(খণ্ড: ১) জুযউন মিন আহাদীসি ইবনিল মুকাইয়্যার আন শুয়ূখিহী (পৃষ্ঠা: -)
جزء من أحاديث ابن المقير عن شيوخه   (ابن المقير)

القسم: كتب السنة


الكتاب: جزء من أحاديث ابن المقير عن شيوخه شيوخه (مطبوع ضمن مجموع باسم الفوائد لابن منده!)

المؤلف: علي بن الحسين بن علي بن منصور، أبو الحسن ابن المقير النجار (ت 643هـ)

تحقيق: خلاف محمود عبد السميع

الناشر: دار الكتب العلمية، بيروت - لبنان

الطبعة: الأولى، 1423 هـ - 2002 م

عدد الصفحات: 75

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

তাঁর শিক্ষকদের থেকে বর্ণিত ইবনুল মুকাইয়িরের হাদীসাংশ   (ইবনুল মুকাইয়ির)

বিভাগ: সুন্নাহ গ্রন্থসমূহ


গ্রন্থ: তাঁর শিক্ষকদের থেকে বর্ণিত ইবনুল মুকাইয়িরের হাদীসাংশ (ইবনে মানদাহর আল-ফাওয়ায়িদ নামক সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়ে মুদ্রিত!)

লেখক: আলী বিন আল-হুসাইন বিন আলী বিন মানসুর, আবুল হাসান ইবনুল মুকাইয়ির আন-নাজ্জার (মৃত ৬৪৩ হি.)

সম্পাদনা: খিলাফ মাহমুদ আবদুস সামী

প্রকাশক: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত - লেবানন

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৩ হিজরী - ২০০২ খ্রিষ্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭৫

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ্জ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) জুযউন মিন আহাদীসি ইবনিল মুকাইয়্যার আন শুয়ূখিহী (পৃষ্ঠা: ৫৫)
1302 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ نَجَا بْنِ شَاتِيلَ الدَّبَّاسُ، بِقِرَاءَةِ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ الأَخْضَرِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: كَذَا أَخْبَرَكَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِِ الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِِ الْبُسْرِيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنْتَ تَسْمَعُ، فَأَقَرَّ بِهِ، أَنْبَأَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ فِي الْمُحَرَّمِ سَنَةَ 341، حَدَّثَنَا عَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِِ الْيَرْفُقِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُقْرِي، حَدَّثَنَا حَيْوَةُ، عَنْ أَبِي هَانِئٍ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِِ بْنِ عَمْرٍو، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: ‌‌«مَا مِنْ غَازِيَةٍ تَغْزُو فِي سَبِيلِ اللَّهِ، فَيُصِيبُوا غَنِيمَةً، إِلا تَعَجَّلُوا ثُلُثَيْ أَجْرِهِمْ مِنَ الآخِرَةِ، وَيَبْقَى لَهُمُ الثُّلُثُ، فَإِنْ لَمْ يُصِيبُوا غَنِيمَةً تَمَّ لَهُمْ أَجْرُهُمْ»

1303 - وَأَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ نَجَا، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِِ الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ، أَنْبَأَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ السُّكَّرِيُّ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى أَبِي عَلِيٍّ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّفَّارِ، حَدَّثَنَا عَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِِ الْيَرْفُقِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيم التَّيْمِيّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي ذر، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم حِينَ غَرَبَتِ الشَّمْسُ: "‌‌ تَدْرِي أَيْنَ تَذْهَبُ؟ قَالَ: اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ.
1302 - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন নাজা বিন শাতিল আদ-দাব্বাস, আবু মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ বিন আল-আখদারের পাঠের মাধ্যমে, এবং আমি শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেন: এভাবেই আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আলী বিন আহমদ বিন আল-বুসরি, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, যখন আপনি শ্রবণ করছিলেন, অতঃপর তিনি তা স্বীকার করেছেন; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ ৩৪১ হিজরীর মহররম মাসে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাস বিন আব্দুল্লাহ আল-ইয়ারফুকি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাইওয়াহ, আবু হানি থেকে, তিনি আবু আব্দুর রহমান আল-হুবুলি থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর থেকে যে, আল্লাহর রাসূল বলেছেন: «আল্লাহর পথে যুদ্ধকারী এমন কোনো দল নেই যারা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে এবং গনীমত লাভ করে, তবে তারা আখেরাতের পুরস্কারের দুই-তৃতীয়াংশ দ্রুত (দুনিয়াতে) লাভ করল, আর তাদের জন্য অবশিষ্ট রইল এক-তৃতীয়াংশ; কিন্তু তারা যদি কোনো গনীমত লাভ না করে, তবে তাদের পুরস্কার পূর্ণ হবে।»

1303 - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন নাজা, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আলী বিন আহমদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া বিন আব্দুল জব্বার আস-সুক্কারি, তিনি বলেন: আবু আলী ইসমাইল বিন মুহাম্মদ আস-সাফফারের নিকট পাঠ করা হয়েছে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাস বিন আব্দুল্লাহ আল-ইয়ারফুকি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ, আমাশ থেকে, তিনি ইব্রাহিম আত-তাইমি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু যার থেকে, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় বললেন: "‌‌তুমি কি জানো এটি কোথায় যায়? তিনি বললেন: আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) জুযউন মিন আহাদীসি ইবনিল মুকাইয়্যার আন শুয়ূখিহী (পৃষ্ঠা: ৫৬)
قَالَ: " إِنَّهَا تَذْهَبُ فَتَسْجَدُ تَحْتَ الْعَرْشِ، فَتَسْتَأْذِنُ فَيُؤْذَنُ لَهَا، فَتُوشِكُ أَنْ تَسْجِدُ فَلا يُقْبَلُ مِنْهَا، وَتَسْتَأْذِنُ فَلا يُؤْذَنُ لَهَا، فَيُقَالُ لَهَا: ارْجِعِي مِنْ حَيْثُ جِئْتِ، فَتَطْلُعُ مِنْ مَغْرِبِهَا، فَذَلِكَ قَوْلُهُ تَعَالَى: {وَالشَّمْسُ تَجْرِي لِمُسْتَقَرٍّ لَهَا ذَلِكَ تَقْدِيرُ الْعَزِيزِ الْعَلِيمِ} [يس: 38] "

1304 - أَخْبَرَنَا فَخْرٌ الشَّيْبَانِيُّ. . . . الْكَاتِبَة شُهْدَة بِنْت أَحْمَدَ بْنِ الْفَرَجِ بْنِ أَبِي نَصْرٍ الإِبَرِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهَا، أَنْبَأَنَا أَبُو الْفَوَارِسِ طَرَّادُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الزَّيْنَبِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِِ بْنِ بِشْرَانَ الْمُعَدَّلُ السُّكَّرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلََ الصَّفَّارُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، سَنَةَ سِتٍّ وَثَلاثِينَ وَثَلَاثِمِائِةٍ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ بْنُ هَمَّامٍ، أَنْبَأَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ: " يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ‌‌ بَنِي أَبِي سَلَمَةَ فِي حِجْرِي، وَلَيْسَ لَهُمْ شَيْءٌ إِلا مَا أَنْفَقْتُ عَلَيْهِمْ، وَلَسْتُ بِتَارِكَتِهِمْ أَفَلِي أَجْرٌ إِنْ أَنْفَقْتُ عَلَيْهِمْ؟ فقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: أَنْفِقِي عَلَيْهِمْ، فَإِنَّ لَكِ أَجْرَ مَا أَنْفَقْتِ عَلَيْهِمْ "

1305 - وَأَخْبَرَتْنَا شُهْدَةُ الْكَاتِبَةُ، قِرَاءَةً عَلَيْهَا، أَنْبَأَنَا شِهَابُ الْحَضْرَتَيْنِ نَقِيبُ النُّقَبَاءِ أَبُو الْفَوَارِسِ طَرَّادُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الزَّيْنَبِيُّ، أَنْبَأَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِِ بْنِ بِشْرَانَ، أَنْبَأَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّفَّارُ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَنْبَأَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«الْعَيْنُ حَقٌّ، وَنَهَى عَنِ الْوَشْمِ»

1306 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْمُحْسِنِ طَغْدَى بْنُ خَتْلَعَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِِ الأَمِيرِيُّ،
তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই এটি (সূর্য) যায় এবং আরশের নিচে সিজদা করে, অতঃপর অনুমতি প্রার্থনা করে এবং তাকে অনুমতি দেওয়া হয়। অচিরেই এমন সময় আসবে যখন সে সিজদা করবে কিন্তু তা কবুল করা হবে না, এবং অনুমতি প্রার্থনা করবে কিন্তু তাকে অনুমতি দেওয়া হবে না। তাকে বলা হবে: তুমি যেখান থেকে এসেছ সেখানেই ফিরে যাও। অতঃপর সে তার অস্তমিত হওয়ার স্থান (পশ্চিম দিক) থেকে উদিত হবে। আর এটিই মহান আল্লাহর বাণী: {আর সূর্য তার জন্য নির্ধারিত গন্তব্যের দিকে চলতে থাকে, এটি পরাক্রমশালী সর্বজ্ঞের সুনির্ধারিত নিয়ন্ত্রণ।} [ইয়াসিন: ৩৮]"

১৩০৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফাখর আশ-শায়বানী... লেখিকা শুহদাহ বিনতে আহমাদ ইবনুল ফারাজ ইবনে আবি নাসর আল-ইবারী, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাওয়ারিস ত্বরাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী আজ-জায়নাবী, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আমি তা শ্রবণ করেছি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বিশরান আল-মুয়াদ্দিল আস-সুককারী; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আলী ইসমাঈল ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল আস-সাফফার, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে ৩৩৬ হিজরী সালে; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমাদ ইবনে মানসুর; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক ইবনে হাম্মাম; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মা’মার, উম্মে সালামাহ (রা.) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেছিলেন: "হে আল্লাহর রাসূল! নিশ্চয়ই আবু সালামার সন্তানরা আমার লালন-পালনে রয়েছে, আর তাদের জন্য আমার পক্ষ থেকে ব্যয় করা ব্যতিরেকে অন্য কোনো সম্পদ নেই, আর আমি তাদের ছেড়েও দিতে পারি না; আমি যদি তাদের জন্য ব্যয় করি তবে কি আমার প্রতিদান মিলবে? তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: তাদের ওপর ব্যয় করো, কেননা তুমি তাদের জন্য যা ব্যয় করবে তার বিনিময়ে তোমার জন্য প্রতিদান রয়েছে।"

১৩০৫ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শুহদাহ আল-কাতিবাহ, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শিহাবুল হাদরাতাইন নাকীবুন নুকালা আবুল ফাওয়ারিস ত্বরাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী আজ-জায়নাবী; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বিশরান; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাঈল ইবনে মুহাম্মাদ আস-সাফফার; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমাদ ইবনে মানসুর; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মা’মার, হাম্মাম ইবনে মুনাব্বিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «কু-দৃষ্টি সত্য, এবং তিনি উলকি আঁকতে নিষেধ করেছেন»

১৩০৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল মুহসিন তুগদা ইবনে খাতলা ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আমীরী,
(খণ্ড: ১) জুযউন মিন আহাদীসি ইবনিল মুকাইয়্যার আন শুয়ূখিহী (পৃষ্ঠা: ৫৭)
قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي ذِي الْقِعْدَةِ سَنَةَ 581، قَالَ: أَنْبَأَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ نَصْرِ بْنِ الرَّاغُونِيِّ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْبُرِّيِّ، أَنْبَأَنَا أَبُو أَحْمَدَ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُسْلِمٍ الْفَرَضِيُّ الْمُقْرِي، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، فِي مَسْجِدِهِ فِي شَهْرِ رَجَبٍ سَنَةَ 453، قَالَ: أَنْبَأَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِِ الْحُسَيْنُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَيَّاشٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي مَنْزِلِهِ يَوْمَ السَّبْتِ لِثَلاثَ عَشْرَةَ بَقِينَ مِنْ ذِي الْحِجَّةِ مِنْ سَنَةِ 332، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ حَرْمَلَةَ، حَدَّثَنَا الْمُبَارَكُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ أَخِيهِ سُفْيَانَ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: أَتَاهُ نَاسٌ مِنْ أَصْحَابِهِ فَأَتَاهُمْ بِخُبْزٍ وَخَلٍّ، ثُمَّ قَالَ لَهُمْ: كُلُوا فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولََ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: ‌‌«نِعْمَ الإِدَامُ الْخَلُّ»

 

1307 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْفَرَضِيُّ، قِرَاءَةً، أَنْبَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ، أَنْبَأَنَا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ، أَنْبَأَنَا أَبُو أَحْمَدَ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْمَوْصِلِيُّ، أَنْبَأَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ، أَنْبَأَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ الْحِمْصِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي حُسَيْنٍ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: ‌‌«مَنْ آوَى إِلَى فِرَاشِهِ طَاهِرًا، فَذَكَرَ اللَّهَ جَلَّ وَعَزَّ، حَتَّى يُدْرِكَهُ النُّعَاسُ لَمْ يَتَقَلَّبْ سَاعَةً مِنَ اللَّيْلِ يَسْأَلُ اللَّهَ عز وجل فِيهَا شَيْئًا مِنْ خَيْرِ الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ، إِلا أَعْطَاهُ إِيَّاهُ»

 

1308 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ النَّاعِمِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْمَوْصِلِيِّ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِِ بْنِ بِشْرَانَ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ بَنْجَابَ الطَّيِّبِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِِ مُحَمَّدُ بْنُ أَيُّوبَ بْنِ يَحْيَى بْنِ الضَّرِيسِ بْنِ يَسَارٍ الْبَجَلِيُّ بِالرَّيِّ فِي شَوَّالٍ سَنَةَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا مُسْلِمُ بْن إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ زُرَارَةَ، عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«الَّذِي يَقْرَأُ الْقُرْآنَ، وَهُوَ مَاهِرٌ بِهِ، مَعَ السَّفَرَةِ الْكِرَامِ الْبَرَرَةِ، وَالَّذِي يَقْرَؤُه وَهُوَ يَشْتَدُّ عَلَيْهِ فَلَهُ أَجْرَانِ»

 

1309 - أَخْبَرَنَا أَبُو زَكِيِّ الْبَرَكَاتِ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ فِي سَنَةِ 573 بِمَدِينَةِ السَّلامِ
৫৮১ হিজরি সালের জিলকদ মাসে তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে উবায়দুল্লাহ ইবনে নাসর ইবনুর রগুনি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আলি ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলি ইবনুল বুররি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমদ উবায়দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুসলিম আল-ফারদি আল-মুকরি, তাঁর নিকট তাঁর মসজিদে ৪৫৩ হিজরি সালের রজব মাসে পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আইয়াশ, ৩৩২ হিজরি সালের জিলহজ মাসের তেরো দিন বাকি থাকতে শনিবার তাঁর বাসভবনে তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে হারমালাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুবারক ইবনে সাঈদ, তাঁর ভাই সুফিয়ান ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি আবু কাসির থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: তাঁর নিকট তাঁর একদল সঙ্গী আসলেন, তখন তিনি তাঁদের নিকট রুটি ও সিরকা নিয়ে আসলেন, অতঃপর তিনি তাঁদের বললেন: তোমরা খাও, কেননা আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: «সিরকা কতই না উত্তম তরকারি»

 

১৩০৭ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-ফারদি, পাঠের মাধ্যমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে উবায়দুল্লাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলি ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমদ উবায়দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-মাওসিলি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হুসাইন ইবনে ইয়াহইয়া, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে আরাফাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল ইবনে আইয়াশ আল-হিমসি, আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবি হুসাইন থেকে, তিনি শাহর ইবনে হাওশাব থেকে, তিনি আবু উমামাহ আল-বাহিলি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: «যে ব্যক্তি পবিত্র অবস্থায় তার বিছানায় আশ্রয় নেয়, অতঃপর মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর জিকির করে যতক্ষণ না তার তন্দ্রা আসে, সে রাতের কোনো এক সময়ে আল্লাহর নিকট দুনিয়া ও আখিরাতের কোনো কল্যাণ চাইলে তিনি অবশ্যই তাকে তা দান করবেন»

 

১৩০৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবনে আলি ইবনে হাসান ইবনুন নাঈম, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ হিবাতুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনুল মাওসিলি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আবদুল মালিক ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে বিশরান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আহমদ ইবনে ইসহাক ইবনে বানজাব আত-তাইয়িবি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আইয়ুব ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আদ-দারিস ইবনে ইয়াসার আল-বাজালি রাই শহরে শাওয়াল মাসে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুসলিম ইবনে ইবরাহিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ, জুরারাহ থেকে, তিনি সাদ ইবনে হিশাম থেকে, তিনি আয়িশা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করে এবং সে এতে দক্ষ, সে সম্মানিত নেককার লিপিকারদের সাথে থাকবে, আর যে ব্যক্তি তা কষ্ট হওয়া সত্ত্বেও পাঠ করে, তার জন্য রয়েছে দ্বিগুণ সওয়াব»

 

১৩০৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাকি আল-বারাকাত আলি ইবনে হাসান ৫৭৩ হিজরি সালে মদিনাতুস সালামে।
(খণ্ড: ১) জুযউন মিন আহাদীসি ইবনিল মুকাইয়্যার আন শুয়ূখিহী (পৃষ্ঠা: ৫৮)
بِغَدَادَ حَرَسَهَا اللَّهُ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْمَوْصِلِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِِ بْنِ بِشْرَانَ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ بَنْجَابَ الطَّيِّبِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِِ مُحَمَّدُ بْنُ أَيُّوبَ بْنِ يَحْيَى الضُّرَيْسِ بْنِ يَسَارٍ الْبَجَلِيُّ بِالرَّيِّ، أَنْبَأَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: سَأَلْتُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: قُلْتُ: أَدْعُو فِي الصَّلاةِ إِذَا مَرَرْتُ بِآيَةِ تَخْوِيفٍ، فَحَدَّثَنِي عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَيْدَةَ، عَنْ مُسْتَوْرِدُ بْنُ الأَحْنَفِ، عَنْ صِلَةَ بْنِ زُفَرَ، عَنْ حُذَيْفَةَ أَنَّهُ صَلَّى مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَكَانَ‌‌ يَقُولُ فِي رُكُوعِهِ: " سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيمِ.

وَفِي سُجُودِهِ: سُبْحَانَ رَبِّيَ الأَعْلَى «، وَمَا مَرَّ بِآيَةِ رَحْمَةٍ إِلا وَقَفَ عِنْدَهَا، فَسَأَلَ رَبَّهُ، وَلا بِآيَةِ عَذَابٍ إِلا وَقَفَ عِنَدْهَا وَتَعَّوَذَ»

 

1310 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحَرَّانِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، بِقِرَاءَةِ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ الْمُحْسِنِ طَغْدَى بْنِ خَتْلَعَ الأَمِيرِيِّ الْفَرَضِيِّ فِي شُهُورِ سَنَةِ 581 بِمَنْزِلِهِ بِدِمَشْقَ حَرَسَهَا اللَّهُ، أَنْبَأَنَا الإِمَامُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِِ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ أَبُو أَحْمَدَ الْفُرَاوِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ عَبْدُ الْغَافِرِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْغَافِرِ الْفَارِسِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى بْنِ عَمْرَوَيْهِ الْخُلُودِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو إِسْحَاقََ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُفْيَانَ الْفَقِيهُ، أَنْبَأَنَا الإِمَامُ أَبُو الْحُسَيْنِ مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ الْقُشَيْرِيُّ، حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ جُمَيْلِ بْنِ طَرِيفِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِِ الثَّقَفِيُّ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، فِيمَا قُرِئَ عَلَيْهِ، عَنْ أَبِي سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ سَمِعَ طَلْحَةَ بْنَ عُبَيْدِ اللَّهِ، يَقُولُ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ أَهْلِ نَجْدٍ ثَائِرَ الرَّأْسِ، يَسْمَعُ دَوِيَّ صَوْتِهِ وَلا يَفْقَهُ مَا يَقُولُ، حَتَّى دَنَا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَإِذَا هُوَ "‌‌ يَسْأَلُ عَنِ الإِسْلامِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: خَمْسُ صَلَوَاتٍ فِي الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ.

قَالَ: هَلْ
عَلَيَّ غَيْرُهَا؟ قَالَ: لا، إِلا أَنْ تَطَوَّعَ.

قَالَ: فَأَدْبَرَ الرَّجُلُ، وَهُوَ يَقُولُ: وَاللَّهِ لا أَزِيدُ عَلَى هَذَا، وَلا أَنْقُصُ مِنْهُ.

فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: أَفْلَحَ إِنْ صَدَقَ "
বাগদাদে, আল্লাহ তাকে রক্ষা করুন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ হিবাতুল্লাহ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আলি আল-মাওসিলি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আব্দুল মালিক বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বিশরান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আহমদ বিন ইসহাক বিন বাঞ্জাব আত-তায়্যিবি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আইয়ুব বিন ইয়াহইয়া আদ-দুরাইস বিন ইয়াসার আল-বাজালি রাই শহরে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফস বিন উমর, শুবা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি সুলাইমানকে জিজ্ঞেস করলাম, আমি বললাম: আমি কি সালাতে দোয়া করব যখন আমি কোনো ভীতিকর আয়াতের নিকট দিয়ে অতিক্রম করি? তখন তিনি সাদ বিন উবাইদাহ থেকে, তিনি মুস্তাওরিদ বিন আল-আহনাফ থেকে, তিনি সিলাহ বিন জুফার থেকে, তিনি হুজাইফা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সালাত আদায় করেছেন, তখন তিনি তাঁর রুকুতে বলতেন: "আমার মহান রবের পবিত্রতা ঘোষণা করছি".

এবং তাঁর সিজদাহতে বলতেন: "আমার সুউচ্চ রবের পবিত্রতা ঘোষণা করছি", আর তিনি যখনই কোনো রহমতের আয়াতের নিকট দিয়ে যেতেন তখনই সেখানে থামতেন এবং তাঁর রবের নিকট প্রার্থনা করতেন, আর যখনই কোনো আজাবের আয়াতের নিকট দিয়ে যেতেন তখনই সেখানে থামতেন এবং আশ্রয় প্রার্থনা করতেন।

 

১৩১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলি বিন মুহাম্মদ আল-হাররানি, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম, যা পাঠ করছিলেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল মুহসিন তাগদা বিন খাতলা' আল-আমিরি আল-ফারাযি, ৫৮১ হিজরি সালের মাসগুলোতে দামেস্কে তাঁর নিজ বাসভবনে, আল্লাহ তাকে রক্ষা করুন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-ফাদল আবু আহমদ আল-ফুরাওয়ি তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আব্দুল গাফির বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল গাফির আল-ফারিসি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমদ মুহাম্মদ বিন ঈসা বিন আমরাওয়াইহি আল-খুলুদি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন মুহাম্মদ বিন সুফিয়ান আল-ফকিহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আবু আল-হুসাইন মুসলিম বিন আল-হাজ্জাজ আল-কুশাইরি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন কুতাইবা বিন সাঈদ বিন জামিল বিন তরীফ বিন আব্দুল্লাহ আস-সাকাফি, মালিক বিন আনাস থেকে, তাঁর নিকট যা পাঠ করা হয়েছে তার মধ্যে, তিনি আবু সুহাইল থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে যে, তিনি তালহা বিন উবাইদুল্লাহকে বলতে শুনেছেন: নজদ অধিবাসীদের মধ্য থেকে এলোমেলো চুলের একজন লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসল, তার কণ্ঠস্বরের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল কিন্তু সে কী বলছিল তা বোঝা যাচ্ছিল না, যতক্ষণ না সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটবর্তী হলো, তখন দেখা গেল সে ইসলাম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করছে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: দিনে ও রাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত।

সে বলল: এছাড়া কি
আমার ওপর আর কোনো আবশ্যিক সালাত আছে? তিনি বললেন: না, তবে তুমি যদি নফল হিসেবে আদায় করো।

বর্ণনাকারী বলেন: তারপর লোকটি ফিরে চলল এই বলতে বলতে: আল্লাহর কসম, আমি এর চেয়ে বৃদ্ধি করব না এবং এর থেকে হ্রাসও করব না।

তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: সে সফলকাম হবে যদি সে সত্য বলে থাকে।
(খণ্ড: ১) জুযউন মিন আহাদীসি ইবনিল মুকাইয়্যার আন শুয়ূখিহী (পৃষ্ঠা: ৫৯)
1311 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحَرَّانِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِدِمَشْقَ، حَرَسَهَا اللَّهُ تَعَالَى، أَنْبَأَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ الْفَقِيهُ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ عَبْدُ الْغَافِرِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْغَافِرِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْفَارِسِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنْبَأَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُفْيَانَ النَّيْسَابُورِيُّ الزَّاهِدُ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ بْنِ مُسْلِمٍ النَّيْسَابُورِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ، وَاللَّفْظُ لأَبِي كُرَيْبٍ، قَالا: حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةََ، عَنْ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم النُّعْمَانَ بْنَ قَوْقَلٍ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، " أَرَأَيْتَ‌‌ إِذَا صَلَّيْتُ الْمَكْتُوبَةَ وَحَرَّمْتُ الْحَرَامَ، وَأَحْلَلْتُ الْحَلالَ أَدْخُلُ الْجَنَّةَ؟ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: نَعَمْ "

 

1312 - أَخْبَرَنَا أَبُو هَاشِمٍ عِيسَى بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْهَاشِمِيُّ الدوشابيُّ، وَشُهْدةُ بِنْتُ أَحْمَدَ بْنِ الْفَرِجِ الإِبَرِيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمَا، وَأَنَا أَسْمَعُ، وَذَلِكَ فِي جُمَادَى الآخِرَةِ سَنَةَ 573، قَالا: أَنْبَأَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِِ الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِِ مُحَمَّدِ بْنِ الْبُرِّيِّ، أَنْبَأَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ السُّكَّرِّيُّ، قَالَ: قِرُئَ عَلَى أَبِي عَلِيٍّ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ صَالِحٍ الصَّفَّارُ، وَأَنَا أَسْمَعُ فِي الْمُحَرَّمِ سَنَةَ

 

حَدَّثَنَا سَعْدَانُ بْنُ نَصْرِ بْنِ مَنْصُورٍ الْبَزَّازُ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةََ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: «لَقَدْ رَأَيْتُنَا‌‌ وَمَا أَحَدٌ أَحَقَّ بِدِينَارِهِ وَلا دِرْهَمِهِ مِنْ أَخِيهِ الْمُسْلِمِ»

 

1313 - حَدَّثَنَا سَعْدَانُ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ دَاوُدَ، عَنْ زُهَيْرٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَر، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم «نَهَى‌‌ أَنْ يُسَافَرَ بِالْقُرْآنِ إِلَى أَرْضِ الْعَدُوِّ مَخَافَةَ أَنْ يَنَالَهُ الْعَدُوُّ»

 

1314 - حَدَّثَنَا سَعْدَانُ، حَدَّثَنَا أَبُو بَدْرٍ الْكِنْدِيُّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ قَيْسٍ الْمُلائِيُّ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«أَفْضَلُكُمْ مَنْ تَعَلَّمَ الْقُرْآنَ وَعَلَّمَهُ»
১৩১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-হাররানী, দামেস্কে তাঁর নিকট পাঠ করা অবস্থায়—আল্লাহ তাআলা শহরটিকে হিফাযত করুন—তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনুল ফযল ইবনে আহমদ আল-ফকীহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আব্দুল গাফির ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল গাফির ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-ফারিসী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমদ মুহাম্মদ ইবনে ঈসা ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইবরাহীম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুফিয়ান আন-নাইসাবুরী আয-যাহিদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ ইবনে মুসলিম আন-নাইসাবুরী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে আবী শায়বাহ ও আবু কুরাইব—এবং শব্দাবলী আবু কুরাইবের—তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া, তিনি আ’মাশ থেকে, তিনি আবু সুফিয়ান থেকে, তিনি জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নুমান ইবনে কাওকাল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, “আপনি কি মনে করেন, যখন আমি ফরয সালাতগুলো আদায় করব, হারামকে হারাম সাব্যস্ত করব এবং হালালকে হালাল হিসেবে গ্রহণ করব, তবে কি আমি জান্নাতে প্রবেশ করব? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: হ্যাঁ।”

 

১৩১২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাশিম ঈসা ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-হাশিমি আদ-দাওশাবী এবং শুহদাহ বিনতে আহমদ ইবনুল ফারাজ আল-ইবারী, তাঁদের উভয়ের নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, আর এটি ছিল ৫৭৩ হিজরী সনের জুমাদাল আখিরা মাসে। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে আলী ইবনে আহমদ ইবনুল বুররী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল জাব্বার আস-সুককারী, তিনি বলেন: আবু আলী ইসমাঈল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল ইবনে সালিহ আস-সাফফারের নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম মুহাররম মাসে... সনে।

 

আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সা’দান ইবনে নাসর ইবনে মানসূর আল-বাযযায, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া, তিনি আ’মাশ থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: “আমি আমাদের এমন অবস্থায় দেখেছি যখন আমাদের কেউ তার নিজের দিনার ও দিরহামের ব্যাপারে তার মুসলিম ভাইয়ের চেয়ে অধিক হকদার ছিল না।”

 

১৩১৩ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সা’দান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মূসা ইবনে দাঊদ, তিনি যুহাইর থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম “শত্রুর ভূখণ্ডে কুরআন নিয়ে সফর করতে নিষেধ করেছেন, এই আশঙ্কায় যে পাছে শত্রু তা পেয়ে যায়।”

 

১৩১৪ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সা’দান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বদর আল-কিন্দি, তিনি আমর ইবনে কায়স আল-মুলায়ী থেকে, তিনি আলকামা ইবনে মারসাদ থেকে, তিনি আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামী থেকে, তিনি উসমান ইবনে আফফান (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সর্বোত্তম যে কুরআন শিক্ষা করে এবং তা শিক্ষা দেয়।”
(খণ্ড: ১) জুযউন মিন আহাদীসি ইবনিল মুকাইয়্যার আন শুয়ূখিহী (পৃষ্ঠা: ৬০)
1315 - حَدَّثَنَا سَعْدَانُ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةََ، عَنْ عَاصِمٍ الأَحْوَلِ، عَنْ بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِِ الْمُزَنِيِّ، عَنْ الْمُغِيرِةَ بْنِ شُعْبَةَ، قَالَ: "‌‌ خَطَبْتُ امْرَأَةً، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: أَنَظَرْتَ إِلَيْهَا؟ فَقُلْتُ: لا.

قَالَ: فَانْظُرْ إِلَيْهَا
، فَإِنَّهُ أَحْرَى أَنْ يُؤْدَمَ بَيْنَكُمَا ".

قَالَ سَعْدَانُ: يَعْنِي: أَنْ يَدِومَ

 

1316 - حَدَّثَنَا سَعْدَانُ بْنُ نَصْرٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ أَبُو مُحَمَّدٍ الْهِلالِيُّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: ‌‌«ضَحَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ نِسَائِهِ بِالْبَقَرِ»

 

1317 - حَدَّثَنَا سَعْدَانُ بْنُ نَصْرٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: رَأَى رَجُلٌ لَيْلَةَ الْقَدْرِ فِي الْعَشْرِ الأَوَاخِرِ، فَقَالَ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«إِنِّي أَرَى رُؤْيَاكُمْ قَدْ تَوَاطَأَتْ عَلَى هَذَا، فَاطْلُبُوهَا فِي الْعَشْرِ الأَوَاخِرِ»

 

1318 - حَدَّثَنَا سَعْدَانُ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْن عُيَيْنَةَ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِِ الْبَجَلِيُّ، قَالَ: كُنَّا عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: ‌‌«إِنَّكُمْ سَتَرَوْنَ رَبَّكُمْ لا تُضَامُونَ فِي رُؤْيَتِهِ، كَمَا تَنْظُرُونَ إِلَى الْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ، فَمَنِ اسْتَطَاعَ مِنْكُمْ أَنْ لا يُفْلِتَ عَلَى صَلاةٍ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ، وَقَبْلَ غُرُوبِهَا، فَلْيَفْعَلْ»

 

1319 - حَدَّثَنَا سَعْدَانُ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، عَنْ أَبِي شُرَيْحٍ الْخُزَاعِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ
১৩১৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সা’দান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া, আসেম আল-আহওয়াল থেকে, বাকর বিন আব্দুল্লাহ আল-মুযানী থেকে, মুগীরা ইবনে শু’বা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "‌‌আমি এক নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দিলাম, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তুমি কি তাকে দেখেছ? আমি বললাম: না।

তিনি বললেন: তবে তাকে দেখে নাও
, কারণ এটি তোমাদের উভয়ের মধ্যে হৃদ্যতা ও ভালোবাসা সৃষ্টির জন্য অধিক উপযোগী।"

সা’দান বলেন: অর্থাৎ—যাতে (ভালোবাসা) স্থায়ী হয়।

 

১৩১৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সা’দান ইবনে নাসর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনা আবু মুহাম্মদ আল-হিলালী, আব্দুর রহমান ইবনে কাসিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ‌‌«রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের পক্ষ থেকে গরু কুরবানী করেছেন»

 

১৩১৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সা’দান ইবনে নাসর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনা, যুহরী থেকে, সালেম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি এটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছেন যে, তিনি বলেছেন: এক ব্যক্তি শেষ দশ দিনের মধ্যে লাইলাতুল কদর স্বপ্নে দেখলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: ‌‌«আমি দেখছি যে তোমাদের স্বপ্নগুলো এর (শেষ দশ রাতের) ওপর একমত হয়েছে, সুতরাং তোমরা শেষ দশ রাতে তা অনুসন্ধান করো»

 

১৩১৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সা’দান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনা, ইসমাইল ইবনে আবি খালিদ থেকে, কায়স ইবনে আবি হাযেম থেকে, জারীর ইবনে আব্দুল্লাহ আল-বাজালী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ছিলাম, তখন তিনি বললেন: ‌‌«নিশ্চয়ই তোমরা তোমাদের রবকে দেখতে পাবে, তাঁকে দেখতে তোমরা কোনো ভিড় বা কষ্টের সম্মুখীন হবে না, যেমনটি তোমরা পূর্ণিমার রাতে চাঁদের দিকে তাকাও। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি সূর্যোদয়ের আগের সালাত এবং সূর্যাস্তের আগের সালাত যেন ছুটে না যায় সে বিষয়ে সামর্থ্য রাখে, সে যেন তা পালন করে»

 

১৩১৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সা’দান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনা, আমর থেকে, নাফে ইবনে জুবায়ের ইবনে মুত’ইম থেকে, আবু শুরাইহ আল-খুযাঈ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে...
(খণ্ড: ১) জুযউন মিন আহাদীসি ইবনিল মুকাইয়্যার আন শুয়ূখিহী (পৃষ্ঠা: ৬১)
الآخِرِ فَلْيُحْسِنْ إِلَى جَارِهِ، وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنْ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيُكْرِمْ ضَيْفَهُ، وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنْ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لَيَصْمُتْ» .

قَالَ سُفْيَانُ: وَزَادَ فِيهِ ابْنُ عَجْلانَ يُثْبِتُهُ، عَنِ النَّبِيِِّ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ كَانَ يُؤْمِنْ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيُكْرِمْ ضَيْفَهُ، وَجَائِزَتَهُ يَوْمًا وَلَيْلَةً، وَالضِّيافَةُ ثَلاثَةُ أَيَّامٍ، وَلَيْسَ لَهُ أَنْ يَأْوِيَ عِنْدَهُ حَتَّى يُخْرِجَهُ، فَمَا أَنْفَقَ عَلَيْهِ بَعْدُ فَهُوَ صَدَقَةٌ»

 

1320 - حَدَّثَنَا سَعْدَانُ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَيُّوبِ بْنِ مُوسَى، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: "‌‌ سَجَدَ بِنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي: إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ، وَفِي: اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ "

 

1321 - حَدَّثَنَا سَعْدَانُ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ هِلالِ بْنِ يَسَافٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ قَيْسٍ، يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«إِذَا اسْتَجْمَرْتَ فَأَوْتِرْ، وَإِذَا تَوَضَّأْتَ فَانْثُرْ»

 

1322 - حَدَّثَنَا سَعْدَانُ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ: رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ‌‌«إِذَا افْتَتَحَ الصَّلاةَ رَفَعَ يَدَيْهِ، حَتَّى يُحَاذِيَ مَنْكِبَيْهِ، وَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَرْكَعَ، وَبَعْدَمَا رَفَعَ مِنَ الرُّكُوعِ، وَلا يَرْفَعُ مَا بَيْنَ السَّجْدَتَيْنِ»

 

1323 - حَدَّثَنَا سَعْدَانُ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ حَاجِبِ بْنِ الْمُفَضَّلِ بْنِ الْمُهَلَّبِ بْنِ أَبِي صُفْرَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: سَمِعْتُ النُّعْمَانَ بْنَ بَشِيرٍ يَخْطُبُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«اعْدِلُوا بَيْنَ أَبْنَائِكُمُ، اعْدِلُوا بَيْنَ أَبْنَائِكُمْ»

 

1324 - حَدَّثَنَا سَعْدَانُ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ الأَعْمَشِ، عَنْ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ
পরকাল (এর ওপর বিশ্বাস রাখে), সে যেন তার প্রতিবেশীর সাথে সদ্ব্যবহার করে। আর যে আল্লাহ ও পরকালের ওপর ঈমান রাখে, সে যেন তার মেহমানকে সম্মান করে। আর যে আল্লাহ ও পরকালের ওপর ঈমান রাখে, সে যেন উত্তম কথা বলে অথবা নীরব থাকে।

সুফিয়ান বলেন: ইবনে আজলান এটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সুদৃঢ়ভাবে আরও বর্ণনা করেছেন: "যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের ওপর ঈমান রাখে সে যেন তার মেহমানকে সম্মান করে, আর তার মেহমানদারির পুরস্কার হলো এক দিন ও এক রাত। মেহমানদারি হলো তিন দিন। মেহমানের জন্য মেজবানের কাছে এত দীর্ঘ সময় অবস্থান করা বৈধ নয় যে সে তাকে (মেজবানকে) সংকটে ফেলে দেয়। এরপর সে তার জন্য যা কিছু ব্যয় করবে তা সদকা হিসেবে গণ্য হবে।"

 

১৩২০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সা'দান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহ, আইয়ুব ইবনে মুসা থেকে, তিনি আতা ইবনে সাইব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিয়ে সূরা 'ইযাস সামাউন্শাক্কাত' এবং 'ইকরা বিইস্মি রব্বিকা' (সূরা আলাক) পাঠকালে সাজদাহ করেছেন।"

 

১৩২১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সা'দান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহ, মানসুর থেকে, তিনি হিলাল ইবনে ইয়াসাফ থেকে, তিনি সালামাহ ইবনে কায়স (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, যা তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছেন, তিনি বলেন: "যখন তুমি পাথর দিয়ে শৌচকার্য করবে তখন তা বিজোড় সংখ্যায় করবে এবং যখন তুমি ওজু করবে তখন নাক ঝাড়বে।"

 

১৩২২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সা'দান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহ, যুহরী থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা (ইবনে উমর) থেকে বর্ণনা করেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, "যখন তিনি সালাত শুরু করতেন তখন তাঁর দুই হাত উঠাতেন এমনকি তা তাঁর কাঁধ বরাবর হতো। আবার যখন রুকু করতে চাইতেন এবং যখন রুকু থেকে মাথা উঠাতেন (তখনও হাত উঠাতেন)। তবে দুই সাজদাহর মাঝখানে হাত উঠাতেন না।"

 

১৩২৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সা'দান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান ইবনে হারব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে যাইদ, হাজিব ইবনে মুফাদ্দাল ইবনে মুহাল্লাব ইবনে আবু সুফরা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নুমান ইবনে বশীরকে খুতবা দিতে শুনেছি, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমরা তোমাদের সন্তানদের মাঝে ইনসাফ করো, তোমরা তোমাদের সন্তানদের মাঝে ইনসাফ করো।"

 

১৩২৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সা'দান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া, আমাশ থেকে, তিনি ইবনে বুরায়দাহ থেকে, তিনি...
(খণ্ড: ১) জুযউন মিন আহাদীসি ইবনিল মুকাইয়্যার আন শুয়ূখিহী (পৃষ্ঠা: ৬২)
أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لا يُخْرِجُ الرَّجُلُ شَيْئًا مِنَ الصَّدَقَةِ، حَتَّى يَفُكَّ عَنْ لَحْيِ سَبْعِينَ شَيْطَانًا»

 

1325 - حَدَّثَنَا سَعْدَانُ، حَدَّثَنَا شَبَابَةُ، عَنْ الْمُغِيرَةِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لَيْسَ عَلَى الْمُخْتَلِسِ، وَلا عَلَى الْمُنْتِهَبِ، وَلا عَلَى الْخَائِنِ قَطْعٌ»

 

1326 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ لاحِنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ كَارِهٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنْبَأَنَا الشَّيْخُ الرَّئِيسُ أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ نَبْهَانَ الْكَاتِبُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي جُمَادَى الأُولَى مِنْ سَنَةِ 557 بِالْكَرْخِ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ الْعَبَّاسِ بْنِ دوما النعالي، بِقِرَاءَةِ الْحَافِظِ أَبِي بَكْرٍ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ ثَابِتٍ الْخَطِيبِ رَحْمَةُ اللَّهِ عَلَيْهِ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ فِي ذِي الْحِجَّةِ سَنَةَ 435، قَالَ: أَنْبَأَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ نَصْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِِ الذَّارِعُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ بِالنَّهْرَوَانِ، فَأَقَرَّ بِهِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ الْكَاتِبُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نَصْرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَمَّادٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيِّ، عَنْ رِفَاعَةَ بْنِ مُوسَى، قَالَ: سَمِعْتُ الصَّادِقَ يَقُولُ: ‌‌«سِتٌّ لا يُنْجِبُونَ الْمَلاحُ، وَالْمُكَارِي، وَالْحَمَامِيُّ وَالْحَجَّامُ وَالْبَيْطَارُ وَالْحَائِكُ»

 

1327 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، حَدَّثَنَا الْحَجَّاجُ بْنُ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ الْحَارِثِ الْمَدَنِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ الْهَيْثَمِ، عَنْ عَوَانَةَ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رضي الله عنه: "‌‌ خَصْلَتَانِ مِنْ عَلامِةَ الْجَهْلِ: مُشَاوَرَةُ النِّسَاءِ، وَاسْتِكْتَامُ السِّرِّ لِلنِّسَاءِ وَالصِّبْيَانِ "

 

1328 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ، أَنْبَأَنَا أَحْمَدُ، حَدَّثَنِي بَعْضُ أَخْوَالِي، سَمِعْتُ بَعْضَ شُيُوخِنَا، يَقُولُ سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَلٍ، يَقُولُ: " يُؤْكَلُ الطَّعَامُ لِثَلاثٍ: مَعَ الإِخْوَانِ بِالسُّرُورِ، وَمَعَ الْفُقَرَاءِ بِالإِيثَارِ، وَمَعَ أَبْنَاءِ الدُّنْيَا بِالْمُرُوَّةِ "
তার পিতা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ‌‌«কোনো ব্যক্তি সদকার কোনো কিছু বের করে না, যতক্ষণ না সে সত্তরটি শয়তানের চোয়াল থেকে তা মুক্ত করে»

 

১৩২৫ - সা'দান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, শাবাবাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুগীরাহ ইবনে মুসলিম থেকে বর্ণিত, তিনি আবু যুবায়ের থেকে, তিনি জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ‌‌«ছিনতাইকারী, লুণ্ঠনকারী এবং আত্মসাৎকারীর ওপর (হাত) কাটার বিধান নেই»

 

১৩২৬ - আবু মুহাম্মদ লাহিন ইবনে আলী ইবনে কারেহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম—তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন শায়খ আল-রয়িস আবু আলী মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে নাবহান আল-কাতিব, ৫৫৭ হিজরীর জুমাদাল উলা মাসে কারখ নামক স্থানে তাঁর নিকট এটি পাঠ করার সময়, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আল-আব্বাস ইবনে দুমা আল-নি'আলী, হাফেজ আবু বকর আহমদ ইবনে আলী ইবনে সাবিত আল-খতিব (আল্লাহর রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-এর পাঠের মাধ্যমে এবং আমরা তা শ্রবণ করছিলাম ৪৩৫ হিজরীর জিলহজ মাসে, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু বকর আহমদ ইবনে নাসর ইবনে আবদুল্লাহ আদ-দ্বারি', তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আমরা নাহারওয়ানে শ্রবণ করছিলাম এবং তিনি তা স্বীকার করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ আল-কাতিব, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে নাসর, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে হাম্মাদ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ আল-আনসারী থেকে, তিনি রিফাআহ ইবনে মুসা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আস-সাদিককে বলতে শুনেছি: ‌‌«ছয় প্রকার ব্যক্তি সফল হয় না: নাবিক, পশুবাহন ভাড়া দাতা, হাম্মামখানার পরিচ্ছন্নতাকর্মী, রক্তমোক্ষণকারী, পশু চিকিৎসক এবং তাঁতি»

 

১৩২৭ - হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হাজ্জাজ ইবনে সুফিয়ান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, বকর ইবনে হারিস আল-মাদানি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে আবি খালিদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হাইসাম থেকে বর্ণিত, তিনি আওয়ানাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ওমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: "‌‌ দুটি বৈশিষ্ট্য মূর্খতার লক্ষণ: নারীদের সাথে পরামর্শ করা এবং নারী ও শিশুদের কাছে গোপন কথা বলা"

 

১৩২৮ - হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ আমাদের অবহিত করেছেন, আমার জনৈক মামা আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, আমি আমাদের জনৈক শায়খকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি আহমদ ইবনে হাম্বলকে বলতে শুনেছি: "খাবার তিনভাবে খাওয়া হয়: ভাইদের সাথে আনন্দের সাথে, ফকীরদের সাথে ত্যাগের সাথে এবং দুনিয়াদারদের সাথে মহানুভবতার সাথে।"
(খণ্ড: ১) জুযউন মিন আহাদীসি ইবনিল মুকাইয়্যার আন শুয়ূখিহী (পৃষ্ঠা: ৬৩)
1329 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ، أَنْبَأَنَا أَحْمَدُ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ، سَمِعْتُ بَشِيرَ بْنَ الْحَارِثِ، يَقُولُ: " مَنْ أَرَادَ عِزَّ الدُّنْيَا وَشَرَفَ الآخِرَةِ: لا يَأْكُلُ طَعَامَ أَحَدٍ، وَلا يَسْأَلُ أَحَدًا حَاجَةً، وَلا يَذْكُرُ النَّاسَ إِلا بِخَيْرٍ "

 

1330 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ، أَنْبَأَنَا أَحْمَدُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ، سَمِعْتُ الْحُسَيْنَ بْنَ سَعْدٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ قُرَّةَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبِي، يَقُولُ: سَمِعْتُ الْمَأْمُونَ، يَقُولُ: ثَلاثَةُ أَشْيَاءَ مُوَكَّلٌ بِهَا ثَلاثَةٌ: الْحِرْمَانُ عَلَى الْمُقَدَّمُ فِي صَنْعَتِهِ، وَعَامِلُ الإِمَامِ عَلَى ذِي الآلاتِ الْكَامِلَةِ، وَمُعَادَاةُ الْعَوامِّ لأَهْلِ الْمَعْرِفَةِ "

 

1331 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ، أَنْبَأَنَا أَحْمَدُ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ يَحْيَى الْبَزَّازُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ الْهَمْدَانِيُّ، حَدَّثَنَا مُكْرَمُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ قَالَ: «الدَّيْنُ لا يُنْسَى، وَالْبِرُّ لا يُبْلَى، وَالدَّيَّانُ لا يَمُوتُ، فَكُنْ كَمَا شِئْتَ كَمَا تَدِينُ تُدَانُ»

 

1332 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ، أَنْبَأَنَا أَحْمَدُ، حَدَّثَنَا حَرْبِ بْنِ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، قَالَ: كَانَ يَحْيَى بْنُ خَالِدٍ الْبَرْمَكِيُّ، يَقُولُ: " الدُّنْيَا شَيْئَانِ: سَعَةُ الْمَنَازِلِ، وَكَثْرَةُ الإِخْوَانِ "

 

1333 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ، أَنْبَأَنَا أَحْمَدُ، حَدَّثَنَا صَدَقَةُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلامٍ، قَالَ: قَالَتْ هِنْدُ بِنْتُ الْمُهَلَّبِ بْنِ أَبِي صُفْرَةَ: «إِذَا رَأَيْتُمُ النِّعَمَ مُسْتَدَرَّةٌ فَبَادِرُوهَا بِتَعْجِيلِ الشُّكْرِ، قَبْلَ حُلُولِ الزَّوَالِ»

 

1334 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ، أَنْبَأَنَا أَحْمَدُ، حَدَّثَنَا صَدَقَةُ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنِ سَعِيدٍ، سَمِعْتُ الْمَأْمُونَ يَقُولُ لِلرَّبِيعِ «وَيْلَكَ يَا رَبِيعُ، سِرُّكَ مِنْ دَمِكَ فَانْظُرْ مَنْ تُمَلِّكُهُ»

 

1335 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ، أَنْبَأَنَا أَحْمَدُ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عِيسَى، قَالَ: قَالَ الْمَأْمُونُ يَوْمًا لِلْحَسَنِ بْنِ سَهْلٍ: يَا أَبَا مُحَمَّدٍ، إِنِّي نَظَرْتُ إِلَى اللَّذَّاتِ، فَوَجَدْتُهَا كُلَّهَا مَمْلُوكَةً إِلا سَبْعًا.

قَالَ: وَمَا السَّبْعُ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ؟ قَالَ: خُبْزُ الْحِنْطَةِ، وَلَحْمُ الْغَنَمِ، وَالْمَاءُ الْبَارِدُ، وَالثَّوْبُ النَّاعِمُ، وَالرَّائِحَةُ الطَّيِّبَةُ، وَالْفِرَاشُ الْوِطَيُّ، وَالْفِطْرُ، وَالنَّظَرُ إِلَى الْحَسَنِ مِنَ كُلِّ شَيْءٍ، قَالَ: فَأَيْنَ أَنْتَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ مِنْ مُحَادَثَةِ الرَّجُلِ؟ قَالَ: صَدَقْتَ يَا أَبَا مُحَمَّدٍ، هِيَ أُولاهُنَّ، وَتَمَّمْتُ ثَمَانِيَةَ ثَمَانِيَةٍ "

 

1336 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ، أَنْبَأَنَا أَحْمَدُ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِسْحَاقَ الْقَاضِي، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مَنْصُورٍ، سَمِعْتُ أَبَا عُثْمَانَ مَوْلَى الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: حَدَّثَنِي الصَّادِقُ الْمَصْدُوقُ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«لا تُنْزَعُ الرَّحْمَةُ إِلا مِنْ شَقِيٍّ»
১৩২৯ - আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ আমাদের জানিয়েছেন, সাঈদ ইবনে মুয়ায আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আমি বশীর ইবনুল হারিসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: "যে ব্যক্তি দুনিয়ার সম্মান এবং আখেরাতের মর্যাদা চায়, সে যেন কারো খাবার না খায়, কারো কাছে কোনো প্রয়োজনের কথা না বলে এবং মানুষের কথা কল্যাণ ছাড়া আলোচনা না করে।"

 

১৩৩০ - আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ আমাদের জানিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আমি হুসাইন ইবনে সাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মাদ ইবনে কুররাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল-মামুনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: "তিনটি বিষয় তিনটি বিষয়ের সাথে যুক্ত: শিল্পকর্মে পারদর্শীদের জন্য রয়েছে বঞ্চনা, পূর্ণ যন্ত্রপাতির অধিকারীদের ওপর শাসকের কর্মচারীর কর্তৃত্ব, আর জ্ঞানীদের প্রতি সাধারণ মানুষের শত্রুতা।"

 

১৩৩১ - আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ আমাদের জানিয়েছেন, আলী ইবনে ইয়াহইয়া আল-বাযযার আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে উবাইদ আল-হামদানী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুকরাম ইবনে আব্দুর রহমান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল মালিক থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «ঋণ বিস্মৃত হয় না, পুণ্য জরাজীর্ণ হয় না এবং মহাপ্রতিদানকারী (আল্লাহ) মৃত্যুবরণ করেন না। সুতরাং তুমি যেমন ইচ্ছা হও; তুমি যেমন আচরণ করবে তেমনই প্রতিফল পাবে»

 

১৩৩২ - আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ আমাদের জানিয়েছেন, হারব ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আমার পিতা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে খালিদ আল-বারমাকী বলতেন: "দুনিয়া হলো দুটি বস্তু: প্রশস্ত ঘরবাড়ি এবং অধিক সংখ্যক বন্ধু-বান্ধব।"

 

১৩৩৩ - আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ আমাদের জানিয়েছেন, সাদাকাহ ইবনে মূসা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে সালাম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাল্লাব ইবনে আবি সুফরার কন্যা হিন্দ বলেছেন: «যখন তোমরা নেয়ামতকে অবিরামভাবে আসতে দেখবে, তখন তা শেষ হয়ে যাওয়ার আগেই দ্রুত কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মাধ্যমে তাকে ত্বরান্বিত করো»

 

১৩৩৪ - আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ আমাদের জানিয়েছেন, সাদাকাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইব্রাহিম ইবনে সাঈদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আমি আল-মামুনকে রবী’র উদ্দেশ্যে বলতে শুনেছি: «তোমার ধ্বংস হোক হে রবী’! তোমার গোপন রহস্য তোমার রক্তের সমতুল্য, সুতরাং দেখো তুমি কাকে এর মালিক বানাচ্ছ»

 

১৩৩৫ - আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ আমাদের জানিয়েছেন, আল-হাসান ইবনে আলী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইয়াহইয়া ইবনে ঈসা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: একদিন আল-মামুন হাসান ইবনে সাহলকে বললেন: হে আবু মুহাম্মাদ, আমি আনন্দ-উচ্ছ্বাস নিয়ে চিন্তা করলাম এবং দেখলাম যে সাতটি ছাড়া বাকি সবই আয়ত্তাধীন বা সাধারণ।

তিনি জিজ্ঞেস করলেন: আমীরুল মুমিনীন, সেই সাতটি কী কী? তিনি বললেন: গমের রুটি, ভেড়ার মাংস, শীতল পানি, নরম কাপড়, সুগন্ধি, আরামদায়ক বিছানা, রোজা ভাঙা (ইফতার), এবং সবকিছুর সুন্দরের দিকে দৃষ্টিপাত করা। তিনি বললেন: হে আমীরুল মুমিনীন, মানুষের সাথে আলাপচারিতা সম্পর্কে আপনার অবস্থান কোথায়? তিনি বললেন: তুমি সত্য বলেছ হে আবু মুহাম্মাদ, এটিই হলো তাদের মধ্যে প্রধান, আর তুমি আটে পূর্ণ করলে।

 

১৩৩৬ - আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ আমাদের জানিয়েছেন, ইসমাঈল ইবনে ইসহাক আল-কাজী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সুলায়মান ইবনে হারব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, শু’বা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মানসূর থেকে, আমি মুগীরা ইবনে শু’বার আযাদকৃত গোলাম আবু উসমানকে আবু হুরাইরা থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: সত্যবাদী ও সত্য প্রত্যাদিষ্ট (রাসূল) সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «হতভাগ্য ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারো থেকে দয়া ছিনিয়ে নেওয়া হয় না»
(খণ্ড: ১) জুযউন মিন আহাদীসি ইবনিল মুকাইয়্যার আন শুয়ূখিহী (পৃষ্ঠা: ৬৪)
1337 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ، أَنْبَأَنَا أَحْمَدُ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ حَمَّادِ بْنِ زَيْدِ بْنِ دِرْهَمٍ، حَدَّثَنَا كَامِلُ بْنُ طَلْحَةَ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ‌‌«يَقْرَأُ بِالطُّورِ فِي الْمَغْرِبِ»

 

1338 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ، أَنْبَأَنَا أَحْمَدُ، حَدَّثَنَا صَدَقَةُ بْنُ مُوسَى، وَأَحْمَدُ بْنُ مَحْمُودٍ الأَنْبَارِيُّ، وَالْقَاسِمُ بْنُ أَحْمَدَ، قَالُوا: حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ الْحَدَثَانِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ أَبِي يَحْيَى الْقَتَّاتِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنْ عَشِقَ فَكَتَمَ وَعَفَّ، فَمَاتَ فَهُوَ شَهِيدٌ»

 

1339 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ، أَنْبَأَنَا أَحْمَدُ، حَدَّثَنَا صَدَقَةُ بْنُ مُوسَى، وَأَبُو عَمْرٍو مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ، قَالا: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمِنْهَالِ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، عَنْ رَوْحِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«الأَرْوَاحُ جُنُودٌ مُجَنَّدَةٌ، فَمَا تَعَارَفَ مِنْهَا ائْتَلَفَ، وَمَا تَنَاكَرَ مِنْهَا اخْتَلَفَ»

 

1340 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ، أَنْبَأَنَا أَحْمَدُ، حَدَّثَنَا صَدَقَةُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا أَبُو الرَّبِيعِ الدَّهْرَانِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ الْحَسَنِ الْهِلالِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدَرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «الْعَائِدُ فِي هِبَتِهِ، كَالْعَائِدِ فِي قَيْئِهِ»

 

1341 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ، أَنْبَأَنَا أَحْمَدُ، حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ خَلَفِ بْنِ الْمَرْزُبَانِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ هَارُونَ، قَالَ: أَتَيْتُ مُحَمَّدَ بْنَ يُوسُفَ الْفِرْيَابِيُّ، فَقُلْتُ لَهُ حَدِّثْنِي
১৩৩৭ - আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইউসুফ বিন ইয়াকুব বিন ইসমাঈল বিন হাম্মাদ বিন যায়েদ বিন দিরহাম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, কামিল বিন তালহা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মালিক বিন আনাস আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন জুবায়ের বিন মুতয়িম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে «মাগরিবের সালাতে সূরা আত-তূর পাঠ করতে শুনেছি»

 

১৩৩৮ - আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সাদাক্বাহ বিন মুসা, আহমাদ বিন মাহমুদ আল-আনবারি এবং আল-কাসিম বিন আহমাদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেছেন: সুওয়াইদ বিন সাঈদ আল-হাদাথানি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আলী বিন মুশহির আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু ইয়াহইয়া আল-ক্বাত্তাত থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি প্রেমে পড়ল, অতঃপর তা গোপন রাখল এবং পবিত্রতা বজায় রাখল, তারপর মারা গেল, সে একজন শহীদ»

 

১৩৩৯ - আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সাদাক্বাহ বিন মুসা এবং আবু আমর মুহাম্মাদ বিন আল-হাসান বিন আলী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেছেন: মুহাম্মাদ বিন আল-মিনহাল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইয়াযিদ বিন যুরাই' আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি রাওহ বিন আল-কাসিম থেকে, তিনি সুহাইল বিন আবি সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «রূহসমূহ সুসংগঠিত বাহিনীর মতো, যাদের মধ্যে পরিচিতি ঘটে তারা একত্রিত হয়, আর যারা একে অপরকে চিনতে পারে না তারা পরস্পর বিচ্ছিন্ন থাকে»

 

১৩৪০ - আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সাদাক্বাহ বিন মুসা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু আল-রাবি আল-দাহরানি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আব্দুল হামিদ বিন আল-হাসান আল-হিলালি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মাদ বিন আল-মুনকাদির থেকে, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি নিজের দান ফেরত নেয়, সে ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে নিজের বমি পুনরায় ভক্ষণ করে»

 

১৩৪১ - আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর মুহাম্মাদ বিন খালাফ বিন আল-মারযুবান আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন হারুন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ আল-ফিরইয়াবির নিকট আসলাম এবং তাঁকে বললাম, আমাকে বর্ণনা করুন-
(খণ্ড: ১) জুযউন মিন আহাদীসি ইবনিল মুকাইয়্যার আন শুয়ূখিহী (পৃষ্ঠা: ৬৫)
بِخَمْسَةِ أَحَادِيثَ.

فَقَالَ: هَاتِ.

فَجَعَلْتُ أَقْرَأُ عَلَيْهِ، فَجَعَلَ يَعُدُّهَا، وَأَنَا لا أَعْلَمُ، فَلَمَّا بَدَأْتُ بِالسَّادِسِ، قَالَ: اذْهَبْ فَتَعَلَّمِ الصِّدْقَ.

ثُمَّ اكْتُبِ الْحَدِيثَ.

 

1342 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ، أَنْبَأَنَا أَحْمَدُ، حَدَّثَنِي بَعْضُ إِخْوَانِي، قَالَ: بَلَغَنِي عَنْ بَعْضِ النُّحَاةِ، أَنَّهُ كَانَ إِذَا دُفِعَ الدِّرْهَمُ فِي يَدِهِ، يُخَاطِبُهُ وَيَقُولُ لَهُ: أَنْتَ عَقْلِي، وَدِينِي، وَصَلاتِي، وَصِيَامِي، وَجَامِعُ شَمْلِي، وَقُرَّةُ عَيْنِي، وَأُنْسِي، وَقُوَّتِي، وَعَدْلِي، وَعِمَادِي، ثُمَّ يَقُولُ لَهُ: أَهْلا وَسَهْلا بِكَ مِنْ زَائِرٍ كُنْتُ إِلَى وَجْهِكَ مُشْتَاقٌ، ثُمَّ يَقُولُ لَهُ: يَا نُورَ عَيْنِي وَحَبِيبَ قَلْبِي، قَدْ صِرْتَ إِلَى مَنْ بَصُرَ بِكَ، وَيَعْرِفُ قَدْرَكَ، وَيُعَظِّمُ حَقَّكَ، وَيَرْعَى قَدْرَكَ، وَيُشْفِقُ عَلَيْكَ، وَكَيْفَ لا يَكُونُ كَذَلِكَ، وَأَنْتَ تُعَظِّمُ الأَقْدَارَ، وَتُعَمِّرُ الدِّيَارَ، وَتُفِيضُ الأَبْكَارَ، وَتَسْمُو عَلَى الأَشْرَافِ، وَتَرْفَعُ الذِّكْرَ، وَتُعْلِي الْقَدْرَ، وَتُؤْنِسُ مِنَ الْوَحْشَةِ ".

ثُمَّ يَطْرَحُهُ فِي كِيسٍ، وَيَقُولُ: بِنَفْسِيَ مَحْجُوبًا عَنِ الْعَيْنِ شَخْصُهُ وَمَنْ لَيْسَ يَخْلُو مِنْ لِسَانِي وَلا قَلْبِي وَمَنْ ذِكْرُهُ حَظِّي مِنَ النَّاسِ كُلِّهِمْ وَأَوَّلُ حَظِّي مِنْهُ فِي الْبُعْدِ وَالْقُرْبِ

 

1343 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ، أَنْبَأَنَا أَحْمَدُ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ الْعَبَّاسِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّد بْن مُوسَى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ، قَالَ: قَالَ زَيْدُ بْنُ عَلِيٍّ «ثَلاثُ خِصَالٍ لا تُجْمَعُ إِلا فِي كَرِيمٍ، حُسْنُ الْمَحْضَرِ، وَاحْتِمَالُ زَلاتِ الإِخْوَانِ، وَقِلَّةُ الْمَلامَةِ لِلصَّدِيقِ» .

 

1344 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ، أَنْبَأَنَا أَحْمَدُ، أَنْشَدَنِي ابْنُ دُرَيْدٍ لِنَفْسِهِ:

أَرَى الشَّيْبَ قَدْ جَاوَزْتُ خَمْسِينَ دَائِبًا … يَدُبُّ دَبِيبَ الصُّبْحِ فِي غَسَقِ الظُّلَمْ

هُوَ السُّقْمُ إِلا أَنَّهُ غَيْرُ مُؤْلِمٍ … وَلَمْ أَرَ مِثْلَ الشَّيْبِ سُقْمًا بِلا أَلَمْ

 

1345 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ، أَنْبَأَنَا أَحْمَدُ، سَمِعْتُ الْحَسَنَ بْنَ يَاسِينَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ حَفْصٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ مُعَاذٍ يَقُولُ: «مَنْ رَضِيَ اللَّهَ مُدَبِّرًا سَرَّهُ كُلُّ مَا يَقْضِي اللَّهُ بِهِ عز وجل»

 

1346 - سَمِعْتُ أَبَا الْعَبَّاس ثَعْلَبًا، يَقُولُ: رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ قَالَ: «مَنْ أَحَبَّ أَنْ تَسْتَجِمَّ لَهُ الرِّجَالُ، فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ» .

قَالَ أَبُو الْعَبَّاسِ: تَسْتَجِمُّ: تَرْفَعُ رِجْلا وَتَضَعُ أُخْرَى.

 

1347 - سُئِلَ أَحْمَدُ بْنُ يَحْيَى، وَأَنَا أَسْمَعُ عَنِ الْمُقَامِ؟ فَقَالَ: الْمُقَامُ عِنْدَ الْعَرَبِ:
পাঁচটি হাদিস দ্বারা।

তিনি বললেন: নিয়ে এসো।

আমি তাঁর সামনে পড়তে লাগলাম, আর তিনি সেগুলো গণনা করতে লাগলেন অথচ আমি জানতাম না। যখন আমি ষষ্ঠটি শুরু করলাম, তিনি বললেন: যাও, আগে সত্যবাদিতা শেখো।

তারপর হাদিস লিখো।

 

১৩৪২ - হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ আমাদের জানিয়েছেন, আমার জনৈক ভাই আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: জনৈক ব্যাকরণবিদের নিকট থেকে আমার কাছে এই খবর পৌঁছেছে যে, যখনই তাঁর হাতে দিরহাম দেওয়া হতো, তিনি সেটিকে সম্বোধন করে বলতেন: তুমিই আমার বুদ্ধি, আমার দ্বীন, আমার সালাত, আমার সিয়াম, আমার বিক্ষিপ্ত অবস্থার একত্রকারী, আমার নয়নমণি, আমার স্বস্তি, আমার শক্তি, আমার ন্যায়পরায়ণতা এবং আমার স্তম্ভ। তারপর তিনি তাকে বলতেন: হে আগন্তুক, তোমাকে স্বাগতম! আমি তোমার চেহারার প্রতিক্ষায় ছিলাম। তারপর তিনি তাকে বলতেন: হে আমার নয়নমণি ও হৃদয়ের প্রিয়তম, তুমি এমন একজনের কাছে এসেছ যে তোমাকে চেনে, তোমার মর্যাদা জানে, তোমার অধিকারকে সম্মান করে, তোমার মর্যাদা রক্ষা করে এবং তোমার প্রতি দয়ার্দ্র। আর কেনই বা এমন হবে না, যখন তুমিই মর্যাদাকে মহিমান্বিত করো, জনপদ আবাদ করো, কুমারীদের প্রাচুর্য দান করো, অভিজাতদের চেয়েও উচ্চাসীন হও, সুখ্যাতি বৃদ্ধি করো, সম্মানকে উন্নীত করো এবং নিঃসঙ্গতা থেকে মুক্তি দাও।

তারপর তিনি সেটিকে একটি থলিতে রাখতেন এবং বলতেন: আমার প্রাণ উৎসর্গ হোক এমন একজনের জন্য যার সত্তা চোখের আড়ালে থাকে, কিন্তু যার আলোচনা আমার জিহ্বা ও অন্তর থেকে কখনো মুছে যায় না। মানুষের মধ্যে তারই স্মরণ আমার প্রাপ্য অংশ, আর দূর বা কাছে সবখানেই তার পক্ষ থেকে এটিই আমার প্রথম পাওনা।

 

১৩৪৩ - হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ আমাদের জানিয়েছেন, হাসান ইবনুল আব্বাস আমাদের জানিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে মুসা আমাদের জানিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: যায়িদ ইবনে আলী বলেছেন: "তিনটি স্বভাব কেবল একজন মহৎ ব্যক্তির মধ্যেই একত্রিত হয়: সুন্দর ব্যবহার, ভাইদের ভুলত্রুটি ক্ষমা করা এবং বন্ধুর প্রতি কম তিরস্কার করা।"

 

১৩৪৪ - হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ আমাদের জানিয়েছেন, ইবনে দুরিদ আমাকে নিজের রচিত কবিতা আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন:

আমি দেখছি বার্ধক্য ক্রমাগত পঞ্চাশ অতিক্রম করে এগিয়ে আসছে … যেভাবে অন্ধকারের গভীরতায় ভোরের আলো ধীরে ধীরে প্রবেশ করে।

এটি একটি ব্যাধি, তবে তা যন্ত্রণাদায়ক নয় … আর আমি বার্ধক্যের মতো যন্ত্রণাহীন কোনো ব্যাধি দেখিনি।

 

১৩৪৫ - হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ আমাদের জানিয়েছেন, আমি হাসান ইবনে ইয়াসিনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আলী ইবনে হাফসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইয়াহইয়া ইবনে মুয়াযকে বলতে শুনেছি: "যে ব্যক্তি আল্লাহকে পরিচালক হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট থাকে, মহান আল্লাহ তার জন্য যা ফয়সালা করেন তার সবকিছুই তাকে আনন্দিত করে।"

 

১৩৪৬ - আমি আবুল আব্বাস সা'লাবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত হয়েছে যে তিনি বলেছেন: "যে ব্যক্তি পছন্দ করে যে মানুষ তার সামনে পা গুটিয়ে আরাম করে বসুক, সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা নির্ধারণ করে নেয়।"

আবুল আব্বাস বলেন: 'তাসতাজিম্মু' (تستجم) অর্থ: এক পা উঠিয়ে অন্য পায়ের ওপর রাখা।

 

১৩৪৭ - আহমাদ ইবনে ইয়াহইয়াকে 'আল-মুকাম' সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল এবং আমি তখন শুনছিলাম। তিনি বললেন: আরবদের নিকট 'আল-মুকাম' হলো:
(খণ্ড: ১) জুযউন মিন আহাদীসি ইবনিল মুকাইয়্যার আন শুয়ূখিহী (পৃষ্ঠা: ৬৬)
الْمَجْلِسُ، وَالْمُقَامَةُ الإِقَامَةُ، وَأَنْشَدَنَا ثَعْلَبٌ:

وَنَفْسُكَ أَكْسِبْهَا السَّعَادَةَ جَاهدًا … فَكُلُّ امْرِئٍ رَهْنًا بِمَا هُوَ كَاسِبٌ

وَسَمِعْتُه يُنْشِدُ:

إِذَا أَنْتَ لَمْ تَلْبَسْ لُبَاسًا مِنَ التُّقَى … تَقَلَّبْتَ عُرْيَانًا وَإِنْ كُنْتَ كَاسِيًا

 

1348 - سُئِلَ ثَعْلَبٌ، وَأَنَا أَسْمَعُ، عَنِ الْبُرْهَانِ، فَقَالَ: الْحُجَّةُ.

ثُمَّ قَالَ: قَالَ اللَّه تَعَالَى: {قُلْ هَاتُوا بُرْهَانَكُمْ إِنْ كُنْتُمْ صَادِقِينَ} [البقرة: 111] .

 

1349 - سَمِعْتُ أَبَا الْعَبَّاسِ، يَقُولُ: قِيلَ لأَعْرَابِيٍّ، وَقَدْ أَتَى عَلَيْهِ مِائَةٌ وَعِشْرُونَ سَنَةً: مَا أَطْوَلَ عُمُرَكَ؟ قَالَ: تَرَكْتُ الْحَسَدَ، فَبَقِيتُ.

 

1350 - سَمِعْتُ أَبَا الْعَبَّاسِ، يَقُولُ: لَمَّا تُوُفِّيَ جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ أَبُو حَنِيفَةَ: " لِشَيْطَانِ الطَّاقِ مَاتَ إِمَامُكَ.

قَالَ: وَلَكِنَّ إِمَامَكْ لا يَمُوتُ إِلَى الْحَشْرِ.

" يَعْنِي: إِبْلِيسَ.

 

1351 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ، أَنْبَأَنَا أَحْمَدُ، حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ نَصْرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْقَطَّانُ الْمُعَدَّلُ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ هُرْمُزَ، حَدَّثَنَا بِالنَّهْرَوَانِ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ شَبِيبٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ، قَالَ: حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَلِيٍّ الرَّافِعِيُّ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ‌‌«صَلَّى عَلَى النَّجَاشِيِّ فَكَبَّرَ عَلَيْهِ خَمْسًا»

 

1352 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ نَصْرِ بْنِ الزَّاغُونِيّ، إجازة، وَحَدَّثَنَا عَنْهُ أَبُو مُحَمَّدٍ طَغْدِي بْنُ خَتْلَعَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِِ الأَمِيرِيُّ، مِنْ لَفْظِهِ فِي يَوْمِ الأَحَدِ سَادِسَ عَشَرَ ذِي الْقِعْدَةِ سَنَةَ 581، قَالَ ابْن الزَّاغُونِيُّ أَنْبَأَنَا الشَّيْخُ الْجَلِيلُ أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ السَّرِيِّ، أَنْبَأَنَا أَبُو أَحْمَدَ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي مُسْلِمٍ الْفَرَضِيُّ الْمُقْرِئُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي مَسْجِدِهِ فِي شَهْرِ رَجَبٍ سَنَةَ 453، قَالَ: أَنْبَأَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِِ الْحُسَيْنُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَبَّاسٍ الْقَطَّانُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي مَنْزِلِهِ يَوْمَ السَّبْتِ لِثَلاثَ عَشْرَةَ بَقِينَ مِنْ ذِي الْحِجَّةِ مِنْ سَنَةِ 332،

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ، حَدَّثَنَا الْمُبَارَكُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ أَخِيهِ سُفْيَانَ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: تاَهُ نَاسٌ مِنْ أَصْحَابِهِ فَأَتَاهُمْ بِخُبْزٍ وَخَلٍّ، ثُمَّ قَالَ لَهُمْ: كُلُوا فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: ‌‌«نِعْمَ الإِدَامُ الْخَلُّ»
মজলিস এবং মুকামা অর্থ অবস্থান করা। সা'লাব আমাদের আবৃত্তি করে শোনালেন:

তোমার নিজেকে প্রচেষ্টা চালিয়ে সৌভাগ্য অর্জনে নিয়োজিত করো … কেননা প্রত্যেক ব্যক্তি তার কৃতকর্মের নিকট দায়বদ্ধ।

আমি তাকে আবৃত্তি করতে শুনেছি:

যখন তুমি তাকওয়ার পোশাক পরিধান করবে না … তখন তুমি পোশাক পরিহিত থাকা সত্ত্বেও উলঙ্গ অবস্থায় পরিবর্তিত হবে।

 

১৩৪৮ - আমি শুনছিলাম, সা'লাবকে 'বুরহান' সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: এর অর্থ প্রমাণ।

অতঃপর তিনি বললেন: মহান আল্লাহ বলেছেন: {তোমরা যদি সত্যবাদী হও তবে তোমাদের প্রমাণ নিয়ে এসো} [আল-বাকারা: ১১১]।

 

১৩৪৯ - আমি আবুল আব্বাসকে বলতে শুনেছি: এক গ্রাম্য ব্যক্তিকে বলা হলো যার বয়স একশো বিশ বছর পূর্ণ হয়েছে: আপনার আয়ু এত দীর্ঘ কেন? তিনি বললেন: আমি হিংসা করা ছেড়ে দিয়েছি, তাই বেঁচে আছি।

 

১৩৫০ - আমি আবুল আব্বাসকে বলতে শুনেছি: যখন জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইন্তেকাল করলেন, তখন আবু হানিফা শয়তান আল-তাককে বললেন: "তোমার ইমাম মারা গেছেন।"

সে উত্তরে বলল: "কিন্তু আপনার ইমাম হাশর পর্যন্ত মরবেন না।"

"অর্থাৎ: ইবলিস।"

 

১৩৫১ - হাসান আমাদের জানিয়েছেন, আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল হাসান নাসর ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ আল-কাত্তান আল-মুয়াদ্দাল যিনি ইবনে হুরমুজ নামে পরিচিত তিনি আমাদের নাহরাওয়ানে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন, হাসান ইবনে ইসমাইল আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে শাবিব আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম ইবনে আল-মুনজির আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহিম ইবনে আলী আল-রাফেয়ি আমাকে কাসির ইবনে আবদুল্লাহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‌‌"নাজ্জাশীর জানাজা পড়েছেন এবং তাতে পাঁচটি তাকবীর দিয়েছেন।"

 

১৩৫২ - আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে উবায়দুল্লাহ ইবনে নাসর ইবনে আল-যাগুনি আমাদের অনুমতিক্রমে জানিয়েছেন, এবং আবু মুহাম্মদ তাগদি ইবনে খাতলা' ইবনে আবদুল্লাহ আল-আমিরি ৫৮১ হিজরির ১৬ই জিলকদ রবিবার দিন তার নিজ মুখে আমাকে হাদিসটি শুনিয়েছেন। ইবনুল যাগুনি বলেছেন, মহান শায়খ আবুল কাসিম আলী ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আল-সাররি আমাদের জানিয়েছেন, আবু আহমাদ উবায়দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে আবি মুসলিম আল-ফারদি আল-মুকরি ৪৫৩ হিজরির রজব মাসে তার মসজিদে আমাদের পড়ে শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আব্বাস আল-কাত্তান ৩৩২ হিজরির জিলহজ মাসের তেরো দিন অবশিষ্ট থাকতে শনিবার দিন তার নিজ গৃহে আমাদের পড়ে শুনিয়েছেন।

হাসান ইবনে আরাফা আমাদের বর্ণনা করেছেন, মুবারক ইবনে সাঈদ তার ভাই সুফিয়ান ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি আবু জুবায়ের থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: তাঁর নিকট কিছু লোক আসলেন, তখন তিনি তাদের সামনে রুটি ও সিরকা (ভিনেগার) নিয়ে আসলেন। অতঃপর তিনি তাদের বললেন: তোমরা ভক্ষণ করো, কারণ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: ‌‌"সিরকা কতই না চমৎকার সালন!"
(খণ্ড: ১) জুযউন মিন আহাদীসি ইবনিল মুকাইয়্যার আন শুয়ূখিহী (পৃষ্ঠা: ৬৭)
1353 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا ابْنُ عَرَفَةَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبَّاسٍ الْحِمْصِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي حُسَيْنٍ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: ‌‌«مَنْ آوَى إِلَى فِرَاشِهِ طَاهِرًا فَذَكَرَ اللَّهَ جَلَّ وَعَزَّ حَتَّى يُدْرِكَهُ النُّعَاسُ لَمْ يَتَقَلَّبْ سَاعَةً مِنَ اللَّيْلِ يَسْأَلُ اللَّهَ جَلَّ وَعَزَّ فِيهَا شَيْئًا مِنْ خَيْرَيِ الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ إِلا أَعْطَاهُ إِيَّاهُ»

 

1354 - أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا ابْن عَرَفَةَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ ثَابْتِ بْنِ عَجْلانَ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ يَزِيدَ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْعَقِيقَةِ: ‌‌«عَنِ الْغُلامِ شَاتَانِ مُكَافأتَانِ، وَعَنِ الْجَارِيَةِ شَاةٌ»

 

1355 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا ابْن عَرَفَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُحَارِبِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«أَعْمَارُ أُمَّتِي مَا بَيْنَ السِّتِّينَ إِلَى السَّبْعِينَ، وَأَقَلُّهُمْ مَنْ تَجَاوَزَ ذَلِكَ»

 

1356 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَيَّاشٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ عَرَفَةَ، حَدَّثَنَا ابْن عُلَيَّةَ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ عَلْقَمَةَ، وَحُسَيْنٍ الشَّهِيدِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: ‌‌«نَزَلَ نَبِيٌّ مِنَ الأَنْبِيَاءِ تَحْتَ شَجَرَةٍ فَلَسَعَتْهُ نَمْلَةٌ فَأَمَرَ بِرَحْلِهِ فَحَوَّلَ، ثُمَّ أَحْرَقَ الشَّجَرَةَ بِمَا فِيهَا، فَأَوْحَى اللَّهُ إِلَيْهِ أَلا نَمْلَةً وَاحِدَةً إِنَّهُنَّ كُنَّ جَمِيعًا يُسَبِّحْنَ»

 

1357 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا ابْنُ عَرَفَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ ثَابِتٍ الْجَزَرِيُّ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ بُرْقَانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ الْمَدِينِيِّ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ
১৩৫৩ - হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন আরাফাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবন আব্বাস আল-হিমসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবন আবদুর রহমান ইবন আবি হুসাইন থেকে, শাহর ইবন হাওশাব থেকে, আবু উমামাহ আল-বাহিলি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «যে ব্যক্তি পবিত্র অবস্থায় নিজ বিছানায় আশ্রয় গ্রহণ করে এবং মহান ও মহিমান্বিত আল্লাহকে স্মরণ করে যতক্ষণ না তন্দ্রা তাকে আচ্ছন্ন করে, সে রাতের কোনো এক সময়ে আল্লাহর কাছে দুনিয়া ও আখেরাতের কোনো কল্যাণ প্রার্থনা করে পার্শ্ব পরিবর্তন করলেই মহান ও মহিমান্বিত আল্লাহ তাকে তা দান করেন।»

 

১৩৫৪ - হুসাইন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবন আরাফাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবন আইয়্যাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাবিত ইবন আজলান থেকে, মুজাহিদ থেকে, আসমা বিনতে ইয়াজিদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আকিকা সম্পর্কে বলেছেন: «বালকের পক্ষ থেকে দুটি সমমানের বকরি এবং বালিকার পক্ষ থেকে একটি বকরি।»

 

১৩৫৫ - হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন আরাফাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান ইবন মুহাম্মদ আল-মুহারিবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবন আমর থেকে, আবু সালামাহ থেকে, আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আমার উম্মতের বয়স ষাট থেকে সত্তর বছরের মধ্যে এবং তাদের মধ্যে খুব কম সংখ্যকই এটি অতিক্রম করে।»

 

১৩৫৬ - হুসাইন ইবন ইয়াহইয়া ইবন আইয়্যাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন আরাফাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন উলাইয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সালামাহ ইবন আলকামা ও হুসাইন আশ-শাহিদ থেকে, মুহাম্মদ ইবন সিরিন থেকে, আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «নবীদের মধ্যে একজন নবী একটি গাছের নিচে অবতরণ করলেন, তখন একটি পিঁপড়া তাকে কামড় দিল। তিনি তার আসবাবপত্র সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিলেন এবং তা সরানো হলো। অতঃপর তিনি গাছটি তার মধ্যে যা ছিল সবসহ পুড়িয়ে দিলেন। তখন আল্লাহ তাঁর কাছে ওহি পাঠালেন যে, একটি মাত্র পিঁপড়া কেন নয়? কারণ তারা সকলেই তাসবিহ পাঠ করছিল।»

 

১৩৫৭ - হুসাইন ইবন ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন আরাফাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবন সাবিত আল-জাজারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জাফর ইবন বুরকান থেকে, আবদুল্লাহ আল-মাদিনি থেকে, আয়েশা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি
(খণ্ড: ১) জুযউন মিন আহাদীসি ইবনিল মুকাইয়্যার আন শুয়ূখিহী (পৃষ্ঠা: ৬৮)
رَفَقَ بِأُمَّتِي فَارْفُقْ بِهِ، وَمَنْ شَقَّ عَلَيْهِمْ فَشُقَّ عَلَيْهِ»

 

1358 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَيَّاشٍ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، وَهِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، قَالَتْ: صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي خَمِيصَةٍ لَهَا أَعْلامٌ، فَقَالَ: ‌‌«أَلْهَتْنِي أَعْلامُ هَذِهِ» ، قَالَ: «اذْهَبُوا بِهَا وَأْتُونِي بِأَنْبِجَانِيَّةِ أَبِي جَهْمٍ»

 

1359 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا ابْن عَرَفَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْكَلاعِيُّ، عَنْ صَالِحِ بْنِ صَالِحٍ الْهَمْدَانِيِّ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ أَبِي النَّجُودِ، عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ، 5 قَالَ: أَتَيْتُ صَفْوَانَ بْنَ عَسَّالٍ الْمُرَادِيَّ، فَقَالَ: مَا جَاءَ بِكَ؟ قَالَ: أَطْلُبُ الْعِلْمَ.

قَالَ: " إِنَّ الْمَلائِكَةَ لَتَبْسُطُ أَجْنِحَتَهَا لِطَالِبِ الْعِلْمِ رِضًا بِمَا يَعْمَلُ.

قَالَ: وَسَأَلْتُهُ "‌‌ عَنِ الْمَسْحِ عَلَى الْخُفَّيْنِ، فَقَالَ: كُنَّا نَمْسَحُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثَلاثَةُ أَيَّامٍ وَلَيَالِيهِنَّ لِلْمُسَافِرِ، وَيوْمٌ وَلَيْلَةٌ لِلْمُقِيمِ "

 

1360 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي الْبَرَكَاتِ عَلِيُّ بْنُ النَّاعِمِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ وَذَلِكَ يَوْمَ الثُّلاثَاءِ غُرَّةَ رَجَبٍ سَنَةَ 573، قَالَ: أَنْبَأَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْمَوْصِلِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِِ بْنِ بِشْرَانَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ نَيْخَابَ الطَّيِّبِيُّ مِنْ أَصْلِ كِتَابِهِ فَأَقَرَّ بِهِ فِي الْمُحَرَّمِ سَنَةَ 349، حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِِ مُحَمَّدُ بْنُ أَيُّوبَ بْنِ يَحْيَى بْنِ الضُّرْيَسِ بْنِ يَسَارٍ الْبَجَلِيُّ بِالرَّيِّ فِي شَوَّالٍ سَنَةَ 388، قَالَ: أَنْبَأَنَا سَهْلُ بْنُ بَكَّارٍ الدَّارِمِيُّ، عَنْ أَبَانِ بْنِ يَزِيدَ الْعَطَّارِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ هِلالِ بْنِ أَبِي مَيْمُونَةَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ الْحَكَمِ السُّلَمِيِّ، قَالَ: صَلَّيْتُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَعَطَسَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ، فَقُلْتُ: يَرْحَمُكَ اللَّهُ فَرَمَانِي الْقَوْمُ بِأَبْصَارِهِمْ، قَالَ:
...আমার উম্মতের প্রতি সদয় হয়েছে, আপনিও তার প্রতি সদয় হোন; আর যে ব্যক্তি তাদের প্রতি কঠোরতা করেছে, আপনিও তার প্রতি কঠোর হোন।"

 

১৩৫৮ - হুসাইন ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আইয়াশ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হাসান ইবনে আরাফাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহ আমাদের নিকট যুহরি ও হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নকশা করা একটি চাদর পরিহিত অবস্থায় সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি বললেন: "এই চাদরের নকশাগুলো আমাকে অন্যমনস্ক করে দিয়েছে।" তিনি আরও বললেন: "এটি নিয়ে যাও এবং আমার কাছে আবু জাহমের আম্বিজানিয়া (নকশাহীন মোটা চাদর) নিয়ে আসো।"

 

১৩৫৯ - হুসাইন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইবনে আরাফাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবদাহ ইবনে সুলাইমান আল-কালাঈ আমাদের নিকট সালিহ ইবনে সালিহ আল-হামদানি থেকে, তিনি আসিম ইবনে আবি নাজুদ থেকে, তিনি যিরর ইবনে হুবাইশ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি সাফওয়ান ইবনে আসসাল আল-মুরাদির নিকট আসলাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: "তুমি কী উদ্দেশ্যে এসেছ?" আমি বললাম: "আমি ইলম (জ্ঞান) অন্বেষণ করতে এসেছি।"

তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই ফেরেশতারা ইলম অন্বেষণকারীর কাজের প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে তাদের ডানা বিছিয়ে দেয়।"

তিনি (যিরর) বলেন: আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম মোজার উপর মাসাহ করা সম্পর্কে। তখন তিনি বললেন: "আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর যুগে মুসাফিরের জন্য তিন দিন তিন রাত এবং মুকিমের জন্য এক দিন এক রাত মোজার উপর মাসাহ করতাম।"

 

১৩৬০ - আবু বকর আহমদ ইবনে আবিল বারাকাত আলী ইবনুন নায়েম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তার নিকট এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, আর তা ছিল ৫৭৩ হিজরির রজব মাসের শুরুতে মঙ্গলবার—তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ হিবাতুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-মাওসিলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু কাসিম আব্দুল মালিক ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বিশরান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তার নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম—আবু হাসান আহমদ ইবনে ইসহাক ইবনে নাইখাব আত-তৈয়িবি তাঁর মূল পাণ্ডুলিপি থেকে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং ৩৪৯ হিজরির মহররম মাসে তিনি এটি সত্যায়ন করেছেন, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আইয়ুব ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে যুরাইস ইবনে ইয়াসার আল-বাজালি রাই শহরে ৩৮৮ হিজরির শাওয়াল মাসে আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাহল ইবনে বাক্কার আদ-দারিমি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবান ইবনে ইয়াজিদ আল-আত্তার থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে, তিনি হিলাল ইবনে আবি মায়মুনা থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি মুয়াবিয়া ইবনে হাকাম আস-সুলামি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে সালাত আদায় করছিলাম, এমতাবস্থায় উপস্থিত লোকদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি হাঁচি দিল। আমি বললাম: 'ইয়ারহামুকাল্লাহ' (আল্লাহ আপনার প্রতি রহম করুন)। তখন উপস্থিত লোকেরা আমার দিকে কড়া দৃষ্টিতে তাকাতে লাগল। তিনি বললেন:
(খণ্ড: ১) জুযউন মিন আহাদীসি ইবনিল মুকাইয়্যার আন শুয়ূখিহী (পৃষ্ঠা: ৬৯)
فَقُلْتُ: وَاثَكْلَ أُمَّاهُ مَا لَكُمْ تَنْظُرُونَ فِي الصَّلاةِ فَضَرَبُوا بِأَيْدِيهِمْ عَلَى أَفْخَاذِهِمْ، فَلَمَّا رَأَيْتُهُمْ يُصَمِّتُونَنِي لَكِنِّي سَكَتُّ، فَلَمَّا صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم دَعَانِي فَبِأَبِي هُوَ وَأُمِّي مَا رَأَيْتُ مُعَلِّمًا أَحْسَنَ تَعْلِيمًا مِنْهُ، مَا سَبَّنِي، وَلا نَهَرَنِي، وَلا شَتَمَنِي، قَالَ: «إِنَّ‌‌ هَذِهِ الصَّلاةَ لا يَصْلُحُ فِيهَا شَيْءٌ مِنْ كَلامِ النَّاسِ، إِنَّمَا هُوَ التَّكْبِيرُ وَالتَّسْبِيحُ، وَقِرَاءَةُ الْقُرْآنِ وَالتَّحْمِيدُ» .

أَوْ كَمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم

 

1361 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، أَنْبَأَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ زُرَارَةَ، عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«الَّذِي يَقْرَأُ الْقُرْآنَ وَهُوَ مَاهِرٌ بِهِ فَهُوَ مَعَ السَّفَرَةِ الْكِرَامِ الْبَرَرَةِ، وَالَّذِي يَقْرَؤُهُ وَهُوَ يَشْتَدُّ عَلَيْهِ فَلَهُ أَجْرَانِ»

 

1362 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، أَنْبَأَنَا أَبُو سَلَمَةَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِِ «أَنَّ جِبْرِيلَ عليه السلام، كَانَ يَعْرِضُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْقُرْآنَ فِي كُلِّ عَامٍ مَرَّةً، وَكَانَ إِذَا أَصْبَحَ أَصْبَحَ أَجْوَدَ مِنَ الرِّيحِ الْمُرْسَلَةِ لا يُسْأَلُ شَيْئًا إِلا أَعْطَاهُ»

 

1363 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، أَنْبَأَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ أَحْمَدَ الثَّقَفِيُّ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ عَمْرٍو يَعْنِي ابْنَ الْحَارِثِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ مَيْمُونٍ الْحَضْرَمِيِّ، أَنْبَأَنَا أَبُو مُوسَى الْخَافِقِيُّ، سَمِعَ عُقْبَةَ بْنَ عَامِرٍ الْجُهَنِيَّ يُحَدِّثُ عَلَى الْمِنْبَرِ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَحَادِيثَ، فَقَالَ أَبُو مُوسَى: إِنَّ صَاحِبَكُمْ هَذَا لَحَافِظٌ أَوْ هَالِكٌ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ آخِرَ مَا عَهِدَ إِلَيْنَا، أَنْ قَالَ: ‌‌«عَلَيْكُمْ بِكِتَابِ اللَّهِ، وَسَتَرْجِعُونَ إِلَى قَوْمٍ يُحِبُّونَ الْحَدِيثَ عَنِّي، فَمَنْ قَالَ عَلَيَّ مَا لَمْ أَقُلْ، فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ»

 

1364 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، أَنْبَأَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ، عَنْ مُوسَى، قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي، يُحَدِّثُ عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ، قَالَ: خَرَجَ عَلَيْنَا
আমি তখন বললাম: হায় আমার মা যদি আমাকে না হারাতেন! তোমাদের কী হয়েছে যে তোমরা আমার দিকে তাকিয়ে আছ? তখন তারা তাদের হাত দিয়ে নিজেদের উরুতে আঘাত করতে লাগল। যখন আমি দেখলাম তারা আমাকে চুপ করাতে চাচ্ছে, তখন আমি চুপ হয়ে গেলাম। এরপর যখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত শেষ করলেন, তখন তিনি আমাকে ডাকলেন। আমার পিতা-মাতা তাঁর প্রতি উৎসর্গিত হোক, আমি তাঁর চেয়ে উত্তম কোনো শিক্ষক দেখিনি। তিনি আমাকে গালি দেননি, ধমক দেননি এবং বকাঝকাও করেননি। তিনি বললেন: “এই সালাতে মানুষের সাধারণ কোনো কথা বলা সমীচীন নয়। এটি কেবল তাকবীর, তাসবীহ এবং কুরআন পাঠ” ও তাহমীদ (আল্লাহর প্রশংসা) এর জন্য।

অথবা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে বলেছেন।

 

১৩৬১ - আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসলিম ইবনে ইবরাহীম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাতাদাহ যুরারাহ থেকে, তিনি সা'দ ইবনে হিশাম থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করে এবং সে বিষয়ে পারদর্শী, সে সম্মানিত ও নেককার লিপিকার ফিরিশতাদের সাথে থাকবে। আর যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করে এবং তা তার জন্য কষ্টকর হয়, তার জন্য রয়েছে দ্বিগুণ সওয়াব।”

 

১৩৬২ - আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু সালামাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, “জিবরাঈল আলাইহিস সালাম প্রতি বছর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট একবার কুরআন পেশ করতেন। আর তিনি (রাসূল) যখন সকালে উপনীত হতেন, তখন তিনি প্রবাহিত বায়ুর চেয়েও অধিক দানশীল হয়ে যেতেন; তাঁর নিকট যা-ই চাওয়া হতো, তিনি তা-ই দান করতেন।”

 

১৩৬৩ - আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কুতাইবা ইবনে সাঈদ ইবনে আহমদ আস-সাকাফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, লায়স ইবনে সা'দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর অর্থাৎ ইবনুল হারিস থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে মাইমুন আল-হাদরামী থেকে, আবু মুসা আল-খাফেকী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি উকবাহ ইবনে আমির আল-জুহানীকে মিম্বরে বসে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীসসমূহ বর্ণনা করতে শুনেছেন। তখন আবু মুসা বললেন: তোমাদের এই সঙ্গী হয় (সুন্নাহর) সংরক্ষক অথবা ধ্বংসপ্রাপ্ত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের প্রতি তাঁর সর্বশেষ নির্দেশনায় বলেছিলেন: “তোমরা আল্লাহর কিতাবকে আঁকড়ে ধরো। অচিরেই তোমরা এমন এক সম্প্রদায়ের কাছে ফিরে যাবে যারা আমার থেকে হাদীস বর্ণনা করা পছন্দ করবে। সুতরাং যে ব্যক্তি আমার নামে এমন কিছু বলবে যা আমি বলিনি, সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নেয়।”

 

১৩৬৪ - আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বকর ইবনে আবী শায়বাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ফাযল ইবনে দুকাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসা থেকে, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে উকবাহ ইবনে আমির থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: তিনি আমাদের নিকট বের হয়ে আসলেন...
(খণ্ড: ১) জুযউন মিন আহাদীসি ইবনিল মুকাইয়্যার আন শুয়ূখিহী (পৃষ্ঠা: ৭০)
رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَنَحْنُ فِي الصُّفَّةِ، فَقَالَ: ‌‌«أَيُّكُمْ يُحِبُّ أَنْ يَغْدُوَ فِي كُلِّ يَوْمٍ إِلَى بَطْحَانَ أَوِ الْعَقِيقِ فَيَأْتِيَ مِنْهُ بِنَاقَتَيْنِ كَوْمَاوَيْنِ فِي غَيْرِ إِثْمٍ وَلا قَطْعِ رَحِمٍ» ، فَقُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، كُلُّنَا يُحِبُّ.

قَالَ: «أَفَلا يَغْدُو أَحَدُكُمْ إِلَى الْمَسْجِدِ فَيَعْلَمَ، أَوْ يَقْرَأُ آيَتَيْنِ مِنْ كِتَابِ اللَّهِ خَيْرٌ لَهُ مِنْ نَاقَتَيْنِ، وَثَلاثٍ وَأَرْبَعٍ، وَخَيْرٌ لَهُ مِنْ أَرْبَعٍ وَمِنْ أَعْدَادِهِنَّ مِنَ الإِبِلِ»

 

1365 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، أَنْبَأَنَا يُوسُفُ بْنُ وَاقِدٍ، وَأَبُو الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِِ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: أَوْصِنِي.

قَالَ: ‌‌«عَلَيْكَ بِتَقْوَى اللَّهِ فَإِنَّهَا جِمَاعُ كُلِّ خَيْرٍ، وَعَلَيْكَ بِالْجِهَادِ فَإِنَّهَا رَهْبَانِيَّةُ الْمُسْلِمِينَ، وَعَلَيْكَ بِذِكْرِ اللَّهِ، وَتِلاوَةِ كِتَابِ اللَّهِ فَإِنَّهُ نُورٌ لَكَ فِي الأَرْضِ، وَذِكْرٌ لَكَ فِي السَّمَاءِ، وَاخْزِنْ لِسَانَكَ إِلا مِنْ خَيْرٍ فَإِنَّكَ بِذَلِكَ تَغْلِبُ الشَّيْطَانَ»

 

1366 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، أَنْبَأَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْمُبَارَكِ، سَمِعْتُ أَبِي، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ بُدَيْلِ بْنِ مَيْسَرَةَ، عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ‌‌ لِلَّهِ عز وجل أَهْلِينَ مِنْ النَّاسِ» .

قَالُوا: وَمَنْ هُمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «أَهْلُ اللَّهِ وَخَاصَّتُهُ»

 

1367 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، أَنْبَأَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَأَبُو عُمَرَ، قَالا: حَدَّثَنَا هِشَامٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنِ ابْنِ سَلامٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«اقْرَءُوا الْقُرْآنَ إِنْ شِئْتُمْ فَإِنَّهُ يَأْتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ شَافِعًا لأَصْحَابِهِ ، اقْرَءُوا الزَّهْرَاوَيْنِ الْبَقَرَةَ، وَآلَ عِمْرَانَ فَإِنَّهُمَا تَأْتِيَانِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ كَأَنَّهُمَا غَمَامَتَانِ، أَوْ كَأَنَّهُمَا غَيَايَتَانِ، أَوْ كَأَنَّهُمَا فِرْقَانِ مِنْ طَيْرٍ صَوَّافٍ تُحَاجَّانِ عَنْ أَصْحَابِهِمَا، اقْرَءُوا سُورَةَ الْبَقَرَةِ فَإِنَّ أَخْذَهَا بَرَكَةٌ، وَتَرْكَهَا
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের কাছে আসলেন যখন আমরা সুফফায় ছিলাম। তিনি বললেন: "তোমাদের মধ্যে কে পছন্দ করে যে সে প্রতিদিন সকালে বাতহান অথবা আকিক প্রান্তরে যাবে এবং সেখান থেকে কোনো গুনাহ বা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা ছাড়াই দুটি বড় কুঁজবিশিষ্ট উটনী নিয়ে আসবে?" আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমরা সবাই তা পছন্দ করি।

তিনি বললেন: "তোমাদের কেউ কেন মসজিদে গিয়ে আল্লাহর কিতাব থেকে দুটি আয়াত শেখে না বা পাঠ করে না? তা তার জন্য দুটি উটনীর চেয়ে উত্তম, আর তিনটি আয়াত তিনটির চেয়ে উত্তম, চারটি চারের চেয়ে উত্তম এবং উটের অনুরূপ সংখ্যা থেকে উত্তম।"

 

১৩৬৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের জানিয়েছেন ইউসুফ ইবনে ওয়াকিদ এবং আবু রাবি আল-যাহরানি, তারা বলেন: ইয়াকুব ইবনে আবদুল্লাহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন লাইস থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল: আমাকে উপদেশ দিন।

তিনি বললেন: "তোমার জন্য আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করা অপরিহার্য, কারণ তা সমস্ত কল্যাণের সমষ্টি। আর তোমার জন্য জিহাদ করা আবশ্যক, কারণ তা মুসলমানদের বৈরাগ্য। আর তোমার জন্য আল্লাহর জিকির এবং আল্লাহর কিতাব তিলাওয়াত করা আবশ্যক, কারণ তা জমিনে তোমার জন্য নূর এবং আসমানে তোমার জন্য আলোচনার বিষয় হবে। আর কল্যাণকর কথা ছাড়া অন্য বিষয়ে তোমার জিহ্বাকে সংযত রাখো, কারণ এর মাধ্যমে তুমি শয়তানের ওপর বিজয়ী হবে।"

 

১৩৬৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের জানিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনুল মুবারক, আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনে বুদাইল ইবনে মাইসারা, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই মানুষের মধ্যে আল্লাহর কিছু আপনজন রয়েছে।"

তারা জিজ্ঞাসা করলেন: হে আল্লাহর রাসূল, তারা কারা? তিনি বললেন: "কুরআনওয়ালাগণ (কুরআনের ধারকগণ), তারা আল্লাহর পরিবার এবং তাঁর বিশেষ বান্দা।"

 

১৩৬৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের জানিয়েছেন মুসলিম ইবনে ইব্রাহিম এবং আবু উমর, তারা বলেন: হিশাম আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ইয়াহইয়া আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইবনে সালাম থেকে, তিনি আবু উমামা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা কুরআন পাঠ করো, কারণ কিয়ামতের দিন তা তার সাথীদের জন্য সুপারিশকারী হিসেবে আসবে। তোমরা উজ্জ্বল দুটি সূরা—সূরা আল-বাকারা এবং আলে ইমরান পাঠ করো, কারণ কিয়ামতের দিন এ দুটি এমনভাবে আসবে যেন তারা দুটি মেঘখণ্ড অথবা দুটি ছায়া দানকারী বস্তু অথবা ডানা বিস্তারকারী পাখির দুটি দল, যারা তাদের পাঠকারীদের পক্ষ হয়ে দলিল পেশ করবে। তোমরা সূরা আল-বাকারা পাঠ করো, কারণ এটি গ্রহণ করা বরকতের কাজ এবং এটি ত্যাগ করা অনুতাপের কারণ..."

(খণ্ড: ১) জুযউন মিন আহাদীসি ইবনিল মুকাইয়্যার আন শুয়ূখিহী (পৃষ্ঠা: ৭১)
حَسْرَةٌ، وَلا تَسْتَطِيعُهَا الْبَطَلَةُ»

 

1368 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، أَنْبَأَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْمُبَارَكِ، حَدَّثَنَا سُوَيْدٌ أَبُو حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ أَبِي بَصْرَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ: كُنَّا جُلُوسًا على بَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَتَذَاكَرَ هَذَا يَنْتَزِعُ أَنَّهُ، وَهَذَا يَنْتَزِعُ أَنَّهُ قَالَ ، فَخَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَكَأَنَّمَا فُقِئَ فِي وَجْهِهِ حَبُّ الرُّمَّانِ، فَقَالَ: ‌‌«أَبِهَذَا بُعِثْتُمْ، أَمْ بِهَذَا أُمِرْتُمْ، أَلا لا تَرْجِعُوا بَعْدِي كُفَّارًا يَضْرِبُ بَعْضُكُمْ رِقَابَ بَعْضٍ»

 

1369 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«أُنْزِلَ الْقُرْآنُ عَلَى سَبْعَةِ أَحْرُفٍ»

 

1370 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، أَنْبَأَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ الْحَكَمِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْن أَبِي لَيْلَى، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ عِنْدَ أَضَاةِ بَنِي غِفَارٍ، فَأَتَاهُ جِبرِيلُ، فَقَالَ: «إِنَّ‌‌ اللَّهَ عز وجل يَأْمُرُكَ أَنْ تُقْرِئَ أُمَّتَكَ الْقُرْآنَ عَلَى حَرْفٍ» ، قَالَ: «أَسْأَلُ اللَّهَ عَفْوَهُ وَمَغْفِرَتَهُ فَإِنَّ أُمَّتِي لا تُطِيقُ» .

ثُمَّ أَتَاهُ حَتَّى ذَكَرَ أَرْبَعَ مَرَّاتٍ، ثُمَّ أَتَاهُ فَقَالَ: «إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُكَ أَنْ تُقْرِئَ أُمَّتَكَ عَلَى سَبْعَةِ أَحْرُفٍ فَأَيُّمَا حَرْفٍ قَرَءُوا عَلَيْهِ فَقَدْ أَصَابُوا»

 

1371 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، أَنْبَأَنَا سَهْلُ بْنُ بَّكَارٍ الدَّارِمِيُّ، حَدَّثَنَا أَبَانٌ،
পরিতাপের বিষয়, আর জাদুকররা এর মোকাবিলা করতে সক্ষম নয়।

 

১৩৬৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ, আমাদের জানিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনুল মুবারক, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুওয়াইদ আবু হাতিম, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ, আবু বাসরাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দরজার সামনে বসা ছিলাম। তখন তারা এমন বিষয়ে আলোচনা করছিল যে, একজন এক দিক থেকে দলিল দিচ্ছিল এবং অন্যজন অন্য দিক থেকে দলিল দিচ্ছিল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট বের হয়ে আসলেন, (রাগে) তাঁর চেহারা এমন লাল হয়ে গিয়েছিল যেন তাতে ডালিমের দানা নিংড়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বললেন: ‌‌“তোমরা কি এই জন্য প্রেরিত হয়েছ, নাকি তোমাদের এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে? সাবধান! তোমরা আমার পরে পুনরায় কাফের হয়ে যেও না যে, তোমরা একে অপরের ঘাড় কাটবে।”

 

১৩৬৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ, আমাদের জানিয়েছেন আবু ওয়ালিদ আত-তায়ালিসি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহ, আলী ইবনে যাইদ থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবি বকর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: ‌‌“কুরআন সাতটি উপভাষায় অবতীর্ণ হয়েছে।”

 

১৩৭০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ, আমাদের জানিয়েছেন আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন গুন্দার, শু’বাহ থেকে, তিনি হাকাম থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবি লায়লা থেকে, তিনি উবাই ইবনে কাব (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনু গিফারের জলাশয়ের নিকট ছিলেন। তখন জিবরাঈল (আ.) তাঁর কাছে আসলেন এবং বললেন: “নিশ্চয়ই‌‌ মহামহিম আল্লাহ আপনাকে নির্দেশ দিচ্ছেন যেন আপনি আপনার উম্মতকে এক উপভাষায় কুরআন পাঠ করান।” তিনি বললেন: “আমি আল্লাহর কাছে তাঁর ক্ষমা ও মার্জনা প্রার্থনা করছি, কেননা আমার উম্মত এর সামর্থ্য রাখে না।” এরপর তিনি পুনরায় আসলেন—এভাবে তিনি চারবার পর্যন্ত উল্লেখ করলেন—অবশেষে তিনি আসলেন এবং বললেন: “নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনাকে নির্দেশ দিচ্ছেন যেন আপনি আপনার উম্মতকে সাতটি উপভাষায় কুরআন পাঠ করান। সুতরাং তারা এর মধ্য থেকে যে উপভাষাতেই পাঠ করবে, তারা সঠিক করবে।”

 

১৩৭১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ, আমাদের জানিয়েছেন সাহল ইবনে বাক্কার আদ-দারিমি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবান,
(খণ্ড: ১) জুযউন মিন আহাদীসি ইবনিল মুকাইয়্যার আন শুয়ূখিহী (পৃষ্ঠা: ৭২)
عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، عَنْ أَبِي مُوسَى الأَشْعَرِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«مَثَلُ الْمُؤْمِنِ الَّذِي يَقْرَأُ الْقُرْآنَ كَمَثَلِ الأَتْرُجَّةِ طَعْمُهَا طَيِّبٌ وَرِيحُهَا طَيِّبٌ، وَمَثَلُ الْمُؤْمِنِ الَّذِي لا يَقْرَأُ الْقُرْآنَ كَمَثَلِ التَّمْرَةِ طَعْمُهَا طَيِّبٌ وَلا رِيحَ لَهَا، وَمَثَلُ الْمُنَافِقِ الَّذِي يَقْرَأُ الْقُرْآنَ كَمَثَلِ الرَّيْحَانَةِ رِيحُهَا طَيِّبٌ وَلا طَعْمَ لَهَا، وَمَثَلُ الْمُنَافِقِ الَّذِي لا يَقْرَأُ الْقُرْآنَ كَمَثَلِ الْحَنْظَلَةِ طَعْمُهَا مُرٌّ وَلا رِيحَ لَهَا»

 

1372 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، أَنْبَأَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ الْفَضْلِ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا ابْن لَهِيعَةَ، حَدَّثَنَا مِسْرَحٌ، عَنْ عُقْبَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لو كَانَ الْقُرْآنُ فِي إِهَابٍ مَا أَحْرَقَتْهُ النَّارُ»

 

1373 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخَانِ أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ نَاصِرٍ، وَالشَّرِيفُ أَبُو الْمَعْمَرِ الْمُبَارَكُ بْنُ أَحْمَدَ الأَنْصَارِيُّ، إِجَازَةً، قَالا: أَنْبَأَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ الْمُبَارَكِ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ أَحْمَدَ الصَّيْرَفِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ فِي يَوْمِ السَّبْتِ التَّاسِعَ عَشَرَ مِنْ ذِي الْقِعْدَةِ مِنْ سَنَةِ 497، قَالَ: أَنْبَأَنَا الْقَاضِي أَبُو الطَّيِّبِ طَاهِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِِ، وَأَنَا أَسْمَعُ فِي جُمَادَى الأُولَى سَنَةَ 386، حَدَّثَنَا عِيسَى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا سَلَمَةُ، وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ ثُمَامَةَ بْنِ شُفىٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عُقْبَةَ بْنَ عَامِرٍ الْجُهَنِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: ‌‌«لا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى تَرْجِعَ قَبِيلَةٌ مِنَ الْعَرَبِ إِلَى عِبَادِةَ الأَوْثَانِ» .

وَقَالَ عُقْبَةُ: «لَوْ شِئْتُ أَنْ أُسَمِّيَهُمْ
لَسَمَّيْتُهُمْ»

ِ

 

1374 - حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الصَّبَّاحِ بْنِ سُفْيَانَ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ الْجَرْجَرَائِيُّ، حَدَّثَنَا جَدِّي إِسْمَاعِيلُ بْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي الْفُرَاتِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ: أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ "‌‌ دَخَلَ الْخَلاءَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، فَوَضَعَ لَهُ عِكْرِمَةُ وَضَوءًا فَلَمَّا خَرَجَ تَوَضَّأَ، فَقَالَ لَهُ عِكْرِمَةُ: أَلا تَغْتَسِلُ فَإِنَّ الْيَوْمَ الْجُمُعَةُ؟ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: قَدْ عَلِمْتُ أَنَّهُ يَوْمُ الْجُمُعَةِ وَلَيْسَ الْغُسْلُ بِمَحْتُومٌ "

 

1375 - حَدَّثَنَا جَعْفَرٌ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَرْفَعَ الْبَصْرِيُّ أَبُو عَبْدِ اللَّهِِ، حَدَّثَنَا
কাতাদাহ থেকে বর্ণিত, তিনি আনাস থেকে, তিনি আবু মুসা আল-আশআরি থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “যে মুমিন কুরআন পাঠ করে তার উদাহরণ হলো বাতাবি লেবুর মতো, যার স্বাদ চমৎকার এবং ঘ্রাণও চমৎকার। আর যে মুমিন পাঠ করে না কুরআন, তার উদাহরণ হলো খেজুরের মতো যার স্বাদ চমৎকার কিন্তু কোনো ঘ্রাণ নেই। আর যে মুনাফিক কুরআন পাঠ করে তার উদাহরণ হলো রায়হান বা সুগন্ধি লতার মতো, যার ঘ্রাণ চমৎকার কিন্তু স্বাদ তিক্ত। আর যে মুনাফিক কুরআন পাঠ করে না তার উদাহরণ হলো হানযালা বা মাকাল ফলের মতো, যার স্বাদ তিক্ত এবং কোনো ঘ্রাণ নেই।”

 

১৩৭২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ, আমাদের জানিয়েছেন আব্বাস ইবনুল ফজল আল-বসরি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইবনে লাহিয়াহ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মিসরাহ, তিনি উকবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “যদি কুরআন কোনো চামড়ার আবরণের ভেতর থাকে, তবে আগুন তা দগ্ধ করবে না।”

 

১৩৭৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দুই শাইখ—আবু ফজল মুহাম্মদ ইবনে নাসির এবং আশ-শরিফ আবুল মা’মার আল-মুবারক ইবনে আহমাদ আল-আনসারি, অনুমতিসূত্রে। তাঁরা বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবুল হুসাইন আল-মুবারক ইবনে আব্দুল জাব্বার আহমাদ আস-সায়রাফি, তাঁর কাছে পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমরা তা শুনছিলাম শনিবার, যিলকদ মাসের উনিশ তারিখ, ৪৯৭ হিজরি সনে। তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন কাজি আবু তাইয়িব তাহির ইবনে আব্দুল্লাহ, আর আমি তা শুনছিলাম জুমাদাল উলা মাসে ৩৮৬ হিজরি সনে। আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ঈসা, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে হুমাইদ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সালামাহ, এবং আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক, তিনি সুমামাহ ইবনে শুফা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি উকবাহ ইবনে আমির আল-জুহানিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: “কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না আরবের একটি গোত্র মূর্তিপূজায় ফিরে যায়।” উকবাহ বলেন: “আমি যদি তাদের নাম উল্লেখ করতে চাইতাম, তবে অবশ্যই করতাম।”

 

১৩৭৪ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাব্বাহ ইবনে সুফিয়ান ইবনে আবি সুফিয়ান আল-জারজারায়ি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আমার দাদা ইসমাইল ইবনে উলইয়াহ, তিনি দাউদ ইবনে আবুল ফুরাত থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে যাইদ থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে বর্ণনা করেন: ইবনে আব্বাস “জুমার দিনে শৌচাগারে প্রবেশ করলেন, অতঃপর ইকরিমাহ তাঁর জন্য ওযুর পানি রাখলেন। যখন তিনি বের হলেন, তিনি ওযু করলেন। তখন ইকরিমাহ তাঁকে বললেন: আপনি কি গোসল করবেন না? কারণ আজ তো জুমার দিন?” তখন ইবনে আব্বাস বললেন: “আমি জানি যে আজ জুমার দিন, তবে গোসল করা তো অপরিহার্য নয়।”

 

১৩৭৫ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন জাফর, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়ারফা আল-বসরি আবু আব্দুল্লাহ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১) জুযউন মিন আহাদীসি ইবনিল মুকাইয়্যার আন শুয়ূখিহী (পৃষ্ঠা: ৭৩)
عَبْدُ الْحَكَمِ بْنُ مَنْصُورٍ الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«صَلاةُ الرَّجُلِ فِي الْجَمِيعِ تَفْضُلُ صَلاتَهُ وَحْدَهُ بِخَمْسٍ وَعِشْرِينَ صَلاةً»

 

1376 - حَدَّثَنَا جَعْفَرٌ، حَدَّثَنَا جَدِّي، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَاصِمٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عُبَيْدٍ، عَنْ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: أَوْصَانِي خَلِيلِي أَبُو الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم بِثَلاثٍ: ‌‌«لا أَنَامُ إِلا عَلَى وِتْرٍ، وَالْغُسْلَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، وَصِيَامَ ثَلاثَةِ أَيَّامٍ مِنَ الشَّهْرِ»

 

1377 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَعَالِي الْفَضْلُ بْنُ سُهَيْلِ بْنِ بِشْرٍ الإِسْفَرَائِينِيُّ، إِجَازَةً، أَنْبَأَنَا أَبُو الْقَاسِمِ سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الإِدْرِيسِيُّ الْمَرْوَزِيُّ الْمَقْبُرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عُمَرَ النَّاقِدُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي مَنْزِلِهِ بِفُسْطَاطِ مِصْرَ فِي سُوقِ الأَنْمَاطِ، فَأَقَرَّ بِهِ أَبُو الطَّيِّبِ أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْجَرِيرِيُّ، قَالَ: قَالَ أَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلامَةَ الأَزْدِيُّ الطَّحَاوِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ سِنَانٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ بْنِ حَسَّانٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي الْخَلِيلِ الضُّبَعِيِّ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمًا لأَصْحَابِهِ: "‌‌ خَبِّرُونِي عَنْ شَجَرَةٍ مَثَلُهَا مَثَلُ الْمُؤْمِنِ؟ قَالَ: فَجَعَلَ الْقَوْمُ يَذْكُرُونَ شَجَرَ الْبَوَادِي وَأُلْقِيَ فِي نَفْسِي أَوْ فِي رُوعِي النَّخْلَةُ فَجَعَلْتُ أُرِيدُ أَنْ أَقُولَهَا فَأَرَى أَسْنَانَ الْقَوْمِ فَأَهَابُ أَنْ أَتَكَلَّمَ، فَلَمَّا سَكَتُوا، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: هِيَ النَّخْلَةُ "، قَالَ أَبُو جَعْفَرٍ: وَكَانَ قَوْلُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي هَذَا الْحَدِيثِ: «أَخْبِرُونِي» .

فِي مَعْنَى قَوْلِهِ: «حَدِّثُونِي»

 

1378 - حَدَّثَنَا بَكَّارُ بْنُ قُتَيْبَةَ، وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ مَرْزُوقٍ، قَالا: حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ حَسَّانِ بْنِ عَطِيَّةَ، عَنْ أَبِي كَبْشَةَ السَّلُولِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«بَلِّغُوا عَنِّي وَلَوْ آيَةً، وَحَدِّثُوا عَنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ وَلا حَرَجَ، وَمَنْ يَكْذِبْ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ» .

قَالَ أَبُو جَعْفَرٍ: فَذَكَرَ رَسُولُ
আব্দুল হাকাম বিন মানসুর আল-ওয়াসিতি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক বিন উমাইর, আব্দুর রহমান বিন আবি লায়লা থেকে, তিনি মুয়াজ বিন জাবাল থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ‌‌«জামাতের সাথে একজন ব্যক্তির সালাত তার একা আদায় করা সালাতের চেয়ে পঁচিশ গুণ বেশি শ্রেষ্ঠত্ব রাখে»

 

১৩৭৬ - আমাদের কাছে জাফর বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আমার দাদা বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আলী বিন আসিম বর্ণনা করেছেন, আমর বিন উবাইদ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার বন্ধু আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে তিনটি বিষয়ে ওসিয়ত করেছেন: ‌‌«আমি যেন বিতর আদায় না করে না ঘুমাই, জুমার দিনে গোসল করি এবং প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখি»

 

১৩৭৭ - আবুল মায়ালি আল-ফাদল বিন সুহাইল বিন বিশর আল-ইসফারাইনি আমাদের ইজাজাত সূত্রে সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম সাঈদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আল-ইদ্রিসি আল-মারওয়াযি আল-মাকবুরি আমাদের জানিয়েছেন, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন উমর আন-নাক্কাদ ফাসতাত মিসরের আনমাত বাজারে তাঁর নিজ বাসগৃহে পাঠ করে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন এবং আবু আত-তৈয়ব আহমদ বিন সুলাইমান আল-জারিরি তা সমর্থন করেছেন, তিনি বলেন: আবু জাফর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন সালামা আল-আজদি আত-তহাবি বলেছেন, আমাদের কাছে ইয়াজিদ বিন সিনান বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে মুহাম্মদ বিন উবাইদ বিন হাসসান বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে হাম্মাদ বিন যায়েদ বর্ণনা করেছেন, আইয়ুব থেকে, তিনি আবু আল-খালিল আদ-দুবায়ি থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একদিন তাঁর সাহাবীদের বললেন: "‌‌ তোমরা আমাকে এমন একটি গাছ সম্পর্কে বলো যার উদাহরণ মুমিনের মতো? তিনি বলেন: তখন লোকজন মরুভূমির বিভিন্ন গাছপালার কথা উল্লেখ করতে শুরু করল, আর আমার মনে বা অন্দরে খেজুর গাছের কথা এল। তখন আমি তা বলতে চাইলাম কিন্তু দেখলাম উপস্থিত সবাই বয়োজ্যেষ্ঠ, তাই কথা বলতে সংকোচ বোধ করলাম। অতঃপর যখন তারা নীরব হলেন, তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: সেটি হলো খেজুর গাছ।" আবু জাফর বলেন: এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উক্তি: "তোমরা আমাকে বলো" (আখবিরুনি)।

এর অর্থ তাঁর এই উক্তির অনুরূপ: "তোমরা আমার কাছে বর্ণনা করো" (হাদ্দিসুনি)

 

১৩৭৮ - আমাদের কাছে বাকার বিন কুতাইবা এবং ইব্রাহিম বিন মারজুক বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আমাদের কাছে আবু আসিম বর্ণনা করেছেন, আওযায়ি থেকে, তিনি হাসসান বিন আতিয়্যাহ থেকে, তিনি আবু কাবশাহ আস-সালুলি থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন আল-আস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ‌‌«আমার পক্ষ থেকে পৌঁছে দাও যদিও তা একটি আয়াত হয়, আর বনী ইসরাঈল থেকে বর্ণনা করো তাতে কোনো দোষ নেই। আর যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ওপর মিথ্যা আরোপ করবে, সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নেয়»।

আবু জাফর বলেন: অতঃপর রাসূলুল্লাহ... উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযউন মিন আহাদীসি ইবনিল মুকাইয়্যার আন শুয়ূখিহী (পৃষ্ঠা: ৭৪)
اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا يَكُونُ مِنْ ذِكْرِ أُمُورِ بَنِي إِسْرَائِيلَ بِالْحَدِيثِ لا بِالإِخْبَارِ

 

1379 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَرْزُوقٍ، حَدَّثَنَا يَعْقَوُبُ بْنُ إِسْحَاقَ الْحَضْرَمِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، حَدَّثَنَا ثَابِتٌ، وَحُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، عَنْ عُبَادَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَرَادَ أَنْ يُخْبِرْهُمْ بِلَيْلَةِ الْقَدْرِ، فَتَلاحَى رَجُلانِ فَاخْتَلَجَتْ مِنْهُ عليه السلام فَقَالَ: ‌‌«إِنِّي أَرَدْتُ أَنْ أُخْبِرَكُمْ بِلَيْلَةِ الْقَدْرِ فَتَلاحَى رَجُلانِ فَاخْتَلَجَتْ مِنِّي، وَلَعَلَّ ذَلِكَ خَيْرٌ لَكُمُ اطْلُبُوهَا فِي الْعَشْرِ الأَوَاخِرِ، فِي التَّاسِعَةِ وَالسَّابِعَةِ وَالْخَامِسَةِ» ، قَالَ أَبُو جَعْفَرٍ: فَذَكَرَ ذَلِكَ بِالْخَبَرِ لا بِالْحَدِيثِ

 

1380 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي دَاوُدَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِِ بْنِ نُمَيْرٍ الْهَمْدَانِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ، قَالَ: سَمِعْتُ حُمَيْدًا، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ سَلامٍ سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ مَا أَوَانُ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ؟ ، فَقَالَ: أَخْبَرَنِي جِبْرِيلُ عليه السلام أَنَّ نَارًا تَحْشُرُهُمْ مِنَ الْمَشْرِقِ "، قَالَ أَبُو جَعْفَرٍ: فَذَكَرَ ذَلِكَ بِالإِخْبَارِ، عَنْ جِبْرِيلَ لا بِالْحِدَيثِ عَنْهُ

 

1381 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَرْزُوقٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَكْرٍ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«أَلا أُخْبِرُكُمْ بِخَيْرِ دُورِ الأَنْصَارِ؟ دَارُ بَنِي النَّجَّارِ، ثُمَّ دَارُ بَنِي الأَشْهَلِ، ثُمَّ دَارُ بَنِي الْحَارِثِ بْنِ الْخَزْرِجَ، ثُمَّ دَارُ بَنِي سَاعِدَةَ، وَكُلُّ دُورِ الأَنْصَارِ خَيْرٌ» .

قَالَ أَبُو جَعْفَرٍ: فَذَكَرَ الإِخْبَارَ عَنِ الدُّورِ لا بِالْحَدِيثِ عَنْهَا

 

1382 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي دَاوُدَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ عَبْدِ رَبِّهِ، حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ ثَابِتِ بْنِ ثَوْبَانَ، حَدَّثَنِي عَبَايَةُ بْنُ رَافِعِ بْنِ خِدَيجٍ، عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ، قَالَ: مَرَّ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَنَحْنُ نَتَحَدَّثُ، فَقَالَ: مَا تَحَدَّثُونَ؟ قُلْنَا: نَتَحَدَّثُ عَنْكَ يَا
আল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বনী ইসরাঈলের ঘটনাবলীর বর্ণনা হাদীস হিসেবে এসেছে, ইখবার (সংবাদ প্রদান) হিসেবে নয়।

 

১৩৭৯ - আমাদের নিকট ইবরাহীম ইবনে মারজুক বর্ণনা করেছেন, তিনি ইয়াকুব ইবনে ইসহাক আল-হাদরামী থেকে, তিনি হাম্মাদ ইবনে সালামাহ থেকে, তিনি সাবিত ও হুমাইদ থেকে, তারা আনাস (রা.) থেকে, তিনি উবাদাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদেরকে কদরের রাত সম্পর্কে সংবাদ দিতে চাইলেন। তখন দুই ব্যক্তি বাদানুবাদে লিপ্ত হলো, ফলে তা তাঁর (স্মৃতি) থেকে তুলে নেওয়া হলো। অতঃপর তিনি বললেন: «আমি তোমাদের কদরের রাত সম্পর্কে সংবাদ দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু দুই ব্যক্তি বাদানুবাদে লিপ্ত হওয়ায় তা আমার থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে। সম্ভবত এটিই তোমাদের জন্য কল্যাণকর। তোমরা তা শেষ দশকের নবম, সপ্তম এবং পঞ্চম রাতে অনুসন্ধান করো।» আবু জাফর (ইমাম তাহাবী) বলেন: তিনি এটি ইখবার (সংবাদ) হিসেবে উল্লেখ করেছেন, হাদীস হিসেবে নয়।

 

১৩৮০ - আমাদের নিকট ইবরাহীম ইবনে আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে নুমাইর আল-হামদানী থেকে, তিনি আবু খালিদ আল-আহমার থেকে, তিনি বলেন: আমি হুমাইদ থেকে শুনেছি, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলেন: "কিয়ামতের আলামতসমূহের সময় কখন? তিনি বললেন: জিবরাঈল (আ.) আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, একটি আগুন মানুষদেরকে পূর্ব দিক থেকে সমবেত করবে।" আবু জাফর বলেন: তিনি এটি জিবরাঈল (আ.)-এর পক্ষ থেকে ইখবার (সংবাদ প্রদান) হিসেবে উল্লেখ করেছেন, তাঁর পক্ষ থেকে হাদীস হিসেবে নয়।

 

১৩৮১ - আমাদের নিকট ইবরাহীম ইবনে মারজুক বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে বাকর থেকে, তিনি হুমাইদ থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আমি কি তোমাদের আনসারদের শ্রেষ্ঠ ঘরসমূহ সম্পর্কে সংবাদ দেব না? বনু নাজ্জারের ঘর, অতঃপর বনু আশহালের ঘর, অতঃপর বনু হারিস ইবনুল খাযরাজ-এর ঘর, অতঃপর বনু সাঈদার ঘর; আর আনসারদের সকল ঘরই কল্যাণময়।»।

আবু জাফর বলেন: তিনি ঘরসমূহ সম্পর্কে ইখবার (সংবাদ প্রদান) উল্লেখ করেছেন, সেগুলোর ব্যাপারে হাদীস হিসেবে নয়।

 

১৩৮২ - আমাদের নিকট ইবরাহীম ইবনে আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন, তিনি ইয়াজীদ ইবনে আবদু রাব্বিহি থেকে, তিনি বকিয়্যাহ থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে সাবিত ইবনে সাওবান থেকে, তিনি আবায়াহ ইবনে রাফে ইবনে খাদীজ থেকে, তিনি রাফে ইবনে খাদীজ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যখন আমরা কথা বলছিলাম। তিনি বললেন: তোমরা কী বিষয়ে কথা বলছ? আমরা বললাম: আমরা আপনার সম্পর্কে কথা বলছি, হে আল্লাহর রাসূল...
(খণ্ড: ১) জুযউন মিন আহাদীসি ইবনিল মুকাইয়্যার আন শুয়ূখিহী (পৃষ্ঠা: ৭৫)
رَسُولَ اللَّهِ قَالَ: ‌‌«تَحَدَّثُوا وَلْيَتَبَوَّأْ مَنْ يَكْذِبُ مَقْعَدَهُ مِنْ جَهَنَّمَ» ، قَالَ أَبُو جَعْفَر: كَذَا ذَكَرَ بِالْحِدَيثِ عَنْهُ لا بِالْخَبَرِ

 

1383 - وَأَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الشَّرِيفُ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْهَاشِمِيُّ، إِذْنًا، أَنْبَأَنَا أَبُو عَلِيٍّ الشَّافِعِيُّ بِمَكَّةَ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ فِرَاسٍ الْعَبْقَسِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِِ بْنِ الْفَضْلِ الدَّيْبُلِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي الأَزْهَرِ بْنِ زُنْبُورٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ، أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ عُمَرَ، رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ عُمَرُ رضي الله عنه: ‌‌«لا تَحَرَّوْا طُلُوعَ الشَّمْسِ، وَلا تَحَرَّوْا غُرُوبَهَا فَإِنَّ الشَّيْطَانَ يَطْلُعُ قَرْنَاهُ مَعَ طُلُوعِ الشَّمْسِ، وَيَغْرُبَانِ مَعَ غُرُوبِهَا، وَكَانَ يَضْرِبُ النَّاسَ عَلَى ذَلِكَ»
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “তোমরা আলোচনা করো এবং যে ব্যক্তি (আমার ওপর) মিথ্যা আরোপ করবে সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নেয়।” আবু জাফর বলেন: এভাবে তিনি তার নিকট থেকে হাদীস হিসেবে উল্লেখ করেছেন, নয় সংবাদ হিসেবে।

 

১৩৮৩ - এবং আমাদেরকে শাইখ শরীফ আবু আল-আব্বাস আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-হাশিমি অনুমতি সাপেক্ষে সংবাদ প্রদান করেছেন, (তিনি বলেন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আশ-শাফিঈ মক্কায়, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আহমদ বিন ইবরাহিম বিন ফিরাস আল-আবকাসি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-ফাযল আদ-দাইবুলি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালেহ মুহাম্মদ বিন আবি আল-আযহার বিন যুনবুর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল বিন জাফর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন দীনার যে, তিনি ইবনে উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে শুনেছেন, তিনি বলেছেন: উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: “তোমরা সূর্যোদয়ের জন্য বা সূর্যাস্তের জন্য অন্বেষণ করো না, কেননা শয়তানের দুই শিং সূর্যোদয়ের সাথে উদিত হয় এবং সাথে সূর্যাস্তের তা অস্ত যায়।” আর তিনি এর জন্য মানুষকে প্রহার করতেন।