(খণ্ড: ১) আস সানি মিন শিয়ারিল আবরার ফিল আদয়িয়াতি ওয়াল আজকার (পৃষ্ঠা: -)
الثاني من شعار الأبرار في الأدعية والأذكار   (ابن الشيخة)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الثاني من شعار الأبرار في الأدعية والأذكار شيوخه (ضمن مجموع مطبوع باسم الفوائد لابن منده!)

المؤلف: عبد الرحمن بن أحمد بن مبارك بن حماد بن تركي الغزي الشيخ الزاهد زين الدين أبو الفرج المعروف بابن الشيخة المصري الحسيني (ت 799هـ)

تحقيق: خلاف محمود عبد السميع

الناشر: دار الكتب العلمية، بيروت - لبنان

الطبعة: الأولى، 1423 هـ - 2002 م

عدد الأجزاء: 1

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আদ-দুআ ওয়াল আযকার এর ক্ষেত্রে পুণ্যবানদের চিহ্নের দ্বিতীয় অংশ   (ইবনুল শাইখাহ)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


বই: আদ-দুআ ওয়াল আযকার এর ক্ষেত্রে পুণ্যবানদের চিহ্নের দ্বিতীয় অংশ ও তাঁর শিক্ষকগণ (ইবনে মানদাহ-র আল-ফাওয়াইদ নামে মুদ্রিত সংগ্রহের অন্তর্ভুক্ত!)

লেখক: আবদুর রহমান ইবনে আহমদ ইবনে মুবারক ইবনে হাম্মাদ ইবনে তুর্কি আল-গাযযি, শাইখ, যাহিদ, যাইনুদ্দিন আবুল ফারাজ, যিনি ইবনুল শাইখাহ আল-মিসরি আল-হুসাইনি নামে পরিচিত (মৃত্যু ৭৯৯ হিজরি)

তাহকীক: খিলাফ মাহমুদ আবদুস সামি'

প্রকাশক: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ، বৈরুত - লেবানন

সংস্করণ: প্রথম، ১৪২৩ হিজরি - ২০০২ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ১

[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ٢) আস সানি মিন শিয়ারিল আবরার ফিল আদয়িয়াতি ওয়াল আজকার (পৃষ্ঠা: ৩১৭)
الْجُزْءُ الثَّانِي مِنْ كِتَابِ شِعَارِ الأَبْرَارِ فِي الأَدْعِيَةِ وَالأَذْكَارِ مِنْ حَدِيثِ الشَّيْخِ الإِمَامِ أَبِي الْفَرَجِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الشَّيْخَةِ تَخْرِيجُ الْمُحَدِّثِ أَبِي الصَّفَاءِ خَلِيلِ بْنُ مُحَمَّدٍ الأقفهسي رِوَايَة أُمِّ الْفَضْلِ هَاجَرَ بِنْتِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْن عَبْدِ الْعَزِيزِ الْقُدْسِيِّ، عَنِ ابْنِ الشَّيْخَةِ رِوَايَةُ أَبِي الْمَحَاسِنِ يُوسُفَ بْنِ سَاهِرِ بْنِ سِنَانِ بْن عُمَرَ الْحَمْدُ لِلَّهِ وَحْدَهُ
দুআ ও জিকির বিষয়ক ‘শিআরুল আবরার’ গ্রন্থের দ্বিতীয় খণ্ড; শায়খ ইমাম আবু আল-ফারাজ আবদুর রহমান বিন আশ-শায়খাহ-এর হাদিস থেকে সংকলিত। মুহাদ্দিস আবু আস-সাফা খলিল বিন মুহাম্মাদ আল-আকফাহসি কর্তৃক বিন্যস্ত। উম্মুল ফজল হাজার বিনতে মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আবু বকর বিন আবদুল আজিজ আল-কুদসি-এর বর্ণনা, যা তিনি ইবন আশ-শায়খাহ থেকে লাভ করেছেন। আবু আল-মাহাসিন ইউসুফ বিন সাহির বিন সিনান বিন উমর-এর বর্ণনা। সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য।
(খণ্ড: ٢) আস সানি মিন শিয়ারিল আবরার ফিল আদয়িয়াতি ওয়াল আজকার (পৃষ্ঠা: ৩১৯)
بسم الله الرحمن الرحيم

 

رَبِّ أَعِنْ وَيَسِّرْ يَا كَرِيمُ

 

الْحَدِيثُ الْحَادِي وَالْعِشْرُونَ

 

2159 - أَخْبَرَنَا الْمَشَايِخُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ جَابِرٍ الْهَاشِمِيُّ، وَأَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي الْقَاسِمِ بْنِ عَيَّاشٍ، ومُحَمَّدُ بْنُ حَسَنِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدٌ، وَأَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ، أَنْبَانَا أَبِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْخَطَّابِيُّ، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ غَالِي بْنِ نَجْمٍ الدِّمْيَاطِيُّ، وَمُوسَى بْنُ أَبِي الْحَسَنِ بْنِ يُوسُفَ الْمُعَدَّلُ، وَأَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عَوَضِ بْنِ مُحَمَّدٍ، وَصَالِحُ بْنُ عَبْدِ الْعَظِيمِ الدَّلالُ، وَأَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الشَّاهِدُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمْ وَأَنَا أَسْمَعُ بِالْقَاهِرَةِ، قَالُوا: أَنْبَأَنَا أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ النُّمَيْرِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ.

ح وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، أَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْحَمَوِيُّ.

ح وَأَنَا صَالِحُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَالِحٍ الْعِرَاقِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الدَّايِمِ بْنِ أَحْمَدَ، قَالُوا: أَنَا أَبُو الْفَرَجِ بْنُ عَبْدِ الوَهَّابِ بْنِ سَعْدٍ الْبَغْدَادِيُّ، أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْعُمَرِيُّ.

ح وَأَنَا أَبُو الْفَتْحِ يُونُسُ بْنُ أَبِي إِسْحَاقَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ أَبِي الْحَزْمِ الأَطْرَابُلُسِيُّ فِي كِتَابِهِ، أَنَا جَدِّي أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي أَحْمَدَ الشَّافِعِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ الرَّبَعِيُّ، وَآخَرُونَ بِبَغْدَادَ، قَالُوا: أَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مَخْلَدٍ، أَنَا أَبُو عَلِيٍّ النَّحْوِيُّ، ثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ، ثَنَا قُرَّانُ بْنُ تَمَّامٍ الأَسَدِيُّ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ من قَالَ: لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ بَعْدَمَا يُصَلِّي الْغَدَاةَ عَشْرَ مَرَّاتٍ، كَتَبَ اللَّهُ لَهُ عَشْرَ حَسَنَاتٍ، وَمَحَا عَنْهُ عَشْرَ سَيِّئَاتٍ، وَرَفَعَ لَهُ عَشْرَ دَرَجَاتٍ، وَكُنَّ لَهُ بِعِدْلِ رَقَبَتَيْنِ مِنْ وَلَدِ إِسْمَاعِيلَ، فَإِنْ قَالَهَا حِينَ يُمْسِي كَانَ لَهُ مِثْلُ ذَلِكَ، وَكُنَّ لَهُ حِجَابًا مِنَ الشَّيْطَانِ حَتَّى يُصْبِحَ ".
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

 

হে মহানুভব পালনকর্তা! সাহায্য করুন এবং সহজ করে দিন।

 

একুশতম হাদিস

 

২১৫৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খগণ: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে জাবির আল-হাশিমী, আবু নুআইম আহমাদ ইবনে আবিল কাসিম ইবনে আইয়াশ, মুহাম্মাদ ইবনে হাসান ইবনে আবিল হাসান, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ এবং আবুল আব্বাস আহমাদ। তারা বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আমার পিতা মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-খাত্তাবী, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে গালি ইবনে নাজমুদ দিময়াতি, মুসা ইবনে আবিল হাসান ইবনে ইউসুফ আল-মুয়াদ্দিল, আবুল হাসান আলী ইবনে আওয়াদ ইবনে মুহাম্মাদ, সালিহ ইবনে আব্দুল আজিম আদ-দাল্লাল এবং আহমাদ ইবনে মানসুর ইবনে ইবরাহিম আশ-শাহিদ। কায়রোতে তাদের সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম। তারা বললেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু আল-ফারাজ আব্দুল লতিফ ইবনে আব্দুল মুনইম আন-নুমাইরী, তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা শুনছিলাম।

হ (সূত্র পরিবর্তন) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান ইবনে ইসমাইল, তিনি আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মাদ আল-হামাভী থেকে।

হ (সূত্র পরিবর্তন) এবং আমাকে সংবাদ দিয়েছেন সালিহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সালিহ আল-ইরাকী, তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম; তিনি আহমাদ ইবনে আব্দুল দায়িম ইবনে আহমাদ থেকে। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফারাজ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে সাদ আল-বাগদাদী; তিনি আবুল কাসিম আলী ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-উমারী থেকে।

হ (সূত্র পরিবর্তন) এবং আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ ইউনুস ইবনে আবি ইসহাক, তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম; তিনি আবুল কাসিম ইবনে আবিল হাজম আল-আতরাবুলুসী থেকে তাঁর কিতাবে; তিনি আমার দাদা আবু তাহির আহমাদ ইবনে আবি আহমাদ আশ-শাফিয়ী থেকে, তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম; তিনি আবুল কাসিম আলী ইবনে আল-হুসাইন আর-রাবায়ি থেকে এবং বাগদাদের অন্যান্যদের থেকে। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মাখলাদ; তিনি আবু আলী আন-নাহভী থেকে; তিনি হাসান ইবনে আরাফাহ থেকে; তিনি কুররান ইবনে তাম্মাম আল-আসাদী থেকে; তিনি সুহাইল ইবনে আবি সালিহ থেকে; তিনি তাঁর পিতা থেকে; তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "‌‌ যে ব্যক্তি বলবে: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো অংশীদার নেই, রাজত্ব একমাত্র তাঁরই এবং সকল প্রশংসা একমাত্র তাঁরই জন্য, আর তিনি সকল বিষয়ের ওপর পূর্ণ ক্ষমতাবান; এটি ফজরের নামাজের পর দশবার বলবে, তবে আল্লাহ তার জন্য দশটি নেকি লিখে দেবেন, তার দশটি গুনাহ মিটিয়ে দেবেন, তার দশটি মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন এবং তা তার জন্য ইসমাইল (আলাইহিস সালাম)-এর বংশধরের দুইজন দাস মুক্ত করার সমতুল্য হবে। আর যদি সে সন্ধ্যায় তা বলে, তবে তার জন্য অনুরূপ সওয়াব থাকবে এবং সকাল হওয়া পর্যন্ত তা শয়তান থেকে তার জন্য সুরক্ষা হয়ে থাকবে।"
(খণ্ড: ٢) আস সানি মিন শিয়ারিল আবরার ফিল আদয়িয়াতি ওয়াল আজকার (পৃষ্ঠা: ৩২০)
هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ، وَقُرَّانُ بِضَمِّ الْقَافِ وَتَشْدِيدِ الرَّاءِ، رَوَاهُ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، وَيَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، وَالدَّارَقُطْنِيُّ، وَابْنُ حِبَّانَ، وَغَيْرُهُمْ.

وَقَالَ ابْنُ سَعْدٍ: مِنْهُمْ مَنْ يَسْتَضْعِفُهُ، وَأَخْرَجَهُ الإِمَامُ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، مِنْ طَرِيقِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِنْدٍ، عَنْ سُمَيٍّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، بِنَحْوِهِ.

إِلا أَنَّهُ قَالَ: «كَتَبَ لَهُ بِهَا مِائَةَ حَسَنَةٍ، وَمَحَا عَنْهُ بِهَا مِائَةَ سَيِّئَةٍ، وَكَانَتْ لَهُ عِدْلَ رَقَبَةٍ، وَحُفِظَ بِهَا يَوْمَهُ حَتَّى يُمْسِيَ»

الْحَدِيثُ الثَّانِي وَالْعِشْرُونَ

2160 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الصَّيْرَفِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِالْقَاهِرَةِ، أَنَا عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ أَبِي مُحَمَّدٍ الْبَغْدَادِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمْ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: كَتَبَ الثَّنَاءُ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الأَصْبَهَانِيُّ مِنْهَا، أَنَّ أَبَا عَلِيٍّ الْمُقْرِئَ أَخْبَرَهُمْ، أَنَّ أَحْمَدَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ الشَّافِعِيَّ أَخْبَرَهُمْ، أَنَا عَمْرُو بْنُ حَمْدَانَ، ثَنَا الْحَسَنُ بْن سُفْيَانَ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، ثَنَا عُمَرُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلانَ، عَنْ رَجَاءِ بْنِ حَيْوَةَ، عَنْ وَزَادَ كَاتِبُ الْمُغِيرَةِ، أَنَّ مُعَاوِيَة كَتَبَ إِلَى الْمُغِيرَةِ: هل كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا فَرَغَ مِنَ الصَّلاةِ يَتَكَلَّمُ بِشَيْءٍ بَعْدَ الصَّلاةِ الْمَكْتُوبَةِ؟ فَكَتَبَ إِلَيْهِ الْمُغِيرَةُ: أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، كَانَ يَقُولُ‌‌ إِذَا فَرَغَ مِنَ الصَّلاةِ: «لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَالْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قِدَيرٌ، اللَّهُمَّ لا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ، وَلا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ» .

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ، أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي الصَّلاةِ مِنْ صَحِيحِهِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ، عَنْ شَعْبَانَ، وَعَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ هُشَيْمٍ، كِلاهُمَا عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ وَرَّادٍ.

وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ فِي الصَّلاةِ مِنْ صَحِيحِهِ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيم، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنِ الْمُسَيَّبِ بْنِ رَافِعٍ، عَنْ وَرَّادٍ.

وَأَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ فِي الصَّلاةِ مِنْ سُنَنِهِ، عَنْ مُسَدَّدٍ، عَنْ أَبِي مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنِ الْمُسَيَّبِ بْنِ رَافِعٍ نَحْوَهُ.

وَأَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ فِي الصَّلاةِ مِنْ سُنَنِهِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مَنْصُورٍ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ، نَحْوَهُ، فَوَقَعَ لَنَا
এই হাদীসটি এই সূত্রে গরীব। ‘কুররান’ শব্দটি ক্বফ-এ পেশ এবং রা-তে তাশদীদের সাথে। এটি ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল, ইয়াহইয়া বিন মাঈন, আদ-দারা কুতনী, ইবনে হিব্বান এবং আরও অনেকে বর্ণনা করেছেন।

ইবনে সাদ বলেন: তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ তাঁকে দুর্বল বলেছেন। ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল এটি আব্দুল্লাহ বিন সাঈদ বিন আবি হিন্দ থেকে, তিনি সুমাই থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে অনুরূপভাবে বর্ণনা করেছেন।

তবে তিনি বলেছেন: “এর মাধ্যমে তার জন্য একশত নেকি লেখা হবে, তার থেকে একশত গুনাহ মুছে ফেলা হবে, এটি তার জন্য একটি দাস মুক্ত করার সমান হবে এবং এর মাধ্যমে সে সন্ধ্যা পর্যন্ত সারাদিন সুরক্ষিত থাকবে।”

দ্বাবিংশ হাদীস

২১৬০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আবি মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আস-সাইরাফি, কায়রোতে তাঁর নিকট পাঠকালে আমি তা শ্রবণ করেছি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল লতিফ বিন আবি মুহাম্মদ আল-বাগদাদী, তাঁদের নিকট পাঠকালে আমি তা শ্রবণ করেছি, তিনি বলেন: আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-আসফাহানি লিখে জানিয়েছেন যে, আবু আলী আল-মুকরি তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ আশ-শাফিয়ী তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমরু বিন হামদান, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাসান বিন সুফিয়ান, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আবি বকর, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন উমর বিন আলী, তিনি মুহাম্মদ বিন আজলান থেকে, তিনি রাজা বিন হাইওয়াহ থেকে, আর মুগীরার লেখক ওরাদ অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, মুয়াবিয়া মুগীরার নিকট লিখে পাঠালেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি ফরয সালাত শেষ করার পর কিছু বলতেন? অতঃপর মুগীরা তাঁর নিকট লিখে পাঠালেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত শেষ করে বলতেন‌‌ সালাত থেকে অবসর হওয়ার পর: “আল্লাহ ছাড়া কোনো হক উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো অংশীদার নেই, রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা মাত্রই তাঁর জন্য, আর তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাশালী, হে আল্লাহ! আপনি যা দান করেন তা রোধ করার কেউ নেই, আর আপনি যা রোধ করেন তা দান করার কেউ নেই। আর কোনো সম্পদশালীর সম্পদ আপনার নিকট কোনো উপকারে আসবে না।”

এটি একটি সহীহ হাদীস যা মুত্তাফাকুন আলাইহি। ইমাম বুখারী তাঁর সহীহ গ্রন্থের সালাত অধ্যায়ে এটি মুহাম্মদ বিন ইউসুফ থেকে, তিনি শাবান থেকে; এবং আলী বিন মুসলিম থেকে, তিনি হুশাইম থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা উভয়ে আব্দুল মালিক বিন উমর থেকে, তিনি ওরাদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইমাম মুসলিম তাঁর সহীহ গ্রন্থের সালাত অধ্যায়ে ইসহাক বিন ইব্রাহিম থেকে, তিনি মনসুর থেকে, তিনি মুসাইয়্যাব বিন রাফে থেকে, তিনি ওরাদ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

ইমাম আবু দাউদ তাঁর সুনান গ্রন্থের সালাত অধ্যায়ে মুসাদ্দাদ থেকে, তিনি আবু মুয়াবিয়া থেকে, তিনি আমাশ থেকে, তিনি মুসাইয়্যাব বিন রাফে থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

ইমাম নাসাঈ তাঁর সুনান গ্রন্থের সালাত অধ্যায়ে মুহাম্মদ বিন মনসুর থেকে, তিনি সুফিয়ান বিন উয়াইনা থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের নিকট পৌঁছেছে।
(খণ্ড: ٢) আস সানি মিন শিয়ারিল আবরার ফিল আদয়িয়াতি ওয়াল আজকার (পৃষ্ঠা: ৩২১)
عَالِيًا وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ

الْحَدِيثُ الثَّالِثُ وَالْعِشْرُونَ

2161 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الْخِلاطِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ قَدِمَ عَلَيْنَا، أَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الدَّايِمِ الْحَنْبَلِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنَا عَبْدُ الْمُنْعِمِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ التَّاجِرُ، أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ بَنَّان، أَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ، أَنَا أَبُو عَلِيٍّ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَلِيجِيُّ، ثَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ، ثَنَا الْمُبَارَكُ بْنُ سَعِيدٍ أَخُو سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ مُوسَى الْجُهَنِيِّ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ أَيُمْنَعُ أَحَدُكُمْ أَنْ يُكَبِّرَ فِي دُبُرِ كُلِّ صَلاةٍ عَشْرًا، وَيُسَبِّحَ عَشْرًا، وَيَحْمَدَ عَشْرًا، وَذَلِكَ فِي خَمْسِ صَلَوَاتٍ خَمْسُونَ وَمِائَةٌ بِاللِّسَانِ وَأَلْفٌ وَخَمْسُ مِائَةٍ فِي الْمِيزَانِ، وَإِذَا أَوَى إِلَى فِرَاشِهِ كَبَّرَ أَرْبَعًا وَثَلاثِينَ، وَحَمِدَ ثَلاثًا وَثَلاثِينَ، وَسَبَّحَ ثَلاثًا وَثَلاثِينَ، فَتِلْكَ مِائَةٌ بِاللِّسَانِ وَأَلْفٌ فِي الْمِيزَانِ.

قَالَ: وَأَيُّكُمْ يَعْمَلُ فِي كُلِّ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ أَلْفَيْنِ وَخَمْسَ مِائَةِ حَسَنَةً ".

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ ثَابِتٌ، أَخْرَجَهُ أَبُو الْحَسَنِ مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ فِي صَحِيحِهِ فِي الدَّعَوَاتِ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةََ، عَنْ مَرْوَانَ بْنِ مُعَاوِيَةَ الْفَزَارِيِّ، وَعَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، كِلاهُمَا عَنْ مُوسَى الْجُهَنِيِّ.

وَأَخْرَجَهُ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ النَّسَائِيُّ فِي الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ، عَنْ زَكَرِيَّا بْنِ يَحْيَى، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَرَفَةَ، فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا عَالِيًا بِأَرْبَعِ دَرَجَاتٍ، فَكَأَنِّي سَمِعْتُهُ مِنْ طَرِيقِهِ، مِنْ أَبِي جَعْفَرٍ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْبطرُوجِيُّ، وَمَاتَ سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وَأَرْبَعِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ

الْحَدِيثُ الرَّابِعُ وَالْعِشْرُونَ

2162 - قُرِئَ عَلَى مُوسَى بْنِ عَلِيٍّ الْمُعَدَّلِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِالْقَاهِرَةِ، قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَكَ عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ الْحَرَّانِيُّ، قَالَ: كَتَبَ إِلَيْنَا أَبُو الْحَسَنِ الأَصْبَهَانِيُّ فِيهَا، أَنَّ أبا عَلِيّ الْمُقْرِئَ أَخْبَرَهُمْ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ، ثَنَا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، ثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُقْرِئُ، ثَنَا حَيْوَةُ بْنُ شُرَيْحٍ، سَمِعْتُ عُقْبَةَ بْنَ مُسْلِمٍ التُّجِيبِيَّ، يَقُولُ: حَدَّثَنِي أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيُّ، عَنْ الصُّنَابِحِيِّ، عَنْ مُعَاذ
উচ্চ সনদে এবং আল্লাহর জন্যই সকল প্রশংসা ও অনুগ্রহ।

তেইশতম হাদীস

২১৬১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আহমদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবী বকর আল-খিলাতি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এমতাবস্থায় যে আমি তা শুনছিলাম যখন তিনি আমাদের নিকট আগমন করেছিলেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আহমদ ইবনে আবদিদ দায়িম আল-হাম্বালী, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এমতাবস্থায় যে আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল মুন'িম ইবনে আবদুল ওয়াহহাব আত-তাজির, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আলী ইবনে বান্নান, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান মুহাম্মদ ইবনে মাখলাদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ আল-মালিজী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে আরাফাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-মুবারক ইবনে সাঈদ, যিনি সুফিয়ান আস-সাওরীর ভাই, তিনি মুসা আল-জুহানী থেকে, তিনি মুসআব ইবনে সা'দ থেকে, তিনি সা'দ ইবনে আবী ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের কেউ কি প্রতি সালাতের শেষে দশবার তকবীর (আল্লাহু আকবার) পাঠ করতে, দশবার তাসবীহ (সুবহানাল্লাহ) পাঠ করতে এবং দশবার তাহমীদ (আলহামদুলিল্লাহ) পাঠ করতে অক্ষম? আর এটি পাঁচ ওয়াক্ত সালাতে রসনায় একশত পঞ্চাশবার, কিন্তু মিযানে (হিসাবের পাল্লায়) এক হাজার পাঁচশত বার। আর যখন সে তার বিছানায় আশ্রয় গ্রহণ করে, তখন যেন সে চৌত্রিশবার তকবীর পাঠ করে, তেত্রিশবার তাহমীদ পাঠ করে এবং তেত্রিশবার তাসবীহ পাঠ করে; ফলে এটি রসনায় একশতবার কিন্তু মিযানে এক হাজার বার।”

তিনি বলেন: “আর তোমাদের মধ্যে কে আছে যে প্রতিদিন দিনে ও রাতে দুই হাজার পাঁচশত নেক আমল করে?”

এটি একটি সহীহ ও সুপ্রতিষ্ঠিত হাদীস, এটি আবু আল-হাসান মুসলিম ইবনে আল-হাজ্জাজ তাঁর সহীহ গ্রন্থের ‘আদ-দাওয়াত’ অধ্যায়ে আবু বকর ইবনে আবী শায়বাহ থেকে, তিনি মারওয়ান ইবনে মুআবিয়া আল-ফাজারী থেকে এবং মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে নুমায়র থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তারা উভয়েই মুসা আল-জুহানী থেকে বর্ণনা করেছেন।

আর এটি আবু আবদুর রহমান আন-নাসায়ী ‘আল-ইয়াওম ওয়াল-লাইলাহ’ গ্রন্থে যাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া থেকে, তিনি আল-হাসান ইবনে আরাফাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের নিকট চার ধাপ উচ্চতর একটি ‘বাদাল’ (বিকল্প সনদ) হিসেবে পৌঁছেছে, যেন আমি এটি তাঁর সূত্রে আবু জাফর আহমদ ইবনে আবদুর রহমান আল-বাতরুজি থেকে শুনেছি, তিনি ৫৪২ হিজরী সনে মৃত্যুবরণ করেন; আর সকল প্রশংসা ও অনুগ্রহ আল্লাহরই জন্য।

চব্বিশতম হাদীস

২১৬২ - কায়রোতে মুসা ইবনে আলী আল-মুআদ্দালের নিকট পাঠ করা হয়েছে এমতাবস্থায় যে আমি তা শুনছিলাম। তাকে বলা হয়েছে: আপনাকে আবদুল লতিফ ইবনে আবদুল মুন'িম আল-হাররানী সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আল-হাসান আল-আসবাহানী এ সম্পর্কে আমাদের নিকট লিখেছেন যে, আবু আলী আল-মুকরি তাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-হাফিয, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আল-হাসান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনে মুসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আবদুর রহমান আল-মুকরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাইওয়াহ ইবনে শুরাইহ, আমি উকবা ইবনে মুসলিম আত-তুজীবী-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আবু আবদুর রহমান আল-হুবুলি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আস-সুনাবিহী থেকে, তিনি মুআয থেকে...
(খণ্ড: ٢) আস সানি মিন শিয়ারিল আবরার ফিল আদয়িয়াতি ওয়াল আজকার (পৃষ্ঠা: ৩২২)
بْن جَبَلٍ، قَالَ: أَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِيَدِي يَوْمًا، ثُمَّ قَالَ: " يَا مُعَاذ، والله إِنِّي لأحبك.

فَقَالَ مُعَاذ: بأبي أَنْتَ وأمي يَا رَسُولَ اللَّهِ، وَأَنَا وَاللَّهِ أُحِبُّكَ.

قَالَ: أُوصِيكَ يَا مُعَاذُ‌‌ لا تَدَعَنَّ فِي دُبُرِ كُلِّ صَلاةٍ، أَنْ تَقُولَ: اللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكِ وَحُسْنِ عِبَادَتِكِ ".

هَذَا حَدِيثٌ أَخْرَجَهُ
أَبُو دَاوُدَ فِي الصَّلاةِ مِنْ سُنَنِهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيِّ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُقْرِئِ، وَاسْمُهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ.

وَأَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ فِي الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْن يَزِيدَ الْمُقْرِئِ، عَنْ أَبِيهِ، فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا لَهُمَا عَالِيًا لأَبِي دَاوُدَ بِدَرَجَتَيْنِ، والنَّسَائِيِّ بِثَلاثِ دَرَجَاتٍ،

الْحَدِيث الْخَامِسُ وَالْعِشْرُونَ

2163 - أَخْبَرَنَا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْن أَبِي الْقَاسِمِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِالْقَاهِرَةِ، قُرِئَ عَلَى أَبِي الْفَرَجِ بْنِ أَبِي مُحَمَّدٍ الْجَرِيرِيِّ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَبِي سَعْدٍ الْبَغْدَادِيُّ الْهَمْدَانِيُّ، أَنَا وَالِدِي أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ، أَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْجَوْهَرِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَنَا أَبُو الْفَْضْلِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الزُّهْرِيُّ، ثَنَا أَحْمَدُ هُوَ ابْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَابُورَ، ثَنَا سُفْيَانُ يَعْنِي: ابْنَ وَكِيعِ بْنِ الْجَرَّاحِ، ثَنَا أَسْبَاطُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَقْدِسِيُّ، عَنِ ابْنِ قَيْسٍ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«مُعَقِّبَاتٌ لا يَخِيبُ قَائِلُهُنَّ، يُسَبِّحُ اللَّهَ فِي دُبُرِ كُلِّ صَلاةٍ ثَلاثًا وَثَلاثِينَ، وَيَحْمَدُهُ ثَلاثًا وَثَلاثِينَ، وَيُكَبِّرُهُ أَرْبَعًا وَثَلاثِينَ» .

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ، أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ فِي صَحِيحِهِ، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ حَاتِمٍ الْمُؤَدِّبِ، عَنْ أَسْبَاطِ بْنِ مُحَمَّدٍ فَوَقَعَ لَنَا لَهُ بَدَلا عَالِيًا، وَسُفْيَانُ بْنُ وَكِيعٍ لَيْسَ بِالْقَوِيِّ، وَاللَّهُ أَعْلَمُ
ইবনে জাবাল থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একদিন আমার হাত ধরলেন, অতঃপর বললেন: "হে মুআয, আল্লাহর কসম! আমি অবশ্যই তোমাকে ভালোবাসি।"

অতঃপর মুআয বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোন, আর আল্লাহর কসম আমিও আপনাকে ভালোবাসি।

তিনি বললেন: "হে মুআয, আমি তোমাকে অসিয়ত করছি যে, তুমি প্রত্যেক সালাতের শেষে এ কথা বলা ছেড়ে দিও না: হে আল্লাহ, আপনার জিকির করতে, আপনার শুকরিয়া আদায় করতে এবং আপনার সর্বোত্তম ইবাদত করতে আমাকে সাহায্য করুন।"

এই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন
আবু দাউদ তার সুনান গ্রন্থের সালাত অধ্যায়ে আবদুল্লাহ ইবনে উমর আল-কাওয়ারীরি থেকে, তিনি আবু আবদুর রহমান আল-মুকরি থেকে—যার নাম আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াজিদ—বর্ণনা করেছেন।

এবং নাসায়ি এটি 'আল-ইয়াওম ওয়াল-লাইলাহ' গ্রন্থে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াজিদ আল-মুকরি থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের নিকট আবু দাউদের তুলনায় দুই স্তর এবং নাসায়ির তুলনায় তিন স্তর উচ্চতর সনদে স্থলাভিষিক্ত হয়েছে।

পঁচিশতম হাদিস

২১৬৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবিল কাসিম, কায়রোতে আমার উপস্থিতিতে তার নিকট পাঠের মাধ্যমে; এটি পাঠ করা হয়েছে আবুল ফারাজ ইবনে আবু মুহাম্মদ আল-জারিরির নিকট এবং আমি শুনছিলাম; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে আল-হাসান ইবনে আবু সাদ আল-বাগদাদি আল-হামদানি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা আবু আলী আল-হাসান; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-জাওহারি তার নিকট পাঠের মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফজল উবাইদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান আজ-জুহরি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ—তিনি হলেন ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে শাবুর; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান—অর্থাৎ ইবনে ওয়াকি ইবনুল জাররাহ; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসবাত ইবনে মুহাম্মদ আল-মাকদিসি, ইবনে কাইস থেকে, হাকাম থেকে, আবদুর রহমান ইবনে আবি লায়লা থেকে, কাব ইবনে উজরা থেকে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: "সালাত পরবর্তী এমন কিছু বাক্য রয়েছে যার পাঠকারী কখনো ব্যর্থ হয় না; তা হলো প্রত্যেক সালাতের শেষে তেত্রিশবার আল্লাহর তাসবিহ পাঠ করা, তেত্রিশবার আল্লাহর তাহমিদ পাঠ করা এবং চৌত্রিশবার আল্লাহর তাকবির পাঠ করা।"

এটি একটি সহিহ হাদিস। ইমাম মুসলিম এটি তার সহিহ গ্রন্থে আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে হাতিম আল-মুয়াদ্দিব থেকে, তিনি আসবাত ইবনে মুহাম্মদ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের জন্য উচ্চতর সনদে স্থলাভিষিক্ত হয়েছে। আর সুফিয়ান ইবনে ওয়াকি তেমন শক্তিশালী রাবি নন। আল্লাহই ভালো জানেন।
(খণ্ড: ٢) আস সানি মিন শিয়ারিল আবরার ফিল আদয়িয়াতি ওয়াল আজকার (পৃষ্ঠা: ৩২৩)
الْحَدِيثُ السَّادِسُ وَالْعِشْرُونَ

2164 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ بْن إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي إِسْحَاقَ الْمِصْرِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قُرِئَ عَلَى عَبْدِ اللَّطِيفِ بْنِ عَبْدِ الْمُنْعِمِ الْجُوَيْرِيِّ وَأَنَا أَسْمَعُ بِالْقَاهِرَةِ، أَنَا مَسْعُودُ بْنُ أَبِي مَنْصُورٍ فِي كِتَابِهِ، أَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ الْحَدَّادُ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ السُّفْيَانِيُّ، ثَنَا أَبُو بَكْرٍ الطَّلْحِيُّ، ثَنَا عُبَيْدُ بْنُ غَنَّامٍ، ثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةََ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، ثَنَا مِسْعَرٌ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي رِشْدِينَ، عَنْ ابْن عَبَّاسٍ، عَنْ جُوَيْرِيَةَ، قَالَتْ:‌‌ مَرَّ بِهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَ صَلَّى بِالْغَدَاةِ أَوْ بَعْدَمَا صَلَّى بِالْغَدَاةِ وَهى تَذْكُرُ اللَّهَ، فَرَجَعَ حِينَ ارْتَبَعَ النَّهَارُ، أَوْ قَالَ: انْتَصَفَ النَّهَارُ وَهِىَ كَذَلِكَ، فَقَالَ: " لَقَدْ قُلْتُ مُنْذُ قُمْتُ عَلَيْكَ أَرْبَعَ كَلِمَاتٍ، ثَلاثَ مَرَّاتٍ هُنَّ أَكْبَرُ، أَوْ أَرْجَحُ، أَوْ أَوْزَنُ مِمَّا قُلْتِ: سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ خَلْقِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ رِضَا نَفْسِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ زِنَةَ عَرْشِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ مِدَادَ كَلِمَاتِهِ ".

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ، أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ فِي صَحِيحِهِ، عَنْ أَبِي بَكْر بْن أَبِي شَيْبَةَ، عَلَى الموافقة كَمَا أَخْرَجْنَاهُ، فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا بِدَرَجَةٍ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ

الْحَدِيثُ السَّابِعُ وَالْعِشْرُونَ

2165 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ بْنُ أَبِي إِسْحَاقَ الْكِنَانِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِالْقَاهِرَةِ سَنَةَ 738، قَالَ: أَنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ بْنِ ظَاهِرٍ الثَّغْرِيُّ فِي كِتَابِهِ، أَنَّ أَبَا طَاهِرٍ أَحْمَدَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الشَّافِعِيَّ أَخْبَرَهُمْ، أَنَا أَبُو الْخَطَّابِ نَصْرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْبَطِرِ الْقَارِئُ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِبَغْدَادَ، أَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّد الْبَزَّازُ، قُرِئَ عَلَى أَبِي عَلِيٍّ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الصَّفَّارِ، ثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَنْصُورٍ الْحَفَرِيُّ، ثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، ثَنَا ثَوْرٌ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ أُمَامَةَ رضي الله عنه، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ إِذَا رُفِعَتِ الْمَائِدَةُ، قَالَ: «الْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ، غَيْرَ مُلْقًى وَلا مُوَدَّعٍ وَلا مُسْتَغْنًى عَنْهُ رَبَّنَا» هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ، أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي الأَطْعِمَةِ مِنْ صَحِيحِهِ، عَنْ أَبِي عَاصِمٍ الضَّحَّاكِ بْنِ مَخْلَدٍ، وَعَنْ أَبِي نُعَيْمٍ، كِلاهُمَا عَنْ سُفْيَانَ.
ছাব্বিশতম হাদীস

২১৬৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান বিন ইসমাঈল বিন আবি ইসহাক আল-মিসরি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম; কায়রোতে আব্দুল লতিফ বিন আব্দুল মুনঈম আল-জুওয়াইরি-এর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম; মাসউদ বিন আবি মানসুর তাঁর কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; হাসান বিন আহমাদ আল-হাদ্দাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ আস-সুফিয়ানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু বকর আত-তালহি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন; উবাইদ বিন গান্নাম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন; আবু বকর বিন আবি শায়বাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন; মুহাম্মাদ বিন বিশর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন; মিসআর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন; মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু রিশদিন থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি জুওয়াইরিয়াহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পাশ দিয়ে অতিবাহিত হলেন যখন তিনি সকালের সালাত আদায় করেছিলেন অথবা সকালের সালাত আদায়ের পর, এমতাবস্থায় তিনি আল্লাহর যিকর করছিলেন। অতঃপর দিনের এক চতুর্থাংশ অতিবাহিত হওয়ার পর তিনি ফিরে আসলেন, অথবা বর্ণনাকারী বলেন: দুপুর হয়ে যাওয়ার পর তিনি ফিরে আসলেন, আর তিনি তখনও ঐ অবস্থায় ছিলেন। তখন তিনি বললেন: "আমি তোমার নিকট থেকে যাওয়ার পর চারটি বাক্য তিনবার বলেছি, যা তুমি এ পর্যন্ত যা বলেছ তার চেয়েও অনেক বড়, অথবা অনেক ভারী, অথবা ওজনে অধিক হবে: আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি তাঁর সৃষ্টির সংখ্যার সমান, আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি তাঁর নিজের সন্তুষ্টির সমান, আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি তাঁর আরশের ওজনের সমান, আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি তাঁর বাণীর কালির পরিমাণ।"

এটি একটি সহীহ হাদীস, ইমাম মুসলিম এটি তাঁর সহীহ গ্রন্থে আবু বকর বিন আবি শায়বাহ থেকে আমাদের বর্ণিত সনদের সাথে মিল রেখে (মুওয়াফাকাত) বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের নিকট এক স্তর উচ্চ সনদে পৌঁছেছে, আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

সাতাশতম হাদীস

২১৬৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ বিন আবি ইসহাক আল-কিনানি, কায়রোতে ৭৩৮ হিজরী সালে তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মাদ বিন আবিল হাসান বিন জাহির আস-সাগরি তাঁর কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আশ-শাফিঈ তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন; আবুল খাত্তাব নাসর বিন আহমাদ বিন আল-বাতর আল-কারি বাগদাদে আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবুল হাসান মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-বাযযায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু আলী ইসমাইল বিন মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল আস-সাফফারের নিকট পাঠ করা হয়েছে; আব্দুর রহমান বিন মানসুর আল-হাফারি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন; ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন; সাওর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন খালিদ থেকে, তিনি উমামাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন দস্তরখান বা খাবারের পাত্র উঠানো হতো তখন বলতেন: «সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, অনেক অনেক পবিত্র ও বরকতময় প্রশংসা; যা বর্জন করা হয় না, যা থেকে চিরতরে বিদায় নেওয়া হয় না এবং হে আমাদের রব! যা থেকে বিমুখ হওয়া যায় না» এটি একটি সহীহ হাদীস। বুখারী এটি তাঁর সহীহ গ্রন্থের খাদ্য অধ্যায়ে আবু আসিম আদ-দাহহাক বিন মাখলাদ এবং আবু নুয়াইম থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়েই সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ٢) আস সানি মিন শিয়ারিল আবরার ফিল আদয়িয়াতি ওয়াল আজকার (পৃষ্ঠা: ৩২৪)
وَأَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ فِي سُنَنِهِ، عَنْ مسدد، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الْقَطَّانِ.

وَأَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ فِي الدَّعَوَاتِ مِنْ جَامِعِهِ، عَنْ بُنْدَارٍ، عَنْ يَحْيَى، وَقَالَ: حَسَنٌ صَحِيحٌ.

وَأَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ فِي أَبْوَابِهِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيم.

وَأَخْرَجَهُ ابْنُ مَاجَهْ فِي الأَطْعِمَةِ، عَنْ دُحَيْمٍ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ مُسْلِمٍ، ثَلاثَتُهُمْ عَنْ ثَوْرِ بْنِ يَزِيدَ، فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا أَبِي دَاوُدَ وَالتَّرْمِذِيِّ عَالِيًا بِدَرَجَتَيْنِ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ

الْحَدِيثُ الثَّامِنُ وَالْعِشْرُونَ

2166 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدِّمَشْقِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ قَدِمَ عَلْيَنَا الْقَاهِرَةَ، أَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ بْنُ عَبْدِ الدَّايِمِ الْمَقْدِسِيُّ، أَنَا أَبُو الْحَجَّاجِ يُوسُفُ بْنُ مَعَالِي بْنِ نَصْرٍ الأَطْرَابُلُسِيُّ، أَنَا الْفَقِيهُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مَنْصُورٍ الْغَسَّانِيُّ، حَدَّثَنِي الْقَاضِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَبِي الرَّضِيِّ مُحَمَّدٍ الأَنْطَاِكِيِّ، أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَامِرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ الرَّازِيُّ، أَنَا أَبُو الطَّيِّبِ مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْحَوْرَانِيُّ، ثَنَا يَزِيدُ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ، ثَنَا مُطَرِّفُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُطَرِّفٍ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْعُمَرِيُّ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ إِذَا رَأَى أَحَدُكُمْ أَحَدًا فِي بَلاءٍ، فَلْيَقُلِ: الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي عَافَانِي مِمَّا ابْتَلاكَ بِهِ، وَفَضَّلَنِي عَلَيْكَ وَعَلَى كَثِيرٍ مِنْ عِبَادِهِ تَفْضِيلا.

فَإِنَّهُ إِذَا قَالَ ذَلِكَ كَانَ شُكْرُ تِلْكَ النَّعْمَةِ ".

هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ، أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ فِي جَامِعِهِ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ السِّمَّانِيِّ، وَغَيْرِ وَاحِدٍ مِنْهُمْ، عَنْ مُطَرِّفِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، وَقَالَ: حَسَنٌ غِرَيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ، فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا عَالِيًا بِدَرَجَةٍ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ

الْحَدِيثُ التَّاسِعُ وَالْعِشْرُونَ

2167 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ بْنُ أَبِي مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ الْمُعَدَّلُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِالْقَاهِرَةِ، أَنَا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ أَبِي الْعَبَّاسِ السَّعْدِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِدِمَشْقَ، أَنَا
আবু দাউদ এটি তাঁর সুনান গ্রন্থে মুসাদ্দাদ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান থেকে বর্ণনা করেছেন।

তিরমিযী এটি তাঁর জামি গ্রন্থের দুআ অধ্যায়ে বুন্দার থেকে, তিনি ইয়াহইয়া থেকে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: এটি হাসান সহীহ।

নাসায়ী এটি তাঁর বিভিন্ন অধ্যায়ে আমর ইবনে মানসুর থেকে, তিনি ইবরাহীম থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং ইবনে মাজাহ এটি খাদ্য অধ্যায়ে দুহাইম থেকে, তিনি ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা তিনজনই সওর ইবনে ইয়াযীদ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের কাছে আবু দাউদ ও তিরমিযীর তুলনায় দুই স্তর উচ্চ সনদে ‘বাদাল’ হিসেবে পৌঁছেছে। সমস্ত প্রশংসা ও অনুগ্রহ আল্লাহরই।

আটাশতম হাদীস

২১৬৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আহমদ ইবনে আবদুর রহমান আদ-দিমাশকী, তাঁর কাছে এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম যখন তিনি আমাদের কাছে কায়রোতে আগমন করেন। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস ইবনে আবদুদ দায়িম আল-মাকদিসী। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাজ্জাজ ইউসুফ ইবনে মাআলি ইবনে নাসর আল-আতরাবুলুসী। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফকীহ আবু আল-হাসান আলী ইবনে আহমদ ইবনে মানসুর আল-গাসসানী। তিনি বলেন, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন কাযী আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে আলী ইবনে আবুর রাযী মুহাম্মদ আল-আন্তাকী। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আমির ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উবাইদুল্লাহ আর-রাযী। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আত-তয়্যিব মুহাম্মদ ইবনে হুমাইদ ইবনে সুলাইমান আল-হাওরানী। তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ ইবনে আবদুস সামাদ। তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুতাররিফ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুতাররিফ। তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে উমর আল-উমারী, তিনি সুহাইল ইবনে আবু সালিহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরাইরা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “তোমাদের কেউ যখন কাউকে কোনো বিপদে লিপ্ত দেখে, তখন যেন সে বলে: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি আমাকে রক্ষা করেছেন সেই বিপদ থেকে যাতে আপনাকে লিপ্ত করেছেন, এবং আমাকে আপনার ওপর এবং তাঁর অনেক বান্দার ওপর বিশেষ শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন।

কারণ সে যখন এটি বলবে, তখন তা হবে সেই নিআমতের শুকরিয়া স্বরূপ।”

এটি একটি হাসান হাদীস। তিরমিযী এটি তাঁর জামি গ্রন্থে আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন আস-সিমানী এবং তাঁদের মধ্য থেকে আরও একাধিক ব্যক্তি থেকে, তাঁরা মুতাররিফ ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি (তিরমিযী) বলেছেন: এই সূত্রে হাদীসটি হাসান গরীব। ফলে এটি আমাদের নিকট এক স্তর উচ্চ সনদে ‘বাদাল’ হিসেবে পৌঁছেছে। সমস্ত প্রশংসা ও অনুগ্রহ আল্লাহরই।

উনত্রিশতম হাদীস

২১৬৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস ইবনে আবু মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আল-মুআদ্দাল, তাঁর কাছে কায়রোতে এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান ইবনে আবু আল-আব্বাস আস-সাদী, তাঁর কাছে দামেস্কে এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন...
(খণ্ড: ٢) আস সানি মিন শিয়ারিল আবরার ফিল আদয়িয়াতি ওয়াল আজকার (পৃষ্ঠা: ৩২৫)
مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ نَصْرٍ فِي كِتَابِهِ، أَنَا أَبُو عَلِيِّ بْنُ أَحْمَدَ الأَصْبَهَانِيُّ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِسْحَاقَ الْحَافِظُ، أَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ، ثَنَا يُونُسُ بْنُ حَبِيبٍ، ثَنَا أَبُو دَاوُدَ، ثَنَا هِشَامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم،‌‌ يَقُولُ عِنْدَ الْكَرْبِ: «لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ الْعَظِيمُ الْحَلِيمُ، لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمُ، لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَرَبُّ الأَرْضِ وَرَبُّ الْعَرْشُ الْكَرِيمُ» .

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ، أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي الدَّعَوَاتِ مِنْ صَحِيحِهِ، عَنْ مُسْلِمِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ هِشَامٍ.

وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ فِي الدَّعَوَاتِ مِنْ صَحِيحِهِ، عَنْ أَبِي مُوسَى، وَبُنْدَارٍ، وعَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعِيدٍ، ثَلاثَتُهُمْ عَنْ مُعَاذِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ.

وَأَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ فِي الدَّعَوَاتِ مِنْ جَامِعِهِ، عَنْ بُنْدَارٍ.

وَأَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ فِي الدُّعَاءِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ وَكِيعٍ، عَنْ هِشَامٍ، فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا لِلْبُخَارِيِّ عَالِيًا

الْحَدِيث الثَّلاثُونَ

2168 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْحَلَبِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنَا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ الْمَقْدِسِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: كَتَبَ إِلَيْنَا الْقَاضِي أَبُو الْمَكَارِمِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْكَتَّانُ، أَنَّ الْحَسَنَ بْنَ أَحْمَدَ أَخْبَرَهُمْ، أَنَّ أَبَا نُعَيْمٍ الْحَافِظَ، أَخْبَرَهُمْ أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ، ثَنَا يُونُسُ، ثَنَا أَبُو دَاوُدَ، ثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْبَارِقِيِّ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ إِذَا أَرَادَ سَفَرًا وَرَكِبَ رَاحِلَتَهُ كَبَّر ثَلاثًا، ثُمَّ قَالَ: " سُبْحَانَ الَّذِي سَخَّرَ لَنَا هَذَا وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِينَ وَإِنَّا إِلَى رَبِّنَا لَمُنْقَلِبُونَ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ فِي سَفَرِي هَذَا الْبِرَّ وَالتَّقْوَى، وَمِنَ الْعَمَلِ مَا تُحِبُّ وَتَرْضَى، اللَّهُمَّ اطْوِ لَنَا بُعْدَ الأَرْضِ وَهَوِّنْ عَلَيْنَا السَّفَرَ، اللَّهُمَّ اصْحَبْنَا فِي سَفَرِنَا، وَاخْلُفْنَا فِي أَهَالِينَا.

وَإِذَا رَجَعَ، قَالَ: آيِبُونَ تَائِبُونَ لِرَبِّنَا حَامِدُونَ ".

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ، أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ فِي الْحَجِّ مِنْ صَحِيحِهِ، عَنْ هَارُونَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ حَجَّاجِ بْنِ مُحَمَّدٍ.

وَأَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ فِي الْجِهَادِ مِنْ سُنَنِهِ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ عَبْدِ الرَّازِقِ،
মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন নাসর তাঁর গ্রন্থে বলেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী ইবন আহমদ আল-আসবাহানী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন আহমদ ইবন ইসহাক আল-হাফিজ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবন জাফর, আমাদের বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবন হাবীব, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ, আমাদের বর্ণনা করেছেন হিশাম, কাতাদাহ থেকে, তিনি আবুল আলিয়া থেকে, তিনি ইবন আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কষ্টের সময় বলতেন: "আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, যিনি সুমহান ও সহনশীল। আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, যিনি মহান আরশের রব। আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, যিনি আসমানসমূহের রব, জমিনের রব এবং সম্মানিত আরশের রব।"

এটি একটি সহীহ হাদীস এবং এর ওপর ঐকমত্য পোষণ করা হয়েছে। ইমাম বুখারী তাঁর সহীহ গ্রন্থের দাওয়াত অধ্যায়ে এটি মুসলিম ইবন ইব্রাহিম থেকে, তিনি হিশাম থেকে—এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

ইমাম মুসলিম তাঁর সহীহ গ্রন্থের দাওয়াত অধ্যায়ে আবু মুসা, বুন্দার ও আবদুল্লাহ ইবন সাঈদ—এই তিনজনের সূত্রে মুআয ইবন হিশাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে—এই সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

ইমাম তিরমিযী তাঁর জামি' গ্রন্থের দাওয়াত অধ্যায়ে বুন্দার থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

ইমাম নাসাঈ দু'আ অধ্যায়ে আলী ইবন মুহাম্মদ থেকে, তিনি ওয়াকী' থেকে, তিনি হিশাম থেকে—এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের কাছে ইমাম বুখারীর সমমানের উচ্চতর (আলী) সনদে পৌঁছেছে।

ত্রিশতম হাদীস

২১৬৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবন মানসুর ইবন ইব্রাহিম আল-হালাবী, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করেছি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবন আহমদ আল-মাকদিসী, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করেছি, তিনি বলেন: কাজী আবু আল-মাকারিম আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ আল-কাত্তান আমাদের নিকট লিখেছেন যে, হাসান ইবন আহমদ তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু নুয়াইম আল-হাফিজ তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবন জাফর, আমাদের বর্ণনা করেছেন ইউনুস, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ, আমাদের বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবন সালামাহ, আবু যুবায়ের থেকে, তিনি আলী ইবন আবদুল্লাহ আল-বারিকী থেকে, তিনি ইবন উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সফরে যাওয়ার ইচ্ছা করতেন এবং তাঁর সওয়ারিতে আরোহণ করতেন, তখন তিনবার তাকবীর বলতেন, এরপর বলতেন: "পবিত্র সেই সত্তা যিনি একে আমাদের জন্য অনুগত করে দিয়েছেন, অথচ আমরা একে বশ করতে সক্ষম ছিলাম না। আর আমরা অবশ্যই আমাদের রবের নিকট প্রত্যাবর্তনকারী। হে আল্লাহ! আমি আমার এই সফরে আপনার কাছে নেক কাজ ও তাকওয়া প্রার্থনা করছি এবং এমন আমল প্রার্থনা করছি যা আপনি পছন্দ করেন ও যাতে আপনি সন্তুষ্ট হন। হে আল্লাহ! আমাদের জন্য জমিনের দূরত্ব সংকুচিত করে দিন এবং আমাদের সফরকে সহজ করে দিন। হে আল্লাহ! আপনিই আমাদের সফরের সঙ্গী এবং আমাদের পরিবার-পরিজনের রক্ষণাবেক্ষণকারী।"

আর যখন তিনি ফিরে আসতেন, তখন বলতেন: "আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তওবাকারী, ইবাদতকারী এবং আমাদের রবের প্রশংসাকারী।"

এটি একটি সহীহ হাদীস। ইমাম মুসলিম তাঁর সহীহ গ্রন্থের হজ অধ্যায়ে হারুন ইবন আবদুল্লাহ থেকে, তিনি হাজ্জাজ ইবন মুহাম্মদ থেকে—এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

ইমাম আবু দাউদ তাঁর সুনান গ্রন্থের জিহাদ অধ্যায়ে হাসান ইবন আলী থেকে, তিনি আবদুর রাজ্জাক থেকে—এই সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ٢) আস সানি মিন শিয়ারিল আবরার ফিল আদয়িয়াতি ওয়াল আজকার (পৃষ্ঠা: ৩২৬)
كِلاهُمَا عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ.

وَأَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ فِي الدَّعَوَاتِ مِنْ جَامِعِهِ، عَنْ سُوَيْدِ بْنِ نَصْرٍ، عَنِ ابْنِ الْمُبَارَكِ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ.

وَأَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ فِي التَّفْسِيرِ مِنْ سُنَنِهِ، عَنْ أَبِي الرَّبِيعِ سُلَيْمَانَ بْنِ دَاوُدَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ وَهْبٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، كِلاهُمَا عَنِ ابْنِ الزُّبَيْرِ.

وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ: حَسَنٌ.

فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ

2169 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ رِزْقِ اللَّهِ الْمَقْدِسِيُّ، وَأَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدِّمَشْقِيُّ، قَالا: أَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الدَّايِمِ مِنْ شَيْخِهِ ابْنِ عَبْدِ الدَّايِمِ، أَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ الطُّوسِيُّ، فِي كِتَابِهِ، أَنَا نَصْرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْبَطِرِ الْقَارِئُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا حَاضِرٌ أَسْمَعُ، أَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ يَحْيَى، ثَنَا الْقَاضِي الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ الْعِجْلِيُّ، ثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ سُلَيْمَانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَرْجَسٍ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ إِذَا سَافَرَ، يَقُولُ: «اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ وَعْثَاءِ السَّفَرِ، وَكَآبَةِ الْمُنْقَلَبِ، وَمِنَ الْحَوَرِ بَعْدَ الْكَوَرِ، وَدَعْوَةِ الْمَظْلُومِ، وَسُوءِ الْمَنْظِرَ فِي الأَهْلِ وَالْمَالِ» .

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ انْفَرَدَ بِإِخْرَاجِهِ مُسْلِمٌ، وَرَوَاهُ فِي الْمَنَاسِكِ مِنْ صَحِيحِهِ، عَنْ زُهَيْرِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عُلَيَّةَ، عَنْ عاصِمِ بْنِ سُلَيْمَانَ، فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا بِدَرَجَتَيْنِ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ

2170 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِالْقَاهِرَةِ، أَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ يَحْيَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْقُرَشِيُّ الْحَافِظُ، أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ عَلِيٍّ الْخَزْرَجِيُّ، أَنَا مُرْشِدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ الْقَاسِمِ الْمُقْرِئُ، أَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحَرَّانِيُّ، ثَنَا الْحَافِظ أَبُو الْقَاسِمِ حَمْزَةُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْكِنَانِيُّ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْبَغْدَادِيُّ، ثَنَا ابْنُ أَبِي صَفْوَانَ، ثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ.

ح وَثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بِشْرٍ النَّخَعِيِّ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ
তারা উভয়ই ইবনে জুরাইজ থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইমাম তিরমিযী এটি তাঁর জামি'-এর দু'আ অধ্যায়ে সুওয়াইদ ইবন নাসর থেকে, তিনি ইবনুল মুবারক থেকে এবং তিনি হাম্মাদ ইবন সালামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইমাম নাসাঈ এটি তাঁর সুনানের তাফসীর অধ্যায়ে আবু রাবী সুলাইমান ইবন দাউদ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন ওয়াহাব থেকে এবং তিনি ইবনে জুরাইজ থেকে বর্ণনা করেছেন; তারা উভয়ই ইবনুয যুবাইর থেকে বর্ণনা করেছেন।

তিরমিযী বলেছেন: হাদীসটি হাসান।

এটি আমাদের নিকট উচ্চতর সনদে পৌঁছেছে, আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

২১৬৯ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাসান আলী ইবন রিযকুল্লাহ আল-মাকদিসী এবং আহমাদ ইবন আবদুর রহমান আদ-দিমাশকী, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবন আবদুদ দাইম তাঁর শাইখ ইবন আবদুদ দাইম থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন আহমাদ আত-তূসী থেকে তাঁর কিতাবে বর্ণনা করেছেন, তিনি নাসর ইবন আহমাদ ইবনুল বাতির আল-কারি থেকে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন এমতাবস্থায় যে আমি উপস্থিত থেকে শ্রবণ করছিলাম, তিনি আবদুল্লাহ ইবন উবাইদুল্লাহ ইবন ইয়াহইয়া থেকে, কাযী হুসাইন ইবন ইসমাঈল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনুল মিকদাম আল-ইজলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবন যাইদ আমাদের নিকট আসিম ইবন সুলাইমান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুল্লাহ ইবন সারজাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম‌ যখন সফরে বের হতেন তখন বলতেন: "হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট সফরের কষ্ট-ক্লেশ, ফিরে আসার সময়ের বিষণ্ণতা, পূর্ণতার পর অপূর্ণতা (বা প্রাচুর্যের পর হ্রাস), মজলুমের বদদোয়া এবং পরিবার ও সম্পদের অশুভ দৃশ্য দেখা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।"

এটি একটি সহীহ হাদীস, ইমাম মুসলিম এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি তাঁর সহীহ-এর মানাসিক (হজ) অধ্যায়ে যুহাইর ইবন হারব থেকে, তিনি ইসমাইল ইবন উল্যাহ থেকে এবং তিনি আসিম ইবন সুলাইমান থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের জন্য দুই স্তর উচ্চতর সনদে সাব্যস্ত হয়েছে, আর আল্লাহর জন্য সমস্ত প্রশংসা ও অনুগ্রহ।

২১৭০ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইবরাহীম ইবন আলী ইবন মুহাম্মদ কায়রোতে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম, তিনি হাফিয আবু হুসাইন ইয়াহইয়া ইবন আলী ইবন আবদুল্লাহ আল-কুরাশী থেকে, তিনি আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবন আলী আল-খাযরাজী থেকে, তিনি মুরশিদ ইবন ইয়াহইয়া ইবনুল কাসিম আল-মুকরি থেকে, তিনি আবু হাসান আলী ইবন উমর ইবন মুহাম্মদ আল-হাররানী থেকে, হাফিয আবুল কাসিম হামযাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন আলী আল-কিনানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবন ইসমাঈল আল-বাগদাদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন আবি সাফওয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন আবি আদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

সনদ পরিবর্তন (হ্) এবং শু'বা আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবন বিশর আন-নাখাঈ থেকে, তিনি আবু যুরআ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ٢) আস সানি মিন শিয়ারিল আবরার ফিল আদয়িয়াতি ওয়াল আজকার (পৃষ্ঠা: ৩২৭)
رَضِيَ اللَّه عَنْهُ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ إِذَا سَافَرَ وَرَكِبَ رَاحِلَتَهُ، قَالَ بِإِصْبَعِهِ هَكَذَا، وَقَالَ: «اللَّهُمَّ أَنْتَ الصَّاحِبُ فِي السَّفَرِ، وَالْخَلِيفَةُ فِي الأَهْلِ، اللَّهُمَّ اصْحَبْنَا بِنُصْحِكَ، وَاقْبَلْنَا بِذِمَّةٍ، اللَّهُمَّ ازْوِ لَنَا الأَرْضَ وَهَوِّنْ عَلَيْنَا السَّفَرَ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ وَعْثَاءِ السَّفَرِ وَكَآبَةِ الْمُنْقَلَبِ» .

قَالَ حَمْزَةُ بْنُ مُحَمَّدٍ: وَلا أَعْلَمُ أَحَدًا رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ شُعْبَةَ غَيْرَ ابْنِ أَبِي عَدِيٍّ، وَاللَّهُ أَعْلَمُ.

هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ، وَقَدْ رَوَاهُ عَنْ شُعْبَةَ غَيْرُ ابْنِ أَبِي عَدِيٍّ، رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ فِي جَامِعِهِ، عَنْ سُوَيْدِ بْنِ نَصْرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ، عَنْ شُعْبَة.

وَرَوَاهُ الْقَاضِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْمَحَامِلِيُّ فِي كِتَابِ الدُّعَاءِ، مِنْ رِوَايَةِ عَبْدَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ شُعْبَةَ.

أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ أَيْضًا فِي جَامِعِهِ.

والنَّسَائِيُّ فِي الاسْتِعَاذَةِ مِنْ سُنَنِهِ، كِلاهُمَا عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ الْمُقَدَّمِيِّ، عَنِ ابْنِ أَبِي عَدِيٍّ، فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا عَالِيًا بِدَرَجَةٍ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ

2171 - وَأَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْفَرَّاءُ، فِيمَا قُرِئَ عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِالْقَاهِرَةِ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الدَّايمِ، أَنَا أَبُو الْفَضْلِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْقَاهِرِ الطُّوسِيُّ، إِجَازَةً، قَالَ: قُرِئَ عَلَى أَبِي الْخَطَّابِ نَصْرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْبَطِرِ الْقَارِئُ وَأَنَا أَسْمَعُ بِبَغْدَادَ، أَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْن عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ يَحْيَى بْنِ الْبثعِ، نا الْقَاضِي الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْمَحَامِلِيُّ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ، ثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، سَمِعْتُ عُبَيْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، يُحَدِّثُ عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ إِذَا خَرَجَ فِي سَفَرِهِ فَمَرَّ بَنَشَزٍ أَوْ فَدْفَدٍ كَبَّرَ ثَلاثًا، ثُمَّ قَالَ: " لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ.

وَإِذَا رَجَعَ قَالَهُنَّ، وَزَادَ: آيِبُونَ تَائِبُونَ لِرَبِّنَا حَامِدُونَ، صَدَقَ اللَّهُ وَعْدَهُ، وَنَصَرَ عَبْدَهُ، وَهَزَمَ الأَحْزَابَ وَحْدَهُ ".

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ، أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ فِي صَحِيحِهِ، والنَّسَائِيُّ فِي سُنَنِهِ، كِلاهُمَا عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْن سَعِيدٍ، عَنْ يَحْيَى بْن سَعِيدٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، نَحْوَ مَا أَخْرَجْنَاهُ.

فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا بِدَرَجَتَيْنِ، وَلِلَّهِ سُبْحَانَهُ الْمِنَّةُ
আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সফরে যেতেন এবং তাঁর বাহনে আরোহণ করতেন, তখন তিনি তাঁর আঙুল দিয়ে এভাবে ইশারা করতেন এবং বলতেন: "হে আল্লাহ! আপনিই সফরের সঙ্গী এবং পরিবারের অভিভাবক, হে আল্লাহ! আপনার উপদেশের মাধ্যমে আমাদের সঙ্গী হোন এবং নিরাপত্তার সাথে আমাদের কবুল করুন। হে আল্লাহ! আমাদের জন্য জমিনকে সংকুচিত করে দিন এবং আমাদের জন্য সফরকে সহজ করে দিন। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট সফরের ক্লান্তি এবং ফিরে আসার দুঃখ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।"

হামজাহ ইবনে মুহাম্মদ বলেন: ইবনে আবি আদি ব্যতীত আর কেউ শু'বা থেকে এই হাদিস বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই। আর আল্লাহই ভালো জানেন।

এটি একটি হাসান হাদিস। ইবনে আবি আদি ব্যতীত অন্যরাও এটি শু'বা থেকে বর্ণনা করেছেন। তিরমিজি তাঁর জামে গ্রন্থে সুওয়াইদ ইবনে নাসর থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক থেকে, তিনি শু'বা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

এবং কাজী আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল আল-মাহামিলি এটি 'কিতাবুদ দুআ'-তে আবদানের বর্ণনায় তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি শু'বা থেকে বর্ণনা করেছেন।

তিরমিজি তাঁর জামে গ্রন্থেও এটি বর্ণনা করেছেন।

এবং নাসায়ি তাঁর সুনান গ্রন্থের ইস্তিআযাহ অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা উভয়ই মুহাম্মদ ইবনে উমর আল-মুকাদ্দামি থেকে, তিনি ইবনে আবি আদি থেকে বর্ণনা করেছেন। এভাবে এটি আমাদের কাছে এক স্তর উচ্চ সনদে পৌঁছেছে। আর সমস্ত প্রশংসা ও অনুগ্রহ আল্লাহরই।

২১৭১ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে আবদুর রহমান আল-ফাররা, কায়রোতে তাঁর সামনে যা পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, (তিনি বলেন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে আবদুদ দায়িম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফজল আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল কাহির আত-তুসি—ইজাজতক্রমে, তিনি বলেন: বাগদাদে আবু আল-খাত্তাব নাসর ইবনে আহমদ ইবনে আল-বাতর আল-কারি-এর সামনে পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আল-বাখতি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাজী আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল আল-মাহামিলি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে মনসুর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রাজ্জাক, আমি উবাইদুল্লাহ ইবনে উমরকে নাফে' থেকে এবং তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সফরে বের হতেন এবং কোনো উঁচু ভূমি বা প্রান্তরে পৌঁছাতেন, তখন তিনবার তাকবির পাঠ করতেন। অতঃপর বলতেন: "আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোনো শরিক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসাও তাঁরই, আর তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাশীল।

আর যখন তিনি ফিরে আসতেন, তখন এগুলো বলতেন এবং সাথে বাড়িয়ে বলতেন: "আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তাওবাকারী, আমাদের রবের ইবাদতকারী ও প্রশংসাকারী। আল্লাহ তাঁর ওয়াদা সত্য করেছেন, তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং তিনি একাই সকল দলসমূহকে পরাজিত করেছেন।"

এটি একটি সহিহ হাদিস। মুসলিম তাঁর সহিহ গ্রন্থে এবং নাসায়ি তাঁর সুনান গ্রন্থে এটি বর্ণনা করেছেন। তাঁরা উভয়ই আবদুল্লাহ ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন—আমরা যা বর্ণনা করেছি তার অনুরূপ।

এভাবে এটি আমাদের কাছে দুই স্তর উচ্চ সনদে পৌঁছেছে। আর সমস্ত অনুগ্রহ মহান আল্লাহর।
(খণ্ড: ٢) আস সানি মিন শিয়ারিল আবরার ফিল আদয়িয়াতি ওয়াল আজকার (পৃষ্ঠা: ৩২৮)
الْحَدِيث الْحَادِي وَالثَّلاثُونَ

2172 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيٍّ الصُّوفِيُّ، أَنَا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْبُخَارِيِّ، أَنْبَأَنَا مَنْصُورُ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْفَارِسِيُّ، أَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْحَافِظُ، أَنَا أَبُو نَصْرٍ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ عُمَرَ بْنِ قَتَادَةَ، أَنَا عَلِيُّ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ الْخُزَاعِيُّ، أَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمِنْفَاضُ الْفِرْيَابِيُّ، ثَنَا صَفْوَانُ بْنُ صَالِحٍ أَبُو عَبْدِ الْمَلِكِ الدِّمَشْقِيُّ فِي سَنَةِ 232، ثَنَا الَوِليدُ بْنُ مُسْلِمٍ، ثَنَا شُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ، عَنْ أَبِي الزِّيَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ إِنَّ لِلَّهِ تِسْعَةً وِتِسْعِينَ اسْمًا مِائَةً غَيْرَ وَاحِدٍ مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ، وَهُوَ وِتْرٌ يُحِبُّ الْوِتْرَ، هُوَ اللَّهُ الَّذِي لا إِلَهَ إِلا هُوَ: الرَّحْمَنُ، الرَّحِيمُ، الْمِلَكُ، الْقُدُّوسُ، السَّلامُ، الْمُؤْمِنُ الْمُهَيْمِنُ، الْعَزِيزُ، الْجَبَّارُ، الْمُتَكَبِّرُ، الْخَالِقُ، الْبَارِئُ، الْمُصَوِّرُ، الْغَفَّارُ، الْقَهَّارُ، الْوَهَّابُ، الرَّزَّاقُ، الْفَتَّاحُ، الْعَلِيمُ، الْقَابِضُ، الْبَاسِطُ، الْخَافِضُ، الرَّافِعُ، الْمُعِزُّ، الْمُذِلُّ، السِّمَيعُ، الْبَصِيرُ، الْحَكَمُ، الْعَدْلُ، اللَّطِيفُ، الْخَبِيرُ، الْحَلِيمُ، الْعَظِيمُ، الْغَفُورُ، الشَّكُورُ، الْعِلَيُّ، الْكَبِيرُ، الْحَفِيظُ، الْمُغِيثُ، الْحَسِيبُ، الْجَلِيلُ، الْكَرِيمُ، الرَّقِيبُ، الْمُجِيبُ، الْوَاسِعُ، الْحَلِيمُ، الْوَدُودُ، الْمَجِيدُ، الْبَاعِثُ، الشَّهِيدُ، الْحَقُّ، الْوَكِيلُ، الْقَوِيُّ، الْمَتِينُ، الْوَلِيُّ، الْحَمِيدُ، الْمُحْصِي، الْمُبْدِئُ، الْمُعِيدُ، الْمُحْيِي، الْمُمِيتُ، الْحَيُّ، الْقَيُّومُ، الْوَاجِدُ، الْمَاجِدُ، الْوَاحِدُ، الأَحَدُ، الْفَرْدُ، الصَّمَدُ، الْقَادِرُ، الْمُقْتَدِرُ، الْمُقَدِّمُ، الْمُؤَخِّرُ، الأَوَّلُ، الآخِرُ، الظَّاهِرُ، الْبَاطِنُ، الْوَالِي، الْمُتَعَالِي، الْبَرُّ، التَّوَّابُ، الْمُنْتَقِمُ، الْعَفُوُّ، الرُّءُوفُ، مَالِكُ الْمُلْكِ، ذُو الْجَلالِ، وَالإِكْرَامِ، الْمُقْسِطُ، الْجَامِعُ، الْغَنِيُّ، الْمُغْنِي، الْمَانِعُ، الضَّارُّ، النَّافِعُ، الْهَادِي، الْبَدِيعُ، الْبَاقِي، الْوَارِثُ، الرَّشِيدُ، الصَّبُورُ ".

هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ، أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ فِي الدَّعَوَاتِ مِنْ جَامِعِهِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ يَعْقُوبَ الْجُرْجَانِيُّ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ صَالِحٍ، فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا لَهُ عَالِيًا بِدَرَجَةٍ، وَقَالَ: غَرِيبٌ، تَفَرَّدَ بِهِ صَفْوَانُ بْنُ صَالِحٍ

الْحَدِيث الثَّانِي وَالثَّلاثُونَ

2173 - أَخْبَرَنَا مُوسَى بْنُ أَبِي الْحَسَنِ بْنِ يُوسُفَ الْمِصْرِيُّ، فِيمَا قُرِئَ عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِهَا، قَالَ: قُرِئَ عَلَى عَبْدِ اللَّطِيفِ بْنِ الصَّيْقَلِ يُرِيدَ الْقَاهِرَةَ وَأَنَا أَسْمَعُ بِهَا، أَنَا
একত্রিশতম হাদিস

২১৭২ - আবু আল-হাসান আলী বিন আল-হুসাইন বিন আলী আস-সুফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আলী বিন আহমদ বিন আল-বুখারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মানসুর বিন আব্দুল মুনইম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-ফারিসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আহমদ বিন আল-হুসাইন আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু নাসর উমর বিন আব্দুল আজিজ বিন উমর বিন কাতাদাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী বিন আল-ফদল বিন মুহাম্মদ বিন আকিল আল-খুজায়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর বিন মুহাম্মদ আল-মিনফাদ আল-ফিরইয়াবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সাফওয়ান বিন সালিহ আবু আব্দুল মালিক আদ-দিমাশকি ২৩২ হিজরিতে আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আল-ওয়ালিদ বিন মুসলিম আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, শুয়াইব বিন আবি হামজাহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবিয যিয়াদ থেকে, তিনি আল-আরাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "‌‌ নিশ্চয়ই আল্লাহর নিরানব্বইটি নাম রয়েছে, এক কম একশ। যে ব্যক্তি এগুলো আয়ত্ত করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তিনি বেজোড় এবং বেজোড়কে পছন্দ করেন। তিনি সেই আল্লাহ যিনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই: পরম করুণাময়, অতি দয়ালু, অধিপতি, মহাপবিত্র, শান্তিদাতা, নিরাপত্তা দানকারী, রক্ষক, মহাপরাক্রমশালী, প্রবল প্রতাপশালী, অহংকারের অধিকারী, স্রষ্টা, উদ্ভাবক, রূপদানকারী, পরম ক্ষমাশীল, দমনকারী, দানশীল, রিযিকদাতা, উন্মোচনকারী, সর্বজ্ঞ, সংকোচনকারী, সম্প্রসারণকারী, অবনতকারী, সমুন্নতকারী, সম্মানদাতা, অপমানকারী, সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা, বিচারক, ন্যায়পরায়ণ, সূক্ষ্মদর্শী, সম্যক অবগত, ধৈর্যশীল, মহান, পরম ক্ষমাশীল, গুণগ্রাহী, সুউচ্চ, সুমহান, হেফজকারী, সাহায্যকারী, হিসাব গ্রহণকারী, মহিমান্বিত, পরম দাতা, তত্ত্বাবধায়ক, কবুলকারী, প্রশস্ত, সহিষ্ণু, প্রেমময়, গৌরবময়, পুনরুত্থানকারী, সাক্ষী, সত্য, কর্মবিধায়ক, শক্তিশালী, সুদৃঢ়, অভিভাবক, প্রশংসিত, সংরক্ষণকারী, আদিস্রষ্টা, প্রত্যাবর্তনকারী, জীবনদাতা, মৃত্যুদাতা, চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী, প্রাপ্তকারী, শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী, এক, অদ্বিতীয়, একক, অমুখাপেক্ষী, ক্ষমতাবান, শক্তিমান, অগ্রবর্তীকারী, পশ্চাদবর্তীকারী, অনাদি, অনন্ত, প্রকাশ্য, অপ্রকাশ্য, অধিপতি, অত্যুচ্চ, সদাচারী, তওবা কবুলকারী, প্রতিশোধ গ্রহণকারী, মার্জনাকারী, মমতাশীল, রাজত্বের মালিক, মহিমা ও মহানুভবতার অধিকারী, ইনসাফকারী, একত্রকারী, অভাবহীন, অভাবমুক্তকারী, প্রতিরোধকারী, ক্ষতিসাধনকারী, কল্যাণকারী, পথপ্রদর্শক, অপূর্ব স্রষ্টা, চিরস্থায়ী, উত্তরাধিকারী, সঠিক পথপ্রদর্শক, ধৈর্যশীল।"

এটি একটি হাসান হাদিস। ইমাম তিরমিযী এটি তাঁর জামে গ্রন্থের 'দাওয়াত' অধ্যায়ে ইব্রাহিম বিন ইয়াকুব আল-জুরজানি থেকে, তিনি সাফওয়ান বিন সালিহ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের নিকট উচ্চতর সনদে একটি স্তরে পৌঁছেছে। তিনি (তিরমিযী) বলেছেন: এটি একটি গরিব হাদিস, যা কেবল সাফওয়ান বিন সালিহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

বত্রিশতম হাদিস

২১৭৩ - মুসা বিন আবিল হাসান বিন ইউসুফ আল-মিসরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, যা তাঁকে পড়ে শোনানো হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: কায়রোতে আব্দুল লতিফ বিন আল-সাইকালের নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন...
(খণ্ড: ٢) আস সানি মিন শিয়ারিল আবরার ফিল আদয়িয়াতি ওয়াল আজকার (পৃষ্ঠা: ৩২৯)
أَبُو الْمَكَارِمِ الْقَاضِي فِي كِتَابِهِ، أَنْبَأَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الْحَدَّادُ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ سِبْطُ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ الْبَنَّا، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، ثَنَا جَعْفَرٌ الْفِرْيَابِيُّ، ثَنَا دَاوُدُ بْنُ مِخْرَاقٍ، ثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، ثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: كُنْتُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ، فَمَرَّ عَلَى شَجَرَةٍ يَابِسَةٍ فَضَرَبَهَا بِعَصًا كَانَتْ فِي يَدِهِ فَتَنَاثَرَ الْوَرَقُ، فَقَالَ: «إِنَّ‌‌ سُبْحَانَ اللَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، وَلا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ تُسَاقِطُ الذُّنُوبَ كَمَا تُسَاقِطُ هَذِهِ الشَّجَرَةَ وَرَقَهَا» .

هَذَا حَدِيث ٌحَسَنٌ، أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ فِي الدَّعَوَاتِ مِنْ جَامِعِهِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ حُمَيْدٍ الرَّازِيُّ، عَنِ الْفَضْلِ بْنِ مُوسَى، فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا عَالِيًا

الْحَدِيث الثَّالِثُ وَالثَّلاثُونَ

2174 - أَخْبَرَنَا أَبُو حَفْصٍ الْجَزَرِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنَا أَبُو الْفَرَجِ الْبَغْدَادِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْبَغْدَادِيُّ، أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَحْمَدَ السَّمَرْقَنْدِيُّ، أَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ النَّقُّورُ.

ح وَأَنْبَأَنَا أَبُو الْفَتْحِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْمِصْرِيُّ، عَنْ أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ النَّجَّادِ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْكَرَمِ الْمُبَارَكُ بْنُ أَحْمَدَ الْمُعَدَّلُ، أَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ النَّقُّورِ، إِجَازَةً، أَنَا الْقَاضِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ هَارُونَ الضَّبِّيُّ، إِمْلاءً.

ح وَثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ التَّمِيمِيُّ الْخَطِيبُ، ثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ سُمِيٍّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: ‌‌«اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ جَهْدِ الْبَلاءِ، وَدَرْكِ الشَّقَاءِ، وَشَمَاتَةِ الأَعْدَاءِ، وَسُوءِ الْقَضَاءِ» .

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ
مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ، أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي صَحِيحِهِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْمَدِينِيِّ، وَمُسَدَّدٍ.

وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ فِي صَحِيحِهِ، عَنْ زُهَيْرِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُحَمَّدٍ النَّاقِدِ، عَنْ سُفْيَانَ، فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا لَهُمَا عَالِيًا، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ
আবু আল-মাকারিম আল-কাজী তাঁর কিতাবে বর্ণনা করেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান বিন আহমদ বিন আল-হাসান আল-হাদ্দাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ, যিনি মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ আল-বান্নার দৌহিত্র, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন হুমাইদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর আল-ফিরয়াবী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দাউদ বিন মিখরাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ফজল বিন মুসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আ’মাশ, আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে এক সফরে ছিলাম। তিনি একটি শুকনো গাছের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, অতঃপর তিনি তাঁর হাতে থাকা লাঠি দিয়ে সেটিতে আঘাত করলেন এবং পাতাগুলো ঝরে পড়ল। তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই ‘সুবহানাল্লাহ’, ‘আলহামদুলিল্লাহ’, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এবং ‘আল্লাহু আকবার’ গুনাহসমূহকে ঝরিয়ে দেয়, যেভাবে এই গাছটি তার পাতা ঝরিয়ে দিচ্ছে।»

এই হাদিসটি হাসান। ইমাম তিরমিযী এটি তাঁর জামে’ কিতাবের ‘আদ-দাওয়াত’ অধ্যায়ে মুহাম্মাদ বিন হুমাইদ আর-রাযী থেকে, তিনি আল-ফজল বিন মুসা থেকে বর্ণনা করেছেন। এটি আমাদের নিকট উচ্চ পর্যায়ের ‘বদল’ হিসেবে পৌঁছেছে।

তেত্রিশতম হাদিস

২১৭৪ - আবু হাফস আল-জাজারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁকে পাঠ করে শুনানো হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফারাজ আল-বাগদাদী—তাঁকে পাঠ করে শুনানো হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আহমদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমদ আল-বাগদাদী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম ইসমাঈল বিন আহমদ আস-সামারকান্দী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আহমদ বিন মুহাম্মাদ আন-নাক্কুর।

(হ) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফাতহ বিন ইব্রাহিম আল-মিসরী, তিনি আবু আল-হাসান আলী বিন আব্দুল্লাহ আন-নাজ্জাদ থেকে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কারাম আল-মুবারক বিন আহমদ আল-মুআদ্দাল, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আহমদ বিন আন-নাক্কুর (অনুমতিসূত্রে), আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাজী আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন হারুন আদ-দাব্বী (শ্রুতলিপি অনুসারে)।

(হ) এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আলী আত-তামিমী আল-খতিব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উইয়ায়নাহ, তিনি সুমাই থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন: «হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট কঠিন বিপদ, দুর্ভাগ্যের স্পর্শ, শত্রুর আনন্দ এবং মন্দ ফয়সালা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।»

এই হাদিসটি সহিহ
এবং সর্বসম্মত (মুত্তাফাকুন আলাইহি)। ইমাম বুখারী তাঁর সহিহ কিতাবে এটি আলী বিন আল-মাদীনী এবং মুসাদ্দাদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং ইমাম মুসলিম এটি তাঁর সহিহ কিতাবে যুহাইর বিন হারব থেকে, তিনি আমর বিন মুহাম্মাদ আন-নাকিদ থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন। এটি আমাদের নিকট তাঁদের উভয়ের জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের ‘বদল’ হিসেবে পৌঁছেছে। সমস্ত প্রশংসা ও অনুগ্রহ আল্লাহরই প্রাপ্য।
(খণ্ড: ٢) আস সানি মিন শিয়ারিল আবরার ফিল আদয়িয়াতি ওয়াল আজকার (পৃষ্ঠা: ৩৩০)
الْحَدِيث الرَّابِعُ وَالثَّلاثُونَ

2175 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ أَبِي طَاهِرِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنْبَا عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ أَبِي مُحَمَّدٍ النُّمَيْرِيُّ، قَالَ: كَتَبَ إِلَيْنَا أَبُو الْحَسَنِ الأَصْبَهَانِيُّ، أَنَّ أَبَا عَلِيٍّ الْمُقْرِئَ أَخْبَرَهُمْ، أَنَّ أَحْمَدَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ الشَّافِعِيَّ أَخْبَرَهُمْ، ثَنَا أَبُو عَمْرِو بْنُ حَمْدَانَ، ثَنَا الْحَسَنُ، ثَنَا قُتَيْبَةُ، ثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ سُمَيٍّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: "‌‌ مَنْ قَالَ: لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلّ شَيْءٍ قَدِيرٌ.

فِي كُلِّ
يَوْمٍ مِائَةَ مَرَّةٍ كَانَ لَهُ عِدْلُ عَشْرِ رِقَابٍ، وَكُتِبَ لَهُ مِائَةُ حَسَنَةٍ، وَمِحُيَ عَنْهُ مِائَةُ سَيِّئَةٍ، وَكَانَتْ لَهُ حِرْزًا مِنَ الشَّيْطَانِ يَوْمَهُ ذَلِكَ حَتَّى يُمْسِيَ، وَلَمْ يَأْتِ أَحَدٌ بِأَفْضَلَ مِمَّا جَاءَ بِهِ إِلا أَحَدٌ عَمِلَ أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ، أَوْ مَنْ قَالَ: سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ.

مِائَةَ مَرَّةٍ حُطَّتْ خَطَايَاهُ، وَإِنْ كَانَتْ مِثْلَ زَبَدِ الْبَحْرِ ".

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ، أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ فِي صَحِيحِهِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا

الْحَدِيثُ الْخَامِسُ وَالثَّلاثُونَ

2176 - قُرِئَ عَلَى، عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي الْقَاسِمِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِالْقَاهِرَةِ، قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَكَ أَبُو الْفَرَجِ بْنُ أَبِي مُحَمَّدٍ الْبَغْدَادِيُّ، أَنَا يُوسُفُ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ كَامِلٍ، ثَنَا أَبُو سَعْدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي سَعْدٍ الأَصْبَهَانِيُّ، ثَنَا أَبُو عَمْرٍو عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، ثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ يَحْيَى بْنِ مَنْدَهْ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْقَطَّانُ، ثَنَا أَبُو زُرْعَةَ الرَّازِيُّ، ثَنَا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُكَيْرٍ، ثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما، قَالَ: كَانَ مِنْ دُعَاءِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكِ وَتَحْوِيلِ عَافِيَتِكَ، وَفَجْأَةِ نِعْمَتِكَ، وَجَمِيعِ سَخَطِكَ» .

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ
، أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ فِي صَحِيحِهِ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ الرَّازِيِّ، عَلَى الْمَوَافَقَةِ فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ
চৌত্রিশতম হাদিস

২১৭৫ - আবুল হাসান বিন আবি তাহের বিন ইবরাহীম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পঠিত অবস্থায় এবং আমি শ্রবণ করছিলাম; আব্দুল লতিফ বিন আবি মুহাম্মাদ আন-নুমাইরি আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান আল-আসবাহানি আমাদের নিকট লিখেছেন যে, আবু আলী আল-মুকরি তাঁদের জানিয়েছেন যে, আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ আশ-শাফিয়ি তাঁদের অবহিত করেছেন; আবু আমর বিন হামদান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, হাসান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, কুতাইবা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মালিক বিন আনাস আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সুমায়্যি থেকে, তিনি আবু সালেহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "‌‌যে ব্যক্তি বলবে: আল্লাহ ছাড়া সত্য কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই, রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই, আর তিনি সকল কিছুর ওপর ক্ষমতাশীল।

প্রতিদিন
একশত বার; তবে এটি তার জন্য দশজন গোলাম মুক্ত করার সমতুল্য হবে, তার জন্য একশত নেকি লেখা হবে এবং তার থেকে একশত গুনাহ মিটিয়ে দেওয়া হবে। আর সেই দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত এটি তার জন্য শয়তান থেকে সুরক্ষা হবে। কেউ এর চেয়ে উত্তম আমল নিয়ে আসতে পারবে না, তবে সেই ব্যক্তি ছাড়া যে এর চেয়ে বেশি আমল করবে। অথবা যে ব্যক্তি ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’ (আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি তাঁর প্রশংসার সাথে) বলবে—

একশত বার; তবে তার পাপরাশি ঝরিয়ে দেওয়া হবে, যদিও তা সমুদ্রের ফেনার মতো হয়।"

এটি একটি সহিহ হাদিস, ইমাম মুসলিম এটি তাঁর সহিহ গ্রন্থে ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া থেকে, তিনি মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের নিকট উচ্চ সনদে পৌঁছেছে।

পঁয়ত্রিশতম হাদিস

২১৭৬ - কায়রোতে উমর বিন আব্দুর রহমান বিন আবি আল-কাসিমের নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শ্রবণ করছিলাম; তাঁকে বলা হয়েছিল: আবু আল-ফারাজ বিন আবি মুহাম্মাদ আল-বাগদাদি আপনাকে অবহিত করেছেন যে, ইউসুফ বিন আবি বকর বিন কামিল আমাদের জানিয়েছেন; আবু সাদ আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আবি সাদ আল-আসবাহানি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবু আমর আব্দুল ওয়াহহাব বিন আবি আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসহাক বিন ইয়াহইয়া বিন মানদাহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন আল-কাত্তান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবু জুরআ আর-রাজি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ইয়াহইয়া বিন আব্দুল্লাহ বিন বুকাইর আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ইয়াকুব বিন আব্দুর রহমান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুসা বিন উকবা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন দিনার থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর দোয়াসমূহের অন্তর্ভুক্ত ছিল: ‌‌«হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি আপনার নেয়ামত অপসারিত হওয়া থেকে, আপনার দেওয়া সুস্থতা পরিবর্তিত হওয়া থেকে, আপনার আকস্মিক আজাব থেকে এবং আপনার সকল প্রকার অসন্তুষ্টি থেকে।»

এটি একটি সহিহ হাদিস
, ইমাম মুসলিম এটি তাঁর সহিহ গ্রন্থে আবু জুরআ আর-রাজি থেকে মুওয়াফাকাত হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের নিকট উচ্চ সনদে পৌঁছেছে; আর সমস্ত প্রশংসা ও অনুগ্রহ আল্লাহরই প্রাপ্য।
(খণ্ড: ٢) আস সানি মিন শিয়ারিল আবরার ফিল আদয়িয়াতি ওয়াল আজকার (পৃষ্ঠা: ৩৩১)
الْحَدِيثُ السَّادِسُ وَالثَّلاثُونَ

2177 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي مُحَمَّدٍ الدِّمْيَاطِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى عَبْدِ اللَّطِيفِ بْنِ عَبْدِ الْمُنْعِمِ الْحَنْبَلِيِّ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْحُلْوَانِيُّ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَرْمِيُّ، أَنَا عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ الْوَاعِظُ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، ثَنَا أَبُو إِبْرَاهِيمَ التَّرْجُمَانِيُّ، ثَنَا خَدِيجُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ كُهَيْلِ بْنِ زِيَادٍ النَّخَعِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: كُنْتُ رِدْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ لي: " يَا أَبَا هُرَيْرَةَ، أَوْ يَا أَبَا هِرٍّ،‌‌ أَلا أَدُلُّكَ عَلَى كَنْزٍ مِنْ كُنُوزِ الْجَنَّةِ؟ قُلْتُ: بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ.

قَالَ: لا حَوْلَ وَلا قُوَّةَ إِلا بِاللَّهِ، وَلا
مَلْجَأَ مِنَ اللَّهِ إِلا إِلَيْهِ ".

هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ، أَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ فِي الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ زَكِرِيَّا، وَأَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، كِلاهُمَا عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مُوسَى، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا بِثَلاثِ دَرَجَاتٍ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ

الْحَدِيثُ السَّابِعُ وَالثَّلاثُونَ

2178 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الصَّيْرَفِيُّ، وَأَبُو عِمْرَانَ مُوسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَبِي الْمَحَاسِنِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمَا وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالا: أَنَا أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الْمُنْعِمِ الْجَزَرِيُّ، قَالَ: كَتَبَ إِلَيْنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الأَصْبَهَانِيُّ فِيهَا، أَنَّ الْحَسَنَ بْنَ أَحْمَدَ الأَصْبَهَانِيَّ أَخْبَرَهُمْ، قَالا: أَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَصْبَهَانِيُّ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مَالِكٍ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي سِنَانٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي الْهُذَيْلِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‌‌«يَتَعَوَّذُ مِنْ عِلْمٍ لا يَنْفَعُ، وَدُعَاءٍ لا يُسْمَعُ، وَقَلْبٍ لا يَخْشَعُ، وَنَفْسٍ لا تَشْبَعُ» .

هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ، أَخْرَجَهُ
النَّسَائِيّ فِي الاستعاذة مِنْ سُنَنِهِ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ سِنَانٍ الْمِصْرِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ سُفْيَانَ، فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا عَالِيًا بِدَرَجَةٍ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ
৩৬তম হাদিস

২১৭৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবি মুহাম্মদ আদ-দিময়াতি, তাঁর উপস্থিতিতে তাঁকে পাঠ করে শোনানো হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আব্দুল লতিফ ইবনে আব্দুল মুনইম আল-হাম্বালির নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম, (তিনি বলেন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে আবি বকর আল-হুলওয়ানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আলি আল-জারমি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর ইবনে আহমদ আল-ওয়ায়েজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইব্রাহিম আত-তারজুমানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খাদিজ ইবনে মুআবিয়া, আবু ইসহাক থেকে, তিনি কুহাইল ইবনে জিয়াদ আন-নাখায়ি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পেছনে সওয়ার ছিলাম। তিনি আমাকে বললেন: "হে আবু হুরায়রা, অথবা হে আবু হিরর, আমি কি তোমাকে জান্নাতের ভাণ্ডারসমূহের মধ্য থেকে একটি ভাণ্ডারের সন্ধান দেব না? আমি বললাম: অবশ্যই, হে আল্লাহর রাসুল।

তিনি বললেন: আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো উপায় নেই এবং আল্লাহর তওফিক ছাড়া কোনো শক্তি নেই, আর আল্লাহ থেকে বাঁচার জন্য
একমাত্র তাঁর নিকট ছাড়া কোনো আশ্রয়স্থল নেই।"

এটি একটি হাসান হাদিস। নাসায়ি এটি 'আল-ইয়াওম ওয়াল লায়লাহ' গ্রন্থে আল-কাসিম ইবনে জাকারিয়া এবং আহমদ ইবনে সালিহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে উবাইদুল্লাহ ইবনে মুসা থেকে, তিনি ইসরাঈল থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে। ফলে এটি আমাদের কাছে তিন স্তর উচ্চ সনদে পৌঁছেছে। আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

৩৭তম হাদিস

২১৭৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবি মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আস-সায়রাফি এবং আবু ইমরান মুসা ইবনে আলি ইবনে আবিল মাহাসিন, তাঁদের উপস্থিতিতে তাঁদের নিকট পাঠ করে শোনানো হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফারাজ আব্দুল মুনইম আল-জাজারি, তিনি বলেন: আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-আসবাহানি আমাদের নিকট লিখেছেন যে, হাসান ইবনে আহমদ আল-আসবাহানি তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আসবাহানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে জাফর ইবনে মালিক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আবু সিনান থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আবিল হুদাইল থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম «আশ্রয় প্রার্থনা করতেন এমন ইলম থেকে যা উপকারে আসে না, এমন দোয়া থেকে যা শোনা (কবুল করা) হয় না, এমন অন্তর থেকে যা বিনীত হয় না এবং এমন নফস থেকে যা তৃপ্ত হয় না»।

এটি একটি হাসান হাদিস। এটি বর্ণনা করেছেন
নাসায়ি তাঁর সুনানের 'আল-ইস্তিআযা' অধ্যায়ে ইয়াজিদ ইবনে সিনান আল-মিসরি থেকে, তিনি আব্দুর রহমান থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে। ফলে এটি আমাদের কাছে এক স্তর উচ্চতর বিকল্প সনদ (বাদাল) হিসেবে পৌঁছেছে। আল্লাহর জন্যই সমস্ত প্রশংসা ও অনুগ্রহ।
(খণ্ড: ٢) আস সানি মিন শিয়ারিল আবরার ফিল আদয়িয়াতি ওয়াল আজকার (পৃষ্ঠা: ৩৩২)
الْحَدِيثُ الثَّامِنُ وَالثَّلاثُونَ

2179 - أَخْبَرَنَا يُوسُفُ بْنُ عُمَرَ بْنِ حُسَيْنٍ الْخَتَنِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، ثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْعَظِيمِ بْنُ عَبْدِ الْقَوِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، أَنَا الْحَافِظُ أَبُو مُحَمَّدٍ الْقَاسِمُ بْنُ الْحَافِظِ أَبِي الْقَاسِمِ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ فِي كِتَابِهِ إِلَيَّ مِنْ دِمَشْقَ، أَنَا الْفَقِيهُ أَبُو الْفَتْحِ نَصْرُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْقَوِيِّ، بِقِرَاءَةِ عَمِّي عَلَيْهِمَا، قَالَ: فِيمَا قُرِئَ عَلَى الْقَاضِي أَبِي مَنْصُورٍ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ سَكْرَوَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فَأَقَرَّ بِهِ، قِيلَ لَهُ حَدَّثَكُمُ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ، ثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْمَحَامِلِيُّ، ثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ، ثَنَا الْمُعْتَمِرِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: كَانَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: ‌‌«اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْجُبْنِ وَالْبُخْلِ وَالْهَرَمِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ» .

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ، أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي صَحِيحِهِ، وَأَبُو دَاوُدَ فِي سُنَنِهِ، كِلاهُمَا عَنْ مُسَدَّدٍ.

أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ فِي صَحِيحِهِ، والنَّسَائِيُّ فِي سُنَنِهِ، كِلاهُمَا عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الأَعْلَى، كِلاهُمَا عَنِ الْمُعْتَمِرِ، فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا عَالِيًا لَهُمْ

الْحَدِيثُ التَّاسِعُ وَالثَّلاثُونَ

2180 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَحَاسِنِ بْنُ أَبِي حَفْصِ بْنِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الصُّوفِيُّ رحمه الله، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْمُنْذِرِيُّ، أَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ عُثْمَانَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنَا أَبُو الْفَضْلِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَلِيٍّ الدِّمَشْقِيُّ، أَنَا الْقَاضِي أَبُو الثَّبَاتِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّزَّاقِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بِدِمَشْقَ، أَنَا وَالِدِي الْقَاضِي أَبُو غَانِمٍ عَبْدُ الرَّزَّاقِ، ثَنَا أَبُو الْفَرَجِ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَعْفَرٍ الرَّقِّيُّ، ثَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ الْحَلَبِيُّ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ صَالِحٍ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُعَاذٍ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ طَلِيقِ بْنِ قَيْسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَدْعُو: ‌‌«اللَّهُمَّ أَعِنِّي وَلا تُعِنْ عَلَى، وَانْصُرْنِي عَلَى مَنْ بَغَى عَلَى، رَبِّ اجْعَلْنِي لَكَ شَاكِرًا، لَكَ ذَاكِرًا، لَكَ رَاهِبًا، لَكْ مِطْوَاعًا، إِلَيْكَ مُخْبِتًا أَوَّاهًا مُنِيبًا، رَبِّ تَقَبَّلْ تَوْبَتِي، وَاغْسِلْ حَوْبَتِي» .
আটত্রিশতম হাদিস

২১৭৯ - ইউসুফ ইবনে উমর ইবনে হুসাইন আল-খাতানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন, আবু মুহাম্মদ আব্দুল আজিম ইবনে আব্দুল কায়ি ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, হাফিজ আবু মুহাম্মদ আল-কাসিম ইবনে হাফিজ আবুল কাসিম আলী ইবনে আল-হাসান দামেস্ক থেকে আমার কাছে পাঠানো তাঁর চিঠিতে আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন, ফকিহ আবুল ফাতহ নাসরুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল কায়ি আমাদের জানিয়েছেন, আমার চাচা তাঁদের সামনে পাঠ করেছেন, তিনি বলেন: যা কাজী আবু মনসুর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আলী ইবনে সাকরাওয়াইহ-এর সামনে পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম আর তিনি তা সমর্থন করেছেন, তাঁকে বলা হয়েছে: ইব্রাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ কি আপনাদের কাছে বর্ণনা করেছেন? তিনি বলেন, আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে ইসমাইল আল-মাহামিলি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ইয়াকুব ইবনে ইব্রাহিম আদ-দাওরাকি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আল-মুতামির তাঁর পিতা থেকে, তিনি আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন: ‌‌«হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে অক্ষমতা, অলসতা, ভীরুতা, কৃপণতা ও বার্ধক্য থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আর আমি আপনার কাছে কবরের আজাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি, এবং আপনার কাছে জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি»।

এটি একটি সহিহ হাদিস এবং এর ওপর ঐক্যমত রয়েছে। ইমাম বুখারি তাঁর সহিহ গ্রন্থে এবং আবু দাউদ তাঁর সুনানে এটি বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে মুসাদ্দাদের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

ইমাম মুসলিম তাঁর সহিহ গ্রন্থে এবং নাসায়ি তাঁর সুনানে এটি বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আলার সূত্রে এবং তাঁরা উভয়ে আল-মুতামিরের সূত্রে বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি আমাদের কাছে তাঁদের জন্য একটি উচ্চতর বিকল্প সনদ হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।

ঊনচল্লিশতম হাদিস

২১৮০ - আবুল মাহাসিন ইবনে আবি হাফস ইবনে আবি আব্দুল্লাহ আস-সুফি (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন, আবু মুহাম্মদ আল-মুনজিরি আমাদের জানিয়েছেন, আবু আল-হাসান আহমদ ইবনে উসমান আমাদের জানিয়েছেন, তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, আবু আল-ফজল ইসমাইল ইবনে আলী আদ-দিমাশকি আমাদের জানিয়েছেন, দামেস্কে কাজী আবুস সাবাত মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রাজ্জাক ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের জানিয়েছেন, আমার পিতা কাজী আবু গানিম আব্দুর রাজ্জাক আমাদের জানিয়েছেন, আবুল ফারাজ উমর ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর আর-রাক্কি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবুল হাসান আলী ইবনে আহমদ আল-হালাবি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান ইবনে সালিহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে মুয়াজ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে কাসির আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, সুফিয়ান আমাদের জানিয়েছেন আমর ইবনে মুররা থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে আল-হারিস থেকে, তিনি তালিক ইবনে কায়েস থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দোয়া করতেন: ‌‌«হে আল্লাহ! আমাকে সাহায্য করুন এবং আমার বিরুদ্ধে কাউকে সাহায্য করবেন না; আমাকে সাহায্য করুন সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে আমার ওপর সীমালঙ্ঘন করে। হে আমার রব! আমাকে আপনার প্রতি অত্যন্ত কৃতজ্ঞকারী, আপনার পরম জিকিরকারী, আপনাকে অত্যন্ত ভয়কারী, আপনার একান্ত অনুগত, আপনার প্রতি অতি বিনয়ী, রোদনকারী ও আপনার দিকে প্রত্যাবর্তনকারী বানান। হে আমার রব! আমার তওবা কবুল করুন এবং আমার অপরাধ ধুয়ে দিন»।
(খণ্ড: ٢) আস সানি মিন শিয়ারিল আবরার ফিল আদয়িয়াতি ওয়াল আজকার (পৃষ্ঠা: ৩৩৩)
قَالَ أَبُو مُحَمَّدٍ الْمُنْذِرِيُّ: وَقَعَ فِي أَصْلِ السَّمَاعِ عُبَيْدُ اللَّهِ مُصَغَّرًا، وَالصَّحِيحُ عَبْدُ اللَّهِ مُكَبَّرًا وَهُوَ الزُّبَيْدِيُّ الْكُوفِيُّ، ثَبْتٌ أَخْرَجَ لَهُ مُسْلِمٌ.

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ، أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ فِي سُنَنِهِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَثِيرٍ، فَوَافَقْنَاهُ، وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ: حَسَنٌ صَحِيحٌ.

وَلِلَّهِ الْحَمْدُ

الْحَدِيثُ الأَرْبَعُونَ

2181 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَبِي الطَّاهِرِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْمَخْزُومِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِالْقَاهِرَةِ، أَنَا أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ الْبَغْدَادِيُّ نَزِيلُ الْقَاهِرَةِ، أَنَا مَسْعُودُ بْنُ أَبِي مَنْصُورٍ الْجَمَّالُ فِي كِتَابِهِ، أَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الْمِصْرِيُّ، أَنَا أَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِسْحَاقَ الْحَافِظُ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، قَالا: ثَنَا أَبُو يَعْلَى، ثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، وَأَبُو بَكْرٍ، وَابْنُ نُمَيْرٍ، قَالُوا: ثَنَا ابْنُ فُضَيْلٍ، ثَنَا عُمَارَةُ بْنُ الْقَعْقَاعِ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ كَلِمَتَانِ خَفِيفَتَانِ عَلَى اللِّسَانِ، ثَقِيلَتَانِ فِي الْمِيزَانِ، حَبِيبَتَانِ إِلَى الرَّحْمَنِ: سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ ".

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ، أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي مَوَاضِعَ مِنْ صَحِيحِهِ مِنْهَا فِي الدَّعَوَاتِ، عَنْ أَبِي خَيْثَمَةَ زُهَيْرِ بْنِ حَرْبٍ.

أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ فِي صَحِيحِهِ فِي الدَّعَوَاتِ، عَنْ زُهَيْرِ بْنِ حَرْبٍ، وَابْنِ نُمَيْرٍ.

وَأَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ فِي الدَّعَوَاتِ مِنْ جَامِعِهِ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ عِيسَى.

وَأَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ فِي الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْمُنْذِرِ، وَمُحَمَّدِ بْنِ آدَمَ، وَأَحْمَدَ بْنِ حَرْبٍ.

وَأَخْرَجَهُ ابْنُ مَاجَهْ فِي أَبْوَابِ التَّسْبِيحِ مِنْ سُنَنِهِ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ فُضَيْلٍ.

وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ: حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ.

فَوَقَعَ لَنَا مُوَافَقَةً عَالِيَةً لِلْبُخَارِيِّ، وَمُسْلِمٍ، وَابْنِ مَاجَهْ، وَبَدَلا لِلتِّرْمِذِيِّ، وَالنَّسَائِيِّ عَالِيًا، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ

2182 - أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ قُرَيْشٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِالْقَاهِرَةِ، أَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ الأَنْصَارِيُّ.

ح وَأَنَا أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحَافِظُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالا: أَنْبَأَنَا أَبُو الْفَرَجِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ الآجُرِّيُّ، قَالَ الأَنْصَارِيُّ: سَمَاعًا.

وَقَالَ الْجَزَرِيُّ: إِجَازَةً، أَنْبَأَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ بَيَانٍ، أَنْبَانَا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ مَخْلَدٍ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَلِيٍّ
আবু মুহাম্মদ আল-মুনজিরি বলেছেন: মূল শ্রবণ পাণ্ডুলিপিতে 'উবাইদুল্লাহ' ছোট করে (তাসগির হিসেবে) এসেছে, তবে সঠিক হলো 'আবদুল্লাহ' বড় করে (তাকবির হিসেবে)। তিনি হলেন আজ-জুবাইদি আল-কুফি, একজন নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী যার থেকে ইমাম মুসলিম হাদিস বর্ণনা করেছেন।

এটি একটি সহিহ হাদিস, আবু দাউদ এটি তাঁর সুনান গ্রন্থে মুহাম্মদ ইবনে কাসির থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে আমরা তাঁর সাথে উচ্চ সনদে মিলিত হয়েছি। ইমাম তিরমিজি বলেছেন: এটি হাসান সহিহ।

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

চল্লিশতম হাদিস

২১৮১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবনে আবি তাহির ইবনে ইবরাহিম আল-মাখজুমি, কায়রোতে তাঁর নিকট পাঠ করার সময় আমি তা শ্রবণ করেছি। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফারাজ আবদুল লতিফ ইবনে আবদুল মুনইম আল-বাগদাদি যিনি কায়রোতে বসবাস করতেন। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মাসউদ ইবনে আবি মানসুর আল-জাম্মাল তাঁর কিতাবে। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান ইবনে আহমদ ইবনে আল-হাসান আল-মিসরি। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে ইসহাক আল-হাফিজ। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইয়ালা। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু খাইসামা, আবু বকর এবং ইবনে নুমাইর। তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে ফুদাইল। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমারা ইবনে আল-কাকা, আবু জুরআ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "‌‌ দুটি বাক্য যা জিহ্বায় উচ্চারণে খুবই হালকা, আমলনামার পাল্লায় অনেক ভারী এবং পরম করুণাময় আল্লাহর নিকট অত্যন্ত প্রিয়: সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি (আল্লাহ পবিত্র এবং তাঁরই সকল প্রশংসা), সুবহানাল্লাহিল আজিম (মহান আল্লাহ অতি পবিত্র)।"

এটি একটি সহিহ হাদিস এবং এর ওপর সর্বসম্মত ঐক্য রয়েছে। ইমাম বুখারি তাঁর সহিহ গ্রন্থের বিভিন্ন স্থানে এটি বর্ণনা করেছেন, যার মধ্যে একটি হলো 'দোয়া' অধ্যায়ে আবু খাইসামা জুহাইর ইবনে হারব থেকে।

ইমাম মুসলিম তাঁর সহিহ গ্রন্থের 'দোয়া' অধ্যায়ে এটি জুহাইর ইবনে হারব এবং ইবনে নুমাইর থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইমাম তিরমিজি তাঁর জামি গ্রন্থের 'দোয়া' অধ্যায়ে ইউসুফ ইবনে ঈসা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

ইমাম নাসাঈ 'আল-ইয়াউম ওয়াল-লাইলাহ' গ্রন্থে আলী ইবনে আল-মুনজির, মুহাম্মদ ইবনে আদম এবং আহমদ ইবনে হারব থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

ইমাম ইবনে মাজাহ তাঁর সুনানের 'তাসবিহ' অধ্যায়সমূহে আবু বকর ইবনে আবি শায়বার সূত্রে মুহাম্মদ ইবনে ফুদাইল থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

ইমাম তিরমিজি বলেছেন: এটি হাসান সহিহ গারিব হাদিস।

ফলে হাদিসটি আমাদের নিকট বুখারি, মুসলিম ও ইবনে মাজাহর সাথে উচ্চমানের সমতা (মুওয়াফাকাহ আলিয়াহ) হিসেবে এবং তিরমিজি ও নাসাঈর উচ্চমানের বিকল্প (বাদাল আলি) হিসেবে পৌঁছেছে। সমস্ত প্রশংসা ও অনুগ্রহ একমাত্র আল্লাহর জন্য।

২১৮২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে ইসমাইল ইবনে কুরাইশ, কায়রোতে তাঁর নিকট পাঠ করার সময় আমি তা শ্রবণ করেছি। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল আজিজ ইবনে মুহাম্মদ আল-আনসারি।

হ (সনদ পরিবর্তন) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-হাফিজ, তাঁর নিকট পাঠ করার সময় আমি তা শ্রবণ করেছি। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফারাজ ইবনে আবদুল ওয়াহহাব আল-আজুররি। আল-আনসারি বলেছেন: এটি শ্রবণের মাধ্যমে।

আল-জাজারি বলেছেন: এটি অনুমতির (ইজাজাহ) মাধ্যমে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আলী ইবনে আহমদ ইবনে বায়ান। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান ইবনে মাখলাদ। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী...
(খণ্ড: ٢) আস সানি মিন শিয়ারিল আবরার ফিল আদয়িয়াতি ওয়াল আজকার (পৃষ্ঠা: ৩৩৪)
الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمُ بْنُ بَشِيرٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ، قَالَ:‌‌ لَمَّا نَزَلَتْ: {إِنَّ اللَّهَ وَمَلائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا} [الأحزاب: 56] ، قَالَ: قُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَدْ عَلِمْنَا السَّلامَ عَلْيَكَ، فَكَيْفَ الصَّلاةُ عَلْيَكَ؟ قَالَ: قُولُوا: «اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَآلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ» .

قَالَ ابْنُ عَرَفَةَ: قَالَ هُشَيْمٌ: قَالَ يَزِيدُ بْنُ أَبِي زِيَادٍ: وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ.

وَكَانَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي لَيْلَى، يَقُولُ: وَعَلَيْنَا مَعَهُمْ

2183 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ الْحَلَبِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِدِمَشْقَ، أَنْبَأَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الأَصْبَهَانِيُّ فِي كِتَابِهِ إِلَيَّ مِنْهَا، حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ الأَصْبَهَانِيُّ، أَنْبَأَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الشَّافِعِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا يُونُسُ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، أَخْبَرَنِي الْحَكَمُ، سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي لَيْلَى، قَالَ: لَقِيَنِي كَعْبُ بْنُ عُجْرَةَ، فَقَالَ: أَلا أُهْدِي إِلَيْكَ هَدِيَّةً.

خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقُلْنَا: قَدْ‌‌ عَرَفْنَا كَيْفَ نُسَلِّمُ عَلْيَكَ، فَكَيْفَ نُصَلِّي عَلَيْكَ؟ قَالَ: قُولُوا: «اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ، وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ، اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ»

2184 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْخَطِيبُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْقَاسِمِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْعَلَوِيُّ فِي كِتَابِهِ، أَنْبَأَنَا عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْبَيْهَقِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْمَعَالِي عَبْدُ الْمَلِكِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُوسُفَ الْفَقِيهُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الثَّقَفِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَشْعَثِ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنِ الْعَلاءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَنْ صَلَّى عَلَيَّ مَرَّةً وَاحِدَةً
আল-হাসান ইবনে আরাফাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুশাইম ইবনে বাশির, তিনি ইয়াজিদ ইবনে আবি যিয়াদ থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবি লায়লা থেকে, তিনি কাব ইবনে উজরাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন অবতীর্ণ হলো: {নিশ্চয় আল্লাহ এবং তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি দরুদ পাঠ করেন; হে মুমিনগণ, তোমরাও তাঁর প্রতি দরুদ পাঠ করো এবং যথাযথভাবে সালাম পেশ করো} [আল-আহযাব: ৫৬], তিনি বলেন: আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমরা তো আপনাকে কীভাবে সালাম দিতে হয় তা জেনেছি, তবে আপনার ওপর দরুদ পাঠ কীভাবে করব? তিনি বললেন: তোমরা বলো: «হে আল্লাহ, আপনি মুহাম্মদ এবং মুহাম্মদের বংশধরদের ওপর রহমত বর্ষণ করুন, যেমন আপনি রহমত বর্ষণ করেছিলেন ইব্রাহিম ও ইব্রাহিমের বংশধরদের ওপর; নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত»।

ইবনে আরাফাহ বলেন: হুশাইম বলেছেন: ইয়াজিদ ইবনে আবি যিয়াদ বলেছেন: এবং আপনি মুহাম্মদ ও মুহাম্মদের বংশধরদের ওপর বরকত নাযিল করুন, যেমন আপনি বরকত নাযিল করেছিলেন ইব্রাহিম ও ইব্রাহিমের বংশধরদের ওপর; নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত।

আর আবদুর রহমান ইবনে আবি লায়লা বলতেন: এবং তাদের সাথে আমাদের ওপরও।

২১৮৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে আবি মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আল-হালাবি, তাঁকে পড়তে শুনেছি এবং আমি শুনছিলাম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ, দামেস্কে তাঁকে পড়তে শুনেছি এবং আমি শুনছিলাম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-আসবাহানি তাঁর চিঠিতে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলী আল-আসবাহানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-শাফিঈ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আল-হাকাম, আমি ইবনে আবি লায়লাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: কাব ইবনে উজরাহ আমার সাথে সাক্ষাৎ করে বললেন: আমি কি তোমাকে একটি উপহার দেব না?

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বের হয়ে এলেন, তখন আমরা বললাম: আমরা তো জেনেছি কীভাবে আপনাকে সালাম দিতে হয়, কিন্তু আপনার ওপর দরুদ কীভাবে পাঠ করব? তিনি বললেন: তোমরা বলো: «হে আল্লাহ, আপনি মুহাম্মদ এবং মুহাম্মদের বংশধরদের ওপর রহমত বর্ষণ করুন, যেমন আপনি রহমত বর্ষণ করেছিলেন ইব্রাহিমের ওপর; নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত। হে আল্লাহ, আপনি মুহাম্মদ এবং মুহাম্মদের বংশধরদের ওপর বরকত নাযিল করুন, যেমন আপনি বরকত নাযিল করেছিলেন ইব্রাহিমের ওপর; নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত»

২১৮৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে আব্দুল রহমান আল-খাতিব, তাঁকে পড়তে শুনেছি এবং আমি শুনছিলাম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আহমদ ইবনে আব্দুল রহমান আল-আলাবি তাঁর কিতাবে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল জাব্বার ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-বায়হাকি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মাআলি আব্দুল মালিক ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ আল-ফকিহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আস-সাকাফি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আশ'আস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবনে ঝুরাই', আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল রহমান ইবনে ইসহাক, তিনি আলা ইবনে আব্দুল রহমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ পাঠ করবে...
(খণ্ড: ٢) আস সানি মিন শিয়ারিল আবরার ফিল আদয়িয়াতি ওয়াল আজকার (পৃষ্ঠা: ৩৩৫)
كَتَبَ اللَّهُ لَهُ بِهَا عَشْرَ حَسَنَاتٍ»

2185 - أَخْبَرَنَا مُوسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ يُوسُفَ الْمُعَدَّلُ، أَنْبَانَا أَبُو الْفَرَجِ الْبَغْدَادِيُّ، أَنْبَانَا أَحْمَدُ بْن مُحَمَّدٍ الْقَاضِي، أَنْبَأَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ، أَنْبَانَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ هَاشِمٍ الْبَغَوِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَلامٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ، عَنْ أَبِي أَسَمَاءَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنْ ذُكِرْتُ عِنْدَهُ فَلْيُصَلِّ عَلَيَّ، فَإِنَّهُ مَنْ صَلَّى عَلَيَّ مَرَّةً صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ عَشْرًا»

2186 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْحَقِّ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْكَافِي السَّعْدِيُّ فِي كِتَابِهِ، أَنْبَأَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ يُوسُفَ الدِّمَشْقِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ عَلِيٍّ الأَنْصَارِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو صَادِقٍ مَرْثَدُ بْنُ يَحْيَى الْمَدِينِيُّ، أَنْبَانَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعِيدٍ الْحَافِظُ، أَنْبَأَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ النَّحَّاسِ، أَنْبَأَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ يَعْقُوبَ الْبَغْدَادِيُّ، أَنْبَأَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِسْحَاقَ الْقَاضِي، حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ الْمِنْهَالِ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ مَعْبَدِ بْنِ هِلالٍ الْعَبْدِيُّ، حَدَّثَنِي رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ دِمَشْقَ، عَنْ عَوْفِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«أَبْخَلُ النَّاسِ مَنْ ذُكِرْتُ عِنْدَهُ، فَلَمْ يُصَلِّ عَلَيَّ»

2187 - أَخْبَرَنَا مُوسَى بْنُ أَبِي زُرْعَةَ الْمِصْرِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْفَرَجِ الْحَنْبَلِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْمَكَارِمِ الْقَاضِي، أَنْبَأَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْمِصْرِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو نُعَيْمٍ الْحَافِظُ، حَدَّثَنَا حَبِيبُ بْنُ الْحَسَنِ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ السَّدُوسِيُّ، حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِيُّ، عَنْ عَوْفِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي فَاخِتَةَ، عَنْ الأَسْوَدِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ:‌‌ إِذَا صَلَّيْتُمْ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَأَحْسِنُوا الصَّلاةَ عَلَيْهِ، فِإَنَّكُمْ لا تَدْرُونَ لَعَلَّ ذَلِكَ يُعْرَضُ عَلَيْهِ.

قَالُوا: فَعَلِمْنَا.

قَالَ: قُولُوا: «اللَّهُمَّ اجْعَلْ صَلاتَكَ وَرَحْمَتَكَ وَبَرَكَاتِكَ عَلَى سَيِّدِ الْمُرْسَلِينَ، وَإِمَامِ الْمُتَّقِينَ وَخَاتَمِ النَّبِيِّينَ، مُحَمَّدٍ عَبْدِكَ وَرَسُولِكَ، اللَّهُمَّ ابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُودًا يَغْبِطُهُ الأَوَّلُونَ وَالآخِرُونَ، اللَّهُمَّ
আল্লাহ তার জন্য এর বিনিময়ে দশটি নেকি লিখে দেন।»

2185 - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুসা বিন আলী বিন ইউসুফ আল-মুয়াদ্দিল, আমাদের জানিয়েছেন আবুল ফারাজ আল-বাগদাদি, আমাদের জানিয়েছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-কাদি, আমাদের জানিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আহমাদ, আমাদের জানিয়েছেন আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আল-হাসান, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবরাহিম বিন হাশিম আল-বাগাওয়ি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুর রহমান বিন সালাম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবরাহিম বিন তাহমান, আবু আসমা থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ‌‌«যার নিকট আমার কথা উল্লেখ করা হয়, সে যেন আমার ওপর দরুদ পাঠ করে। কেননা যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ পাঠ করে, আল্লাহ তার ওপর দশবার রহমত বর্ষণ করেন»

2186 - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল হক মুহাম্মাদ বিন আব্দুল কাফি আস-সাদি তাঁর কিতাবে, আমাদের জানিয়েছেন আহমাদ বিন আলী বিন ইউসুফ আদ-দিমাশকি, আমাদের জানিয়েছেন আবুল কাসিম বিন আলী আল-আনসারি, আমাদের জানিয়েছেন আবু সাদিক মারসাদ বিন ইয়াহইয়া আল-মাদিনি, আমাদের জানিয়েছেন ইবরাহিম বিন সাঈদ আল-হাফিয, আমাদের জানিয়েছেন আব্দুর রহমান বিন উমর বিন আন-নাহহাস, আমাদের জানিয়েছেন ইসমাইল বিন ইয়াকুব আল-বাগদাদি, আমাদের জানিয়েছেন ইসমাইল বিন ইসহাক আল-কাদি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাজ্জাজ বিন মিনহাল, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাম্মাদ বিন সালামাহ, মাবাদ বিন হিলাল আল-আবদি থেকে, তিনি দামেস্কের এক ব্যক্তি থেকে, তিনি আওফ বিন মালিক থেকে, তিনি আবু যার থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ‌‌«সেই ব্যক্তি মানুষের মধ্যে সবচেয়ে কৃপণ যার নিকট আমার কথা উল্লেখ করা হলো, অথচ সে আমার ওপর দরুদ পাঠ করল না»

2187 - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুসা বিন আবি জুরআ আল-মিসরি, আমাদের জানিয়েছেন আবুল ফারাজ আল-হানবালি, আমাদের জানিয়েছেন আবুল মাকারিম আল-কাদি, আমাদের জানিয়েছেন আবু আলী আল-মিসরি, আমাদের জানিয়েছেন আবু নুয়াইম আল-হাফিয, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাবিব বিন আল-হাসান, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন উমর বিন হাফস আস-সাদুসি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আসিম বিন আলী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-মাসউদি, আওফ বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি আবু ফাখিতাহ থেকে, তিনি আসওয়াদ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:‌‌ যখন তোমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর দরুদ পাঠ করবে, তখন উত্তমরূপে দরুদ পাঠ করবে; কেননা তোমরা জানো না যে হয়তো তা পেশ করা হবে তাঁর নিকট।

তাঁরা বললেন: তবে আমাদের শিখিয়ে দিন।

তিনি বললেন: তোমরা বলো: «হে আল্লাহ! আপনার সালাত (রহমত), করুণা ও বরকতসমূহ দান করুন রাসূলগণের সরদার, মুত্তাকীদের ইমাম এবং সর্বশেষ নবী মুহাম্মাদের ওপর, যিনি আপনার বান্দা ও রাসূল। হে আল্লাহ! আপনি তাঁকে মাকামে মাহমুদে (প্রশংসিত স্থানে) পৌঁছে দিন, যার জন্য পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকল মানুষ ঈর্ষা বোধ করবে। হে আল্লাহ!
(খণ্ড: ٢) আস সানি মিন শিয়ারিল আবরার ফিল আদয়িয়াতি ওয়াল আজকার (পৃষ্ঠা: ৩৩৬)
صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَآلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَآلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ، اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَآلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مِجَيدٌ»

2188 - أَخْبَرَتْنَا أُمُّ الْخَيْرِ عَائِشَةُ بِنْتُ عَلِيِّ بْنِ عُمَرَ الصِّنْهَاجِيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهَا وَأَنَا أَسْمَعُ بِالْقَاهِرَةِ، أَنْبَأَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ يُوسُفَ، أَنْبَأَنَا هِبَةُ اللَّهِ بْنُ عَلِيٍّ الأَنْصَارِيُّ، أَنْبَأَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ الْمَوْصِلِيُّ، أَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ، أَنَا أَبِي، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَرْوَانَ الْقَاضِي، ثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دَيزِيلَ الْهَمْدَانِيُّ، ثَنَا الْحُمَيْدِيُّ، ثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ يَوْمًا، بِحَدِيثِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ قَالَ: "‌‌ أَفْضَلُ مَا قُلْتُ أَنَا وَالنَّبِيُّونَ مِنْ قَبْلِي يَوْمَ عَرَفَةَ: لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ ".

فَقِيلَ لِسُفْيَانَ
بْنِ عُيَيْنَةَ: يَشْتَغِلُ الإِنْسَانُ بِهَذَا عَنِ الْمَسْأَلَةِ؟ فَقَالَ: نَعَمْ.

2189 - حَدَّثَنَا مَنْصُورٌ، عَنْ مَالِكِ بْنِ الْحَارِثِ، قَالَ: قَالَ اللَّهُ تَعَالَى «مَنْ أَشْغَلَهُ الثَّنَاءُ عَلَيَّ عَنْ مَسْأَلَتِي أَعْطَيْتُهُ أَفْضَلُ مَا أُعْطِي السَّائِلِينَ» .

ثُمَّ الْتَفَتَ إِلَيْنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، فَقَالَ: أَمَا سَمِعْتُمْ قَوْلَ أُمَيَّةَ بْنِ الصَّلْتِ حِينَ أَتَى ابْنَ جُدْعَانَ يَطْلُبُ نَائِلَةَ، فَقَالَ:

أَأَذْكُرُ حَاجَتِي أَمْ قَدْ كَفَانِي … حَيَاؤُكَ إِنَّ شِيمَتَكَ الْحَيَاءُ

إِذَا أَثْنَى عَلَيْكَ الْمَرْءُ يَوْمًا … كَفَاهُ مِنْ تَعَرُّضِكَ الثَّنَاءُ

كَرِيمٌ لا يُغَيِّرُهُ صَبَاحٌ … عَنِ الْخُلُقِ الْجَمِيلِ وَلا مَسَاءُ

يُبَارِي الرِّيحَ مَكْرُمَةً وَجُودًا … إِذَا مَا الضَّبُّ أَحْجَرَهُ الشِّتَاءُ

فَأَرْضُكَ كُلُّ مَكْرُمَةٍ بَنَاهَا … بَنُو تَيْمٍ وَأَنْتَ لَهُمُ سَمَاءُ

فَأَعْطَاهُ وَوَصَلَهُ، فَهَذَا مَخْلُوقٌ اكْتَفَى بِالثَّنَاءِ عَلَيْهِ عَنِ الْمَسْأَلَةِ، فَكَيْفَ بِالْخَالِقِ الَّذِي لَيْسَ كَمِثْلِهِ شَيْءٌ

2190 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْخَطِيبُ، وَغَيْرُ وَاحِدٍ، إِجَازَةً، قَالُوا: أَنَا أَبُو الْفَرَجِ بْنُ أَبِي مُحَمَّدٍ النُّمَيْرِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ، قَالَ: أَنَا أَبُو شُجَاعٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي مُحَمَّدِ بْنِ الْمَقْرُونِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِبَغْدَادَ، أَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ الْكَاتِبُ، أَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ
আপনি মুহাম্মদ এবং মুহাম্মদের বংশধরের উপর রহমত বর্ষণ করুন, যেভাবে আপনি ইবরাহিম এবং ইবরাহিমের বংশধরের উপর রহমত বর্ষণ করেছেন। নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত। হে আল্লাহ, আপনি মুহাম্মদ এবং মুহাম্মদের বংশধরের উপর বরকত নাজিল করুন, যেভাবে আপনি ইবরাহিম এবং ইবরাহিমের বংশধরের উপর রহমত বর্ষণ করেছেন। নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত।

২১৮৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উম্মুল খায়ের আয়েশা বিনতে আলী ইবনে উমর আস-সিনহাজি কায়রোতে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে আলী ইবনে ইউসুফ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিবাতুল্লাহ ইবনে আলী আল-আনসারি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনুল হুসাইন আল-মাওসিলি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল আজিজ ইবনুল হাসান ইবনে ইসমাইল, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মারওয়ান আল-কাজি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম ইবনে দাইযিল আল-হামদানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আল-হুমাইদি, তিনি বলেন: একদিন সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটি হাদিস বর্ণনা করলেন যে, তিনি বলেছেন: "আরাফাতের দিন আমি এবং আমার পূর্ববর্তী নবিগণ যা বলেছি তার মধ্যে সর্বোত্তম হলো: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই।

অতঃপর সুফিয়ান
ইবনে উইয়াইনাহকে জিজ্ঞাসা করা হলো: মানুষ কি যাচনা করার পরিবর্তে এতেই মশগুল থাকবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ।

২১৮৯ - মানসুর মালিক ইবনুল হারিস থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহ তাআলা বলেছেন: "যাকে আমার প্রশংসা করা আমার নিকট যাচনা করা থেকে বিরত রেখেছে, তাকে আমি যাচনাকারীদের প্রদানকৃত শ্রেষ্ঠ বস্তুর চেয়েও উত্তম কিছু দান করি।"

অতঃপর সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ আমাদের দিকে ফিরে তাকালেন এবং বললেন: তোমরা কি উমাইয়া ইবনে আস-সালতের কথা শোনোনি যখন সে ইবনে জুদ'আনের নিকট অনুগ্রহ প্রার্থনা করতে এসেছিল এবং বলেছিল:

আমি কি আমার প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করব নাকি তোমার লজ্জাশীলতাই আমার জন্য যথেষ্ট? … নিশ্চয়ই তোমার স্বভাব হলো লজ্জাশীলতা।

কোনো ব্যক্তি যদি একদিন তোমার প্রশংসা করে, তবে তোমার নিকট সরাসরি আরজি পেশ করার পরিবর্তে … সেই প্রশংসাই তার জন্য যথেষ্ট হয়।

তুমি এমন এক মহৎ ব্যক্তি যাকে কোনো সকাল বা কোনো সন্ধ্যা … তার সুন্দর চরিত্র থেকে বিচ্যুত করতে পারে না।

তুমি উদারতা ও দানশীলতায় বাতাসের সাথে পাল্লা দাও, … যখন শীতকাল গুঁইসাপকে গর্তে আবদ্ধ করে ফেলে।

তোমার ভূমি হলো বনু তায়ম কর্তৃক নির্মিত প্রতিটি শ্রেষ্ঠত্বের আধার, … আর তুমি তাদের জন্য আকাশ স্বরূপ।

অতঃপর তিনি তাকে দান করলেন এবং তার সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন করলেন। তো এই হলো একজন সৃষ্টি, যার নিকট যাচনা করার পরিবর্তে প্রশংসাই যথেষ্ট হয়েছে; তাহলে সেই স্রষ্টার ক্ষেত্রে বিষয়টি কেমন হতে পারে যার সদৃশ কেউ নেই!

২১৯০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম আল-খাতিব এবং একাধিক ব্যক্তি ইজাজতসূত্রে; তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফারাজ ইবনে আবু মুহাম্মদ আন-নুমাইরি তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আমরা তা শুনছিলাম; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু শুজা মুহাম্মদ ইবনে আবু মুহাম্মদ ইবনুল মাকরুন বাগদাদে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আমি শুনছিলাম; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হিবাতুল্লাহ আল-কাতিব; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ...
(খণ্ড: ٢) আস সানি মিন শিয়ারিল আবরার ফিল আদয়িয়াতি ওয়াল আজকার (পৃষ্ঠা: ৩৩৭)
الصَّرِيفِينِيُّ الْخَطِيبُ، أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ، سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ سَعِيدٍ، يَقُولُ: قَالَ لِي شُعْبَةُ: كُلُّ مَنْ كَتَبْتُ عَنْهُ حَدِيثًا فَأَنَا لَهُ عَبْدٌ

2191 - أَنْشَدَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الْفَرَّاءُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنْشَدَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الدَّايِمِ، أْنَشَدَنَا ضِيَاءُ بْنُ أَبِي الْقَاسِمِ الْبَغْدَادِيُّ، أَنْشَدَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي الأَنْصَارِيُّ، أَنْشَدَنَا الْحَافِظُ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ ثَابِتٍ الْخِطَيبُ الْبَغْدَادِيُّ، أَنْشَدَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الصُّورِيُّ الْحَافِظُ لِنَفْسِهِ:

قُلْ لَمَنْ عَائِذُ الْحَدِيثِ وَأَضْحَى … غَائِبًا أَهْلُهُ وَمَنْ تَدَّعِيهْ

أَتَعْلَمُ يَقُولُ هَذَا ابْنٌ لِي … أَمْ يَجْهَلُ فَالْجَهْلُ خُلُقُ السَّفِيهْ

أَيُغَاثُ الَّذِينَ هُمْ حَفِظُوا … الدِّينَ مِنَ التُّرَّهَاتِ وَالتَّمْوِيه

وَإِلَى قَوْلِهِمْ وَمَا عَذَرُوهُ رَاجِعٌ َكََُلََّ عَالِمٍ وَفَقِيهْ

2192 - وَأَنْشَدَنَا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي الْقَاسِمِ الْجَزَرِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنْشَدَنَا أَبُو الْفَتْحِ عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ أَبِي مُحَمَّدٍ الْبَغْدَادِيُّ، أَنْشَدَنِي أَبُو نَصْرٍ عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ أَبِي جَعْفَرٍ النَّفِيسُ بْنُ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ وَهْبَانَ الْحَدِيثِيُّ لِنَفْسِهِ، وَكَتَبْتُ عَنْهُ:

تَبْلَى يَدَيَّ بَعْدَمَا حَطَّتْ أَنَامِلَهَا … كَأَنَّهُ لَمْ يَكُنْ طَوْعًا لَهَا الْقَلَمْ

يَا نَفْسُ وَيْحَكِ تَوَخَّيْ حَسْرَةً وَأَسًى … عَلَى زَمَانِكِ إِذْ وِجْدَانُنَا عَدَمْ

وَاسْتَدْرِكِي فَارِطَ الزَّلاتِ وَاغْتَنِمِي … شَرْخَ الشَّبِيبَةِ وَالأَوْقَاتِ فَاغْتَنِمْ

وَقَدِّمِي صَالِحًا تَرَكُوا عَوَاقِبَهُ … يَوْمَ الْحِسَابِ إِذَا مَا أَبْلَسَ الأُمَمْ
আস-সারিফিনি আল-খাতিব [বলেন], আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আজিজ আল-বাগাওয়ি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে উমর আল-কাওয়ারিরি, আমি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: শু'বাহ আমাকে বলেছেন: "যার কাছ থেকেই আমি একটি হাদীস লিখেছি, আমি তার দাসে পরিণত হয়েছি।"

২১৯১ - আমাদের কবিতা শুনিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবি বকর আল-ফাররা, তাঁর সামনে পাঠকালে আমি তা শুনছিলাম, আমাদের কবিতা শুনিয়েছেন আহমদ ইবনে আবদুল দায়িম, আমাদের কবিতা শুনিয়েছেন জিয়া ইবনে আবুল কাসিম আল-বাগদাদি, আমাদের কবিতা শুনিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবদুল বাকি আল-আনসারি, আমাদের কবিতা শুনিয়েছেন হাফিজ আবু বকর আহমদ ইবনে আলি ইবনে সাবিত আল-খাতিব আল-বাগদাদি, আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আলি ইবনে আবদুল্লাহ আস-সুরি আল-হাফিজ নিজের রচিত কবিতাটি আমাদের শুনিয়েছেন:

তাকে বলুন যে হাদীসের আশ্রয় নিয়েছে, অথচ আজ … তার যোগ্য ব্যক্তিবর্গ এবং দাবিদাররা অদৃশ্য হয়ে গেছে।

আপনি কি জানেন সে কি বলছে "এটি আমার সন্তান" … নাকি সে অজ্ঞ? আর অজ্ঞতা তো নির্বোধের চরিত্র।

তাদের কি সাহায্য করা হবে যারা হিফাজত করেছেন … এই দ্বীনকে অলীক কল্পনা ও প্রতারণা থেকে?

এবং তাদের বাণীর দিকেই, যা তারা অকাট্য রেখেছেন, ফিরে আসেন … প্রত্যেক আলেম ও ফকিহ।

২১৯২ - এবং আমাদের কবিতা শুনিয়েছেন আবু হাফস উমর ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবুল কাসিম আল-জাজারি, তাঁর নিকট পাঠকালে আমি তা শুনছিলাম, আমাদের কবিতা শুনিয়েছেন আবুল ফাতহ আবদুল লতিফ ইবনে আবু মুহাম্মদ আল-বাগদাদি, আবু নাসর আবদুর রহিম ইবনে আবি জাফর আন-নাফিস ইবনে হিবাতুল্লাহ ইবনে ওয়াহবান আল-হাদীসি নিজের রচিত কবিতাটি আমাকে শুনিয়েছেন এবং আমি তা লিখে নিয়েছি:

আমার হাত ক্ষয় হয়ে যাবে যখন তার আঙুলগুলো কর্মক্ষমতা হারাবে … যেন কলমটি কখনোই তার অনুগত ছিল না।

হে নফস! তোমার প্রতি আক্ষেপ, তুমি পরিতাপ ও দুঃখ অন্বেষণ করো … তোমার সেই সময়ের জন্য যখন আমাদের অস্তিত্বই থাকবে না।

তুমি অতীতের ভুলগুলো শুধরে নাও এবং গনিমত হিসেবে গ্রহণ করো … যৌবনের প্রারম্ভ ও সময়গুলোকে, তুমি তা লুফে নাও।

এবং সৎ কাজ অগ্রিম পেশ করো যার কল্যাণকর পরিণতি অন্যরা ত্যাগ করেছে … হিসেবের সেই দিনে যখন জাতিসমূহ হতাশ হয়ে পড়বে।