(খণ্ড: ১)
নুসখাতু ইব্রাহীম ইবনু সাদ - যিমনা মাজমুইল ফাওয়াইদ লিবনি মানদাহ
(পৃষ্ঠা: -)
نسخة إبراهيم بن سعد - ضمن مجموع الفوائد لابن منده القسم: كتب السنة
الكتاب: نسخة إبراهيم بن سعد
(ضمن مجموع طُبع باسم «الفوائد لابن منده»!!)
المؤلف: إبراهيم بن سعد بن إبراهيم بن عبد الرحمن بن عوف، أبو إسحاق الزهري (ت 184 هـ)
تحقيق: خَلاف محمود عبد السميع
الناشر: دار الكتب العلمية، بيروت - لبنان
الطبعة: الأولى، 1423 هـ - 2002 م
عدد الصفحات: 103
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইবরাহীম বিন সা'দ-এর নুসখাহ - ইবনে মানদাহ-এর আল-ফাওয়াইদ সংকলনের অন্তর্ভুক্ত বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: ইবরাহীম বিন সা'দ-এর নুসখাহ
(«ইবনে মানদাহ-এর আল-ফাওয়াইদ» নামে মুদ্রিত একটি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত!!)
লেখক: ইবরাহীম বিন সা'দ বিন ইবরাহীম বিন আব্দুর রহমান বিন আউফ, আবু ইসহাক আয-যুহরী (ওফাত ১৮৪ হিজরি)
সম্পাদনা: খালাফ মাহমুদ আব্দুস সামী
প্রকাশক: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত - লেবানন
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৩ হিজরি - ২০০২ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১০৩
[কিতাবটির পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামিলা-তে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু ইব্রাহীম ইবনু সাদ - যিমনা মাজমুইল ফাওয়াইদ লিবনি মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ৮১)
الجزء فيه نسخة إبراهيم بن سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بن عَبْدِ الرَّحْمَنِ بن عوف الزهري، رحمه الله تعالى رواية أبي صالح، كاتب الليث، وَهُوَ عَبْد اللَّهِ بن صالح المصري، عَنْهُ.
رواية أبي الحسن محمد بن عبد السلام بن أبي السوار السراج، عَنْهُ.
رواية أبي محمد الحسن بن رشيق العسكري، عَنْهُ.
رواية أبي الحسن بن ربيعة بن علي البزاز، عَنْهُ.
رواية أبي صادق مرشد بن يحيى بن القاسم المديني، عَنْهُ.
رواية أبي القاسم هبة الله بن علي بن سعود البوصيري، عَنْهُ.
رواية أبي عيسى عَبْد اللَّهِ بن عبد الواحد بن محمد بن علاق، عَنْهُ.
رواية أبي الفتح محمد بن محمد الميدومي، وعبد العزيز بن محمد بن أبي بكر الحموي.
এই জুয-এ ইবরাহীম ইবনে সা’দ ইবনে ইবরাহীম ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আউফ আল-জুহরী (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন)-এর পাণ্ডুলিপি রয়েছে; এটি তাঁর থেকে লাইসের লেখক আবু সালেহ—যিনি আবদুল্লাহ ইবনে সালেহ আল-মিসরী—এর বর্ণনা।
তাঁর থেকে আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনে আবদুস সালাম ইবনে আবিস সাওয়ার আস-সাররাজ-এর বর্ণনা।
তাঁর থেকে আবু মুহাম্মদ হাসান ইবনে রাশিকে আল-আসকারী-এর বর্ণনা।
তাঁর থেকে আবুল হাসান ইবনে রাবীআ ইবনে আলী আল-বাযযায-এর বর্ণনা।
তাঁর থেকে আবু সাদিক মুরশিদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আল-কাসিম আল-মাদিনী-এর বর্ণনা।
তাঁর থেকে আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে আলী ইবনে সউদ আল-বুসিরী-এর বর্ণনা।
তাঁর থেকে আবু ঈসা আবদুল্লাহ ইবনে আবদুল ওয়াহিদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল্লাক-এর বর্ণনা।
আবুল ফাতহ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-মাইদুমী এবং আবদুল আযীয ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর আল-হামাভী-এর বর্ণনা।
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু ইব্রাহীম ইবনু সাদ - যিমনা মাজমুইল ফাওয়াইদ লিবনি মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ৮২)
بسم الله الرحمن الرحيم رب أعن ويسر يا كريم
أخبرتنا المسندة المنيرة هاجر بنت الخطيب شرف الدين محمد بن محمد بن أبي بكر بن عبد العزيز المقدسي، بقراءتي عليها، فِي سنة. . . .، وأبو الفتح محمد بن عُمَرَ بن أبي بكر الشرابيشي، إجازة مكاتبة. .، قَالا: أنا المشايخ: حافظ العصر الزين العراقي عبد الرحيم بن الحسين والحافظ أبو الحسن علي بن أبي بكر بن سليمان الهيثمي، والعلامة أبو إسحاق إبراهيم بن موسى بن أيوب الأبناسي، والمسندان أبو الفرج عَبْد الرَّحْمَنِ بن أحمد بن المبارك المقدسي عرف بابن الشيخة وأبو المعالي عَبْد اللَّهِ بن عُمَرَ بن علي الحلاوي الأزهري، قَالَ الثاني: سماعا عليهم، وقالت الأولى: إجازة، إن لم يكن سماعا، ولو على بعضهم، قَالَ العراقي: والاثنان بعده، أنا أبو الفتح محمد بن محمد بن إِبْرَاهِيمَ الميدومي سماعا، إلا الأبناسي، فأجازه، وقَالَ المقدسي: أخبرتنا فاطمة بنت محمد بن محمد بن جبريل الدربندي، وقَالَ الحلاوي: أخبرتنا عائشة بنت علي بن عُمَرَ الصنهاجي.
قَالَ الشرابيشي: وأخبرنا الحافظ أبو محمد عَبْد اللَّهِ بن محمد بن خليل المكي، أنا عبد العزيز بن عُمَرَ بن أبي بكر الحموي سنة 719.
وأنبأنا به عاليا المسند الكبير أبو العباس أحمد بن محمد الواسطي المقدسي، إجازة مشافهة، أنا أبو الفتح الميدومي سماعا، قَالَ الأربعة أنا أبو عيسى عَبْد اللَّهِ بن عبد الواحد بن علاق سماعا، إلا عائشة، فقالت: حضورا.
قَالَ: أنا أَبُو الْقَاسِمِ هبة الله بن علي بن مسعود البوصيري، فِي ذي القعدة سنة 516، قَالَ: أنا أبو الحسن علي بن ربيعة بن علي بن ربيعة التيمي البزاز، فِي المحرم سنة 445 بمصر، أنا أبو محمد الحسن بن رشيق العسكري، فِي شعبان سنة 266 هـ، أنا أبو الحسن محمد بن عبد السلام بن أبي السوار السراج، فِي شعبان سنة 296 ثنا أَبُو صَالِحٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ كَاتِبُ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ الْمِصْرِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْد الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، سَمِعْتُ أَبِي سَعْدَ بْنَ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، يُحَدِّثُ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، أَنَّهُ قَالَ: «لَعَنَ رَسُولُ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। হে দয়াবান রব, আমার সাহায্য করুন এবং সহজ করে দিন।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিদুষী বর্ণনাকারী (মুসনিদাহ) হাজার বিনতে খতিব শরাফউদ্দিন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর ইবনে আবদুল আজিজ আল-মাকদিসি, তাঁর নিকট আমার পাঠ করার মাধ্যমে, . . . . সালে; এবং আবুল ফাতহ মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে আবু বকর আশ-শারাবিশি, লিখিত অনুমতির মাধ্যমে। তাঁরা উভয়ই বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খগণ: সমকালের হাফিজ জাইনুল ইরাকি আবদুর রহিম ইবনে আল-হুসাইন, হাফিজ আবুল হাসান আলি ইবনে আবু বকর ইবনে সুলাইমান আল-হাইসামি, আল্লামা আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে মুসা ইবনে আইয়ুব আল-আবনাসি এবং দুই মুসনিদ (বর্ণনাকারী) আবুল ফরাজ আবদুর রহমান ইবনে আহমাদ ইবনে আল-মুবারক আল-মাকদিসি—যিনি ইবনে আশ-শায়খাহ নামে পরিচিত—এবং আবুল মায়ালি আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে আলি আল-হালাবি আল-আজহারি। দ্বিতীয়জন (শারাবিশি) বলেছেন: তাঁদের নিকট শ্রবণ করার মাধ্যমে; এবং প্রথমজন (হাজার) বলেছেন: অনুমতির মাধ্যমে, যদি শ্রবণ করার মাধ্যমে না হয়ে থাকে, যদিও তা কেবল কয়েকজনের ক্ষেত্রে হয়। আল-ইরাকি এবং তাঁর পরবর্তী দুইজন বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আল-মাইদুমি শ্রবণ করার মাধ্যমে, কেবল আল-আবনাসি ব্যতীত, তাঁকে তিনি অনুমতি দিয়েছেন। আল-মাকদিসি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফাতিমা বিনতে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জিবরিল আদ-দারবান্দি; এবং আল-হালাবি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আইশা বিনতে আলি ইবনে উমর আস-সিনহাজি।
আশ-শারাবিশি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফিজ আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে খলিল আল-মাক্কি, (তিনি বলেন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল আজিজ ইবনে উমর ইবনে আবু বকর আল-হামাউয়ি ৭১৯ হিজরিতে।
এবং উচ্চ সনদে এটি আমাদের অবহিত করেছেন প্রখ্যাত বর্ণনাকারী আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ আল-ওয়াসিতি আল-মাকদিসি, মৌখিক অনুমতির মাধ্যমে; (তিনি বলেন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ আল-মাইদুমি শ্রবণ করার মাধ্যমে। তাঁরা চারজনই বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ঈসা আবদুল্লাহ ইবনে আবদুল ওয়াহিদ ইবনে আল্লাক শ্রবণ করার মাধ্যমে, কেবল আইশা ব্যতীত, তিনি উপস্থিত থাকার কথা বলেছেন।
তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে আলি ইবনে মাসুদ আল-বুসিরি, ৫১৬ হিজরির জিলকদ মাসে; তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলি ইবনে রাবিয়া ইবনে আলি ইবনে রাবিয়া আত-তাইমি আল-বাজজায, ৪৪৫ হিজরির মহররম মাসে মিসরে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে রাশিখ আল-আসকারি, ২৬৬ হিজরি সালের শাবান মাসে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনে আবদুস সালাম ইবনে আবুস সাওয়ার আস-সাররাজ, ২৯৬ হিজরি সালের শাবান মাসে; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ আবদুল্লাহ ইবনে সালিহ, যিনি লাইস ইবনে সাদ আল-মিসরির লেখক ছিলেন; তিনি বলেছেন: আমার কাছে বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে সাদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আউফ, আমি আমার পিতা সাদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আবদুর রহমানকে সাঈদ ইবনে আল-মুসায়্যিব থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন: «রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) লানত করেছেন...
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু ইব্রাহীম ইবনু সাদ - যিমনা মাজমুইল ফাওয়াইদ লিবনি মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ৮৩)
اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كُلَّ رَجُلٍ أُخَيْمَرٍ» .
قَالَ الْحَافِظُ أَبُو الْقَاسِمِ التُّجِيبِيُّ: لَعَلَّهُ اخْتَمَرَ، أَيْ: تَشَبَّهَ بِالنِّسَاءِ، يَعْنِي: بِلِبَاسِهِ الْخِمَارَ
2 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْد الرَّحْمَنِ، أَنَّهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«جِدَالٌ فِي الْقُرْآنِ كُفْرٌ»3 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّهُ قَالَ: «رَأَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
فِي يَدِ رَجُلٍ خَاتَمًا مِنْ ذَهَبٍ فَضَرَبَ إِصْبَعَهُ حَتَّى رَمَى بِهِ»4 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ الزُّهْرِيِّ، أَنَّهُ قَالَ: «كَانَ أَصْحَابُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم،
يَتَخَلَّقُونَ، وَلا يَرَوْنَ بِالْخَلُوقِ بَأْسًا»5 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّهُ قَالَ: «رَأَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
عَلَى أُمِّ سَلَمَةَ قُرْطَيْنِ مِنْ ذَهَبٍ، فَأَعْرَضَ عَنْهَا حَتَّى رَمَتْ بِهِمَا»6 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّهُ قَالَ: سَمِعْتُ سَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ
لَمَّا مَاتَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ، يَقُولُ: «وَاجَبَلاهُ»7 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ قَالَ: كَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ
«يَكْرَهُ أَنْ يُدَاوَى الدُّبُرُ بِالْخَمْرِ»8 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّهُ قَالَ: كَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، وَزَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ:
«إِذَا أَدْرَكَا الإِمَامَ وَهُوَ رَاكِعٌ كَبَّرَا تَكْبِيرَةً وَاحِدَةً، يَرْكَعَانِ بِهَا بِتِلْكَ التَّكْبِيرَةِ الْوَاحِدَةِ»
9 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ خَالَتِهِ ابْنَةِ سَعْدِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّهَا قَالَتْ: سُئِلَ سَعْدُ بْنُ أَبِي وَقَّاصٍ عَنْ شَيْءٍ، فَاسْتَعْجَمَ، فَقِيلَ لَهُ فِي ذَلِكَ،
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক ক্ষুদ্র লাল বর্ণের ব্যক্তিকে।
হাফেজ আবু আল-কাসিম আত-তুজিবি বলেন: সম্ভবত সে ওড়না পরিধান করেছে, অর্থাৎ: সে মহিলাদের সদৃশ হয়েছে, যার অর্থ: তার মাথায় ওড়না বা খিমার পরিধান করার মাধ্যমে।
২ - আমাদের নিকট আবু সালেহ হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমার নিকট ইব্রাহিম বিন সাদ হাদিস বর্ণনা করেছেন তার পিতা থেকে, তিনি হুমাইদ বিন আবদুর রহমান থেকে, তিনি আবু সালামাহ বিন আবদুর রহমান থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«কুরআন নিয়ে বিতর্ক করা কুফরি»৩ - আমাদের নিকট আবু সালেহ হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমার নিকট ইব্রাহিম বিন সাদ ইবনে শিহাব থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন:
«রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তির হাতে একটি স্বর্ণের আংটি দেখলেন, তখন তিনি তার আঙুলে আঘাত করলেন যতক্ষণ না তিনি তা ফেলে দিলেন»৪ - আমাদের নিকট আবু সালেহ হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমার নিকট ইব্রাহিম বিন সাদ বিন ইব্রাহিম ইবনে শিহাব আজ-জুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন:
«রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীগণ সুগন্ধি (খালুক) ব্যবহার করতেন এবং তারা খালুক ব্যবহারে কোনো দোষ মনে করতেন না»৫ - আমাদের নিকট আবু সালেহ হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমার নিকট ইব্রাহিম বিন সাদ ইবনে শিহাব থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন:
«রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মে সালামাহর কানে স্বর্ণের দুটি দুল দেখলেন, তখন তিনি তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন যতক্ষণ না তিনি সেগুলো ফেলে দিলেন»৬ - আমাদের নিকট আবু সালেহ হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমার নিকট ইব্রাহিম বিন সাদ তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: আমি সাদ বিন আবি ওয়াক্কাসকে বলতে শুনেছি যখন আবদুর রহমান বিন আউফ মারা গেলেন, তিনি বলছিলেন:
«হায় আমার আশ্রয়স্থল বা বড় পাহাড়!»৭ - আমাদের নিকট আবু সালেহ হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমার নিকট ইব্রাহিম বিন সাদ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বিন উমর
«মলদ্বারে মদ দ্বারা চিকিৎসা করা অপছন্দ করতেন»৮ - আমাদের নিকট আবু সালেহ হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমার নিকট ইব্রাহিম বিন সাদ ইবনে শিহাব থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বিন উমর এবং জায়েদ বিন সাবিত:
«যখন তারা ইমামকে রুকু অবস্থায় পেতেন, তখন একটি তাকবীর দিতেন এবং সেই একটি তাকবীরের মাধ্যমেই তারা রুকু করতেন»৯ - আমাদের নিকট আবু সালেহ হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমার নিকট ইব্রাহিম বিন সাদ তার পিতা থেকে, তিনি তার খালা সাদ বিন মালিকের কন্যা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: সাদ বিন আবি ওয়াক্কাসকে কোনো একটি বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলো, তখন তিনি তা অস্পষ্ট রাখলেন, তখন তাকে সেই বিষয়ে বলা হলো,
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু ইব্রাহীম ইবনু সাদ - যিমনা মাজমুইল ফাওয়াইদ লিবনি মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ৮৪)
فَقَالَ
«إِنِّي أَكْرَهُ أَنْ أُحَدِّثَكُمْ حَدِيثًا فَتَجْعَلُوهُ مِائَةَ حَدِيثٍ»10 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عُمَرَ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«نَفْسُ الْمُؤْمِنِ مُعَلَّقَةٌ بِدَيْنِهِ حَتَّى يُقْضَى عَنْهُ»11 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ اللَّيْثِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ النَّاسُ: " يَا رَسُولَ اللَّهِ،
هَلْ نَرَى رَبَّنَا؟ قَالَ: فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: هَلْ تُضَارُّونَ فِي الشَّمْسِ لَيْسَ دُونَهَا سَحَابٌ؟ هَلْ تُضَارُّونَ فِي الْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ؟ .
قَالُوا: لا، قَالَ: فَكَذَلِكَ تَرَوْنَهُ، يَجْمَعُ اللَّهُ النَّاسَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، فَيَقُولُ: مَنْ كَانَ يَعْبُدُ شَيْئًا فَلْيَتْبَعْهُ، فَيَتْبَعُ مَنْ يَعْبُدُ الشَّمْسَ الشَّمْسَ، وَيَتْبَعُ مَنْ يَعْبُدُ الْقَمَرَ الْقَمَرَ، وَيَتْبَعُ مَنْ يَعْبُدُ الطَّوَاغِيتَ الطَّوَاغِيتَ، وَتَبْقَى هَذِهِ الأُمَّةُ فِيهَا شَافِعُوهَا، أَوْ مُنَافِقُوهَا، فَيَأْتِيهِمُ اللَّهُ فِي صُورَةٍ غَيْرِ صُورَتِهِ الَّتِي يَعْرِفُونَ، فَيَقُولُ: أَنَا رَبُّكُمْ، فَيَقُولُونَ: نَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْكَ، هَذَا مَكَانُنَا حَتَّى يَأْتِيَنَا رَبُّنَا، فَإِذَا جَاءَ رَبُّنَا عَرَفْنَاهُ.
فَيَأْتِيهِمُ اللَّهُ فِي الصُّورَةِ الَّتِي يَعْرِفُونَ، فَيَقُولُ: أَنَا رَبُّكُمْ.
فَيَقُولُونَ: أَنْتَ رَبُّنَا.
فَيَتْبَعُونَ، فَيُضْرَبُ الصِّرَاطُ بَيْنَ ظَهْرَانِيِّ جَهَنَّمَ، فَأَكُونُ أَنَا وَأُمَّتِي أَوَّلَ مِنْ يُجِيزُ، وَلا يَتَكَلَّمُ يَوْمَئِذٍ إِلا الرُّسُلُ، وَدَعْوَى الرُّسُلِ يَوْمَئِذٍ: اللَّهُمَّ سَلِّمْ سَلِّمْ، وَفِي جَهَنَّمَ كَلالِيبُ كَشَوْكِ السَّعْدَانِ، هَلْ رَأَيْتُمُ السَّعْدَانَ؟ قَالُوا: نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: فَإِنَّهُ مِثْلُ شَوْكِ السَّعْدَانِ، غَيْرَ أَنَّهُ لا يُدْرِكُ قَدْرَ عِظَمِهَا إِلا اللَّهُ، فَتَخْطَفُ النَّاسَ بِأَعْمَالِهِمْ، فَمِنْهُمُ الْمُوَثَّقُ بِعَمَلِهِ، وَمِنْهُمُ الْمُخَرْدَلُ، أَوْ كَلِمَةٌ شَبَهُهَا، ثُمَّ يُنَجِّي، فَإِذَا أَرَادَ اللَّهُ أَنْ يُخْرِجَ مِنَ النَّارِ بِرَحْمَتِهِ مَنْ شَاءَ، أَمَرَ الْمَلائِكَةَ أَنْ يُخْرِجُوا مِنَ النَّارِ مَنْ كَانَ لا يُشْرِكُ بِاللَّهِ شَيْئًا، مِمَّنْ يَقُولُ: لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، فَمَنْ أَرَادَ أَنْ يَرْحَمَهُ، فَيَعْرِفُونَهُمْ فِي النَّارِ بِأَثَرِ السُّجُودِ، حَرَّمَ اللَّهُ عَلَى النَّارِ أَنْ تَأْكُلَ أَثَرَ السُّجُودِ، فَيُخْرِجُونَهُمْ مِنَ النَّارِ قَدِ امْتُحِشُوا، فَيُصَبُّ عَلَيْهِمْ مَاءُ الْحَيَاةِ فَيَنْبُتُونَ تَحْتَهُ كَمَا تَنْبُتُ الْحَبَّةُ فِي حَمِيلِ السَّيْلِ، وَيَبْقَى رَجُلٌ مُقْبِلٌ بِوَجْهِهِ إِلَى النَّارِ، فَيَقُولُ: أَيْ رَبِّ، اصْرِفْ وَجْهِي عَنِ النَّارِ، فَقَدْ
অতঃপর তিনি বললেন
«আমি তোমাদের নিকট কোনো হাদিস বর্ণনা করা অপছন্দ করি, যার ফলে তোমরা তাকে একশত হাদিসে রূপান্তর করবে»১০ - আবু সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম ইবনে সা'দ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি উমর ইবনে আবি সালামাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
«মুমিনের প্রাণ তার ঋণের সাথে ঝুলে থাকে, যতক্ষণ না তা তার পক্ষ থেকে পরিশোধ করা হয়»১১ - আবু সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম ইবনে সা'দ ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াজিদ আল-লাইসি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, লোকেরা জিজ্ঞেস করল: "হে আল্লাহর রাসূল,
আমরা কি আমাদের রবকে দেখতে পাব? তিনি বললেন: রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন: মেঘমুক্ত আকাশে সূর্য দেখার ব্যাপারে তোমাদের কি কোনো সংশয় হয়? পূর্ণিমার রাতে চাঁদ দেখার ব্যাপারে তোমাদের কি কোনো সংশয় হয়?"
তারা বলল: না। তিনি বললেন: "অনুরূপভাবেই তোমরা তাঁকে দেখতে পাবে। কিয়ামতের দিন আল্লাহ সকল মানুষকে একত্রিত করবেন এবং বলবেন: যে যার ইবাদত করত সে যেন তাকেই অনুসরণ করে। ফলে যারা সূর্যের ইবাদত করত তারা সূর্যের অনুসরণ করবে, যারা চাঁদের ইবাদত করত তারা চাঁদের অনুসরণ করবে, আর যারা তাগুতগণের ইবাদত করত তারা তাগুতগণের অনুসরণ করবে। আর এই উম্মত অবশিষ্ট থাকবে, যাদের মধ্যে তাদের শাফায়াতকারীগণ (বা মুনাফিকরা) থাকবে। অতঃপর আল্লাহ তাদের নিকট এমন এক আকৃতিতে আসবেন যা তাদের পরিচিত আকৃতির ভিন্ন। তিনি বলবেন: আমি তোমাদের রব। তারা বলবে: আমরা আপনার থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই। আমাদের রব আমাদের নিকট না আসা পর্যন্ত আমরা এই স্থানেই থাকব। যখন আমাদের রব আমাদের নিকট আসবেন, তখন আমরা তাঁকে চিনতে পারব।
অতঃপর আল্লাহ তাদের নিকট সেই আকৃতিতে আসবেন যা তারা চেনে এবং বলবেন: আমি তোমাদের রব।
তারা বলবে: আপনিই আমাদের রব।
অতঃপর তারা তাঁর অনুসরণ করবে। জাহান্নামের মাঝ বরাবর সিরাত (পুল) স্থাপন করা হবে। আমি এবং আমার উম্মতই হব প্রথম যারা তা অতিক্রম করবে। সেদিন রাসূলগণ ব্যতীত কেউ কথা বলবে না। আর সেদিন রাসূলগণের দোয়া হবে: হে আল্লাহ, নিরাপদ রাখুন, নিরাপদ রাখুন। জাহান্নামে সা'দান উদ্ভিদের কাঁটার ন্যায় অনেক আকশি থাকবে। তোমরা কি সা'দান দেখেছ? তারা বলল: হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল। তিনি বললেন: সেগুলো সা'দান কাঁটার মতোই হবে, তবে তার বিশালত্ব আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না। তা মানুষকে তাদের আমল অনুযায়ী ছিনিয়ে নেবে। তাদের মধ্যে কেউ তার কর্মের কারণে ধ্বংস হবে, কেউ হবে ছিন্নভিন্ন, অতঃপর মুক্তি পাবে। অবশেষে আল্লাহ যখন তাঁর রহমতে জাহান্নাম থেকে যাকে ইচ্ছা বের করার ইচ্ছা করবেন, তখন ফেরেশতাদের নির্দেশ দেবেন যেন তারা জাহান্নাম থেকে তাদের বের করে আনে যারা আল্লাহর সাথে কোনো কিছু শরিক করত না, অর্থাৎ যারা 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলত। আল্লাহ যাদের প্রতি দয়া করতে চাইবেন, ফেরেশতারা জাহান্নামে সিজদার চিহ্নের মাধ্যমে তাদের চিনতে পারবে। আল্লাহ জাহান্নামের আগুনের জন্য সিজদার চিহ্ন ভক্ষণ করা হারাম করে দিয়েছেন। তারা তাদের জাহান্নাম থেকে এমন অবস্থায় বের করে আনবে যে তারা পুড়ে কয়লা হয়ে গিয়েছিল। অতঃপর তাদের ওপর 'মাউল হায়াত' ( সঞ্জীবনী পানি) ঢেলে দেওয়া হবে। ফলে তারা তার নিচে এমনভাবে সজীব হয়ে উঠবে যেমন স্রোতের পলিতে বীজ অঙ্কুরিত হয়। এরপর এক ব্যক্তি অবশিষ্ট থাকবে যার মুখমণ্ডল জাহান্নামের দিকে ফিরে থাকবে। সে বলবে: হে আমার রব, জাহান্নাম থেকে আমার মুখটি ফিরিয়ে দিন, কেননা...
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু ইব্রাহীম ইবনু সাদ - যিমনা মাজমুইল ফাওয়াইদ লিবনি মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ৮৫)
قَشَبَنِي رِيحُهَا وَأَحْرَقَنِي ذُكَاؤُهَا، فَيَدْعُو مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ يَدْعُوَ، فَيَقُولُ: هَلْ عَسَيْتَ إِنْ أُعْطِيتَ ذَلِكَ أَنْ تَسْأَلَ غَيْرَهُ؟ فَيَقُولُ: لا وَعِزَّتِكَ.
فَيُعْطِي رَبَّهُ مَا شَاءَ مِنْ عُهُودٍ وَمَوَاثِيقَ، فَيَصْرِفُ اللَّهُ وَجْهَهُ عَنِ النَّارِ، فَيَسْكُتُ مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ يَسْكُتَ، ثُمَّ يَقُولُ: أَيْ رَبِّ، قَرِّبْنِي إِلَى بَابِ الْجَنَّةِ، فَيَقُولُ: قَدْ أَعْطَيْتَ عُهُودَكَ وَمَوَاثِيقَكَ أَنْ لا تَسْأَلَ غَيْرَ مَا أُعْطِيتَ، وَيْلَكَ ابْنَ آدَمَ، مَا أَغْيَرَكَ.
فَلا يَزَالُ يَدْعُو، حَتَّى يَقُولُ: هَلْ عَسَيْتَ إِنْ أُعْطِيتَ أَنْ تَسْأَلَ غَيْرَهُ؟ فَيَقُولُ: لا وَعِزَّتِكَ لا أَسْأَلُكَ غَيْرَهُ، فَيُعْطِي رَبَّهُ مِنْ عُهُودٍ وَمَوَاثِيقَ مَا شَاءَ اللَّهُ، ثُمَّ يُقَدِّمُهُ إِلَى بَابِ الْجَنَّةِ، فَإِذَا قَامَ عَلَى بَابِ الْجَنَّةِ انْفَهَقَتْ لَهُ الْجَنَّةُ، فَرَأَى مَا فِيهَا مِنَ الْحَبْرَةِ وَالسُّرُورِ، فَيَسْكُتُ مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ يَسْكُتَ، ثُمَّ يَقُولُ: أَيْ رَبِّ، أَدْخِلْنِي الْجَنَّةَ.
فَيَقُولُ: وَيْلَكَ ابْنَ آدَمَ مَا أَغْدَرَكَ، أَلْم تُعْطِ عُهُودَكَ وَمَوَاثِيقَكَ أَنْ لا تَسْأَلَنِي غَيْرَ مَا أُعْطِيتَ؟ فَيَقُولُ: أَيْ رَبِّ، لا أَكُونُ أَشْقَى خَلْقِكَ، فَلا يَزَالُ يَدْعُو اللَّهَ عز وجل، حَتَّى يَضْحَكَ اللَّهُ عز وجل مِنْهُ، فَإِذَا ضَحِكَ اللَّهُ عز وجل مِنْهُ، قَالَ لَهُ: ادْخُلِ الْجَنَّةَ، فَإِذَا أَدْخَلَهُ الْجَنَّةَ، قَالَ اللَّهُ لَهُ: تَمَّنَهْ.
فَيَتَمَنَّى، حَتَّى أَنَّ اللَّهَ لَيُذَكِّرَهُ، فَيَقُولُ: تَمَنَّ كَذَا وَكَذَا.
فَإِذَا انْقَطَعَتْ بِهِ الأَمَانِيُّ، قَالَ اللَّهُ: ذَلِكَ لَكَ، وَمِثْلُهُ مَعَهُ ".
قَالَ عَطَاءُ بْنُ يَزِيدَ: قَالَ أَبُو سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، وَهُوَ مَعَ أَبِي هُرَيْرَةَ يُحَدِّثُ هَذَا الْحَدِيثَ، لا يَرُدُّ عَلَيْهِ شَيْئًا مِنْ حَدِيثِهِ، حَتَّى إِذَا قَالَ: ذَلِكَ: فَلَكَ وَمِثْلُهُ مَعَهُ ".
قَالَ أَبُو سَعِيدٍ: أَشْهَدُ، لَحَفِظْتُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «ذَلِكَ لَكَ وَعَشْرَةُ أَمْثَالِهِ مَعَهُ» ، قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: وَذَلِكَ آخِرُ أَهْلِ الْجَنَّةِ دُخُولا الْجَنَّةَ "
1406 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«إِذَا رَأَيْتُمُ الْهِلالَ فَصُومُوا، وَإِذَا رَأَيْتُمُوهُ فَأَفْطِرُوا، فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَاقْدُرُوا لَهُ» .
وَقَالَ سَالِمٌ: كَانَ عَبْدُ اللَّهِ يَصُومُ قَبْلَ الْهِلالِ بِيَوْمٍ
1407 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، ثنا إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا رَأَيْتُمُ الْهِلالَ فَصُومُوا،
এর গন্ধ আমাকে বিষিয়ে দিয়েছে এবং এর উত্তাপ আমাকে পুড়িয়ে দিয়েছে। সে তখন আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে থাকে যতক্ষণ আল্লাহ চান। তখন আল্লাহ বলেন: তোমাকে যদি এটি দান করা হয়, তবে কি তুমি অন্য কিছু চাইবে? সে বলে: না, আপনার মর্যাদার শপথ।
অতঃপর সে তার রবকে আল্লাহ যা চান তেমন অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি দেয়। তখন আল্লাহ তার চেহারা জাহান্নাম থেকে ফিরিয়ে দেন। এরপর সে আল্লাহ যা চান ততক্ষণ চুপ থাকে। অতঃপর সে বলে: হে আমার রব, আমাকে জান্নাতের দরজার নিকটবর্তী করে দিন। তখন আল্লাহ বলেন: তুমি কি এই মর্মে অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি দাওনি যে, যা তোমাকে দেওয়া হয়েছে তা ছাড়া তুমি আর কিছু চাইবে না? ওহে আদম সন্তান, তোমার জন্য আক্ষেপ! তুমি কতই না প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী।
সে অনবরত প্রার্থনা করতে থাকে, এমনকি আল্লাহ বলেন: সম্ভবত আমি তোমাকে এটি দিলে তুমি অন্য কিছু চাইবে? সে বলে: না, আপনার মর্যাদার শপথ, আমি এছাড়া অন্য কিছু আপনার কাছে চাইব না। এরপর সে তার রবকে আল্লাহ যা চান তেমন অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি দেয়। তখন তিনি তাকে জান্নাতের দরজার দিকে এগিয়ে দেন। যখন সে জান্নাতের দরজায় দাঁড়ায়, তখন তার জন্য জান্নাত উন্মোচিত হয় এবং সে এর ভেতরে বিদ্যমান সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ও আনন্দ দেখতে পায়। এরপর সে আল্লাহ যা চান ততক্ষণ চুপ থাকে। অতঃপর বলে: হে আমার রব, আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করান।
তখন আল্লাহ বলেন: ওহে আদম সন্তান, তোমার জন্য আক্ষেপ! তুমি কতই না প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী! তুমি কি অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি দাওনি যে, যা তোমাকে দেওয়া হয়েছে তা ছাড়া অন্য কিছু আমার কাছে চাইবে না? সে বলে: হে আমার রব, আমি আপনার সৃষ্টির সবচেয়ে হতভাগ্য হতে চাই না। সে অনবরত আল্লাহকে ডাকতে থাকে, অবশেষে আল্লাহ তার কারণে হাসেন। যখন আল্লাহ তার প্রতি হাসেন, তখন তাকে বলেন: জান্নাতে প্রবেশ করো। যখন তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান, তখন আল্লাহ তাকে বলেন: তুমি আকাঙ্ক্ষা করো।
সে আকাঙ্ক্ষা করতে থাকে, এমনকি আল্লাহ নিজেই তাকে মনে করিয়ে দেন এবং বলেন: এটি চাও, সেটি চাও।
যখন তার আকাঙ্ক্ষাগুলো ফুরিয়ে যায়, আল্লাহ বলেন: এ সবই তোমার জন্য এবং এর সাথে আরও সমপরিমাণ।
আতা ইবনে ইয়াজিদ বলেন: আবু সাঈদ আল-খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে ছিলেন এবং তিনি এই হাদিসটি বর্ণনা করছিলেন। তিনি তাঁর বর্ণিত হাদিসের কোনো কিছু রদ করেননি, যতক্ষণ না তিনি বললেন: "এটি তোমার জন্য এবং এর সাথে আরও সমপরিমাণ।"
আবু সাঈদ বললেন: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মুখস্থ করেছি: "এটি তোমার জন্য এবং এর সাথে আরও দশ গুণ।" আবু হুরায়রা বললেন: সে ব্যক্তিই হবে জান্নাতে প্রবেশকারী সর্বশেষ জান্নাতি।
১৪০৬ - আবু সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন ইব্রাহিম ইবনে সাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে শিহাব আজ-জুহরি থেকে, তিনি সালেম ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে এবং তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
"যখন তোমরা নতুন চাঁদ দেখবে তখন রোজা রাখবে, আর যখন তোমরা তা দেখবে তখন ইফতার করবে (রোজা ভাঙবে)। যদি আকাশ তোমাদের নিকট মেঘাচ্ছন্ন থাকে, তবে তার হিসাব করো।"সালেম বলেন: আব্দুল্লাহ (ইবনে উমর) নতুন চাঁদের আগের দিন রোজা রাখতেন।
১৪০৭ - আবু সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমাদের নিকট ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যখন তোমরা নতুন চাঁদ দেখবে তখন রোজা রাখবে..."
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু ইব্রাহীম ইবনু সাদ - যিমনা মাজমুইল ফাওয়াইদ লিবনি মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ৮৬)
وَإِذَا رَأَيْتُمُوهُ فَأَفْطِرُوا، فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَصُومُوا ثَلاثِينَ يَوْمًا»
1408 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ ، أَنَّ الرَّهْطَ الَّذِينَ بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى ابْنِ أَبِي الْحَقِيقِ لِيَقْتُلُوهُ بِخَيْبَرَ، فَقَتَلُوهُ، فَقَدِمُوا الْمَدِينَةَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ قَائِمٌ عَلَى الْمِنْبَرِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، فَقَالَ لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَ رَآهُمْ:
«أَفْلَحَتِ الْوُجُوهُ» .قَالُوا: أَفْلَحَ وَجْهُكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: «أَقَتَلْتُمُوهُ؟» قَالُوا: نَعَمْ.فَدَعَانَا بِالسَّيْفِ الَّذِي قُتِلَ بِهِ فَسَلَّهُ، وَهُوَ قَائِمٌ عَلَى الْمِنْبَرِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَجَلْ هَذَا طَعَامُهُ فِي ذُبَابِ السَّيْفِ» .
وَكَانَ الرَّهْطُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَتِيكٍ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ أُنَيْسٍ، وَأَسْوَدُ بْنُ خُزَاعِيٍّ حَلِيفٌ لِبَنِي سُلَيْمٍ.
قَالَ ابْنُ شِهَابٍ: وَأَبُو قَتَادَةَ، وَفِيمَا نَظُنُّ، وَلَمْ يَحْفَظِ ابْنُ شِهَابٍ الزُّهْرِيُّ الْخَامِسَ
1409 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، أَنَّهَا قَالَتْ: «قَدْ كَانَ
نِسَاءُ الْمُؤْمِنَاتِ يُصَلِّينَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مُتَلَفِّعَاتٍ فِي مُرُوطِهِنَّ فِي صَلاةِ الْفَجْرِ، ثُمَّ يَرْجِعْنَ إِلَى بُيُوتِهِنَّ، وَمَا يُعْرَفْن» .
يَعْنِي: مِنَ الْغَلَسِ
1410 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ
أَعْظَمَ الْمُسْلِمِينَ مِنَ الْمُسْلِمِينَ جُرْمًا، مَنْ سَأَلَ عَنْ شَيْءٍ لَمْ يُحَرَّمْ عَلَى الْمُسْلِمِينَ، فَحُرِّمَ عَلَى الْمُسْلِمِينَ مِنْ أَجْلِ مَسْأَلَتِهِ»
1411 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ
এবং যখন তোমরা তা দেখবে তখন রোজা ভঙ্গ করবে, আর যদি তোমাদের ওপর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে তবে তোমরা ত্রিশ দিন পূর্ণ করবে।
১৪০৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম, ইবনে শিহাব হতে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে কাব ইবনে মালিক হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে দলটিকে ইবনে আবিল হুকাইককে হত্যা করার জন্য খাইবারে প্রেরণ করেছিলেন, তারা তাকে হত্যা করে মদিনায় আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ফিরে আসেন যখন তিনি জুমার দিন মিম্বারের ওপর দাঁড়িয়ে ছিলেন। আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে দেখামাত্রই বললেন:
"চেহারাগুলো সফল হয়েছে।"তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, আপনার চেহারাও সফল হয়েছে। তিনি বললেন: "তোমরা কি তাকে হত্যা করেছো?" তারা বললেন: হ্যাঁ।অতঃপর তিনি সেই তলোয়ারটি আনালেন যা দ্বারা তাকে হত্যা করা হয়েছিল এবং তিনি তা কোষমুক্ত করলেন, তখন তিনি মিম্বারের ওপর দাঁড়িয়ে ছিলেন। অতঃপর আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "হ্যাঁ, এই তো তলোয়ারের অগ্রভাগে তার খাদ্যের চিহ্ন লেগে আছে।"
আর সেই দলটি ছিল—আবদুল্লাহ ইবনে আতিক, আবদুল্লাহ ইবনে উনাইস এবং আসওয়াদ ইবনে খুজায়ি, যিনি বনু সুলাইমের মিত্র ছিলেন।
ইবনে শিহাব বলেন: আর আবু কাতাদাহও (সেই দলে ছিলেন বলে) আমরা ধারণা করি, তবে ইবনে শিহাব আজ-জুহরি পঞ্চম ব্যক্তির নাম স্মরণ রাখতে পারেননি।
১৪০৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম, ইবনে শিহাব হতে, তিনি উরওয়াহ হতে, তিনি আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন:
"নিশ্চয়ই মুমিন নারীরা আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে নিজেদের চাদরে আবৃত হয়ে ফজরের সালাত আদায় করতেন, অতঃপর তারা তাদের ঘরে ফিরে যেতেন এবং অন্ধকারের কারণে তাদের চেনা যেত না।"
অর্থাৎ: অন্ধকারের কারণে।
১৪১০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম, ইবনে শিহাব হতে, তিনি আমির ইবনে সাদ হতে, তিনি তার পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
"নিশ্চয়ই মুসলমানদের মধ্যে সেই ব্যক্তির অপরাধই সবচেয়ে বড়, যে এমন কোনো বিষয় সম্পর্কে প্রশ্ন করেছে যা মুসলমানদের জন্য হারাম ছিল না, অতঃপর তার প্রশ্নের কারণেই তা মুসলমানদের জন্য হারাম করে দেওয়া হয়েছে।"
১৪১১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম, ইবনে শিহাব হতে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে (থেকে)...
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু ইব্রাহীম ইবনু সাদ - যিমনা মাজমুইল ফাওয়াইদ লিবনি মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ৮৭)
هُرْمُزَ الأَعْوَرِ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ: إِنَّكُمْ تَقُولُوَن: " إِنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ يُكْثِرُ وَأَنَّهُ الْوَعَّادُ، وَتَقُولُونَ: مَا لِلْمُهَاجِرِينَ لا يُحَدِّثُونَ بِمِثْلِ أَحَادِيثِهِ، مَا لِلأَنْصَارِ لا يُحَدِّثُونَ بِمِثْلِ أَحَادِيثِهِ، وَإِنِّي أُخْبِرُكُمْ عَنْ ذَلِكَ، إِنَّ إِخْوَتِي مِنَ الْمُهَاجِرِينَ كَانَ يَشْغَلُهُمْ عَمَلُ أَرْضِيهِمْ وَأَمْوَالِهِمْ، وَكُنْتُ امْرَأً مِسْكِينًا، أَلْزَمُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى مِلْءِ بَطْنِي، فَأَحْضُرُ حِينَ يَغِيبُونَ وَأَعِي حِينَ يَنْسَوْنَ، وَبَعْدَمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمًا:
أَلا يَبْسُطُ أَحَدُكُمْ ثَوْبَهُ حَتَّى أُفْضِيَ مَقَالَتِي هَذِهِ، ثُمَّ يَجْمَعُ ثَوْبَهُ إِلَى صَدْرِهِ، فَلا يَنْسَى مِنْ مَقَالَتِي شَيْئًا أَبَدًا.
قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: فَبَسَطْتُ غُرَّةً عَلَيَّ لَيْسَ لِي ثَوْبٌ غَيْرَهَا، حَتَّى قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَقَالَتَهُ، ثُمَّ جَمَعْتُهَا إِلَى صَدْرِي، فَوَالَّذِي بَعَثَ مُحَمَّدًا بِالْحَقِّ، مَا نَسِيتُ مِنْ مَقَالَتِهِ تِلْكَ كَلِمَةً إِلَى يَوْمِي هَذَا، قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: وَاللَّهِ لَوْلا آيَتَانِ أَنْزَلَهُمَا اللَّهُ فِي كِتَابِهِ، مَا حَدَّثْتُكُمْ بِشَيْءٍ أَبَدًا، لَوْلا قَوْلُ اللَّهِ تَعَالَى: {إِنَّ الَّذِينَ يَكْتُمُونَ مَا أَنْزَلْنَا مِنَ الْبَيِّنَاتِ وَالْهُدَى مِنْ بَعْدِ مَا بَيَّنَّاهُ لِلنَّاسِ فِي الْكِتَابِ} [البقرة: 159] .
إِلَى آخِرِ الآيَتَيْنِ "
1412 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم "
سُئِلَ عَمَّا يَتْرُكُ الْمُحْرِمُ مِنَ الثِّيَابِ؟ قَالَ: لا يَلْبَسُ الْقَمِيصَ، وَلا الْعِمَامَةَ، وَلا السَّرَاوِيلاتِ، وَلا الْبَرَانِسَ، وَلا ثَوْبًا مَسَّهُ الزَّعْفَرَانُ، وَلا الْوَرْسُ، وَمَنْ لَمْ يَجِدْ نَعْلَيْنِ فَلْيَلْبَسْ خُفَّيْنِ، وَلْيَقْطَعْهُمَا حَتَّى يَكُونَا أَسْفَلَ الْكَعْبَيْنِ "
1413 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَامِرِ بْنِ رَبِيعَةَ، قَالا: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ
هَذَا الْوَبَاءَ رِجْزٌ عَذَّبَ اللَّهُ بِهِ بَعْضَ الأُمَمِ قَبْلَكُمْ، فَبَقِيَتْ فِي الأَرْضِ مِنْهُ بَقَايَا، فَيَجِيُء أَحْيَانًا، وَيَذْهَبُ أَحْيَانًا، فَإِذَا سَمِعْتُمْ بِهِ بِأَرْضٍ وَلَسْتُمْ بِهَا فَلا تَدْخُلُوهَا، وَإِذَا وَقَعَ بِأَرْضٍ وَأَنْتُمْ بِهَا فَلا يُخْرِجَنَّكُمُ الْفِرَارُ مِنْهُ»
হুরমুজ আল-আ'ওয়ার থেকে বর্ণিত, তিনি আবু হুরায়রাকে বলতে শুনেছেন: তোমরা বলো যে, "আবু হুরায়রা অনেক হাদিস বর্ণনা করে এবং সে কেবল হাদিসের প্রতিশ্রুতি দেয়", আর তোমরা বলো: "মুহাজিরদের কী হলো যে তারা তার মতো হাদিস বর্ণনা করে না? আনসারদেরই বা কী হলো যে তারা তার মতো হাদিস বর্ণনা করে না?" আমি তোমাদেরকে এ সম্পর্কে অবহিত করছি: মুহাজির ভাইরা তাদের জমি চাষাবাদ ও ধনসম্পদ দেখাশোনায় ব্যস্ত থাকতেন, আর আমি ছিলাম একজন নিঃস্ব ব্যক্তি, আমি কেবল পেট পূর্ণ করার বিনিময়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে লেগে থাকতাম। যখন তারা অনুপস্থিত থাকতেন তখন আমি উপস্থিত থাকতাম এবং যখন তারা ভুলে যেতেন তখন আমি মনে রাখতাম। একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন:
তোমাদের মধ্যে কেউ কি তার চাদর বিছিয়ে ধরবে যতক্ষণ না আমি আমার এই কথা শেষ করি, তারপর সে তার চাদরটি তার বুকের সাথে গুটিয়ে নেবে, তবে সে আমার কথা থেকে কখনও কিছু ভুলবে না? কখনও না।
আবু হুরায়রা বলেন: তখন আমি আমার গায়ের একটি চাদর বিছিয়ে দিলাম, কারণ সেটি ছাড়া আমার অন্য কোনো পোশাক ছিল না, যতক্ষণ না রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কথা শেষ করলেন। অতঃপর আমি তা আমার বুকের সাথে গুটিয়ে নিলাম। সেই সত্তার শপথ যিনি মুহাম্মদকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, আজ পর্যন্ত আমি তাঁর সেই বাণীর একটি শব্দও ভুলিনি। আবু হুরায়রা বলেন: আল্লাহর শপথ, যদি আল্লাহ তাঁর কিতাবে দুটি আয়াত নাজিল না করতেন, তবে আমি তোমাদের কাছে কখনও কিছু বর্ণনা করতাম না। যদি না আল্লাহর বাণী থাকত: {নিশ্চয়ই যারা গোপন করে আমরা যে সব সুস্পষ্ট নিদর্শন ও হেদায়াত নাজিল করেছি, মানুষের জন্য কিতাবে তা স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করার পর} [আল-বাকারা: ১৫৯] ।
এই দুই আয়াতের শেষ পর্যন্ত।
১৪১২ - আবু সালিহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সালিম ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে
জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে মুহরিম (ইহরামকারী) কোন ধরনের পোশাক বর্জন করবে? তিনি বললেন: সে জামা পরবে না, পাগড়ি পরবে না, পায়জামা পরবে না, টুপিযুক্ত দীর্ঘ আলখেল্লা (বারানিস) পরবে না, এবং এমন কোনো কাপড় পরবে না যাতে জাফরান বা ওয়ারাস (সুগন্ধি) লেগেছে। আর যে ব্যক্তি জুতা পাবে না সে যেন মোজা পরে এবং তা কেটে গোড়ালির নিচে করে নেয়।
১৪১৩ - আবু সালিহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আমির ইবনে সাদ এবং আব্দুল্লাহ ইবনে আমির ইবনে রাবিআ থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই
এই মহামারি এক আজাব, যার মাধ্যমে আল্লাহ তোমাদের পূর্ববর্তী কোনো কোনো জাতিকে শাস্তি দিয়েছেন। পৃথিবীতে এর কিছু অবশিষ্টাংশ রয়ে গেছে। এটি কখনও আসে এবং কখনও চলে যায়। সুতরাং যখন তোমরা কোনো ভূখণ্ডে এর প্রাদুর্ভাব শুনবে যেখানে তোমরা নেই, তবে তোমরা সেখানে প্রবেশ করো না। আর যদি কোনো ভূখণ্ডে এটি ছড়িয়ে পড়ে যেখানে তোমরা আছো, তবে তা থেকে পলায়ন করে বেরিয়ে যেও না।»
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু ইব্রাহীম ইবনু সাদ - যিমনা মাজমুইল ফাওয়াইদ লিবনি মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ৮৮)
1414 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنِي ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ قَالَ: " سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
أَيُّ الأَعْمَالِ أَفْضَلُ؟ قَالَ: إِيمَانٌ بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ.قَالَ: ثُمَّ مَاذَا؟ قَالَ: الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ.
قَالَ: ثُمَّ مَاذَا؟ قَالَ: ثُمَّ حَجٌّ مَبْرُورٌ "
1415 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ قَالَ:
«إِذَا خَشِيتَ النَّوْمَ، فَصَلِّ الْعَتْمَةَ قَبْلَ أَنْ تَنَامَ» .
قَالَ: وَكَانَ أَبُو هُرَيْرَةَ يَكْرَهُ النَّوْمَ قَبْلَهَا
1416 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِيمٍ، عَنْ عَمِّهِ، أَنَّهُ أَخْبَرَهُ: أَنَّهُ أَبْصَرَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
«مُضْطَجِعًا فِي الْمَسْجِدِ رَافِعًا إِحْدَى رِجْلَيْهِ عَلَى الأُخْرَى، وَأَنَّهُ قَدْ كَانَ يَفْعَلُ ذَلِكَ أَبُو بَكْرٍ، وَعُمَرُ، وَعُثْمَانُ رضي الله عنهم»
1417 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّهُ قَالَ: سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
عَنِ الْعَزْلِ؟ فَقَالَ: «أَوَ تَفْعَلُونَ ذَلِكَ؟» .قَالُوا: نَعَمْ.
قَالَ: «فَلا عَلَيْكُمْ أَنْ لا تَفْعَلُوهُ أَنَّهُ لَيْسَ نَسَمَةٌ قَضَى اللَّهُ أَنْ تَكُونَ إِلا وَهِيَ كَائِنَةٌ»
1418 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ: «أَنَّ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ، وَعَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ
كَانَا يَعْزِلانِ، وَكَانَ عُمَرُ ، وابْنُ عُمَرَ يَكْرَهَانِ الْعَزْلَ»1419 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، أَنَّهُ بَلَغَهُ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم،
سُئِلَ عَنِ الشَّيْءِ يَجِدُهُ الإِنْسَانُ يُشْبِهُ لَهُ مِنْهُ أَنَّهُ أَحْدَثَ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الْوُضُوءُ مِمَّا سَمِعْتَهُ أَوْ وَجَدْتَ رِيحَهُ»
1420 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ،
১৪১৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে শিহাব, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হলো:
কোন আমলটি সর্বোত্তম? তিনি বললেন: আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান।তিনি বললেন: তারপর কোনটি? তিনি বললেন: আল্লাহর পথে জিহাদ।তিনি বললেন: তারপর কোনটি? তিনি বললেন: এরপর কবুল হজ্জ।"
১৪১৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম, ইবনে শিহাব আজ-জুহরি থেকে, আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন:
«যদি তুমি ঘুমের আশঙ্কা করো, তবে ঘুমানোর আগেই ইশার সালাত আদায় করে নাও»।
বর্ণনাকারী বলেন: আবু হুরায়রা (রা.) ইশার আগে ঘুমানো অপছন্দ করতেন।
১৪১৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম, ইবনে শিহাব থেকে, আব্বাদ ইবনে তামীম থেকে, তাঁর চাচা থেকে বর্ণিত যে, তিনি তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন: তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে
«মসজিদে চিত হয়ে শোয়া অবস্থায় এক পা অন্য পায়ের ওপর রাখা অবস্থায় দেখেছেন, এবং আবু বকর, উমর ও উসমান (রা.)-ও অনুরূপ করতেন»।
১৪১৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম, ইবনে শিহাব থেকে, উবায়দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে, আবু সাঈদ আল-খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে
আজল (সহবাসের সময় বীর্য বাইরে ফেলা) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: «তোমরা কি সত্যিই তা করো?» তারা বললেন: হ্যাঁ।
তিনি বললেন: «তোমরা তা না করলে তোমাদের কোনো ক্ষতি নেই, কারণ আল্লাহ যে প্রাণটি সৃষ্টি করার ফয়সালা করেছেন তা অবশ্যই অস্তিত্বে আসবে»।
১৪১৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম, ইবনে শিহাব থেকে: «জায়েদ ইবনে সাবিত ও আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ
আজল করতেন, আর উমর ও ইবনে উমর আজল অপছন্দ করতেন»।
১৪১৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম, ইবনে শিহাব থেকে, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব থেকে বর্ণিত যে, তাঁর নিকট সংবাদ পৌঁছেছে: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে
এমন অনুভূতি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো যা মানুষ অনুভব করে এবং তার মনে হয় যে তার অজু নষ্ট হয়েছে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «অজু কেবল তা থেকেই (ওয়াজিব হয়) যার শব্দ তুমি শুনেছ অথবা যার গন্ধ পেয়েছ»।
১৪২০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম, সালিহ ইবনে কায়সান থেকে, আজ-জুহরি থেকে,
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু ইব্রাহীম ইবনু সাদ - যিমনা মাজমুইল ফাওয়াইদ লিবনি মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ৮৯)
عَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ، أَنَّهُ قَالَ: ضَرَبَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ ابْنًا لَهُ، قَالَ عُمَرُ: "
بَلَغَنِي أَنَّهُ شَرِبَ شَرَابًا، يُقَالُ لَهُ: الطِّلاءُ، وَإِنِّي سَائِلٌ عَنْهُ فَإِنْ كَانَ يُسْكِرُ، جَلَدْتُهُ الْحَدَّ، قَالَ: فَسَأَلَ عَنْهُ، فَجَلَدَهُ "
1421 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ فِي الزَّيْتُونِ:
«الْعُشُورُ فِيمَا سَقَتِ السَّمَاءُ وَالْعُيُونُ، وَفِيمَا كَانَ بِالرِّشَاءِ نِصْفُ الْعُشُورِ»1422 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ الزُّهْرِيِّ، أَنَّهُ قَالَ:
«لَيْسَ فِي الْخُضَرِ زَكَاةٌ، إِنَّمَا زَكَاتُهَا فِي أَثْمَانِهَا»1423 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّهُ قَالَ: افْتَتَحَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ السَّوَادَ قَسْرًا،
فَأَشَارَ الْمُسْلِمُونَ أَنْ يُقَسَّمَ أَهْلُ السَّوَادِ، وَأَهْلُ الأَهْوَازِ عَلَى الْمُسْلِمِينَ، فَقَالَ عُمَرُ: " فَمَا لِمَنْ جَاهَدَ مِنَ الْمُسْلِمِينَ؟ فَأَنْزَلَهُمْ بِمَنْزِلَةِ أَهْلِ الذِّمَّةِ، وَاسْتَنْزَلَ أَهْلَ الشَّامِ عَلَى الْحَرْثِ، وَكَانَ يُخَفِّفُ عَنْهُمْ إِذَا افْتَقَرُوا، وَيَزِيدُ عَلَيْهِمْ إِذَا اسْتَغْنَوْا، قَالَ: وَبَعَثَ عُثْمَانَ بْنَ حُنَيْفٍ إِلَى أَهْلِ الْعِرَاقِ، فَفَرَضَ عَلَى كُلِّ رَأْسٍ أَرْبَعِينَ دِرْهَمًا "
1424 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ ابْنِ الْمُسَيِّبِ، أَنَّهُ قَالَ: "
الْمَاعُونُ بِلِسَانِ قُرَيْشٍ: الْمَالُ "
1425 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهَا قَالَتْ: دَخَلَ عَلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَهُوَ يَقُولُ:
«إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ، وَيْلٌ لِلْعَرَبِ مِنْ شَرٍّ قَدِ اقْتَرَبَ، مَرَّتَيْنِ، فُتِحَ الْيَوْمَ مِنْ رَدْمِ يَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ» .
وَقَالَ بِيَدِهِ هَكَذَا، فَحَلَّقَ بِإِصْبَعِهِ الَّتِي تَلِي الإِبْهَامَ، قَالَ: فَقُلْتُ: " أَنَهْلِكُ وَفِينَا الصَّالِحُونَ؟ قَالَ: نَعَمْ، إِذَا كَثُرَ الْخَبَثُ "
1426 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، أَنَّهُ قَالَ: " كَانَ الْمُسْلِمُونَ يَأْكُلُونَ يَوْمَ الْفِطْرِ قَبْلَ الصَّلاةِ، وَلا يَفْعَلُونَ ذَلِكَ يَوْمَ
সায়েব ইবনে ইয়াযীদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: উমর ইবনুল খাত্তাব তাঁর এক পুত্রকে প্রহার করেছিলেন। উমর বলেছিলেন: "
আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে সে এক প্রকার পানীয় পান করেছে যাকে 'তিলা' বলা হয়। আমি এ বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করব; যদি তা নেশা উদ্রেককারী হয়, তবে আমি তাকে হদ (নির্ধারিত শাস্তি) হিসেবে চাবুক মারব।" রাবী বলেন: অতঃপর তিনি সে বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলেন এবং তাকে চাবুক মারলেন।
১৪২১ - আবু সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহীম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি জয়তুন (জলপাই) সম্পর্কে বলেছেন:
"আকাশের পানি ও ঝর্ণার পানি দ্বারা যা সেচিত হয় তাতে উশর (দশ শতাংশ) এবং রশি বা বালতির সাহায্যে যা সেচিত হয় তাতে নিসফ-উশর (পাঁচ শতাংশ) জাকাত নির্ধারিত।"১৪২২ - আবু সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহীম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, সালেহ ইবনে কায়সান থেকে, তিনি ইবনে শিহাব আয-যুহরী থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন:
"শাকসবজিতে কোনো জাকাত নেই, এর জাকাত কেবল এর বিক্রয়লব্ধ মূল্যের ওপর।"১৪২৩ - আবু সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহীম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে শিহাব থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন: উমর ইবনুল খাত্তাব সাওয়াদ (ইরাকের উর্বর ভূমি) শক্তির মাধ্যমে জয় করেছিলেন।
তখন মুসলিমগণ পরামর্শ দিলেন যেন সাওয়াদ ও আহওয়াজের অধিবাসীদের মুসলিমদের মাঝে বণ্টন করে দেওয়া হয়। উমর বললেন: "তাহলে পরবর্তী সময়ে যারা জিহাদ করবে সেই মুসলিমদের জন্য কী অবশিষ্ট থাকবে?" অতঃপর তিনি তাদের জিম্মি প্রজাদের মর্যাদায় বহাল রাখেন এবং সিরিয়াবাসীদের কৃষিকাজে নিয়োজিত করেন। তিনি তাদের অভাবগ্রস্ত অবস্থায় কর শিথিল করতেন এবং সচ্ছল অবস্থায় কর বৃদ্ধি করতেন। রাবী বলেন: তিনি উসমান ইবনে হুনাইফকে ইরাকবাসীদের নিকট প্রেরণ করেন এবং জনপ্রতি চল্লিশ দিরহাম (জিজিয়া) ধার্য করেন।
১৪২৪ - আবু সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহীম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে শিহাব থেকে, তিনি ইবনুল মুসায়্যিব থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "
কুরাইশদের ভাষায় 'মাউন' অর্থ হলো সম্পদ। "
১৪২৫ - আবু সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহীম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী উম্মে সালামাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট প্রবেশ করলেন এমতাবস্থায় যে তিনি বলছিলেন:
"আমরা আল্লাহরই এবং তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তনকারী। ধ্বংস নিকটবর্তী এক অনিষ্টের কারণে আরবদের জন্য।" তিনি এটি দুইবার বললেন। "আজ ইয়াজুজ ও মাজুজের প্রাচীর হতে এই পরিমাণ উন্মুক্ত হয়েছে।"
এবং তিনি তাঁর হাত দিয়ে এভাবে ইশারা করলেন এবং তাঁর বৃদ্ধাঙ্গুলির পার্শ্ববর্তী আঙুল (তর্জনী) দিয়ে একটি বৃত্ত তৈরি করলেন। রাবী বলেন: আমি বললাম: "আমাদের মধ্যে পুণ্যবান লোক থাকা সত্ত্বেও কি আমরা ধ্বংস হয়ে যাব?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ, যখন পাপাচার বৃদ্ধি পাবে।"
১৪২৬ - আবু সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহীম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "মুসলিমগণ ঈদুল ফিতরের দিন সালাতের পূর্বে আহার করতেন, কিন্তু তাঁরা ঈদুল আযহার দিন..."
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু ইব্রাহীম ইবনু সাদ - যিমনা মাজমুইল ফাওয়াইদ লিবনি মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ৯০)
النَّحْرِ، قَالَ: وَكَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم،
يَخْطُبُ النَّاسَ قَبْلَ الْفِطْرِ بِيَوْمَيْنِ، فَيَأْمَرُهُمْ بِأَدَاءِ زَكَاةِ الْفِطْرِ، فَيُخْرِجُونَهَا قَبْلَ الصَّلاةِ "
1427 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، حَدَّثَنِي مَنْ سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو، أَنَّهُ
أَتَاهُ رَجُلٌ وَجَدَ قَلْبًا مِنْ ذَهَبٍ، فَقَالَ: " عَرِّفْهُ، فَقَالَ: قَدْ عَرَّفْتُهُ، قَالَ: عَرِّفْهُ، قَالَ: قَدْ عَرَّفْتُهُ، فَلَمْ أَجِدْ مَنْ يَعْرِفُهُ، أَفَأَتَصَدَّقُ بِهِ؟ قَالَ: إِذًا تَغْرَمُهُ إِذَا جَاءَ صَاحِبُهُ، قَالَ: إِذًا تَأْخُذُهُ، قَالَ: فَمَا أَصْنَعُ بِهِ؟ قَالَ: قَدْ رَأَيْتَ مَكَانَهُ إِلا تَأْخُذُهُ "
1428 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَنَّ أَبَاهُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَهُ قَالَ: "
دَخَلَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ عَلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، وَمَعَهُ ابْنُهُ إِسْمَاعِيلُ، وَعَلَيْهِ قَمِيصٌ مِنْ حَرِيرٍ وَقَلْبَانِ، قَالَ: فَشَقَّ الْقَمِيصَ وَفَكَّ الْقَلْبَيْنِ، وَقَالَ: اذْهِبْ بِهِمَا إِلَى أُمِّكَ، فَقَالَ لَهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ: خَلَعْتَ قَلْبَ ابْنِي "
1429 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ: «أَنَّ أَصْحَابَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم،
كَانُوا يَدْخُلُونَ بِقَطَائِفِ الأُرْجُوَانِ»1430 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم،
«حَرَقَ بَعْضَ أَمْوَالِ بَنِي النَّضِيرِ» ، فَقَالَ قَائِلٌ:لَهَانَ عَلَى سَرَاةِ بَنِي لُؤَيٍّ … حَرِيقٌ بِالْبُوَيْرَةِ مُسْتَطِيرُقَالَ أَبُو صَالِحٍ: وَزَادَنِي اللَّيْثُ:
تَرَكْتُمْ قِدْرَكُمْ لا نَارَ فِيهَا
… وَقِدْرُ الْقَوْمِ حَامِيَةٌ تَفُورُ
1431 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: دَخَلَ عَلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَأَنَا مُسْتَتِرَةٌ بِقِرَامٍ فِيهِ صُورَةٌ، فَتَلَوَّنَ وَجْهُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، ثُمَّ تَنَاوَلَ السِّتْرَ، فَهَتَكَهُ، ثُمَّ قَالَ: «إِنَّ مِنْ
أَشَدِّ النَّاسِ عَذَابًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ الَّذِينَ يُشَبِّهُونَ بِخَلْقِ اللَّهِ عز وجل»1432 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«ابْتَسِطُوهَا»
কুরবানি, তিনি বলেন: এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম,
ঈদুল ফিতরের দুই দিন আগে মানুষকে সম্বোধন করে ভাষণ দিতেন এবং তাদের সদকাতুল ফিতর আদায় করার নির্দেশ দিতেন, ফলে তারা সালাতের আগেই তা বের (আদায়) করতেন।1427 - আবু সালিহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, ইবনু শিহাব থেকে, তিনি সেই ব্যক্তির থেকে বর্ণনা করেছেন যিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমরকে বলতে শুনেছেন যে,
তাঁর কাছে এক ব্যক্তি এসে একটি স্বর্ণের কঙ্কন পাওয়ার কথা জানাল। তিনি বললেন: "এটি ঘোষণা কর (মালিককে খোঁজার জন্য)।" সে বলল: "আমি ঘোষণা করেছি।" তিনি বললেন: "এটি ঘোষণা কর।" সে বলল: "আমি ঘোষণা করেছি, কিন্তু এমন কাউকে পাইনি যে এটি চেনে। এখন কি আমি এটি সাদাকা করে দেব?" তিনি বললেন: "তবে তুমি এর দায়বদ্ধ থাকবে যখন এর মালিক আসবে।" সে বলল: "তাহলে আপনি এটি গ্রহণ করুন।" তিনি বললেন: "আমি এটি দিয়ে কী করব? তুমি তো এর (পড়ে থাকার) জায়গাটি দেখেছিলে, কেন তা কুড়িয়ে নিলে?"
1428 - আবু সালিহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তাঁর পিতা ইবরাহিম তাঁর কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "
আবদুর রহমান ইবনে আউফ উমর ইবনুল খাত্তাবের নিকট প্রবেশ করলেন, তাঁর সাথে ছিল তাঁর পুত্র ইসমাইল, যার গায়ে ছিল রেশমের একটি জামা এবং দুটি কঙ্কন।" তিনি (উমর) জামাটি ছিঁড়ে ফেললেন এবং কঙ্কন দুটি খুলে দিলেন এবং বললেন: "এগুলো নিয়ে তোমার মায়ের কাছে যাও।" তখন আবদুর রহমান তাকে বললেন: "আপনি আমার পুত্রের কঙ্কন দুটি খুলে দিলেন (তার মন ভেঙে দিলেন)।"
1429 - আবু সালিহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, ইবনু শিহাব থেকে: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীগণ
লাল রঙের পশমি চাদর নিয়ে প্রবেশ করতেন।"1430 - আবু সালিহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, ইবনু শিহাব থেকে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম,
«বনু নাযীরের কিছু সম্পদ (খেজুর বাগান) পুড়িয়ে দিয়েছিলেন», তখন জনৈক ব্যক্তি বলেছিল:বনু লুয়াইয়ের নেতাদের নিকট এটি অতি তুচ্ছ ছিল... বুয়াইরাহ প্রান্তরের সেই বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড।আবু সালিহ বলেন: আর লাইস আমাকে আরও বর্ণনা করেছেন:
তোমরা তোমাদের ডেকচি এমন অবস্থায় ছেড়ে এসেছ যাতে কোনো আগুন নেই... অথচ অন্য জাতির ডেকচি উত্তাপে টগবগ করে ফুটছে।
1431 - আবু সালিহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, ইবনু শিহাব থেকে, কাসিম ইবনে মুহাম্মদ থেকে, আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট প্রবেশ করলেন, তখন আমি ছবিযুক্ত একটি কারুকার্যখচিত পর্দা দিয়ে আড়াল নিয়েছিলাম। তা দেখে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চেহারার রঙ বদলে গেল, তারপর তিনি পর্দাটি ধরে টেনে ছিঁড়ে ফেললেন এবং বললেন: "নিশ্চয়ই
কিয়ামতের দিন সেই সব মানুষের আজাব সবচেয়ে কঠিন হবে যারা মহান আল্লাহর সৃষ্টির সদৃশ কিছু তৈরি করে।"1432 - আবু সালিহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, সালিহ ইবনে কায়সান থেকে, কাসিম ইবনে মুহাম্মদ থেকে, আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
"তা (বিছানা হিসেবে) বিছিয়ে দাও।"
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু ইব্রাহীম ইবনু সাদ - যিমনা মাজমুইল ফাওয়াইদ লিবনি মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ৯১)
1433 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَاعِزٍ الْغَامِدِيِّ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الثَّقَفِيِّ، قَالَ: قُلْتُ " يَا رَسُولَ اللَّهِ،
حَدِّثْنِي بِأَمْرٍ أَعْتَصِمُ بِهِ، قَالَ: قُلْ: رَبِّيَ اللَّهُ، ثُمَّ اسْتَقِمْ.
قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَا أَكْثَرَ مَا تَخَافُ عَلَيَّ؟ قَالَ: فَأَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِلِسَانِ نَفْسِهِ، ثُمَّ قَالَ: هَذَا "
1434 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«حِينَ أُسْرِيَ بِي، لَقِيَنِي إِبْرَاهِيمُ، وَمُوسَى، وَعِيسَى، بِبَيْتِ الْمَقْدِس صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِمْ، فَإِذَا مُوسَى ضَرْبُ أُدْمٍ، رَجِلُ الرَّأْسِ، كَأَنَّهُ مِنْ رِجَالِ شَنُوءَةَ، وَإِذَا عِيسَى رَجُلٌ أَحْمَرُ، كَأَنَّمَا خَرَجَ مِنْ دِيمَاسٍ، وَإِنِّي أَشْبَهُ بِأَبِي إِبْرَاهِيمَ» ، النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: وَأُوتِيتُ بَعْدَ حِينٍ، قَدَحُ لَبَنٍ وَقَدَحُ خَمْرٍ.
قَالَ: فَأَخَذْتُ اللَّبَنَ.
فَقَالَ جِبْرِيلُ صلى الله عليه وسلم: هُدِيتَ لِلْفِطْرَةِ، وَلَوْ أَخَذْتَ الْخَمْرَ لَغَوَتْ أُمَّتُكَ "
1435 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، حَدَّثَنِي سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: لا وَاللَّهِ مَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِعيِسَى أَحْمَرُ، وَلَكِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: "
بَيْنَا أَنَا نَائِمٌ رَأَيْتُنِي أَطُوفُ بِالْكَعْبَةِ، فَإِذَا رَجُلٌ سَبْطُ الشَّعْرِ آدَمُ يَنْطِفُ رَأْسُهُ، يَعْنِي: يَقْطُرُ مَاءً، أَوْ يُهْرَاقُ رَأْسُهُ، يُهَادَى بَيْنَ رَجُلَيْنِ، فَقُلْتُ: مَنْ هَذَا؟ ، فَقَالُوا: هَذَا ابْنُ مَرْيَمَ.
فَذَهَبْتُ أَلْتَفِتُ، فَإِذَا بِرَجُلٍ أَحْمَرَ جَسِيمٍ، رَجُلٍ مِنْ خُزَاعَةَ، يُقَالُ لَهُ: ابْنُ قَطَنٍ، وَهُوَ مِنْ بَنِي الْمُصْطَلِقِ هَلَكَ فِي الْجَاهِلِيَّةِ "
1436 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ قَبِيصَةَ بْنِ ذُؤَيْبٍ، قَالَ: رَأَيْتُ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ،
«إِذَا دَخَلَ الْمَسْجِدَ وَالْقَوْمُ رُكُوعٌ، رَكَعَ إِذَا أَمْكَنَهُ أَنْ يُدْرِكَهَا، ثُمَّ يَدُبُّ رَاكِعًا، حَتَّى يَصِلَ الصَّفَّ»
১৪৩৩ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম, ইবনে শিহাব থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে মা'ইজ আল-গামিদি থেকে, তিনি সুফিয়ান ইবনে আবদুল্লাহ আস-সাকাফি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি বললাম, "হে আল্লাহর রাসুল,
আমাকে এমন একটি কাজের কথা বলুন যা আমি আঁকড়ে ধরে থাকব। তিনি বললেন: তুমি বলো: আমার রব আল্লাহ, তারপর এতে অবিচল থাকো।তিনি বলেন: আমি বললাম, "হে আল্লাহর রাসুল, আপনি আমার ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি কিসের আশঙ্কা করেন?" তিনি বলেন: তখন আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের জিহ্বা ধরলেন এবং বললেন, "এটির।"
১৪৩৪ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম, ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
«যখন আমাকে ইসরা (নৈশভ্রমণ) করানো হলো, তখন বায়তুল মাকদিসে ইবরাহিম, মুসা ও ঈসা (আলাইহিমুস সালাম)-এর সাথে আমার সাক্ষাৎ হলো। মুসা ছিলেন পাতলা গড়নের এবং শ্যামবর্ণের, মাথার চুল ছিল সোজা, যেন তিনি শানুয়া গোত্রের একজন লোক। আর ঈসা ছিলেন লালচে বর্ণের এক ব্যক্তি, যেন তিনি এইমাত্র গোসলখানা থেকে বেরিয়ে এসেছেন। আর আমি আমার পিতা ইবরাহিমের সাথে সবচেয়ে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ», নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: কিছুক্ষণ পর আমার কাছে এক পেয়ালা দুধ এবং এক পেয়ালা মদ আনা হলো।
তিনি বলেন: আমি দুধ গ্রহণ করলাম।
তখন জিবরাইল (আলাইহিস সালাম) বললেন: আপনি ফিতরাত (স্বাভাবিক দ্বীন)-এর দিকে পরিচালিত হয়েছেন। যদি আপনি মদ গ্রহণ করতেন, তবে আপনার উম্মত পথভ্রষ্ট হয়ে যেত।
১৪৩৫ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম, যুহরি থেকে, তিনি বলেন আমার কাছে সালেম ইবনে আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: না, আল্লাহর কসম, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঈসাকে লালচে বলেননি, বরং আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "
আমি যখন ঘুমে ছিলাম, তখন স্বপ্নে নিজেকে কাবার চারদিকে তাওয়াফ করতে দেখলাম। সেখানে আমি এমন একজন লোককে দেখলাম যার চুল ছিল সোজা এবং গায়ের রং ছিল শ্যামল, তার মাথা থেকে পানি ঝরছিল—অর্থাৎ তার মাথা থেকে টপটপ করে পানি পড়ছিল—বা মাথা থেকে পানি গড়িয়ে পড়ছিল, তিনি দুজন লোকের কাঁধে ভর দিয়ে চলছিলেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম: ইনি কে? তারা বলল: ইনি মারইয়াম তনয় (ঈসা)।
এরপর আমি ফিরে তাকালাম এবং এক লালচে বর্ণের স্থূলকায় ব্যক্তিকে দেখলাম, সে ছিল খুযাআ গোত্রের এক লোক, যাকে ইবনে ক্বাতান বলা হতো, সে বানু মুস্তালিক গোত্রের অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং জাহিলি যুগে মারা গিয়েছিল।"
১৪৩৬ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম, ইবনে শিহাব থেকে, তিনি ক্বাবিসাহ ইবনে যুআইব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি জায়েদ ইবনে সাবিতকে দেখেছি,
«যখন তিনি মসজিদে প্রবেশ করতেন এবং লোকজন রুকুতে থাকত, তখন সম্ভব হলে তিনিও রুকু করতেন, এরপর রুকু অবস্থাতেই হেঁটে চলতেন যতক্ষণ না কাতারে পৌঁছাতেন»
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু ইব্রাহীম ইবনু সাদ - যিমনা মাজমুইল ফাওয়াইদ লিবনি মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ৯২)
1437 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ قَالَ: "
كَيْفَ تَسْأَلُونَ أَهْلَ الْكِتَابِ عَنْ شَيْءٍ، وَكِتَابُكُمُ الَّذِي أُنْزِلَ عَلَى نَبِيِّهِ صلى الله عليه وسلم، أَحْدَثُ الأَخْبَارِ تَقْرَءُونَهُ غَضًّا لَمْ يَشِبْ، وَقَدْ حَدَّثَكُمُ اللَّهُ عز وجل فِي كِتَابِهِ: أَنَّهُمْ قَدْ غَيَّرُوا كِتَابَ اللَّهِ، وَبَدَّلُوا، وَكَتَبُوا الْكِتَابَ بِأَيْدِيهِمْ، فَقَالُوا: هُوَ مِنْ عِنْدَ اللَّهِ، اشْتَرَوْا بِهِ ثَمَنًا قَلِيلا، أَلا يَنْهَاكُمُ الْعِلْمُ الَّذِي جَاءَكُمْ عَنْ مَسْأَلَتِكِمْ؟ لا وَاللَّهِ مَا رَأَيْنَا رَجُلا مِنْهُمْ يَسْأَلُكُمْ عَمَّا أَنْزَلَ اللَّهُ إِلَيْكُمْ "
1438 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ بْنِ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ:
«بَيْنَمَا أَنَا نَائِمٌ رَأَيْتُ النَّاسَ يُعْرَضُونَ عَلَيَّ، وَعَلَيْهِمْ قُمُصٌ مِنْهَا مَا يَبْلُغُ الثَّدْيَ، وَمِنْهَا مَا يَبْلُغُ دُونَ ذَلِكَ، وَعُرِضَ عَلَيَّ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ وَعَلَيْهِ قَمِيصٌ يَجُرُّهُ» فَقَالَ مَنْ حَوْلَهُ: فَمَاذَا أَوْ كَيْفَ ذَلِكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «الدِّينُ» .
1439 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، مِثْلَهُ
1440 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ الرَّيْحَانِ بْنِ يَزِيدَ، أَنَّهُ قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، يَقُولُ:
«لا تَصْلُحُ الصَّدَقَةُ لِغَنِيٍّ وَلا لِذِي مِرَّةٍ سَوِيٍّ»1441 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«إِذَا خَرَجَتِ الْمَرْأَةُ إِلَى الْمَسْجِدِ فَلْتَغْتَسِلْ مِنَ الطِّيبِ كَمَا تَغْتَسِلُ مِنَ الْجَنَابَةِ» .
قَالَ: وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «سَجْدَتَانِ فِي قَعْرِ بَيْتِهَا خَيْرٌ مِنْ أَرْبَعِ رَكْعَاتٍ فِي الْحُجْرَةِ، وَأَرْبَعُ رَكْعَاتٍ فِي الْحُجْرَةِ خَيْرٌ مِنْ ثَمَانٍ فِي الدَّارِ»
1437 - আবু সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহীম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "
তোমরা কিতাবধারীদের নিকট কোনো বিষয়ে কেন জিজ্ঞাসা করছ, অথচ তোমাদের কিতাব যা তাঁর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর অবতীর্ণ হয়েছে, তা আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রাপ্ত সর্বাধুনিক সংবাদ? তোমরা তা সতেজ ও অবিকৃত অবস্থায় পাঠ করছ। আর আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তাঁর কিতাবে তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, তারা আল্লাহর কিতাবকে বিকৃত করে ফেলেছে ও পরিবর্তন করেছে এবং তারা নিজেদের হাতে কিতাব লিখে বলেছে: 'এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে', যেন তারা এর বিনিময়ে সামান্য মূল্য গ্রহণ করতে পারে। তোমাদের নিকট যে জ্ঞান এসেছে, তা কি তোমাদের তাদের নিকট প্রশ্ন করতে নিষেধ করে না? আল্লাহর কসম, আমরা তাদের কোনো ব্যক্তিকে দেখিনি যে তোমাদের নিকট তোমাদের প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে।"
1438 - আবু সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহীম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন সালিহ বিন কায়সান থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আবু উমামাহ বিন সাহল বিন হুনাইফ থেকে, তিনি আবু সাঈদ খুদরী থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন:
"আমি ঘুমন্ত অবস্থায় দেখলাম যে, লোকেদের আমার সামনে উপস্থিত করা হচ্ছে, তাদের পরনে ছিল কামিস (জামা); তার কোনোটি বুক পর্যন্ত পৌঁছেছে, কোনোটি তার চেয়ে ছোট, আর আমার সামনে ওমর বিন খাত্তাবকে উপস্থিত করা হলো, তার পরনে এমন এক কামিস ছিল যা তিনি টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন।" তাঁর চারপাশের লোকেরা জিজ্ঞাসা করলেন: "হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এর কী ব্যাখ্যা প্রদান করছেন?" তিনি বললেন: "দ্বীন।"
1439 - আবু সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহীম বিন সাদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন তাঁর পিতা সাদ বিন ইবরাহীম থেকে, তিনি আবু সালামা বিন আব্দুর রহমান থেকে, অনুরূপ।
1440 - আবু সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহীম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন তাঁর পিতা থেকে, তিনি রায়হান বিন ইয়াযীদ থেকে, তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন আসকে বলতে শুনেছি:
"কোনো সম্পদশালী ব্যক্তি এবং সুস্থ-সবল সুঠাম দেহের অধিকারীর জন্য সদকা বৈধ নয়।"1441 - আবু সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহীম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন তাঁর পিতা থেকে, তিনি সাফওয়ান বিন সুলাইম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
"যখন কোনো নারী মসজিদের উদ্দেশ্যে বের হবে, সে যেন সুগন্ধি দূর করার জন্য সেভাবেই গোসল করে নেয় যেভাবে জানাবাত (অপবিত্রতা) থেকে পবিত্র হওয়ার জন্য গোসল করতে হয়।"তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন: "তার ঘরের নির্জন কোণে দুই রাকাত সালাত আদায় করা কামরায় চার রাকাত পড়ার চেয়ে উত্তম, আর কামরায় চার রাকাত পড়া বাড়ির আঙিনায় আট রাকাত পড়ার চেয়ে উত্তম।"
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু ইব্রাহীম ইবনু সাদ - যিমনা মাজমুইল ফাওয়াইদ লিবনি মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ৯৩)
1442 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ أَبُو سَلَمَةَ:
«وَرَّثَ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ تُمَاضِرَ بِنْتَ الأَصْبَعِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ بَعْدَ انْقِضَاءِ عِدَّتِهَا»
1443 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، أَنَّهُ قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي، يُحَدِّثُ عَنْ أَخٍ لِعَدِيِّ بْنِ أَرْطَاةَ، عَنْ رَجُلٍ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ: عَهِدَ إِلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَنَّ
أَخْوَفَ مَا أَخَافُ عَلَيْكُمُ الأَئِمَّةُ الْمُضِلُّونَ»1444 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، سَمِعْتُ أَبِي، يُحَدِّثُ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ قَالَ: "
لا يَنْبَغِي لِعَبْدٍ، أَنْ يَقُولَ: أَنَا خَيْرٌ مِنْ يُونُسَ بْنِ مَتَّى "
1445 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَمَّنْ، سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، يَقُولُ: "
أَمَرَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِصِيَامِ الدَّهْرِ ثَلاثَةِ أَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ، وَمَنْ جَاءَ بِالْحَسَنَةِ فَلَهُ عَشْرُ أَمْثَالِهَا، قَالَ: قُلْتُ: زِدْنِي، قَالَ: صِيَامَ دَاوُدَ، صُمْ يَوْمًا، وَأَفْطِرْ يَوْمًا "
1446 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ:
«مَا مِنْ نَبِيٍّ يَمْرَضُ إِلا خُيِّرَ بَيْنَ الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ» .فَلَمَّا كَانَ مَرَضُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الَّذِي قُبِضَ فِيهِ أَخَذَتْهُ بَحَّةٌ شَدِيدَةٌ، فَسَمِعْتُهُ يَقُولُ: {مَعَ الَّذِينَ أَنْعَمَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ مِنَ النَّبِيِّينَ وَالصِّدِّيقِينَ وَالشُّهَدَاءِ وَالصَّالِحِينَ} [النساء: 69] .
قَالَتْ: فَعَلِمْتُ أَنَّهُ خُيِّرَ
1447 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَوْفٍ، قَالَ "
صَلَّيْتُ خَلَفَ ابْنِ الْعَبَّاسِ عَلَى جِنَازَةٍ، فَقَرَأَ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ، وَسُورَةٍ جَهَرَ فِيهَا حَتَّى أَسْمَعَنَا، قَالَ: فَأَخَذْتُ بِيَدِهِ لَمَّا فَرَغَ، فَسَأَلْتُهُ عَنْ ذَلِكَ، فَقَالَ: سُنَّةٌ وَحَقٌّ ".
قَالَ اللَّيْثُ:
১৪৪২ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবু সালামা বলেছেন:
“উসমান ইবনে আফফান তাঁর ইদ্দত অতিক্রান্ত হওয়ার পর আবদুর রহমান ইবনে আউফের পুত্র আসবাগ ইবনে আবদুর রহমানের কন্যা তুমাযিরকে উত্তরাধিকার প্রদান করেছিলেন।”১৪৪৩ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম যে, তিনি বলেছেন: আমি আমার পিতাকে আদি ইবনে আরতাহ-র এক ভাইয়ের সূত্রে জনৈক ব্যক্তি থেকে, তিনি আবু যার থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের প্রতি অঙ্গীকার করেছেন যে:
“তোমাদের জন্য আমি যা সবচেয়ে বেশি ভয় করি তা হলো পথভ্রষ্টকারী ইমামগণ (নেতৃবৃন্দ)।”১৪৪৪ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম, আমি আমার পিতাকে হুমাইদ ইবনে আবদুর রহমানের সূত্রে আবু হুরায়রা থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন: “
কোনো বান্দার জন্য এটা বলা সমীচীন নয় যে: আমি ইউনুস ইবনে মাত্তা অপেক্ষা উত্তম।”
১৪৪৫ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম জনৈক ব্যক্তি থেকে, যিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আসকে বলতে শুনেছেন: “
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে প্রত্যেক মাসে তিন দিন রোজা রেখে সারা বছর রোজা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন; আর যে ব্যক্তি একটি নেক আমল নিয়ে আসবে, তার জন্য তার দশগুণ প্রতিদান রয়েছে। তিনি (আবদুল্লাহ) বলেন: আমি বললাম: আমার জন্য বাড়িয়ে দিন। তিনি বললেন: দাউদ (আলাইহিস সালাম)-এর রোজা রাখো; একদিন রোজা রাখো এবং একদিন ছেড়ে দাও।”
১৪৪৬ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি উরওয়া থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি:
“এমন কোনো নবী নেই যিনি অসুস্থ হয়েছেন অথচ তাঁকে দুনিয়া ও আখিরাতের মধ্যে পছন্দ করার সুযোগ দেওয়া হয়নি।” অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যে অসুস্থতায় তাঁর আত্মা কবজ করা হয়েছিল, তাতে তাঁর কণ্ঠস্বর অত্যন্ত ভারী হয়ে গিয়েছিল। তখন আমি তাঁকে বলতে শুনলাম: {আল্লাহ যাঁদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন, সেই নবীগণ, সত্যনিষ্ঠগণ, শহীদগণ এবং সৎকর্মশীলদের সঙ্গে} [আন-নিসা: ৬৯]।
তিনি (আয়েশা) বললেন: তখন আমি বুঝতে পারলাম যে, তাঁকে পছন্দ করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
১৪৪৭ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তালহা ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আউফ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: “
আমি ইবনে আব্বাসের পেছনে একটি জানাজার সালাত আদায় করেছি। তখন তিনি ফাতিহাতুল কিতাব এবং একটি সূরা পাঠ করলেন, যাতে তিনি উচ্চস্বরে পাঠ করেছিলেন যেন আমরা শুনতে পাই। তিনি বলেন: যখন তিনি শেষ করলেন, তখন আমি তাঁর হাত ধরলাম এবং তাঁকে সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তখন তিনি বললেন: এটি সুন্নাত ও হক।”
লাইস বলেন:
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু ইব্রাহীম ইবনু সাদ - যিমনা মাজমুইল ফাওয়াইদ লিবনি মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ৯৪)
لا يُجْهَرُ فِي الصَّلاةِ عَلَى الْجِنَازَةِ بِالْقِرَاءَةِ
1448 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مَعْمَرٍ التَّيْمِيِّ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، قَالَتْ: "
أَرَادَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يُقبَّلَنِي، فَقُلْتُ: إِنِّي صَائِمَةٌ، فَقَالَ: وَأَنَا صَائِمٌ، فَقَبَّلَنِي "
1449 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: " رَأَيْتُ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ
صَلَّى الْمَغْرِبَ رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ سَلَّمَ فَقَامَ، قَالَ: فَقِيلَ لَهُ: إِنَّكَ صَلَّيْتَ رَكْعَتَيْنِ، فَقَامَ وَصَلَّى رَكْعَةً أُخْرَى، وَسَجَدَ سَجْدَتَيْنِ، ثُمَّ حَدَّثَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَعَلَ مِثْلَ ذَلِكَ "
1450 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ "
رَآنِي عُمَرُ وَأَنَا أُصَلِّي بَعْدَ الْعَصْرِ، فَقَالَ: أَتُصَلِّي بَعْدَهَا؟ قَالَ: قُلْتُ: لأَنِّي سُبِقْتُ بِبَعْضِ الصَّلاةِ، فَقَالَ: لَوْ صَلَّيْتَ بَعْدَهَا لَفَعَلْتُ وَفَعَلْتُ "
1451 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ بْنِ سَهْلٍ، أَنَّهُ قَالَ: " إِنَّ
أَوَّلَ مَنْ صَلَّى الضُّحَى رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، مِنَ الأَنْصَارِ، يُقَالُ لَهُ: ذُو الزَّوَائِدِ "
1452 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ بْنِ مَسْعُودٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، "
كَانَ فِي الرَّكْعَتَيْنِ كَأَنَّهُ عَلَى الرَّضْفِ، قُلْتُ لأَبِي: حَتَّى يَقُومَ؟ قَالَ: حَتَّى يَقُومَ "
1453 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: «رَأَيْتُ أَبَا عُبَيْدَةَ
يَأْكُلُ اللَّحْمَ، وَيُصَلِّي وَلا يَمَسُّ مَاءً» ، وَكَانَ يَذْكُرُ عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ: أَنَّهُ كَانَ يَصْنَعُ ذَلِكَ
1454 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ " سَمِعَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ
صَوْتَ رَجُلٍ يَعْلُو فِي الْمَسْجِدِ، فَقَالَ: أَتَدْرِي أَيْنَ أَنْتَ؟ أَتَدْرِي أَيْنَ أَنْتَ؟ كَرِهَ الصَّوْتَ "
জানাজার সালাতে কিরাত উচ্চস্বরে পড়া হবে না।
১৪৪৮ - আবু সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তালহা বিন উবাইদুল্লাহ বিন মা'মার আত-তাইমি থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে চুম্বন করতে চাইলেন, তখন আমি বললাম: আমি তো রোজা রাখা অবস্থায় আছি। তিনি বললেন: আমিও রোজাদার, এরপর তিনি আমাকে চুম্বন করলেন।"
১৪৪৯ - আবু সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমি উরওয়াহ ইবনুল জুবাইরকে দেখলাম তিনি
মাগরিবের সালাত দুই রাকাত পড়লেন, এরপর সালাম ফিরিয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন। বর্ণনাকারী বলেন: তাকে বলা হলো যে, আপনি তো দুই রাকাত পড়েছেন। তখন তিনি দাঁড়ালেন এবং আরও এক রাকাত পড়লেন এবং দুটি সিজদাহ করলেন। এরপর তিনি বর্ণনা করলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অনুরূপই করেছিলেন।"
১৪৫০ - আবু সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন রাফি' বিন খাদিজ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "
উমর আমাকে আসরের পর সালাত পড়তে দেখলেন, তখন তিনি বললেন: তুমি কি এর পরে সালাত পড়ছ? তিনি বলেন: আমি বললাম: কারণ আমার সালাতের কিছু অংশ ছুটে গিয়েছিল। তখন তিনি বললেন: তুমি যদি এর পরে (নফল) সালাত পড়তে, তবে আমি তোমার সাথে কঠোর আচরণ করতাম।"
১৪৫১ - আবু সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু উমামাহ বিন সাহল থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "নিশ্চয়ই
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীদের মধ্যে আনসারদের জনৈক ব্যক্তি সর্বপ্রথম চাশতের সালাত আদায় করেছিলেন, যাকে বলা হতো: জুয জাওয়াইদ।"
১৪৫২ - আবু সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু উবাইদাহ বিন মাসউদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম), "
(প্রথম) দুই রাকাতের (তাশাহুদে) এমনভাবে বসতেন যেন মনে হতো তিনি তপ্ত পাথরের ওপর আছেন। আমি আমার পিতাকে জিজ্ঞাসা করলাম: তিনি কি দাঁড়ানো পর্যন্ত এমন করতেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, দাঁড়ানো পর্যন্ত "
১৪৫৩ - আবু সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি আবু উবাইদাহকে
গোশত খেতে এবং সালাত পড়তে দেখেছি যেখানে তিনি (নতুন করে) পানি স্পর্শ করেননি (অজু করেননি)», আর তিনি তাঁর পিতা থেকে, ইবনে মাসউদ সম্পর্কে বর্ণনা করতেন যে: তিনি অনুরূপ করতেন
১৪৫৪ - আবু সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা ইব্রাহিম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)
মসজিদে জনৈক ব্যক্তির উচ্চস্বরে আওয়াজ শুনতে পেলেন, তখন তিনি বললেন: তুমি কি জানো তুমি কোথায় আছ? তুমি কি জানো তুমি কোথায় আছ? তিনি উচ্চস্বরে আওয়াজ করা অপছন্দ করতেন "
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু ইব্রাহীম ইবনু সাদ - যিমনা মাজমুইল ফাওয়াইদ লিবনি মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ৯৫)
- حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: رَأَى عُثْمَانُ رَجُلا بِذِي الْحُلَيْفَةِ، قَدْ
أَدْهَنَ قَبْلَ أَنْ يُحْرِمَ، فَأَمَرَهُ أَنْ يَغْسِلَ رَأْسَهُ بِطِيبٍ "
1455 - قَالَ اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ:
«تَطَيَّبَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لإِحْرَامِهِ قَبْلَ أَنْ يُحْرِمَ، وَيُحِلُّهُ قَبْل أَنْ يُفِيضَ»
1456 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ إِبْرَاهِيمَ، أَنَّهُ قَالَ: سَمِعْتُ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ، يَقُولُ:
«لأَنْ يَمْتَلِئَ جَوْفُ أَحَدِكُمْ قَيْحًا خَيْرٌ مِنْ أَنْ يَمْتَلِئَ شِعْرًا»1457 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ إِبْرَاهِيمَ، سَمِعْتُ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ، يَقُولُ لَمَّا حُصِرَ:
«إِنْ وَجَدْتُمْ فِي كِتَابِ اللَّهِ أَنْ تَضَعُوا رِجْلَيَّ فِي قُيُودِهَا فَضَعُوهُمَا»1458 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّهُ قَالَ: سَمِعْتُ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ، يَقُولُ: «إِنَّ
الْخَمْرَ مَجْمَعُ الْخَبَائِثِ» .
قَالَ: ثُمَّ أَنْشَأَ يُحَدِّثُ عَنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ، أَنَّهُ كَانَ رَجُلٌ خُيِّرَ بَيْنَ أَنْ يَقْتُلَ صَبِيًّا، أَوْ يَمْحُو كِتَابًا، أَوْ يَشْرَبُ خَمْرًا، فَاخْتَارَ أَنْ يَشْرَبَ الْخَمْرَ، وَرَأَى أَنَّهَا أَهْوَنُهُنَّ، فَشَرِبَ الْخَمْرَ فَمَا بَرِحَ حَتَّى صَنَعَهُنَّ "
1459 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، " سَمِعْتُ عَمْرَو بْنَ الْعَاصِ يَوْمَ مَاتَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ، يَقُولُ:
اذْهَبِ ابْنَ عَوْفٍ فَقَدْ ذَهَبْتَ بِبَطْنَتِكَ لَمْ تَتَغَضْغَضْ مِنْهَا شَيْءٌ "
1460 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ قَارِظٍ ، سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، يَقُولُ:
«أَعْضَلَ بِي أَهْلُ الْكُوفَةِ، مَا يَرْضَوْنَ بِأَمِيرٍ، وَمَا يَرْضَى بِهِمْ. . أَمِيرٌ، وَلا يَصْلُحُونَ لأَمِيرٍ، وَلا يَصْلُحُ عَلَيْهِمْ»
1461 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، " سَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ،
يَوْمَ مَاتَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ، يَقُولُ: اذْهَبِ ابْنَ عَوْفٍ، فَقَدْ أَدْرَكْتَ صَفْوَهَا، وَسَبَقْتَ رَقْفَهَا "
1462 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ، لأَبِي ذَرٍّ، وَلابْنِ مَسْعُودٍ، وَلأَبِي الدَّرْدَاءِ
«مَا هَذَا الْحَدِيثُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟» .
قَالَ: وَأَحْسِبُهُ، قَالَ: وَحَبَسَهُمْ عِنْدَهُ
আবু সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা ইব্রাহিম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উসমান যুল-হুলাইফাতে এক ব্যক্তিকে দেখলেন যে ইহরাম বাঁধার পূর্বে শরীরে তেল মেখেছে, তখন তিনি তাকে
সুগন্ধি দ্বারা তার মাথা ধৌত করার নির্দেশ দিলেন। ১৪৫৫ - লাইস বিন সাদ বলেন:
«রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম বাঁধার পূর্বে ইহরামের উদ্দেশ্যে সুগন্ধি মাখতেন এবং তওয়াফে ইফাযাহ করার পূর্বে ইহরাম খোলার (হালাল হওয়ার) জন্য সুগন্ধি মাখতেন»
১৪৫৬ - আবু সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা ইব্রাহিম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আমি উসমান বিন আফফানকে বলতে শুনেছি:
«তোমাদের কারো উদর পুঁজ দ্বারা পূর্ণ থাকা, কবিতা দ্বারা পূর্ণ থাকার চেয়ে উত্তম»১৪৫৭ - আবু সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা ইব্রাহিম থেকে বর্ণনা করেন, আমি উসমান বিন আফফানকে বলতে শুনেছি যখন তাঁকে অবরোধ করা হয়েছিল:
«যদি তোমরা আল্লাহর কিতাবে পাও যে আমার পা দুটিতে শিকল পরাতে হবে, তবে তোমরা তা পরাও»১৪৫৮ - আবু সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আমি উসমান বিন আফফানকে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই
মদ সকল মন্দের আধার» ।
তিনি বলেন: অতঃপর তিনি বনী ইসরাঈল সম্পর্কে বর্ণনা করতে শুরু করলেন যে, এক ব্যক্তিকে একটি শিশু হত্যা করা, অথবা কিতাব মুছে ফেলা, অথবা মদ পান করার মধ্যে কোনো একটি বেছে নিতে বলা হয়েছিল। সে মদ পান করাকে বেছে নিল এবং মনে করল যে এটিই তাদের মধ্যে সবচেয়ে সহজ, অতঃপর সে মদ পান করল এবং শেষ পর্যন্ত সে সবগুলো কাজই করে ফেলল।
১৪৫৯ - আবু সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, "আমি আমর ইবনুল আসকে আব্দুর রহমান ইবনে আউফের মৃত্যুর দিন বলতে শুনেছি:
হে ইবনে আউফ, আপনি প্রস্থান করুন, কেননা আপনি আপনার পূর্ণতা (পুণ্য) নিয়েই চলে গিয়েছেন, তা থেকে সামান্য কিছুও হ্রাস পায়নি "
১৪৬০ - আবু সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইব্রাহিম বিন কারিয থেকে বর্ণনা করেন, আমি উমর ইবনুল খাত্তাবকে বলতে শুনেছি:
«কূফাবাসী আমাকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে, তারা কোনো আমিরের প্রতি সন্তুষ্ট নয় এবং কোনো আমিরও তাদের প্রতি সন্তুষ্ট নয়... তারা কোনো আমিরের যোগ্য নয় এবং কোনো আমিরও তাদের জন্য যোগ্য নয়»
১৪৬১ - আবু সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, "আমি আলী ইবনে আবি তালিবকে
আব্দুর রহমান ইবনে আউফের মৃত্যুর দিন বলতে শুনেছি: হে ইবনে আউফ, আপনি প্রস্থান করুন, আপনি এর (দুনিয়ার) স্বচ্ছতা অর্জন করেছেন এবং এর আবিলতাকে পেছনে ফেলে গিয়েছেন"
১৪৬২ - আবু সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উমর ইবনুল খাত্তাব আবু যার, ইবনে মাসউদ এবং আবু দারদাকে বলেছিলেন:
«রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই (অধিক) হাদিস বর্ণনা করা কিসের জন্য?» ।
তিনি বলেন: এবং আমার ধারণা তিনি বলেছিলেন: অতঃপর তিনি তাদেরকে তাঁর নিকট আটকে রেখেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু ইব্রাহীম ইবনু সাদ - যিমনা মাজমুইল ফাওয়াইদ লিবনি মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ৯৬)
1463 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: كَانَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ، يَقُولُ: "
أَلا لا يَتَحَدَّثَنَّ رَجُلٍ إِلَى امْرَأَةٍ، إِلا امْرَأَةً هِيَ عَلَيْهِ مَحْرَمٌ، أَلا وَإِنْ قِيلَ: حَمُوهَا، أَلا حَمُوهَا الْمَوْتُ "
1464 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ:
«مَنْ فَاتَهُ قِيَامُ اللَّيْلِ، فَلْيَقْرَأْ مِائَةَ آيَةٍ فِي صَلاتِهِ قَبْلَ الظُّهْرِ، فإِنَّهُ يَعْدِلُ قِيَامَ اللَّيْلِ»
1465 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: رَأَيْتُ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ يَضْرِبُ رَاحِلَتَهُ حِينَ يَهْبِطُ مُحَسِّرًا، فَقُلْتُ: مَا هَذَا يَا أَبَا مُحَمَّدٍ؟ قَالَ: «كَانَتْ عَائِشَةُ رضي الله عنها،
تَأْمُرُ بِبَغْلِهَا، فَيُضْرَبُ حِينَ يَهْبِطُ مُحَسِّرًا، حَتَّى تَخْرُجَ مِنْهُ»1466 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، أَخْبَرَنِي طَلْقُ بْنُ حَبِيبٍ «أَنَّهُ
دَفَعَ مَنْ جَمْعٍ مَعَ عُمَرَ، فَلَمَّا هَبَطَ مُحَسِّرًا، أَوْضَعَ رَاحِلَتَهُ»1467 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ " كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
إِذَا دُعِيَ لِجِنَازَةٍ سَأَلَ عَنْهَا، فَإِنْ أُثْنِيَ عَلَيْهَا خَيْرًا، قَامَ فَصَلَّى عَلَيْهَا، وَإِنْ أُثْنِيَ عَلَيْهَا غَيْرَ ذَلِكَ، قَالَ لأَهْلِهَا: «شَأْنُكُمْ بِهَا، وَلَمْ يُصَلِّ عَلَيْهَا»
1468- حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَالِكِ بْنِ بُحَيْنَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: مَرَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِرَجُلٍ، وَقَدْ أُقِيمَتِ الصَّلاةُ وَهُوَ يُصَلِّي، وَكَلَّمَهُ بِشَيْءٍ لا أَدْرِي مَا هُوَ، فَلَمَّا انْصَرَفْنَا، أَحَطْنَا بِهِ، نَقُولُ: مَاذَا قَالَ لَكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ قَالَ: قَالَ لِي:
«يُوشِكُ أَحَدُكُمْ أَنْ يُصَلِّيَ الصُّبْحَ أَرْبَعًا»1469، 1470 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ، قَالَ " إِنِّي لَفِي الصَّفِّ يَوْمَ بَدْرٍ، وَعَنْ يَمِينِي وَعَنْ يَسَارِي، فَتَيَانِ حَدِيثَا
১৪৬৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম, তাঁর পিতা থেকে, তিনি হুমায়দ ইবন আবদুর রহমান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উমর ইবনুল খাত্তাব বলতেন: "
সাবধান! কোনো পুরুষ যেন কোনো নারীর সাথে নির্জনে কথা না বলে, যদি না সেই নারী তার মাহরাম হয়। সাবধান! এমনকি যদি বলা হয়: তার দেবর (স্বামীর নিকটাত্মীয়), তবে জেনে রেখো: দেবর তো মৃত্যু।"
১৪৬৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম, তাঁর পিতা থেকে, তিনি হুমায়দ ইবন আবদুর রহমান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উমর ইবনুল খাত্তাব বলেছেন:
"যার রাতের সালাত (তাহাজ্জুদ) ছুটে যায়, সে যেন যোহরের পূর্বে তার সালাতে একশ আয়াত পাঠ করে। কেননা তা রাতের সালাতের সমতুল্য হবে।"
১৪৬৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম, তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল-কাসিম ইবন মুহাম্মদকে দেখলাম যে, তিনি যখন মুহাস্সির উপত্যকায় অবতরণ করছেন তখন তাঁর বাহনটিকে আঘাত করছেন। আমি বললাম: হে আবু মুহাম্মদ, এটি কী? তিনি বললেন: "আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা)
তাঁর খচ্চরকে আঘাত করার নির্দেশ দিতেন যখন সেটি মুহাস্সিরে অবতরণ করত, যতক্ষণ না তিনি সেখান থেকে বের হতেন।"১৪৬৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম, তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, আমাকে তালক ইবন হাবিব সংবাদ দিয়েছেন যে, "
তিনি উমরের সাথে জাম' (মুযদালিফা) থেকে রওয়ানা হয়েছিলেন, অতঃপর যখন তিনি মুহাস্সিরে অবতরণ করলেন, তখন তিনি তাঁর বাহনকে দ্রুত চালিত করলেন।"১৪৬৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম, তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন আবি কাতাদাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
যখন কোনো জানাজার জন্য আমন্ত্রিত হতেন, তিনি সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতেন। যদি সেটির প্রশংসা করা হতো, তবে তিনি দাঁড়িয়ে তার জানাজা পড়তেন। আর যদি এছাড়া অন্য কিছু বলা হতো, তবে তিনি তার পরিবারকে বলতেন: 'তোমরা একে নিয়ে যা করার করো,' এবং তিনি তার জানাজা পড়তেন না।"
১৪৬৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম, তাঁর পিতা থেকে, তিনি হাফস ইবন আসিম ইবন উমর ইবনুল খাত্তাব থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন মালিক ইবন বুহায়না থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যখন সালাতের ইকামত হয়ে গিয়েছিল এবং সে সালাত আদায় করছিল। তিনি তাকে কিছু একটা বললেন যা আমি জানি না। যখন আমরা ফিরে এলাম, আমরা তাকে ঘিরে ধরলাম এবং বলতে লাগলাম: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনাকে কী বলেছেন? তিনি বললেন: তিনি আমাকে বলেছেন:
'শীঘ্রই তোমাদের কেউ হয়তো ফজরের সালাত চার রাকাত পড়বে'।"১৪৬৯, ১৪৭০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম, তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবদুর রহমান ইবন আওফ বলেছেন, "বদর যুদ্ধের দিন আমি সারিতে ছিলাম, আর আমার ডানে ও বামে ছিল দুজন অল্পবয়সী যুবক..."
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু ইব্রাহীম ইবনু সাদ - যিমনা মাজমুইল ফাওয়াইদ লিবনি মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ৯৭)
السِّنِّ، فَكَأَنِّي لَمْ أُلْقِ لِمَكَانِهِمَا بَالا، إِذْ قَالَ لِي أَحَدُهُمَا سِرًّا مِنْ صَاحِبِهِ: أَيْ عَمِّي، أَرِنِي أَبَا جَهْلٍ، قَالَ: قُلْتُ: يَابْنَ أَخِي، وَمَا تَصْنَعُ بِهِ؟ قَالَ: إِنِّي عَاهَدْتُ اللَّهَ، إِنْ رَأَيْتُهُ أَنْ أَقْتُلَهُ، أَوْ يَقْتُلَنِي، أَوْ أَمُوتَ دُونَهُ، قَالَ: فَمَا سَرَّنِي أَنَّ قُرْبِي رَجُلَيْنِ مَكَانَهُمَا، قَالَ: فَأَشَرْتُ لَهُمَا إِلَيْهِ، قَالَ: فَشَدَّا عَلَيْهِ مِثْلَ الصَّقْرَيْنِ، وَهُمَا ابْنَا عَفْرَاءَ "
1471 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عُمَرَ، قَالَ يَوْمًا وَهُوَ بِطَرِيقِ مَكَّةَ وَهُوَ يُحَدِّثُ نَفْسَهُ:
«تَشْعَثُونَ، وَتَغْبُرُونَ، وَتَثْقُلُونَ، وَتَضْحُونَ، لا تُرِيدُونَ بِذَلِكَ شَيْئًا مِنْ عَرَضِ الدُّنْيَا، مَا نَعْلَمُ سَعْدًا خَيْرًا مِنْ هَذَا» .
يَعْنِي: الْحَجَّ
1472 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: كُنْتُ جَالِسًا مَعَ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، إِذْ عَرَضَ شَيْخٌ فِي مَسْجِدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فِي بَصَرِهِ بَعْضٌ مِنْ بَنِي غِفَارٍ، فَأَرْسَلَ إِلَيْهِ حُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ يَدْعُوهُ، فَلَمَّا رَآهُ، قَالَ: أَوْسِعْ يَابْنَ أَخِي، فَإِنَّهُ قَدْ صَحِبَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي بَعْضِ أَسْفَارِهِ، فَأَجْلَسَهُ بَيْنِي وَبَيْنَهُ، ثُمَّ قَالَ: حَدِّثْنِي مَا سَمِعْتَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي السَّحَابِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«إِنَّ اللَّهَ يُنْشِئُ السَّحَابَ، فَيَضْحَكُ أَحْسَنَ الضَّحِكِ، وَيَنْطِقُ أَحْسَنَ الْمَنْطِقِ»1473 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ:
أَتَتِ امْرَأَةٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَكَلَّمَتْهُ فِي شَيْءٍ، فَأَمَرَهَا أَنْ تَرْجِعَ إِلَيْهِ، فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، رَأَيْتُ إِنْ جِئْتُ فَلَمْ أَجِدْكَ؟ تَعْنِي: الْمَوْتَ.
قَالَ صلى الله عليه وسلم: «إِنْ لَمْ تَجِدِينِي فَأَبِي بَكْرٍ»
1474 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«مِنْ أَكْبَرِ الْكَبَائِرِ أَنْ يَلْعَنَ الرَّجُلُ وَالِدَيْهِ» .
قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، وَكَيْفَ يَلْعَنُ الرَّجُلُ وَالِدَيْهِ؟ قَالَ: «يَسُبُّ أَبَا الرَّجُلِ فَيَسُبَّ أَبَاهُ، وَيَسُبُّ أُمَّهُ فَيَسُبَّ أُمَّهُ»
বয়সে, তাই আমি তাদের উপস্থিতির প্রতি তেমন গুরুত্ব দিইনি। এমন সময় তাদের একজন তার সঙ্গীর থেকে গোপনে আমাকে বলল: হে চাচা, আমাকে আবু জাহলকে দেখিয়ে দিন। তিনি বললেন: আমি বললাম: হে ভ্রাতুষ্পুত্র, তুমি তাকে দিয়ে কী করবে? সে বলল: আমি আল্লাহর সাথে অঙ্গীকার করেছি যে, যদি তাকে দেখি তবে তাকে হত্যা করব অথবা সে আমাকে হত্যা করবে অথবা আমি তার হাতে প্রাণ হারাব। তিনি বললেন: তাদের পরিবর্তে আমার কাছে দুজন শক্তপোক্ত লোক থাকা আমাকে এতটা আনন্দিত করত না। তিনি বললেন: আমি তাদের ইশারায় তাকে দেখিয়ে দিলাম। তিনি বলেন: তখন তারা দুজন দুটি বাজপাখির মতো তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। তারা ছিল আফরার দুই পুত্র।
১৪৭১ - আবু সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, উমর একদিন মক্কার পথে থাকাবস্থায় স্বগোতক্তি করে বলছিলেন:
“তোমরা উস্কোখুস্কো চুলে থাকো, ধূলিধূসরিত হও, ক্লান্ত হয়ে পড়ো এবং রোদে কষ্ট পাও; এর দ্বারা তোমরা দুনিয়ার কোনো পার্থিব উদ্দেশ্য পোষণ করো না। আমরা এর চেয়ে উত্তম কোনো কল্যাণ সম্পর্কে জানি না এই কাজটির চেয়ে।”
অর্থাৎ: হজ।
১৪৭২ - আবু সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি হুমাইদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আউফের সাথে বসা ছিলাম, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মসজিদে বনু গিফার গোত্রের একজন বৃদ্ধ লোক আবির্ভূত হলেন যার দৃষ্টিশক্তিতে কিছুটা সমস্যা ছিল। হুমাইদ ইবনে আবদুর রহমান তাকে ডাকার জন্য লোক পাঠালেন। যখন তিনি তাকে দেখলেন, তখন বললেন: হে ভ্রাতুষ্পুত্র, জায়গা করে দাও, কারণ তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোনো এক সফরে তাঁর সঙ্গী ছিলেন। এরপর তিনি তাকে আমার এবং তাঁর নিজের মাঝখানে বসালেন। তারপর বললেন: মেঘ সম্পর্কে আপনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যা শুনেছেন তা আমাকে বর্ণনা করুন। তিনি বললেন: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
“নিশ্চয়ই আল্লাহ মেঘমালা সৃষ্টি করেন, অতঃপর তিনি সর্বোত্তম হাসি হাসেন এবং সর্বোত্তম কথা বলেন।”১৪৭৩ - আবু সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে জুবায়ের ইবনে মুতঈম থেকে, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
এক নারী রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এলেন এবং কোনো বিষয়ে তাঁর সাথে কথা বললেন। তখন তিনি তাকে পুনরায় ফিরে আসার নির্দেশ দিলেন। তখন সে বলল: হে আল্লাহর রাসুল, যদি আমি আসি এবং আপনাকে না পাই? তিনি মৃত্যু উদ্দেশ্য করছিলেন।
তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “যদি তুমি আমাকে না পাও, তবে আবু বকরের কাছে এসো।”
১৪৭৪ - আবু সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে, তিনি হুমাইদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আউফ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
“কোনো ব্যক্তির নিজের পিতামাতাকে অভিশাপ দেওয়া কবিরা গুনাহসমূহের মধ্যে অন্যতম।” তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, কোনো ব্যক্তি কীভাবে তার পিতামাতাকে অভিশাপ দেয়? তিনি বললেন: “সে অন্য ব্যক্তির পিতাকে গালি দেয়, ফলে সে ব্যক্তিও তার পিতাকে গালি দেয়; এবং সে অন্যের মাকে গালি দেয়, ফলে সে ব্যক্তিও তার মাকে গালি দেয়।”
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু ইব্রাহীম ইবনু সাদ - যিমনা মাজমুইল ফাওয়াইদ লিবনি মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ৯৮)
حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ:
«يُقَدَّمُ النِّسَاءُ وَالصِّبْيَانُ لَيْلَةَ الْمُزْدَلِفَةِ إِلَى مِنًى»1475 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أُتِيَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بِطَعَامٍ، فَقَالَ
«قُتِلَ مُصْعَبُ بْنُ عُمَيْرٍ، وَكَانَ خَيْرًا مِنِّي، وَلَمْ يَجِدْ مَا يُكَفَّنُ بِهِ إِلا بُرْدَةَ حَمْزَةَ، أَوْ رَجُلٍ آخَرَ» .شَكَّ إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ فِي اسْمِهِ.
«فَلَمْ يَجِدْ مَا يُكَفَّنُ فِيهِ إِلا بُرْدَةً مِنْ صُوفٍ، وَلَقَدْ خَشِيتُ أَنْ تَكُونَ عُجِّلَتْ لَنَا طَيِّبَاتُنَا فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا»
1476 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ طَلْحَةَ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رضي الله عنه
«لأَمْنَعَنَّ ذَوَاتَ الأَحْسَابِ، فَزَوِّجُهُنَّ إِلا مِنَ الأَكْفَاءِ»1477 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّهُ قَالَ: بَلَغَنَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: "
بَيْنَا أَنَا نَائِمٌ، رَأَيْتُنِي أُتِيتُ بِقَدَحِ لَبَنٍ، فَشَرِبْتُ مِنْهُ، حَتَّى إِنِّي لأَرَى الرَّيَّ عَرَجَ فِي أَطْرَافِي، فَأَعْطَيْتُ فَضْلِي عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ.
فَقَالَ مَنْ حَوْلَهُ: فَمَاذَا أَوَّلْتَ ذَلِكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: الْعِلْمَ ".
قَالَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ: وَحَدَّثَنِي هَذَا الْحَدِيثَ صَالِحُ بْنُ كَيْسَانَ، عَنْ حَمْزَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ
1478 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، قَالَ:
اسْتَأْذَنَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَعِنْدَهُ نِسَاءٌ مِنْ قُرَيْشٍ يُكَلِّمْنَهُ وَيَسْتَكْثِرْنَهُ، عَالِيَةً أَصْوَاتُهُنَّ عَلَى صَوْتِهِ، فَلَمَّا اسْتَأْذَنَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ، تَبَادَرْنَ الْحِجَابَ، فَأَذِنَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَدَخَلَ عُمَرُ، وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَضْحَكُ، فَقَالَ عُمَرُ: أَضْحَكَ اللَّهُ سِنَّكَ، بِأَبِي أَنْتَ وَأُمِّي يَا رَسُولَ اللَّهِ.
فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «عَجِبْتُ مِنْ هَؤُلاءِ اللاتِي كُنَّ عِنْدِي، فَلَمَّا سَمِعْنَ صَوْتَكَ تَبَادَرْنَ الْحِجَابَ» .
فَقَالَ عُمَرُ: فَأَنْتَ كُنْتَ أَحَقَّ أَنْ يَهَبْنَ يَا رَسُولَ اللَّهِ.
ثُمَّ أَقْبَلَ عَلَيْهِنَّ، فَقَالَ: أَي عَدُوَّاتِ أَنْفُسِهِنَّ أَتَهَبْنَنِي وَلَمْ تَهَبْنَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ قُلْنَ: نَعَمْ، أَنْتَ أَغْلَظُ وَأَفَظُّ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّهَا يَابْنَ الْخَطَّابِ، وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ مَا لَقِيَكَ الشَّيْطَانُ قَطُّ سَالِكًا فَجًّا، إِلا سَلَكَ فَجًّا غَيْرَ فَجِّكَ»
আবু সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবরাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি হুমায়দ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আউফ থেকে বর্ণনা করেন যে, আব্দুর রহমান ইবনে আউফ বলেছেন:
«মুযদালিফার রাতে নারী ও শিশুদের (আগেভাগেই) মিনার দিকে পাঠিয়ে দেওয়া হতো»১৪৭৫ - আবু সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবরাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা ইবরাহিম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আব্দুর রহমানের নিকট খাবার আনা হলো। তখন তিনি বললেন:
«মুসআব ইবনে উমায়ের শহীদ হয়েছেন, আর তিনি আমার চেয়ে উত্তম ছিলেন। তাঁকে কাফন দেওয়ার জন্য হামযার চাদর অথবা অন্য এক ব্যক্তির চাদর ব্যতীত আর কিছুই পাওয়া যায়নি»।ইবরাহিম ইবনে সা’দ (রাবীর) নামের ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করেছেন।
«তাকে কাফন দেওয়ার জন্য পশমের তৈরি একটি চাদর ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যায়নি। আমার ভয় হয় যে, আমাদের ভালো কাজগুলোর প্রতিদান সম্ভবত দুনিয়ার জীবনেই দ্রুত দিয়ে দেওয়া হয়েছে»
১৪৭৬ - আবু সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবরাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে তালহা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন:
«আমি অবশ্যই উচ্চবংশীয় নারীদের (অযোগ্য পাত্রে বিবাহ থেকে) বাধা প্রদান করব। সুতরাং তোমরা তাদেরকে সমপর্যায়ের (কুফু) পাত্র ব্যতীত বিবাহ দিয়ো না»১৪৭৭ - আবু সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবরাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা সা’দ ইবনে ইবরাহিম থেকে, তিনি আবু সালামা ইবনে আব্দুর রহমান থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট পৌঁছেছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "
আমি ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলাম, এমন সময় দেখলাম যে আমার নিকট এক পেয়ালা দুধ আনা হলো। আমি তা থেকে পান করলাম, এমনকি আমি দেখতে পাচ্ছিলাম যে তৃপ্তি আমার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে ছড়িয়ে পড়ছে। এরপর আমি আমার অতিরিক্ত অংশটুকু উমর ইবনুল খাত্তাবকে দিয়ে দিলাম।
তাঁর আশেপাশের লোকজন জিজ্ঞেস করলেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এর কী ব্যাখ্যা করেছেন? তিনি বললেন: ইলম (জ্ঞান) "।
ইবরাহিম ইবনে সা’দ বলেন: আমার নিকট এই হাদীসটি সালিহ ইবনে কায়সান, হামযাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন।
১৪৭৮ - আবু সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবরাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সালিহ ইবনে কায়সান থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আব্দুল হামিদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে যায়েদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে সা’দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস থেকে, তিনি সা’দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
উমর ইবনুল খাত্তাব রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট প্রবেশের অনুমতি চাইলেন। তখন তাঁর নিকট কুরাইশ বংশের কয়েকজন নারী উচ্চকণ্ঠে কথা বলছিলেন এবং তাঁর নিকট অধিক আবদার করছিলেন, তাদের কণ্ঠস্বর রাসূলুল্লাহর কণ্ঠস্বরের ওপর উঠে যাচ্ছিল। যখন উমর ইবনুল খাত্তাব অনুমতি চাইলেন, তারা দ্রুত পর্দার আড়ালে চলে গেল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে অনুমতি দিলেন। উমর ভেতরে প্রবেশ করলেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসছিলেন। উমর বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ আপনার দাঁতকে সদা হাস্যোজ্জ্বল রাখুন, আমার পিতা ও মাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «আমি এই নারীদের কাণ্ড দেখে বিস্মিত হচ্ছি যারা আমার নিকট ছিল, যখনই তারা তোমার কণ্ঠস্বর শুনতে পেল, অমনি তারা পর্দার আড়ালে চলে গেল»।
তখন উমর বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনাকে ভয় পাওয়া তাদের জন্য অধিক সঙ্গত ছিল।
এরপর তিনি তাদের দিকে ফিরে বললেন: ওহে নিজেদের প্রাণের শত্রুরা! তোমরা কি আমাকে ভয় পাচ্ছ অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ভয় পাচ্ছ না? তারা বলল: হ্যাঁ, আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের তুলনায় অধিক কঠোর ও রুক্ষ মেজাজের।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «হে খাত্তাবের পুত্র! সেই সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার প্রাণ, শয়তান যখনই তোমাকে কোনো পথ দিয়ে চলতে দেখে, তখনই সে তোমার পথ ছেড়ে অন্য পথ দিয়ে চলা শুরু করে»।
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু ইব্রাহীম ইবনু সাদ - যিমনা মাজমুইল ফাওয়াইদ লিবনি মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ৯৯)
1479 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ:
«بَيْنَا أَنَا نَائِمٌ رَأَيْتُنِي عَلَى قَطِيبٍ فَنَزَعْتُ مِنْهَا مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ أَنْزِعَ، ثُمَّ أَخَذَهَا ابْنُ أَبِي قُحَافَةَ، فَنَزَعَ ذَنُوبًا أَوْ ذَنُوبَيْنِ، وَفِي نَزْعِهِ ضَعْفٌ، لِيَغْفِرَ اللَّهُ لَهُ، ثُمَّ أَخَذَهَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ، فَاسْتَحَالَتْ غَرْبًا، فَلَمْ أَرَ عَبْقَرِيًّا مِنَ النَّاسِ يَنْزِعُ نَزْعَهُ، حَتَّى ضَرَبَ النَّاسَ بِعَطَنٍ»
1480 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّهُ قَالَ: بَلَغَنِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ:
«أَنَّهُ قَدْ كَانَ فِيمَا مَضَى قَبْلَكُمْ مِنَ الأُمَمِ مُحَدَّثُونَ، فَإِنْ يَكُنْ فِي أُمَّتِي هَذِهِ أَحَدٌ مِنْهُمْ، فَإِنَّهُ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ»
1481 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّهُ قَالَ: بَلَغَنِي أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، قَالَ:
«قُرَيْشٌ أَحَقُّ النَّاسِ بِهَذَا الْمَالِ، لأَنَّهُمْ إِذَا أَعْطُوا فَاضَ، وَإِذَا أَعْطَتْهُ غَيْرُهُمْ لَمْ يَفِضْ»
1482 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عِكْرِمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، أَنَّ أَبَا قَتَادَةَ الأَنْصَارِيَّ، ثُمَّ السُّلَمِيَّ، قَالَ لِخَالِدِ بْنِ الْوَلِيدِ يَوْمَ الْفَتْحِ: "
هَذَا يَوْمٌ يُذِلُّ اللَّهُ فِيهِ قُرَيْشًا.
فَقَالَ بَعْضُ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: أَلا تَسْمَعُ مَا يَقُولُ أَبُو قَتَادَةَ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَهْلا يَا أَبَا قَتَادَةَ، فَإِنَّكَ لَوْ وَزَنْتَ حِلْمَكَ مَعَ حُلُومِهِمْ، لَتَحَاقَرْتَ حِلْمَكَ مَعَ حُلُومِهِمْ، وَلَوْ وَزَنْتَ رَأْيَكَ مَعَ رَأْيِهِمْ، لَتَحَاقَرْتَ رَأْيَكَ مَعَ رَأْيِهِمْ، وَلَوْ وَزَنْتَ فِعَالَكَ مَعَ فِعَالِهِمْ، لَتَحَاقَرْتَ فِعْلَكَ مَعَ فِعَالِهِمْ، لا تُعَلِّمُوا
1479 - আবু সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, সালিহ ইবনে কায়সান থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আল-মুসাইয়্যাব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি:
«আমি ঘুমন্ত অবস্থায় নিজেকে একটি কূপের পাড়ে দেখলাম। সেখান থেকে আমি আল্লাহ যতটুকু চাইলেন পানি তুললাম। এরপর ইবনে আবু কুহাফা সেটি নিলেন, অতঃপর এক বা দুই বালতি পানি তুললেন, আর তার পানি তোলায় কিছুটা দুর্বলতা ছিল, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন। তারপর তা উমর ইবনুল খাত্তাব নিলেন, তখন তা একটি বড় বালতিতে পরিণত হলো। আমি মানুষের মধ্যে এমন কোনো শক্তিশালী ব্যক্তিকে দেখিনি যে তার মতো পানি তুলতে পারে, শেষ পর্যন্ত মানুষ তাদের উটগুলোকে পানি পান করিয়ে তৃপ্ত অবস্থায় বিশ্রামস্থলে নিয়ে গেল।»
1480 - আবু সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, সাদ ইবনে ইব্রাহিম থেকে, তিনি আবু সালামা ইবনে আব্দুর রহমান থেকে যে, তিনি বলেছেন: আমার নিকট পৌঁছেছে যে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
«তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতগণের মধ্যে এমন কিছু লোক ছিলেন যাদের নিকট (নবী না হওয়া সত্ত্বেও) ইলহাম হতো। যদি আমার এই উম্মতের মধ্যে তাদের কেউ থেকে থাকে, তবে সে হলো উমর ইবনুল খাত্তাব।»
1481 - আবু সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, সালিহ ইবনে কায়সান থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে যে, তিনি বলেছেন: আমার নিকট পৌঁছেছে যে উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলেছেন:
«কুরাইশরা এই সম্পদের অধিক হকদার, কারণ যখন তারা দান করে তখন তা উপচে পড়ে, আর যখন অন্য কেউ তা দান করে তখন তা উপচে পড়ে না।»
1482 - আবু সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইকরিমাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আবু মুলাইকাহ থেকে যে, আবু কাতাদা আল-আনসারী অতঃপর আস-সুলামী মক্কা বিজয়ের দিন খালিদ ইবনুল ওয়ালিদকে বলেছিলেন:
"আজ এমন একটি দিন যাতে আল্লাহ কুরাইশদের লাঞ্ছিত করবেন।".
তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কিছু সাহাবী বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আবু কাতাদা যা বলছেন তা কি আপনি শুনতে পাচ্ছেন না? তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «থামো হে আবু কাতাদা! তুমি যদি তোমার সহনশীলতাকে তাদের সহনশীলতার সাথে তুলনা করো, তবে তাদের সহনশীলতার তুলনায় তোমার সহনশীলতাকে তুচ্ছ মনে করবে; আর যদি তোমার অভিমতকে তাদের অভিমতের সাথে তুলনা করো, তবে তাদের অভিমতের তুলনায় তোমার অভিমতকে তুচ্ছ মনে করবে; আর যদি তোমার কার্যাবলিকে তাদের কার্যাবলির সাথে তুলনা করো, তবে তাদের কার্যাবলির তুলনায় তোমার কার্যাবলিকে তুচ্ছ মনে করবে। তোমরা শিক্ষা দিও না...
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু ইব্রাহীম ইবনু সাদ - যিমনা মাজমুইল ফাওয়াইদ লিবনি মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ১০০)
قُرَيْشًا، وَتَعَلَّمُوا مِنْهَا، فَلَوْلا أَنْ تَبْطُرَ قُرَيْشٌ لأَخَبْرَتْهُمْ بِمَا لَهُمْ عِنْدَ رَبِّ الْعَالَمِينَ»
1483 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ أَبِي خَيْثَمَةَ أَنَّهُ بَلَغَهُ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ:
«لا تُعَلِّمُوا قُرَيْشًا، وَتَعَلَّمُوا مِنْهَا، وَلا تَتَقَدَّمُوهُمْ، وَلا تَتَأَخَّرُوا عَنْهُمْ، فَإِنَّ لِلرَّجُلِ مِنْ قُرَيْشٍ مِثْلَ قُوَّةِ الرَّجُلَيْنِ مِنْ غَيْرِ قُرَيْشٍ»
1484 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ الْحَكَمِ أَبِي الْحَجَّاجِ، عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ:
«مَنْ يُرِدِ هَوَانَ قُرَيْشٍ، أَهَانَهُ اللَّهُ»1485 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّهُ قَالَ: بَلَغَنِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم "
ذُكِرَ لَهُ رَجُلٌ مِنْ ثَقِيفٍ مَاتَ يَوْمَ حُنَيْنٍ وَهُوَ حَاضِرٌ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: أَبْعَدَهُ اللَّهُ، فَإِنَّهُ كَانَ يَبْغَضُ قُرَيْشًا "
1486 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عِكْرِمَةَ، عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرٍ، وَسَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، أَنَّهُمَا قَالا: بَيْنَمَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ ذَاتَ يَوْمٍ جَالِسٌ فِي الْمَسْجِدِ، إِذْ مَرَّ بِهِ سَعِيدُ بْنُ الْعَاصِ، فَدَعَاهُ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ، فَقَالَ: " وَاللَّهِ إِنِّي مَا قَتَلْتُ أَبَاكَ يَوْمَ بَدْرٍ، وَلَكِنْ قَتَلْتُ خَالِي الْعَاصَ بْنَ هِشَامٍ، وَمَا لِي أَنْ أَكُونَ أَعْتَذِرُ مِنْ قَتْلِ مُشْرِكٍ.
فَقَالَ سَعِيدُ بْنُ الْعَاصِ: كُنْتَ عَلَى حَقٍّ، وَكَانَ عَلَى بَاطِلٍ.
فَعَجِبَ مِنْ قَوْلِهِ، وَلَوَى كَفَّيْهِ، ثُمَّ قَالَ:
قُرَيْشٌ أَفْضَلُ النَّاسِ أَحْلامًا، وَأَعْظَمُ النَّاسِ أَمَانَةً، وَمَنْ يُرِدْ قُرَيْشًا بِسُوءٍ نَكَثَهُ اللَّهُ لَعْنَتَهُ "
কুরাইশদের [শেখাও না], বরং তাদের থেকে শিক্ষা গ্রহণ করো। যদি কুরাইশরা অহংকারী হয়ে যাওয়ার ভয় না থাকত, তবে আমি তাদের জানিয়ে দিতাম যে, রব্বুল আলামীনের নিকট তাদের জন্য কী মর্যাদা রয়েছে।
১৪৮৩ - আবু সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, সালিহ ইবনে কায়সান থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আবু বকর ইবনে সুলাইমান ইবনে আবু খায়সামাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তাঁর নিকট সংবাদ পৌঁছেছে: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
"তোমরা কুরাইশদের শিক্ষা দিতে যেয়ো না, বরং তাদের থেকে শিক্ষা গ্রহণ করো। তাদের থেকে অগ্রগামী হয়ো না এবং তাদের পেছনে পড়ে থেকো না। কেননা কুরাইশ বংশের একজন ব্যক্তির শক্তি কুরাইশ বহির্ভূত অন্য দুই ব্যক্তির শক্তির সমান।"১৪৮৪ - আবু সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, সালিহ ইবনে কায়সান থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে আবু সুফিয়ান থেকে, তিনি ইউসুফ ইবনে হাকাম আবু হাজ্জাজ থেকে, তিনি সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি:
"যে ব্যক্তি কুরাইশদের লাঞ্ছিত করতে চাইবে, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করবেন।"১৪৮৫ - আবু সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, সালিহ ইবনে কায়সান থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট
ছাকিফ গোত্রের এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করা হলো, যে হুনাইনের যুদ্ধে উপস্থিত থাকা অবস্থায় মারা গিয়েছিল। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: আল্লাহ তাকে রহমত থেকে দূরে সরিয়ে দিন, কারণ সে কুরাইশদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করত।১৪৮৬ - আবু সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে ইকরামা থেকে, তিনি নাফি ইবনে জুবাইর এবং সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব থেকে বর্ণনা করেন যে, তাঁরা উভয়ে বলেন: একদিন উমর ইবনুল খাত্তাব মসজিদে বসে ছিলেন, এমতাবস্থায় সাঈদ ইবনুল আস তাঁর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। উমর ইবনুল খাত্তাব তাকে ডাকলেন এবং বললেন: "আল্লাহর কসম, বদরের দিন আমি তোমার পিতাকে হত্যা করিনি, বরং আমি আমার মামা আস ইবনে হিশামকে হত্যা করেছিলাম। আর একজন মুশরিককে হত্যার ব্যাপারে আমার ওজর পেশ করার কোনো অবকাশ নেই।"
তখন সাঈদ ইবনুল আস বললেন: "আপনি সত্যের ওপর ছিলেন এবং সে বাতিলের ওপর ছিল।"
উমর তার কথায় বিস্মিত হলেন এবং নিজের দুই হাতের তালু ঘুরালেন, তারপর বললেন:
"কুরাইশরা সহনশীলতার দিক থেকে মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠ এবং আমানতদারির দিক থেকে মানুষের মধ্যে মহান। আর যে ব্যক্তি কুরাইশদের প্রতি অমঙ্গল কামনা করবে, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত ও অভিশপ্ত করবেন।"
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু ইব্রাহীম ইবনু সাদ - যিমনা মাজমুইল ফাওয়াইদ লিবনি মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ১০১)
1487 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ: "
إِذَا ذُكِرَ عُمَرُ: لِلَّهِ تَأَيَّدَ عُمَرُ، لَقَلَّ مَا رَأَيْتُهُ يُحَرِّكُ شَفَتَيْهِ بِشَيْءٍ قَطُّ إِلا كَانَ "
1488 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّهُ قَالَ: "
بَلَغَنِي أَنَّ الَّيُهوَد، كَانُوا يَقُولُونَ: إِنَّا نَجِدُ فِيمَا نَقْرَأُ مِنَ الأَحَادِيثِ عَنِ الأَنْبِيَاءِ: أَنَّهُ يُجْلِي يَهُودَ الْحِجَازِ رَجُلٌ صِفَتُهُ صِفَةُ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، فَأَجْلاهُمْ "
1489 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ قَالَ:
«حَرَّقَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ بَيْتَ رُوَيْشِدٍ، وَكَانَ حَانُوتَ شَرَابٍ» .
قَالَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ: فَحَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: «إِنِّي لأَنْظُرُ إِلَى ذَلِكَ الْبَيْتِ لَيْلا كَأَنَّهُ جَمْرَةٌ»
1490 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ الْحَسَنِ الْبَصْرِيِّ: " أَنَّ صُهَيْبًا دَخَل عَلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ حِينَ طُعِنَ، فَلَمَّا رَآهُ قَالَ: وَآخَاهُ، فَقَالَ عُمَرُ: وَيْحَكَ يَا صُهَيْبُ،
أَمَا عَلِمْتَ أَنَّ الْمُعَوَّلَ عَلَيْهِ يُعَذَّبَ ".
يَعْنِي: الْبُكَاءَ
1491 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ: "
دَخَلَ ثَابِتٌ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ شَاهِدٌ، وَأُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ، وَزَيْدُ بْنُ حَارِثَةَ مُضْطَجِعَانِ، فَلَمَّا نَظَرَ إِلَى أَقْدَامِهِمَا، قَالَ: إِنَّ هَذِهِ الأَقْدَامِ بَعْضُهَا مِنْ بَعْضٍ، فَسُرَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِذَلِكَ، وَأَعْجَبَهُ، وَأَخْبَرَ بِهِ عَائِشَةَ "
1492 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، أَنَّهَا قَالَتْ:
جَاءَتْ أُمُّ حَبِيبَةَ ابْنَةُ جَحْشٍ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَكَانَتِ اسْتُحِيضَتْ سَبْعَ سِنِينَ، فَشَكَتْ ذَلِكَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَاسْتَفْتَتْهُ فِيهِ، فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ هَذِهِ لَيْسَ بِحَيْضَةٍ، وَلَكِنْ هَذَا عَرَقٌ، فَاغْتَسِلِي ثُمَّ صَلِّي» .
قَالَتْ عَائِشَةُ: فَكَانَتْ أُمُّ حَبِيبَةَ تَغْتَسِلُ لِكُلِّ صَلاةٍ، ثُمَّ تُصَلِّي، قَالَتْ: وَكَانَتْ تَجْلِسُ فِي الْمِرْكَنِ، فَتَعْلُو حُمْرَةُ الدَّمِ الْمَاءَ، ثُمَّ تُصَلِّي
1493 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ الأَخْنَسِ، أَنَّهُ قَالَ: مَاتَ مَوْلًى لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنَ الْحَبَشَةِ، فَقَالَ:
১৪৮৭ - আমাদের কাছে আবু সালিহ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার কাছে ইব্রাহিম হাদীস বর্ণনা করেছেন সালিহ ইবনে কায়সান থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলতেন: "
আল্লাহর জন্য, উমরকে সাহায্য করা হয়েছিল; আমি খুব কমই তাকে তার ঠোঁট নাড়াতে দেখেছি এমন কোনো বিষয়ে যা বাস্তবে পরিণত হয়নি"
১৪৮৮ - আমাদের কাছে আবু সালিহ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার কাছে ইব্রাহিম হাদীস বর্ণনা করেছেন সালিহ ইবনে কায়সান থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "
আমার কাছে পৌঁছেছে যে, ইহুদিরা বলত: 'নবীগণের থেকে বর্ণিত যে সকল কাহিনী আমরা পাঠ করি তাতে আমরা পাই যে, হিজাজের ইহুদিদের এমন এক ব্যক্তি বহিষ্কার করবে যার বৈশিষ্ট্য হবে উমর ইবনুল খাত্তাবের বৈশিষ্ট্যের মতো।' অতঃপর তিনি তাদের বহিষ্কার করেন"
১৪৮৯ - আমাদের কাছে আবু সালিহ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার কাছে ইব্রাহিম তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন:
«উমর ইবনুল খাত্তাব রুওয়াইশিদের ঘর পুড়িয়ে দিয়েছিলেন, আর তা ছিল মদের দোকান» । ইব্রাহিম ইবনে সা’দ বলেন: আমার পিতা তার দাদা থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «আমি রাতে সেই ঘরটির দিকে তাকাচ্ছিলাম, মনে হচ্ছিল যেন তা একটি জ্বলন্ত অঙ্গার»
১৪৯০ - আমাদের কাছে আবু সালিহ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার কাছে ইব্রাহিম হাসান ইবনে দীনার থেকে, তিনি হাসান বসরী থেকে বর্ণনা করেন: "সুহাইব উমর ইবনুল খাত্তাবের কাছে প্রবেশ করলেন যখন তিনি ছুরিকাহত হয়েছিলেন। যখন তিনি তাকে দেখলেন, তিনি বলে উঠলেন: হায় আমার ভাই! তখন উমর বললেন: তোমার জন্য আফসোস হে সুহাইব!
তুমি কি জানো না যে, যার জন্য বিলাপ করা হয় তাকে শাস্তি দেওয়া হয়?"।
অর্থাৎ: উচ্চস্বরে কান্না
১৪৯১ - আমাদের কাছে আবু সালিহ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার কাছে ইব্রাহিম ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উরওয়াহ ইবনুল জুবাইর থেকে, তিনি আয়েশা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "
সাবিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে প্রবেশ করলেন যখন তিনি উপস্থিত ছিলেন, আর উসামা ইবনে যায়দ ও যায়দ ইবনে হারিসা শুয়ে ছিলেন। যখন তিনি তাদের পায়ের দিকে তাকালেন, তখন তিনি বললেন: এই পাগুলো একে অপরের অংশ (অর্থাৎ তাদের বংশগত মিল রয়েছে)। এতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুশি হলেন, বিষয়টি তাকে মুগ্ধ করল এবং তিনি আয়েশাকে তা জানালেন।"
১৪৯২ - আমাদের কাছে আবু সালিহ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার কাছে ইব্রাহিম ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আমরাহ বিনতে আবদুর রহমান থেকে, তিনি আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন:
উম্মু হাবিবা বিনতে জাহাশ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আসলেন, তার সাত বছর ধরে ইস্তিহাজা (অস্বাভাবিক রক্তস্রাব) হচ্ছিল। তিনি এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে অভিযোগ করলেন এবং এ ব্যাপারে ফতোয়া চাইলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন: «এটি মাসিক নয়, বরং এটি একটি শিরা (ছিঁড়ে যাওয়া জনিত রক্তপাত), অতএব তুমি গোসল করো এরপর সালাত আদায় করো»।
আয়েশা বলেন: উম্মু হাবিবা প্রতি সালাতের জন্য গোসল করতেন, এরপর সালাত আদায় করতেন। তিনি বলেন: তিনি বড় পাত্রে বসতেন আর রক্তের লাল আভা পানির ওপর ভেসে উঠত, এরপর তিনি সালাত আদায় করতেন
১৪৯৩ - আমাদের কাছে আবু সালিহ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার কাছে ইব্রাহিম মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি ইয়াকুব ইবনে উতবাহ ইবনে মুগীরা ইবনে আখনাশ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: হাবশা (আবিসিনিয়া) দেশীয় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এক মুক্ত করা দাস মারা গেলেন, তখন তিনি বললেন:
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু ইব্রাহীম ইবনু সাদ - যিমনা মাজমুইল ফাওয়াইদ লিবনি মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ১০২)
«انْظُرُوا مَنْ كَانَ بِمَكَّةَ مِنْ مُسْلِمَةِ الْحَبَشَةِ، فَادْفَعُوا مِيرَاثَهُ إِلَيْهِ»
1494 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَمَّنْ حَدَّثَهُ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ " أَنَّهُ دَعَاهُ رَجُلٌ مِنْ مَعَارِفِهِ إِلَى حِبَّانَ، فَانْصَرَفَ، وَكَانَ طَرِيقٌ عَلَى مَنْزِلِهِ.
فَدَخَلَ مَنْزِلَهُ، وَكَانَ أَقَلَّ النَّاسِ فُحْشًا عَلَى جَلِيسِهِ، فَقَالَ لَهُ بَعْضُ أَصْحَابِهِ حِينَ جَاوَزَ مَنْزِلَهُ: فُلانٌ دَعَاكَ، وَهَذَا مَنْزِلُهُ، فَسَكَتَ عَنْهُ، فَقَالَ لَهُ: يَا أَبَا سَعِيدٍ، أَلَسْتَ تَعْلَمُ حَقَّ الدَّعْوَةِ؟ فَقَالَ: يَا تُسْتَرُ بِالْفَارِسِيَّةِ، يَا بَعِيرٌ أَوْ دَعْوَةٌ هِيَ؟ "
1495 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ قَالَ لِعَائِشَةَ: " أَرَأَيْتِ قَوْلَ الَّلِه {إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَطَّوَّفَ بِهِمَا} [البقرة: 158] .
قَالَ: فَقُلْتُ: فَوَاللَّهِ مَا عَلَى أَحَدٍ جُنَاحٌ عَلَيْهِ أَنْ لا يَطُوفَ بِهِمَا، قَالَتْ عَائِشَةُ: وَلَكِنَّهَا إِنَّمَا أُنْزِلَتْ أَنَّ
الأَنْصَارَ قَبْلَ أَنْ يُسْلِمُوا كَانُوا يَحُجُّونَ لِمَنَاةَ الطَّاغِيَةَ الَّتِي كَانُوا يَعْبُدُونَ عِنْدَ الْمُشلَّلِ، وَكَانَ مَنْ أَهَلَّ لَهَا يَتَحَرَّجُ أَنْ يَطُوفَ بِالصَّفَا وَالْمَرْوَةِ، فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى: {إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَطَّوَّفَ بِهِمَا} [البقرة: 158] .
قَالَتْ عَائِشَةُ: ثُمَّ قَدْ سَنَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الطَّوَافَ بِهِمَا، لَيْسَ يَنْبَغِي لأَحَدٍ أَنْ يَدَعَ الطَّوَافَ بِهِمَا ".
قَالَ الزُّهْرِيُّ: فَذَكَرْتُ حَدِيثَ عُرْوَةَ هَذَا لأَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ عَائِشَةَ، فَقَالَ: وَاللَّهِ إِنَّ هَذَا الْعِلْمَ وَأَمَرَّ مَا كُنْتُ سَمِعْتُهُ، وَقَدْ سَمِعْتُ رِجَالا مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ، يَقُولُونَ: إِنَّ النَّاسَ، إِلا مَنْ ذَكَرَتْ عَائِشَةُ مِمَّنْ كَانَ يُهِلُّ لِمَنَاةَ الطَّاغِيَةَ، كَانُوا يَطُوفُونَ كُلُّهُمْ بِالصَّفَا وَالْمَرْوَةِ، فَلَمَّا أَنْزَلَ اللَّهُ الطَّوَافَ بِالْبَيْتِ فِي الْقُرْآنِ، وَلَمْ يَذْكُرِ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ، قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّا كُنَّا نَطُوفُ بِالصَّفَا وَالْمَرْوَةِ، فَأَنْزَلَ اللَّهُ عز وجل: {إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَطَّوَّفَ بِهِمَا} [البقرة: 158] .
قَالَ أَبُو بَكْرِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ: فَاسْمَعْ هَذِهِ الآيَةَ قَدْ أُنْزِلَتْ فِي الْفَرِيقَيْنِ كِلَيْهِمَا الَّذِينَ كَانُوا يَتَحَرَّجُونَ فِي الْجَاهِلِيَّةِ أَنْ يَطُوفُوا بِالصَّفَا وَالْمَرْوَةِ، وَالَّذِينَ كَانُوا يَطُوفُونَ فِي الْجَاهِلِيَّةِ بِالصَّفَا وَالْمَرْوَةِ، ثُمَّ تَحَرَّجُوا فِي الإِسْلامِ مِنْ أَجْلِ أَنَّ اللَّهَ أَمَرَ بِالطَّوَافِ بِالْبَيْتِ، وَلَمْ يَأْمُرْ بِالطَّوَافِ بِالصَّفَا وَالْمَرْوَةِ، مَعَ طَوَافٍ بِالْبَيْتِ.
حَتَّى ذَكَرَهُ
1496 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ «كَانَ عَبْدُ
«তোমরা দেখো মক্কায় হাবশার মুসলিমদের মধ্যে কে আছে, অতঃপর তার উত্তরাধিকার তাকে দিয়ে দাও।»
১৪৯৪ - আবু সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইবরাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি এমন একজনের থেকে যিনি তার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি হাসান ইবনুল হাসান থেকে বর্ণনা করেন যে, জনৈক পরিচিত ব্যক্তি তাকে হিব্বানের দিকে দাওয়াত দিল, অতঃপর তিনি ফিরে আসলেন এবং তার পথটি ছিল তার গৃহের ওপর দিয়ে।
অতঃপর তিনি তার ঘরে প্রবেশ করলেন, আর তিনি তার সহচরদের প্রতি রূঢ় আচরণের ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে সংযত ছিলেন। যখন তিনি তার ঘর অতিক্রম করলেন, তখন তার জনৈক সঙ্গী তাকে বলল: অমুক ব্যক্তি আপনাকে দাওয়াত দিয়েছে এবং এটিই তার ঘর। তিনি তা শুনে চুপ থাকলেন। তখন সে তাকে বলল: হে আবু সাঈদ! আপনি কি দাওয়াতের হক সম্পর্কে জানেন না? তিনি বললেন: ‘হে তুসতার’ (ফারসি ভাষায়), হে উট! এটি কি দাওয়াত?
১৪৯৫ - আবু সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইবরাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উরওয়াহ ইবনুল যুবায়ের থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আয়েশাকে (রা.) বললেন: "আপনি কি আল্লাহর এই বাণীর ব্যাপারে লক্ষ্য করেছেন: {নিশ্চয় সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং যে ব্যক্তি কাবা গৃহের হজ বা উমরা পালন করে, তার জন্য এই উভয় পাহাড়ের মাঝে সায়ী (প্রদক্ষিণ) করায় কোনো গুনাহ নেই} [বাকারা: ১৫৮]।
উরওয়াহ বলেন: আমি বললাম: আল্লাহর শপথ! তবে তো কারো ওপর কোনো দোষ নেই যদি সে এই দুটির মাঝে সায়ী না করে। আয়েশা (রা.) বললেন: না, বরং আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছিল এ কারণে যে,
আনসাররা ইসলাম গ্রহণের পূর্বে মুশলাল নামক স্থানে মানাত নামক তাগুতের নামে হজের তালবিয়াহ পাঠ করত যেটির তারা ইবাদত করত। আর যারা এর নামে ইহরাম বাঁধত তারা সাফা ও মারওয়ার মাঝে প্রদক্ষিণ করাকে দোষের মনে করত। তাই আল্লাহ তাআলা নাযিল করলেন: {নিশ্চয় সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং যে ব্যক্তি কাবা গৃহের হজ বা উমরা পালন করে, তার জন্য এই উভয় পাহাড়ের মাঝে সায়ী করায় কোনো গুনাহ নেই} [বাকারা: ১৫৮]।
আয়েশা (রা.) বললেন: অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দুটির মাঝে প্রদক্ষিণের সুন্নাত প্রতিষ্ঠা করেছেন। সুতরাং কারো জন্য সাফা ও মারওয়ার প্রদক্ষিণ ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়।
যুহরী বলেন: আমি উরওয়াহ থেকে বর্ণিত আয়েশা (রা.)-এর এই হাদীসটি আবু বকর ইবনে আবদুর রহমান ইবনুল হারিস ইবনে হিশামের নিকট উল্লেখ করলাম। তখন তিনি বললেন: আল্লাহর শপথ! এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইলম যা আমি কখনো শুনিনি। আমি বহু আলিমকে বলতে শুনেছি যে, আয়েশা যাদের কথা উল্লেখ করেছেন—যারা মানাত নামক তাগুতের উদ্দেশ্যে ইহরাম বাঁধত—তারা ছাড়া অন্যান্য সকল মানুষই সাফা ও মারওয়ার মাঝে প্রদক্ষিণ করত। এরপর যখন আল্লাহ তাআলা কুরআনে বাইতুল্লাহর তাওয়াফের কথা নাযিল করলেন এবং সাফা ও মারওয়ার কথা উল্লেখ করলেন না, তখন তারা বলল: হে আল্লাহর রাসূল! আমরা সাফা ও মারওয়ার মাঝে প্রদক্ষিণ করতাম। তখন আল্লাহ তাআলা নাযিল করলেন: {নিশ্চয় সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং যে ব্যক্তি কাবা গৃহের হজ বা উমরা পালন করে, তার জন্য এই উভয় পাহাড়ের মাঝে সায়ী করায় কোনো গুনাহ নেই} [বাকারা: ১৫৮]।
আবু বকর ইবনে আবদুর রহমান বললেন: শোনো, এই আয়াতটি উভয় দলের ব্যাপারেই নাযিল হয়েছে—যারা জাহিলিয়াত যুগে সাফা ও মারওয়ার মাঝে প্রদক্ষিণ করতে কুণ্ঠাবোধ করত, এবং যারা জাহিলিয়াত যুগে সাফা ও মারওয়ার মাঝে প্রদক্ষিণ করত কিন্তু ইসলাম গ্রহণের পর কুণ্ঠাবোধ করতে শুরু করল এ কারণে যে, আল্লাহ তাআলা বাইতুল্লাহর তাওয়াফের আদেশ দিয়েছেন কিন্তু বাইতুল্লাহর তাওয়াফের সাথে সাফা ও মারওয়ার প্রদক্ষিণের আদেশ দেননি। এমনকি তিনি এটি উল্লেখ করেছেন।
১৪৯৬ - আবু সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: "আবদুল্লাহ ছিলেন...
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু ইব্রাহীম ইবনু সাদ - যিমনা মাজমুইল ফাওয়াইদ লিবনি মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ১০৩)
الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ
لا يُصَلِّي الضُّحَى»1497 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ رَجُلٍ مِنْ مُزَيْنَةَ، أَنَّهُ كَانَ يُحَدِّثُ فِي مَجْلِسِ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، أَنَّهُ قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو هُرَيْرَةَ، قَالَ: "
قَالَتِ الْيَهُودُ: سَلُوا مُحَمَّدًا، فَإِنْ هُوَ حَكَمَ بِالتَّخْفِيفِ، مَا حَدُّ الزَّانِي إِذَا أُحْصِنَ، فَإِنَّكُمْ قَدْ تَرَكْتُمْ مَا فِي التَّوْرَاةِ، فَإِنْ رَخَّصَ عَلَيْكُمْ، كَانَتْ حُجَّةً "
1498 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ " لَمَّا
جُلِدَ أَبُو بَكْرَةَ، أَمَرَتْ أُمُّهُ بِشَاةٍ، فَذُبِحَتْ، ثُمَّ جَعَلَتْ جِلْدَهَا عَلَى ظَهْرِهِ، قَالَ: فَكَانَ أَبِي، يَقُولُ: مَا ذَاكَ إِلا مِنْ ضَرْبٍ شَدِيدٍ "
1499 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّهُ قَالَ: "
لَبِسَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم خَاتَمًا مِنْ وَرِقٍ يَوْمًا وَاحِدًا، فَاتَّخَذَ النَّاسُ خَوَاتِمَ مِنْ وَرِقٍ، قَالَ: فَطَرَحَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَاتَمَهُ، فَطَرَحَ النَّاسَ خَوَاتِيمَهُمْ "
আব্দুর রহমান ইবনে আউফ
চাশতের সালাত আদায় করতেন না।১৪৯৭ - আবু সালিহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহীম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনু শিহাব থেকে বর্ণিত, মুযাইনা গোত্রের এক ব্যক্তি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িবের মজলিসে বর্ণনা করছিলেন যে, তিনি বলেছেন: আমাকে আবু হুরায়রা (রা.) সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: "
ইয়াহুদীরা বলল: তোমরা মুহাম্মাদকে জিজ্ঞাসা করো, যদি তিনি লঘু দণ্ডের ফয়সালা দেন—বিবাহিত ব্যভিচারীর দণ্ড কী হবে? কারণ তোমরা তো বর্জন করেছ যা আছে তাওরাতে; সুতরাং যদি তিনি তোমাদের জন্য শিথিলতা প্রদান করেন, তবে তা (তোমাদের জন্য) একটি দলিল হবে।"
১৪৯৮ - আবু সালিহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহীম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "যখন
আবু বাকরাকে বেত্রাঘাত করা হলো, তখন তাঁর মা একটি ছাগল জবাই করার নির্দেশ দিলেন এবং সেটি জবাই করা হলো। অতঃপর তিনি সেটির চামড়া তাঁর পিঠের ওপর রাখলেন। তিনি বলেন: আমার পিতা বলতেন, এটি অত্যন্ত কঠোর প্রহারের কারণেই করা হয়েছিল।"
১৪৯৯ - আবু সালিহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহীম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনু শিহাব থেকে বর্ণিত, আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন: "
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন রূপার একটি আংটি পরিধান করলেন। ফলে অন্য লোকেরাও রূপার আংটি তৈরি করে নিল। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর ছুড়ে ফেললেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর আংটিটি, ফলে অন্য লোকেরাও তাদের আংটিগুলো ছুড়ে ফেলে দিল।"