(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: -)
ترتيب الأمالي الخميسية للشجري   (يحيى بن الحسين الشجري)

القسم: كتب السنة

الكتاب: ترتيب الأمالي الخميسية للشجري

مؤلف الأمالي: يحيى (المرشد بالله) بن الحسين (الموفق) بن إسماعيل بن زيد الحسني الشجري الجرجاني (المتوفى 499 هـ)

رتبها: القاضي محيي الدين محمد بن أحمد القرشي العبشمي (ت 610هـ)

تحقيق: محمد حسن محمد حسن إسماعيل

الناشر: دار الكتب العلمية، بيروت - لبنان

الطبعة: الأولى، 1422 هـ - 2001 م

عدد الأجزاء: 2

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আশ-শাজারী রচিত আল-আমালি আল-খামিসিয়্যাহ-এর বিন্যাস   (ইয়াহইয়া বিন আল-হুসাইন আশ-শাজারী)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ

কিতাব: আশ-শাজারী রচিত আল-আমালি আল-খামিসিয়্যাহ-এর বিন্যাস

আল-আমালির লেখক: ইয়াহইয়া (আল-মুরশিদ বিল্লাহ) বিন আল-হুসাইন (আল-মুওয়াফফাক) বিন ইসমাইল বিন যায়েদ আল-হাসানি আশ-শাজারী আল-জুরজানি (মৃত্যু ৪৯৯ হিজরি)

বিন্যাস করেছেন: আল-কাজী মুহিউদ্দিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-কুরাশি আল-আবশামি (মৃ. ৬১০ হিজরি)

সম্পাদনা: মুহাম্মদ হাসান মুহাম্মদ হাসান ইসমাইল

প্রকাশক: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত - লেবানন

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২২ হিজরি - ২০০১ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ২

[কিতাবটির সংখ্যায়ন মুদ্রিত সংস্করণের অনুরূপ]

শামেলার প্রকাশনার তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ১১)
‌‌فِي الْإِيمَانِ وَكَلِمَةِ التَّوْحِيدِ وَصِفَةِ الْمُؤْمِنِ وَحُرْمَتِهِ وَمَا يَتَّصِلُ بِذَلِكَ

 

‌‌1 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ السِّمْسَارُ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ غَيْلَانَ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ غَيْرَ مَرَّةٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الشَّافِعِيُّ،
ঈমান, তাওহিদের বাণী, মুমিনের বৈশিষ্ট্য ও মর্যাদা এবং এ সংক্রান্ত বিষয়াবলি প্রসঙ্গে

 

১ - মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম আস-সিমসার, যিনি ইবনে গায়লান নামে পরিচিত, একাধিকবার তার নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইবরাহিম আশ-শাফিঈ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন,
(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ১২)
قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَوْحٍ الْمَدَايِنِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ رُزَيْحٍ الْبَزَّارُ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْأَنْصَارِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، أَنَّهُ سَمِعَ عَلْقَمَةَ بْنَ وَقَّاصٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ عَلَى الْمِنْبَرِ، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «إِنَّمَا الْأَعْمَالُ بِالنِّيَّةِ، وَإِنَّمَا لِكُلِّ امْرِئٍ مَا نَوَى، فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ فَهِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ، وَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى دُنْيَا يُصِيبُهَا أَوْ إِلَى امْرَأَةٍ يَتَزَوَّجُهَا فَهِجْرَتُهُ إِلَى مَا هَاجَرَ إِلَيْهِ»

 

‌‌2 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبَيِّعُ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ مَوْرِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ سَهْلٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حِمَّانَ الْجَوَالِيقِيُّ، وَكَانَ ثِقَةً، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَيُّوبَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنِ الْمُعَلَّى بْنِ زِيَادٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ، عَنْ مَعْقِلِ بْنِ يَسَارٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الْعِبَادَةُ فِي الْهَرْجِ كَهِجْرَةٍ إِلَيَّ»

‌‌3 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ رَيْذَةَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِأَصْفَهَانَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ الطَّبَرَانِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا إِدْرِيسُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، عَنْ أُسَيْدِ بْنِ حُضَيْرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلْأَنْصَارِ: «إِنَّكُمْ سَتَرَوْنَ مِنْ بَعْدِي أَثَرَةً» ، قَالُوا: فَمَا تَأْمُرُنَا؟ قَالَ: «اصْبِرُوا حَتَّى تَلْقَوْنِي عَلَى الْحَوْضِ»

 

‌‌4 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْحَزَّازُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْبَزَّازُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الدُّنْيَا، قَالَ: حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ غَانِمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ هَارُونَ بْنِ عَنْتَرَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ حَفِظَ عَلَى أُمَّتِي أَرْبَعِينَ حَدِيثًا مِنْ أَمْرِ دِينِهَا، بَعَثَهُ اللَّهُ فَقِيهًا، وَكُنْتُ لَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ شَافِعًا وَشَهِيدًا»

 

‌‌5 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنُ رَيْذَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ الطَّبَرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُسْلِمٍ الْكَشِّيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ، عَنْ حَسَّانِ بْنِ عَطِيَّةَ، عَنْ أَبِي كَبْشَةٍ السَّلُولِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو،
তার নিকট পাঠ করা হয়, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন রাওহ আল-মাদায়িনী এবং মুহাম্মদ ইবন রুজাইহ আল-বাজ্জার। তারা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবন হারুন। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ আল-আনসারী, মুহাম্মদ ইবন ইবরাহিম আত-তাইমী থেকে, তিনি আলকামা ইবন ওয়াক্কাসকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন: আমি উমর ইবনুল খাত্তাবকে মিম্বরের উপর বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই সকল কাজ নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। আর প্রত্যেক ব্যক্তি যা নিয়ত করবে, তাই সে পাবে। অতএব যার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকে হবে, তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকেই গণ্য হবে। আর যার হিজরত দুনিয়া অর্জনের জন্য হবে অথবা কোনো নারীকে বিয়ে করার জন্য হবে, তার হিজরত সে উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে যার জন্য সে হিজরত করেছে।»

 

‌‌২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আল-হাসান ইবন আলী ইবন মুহাম্মদ আল-বায়্যি‘, যিনি ইবন মাওরী নামে পরিচিত। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবন সাহল আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন হিম্মান আল-জাওয়ালিকী, আর তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন আইয়ুব। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুসাদ্দাদ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ, মুআল্লা ইবন জিয়াদ থেকে, তিনি মুয়াবিয়া ইবন কুররা থেকে, তিনি মা’কিল ইবন ইয়াসার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «বিশৃঙ্খলা ও ফিতনার সময়ে ইবাদত করা আমার নিকট হিজরত করার সমতুল্য।»

‌‌৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন আহমদ ইবন রাইজাহ, ইসফাহানে তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান ইবন আহমদ ইবন আইয়ুব আত-তাবারানী। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইদরিস ইবন জাফর। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবন হারুন। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ, কাতাদা থেকে, তিনি আনাস থেকে, তিনি উসাইদ ইবন হুদাইর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদের উদ্দেশ্যে বলেছেন: «নিশ্চয়ই তোমরা আমার পরে অন্যদের অগ্রাধিকার (ও বৈষম্য) দেখতে পাবে।» তারা বললেন: তবে আপনি আমাদের কী নির্দেশ দিচ্ছেন? তিনি বললেন: «তোমরা ধৈর্য ধারণ করো, যতক্ষণ না হাউজের কাছে আমার সাথে তোমাদের সাক্ষাৎ ঘটে।»

 

‌‌৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ ইবন ইবরাহিম আল-হাজ্জাজ। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন ইবরাহিম আল-বাজ্জার। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন আবিদ দুনিয়া। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ফজল ইবন গানিম। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল মালিক ইবন হারুন ইবন আনতারা, তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি আবু দারদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি আমার উম্মতের দ্বীনি বিষয়ের জন্য চল্লিশটি হাদিস মুখস্থ বা সংরক্ষণ করবে, আল্লাহ তাকে ফকিহ (বিদ্বান) হিসেবে পুনরুত্থিত করবেন এবং কিয়ামতের দিন আমি তার জন্য সুপারিশকারী ও সাক্ষী হব।»

 

‌‌৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন রাইজাহ। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান ইবন আহমদ ইবন আইয়ুব আত-তাবারানী। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসলিম আল-কাশ্শী। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আসিম, আওজায়ী থেকে, তিনি হাসান ইবন আতিয়্যাহ থেকে, তিনি আবু কাবশা আস-সালুলী থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন আমর থেকে,
(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ১৩)
قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: «بَلِّغُوا عَنِّي وَلَوْ آيَةً، وَحَدِّثُوا عَنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ وَلَا حَرَجَ، وَمَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ»

‌‌6 - أَخْبَرَنَا وَالِدِي، رضي الله عنه، مِنْ لَفْظِهِ وَحِفْظِهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا قَاضِي الْقُضَاةِ أَبُو الْحَسَنِ عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ أَحْمَدَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَلَمَةَ بْنِ الْقَطَّانِ، بِقَزْوِينَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو حَاتِمٍ الرَّازِيُّ، وَعَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلَامِ بْنُ صَالِحٍ أَبُو الصَّلْتِ الْهَرَوِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُوسَى الرَّضِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ، عَنْ جَدِّهِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ عليهم السلام، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: «الْإِيمَانُ مَعْرِفَةٌ بِالْقَلْبِ، وَإِقْرَارٌ بِاللِّسَانِ، وَعَمَلٌ بِالْأَرْكَانِ» .

‌‌7 - قَالَ لَنَا وَالِدِي رضي الله عنه: قَالَ قَاضِي الْقُضَاةِ، وَذَكَرَ أَبَا الْحَسَنِ الْقَطَّانَ، عَنْ أَبِي حَاتِمٍ، عَنْ عَبْدِ السَّلَامِ، أَنَّهُ قَالَ: هَذَا إِسْنَادٌ لَوْ قُرِئَ فِي أُذُنِ مَجْنُونٍ لَبَرِئَ

 

‌‌8 - حَدَّثَنَا الْقَاضِي أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ الْمُحَسِّنِ بْنِ عَلِيٍّ التَّنُوخِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عُمَرَ مُحَمَّدُ بْنُ الْعَبَّاسِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ زَكَرِيَّا بْنِ حَيُّوَيْهِ الْخَزَّارُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْمُؤَمَّلِ الصَّيْرَفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، قَالَ: حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُحَمَّدِ السُّكَّرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، وَغَيْرِهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: «مَا مِنْ أَيَّامٍ أَعْظَمُ عِنْدَ اللَّهِ عز وجل وَلَا الْعَمَلُ فِيهِنَّ أَفْضَلُ مِنْ هَذِهِ الْأَيَّامِ الْعَشْرِ، فَأَكْثِرُوا مِنَ التَّهْلِيلِ وَالتَّحْمِيدِ وَالتَّكْبِيرِ»

‌‌9 - أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ التَّوَّزِيِّ، وَالْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْجَوْهَرِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَى كُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا، قَالَا: أَخْبَرَنَا أَبُو عُبَيْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عِمْرَانَ بْنِ مُوسَى الْمَرْزُبَانِيُّ، قَالَ الْجَوْهَرِيُّ: قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَقَالَ ابْنُ التَّوَّزِيِّ: إِجَازَةً، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ الْحَكَمِ الْحِبَرِيُّ الْكُوفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ حُسَيْنٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَيَّانُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنِ الْكُنِّيِّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: " فِيمَا نَزَلَ مِنَ الْقُرْآنِ فِي خَاصَّةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم وَعَلَيَّ وَأَهْلِ بَيْتِهِ عليهم السلام دُونَ النَّاسِ مِنْ سُورَةِ الْبَقَرَةِ: {وَبَشِّرِ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ} [البقرة: 25] ، أَنَّهَا نَزَلَتْ فِي عَلِيٍّ، وَحَمْزَةَ، وَعُبَيْدَةَ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ الْمُطَّلِبِ "
তিনি বললেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা আমার পক্ষ থেকে পৌঁছে দাও, যদিও তা একটি আয়াত হয়। আর বনী ইসরাঈল থেকে বর্ণনা করো, এতে কোনো দোষ নেই। আর যে ব্যক্তি আমার ওপর ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা আরোপ করল, সে যেন আগুনের মধ্যে তার বাসস্থান তৈরি করে নিল»

‌‌৬ - আমাদের পিতা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তাঁর নিজ শব্দ ও মুখস্থ থেকে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট প্রধান বিচারপতি আবু আল-হাসান আব্দুল জাব্বার বিন আহমদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট কাজউইনে আবু আল-হাসান আলী বিন ইব্রাহিম বিন সালামাহ বিন আল-কাত্তান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু হাতিম আল-রাযী এবং আলী বিন আব্দুল আযীয বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট আব্দুল সালাম বিন সালিহ আবু আল-সালত আল-হারাওয়ী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আলী বিন মুসা আল-রিদা বর্ণনা করেছেন, তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা জাফর বিন মুহাম্মদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা আলী বিন আল-হুসাইন থেকে, তিনি তাঁর দাদা আলী বিন আবি তালিব (আলাইহিমুস সালাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «ঈমান হলো অন্তর দিয়ে চেনা, জবান দিয়ে স্বীকার করা এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দিয়ে আমল করা»।

‌‌৭ - আমাদের পিতা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) আমাদের বলেছেন: প্রধান বিচারপতি বলেছেন এবং তিনি আবু আল-হাসান আল-কাত্তানের কথা উল্লেখ করেছেন, তিনি আবু হাতিম থেকে, তিনি আব্দুল সালাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: এটি এমন এক সনদ যে, যদি তা কোনো উন্মাদের কানে পাঠ করা হয় তবে সে সুস্থ হয়ে যাবে।

 

‌‌৮ - আমাদের নিকট বিচারপতি আবু আল-কাসিম আলী বিন আল-মুহাসসিন বিন আলী আল-তানুখী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু উমর মুহাম্মদ বিন আল-আব্বাস বিন মুহাম্মদ বিন যাকারিয়া বিন হাইয়ুইয়াহ আল-খাযযার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু উবাইদ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আল-মুয়াম্মিল আল-সাইরাফী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বিশর বিন মুহাম্মদ আল-সুকারী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আওয়ানাহ বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ বিন আবি যিয়াদ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে উমর ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «আল্লাহ মহা পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত-এর নিকট এই দশ দিনের চেয়ে মহান কোনো দিন নেই এবং এই দিনগুলোতে আমল করার চেয়ে উত্তম কোনো আমল নেই। সুতরাং তোমরা এতে অধিক পরিমাণে তাহলীল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ), তাহমীদ (আলহামদুলিল্লাহ) এবং তাকবীর (আল্লাহু আকবার) পাঠ করো»

‌‌৯ - আমাদের নিকট বিচারপতি আবু আল-হাসান আহমদ বিন আলী বিন আল-হুসাইন বিন আল-তাউয়াযী এবং আল-হাসান বিন আলী বিন মুহাম্মদ আল-জাওহারী সংবাদ দিয়েছেন—তাঁদের প্রত্যেকের কাছে আমার পাঠের মাধ্যমে, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট আবু উবাইদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইমরান বিন মুসা আল-মারযুবানী সংবাদ দিয়েছেন। আল-জাওহারী বলেছেন: তাঁর কাছে পাঠের মাধ্যমে এবং ইবনুল তাউয়াযী বলেছেন: অনুমতির মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আল-হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন উবাইদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-হুসাইন বিন আল-হাকাম আল-হিবরী আল-কুফী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাসান বিন হুসাইন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাইয়ান বিন আলী বর্ণনা করেছেন আল-কুন্নি থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "কুরআনের যে অংশগুলো বিশেষভাবে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম), আলী এবং তাঁর আহলে বাইত (আলাইহিমুস সালাম)-এর শানে অবতীর্ণ হয়েছে, মানুষের মাঝে অন্য কারো জন্য নয়, তার মধ্যে সূরা বাকারার এই আয়াতটি রয়েছে: {আর যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে তাদের সুসংবাদ দিন} [বাকারা: ২৫]। এটি আলী, হামযাহ এবং উবাইদাহ বিন আল-হারিস বিন আল-মুত্তালিবের শানে অবতীর্ণ হয়েছে।"
(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ১৪)
‌‌10 - قَالَ: أَنْشَدَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ الْبَرْمَكِيُّ، قَالَ: أَنْشَدَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَخِيتٍ، قَالَ: أَنْشَدَنَا هِلَالُ بْنُ الْعَلَاءِ:

مَتَى تُرِدِ الشِّفَاءَ لِكُلِّ غَيْظٍ … فَكُنْ مِمَّا يَغِيظُكَ فِي ازْدِيَادِ

إِذَا مَا الْمَرْءُ لَمْ يُخْلَقْ لَبِيبًا … فَلَيْسَ اللُّبُّ عَنْ قِدَمِ الْوِلَادِ

".

‌‌11 - أَخْبَرَنَا الْأَمِيرُ الْأَجَلُّ بَدْرُ الدِّينِ، أَيَّدَهُ اللَّهُ تَعَالَى، قَالَ: أَخْبَرَنَا الْأَمِيرُ الْأَجَلُّ عِمَادُ الدِّينِ أَعَزَّهُ اللَّهُ تَعَالَى، قَالَ: أَخْبَرَنَا الْقَاضِي الْأَجَلُّ الْإِمَامُ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ الْكُنِّيُّ، أَسْعَدَهُ اللَّهُ تَعَالَى، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مَنْصُورٍ عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ الْمُظَفَّرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ الْحَمْدُونِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَهُوَ يَرْوِي ذَلِكَ عَنْ وَالِدِهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا السَّيِّدُ الْإِمَامُ الْأَجَلُّ الْمُرْشِدُ بِاللَّهِ أَبُو الْحَسَنِ يَحْيَى بْنُ الْمُوَفَّقِ بِاللَّهِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْحَسَنِيِّ، رَحِمَهُمَا اللَّهُ تَعَالَى فِي يَوْمِ الْخَمِيسِ الْعِشْرِينَ مِنَ الْمُحَرَّمِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ رَيْذَةَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِأَصْفَهَانَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ الطَّبَرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي الْحَسَنُ بْنُ قُرْعَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ حَبِيبٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ ثُوَيْرِ بْنِ أَبِي فَاخِتَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ الطُّفَيْلِ بْنِ أُبَيٍّ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم، يَقُولُ: " {وَأَلْزَمَهُمْ كَلِمَةَ التَّقْوَى} [الفتح: 26] ، قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ "

‌‌12 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْحُسَيْنِ الْجُوزَدَانِيُّ الْمُقْرِئُ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِأَصْفَهَانَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُسْلِمٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ شَهْدَلٍ الْمَدِينِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُقْدَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ سَعِيدٍ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، قَالَ: حَدَّثَنَا حُصَيْنُ بْنُ مُخَارِقٍ السَّلُولِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، وَمُحَمَّدِ بْنِ خَالِدٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ عَبَايَةَ بْنِ رِبْعِيِّ " {وَأَلْزَمَهُمْ كَلِمَةَ التَّقْوَى} [الفتح: 26] قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ «.

‌‌13 - وَبِإِسْنَادِهِ، عَنْ أَبِي حَمْزَةَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ، وَعَنْ أَبِي جَعْفَرٍ، وَزَيْدِ بْنِ عَلِيٍّ، عليهما السلام» {كَلِمَةَ التَّقْوَى} [الفتح: 26] قَالَ: التَّوْحِيدُ ".

 

‌‌14 - وَبِإِسْنَادِهِ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ: " {وَأَلْزَمَهُمْ كَلِمَةَ التَّقْوَى} [الفتح: 26] قَالَ: كَلِمَةُ الْإِخْلَاصِ "

 

‌‌15 - أَخْبَرَنَا الْمُطَهَّرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْعَبْدِيُّ الْخَطِيبُ، وَاللَّفْظُ لَهُ، وَأَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أُصَيْبِ بْنِ أَبَانِ بْنِ الْوَلِيدِ، بِأَصْفَهَانَ، قَالَا: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ الْغَزَّالُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْأَغْلَبِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ الْأَنْصَارِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلَامِ بْنِ صَالِحٍ الْهَرَوِيُّ، قَالَ:
১০ - তিনি বলেছেন: আমাদের কবিতা শুনিয়েছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন উমর বিন আহমদ আল-বারমাকি, তিনি বলেছেন: আমাদের কবিতা শুনিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বাখিত, তিনি বলেছেন: আমাদের কবিতা শুনিয়েছেন হিলাল বিন আল-আলা:

কখন তুমি প্রতিটি ক্ষোভের আরোগ্য কামনা করবে ... তবে যা তোমাকে রাগান্বিত করে তার বৃদ্ধিতেই নিমগ্ন থাকো।

যদি কোনো ব্যক্তি বুদ্ধিমান হিসেবে জন্মগতভাবে সৃষ্টি না হয় ... তবে জন্মের প্রাচীনত্ব বুদ্ধিমত্তা দান করে না।

‌১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমির আল-আজাল বদর উদ্দিন, আল্লাহ তাআলা তাকে সাহায্য করুন, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমির আল-আজাল ইমাদ উদ্দিন, আল্লাহ তাআলা তাকে শক্তিশালী করুন, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বরেণ্য বিচারক ইমাম আহমদ বিন আবুল হাসান আল-কুন্নি, আল্লাহ তাআলা তাকে সৌভাগ্যবান করুন, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মনসুর আব্দুর রহিম বিন আল-মুজাফ্ফার বিন আব্দুর রহিম আল-হামদুনি, তার কাছে পাঠ করার মাধ্যমে, আর তিনি এটি বর্ণনা করছেন তার পিতার নিকট থেকে, তিনি বলেছেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন বরেণ্য ইমাম ও পথপ্রদর্শক বিল্লাহ আবু হাসান ইয়াহইয়া বিন আল-মুওয়াফফাক বিল্লাহ আবি আব্দুল্লাহ আল-হাসানি, আল্লাহ তাআলা তাদের উভয়ের ওপর রহমত বর্ষণ করুন, মহররম মাসের ২০ তারিখ বৃহস্পতিবার, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন রাইজাহ, ইস্পাহানে তার কাছে পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম সুলাইমান বিন আহমদ বিন আইয়ুব আত-তাবারানি, তিনি বলেছেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন হাম্বল, তিনি বলেছেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন হাসান বিন কুরআহ, তিনি বলেছেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন হাবিব, তিনি শুবা থেকে, তিনি থুওয়াইর বিন আবি ফাখিতাহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তুফাইল বিন উবাই থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন: "{এবং তিনি তাদের জন্য তাকওয়ার বাণী অপরিহার্য করে দিলেন} [সূরা আল-ফাতহ: ২৬], তিনি বললেন: তা হলো— আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই।"

‌১২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আহমদ বিন আল-হুসাইন আল-জুযদানি আল-মুকরি, ইস্পাহানে তার কাছে আমার পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুসলিম আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন শাহদাল আল-মাদিনি, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন সাঈদ বিন আব্দুর রহমান বিন উকদাহ, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন আল-হাসান বিন সাঈদ আবু আব্দুল্লাহ, তিনি বলেছেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি বলেছেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন হুসাইন বিন মুখারিক আস-সালুলি, তিনি সুফিয়ান আস-সাওরি ও মুহাম্মদ বিন খালিদ থেকে, তারা সালামাহ বিন কুহাইল থেকে, তিনি আবায়া বিন রিবয়ি থেকে বর্ণনা করেছেন: "{এবং তিনি তাদের জন্য তাকওয়ার বাণী অপরিহার্য করে দিলেন} [সূরা আল-ফাতহ: ২৬], তিনি বললেন: তা হলো— আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই।"

‌১৩ - এবং তার সনদে আবু হামজা থেকে, তিনি আলী বিন আল-হুসাইন থেকে, এবং আবু জাফর ও যায়েদ বিন আলী (তাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) থেকে বর্ণনা করেছেন: "{তাকওয়ার বাণী} [সূরা আল-ফাতহ: ২৬], তিনি বললেন: তা হলো— তাওহীদ (আল্লাহর একত্ববাদ)।"

 

‌১৪ - এবং তার সনদে আমাশ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন: "{এবং তিনি তাদের জন্য তাকওয়ার বাণী অপরিহার্য করে দিলেন} [সূরা আল-ফাতহ: ২৬], তিনি বললেন: তা হলো— ইখলাসের বাণী (একনিষ্ঠতার বাণী)।"

 

‌১৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-মুতাহহার বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ আল-আবদি আল-খতিব—শব্দগুলো তার—এবং আবু বকর মুহাম্মদ বিন আলী বিন উসাইব বিন আবান বিন আল-ওয়ালিদ, ইস্পাহানে, তারা উভয়ে বলেছেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আলী আল-গাজ্জাল, তিনি বলেছেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-আগলাব, তিনি বলেছেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন আলী বিন আল-হাসান আল-আনসারি, তিনি বলেছেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আব্দুস সালাম বিন সালিহ আল-হারাউয়ি, তিনি বলেছেন:
(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ১৫)
كُنْتُ مَعَ عَلِيِّ بْنِ مُوسَى الرَّضِيِّ عليهما السلام، وَهُوَ رَاكِبٌ عَلَى بَغْلَةٍ شَهْبَاءَ، ثُمَّ قَالَ أَبُو الصَّلْتِ الْهَرَوِيُّ لَا أَدْرِي أَكَانَتْ بَغْلَةً أَوْ بَغْلًا، فَدَخَلَ نَيْسَابُورَ وَغَدَا فِي طَلَبِهِ عُلَمَاءُ الْبَلَدِ: أَحْمَدُ بْنُ حَرْبٍ، وَيَاسِينُ بْنُ النَّصْرِ، وَيَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَعِدَّةٌ مِنْ أَهْلِ الْعِرَاقِ.

فَتَعَلَّقُوا بِلِجَامِهِ فِي الْمَرْبَعَةِ، فَقَالُوا: بِحَقِّ آبَائِكَ الطَّاهِرِينَ حَدِّثْنَا حَدِيثًا سَمِعْتَهُ مِنْ أَبِيكَ، فقَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي الْعَبْدُ الصَّالِحُ مُوسَى بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي الصَّادِقُ الْمَصْدُوقُ جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي بَاقِرُ عِلْمِ الْأَنْبِيَاءِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي سَيِّدُ الْعَابِدِينَ عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي سَيِّدُ شَبَابِ أَهْلِ الْجَنَّةِ الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي سَيِّدُ الْعَرَبِ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ عليهم السلام، قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وآله وسلم، يَقُولُ: «الْإِيمَانُ مَعْرِفَةٌ بِالْقَلْبِ، وإِقْرَارٌ بِاللِّسَانِ، وَعَمَلٌ بِالْأَرْكَانِ»

 

‌‌16 - وَبِإِسْنَادِهِ، عَنِ الْمُطَهَّرِ خَاصَّةً، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: قَالَ اللَّهُ عز وجل: «لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ حِصْنِي، فَمَنْ دَخَلَهُ أَمِنَ مِنْ عَذَابِي»

قَالَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ: لَوْ قُرِئَ هَذَا الْإِسْنَادُ عَلَى مَجْنُونٍ لَبَرِئَ مِنْ جُنُونِهِ.

 

‌‌17 - أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ الْمُحَسِّنِ بْنِ عَلِيٍّ التَّنُوخِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُفَضَّلِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ هَمَّامِ بْنِ الْمُطَّلِبِ الشَّيْبَانِيُّ الْحَافِظُ الْبَغْدَادِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ حَسَّانٍ الْخَلَفَانِيُّ، فِي جَامِعِ قَوْصٍ بِالصَّعِيدِ الْأَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ الْحَارِثِ الْإِخْمِيمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَلَّامٍ الْأَفْرِيقِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا هَمَّامُ بْنُ يَحْيَى، عَنْ أَبَانِ بْنِ أَبِي عَيَّاشٍ، عَنْ نُفَيْعِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: " لَا تَزَالُ شَهَادَةُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ تَحْجِزُ غَضَبَ اللَّهِ عز وجل عَنِ النَّاسِ مَا لَمْ يُبَالُوا مَا ذَهَبَ مِنْ دُنْيَاهُمْ إِذَا صَلَحَ لَهُمْ دِينُهُمْ، فَإِذَا لَمْ يُبَالُوا مَا ذَهَبَ مِنْ دِينِهِمْ إِذَا صَلَحَتْ لَهُمْ دُنْيَاهُمْ، فَإِذَا قَالُوهَا حِينَئِذٍ قِيلَ: كَذَبْتُمْ، لَسْتُمْ مِنْ أَهْلِهَا "

 

‌‌18 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الْحَرْبِيُّ الزَّاهِدُ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الْقَزْوِينِيِّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ فِي مَسْجِدِ الْحَرْبِيَّةِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الزَّيَّاتِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَيُّوبَ الْمَخْزُومِيُّ، سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وَثَلاثِ مِائَةٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ غَانِمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ عليهم السلام، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: «مَنْ قَالَ فِي كُلِّ يَوْمٍ مِائَةَ مَرَّةٍ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ الْحَقُّ الْمُبِينُ، كَانَ لَهُ أَمَانًا مِنَ الْفَقْرِ، وَأَمِنَ مِنْ وَحْشَةِ الْقَبْرِ، وَاسْتُجْلِبَ لَهُ الْغِنَى واسْتَقْرَعَ بِهِ بَابَ الْجَنَّةِ» .

‌‌19 - قَالَ لَنَا عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ: قَالَ لَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ: قَالَ لَنَا إِبرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَيُّوبَ: قَالَ الْفَضْلُ بْنُ غَانِمٍ: وَاللَّهِ لَوْ خَرَجْتُ فِي هَذَا الْحَدِيثِ إِلَى الْيَمَنِ لَكَانَ قَلِيلًا
আমি আলী ইবনে মুসা আর-রিদা (আলাইহিমাস সালাম)-এর সাথে ছিলাম, তিনি একটি ধূসর বর্ণের খচ্চরের ওপর আরোহী ছিলেন। আবুস সালত আল-হারাওয়ী বলেন, আমি জানি না সেটি মাদী খচ্চর ছিল নাকি নর খচ্চর। এরপর তিনি নিশাপুরে প্রবেশ করলেন এবং শহরের ওলামায়ে কেরাম তাঁর তালাশে বের হলেন: আহমাদ ইবনে হারব, ইয়াসিন ইবনুস নাসর, ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া এবং ইরাকবাসীদের একটি দল।

তাঁরা 'মারবা' নামক স্থানে তাঁর লাগাম আঁকড়ে ধরলেন এবং বললেন: আপনার পবিত্র পূর্বপুরুষদের দোহাই দিয়ে বলছি, আপনি আপনার পিতার নিকট থেকে শুনেছেন এমন একটি হাদিস আমাদের বর্ণনা করুন। তিনি বললেন: আমার পিতা নেককার বান্দা মুসা ইবনে জাফর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমার পিতা সত্যবাদী ও সত্যায়িত জাফর ইবনে মুহাম্মদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমার পিতা নবীদের ইলমের উন্মোচনকারী মুহাম্মদ ইবনে আলী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমার পিতা ইবাদতকারীদের সরদার আলী ইবনুল হুসাইন আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমার পিতা জান্নাতী যুবকদের সরদার হুসাইন ইবনে আলী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমার পিতা আরবদের সরদার আলী ইবনে আবি তালিব (আলাইহিমুস সালাম) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: «ঈমান হলো অন্তর দিয়ে চেনা, মুখে স্বীকার করা এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দিয়ে আমল করা»

 

‌‌১৬ - এবং তাঁর সনদে আল-মুতাহহার থেকে বিশেষভাবে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: মহান আল্লাহ তায়ালা বলেছেন: «'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' আমার দুর্গ, সুতরাং যে এতে প্রবেশ করবে সে আমার আজাব থেকে নিরাপদ থাকবে»

আহমাদ ইবনে হাম্বল বলেন: যদি এই সনদটি কোনো উন্মাদের ওপর পাঠ করা হতো, তবে সে তার উন্মাদনা থেকে আরোগ্য লাভ করত।

 

‌‌১৭ - বিচারক আবুল কাসিম আলী ইবনুল মুহসিন ইবনে আলী আত-তানুখি আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠ করার সময়, তিনি বলেন: হাফেজ বাগদাদী আবুল মুফাদদাল মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাম্মাম ইবনুল মুত্তালিব আশ-শায়বানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনুল ফাদল ইবনে হাসান আল-খালাফানি উচ্চ সাইদের কাউস জামে মসজিদে আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনুল হারিস আল-ইখমিমি আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে সাল্লাম আল-আফরিকি আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাম্মাম ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবান ইবনে আবি আইয়াস থেকে, তিনি নুফাই' ইবনুল হারিস থেকে, তিনি জায়েদ ইবনে আরকাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "ততক্ষণ পর্যন্ত 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'-এর সাক্ষ্য মানুষের ওপর থেকে মহান আল্লাহর ক্রোধকে প্রতিহত করতে থাকে যতক্ষণ না তারা তাদের দ্বীন ঠিক থাকা অবস্থায় দুনিয়ার যা কিছু হারিয়ে যায় তার পরোয়া না করে। কিন্তু যখন তারা তাদের দুনিয়া ঠিক থাকা অবস্থায় দ্বীনের যা কিছু হারিয়ে যায় তার পরোয়া করে না, তখন তারা এই কালিমা বললে তাদের বলা হয়: তোমরা মিথ্যা বলেছ, তোমরা এর যোগ্য নও।"

 

‌‌১৮ - আবুল হাসান আলী ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আল-হারবী আজ-জাহিদ, যিনি ইবনুল কাজভিনি নামে পরিচিত, হারবিয়া মসজিদে তাঁর নিকট আমার পাঠ করার সময় তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনুয যায়্যত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আইয়ুব আল-মাখজুমি ৩০২ হিজরিতে আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-ফাদল ইবনে গানিম আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মালিক ইবনে আনাস আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব (আলাইহিমুস সালাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি প্রতিদিন একশত বার 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহুল হাক্কুল মুবিন' (আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, যিনি সত্য ও সুস্পষ্ট) বলবে, তা তার জন্য দারিদ্র্য থেকে নিরাপত্তা হবে, সে কবরের একাকিত্ব ও আতঙ্ক থেকে নিরাপদ থাকবে, এর মাধ্যমে প্রাচুর্য অর্জিত হবে এবং সে এর মাধ্যমে জান্নাতের দরজায় কড়া নাড়বে»।

‌‌১৯ - আলী ইবনে উমর আমাদের বলেছেন: উমর ইবনে মুহাম্মদ আমাদের বলেছেন: ইব্রাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আইয়ুব আমাদের বলেছেন: ফাদল ইবনে গানিম বলেছেন: আল্লাহর কসম, যদি আমি এই হাদিসের সন্ধানে ইয়েমেন পর্যন্ত সফর করতাম তবে তাও সামান্যই মনে হতো।
(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ১৬)
‌‌20 - أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ هَذَا، قَالَ: أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ الْحَرَّانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ سُخْتِ بْنِ الْخَلِيلِ الْوَاطِسِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ دَهْثَمٍ الْأَسَدِيُّ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: " مَنْ قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ الْحَقُّ الْمُبِينُ مِائَةَ مَرَّةٍ، اسْتُجْلِبَ لَهُ الْغِنَى، وَأَمِنَ مِنَ الْفَقْرِ، وَأَمِنَ مِنْ وَحْشَةِ الْقَبْرِ، وَاسْتَقْرَعَ بِهَا بَابَ الْجَنَّةِ "

 

‌‌21 - أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْمَكْفُوفُ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِأَصْفَهَانَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ حِبَّانَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْكَرِيمِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو زُرْعَةَ يَعْنِي الرَّازِيَّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَكَّامٌ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُمَيْرَةَ، قَالَ: قِيلَ لِلْحَسَنِ: إِنَّ أُنَاسًا يَقُولُونَ: مَنْ قَالَ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ دَخَلَ الْجَنَّةَ، قَالَ: " مَنْ قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ فَأَدَّى حَقَّهَا وَفَرْضَهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ "

‌‌22 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الظَّاهِرِيُّ الْمُعَافِرِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ فِي جَامِعِ الْمَنْصُورِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ شَاهِينَ، إِمْلَاءً مِنْ لَفْظِهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عِيسَى بْنِ السَّكِينِ الْبَلَدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ يَحْيَى الرَّهَاوِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْمَدِينِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا طَلْحَةُ بْنُ خِرَاشٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رضي الله عنه، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم، يَقُولُ: «إِنَّ أَفْضَلَ الذِّكْرِ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَأَفْضَلَ الدُّعَاءِ الْحَمْدُ لِلَّهِ»

 

‌‌23 - أَخْبَرَنَا الشَّرِيفُ عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ الْمَأْمُونِ الْهَاشِمِيُّ، وَابْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْحَرِيرِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الْقُرَشِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَى كُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمْ قَالُوا: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدٍ السُّكَّرِيُّ الْحَرْبِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ الصُّوفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْوَليِدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُوَقَّرِيُّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم، قَالَ: " أُمِرْتُ أَنْ أُقَاتِلَ النَّاسَ حَتَّى يَقُولُوا: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، فَإِذَا قَالُوهَا عَصَمُوا مِنِّي دِمَاءَهُمْ وَأَمْوَالَهُمْ إِلَّا بِحَقِّهَا، وَحِسَابُهُمْ عَلَى اللَّهِ ".

وَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى فِي كِتَابِهِ وَذَكَرَ قَوْمًا اسْتَكْبَرُوا فقَالَ: {إِنَّهُمْ كَانُوا إِذَا قِيلَ لَهُمْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ يَسْتَكْبِرُونَ} [الصافات: 35] ، وقَالَ عز وجل: {إِذْ جَعَلَ
২০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এই আলী ইবনে উমর, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর ইবনে মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-হাররানী, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে সুখত ইবনে আল-খলীল আল-ওয়াতসি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে দাহসাম আল-أسাদী, মালিক ইবনে আনাস থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি একশত বার বলবে: 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহুল হাক্কুল মুবীন' (আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, যিনি চিরসত্য ও সুস্পষ্ট), তার জন্য প্রাচুর্য টেনে আনা হবে, সে দারিদ্র্য থেকে নিরাপদ থাকবে, কবরের একাকীত্ব থেকে নিরাপত্তা পাবে এবং এর মাধ্যমে সে জান্নাতের দরজায় কড়া নাড়বে।"

 

‌ ২১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-মাকফূফ, ইসফাহানে তাঁর কাছে আমার কিরাআতের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে হিব্বান, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল কারীম, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু যুরআ অর্থাৎ আর-রাযী, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে আবি শায়বাহ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন হাক্কাম, হাসান ইবনে উমায়রা থেকে, তিনি বলেন: হাসান (বসরি)-কে বলা হলো: নিশ্চয়ই কিছু লোক বলে, যে ব্যক্তি 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তিনি বললেন: "যে ব্যক্তি 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলবে এবং এর হক ও ফরজসমূহ আদায় করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।"

‌ ২২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আজ-জহিরী আল-মুআফিরী, জামে আল-মানসুরে তাঁর কাছে আমার কিরাআতের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু হাফস উমর ইবনে আহমদ ইবনে উসমান ইবনে শাহীন, তাঁর শব্দ থেকে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে ঈসা ইবনে আস-সাকীন আল-বালাদী, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ ইবনে ইয়াহইয়া আর-রাহাবী, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে ইব্রাহিম আল-মাদীনী, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন তালহা ইবনে খিরাশ, জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: "নিশ্চয়ই সর্বোত্তম যিকির হলো 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' এবং সর্বোত্তম দোয়া হলো 'আলহামদুলিল্লাহ'।"

 

‌ ২৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আশ-শরীফ আব্দুস সামাদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আল-ফাদল ইবনে আল-মামুন আল-হাশেমী, ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে মুহাম্মদ আল-হারীরী এবং মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল মালিক আল-কুরাশী—তাঁদের প্রত্যেকের কাছে আমার কিরাআতের মাধ্যমে, তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আলী ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ আস-সুককারী আল-হারবী, তাঁর কাছে পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আহমদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল জাব্বার আস-সূফী, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন সুওয়াইদ ইবনে সাঈদ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন ওয়ালীদ ইবনে মুহাম্মদ আল-মুওয়াককারী, যুহরী থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আল-মুসায়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "আমি মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য আদিষ্ট হয়েছি যতক্ষণ না তারা বলে: 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'। যখন তারা এটি বলবে, তখন তারা আমার থেকে তাদের রক্ত ও সম্পদ নিরাপদ করে নেবে, তবে এর হক ব্যতীত; আর তাদের হিসাব আল্লাহর জিম্মায়।"

এবং আল্লাহ তাআলা তাঁর কিতাবে অবতীর্ণ করেছেন এবং এমন এক কওমের কথা উল্লেখ করেছেন যারা অহংকার করেছিল, অতঃপর তিনি বলেছেন: {নিশ্চয়ই তাদের যখন বলা হতো 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ', তখন তারা অহংকার করত} [আস-সাফফাত: ৩৫], এবং মহাপরাক্রমশালী ও মহান আল্লাহ বলেছেন: {যখন স্থাপন করেছিল...}
(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ১৭)
الَّذِينَ كَفَرُوا فِي قُلُوبِهِمُ الْحَمِيَّةَ حَمِيَّةَ الْجَاهِلِيَّةِ فَأَنْزَلَ اللَّهُ سَكِينَتَهُ عَلَى رَسُولِهِ وَعَلَى الْمُؤْمِنِينَ وَأَلْزَمَهُمْ كَلِمَةَ التَّقْوَى وَكَانُوا أَحَقَّ بِهَا وَأَهْلَهَا} [الفتح: 26] وَهِيَ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ، اسْتَكْبَرَ عَنْهَا الْمُشْرِكُونَ يَوْمَ الْحُدَيْبِيَةِ، ثُمَّ كَاتَبَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم عَلَى قَضِيَّةِ الْمُدَّةِ

 

‌‌24 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ الْمُقَنَّعِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُوسَى بْنِ عِيسَى الْحَافِظُ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ يُوسُفَ الصَّيْرَفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عِمْرَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنِ الزُّهْرِيِّ مُحَمَّدِ بْنِ مُسْلِمٍ، قَالَ: كُنْتُ عِنْدَ هِشَامِ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ لَعَنَهُمَا اللَّهُ تَعَالَى، فقَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: " {وَلِمَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِ جَنَّتَانِ} [الرحمن: 46] "، قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، وَإِنْ زَنَى وَإِنْ سَرَقَ؟ قَالَ: «وَإِنْ زَنَى وَإِنْ سَرَقَ»

قَالَ الزُّهْرِيُّ: فَقُلْتُ: إِنَّمَا كَانَ هَذَا قَبْلَ أَنْ تَنْزِلَ الْفَرَائِضُ، فَلَمَّا نَزَلَتِ الْفَرَائِضُ ذَهَبَ هَذَا.

 

‌‌25 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ ثَابِتٍ الْحَافِظُ، إِمْلَاءً، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ فَضَالَةَ النَّيْسَابُورِيُّ، بِالرَّيِّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَاذَانَ الرَّازِيُّ، بِنَيْسَابُورَ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا جَعْفَرٍ التُّسْتَرِيَّ، يَقُولُ: حَضَرَنَا أَبَا زُرْعَةَ بِمَاشْهِرِانَ فَكَانَ فِي السُّوقِ وَعِنْدَهُ أَبُو حَاتِمٍ وَمُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمٍ وَالْمُنْذِرُ بْنُ شَاذَانَ وَجَمَاعَةُ الْعُلَمَاءِ، فَذَكَرُوا حَدِيثَ التَّلْقِينِ، وَقَوْلَهُ صلى الله عليه وآله وسلم «لَقِّنُوا مَوْتَاكُمْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ» .

فَاسْتَحْيَوْا مِنْ أَبِي زُرْعَةَ وَهَابُوا أَنْ يُلَقِّنُوهُ فقَالَ: تَعَالَوْا نَذْكُرُ الْحَدِيثَ، فقَالَ مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمٍ: حَدَّثَنَا الضَّحَّاكُ بْنُ مَخْلَدٍ، عَنْ عَبْدِ الْمَجِيدِ بْنِ جَعْفَرٍ، عَنْ صَالِحٍ، وَجَعَلَ يَقُولُ وَلَمْ يُحَاوِرْ.

وَقَالَ أَبُو حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا بُنْدَارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جَعْفَرٍ، عَنْ صَالِحٍ، وَلَمْ يُحَاوِرْ وَالْبَاقُونَ سَكَتُوا، فَقَالَ أَبُو زُرْعَةَ، وَهُوَ فِي السُّوقِ حَدَّثَنَا بُنْدَارٌ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنِ جَعْفَرٍ، عَنْ صَالِحِ بْنِ أَبِي عُرَيْبٍ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ مُرَّةٍ الْحَضْرَمِيِّ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: «مَنْ كَانَ آخِرَ كَلَامِهِ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ دَخَلَ الْجَنَةَ وَتُوُفِّيَ رحمه الله»

 

‌‌26 - أَخْبَرَنَا أَبُو مَنْصُورٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُثْمَانَ الْبَيْدَارُ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ السَّكْسَكِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَى كُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا، قَالَا: أَخْبَرَنَا وَلَفْظُ الْحَدِيثِ لَهُ.

أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ الْقَطِيعِيُّ.

ح قَالَ: وَأَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ رَيْذَةَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِأَصْفَهَانَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا
যারা কুফরি করেছে তারা যখন তাদের অন্তরে হঠকারিতা পোষণ করল—জাহিলিয়াতের হঠকারিতা—তখন আল্লাহ তাঁর রাসুলের ওপর ও মুমিনদের ওপর তাঁর প্রশান্তি নাজিল করলেন এবং তাদের জন্য তাকওয়ার কালিমাকে অপরিহার্য করলেন; আর তারাই ছিল এর অধিক হকদার ও এর উপযুক্ত। [আল-ফাতহ: ২৬]। আর তা হলো ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ’। হুদায়বিয়ার দিন মুশরিকরা এর প্রতি অহংকার প্রদর্শন করেছিল। এরপর আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) নির্দিষ্ট সময়ের চুক্তিতে তাদের সাথে সন্ধি করেছিলেন।

 

‌‌২৪ - আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-মুকান্নিয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর সামনে আমার পঠনকালে—তিনি বলেছেন: আবুল হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুসা ইবনে ঈসা আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেছেন: ইব্রাহিম ইবনে ইউসুফ আস-সাইরাফি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেছেন: ইমরান ইবনে উয়াইনাহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আতা ইবনে সাইব থেকে, তিনি আয-যুহরি মুহাম্মদ ইবনে মুসলিম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি হিশাম ইবনে আব্দুল মালিকের নিকট ছিলাম (আল্লাহ তাদের উভয়কে অভিশাপ দিন), তখন তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "{আর যে ব্যক্তি তার রবের সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করে, তার জন্য রয়েছে দুটি জান্নাত}" [আর-রহমান: ৪৬]। আবু হুরায়রা বললেন: হে আল্লাহর রাসুল! যদিও সে ব্যভিচার করে এবং যদিও সে চুরি করে? তিনি বললেন: "যদিও সে ব্যভিচার করে এবং যদিও সে চুরি করে।"

যুহরি বলেন: আমি বললাম, এটি কেবল ফরজ বিধানসমূহ নাজিল হওয়ার আগের কথা ছিল, যখন ফরজ বিধানসমূহ নাজিল হলো, তখন এটি রহিত হয়ে গেল।

 

‌‌২৫ - হাফিজ আহমদ ইবনে আলী ইবনে সাবিত আমাদের শ্রুতলিপি হিসেবে হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আলী আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ফাদালাহ আন-নাইসাবুরি আমাদের রাই শহরে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে শাযান আর-রাজি আমাদের নাইসাবুরে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু জাফর আত-তুস্তারিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমরা মাশহিরানে আবু যুরআহর নিকট উপস্থিত ছিলাম—তখন তিনি মৃত্যুযন্ত্রণা ভোগ করছিলেন—সেখানে তাঁর নিকট আবু হাতিম, মুহাম্মদ ইবনে মুসলিম, মুনযির ইবনে শাযান এবং একদল আলেম উপস্থিত ছিলেন। তারা তালকিনের (কালিমা স্মরণ করানো) হাদিস এবং নবিজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম)-এর এই বাণী আলোচনা করলেন যে, "তোমরা তোমাদের মুমূর্ষু ব্যক্তিদের 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'-এর তালকিন দাও।"

কিন্তু তাঁরা আবু যুরআহর সামনে লজ্জা পাচ্ছিলেন এবং তাঁকে তালকিন দিতে ভয় পাচ্ছিলেন (তাঁর মর্যাদার কারণে)। তখন তাঁরা বললেন: আসুন আমরা হাদিসটি নিয়ে আলোচনা করি। মুহাম্মদ ইবনে মুসলিম বললেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন দাহহাক ইবনে মাখলাদ আব্দুল মাজিদ ইবনে জাফর থেকে, তিনি সালিহ থেকে... এরপর তিনি বলতে শুরু করলেন কিন্তু পূর্ণ করতে পারলেন না।

আবু হাতিম বললেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন বুন্দার, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু আসিম আব্দুল হামিদ ইবনে জাফর থেকে, তিনি সালিহ থেকে... তিনিও পূর্ণ করতে পারলেন না এবং বাকিরা চুপ থাকলেন। তখন আবু যুরআহ এমতাবস্থায়—যখন তিনি মৃত্যুযন্ত্রণায় ছটফট করছিলেন—বললেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন বুন্দার, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু আসিম, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আব্দুল হামিদ ইবনে জাফর সালিহ ইবনে আবি উরাইব থেকে, তিনি কাসির ইবনে মুররা আল-হাদরামি থেকে, তিনি মুয়ায ইবনে জাবাল থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যার শেষ কথা হবে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।" আর তিনি ইন্তেকাল করলেন, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।

 

‌‌২৬ - আবু মনসুর মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উসমান আল-বাইদার এবং মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে ইসমাইল আস-সাকসাকি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁদের প্রত্যেকের নিকট আমার পঠনকালে—তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—আর হাদিসের শব্দগুলো তাঁর—:

আবু বকর আহমদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান ইবনে মালিক আল-কাতিয়ি।

(হা) তিনি বলেন: আর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে রাইযাহ, আসফাহানে তাঁর নিকট পঠনকালে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন:
(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ১৮)
أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ الطَّبَرَانِيُّ، قَالَا: حَدَّثَنَا أَبُو مُسْلِمٍ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْبَصْرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ يَعْنِي ابْنَ جَعْفَرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي صَالِحٌ بْنُ أَبِي عُرَيْبٍ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ مُرَّةَ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: «مَنْ كَانَ آخِرُ كَلَامِهِ مِنَ الدُّنْيَا لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ دَخَلَ الْجَنَّةَ» .

قَالَ: كَأَنَّمَا حُدِّثْتُ بِهِ، عَنْ أَبِي زَرْعَةَ، وَأَبِي حَاتِمٍ.

وَمَاتَ أَبُو زُرْعَةَ آخِرَ يَوْمٍ مِنْ سَنَةِ أَرْبَعٍ وَسِتِّينَ وَمِائَتَيْنِ، وَدُفِنَ أَوَّلَ يَوْمٍ مِنْ سَنَةِ خَمْسٍ وَسِتِّينَ

‌‌27 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْمُؤَدِّبُ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ حَيَّانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ أَحْمَدَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبَانٍ الْبَلْخِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الصَّنْعَانِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ رُمَّانَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قِيلَ لِوَهْبِ مُنَبِّهٍ " أَلَيْسَ مِفْتَاحُ الْجَنَّةِ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ؟ قَالَ: نَعَمْ، وَلَكِنْ لَيْسَ مِفْتَاحٌ إِلَّا لَهُ أَسْنَانُ، فَمَنْ جَاءَ بِأَسْنَانِهِ فُتِحَ لَهُ وَإِلَّا لَمْ يُفْتَحْ ".

- أَنْشَدَنِي أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ الشَّادْبَاشِيُّ الْمُؤَدِّبُ إِمْلَاءً، قَالَ أَنْشَدَنِي أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ فَارِسِ بْنِ زَكَرِيَّا لِنَفْسِهِ:

إِنْ كَانَ عَفْوُكَ لَا يَرْجُوهُ ذُو شَرَفٍ … فَمَنْ يَجُودُ عَلَى الْعَاصِينَ بِالنِّعَمِ

غَيْرُهُ:

مَا لِي إِلَيْكَ وَسِيلَةٌ إِلَّا الرَّجَا … ظَنِّي ثُمَّ إِنِّي مُسْلِمُ

".

 

‌‌29 - حَدَّثَنَا السَّيِّدُ الْأَجَلُّ الْإِمَامُ الْمُرْشِدُ بِاللَّهِ، رضي الله عنه، يَوْمَ الْخَمِيسِ أَخْبَرَنا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْحُسَيْنِ الْجُوزَدَانِيُّ الْمِزِّيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُسْلِمٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَهُولٍ الْمَدِينِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُقْدَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ سَعِيدٍ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، قَالَ: حَدَّثَنَا حُصَيْنُ بْنُ مُخَارِقٍ السَّلُولِيُّ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنِ الْأَصْبَغِ، عَنْ عَلِيٍّ عليه السلام: " {فَقَدِ اسْتَمْسَكَ بِالْعُرْوَةِ الْوُثْقَى} [البقرة: 256] قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ ".

‌‌30 - وَبِإِسْنَادِهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا حُصَيْنٌ، عَنْ عَبْدِ الصَّمَدِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ مِثْلَهُ.

‌‌31 - وَبِإِسْنَادِهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا حُصَيْنُ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ مِثْلَهُ
আবুল কাসিম সুলাইমান ইবনে আহমাদ ইবনে আইয়ুব আত-তাবারানি, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসলিম ইব্রাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ আল-বসরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আসিম, তিনি আব্দুল হামিদ অর্থাৎ ইবনে জাফর থেকে, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন সালিহ ইবনে আবি উরাইব, তিনি কাসির ইবনে মুররাহ থেকে, তিনি মুয়াজ ইবনে জাবাল থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «দুনিয়াতে যার শেষ কথা হবে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' (আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই), সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।»

তিনি বলেন: মনে হচ্ছে এটি আমার নিকট আবু জুরআহ এবং আবু হাতিম থেকে বর্ণিত হয়েছে।

আর আবু জুরআহ ২৬৪ হিজরি সনের শেষ দিনে ইন্তেকাল করেন এবং ২৬৫ সনের প্রথম দিনে তাঁকে দাফন করা হয়।

‌‌২৭ - মুহাম্মদ ইবনে আলি ইবনে মুহাম্মদ আল-মুয়াদ্দিব আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে হাইয়ান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবান আল-বালখি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক ইবনে আব্দুর রহমান আস-সানআনি, তিনি মুহাম্মদ ইবনে সাইদ ইবনে রুমানাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ওয়াহাব ইবনে মুনাব্বিহকে জিজ্ঞেস করা হলো: "জান্নাতের চাবি কি 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' নয়? তিনি বললেন: হ্যাঁ, কিন্তু প্রতিটি চাবিরই কিছু দাঁত থাকে, সুতরাং যে ব্যক্তি দাঁতসহ চাবি নিয়ে আসবে তার জন্য তা খোলা হবে, অন্যথায় খোলা হবে না।"

- আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনে হাসান আশ-শাদবাশি আল-মুয়াদ্দিব আমাকে শ্রুতলিপি হিসেবে আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল হুসাইন আহমাদ ইবনে ফারিস ইবনে জাকারিয়া তাঁর নিজের রচিত কবিতা আমাকে আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন:

যদি আপনার ক্ষমার আশা কোনো মর্যাদা সম্পন্ন ব্যক্তি না করে... তবে অপরাধীদের ওপর নেয়ামত দিয়ে কে অনুগ্রহ করবে?

অন্যজন বলেছেন:

আপনার নিকট পৌঁছানোর জন্য আশা ছাড়া আমার কোনো মাধ্যম নেই... এটিই আমার ধারণা এবং আমি একজন মুসলিম।

".

 

‌‌২৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন পরম শ্রদ্ধেয় নেতা ইমাম আল-মুরশিদ বিল্লাহ (রাজিয়াল্লাহু আনহু), বৃহস্পতিবারের দিনে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আলি ইবনে আহমাদ ইবনে আল-হুসাইন আল-জুজদানি আল-মিযযি, আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুসলিম আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাহুল আল-মাদিনি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাইদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে উকদাহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে হাসান ইবনে সাইদ আবু আব্দুল্লাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন ইবনে মুখারিক আস-সালুলি, তিনি সাইদ থেকে, তিনি আসবাগ থেকে, তিনি আলি (আলাইহিস সালাম) থেকে বর্ণনা করেন: " {সে এক সুদৃঢ় হাতল ধারণ করল} [সুরা বাকারা: ২৫৬] তিনি বলেন: এটি হলো 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'।"

‌‌৩০ - এবং তাঁর সনদে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন, তিনি আব্দুস সামাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

‌‌৩১ - এবং তাঁর সনদে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন, তিনি লাইস থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ১৯)
‌‌32 - وَبِإِسْنَادِهِ، عَنْ حَنْظَلَةَ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: " كَلِمَةُ الْإِخْلَاصِ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ "

‌‌33 - وَبِإِسْنَادِهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا حُصَيْنٌ، عَنْ أَبِي حَمْزَةَ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ، وَزَيْدِ بْنِ عَلِيٍّ، عليهما السلم " {فَقَدِ اسْتَمْسَكَ بِالْعُرْوَةِ الْوُثْقَى} [البقرة: 256] قَالَ: كَلِمَةُ التَّوْحِيدِ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ ".

 

‌‌34 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ رَيْذَةَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِأَصْفَهَانَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ الطَّبَرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا صَالِحُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ التِّرْمِذِيُّ، قَالَ: حدَثَّنَا سُفْيَانُ بْنُ عَامِرٍ، عَنِ ابْنِ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رضي الله عنهما، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " أُمِرْتُ أَنْ أُقَاتِلَ النَّاسَ حَتَّى يَقُولُوا: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، فَإِذَا قَالُوهَا عَصَمُوا مِنِّي دِمَاءَهُمْ وَأَمْوَالَهُمْ إِلَّا بِحَقِّهَا، وَحِسَابُهُمْ عَلَى اللَّهِ عز وجل "

 

‌‌35 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ غَيْلَانَ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الشَّافِعِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ رَبِّهِ الْحَزَّارُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو النَّظَرِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ الرَّازِيُّ، عَنْ يُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: «أُمِرْتُ أَنْ أُقَاتِلَ النَّاسَ حَتَّى يَقُولُوا لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَيُقِيمُوا الصَّلَاةَ وَيُؤْتُوا الزَّكَاةَ فَإِذَا فَعَلُوا ذَلِكَ عَصَمُوا بِهَا مِنِّي دِمَاءَهُمْ وَأَمْوَالَهُمْ إِلَّا بِحَقِّهَا وَحِسَابُهُمْ عَلَى اللَّهِ عز وجل»

‌‌36 - أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ الْمَكْفُوفُ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ حَيَّانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ أَحْمَدَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ يَزِيدَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سُلَيْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَجْلَانَ، عَنْ سَهْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: «الْإِيمَانُ بِضْعٌ وَسَبْعُونَ بَابًا أَعْلَاهَا شَهَادَةُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَدْنَاهَا إِمَاطَةُ الْأَذَى عَنِ الطَّرِيقِ»

 

‌‌37 - أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَلْحَةَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ غَسَّانَ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ فِي جَامِعِ الْبَصْرَةِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدٍ الْكُوفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَرْوَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، قَالَ: حَدَّثَنَا مَخْلَدُ بْنُ شَدَّادٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ الْعَزْرَمِيُّ، عَنْ زُبَيْدِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ مُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ:
32 - এবং তাঁর সনদে হানজালা থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "ইখলাসের বাণী হলো: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই।"

33 - এবং তাঁর সনদে তিনি বলেন: হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু হামজা থেকে, তিনি আবু জাফর এবং যায়দ ইবনে আলী (তাঁদের উভয়ের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) থেকে বর্ণনা করেন যে, "{সে সুদৃঢ় হাতল ধারণ করল}" [আল-বাকারা: ২৫৬] সম্পর্কে তিনি বলেন: "এটি হলো তাওহীদের বাণী: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই।"

 

34 - আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন রাইজাহ আসফাহানে তাঁর নিকট পাঠ করার সময় আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম সুলাইমান বিন আহমদ বিন আইয়ুব আত-তাবারানী আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সালিহ বিন আব্দুল্লাহ আত-তিরমিযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান বিন আমির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে তাউস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "আমি মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি যতক্ষণ না তারা বলে: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। যখন তারা এটি বলবে, তখন তারা আমার নিকট থেকে তাদের রক্ত ও সম্পদ নিরাপদ করে নেবে, তবে ইসলামের হক ব্যতীত; আর তাদের হিসাব মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর নিকট।"

 

35 - আবু তালিব মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন গায়লান তাঁর নিকট আমার পাঠ করার সময় আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইব্রাহিম আশ-শাফিয়ী আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আলী বিন হাসান বিন আব্দ রাব্বিহ আল-হাফফার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু নাযার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু জাফর আর-রাযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইউনুস বিন উবাইদ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "আমি মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, এবং তারা সালাত কায়েম করে ও যাকাত প্রদান করে। যখন তারা এটি করবে, তখন তারা এর মাধ্যমে আমার নিকট থেকে তাদের রক্ত ও সম্পদ নিরাপদ করে নেবে, তবে ইসলামের হক ব্যতীত; আর তাদের হিসাব মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর নিকট।"

36 - আবু আহমদ মুহাম্মদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ আল-মাকফুফ তাঁর নিকট আমার পাঠ করার সময় আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন হাইয়ান আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: ইসহাক বিন আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাইল বিন ইয়াযীদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া বিন সুলাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন আজলান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সাহল বিন আবু সালিহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন দীনার থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "ঈমানের সত্তরটিরও বেশি শাখা রয়েছে, যার মধ্যে সর্বোচ্চ হলো এই সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং সর্বনিম্ন হলো রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা।"

 

37 - ইব্রাহিম বিন তালহা বিন ইব্রাহিম বিন গাসসান বসরা জামে মসজিদে তাঁর নিকট আমার পাঠ করার সময় আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম আলী বিন মুহাম্মদ বিন উবাইদ আল-কুফী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসহাক বিন মুহাম্মদ বিন মারওয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মাখলাদ বিন শাদ্দাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন উবায়দুল্লাহ আল-আযরামী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি যুবাইদ বিন আল-হারিস থেকে, তিনি মুররাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ২০)
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: «الْإِيمَانُ عُرْيَانٌ وَلِبَاسُهُ التَّقْوَى وَرَأْسُهُ الْحَيَاءُ وَمَالُهُ الْفِقْهُ وَثَمَرَتُهُ الْعِلْمُ»

 

‌‌38 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْعَتِيقِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُظَفَّرِ بْنِ مُوسَى بْنِ عِيسَى الْحَافِظُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ هِلَالٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْأَسْوَدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ عُمَرُ بْنُ حَمْزَةَ الْعَمْرِيُّ، عَنْ أَبِي سَهْلٍ نَافِعِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: " لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ تَمْنَعُ الْعِبَادَ مِنْ سَخَطِ اللَّهِ مَا لَمْ يُؤْثِرُوا صَفْقَةَ دُنْيَاهُمْ عَلَى دِينِهِمْ فَإِذَا آثَرُوا صَفْقَةَ دُنْيَاهُمْ عَلَى دِينِهِمْ قَالُوا: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ رُدَّتْ عَلَيْهِمْ وَقَالَ: اللَّهُ كَذَبْتُمْ "

‌‌39 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ الْوَرَّاقُ الْأَرْجِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ الدَّارَقُطْنِيُّ الْحَافِظُ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِسْحَاقَ الْمَرْوَزِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ رَاشِدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ شُعْبَةَ بْنِ الْحَجَّاجِ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْأَعْرَابِيِّ مُسْلِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " إِذَا قَالَ الْعَبْدُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، قَالَ الرَّبُّ جَلَّ اسْمُهُ: صَدَقَ عَبْدِي "

 

‌‌40 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي عُثْمَانَ الدَّقَّاقُ، إِمْلَاءً فِي مَسْجِدِهِ فِي شَارِعِ ابْنِ أَبِي عَوْفٍ بِبَغْدَادَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَيُّوبَ بْنِ مَاسِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ حَمْدُونَ الْخَرَّازُ الْكُوفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلَاءِ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ سُلَيْمَانَ الرَّازِيُّ، عَنْ بَكْرِ بْنِ شِهَابٍ، قَالَ: وَكَانَ بِخُرَاسَانَ، عَنْ عِمْرَانَ الْمِنْقَرِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: " إِذَا دَخَلَ الْمُسْلِمُ السُّوقَ فقَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ حَيٌّ لَا يَمُوتُ بِيَدِهِ الْخَيْرُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، كَتَبَ اللَّهُ لَهُ بِهَا أَلْفَ أَلْفِ حَسَنَةٍ، وَمَحَا بِهَا عَنْهُ أَلْفَ أَلْفِ سَيِّئَةٍ، وَبُنِيَ لَهُ بَيْتٌ فِي الْجَنَّةِ "

‌‌41 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رُسْتَةَ بْنِ الْمِهْيَارِ الْبَغْدَادِيُّ، نَزِيلُ أَصْفَهَانَ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ الْبَغْدَادِيُّ، إِمْلَاءً بِالْبَصْرَةِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ الصُّوفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ خَالِدٍ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ حُمْرَانَ، عَنْ عُثْمَانَ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم، يَقُولُ: «مَنْ مَاتَ وَهُوَ يَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ دَخَلَ الْجَنَّةَ»
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «ঈমান হলো অনাবৃত, এর পোশাক হলো তাকওয়া, এর মস্তক হলো লজ্জা, এর সম্পদ হলো ফিকহ (ধর্মীয় গভীর প্রজ্ঞা) এবং এর ফল হলো ইলম (জ্ঞান)»

 

‌‌৩৮ - আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-আতিকি আমাদের নিকট (তাঁর সামনে পাঠকালে) সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে আল-মুজাফ্ফর ইবনে মুসা ইবনে ঈসা আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হিলাল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-হুসাইন ইবনে আলী ইবনুল আসওয়াদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু উসামা উমর ইবনে হামজাহ আল-উমরি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু সাহল নাফে ইবনে মালিকের সূত্রে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই) বান্দাদের আল্লাহর ক্রোধ থেকে ততক্ষণ রক্ষা করে, যতক্ষণ তারা তাদের দ্বীনের ওপর দুনিয়াবি লেনদেনকে প্রাধান্য না দেয়। কিন্তু যখন তারা দ্বীনের ওপর দুনিয়াবি লেনদেনকে প্রাধান্য দেয় এবং 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলে, তখন আল্লাহ তা তাদের ওপর ফিরিয়ে দেন এবং বলেন: তোমরা মিথ্যা বলেছ।"

‌‌৩৯ - আব্দুল আজিজ ইবনে আলী ইবনে আহমদ আল-ওয়াররাক আল-আরজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনে উমর ইবনে আহমদ আদ-দারা কুতনি আল-হাফিজ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে ইসহাক আল-মারওয়াযি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবরাহিম ইবনে রাশিদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাঈদ ইবনে শুবা ইবনুল হাজ্জাজ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে আবু ইসহাক থেকে, তিনি আরাবি মুসলিম থেকে, তিনি আবু হুরাইরা থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন: "যখন বান্দা বলে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ', তখন মহান প্রভু বলেন: আমার বান্দা সত্য বলেছে।"

 

‌‌৪০ - আবুল কাসিম আলী ইবনে হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি উসমান আদ-দাক্কাক বাগদাদের ইবনে আবি আউফ সড়কের তাঁর মসজিদে শ্রুতিলিপি প্রদানকালে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে ইবরাহিম ইবনে আইয়ুব ইবনে মাসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে হামদুন আল-খারায আল-কুফি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু কুরাইব মুহাম্মদ ইবনুল আলা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসহাক ইবনে সুলাইমান আর-রাজি বকর ইবনে শিহাব থেকে বর্ণনা করেছেন—যিনি খোরাসানে ছিলেন—তিনি ইমরান আল-মিনকারি থেকে, তিনি আমর ইবনে দিনার থেকে, তিনি সালিম ইবনে আবদুল্লাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যখন কোনো মুসলিম বাজারে প্রবেশ করে বলে: 'আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই, রাজত্ব তাঁরই এবং সকল প্রশংসা তাঁরই, তিনিই জীবন দান করেন ও মৃত্যু দান করেন, তিনি চিরঞ্জীব, কখনও মৃত্যুবরণ করবেন না, তাঁর হাতেই সকল কল্যাণ এবং তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান'; আল্লাহ তার জন্য দশ লক্ষ নেকি লিখে দেন, তার দশ লক্ষ গুনাহ মুছে দেন এবং জান্নাতে তার জন্য একটি ঘর নির্মাণ করেন।"

‌‌৪১ - আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে রুস্তাহ ইবনে আল-মিহয়্যার আল-বাগদাদি (যিনি ইসফাহানে বসবাস করতেন) তাঁর নিকট আমার পাঠকালে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ আল-বাগদাদি বসরায় শ্রুতিলিপি প্রদানকালে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমদ ইবনে হাসান ইবনে আব্দুল জাব্বার আস-সুফি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু খাইসামাহ যুহাইর ইবনে হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাইল ইবনে ইবরাহিম খালিদ থেকে, তিনি ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম থেকে, তিনি হুমরান থেকে এবং তিনি উসমান (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি: «যে ব্যক্তি এমতাবস্থায় মৃত্যুবরণ করল যে সে সাক্ষ্য দিচ্ছে 'আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই', সে জান্নাতে প্রবেশ করবে»
(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ২১)
‌‌42 - أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَلْحَةَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ غَسَّانَ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ فِي الطَّرِيقِ الْكَبِيرِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي الْمُغِيرَةِ الْحَارِكِيُّ، قَالَ: حدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ حَيَّانَ الْمَازِنِيُّ الْبَزَّارُ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، قَالَ: حَدَّثَنَا خَالِدُ الْحَذَّاءُ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ حُمْرَانَ، عَنْ عُثْمَانَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: «مَنْ مَاتَ وَهُوَ يَعْلَمُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ دَخَلَ الْجَنَّةَ»

 

‌‌43 - أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ الْبَرْمَكِيُّ، وَأَبُو مَنْصُورٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ السَّوَّاقِ، بِقِرَاءَتِي عَلَى كُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا، قَالَا: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَيُّوبَ بْنِ مَاسِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْحَاقَ، قَالَ: حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ يَزِيدَ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَلَمَةُ، قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: «مَنْ هَلَّلَ مِائَةً وَكَبَّرَ مِائَةً كَانَتْ خَيْرًا لَهُ مِنْ عَشْرِ رِقَابٍ يَعْتِقُهَا وَمِنْ سَبْعِ بَدَنَاتٍ يَنْحَرُهَا عَنْدَ بَيْتِ اللَّهِ الْحَرَامِ»

‌‌44 - أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْمُؤَدِّبُ الْمَعْرُوفُ بِالْمَكْفُوفِ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِأَصْفَهَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ حَيَّانَ، قَالَ: وَحَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدِ بْنِ الْوَلِيدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلَّامٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ الْمَحْشُوِّ، قَالَ: سَمِعْتُ سُفْيَانَ بْنَ عُيَيْنَةَ، وَقَدْ سَأَلَهُ رَجُلٌ عَنِ الْإِيمَانِ فَقَالَ: «الْإِيمَانُ قَوْلٌ وَعَمَلٌ» ، قَالَ: يَزِيدُ وَيَنْقُصُ؟ قَالَ: «يَزِيدُ مَا شَاءَ اللَّهُ، وَيَنْقُصُ حَتَّى لَا يَبْقَى مِنْهُ مَثْلُ ذَا» ، وَأَشَارَ بِأَطْرَافِ أَصَابِعِهِ، قَالَ: فَكَيْفَ نَصْنَعُ بِقَوْمٍ عِنْدَنَا بِطَرْسُوسَ يَزْعُمُونَ إِنَّمَا هُوَ قَوْلٌ، قَالَ: " كَانَ الْقَوْلُ قَوْلُهُمْ، وَاسْتَوَى قَاعِدًا، قَبْلَ أَنْ تَنْزِلَ أَحْكَامُ الْإِيمَانِ وَشُرُوطُهُ أَنَّ اللَّهَ عز وجل بَعَثَ مُحَمَّدًا صلى الله عليه وآله وسلم إِلَى النَّاسِ كُلُّهُمْ كَافَةً أَنْ يَقُولُوا: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّهُ رَسُولُ اللَّهِ، فَلَمَّا قَالُوهَا حَقَنُوا بِهَا دِمَاءَهُمْ وَأَمْوَالَهُمْ، فَلَمَّا عَلِمَ اللَّهُ صِدْقَ ذَلِكَ مِنْ قُلُوبِهِمْ أَمَرَهُ أَنْ يَأْمُرَهُمْ فَأَمَرَهُمْ بِالصَّلَاةِ فَفَعَلُوا، وَاللَّهِ لَوْ لَمْ يَفْعَلُوا مَا نَفَعَهُمُ الْإِقْرَارُ الْأَوَّلُ، فَلَمَّا عَلِمَ اللَّهُ صِدْقَ ذَلِكَ مِنْ قُلُوبِهِمْ أَمَرَهُ أَنْ يَأْمُرَهُمْ أَنْ يُهَاجِرُوا إِلَى الْمَدِينَةِ غَرْبًا، فَفَعَلُوا، واللَّهِ لَوْ لَمْ يَفْعَلُوا مَا نَفَعَهُمُ الْإِقْرَارُ الْأَوَّلُ وَلَا صَلَاتُهُمْ، فَلَمَّا عَلِمَ اللَّهُ صِدْقَ ذَلِكَ مِنْ قُلُوبِهِمْ أَمَرَهُ أَنْ يَأْمُرَهُ بِالرُّجُوعِ إِلَى مَكَةَ لِيُقَاتِلُوا آبَاءَهُمْ وَأَوْلَادَهُمْ وَإِخْوَانَهُمْ، حَتَّى يَقُولُوا كَقَوْلِهِمْ وَيُصَلُّوا صَلَاتَهُمْ وَيُهَاجِرُوا كَهِجْرَتِهِمْ، فَأَمَرَهُمْ فَفَعَلُوا، حَتَّى أَنَّ أَحَدَهُمْ أَتَى بِرَأْسِ أَبِيهِ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، هَذَا رَأْسُ الشَّيْخِ الْكَافِرِ، وَاللَّهِ لَوْ لَمْ يَفْعَلُوا مَا نَفَعَهُمُ الْإِقْرَارُ الْأَوَّلُ، وَلَا صَلَاتُهُمْ، وَلَا مُهَاجَرَتُهُمْ، فَلَمَّا عَلِمَ صِدْقَ ذَلِكَ مِنْ قُلُوبِهِمْ أَمَرَهُ أَنْ يَأْمُرَهُمْ أَنْ يَطُوفُوا بِالْبَيْتِ تَعَبُّدًا، وَأَنْ يَحْلِقُوا

رُءُوسَهُمْ تذللًا، فَأَمَرَهُمْ فَفَعَلُوا وَاللَّهِ لَوْ لَمْ يَفْعَلُوا لَمَا نَفَعَهُمُ الْإِقْرَارُ الْأَوَّلُ وَلَا صَلَاتُهُمْ وَلَا مُهَاجَرَتُهُمْ وَلَا قَتْلُهُمْ آبَاءَهُمْ، فَلَمَّا عَلِمَ اللَّهُ صِدْقَ ذَلِكَ مِنْ قُلُوبِهِمْ، قَالَ: {خُذْ مِنْ أَمْوَالِهِمْ صَدَقَةً تُطَهِّرُهُمْ وَتُزَكِّيهِمْ بِهَا} [التوبة: 103] ، وَكَانَتْ أَشَدَّ الْخِلَالِ عَلَيْهِمْ فَفَعَلُوا، وَأَتَوْا بِهِ سِرًّا وَعَلَانِيةً، قَلِيلَهَا وَكَثِيرَهَا، فَلَمَّا عَلِمَ اللَّهُ
‌‌ ৪২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইব্রাহিম বিন তালহা বিন ইব্রাহিম বিন গাসসান, বড় রাস্তায় তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস আহমদ বিন আব্দুর রহমান বিন আবু মুগিরা আল-হারিকি, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মদ বিন হাইয়ান আল-মাজেনি আল-বাযযার, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুসাদ্দাদ, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইসমাইল, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন খালিদ আল-হাযযা, ওয়ালিদ বিন মুসলিম থেকে, তিনি হুমরান থেকে, তিনি উসমান (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি এই অবস্থায় মারা যায় যে সে জানে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে»

 

‌‌ ৪৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইব্রাহিম বিন উমর বিন আহমদ আল-বারমাকি এবং আবু মনসুর মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আস-সাওয়াক, তাঁদের প্রত্যেকের নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন ইব্রাহিম বিন আইয়ুব বিন মাসি, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মূসা বিন ইসহাক, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন খালিদ বিন ইয়াযিদ, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সালামাহ, তিনি বলেন: আমি আনাস বিন মালিককে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি একশত বার 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' এবং একশত বার 'আল্লাহু আকবার' বলবে, তা তার জন্য দশটি গোলাম মুক্ত করার এবং আল্লাহর পবিত্র ঘরের নিকট সাতটি উট কুরবানি করার চেয়েও উত্তম হবে»

‌‌ ৪৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমদ মুহাম্মদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ আল-মুয়াদ্দিব, যিনি আল-মাকফুফ নামে পরিচিত, ইসফাহানে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন হাইয়ান, এবং আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন সাঈদ বিন আল-ওয়ালিদ, তাঁরা বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন সাল্লাম, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন আল-মাহশু, তিনি বলেন: আমি সুফিয়ান বিন উয়াইনাহকে বলতে শুনেছি—এমতাবস্থায় যে এক ব্যক্তি তাঁকে ঈমান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিল—তিনি বললেন: «ঈমান হলো কথা ও কাজ»। সে জিজ্ঞাসা করল: তা কি বাড়ে ও কমে? তিনি বললেন: «আল্লাহ যা চান সে অনুযায়ী তা বাড়ে এবং তা কমতে কমতে এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে তার সামান্যতম অংশও অবশিষ্ট থাকে না», এবং তিনি তাঁর আঙুলের অগ্রভাগ দিয়ে ইশারা করলেন। সে বলল: তাহলে তারসুসে আমাদের নিকট এমন একদল লোক আছে যারা দাবি করে ঈমান কেবল মুখের কথা, তাদের ব্যাপারে আমরা কী করব? তিনি বললেন: "তাদের এই কথা (ততক্ষণ পর্যন্ত ঠিক) ছিল—এবং তিনি সোজা হয়ে উঠে বসলেন—ঈমানের বিধান ও শর্তাবলি অবতীর্ণ হওয়ার পূর্বে। আল্লাহ আযযা ওয়া জাল মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম)-কে সকল মানুষের নিকট এই আহ্বান নিয়ে প্রেরণ করেছিলেন যে, তারা যেন বলে: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং তিনি আল্লাহর রাসূল। যখন তারা তা বলল, তখন তারা তাদের রক্ত ও সম্পদ নিরাপদ করে নিল। অতঃপর যখন আল্লাহ তাদের অন্তরের সত্যতা সম্পর্কে জানলেন, তখন তিনি তাঁকে (রাসূলকে) নির্দেশ দিলেন যেন তিনি তাদের আদেশ দেন; ফলে তিনি তাদের সালাতের আদেশ দিলেন এবং তারা তা পালন করল। আল্লাহর কসম! তারা যদি তা না করত তবে তাদের প্রথম স্বীকৃতি তাদের কোনো উপকারে আসত না। অতঃপর যখন আল্লাহ তাদের অন্তরের সত্যতা সম্পর্কে জানলেন, তখন তিনি তাঁকে নির্দেশ দিলেন যেন তিনি তাদের মদিনার দিকে হিজরত করার আদেশ দেন, ফলে তারা তা পালন করল। আল্লাহর কসম! তারা যদি তা না করত তবে তাদের প্রথম স্বীকৃতি এবং তাদের সালাত তাদের কোনো উপকারে আসত না। অতঃপর যখন আল্লাহ তাদের অন্তরের সত্যতা সম্পর্কে জানলেন, তখন তিনি তাঁকে নির্দেশ দিলেন যেন তিনি তাদের মক্কায় ফিরে গিয়ে তাদের পিতা, সন্তান ও ভাইদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার আদেশ দেন, যতক্ষণ না তারাও তাদের মতো কথা বলে, তাদের মতো সালাত আদায় করে এবং তাদের মতো হিজরত করে। তিনি তাদের নির্দেশ দিলেন এবং তারা তা পালন করল, এমনকি তাদের কেউ তার পিতার মাথা নিয়ে এসে বলল: হে আল্লাহর রাসূল! এটি সেই কাফের বৃদ্ধের মাথা। আল্লাহর কসম! তারা যদি তা না করত তবে তাদের প্রথম স্বীকৃতি, তাদের সালাত এবং তাদের হিজরত তাদের কোনো উপকারে আসত না। অতঃপর যখন আল্লাহ তাদের অন্তরের সত্যতা সম্পর্কে জানলেন, তখন তিনি তাঁকে নির্দেশ দিলেন যেন তিনি তাদের ইবাদত হিসেবে আল্লাহর ঘর তাওয়াফ করার এবং বিনয়াবনত হয়ে মাথা মুণ্ডন করার আদেশ দেন। তিনি তাদের নির্দেশ দিলেন এবং তারা তা পালন করল। আল্লাহর কসম! তারা যদি তা না করত তবে তাদের প্রথম স্বীকৃতি, তাদের সালাত, তাদের হিজরত এবং তাদের পিতাদের হত্যা করা তাদের কোনো উপকারে আসত না। অতঃপর যখন আল্লাহ তাদের অন্তরের সত্যতা সম্পর্কে জানলেন, তখন তিনি বললেন: {তাদের সম্পদ থেকে সাদাকা গ্রহণ করো, যার মাধ্যমে তুমি তাদের পবিত্র ও পরিশোধিত করবে} [আত-তাওবাহ: ১০৩], এবং এটি ছিল তাদের জন্য কঠিনতম বিষয়গুলোর একটি, তবুও তারা তা পালন করল এবং তারা গোপনে ও প্রকাশ্যে, অল্প ও অধিক পরিমাণে তা নিয়ে এল। অতঃপর যখন আল্লাহ..."

(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ২২)
الصِّدْقَ مِنْ قُلُوبِهِمْ فِيمَا تَتَابَعَ عَلَيْهِمْ مِنْ شَرَائِعِ الْإِيمَانِ وَضُرُوبِهِ فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ {الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الإِسْلامَ دِينًا} [المائدة: 3] ، فَمَنْ تَرَكَ خَلَّةً مِنْ خِلَالِ الْإِيمَانِ كَانَ عِنْدَنَا كَافرًا، وَمَنْ تَرَكَهَا كَسَلًا أَوْ تَهَاوُنًا أَدَّبْنَاهُ وَكَانَ عِنْدَنَا نَاقِصًا، هَكَذَا السُّنَّةُ يَا بُنَيَّ، فَأَبْلِغْهَا عَنِّي مَنْ لَقِيتَ مِنْ جَمَاعَةِ الْمُسْلِمِينَ.

‌‌45 - حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دُحَيْمٍ الصُّورِيُّ الْحَافِظُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ الْخَصِيبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بنِ مُحَمَّدٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ بَسَّامٍ، قَالَ: أَنْشَدَنَا مَنْصُورُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عُمَرَ الْفَقِيهُ لِنَفْسِهِ «

يَا مَنْ سَيَنأَى عَنْ بَنِيهِ … كَمَا نَأَى عَنْهُ أَبُوهُ

مَثِّلْ بِقَلْبِكَ قَوْلَهُمْ … جَاءَ الْيَقِينُ فَلَقِّنُوهُ

وَتَحَلَّلُوا مِنْ ظُلْمِهِ … قَبْلَ الفِراقِ وَحَلِّلُوهُ

» .

‌‌46 - أَخْبَرَنَا السَّيِّدُ الْإِمَامُ الْمُرْشِدُ بِاللَّهِ، رضي الله عنه، إِمْلَاءً مِنْ لَفْظِهِ يَوْمَ الْخَمِيسِ الْعِشْرِينَ مِنْ جُمَادَى الْأُخْرَى، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ رَيْذَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ الطَّبَرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمَّارٍ الْمَوْصِلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ الْيَمَانِ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْمِنْهَالُ بْنُ خَلِيَفَةَ، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الشَّامِيِّ، عَنْ أَبِي مَلِيكَةَ الذِّمَارِيِّ، عَنْ نِمْرَانَ الْيَحْصَبِيِّ، عَنْ بِلَالٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: " يَا بِلَالُ، نَادِ فِي النَّاسِ مَنْ قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ قَبْلَ مَوْتِهِ بِسَنَةٍ دَخَلَ الْجَنَّةَ، أَوْ شَهْرٍ، أَوْ جُمُعَةٍ، أَوْ يَوْمٍ، أَوْ سَاعَةٍ "، قَالَ: إِذًا يَتَّكِلُوا؟ قَالَ: «وَإِنِ اتَّكَلُوا»

 

‌‌47 - قَالَ السَّيِّدُ: وَأَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ الْجُوزَدَانِيُّ الْمُقْرِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُسْلِمٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ شَهْدَلٍ الْمَدِينِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ عُقْدَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ سَعِيدٍ الْمَدِينِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، قَالَ: حَدَّثَنَا حُصَيْنُ بْنُ مُخَارِقٍ السَّلُولِيُّ، عَنْ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَلِيٍّ عليه السلام: " {إِلا مَنِ اتَّخَذَ عِنْدَ الرَّحْمَنِ عَهْدًا} [مريم: 87] قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ فِي الدُّنْيَا "

 

‌‌48 - وَبِإِسْنَادِهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا حُصَيْنُ، عَنْ عَبْدِ الصَّمَدِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما: " {وَأَسْبَغَ عَلَيْكُمْ نِعَمَهُ} [لقمان: 20] ، قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ "

‌‌49 - وَبِإِسْنَادِهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا حُصَيْنُ، عَنْ مُوسَى بْنِ جَعْفَرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ آبَائِهِ وَأَبِي حَمْزَةَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ عليهم السلام: " {فَقَدِ اسْتَمْسَكَ بِالْعُرْوَةِ الْوُثْقَى} [البقرة: 256] قَالَ: مَوَدَّتُنَا أَهْلَ الْبَيْتِ ".
তাদের অন্তরে ঈমানের বিধানাবলি এবং এর বিভিন্ন শাখার ধারাবাহিক অনুসরণের প্রতি যে সততা রয়েছে (তা তিনি জানেন)। ফলে আল্লাহ তাদের ওপর অবতীর্ণ করলেন: {আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দীনকে পূর্ণ করলাম এবং তোমাদের ওপর আমার নিয়ামত সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দীন হিসেবে মনোনীত করলাম} [আল-মায়েদাহ: ৩]। অতএব, যে ব্যক্তি ঈমানের কোনো একটি বৈশিষ্ট্য অস্বীকার করে বর্জন করবে, সে আমাদের নিকট কাফির বলে গণ্য হবে। আর যে ব্যক্তি অলসতা বা অবহেলার কারণে তা বর্জন করবে, আমরা তাকে শাসন করব এবং সে আমাদের নিকট ত্রুটিপূর্ণ (মুমিন) হিসেবে গণ্য হবে। হে বৎস, এটাই হলো সুন্নাহ। সুতরাং মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে যার সাথেই তোমার দেখা হবে, তার কাছে আমার পক্ষ থেকে এটি পৌঁছে দিও।

‌‌৪৫ - আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আলী বিন আবদুল্লাহ বিন দুহায়ম আস-সুরী আল-হাফিয আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান আল-খাসীব বিন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ তাঁর কাছে পড়ার মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন বাসসাম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মানসুর বিন ইসমাইল বিন উমর আল-ফকীহ নিজের রচিত কবিতা আমাদের আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন: «

হে ঐ ব্যক্তি, যে অচিরেই তার সন্তানদের থেকে দূরে চলে যাবে... যেমনটি তার পিতাও তার থেকে দূরে চলে গিয়েছিলেন।

তোমার অন্তরে তাদের এই কথাটি কল্পনা করো... 'নিশ্চিত বিশ্বাস (মৃত্যু) উপস্থিত হয়েছে, সুতরাং তাকে কালেমা শিক্ষা দাও'।

বিদায়ের পূর্বেই তার পক্ষ থেকে কৃত জুলুমের প্রতিকার করে নাও... এবং তাকে ক্ষমা করে দাও।

» ।

‌‌৪৬ - সাইয়িদ ইমাম আল-মুরশিদ বিল্লাহ (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জুমাদাল উখরা মাসের বিশ তারিখ, বৃহস্পতিবার তাঁর নিজ মুখে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে। তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বিন রাইজাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম সুলাইমান বিন আহমাদ বিন আইয়ুব আত-তাবারানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আলী বিন আব্দুল আজিজ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ বিন আম্মার আল-মাওসিলি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া বিন ইয়ামান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-মিনহাল বিন খলিফা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আশ-শামী থেকে, তিনি আবু মালীকাহ আজ-জিমারি থেকে, তিনি নিমরান আল-ইয়াহসাবি থেকে, তিনি বিলাল থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর এবং তাঁর বংশধরদের ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: "হে বিলাল, মানুষের মধ্যে ঘোষণা করে দাও, যে ব্যক্তি তার মৃত্যুর এক বছর আগে 'আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই' বলবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে; অথবা এক মাস আগে, অথবা এক সপ্তাহ আগে, অথবা একদিন আগে, অথবা এক মুহূর্ত আগে।" তিনি (বিলাল) বললেন: "তাহলে কি তারা এর ওপর নির্ভর করে বসে থাকবে?" তিনি বললেন: "যদিও তারা নির্ভর করে বসে থাকে।"

 

‌‌৪৭ - সাইয়িদ বলেন: এবং আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আলী বিন আহমাদ আল-জাওযাদানি আল-মুকরি তাঁর নিকট আমার পড়ার মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুসলিম আবদুর রহমান বিন মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মাদ বিন শাহদাল আল-মাদিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন সাঈদ বিন উকদাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন হাসান বিন সাঈদ আল-মাদিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: হুসাইন বিন মুখারিক আস-সালুলি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সা’দ থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি হারিস থেকে, তিনি আলী (তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) থেকে বর্ণনা করেন: "{সে ছাড়া যে পরম করুণাময়ের কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করেছে} [মারইয়াম: ৮৭] আয়াতের ব্যাখ্যায় তিনি বলেন: এটি হলো দুনিয়াতে 'আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই' বলা।"

 

‌‌৪৮ - এবং তাঁর সনদেই বর্ণিত, তিনি বলেন: হুসাইন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুস সামাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের ওপর সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেন: "{এবং তিনি তোমাদের ওপর তাঁর নিয়ামতসমূহ পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন} [লুকমান: ২০] আয়াতের ব্যাখ্যায় তিনি বলেন: এটি হলো 'আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই' সাক্ষ্য দেওয়া।"

‌‌৪৯ - এবং তাঁর সনদেই বর্ণিত, তিনি বলেন: হুসাইন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুসা বিন জাফর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর পূর্বপুরুষদের থেকে এবং আবু হামযাহ থেকে, তিনি আলী বিন আল-হুসাইন (তাঁদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) থেকে বর্ণনা করেন: "{সে এক মজবুত হাতল আঁকড়ে ধরল} [আল-বাকারাহ: ২৫৬] আয়াতের ব্যাখ্যায় তিনি বলেন: এটি হলো আমাদের অর্থাৎ আহলে বাইতের প্রতি ভালোবাসা।"
(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ২৩)
‌‌50 - وَبِإِسْنَادِهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا حُصَيْنُ، عَنْ أَبِي الْوَرْدِ، عَنْ أَبِي الْجَارُودِ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ عليه السلام: " {بِالْعُرْوَةِ الْوُثْقَى} [البقرة: 256] مَوَدَّةُ آلِ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وآله وسلم ".

‌‌51 - وَبِإِسْنَادِهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا حُصَيْنُ، عَنْ هَارُونَ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ عَلِيٍّ، عليهما السلام " {بِالْعُرْوَةِ الْوُثْقَى} [البقرة: 256] الْمَوُدَّةُ لِآلِ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وآله وسلم ".

 

‌‌52 - وَبِإِسْنَادِهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا حُصَيْنُ، عَنْ عَبْدِ الصَّمَدِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه، قَالَ: " {بِالْعُرْوَةِ الْوُثْقَى} [البقرة: 256] لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ فِي الدُّنْيَا "

 

‌‌53 - وَبِإِسْنَادِهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا حُصَيْنُ، عَنْ عَبْدِ الصَّمَدِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما، قَالَ: " {وَقَالَ صَوَابًا} [النبأ: 38] قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ فِي الدُّنْيَا "

 

‌‌54 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ بِشْرَانَ الْقُرَشِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُظَفَّرِ بْنِ مُوسَى بْنِ عِيسَى الْحَافِظُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ الْقَاسِمُ بْنُ زَكَرِيَّا الْمُطَرِّزُ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ أَبِي بَكِيرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي بَكِيرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شَرِيكُ، عَنْ أَبِي خَالِدٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُخَيْمَرَةَ، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ: «كُنَّا نَتَعَلَّمُ الْإِيمَانَ قَبْلَ أَنْ نَتَعَلَّمَ الْقُرْآنَ، وَإِنَّكُمْ تَعَلَّمُونَ الْقُرْآنَ قَبْلَ أَنْ تَعَلَّمُوا الْإِيمَانَ»

‌‌55 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ رَيْذَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ الطَّبَرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِدْرِيسُ بْنُ جَعْفَرٍ الْعَطَّارُ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُجَاعُ بْنُ الْوَليِدِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْبَقَّالِ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ ثَوْبَانَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: " مَنْ تَوَضَّأَ فقَالَ: أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، فُتِحَتْ لَهُ الْأَبْوَبُ الثَّمَانِيةُ مِنَ الْجَنَّةِ يَدْخُلُ مِنْ أَيِّهَا شَاءَ "

‌‌56 - أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَلْحَةَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ غَسَّانَ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ فِي جَامِعِ الْبَصْرَةِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ التُّسْتَرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ مُكْرَمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَلْمُ بْنُ جُنَادَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعْدُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ عليهما السلام، قَالَ رَجُلٌ " غَزَوْتُ الرُّومَ فَخَلَوْتُ فِي مَوْضِعٍ مِنْهَا فَرَفَعْتُ صَوْتِي فَقُلْتُ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِي وَيُمِيتُ بِيَدِهِ الْخَيْرُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، فَصَاحَ بِي صَائِحٌ لَا أَرَاهُ فقَالَ: يَا عَبْدَ اللَّهِ، مَا قُلْتَ؟ فَقُلْتُ: الَّذِي سَمِعْتَهُ، قَالَ: فَإِنَّهَا الْكَلِمَةُ الَّتِي قَالَ اللَّهُ عز وجل: {مَنْ جَاءَ بِالْحَسَنَةِ فَلَهُ خَيْرٌ مِنْهَا وَهُمْ مِنْ فَزَعٍ يَوْمَئِذٍ آمِنُونَ} [النمل: 89] ".

‌‌57 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ الْأَرْجِيُّ،
৫০ - এবং তাঁর সনদেই বর্ণিত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হুসাইন বর্ণনা করেছেন আবু আল-ওয়ারদ থেকে, তিনি আবু আল-জারুদ থেকে, তিনি আবু জাফর (আলাইহিস সালাম) থেকে বর্ণনা করেছেন: "{সবচেয়ে মজবুত হাতল} [আল-বাকারা: ২৫৬] হলো মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম)-এর বংশধরদের প্রতি ভালোবাসা।"

৫১ - এবং তাঁর সনদেই বর্ণিত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হুসাইন বর্ণনা করেছেন হারুন ইবনে সাদ থেকে, তিনি যায়েদ ইবনে আলী (আলাইহিমাস সালাম) থেকে বর্ণনা করেছেন: "{সবচেয়ে মজবুত হাতল} [আল-বাকারা: ২৫৬] হলো মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম)-এর বংশধরদের প্রতি ভালোবাসা।"

 

৫২ - এবং তাঁর সনদেই বর্ণিত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হুসাইন বর্ণনা করেছেন আবদুস সামাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "{সবচেয়ে মজবুত হাতল} [আল-বাকারা: ২৫৬] হলো দুনিয়াতে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' (আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই) বলা।"

 

৫৩ - এবং তাঁর সনদেই বর্ণিত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হুসাইন বর্ণনা করেছেন আবদুস সামাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "{এবং সঠিক কথা বলে} [আন-নাবা: ৩৮], তিনি বলেন: (তা হলো) দুনিয়াতে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলা।"

 

৫৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবদুল মালিক ইবনে মুহাম্মদ ইবনে বিশরান আল-কুরাশি, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে আল-মুজাফফর ইবনে মুসা ইবনে ঈসা আল-হাফেজ, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আল-কাসিম ইবনে যাকারিয়া আল-মুতাররিজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আবি বাকির, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আবি বাকির, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শারিক, আবু খালিদ থেকে, তিনি আল-কাসিম ইবনে মুখাইমিরাহ থেকে, তিনি হুজাইফা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "আমরা কুরআন শেখার আগে ঈমান শিখতাম, আর তোমরা ঈমান শেখার আগেই কুরআন শিখছো।"

৫৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে রাইজাহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম সুলায়মান ইবনে আহমদ ইবনে আইয়ুব আত-তাবারানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইদ্রিস ইবনে জাফর আল-আত্তার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শুজা ইবনে আল-ওয়ালিদ, আবু সাইদ আল-বাক্কাল থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি সাওবান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি অজু করে এবং বলে: 'আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল', তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেওয়া হয়, সে যে কোনটি দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করতে পারে।"

৫৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহিম ইবনে তালহা ইবনে ইবরাহিম ইবনে গাসসান, বসরা জামে মসজিদে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আবদুল্লাহ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলায়মান আত-তুস্তারি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে মুকরাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালাম ইবনে জুনাবাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফস ইবনে গিয়াস, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাদ ইবনে সাইদ, আলী ইবনে আল-হুসাইন (আলাইহিমাস সালাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, এক ব্যক্তি বলেন: "আমি রোম অভিযানে গেলাম এবং সেখানে একটি নির্জন স্থানে গিয়ে উচ্চস্বরে বললাম: 'আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই, রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই, তিনি জীবিত করেন ও মৃত্যু দান করেন, তাঁর হাতেই সকল কল্যাণ এবং তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান।' তখন একজন আহ্বানকারী আমাকে ডেকে বললেন—যাকে আমি দেখতে পাচ্ছিলাম না: হে আল্লাহর বান্দা, তুমি কী বললে? আমি বললাম: যা তুমি শুনলে। তিনি বললেন: এটিই সেই বাণী যার সম্পর্কে আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল বলেছেন: {যে ব্যক্তি সৎ কাজ নিয়ে আসবে, সে তার চেয়েও উত্তম প্রতিদান পাবে এবং তারা সেদিনকার আতঙ্ক থেকে নিরাপদ থাকবে} [আন-নামল: ৮৯]।"

৫৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আবদুল আজিজ ইবনে আলী ইবনে আহমদ আল-আর্জি,
(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ২৪)
بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَبِيكٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ عُمَرُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مَالِكٍ الْأُشْنَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ زَكَرِيَّا الْمَرْوَزِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْمَرْوَزِيُّ الْأَعْوَرُ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُوسَى بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ أَبِيهِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَلِيٍّ عليهم السلام، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: «الْكَذِبُ مُجَانِبٌ لِلْإِيمَانِ وَإِنَّ الْعَبْدَ لَيَهْبِطُ إِلَى أَسْفَلَ دَرْكٍ فِي جَهَنَّمَ بِالْكَذِبِ»

 

‌‌58 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدِ الدَّرْمَسْتِينِيُّ الْقَاضِي، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحَرْبِيُّ الصَّيْرَفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ دُلَيْلِ بْنِ بِشْرِ بْنِ سَابِقٍ الْإِسْكَنْدَرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْمُؤْمِنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ رَاشِدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: «ثَلَاثَةٌ لَا يَقْبَلُ اللَّهُ مِنْهُمْ شَهَادَةَ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ مِنْهُمُ الرَّاكِبُ وَالْمَرْكُوبُ، وَالرَّاكِبَةُ وَالْمَرْكُوبَةُ، وَالْإِمَامُ الْجَائِرُ»

 

‌‌59 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْمَكْفُوفُ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِأَصْفَهَانَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ حَيَّانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الطَّبَرِيُّ، وَإِسْحَاقُ بْنُ أَحْمَدَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّد بْنُ أَبَانٍ الْبَلْخِيُّ.

ح قَالَ: وَأَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ.

وَقَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو حَرِيشٍ الْكِلَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ طَرِيفٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الْأَحْمَرُ، عَنِ ابْنِ عَجْلَانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: «الْإِيمَانُ سِتُّونَ أَوْ سَبْعُونَ شُعْبَةً أَعْلَاهَا شَهَادَةُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَأَدْنَاهَا إِمَاطَةُ الْأَذَى عَنِ الطَّرِيقِ، وَالْحَيَاءُ شُعْبَةٌ مِنَ الْإِيمَانِ»

‌‌60 - أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَلْحَةَ، وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ غَسَّانَ، بقراءتي عليه في جامع البصرة، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْفَيْضِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ مُحَمَّدٌ الْبَغَوِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْحَشَّانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا بْنُ نُمَيْرٍ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، قَالَ: بَيْنَا جَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ وَكَانَ مُجَاوِرًا بِمَكَّةَ وَكَانَ نَازِلًا فِي بَنِي فِهْرٍ، فَسَأَلَهُ رَجُلٌ " هَلْ كُنْتُمْ تَدْعُونَ أَحَدًا مِنْ أَهْلِ الْقِبْلَةِ مُشْرِكًا؟ قَالَ: مَعَاذَ اللَّهِ "، وَفَزِعَ لِذَلِكَ، فَقَالَ: " هَلْ كُنْتُمْ تَدْعُونَ كَافِرًا؟ قَالَ: لَا ".

‌‌61 - أَخْبَرَنَا وَمُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْبَيْدَارِ، عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْوَاسِطِيُّ قَالَا: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ الْقَطِيعِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُونُسَ بْنِ مُوسَى الْقُرَشِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْأَصْمَعِيُّ، قَالَ "
আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে সাবিক, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন উমর ইবনে হাসান ইবনে আলি ইবনে মালিক আল-উশনানি, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে জাকারিয়া আল-মারওয়াজি, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন মুসা ইবনে ইবরাহিম আল-মারওয়াজি আল-আওয়ার, তিনি বলেন: আমার কাছে বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে জাফর ইবনে মুহাম্মদ, তাঁর পিতা জাফর ইবনে মুহাম্মদের সূত্রে, তিনি তাঁর পিতা মুহাম্মদ ইবনে আলির সূত্রে, তিনি তাঁর পিতা আলি ইবনে আল-হুসাইনের সূত্রে, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে, তিনি আলি (আলাইহিমুস সালাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "মিথ্যা ঈমানের পরিপন্থী এবং বান্দা মিথ্যার কারণে জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে পতিত হয়।"

 

‌‌৫৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ আদ-দারমস্তিনি আল-কাদি, আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলি ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ আল-হারবি আস-সাইরাফি, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে দুলাইল ইবনে বিশর ইবনে সাবিক আল-ইসকান্দারানি, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আহমদ ইবনে আবদুল মুমিন, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন উমর ইবনে রাশিদ, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ, তাঁর পিতার সূত্রে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "তিন শ্রেণির ব্যক্তির নিকট থেকে আল্লাহ 'আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই' এই সাক্ষ্য কবুল করবেন না: পুরুষ আরোহী ও আরোহণকৃত, নারী আরোহী ও আরোহণকৃতা এবং অত্যাচারী শাসক।"

 

‌‌৫৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আলি ইবনে মুহাম্মদ আল-মাকফুফ, ইসফাহানে আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে হাইয়ান, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন আত-তাবারী এবং ইসহাক ইবনে আহমদ, তাঁরা বলেন: আমাদের জানিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আবান আল-বালখি।

(হ) তিনি বলেন: এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ।

এবং তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু হারিশ আল-কিলানি, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে তারিফ, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু খালিদ আল-আহমার, ইবনে আজলানের সূত্রে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে দিনারের সূত্রে, তিনি আবু সালিহর সূত্রে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "ঈমানের ষাট বা সত্তরটিরও বেশি শাখা রয়েছে; যার মধ্যে সর্বোচ্চ হলো 'আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই' এই সাক্ষ্য দেওয়া এবং সর্বনিম্ন হলো পথ থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা। আর লজ্জা ঈমানের একটি শাখা।"

‌‌৬০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহিম ইবনে তালহা এবং ইবরাহিম ইবনে গাসসান, বসরা জামে মসজিদে তাঁদের নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তাঁরা বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আল-ফায়দ, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবদুল্লাহ মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ি, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-হাশশানি, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন ইবনে নুমাইর, আল-আমাশের সূত্রে, তিনি আবু সুফিয়ানের সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: একদা জাবির ইবনে আবদুল্লাহ মক্কায় অবস্থান করছিলেন এবং তিনি বনু ফিহর গোত্রের নিকট অবস্থানরত ছিলেন। তখন এক ব্যক্তি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, "আপনারা কি কিবলাপন্থীদের কাউকে মুশরিক বলতেন? তিনি বললেন: আল্লাহর পানাহ!" এবং তিনি এতে আতঙ্কিত হলেন। অতঃপর লোকটি বলল: "আপনারা কি কাউকে কাফির বলতেন? তিনি বললেন: না।"

‌‌৬১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-বাইদার এবং আলি ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-ওয়াসিতি, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান ইবনে মালিক আল-কাতিয়ি, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইউনুস ইবনে মুসা আল-কুরাশি, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আল-আসমাঈ, তিনি বলেন "
(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ২৫)
سَمِعْتُ أَعْرَبِيًا يَدْعُو بِمَكَّةَ، فقَالَ: اللَّهُمَّ لَا تَمْنَعْنِي خَيْرَ مَا عِنْدَكَ بِشَرِّ مَا عِنْدِي، وَإِنْ كُنْتَ لَمْ تَقْبَلْ مِنِّي تَعَبِي وَنَصَبِي فَلَا تَحْرِمْنِي أَجْرَ الْمُصَابِ عَلَى مُصِيبَتِهِ ".

‌‌62 - قَالَ: أَنْشَدَنَا أَبُو عَلِيٍّ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيٍّ الْحُسَيْنِيُّ الرَّيْدِيُّ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ حَمْزَةَ الْكُوفِيِّ، لِنَفْسِهِ مِنْ قَصِيدَةٍ:

إِنَّ قَوْمِي لَقَادَةُ النَّاسِ بِالسَّيْفِ … إِلَي مَا أَتَي بِهِ جِبِريلُ

وَالنَّبِيُّ الْهَادِي وَسِبْطَاهُ مِنَّا … وَعَلِيٌّ وَجَعْفَرٌ وَعَقِيلُ

وَالْأُولَى فِي حُجُورِهِمْ وُضِعَ الدِّينُ … وَفِي دُورِهِمْ أَتَى التَّنْزِيلُ

ابْنُ مَنْ لَا يُعْطِي الْقِيَادَ إِذَا قَلْتُ … أَبِي حَيْدَرٍ وَجَدِّي الرَّسُولُ

‌‌63- " أَخْبَرَنَا السَّيِّدُ الْإِمَامُ الْمُرْشِدُ بِاللَّهِ أَبُو الْحَسَنِ، رضي الله عنه، فِي يَوْمِ الْخَمِيسِ السَّادِسِ مِنْ شَهْرِ جُمَادَى الْأُخْرَى، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْعَتِيقِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ نُهْيَةَ الْبَزَّارُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ عليهم السلام، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي.

 

‌‌64 - عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الزَّيَّاتُ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَيْمُونَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ عليهم السلام، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: «اللَّهُمَّ ارْحَمْ خُلَفَائِي» ، ثَلَاثًا، قِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَنْ خُلَفَاؤُكَ؟ قَالَ: «الَّذِينَ يَأْتُونَ مِنْ بَعْدِي فَيَرْوُونَ أَحَادِيثِي وَسُنَّتِي وَيُعَلِّمُونَهَا النَّاسَ مِنْ بَعْدِي»

 

‌‌65 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ رَيْذَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ الطَّبَرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَضْرَمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَضْرَمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ نَجِيحٍ، قَالَ السَّيِّدُ الْإِمَامُ: وَأَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ الطَّبَرَانِيُّ، قَالَ: وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنِ صَدَقَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا بِسْطَامُ بْنُ الْفَضْلِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ نَجِيحٍ، عَنْ أَبِي عِمْرَانَ الْجَوْنِيِّ، عَنْ جُنْدُبِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: «كُنَّا مَعَ نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وآله وسلم فِتْيَانًا حَزَاوِرَةً فَيُعَلِّمُنَا الْإِيمَانَ قَبْلَ أَنْ نَتَعَلَّمَ الْقُرْآنَ، ثُمَّ يُعَلِّمُنَا الْقُرْآنَ فَنَزْدَادُ بِهِ إِيمَانًا، وَأَنْتُمُ الْيَوْمَ تَعَلَّمُونَ الْقُرْآنَ قَبْلَ الْإِيمَانِ»
আমি মক্কায় এক মরুবাসীকে দুআ করতে শুনেছি, সে বলছিল: হে আল্লাহ, আমার নিকট থাকা মন্দের কারণে আপনার নিকট থাকা কল্যাণ থেকে আমাকে বঞ্চিত করবেন না। আর যদি আপনি আমার পক্ষ থেকে আমার ক্লান্তি ও কষ্ট কবুল না করে থাকেন, তবে বিপদে পতিত ব্যক্তিকে তার বিপদের কারণে যে প্রতিদান দেওয়া হয়, তা থেকে আমাকে বঞ্চিত করবেন না।

‌‌৬২ - তিনি বলেন: আবু আলী ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আলী আল-হুসাইনি আল-রাইদি, যিনি ইবনে হামজাহ আল-কুফি নামে পরিচিত, তিনি আমাদের নিকট নিজের একটি কাসিদা থেকে আবৃত্তি করেছেন:

নিশ্চয়ই আমার কওম তরবারির মাধ্যমে মানুষের নেতৃত্ব দানকারী … জিবরীল যা নিয়ে এসেছেন তার অভিমুখে।

হেদায়েতকারী নবী এবং তাঁর দুই নাতি আমাদের অন্তর্ভুক্ত … এবং আলী, জাফর ও আকীল।

এবং তাঁরাই যাঁদের কোলে দ্বীন স্থাপিত হয়েছে … এবং যাঁদের গৃহে ওহী অবতীর্ণ হয়েছে।

আমি তাঁরই পুত্র যিনি বশ্যতা স্বীকার করেন না যখন আমি বলি … আমার পিতা হায়দার এবং আমার পিতামহ হলেন রাসূল।

‌‌৬৩- সাইয়্যেদ ইমাম আল-মুরশিদ বিল্লাহ আবু হাসান (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন) জুমাদাল উখরা মাসের ষষ্ঠ দিন বৃহস্পতিবার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবুল হাসান আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-আতিকি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে আহমদ ইবনে নুহয়াহ আল-বাযযার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে হাসান ইবনে হাসান ইবনে আলী ইবনে আবি তালিব (তাঁদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌৬৪ - আবদুল্লাহ ইবনে উমর আয-যাইয়াত বলেন: ইবরাহিম ইবনে মায়মুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: ঈসা ইবনে আবদুল্লাহ তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব (তাঁদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও তাঁর এবং তাঁর বংশধরদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) বলেছেন: «হে আল্লাহ, আমার খলিফাদের ওপর দয়া করুন», তিনি এটি তিনবার বললেন। জিজ্ঞেস করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল, আপনার খলিফা কারা? তিনি বললেন: «যারা আমার পরে আসবে এবং আমার হাদিস ও সুন্নাহ বর্ণনা করবে এবং আমার পরে মানুষকে তা শিক্ষা দেবে»

 

‌‌৬৫ - আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে রাইজাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবুল কাসিম সুলাইমান ইবনে আহমদ ইবনে আইয়ুব আত-তাবারানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-হাদরামি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে নুমাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: ওয়াকি হাম্মাদ ইবনে নাজীহ থেকে বর্ণনা করেছেন। সাইয়্যেদ ইমাম বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: সুলাইমান আত-তাবারানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু বকর ইবনে সাদাকাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: বিসতাম ইবনে ফাযল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবু আমির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: হাম্মাদ ইবনে নাজীহ আবু ইমরান আল-জাওনি থেকে, তিনি জুনদুব ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: «আমরা আমাদের নবী মুহাম্মদ (আল্লাহর সালাত ও তাঁর এবং তাঁর বংশধরদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক)-এর সাথে টগবগে যুবক অবস্থায় ছিলাম। তিনি আমাদের কুরআন শেখার আগে ঈমান শেখাতেন, তারপর তিনি আমাদের কুরআন শেখাতেন ফলে তার মাধ্যমে আমাদের ঈমান বৃদ্ধি পেত। আর তোমরা আজ ঈমান শেখার আগেই কুরআন শিখছ»
(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ২৬)
‌‌66 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَيْذَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ الطَّبَرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ نَايِلَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدَةُ بْنُ عُبَيْدَةُ التَّمَّارُ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ الْحَضْرَمِيِّ، عَنْ أَبِي السَّوَّارِ، عَنْ جُنْدُبِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: «مَنْ صَلَّى صَلَاتَنَا، وَاستَقْبَلَ قِبْلَتَنَا، وَأَكَلَ ذَبِيحَتَنَا، فَذَاكَ الْمُسْلِمُ لَهُ ذِمَّةُ اللَّهِ وَذِمَّةُ رَسُولِهِ»

 

‌‌67 - أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ حَيَّانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ زِيَادِ بْنِ أَنْعَمَ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحَنْبَلِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم كَانَ يَقُولُ: «يُؤْتَى بِرَجُلٍ يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِلَى الْمِيزَانِ ثُمَّ يُؤْتَى بِتِسْعَةٍ وَتِسْعِينَ سِجِلًّا كُلُّ وَاحِدٍ مِنْهَا مَدُّ الْبَصَرِ، فِيهَا خَطَايَاهُ وَذُنُوبُهُ فَتُوضَعُ فِي كِفَّةِ الْمِيزَانِ، ثُمَّ يُخْرَجُ لَهُ قِرْطَاسٌ مِثْلُ أَنْمُلَةِ الْأُصْبَعِ فِيهَا شَهَادَةُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ، فَتُوضَعُ فِي كِفَّةِ الْمِيزَانِ الْأُخْرَى فَتَرْجِحُ بِخَطَايَاهُ وَذُنُوبِهِ»

‌‌68 - أَخْبَرَتْنَا أُمُّ الْفَضْلِ سُتَيْتَةُ بِنْتُ الْقَاضِي أَبِي الْقَاسِمِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَبِيكٍ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهَا، قَالَتْ: أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو الْقَاسِمِ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَبِيكٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ حَبِيبٍ الْعَطَّارُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ بَكْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ خَبَّابٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ يَزِيدَ الْمَكِّيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي الْوَلِيدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُغِيثٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه فِي قَوْلِهِ: {فَخَلَفَ مِنْ بَعْدِهِمْ خَلْفٌ وَرِثُوا الْكِتَابَ يَأْخُذُونَ عَرَضَ هَذَا الأَدْنَى وَيَقُولُونَ سَيُغْفَرُ لَنَا} [الأعراف: 169] ، قَالَ: " إِنَّ قَوْمًا يُقَاتِلُونَ عَلَى الدُّنْيَا وَيَتَّبِعُونَ رُخَصَ الْقُرْآنِ وَيَقُولُونَ: سَيُغْفَرُ لَنَا فَلَا يَعْتَرِضُ لَهُمْ شَيْءٌ مِنَ الدُّنْيَا إِلَّا أَخَذُوهُ وَيَقُولُونَ: سَيُغْفَرُ لَنَا "

 

‌‌69 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْمُقَنَّعِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُظَفَّرِ بْنِ مُوسَى بْنِ عِيسَى الْحَافِظُ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلَامِ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْمَلِيحِ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: سَأَلَنِي هِشَامُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ، قَالَ: أَبَلَغَكَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم، قَالَ: " مَنْ قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ دَخَلَ الْجَنَّةَ "؟ قُلْتُ: نَعَمْ، وَكَانَ ذَلِكَ قَبْلَ أَنْ تَنْزِلَ الْفَرَائِضُ فَاللَّهُ أَحَقُّ أَنْ يُعْمَلَ بِفَرَائِضِهِ

‌‌70- أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْمَكْفُوفُ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ:
‌‌৬৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে রাইযাহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম সুলায়মান ইবনে আহমাদ ইবনে আইয়ুব আত-তাবারানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে নায়িলাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদাহ ইবনে উবাইদাহ আত-তাম্মার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুতামির ইবনে সুলায়মান, তাঁর পিতা থেকে, তিনি আল-হাদরামি থেকে, তিনি আবু আস-সাওয়ার থেকে, তিনি জুনদুব ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন: «যে ব্যক্তি আমাদের মতো সালাত আদায় করে, আমাদের কিবলার দিকে মুখ করে এবং আমাদের জবেহকৃত পশুর গোশত খায়, সে-ই মুসলিম যার জন্য আল্লাহর জিম্মাদারি ও তাঁর রাসুলের জিম্মাদারি রয়েছে।»

 

‌‌৬৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ মুহাম্মাদ ইবনে আলি ইবনে মুহাম্মাদ, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে জা’ফর ইবনে হাইয়ান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-হাসান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে সাইদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান ইবনে যিয়াদ ইবনে আন’আম, তিনি আবু আব্দুর রহমান আল-হানবালি থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন: «কিয়ামতের দিন এক ব্যক্তিকে মিজানের (পাল্লার) নিকট আনা হবে, এরপর তার জন্য নিরানব্বইটি দপ্তর (আমলনামা) আনা হবে যার প্রতিটি দৃষ্টির সীমানা পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। তাতে তার ভুলত্রুটি ও গুনাহসমূহ লিপিবদ্ধ থাকবে এবং তা মিজানের এক পাল্লায় রাখা হবে। এরপর তার জন্য একটি আঙুলের ডগার মতো ছোট এক টুকরো কাগজ বের করা হবে যাতে সাক্ষ্য থাকবে যে—আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসুল। এটি মিজানের অপর পাল্লায় রাখা হবে এবং তা তার ভুলত্রুটি ও গুনাহের পাল্লার চেয়ে ভারী হয়ে যাবে।»

‌‌৬৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উম্মুল ফজল সুতাইতাহ বিনতে আল-কাদি আবু আল-কাসিম আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে উসমান ইবনে ইব্রাহিম ইবনে সাবিক, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাদি আবু আল-কাসিম উমর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে সাবিক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে হাবিব আল-আত্তার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে বকর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যায়েদ ইবনে খাব্বাব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে ইয়াযিদ আল-মাক্কি, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আল-ওয়ালিদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি মুগিস, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে বর্ণনা করেন: {অতঃপর তাদের পরে এমন এক অপদার্থ উত্তরসূরি তাদের স্থলাভিষিক্ত হলো যারা কিতাবের উত্তরাধিকারী হলো; তারা এই তুচ্ছ দুনিয়ার ধন-সম্পদ গ্রহণ করে এবং বলে: "আমাদের ক্ষমা করে দেওয়া হবে"} [সূরা আল-আ’রাফ: ১৬৯]। তিনি বলেন: "তারা এমন এক সম্প্রদায় যারা দুনিয়ার স্বার্থে লড়াই করে এবং কুরআনের সহজ সুযোগ-সুবিধাগুলোর (রুখসাত) অনুসরণ করে আর বলে: 'আমাদের ক্ষমা করে দেওয়া হবে'। দুনিয়ার যা কিছু তাদের সামনে আসত তারা তা গ্রহণ করে নিত এবং বলত: 'আমাদের ক্ষমা করে দেওয়া হবে'।"

 

‌‌৬৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান ইবনে আলি ইবনে মুহাম্মাদ আল-মুকান্নিয়ি, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-হাসান মুহাম্মাদ ইবনুল মুজাফ্ফার ইবনে মুসা ইবনে ঈসা আল-হাফিজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সুলায়মান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুস সালাম ইবনে আব্দুল হামিদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল মালিহ, তিনি আয-জুহরি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: হিশাম ইবনে আব্দুল মালিক আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তিনি বললেন: "আপনার কাছে কি সংবাদ পৌঁছেছে যে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: 'যে ব্যক্তি বলবে—আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে'?" আমি বললাম: "হ্যাঁ, আর এটি ছিল ফরজ বিধানসমূহ নাজিল হওয়ার আগের কথা; সুতরাং আল্লাহ অধিক হকদার যে তাঁর ফরজ বিধানসমূহ পালন করা হবে।"

‌‌৭০- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে আলি ইবনে মুহাম্মাদ আল-মাকফুফ, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ২৭)
أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ حَيَّانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ أَحْمَدَ الْفَارِسِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو عَبْدِ الرَّحِيمِ الْجُرْجَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه فِي قَوْلِهِ تَعَالَى: " {لِيَزْدَادُوا إِيمَانًا مَعَ إِيمَانِهِمْ} [الفتح: 4] ، قَالَ: بَعَثَ اللَّهُ نَبِيَّهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ بِشَهَادَةِ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، فَلَمَّا صَدَّقَ بِهِ الْمُؤْمِنُونَ زَادَهُمُ الصَّلَاةَ، فَلَمَّا صَدَّقُوا بِهِ زَادَهُمُ الزَّكَاةَ، فَلَمَّا صَدَّقُوا بِهِ زَادَهُمُ الْحَجَّ، فَلَمَّا صَدَّقُوا بِهِ زَادَهُمُ الْجِهَادَ، ثُمَّ أَكْمَلَ لَهُمْ دِينَهُمْ.

فَقَالَ: {الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ} [المائدة: 3]

 

‌‌71 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَيْذَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ الطَّبَرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو زُرْعَةَ الدِّمَشْقِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَيْوَةُ بْنُ شُرَيْحٍ، قَالَ: وَأَخْبَرَنَا ابْنُ رَيْذَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الطَّبَرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عِيسَى بْنِ الْمُنْذِرِ الْحِمْصِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، قَالَا: حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ، عَنْ بُحَيْرِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو رَهْمٍ، أَنَّ أَبَا أَيُّوبَ، حَدَّثَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم، قَالَ: «مَا أَحَدٌ لَا يُشْرِكُ بِاللَّهِ شَيْئًا، وَيُقِيمُ الصَّلَاةَ، وَيُؤْتِي الزَّكَاةَ، وَيَصُومُ رَمَضَانَ، وَيَجْتَنِبُ الْكَبَائِرَ إِلَّا وَجَبَتْ لَهُ الْجَنَّةَ» ، وَسَأَلُوهُ مَا الْكَبَائِرُ؟ فَقَالَ: «الشِّرْكُ بِاللَّهِ، وَقَتْلُ النَّفْسِ الْمُسْلِمَةِ، وَفِرَارٌ يَوْمَ الزَّحْفِ»

‌‌72 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ رَيْذَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ الطَّبَرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْعَلَاءِ بْنِ زُرَيْقٍ الْحِمْصِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ ضَمْضَمَ بْنِ زُرْعَةَ، عَنْ شُرَيْحِ بْنِ عُبَيْدٍ، قَالَ: كَانَ أَبُو رَهْمٍ يُحَدِّثُ، أَنَّ أَبَا أَيُّوبَ، حَدَّثَهُ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم كَانَ يَقُولُ: «مَنْ جَاءَ اللَّهَ يَعْبُدُهُ وَلَا يُشْرِكُ بِهِ شَيْئًا، وَأَقَامَ الصَّلَاةَ، وَآتَى الزَّكَاةَ، وَصَامَ رَمَضَانَ، وَاجْتَنَبَ الْكَبَائِرَ فَإِنَّ لَهُ الْجَنَّةَ» ، فَسَأَلُوهُ مَا الْكَبَائِرُ؟ فَقَالَ: «الْإِشْرَاكُ بِاللَّهِ، وَقَتْلُ النَّفْسِ الْمُسْلِمَةِ، وَفِرَارٌ يَوْمَ الزَّحْفِ»

 

‌‌73 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْمُؤَدِّبُ الْمَكْفُوفُ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَا: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ حَيَّانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ حُمَيْدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَكَّامٌ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ، قَالَ: كَانَ الْحَسَنُ، يَقُولُ: «يَزْعُمُ أُنَاسٌ أَنَّ الْإِيمَانَ لَا يَتَفَاضَلُ، بَلَى وَاللَّهِ إِنَّهُ لَيَتَفَاضَلُ أَبَعْدَ مَا بَيْنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ»

 

‌‌74 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِمْنَةَ بْنِ الْمِهْيَارِ الْبَغْدَادِيُّ، نَزِيلُ أَصْفَهَانَ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحُظُوظِ إِمْلَاءً، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو خَلِيفَةَ الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ ابْنِ زُفَرَ، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ: " الْإِسْلَامُ ثَمَانِيَةُ
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে জাফর ইবনে হাইয়ান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে আহমাদ আল-ফারিসী, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুর রাহীম আল-জুরজানী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে সালিহ, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মুয়াবিয়া ইবনে সালিহ, আলী ইবনে আবি তালহা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মহান আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে বর্ণনা করেন: "{যাতে তারা তাদের ঈমানের সাথে ঈমান বৃদ্ধি করে নেয়} [আল-ফাতহ: ৪]", তিনি বলেন: আল্লাহ তাঁর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লামকে এই সাক্ষ্য দিয়ে পাঠিয়েছেন যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। যখন মুমিনগণ একে সত্য বলে গ্রহণ করল, তখন তিনি তাদের জন্য সালাত বৃদ্ধি করলেন। যখন তারা একে সত্য বলে গ্রহণ করল, তখন তিনি তাদের জন্য জাকাত বৃদ্ধি করলেন। যখন তারা একে সত্য বলে গ্রহণ করল, তখন তিনি তাদের জন্য হজ বৃদ্ধি করলেন। যখন তারা একে সত্য বলে গ্রহণ করল, তখন তিনি তাদের জন্য জিহাদ বৃদ্ধি করলেন। অতঃপর তিনি তাদের জন্য তাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করলেন।

অতঃপর তিনি বললেন: {আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করলাম} [আল-মায়েদাহ: ৩]

 

‌‌৭১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে রাইদাহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম সুলাইমান ইবনে আহমাদ ইবনে আইয়ুব আত-তাবারানী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জুরআহ আদ-দিমাশকী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাইওয়াহ ইবনে শুরাইহ। (দ্বিতীয় সূত্রে) ইবনে রাইদাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আত-তাবারানী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে ঈসা ইবনে আল-মুনজির আল-হিমসী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তারা উভয়ই বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাকিয়্যাহ, বুহাইর ইবনে সাদ থেকে, তিনি খালিদ ইবনে মাদান থেকে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু রাহম, যে আবু আইয়ুব রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «এমন কেউ নেই যে আল্লাহর সাথে কোনো কিছুকে শরিক করে না, সালাত কায়েম করে, জাকাত প্রদান করে, রমজানের রোজা রাখে এবং কবিরা গুনাহসমূহ থেকে বেঁচে থাকে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়।» তারা তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, কবিরা গুনাহসমূহ কী কী? তিনি বললেন: «আল্লাহর সাথে শিরক করা, কোনো মুসলিম প্রাণ হত্যা করা এবং যুদ্ধের ময়দান থেকে পলায়ন করা।»

‌‌৭২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে রাইদাহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম সুলাইমান ইবনে আহমাদ ইবনে আইয়ুব আত-তাবারানী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আল-আলা ইবনে জুরাইক আল-হিমসী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল ইবনে আব্বাস, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, দমদম ইবনে জুরআহ থেকে, তিনি শুরাইহ ইবনে উবাইদ থেকে, তিনি বলেন: আবু রাহম বর্ণনা করতেন যে, আবু আইয়ুব রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম বলতেন: «যে ব্যক্তি আল্লাহর ইবাদত করা অবস্থায় তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করবে এবং তাঁর সাথে কোনো কিছুকে শরিক করবে না, সালাত কায়েম করবে, জাকাত প্রদান করবে, রমজানের রোজা রাখবে এবং কবিরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকবে, তবে তার জন্য জান্নাত রয়েছে।» অতঃপর তারা তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, কবিরা গুনাহসমূহ কী কী? তিনি বললেন: «আল্লাহর সাথে শিরক করা, কোনো মুসলিম প্রাণ হত্যা করা এবং যুদ্ধের ময়দান থেকে পলায়ন করা।»

 

‌‌৭৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মাদ আল-মুয়াদ্দিব আল-মাকফুফ, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তারা উভয়ই বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে জাফর ইবনে হাইয়ান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবনে মুহাম্মাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনুল হুমাইদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাক্কাম, আবু জাফর থেকে, তিনি বলেন: হাসান বলতেন: «কিছু লোক ধারণা করে যে ঈমান কম-বেশি হয় না; অবশ্যই, আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই তা কম-বেশি হয়, এমনকি আসমান ও জমিনের মধ্যবর্তী দূরত্বের চেয়েও বেশি।»

 

‌‌৭৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে দিমনা ইবনে আল-মিহয়্যার আল-বাগদাদী, আসফাহানের অধিবাসী, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলী আব্দুল্লাহ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আল-হুজুজ শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু খালিফা আল-ফাদল ইবনে আল-হুবাব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে কাসীর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শুবা, আবু ইসহাক থেকে, তিনি ইবনে জুফার থেকে, তিনি হুজাইফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "ইসলাম আটটি অংশে বিভক্ত...
(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ২৮)
أَسْهُمٍ: سَهْمُ الْإِسْلَامِ، وَسَهْمُ الصَّلَاةِ، وَسَهْمُ الزَّكَاةِ، وَسَهْمُ الْجِهَادِ، وَسَهْمُ الْحَجِّ، وَسَهْمُ شَهْرِ رَمَضَانَ، وَسَهْمُ الْأَمْرِ بِالْمَعْرُوفِ، وَسَهْمُ النَّهْيِ عَنِ الْمُنْكَرِ، وَقَدْ خَابَ مَنْ لَا سَهْمَ لَهُ "

‌‌75 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْعَتِيقِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُطَّلِبِ، بِالْكُوفَةِ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَاعِدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عِيسَى بْنِ مَاسَرْجَسَ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الْمُبَارَكِ، وَقَدْ قِيلَ لَهُ " يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ، إِنَّكَ تُكْثِرُ الْقُعُودَ فِي الْبَيْتِ وَحْدَكَ، فَقَالَ: لَيْسَ أَنَا وَحْدِي، أَنَا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وآله وسلم وَأَصْحَابِهِ بَيْنَهُمْ يَعْنِي النَّظَرَ فِي الْكُتُبِ ".

‌‌76 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي حَدَّارٍ الصَّوَّافُ بِمِصْرَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ الْخَلَّالُ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ الْكَشِّيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ حُمَيْدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا دَاوُدَ، يَقُولُ: «لَوْلَا هَذِهِ الْعِصَابَةُ لَا نَدْرُسُ الْإِسْلَامَ» .

يَعْنِي أَصْحَابَ الْحَدِيثِ الَّذِينَ يَكْتُبُونَ الْآثَارَ.

‌‌77 - وَبِهِ: أَنْشَدُونَا لِلْعَمِيدِ أَبِي سَهْلٍ الْحَمْدُونِيِّ وَقَدْ شَاهَدْتُهُ وَمَا سَعِمْتُ مَنْهُ: «

لَا ذُخْرَ لِي عِندَ الْجَمِيعِ … مِنَ الْحَوَاضِرِ وَالْبَوَادِي

إِلَّا شَهَادَةُ وَاثِقٍ … بِاللَّهِ عَنْ صَفْوِ اعْتِقَادِ

وَمُشَفَّعٌ عِنْدَ السُّؤَالِ … بِعَفْوِ أُمَّتِهِ يُنَادِي

» .

‌‌78 - حَدَّثَنَا السَّيِّدُ الْإِمَامُ الْمُرْشِدُ بِاللَّهِ، رضي الله عنه، قَالَ: أَنْشَدَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ بْنُ الْمُظَفَّرِ بْنِ تَحْرِيزَ لِنَفْسِهِ «

مَا الْعَزْمُ إِلَّا نَشْطَةٌ هَكَذَا … إِمَّا إِلَى الْغَيِّ وَإِمَّا الرَّشَادْ

وَالْمَرْءُ مَرْهُونٌ عَلَى نَهْضَةٍ … يُقْعِدُهُ فِي نطعٍ أَوْ وِسَادْ

مَا الْبَلَدُ الْفَاسِدُ لِي مَوْطِنًا … لَا هُمْ أَنْ يَصْلُحَ بَعْدَ الْفَسَادْ

وَصَاحِبٌ نَبَّهَنِي غَالِطًا … وَالْفَجْرُ لَمْ يَبْدُ وَلَا قِيلَ كَادْ

وَجِلْدَةُ اللَّيْلِ عَلَى صِبْغِهَا … يُمَاطِلُ النُّقْصَانُ بِالِازْدِيَادْ

غُمَّ عَلَيْهِ الْجَوُّ حَتَّى رَأَى … نُجُوَمَهُ كَالْجَمْرِ تَحْتَ الرَّمَادْ

مَا ضَرَّنِي أنْ قَصَّرَ الدَّهْرُ بِي … وَإِنِّيَ النَّجْدُ الطَّوِيلُ النِّجَادْ

» .

‌‌79 - قَالَ: أَنْشَدَنَا أَبُو عَلِيِّ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الشِّبْلِيُّ، بِنَفْسِهِ «

بَكَرَتْ وَالْمَلَامُ مِنْهَا جُنُونُ … وَاحْتِمَالُ الْهَوَانِ مَا لَا يَهُونُ
অংশসমূহ: ইসলামের অংশ, সালাতের অংশ, যাকাতের অংশ, জিহাদের অংশ, হজ্জের অংশ, রমজান মাসের অংশ, সৎকাজের আদেশ দানের অংশ এবং অসৎকাজে বাধা প্রদানের অংশ; আর সে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হলো যার কোনো অংশ নেই।

‌‌৭৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আল-আতিকী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-মুত্তালিব কুফায়, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মাদ বিন সায়িদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান বিন ঈসা বিন মাসারজাস, তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহ বিন আল-মুবারককে বলতে শুনেছি, যখন তাকে বলা হলো: "হে আবু আব্দুর রহমান, আপনি তো বাড়িতে একাকী অনেক বেশি সময় অবস্থান করেন।" তিনি উত্তরে বললেন: "আমি একা নই, বরং আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীদের সাথে তাদের মাঝে অবস্থান করি।" অর্থাৎ তিনি কিতাবসমূহের পাঠ ও পর্যালোচনার প্রতি ইঙ্গিত করছিলেন।

‌‌৭৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল কারীম বিন আহমাদ বিন আবি হাদ্দার আস-সাওয়াফ মিসরে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ আল-খাল্লাল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন উমর আল-কাশ্শি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল হামীদ বিন হুমাইদ, তিনি বলেন: আমি আবু দাউদকে বলতে শুনেছি: "যদি এই দলটি না থাকতো তবে ইসলাম পঠিত হতো না।"

অর্থাৎ হাদীস বিশারদগণ যারা আছার বা প্রাচীন বর্ণনাগুলো লিখে রাখেন।

‌‌৭৭ - এবং একই সনদে: আমাদের নিকট আমীদ আবু সাহল আল-হামদুনির কবিতা আবৃত্তি করা হয়েছে, আমি তাকে প্রত্যক্ষ করেছি তবে তার থেকে সরাসরি কিছু শ্রবণ করিনি: «

শহর বা প্রান্তরের সকল মানুষের নিকট আমার কোনো সঞ্চয় নেই... …

একনিষ্ঠ বিশ্বাসের সাথে আল্লাহর প্রতি আস্থাশীল ব্যক্তির সাক্ষ্য ব্যতীত... …

আর সওয়াল-জবাবের সময় এমন এক সুপারিশকারী রয়েছেন... … যিনি আপন উম্মতের ক্ষমার জন্য আহ্বান জানাবেন।

» ।

‌‌৭৮ - আমাদের নিকট সাইয়্যেদ ইমাম আল-মুরশিদ বিল্লাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবুল হুসাইন বিন আল-মুযাফফর বিন তাহরীয তার স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করেছেন: «

দৃঢ় সংকল্প তো কেবল এমনই এক তৎপরতা... … যা হয় ভ্রষ্টতার দিকে নতুবা সঠিক পথের দিকে।

মানুষ তার উত্থানের কাছে দায়বদ্ধ... … যা তাকে চামড়ার দস্তরখান অথবা গদিতে বসিয়ে দেয়।

ফাসাদগ্রস্ত জনপদ আমার আবাস নয়... … আর তাদের কোনো লক্ষ্যও নেই যে ফাসাদের পর তা সংশোধিত হবে।

একজন সঙ্গী আমাকে ভুলবশত জাগিয়ে দিল... … অথচ ভোর তখনো হয়নি এবং হওয়ার উপক্রমও করেনি।

রাতের আবরণ তার নিজ রঙের ওপর অটল... … যার হ্রাস পাওয়া কেবল বৃদ্ধির মাধ্যমেই বিলম্বিত হয়।

আকাশ তার কাছে অন্ধকারাচ্ছন্ন ছিল যতক্ষণ না সে দেখল... … তার নক্ষত্ররাজি ভস্মের নিচে জ্বলন্ত অঙ্গারের ন্যায়।

কাল বা সময় যদি আমার পথকে সংকীর্ণ করে তাতে আমার কোনো ক্ষতি নেই... … কারণ আমি তো সেই উচ্চ ভূমি যার তরবারির খাপ সুদীর্ঘ।

» ।

‌‌৭৯ - তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আলী মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ আশ-শিবলী তার স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করেছেন: «

সে ভোরে আগমন করল অথচ তার তিরস্কার ছিল পাগলামি স্বরূপ... … আর লাঞ্ছনা সহ্য করা এমন বিষয় যা সহজ নয়।
(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ২৯)
تَرْتَجِي أَنْ أَمُدَّ كَفًّا لِنَيْلٍ … لَا سَعَتْ بِي بِغَيْرِ نَصْلٍ يَمِينُ

أَقَصْرِي لَنْ أُرِيقَ مَاءَ الْمُحَيَّا … إِنَّ قَدْرِي بِمَاءِ وَجْهِي ضَنِينُ

لَسْتُ أَهْوَى طُولَ الْحَيَاةِ بِذُلٍّ … إِنَّمَا يَصْحَبُ الْهُوَيْنَا الْمَهِينُ

» .

‌‌80 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا بَكْرٍ الْمُقْرِيَّ، يَقُولُ: دَخَلَ سَائِلٌ جَامِعَ مِصْرَ وَسَأَلَ فَلَمْ يعْطَ شَيْئًا، فَأَنْشَدَ، يَقُولُ: «

إِذَا عَقَدَ الْقَضَاءُ عَلَيْكَ أَمْرًا … فَلَيْسَ يَحُلُّهُ غَيْرُ الْقَضَاءِ

فَمَا لَكَ وَالْمُقَامُ بِدَارِ هَوْنٍ … فَأَرْضُ اللَّهِ وَاسِعَةُ الْفَضَاءِ

» .

‌‌81 - أَنْشَدَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْقَاضِي عَلِيُّ بْنُ الْمُحَسِّنِ بْنِ عَلِيٍّ التَّنُوخِي، قَالَ: أَنْشَدَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ سَهْلُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَلِيٍّ الدِّيبَاجِيُّ، قَالَ أَنْشَدَنِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْقُرَشِيُّ يَعْنِي مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ أَيْضًا: «

اصْبِرْ عَلَى حَدَثِ الزَّمَانِ فَإِنَّمَا … فَرَجُ الْحَوَادِثِ مِثْلُ حَلِّ عِقَالِ

وَإِذَا خَشِيتَ تَغَدُّرًا فِي بَلْدَةٍ … فَاشْدُدْ يَدَيْكَ بِعَاجِلِ التِّرْحَالِ

إِنَّ الْمُقَامَ عَلَى الْهَوَانِ مَذَلَّةٌ … وَالْعَجْزُ آفَةُ حِيلَةِ الْمُحَتَالِ

» .

‌‌82 - قَالَ: أَنْشَدَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ الصُّورِيُّ، قَالَ: أَنْشَدَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنِ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدٍ، قَالَ: أَنْشَدَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ أَبِي الْعِصَامِ الْعَدَوِيُّ فِي الْمُحَرَّمِ سَنَةَ تِسْعٍ وَثَلَاثِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ لِنَفْسِهِ «

لَعَمْرِي لَمَا الْأَيَّامُ عِنْدِي كَمَا مَضَتْ … وَلَا النَّاسُ بِالنَّاسِ الَّذِينَ تَجَمَّلُوا

تَقَدَّمَ بِالْأَمْوَالِ مَنْ كَانَ آخِرًا … وَأُخِّرْتُ إِقْلَالًا وَإِنِّي أَوَّلُ

أَلَا لَعَنَ اللَّهُ الْحَيَاةَ وَطُولَهَا … لَقَدْ أَوْرَدَتْنِي حَسْرَةً لَيْسَ تَرْحَلُ

إِذَا طَالَتِ الْأَيَّامُ مِنِّي زَجَرْتُهَا … وَقُلْتُ لَهَا لَقَدْ مَاتَ مَنْ كُنْتُ آمُلُ

» .

‌‌83 - قَالَ: أَنْشَدَنَا الْقَاضِي أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ الْمُحَسِّنِ بْنِ عَلِيٍّ التَّنُوخِيُّ، قَالَ: أَنْشَدَنَا أَبُو الْفَرَحِ عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ نَصْرٍ الْمَخْزُومِيُّ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الْبَبَّغَاءِ، قَالَ: أَنْشَدَنَا أَبُو فِرَاسٍ الْحَارِثُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ حَمْدَانَ لِنَفْسِهِ مِنْ قَصِيدَةٍ مَسْمُوعَةٍ «

بِمَنْ يَثِقُ الْإِنْسَانُ فِيمَا يَثُوبُهُ … وَمِنْ أَيْنَ لِلْحُرِّ الْكَرِيمِ صِحَابُ

وَقَدْ صَارَ هَذَا النَّاسُ إِلَّا أَقَلَّهُمْ … ذِئَابًا عَلَى أَجْسَادِهِنَّ ثِيَابُ

تَغَابَيْتُ، عَنْ قَوْمِي فَظَنُّوا غَبَاوَةً … بِمِفْرَقِ أَعْيَانًا حَصَى وَتُرَابُ

وَلَوْ عَرَفُونِي حَقَّ مَعْرِفَتِي بِهِمْ … إِذَا عَلِمُوا أَنِّي تُهْتُ وَغَابُوا

وَرُبَّ كَلَامٍ مَرَّ فَوْقَ مَسَامِعِي … كَمَا طَنَّ فِي فَوْحِ الْهَجِيرِ ذُبَابُ
তুমি আশা করো যে আমি প্রাপ্তির জন্য হাত বাড়িয়ে দেব … অথচ তলোয়ারের ধার ছাড়া আমার ডান হাত অন্য কিছুর জন্য প্রসারিত হবে না।

আমার মর্যাদা এই যে, আমি আমার চেহারার পানি (সম্মান) বিসর্জন দেব না … নিশ্চয়ই আমি আমার চেহারার পানির ব্যাপারে অত্যন্ত কৃপণ।

আমি অপমানের সাথে দীর্ঘ জীবন কামনা করি না … হীন ব্যক্তিরাই তো অলস ও সহজ জীবন যাপন করে।

» ।

‌‌৮০ - মুহাম্মাদ বিন আহমদ বিন আবদুর রহীম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমি আবু বকর আল-মুকরিকে বলতে শুনেছি: মিশরের জামে মসজিদে এক ভিক্ষুক প্রবেশ করল এবং সাহায্য চাইল, কিন্তু তাকে কিছু দেওয়া হলো না। তখন সে কবিতা আবৃত্তি করে বলল: «

যখন ভাগ্য তোমার ওপর কোনো বিষয়কে অবধারিত করে দেয় … তখন ভাগ্য ছাড়া অন্য কেউ তা পরিবর্তন করতে পারে না।

তবে লাঞ্ছনার আবাসে তোমার পড়ে থাকার কী হলো … অথচ আল্লাহর জমিন তো বিশাল ও প্রশস্ত।

» ।

‌‌৮১ - আবুল কাসিম আল-কাজী আলী বিন আল-মুহাসসিন বিন আলী আত-তানুখি আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মাদ সাহল বিন আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আলী আদ-দিবাজি আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ আল-কুরাশি অর্থাৎ মুহাম্মাদ বিন সাঈদও আমার নিকট আবৃত্তি করেছেন: «

সময়ের পরিবর্তনের ওপর সবর করো, কেননা … বিপদের মুক্তি তো উটের বন্ধনী খোলার মতোই দ্রুত।

আর যদি কোনো শহরে তুমি বিশ্বাসঘাতকতার ভয় পাও … তবে দ্রুত প্রস্থানের জন্য তোমার হাত শক্ত করো।

নিশ্চয়ই অপমানের ওপর অবস্থান করা লাঞ্ছনাদায়ক … আর অক্ষমতা হলো বুদ্ধিমান ব্যক্তির কৌশলের জন্য এক আপদ।

» ।

‌‌৮২ - তিনি বলেন: মুহাম্মাদ বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ আস-সুরি আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মাদ আব্দুর রহমান বিন উমর বিন মুহাম্মাদ আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেন: আবু হুরায়রা আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হাসান বিন আবি আল-ইসসাম আল-আদাভি ৩৩৯ হিজরীর মহরম মাসে তার নিজের রচিত কবিতা আমাদের শুনিয়েছেন: «

আমার জীবনের কসম! আমার কাছে দিনগুলো এখন আগের মতো নেই … আর মানুষও তেমন নেই যারা একসময় সৌন্দর্যমন্ডিত ছিল।

সম্পদের কারণে তারা সামনে এগিয়ে গেছে যারা ছিল পেছনে … আর দরিদ্রতার কারণে আমাকে পেছনে ঠেলে দেওয়া হয়েছে অথচ আমিই ছিলাম অগ্রগামী।

জেনে রেখো! আল্লাহ জীবন ও তার দীর্ঘতাকে অভিশপ্ত করুন … কেননা তা আমাকে এমন এক আক্ষেপের মুখে ফেলেছে যা কখনো দূর হওয়ার নয়।

যখন আমার কাছে দিনগুলো দীর্ঘ হতে থাকে তখন আমি সেগুলোকে ধমক দিই … আর বলি: আমি যার কাছে আশা রাখতাম, তিনি তো মারা গেছেন।

» ।

‌‌৮৩ - তিনি বলেন: কাজী আবুল কাসিম আলী বিন আল-মুহাসসিন বিন আলী আত-তানুখি আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেন: আবুল ফারাজ আব্দুল ওয়াহিদ বিন নাসর আল-মাخজুমি, যিনি ইবনুল বাবগা নামে পরিচিত, তিনি আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেন: আবু ফিরাস আল-হারিস বিন সাঈদ বিন হামদান তার নিজের রচিত একটি পঠিত কবিতা থেকে আমাদের শুনিয়েছেন: «

মানুষ তার ওপর আপতিত বিপদে কাকে বিশ্বাস করবে? … আর একজন স্বাধীন ও সম্মানিত ব্যক্তির জন্য বন্ধু কোথায়?

অথচ এই মানুষগুলো, তাদের সামান্য কিছু অংশ বাদে, হয়ে গেছে … এমন নেকড়ে যাদের দেহের ওপর পোশাক রয়েছে।

আমি আমার জাতির কাছে অজ্ঞ সেজেছিলাম, তাই তারা ভেবেছিল আমি বোধহয় নির্বোধ … অথচ তখন বড় বড় ব্যক্তিদের মাথার সিঁথিতে ছিল পাথর আর ধুলো।

আমি তাদেরকে যেমন চিনি, তারা যদি আমাকে তেমন চিনত … তবে তারা জানত যে আমি তাদের চেয়ে উন্নত আর তারা ছিল অনুপস্থিত।

কত কথাই তো আমার কানের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে … ঠিক যেন প্রখর উত্তপ্ত দুপুরে মাছির ভনভন শব্দের মতো।
(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ৩০)
إِلَى اللَّهِ أَشْكُو أَنَّنَا بِمَنَازِلٍ … تَحَكَّمَ فِي آسَادِهِنَّ كِلَابُ

» .

‌‌84 - أَنْشَدَنَا عَلِيُّ بْنُ عَلِيٍّ الْبَصْرِيُّ، قَالَ: أَنْشَدَنَا أَبُو عُمَرَ بْنُ الْعَبَّاسِ بْنِ حَيُّوَيْهِ، قَالَ: أَنْشَدَ جَحْظَةُ أَبِي، وَأَنَا أَسْمَعُ «

يَا أَهْلَ وُدِّي أَمَا فِي الْأَرْضِ ذُو كَرَمٍ … يَرْثِي لِذِي كَرَمٍ زَلَّتْ بِهِ قَدَمُ

أَفِي عُيُونِكُمْ، عَنْ حَالَتِي رَمَدٌ … أَمْ فِي الْمَسَامِعِ مِنْ تَقْرِيعِكُمْ صَمَمُ

مِنْ نِعْمَةِ اللَّهِ فِقْدَانِي لِأَنْعُمِكُمْ … لِأَنَّهَا نِعَمٌ مِنْ دُونِهَا نِقَمُ

آلَيْتُ أَسْأَلُكُمْ عَنْ أَحْرُفٍ عَرَضَتْ … بِالْقَلْبِ قَدْ كَانَ مِنْهَا الدَّمْعُ مُنْسَجِمُ

مَا بَالُ دُورِكُمْ حِلٌّ لِطَارِقِهَا … فِي كُلِّ أَيَّامِكُمْ وَالْمَطْبَخُ الْحَرَمُ

» .

‌‌85 - قَالَ: أَنْشَدَنَا الْقَاضِي أَبُو الطَّيِّبِ طَاهِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ طَاهِرٍ إِمَامُ الشَّافِعِيَّةِ، قَالَ: أَنْشَدَنَا الْقَاضِي أَبُو الْفَرَجِ الْمُعَافَي بْنُ زَكَرِيَّا الْمَعْرُوفُ بِابْنِ طِرَادَةَ لِنَفْسِهِ «

أَأَقْتَبِسُ الضِّيَاءَ مِنَ الضَّبَابِ … وَأَلْتَمِسُ الشَّرَابَ مِنَ السَّرَابِ

أُرِيدُ مِنَ الزَّمَانِ النَّذْلِ بَذْلًا … وَأَرْيَاسٍ مِنْ سِلَعٍ وَصَابِ

أُرَجِّي أَنْ أُلَاقِي لِاشْتِيَاقِي … سُرَاةَ النَّاسِ فِي زَمَنِ الْكِلَابِ

» .

‌‌86 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْحُسَيْنِ الْجُوزَدَانِيُّ الْمُقْرِئُ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُسْلِمٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ شَهْوَلٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ عُقْدَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ سَعِيدٍ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، قَالَ: حَدَّثَنَا حُصَيْنُ بْنُ مُخَارِقٍ، عَنْ جُوَيْبِرٍ، عَنِ الضَّحَّاكِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ: " {كَلِمَةً طَيِّبَةً} [إبراهيم: 24] ، قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ "

‌‌87 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ الذَّكْوَانِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا ابْنُ حَيَّانَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ رَيْطَةَ، يَعْنِي الزَّعْفَرَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا لُوَيْنُ، قَالَ: حَدَّثَنَا شَرِيكُ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ سَعِيدٍ، فِي قَوْلِهِ تَعَالَى " {وَلا تَسْتَوِي الْحَسَنَةُ وَلا السَّيِّئَةُ} [فصلت: 34] قَالَ: الْحَسَنَةُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَالسَّيِّئَةُ الشِّرْكُ بِاللَّهِ ".

‌‌88 - وَبِإِسْنَادِهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا حُصَيْنُ، قَالَ: حَدَّثَنَا فُضَيْلُ بْنُ الزُّبَيْرِ، عَنْ أَبِي جَمْرَةَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ: " {كَلِمَةً طَيِّبَةً} [إبراهيم: 24] قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ ".

 

‌‌89 - وَبِإِسْنَادِهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا حُصَيْنُ، عَنْ عَبْدِ الصَّمَدِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: «الْعُرْوَةُ الْوُثْقَى لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ»

 

‌‌90 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا ابْنُ حَيَّانَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سِوَارٍ الْهَاشِمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مِنْجَابٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا شَرِيكُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ، عَنْ
আমি আল্লাহর কাছে অভিযোগ করছি যে আমরা এমন এক আবাসে রয়েছি … যেখানে তাদের সিংহদের ওপর কুকুররা কর্তৃত্ব করছে।

» ।

‌‌৮৪ - আলী ইবনে আলী আল-বসরী আমাদের আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু উমর ইবনুল আব্বাস ইবনে হাইয়ুওয়াইহ আমাদের আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: জাহজাহ আমার পিতার সামনে আবৃত্তি করেছেন এবং আমি তা শুনছিলাম «

হে আমার ভালোবাসার পাত্ররা! যমীনে কি কোনো উদার ব্যক্তি নেই … যে এমন কোনো উদার ব্যক্তির জন্য অনুশোচনা করবে যার পা পিছলে গেছে?

তোমাদের চোখে কি আমার অবস্থার ব্যাপারে কোনো রোগ রয়েছে … নাকি তোমাদের কানে তোমাদের তিরস্কারের কারণে কোনো বধিরতা রয়েছে?

তোমাদের নেয়ামতগুলো হারিয়ে ফেলাটা আমার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে এক নেয়ামত … কারণ সেগুলো এমন নেয়ামত যার পেছনে রয়েছে বিপদ।

আমি তোমাদেরকে সেই অক্ষরগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার শপথ করেছি যা প্রকাশ পেয়েছে … অন্তরে, যার কারণে অশ্রু প্রবাহিত হচ্ছিল।

তোমাদের ঘরগুলোর কী হলো যে সেগুলো আগন্তুকদের জন্য উন্মুক্ত … তোমাদের সকল দিনে, অথচ রান্নাঘর নিষিদ্ধ (বন্ধ)?

» ।

‌‌৮৫ - তিনি বলেন: শাফেয়ী মাযহাবের ইমাম কাজী আবু তায়্যিব তাহির ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে তাহির আমাদের আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: কাজী আবুল ফারাজ আল-মুআফা ইবনে জাকারিয়া, যিনি ইবনে তিরাদাহ নামে পরিচিত, নিজের রচিত কবিতা আমাদের আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন «

আমি কি কুয়াশা থেকে আলো গ্রহণ করব … আর মরীচিকা থেকে পানীয় তালাশ করব?

আমি এই নীচ যমানার কাছে দান চাইছি … এবং তিক্ত ক্যাকটাস ও তেতো লতা থেকে মধু আশা করছি?

আমি আমার ব্যাকুলতার কারণে আশা করছি যে আমি দেখা পাব … এই কুকুরের যমানায় মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের।

» ।

‌‌৮৬ - আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আহমদ ইবনে আল-হুসাইন আল-জাওযাদানী আল-মুকরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর কাছে আমার কিরাআত অনুসারে, তিনি বলেন: আবু মুসলিম আব্দুর রহমান ইবনে ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে শাহওয়াল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ ইবনে উকদাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমদ ইবনুল হাসান ইবনে সাঈদ আবু আব্দুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: হুসাইন ইবনে মুখারিক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, জুয়াইবির থেকে, তিনি দাহহাক থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন: " {উত্তম বাক্য} [ইবরাহিম: ২৪] সম্পর্কে তিনি বলেছেন: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ "

‌‌৮৭ - আবুল কাসিম আব্দুর রহমান আয-যাকওয়ানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবনে হাইয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-হাসান ইবনে রাইতাহ, অর্থাৎ আয-যাফরানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: লুয়াইন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: শারীক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সালিম থেকে, তিনি সাঈদ থেকে মহান আল্লাহর বাণী সম্পর্কে বর্ণনা করেন: " {সৎকাজ ও অসৎকাজ সমান নয়} [ফুসসিলাত: ৩৪] তিনি বলেন: সৎকাজ হলো লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আর অসৎকাজ হলো আল্লাহর সাথে শিরক করা "।

‌‌৮৮ - এবং তাঁরই সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন: হুসাইন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ফুদাইল ইবনুল যুবায়ের আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু জামরাহ থেকে, তিনি আলী ইবনে হুসাইন থেকে বর্ণনা করেন: " {উত্তম বাক্য} [ইবরাহিম: ২৪] সম্পর্কে তিনি বলেছেন: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ "।

 

‌‌৮৯ - এবং তাঁরই সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন: হুসাইন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আব্দুস সামাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «মজবুত হাতল হলো লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ»

 

‌‌৯০ - আবু তাহির মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহীম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর কাছে আমার কিরাআত অনুসারে, তিনি বলেন: ইবনে হাইয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সিওয়ার আল-হাশিমী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মিনজাব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: শারীক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আকীল থেকে, তিনি...
(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ৩১)
جَابِرٍ رَفَعَهُ، قَالَ: «أُمِرْتُ أَنْ أُقَاتِلَ النَّاسَ حَتَّى يَقُولُوا لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، فَإِذَا قَالُوهَا حُرِّمَتْ عَلَيَّ دِمَاؤُهُمْ وَأَمْوَالُهُمْ إِلَّا بِحَقِّهَا وَحِسَابُهُمْ عَلَى اللَّهِ عز وجل»

‌‌91 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ الْبُرْجِيُّ، وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْوَرَّاقُ، بِقِرَاءَتِي عَلَى كُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا وَاللَّفْظُ لَهُ، قَالَا: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ الْغَزَّالُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُهْرِيَّةَ الْبَزَّارُ، وَأَبُو سَهْلٍ إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ، الْقَزْوِينِيَّانِ بِقَزْوِينَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ دَاوُدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ يُوسُفَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْغَازِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُوسَى الرَّضِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ أَبِيهِ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ أَبِيهِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ، عَنْ أَبِيهِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ أَبِيهِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ عليهم السلام، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: «الْإِيمَانُ مَعْرِفَةٌ بِالْقَلْبِ، وَإِقْرَارٌ بِاللِّسَانِ، وَعَمَلٌ بِالْأَرْكَانِ»

قَالَ أَبُو الْحَسَنِ بْنُ مَهْرَوَيْهِ: قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: سَمِعْتُ أَبَا الصَّلْتِ الْهَرَوِيَّ، يَقُولُ: لَوْ قُرِئَ هَذَا الْإِسْنَادُ عَلَى مَجْنُونٍ لَأَفَاقَ.

‌‌92 - أَخْبَرَنَا الْمُظَفَّرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْعَبْدِيُّ الْخَطِيبُ وَاللَّفْظُ لَهُ، وَأَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَصْهِيدَ بْنِ أَبَانِ بْنِ الْوَلِيدِ، بِأَصْفَهَانَ، قَالَا: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ الْغَزَالِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْأَغْلَبِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ الْأَنْصَارِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلَامِ بْنُ صَالِحٍ الْهَرَوِيُّ، قَالَ: كُنْتُ مَعَ عَلِيِّ بْنِ مُوسَى الرَّضِيِّ، عليهما السلام وَهُوَ رَاكِبٌ عَلَى بَغْلَةٍ شَهْبَاءَ، ثُمَّ قَالَ أَبُو الصَّلْتِ الْهَرَوِيُّ لَا أَدْرِي أَكَانَتْ بَغْلًا أَوْ بَغْلَةً، فَدَخَلَ نَيْسَابُورَ وَغَدَا فِي طَلَبِهِ عُلَمَاءُ الْبَلَدِ: أَحْمَدُ بْنُ حَرْبٍ، وَيَاسِينُ بْنُ الْقِطْرِ، وَيَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَعِدَّةٌ مِنْ أَهْلِ الْعِرَاقِ، فَتَعَلَّقُوا بِلِجَامِهِ فِي الْمَرْبَعَةِ وَقَالُوا: بِحَقِّ آبَائِكَ الطَّاهِرِينَ حَدِّثْنَا حَدِيثًا سَمِعْتَهُ مِنْ أَبِيكَ، فَقَالَ حَدَّثَنِي أَبِي الْعَدْلِ الصَّالِحُ مُوسَى بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي الصَّادِقُ الْمَصْدُوقُ جَعْفَرِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي بَاقِرٌ عَلَمُ الْأَنْبِيَاءِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي سَيِّدُ الْعَابِدِينَ عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي سَيِّدُ شَبَابِ أَهْلِ الْجَنَّةِ الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي سَيِّدُ الْعَرَبِ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ عليهم السلام، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم، يَقُولُ: «الْإِيمَانُ مَعْرِفَةٌ بِالْقَلْبِ وَإِقْرَارٌ بِاللِّسَانِ، وَعَمَلٌ بِالْأَرْكَانِ»

 

‌‌93 - وَأَخْبَرَنَا الْمُظَفَّرُ خَاصَّةً بِهَذَا الْإِسْنَادِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: قَالَ اللَّهُ عز وجل: «لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ حِصْنِي مَنْ دَخَلَهُ أَمِنَ مِنْ عَذَابِي»

قَالَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ: لَوْ قُرِئَ هَذَا الْإِسْنَادُ عَلَى مَجْنُونٍ لَبَرِئَ مِنْ جُنُونِهِ.

‌‌94 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْبَزَّازُ الْعَتِيقِيُّ،
জাবির (রা.) থেকে মারফু হিসেবে বর্ণিত, তিনি বলেন: «আমি মানুষের সাথে যুদ্ধ করার জন্য আদিষ্ট হয়েছি যতক্ষণ না তারা বলে যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। যখন তারা তা বলবে, তখন তারা আমার থেকে তাদের রক্ত ও সম্পদ নিরাপদ করে নিল, তবে তার হকের বিষয় ভিন্ন, আর তাদের হিসাব মহান আল্লাহর ওপর।»

‌‌৯১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফজল মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-বুরজি এবং ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে আবদুল্লাহ আল-ওয়াররাক, তাদের প্রত্যেকের নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে এবং শব্দগুলো তাদেরই, তারা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আলী আল-গাজ্জাল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল হুসাইন আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুহরিয়্যাহ আল-বাজ্জার এবং আবু সাহল ইসমাইল ইবনে আবদুল ওয়াহহাব, কাজভিনের অধিবাসী কাজভিনে থাকাকালীন, তারা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ দাউদ ইবনে সুলাইমান ইবনে ইউসুফ ইবনে আবদুল্লাহ আল-গাজি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে মুসা আর-রিদা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসা ইবনে জাফর, তিনি তার পিতা জাফর ইবনে মুহাম্মাদ থেকে, তিনি তার পিতা মুহাম্মাদ ইবনে আলী থেকে, তিনি তার পিতা আলী ইবনে হুসাইন থেকে, তিনি তার পিতা হুসাইন ইবনে আলী থেকে, তিনি তার পিতা আলী ইবনে আবি তালিব (আলাইহিমুস সালাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «ঈমান হলো অন্তরের পরিচয়, মুখে স্বীকৃতি এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে আমল করা।»

আবুল হাসান ইবনে মাহরওয়াইহ বলেন: আবু হাতিম বলেছেন: আমি আবুস সালত আল-হারাউয়িকে বলতে শুনেছি: «যদি এই সনদটি কোনো উন্মাদের ওপর পাঠ করা হতো, তবে সে সুস্থ হয়ে যেত।»

‌‌৯২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-মুজাফফর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মাদ আল-আবদি আল-খাতিব—শব্দগুলো তার—এবং আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে আসহিদ ইবনে আবান ইবনুল ওয়ালিদ, ইস্পাহানে, তারা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আলী আল-গাজ্জালি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনুল আগলাব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে আলী ইবনুল হাসান আল-আনসারি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুস সালাম ইবনে সালিহ আল-হারাউয়ি, তিনি বলেন: আমি আলী ইবনে মুসা আর-রিদা (আলাইহিমাস সালাম)-এর সাথে ছিলাম যখন তিনি একটি ছাই রঙের খচ্চরের ওপর আরোহিত ছিলেন—অতঃপর আবুস সালত আল-হারাউয়ি বলেন, আমি জানি না সেটি পুরুষ খচ্চর ছিল নাকি নারী খচ্চর—অতঃপর তিনি নিশাপুরে প্রবেশ করলেন এবং শহরের ওলামাগণ তার খোঁজে সকালে বেরিয়ে এলেন: আহমাদ ইবনে হারব, ইয়াসিন ইবনুল কিতর, ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া এবং ইরাকের একদল লোক। তারা চকে তার লাগাম টেনে ধরলেন এবং বললেন: আপনার পবিত্র পিতৃপুরুষদের উসিলায় আমাদের এমন একটি হাদিস শোনান যা আপনি আপনার পিতার নিকট থেকে শুনেছেন। তখন তিনি বললেন: আমাকে আমার ন্যায়পরায়ণ ও সৎ পিতা মুসা ইবনে জাফর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাকে আমার সত্যবাদী ও সত্যায়িত পিতা জাফর ইবনে মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাকে আমার পিতা নবীদের জ্ঞানের উদঘাটনকারী মুহাম্মাদ ইবনে আলী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাকে আমার পিতা ইবাদতকারীদের সরদার আলী ইবনে হুসাইন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাকে আমার পিতা জান্নাতী যুবকদের সরদার হুসাইন ইবনে আলী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাকে আমার পিতা আরবদের সরদার আলী ইবনে আবি তালিব (আলাইহিমুস সালাম) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: «ঈমান হলো অন্তরের পরিচয়, মুখে স্বীকৃতি এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে আমল করা।»

 

‌‌৯৩ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-মুজাফফর বিশেষভাবে এই সনদে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: মহান আল্লাহ বলেছেন: «'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' হলো আমার দুর্গ, যে ব্যক্তি এতে প্রবেশ করল সে আমার আজাব থেকে নিরাপদ হয়ে গেল।»

আহমাদ ইবনে হাম্বল বলেন: «যদি এই সনদটি কোনো উন্মাদের ওপর পাঠ করা হতো, তবে সে তার উন্মাদনা থেকে আরোগ্য লাভ করত।»

‌‌৯৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আল-বাজ্জার আল-আতিকি,
(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ৩২)
بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُظَفَّرِ الْحَافِظُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنُ الْحُسَيْنِ الْبَصْرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَهْدِيِّ بْنِ هِلَالٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي مَهْدِيُّ بْنُ هِلَالٍ، عَنْ عِيسَى بْنِ الْمُكَلِّبِ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنُ الْمُسَيِّبِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: «النَّجَاةُ مِنْ هَذَا الْأَمْرِ شَهَادَةُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ»

 

‌‌95 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الذَّكْوَانِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ حَيَّانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا جُبَيْرُ بْنُ هَارُونَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيٌّ الطَّنَافِيسِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا وَكِيعُ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ أَبِي نَجِيحٍ وَكَانَ ثِقَةً، عَنْ أَبِي عِمْرَانَ الْجَوْنِيِّ، عَنِ الْجُنْدُبِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: «كُنَّا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وآله وسلم وَنَحْنُ فِتْيَانٌ حَزَاوِرَةٌ، فَتَعَلَّمْنَا الْإِيمَانَ قَبْلَ أَنْ نَتَعَلَّمَ الْقُرْآنَ، ثُمَّ تَعَلَّمْنَا الْقُرْآنَ فَازْدَدْنَا بِهِ إِيمَانًا، وَإِنَّكُمُ الْيَوْمَ تَتَعَلَّمُونَ الْقُرْآنَ قَبْلَ أَنْ تَتَعَلَّمُوا الْإِيمَانَ»

 

‌‌96 - أَخْبَرَنَا أَبُو مَنْصُورٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ السَّوَّاقِ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ الْقَطِيعِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ بْنُ عَطِيَّةَ بْنِ الْمُقِيمِ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ رَحِمَهُ اللَّهُ تَعَالَى، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، عَلِّمْنِي عَمَلًا يُقَرِّبُنِي مِنَ الْجَنَّةِ وَيُبَاعِدُنِي مِنَ النَّارِ، قَالَ: «إِذَا عَمِلْتَ سَيِّئَةً فَاعْمَلْ حَسَنَةً فَإِنَّهَا عَشْرُ أَمْثَالِهَا» ، قَالَ: قَلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ مِنَ الْحَسَنَاتِ؟ قَالَ: هِيَ مِنْ أَحْسَنِ الْحَسَنَاتِ "

‌‌97 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ حَيَّانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ عَبْدِ الْخَالِقِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدَةُ بْنُ أَبِي رَابِطَةَ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ، يَعْنِي ابْنَ عُمَرَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقُرَشِيِّ، عَنْ عِيَاضٍ الْأَنْصَارِيِّ رَفَعَهُ، قَالَ: «لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ كَلِمَةٌ عَلَى اللَّهِ كَرِيمَةٌ لَهَا عَنْدَ اللَّهِ مَكَانٌ، وَهِيَ كَلِمَةٌ مَنْ قَالَهَا صَادِقًا أَدْخَلَهُ اللَّهُ بِهَا الْجَنَّةَ، وَمَنْ قَالَهَا كَاذِبًا يَعْنِي قَالَهَا بِلِسَانِهِ حَقَنَتْ دَمَهُ وَأَحْرَزَتْ مَالَهُ وَلَقِيَ اللَّهَ عز وجل غَدًا يُحَاسِبُهُ»

 

‌‌98 - أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْمُؤَدِّبُ الْمَعْرُوفُ بِالْمَكْفُوفِ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ حَيَّانَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَي الْمَوْصِلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مَعْرُوفٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، أَنَّ دَارِجًا أَبَا السَّمْحِ حَدَّثَهُ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم، قَالَ: قَالَ مُوسَى عليه السلام: يَا رَبِّ عَلِّمْنِي شَيْئًا أَذْكُرُكَ بِهِ فَأَدْعُوكَ، قَالَ: " قُلْ يَا مُوسَى: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ "، قَالَ: كُلُّ عِبَادِكَ يَقُولُ هَذَا، قَالَ: " قُلْ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ "، قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ إِنَّمَا أُرِيدُ شَيْئًا تَخُصُّنِي بِهِ، قَالَ: «يَا مُوسَى، لَوْ أَنَّ السَّمَوَاتِ السَّبْعَ
আমার পাঠের মাধ্যমে তাঁর নিকট থেকে (প্রাপ্ত), তিনি বলেন: আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ ইবনুল মুজাফফর আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনুল হুসাইন আল-বাসরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে মাহদী ইবনে হিলাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা মাহদী ইবনে হিলাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ঈসা ইবনুল মুকাল্লাব থেকে, তিনি আল-যুহরী থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি উসমান ইবনে আফফান থেকে, তিনি আবু বকর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "এই বিষয়টি থেকে মুক্তির উপায় হলো এই সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই।"

 

৯৫ - আবু আল-কাসিম আল-যাকওয়ানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ ইবনে হাইয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: জুবাইর ইবনে হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী আত-তানাফিসী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়াকী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাম্মাদ ইবনে আবী নাজীয় আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—আর তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন—আবু ইমরান আল-জাওনী থেকে, তিনি জুনদুব ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম যখন আমরা শক্তিশালী কিশোর ছিলাম। আমরা কুরআন শেখার আগে ঈমান শিখেছিলাম, তারপর আমরা কুরআন শিখলাম যা আমাদের ঈমানকে বৃদ্ধি করল। আর তোমরা আজ ঈমান শেখার আগেই কুরআন শিখছ।"

 

৯৬ - আবু মানসুর মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উসমান ইবনে আস-সাউয়াক আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আহমাদ ইবনে জা'ফর ইবনে হামদান ইবনে মালিক আল-কাতী'ঈ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: বিশর ইবনে মূসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু নুআইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-আ'মাশ ইবনে আতিয়্যাহ ইবনুল মুকীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু যার (রাহিমাহুল্লাহু তাআলা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমাকে এমন একটি আমল শিখিয়ে দিন যা আমাকে জান্নাতের নিকটবর্তী করবে এবং জাহান্নাম থেকে দূরে সরিয়ে দেবে। তিনি বললেন: "যখন তুমি কোনো মন্দ কাজ করবে, তখন একটি নেক কাজ করো; কারণ তা দশ গুণ (সওয়াব বয়ে আনে)।" তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' কি নেক কাজসমূহের অন্তর্ভুক্ত? তিনি বললেন: "এটি সর্বোত্তম নেক কাজসমূহের অন্যতম।"

৯৭ - আবু তাহির মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহীম আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জা'ফর ইবনে হাইয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবনে আমর ইবনে আব্দুল খালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল ওয়ারিস ইবনে আব্দুস সামাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উবাইদাহ ইবনে আবী রাবীতাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুল মালিক—অর্থাৎ ইবনে উমর—থেকে, তিনি আব্দুর রহমান আল-কুরাশী থেকে, তিনি ইয়াদ আল-আনসারী থেকে বর্ণনা করেন যা তিনি (রাসূলুল্লাহর দিকে) মারফু হিসেবে ব্যক্ত করেছেন, তিনি বলেছেন: "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ আল্লাহর নিকট একটি সম্মানিত কালিমা, আল্লাহর নিকট এর একটি উচ্চ মর্যাদা রয়েছে। যে ব্যক্তি এটি সত্যনিষ্ঠভাবে বলবে, আল্লাহ তাকে এর মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। আর যে ব্যক্তি এটি মিথ্যাভাবে বলবে—অর্থাৎ কেবল তার জিহবা দিয়ে বলবে—এটি তার রক্ত রক্ষা করবে এবং তার সম্পদ হেফাযত করবে, তবে আগামীকাল সে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে এবং আল্লাহ তার হিসাব নেবেন।"

 

৯৮ - আবু আহমাদ মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-মুআদ্দিব, যিনি আল-মাকফুফ নামে পরিচিত, আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জা'ফর ইবনে হাইয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু ইয়া'লা আল-মাওসিলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হারুন ইবনে মা'রূফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে ওয়াহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর ইবনুল হারিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, দাররিজ আবু আস-সামহ তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: মূসা (আলাইহিস সালাম) বললেন: হে আমার রব, আমাকে এমন কিছু শিখিয়ে দিন যার মাধ্যমে আমি আপনাকে স্মরণ করব এবং আপনাকে ডাকব। তিনি বললেন: "হে মূসা, বলো: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।" তিনি বললেন: আপনার সকল বান্দাই তো এটি বলে। তিনি বললেন: "বলো: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।" তিনি বললেন: আপনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তবে আমি এমন কিছু চাই যা কেবল আমার জন্যই নির্দিষ্ট হবে। তিনি বললেন: "হে মূসা, যদি সাত আসমান..."
(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ৩৩)
وَبِحَارِهِنَّ وَالْأَرَضِينَ السَّبْعَ فِي كِفَّةٍ، وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ فِي كِفَّةٍ مَالَتْ بِهِمْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ»

‌‌99 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ رَيْذَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الطَّبَرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ زُهَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو حَاتِمٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ الرَّازِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ دَاوُدَ بْنِ أَبِي أُمَامَةَ بْنِ سَهْلِ بْنِ حَنِيفٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي سَعْدُ بْنُ عِمْرَانَ بْنِ هِنْدِ بْنِ سَعْدِ بْنِ سَهْلِ بْنِ حَنِيفٍ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ سَهْلِ بْنِ حَنِيفٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ عُثْمَانَ بْنِ سَهْلِ بْنِ حَنِيفٍ، أَنَّهُ سَمِعَ عَمَّهُ عُثْمَانَ بْنَ حَنِيفٍ، يَقُولُ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم قَبْلَ أَنْ يَقْدِمَ مِنْ مَكَّةَ يَدْعُو النَّاسَ إِلَى الْإِيَمانِ بِاللَّهِ وَتَصْدِيقًا بِهِ قَوْلًا بِلَا عَمَلٍ، وَالْقِبْلَةُ إِلَى بَيْتِ الْمَقْدِسِ، فَلَمَّا هَاجَرَ إِلَيْنَا نَزَلَتِ الْفَرَائِضُ، وَنَسَخَتِ الْمَدِينَةُ مَكَّةَ وَالْقَوْلَ فِيهَا، وَنَسَخَ الْبَيْتُ الْحَرَامُ بَيْتَ الْمَقْدِسِ فَصَارَ الْإِيمَانُ قَوْلًا وَعَمَلًا»

‌‌100 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ حَيَّانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْوَلِيدِ بْنِ بُرْدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَيُّوبُ بْنُ سُوَيْدٍ، عَنِ ابْنِ شَوْذَبٍ، قَالَ: كَانَ الْفَرَزْدَقُ لَا يَكُونُ لَهُ وَلِيمَةٌ وَلَا فَرَحٌ وَلَا فَرَحٌ وَلَا أَخْبَرَ الْحَسَنَ بْنَ عَلِيِّ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ، قَالَ: فَدَعَاهُ ذَاتَ يَوْمٍ إِلَى مَيِّتٍ لَهُمْ فَكَانَ عَلَى شَفِيرِ الْقَبْرِ، فَقَالَ: يَا أَبَا فِرَاسٍ، وَمَا أَعْدَدْتَ لِهَذَا الْيَوْمِ؟ قَالَ «شَهَادَةُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ مُنْذُ ثَمَانِينَ عَامًا» ، فَقَالَ الْحَسَنُ: «وَيْحٌ لَهُ مَا أَعْقَلَهُ» .

‌‌101 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ رَيْذَةَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِأَصْفَهَانَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ الطَّبَرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدَانُ بْنُ أَحْمَدَ، وَعَلِيُّ بْنُ سَعِيدٍ الرَّازِيُّ، قَالَا: حَدَّثَنَا عَمَّارُ بْنُ الْمُخْتَارِ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: حَدَّثَنِي غَالِبُ الْقَطَّانُ، قَالَ: أَتَيْتُ الْكُوفَةَ فِي تِجَارَةٍ فَنَزَلْتُ قَرِيبًا مِنَ الْأَعْمَشِ، فَلَمَّا كَانَ لَيْلَةً أَرَدْتُ أَنْ أَنْحَدِرَ، قَامَ فَتَهَجَّدَ مِنَ اللَّيْلِ فَمَرَّ بِهَذِهِ الْآيَةِ {شَهِدَ اللَّهُ أَنَّهُ لا إِلَهَ إِلا هُوَ وَالْمَلائِكَةُ وَأُولُو الْعِلْمِ قَائِمًا بِالْقِسْطِ لا إِلَهَ إِلا هُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ {18} إِنَّ الدِّينَ عِنْدَ اللَّهِ الإِسْلامُ} [آل عمران: 18-19] قَالَ الْأَعْمَشُ: وَأَنَا أَشْهَدُ بِمَا شَهِدَ اللَّهُ بِهِ وَأَسْتَوْدِعُ اللَّهَ هَذِهِ الشَّهَادَةَ وَهِيَ عَنْدَ اللَّهِ وَدِيعَةٌ، إِنَّ الدِّينَ عِنْدَ اللَّهِ الْإِسْلَامُ، قَالَهَا مِرَارًا، قَلْتُ لَقَدْ سَمِعَ فِيهَا شَيْئًا فَغَدَوْتُ إِلَيْهَا فَوَدَّعْتُهُ، ثُمَّ قَالَ يَعْنِي قُلْتُ: يَا أَبَا مُحَمَّدٍ، إِنِّي سَمِعْتُكَ تُرَدِّدُ هَذِهِ الْآيَةِ؟ قَالَ: أَوَ مَا بَلَغَكَ مَا فِيهَا، قَلْتُ أَنَا عِنْدَكَ مُنْذُ شَهْرٍ لَمْ تُحَدِّثْنِي، قَالَ: وَاللَّهِ لَأُحَدِّثَنَّكَ بِهَا إِلَّا سَنَةً، فَكُنْتُ عَلَى بَابِهِ، فَلَمَّا مَضَتِ السَّنَةُ قَلْتُ: يَا أَبَا مُحَمَّدٍ، قَدْ مَضَتِ السَّنَةُ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو وَائِلَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: يُجَاءُ بِصَاحِبِهَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ، فَيَقُولُ اللَّهُ عز وجل: «عَبْدِى عَهْدٌ إِلَيَّ وَأَنَا أَحَقُّ مَنْ وَفَى بِالْعَهْدِ أَدْخِلُوا عَبْدِي الْجَنَّةَ»
...এবং তাদের সাগরসমূহ ও সাতটি জমিন এক পাল্লায় রাখা হলে এবং ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ অন্য পাল্লায় রাখা হলে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’-এর পাল্লাই ভারী হয়ে যাবে।

‌‌৯৯ - আবু বকর বিন রিযাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের তাবারানী সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের আহমাদ বিন যুহাইর হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের আবু হাতিম মুহাম্মদ বিন ইদরীস আর-রাযী হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন দাউদ বিন আবি উমামাহ বিন সাহল বিন হুনাইফ হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাকে সা'দ বিন ইমরান বিন হিন্দ বিন সা'দ বিন সাহল বিন হুনাইফ হাদিস শুনিয়েছেন আবু বকর আব্দুর রহমান বিন উসমান বিন সাহল বিন হুনাইফ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা উসমান বিন সাহল বিন হুনাইফ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি তাঁর চাচা উসমান বিন হুনাইফকে বলতে শুনেছেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম মক্কা থেকে (মদিনায়) আসার পূর্বে মানুষকে আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার এবং কোনো আমল ছাড়াই কেবল মৌখিক স্বীকৃতির মাধ্যমে তা সত্য বলে মেনে নেওয়ার আহ্বান জানাতেন। তখন কিবলা ছিল বাইতুল মাকদিসের দিকে। অতঃপর যখন তিনি আমাদের নিকট হিজরত করলেন, তখন ফরজ বিধানসমূহ অবতীর্ণ হলো এবং মদিনার জীবন মক্কার জীবনকে ও তখনকার কেবল মৌখিক স্বীকৃতির বিধানকে রহিত করল, আর বায়তুল হারাম রহিত করল বাইতুল মাকদিসকে। ফলে ঈমান মৌখিক স্বীকৃতি ও আমল—উভয়টির সমন্বিত রূপ ধারণ করল।"

‌‌১০০ - আবু তাহির মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহীম তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন হাইয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবরাহীম বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন আল-ওয়ালীদ বিন বুরদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আইয়ুব বিন সুওয়াইদ ইবনে শাওযাব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-ফারাযদাক-এর এমন কোনো ওলিমা বা খুশির অনুষ্ঠান ছিল না যার সংবাদ তিনি হাসান বিন আলী বিন আবি আল-হাসানকে দিতেন না। তিনি (ইবনে শাওযাব) বলেন: একদিন তিনি (হাসান) তাঁকে (ফারাযদাককে) তাদের এক মৃত ব্যক্তির জানাজায় ডাকলেন। তিনি তখন কবরের কিনারায় অবস্থান করছিলেন। অতঃপর তিনি বললেন: হে আবু ফিরাাস, আপনি এই দিনের জন্য কী প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন? তিনি বললেন: "আশি বছর যাবৎ এই সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই।" তখন হাসান বললেন: "সাবাশ তাঁর জন্য, তিনি কতই না বুদ্ধিমান!"

‌‌১০১ - আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন রিযাহ আসফাহানে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম সুলাইমান বিন আহমাদ বিন আইয়ুব আত-তাবারানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদান বিন আহমাদ ও আলী বিন সাঈদ আর-রাযী আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তাঁরা বলেন: আম্মার বিন আল-মুখতার আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: গালিব আল-কাত্তান আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি ব্যবসার প্রয়োজনে কুফায় আসি এবং আল-আ'মাশের সন্নিকটে অবস্থান করি। এক রাতে যখন আমি প্রস্থান করার ইচ্ছা করলাম, তখন তিনি দাঁড়িয়ে তাহাজ্জুদ আদায় করলেন এবং এই আয়াতটি পাঠ করলেন: {আল্লাহ সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, নিশ্চয়ই তিনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, আর ফেরেশতাগণ ও জ্ঞানীগণও; তিনি ন্যায়বিচারে সুপ্রতিষ্ঠিত। তিনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট একমাত্র দ্বীন হলো ইসলাম} [আলে ইমরান: ১৮-১৯]। আল-আ'মাশ বললেন: "আর আল্লাহ যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন আমিও সে বিষয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আমি আল্লাহর নিকট এই সাক্ষ্য গচ্ছিত রাখছি, আর এটি আল্লাহর নিকট একটি আমানত; নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট একমাত্র দ্বীন হলো ইসলাম।" তিনি এটি বারবার পাঠ করলেন। আমি (গালিব) মনে মনে বললাম, নিশ্চয়ই তিনি এই বিষয়ে বিশেষ কিছু শুনেছেন। অতঃপর ভোরে আমি তাঁর কাছে গিয়ে বিদায় নিলাম। এরপর তিনি বললেন—অর্থাৎ আমি বললাম: হে আবু মুহাম্মদ, আমি আপনাকে এই আয়াতটি বারবার তিলাওয়াত করতে শুনেছি? তিনি বললেন: এতে যা রয়েছে তা কি তোমার নিকট পৌঁছেনি? আমি বললাম: আমি এক মাস যাবৎ আপনার নিকট রয়েছি অথচ আপনি আমাকে এই হাদিসটি শোনাননি। তিনি বললেন: আল্লাহর কসম, এক বছর অতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত আমি তোমাকে এটি শোনাব না। ফলে আমি তাঁর দরজায় (অপেক্ষা করতে) লাগলাম। যখন এক বছর পূর্ণ হলো, আমি বললাম: হে আবু মুহাম্মদ, এক বছর তো অতিক্রান্ত হয়েছে। তিনি বললেন: আবু ওয়ায়েল আব্দুল্লাহ (ইবনে মাসউদ) থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "কিয়ামতের দিন এই সাক্ষ্যের অধিকারীকে উপস্থিত করা হবে, তখন মহান আল্লাহ বলবেন: 'আমার বান্দা আমার সাথে একটি অঙ্গীকার করেছে, আর আমিই অঙ্গীকার রক্ষাকারীদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। আমার বান্দাকে জান্নাতে প্রবেশ করাও'।"
(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ৩৪)
‌‌102 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الذَّكْوَانِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا ابْنُ حَيَّانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُؤَذِّنُ، قَالَ: حَدَّثَنَا عِمْرَانُ، يَعْنِي ابْنَ عَبْدِ الرَّحِيمِ، قَالَ: حَدَّثَنَا بَكْرٌ، يَعْنِي ابْنَ بَكَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبَّاسٍ الْكُلَيْبِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: «مَنْ شَهِدَ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنِّي رَسُولُ اللَّهِ دَخَلَ الْجَنَّةَ»

 

‌‌103 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا ابْنُ حَيَّانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ دَاوُدَ الْأَصْفَهَانِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو أَيُّوبَ الشَّاذَكُونِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ حَبِيبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُثْمَانُ الْبَتِّيُّ، عَنْ نُعَيْمِ ابْنِ أَبِي هِنْدٍ الْأَشْجَعِيُّ، عَنْ أَبِي مُسْهِرٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ: دَخَلْتُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم فِي وَجَعِهِ الَّذِي تُوُفِّيَ فِيهِ، وَعَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ عليه السلام مُسْنِدُهُ إِلَى صَدْرِهِ، فَقُلْتُ لِعَلِيٍّ عليه السلام: دَعْنِي فَقَدْ سَهِرْتُ مُنْذُ اللَّيْلَةِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وآله وسلم: «دَعْهُ فَهُوَ أَحَقُّ» ، ثُمَّ قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: «أَدْنُ مِنِّي يَا حُذَيْفَةُ» ، فَدَنَوْتُ مِنْهُ، فَقَالَ: «يَا حُذَيْفَةُ، مَنْ خُتِمَ لَهُ بِصَوْمِ يَوْمٍ يُرِيدُ بِهِ وَجْهَ اللَّهِ تَعَالَى أَدْخَلَهُ اللَّهُ بِهِ الْجَنَّةَ، يَا حُذَيْفَةُ مَنْ خُتِمَ لَهُ بِإِطْعَامِ مِسْكِينٍ يُرِيدُ بِهِ وَجْهَ اللَّهِ أَدْخَلَهُ اللَّهُ بِهِ الْجَنَّةَ، يَا حُذَيْفَةُ مَنْ خُتِمَ لَهُ بِلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ مُخْلِصًا أَدْخَلَهُ اللَّهُ الْجَنَّةَ»

‌‌104 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ الْأَرْجِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْمُفِيدُ، بِجَرْجَرَايَا، قَالَ: حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ هَارُونَ الْحَمَّالُ، قَالَ: حَدَّثَنَا شَيْبَانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ رَاشِدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ الرُّقَاشِيُّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وآله وسلم، قَالَ: «لَوْ جِيءَ بِالسَّمَوَاتِ السَّبْعِ وَالْأَرَضِينَ السَّبْعِ وَمَا فِيهِنَّ فَوُضِعَتْ فِي كِفَّةِ مِيزَانٍ، وَجِيءَ بِلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ فَوُضِعَتْ فِي الْكِفَّةِ الْأُخْرَى لَرَجَحَتْ بِهِنَّ»

 

‌‌105 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنِ رَيْذَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الطَّبَرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّد بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمُقَدَّمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا فُضَيْلُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَبِي مَالِكٍ الْأَشْجَعِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم، يَقُولُ: «مَنْ قَالَ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَكَفَرَ بِمَا يُعْبَدُ مِنْ دُونِهِ حَرَّمَ اللَّهُ مَالَهُ وَدَمَهُ، وَحِسَابُهُ عَلَى اللَّهِ»

 

‌‌106 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ حَيَّانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ الْحَسَنِ الْحَلَبِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَامِرُ بْنُ سَيَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا فُرَاتُ بْنُ السَّايِبِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ، عَنْ عَلِيٍّ عليه السلام، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وآله وسلم، قَالَ: " مَنْ كَانَتْ فِيهِ أَرْبَعُ خِصَالٍ بُنِيَ لَهُ بَيْتٌ فِي الْجَنَّةِ: مَنْ كَانَ عِصْمَةُ
১০২ - আবুল কাসিম আল-যাকওয়ানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবনে হাইয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইউসুফ বিন মুহাম্মদ আল-মুয়াযযিন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইমরান অর্থাৎ ইবনে আবদুর রহীম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: বকর অর্থাৎ ইবনে বাক্কার আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: শু'বা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্বাস আল-কুলায়বী থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে সাক্ষ্য দেয় যে আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে»

 

১০৩ - আবু তাহির মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আবদুর রহীম আমার নিকট তাঁর কাছে পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবনে হাইয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমদ বিন মুহাম্মদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন দাউদ আল-ইসফাহানী থেকে, তিনি বলেন: আবু আইয়ুব আল-শাযাকুনী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান বিন হাবীব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: উসমান আল-বাত্তী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন নুআইম ইবনে আবি হিন্দ আল-আশজাঈ থেকে, তিনি আবু মুশহির থেকে, তিনি হুযাইফা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট তাঁর সেই অসুস্থতার সময় প্রবেশ করলাম যাতে তিনি ইন্তেকাল করেছেন, এমতাবস্থায় আলী বিন আবি তালিব (আলাইহিস সালাম) তাঁকে নিজের বুকের সাথে হেলান দিয়ে রেখেছিলেন। আমি আলীকে (আলাইহিস সালাম) বললাম: আমাকে সুযোগ দিন, কারণ আমি সারা রাত জেগেছি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «তাকে থাকতে দাও, কারণ সে-ই অধিক হকদার», অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন: «হে হুযাইফা, আমার কাছে এসো», আমি তাঁর নিকটবর্তী হলাম, তখন তিনি বললেন: «হে হুযাইফা, যার জীবনের সমাপ্তি ঘটে একদিনের সিয়ামের মাধ্যমে যা দ্বারা সে মহান আল্লাহর চেহারা কামনা করে, আল্লাহ তার মাধ্যমে তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। হে হুযাইফা, যার জীবনের সমাপ্তি ঘটে কোনো মিসকীনকে আহার করানোর মাধ্যমে যা দ্বারা সে আল্লাহর চেহারা কামনা করে, আল্লাহ তার মাধ্যমে তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। হে হুযাইফা, যার জীবনের সমাপ্তি ঘটে ইখলাসের সাথে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলার মাধ্যমে, আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন»

১০৪ - আবুল কাসিম আবদুল আজিজ বিন আলী বিন আহমদ আল-আর্জী তাঁর কাছে পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-মুফীদ জারজারায়ায় আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মূসা বিন হারুন আল-হাম্মাল আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: শায়বান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: সাঈদ বিন রাশিদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াযীদ আল-রুক্বাশী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আনাস বিন মালিক থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «যদি সাত আকাশ ও সাত জমিন এবং এর মধ্যে যা কিছু আছে তা আনা হতো এবং পাল্লার এক পাল্লায় রাখা হতো, আর 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' আনা হতো এবং অন্য পাল্লায় রাখা হতো, তবে এটিই তাদের তুলনায় ভারী হতো»

 

১০৫ - আবু বকর বিন রাইযাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: তাবারানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বিন আহমদ বিন হাম্বল আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন আবি বকর আল-মুকাদ্দামী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ফুযাইল বিন সুলাইমান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু মালিক আল-আশজাঈ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন: «যে ব্যক্তি 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলবে এবং আল্লাহ ছাড়া যা কিছু উপাসনা করা হয় তা অস্বীকার করবে, আল্লাহ তার ধন-সম্পদ ও রক্তকে হারাম করে দেবেন, আর তার হিসাব আল্লাহর ওপর»

 

১০৬ - আবু তাহির মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আবদুর রহীম আমার নিকট তাঁর কাছে পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন হাইয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: উমর বিন হাসান আল-হালাবী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমির বিন সাইয়ার আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ফুরাত বিন সাইয়িব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু ইসহাক থেকে, তিনি আসিম বিন দামরাহ থেকে, তিনি আলী (আলাইহিস সালাম) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "যার মধ্যে চারটি গুণ থাকবে তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করা হবে: যার আশ্রয় হবে..."
(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ৩৫)
أَمْرِهِ شَهَادَةُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَإِذَا أَصَابَتْهُ نِعْمَةٌ حَمِدَ رَبَّهُ، وَإِذَا أَذْنَبَ اسْتَغْفَرَ اللَّهَ، وَإِذَا أَصَابَتْهُ مُصِيبَةٌ اسْتَرْجَعَ "

‌‌107 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ غَيْلَانَ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الشَّافِعِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ هِشَامٍ الْمَرْوَزِيُّ، وَأَحْمَدُ بْنُ هَارُونَ الْحَافِظُ، قَالَا: حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ الْأَسْوَدُ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو الْعَبْقَرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُبَارَكُ بْنُ حَسَّانٍ، عَنْ عِيسَى بْنِ مَيْمُونٍ، عَنْ أَبِي الْمُعْتَمِرِ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ، قَالَ: سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم، عَنْ كَفَّارةٍ أَحْدَاثِنَا فَقَالَ: «شَهَادَةُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ» .

وَقَالَ أَحْمَدُ بْنُ هَارُونَ: سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم، عَنْ كَفَّارَةِ إِحْدَانَا

 

‌‌108 - أَخْبَرَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَلْحَةَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ غَسَّانَ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ فِي جَامِعِ الْبَصْرَةِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْعَبَّاسِ الْأَسْفَاطِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْأُمَوِيُّ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي عَيَّاشٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ كُلَيْبٍ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: «أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنِّي رَسُولُ اللَّهِ، وَأَشْهَدُ أَنْ لَا يَقُولَهَا أَحَدٌ مِنْ قَلْبِهِ إِلَّا وَقَاهُ اللَّهُ عَنِ النَّارِ»

 

‌‌109 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ بْنِ رُسْتَهْ بْنِ الْمِهْيَارِ الْبَغْدَادِيُّ، نَزِيلُ أَصْفَهَانَ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحُظُوظِ، إِمْلَاءً بِالْبَصْرَةِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو خَلِيفَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مُجَالِدٍ، وَإِسْمَاعِيلَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ جَرِيرٍ، قَالَ: «بَايَعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وآله وسلم عَلَى شَهَادَةِ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ، وَالسَّمْعِ وَالطَّاعَةِ، وَإِقَامَةِ الصَّلَاةِ، وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ، وَالنُّصْحِ لِكُلِّ مُسْلِمٍ»

‌‌110 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنِ حَيَّانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ حُكَيْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو سُفْيَانَ الْغَنَوِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى الشَّيْبَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمَّارُ بْنُ عَطِيَّةَ التَّغْلِبِيُّ، عَنْ أَبَانِ بْنِ أَبِي عَيَّاشٍ، قَالَ: خَرَجْنَا فِي جَنَازَةِ النَّوَّارِ بِنْتِ أَعْيَنَ بْنِ ضُبَيْعَةَ، وَكَانَتْ تَحْتَ الْفَرَزْدَقِ، وَقَدْ كَانَ الْحَسَنُ فِيهَا، فَلَمَّا صِرْنَا فِي الطَّرِيقِ، قَالَ الْفَرَزْدَقُ: يَا أَبَا سَعِيدٍ، مَا يَقُولُ النَّاسُ؟ قَالَ: مَا يَقُولُونَ، قَالَ: يَقُولُونَ فِي هَذِهِ الْجَنَازَةِ خَيْرُ النَّاسِ وَشَرُّ النَّاسِ، قَالَ: وَمَنْ هُوَ؟ قَالَ: يَقُولُونَ أَنْتَ خَيْرُ النَّاسِ وَأَنَا شَرُّ النَّاسِ، قَالَ الْحَسَنُ:
তার বিষয়ের (মূল) হলো এই সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। যখন তার ওপর কোনো নেয়ামত আসে, সে তার রবের প্রশংসা করে। যখন সে কোনো গুনাহ করে, সে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে। আর যখন সে কোনো বিপদে পড়ে, তখন সে 'ইন্না লিল্লাহ' পাঠ করে (আল্লাহর দিকে ফিরে যায়)।

‌‌১০৭ - আবু তালিব মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে গাইলান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইব্রাহিম আশ-শাফিঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে হিশাম আল-মারওয়াযী এবং আহমদ ইবনে হারুন আল-হাফিয আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: হুসাইন ইবনে আলী আল-আসওয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর আল-আবকারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুবারক ইবনে হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা ইবনে মাইমুন থেকে, তিনি আবু আল-মুতামির থেকে, তিনি আবু বকর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লামকে আমাদের কৃতকর্মের কাফফারা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: "এই সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই।"

আর আহমদ ইবনে হারুন (অন্য বর্ণনায়) বলেছেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লামকে আমাদের কারো কাফফারা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম।

 

‌‌১০৮ - আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে তালহা ইবনে ইব্রাহিম ইবনে গাসসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বসরা জামে মসজিদে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আব্বাস আল-আসফাতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-উমাবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে আবি আইয়াশ থেকে, তিনি ইয়াযিদ ইবনে আবি যিয়াদ থেকে, তিনি আসিম ইবনে কুলাইব থেকে, তিনি আসিম ইবনে উমর ইবনুল খাত্তাব থেকে, তিনি তাঁর পিতা (উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আল্লাহর রাসূল। আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, যে কেউ অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে এটি বলবে, আল্লাহ অবশ্যই তাকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন।"

 

‌‌১০৯ - আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে রুস্তাহ ইবনে মিহ্‌ইয়ার আল-বাগদাদী, যিনি ইসফাহানে বসবাস করতেন, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আলী আব্দুল্লাহ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আল-হুযূয বসরার একটি মজলিসে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু খলীফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহিম ইবনে বাশশার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুজালিদ ও ইসমাইল থেকে, তাঁরা শাবী থেকে, তিনি জারীর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লামের নিকট এই মর্মে বায়আত গ্রহণ করেছি যে—আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল, এ সাক্ষ্য দেওয়ার ওপর; আর কথা শোনা ও আনুগত্য করা, নামাজ কায়েম করা, জাকাত প্রদান করা এবং প্রত্যেক মুসলমানের কল্যাণ কামনা করার ওপর।"

‌‌১১০ - আবু তাহের মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ ইবনে হাইয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসহাক ইবনে হাকিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু সুফিয়ান আল-গানাবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল-শাইবানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আম্মার ইবনে আতিয়্যাহ আল-তাগলিবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবান ইবনে আবি আইয়াশ থেকে, তিনি বলেন: আমরা নাওয়ার বিনতে আয়ান ইবনে জুবাইআহর জানাজায় বের হলাম, তিনি আল-ফারাযদাকের স্ত্রী ছিলেন। আল-হাসানও (আল-বাসরি) সেখানে উপস্থিত ছিলেন। যখন আমরা পথিমধ্যে চলছিলাম, তখন আল-ফারাযদাক বললেন: হে আবু সাঈদ, লোকেরা কী বলছে? তিনি বললেন: তারা কী বলছে? ফারাযদাক বললেন: তারা এই জানাজা সম্পর্কে বলছে যে, এতে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম ব্যক্তি এবং সবচেয়ে নিকৃষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত আছে। তিনি (হাসান) বললেন: তারা কারা? ফারাযদাক বললেন: তারা বলছে যে আপনি হলেন শ্রেষ্ঠ মানুষ আর আমি হলাম নিকৃষ্ট মানুষ। হাসান বললেন:
(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ৩৬)
لَسْتَ بِأَخْيَرَ النَّاسِ وَلَا أَنْتَ بِأَشَرَّ النَّاسِ، قَالَ: فَلَمَّا صَلَّيْنَا قَامَ الْحَسَنُ عَلَى شَفِيرِ الْقَبْرِ فَقَالَ: يَا أَبَا فِرَاسٍ، مَا أَعْدَدْتَ لِهَذَا الْمَضْجَعِ؟ قَالَ «شَهَادَةُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ مُنْذُ بِضْعٍ وَسَبْعِينَ سَنَةً» .

فَقَالَ الْحَسَنُ: «خُذُوهَا مِنْ غَيْرِ فَقِيهٍ» .

ثُمَّ تَنَحَّى فَجَلَسَ نَاحِيَةً وَأَحْدَقَ النَّاسُ بِهِ، فَجَاءَ الْفَرَزْدَقُ يَتَخَطَّى رِقَابَ النَّاسِ حَتَّى قَامَ بَيْنَ يَدَيِ الْحَسَنِ فَأَنْشَدَ شِعْرًا:

أَخَافُ وَرَاءَ الْقَبْرِ إِنْ لَمْ يُعَافِنِي … أَشَدَّ مِنَ الْقَبْرِ الْتِهَابًا وَأَضْيَقَا

إِذَا جَاءَنِي يَوْمُ الْقِيَامَةِ قَائِدٌ … عَنِيدٌ وَسَوَّاقٌ يَقُودُ الْفَرَزْدَقَا

لَقَدْ خَابَ مِنْ أَوْلَادِ آدَمَ مَنْ مَشَى … إِلَى النَّارِ مَغْلُولَ الْقِلَادَةِ أَزْرَقَا

يُسَاقُ إِلَى نَارِ الْجَحِيمِ مُسَرْبَلًا … سَرَابِيلُ قَطْرَانٍ لِبَاسًا مُحَرَّقَا

إِذَا شَرِبُوا فِيهَا الصَّدِيدَ رَأَيْتَهُمْ … يَذُوقُونَ مِنْ حَرِّ الصَّدِيدِ تَمَزُّقَا

قَالَ: فَلَقَدْ رَأَيْتُ الْحَسَنَ قَدْ ثَنَى قَمِيصَهُ عَلَى وَجْهِهِ يَنْحِبُ.

‌‌111 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْحُسَيْنِ الْجُوزَدَانِيُّ الْمُقْرِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُسْلِمٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ شَهْدَلٍ الْمَدِينِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُقْدَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ سَعِيدٍ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: حَدَّثَنَا حُصَيْنُ بْنُ مُخَارِقٍ، عَنْ عَبْدِ الصَّمَدِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: " مَنْ دَعَا بِدَعْوَةِ ذِي النُّونِ اسْتُجِيبَ لَهُ، ثُمَّ قَرَأَ: {لا إِلَهَ إِلا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ} [الأنبياء: 87] "

 

‌‌112 - وَبِإِسْنَادِهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا حُصَيْنُ، عَنْ عَبْدِ الصَّمَدِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ": {مَنْ جَاءَ بِالْحَسَنَةِ} [الأنعام: 160] ، قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، {وَمَنْ جَاءَ بِالسَّيِّئَةِ} [الأنعام: 160] ، قَالَ: الشِّرْكُ "

 

‌‌113 - أَخْبَرَنَا ابْنُ رَيْذَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الطَّبَرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الْمَلِكِ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدِّمَشْقِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الزُّبَيْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الصَّلْتُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الزُّبَيْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ عَبْدِ الصَّمَدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ ابْنِ مَخْلَدٍ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: " إِذَا أَشْرَعَ أَحَدُكُمْ إِلَى الرَّجُلِ بِالرُّمْحِ فَإِنْ كَانَ سِنَانُهُ عَنْ ثَغْرَةِ نَحْرِهِ فَقَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ فَلْيَرْفَعْ عَنْهُ الرُّمْحَ "

‌‌114 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الذَّكْوَانِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَيَّانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيِّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَأَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُقْرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ الْفِرْدَوْسِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ الْفِرْدَوْسِ، قَالَ: حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ بَكَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَيَّاشٍ الْكَلْبِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ: قَالَ رَسُولُ
তুমি মানুষের মধ্যে সর্বোত্তম নও, আবার তুমি মানুষের মধ্যে নিকৃষ্টতমও নও। বর্ণনাকারী বলেন: যখন আমরা সালাত শেষ করলাম, তখন হাসান (বসরি) কবরের পাশে দাঁড়ালেন এবং বললেন: হে আবু ফিরাস, আপনি এই শয্যার জন্য কী প্রস্তুতি নিয়েছেন? তিনি বললেন: ‘সত্তর বছরেরও বেশি সময় ধরে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই—এই সাক্ষ্য।’

তখন হাসান বললেন: ‘একজন সাধারণ ব্যক্তির (ফকিহ নয় এমন) কাছ থেকে এটি গ্রহণ করো।’

অতঃপর তিনি সরে গিয়ে একপাশে বসলেন এবং লোকজন তাঁকে ঘিরে ধরল। তখন ফারাযদাক মানুষের ঘাড় টপকে এগিয়ে এলেন এবং হাসানের সামনে দাঁড়িয়ে কবিতা আবৃত্তি করলেন:

কববের পরবর্তী অবস্থাকে আমি ভয় পাই, যদি তিনি আমাকে ক্ষমা না করেন … যা কবরের চেয়েও অধিক দহনকারী এবং সংকীর্ণ।

যখন কিয়ামতের দিন এক একগুঁয়ে পরিচালক ও চালক আসবে … যারা ফারাযদাককে তাড়িয়ে নিয়ে যাবে।

আদম সন্তানদের মধ্যে সে-ই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে চলে … জাহান্নামের দিকে, গলার বেড়িতে আবদ্ধ এবং নীলবর্ণ হয়ে।

তাকে জাহান্নামের আগুনের দিকে চালিত করা হবে পোশাকে আবৃত অবস্থায় … আলকাতরার পোশাক যা দহনকারী বস্ত্র।

যখন তারা সেখানে ক্ষতনিঃসৃত পুঁজ পান করবে, তখন তুমি তাদের দেখবে … তারা পুঁজের তীব্র উত্তাপে ছিন্নভিন্ন হয়ে যাচ্ছে।

বর্ণনাকারী বলেন: আমি হাসানকে দেখলাম তিনি তাঁর জামার প্রান্ত দিয়ে মুখ ঢেকে উচ্চস্বরে কাঁদছেন।

‌‌১১১ - আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আহমদ ইবনে হুসাইন আল-জাওযদানি আল-মুকরি স্বীয় পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুসলিম আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে শাহদাল আল-মাদিনি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে উকদাহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে হাসান ইবনে সাঈদ আবু আব্দুল্লাহ, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হুসাইন ইবনে মুখারিক বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুস সামাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি যুন-নূন (ইউনুস আ.)-এর দুআ পাঠ করবে, তার দুআ কবুল করা হবে। অতঃপর তিনি পাঠ করলেন: {আপনি ব্যতীত অন্য কোনো সত্য উপাস্য নেই, আপনি মহান পবিত্র, নিশ্চয়ই আমি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম} [আল-আম্বিয়া: ৮৭]"

 

‌‌১১২ - এবং তাঁর পূর্বোক্ত সনদে তিনি বলেন: আমাদের নিকট হুসাইন বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুস সামাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন: {যে ব্যক্তি সৎ কাজ নিয়ে আসবে} [আল-আনআম: ১৬০], তিনি বলেন: এটি হলো 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ', {এবং যে ব্যক্তি মন্দ কাজ নিয়ে আসবে} [আল-আনআম: ১৬০], তিনি বলেন: এটি হলো শিরক।

 

‌‌১১৩ - আমাদের ইবনে রাইযাহ সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের তাবারানি সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের আবু আব্দুল মালিক আহমদ ইবনে ইব্রাহিম আদ-দিমাশকি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সুলাইমান ইবনে আব্দুর রহমান আজ-জুবাইদি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সালত ইবনে আব্দুর রহমান আজ-জুবাইদি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সুফিয়ান আস-সাওরি বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুস সামাদ ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি কাতাদা থেকে, তিনি ইবনে মাখলাদ থেকে, তিনি আবু উবাইদাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের কেউ যখন কোনো ব্যক্তির দিকে বর্শা লক্ষ্য করে, আর যদি সেই বর্শার ফলকটি তার কণ্ঠনালীর গর্ত বরাবর থাকে, এমতাবস্থায় সে যদি বলে: 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ', তবে সে যেন তার থেকে বর্শাটি সরিয়ে নেয়।"

‌‌১১৪ - আবুল কাসিম আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আজ-যাকওয়ানি স্বীয় পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে হাইয়ান সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের আবু আলী ইবনে ইব্রাহিম এবং আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরি বর্ণনা করেছেন, তারা বলেন: আমাদের আব্দুল ওয়ারিস ইবনে আল-ফিরদাউস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের বকর ইবনে বাক্কার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের শু'বাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি আইয়াশ আল-কালবি থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ৩৭)
اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: «مَنْ شَهِدَ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنِّي رَسُولُ اللَّهِ دَخَلَ الْجَنَّةَ»

 

‌‌115 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرِ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا ابْنُ حَيَّانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ يَعْنِي ابْنَ الْمُجَزَّرِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ حَفْصٍ الْغَامِرِيِّ، عَنْ مُوسَى الصَّغِيرِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وآله وسلم «مَنْ قَالَ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ نَفَعَهُ مِنْ دَهْرِهِ وَلَوْ بَعْدَ مَا يُصِيبُهُ الْعَذَابُ»

 

‌‌116 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ رُسْتَهْ بْنِ الْمِهْيَارِ الْبَغْدَادِيُّ، نَزِيلُ أَصْفَهَانَ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَظُوظِ، إِمْلَاءً بِالْبَصْرَةِ فِي شَهْرِ رَمَضَانَ سَنَةَ سَبْعٍ وَسِتِّينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو خَلِيفَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وآله وسلم، قَالَ: " يَخْرُجُ مِنَ النَّارِ مَنْ قَالَ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَفِي قَلْبِهِ وَزْنُ ذَرَّةٍ مِنَ الْإِيمَانِ، وَيَخْرُجُ مِنَ النَّارِ مَنْ قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَفِي قَلْبِهِ وَزْنُ ذَرَّةٍ مِنَ الْخَيْرِ "

‌‌117 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ حَيَّانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدَانَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ بَكَّارٍ أَبُو عَمْرٍو الْبَصْرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ مَوْلَى آلِ الزُّبَيْرِ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم، قَالَ: " مَنْ قَالَ فِي سُوقٍ مِنْ أَسْوَاقِ الْمُسْلِمِينَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ حَيٌّ لَا يَمُوتُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، كَتَبَ اللَّهُ لَهُ أَلْفَ أَلْفِ حَسَنَةٍ وَمَحَا عَنْهُ أَلْفَ أَلْفِ سَيِّئَةٍ وَبُنِيَ لَهُ بَيْتٌ فِي الْجَنَّةِ "

 

‌‌118 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ رَيْذَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الطَّبَرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو زُرْعَةَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَمْرٍو الدِّمَشْقِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ.

ح قَالَ: وَأَخْبَرَنَا أَبُو رَيْذَةَ، قَالَ: وَأَخْبَرَنَا الطَّبَرَانِيُّ، قَالَ: وَحَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ عَمْرٍو الضَّبِّيُّ، وَالْهَيْثَمُ بْنُ خَارِجَةَ، قَالُوا: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنْ أَبِي زَهْمٍ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وآله وسلم، قَالَ: " مَنْ قَالَ حِينَ يُصْبِحُ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ عَشْرَ مَرَّاتٍ، كُتِبَ لَهُ بِكُلِّ وَاحِدَةٍ قَالَهَا: عَشْرُ حَسَنَاتٍ وَحُطَّ عَنْهُ بِهَا عَشْرُ سَيِّئَاتٍ وَرَفَعَ اللَّهُ لَهُ بِهَا عَشْرَ دَرَجَاتٍ، وَكُنَّ لَهُ كَعِتْقِ عَشْرِ رَقَبَاتٍ، وَكُنَّ لَهُ مَسْلَحَةً مِنْ أَوَّلِ
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি সাক্ষ্য দিবে যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।»

 

‌‌১১৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির বিন আব্দুর রহিম, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনুন হাইয়ান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন হারুন অর্থাৎ ইবনুল মুজাজ্জির, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, হাফস আল-গামিরি থেকে, তিনি মুসা আস-সাগির থেকে, তিনি উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ (রা.) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি বলবে 'আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই', এটি তার জীবনের কোনো এক সময়ে তার উপকারে আসবে, যদিও তাকে তার আগে শাস্তি ভোগ করতে হয়।»

 

‌‌১১৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন উমর বিন রুস্তাহ বিন আল-মিহয়্যার আল-বাগদাদী, যিনি আসফাহানে বসবাস করতেন, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলী আব্দুল্লাহ বিন ইব্রাহিম বিন আল-হাজুজ, বসরায় তিনশত সাতষট্টি হিজরী সনের রমজান মাসে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু খলিফাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসলিম বিন ইব্রাহিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম, কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "জাহান্নাম থেকে সেই ব্যক্তি বের হবে যে বলেছে 'আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই' এবং তার হৃদয়ে অণু পরিমাণ ঈমান রয়েছে; এবং জাহান্নাম থেকে সেই ব্যক্তি বের হবে যে বলেছে 'আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই' এবং তার হৃদয়ে অণু পরিমাণ কল্যাণ রয়েছে।"

‌‌১১৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহিম, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন হাইয়ান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন সা'দান বিন ইব্রাহিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বকর বিন বাক্কার আবু আমর আল-বসরী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন যাইদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জুবাইর পরিবারের মুক্তদাস আমর বিন দিনার, তিনি সালিম বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি উমর বিন আল-খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি মুসলিমদের কোনো বাজারে প্রবেশ করে বলবে: 'আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই, তিনিই জীবন দান করেন ও মৃত্যু ঘটান, তিনি চিরঞ্জীব, কখনও মৃত্যুবরণ করবেন না, এবং তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান', আল্লাহ তার জন্য দশ লক্ষ নেকি লিখে দিবেন এবং তার থেকে দশ লক্ষ গুনাহ মুছে দিবেন এবং জান্নাতে তার জন্য একটি ঘর নির্মাণ করবেন।"

 

‌‌১১৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর বিন রাইজাহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাবারানী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জুরআ আব্দুর রহমান বিন আমর আদ-দিমাশকী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ইয়ামান।

হ (সূত্র পরিবর্তন) তিনি বলেন: এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু রাইজাহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাবারানী, তিনি বলেন: এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন হাম্বল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দাউদ বিন আমর আদ-দাব্বী এবং হাইসাম বিন খারিজাহ, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল বিন আইয়্যাশ, সাফওয়ান বিন আমর থেকে, তিনি খালিদ বিন মাদানি থেকে, তিনি আবু যাহম থেকে, তিনি আবু আইয়ুব (রা.) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "যে ব্যক্তি সকালে দশবার বলবে: 'আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই, তিনিই জীবন দান করেন ও মৃত্যু ঘটান এবং তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান', তার প্রতিটি বলার বিনিময়ে তার জন্য দশটি নেকি লেখা হবে, তার দশটি গুনাহ মিটিয়ে দেওয়া হবে এবং আল্লাহ তার জন্য দশটি মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন। এগুলো তার জন্য দশটি গোলাম আজাদ করার সমতুল্য হবে এবং এটি তার জন্য দিনের শুরু থেকে একটি সুরক্ষিত দুর্গ হিসেবে কাজ করবে..."
(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ৩৮)
النَّهَارِ إِلَى آخِرِهِ، وَلَمْ يَعْمَلْ يَوْمَئِذٍ عَمَلًا يَقْهَرُهُنَّ وَإِنْ قَالَهُنَّ حِينَ يُمْسِي فَمِثْلُ ذَلِكَ "

‌‌119 - أَخْبَرَنَا ابْنُ رَيْذَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الطَّبَرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ زَكَرِيَّا، قَالَ: حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ، يَعْنِي ابْنَ بَكَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو هِلَالٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وآله وسلم: «مَنْ قَالَ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ قَبْلَ كُلِّ شَيْءٍ، وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ يَبْقَى وَيَفْنَى كُلُّ شَيْءٍ، عُوفِيَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحُزْنِ»

 

‌‌120 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الذَّكْوَانِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ حَيَّانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ يَعْنِي الْمَدِينِيَّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ شَيْهَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُقَدَّمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ الْقَاسِمِ، وَهُوَ أَخُو رَوْحِ بْنِ الْقَاسِمِ وَهُوَ أَنْبَلُ مِنْ رَوْحٍ، قَالَ: سَمِعْتُ نُعَيْمَ بْنَ أَبِي هِنْدٍ يُحَدِّثُ، عَنْ حِذَيْفَةَ، قَالَ: دَخَلْتُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم فِي مَرَضِهِ فَرَأَيْتُهُ يَهُمُّ بِالْقُعُودِ وَعَلِيٌّ عليه السلام عِنْدَهُ يَمِيدُ بِهِ مِنَ النُّعَاسِ، فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَا أَرَى عَلِيًّا إِلَّا قَدْ سَهِرَ فِي لَيْلَتِهِ هَذِهِ أَفَلَا أَدْنُو مِنْكَ؟ قَالَ: عَلِيٌّ أَوْلَى بِذَلِكَ، فَدَنَا مِنْهُ عَلِيٌّ عليه السلام فَسَانَدَهُ، فَسَمِعْتُهُ يَقُولُ: " مَنْ خُتِمَ لَهُ بِإِطْعَامِ مِسْكِينٍ مُحْتَسِبًا عَلَى اللَّهِ عز وجل دَخَلَ الْجَنَّةَ، وَمَنْ خُتِمَ لَهُ بِصَوْمِ يَوْمٍ مُحْتَسِبًا عَلَى اللَّهِ عز وجل دَخَلَ الْجَنَّةَ وَمَنْ خُتِمَ لَهُ بِقَوْلِ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ مُحْتَسِبًا عَلَى اللَّهِ عز وجل دَخَلَ الْجَنَّةَ "

‌‌121 - أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْمَكْفُوفُ الْمُؤَدِّبُ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ حَيَّانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي الشَّوَارِبِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنِ الْمُخْتَارِ، عَنْ سَهْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: «الْإِيمَانُ بِضْعٌ وَسَبْعُونَ أَوْ قَالَ بِضْعٌ وَثَمَانُونَ جُزْءًا عَنْدَ اللَّهِ، أَفْضَلُهَا قَوْلُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَأَدْنَاهَا إِمَاطَةُ الْأَذَى عَنِ الطَّرِيِق، وَالْحَيَاءُ شُعْبَةٌ مِنَ الْإِيمَانِ»

‌‌122 - أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ حَيَّانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامُ، قَالَ: حَدَّثَنَا شِهَابُ بْنُ خِرَاشٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ النَّخَعِيِّ، قَالَ «لَأَنَا لِفِتْنَةِ الْمُرْجِئَةِ عَلَى هَذِهِ الْأُمَّةِ أَخْوَفُ مَنْ فِتْنَةِ الْأَزَارِقَةِ» .

‌‌123 - وَبِهِ قَالَ الْقَاضِي الْإِمَامُ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ الْكُنِّيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الْقَاضِي الْإِمَامُ السَّيِّدُ الْعَدْلُ أَبُو الْفَتْحِ نَصْرُ بْنُ مَهْدِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ
দিনের শেষ পর্যন্ত, এবং সেদিন এমন কোনো আমল করবে না যা সেগুলোকে (কালিমাগুলোকে) পরাভূত করতে পারে। আর যদি সে সন্ধ্যায় এই কথাগুলো বলে, তবে অনুরূপ।

‌‌১১৯ - ইবনে রাইযাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আত-তাবারানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন যাকারিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্বাস অর্থাৎ ইবনে বাক্কার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু হিলাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ থেকে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসায়্যিব থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি প্রত্যেক জিনিসের পূর্বে বলবে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ', এবং 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' অবশিষ্ট থাকবে আর সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাবে, সে দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে মুক্তি পাবে»

 

‌‌১২০ - আবুল কাসিম আয-যাকওয়ানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ বিন হাইয়্যান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসহাক বিন মুহাম্মদ বিন আলী অর্থাৎ আল-মাদিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উমর বিন শায়বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর বিন আলী বিন মুকাদ্দাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হিশাম বিন আল-কাসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—আর তিনি রাওহ বিন আল-কাসিমের ভাই এবং রাওহের চেয়েও অধিক মর্যাদাবান—তিনি বলেন: আমি নুআইম বিন আবি হিন্দকে বর্ণনা করতে শুনেছি হুযাইফাহ থেকে, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লামের অসুস্থতার সময় তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম। আমি তাঁকে বসার চেষ্টা করতে দেখলাম এবং আলী আলাইহিস সালাম তাঁর কাছে ছিলেন, তিনি তন্দ্রায় ঢুলছিলেন। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমি আলীকে দেখছি সে তার এই রাতটি নির্ঘুম কাটিয়েছে, আমি কি আপনার নিকটবর্তী হব? তিনি বললেন: আলীই এর জন্য বেশি হকদার। অতঃপর আলী আলাইহিস সালাম তাঁর নিকটবর্তী হলেন এবং তাঁকে ঠেস দিয়ে ধরলেন। তখন আমি তাঁকে বলতে শুনলাম: "যাকে আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার সন্তুষ্টির আশায় কোনো মিসকিনকে আহার করানোর অবস্থায় মৃত্যু দেওয়া হয়, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। যাকে আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার সন্তুষ্টির আশায় একদিন রোজা রাখা অবস্থায় মৃত্যু দেওয়া হয়, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যাকে আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার সন্তুষ্টির আশায় 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলা অবস্থায় মৃত্যু দেওয়া হয়, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।"

‌‌১২১ - আবু আহমাদ মুহাম্মদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ আল-মাকফুফ আল-মুয়াদ্দিব তার নিকট আমার কিরাআত পাঠকালে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন হাইয়্যান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবরাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনুল আবি আল-শাওয়ারিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল আজিজ বিন আল-মুখতার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাহল থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «ঈমানের সত্তরটিরও বেশি অথবা তিনি বলেছেন আশিরও বেশি শাখা আল্লাহর নিকট রয়েছে। তার মধ্যে সর্বোত্তম হলো 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলা এবং তার মধ্যে সর্বনিম্ন হলো রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা। আর লজ্জা ঈমানের একটি শাখা»

‌‌১২২ - আবু আহমাদ তার নিকট আমার কিরাআত পাঠকালে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন হাইয়্যান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শিহাব বিন খিরাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাঈদ বিন আবি সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম আন-নাখায়ি থেকে, তিনি বলেন: «নিশ্চয়ই আমি এই উম্মতের জন্য মুরজিয়াদের ফিতনাকে আযারিফাদের ফিতনার চেয়েও বেশি ভয় করি»।

‌‌১২৩ - এবং তাঁরই সূত্রে আল-কাদি আল-ইমাম আহমাদ বিন আবিল হাসান আল-কুন্নি বলেছেন, তিনি বলেন: আল-কাদি আল-ইমাম আস-সাইয়্যিদ আল-আদল আবুল ফাতহ নাসর বিন মাহদি বিন মুহাম্মদ বিন
(খণ্ড: ১) তারতীবুল আমালিল খামিসিয়্যাহ লিশ শাজারী (পৃষ্ঠা: ৩৯)
عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عِيسَى بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْأَمِيرِ بْنِ عِيسَى بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ الْأَصْغَرِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ الرَّيْدِيُّ، رَحِمَهُ اللَّهُ تَعَالَى بِقِرَاءَتِي بِالرَّيِّ، قَالَ: حَدَّثَنَا السَّيِّدُ الْإِمَامُ الْمُرْشِدُ بِاللَّهِ أَبُو الْحُسَيْنِ يَحْيَى بْنُ الْإِمَامِ الْمُوَفَّقِ بِاللَّهِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ زَيْدٍ الْحَسَنِيُّ الزَّيْدِيُّ الشَّجَرِيُّ، رَحِمَهُ اللَّهُ تَعَالَى إِمْلَاءً مِنْ سَنَةِ سَبْعٍ وَسَبْعِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا ابْنُ رَيْذَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الطَّبَرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ هِشَامٍ الْمُسْتَمْلِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَضْرَمِيُّ، قَالَا: حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْوَلِيدِ الْكِنْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ طَلْحَةَ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ أَبِي الْكَهْتَلَةِ، قَالَ مُحَمَّدٌ أَظُنُّهُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: " أَنَّهُ لَمْ يَرَ جِبْرِيلَ عليه السلام فِي صُورَتِهِ إِلَّا مَرَّتَيْنِ، قَالَ: أَمَّا مَرَّةٌ فَإِنَّهُ سَأَلَهُ أَنْ يُرِيَهُ نَفْسَهُ فِي صُورَتِهِ فَرَآهُ يَسُدُّ الْأُفُقَ، وَأَمَّا الثَّانِيَةُ فَإِنَّهُ كَانَ مَعَهُ أَوْ أَصْعَدَ فِي قَوْلِهِ: {ثُمَّ دَنَا فَتَدَلَّى {8} فَكَانَ قَابَ قَوْسَيْنِ أَوْ أَدْنَى {9} فَأَوْحَى إِلَى عَبْدِهِ مَا أَوْحَى} [النجم: 8-10] فَلَمَّا أَنْ أَحَسَّ جِبْرِيلُ عليه السلام رَبَّهُ عز وجل عَادَ فِي صُورَتِهِ فَذَلِكَ قَوْلُهُ {وَلَقَدْ رَآهُ نَزْلَةً أُخْرَى {13} عِنْدَ سِدْرَةِ الْمُنْتَهَى {14} عِنْدَهَا جَنَّةُ الْمَأْوَى} [النجم: 13-15] ، وَقَوْلُهُ {لَقَدْ رَأَى مِنْ آيَاتِ رَبِّهِ الْكُبْرَى} [النجم: 18] ، قَالَ: خَلَقَ جِبْرِيلُ عليه السلام "

‌‌124 - وَبِهِ قَالَ السَّيِّدُ: أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو الْقَاسِمِ التَّنُوخِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدٍ الدَّقَّاقُ الْعَسْكَرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَيُّوبَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ شَخْتَبَ، قَالَ: حَدَّثَنَا صَالِحُ بْنُ تَتَانَ، عَنِ الْمَسْعُودِيِّ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم جَالِسٌ فَسَلَّمْتُ وَجَلَسْتُ، فَقُلْتُ: دَخَلْتُ الْمَسْجِدَ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وآله وسلم: «أَلَا أُخْبِرُكَ بِتَفْسِيرِهَا؟» قُلْتُ: بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: «لَا حَوْلَ عَنْ مَعْصِيَةِ اللَّهِ إِلَّا بِعِصْمَتِهِ، وَلَا قُوَّةَ عَلَى طَاعَةِ اللَّهِ إِلَّا بِعَوْنِهِ» ، وَضَرَبَ مَنْكِبِي، وَقَالَ: «هَكَذَا أَخْبَرَنِي جِبْرِيلُ يَا ابْنَ أُمِّ عَبْدٍ»

 

‌‌125 - أَخْبَرَنَا ابْنُ رَيْذَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الطَّبَرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ الْمُتَنَبِي، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، وَسُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ كِلَاهُمَا، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ أَبِي لَيْلَى، عَنْ صُهَيْبٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وآله وسلم، قَالَ: «عَجِبْتُ مِنْ قَضَاءِ اللَّهِ لِلْمُسْلِمِ كُلَّ خَيْرٍ، إِنْ أَصَابَتْهُ سَرَّاءُ فَشَكَرَ آجَرَهُ اللَّهُ، وَإِنْ أَصَابَتْهُ ضَرَّاءُ فَصَبَرَ آجَرَهُ اللَّهُ عز وجل» .

زَادَ فِيهِ حَمَّادُ «وَكُلُّ قَضَاءٍ قَضَاهُ اللَّهُ عز وجل لِلْمُسْلِمِ خَيْرٌ»

‌‌126 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ حَيَّانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا قَاسِمُ بْنُ زَكَرِيَّا الْمُطَرِّزُ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَخْلَدُ بْنُ زُمَيْلٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أَنِيسَةَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ
আলী বিন আল-হুসাইন বিন আব্দুল্লাহ বিন ঈসা বিন আহমদ বিন আল-আমির বিন ঈসা বিন আলী বিন আল-হুসাইন আল-আসগর বিন আলী বিন আল-হুসাইন বিন আলী বিন আবু তালিব আর-রাইদী (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন), রাই শহরে আমার পাঠের মাধ্যমে বলেন: সাইয়্যেদ ইমাম আল-মুরশিদ বিল্লাহ আবু আল-হুসাইন ইয়াহইয়া বিন আল-ইমাম আল-মুওয়াফফাক বিল্লাহ আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন ইসমাইল বিন যায়েদ আল-হাসানী আজ-জাইদী আশ-শাজারী (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন), চারশত ৭৭ হিজরী সালে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে রাইজাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: তাবারানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন হিশাম আল-মুস্তামলী এবং মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাদরামী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: বিশর বিন আল-ওয়ালীদ আল-কিন্দি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন তালহা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ওয়ালীদ বিন কায়স থেকে, তিনি ইসহাক বিন আবি আল-কাহতালা থেকে বর্ণনা করেন, মুহাম্মদ বলেন, আমি মনে করি তিনি আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে: "তিনি জিবরাঈল আলাইহিস সালামকে তাঁর আসল আকৃতিতে মাত্র দুবার দেখেছেন। তিনি বলেন: একবার তিনি তাঁকে তাঁর আসল আকৃতিতে নিজেকে দেখানোর জন্য অনুরোধ করেছিলেন, তখন তিনি তাঁকে দিগন্ত বিদীর্ণ অবস্থায় দেখেন। আর দ্বিতীয়বার যখন তিনি তাঁর সাথে ছিলেন অথবা তিনি উপরে উঠেছিলেন তাঁর এই বাণীতে: {অতঃপর তিনি নিকটবর্তী হলেন এবং ঝুলে পড়লেন। ফলে দুই ধনুকের ব্যবধান রইল অথবা আরও কম। অতঃপর তিনি তাঁর দাসের প্রতি যা ওহী করার ছিল তা ওহী করলেন} [আন-নাজম: ৮-১০]। অতঃপর যখন জিবরাঈল আলাইহিস সালাম তাঁর রব মহান ও পরাক্রমশালীকে অনুভব করলেন, তিনি তাঁর নিজ আকৃতিতে ফিরে এলেন। আর তা-ই হলো তাঁর বাণী: {নিশ্চয়ই তিনি তাকে আরেকবার দেখেছিলেন সিদরাতুল মুনতাহার নিকট। যার কাছে জান্নাতুল মাওয়া অবস্থিত} [আন-নাজম: ১৩-১৫], এবং তাঁর বাণী {অবশ্যই তিনি তাঁর রবের বড় নিদর্শনাবলি দেখেছিলেন} [আন-নাজম: ১৮]। তিনি বলেন: জিবরাঈল আলাইহিস সালামকে সৃষ্টি করেছেন"

‌‌১২৪ - এবং এর মাধ্যমেই সাইয়্যেদ বলেন: কাজী আবু আল-কাসিম আত-তানূখী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন উবাইদ আদ-দাক্কাক আল-আসকারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবরাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন আইয়ুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-ফজল বিন শাখতাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সালিহ বিন তাত্তান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আল-মাসউদী থেকে, তিনি আল-কাসিম বিন আব্দুর রহমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম বসা ছিলেন, এমতাবস্থায় আমি সালাম দিয়ে বসলাম। আমি বললাম: আমি মসজিদে প্রবেশ করেছি, 'লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ' (আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো পরিবর্তন বা শক্তি নেই)। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «আমি কি তোমাকে এর ব্যাখ্যা সম্পর্কে অবহিত করব না?» আমি বললাম: অবশ্যই হে আল্লাহর রাসূল। তিনি বললেন: «আল্লাহর নাফরমানি থেকে ফিরে আসার কোনো সামর্থ্য নেই তাঁর (গুনাহ থেকে) রক্ষা করা ব্যতীত, এবং আল্লাহর আনুগত্য করার কোনো শক্তি নেই তাঁর সাহায্য ব্যতীত»। তিনি আমার কাঁধে চাপ দিলেন এবং বললেন: «হে ইবনে উম্মে আবদ, জিবরাঈল আমাকে এভাবেই সংবাদ দিয়েছেন»।

 

‌‌১২৫ - ইবনে রাইজাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: তাবারানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুয়াজ বিন আল-মুতানাব্বী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আল-ওয়ালীদ আত-তায়ালিসী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাম্মাদ বিন সালামাহ এবং সুলাইমান বিন আল-মুগীরা উভয়ে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা সাবিত আল-বুনানী থেকে, তিনি আবু লায়লা থেকে, তিনি সুহাইব থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি মুমিনের জন্য আল্লাহর ফয়সালা দেখে বিস্মিত হই, তার সবটুকুই কল্যাণকর। যদি তার ওপর কোনো সুখের দিন আসে এবং সে শোকর আদায় করে, তবে আল্লাহ তাকে পুরস্কৃত করেন। আর যদি তার ওপর কোনো দুঃখের দিন আসে এবং সে সবর করে, তবে আল্লাহ মহান ও পরাক্রমশালী তাকে পুরস্কৃত করেন»।

হাম্মাদ এতে আরও বৃদ্ধি করেছেন: «এবং আল্লাহ মহান ও পরাক্রমশালী মুমিনের জন্য যা কিছু ফয়সালা করেন, তার সবটুকুই কল্যাণকর»।

‌‌১২৬ - আবু তাহির মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহীম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন হাইয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: কাসিম বিন জাকারিয়া আল-মুতাররিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মাখলাদ বিন জুমাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উবাইদুল্লাহ বিন আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি যায়েদ বিন আবি আনিসা থেকে, তিনি আল-আ'মাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি... থেকে বর্ণনা করেন।