(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: -)
أحكام أهل الملل والردة - من الجامع للخلال - ت كسروي   (أبو بكر الخلال)

القسم: الفقه الحنبلي


الكتاب: أحكام أهل الملل والردة من الجامع لمسائل الإمام أحمد بن حنبل

المؤلف: أبو بكر أحمد بن محمد الخَلَّال (ت 311 هـ)

تحقيق: سيد كسروي حسن

الناشر: دار الكتب العلمية، بيروت - لبنان

الطبعة: الأولى، 1414 هـ - 1994 م

عدد الصفحات: 489

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

বিধর্মী ও ধর্মত্যাগীদের বিধানসমূহ - আল-খাল্লালের আল-জামে' থেকে - কাসরাউয়ীর সম্পাদনায়   (আবু বকর আল-খাল্লাল)

বিভাগ: হাম্বলি ফিকহ


গ্রন্থ: ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বলের মাসআলাসমূহের সংকলন 'আল-জামে' থেকে বিধর্মী ও ধর্মত্যাগীদের বিধানসমূহ

লেখক: আবু বকর আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-খাল্লাল (মৃত্যু: ৩১১ হি.)

সম্পাদনা: সাইয়্যিদ কাসরাউয়ী হাসান

প্রকাশক: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ، বৈরুত - লেবানন

সংস্করণ: প্রথম، ১৪১৪ হি. - ১৯৯৪ খ্রি.

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৮৯

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

আল-শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ্জ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: -)
أهل الملل والردة والزنادقة وتارك الصلاة والفرائض
বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী, ধর্মত্যাগী, যিন্দিক এবং সালাত ও আবশ্যিক বিধানসমূহ বর্জনকারী।
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ৫)
‌‌كتاب الإيمان

 

‌‌باب الرد على من قَالَ إن اليهود والنصارى من أمة محمد صلى الله عليه وسلم

 

1 - أَخْبَرَنَا المروذي، قَالَ: سألت أبا عبد الله عن اليهود والنصارى، من أمة محمد هم؟ فغضب غضبا شديدا، وقال: هذه مسألة قذرة، لا يتكلم فيها.

قلت: فأنكر على من قَالَ ذا؟ قال: هذه مسألة قذرة جدا لا يتكلم فيها.

وعاب أبو عبد الله على من تكلم فيها

 

2 - أَخْبَرَنَا محمد بن علي بن بحر، قَالَ: حَدَّثَنَا يعقوب بن بختان أنه سأل أبا
ঈমান অধ্যায়

 

অনুচ্ছেদ: যারা বলে ইহুদি ও খ্রিস্টানরা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উম্মতের অন্তর্ভুক্ত, তাদের খণ্ডন

 

১ - আল-মাররূযী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আবদুল্লাহকে ইহুদি ও খ্রিস্টানদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে, তারা কি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উম্মত? এতে তিনি প্রচণ্ড রাগান্বিত হলেন এবং বললেন: "এটি একটি অত্যন্ত ঘৃণ্য মাসয়ালা, এ বিষয়ে কথা বলা উচিত নয়।"

আমি বললাম: "তবে কি আপনি ওই ব্যক্তিকে প্রত্যাখ্যান করছেন যে এমন কথা বলে?" তিনি বললেন: "এটি অত্যন্ত নিকৃষ্ট মাসয়ালা, এ বিষয়ে কথা বলা উচিত নয়।"

এবং আবু আবদুল্লাহ ওই ব্যক্তির সমালোচনা করেছেন যে এ বিষয়ে কথা বলেছে।

 

২ - মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে বাহর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াকুব ইবনে বাখতান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবু...
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ৬)
عبد الله عن اليهود والنصارى، من أمة محمد هم؟ فغضب وقال: يقول هذا مسلم؟ ! أو كما قَالَ

 

3 - أَخْبَرَنِي محمد بن عبد الله بن إبراهيم، أن أباه حدثه، قَالَ: حَدَّثَنِي أحمد بن القاسم، وأخبرني زكريا بن الفرج، عن أحمد بن القاسم، قَالَ: ذكرت لأبي عبد الله من يقول: إن اليهود والنصارى من أمة محمد، صلى الله عليه وسلم

أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي هَارُونَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، أَنَّ أَبَا الْحَارِثِ حَدَّثَهُمْ، وَلَفْظُ بَعْضِهِمْ فِي بَعْضٍ قَالَ: سَأَلْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ عَنِ الْيَهُودِ وَالنَّصَارَى، مِنْ أُمَّةِ مُحَمَّدٍ، صلى الله عليه وسلم، هَمْ أَمْ لا؟ فَإِنَّ قَوْمًا اخْتَلَفُوا فِيهِمْ.

فَقَالَ: أَيُّ شَيْءٍ هَذَا؟ ! مُنْكِرًا لِلْمَسْأَلَةِ، وَغَضِبَ.

قُلْتُ: إِنَّ هَاهُنَا مَنْ يَقُولُ هَذَا.

قَالَ: دَعْنَا.

وَتَغَيَّرَ لَوْنُهُ.

قُلْتُ: فَنَرُدُّ عَلَيْهِمْ، نُنْكِرُ عَلَيْهِمْ مَا يَقُولُونَ؟ قَالَ: نَعَمْ، شَدِيدَ الرَّدِّ وَالإِنْكَارِ.

وَكَانَ أَبُو يَاسِرٍ قَاعِدًا فِي مَجْلِسِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ، فَقَالَ: يَا أَبَا عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ الْعَابِدُ، قَالَ: حَدَّثَنَا بُكَيْرُ بْنُ مَعْرُوفٍ، عَنْ مُقَاتِلِ بْنِ حَيَّانَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ، صلى الله عليه وسلم:
আব্দুল্লাহ থেকে ইহুদি ও খ্রিস্টানদের সম্পর্কে বর্ণিত যে, তারা কি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উম্মতের অন্তর্ভুক্ত? তখন তিনি রাগান্বিত হলেন এবং বললেন: একজন মুসলিম কি এমন কথা বলতে পারে?! অথবা তিনি যেমনটি বলেছিলেন।

 

৩ - মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইব্রাহিম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তার পিতা তাকে হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন কাসিম আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, এবং জাকারিয়া বিন আল-ফারজ আহমাদ বিন কাসিম থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহর নিকট এমন ব্যক্তির কথা উল্লেখ করলাম যে বলে: নিশ্চয়ই ইহুদি ও খ্রিস্টানরা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উম্মতের অন্তর্ভুক্ত।

মুহাম্মাদ বিন আবি হারুন এবং মুহাম্মাদ বিন জাফর আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবুল হারিস তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—এবং তাদের একজনের শব্দ অন্যজনের শব্দের অনুরূপ—তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে ইহুদি ও খ্রিস্টানদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে, তারা কি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নাকি নয়? কেননা একদল লোক তাদের ব্যাপারে মতবিরোধ করেছে।

তখন তিনি বললেন: এটি আবার কেমন কথা?! তিনি বিষয়টির প্রতিবাদ জানালেন এবং রাগান্বিত হলেন।

আমি বললাম: এখানে এমন লোক আছে যারা এ কথা বলে।

তিনি বললেন: আমাদের এ থেকে বিরত রাখো।

এবং তার চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেল।

আমি বললাম: তবে কি আমরা তাদের প্রতিবাদ করব এবং তারা যা বলে তা প্রত্যাখ্যান করব? তিনি বললেন: হ্যাঁ, অত্যন্ত কঠোরভাবে প্রতিবাদ ও প্রত্যাখ্যান করবে।

আর আবু ইয়াসির আবু আব্দুল্লাহর মজলিসে বসা ছিলেন। তখন তিনি বললেন: হে আবু আব্দুল্লাহ, ইবনে ওয়াহাব আল-আবিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বুকাইর বিন মা'রুফ আমাদের নিকট মুকাতিল বিন হাইয়ান থেকে এবং তিনি আতা বিন আবি রাবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ৭)
«مَنْ صَدَّقَ بِي وَآمَنَ بِي فَهُوَ مِنْ أُمَّتِي، وَمَنْ لَمْ يُصَدِّقْ بِي وَيُؤْمِنْ بِي فَلَيْسَ مِنْ أُمَّتِي، وَهُوَ فِي النَّارِ» .

فجعل أبو عبد الله يبتسم، واستفهمه الحديث والكلام، فظننت أنه يتحفظه

 

4 - أَخْبَرَنِي الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عُمَرَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ زَنْجَوَيْهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا نُعَيْمُ بْنُ حَمَّادٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا نُوحُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، عَنْ مُقَاتِلِ بْنِ حَيَّانَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ، صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «بَعَثَنِي اللَّهُ، عز وجل، حِينَ أُسْرِيَ، بِي إِلَى يَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ، فَدَعَوْتُهُمْ إِلَى عِبَادَةِ اللَّهِ، عز وجل، فَأَبَوْا أَنْ يُجِيبُونِي، وَهُمْ فِي النَّارِ مَعَ مَنْ عَصَى مِنْ وَلَدِ آدَمَ وَوَلَدِ إِبْلِيسَ»

 

5 - أَخْبَرَنِي أحمد بن محمد بن مطر، قَالَ: حَدَّثَنِي أبو طالب أنه سأل أبا عبد الله عن اليهود والنصارى، من أمة محمد، صلى الله عليه وسلم؟ قَالَ: لا، النبي، صلى الله عليه وسلم، يقول: «أمتي أمتي» يشفع لليهود والنصارى؟ قلت: يقولون: الرسل إلى الناس كافة.

قَالَ: من يقول: اليهود والنصارى؟

 

6 - أَخْبَرَنِي محمد بن علي الوراق، قَالَ: حَدَّثَنَا صالح بن أحمد بن حنبل، أنه قَالَ لأبيه: أحد يقول: إن اليهود والنصارى من أمة محمد، صلى الله عليه وسلم؟ فقال: سبحان الله! النبي، صلى الله عليه وسلم، يقول:
«যে আমাকে সত্য বলে বিশ্বাস করল এবং আমার প্রতি ঈমান আনল, সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত। আর যে আমাকে সত্য বলে বিশ্বাস করল না এবং আমার প্রতি ঈমান আনল না, সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয় এবং সে জাহান্নামে যাবে।» .

এরপর আবু আব্দুল্লাহ (ইমাম আহমাদ) মুচকি হাসতে লাগলেন এবং তিনি সেই হাদিস ও বক্তব্যটি পুনরায় বুঝতে চাইলেন, এতে আমি ধারণা করলাম যে তিনি এটি মুখস্থ করছেন।

 

৪ - আমাকে হাসান বিন আলী বিন উমর সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু বকর জানজাওয়াইহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট নুআইম বিন হাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট নূহ বিন আবু মারইয়াম বর্ণনা করেছেন, মুকাতিল বিন হাইয়্যান থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: «আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল আমাকে ইসরা বা নৈশ ভ্রমণের সময় ইয়াজুজ ও মাজুজের কাছে পাঠালেন। আমি তাদেরকে মহামহিম আল্লাহর ইবাদতের দিকে দাওয়াত দিলাম, কিন্তু তারা আমার ডাকে সাড়া দিতে অস্বীকার করল। তারা আদমের অবাধ্য সন্তান এবং ইবলিসের সন্তানদের সাথে জাহান্নামে থাকবে।»

 

৫ - আমাকে আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন মাতার সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাকে আবু তালিব বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবু আব্দুল্লাহকে ইহুদি ও খ্রিস্টানদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে, তারা কি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মতের অন্তর্ভুক্ত? তিনি বললেন: না, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: «আমার উম্মত, আমার উম্মত» তিনি কি ইহুদি ও খ্রিস্টানদের জন্য সুপারিশ করবেন? আমি বললাম: তারা বলে যে রাসূলগণ সকল মানুষের কাছে প্রেরিত।

তিনি বললেন: কে বলে যে ইহুদি ও খ্রিস্টানরা (মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মতের অন্তর্ভুক্ত)?

 

৬ - আমাকে মুহাম্মদ বিন আলী আল-ওয়াররাক সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সালিহ বিন আহমাদ বিন হাম্বল বর্ণনা করেছেন যে, তিনি তার পিতাকে বললেন: কেউ কি এমন কথা বলে যে ইহুদি ও খ্রিস্টানরা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মতের অন্তর্ভুক্ত? তিনি বললেন: সুবহানাল্লাহ! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ৮)
«اختبأت شفاعتي لأمتي» .

أيشفع إذا لليهود والنصارى؟ يقول هذا؟

 

7 - أَخْبَرَنِي عبد الله بن أحمد، قَالَ: سألت أبي عن اليهود، والنصارى، من أمة محمد، صلى الله عليه وسلم؟ فقال: قَالَ النبي، صلى الله عليه وسلم، في حديث الشفاعة: " فأقول: أمتي ".

قَالَ أبي: فليس ترى أن النبي، صلى الله عليه وسلم، لا يشفع إلا لأمته من المسلمين.

قلت لأبي: فأمة من هم؟ فقال: قَالَ رسول الله، صلى الله عليه وسلم: «بعثت إلى الأحمر والأصفر، فمن أسلم فقد دخل في أمته»

قَالَ: وسألت أبي عن هذه الآية {وَإِنْ مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ إِلا لَيُؤْمِنَنَّ بِهِ قَبْلَ مَوْتِهِ} [النساء: 159] قَالَ. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . ابن عباس: قالوا: عيسى، ثم تلى: {وَمَا قَتَلُوهُ وَمَا صَلَبُوهُ وَلَكِنْ شُبِّهَ لَهُمْ وَإِنَّ الَّذِينَ اخْتَلَفُوا فِيهِ لَفِي شَكٍّ مِنْهُ مَا لَهُمْ بِهِ مِنْ عِلْمٍ إِلا اتِّبَاعَ الظَّنِّ وَمَا قَتَلُوهُ يَقِينًا {157} بَلْ رَفَعَهُ اللَّهُ إِلَيْهِ وَكَانَ اللَّهُ عَزِيزًا حَكِيمًا {158} وَإِنْ مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ إِلا لَيُؤْمِنَنَّ بِهِ قَبْلَ مَوْتِهِ} [النساء: 157-159]
«আমি আমার সুপারিশ আমার উম্মতের জন্য গচ্ছিত রেখেছি»।

তবে কি তিনি ইহুদি ও নাসারাদের জন্য সুপারিশ করবেন? কেউ কি এমন কথা বলে?

 

৭ - আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে ইহুদি ও নাসারাদের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি যে, তারা কি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মতের অন্তর্ভুক্ত? তখন তিনি বললেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুপারিশের হাদিসে বলেছেন: "অতঃপর আমি বলব: আমার উম্মত"।

আমার পিতা বললেন: তুমি কি দেখছ না যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেবল তাঁর উম্মতের মুসলিমদের জন্যই সুপারিশ করবেন।

আমি আমার পিতাকে বললাম: তবে তারা কাদের উম্মত? তিনি বললেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আমি লাল এবং হলুদ (বর্ণের মানুষের) নিকট প্রেরিত হয়েছি, সুতরাং যে ইসলাম গ্রহণ করল সে-ই তাঁর উম্মতের অন্তর্ভুক্ত হলো»

তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে এই আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম {আর আহলে কিতাবদের মধ্য থেকে প্রত্যেকেই তাঁর মৃত্যুর পূর্বে তাঁর প্রতি অবশ্যই ঈমান আনবে} [নিসা: ১৫৯]। তিনি বললেন . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত: তারা বলেছেন: (এখানে) ঈসা (আ.-এর কথা বলা হয়েছে), অতঃপর তিনি পাঠ করলেন: {এবং তারা তাঁকে হত্যা করেনি এবং ক্রুশবিদ্ধও করেনি, বরং তাদের জন্য অনুরূপ করা হয়েছিল। আর যারা এ বিষয়ে মতভেদ করেছিল তারা নিশ্চয়ই এ সম্পর্কে সন্দেহে ছিল; ধারণার অনুসরণ করা ব্যতীত এ সম্পর্কে তাদের কোনো জ্ঞান ছিল না এবং তারা নিশ্চিতভাবে তাঁকে হত্যা করেনি। {১৫৭} বরং আল্লাহ তাঁকে নিজের দিকে উঠিয়ে নিয়েছেন এবং আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। {১৫৮} আর আহলে কিতাবদের মধ্য থেকে প্রত্যেকেই তাঁর মৃত্যুর পূর্বে তাঁর প্রতি অবশ্যই ঈমান আনবে।} [নিসা: ১৫৭-১৫৯]
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ৯)
قَالَ: فهذا يدل على أنه عيسى ليس هو محمد، صلى الله عليه وسلم، وإنما هو عيسى

 

8 - أَخْبَرَنَا عبد الله بن أحمد، فيما أخرجه أبو عبد الله في طاعة الرسول، صلى الله عليه وسلم، وقال في { [ «هود» :] أَفَمَنْ كَانَ عَلَى بَيِّنَةٍ مِنْ رَبِّهِ} [سورة هود: 17] قَالَ ابن عباس: جبريل، وقال مجاهد: محمد، صلى الله عليه وسلم، {وَيَتْلُوهُ شَاهِدٌ مِنْهُ وَمِنْ قَبْلِهِ كِتَابُ مُوسَى إِمَامًا وَرَحْمَةً أُولَئِكَ يُؤْمِنُونَ بِهِ وَمَنْ يَكْفُرْ بِهِ مِنَ الأَحْزَابِ فَالنَّارُ مَوْعِدُهُ} [هود: 17] قَالَ سعيد بن جبير: الأحزاب الملل كلها {فَالنَّارُ مَوْعِدُهُ فَلا تَكُ فِي مِرْيَةٍ مِنْهُ} [هود: 17]
তিনি বললেন: এটি প্রমাণ করে যে তিনি ঈসা, তিনি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নন; বরং তিনি কেবল ঈসা।

 

৮ - আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, যা আবু আবদুল্লাহ 'রাসূলের আনুগত্য' (অধ্যায়ে) উদ্ধৃত করেছেন (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম), এবং তিনি বলেছেন: { [ «হুদ» :] তবে কি সে ব্যক্তি যে তার রবের পক্ষ থেকে আসা সুস্পষ্ট প্রমাণের ওপর রয়েছে} [সূরা হুদ: ১৭]। ইবনে আব্বাস বলেছেন: জিবরাঈল, এবং মুজাহিদ বলেছেন: মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম), {এবং এর অনুসরণ করে তার পক্ষ থেকে আসা একজন সাক্ষী এবং এর পূর্বে ছিল মূসার কিতাব আদর্শ ও রহমতস্বরূপ। তারাই এর প্রতি ঈমান আনে। আর বিভিন্ন দলের মধ্যে যারা একে অস্বীকার করে, আগুনই তাদের প্রতিশ্রুত স্থান} [হুদ: ১৭]। সাঈদ ইবনে জুবায়ের বলেছেন: 'আহযাব' বা দলসমূহ বলতে সকল ধর্মাদর্শকে বোঝানো হয়েছে। {আগুনই তাদের প্রতিশ্রুত স্থান, অতএব আপনি এ বিষয়ে কোনো সন্দেহে থাকবেন না} [হুদ: ১৭]
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ১০)
‌‌باب في قوله: {مَا يَلْفِظُ مِنْ قَوْلٍ إِلا لَدَيْهِ رَقِيبٌ عَتِيدٌ} [ق: 18]

 

9 - أَخْبَرَنَا أبو بكر المروذي، قَالَ: قلت لأبي عبد الله: إن رجلا سأل رجلا، قَالَ: مع الكفار ملائكة يكتبون؟ فأي شيء تقول؟ قال: أي مسألة ذا؟ لا ينبغي أن يتكلم في ذا.

وكره الكلام فيها، قَالَ: {مَا يَلْفِظُ مِنْ قَوْلٍ إِلا لَدَيْهِ رَقِيبٌ عَتِيدٌ} [ق: 18]

 

‌‌باب الرجل يقول للذمي أسلم ولك كذا وكذا

 

10 - أَخْبَرَنَا أحمد بن مطر، وزكريا بن يحيى، أن أبا طالب حدثهم، قَالَ: سئل أبو عبد الله عن الرجل يقول للرجل اليهودي: أسلم حتى أعطيك ألف درهم.

فيسلم، فلا يعطيه شيئا؟ قال: قد كان النبي، صلى الله عليه وسلم، يتألف الناس على الإسلام، لا يعجبني إلا أن يفي له.

قلت: فإن قَالَ اليهودي: لا أسلم حتى تعطيني الألف كما شرطت؟ قَالَ: إن رجع عن الإسلام ضربت عنقه، وينبغي له أن يفي له
পরিচ্ছেদ: মহান আল্লাহর বাণী প্রসঙ্গে: "সে যে কথাই উচ্চারণ করুক না কেন, তার কাছে একজন সদা সতর্ক প্রহরী প্রস্তুত থাকে।" [সূরা ক্বাফ: ১৮]

 

৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আল-মাররুজি, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে (ইমাম আহমাদকে) বললাম: জনৈক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করেছে যে, কাফিরদের সাথে কি আমল লেখক ফেরেশতারা থাকে? এ বিষয়ে আপনি কী বলেন? তিনি বললেন: এটি কেমন মাসআলা? এই বিষয়ে কথা বলা উচিত নয়।

তিনি এ বিষয়ে কথা বলাকে অপছন্দ করলেন এবং (দলিল হিসেবে) এই আয়াত পাঠ করলেন: "সে যে কথাই উচ্চারণ করুক না কেন, তার কাছে একজন সদা সতর্ক প্রহরী প্রস্তুত থাকে।" [সূরা ক্বাফ: ১৮]

 

‌‌পরিচ্ছেদ: কোনো ব্যক্তি যদি কোনো যিম্মিকে বলে যে, "তুমি ইসলাম গ্রহণ করো, তবে তোমাকে অমুক অমুক জিনিস দেওয়া হবে"

 

১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন মাতার এবং যাকারিয়া বিন ইয়াহইয়া যে, আবু তালিব তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো যে কোনো ইহুদি ব্যক্তিকে বলে: "তুমি ইসলাম গ্রহণ করো যাতে আমি তোমাকে এক হাজার দিরহাম দিতে পারি।"

অতঃপর সে ইসলাম গ্রহণ করল, কিন্তু সে (প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী) তাকে কিছুই দিল না। তিনি (ইমাম আহমাদ) বললেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইসলামের জন্য মানুষের মন জয় করতেন; আমার নিকট এটাই পছন্দনীয় যে সে যেন তার প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করে।

আমি বললাম: যদি ইহুদি ব্যক্তিটি বলে, "শর্ত অনুযায়ী আমাকে এক হাজার দিরহাম না দেওয়া পর্যন্ত আমি ইসলাম গ্রহণ করব না (অর্থাৎ সে ইসলাম থেকে ফিরে যেতে চায়)?" তিনি বললেন: সে যদি ইসলাম থেকে ফিরে যায়, তবে তার গর্দান দ্বিখণ্ডিত করা হবে; আর ওই ব্যক্তির উচিত তার সাথে কৃত প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করা।
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ১১)
‌‌باب أهل الذمة يخالطون المسلمين

 

11 - أَخْبَرَنَا المروذي، قَالَ: قلت لأبي عبد الله: ما تقول في رجل مسلم ونصراني في دار لهما أولاد، فلم نعرف ولد النصراني من ولد المسلم؟ قَالَ: يجبرون على الإسلام

 

‌‌باب في أطفال المسلمين وأهل الذمة ممن لم يبلغ الحنث وغير ذلك

 

12 - أَخْبَرَنِي منصور بن الوليد، أن جعفر بن محمد حدثهم، قَالَ: سمعت أبا عبد الله يسأل عن أطفال المسلمين؟ فقال: ليس فيه خلاف أنهم في الجنة

 

13 - أَخْبَرَنِي أحمد بن محمد بن حازم، أن إسحاق بن منصور حدثهم، قَالَ: قَالَ إسحاق بن راهويه: أما أولاد المسلمين فإنهم من أهل الجنة.

 

14 - أَخْبَرَنِي عبد الملك الميموني أنهم ذاكروا أبا عبد الله في أطفال المؤمنين، ذكروا له حديث عائشة، رضي الله عنها وأرضاها، في قصة الأنصاري، وقول النبي، صلى الله عليه وسلم، فيه.

فسمعت أبا عبد الله يقول، غير مرة: وهذا حديث ضعيف.

وذكر فيه رجلا ضعفه، وهو: طلحة.
পরিচ্ছেদ: মুসলিমদের সাথে জিম্মিদের মেলামেশা

 

১১ - আল-মাররূযী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞেস করলাম: একজন মুসলিম এবং একজন খ্রিস্টান ব্যক্তি সম্পর্কে আপনার অভিমত কী যারা একই ঘরে থাকে এবং উভয়েরই সন্তান আছে, কিন্তু আমরা খ্রিস্টানের সন্তানকে মুসলিমের সন্তান থেকে আলাদা করে চিনতে পারছি না? তিনি বললেন: তাদের ইসলামের ওপর বাধ্য করা হবে।

 

‌পরিচ্ছেদ: মুসলিম ও জিম্মিদের শিশুদের সম্পর্কে যারা প্রাপ্তবয়স্ক হয়নি এবং অন্যান্য বিষয়

 

১২ - মানসুর বিন আল-ওয়ালিদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, জাফর বিন মুহাম্মদ তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে মুসলিম শিশুদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হতে শুনেছি। তিনি বললেন: এতে কোনো মতভেদ নেই যে তারা জান্নাতি।

 

১৩ - আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন হাযম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, ইসহাক বিন মানসুর তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসহাক বিন রাহাওয়াই বলেছেন: মুসলিমদের সন্তানদের ব্যাপারে কথা হলো, তারা জান্নাতিদের অন্তর্ভুক্ত।

 

১৪ - আব্দুল মালিক আল-মায়মুনি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তারা আবু আব্দুল্লাহর নিকট মুমিনদের শিশুদের বিষয়ে আলোচনা করছিলেন। তারা তার কাছে একজন আনসারীর ঘটনার প্রেক্ষিতে আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা)-এর বর্ণিত হাদিস এবং সে বিষয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বাণীর কথা উল্লেখ করেন।

অতঃপর আমি আবু আব্দুল্লাহকে একাধিকবার বলতে শুনেছি: "এটি একটি দুর্বল হাদিস।"

এবং তিনি এতে একজন ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেছেন যাকে তিনি দুর্বল বলেছেন, আর তিনি হলেন: তালহা।
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ১২)
وسمعته يقول، غير مرة، يقول: وأحد يشك أنهم في الجنة؟ ثم أملى علينا الأحاديث فيه، وسمعته، غير مرة، يقول: هو يرجى لأبويه كيف يشك فيه؟ وقال أبو عبد الله: إنما اختلفوا في أطفال المشركين، وابن عباس يقول: كنت أقول: هم مع آبائهم، حتى لقيت رجلا من أصحاب النبي، صلى الله عليه وسلم، فحدثني عن رجل آخر من أصحاب النبي، صلى الله عليه وسلم، أنه سئل عنهم فقال: «الله أعلم بما كانوا عاملين» فسكت ابن عباس، فقال له رجل، فقال ابن عباس هذا.

فقال: أما ظاهر قوله يدل على ذلك.

 

15 - أَخْبَرَنِي حامد بن أحمد بن داود أنه سمع الحسن بن محمد بن الحارث، سمع أبا عبد الله يسأل عن السقط إذا لم تنفخ فيه الروح، يبعث؟ فقال في الحديث: «يجيء السقط محبنطئا» قَالَ أبو بكر: سألت ثعلبا النحوي عن: السقط محبنطئا؟ فقال: يقال: غضبان، ويقال: ألقى نفسه.
আমি তাকে একাধিকবার বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: "কেউ কি সন্দেহ করে যে তারা জান্নাতে থাকবে?" অতঃপর তিনি এ বিষয়ে আমাদের নিকট হাদিসসমূহ লিপিবদ্ধ করালেন, এবং আমি তাকে একাধিকবার বলতে শুনেছি: "সে (মৃত শিশু) তার পিতামাতার জন্য আশাস্বরূপ, তবে তাকে নিয়ে কীভাবে সন্দেহ করা যেতে পারে?" এবং আবু আব্দুল্লাহ বলেন: মূলত তারা মুশরিকদের শিশুদের বিষয়ে মতভেদ করেছেন। ইবনে আব্বাস বলতেন: "আমি বলতাম যে তারা তাদের পিতামাতাদের সাথেই থাকবে, যতক্ষণ না আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একজন সাহাবীর সাথে সাক্ষাৎ করি। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অন্য একজন সাহাবীর সূত্রে আমাকে বর্ণনা করেন যে, তাকে তাদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল এবং তিনি বলেছিলেন: 'তারা কী আমল করত সে সম্পর্কে আল্লাহই সম্যক অবগত'।" তখন ইবনে আব্বাস চুপ হয়ে গেলেন। এরপর এক ব্যক্তি তাকে কিছু বললে ইবনে আব্বাস এটাই বললেন।

তিনি বললেন: তাঁর বাণীর বাহ্যিক অর্থ তো এরই ইঙ্গিত দেয়।

 

১৫ - হামিদ বিন আহমাদ বিন দাউদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে তিনি হাসান বিন মুহাম্মাদ বিন হারিসকে বলতে শুনেছেন, তিনি আবু আব্দুল্লাহকে সেই গর্ভপাত হওয়া ভ্রূণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে শুনেছেন যাতে রূহ ফুঁকে দেওয়া হয়নি, সেটি কি পুনরুত্থিত হবে? তখন তিনি হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে বললেন: "গর্ভপাত হওয়া শিশুটি রাগান্বিত অবস্থায় আসবে।" আবু বকর বলেন: আমি ব্যাকরণবিদ সা'লাবকে "মুহবানতিআন" (রাগান্বিত) শব্দটির অর্থ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন: এর অর্থ হলো রাগান্বিত, আবার এও বলা হয় যে সে নিজেকে (ক্রোধে) আছড়ে ফেলছে।
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ১৩)
16 - قرأت على الحسين بن عبد الله النعيمي عن الحسين بن الحسن. . . . . . . . . . . . . . . . . قَالَ: حَدَّثَنَا أبو داود قَالَ: سمعت أبا عبد الله قيل له: المرأة تموت وفي بطنها مضغة نرجو أن يكون ولدا يوم القيامة؟ قَالَ: الله أعلم.

 

17 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ سُلَيْمَانَ، يَعْنِي التَّيْمِيَّ، عَنْ أَبِي السَّلِيلِ، عَنْ أَبِي حَسَّانٍ، قَالَ: تُوُفِّيَ ابْنَانِ لِي، فَقُلْتُ لِأَبِي هُرَيْرَةَ: سَمِعْتَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ، صلى الله عليه وسلم، حَدِيثًا تُحَدِّثُنَا بِهِ تُطَيِّبُ بِهِ أَنْفُسَنَا؟ قَالَ: نَعَمْ، سَمِعْتُهُ يَقُولُ: «صِغَارُهُمْ دَعَامِيصُ الْجَنَّةِ، يَلْقَى أَحَدُهُمْ أَبَوَيْهِ فَيَأْخُذُ بِنَاحِيَةِ ثَوْبِهِ، كَمَا يَأْخُذُ بِصَنِفَةِ ثَوْبِكَ هَذَا، وَلا يُفَارِقُهُ حَتَّى يَدْخُلَ وَإِيَّاهُ الْجَنَّةَ»

 

18 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ يَحْيَى الصُّوفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا طَلْحَةُ بْنُ يَحْيَى الطَّلْحِيُّ، عَنْ عَائِشَةَ بِنْتِ طَلْحَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها وَأَرْضَاهَا، قَالَتْ: دُعِيَ رَسُولُ اللَّهِ، صلى الله عليه وسلم، لِغُلامٍ مِنْ غِلْمَانِ الأَنْصَارِ، لِيُصَلِّيَ عَلَيْهِ، قُلْتُ: طُوبَى لَهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ، عُصْفُورٌ مِنْ عَصَافِيرِ الْجَنَّةِ لَمْ يَعْمَلْ خَطِيئَةً وَلَمْ يُدْرِكْهَا.

فَقَالَ: «أَوَ غَيْرُ ذَلِكَ يَا عَائِشَةُ؛ إَنَّ اللَّهَ خَلَقَ لِلْجَنَّةِ أَهْلا، خَلَقَهُمْ لَهَا وَهُمْ فِي أَصْلابِ آبَائِهِمْ، وَخَلَقَ لِلنَّارِ أَهْلا، خَلَقَهُمْ لَهَا وَهُمْ فِي أَصْلابِ آبَائِهِمْ»
১৬ - আমি হুসাইন বিন আবদুল্লাহ আন-নুয়াইমি-এর কাছে হুসাইন বিন হাসান থেকে পড়েছি . . . . . . . . . . . . . . . . . তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি আবু আবদুল্লাহকে বলতে শুনেছি, তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: কোনো নারী যদি এমন অবস্থায় মারা যায় যে তার গর্ভে একটি ভ্রূণ রয়েছে, তবে আমরা কি আশা করতে পারি যে কিয়ামতের দিন সেটি একটি সন্তান হিসেবে উঠবে? তিনি বললেন: আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

 

১৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন আহমাদ, তিনি বলেছেন: আমার পিতা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ইবনে আবি আদি আমাদের কাছে সুলাইমান অর্থাৎ আত-তাইমি থেকে, তিনি আবুস সালিল থেকে, তিনি আবু হাসসান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার দুই পুত্র মারা গেল। তখন আমি আবু হুরাইরাহকে বললাম: আপনি কি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে এমন কোনো হাদিস শুনেছেন যা আমাদের কাছে বর্ণনা করবেন যাতে আমাদের মন শান্ত হয়? তিনি বললেন: হ্যাঁ, আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: «তাদের ছোট শিশুরা হলো জান্নাতের বিচরণকারী (ক্ষুদ্র মাছের ন্যায়)। তাদের কেউ যখন তার পিতামাতার সাথে সাক্ষাৎ করবে, তখন সে তাদের কাপড়ের আঁচল ধরবে, যেমনটি আমি তোমার এই কাপড়ের প্রান্ত ধরছি। অতঃপর সে তাদের থেকে পৃথক হবে না যতক্ষণ না আল্লাহ তাকে ও তার পিতামাতাকে জান্নাতে প্রবেশ করান।’

 

১৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন ইয়াহইয়া আস-সুফি, তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে মুহাম্মদ বিন বিশর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে তালহা বিন ইয়াহইয়া আত-তালহি বর্ণনা করেছেন, তিনি আয়িশা বিনতে তালহা থেকে, তিনি আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন এবং তাঁকে সন্তুষ্ট করুন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আনসারদের এক শিশুর জানাজার সালাত পড়ার জন্য ডাকা হলো। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! তার জন্য সুসংবাদ, সে তো জান্নাতের চড়ুই পাখিদের একটি; সে কোনো পাপ করেনি এবং পাপ করার বয়সেও পৌঁছায়নি।

অতঃপর তিনি বললেন: «হে আয়েশা! বিষয়টি এর ভিন্নও হতে পারে। নিশ্চয়ই আল্লাহ জান্নাতের জন্য একদল অধিবাসী সৃষ্টি করেছেন, তিনি তাদের তখনই জান্নাতের জন্য সৃষ্টি করেছেন যখন তারা তাদের পিতাদের পৃষ্ঠদেশে ছিল। আর তিনি জাহান্নামের জন্যও একদল অধিবাসী সৃষ্টি করেছেন, তিনি তাদের তখনই জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছেন যখন তারা তাদের পিতাদের পৃষ্ঠদেশে ছিল।’
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ১৪)
‌‌باب ذكر أطفال المشركين وقوله هم مع آبائهم

 

19 - رأيت في كتاب لهارون المستملي، قَالَ أبو عبد الله: إذا سأل الرجل عن أولاد المشركين، مع آبائهم؟ فإنه أصل كل خصومة، ولا يسأل عنه إلا رجل الله أعلم به.

قَالَ: ونحن نمر هذه الأحاديث على ما جاءت، ونسكت لا نقول شيئا.

 

20 - أَخْبَرَنِي عبيد الله بن حنبل، قَالَ: حَدَّثَنِي أبي، قَالَ: سمعت أبا عبد الله، وسأله ابن الشافعي الذي ولي قضاء حلب، فقال له: يا أبا عبد الله، ذراري المشركين أو المسلمين؟ لا أدري أيهما سأله، فصاح به أبو عبد الله، وقال: مسائل أهل الزيغ؟ مالك ولهذه المسائل؟ فسكت، وانصرف، ولم يعد إلى أبي عبد الله بعد ذلك حتى خرج.

 

21 - أَخْبَرَنَا أبو بكر المروذي، قَالَ: قَالَ أبو عبد الله: سأل بشر بن السري سفيان الثوري عن أطفال المشركين، فصاح به، وقال: ناصبي أنت، تسأل عن هذا؟

 

22 - أَخْبَرَنِي منصور بن الوليد، ومحمد بن موسى، وهذا لفظه، أن جعفر بن محمد حدثهم قَالَ: سمعت أبا عبد الله، وسئل عن أطفال المشركين، فلم يقل فيه شيئا

 

23 - أَخْبَرَنِي منصور بن الوليد قَالَ: حَدَّثَنَا علي بن سعيد، أنه سأل أبا عبد الله: «فأبواه يهودانه أو ينصرانه» ؟
মুশরিকদের শিশুদের আলোচনা এবং তারা তাদের পিতৃপুরুষদের সাথে থাকার বিষয়ে অধ্যায়

 

১৯ - আমি হারুন আল-মুস্তামলির একটি কিতাবে দেখেছি, আবু আব্দুল্লাহ বলেছেন: যদি কোনো ব্যক্তি মুশরিকদের সন্তানদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে যে, তারা কি তাদের পিতৃপুরুষদের সাথে? তবে এটিই সকল বিবাদের মূল; এবং আল্লাহ যে ব্যক্তি সম্পর্কে সবচেয়ে ভালো জানেন, সে ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কেউ এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করে না।

তিনি বলেছেন: আমরা এই হাদীসগুলোকে যেভাবে এসেছে সেভাবেই অতিক্রম করি এবং নীরব থাকি, কিছুই বলি না।

 

২০ - উবাইদুল্লাহ বিন হানবাল আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে শুনেছি, এমতাবস্থায় যে ইবনে শাফেয়ী—যিনি হালাব বা আলেপ্পোর কাজি হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন—তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি তাঁকে বললেন: হে আবু আব্দুল্লাহ, মুশরিকদের বংশধর নাকি মুসলিমদের? (বর্ণনাকারী বলেন) আমি জানি না তিনি এর মধ্যে কোনটি জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তখন আবু আব্দুল্লাহ তার ওপর চিৎকার করে উঠলেন এবং বললেন: বিভ্রান্ত লোকদের মাসআলা? তোমার এই সকল মাসআলার সাথে কী কাজ? ফলে তিনি চুপ হয়ে গেলেন এবং প্রস্থান করলেন; এরপর তিনি শহর ত্যাগ করা পর্যন্ত আর আবু আব্দুল্লাহর কাছে ফিরে আসেননি।

 

২১ - আবু বকর আল-মারওয়াযী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ বলেছেন: বিশর বিন আস-সিররী সুফিয়ান আস-সাওরীকে মুশরিকদের শিশুদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তখন তিনি তার ওপর চিৎকার করে উঠলেন এবং বললেন: তুমি কি একজন নাসিবী, যে তুমি এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করছ?

 

২২ - মানসুর বিন আল-ওয়ালিদ এবং মুহাম্মদ বিন মুসা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন—এবং এটি তাঁর শব্দাবলী—যে জাফর বিন মুহাম্মদ তাঁদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে শুনেছি, যখন তাঁকে মুশরিকদের শিশুদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি সে বিষয়ে কিছুই বলেননি।

 

২৩ - মানসুর বিন আল-ওয়ালিদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আলী বিন সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবু আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন: "অতঃপর তার পিতামাতা তাকে ইহুদি বানায় অথবা খ্রিস্টান বানায়"?
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ১৫)
قَالَ: الشأن في هذا.

وقد اختلف الناس، ولم نقف فيها على شيء نعرفه.

 

24 - أَخْبَرَنِي أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَطَرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو طَالِبٍ، أَنَّ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ سُئِلَ عَنْ أَطْفَالِ الْمُشْرِكِينَ، فَقَالَ: كَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ يَقُولُ: «فَأَبَوَاهُ يُهَوِّدَانِهِ وَيُنَصِّرَانِهِ» ، حَتَّى سَمِعَ: «اللَّهُ أَعْلَمُ بِمَا كَانُوا عَامِلِينَ» ، فَتَرَكَ قَوْلَهُ.

وهي صحاح، ومخرجها صحيح.

وقال: الزهري يقول: من الحديث ما يحدث بها على وجوه "

 

25 - أَخْبَرَنِي محمد والحسن بن جحدر، أن الحسن بن ثواب حدثهم، قَالَ: سألت أبا عبد الله عن أولاد المشركين، قلت إن ابن أبي شيبة أبو بكر، قَالَ: هو على الفطرة، حتى يهوده أبواه أو ينصرانه.

فلم يعجبه شيء من هذا القول، وقال: كل مولود من أطفال المشركين على الفطرة؛ يولد على الفطرة التي خلقه الله عليها من الشقاء والسعادة التي سبقت في الكتاب، ارجع في ذلك إلى الأصل.

هذا معناه: كل مولود يولد على الفطرة.

 

26 - أَخْبَرَنِي عبد الملك الميموني أنه قَالَ لأبي عبد الله: «كل مولود يولد على الفطرة» يدخل عليه إذا كان أبواه معه، أن يكون حكمه حكمهم ما كانوا صغارا؟ فقال لي: نعم، ولكن يدخل عليك في هذا.

فتناظرنا بما يدخل علي من هذا القول وبما يكون يقويه، قلت لأبي عبد الله:
তিনি বললেন: এ বিষয়টি এরূপই। এ ব্যাপারে মানুষ মতপার্থক্য করেছে, আর আমরা এ সম্পর্কে এমন কিছু পাইনি যা আমরা (সুনিশ্চিতভাবে) জানি।

 

২৪ - আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মাতার আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু তালিব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন যে, আবু আব্দুল্লাহকে মুশরিকদের সন্তানদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তখন তিনি বলেন: ইবনে আব্বাস বলতেন: «তার পিতামাতা তাকে ইহুদি বা খ্রিস্টান বানায়», যতক্ষণ না তিনি শুনেছেন: «তারা কী আমল করত সে সম্পর্কে আল্লাহ অধিক অবগত», এরপর তিনি তাঁর পূর্বের বক্তব্য ছেড়ে দেন।

আর এগুলি বিশুদ্ধ, এবং এর উৎসও সঠিক।

তিনি বলেন: জুহরী বলতেন: হাদীসের মধ্যে এমন কিছু আছে যা বিভিন্নভাবে বর্ণিত হয়।

 

২৫ - মুহাম্মাদ এবং হাসান ইবনে জাহদার আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, হাসান ইবনে সাওয়াব তাঁদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে মুশরিকদের সন্তানদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। আমি বললাম, আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ বলেছেন: সে ফিতরাতের ওপর থাকে, যতক্ষণ না তার পিতামাতা তাকে ইহুদি বা খ্রিস্টান বানায়।

এই বক্তব্যের কোনো কিছুই তাঁর পছন্দ হলো না। তিনি বললেন: মুশরিকদের সন্তানদের প্রতিটি নবজাতক ফিতরাতের ওপর থাকে; সে সেই ফিতরাতের ওপর জন্মগ্রহণ করে যার ওপর আল্লাহ তাকে সৃষ্টি করেছেন—অর্থাৎ সেই দুর্ভাগ্য বা সৌভাগ্য যা কিতাবে পূর্বেই নির্ধারিত হয়েছে। এ বিষয়ে মূলনীতির দিকে ফিরে যাও।

এর অর্থ হলো: প্রত্যেক নবজাতক ফিতরাতের ওপর জন্মগ্রহণ করে।

 

২৬ - আব্দুল মালিক আল-মায়মুনী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি আবু আব্দুল্লাহকে বললেন: «প্রত্যেক নবজাতক ফিতরাতের ওপর জন্মগ্রহণ করে»—এর দ্বারা কি এটি বুঝায় যে, যদি তার পিতামাতা তার সাথে থাকে, তবে ছোট থাকা অবস্থায় তার বিধান তাদের বিধানের মতোই হবে? তিনি আমাকে বললেন: হ্যাঁ, তবে এ বিষয়ে তোমার ওপরও কিছু আপতিত হবে।

অতঃপর আমরা এই বক্তব্যের মাধ্যমে আমার ওপর কী আপতিত হয় এবং কোনটি একে শক্তিশালী করে তা নিয়ে আলোচনা করলাম। আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম:
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ১৬)
فما تقول أنت فيها؟ وإلى أي شيء تذهب؟ قَالَ: أي شيء أقول؟ أنا ما أدري، أخبرك: هي مسألة كما ترى.

وقال لي: والذي يقول: كل مولود يولد. . . . انظر أيضا إلى الفطرة الأولى، هي الدين؟ قَالَ لي: نعم، فمن الناس من يحتج بالفطرة الأولى مع قول النبي، صلى الله عليه وسلم: «كل مولود يولد على الفطرة» .

قلت لأبي عبد الله: فما تقول لأعرف قولك؟ قَالَ: أقول: إنه على الفطرة الأولى.

 

27 - أَخْبَرَنِي عبد الله بن محمد، قَالَ: حَدَّثَنَا بكر بن محمد، عن أبيه، عن أبي عبد الله، وسأله عن أولاد المشركين، فقال: اذهب إلى قول النبي، صلى الله عليه وسلم: «الله أعلم بما كانوا عاملين» .

 

28 - أَخْبَرَنِي يوسف بن موسى، قَالَ: سئل أبو عبد الله عن حديث النبي، صلى الله عليه وسلم: «كل مولود يولد على الفطرة» ، قَالَ: الفطرة التي فطر الله العباد عليها.

 

29 - أَخْبَرَنِي محمد بن الحسين، أن الفضل بن زياد حدثهم، وأخبرني عصمة بن عصام، أن حنبلا حدثهم، وأخبرني محمد بن أبي هارون، ومحمد بن جعفر، أن أبا الحارث حدثهم، سمعوا أبا عبد الله في هذه المسألة، قَالَ: الفطرة: التي فطر الله العباد عليها من الشقاوة والسعادة.
আপনি এ বিষয়ে কী বলেন? এবং আপনি কোন মতের দিকে যান? তিনি বললেন: আমি কী বলব? আমি জানি না, আমি আপনাকে বলছি: বিষয়টি তেমনই যেমনটি আপনি দেখছেন।

আর তিনি আমাকে বললেন: এবং যে বলে: প্রত্যেক নবজাতক জন্মগ্রহণ করে... আদি ফিতরাতের (প্রকৃতির) দিকেও লক্ষ্য করুন, সেটি কি দ্বীন? তিনি আমাকে বললেন: হ্যাঁ, মানুষের মধ্যে এমন কেউ আছে যারা আদি ফিতরাতকে দলিল হিসেবে পেশ করে, সাথে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই বাণীর মাধ্যমে: "প্রত্যেক নবজাতক ফিতরাতের ওপর জন্মগ্রহণ করে"।

আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: তবে আপনার মতটি জানার জন্য আপনি কী বলেন? তিনি বললেন: আমি বলি: সে আদি ফিতরাতের ওপর।

 

২৭ - আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: বকর ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু আব্দুল্লাহ থেকে; তিনি তাঁকে মুশরিকদের সন্তানদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তখন তিনি বললেন: তুমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণীর দিকে যাও: "তারা কী আমল করত সে সম্পর্কে আল্লাহই ভালো জানেন"।

 

২৮ - ইউসুফ ইবনে মুসা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: "প্রত্যেক নবজাতক ফিতরাতের ওপর জন্মগ্রহণ করে", তিনি বললেন: ফিতরাত হলো সেটি যার ওপর আল্লাহ বান্দাদের সৃষ্টি করেছেন।

 

২৯ - মুহাম্মদ ইবনে হুসাইন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে ফাদল ইবনে যিয়াদ তাঁদের নিকট বর্ণনা করেছেন, এবং ইসমাহ ইবনে ইসাম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে হাম্বল তাঁদের নিকট বর্ণনা করেছেন, এবং মুহাম্মদ ইবনে আবি হারুন ও মুহাম্মদ ইবনে জাফর আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে আবুল হারিস তাঁদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তাঁরা এই মাসআলা সম্পর্কে আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেছেন: ফিতরাত হলো সেটি যার ওপর আল্লাহ বান্দাদের সৃষ্টি করেছেন—দুর্ভাগ্য ও সৌভাগ্যের মধ্য হতে।
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ১৭)
30 - أَخْبَرَنِي منصور بن الوليد قَالَ: حَدَّثَنَا علي بن سعيد أنه سأل أبا عبد الله عن: «كل مولود على الفطرة» ، قَالَ: على الشقاوة والسعادة، قَالَ: يرجع على ما خلق.

 

31 - أَخْبَرَنِي محمد بن يحيى الكحال، أنه قَالَ لأبي عبد الله: «كل مولود يولد على الفطرة» ما تفسيرها؟ قَالَ: هي الفطرة التي فطر الله الناس عليها؛ شقي أو سعيد.

 

32 - أَخْبَرَنِي عصام بن عصمة قَالَ: حَدَّثَنَا حنبل، قَالَ: قَالَ أبو عبد الله: إن أسلم أبواه ثم مات وهو صغير، صلي عليه، ودفن في مقابر المسلمين.

وإن مات وهما مشركان كان تبعا لهما.

 

33 - أَخْبَرَنِي أحمد بن محمد بن حازم، أن إسحاق بن منصور حدثهم، قَالَ: قلت لأحمد: رجل وقع من بطن أمه أعمى أصم أبكم، فعاش حتى صار رجلا؟ قَالَ: هذا بمنزلة الميت، هو مع أبويه.

قلت: فإن كانا مشركين ثم أسلما بعدما صار رجلا؟ قَالَ: هو معهما

 

34 - أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَمْرِو بْنِ الرَّيَّانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو زِيَادٍ سَهْلُ بْنُ زِيَادٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الأَوْرَقُ بْنُ قَيْسٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ نَوْفِلٍ، عَنْ خَدِيجَةَ بِنْتِ خُوَيْلِدٍ، أَنَّهَا سَأَلَتِ النَّبِيَّ، صلى الله عليه وسلم، قَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَيْنَ أَطْفَالِي مِنْ أَزْوَاجِي الْمُشْرِكِينَ؟ قَالَ: فِي النَّارِ.

قُلْتُ: بِغَيْرِ عَمَلٍ؟
৩০ - মনসুর ইবনুল ওয়ালিদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবু আব্দুল্লাহকে এই সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছেন: "প্রত্যেক সন্তান ফিতরাতের উপর জন্মগ্রহণ করে"। তিনি বললেন: (এর অর্থ) দুর্ভাগ্য ও সৌভাগ্যের উপর; তিনি আরও বললেন: সে যেভাবে সৃষ্টি হয়েছে সেদিকেই ফিরে যাবে।

 

৩১ - মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-কাহহাল আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি আবু আব্দুল্লাহকে বলেছেন: "প্রত্যেক সন্তান ফিতরাতের উপর জন্মগ্রহণ করে" - এর ব্যাখ্যা কী? তিনি বললেন: এটি সেই ফিতরাত যার উপর আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন; (তা হলো) দুর্ভাগ্যবান অথবা সৌভাগ্যবান হওয়া।

 

৩২ - ইসাম ইবনে ইসমা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ বলেছেন: যদি তার পিতামাতা ইসলাম গ্রহণ করে এবং তারপর সে ছোট অবস্থায় মারা যায়, তবে তার জানাজা পড়া হবে এবং মুসলিমদের কবরস্থানে দাফন করা হবে।

আর যদি সে এমন অবস্থায় মারা যায় যে তার পিতামাতা মুশরিক, তবে সে তাদেরই অনুগামী হবে।

 

৩৩ - আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাযিম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, ইসহাক ইবনে মানসুর তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আহমদকে বললাম: এক ব্যক্তি তার মায়ের গর্ভ থেকে অন্ধ, বধির ও বোবা হয়ে জন্মেছে, অতঃপর সে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া পর্যন্ত জীবিত থাকল? তিনি বললেন: সে মৃত ব্যক্তির সমতুল্য, সে তার পিতামাতার সাথে গণ্য হবে।

আমি বললাম: যদি তারা মুশরিক হয়, অতঃপর সে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর তারা ইসলাম গ্রহণ করে? তিনি বললেন: সে তাদের সাথেই থাকবে।

 

৩৪ - জাফর ইবনে আমর ইবনুর রাইয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু যিয়াদ সাহল ইবনে যিয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আওরাক ইবনে কায়স আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে হারিস ইবনে নাওফাল থেকে, তিনি খাদিজা বিনতে খুওয়াইলিদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করেছেন, তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, মুশরিক স্বামীদের পক্ষ থেকে আমার যে সন্তানরা মারা গেছে তারা কোথায়? তিনি বললেন: জাহান্নামের আগুনে।

আমি বললাম: কোন আমল ছাড়াই?
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ১৮)
قَالَ: عَلِمَ اللَّهُ مَا كَانُوا عَامِلِينَ

 

‌‌باب الصغير يؤشر مع أحد أبويه

 

35 - أَخْبَرَنِي أحمد بن محمد أبو حامد الوراق، قَالَ: حَدَّثَنَا محمد بن حاتم بن نعيم، قَالَ: حَدَّثَنَا علي بن سعيد، قَالَ: سمعت أحمد، وسئل عن السرية في أرض العدو يأخذون صبيانا؟ قَالَ: قد نهى النبي، صلى الله عليه وسلم، عن قتل الولدان إن كان معهم غنم يسوقونه، وإن لم يكن معهم غنم فلا أعلم له وجها، إلا أن يدفع إلى بعض الحصون من الروم

 

36 - أَخْبَرَنَا أبو بكر المروذي، أن أبا عبد الله سئل عن الرضيع؛ يؤسر وليس معهم من يرضعه؟ قَالَ: لا يترك، يحمل ويطعم ويسقى، وإن مات مات.

 

37 - أَخْبَرَنَا محمد بن علي، قَالَ: حَدَّثَنَا يعقوب بن بختان أنه سأل أحمد بن حنبل عن الصبي الصغير يؤخذ من بلاد الروم، فلا يكون معهم من يرضعه؟ فقال: يحملونه معهم حتى يموت.

 

38 - أَخْبَرَنِي محمد بن أبي هارون، أن إسحاق بن إبراهيم حدثهم، قَالَ: سألت أبا عبد الله عن الصبي الصغير الرضيع يخرج من بلاد الروم، وليس معهم أحد يرضعه، أيخرج به؟ قَالَ أبو عبد الله: يخرج، فإن مات مات وهو مع المسلمين، وإن عاش عاش، فإن الله يرزقه وهو من المسلمين.
তিনি বলেন: তারা যা করত আল্লাহ তা জানতেন।

 

‌‌অনুচ্ছেদ: শিশু যখন তার বাবা-মায়ের কোনো একজনের সাথে বন্দি হয়

 

৩৫ - আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আবু হামিদ আল-ওয়াররাক আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে হাতিম ইবনে নুআইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, যখন তাকে শত্রুভূমিতে থাকা এমন একটি ক্ষুদ্র সেনাদল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যারা কিছু শিশুকে বন্দি করে আনে? তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিশুদের হত্যা করতে নিষেধ করেছেন। যদি তাদের সাথে গবাদি পশু থাকে যা তারা তাড়িয়ে নিয়ে আসতে পারে (তবে শিশুটিকে নেবে), আর যদি তাদের সাথে কোনো গবাদি পশু না থাকে তবে এর সপক্ষে কোনো যুক্তি আমার জানা নেই, কেবল যদি তাদের রোমানদের কোনো দুর্গে সোপর্দ করা হয়।

 

৩৬ - আবু বকর আল-মাররুজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু আব্দুল্লাহকে সেই দুগ্ধপোষ্য শিশু সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যাকে বন্দি করা হয়েছে অথচ তাদের সাথে তাকে দুধ পান করানোর মতো কেউ নেই? তিনি বলেন: তাকে ফেলে রাখা যাবে না, তাকে বহন করতে হবে এবং তাকে খাবার ও পানীয় দিতে হবে; এরপর যদি সে মারা যায় তবে মারা গেল।

 

৩৭ - মুহাম্মাদ ইবনে আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াকুব ইবনে বাখতান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আহমাদ ইবনে হাম্বলকে সেই ছোট শিশু সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যাকে রোমানদের দেশ থেকে বন্দি করা হয়েছে, অথচ তাদের সাথে তাকে দুধ পান করানোর কেউ নেই? তিনি বললেন: তারা তাকে তাদের সাথে বহন করে নিয়ে আসবে যতক্ষণ না সে মারা যায়।

 

৩৮ - মুহাম্মাদ ইবনে আবি হারুন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে সেই দুগ্ধপোষ্য ছোট শিশু সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি যাকে রোমানদের দেশ থেকে বের করে আনা হচ্ছে অথচ তাকে দুধ পান করানোর মতো তাদের সাথে কেউ নেই; তাকে কি বের করে আনা হবে? আবু আব্দুল্লাহ বললেন: তাকে বের করে আনা হবে। এরপর সে যদি মারা যায় তবে মুসলিমদের সাথেই মারা গেল, আর যদি বেঁচে থাকে তবে বেঁচে থাকল; কেননা আল্লাহ তাকে রিজিক দেবেন এবং সে মুসলিমদেরই অন্তর্ভুক্ত।
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ১৯)
قَالَ أبو بكر: روى هذه المسألة أربعة أنفس عن أبي عبد الله، بخلاف ما قَالَ علي بن سعيد وما روى علي بن سعيد، فأظن أنه قول لأبي عبد الله ثم رجع إلى أن يحمل، ولا يترك، وهو مسلم إن مات أو بقي.

وهو أشبه بقول أبي عبد الله وبمذهبه، لأن الطفل عنده إذا لم يكن مع أبويه فهو مسلم، فكيف يترك مسلم في أيديهم ينصرونه؟ والذي أختار من قول أبي عبد الله: ما روى عنه الجماعة، لأن لا يترك، وبالله التوفيق.

وكذلك الصغار ومن لم يبلغ الإدراك ممن يسبى، أو يكون ههنا، فإن الحكم فيهم أن يكونوا مسلمين إذا لم يكن معهم آباؤهم، فإذا كان معهم آباؤهم أو أحدهم كان حكما آخر، وسوف أبينه بعد هذا، إن شاء الله تعالى.

 

39 - أَخْبَرَنَا أبو بكر المروذي، أنه قَالَ لأبي عبد الله: فإن ماتوا، يعني: الصغار، في أيدينا، أي شيء يكون حكمهم؟ قَالَ: حكم الإسلام.

قيل له: غلام ابن سبع سنين أسر؟ فرأى أنه لا يقتل، وأن يجبر على الإسلام، قَالَ: وهكذا الجارية، قيل له: يباع على أنه مسلم؟ قَالَ: نعم.

 

40 - أَخْبَرَنِي محمد بن جعفر، قَالَ: حَدَّثَنَا أبو الحارث، قَالَ: قَالَ أبو عبد الله: إذا سبي الصغير وليس مع أبويه، صلي عليه.

 

40 (م) - أَخْبَرَنِي أحمد بن محمد بن مطر، قَالَ: حَدَّثَنَا أبو طالب أنه سأل أبا عبد الله فقال: إذا كان الصغير ليس مع أبويه يصلى عليه

 

41 - أَخْبَرَنِي محمد بن أبي هارون، أن إسحاق بن إبراهيم حدثهم، أنه قَالَ لأبي عبد الله: فإن سبي مولود وحده، ما يكون؟
আবু বকর বলেন: চারজন ব্যক্তি আবু আব্দুল্লাহর নিকট থেকে এই মাসয়ালাটি বর্ণনা করেছেন, যা আলী ইবনে সাঈদ যা বর্ণনা করেছেন তার বিপরীত। তাই আমার ধারণা এটি আবু আব্দুল্লাহর একটি অভিমত ছিল, পরবর্তীতে তিনি এই সিদ্ধান্তে ফিরে এসেছেন যে, তাকে গ্রহণ করা হবে এবং ছেড়ে দেওয়া হবে না; আর সে মুসলিম হিসেবে গণ্য হবে, চাই সে মারা যাক অথবা বেঁচে থাকুক।

এটি আবু আব্দুল্লাহর উক্তি এবং তাঁর মাযহাবের অধিকতর সাদৃশ্যপূর্ণ; কারণ তাঁর নিকট কোনো শিশু যদি তার পিতামাতার সাথে না থাকে, তবে সে মুসলিম। এমতাবস্থায় একজন মুসলিমকে তাদের হাতে কীভাবে ছেড়ে দেওয়া যায় যাতে তারা তাকে খ্রিস্টান বানাতে পারে? আবু আব্দুল্লাহর উক্তি থেকে আমি যা পছন্দ করি তা হলো যা জামায়াত তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন—অর্থাৎ তাকে যেন ছেড়ে দেওয়া না হয়। আর আল্লাহর কাছেই তাওফীক প্রার্থনা করছি।

একইভাবে ছোট শিশু এবং যারা এখনো বুঝ হওয়ার বয়সে পৌঁছেনি, যাদেরকে যুদ্ধবন্দী করা হয়েছে অথবা যারা এখানে রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে হুকুম হলো তারা মুসলিম হিসেবে গণ্য হবে যদি তাদের সাথে তাদের পিতামাতা না থাকে। আর যদি তাদের সাথে তাদের পিতামাতা বা তাঁদের কোনো একজন থাকে, তবে সেটির হুকুম ভিন্ন হবে, যা আমি ইনশাআল্লাহ এর পরে ব্যাখ্যা করব।

 

৩৯ - আবু বকর আল-মাররুযী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি আবু আব্দুল্লাহকে বলেছেন: যদি তারা আমাদের হাতে থাকা অবস্থায় মারা যায়—অর্থাৎ ছোট বাচ্চারা—তবে তাদের হুকুম কী হবে? তিনি বললেন: ইসলামের হুকুম।

তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো: সাত বছরের কোনো বালককে যদি বন্দী করা হয়? তিনি মনে করতেন যে তাকে হত্যা করা হবে না এবং তাকে ইসলামের ওপর বাধ্য করা হবে। তিনি বললেন: দাসীর ক্ষেত্রেও একই হুকুম। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো: তাকে কি মুসলিম হিসেবে বিক্রি করা হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ।

 

৪০ - মুহাম্মাদ ইবনে জাফর আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু আল-হারিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আবু আব্দুল্লাহ বলেছেন: যদি কোনো ছোট শিশুকে বন্দী করা হয় এবং তার সাথে তার পিতামাতা না থাকে, তবে তার জানাজা পড়া হবে।

 

৪০ (ম) - আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মাতার আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু তালিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবু আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞেস করেছিলেন; তিনি বললেন: যদি ছোট শিশুর সাথে তার পিতামাতা না থাকে, তবে তার জানাজা পড়া হবে।

 

৪১ - মুহাম্মাদ ইবনে আবি হারুন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবু আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞেস করেছেন: যদি কোনো নবজাতককে একা বন্দী করা হয়, তবে তার বিধান কী হবে?
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ২০)
قَالَ: مسلما.

 

42 - أَخْبَرَنِي عبد الرحمن بن داود، أن الفضل بن عبد الصمد حدثهم، أنه سأل أبا عبد الله عن الصبي من صبيان العدو، نسبيه فيموت، أيصلى عليه؟ فقال: إن كان مع أبويه لم يصل عليه، وإن كان وحده وقد أحرز، صلي عليه.

قلت: فإن لم يكن مع أبويه وكان مع جماعة السبي؟ قَالَ يصلى عليه

 

43 - أَخْبَرَنَا أحمد بن محمد بن حازم، قَالَ: حَدَّثَنَا إسحاق بن منصور، أنه قَالَ لأبي عبد الله: قَالَ الثوري: إذا كان العجم صغارا عند المسلم صلي عليهم، وإن لم يكن خرج بهم من بلادهم فإنه يصلى عليهم.

وقال حماد: إذا ملك الصغير فهو مسلم، قَالَ أحمد: وإذا لم يكن معه أبواه فهو مسلم.

 

44 - أَخْبَرَنِي محمد بن الحسن، أن الفضل بن زياد حدثهم، قَالَ: سمعت أبا عبد الله، وسئل عن المملوك الصغير يشترى، فإذا كبر عند سيده أبى الإسلام؟ قَالَ: يجبر على الإسلام، لأنه قد رباه المسلمون، وليس معه أبواه، قيل له: كيف يجبر؟ قَالَ: يعذب.

قيل له: يضرب؟ قَالَ: نعم، يضرب.

فقال رجل عنده: سمعت بقية يقول: يغوص في الماء حتى يرجع إلى الإسلام.
তিনি বললেন: মুসলিম হিসেবে।

 

৪২ - আবদুর রহমান ইবনে দাউদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, ফজল ইবনে আবদুস সামাদ তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবু আবদুল্লাহকে শত্রুপক্ষের শিশুদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছেন যাদের আমরা যুদ্ধবন্দি হিসেবে পেয়েছি এবং তারা মারা গেছে, তাদের কি জানাজা পড়া হবে? তিনি বললেন: যদি সে তার পিতা-মাতার সাথে থাকে তবে তার জানাজা পড়া হবে না, আর যদি সে একা হয় এবং তাকে অধিকারভুক্ত করা হয়ে থাকে, তবে তার জানাজা পড়া হবে।

আমি বললাম: যদি সে তার পিতা-মাতার সাথে না থাকে কিন্তু বন্দিদের দলের সাথে থাকে? তিনি বললেন: তার জানাজা পড়া হবে।

 

৪৩ - আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাযম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসহাক ইবনে মানসুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবু আবদুল্লাহকে বলেছেন: আস-সাওরী বলেছেন: যখন অনারব শিশুরা কোনো মুসলিমের অধীনে থাকে তখন তাদের জানাজা পড়া হবে, আর যদি তাদের নিজ দেশ থেকে বের করে নিয়ে আসা না হয়ে থাকে তবে তাদের জানাজা পড়া হবে।

এবং হাম্মাদ বলেছেন: যখন কোনো অপ্রাপ্তবয়স্কের মালিকানা পাওয়া যায় তখন সে মুসলিম। আহমাদ বলেছেন: এবং যদি তার সাথে তার পিতা-মাতা না থাকে তবে সে মুসলিম।

 

৪৪ - মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, ফজল ইবনে যিয়াদ তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আবদুল্লাহকে শুনেছি, যখন তাঁকে এমন এক অপ্রাপ্তবয়স্ক ক্রীতদাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যাকে ক্রয় করা হয়েছে, অতঃপর সে যখন তার মালিকের নিকট বড় হয়ে ইসলাম গ্রহণ করতে অস্বীকার করে? তিনি বললেন: তাকে ইসলামের জন্য বাধ্য করা হবে, কারণ মুসলিমরা তাকে লালন-পালন করেছে এবং তার সাথে তার পিতা-মাতা নেই। তাঁকে বলা হলো: কীভাবে বাধ্য করা হবে? তিনি বললেন: তাকে শাস্তি দেওয়া হবে।

তাঁকে বলা হলো: তাকে কি প্রহার করা হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, প্রহার করা হবে।

তখন তাঁর নিকট উপস্থিত এক ব্যক্তি বললেন: আমি বাকিয়্যাহকে বলতে শুনেছি: তাকে পানিতে চুবানো হবে যতক্ষণ না সে ইসলামের দিকে ফিরে আসে।
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ২১)
فضحك من ذلك، وعجب منه.

 

45 - أَخْبَرَنِي يحيى بن المختار، أبو زكريا النيسابوري، قَالَ: سمعت أبا عبد الله يقول، في غلام سبي وهو صغير، فلما أدرك عرض عليه الإسلام فأبى، فقال أبو عبد الله: يقهر عليه.

قَالَ: كيف يقهر عليه؟ قَالَ: يضرب.

فحكى مهنا عن الأوزاعي قَالَ: يغوص في الماء حتى يرجع إلى الإسلام.

فرأيت أبا عبد الله يستعيد مهنا كيف قَالَ الأوزاعي، وجعل يبتسم.

 

46 - أَخْبَرَنَا أبو داود قَالَ: قلت لأبي عبد الله: والسبي يموتون في بلاد الروم، قَالَ: معهم آباؤهم؟ قلت: لا.

قَالَ: يصلى عليهم، قلت: لم يقسموا ونحن في السرية؟ قَالَ: إذا صاروا إلى المسلمين وليس معهم آباؤهم، فإن ماتوا يصلى عليهم، وهم مسلمون، قلت: فإن كان معهم آباؤهم؟ قَالَ: لا.

قلت لأبي عبد الله: إن أهل الثغر يجبرونهم على الإسلام وإن كان معهم آباؤهم.

قَالَ: لا أدري، وسمعت أبا عبد الله، مرة أخرى، يسأل عن هذه المسألة، أو ذكرها، فقال: أهل الثغر يصنعون أشياء ما أدري ما هو.

 

47 - أَخْبَرَنِي محمد بن علي قَالَ: حَدَّثَنَا صالح أنه قَالَ لأبيه: الصبي إذا أسره المسلمون؟ قَالَ يجبر على الإسلام.

قلت: فإن كان مع أبويه؟ قَالَ بلغني أن أهل الثغر يجبرونه على الإسلام، وما أحب أن أجيب فيها.
তিনি এতে হাসলেন এবং বিস্ময় প্রকাশ করলেন।

 

৪৫ - ইয়াহইয়া ইবনুল মুখতার আবু যাকারিয়া আন-নাইসাবুরী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি— জনৈক যুদ্ধবন্দী বালক সম্পর্কে যে ছোট অবস্থায় বন্দী হয়েছিল, অতঃপর যখন সে প্রাপ্তবয়স্ক হলো এবং তার সামনে ইসলাম পেশ করা হলো তখন সে তা প্রত্যাখ্যান করল। আবু আব্দুল্লাহ বললেন: তাকে এ বিষয়ে বাধ্য করা হবে।

তিনি বললেন: কীভাবে তাকে বাধ্য করা হবে? তিনি বললেন: তাকে প্রহার করা হবে।

মুহান্না ইমাম আওযাঈ থেকে বর্ণনা করে বলেন: তাকে পানিতে ডুবিয়ে রাখা হবে যতক্ষণ না সে ইসলামের দিকে ফিরে আসে।

আমি দেখলাম আবু আব্দুল্লাহ মুহান্নার নিকট পুনরায় জানতে চাইলেন যে আওযাঈ কী বলেছেন এবং তিনি মুচকি হাসতে লাগলেন।

 

৪৬ - আবু দাউদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: যুদ্ধবন্দীরা যদি রোম সাম্রাজ্যের ভূখণ্ডে মারা যায় (তবে বিধান কী)? তিনি বললেন: তাদের পিতামাতা কি তাদের সাথে আছে? আমি বললাম: না।

তিনি বললেন: তাদের জানাযা পড়া হবে। আমি বললাম: অথচ তারা এখনো বণ্টিত হয়নি এবং আমরা যুদ্ধাভিযানে রয়েছি? তিনি বললেন: তারা যখন মুসলিমদের অধিকারে চলে আসে এবং তাদের পিতামাতা তাদের সাথে থাকে না, তখন তারা মারা গেলে তাদের জানাযা পড়া হবে, এমতাবস্থায় তারা মুসলিম। আমি বললাম: যদি তাদের পিতামাতা তাদের সাথে থাকে? তিনি বললেন: না।

আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: সীমান্ত রক্ষীরা তাদেরকে ইসলাম গ্রহণের জন্য বাধ্য করে, যদিও তাদের সাথে তাদের পিতামাতা থাকে।

তিনি বললেন: আমি জানি না। এবং আমি অন্য এক সময় আবু আব্দুল্লাহকে এই মাসআলাটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হতে শুনেছি অথবা তিনি তা নিজেই উল্লেখ করেছিলেন, অতঃপর বলেছিলেন: সীমান্ত রক্ষীরা এমন কিছু কাজ করে যা সম্পর্কে আমি জানি না।

 

৪৭ - মুহাম্মাদ বিন আলী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে তিনি তাঁর পিতাকে জিজ্ঞাসা করেছেন: কোনো শিশুকে যখন মুসলিমরা বন্দী করে? তিনি বললেন: তাকে ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করা হবে।

আমি বললাম: যদি সে তার পিতামাতার সাথে থাকে? তিনি বললেন: আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে সীমান্ত রক্ষীরা তাকে ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করে, তবে এ বিষয়ে উত্তর প্রদান করতে আমি পছন্দ করি না।
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ২২)
قلت: إن بعض من يقول: لا يجبرون، يقول: إن عمر بن عبد العزيز فادى بصبي صغير، قَالَ: إن هذا فادى به وهو مسلم، واستشنع قول من قَالَ: لا يجبر.

 

48 - كتب إلي أحمد بن الحسين الوراق من الموصل قَالَ: حَدَّثَنَا بكر بن محمد، عن أبيه، عن أبي عبد الله، وسأله عن أهل الشرك يسبون وهم صغار، ومعهم الأم والأب؟ قَالَ: هم مع آبائهم نصارى، وإن كانوا مع أحد الأبوين فهكذا هم نصارى، فإذا لم يكن مع أبويه ولا مع أحدهما فهو مسلم.

قَالَ: عمر بن عبد العزيز فادى بصبي، ولا يعجبني أن يفادى بصبي، ولا إن كان معه أبواه، ولا نجبر أبويه لأنه إذا كان معه أبويه، أو مع أحد أبويه، يطمع أن يموت أبواه، وهو صغير، فيكون مسلما.

وأهل الثغور والأوزاعي يقولون: إذا كانوا صغارا مع آبائهم فهم مسلمون.

 

49 - أَخْبَرَنِي محمد بن أبي هارون في آخرين قالوا: حَدَّثَنَا الحسين بن ثواب، أنه قَالَ لأبي عبد الله: سألت بعض أصحاب مالك عن قوم مشركين سبوا، ومعهم أبناؤهم صغارا، ما يصنع بهم الإمام إذا ماتوا: يأمر بالصلاة عليهم، أو يجبرهم على الإسلام؟ قَالَ لي: إذا كان مع أبيه لم أجبره على الإسلام حتى يعرف الإسلام ويصفه، فإن أسلم، وإلا أجبر عليه.

قلت: لا يعقل؟ قَالَ: اضربه ما دون نفسه.
আমি বললাম: যারা বলে (শিশুদের ইসলাম গ্রহণে) বাধ্য করা যাবে না, তাদের কেউ কেউ বলে যে, উমর ইবনে আব্দুল আজিজ একটি ছোট শিশুকে মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়িয়ে এনেছিলেন। তিনি (ইমাম আহমাদ) বললেন: তিনি তাকে যখন ছাড়িয়ে এনেছিলেন তখন সে মুসলিম ছিল, আর যারা বলে (ইসলাম গ্রহণে) বাধ্য করা যাবে না তাদের বক্তব্যকে তিনি জঘন্য মনে করেছেন।

 

৪৮ - মূসেল থেকে আহমাদ ইবনুল হুসাইন আল-ওয়াররাক আমার কাছে লিখেছেন, তিনি বলেন: বকর ইবনে মুহাম্মদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু আব্দুল্লাহকে মুশরিকদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যাদেরকে বন্দী করা হয় যখন তারা শিশু থাকে এবং তাদের সাথে তাদের মা ও বাবা থাকে (তাদের অবস্থা কী হবে)? তিনি বললেন: তারা তাদের পিতামাতার সাথে থাকলে খ্রিস্টান হিসেবে গণ্য হবে, আর যদি পিতামাতার যেকোনো একজনের সাথেও থাকে তবুও তারা খ্রিস্টান। কিন্তু যদি সে তার পিতামাতার সাথে না থাকে এবং তাদের কারোর সাথেই না থাকে, তবে সে মুসলিম।

তিনি বললেন: উমর ইবনে আব্দুল আজিজ একটি শিশুকে মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়িয়েছিলেন, তবে শিশুর মুক্তিপণ দেওয়া আমার কাছে পছন্দনীয় নয়, এমনকি যদি তার সাথে পিতামাতা থাকে তবুও না। আর আমরা তার পিতামাতাকে বাধ্য করব না, কারণ যদি সে তার পিতামাতার সাথে থাকে বা তাদের একজনের সাথে থাকে, তবে আশা করা যায় যে তার পিতামাতা মারা যাবে যখন সে ছোট থাকবে, ফলে সে মুসলিম হয়ে যাবে।

আর সীমান্তরক্ষী আল-সুগুরবাসীগণ এবং আওজায়ি বলেন: যদি তারা তাদের পিতাদের সাথে ছোট অবস্থায় থাকে, তবুও তারা মুসলিম।

 

৪৯ - মুহাম্মদ ইবনে আবি হারুন এবং অন্যান্যরা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেছেন: হুসাইন ইবনে সাওয়াব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবু আব্দুল্লাহকে বলেছিলেন: আমি ইমাম মালেকের কোনো কোনো অনুসারীকে এক মুশরিক গোষ্ঠী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যাদেরকে বন্দী করা হয়েছে এবং তাদের সাথে তাদের ছোট সন্তানরা রয়েছে; ইমাম তাদের সাথে কী করবেন যদি তারা মারা যায়? তিনি কি তাদের জানাজা পড়ার নির্দেশ দেবেন, নাকি তাদের ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করবেন? তিনি আমাকে বললেন: যদি সে তার পিতার সাথে থাকে তবে আমি তাকে ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করব না যতক্ষণ না সে ইসলামকে চেনে এবং এর বর্ণনা দিতে পারে। এরপর যদি সে ইসলাম গ্রহণ করে তবে ভালো, অন্যথায় তাকে এর জন্য বাধ্য করা হবে। আমি বললাম: সে যদি বুঝতে না পারে? তিনি বললেন: তাকে প্রহার করো, তবে তা যেন তার প্রাণের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ না হয়।
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ২৩)
وإذا أخذ أطفال صغار وليس معهم آباؤهم حتى يصيروا في حيز المسلمين إلى بلدهم ثم ماتوا، صلي عليهم ودفنوا.

قلت: وسألت بعض أصحاب مالك عن رجل سبي وامرأته ومعهما صبي صغير، ما يصنع به؟ قَالَ: أدعه حتى يعقل الإسلام، فإذا عقله إما أن يسلم، وإلا السيف.

قَالَ أبو عبد الله: إن قوما يقولون: إذا سبي، وهو بين أبويه، أجبر على الإسلام، وإذا سبي، وليس معه أبواه، فمات كفن، وصلي عليه.

فتبسم، ثم ضحك أبو عبد الله وذكر قول الأوزاعي: إن كان القسم من الذي ذكره الله حيث هو، وقال مرة: حيث كان.

 

50 - أَخْبَرَنِي عبيد الله بن حنبل، قَالَ: حَدَّثَنِي أبي، قَالَ: قَالَ عمي في السبي يسبى من العدو فيموت؟ قَالَ: إذا صلى وعرف الإسلام صلي عليه، ودفن مع المسلمين، وإذا لم يسلم ويصل، لم يصل عليه.

وفي الصغير يسلم ثم يموت؟ قَالَ: يصلى عليه.

قَالَ حنبل: وحَدَّثَنَا إبراهيم بن نصر، قَالَ: حَدَّثَنَا: الأشجعي، عن سفيان، عن الربيع، عن الحسن البصري: في السبي يسبى مع أبويه فيموت؟ يصلى عليه.

 

51 - حَدَّثَنَا أبو بكر المروذي قَالَ: قلت لأبي عبد الله: إني كنت بواسط، فسألوني عن الذي يموت هو وامرأته ويدعا طفلين، ولهما عم، ما تقول فيها؟ فإنهم كتبوا إلي بالبصرة فيها، وقالوا: إنهم قد كتبوا إليك.

فقال: أكره أن أقول فيها برأيي، دعني حتى أنظر، لعل فيها عمن تقدم.

فلما كان بعد شهر عاودته، فقال:
আর যদি ছোট শিশুদের পাকড়াও করা হয় এমতাবস্থায় যে তাদের সাথে তাদের পিতামাতা নেই, যতক্ষণ না তারা মুসলিমদের ভূখণ্ডে তাদের দেশে এসে পৌঁছায়, অতঃপর তারা মারা যায়; তবে তাদের জানাজা পড়তে হবে এবং তাদের দাফন করা হবে।

আমি বললাম: আমি ইমাম মালিকের কয়েকজন অনুসারীকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম যাকে যুদ্ধবন্দি করা হয়েছে এবং তার সাথে তার স্ত্রী ও এক ছোট শিশু রয়েছে, তার সাথে কী করা হবে? তিনি বললেন: তাকে ছেড়ে দাও যতক্ষণ না সে ইসলাম অনুধাবন করতে পারে। অতঃপর যখন সে তা অনুধাবন করবে, হয় সে ইসলাম গ্রহণ করবে, নতুবা তরবারি।

আবু আব্দুল্লাহ বললেন: একদল লোক বলে, যদি কাউকে তার পিতামাতার মাঝে থাকা অবস্থায় বন্দি করা হয়, তবে তাকে ইসলামের জন্য বাধ্য করা হবে। আর যদি তাকে এমন অবস্থায় বন্দি করা হয় যে তার সাথে তার পিতামাতা নেই এবং সে মারা যায়, তবে তাকে কাফন পরানো হবে এবং তার জানাজা পড়া হবে।

অতঃপর আবু আব্দুল্লাহ মুচকি হাসলেন, এরপর তিনি অট্টহাসি দিলেন এবং আল-আওজায়ীর উক্তি উল্লেখ করলেন: যদি বণ্টন আল্লাহর পক্ষ থেকে সেই অনুযায়ী হয় যা তিনি উল্লেখ করেছেন যেখানে তিনি আছেন; এবং একবার তিনি বলেছিলেন: যেখানে তিনি ছিলেন।

 

৫০ - উবায়দুল্লাহ ইবনে হাম্বল আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার চাচা যুদ্ধবন্দি সম্পর্কে বলেছেন যাকে শত্রুপক্ষ থেকে বন্দি করা হয়েছে এবং এরপর সে মারা গেছে: যদি সে সালাত আদায় করে থাকে এবং ইসলাম সম্পর্কে অবগত হয়ে থাকে, তবে তার জানাজা পড়া হবে এবং মুসলিমদের সাথে দাফন করা হবে। আর যদি সে ইসলাম গ্রহণ না করে থাকে এবং সালাত আদায় না করে থাকে, তবে তার জানাজা পড়া হবে না।

আর সেই শিশুর ব্যাপারে যে ইসলাম গ্রহণ করে অতঃপর মারা যায়? তিনি বললেন: তার জানাজা পড়া হবে।

হাম্বল বলেন: ইব্রাহিম ইবনে নাসর আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-আশজায়ি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি আর-রবি থেকে, তিনি হাসান বসরী থেকে: এমন এক বন্দি সম্পর্কে যাকে তার পিতামাতার সাথে বন্দি করা হয়েছে অতঃপর সে মারা গেছে? তার জানাজা পড়া হবে।

 

৫১ - আবু বকর আল-মাররুজি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: আমি ওয়াসিতে ছিলাম, তখন তারা আমাকে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিল যে নিজে এবং তার স্ত্রী মারা গেছে এবং তারা দুই শিশু সন্তান রেখে গেছে, আর তাদের একজন চাচা আছে। এ বিষয়ে আপনি কী বলেন? কেননা তারা এ বিষয়ে বসরা থেকে আমার কাছে চিঠি লিখেছে এবং বলেছে যে তারা আপনার কাছেও লিখেছে।

তিনি বললেন: আমি এই বিষয়ে আমার ব্যক্তিগত রায় প্রদান করা অপছন্দ করি। আমাকে সময় দাও যতক্ষণ না আমি বিষয়টি পর্যালোচনা করি, সম্ভবত পূর্ববর্তীদের থেকে এ ব্যাপারে কোনো বর্ণনা পাওয়া যাবে। এরপর যখন এক মাস অতিবাহিত হলো, আমি পুনরায় তার নিকট আসলাম, তখন তিনি বললেন:
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ২৪)
نظرت فيها، فإذا قول النبي، صلى الله عليه وسلم: «فأبواه يهودانه وينصرانه» وهذا ليس له أبوان.

قلت: يجبر على الإسلام؟ قَالَ: نعم، هؤلاء مسلمون؛ لقول النبي، صلى الله عليه وسلم.

 

52 - وأخبرني محمد بن أبي هارون، ومحمد بن جعفر، أن أبا الحارث حدثهم في هذه المسألة، قَالَ أبو عبد الله: ولو أن صبيا له أبوان نصرانيان، فماتا وهو صغير، فكفله المسلمون، فهو مسلم.

 

53 - أَخْبَرَنِي محمد بن علي، قَالَ: حَدَّثَنَا يعقوب بن بختان، قَالَ: قَالَ أبو عبد الله: الذمي إذا مات أبوه وهو صغير، أجبر على الإسلام، وذكر الحديث: «فأبواه يهودانه وينصرانه» .

 

54 - أَخْبَرَنِي محمد بن أبي هارون أن إسحاق حدثهم، قَالَ: سألت أبا عبد الله عن النصرانيين يكون بينهما ولد فيموتان، الابن يجبر على الإسلام؟ قَالَ: نعم، يجبر على الإسلام.

 

55 - أَخْبَرَنِي محمد بن مطر، قَالَ: حَدَّثَنَا أبو طالب، أنه قَالَ: سألت أبا عبد الله عن ولد يهودي، أو نصراني مات أبواه وهو صغير؟ قَالَ: هو مسلم إذا مات أبواه.

قلت: يرث أبويه؟ قَالَ: نعم، يرثهما، ويجبر على الإسلام.

قلت: فله عم، أو أخ، أرادوا أن يأخذوه؟ قَالَ: لا يأخذونه وهو مسلم.

قلت: فمات عمه، أو أخوه، يرثه؟ قَالَ: لا.
আমি এতে দৃষ্টিপাত করলাম, সেখানে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী দেখতে পেলাম: «তার পিতা-মাতা তাকে ইহুদি বা খ্রিস্টান বানায়», অথচ এই শিশুটির তো কোনো পিতা-মাতা নেই।

আমি বললাম: তাকে কি ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করা হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, এরা মুসলিম; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণীর কারণে।

 

৫২ - মুহাম্মদ বিন আবি হারুন এবং মুহাম্মদ বিন জাফর আমাকে জানিয়েছেন যে, আবু আল-হারিস তাদের নিকট এই মাসআলাটি বর্ণনা করেছেন। আবু আব্দুল্লাহ (ইমাম আহমাদ) বলেছেন: যদি কোনো শিশুর পিতা-মাতা খ্রিস্টান হয় এবং সে ছোট থাকা অবস্থায় তারা মারা যায়, আর মুসলমানরা তার লালন-পালনের দায়িত্ব গ্রহণ করে, তবে সে মুসলিম।

 

৫৩ - মুহাম্মদ বিন আলী আমাকে জানিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াকুব বিন বাখতান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ বলেছেন: জিম্মি ব্যক্তির পিতা যদি সে ছোট থাকা অবস্থায় মারা যায়, তবে তাকে ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করা হবে। আর তিনি এই হাদিসটি উল্লেখ করেন: «তার পিতা-মাতা তাকে ইহুদি বা খ্রিস্টান বানায়»।

 

৫৪ - মুহাম্মদ বিন আবি হারুন আমাকে জানিয়েছেন যে, ইসহাক তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে সেই খ্রিস্টান দম্পতি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যাদের একটি সন্তান রয়েছে এবং তারা উভয়েই মারা গেছে, সেই ছেলেটিকে কি ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করা হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, তাকে ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করা হবে।

 

৫৫ - মুহাম্মদ বিন মাতার আমাকে জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু তালিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে ইহুদি বা খ্রিস্টান সন্তান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যার পিতা-মাতা তার শৈশবেই মারা গেছে? তিনি বললেন: যদি তার পিতা-মাতা মারা যায় তবে সে মুসলিম।

আমি বললাম: সে কি তার পিতা-মাতার উত্তরাধিকারী হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, সে তাদের মিরাস পাবে এবং তাকে ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করা হবে।

আমি বললাম: যদি তার কোনো চাচা বা ভাই থাকে যারা তাকে নিয়ে যেতে চায়? তিনি বললেন: তারা তাকে নিতে পারবে না, যেহেতু সে একজন মুসলিম।

আমি বললাম: যদি তার চাচা বা ভাই মারা যায়, সে কি তাদের উত্তরাধিকারী হবে? তিনি বললেন: না।
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ২৫)
56 - أَخْبَرَنَا عبد الله بن أحمد بن حنبل، قَالَ: قلت لأبي: اشترى رجل عبدا نصرانيا، أو يهوديا، وليس معه أبواه، يجبر على الإسلام؟ قَالَ: يعجبني ذلك إذا لم يكن معه أبواه.

 

‌‌باب الصبي يخرج من دار الشرك إلى أبويه في دار الإسلام وهما نصرانيان في دار الإسلام

 

57 - أَخْبَرَنِي محمد بن يحيى الكحال، أنه قَالَ لأبي عبد الله: الصبي يخرج إلى أبويه وهما نصرانيان؟ قَالَ: هو مسلم، قلت: فإن مات، يصلي عليه المسلمون؟ قَالَ: نعم.

 

‌‌باب الذميين يجعلون أولادهم مسلمين

 

58 - أَخْبَرَنِي عبد الكريم بن الهيثم العاقولي، قَالَ: سمعت أبا عبد الله يقول في المجوسيين يولد لهما ولد، فيقولان: هذا مسلم.

فيمكث خمس سنين ثم يتوفى؟ قَالَ: ذلك يدفنه المسلمون.

 

59 - أَخْبَرَنِي محمد بن العباس بن إبراهيم، قَالَ: حَدَّثَنَا الحسن بن عبد الوهاب، قَالَ: حَدَّثَنَا عبد الكريم بن الهيثم، قَالَ: سألت أبا عبد الله عن الصبي المجوسي يجعله أبوه وأمه مسلما ثم يموت، أين يدفن؟
৫৬ - আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বললাম: এক ব্যক্তি একজন খ্রিস্টান বা ইহুদি দাস ক্রয় করেছে এবং তার সাথে তার পিতামাতা নেই; তাকে কি ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করা হবে? তিনি বললেন: যদি তার সাথে তার পিতামাতা না থাকে, তবে তা আমার নিকট পছন্দনীয়।

 

‌‌পরিচ্ছেদ: সেই শিশু সম্পর্কে যে শিরকের ভূখণ্ড থেকে ইসলামের ভূখণ্ডে তার পিতামাতার নিকট আসে এবং তারা উভয়ে ইসলামের ভূখণ্ডে অবস্থানরত খ্রিস্টান

 

৫৭ - মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-কাহহাল আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি আবু আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞেস করেছেন: শিশুটি তার পিতামাতার কাছে ফিরে আসে অথচ তারা খ্রিস্টান? তিনি বললেন: সে মুসলিম। আমি বললাম: যদি সে মারা যায়, তবে কি মুসলিমরা তার জানাজা পড়বে? তিনি বললেন: হ্যাঁ।

 

‌‌পরিচ্ছেদ: জিম্মিরা তাদের সন্তানদের মুসলিম বানানো প্রসঙ্গে

 

৫৮ - আব্দুল কারীম ইবনুল হাইসাম আল-আকুলি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে দুই অগ্নিউপাসক দম্পতি সম্পর্কে বলতে শুনেছি যাদের একটি সন্তান জন্মগ্রহণ করে এবং তারা বলে: "এটি মুসলিম।"

সে পাঁচ বছর অতিবাহিত করার পর মারা যায়? তিনি বললেন: তাকে মুসলিমরা দাফন করবে।

 

৫৯ - মুহাম্মাদ ইবনুল আব্বাস ইবনে ইব্রাহিম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-হাসান ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল কারীম ইবনুল হাইসাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে সেই অগ্নিউপাসক শিশু সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি যাকে তার পিতা ও মাতা মুসলিম বানায় এবং এরপর সে মারা যায়, তাকে কোথায় দাফন করা হবে?
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ২৬)
قَالَ: «يهودانه وينصرانه» إن معناه: أن يدفن في مقابر المسلمين.

قَالَ أبو بكر: أحسب أن الحسن سمعها من عبد الكريم حفظا، وما سمعته أنا من عبد الكريم فهو من كتابه، والمعنى واحد، إلا أن اللفظ الذي سمعته أنا هو الصواب.

 

‌‌باب مسلم تزوج نصرانية على ما كان من ذكر فهو للرجل مسلم وما كان من أنثى فهي مشركة للمرأة

 

60 - أَخْبَرَنَا عبد الله بن أحمد، قَالَ: سألت أبي عن قوم يزوجون بناتهم من قوم على أنه ما كان من ذكر فهو للرجل مسلم، وما كان من أنثى، فهي مشركة؛ يهودية، أو نصرانية، أو مجوسية؟ .

قال: يجبر كل هؤلاء، من أبى منهم، على الإسلام؛ لأن آباءهم مسلمون؛ لحديث النبي، صلى الله عليه وسلم: «فأبواه يهودانه وينصرانه» ، يردون كلهم إلى الإسلام.
তিনি বললেন: "তারা তাকে ইয়াহুদি বানায় এবং খ্রিস্টান বানায়" - এর অর্থ হলো: তাকে যেন মুসলিমদের কবরস্থানে দাফন করা হয়।

আবু বকর বললেন: আমি মনে করি হাসান এটি আব্দুল কারিমের নিকট থেকে মুখস্থ শুনেছেন, আর আমি আব্দুল কারিমের নিকট থেকে যা শুনেছি তা তাঁর কিতাব থেকে। মূল অর্থ একই, তবে আমি যে শব্দগুলো শুনেছি তাই সঠিক।

 

‌‌পরিচ্ছেদ: একজন মুসলিম ব্যক্তির একজন খ্রিস্টান নারীকে এই শর্তে বিবাহ করা যে, যে সন্তানটি পুত্র হবে সে পুরুষের ন্যায় মুসলিম হবে এবং যে সন্তানটি কন্যা হবে সে নারীর ন্যায় মুশরিক হবে

 

৬০ - আবদুল্লাহ বিন আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমি আমার পিতাকে এমন এক দল লোক সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি যারা তাদের কন্যাদের এমন এক দলের কাছে এই শর্তে বিবাহ দেয় যে, যা কিছু পুত্র সন্তান হবে তা পুরুষের ন্যায় মুসলিম হবে এবং যা কিছু কন্যা সন্তান হবে তা নারীর ন্যায় মুশরিক হবে; অর্থাৎ ইয়াহুদি, খ্রিস্টান কিংবা অগ্নিউপাসক হবে?

তিনি বললেন: তাদের মধ্যে যারা অস্বীকার করবে, তাদের সকলকেই ইসলামের ওপর বাধ্য করা হবে; কারণ তাদের পিতারা মুসলিম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদিসের কারণে: "অতঃপর তার পিতামাতা তাকে ইয়াহুদি বানায় এবং খ্রিস্টান বানায়", তাদের সকলকেই ইসলামের দিকে ফিরিয়ে আনা হবে।
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ২৭)
‌‌باب الرجل والمرأة يسبون فيكونون عند المسلم فيولد لهما أو يزوجهما المسلم فيولد لهما في ملك سيدهما أولاد ما الحكم فيه؟

 

61 - أَخْبَرَنَا أبو بكر المروذي، أن أبا عبد الله، قَالَ: إذا ولد لهما، وهم في دار الإسلام في ملك مولاهما، لا أقول في ولدهما شيئا

 

62 - أَخْبَرَنِي محمد بن أبي هارون، ومحمد بن جعفر، قالا: حَدَّثَنَا أبو الحارث، أن أبا عبد الله سئل عن جارية نصرانية لرجل مسلم لها زوج نصراني، فولدت عنده، وماتت عند المسلم، وبقي ولدها عنده، فما يكون حكم هذا الصبي؟ قَالَ: إذا كفله المسلمون فهو مسلم.

 

‌‌باب الجارية النصرانية تكون عند المسلم حبلى من حربي أو تموت وهي عنده

 

63 - أَخْبَرَنِي جعفر بن محمد، أن يعقوب بن بختان حدثهم، أن أبا عبد الله سئل عن جارية نصرانية لقوم، فولدت عندهم ثم ماتت، ما يكون الولد؟ قَالَ: إذا كفله المسلمون، ولم يكن له من يكفله إلا هم، فهو مسلم.

قيل له: فإن مات بعد الأم بقليل؟ قَالَ: يدفنه المسلمون.

 

64 - أَخْبَرَنِي محمد بن علي، قَالَ: حَدَّثَنَا مهنا، قَالَ: سألت أحمد، عن يهودية، أو نصرانية كانت عند قوم مسلمين، وهي حبلى، فولدت عندهم، ثم ماتت بعد ما ولدت؟ قَالَ: يدفنها أهل دينها.

فقلت له: مات ولدها بعدها وهو صغير؟
পরিচ্ছেদ: পুরুষ ও নারী যুদ্ধবন্দী হওয়া এবং তারা কোনো মুসলমানের অধীনে থাকাবস্থায় তাদের সন্তান হওয়া, অথবা কোনো মুসলমান তাদের বিবাহ দেওয়া এবং তাদের মালিকের মালিকানাধীন থাকাবস্থায় তাদের সন্তান হওয়া—এক্ষেত্রে বিধান কী?

 

৬১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আল-মারওয়াযী যে, আবু আবদুল্লাহ বলেছেন: যখন তাদের সন্তান হয় এবং তারা ইসলামি ভূখণ্ডে তাদের মনিবের মালিকানাধীন থাকে, তবে আমি তাদের সন্তানের ব্যাপারে (ভিন্ন) কিছু বলছি না।

 

৬২ - আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আবি হারুন এবং মুহাম্মদ ইবনে জাফর, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট আবু আল-হারিস বর্ণনা করেছেন যে, আবু আবদুল্লাহকে জনৈক মুসলিমের মালিকানাধীন এক খ্রিস্টান দাসী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যার একজন খ্রিস্টান স্বামী রয়েছে; সে সেই মুসলিমের কাছে থাকাবস্থায় সন্তান প্রসব করেছে এবং সেখানেই মারা গিয়েছে, আর তার সন্তানটি সেই মুসলিমের কাছেই রয়ে গেছে। এই শিশুটির বিধান কী হবে? তিনি বললেন: যখন মুসলমানরা তার লালন-পালনের দায়িত্ব গ্রহণ করবে, তখন সে মুসলিম।

 

‌পরিচ্ছেদ: কোনো মুসলমানের নিকট থাকা গর্ভবতী খ্রিস্টান দাসী, যে কোনো হারবি (যুদ্ধরত কাফের) থেকে গর্ভবতী হয়েছে অথবা সে সেই মুসলমানের নিকট থাকাবস্থায় মারা যায়

 

৬৩ - আমাকে সংবাদ দিয়েছেন জাফর ইবনে মুহাম্মদ যে, ইয়াকুব ইবনে বখতান তাঁদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু আবদুল্লাহকে একদল লোকের এক খ্রিস্টান দাসী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, যে তাদের নিকট সন্তান প্রসব করে এবং পরে মারা যায়; শিশুটির অবস্থা কী হবে? তিনি বললেন: যখন মুসলমানরা তার লালন-পালনের দায়িত্ব নেবে এবং তারা ছাড়া তার আর কোনো লালন-পালনকারী থাকবে না, তখন সে মুসলিম।

তাঁকে বলা হলো: যদি সে তার মায়ের মৃত্যুর অল্প কিছুক্ষণ পর মারা যায়? তিনি বললেন: মুসলমানরা তাকে দাফন করবে।

 

৬৪ - আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আলী, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট মুহান্না বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি আহমাদকে এমন এক ইহুদি বা খ্রিস্টান নারী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি যে মুসলিমদের নিকট ছিল এবং সে গর্ভবতী ছিল; সে তাদের কাছে সন্তান প্রসব করে এবং প্রসবের পর মারা যায়? তিনি বললেন: তার ধর্মের অনুসারীরা তাকে দাফন করবে।

আমি তাকে বললাম: যদি তার সন্তান তার পরে শিশু অবস্থায় মারা যায়?
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ২৮)
قَالَ: يدفنه المسلمون.

قلت: فإن عاش ولدها بعد ما ماتت، أي شيء يكون؟ قَالَ: إذا لم يكن أحد يكلفه من أهل دين أمه يكون مسلما.

 

65 - أَخْبَرَنَا أحمد بن محمد بن مطر، قَالَ: حَدَّثَنَا أبو طالب، أنه سأل أبا عبد الله، عن أمة نصرانية ولدت من فجور، ولدها ما هو؟ قَالَ: مسلم؛ «أبواه يهودانه وينصرانه» فهذا معه أمه، فهو مسلم.

 

66 - أَخْبَرَنِي عبيد الله بن حنبل، قَالَ: حَدَّثَنِي أبي، قَالَ: سئل أبو عبد الله عن جارية نصرانية ولدت عند مسلمين، ثم ماتت، ما حال ولدها؟ قَالَ: إذا كفله المسلمون فهو مسلم، وإن مات بعد ذلك دفنه المسلمون

 

‌‌باب رجل مسلم له عبد وأمة نصرانيان فزوجهما

 

67 - أَخْبَرَنِي أحمد بن محمد بن مطر، قَالَ: حَدَّثَنَا أبو طالب، قَالَ: سألت أبا عبد الله، عن مسلم له عبد نصراني، وأمة نصرانية، فزوجهما، ما تقول في هذا الولد؟ قَالَ: يكون مع أبويه.

قلت: ولا يكون المسلم يجبره لملكه؟ قَالَ: لا، قَالَ النبي، صلى الله عليه وسلم: «فأبواه يهودانه وينصرانه» ، وهو مع أبويه، وأهل الثغر يخالفوننا.
তিনি বললেন: মুসলিমরা তাকে দাফন করবে।

আমি বললাম: যদি তার মা মারা যাওয়ার পর তার সন্তান বেঁচে থাকে, তবে সে কী হবে? তিনি বললেন: যদি তার মায়ের ধর্মের অনুসারীদের মধ্য থেকে কেউ তাকে লালন-পালনের দায়িত্ব না নেয়, তবে সে মুসলিম হবে।

 

৬৫ - আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মাতার আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু তালিব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন যে, তিনি আবু আবদুল্লাহকে এক খ্রিষ্টান দাসী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে ব্যভিচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব করেছে, তার সন্তানের হুকুম কী? তিনি বললেন: সে মুসলিম; কারণ রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "তার পিতামাতা তাকে ইহুদি বা খ্রিষ্টান বানায়", আর এক্ষেত্রে তার সাথে কেবল তার মা আছে, তাই সে মুসলিম।

 

৬৬ - উবায়দুল্লাহ ইবনে হাম্বল আমাকে জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আবদুল্লাহকে এক খ্রিষ্টান দাসী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে মুসলিমদের কাছে সন্তান প্রসব করেছে এবং এরপর সে মারা গেছে; তার সন্তানের অবস্থা কী হবে? তিনি বললেন: যদি মুসলিমরা তার লালন-পালনের দায়িত্ব নেয় তবে সে মুসলিম, আর যদি এরপর সে মারা যায় তবে মুসলিমরা তাকে দাফন করবে।

 

‌‌পরিচ্ছেদ: জনৈক মুসলিম ব্যক্তির একজন খ্রিষ্টান দাস ও খ্রিষ্টান দাসী আছে এবং সে তাদের বিয়ে দিয়ে দিল

 

৬৭ - আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মাতার আমাকে জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু তালিব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আবদুল্লাহকে এক মুসলিম ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি যার একজন খ্রিষ্টান দাস ও একজন খ্রিষ্টান দাসী রয়েছে এবং সে তাদের বিয়ে দিয়ে দিয়েছে; এই সন্তানের ব্যাপারে আপনি কী বলেন? তিনি বললেন: সে তার পিতামাতার সাথেই (তাদের ধর্মে) থাকবে।

আমি বললাম: মুসলিম মালিক কি তার মালিকানার কারণে তাকে বাধ্য করবে না? তিনি বললেন: না, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "অতঃপর তার পিতামাতা তাকে ইহুদি বা খ্রিষ্টান বানায়"। সে তার পিতামাতার সাথেই থাকবে, তবে সীমান্তবর্তী অঞ্চলের অধিবাসীরা আমাদের এ মতের বিরোধিতা করেন।
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ২৯)
68 - أَخْبَرَنِي عبد الله بن محمد، قَالَ: حَدَّثَنَا بكر بن محمد، عن أبيه، عن أبي عبد الله، وسأله عن نصرانيين مملوكين لرجل، زوج أحدهما الآخر، يكون ولدهما نصرانيا؟ قَالَ: نعم، لا يختلف أحد في هذا أنه نصراني.

 

69 - وكتب لي أحمد بن الحسين، قَالَ: حَدَّثَنَا بكر بن محمد، عن أبيه، عن أبي عبد الله، وسأله عن الروم؛ يسبون وهم صغار صبيان؟ قَالَ أبو عبد الله: الصغار على دين آبائهم، وهكذا إن كان لرجل مملوكة ومملوك نصرانيان، ثم ولد لهما ولد، وقال: هم على دين آبائهم، لأن رسول الله، صلى الله عليه وسلم، سئل، قبل أن يصاب، عن نسائهم وذرياتهم، قَالَ: «هم منهم» .

وقال: أصحاب أبي حنيفة وأهل الثغور يقولون: الصغار مسلمون، وإذا ولدوا في دار الحرب ثم سبوا فهم عندهم مسلمون، فإذا ولد لهما في دار الإسلام فهو عندهم أحرى أن يكونوا مسلمين

 

‌‌باب الصبي الذي لم يدرك من أهل الذمة وأهل الحرب يموت وهو مع أبويه أو مع أحدهما أو يخرج من أرض الحرب

 

70 - أَخْبَرَنَا أحمد بن محمد بن مطر، قَالَ: حَدَّثَنَا أبو طالب، أنه سأل أبا عبد الله عمن سبي من أطفال المشركين، يصلى عليه؟
68 - আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আমাকে অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: বকর বিন মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু আব্দুল্লাহ (ইমাম আহমাদ) থেকে বর্ণনা করেন; তাকে এক ব্যক্তির মালিকানাধীন দুইজন খ্রিষ্টান দাস-দাসী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যাদের একজনকে অন্যজনের সাথে বিবাহ দেওয়া হয়েছে, তাদের সন্তান কি খ্রিষ্টান হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, এ বিষয়ে কেউ দ্বিমত পোষণ করেন না যে সে খ্রিষ্টান।

 

69 - আহমাদ বিন আল-হুসাইন আমার নিকট লিখেছেন, তিনি বলেন: বকর বিন মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন; তাকে রোমানদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল—তাদের শিশুদের কি ছোট অবস্থায় যুদ্ধবন্দী করা যাবে? আবু আব্দুল্লাহ বললেন: শিশুরা তাদের পিতাদের ধর্মের ওপর গণ্য হবে। অনুরূপভাবে যদি কোনো ব্যক্তির একজন খ্রিষ্টান দাসী এবং একজন খ্রিষ্টান দাস থাকে, অতঃপর তাদের কোনো সন্তান জন্ম নেয়, তবে তিনি বললেন: তারা তাদের পিতামাতার ধর্মের ওপর গণ্য হবে। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে (আক্রমণের কারণে) ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পূর্বে তাদের নারী ও সন্তানদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি বলেছিলেন: "তারা তাদেরই অন্তর্ভুক্ত।"

এবং তিনি বললেন: আবু হানিফার অনুসারীগণ এবং সীমান্ত অঞ্চলের অধিবাসীগণ বলেন: শিশুরা মুসলিম। যখন তারা দারুল হারবে (শত্রু ভূখণ্ডে) জন্মগ্রহণ করে এবং পরে যুদ্ধবন্দী হয়, তখন তাদের মতে তারা মুসলিম। সুতরাং তারা যদি দারুল ইসলামে জন্মগ্রহণ করে, তবে তাদের মতে তারা মুসলিম হওয়ার অধিক যোগ্য।

 

‌‌অধ্যায়: জিম্মি ও হারবি (যুদ্ধরত কাফির) সম্প্রদায়ের অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশু যে তার পিতামাতা অথবা তাদের একজনের সাথে থাকা অবস্থায় মারা যায়, কিংবা যুদ্ধের ভূমি থেকে বের হয়ে আসে

 

70 - আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন মাতার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু তালিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবু আব্দুল্লাহকে মুশরিকদের শিশুদের মধ্য থেকে যারা যুদ্ধবন্দী হয়েছে তাদের জানাযার সালাত পড়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন।
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ৩০)
قَالَ: معه أبواه؟ قلت: نعم.

قَالَ: يخالفوني فيهما.

قلت: أليس تذهب إلى أن أبويه يهودانه، وينصرانه، لا يصلى عليه؟ قَالَ: بلى.

 

71 - أَخْبَرَنِي أبو بكر المروذي، أن أبا عبد الله قَالَ في سبي أهل الحرب: إنهم مسلمون إذا كانوا صغارا، وإن كانوا مع أحد الأبوين.

وكان يحتج بقول رسول الله، صلى الله عليه وسلم: «فأبواه يهودانه وينصرانه» .

قَالَ: وأما أهل الثغور فيقولون: إذا كان مع أبويه أنهم يجبرونه على الإسلام، ونحن لا نذهب إلى ذا، قَالَ النبي، صلى الله عليه وسلم: «فأبواه يهودانه وينصرانه» .

 

72 - أَخْبَرَنِي محمد بن هارون، أن إسحاق بن إبراهيم حدثهم، أنه قَالَ لأبي عبد الله: وكيف إن مات أحدهما؟ قَالَ: يجبر على الإسلام، لقول النبي، صلى الله عليه وسلم: «فأبواه يهودانه وينصرانه» .

 

73 - أَخْبَرَنِي عبد الملك الميموني، قَالَ: سألت أبا عبد الله، قبل الحبس، عن الصغير خرج من أرض الروم وليس معه أبواه؟ قَالَ: إذا مات صلى عليه المسلمون.
তিনি বললেন: তার সাথে কি তার পিতামাতা আছে? আমি বললাম: হ্যাঁ।

তিনি বললেন: তারা এই বিষয়ে আমার সাথে দ্বিমত পোষণ করেন।

আমি বললাম: আপনি কি এই মত পোষণ করেন না যে, তার পিতামাতা তাকে ইহুদি বানায় এবং খ্রিস্টান বানায়, ফলে তার জানাজা পড়া হবে না? তিনি বললেন: হ্যাঁ।

 

৭১ - আবু বকর আল-মাররুজি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু আব্দুল্লাহ যুদ্ধরত কাফিরদের বন্দি শিশুদের সম্পর্কে বলেছেন: তারা যখন ছোট থাকে তখন তারা মুসলিম, যদিও তারা পিতামাতার কোনো একজনের সাথে থাকে।

আর তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এই বাণীর মাধ্যমে দলিল পেশ করতেন: “অতঃপর তার পিতামাতা তাকে ইহুদি বানায় এবং খ্রিস্টান বানায়।”

তিনি বলেন: আর সীমান্ত অঞ্চলের অধিবাসীরা বলেন যে, সে যদি তার পিতামাতার সাথে থাকে তবে তাকে ইসলামের জন্য বাধ্য করা হবে। কিন্তু আমরা এই মত পোষণ করি না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “অতঃপর তার পিতামাতা তাকে ইহুদি বানায় এবং খ্রিস্টান বানায়।”

 

৭২ - মুহাম্মদ ইবনে হারুন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, ইসহাক ইবনে ইবরাহিম তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবু আব্দুল্লাহকে বলেছিলেন: যদি তাদের কোনো একজন মারা যায় তবে কী হবে? তিনি বললেন: তাকে ইসলামের জন্য বাধ্য করা হবে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এই বাণীর কারণে: “অতঃপর তার পিতামাতা তাকে ইহুদি বানায় এবং খ্রিস্টান বানায়।”

 

৭৩ - আব্দুল মালিক আল-মাইমুনি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি কারাবরণের পূর্বে আবু আব্দুল্লাহকে সেই শিশু সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে রোম ভূখণ্ড থেকে বের হয়ে এসেছে এবং তার সাথে তার পিতামাতা নেই? তিনি বললেন: সে যদি মারা যায় তবে মুসলিমরা তার জানাজা পড়বে।
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ৩১)
قلت: يكره على الإسلام؟ قَالَ: إذا كانوا صغارا يصلون عليه، أكره أن يليه إلا هم، وحكمه حكمهم قلت: فإن كان معه أبواه؟ قَالَ: إذا كان معه أبواه أو أحدهما لم يكره، ودينه على دين أبويه.

قلت: إلى أي شيء تذهب؟ إلى حديث النبي، صلى الله عليه وسلم: «كل مولود يولد على الفطرة حتى يكون أبواه» ؟ قَالَ: نعم.

قَالَ: وعمر بن عبد العزيز فادى به، قَالَ: فرده إلى بلاد الروم إلا وحكم حكمهم.

قلت: في الحديث كان معه أبواه، قَالَ: لا، وليس يتبع إلا أن يكون معه أبواه.

قَالَ عبد الملك: وسألته أيضا مرة أخرى عن الصبي يكون معه أبواه فيموت، ما حكمه؟ قَالَ: حكم والديه يلونه ويصلون عليه.

احتج بقول النبي، صلى الله عليه وسلم: «كل مولود يولد» .

قلت: فإن كان مع أحدهما؟ قَالَ: إذا كان معهما جميعا آكد.

قلت: وإن كان مع أحدهما، هل حكمه إلا حكمه معهما؟ قَالَ أبي: وإذا كان مع أحدهما.

وذكر أيضا قصة عمر بن عبد العزيز، وذكر. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . خلاف الأوزاعي فيها، قَالَ أبو عبد الله: إذا لم يكن معه والده حكمنا له بحكمنا، قَالَ عبد الملك: قَالَ لنا، وتعجب من قول أهل الثغور إذا أخذوا الصغير ومعه أبواه جميعا، كان حكمه عندهم حكم الإسلام.
আমি জিজ্ঞেস করলাম: তাকে কি ইসলাম গ্রহণ করতে বাধ্য করা হবে? তিনি বললেন: তারা যদি শিশু হয় তবে তারা (মুসলিমরা) তার জানাজা পড়বে; আমি অপছন্দ করি যে তারা (মুসলিমরা) ছাড়া অন্য কেউ তার অভিভাবকত্ব গ্রহণ করুক, আর তার বিধান তাদেরই (মুসলিমদের) বিধানের অনুরূপ।

আমি জিজ্ঞেস করলাম: যদি তার সাথে তার পিতামাতা থাকে? তিনি বললেন: যদি তার সাথে তার পিতামাতা অথবা তাদের কোনো একজন থাকে, তবে তাকে বাধ্য করা হবে না এবং তার ধর্ম তার পিতামাতার ধর্মের অনুসারী হবে।

আমি জিজ্ঞেস করলাম: আপনি কোন প্রমাণের দিকে যাচ্ছেন? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এই হাদিসের দিকে কি: "প্রত্যেক নবজাতক ফিতরাতের (স্বভাবজাত ধর্ম ইসলামের) ওপর জন্মগ্রহণ করে যতক্ষণ না তার পিতামাতা..."? তিনি বললেন: হ্যাঁ।

তিনি বললেন: আর উমর ইবনে আবদুল আজিজ তার মুক্তিপণ দিয়ে বিনিময় করেছিলেন। তিনি বললেন: অতঃপর তাকে রোমকদের ভূখণ্ডে ফেরত পাঠিয়েছিলেন এবং সে তাদেরই বিধানের অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।

আমি বললাম: হাদিসে কি তার পিতামাতা সাথে থাকার কথা ছিল? তিনি বললেন: না, আর পিতামাতা সাথে না থাকলে সে (অন্য ধর্মের) অনুসারী হয় না।

আব্দুল মালিক বলেন: আমি তাকে পুনরায় সেই শিশু সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যার সাথে তার পিতামাতা থাকে এবং সে মারা যায়, তবে তার বিধান কী? তিনি বললেন: তার পিতামাতার বিধানই তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে; তারাই তার শেষকৃত্যের দায়িত্ব নেবে এবং তারাই তার ওপর প্রার্থনা (প্রথা অনুযায়ী) করবে।

তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এই বাণী দিয়ে দলিল পেশ করলেন: "প্রত্যেক নবজাতক জন্মগ্রহণ করে..."।

আমি জিজ্ঞেস করলাম: যদি তাদের যেকোনো একজনের সাথে থাকে? তিনি বললেন: যদি তাদের উভয়ের সাথেই থাকে তবে তা অধিক সুনিশ্চিত।

আমি বললাম: যদি সে একজনের সাথে থাকে, তবে তার বিধান কি উভয়ের সাথে থাকার বিধানেরই মতো নয়? আমার পিতা বললেন: হ্যাঁ, যদি সে একজনের সাথেও থাকে।

তিনি উমর ইবনে আবদুল আজিজের ঘটনাটিও উল্লেখ করলেন এবং সেখানে ইমাম আওজায়ির মতভেদের কথা বর্ণনা করলেন। আবু আব্দুল্লাহ বললেন: যদি তার সাথে তার পিতামাতা না থাকে, তবে আমরা আমাদের বিধান (ইসলামী বিধান) অনুযায়ী তার ফয়সালা করব। আব্দুল মালিক বলেন: তিনি আমাদের নিকট সীমান্ত অঞ্চলের অধিবাসীদের বক্তব্যে বিস্ময় প্রকাশ করলেন যে, তারা যখন কোনো শিশুকে বন্দী করত এবং তার সাথে তার পিতামাতা উভয়ই থাকত, তখনও তাদের নিকট তার বিধান ইসলামের বিধান হিসেবে গণ্য হতো।
(খণ্ড: ১) আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তা কাসরাওয়ী (পৃষ্ঠা: ৩২)
ثم قلنا له: ما تقول؟ قَالَ: أي شيء أقول أنا فيها؟ واحتج بظاهر قول رسول الله، صلى الله عليه وسلم: «فأبواه يهودانه وينصرانه» فظاهر هذا عنده: أن حكم الصغير حكم أبويه.

وقد ذكر أبو عبد الله في المسألة الأولى، إذا أسلم أحد أبويه، أن بعض من يروي عن النبي، صلى الله عليه وسلم، أنه خيَّر الغلام، قَالَ له: «اختر أباك أو أمك» .

 

74 - أَخْبَرَنَا ابن حازم، أن إسحاق بن منصور حدثهم، أن أبا عبد الله قَالَ: إذا لم يكن معه أبواه فهو مسلم، قلت: لا يجبرون على الإسلام إذا كان معه أبواه أو أحدهما؟ قَالَ: نعم، قَالَ أبو بكر هذه المسألة للميموني، إنما سأل أبا عبد الله عنها قديما، ويدل قوله واحتجاجه وتوقفه على أن هذا قول له أول.

وكذلك ما حكاه عنه إذا كان مع أبويه أو أحدهما، فحكمه حكمهم، وقد روى هذه المسألة عن أبي عبد الله خلق، كلهم قَالَ: إذا كان أحد أبويه مسلما وهؤلاء النفر سمعوا من أبي عبد الله بعد الحبس، وبعضهم قبل وبعد، وبين أبو عبد الله القول فيها، والذي أذهب إليه مما اختار على ما رواه عنه الجماعة وبالله التوفيق.
এরপর আমরা তাঁকে বললাম: আপনি কী বলেন? তিনি বললেন: এ বিষয়ে আমি আর কী বলব? তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণীর বাহ্যিক অর্থের মাধ্যমে দলিল পেশ করলেন: "অতঃপর তার পিতামাতা তাকে ইহুদি বা খ্রিস্টান হিসেবে গড়ে তোলে।" সুতরাং তাঁর নিকট এর বাহ্যিক অর্থ হলো: শিশুর বিধান তার পিতামাতার বিধানের অনুরূপ হবে।

আবু আব্দুল্লাহ প্রথম মাসআলাটিতে উল্লেখ করেছেন যে, যদি পিতামাতার কোনো একজন ইসলাম গ্রহণ করেন, তবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনাকারীদের কেউ কেউ উল্লেখ করেছেন যে, তিনি বালকটিকে পছন্দ করার সুযোগ দিয়েছিলেন এবং তাকে বলেছিলেন: "তুমি তোমার বাবা অথবা তোমার মাকে বেছে নাও।"

 

৭৪ - ইবনে হাযেম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, ইসহাক ইবনে মানসুর তাঁদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আবু আব্দুল্লাহ বলেছেন: যদি তার সাথে তার পিতামাতা না থাকে, তবে সে মুসলিম হিসেবে গণ্য হবে। আমি বললাম: যদি তার সাথে তার পিতামাতা বা তাঁদের কোনো একজন থাকে, তবে কি তাদের ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করা হবে না? তিনি বললেন: হ্যাঁ। আবু বকর বলেন, এই মাসআলাটি মাইমুনির; তিনি মূলত অনেক আগে আবু আব্দুল্লাহকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তাঁর বক্তব্য, দলিল উপস্থাপন এবং সিদ্ধান্তহীনতা নির্দেশ করে যে এটি তাঁর একটি পূর্ববর্তী অভিমত।

একইভাবে তিনি তাঁর থেকে যা বর্ণনা করেছেন তা হলো, যদি সে তার পিতামাতা বা তাঁদের কোনো একজনের সাথে থাকে, তবে তার বিধান তাঁদের বিধানের মতোই হবে। এক বিশাল জনগোষ্ঠী আবু আব্দুল্লাহ থেকে এই মাসআলাটি বর্ণনা করেছেন, তাঁরা সকলেই বলেছেন: যখন তার পিতামাতার কোনো একজন মুসলিম হন। আর এই ব্যক্তিবর্গ কারাবন্দী হওয়ার পর আবু আব্দুল্লাহ থেকে শুনেছেন, আবার তাঁদের কেউ কেউ কারাবাসের আগে এবং পরে শুনেছেন। আবু আব্দুল্লাহ এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য স্পষ্ট করেছেন। একদল বর্ণনাকারী তাঁর থেকে যা বর্ণনা করেছেন, তার মধ্য থেকে আমি যা বেছে নিয়েছি সেটিই আমার অভিমত। আর আল্লাহর তৌফিক দিয়েই সব সম্পন্ন হয়।