(খণ্ড: ১) আশরাতু আহাদিসা মিনাল জুজইল মুনতাকা আল-আউয়াল ওয়াস-সানি মিন হাদিসিল লাইস (পৃষ্ঠা: -)
عشرة أحاديث من الجزء المنتقى الأول والثاني من حديث الليث   (الليث بن سعد)

القسم: كتب السنة


الكتاب: عشرة أحاديث من الجزء المنتقى الأول والثاني من حديث الليث (مطبوع ضمن مجموع باسم الفوائد لابن منده!)

المؤلف: أبو الحارث الليث بن سعد بن عبد الرحمن الفهمي المصري (ت 175هـ)

تحقيق: خلاف محمود عبد السميع

الناشر: دار الكتب العلمية، بيروت - لبنان

الطبعة: الأولى، 1423 هـ - 2002 م

عدد الصفحات: 79

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

লায়সের হাদীস থেকে সংগৃহীত প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ডের দশটি হাদীস   (লায়স বিন সাদ)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: লায়সের হাদীস থেকে সংগৃহীত প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ডের দশটি হাদীস (ইবনে মানদাহ-এর আল-ফাওয়ায়েদ নামক সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়ে মুদ্রিত!)

লেখক: আবু আল-হারিস লায়স বিন সাদ বিন আব্দুর রহমান আল-ফাহমি আল-মিসরি (মৃত্যু ১৭৫ হিজরি)

তাহকীক: খিলাফ মাহমুদ আব্দুস সামি

প্রকাশক: দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ, বৈরুত - লেবানন

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৩ হিজরি - ২০০২ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭৯

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আশরাতু আহাদিসা মিনাল জুজইল মুনতাকা আল-আউয়াল ওয়াস-সানি মিন হাদিসিল লাইস (পৃষ্ঠা: ৭৭)
1384 - أَخْبَرَنَا شَيْخُ الإِسْلامِ، وَالْحَافِظُ أَبُو الْفَضْلِ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حُجْرٍ الْعَسْقَلانِيُّ، إِجَازَةً، إِنْ لَمْ يَكُنْ سَمَاعًا، وَقَرَأْتُ عَلَى هَاجَرَ بِنْتِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الْمَقْدِسِيِّ فِي يَوْمِ الأَحَدِ ثَامِنَ عَشْرَ مِنْ رَمَضَانَ سَنَةَ 868، قَالا: أَخْبَرَتْنَا الشَّيْخَةُ الصَّالِحَةُ مَرْيَمُ ابْنَةُ الشَّيْخِ شِهَابِ الدِّينِ أَحْمَدَ ابْنِ قَاضِي الْقُضَاةِ شَمْسِ الدِّينِ مُحَمَّدِ بْن إِبْرَاهِيمَ الأَذْرَعِيِّ، سَمَاعًا، لِلأَوَّلِ بِقِرَاءَتِهِ فِي ثَانِي عَشَرَ مِنْ شَهْرِ رَجَبٍ الْفَرْدِ سَنَةَ. .، وَإِجَازَةً لِلثَّانِيَةِ إِنْ لَمْ يَكُنْ سَمَاعًا، أَنْبَأَنَا أَبُو النُّونِ يُونُسُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ الْقَوِيِّ الدَّبُّوسِيُّ، إِجَازَةً، إِنْ لَمْ يَكُنْ سَمَاعًا، أَنْبَأَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُغِيرَةِ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْقَاسِمِ سَعِيدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ. . . . . . . .، أَنْبَأَنَا الشَّرِيفُ أَبُو نَصْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الزَّيْنَبِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنْبَأَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ خَلَفٍ الْوَرَّاقُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الأَشْعَثِ السِّجِسْتَانِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى عِيسَى بْنُ حَمَّادٍ زُغْبَةُ التُّجِيبِيُّ رَحِمَهُ اللَّهُ تَعَالَى،

 

1385 - أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه، قَالَ: قُلْتُ لِلْمَقْدَادِ: سَلْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَإِنِّي لَوْلا أَنِّي تَحْتِي ابْنَتُهُ سَأَلْتُهُ عَنْ أَحَدِنَا إِذَا اقْتَرَبَ مِنَ الْمَرْأَةِ فَأَمْذَى، وَلَمْ يَمْلِكْ، وَلَمْ يَمَسَّهَا، فَسَأَلَ الْمَقْدَادُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«إِذَا أَمْذَى أَحَدُكُمْ وَلَمْ يَمَسَّهَا، فَلْيَغْسِلْ ذَكَرَهُ وَأُنْثَيَيْهِ، ثُمَّ لِيَتَوَضَّأْ وَلْيُصَلِّ»

1386 - أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عُمَرَ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ، أَنَّهُ رَأَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي بَيْتِ أُمِّ سَلَمَةَ ‌‌«مُشْتَمِلا فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ»

1387 - أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْن الْقَاسِمِ، عَنْ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ: " ذَكَرْتُ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّ صَفِيَّةَ بِنْتَ حُيَيٍّ زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم‌‌ حَاضَتْ فِي أَيَّامِ مِنًى، فَقَالَ: «أَحَابِسَتُنَا هِيَ؟» فَقَالُوا: إِنَّهَا قَدْ أَفَاضَتْ.

قَالَ: «فَلا إِذًا»
১৩৮৪ - শায়খুল ইসলাম, হাফিয আবুল ফজল আহমদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন হাজার আল-আসকালানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—অনুমতিসূত্রে, যদি শ্রবণের মাধ্যমে না হয়ে থাকে—এবং আমি হাজার বিনতে মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আবী বকর আল-মাকদিসীর নিকট ৮৬৮ হিজরী সালের ১৮ই রমজান রবিবার পাঠ করেছি; তাঁরা উভয়ে বলেছেন: পুণ্যবতী শায়খা মারইয়াম বিনতে শায়খ শিহাবুদ্দীন আহমদ বিন কাযিউল কুযাত শামসুদ্দীন মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম আল-আযরয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—শ্রবণের মাধ্যমে, প্রথম ব্যক্তির জন্য তাঁর পাঠের মাধ্যমে হিজরী... সালের রজব মাসের ১২ তারিখে, এবং দ্বিতীয় ব্যক্তির জন্য অনুমতিসূত্রে যদি শ্রবণের মাধ্যমে না হয়ে থাকে; আবুল নুন ইউনুস বিন ইবরাহীম বিন আব্দুল কাবী আদ-দাব্বুসী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—অনুমতিসূত্রে, যদি শ্রবণের মাধ্যমে না হয়ে থাকে; আবুল হাসান আলী বিন আবী আব্দুল্লাহ বিন আল-মুগীরা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবুল কাসিম সাঈদ বিন আহমদ বিন আল-হাসান বিন... আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আশ-শরীফ আবু নাসর মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আলী আজ-যায়নাবী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে যখন আমি শ্রবণ করছিলাম; আবু বকর মুহাম্মদ বিন উমর বিন আলী বিন খালাফ আল-ওয়াররাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আব্দুল্লাহ বিন সুলাইমান বিন আল-আশআছ আস-সিজিস্তানী আমাদের বর্ণনা করেছেন; আবু মূসা ঈসা বিন হাম্মাদ যুগবা আত-তুজীবি (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন) আমাদের বর্ণনা করেছেন।

 

১৩৮৫ - আল-লাইছ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিশাম থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আলী বিন আবী তালিব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি মিকদাদকে বললাম: আপনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করুন; কারণ তাঁর কন্যা আমার বিবাহাধীনে থাকার কারণে আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করতে পারছিলাম না—আমাদের কেউ যখন তার স্ত্রীর নিকটবর্তী হয় এবং তার মযী (উত্তেজনাজনিত তরল) নির্গত হয় অথচ সে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি এবং তাকে স্পর্শও (সংগম) করেনি (তবে তার করণীয় কী)। অতঃপর মিকদাদ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: ‌‌“তোমাদের কেউ যখন মযী নির্গত হতে দেখে অথচ সে তাকে স্পর্শ (সংগম) করেনি, তবে সে যেন তার লিঙ্গ ও অণ্ডকোষদ্বয় ধৌত করে, এরপর ওযু করে এবং সালাত আদায় করে।”

১৩৮৬ - আল-লাইছ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিশাম থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি উমর বিন আবী সালামাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে উম্মে সালামাহর ঘরে ‌‌“একটি মাত্র কাপড় জড়িয়ে থাকা অবস্থায়” দেখেছেন।

১৩৮৭ - আল-লাইছ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান বিন আল-কাসিম থেকে, তিনি আল-কাসিম বিন মুহাম্মদ থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: “আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উল্লেখ করলাম যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী সাফিয়্যাহ বিনতে হুয়াই ‌‌মিনার দিনগুলোতে ঋতুবতী হয়েছেন। তখন তিনি বললেন: «সে কি আমাদের আটকে রাখবে?» তাঁরা বললেন: তিনি তো (আগেভাগেই) তাওয়াফে ইফাযা সম্পন্ন করেছেন।

তিনি বললেন: «তবে এখন আর নয় (অর্থাৎ সে আমাদের আটকে রাখবে না)»।
(খণ্ড: ১) আশরাতু আহাদিসা মিনাল জুজইল মুনতাকা আল-আউয়াল ওয়াস-সানি মিন হাদিসিল লাইস (পৃষ্ঠা: ৭৮)
1388 - أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، أَنَّهَا قَالَتْ: ‌‌«طَيَّبْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِحَرَمِهِ وَلِحِلِّهِ»

1389 - أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَسْمَاءَ ابْنَةِ أَبِي بَكْرٍ، أَنَّهَا قَالَتْ: رَأَيْتُ زَيْدَ بْنَ عَمْرِو بْنِ نُفَيْلٍ قَائِمًا مُسْنِدًا ظَهْرَهُ إِلَى الْكَعْبَةِ، يَقُولُ: " يَا مَعْشَرَ قُرَيْشٍ، وَاللَّهِ‌‌ مَا فِيكُمْ أَحَدٌ عَلَى دِينِ إِبْرَاهِيمَ غَيْرِي، وَكَان يُحْيِي الْمَوْءُودَةَ، يَقُولُ لِلرَّجُلِ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَقْتُلَ ابْنَتَهُ: مَهْ لا تَقْتُلْهَا، أَنَا أَكْفِيكَ مُؤْنَتَهَا فَيَأْخُذُهَا، فَإِذَا تَرَعْرَعَتْ، قَالَ لأَبِيهَا: إِنْ شِئْتَ دَفَعْتُهَا إِلَيْكَ، وَإِنْ شِئْتَ كَفَيْتُكَ مُؤْنَتَهَا ".

1390 - أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، قَالَتْ: "‌‌ سُحِرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، حَتَّى كَانَ يُخَيَّلُ إِلَيْهِ أَنَّهُ يَعْمَلُ الشَّيْءَ وَمَا يَفْعَلُهُ، حَتَّى إِذَا كَانَ ذَاتَ يَوْمٍ دَعْا دُعَاءً، ثُمَّ قَالَ لِي: " أُشْعِرْتُ أَنَّ اللَّهَ عز وجل أَفْتَانِي بِمَا فِيهِ شِفَائِي، أَتَانِي رَجُلانِ فَقَعَدَ أَحَدُهُمَا عِنْدَ رَأْسِي وَالآخَرُ عِنْدَ رِجْلِي، فَقَالَ أَحَدُهُمَا لِلآخَرِ: مَا وَجَعُ الرَّجُلِ.

فَقَالَ الآخَرُ: مَطْبُوبٌ.

فَقَالَ: مَنْ طَبَّهُ.

يَعْنِي: سَحَرَهُ؟ فَقَالَ: لَبِيدُ بْنُ الأَعْصَمِ.

فَقَالَ: فِي مَاذَا؟ قَالَ: فِي مُشْطٍ وَمُشَاطَةٍ، وَجُفِّ طَلْعَةِ ذَكَرٍ.

قَالَ: وَأَيْنَ هُوَ؟ قَالَ: فِي ذِرْوَانَ.

فَخَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَيْهَا، ثُمَّ رَجَعَ، فَقَالَ لِعَائِشَةَ رضي الله عنها حِينَ رَجَعَ: نَخْلُهَا كَأَنَّهُ رُءُوسُ الشَّيَاطِينِ، وَكَأَنَّ مَاءَهَا بِقَاعُ الْحِنَّاءِ، قَالَتْ: فَقُلْتُ: مَا اسْتَخْرَجْتُهُ؟ قَالَ: لا أَمَّا أَنَا فَقَدْ شَفَانِي اللَّهُ عز وجل، وَخَشِيتُ أَنْ يُثِيرَ ذَلِكَ عَلَى النَّاسِ شَرًّا، ثُمَّ دَفَنْتُ الْبِئْرَ "

1391 - أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، أَنَّهَا قَالَتْ: «لَقَدْ كُنْتُ‌‌ أُطَيِّبُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عِنْدَ إِحْرَامِهِ بِأَطْيَبِ مَا أَجِدُ»

1392 - أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ نَافِعِ بْنِ
১৩৮৮ - লাইস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনুল কাসিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: ‌«আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে তাঁর ইহরামের জন্য এবং ইহরাম খোলার সময়ের জন্য সুগন্ধি মাখিয়ে দিতাম»

১৩৮৯ - লাইস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিশাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আসমা বিনতে আবু বকর থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আমি যায়িদ ইবনে আমর ইবনে নুফাইলকে কাবার দেয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছি, তিনি বলছিলেন: "হে কুরাইশ সম্প্রদায়! আল্লাহর কসম, ‌তোমাদের মধ্যে আমি ছাড়া আর কেউ ইবরাহীমের দ্বীনের ওপর নেই। তিনি জীবন্ত প্রোথিত কন্যা সন্তানদের জীবন দান করতেন। তিনি কোনো ব্যক্তিকে তার কন্যা সন্তানকে হত্যা করতে চাইলে বলতেন: থামো! একে হত্যা করো না। আমি এর লালন-পালনের ব্যয়ভার গ্রহণ করছি। এরপর তিনি তাকে নিয়ে আসতেন। যখন মেয়েটি বড় হতো, তখন তিনি তার পিতাকে বলতেন: যদি তুমি চাও তবে তাকে তোমার কাছে সমর্পণ করতে পারি, আর যদি চাও তবে আমিই তার ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করতে পারি।"

১৩৯০ - লাইস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিশাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "‌রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ওপর যাদু করা হয়েছিল, এমনকি তাঁর এমন মনে হতো যে তিনি কোনো কাজ করছেন অথচ বাস্তবে তা করেননি। অবশেষে একদিন তিনি প্রার্থনা করলেন, এরপর তিনি আমাকে বললেন: "তুমি কি বুঝতে পেরেছ যে আল্লাহ আমাকে সে বিষয়ে সমাধান দিয়েছেন যাতে আমার আরোগ্য রয়েছে? আমার কাছে দুজন ব্যক্তি আসলেন। তাদের একজন আমার মাথার কাছে এবং অন্যজন আমার পায়ের কাছে বসলেন। তাদের একজন অন্যজনকে বললেন: লোকটির অসুখ কী?

অন্যজন বললেন: যাদুগ্রস্ত।

তিনি বললেন: কে যাদু করেছে।

অর্থাৎ: কে যাদু করেছে? তিনি বললেন: লাবীদ ইবনুল আসম।

তিনি বললেন: কিসের মধ্যে? তিনি বললেন: চিরুনি, ঝরে পড়া চুল এবং পুরুষ খেজুর গাছের শুকনো খোসার মধ্যে।

তিনি বললেন: সেটি কোথায়? তিনি বললেন: যরওয়ান নামক কূপে।

অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেখানে গেলেন, তারপর ফিরে এসে আয়েশা (রা.)-কে বললেন: সেখানকার খেজুর গাছগুলো যেন শয়তানের মাথা এবং এর পানি যেন মেহেদি ভেজানো নির্যাস। আয়েশা (রা.) বলেন, আমি বললাম: আপনি কি সেটি বের করেননি? তিনি বললেন: না। মহান আল্লাহ তো আমাকে সুস্থ করে দিয়েছেন, আর আমি ভয় করেছি যে এর মাধ্যমে মানুষের মাঝে কোনো অনিষ্ট ছড়িয়ে পড়বে। এরপর আমি কূপটি ভরাট করে দিয়েছি।"

১৩৯১ - লাইস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিশাম থেকে, তিনি উসমান ইবনে উরওয়া থেকে, তিনি উরওয়া থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: ‌«আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে তাঁর ইহরামের সময় আমার কাছে থাকা সবচেয়ে উত্তম সুগন্ধিটি মাখিয়ে দিতাম»

১৩৯২ - লাইস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি সাদ ইবনে ইবরাহীম থেকে, তিনি নাফি ইবনে...
(খণ্ড: ১) আশরাতু আহাদিসা মিনাল জুজইল মুনতাকা আল-আউয়াল ওয়াস-সানি মিন হাদিসিল লাইস (পৃষ্ঠা: ৭৯)
جُبَيْرٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: ‌‌«خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِحَاجَتِهِ، فَاتَّبَعْتُهُ بِإِدَاوَةٍ فَصَبَبْتُ عَلَيْهِ فَتَوَضَّأَ، وَكَانَتْ عَلَيْهِ جُبَّةٌ ضَيِّقَةُ الْكُمَّيْنِ، فَأَخْرَجَ يَدَهُ مِنْ جَيْبِهَا فَتَوَضَّأَ، وَمَسَحَ عَلَى الْخُفَّيْنِ»

1393 - أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، عَنْ أَبِي قَتَادَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ قَالَ: ‌‌«الرُّؤْيَا مِنَ اللَّهِ، وَالْحُلْمُ مِنَ الشَّيْطَانِ، فَإِذَا رَأَى أَحَدُكُمْ شَيْئَا يَكْرَهُهُ فَلْيَتْفُلْ عَنْ يَسَارِهِ ثَلاثَ مَرَّاتٍ وَلْيَسْتَعِذْ بِاللَّهِ مِنْ شَرِّهَا، فَإِنَّهَا لَنْ تَضُرَّهُ»

1394 - أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَيَّانَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ خَالَتِهِ أُمِّ حَرَامٍ ابْنَةِ مِلْحَانَ، قَالَتْ: نَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَوْمًا قَرِيبًا، ثُمَّ اسْتَيْقَظَ فَتَبَسَّمَ، فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَا أَضْحَكَكَ؟ قَالَ: ‌‌«نَاسٌ مِنْ أُمَّتِي عُرِضُوا عَلَيَّ يَرْكَبُونَ ظَهْرَ هَذَا الْبَحْرِ الآخَرِ كَالْمُلُوكِ عَلَى الأَسِرَّةِ» .

قَالَتْ: فَادْعُ اللَّهَ أَنْ
يَجْعَلَنِي مِنْهُمْ.

فَدَعَى لَهَا، ثُمَّ نَامَ الثَّانِيَةَ فَفَعَلَ مِثْلَهَا، فَقَالَتْ مِثْلَ قَوْلِهَا، وَأَجَابَهَا مِثْلَ جَوَابِهِ الأَوَّلِ، قَالَتْ: فَادْعُ اللَّهَ أَنْ يَجْعَلَنِي مِنْهُمْ.

قَالَ: «أَنْتِ مِنَ الأَوَّلِينَ» .

قَالَ: فَخَرَجَتْ مَعَ زَوْجِهَا عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ غَازِيَةً أَوَّلَ مَا رَكِبَ الْمُسْلِمُونَ الْبَحْرَ مَعَ مُعَاوِيَةَ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ رضي الله عنها، فَلَمَّا انْصَرَفُوا مِنْ غَزَاتِهِمْ قَافِلِينَ فَنَزَلُوا الشَّامَ، فَقُرِّبَتْ إِلَيْهَا دَابَّةٌ لِتَرْكَبَ، فَصَرَعَتْهَا فَمَاتَتْ، رَحِمَهَا اللَّهُ.
যুবাইর থেকে, তিনি উরওয়াহ ইবনুল মুগীরা ইবনু শু’বা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ‌‌“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর প্রয়োজনে বের হলেন, আমি একটি পানির পাত্র নিয়ে তাঁর অনুসরণ করলাম এবং তাঁর ওপর পানি ঢেলে দিলাম। এরপর তিনি ওযু করলেন। তাঁর পরনে ছিল একটি জুব্বা যার আস্তিন দুটি ছিল সংকীর্ণ। ফলে তিনি জুব্বার ভেতর থেকে হাত বের করলেন এবং ওযু করলেন ও মোজার ওপর মাসাহ করলেন।”

১৩৯৩ - লাইস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ থেকে, তিনি আবূ সালামাহ ইবনু আবদুর রহমান ইবনু আওফ থেকে, তিনি আবূ কাতাদাহ থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: ‌‌“উত্তম স্বপ্ন আল্লাহর পক্ষ থেকে, আর মন্দ স্বপ্ন শয়তানের পক্ষ থেকে। সুতরাং তোমাদের কেউ যখন এমন কিছু দেখে যা সে অপছন্দ করে, তবে সে যেন তার বাম দিকে তিনবার থুতু ফেলে এবং এর অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে; তাহলে এটি তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।”

১৩৯৪ - লাইস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনু ইয়াহইয়া ইবনু হাব্বান থেকে, তিনি আনাস ইবনু মালিক থেকে, তিনি তাঁর খালা উম্মু হারাম বিনতু মিলহান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অল্প সময় ঘুমালেন, তারপর হাসিমুখে জেগে উঠলেন। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! কিসে আপনাকে হাসালো? তিনি বললেন: ‌‌“আমার উম্মতের একদল মানুষকে আমার সামনে পেশ করা হলো, যারা এই বিশাল সমুদ্রের পিঠে আরোহণ করে ভ্রমণ করবে, যেন তারা সিংহাসনে উপবিষ্ট রাজা-বাদশাহ।” .

তিনি (উম্মু হারাম) বললেন: আল্লাহর কাছে দু’আ করুন যেন
তিনি আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন।

অতঃপর তিনি তাঁর জন্য দু’আ করলেন। তারপর তিনি দ্বিতীয়বার ঘুমালেন এবং আগের মতোই করলেন। উম্মু হারামও আগের মতো বললেন এবং তিনিও প্রথমবারের মতো উত্তর দিলেন। তিনি (উম্মু হারাম) বললেন: আল্লাহর কাছে দু’আ করুন যেন তিনি আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন।

তিনি বললেন: “তুমি প্রথম দলটির অন্তর্ভুক্ত।”

বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর তিনি তাঁর স্বামী উবাদাহ ইবনুস সামিতের সাথে যুদ্ধে বের হলেন, যখন প্রথমবার মুসলমানরা মুআবিয়া ইবনু আবী সুফিয়ানের (আল্লাহ তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) সাথে সমুদ্রে আরোহণ করেছিলেন। যখন তারা যুদ্ধ থেকে ফিরে আসলেন এবং সিরিয়ায় অবতরণ করলেন, তখন তাঁর আরোহণের জন্য একটি পশু আনা হলো। কিন্তু সেটি তাঁকে ফেলে দিল এবং তিনি মৃত্যুবরণ করলেন। আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।