(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: -)
ذكر الإمام أبي عبد الله بن منده (أبو موسى المديني)
القسم: كتب السنة
الكتاب: ذكر الإمام أبي عبد الله بن منده
المؤلف: محمد بن عمر بن أحمد بن عمر بن محمد الأصبهاني المديني، أبو موسى (ت 581هـ)
تقديم وتحقيق: عامر حسن صبري
الناشر: دار البشائر الإسلامية، بيروت - لبنان
الطبعة: الأولى، 1425 هـ - 2004 م
عدد الصفحات: 105
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইমাম আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মানদাহ এর আলোচনা (আবু মুসা আল-মাদিনী)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: ইমাম আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মানদাহ এর আলোচনা
লেখক: মুহাম্মদ বিন উমর বিন আহমদ বিন উমর বিন মুহাম্মদ আল-আসবাহানী আল-মাদিনী, আবু মুসা (মৃত্যু ৫৮১ হিজরি)
উপস্থাপনা ও তাহকীক: আমির হাসান সাবরি
প্রকাশক: দারুল বাশাইর আল-ইসলামিয়্যাহ, বৈরুত - লেবানন
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৫ হিজরি - ২০০৪ খ্রিষ্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১০৫
[কিতাবের পৃষ্ঠা বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٣١)
بسم الله الرحمن الرحيمالْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ، وَصَلَوَاتُهُ عَلَى مُحَمَّدٍ وَآلِهِ.أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ الأَدِيبُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الْخَلَّالُ ، أَبْقَاهُ اللَّهُ ، بِانْتِقَاءِ الشَّيْخِ الْفَقِيهِ أَبِي مُوسَى مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي عِيسَى الْمَدِينِيِّ ، حَرَسَهُ اللَّهُ ، قَالَ: الْحَمْدُ للَّهِ الَّذِي عَلَّمَنَا مَا لَمْ نَعْلَمْ ، وَأَرْشَدَنَا إِلَى الدِّينِ الأَقْوَمِ ، وَجَعَلَنَا فِي السَّوَادِ الأَعْظَمِ ، وَصَلَوَاتُهُ عَلَى عَبْدِهِ وَرَسُولِهِ وَنَبِيِّهِ مُحَمَّدٍ ، خَطِيبِ الأَنْبِيَاءِ ، وَرِضْوَانُهُ عَلَى أَصْحَابِهِ ، خَيْرِ الأَصْحَابِ ، وَرَحْمَتُهُ عَلَى أُمَّتِهِ خَيْرِ الأُمَمِ.أَمَّا بَعْدُ:1 - فَإِنَّ جَمَاعَةً مِنْ أَصْحَابِي اقْتَرَحُوا عَلَيَّ أَنْ أَذْكُرَ لَهُمْ عَدَدَ مَنْ كَتَبْتُ عَنْهُمْ ، وَسَمِعْتُ مِنْهُمْ مِنْ أَصْحَابِ الإِمَامِ الْحَافِظِ ، وَحِيدِ عَصْرِهِ ، وَقَرِيعِ دَهْرِهِ ، وَنَسِيجِ وَحْدِهِ ، وَفَرِيدِ عَهْدِهِ دِينًا وَدِيَانَةً ، وَحِفْظًا وَرِوَايَةً - ، أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي يَعْقُوبَ إِسْحَاقَ بْنِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي زَكَرِيَّا يَحْيَى بْنِ أَبِي إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمَ ، الَّذِي
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।সমস্ত প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, এবং তাঁর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবারবর্গের ওপর।শায়খ, ইমাম, প্রাজ্ঞ সাহিত্যিক আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে আবদিল মালিক আল-খাল্লাল (আল্লাহ তাকে দীর্ঘজীবী করুন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—ফিকহবিদ শায়খ আবু মুসা মুহাম্মদ ইবনে আবি বকর ইবনে আবি ইসা আল-মাদিনী (আল্লাহ তাকে রক্ষা করুন) এর নির্বাচনের মাধ্যমে। তিনি বলেন: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের তা শিখিয়েছেন যা আমরা জানতাম না, আমাদের সুদৃঢ় দ্বীনের দিকে পরিচালিত করেছেন এবং আমাদের বৃহত্তর দলের (সাওয়াদুল আজম) অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তাঁর দরুদ বর্ষিত হোক তাঁর বান্দা, রাসূল ও নবী মুহাম্মদের ওপর—যিনি নবীগণের মুখপাত্র; এবং তাঁর সন্তুষ্টি বর্ষিত হোক তাঁর সাহাবীগণের ওপর—যারা সর্বোত্তম সাহাবী; এবং তাঁর রহমত বর্ষিত হোক তাঁর উম্মতের ওপর—যারা সর্বোত্তম উম্মত।অতঃপর:১ - আমার সাথীদের একটি দল আমার কাছে এই মর্মে প্রস্তাব পেশ করেছে যে, আমি যেন তাদের জন্য সেইসব ব্যক্তিদের সংখ্যা উল্লেখ করি যাদের থেকে আমি বর্ণনা লিখেছি এবং হাদীস শ্রবণ করেছি, যারা ছিলেন ইমাম, হাফিজ, স্বীয় যুগের অদ্বিতীয় ব্যক্তিত্ব, সময়ের শ্রেষ্ঠ মনীষী, আপন গুণে অনন্য এবং দ্বীনদারী, হিফজ (স্মৃতিশক্তি) ও বর্ণনার ক্ষেত্রে নিজ সময়ের একক ব্যক্তিত্ব—আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবি ইয়াকুব ইসহাক ইবনে আবি আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবি যাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবনে আবি ইসহাক ইবরাহিম-এর ছাত্র ও সাথীদের অন্তর্ভুক্ত। তিনি সেই ব্যক্তি যিনি...
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
كَانَ يُلَقَّبُ بِمَنْدَهْ ، ابْنِ الْوَلِيدِ بْنِ سَنْدَةَ بْنِ بَطَّةَ بْنِ أَسْتَنْدَارَ ، وَاسْمُهُ: الْفَيْرُزَانُ بْنُ جَهَارَبَخْتَ ، الإِمَامُ فِي فَنِّهِ ، ابْنُ الْمُحَدِّثِ ابْنِ حَافِظِ وَقْتِهِ ابْنِ الْمُحَدِّثِ ابْنِ الْمُحَدِّثِ الَّذِي انْتَشَرَ ذِكْرُهُ فِي الآفَاقِ ، وَاتُّفِقَ عَلَى إِمَامَتِهِ وَتَقَدُّمِهِ فِي الْحِفْظِ وَالسُّنَّةِ مُحَدِّثُو خُرَاسَانَ وَالْعِرَاقِ.كَانَ مَوْلِدُهُ سَنَةَ عَشْرٍ ، أَوْ إِحْدَى عَشْرَةَ وَثَلاثِ مِائَةٍ بِأَصْبَهَانَ وَبِهَا نَشَأَ.وَكَتَبَ عَنْ مَشَايِخِ وَقْتِهِ ، ثُمَّ رَحَلَ إِلَى الأَقْطَارِ ، وَكَتَبَ بِهَا ،
তিনি মানদাহ উপাধিতে ভূষিত ছিলেন, তিনি ওয়ালীদ ইবনে সানদাহ ইবনে বাত্তাহ ইবনে আসতানদারের পুত্র; তাঁর মূল নাম ছিল আল-ফায়রুযান ইবনে জাহারাবখত। তিনি স্বীয় শাস্ত্রের এক অনন্য ইমাম, এক মুহাদ্দিসের পুত্র, তাঁর সময়ের শ্রেষ্ঠ হাফিজের পৌত্র এবং সেই মুহাদ্দিসের বংশধর যার খ্যাতি দিগন্ত বিস্তৃত হয়েছিল। খুরাসান ও ইরাকের মুহাদ্দিসগণ তাঁর ইমামত এবং হিফয ও সুন্নাহর ক্ষেত্রে তাঁর অগ্রগামিতা ও শ্রেষ্ঠত্বের বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেছেন।তাঁর জন্ম ৩১০ অথবা ৩১১ হিজরি সনে ইসফাহানে এবং সেখানেই তিনি লালিত-পালিত হন।তিনি তাঁর সমসাময়িক শায়খদের নিকট থেকে ইলম লিপিবদ্ধ করেন, অতঃপর বিভিন্ন দেশ ও জনপদে সফর করেন এবং সেখানেও ইলম সংগ্রহ ও লিপিবদ্ধ করেন।
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
حَتَّى صَارَ عَلَمًا فِي عِلْمِ الأَخْبَارِ ، وَحَتَّى احْتَاجَ إِلَى عِلْمِهِ مَشَايِخُهُ الْكِبَارُ ، وَأَذْعَنُوا لَهُ بِالتَّقَدُّمِ ، كَمَا ذَكَرَ شَيْخُنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْفَضْلِ ، وَهُوَ إِجَازَةً مِنْهُ لِي ، أَنَّ أَبَا أَحْمَدَ الْعَسَّالَ - وَهُوَ إِمَامُ دَهْرِهِ وَحَافِظُ وَقْتِهِ - كَتَبَ إِلَى أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَنْدَهْ وَهُوَ بِنَيْسَابُورَ ، فِي حَدِيثٍ أُشْكِلَ عَلَيْهِ اسْتِفْهَامًا ، فَأَجَابَهُ بِإِيضَاحِهِ وَبَيَانِ عِلَلِهِ.2- وَأَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ الْبَزَّازُ فِي كِتَابِهِ ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا مُحَمَّدٍ عَبْدَ الْعَزِيزِ بْنَ مُحَمَّدٍ الْكِسَائِيَّ الْمُقْرِئَ ، فِي آخَرِينَ يَقُولُونَ: سَمِعْنَا أَبَا إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ حَمْزَةَ بْنِ عِمَارَةَ الْحَافِظَ يَقُولُ: مَا رَأَيْتُ مِثْلَ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مَنْدَهْ.3 - وَأَجَازَنِي أَحْمَدُ بْنُ الْفَضْلِ الْمُقْرِئُ ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا عَلِيٍّ
এমনকি তিনি ইলমে আখবারে (সংবাদ বা হাদীসের জ্ঞানে) এমন এক প্রতীকে পরিণত হন যে, এমনকি তার বড় বড় শায়খরাও তাঁর জ্ঞানের মুখাপেক্ষী হতেন এবং তাঁরা তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব ও অগ্রগামিতাকে স্বীকার করে নিতেন। যেমনটি আমাদের শায়খ আবু বকর আহমদ বিন ফাদল উল্লেখ করেছেন—এবং এটি তাঁর পক্ষ থেকে আমার প্রতি একটি ইজাযাহ—যে আবু আহমদ আল-আসসাল—যিনি ছিলেন তাঁর যুগের ইমাম এবং তাঁর সময়ের হাফিয—তিনি নিশাপুরে অবস্থানরত আবু আব্দুল্লাহ বিন মানদাহর কাছে একটি হাদীস সম্পর্কে অনুসন্ধিৎসু হয়ে পত্র লিখেছিলেন যা তাঁর কাছে অস্পষ্ট ছিল; অতঃপর তিনি সেটির ব্যাখ্যা এবং তার ত্রুটিসমূহ (ইল্লত) বর্ণনার মাধ্যমে উত্তর প্রদান করেছিলেন।2- এবং আবু বকর আল-বাযযায তাঁর কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি আবু মুহাম্মদ আব্দুল আযীয বিন মুহাম্মদ আল-কিসায়ি আল-মুকরি এবং অন্যদের বলতে শুনেছেন: আমরা আবু ইসহাক ইবরাহীম বিন মুহাম্মদ বিন হামযা বিন ইমারা আল-হাফিযকে বলতে শুনেছি: আমি আবু আব্দুল্লাহ বিন ইসহাক বিন মুহাম্মদ বিন মানদাহর মতো আর কাউকে দেখিনি।3 - এবং আহমদ বিন ফাদল আল-মুকরি আমাকে ইজাযাহ দিয়েছেন যে, তিনি আবু আলীকে শুনতে পেয়েছেন...
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٣٤)
وَلِيَّ ابْنِ عَبْدِ اللَّهِ حَفَدَةَ أَبِي بَكْرٍ الطَّهْرَانِيِّ الْمُفَسِّرِ ، يَقُولُ: رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِي النَّوْمِ ، فَقُلْتُ: مَنِ الإِمَامُ فِي الْوَقْتِ؟ فَقَالَ: أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ مَنْدَهْ ، أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ مَنْدَهْ ، أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ مَنْدَهْ ، ثَلاثًا.4 - وَكَتَبَ إِلَيَّ أَبُو الْقَاسِمِ ابْنُهُ ، أَنَّهُ سَمِعَ: أَنَّ أَبَاهُ كَتَبَ عَنْ أَرْبَعَةٍ مِنْ شُيُوخِهِ أَرْبَعَةَ آلافِ جُزْءٍ: عَنْ أَبِي سَعِيدِ بْنِ الأَعْرَابِيِّ بِمَكَّةَ أَلْفَ جُزْءٍ ، وَعَنْ خَيْثَمَةَ بْنِ سُلَيْمَانَ بِأَطْرَابُلْسَ أَلْفَ جُزْءٍ ، وَعَنِ الأَصَمِّ بِنَيْسَابُورَ أَلْفَ جُزْءٍ ، وَعَنِ الْهَيْثَمِ بْنِ كُلَيْبٍ بِبُخَارَى أَلْفَ جُزْءٍ.5 - وَأَجَازَنِي الْحَسَنُ الْحَافِظُ ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا الْعَبَّاسِ
মুফাসসির আবু বকর আত-তহরানির পৌত্র ওলি ইবনে আবদুল্লাহ বলেন: আমি স্বপ্নে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, তখন আমি জিজ্ঞাসা করলাম: বর্তমান সময়ের ইমাম কে? তিনি বললেন: আবু আবদুল্লাহ ইবনে মানদাহ, আবু আবদুল্লাহ ইবনে মানদাহ, আবু আবদুল্লাহ ইবনে মানদাহ—তিনবার।৪ - এবং তাঁর পুত্র আবুল কাসিম আমার নিকট লিখে পাঠিয়েছেন যে, তিনি শুনেছেন: তাঁর পিতা তাঁর চারজন শাইখের নিকট থেকে চার হাজার খণ্ড (জুয) অনুলিপি করেছেন: মক্কায় আবু সাঈদ ইবনুল আরাবির নিকট থেকে এক হাজার খণ্ড, ত্রিপোলিতে খাইসামা বিন সুলাইমানের নিকট থেকে এক হাজার খণ্ড, নিশাপুরে আল-আসামের নিকট থেকে এক হাজার খণ্ড এবং বুখারায় হাইসাম বিন কুলাইবের নিকট থেকে এক হাজার খণ্ড।৫ - এবং হাফেজ আল-হাসান আমাকে ইজাজাহ (অনুমতি) দিয়েছেন যে, তিনি আবুল আব্বাস থেকে শুনেছেন।
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
جَعْفَرَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُعْتَزِّ الْمُسْتَغْفِرِيَّ الْحَافِظَ يَقُولُ: مَا رَأَيْتُ أَحْفَظَ مِنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَنْدَهْ.وَسَأَلْتُهُ يَوْمًا بِبُخَارَى: كَمْ تَكُونُ سَمَاعَاتُ الشَّيْخِ؟ فَقَالَ: تَكُونُ خَمْسَةَ آلافٍ مِنْ. 6 - وَأَخْبَرَنِي ابْنُهُ أَبُو الْقَاسِمِ فِي إِجَازَتِهِ ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَاهُ يَقُولُ: كَتَبْتُ عَنْ أَلْفٍ وَسَبْعِ مِائَةِ شَيْخٍ ، فَلَمْ أَجِدْ فِيهِمْ مِثْلَ أَبِي أَحْمَدَ الْعَسَّالِ ، وَإِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حَمْزَةَ. 7 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَوَارِسِ الْعَنْبَرِيُّ إِذْنًا ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا الْحَسَنِ عَلِيَّ بْنَ الْحُسَيْنِ الإِسْكَافَ ، قَالَ: سَمِعْتُ الإِمَامَ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ بْنَ مَنْدَهْ ، يَقُولُ: رَأَيْتُ أَلْفَ شَيْخٍ ، فَعَشَرَةُ آلافٍ مِمَّنْ أَرْوِي عَنْهُمْ وَأَقْتَدِي بِهِمْ ، وَعَشَرَةُ آلافٍ لا أَرْوِي عَنْهُمْ وَلا أَقْتَدِي بِهِمْ ، وَعَشَرَةُ آلافٍ مِنْ نُظَرَائِي ، وَلَيْسَ مِنَ الْكُلِّ وَاحِدٌ إِلا وَأَحْفَظُ عَنْهُ عَشَرَةَ أَحَادِيثَ أَقَلُّهَا.
হাফিজ জাফর ইবন মুহাম্মদ ইবনুল মুতায আল-মুসতাগফিরী বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহ ইবন মানদাহর চেয়ে বড় কোনো হাফিজ দেখিনি।আমি একদিন বুখারায় তাকে জিজ্ঞাসা করলাম: শাইখের শ্রুত হাদিসের সংখ্যা কত? তিনি বললেন: পাঁচ হাজার অংশ থেকে। ৬ - তাঁর পুত্র আবুল কাসিম তাঁর ইজাজতসূত্রে আমাকে জানিয়েছেন যে, তিনি তাঁর পিতাকে বলতে শুনেছেন: আমি সতেরো শত শাইখের নিকট থেকে হাদিস লিখেছি, কিন্তু তাদের মধ্যে আমি আবু আহমদ আল-আসসাল এবং ইবরাহিম ইবন মুহাম্মদ ইবন হামযাহর মতো কাউকে পাইনি। ৭ - আবুল ফাওয়ারিস আল-আনবারী ইজাজতসূত্রে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি আবুল হাসান আলী ইবনুল হুসাইন আল-ইস্কাফকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন: আমি ইমাম আবু আব্দুল্লাহ ইবন মানদাহকে বলতে শুনেছি: আমি এক হাজার শাইখ দেখেছি; ফলে দশ হাজার এমন ব্যক্তি রয়েছেন যাদের থেকে আমি বর্ণনা করি এবং যাদের অনুসরণ করি, দশ হাজার এমন যাদের থেকে আমি বর্ণনা করি না এবং অনুসরণও করি না, এবং দশ হাজার আমার সমপর্যায়ী। তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে আমি কমপক্ষে দশটি করে হাদিস মুখস্থ রেখেছি।
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٣٦)
8 - وَأَخْبَرَنَا الْبَاطِرْقَانِيُّ الْمُقْرِئُ فِي كِتَابِهِ ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ بْنَ مَنْدَهْ يَقُولُ: طُفْتُ الشَّرْقَ وَالْغَرْبَ مَرَّتَيْنِ. 9 - وَأَجَازَ لِي ابْنَاهُ أَبُو الْقَاسِمِ وَأَبُو عَمْرٍو ، أَنَّ الْحَاكِمَ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْبَيِّعِ كَتَبَ إِلَيْهِمَا ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا حَازِمٍ عُمَرَ بْنَ أَحْمَدَ الْمَسْعُودِيَّ يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدَ بْنَ إِسْحَاقَ الأَصْبَهَانِيَّ يَقُولُ: كُنْتُ بِمِصْرَ فَبَقِيتُ يَوْمًا عِنْدَ أَبِي الْقَاسِمِ حَمْزَةَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْكِنَانِيِّ الْحَافِظِ ، فَلَمَّا أَرَدْتُ الانْصِرَافَ أَرْكَبَنِي حِمَارَهُ ، فَكُنْتُ أَسِيرُ فِي أَسْوَاقِ مِصْرَ وَالنَّاسُ يَقُولُونَ: انْظُرُوا ، هَذَا حِمَارُ الشَّيْخِ حَمْزَةَ وَقَدْ أَرْكَبَ هَذَا الْفَتَى حِمَارَهُ ، فَصَارَ لِي بِذَلِكَ الْيَوْمَ بِمِصْرَ ذِكْرٌ كَبِيرٌ.وَهَذَا الشَّيْخُ أَعْنِي حَمْزَةَ بْنَ مُحَمَّدٍ مِنْ شُيُوخِ الإِمَامِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَنْدَهْ ، وَمِنَ الْحُفَّاظِ الْمَعْرُوفِينَ فِي وَقْتِهِ بِمِصْرَ ، فَعَلَ بِهِ مَا فَعَلَ.
8 - আল-বাতিরকানি আল-মুকরি তাঁর কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি আবু আবদুল্লাহ ইবন মানদাহকে বলতে শুনেছেন: আমি দুইবার পূর্ব ও পশ্চিম ভ্রমণ করেছি। 9 - এবং তাঁর দুই পুত্র আবু আল-কাসিম ও আবু আমর আমাকে অনুমতি দিয়েছেন যে, আল-হাকিম আবু আবদুল্লাহ ইবন আল-বায়্যি তাঁদের নিকট লিখেছেন যে, তিনি আবু হাযিম উমর ইবন আহমাদ আল-মাসউদিকে বলতে শুনেছেন: আমি আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবন ইসহাক আল-আসবাহানিকে বলতে শুনেছি: আমি মিশরে ছিলাম, একদিন আবু আল-কাসিম হামজাহ ইবন মুহাম্মদ আল-কিনানি আল-হাফিজের নিকট অবস্থান করলাম। যখন আমি ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা করলাম, তখন তিনি আমাকে তাঁর গাধার পিঠে চড়ালেন। আমি মিশরের বাজারগুলোর মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম আর মানুষজন বলছিল: দেখ, এটি শাইখ হামজাহর গাধা আর তিনি এই যুবককে তাঁর গাধায় চড়িয়েছেন। ফলে সেই দিন মিশরে আমার ব্যাপক পরিচিতি ও সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ল।আর এই শাইখ—অর্থাৎ হামজাহ ইবন মুহাম্মদ—ছিলেন ইমাম আবু আবদুল্লাহ ইবন মানদাহর অন্যতম শাইখ এবং মিশরে তাঁর সময়ের প্রসিদ্ধ হাফিজদের একজন; তিনি তাঁর সাথে এই আচরণটিই করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٣٧)
10 - وَذَكَرَ شَيْخُنَا حَمْزَةُ الصُّوفِيُّ ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا عَلِيٍّ الْحُسَيْنَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَنْجَوَيْهِ ، يَقُولُ: سَأَلْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدَ بْنَ إِسْحَاقَ الْحَافِظَ عَنْ رِوَايَاتِ عِكْرِمَةَ عَنْ عَائِشَةَ ، فَقَالَ: خَمْسُونَ حَدِيثًا. 11 - وَحُكِيَ لِي عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ الْهَمَذَانِيِّ ، رَئِيسِ حُجَّاجِ خُرَاسَانَ ، أَنَّهُ قَالَ: سَأَلْتُ بَعْضَ خَدَمِ تُرْبَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، وَكَانَ مِنْ أَبْنَاءِ مِائَةِ سَنَةٍ وَعِشْرِينَ سَنَةٍ ، فَقُلْتُ لَهُ: هَلْ رَأَيْتَ هَا هُنَا مِنْ مُعْجِزَاتِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم شَيْئًا؟ فَقَالَ: نَعَمْ ، رَأَيْتُ يَوْمًا رَجُلا عَلَيْهِ ثِيَابٌ بِيضٌ دَخَل الْحَرَمَ وَقْتَ الظُّهْرِ ، فَانْشَقَّ حَائِطُ التُّرْبَةِ وَدَخَلَ الرَّجُلُ فِيهَا ، وَبِيَدِهِ مَحْبَرَةٌ وَكَاغِدٌ وَقَلَمٌ ، فَمَكَثَ مَا شَاءَ اللَّهُ تَعَالَى أَنْ يَمْكُثَ ، ثُمَّ انْشَقَّ فَخَرَجَ ، فَأَخَذْتُ بِذَيْلِهِ فَقُلْتُ: بِحَقِّ مَعْبُودِكَ ، إِلا تَقُولُ لِي مَنْ أَنْتَ ، فَقَالَ: أَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ مَنْدَهْ ، أَشْكَلَ عَلَيَّ حَدِيثٌ ، فَجِئْتُ فَسَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَجَابَنِي وَأَرْجِعُ.
১০ - আমাদের শায়খ হামযাহ আস-সূফী উল্লেখ করেছেন যে, তিনি আবু আলী আল-হুসাইন বিন আব্দুল্লাহ বিন মানজাওয়াইহ-কে বলতে শুনেছেন: আমি আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসহাক আল-হাফেজকে আয়েশা থেকে ইকরিমার বর্ণিত রেওয়ায়তসমূহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন: পঞ্চাশটি হাদিস। ১১ - খুরাসানের হাজীদের প্রধান আবু জাফর আল-হামাযানী থেকে আমার নিকট বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রওজার জনৈক খাদেমকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, যার বয়স ছিল একশ বিশ বছর। আমি তাকে বললাম: আপনি কি এখানে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কোনো মুজিজা বা অলৌকিক কিছু দেখেছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, একদিন আমি দেখলাম জোহরের সময় সাদা পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তি হারামে প্রবেশ করলেন। তখন রওজার দেয়ালটি বিদীর্ণ হলো এবং ওই ব্যক্তি তার ভেতরে প্রবেশ করলেন; তার হাতে ছিল একটি দোয়াত, কাগজ ও কলম। আল্লাহ তায়ালা যতক্ষণ চাইলেন তিনি সেখানে অবস্থান করলেন। এরপর দেয়ালটি পুনরায় বিদীর্ণ হলো এবং তিনি বেরিয়ে আসলেন। তখন আমি তার কাপড়ের আঁচল ধরে বললাম: আপনার মাবুদের কসম, আপনি কে তা কি আমাকে বলবেন না? তিনি বললেন: আমি আবু আব্দুল্লাহ বিন মানদাহ। একটি হাদিস আমার কাছে অস্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল, তাই আমি এসে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করলাম; তিনি আমাকে উত্তর দিলেন এবং এখন আমি ফিরে যাচ্ছি।
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٣٨)
12 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ الْبَاطِرْقَانِيُّ فِي إِذْنِهِ وَكِتَابِهِ ، أَنَّهُ قَالَ: كُنْتُ مَعَ جَمَاعَةٍ عِنْدَ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَنْدَهْ ، فِي اللَّيْلَةِ الَّتِي تُوُفِّيَ فِيهَا ، فَفِي آخِرِ نَفَسِهِ قَالَ وَاحِدٌ مِنَّا: لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ ، يُرِيدُ تَلْقِينَهُ ، فَأَشَارَ بِيَدِهِ إِلَيْهِ دَفْعَتَيْنِ وَثَلاثَةً ، أَيِ اسْكُتْ ، يُقَالُ لِي مِثْلُ هَذَا! . 13 - وَكَانَتْ وَفَاتُهُ رحمه الله ، لَيْلَةَ الْجُمُعَةِ سَلْخَ ذِي الْقَعْدَةِ مِنْ سَنَةِ خَمْسٍ وَتِسْعِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ ، وَدُفِنَ مِنَ الْغَدِ بَعْدَ صَلاةِ الْجُمُعَةِ ، وَصَلَّى عَلَيْهِ ابْنُهُ أَبُو الْقَاسِمِ ، وَدُفِنَ بِمَقْبَرَةِ دُولْكَابَاذَ ، خَارِجِ بَابِ دُزَيٍّ ، وَقَبْرُهُ مَشْهُورٌ ، يُتَبَرَّكُ بِزِيَارَتِهِ. 14 - وَقَدْ رَثَاهُ ، بَعْدَ مَوْتِهِ ، غَيْرُ وَاحِدٍ مِنْ شُعَرَاءِ وَقْتِهِ ، فَمِنْهُ: مَا أَنْشَدَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ رحمه الله ، قُرِئَ عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَسِتِّينَ ، قَالَ: أَنْشَدَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَارِثِ الْجُرْجَانِيُّ أَبُو جَعْفَرٍ ، يَرْثِي الإِمَامَ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ بْنَ مَنْدَهْ رحمه الله:الْيَوْمَ طَابَ بُكَاءُ النَّاسِ وَالْحَرَبُ … الْيَوْمَ طَالَ هُمُومُ النَّفْسِ وَالْكَرْبُالْيَوْمَ أَظْلَمَتِ الدُّنْيَا وَحَلَّ بِهَا … كَوَاكِبُ النَّحْسِ وَالإِدْبَارِ وَالنَّكَبُالْيَوْمَ شَمْسُ الضُّحَى فِي الأُفْقِ بَالِيَةٌ … وَأَدْمُعُ الْبَدْرِ طُولَ اللَّيْلِ تَنْسَكِبُالْيَوْمَ أَضْحَتْ نُفُوسُ الْخَلْقِ وَالِهَةً … وَضَجَّتِ الْمُدُنُ وَالأَعَجَامُ وَالْعَرَبُمِنْ هَوْلِ رُزْءٍ عَظِيمٍ هَدَّ جَانِبَهُمْ … وَعَزَّ صَبْرٌ وَحَلَّ الْوَيْلُ وَالْحَرْبُ
১২ - এবং আবু বকর আল-বাতিরকানি তার অনুমতি ও কিতাবে আমাদের অবহিত করেছেন যে, তিনি বলেছেন: আমি আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মানদাহর ইন্তেকালের রাতে একদল লোকের সাথে তাঁর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তাঁর শেষ নিঃশ্বাসের সময় আমাদের মধ্য থেকে একজন বলল: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই; সে তাঁকে তালকিন করতে চাচ্ছিল। তখন তিনি তাঁর হাত দিয়ে দুই বা তিনবার ইশারা করে তাকে সরিয়ে দিলেন, অর্থাৎ—থামো! আমার মতো মানুষকে কি এমন কথা বলা হচ্ছে! ১৩ - এবং তাঁর ইন্তেকাল—আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন—হয়েছিল ৩৯৫ হিজরি সনের যিলকদ মাসের শেষ জুমার রাতে। পরদিন জুমার নামাজের পর তাঁকে দাফন করা হয়। তাঁর জানাজা পড়িয়েছেন তাঁর ছেলে আবু আল-কাসিম। তাঁকে দুলকাবায কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে, যা দুযাই দরজার বাইরে অবস্থিত। তাঁর কবর প্রসিদ্ধ, যা জিয়ারত করে বরকত লাভ করা হয়। ১৪ - এবং তাঁর মৃত্যুর পর সেই সময়ের একাধিক কবি তাঁর শোকগাথা রচনা করেছেন। তার মধ্যে রয়েছে: যা আবু আল-কাসিম আব্দুর রহমান ইবনে আবি আব্দুল্লাহ—আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন—আমাদের শুনিয়েছেন, যা ৪৬৪ হিজরি সনে তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম। তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হারিস আল-জুরজানি আবু জাফর ইমাম আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মানদাহ—আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন—এর স্মরণে এই শোকগাথা পাঠ করেছেন:আজ মানুষের রোদন ও বিলাপ দীর্ঘ হলো … আজ অন্তরের দুশ্চিন্তা ও যাতনা দীর্ঘ হলোআজ পৃথিবী অন্ধকারাচ্ছন্ন হলো এবং তাতে জেঁকে বসল … অশুভ নক্ষত্ররাজি, দুর্ভাগ্যের ছায়া ও বিপর্যয়আজ দিগন্তে পূর্বাহ্নের সূর্য ম্লান হয়ে গেছে … আর সারারাত ধরে পূর্ণিমার চাঁদের অশ্রু ঝরছেআজ সৃষ্টির আত্মাগুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছে … আর আর্তনাদ করছে শহরগুলো, অনারবরা ও আরবরাএক মহান বিপদের ভয়াবহতায় যা তাদের শক্তি চূর্ণ করে দিয়েছে … ধৈর্য আজ দুর্লভ আর ধ্বংস ও হাহাকার আজ সমাগত
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٣٩)
مَوْتُ الْعَفِيفِ اللَّطِيفِ الْحُرِّ رَوْض نهى … وَمَنْ تَبَاهَى بِهِ الإِسْنَادُ وَالْكُتُبُشَيْخُ الشُّيُوخِ جَمَالُ الدِّينِ حَمَّلَهُ … تَوَاضُعٌ حَسَنٌ فِي دَهْرِنَا عَجَبُمُحَمَّدٌ نَجْلُ إِسْحَاقَ عَدِيلُ تُقًى … سَلِيلُ مَنْدَةَ نَفَّاعُ الْوَرَى التَّعِبُبَحْرُ الأَحَادِيثِ نُورٌ يَسْتَضِيءُ بِهِ أَهْلُ الْحَدِيثِ عَلَى إِرْشَادِهِمْ حَدَبُفِي قَصِيدَةٍ طَوِيلَةٍ تَحْوِي قَرِيبًا مِنْ سَبْعِينَ بَيْتًا. 15 - وَلَقَدْ رَوَى عَنْهُ مَشَايِخُهُ ، وَمَنْ هُوَ أَقْدَمُ مِنْهُ سِنًّا وَأَعْلَى إِسْنَادًا فِي حَالِ حَيَاتِهِ ، ثُمَّ عَامَّةُ أَقْرَانِهِ وَأَتْرَابِهِ بَعْدَ مَمَاتِهِ ، مِنْ أَهْلِ أَصْبَهَانَ وَسَائِرِ الْبُلْدَانِ مِنَ الْحُفَّاظِ وَالأَئِمَّةِ.كَأَبِي إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حَمْزَةَ الْحَافِظِ ، وَكَانَتْ وَفَاتُهُ سَنَةَ ثَلاثٍ وَخَمْسِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ.وَكَأَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ حَيَّانَ الْمُلَقَّبِ بِأَبِي الشَّيْخِ ، وَتُوُفِّيَ سَنَةَ تِسْعٍ وَسِتِّينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ.وَكَأَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْمُقْرِئِ ، وَمَوْتُهُ كَانَ فِي إِحْدَى وَثَمَانِينَ.إِلَى غَيْرِهِمْ مِنْ مُحَدِّثِي وَقْتِهِ بِأَصْبَهَانَ وَمِنَ الْغُرَبَاءِ ، كَالْحَكَمِ
পবিত্র, সুকোমল ও স্বাধীনচেতা ব্যক্তির মৃত্যু হলো প্রজ্ঞার উদ্যান … এবং এমন এক ব্যক্তিত্ব যার উপস্থিতিতে সনদ ও গ্রন্থসমূহ গৌরব বোধ করে।শায়খগণের শায়খ জামালুদ্দীন; তাঁকে অলঙ্কৃত করেছে … এক অনুপম বিনয়, যা আমাদের এ যুগে এক বিস্ময়কর বিষয়।মুহাম্মাদ, ইসহাকের তনয়, যিনি তাকওয়ার প্রতিচ্ছবি … মানদাহ-র সুযোগ্য উত্তরসূরি, আর্তমানবতার মহান হিতৈষী।হাদীসশাস্ত্রের এক সমুদ্র এবং এমন এক জ্যোতি যার দ্বারা হাদীস বিশারদগণ দিশা লাভ করেন, যারা তাদের সঠিক নির্দেশনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত মমতাময়ী।প্রায় সত্তরটি পঙক্তি সম্বলিত একটি দীর্ঘ কবিতার মধ্যে এই পঙক্তিগুলো রয়েছে। ১৫ - এবং অবশ্যই তাঁর নিকট থেকে তাঁর শিক্ষকগণ বর্ণনা করেছেন, এমনকি তাঁর জীবদ্দশায় যারা বয়সে তাঁর চেয়ে জ্যেষ্ঠ এবং উচ্চতর সনদের অধিকারী ছিলেন তাঁরাও; অতঃপর তাঁর ইন্তেকালের পর তাঁর সমসাময়িক সকল সহকর্মী ও সমমনা ব্যক্তিবর্গ, যারা আসবাহান ও অন্যান্য জনপদের হাফেজ এবং ইমামগণের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, তাঁরাও বর্ণনা করেছেন।যেমন হাফেজ আবু ইসহাক ইবরাহীম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হামজাহ, তাঁর মৃত্যু হয়েছিল তিনশ তিপ্পান্ন হিজরী সনে।এবং আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে জাফর ইবনে হাইয়ান, যিনি 'আবুশ শায়খ' উপাধিতে ভূষিত, তিনি তিনশ ঊনসত্তর হিজরী সনে ইন্তেকাল করেন।এবং আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহীম ইবনুল মুকরি, তাঁর মৃত্যু হয়েছিল তিনশ একাশি হিজরী সনে।আসবাহানের তৎকালীন অন্যান্য হাদীস বিশারদগণ এবং বহিরাগতদের মধ্য থেকে আরও অনেকে, যেমন আল-হাকিম।
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٤٠)
أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْبَيِّعِ النَّيْسَابُورِيِّ الْحَافِظِ ، صَاحِبِ تَارِيخِ نَيْسَابُورَ.وَأَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ سُلَيْمَانَ الْحَافِظِ الْبُخَارِيِّ ، صَاحِبِ تَارِيخِ بُخَارَى.وَأَبِي سَعْدٍ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ الإِدْرِيسِيِّ الإِسْتَرَابَاذِيِّ ، صَاحِبِ تَارِيخِ سَمَرْقَنْدَ وَإِسْتَرَابَاذَ ، وَغَيْرِ هَؤُلاءِ.وَرَوَى أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زَكَرِيَّا النَّسَوِيُّ الصُّوفِيُّ فِي تَارِيخِ الصُّوفِيَّةِ عَنْ شَيْخٍ ، عَنِ الإِمَامِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ ، وَهُوَ بَعْدُ فِي الأَحْيَاءِ كَانَ.16 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْمُقْرِئُ رحمه الله إِذْنًا إِنْ لَمْ يَكُنْ سَمَاعًا ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ مُحَمَّدٍ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ الْخَلِيلِ الْقَطَّانُ ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَبِي عِيسَى الدَّارَابَجِرْدِيُّ ، حَدَّثَنَا أَبُو جَابِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ
আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-বায়্যি আল-নাইসাপুরী আল-হাফিয, যিনি 'তারিখে নাইসাপুর'-এর রচয়িতা।এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন সুলাইমান আল-হাফিয আল-বুখারি, যিনি 'তারিখে বুখারা'-এর রচয়িতা।এবং আবু সা'দ আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ আল-ইদ্রিসি আল-ইস্তারাবাদি, যিনি 'তারিখে সমরকন্দ' ও 'ইস্তারাবাদ'-এর রচয়িতা, এবং আরও অনেকে।এবং আবুল আব্বাস আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন যাকারিয়া আন-নাসাউয়ি আস-সুফি তাঁর 'তারিখুস সুফিয়া' গ্রন্থে একজন শাইখ থেকে এবং তিনি ইমাম আবু আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, যখন তিনি তখনও জীবিতদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।১৬ - আবু বকর আহমদ বিন আল-ফাযল বিন মুহাম্মদ আল-মুকরি (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—সরাসরি শ্রবণ না হয়ে থাকলে ইজাযাত বা অনুমতির মাধ্যমে—মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন মুহাম্মদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন আল-খলিল আল-কাত্তান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আলী বিন আল-হাসান বিন আবি ঈসা আদ-দারাবাজিরদি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবু জাবির মুহাম্মদ বিন...
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٤١)
عَبْدِ الْمَلِكِ ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَبِي جَعْفَرٍ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَحَادَةَ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ حُرَيْثٍ ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ زَيْدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ نُفَيْلٍ رضي الله عنه ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «» الْكَمْأَةُ مِنَ الْمَنِّ ، وَمَاؤُهَا شِفَاءٌ لِلْعَيْنِ ، وَالْعَجْوَةُ مِنَ الْجَنَّةِ ، وَهِيَ شِفَاءٌ مِنَ السُّمِّ ".قَالَ شَيْخُنَا أَحْمَدُ بْنُ الْفَضْلِ: مَا كَتَبْنَاهُ إِلا عَنِ ابْنِ مَنْدَهْ ، وَقَدْ حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَفْصٍ ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ الْمُقْرِئِ ، حَدَّثَنَا ابْنُ مَنْدَهْ بِهِ
আব্দুল মালিক থেকে বর্ণিত, আল-হাসান ইবনে আবি জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে জাহাদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল মালিক ইবনে উমাইর থেকে, তিনি আমর ইবনে হুরাইস থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে যাইদ ইবনে আমর ইবনে নুফাইল (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "কামআহ (এক প্রকার মাশরুম) হলো মান্ন-এর অন্তর্ভুক্ত এবং এর নির্যাস চোখের জন্য নিরাময়স্বরূপ। আর আজওয়া খেজুর জান্নাতের অন্তর্ভুক্ত এবং তা বিষের আরোগ্য।"আমাদের শায়খ আহমাদ ইবনুল ফাদল বলেন: আমরা এটি ইবনে মানদাহ ব্যতীত কারো থেকে লিপিবদ্ধ করিনি। আর আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হাফস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বকর ইবনুল মুকরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে মানদাহ থেকে এই সূত্রে হাদীসটি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٤٢)
17 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَنْدَهْ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، أَخْبَرَنَا أَبِي ، ح: وَأَخْبَرَتْنَا كَرِيمَةُ بِنْتُ أَبِي سَعْدٍ التَّمِيمِيِّ ، قَالَتْ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ مَنْدَهْ ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ أَيُّوبَ الصِّبْغِيُّ النَّيْسَابُورِيُّ ، حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرٍو يُوسُفُ بْنُ يَعْقُوبَ الْقَزْوِينِيُّ ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ يَحْيَى الأَصْبَهَانِيُّ ، حَدَّثَنَا سُعَيْرُ بْنُ الْخِمْسِ ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ رضي الله عنه ، قَالَ: «مَنْ أَحَبَّ أَنْ يَلْقَى اللَّهَ عز وجل غَدًا مُسْلِمًا فَلْيُحَافِظْ عَلَى هَؤُلاءِ الصَّلَوَاتِ الْخَمْسِ حَيْثُ يُنَادَى بِهِنَّ» .قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: كَتَبَ عَنِّي أَبُو الشَّيْخِ هَذَا الْحَدِيثَ.رَوَاهُ غَيْرُ وَاحِدٍ مِنْ شُيُوخِنَا عَنْ أَبِي طَاهِرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ ،
১৭ - আবুল কাসিম আবদুর রহমান ইবনে আবি আব্দুল্লাহ ইবনে মানদাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। (হা): এবং করিমা বিনতে আবি সা'দ আত-তামিমি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মানদাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ ইবনে ইসহাক ইবনে আইয়ুব আস-সিবগি আন-নাইসাবুরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আমর ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব আল-কাযউইনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-আসবাহানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুআইর ইবনুল খিমস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবুল আহওয়াস থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «যে ব্যক্তি আগামীকাল মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর সাথে মুসলিম হিসেবে সাক্ষাৎ করতে পছন্দ করে, সে যেন এই পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের প্রতি সেই স্থানে যত্নবান হয় যেখানে সেগুলোর জন্য আজান দেওয়া হয়»।আবু আব্দুল্লাহ বলেন: আবুশ শাইখ আমার থেকে এই হাদিসটি লিপিবদ্ধ করেছেন।আমাদের শিক্ষকদের মধ্য থেকে একাধিক ব্যক্তি এটি আবু তাহের ইবনে আবদুর রহিম থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٤٣)
أَخْبَرَنَا أَبُو الشَّيْخِ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الْجَوَّالُ ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ18 - وَأَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، وَعَبْدُ الْوَهَّابِ ابْنَا مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، قَالا: أَخْبَرَنَا وَالِدُنَا ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ الإِخْمِيمِيُّ بِمِصْرَ ، حَدَّثَنَا غَسَّانُ بْنُ سُلَيْمَانَ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْجَزَرِيُّ ، عَنْ سُفْيَانَ ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুশ শায়খ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আল-জাওয়াল, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমদ ইবনে ইসহাক18 - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান ও আবদুল ওয়াহহাব—মুহাম্মদ ইবনে ইসহাকের দুই পুত্র, তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমাদের পিতা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মিশরের মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-ইখমিমি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন গাসসান ইবনে সুলাইমান, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান আল-জাজারি, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আলী ইবনে আবী তালিব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি আলী ইবনে আবী তালিব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন:
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٤٤)
عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: «لَا يَزَالُ الْعَبْدُ فِي سَعَةٍ مِنْ دِينِهِ مَا عَمَّ أَخَاهُ النَّصِيحَةَ ، فَإِذَا أَحَالَ عَنْ ذَلِكَ سَلَبَهُ التَّوْفِيقَ» حَدَّثَ بِهِ أَبُو الْعَبَّاسِ النَّسَوِيُّ سَنَةَ إِحْدَى وَتِسْعِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ فِي حَيَاةِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَنْدَهْ ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ النَّيْسَابُورِيِّ ، شَيْخٌ لَقِيَهُ بِمَكَّةَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ مَنْدَهْفَالَّذِي دَعَانِي إِلَى تَحْرِيرِ هَذَا: أَنَّ كُلَّ حَدِيثٍ رَوَيْتُهُ عَنْ وَاحِدٍ مِنْ أَصْحَابِهِ عَنْهُ يَكُونُ كَأَنِّي أَرْوِيهِ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ بْنِ حَمْزَةَ ، وَأَبِي الشَّيْخِ ، وَابْنِ الْمُقْرِئِ ، وَهَؤُلاءِ الَّذِينَ ذَكَرْتُهُمْ ، فَاسْتَخَرْتُ اللَّهَ سبحانه وتعالى وَأَجَبْتُهُمْ إِلَى مُلْتَمَسِهِمْ ، وَإِنَالَتِهِمْ طِلْبَتِهِمْ ، مُسْتَعِينًا بِاللَّهِ عز وجل ، وَذَكَرْتُ لِكُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمْ خَبَرًا ، وَرَتَّبْتُ أَسْمَاءَهُمْ تَرْتِيبًا يُسَهِّلُ عَلَى النَّاظِرِ فِيهِ مَقْصُودَهُ ، وَلا يُتْعِبُ الطَّالِبَ مِنْهُ مَطْلُوبَهُ.
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: "একজন বান্দা ততক্ষণ পর্যন্ত তার দ্বীনের প্রশস্ততার মধ্যে থাকে যতক্ষণ সে তার ভাইয়ের প্রতি নসিহতকে (সদুপদেশ) ব্যাপক করে। কিন্তু যখন সে তা থেকে বিমুখ হয়, আল্লাহ তার থেকে তাওফিক ছিনিয়ে নেন।" এটি আবু আব্বাস আন-নাসাওয়ী ৩৯১ হিজরি সনে আবু আব্দুল্লাহ বিন মানদাহ-এর জীবদ্দশায় বর্ণনা করেছেন; তিনি ইয়াহইয়া বিন আব্দুল্লাহ আন-নায়সাবুরী থেকে বর্ণনা করেছেন—যিনি এমন এক শায়খ যাঁর সাথে মক্কায় তাঁর সাক্ষাৎ হয়েছিল—তিনি মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন মানদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।যা আমাকে এটি সংকলন করতে উদ্বুদ্ধ করেছে তা হলো: তাঁর সাথীদের মধ্য থেকে কোনো একজনের মাধ্যমে তাঁর থেকে আমি যে হাদিসই বর্ণনা করি, তা যেন আমি আবু ইসহাক বিন হামজাহ, আবুশ শায়খ, ইবনুল মুকরি এবং আমি যাদের নাম উল্লেখ করেছি তাদের থেকেই বর্ণনা করছি। অতঃপর আমি মহান ও পবিত্র আল্লাহর কাছে ইস্তিখারা করেছি এবং পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করে তাঁদের অনুরোধে সাড়া দিয়েছি ও তাঁদের কাঙ্ক্ষিত বিষয়টি প্রদান করেছি। আমি তাঁদের প্রত্যেকের জন্য একটি করে বর্ণনা উল্লেখ করেছি এবং তাঁদের নামসমূহ এমন এক ক্রমে বিন্যস্ত করেছি যা পাঠকের জন্য তার উদ্দেশ্য পূরণ সহজ করে দেবে এবং অনুসন্ধানকারীকে তার অভীষ্ট লাভে পরিশ্রান্ত করবে না।
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٤٥)
ذِكْرُ مَنِ اسْمُهُ أَحْمَدُ مِمَّنْ سَمِعْتُ مِنْهُمْ مِنْ أَصْحَابِ الإِمَامِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ19 - حَدَّثَنَا أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مَحْمُودِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مَحْمُودِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ خَوْزَةَ بْنِ خَالِدِ بْنِ الْعَوَّامِ بْنِ الْفُضَيْلِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الزِّبْرِقَانِ بْنِ كَلْدَةَ بْنِ أُمَيَّةَ بْنِ أَبِي الصَّلْتِ بْنِ رَبِيعَةَ بْنِ عَوْفِ بْنِ عَقْدَةَ بْنِ غَيْرَةَ بْنِ عَوْفِ بْنِ ثَقِيفٍ ، الْمُعَلِّمُ رحمه الله ، لَفْظًا سَنَةَ إِحْدَى وَخَمْسِينَ ، وَمَاتَ سَنَةَ خَمْسٍ وَخَمْسِينَ فِي رَبِيعٍ الأَوَّلِ ، وَكَتَبَهُ لِي بِخَطِّهِ ، أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ مَنْدَهْ الْحَافِظُ ، قِرَاءَةً عَلَيْنَا فِي بَابِ دَارِهِ ، فِي صَفَرٍ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَثَمَانِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ ، أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ يَزِيدَ الْحِمْصِيُّ ، حَدَّثَنَا أَبُو عُتْبَةَ أَحْمَدُ بْنُ الْفَرَجِ ، حَدَّثَنَا سَلِيمُ بْنُ عُثْمَانَ أَبُو عُثْمَانَ الْفَوْزِيُّ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ زِيَادٍ الأَلْهَانِيُّ ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ
ইমাম আবু আব্দুল্লাহর সাথীদের মধ্য থেকে যাদের নাম আহমদ এবং আমি যাদের থেকে বর্ণনা শুনেছি, তাঁদের উল্লেখ১৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু তাহির আহমদ ইবনে মাহমুদ ইবনে আহমদ ইবনে মাহমুদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইবরাহিম ইবনে খাওযাহ ইবনে খালিদ ইবনে আল-আওয়াম ইবনে আল-ফুদাইল ইবনে আমর ইবনে আয-যিবরিকান ইবনে কালদাহ ইবনে উমাইয়া ইবনে আবিস সালত ইবনে রাবিআহ ইবনে আউফ ইবনে উকদাহ ইবনে গায়রাহ ইবনে আউফ ইবনে সাকিফ, আল-মুআল্লিম (শিক্ষক) — তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক — ৫১ হিজরী সালে মৌখিকভাবে, এবং তিনি ৫৫ হিজরীর রবিউল আউয়াল মাসে মৃত্যুবরণ করেছেন, আর তিনি নিজ হাতে এটি আমার জন্য লিখে দিয়েছেন। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে মানদাহ আল-হাফিয, ৩৮৪ হিজরী সালের সফর মাসে তাঁর ঘরের দরজায় আমাদের সামনে পাঠ করার মাধ্যমে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাঈদ ইবনে ইয়াযিদ আল-হিমসি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উতবাহ আহমদ ইবনুল ফারজ; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালীম ইবনে উসমান আবু উসমান আল-ফাওযি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ আল-আলহানি; তিনি বলেন: আমি আবু উমামাহ-কে বলতে শুনেছি...
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٤٦)
الْبَاهِلِيَّ رضي الله عنه ، يَقُولُ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ، يَقُولُ: «مَنْ قَالَ لَا إِلَهَ إِلا اللَّهُ ، وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ ، لَهُ الْمُلْكُ ، وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ حَيٌّ لا يَمُوتُ ، بِيَدِهِ الْخَيْرُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ ، لَمْ يَسْبِقْهَا عَمَلٌ ، وَلَمْ تَبْقَ مَعَهَا سَيِّئَةٌ» قَالَ: هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ ، وَهُوَ حِمْصِيٌّ ، يَجْمَعُ حَدِيثَهُ ، تَفَرَّدَ بِهِ سَلِيمٌ20 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْمَرْزُبَانِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْمُقْرِئُ الصَّيْدَلانِيُّ ، إِمَامُ خَانَقَاهْ عَلِيٍّ الْخَازِنُ ،
আল-বাহিলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: «যে ব্যক্তি বলবে—আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই, রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই, তিনিই জীবিত করেন ও মৃত্যু দান করেন, আর তিনি চিরঞ্জীব, যাঁর কোনো মৃত্যু নেই, তাঁর হাতেই সকল কল্যাণ এবং তিনি সকল কিছুর ওপর ক্ষমতাবান—তবে কোনো আমলই একে ছাড়িয়ে যেতে পারবে না এবং এর উপস্থিতিতে কোনো গুনাহ অবশিষ্ট থাকবে না»। তিনি বলেন: এটি মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদের বর্ণিত একটি 'গরীব' হাদিস, আর তিনি হিমসের অধিবাসী, তাঁর হাদিসসমূহ সংগ্রহ করা হয়, সালিম এটি বর্ণনায় একক হয়ে গেছেন।২০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আল-মারযুবান ইবনে মুহাম্মদ আল-মুকরি আল-সাইদালানি, যিনি আলী আল-খাজিন খানকাহর ইমাম ছিলেন,
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٤٧)
سَنَةَ سِتٍّ وَخَمْسِينَ ، وَتُوُفِّيَ فِي شَعْبَانَ بِهَا ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ مَنْدَهْ ، وَكَانَ عِنْدَهُ عَنْهُ مَجَالِسُ خَمْسَةٌ أَوْ سِتَّةٌ مِنْ أَمَالِيهِ ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ ، حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ الْوَليِدِ بْنِ مَزْيَدٍ ، حَدَّثَنِي أَبِي ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ ، قَالَ: سَمِعْتُ بِلالَ بْنَ سَعْدٍ يَقُولُ: " زَاهِدُكُمْ رَاغِبٌ ، وَعَالِمُكُمْ جَاهِلٌ ، وَجَاهِلُكُمْ مُغْتَرٌّ21 - أَخْبَرَنَا أَبُو الطَّيِّبِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِسْحَاقَ التَّاجِرُ الْمَعْرُوفُ بديزكه ، فِيمَا أَذِنَ لِي ، وَمَوْلِدُهُ سَنَةَ سَبْعِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ ، وَتُوُفِّيَ سَنَةَ سِتٍّ وَخَمْسِينَ فِي رَجَبٍ ، حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ مُحَمَّدٍ إِمْلَاءً سَنَةَ ثَمَانٍ وَثَمَانِينَ ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَمَّادٍ الْعَسْكَرِيُّ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ
ছাপ্পান্ন সালে, এবং তিনি সেখানে শাবান মাসে ইন্তেকাল করেন। আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন মানদাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট তাঁর (উস্তাদের) আমালি (শ্রুতলিপি) থেকে পাঁচটি বা ছয়টি মজলিস সংরক্ষিত ছিল। মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-আব্বাস বিন আল-ওয়ালিদ বিন মাজিয়াদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, আল-আওযাঈ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি বিলাল বিন সাদকে বলতে শুনেছি: "তোমাদের যাহেদ হলো দুনিয়া অন্বেষী, তোমাদের আলেম হলো জাহেল এবং তোমাদের জাহেল হলো মোহগ্রস্ত।"২১ - আবু তাইয়্যিব আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন উমর বিন আহমদ বিন ইসহাক আত-তাজির, যিনি দাইজাকাহ নামে পরিচিত, তিনি আমাকে যে বিষয়ে অনুমতি দিয়েছেন তাতে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তাঁর জন্ম তিনশ সত্তর সালে এবং তিনি চারশ ছাপ্পান্ন সালের রজব মাসে ইন্তেকাল করেন। আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন মুহাম্মদ তিনশ আটআশি সালে শ্রুতলিপির মাধ্যমে আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান বিন হাম্মাদ আল-আসকারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন উবায়দুল্লাহ বিন... আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٤٨)
أَبِي دَاوُدَ ، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُؤَدِّبُ ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ ، عَنْ أَيُّوبَ ، عَنْ عِكْرِمَةَ ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها: أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم: «تَزَوَّجَ مَيْمُونَةَ وَهُوَ مُحْرِمٌ» وَقَدْ سَمِعْتُ مِنْ هَذَا الشَّيْخِ عَنْ غَيْرِ الإِمَامِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَنْدَهْ22 - أَخْبَرَنَاهُ سَنَةَ إِحْدَى وَخَمْسِينَ ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْمُقْرِئِ ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ هُوَ أَبُو يَعْلَى الْمَوْصِلِيُّ ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَيَّانَ الْبَصْرِيُّ ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَطَاءِ بْنِ مُقَدَّمٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ ، عَنْ
আবু দাউদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবনে মুহাম্মদ আল-মুয়াদ্দিব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে যাইদ, আইয়ুব থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় মায়মুনাকে বিবাহ করেছেন। আর আমি এই শাইখের নিকট থেকে ইমাম আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মানদাহ ব্যতীত অন্যের সূত্রেও এটি শুনেছি।২২ - তিনি আমাদের এটি সংবাদ দিয়েছেন একান্ন সালে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনুল মুকরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে আলী—যিনি আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাইয়ান আল-বাসরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে আলী ইবনে আতা ইবনে মুকাদ্দাম, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে আবু বকর ইবনে উবায়দুল্লাহ থেকে, তিনি...
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٤٩)
إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُحَمَّدٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ جَدِّهِ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِنَّ مِنْ سَعَادَةِ الْمَرْءِ اسْتِخَارَتَهُ لِرَبِّهِ عز وجل ، وَرِضَاهُ بِمَا قَضَى ، وَإِنَّ مِنْ شَقَاءِ الْعَبْدِ تَرْكَهُ الاسْتِخَارَةَ وَسَخَطَهُ بِمَا قَضَى»23 - حَدَّثَنَا الإِمَامُ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ الْبَاطِرْقَانِيُّ الْمُقْرِئُ الْبَزَّازُ ، إِمْلاءً فِي صَفَرٍ سَنَةَ ثَمَانٍ وَأَرْبَعِينَ ، وَتُوُفِّيَ يَوْمَ الثُّلاثَاءِ ثَانِيَ وَعِشْرِينَ صَفَرٍ ، سَنَةَ سِتِّينَ ، وَكَانَ مَوْلِدُهُ سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وَسَبْعِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ ، حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحَافِظُ ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ إِسْحَاقَ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي يَعْقُوبَ الْكِرْمَانِيُّ ، حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ
ইসমাইল বিন মুহাম্মদ তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "ব্যক্তির সৌভাগ্যের অন্তর্ভুক্ত হলো তার মহান রবের নিকট ইস্তিখারা করা এবং তিনি যা ফয়সালা করেছেন তাতে সন্তুষ্ট থাকা। আর বান্দার দুর্ভাগ্যের অন্তর্ভুক্ত হলো ইস্তিখারা বর্জন করা এবং আল্লাহর ফয়সালায় অসন্তুষ্ট হওয়া।"২৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইমাম আবু বকর আহমদ ইবনুল ফজল বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন জাফর আল-বাতিরকানি আল-মুকরি আল-বাজ্জাজ, ৪৮ সনের সফর মাসে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে; তিনি ৬০ সনের সফর মাসের বাইশ তারিখ মঙ্গলবার ইন্তেকাল করেন এবং তাঁর জন্ম ছিল ৩৭২ সনে। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন মুহাম্মদ আল-হাফিজ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন ইয়াকুব বিন ইসহাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আবি ইয়াকুব আল-কিরমানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসিম বিন...
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٥٠)
سُلَيْمَانَ ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَعْطِ السَّائِلَ وَإِنْ جَاءَكَ عَلَى فَرَسٍ» قَالَ أَبُو بَكْرٍ: هَكَذَا حَدَّثَنَاهُ مَرْفُوعًا24 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُقْبَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُسْلِمِ بْنِ أَبِي قُتَيْبَةَ ، رحمه الله ، سَنَةَ إِحْدَى وَسِتِّينَ ، وَتُوُفِّيَ فِي مُحَرَّمٍ سَنَةَ ثَلاثٍ وَسِتِّينَ ، وَكَانَ مِنْ جِوَارِنَا ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ ، يَعْنِي ابْنَ مَنْدَهْ ، أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ الْخَضِرِ الْمِصْرِيُّ ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ يُونُسَ ، حَدَّثَنَا
সুলায়মান থেকে, যায়েদ বিন আসলাম থেকে, আতা বিন ইয়াসার থেকে, আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «সাহায্যপ্রার্থীকে দান করো, যদিও সে তোমার কাছে ঘোড়ায় চড়ে আসে।» আবু বকর বলেন: এভাবেই তিনি আমাদের নিকট হাদিসটি মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।২৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আলী বিন আহমাদ বিন আব্দুর রহমান বিন উকবা বিন আব্দুল্লাহ বিন মুসলিম বিন আবি কুতাইবা (রাহিমাহুল্লাহ) একষট্টি সালে, এবং তিনি তেষট্টি সালের মহররম মাসে ইন্তেকাল করেন; তিনি আমাদের প্রতিবেশী ছিলেন। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইসহাক অর্থাৎ ইবনে মানদাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান বিন খিদির আল-মিসরি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন ইবরাহিম বিন ইউনুস, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন—
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٥١)
إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ التُّرْجُمَانِيُّ ، حَدَّثَنَا صَالِحٌ الْمَرِّيُّ ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه ، قَالَ: عُدْتُ شَابًّا مِنَ الأَنْصَارِ فَمَا كَانَ بِأَسْرَعَ مِنْ أَنْ مَاتَ ، فَأَغْمَضْنَاهُ وَمَدَدْنَا عَلَيْهِ الثَّوْبَ ، فَقَالَ بَعْضُنَا لأُمِّهِ: احْتَسِبِيهِ ، قَالَتْ: قَدْ مَاتَ؟ ، قُلْنَا: نَعَمْ ، فَمَدَّتْ يَدَيْهَا إِلَى اللَّهِ عز وجل ، وَقَالَتْ: اللَّهُمَّ إِنِّي آمَنْتُ بِكَ ، وَهَاجَرْتُ إِلَى رَسُولِكَ صلى الله عليه وسلم ، فَإِذَا نَزَلَتْ بِي شِدَّةٌ دَعَوْتُكَ فَفَرَّجْتَهَا ، فَأَسْأَلُكَ اللَّهُمَّ أَنْ لا تَحْمِلَ عَلَيَّ هَذِهِ الْمُصِيبَةَ الْيَوْمَ ، فَكَشَفَ الثَّوْبَ عَنْ وَجْهِهِ فَمَا بَرِحْنَا حَتَّى أَكَلْنَا وَأَكَلَ مَعَنَا "25 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُسْلِمِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ إِسْحَاقَ الصَّبَّاغُ الصَّقَّالُ الأَعْرَجُ الْمُؤَدِّبُ ، مِنْ بَابِ الْقَصْرِ ، سَنَةَ سِتٍّ وَخَمْسِينَ ، وَمَاتَ ثَالِثَ صَفَرٍ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَسِتِّينَ ، رحمه الله ، حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ مَنْدَهْ ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سَلَمَةَ بْنِ الضَّحَّاكِ الْمِصْرِيُّ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَيْمُونٍ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَامِلِ بْنِ مَيْمُونٍ الزَّيَّاتُ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ
ইসমাইল ইবন ইব্রাহিম আত-তুরজুমানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সালেহ আল-মুররি আমাদের নিকট সাবিত আল-বুনানি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আনাস ইবন মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আনসারদের এক যুবককে দেখতে গেলাম, কিন্তু সে দ্রুতই মারা গেল। আমরা তার চক্ষুদ্বয় বন্ধ করে দিলাম এবং তার ওপর চাদর টেনে দিলাম। তখন আমাদের কেউ তার মাকে বলল: আপনি আল্লাহর নিকট সওয়াবের প্রত্যাশা করুন। তিনি বললেন: সে কি মারা গেছে? আমরা বললাম: হ্যাঁ। তখন তিনি আল্লাহর দিকে নিজের দুই হাত প্রসারিত করলেন এবং বললেন: হে আল্লাহ, নিশ্চয়ই আমি আপনার প্রতি ঈমান এনেছি এবং আপনার রাসূলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রতি হিজরত করেছি। যখনই আমার ওপর কোনো কঠিন বিপদ অবতীর্ণ হয়েছে, আমি আপনাকে ডেকেছি এবং আপনি তা দূর করে দিয়েছেন। হে আল্লাহ, আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করছি, আপনি আজ এই মুসিবত আমার ওপর চাপিয়ে দেবেন না। অমনি সে তার চেহারা থেকে চাদর সরিয়ে দিল এবং আমরা সেখান থেকে সরে যাওয়ার আগেই আমরা আহার করলাম এবং সেও আমাদের সাথে আহার করল। ২৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন মুসলিম ইবন আলি ইবন জাফর ইবন ইসহাক আস-সাব্বাগ আস-সাক্কাল আল-আরাজ আল-মুয়াদ্দিব, বাবুল কাসর হতে, ছাপান্ন সালে; আর তিনি চৌষট্টি হিজরির তেসরা সফর ইন্তেকাল করেন, আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ ইবন মানদাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবন সালামাহ ইবন আদ-দাহহাক আল-মিসরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন ইব্রাহিম ইবন মাইমুন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন কামিল ইবন মাইমুন আজ-জায়্যাত, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন...
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٥٢)
إِسْحَاقَ الأَسَدِيُّ ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي عَبْلَةَ ، سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ الْبَاهِلِيَّ رضي الله عنه: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «تَسَحَّرُوا وَلَوْ بِشَرْبَةٍ مِنْ مَاءٍ ، وَلَوْ تَمْرَةٍ ، وَلَوْ حَبَّاتِ زَبِيبٍ ، فَإِنَّ الْمَلَائِكَةَ تُصَلِّي عَلَيْكُمْ»26 - أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الثَّقَفِيُّ الْقَاضِي الْوَاعِظُ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ مَاشَاذَةَ ، مِنْ بَابِ بَاغ عِيسَى ، وَكَانَ مَوْتُهُ فِي سَنَةِ سَبْعٍ وَسِتِّيَنَ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ يَعْنِي ابْنَ مَنْدَهْ ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ الْبَخْتَرِيِّ ، حَدَّثَنَا
ইসহাক আল-আসাদি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে আবি আবলাহ, আমি আবু উমামাহ আল-বাহিলি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: «তোমরা সেহরি করো, হোক তা এক ঢোক পানির মাধ্যমে, অথবা একটি খেজুরের মাধ্যমে, অথবা কিসমিসের কয়েকটি দানার মাধ্যমে; কেননা ফেরেশতারা তোমাদের জন্য রহমতের দোয়া করেন»২৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আহমদ ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে আলি ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান আস-সাকাফি, আল-কাদি আল-ওয়াইজ, যিনি ইবনে মাশাজাহ নামে পরিচিত, বাগ ঈসা ফটকের অধিবাসী; এবং তাঁর মৃত্যু হয়েছিল সাতষট্টি সালে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক অর্থাৎ ইবনে মানদাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনুল বাখতারি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٥٣)
أَحْمَدُ بْنُ الْخَلِيلِ ، حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ طَلْحَةَ بْنِ مُصَرِّفٍ ، عَنْ خَلَفِ بْنِ حَوْشَبٍ: عَنِ الْحَسَنِ ، فِي قَوْلِهِ عز وجل: {إِنَّ الإِنْسَانَ لِرَبِّهِ لَكَنُودٌ} [العاديات: 6] قَالَ: يَذْكُرُ الْمَصَائِبَ وَيَنْسَى النِّعَمَ "27 - أَخْبَرَنَا أَبُو زَيْدٍ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ شُجَاعِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ سَلِيلِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ زَكَرِيَّا بْنِ مَصْقَلَةَ بْنِ هُبَيْرَةَ بْنِ شِبْلٍ.وَقِيلَ: ابْنُ بِشْرِ بْنِ يَثْرِبِيِّ بْنِ امْرِئِ الْقَيْسِ بْنِ رَبِيعَةَ بْنِ مَالِكِ بْنِ ثَعْلَبَةَ بْنِ شَيْبَانَ الشَّيْبَانِيُّ الْبَصِيرُ ، مِنْ بَابِ بَاغ عِيسَى ، وَتُوُفِّيَ فِي شَوَّالٍ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَسِتِّينَ ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ مَنْدَهْ ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ
আহমাদ বিন আল-খালীল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু আন-নাদর হাশিম বিন আল-কাসিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বিন তালহা বিন মুসাররিফ বর্ণনা করেছেন খালাফ বিন হাওশাব থেকে, তিনি আল-হাসান থেকে মহান আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে বর্ণনা করেন: {নিশ্চয় মানুষ তার প্রতিপালকের প্রতি অত্যন্ত অকৃতজ্ঞ} [আল-আদিয়াত: ৬]। তিনি বলেন: সে বিপদসমূহ স্মরণ রাখে এবং নেয়ামতসমূহ ভুলে যায়।২৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যায়িদ আহমাদ বিন আবিল হাসান আলী বিন শুজা বিন মুহাম্মাদ বিন আলী বিন মুশহির বিন আব্দুল আযীয বিন সালীল বিন আব্দুল আযীয বিন যাকারিয়া বিন মাসকালা বিন হুবাইরাহ বিন শিবল।এবং বলা হয়েছে: ইবনে বিশর বিন ইয়াসরিবী বিন ইমরাউল কায়েস বিন রাবীআ বিন মালিক বিন সালাবা বিন শায়বান আশ-শায়বানী আল-বাসীর, বাগে ঈসা এলাকার বাসিন্দা। তিনি চৌষট্টি হিজরী সালের শাওয়াল মাসে মৃত্যুবরণ করেন। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসহাক বিন মানদাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন যিয়াদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান বিন
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٥٤)
مُحَمَّدِ بْنِ الصَّبَّاحِ ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ ، عَنِ الزُّهْرِيِّ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ ، عَنْ أَبِيهِ رضي الله عنه ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ لِي أَسْمَاءً، أَنَا مُحَمَّدٌ ، وَأَنَا أَحْمَدُ ، وَأَنَا الْمَاحِي الَّذِي يُمْحَى بِيَ الْكُفْرُ ، وَأَنَا الْحَاشِرُ الَّذِي يُحْشَرُ النَّاسُ عَلَى قَدَمَيَّ ، وَأَنَا الْعَاقِبُ ، وَالْعَاقِبُ الَّذِي لَيْسَ بَعْدَهُ نَبِيٌّ» صَحِيحٌ عَالٍ.28 - أَخْبَرَنَا أَبُو نَصْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَلِيٍّ الصُّوفِيُّ ، بِسِبْطِ الصَّالْحَانِيِّ ، رحمه الله ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَسِتِّينَ ، حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ مَنْدَهْ إِمْلاءً ، حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدِ بْنُ الأَعْرَابِيِّ ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الصَّبَّاحِ ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عَنِ الزُّهْرِيِّ ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ الرَّبِيعِ ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: «لا صَلاةَ إِلا بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ» .
মুহাম্মদ বিন আস-সাব্বাহ, সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি যুহরী থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন জুবাইর বিন মুতঈম থেকে, তিনি তাঁর পিতা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই আমার কতগুলো নাম রয়েছে; আমি মুহাম্মদ, আমি আহমাদ, আমি আল-মাহী (বিদূরণকারী) যাঁর মাধ্যমে কুফরকে মিটিয়ে দেওয়া হয়, আমি আল-হাশির (একত্রকারী) যাঁর পায়ের নিকট মানুষকে একত্রিত করা হবে, এবং আমি আল-আকিব (সর্বশেষ), আর আল-আকিব হলেন তিনি যাঁর পরে আর কোনো নবী নেই»। এটি সহীহ ও উচ্চপর্যায়ের হাদীস।২৮ - আবু নাসর আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন আলী আস-সূফী, সিবত আস-সালহানী (রহিমাহুল্লাহ) আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন—৬৪ হিজরী সালে তাঁর নিকট আমার পাঠকালে—আবু আব্দুল্লাহ বিন মানদাহ আমাদের নিকট শ্রুতলিপি হিসেবে হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু সাঈদ বিন আল-আরাবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আস-সাব্বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যুহরী থেকে, তিনি মাহমুদ বিন আর-রাবী’ থেকে, তিনি উবাদাহ বিন আস-সামিত (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «ফাতেহাতুল কিতাব (সূরা আল-ফাতিহা) ব্যতীত কোনো সালাত নেই»।
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٥٥)
قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: رَوَاهُ جَمَاعَةٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ ، وَقَالَ بَعْضُهُمْ: لا صَلاةَ إِلا بِالْقُرْآنِ29 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمُهَنْدِسُ النَّقَّاشُ الْمُقَدِّرُ الأَعْرَجُ ، مِنْ سِكَّةِ الْخُوزِ ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ سَنَةَ ثَمَانٍ وَسِتِّينَ رحمه الله ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ مَنْدَهْ الْحَافِظُ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ يَحْيَى بْنِ مَنْدَهْ ، وَمُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يُونُسَ أَبُو بَكْرٍ الأَبْهَرِيُّ ، قَالا: حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ فَهْدِ بْنِ حَكِيمٍ ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ زَكَرِيَّا أَبُو إِسْحَاقَ الْبَصْرِيُّ ، مِنْ أَهْلِ عَبْدَسَ ، حَدَّثَنَا
আবু আবদুল্লাহ বলেন: একদল রাবী এটি যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ বলেছেন: কুরআন পাঠ ব্যতীত কোনো সালাত নেই।২৯ - আবু তাহির আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে উমর ইবনে আবদুল্লাহ আল-মুহান্দিস আন-নাক্কাশ আল-মুকাদ্দির আল-আরাজ—সিক্কাতুল খুজ এলাকা থেকে—আটষট্টি সালে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন), হাফিয মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক ইবনে মানদাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুর রহমান ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে মানদাহ এবং আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইউনুস আল-আভহারী আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে ফাহদ ইবনে হাকিম আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আব্দাস-এর অধিবাসী আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে যাকারিয়া আল-বাসরি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন...
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٥٦)
خَالِدُ بْنُ نَافِعٍ الأَشْعَرِيُّ ، قَالَ: سَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ عُبَيْدِ اللَّهِ الْغَطَفَانِيَّ ، وَكَانَ أَبُوهُ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، فَسَمِعْتُهُ يُحَدِّثُ عَنْ الرَّبِيعِ بْنِ حِرَاشٍ أَخِي رِبْعِيٍّ ، أَنَّهُ حَلَفَ أَلا يَضْحَكَ حَتَّى يَعْلَمَ أَفِي الْجَنَّةِ هُوَ أَمْ فِي النَّارِ ، قَالَ: فَمَكَثَ كَذَلِكَ لا يَرَاهُ أَحَدٌ ضَاحِكًا حَتَّى مَاتَ ، فَسَجُّوهُ وَأَغْمَضُوهُ وَحَفَرُوا قَبْرَهُ ، وَأُتِيَ بِكَفَنِهِ ، فَإِنَّهُمْ جُلُوسٌ كَذَلِكَ إِذْ قَالَ بِالثَّوْبِ فَطَرَحَهُ عَنْ وَجْهِهِ وَاسْتَقْبَلَهُمْ ضَاحِكًا ، فَقَالَ لَهُ أَخُوهَ رِبْعِيُّ: أَيْ أَخِي ، أَبَعْدَ الْمَوْتِ؟ ! ، فَقَالَ: نَعَمْ ، وَذَكَرَ الْحَدِيثَ
খালিদ ইবনে নাফি আল-আশআরি বলেন: আমি আলী ইবনে উবায়দুল্লাহ আল-গাতফানিকে বলতে শুনেছি—আর তার পিতা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীগণের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন—আমি তাকে রিবয়ীর ভাই রাবি ইবনে হিরাশ থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, তিনি শপথ করেছিলেন যে জান্নাতে না কি জাহান্নামে তা না জানা পর্যন্ত তিনি হাসবেন না। বর্ণনাকারী বলেন: তিনি এভাবেই অবস্থান করলেন এবং মৃত্যু পর্যন্ত কেউ তাকে হাসতে দেখেনি। অতঃপর তারা তাকে বস্ত্রাবৃত করলেন, তার চক্ষুদ্বয় বন্ধ করে দিলেন এবং তার কবর খনন করলেন। এরপর তার কাফন নিয়ে আসা হলো। তারা যখন সেখানে উপবিষ্ট ছিলেন, এমতাবস্থায় তিনি কাপড়টি স্বীয় মুখমণ্ডল থেকে সরিয়ে দিলেন এবং তাদের দিকে তাকিয়ে হাসলেন। তখন তার ভাই রিবয়ী তাকে বললেন: হে আমার ভাই! মৃত্যুর পর?! তিনি বললেন: হ্যাঁ। এবং তিনি হাদীসটি উল্লেখ করলেন।
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٥٧)
30 - أَخْبَرَنَا أَبُو نَصْرٍ حَمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْعَسَّالُ السُّكَّرِيُّ ، سَنَةَ سِتِّينَ ، وَتُوُفِّيَ سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وَسِتِّينَ غُرَّةَ جُمَادَى الأُوْلَى ، وَكَانَ عِنْدَهُ، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَنْدَهْ ، وَلا يَحْضُرُنِي سَمَاعِي عَنْهُ ، فَعَنْهُ أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْجَلابُ ، حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْغَزَّالُ ، حَدَّثَنَا شِيرَانُ ، حَدَّثَنَا
৩০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর হামাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-আসসাল আস-সুক্কারি, ষাট সালে; এবং তিনি বাষট্টি সালের জুমাদাল উলার শুরুতে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর নিকট আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মান্দাহ থেকে বর্ণিত হাদীস ছিল, কিন্তু তাঁর থেকে আমার শ্রবণের বিষয়টি বর্তমানে আমার নিকট উপস্থিত নেই; সুতরাং তাঁর সূত্রে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম ইবরাহীম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহীম আল-জাল্লাব, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-গাজ্জাল, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন শিরান, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٥٨)
مُحَمَّدُ بْنُ صُدْرَانَ ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ ، حَدَّثَنَا عَوْفٌ ، قَالَ: قَالَ الْحَسَنُ فِي قَوْلِ اللَّهِ عز وجل: {فَوَرَبِّ السَّمَاءِ وَالأَرْضِ إِنَّهُ لَحَقٌّ مِثْلَ مَا أَنَّكُمْ تَنْطِقُونَ} [الذاريات: 23] قَالَ: بَلَغَنِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «قَاتَلَ اللَّهُ تَعَالَى أَقْوَامًا أَقْسَمَ لَهُمْ رَبُّهُمْ عز وجل ، ثُمَّ لَمْ يُصَدِّقُوهُ»31 - أَخْبَرَنَا أَبُو سَهْلٍ حَمَدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ الصَّيْرَفِيُّ الْمَعْرُوفُ بِوُلْكِيزَ ، بِقِرَاءَتِي ، وَتُوُفِّيَ سَنَةَ ثَمَانٍ وَسِتِّينَ ، أَخْبَرَنَا
মুহাম্মদ ইবনে সুদরান, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইবন আবি আদি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আওফ, তিনি বলেন: মহান ও মহিমান্বিত আল্লাহর বাণী: {আকাশ ও পৃথিবীর রবের শপথ, নিশ্চয় তা সত্য, ঠিক যেমন তোমরা কথা বলছ} [আয-যারিয়াত: ২৩] সম্পর্কে হাসান বলেন: আমার কাছে পৌঁছেছে যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আল্লাহ তাআলা সেই সম্প্রদায়গুলোকে ধ্বংস করুন যাদের নিকট তাদের প্রতিপালক মহান ও মহিমান্বিত আল্লাহ শপথ করেছেন, অতঃপর তারা তাঁকে সত্য বলে বিশ্বাস করেনি।"৩১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাহল হামাদ ইবনে আহমদ ইবনে উমর আস-সাইরাফি, যিনি বুলকীয নামে পরিচিত, আমার পাঠের মাধ্যমে—তিনি আটষট্টি হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন—তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন...
(খণ্ড: ১)
যিকুরল ইমাম আবী আবদিল্লাহ বিন মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٥٩)
أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ يَحْيَى بْنِ مَنْدَهْ ، أَخْبَرَنَا خَيْثَمَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ ، حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ الْوَلِيدِ بْنِ مَزْيَدٍ ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ شُعَيْبٍ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنِ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ ، عَنْ أَبِيهِ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ مَوْلَى عُمَرَ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " نَضَّرَ اللَّهُ تَعَالَى عَبْدًا سَمِعَ مَقَالَتِي هَذِهِ ثُمَّ وَعَاهَا وَحَمَلَهَا ، رُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ غَيْرِ فَقِيهٍ ، وَرُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ إِلَى مَنْ هُوَ أَفْقَهُ مِنْهُ ، ثَلاثٌ لا يُغِلُّ عَلَيْهِمْ قَلْبُ مُؤْمِنٍ: إِخْلاصُ الْعَمَلِ لِلَّهِ تَعَالَى ، وَمُنَاصَحَةُ وُلاةِ الأَمْرِ ، وَالاعْتِصَامُ بِجَمَاعَةِ الْمُسْلِمِينَ ، فَإِنَّ دَعْوَتَهُمْ تُحِيطُ مِنْ وَرَائِهِمْ "
আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক ইবন ইয়াহইয়া ইবন মানদাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন খাইসামাহ ইবন সুলায়মান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আব্বাস ইবন আল-ওয়ালিদ ইবন মাজিয়াদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবন শুআইব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবন যায়দ ইবন আসলাম, তিনি তাঁর পিতা উমরের মুক্তদাস যায়দ ইবন আসলাম থেকে, তিনি আনাস ইবন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "আল্লাহ তাআলা সেই বান্দাকে সজীব ও উজ্জ্বল রাখুন যে আমার এই কথা শুনেছে, অতঃপর তা স্মরণ রেখেছে ও বহন করেছে। কেননা অনেক ইলমের বাহক এমন আছে যারা নিজেরা ফকীহ নয়, আবার অনেক ইলমের বাহক এমন ব্যক্তির কাছে তা পৌঁছে দেয় যে তার চেয়ে অধিক ফকীহ। তিনটি বিষয় এমন যাতে কোনো মুমিনের অন্তর খিয়ানত বা বিদ্বেষ পোষণ করে না: আল্লাহর জন্য একনিষ্ঠভাবে আমল করা, শাসকবর্গের প্রতি কল্যাণকামিতা এবং মুসলিমদের জামাআতের সাথে সংবদ্ধ থাকা; কেননা তাদের দোয়া তাদের পেছন থেকে তাদের বেষ্টন করে রাখে (হেফাযত করে)।"