(খণ্ড: ১) আল ইস্তিআনাতু বিল ফাতিহাতি আলা নাজাহিল উমুর (পৃষ্ঠা: -)
الاستعانة بالفاتحة على نجاح الأمور   (ابن المبرد)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الاستعانة بالفاتحة على نجاح الأمور (مطبوع ضمن كتاب جمهرة الأجزاء الحديثية)

المؤلف: يوسف بن حسن بن أحمد بن حسن ابن عبد الهادي الصالحي، جمال الدين، ابن المبرد الحنبلي (ت 909هـ)

اعتناء وتخريج: محمد زياد عمر تكلة

الناشر: مكتبة العبيكان، الرياض

الطبعة: الأولى، 1421 هـ - 2001 م

عدد الصفحات: 375

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

কার্যাদি সফল করতে সূরা ফাতিহার সাহায্য গ্রহণ   (ইবনুল মুবাররিদ)

বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ


গ্রন্থ: কার্যাদি সফল করতে সূরা ফাতিহার সাহায্য গ্রহণ (জামহিরাতুল আজজা আল-হাদিসিয়্যাহ গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে মুদ্রিত)

লেখক: ইউসুফ বিন হাসান বিন আহমদ বিন হাসান ইবনে আব্দুল হাদী আস-সালিহী, জামালুদ্দীন, ইবনুল মুবাররিদ আল-হাম্বলী (মৃ. ৯০৯ হিজরি)

সম্পাদনা ও তাখরিজ: মুহাম্মদ যিয়াদ উমর তাকলাহ

প্রকাশক: মাকতাবাতুল ওবাইকান, রিয়াদ

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২১ হিজরি - ২০০১ খ্রিষ্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৭৫

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল ইস্তিআনাতু বিল ফাতিহাতি আলা নাজাহিল উমুর (পৃষ্ঠা: ৩৭১)
1 - أَخْبَرَنَا جَمَاعَةٌ مِنْ شُيُوخِنَا، أنا ابْنُ الْمُحِبِّ، أنا جَمَاعَةٌ مِنْ شُيُوخِنَا، أنا ابْنُ مَكِّيٍّ، أنا جَدِّيَ السِّلَفِيُّ، أنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، وَأَبُو الْعَبَّاسِ الصَّالِحَانِيُّ، وَغَيْرُهُمْ قَالُوا: أنا أَبُو نَصْرٍ الْقَاشَانِيُّ، أنا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ حَيَّانَ، ثنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ تَمِيمٍ، ثنا ابْنُ حُمَيْدٍ، ثنا زَيْدٌ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: سَمِعْتُ عَطَاءً، يَقُولُ: ‌‌«إِذَا أَرَدْتَ حَاجَةً، فَاقْرَأْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ حَتَّى تَخْتِمَهَا، تُقْضَى إِنْ شَاءَ اللَّهُ»

2 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ نُورُ الدِّينِ الْخَلِيلِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَغَيْرُهُ إِجَازَةً، أَخْبَرَتْنَا عَائِشَةُ بِنْتُ عَبْدِ الْهَادِي، أنا الْحَجَّارُ، أنا عَبْدُ اللَّطِيفِ الْقُبَيْطِيُّ، أنا أَبُو الْمَعَالِي الْبَاجَسْرَائِيُّ، أنا أَبُو مَنْصُورٍ الْمُقْرِئُ، أنا أَبُو طَاهِرٍ عَبْدُ الْغَفَّارِ بْنُ مُحَمَّدٍ، أنا أَبُو عَلِيٍّ الصَّوَّافُ، أنا أَبُو بَكْرٍ الْحُمَيْدِيُّ، ثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنِي الْعَلَاءُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَعْقُوبَ مَوْلَى الْحُرَقَةِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ:
1 - আমাদের শায়খদের একটি দল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনুল মুহিব্ব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমাদের শায়খদের একটি দল, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে মাক্কী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার দাদা আস-সিলাফী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন মুহাম্মদ এবং আবুল আব্বাস আস-সালিহানী ও অন্যান্যরা। তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর আল-কাশানী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ বিন হাইয়ান, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন তামীম, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনে হুমাইদ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন যাইদ, ত্বলহা বিন আমর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আতা-কে বলতে শুনেছি: ‌‌“যখন তুমি কোনো প্রয়োজনের ইচ্ছা করবে, তখন ফাতিহাতুল কিতাব (সূরা ফাতিহা) শেষ পর্যন্ত পাঠ করো, আল্লাহ চাইলে তা পূরণ করা হবে।”

2 - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ নূরুদ্দীন আল-খালীলী তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং অন্যান্যরা ইজাজত বা অনুমতির মাধ্যমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আয়েশা বিনতে আবদুল হাদী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাজ্জার, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল লতিফ আল-কুবাইতী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মাআলী আল-বাজাসরাঈ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মনসুর আল-মুকরী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আবদুল গাফফার বিন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আস-সাওয়াফ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আল-হুমাইদী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-আলা বিন আবদুর রহমান বিন ইয়াকুব (যিনি আল-হুরাকাহ’র মুক্তদাস ছিলেন), তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১) আল ইস্তিআনাতু বিল ফাতিহাতি আলা নাজাহিল উমুর (পৃষ্ঠা: ৩৭২)
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " قَالَ اللَّهُ تَعَالَى:‌‌ قَسَمْتُ الصَّلَاةَ بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي، فَإِذَا قَالَ الْعَبْدُ: {الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ} [الفاتحة: 2] ، قَالَ اللَّهُ تَعَالَى: حَمِدَنِي عَبْدِي، وَإِذَا قَالَ: {الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ} [الفاتحة: 3] ، قَالَ: أَثْنَى عَلَيَّ عَبْدِي، أَوْ: مَجَّدَنِي عَبْدِي، وَإِذَا قَالَ الْعَبْدُ: {مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ} [الفاتحة: 4] ، قَالَ: فَوَّضَ إِلَيَّ عَبْدِي، وَإِذَا قَالَ: {إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ} [الفاتحة: 5] ، فَهَذِهِ بَيْنَ عَبْدِي، وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ، {اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ {6} صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلا الضَّالِّينَ} [الفاتحة: 6-7] ، فَهَذِهِ لِعَبْدِي وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ "

احْتَجَّ بَعْضُهُمْ مِنْ هَذَا الْحَدِيثِ عَلَى أَنَّهُ مَا قَرَأَ أَحَدٌ الْفَاتِحَةَ لِقَضَاءِ حَاجَةٍ، وَسَأَلَ حَاجَتَهُ، إِلَّا قُضِيَتْ.

وَقَدْ قَالَ الْعَلَّامَةُ فِي فَاتِحَةِ الْكِتَابِ: هِيَ أُمُّ الْقُرْآنِ، وَالسَّبْعُ الْمَثَانِي، وَالشِّفَاءُ التَّامُّ، وَالدَّوَاءُ النَّافِعُ، وَالرُّقْيَةُ التَّامَّةُ، وَمِفْتَاحُ الْغِنَى وَالْفَلَاحِ، وَحَافِظَةُ الْقُوَّةِ، وَدَافِعَةُ الْهَمِّ وَالْغَمِّ، وَالْخَوْفِ وَالْحُزْنِ لِمَنْ عَرَفَ مِقْدَارَهَا، وَأَعْطَاهَا حَقَّهَا، وَأَحْسَنَ تَنْزِيلَهَا عَلَى دَائِهِ، وَعَرَفَ وَجْهَ الِاسْتِشْفَاءِ وَالتَّدَاوِي بِهَا، وَالسِّرَّ الَّذِي لِأَجْلِهِ كَانَ ذَلِكَ.

قَالَ: وَلَمَّا وَقَعَ بَعْضُ الصَّحَابَةِ عَلَى ذَلِكَ، رَقَى بِهَا اللَّدِيغَ فَبَرَأَ لِوَقْتِهِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «مَا أَدْرَاكَ أَنَّهَا رُقْيَةٌ؟» .
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আল্লাহ তাআলা বলেছেন:‌‌ আমি সালাতকে (অর্থাৎ সূরা ফাতিহাকে) আমার এবং আমার বান্দার মধ্যে দুই ভাগে বিভক্ত করেছি। সুতরাং বান্দা যখন বলে: {সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য} [আল-ফাতিহা: ২], তখন আল্লাহ তাআলা বলেন: আমার বান্দা আমার প্রশংসা করল। আর যখন সে বলে: {পরম করুণাময়, অতি দয়ালু} [আল-ফাতিহা: ৩], তখন তিনি বলেন: আমার বান্দা আমার গুণগান করল, অথবা: আমার বান্দা আমার মহিমা বর্ণনা করল। আর যখন বান্দা বলে: {বিচার দিবসের মালিক} [আল-ফাতিহা: ৪], তখন তিনি বলেন: আমার বান্দা তার সমস্ত বিষয় আমার প্রতি সোপর্দ করল। আর যখন সে বলে: {আমরা কেবল আপনারই ইবাদত করি এবং কেবল আপনারই সাহায্য চাই} [আল-ফাতিহা: ৫], তখন আল্লাহ বলেন: এটি আমার এবং আমার বান্দার মধ্যে (যৌথ অংশ), আর আমার বান্দা যা চাইবে তা-ই সে পাবে। এরপর যখন সে বলে: {আমাদের সরল পথ প্রদর্শন করুন, তাদের পথ যাদের ওপর আপনি অনুগ্রহ করেছেন, যাদের ওপর আপনার ক্রোধ আপতিত হয়নি এবং যারা পথভ্রষ্টও নয়} [আল-ফাতিহা: ৬-৭], তখন তিনি বলেন: এটি আমার বান্দার জন্য, আর আমার বান্দা যা প্রার্থনা করেছে তা সে পাবে।"

কেউ কেউ এই হাদিস থেকে এই মর্মে দলিল পেশ করেছেন যে, যে ব্যক্তিই কোনো প্রয়োজন পূরণের উদ্দেশ্যে সূরা ফাতিহা পাঠ করে স্বীয় হাজত প্রার্থনা করবে, তার সে প্রয়োজন অবশ্যই পূরণ করা হবে।

আল্লামা ফাতিহাতুল কিতাব (সূরা ফাতিহা) প্রসঙ্গে বলেছেন: এটি হলো কুরআনের জননী, বারবার পঠিত সাতটি আয়াত, পূর্ণাঙ্গ আরোগ্য, উপকারী ঔষধ, নিখুঁত রুকইয়াহ (ঝাড়ফুঁক), সচ্ছলতা ও সাফল্যের চাবিকাঠি, শক্তির হেফাজতকারী এবং দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ, ভয় ও বিষণ্ণতা দূরকারী—সেই ব্যক্তির জন্য যে এর কদর চিনেছে, একে যথাযথ হক প্রদান করেছে, নিজের ব্যাধির ওপর এর সার্থক প্রয়োগ ঘটিয়েছে এবং এর মাধ্যমে আরোগ্য লাভের পন্থা ও পদ্ধতি এবং এর অন্তর্নিহিত রহস্য উপলব্ধি করতে পেরেছে।

তিনি বলেন: যখন কোনো কোনো সাহাবী এই বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরেছিলেন, তখন তারা বিষাক্ত দংশনকারীকে এর মাধ্যমে ঝাড়ফুঁক করেছিলেন এবং সে তৎক্ষণাৎ সুস্থ হয়ে গিয়েছিল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন: "তুমি কীভাবে জানলে যে এটি একটি রুকইয়াহ (ঝাড়ফুঁক)?"
(খণ্ড: ১) আল ইস্তিআনাতু বিল ফাতিহাতি আলা নাজাহিল উমুর (পৃষ্ঠা: ৩৭৩)
قَالَ: وَمَنْ سَاعَدَهُ التَّوْفِيقُ، وَأُعِينَ بِنُورِ الْبَصِيرَةِ، حَتَّى وَقَفَ عَلَى أَسْرَارِ هَذِهِ السُّورَةِ، وَمَا اشْتَمَلَتْ عَلَيْهِ مِنَ التَّوْحِيدِ، وَمَعْرِفَةِ الذَّاتِ، وَالْأَسْمَاءِ، وَالصِّفَاتِ، وَالْأَفْعَالِ، وَإِثْبَاتِ الشَّرْعِ، وَالْقُدْرَةِ، وَالْمَعَادِ، وَتَجْرِيدِ تَوْحِيدِ الرُّبُوبِيَّةِ، وَالْإِلَهِيَّةِ، وَكَمَالِ التَّوَكُّلِ، وَالتَّفْوِيضِ إِلَى مَنْ لَهُ الْأَمْرُ كُلُّهُ، وَلَهُ الْحَمْدُ كُلُّهُ، وَبِيَدِهِ الْخَيْرُ كُلُّهُ، وَإِلَيْهِ يَرْجِعُ الْأَمْرُ كُلُّهُ، وَالِافْتِقَارُ إِلَيْهِ فِي طَلَبِ الْهِدَايَةِ الَّتِي هِيَ أَصْلُ سَعَادَةِ الدَّارَيْنِ، وَعَلِمَ ارْتِبَاطَ مَعَانِيهَا بِجَلْبِ مَصَالِحِهِمَا، وَدَفْعِ مَفَاسِدِهِمَا، فَإِنَّ الْعَافِيَةَ الْمُطْلَقَةَ التَّامَّةَ، وَالنِّعْمَةَ الْكَامِلَةَ مَنُوطَةٌ بِهَا، مَوْقُوفَةٌ عَلَى التَّحْقِيقِ بِهَا، أَغْنَتْهُ عَنْ كَثِيرٍ مِنَ الْأَدْوِيَةِ وَالرُّقَى، وَاسْتَفْتَحَ بِهَا مِنَ الْخَيْرِ أَبْوَابَهُ، وَدَفَعَ بِهَا مِنَ الشَّرِّ أَسْبَابَهُ.

قَالَ: وَهَذَا أَمْرٌ يَحْتَاجُ إِلَى اسْتِحْدَاثِ فِطْرَةٍ أُخْرَى، وَعَقْلٍ آخَرَ، وَإِيمَانٍ آخَرَ.

قَالَ: وَتَاللَّهِ لَا تَجِدُ مَقَالَةً فَاسِدَةً، وَلَا بِدْعَةً بَاطِلَةً، إِلَّا وَفَاتِحَةُ الْكِتَابِ مُتَضَمِّنَةٌ لِرَدِّهَا، وَإِبْطَالِهَا بِأَقْرَبِ طَرِيقٍ وَأَصَحِّهَا، وَأَوْضَحِهَا، وَلَا تَجِدُ بَابًا مِنْ أَبْوَابِ الْمَعَارِفِ الْإِلَهِيَّةِ، وَأَعْمَالِ الْقُلُوبِ وَأَدْوِيَتِهَا مِنْ عِلَلِهَا، وَأَسْقَامِهَا، إِلَّا وَفِي فَاتِحَةِ الْكِتَابِ مِفْتَاحُهُ، وَمَوْضِعُ الدِّلَالَةِ عَلَيْهِ، وَلَا مَنْزِلًا مِنْ مَنَازِلِ السَّائِرِينَ إِلَى رَبِّ الْعَالَمِينَ، إِلَّا وَبِدَايَتُهُ وَنِهَايَتُهُ فِيهَا.

ثُمَّ قَالَ: وَلَعَمْرُ اللَّهِ، إِنَّ شَأْنَهَا لَأَعْظَمُ مِنْ ذَلِكَ، وَهِيَ فَوْقَ ذَلِكَ، وَمَا تَحَصَّنَ عَبْدٌ وَاعْتَصَمَ بِهَا، وَعَقَلَ عَمَّنْ تَكَلَّمَ بِهَا، وَأَنْزَلَهَا شِفَاءً تَامًّا، وَعِصْمَةً بَالِغَةً، وَنُورًا مُبِينًا، وَفْهِمَهَا وَفَهِمَ لَوَازِمَهَا كَمَا يَنْبَغِي، وَوَقَعَ فِي بِدْعَةٍ وَلَا شِرْكٍ، وَلَا أَصَابَهُ مَرَضٌ مِنْ أَمْرَاضِ الْقُلُوبِ، إِلَّا إِلْمَامًا غَيْرَ مُسْتَقِرٍّ.
তিনি বললেন: যাকে তাওফিক সহায়তা করেছে এবং যাকে অন্তর্দৃষ্টির আলো দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে, এমনকি সে এই সূরার রহস্যসমূহ এবং এতে অন্তর্ভুক্ত তাওহিদ, আল্লাহর সত্তার পরিচয়, নামসমূহ, গুণাবলি, কার্যাবলি, শরয়ি বিধানের সাব্যস্তকরণ, ক্ষমতা, পরকাল এবং রুবুবিয়্যাহ ও ইলাহিয়্যাহর তাওহিদের বিশুদ্ধকরণ সম্পর্কে অবগত হয়েছে; আর পূর্ণ তাওয়াক্কুল ও সমর্পণ সেই সত্তার প্রতি যাঁর কাছে সমস্ত বিষয় ন্যস্ত, যাঁর জন্য সকল প্রশংসা, যাঁর হাতে সকল কল্যাণ এবং যাঁর দিকেই সমস্ত বিষয় প্রত্যাবর্তন করে; আর সেই হিদায়াত প্রার্থনায় তাঁরই মুখাপেক্ষিতা যা উভয় জগতের সৌভাগ্যের মূল; এবং সে যদি জানে যে এই সূরার অর্থসমূহ উভয় জগতের কল্যাণ অর্জন ও অকল্যাণ প্রতিহত করার সাথে সম্পৃক্ত; তবে জেনে রাখা উচিত যে, পরম ও পূর্ণ সুস্থতা এবং নিখুঁত নেয়ামত এর সাথেই সম্পৃক্ত এবং এর যথাযথ উপলব্ধির ওপর নির্ভরশীল। এই সূরা তাকে অনেক ওষুধ ও ঝাড়ফুঁক থেকে অমুখাপেক্ষী করে দেয় এবং এর মাধ্যমে সে কল্যাণের দরজাসমূহ উন্মুক্ত করে আর অকল্যাণের কারণসমূহ প্রতিহত করে।

তিনি বললেন: এটি এমন একটি বিষয় যার জন্য নতুন এক স্বভাব-প্রকৃতি, নতুন এক বুদ্ধি এবং নতুন এক ঈমান আবশ্যক।

তিনি বললেন: আল্লাহর কসম! আপনি কোনো ভ্রান্ত মতবাদ কিংবা বাতিল বিদআত পাবেন না, যার খণ্ডন ও বাতিলের নিকটতম, বিশুদ্ধতম ও স্পষ্টতম উপায় সূরা ফাতিহার অন্তর্ভুক্ত নয়। আপনি ঐশ্বরিক মারেফাতের কোনো দরজা কিংবা অন্তরের আমল এবং অন্তরের রোগ ও ব্যাধির চিকিৎসার কোনো বিষয় পাবেন না, যার চাবিকাঠি ও নির্দেশিকা সূরা ফাতিহার মধ্যে নেই। জগতসমূহের প্রতিপালকের পানে পথচারীদের মঞ্জিলসমূহের মধ্য থেকে এমন কোনো মঞ্জিল নেই যার শুরু ও শেষ এর মধ্যে নিহিত নেই।

অতঃপর তিনি বললেন: আল্লাহর শপথ! এই সূরার গুরুত্ব এর চেয়েও মহান এবং এটি এর চেয়েও ঊর্ধ্বে। কোনো বান্দা এর মাধ্যমে সুরক্ষা কামনা করেনি এবং একে মজবুতভাবে ধারণ করেনি, আর যিনি এটি বলেছেন তাঁর থেকে এটি উপলব্ধি করেনি এবং একে পূর্ণ নিরাময়, চূড়ান্ত সুরক্ষা ও সুস্পষ্ট নূর হিসেবে গ্রহণ করেনি, আর একে এবং এর আনুষঙ্গিক বিষয়সমূহ যথাযথভাবে হৃদয়ঙ্গম করেনি—এমতাবস্থায় সে কোনো বিদআত বা শিরকে লিপ্ত হয়নি এবং অন্তরের কোনো ব্যাধি তাকে আক্রান্ত করতে পারেনি, কেবল সামান্য কিছু স্পর্শ ছাড়া যা স্থায়ী হয় না।
(খণ্ড: ১) আল ইস্তিআনাতু বিল ফাতিহাতি আলা নাজাহিল উমুর (পৃষ্ঠা: ৩৭৪)
ثُمَّ قَالَ: هَذَا وِإِنَّهَا الْمِفْتَاحُ الْأَعْظَمُ لِكُنُوزِ الْأَرْضِ، كَمَا إِنَّهَا الْمِفْتَاحُ لِكُنُوزِ الْجَنَّةِ، وَلَكِنْ لَيْسَ كُلُّ أَحَدٍ يُحْسِنُ الْفَتْحَ بِهَذَا الْمِفْتَاحِ.

قَالَ: وَلَوْ أَنَّ طُلَّابَ الْكُنُوزِ وَقَفُوا عَلَى سِرِّ هَذِهِ السُّورَةِ، وَتَحَقَّقُوا مَعَانِيَهَا، وَرَكَّبُوا لِهَذَا الْمِفْتَاحِ أَسْنَانًا، وَأَحْسَنُوا الْفَتْحَ بِهِ، لَوَصَلُوا إِلَى تَنَاوُلِ الْكَنْزِ مِنْ غَيْرِ مُعَاوِنٍ وَلَا مُمَانِعٍ.

ثُمَّ قَالَ: وَلَمْ نَقُلْ هَذَا الْكَلَامَ مُجَازَفَةً، وَلَا اسْتِعَارَةً بَلْ حَقِيقَةً، وَلَكِنَّ للَّهِ سبحانه وتعالى حِكْمَةً بَالِغَةً فِي إِخْفَاءِ هَذَا السِّرِّ عَنْ نُفُوسِ أَكْثَرِ الْعَالَمِينَ، كَمَا لَهُ حِكْمَةٌ بَالِغَةٌ فِي إِخْفَاءِ كُنُوزِ الْأَرْضِ عَنْهُمْ.

قَالَ: وَالْكُنُوزُ الْمَحْجُوبَةُ قَدِ اسْتُخْدِمَ عَلَيْهَا أَرْوَاحٌ خَبِيثَةٌ شَيْطَانِيَّةٌ تَحُولُ بَيْنَ الْإِنْسِ، وَبَيْنَهَا، وَلَا يَقْهَرُهَا إِلَّا أَرْوَاحٌ عُلْوِيَّةٌ شَرِيفَةٌ غَالِبَةٌ لَهَا بِحَالِهَا الْإِيمَانِيِّ، مَعَهَا مِنْهُ أَسْلِحَةٌ لَا تَقُومُ لَهَا الشَّيَاطِينُ.

قَالَ: وَأَكْثَرُ نُفُوسِ النَّاسِ لَيْسَتْ بِهَذِهِ الْمَثَابَةِ، وَلَا تُقَاوِمُ تِلْكَ الْأَرْوَاحَ وَلَا تَقْهَرُهَا، وَلَا تَنَالُ مِنْ سَلَبِهَا شَيْئًا، فَإِنَّ مَنْ قَتَلَ قَتِيلًا فَلَهُ سَلَبُهُ.

انْتَهَى كَلَامُهُ.

وَهُوَ كَلَامٌ عَظِيمٌ، وَلَكِنَّهُ مِنْ فَضْلِهَا كَغَمْسَةِ عُصْفُورٍ مِنْقَرَهُ فِي الْبَحْرِ، أَوْ قَطْرَةٍ شَرِبَهَا مِنْهُ وَقَدْ كَانَ شَيْخُنَا أَبُو الْفَرَجِ بْنُ الْحَبَّالِ فِي كَثْرَةِ اسْتِعْمَالِهَا لِقَضَاءِ
অতঃপর তিনি বললেন: এটি যেমন পৃথিবীর ধনভাণ্ডারের জন্য মহানতম চাবিকাঠি, তেমনি এটি জান্নাতের ধনভাণ্ডারের জন্যও চাবিকাঠি। তবে প্রত্যেকেই এই চাবিকাঠি দিয়ে উন্মোচন করতে পারদর্শী নয়।

তিনি বললেন: যদি ধনভাণ্ডারের অন্বেষণকারীরা এই সূরার রহস্য অবগত হতো, এর অর্থগুলো উপলব্ধি করত, এই চাবিকাঠির জন্য যথাযথ খাঁজ তৈরি করত এবং এটি দিয়ে উন্মোচন করতে পারদর্শী হতো, তবে তারা কোনো সাহায্যকারী বা বাধাদানকারী ছাড়াই সেই ধনভাণ্ডার হস্তগত করার স্তরে পৌঁছে যেত।

অতঃপর তিনি বললেন: আমরা এই কথাগুলো আন্দাজে কিংবা রূপক অর্থে বলছি না, বরং বাস্তব অর্থেই বলছি। কিন্তু অধিকাংশ মানুষের নিকট থেকে এই রহস্য গোপন রাখার ক্ষেত্রে মহান আল্লাহর সুগভীর প্রজ্ঞা রয়েছে, যেমন তাদের নিকট থেকে পৃথিবীর ধনভাণ্ডার গোপন রাখার ক্ষেত্রে তাঁর সুগভীর প্রজ্ঞা রয়েছে।

তিনি বললেন: লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকা ধনভাণ্ডারগুলোর ওপর কিছু খবিস ও শয়তানি আত্মাকে নিয়োজিত রাখা হয়েছে, যারা মানুষ ও সেই ধনভাণ্ডারের মাঝে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। উচ্চমর্যাদাপূর্ণ ও সম্মানিত আত্মাসমূহ ছাড়া অন্য কেউ তাদের পরাজিত করতে পারে না, যারা তাদের ঈমানি অবস্থার মাধ্যমে তাদের ওপর বিজয়ী হয় এবং যাদের নিকট এমন অস্ত্র থাকে যার সামনে শয়তানরা টিকতে পারে না।

তিনি বললেন: অধিকাংশ মানুষের আত্মা এই স্তরের নয় এবং তারা সেই আত্মাসমূহের মোকাবেলা করতে কিংবা তাদের পরাজিত করতে পারে না। ফলে তারা তাদের থেকে যুদ্ধলব্ধ কোনো কিছুই লাভ করতে পারে না। কেননা নিয়ম হলো, যে ব্যক্তি কোনো শত্রুকে হত্যা করবে, সেই শত্রুর আসবাবপত্র বা সরঞ্জাম তারই প্রাপ্য হবে।

তাঁর কথা এখানেই সমাপ্ত হলো।

এটি একটি মহান উক্তি, তবে এই সূরার মর্যাদার তুলনায় তা যেন সমুদ্রে কোনো চড়ুই পাখির ঠোঁট ডুবানোর মতো অথবা তা থেকে পান করা এক ফোঁটা পানির মতো। আমাদের শায়খ আবু আল-ফারাজ ইবনুল হাব্বাল প্রয়োজন পূরণের লক্ষ্যে এটি অধিক পরিমাণে ব্যবহারের ক্ষেত্রে...
(খণ্ড: ১) আল ইস্তিআনাতু বিল ফাতিহাতি আলা নাজাহিল উমুর (পৃষ্ঠা: ৩৭৫)
الْحَوَائِجِ، وَنَجَاحِ أَمْرِهَا عَلَى أَمْرٍ عَظِيمٍ، بِحَيْثُ إِنَّهُ إِذَا كَتَبَ لِأَحَدٍ حِرْزًا كَتَبَهَا أَوَّلًا، ثُمَّ قَرَأَ عَلَيْهِ، ثُمَّ قَرَأَهَا عِنْدَ طَيِّهِ، وَكَانَ إِذَا قَرَأَ لِأَحَدٍ رِسَالَةً قَرَأَهَا عَلَيْهَا.

وَقَدْ شَاهَدْتُ أَنَا مِنْ نَجَاحِ الْأُمُورِ بِهَا أَمْرًا عَظِيمًا، فَقَلَّ حَاجَةٌ مِنَ الْحَوَائِجِ تَعْرِضُ لِي مِنَ الْحَوَائِجِ الدُّنْيَوِيَّةِ، وَالْأُخْرَوِيَّةِ، فَأَقْرَؤُهَا عَلَيْهَا، إِلَّا قُضِيَتْ وَنَجَحَ أَمْرُهَا، وَكَمْ مِنْ حَاجَةٍ تَعَسَّرَتْ وَاسْتَدَّتْ طُرُقُهَا، وَحَالَ دُونَها الْمَوَانِعُ، فَقَرَأْتُهَا لِنَجَاحِهَا، فَقُضِيَتْ وَعَادَتْ أَتَمَّ مَا كَانَتْ، وَكَمْ مِنْ أَمْرٍ تَعَسَّرَ، فَقَرَأْتُهَا لَهُ، فَتَقَشَّعَتْ غُيُومُهُ، وَزَالَتْ سُحُبُهُ، وَأَنَارَتْ شُمُوسُهُ، وَكَمْ مِنْ أَمْرٍ أَهَمَّنَا تَنَاوُلُهُ، فَأَنْسَتِ الْمَقَادِيرُ قِرَاءَتَهَا لِتَنَاوُلِهِ بَعْدَ أَنْ مُدَّتِ الْيَدُ لِأَخْذِهِ، حَالَتِ الْحُجُبُ بَيْنَهَا وَبَيْنَهُ، وَاخْتُطِفَ بَعْدَ أَنْ تَوَصَّلَ إِلَى الْيَدِ، فَأَصْبَحَ لَا يُرَى لَهُ أَثَرٌ، وَلَا يُدْرَى كَيْفَ ذَهَبَ.

وَهِيَ سُورَةٌ عَظِيمَةٌ، فَعَلَيْكَ رَحِمَكَ اللَّهُ بِالْإِكْثَارِ مِنْهَا عَلَى أُمُورِكَ، وَحَوَائِجِكَ، وَأَدْوَائِكَ، وَمُهِمَّاتِكَ، وَكُلِّ مَا عَرَضَ لَكَ، وَتَأَمَّلْ ذَلِكَ تَجِدْ مِنْهُ مَا يَظْهَرُ لَكَ.

وَهِيَ سُورَةٌ فَضَائِلُهَا كَثِيرَةٌ، وَأَسْرَارُهَا لَا تُحْصَى، وَإِنَّمَا يَعْرِفُ الْجَوْهَرَ أَرْبَابُهُ، وَالْمَسْكَنَ أَصْحَابُهُ، وَالْمَعْلَمَ طُلَّابُهُ، وَبِاللَّهِ الِاسْتِعَانَةُ، وَهُوَ وَلِيُّ التَّوْفِيقِ.
প্রয়োজনসমূহ পূরণ এবং এর সফলতার বিষয়টি অত্যন্ত মহান; এমনকি তিনি যখন কারো জন্য কোনো কবজ লিখতেন, তখন প্রথমে এটি (সূরাটি) লিখতেন, তারপর তার ওপর তা পাঠ করতেন, এরপর তা ভাঁজ করার সময়ও পাঠ করতেন। আর যখন তিনি কারো উদ্দেশ্যে কোনো পত্র পাঠ করতেন, তখন তার ওপরও এটি পাঠ করতেন।

আর আমি নিজে এর মাধ্যমে কার্যাবলি সফল হওয়ার ক্ষেত্রে এক মহান নিদর্শনের প্রত্যক্ষদর্শী হয়েছি। দুনিয়াবি কিংবা পরকালীন এমন খুব কম প্রয়োজনই আমার সামনে উপস্থিত হয়েছে যার ওপর আমি এটি পাঠ করেছি, অথচ তা পূরণ হয়নি এবং সেই বিষয়টি সফল হয়নি। কত প্রয়োজন এমন ছিল যা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছিল, যার পথসমূহ রুদ্ধ হয়ে গিয়েছিল এবং নানাবিধ প্রতিবন্ধকতা তার অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছিল; অতঃপর আমি এর সফলতার জন্য এটি পাঠ করেছি, ফলে তা পূর্ণ হয়েছে এবং পূর্বের চেয়েও পূর্ণাঙ্গরূপে প্রত্যাবর্তন করেছে। কত কঠিন কাজ ছিল যার জন্য আমি এটি পাঠ করেছি, ফলে তার মেঘমালা অপসারিত হয়েছে, কুয়াশা কেটে গেছে এবং তার সূর্যসমূহ উদ্ভাসিত হয়েছে। কত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অর্জনের চেষ্টা আমরা করেছি, কিন্তু তকদির তা লাভের জন্য এটি পাঠ করার কথা ভুলিয়ে দিয়েছে; অথচ তা গ্রহণের জন্য হাত বাড়ানো হয়েছিল, কিন্তু পরে তার মাঝে পর্দা অন্তরায় হয়ে দাঁড়াল এবং হাতের নাগালে পৌঁছানোর পর তা ছিনিয়ে নেওয়া হলো, ফলে তার কোনো চিহ্ন অবশিষ্ট থাকল না এবং তা কীভাবে চলে গেল তারও কোনো হদিস পাওয়া গেল না।

এটি একটি মহান সূরা। অতএব, আল্লাহ আপনার ওপর রহম করুন, আপনি আপনার কার্যাবলি, প্রয়োজনসমূহ, ব্যাধি এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদিসহ আপনার সামনে উপস্থিত হওয়া প্রতিটি বিষয়ে অধিক পরিমাণে এটি পাঠ করুন। আর এ বিষয়ে গভীর চিন্তা করুন, তাহলে আপনার কাছে যা স্পষ্ট হওয়ার তা হয়ে যাবে।

এটি এমন এক সূরা যার ফজিলত অনেক এবং এর রহস্যসমূহ অগণিত। প্রকৃতপক্ষে রত্ন কেবল জহুরিরাই চেনে, গৃহ কেবল গৃহকর্তারাই চেনে এবং পথচিহ্ন কেবল অন্বেষণকারীরাই চেনে। আল্লাহর নিকটই সাহায্য প্রার্থনা করি, আর তিনিই তাওফিকের অধিপতি।