(খণ্ড: ১)
আল আশারাতু মিন মারবিয়্যাতি সালিহ ইবনু আহমাদ ওয়া যিয়াদাতুহা
(পৃষ্ঠা: -)
العشرة من مرويات صالح بن أحمد وزياداتها القسم: كتب السنة
الكتاب: العشرة من مرويات صالح بن أحمد وزياداتها
المؤلف: يوسف بن حسن بن أحمد بن حسن ابن عبد الهادي الصالحي، جمال الدين، ابن المبرد الحنبلي (ت 909هـ)
تحقيق وتخريج: محمد صباح منصور
الناشر: البشائر الإسلامية، بيروت
الطبعة: الأولى، 1424 هـ - 2003 م
عدد الصفحات: 104
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
সালিহ বিন আহমদের বর্ণনা হতে দশটি হাদিস ও তার পরিবর্ধনসমূহ বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: সালিহ বিন আহমদের বর্ণনা হতে দশটি হাদিস ও তার পরিবর্ধনসমূহ
লেখক: ইউসুফ বিন হাসান বিন আহমদ বিন হাসান ইবনে আব্দুল হাদি আস-সালিহি, জামালুদ্দিন, ইবনুল মুবাররাদ আল-হাম্বলি (মৃত্যু ৯০৯ হি.)
তাহকীক ও তাখরীজ: মুহাম্মদ সাবাহ মানসুর
প্রকাশক: আল-বাশায়ের আল-ইসলামিয়্যাহ, বৈরুত
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৪ হি. - ২০০৩ খ্রি.
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১০৪
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল আশারাতু মিন মারবিয়্যাতি সালিহ ইবনু আহমাদ ওয়া যিয়াদাতুহা
(পৃষ্ঠা: ৭১)
الْحَدِيثُ الأَوَّلُ
أَخْبَرَنَا جَدِّي، أَنَا الصَّلاحُ بْنُ أَبِي عُمَرَ، أَنَا الْفَخْرُ بْنُ الْبُخَارِيِّ، أَنَا ابْنُ الْحَرَسْتَانِيِّ، أَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ السُّلَمِيُّ، أَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْكِنَانِيُّ، أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الرَّازِيُّ، أَنَا أَبُو عَلِيِّ بْنُ حَبِيبٍ، ثَنَا أَبُو الْفَضْلِ صَالِحُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ الْبَغْدَادِيُّ، بِدِمَشْقَ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثَنَا حَمَّادُ بْنُ خَالِدٍ الْخَيَّاطُ، ثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، ثَنَا زِيَادُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ:
«سَدَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَاصِيَتَهُ مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ يَسْدُلَ، ثُمَّ فَرَقَ بَعْدَ ذَلِكَ»
প্রথম হাদিস
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার দাদা, তিনি বলেন: আস-সালাহ ইবনে আবি উমর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-ফাখর ইবনুল বুখারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবনুল হারাসতানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আস-সুলামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আল-কিনানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম আর-রাজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আলি ইবনে হাবিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, দামেস্কে আবুল ফজল সালিহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল আল-বাগদাদি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাম্মাদ ইবনে খালিদ আল-খাইয়াত আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মালিক ইবনে আনাস আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জিয়াদ ইবনে সাদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আয-জুহরি থেকে বর্ণিত, আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:
«রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কপালের সম্মুখভাগের চুল ঝুলিয়ে রাখতেন যতক্ষণ আল্লাহ চেয়েছিলেন যে তিনি তা ঝুলিয়ে রাখুন, তারপর এর পরে তিনি তা সিঁথি করে ভাগ করেন»
(খণ্ড: ১)
আল আশারাতু মিন মারবিয়্যাতি সালিহ ইবনু আহমাদ ওয়া যিয়াদাতুহা
(পৃষ্ঠা: ৭৪)
الْحَدِيثُ الثَّانِي
أَخْبَرَنَا جَمَاعَةٌ مِنْ شُيُوخِنَا، أَنَا ابْنُ الْمُحِبِّ، أَنَا الْقَاضِي سُلَيْمَانُ، أَنَا الْحَافِظُ ضِيَاءُ الدِّينِ، أَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ يُوسُفُ بْنُ أَبِي الْغَنَايِمِ الدَّبَّاسُ، أَنَا أَبُو غَالِبِ بْنُ الْبَنَّاءِ أَنَا أَبُو الْفَتْحِ عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَحَامِلِيُّ، أَنَا أَبُو الْحَسَنِ الدَّارَقُطْنِيُّ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ، ثَنَا صَالِحُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، ثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْمَدِينِيِّ، ثَنَا هِشَامُ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنِي الْقَاسِمُ بْنُ فَيَّاضٍ، حَدَّثَنِي خَلادُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ عَبَّاسٍ، يَقُولُ: "
بَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَخْطُبُ النَّاسَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ إِذْ أَتَاهُ رَجُلٌ مِنْ بَنِي لَيْثِ بْنِ بَكْرٍ فَتَخَطَّى النَّاسَ حَتَّى اقْتَرَبَ إِلَيْهِ، فَقَالَ: أَقِمْ عَلَيَّ الْحَدَّ "
দ্বিতীয় হাদিস
আমাদের একদল উস্তাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, ইবনুল মুহিব্ব আমাদের জানিয়েছেন, কাজী সুলাইমান আমাদের জানিয়েছেন, হাফেজ জিয়াউদ্দিন আমাদের জানিয়েছেন, আবু মুহাম্মদ ইউসুফ ইবনে আবিল গানায়িম আদ-দাব্বাস আমাদের জানিয়েছেন, আবু গালিব ইবনুল বান্না আমাদের জানিয়েছেন, আবুল ফাতহ আব্দুল কারিম ইবনে মুহাম্মদ আল-মাহামিলি আমাদের জানিয়েছেন, আবুল হাসান আদ-দারা কুতনি আমাদের জানিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে মাখলাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সালেহ ইবনে আহমদ ইবনে হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলি ইবনুল মাদিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাসিম ইবনে ফায়্যাজ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, খাল্লাদ ইবনে আব্দুর রহিম আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব থেকে বর্ণিত যে, তিনি ইবনে আব্বাসকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন: "
একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমার দিন মানুষের উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছিলেন, এমতাবস্থায় বনু লাইস ইবনে বকর গোত্রের এক ব্যক্তি তাঁর নিকট আসলো এবং লোকজনকে অতিক্রম করে তাঁর নিকটবর্তী হলো। অতঃপর সে বলল: আমার ওপর (শরিয়ত নির্ধারিত) দণ্ড কার্যকর করুন।"
(খণ্ড: ১)
আল আশারাতু মিন মারবিয়্যাতি সালিহ ইবনু আহমাদ ওয়া যিয়াদাতুহা
(পৃষ্ঠা: ৭৬)
الْحَدِيثُ الثَّالِثُ
أَخْبَرَنَا جَمَاعَةٌ مِن شُيُوخِنَا، أَنَا ابْنُ الْمُحِبِّ، أَنَا جَمَاعَةٌ مِنْ شُيُوخِنَا مِنْهُمُ ابْنُ سَعْدٍ، أَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَطَرٍ وَغَيْرُهُ، أَنَا السِّلَفِيُّ، أَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُسْلِمٍ السُّلَمِيُّ، أَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ السُّلَمِيُّ، أَنَا جَدِّي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ السُّلَمِيُّ، أَنَا أَبُو بَكْرٍ الْخَرَائِطِيُّ، ثَنَا صَالِحُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، ثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْفَضْلِ، ثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَة، عَنْ عَاصِمِ بْنِ بَهْدَلَةَ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ:
«مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيُكْرِمْ جَارَهُ»
তৃতীয় হাদীস
আমাদের একদল উস্তাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, ইবনুল মুহিব আমাদের জানিয়েছেন, ইবনে সাদসহ আমাদের একদল উস্তাদ আমাদের জানিয়েছেন, আবদুর রহমান ইবনে মাতার ও অন্যান্যেরা আমাদের জানিয়েছেন, আস-সিলাফি আমাদের জানিয়েছেন, আবু আল-হাসান আলী ইবনে মুসলিম আস-সুলামী আমাদের জানিয়েছেন, আবু আল-হাসান আহমদ ইবনে আবদুল ওয়াহিদ আস-সুলামী আমাদের জানিয়েছেন, আমার দাদা আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আস-সুলামী আমাদের জানিয়েছেন, আবু বকর আল-খারায়েতী আমাদের জানিয়েছেন, সালেহ ইবনে আহমদ ইবনে হাম্বল আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহীম ইবনুল ফজল আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে সালামাহ আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন আসিম ইবনে বাহদালাহ থেকে, তিনি আবু সালেহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন:
«যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে সম্মান করে»
(খণ্ড: ১)
আল আশারাতু মিন মারবিয়্যাতি সালিহ ইবনু আহমাদ ওয়া যিয়াদাতুহা
(পৃষ্ঠা: ৭৮)
الْحَدِيثُ الرَّابِعُ
وَبِهِ إِلَى الْخَرَائِطِيِّ، ثَنَا صَالِحُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، ثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْفَضْلِ، ثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ بَهْدَلَةَ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيُكْرِمْ ضَيْفَهُ»
চতুর্থ হাদিস
এবং তাঁর সূত্রে আল-খারায়িতী পর্যন্ত সনদ পৌঁছেছে, সালেহ ইবনে আহমদ ইবনে হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম ইবনুল ফাদল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে সালামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আসিম ইবনে বাহদালাহ থেকে বর্ণিত, তিনি আবু সালিহ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন তার মেহমানকে সম্মান করে।»
(খণ্ড: ১)
আল আশারাতু মিন মারবিয়্যাতি সালিহ ইবনু আহমাদ ওয়া যিয়াদাতুহা
(পৃষ্ঠা: ৭৯)
الْحَدِيثُ الْخَامِسُ وَبِهِ إِلَى الْخَرَائِطِيِّ، ثَنَا صَالِحُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَيِ أَبِي، حَدَّثَنِي هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ، ثَنَا الْمُبَارَكُ بْنُ فَضَالَةَ، حَدَّثَنِي مَنْ سَمِعَ الْحَسَنَ يَقُولُ: " إِذَا جَثَتِ الأُمَمُ بَيْنَ يَدَيْ رَبِّ الْعَالَمِينَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ نُودُوا: لِيَقُمْ مَنْ أَجْرُهُ عَلَى اللَّهِ، فَلا يَقُومُ إِلا مَنْ عَفَا فِي الدُّنْيَا "
পঞ্চম হাদিস এবং এর মাধ্যমে আল-খারায়েতি পর্যন্ত (সনদ পৌঁছেছে), সালিহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, হাশিম ইবনুল কাসিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-মুবারক ইবনে ফাদালাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি হাসানকে বলতে শুনেছেন তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন: "কিয়ামতের দিন যখন জাতিসমূহ বিশ্বজগতের প্রতিপালকের দুই হাতের সামনে হাঁটু গেড়ে বসবে, তখন তাদের সম্বোধন করে বলা হবে: 'যার পুরস্কার আল্লাহর জিম্মায় সে যেন দাঁড়ায়', ফলে তারা ছাড়া আর কেউ দাঁড়াবে না যারা দুনিয়াতে ক্ষমা করে দিয়েছিল।"
(খণ্ড: ১)
আল আশারাতু মিন মারবিয়্যাতি সালিহ ইবনু আহমাদ ওয়া যিয়াদাতুহা
(পৃষ্ঠা: ৮০)
الْحَدِيثُ السَّادِسُ
وَبِهِ إِلَى الْخَرَائِطِيِّ، ثَنَا صَالِحُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، ثَنَا أَبِي، ثَنَا سَعْدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ زُبَيْدِ بْنِ الصَّلْتِ، أَنَّ أَبَا بَكْرٍ الصِّدِّيقَ، قَالَ
«لَوْ رَأَيْتُ رَجُلا عَلَى حَدٍّ مِنْ حُدُودِ اللَّهِ مَا أَخَذْتُهُ وَلا دَعَوْتُ لَهُ أَحَدًا حَتَّى يَكُونَ مَعِي غَيْرِي»
ষষ্ঠ হাদিস
এবং এর মাধ্যমে আল-খারাতি পর্যন্ত: সালেহ ইবনে আহমদ ইবনে হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে সাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, সালেহ ইবনে কায়সান থেকে, ইবনে শিহাব থেকে, যুবাইদ ইবনে আল-সালত থেকে যে, আবু বকর আল-সিদ্দিক বলেছেন,
“যদি আমি কোনো ব্যক্তিকে আল্লাহর কোনো একটি হদ্দের (নির্ধারিত দণ্ডের) ওপর (লঙ্ঘনরত) দেখতাম, তবে আমি তাকে ধরতাম না এবং তার জন্য কাউকে ডাকতাম না যতক্ষণ না আমার সাথে অন্য কেউ থাকত।”
(খণ্ড: ১)
আল আশারাতু মিন মারবিয়্যাতি সালিহ ইবনু আহমাদ ওয়া যিয়াদাতুহা
(পৃষ্ঠা: ৮১)
الْحَدِيثُ السَّابِعُ
وَبِهِ إِلَى الْخَرَائِطِيِّ، ثَنَا صَالِحُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، قَالَ: سَأَلْتُ أَبِي عَنِ الإِمَامُ إِذَا اطَّلَعَ عَلَى رَجُلٍ وَهُوَ يَفْجُرُ أَيُقِيمُ عَلَيْهِ الْحَدَّ؟ فَحَدَّثَنِي أَبِي، ثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، ثَنَا حَرْبُ بْنُ شَدَّادٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ زُبَيْدِ بْنِ الصَّلْتِ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا بَكْرٍ الصِّدِّيقَ، يَقُولُ:
«لَوْ أَخَذْتُ سَارِقًا لأَحْبَبْتُ أَنْ يَسْتُرَهُ اللَّهُ، وَلَوْ أَخَذْتُ شَارِبًا لأَحْبَبْتُ أَنْ يَسْتُرَهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ»
সপ্তম হাদিস
এবং তাঁর মাধ্যমেই আল-খারায়েতি পর্যন্ত (সনদ পৌঁছেছে), আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালিহ বিন আহমদ বিন হাম্বল, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে ইমাম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে, তিনি যদি কোনো ব্যক্তিকে পাপাচার লিপ্ত অবস্থায় দেখেন, তবে কি তিনি তার ওপর হদ (নির্ধারিত দণ্ড) কার্যকর করবেন? তখন আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান বিন মাহদী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হারব বিন শাদ্দাদ, মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান হতে, তিনি যুবাইদ বিন আস-সালত হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি আবু বকর আস-সিদ্দিককে বলতে শুনেছেন:
«আমি যদি কোনো চোরকে পাকড়াও করতাম, তবে আমি পছন্দ করতাম যেন আল্লাহ তাকে গোপন রাখেন; আর আমি যদি কোনো মদ্যপায়ীকে পাকড়াও করতাম, তবে আমি পছন্দ করতাম যেন আল্লাহ—যিনি মহা পরাক্রমশালী—তাকে গোপন রাখেন ও মহিমান্বিত।»
(খণ্ড: ১)
আল আশারাতু মিন মারবিয়্যাতি সালিহ ইবনু আহমাদ ওয়া যিয়াদাতুহা
(পৃষ্ঠা: ৮২)
الْحَدِيثُ الثَّامِنُ
وَبِهِ إِلَى الْخَرَائِطِيِّ، ثَنَا صَالِحُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، حَدَثَّنِي أَبِي، ثَنَا سَيَّارُ بْنُ حَاتِمٍ، ثَنَا جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، ثَنَا مَالِكُ بْنُ دِينَارٍ، قَالَ: سَأَلْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ، قُلْتُ: يَا أَبَا عَبْدِ اللَّهِ، "
مَنْ كَانَ حَامِلَ رَايَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ فَنَظَرَ إِلَيَّ، فَقَالَ: إِنَّكَ لَرَخِيُّ اللُّبِّ، فَقَالُوا لِي: تَسْأَلُهُ وَهُوَ خَائِفٌ مِنَ الْحَجَّاجِ قَدْ لاذَ بِالْبَيْتِ.
كَانَ حَامِلُهَا عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ "
অষ্টম হাদীস
এবং তাঁর সূত্রে আল-খারাইতি পর্যন্ত (সনদ বর্ণিত হয়েছে), সালিহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাইয়্যার ইবনে হাতিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জা’ফর ইবনে সুলায়মান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মালিক ইবনে দীনার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি সাঈদ ইবনে জুবাইরকে জিজ্ঞাসা করলাম, আমি বললাম: হে আবু আব্দুল্লাহ, “
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ঝাণ্ডাবাহী কে ছিলেন? তখন তিনি আমার দিকে তাকালেন এবং বললেন: নিশ্চয়ই তুমি স্থূলবুদ্ধি সম্পন্ন। অতঃপর তারা আমাকে বলল: আপনি তাঁকে এমন সময়ে জিজ্ঞাসা করছেন যখন তিনি হাজ্জাজের ভয়ে ভীত হয়ে আল্লাহর ঘরে আশ্রয় গ্রহণ করেছেন।
তাঁর (ঝাণ্ডার) বাহক ছিলেন আলী ইবনে আবি তালিব।”
(খণ্ড: ১)
আল আশারাতু মিন মারবিয়্যাতি সালিহ ইবনু আহমাদ ওয়া যিয়াদাতুহা
(পৃষ্ঠা: ৮৩)
الْحَدِيثُ التَّاسِعُ
وَبِهِ إِلَى الْخَرَائِطِيِّ، ثَنَا صَالِحُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ زُفَرَ، عَنْ بَعْضِ بَنِي رَافِعِ بْنِ مَكِيثٍ، عَنْ رَافِعِ بْنِ مَكِيثٍ، وَكَانَ مِمَّنْ شَهِدَ الْحُدَيْبِيَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ:
«حُسْنُ الْمَلَكَةِ نَمَاءٌ وَسُوءُ الْخُلُقِ شُؤْمٌ»
নবম হাদিস
এবং একই সূত্রে আল-খারায়িতী পর্যন্ত (সনদ পৌঁছেছে): সালিহ বিন আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মামার, উসমান বিন যুফার থেকে, রাফি বিন মাকিসের বংশধরদের জনৈক ব্যক্তির সূত্রে রাফি বিন মাকিস থেকে—যিনি হুদায়বিয়ায় উপস্থিত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন—নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন:
«অধীনস্থদের সাথে সদ্ব্যবহার হলো সমৃদ্ধি এবং দুশ্চরিত্রতা হলো অমঙ্গল»
(খণ্ড: ১)
আল আশারাতু মিন মারবিয়্যাতি সালিহ ইবনু আহমাদ ওয়া যিয়াদাতুহা
(পৃষ্ঠা: ৮৪)
الْحَدِيثُ الْعَاشِرُ
وَبِهِ إِلَى الْخَرَائِطِيِّ، ثَنَا صَالِحُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، ثَنَا عَوْفٌ، عَنِ الْحَسَنِ، «أَنَّ طَلْحَةَ بْنَ عُبَيْدِ اللَّهِ
بَاعَ أَرْضًا لَهُ بِسَبْعِ مِائَةِ أَلْفِ دِرْهَمٍ، فَبَاتَ لَيْلَةً عِنْدَهُ ذَلِكَ الْمَالُ، فَبَاتَ أَرِقًا مِنْ فَخَامَةِ ذَلِكَ الْمَالِ حَتَّى أَصْبَحَ فَفَرَّقَهُ»
দশম হাদিস
এবং তাঁর মাধ্যমে আল-খারাতি পর্যন্ত বর্ণিত, সালেহ বিন আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, রাওহ বিন উবাদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আওফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসান থেকে বর্ণিত যে, «নিশ্চয়ই তালহা বিন উবাইদুল্লাহ
তাঁর একটি জমি সাত লক্ষ দিরহামে বিক্রয় করেছিলেন এবং সেই অর্থ এক রাত তাঁর নিকট থাকল। অতঃপর ঐ সম্পদের বিশালতার ভাবনায় তিনি বিনিদ্র অবস্থায় রাত কাটালেন যতক্ষণ না সকাল হলো এবং তিনি তা বণ্টন করে দিলেন।»
(খণ্ড: ১)
আল আশারাতু মিন মারবিয়্যাতি সালিহ ইবনু আহমাদ ওয়া যিয়াদাতুহা
(পৃষ্ঠা: ৮৫)
الْحَدِيثُ الْحَادِي عَشَرَ
وَبِهِ إِلَى الْخَرَائِطِيِّ، ثَنَا صَالِحُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، ثَنَا أَبِي، ثَنَا سُرَيْجُ بْنُ النُّعْمَانِ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ، عَنِ ابْنِ أَخِي جَابِرٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "
الْمَجَالِسُ بِالأَمَانَةِ إِلا ثَلاثَةُ مَجَالِسَ: مَجْلِسٌ يُسْفَكُ فِيهِ دَمٌ حَرَامٌ، وَمَجْلِسٌ يُسْتَحَلُّ فِيهِ فَرْجٌ حَرَامٌ، وَمَجْلِسٌ يُسْتَحَلُّ فِيهِ مَالٌ مِنْ غَيْرِ حِلِّهِ "
একাদশ হাদিস
এবং একই সনদে আল-খারাইতি পর্যন্ত; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালিহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল, তিনি বলেন, আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, সুরাইজ ইবনে আন-নুমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে নাফি‘ আমাদের নিকট ইবনে আবি জিব থেকে, তিনি জাবিরের ভ্রাতুষ্পুত্র থেকে, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "
মজলিসসমূহ আমানতস্বরূপ, তবে তিনটি মজলিস ব্যতীত: এমন মজলিস যেখানে নিষিদ্ধ রক্ত প্রবাহিত করা হয়, এবং এমন মজলিস যেখানে নিষিদ্ধ লজ্জাস্থানকে বৈধ করা হয়, এবং এমন মজলিস যেখানে অন্যায়ভাবে সম্পদ ভোগ করাকে বৈধ করা হয়।"
(খণ্ড: ১)
আল আশারাতু মিন মারবিয়্যাতি সালিহ ইবনু আহমাদ ওয়া যিয়াদাতুহা
(পৃষ্ঠা: ৮৭)
الْحَدِيثُ الثَّانِي عَشَرَ وَبِهِ إِلَى الْخَرَائِطِيِّ، ثَنَا صَالِحُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الَوارِثِ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ زَاذَانَ، ثَنَا مَكْحُولٌ يَعْنِي الأَزْدِيَّ، وَلَيْسَ بِالشَّامِيِّ، قَالَ الْحَسَنُ: لا تَصْحَبَنَّ رَجُلا يَكْرُمُ عَلَيْكَ فَيَفْسَدُ مَا بَيْنَكَ وَبَيْنَهُ، يَعْنِي فِي السَّفَرِ.
দ্বাদশ হাদিস। এবং তাঁরই সূত্রে আল-খারাইতি পর্যন্ত বর্ণিত, সালিহ বিন আহমদ বিন হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুস সামাদ বিন আব্দুল ওয়ারিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উমারাহ বিন যাযান থেকে, তিনি বলেন: মাকহুল—অর্থাৎ আল-আযদী, শামী নন—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসান বলেছেন: "তুমি এমন কোনো ব্যক্তির সঙ্গী হয়ো না যে তোমার চেয়ে অধিক সম্মানিত, ফলে তা তোমার ও তার মধ্যকার সম্পর্ককে নষ্ট করে দিবে।" অর্থাৎ সফরের ক্ষেত্রে।
(খণ্ড: ১)
আল আশারাতু মিন মারবিয়্যাতি সালিহ ইবনু আহমাদ ওয়া যিয়াদাতুহা
(পৃষ্ঠা: ৮৮)
الْحَدِيثُ الثَّالِثَ عَشَرَ
وَبِهِ إِلَى الْخَرَائِطِيِّ، ثَنَا صَالِحُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ مَسْعُودِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ:
«نُصِرْتُ بِالصَّبَا، وَأُهْلِكَتْ عَادٌ بِالدَّبُورِ»
ত্রয়োদশ হাদীস
এবং তাঁর মাধ্যমে আল-খারায়েতী পর্যন্ত (সনদ পৌঁছেছে); আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালিহ বিন আহমাদ বিন হাম্বল, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া, আল-আমাশ থেকে, তিনি মাসউদ বিন মালিক থেকে, তিনি সাঈদ বিন জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন:
«আমাকে পুবালি বাতাসের মাধ্যমে সাহায্য করা হয়েছে এবং ‘আদ জাতিকে পশ্চিমা বাতাসের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে»
(খণ্ড: ১)
আল আশারাতু মিন মারবিয়্যাতি সালিহ ইবনু আহমাদ ওয়া যিয়াদাতুহা
(পৃষ্ঠা: ৮৯)
الْحَدِيثُ الرَّابِعَ عَشَرَ
وَبِهِ إِلَى الْخَرَائِطِيِّ، ثَنَا صَالِحٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثَنَا مُؤَمِّلٌ، ثَنَا سُفْيَانُ، ثَنَا الأَعْمَشُ، عَنِ الْمِنْهَالِ، عَنْ قَيْسِ بْنِ السَّكَنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، فِي قَوْلِهِ تَعَالَى: "
{وَأَنْزَلْنَا مِنَ الْمُعْصِرَاتِ مَاءً ثَجَّاجًا} [النبأ: 14] ، يَبْعَثُ اللَّهُ الرِّيحَ فَتَحْمِلُ مِنَ السَّمَاءِ، فَتُمْرَى بِهِ السَّحَابُ فَتُدِرُّ كَمَا تُدِرُّ اللَّقْحَةُ، ثُمَّ يَبْعَثُ، أَوْ قَالَ: يُرْسِلُ مِنَ السَّمَاءِ أَمْثَالَ الْعَزَالِيِّ فَتِصُيبُهُ الرِّيَاحُ، أَوْ قَالَ: الرِّيحُ، فَيَنْزِلُ مُتَفَرِّقًا "
চতুর্দশ হাদিস
এবং তাঁর সূত্রে আল-খারাইতি পর্যন্ত বর্ণিত, সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, মুয়াম্মিল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আ’মাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-মিনহাল হতে, তিনি কায়স ইবনুস সাকান হতে, তিনি আব্দুল্লাহ হতে মহান আল্লাহর এই বাণী প্রসঙ্গে বর্ণনা করেন: "
{আর আমি মেঘমালা হতে প্রচুর বারিবর্ষণ করি} [আন-নাবা: ১৪], আল্লাহ বাতাস প্রেরণ করেন যা আকাশ হতে (পানি) বহন করে আনে, অতঃপর এর মাধ্যমে মেঘমালাকে দোহন করা হয় ফলে তা দুগ্ধবতী উষ্ট্রীর ন্যায় অঝোরে ঝরতে থাকে। এরপর তিনি প্রেরণ করেন—অথবা তিনি বললেন: আকাশ হতে মশকের মুখের ন্যায় (প্রচুর পানি) বর্ষণ করেন, অতঃপর বাতাস তাকে স্পর্শ করে—অথবা তিনি বললেন: বায়ু—ফলে তা পৃথক পৃথক বিন্দু হয়ে পতিত হয়।"
(খণ্ড: ১)
আল আশারাতু মিন মারবিয়্যাতি সালিহ ইবনু আহমাদ ওয়া যিয়াদাতুহা
(পৃষ্ঠা: ৯১)
الْحَدِيثُ الْخَامِسَ عَشَرَ وَبِهِ إِلَى الْخَرَائِطِيِّ، ثَنَا صَالِحُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ عُمَرَ بْنِ أَبِي زَائِدَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ عِكْرِمَةَ، يَقُولُ: " {وَيُسَبِّحُ الرَّعْدُ بِحَمْدِهِ} [الرعد: 13] ، قَالَ: الرَّعْدُ مَلَكٌ يَزْجُرُ السَّحَابَ بِصَوْتِهِ "
পঞ্চদশ হাদিস: এবং একই সনদে আল-খারাতি পর্যন্ত; আমাদের নিকট সালেহ বিন আহমাদ বিন হাম্বল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট অকি' বর্ণনা করেছেন, উমর বিন আবি যাইদাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি ইকরিমাহকে বলতে শুনেছি, {এবং বজ্র তাঁর প্রশংসার সাথে তাসবিহ পাঠ করে} [আর-রাদ: ১৩], তিনি বলেন: "বজ্র হলো একজন ফেরেশতা, যিনি তাঁর আওয়াযের মাধ্যমে মেঘমালাকে হাঁকিয়ে নিয়ে যান।"
(খণ্ড: ১)
আল আশারাতু মিন মারবিয়্যাতি সালিহ ইবনু আহমাদ ওয়া যিয়াদাতুহা
(পৃষ্ঠা: ৯২)
الْحَدِيثُ السَّادِسَ عَشَرَ
وَبِهِ إِلَى الْخَرَائِطِيِّ، ثَنَا صَالِحُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثَنَا وَكِيعٌ، عَنِ الْمَسْعُودِيِّ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ رَجُلٍ، عَنْ عَلِيٍّ، " أَنَّهُ سُئِلَ
عَنِ الرَّعْدِ، فَقَالَ: مَلَكٌ، وَسُئِلَ عَنِ الْبَرْقِ، فَقَالَ: مَخَارِيقُ بِأَيْدِي الْمَلائِكَةِ "
ষোড়শ হাদিস
এবং এর মাধ্যমে আল-খারাইতি পর্যন্ত বর্ণিত, সালেহ ইবনে আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়াকি' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-মাসউদি থেকে, তিনি সালামাহ ইবনে কুহাইল থেকে, তিনি জনৈক ব্যক্তি থেকে, তিনি আলী (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল
বজ্র সম্পর্কে, তিনি বললেন: তা একজন ফেরেশতা। এবং তাঁকে বিজলি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: তা হলো ফেরেশতাদের হাতের চাবুক।
(খণ্ড: ১)
আল আশারাতু মিন মারবিয়্যাতি সালিহ ইবনু আহমাদ ওয়া যিয়াদাতুহা
(পৃষ্ঠা: ৯৪)
الْحَدِيثُ السَّابِعَ عَشَرَ
وَبِهِ إِلَى الْخَرَائِطِيِّ، ثَنَا صَالِحٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثَنَا عَفَّانُ بْنُ مُسْلِمٍ، ثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، ثَنَا مُوسَى الْبَزَّازُ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ:
«الرَّعْدُ مَلَكٌ يَسُوقُ السَّحَابَ كَمَا يَسُوقُ الْحَادِي الإِبِلَ بِحِدَائِهِ»
সপ্তদশ হাদিস
এবং একই সূত্রে আল-খারায়িতী পর্যন্ত; সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আফফান ইবনে মুসলিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আওয়ানা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুসা আল-বাজজায আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শাহর ইবনে হাওশাব থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
«বজ্র হলো একজন ফেরেশতা, যিনি মেঘমালাকে তাড়িয়ে নিয়ে চলেন যেমনিভাবে উটচালক তার হিদায়ে (উটের চালক গান) বা সুরের মাধ্যমে উটকে তাড়িয়ে নিয়ে চলে।»
(খণ্ড: ১)
আল আশারাতু মিন মারবিয়্যাতি সালিহ ইবনু আহমাদ ওয়া যিয়াদাতুহা
(পৃষ্ঠা: ৯৫)
الْحَدِيثُ الثَّامِنَ عَشَرَ وَبِهِ إِلَى الْخَرَائِطِيِّ، ثَنَا صَالِحُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي عِمْرَانَ الْجَوْنِيِّ، قَالَ «إِنَّ مِنْ فَوْقِكُمْ بَحْرًا مِنْ نَارٍ فَمِنْهُ تَكُونُ الصَّوَاعِقُ»
অষ্টাদশ হাদিস। এবং এই সনদেই আল-খারাইতি পর্যন্ত: সালেহ বিন আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, মুতামির বিন সুলায়মান আমাদের নিকট তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু ইমরান আল-জাওনি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই তোমাদের উপরে আগুনের একটি সমুদ্র রয়েছে, যেখান থেকে বজ্রপাত সৃষ্টি হয়।”
(খণ্ড: ১)
আল আশারাতু মিন মারবিয়্যাতি সালিহ ইবনু আহমাদ ওয়া যিয়াদাতুহা
(পৃষ্ঠা: ৯৬)
الْحَدِيثُ التَّاسِعَ عَشَرَ
وَبِهِ إِلَى الْخَرَائِطِيِّ، ثَنَا صَالِحٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، ثَنَا أَبَانُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ أَبِي عِمْرَانَ الْجَوْنِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ صَحَّارٍ الْعَبْدِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم "
بَعَثَ إِلَى جَبَّارٍ يَدْعُوهُ إِلَى اللَّهِ تَعَالَى، فَقَالَ: أَرَأَيْتُمْ رَبَّكُمْ هَذَا؟ أَذَهَبٌ هُوَ أَمْ فِضَّةٌ هُوَ؟ أَلُؤْلُؤٌ هُوَ؟ أَسَرِقَةٌ هُوَ؟ قَالَ: فَبَيْنَمَا هُوَ كَذَلِكَ يُجَادِلُهُ إِذْ بَعَثَ اللَّهُ سَحَابَةً فَرَعَدَتْ وَبَرَقَتْ، وَأَرْسَلَتْ عَلَيْهِ صَاعِقَةً فَقَتَلَتْهُ، فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى: {وَيُرْسِلُ الصَّوَاعِقَ فَيُصِيبُ بِهَا مَنْ يَشَاءُ وَهُمْ يُجَادِلُونَ فِي اللَّهِ وَهُوَ شَدِيدُ الْمِحَالِ} [الرعد: 13] "
উনবিংশ হাদিস।
এবং তাঁর মাধ্যমেই আল-খারাইতি পর্যন্ত সনদ পৌঁছেছে, সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুস সামাদ ইবনে আবদুল ওয়ারিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবান ইবনে ইয়াজিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু ইমরান আল-জাওনি থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে সাহহার আল-আবদি থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম "
একজন উদ্ধত স্বৈরাচারীর নিকট তাকে মহান আল্লাহর দিকে দাওয়াত দেওয়ার জন্য লোক পাঠালেন। তখন সে বলল: তোমরা তোমাদের এই রব সম্পর্কে আমাকে বলো তো; তিনি কি স্বর্ণের, না কি রুপার, না কি মুক্তার? না কি তিনি রেশমের? বর্ণনাকারী বলেন: সে যখন এভাবে তাঁর সাথে বিতর্ক করছিল, এমতাবস্থায় আল্লাহ একটি মেঘমালা পাঠালেন যা গর্জন করল ও বিজলি চমকাল এবং তার ওপর একটি বজ্রপাত প্রেরণ করল যা তাকে হত্যা করল। তখন মহান আল্লাহ অবতীর্ণ করলেন: {আর তিনি বজ্রপাতসমূহ প্রেরণ করেন এবং তা দিয়ে যাকে ইচ্ছা আঘাত করেন, অথচ তারা আল্লাহ সম্পর্কে বিতণ্ডা করছিল; আর তিনি মহাশক্তিশালী।} [আর-রাদ: ১৩]"
(খণ্ড: ১)
আল আশারাতু মিন মারবিয়্যাতি সালিহ ইবনু আহমাদ ওয়া যিয়াদাতুহা
(পৃষ্ঠা: ৯৮)
الْحَدِيثُ الْعِشْرُونَ
وَبِهِ إِلَى الْخَرَائِطِيِّ، ثَنَا صَالِحُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ
إِذَا رَأَى الْغَيْثَ، قَالَ: «اللَّهُمَّ صَبًّا هَنِيئًا، أَوْ صَيْبًا هَنِيئًا»
বিশতম হাদিস
এবং তাঁর মাধ্যমে আল-খারায়েতি পর্যন্ত (সনদ পৌঁছেছে), সালেহ ইবনে আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রাজ্জাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মা’মার আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আইয়ুব থেকে, তিনি কাসেম ইবনে মুহাম্মাদ থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
যখনই বৃষ্টি দেখতেন, তখন বলতেন: "হে আল্লাহ, একে তৃপ্তিদায়ক ও কল্যাণকর প্রবল বর্ষণ অথবা কল্যাণকর বৃষ্টি বানিয়ে দিন।"
(খণ্ড: ১)
আল আশারাতু মিন মারবিয়্যাতি সালিহ ইবনু আহমাদ ওয়া যিয়াদাতুহা
(পৃষ্ঠা: ৯৯)
الْحَدِيثُ الْحَادِي وَالْعُشْرُونَ وَبِهِ إِلَى الْخَرَائِطِيِّ، ثَنَا صَالِحُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثَنَا يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثَنَا أَبَانُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ " {عَلَى أَمْرٍ قَدْ قُدِرَ} [القمر: 12] ، قَالَ: مَاءِ الأَرْضِ وَمَاءُ السَّمَاءِ «
একুশতম হাদিস। এবং একই সনদে আল-খারাইতি পর্যন্ত: সালিহ বিন আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইউনুস বিন মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবান বিন ইয়াজিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাতাদাহ থেকে বর্ণিত, তিনি "{এমন এক বিষয়ে যা নির্ধারিত হয়েছিল} [সূরা আল-কামার: ১২]" সম্পর্কে বলেন: (তা হলো) জমিনের পানি ও আসমানের পানি।
(খণ্ড: ১)
আল আশারাতু মিন মারবিয়্যাতি সালিহ ইবনু আহমাদ ওয়া যিয়াদাতুহা
(পৃষ্ঠা: ১০০)
الْحَدِيثُ الثَّانِي وَالْعِشْرُونَ وَبِهِ إِلَى الْخَرَائِطِيِّ، ثَنَا صَالِحُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ عَبْدُ الْقُدُّوسِ بْنُ الْحَجَّاجِ، حَدَّثَتْنَا عَبْدَةُ ابْنَةُ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنْ أَبِيهَا، قَالَ» إِنَّ الْمَطَرَ يَخِرُّ مِنْ تَحْتِ الْعَرْشِ فَيَنْزِلُ مِنْ سَمَاءٍ إِلَى سَمَاءٍ حَتَّى يَنْتَهِي إِلَى سَمَاءِ الدُّنْيَا فَيَجْتَمِعُ فِي مَوْضٍع يُقَالُ لَهُ: الأَبْزَمُ، فَتَجِيءُ السَّحَابَةُ السَّوْدَاءُ فَتَشْرَبَهُ "
দ্বাবিংশ হাদিস। এবং তাঁর মাধ্যমে আল-খারায়েতি পর্যন্ত: সালিহ ইবনে আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবুল মুগিরাহ আব্দুল কুদ্দুস ইবনুল হাজ্জাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, খালিদ ইবনে মা'দানের কন্যা আবদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "নিশ্চয়ই বৃষ্টি আরশের নিচ থেকে পতিত হয়, অতঃপর তা এক আসমান থেকে অন্য আসমানে অবতীর্ণ হতে হতে পরিশেষে দুনিয়ার আসমান পর্যন্ত পৌঁছায়। এরপর তা 'আল-আবজাম' নামক একটি স্থানে একত্রিত হয় এবং কৃষ্ণবর্ণের মেঘ এসে তা পান করে।"
(খণ্ড: ১)
আল আশারাতু মিন মারবিয়্যাতি সালিহ ইবনু আহমাদ ওয়া যিয়াদাতুহা
(পৃষ্ঠা: ১০১)
الْحَدِيثُ الثَّالِثُ وَالْعِشْرُونَ
وَبِهِ إِلَى الْخَرَائِطِيِّ، ثَنَا صَالِحُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ، ثَنَا صَفْوَانُ بْنُ عَمْرٍو، ثَنَا رَاشِدُ بْنُ سَعْدٍ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "
لَمَّا عُرِجَ بِي مَرَرْتُ بِقَوْمٍ لَهُمْ أَظْفَارٌ مِنْ نُحَاسٍ يَخْمِشُونَ وُجُوهَهُمْ وَصُدُورَهُمْ، قُلْتُ لِجِبْرِيلَ: مَنْ هَؤُلاءِ يَا جِبْرِيلُ؟ قَالَ: هَؤُلاءِ الَّذِين يَأْكُلُونَ لُحُومَ النَّاسِ وَيَقَعُونَ فِي أَعْرَاضِهِمْ "
ত্রয়োবিংশতম হাদিস
এবং তাঁরই সূত্রে আল-খরাইতি পর্যন্ত বর্ণিত, সালেহ ইবনে আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আল-মুগীরা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাফওয়ান ইবনে আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, রাশিদ ইবনে সাদ এবং আবদুর রহমান ইবনে জুবায়ের ইবনে নুফায়ের আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আনাস ইবনে মালিক থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "
যখন আমাকে ঊর্ধ্বলোকে নিয়ে যাওয়া হলো, তখন আমি এমন এক সম্প্রদায়ের পাশ দিয়ে অতিক্রম করলাম যাদের নখগুলো ছিল তামার; তারা তা দিয়ে নিজেদের মুখমণ্ডল ও বুক আঁচড়াচ্ছিল। আমি জিবরাঈলকে জিজ্ঞেস করলাম: হে জিবরাঈল! এরা কারা? তিনি বললেন: এরা তারা যারা মানুষের মাংস ভক্ষণ করত এবং তাদের মান-সম্মানে আঘাত হানত।"
(খণ্ড: ১)
আল আশারাতু মিন মারবিয়্যাতি সালিহ ইবনু আহমাদ ওয়া যিয়াদাতুহা
(পৃষ্ঠা: ১০২)
الْحَدِيثُ الرَّابِعُ وَالْعِشْرُونَ
وَبِهِ إِلَى الْخَرَائِطِيِّ، ثَنَا صَالِحُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، قَالَ: سَمِعْتُ سُفْيَانَ، يُحَدِّثُ عَنْ عَلِيِّ بْنِ الأَقْمَرِ، عَنْ أَبِي حُذَيْفَةَ، وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: حَكَيْتُ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم رَجُلا، فَقَالَ
«مَا يَسُرُّنِي أَنِّي حَكَيْتُ رَجُلا وَأَنَّ لِي كَذَا وَكَذَا» ، قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ صَفِيَّةَ امْرَأَةٌ، وَقَالَ بِيَدِهِ كَأَنَّهُ قَالَ: «لَقَدْ مَزَجْتَ بِكَلِمَةٍ لَوْ مُزِجَ بِهَا الْبَحْرُ مَزَجَتْهُ»
চব্বিশতম হাদিস
এবং একই সূত্রে আল-খারাইতি পর্যন্ত; সালেহ ইবনে আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুর রহমান ইবনে মাহদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি সুফিয়ানকে আলী ইবনুল আকমার থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি আবু হুজাইফা থেকে—যিনি আবদুল্লাহর সঙ্গীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন—তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সম্মুখে জনৈক ব্যক্তির (অঙ্গভঙ্গির) অনুকরণ করলাম। তখন তিনি বললেন:
“আমার নিকট এটি মোটেও পছন্দনীয় নয় যে আমি কারও অনুকরণ করি, যদিও বিনিময়ে আমি অমুক অমুক বস্তু লাভ করি।” আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, সাফিয়্যাহ তো একজন নারী... এবং তিনি হাত দ্বারা ইশারা করলেন যেন তিনি বললেন: “তুমি এমন একটি কথা বলেছ, যা যদি সমুদ্রের পানির সাথে মিশ্রিত করা হতো, তবে তা সমুদ্রের পানিকেও পরিবর্তিত করে দিত।”
(খণ্ড: ১)
আল আশারাতু মিন মারবিয়্যাতি সালিহ ইবনু আহমাদ ওয়া যিয়াদাতুহা
(পৃষ্ঠা: ১০৩)
الْحَدِيثُ الْخَامِسُ وَالْعِشْرُونَ
وَبِهِ إِلَى الْخَرَائِطِي ِّ، ثَنَا صَالِحٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: سَمِعْتُ الْعَلاءَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: "
تَدْرُونَ مَا الْغِيبَةُ؟ قَالُوا: اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ، قَالَ: «ذِكْرُكَ أَخَاكَ بِمَا لَيْسَ فِيهِ» ، قَالَ: أَرَأَيْتَ إِنْ كَانَ فِي أَخِي مَا أَقُولُ؟ قَالَ: «إِنْ كَانَ فِيهِ مَا تَقُولُ فَقَدِ اغْتَبْتَهُ، وَإِنْ لَمْ يَكُنْ مَا تَقُولُ فَقَدْ بَهِتَّهُ»
পঁচিশতম হাদিস
এবং তাঁর সনদে আল-খারা-ইতির সূত্রে বর্ণিত; সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আলা ইবনে আব্দুর রহমানকে তাঁর পিতার সূত্রে এবং তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "
তোমরা কি জানো গীবত কী? তাঁরা বললেন: আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই অধিক অবগত। তিনি বললেন: তোমার ভাই সম্পর্কে এমন কিছুর উল্লেখ করা যা তার মাঝে নেই। তিনি বললেন: আপনি কি মনে করেন যদি আমার ভাইয়ের মাঝে আমি যা বলছি তা বিদ্যমান থাকে? তিনি বললেন: যদি তার মাঝে তা থাকে যা তুমি বলছ তবে তুমি তার গীবত করলে, আর যদি তার মাঝে তা না থাকে তবে তুমি তাকে অপবাদ দিলে।"
(খণ্ড: ১)
আল আশারাতু মিন মারবিয়্যাতি সালিহ ইবনু আহমাদ ওয়া যিয়াদাতুহা
(পৃষ্ঠা: ১০৪)
الْحَدِيثُ السَّادِسُ وَالْعِشْرُونَ
وَبِهِ إِلَى الْخَرَائِطِيِّ، ثَنَا صَالِحُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبَّاسًا الْجَرِيرِيُّ، يُحَدِّثُ عَمَّنْ سَمِعَ ابْنَ عُمَرَ، يَقُولُ:
«إِذَا قُلْتَ فِي رَجُلٍ مَا لَيْسَ فِيهِ فَهِيَ فِرْيَةٌ، وَإِذَا قُلْتَ مَا فِيهِ فَهِيَ غِيبَةٌ»
ছাব্বিশতম হাদিস
এবং তাঁর সূত্রে আল-খারাইতি পর্যন্ত; সালেহ ইবনে আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শুবা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আব্বাস আল-জারিরিকে এমন এক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যিনি ইবনে উমরকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলতেন:
«তুমি যখন কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে এমন কিছু বলবে যা তার মাঝে নেই, তবে তা হলো অপবাদ; আর যখন তুমি তার সম্পর্কে এমন কিছু বলবে যা তার মাঝে বিদ্যমান, তবে তা হলো গীবত (পরনিন্দা)»