع نسائكم الحمامات، ثم قال: ليس له ذاك الإسناد، ثم قال: أراهم تأولوا هذه الآية: {وَلايبدِينَ زِينَتَهن إِلا لِبُعُولَتِهِنَّ} قرأ عنى ثم قال: وهذا أخبرك فيه
(1) أن يكون يلي ذاك منها غير أهل دينها.
قلت: فتكره أنت يا أبا عبد الله أن تكون النصرانية أو اليهودية تقبل المسلمة منا؟ قال: نعم أكرهه.
38 - أخبرنا محمد بن علي
(2)، قال: حدثنا مهنا، قال: سألت أبا عبد الله عيب القابلة تكون يهودية أو نصرانية؟ فقال: أهل الشام يكرهونه، قلت: مَن مِن أهل الشام؟ قال: مكحول، وسليمان بن موسى، قلت: من ذكر عنهم؟ فحدثني عن هشام بن الغاز، عن مكحول وسليمان بن
--------------------------------------------
৩৬ - আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মাতার আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু তালিব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন যে, আবু আবদুল্লাহ বলেছেন: আহলে কিতাব নারীরা যেন তাদের চুলের দিকে না তাকায়—অর্থাৎ: মুসলিম নারীদের চুলের দিকে। মাকহুল এ কথা বলেছেন এবং একাধিক ব্যক্তি এটি উল্লেখ করেছেন।
৩৭ - এবং আব্দুল মালেক আল-মাইমুনি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু আবদুল্লাহকে আহলে কিতাবভুক্ত ধাত্রী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তখন আমি তাকে বলতে শুনেছি: অনেকে এটি অপছন্দ করেছেন; মাকহুল এবং শামবাসীরা মনে করতেন না যে ধাত্রী ইহুদি বা খ্রিস্টান হওয়া বাঞ্ছনীয়। আর উমর (রা.) শামবাসীদের কাছে লিখেছিলেন: তোমাদের নারীদের সাথে যেন তাদের নারীরা গোসলখানায় প্রবেশ করতে না পারে সে বিষয়ে তাদের বাধা দাও। অতঃপর তিনি বললেন: ওই বর্ণনার সনদ তেমন শক্তিশালী নয়। এরপর তিনি বললেন: আমি মনে করি তারা এই আয়াতের ব্যাখ্যা করেছেন: {আর তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে তাদের স্বামীরা ব্যতীত...}। তিনি আয়াতটি পাঠ করলেন এবং বললেন: এটি তোমাকে একথাই জানায় যে, তার (মুসলিম নারীর) ওই বিষয়টি যেন তার নিজ ধর্মাবলম্বী ব্যতীত অন্য কেউ পরিচালনা না করে।
আমি বললাম: হে আবু আবদুল্লাহ, আপনি কি এটি অপছন্দ করেন যে কোনো খ্রিস্টান বা ইহুদি নারী আমাদের কোনো মুসলিম নারীর ধাত্রী হিসেবে কাজ করবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, আমি এটি অপছন্দ করি।
৩৮ - মুহাম্মদ ইবনে আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহান্না আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আবদুল্লাহকে ইহুদি বা খ্রিস্টান ধাত্রী হওয়ার ত্রুটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি? তিনি বললেন: শামবাসীরা এটি অপছন্দ করেন। আমি বললাম: শামবাসীদের মধ্যে কে? তিনি বললেন: মাকহুল এবং সুলায়মান ইবনে মুসা। আমি বললাম: তাদের পক্ষ থেকে কে এটি বর্ণনা করেছেন? অতঃপর তিনি আমার কাছে হিশাম ইবনুল গাজ-এর সূত্রে মাকহুল এবং সুলায়মান ইবনে... থেকে বর্ণনা করলেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৪০)
موسى أنهم كرهوا القابلة اليهودية والنصرانية، فقلت: من ذكره عن هشام ابن الغاز؟ فقال: حدَّثوني عنه.
39 - أخبرنا عبد الله بن أحمد بن حنبل، قلت لأبي: اليهودية والنصرانية فتقبل - أعني القابلة -؟ قال: لا.
40 - أخبرني صالح بن أحمد بن حنبل أنه قال لأبيه: النصرانية واليهودية والمجوسية يغسلوا
(1) المسلمة؟ قال: لا، قال: فتقبل؟ قال: لا.
41 - أخبرني محمد بن علي، قال: حدثنا صالح.
42 - وأخبرني منصور بن الوليد، أن جعفر بن محمد حدَّثهم.
43 - وأخبرني أحمد بن محمد بن مطر، وزكريا بن يحيى، أن أبا طالب حدثهم، أن أبا عبد الله قال: لا ينبغي أن يقبلوا المسلمات.
44 - أخبرني عبد الله بن محمد، قال: حدثنا بكر بن محمد، قال: سألت أبا عبد الله عن المرأة تموت، فلا يجدون إلا يهودية أو نصرانية تغسلها؟ فقال: يعلموها، ثم قال: لا يعجبني أن تطلع على عورة المسلمة، ثم كأنه ( ...... )
(2) عنها.
…--------------------------------------------
মূসা (থেকে বর্ণিত) যে, তারা ইহুদি ও খ্রিস্টান ধাত্রীকে অপছন্দ করতেন। আমি বললাম: হিশাম ইবনুল গাজ থেকে এটি কে উল্লেখ করেছেন? তিনি বললেন: তারা আমাকে তাঁর পক্ষ থেকে বর্ণনা করেছেন।
৩৯ - আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বিন হাম্বল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বললাম: ইহুদি ও খ্রিস্টান নারী কি প্রসব করাতে পারবে—অর্থাৎ ধাত্রী হিসেবে? তিনি বললেন: না।
৪০ - সালিহ বিন আহমাদ বিন হাম্বল আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি তাঁর পিতাকে জিজ্ঞাসা করেছেন: খ্রিস্টান, ইহুদি ও অগ্নিউপাসক নারী কি মুসলিম নারীকে গোসল করাতে পারবে? তিনি বললেন: না। তিনি (সালিহ) বললেন: তারা কি প্রসব করাতে পারবে? তিনি বললেন: না।
৪১ - মুহাম্মদ বিন আলী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: সালিহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন।
৪২ - এবং মানসুর বিন ওয়ালিদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, জাফর বিন মুহাম্মদ তাঁদের কাছে বর্ণনা করেছেন।
৪৩ - এবং আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন মাতার ও যাকারিয়া বিন ইয়াহইয়া আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু তালিব তাঁদের কাছে বর্ণনা করেছেন যে, আবু আবদুল্লাহ বলেছেন: অমুসলিম নারীদের মুসলিম নারীদের প্রসব করানো উচিত নয়।
৪৪ - আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: বকর বিন মুহাম্মদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আবদুল্লাহকে এমন এক নারী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে মারা গিয়েছে, আর তাকে গোসল করানোর জন্য তারা ইহুদি বা খ্রিস্টান নারী ছাড়া কাউকে খুঁজে পাচ্ছে না? তিনি বললেন: তারা তাকে (পদ্ধতি) শিখিয়ে দেবে। অতঃপর তিনি বললেন: খ্রিস্টান বা ইহুদি নারী মুসলিম নারীর লজ্জাস্থান দেখবে—এটি আমি পছন্দ করি না। অতঃপর তিনি যেন এটি থেকে (......) করলেন।
…--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৪১)
قوله {أوْ مَا مَلَكَتْ أيْمَانُهُن}45 - أخبرنا أبو بكر المروذي، قال: سألت أبا عبد الله: هل ينظر المملوك إلى شعر مولاته؟ قال: لا، قلت لأبي عبد الله: فالخادم الخصي؟ قال: لا.
46 - أخبرني محمد بن جعفر، قال: حدثنا أبو الحارث: أنه سأل أبا عبد الله عن امرأة لها مملوك، وهو غلام مدرك، يحل له أن ينظر إلى شعرها؟ قال: لا.
47 - أخبرني منصور بن الوليد، أن جعفر بن محمد حدثهم، قال: سألت أبا عبد الله عن مملوك الرجل يدخل على امرأته، أو يراها؟ قال: لا، قلت.: فمملوكها؟ قال: لا، هو رجل، ولم يرخص فيه.
48 - أخبرني محمد بن الحسن بن هلال
(1)، قال: سألت أبا عبد الله: أينظر العبد إلى شعر مولاته؟ قال: لا ينظر إلى شعر مولاته، واحتج بحديث سعيد بن المسيب.
49 - أخبرني محمد بن الحسن، أن الفضل بن زياد حدثهم، قال:
--------------------------------------------
তাঁর বাণী {অথবা যাদের মালিক হয়েছে তাদের ডান হাত (তাদের দাস-দাসী)} প্রসঙ্গে৪৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আল-মারওয়াযী, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞেস করেছি: ক্রীতদাস কি তার মালকিনের চুলের দিকে তাকাতে পারবে? তিনি বললেন: না। আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: তবে কি খাসি (নপুংসক) খাদেম তাকাতে পারবে? তিনি বললেন: না।
৪৬ - আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে জাফর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-হারিস: তিনি আবু আব্দুল্লাহকে এমন এক নারী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছেন যার একজন ক্রীতদাস রয়েছে এবং সে প্রাপ্তবয়স্ক কিশোর; তার জন্য কি সেই নারীর চুলের দিকে তাকানো হালাল হবে? তিনি বললেন: না।
৪৭ - আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মানসুর ইবনুল ওয়ালিদ, জাফর ইবনে মুহাম্মদ তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে কোনো ব্যক্তির ক্রীতদাস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি যে তার (মালিকের) স্ত্রীর নিকট প্রবেশ করবে অথবা তাকে দেখবে? তিনি বললেন: না। আমি বললাম: তবে তার নিজের (নারীর) ক্রীতদাস? তিনি বললেন: না, সে একজন পুরুষ, আর এর অনুমতি দেওয়া হয়নি।
৪৮ - আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে হিলাল, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞেস করেছি: ক্রীতদাস কি তার মালকিনের চুলের দিকে তাকাতে পারবে? তিনি বললেন: সে তার মালকিনের চুলের দিকে তাকাবে না, এবং তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিবের হাদীস দ্বারা দলিল পেশ করেছেন।
৪৯ - আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনুল হাসান, ফাদল ইবনে যিয়াদ তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৪২)
سألت أبا عبد الله عن الخصي ينظر إلى شعر المرأة؟ قال: لا.
50 - أخبرنا أحمد بن محمد بن حازم، أن إسحاق بن منصور حدثهم: أنه قال لأبي عبد الله: العبد ينظر إلى شعر مولاته؟ قال: لا.
51 - أخبرني حرب بن إسماعيل الكرماني، أنه قال لأبي عبد الله: العبد ينظر إلى شعر مولاته؟ قال: لا، قال: فالمكاتب؟ قال: المكاتب أشد.
52 - أخبرني الحسن بن عبد الوهاب، قال: حدثنا إبراهيم بن هانيء.
53 - وأخبرنا محمد بن علي، قال: حدثنا محمد بن موسى بن مشيش، أن أبا عبد الله: سئل عن العبد ينظر إلى شعر مولاته، قال: لا، قيل: فالمكاتب؟ قال: المكاتب أشد.
54 - أخبرني محمد بن علي، حدثنا صالح، أنه سأل اباه عن المرأة تأكل مع غلامها، او غير ذى محرم، قال: لا، يكره قلت: ان مالكا يقول تأكل المرأة مع غلامها، فتعجب من ذلك.
55 - أخبرني محمد بن أبي هارون، أن اسحاق بن ابراهيم حدَّثهم، قال: قلت لأبي عبد الله: المملوك ينظر إلى وجه مولاته وكفها؟ قال: لا ينظر إلى وجهها وكفها.
--------------------------------------------
আমি আবু আব্দুল্লাহকে খোজা (নপুংসক) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যে সে কি কোনো মহিলার চুলের দিকে তাকাতে পারে? তিনি বললেন: না।
৫০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাযিম, ইসহাক বিন মানসুর তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: তিনি আবু আব্দুল্লাহকে বললেন: দাস কি তার মনিব মহিলার চুলের দিকে তাকাতে পারে? তিনি বললেন: না।
৫১ - আমাকে সংবাদ দিয়েছেন হারব বিন ইসমাইল আল-কিরমানি, তিনি আবু আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞেস করেছেন: দাস কি তার মনিব মহিলার চুলের দিকে তাকাতে পারে? তিনি বললেন: না। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: মুকাতাব দাসের (চুক্তিবদ্ধ দাস) ক্ষেত্রে কী হবে? তিনি বললেন: মুকাতাব দাসের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও কঠোর।
৫২ - আমাকে সংবাদ দিয়েছেন হাসান বিন আব্দুল ওয়াহহাব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন হানি।
৫৩ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আলী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন মুসা বিন মুশাইশ যে, আবু আব্দুল্লাহকে দাস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে সে কি তার মনিব মহিলার চুলের দিকে তাকাতে পারে? তিনি বললেন: না। জিজ্ঞেস করা হলো: মুকাতাব দাসের ক্ষেত্রে কী হবে? তিনি বললেন: মুকাতাব দাসের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও কঠোর।
৫৪ - আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আলী, সালেহ আমাদের বর্ণনা করেছেন যে, তিনি তাঁর পিতাকে কোনো নারী তাঁর দাসের সাথে অথবা কোনো গায়রে মাহরামের সাথে খাবার খাওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছেন। তিনি বললেন: না, এটি অপছন্দনীয়। আমি বললাম: মালিক (ইমাম মালিক) তো বলেন যে নারী তাঁর দাসের সাথে খাবার খেতে পারে, এতে তিনি (ইমাম আহমাদ) বিস্ময় প্রকাশ করলেন।
৫৫ - আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আবি হারুন, ইসহাক বিন ইব্রাহিম তাঁদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞেস করলাম: দাস কি তাঁর মনিব মহিলার চেহারা এবং হাতের তালুর দিকে তাকাতে পারে? তিনি বললেন: সে তাঁর চেহারা এবং হাতের তালুর দিকে তাকাবে না।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৪৩)
56 - أخبرني عبد الملك بن عبد الحميد، قال: قرأت على أبي عبد الله: العبد ينظر إلى شعر سيدته؟ قال: هو موضع فيه شنعة، ابن عباس يسهل فيه، وابن المسيب يقول: لا تغرنكم هذه الآية: {إِلأَ مَا مَلَكَتْ أيمَانُكُمْ} إنما يعني: الأماء، قلت: يا أبا عبد الله: تحتاج في الإماء إلى تنزيل - وما تكلم الناس في أن الأمة تنظر إلى شعر سيدها، وأن على الأمة من شعر سيدتها أو يديها شيء -؟ قال لي: فينظر العبد إلى جسدها؟! قلت: الجسد لم يتكلم الناس فيه، والشعر واليد لعله شيء لا يُضبط، وهو ملكها، يراهاْ في كل وقت، وأظنه قال في هذا الموضع: هي مسألة فيها شنعة، إلا أني فارقته على أن الكراهية فيه أن ينظر العبد إلى شعر سيدته.
57 - حدثنا عبد الله بن أحمد بن حنبل، قال: حدثني أبي، قال: حدثنا حجاج، عن ابن جريج، قال: أخبرني عمرو بن دينار، عن بجالة التميمي: {إلاَّ مَا مَلَكَتْ أيْمَانُكُمْ} [النور: 58] في القراءة الأولى: إلا الذين لم يبلغوا الحلم مما ملكت أيمانكم.
58 - أخبرنا الحسن بن سفيان المصيصي، قال: حدثنا محمد بن آدم ابن سليمان، قال: حدثنا محمد بن ميسر
(1)، عن ابن جريج، عن أبي
--------------------------------------------
56 - আব্দুল মালিক ইবনে আব্দুল হামিদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহর (ইমাম আহমাদ) নিকট পাঠ করেছি: গোলাম কি তার কর্ত্রীর চুলের দিকে তাকাতে পারবে? তিনি বললেন: এটি এমন একটি বিষয় যাতে বীভৎসতা রয়েছে। ইবনে আব্বাস এই বিষয়ে শিথিলতা প্রদর্শন করতেন, কিন্তু ইবনে আল-মুসাইয়িব বলেন: এই আয়াত যেন তোমাদের প্রতারিত না করে: {তোমাদের দক্ষিণ হস্ত যাদের মালিক হয়েছে তারা ব্যতীত}; এটি কেবল দাসীদের বোঝানো হয়েছে। আমি বললাম: হে আবু আব্দুল্লাহ! দাসীদের ক্ষেত্রে কি নতুন করে অবতীর্ণ হওয়ার প্রয়োজন আছে - অথচ মানুষ দাসীর তার মুনিবের চুলের দিকে তাকানো সম্পর্কে কোনো কথা বলে না, অথবা দাসীর তার কর্ত্রীর চুল বা হাতের কোনো অংশ দেখার বিষয়েও কিছু বলে না -? তিনি আমাকে বললেন: তাহলে কি গোলাম তার শরীরের দিকে তাকাবে?! আমি বললাম: শরীর নিয়ে তো মানুষ কথা বলে না; আর চুল ও হাতের বিষয়টি এমন হতে পারে যা নিয়ন্ত্রণ করা যায় না, যেহেতু সে তার মালিকানাধীন এবং তাকে সব সময় দেখে। আমার ধারণা তিনি এই স্থলে বলেছিলেন: এটি এমন একটি মাসআলা যাতে বীভৎসতা রয়েছে। তবে আমি তার নিকট হতে এই সিদ্ধান্তে পৃথক হলাম যে, গোলাম তার কর্ত্রীর চুলের দিকে তাকানো অপছন্দনীয়।
57 - আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাজ্জাজ আমাদের নিকট ইবনে জুরাইজ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আমর ইবনে দীনার থেকে, তিনি বাজালা আত-তামিমী থেকে বর্ণনা করেছেন: {তোমাদের দক্ষিণ হস্ত যাদের মালিক হয়েছে তারা ব্যতীত} [আন-নূর: ৫৮] প্রথম কিরাআত অনুযায়ী: তোমাদের দক্ষিণ হস্ত যাদের মালিক হয়েছে তাদের মধ্যে যারা সাবালকত্ব লাভ করেনি তারা ব্যতীত।
58 - হাসান ইবনে সুফিয়ান আল-মাসসীসী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আদম ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে মুইয়াসসার
(১) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি আবু... থেকে
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৪৪)
الزبير، عن جابر: أنه كان يكره أن ينظر العبد الى شعر مولاته، أو تضع خمارها عند عبد زوجها.
59 - أخبرني عبد الله بن أحمد، قال: سمعت أبي يقول: لا ينظر العبد الى شعر مولاته، وكرهه.
قال أبي: وروي عن ابن عباس أنه قال: لا بأس أن ينظر العبد إلى شعر مولاته، فكأنه تأول: {أو مَا مَلَكَتْ أيْمَانُهُنَّ}، وقال سعيد بن المسيب: لا تغرنكم هذه الآية التي في سورة النور: {أو مَا مَلَكَتْ أيْمَانُهُن} إنما عنى بها الإماء، لا ينبغي للمرأة أن ينظر عبدها إلى جبينها، ولا الى قرطها، ولا الى شعرها، ولا الى شيء من محاسنها.
60 - أخبرنا عبد الله بن أحمد، قال: حدثنا أبي، قال: حدثنا أبو قتيبة سلم بن قتيبة، قال: حدثنا يونس بن أبي إسحاق، عن طارق، عن سعيد بن المسيب
… بهذا الحديث.
قال أبي: وبلغني عن ابن مهدي، عن حسين بن عربي
(1)، عن
--------------------------------------------
যুবাইর থেকে বর্ণিত, জাবির (রা.) সম্পর্কে: তিনি অপছন্দ করতেন যে গোলাম তার মালকিনের চুলের দিকে তাকাবে, অথবা (মালকিন) তার স্বামীর গোলামের সামনে মাথার ওড়না খুলবে।
৫৯ - আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ আমাকে জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: গোলাম তার মালকিনের চুলের দিকে তাকাবে না; তিনি একে অপছন্দ করেছেন।
আমার পিতা বলেন: ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে তিনি বলেছেন: গোলাম তার মালকিনের চুলের দিকে তাকালে কোনো সমস্যা নেই। সম্ভবত তিনি এই আয়াতের ব্যাখ্যা করেছেন: {অথবা তাদের অধিকারভুক্ত দাস-দাসীরা}। আর সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব বলেছেন: সূরা আন-নূরের এই আয়াত {অথবা তাদের অধিকারভুক্ত দাস-দাসীরা} যেন তোমাদের ধোঁকায় না ফেলে; এর দ্বারা কেবল দাসীদের বোঝানো হয়েছে। কোনো নারীর জন্য উচিত নয় যে তার গোলাম তার কপাল, তার কানের দুল, তার চুল বা তার সৌন্দর্যের কোনো কিছুর দিকে তাকাবে।
৬০ - আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু কুতাইবা সালাম বিন কুতাইবা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইউনুস বিন আবি ইসহাক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন তারিক থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে
… এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
আমার পিতা বলেন: ইবনে মাহদী থেকে আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে, তিনি হুসাইন বিন আরাবি
(১) থেকে, তিনি
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৪৫)
يونس بن أبي إسحاق
… هذا الحديث.
قال أبي: حدثناه يحيى بن سعيد، عن سفيان، قال: حدثني أبو حصين، عن أبي عبد الرحمن السلمي في قوله:
{لِيَسْتَأذٍنَكُمْ الَذيِن مَلَكَتْ اًيْمَانُكُمْ} [النور: 58] إنما عني بها النساء.
61 - أخبرني عبد الله بن أحمد بن حنبل، قال: حدثني أبي، قال: حدثنا هشيم، عن يونس، عن الحسن، قال:
كان يُكره أن ينظر العبد إلى شعر مولاته.
62 - أخبرنا عبد الله، قال: حدثني أبي، قال: حدثنا عبد الرحمن
--------------------------------------------
ইউনুস ইবনু আবি ইসহাক
… এই হাদিস।
আমার পিতা বলেন: আমাদের কাছে এটি ইয়াহইয়া বিন সাঈদ বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফইয়ান থেকে, তিনি বলেন: আবু হাসিন আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামী থেকে আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে:
{তোমাদের মালিকানাধীন দাস-দাসীরা যেন তোমাদের নিকট অনুমতি গ্রহণ করে} [আন-নূর: ৫৮] এর দ্বারা মূলত নারীদের (দাসী) বোঝানো হয়েছে।
৬১ - আব্দুল্লাহ ইবনু আহমাদ ইবনু হাম্বল আমাকে অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হুশাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইউনুস থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি বলেন:
দাসের জন্য তার মুনিব-নারীর চুলের দিকে তাকানো অপছন্দনীয় ছিল।
৬২ - আব্দুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৪৬)
ابن مهدي، عن سفيان، عن ليث، عن مجاهد وطاوس:
أنهما كرها أن ينظر العبد إلى شعر مولاته، وكان طاوس يكره أن ينظر إلى شعر ابنته أو أخته.
63 - أخبرني محمد بن عمر، قال: سمعت أخي أبا علي، يقول: قال بشر لأخته: لا تدخلي على إلا منتقبة.
64 - أخبرني عبد الملك الميموني، قال: حدثنا أحمد بن شبيب البصري، قال: حدثنا أبي، قال: حدثنا يونس بن يزيد، عن محمد بن مسلم، عن ابن المسيب، قال: يستأذن الرجل على أمه، فإنها نزلت: {وإِذَا بَلَغَ الأطْفَالُ مِنْكُمُ الحُلُمَ فَلْيَسْتَأذِنُوا} [النور: 59] في ذلك.
65 - أخبرني محمد بن علي، قال: حدثنا الأثرم، قال: سألت أبا عبد الله عن العبد ينظر إلى شعر مولاته، فقال: لا ينظر إلى شعر مولاته،
--------------------------------------------
ইবনে মাহদী, সুফিয়ান থেকে, তিনি লাইস থেকে, তিনি মুজাহিদ ও তাউস থেকে বর্ণনা করেন:
তাঁরা উভয়ে দাসের জন্য তার মুনিব-নারীর চুলের দিকে তাকানোকে অপছন্দ করতেন। আর তাউস তাঁর কন্যা বা বোনের চুলের দিকে তাকানোকেও অপছন্দ করতেন।
৬৩ - মুহাম্মদ বিন উমর আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আমার ভাই আবু আলীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: বিশর তাঁর বোনকে বলেছিলেন: নেকাব পরিহিত অবস্থা ছাড়া আমার কাছে প্রবেশ করো না।
৬৪ - আব্দুল মালিক আল-মাইমুনি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন শাবিব আল-বাসরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইউনুস বিন ইয়াজিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন মুসলিম থেকে, তিনি ইবনুল মুসায়্যিব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ব্যক্তি তার মায়ের কক্ষে প্রবেশের জন্য অনুমতি প্রার্থনা করবে, কেননা এ বিষয়ে এই আয়াত নাযিল হয়েছে: {এবং তোমাদের সন্তানদের মধ্যে যারা বয়ঃপ্রাপ্ত হয়েছে, তারা যেন অবশ্যই অনুমতি প্রার্থনা করে} [আন-নূর: ৫৯]।
৬৫ - মুহাম্মদ বিন আলী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-আছরাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে দাসের তার মুনিব-নারীর চুলের দিকে তাকানো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন: সে তার মুনিব-নারীর চুলের দিকে তাকাবে না।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
وذكر حديث سعيد بن المسيب، قلت له: فما قوله {أوْ مَا مَلَكَتْ أيْمَانُكُمْ}، قال: يقول: من النساء.
قيل لأبي عبد الله: الخصي ينظر إلى شعر مولاته؟ قال: لا، قيل: الخصي وغير الخصي عندك في هذا سواء؟ قال: نعم، وجعل يستعظم ما يستجيز بعض الناس من إدخال الخصيان على نسائهم.
وذكرت لأبي عبد الله حديث ابن عباس: لا بأس أن ينظر إلى شعر مولاته، فقال: ابن عباس كان له تأويل في القرآن كثير، ثم قال: وهذا من أي وجه هو؟ قلت له: السدي، عن أبي مالك، عن ابن عباس، فقال: نعم، قلت: أفليس هذا إسناد؟ قال: ليس به بأس.
66 - أخبرني أحمد بن محمد بن مطر، أن أبا طالب حدثهم، أنه سأل أبا عبد الله: يرى العبد شعر مولاته؟ قال: لا، قلت: حديث ابن عباس؛ شريك يقول: عن السدي، عن أبي مالك، عن ابن عباس، قال: لا بأس أن يرى العبد شعر مولاته، قال: لم يرو هذا غير السدي، وكان ابن عباس يتأول هذه الآية في النور: {وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُن} قرأ إلى: {أوْ مَا مَلَكَتْ أيْمَانُهُن} وقال ابن المسيب: لا تغرنكم هذه الأية في سورة النور، لا ينظر العبد إلى شعر مولاته.
قال أبو عبد الله: وهو رجل ينظر إليها على حال لا ينبغي أن ينظر، فهذا أعجب إلى، ولم يُسمع إلي حديث السدي عن أبي مالك، عن ابن عباس، فأما التابعن فغير واحد نهى عنه.
--------------------------------------------
এবং তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিবের হাদিস উল্লেখ করেছেন; আমি তাকে বললাম: তবে আল্লাহর এই বাণীর অর্থ কী {অথবা তোমাদের ডান হাত যাদের মালিক হয়েছে}? তিনি বললেন: তিনি বলেন: এটি নারীদের মধ্য থেকে।
আবু আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞাসা করা হলো: খাসি (খোজাকৃত ব্যক্তি) কি তার মালকিনের চুলের দিকে তাকাতে পারে? তিনি বললেন: না। জিজ্ঞাসা করা হলো: আপনার নিকট কি এক্ষেত্রে খাসি এবং অ-খাসি সমান? তিনি বললেন: হ্যাঁ। আর কিছু লোক তাদের নারীদের কাছে খাসিদের প্রবেশ করানোর যে অনুমতি দেয়, সেটাকে তিনি অত্যন্ত গুরুতর (অপছন্দনীয়) মনে করতে লাগলেন।
আমি আবু আব্দুল্লাহর কাছে ইবনে আব্বাসের হাদিসটি উল্লেখ করলাম যে: "ক্রীতদাসের তার মালকিনের চুলের দিকে তাকানোতে কোনো অসুবিধা নেই।" তখন তিনি বললেন: ইবনে আব্বাসের কুরআনের অনেক ব্যাখ্যা ছিল। এরপর তিনি বললেন: এটি কোন সূত্রে বর্ণিত? আমি তাকে বললাম: সুদ্দী, আবু মালিক থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে। তিনি বললেন: হ্যাঁ। আমি বললাম: এটি কি একটি (গ্রহণযোগ্য) সনদ নয়? তিনি বললেন: এতে কোনো অসুবিধা নেই।
৬৬ - আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মাতার আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু তালিব তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন: ক্রীতদাস কি তার মালকিনের চুল দেখতে পারে? তিনি বললেন: না। আমি বললাম: ইবনে আব্বাসের হাদিস; শারিক সুদ্দী থেকে, তিনি আবু মালিক থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: ক্রীতদাসের তার মালকিনের চুল দেখায় কোনো দোষ নেই। তিনি বললেন: সুদ্দী ছাড়া অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেনি। আর ইবনে আব্বাস সূরা নূরের এই আয়াতের ব্যাখ্যা করতেন: {এবং তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে}, তিনি {অথবা তাদের ডান হাত যাদের মালিক হয়েছে} পর্যন্ত পাঠ করেন। ইবনুল মুসায়্যিব বলেছেন: সূরা নূরের এই আয়াত যেন তোমাদের বিভ্রান্ত না করে; ক্রীতদাস তার মালকিনের চুলের দিকে তাকাবে না।
আবু আব্দুল্লাহ বললেন: সে একজন পুরুষ যে তার (মালকিনের) দিকে এমন অবস্থায় তাকাচ্ছে যেভাবে তাকানো অনুচিত, তাই এটিই (নিষেধাজ্ঞাই) আমার কাছে অধিক পছন্দনীয়। আর সুদ্দীর সূত্রে আবু মালিক থেকে ইবনে আব্বাসের হাদিসটি আমার শ্রুত নয়। তবে তাবেয়ীদের মধ্যে একাধিক ব্যক্তি এটি নিষেধ করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহকামুন নিসা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৪৮)
ْ 67 - أخبرني محمد بن علي الوراَّق، أن حمدان بن علي الوراَّق حدَّثهم، أن أبا عبد الله قيل له: فالخادم يرى شعر سيدته؟ فرأيته يكرهه، ورأيته يكره شراء الخصيان ودخولهم على النساء.
68 - وقال هشيم: حدثنا يونس، عن الحسن، ومغيرة، عن الشعبي: كره أن ينظر العبد إلى شعر سيدته.
فذُكر له حديث السدي، عن أبي مالك، عن ابن عباس: لا بأس به، قال: الثوري يقول: أراه عن ابن عباس.
69 - كتب إليَّ أحمد بن الحسن، قال: حدثنا بكر بن محمد، عن أبيه، عن أبي عبد الله، وسأله عن الرجل يشتري الغلام الخصي؟ فقال: إن تنزه عنه الرجل فهو أحب إليَّ، ما يعجبني، رجل صالح يشتري خصيًّا؟! قال: لو أن الناس تركوا شراء الخصيان لم يُخصون.
70 - وأخبرني محمد بن موسى، أن اسحاق بن إبراهيم حدَّثهم، قال: سألت أبا عبد الله عن الخصي، أيجوز له أن ينظر إلى شعر المرأة؟ قال: لا ينظر إليها إذا كان مثله قد بلغ الحلم.
--------------------------------------------
৬৭ - মুহাম্মদ বিন আলী আল-ওয়াররাক আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, হামদান বিন আলী আল-ওয়াররাক তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আবু আব্দুল্লাহকে (ইমাম আহমাদ) জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: খাদেম কি তার কর্ত্রীর চুল দেখতে পারে? আমি দেখলাম তিনি একে অপছন্দ করছেন এবং আমি তাকে খোজা (নপুংসক) কেনা এবং তাদের নারীদের কাছে প্রবেশ করা অপছন্দ করতে দেখলাম।
৬৮ - হুশাইম বলেন: ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান থেকে এবং মুগীরা বর্ণনা করেছেন শা’বি থেকে: তিনি কৃতদাসের জন্য তার কর্ত্রীর চুলের দিকে তাকানো অপছন্দ করতেন। তখন তার সামনে সুদ্দি-এর হাদিস উল্লেখ করা হলো, যা তিনি আবু মালিক থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন যে: এতে কোনো সমস্যা নেই। তিনি (আবু আব্দুল্লাহ) বললেন: সাওরী বলেন, আমি মনে করি এটি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত।
৬৯ - আহমাদ বিন আল-হাসান আমার নিকট লিখেছেন, তিনি বলেন: বকর বিন মুহাম্মদ তার পিতা থেকে এবং তিনি আবু আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি তাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন এমন লোক সম্পর্কে যে খোজা বালক ক্রয় করে? তিনি বললেন: যদি কোনো ব্যক্তি তা থেকে বিরত থাকে তবে তা আমার নিকট অধিক পছন্দনীয়। এটি আমার পছন্দ নয় যে, একজন নেককার লোক খোজা ক্রয় করবে! তিনি বললেন: মানুষ যদি খোজা কেনা ছেড়ে দিত, তবে কাউকে খোজা করা হতো না।
৭০ - মুহাম্মদ বিন মূসা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, ইসহাক বিন ইব্রাহিম তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে খোজা ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি যে, তার জন্য কি মহিলার চুলের দিকে তাকানো জায়েজ? তিনি বললেন: সে যেন তার দিকে না তাকায় যদি তার সমপর্যায়ের কেউ প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার বয়সে পৌঁছে যায়।
--------------------------------------------