(খণ্ড: ১) আরফুল আনবার ফী ওয়াসফিল মিম্বার (পৃষ্ঠা: -)
عرف العنبر في وصف المنبر   (ابن ناصر الدين الدمشقي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: عرف العنبر في وصف المنبر (مطبوع ضمن مجموع رسائل لابن ناصر الدين)

المؤلف: محمد بن عبد الله (أبي بكر) بن محمد ابن أحمد بن مجاهد القيسي الدمشقي الشافعي، شمس الدين، الشهير بابن ناصر الدين (ت 842هـ)

تحقيق: أبي عبد الله مشعل بن باني الجبرين المطيري

الناشر: دار ابن حزم، بيروت - لبنان

الطبعة: الأولى، 1422 هـ - 2001 م

عدد الصفحات: 393

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

মেম্বরের বর্ণনায় আম্বরের সুবাস   (ইবনে নাসিরুদ্দিন আদ-দিমাশকি)

বিভাগ: সুন্নাহ বিষয়ক গ্রন্থসমূহ


গ্রন্থ: মেম্বরের বর্ণনায় আম্বরের সুবাস (ইবনে নাসিরুদ্দিনের রিসালাহ সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়ে মুদ্রিত)

লেখক: মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ (আবু বকর) বিন মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ বিন মুজাহিদ আল-কায়সী আদ-দিমাশকি আশ-শাফেয়ী, শামসুদ্দিন, ইবনে নাসিরুদ্দিন নামে প্রসিদ্ধ (মৃত্যু ৮৪২ হিজরী)

সম্পাদনা: আবু আব্দুল্লাহ মিশআল বিন বানি আল-জাবরিন আল-মুতাইরি

প্রকাশক: দার ইবনে হাযম, বৈরুত - লেবানন

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২২ হিজরী - ২০০১ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৯৩

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আরফুল আনবার ফী ওয়াসফিল মিম্বার (পৃষ্ঠা: ৩৭৩)
‌‌بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ

أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْمُسْنِدُ أَبُو مُحَمَّدٍ رَسْلانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الذَّهَبِيِّ الطَّرَائِفِيُّ، فِيمَا قُرِئَ عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي شَهْرِ رَمَضَانَ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَتِسْعِينَ وَسَبْعِ مِائَةٍ، أَخْبَرَنَا الشُّيُوخُ آبَاءُ عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ الْفَارِسِيُّ ابْنُ خَوَاجَا إِمَامٌ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْفَخْرِ عَلِيُّ بْنُ الْبُخَارِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُحَبِّ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الرِّضَى، وَمُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنُ الزَّرَّادِ الْمَقْدِسِيُّونَ، وَأَبُو مُحَمَّدٍ إِسْحَاقُ بْنُ يَحْيَى الأُمَوِيُّ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ الْفَرَّاءِ، وَمُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الدَّائِمِ، وَالشَّرَفُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي عُمَرَ، وَأَخَوَاهُ مُحَمَّدٌ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ، وَأَحْمَدُ بْنُ السَّيْفِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْحَمِيدِ عَبْدُ الْهَادِي، وَعُثْمَانُ بْنُ سَالِمِ بْنِ خَلَفٍ الْمَقْدِسِيُّونَ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَلِيٍّ التِّكْرِيتِيُّ، وَعَتِيقَةُ أَبِيهِ نَازَنْجُ بِنْتُ عَبْدِ اللَّهِ، وَزَيْنَبُ ابْنَةُ شَيْخِ الإِسْلامِ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي عُمَرَ، وَفَاطِمَةُ بِنْتُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ، وَآخَرُونَ قِرَاءَةً عَلَيْهِمْ وَأَنَا أَسْمَعُ.

وَأَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْعَلامَةُ الْمُحَدِّثُ الْمُفِيدُ عَبْدُ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُالإِمَامِ أَبِي عَلِيٍّ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحَنْبَلِيِّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

শাইখ, আল-মুসনিদ আবু মুহাম্মদ রাসলান ইবনে আহমদ ইবনে আয-যাহাবি আত-তারাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—যা তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি শ্রবণ করছিলাম সাতশত চুরানব্বই হিজরি সালের রমজান মাসে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উলামাগণ—আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে উমর আল-ফারিসি ইবনে খাওয়াজা ইমাম, মুহাম্মদ ইবনে আল-ফখর আলি ইবনুল বুখারি, মুহাম্মদ ইবনুল মুহিব্ব আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ, আবু বকর ইবনে মুহাম্মদ ইবনুর রিদা এবং মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আয-যাররাদ আল-মাকদিসিগণ; এবং আবু মুহাম্মদ ইসহাক ইবনে ইয়াহইয়া আল-উমায়ি, আব্দুর রহমান ইবনে ইসমাইল ইবনুল ফাররা, মুহাম্মদ ইবনে আবি বকর ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল দায়িম, আশ-শারাফ আব্দুল্লাহ ইবনে ইবরাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি উমর এবং তাঁর দুই ভাই মুহাম্মদ ও আব্দুর রহমান, আহমদ ইবনে আস-সাইফ মুহাম্মদ ইবনে আহমদ, আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল হামিদ আব্দুল হাদি এবং উসমান ইবনে সালিম ইবনে খালাফ আল-মাকদিসিগণ; এবং আব্দুর রহমান ইবনে আলি আত-তিকরিতি, তাঁর পিতার আযাদকৃত দাসী নাজানজ বিনতে আব্দুল্লাহ, শাইখুল ইসলাম আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহমান ইবনে আবি উমরের কন্যা যায়নাব এবং ফাতিমা বিনতে উবাইদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ, ও আরও অনেকে—তাঁদের নিকট পাঠকালে আমি শ্রবণরত ছিলাম।

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ, আল্লামা, বিজ্ঞ মুহাদ্দিস আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনুল ইমাম আবু আলি ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ আল-হাম্বলি, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে...
(খণ্ড: ১) আরফুল আনবার ফী ওয়াসফিল মিম্বার (পৃষ্ঠা: ৩৭৪)
إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الأَنْصَارِيُّ بْنُ الْخَبَّازِ، قَالَ ابْنُ خَوَاجَا إِمَامٌ وَالثَّلاثَةُ بَعْدَهُ: أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُمَرَ الْوَاسِطِيُّ بْنُ الْبُرْهَانِ، أَخْبَرَنَا مَنْصُورُ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ الْفُرَاوِيُّ.

وَقَالَ ابْنُ الْمُحَبِّ أَيْضًا وَابْنُ الزَّرَّادِ وَالْبَاقُونَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْهَادِي بْنِ يُوسُفَ، وَقَالَ ابْنُ الْبُخَارِيِّ، وَابْنُ الزَّرَّادِ أَيْضًا وَالْبَاقُونَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الدَّائِمِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ سِوَى ابْنِ الْخَبَّازِ، فَقَالَ: إِجَازَةً إِنْ لَمْ يَكُنْ حُضُورًا قَالا: أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ صَدَقَةَ الْحَرَّانِيُّ سَمَاعًا.

وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُحْتَسِبِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمَقْدِسِيِّ، إِجَازَةً، إِنْ لَمْ يَكُنْ سَمَاعًا، أَنْبَأَنَا الْحَافِظُ الْكَبِيرُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْمُؤْمِنِ بْنُ خَلَفٍ الدِّمْيَاطِيُّ عَنِ الْحَافِظِ الْمُكْثِرِ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ الْعَظِيمِ بْنِ عَبْدِ الْقَوِيِّ الْمُنْذِرِيِّ، أَخْبَرَنَا أَبُو نِزَارٍ رَبِيعَةُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ الْيَمَانِيُّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا الشَّيْخَانِ الأَدِيبُ أَبُو بَكْرٍ مَحْمُودُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الأَصْبَهَانِيُّ الشَّحَّامُ بِقَرَاءَتِي، عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ وَالشَّرِيفُ أَبُو الْمَفَاخِرِ سَعِيدُ بْنُ الْحَسَنِ الْهَاشِمِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، وَقَالَ ابْنُ الْخَبَّازِ أَيْضًا: وَأَخْبَرَنَا الْقَاسِمُ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ الْقَاسِمِ الإِرْبِلِيُّ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ عُمَرَ بْنِ يُونُسَ الْمِزِّيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْعَامِرِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمْ وَأَنَا أَسْمَعُ.

وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْمَعَالِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْفَرَضِيُّ وَغَيْرُهُ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِمْ، قَالُوا: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْكَرِيمِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ الصُّوفِيِّ، أَخْبَرَتْنَا أُمُّ أَحْمَدَ زَيْنَبُ ابْنَةُ عُمَرَ بْنِ كِنْدِيٍّ.

وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الصُّوفِيُّ فِيمَا قُرِئَ، وَأَنَا أَسْمَعُ أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ غَنَائِمِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ شَيْخُ قَرْيَةٍ رَاوِيَةٌ.

وَأَخْبَرَنَا الْمُسْنِدُ الْمُعَمِّرُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عِيسَى بْنِ أَبِي الْقَاسِمِ، إِذْنًا عَامًّا، قَالا: أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضْلِ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضْلِ أَحْمَدُ بْنُ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَسَاكِرَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَنَحْنُ حَاضِرَانِ، قَالَ: هُوَ وَابْنَةُ كِنْدِيٍّ وَالْقَاسِمُ الإِرْبِلِيُّ:
ইসমাইল বিন ইব্রাহিম আল-আনসারী বিন আল-খাব্বায; ইবনে খাওয়াজা ইমাম এবং তার পরবর্তী তিনজন বলেছেন: ইব্রাহিম বিন উমর আল-ওয়াসিতি বিন আল-বুরহান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মানসুর বিন আব্দুল মুনইম আল-ফুরাওয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

এবং ইবনুল মুহিব্বও বলেছেন এবং ইবনুল যাররাদ ও বাকিরা বলেছেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল হাদি বিন ইউসুফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। ইবনুল বুখারি এবং ইবনুল যাররাদও ও বাকিরা বলেছেন: আবুল আব্বাস আহমদ বিন আব্দুল দায়িম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তার নিকট পাঠকালে আমরা শুনছিলাম, ইবনুল খাব্বায ব্যতিত। অতঃপর তিনি (ইবনুল খাব্বায) বলেন: যদি উপস্থিত হওয়া না হয়ে থাকে তবে ইজাযাত (অনুমতি) হিসেবে। তারা উভয়ে বলেছেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন সাদাকা আল-হাররানি শ্রবণের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-মুহতাসিব আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-মাকদিসি—ইজাযাত হিসেবে যদি শ্রবণ না হয়ে থাকে। আল-হাফিজ আল-কাবির আবু মুহাম্মদ আব্দুল মুমিন বিন খালাফ আদ-দিময়াতি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাফিজ আল-মুকসির (অধিক হাদিস বর্ণনাকারী) আবু মুহাম্মদ আব্দুল আজিম বিন আব্দুল কায়ি আল-মুনযিরি থেকে; আবু নিযার রাবিয়াহ বিন আল-হাসান বিন আলী আল-ইয়ামানি আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আদীব আবু বকর মাহমুদ বিন আবু বকর আল-আসবাহানি আশ-শাহহাম নামক দুই শায়খ আসবাহানে আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং আশ-শারিফ আবুল মাফাখির সাঈদ বিন আল-হাসান আল-হাশিমি তার নিকট পাঠকালে আমি শ্রবণ করছিলাম। ইবনুল খাব্বায আরও বলেন: আল-কাসিম বিন আবু বকর বিন আল-কাসিম আল-ইরবিলি, আবু বকর বিন উমর বিন ইউনুস আল-মিযযি এবং মুহাম্মদ বিন আবু বকর বিন মুহাম্মদ আল-আমিরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাদের নিকট পাঠকালে আমি শ্রবণ করছিলাম।

এবং আবুল মাআলি আব্দুল্লাহ বিন ইব্রাহিম আল-ফারাদি এবং অন্যরা আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তারা বললেন: আবুল আব্বাস আহমদ বিন আব্দুল কারিম বিন আবু বকর বিন আস-সুফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উম্মু আহমদ যায়নাব বিনতে উমর বিন কিন্দি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন সুলাইমান বিন আবু বকর আস-সুফি পাঠকালে আমি শ্রবণরত অবস্থায় সংবাদ দিয়েছেন; আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহিম বিন গানায়েম বিন ইসমাইল—যিনি রাবিয়া গ্রামের শায়খ—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

এবং আল-মুসনিদ আল-মুআম্মার আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলী বিন ঈসা বিন আবুল কাসিম সাধারণ অনুমতির মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তারা উভয়ে বললেন: আবুল ফজল আহমদ বিন হিবাতুল্লাহ বিন আহমদ বিন আসাকির তার নিকট পাঠকালে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যখন আমরা উপস্থিত ছিলাম। তিনি, বিনতে কিন্দি এবং আল-কাসিম আল-ইরবিলি বললেন:
(খণ্ড: ১) আরফুল আনবার ফী ওয়াসফিল মিম্বার (পৃষ্ঠা: ৩৭৫)
أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ الْمُؤَيِّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الطُّوسِيُّ، قَالَ الإِرْبِلِيُّ: قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِنَيْسَابُورَ، وَقَالَ الآخَرَانِ: كِتَابَةً مِنْهَا.

وَقَالَ أَبُو بَكْرٍ الْمِزِّيُّ وَالْعَامِرِيُّ: أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَرَسْتَانِيِّ الأَنْصَارِيُّ سَمَاعًا، قَالَ هُوَ «وَ» الْمُؤَيِّدُ الطُّوسِيُّ، وَأَبُو بَكْرٍ الشَّحَّامُ، وَأَبُو الْمَفَاخِرِ الْهَاشِمِيُّ، وَابْنُ صَدَقَةَ، وَمَنْصُورٌ الْفُرَاوِيُّ: أَخْبَرَنَا فَقِيهُ الْحَرَمِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ الْفُرَاوِيُّ.

وَأَخْبَرَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْحَافِظِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ الذَّهَبِيِّ، وَآخَرُونَ مُشَافَهَةً بِالإِجَازَةِ، قَالُوا: أَخْبَرَنَا كَذَلِكَ يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدٍ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الرِّضَى، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ الْمَقْدِسِيَّانِ، وَآخَرُونَ، قَالُوا: أَنْبَأَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَكِّيِّ بْنِ الْحَاسِبِ، زَادَ أَبُو هُرَيْرَةَ، فَقَالَ: أَنْبَأَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مَحْمُودِ بْنِ عَبْدِ اللَّطِيفِ السُّلَمِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْخَطَّابِ عُمَرُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ الْحَافِظُ، إِجَازَةً، قَالَ هُوَ وَابْنُ الْحَاسِبِ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ خَلَفُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الْحَافِظُ، إِجَازَةً، أَخْبَرَنَا الْفَقِيهُ أَبُو بَحْرٍ سُفْيَانُ بْنُ الْعَاصِي بْنِ أَحْمَدَ الأَسَدِيُّ سَمَاعًا عَلَيْهِ فِي شُهُورِ سَنَةِ ثَمَانِ عَشْرَةَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، وَإِجَازَةً، أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْفَتْحِ وَأَبُو اللَّيْثِ نَصْرُ بْنُ الْحَسَنِ الشَّاشِيُّ، بِبَلَنْسِيَةَ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَسِتِّينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، قَالَ هُوَ وَمُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ الْفُرَاوِيُّ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ عَبْدُ الْغَافِرِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْغَافِرِ الْفَارِسِيُّ التَّاجِرُ.

وَقَالَ أَبُو بَحْرٍ أَيْضًا: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَنَسٍ الْعُذْرِيُّ غَيْرَ مَرَّةٍ.

وَأَنْبَأَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الذَّهَبِيِّ وَآخَرُونَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدٍ، وَغَيْرُهُ أَنَّ جَعْفَرَ بْنَ عَلِيٍّ الْهَمْدَانِيَّ، أَنْبَأَهُمْ أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي الْفَضْلِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْعُثْمَانِيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ يَعْنِي بِالإِسْنَادِ فَقَطْ، قَالَ: أَخْبَرَنَا كَذَلِكَ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبَاهِلِيُّ الْقَبْرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا بِهِ أَبُو عَلِيٍّ الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْجَيَّانِيُّ الْحَافِظُ،
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আল-মুয়াইয়িদ বিন মুহাম্মদ বিন আলী আত-তুসি। আল-ইরবিলি বলেন: নিশাপুরে থাকাকালীন তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করেছি। আর অপর দুজন বলেছেন: তাঁর নিকট থেকে লিখিতভাবে (প্রাপ্ত হয়েছে)।

আবু বকর আল-মিজ্জি এবং আল-আমিরি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাজী আবুল কাসিম আবদুস সামাদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হারাসতানি আল-আনসারি সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে। তিনি এবং আল-মুয়াইয়িদ আত-তুসি, আবু বকর আশ-শাহহাম, আবুল মাফাখির আল-হাশিমি, ইবনে সাদাকা এবং মানসুর আল-ফুরাওয়ি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফকিহুল হারাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-ফাদল বিন আহমাদ আল-ফুরাওয়ি।

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হুরায়রা আবদুর রহমান বিন হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আজ-জাহাবি এবং আরও অনেকে ইজাজত প্রদানের মাধ্যমে সরাসরি মুখে মুখে। তাঁরা বলেছেন: আমাদের একইভাবে সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ বিন সা'দ, আবু বকর বিন মুহাম্মদ বিন আর-রিদা এবং আবদুর রহমান আল-মাকদিসি দ্বয় এবং আরও অনেকে। তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আবদুর রহমান বিন মক্কি বিন আল-হাসিব। আবু হুরায়রা অতিরিক্ত উল্লেখ করে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী বিন মাহমুদ বিন আব্দুল লতিফ আস-সুলামি। আমাদের ইজাজতসূত্রে সংবাদ দিয়েছেন আবুল খাত্তাব উমর বিন আল-হাসান বিন আলী আল-হাফেজ। তিনি এবং ইবনুল হাসিব বলেছেন: আমাদের ইজাজতসূত্রে সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম খালাফ বিন আব্দুল মালিক আল-হাফেজ। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফকিহ আবু বাহর সুফিয়ান বিন আল-আসি বিন আহমাদ আল-আসাদি ৫১৮ হিজরির মাসসমূহে তাঁর নিকট শ্রবণ করার মাধ্যমে এবং ইজাজতসূত্রে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবুল ফাতহ এবং আবু লাইস নাসর বিন আল-হাসান আশ-শাশি ৪৬৪ হিজরি সনে বালেন্সিয়ায়। তিনি এবং মুহাম্মদ বিন আল-ফাদল আল-ফুরাওয়ি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আব্দুল গাফির বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল গাফির আল-ফারিসি আত-তাজির।

এবং আবু বাহর আরও বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন উমর বিন আনাস আল-উযরি একাধিকবার।

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হুরায়রা আবদুর রহমান বিন আজ-জাহাবি এবং আরও অনেকে ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ বিন সা'দ ও অন্যদের সূত্রে, তারা জাফর বিন আলী আল-হামদানি থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আবিল ফাদল আবদুর রহমান আল-উসমানি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শ্রবণ করেছি—অর্থাৎ শুধুমাত্র সনদটি। তিনি বলেছেন: আমাদের একইভাবে সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-বাহিলি আল-কাবরি। তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন আবু আলী আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ আল-জায়ইয়ানি আল-হাফেজ।
(খণ্ড: ১) আরফুল আনবার ফী ওয়াসফিল মিম্বার (পৃষ্ঠা: ৩৭৬)
قَالَ: فَقَرَأْتُهُ، يَعْنِي صَحِيحَ مُسْلِمٍ، عَلَى أَبِي الْعَبَّاسِ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ بْنِ أَنَسٍ الْعُذْرِيِّ الْمَعْرُوفِ بِابْنِ الدلائِيِّ بِمَدِينَةِ بَلَنْسِيَةَ سَنَةَ سَبْعِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ بُنْدَارِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جِبْرِيلَ الرَّازِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِمَكَّةَ سَنَةَ تِسْعٍ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ.

وَقَالَ أَبُو الْقَاسِمِ خَلَفُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ أَيْضًا: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَتَّابٍ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ فِي شُهُورِ سَنَةِ ثَلاثَ عَشْرَةَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، عَنْ أَبِي الْقَاسِمِ حَاتِمِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَاتِمٍ التَّمِيمِيِّ الطَّرَابُلُسِيِّ، وَأَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعِيدِ الشّنتجالِيِّ، إِجَازَةً، قَالا: حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ دَاوُدَ السِّجْزِيُّ، قَالَ حَاتِمٌ: بِمَكَّةَ سَنَةَ ثَلاثٍ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ.

وَقَالَ حَاتِمٌ أَيْضًا: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الصَّقَلِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ يَحْيَى الْكِسَائِيُّ، قَالَ هُوَ وَأَبُو سَعِيدٍ السِّجْزِيُّ، وَأَبُو الْعَبَّاسِ الرَّازِيُّ، وَعَبْدُ الْغَافِرِ الْفَارِسِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى بْنِ عَمْرَوَيْهِ بْنِ مَنْصُورٍ الْجُلُودِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُفْيَانَ الْفَقِيهُ الزَّاهِدُ، وَقَالَ أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ عَتَّابٍ أَيْضًا: أَخْبَرَنَا أَبِي سَمَاعًا عَلَيْهِ، أَخْبَرَنِي أَبُو الْقَاسِمِ أَحْمَدُ بْنُ فَتْحٍ الْمَعَافِرِيُّ ابْنُ الرَّسَّانِ، حَدَّثَنَا أَبُو الْعَلاءِ عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عِيسَى بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَاهَانَ الْبَغْدَادِيُّ، أَخْبَرَنَا الْفَقِيهُ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى الأَشْقَرُ الشَّافِعِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ الْمُغِيرَةِ الْقَلانِسِيُّ، قَالَ هُوَ وَابْنُ سُفْيَانَ وَاللَّفْظُ لَهُ: حَدَّثَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ فِي سَنَةِ سَبْعٍ وَخَمْسِينَ وَمِائَتَيْنِ بِنَيْسَابُورَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، كِلاهُمَا عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ، قَالَ يَحْيَى: أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِيهِ أَنَّ نَفَرًا جَاءُوا إِلَى سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ رَجُلا، قَدْ تَمَارُوا فِي الْمِنْبَرِ مِنْ أَيِّ عُودٍ هُوَ؟ فَقَالَ: أَمَا وَاللَّهِ إِنِّي لأَعْرِفُ مِنْ أَيِّ عُودٍ هُوَ مَنْ عَمِلَهُ، وَرَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، أَوَّلَ يَوْمٍ جَلَسَ عَلَيْهِ، قَالَ: فَقُلْتُ لَهُ: يَا أَبَا عَبَّاسٍ فَحَدَّثَنَا، قَالَ: أَرْسَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى امْرَأَةٍ، فَقَالَ أَبُو حَازِمٍ: إِنَّهُ لَيُسَمِّيهَا يَوْمَئِذٍ
তিনি বলেন: আমি তা অর্থাৎ সহীহ মুসলিম চারশত সত্তর হিজরি সনে বালানসিয়া শহরে আবুল আব্বাস আহমাদ বিন উমর বিন আনাস আল-উযরী, যিনি ইবনুুদ দালাইয়্যি নামে পরিচিত, তাঁর নিকট পাঠ করেছি। আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন হাসান বিন বুন্দার বিন আব্দুল্লাহ বিন জিবরীল আর-রাযী, চারশত নয় হিজরি সনে মক্কায় তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে।

আবুল কাসিম খালাফ বিন আব্দুল মালিক আরও বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন আত্তাব, পাঁচশত তেরো হিজরি সনের মাসসমূহে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে; তিনি আবুল কাসিম হাতিম বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন হাতিম আত-তামীমী আত-তরাবুলুসী এবং আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন সাঈদ আশ-শিন্তাজালী থেকে ইজাযতসূত্রে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ উমর বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন দাউদ আস-সিজিযী। হাতিম বলেন: (এটি ছিল) চারশত তিন হিজরি সনে মক্কায়।

হাতিম আরও বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক বিন হাসান বিন আব্দুল্লাহ আস-সাকালী; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন ইয়াহইয়া আল-কিসাঈ। তিনি এবং আবু সাঈদ আস-সিজিযী, আবুল আব্বাস আর-রাযী এবং আব্দুল গাফির আল-ফারিসী বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ মুহাম্মদ বিন ঈসা বিন আমরওয়াইহ বিন মানসুর আল-জুলুদী; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইবরাহীম বিন মুহাম্মদ বিন সুফিয়ান আল-ফকীহ আয-যাহিদ। আবু মুহাম্মদ বিন আত্তাব আরও বলেন: আমার পিতা তাঁর নিকট শ্রবণের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আহমাদ বিন ফাতহ আল-মাআফিরী ইবনুুর রাসসান; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল আলা আব্দুল ওয়াহহাব বিন ঈসা বিন আব্দুর রহমান বিন মাহান আল-বাগদাদী; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফকীহ আবু বকর আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আল-আশকার আশ-শাফেঈ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আহমাদ বিন আলী বিন হুসাইন বিন মুগীরা আল-কালানিসী। তিনি এবং ইবনু সুফিয়ান বলেন—আর শব্দ চয়ন ইবনু সুফিয়ানের—আমাদের নিকট আবুল হুসাইন মুসলিম বিন হাজ্জাজ দুইশত সাতান্ন হিজরি সনে নিশাপুরে হাদীস বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া এবং কুতাইবা বিন সাঈদ, তাঁরা উভয়ই আব্দুল আযীয থেকে বর্ণনা করেছেন। ইয়াহইয়া বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল আযীয বিন আবু হাযিম, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, একদল লোক সাহল বিন সা'দ-এর নিকট আসলেন; তাঁরা মিম্বরটি কোন কাঠ দিয়ে তৈরি সে বিষয়ে তর্কে লিপ্ত ছিলেন। তখন তিনি বললেন: আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্যই জানি এটি কোন কাঠ দিয়ে তৈরি এবং কে তা নির্মাণ করেছে। এমনকি আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রথম দিন এতে বসতে দেখেছি। বর্ণনাকারী বলেন: আমি তাকে বললাম, হে আবু আব্বাস! আমাদের কাছে বর্ণনা করুন। তিনি বললেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন মহিলার নিকট লোক পাঠালেন—আবু হাযিম বলেন: তিনি (সাহল) সেদিন মহিলার নামও উল্লেখ করেছিলেন—।
(খণ্ড: ১) আরফুল আনবার ফী ওয়াসফিল মিম্বার (পৃষ্ঠা: ৩৭৭)
«انْظُرِي غُلامَكِ النَّجَّارَ يَعْمَلُ لِي أَعْوَادًا أُكَلِّمُ النَّاسَ عَلَيْهَا» ، فَعَمِلَ هَذِهِ الثَّلاثَ دَرَجَاتٍ، ثُمَّ أَمَرَ بِهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَوُضِعَتْ هَذَا الْمَوْضِعَ فَهِيَ مِنْ طَرْفَاءِ الْغَابَةِ وَلَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَامَ عَلَيْهِ فَكَبَّرَ وَكَبَّرَ النَّاسُ وَرَاءَهُ وَهُوَ عَلَى الْمِنْبَرِ، ثُمَّ رَفَعَ فَنَزَلَ الْقَهْقَرَى حَتَّى سَجَدَ فِي أَصْلِ الْمِنْبَرِ ثُمَّ عَادَ حَتَّى فَرَغَ مِنْ آخِرِ صَلاتِهِ، ثُمَّ أَقْبَلَ عَلَى النَّاسِ، فَقَالَ: «يَأَيُّهَا النَّاسُ إِنِّي إِنَّمَا صَنَعْتُ هَذَا لِتَأْتَمُّوا بِي وَلِتَعْلَمُوا صَلاتِي» .

وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْقَارِي الْقُرَشِيُّ، حَدَّثَنِي أَبُو حَازِمٍ أَنَّ رِجَالا أَتَوْا سَهْلَ بْنَ سَعْدٍ رضي الله عنهما.

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، قَالُوا: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، قَالَ: أَتَوْا سَهْلَ بْنَ سَعْدٍ، رضي الله عنهما، فَسَأَلُوهُ مِنْ أَيِّ شَيْءٍ مِنْبَرُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.

وَسَاقُوا الْحَدِيثَ نَحْوَ حَدِيثِ ابْنِ أَبِي حَازِمٍ.

هَذَا حَدِيثٌ مُتَّفَقٌ عَلَى صِحَّتِهِ وَثُبُوتِهِ، خَرَّجَهُ مُسْلِمٌ كَمَا رَوَيْنَاهُ تَامًّا وَمُخْتَصَرًا.

وَخَرَّجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ قُتَيْبَةَ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ.
"তুমি তোমার কাঠমিস্ত্রি গোলামকে বলো সে যেন আমার জন্য কাঠের কিছু ধাপ তৈরি করে দেয় যার ওপর দাঁড়িয়ে আমি মানুষের সাথে কথা বলতে পারি।" সে এই তিনটি ধাপ বিশিষ্ট মিম্বরটি তৈরি করল। এরপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দেশ দিলেন এবং তা এই স্থানে রাখা হলো। এটি ছিল বনের ঝাউ গাছ থেকে তৈরি। আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি তিনি এর ওপর দাঁড়ালেন এবং তাকবীর বললেন, আর মানুষও তাঁর পেছনে তাকবীর বলল। তিনি তখন মিম্বারের ওপর ছিলেন। এরপর তিনি রুকু করলেন এবং পেছন দিকে ফিরে নেমে আসলেন এমনকি মিম্বারের পাদদেশে সিজদা করলেন। এরপর তিনি পুনরায় ফিরে গেলেন যতক্ষণ না তিনি তাঁর নামাযের শেষ পর্যন্ত সম্পন্ন করলেন। অতঃপর তিনি মানুষের দিকে ফিরে বললেন: "হে লোকসকল! আমি কেবল একারণেই এটি করেছি যাতে তোমরা আমাকে অনুসরণ করতে পারো এবং আমার নামায পদ্ধতি শিক্ষা লাভ করতে পারো।"

আমাদের নিকট কুতাইবা ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন, তিনি ইয়াকুব ইবনে আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবদিল কারী আল-কুরাশী থেকে, তিনি আবু হাযিম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, কিছু লোক সাহল ইবনে সা'দ রাদিয়াল্লাহু আনহুমার নিকট আসলেন।

আমাদের নিকট আবু বকর ইবনে আবি শায়বাহ, যুহায়ের ইবনে হারব এবং ইবনে আবি উমর বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেছেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ আবু হাযিম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: তারা সাহল ইবনে সা'দ রাদিয়াল্লাহু আনহুমার নিকট আসলেন এবং তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মিম্বর কী দিয়ে তৈরি ছিল।

তাঁরা ইবনে আবি হাযিমের হাদীসের অনুরূপ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।

এটি এমন একটি হাদীস যার বিশুদ্ধতা ও প্রমাণের ওপর ঐক্যমত রয়েছে, ইমাম মুসলিম এটি পূর্ণাঙ্গ ও সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করেছেন যেভাবে আমরা এটি বর্ণনা করেছি।

ইমাম বুখারীও এটি কুতাইবা থেকে, তিনি আব্দুল আজিজ ইবনে আবি হাযিম থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আরফুল আনবার ফী ওয়াসফিল মিম্বার (পৃষ্ঠা: ৩৭৮)
وَخَرَّجَهُ الْبُخَارِيُّ أَيْضًا وَأَبُو دَاوُدَ، وَالنَّسَائِيُّ، عَنْ قُتَيْبَةَ، عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ.

وَخَرَّجَهُ الْبُخَارِيُّ أَيْضًا، عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْمَدِينِيِّ، وَابْنُ مَاجَهْ، عَنْ أَحْمَدَ بْنِ ثَابِتٍ كِلاهُمَا، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ، الثَّلاثَةُ عَنْ أَبِي حَازِمٍ بِهِ

وَلَهُ طُرُقٌ إِلَى سَهْلٍ.

مِنْهَا:

مَا أَنْبَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الشَّرَفِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمَقْدِسِيُّ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ سُلَيْمَانَ الأَنْصَارِيِّ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْبَنْدَنِيجِيُّ كِتَابَةً، أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ الْمَلِكِ ابْنَ خَيْرُونٍ، أَنْبَأَهُ عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ الْجَوْهَرِيِّ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَبَّاسِ بْنِ حَيُّوِيَةَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَعْرُوفٍ، أَخْبَرَنَا الْحَارِثُ بْنُ أَبِي أُسَامَةَ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ الْكَاتِبُ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أُوَيْسٍ الْمَدَنِيُّ ابْنُ أُخْتِ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ بِلالٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ عَبَّاسِ بْنِ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، رضي الله عنه، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقُومُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ إِذَا خَطَبَ إِلَى خَشَبَةٍ ذَاتَ فُرْضَتَيْنِ، قَالَ: أَرَهَا مِنْ دَوْمٍ كَانَتْ فِي مُصَلَّاهُ وَكَانَ يَتَّكِئُ إِلَيْهَا فَقَالَ لَهُ أَصْحَابُهُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنَّ النَّاسَ قَدْ كَثُرُوا فَلَوِ اتَّخَذْتَ شَيْئًا تَقُومُ عَلَيْهِ إِذَا خَطَبْتَ يَرَاكَ النَّاسُ فَقَالَ: «مَا شِئْتُمْ» .

قَالَ سَهْلٌ: وَلَمْ يَكُنْ بِالْمَدِينَةِ إِلا نَجَّارٌ وَاحِدٌ فَذَهَبْتُ أَنَا وَذَلِكَ النَّجَّارُ إِلَى الْخَانِقَيْنِ فَقَطَعْنَا هَذَا الْمِنْبَرَ مِنْ أَثْلَةٍ.
ইমাম বুখারী এটি আরও বর্ণনা করেছেন, সেইসাথে আবু দাউদ এবং নাসায়ীও; কুতাইবা থেকে, তিনি ইয়াকুব ইবনে আবদুর রহমান থেকে।

ইমাম বুখারী এটি আলী ইবনুল মাদিনী থেকে এবং ইবনে মাজাহ আহমদ ইবনে সাবিত থেকে বর্ণনা করেছেন; তারা উভয়েই সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা থেকে, আর তারা তিনজনই আবু হাজিম থেকে একই সনদে এটি বর্ণনা করেছেন।

এবং সাহল (রা.) পর্যন্ত পৌঁছানোর জন্য এর আরও অনেক সূত্র রয়েছে।

তার মধ্যে একটি হলো:

মুহাম্মদ ইবনুশ শরাফ মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-মাকদিসি আমাদের জানিয়েছেন ফাতিমা বিনতে সুলাইমান আল-আনসারি থেকে, মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-বানদানিজি আমাদের লিখিতভাবে জানিয়েছেন যে, মুহাম্মদ ইবনে আবদুল মালিক ইবনে খাইরুন তাকে আল-হাসান ইবনে আলী আল-জাওহারি থেকে জানিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনুল আব্বাস ইবনে হাইয়্যুইয়াহ আমাদের কাছে পাঠ করেছেন এবং আমরা তা শুনেছি, আহমদ ইবনে মারুফ আমাদের জানিয়েছেন, আল-হারিস ইবনে আবি উসামা আমাদের জানিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-কাতিব আমাদের জানিয়েছেন, মালেক ইবনে আনাসের ভাগ্নে আবু বকর ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবি উওয়াইস আল-মাদানি আমাদের জানিয়েছেন, সুলাইমান ইবনে বিলাল আমার কাছে বর্ণনা করেছেন সাদ ইবনে সাঈদ ইবনে কায়স থেকে, তিনি আব্বাস ইবনে সাহল ইবনে সাদ আস-সা’ইদি থেকে এবং তিনি তাঁর পিতা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জুমার দিনে যখন খুতবা দিতেন তখন দুটি খাঁজবিশিষ্ট একটি কাঠের খুঁটির কাছে দাঁড়াতেন। তিনি (সাহল) বলেন: আমার মনে হয় সেটি ছিল একটি গাব গাছ যা তাঁর সালাত আদায়ের স্থানে ছিল এবং তিনি তাতে হেলান দিতেন। তখন তাঁর সাহাবীগণ তাঁকে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! মানুষের সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে, তাই আপনি যদি খুতবা দেওয়ার সময় দাঁড়ানোর জন্য এমন কিছু গ্রহণ করতেন যার ফলে মানুষ আপনাকে দেখতে পায়। তিনি বললেন: «তোমরা যা চাও (তাই করো)»।

সাহল (রা.) বলেন: তখন মদীনায় মাত্র একজন কাঠমিস্ত্রি ছিল। আমি এবং সেই কাঠমিস্ত্রি আল-খানিকাইন নামক স্থানে গেলাম এবং আমরা একটি ঝাউ গাছ থেকে এই মিম্বরটি তৈরি করলাম।
(খণ্ড: ১) আরফুল আনবার ফী ওয়াসফিল মিম্বার (পৃষ্ঠা: ৩৭৯)
فَقَالَ: فَقَامَ عَلَيْهِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَحَنَّتِ الْخَشَبَةُ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «أَلا تَعْجَبُونَ لِحَنِينِ هَذِهِ الْخَشَبَةِ» ، فَأَقْبَلَ النَّاسُ عَلَيْهَا فَرَقُّوا مِنْ حَنِينِهَا حَتَّى كَثُرَ بُكَاؤُهُمْ فَنَزَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم حَتَّى أَتَاهُمْ فَوَضَعَ يَدَهُ عَلَيْهَا فَسَكَنَتْ فَأَمَرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِهَا فَدُفِنَتْ تَحْتَ مِنْبَرِهِ أَوْ جُعِلَتْ فِي السَّقْفِ.

وَرَوَاهُ أَبُوإِسْمَاعِيلَ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ التِّرْمِذِيُّ، قَالَ: فَقَالَ: حَدَّثَنَا أَيُّوبُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ بِلالٍ، حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بِلالٍ فَذَكَرَهُ

! 10 وَقَالَ أَبُو إِسْمَاعِيلَ التِّرْمِذِيُّ أَيْضًا: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُكَيْرٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ غَزِيَّةَ أَنَّهُ سَمِعَ عَبَّاسَ بْنَ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ خَبَّرَ عَنْ أَبِيهِ رضي الله عنه.

كَانَ رَسُول اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَخْطُبُ إِذَا خَطَبَ عَلَى خَشَبَةٍ ذَاتَ فُرْضَتَيْنِ كَانَتْ فِي الْمَسْجِدِ فَلَمَّا زَادَ النَّاسُ وَكَثُرُوا قِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! لَوْ كُنْتَ جَعَلْتَ مِنْبَرًا تُشْرِفُ لِلنَّاسِ عَلَيْهِ فَإِنَّهُمْ قَدْ كَثُرُوا.

قَالَ: وَكَانَ بِالْمَدِينَةِ نَجَّارٌ وَاحِدٌ يُقَالُ لَهُ: مَيْمُونُ، قَالَتْ: فَنَعَتَ النَّجَّارُ فَانْطَلَقْتُ مَعَهُ حَتَّى أَتَيْنَا الْخَانِقِينَ فَقَطَعْنَا مِنْهَا أَثْلَةً فَعَمِلَهَا، قَالَ: فَمَا هُوَ إِلا أَنْ قَعَدَ عَلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَتَكَلَّمَ فَقَدَتْهُ الْخَشَبَةُ فَخَارَتْ كَمَا يَخُورُ الثَّوْرُ لَهَا خَنِينٌ، قَالَ: فَجَعَلَ الْعَبَّاسُ يَمُدُّ يَدَيْهِ كَنَحْوِ مَا أَرَى أَبَاهُ يَمُدُّ يَدَيْهِ لِيَحْكِيَ
তিনি বললেন: অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ওপর দাঁড়ালেন, ফলে কাঠটি হাহাকার করে কেঁদে উঠল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "তোমরা কি এই কাঠের কান্নায় আশ্চর্য হচ্ছ না?" ফলে লোকেরা সেটির দিকে এগিয়ে এল এবং সেটির কান্নায় তারা এমনভাবে বিগলিত হলো যে তাদের কান্নার রোল পড়ে গেল। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নেমে তাদের নিকট আসলেন এবং সেটির ওপর তাঁর হাত রাখলেন, ফলে সেটি শান্ত হলো। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেটি সম্পর্কে নির্দেশ দিলে সেটি তাঁর মিম্বরের নিচে দাফন করা হলো অথবা সেটিকে ছাদে রাখা হলো।

এবং এটি আবু ইসমাইল মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আত-তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আইয়ুব ইবনে সুলাইমান ইবনে বিলাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর ইবনে আবি উওয়াইস সুলাইমান ইবনে বিলাল থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেন।

! ১০ এবং আবু ইসমাইল আত-তিরমিযী আরও বলেছেন: ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বুকাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে লাহিয়াহ উমারা ইবনে গাজিয়া থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আব্বাস ইবনে সাহল ইবনে সা'দকে তাঁর পিতার (রাদিয়াল্লাহু আনহু) নিকট থেকে সংবাদ দিতে শুনেছেন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন খুতবা দিতেন, তখন মসজিদে থাকা দুটি খাঁজবিশিষ্ট একটি কাঠের ওপর দাঁড়িয়ে খুতবা দিতেন। যখন মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেল এবং তারা অনেক হয়ে গেল, তখন বলা হলো: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি যদি একটি মিম্বর তৈরি করে নিতেন যার ওপর আপনি দাঁড়িয়ে লোকদের সামনে উঁচুতে থাকতেন, কারণ তারা তো সংখ্যায় অনেক হয়ে গেছে।

তিনি বললেন: মদিনায় মাইমুন নামক জনৈক কাঠমিস্ত্রি ছিল। তিনি বললেন: অতঃপর সেই কাঠমিস্ত্রির বিবরণ দেওয়া হলো এবং আমি তার সাথে রওয়ানা হলাম যতক্ষণ না আমরা আল-খানিকিনে পৌঁছলাম। অতঃপর আমরা সেখান থেকে একটি ঝাউ গাছ কাটলাম এবং সে এটি তৈরি করল। তিনি বললেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেটির ওপর বসার পর কথা বলাই মাত্রই কাঠটি তাঁকে হারিয়ে ফেলার বিরহে ষাঁড়ের ডাকের ন্যায় আর্তনাদ করে উঠল এবং সেটির মধ্যে রোদনের শব্দ ছিল। তিনি বললেন: তখন আব্বাস তাঁর দুই হাত প্রসারিত করতে লাগলেন যেভাবে আমি তাঁর পিতাকে দুই হাত প্রসারিত করতে দেখেছি সেই ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে।
(খণ্ড: ১) আরফুল আনবার ফী ওয়াসফিল মিম্বার (পৃষ্ঠা: ৩৮০)
حَنِينَ الْخَشَبَةِ حَتَّى تَفَزَّعَ النَّاسُ وَكَثُرَ الْبُكَاءُ مِمَّا رَأَوْهَا.

فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «سُبْحَانَ اللَّهِ أَلا تَرَوْنَ هَذِهِ الْخَشَبَةَ انْزِعُوهَا وَاجْعَلُوهَا تَحْتَ الْمِنْبَرِ» .

تَابَعَهُ مُخْتَصَرًا بِمَعْنَاهُ عَبْدُ الْمُهَيْمِنِ بْنُ عَبَّاسِ بْنِ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، رضي الله عنه، قَالَ: قُطِعَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ثَلاثُ دَرَجَاتٍ مِنْ طَرْفَاءِ الْغَابَةِ وَإِنَّ سَهْلا حَمَلَ خَشَبَةً مِنْهُنَّ حَتَّى وَضَعَهَا فِي مَوْضِعِ الْمِنْبَرِ.

وَفِي حَدِيثِ عُمَارَةَ بْنِ غَزِيَّةَ دَلِيلٌ لِمَنْ يَجْزِمُونَ بِأَنَّ صَانِعَ الْمِنْبَرِ يُقَالُ لَهُ: مَيْمُونٌ

 

‌‌وَمِنَ الأَخْبَارِ الَّتِي فِيهَا يُذْكَرُ مَنِ اتَّخَذَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم الْمِنْبَرَ

وَهُوَ

مَا أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ النِّعَالِيُّ مُشَافَهَةً بِالإِجَازَةِ، عَنِ الْعَلامَةِ أَبِي الْعَبَّاسِ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْفَزَارِيِّ، أَخْبَرَنَا الْعَلَّامَةُ الإِمَامُ أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمَوْصِلِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ أَخْبَرَنَا مَنْصُورُ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْفَارِسِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ الْحَافِظُ، حَدَّثَنَا أَبُو الْجَهْمِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ الْقُرَشِيُّ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَمْرٍو، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي رَوَّادٍ، حَدَّثَنِي نَافِعٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما، أَنَّ تَمِيمًا الدَّارِيَّ، رضي الله عنه، قَالَ لرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: لَمَّا أَسَنَّ وَثَقُلَ، أَلا أَتَّخِذُ لَكَ مِنْبَرًا يَحْمِلُ، أَوْ قَالَ: يَجْمَعُ يَعْنِي: عِظَامَكَ
কাঠের গুঁড়ির কান্নার আওয়াজ এমনভাবে হলো যে মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ল এবং যা দেখল তার কারণে কান্নার রোল পড়ে গেল।

তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "সুবহানাল্লাহ! তোমরা কি এই কাঠটি দেখছ না? এটিকে সরিয়ে ফেলো এবং মেম্বারের নিচে রেখে দাও।"

এর অনুসরণে আব্দুল মুহায়মিন ইবনে আব্বাস ইবনে সাহল ইবনে সা'দ তার পিতা হতে এবং তিনি তার দাদা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হতে সংক্ষিপ্তভাবে এর মর্মার্থ বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য বনের ঝাউ গাছ থেকে তিনটি ধাপ কাটা হয়েছিল এবং সাহল সেগুলোর একটি কাঠ বহন করে এনেছিলেন যতক্ষণ না তিনি তা মেম্বারের স্থানে স্থাপন করেন।

আর উমারা ইবনে গাজিয়্যাহ-র হাদিসে তাদের জন্য দলিল রয়েছে যারা দৃঢ়তার সাথে বলেন যে, মেম্বার প্রস্তুতকারকের নাম ছিল: মাইমুন।

 

‌‌সে সকল সংবাদের বিবরণ যাতে উল্লেখ রয়েছে কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য মেম্বার তৈরি করেছিলেন

আর তা হলো

যা আমাদের জানিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আন-নিআলী সরাসরি ইজাজতের মাধ্যমে, আল্লামা আবু আব্বাস আহমদ ইবনে ইব্রাহিম আল-ফাজারী হতে, তিনি বলেন আমাদের জানিয়েছেন আল্লামা ইমাম আবু আমর উসমান ইবনে আব্দুর রহমান আল-মাওসিলী, তার নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যখন আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন আমাদের জানিয়েছেন মনসুর ইবনে আব্দুল মুনইম, তিনি বলেন আমাদের জানিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-ফারিসি, তিনি বলেন আমাদের জানিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবনে আল-হুসাইন, তিনি বলেন আমাদের জানিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ, তিনি বলেন আমাদের জানিয়েছেন আবু আহমদ আল-হাফিজ, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু জাহম আহমদ ইবনে আল-হাসান আল-কুরাশি, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সাঈদ ইবনে আমর, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আসিম, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবনে আবি রাওয়াদ, তিনি বলেন আমার নিকট নাফে বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে যে, তামীম আদ-দারী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বার্ধক্যজনিত কারণে শরীর ভারী হয়ে যাওয়ার পর তাকে বলেছিলেন: আমি কি আপনার জন্য এমন একটি মেম্বার তৈরি করে দেব না যা আপনার ভার বহন করবে, অথবা তিনি বলেছিলেন: আপনার হাড়সমূহকে (অর্থাৎ আপনার অবয়বকে) একত্রে ধরে রাখবে।
(খণ্ড: ১) আরফুল আনবার ফী ওয়াসফিল মিম্বার (পৃষ্ঠা: ৩৮১)
أَوْ كَلِمَةً تُشْبِهُهَا، فَاتَّخَذَا لَهُ مِرْقَاتَيْنِ أَوْ ثَلاثَةً يَجْلِسُ عَلَيْهَا.

قَالَ: فَصَعَدَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَحَنَّ جِذْعٌ كَانَ فِي الْمَسْجِدِ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا خَطَبَ يَسْتَنِدُ إِلَيْهِ فَنَزَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَاحْتَضَنَهُ وَقَالَ شَيْئًا لا أَدْرِي مَا هُوَ ثُمَّ صَعَدَ الْمِنْبَرَ وَكَانَ أَسَاطِينُ الْمَسْجِدِ جُذُوعًا وَسَقَائِفُهُ جَرِيدًا.

أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ فِي «سُنَنِهِ» عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ فَذَكَرَهُ مُخْتَصَرًا إِلَى قَوْلِهِ «مِرْقَاتَيْنِ» دُونَ مَا بَعْدَهُ.

وَأَبُو أَحْمَدَ الْحَافِظُ هُوَ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ الْحَاكِمُ.

وَأَبُو عَاصِمٍ هُوَ النَّبِيلُ الضَّحَّاكُ بْنُ مَخْلَدٍ الشَّيْبَانِيُّ الْبَصْرِيُّ الإِمَامُ أَحَدُ الْحُفَّاظُ الثِّقَاتُ الأَعْلَامُ.

وَابْنُ أَبِي رَوَّادٍ هُوَ عَبْدُ الْعَزِيزِ، وَاسْمُ أَبِي رَوَّادٍ مَيْمُونٌ فِيمَا جَزَمَ بِهِ الْبُخَارِيُّ فِي تَارِيخِهِ الْكَبِيرِ، وَقِيلَ: أَيْمَنُ بْنُ بَدْرٍ مَوْلَى الْمُهَلَّبِ بْنِ أَبِي صُفْرَةَ الْمَكِّيِّ.

وَابْنُهُ عَبْدُ الْعَزِيزِ كَانَ يَرَى الإِرْجَاءَ فِيمَا قَالَهُ الْحُمَيْدِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سُلَيْمٍ، وَكَانَ ثِقَةً عَابِدًا تُوُفِّيَ سَنَةَ تِسْعٍ وَخَمْسِينَ وَمِائَةٍ

فَإِسْنَادُ الْحَدِيثِ كُلٌّ مِنْ رُوَاتِهِ ثِقَةٌ لَكِنَّ ابْنَ أَبِي رَوَّادٍ فِي حَدِيثِهِ عَنْ نَافِعٍ مَقَالٌ: قَالَ أَبُو حَاتِمٍ مُحَمَّدُ بْنُ حِبَّانَ: «رَوَى عَنْ نَافِعٍ عَنْ عُمَرَ نُسْخَةً مَوْضُوعَةً، انْتَهَى.
অথবা এর অনুরূপ কোনো শব্দ, এরপর তাঁরা তাঁর জন্য দুই বা তিনটি ধাপ বিশিষ্ট একটি মিম্বর তৈরি করলেন যার ওপর তিনি বসতেন।

তিনি বলেন: এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ওপর আরোহণ করলেন, তখন মসজিদের ভেতরে থাকা একটি খেজুর গাছের গুঁড়ি কান্নায় ফেটে পড়ল; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন খুতবা দিতেন তখন সেটির ওপর হেলান দিতেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বর থেকে নামলেন এবং সেটিকে জড়িয়ে ধরলেন এবং কিছু একটা বললেন যা আমি জানি না। এরপর তিনি পুনরায় মিম্বরে আরোহণ করলেন। আর মসজিদের স্তম্ভগুলো ছিল খেজুর গাছের গুঁড়ির এবং তার ছাদ ছিল খেজুর পাতার।

আবু দাউদ এটি তাঁর ‘সুনান’-এ হাসান ইবনে আলীর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আসিম হাদীস বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তিনি এটি সংক্ষেপে ‘দুই ধাপ’ পর্যন্ত উল্লেখ করেছেন, এর পরবর্তী অংশ আর উল্লেখ করেননি।

আর আবু আহমাদ আল-হাফিজ হলেন মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আল-হাকিম।

আর আবু আসিম হলেন আন-নাবীল আদ-দাহহাক ইবনে মাখলাদ আশ-শায়বানী আল-বাসরী, যিনি একজন ইমাম এবং প্রখ্যাত নির্ভরযোগ্য হাফিজদের অন্যতম।

আর ইবনে আবি রাওয়াদ হলেন আব্দুল আজিজ; ইমাম বুখারী তাঁর ‘তারীখুল কাবীর’-এ আবি রাওয়াদের নাম ‘মায়মুন’ হওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় মত প্রকাশ করেছেন। আবার কারো মতে তিনি হলেন আয়মান ইবনে বদর, যিনি মুহাল্লাব ইবনে আবি সুফরা আল-মাক্কীর মুক্তদাস।

আর তাঁর পুত্র আব্দুল আজিজ ‘ইরজা’ (মুরজিয়া) মতবাদ পোষণ করতেন, যেমনটি হুমাইদী ইয়াহইয়া ইবনে সুলাইমের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি নির্ভরযোগ্য ও ইবাদতগুজার ছিলেন এবং একশত উনষাট হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

সুতরাং হাদীসটির সনদের বর্ণনাকারীদের প্রত্যেকেই নির্ভরযোগ্য, তবে নাফে’র সূত্রে ইবনে আবি রাওয়াদের বর্ণনার ব্যাপারে সমালোচনা রয়েছে। আবু হাতিম মুহাম্মাদ ইবনে হিব্বান বলেছেন: "তিনি নাফে’র সূত্রে উমর থেকে একটি জাল পাণ্ডুলিপি বর্ণনা করেছেন।" (সমাপ্ত)।
(খণ্ড: ১) আরফুল আনবার ফী ওয়াসফিল মিম্বার (পৃষ্ঠা: ৩৮২)
وَلَوْ كَانَ هَذَا كَمَا قَالَهُ مِنْ أَنَّ النُّسْخَةَ مَوْضُوعَةً مَا عَلَّقَ الْبُخَارِيُّ فِي» صَحِيحِهِ " مِنْهَا شَيْئًا فَقَدْ عَلَّقَ الْحَدِيثَ إِسْنَادًا لا مَتْنًا بِصِيغَةِ الْجَزْمِ، فَقَالَ فِي صَحِيحِهِ بَعْدَ أَنْ خَرَّجَ فِي أَصْلِهِ حَدِيثَ أَبِي حَفْصٍ عُمَرَ بْنِ الْعَلاءِ سَمِعْتُ نَافِعًا يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عُمَرَ، رضي الله عنهما، قَالَ: " كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَخْطُبُ إِلَى جِذْعٍ فَلَمَّا اتَّخَذَ الْمِنْبَرَ تَحَوَّلَ إِلَيْهِ، فَحَنَّ الْجِذْعُ فَأَتَاهُ فَمَسَحَ يَدَهُ عَلَيْهِ.

قَالَ الْبُخَارِيُّ: " وَقَالَ عَبْدُ الْحَمِيدِ: أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، أَخْبَرَنَا مُعَاذُ بْنُ الْعَلاءِ، عَنْ نَافِعٍ بِهَذَا، وَرَوَاهُ أَبُو عَاصِمٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي رَوَّادٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، هَكَذَا عَلَّقَهُ الْبُخَارِيُّ فِي صَحِيحِهِ، وَتَقَدَّمَ وَصْلَهُ.

وَحَدِيثُ عُثْمَانَ بْنِ عُمَرَ، رَوَاهُ أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ، وَأَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالا: حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، أَخْبَرَنَا مُعَاذُ بْنُ الْعَلاءِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، رضي الله عنهما، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، كَانَ يَخْطُبُ إِلَى جِذْعِ نَخْلَةٍ فَلَمَّا اتَّخَذَ الْمِنْبَرَ حَنَّ الْجِذْعُ حَتَّى أَتَاهُ فَالْتَزَمَهُ ".

تَابَعَهُ يَحْيَى بْنُ السَّكَنِ وَبَدَلُ بْنُ الْمُحَبَّرِ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ الْعَلاءِ، قِيلَ: مُعَاذُ أَصَحُّ مِنْ عُمَرَ وَاللَّهُ أَعْلَمُ.
বিষয়টি যদি এমন হতো যেমনটি তিনি বলেছেন যে এই অনুলিপিটি জাল, তবে ইমাম বুখারি তাঁর 'সহিহ' গ্রন্থে এখান থেকে কোনো কিছুই মুয়াল্লাক হিসেবে উল্লেখ করতেন না। অথচ তিনি হাদিসটি সনদগতভাবে মুয়াল্লাক হিসেবে উল্লেখ করেছেন, মতন বা মূল পাঠের দিক থেকে নয়, এবং তা করেছেন জজম বা দৃঢ়তার সূচকে। তিনি তাঁর সহিহ গ্রন্থে আবু হাফস ওমর ইবনুল আলা-এর বর্ণিত হাদিসটি মূল অংশে সংকলন করার পর বলেছেন: আমি নাফে'কে ইবনে ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একটি খেজুর গাছের কাণ্ডের ওপর ভর দিয়ে খুতবা দিতেন। অতঃপর যখন তিনি মিম্বর গ্রহণ করলেন, তখন সেটির দিকে স্থানান্তরিত হলেন। এতে কাণ্ডটি রোদন করতে লাগল। তখন তিনি সেটির নিকট আসলেন এবং তার ওপর নিজের হাত বুলালেন।"

ইমাম বুখারি বলেন: "এবং আব্দুল হামিদ বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ওসমান ইবনে ওমর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুয়াজ ইবনুল আলা, নাফে' থেকে এই হাদিসটি। আর আবু আসিম এটি বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি রাওয়াদ থেকে, তিনি নাফে' থেকে, তিনি ইবনে ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে।" ইমাম বুখারি তাঁর সহিহ গ্রন্থে এভাবেই এটি মুয়াল্লাক হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং এর মুত্তাসিল বা সংযুক্ত বর্ণনা পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।

আর ওসমান ইবনে ওমরের হাদিসটি আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে মুহাম্মদ এবং আহমদ ইবনে মনসুর, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ওসমান ইবনে ওমর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুয়াজ ইবনুল আলা, নাফে' থেকে, তিনি ইবনে ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একটি খেজুর গাছের কাণ্ডের ওপর খুতবা দিতেন। অতঃপর যখন তিনি মিম্বর গ্রহণ করলেন, তখন কাণ্ডটি রোদন করতে লাগল, যতক্ষণ না তিনি সেটির নিকট আসলেন এবং তাকে জড়িয়ে ধরলেন।

ইয়াহইয়া ইবনুস সাকান এবং বদল ইবনুল মুহাব্বর মুয়াজ ইবনুল আলার বর্ণনায় তাঁর অনুসরণ করেছেন। বলা হয়েছে: ওমরের চেয়ে মুয়াজের বর্ণনা অধিকতর বিশুদ্ধ, আর আল্লাহই ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) আরফুল আনবার ফী ওয়াসফিল মিম্বার (পৃষ্ঠা: ৩৮৩)
وَقَالَ الإِمَامُ أَحْمَد بْنُ حَنْبَلٍ فِي «مُسْنَدِهِ» .

حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا خَلَفٌ يَعْنِي ابْنَ خَلِيفَةَ، عَنْ أَبِي جَنَابٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، رضي الله عنهما، قَالَ: كَانَ جِذْعُ نَخْلَةٍ فِي الْمَسْجِدِ يَسْنِدُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ظَهْرَهُ إِلَيْهِ إِذَا كَانَ يَوْمُ الْجُمُعَةِ أَوْ حَدَثَ أَمْرٌ يُرِيدُ أَنْ يُكَلِّمَ النَّاسَ، فَقَالُوا: أَلا تَجْعَلُ لَكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ شَيْئًا كَقَدْرِ قِيَامِكَ؟ قَالَ: «لا عَلَيْكُمْ أَنْ تَفْعَلُوا» .

فَصَنَعُوا لَهُ مِنْبَرًا ثَلاثَ مَرَاقٍ، قَالَ: فَجَلَسَ عَلَيْهِ، قَالَ: فَخَارَ الْجِذْعُ كَمَا تَخُورُ الْبَقَرَةُ جَزَعًا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَالْتَزَمَهُ وَمَسَحَهُ حَتَّى سَكَنَ.

أَبُو جَنَابٍ يَحْيَى بْنُ أَبِي حَيَّةَ الْكُوفِيُّ ضَعَّفَهُ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ وَمِنْهُ.

وَأَبُوهُ اسْمُهُ: حَيٌّ، تَابِعِيٌّ كُوفِيٌّ مَحَلُّهُ الصِّدْقُ فِيمَا قَالَهُ أَبُو حَاتِمٍ الرَّازِيُّ.

وَأَنْبَأَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الذَّهَبِيِّ وَآخَرُونَ ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ حَمْزَةَ الْحَاكِمِ وَأَبِي نَصْرٍ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْفَارِسِيِّ، وَالْقَاسِمِ بْنِ الْمُظَفَّرِ الدِّمَشْقِيِّ، قَالَ سُلَيْمَانُ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِمَادِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحَرَّانِيُّ، إِجَازَةً، وَقَالَ الآخَرَانِ: أَنْبَأَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَلِيٍّ الْبَكْرِيُّ، قَالَ هُوَ وَالْحَرَّانِيُّ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي ابْنُ الْبَطِّيِّ، وَعَبْدُ الْحَقِّ بْنُ عَبْدِ الْخَالِقِ
এবং ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল তাঁর ‘মুসনাদ’-এ বলেছেন।

হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, খালাফ অর্থাৎ ইবনে খলিফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু জানাব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: মসজিদে একটি খেজুর গাছের কাণ্ড ছিল, জুমার দিন অথবা যখন কোনো বিষয় ঘটত যার জন্য তিনি লোকজনের সাথে কথা বলতে চাইতেন, তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাতে পিঠ ঠেকিয়ে দাঁড়াতেন। সাহাবীগণ বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি আপনার জন্য আপনার দাঁড়ানোর উচ্চতা অনুযায়ী কোনো কিছু তৈরি করে দেব না? তিনি বললেন: "তোমরা চাইলে তা করতে পারো।"

অতঃপর তাঁরা তাঁর জন্য তিন ধাপবিশিষ্ট একটি মিম্বর তৈরি করলেন। তিনি বলেন: এরপর তিনি তার উপর বসলেন। তিনি বলেন: তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বিরহে সেই কাণ্ডটি গাভীর বাছুরের মতো করুণ স্বরে আর্তনাদ করতে লাগল। তখন তিনি তাকে জড়িয়ে ধরলেন এবং তার উপর হাত বুলিয়ে দিলেন, যতক্ষণ না সেটি শান্ত হলো।

আবু জানাব ইয়াহইয়া ইবনে আবি হাইয়্যাহ আল-কুফিকে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ এবং অন্যরাও দুর্বল সাব্যস্ত করেছেন।

আর তাঁর পিতার নাম: হাইয়্যুন, তিনি একজন কুফী তাবিঈ। আবু হাতিম আর-রাজীর বক্তব্য অনুযায়ী তিনি সত্যবাদী স্তরের ছিলেন।

এবং আবু হুরায়রা আবদুর রহমান ইবনে আয-যাহাবী ও অন্যান্যরা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুলাইমান ইবনে হামজাহ আল-হাকিম, আবু নাসর মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-ফারিসি এবং কাসিম ইবনে মুজাফফর আদ-দিমাশকি থেকে। সুলাইমান বলেন: মুহাম্মদ ইবনে ইমাদ ইবনে মুহাম্মদ আল-হাররানি আমাদের ইজাযাহর মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন। অন্য দুজন বলেন: আবুল কাসিম আলী ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আলী আল-বাকরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি এবং আল-হাররানি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আবদিল বাকি ইবনুল বাত্তি এবং আবদুল হক ইবনে আবদুল খালিক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) আরফুল আনবার ফী ওয়াসফিল মিম্বার (পৃষ্ঠা: ৩৮৪)
الْيُوسُفِيُّ، وَعَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ يَحْيَى الْعَدَّاسُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمْ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ فِي شَهْرِ رَمَضَانَ سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وَسِتِّينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، قَالَ ابْنُ الْبَطِّيِّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضْلِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ ابْنُ خَيْرُونٍ، وَقَالَ عَبْدُ الْحَقِّ: أَخْبَرَنَا أَبُو طَالِبٍ عَبْدُ الْقَادِرِ بْنُ مُحَمَّدٍ، وَقَالَ الْعَدَّاسُ: أَخْبَرَنَا أَبُو طَالِبٍ عَبْدُ الْقَادِرِ بْنُ مُحَمَّدٍ، وَقَالَ الْعَدَّاسُ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ الْفَرَجِ الدُّورِيُّ، قَالَ الثَّلاثَةُ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَوْهَرِيُّ.

وَأَنْبَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمَقْدِسِيُّ، عَنْ فَاطِمَةَ ابْنَةِ سُلَيْمَانَ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْبَنْدَنِيجِيُّ كِتَابَةً، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ خَيْرُونٍ، إِذْنًا، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ الْجَوْهَرِيِّ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَبَّاسِ بْنِ حَيُّوِيَةَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَعْرُوفٍ الْخَشَّابُ، أَخْبَرَنَا الْحَارِثُ بْنُ مُحَمَّدٍ التَّمِيمِيُّ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعْدِ بْنِ مَعْنٍ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ، أَخْبَرَنَا ابْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ عَبْدِ الْمَجِيدِ بْنِ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه.

وَقَالَ مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ أَيْضًا: وَحَدَّثَنِي غَيْرُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَيْضًا بِبَعْضِ ذَلِكَ قَالُوا: كَانَ رَسُول اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ الْجُمُعَةِ يَخْطُبُ إِلَى جِذْعٍ فِي الْمَسْجِدِ قَائِمًا، فَقَالَ: «إِنَّ الْقِيَامَ قَدْ شَقَّ عَلَيَّ» ، فَقَالَ لَهُ تَمِيمٌ الدَّارِيُّ: أَلا أَعْمَلُ لَكَ مِنْبَرًا كَمَا رَأَيْتُ يُصْنَعُ بِالشَّامِ فَشَاوَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمُسْلِمِينَ فِي ذَلِكَ فَرَأَوْا أَنْ يَتَّخِذَهُ، فَقَالَ الْعَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ، رضي الله عنه: إِنَّ لِي غُلامًا يُقَالُ لَهُ: كِلابٌ أَعْمَلُ النَّاسِ.

فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مُرْهُ فَلْيَعْمَلْهُ» فَأَرْسَلَهُ إِلَى أَثْلَةٍ بِالْغَابَةِ فَقَطَعَهَا، ثُمَّ عَمِلَ مِنْهَا دَرَجَتَيْنِ وَمَقْعَدًا، ثُمَّ جَاءَ بِهِ فَوَضَعَهُ فِي مَوْضِعِهِ الْيَوْمَ فَجَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَامَ عَلَيْهِ، وَقَالَ: «مِنْبَرِي هَذَا عَلَى تُرْعَةٍ مِنْ تُرَعِ الْجَنَّةِ، وَقَوَائِمُ مِنْبَرِي رَوَاتِبُ فِي الْجَنَّةِ» ، وَقَالَ: «مِنْبَرِي عَلَى حَوْضِي» ، وَقَالَ: «مَا بَيْنَ مِنْبَرِي وَبَيْتِي رَوْضَةٌ مِنْ رِيَاضِ الْجَنَّةِ» .
আল-ইউসুফী এবং আব্দুল জব্বার ইবনে ইয়াহইয়া আল-আদ্দাস, তাঁদের নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমরা শুনছিলাম ৫৬২ হিজরি সনের রমজান মাসে। ইবনুল বাত্তী বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফজল আহমদ ইবনুল হাসান ইবনে খাইরুন। আব্দুল হক বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব আব্দুল কাদির ইবনে মুহাম্মদ। আল-আদ্দাস বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব আব্দুল কাদির ইবনে মুহাম্মদ। আল-আদ্দাস বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাকী ইবনুল ফারাজ আদ-দূরী। তাঁরা তিনজনই বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে আলী আল-জওহারী।

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মাকদিসী, ফাতিমা বিনতে সুলাইমানের সূত্রে। মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-বানদানীজী আমাদের লিখিতভাবে সংবাদ দিয়েছেন। মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে খাইরুন অনুমতিক্রমে আল-হাসান ইবনে আলী আল-জওহারীর সূত্রে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। মুহাম্মদ ইবনে আব্বাস ইবনে হাইয়ুওয়াইহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমরা শুনছিলাম। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে মারুফ আল-খাশশাব। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হারিস ইবনে মুহাম্মদ আত-তামীমী। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে সা'দ ইবনে মান। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে উমর। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আবী যিনাদ, আব্দুল মাজিদ ইবনে সুহাইলের সূত্রে, তিনি আবু সালামার সূত্রে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন।

মুহাম্মদ ইবনে উমর আরও বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান ছাড়াও আরও অনেকে আমাকে এর কিছু অংশ বর্ণনা করেছেন। তাঁরা বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জুমার দিন মসজিদের একটি গাছের গুঁড়ির ওপর দাঁড়িয়ে খুতবা দিতেন। অতঃপর তিনি বললেন: "দাঁড়িয়ে থাকা আমার জন্য কষ্টকর হয়ে পড়েছে।" তখন তামীম আদ-দারী তাঁকে বললেন: "আমি কি আপনার জন্য একটি মিম্বর তৈরি করে দেব না, যেমনটি আমি শাম দেশে তৈরি হতে দেখেছি?" আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ বিষয়ে মুসলিমদের সাথে পরামর্শ করলেন এবং তাঁরা তা গ্রহণ করার মত দিলেন। আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বললেন: "আমার একজন দাস আছে যার নাম কিলাব, সে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে দক্ষ কারিগর।"

অতঃপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "তাকে নির্দেশ দাও যেন সে এটি তৈরি করে।" তিনি তাকে আল-গাবাহ্ নামক স্থানের একটি ঝাউ গাছের কাছে পাঠালেন এবং সে সেটি কাটল। তারপর সে তা থেকে দুটি ধাপ ও একটি বসার স্থান তৈরি করল। অতঃপর সে সেটি নিয়ে এল এবং আজকের এই স্থানে স্থাপন করল। এরপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আসলেন এবং তার ওপর দাঁড়ালেন। তিনি বললেন: "আমার এই মিম্বরটি জান্নাতের একটি তোরণের ওপর অবস্থিত এবং আমার মিম্বরের পায়াগুলো জান্নাতে সুপ্রতিষ্ঠিত।" তিনি আরও বললেন: "আমার মিম্বরটি আমার হাউযের ওপর অবস্থিত।" তিনি বললেন: "আমার মিম্বর এবং আমার ঘরের মধ্যবর্তী স্থান জান্নাতের বাগানসমূহ থেকে একটি বাগান।"
(খণ্ড: ১) আরফুল আনবার ফী ওয়াসফিল মিম্বার (পৃষ্ঠা: ৩৮৫)
وَذَكَرَ بَقِيَّةَ الْحَدِيثِ.

وَفِيهِ أَنَّ صَانِعَ الْمِنْبَرِ كِلابٌ مَوْلَى الْعَبَّاسِ

وَجَاءَ فِي رِوَايَةٍ أَنَّ اسْمَ غُلامِ الْعَبَّاسِ الَّذِي صَنَعَ الْمِنْبَرَ صَبَاحٌ فِيمَا ذَكَرَهُ أَبُو الْقَاسِمِ خَلَفُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ ابْنُ بَشْكُوَالٍ.

وَفِي الصَّحِيحِ أَنَّ صَانِعَ الْمِنْبَرِ غُلامُ امْرَأَةٍ مِنَ الأَنْصَارِ، وَقِيلَ: مِنَ الْمُهَاجِرِينَ.

وَفِيهِ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ أَيْمَنَ الْمَكِّيِّ الْمَخْزُومِيِّ مَوْلاهُمْ، عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَابِرٍ، رضي الله عنه، أَنَّ امْرَأَةً، قَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! أَلا أَجْعَلُ لَكَ شَيْئًا تَقْعُدُ عَلَيْهِ، فَإِنَّ لِي غُلامًا نَجَّارًا، قَالَ: «إِنْ شِئْتِ» فَعَمِلَتِ الْمِنْبَرَ.

وَمِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلٍ رضي الله عنه، بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى امْرَأَةٍ: «مُرِي غُلامِكِ النَّجَّارَ يَعْمَلُ لِي أَعْوَادًا أَجْلِسُ عَلَيْهِنَّ إِذَا كَلَّمْتُ النَّاسَ» .

وَهَذِهِ الْمَرْأَةُ لا يُعْرَفُ اسْمُهَا الَّذِي حَفِظَهُ سَهْلُ بْنُ سَعْدٍ رضي الله عنهما، فَسَمَّاهَا بِهِ لأَبِي حَازِمٍ سَلَمَةَ بْنِ دِينَارٍ، وَنَسِيَهُ أَبُو حَازِمٍ وَهِيَ عَلَى الْمَشْهُورِ مِنَ الأَنْصَارِ.

وَذَكَرَ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ ابْنُ زَبَالَةَ إِنَّهَا مِنْ بَنِي سَاعِدَةَ قَوْمِ سَهْلٍ رَاوِي قِصَّتَهَا.

وَاخْتُلِفَ فِي اسْمِ غُلامِهَا.

فَقِيلَ: مِينَا.
এবং তিনি হাদিসের অবশিষ্ট অংশ উল্লেখ করেছেন।

এতে আরও আছে যে, মিম্বর নির্মাণকারী ছিলেন আব্বাসের মুক্তদাস কিলাব।

একটি বর্ণনায় এসেছে যে, আব্বাসের যে গোলাম মিম্বর নির্মাণ করেছিলেন তার নাম ছিল সাবাহ; যেমনটি আবুল কাসিম খালাফ বিন আব্দুল মালিক ইবনে বাশকুয়াল উল্লেখ করেছেন।

সহিহ বর্ণনায় এসেছে যে, মিম্বর নির্মাণকারী ছিলেন আনসারদের জনৈক মহিলার গোলাম, আবার বলা হয়েছে: মুহাজিরদের মধ্য থেকে।

এতে আব্দুল ওয়াহিদ বিন আয়মান আল-মাক্কি আল-মাখযুমি (তাদের মুক্তদাস) হতে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি জাবির (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, এক মহিলা বললেন: হে আল্লাহর রাসুল! আমি কি আপনার জন্য এমন কিছু তৈরি করে দেব না যার ওপর আপনি বসবেন? কারণ আমার একজন কাঠমিস্ত্রি গোলাম আছে। তিনি বললেন: "তুমি যদি চাও।" এরপর তিনি মিম্বরটি তৈরি করলেন।

আব্দুল আজিজ বিন আবি হাজিম হতে, তিনি আবু হাজিম থেকে এবং তিনি সাহল (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জনৈক মহিলার নিকট এই মর্মে লোক পাঠালেন যে: "তোমার কাঠমিস্ত্রি গোলামকে নির্দেশ দাও সে যেন আমার জন্য কাঠের কিছু সরঞ্জাম তৈরি করে দেয় যার ওপর আমি মানুষের সাথে কথা বলার সময় বসব।"

এই মহিলার নাম জানা যায় না যা সাহল বিন সাদ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) স্মরণ রেখেছিলেন এবং তিনি আবু হাজিম সালামাহ বিন দীনারের নিকট তার নাম উল্লেখ করেছিলেন, কিন্তু আবু হাজিম তা ভুলে গেছেন; আর প্রসিদ্ধ মতে তিনি আনসারদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

মুহাম্মদ বিন হাসান ইবনে জাবালা উল্লেখ করেছেন যে, তিনি বনু সায়েদাহ গোত্রের ছিলেন, যারা এই ঘটনার বর্ণনাকারী সাহলের স্বগোত্রীয়।

তাঁর গোলামের নাম নিয়ে মতভেদ রয়েছে।

বলা হয়েছে: মীনা।
(খণ্ড: ১) আরফুল আনবার ফী ওয়াসফিল মিম্বার (পৃষ্ঠা: ৩৮৬)
رَوَاهُ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ الْخَطِيبُ مِنْ طَرِيقِ هَارُونَ بْنِ مُوسَى، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: قَالَ إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ: الَّذِي عَمِلَ الْمِنْبَرَ غُلامُ الأَنْصَارِيِّ وَاسْمُهُ مِينَا.

قَالَ الْخَطِيبُ: «مَوْلاتُهُ لا نَعْلَمُ أَحَدًا سَمَّاهَا» .

وَفِيمَا قَالَهُ نَظَرٌ فَقَدْ صَحَّ عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلٍ رضي الله عنه، أَنَّهُ قَالَ: أَرْسَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى فُلانَةٍ امْرَأَةٍ قَدْ سَمَّاهَا سَهْلٌ وَذَكَرَ الْحَدِيثَ.

وَقِيلَ: اسْمُ الْغُلامِ بَاقُولُ، وَقِيلَ: بَاقُومُ بِالْمِيمِ بَدَلَ اللامِ.

وَرَوَى أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ مَنْدَهْ مِنْ طَرِيقِ عَبْدِ الرَّزَّاقِ، عَنْ رَجُلٍ مِنْ أَسْلَمَ وَهُوَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي يَحْيَى، عَنْ صَالِحٍ مَوْلَى التَّوْأَمَةِ، أَنَّ بَاقُولَ مَوْلَى الْعَاصِي بْنِ أُمَيَّةَ صَنَعَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْبَرَهُ مِنْ طَرْفَاءِ ثَلاثِ دَرَجَاتٍ.

قَالَ ابْنُ مَنْدَهْ: وَرَوَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ مَسْمُولٍ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، وَهُوَ السَّبْرِيُّ، عَنْ صَالِحٍ مَوْلَى التَّوْأَمَةِ، حَدَّثَنِي بَاقُومُ مَوْلَى سَعِيدِ بْنِ الْعَاصِي، قَالَ: «صَنَعْتُ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْبَرًا مِنْ طَرْفَاءِ الْغَابَةِ ثَلاثَ دَرَجَاتٍ، الْقَعْدَةِ وَدَرَجَتَيْهِ» .
আবু বকর আহমদ বিন আলী আল-খতিব হারুন বিন মুসার সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: ইসমাইল বিন আবদুল্লাহ বলেছেন: যিনি মিম্বর তৈরি করেছিলেন তিনি একজন আনসারীর গোলাম এবং তার নাম ছিল মিনা।

আল-খতিব বলেন: "তার মালকিনকে কেউ নাম ধরে ডেকেছেন বলে আমাদের জানা নেই।"

আর তিনি যা বলেছেন তাতে পর্যালোচনার অবকাশ রয়েছে, কেননা আবু হাজেম থেকে এবং সাহল রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বিশুদ্ধভাবে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক মহিলার নিকট লোক পাঠালেন যার নাম সাহল উল্লেখ করেছিলেন এবং তিনি হাদিসটি বর্ণনা করেন।

বলা হয়েছে: গোলামের নাম ছিল বাকুল, আবার বলা হয়েছে: 'লাম'-এর স্থলে 'মিম' দিয়ে বাকুম।

আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন মানদাহ আবদুর রাজ্জাকের সূত্রে আসলাম গোত্রের এক ব্যক্তি—যিনি হলেন ইব্রাহিম বিন আবি ইয়াহইয়া—থেকে এবং তিনি সালেহ মাওলা আত-তাওআমাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আসী বিন উমাইয়ার গোলাম বাকুল ঝাউ কাঠ দিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য তিন ধাপবিশিষ্ট একটি মিম্বর তৈরি করেছিলেন।

ইবনে মানদাহ বলেন: মুহাম্মদ বিন সুলাইমান বিন মাসমূল এটি আবু বকর বিন আবদুল্লাহ—যিনি সাবরি—থেকে এবং তিনি সালেহ মাওলা আত-তাওআমাহ থেকে বর্ণনা করেছেন: সাঈদ বিন আস-এর গোলাম বাকুম আমাকে জানিয়েছেন, তিনি বলেন: "আমি বনের ঝাউ কাঠ দিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য তিন ধাপের একটি মিম্বর তৈরি করেছি, যার একটি হলো বসার স্থান এবং অপর দুটি হলো সিঁড়ি।"
(খণ্ড: ১) আরফুল আনবার ফী ওয়াসফিল মিম্বার (পৃষ্ঠা: ৩৮৭)
وَتَقَدَّمَ فِي حَدِيثِ عَمَّارِ بْنِ غَزِيَّةَ، عَنْ عَبَّاسِ بْنِ سَهْلٍ، عَنْ أَبِيهِ أَنَّ اسْمَهُ: مَيْمُونٌ.

وَقِيلَ: اسْمُ الَّذِي عَمِلَ الْمِنْبَرَ قَيْصَرُ الْمَخْزُومِيُّ فِيمَا ذَكَرَهُ بَعْضُهُمْ وَلا أَعْرِفُ مِنَ الصَّحَابَةِ مَنِ اسْمُهُ قَيْصَرُ سِوَى أَبِي إِسْرَائِيلَ صَاحِبِ النَّذْرِ فِي الصَّوْمِ وَتَرْكِ الاسْتِظْلالِ وَالْكَلامِ وَهُوَ مَشْهُورٌ بِكُنْيَتِهِ الْمَذْكُورَةِ فِي إِفْرَادِ الْكُنَى وَيَبْعُدُ أَنْ يَكُونَ هُوَ الَّذِي عَمِلَ الْمِنْبَرَ وَاللَّهُ أَعْلَمُ.

وَقِيلَ: اسْمُ صَانِعِ الْمِنْبَرِ إِبْرَاهِيمُ.

رَوَى أَبُو مُوسَى مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمَدِينِيُّ فِي كِتَابِهِ «التَّتِمَّةِ» مِنْ طَرِيقِ أَبِي الْقَاسِمِ الطَّبَرَانِيِّ، حَدَّثَنَا عَبْدَانُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا الْعَلاءُ بْنُ مَسْلَمَةَ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا شَيْبَةُ أَبُو قِلابَةَ، عَنْ سَعِيدٍ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ جَابِرٍ رضي الله عنه: " إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَخْطُبُ إِلَى جِذْعِ نَخْلَةٍ، فَقِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنَّ الإِسْلامَ قَد انتهى عَلَيْهِ وَكَثُرَ النَّاسُ وَتَأْتِيكَ الْوُفُودُ مِنَ الأَفَاقِ فَلَوْ أَمَرْتَ بِصُنْعِ شَيْءٍ تُشَخِّصُ عَلَيْهِ فَدَعَا رَجُلا فَقَالَ: أَتَصْنَعُ الْمِنْبَرَ؟ فَقَالَ: نَعَمْ، قَالَ: مَا اسْمُكَ؟ قَالَ: فُلانٌ، قَالَ: لَسْتُ صَاحِبُهُ، ثُمَّ دَعَا آخَرَ، ثُمَّ قَالَ لَهُ مِثْلَ هَذِهِ الْمَقَالَةِ فَدَعَا آخَرَ، فَقَالَ: أَتَصْنَعُ الْمِنْبَرَ؟ فَقَالَ: نَعَمْ إِنْ شَاءَ اللَّهُ، قَالَ: مَا اسْمُكَ؟ قَالَ: إِبْرَاهِيمُ، قَالَ: فِي صَنْعَتِهِ فَلَمَّا صَنَعَهُ صَعِدَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَحَنَّ جِذْعُ النَّخْلَةِ الَّتِي كَانَ يَقُومُ عَلَيْهَا حَنِينَ النَّاقَةِ فَسَمِعَ أَهْلُ الْمَسْجِدِ صَوْتَهَا شَوْقًا إِلَى رَسُول اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَنَزَلَ فَالْتَزَمَهَا، وَقَالَ: «وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَوْ تَرَكْتُهَا لَحَنَّتْ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ» .
আম্মার বিন গাজিয়্যাহ বর্ণিত হাদিসে আব্বাস বিন সাহল থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে তাঁর নাম ছিল: মায়মুন।

আর কেউ কেউ উল্লেখ করেছেন যে, মিম্বর নির্মাণকারীর নাম ছিল কায়সার আল-মাখজুমি। তবে সাহাবীদের মধ্যে আবু ইসরাঈল ব্যতীত কায়সার নামে অন্য কাউকে আমি চিনি না; যিনি রোজা রাখা এবং ছায়া ও কথা বর্জন করার মানত করার জন্য পরিচিত ছিলেন এবং তিনি 'ইফরাদুল কুনা' গ্রন্থে উল্লিখিত তাঁর উক্ত উপনামেই প্রসিদ্ধ। তিনি মিম্বর নির্মাণকারী হওয়ার বিষয়টি সুদূরপরাহত এবং আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত।

আবার বলা হয়েছে: মিম্বর প্রস্তুতকারীর নাম ইব্রাহিম।

আবু মুসা মুহাম্মদ বিন আবু বকর আল-মাদিনি তাঁর 'আত-তাতিম্মাহ' গ্রন্থে আবুল কাসিম আত-তাবারানির সূত্রে বর্ণনা করেছেন; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদান বিন আহমদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আলা বিন মাসলামাহ আল-বাসরি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন শায়বাহ আবু কিলাবাহ, সাঈদ আল-জুরাইরি থেকে, তিনি আবু নাদরাহ থেকে, তিনি জাবির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন: "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি খেজুর গাছের কাণ্ডের ওপর ভর দিয়ে খুতবা দিতেন। তখন বলা হলো: হে আল্লাহর রাসূল! ইসলাম এখন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, আর দূর-দূরান্ত থেকে আপনার নিকট প্রতিনিধি দল আসছে। আপনি যদি এমন কিছু তৈরির নির্দেশ দিতেন যার ওপর আপনি দাঁড়িয়ে দৃশ্যমান হতে পারেন। তখন তিনি একজন লোককে ডেকে বললেন: তুমি কি মিম্বর তৈরি করতে পারবে? সে বলল: হ্যাঁ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: তোমার নাম কী? সে বলল: অমুক। তিনি বললেন: তুমি এটি তৈরির যোগ্য নও। এরপর তিনি অন্য একজনকে ডাকলেন এবং তাকেও একই কথা বললেন। অতঃপর তিনি আরও একজনকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন: তুমি কি মিম্বর তৈরি করতে পারবে? সে বলল: হ্যাঁ, ইনশাআল্লাহ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: তোমার নাম কী? সে বলল: ইব্রাহিম। তিনি বললেন: তবে তুমিই এটি তৈরি করো। যখন তিনি তা তৈরি করলেন এবং আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার ওপর উঠলেন, তখন সেই খেজুর গাছের কাণ্ডটি উটনীর কান্নার মতো ডুকরে কেঁদে উঠল যার ওপর তিনি দাঁড়িয়ে খুতবা দিতেন। মসজিদের মুসল্লিরা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি তার আকুলতায় সেই কান্নার শব্দ শুনতে পেলেন। তখন নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিচে নেমে তাকে জড়িয়ে ধরলেন এবং বললেন: 'সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, আমি যদি তাকে ছেড়ে দিতাম (জড়িয়ে না ধরতাম) তবে কিয়ামত দিবস পর্যন্ত সে এভাবেই কাঁদতে থাকত'।"
(খণ্ড: ১) আরফুল আনবার ফী ওয়াসফিল মিম্বার (পৃষ্ঠা: ৩৮৮)
كَذَا فِي هَذِهِ الرِّوَايَةِ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ جَابِرٍ وَالأَشْبَهُ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ فِي مُسْنَدِهِ: أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ عَاصِمٍ، عَنِ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ الْعَبْدِيِّ، حَدَّثَنِي أَبُو سَعِيدٍ الْخُدْرِيُّ، رضي الله عنه، قَالَ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَخْطُبُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ إِلَى جِذْعِ نَخْلَةٍ» وَذَكَرَ الْحَدِيثَ بِطُولِهِ نَحْوَهُ.

وَقَدْ رُوِيَ الْحَدِيثُ مِنْ طُرُقٍ غَيْرَ الَّتِي تَقَدَّمَتْ عَنْ جَابِرٍ.

أَنْبَأَنَا الْحَافِظُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمَقْدِسِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ مَنَعَةُ الْقَنَوِيِّ سَمَاعًا فِي شَعْبَانَ سَنَةَ ثَلاثٍ وَعِشْرِينَ وَسَبْعِ مِائَةٍ، أَنْبَأَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ بَرَكَاتٍ الْخُشُوعِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ الْحَافِظُ إِمْلاءً، أَخْبَرَنَا أَبُو مَنْصُورٍ الْحُسَيْنُ بْنُ طَلْحَةَ بْنِ الْحُسَيْنِ الصَّالِحَانِيُّ، وَأُمُّ الْبَهَاءِ فَاطِمَةُ ابْنَةُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْبَغْدَادِيِّ الأَصْبَهَانِيَّانِ، قَالا: أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ الْمُقْرِئِ، أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، حَدَّثَنَا مَسْرُوقُ بْنُ الْمَرْزُبَانِ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي زَائِدَةَ، عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ سَعِيدٍ يَعْنِي ابْنَ أَبِي كَرْبٍ، عَنْ جَابِرٍ رضي الله عنه، قَالَ:
এই বর্ণনায় এমনটিই রয়েছে আবু নাদরা থেকে, তিনি জাবির থেকে। তবে অধিক সঠিক হলো আবু নাদরা থেকে আবু সাঈদের বর্ণনা। আবদ ইবনে হুমাইদ তাঁর মুসনাদ গ্রন্থে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলি ইবনে আসিম, তিনি আল-জুরাইরি থেকে, তিনি আবু নাদরা আল-আবদি থেকে, তিনি বলেন: আবু সাঈদ আল-খুদরি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জুমার দিনে একটি খেজুর গাছের গুঁড়িতে হেলান দিয়ে খুতবা দিতেন।" এরপর তিনি পূর্ণ হাদিসটি এর অনুরূপ দীর্ঘভাবে উল্লেখ করেছেন।

জাবির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত পূর্ববর্তী পথগুলো ছাড়াও হাদিসটি অন্যান্য সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফিজ আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মাকদিসি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ মানাআ আল-কানাবি (৭২৩ হিজরি সনের শাবান মাসে শ্রবণের মাধ্যমে), আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহিম ইবনে বারাকাত আল-খুশুয়ি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফিজ আবু আল-কাসিম আলি ইবনে আল-হাসান (শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে), আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মনসুর আল-হুসাইন ইবনে তালহা ইবনে আল-হুসাইন আস-সালিহানি এবং উম্মুল বাহা ফাতিমা বিনতে মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনুল বাগদাদি আল-আসফাহানি—তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহিম ইবনে মনসুর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর ইবনুল মুকরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়ালা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাসরুক ইবনুল মারজুবান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি যায়িদা, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি সাঈদ অর্থাৎ ইবনে আবি কারব থেকে, তিনি জাবির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১) আরফুল আনবার ফী ওয়াসফিল মিম্বার (পৃষ্ঠা: ৩৮৯)
" كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُومُ إِلَى خَشَبَةٍ يَتَوَكَّأُ عَلَيْهَا يَخْطُبُ كُلَّ جُمُعَةٍ، حَتَّى أَتَاهُ رَجُلٌ مِنَ الرُّومِ، فَقَالَ: إِنْ شِئْتَ جَعَلْتُ لَكَ شَيْئًا إِذَا قَعَدْتَ عَلَيْهِ كُنْتَ كَأَنَّكَ قَائِمٌ.

قَالَ: فَجَعَلَ لَهُ الْمِنْبَرَ فَلَمَّا جَلَسَ عَلَيْهِ حَنَّتِ الْخَشَبَةُ حَنِينَ النَّاقَةِ عَلَى وَلَدِهَا، حَتَّى نَزَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَوَضَعَ يَدَهُ عَلَيْهَا، فَلَمَّا كَانَ مِنَ الْغَدِ رُئِيتْ قَدْ حُوِّلَتْ، فَقُلْنَا، مَا هَذَا؟ قَالَ: جَاءَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم، وَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ رضي الله عنهما فَحَوَّلُوهَا.

تَفَرَّدَ بِهِ يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّا بْنِ أَبِي زَائِدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَهُ أَبُو الْقَاسِمِ الْحَافِظُ

وَأَنْبَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُحْتَسِبِ، عَنْ فَاطِمَةَ ابْنَةِ سُلَيْمَانَ بْنِ عَبْدِ الْكَرِيمِ، قَالَتْ: أَنْبَانَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْبَنْدَنِيجِيُّ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ خَيْرُونٍ إِذْنًا، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ الْجَوْهَرِيِّ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَبَّاسِ بْنِ حَيُّوَيْهِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَعْرُوفٍ، أَخْبَرَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ الزُّهْرِيُّ، عَنْ أَبِيهِ عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি কাঠের খণ্ডের পাশে দাঁড়িয়ে তার ওপর ভর দিয়ে প্রতি জুমুআয় খুতবা প্রদান করতেন। পরিশেষে রোমের জনৈক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বলল: আপনি চাইলে আমি আপনার জন্য এমন কিছু তৈরি করে দিতে পারি যার ওপর বসলে আপনাকে দাঁড়িয়ে থাকার মতো দেখাবে।

বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর সে তাঁর জন্য মিম্বর তৈরি করে দিল। যখন তিনি সেটির ওপর বসলেন, তখন সেই কাঠের খণ্ডটি শাবকের বিরহে উটনীর রোদনের ন্যায় কেঁদে উঠল। শেষ পর্যন্ত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (মিম্বর থেকে) নামলেন এবং তার ওপর হাত রাখলেন। পরদিন দেখা গেল যে তা স্থানান্তর করা হয়েছে। আমরা জিজ্ঞাসা করলাম, এটি কী? তিনি বললেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং আবু বকর ও ওমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) এসেছিলেন এবং তাঁরা এটি স্থানান্তর করেছেন।

ইয়াহইয়া বিন যাকারিয়া বিন আবি যাইদাহ তাঁর পিতা থেকে এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন; হাফেজ আবুল কাসিম এটি বলেছেন।

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-মুহতাসিব, ফাতেমা বিনতে সুলাইমান বিন আব্দুল কারীম থেকে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-বানদানিজি, আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল মালিক বিন খাইরুন অনুমতিক্রমে, হাসান বিন আলী আল-জাওহারী থেকে, আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আল-আব্বাস বিন হাইয়ুওয়াইহি তাঁর নিকট পাঠকালে এবং আমরা তা শ্রবণ করছিলাম, আমাদের খবর দিয়েছেন আহমদ বিন মারুফ, আমাদের খবর দিয়েছেন ইয়াকুব বিন ইব্রাহিম বিন সাদ আজ-জুহরি, তাঁর পিতা থেকে, তিনি সালিহ বিন কাইসান থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১) আরফুল আনবার ফী ওয়াসফিল মিম্বার (পৃষ্ঠা: ৩৯০)
حَدَّثَنِي مَنْ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، رضي الله عنهما، يَقُولُ: " إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقُومُ إِلَى جِذْعِ نَخْلَةٍ مَنْصُوبٍ فِي الْمَسْجِدِ حَتَّى إِذَا بَدَا لَهُ أَنْ يَتَّخِذَ الْمِنْبَرَ شَاوَرَ ذَوِي الرَّأْيِ مِنَ الْمُسْلِمِينَ فَرَأَوْا أَنْ يَتَّخِذَهُ، فَاتَّخَذَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَلَمَّا كَانَ يَوْمُ الْجُمُعَةِ أَقْبَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى جَلَسَ عَلَى الْمِنْبَرِ، فَمَا فَقَدَهُ الْجِذْعُ حَنَّ حَنِينًا أَفْزَعَ النَّاسَ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، مِنْ مَجْلِسِهِ حَتَّى انْتَهَى إِلَيْهِ فَقَامَ إِلَيْهِ وَمَسَّهُ فَهَدَأَ، ثُمَّ لَمْ يُسْمَعْ لَهُ حَنِينٌ بَعْدَ ذَلِكَ الْيَوْمِ

وَبِهِ إِلَى ابْنِ سَعْدٍ أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أُوَيْسٍ، حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ بِلالٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَخْبَرَنِي حَفْصُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ الأَنْصَارِيُّ، أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، رضي الله عنهما، يَقُولُ: " كَانَ الْمَسْجِدُ فِي زَمَانِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مَسْقُوفًا عَلَى جُذُوعٍ مِنْ نَخْلٍ فَكَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا خَطَبَ يَقُومُ إِلَى جِذْعٍ مِنْهَا فَلَمَّا صُنِعَ لَهُ الْمِنْبَرُ فَكَانَ عَلَيْهِ فَسَمِعْتُ لِذَلِكَ الْجِذْعِ صَوْتًا كَصَوْتِ الْعِشَارِ حَتَّى جَاءَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَوَضَعَ يَدَهُ عَلَيْهِ فَسَكَنَ.

رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ هُوَ أَخُو أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي أُوَيْسٍ، حَدَّثَنِي أَخِي عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بِلالٍ فَذَكَرَهُ

وأَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ مُشَافَهَةً بِالإِجَازَةِ، أَخْبَرَنَا جَدِّي أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، وَيُوسُفُ بْنُ عَبْدِ الْقَادِرِ سَمَاعًا، قَالا: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ، أَخْبَرَنَا زَيْدُ بْنُ الْحَسَنِ اللُّغَوِيُّ، أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو يَعْلَى.

وَقَالَ شَيْخُنَا أَيْضًا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مَنْعَةَ سَمَاعًا، أَنْبَأَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ بَرَكَاتٍ، حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ الْحَافِظُ مِنْ
আমার কাছে এমন একজন বর্ণনা করেছেন যিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহকে (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) বলতে শুনেছেন: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মসজিদে স্থাপিত একটি খেজুর গাছের কাণ্ডের পাশে দাঁড়িয়ে খুতবা দিতেন। অতঃপর যখন তিনি মিম্বর গ্রহণ করার ইচ্ছা করলেন, তখন তিনি মুসলমানদের বিজ্ঞ ব্যক্তিদের সাথে পরামর্শ করলেন এবং তাঁরা মিম্বর তৈরির পক্ষে মত দিলেন। এরপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মিম্বর গ্রহণ করলেন। যখন জুমুআর দিন এল, তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আসলেন এবং মিম্বরের উপর বসলেন। তখন খেজুর কাণ্ডটি যখন তাঁকে হারাল, তখন সেটি এমন এক করুণ সুরে ফুঁপিয়ে উঠল যা উপস্থিত লোকদের আতঙ্কিত করে তুলল। এরপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর বসার স্থান থেকে উঠে সেটির কাছে গেলেন এবং সেটি স্পর্শ করলেন, তখন সেটি শান্ত হলো। এরপর ওই দিনের পর আর কখনও সেটির কান্নার শব্দ শোনা যায়নি।"

ইবনে সা’দের সূত্রে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবি উয়াইস, তিনি বলেন, সুলাইমান ইবনে বিলাল আমার কাছে ইয়াহইয়া ইবনে সা’দ থেকে বর্ণনা করেছেন, হাফস ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আনাস ইবনে মালিক আল-আনসারী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহকে (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) বলতে শুনেছেন: "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর যুগে মসজিদের ছাদ খেজুর গাছের কাণ্ডের ওপর স্থাপিত ছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন খুতবা দিতেন, তখন ওই কাণ্ডগুলোর মধ্য থেকে একটির কাছে দাঁড়াতেন। অতঃপর যখন তাঁর জন্য মিম্বর তৈরি করা হলো এবং তিনি সেটির ওপর অবস্থান নিলেন, তখন আমি ওই কাণ্ডটি থেকে দশ মাসের গর্ভবতী উটনীর কান্নার মতো শব্দ শুনতে পেলাম। অবশেষে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেটির কাছে আসলেন এবং তাঁর হাত সেটির ওপর রাখলেন, তখন সেটি শান্ত হলো।"

ইমাম বুখারী এটি বর্ণনা করেছেন ইসমাইল থেকে—যিনি আবু বকর ইবনে আবি উয়াইসের ভাই—তিনি তাঁর ভাই থেকে, তিনি সুলাইমান ইবনে বিলাল থেকে, অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেছেন।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-হাফিজ মৌখিকভাবে ইজাজাহর মাধ্যমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার দাদা আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ এবং ইউসুফ ইবনে আবদুল কাদির সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবনে আহমদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যায়েদ ইবনে আল-হাসান আল-লুগাভী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারক আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাকী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারক আবু ইয়ালা।

আমাদের শায়খ আরও বলেছেন: মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মান'আ আমাদের সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে বারাকাত আমাদের জানিয়েছেন, আবুল কাসিম আলী ইবনে আল-হাসান আল-হাফিজ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন... থেকে।
(খণ্ড: ১) আরফুল আনবার ফী ওয়াসফিল মিম্বার (পৃষ্ঠা: ৩৯১)
لَفْظِهِ، أَخْبَرَنَا أَبُو غَالِبٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ ابْنُ الْبَنَّا، أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ ابْنُ الْفَرَّاءِ.

وَقَالَ أَبُو الْقَاسِمِ الْحَافِظُ أَيْضًا: وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ ابْنُ السَّمَرْقَنْدِيِّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ ابْنُ النَّقُّورِ، أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ عَلِيٍّ الْوَزِيرُ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْبَغَوِيُّ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ سَالِمٍ الشَّاشِيُّ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي كَعْبٍ، عَنْ أَبِيهِ رضي الله عنه، قَالَ: " كَانَ رَسُول اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي إِلَى جِذْعٍ وَكَانَ الْمَسْجِدُ عَرِيشًا وَكَانَ يَخْطُبُ إِلَى ذَلِكَ الْجِذْعِ، فَقَالَ رِجَالٌ مِنْ أَصْحَابِهِ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! نَجْعَلُ لَكَ شَيْئًا تَقُومُ عَلَيْهِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ حَتَّى يَرَاكَ النَّاسُ وَيَسْمَعُ النَّاسُ خُطْبَتَكَ.

فَقَالَ: «نَعَمْ» .

فَصُنِعَ لَهُ ثَلاثُ دَرَجَاتٍ فَقَامَ عَلَيْهَا كَمَا كَانَ يَقُومُ فَأَصْغَى إِلَيْهِ الْجِذْعُ فَقَالَ لَهُ: اسْكُنْ، ثُمَّ الْتَفَتَ، فَقَالَ: «إِنْ تَشَأْ أَنْ أَغْرِسَكَ فِي الْجَنَّةِ فَيَأْكُلُ مِنْكَ الصَّالِحُونَ، وَإِنْ تَشَأْ أَنْ أُعِيدَكَ رَطْبًا كَمَا كُنْتَ» .

فَاخْتَارَ الآخِرَةَ عَلَى الدُّنْيَا، فَلَمَّا قُبِضَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم دَفَعَ إِلَى أُبَيٍّ حَتَّى أَكَلَتْهُ الأَرَضَةُ
তাঁর শব্দে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু গালিব আহমাদ বিন আল-হাসান ইবনুল বান্না, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়ালা মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন ইবনুল ফাররা।

এবং হাফিজ আবুল কাসিম আরও বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম ইবনুস সামারকান্দি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান ইবনুন নাক্কুর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ঈসা বিন আলী আল-ওয়াযীর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আল-বাগাভী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা বিন সালিম আশ-শাশী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ বিন আমর, তিনি আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আকীল থেকে, তিনি ইবনে আবি কাব থেকে, তিনি তাঁর পিতা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি বৃক্ষকাণ্ডের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করতেন এবং মসজিদটি ছিল খেজুর পাতার ছাউনি বিশিষ্ট। তিনি সেই কাণ্ডের ওপর ভর দিয়ে খুতবা দিতেন। তখন তাঁর সাহাবীদের মধ্য থেকে কিছু লোক বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি আপনার জন্য এমন কিছু তৈরি করে দেব যার ওপর আপনি জুমার দিন দাঁড়াবেন, যাতে মানুষ আপনাকে দেখতে পায় এবং আপনার খুতবা শুনতে পায়?

তিনি বললেন: «হ্যাঁ»।

অতঃপর তাঁর জন্য তিন ধাপ বিশিষ্ট একটি মিম্বর তৈরি করা হলো। তিনি যখন তার ওপর দাঁড়ালেন যেমনটি তিনি দাঁড়াতেন, তখন সেই কাণ্ডটি তাঁর দিকে করুণ স্বরে কেঁদে উঠল। তখন তিনি তাকে বললেন: স্থির হও। অতঃপর তিনি সেটির দিকে ফিরে বললেন: «তুমি যদি চাও তবে আমি তোমাকে জান্নাতে রোপণ করে দেব যেন পুণ্যবান ব্যক্তিরা তোমার ফল আহার করে, আর যদি তুমি চাও তবে আমি তোমাকে পূর্বের ন্যায় সতেজ বৃক্ষরূপে ফিরিয়ে দেব»।

অতঃপর সেটি দুনিয়ার তুলনায় আখিরাতকে পছন্দ করে নিল। অতঃপর যখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওফাত হলো, সেটি উবাইয়ের নিকট দিয়ে দেওয়া হলো এবং শেষ পর্যন্ত উইপোকা সেটি খেয়ে ফেলল।
(খণ্ড: ১) আরফুল আনবার ফী ওয়াসফিল মিম্বার (পৃষ্ঠা: ৩৯২)
«وَرَوَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ سَعْدٍ فِي كِتَابِ» الطَّبَقَاتِ الْكَبِيرِ " فَقَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ الرَّقِّيُّ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرِو، عَنِ ابْنِ عُقَيْلٍ، عَنِ الطُّفَيْلِ بْنِ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، رضي الله عنه، قَالَ: " كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي إِلَى جِذْعٍ إِذْ كَانَ الْمَسْجِدُ عَرِيشًا، وَكَانَ يَخْطُبُ إِلَى ذَلِكَ الْجِذْعِ، فَقَالَ رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِهِ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! هَلْ لَكَ أَنْ أَعْمَلَ لَكَ مِنْبَرًا تَقُولُ عَلَيْهِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ حَتَّى يَرَاكَ النَّاسُ وَتُسْمِعَهُمْ خُطْبَتَكَ؟ فَقَالَ: «نَعَمْ» .

فَصَنَعَ لَهُ ثَلاثَ دَرَجَاتٍ هُنَّ اللاتِي عَلَى الْمِنْبَرِ أَعْلَى الْمِنْبَرِ فَلَمَّا صُنِعَ الْمِنْبَرُ وَوُضِعَ فِي مَوْضِعِهِ فَأَرَادَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَقُومَ عَلَى الْمِنْبَرِ فَمَرَّ إِلَيْهِ فَخَارَ الْجِذْعُ حَتَّى تَصَدَّعَ وَانْشَقَّ، فَنَزَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَمَسَحَهُ بِيَدِهِ حَتَّى سَكَنَ ثُمَّ رَجَعَ إِلَى الْمِنْبَرِ، وَكَانَ إِذَا صَلَّى صَلَّى إِلَى ذَلِكَ الْجِذْعِ فَلَمَّا هُدِمَ الْمَسْجِدُ وَغُيِّرَ أَخَذَ ذَلِكَ الْجِذْعَ أُبَيُّ بْنُ كَعْبٍ فَكَانَ عِنْدَهُ فِي دَارِهِ حَتَّى بَلِيَ وَأَكَلَتْهُ الأَرَضَةُ وَعَادَ رُفَاتًا ".

وَخَرَّجَهُ ابْنُ مَاجَهْ بِنَحْوِهِ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الرَّقِّيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو.

وَفِي غَالِبِ طُرُقِ أَحَادِيثِ الْمِنْبَرِ أَنَّ دَرَجَهُ ثَلاثُ دَرَجٍ بِالْمَقْعَدَةِ.

وَكَانَ لَهُ رُمَّانَتَانِ الَّتِي تَلِي الْحُجْرَةَ الشَّرِيفَةَ مِنْهَا هِيَ الَّتِي كَانَ يَمْسِكُهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِيَمِينِهِ إِذَا اسْتَقْبَلَ النَّاسَ عَلَى الْمِنْبَرِ، وَيُقَالُ لَهَا: " الصَّلْعَاءُ.

قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ سَعْدٍ فِي الطَّبَقَاتِ الْكُبْرَى: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ بْنِ قَعْنَبٍ، وَخَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ الْبَجَلِيُّ، قَالا:
«মুহাম্মদ ইবনে সাদ তাঁর ‘আত-তাবাকাত আল-কাবীর’ গ্রন্থে এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে জাফর আর-রাক্কি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ ইবনে আমর, তিনি ইবনে উকাইল থেকে, তিনি তোফায়েল ইবনে উবাই ইবনে কাব থেকে, তিনি তাঁর পিতা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি খেজুর গাছের কাণ্ডের দিকে ফিরে সালাত আদায় করতেন যখন মসজিদটি ছিল খেজুর পাতার ছাউনিযুক্ত। তিনি সেই কাণ্ডটির নিকট দাঁড়িয়ে খুতবা প্রদান করতেন। তখন তাঁর সাহাবীগণের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি আপনার জন্য একটি মিম্বর তৈরি করে দেব যার ওপর দাঁড়িয়ে আপনি জুমার দিন খুতবা দেবেন, যাতে মানুষ আপনাকে দেখতে পায় এবং আপনি তাদের খুতবা শোনাতে পারেন? তিনি বললেন: ‘হ্যাঁ’।”

অতঃপর তিনি তাঁর জন্য তিনটি ধাপবিশিষ্ট একটি মিম্বর তৈরি করলেন। যখন মিম্বরটি তৈরি করা হলো এবং নির্দিষ্ট স্থানে স্থাপন করা হলো, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বরের ওপর উঠতে চাইলেন এবং সেটির দিকে এগিয়ে গেলেন। তখন খেজুর কাণ্ডটি এমনভাবে হাহাকার করে কেঁদে উঠল যে তা বিদীর্ণ ও ফেটে চৌচির হয়ে গেল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নেমে এলেন এবং সেটির ওপর তাঁর হাত বুলিয়ে দিলেন যতক্ষণ না সেটি শান্ত হলো। এরপর তিনি মিম্বরে ফিরে গেলেন। তিনি যখন সালাত আদায় করতেন, তখন সেই কাণ্ডটির দিকে ফিরে সালাত আদায় করতেন। অতঃপর যখন মসজিদটি ভেঙে নতুন করে নির্মাণ ও পরিবর্তন করা হলো, তখন উবাই ইবনে কাব সেই কাণ্ডটি নিয়ে নিলেন এবং সেটি তাঁর ঘরে সংরক্ষিত ছিল যতক্ষণ না তা জরাজীর্ণ হয়ে গেল এবং উইপোকা তা খেয়ে ফেলল এবং চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেল।

ইবনে মাজাহ অনুরূপ বর্ণনা ইসমাইল ইবনে আবদুল্লাহ আর-রাক্কি থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে আমর থেকে উদ্ধৃত করেছেন।

মিম্বর সংক্রান্ত অধিকাংশ হাদিসের সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, বসার স্থানসহ মিম্বরের ধাপ ছিল তিনটি।

তাতে দুটি ডালিম সদৃশ হাতল ছিল। এর মধ্যে হুজরা শরীফের সন্নিকটে যেটি ছিল, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মিম্বরে মানুষের দিকে মুখ করে দাঁড়াতেন তখন সেটি তাঁর ডান হাত দিয়ে ধরতেন। আর একে ‘আস-সালআ’ বলা হতো।

মুহাম্মদ ইবনে সাদ ‘আত-তাবাকাত আল-কুবরা’ গ্রন্থে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে মাসলামা ইবনে কানাব এবং খালিদ ইবনে মাখলাদ আল-বাজালি, তাঁরা উভয়ই বলেন:
(খণ্ড: ১) আরফুল আনবার ফী ওয়াসফিল মিম্বার (পৃষ্ঠা: ৩৯৩)
حَدَّثَنَا أَبُو مَوْدُودٍ عَبْدُ الْعَزِيزِ مَوْلَى الْهُذَيْلِ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قُسَيْطٍ، قَالَ: " رَأَيْتُ نَاسًا مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِذَا خَلا الْمَسْجِدُ أَخَذُوا بِرُمَّانَةِ الْمِنْبَرِ الصَّلْعَاءِ الَّتِي تَلِي الْقَبْرَ بِمَيَامِنِهِمْ ثُمَّ اسْتَقْبَلُوا الْقِبْلَةَ يَدْعُونَ.

قَالَ ابْنُ سَعْدٍ: ذَكَرَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ الصَّلْعَاءَ وَلَمْ يَذْكَرْهَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ " انْتَهَى

وَأَخْبَرَنَا الصَّلاحُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ التَّقِيِّ أَحْمَدَ بْنِ الْعِزِّ، إِذْنًا عَامًّا، وَقَرَأْتُهُ عَلَى أَبِي الْمَعَالِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي إِسْحَاقَ الزُّبَيْدِيِّ، عَنْهُ سَمَاعًا، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ أَخْبَرَنَا حَنْبَلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، أَخْبَرَنَا. . .
আবু মওদুদ আব্দুল আজিজ মাওলা আল-হুযাইল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইয়াজিদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে কুসাইত থেকে, তিনি বলেন: "আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের মধ্য থেকে কিছু লোককে দেখেছি যে, যখন মসজিদ খালি হতো, তখন তারা কবরের পার্শ্ববর্তী মিম্বরের মসৃণ গোল অংশটি তাদের ডান হাত দিয়ে ধরতেন, এরপর তারা কিবলামুখী হয়ে দুআ করতেন।"

ইবনে সাদ বলেন: "আব্দুল্লাহ ইবনে মাসলামাহ 'মসৃণ' (সালআ) শব্দটি উল্লেখ করেছেন, কিন্তু খালিদ ইবনে মাখলাদ তা উল্লেখ করেননি।" সমাপ্ত।

এবং আস-সালাহ বিন মুহাম্মদ বিন আত-তাকি আহমদ বিন আল-ইয সাধারণ অনুমতির মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, এবং আমি তা আবু আল-মাআলি আব্দুল্লাহ বিন আবি ইসহাক আজ-জুবাইদির নিকট পাঠ করেছি তাঁর থেকে সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে; আবুল হাসান আলী বিন আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর সামনে পাঠের মাধ্যমে এমতাবস্থায় যে আমি শ্রবণ করছিলাম; হাম্বল বিন আব্দুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাসান বিন আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন...