(খণ্ড: ১)
যিকরু ইবনে আবীদ দুনিয়া ওয়ামা ওয়াক্বাআ আলিয়ান মিন হাদীসিহি
(পৃষ্ঠা: -)
ذكر ابن أبي الدنيا وما وقع عاليا من حديثه القسم: كتب السنة
الكتاب: ذكر ابن أبي الدنيا وما وقع عاليًا من حديثه
المؤلف: محمد بن عمر بن أحمد بن عمر بن محمد الأصبهاني المديني، أبو موسى (ت 581هـ)
قدم لها وعلق عليها وخرج أحاديثها: أبو عبيدة مشهور بن حسن آل سلمان
الناشر: دار الخراز، السعودية، دار ابن حزم، بيروت - لبنان
الطبعة: الأولى، 1422 هـ - 2001 م
عدد الصفحات: 373
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইবনে আবি আদ-দুনিয়া ও তাঁর উচ্চ সনদযুক্ত হাদিসসমূহের আলোচনা বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
কিতাব: ইবনে আবি আদ-দুনিয়া ও তাঁর উচ্চ সনদযুক্ত হাদিসসমূহের আলোচনা
লেখক: মুহাম্মাদ বিন উমর বিন আহমাদ বিন উমর বিন মুহাম্মাদ আল-আসবাহানি আল-মাদিনী, আবু মুসা (মৃত্যু ৫৮১ হিজরি)
ভূমিকা, টীকা ও হাদিস তাহরিজ করেছেন: আবু উবাইদাহ মাশহুর বিন হাসান আল সালমান
প্রকাশক: দারুল খাররায, সৌদি আরব, দারু ইবনে হাযম, বৈরুত - লেবানন
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২২ হিজরি - ২০০১ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৭৩
[বইটির নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যুল হিজ্জাহ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
যিকরু ইবনে আবীদ দুনিয়া ওয়ামা ওয়াক্বাআ আলিয়ান মিন হাদীসিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৪৯)
ذِكْرُ أَبِي بَكْرٍ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ سُفْيَانَ بْنِ قَيْسٍ الْقُرَشِيِّ مَوْلَى بَنِي أُمَيَّةَ الْمَعْرُوفِ بِابْنِ أَبِي الدُّنْيَا الْبَغْدَادِيِّ صَاحِبِ كِتَابِ الرَّقَائِقِ، وَمَا وَقَعَ لِي عَالِيًا مِنْ حَدِيثِهِ1 - قَرَأْتُ عَلَى أَبِي مَنْصُورِ بْنِ زُرَيْقٍ، بِبَغْدَادَ، قُلْتُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو بَكْرِ بْنُ ثَابِتٍ الْخَطِيبُ قَالَ: «كَانَ ابْنُ أَبِي الدُّنْيَا يُؤَدِّبُ غَيْرَ وَاحِدٍ مِنْ أَوْلادِ الْخُلَفَاءِ، وَبَلَغَنِي أَنَّ مَوْلِدَهُ كَانَ فِي سَنَةِ ثَمَانٍ وَمِائَتَيْنِ، وَأَنَّهُ كُوفِيُّ الأَصْلِ» وَقَالَ: " أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ شَاذَانَ: أنا أَبِي، ثنا أَبُو ذَرٍّ الْقَاسِمُ بْنُ دَاوُدَ بْنِ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنِي ابْنُ أَبِي الدُّنْيَا، قَالَ: دَخَلَ الْمُكْتَفِي عَلَى الْمُوَفَّقِ وَلَوْحُهُ بِيَدِهِ، فَقَالَ: مَا لَكَ لَوْحُكَ بِيَدِكَ؟ قَالَ: مَاتَ غُلامِي وَاسْتَرَاحَ مِنَ الْكِتَابِ، قَالَ: لَيْسَ هَذَا مِنْ كَلامِكَ، هَذَا كَانَ الرَّشِيدُ أَمَرَ أَنْ يُعْرَضَ عَلَيْهِ أَلْوَاحُ أَوْلادِهِ فِي كُلِّ يَوْمِ اثْنَيْنِ وَخَمِيسٍ، فَعُرِضَتْ عَلَيْهِ، فَقَالَ لابْنِهِ: مَا لِغُلامِكَ لَيْسَ لَوْحُكَ مَعَهُ؟ قَالَ: مَاتَ وَاسْتَرَاحَ مِنَ الْكِتَابِ! قَالَ: وَكَأَنَّ الْمَوْتَ أَسْهَلُ عَلَيْكَ مِنَ الْكِتَابِ؟ قَالَ: نَعَمْ.
قَالَ: فَدَعِ الْكِتَابَ، قَالَ: ثُمَّ
আবু বকর আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন উবাইদ ইবন সুফিয়ান ইবন কায়স আল-কুরাশী, বনু উমাইয়াদের মুক্ত করা দাস, ইবন আবিদ দুনিয়া আল-বাগদাদী নামে পরিচিত, কিতাবুর রাকায়িক-এর রচয়িতা এবং তার বর্ণিত যে উচ্চমানের (আলি) হাদিসগুলো আমি পেয়েছি, তার বিবরণ১ - আমি বাগদাদে আবু মানসুর ইবন জুরাইক-এর নিকট পাঠ করেছি, আমি তাকে বললাম: আবু বকর ইবন সাবিত আল-খতিব কি আপনাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি বলেছেন: "ইবন আবিদ দুনিয়া খলিফাদের সন্তানদের মধ্যে একাধিক ব্যক্তিকে আদব (শিষ্টাচার) শিক্ষা দিতেন। আমি জানতে পেরেছি যে, তার জন্ম হয়েছিল দুইশত আট হিজরি সনে এবং তিনি মূলত কুফার অধিবাসী ছিলেন।" এবং তিনি বলেছেন: "আমাকে আবদুল্লাহ ইবন আবু বকর ইবন শাযান সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাকে আমার পিতা সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু যর আল-কাসিম ইবন দাউদ ইবন সুলাইমান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাকে ইবন আবিদ দুনিয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: মুকতাফি তার পিতা মুওয়াফফাকের নিকট প্রবেশ করলেন এবং তার হাতে একটি তখতি (লেখার বোর্ড) ছিল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: কী হয়েছে যে তোমার তখতিটি তোমার হাতে? তিনি বললেন: আমার গোলামটি মারা গেছে এবং কিতাব (লেখাপড়া) থেকে মুক্তি পেয়েছে। তিনি বললেন: এটি তোমার নিজের কথা নয়। রশীদ নির্দেশ দিয়েছিলেন যেন প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার তার সন্তানদের তখতিগুলো তার কাছে পেশ করা হয়। অতঃপর সেগুলো তার কাছে পেশ করা হলো। তখন তিনি তার ছেলেকে জিজ্ঞেস করলেন: তোমার গোলামের কী হয়েছে যে তোমার তখতিটি তার কাছে নেই? সে বলল: সে মারা গেছে এবং কিতাব থেকে মুক্তি পেয়েছে! তিনি বললেন: তোমার কাছে কি মৃত্যু কিতাবের (লেখাপড়ার) চেয়ে সহজ মনে হয়? সে বলল: হ্যাঁ। তিনি বললেন: তাহলে লেখাপড়া ছেড়ে দাও। তিনি বলেন: অতঃপর...
(খণ্ড: ১)
যিকরু ইবনে আবীদ দুনিয়া ওয়ামা ওয়াক্বাআ আলিয়ান মিন হাদীসিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৫০)
جِئْتُهُ فَقَالَ لِي: كَيْفَ مَحَبَّتُكَ لِمُؤَدِّبِكَ؟ قَالَ: كَيْفَ لا أُحِبُّهُ وَهُوَ أَوَّلُ مَنْ فَتَقَ لِسَانِي بِذِكْرِ اللَّهِ تَعَالَى، وَهُوَ مَعَ ذَاكَ إِذَا شِئْتَ أَضْحَكَكَ وَإِذَا شِئْتَ أَبْكَاكَ، قَالَ: يَا رَاشِدُ، أَحْضِرْ لِي هَذَا، قَالَ: فَأُحْضِرْتُ وَقُرِّبْتُ حَتَّى قُرِّبْتُ مِنْ سَرِيرِهِ، وَابْتَدَأْتُ فِي أَخْبَارِ الْخُلَفَاءِ وَمَوَاعِظِهِمْ، فَبَكَى بُكَاءً شَدِيدًا، قَالَ: فَجَاءَنِي رَاغِبٌ أَوْ بَائِسٌ، فَقَالَ لِي: كَمْ تَبْكِي الأَمِيرَ؟ ! فَقَالَ: قَطَعَ اللَّهُ يَدَكَ مَا لَكَ وَلَهُ، يَا رَاشِدُ؟ تَنَحَّ عَنْهُ، قَالَ: وَابْتَدَأَ فَقَرَأْتُ عَلَيْهِ نَوَادِرَ الأَعْرَابِ، فَضَحِكَ ضَحِكًا كَثِيرًا، ثُمَّ قَالَ: شَهَّرْتَنِي، شَهَّرْتَنِي.
قَالَ أَبُو ذَرٍّ: فَقَالَ لأَحْمَدَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ الْفُرَاتِ: أَجْرِ لَهُ خَمْسَةَ عَشَرَ دِينَارًا فِي كُلِّ شَهْرٍ.
قَالَ أَبُو ذَرٍّ: فَكُنْتُ أَقْبِضُهَا لابْنِ أَبِي الدُّنْيَا إِلَى أَنْ مَاتَ
আমি তাঁর নিকট উপস্থিত হলাম, তখন তিনি আমাকে বললেন: "তোমার শিক্ষকের প্রতি তোমার ভালোবাসা কেমন?" তিনি বললেন: "আমি কেন তাঁকে ভালোবাসব না, অথচ তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি মহান আল্লাহর স্মরণের মাধ্যমে আমার জিহ্বা উন্মোচিত করেছেন। এছাড়া তিনি এমন এক ব্যক্তিত্ব যে, তুমি চাইলে তিনি তোমাকে হাসাবেন এবং তুমি চাইলে তিনি তোমাকে কাঁদাবেন।" তিনি বললেন: "হে রাশিদ, একে আমার কাছে উপস্থিত করো।" বর্ণনাকারী বলেন: "অতঃপর আমাকে উপস্থিত করা হলো এবং কাছে নেওয়া হলো, এমনকি আমি তাঁর পালঙ্কের নিকটবর্তী হলাম। আমি খলিফাদের সংবাদ এবং তাঁদের নসিহতসমূহ বর্ণনা করতে শুরু করলাম, ফলে তিনি অত্যন্ত ক্রন্দন করলেন।" তিনি বললেন: "অতঃপর কোনো এক আগ্রহী অথবা আর্ত ব্যক্তি আমার নিকট এসে আমাকে বলল: তুমি আমিরকে কতক্ষণ কাঁদাবে?! তখন তিনি (আমির) বললেন: আল্লাহ তোমার হাত কেটে দিন, তোমার সাথে তাঁর কী বিষয়? হে রাশিদ, তুমি ওর থেকে সরে দাঁড়াও।" বর্ণনাকারী বলেন: "আমি পুনরায় শুরু করলাম এবং তাঁকে মরুচারী আরবদের বিরল কৌতুকপ্রদ ঘটনাবলী পড়ে শুনালাম, ফলে তিনি অনেক হাসলেন। অতঃপর তিনি বললেন: তুমি আমাকে জনসমক্ষে প্রকাশ করে দিলে, তুমি আমাকে প্রসিদ্ধ করে দিলে।"
আবু যার বলেন: অতঃপর তিনি আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল ফুরাতকে বললেন: "তাঁর জন্য প্রতি মাসে পনেরো দিনার নির্ধারিত করো।"
আবু যার বলেন: "আমি ইবনে আবিদ দুনিয়ার মৃত্যু পর্যন্ত তাঁর পক্ষ থেকে সেই অর্থ গ্রহণ করতাম।"
(খণ্ড: ১)
যিকরু ইবনে আবীদ দুনিয়া ওয়ামা ওয়াক্বাআ আলিয়ান মিন হাদীসিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৫১)
2 - وَقَرَأْتُ عَلَى عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْقَزَّازِ، بِبَغْدَادَ، أَخْبَرَكُمْ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ الْحَافِظُ، أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ الْمُقْرِئُ، أَنْبَأَ أَبُو مُسْلِمِ بْنُ مِهْرَانَ، أَنْبَأَ عَبْدُ الْمُؤْمِنِ بْنُ خَلَفٍ النَّسَفِيُّ، قَالَ: سَأَلْتُ أَبَا عَلِيٍّ صَالِحَ بْنَ مُحَمَّدٍ، يَعْنِي جَزَرَةَ الْحَافِظَ، عَنِ ابْنِ أَبِي الدُّنْيَا؟ فَقَالَ: صَدُوقٌ، وَكَانَ يَخْتَلِفُ مَعَنَا، إِلا أَنَّهُ كَانَ يَسْمَعُ مِنْ إِنْسَانٍ يُقَالُ لَهُ: مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، بَلْخِيٌّ، وَكَانَ يَضَعُ لِلْكَلامِ إِسْنَادًا، وَكَانَ كَذَّابًا، يَرْوِي أَحَادِيثَ مِنْ ذَاتِ نَفْسِهِ مَنَاكِيرَ
3 - وَقَرَأْتُ عَلَى عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنْبَأَ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَهُ الأَزْهَرِيُّ، قَالَ: بَلَغَنِي عَنِ الْقَاضِي أَبِي الْحُسَيْنِ بْنِ أَبِي عُمَرَ، مُحَمَّدِ بنِ يُوسُفَ، قَالَ: سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ الْحَرْبِيَّ يَقُولُ:
২ - এবং আমি বাগদাদে আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ আল-কাযযায-এর কাছে পাঠ করেছি। তোমাদেরকে অবহিত করেছেন আহমদ বিন আলী আল-হাফিয, আমাকে অবহিত করেছেন মুহাম্মদ বিন আলী আল-মুকরি, সংবাদ দিয়েছেন আবু মুসলিম বিন মিহরান, সংবাদ দিয়েছেন আবদুল মুমিন বিন খালাফ আন-নাসাফি। তিনি বলেন: আমি আবু আলী সালিহ বিন মুহাম্মদকে অর্থাৎ হাফিয জাযারাহকে ইবন আবিদ দুনইয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম? তিনি বললেন: তিনি সত্যবাদী, এবং তিনি আমাদের সাথে (ইলম অর্জনে) যাতায়াত করতেন। তবে তিনি মুহাম্মদ বিন ইসহাক বালখি নামক জনৈক ব্যক্তির নিকট থেকে শ্রবণ করতেন; সে কথার জন্য কৃত্রিম সনদ তৈরি করত এবং সে ছিল একজন চরম মিথ্যাবাদী, যে নিজের পক্ষ থেকে অনেক আপত্তিকর হাদিস বর্ণনা করত।
৩ - এবং আমি আবদুর রহমানের কাছে পাঠ করেছি, সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন আলী, তাকে বর্ণনা করেছেন আল-আযহারি, তিনি বলেন: আমার কাছে কাজী আবুল হুসাইন বিন আবি উমর মুহাম্মদ বিন ইউসুফ থেকে পৌঁছেছে, তিনি বলেন: আমি ইবরাহিম আল-হারবিকে বলতে শুনেছি:
(খণ্ড: ১)
যিকরু ইবনে আবীদ দুনিয়া ওয়ামা ওয়াক্বাআ আলিয়ান মিন হাদীসিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৫২)
رَحِمَ اللَّهُ أَبَا بَكْرِ بْنَ أَبِي الدُّنْيَا، كُنَّا نَمْضِي إِلَى عَفَّانَ نَسْمَعُ مِنْهُ فَنَرَى ابْنَ أَبِي الدُّنْيَا جَالِسًا مَعَ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ الْبُرْجَلانِيِّ خَلْفَ شَرِيجَةِ بَقَّالٍ يَكْتُبُ عَنْهُ وَيَدَعُ عَفَّانُ قَالَ الْقَاضِي أَبُو الْحُسَيْنِ: وَبَكَّرْتُ إِلَى إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِسْحَاقَ الْقَاضِي يَوْمَ مَاتَ ابْنُ أَبِي الدُّنْيَا، فَقُلْتُ لَهُ: أَعَزَّ اللَّهُ الْقَاضِي، مَاتَ ابْنُ أَبِي الدُّنْيَا، فَقَالَ: رحمه الله مَاتَ مَعَهُ عِلْمٌ كَثِيرٌ، يَا غُلامُ! امْضِ إِلَى يُوسُفَ حَتَّى يُصَلِّيَ
আল্লাহ আবু বকর ইবনে আবিদ দুনিয়ার প্রতি রহম করুন। আমরা আফফানের নিকট (হাদিস) শ্রবণ করতে যেতাম, তখন দেখতাম ইবনে আবিদ দুনিয়া মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন আল-বুরজালানির সাথে এক মুদির দোকানের বেড়ার পেছনে বসে আছেন; তিনি তাঁর নিকট থেকে (হাদিস) লিখছেন এবং আফফানকে ছেড়ে দিচ্ছেন। কাযী আবুল হুসাইন বলেন: ইবনে আবিদ দুনিয়া যেদিন মৃত্যুবরণ করেন, আমি অতি প্রত্যুষে কাযী ইসমাইল ইবনে ইসহাকের নিকট গেলাম এবং তাঁকে বললাম: আল্লাহ কাযীকে সম্মানিত করুন, ইবনে আবিদ দুনিয়া মৃত্যুবরণ করেছেন। তখন তিনি বললেন: আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন, তাঁর সাথে প্রচুর ইলম বিদায় নিল। হে বালক! ইউসুফের নিকট যাও যাতে তিনি সালাত আদায় করেন।
(খণ্ড: ১)
যিকরু ইবনে আবীদ দুনিয়া ওয়ামা ওয়াক্বাআ আলিয়ান মিন হাদীসিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৫৩)
عَلَيْهِ، فَحَضَرَ يُوسُفُ بْنُ يَعْقُوبَ فَصَلَّى عَلَيْهِ بِالشُّونِيزِيَّةِ وَدُفِنَ فِيهَا فِي سَنَةِ ثَمَانِينَ
4 - قَرَأْتُ عَلَى ابْنِ زُرَيْقٍ، أَخْبَرَكُمْ أَبُو بَكْرٍ الْخَطِيبُ، أَنْبَأَ الْحَسَنُ ابْنُ أَبِي بَكْرٍ عَنْ أَحْمَدَ بْنِ كَامِلٍ الْقَاضِي، قَالَ: سَنَةُ إِحْدَى وَثَمَانِينَ وَمِائَتَيْنِ، فِيهَا مَاتَ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الدُّنْيَا الْقُرَشِيُّ مُؤَدِّبُ الْمُعْتَضِدِ وَقَالَ الْخَطِيبُ: أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ السِّمْسَارُ، أَنْبَأَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُثْمَانَ الصَّفَّارُ، ثنا ابْنُ قَانِعٍ مِثْلَ ذَلِكَ
তাঁর ওপর; অতঃপর ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব উপস্থিত হয়ে শুনিযিয়্যাহ নামক স্থানে তাঁর জানাযার নামাজ পড়ালেন এবং আশি সনে সেখানেই তাঁকে দাফন করা হলো।
৪ - আমি ইবনে যুরাইকের নিকট পাঠ করেছি, আবু বকর আল-খাতীব আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাসান ইবনে আবু বকর আমাদের জানিয়েছেন আহমাদ ইবনে কামিল আল-কাযী থেকে, তিনি বলেন: দুইশ একাশি হিজরি সন, এতেই আল-মুতাদিদের শিক্ষক আবু বকর ইবনে আবিদ দুনিয়া আল-কুরাশি ইন্তেকাল করেন। আর আল-খাতীব বলেন: আলী ইবনে মুহাম্মাদ আস-সিমসার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে উসমান আস-সাফফার আমাদের জানিয়েছেন, ইবনে কানি আমাদের নিকট অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
যিকরু ইবনে আবীদ দুনিয়া ওয়ামা ওয়াক্বাআ আলিয়ান মিন হাদীসিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৫৪)
5 - وَأَخْبَرَنَا ابْنُ زُرَيْقٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَبَّاسِ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى ابْنِ الْمُنَادِي، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَبُو بَكْرٍ الْقُرَشِيُّ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ أَبِي الدُّنْيَا مَاتَ فِي جُمَادَى الأُولَى، سَنَةَ إِحْدَى وَثَمَانِينَ، وَصَلَّى عَلَيْهِ يُوسُفُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الْبَصْرِيُّ، وَمَاتَ سَنَةَ اثْنَيْنِ وَثَمَانِينَ
6 - قَرَأْتُ عَلَى أَبِي نَصْرٍ الْغَازِيِّ، أَنْبَأَ عَبْدُ الْبَاقِي بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ غَالِبٍ أَبُو مَنْصُورٍ الْعَطَّارُ، بِبَغْدَادَ، أَنْبَأَ أَبُو طَاهِرٍ الْمُخَلِّصُ فِي الثَّامِنِ مِنْ فَوَائِدِهِ، فِيمَا أَظُنُّ، قَالَ: فِي كِتَابِي عَنْ أَبِي مُحَمَّدٍ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّكَّرِيِّ قَالَ:
৫ - এবং ইবনে যুরাইক আমাদের অবহিত করেছেন, আবু বকর আমাদের অবহিত করেছেন, মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আমাদের অবহিত করেছেন, মুহাম্মদ বিন আল-আব্বাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনুল মুনাদীর নিকট তা পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আবু বকর আল-কুরাশী, যিনি ইবনে আবিদ দুনিয়া নামে পরিচিত, দুইশত একাশি হিজরির জুমাদাল উলা মাসে মৃত্যুবরণ করেন এবং ইউসুফ বিন ইয়াকুব বিন ইসমাঈল আল-বাসরি তাঁর জানাজার সালাত পড়িয়েছেন, আর তিনি (ইউসুফ) দুইশত বিরাশি হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
৬ - আমি আবু নাসর আল-গাজীর নিকট পাঠ করেছি, বাগদাদে আব্দুল বাকি বিন মুহাম্মদ বিন গালিব আবু মানসুর আল-আত্তার আমাদের অবহিত করেছেন, আবু তাহির আল-মুখাল্লিস তাঁর ‘ফাওয়াইদ’-এর অষ্টম অংশে—আমার ধারণা মতে—অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আমার কিতাবে আবু মুহাম্মদ উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আস-সুক্কারীর সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১)
যিকরু ইবনে আবীদ দুনিয়া ওয়ামা ওয়াক্বাআ আলিয়ান মিন হাদীসিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৫৫)
كَانَ مَوْلِدُهُمَا جَمِيعًا فِي سَنَةٍ، يَعْنِي مَوْلِدَ يُوسُفَ بْنِ يَعْقُوبَ الْقَاضِي وَابْنِ أَبِي الدُّنْيَا، وَهِيَ سَنَةُ ثَمَانٍ وَمِائَتَيْنِ، وُلِدَ الْقَاضِي يُوسُفُ بْنُ يَعْقُوبَ، وَوُلِدَ ابْنُ أَبِي الدُّنْيَا فِي جُمَادَى، أَحْسَبُهُ الأَوَّلَ، سَمِعْتُهُ يَذْكُرُ ذَلِكَ.
وَمَاتَ ابْنُ أَبِي الدُّنْيَا فِي سَنَةِ اثْنَيْنِ وَثَمَانِينَ وَلَهُ خَمْسٌ وَسَبْعُونَ سَنَةً.
وَمَاتَ الْقَاضِي فِي شَهْرِ رَمَضَانَ سَنَةَ سَبْعٍ وَتِسْعِينَ وَهُوَ الَّذِي صَلَّى عَلَى ابْنِ أَبِي الدُّنْيَا
7 - وَجَدْتُ بِخَطِّ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ مَكْتُوبًا عَنِ ابْنِ أَبِي الدُّنْيَا قَالَ: كُلُّ مَا قُلْتُ فِي كِتَابِي: ذَكَرَ فُلانُ سَمِعْتُهُ مِنْ رَجُلٍ عَنْهُ
তাদের উভয়ের জন্ম একই বছরে হয়েছিল, অর্থাৎ কাজি ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব এবং ইবনে আবিদ দুনিয়ার জন্ম। আর তা হলো দুইশত আট সাল। কাজি ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব জন্মগ্রহণ করেন এবং ইবনে আবিদ দুনিয়া জুমাদাল (আমি মনে করি প্রথম) মাসে জন্মগ্রহণ করেন; আমি তাঁকে এটি উল্লেখ করতে শুনেছি।
এবং ইবনে আবিদ দুনিয়া বিরাশি সালে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁর বয়স হয়েছিল পঁচাত্তর বছর।
এবং কাজি সাতানব্বই সালের রমজান মাসে মৃত্যুবরণ করেন এবং তিনিই ইবনে আবিদ দুনিয়ার জানাজার সালাত পড়িয়েছিলেন।
৭ - আমি কতিপয় জ্ঞানীর হস্তাক্ষরে ইবনে আবিদ দুনিয়া থেকে লিখিত পেয়েছি যে, তিনি বলেছেন: "আমি আমার কিতাবে যা কিছু বলেছি যে 'অমুক ব্যক্তি উল্লেখ করেছেন', তা আমি তাঁর থেকে এক ব্যক্তির মাধ্যমে শুনেছি।"
(খণ্ড: ১)
যিকরু ইবনে আবীদ দুনিয়া ওয়ামা ওয়াক্বাআ আলিয়ান মিন হাদীসিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৫৬)
8 - وَذُكِرَ لِي أَنَّ ابْنَ أَبِي الدُّنْيَا إِنَّمَا صَنَّفَ كُتُبَهُ عَلَى كُتُبِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ الْبُرْجَلانِيِّ، وَيَدُلُّ عَلَى ذَلِكَ كَثْرَةُ رِوَايَتِهِ عَنْهُ، فَرُبَّ كِتَابٍ لَهُ لَمْ يَرْوِ فِيهِ عَنْ غَيْرِهِ كَكِتَابِ الرُّهْبَانِ لَهُ
9 - أَخْبَرَنِي إِسْمَاعِيلُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ وَعَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ عَبْدِ الرَّزَّاقِ، قَالا: ثنا أَحْمَدُ بْنُ الْفَضْلِ الْمُقْرِئُ، ثنا أَبُو مُحَمَّدٍ جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى، ثنا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ النَّيْسَابُورِيُّ الْحَاكِمُ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي، ثنا مُحَمَّدٌ ابْنُ الطَّرَسُوسِيِّ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ الْخُزَامِيُّ، قَالَ: قَرَأَ شَابٌّ مِنْ قُرَيْشٍ، عَلَى ابْنِ أَبِي الدُّنْيَا شَيْئًا مِنْ حَدِيثٍ: «إِنَّ الزَّمَانَ قَدِ اسْتَدَارَ كَهَيْئَتِهِ يَوْمَ خَلَقَ اللَّهُ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضَ»
8 - আমার নিকট উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইবন আবিদ দুনিয়া মূলত মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আল-বুরজালানির গ্রন্থসমূহের ভিত্তিতেই তাঁর গ্রন্থসমূহ রচনা করেছেন। তাঁর থেকে (ইবন আবিদ দুনিয়ার) প্রচুর পরিমাণে বর্ণনা করা এর প্রমাণ বহন করে। এমনকি তাঁর এমন কিতাবও থাকতে পারে যাতে তিনি তিনি আল-বুরজালানি ব্যতীত অন্য কারও থেকে বর্ণনা করেননি, যেমন তাঁর ‘কিতাবুর রুহবান’।
9 - ইসমাঈল ইবনুল ফদল ইবনে আহমাদ এবং আব্দুল কারিম ইবনে আব্দুর রাজ্জাক আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেন: আহমাদ ইবনুল ফদল আল-মুকরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মুহাম্মদ জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল হামিদ ইবনে আব্দুর রহমান আন-নিশাপুরি আল-হাকিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, মুহাম্মদ ইবনুত তারসুসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম ইবনুল মুনজির আল-খুজামি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কুরাইশ বংশের এক যুবক ইবন আবিদ দুনিয়ার নিকট হাদিসের অংশবিশেষ পাঠ করল: "নিশ্চয়ই সময় তার সেই নিজস্ব অবস্থায় ফিরে এসেছে, যে অবস্থায় তা ছিল যেদিন আল্লাহ আসমানসমূহ ও জমিন সৃষ্টি করেছিলেন।"
(খণ্ড: ১)
যিকরু ইবনে আবীদ দুনিয়া ওয়ামা ওয়াক্বাআ আলিয়ান মিন হাদীসিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৫৭)
فَقَرَأَ: «إِنَّ الزَّمَانَ قَدِ اشتد اركبتيه» فَقَالَ ابْنُ أَبِي الدُّنْيَا: متعت بك أركبيته؟ قَالَ: شِدَّتُهُ وَأَزْمَتُهُ! فَقَالَ: تَفْسِيرُكَ لِلتَّصْحِيفِ أَعْجَبُ إِلَيَّ مِنَ التَّصْحِيفِ.
كَذَا أَوْرَدَهُ الْبَاطِرْقَانِيُّ فِي النَّوَادِرِ، وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ أَقْدَمُ مِنَ ابْنِ أَبِي الدُّنْيَا بِكَثِيرٍ
10 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، سَمِعْتُ أَبَا الْخَيْرِ الإِمَامَ، سَمِعْتُ فَضْلَ بْنَ مَعْمُورٍ يَقُولُ: " لَمَّا قَرَأْنَا كِتَابَ ذَمِّ الدُّنْيَا عَلَى ابْنِ أَبِي الدُّنْيَا قَالَ: حَدِّثْنَا لا بَارَكَ اللَّهُ فِيهِ، كَمَا لَمْ يُبَارِكْ لِي فِيهِ.
أَوْ كَمَا قَالَ "
11 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ، إِذْنًا، أَنْبَأَ الْخَلِيلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، إِذْنًا، حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا عَتَّابُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْحَافِظُ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ السَّرَّاجُ، قَالَ: كَتَبَ إِلَيَّ ابْنُ أَبِي الدُّنْيَا مِنْ بَغْدَادَ: يَا أَخِي، عَزِيزٌ عَلَيَّ حَقًّا مِثْلُكَ، وَمَا أَنْتَ إِلا كَمَا قِيلَ:
أَتَجْفُو خَلِيلا لَمْ يَخُنْكَ مَوَدَّةً
… عَزِيزٌ عَلَيْنَا أَنْ نَرَاكَ كَذَاكَا
12 - قَرَأْتُ عَلَى أَبِي نَصْرٍ الْغَازِي، أَخْبَرَكُمْ أَبُو مَنْصُورٍ عَبْدُ الْبَاقِي بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ غَالِبٍ الْعَطَّارُ، بِبَغْدَادَ، أَنْبَأَ أَبُو طَاهِرٍ الْمُخَلِّصُ، أَحْسَبُهُ فِي الثَّامِنِ مِنْ فَوَائِدِهِ، قَالَ: فِي كِتَابِي عَنْ أَبِي مُحَمَّدٍ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّكَّرِيِّ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ،
এরপর তিনি পাঠ করলেন: "নিশ্চয়ই কাল তার দুই হাঁটুর কঠোরতায় কঠিন হয়েছে।" তখন ইবনে আবিদ দুনিয়া বললেন: আল্লাহ তোমাকে দীর্ঘজীবী করুন, 'আরকুবিয়্যাহ' (হাঁটুর রগ) বলতে কী বুঝালে? তিনি বললেন: এর কঠোরতা ও সংকট! ইবনে আবিদ দুনিয়া বললেন: শব্দের ভুল উচ্চারণের (তাশহিফ) ব্যাপারে তোমার ব্যাখ্যাটি আমার কাছে ভুল উচ্চারণের চেয়েও বেশি বিস্ময়কর।
বাতিরকানি 'আন-নাওয়াদির' গ্রন্থে এভাবেই এটি উল্লেখ করেছেন। আর ইব্রাহিম বিন আল-মুনজির ইবনে আবিদ দুনিয়ার চেয়ে অনেক পূর্ববর্তী সময়ের মানুষ।
১০ - আবু আবদুল্লাহ বিন ওয়াহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমি ইমাম আবু আল-খাইরকে বলতে শুনেছি, তিনি ফজল বিন মামুরকে বলতে শুনেছেন: "যখন আমরা ইবনে আবিদ দুনিয়ার নিকট 'যাম্মুদ দুনিয়া' (পৃথিবীর নিন্দা) কিতাবটি পাঠ করলাম, তিনি বললেন: তোমরা আমাদের কাছে বর্ণনা করো, আল্লাহ এতে বরকত না দিন, যেমন তিনি আমার জন্য এতে বরকত দেননি।
অথবা যেমনটি তিনি বলেছেন।"
১১ - আবু আলী আমাদের অনুমতি সূত্রে সংবাদ দিয়েছেন, হাফেজ আল-খালিল বিন আবদুল্লাহ অনুমতি সূত্রে জানিয়েছেন, আলী বিন মুহাম্মদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, হাফেজ আত্তাব বিন মুহাম্মদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন ইসহাক আস-সাররাজ বলেছেন: ইবনে আবিদ দুনিয়া বাগদাদ থেকে আমার কাছে লিখেছেন: হে আমার ভাই, তোমার মতো ব্যক্তির অবস্থা সত্যিই আমার জন্য কষ্টকর, আর তুমি তো কেবল তেমনই যেমনটি বলা হয়েছে:
তুমি কি এমন বন্ধুর প্রতি রূঢ়তা করছ যে হৃদ্যতার ক্ষেত্রে তোমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেনি?
… তোমাকে এমন অবস্থায় দেখা আমাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর।
১২ - আমি আবু নাসর আল-গাজীর নিকট পাঠ করেছি, আবু মনসুর আবদুল বাকি বিন মুহাম্মদ বিন গালিব আল-আত্তার বাগদাদে আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু তাহির আল-মুখাল্লিস আমাদের জানিয়েছেন—আমার ধারণা এটি তার 'ফাওয়াইদ' গ্রন্থের অষ্টম খণ্ডে রয়েছে—তিনি বলেছেন: আমার কিতাবে আবু মুহাম্মদ উবাইদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান আস-সুক্কারি থেকে বর্ণিত আছে, আহমদ বিন ইসমাইল আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন,
(খণ্ড: ১)
যিকরু ইবনে আবীদ দুনিয়া ওয়ামা ওয়াক্বাআ আলিয়ান মিন হাদীসিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৫৮)
وَكَانَ إِلْفًا لأَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي الدُّنْيَا وَصَدِيقًا لَهُ، قَالَ: مَضَيْتُ يَوْمًا مَعَ ابْنِ أَبِي الدُّنْيَا إِلَى الْقَاضِي يُوسُفَ بْنِ يَعْقُوبَ فِي حَاجَةٍ لابْنِ أَبِي الدُّنْيَا، فَسَأَلَ أَبُو بَكْرٍ الْقَاضِي: عَنْ حَالِهِ؟ فَقَالَ لَهُ الْقَاضِي كَمَا قَالَ سِيبَوَيْهِ:
الأَمْرُ فِي جَدٍّ وَأَنْتَ تَهْزِلُ
لا يَنْفَعُ الْهِلْيُونُ وَالأطريفلُ
انْخَرَقَ الأَعْلَى وَجَارَ الأَسْفَلُ
كَيْفَ تَجِدْكَ أَنْتَ، أَصْلَحَكَ اللَّهُ يَا أَبَا بَكْرٍ؟ قَالَ: إِنَّا كَمَا قَالَ الأَوَّلُ:
أُرَانِي كُلَّ يَوْمٍ فِي انْتِقَاصٍ
… وَلا يَبْقَى عَلَى النُّقْصَانِ شَيُّ
طَوَى الْعَصْرَانِ مَا نَشَرَاهُ مِنِّي
… فَأَخْلَقَ جِدَّتِي نَشْرٌ وَطَيُّ
وَقَدْ رَوَى عَنْهُ الْحَارِثُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي أُسَامَةَ أَحَادِيثَ، وَهُوَ أَكْبَرُ مِنْهُ بِبِضْعٍ وَعِشْرِينَ سَنَةً، وَرَوَى هُوَ أَيْضًا عَنِ الْحَارِثِ
13 - فَأَخْبَرَنَاهُ أَبُو مَنْصُورٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الشروطي قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ سَنَةَ خَمْسٍ وَخَمْسِ مِائَةٍ، أَنْبَأَ أَبُو نُعَيْمٍ
তিনি আবু বকর ইবনে আবিদ দুনিয়ার ঘনিষ্ঠ এবং বন্ধু ছিলেন। তিনি বলেন: একদিন আমি ইবনে আবিদ দুনিয়ার সাথে কাযী ইউসুফ ইবনে ইয়াকুবের নিকট ইবনে আবিদ দুনিয়ার একটি প্রয়োজনে গেলাম। আবু বকর কাযীকে তাঁর অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন কাযী তাকে বললেন যেমনটি সীবওয়াইহ বলেছিলেন:
বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর অথচ আপনি কৌতুক করছেন
হিলিয়ন (শতমূলী) এবং আত্রিফাল (ভেষজ মিশ্রণ) কোনো উপকারে আসছে না
উর্ধ্বাংশ ফেটে গেছে এবং নিম্নাংশ বিচ্যুত হয়েছে
হে আবু বকর, আল্লাহ আপনার কল্যাণ করুন, আপনি নিজেকে কেমন দেখছেন? তিনি বললেন: আমরা ঠিক তেমনই, যেমনটি পূর্ববর্তী কবি বলেছিলেন:
আমি নিজেকে প্রতিদিন ক্ষয়িষ্ণু হতে দেখছি
… আর ক্ষয়ের পর কোনো কিছুই অবশিষ্ট থাকে না
দিন এবং রাত আমার যা কিছু প্রসারিত করেছিল তা গুটিয়ে নিয়েছে
… ফলে এই প্রসারণ ও সংকোচন আমার সজীবতাকে জীর্ণ করে দিয়েছে
আর আল-হারিস ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি উসামাহ তাঁর থেকে কিছু হাদিস বর্ণনা করেছেন, অথচ তিনি (হারিস) তাঁর চেয়ে বিশ বছরেরও বেশি বড় ছিলেন। আবার তিনিও হারিসের থেকে বর্ণনা করেছেন।
১৩ - আবু মানসুর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আশ-শুরুতি আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন, তাঁর সামনে পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি তা শুনছিলাম পাঁচশত পাঁচ হিজরি সনে; আবু নুয়াইম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
যিকরু ইবনে আবীদ দুনিয়া ওয়ামা ওয়াক্বাআ আলিয়ান মিন হাদীসিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৫৯)
أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِسْحَاقَ، ثنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ خَلادٍ الْعَطَّارُ، ثنا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَارِثُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي أُسَامَةَ التَّمِيمِيُّ فِي مُسْنَدِهِ، ثنا أَبُو بَكْرٍ الأُمَوِيُّ، ثنا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، ثنا أَيُّوبُ بْنُ سُوَيْدٍ الدِّمَشْقِيُّ، ثنا نُوحُ بْنُ ذَكْوَانَ، عَنْ أَخِيهِ أَيُّوبَ بْنِ ذَكْوَانَ، عَنِ الْحَسَنِ الْبَصْرِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، قَالَ: " قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ اللَّهَ عز وجل لَيَسْتَحِي مِنْ عَبْدِهِ وَأَمَتِهِ يَشِيبَانِ فِي الإِسْلامِ ثُمَّ يُعَذِّبُهُمَا»
আহমাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে ইসহাক, আমাদের নিকট আবু বকর আহমাদ ইবনে ইউসুফ ইবনে খাল্লাদ আল-আত্তার বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু মুহাম্মাদ আল-হারিস ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবি উসামাহ আত-তামিমি তাঁর মুসনাদে বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু বকর আল-উমাবি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সুওয়াইদ ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আইয়ুব ইবনে সুওয়াইদ আদ-দিমাশকি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট নুহ ইবনে জাকওয়ান বর্ণনা করেছেন, তাঁর ভাই আইয়ুব ইবনে জাকওয়ান থেকে, তিনি হাসান আল-বসরি থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ তাঁর সেই বান্দা ও বান্দীর প্রতি লজ্জাবোধ করেন যারা ইসলামের মধ্যে বার্ধক্যে উপনীত হয়েছে, অতঃপর তিনি তাদের আজাব দেবেন।"
(খণ্ড: ১)
যিকরু ইবনে আবীদ দুনিয়া ওয়ামা ওয়াক্বাআ আলিয়ান মিন হাদীসিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৬০)
هَكَذَا نَقَلَهُ الْحَارِثُ عَنْ أَبِي بَكْرٍ الأُمَوِيِّ وَهُوَ ابْنُ أَبِي الدُّنْيَا، فَقَالَ: أَيُّوبُ بْنُ سُوَيْدٍ الدِّمَشْقِيُّ، وَهُوَ وَهْمٌ، إِنَّمَا هُوَ سُوَيْدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، وَقَدْ رَوَاهُ أَبُو بَكْرٍ الشَّافِعِيُّ، وَغَيْرُهُ، عَنِ ابْنِ أَبِي الدُّنْيَا عَلَى الصَّوَابِ، فَكَتَبَ تَحْتَ هَذَا فِي أَثْنَاءِ مَا وَقَعَ لِي مِنْ حَدِيثِهِ عَالِيًا عَلَى الصِّحَّةِ وَإِنَّمَا كَنَّى عَنْهُ لِكَيْ لا يُفْطَنُ لَهُ، وَقَالَ مَرَّةً الْحَارِثُ فِي رِوَايَتِهِ عَنِ ابْنِ أَبِي الدُّنْيَا: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُبَيْدٍ، وَقَالَ مَرَّةً: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ سُفْيَانَ الْكُوفِيُّ
14 - أَخْبَرَنِي هِبَةُ اللَّهِ بْنُ الْحَسَنِ الْحَافِظُ وَزَيْدُ بْنُ عُثْمَانَ، فِيمَا ذَكَرَ لِي، قَالا: أَنْبَأَ عَبْدَانُ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَنْبَأَ أَبُو زُرْعَةَ رَوْحُ بْنُ مُحَمَّدٍ أَنْبَأَ أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ بِشْرٍ قَالَ: قَالَ أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ أَبِي حَاتِمٍ الرَّازِيُّ: عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الدُّنْيَا كَتَبْتُ عَنْهُ مَعَ أَبِي، وَسُئِلَ عَنْهُ أَبِي فَقَالَ: بَغْدَادِيٌّ صَدُوقٌ " فَمَا وَقَعَ لِي عَالِيًا مِنْ حَدِيثِهِ:
15 - مَا قَرَأْتُهُ بِبَغْدَادَ عَلَى الرَّئِيسِ أَبِي الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ الْحُصَيْنِ الشَّيْبَانِيِّ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَعِشْرِينَ، أَخْبَرَكُمْ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْبَزَّازُ سَنَةَ سَبْعٍ وَثَلاثِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ سَنَةَ اثْنَيْنِ وَخَمْسِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، ثنا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الدُّنْيَا، ثنا أَبُو سَعِيدٍ الْمَدَنِيُّ، ثنا ذُؤَيْبُ بْنُ عمَامَةَ السَّهْمِيُّ، ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَعْدٍ الْمُؤَذِّنُ،
আল-হারিস এটি আবু বকর আল-উমাভী থেকে বর্ণনা করেছেন, আর তিনি হলেন ইবন আবিদ দুনিয়া। তিনি বলেছেন: আইয়ুব ইবন সুওয়াইদ আদ-দিমাশকি, আর এটি একটি ভুল; মূলত তিনি হলেন সুওয়াইদ ইবন আব্দুল আজিজ। আবু বকর আশ-শাফিয়ী এবং অন্যান্যেরা ইবন আবিদ দুনিয়া থেকে এটি সঠিকভাবেই বর্ণনা করেছেন। তাই তিনি এর নিচে লিখেছেন—তার যে হাদিসগুলো আমার নিকট উচ্চ সনদে এবং নির্ভুলভাবে পৌঁছেছে তার মধ্যে—মূলত তিনি তার সম্পর্কে উপনাম ব্যবহার করেছেন যাতে তাকে চেনা না যায়। আল-হারিস ইবন আবিদ দুনিয়া থেকে তার বর্ণনায় একবার বলেছেন: আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ ইবন উবাইদ বর্ণনা করেছেন, আবার কখনও বলেছেন: আমাদের নিকট আবু বকর ইবন সুফিয়ান আল-কুফি বর্ণনা করেছেন।
১৪ - হাফেজ হিবাতুল্লাহ ইবন আল-হাসান এবং যায়েদ ইবন উসমান আমাকে জানিয়েছেন—তারা যা উল্লেখ করেছেন—তারা উভয়ে বলেছেন: আমাদের খবর দিয়েছেন আবদান মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ, আমাদের খবর দিয়েছেন আবু যুরআ রাওহ ইবন মুহাম্মদ, আমাদের খবর দিয়েছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবন আল-হাসান ইবন বিশর, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ ইবন আবি হাতিম আর-রাজি বলেছেন: আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন আবিদ দুনইয়া—আমি আমার পিতার সাথে তার নিকট থেকে হাদিস লিখেছি। আমার পিতাকে তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: "তিনি বাগদাদী এবং সত্যবাদী।" সুতরাং তার যে হাদিসগুলো আমার নিকট উচ্চ সনদে পৌঁছেছে:
১৫ - চারশো চব্বিশ হিজরি সনে বাগদাদে প্রধান আবু কাসিম ইবন মুহাম্মদ ইবন আব্দুল ওয়াহিদ ইবন আল-হুসাইন আশ-শায়বানীর সামনে আমি যা পাঠ করেছি—মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ ইবন ইব্রাহিম আল-বাযযার চারশো সাঁইত্রিশ হিজরি সনে আপনাদের খবর দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন ইব্রাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—তিনশো বায়ান্ন হিজরি সনে তার নিকট পাঠকালে—আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন আবিদ দুনইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু সাঈদ আল-মাদানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যুয়াইব ইবন উমামাহ আস-সাহমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রহমান ইবন সা'দ আল-মুয়াযযিন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন,
(খণ্ড: ১)
যিকরু ইবনে আবীদ দুনিয়া ওয়ামা ওয়াক্বাআ আলিয়ান মিন হাদীসিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৬১)
عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ سَعْدٍ الْقُرَظِيِّ رضي الله عنه: «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَخْطُبُ النَّاسَ فِي الْحَرْبِ إِذَا خَطَبَ، وَهُوَ مُتَوَكِّئُ عَلَى فَرَسِهِ» هَذِهِ قِطْعَةٌ مِنْ حَدِيثٍ طَوِيلٍ، لا يُعْرَفُ إِلا مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَعْدٍ
16 - أَخْبَرَنَا بِهِ أَعْلَى مِنْهُ، أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ الْحَدَّادُ رحمه الله سَنَةَ سِتٍّ وَخَمْسِ مِائَةٍ، أَنْبَأَ أَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَمْدَانَ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، ثنا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَعْدٍ، وَأَخْبَرَنَا أَبُو غَالِبٍ أَحْمَدُ بْنُ الْعَبَّاسِ بْنِ عَلِيٍّ اللوشيذي وَنُوشِرْوَانُ بْنُ شِيرَذَادَ الدَّيْلَمِيُّ، فِي شَوَّالٍ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَخَمْسِ مِائَةٍ، أَنْبَأَ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ التَّانِيُّ، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ
তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা সা'দ আল-কুরাযী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যুদ্ধের ময়দানে যখন ভাষণ দিতেন, তখন তিনি তাঁর ঘোড়ার ওপর হেলান দেওয়া অবস্থায় ভাষণ দিতেন।" এটি একটি দীর্ঘ হাদিসের অংশ, যা কেবল আবদুর রহমান ইবনে সা'দের বর্ণিত হাদিস হিসেবেই পরিচিত।
১৬ - আমাদের নিকট এটি এর চেয়েও উচ্চতর সনদে বর্ণনা করেছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমদ আল-হাদ্দাদ (রাহিমাহুল্লাহ) পাঁচশত ছয় হিজরি সনে। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে হামদান। তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে সুফিয়ান। তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে আম্মার। তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবনে সা'দ। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু গালিব আহমদ ইবনে আব্বাস ইবনে আলী আল-লাউশীযী এবং নুশিরওয়ান ইবনে শিরাযাদ আদ-দাইলামী, পাঁচশত চার হিজরি সনের শাওয়াল মাসে। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইব্রাহিম আল-তানি। তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সুলায়মান ইবনে...
(খণ্ড: ১)
যিকরু ইবনে আবীদ দুনিয়া ওয়ামা ওয়াক্বাআ আলিয়ান মিন হাদীসিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৬২)
أَحْمَدَ، ثنا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، ثنا الْحُمَيْدِيُّ.
قَالَ سُلَيْمَانُ: وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ أَبِي حَسَّانٍ الأَنْمَاطِيُّ، ثنا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، قَالا: ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بِحَدِيثٍ فِيهِ هَذِهِ الْكَلِمَةُ.
فَفِي هَذِهِ الطُّرُقِ كَأَنَّ شُيُوخِي سَمِعُوهُ مِنْ أَصْحَابِ ابْنِ أَبِي الدُّنْيَا
17 - وَقَرَأْتُ عَلَى هِبَةِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْكَاتِبِ، أَخْبَرَكُمْ أَبُو طَالِبِ بْنُ غَيْلانَ، أَنْبَأَ أَبُو بَكْرٍ الشَّافِعِيُّ، ثنا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الدُّنْيَا، ثنا الْفَضْلُ بْنُ غَانِمٍ، ثنا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ هَارُونَ بْنِ عَنْتَرَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ حَفِظَ عَلَى أُمَّتِي أَرْبَعِينَ حَدِيثًا مِنْ أَمْرِ دِينِهَا، بَعَثَهُ اللَّهُ تَعَالَى فَقِيهًا، وَكُنْتُ لَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ شَافِعًا وَشَهِيدًا» .
আহমদ, বিশর ইবনে মূসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমায়দী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।
সুলাইমান বলেন: এবং ইসহাক ইবনে আবি হাসসান আল-আনমাতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে আম্মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়ে বলেন: আবদুর রহমান আমাদের নিকট এমন একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে এই শব্দটি রয়েছে।
এই সূত্রসমূহের মাধ্যমে প্রতীয়মান হয় যে, আমার শিক্ষকগণ এটি ইবনে আবি আদ-দুনিয়ার সাথীদের নিকট থেকে শুনেছেন।
১৭ - এবং আমি হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-কাতিবের নিকট পাঠ করেছি, আবু তালিব ইবনে গাইলান আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আশ-শাফিঈ আমাদের অবহিত করেছেন, আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি আদ-দুনিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ফাদল ইবনে গানিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল মালিক ইবনে হারুন ইবনে আনতারা তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি আবু দারদা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি আমার উম্মতের জন্য তাদের দ্বীনি বিষয় সংবলিত চল্লিশটি হাদীস সংরক্ষণ করবে, আল্লাহ তাআলা তাকে ফকীহ হিসেবে পুনরুত্থিত করবেন এবং কিয়ামতের দিন আমি তার জন্য সুপারিশকারী ও সাক্ষী হব»।
(খণ্ড: ১)
যিকরু ইবনে আবীদ দুনিয়া ওয়ামা ওয়াক্বাআ আলিয়ান মিন হাদীসিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৬৩)
18 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيٍّ الْحَدَّادُ سَنَةَ ثَمَانِ مِائَةٍ وَسِتَّ عَشَرَ بِقِرَاءَةِ وَالِدِي وَغَيْرِهِ رحمهم الله، أَنْبَأَ أَبُو نُعَيْمٍ الْحَافِظُ سَنَةَ سَبْعٍ وَعِشْرِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُثْمَانَ الْوَاسِطِيُّ، ثَنا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ الجعد، ثنا هَاشِمُ بْنُ الْوَلِيدِ الهروي، ثنا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ هَارُونَ بْنِ مُحَمَّدٍ بِهِ
১৮ - আল-হাসান বিন আহমাদ বিন আলী আল-হাদ্দাদ আমাদের আটশত ষোল হিজরি সালে আমার পিতা ও অন্যদের পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, আল্লাহ তাঁদের প্রতি রহম করুন; হাফিয আবু নুআইম চারশত সাতাশ হিজরি সালে সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন উসমান আল-ওয়াসিতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন আল-হাসান বিন আল-জাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাশিম বিন আল-ওয়ালিদ আল-হারাবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল মালিক বিন হারুন বিন মুহাম্মাদ এর মাধ্যমে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
যিকরু ইবনে আবীদ দুনিয়া ওয়ামা ওয়াক্বাআ আলিয়ান মিন হাদীসিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৬৪)
19 - قَرَأْتُ عَلَى ابْنِ الْحُصَيْنِ، أَنْبَأَ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، أَنْبَأَ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الدُّنْيَا، ثنا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، ثنا سُوَيْدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، ثنا نُوحُ بْنُ ذَكْوَانَ، عَنْ أَخِيهِ أَيُّوبَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: يَقُولُ اللَّهُ تَعَالَى: «إِنِّي لأَسْتَحِي مِنْ عَبْدِي وَأَمَتِي يَشِيبَانِ فِي
১৯ - আমি ইবনুল হুসাইনের নিকট পাঠ করেছি, মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইব্রাহিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আবিদ দুনিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুওয়াইদ বিন সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুওয়াইদ বিন আব্দুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, নূহ বিন জাকওয়ান তার ভাই আইয়ুব থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আল্লাহ তাআলা বলেন: «নিশ্চয়ই আমি আমার সেই দাস ও দাসীর প্রতি লজ্জা বোধ করি যারা বার্ধক্যে উপনীত হয়েছে...
(খণ্ড: ১)
যিকরু ইবনে আবীদ দুনিয়া ওয়ামা ওয়াক্বাআ আলিয়ান মিন হাদীসিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৬৫)
الإِسْلامِ، أُعَذِّبُهُمَا بَعْدَ ذَلِكَ» رَوَاهُ عَنْ سُوَيْدِ بْنِ سَعِيدٍ غَيْرُ وَاحِدٍ، وَرَوَاهُ عَنِ ابْنِ أَبِي الدُّنْيَا الْحَارِثُ بْنُ أَبِي أُسَامَةَ ذَكَرْتُهُ فَوْقَ ذَلِكَ
20 - وَقَرَأْتُ عَلَى ابْنِ الْحُصَيْنِ، أَنْبَأَ مُحَمَّدٌ، أَنْبَأَ مُحَمَّدٌ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي الدُّنْيَا، ثنا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، ثنا سُوَيْدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، ثنا نُوحُ بْنُ ذَكْوَانَ، عَنْ أَخِيهِ أَيُّوبَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " يَقُولُ اللَّهُ تَعَالَى: إِنَّا أَعْظَمُ عَفْوًا مِنْ أَنْ أَسْتُرَ عَلَى عَبْدِي ثُمَّ أَفْضَحَهُ، وَلا أَزَالُ أَغْفِرُ لِعَبْدِي مَا اسْتَغْفَرَنِي "
21 - قَرَأْتُ بِبَغْدَادَ عَلَى هِبَةِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْكَاتِبِ، أَخْبَرَكُمُ ابْنُ طَالِبِ بْنِ غَيْلانَ، أَنْبَأَ أَبُو بَكْرٍ الشَّافِعِيُّ، ثنا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الدُّنْيَا، ثنا خَالِدُ بْنُ خِدَاشٍ، ثنا صَالِحٌ الْمُرِّيُّ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ زَيْدٍ الْعَبْدِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، قَالَ: " بَيْنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم جَالِسٌ فِي أَصْحَابِهِ إِذْ مَرَّ
ইসলাম। এরপর আমি তাদের দুজনকে শাস্তি দেব।" এটি সুওয়াইদ ইবনে সাঈদ থেকে একাধিক ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন এবং ইবন আবিদ দুনইয়া থেকে আল-হারিস ইবনে আবি উসামা এটি বর্ণনা করেছেন; যা আমি এর আগে উল্লেখ করেছি।
২০ - আমি ইবনুল হুসাইনের নিকট পাঠ করেছি, মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবন আবিদ দুনইয়া আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, সুওয়াইদ ইবনে সাঈদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, সুওয়াইদ ইবনে আব্দুল আজিজ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, নূহ ইবনে জাকওয়ান তাঁর ভাই আইয়ুব থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "আল্লাহ তাআলা বলেন: আমি আমার বান্দার দোষ গোপন করার পর তাকে পুনরায় লজ্জিত করার চেয়ে ক্ষমা করার দিক থেকে অধিক মহান। আর আমি আমার বান্দাকে ক্ষমা করতেই থাকি যতক্ষণ সে আমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকে।"
২১ - আমি বাগদাদে হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-কাতিবের নিকট পাঠ করেছি, ইবনে তালিব ইবনে গাইলান তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আশ-শাফিঈ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আবিদ দুনইয়া আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, খালিদ ইবনে খিদাশ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, সালিহ আল-মুররি জা'ফর ইবনে যাইদ আল-আবদি থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "একদা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাহাবীদের মাঝে বসা ছিলেন, এমন সময় পাশ দিয়ে গেল..."
(খণ্ড: ১)
যিকরু ইবনে আবীদ দুনিয়া ওয়ামা ওয়াক্বাআ আলিয়ান মিন হাদীসিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৬৬)
رَجُلٌ، فَقَالَ بَعْضُ الْقَوْمِ: مَجْنُونٌ! فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّمَا الْمَجْنُونُ الْمُقِيمُ عَلَى الْمَعْصِيَةِ، وَلَكِنَّ هَذَا الرَّجُلَ مُصَابٌ» وَهَذَا أَيْضًا وَقَعَ لِي أَعْلى مِنْ ذَلِكَ
22 - أَخْبَرَنَا هِبَةُ اللَّهِ، أَنْبَأَ أَبُو طَالِبٍ، أَنْبَأَ أَبُو بَكْرٍ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي الدُّنْيَا، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ حَسَّانٍ السَّمْتِيُّ، ثنا عَلِيُّ بْنُ عَبَّاسٍ، ثنا يَزِيدُ بْنُ أَبِي زِيَادٍ، عَنِ الْبَهِيِّ مَوْلَى الزُّبَيْرِ، قَالَ: دَخَلَ عَلَيْنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ فَقَالَ: «قَدْ رَأَيْتُ الْحَسَنَ بْنَ عَلِيٍّ رضي الله عنهم يَأْتِي النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ سَاجِدٌ، فَيَرْكَبُ ظَهْرَهُ، فَمَا يَنْزِلُهُ حَتَّى يَكُونَ هُوَ الَّذِي يَنْزِلُ، وَيَأْتِي وَهُوَ رَاكِعٌ، فَيُفَرِّجُ لَهُ بَيْنَ رِجْلَيْهِ حَتَّى يَخْرُجَ مِنَ الْجَانِبِ الآخَرِ»
23 - أَخْبَرَنِيهِ أَبُو غَالِبٍ أَحْمَدُ بْنُ الْعَبَّاسِ، وَأَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْفُضَيْلِ، بِقِرَاءَتِي، وَأَبُو مُحَمَّدٍ نُوشِرْوَانَ بْنُ شِيرَزَادَ، فِي ذِي الْقِعْدَةِ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَخَمْسِ مِائَةٍ، قَالُوا: أنبا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ التَّانِيُّ،
একজন লোক, তখন লোকদের কেউ কেউ বলল: “পাগল!” তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: “প্রকৃত পাগল তো সেই ব্যক্তি যে অবাধ্যতায় লিপ্ত থাকে, বরং এই লোকটি তো ব্যাধিগ্রস্ত।” আর এটি আমার নিকট এর চেয়েও উচ্চতর সনদে বর্ণিত হয়েছে।
২২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিবাতুল্লাহ, আমাদের জানিয়েছেন আবু তালিব, আমাদের জানিয়েছেন আবু বকর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে আবিদ দুনইয়া, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে হাসান আস-সামতি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলি ইবনে আব্বাস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযিদ ইবনে আবি যিয়াদ, যুবাইরের মুক্তদাস আল-বাহি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর আমাদের নিকট প্রবেশ করে বললেন: “আমি হাসান ইবনে আলিকে (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) দেখেছি যে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসতেন যখন তিনি সিজদাবনত অবস্থায় থাকতেন, অতঃপর তিনি তাঁর পিঠে আরোহণ করতেন; তিনি তাঁকে নামাতেন না যতক্ষণ না হাসান নিজেই নেমে যেতেন। আর তিনি যখন রুকু অবস্থায় থাকতেন তখন তিনি আসতেন, আর তিনি (নবী) তাঁর দুই পায়ের মাঝখানে ফাঁক করে দিতেন যাতে তিনি অন্য পাশ দিয়ে বের হয়ে যেতে পারেন।”
২৩ - এটি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু গালিব আহমাদ ইবনুল আব্বাস এবং আবু বকর মুহাম্মদ ইবনুল ফুদাইল—আমার পাঠের মাধ্যমে—এবং আবু মুহাম্মদ নুশিরওয়ান ইবনে শিরাযাদ, পাঁচশত চার হিজরি সনের যিলকদ মাসে; তাঁরা বলেন: আমাদের জানিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইবরাহিম আত-তানি,
(খণ্ড: ১)
যিকরু ইবনে আবীদ দুনিয়া ওয়ামা ওয়াক্বাআ আলিয়ান মিন হাদীসিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৬৭)
ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْخُزَاعِيُّ الأَصْبَهَانِيُّ، ثنا الْقَعْنَبِيُّ.
وَحَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، ثنا أَبُو نُعَيْمٍ ضِرَارُ بْنُ صُرَدَ.
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عُثْمَانَ بْنِ صَالِحٍ، ثنا أَصْبَغُ بْنُ الْفَرَجِ، قَالُوا: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَابِسٍ بِهِ
24 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ بِهِ الْحُصَيْنُ، أَنْبَأَ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، أنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثنا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الدُّنْيَا، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ حَسَّانٍ، ثنا عَلِيُّ بْنُ عَابِسٍ، ثنا يَزِيدُ بْنُ أَبِي زِيَادٍ، عَنِ الْبَهِيِّ، قَالَ: دَخَلَ عَلَيْنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ وَنَحْنُ نَتَذَاكَرُ شِبْهَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْ أَهْلِهِ قَالَ: " أَنَا أُخْبِرُكُمْ بِأَشْبَهِ النَّاسِ بِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ رضي الله عنهم "
সুলাইমান ইবন আহমদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আহমদ ইবন মুহাম্মদ আল-খুজাঈ আল-আসফাহানী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আল-কা'নাবী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন।
আর আলী ইবন আবদুল আযীয আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু নুয়াইম দিরার ইবন সুরদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন।
আর ইয়াহইয়া ইবন উসমান ইবন সালিহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আসবাগ ইবন আল-ফারাজ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন; তাঁরা বলেছেন: আলী ইবন আবিস আমাদের এর মাধ্যমে হাদীস শুনিয়েছেন।
২৪ - আবুল কাসিম ইবনুল হুসাইন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর ইবন আবিদ দুনইয়া আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবন হাসসান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আলী ইবন আবিস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইয়াযীদ ইবন আবি যিয়াদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-বাহিয়্যি থেকে, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবন আয-যুবায়ের আমাদের নিকট প্রবেশ করলেন যখন আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে তাঁর সাথে কার সবচেয়ে বেশি সাদৃশ্য রয়েছে তা নিয়ে আলোচনা করছিলাম। তিনি বললেন: "আমি তোমাদের রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সদৃশ ব্যক্তি সম্পর্কে সংবাদ দিচ্ছি: (তিনি হলেন) আল-হাসান ইবন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুম।"
(খণ্ড: ১)
যিকরু ইবনে আবীদ দুনিয়া ওয়ামা ওয়াক্বাআ আলিয়ান মিন হাদীসিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৬৮)
رَوَاهُ عَمْرُو بْنُ أَبِي قَيْسٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ، عَنِ الْبَهِيِّ نَحْوَهُ
25 - أَخْبَرَنَا ابْنُ الْحُصَيْنِ بِقِرَاءَتِي وَقِرَاءَةِ غَيْرِي، أنبا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، أنبا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثنا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الدُّنْيَا، ثنا خَالِدُ بْنُ خِدَاشٍ، ثنا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عَتِيقٍ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رضي الله عنه قَالَ: «وَدِدْتُ أَنِّي مِنَ الْجَنَّةِ، حَيْثُ أَرَى أَبَا بَكْرٍ رضي الله عنه»
26 - أَخْبَرَنَا ابْنُ الْحُصَيْنِ بِقِرَاءَتِي، ثنا مُحَمَّدٌ، ثنا مُحَمَّدٌ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي الدُّنْيَا، ثنا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، ثنا الْمُطَّلِبُ بْنُ زِيَادٍ، عَنِ النَّضْرِ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه، قَالَ: " تَعَلَّمُوا، فَإِنَّ أَوَّلَ هَذِهِ الأُمَّةِ تَعَلَّمَ صِغَارُهَا مِنْ كِبَارِهَا، وَإِنَّ آخِرَهَا يَتَعَلَّمُ كِبَارُهَا مِنْ صِغَارِهَا
27 - أَخْبَرَنَا هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا أَبُو طَالِبِ بْنُ غَيْلانَ، أَنْبَأَ أَبُو
আমর ইবনে আবু কাইস ইয়াজিদ ইবনে আবু মারইয়াম থেকে, তিনি বাহী থেকে এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
২৫ - ইবনুল হুসাইন আমার পাঠে এবং অন্যের পাঠে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর ইবনে আবিদ দুনিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খালিদ ইবনে খিদাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে যাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আতিক থেকে, তিনি হাসান ইবনে আবুল হাসান থেকে বর্ণনা করেন যে, উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলেছেন: «আমি জান্নাতের এমন স্থানে হতে পছন্দ করতাম, যেখান থেকে আমি আবু বকর (রা.)-কে দেখতে পাবো।»
২৬ - ইবনুল হুসাইন আমার পাঠে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে আবিদ দুনিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুওয়াইদ ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুত্তালিব ইবনে যিয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাজর থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "তোমরা জ্ঞান অর্জন করো, কারণ এই উম্মতের প্রথমভাগে ছোটরা তাদের বড়দের থেকে শিখেছে, আর এই উম্মতের শেষভাগে বড়রা তাদের ছোটদের থেকে শিখবে।"
২৭ - হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু তালিব ইবনে গাইলান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু...
(খণ্ড: ১)
যিকরু ইবনে আবীদ দুনিয়া ওয়ামা ওয়াক্বাআ আলিয়ান মিন হাদীসিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৬৯)
بَكْرٍ الشَّافِعِيُّ، أنبا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي الدُّنْيَا، ثنا دَاوُدُ بْنُ عَمْرٍو، ثنا عَفِيفٌ، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي حَنِيفَةَ الْيَمَامِيُّ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: «بَلَغَنِي أَنَّ الرَّجُلَ يُسْأَلُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَنْ فَضْلِ عِلْمِهِ كَمَا يُسْأَلُ عَنْ فَضْلِ مَالِهِ»
28 - أَخْبَرَنَا هِبَةُ اللَّهِ، أنبا أَبُو طَالِبٍ، أَنْبَأَ أَبُو بَكْرٍ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ، ثنا هَارُونُ بْنُ مَعْرُوفٍ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ مِسْعَرٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: «إِنَّمَا يُحَدِّثُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الثِّقَاتُ»
29 - أَخْبَرَنَا هِبَةُ اللَّهِ، أَنْبَأَ أَبُو طَالِبٍ، أَنْبَأَ أَبُو بَكْرٍ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ، ثنا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ، ثنا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ الشَّهِيدِ، عَنْ إِيَاسِ بْنِ مُعَاوِيَةَ، قَالَ: «مَا خَاصَمْتُ أَحَدًا مِنْ أَهْلِ الأَهْوَاءِ بِعَقْلِي إِلا الْقَدَرِيَّةَ» قَالَ: قُلْتُ: أَخْبِرُونِي عَنِ الظُّلْمِ مَا هُوَ؟ قَالُوا: أَخْذُ مَا لَيْسَ لَهُ.
আবু বকর আশ-শাফিয়ী, আমাদের অবহিত করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে আবিদ দুনইয়া, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দাউদ ইবনে আমর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আফিফ, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহিম ইবনে আবি হানিফাহ আল-য়ামামী, তিনি সালিম ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, কিয়ামতের দিন ব্যক্তিকে তার ইলমের আধিক্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে, যেমনভাবে তাকে তার সম্পদের আধিক্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে»
২৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিবাতুল্লাহ, আমাদের অবহিত করেছেন আবু তালিব, আমাদের অবহিত করেছেন আবু বকর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হারুন ইবনে মা'রুফ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফইয়ান ইবনে উয়াইনাহ, মিসআর থেকে, তিনি সা'দ ইবনে ইবরাহিম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে কেবল নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিরাই হাদীস বর্ণনা করেন»
২৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিবাতুল্লাহ, আমাদের অবহিত করেছেন আবু তালিব, আমাদের অবহিত করেছেন আবু বকর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালাফ ইবনে হিশাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে যাইদ, হাবীব ইবনে শাহীদ থেকে, তিনি ইয়াস ইবনে মুয়াবিয়া থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি প্রবৃত্তিপূজারীদের কাউকেও আমার বুদ্ধি দিয়ে মোকাবিলা করিনি কেবল কাদারিয়া সম্প্রদায় ব্যতীত» তিনি বলেন: আমি বললাম: তোমরা আমাকে জুলুম সম্পর্কে বলো, তা কী? তারা বলল: যা নিজের নয় তা গ্রহণ করা।
(খণ্ড: ১)
যিকরু ইবনে আবীদ দুনিয়া ওয়ামা ওয়াক্বাআ আলিয়ান মিন হাদীসিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৭০)
قَالَ: قُلْتُ: فَإِنَّ اللَّهَ عز وجل لَهُ كُلُّ شَيْءٍ "
30 - أَخْبَرَنَا هِبَةُ اللَّهِ، أَنْبَأَ أَبُو طَالِبٍ، أَنْبَأَ أَبُو بَكْرٍ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي الْحَارِثِ، ثنا كَثِيرُ بْنُ هِشَامٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زِيَادٍ، قَالَ: " قَالَ غَيْلانُ لِرَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ: أَنْشُدُكَ اللَّهَ، أَتَرَى اللَّهَ تَعَالَى يُحِبُّ أَنْ يُعْصَى؟ فَقَالَ رَبِيعَةُ: أَنْشُدُكَ اللَّهَ تَعَالَى، أَتَرَى اللَّهَ تَعَالَى قَسْرًا؟ ! فَكَأَنَّ رَبِيعَةَ أَلْقَمَ غَيْلانَ حَجَرًا "
31 - أَخْبَرَنَا هِبَةُ اللَّهِ، أَنْبَأَ أَبُو طَالِبٍ، أَنْبَأَ أَبُو بَكْرٍ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي الدُّنْيَا، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ حَسَّانٍ، ثنا مُبَارَكُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ:
তিনি বললেন: আমি বললাম: নিশ্চয়ই মহান ও প্রতাপশালী আল্লাহর জন্য সবকিছুই।
৩০ - হিবাতুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু তালিব আমাদের জানিয়েছেন, আবু বকর আমাদের জানিয়েছেন, আবদুল্লাহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল ইবন আবুল হারিস আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, কাসীর ইবন হিশাম আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন যিয়াদ থেকে, তিনি বলেন: "গাইলান রাবিয়া ইবন আবি আবদুর রহমানকে বললেন: আমি আপনাকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, আপনি কি মনে করেন যে আল্লাহ তাআলা পছন্দ করেন যে তাঁর অবাধ্যতা করা হোক? তখন রাবিয়া বললেন: আমি আপনাকে আল্লাহ তাআলার কসম দিয়ে বলছি, আপনি কি মনে করেন আল্লাহ তাআলার ওপর জবরদস্তি করা যায়?! তখন মনে হলো রাবিয়া যেন গাইলানের মুখে পাথর পুরে দিলেন।"
৩১ - হিবাতুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু তালিব আমাদের জানিয়েছেন, আবু বকর আমাদের জানিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবন আবিদ দুনিয়া আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবন হাসান আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, মুবারক ইবন সাঈদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১)
যিকরু ইবনে আবীদ দুনিয়া ওয়ামা ওয়াক্বাআ আলিয়ান মিন হাদীসিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৭১)
" أَرَدْتُ سَفَرًا فَقَالَ لِي الأَعْمَشُ: سَلْ رَبَّكَ تَعَالَى أَنْ يَرْزُقَكَ صَحَابَةً صَالِحِينَ، فَإِنَّ مُجَاهِدًا حَدَّثَنِي، قَالَ: خَرَجْتُ مِنْ وَاسِطَ فَسَأَلْتُ رَبِّي تَعَالَى أَنْ يَرْزُقَنِي صَحَابَةً، وَلَمْ أَشْتَرِطْ فِي دُعَائِي، فَاسْتَوَيْتُ أَنَا وَهُمْ فِي السَّفِينَةِ، فَإِذَا هُمْ أَصْحَابُ طَنَابِيرَ "
32 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ أَبُو عَلِيٍّ الْمُقْرِئُ، سَنَةَ سِتٍّ وَخَمْسِ مِائَةٍ، قُرِئَ عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنْبَأَ أَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِسْحَاقَ، أَنْشَدَنَا أَبُو عَلِيٍّ عِيسَى بْنُ مُحَمَّدٍ الطَّوْمَارِيُّ، أَنْشَدَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدٍ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ أَبِي الدُّنْيَا:
فَلا تَجْزَعْ وَإِنْ أَعْسَرْتَ يَوْمًا
… فَقَدْ أُيْسِرْتَ فِي الزَّمَنِ الطَّوِيلِ
وَلا تَيْأَسْ فَإِنَّ الْيَأْسَ كُفْرٌ
… لَعَلَّ اللَّهَ يُغْنِي عَنْ قَلِيلِ
وَلا تَظْنُنْ بِرَبِّكَ ظَنَّ سُوءٍ
… فَإِنَّ اللَّهَ أَوْلَى بِالْجَمِيلِ
আমি সফরের ইচ্ছা করলাম, তখন আমাশ আমাকে বললেন: তোমার মহান রবের নিকট প্রার্থনা করো যেন তিনি তোমাকে সৎ সঙ্গী দান করেন। কেননা মুজাহিদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি ওয়াসিত থেকে বের হলাম এবং আমার মহান রবের নিকট প্রার্থনা করলাম যেন তিনি আমাকে সঙ্গী দান করেন, কিন্তু আমি আমার দোয়ায় কোনো শর্তারোপ করিনি। অতঃপর আমি এবং তারা নৌকায় উঠলাম, দেখা গেল তারা ছিল তম্বুরা বাদক।
৩২ - আল-হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে আল-হাসান আবু আলী আল-মুকরি পাঁচশত ছয় হিজরি সালে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম; আবু নুআইম আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে ইসহাক আমাদের অবহিত করেছেন; আবু আলী ঈসা ইবনে মুহাম্মাদ আত-তাওমারি আমাদের শুনিয়েছেন; ইবনে আবিদ দুনিয়া হিসেবে পরিচিত আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে উবাইদ আমাদের শুনিয়েছেন:
অতএব তুমি বিচলিত হয়ো না যদি কোনোদিন তুমি অর্থকষ্টে পড়ো
… কেননা তুমি দীর্ঘকাল সচ্ছলতায় অতিবাহিত করেছ।
আর নিরাশ হয়ো না, কেননা নিরাশা হলো কুফরি
… হতে পারে আল্লাহ অল্প সময়ের মধ্যেই তোমাকে অভাবমুক্ত করে দেবেন।
আর তোমার রব সম্পর্কে মন্দ ধারণা পোষণ করো না
… কেননা আল্লাহ সুন্দরের জন্য অধিক যোগ্য।
(খণ্ড: ১)
যিকরু ইবনে আবীদ দুনিয়া ওয়ামা ওয়াক্বাআ আলিয়ান মিন হাদীসিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৭২)
هَكَذَا رَوَاهُ أَبُو نُعَيْمٍ عَنِ الطَّوْمَارِيِّ، عَنِ ابْنِ أَبِي الدُّنْيَا
33 - وَقَرَأْتُهُ عَلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ، إِمَامُ الْجَامِعِ، أَنْبَأَ أَبُو الْحُسَيْنِ الْهَمْدَانِيُّ، أَنْبَأَ أَبُو طَاهِرٍ السّرِيجَانِيُّ، أَنْبَأَ أَبُو جَعْفَرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْهَاشِمِيُّ، أَنْشَدَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الدُّنْيَا لِمَحْمُودٍ الْوَرَّاقِ:
فَلا تَجْزَعْ وَإِنْ أَعْسَرْتَ يَوْمًا
… فَقَدْ أُيْسِرْتَ فِي الدَّهْرِ الطَّوِيلِ
فَإِنَّ الْعُسْرَ يَتْبَعُهُ يُسْرٌ
… وَقَوْلُ اللَّهِ أَصْدَقُ كُلِّ قِيلِ
وَلا تَظْنُنْ بِرَبِّكَ ظَنَّ سُوءٍ
… فَإِنَّ اللَّهَ أَوْلَى بِالْجَمِيلِ
فَلَوْ أَنَّ الْعُقُولَ تُفِيدُ مَالا
… لَكَانَ الْمَالُ عِنْدَ ذَوِي الْعُقُولِ
ثُمَّ قَالَ: وَأَنْشَدَنَا أَبُو بَكْرٍ لأَبِي الْعَتَاهِيَةِ:
فَلا تَأْيَسْ وَإِنْ أَعْسَرْتَ يَوْمًا
… فَإِنَّ اللَّهَ يُغْنِي عَنْ قَلِيلِ
وَلا تَظْنُنْ بِرَبِّكَ ظَنَّ سُوءٍ
… فَإِنَّ اللَّهَ أَوْلَى بِالْجَمِيلِ
34 - أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ مُحَمَّدٌ اللشواني، ثنا أَبُو عَمْرٍو، أَنْبَأَ ابْنُ بُرَّةَ، أَنْبَأَ اللُّنْبَانِيُّ، ثنا ابْنُ أَبِي الدُّنْيَا، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ مَسْعُودٍ الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَسْعُودٍ قَالَ: " كَانَ رَجُلٌ مِنْ تُجَّارِ الْمَدِينَةِ يَخْتَلِفُ إِلَى جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ
আবু নুয়াইম আল-তুমারির সূত্রে ইবনে আবিদ দুনইয়া থেকে এভাবেই এটি বর্ণনা করেছেন।
৩৩ - আমি এটি জামে মসজিদের ইমাম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উমরের নিকট পাঠ করেছি; তিনি বলেন, আবুল হোসেন আল-হামদানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু তাহের আল-সুরিজানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু জাফর আবদুল্লাহ ইবনে ইসমাইল আল-হাশিমী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু বকর ইবনে আবিদ দুনইয়া মাহমুদ আল-ওয়াররাকের এই কবিতাটি আমাকে শুনিয়েছেন:
অতএব তুমি বিচলিত হয়ো না, যদি কোনোদিন তুমি অভাবগ্রস্ত হও
… কেননা দীর্ঘকাল তো তুমি সচ্ছলতার মাঝেই ছিলে।
কেননা কষ্টের পরেই স্বস্তি আসে
… আর আল্লাহর বাণীই সকল কথার মধ্যে সর্বাধিক সত্য।
আর তোমার প্রতিপালক সম্পর্কে মন্দ ধারণা পোষণ করো না
… কেননা আল্লাহ সুন্দরের জন্যই সর্বাধিক যোগ্য।
যদি জ্ঞান-বুদ্ধিই সম্পদ বয়ে আনতে পারত
… তবে সকল সম্পদ কেবল জ্ঞানীদের কাছেই থাকত।
অতঃপর তিনি বলেন: আবু বকর আমাদের নিকট আবু আল-আতাহিয়ার এই কবিতাটিও আবৃত্তি করেছেন:
তুমি নিরাশ হয়ো না, যদি কোনোদিন তুমি অভাবগ্রস্ত হও
… কেননা আল্লাহ শীঘ্রই তোমাকে অভাবমুক্ত করে দেবেন।
আর তোমার প্রতিপালক সম্পর্কে মন্দ ধারণা পোষণ করো না
… কেননা আল্লাহ সুন্দরের জন্যই সর্বাধিক যোগ্য।
৩৪ - হাফেজ মুহাম্মদ আল-লশওয়ানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আমর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইবনে বুররাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-লুনবানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে আবিদ দুনইয়া আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে মাসউদ আল-আনসারি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম ইবনে মাসউদ আমাকে বলেছেন: "মদিনার একজন ব্যবসায়ী জাফর ইবনে মুহাম্মদের নিকট যাতায়াত করতেন..."
(খণ্ড: ১)
যিকরু ইবনে আবীদ দুনিয়া ওয়ামা ওয়াক্বাআ আলিয়ান মিন হাদীসিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৭৩)
وَيُخَالِطُهُ، وَيَعْرِفُهُ بِحُسْنِ الْحَالِ، فَتَغَيَّرَتْ حَالُهُ فَشَكَى ذَلِكَ إِلَى جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، فَقَالَ لَهُ جَعْفَرٌ:
فَلا تَجْزَعْ وَإِنْ أَعْسَرْتَ يَوْمًا
… فَقَدْ أُيْسِرْتَ فِي الدَّهْرِ الطَّوِيلِ
وَلا تَأْيَسْ فَإِنَّ الْيَأْسَ كُفْرٌ
… لَعَلَّ اللَّهَ يُغْنِي عَنْ قَلِيلِ
وَلا تَظْنُنْ بِرَبِّكَ ظَنَّ سُوءٍ
… فَإِنَّ اللَّهَ أَوْلَى بِالْجَمِيلِ
قَالَ: فَخَرَجْتُ مِنْ عِنْدِهِ وَأَنَا مِنْ أَغْنَى النَّاسِ.
آخِرُهُ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ وَحْدَهُ
তিনি তাঁর সাথে মেলামেশা করতেন এবং তাঁকে সচ্ছল অবস্থায় জানতেন। অতঃপর তাঁর অবস্থার পরিবর্তন ঘটলে তিনি জা’ফর ইবনে মুহাম্মাদের নিকট সে বিষয়ে অভিযোগ করলেন। তখন জা’ফর তাঁকে বললেন:
অতএব তুমি অস্থির হয়ো না যদি কোনো একদিন তুমি সংকটাপন্ন হও
… কেননা দীর্ঘকাল তো তুমি সচ্ছলতার মধ্যেই কাটিয়েছ।
আর তুমি হতাশ হয়ো না, কেননা হতাশা হলো কুফরি
… সম্ভবত আল্লাহ অচিরেই তোমাকে অভাবমুক্ত করবেন।
আর তোমার প্রতিপালক সম্পর্কে মন্দ ধারণা পোষণ করো না
… কারণ আল্লাহ কল্যাণেরই অধিক যোগ্য।
তিনি বলেন: অতঃপর আমি তাঁর নিকট থেকে বের হলাম এমতাবস্থায় যে, আমি তখন মানুষের মাঝে অন্যতম ধনী ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছিলাম।
সমাপ্ত, আর সকল প্রশংসা একমাত্র বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।