(খণ্ড: ১)
জুযউন মিন আহাদীসি আল কাযযায আন শুয়ূখিহী
(পৃষ্ঠা: -)
جزء من أحاديث القزاز عن شيوخه القسم: كتب السنة
الكتاب: جزء من أحاديث القزاز عن شيوخه (مطبوع ضمن مجموع باسم الفوائد لابن منده!)
المؤلف: محمد بن سنان بن يزيد، أبو الحسن القزاز البصري (ت 271هـ)
تحقيق: خلاف محمود عبد السميع
الناشر: دار الكتب العلمية، بيروت - لبنان
الطبعة: 1423 هـ - 2002 م
عدد الصفحات: 370
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
তার শিক্ষকদের নিকট হতে আল-ক্বাযযাযের বর্ণিত হাদিসসমূহের একটি অংশ বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
কিতাব: তার শিক্ষকদের নিকট হতে আল-ক্বাযযাযের বর্ণিত হাদিসসমূহের একটি অংশ (ইবনে মানদাহর আল-ফাওয়াইদ নামক সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে মুদ্রিত!)
লেখক: মুহাম্মাদ বিন সিনান বিন ইয়াযিদ, আবু আল-হাসান আল-ক্বাযযায আল-বাসরি (মৃত্যু: ২৭১ হিজরি)
তাহকিক: খাল্লাফ মাহমুদ আবদ আল-সামি
প্রকাশক: দারুল কুতুব আল-ইলমিইয়াহ, বৈরুত - লেবানন
সংস্করণ: ১৪২৩ হিজরি - ২০০২ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৭০
[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের অনুরূপ]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
জুযউন মিন আহাদীসি আল কাযযায আন শুয়ূখিহী
(পৃষ্ঠা: ৩৬৩)
قَرَأْتُ عَلَى الشَّيْخَةِ الأَصِيلَةِ الْمُعَمِّرَةِ الْكَاتِبَةِ التَّالِيَةِ الْخَيِّرَةِ أم هَانِئٍ مَرْيَمَ ابْنَةِ الشَّيْخِ نُورِ الدِّينِ عَلِيِّ بْنِ الْقَاضِي تَقِيِّ الدِّينِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ الْمُؤْمِنِ الْهُورِينِيِّ، بِإِجَازَتِهَا مِنْ أَبِي مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ النُّشَاوُرِيِّ الْمَكِّيِّ، إِنْ لَمْ يَكُنْ سَمَاعًا، عَنْ الإِمَامِ أَبِي أَحْمَدَ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدٍ الطَّبَرِيِّ.
1090 - كَذَلِكَ قَالَ: أَنْبَأَنَا الإِمَامُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَبِي الْفَضْلِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ سَلامَةَ بْنِ الْمُسْلِمِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيٍّ الشَّافِعِيُّ، الشَّهِيرُ بِابْنِ بِنْتِ سَمَاعًا، قَالَ: أَنْبَأَنَا الْحَافِظُ الْكَبِيرُ أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ السَّلَفِيُّ الأَصْبَهَانِيُّ، سَمَاعًا عَلَيْهِ فِي مَنْزِلِهِ بِالْمَدْرَسَةِ الْعَادِلِيَّةِ مِنْ ثَغْرِ الإِسْكَنْدَرِيَّةِ، يَوْمَ الثُّلاثَاءِ الثَّامِنِ عَشَرَ مِنْ رَبِيعٍ الأَوَّلِ، سَنَةَ ثَلاثٍ وَسَبْعِينَ وَخَمْسِمِائَةٍ، قَالَ: أَنْبَأَنَا الشَّيْخُ أَنْبَأَنَا أَبُو الْخَطَّابِ نَصْرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْبَطَرِ الْقَارِئُ، فِيمَا قَرَأْتُ عَلَيْهِ بِبَغْدَادَ فِي دَارِهِ فِي شَوَّالٍ سَنَةَ ثَلاثٍ وَتِسْعِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمُ الشَّيْخُ أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ رِزْقَوَيْهِ، فِي صَفَرٍ سَنَةَ إِحْدَى عَشْرَةَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، قَالَ: أَنْبَأَنَا أَبُو عَلِيٍّ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الصَّفَّارُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سِنَانِ بْنِ يَزِيدَ الْقَزَّازُ الْبَصْرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عَمْرٍو الْعَقَدِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ طَلْحَةَ، عَنِ الْحَكَمِ أَبِي عَمْرٍو، عَنْ ضِرَارِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الشَّامِيِّ، عَنْ تَمِيمٍ الدَّارِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ:
«الْجُمُعَةُ وَاجِبَةٌ إِلا عَلَى الْمَرْأَةِ، أَوْ عَبْدٍ، أَوْ مُسَافِرٍ، أَوْ مَرِيضٍ»1091 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عَمْرٍو، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ طَلْحَةَ، عَنِ الْحَكَمِ أَبِي عَمْرٍو، عَنْ ضِرَارِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الشَّامِيِّ، عَنْ تَمِيمٍ الدَّارِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ:
«حَقُّ الرَّجُلِ عَلَى زَوْجَتِهِ أَنْ تُطِيعَ أَمْرَهُ، وَأَنْ تَبِرَّ قَسَمَهُ، وَلا تَهْجُرَ فِرَاشَهُ، وَأَنْ لا تَخْرُجَ إِلا بِإِذْنِهِ، وَأَنْ لا تَدْخُلَ عَلَى مَنْ يَكْرَهُ»
আমি প্রখ্যাত, দীর্ঘজীবী, লেখিকা, তিলাওয়াতকারিণী এবং মহীয়সী উম্মে হানি মরিয়মের নিকট পাঠ করেছি, যিনি শেখ নূরুদ্দীন আলী ইবনে কাজি তাকিউদ্দীন আবদুর রহমান ইবনে আবদুল মুমিন আল-হুরিনীর কন্যা। তাঁর এই বর্ণনাটি আবু মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আন-নুশাওয়ারী আল-মাক্কীর অনুমতিক্রমে (ইজাজাহ) প্রাপ্ত—যদি সরাসরি শ্রবণ না হয়ে থাকে—যা তিনি ইমাম আবু আহমদ ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ আত-তাবারী থেকে বর্ণনা করেছেন।
১০৯০ - একইভাবে তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইমাম আবুল হাসান আলী ইবনে আবিল ফজল হিবাতুল্লাহ ইবনে সালামাহ ইবনে মুসলিম ইবনে আহমদ ইবনে আলী আশ-শাফিঈ, যিনি 'ইবনে বিনত' নামে পরিচিত, সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফিজুল কাবীর আবু তাহির আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আস-সিলাফী আল-আসবাহানী, আলেকজান্দ্রিয়া বন্দরের আল-মাদরাসাতুল আদিলিয়্যায় তাঁর নিজ বাসভবনে সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে। এটি ছিল ৫৭৩ হিজরি সালের রবিউল আউয়াল মাসের আঠারো তারিখ, মঙ্গলবার। তিনি বলেন: আমাদের নিকট শেখ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবুল খাত্তাব নাসর ইবনে আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আল-বাতর আল-ক্বারী বর্ণনা করেছেন, যা আমি বাগদাদে তাঁর নিজ গৃহে ৪৯৩ হিজরির শাওয়াল মাসে তাঁর নিকট পাঠ করেছি। আমি তাঁকে বললাম: শেখ আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে রিজকওয়াইহ কি ৪১১ হিজরির সফর মাসে আপনাদের নিকট বর্ণনা করেছেন? তিনি বললেন: আমাদের নিকট আবু আলী ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আস-সাফফার বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে সিনান ইবনে ইয়াজিদ আল-কাযযায আল-বসরী বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আমির আবদুল মালিক ইবনে আমর আল-আকাদী বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে তালহা বর্ণনা করেছেন হাকাম আবু আমর থেকে, তিনি দ্বিরার ইবনে আমর থেকে, তিনি আবু আবদুল্লাহ আশ-শামী থেকে, তিনি তামীম আদ-দারী থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন:
“জুমার নামাজ ওয়াজিব (আবশ্যিক), তবে নারী, ক্রীতদাস, মুসাফির বা অসুস্থ ব্যক্তি ব্যতীত।”১০৯১ - আমাদের নিকট আবদুল মালিক ইবনে আমর বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে তালহা বর্ণনা করেছেন হাকাম আবু আমর থেকে, তিনি দ্বিরার ইবনে আমর থেকে, তিনি আবু আবদুল্লাহ আশ-শামী থেকে, তিনি তামীম আদ-দারী থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন:
“স্ত্রীর ওপর স্বামীর অধিকার হলো এই যে, স্ত্রী তার নির্দেশ মেনে চলবে, তার কসম পূর্ণ করবে, তার শয্যা পরিত্যাগ করবে না, তার অনুমতি ব্যতীত ঘর থেকে বের হবে না এবং স্বামী অপছন্দ করে এমন কাউকে ঘরে প্রবেশ করতে দিবে না।”
(খণ্ড: ১)
জুযউন মিন আহাদীসি আল কাযযায আন শুয়ূখিহী
(পৃষ্ঠা: ৩৬৪)
1092 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ يَحْيَى، عَنْ أَبِي زَيْدٍ، عَنْ مَعْقِلِ بْنِ أَبِي مَعْقِلٍ الأَسَدِيِّ، قَالَ: «نَهَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم
أَنْ تُسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ بِبَوْلٍ، أَوْ غَائِطٍ»1093 - حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرِ بْنِ حَازِمٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: كَتَبَ إِلَيَّ مَنْصُورٌ، وَقَرَأْتُهُ عَلَيْهِ، عَنْ هِلَالِ بْنِ يَسَافٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ قَيْسٍ الأَشْجَعِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«إِذَا اسْتَجْمَرْتَ فَأَوْتِرْ، وَإِذَا تَوَضَّأْتَ فَأَنْثِرْ»1094 - حَدَّثَنَا مَكِّيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا الْجُعَيْدُ، عَنْ مُوسَى بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّهُ سَمِعَ مُحَمَّدَ بْنَ كَعْبٍ، وَهُوَ يَسْأَلُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ، يَقُولُ: أَخْبِرْنِي مَا سَمِعْتَ مِنْ أَبِيكَ، يَقُولُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ فَقَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ: سَمِعْتُ أَبِي، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ:
«مَثَلُ الَّذِي يَلْعَبُ بِالنَّرْدِ ثُمَّ يَقُومُ فَيُصَلِّي مَثَلُ الَّذِي يَتَوَضَّأُ بِالْقَيْحِ وَدَمِ الْخِنْزِيرِ» ، يَقُولُ: «لا يَقْبَلُ اللَّهُ صَلاتَهُ»
1195 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ كَثِيرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْرَائِيلَ، عَنْ جَعْدَةَ، أَنَّ رَجُلًا جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم
فَجَعَلَ يَسْأَلُ عَنْ رُؤْيَا، وَكَانَ سَمِينًا، قَالَ: فَجَعَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُومِئُ بِإِصْبَعِهِ وَيَقُولُ: «لَوْ كَانَ هَذَا فِي غَيْرِ هَذَا كَانَ خَيْرًا لَكَ»
1196 - وَبِهِ عَنْ جَعْدَةَ، أَنَّ رَجُلًا أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالُوا: إِنَّ هَذَا يُرِيدُ أَنْ يَقْتُلَكَ،
১০৯২ - মুসা ইবনে ইসমাইল আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন ওহাব ইবনে খালিদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমর ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু যায়েদ থেকে, তিনি মাকিল ইবনে আবু মাকিল আল-আসাদি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
প্রস্রাব বা পায়খানার সময় কিবলার দিকে মুখ করতে নিষেধ করেছেন।১০৯৩ - ওহাব ইবনে জারির ইবনে হাযিম আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন শু’বা আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন মানসুর আমার নিকট লিখে পাঠিয়েছেন এবং আমি তা তাঁর নিকট পাঠ করেছি, তিনি হিলাল ইবনে ইয়াসাফ থেকে, তিনি সালামাহ ইবনে কায়স আল-আশজায়ি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
“যখন তুমি পাথর দ্বারা শৌচকার্য করবে তখন বেজোড় সংখ্যা অবলম্বন করবে, আর যখন ওজু করবে তখন নাক ঝাড়বে।”১০৯৪ - মাক্কি ইবনে ইব্রাহিম আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আল-জুআইদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি মুসা ইবনে আবদুর রহমান থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে কাবকে আবদুর রহমানের নিকট জিজ্ঞাসা করতে শুনেছেন যে: আপনি আপনার পিতার নিকট থেকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সম্পর্কে যা শুনেছেন তা আমাকে বলুন? অতঃপর আবদুর রহমান বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি:
“যে ব্যক্তি পাশা খেলে অতঃপর নামাজ পড়তে দাঁড়ায়, তার উদাহরণ সেই ব্যক্তির মতো যে পুঁজ এবং শুকরের রক্ত দিয়ে ওজু করে।” তিনি বলেন: “আল্লাহ তার নামাজ কবুল করেন না।”
১১৯৫ - ইয়াহইয়া ইবনে কাসির আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, শু’বা আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আবু ইসরাইল থেকে, জাদা থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে
স্বপ্নের কথা জিজ্ঞাসা করতে লাগল। লোকটি ছিল স্থূলকায়। বর্ণনাকারী বলেন: তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর আঙুল দিয়ে ইশারা করতে লাগলেন এবং বললেন: “যদি এটি এটি ছাড়া অন্য কিছুতে হতো তবে তোমার জন্য উত্তম হতো।”
১১৯৬ - এবং উক্ত সনদে জাদা থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসলে লোকেরা বলল: নিশ্চয়ই এই ব্যক্তি আপনাকে হত্যা করতে চায়,
(খণ্ড: ১)
জুযউন মিন আহাদীসি আল কাযযায আন শুয়ূখিহী
(পৃষ্ঠা: ৩৬৫)
فَقَالَ: «لَمْ تُرَعْ، لَمْ تُرَعْ، لَوْ أَرَدْتَ ذَلِكَ لَمْ يُسَلِّطْكَ اللَّهُ عَلَيَّ»
1197 - حَدَّثَنَا مَكِّيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنِ الْحُسَينِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، أَنَّ عَمْرَو بْنَ عَبْدِ اللَّهِ صَاحِبَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، أَخْبَرَهُ، قَالَ: «رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
أَكَلَ كَتِفًا، ثُمَّ قَامَ، فَتَمَضْمَضَ، ثُمَّ صَلَّى، وَلَمْ يَتَوَضَّأْ»1198 - حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ تَمَّامٍ أَبُو عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَذَّاءِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَقِيقٍ، عَنْ أَبِي الْجَدْعَاءِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«لَيَدْخُلَنَّ الْجَنَّةَ بِشَفَاعَةِ رَجُلٍ مِنْ أُمَّتِي أَكْثَرُ مِنْ بَنِي تَمِيمٍ» ، قَالَ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، سِوَاكَ؟ قَالَ: «سِوَايَ»
1199 - حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عُرَيْفُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الثَّقَفِيُّ، حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ خَلادٍ الْكِلابِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ عَمِّي قُدَامَةَ، يَقُولُ: «رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم
يَخْطُبُ يَوْمَ عَرَفَة، وَعَلَيْهِ حِلْيَةُ حَبَرَةٍ»1100 - حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ أَبِي الْخَيْرِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ يَزِيدَ، سَمِعَهُ يَقُولُ: إِنَّ رَجُلًا قَالَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَوْصِنِي، قَالَ:
«أُوصِيكَ أَنْ تَسْتَحْيِيَ مِنَ اللَّهِ كَمَا تَسْتَحْيِيَ رَجُلًا مِنْ صَالِحِي قَوْمِكَ»1101 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِدْرِيسَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ سُلَيْمٍ الْكِنَانِيِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ جَابِرٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ عَمِّهِ حَكِيمِ بْنِ مُعَاوِيَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ:
«لا شُؤْمَ، وَقَدْ يَكُونُ الْيُمْنُ فِي الْمَرْأَةِ، وَالدَّارِ، وَالْفَرَسِ»
এরপর তিনি বললেন: «ভয় পেয়ো না, ভয় পেয়ো না। তুমি যদি তেমনটি চাইতেও, তবে আল্লাহ তোমাকে আমার ওপর আধিপত্য দান করতেন না»
১১৯৭ - মাক্কী বিন ইব্রাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী বিন আল-জাদ বিন আব্দুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুসাইন বিন আব্দুল্লাহ বিন উবাইদুল্লাহ থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহচর আমর বিন আব্দুল্লাহ তাকে জানিয়েছেন, তিনি বলেছেন: «আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে
কাঁধের গোশত খেতে দেখেছি, এরপর তিনি উঠে দাঁড়ালেন এবং কুলি করলেন, অতঃপর সালাত আদায় করলেন কিন্তু নতুন করে অজু করলেন না»১১৯৮ - উবাইদুল্লাহ বিন তাম্মাম আবু আসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খালিদ বিন আল-হায্যা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন শাকীক থেকে বর্ণিত, আবু আল-জাদআ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«অবশ্যই আমার উম্মতের জনৈক ব্যক্তির সুপারিশে বনু তামীম গোত্রের জনসংখ্যার চেয়েও অধিক সংখ্যক মানুষ জান্নাতে প্রবেশ করবে», এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলেন: হে আল্লাহর রাসূল, আপনি ছাড়া অন্য কেউ? তিনি বললেন: «আমি ছাড়া অন্য কেউ»
১১৯৯ - ইয়াকুব বিন মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উরাইফ বিন ইব্রাহিম আস-সাকাফী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমাইদ বিন খাল্লাদ আল-কিলাবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার চাচা কুদামাহকে বলতে শুনেছি: «আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে
আরাফার দিন ভাষণ দিতে দেখেছি, এমতাবস্থায় তাঁর পরিধানে ছিল ইয়ামানী নকশাদার চাদর»১১০০ - বিশর বিন উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, লাইস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াযীদ বিন আবি হাবীব থেকে বর্ণিত, আবু আল-খায়ের থেকে বর্ণিত, সাঈদ বিন ইয়াযীদ থেকে বর্ণিত, তিনি তাকে বলতে শুনেছেন: জনৈক ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললেন, আমাকে উপদেশ দিন, তিনি বললেন:
«আমি তোমাকে অসিয়ত করছি যে, তুমি আল্লাহকে তেমন লজ্জা করো যেমনটি তোমার গোত্রের কোনো নেককার ব্যক্তিকে লজ্জা করে থাকো»১১০১ - ইসহাক বিন ইদ্রিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল বিন আইয়াশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান বিন সুলাইম আল-কিনানী থেকে বর্ণিত, ইয়াহইয়া বিন জাবির থেকে বর্ণিত, মুআবিয়াহ বিন হাকীম থেকে বর্ণিত, তিনি তার চাচা হাকীম বিন মুআবিয়াহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি:
«অশুভ লক্ষণ বলতে কিছু নেই; তবে বরকত থাকতে পারে নারী, গৃহ এবং ঘোড়ার মধ্যে»
(খণ্ড: ১)
জুযউন মিন আহাদীসি আল কাযযায আন শুয়ূখিহী
(পৃষ্ঠা: ৩৬৬)
1102 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي بُكَيْرٍ الْقَاضِي، حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ زِيَادٍ الْمُصَفِّرِ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنِ الْمِقْدَامِ الرَّهَاوِيِّ، قَالَ: جَلَسَ عُبَادَةُ بْنُ الصَّامِتِ، وَأَبُو الدَّرْدَاءِ، وَالْحَارِثُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، فَقَالَ أَبُو الدَّرْدَاءِ: أَيُّكُمْ يَذْكُرُ يَوْمَ صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى بَعِيرٍ مِنَ الْمَغَانِمِ؟ فَقَالَ عُبَادَةُ: أَنَا، قَالَ: فَحَدَّثَ، فَقَالَ:
صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى بَعِيرٍ مِنَ الْمَغْنَمِ، فَلَمَّا انْصَرَفَ تَنَاوَلَ قَرَدَةً مِنْ وَبَرِ الْبَعِيرِ، ثُمَّ قَالَ: «مَا يَحِلُّ لِي مِمَّا أَفَاءَ اللَّهُ عَلَيْكُمْ، لا مِثْلُ هَذِهِ، إِلا خُمُسٌ، وَهُوَ مَرْدُودٌ»
1103 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِدْرِيسَ، حَدَّثَنَا جُوَيْرِيَةُ بْنُ أَسْمَاءَ، عَنْ يَزِيدَ مَوْلَى الْمُنْبَعِثِ، عَنْ بَعْضِ الْمِصْرِيِّينَ، عَنْ سُرَّقٍ، «أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم
قَضَى بِالْيَمِينِ مَعَ الشَّاهِدِ»1104 - حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ الضَّحَّاكُ بْنُ مَخْلَدِ حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى، عَنْ وَقَّاصِ بْنِ رَبِيعَةَ، عَنِ الْمُسْتَوْرِدِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«مَنْ أَكَلَ بِأَخِيهِ أَكْلَةً، أَطْعَمَهُ اللَّهُ مِثْلَهَا مِنَ النَّارِ، وَمَنِ اكْتَسَى بِأَخِيهِ قَمِيصًا، كَسَاهُ اللَّهُ مِثْلَهُ مِنَ النَّارِ، وَمَنْ أَقَامَ أَخَاهُ مَقَامَ رِيَاءٍ وَسُمْعَةٍ، أَقَامَهُ اللَّهُ مَقَامَ رِيَاءٍ وَسُمْعَةٍ»
1105 - حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، عَنِ الْمُسْتَوْرِدِ الْفِهْرِيِّ، قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «مَا الدُّنْيَا فِي الآخِرَةِ إِلا كَمَا
1102 - আমাদের কাছে ইয়াহইয়া ইবনু আবি বুকাইর আল-কাদি বর্ণনা করেছেন, তিনি ইসরাঈল থেকে, তিনি যিয়াদ আল-মুসাফফির থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি মিকদাম আর-রাহাবি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উবাদাহ ইবনুস সামিত, আবু দারদা এবং হারিস ইবনু মুআবিয়াহ একসাথে বসেছিলেন। তখন আবু দারদা বললেন: "আপনাদের মধ্যে কার সেই দিনের কথা মনে আছে, যখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গনীমতের একটি উটের দিকে মুখ করে আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করেছিলেন?" উবাদাহ বললেন: "আমার।" তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: অতঃপর তিনি হাদীসটি বর্ণনা করলেন এবং বললেন:
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গনীমতের একটি উটের দিকে মুখ করে আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। যখন তিনি সালাত শেষ করলেন, তখন উটের পশম থেকে সামান্য একটি অংশ নিলেন, অতঃপর বললেন: "আল্লাহ তোমাদের জন্য যে ফায় (গনীমত) দান করেছেন, তা থেকে আমার জন্য এর সমপরিমাণও হালাল নয়, কেবল এক-পঞ্চমাংশ (খুমুস) ব্যতীত; আর তাও তোমাদের কাছেই ফিরিয়ে দেওয়া হয়।"
1103 - আমাদের কাছে ইসহাক ইবনু ইদরীস বর্ণনা করেছেন, তিনি জুওয়াইরিয়াহ ইবনু আসমা থেকে, তিনি মুনবায়িসের আযাদকৃত গোলাম ইয়াযীদ থেকে, তিনি জনৈক মিশরীয় থেকে, তিনি সুরাক থেকে বর্ণনা করেন যে,
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন সাক্ষীর সাথে কসমের (শপথের) ভিত্তিতে ফয়সালা করেছিলেন।1104 - আমাদের কাছে আবু আসিম আদ-দাহহাক ইবনু মাখলাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনু জুরাইজ থেকে, তিনি সুলাইমান ইবনু মুসা থেকে, তিনি ওয়াক্কাস ইবনু রাবিআহ থেকে, তিনি মুস্তাওরিদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
"যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের (সম্মানহানি করে) মাধ্যমে এক লোকমা আহার করবে, আল্লাহ তাকে জাহান্নামের আগুন থেকে অনুরূপ আহার করাবেন। আর যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের (সম্মানহানি করে) মাধ্যমে একটি জামা পরিধান করবে, আল্লাহ তাকে জাহান্নামের আগুন থেকে অনুরূপ জামা পরিধান করাবেন। আর যে ব্যক্তি তার ভাইকে রিয়া (লোকদেখানো) ও সুমআহ (খ্যাতি)-এর স্থানে দাঁড় করাবে, আল্লাহ তাকে (কিয়ামতের দিন) রিয়া ও সুমআহ-এর স্থানে দাঁড় করাবেন।"
1105 - আমাদের কাছে আবু আসিম বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি ইসমাঈল থেকে, তিনি কায়স ইবনু আবি হাযিম থেকে, তিনি মুস্তাওরিদ আল-ফিহরী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "আখিরাতের তুলনায় দুনিয়া কেবল এমন যেমন..."
(খণ্ড: ১)
জুযউন মিন আহাদীসি আল কাযযায আন শুয়ূখিহী
(পৃষ্ঠা: ৩৬৭)
يُدْخِلُ أَحَدُكُمْ يَدَهُ فِي يَمٍّ، ثُمَّ يُخْرِجُهَا، فَلا تُرْجِعُ إِلَيْهِ شَيْئًا»
1106 - حَدَّثَنَا مَحْبُوبُ بْنُ الْحَسَنِ، عَنْ أبان، عَنْ أَنَسٍ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ وَقَّاصٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ:
ثَلاثَةُ مَوَاطِنَ لا تُرَدُّ فِيهَا دَعْوَةٌ: رَجُلٌ يَكُونُ فِي بَرِيَّةٍ حَيْثُ لا يَرَاهُ أَحَدٌ، فَيَقُومُ، فَيُصَلِّي، فَيَقُولُ اللَّهُ لِمَلائِكَتِهِ: لأَرَى عَبْدِي هَذَا يَعْلَمُ أَنَّ لَهُ رَبًّا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ، فَانْظُرُوا مَا يَطْلُبُ، قَالَ: فَيَقُولُ الْمَلائِكَةُ: أَيْ رَبِّ، رِضَاكَ، وَمَغْفِرَتَكَ، قَالَ: فَيَقُولُ تبارك وتعالى: اشْهَدُوا أَنِّي قَدْ غَفَرْتُ لَهُ، وَرَجُلٌ يَقُومُ مِنَ اللَّيْلِ فَيَقُولُ اللَّهُ: أَلْيَس قَدْ جَعَلْتَ اللَّيْلَ سَكَنًا، وَالنَّوْمَ سُبَاتًا، فَقَامَ عَبْدِي هَذَا يُصَلِّي، وَيَعْلَمُ أَنَّ لَهُ رَبًّا، قَالَ: فَيَقُولُ اللَّهُ لِمَلائِكَتِهِ: انْظُرُوا مَا يَطْلُبُ عَبْدِي هَذَا، قَالَ: فَتَقُولُ الْمَلائِكَةُ: يَا رَبِّ، رِضَاكَ، وَمَغْفِرَتَكَ، قَالَ: فَيَقُولُ اللَّهِ، عز وجل: اشْهَدُوا أَنِّي قَدْ غَفَرْتُ لَهُ، وَرَجُلٌ تَكُونُ مَعَهُ فِئَةٌ، فَيَفِرُّ عَنْهُ أَصْحَابُهُ، وَيَلْبَثُ هُوَ فِي مَكَانِهِ، فَيَقُولُ اللَّهُ تَعَالَى لِلْمَلائِكَةِ: انْظُرُوا مَا يَطْلُبُ عَبْدِي هَذَا، فَتَقُولُ الْمَلائِكَةُ: يَا رَبِّ بَذَلَ مُهْجَةَ نَفْسِهِ لَكَ، يَطْلُبُ رِضَاكَ، فَيَقُولُ عز وجل: اشْهَدُوا أَنِّي قَدْ غَفَرْتُ لَهُ "
1107 - حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ ثَوْرِ بْنِ يَزِيدَ، حَدَّثَنَا رَاشِدُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ لُحَيٍّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قُرْطٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«أَفْضَلُ الأَيَّامِ عِنْدَ اللَّهِ يَوْمُ النَّحْرِ، ثُمَّ يَوْمُ الْقَرِّ الَّذِي يَسْتَقِرُّ النَّاسُ فِيهِ، ثُمَّ الَّذِي يَلِيهِ الَّذِي يُسَمُّونَهُ يَوْمَ الرُّءُوسِ» ، قَالَ: وَقُرِّبَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَدَنَاتٍ خَمْسٍ، أَوْ سِتٍّ، فَطَفِقْنَ يَزْدَلِفْنَ إِلَيْهِ بِأَيَّتِهِنَّ يَبْدَأُ، فَلَمَّا وَجَبَتْ ظُهُورُهَا قَالَ كَلِمَةً خَفِيفَةً لَمْ أَفْهَمْهَا، فَسَأَلْتُ بَعْضَ مَنْ يَلِيهِ مَا قَالَ؟ فَقَالَ: «مَنْ شَاءَ اقْتَطَعَ»
1108 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِدْرِيسَ، أَنْبَأَنَا هُشَيْمٌ، أَنْبَأَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدِ بْنِ
তোমাদের কেউ তার হাত সমুদ্রে প্রবেশ করায়, তারপর তা বের করে আনে, অথচ তা তার কাছে কিছুই ফিরিয়ে আনে না।
১১০৬ - মাহবূব ইবনুল হাসান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবান থেকে, তিনি আনাস থেকে, তিনি রবীআ ইবনে ওয়াক্কাস থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন:
"তিনটি ক্ষেত্র এমন আছে যেখানে দোয়া প্রত্যাখ্যান করা হয় না: এক ব্যক্তি যে নির্জন প্রান্তরে থাকে যেখানে তাকে কেউ দেখে না, অতঃপর সে দাঁড়ায় ও নামাজ পড়ে। তখন আল্লাহ তাঁর ফেরেশতাদের বলেন: 'আমি আমার এই বান্দাকে দেখছি, সে জানে যে তার একজন রব আছেন যিনি গুনাহ ক্ষমা করেন। অতএব দেখ সে কী প্রার্থনা করছে।' তিনি বলেন: তখন ফেরেশতারা বলে: 'হে রব, আপনার সন্তুষ্টি এবং আপনার ক্ষমা।' তিনি বলেন: তখন আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা বলেন: 'তোমরা সাক্ষী থাক যে, আমি তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি।' আর এক ব্যক্তি যে রাতে জাগ্রত হয়, তখন আল্লাহ বলেন: 'আমি কি রাতকে বিশ্রামের এবং ঘুমকে বিভোর নিদ্রার মাধ্যম করিনি? অথচ আমার এই বান্দা দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ছে এবং সে জানে যে তার একজন রব আছেন।' তিনি বলেন: তখন আল্লাহ তাঁর ফেরেশতাদের বলেন: 'দেখ আমার এই বান্দা কী প্রার্থনা করছে।' তিনি বলেন: তখন ফেরেশতারা বলে: 'হে রব, আপনার সন্তুষ্টি এবং আপনার ক্ষমা।' তিনি বলেন: তখন আল্লাহ আয্যা ওয়া জাল্লা বলেন: 'তোমরা সাক্ষী থাক যে, আমি তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি।' আর এক ব্যক্তি যে একটি দলের সাথে ছিল, অতঃপর তার সাথীরা পলায়ন করল কিন্তু সে নিজ স্থানে অটল থাকল। তখন আল্লাহ তাআলা ফেরেশতাদের বলেন: 'দেখ আমার এই বান্দা কী প্রার্থনা করছে।' তখন ফেরেশতারা বলে: 'হে রব, সে আপনার সন্তুষ্টির আশায় আপনার জন্য নিজের প্রাণ উৎসর্গ করেছে।' তখন তিনি আয্যা ওয়া জাল্লা বলেন: 'তোমরা সাক্ষী থাক যে, আমি তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি'।"
১১০৭ - আবূ আসিম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাওরী ইবনে ইয়াযীদ থেকে, রাশিদ ইবনে সা’দ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে লুহাই থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে কুরত থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
"আল্লাহর নিকট দিনসমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দিন হলো কুরবানীর দিন, অতঃপর স্থিরতার দিন যাতে মানুষ স্থির থাকে, এরপর তার পরবর্তী দিন যাকে তারা মস্তকসমূহের দিন বলে।" তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট পাঁচটি বা ছয়টি কুরবানীর উট পেশ করা হলো। সেগুলো তাঁর নিকট এগিয়ে আসতে লাগল যে কোনটি দিয়ে তিনি শুরু করবেন। যখন সেগুলো পার্শ্বদেশে লুটিয়ে পড়ল, তখন তিনি নিচু স্বরে একটি কথা বললেন যা আমি বুঝতে পারিনি। আমি তাঁর নিকটবর্তী একজনকে জিজ্ঞেস করলাম তিনি কী বলেছেন? তিনি বললেন: "যে চায় সে যেন কেটে নেয়।"
১১০৮ - ইসহাক ইবনে ইদরীস আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হুশাইম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ ইবনে...
(খণ্ড: ১)
জুযউন মিন আহাদীসি আল কাযযায আন শুয়ূখিহী
(পৃষ্ঠা: ৩৬৮)
الْعَاصِ، أَنْبَأَنَا سيابة بْنُ عَاصِمٍ السُّلَمِيُّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
قَالَ يَوْمَ حُنَيْنٍ: «أَنَا ابْنُ الْعَوَاتِكِ»1109 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ حَفْصٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ التَّنُوخِيِّ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى، عَنْ أَبِي سَيَّارَةَ، «أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم
أَمَرَ أَنْ يُؤْخَذَ الْعُشْرُ مِنَ الْعَسَلِ، وَأَنْ يَحْمِيَهَا»1110 - حَدَّثَنَا عَفَّانُ بْنُ عُمَرَ، أَنْبَأَنَا حريزُ، قَالَ: لَقِيتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ بُسْرٍ السُّلَمِيُّ، فَقُلْتُ: " أَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم شَيْخًا؟ قَالَ:
كَانَ فِي عَنْفَقَتِهِ شَعَرَاتٌ بِيضٌ "
1111 - حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ حَيْوَةَ بْنِ شُرَيْحٍ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنِ ابْنِ جَزْءٍ الزُّبَيْدِيِّ، وَكَانَتْ لَهُ صُحْبَةٌ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«وَيْلٌ لِلأَعْقَابِ، وَبُطُونِ الأَقْدَامِ مِنَ النَّارِ»1112 - حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ حَفْصٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، "
0 وَطَعَامُهُ حِلٌّ لَكُمْ 0، قَالَ: هُوَ مَيْتَةٌ "
1113 - حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، قَالَ: قَالَ أَبُو بَكْرٍ:
{وَطَعَامُهُ مَتَاعًا لَكُمْ} [المائدة: 96] ، قَالَ: الْمَيِّتُ1114 - حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ مَعْقِلِ بْنِ أَبِي مَعْقِلٍ، قَالَ: أَرَادَتْ أُمِّي أَنْ تَحُجَّ، وَكَانَ جَمَلُهَا أَعْجَفَ، فَذَكَرَتْ ذَلِكَ
আল-আস, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সায়াবাহ ইবনে আসিম আস-সুলামী, যে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
হুনায়নের দিন বলেছিলেন: «আমি আতিকাদের সন্তান»১১০৯ - হুসাইন ইবনে হাফস আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে আব্দুল আজিজ আত-তানুখী থেকে, সুলাইমান ইবনে মুসা থেকে, আবু সাইয়্যারা থেকে, «নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
নির্দেশ দিয়েছিলেন যেন মধু থেকে উশর (দশমাংশ) গ্রহণ করা হয় এবং তা সংরক্ষণ করা হয়»১১১০ - আফফান ইবনে উমর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, হারীজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহ ইবনে বুসর আস-সুলামীর সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং বললাম: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি বৃদ্ধ ছিলেন? তিনি বললেন:
তাঁর আনফাকাহ-তে (নিচের ঠোঁটের নিচের লোমগুচ্ছ) কয়েকটি সাদা চুল ছিল"
১১১১ - আবু আসিম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাইওয়া ইবনে শুরাইহ থেকে, উকবা ইবনে মুসলিম থেকে, ইবনে জায আল-জুবায়দী থেকে—আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে তাঁর সাহচর্য ছিল—তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
«আগুনের দুর্ভোগ গোড়ালি এবং পায়ের তলার জন্য»১১১২ - আবু আসিম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইবনে জুরাইজ থেকে, আবু বকর ইবনে হাফস থেকে, ইকরিমা থেকে, ইবনে আব্বাস থেকে, "
'এবং তার খাবার তোমাদের জন্য হালাল', তিনি বলেন: তা হলো (সামুদ্রিক) মৃত প্রাণী"
১১১৩ - আবু আসিম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইবনে জুরাইজ থেকে, আমর ইবনে দিনার আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইকরিমা থেকে, তিনি বলেন: আবু বকর বলেছেন:
{এবং তার খাবার তোমাদের ভোগের জন্য} [আল-মায়িদাহ: ৯৬], তিনি বলেন: (তা হলো) মৃত প্রাণী১১১৪ - ওয়াহাব ইবনে জারীর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, হিশাম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া থেকে, আবু সালামা থেকে, মাকিল ইবনে আবি মাকিল থেকে, তিনি বলেন: আমার মা হজ করার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন, কিন্তু তাঁর উটটি ছিল দুর্বল, তাই তিনি তা উল্লেখ করলেন...
(খণ্ড: ১)
জুযউন মিন আহাদীসি আল কাযযায আন শুয়ূখিহী
(পৃষ্ঠা: ৩৬৯)
لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ:
«اعْتَمِرِي فِي رَمَضَانَ، فَإِنَّ عُمْرَةً فِي رَمَضَانَ تَعْدِلُ حَجَّةً»1115 - حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْحَزَّازُ، أَنْبَأَنَا عَلِيُّ بْنُ الْمُبَارَكِ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ مَعْقِلِ بْنِ أَبِي مَعْقِلٍ الأَسَدِيِّ، قَالَ: أَرَادَتْ أُمِّي الْحَجَّ، وَكَانَ جَمَلُهَا أَعْجَفَ، فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ:
«اعْتَمِرِي فِي رَمَضَانَ، فَإِنَّ عُمْرَةً فِي رَمَضَانَ كَحَجَّةٍ»1116 - حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ جُوَيْرِيَةَ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ يَسَارٍ، حَدَّثَنِي مُصَبِّحُ بْنُ أَبِي مُصَبِّحٍ، أَنَّ أَبَا مُصَبِّحٍ، قَالَ لأَبِي عَبْدِ اللَّهِ رَجُلٍ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يَقُودُ فَرَسَهُ: أَلا تَرْكَبُ يَا أَبَا عَبْدِ اللَّهِ، يَعْنِي، فَقَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ:
«مَنِ اغْبَرَّتْ قَدَمَاهُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ حَرَّمَهُمَا اللَّهُ عَلَى النَّارِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ» ، فَأَصْلَحَ دَابَّتِي، وَاسْتَغْنَى عَنْ عَشِيرَتِي، فَمَا رُئِيَ يَوْمٌ أَكْثَرَ نَازِلا مِنْهُ
1117 - حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عِمْرَانَ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ صَابِرٍ الأَشْجَعِيُّ، حَدَّثَتْنِي أُمِّي، عَنْ أَبِيهَا نُعَيْمِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ الْخَنْدَقِ:
«الْحَرْبُ خُدْعَةٌ»1118 - حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عُقَيْلِ بْنِ طَلْحَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ رَجُلًا مِنْ بَنِي سُلَيْمٍ يُقَالُ لَهُ: قَبِيصَةُ، قَالَ: كُنَّا مَعَ عُتْبَةَ بْنِ غَزْوَانَ بِالْخُرَيْبَةِ، فَإِذَا هُوَ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে, তিনি বললেন:
«রমজানে উমরা করো, কেননা রমজানে উমরা করা একটি হজের সমতুল্য»১১১৫ - আমাদের কাছে হারুন ইবনে ইসমাইল আল-হাজ্জাজ বর্ণনা করেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে আল-মুবারক, আমাদের কাছে ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন আবু সালামাহ ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি মাকিল ইবনে আবু মাকিল আল-আসাদি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার মা হজ করার ইচ্ছা করেছিলেন, কিন্তু তাঁর উটটি ছিল দুর্বল। তিনি বিষয়টি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে উল্লেখ করলেন। তখন তিনি বললেন:
«রমজানে উমরা করো, কেননা রমজানে উমরা করা হজের মতো»১১১৬ - আমাদের কাছে আব্বাদ ইবনে জুওয়াইরিয়াহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আল-আওজায়ি বর্ণনা করেছেন, আমার কাছে সুলাইমান ইবনে ইয়াসার বর্ণনা করেছেন, আমার কাছে মুসাব্বিহ ইবনে আবু মুসাব্বিহ বর্ণনা করেছেন যে, আবু মুসাব্বিহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের মধ্য থেকে আবু আবদুল্লাহ নামক এক ব্যক্তিকে বললেন—যখন তিনি তাঁর ঘোড়াটি পরিচালনা করছিলেন—হে আবু আবদুল্লাহ, আপনি কি আরোহণ করবেন না? তখন আবু আবদুল্লাহ বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি:
«আল্লাহর পথে যার দুই পা ধূলিমলিন হয়, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা সেই পা দুটিকে জাহান্নামের জন্য হারাম করে দেবেন» , অতঃপর সে আমার পশুকে ঠিক করল এবং আমার স্বজনদের থেকে অমুখাপেক্ষী হলো, আর সেই দিনের চেয়ে অধিক মানুষকে অবতরণ করতে দেখা যায়নি।
১১১৭ - আমাদের কাছে ইয়াকুব ইবনে মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আবদুল আজিজ ইবনে ইমরান বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে ইব্রাহিম ইবনে সাবির আল-আশজায়ি বর্ণনা করেছেন, আমার মা তাঁর পিতা নুয়াইম ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খন্দকের দিন বলেছিলেন:
«যুদ্ধ হলো একটি কৌশল»১১১৮ - আমাদের কাছে উসমান ইবনে উমর বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে শুবা বর্ণনা করেছেন উকাইল ইবনে তালহা থেকে, তিনি বলেন: আমি বনু সুলাইম গোত্রের জনৈক ব্যক্তিকে বলতে শুনেছি যাকে কাবিসাহ বলা হয়, তিনি বলেন: আমরা আল-খুরাইবায় উতবাহ ইবনে গাজওয়ানের সাথে ছিলাম, এমতাবস্থায় তিনি...
(খণ্ড: ১)
জুযউন মিন আহাদীসি আল কাযযায আন শুয়ূখিহী
(পৃষ্ঠা: ৩৭০)
يُنَادِي: يَا أَصْحَابَ سُورَةِ الْبَقَرَةِ، وَإِذَا بِرَجُلٍ يُنَادِي: يَا آلَ شَيْبَانَ، فَحَمَلْتُ عَلَيْهِ، فَثَنَى لِي الرُّمْحَ، وَقَالَ: إِلَيْكَ عَنِّي، فَوَضَعْتُ قَوْسِي فِي رُمْحِهِ، وَأَخَذْتُ بِلِحْيَتِهِ، فَجِئْتُ بِهِ إِلَى عُتْبَةَ، فَحَبَسَهُ، وَكَتَبَ فِيهِ إِلَى عُمَرَ، فَكَتَبَ إِلَيْهِ عُمَرُ:
«لَوْ كُنْتَ إِذِ اسْتَوْلَى وَدَعَى بِدَعْوَى الْجَاهِلِيَّةِ قَدَّمْتَهُ، فَضَرَبْتَ عُنُقَهُ كَانَ أَهْلَ ذَاكَ، فَأَمَّا إِذْ حَبَسْتَهُ، فَادْعُهُ فَأَحْدِثْ لَهُ بَيْعَةً وَخَلِّ سَبِيلَهُ»
1119 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِدْرِيسَ، أَنْبَأَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ مَنْصُورِ بْنِ زَاذَانَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ شُعَيْبٍ مَوْلًى لِصَفِيَّةَ بِنْتِ حُيَيِّ بْنِ أَخْطَبَ، عَنْ صَفِيَّةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ:
«أَفْطَرَ الْحَاجِمُ وَالْمُسْتَحْجِمُ»1120 - حَدَّثَنَا نَائِلُ بْنُ نَجِيحٍ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ، مَرَّةً رَفَعَهُ، وَمَرَّةً لَمْ يَرْفَعْهُ، قَالَ:
«لا شُفْعَةَ لِنَصْرَانِيٍّ» ، تَفَرَّدَ نَائِلٌ بِهَذَا الْحَدِيثِ، عَنْ سُفْيَانَ، هَكَذَا ، وَرَوَاهُ وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنِ الْحَسَنِ، قَوْلُهُ، وَكَذَلِكَ رَوَاهُ أَبُو حُذَيْفَةَ، عَنْ سفيان، وهو أصح
তিনি ডাকছিলেন: হে সূরা বাকারার সাথীরা! এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি ডাকছিলেন: হে শায়বানের বংশধরগণ! অতঃপর আমি তার ওপর আক্রমণ করলাম, সে আমার দিকে তার বর্শা তাক করল। সে বলল: আমার থেকে দূরে থাক। তখন আমি আমার ধনুক তার বর্শার ওপর রাখলাম এবং তার দাড়ি ধরলাম। তারপর তাকে উতবার কাছে নিয়ে আসলাম। তিনি তাকে বন্দী করলেন এবং এই ব্যাপারে উমরের কাছে চিঠি লিখলেন। অতঃপর উমর তার কাছে লিখে পাঠালেন:
«যখন সে প্রভাব বিস্তার করেছিল এবং জাহেলিয়াতের রীতিনীতি অনুযায়ী আহ্বান করছিল, তখনই যদি তুমি তাকে সামনে এনে তার গর্দান উড়িয়ে দিতে, তবে সে তার উপযুক্তই ছিল। কিন্তু যেহেতু তুমি তাকে বন্দী করেছ, তাই তাকে ডাকো এবং তার থেকে নতুন করে বাইআত গ্রহণ করো এবং তাকে মুক্তি দাও।»
১১১৯ - ইসহাক ইবনে ইদরীস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুশাইম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মানসুর ইবনে যাদান থেকে, তিনি ইয়াযীদ ইবনে শুয়াইব থেকে—যিনি সাফিয়্যা বিনতে হুয়াই ইবনে আখতাবের মুক্তদাস—তিনি সাফিয়্যা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন:
«সিঙা প্রদানকারী এবং সিঙা গ্রহণকারী উভয়ের রোজা ভেঙে গেল।»১১২০ - নায়েল ইবনে নাজীহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি হুমাইদ থেকে, তিনি আনাস থেকে; কখনও তিনি একে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন, আবার কখনও মারফু করেননি। তিনি বলেছেন:
«নাসারাদের জন্য কোনো শুফআ (অগ্রক্রয়াধিকার) নেই।» নায়েল এককভাবে সুফিয়ান থেকে হাদিসটি এভাবে বর্ণনা করেছেন। ওয়াকী এটি বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি হুমাইদ থেকে, তিনি হাসান থেকে—এটি তাঁর উক্তি হিসেবে। অনুরূপভাবে আবু হুযাইফাও সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন, আর এটিই অধিকতর সঠিক।