(খণ্ড: ১) তানওয়ীরুল ফিকরাহ বি হাদীসি বাহয ইবনে হাকীম (পৃষ্ঠা: -)
تنوير الفكرة بحديث بهز بن حكيم   (ابن ناصر الدين الدمشقي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: تنوير الفكرة بحديث بهز بن حكيم (مطبوع ضمن مجموع رسائل لابن ناصر الدين)

المؤلف: محمد بن عبد الله (أبي بكر) بن محمد ابن أحمد بن مجاهد القيسي الدمشقي الشافعي، شمس الدين، الشهير بابن ناصر الدين (ت 842هـ)

تحقيق وتعليق: أبي عبد الله مشعل بن باني الجبرين المطيري

الناشر: دار ابن حزم، بيروت - لبنان

الطبعة: الأولى، 1422 هـ - 2001 م

عدد الصفحات: 263

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

বাহয বিন হাকীম বর্ণিত হাদীসের মাধ্যমে চিন্তার আলোকায়ন   (ইবনে নাসিরুদ্দীন আদ-দিমাশকী)

বিভাগ: হাদীস গ্রন্থসমূহ


বই: বাহয বিন হাকীম বর্ণিত হাদীসের মাধ্যমে চিন্তার আলোকায়ন (ইবনে নাসিরুদ্দীনের রিসালাহ সমষ্টির অন্তর্ভুক্ত হয়ে মুদ্রিত)

লেখক: মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ (আবু বকর) বিন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ বিন মুজাহিদ আল-কায়সী আদ-দিমাশকী আশ-শাফিয়ী, শামসুদ্দীন, ইবনে নাসিরুদ্দীন নামে সুপরিচিত (মৃত্যু ৮৪২ হিজরী)

সম্পাদনা ও টীকা: আবু আবদুল্লাহ মিশআল বিন বানি আল-জাবরিন আল-মুতাইরী

প্রকাশক: দার ইবনে হাযম, বৈরুত - লেবানন

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২২ হিজরী - ২০০১ খ্রিষ্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৬৩

[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) তানওয়ীরুল ফিকরাহ বি হাদীসি বাহয ইবনে হাকীম (পৃষ্ঠা: ২৪১)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْمُسْنِدُ الصَّالِحُ الْمُقْرِئُ أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صِدِّيقِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ يُوسُفَ الصُّوفِيُّ الْمُجَاوِرُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ بِجَامِعِ دِمَشْقَ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الشَّحْنَةِ أَبِي طَالِبِ الصَّالِحِيُّ، سَمَاعًا، أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الأَنْجَبُ بْنُ أَبِي السَّعَادَاتِ، وَأَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ السَّبَّاكِ، وَعَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْقُبَيْطِيِّ، وَأَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عُثْمَانَ الْكَاشْغَرِيُّ، وَعَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ كُبَّةَ، وَثَامِرُ بْنُ مَسْعُودِ بْنِ مُطَلِّقٍ، وَزَهْرَةُ ابْنَةُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْبَغْدَادِيُّونَ كِتَابَةً مِنْ بَغْدَادَ، قَالُوا: أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ الْبَطِّيِّ، سَمَاعًا، زَادَ الْكَاشْغَرِيُّ، فَقَالَ: وَأَخْبَرَنَا أَيْضًا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ تَاجِ الْقُرَّاءِ، قَالا: أَخْبَرَنَا مَالِكُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيٍّ الْمَالِكِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الأَهْوَازِيُّ، أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدُ الصَّمْدِ الْهَاشِمِيُّ، إِمْلاءً، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ الْحَسَنِ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ غُرَابٍ، حَدَّثَنَا بَهْزُ بْنُ حَكِيمٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ جَدِّي، قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ،‌‌ نِسَاؤُنَا مَا نَأْتِي مِنْهَا وَمَا نَذَرُ؟ قَالَ: «حَرْثُكَ فَأْتِ حَرْثَكَ أَنَّى شِئْتَ غَيْرَ أَنْ لا تَضْرِبَ الْوَجْهَ، وَلا تُقَبِّحْ، وَلا تَهْجُرْ إِلا فِي الْبَيْتِ، وَأَطْعِمْ إِذَا طَعِمْتَ، وَاكْسُ إِذَا اكْتَسَيْتَ، كَيْفَ وَقَدْ أَفْضَى بَعْضُكُمْ إِلَى بَعْضٍ؟ !»
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, মুসনিদ, নেককার এবং ক্বারী আবু ইসহাক ইবরাহীম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সিদ্দীক ইবনে ইবরাহীম ইবনে ইউসুফ আস-সুফী আল-মুজাবির—তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি দামেস্কের জামে মসজিদে শ্রবণ করছিলাম—তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনে আশ-শাহনাহ আবু তালিব আস-সালিহী শ্রবণ করার মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আল-আনজাব ইবনে আবিস সা'আদাত, আবু আল-ফাদল মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল সাব্বাক, আবদুল লতিফ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল কুবাইতি, আবু ইসহাক ইবরাহীম ইবনে উসমান আল-কাশগারী, আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে কুব্বাহ, থামির ইবনে মাসউদ ইবনে মুতাল্লিক এবং জাহরা বিনতে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আল-বাগদাদীগণ বাগদাদ থেকে লিখিতভাবে; তাঁরা বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল বাকী ইবনুল বাত্তি শ্রবণ করার মাধ্যমে। আল-কাশগারী আরও বৃদ্ধি করে বলেন: এবং আমাদের আরও সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবনে আবদুর রহমান ইবনে তাজুল কুররা। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মালিক ইবনে আহমাদ ইবনে আলী আল-মালিকী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-আহওয়াযী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহীম ইবনে আবদুস সামাদ আল-হাশিমী শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-হুসাইন ইবনুল হাসান, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আলী ইবনে গুরাব, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন বাহয ইবনে হাকীম, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন; তিনি (দাদা) বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের স্ত্রীদের ক্ষেত্রে আমরা কী করতে পারি এবং কী বর্জন করব? তিনি বললেন: "তারা তোমার শস্যক্ষেত্র, সুতরাং তোমার শস্যক্ষেত্রে যেভাবে ইচ্ছা গমন করো; তবে শর্ত হলো চেহারায় আঘাত করবে না এবং গালিগালাজ করবে না, আর ঘর ব্যতীত অন্য কোথাও সম্পর্ক ছিন্ন করবে না। তুমি যখন আহার করবে তাকেও আহার করাবে এবং তুমি যখন পরিধান করবে তাকেও পরিধান করাবে। আর তা কীভাবে সম্ভব যখন তোমরা একে অপরের সাথে একান্তে মিলিত হয়েছো?"
(খণ্ড: ১) তানওয়ীরুল ফিকরাহ বি হাদীসি বাহয ইবনে হাকীম (পৃষ্ঠা: ২৪২)
هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ

وَعلي بن غراب الفزاري الكوفي القاضي المتوفي بالكوفة سنة أربع وثمانين ومائة، وإن كان ضعفه أبو داود، وآخرون، فقد وثقه يحيى بن معين، والدارقطني، وغيرهما.

ومع ذلك فقد تابعه على حديثه هذا يحيى بن سعيد القطان، ومروان بن معاوية الفزاري، لكن رواية مروان بزيادة كثيرة في أوله وآخره.

وبهز بن حكيم هذا وثقه علي بن المديني، وابن معين، والنسائي، والحاكم.

وذكر أبو داود أن أحاديثه صحاح.

وحسن الترمذي حديثه.

وقال أبو زرعة الرازي: صالح الحديث.

وقال أبو حاتم الرازي: شيخ يكتب حديثه ولا يحتج به.

وقال الحاكم: كان من الثقات، وإنما أسقط من الصحيح روايته، عن أبيه، عن جده لأنها شاذة لا متابع له فيها " انتهى.
এটি একটি হাসান হাদিস।

আর আলী বিন গুরাব আল-ফাজারি আল-কুফি আল-কাদি, যিনি একশ চুরাশি হিজরি সনে কুফায় মৃত্যুবরণ করেছেন; যদিও আবু দাউদ ও অন্যান্যরা তাকে দুর্বল বলেছেন, তবে ইয়াহইয়া বিন মাইন, দারা কুতনী এবং অন্যরা তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।

তা সত্ত্বেও, ইয়াহইয়া বিন সাইদ আল-কাত্তান এবং মারওয়ান বিন মুয়াবিয়া আল-ফাজারি এই হাদিসে তার অনুসরণ করেছেন; তবে মারওয়ানের বর্ণনায় শুরুতে এবং শেষে অনেক অতিরিক্ত অংশ রয়েছে।

আর এই বাহজ বিন হাকিমকে আলী বিন আল-মাদিনি, ইবনে মাইন, নাসায়ি এবং হাকিম নির্ভরযোগ্য বলেছেন।

আবু দাউদ উল্লেখ করেছেন যে, তার বর্ণিত হাদিসগুলো সহিহ।

তিরমিজি তার হাদিসকে হাসান বলেছেন।

আবু জুরআ আল-রাজি বলেছেন: তিনি সালিহুল হাদিস (হাদিসের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য)।

আবু হাতিম আল-রাজি বলেছেন: তিনি একজন শায়খ, যার হাদিস লিখে রাখা হয় কিন্তু তা দলিল হিসেবে পেশ করা হয় না।

আল-হাকিম বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্যদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন; তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত হাদিসগুলো কেবল একারণেই 'সহিহ' গ্রন্থ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে যে সেগুলো শায (ব্যতিক্রমী), কারণ এগুলোতে তার কোনো অনুসরণকারী নেই।" সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১) তানওয়ীরুল ফিকরাহ বি হাদীসি বাহয ইবনে হাকীম (পৃষ্ঠা: ২৪৩)
وبهز روى عنه جماعة من الكبار كسفيان الثوري والحمادين، وأكبر من روى عنه فيما نعلم الزهري.

قال أبو بكر الخطيب: حدث عنه الزهري، ومحمد بن عبد الله الأنصاري، وبين وفاتيهما إحدى وتسعون سنة.

انتهى.

لأن الزهري توفي سنة أربع وعشرين ومئة، والأنصاري توفي سنة خمس عشرة ومئتين، لكن قال أبو عمر بن عبد البر في الاستيعاب: ويستحيل عندي أن يروي عنه الزهري.

قلت: ورواية الزهري عنه في معجم أبي القاسم عبد الله بن محمد البغوي، فقال:

حَدَّثَنَا الزُّبَيْرُ بْنُ بَكَّارٍ الزُّبَيْرِيُّ، ثَنَا عَبْدُ الْمَجِيدِ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي رُوَّادٍ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ الزُّهْرِيِّ، حَدَّثَنِي رَجُلٌ مِنْ بَنِي قُشَيْرٍ، يُقَالُ لَهُ: بَهْزُ بْنُ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«فِي كُلِّ ذَوْدٍ خُمْسُ سَائِمَةٍ صَدَقَةً» .

وَلا أَعْلَمُ حَدَّثَ بِهَذَا الْحَدِيثِ غَيْرَ الزُّبَيْرِ بْنِ بَكَّارٍ، وَهُوَ عِنْدِي مِمَّا رَوَاهُ
مَعْمَرٌ، عَنْ بَهْزٍ، لأَنَّ مَعْمَرًا قَدْ رَوَى عَنْ بَهْزٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ أَحَادِيثَ، قَالَهُ الْبَغَوِيُّ.
আর বাহয থেকে একদল বিশিষ্ট আলেম বর্ণনা করেছেন, যেমন সুফিয়ান আল-সাওরী এবং দুই হাম্মাদ; আর আমাদের জানামতে তাঁর থেকে যিনি বর্ণনা করেছেন তাদের মধ্যে সবথেকে বয়োজ্যেষ্ঠ হলেন যুহরী।

আবু বকর আল-খাতিব বলেন: তাঁর থেকে যুহরী এবং মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আনসারী বর্ণনা করেছেন, আর তাঁদের উভয়ের ইন্তেকালের মধ্যে ব্যবধান হলো একানব্বই বছর।

সমাপ্ত।

কারণ যুহরী একশত চব্বিশ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন, আর আনসারী ইন্তেকাল করেন দুইশত পনেরো হিজরিতে। কিন্তু আবু ওমর ইবনে আব্দুল বার 'আল-ইসতিআব' গ্রন্থে বলেছেন: আমার নিকট এটি অসম্ভব যে যুহরী তাঁর থেকে বর্ণনা করবেন।

আমি বলছি: যুহরীর বর্ণনা তাঁর সূত্রে আবু আল-কাসিম আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাবীর 'মুজাম' গ্রন্থে বিদ্যমান; তিনি বলেন:

জুবায়ের ইবনে বাক্কার আল-জুবাইরী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আব্দুল মাজীদ ইবনে আব্দুল আজীজ ইবনে আবি রাওয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মামার থেকে, তিনি ইবনে শিহাব আল-যুহরী থেকে, তিনি বলেন: বনু কুশায়র গোত্রের বাহয ইবনে হাকিম নামক এক ব্যক্তি আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “প্রতিটি উটের পালে চরে খাওয়া পশুর এক-পঞ্চমাংশ সদকা হিসেবে নির্ধারিত।”

আর আমি জানি না যে জুবায়ের ইবনে বাক্কার ব্যতীত অন্য কেউ এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আর এটি আমার মতে সেই বর্ণনার অন্তর্ভুক্ত যা বর্ণনা করেছেন
মামার বাহয থেকে; কারণ মামার বাহয থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি তাঁর দাদা থেকে একাধিক হাদীস বর্ণনা করেছেন। বাগাবী এ কথা বলেছেন।
(খণ্ড: ১) তানওয়ীরুল ফিকরাহ বি হাদীসি বাহয ইবনে হাকীম (পৃষ্ঠা: ২৪৪)
وعلى كل من الأمرين هذه نسخة جيدة، وقد سئل يحيى بن معين، عن بهز بن حكيم، عن أبيه، عن جده، فقال: إسناد صحيح إن كان دون بهز ثقة، انتهى.

فعلى هذا إسناد الحديث الذي رويناه صحيح لأن من دون بهز ثقة، وذلك أن أبا داود والنسائي، حدثا به في سننهما عن محمد بن بشار، عن يحيى.

والقطان وبندار من ثقات الأئمة.

ولم ينفرد بهز بالحديث، بل تابعه عليه أبو قزعة سويد بن حجير الباهلي البصري.

رواه أبو داود أيضا، عن موسى بن إسماعيل، ثنا حماد، أخبرنا أبو فزعة الباهلي ، عن حكيم بن مُعَاوِيَة، فذكره.

ومن هذه الطريق طريق موسى، عن حماد بن سلمة، خرجه الحاكم في مستدركه، وقال ولم يخرجاه.

انتهي.
উভয় পন্থার যে কোনটি অনুসারেই এটি একটি উত্তম সংস্করণ। ইয়াহিয়া ইবনে মাঈনকে বাহয ইবনে হাকিম, তাঁর পিতা ও তাঁর দাদা সূত্রে বর্ণিত সনদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: "বাহযের পরবর্তী রাবীগণ যদি নির্ভরযোগ্য হন তবে এটি একটি সহীহ সনদ।" সমাপ্ত।

সেই হিসেবে আমরা যে হাদিসটি বর্ণনা করেছি তার সনদটি সহীহ, কারণ বাহযের পরবর্তী রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। আর তা এই কারণে যে, আবু দাউদ ও নাসায়ী তাঁদের সুনান গ্রন্থে এটি মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার থেকে, তিনি ইয়াহিয়া থেকে বর্ণনা করেছেন।

কাত্তান এবং বুন্দার হলেন নির্ভরযোগ্য ইমামদের অন্তর্ভুক্ত।

আর বাহয এই হাদিসটি বর্ণনায় একক নন, বরং আবু কাযাআ সুওয়াইদ ইবনে হুজাইর আল-বাহিলি আল-বাসরি এই বর্ণনায় তাঁর অনুসরণ করেছেন।

আবু দাউদ এটি মূসা ইবনে ইসমাইল থেকেও বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ফাযআ আল-বাহিলি, তিনি হাকিম ইবনে মুয়াবিয়া থেকে বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তিনি হাদিসটি উল্লেখ করেছেন।

আর মূসার এই সূত্রের মাধ্যমে হাম্মাদ ইবনে সালামাহ থেকে ইমাম হাকিম তাঁর মুস্তাদরাক গ্রন্থে এটি সংকলন করেছেন এবং বলেছেন, তাঁরা (বুখারি ও মুসলিম) এটি বর্ণনা করেননি।

সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১) তানওয়ীরুল ফিকরাহ বি হাদীসি বাহয ইবনে হাকীম (পৃষ্ঠা: ২৪৫)
وخرجه النسائي أيضا: صحيح الإسناد عن عبدة بن عبد الله الصفار، عن يزيد بن هارون.

ورواه أبو بكر بن أبي الدنيا في مداراة الناس، فقال: حدثنا أبو خيثمة، حدثنا يزيد بن هارون، عن شعبة، عن أبي قزعة، عن حكيم بن معاوية، فذكره.

وعلقه أبو عبد الله البخاري في صحيحه بصيغة التضعيف مختصرا، فقال: ويذكر عن معاوية بن حيدة، «غير أن لا تهجر إلا في البيت» .

وخرجه النسائي أيضا، عن إبراهيم بن يعقوب، عن عبد الله بن محمد النفيلي، عن زهير بن محمد، عن محمد بن جحادة، عن حجاج الباهلي، عن سويد بن حجير، عن حكيم بن معاوية، بنحو الأول

فباعتبار العدد في روايتنا كأني سمعت الحديث من أبي محمد عبد الرحمن بن حمد بن الحسن الدوني، وتوفي في شهر رجب سنة إحدى وخمس مائة قبل مولدي بمائتي وست وسبعين سنة.
আন-নাসায়ী এটি আরও বর্ণনা করেছেন: এর সনদ বিশুদ্ধ, যা আবদাহ ইবনে আব্দুল্লাহ আস-সাফফার থেকে এবং তিনি ইয়াযীদ ইবনে হারুন থেকে বর্ণনা করেছেন।

আবু বকর ইবনে আবিদ দুনিয়া এটি 'মাদারাতুন নাস' গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু খাইসামা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইয়াযীদ ইবনে হারুন বর্ণনা করেছেন শু'বাহ থেকে, তিনি আবু কাযাআ থেকে, তিনি হাকিম ইবনে মুআবিয়া থেকে, অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেন।

আবু আব্দুল্লাহ আল-বুখারী তাঁর 'সহীহ' গ্রন্থে এটি দুর্বলতা জ্ঞাপক শব্দে সংক্ষেপে তালীক হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: মুআবিয়া ইবনে হায়দাহ থেকে বর্ণিত আছে যে, "তবে ঘর ব্যতিরেকে অন্য কোথাও তাকে ত্যাগ (হিজরত) করবে না।"

আন-নাসায়ী এটি ইব্রাহিম ইবনে ইয়াকুব থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আন-নুফাইলি থেকে, তিনি যুহাইর ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে জুহাদাহ থেকে, তিনি হাজ্জাজ আল-বাহিলি থেকে, তিনি সুয়াইদ ইবনে হুজাইর থেকে এবং তিনি হাকিম ইবনে মুআবিয়া থেকে প্রথম বর্ণনার অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

সুতরাং আমাদের বর্ণনায় রাবীদের সংখ্যার বিবেচনায় মনে হচ্ছে যেন আমি হাদিসটি আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহমান ইবনে হামাদ ইবনে হাসান আদ-দুনি থেকে শুনেছি, যিনি পাঁচশ এক হিজরি সালের রজব মাসে আমার জন্মের দুইশ ছিয়াত্তর বছর আগে মৃত্যুবরণ করেছেন।
(খণ্ড: ১) তানওয়ীরুল ফিকরাহ বি হাদীসি বাহয ইবনে হাকীম (পৃষ্ঠা: ২৪৬)
وأما حديث مروان بن معاوية بالزيادة.

فَأَنْبَأَنَا الْحَافِظُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الإِمَامِ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ الْمَقْدِسِيُّ، أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ مَكْتُومٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا حَاضِرٌ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْبَغَدادِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَعَالِي مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ اللَّحَّاسِ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ الْبُسْرِيُّ، وَأَنْبَأَنَا الْمُسْنِدُ الْكَبِيرُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الشَّرَفِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ الصَّالِحِيُّ، أَنَّ أُمَّ عَبْدِ اللَّهِ فَاطِمَةُ ابْنَةُ سُلَيْمَانَ بْنِ عَبْدِ الْكَرِيمِ الأَنْصَارِيَّةَ أَنْبَأَتْهُ، عَنِ الْفَتْحِ بْنِ عَبْدِ السَّلامِ، وَأَبِي عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ الْجَوَالِيقِيِّ، قَالا: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ الزَّاغُونِيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْبُسْرِيِّ الْبُنْدَارُ، أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، عَنْ بَهْزِ بْنِ حَكِيمِ بْنِ مُعَاوِيَةَ بْنِ حَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: قُلْتُ: " يَا نَبِيَّ اللَّهِ، مَا أَتَيْتُكَ حَتَّى حَلَفْتُ عَدَدَ هَؤُلاءِ، يَعْنِي: أَصَابِعَهُ الْعَشْرَ، لا آتِيكَ وَلا آتِي دِينَكَ، وَإِنِّي قَدْ جِئْتُ أَمْرًا لا أَعْلَمُ شَيْئًا إِلا مَا عَلَّمَنِي اللَّهُ عز وجل وَرَسُولُهُ، وَإِنِّي أَسْأَلُكَ بِوَجْهِ اللَّهِ تبارك وتعالى،‌‌ بِمَا بَعَثَكَ إِلَيْنَا رَبُّنَا عز وجل؟ .

قَالَ: بِالإِسْلامِ.

قَالَ: وَمَا الإِسْلَامُ؟ قَالَ: أَنْ تَقُولَ: أَسْلَمْتُ وَجْهِيَ
للَّهِ وَتَخَلَّيْتُ مِنَ الأَنْدَادِ، وَتُقِيمَ الصَّلاةَ، وَتُؤْتِيَ الزَّكَاةَ، وَكُلُّ مُسْلِمٍ عَلَى مُسْلِمٍ مُحَرَّمٌ، أَخَوَانِ نَصِيرَانِ، لا يَقْبَلُ اللَّهُ عز وجل مِنْ مُسْلِمٍ أَشْرَكَ بَعْدَ مَا أَسْلَمَ عَمَلا أَوْ يُفَارِقُ الْمُشْرِكِينَ إِلَى الْمُسْلِمِينَ، مَا لِي مَمْسَكٌ بِحَجْزِكُمْ عَنِ النَّارِ، أَلا إِنَّ رَبِّي دَاعِيَّ وَسَائِلِي، فَهَلْ بَلَّغْتَ عِبَادِي؟ وَإِنِّي قَائِلٌ: رَبِّ بَلَّغْتُهُمْ فَلْيُبَلِّغْ شَاهِدُكُمْ غَائِبَكُمْ، ثُمَّ إِنَّكُمْ تَدْعُونَ مُقَدِّمَةَ أَفْوَاهِكُمْ بِالْفِدَامِ، ثُمَّ إِنَّ أَوَّلَ مَا يَبِينُ عَنْ أَحَدِكُمْ لَفَخْذِهِ وَكَفِّهِ ".

فَقُلْتُ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ، هَذَا دِينُنَا؟
অতিরিক্ত অংশসহ মারওয়ান ইবনে মুআবিয়াহর বর্ণিত হাদিস প্রসঙ্গে।

হাফেজ আবু বকর মুহাম্মদ ইবনুল ইমাম আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ আল-মাকদিসি আমাদের জানিয়েছেন; তিনি বলেন: ইসমাইল ইবনে ইউসুফ ইবনে মাকতূম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—যা তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম—তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে উমর আল-বাগদাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আবুল মাআলি মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল লাহহাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আবুল কাসেম আলি ইবনে আহমদ আল-বুসরি আমাদের জানিয়েছেন; এবং আল-মুসনিদ আল-কাবির আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনুশ শরাফ মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উমর আস-সালিহি আমাদের জানিয়েছেন যে, উম্মু আবদুল্লাহ ফাতেমা বিনতে সুলাইমান ইবনে আব্দুল কারিম আল-আনসারিয়া তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন ফাতহ ইবনে আব্দুস সালাম ও আবু আলি হাসান ইবনুল জাওয়ালিকি থেকে; তাঁরা উভয়ে বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনুয যাগুনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—যা তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা তা শুনছিলাম—তিনি বলেন: আবুল কাসেম আলি ইবনে আহমদ ইবনুল বুসরি আল-বুন্দার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আবু তাহের মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: সুওয়াইদ ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: মারওয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাহয ইবনে হাকিম ইবনে মুআবিয়াহ ইবনে হাইদাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা (রাযিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি বললাম: "হে আল্লাহর নবী! আমি আপনার নিকট আসতাম না, যতক্ষণ না আমি এই সংখ্যার সমান—অর্থাৎ নিজের দশ আঙুল ইশারা করে—শপথ করেছিলাম যে, আমি আপনার কাছে আসব না এবং আপনার ধর্মেও আসব না। আর নিশ্চয়ই আমি এমন একটি বিষয়ে এসেছি যার সম্পর্কে মহান আল্লাহ এবং তাঁর রসূল আমাকে যা শিখিয়েছেন তা ব্যতীত আমি কিছুই জানি না। আর আমি আপনার কাছে আল্লাহর চেহারার অসিলায় জিজ্ঞাসা করছি,‌‌ আমাদের মহান রব আপনাকে আমাদের নিকট কী দিয়ে পাঠিয়েছেন? .

তিনি বললেন: ইসলামের বার্তা দিয়ে।

তিনি বললেন: ইসলাম কী? তিনি বললেন: তুমি বলবে যে, আমি আল্লাহর প্রতি আমার চেহারা সমর্পণ করলাম
এবং সকল অংশীদার থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করলাম; আর তুমি সালাত কায়েম করবে, জাকাত প্রদান করবে। প্রত্যেক মুসলিম অন্য মুসলিমের জন্য হারাম; তারা একে অপরের সাহায্যকারী দুই ভাই। মহান আল্লাহ কোনো মুসলিমের আমল কবুল করবেন না যে ইসলাম গ্রহণের পর শিরক করে, যতক্ষণ না সে মুশরিকদের ছেড়ে মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত হয়। আমার কী হলো যে আমি তোমাদের কোমর ধরে জাহান্নাম থেকে বাধা দিচ্ছি! জেনে রেখো, নিশ্চয়ই আমার রব আমাকে আহ্বান করবেন এবং আমাকে জিজ্ঞাসা করবেন: তুমি কি আমার বান্দাদের কাছে বার্তা পৌঁছে দিয়েছ? তখন আমি বলব: হে আমার রব, আমি তাদের নিকট পৌঁছে দিয়েছি। অতএব তোমাদের মধ্যে যারা উপস্থিত আছ, তারা যেন অনুপস্থিতদের নিকট পৌঁছে দেয়। অতঃপর তোমাদের মুখের অগ্রভাগগুলোকে ফিদাম (মুখবন্ধনী) দিয়ে ডাকা হবে। এরপর তোমাদের মধ্যে যার অঙ্গ প্রথম কথা বলবে, তা হলো তার উরু এবং তার হাতের তালু।"

অতঃপর আমি বললাম: হে আল্লাহর নবী! এটাই কি আমাদের ধর্ম?
(খণ্ড: ১) তানওয়ীরুল ফিকরাহ বি হাদীসি বাহয ইবনে হাকীম (পৃষ্ঠা: ২৪৭)
قَالَ: هَذَا دِينُكُمْ وَأَيْنَمَا تُحْسِنْ يَكْفِكَ

قَالَ: قُلْتُ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ،‌‌ عَوْرَاتُنَا مَا نَأْتِي مِنْهَا وَمَا نَذَرُ؟ قَالَ: احْفَظْ عَوْرَتَكَ إِلا مِنْ زَوْجَتِكَ أَوْ مَا مَلَكَتْ يَمِينُكَ

قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ،‌‌ مَنْ أَبَرُّ؟ قَالَ: أُمُّكَ.

قُلْتُ: ثُمَّ مَنْ؟ قَالَ: أُمُّكَ ثُمَّ أَبَاكَ، ثُمَّ الأَقْرَبُ فَالأَقْرَبُ

قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَرَأَيْتَ‌‌ إِنْ كَانَ أَحَدُنَا خَالِيًا؟ قَالَ: فَاللَّهُ أَحَقُّ أَنْ يُسْتَحْيَا مِنْهُ النَّاس

قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ،‌‌ نِسَاؤُنَا مَا نَأْتِي مِنْهُنَّ وَمَا نَذَرُ؟ ، قَالَ: ائْتِ حَرْثَكَ أَنَّى شِئْتَ غَيْرَ أَنْ لا تَضْرِبَ الْوَجْهَ، وَلا تُقَبِّحْ، وَلا تَهْجُرْ إِلا فِي الْبَيْتِ، وَأَطْعِمْ إِذَا طَعِمْتَ، وَاكْسُ إِذَا اكْتَسَيْتَ، كَيْفَ وَقَدْ أَفْضَى بَعْضُكُمْ إِلَى بَعْضٍ وَأَخَذْنَ مِنْكُمْ مِيثَاقًا غَلِيظًا، إِلا مَا حَلَّ عَلَيْهَا؟

قَالَ: قُلْتُ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ، خِرْ لِي.

قَالَ: فَنَحَا بِيَدِهِ نَحْوَ الشَّامِ، ثُمَّ قَالَ:‌‌ إِنَّكُمْ مَحْشُورُونَ رِجَالا وَرُكْبَانًا وَتَخِرُّونَ عَلَى وُجُوهِكُمْ.

قَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّا قَوْمٌ نَتَسَاءَلُ أَمْوَالَنَا
بَيْنَنَا.

فَقَالَ: لِيَسْأَلْ أَحَدُكُمُ الْحَاجَةَ فِي الْفَتْقِ لِيُصْلِحَ بِهِ بَيْنَ قَوْمِهِ فَإِذَا بَلَغَ أَوْ كَرُبَ اسْتَعَفَّ "
তিনি বললেন: এটিই তোমাদের দ্বীন, আর যেখানেই তুমি কল্যাণ করবে তা তোমার জন্য যথেষ্ট হবে।

তিনি বললেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর নবী, আমাদের লজ্জাস্থানের কতটুকু আমরা ঢেকে রাখব আর কতটুকু বর্জন করব? তিনি বললেন: তোমার স্ত্রী অথবা তোমার দক্ষিণ হস্ত যার মালিক হয়েছে (দাসী), তারা ব্যতীত অন্য সবার থেকে তোমার লজ্জাস্থান হেফাজত করো।

তিনি বললেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমি কার সাথে সর্বোত্তম আচরণ করব? তিনি বললেন: তোমার মা।

আমি বললাম: তারপর কে? তিনি বললেন: তোমার মা, এরপর তোমার পিতা, তারপর নিকটাত্মীয়গণ পর্যায়ক্রমে।

আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আপনার অভিমত কী যদি আমাদের কেউ নির্জনে একা থাকে? তিনি বললেন: আল্লাহই এর অধিক হকদার যে তাঁকে লজ্জা করা হবে।

আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমাদের স্ত্রীদের নিকট আমরা কীভাবে আসব এবং কী বর্জন করব? তিনি বললেন: তোমার শস্যক্ষেত্রে (স্ত্রীর নিকট) যেভাবে ইচ্ছা গমন করো, তবে চেহারায় আঘাত করো না, মন্দ গালি দিও না এবং ঘরের বাইরে তাকে পৃথক রেখো না। তুমি যখন আহার করবে তাকে আহার করাবে, তুমি যখন পরিধান করবে তাকে পরিধান করাবে। এটি কীভাবে হতে পারে যখন তোমরা একে অপরের সাথে একীভূত হয়েছ এবং তারা তোমাদের নিকট থেকে সুদৃঢ় অঙ্গীকার গ্রহণ করেছে, যা তার ওপর হালাল করা হয়েছে তা ব্যতীত?

তিনি বললেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর নবী, আমার জন্য (একটি স্থান) পছন্দ করে দিন।

তিনি বললেন: অতঃপর তিনি তাঁর হাত দিয়ে শামের (সিরিয়া) দিকে ইঙ্গিত করলেন, তারপর বললেন: তোমাদেরকে সমবেত করা হবে পদব্রজে ও আরোহী অবস্থায় এবং তোমাদের মুখের ওপর উপুড় করে টেনে আনা হবে।

তিনি (এক নারী) বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমরা এমন এক জাতি যারা আমাদের মধ্যে সম্পদ যাচনা করি।

তখন তিনি বললেন: তোমাদের কেউ যেন কেবল অভাবের সময় যাচনা করে যাতে সে তার কওমের মাঝে বিবাদ মিমাংসা করতে পারে। অতঃপর যখন সে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বা তার নিকটবর্তী হয়, তখন যেন সে বিরত থাকে।
(খণ্ড: ১) তানওয়ীরুল ফিকরাহ বি হাদীসি বাহয ইবনে হাকীম (পৃষ্ঠা: ২৪৮)
وَسَمِعْتُ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: ‌‌«وَيْلٌ لِلَّذِي يُحَدِّثُ وَيَكْذِبُ لِيُضْحِكَ بِهِ الْقَوْمَ، وَيْلٌ لَهُ وَيْلٌ لَهُ»

وَسَمِعْتُ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: ‌‌«لا يَأْتِي الرَّجُلُ مَوْلاهُ فَيَسْأَلَهُ مِنْ فَضْلِ مَا عِنْدَهُ فَيَمْنَعَهُ، إِلا دَعَاهُ اللَّهُ عز وجل يَوْمَ الْقِيَامَةِ شُجَاعًا يَتَلَمَّظُ فَضْلَهُ الَّذِي مَنَعَ»

وَسَمِعْتُ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: ‌‌«أَنْتُمْ تُوَفُّونَ سَبْعِينَ أُمَّةً أَنْتُمْ خَيْرَهَا وَأَكْرَمَهَا عَلَى اللَّهِ عز وجل»

وَسَمِعْتُ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ فِي سَائِمَةِ الإِبِلِ: ‌‌«فِي كُلِّ أَرْبَعِينَ ابْنَةُ لَبُونٍ لا تُفَرِّقُ إِبِلَ عَنْ حِسَابِهَا فَمَنْ أَعْطَاهَا مُؤْتَجِرًا فَلَهُ أَجْرُهَا وَمَنْ مَنَعَهَا فَإِنَّا آخِذُوهَا مِنْهُ وَشِطْرَ إِبِلِهِ عَزْمَةً مِنْ عَزَمَاتِ رَبِّنَا عز وجل، لا يَحِلُّ لآلِ مُحَمَّدٍ مِنْهَا شَيْءٌ»

قَالَ: وَحَدَّثَنَا نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِنَّ‌‌ رَجُلا آتَاهُ اللَّهُ عز وجل مَالا وَوَلَدًا، فَكَانَ لا يَدِينُ اللَّهُ عز وجل دِينًا، فَدَعَا بَنِيهِ، فَقَالَ: أَيُّ أَبٍ كُنْتُ لَكُمْ؟ قَالُوا: خَيْرُ أَبٍ يَا أَبَانَا.

قَالَ: فَوَاللَّهِ لا يَبْقَ لأَحَدٍ مِنْكُمْ مَالَ هُوَ مِنِّي إِلا وَأَنَا آخِذُهُ، أَوْ تَفْعَلُونَ مَا آمَرُكُمْ بِهِ؟ قَالَ: فَأَخَذَ مِنْهُمْ مِيثَاقًا وَرَبِّي.

قَالَ: إِذَا أَنَا مِتُّ فَاحْرِقُونِي، ثُمَّ دُقُّونِي، ثُمَّ ذَرُونِي فِي يَوْمِ رِيحٍ عَاصِفٍ لَعَلِّي أَضَلُّ اللَّهَ عز وجل.

قَالَ: فَفَعَلُوا ذَلِكَ وَرِبِّ مُحَمَّدٍ حِينَ مَاتَ، فَجِئَ بِهِ أَحْسَنَ مَا كَانَ فَعُرِضَ عَلَى اللَّهِ عز وجل، فَقَالَ: مَا حَمَلَكَ عَلَى النَّارِ؟ قَالَ: خَشْيَتُكَ يَا رَبَّاهُ.
আমি আল্লাহর নবীকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: «ধ্বংস তার জন্য, যে লোক হাসানোর জন্য কথা বলে এবং তাতে মিথ্যা বলে; তার জন্য ধ্বংস, তার জন্য ধ্বংস»

আমি আল্লাহর নবীকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: «কোনো ব্যক্তি যদি তার নিকটাত্মীয়ের কাছে আসে এবং তার নিকট অতিরিক্ত যা আছে তা থেকে সাহায্য চায়, আর সে তাকে তা দিতে অস্বীকার করে, তবে মহান আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার সেই অতিরিক্ত সম্পদকে যা সে দিতে অস্বীকার করেছিল, একটি বিষধর সাপের রূপ দিয়ে তাকে দংশন করানোর জন্য উপস্থিত করবেন, যা তার সেই সম্পদকে চাটতে থাকবে যা সে দিতে অস্বীকার করেছিল»

আমি আল্লাহর নবীকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: «তোমরা সত্তরটি উম্মত পূর্ণ করবে, তোমরা তাদের মধ্যে সর্বোত্তম এবং মহান আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বেশি সম্মানিত»

আমি আল্লাহর নবীকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) চারণভূমিতে বিচরণকারী উট সম্পর্কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: «প্রতি চল্লিশটি উটে একটি 'বিনতু লাবুন' (তিন বছরে পদার্পণকারী মাদি উট); উটগুলোকে জাকাতের হিসাব থেকে পৃথক করা হবে না। সুতরাং যে ব্যক্তি সওয়াবের আশায় তা প্রদান করবে, সে তার প্রতিদান পাবে। আর যে তা দিতে অস্বীকার করবে, তবে আমরা তা তার কাছ থেকে আদায় করে নেব এবং সাথে তার উটের অর্ধেকও (জরিমানা হিসেবে) নেব; এটি আমাদের মহান রবের অমোঘ বিধানসমূহের একটি। মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পরিবারের জন্য এর কোনো কিছুই হালাল নয়»

তিনি বলেন: আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: "নিশ্চয়ই এক ব্যক্তিকে মহান আল্লাহ সম্পদ ও সন্তান দান করেছিলেন, কিন্তু সে আল্লাহর কোনো দ্বীন (আনুগত্য) পালন করত না। অতঃপর সে তার সন্তানদের ডাকল এবং বলল: আমি তোমাদের জন্য কেমন পিতা ছিলাম? তারা বলল: হে আমাদের পিতা, আপনি সর্বোত্তম পিতা ছিলেন।

তিনি বললেন: আল্লাহর শপথ, তোমাদের কারো কাছে আমার রেখে যাওয়া কোনো সম্পদ অবশিষ্ট থাকবে না যা আমি তোমাদের থেকে কেড়ে নেব না, যদি না তোমরা আমি যা আদেশ করি তা পালন করো। বর্ণনাকারী বলেন: আমার রবের শপথ, তিনি তাদের কাছ থেকে অঙ্গীকার গ্রহণ করলেন।

তিনি বললেন: যখন আমি মারা যাব, তখন তোমরা আমাকে পুড়িয়ে ফেলবে, তারপর আমাকে পিষে চূর্ণ করবে, অতঃপর কোনো এক প্রবল ঝড়ের দিনে আমাকে উড়িয়ে দেবে; যাতে আমি মহান আল্লাহর পাকড়াও থেকে হারিয়ে যেতে পারি।

তিনি বলেন: মুহাম্মদের রবের শপথ, যখন তিনি মারা গেলেন তারা তাই করল। অতঃপর তাকে তার পূর্বের সবচেয়ে সুন্দর আকৃতিতে উপস্থিত করা হলো এবং মহান আল্লাহর সামনে পেশ করা হলো। আল্লাহ বললেন: কিসে তোমাকে নিজেকে আগুনে পোড়াতে বাধ্য করেছিল? সে বলল: হে আমার রব, আপনার ভয়।"
(খণ্ড: ১) তানওয়ীরুল ফিকরাহ বি হাদীসি বাহয ইবনে হাকীম (পৃষ্ঠা: ২৪৯)
قَالَ اللَّهُ عز وجل: أَجِدُكَ رَاهِبًا فَتِيبَ عَلَيْهِ، أَوْ قَالَ: غُفِرَ لَهُ ".

هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ سِيَاقًا، حَسَنٌ إِسْنَادًا، وَسُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ ، وَإِنْ كَانَ قَدْ ضَعَّفَهُ الْبُخَارِيُّ، وَالنَّسَائِيُّ، وَغَيْرُهُمَا، فَقَدْ رَوَى لَهُ مُسْلِمٌ فِي صَحِيحِهِ، وَحَدِيثِهِ هَذَا غَالِبُهُ مُخَرَّجٌ فِي السُّنَنِ لَكِنَّهُ مُقَطَّعٌ، فَخَرَّجَ أَوَّلَهُ النَّسَائِيُّ، فَقَالَ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ، قَالَ: سَمِعْتُ بَهْزَ بْنَ حَكِيمٍ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: قُلْتُ: " يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَا أَتَيْتُكَ حَتَّى حَلَفْتُ أَكْثَرَ مِنْ عَدَدِهِنَّ لأَصَابِعِ يَدَيْهِ أَنْ لا آتِيكَ وَلا آتِي دِينَكَ، وَإِنِّي كُنْتُ امْرَأً لا أَعْقِلُ شَيْئًا إِلا مَا عَلَّمَنِي اللَّهُ وَرَسُولُهُ، وَإِنِّي أَسْأَلُكَ بِوَجْهِ اللَّهِ‌‌ بِمَا بَعَثَكَ رَبُّكَ إِلَيْنَا؟ .

قَالَ: بِالإِسْلامِ.

قُلْتُ: وَمَا آيَاتُ الإِسْلَامِ؟ ، قَالَ: أَنْ تَقُولَ: أَسْلَمْتُ وَجْهِي
إِلَى اللَّهِ وَتَخَلَّيْتُ، وَتُقِيمُ الصَّلاةَ، وَتُؤْتِي الزَّكَاةَ، وَكُلُّ مُسْلِمٍ عَلَى مُسْلِمٍ مُحَرَّمٌ أَخَوَانِ نَصِيرَانِ، لا يَقْبَلُ اللَّهُ مِنْ مُشْرِكٍ بَعْدَمَا يُسِلْمُ عَمَلا أَوْ يُفَارِقُ الْمُشْرِكِينَ إِلَى الْمُسْلِمِينَ ".
মহান আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্ল বললেন: "আমি তোমাকে আল্লাহভীরু হিসেবে পাচ্ছি, তাই তার তাওবা কবুল করা হলো, অথবা তিনি বললেন: তাকে ক্ষমা করা হলো।"

এই হাদিসটি প্রেক্ষাপটগতভাবে গারিব, তবে এর সনদ হাসান। সুওয়াইদ ইবনে সাঈদকে যদিও বুখারি, নাসাঈ এবং অন্যরা দুর্বল বলেছেন, তবুও মুসলিম তাঁর সহিহ গ্রন্থে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর এই হাদিসটির অধিকাংশ অংশ সুনান গ্রন্থসমূহে সংকলিত হয়েছে তবে তা খণ্ডিত বা বিচ্ছিন্ন অবস্থায়। নাসাঈ এর প্রথম অংশ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন:

মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আলা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: মুতামির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি বাহয ইবনে হাকিমকে তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি তাঁর দাদা (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি বললাম: "হে আল্লাহর রাসুল! আমি আপনার নিকট আসিনি যতক্ষণ না আমি তাঁর হাতের আঙুলগুলোর সংখ্যার চেয়েও বেশিবার শপথ করেছিলাম যে আমি আপনার নিকট আসব না এবং আপনার দ্বীনেও আসব না। আমি এমন একজন ব্যক্তি ছিলাম যে কিছুই বুঝত না, কেবল আল্লাহ ও তাঁর রাসুল আমাকে যা শিখিয়েছেন তা ছাড়া। আমি আল্লাহর চেহারার উসিলায় আপনার কাছে জিজ্ঞাসা করছি—আপনার রব আপনাকে আমাদের নিকট কী দিয়ে পাঠিয়েছেন?

তিনি বললেন: ইসলামের সাথে।

আমি বললাম: আর ইসলামের নিদর্শনসমূহ কী? তিনি বললেন: তুমি বলবে: আমি আমার চেহারাকে সমর্পণ করলাম
আল্লাহর নিকট এবং আমি (অন্য সব কিছু) বর্জন করলাম; আর তুমি সালাত কায়েম করবে, জাকাত প্রদান করবে। প্রত্যেক মুসলিম অপর মুসলিমের জন্য হারাম, তারা পরস্পর ভাই ও সাহায্যকারী। আল্লাহ কোনো মুশরিক ইসলাম গ্রহণ করার পর তার কোনো আমল কবুল করবেন না যতক্ষণ না সে মুশরিকদের ছেড়ে মুসলিমদের দিকে চলে আসে।"
(খণ্ড: ১) তানওয়ীরুল ফিকরাহ বি হাদীসি বাহয ইবনে হাকীম (পৃষ্ঠা: ২৫০)
وَخَرَّجَهُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي بَكِيرٍ، عَنْ شِبْلِ بْنِ عَبَّادٍ، عَنْ سُوَيْدِ بْنِ حُجَيْرٍ، عَنْ حَكِيمِ بْنِ مُعَاوِيَةَ، بِنَحْوِهِ وَرَوَاهُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مَنْدَهْ فِي كِتَابِهِ الْمَعْرِفَةِ، فَقَالَ:

أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ الدُّورِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي بُكَيْرٍ، حَدَّثَنَا شِبْلُ بْنُ عَبَّادٍ، سَمِعْتُ أَبَا قَزْعَةَ، يُحَدِّثُ عَمْرَو بْنَ دِينَارٍ، عَنْ حَكِيمِ بْنِ مُعَاوِيَةَ الْبَهْزِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَجُلا جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: يَا مُحَمَّدُ، إِنِّي حَلَفْتُ بِعَدَدِ أَصَابِعِي أَنْ لا أَتَّبِعَكَ، وَلا أَتَّبِعُ دِينَكَ، فَأُنْشِدُكَ اللَّهَ مَا الَّذِي بَعَثَكَ اللَّهُ بِهِ؟ قَالَ: ‌‌«الإِسْلَامُ شَهَادَةُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، وَتُقِيمُ الصَّلاةَ، وَتُؤْتِي الزَّكَاةَ، أَخَوَانِ نَصِيرَانِ لا يَقْبَلُ اللَّهُ مِنْ أَحَدٍ تَوْبَةً أَشْرَكَ بَعْدَ إِسْلَامِهِ» .

هَذَا غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ شِبْلٍ، وَرَوَى هَذَا الْحَدِيثَ جَمَاعَةٌ، عَنْ بَهْزِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَهُ ابْنُ مَنْدَهْ.

وَالرَّجُلُ الْمُبْهَمُ هُوَ مُعَاوِيَةُ رَاوِي الْحَدِيثِ كَنَّى بِهِ عَنْ نَفْسِهِ

وَقَالَ ابْنُ مَنْدَهْ أَيْضًا: أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا أَبُو مَسْعُودٍ، أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا بَهْزُ بْنُ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: قُلْتُ: «يَا رَسُولَ اللَّهِ،
এবং তিনি এটি মুহাম্মাদ ইবন ইসমাইল ইবন ইব্রাহিম থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবন আবি বুকাইর থেকে, তিনি শিবল ইবন আব্বাদ থেকে, তিনি সুওয়াইদ ইবন হুজাইর থেকে, তিনি হাকিম ইবন মুয়াবিয়া থেকে অনুরূপভাবে বর্ণনা করেছেন। আর আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবন মানদাহ এটি তার 'আল-মা'রিফা' গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন:

ইসমাইল ইবন মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্বাস ইবন মুহাম্মাদ আদ-দুরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবন আবি বুকাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শিবল ইবন আব্বাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমি আবু কাযআ-কে আমর ইবন দীনারের নিকট হাকিম ইবন মুয়াবিয়া আল-বাহযি থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বলল: হে মুহাম্মাদ, আমি আমার আঙুলগুলোর সংখ্যা সমপরিমাণ কসম খেয়েছি যে আমি আপনাকে অনুসরণ করব না এবং আপনার দ্বীনও অনুসরণ করব না। সুতরাং আমি আপনাকে আল্লাহর দোহাই দিয়ে জিজ্ঞাসা করছি, আল্লাহ আপনাকে কী দিয়ে পাঠিয়েছেন? তিনি বললেন: “ইসলাম হলো—এই সাক্ষ্য দেওয়া যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল; আর আপনি সালাত কায়েম করবেন এবং যাকাত প্রদান করবেন। এ দুটি বিষয় হলো পরস্পর সাহায্যকারী দুই ভাই। আল্লাহ এমন কোনো ব্যক্তির তাওবা কবুল করবেন না যে ইসলাম গ্রহণের পর শিরক করেছে।”

শিবলের বর্ণনা হিসেবে এটি গারিব। একদল বর্ণনাকারী এই হাদিসটি বাহয ইবন হাকিম থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন—একথা ইবন মানদাহ বলেছেন।

আর এখানে অস্পষ্ট ব্যক্তিটি হলেন হাদিসের বর্ণনাকারী মুয়াবিয়া নিজেই, যিনি নিজের পরিচয় দিতে গিয়ে পরোক্ষভাবে নিজেকে বুঝিয়েছেন।

ইবন মানদাহ আরও বলেছেন: আব্দুর রহমান ইবন ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মাসউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াযিদ ইবন হারুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বাহয ইবন হাকিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি (দাদা) বললেন: “হে আল্লাহর রাসূল,
(খণ্ড: ১) তানওয়ীরুল ফিকরাহ বি হাদীসি বাহয ইবনে হাকীম (পৃষ্ঠা: ২৫১)
‌‌مَا أَتَيْتُكَ حَتَّى حَلَفْتُ أَكْثَرَ مِنْ عَدَدِ هَؤُلاءِ أَنْ لا آتِيكَ وَقَدْ جِئْتُ وَلا أَعْقِلُ شَيْئًا إِلا عَلَّمْتَنِي» .

ثُمَّ ذَكَرَ
الْحَدِيثَ.

وَهَكَذَا اخْتَصَرَهُ ابْنُ مَنْدَهْ.

وَأَمَّا قَوْلُهُ: «يَا نَبِيَّ اللَّهِ، عَوْرَاتُنَا مَا نَأْتِي مِنْهَا وَمَا نَذَرُ» .

الْحَدِيثُ

فَأَخْبَرَنَا أَبُو الْمَحَاسِنِ يُوسُفُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ عُمَرَ بْنِ مُسْلِمٍ الْعَوْفِيُّ، وَغَيْرُهُ مُشَافَهَةً بِالإِجَازَةِ، قَالُوا: أَخْبَرَنَا الإِمَامُ أَبُو أَحْمَدَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدٍ الطَّبَرِيُّ كِتَابَةً مِنْ مَكَّةَ شَرَّفَهَا اللَّهُ تَعَالَى، أَخْبَرَنَا الإِمَامُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ هِبَةِ اللَّهِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِرِبَاطِ مَرَاغَةَ مِنْ مَكَّةَ، زَادَهَا اللَّهُ شَرَفًا، وَذَلِكَ فِي صَفَرَ سَنَةَ سِتٍّ وَأَرْبَعِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو شَاكِرٍ يَحْيَى بْنُ يُوسُفَ السَّقَلاطُونِيُّ بِبَغْدَادَ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَعَالِي ثَابِتُ بْنُ بُنْدَارٍ الْبَقَّالُ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ شَاذَانَ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانَ بْنِ أَحْمَدَ الدَّقَّاقُ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ جَعْفَرٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عَطَاءٍ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَكْرٍ، قَالا: أَخْبَرَنَا بَهْزُ بْنُ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، عَوْرَاتُنَا مَا نَأْتِي مِنْهَا وَمَا نَذَرُ؟ .

قَالَ: ‌‌«احْفَظْ عَوْرَتَكَ إِلا مِنْ زَوْجِكَ أَوْ مَا مَلَكَتْ يَمِينُكَ» .

قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَرَأَيْتَ إِذَا كَانَ بَعْضُنَا فِي بَعْضٍ
؟ قَالَ: «إِنِ اسْتَطَعْتَ أَنْ لا تُظْهِرَ عَوْرَتَكَ» .

وَقَالَ السَّهْمِيُّ: «أَنْ لا تُرِيهَا أَحَدًا فَلا تُرِيَنَّهَا» .

وَقَالَ جَمِيعًا: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِذَا كَانَ أَحَدُنَا خَالِيًا؟ ، قَالَ: «فَاللَّهُ أَحَقُّ أَنْ يُسْتَحَى مِنْهُ مِنَ النَّاسِ»

وَأَخْبَرَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الذَّهَبِيِّ، سَمَاعًا، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ سَعْدٍ، أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَلِيٍّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا حَاضِرٌ فِي السُّنَّةِ الْخَامِسَةِ مِنْ سِنِيِّ عُمْرِي، وَأَجَازَ لَنَا رِوَايَتَهُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الصَّابُونِيِّ، وَمُرْتَضَى بْنُ
‌"আমি আপনার নিকট আসিনি যতক্ষণ না আমি এদের সংখ্যার চেয়েও বেশি বার শপথ করেছি যে আমি আপনার কাছে আসব না, অথচ এখন আমি এসেছি এবং আমি কিছুই বুঝি না আপনি আমাকে যা শিখিয়েছেন তা ছাড়া।"

তারপর তিনি উল্লেখ করেছেন
হাদিসটি।

এবং ইবনু মানদাহ এভাবেই একে সংক্ষেপ করেছেন।

আর তাঁর কথা: "হে আল্লাহর নবী, আমাদের লজ্জাস্থানগুলোর বিষয়ে কী আমরা গ্রহণ করব আর কী বর্জন করব?"

হাদিস

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মাহাসিন ইউসুফ ইবনে উসমান ইবনে উমর ইবনে মুসলিম আল-আওফি এবং অন্যান্যরা মৌখিকভাবে ইজাজতের মাধ্যমে, তারা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আবু আহমাদ ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ আত-তাবারী মক্কা (আল্লাহ তাআলা একে সম্মানিত করুন) থেকে পত্রের মাধ্যমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আবুল হাসান আলী ইবনে হিবাতুল্লাহ, তাঁর সামনে পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি শুনছিলাম মক্কার রিবাত মারাগাহ-তে—আল্লাহ এর মর্যাদা বৃদ্ধি করুন—আর তা ছিল ছয়শ ছেচল্লিশ হিজরির সফর মাসে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু শাকির ইয়াহইয়া ইবনে ইউসুফ আস-সাকলাতুনি বাগদাদে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মাআলি সাবিত ইবনে বুন্দার আল-বাককাল, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে শাযান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর উসমান ইবনে আহমাদ আদ-দাক্কাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে জাফর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে আতা এবং আব্দুল্লাহ ইবনে বকর, তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বাহয ইবনে হাকিম, তাঁর পিতা থেকে, তাঁর দাদা (আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমাদের লজ্জাস্থানগুলোর বিষয়ে কী আমরা গ্রহণ করব আর কী বর্জন করব?

তিনি বললেন: ‌‌"তোমার স্ত্রী অথবা তোমার দক্ষিণ হস্তের মালিকানাধীন দাসী ব্যতীত অন্যদের থেকে তোমার লজ্জাস্থান সংরক্ষণ করো।"

আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আপনি কি মনে করেন যখন আমরা একে অপরের সাথে (একত্রে) থাকি?
তিনি বললেন: "যদি তুমি সক্ষম হও যে তোমার লজ্জাস্থান কাউকে দেখাবে না (তবে তাই করো)।"

আর আস-সাহমী বলেছেন: "যেন তা কাউকে না দেখাও, সুতরাং তুমি তা দেখাবে না।"

এবং তাঁরা উভয়েই বলেছেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, যখন আমাদের কেউ নির্জনে থাকে?, তিনি বললেন: "তবে মানুষের চেয়ে আল্লাহই অধিক হকদার যে তাঁকে লজ্জা করা হবে।"

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হুরায়রা আব্দুর রহমান ইবনে আয-যাহাবী শ্রবণের মাধ্যমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনে সাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জাফর ইবনে আলী তাঁর সামনে পাঠের মাধ্যমে—আমি সে সময় আমার বয়সের পঞ্চম বছরে উপস্থিত ছিলাম—এবং আমাদের এটি বর্ণনা করার ইজাজত দিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবনুস সাবুনি এবং মুরতাদা ইবনে
(খণ্ড: ১) তানওয়ীরুল ফিকরাহ বি হাদীসি বাহয ইবনে হাকীম (পৃষ্ঠা: ২৫২)
حَاتِمٍ الْحَارِثِيُّ، وَيُوسُفُ بْنُ مَحْمُودٍ السَّاوِيُّ، وَعَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ الطُّفَيْلِ، وَعَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ رَوَاجٍ، وَالْحَسَنُ بْنُ دِينَارٍ، وَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: وَأَخْبَرَنَا أَيْضًا أَبُو أَحْمَدَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدٍ الطَّبَرِيُّ، كِتَابَةً مِنْ مَكَّةَ، أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ، سَمَاعًا، قَالُوا: أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْحَافِظُ، سَمَاعًا، أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْقَاسِمُ بْنُ الْفَضِل، حَدَّثَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَحْمِشٍ الزِّيَادِيُّ، إِمْلَاءً بِنَيْسَابُورَ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَعْقُوبُ الْكَرْمَانِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بَحْرٍ الْكَرْمَانِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ بَهْزِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، عَوْرَاتُنَا مَا نَأْتِي مِنْهَا وَمَا نَدَعُ؟ قَالَ: ‌‌«احْفَظْ عَوْرَتَكَ إِلا مِنْ زَوْجَتِكَ أَوْ مَا مَلَكَتْ يَمِينُكَ» .

قُلْتُ: الرَّجُلُ يَكُونُ فِي الْقَوْمِ فَيَكُونُ بَعْضُهُمْ فِي بَعْضٍ
؟ ، قَالَ: «إِذَا اسْتَطَعْتَ أَنْ لا تُرِيَ أَحَدًا عَوْرَتَكَ فَافْعَلْ» .

قُلْتُ: إِنْ كَانَ أَحَدُنَا خَالِيًا؟ قَالَ: فَاللَّهُ أَحَقُّ أَنْ يُسْتَحَى مِنْهُ ".

وَوَضَعَ يَدَهُ عَلَى عَوْرَتِهِ.

عَلَّقَهُ الْبُخَارِيُّ فِي صَحِيحِهِ مُخْتَصَرًا بِصِيغَةِ الْجَزْمِ إِلَى بَهْزٍ، فَقَالَ: وَقَالَ بَهْزٌ: عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: " اللَّهُ أَحَقُّ أَنْ يُسْتَحَى مِنْهُ مِنَ النَّاسِ.

خَرَّجَهُ أَبُو دَاوُدَ، عَنِ الْقَعْنَبِيِّ، عَنْ أَبِيهِ.
হাতেম আল-হারিসি, ইউসুফ ইবনে মাহমুদ আস-সাভি, আবদুর রহিম ইবনে আত-তুফাইল, আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে রাওয়াজ এবং হাসান ইবনে দিনার। আবু হুরায়রা বলেন: আবু আহমদ ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ আত-তবারি মক্কা থেকে লিখিতভাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী ইবনে আল-হাসান ইবনে হিবাতুল্লাহ আমাদের শ্রবণ করার মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বললেন: আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-হাফিজ আমাদের শ্রবণ করার মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, আবু আব্দুল্লাহ আল-কাসিম ইবনে আল-ফাদল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু তাহের মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মাহমিশ আজ-জিয়াদি নিশাপুরে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াকুব আল-কিরমানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াহইয়া ইবনে বাহর আল-কিরমানি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে যাইদ বাহজ ইবনে হাকিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা (রাযিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের সতর বা লজ্জাস্থানের ব্যাপারে কী করা উচিত এবং কী বর্জন করা উচিত? তিনি বললেন: ‌‌"তোমার স্ত্রী অথবা তোমার অধিকারভুক্ত দাসী ব্যতীত তোমার সতর রক্ষা করো।"

আমি বললাম: যদি কোনো ব্যক্তি জনসমষ্টির মাঝে থাকে যেখানে একে অপরের সাথে মিলেমিশে থাকে?
, তিনি বললেন: "যদি তুমি সক্ষম হও যে কেউ তোমার সতর দেখবে না, তবে তাই করো।"

আমি বললাম: যদি আমাদের কেউ নির্জনে থাকে? তিনি বললেন: "তবে আল্লাহ অধিক হকদার যে তাঁকে লজ্জা করা হবে।"

এবং তিনি তাঁর হাত তাঁর সতরের ওপর রাখলেন।

ইমাম বুখারী তাঁর সহীহ গ্রন্থে বাহজ পর্যন্ত জজম বা নিশ্চয়তার সাথে সংক্ষেপে এটি মুয়াল্লাক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: বাহজ তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন: "মানুষের চেয়ে আল্লাহ অধিক হকদার যে তাঁকে লজ্জা করা হবে।"

এটি আবু দাউদ আল-কানাবি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) তানওয়ীরুল ফিকরাহ বি হাদীসি বাহয ইবনে হাকীম (পৃষ্ঠা: ২৫৩)
وَخَرَّجَهُ أَيْضًا، وَالتِّرْمِذِيُّ، عَنِ ابْنِ بَشَّارٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ.

وَخَرَّجَهُ التِّرْمِذِيُّ أَيْضًا، عَنْ أَحْمَدَ بْنِ مَنِيعٍ، عَنْ مُعَاذٍ، وَيَزِيدَ بْنَ هَارُونَ.

وَخَرَّجَهُ النَّسَائِيُّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، وَابْنِ مَاجَهْ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ هَارُونَ ، وَأَبِي أُسَامَةَ الْخَمْسَةُ، عَنْ بَهْزٍ بِطُولِهِ.

وَرَوَاهُ الإِمَامُ أَحْمَدُ فِي مُسْنَدِهِ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ بَهْزٍ.
এবং এটি তিরমিযীও ইবনে বাশশার সূত্রে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং এটি তিরমিযীও আহমদ ইবনে মানী’ সূত্রে মুয়ায ও ইয়াযিদ ইবনে হারুন থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং নাসায়ী এটি আমর ইবনে আলী সূত্রে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে এবং ইবনে মাজাহ আবু বকর ইবনে আবি শায়বাহ সূত্রে ইয়াযিদ ইবনে হারুন ও আবু উসামা থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা পাঁচজনই বাহয থেকে বিস্তারিতভাবে এটি বর্ণনা করেছেন।

আর ইমাম আহমদ তাঁর মুসনাদে এটি ইসমাইল ইবনে ইবরাহিম সূত্রে বাহয থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) তানওয়ীরুল ফিকরাহ বি হাদীসি বাহয ইবনে হাকীম (পৃষ্ঠা: ২৫৪)
تَابَعَهُمْ حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، وَسُفْيَانُ بْنُ حَبِيبٍ الْبَصْرِيُّ، وَعَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، وَمَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ ، وَالنَّضْرُ بْنُ شُمَيْلٍ، وَيَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، عَنْ بَهْزٍ

وَأَمَّا قَوْلُهُ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ، خِرْ لِي.

فَقَالَ التِّرْمِذِيُّ فِي جَامِعِهِ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا بَهْزُ بْنُ حَكِيمٍ،
হাম্মাদ ইবনে যাইদ, সুফিয়ান ইবনে হাবীব আল-বাসরী, আব্দুল ওয়ারিস ইবনে সাঈদ, মারওয়ান ইবনে মুআবিয়া, আন-নাদর ইবনে শুমাইল এবং ইয়াযীদ ইবনে যুরাই‘ বাহয-এর সূত্রে তাঁদের অনুসরণ করেছেন।

আর তাঁর উক্তি: হে আল্লাহর নবী, আমার জন্য (কল্যাণকরটি) নির্বাচন করে দিন।

তিরমিযী তাঁর জামি‘ গ্রন্থে বলেছেন: আহমাদ ইবনে মানী‘ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইয়াযীদ ইবনে হারুন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, বাহয ইবনে হাকীম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—
(খণ্ড: ১) তানওয়ীরুল ফিকরাহ বি হাদীসি বাহয ইবনে হাকীম (পৃষ্ঠা: ২৫৫)
عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: قُلْتُ: " يَا رَسُولَ اللَّهِ،‌‌ أَيْنَ تُأَمِّرُنِي؟ قَالَ: هَاهُنَا.

وَنَحَا بِيَدِهِ نَحْوَ الشَّامِ " هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ، قَالَهُ التِّرْمِذِيُّ.

وَخَرَّجَهُ
النَّسَائِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي بُكَيْرٍ، عَنْ شِبْلِ بْنِ عَبَّادٍ، عَنْ سُوَيْدِ بْنِ حُجَيْرٍ، عَنْ حَكِيمِ بْنِ مُعَاوِيَةَ بِهِ

وَأَمَّا قَوْلُهُ: فَإِنَّكُمْ مَحْشُورُونَ.

فَخَرَّجَهُ التِّرْمِذِيُّ،

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا بَهْزُ بْنُ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «إِنَّكُمْ‌‌ تُحْشَرُونَ رِجَالا وَرُكْبَانًا وَتُجَرُّونَ عَلَى وُجُوهِكُمْ» هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ، قَالَهُ التِّرْمِذِيُّ.

وَخَرَّجَهُ النَّسَائِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ
بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي بُكَيْرٍ، عَنْ شِبْلِ بْنِ عَبَّادٍ، عَنْ سُوَيْدِ بْنِ حُجَيْرٍ، عَنْ حَكِيمِ بْنِ مُعَاوِيَةَ بِهِ

وَأَمَّا قَوْلُهُ صلى الله عليه وسلم: «فَإِنِّي مُمْسِكٌ بِحَجْزِكُمْ» إِلَى قَوْلِهِ: «هَذَا دِينُكُمْ» .

وَقَوْلُ مُعَاوِيَةَ بْنِ حَيْدَةَ: إِنَّا قَوْمٌ نَتَسَاءَلُ أَمْوَالَنَا.

فَأَنْبَأَنَا جَمَاعَةٌ مِنْهُمْ: أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ قَاضِي الْحِصْنِ، عَنِ الْحَافِظِ أَبِي الْحَجَّاجِ يُوسُفُ بْنُ الزَّكِيِّ عَبْدُ الرَّحْمَنِ الْمِزِّيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ الْمَقْدِسِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الدَّارَقَزِّيُّ، أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي الْبَزَّازُ، أَخْبَرَنَا وَالِدِي، وَقَالَ الدَّارَقُزِّيُّ أَيْضًا: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ السَّمَرْقَنْدِيِّ الْحَافِظُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ النَّقُّورِ، وَأَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْبُسْرِيِّ، قَالُوا: وَعَبْدُ الْبَاقِي
তাঁর পিতা হতে, তিনি তাঁর দাদা (রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি বললাম: "হে আল্লাহর রাসূল,‌‌ আপনি আমাকে কোথায় (যাওয়ার) নির্দেশ দিচ্ছেন? তিনি বললেন: এখানে।

এবং তিনি তাঁর হাত দিয়ে শামের দিকে ইশারা করলেন।" এটি একটি হাসান সহীহ হাদীস, তিরমিযী এটি বলেছেন।

এবং এটি বর্ণনা করেছেন
আন-নাসায়ী, মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল ইবনে ইবরাহীম হতে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি বুকাইর হতে, তিনি শিবল ইবনে আব্বাদ হতে, তিনি সুওয়াইদ ইবনে হুজাইর হতে, তিনি হাকিম ইবনে মুয়াবিয়া হতে এই সূত্রে।

আর তাঁর বাণী: "নিশ্চয়ই তোমরা সমবেত হবে।"

তিরমিযী এটি বর্ণনা করেছেন,

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে মানী‘, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ ইবনে হারুন, আমাদের জানিয়েছেন বাহয ইবনে হাকিম, তিনি তাঁর পিতা হতে, তিনি তাঁর দাদা (রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু) হতে বর্ণনা করেন, আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই‌‌ তোমাদেরকে পদব্রজে ও আরোহী অবস্থায় সমবেত করা হবে এবং তোমাদেরকে তোমাদের চেহারার উপর টেনে নেওয়া হবে» এটি একটি হাসান হাদীস, তিরমিযী এটি বলেছেন।

এবং এটি বর্ণনা করেছেন আন-নাসায়ী, মুহাম্মাদ
ইবনে ইসমাঈল ইবনে ইবরাহীম হতে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি বুকাইর হতে, তিনি শিবল ইবনে আব্বাদ হতে, তিনি সুওয়াইদ ইবনে হুজাইর হতে, তিনি হাকিম ইবনে মুয়াবিয়া হতে এই সূত্রে।

আর তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বাণী: «নিশ্চয়ই আমি তোমাদের কোমর ধরে (জাহান্নাম হতে বাঁচাতে) আঁকড়ে ধরে আছি» তাঁর এই কথা পর্যন্ত: «এটিই তোমাদের দীন»।

এবং মুয়াবিয়া ইবনে হাইদাহ-এর উক্তি: নিশ্চয়ই আমরা এমন এক কওম যারা আমাদের ধন-সম্পদ সম্পর্কে একে অপরকে জিজ্ঞাসা করি।

আমাদের একদল তা জানিয়েছেন: আবু আল-আব্বাস আহমাদ ইবনে আলী ইবনে কাযী আল-হিসন, হাফেজ আবু আল-হাজ্জাজ ইউসুফ ইবনে আয-যাকী আবদুর রহমান আল-মিযযী হতে, আমাদের জানিয়েছেন আবু আল-হাসান আলী ইবনে আহমাদ আল-মাকদিসী, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, আমাদের জানিয়েছেন উমর ইবনে মুহাম্মাদ আদ-দারাগাযযী, আমাদের জানিয়েছেন কাযী আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল বাকী আল-বাযযায, আমাদের জানিয়েছেন আমার পিতা। আদ-দারাগুযনীও বলেছেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু আল-কাসিম ইসমাঈল ইবনে আহমাদ ইবনে আস-সামারকান্দী আল-হাফেজ, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যখন আমি শুনছিলাম, আমাদের জানিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আন-নাক্কুর এবং আবু আল-কাসিম আলী ইবনে আহমাদ ইবনে আল-বুসরী, তাঁরা বললেন: এবং আব্দুল বাকী...
(খণ্ড: ১) তানওয়ীরুল ফিকরাহ বি হাদীসি বাহয ইবনে হাকীম (পৃষ্ঠা: ২৫৬)
أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُجَبِّرِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ الْهَاشِمِيُّ، إِمْلَاءً، حَدَّثَنَا خَلادُ بْنُ أَسْلَمَ، أَخْبَرَنَا النَّضْرُ بْنُ شُمَيْلٍ، حَدَّثَنَا بَهْزُ بْنُ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: قُلْتُ: " يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي حَلَفْتُ أَنْ لا آتِيكَ وَلا آتِي دِينَكَ، وَإِنِّي قَدْ جِئْتُ أَمْرًا لا أَعْقِلُ مِنْهُ شَيْئًا إِلا مَا عَلَّمَنِي اللَّهُ وَرَسُولُهُ صلى الله عليه وسلم، وَإِنِّي أَسْأَلُكَ بِوَجْهِ اللَّهِ‌‌ بِمَا بَعَثَكَ رَبُّكَ عز وجل؟ قَالَ: بِالإِسْلَامِ.

قَالَ: قُلْتُ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ، وَمَا آيَاتُ الإِسْلَامِ؟ قَالَ: أَنْ
تَقُولَ: أَسْلَمْتُ وَجْهِي للَّهِ وَتَخَلَّيْتُ، وَتُقِيمُ الصَّلاةَ وَتُؤْتِي الزَّكَاةَ، كُلُّ مُسْلِمٍ عَلَى مُسْلِمٍ مُحَرَّمٌ أَخَوَانِ نَصِيرَانِ إِنِّي مُمْسِكٌ بِحَجَزِكُمْ عَنِ النَّارِ، وَإِنَّ رَبِّي عز وجل دَاعِيَّ فَسَائِلِي، هَلْ بَلَّغْتَ عِبَادِي؟ وَإِنِّي قَائِلٌ: أَيْ رَبِّ نَعَمْ، قَدْ بَلَّغْتُهُمْ فَلْيُبَلِّغْ شَاهِدُكُمْ غَائِبَكُمْ فَإِنَّكُمْ تَدَعُونَ مُقَدِّمَةَ أَفْوَاهِكُمْ بِالْفِدَامِ، وَإِنَّ أَوَّلَ مَا يَبِينُ عَنْ أَحَدِكْمُ لَفَخْذِهِ وَكَفِّهِ.

قَالَ: قُلْتُ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ، هَذَا دِينُنَا؟ قَالَ: هَذَا دِينُكُمْ "

وَبِالإِسْنَادِ إِلَى خَلادِ بْنِ أَسْلَمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا النَّضْرُ، قَالَ: حَدَّثَنَا بَهْزُ بْنُ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: قُلْتُ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ، إِنَّا نَتَسَاءَلُ أَمْوَالَنَا؟ .

قَالَ: ‌‌«يَسْأَلُ الرَّجُلُ الْحَاجَةَ أَوِ الْفَتْقَ لِيُصْلِحَ بِهِ بَيْنَ قَوْمِهِ فَإِذَا بَلَغَ أَوْ كَرُبَ فَلْيَسْتَعِفَّ»

وَأَمَّا حَدِيثُ: «مَنْ أَبَرُّ» :
আবুল হাসান আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-মুজাব্বির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা তা শুনছিলাম, ইব্রাহিম বিন আব্দুস সামাদ আল-হাশিমী আমাদের নিকট শ্রুতলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, খাল্লাদ বিন আসলাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আন-নাদর বিন শুমাইল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বাহয বিন হাকিম তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি তাঁর দাদা (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: আমি বললাম: "হে আল্লাহর রাসূল, আমি শপথ করেছিলাম যে আপনার নিকট আসব না এবং আপনার ধর্মেও আসব না। আর আমি এমন এক বিষয়ে এসেছি যা সম্পর্কে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে যা শিক্ষা দিয়েছেন তা ছাড়া আমি কিছুই বুঝি না। আমি আপনার নিকট আল্লাহর চেহারার অসিলায় জিজ্ঞাসা করছি,‌ আপনার রব (আযযা ওয়া জাল্লা) আপনাকে কী দিয়ে পাঠিয়েছেন? তিনি বললেন: ইসলাম দিয়ে।

তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর নবী, ইসলামের নিদর্শনসমূহ কী? তিনি বললেন: তা হলো এই যে, তুমি
বলবে: আমি আল্লাহর নিকট আমার চেহারাকে সমর্পণ করলাম এবং (শিরক থেকে) মুক্ত হলাম, আর তুমি সালাত কায়েম করবে এবং জাকাত প্রদান করবে। প্রত্যেক মুসলিম অন্য মুসলিমের জন্য হারাম, তারা পরস্পর ভাই ও সাহায্যকারী। নিশ্চয়ই আমি তোমাদের কোমর ধরে জাহান্নাম থেকে আগলে রাখছি। আর আমার রব (আযযা ওয়া জাল্লা) আমাকে ডাকবেন এবং আমাকে জিজ্ঞাসা করবেন: তুমি কি আমার বান্দাদের নিকট পৌঁছে দিয়েছ? আর আমি বলব: হে আমার রব, হ্যাঁ, আমি তাদের নিকট পৌঁছে দিয়েছি। সুতরাং তোমাদের মধ্যে উপস্থিতরা যেন অনুপস্থিতদের নিকট পৌঁছে দেয়। কেননা তোমাদের মুখের সম্মুখভাগে আবরণ বা পট্টি লাগানো অবস্থায় তোমাদের ডাকা হবে, আর তোমাদের মধ্য থেকে কারোর বিষয়ে প্রথম যা সাক্ষ্য দেবে বা কথা বলবে তা হলো তার উরু এবং হাতের তালু।

তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর নবী, এটাই কি আমাদের দ্বীন? তিনি বললেন: এটাই তোমাদের দ্বীন।"

এবং খাল্লাদ বিন আসলাম পর্যন্ত সনদের মাধ্যমে বর্ণিত, তিনি বলেন: নাদর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বাহয বিন হাকিম তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি তাঁর দাদা (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর নবী, আমরা কি আমাদের ধন-সম্পদ সম্পর্কে একে অপরকে জিজ্ঞাসা করব?

তিনি বললেন: ‌‌"কোনো ব্যক্তি প্রয়োজন মেটানোর জন্য কিংবা কোনো ফাটল বা বিবাদ মেটানোর জন্য প্রার্থনা করে যাতে সে তার কওমের মধ্যে সমঝোতা করতে পারে; অতঃপর যখন সে তার লক্ষ্যে পৌঁছে যায় অথবা তার নিকটবর্তী হয়, তখন যেন সে যাঞ্চা করা থেকে বিরত থাকে।"

আর "কে সবচেয়ে বেশি সদাচরণের হকদার" শীর্ষক হাদিসের ক্ষেত্রে:
(খণ্ড: ১) তানওয়ীরুল ফিকরাহ বি হাদীসি বাহয ইবনে হাকীম (পৃষ্ঠা: ২৫৭)
فَأَخْبَرَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْحَافِظِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الذَّهَبِيِّ، أَخْبَرَنَا الْقَاسِمُ بْنُ الْمُظَفَّرِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا حَاضِرٌ مَرَّتَيْنِ آخِرُهُمَا وَأَنَا فِي السَّنَةِ الْخَامِسَةِ مِنْ عُمْرِي فِي ثَالَثِ شَهْرِ رَجَبٍ سَنَةَ تِسْعَ عَشْرَةَ وَسَبْعِ مِائَةٍ بِمَنْزِلِي فِي دِمَشْقَ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ نَصْرُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأَنْصَارِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا حَاضِرٌ فِي جُمَادَى الآخِرَةَ سَنَةَ إِحْدَى وَثَلاثِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ، وَلَمْ يَبْقَ أَحَدٌ يَرْوِي عَنْهُ غَيْرِي، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ الْحَافِظُ، أَخْبَرَنَا تَمِيمُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ بْنِ مَسْرُورٍ، أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ نُجَيْدٍ الصُّوفِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُسْلِمٍ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْكُجِّيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ، وَأَبُو عَاصِمٍ النَّبِيلُ، قَالا: حَدَّثَنَا بَهْزُ بْنُ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: قُلْتُ " يَا رَسُولَ اللَّهِ،‌‌ مَنْ أَبَرُّ؟ .

قَالَ: أُمُّكَ.

قُلْتُ: ثُمَّ مَنْ؟ قَالَ: أُمُّكَ، ثُمَّ أَبَاكَ، ثُمَّ الأَقْرَبُ فَالأَقْرَبُ ".

خَرَّجَهُ أَبُو دَاوُدَ، عَنْ
مُحَمَّدِ بْنِ كَثِيرٍ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، وَالتِّرْمِذِيِّ، وَحَسَّنَهُ، عَنْ بُنْدَارٍ مُحَمَّدِ بْنِ بَشَّارٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الْقَطَّانِ، كِلاهُمَا عَنْ بَهْزٍ بِهِ،
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হুরায়রা আব্দুর রহমান ইবনুল হাফিজ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনুয যাহাবী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-কাসেম ইবনুল মুজাফ্ফর—তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, আর আমি দুইবার উপস্থিত ছিলাম যার শেষবারটি ছিল সাতশ ঊনিশ হিজরী সনের রজব মাসের তিন তারিখে দামেস্কে আমার নিজগৃহে থাকাকালীন যখন আমার বয়স ছিল পাঁচ বছর; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ নাসরুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান আল-আনসারী—তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, আর আমি ছয়শ একত্রিশ হিজরী সনের জুমাদাল আখিরাহ মাসে উপস্থিত ছিলাম, এবং বর্তমানে আমি ছাড়া তাঁর থেকে বর্ণনা করার মতো আর কেউ অবশিষ্ট নেই; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসেম আলী ইবনুল হাসান আল-হাফিজ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তামীম ইবনে আবু সাঈদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর ইবনে আহমাদ ইবনে উমর ইবনে মাসরুর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল ইবনে নুজাইদ আস-সূফী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুসলিম ইব্রাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ আল-কুজ্জী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আনসারী এবং আবু আসিম আন-নাবীল, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন বাহয ইবনে হাকিম, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন: আমি বললাম "হে আল্লাহর রাসূল, কার সাথে আমি সবচেয়ে বেশি সদ্ব্যবহার করব? .

তিনি বললেন: তোমার মায়ের সাথে।

আমি বললাম: তারপর কার সাথে? তিনি বললেন: তোমার মায়ের সাথে, তারপর তোমার বাবার সাথে, তারপর পর্যায়ক্রমে তোমার নিকটাত্মীয়দের সাথে। ".

এটি আবু দাউদ সংকলন করেছেন
মুহাম্মদ ইবনে কাসীর থেকে, তিনি সুফিয়ান আস-সাওরী থেকে; এবং তিরমিযী এটি বর্ণনা করেছেন এবং একে হাসান বলেছেন, যা তিনি বুন্দার মুহাম্মদ ইবনে বাশার থেকে এবং তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়ে বাহয-এর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) তানওয়ীরুল ফিকরাহ বি হাদীসি বাহয ইবনে হাকীম (পৃষ্ঠা: ২৫৮)
فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا.

وَرَوَيْنَاهُ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ ، وَحَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ، وَصَالِحِ بْنِ عُمَرَ الْوَاسِطِيِّ، عَنْ بَهْزٍ

وَأَمَّا قَوْلُهُ: «وَيْلٌ لِلَّذِي يُحَدِّثُ فَيَكْذِبُ» .

فَقَالَ أَبُو دَاوُدَ فِي السُّنَنِ:

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ بَهْزِ بْنِ حَكِيمٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ أَبِيهٌ، سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: ‌‌«وَيْلٌ لِلَّذِي يُحَدِّثُ فَيَكْذِبُ لِيُضْحِكَ بِهِ الْقَوْمَ وَيْلٌ لَهُ وَيْلٌ لَهُ» .

وَخَرَّجَهُ التِّرْمِذِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ بَشَّارٍ بُنْدَارٍ
، عَنْ يَحْيَى بِهِ.

وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ.

وَخَرَّجَهُ النَّسَائِيُّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ حَجَرٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، وَعَنْ سُوَيْدِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ نَصْرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ، كِلاهُمَا عَنْ بَهْزٍ بِهِ
এটি আমাদের নিকট উচ্চ সনদে পৌঁছেছে।

আমরা এটি আব্দুল্লাহ ইবনে মুবারক, হাম্মাদ ইবনে যায়েদ এবং সালিহ ইবনে উমর আল-ওয়াসিতির বর্ণিত হাদিস থেকে বর্ণনা করেছি, তারা বাহয থেকে বর্ণনা করেছেন।

আর তাঁর এই বাণী সম্পর্কে: "ধ্বংস তার জন্য যে কথা বলার সময় মিথ্যা বলে" ।

আবু দাউদ সুনান গ্রন্থে বলেছেন:

মুসাদ্দাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাহয ইবনে হাকিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদার থেকে বর্ণনা করেছেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: ‌‌"ধ্বংস তার জন্য যে কথা বলে এবং তাতে মিথ্যা বলে যাতে তার মাধ্যমে লোকজনকে হাসাতে পারে, তার জন্য ধ্বংস, তার জন্য ধ্বংস।"

তিরমিযী এটি মুহাম্মদ ইবনে বাশার বুন্দার থেকে,
ইয়াহইয়ার মাধ্যমে উক্ত সনদে বর্ণনা করেছেন।

তিনি বলেছেন: এটি একটি হাসান হাদিস।

নাসাঈ এটি আলী ইবনে হুজর থেকে, তিনি ইসমাইল ইবনে ইবরাহিম থেকে এবং সুওয়াইদ ইবনে সাঈদ ইবনে নাসর থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মুবারক থেকে বর্ণনা করেছেন; তারা উভয়ই বাহয থেকে উক্ত সনদে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) তানওয়ীরুল ফিকরাহ বি হাদীসি বাহয ইবনে হাকীম (পৃষ্ঠা: ২৫৯)
وَأَمَّا قَوْلُهُ: «لا يَأْتِي الرَّجُلُ مَوْلاهُ» .

الْحَدِيثُ.

فَقَالَ النَّسَائِيُّ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ، سَمِعْتُ بَهْزَ بْنَ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: ‌‌«لا يَأْتِي رَجُلٌ مَوْلاهُ يَسْأَلُهُ مِنْ فَضْلٍ عِنْدَهُ فَيْمَنْعَهُ إِلا دُعِيَ لَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ شُجَاعٌ أَقْرَعُ يَتَلَمَّظُ فَضْلَهُ الَّذِي مَنَعَ»

وَأَمَّا قَوْلُهُ: «أَنْتُمْ تُوَفُّونَ سَبْعِينَ أُمَّةً» .

الْحَدِيثُ.

فَقَالَ ابْنُ مَاجَهْ فِي سُنَنِهِ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ خِدَاشٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ بَهْزِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: ‌‌«إِنَّكُمْ وَفَّيْتُمْ سَبْعِينَ أُمَّةً أَنْتُمْ خَيْرُهَا وَأَكْرَمُهَا عَلَى اللَّهِ عز وجل» .

وَقَالَ أَيْضًا قَبْلَ هَذَا: حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ
مُحَمَّدٍ النَّحَاسُ الرَّمْلِيُّ، وَأَيُّوبُ بْنُ مُحَمَّدٍ الرَّقِّيُّ، قَالا: حَدَّثَنَا ضَمْرَةُ بْنُ رَبِيعَةَ، عَنِ ابْنِ شَوْذَبٍ، عَنْ بَهْزِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ
আর তাঁর কথা: "কোনো ব্যক্তি তার মাওলার নিকট আসে না..."।

আল-হাদিস।

অতঃপর ইমাম নাসাঈ বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আ’লা, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুতামির, আমি বাহয ইবনে হাকিম থেকে শুনেছি, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: "কোনো ব্যক্তি তার মাওলার নিকট তার কাছে থাকা অতিরিক্ত সম্পদ প্রার্থনা করতে আসে আর সে তাকে তা থেকে বঞ্চিত করে, তবে কিয়ামতের দিন তার জন্য একটি বিষধর টেকো সাপকে ডাকা হবে, যা তার সেই জমিয়ে রাখা অতিরিক্ত সম্পদের কারণে মুখ চাটতে থাকবে।"

আর তাঁর কথা: "তোমরা সত্তরটি উম্মত পূর্ণ করবে..."।

আল-হাদিস।

অতঃপর ইবনে মাজাহ তাঁর সুনান গ্রন্থে বলেছেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে খালিদ ইবনে খিদাশ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে উলইয়্যাহ, তিনি বাহয ইবনে হাকিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: "নিশ্চয়ই তোমরা সত্তরটি উম্মত পূর্ণ করেছ, তোমরা তাদের মধ্যে সর্বোত্তম এবং আল্লাহর (আযযা ওয়া জাল্লা) নিকট সর্বাধিক সম্মানিত।"

এবং তিনি এর পূর্বে আরও বলেছেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ঈসা ইবনে
মুহাম্মদ আন-নাহাস আর-রামলি এবং আইয়ুব ইবনে মুহাম্মদ আর-রাক্কি। তাঁরা উভয়েই বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন দামরা ইবনে রাবিয়াহ, তিনি ইবনে শাউযাব থেকে, তিনি বাহয ইবনে হাকিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে...
(খণ্ড: ১) তানওয়ীরুল ফিকরাহ বি হাদীসি বাহয ইবনে হাকীম (পৃষ্ঠা: ২৬০)
رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «تَكْمُلُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ سَبْعِينَ أُمَّةً نَحْنُ آخِرُهَا وَخَيْرُهَا» .

وَخَرَّجَهُ التِّرْمِذِيُّ، عَنْ عَبْدِ بْنِ حُمَيْدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ بَهْزٍ بِهِ.

وَلَفْظُهُ: فِي قَوْلِهِ تَعَالَى: {كُنْتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ} [آل عمران: 110] ، قَالَ: «إِنَّكُمْ تُتِمُّونَ سَبْعِينَ أُمَّةً أَنْتُمْ خَيْرُهَا وَأَكْرَمُهَا عَلَى اللَّهِ عز وجل» .

وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ.

وَأَشَارَ إِلَى أَنَّهُ رَوَاهُ بِنَحْوِهِ غَيْرُ وَاحِدٍ، عَنْ بَهْزٍ دُونَ ذِكْرِ الآيَةِ.

وَهُوَ فِي مُسْنَدِي الإِمَامُ أَحْمَدُ، وَأَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ الرُّويَانِيُّ لِبَهْزٍ.

وَخَرَّجَهُ الْحَاكِمُ فِي مُسْتَدْرَكِهِ وَصَحَّحَهُ

وَأَمَّا قَوْلُهُ «فِي سَائِمَةِ الإِبِلِ» .
আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «কিয়ামতের দিন সত্তরটি উম্মত পূর্ণ হবে, আমরা তাদের সর্বশেষ এবং সর্বোত্তম»।

ইমাম তিরমিযী এটি বর্ণনা করেছেন আবদ ইবনে হুমাইদ থেকে, তিনি আবদুর রাজ্জাক থেকে, তিনি মা'মার থেকে, তিনি বাহযের সূত্রে তাঁর মাধ্যমে।

এর শব্দগুলো হলো: মহান আল্লাহর বাণী: {তোমরাই হলে সর্বোত্তম উম্মত, মানবজাতির কল্যাণের জন্য যাদের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে} [আল-ইমরান: ১১০] সম্পর্কে তিনি বলেছেন: «নিশ্চয় তোমরা সত্তরটি উম্মত পূর্ণ করবে, তোমরা তাদের মধ্যে সর্বোত্তম এবং মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর নিকট সবচেয়ে সম্মানিত»।

তিনি (তিরমিযী) বলেছেন: এটি একটি হাসান হাদীস।

তিনি ইঙ্গিত করেছেন যে, একাধিক বর্ণনাকারী এটি বাহয থেকে অনুরূপভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে তাতে আয়াতের উল্লেখ নেই।

এটি ইমাম আহমাদ এবং আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে হারুন আর-রুয়ানি-এর মুসনাদ গ্রন্থে বাহযের সূত্রে বর্ণিত হয়েছে।

হাকীম তাঁর মুস্তাদরাক গ্রন্থে এটি বর্ণনা করেছেন এবং একে সহীহ বলেছেন।

আর তাঁর উক্তি «তৃণভোজী উটের ক্ষেত্রে» প্রসঙ্গে।
(খণ্ড: ১) তানওয়ীরুল ফিকরাহ বি হাদীসি বাহয ইবনে হাকীম (পৃষ্ঠা: ২৬১)
فَقَالَ أَبُو دَاوُدَ: حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، أَخْبَرَنَا بَهْزُ بْنُ حَكِيمٍ، وَحَدَّثَنا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاءِ، قَالَ: قَالَ لَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ بَهْزِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ رَضِيَ اللَّهِ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«فِي كُلِّ سَائِمَةِ إِبِلٍ فِي أَرْبَعِينَ بِنْتُ لَبُونٍ لا يُفَرِّقُ إِبِلَ عَنْ حِسَابِهَا مَنْ أَعْطَهَا مُؤْتَجِرًا» ، قَالَ ابْنُ الْعَلاءِ: مُؤْتَجِرًا بِهَا، فَلَهُ أَجْرُهَا، وَمَنْ مَنَعَهَا فَإِنَّا آخِذُوهَا، وَشَطْرَ مَالِهِ عَزْمَةً مِنْ عَزَمَاتِ رَبِّنَا عز وجل، لَيْسَ لآلِ مُحَمَّدٍ مِنْهَا شَيْءٍ.

خَرَّجَهُ النَّسَائِيُّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ يَحْيَى، وَعَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الأَعْلَى، عَنْ مُعْتَمِرٍ كِلاهُمَا عَنْ بَهْزٍ

وَأَمَّا قَوْلُهُ: «إِنَّ رَجُلا آتَاهُ اللَّهُ عز وجل مَالا وَوَلَدًا» .

فَأَنْبَأَنَا الْحَافِظُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الإِمَامِ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ الْمَقْدِسِيُّ، أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ مَكْتُومٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا حَاضِرٌ فِي صَفَرَ سَنَةَ خَمْسَ عَشَرَ وَسَبْعِ مِائَةٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْعَتَّابِيُّ، سَمَاعًا، أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَعَالِي مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ اللَّحَّاسِ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْبُسْرِيِّ الْبُنْدَارُ، أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْعَبَّاسِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، حَدَّثَنَا ابْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا سُوَيْدٌ، حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ
আবু দাউদ বলেন: মুসা ইবনে ইসমাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বাহজ ইবনে হাকিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। এবং মুহাম্মদ ইবনুল আলা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু উসামা আমাদের নিকট বাহজ ইবনে হাকিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “প্রতিটি বিচরণকারী উটের পালের প্রতি চল্লিশটিতে একটি বিনতু লাবুন (দুই বছর বয়সী মাদী উট) জাকাত দিতে হবে। কোনো উটকে তার হিসাব থেকে পৃথক করা যাবে না। যে ব্যক্তি সওয়াবের আশায় তা প্রদান করবে,” ইবনুল আলা বলেন: সওয়াবের নিয়তে তা প্রদান করবে, তবে সে তার সওয়াব পাবে। আর যে ব্যক্তি তা দিতে অস্বীকার করবে, আমরা তা এবং তার সম্পদের অর্ধেক গ্রহণ করব; এটি আমাদের মহান রবের পক্ষ থেকে নির্ধারিত একটি কঠোর নির্দেশ। মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পরিবারের জন্য এর কোনো অংশ বৈধ নয়।

নাসায়ী এটি আমর ইবনে আলী থেকে, তিনি ইয়াহইয়া থেকে এবং মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আলা থেকে, তিনি মুতামির থেকে—উভয়ই বাহজ থেকে বর্ণনা করেছেন।

আর তাঁর বাণী: “নিশ্চয় এক ব্যক্তিকে মহান আল্লাহ সম্পদ ও সন্তান দান করেছেন।”

হাফেজ আবু বকর মুহাম্মদ ইবনুল ইমাম আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ আল-মাকদিসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইসমাইল ইবনে ইউসুফ ইবনে মাকতুম আমাদের নিকট পাঠ করে শুনিয়েছেন—আমি সেখানে ৭১৫ হিজরির সফর মাসে উপস্থিত ছিলাম—আব্দুল্লাহ ইবনে উমর আল-আত্তাবি আমাদের শ্রবণের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-মাআলি মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল লাহহাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম আলী ইবনে আহমদ ইবনুল বুসরি আল-বুন্দার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু তাহের মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনুল আব্বাস আমাদের নিকট পাঠ করে শুনিয়েছেন এবং আমি তা শুনছিলাম, ইবনে মানি’ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুওয়াইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মারওয়ান ইবনে...
(খণ্ড: ১) তানওয়ীরুল ফিকরাহ বি হাদীসি বাহয ইবনে হাকীম (পৃষ্ঠা: ২৬২)
مُعَاوِيَةَ، عَنْ بَهْزِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، حَدَّثَنَا نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَنَّ‌‌ رَجُلا أَتَاهُ اللَّهُ مَالا وَوَلَدًا، وَكَانَ لا يَدِينُ دِينًا، فَمَكَثَ حَتَّى إِذَا ذَهَبَ عُمْرٌ، وَتَبَقَّى عُمْرٌ تَذَكَّرَ فَعَلِمَ أَنَّهُ يَبْتَئِرُ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرًا دَعَا بَنِيهِ، فَقَالَ: أَيُّ أَبٍ كُنْتُ لَكُمْ؟ .

قَالُوا: خَيْرُ أَبٍ يَا أَبَانَا.

قَالَ: فَوَاللَّهِ لا يَبْقَى عِنْدَ كُلِّ رَجُلٍ مِنْكُمْ مَالٌ هُوَ مِنِّي إِلا وَأَنَا آخِذُهُ أَوْ تَفْعَلُوا مَا آمَرُكُمْ بِهِ؟ قَالَ: فَأَخَذَ مِنْهُمْ مِيثَاقًا وَرَبِّي.

قَالَ: فَإِذَا أَنَا مِتُّ، فَأَحْرِقُونِي، ثُمَّ دُقُّونِي، ثُمَّ ذَرُونِي فِي يَوْمِ رِيحٍ عَاصِفٍ لَعَلِّي أَضِلُّ اللَّهَ.

قَالَ: فَفَعَلُوا ذَلِكَ، وَرَبِّ مُحَمَّدٍ حِينَ مَاتَ فَجِيءَ بِهِ أَحْسَنَ مَا كَانَ فَعُرِضَ عَلَى اللَّهِ عز وجل.

قَالَ: مَا حَمَلَكَ عَلَى النَّارِ؟ قَالَ: خَشْيَتُكَ يَا رَبَّاهُ.

قَالَ اللَّهُ عز وجل: أَجِدُكَ رَاهِبًا.

فَتَابَ عَلَيْهِ، أَوْ قَالَ: غَفَرَ لَهُ

وَهَذَا آخِرُ الْكَلامِ عَلَى حَدِيثِ بَهْزٍ الْجَامِعِ لِعِدَّةِ أَحْكَامٍ مِنْهَا:
মুয়াবিয়া, বাহজ ইবনে হাকিম থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা (রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, " এক ব্যক্তিকে আল্লাহ ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দান করেছিলেন, অথচ সে কোনো দ্বীন পালন করত না। সে দীর্ঘকাল অতিবাহিত করল, এমনকি যখন তার জীবনের এক বড় অংশ চলে গেল এবং সামান্য কিছু অবশিষ্ট রইল, তখন সে স্মরণ করল এবং জানতে পারল যে আল্লাহর নিকট তার কোনো কল্যাণ সঞ্চিত নেই; তখন সে তার সন্তানদের ডাকল এবং বলল: আমি তোমাদের জন্য কেমন পিতা ছিলাম? .

তারা বলল: হে আমাদের পিতা, আপনি শ্রেষ্ঠ পিতা।

সে বলল: আল্লাহর কসম, তোমাদের প্রত্যেকের কাছে আমার পক্ষ থেকে প্রাপ্ত যে সম্পদ রয়েছে তা আমি কেড়ে নেব, যদি না তোমরা আমি যা নির্দেশ দিই তা পালন করো। বর্ণনাকারী বলেন: সে তাদের নিকট থেকে অঙ্গীকার গ্রহণ করল—আমার রবের কসম।

সে বলল: যখন আমি মারা যাব, তখন তোমরা আমাকে পুড়িয়ে ফেলবে, এরপর আমাকে পিষে চূর্ণ করবে, এরপর কোনো এক প্রচণ্ড ঝড়ের দিনে আমাকে উড়িয়ে দেবে যাতে সম্ভবত আমি আল্লাহকে এড়িয়ে যেতে পারি।

বর্ণনাকারী বলেন: মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রবের কসম, সে যখন মারা গেল তারা তাই করল। অতঃপর তাকে অত্যন্ত সুন্দর অবস্থায় উপস্থিত করা হলো এবং মহান আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার সামনে পেশ করা হলো।

তিনি বললেন: কিসে তোমাকে আগুনের (নিজেকে পোড়ানোর) কাজে প্রবৃত্ত করল? সে বলল: হে আমার রব, আপনার ভয়।

আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা বললেন: আমি তোমাকে ভীত-তটস্থ পাচ্ছি।

অতঃপর তিনি তার তাওবা কবুল করলেন, অথবা বললেন: তাকে ক্ষমা করে দিলেন।

বাহজের হাদিসের ওপর আলোচনার এটিই শেষ অংশ, যা বেশ কিছু আহকাম বা বিধান অন্তর্ভুক্ত করে, যার মধ্যে রয়েছে:
(খণ্ড: ১) তানওয়ীরুল ফিকরাহ বি হাদীসি বাহয ইবনে হাকীম (পৃষ্ঠা: ২৬৩)
إصلاح ذات البين، بحسن العشرة بين الزوجين فيما رويناه، أول ما أمليناه، وقلت أبياتا في معنى ذلك، إتحافا للطالب، وإيضاحا للسالك، وهي:

أمر العشير بحسن عشرة عرسه … لينال في الدارين راحة نفسه

فنساؤه حرث فيأتي حرثه … أني أراد وحرثه في غرسه

من غير تقبيح وضرب وجهها … للصلح تبقى موضعا في كيسه

وكذاك يهجر للنشوز بيتها … وطعامها يجريه غالب جنسه

والمثل يكسوها ويحسن كيف لا … ولبعض أفضى بعضهم في أنسه

روي الحديث بنحوه إسناده … حسن كيوم مشرق في شمسه

أحكامه من سنة لنبيه … صلى عليه الله جل بنفسه

وعلى الصحاب وآله وأناله … شرف الوسيلة في حظيرة قدسه
পারস্পরিক সম্পর্ক সংশোধন, আমরা যা বর্ণনা করেছি তাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সদ্ব্যবহারের মাধ্যমে, এটি আমাদের প্রথম শ্রুতিলিপি করা বিষয়। আমি এই মর্মার্থে কিছু পঙক্তি বলেছি, যা শিক্ষার্থীর জন্য উপহার এবং পথচারীর জন্য স্পষ্টীকরণ, আর তা হলো:

স্বামী তার স্ত্রীর সাথে সদ্ব্যবহার করতে আদিষ্ট … যেন সে উভয় জগতে নিজের আত্মার প্রশান্তি লাভ করে

তার স্ত্রীগণ হলো শস্যক্ষেত্র, সুতরাং সে তার শস্যক্ষেত্রে আসবে … যেভাবে সে চায়, আর তার শস্যক্ষেত্র তার রোপণের স্থানেই

তাকে কটু কথা বলা এবং মুখমণ্ডলে প্রহার করা ব্যতীত … যাতে সে তার বিচক্ষণতায় সন্ধির ক্ষেত্র হিসেবে অবশিষ্ট থাকে

অনুরূপভাবে অবাধ্যতার কারণে তার শয্যা বর্জন করবে … এবং তার খাদ্য প্রদান করবে তার স্বজাতির সাধারণ মান অনুযায়ী

অনুরূপভাবে সে তাকে পোশাক দেবে এবং সদাচরণ করবে, কেনই বা নয়? … যখন তারা একে অপরের সাথে একান্তে মিলিত হয়েছে

হাদীসটি এরুপভাবে বর্ণিত হয়েছে যার সনদ … হাসান (উত্তম), সূর্যের আলোয় উদ্ভাসিত দিনের ন্যায়

এর বিধানসমূহ তাঁর নবীর সুন্নাহ হতে গৃহীত … আল্লাহ তাআলা স্বয়ং তাঁর নিজের সত্তা দ্বারা তাঁর প্রতি রহমত বর্ষণ করেছেন

এবং তাঁর সাহাবী ও পরিবারবর্গের প্রতিও, আর তিনি তাঁকে দান করেছেন … তাঁর পবিত্র সান্নিধ্যে ওসীলার সুমহান মর্যাদা