(খণ্ড: ১)
জুযউন মিন আহাদীসি আবী উমর আস সুলামী আন শুয়ূখিহী
(পৃষ্ঠা: -)
جزء من أحاديث أبي عمر السلمي عن شيوخه القسم: كتب السنة
الكتاب: جزء من أحاديث أبي عمر السلمي عن شيوخه شيوخه (ضمن مجموع مطبوع باسم الفوائد لابن منده!)
المؤلف: أبو عمر عبد الله بن محمد بن أحمد بن عبد الوهاب السلمي (ت 330هـ)
تحقيق: خلاف محمود عبد السميع
الناشر: دار الكتب العلمية، بيروت - لبنان
الطبعة: الأولى، 1423 هـ - 2002 م
عدد الصفحات: 346
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
তাঁর শাইখদের থেকে বর্ণিত আবু উমর আস-সুলামীর হাদিসসমূহের অংশ বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: তাঁর শাইখদের থেকে বর্ণিত আবু উমর আস-সুলামীর হাদিসসমূহের অংশ (ইবনে মান্দাহর 'আল-ফাওয়াইদ' নামে মুদ্রিত সংকলনের অন্তর্ভুক্ত!)
লেখক: আবু উমর আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আবদুল ওয়াহহাব আস-সুলামী (মৃত্যু ৩৩০ হিজরি)
সম্পাদনা: খিলাফ মাহমুদ আবদুস সামি
প্রকাশক: দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ, বৈরুত - লেবানন
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৩ হিজরি - ২০০২ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৪৬
[কিতাবটির বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
জুযউন মিন আহাদীসি আবী উমর আস সুলামী আন শুয়ূখিহী
(পৃষ্ঠা: ৩৪১)
بسم الله الرحمن الرحيم
1014 - حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ حَفْصٍ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ حَمَّادٍ الْخَبَرِيُّ، حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ شُعْبَةَ، وَهِشَامٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: "
لا عَدْوَى، وَلا طِيَرَةَ، وَأُحِبُّ الْفَأْلَ.
قِيلَ: مَا الْفَأْلُ؟ قَالَ: الْكَلِمَةُ الْحَسَنَةُ "
1015 - وَبِهِ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه، " أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَأَى رَجُلًا تَهَادَى بَيْنَ اثْنَيْنِ، فَسَأَلَ عَنْهُ، فَقَالُوا:
نَذَرَ أَنْ يَمْشِيَ.فَقَالَ: «إِنَّ اللَّهَ عز وجل لَغَنِيٌّ عَنْ تَعْذِيبِ هَذَا نَفْسَهُ.
فَأَمَرَهُ أَنْ يَرْكَبَ»
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
১০১৪ - আমাদের নিকট আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে হাফস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আল-ফজল ইবনে হাম্মাদ আল-খাবারী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুসাদ্দাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন শুবা ও হিশাম থেকে, তাঁরা কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "
কোনো সংক্রামক ব্যাধি নেই, কোনো কুলক্ষণ নেই, আর আমি 'ফাল' পছন্দ করি।
জিজ্ঞেস করা হলো: ফাল কী? তিনি বললেন: উত্তম বাক্য।"
১০১৫ - এবং একই সূত্রে ইয়াহইয়া থেকে, তিনি হুমায়দ থেকে, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে দেখলেন যাকে দুই জনের মাঝে ভর দিয়ে টেনে নেওয়া হচ্ছে, তখন তিনি তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তারা বলল:
সে পায়ে হেঁটে চলার মানত করেছে।তখন তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা এই ব্যক্তির নিজেকে কষ্ট দেওয়া থেকে অভাবমুক্ত।
অতঃপর তিনি তাকে সওয়ারিতে আরোহন করার নির্দেশ দিলেন»"
(খণ্ড: ১)
জুযউন মিন আহাদীসি আবী উমর আস সুলামী আন শুয়ূখিহী
(পৃষ্ঠা: ৩৪২)
1016 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ حَفْصٍ، حَدَّثَنَا شَاذَانُ، حَدَّثَنَا سَعْدُ بْنُ الصَّلْتِ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ أَبِي مُوسَى الصَّغَانِيِّ، عَنْ وَهْبِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«مَنْ سَكَنَ الْبَادِيَةَ جَفَا، وَمَنْ أَتَى السُّلْطَانَ افْتُتِنَ، وَمَنِ اتَّبَعَ الصَّيْدَ غَفَلَ»1017 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، حَدَّثَنَا شَاذَانُ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ جَزْءٍ، قَالَ: أَنَا أَوَّلُ مَنْ سَمِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم
«نَهَى أَنْ يَبُولَ مُسْتَقْبِلُ الْقِبْلَةَ» ، فَخَرَجْتُ إِلَى النَّاسِ، فَأَخْبَرْتُهُمْ1018 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، حَدَّثَنَا شَاذَانُ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ رضي الله عنهما، أَخْبَرَنِي أَبُو حُمَيْدٍ رضي الله عنه، قَالَ: " أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم
بِقَدَحٍ مِنْ لَبَنٍ مِنَ الْبَقِيعِ غَيْرِ مُخَمَّرٍ، فَقَالَ: أَلا خَمَّرْتَهُ وَلَوْ بِعُودٍ " ، قَالَ: وَقَالَ أَبُو حُمَيْدٍ: «إِنَّمَا كَانَ يَأْمُرُ بِوِكَاءِ الأَسْقِيَةِ، وَغَلْقِ الأَبْوَابِ لَيْلًا»
1019 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عُثْمَانَ الأَبْهَرِيُّ الصُّوفِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ الضَّرِيرُ، عَنْ جُوبَيْرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ وَاسِعٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ الْحَنَفِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ
اللَّهَ يُحِبُّ السَّهْلَ الْقَرِيبَ»
১০১৬ - মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে হাফস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শাযান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাদ ইবনুল সালত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান আস-সাওরি থেকে, তিনি আবু মুসা আস-সাগানি থেকে, তিনি ওয়াহব ইবনে মুনাব্বিহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
«যে ব্যক্তি মরুভূমিতে বসবাস করে সে রুক্ষ স্বভাবের হয়ে যায়, যে ব্যক্তি সুলতানের (শাসকের) কাছে আসে সে ফিতনায় পতিত হয় এবং যে ব্যক্তি শিকারের পেছনে ছোটে সে উদাসীন হয়ে পড়ে»১০১৭ - মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শাযান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল হামিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনুল হারিস ইবনে জায থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আমিই প্রথম ব্যক্তি যে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে
«কিবলার দিকে মুখ করে প্রস্রাব করতে নিষেধ করতে শুনেছি»; অতঃপর আমি লোকদের কাছে বেরিয়ে গেলাম এবং তাদের তা অবহিত করলাম।১০১৮ - মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শাযান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে জুরাইজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু যুবায়ের আমাকে অবহিত করেছেন যে, তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে শুনেছেন, আবু হুমাইদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: "আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট
বাকি (বাগান) থেকে এক পেয়ালা দুধ নিয়ে আসলাম যা ঢাকা ছিল না। তখন তিনি বললেন: তুমি কেন তা ঢেকে রাখলে না, যদিও একটি কাঠি দিয়ে হতো? " , তিনি (রাবী) বলেন: আবু হুমাইদ আরও বলেছেন: «নিশ্চয়ই তিনি রাতে পানির পাত্রের মুখ বেঁধে রাখতে এবং দরজা বন্ধ করার নির্দেশ দিতেন»
১০১৯ - আহমাদ ইবনে উসমান আল-আবিহারি আস-সুফি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু কুরাইব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মুয়াবিয়া আদ-দারির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি জুবাইর থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ওয়াসি থেকে, তিনি আবু সালিহ আল-হানাফি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই
আল্লাহ সহজ-সরল ও অমায়িক ব্যক্তিকে ভালোবাসেন।»
(খণ্ড: ১)
জুযউন মিন আহাদীসি আবী উমর আস সুলামী আন শুয়ূখিহী
(পৃষ্ঠা: ৩৪৩)
1020 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ حَفْصٍ، حَدَّثَنَا شَاذَانُ، حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ ثَابِتٍ، وعَنْ أَبِي عِمْرَانَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ لِرَجُلٍ: "
أَفَعَلْتَ كَذَا وَكَذا؟ فَقَالَ: لا وَالَّذِي لا إِلَهَ إِلا هُوَ مَا فَعَلْتُ.
فَجَاءَهُ جِبْرِيلُ، فَقَالَ: قَدْ فَعَلَ، وَاللَّهُ غَفَرَ لَهُ بِقَوْلِ: لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ "
1021 - وَبِهِ، عَنْ حَجَّاجٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ زَاذَانَ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي مَنْ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: "
مَنْ لُقِّنَ عِنْدَ الْمَوْتِ: لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ دَخَلَ الْجَنَّةَ "
1022 - حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ الصَّحَّافُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ الْهَيْثَمِ، حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ، حَدَّثَنَا صَفْوَانُ بْنُ عَمْرٍو السَّكْسَكِيُّ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ السَّكُونِيِّ، عَنْ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رضي الله عنه، قَالَ: أَوْصَانِي خَلِيلِي صلى الله عليه وسلم بِثَلاثٍ لا أَدَعُهُنَّ لِشَيْءٍ
«أَوْصَانِي بِصِيَامِ ثَلاثَةِ أَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ، وَأَنْ لا أَنَامَ إِلا عَلَى وِتْرٍ، وَسُنَّةِ الضُّحى فِي الْحَضَرِ وَالسَّفَرِ»
1023 - وَبِهِ، حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، حَدَّثَنَا صَفْوَانُ يَعْنِي: ابْنَ عَمْرٍو، عَنْ سُلَيْمِ بْنِ عَامِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْكَلاعِيِّ، عَنْ تَمِيمٍ الدَّارِيِّ رضي الله عنه، قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ:
«لَيَبْلُغَنَّ هَذَا الأَمْرُ مَا بَلَغَ اللَّيْلُ، وَلا يَتْرُكُ اللَّهُ بَيْتَ مَدَرٍ وَلا وَبَرٍ إِلا أَدْخَلَهُ اللَّهُ عز وجل هَذَا الدِّينَ بِعِزِّ عَزِيزٍ يُعِزُّ اللَّهُ بِهِ الإِسْلامَ، وَذُلِّ ذَلِيلٍ يُذِلُّ اللَّهُ بِهِ الْكُفْرَ»
1024 - حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ الصَّحَّافُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْكَرِيمِ، قَالَ: قَرَأْتُ عَلَى أَبِي مُصْعَبٍ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَطَّافِ بْنِ خَالِدٍ، عَنْ عُقَيْلِ بْنِ رَافِعٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ:
১০২০ - মুহাম্মাদ বিন উমার বিন হাফস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শাযান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাবিত ও আবু ইমরান থেকে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে বললেন: "
তুমি কি এমন এমন কাজ করেছ? সে বলল: না, সেই সত্তার শপথ যিনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, আমি তা করিনি।অতঃপর জিবরাঈল তাঁর নিকট আসলেন এবং বললেন: সে তা করেছে, কিন্তু 'আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই' (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) এই কথা বলার কারণে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন।"
১০২১ - এবং একই সূত্রে হাজ্জাজ থেকে, হাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আতা বিন সায়িব থেকে, তিনি যাযান থেকে বর্ণনা করেন যে, ইবনে উমর বলেছেন: আমাকে এমন এক ব্যক্তি সংবাদ দিয়েছেন যিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: "
মৃত্যুর সময় যাকে 'আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই' (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ)-এর তালকীন করা হবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।"
১০২২ - আবু আলী আস-সাহহাফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল কারীম বিন আল-হাইসাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবুল ইয়ামান আল-হাকাম বিন নাফি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাফওয়ান বিন আমর আস-সাকসাকী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইদ্রিস আস-সাকুনী থেকে, তিনি জুবায়ের বিন নুফাইর থেকে, তিনি আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমার পরম বন্ধু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তিনটি বিষয়ের অসিয়ত করেছেন যা আমি কোনো কিছুর বিনিময়েও ত্যাগ করব না;
«তিনি আমাকে প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখার, বিতর আদায় না করে না ঘুমানোর এবং আবাসে ও সফরে চাশতের (দুহা) সুন্নাত আদায় করার অসিয়ত করেছেন।»
1023 - এবং একই সূত্রে আবুল ইয়ামান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাফওয়ান অর্থাৎ ইবনে আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইম বিন আমির বিন আব্দুল্লাহ আল-কালাঈ থেকে, তিনি তামীম আদ-দারী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি:
«নিশ্চয়ই এই বিষয়টি (দ্বীন) সেখানে পৌঁছাবে যেখানে রাত পৌঁছায়। আর আল্লাহ মাটির তৈরি ঘর হোক বা পশমের তৈরি তাঁবু, এমন কোনো ঘর বাকি রাখবেন না যেখানে এই দ্বীনকে প্রবেশ করাবেন না; যা কোনো সম্মানীর সম্মানের মাধ্যমে হবে যার দ্বারা আল্লাহ ইসলামকে সম্মানিত করবেন, অথবা কোনো হীনের হীনতার মাধ্যমে যার দ্বারা আল্লাহ কুফরকে লাঞ্ছিত করবেন।»
১০২৪ - আবু আলী আস-সাহহাফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল কারীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু মুসআব আজ-জুহরীকে আত্তাফ বিন খালিদ থেকে, তিনি উকাইল বিন রাফি থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে পড়তে শুনেছি, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১)
জুযউন মিন আহাদীসি আবী উমর আস সুলামী আন শুয়ূখিহী
(পৃষ্ঠা: ৩৪৪)
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّمَا
طَوَافُكَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ كَعِتْقِ سَبْعِينَ رَقَبَةً»1025 - وَبِهِ، عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " أَمَّا
وُقُوفُكَ عَشِيَّةَ عَرَفَةَ، فَإِنَّ اللَّهَ تبارك وتعالى يَهْبِطُ إِلَى سَمَاءِ الدُّنْيَا، فَيُبَاهِي بِكُمُ الْمَلائِكَةَ، فَيَقُولُ: هَؤُلاءِ عِبَادِي، جَاءُوا شُعْثًا مِنْ كُلِّ فَجٍّ عَمِيقٍ يَرْجُونَ رَحْمَتِي وَمَغْفِرَتِي، فَلَوْ كَانَتْ ذُنُوبُهُمْ بِعَدَدِ الرَّمْلِ، وَكَعَدَدِ الْقَطْرِ لَغَفَرْتُهَا لَهُمْ، أَفِيضُوا عِبَادِي مَغْفُورًا لَكُمْ، وَمَنِ اسْتَغْفَرَ لَكُمْ "
1026 - حَدَّثَنَا يَعْرُبُ بْنُ جَيْزَانَ بْنِ زَاهِرٍ الْهَمْدَانِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ رَوْحٍ الْكِنْدِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ: أَيُّهَا الطَّالِبُ عِلْمًا ائْتِ حَمَّادَ بْنَ زَيْدِ فَخُذِ الْعِلْمَ بِحِلْمٍ ثُمَّ قَيِّدْهُ بِقَيْدِ وَذَرِ الْبِدْعَةَ مِنْ آثَارِ عَمْرِو بْنِ عُبَيْدِ
1027 - حَدَّثَنَا يَعْرُبُ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ يَعْقُوبَ أَبُو عُمَرَ النَّيْسَابُورِيُّ نَزِيلُ بَغْدَادَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَهْلٍ، حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ الْفَرَّاءُ، سَمِعْتُ ابْنَ الْمُبَارَكِ رحمه الله، يَقُولُ: " مَنْ بَخِلَ بِالْعِلْمِ ابْتُلِيَ بِثَلاثَةٍ: إِمَّا يَمُوتُ فَيَذْهَبُ عِلْمُهُ، أَوْ يَنْسَاهُ، أَوْ يَتَّبِعُ السُّلْطَانَ ".
1028 - حَدَّثَنَا يَعْرُبُ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْبَصْرِيُّ نَزِيلُ بَغْدَادَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ النَّرْسِيُّ، قَالَ: أَرْسَلَ إِلَيَّ أَمِيرُ الْمُؤْمِنِينَ الْمُتَوَكِّلُ، فَلَمَّا دَخَلْتُ عَلَيْهِ، قَالَ: يَا أَبَا يَحْيَى، قَدْ كُنَّا هَمَمْنَا لَكَ بِشَيْءٍ، فَتَدَافَعْتَ لِلأَمَامِ.
فَقُلْتُ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، أَلا أَنْزِلَ بَيْتَيْنِ قَالَهُمَا بَعْضُ الشُّعَرَاءِ، قَالَ: قُلْهَا.
فَقُلْتُ: أَنْشَدَنِي بَعْضُ الشُّعَرَاءِ:
لأَشْكُرَنَّك مَعْرُوفًا هَمَمْتُ بِهِ
… إِنَّ اهْتِمَامَكَ بِالْمَعْرُوفِ مَعْرُوفُ
وَلا أَلُومُكَ إِنْ لَمْ يُمْضِهِ قَدَرٌ
… فَالشَّيْءُ بِالْقَدَرِ الْمَحْتُومِ مَصْرُوفُ
قَالَ: يَا غُلامُ، ارْفَعْ إِلَى أَبِي يَحْيَى مَا كُنَّا هَمَمْنَا بِهِ.
1029 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْجَارُودِ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "নিশ্চয়ই
সাফা ও মারওয়ার মাঝে তোমার তাওয়াফ (সা'য়ী) সত্তরজন দাস মুক্ত করার সমতুল্য।"1025 - এবং একই সূত্রে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আর
আরাফাতের সন্ধ্যায় তোমার অবস্থানের বিষয়টি এমন যে, আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা দুনিয়ার আসমানে নেমে আসেন, অতঃপর তোমাদের নিয়ে ফেরেশতাদের নিকট গর্ব করে বলেন: এরা আমার বান্দা, তারা দূর-দূরান্ত থেকে এলোমেলো চুলে আমার রহমত ও ক্ষমার আশায় এসেছে। সুতরাং তাদের গুনাহ যদি বালুকণার সমান হয় কিংবা বৃষ্টির ফোঁটার সমানও হয়, তবে আমি তা তাদের জন্য ক্ষমা করে দেব। হে আমার বান্দারা! তোমরা ফিরে যাও এমতাবস্থায় যে তোমাদের ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছে এবং যাদের জন্য তোমরা ক্ষমা প্রার্থনা করেছ তাদেরও।"
1026 - ইয়াহরুব ইবনে জাইজান ইবনে জাহির আল-হামদানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে রাওহ আল-কিন্দি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে মুআবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: হে জ্ঞান অন্বেষী! তুমি হাম্মাদ ইবনে যাইদের নিকট এসো এবং ধৈর্যের সাথে ইলম গ্রহণ করো, অতঃপর তা লিখনীর মাধ্যমে আবদ্ধ করো। আর আমর ইবনে উবাইদের রেখে যাওয়া বিদআত বর্জন করো।
1027 - ইয়াহরুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব আবু উমর আন-নাইসাবুরি বাগদাদের অধিবাসী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে সাহল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু সালিহ আল-ফাররা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমি ইবনুল মুবারক রাহিমাহুল্লাহকে বলতে শুনেছি: "যে ব্যক্তি ইলম অর্জনে কার্পণ্য করে সে তিনটি জিনিসের দ্বারা পরীক্ষিত হয়: হয় সে মারা যাবে এবং তার ইলম বিলুপ্ত হয়ে যাবে, অথবা সে তা ভুলে যাবে, অথবা সে সুলতানের (শাসক) অনুগামী হবে।"
1028 - ইয়াহরুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসান ইবনে আলী আল-বাসরি বাগদাদের অধিবাসী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল আলা ইবনে হাম্মাদ আন-নারসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমীরুল মুমিনীন আল-মুতাওয়াক্কিল আমাকে ডেকে পাঠালেন। আমি যখন তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম, তিনি বললেন: হে আবু ইয়াহইয়া, আমরা আপনার জন্য একটি বিষয়ের সংকল্প করেছিলাম, কিন্তু তা বিলম্বিত হয়েছে।
আমি বললাম: হে আমীরুল মুমিনীন, আমি কি কোনো এক কবির বলা দুটি পংক্তি পাঠ করব? তিনি বললেন: বলুন।
আমি বললাম: কোনো এক কবি আমাকে শুনিয়েছেন:
আমি অবশ্যই আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকব সেই ভালো কাজের জন্য যার সংকল্প আপনি করেছেন
… কারণ আপনার ভালো কাজের সংকল্প করাটাই একটি মহৎ কাজ।
আর আমি আপনাকে দোষারোপ করব না যদি তাকদীর তা কার্যকর না করে
… কারণ প্রতিটি বিষয়ই অমোঘ তাকদীরের দ্বারা পরিচালিত হয়।
তিনি বললেন: হে গোলাম, আবু ইয়াহইয়ার নিকট পৌঁছে দাও যা আমরা সংকল্প করেছিলাম।
1029 - মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনুল জারুদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন ইবনে...
(খণ্ড: ১)
জুযউন মিন আহাদীসি আবী উমর আস সুলামী আন শুয়ূখিহী
(পৃষ্ঠা: ৩৪৫)
حَفْصٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ الأَصْفَهَانِيِّ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ عَطَاءٍ، فِي قَوْلِهِ عز وجل " {إِنَّ أَرْضِي وَاسِعَةٌ} [العنكبوت: 56] ، قَالَ: إِذَا دُعِيتُمْ إِلَى الْمَعْصِيَةِ فَاهْرَبُوا مِنْهَا.
قَالَ: ثُمَّ قَرَأَ: {أَلَمْ تَكُنْ أَرْضُ اللَّهِ وَاسِعَةً فَتُهَاجِرُوا فِيهَا} [النساء: 97] "
1030 - وَبِهِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَعْلَى، عَنْ حَيْوَةَ، عَنْ نَافِعِ بْنِ سُفْيَانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«الإِمَامُ ضَامِنٌ، وَالْمُؤَذِّنُ مُؤْتَمَنٌ، فَأَرْشَدَ اللَّهُ الأَئِمَّةَ، وَعَفَا عَنِ الْمُؤَذِّنِينَ»1031 - وَبِهِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلامِ، حَدَّثَنَا حُصَيْفٌ، قَالَ «كَانَ أَعْلَمُهُمْ بِالطَّلاقِ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيِّبِ، وَأَعْلَمُهُمْ بِالْحَجِّ عَطَاءً، وَأَعْلَمُهُمْ بِالْحَلالِ وَالْحَرَامِ طَاوُسًا، وَأَعْلَمُهُمْ بِالتَّفْسِيرِ مُجَاهِدًا، وَأَعْلَمُهُمْ بِهِ كُلِّهِ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ رَحِمَهُمُ اللَّهُ تَعَالَى»
1032 - وَبِهِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عُلَيَّةَ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ أَبِي عَوْنٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أُمِّهِ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ لِعَمَّارٍ:
تَقْتُلُكَ الْفِئَةُ الْبَاغِيَةُ "
1033 - وَبِهِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَمْرٍو التَّيْمِيِّ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ:
«لا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ وَلَدُ زَانِيَةٍ»
হাফস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাদের কাছে মুহাম্মদ বিন সাঈদ বিন আল-আসফাহানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের কাছে শারিক বর্ণনা করেছেন মনসুর থেকে, তিনি আতা থেকে আল্লাহর এই বাণীর ব্যাপারে বর্ণনা করেছেন: "{নিশ্চয়ই আমার জমিন প্রশস্ত} [আল-আনকাবুত: ৫৬]"। তিনি বলেন: যখন তোমাদেরকে আল্লাহর অবাধ্যতার দিকে আহ্বান জানানো হবে, তখন তোমরা তা থেকে পলায়ন করো।
তিনি বলেন: এরপর তিনি তিলাওয়াত করলেন: "{আল্লাহর জমিন কি প্রশস্ত ছিল না যে তোমরা তাতে হিজরত করতে?} [আন-নিসা: ৯৭]"
১০৩০ - এবং তাঁর থেকে বর্ণিত, আমাদের কাছে মুহাম্মদ বিন সাঈদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে ইয়াহইয়া বিন ইয়ালা বর্ণনা করেছেন হাইওয়াহ থেকে, তিনি নাফে বিন সুফিয়ান থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন সালেহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
«ইমাম হলেন যিম্মাদার এবং মুয়াজ্জিন হলেন আমানতদার; আল্লাহ ইমামদের সঠিক পথ প্রদর্শন করুন এবং মুয়াজ্জিনদের ক্ষমা করুন»১০৩১ - এবং তাঁর থেকে বর্ণিত, আমাদের কাছে মুহাম্মদ বিন সাঈদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আবদুস সালাম বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে হুসাইফ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «তালাক বিষয়ে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বিজ্ঞ ছিলেন সাঈদ বিন আল-মুসায়্যিব, হজ বিষয়ে সবচেয়ে বিজ্ঞ ছিলেন আতা, হালাল ও হারাম বিষয়ে সবচেয়ে বিজ্ঞ ছিলেন তাউস, তাফসীর বিষয়ে সবচেয়ে বিজ্ঞ ছিলেন মুজাহিদ, আর এই সমস্ত বিষয়ে সবচেয়ে বিজ্ঞ ছিলেন সাঈদ বিন জুবায়ের (রাহিমাহুল্লাহু তাআলা)»
১০৩২ - এবং তাঁর থেকে বর্ণিত, আমাদের কাছে মুহাম্মদ বিন সাঈদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে ইসমাইল বিন উলাইয়্যাহ বর্ণনা করেছেন ইবনে আউন থেকে, তিনি আবু আউন থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি তাঁর মা থেকে, তিনি উম্মে সালামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আম্মারকে বলেছিলেন:
তোমাকে একটি বিদ্রোহী দল হত্যা করবে "
১০৩৩ - এবং তাঁর থেকে বর্ণিত, আমাদের কাছে মুহাম্মদ বিন সাঈদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে মুহাম্মদ বিন ফুদায়েল বর্ণনা করেছেন হাসান বিন আমর আত-তাইমি থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি:
«ব্যভিচারিণীর সন্তান জান্নাতে প্রবেশ করবে না»
(খণ্ড: ১)
জুযউন মিন আহাদীসি আবী উমর আস সুলামী আন শুয়ূখিহী
(পৃষ্ঠা: ৩৪৬)
1034 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْجَارُودِ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ حَفْصٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ الأَصْبَهَانِيُّ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُهَاجِرٍ، يَرْفَعُهُ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«عَلَيْكُمْ بِالْبَاءَةِ، فَمَنْ لَمْ يَجِدْ فَعَلَيْهِ بِالصَّوْمِ، فَإِنَّهُ لَهُ وِجَاءٌ»1035 - وَبِهِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ طَلْحَةَ، عَنْ أَبِي عَمَّارٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُرَحْبِيلَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعِمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ»1036 - وَبِهِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ جُوبَيْرٍ، عَنِ الضَّحَّاكِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«الْقَتِيلُ دُونَ مَالِهِ شَهِيدٌ، وَالْقَتِيلُ دُونَ أَهْلِهِ شَهِيدٌ، وَالْقَتِيلُ دُونَ جَارِهِ شَهِيدٌ، وَكُلُّ قَتِيلٍ فِي جَنْبِ اللَّهِ شَهِيدٌ»
1037 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ بْنِ يَزِيدَ الزُّهْرِيُّ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَوَاءٍ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«إِنِّي لأَرْجُو لِكُلِّ نَبِيٍّ حَوْضًا وَلَهُ وَارِدَةٌ، وَإِنِّي لأَرْجُو أَنْ أَكُونَ مِنْ أَكْثَرِهِمْ وَارِدَةً»1038 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الصَّحَّافُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ الْهَيْثَمِ، حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ مَنْصُورٍ، عَنْ عَاصِمٍ الْعُمَرِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَوَاءٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ:
«يَجِيءُ صَاحِبُ الشَّجَاعَةِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَهِيَ فِي وَجْهِهِ»
১০৩৪ - মুহাম্মদ ইবন আলী ইবনুল জারুদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবন হাফস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবন সাঈদ আল-আসবাহানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শারীক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবন মুহাজির থেকে, তিনি একে আব্দুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছেন; তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বলেছেন:
«তোমাদের জন্য বিবাহ করা আবশ্যক; সুতরাং যে সামর্থ্য রাখে না, তার কর্তব্য রোজা রাখা, কেননা তা তার কামভাব দমনকারী (ঢাল) স্বরূপ।»১০৩৫ - এবং একই সূত্রে, মুহাম্মদ ইবন সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মুয়াবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমাশ থেকে, তালহা থেকে, আবু আম্মার থেকে, আমর ইবন শুরাহবীল থেকে; তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
«যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ওপর মিথ্যা আরোপ করে, সে যেন জাহান্নামে তার আবাসস্থল নির্ধারণ করে নেয়।»১০৩৬ - এবং একই সূত্রে, মুহাম্মদ ইবন সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুশাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জুবাইর থেকে, দাহহাক থেকে, ইবন আব্বাস থেকে; তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
«নিজ সম্পদ রক্ষার্থে নিহত ব্যক্তি শহীদ, নিজ পরিবার রক্ষার্থে নিহত ব্যক্তি শহীদ, নিজ প্রতিবেশী রক্ষার্থে নিহত ব্যক্তি শহীদ এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে নিহত প্রত্যেক ব্যক্তিই শহীদ।»
১০৩৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন উমর ইবন ইয়াযীদ আয-যুহরী, আমর ইবন আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবন সাওয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম হাসান থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
«আমি আশা করি যে প্রত্যেক নবীর জন্যই একটি হাউজ থাকবে এবং সেখানে তাঁর অনুসারী দল উপস্থিত হবে, আর আমি আশা করি যে আমিই হব তাদের মধ্যে সর্বাধিক অনুসারীর অধিকারী।»১০৩৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আস-সাহহাফ, আব্দুল করীম ইবনুল হাইসাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, দাউদ ইবন মনসুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসিম আল-উমারী থেকে, মুহাম্মদ ইবন সাওয়া থেকে, নাফে’ থেকে, ইবন উমর থেকে যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
«বীরত্বের অধিকারী ব্যক্তি কিয়ামতের দিন এমন অবস্থায় উপস্থিত হবে যে, তা তার চেহারায় ফুটে উঠবে।»