(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: -)
الأمالي السفرية الحلبية (ابن حجر العسقلاني)
القسم: كتب السنة
الكتاب: الأمالي السفرية الحلبية
المؤلف: أبو الفضل أحمد بن علي بن محمد بن أحمد بن حجر العسقلاني (ت 852 هـ)
تحقيق: حمدي بن عبد المجيد بن إسماعيل السلفي [ت 1433 هـ]
الناشر: المكتب الإسلامي، بيروت
الطبعة: الأولى، 1418 هـ - 1998 م
عدد الصفحات: 81
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-আমালি আস-সাফারিইয়াহ আল-হালাবিয়্যাহ (ইবনে হাজার আল-আসকালানি)
বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
গ্রন্থ: আল-আমালি আস-সাফারিইয়াহ আল-হালাবিয়্যাহ
লেখক: আবুল ফদল আহমাদ ইবনে আলি ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে হাজার আল-আসকালানি (মৃত্যু ৮৫২ হিজরি)
তাহকিক: হামদি বিন আব্দুল মাজিদ বিন ইসমাইল আস-সালাফি [মৃত্যু ১৪৩৩ হিজরি]
প্রকাশক: আল-মাকতাবুল ইসলামি, বৈরুত
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৮ হিজরি - ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮১
[গ্রন্থের পৃষ্ঠাসংখ্যা মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৫০)
الْحَدِيثُ الْأَوَّلُأَخْبَرَنِي شَيْخُ الْإِسْلَامِ حَافِظُ الزَّمَانِ أَبُو الْفَضْلِ بْنُ الْحُسَيْنِ، رحمه الله، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بنُ محَّمدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْبَرْوَزِي، أخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ السَّعْدِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْمَرٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي الرَّجَاءِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ النُّعْمَانِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ أَحْمَدَ الْخُزَاعِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الْهَمْدَانِيِّ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ، رضي الله عنه، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ لَهُ: " أَلَا أُعَلِّمُكَ كَلِمَاتٍ تَقُولُهُنَّ إِذَا أَوَيْتَ إِلَى فِرَاشِكَ، فَإِنْ مِتَّ مِنْ لَيْلَتِكَ، مِتَّ عَلَى الْفِطْرَةِ، وَإِنْ أَصْبَحْتَ، أَصْبَحْتَ وَقَدْ أَصَبْتَ خَيْرًا: اللَّهُمَّ أَسْلَمْتُ نَفْسِي إِلَيْكَ، وَوَجَّهْتُ وَجْهِي إِلَيْكَ، وَفَوَّضْتُ أَمْرِي إِلَيْكَ، وَأَلْجَأتُ ظَهْرِي إِلَيْكَ، رَغْبَةً وَرَهْبَةً إِلَيْكَ، لَا مَلْجَأَ وَلَا مَنْجَا مِنْكَ إِلَّا إِلَيْكَ، آمَنْتُ بِكِتَابِكَ الَّذِي أَنْزَلْتَ، وَنَبِيِّكَ الَّذِي أَرْسَلْتَ ".
প্রথম হাদিসশাইখুল ইসলাম হাফিজুজ জামান আবুল ফজল বিন আল-হুসাইন (রহিমাহুল্লাহ) আমাকে অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল-বারওয়াজি আমাকে অবহিত করেছেন, আলী বিন আহমাদ আস-সাদী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন মা’মার থেকে, তিনি বলেন: সাঈদ বিন আবিল রাজা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আন-নুমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন আলী বিন আসিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইসহাক বিন আহমাদ আল-খুজায়ি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন আবি উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক আল-হামদানি থেকে, তিনি বারা ইবনে আযিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বলেছেন: “আমি কি তোমাকে এমন কিছু বাক্য শিখিয়ে দেব না যা তুমি তোমার বিছানায় শয্যা গ্রহণের সময় বলবে? যদি তুমি সেই রাতে মারা যাও, তবে তুমি ফিতরাতের ওপর মৃত্যুবরণ করবে; আর যদি তুমি ভোরে উপনীত হও, তবে তুমি কল্যাণ লাভ করবে। (দোয়াটি হলো:) হে আল্লাহ! আমি নিজেকে আপনার কাছে সপে দিলাম, আমার চেহারা আপনার দিকে ফেরালাম, আমার সব বিষয় আপনার নিকট সোপর্দ করলাম এবং আমার পিঠ আপনার আশ্রয়ে সমর্পণ করলাম, আপনার প্রতি অনুরাগী হয়ে এবং আপনার ভয়ে। আপনি ব্যতীত কোনো আশ্রয়স্থল নেই এবং আপনার থেকে রক্ষা পাওয়ার কোনো উপায় নেই আপনার নিকট ছাড়া। আমি আপনার অবতীর্ণ কিতাবের ওপর ঈমান এনেছি এবং আপনার প্রেরিত নবীর ওপর ঈমান এনেছি।”
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৫১)
فَقَالَ الْبَرَاءُ: فَقُلْتُ: وَرَسُولِكَ الَّذِي أَرْسَلْتَ، فَطَعَنَ بِيَدِهِ فِي صَدْرِي، ثُمَّ قَالَ: «وَنَبِيِّكَ الَّذِي أَرْسَلْتَ» .هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ، أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ، عَنِ ابْنِ أَبِي عُمَرَ، فَوَقَعَ لَنَا مُوَافَقَةٌ عَالِيَةٌ.وَقَدْ وَقَعَ لِي مِنْ وَجْهٍ آخَر، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ، أَعْلَى مِنْ هَذَا بِدَرَجَةٍ أُخْرَى.أَخْبَرَنِي أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْمَهْدَوِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ الْوَانِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَكِّيٍّ سِبْطُ السِّلَفِيِّ، قِرَاءَةً عَلَيَّ وَنَحْنُ نَسْمَعُ، وَهُوَ آخِرُ مَنْ حَدَّثَ بِالسَّمَاعِ، أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو طَاهِرٍ السِّلَفِيُّ، وهُوَ آخِرُ مَنْ حُدِّثَ عَنْهُ بِسَمَاعٍ، أَخْبَرَنَا مَكِّيُّ بْنُ مَنْصُورٍ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ الْقَاضِيُ، حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ الْأَصَمُّ، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى الْمَرْوَزِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، أَنَّهُ سَمِعَ الْبَرَاءَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ إِذَا أَوَى إِلَى فِرَاشِهِ:
বারা বললেন: তখন আমি বললাম: এবং আপনার রাসূল যাকে আপনি পাঠিয়েছেন, তখন তিনি তাঁর হাত দিয়ে আমার বুকে টোকা দিলেন, এরপর বললেন: "এবং আপনার নবী যাকে আপনি পাঠিয়েছেন।"এটি একটি সহিহ হাদিস, তিরমিজি এটি ইবন আবি উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি আমাদের নিকট উচ্চ পর্যায়ের 'মুওয়াফাকাত' (একই সনদে মিলন) হিসেবে পৌঁছেছে।এবং এটি সুফইয়ান ইবন উয়ায়নাহ-এর অন্য একটি সূত্রে আমার নিকট পৌঁছেছে, যা এর চেয়ে আরও এক স্তর উচ্চতর।আবু আলি মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন আলি ইবন আব্দুল আজিজ আল-মাহদাভি আমাকে অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান আলি ইবন উমর আল-ওয়ানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুর রহমান ইবন মাক্কি সিবত আস-সিলাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, যা আমার সামনে পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমরা তা শুনছিলাম, আর তিনি সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে হাদিস বর্ণনাকারীদের মাঝে সর্বশেষ ব্যক্তি। হাফেজ আবু তাহের আস-সিলাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আর তিনি তাদের মধ্যে সর্বশেষ ব্যক্তি যাদের থেকে সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে বর্ণনা করা হয়েছে। মাক্কি ইবন মানসুর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ ইবন আল-হাসান আল-কাজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল আব্বাস আল-আসাম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, যাকারিয়া ইবন ইয়াহইয়া আল-মারওয়াযি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সুফইয়ান ইবন উয়ায়নাহ আবু ইসহাক থেকে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বারা (রা.)-কে বলতে শুনেছেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যখন তিনি তাঁর বিছানায় বিশ্রাম নিতে যেতেন:
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৫২)
«اللَّهُمَّ أَسْلَمْتُ نَفْسِي إِلَيْكَ» ، فَذَكَرَهُ دُونَ مَا فِي أَوَّلِهِ وَآخِرِهِ، لَكِنْ قَالَ فِي آخِرِ الدُّعَاءِ: «وَبِنَبِيِّكَ أَوْ بِرَسُولِكَ» عَلَى الشَّكِ، وَلَا أَثَرَ لِهَذَا الشَّكِ لِمَا تَقَدَّمَ مِنْ رِوَايَةِ ابْنِ أَبِي عُمَرَ.وَهَكَذَّا أَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ، فِي الْكُبْرَى، عَنْ قُتَيْبَةَ، عَنْ سُفْيَانَ، فَوَقَعَ لَنَا بَدَلًا عَالِيًا بِثَلَاثِ دَرَجَاتٍ.وَالْحَدِيثُ فِي الصَّحِيحَيْنِ، مِنْ رِوَايَةِ سَعِيدٍ، وَمِنْ رِوَايَةِ أَبِي الْأَحْوَصِ سَلَّامِ بْنِ سُلَيْمٍ، كِلَاهُمَا، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَمْرِو بْنِ عَبْدِ اللَّهِ السَّبِيعِيِّ.وَأَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ، مِنْ رِوَايَةِ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، وَإِسْرَائِيلَ بْنِ يُونُسَ، وَغَيْرِ وَاحِدٍ، كُلُّهُمْ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الْحَدِيثُ الثَّانِيأَخْبَرَنِي الْمُسْنِدُ الْعِمَادُ أَبُو بَكْرِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْعِزِّ الصَّالِحِيُّ بِهَا رَحِمَهُ اللَّهُ تَعَالَى، أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَعَالِي الزَّبَدَانِيُّ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْخَطِيبُ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى فَاطِمَةَ بِنْتِ سَعْدِ الْخَيْرِ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ، أَنَّ زَاهِرَ بْنَ طَاهِرٍ، أَخْبَرَهُمْ، أَخْبَرَنَا أَبُو سَعْدٍ الْكَنْجَرُوذِيُّ، قَالَ:
"হে আল্লাহ! আমি আমার নিজেকে আপনার নিকট সমর্পণ করলাম", তিনি এটি এর শুরু ও শেষের অংশ ছাড়াই উল্লেখ করেছেন। তবে তিনি দোয়ার শেষে সন্দেহের সাথে বলেছেন: "আপনার নবীর ওপর অথবা আপনার রাসূলের ওপর"। ইবনে আবি উমরের বর্ণিত পূর্ববর্তী বর্ণনার কারণে এই সন্দেহের কোনো প্রভাব নেই।এভাবেই ইমাম নাসায়ি এটি 'আল-কুবরা' গ্রন্থে কুতায়বাহ হতে, তিনি সুফিয়ান হতে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের নিকট তিন স্তর বিশিষ্ট একটি উচ্চ পর্যায়ের 'বাদাল' (বিকল্প সনদ) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।হাদিসটি সহিহাইন (বুখারি ও মুসলিম)-এ সাঈদের বর্ণনা থেকে এবং আবু আহওয়াস সাল্লাম বিন সুলাইমের বর্ণনা থেকে সংকলিত হয়েছে। তাঁরা উভয়ে আবু ইসহাক আমর বিন আব্দুল্লাহ আস-সাবিঈ থেকে বর্ণনা করেছেন।ইমাম নাসায়ি এটি সুফিয়ান আস-সাওরি, ইসরাঈল বিন ইউনুস এবং একাধিক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা সকলে আবু ইসহাক থেকে বর্ণনা করেছেন। দ্বিতীয় হাদিসমুসনিদ আল-ইমাদ আবু বকর বিন ইবরাহিম বিন আল-ইজ্জ আস-সালিহি (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন) সেখানে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবুল আব্বাস আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন মাআলি আজ-জাবাদানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-খাতিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ফাতিমা বিনতে সাদ আল-খাইরের নিকট তা পাঠ করা হয়েছিল এবং আমরা তা শুনছিলাম যে, যাহির বিন তাহির তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু সাদ আল-কানজারুযি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
أَخْبَرَنَا أَبُو عَمْرِو بْنُ حَمْدَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو يَعْلَى، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْحَجَّاجِ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ حَجَّاجٍ الصَّوَّافِ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، رضي الله عنهما، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِذَا أَوَى الرَّجُلُ إِلَى فِرَاشِهِ ابْتَدَرَهُ مَلَكٌ وَشَيْطَانٌ، فَيَقُولُ الْمَلَكُ: اخْتِمْ بِخَيْرٍ، وَيَقُولُ الشَّيْطَانُ: اخْتِمْ بِشَرٍّ، فَإِنْ ذَكَرَ اللَّهَ، ثُمَّ نَامَ، بَاتَ الْمَلَكُ يَكْلَؤُهُ ".هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ، أَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ، فِي الْكُبْرَى، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ حَبِيبٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَجَّاجِ.فَوَقَعَ لنَا بَدَلًا عَالِيًا بِثَلَاثِ دَرَجَاتٍ مَعَ اتِّصَالِ السَّمَاعِ.وَأَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ، مِنْ وَجْهٍ آخَرَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، مَوْقُوفًا، وَسَنَدُ الْمَرْفُوعِ أَقْوَى
আবু আমর বিন হামদান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু ইয়ালা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইবরাহীম বিন আল-হাজ্জাজ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হাম্মাদ বিন সালামাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাজ্জাজ আস-সাওয়াফ থেকে, তিনি আবু যুবাইর থেকে, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যখন কোনো ব্যক্তি তার বিছানায় আশ্রয় নেয়, তখন একজন ফেরেশতা এবং একজন শয়তান তার নিকট দ্রুত উপস্থিত হয়। ফেরেশতা বলে: কল্যাণের মাধ্যমে সমাপ্ত করো; আর শয়তান বলে: অকল্যাণের মাধ্যমে সমাপ্ত করো। অতঃপর সে যদি আল্লাহর যিকির করে তারপর ঘুমিয়ে পড়ে, তবে ফেরেশতা তাকে পাহারা দিয়ে রাত অতিবাহিত করে।"এটি একটি হাসান হাদীস। আন-নাসায়ী এটি তাঁর 'আল-কুবরা' গ্রন্থে আল-হাসান বিন আহমাদ বিন হাবীব থেকে, তিনি ইবরাহীম বিন আল-হাজ্জাজ থেকে বর্ণনা করেছেন।ফলে এটি শ্রবণ পরম্পরা অবিচ্ছিন্ন থেকে তিনটি স্তরের উচ্চতর 'বাদাল' (বিকল্প উচ্চ সনদ) হিসেবে আমাদের নিকট পৌঁছেছে।আন-নাসায়ী এটি অন্য সূত্রে আবু যুবাইর থেকে 'মাউকুফ' হিসেবেও বর্ণনা করেছেন, তবে 'মারফু' (রাসূলুল্লাহর দিকে সম্বন্ধযুক্ত) সনদটি অধিক শক্তিশালী।
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
الْحَدِيثُ الثَّالِثُوَبِهِ إِلَى أَبِي يَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، قَالَ: ذَكَرَ أَبِي يَعْنِي مُعَاذَ بْنُ مُعَاذٍ الْعَنْبَرِيَّ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرٍ، رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «إِنَّ اللَّهَ حَيِيٌ كَرِيمٌ، يَسْتَحْيِي إِذَا رَفَعَ عَبْدُهُ إِلَيْهِ يَدَيْهِ أَنْ يَرُدَّهُمَا صِفْرًا لَيْسَ فِيهِمَا شَيْءٌ» .الصِّفْرُ بِكَسْرِ الْمُهْمَلَةِ وَسُكُونِ الْفَاءِ: هُوَ الْخَالِي.هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ، وَالْمَتْنُ حَسَنٌ.أَخْرَجَهُ أَبُو أَحْمَدَ بْنُ عَدِيٍّ، فِي الْكَامِلِ، فِي تَرْجَمَةِ يُوسُفَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، وَقَالَ: أَرْجُو أَنَّهُ لَا بَأْسَ بِهِ.وَقَدْ ضَعَّفَهُ النَّسَائِيُّ.وَقَالَ أَبُو زُرْعَةَ الرَّازِيُّ: صَالِحُ الْحَدِيثِ، وَأَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ، وَالتِّرْمِذِيُّ، وَحَسَّنَهُ، وَالْحَاكِمُ، وَصَحَّحَهُ، مِنْ حَدِيثِ سَلْمَانَ الْفَارِسِيِّ،
তৃতীয় হাদিসএবং তাঁর মাধ্যমে আবু ইয়ালা পর্যন্ত (সনদ পৌঁছেছে), তিনি বলেন: আমাদের নিকট উবাইদুল্লাহ বিন মুয়ায বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা অর্থাৎ মুয়ায বিন মুয়ায আল-আনবারি ইউসুফ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-মুনকাদির থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি জাবির (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ অত্যন্ত লজ্জাশীল ও দাতা। যখন তাঁর বান্দা তাঁর দিকে নিজের হাত উঠায়, তখন তিনি সেই হাত দুটিকে কোনো কিছু না দিয়ে শূন্য অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে লজ্জা বোধ করেন।»‘সিফর’ শব্দটি ‘সাদ’ বর্ণে কাসরাহ এবং ‘ফা’ বর্ণে সুকুন যোগে গঠিত: এর অর্থ হলো খালি।এই সূত্রে এই হাদিসটি গরিব, তবে এর মূল পাঠ (মতন) হাসান।আবু আহমাদ বিন আদি এটি ‘আল-কামিল’ গ্রন্থে ইউসুফ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-মুনকাদিরের জীবনীর আলোচনায় বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: আমি আশা করি এতে কোনো সমস্যা নেই।ইমাম নাসাঈ তাকে দুর্বল বলেছেন।আবু যুরআহ আর-রাযী বলেছেন: তিনি হাদিসের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য। আবু দাউদ ও তিরমিযী এটি বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম তিরমিযী একে হাসান বলেছেন। আর আল-হাকিম একে সালমান আল-ফারসির হাদিস থেকে বর্ণনা করে সহিহ বলেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
وَطَرِيقُهُ أَشْهَرُ مِنْ طَرِيقِ جَابِرٍ الْحَدِيثُ الرَّابِعُأَخْبَرَ الشَّيْخُ أَبُو إِسْحَاقَ بْنِ الْكَامِلِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ الصَّالِحِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُنْجِي الْبَغْدَادِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَقْتِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ الظَّافِرِ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ عَبْرٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو إِسْحَاقَ بْنُ قُمَيْرٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ، رضي الله عنه، قَالَ: عَادَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَجُلًا قَدْ صَارَ كَالْفَرْخِ الْمَنْتُوفِ، فَقَالَ لَهُ: «هَلْ كُنْتَ تَدْعُو بِشَيْءٍ أوْ تَسْأَلُهُ؟» قَالَ: قُلْتُ: اللَّهُمَّ مَا كُنْتُ تُعَاقِبُنِي بِهِ فِي الْآخِرَةِ فَعَجِّلْهُ لِي فِي الدُّنْيَا.فَقَالَ: " سُبْحَانَ اللَّهِ، إِذًا لَا تُطِيُقُ ذَلِكَ وَلَنْ تَسْتَطِيعْهُ، هَلَا قُلْتُ: رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً، وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً، وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ «.هَذَا حَدِيثٌ رِجَالُهُ رِجَالُ الصَّحِيحِ، لَكِنَّهُ مُنْقَطِعٌ بَيْنَ حُمَيْدٍ وَأَنَسٍ، فِيهِ ثَابِتٌ، قَرَأْتُهُ عَلَى أُمِّ الْحَسَنِ بِنْتِ الْمُنَجَّا، بِدِمَشْقَ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الدَّايِمِ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْإِرْبَلِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ النَّقُورِ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنِ الْمُظَفَّرِ،
এবং তাঁর সূত্রটি জাবিরের সূত্রের চেয়ে বেশি প্রসিদ্ধ। চতুর্থ হাদীসশাইখ আবু ইসহাক বিন আল-কামিল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-আব্বাস আস-সালিহি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-মুঞ্জি আল-বাগদাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-ওয়াকত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-হাসান বিন আজ-জাফির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুহাম্মদ বিন আবর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু ইসহাক বিন কুমাইর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদ বিন হুমাইদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াযিদ বিন হারুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হুমাইদ থেকে, তিনি আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন এক ব্যক্তিকে দেখতে গেলেন, যে পালক উপড়ানো পাখির বাচ্চার মতো (ক্ষীণকায়) হয়ে গিয়েছিল। তিনি তাকে বললেন: "তুমি কি কোনো বিষয়ে দোয়া করছিলে বা আল্লাহর কাছে কিছু চাচ্ছিলে?" সে বলল: আমি বলেছিলাম: হে আল্লাহ! আপনি আখেরাতে আমাকে যে শাস্তি দিতেন, তা দুনিয়াতেই দ্রুত দিয়ে দিন।তিনি বললেন: "সুবহানাল্লাহ! তবে তো তুমি তা সহ্য করতে পারবে না এবং তোমার সেই সামর্থ্যও নেই। কেন তুমি বললে না: হে আমাদের রব, আমাদের দুনিয়াতে কল্যাণ দান করুন এবং আখেরাতেও কল্যাণ দান করুন এবং আমাদের আগুনের আজাব থেকে রক্ষা করুন।"এটি এমন এক হাদীস যার বর্ণনাকারীগণ সহীহ গ্রন্থের বর্ণনাকারী, তবে হুমাইদ ও আনাসের মাঝে এটি বিচ্ছিন্ন, এতে সাবিত রয়েছেন। আমি এটি দামেস্কে উম্মুল হাসান বিনতে আল-মুনাজ্জার কাছে পাঠ করেছি, তিনি আবু বকর আহমাদ বিন আবদুদ দায়িম থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল-ইরবিলি থেকে, তিনি আবু বকর বিন আন-নাকুর থেকে, তিনি আবু বকর বিন আল-মুজাফফর থেকে,
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْحِرَفِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ النَّجَّادُ، قُرِئَ عَلَى يَحْيَى بْنِ أَبِي طَالِبٍ وَنَحْنُ نَسْمَعُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَكْرٍ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، فَذَكَرَهُ وَزَادَ فِي آخِرِهِ» ثُمَّ دَعَا اللَّهَ تَعَالَى لَهُ فَشَفَاهُ ".هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ، أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، وَالنَّسَائِيُّ، وَابْنُ مَاجَهْ، مِنْ رِوَايَةِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي عَدِيٍّ.وَمُسْلِمٌ، وَالتِّرْمِذِيُّ، وَالنَّسَائِيُّ، مِنْ رِوَايَةِ خَالِدِ بْنِ الْحَارِثِ.وَالتِّرْمِذِيُّ، مِنْ رِوَايَةِ سَهْلِ بْنِ يُوسُفَ، ثَلَاثَتُهُمْ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ ثَابِتٍ.فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا مِنْ حَدِيثِ حُمَيْدٍ مِنَ الْوَجْهَيْنِ جَمِيعًا الْأَثَرُ الْخَامِسُأَخْبَرَنِي الشَّيْخُ أَبُو إِسْحَاقَ التَّنُوخِيُّ، عَنْ أَبِي الْفَتْحِ بْنِ النَّشْوِ،
আবু আল-কাসিম আল-হিরাফি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু বকর আন-নাজ্জাদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইয়াহইয়া বিন আবি তালিবের কাছে পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা তা শুনছিলাম, তিনি আবদুল্লাহ বিন বাকর থেকে, তিনি হুমাইদ থেকে, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেন এবং এর শেষে যোগ করেন: "অতঃপর তিনি তাঁর জন্য মহান আল্লাহর কাছে দু'আ করলেন এবং তিনি তাঁকে আরোগ্য দান করলেন।"এটি একটি সহীহ হাদীস, যা মুসলিম, আন-নাসায়ী এবং ইবনে মাজাহ মুহাম্মদ বিন আবি আদীর বর্ণনা থেকে সংকলন করেছেন।এবং মুসলিম, আত-তিরমিযী এবং আন-নাসায়ী খালিদ বিন আল-হারিসের বর্ণনা থেকে সংকলন করেছেন।আর আত-তিরমিযী সাহল বিন ইউসুফের বর্ণনা থেকে সংকলন করেছেন; তাঁরা তিনজনই হুমাইদ থেকে, তিনি সাবিত থেকে বর্ণনা করেছেন।সুতরাং আমাদের নিকট হুমাইদ-এর হাদীস উভয় সূত্র থেকেই উচ্চ সনদে পৌঁছেছে। পঞ্চম বর্ণনাশায়খ আবু ইসহাক আত-তানুখী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবু আল-ফাতহ বিন আন-নাশু থেকে বর্ণনা করেন।
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنِ طَافِرٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ الْحَافِظُ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ بْنُ الطُّيُورِيِّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ الْفَالِي، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ، أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنَا سَهَلُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنِ الصُّبَاحِ، حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَنَفِيُّ، حَدَّثَنَا قُرَّةُ بْنُ خَالِدٍ، قَالَ: " كَانَ الْحَسَنُ الْبَصْرِيُّ، يَقُولُ عِنْدَ السَّكْتَةِ إِذَا فَرَغَ مِنَ الْحَدِيثِ يَكُونُ هَجِيرًا: سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ "آخر المجلس الرابع من الأمالي الحلبية
আবু মুহাম্মদ বিন তাফির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু তাহির আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-হুসাইন বিন আল-তুয়ূরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-হাসান আল-ফালি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ বিন ইসহাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-হাসান বিন আবদুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সাহল বিন মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন আল-সুবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আলী আল-হানাফি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কুররাহ বিন খালিদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "হাসান বসরী যখন হাদীস বর্ণনা শেষ করে বিরতি নিতেন, তখন তিনি সর্বদা এই কথাটি বলতেন: 'আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি তাঁর প্রশংসার সাথে, মহান আল্লাহ অতি পবিত্র'।"'আল-আমালি আল-হালাবিয়্যাহ' এর চতুর্থ মজলিসের সমাপ্তি।
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
الْمَجْلِسُ الْسادسُثم أملى علينا يوم الثلاثاء خامس ذي القعدة الحرام سنة ست وثلاثين وثمان مائة بجامع حلب فقال: الْحَدِيثُ السَّادِسُأَخْبَرَنِي الْإِمَامُ شَيْخُ الْحُفَّاظِ أَبُو الْفَضْلِ عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ أَبِي عَبْدُ اللَّهِ الْعِرَاقِيُّ رحمه الله، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْقَيِّمِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ، أَخْبَرَنَا يُوسُفُ بْنُ خَلِيلٍ الْحَافِظُ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ نَصْرٍ الصَّيْدَلَانِيُّ، قَالَ أَبُو الْحَسَنِ: وَأَخْبَرَنَا عَالِيًا الصَّيْدَلَانِيُّ، الْمَذْكُورُ إِجَازَةً، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَدَّادُ، أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، أَخْبَرَنَا الطَّبَرَانِيُّ، فِي جُزْءِ مَنِ اسْمُهُ عَطَاءٌ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْمُبَارَكِ الصَّنْعَانِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي أُوَيِسٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي مَرْوَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ كَعْبِ الْأَحْبَارِ، قَالَ: كَانَ دَاوُدُ عليه السلام إِذَا انْصَرَفَ مِنْ صَلَاتِهِ، قَالَ: «اللَّهُمَّ أَصْلِحُ لِي دِينِي الَّذِي جَعَلْتَهُ عِصْمَةَ أَمْرِي، وَأصْلِحُ لِي
ষষ্ঠ মজলিসঅতঃপর তিনি আমাদের নিকট ৮৩৬ হিজরি সালের জিলকদ মাসের পাঁচ তারিখ মঙ্গলবার দিন আলেপ্পোর জামে মসজিদে ইমলা প্রদান করেন এবং বলেন: ষষ্ঠ হাদিসইমাম, হাফেজগণের শাইখ আবু আল-ফজল আবদুর রহিম ইবনে আবি আবদুল্লাহ আল-ইরাকি (রাহিমাহুল্লাহ) আমাকে অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল কাইয়্যিম আমাকে অবহিত করেছেন, আবু আল-হাসান আলী ইবনে আহমদ ইবনে আবদুল ওয়াহিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাফেজ ইউসুফ ইবনে খলিল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে নাসর আস-সাইদালানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আবু আল-হাসান বলেন: এবং উল্লেখিত আস-সাইদালানি উচ্চতর সনদে ইজাজতসূত্রে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলী আল-হাদ্দাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু নুআইম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাবারানি ‘যাদের নাম আতা’ নামক গ্রন্থে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী ইবনে আল-মুবারক আস-সানআনি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল ইবনে আবি উয়াইস আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান ইবনে আবিয যিনাদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি মুসা ইবনে উকবা থেকে, তিনি আতা ইবনে আবি মারওয়ান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি কাব আল-আহবার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: দাউদ (আলাইহিস সালাম) যখন তাঁর নামাজ শেষ করতেন, তখন বলতেন: «হে আল্লাহ! আমার জন্য আমার দ্বীনকে সংশোধন করে দিন, যাকে আপনি আমার কাজের রক্ষাকবচ বানিয়েছেন এবং সংশোধন করে দিন আমার...»
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
دُنْيَايَ الَّتِي جَعَلْتَ فِيهَا مَعَاشِي، وَأصْلِحْ لِي آخِرَتِي الَّتِي جَعَلْتَ إِلَيْهَا مَعَادِي، اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ، وَبِعَفْوِكَ مِنْ نِقْمَتِكَ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْكَ، لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلَا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ» .قَالَ كَعْبٌ: وَأَخْبَرَنِي صُهَيْبٌ، رضي الله عنه «أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَنْصَرِفُ بِهَذَا الدُّعَاءِ مِنْ صَلَاتِه» .قَالَ الطَّبَرَانِيُّ: لَا يُرْوَى عَنْ صُهَيْبٍ إِلَّا بِهَذَا الْإِسْنَادِ.هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ، أَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سَوَادٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ وَهْبٍ، عَنْ حَفْصِ بْنِ مَيْسَرَةٍ، عَنْ مَوسَى بْنِ عُقْبَةِ، بِهَذَا الْإِسْنَادِ.فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا.وَأَخْرَجَهُ أَيْضًا، مِنْ طَرِيقِ سَعْدِ بْنِ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جَعْفَرٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي الزِّنَادِ، لَكِنْ زَادَ فِيهِ بَيْنَ أَبِي مَرْوَانَ، وَكَعْبٍ عَبْدُ الرَّحَمَنِ بْنُ مُغِيثٍ، وَقَدْ قِيلَ: إِنَّهُ اسْمُ أَبِي مَرْوَانَ، قَالَ: كَانَ كَذَلِكَ.
আমার সেই দুনিয়াকে (সংশোধন করুন) যাতে আপনি আমার জীবিকা রেখেছেন, এবং আমার সেই আখিরাতকেও সংশোধন করুন যাতে আপনি আমার প্রত্যাবর্তন নির্ধারণ করেছেন। হে আল্লাহ! আমি আপনার সন্তুষ্টির মাধ্যমে আপনার অসন্তুষ্টি হতে আশ্রয় চাই, এবং আপনার ক্ষমার মাধ্যমে আপনার শাস্তি হতে আশ্রয় চাই। আর আমি আপনার নিকট হতে আপনারই আশ্রয় প্রার্থনা করি। আপনি যা দান করেছেন তা রোধ করার কেউ নেই, আর আপনি যা রোধ করেছেন তা দান করার কেউ নেই। আর কোনো বিত্তবানের বিত্ত আপনার বিপরীতে তার কোনো উপকারে আসবে না।কাব বলেন: এবং সুহাইব (রাজিয়াল্লাহু আনহু) আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সালাত শেষে এই দোয়ার মাধ্যমেই প্রস্থান করতেন।"তাবারানি বলেন: সুহাইব থেকে এই সনদ ব্যতিরেকে এটি বর্ণিত হয়নি।এটি একটি হাসান হাদিস। ইমাম নাসায়ি এটি আমর ইবনে সাওয়াদ, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব, তিনি হাফস ইবনে মাইসারা, তিনি মুসা ইবনে উকবা থেকে এই সনদে বর্ণনা করেছেন।এটি আমাদের নিকট উচ্চ সনদে পৌঁছেছে।তিনি এটি সাদ ইবনে আব্দুল হামিদ ইবনে জাফর, তিনি ইবনুল আবিয যিনাদ-এর সূত্রেও বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি এতে আবু মারওয়ান এবং কাব-এর মাঝে আব্দুর রহমান ইবনে মুগিস-কে অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন। আর বলা হয়ে থাকে যে, এটিই আবু মারওয়ানের নাম। তিনি বলেছেন: বিষয়টি এমনই ছিল।
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৬০)
فَعَنْ زَائِدَةٍ.وَقِيلَ: اسْمَهُ سَعِيدٌ، وَقِيلَ: مُغِيثٌ، وَهُوَ تَابِعِيٌّ، وَثَّقَهُ الْعِجْلِيُّ، وَذَكَرَهُ بَعْضُهُمْ فِي الصَّحَابَةِ، وَابْنُهُ تَابِعِيٌّ صَغِيرٌ.وَفِي الْإِسْنَادِ أَرْبَعَةٌ مِنَ التَّابِعِينِ، فِي نَسَقٍ، أَوَّلُهُمْ مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، وَعَلَى ظَاهِرِ رِوَايَةِ سَعْدِ بْنِ عَبْدِ الْحَمِيدِ يَكُونُ فِيهِ خَمْسَةٌ الْحَدِيثُ السَّابِعُأَخْبَرَنِي الْمُسْنِدُ الْخَيِّرُ أَبُو مُحَمَّدٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ سَلْمَانَ الْبَالِسِيُّ ثُمَّ الصَّالِحِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ الرَّضِيِّ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْمَرْدَاوِيُّ الْخَطِيبِ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ مَحْمُودٍ الثَّقَفِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ عَبْدِ الرَّزَّاقِ الْحَسْنَابَاذِيُّ، وَآخَرُونَ، قَالُوا: أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ بْنُ عُمَرِ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنِ الْمُقْرِئِ، فِي الْأَرْبَعِينَ لَهُ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنُ سِنَانٍ، حَدَّثَنَا عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنُ بَيَانٍ، حَدَّثَنَا هُشَيْمُ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، رضي الله عنهما، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
যায়েদাহ থেকে বর্ণিত।বলা হয়েছে: তাঁর নাম সাঈদ, আবার বলা হয়েছে: মুগীস; তিনি একজন তাবিঈ, আল-ইজলী তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন এবং কেউ কেউ তাঁকে সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত বলে উল্লেখ করেছেন, আর তাঁর পুত্র একজন ছোট তাবিঈ।আর সনদে ক্রমান্বয়ে চারজন তাবিঈ রয়েছেন, তাঁদের প্রথমজন হলেন মুসা বিন উকবাহ। সাদ বিন আব্দুল হামীদের বর্ণনার বাহ্যিক দিক অনুযায়ী এতে পাঁচজন তাবিঈ রয়েছেন। সপ্তম হাদিসআমাকে সংবাদ দিয়েছেন পুণ্যবান মুসনিদ আবু মুহাম্মদ উমর বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন সালমান আল-বালিসি, অতঃপর আল-সালিহি। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর বিন আল-রাদি। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-মারদাওয়ি আল-খাতিব। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন মাহমুদ আল-সাকাফি। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল কারিম বিন আব্দুল রাজ্জাক আল-হাসনাবাদী এবং আরও অনেকে। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল রাজ্জাক বিন উমর। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর বিন আল-মুকরি তাঁর আরবাঈন গ্রন্থে। তিনি বলেন, আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন জাফর বিন আহমদ বিন সিনান। তিনি বলেন, আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্দুল হামিদ বিন বায়ান। তিনি বলেন, আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন হুশাইম। তিনি বলেন, আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, তিনি আদি বিন সাবিত থেকে, তিনি সাঈদ বিন জুবায়ের থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৬১)
«مَنْ سَمِعَ النِّدَاءَ فَلَمْ يَأْتِ، فَلَا صَلَاةَ لَهُ إِلَّا مِنْ عُذْرٍ» .هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ، أَخْرَجَهُ ابْنُ مَاجَه، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ بَيَانٍ، بِهَذَا الْإِسْنَادِ.فَوَقَعَ لَنَا مُوَافَقَةٌ عَالِيَةٌ بِاعْتِبَارِ اتِّصَالِ السَّمَاعِ.وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانٍ، مِنْ هَذَا الْوَجْهِ.وَأَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ، مِنْ طَرِيقٍ آخَر، عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ، بِلَفْظٍ آخَرَ الْحَدِيثُ الثَّامِنُأَخْبَرَنِي الشَّيخُ أَبُو إِسْحَاقَ التَّنُوخِيُّ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي طَالِبٍ، وَعِيسَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، إِجَازَةً مِنْهُ وَسَمَاعًا عَلَى الْأَوَّلِ، قَالَا: أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُنْجِي بْنُ الْلُقَيِّ، قَالَ عِيسَى: سَمَاعًا، وَأَحْمَدُ إِنْ لَمْ يَكُنْ سَمَاعًا فَأَجَازَهُ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَقْتِ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى بَيْتِي وَنَحْنُ نَسْمَعُ، أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي شُرَيْحٍ أَخْبَرَهُمْ، حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ النَّضَوِيُّ، حَدَّثَنَا مُصْعَبُ
"যে ব্যক্তি আজান শুনল অথচ (জামাতে) উপস্থিত হলো না, ওজর ব্যতীত তার কোনো সালাত নেই।"এটি একটি সহিহ হাদিস, ইবনে মাজাহ এটি আব্দুল হামিদ ইবনে বায়ান থেকে এই সনদে বর্ণনা করেছেন।শ্রবণের নিরবচ্ছিন্নতার বিচারে আমাদের জন্য এখানে উচ্চ পর্যায়ের 'মুওয়াফাকাহ' (সামঞ্জস্যপূর্ণ সনদ) অর্জিত হয়েছে।এবং ইবনে হিব্বান এই সুত্র থেকে একে সহিহ বলেছেন।আবু দাউদ এটি অন্য সূত্রে আদি ইবনে সাবিত থেকে ভিন্ন শব্দে বর্ণনা করেছেন। অষ্টম হাদিসআমাকে শায়খ আবু ইসহাক আত-তানুখি সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে আবি তালিব এবং ঈসা ইবনে আব্দুল্লাহ—তাঁদের থেকে ইজাজাহ (অনুমতি) সূত্রে এবং প্রথমজনের থেকে সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মুনজি ইবনুল লুক্কি। ঈসা বলেন: সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে; আর আহমদ যদি শ্রবণের মাধ্যমে না-ও হয় তবে তা ইজাজাহ হিসেবে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ওয়াক্ত, তিনি বলেন: আমার বাড়িতে এটি পাঠ করা হয়েছিল এবং আমরা তা শুনছিলাম যে, আব্দুর রহমান ইবনে আবি শুরাইহ তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আন-নাদাউয়ি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুসআব।
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৬২)
بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الزُّبَيْرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرٍ، رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «أَلَا أُخْبِرُكُم عَلَى مَنْ تُحَرَّمُ النَّارُ، عَلَى كُلِّ هَيِّنٍ لَيِّنِ قَرِيبِ سَهْلِ» .هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ، أَخْرَجَهُ أَبُو يَعْلَى، فِي مُسْنَدِهِ، عَنْ مُصْعَبٍ، بِهَذَا الْإِسْنَادِ.فَوَقَعَ لَنَا مُوَافَقَةٌ عَالِيَةٌ.وَأَخْرَجَهُ الطَّبَرَانِيُّ، فِي الْأَوْسَطِ، عَنْ أَحْمَدَ بْنِ يَحْيَى الْحَلَوَانِيِّ، عَنْ مُصْعَبٍ، فَوَقَعَ لَنَا بَدَلًا عَالِيًا.قَالَ الطَّبَرَانِيُّ: لَمْ يَرْوِهِ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ إِلَّا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُصْعَبٍ، تَفَرَّدَ بِهِ ابْنُهُ.
বিন আবদুল্লাহ আল-যুবায়রী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম বিন উরওয়াহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আল-মুনকাদির, জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "আমি কি তোমাদেরকে জানাব না কার জন্য জাহান্নাম হারাম? এমন প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য যে নম্র, কোমল, (মানুষের) নিকটবর্তী এবং সহজ-সরল।"এটি একটি হাসান হাদীস। আবু ইয়ালা তাঁর মুসনাদে মুসআব থেকে এই সনদে এটি বর্ণনা করেছেন।এর ফলে আমরা একটি উচ্চ পর্যায়ের মুওয়াফাকাত (সনদগত সামঞ্জস্য) লাভ করেছি।তাবারানি এটি 'আল-আওসাত' গ্রন্থে আহমদ বিন ইয়াহইয়া আল-হালওয়ানি থেকে, তিনি মুসআব থেকে বর্ণনা করেছেন; ফলে আমাদের জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের বাদাল (বিকল্প সনদ) অর্জিত হয়েছে।তাবারানি বলেছেন: হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে আবদুল্লাহ বিন মুসআব ব্যতীত আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি, এবং তাঁর পুত্র এটি বর্ণনায় একক হয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৬৩)
قُلْتُ: لَعَلَّهُ يُرِيدُ بِهَذَا الْإِسْنَادَ، وَإِلَّا فَقَدْ سُئِلَ أَبُو زُرْعَةِ الرَّازِيُّ عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ، فَقَالَ: وَهِمَ فِيهِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُصْعَبٍ؛ فَقَد رَوَاهُ اللَّيْثُ، وَعَبْدَةُ بْنُ سُلَيِمَانَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، فَقَالَا: عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو الْأَوْدِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ.قُلْتُ: رِوَايَةُ عَبْدَةَ عِنْدَ التِّرْمِذِيِّ وَلَعَلَّهُ عِنْدَ هِشَامٍ بِإِسْنَادَيْنِ الْحَدِيثُ التَّاسِعُقَرَأْتُ عَلَى فَاطِمَةَ بِنْتِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْهَادِي، عَنْ أَبِي نَصْرِ بْنِ الْعِمَادِ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنِ بُنْيَمَانَ، فِي كِتَابِهِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَلَاءِ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظِ، أَخْبَرَنَا الطَّبَرَانِيُّ، فِي الْأَوْسَطِ، حَدَّثَنَا مُطَّلِبٌ هَوَ ابْنُ شُعَيْبٍ،
আমি বলছি: সম্ভবত তিনি এই সনদের কথা বুঝিয়েছেন, নতুবা আবু যুরআহ আর-রাজিকে এই হাদিসটি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেছিলেন: আবদুল্লাহ ইবনে মুসআব এতে ভুল করেছেন; কারণ লাইস এবং আবদাহ ইবনে সুলাইমান এটি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেছেন: মূসা ইবনে উকবাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর আল-আওদি থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে।আমি বলছি: আবদাহর বর্ণনাটি তিরমিযীর নিকট রয়েছে এবং সম্ভবত হিশামের নিকট এটি দুটি সনদে বর্ণিত হয়েছে। নবম হাদিসআমি ফাতিমা বিনতে মুহাম্মাদ বিন আব্দুল হাদী-এর নিকট পাঠ করেছি, তিনি আবু নাসর বিন আল-ইমাদ থেকে বর্ণনা করেছেন, আবু মুহাম্মাদ বিন বুনইয়ামান আমাদের তাঁর কিতাবে সংবাদ দিয়েছেন, আবুল আলা আল-হাসান বিন আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলী আল-হাসান বিন আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আত-তাবারানি আল-আওসাত গ্রন্থে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুত্তালিব—যিনি ইবনে শুআইব—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন,
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৬৪)
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ عِمْرَانَ، حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ مَوْلَى الْمَهْرِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو رضي الله عنهما، أَنَّ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ رضي الله عنه، قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَوْصِنِي، قَالَ: «اعْبُدِ اللَّهَ لَا تشْرِكْ بِهِ شَيْئًا» .قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، زِدْنِي، قَالَ: «إِذَا أَسَأْتَ فَأَحْسِنْ» .قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، زِدْنِي، قَالَ: «اسْتَقِمْ وَلْتُحْسِنْ خُلُقَكَ» .هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ، أَخْرَجَهُ الْحَاكِمُ، مِنْ طَرِيقِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ صَالِحٍ، بِهَذَا الْإِسْنَادِ،
আবদুল্লাহ ইবন সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হারমালাহ ইবন ইমরান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মাহরি-এর আযাদকৃত গোলাম সাঈদ ইবন আবু সাঈদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন আমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, মুয়ায ইবন জাবাল (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমাকে উপদেশ দিন। তিনি বললেন: «আল্লাহর ইবাদত করো এবং তাঁর সাথে কোনো কিছু শরীক করো না»।তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমাকে আরো বাড়িয়ে দিন। তিনি বললেন: «যখন তুমি কোনো মন্দ কাজ করবে, তখন ভালো কাজ করো»।তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমাকে আরো বাড়িয়ে দিন। তিনি বললেন: «অবিচল থাকো এবং তোমার চরিত্রকে সুন্দর করো»।এটি একটি হাসান হাদীস। ইমাম হাকেম আবদুল্লাহ ইবন সালেহর সূত্রে এই সনদে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৬৫)
وَرُوَاتُهُ مِصْرِيُّونَ مُوَثَّقُونَ، لَكِنْ فِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ صَالِحٍ مَقَالٌ، وَلَمْ يَنْفَرِدْ بِهِ، وَلَهُ شَاهِدٌ مِنْ حَدِيثِ أَبِي ذَرٍّ، أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ وَلَفْظُهُ: «اتَّقِ اللَّهُ حَيْثُ كُنْتَ، وَأتْبِعِ السَّيِّئَةَ الْحَسَنَةَ تَمْحُهَ، وَخَالِقِ النَّاسَ بِخُلُقٍ حَسَنٍ» .وَقَدْ تُعُقِّبَ عَلَى ابْنِ عَبْدِ الْبَرِّ فِي عَدِّهِ الْأَحَادِيثَ الْأَرْبَعَةَ مِنْ بَلَاغَاتِ مَالِكٍ الَّتِي ذَكَرَ أَنَّهَا لَا تُوجَدُ إِلَّا فِي الْمُوَطَّإِ، فَمِنْهَا: أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَوْصَى مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ، فَقَالَ: «أَحْسِنْ خُلُقَكَ لِلنَّاسِ يَا مُعَاذُ بْنُ جَبَلٍ» .وكَانَ حَدِيثُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو أَصْلُ هَذَا الْبَلَاغِ وَاللَّهُ أَعْلَمُ.أَنْشَدَنِي الشَّيْخُ أَبُو إِسْحَاقِ إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ، قَالَ: أَنْشَدَنِي الْحَافِظُ أَبُو الْحَجَّاجِ الْمِزِّيُّ لِنَفْسِهِ:ارْضَ مِنَ اللَّهِ مَا يُقَدِّرُهُ … أَرَادَ مِنْكَ الْمُقَامَ أَوْ نَقَلَكْ
এর বর্ণনাকারীগণ মিশরীয় এবং নির্ভরযোগ্য, তবে আবদুল্লাহ বিন সালেহ সম্পর্কে কিছু সমালোচনা রয়েছে, যদিও তিনি এই বর্ণনায় একক নন। আবু যার (রা.) বর্ণিত একটি হাদীসে এর একটি সমর্থক বর্ণনা (শাহিদ) রয়েছে যা ইমাম তিরমিযী সংকলন করেছেন এবং এর শব্দমালা হলো: "তুমি যেখানেই থাকো আল্লাহকে ভয় করো, মন্দের পর পুণ্যকর্ম করো যা তাকে মিটিয়ে দেবে এবং মানুষের সাথে উত্তম চরিত্রের মাধ্যমে মেলামেশা করো।"ইবনে আব্দুল বারর ইমাম মালিকের সেই চারটি 'বালাগাত' (সনদবিহীন বর্ণনা) গণনার ক্ষেত্রে সমালোচিত হয়েছেন যেগুলি সম্পর্কে তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে তা কেবল মুয়াত্তা গ্রন্থেই পাওয়া যায়। তার মধ্যে একটি হলো: নবী (সা.) মুয়াজ বিন জাবালকে ওসিয়ত করে বলেছিলেন: "হে মুয়াজ বিন জাবাল! মানুষের নিকট তোমার চরিত্রকে সুন্দর করো।"আর আবদুল্লাহ বিন আমরের হাদীসটিই ছিল এই বালাগাত বা বর্ণনার মূল ভিত্তি, আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।শায়খ আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন আহমাদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আমাকে আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: হাফেজ আবু হাজ্জাজ আল-মিযযী আমাকে তাঁর নিজের রচিত এই পঙক্তি আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন:আল্লাহ যা নির্ধারণ করেন তাতে সন্তুষ্ট থাকো … তিনি তোমার জন্য একস্থানে অবস্থান বা স্থানান্তর যা-ই ইচ্ছা করুন না কেন।
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৬৬)
وَحَيْثُ مَا كُنْتَ ذَا رَفَاهِيَةٍ … فَاسْكُنْ فَخَيْرُ الْبِلَادِ مَا حَمَلَكْقَالَ الْمُحَلَّى، أَبْقَاهُ اللَّهُ تَعَالَى: وَزِدْتُ فِيهَا:وَحَسِّنِ الْخُلْقَ وَاسْتَقِمْ وَمَتَى … أَسَأْتَ أَحْسِنْ وَلَا تُطِلْ أَمَلَكْمَنْ يَتَّقِ اللَّهَ يُؤْتِهِ فَرَجًا … وَمَنْ عَصَاهُ وَلَا يَتُوبَ هَلَكْآخِرُ الْمَجْلِسُ الْخَامِسُ مِنَ الْأَمَالِي الْحَلِبِيَةِ
আর যেখানেই আপনি সচ্ছল অবস্থায় থাকেন … সেখানেই বসবাস করুন, কারণ সর্বোত্তম জনপদ সেটিই যা আপনাকে ধারণ করে।আল-মুহাল্লা (আল্লাহ তাআলা তাঁকে দীর্ঘজীবী করুন) বলেন: আমি এতে সংযোজন করেছি:চরিত্রকে সুন্দর করুন ও অবিচল থাকুন এবং যখনই … মন্দ কাজ করবেন তখনই ভালো কাজ করুন এবং আপনার আকাঙ্ক্ষা দীর্ঘ করবেন না।যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে তিনি তাকে সংকট থেকে মুক্তির পথ দান করেন … আর যে ব্যক্তি তাঁর অবাধ্য হয় এবং তওবা করে না সে ধ্বংস হয়।‘আল-আমালি আল-হালাবিয়্যাহ’-এর পঞ্চম মজলিসের সমাপ্তি।
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৬৭)
الْمَجْلِسُ السَّابعثم أملى علينا يوم الثلاثاء ثاني ذي القعدة الحرام سنة ست وثلاثين وثمان مائة بجامع حلب فقال: الْحَدِيثُ الْعَاشِرُأَخْبَرَنِي أَبُو الْعَبَاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ الْحَقِ الدِّمِشْقِيُّ، بِهَا، وَأَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَحْمَدَ الْبَعْلِيُّ، بَالْقَاهِرَةِ، قَالَا: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ أَبِي التَّائِبِ، أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ خَلِيلٍ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ مَحْمُودٍ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي نِزَارَ، حُضُورًا، وَفَاطِمَةُ بِنْتُ عَبْدِ اللَّهِ الجَوْزَدَانِيَّةُ، سَمَاعًا، قَالَا: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ رَيْذَةَ، أَخْبَرَنَا الطَّبَرَانِيُّ، فِي الْمُنْتَقَى مِنْ مُعْجَمِهِ الصَّغِيرِ للذَّهَبِيِّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عُثْمَانَ، حَدَّثَنَا نُعَيْمُ بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الْأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «إِنَّكُمْ فِي زَمَانٍ مَنْ تَرَكَ مِنْكُمْ عُشْرَ مَا أُمِرَ بِهِ هَلَكَ، وَسَيَأْتِي عَلَى النَّاسِ زَمَانٌ، مَنْ عَمِلَ مِنْهُمْ بِعُشْرِ مَا أُمِرَ بِهِ نَجَا» .
সপ্তম মজলিসঅতঃপর তিনি আটশ ছত্রিশ হিজরী সনের যিলকদ আল-হারাম মাসের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার হালাবের জামে মসজিদে আমাদের নিকট শ্রুতিলিপি প্রদান করেন, তিনি বলেন: দশম হাদিসআমাকে আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আলী বিন আব্দুল হক আদ-দিমাশকী সেখানে (দামেস্কে), এবং আবু ইসহাক ইবরাহীম বিন আহমাদ আল-বালি কায়রোতে সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আল-হুসাইন বিন আবিত তায়িব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহীম বিন খলীল, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন মাহমুদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন আবি নিযার (উপস্থিতির মাধ্যমে) এবং ফাতিমা বিনত আব্দুল্লাহ আল-জাওযদানিয়্যাহ (শ্রবণের মাধ্যমে), তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর বিন রাইদাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাবারানী, আয-যাহাবীর চয়নকৃত তাঁর 'আল-মুজামুস সাগির' গ্রন্থে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন উসমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নুয়াইম বিন হাম্মাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহ, তিনি আবুল যিনাদ থেকে, তিনি আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই তোমরা এমন এক যুগে আছ যে, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তাকে যা আদেশ করা হয়েছে তার দশ ভাগের এক ভাগ বর্জন করবে সে ধ্বংস হয়ে যাবে। আর অচিরেই মানুষের ওপর এমন এক যুগ আসবে, যখন তাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তাকে যা আদেশ করা হয়েছে তার দশ ভাগের এক ভাগ আমল করবে সে মুক্তি পেয়ে যাবে।» .
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৬৮)
هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ، أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ يَعْقُوبَ، عَنْ نُعَيْمِ بْنِ حَمَّادٍ، وَقَالَ: لَا نَعْرِفُهُ إِلَا مِنْ حَدِيثِ نُعَيْمِ بْنِ حَمَّادٍ، عَنِ ابْنِ عُيَيْنَةَ، وَفِي الْبَابِ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، وَأَبِي سَعِيدٍ.وَكَذَا قَالَ الطَّبَرَانِيُّ: إِنَّ نُعَيْمًا تَفَرَّدَ بِهِ.وَقَالَ لَنَا شَيْخُنَا أَبُو إِسْحَاقَ: قَالَ لَنَا الذَّهَبِيُّ: لَمْ يَرْوِهِ إِلَّا نُعَيْمٌ، وَلَيْسَ لَهُ أَصْلٌ وَلَا شَاهِدٌ، وَنُعَيْمٌ مُنْكَرُ الْحَدِيثِ مَعَ إِمَامَتِهِ.قَلْتُ: لَعَلَّ مُرَادَهُ بِنَفْيِ الْأَصْلِ يُفِيدُ كَوْنَهُ مِنْ حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ، وَهُوَ كَذَلِكَ، وَأَمَا نَفْيَهُ الشَّاهِدُ فَمُتَعَقِّبُ بِقَولِ التِّرْمِذِيِّ
এটি একটি গরীব হাদিস, তিরমিযী এটি ইবরাহীম বিন ইয়াকূব থেকে এবং তিনি নুআইম বিন হাম্মাদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: আমরা ইবনে উয়াইনা থেকে নুআইম বিন হাম্মাদের সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে জানি না। এই বিষয়ে আবু যর এবং আবু সাঈদ থেকেও বর্ণনা রয়েছে।একইভাবে তাবারানী বলেছেন: নিশ্চয়ই নুআইম এটি বর্ণনায় একক হয়ে পড়েছেন।আমাদের শায়খ আবু ইসহাক আমাদের বলেছেন: যাহাবী আমাদের বলেছেন: নুআইম ছাড়া আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি, এবং এর কোনো ভিত্তি কিংবা সাক্ষী নেই। আর নুআইম তার ইমামত বা নেতৃত্ব সত্ত্বেও হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে 'মুনকার' (প্রত্যাখ্যাত)।আমি বলছি: সম্ভবত ভিত্তিহীন বলার দ্বারা তাঁর উদ্দেশ্য হলো এটি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত হাদিস হিসেবে ভিত্তিহীন হওয়া, আর বিষয়টি তেমনই। তবে সাক্ষী না থাকার বিষয়টি অস্বীকার করার ব্যাপারে তিরমিযীর উক্তি দ্বারা আপত্তি উত্থাপিত হয়।
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৬৯)
وَقَدْ وَقَعَ لِي حَدِيثِ أَبِي ذَرٍّ: أَخْبَرَنِي الشَّيْخُ الْحَافِظُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ الْبَزَّارُ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى زَيْنَبَ الْمَقْدِسِيَّةِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ، عَنْ أَبِي عَلِيٍّ الرَّصَافِيِّ، سَمَاعًا، أَخْبَرَنَا هِبَةُ اللَّهُ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا مُؤَمَّلُ هَوَ ابْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ هَوَ ابْنُ سَلَمَةَ، حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ الْأَسْوَدُ، قَالَ مُؤَمَّلٌ: وَكَانَ رَجُلًا صَالِحًا، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا الصِّدِّيقِ، يُحَدِّثُ ثَابِتًا الْبُنَانِيَّ، عَنْ رَجُلٍ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهُ صلى الله عليه وسلم: " إِنَّكُمْ فِي زَمَانٍ خُطَبَاؤُهُ قَلِيلٌ، وَعُلَمَاؤُهُ كَثِيرٌ، وَمَنْ تَرَكَ فِيهِ عُشْرَ مَا يَعْلَمُ هَوَى، أَوْ قَالَ: هَلَكَ، وَسَيَأْتِي زَمَانٌ كَثِيرٌ خُطَبَاؤُهُ قَلِيلٌ عُلَمَاؤُهُ، مَنْ عَمِلَ فِيهِ بِعُشْرِ مَا يَعْلَمُ نَجَا ".وَرِجَالُ هَذَا الْإِسْنَادِ لَا بَأْسَ بِهِمْ إِلَّا الرَّجُلَ الْمُبْهَمَ
আবু যার (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণিত হাদিসটি আমার নিকট এভাবে পৌঁছেছে: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আল-হাফিয আবুল হাসান আলী বিন আবি বকর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী বিন আহমাদ আল-বাযযার, তিনি বলেন: যাইনাব আল-মাকদিসিয়্যার নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমরা শুনছিলাম, আবু আলী আর-রাসাফি থেকে শ্রবণপূর্বক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান বিন আলী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন জা'ফর, আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ থেকে, (তিনি বলেন) আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুআম্মিল—যিনি ইসমাইলের পুত্র—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ—যিনি সালামার পুত্র—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ আল-আসওয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুআম্মিল বলেন: তিনি ছিলেন একজন পুণ্যবান ব্যক্তি, তিনি বলেন: আমি আবু আস-সিদ্দীককে সাবিত আল-বুনানির নিকট হাদিস বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি জনৈক ব্যক্তি থেকে, তিনি আবু যার (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই তোমরা এমন এক যুগে আছ যেখানে বক্তা কম কিন্তু আলেম (বিদ্বান) অনেক; যে ব্যক্তি এই সময়ে যা জানে তার দশমাংশ বর্জন করবে, সে বিপথগামী হবে (অথবা তিনি বলেছেন: ধ্বংস হবে)। আর অচিরেই এমন এক সময় আসবে যখন বক্তা হবে অনেক কিন্তু আলেম হবে কম; সেই সময়ে যে ব্যক্তি যা জানে তার দশমাংশের উপর আমল করবে, সে মুক্তি পাবে।"এবং এই সনদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য, কেবল সেই অস্পষ্ট (নামহীন) ব্যক্তি ব্যতীত।
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৭০)
الْحَدِيثُ الْحَادِيَ عَشَرَأَخْبَرَنِي أَبُو الْمَعَالِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَلِيٍّ الصُّوفِيُّ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ الْكَمَالِ، أَنَّ يُوسُفَ بْنَ خَلِيلٍ الْحَافِظَ، أَخْبَرَهُمْ فِي كِتَابِهِ، قَالَ: أَخَبَرَنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الطَّرْسُوسِيُّ، أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ الْمُقْرِئُ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ الْخَشَّابُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنِ جَعْفَرٍ الرُّقِيُّ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ السَّبِيعِيِّ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ عُمَيْرٍ مَوْلَى عُمَر، قَالَ: جَاءَ نَفَرٌ مِنَ الْعِرَاقِ إِلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، رضي الله عنه، فَقَالَ: «بِإِذْنِي جِئْتُمْ؟» قَالُوا: نَعَمْ.قَالَ: «فَمَاذَا جِئْتُمْ فِيهِ؟» قَالُوا: جِئْنَاكَ لِنَسْأَلَكَ عَنْ ثَلَاثٍ.قَالَ: مَا هُنَّ؟ قَالُوا: جِئْنَا لِنَسْأَلَكَ: عَنْ صَلَاةِ الرَّجُلِ فِي بَيْتِهِ تَطَوُّعًا، وَعَمَّا يَحِلُّ لِلرَّجُلِ مِنِ امْرَأَتِهِ حَائِضًا، وَعَنِ الْغُسْلِ مِنِ الْجَنَابَةِ؟ فَقَالَ: «أَسَحَرَةٌ أَنْتُمْ؟» فَقَالُوا: لَا وَاللَّهِ مَا نَحْنُ بِسَحَرَةٍ.قَالَ: «أَفَكَهَنَةٌ أَنْتُمْ؟» قَالُوا: لَا.قَالَ: «مَا سَأَلَنِي عَنْهُنَّ أَحَدٌ قَبْلَكُمْ مُنْذُ سَأَلْتُ رَسَولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْهُنَّ» ، قَالَ: " أَمَّا صَلَاةُ الرَّجُلِ فِي بَيْتِهِ تَطَوُّعًا: فَنَوِّرْ بَيْتَكَ مَا اسْتَطَعْتَ.وَأمَّا الْحَائِضُ: فَلَكَ مَا فَوْقَ الْإِزَارِ، وَلَيْسَ لَكَ مَا تَحْتَهُ، وَأَمَّا الْغُسْلُ مِنَ الْجَنَابَةِ: فَاغْسِلْ يَدَيْكَ ثَلَاثًا، ثُمَّ أَدْخِلْهَا الْإِنَاءَ، ثُمَّ اغْسِلْ
একাদশ হাদিসআবু আল-মাআলি আব্দুল্লাহ বিন উমর বিন আলী আল-সুফি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, যায়নাব বিনতে আল-কামাল থেকে, ইউসুফ বিন খলিল আল-হাফিয তাঁর কিতাবে তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল আল-তারসুসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-হাসান বিন আহমাদ আল-মুকরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ বিন ইসহাক আল-খাশশাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ বিন জাফর আল-রুক্কি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ বিন আমর আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, যায়িদ বিন আবি উনাইসাহ থেকে, তিনি আবু ইসহাক আল-সাবিঈ থেকে, তিনি আসিম বিন আমর থেকে, তিনি উমরের মুক্তদাস উমায়ের থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ইরাক থেকে একদল লোক উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নিকট আসলেন। তিনি বললেন: "তোমরা কি আমার অনুমতি নিয়ে এসেছ?" তারা বলল: হ্যাঁ।তিনি বললেন: "তবে তোমরা কী উদ্দেশ্যে এসেছ?" তারা বলল: আমরা আপনার নিকট তিনটি বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে এসেছি।তিনি বললেন: "সেগুলো কী?" তারা বলল: আমরা আপনার নিকট জিজ্ঞাসা করতে এসেছি: কোনো ব্যক্তির নিজ ঘরে নফল সালাত আদায় সম্পর্কে, ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে পুরুষের জন্য কী বৈধ সে সম্পর্কে এবং জানাবাত থেকে গোসল সম্পর্কে। তখন তিনি বললেন: "তোমরা কি জাদুকর?" তারা বলল: না, আল্লাহর শপথ, আমরা জাদুকর নই।তিনি বললেন: "তবে তোমরা কি গণক?" তারা বলল: না।তিনি বললেন: "আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এ বিষয়গুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার পর থেকে তোমাদের পূর্বে আর কেউ আমাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেনি।" তিনি বললেন: "ব্যক্তির নিজ ঘরে নফল সালাত সম্পর্কে কথা হলো: তোমার ঘরকে সাধ্যমতো আলোকিত করো।আর ঋতুবতী সম্পর্কে কথা হলো: তোমার জন্য লুঙ্গির উপরের অংশ বৈধ, আর তার নিচের অংশ তোমার জন্য বৈধ নয়। আর জানাবাত থেকে গোসল সম্পর্কে কথা হলো: তোমার দুই হাত তিনবার ধৌত করো, তারপর সেগুলো পাত্রে প্রবেশ করাও, তারপর ধৌত করো...
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৭১)
فَرْجَكَ وَمَا أَصَابَكَ، وَتَوَضَّأْ وُضُوءَكَ لِلصَّلَاةِ، ثُمَّ أَفْرِغْ عَلَى رَأْسِكَ ثَلَاثًا، ثُمَّ اغْسِلْ سَائِرَ جَسَدِكَ ".هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ، أَخْرَجَهُ أَبُو يَعْلَى، عَنْ أَبِي خَيْثَمَةَ زُهَيْرِ بْنِ حَرْبٍ، بِتَمَامِهِ.وَأَخْرَجَ ابْنُ مَاجَهْ طَرَفًا مِنْهُ، الْمُتَعَلِّقَ بِالصَّلَاةِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْحُسَيْنِ، كَلَاهُمَا، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَعْفَر، بِهَذَا الْإِسْنَادِ.فَوَقَعَ لَنَا بَدَلًا عَالِيًا.وَأَخْرَجَهُ ابْنُ مَاجَه أَيْضًا، مِنْ طَرَيقِ طَارِقٍ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ عُمَر، مُنْقَطِعًا.وَعَاصِمُ بْنُ عَمْرٍو هَوَ الْبَجْلِيُّ لَا بَأْسَ بَهَ وَهُوَ مِنْ قُدَمَاءِ شِيُوخِ شُعْبَةِ.وَقَدْ رَوَاهُ عَنْهُ شُعْبَةَ، فَخَالَفَ فِي شَيْخِهِ.
"...আপনার লজ্জাস্থান এবং যা আপনার (নাপাকি) লেগেছে তা ধৌত করুন; আর সালাতের ওযুর ন্যায় ওযু করুন, এরপর আপনার মাথায় তিনবার পানি ঢালুন, অতঃপর আপনার শরীরের অবশিষ্টাংশ ধৌত করুন।"এটি একটি হাসান হাদিস, আবু ইয়ালা এটি আবু খাইসামা যুহায়ের ইবন হারব থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে বর্ণনা করেছেন।ইবন মাজাহ এর একটি অংশ বর্ণনা করেছেন যা সালাত সংশ্লিষ্ট, মুহাম্মাদ ইবন আবিল হুসাইন থেকে; তারা উভয়েই আব্দুল্লাহ ইবন জাফর থেকে এই সনদে বর্ণনা করেছেন।ফলে এটি আমাদের নিকট একটি উচ্চতর বিকল্প সনদ (বাদল আলি) হিসেবে প্রাপ্ত হয়েছে।ইবন মাজাহ এটি তারিকের সূত্রে আসিম ইবন আমর থেকে, তিনি উমর থেকে বিচ্ছিন্ন (মুনকাতি) সনদেও বর্ণনা করেছেন।আর আসিম ইবন আমর হলেন আল-বাজালি, তিনি নির্ভরযোগ্য এবং শু'বাহর প্রাচীন শায়খদের অন্যতম।শু'বাহ তার থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি তার শায়খের বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৭২)
وَأَخْرَجَهُ الْإِمَامُ أَحْمَدُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ رَجُلٍ مِنَ الْقَوْمِ الَّذِينَ سَأَلُوا عُمَرَ رضي الله عنه، فَذَكَرَ مَعْنَاهُ بِطُولِهِ.وَيَبْعُدُ الْجَمْعُ بِأَنْ يَكُونَ عُمَيْرٌ مِنَ الثَّلَاثَةِ، وَالْعِلْمُ عِنْدَ اللَّهِ الْحَدِيثُ الثَّانِيَ عَشَرَأَخْبَرَنِي الشَّيْخُ أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدٍ الدِّمَشْقِيُّ، بِالْمَسْجِدَ الْحَرَامِ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي طَالِبٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ الْقَطِيعِيُّ، إِجَازَةً، أَخْبَرَنَا أَسْعَدُ بْنُ بُلْدَرْكٍ، أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ بُشْرَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيِّ بْنِ خُزَيْمَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو قُلَابَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عُطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، رضي الله عنهما، فِي اللَّمَمِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهُ صلى الله عليه وسلم: «إِنْ تَغْفِرِ اللَّهُمَّ تَغْفِرْ جَمًّا، وَأَيَّ عَبْدٍ لَكَ لَا أَلَمَّا» .هَذَا حَدِيثٌ سَنَدُهُ صَحِيحُ، وَفِي رَفْعِهِ نَكَارَةٌ.أَخْرَجَهُ الْحَاكِمُ، فِي المُسْتَدْرَكِ، عَنْ أَبِي الْعَبَاسِ الْأَصَمِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِنَانٍ، عَنْ أَبِي عَاصِمٍ.
ইমাম আহমাদ এটি মুহাম্মাদ ইবনে জাফর থেকে, তিনি শু’বাহ থেকে, তিনি আসিম থেকে, তিনি সেই সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেছেন যারা উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন; এরপর তিনি দীর্ঘভাবে এর মর্ম উল্লেখ করেছেন।উমায়ের সেই তিনজনের একজন হওয়ার মাধ্যমে সমন্বয় করা দূরহ বিষয়, আর প্রকৃত জ্ঞান আল্লাহর নিকট। দ্বাদশ হাদীসআমাকে শায়খ আবু ইসহাক ইবরাহীম ইবনে মুহাম্মাদ আদ-দিমাশকী মসজিদুল হারামে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের আহমাদ ইবনে আবু তালিব সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের আবুল হাসান আল-কাতিয়ী ইজাযাত প্রদান করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের আসআদ ইবনে বুলদারাক সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের আলী ইবনে আবদুর রহমান সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের আবুল কাসিম ইবনে বুশরান সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের আবু আলী ইবনে খুযাইমাহ হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের আবু কুলাবাহ হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের আবু আসিম হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের যাকারিয়া ইবনে ইসহাক হাদীস শুনিয়েছেন আমর ইবনে দীনার থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে ‘আল-লামাম’ (ছোট গুনাহ) প্রসঙ্গে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "হে আল্লাহ! যদি আপনি ক্ষমা করেন, তবে প্রভূত পরিমাণে ক্ষমা করেন; আর আপনার এমন কোন বান্দা আছে যে ছোটখাটো গুনাহে লিপ্ত হয়নি?"এটি এমন একটি হাদীস যার সনদ সহীহ, তবে এর মারফু হওয়ার ক্ষেত্রে নাকারাহ (অসমর্থনযোগ্যতা) রয়েছে।ইমাম হাকিম এটি আল-মুস্তাদরাক গ্রন্থে আবুল আব্বাস আল-আসাম থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে সিনান থেকে, তিনি আবু আসিম থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৭৩)
وَقَالَ: صَحِيحٌ عَلَى شَرْطِهِمَا، وَكَأَنَّهُمَا لَمْ يُخْرِجَاهُ لِرِوَايَةِ شُعْبَةِ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ مُجَاهِد، قَالَ: سُئِلَ ابْنُ عَبَّاسٍ، عَنِ اللَّمَمِ، قَالَ: هَوَ أَنْ يَذْنِبَ ثُمَّ لَا يَعُودُ، أَلَمْ تَسْمَعْ قَوْلَ الشَّاعِرُ:إِنْ تَغْفِرِ اللَّهُمَّ تَغْفِرْ جَمًّا … وَأَيُّ عَبْدٍ لَكَ لَا أَلَمَّا.قُلْتُ: وَقَدْ أَخْرَجَ الشَّيْخَانِ، مِنْ وَجْهٍ آخَرَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، فِي اللَّمَمِ، كَلَامًا آخَرَ، أَخْرَجَاهُ، مِنْ طَرِيقِ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: مَا رَأَيْتُ شَيْئًا أَشْبَهَ بِاللَّمَمِ مِمَّا قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم. . . فَذَكَرَ الْحَدِيثَ فِي زِنَى الْجَوَارِحِ، وَفِي آخِرِهِ: «وَالْفَرْجُ يُصَدِّقُ ذَلِكَ وَيُكَذِّبَهُ» .وَفِيهِ إِشَارَةٌ إِلَى أَنَّ اللَّمَمَ هَوَ الصَّغِيرَةُ، وَاللُّهُ أَعْلَمُ
এবং তিনি বলেছেন: এটি তাঁদের উভয়ের শর্তানুসারে সহীহ, এবং মনে হয় তাঁরা এটি শু'বাহর বর্ণনার কারণে সংকলন করেননি, যা মানসুর হতে, যা মুজাহিদ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: ইবনে আব্বাসকে ‘আল-লামাম’ (সামান্য পাপ) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি বললেন: তা হলো কোনো ব্যক্তি পাপ করবে অতঃপর আর তা করবে না। তুমি কি কবির উক্তি শোননি:হে আল্লাহ! আপনি যদি ক্ষমা করেন, তবে প্রভূত পরিমাণে ক্ষমা করবেন … আর আপনার কোন বান্দা আছে যে সামান্য পাপে লিপ্ত হয়নি?আমি বলছি: শাইখাইন অন্য একটি সূত্রে ইবনে আব্বাস হতে ‘আল-লামাম’ সম্পর্কে ভিন্ন কথা বর্ণনা করেছেন। তাঁরা এটি তাউসের সূত্রে ইবনে আব্বাস হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু হুরায়রা কর্তৃক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত হাদীসের চেয়ে ‘আল-লামাম’-এর সাথে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ আর কিছু আমি দেখিনি... অতঃপর তিনি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ব্যভিচার সম্পর্কিত হাদীসটি উল্লেখ করেন এবং এর শেষে রয়েছে: “এবং লজ্জাস্থান তা সত্যায়ন করে অথবা মিথ্যা প্রতিপন্ন করে।”আর এতে ইঙ্গিত রয়েছে যে ‘আল-লামাম’ হলো সগীরা বা ছোট গুনাহ, আর আল্লাহই ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: -)
آخر المجلس السادس من الأمالي الحلبية سمع جميع هذه المجالس الثلاثة من لفظ ممليها، أمتع الله الإسلام والمسلمين ببقائه، الشيخ الإمام العالم، قاضى المسلمين، صدر المدرسين أبو جعفر محمد ابن للشيخ الإمام العلامة شهاب الدين أبى العباس أحمد بن الضيائي العجمي، والولدان النجيبان الموفقان زين الدين أبو حفص عمر وشرف الدين أبو الصدق أبو بكر، ولدا سيدنا القاضي الإمام الفاضل البائع الأوحد ضياء الدين أبى البقاء محمد ابن للشيخ الإمام العالم زين الدين قاضى عساكر المسلمين أبى حفص عمر بن النصيبي الشافعي، وناصر الدين أبو عبد الله محمد بن عطاء الضيائي، وصح ذلك وثبت في المجالس لغرة يوم الثلاثاء ثاني عشر ذي القعدة الحرام سنة ست وثلاث مائة بالجامع الأموى بحلب.وسمعها أيضا كاتب هذه الأحرف محمد بن إبراهيم بن محمد السلامى عفا الله عنه، وأجاز المملى أبقاه الله تعالى لكل من سمعه أو حضره ما يجوز له وعنه روايته ولكن وحده.وصلى الله على سيدنا محمد وآله وصحبة وسلم، وحسبنا الله.صحح ذلك أحمد بن علي بن محمد بن حجر الشافعي.بسم الله الرحمن الرحيم وصلى الله على سيدنا محمد وعلى آله وصحبه وسلم.
'আল-আমালি আল-হালাবিয়্যাহ' এর ষষ্ঠ মজলিসের সমাপ্তি। এই তিনটি মজলিসই ইমলা প্রদানকারীর মুখনিঃসৃত শব্দ থেকে শ্রবণ করেছেন—আল্লাহ তাঁর দীর্ঘায়ুর মাধ্যমে ইসলাম ও মুসলিমদের উপকৃত করুন—শাইখ, ইমাম, আলিম, মুসলিমদের বিচারক, শিক্ষকবৃন্দের প্রধান আবু জাফর মুহাম্মদ, যিনি শাইখ ইমাম আল্লামা শিহাব আল-দীন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনুল জিয়া আল-আজামির পুত্র। আরও শ্রবণ করেছেন দুই অভিজাত ও তাওফিকপ্রাপ্ত পুত্র যাইনুদ্দীন আবু হাফস উমর এবং শারাফুদ্দীন আবুস সিদক আবু বকর; তারা দুজন আমাদের নেতা ক্বাদি, ইমাম, ফাদিল, অনন্য বিক্রেতা জিয়াউদ্দীন আবুল বাকা মুহাম্মদ এর পুত্র, যিনি শাইখ ইমাম আলিম যাইনুদ্দীন, মুসলিমদের সৈন্যবাহিনীর বিচারক আবু হাফস উমর ইবনুন নাসিবি আশ-শাফিয়ি এর পুত্র। আরও ছিলেন নাসিরুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আতা আদ-জিয়াই। আর হালবের জামে উমউয়িতে ৩০৬ হিজরি সনের পবিত্র জিলকদ মাসের ১২ তারিখ মঙ্গলবার সকালে এই মজলিসগুলোতে তা সঠিক ও সাব্যস্ত হয়েছে।আর এই অক্ষরগুলোর লেখক মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ আস-সালামি—আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন—এটি শ্রবণ করেছেন। আর ইমলা প্রদানকারী—আল্লাহ তাআলা তাঁকে দীর্ঘজীবী করুন—যারা শ্রবণ করেছেন বা উপস্থিত ছিলেন তাদের প্রত্যেককে তাঁর পক্ষ থেকে এককভাবে তা বর্ণনা করার অনুমতি দিয়েছেন যা তাঁর থেকে বর্ণনা করা বৈধ।আল্লাহ আমাদের নেতা মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার ও সাহাবীদের ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন। আর আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট।আহমদ বিন আলি বিন মুহাম্মদ বিন হাজার আশ-শাফিয়ি এটি সংশোধন করেছেন।পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আল্লাহ আমাদের নেতা মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার ও সাহাবীদের ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন।
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৭৪)
الْمَجْلِسُ الثامنأملى علينا سيدنا ومولانا الشيخ الإمام العلامة حافظ العصر، قاضى القضاة شيخ الإسلام شهاب الدين أبو الفضل أحمد بن حجر العسقلاني الشافعي أمتع الله بحياته يوم الثلاثاء تاسع عشر ذي القعدة الحرام سنة ست وثمان مائة بجامع حلب فقال: الْحَدِيثُ الثَّالِثَ عَشَرَأَخْبَرَنَا الْمُسْنِدُ الْخَيِّرُ تَقِيُّ الدِّينِ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا الْقَاضِي شَرَفُ الدِّينِ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ الْحَافِظِ، إِجَازَةً إِنْ لَمْ يَكُنْ سَمَاعًا، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعْدٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْهَادِي، الْقُدْسِيَّانِ، قَالَا: أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَرَجِ الثَّقَفِيُّ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ عَبْدِ اللَّهِ سَمَاعًا، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ التَّاجِرُ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسم الطَّبَرَانِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ مُوسَى الْمَرْوَزِيُّ، حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ الْعَبَّاسِ صَاحِبُ ابْنِ الْمُبَارَكِ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةِ، عَنِ ابْنِ مَسْعُود، رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " مَنْ أَعْطَى أَرْبَعًا أُعْطِيَ أَرْبَعًا، وَتَفْسِيرُ ذَلِكَ فِي كِتَابِ اللَّهِ، مَنْ أَعْطَى الذِّكْرَ ذَكَرَهُ اللَّهُ تَعَالَى، فَإِنَّ اللَّهَ تَعَالَى يَقُولُ: {فَاذْكُرُونِي أَذْكُرْكُمْ} [البقرة: 152] ، وَمَنْ أَعْطَى الدُّعَاءَ أُعْطِيَ
অষ্টম মজলিসআমাদের নিকট শ্রুতিলিপি (ইমলা) প্রদান করেছেন আমাদের নেতা ও অভিভাবক, শায়খ, ইমাম, আল্লামা, যুগের হাফেজ, প্রধান বিচারপতি, শায়খুল ইসলাম শিহাবুদ্দিন আবু ফজল আহমদ বিন হাজার আসকালানি শাফেয়ী—আল্লাহ তাঁর জীবন দ্বারা আমাদের উপকৃত করুন—আটশত হিজরি সনের উনিশে জিলকদ মঙ্গলবার আলেপ্পোর জামে মসজিদে, তিনি বলেছেন: ত্রয়োদশ হাদিসআমাদের সংবাদ দিয়েছেন পুণ্যবান মুসনিদ তাকিউদ্দীন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে উবায়দুল্লাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারপতি শরফুদ্দিন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে হাসান ইবনে হাফেজ—ইজাজাত (অনুমতি) হিসেবে যদি শ্রবণ না হয়ে থাকে—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে সাদ ও মুহাম্মদ ইবনে আবদুল হাদি আল-কুদসি, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফারাজ আস-সাকাফি, তিনি ফাতেমা বিনতে আবদুল্লাহ থেকে শ্রবণের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আত-তাজির, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আত-তাবারানি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে মুসা আল-মারওয়াযি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইবনুল মুবারকের সঙ্গী মাহমুদ ইবনে আব্বাস, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হুশাইম, তিনি আমাশ থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি আলকামা থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "যাকে চারটি বস্তু দান করা হয়েছে তাকে (বিনিময়ে) চারটি বস্তু দান করা হয়েছে, আর এর ব্যাখ্যা আল্লাহর কিতাবে বিদ্যমান। যাকে যিকির (স্মরণ) করার তাওফিক দেওয়া হয়েছে, আল্লাহ তায়ালা তাকে স্মরণ করেন, কেননা আল্লাহ তায়ালা বলেন: {অতএব তোমরা আমাকে স্মরণ করো, আমি তোমাদের স্মরণ করব} [বাকারা: ১৫২]। আর যাকে দোয়া করার তাওফিক দেওয়া হয়েছে তাকে দান করা হয়েছে...
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৭৫)
الْإِجَابَةَ: فَإِنَّ اللَّهَ تَعَالَى يَقُولُ: {ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ} [غافر: 60] ، وَمَنْ أَعْطَى الشُّكْرَ أُعْطِيَ الزِّيَادَةَ، فَإِنَّ اللَّهَ تَعَالَى يَقُولُ: {لَئِنْ شَكَرْتُمْ لأَزِيدَنَّكُمْ} [إبراهيم: 7] ، وَمَنْ أَعْطَى الاسْتِغْفَارَ أُعْطِيَ الْمَغْفِرَةَ، فَإِنَّ اللَّهَ تَعَالَى يَقُولُ: {اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا} [نوح: 10] .هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ.قَالَ الطَّبَرَانِيُّ: لَمْ يَرْوِهِ عَنِ الْأَعْمَشِ إِلَا هُشَيْمٌ، تَفَرَّدَ بِهِ مَحْمُودُ بْنُ الْعَبَّاسِ.قُلْتُ: وَلَمْ أَقِفْ لَهُ عَلَى تَرْجَمَةٍ، وَقَدِ اتَّهَمَهُ بِهِ الذَّهَبِيُّ، وَمَنْ فَوْقَهُ مِنْ رِجَالِ الصَّحِيحَيْنِ، وَالْأَشْبَهُ أَنْ يَكُونَ مَوْقُوفًا، أَوْ دَخَلَ لَهُ إِسْنَادٌ فِي إِسْنَادٍ الْحَدِيثُ الرَّابِعَ عَشَرَأَخْبَرَنَا أَبُو الْمَعَالِي الْأَزْهَرِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ الْحَلَبِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَرَجِ الْحَرَّانِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَرْبِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الشَّيْبَانِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ التَّمِيمِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ الْقَطِيعِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنِ
উত্তর: কেননা আল্লাহ তাআলা বলেন: {তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব} [গাফির: ৬০], আর যাকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার তাওফিক দেওয়া হয়েছে তাকে প্রবৃদ্ধি দান করা হয়েছে, কেননা আল্লাহ তাআলা বলেন: {যদি তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো, তবে আমি অবশ্যই তোমাদেরকে বাড়িয়ে দেব} [ইব্রাহিম: ৭], আর যাকে ক্ষমা প্রার্থনার তাওফিক দেওয়া হয়েছে তাকে ক্ষমা দান করা হয়েছে, কেননা আল্লাহ তাআলা বলেন: {তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, নিশ্চয়ই তিনি পরম ক্ষমাশীল} [নূহ: ১০]।এটি একটি গারীব হাদিস।তাবারানি বলেন: হুশাইম ছাড়া আর কেউ আমাশ থেকে এটি বর্ণনা করেননি, মাহমুদ ইবনুল আব্বাস এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।আমি (গ্রন্থকার) বলছি: আমি তার কোনো জীবনী খুঁজে পাইনি, এবং আয-যাহাবি তাকে এই বর্ণনার ব্যাপারে অভিযুক্ত করেছেন, আর তার ওপরের স্তরের বর্ণনাকারীগণ বুখারি ও মুসলিমের বর্ণনাকারী, এবং এটি মাওকুফ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি, অথবা এক সনদ অন্য সনদের মাঝে ঢুকে পড়েছে। চতুর্দশ হাদিসআবুল মাআলি আল-আযহারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল আব্বাস আল-হালাবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল ফারাজ আল-হাররানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুহাম্মদ আল-হারবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম আশ-শাইবানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলি আত-তামিমি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আল-কাতিয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে...
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৭৬)
أَحْمَدَ، حَدَّثَنِي أَبِي، حَدَّثَنَا رَوْحٌ هَوَ ابْنُ عُبَادَةَ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي حُسَيْنٍ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ غَنْمٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " مَنْ قَالَ قَبْلَ أَنْ يَنْصَرِفَ وَيَثْنِي رِجْلَهُ مِنْ صَلَاةِ الصُّبْحِ وَالْمَغْرِبِ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، يُحْيِي وَيُمِيتُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، عَشْرَ مَرَّاتٍ كُتِبَ لَهُ بِكُلِّ مَرَّةٍ عَشْرُ حَسَنَاتٍ، وَمُحِيَ عَنْهُ عَشْرُ سَيِّئَاتٍ، وَرُفِعَ لَهُ عَشْرُ دَرَجَاتٍ، وَكُنَّ حِرْزًا لَهُ مِنْ كُلِّ مَكْرُوهٍ، وَحِرْزًا مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ، وَلَمْ يَحِلَّ لِذَنْبٍ أَنْ يُدْرِكَهُ ذَلِكَ الْيَوْمَ إِلَّا الشِّرْكُ، وَكَانَ مِنْ أَفْضَلِ النَّاسِ عَمَلًا ".هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ، أَخْرَجَهُ الْإِمَامُ أَحْمَدُ هَكَذَا، وَصَنِيعَهُ يَقْتَضِي ثُبُوتَ الصُّحْبَةِ لِعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ غُنْمٍ، وَقَدِ اخْتُلِفَ فِي ذَلِكَ، فَأَثْبَتَهَا الْمِصْرِيُّونَ: أَبُو سَعِيدِ بْنِ يُونِسَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الرَّبِيعِ الْجِيزِيُّ.وَنَقَلَ ذَلِكَ يَحْيَى بْنُ بَكْرٍ، عَنِ اللَّيْثِ، وَابْنُ لُهَيْعَةَ.وَنَفَى ذَلِكَ الشَّامِيُّونَ: دُحَيْمٌ، وَأَبُو زُرْعَةَ النَّصْرِيُّ،
আহমদ বর্ণনা করেন, আমার পিতা আমাকে বলেছেন, আমাদের কাছে রাওহ ইবন উবাদাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে হাম্মাম বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন আবু হুসাইন থেকে, তিনি শাহর ইবন হাওশাব থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবন গানম থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "যে ব্যক্তি ফজরের সালাত ও মাগরিবের সালাত শেষে স্থান ত্যাগ করার এবং পা ভাঁজ করার আগে দশবার বলবে: 'আল্লাহ ছাড়া সত্য কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই, রাজত্ব তাঁরই এবং সকল প্রশংসা তাঁরই, তিনি জীবন দান করেন ও মৃত্যু প্রদান করেন এবং তিনি সকল কিছুর উপর পূর্ণ ক্ষমতাবান', তবে তার জন্য প্রতিবারের বিনিময়ে দশটি সওয়াব লিপিবদ্ধ করা হবে, তার দশটি পাপ মিটিয়ে দেওয়া হবে এবং তার দশটি মর্যাদা বৃদ্ধি করা হবে। এই আমলটি তার জন্য সকল অপ্রিয় বিষয় থেকে এবং বিতাড়িত শয়তান থেকে রক্ষা কবচ হবে। শিরক ব্যতীত অন্য কোনো গুনাহ সেই দিনে তাকে গ্রাস করতে পারবে না এবং সে আমলের দিক থেকে শ্রেষ্ঠ মানুষদের অন্তর্ভুক্ত হবে।"এটি একটি হাসান হাদিস। ইমাম আহমদ এটি এভাবেই বর্ণনা করেছেন। তাঁর এই বর্ণনাশৈলী আবদুর রহমান ইবন গানমের সাহাবী হওয়াকে সাব্যস্ত করার দাবি রাখে। তবে এ বিষয়ে মতভেদ রয়েছে। মিশরীয় আলেমগণ যেমন আবু সাঈদ ইবন ইউনুস এবং মুহাম্মদ ইবন রাবি' আল-জিজি একে সাব্যস্ত করেছেন।ইয়াহইয়া ইবন বাকর এটি লায়স এবং ইবন লাহিয়া থেকে বর্ণনা করেছেন।অন্যদিকে সিরীয় আলেমগণ যেমন দুহাইম এবং আবু জুরআহ আন-নাসরি এটি অস্বীকার করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল আমালিস সাফারিয়্যাতুল হালাবিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৭৭)
وَغَيْرَهُمَا.وَبِهِ جَزْمُ ابْنُ عَبْدِ الْبَرِ، فَقَالَ: «أَسْلَمَ فِي زَمَنِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلَمْ يَرَهُ، وَصَحَبَ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ» .قُلْتُ: أَخْرَجَ النَّسَائِيُّ، حَدِيثَهُ هَذَا مِنْ رِوَايَتِهِ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ، أَخْرَجَهُ مِنْ طَرِيقِ حُصَيْنِ بْنِ مَنْصُورٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي حُسَيْنٍ، بِالسَّنَدِ الْمَذْكُورِ.وَأَخْرَجَهُ أَيْضًا مِنْ رِوَايَةِ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ، عَنِ ابْنِ أَبِي حُسَيْنٍ، بِهَذَا السَّنَدِ، لَكِنْ قَالَ: عَنْ أَبِي ذَرٍّ، بَدَلَ مُعَاذٍ.وَمِنْ هَذَا الْوَجْهُ أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِي، لَكِنْ سَقَطَ مِنْ إِسْنَادِه ابْنُ أَبِي حُسَيْنٍ، فَصَارَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ، عَنْ شَهْرٍ، وَقَالَ: حَسَنٌ صَحَيْحٌ،
এবং এ দু’জন ছাড়াও অন্যরাও।আর ইবনে আব্দুল বার এ ব্যাপারে সুনিশ্চিত মত ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন: «তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে ইসলাম গ্রহণ করেছেন কিন্তু তাঁকে দেখেননি, এবং তিনি মুআয ইবনে জাবালের সাহচর্য লাভ করেছেন»।আমি বলছি: নাসায়ী তাঁর এই হাদীসটি মুআয ইবনে জাবালের সূত্রে তাঁর বর্ণনা থেকে উদ্ধৃত করেছেন; তিনি এটি হুসাইন ইবনে মানসূরের সূত্রে, আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আবি হুসাইন থেকে বর্ণিত সনদে উদ্ধৃত করেছেন।তিনি এটি যায়েদ ইবনে আবি উনাইসার বর্ণনা থেকেও ইবনে আবি হুসাইনের সূত্রে এই সনদে বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি মুআযের পরিবর্তে ‘আবু যার থেকে’ বলেছেন।আর এই সূত্রেই তিরমিযী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, তবে তাঁর সনদে ইবনে আবি হুসাইন বাদ পড়েছেন; ফলে তা হয়েছে— যায়েদ ইবনে আবি উনাইসা থেকে, তিনি শাহর থেকে। আর তিনি বলেছেন: এটি হাসান সহীহ।