(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: -)
الأربعون من مسانيد المشايخ العشرين للقشيري القسم: كتب السنة
الكتاب: الأربعون من مسانيد المشايخ العشرين للقشيري
المؤلف: أَبُو سَعْدٍ عَبْدُ اللهِ بْنُ أَبِي حَفْصٍ عُمَرَ بنِ أَحْمَدَ بنِ مَنْصُوْرٍ ابْنِ فَقِيْهِ خُرَاسَانَ مُحَمَّدِ بنِ القَاسِمِ بنِ حَبِيْبِ ابْنِ الصَّفَّارِ النَّيْسَابُوْرِيُّ، الشَّافِعِيُّ (ت 600هـ)
حققها وخرج أحاديثها: بدر بن عبد الله البدر
الناشر: أضواء السلف، الرياض
الطبعة: الثانية، 1420 هـ - 2000 م
عدد الصفحات: 317
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
কুশায়রীর বিশজন শায়েখের মুসনাদসমূহ থেকে চল্লিশটি (হাদিস) বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: কুশায়রীর বিশজন শায়েখের মুসনাদসমূহ থেকে চল্লিশটি (হাদিস)
লেখক: আবু সাদ আব্দুল্লাহ বিন আবি হাফস উমর বিন আহমাদ বিন মানসুর ইবনে ফকিহে খোরাসান মুহাম্মদ বিন আল-কাসিম বিন হাবিব ইবনে আস-সাফফার আন-নাইসাবুরী, আশ-শাফেয়ী (মৃত্যু ৬০০ হিজরি)
সম্পাদনা ও হাদিস যাচাইকরণ: বদর বিন আব্দুল্লাহ আল-বদর
প্রকাশক: আদওয়াউস সালাফ، রিয়াদ
সংস্করণ: দ্বিতীয়، ১৪২০ হিজরি - ২০০০ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩১৭
[বইটির নম্বরবিন্যাস মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২২২)
الْحَدِيثُ الْأَوَّلُ عَنِ الشَّيْخِ الْأَوَّلِ وَهُوَ جَدِّي الْإِمَامُ الْأَجَلُّ أَبُو نَصْرٍ الْقُشَيْرِيُّ وَفِيهِ ذِكْرُ الْخَلِيفَةِ الْأَوَّلِ وَالْإِمَامِ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ رضي الله عنهأَخْبَرَنَا جَدِّي لِأُمِّي أَبُو نَصْرٍ عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ هَوَازِنَ الْقُشَيْرِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: أَنْبَأَنَا أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَمْرٍو الْبَحِيرِيُّ، أَنْبَأَنَا جَدِّي أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ بَحِيرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ السَّرَّاجُ، حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ وَهُوَ الْإِسْكَنْدَرَانِيُّ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ رضي الله عنه، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَلَغَهُ أَنَّ بَنِي عَمْرِو بْنِ عَوْفٍ كَانَ بَيْنَهُمْ شَيْءٌ، فَخَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصْلِحُ بَيْنَهُمْ فِي أُنَاسٍ مَعَهُ، فَحُبِسَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَحَانَتِ الصَّلَاةُ، فَجَاءَ بِلَالٌ إِلَى أَبِي بَكْرٍ، فَقَالَ: يَا أَبَا بَكْرٍ! إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ قَدْ حُبِسَ وَقَدْ حَانَتِ الصَّلَاةُ، فَهَلْ لَكَ أَنْ تَؤُمَّ النَّاسَ؟ فَقَالَ: نَعَمْ، إِنْ شِئْتَ، فَأَقَامَ بِلَالٌ، وَتَقَدَّمَ أَبُو بَكْرٍ فَكَبَّرَ لِلنَّاسِ، وَجَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَمْشِي فِي الصُّفُوفِ حَتَّى
প্রথম শায়খ হতে বর্ণিত প্রথম হাদিস; তিনি হলেন আমার মাতামহ, মহান ইমাম আবু নাসর আল-কুশাইরী এবং এতে প্রথম খলিফা ও ইমাম আবু বকর আস-সিদ্দিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর উল্লেখ রয়েছে।আমার মাতামহ আবু নাসর আবদুর রহিম বিন হাওয়াজিন আল-কুশাইরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে—তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান সাঈদ বিন আবি আমর আল-বাহীরী। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতামহ আবু আল-হুসাইন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন বাহীর। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইসহাক আস-সাররাজ। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কুতাইবা বিন সাঈদ। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব বিন আবদুর রহমান, আর তিনি হলেন আল-ইসকান্দারানী; তিনি আবু হাযিম থেকে, তিনি সাহল বিন সাদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট সংবাদ পৌঁছালো যে, বনী আমর বিন আউফের লোকদের মাঝে কোনো একটি বিষয় (বিবাদ) ঘটেছে। ফলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাথে থাকা কয়েকজন ব্যক্তিসহ তাদের মধ্যে বিবাদ মীমাংসা করার উদ্দেশ্যে বের হলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখানে আটকে পড়লেন এবং নামাজের সময় হয়ে গেল। তখন বিলাল আবু বকর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর নিকট এসে বললেন, "হে আবু বকর! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আটকে পড়েছেন এবং নামাজের সময় হয়ে গেছে। আপনি কি লোকজনের ইমামতি করবেন?" তিনি বললেন, "হ্যাঁ, তুমি চাইলে।" অতঃপর বিলাল ইকামত দিলেন এবং আবু বকর সামনে এগিয়ে গেলেন ও লোকজনকে নিয়ে তাকবীর বললেন। ইতোমধ্যে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাতারগুলোর মধ্য দিয়ে হেঁটে আসলেন যতক্ষণ না...
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২২৩)
قَامَ فِي الصَّفِّ، فَأَخَذَ النَّاسُ فِي التَّصْفِيقِ، وَكَانَ أَبُو بَكْرٍ لَا يَلْتَفِتُ فِي صَلَاتِهِ، فَلَمَّا أَكْثَرَ النَّاسُ الْتَفَتَ، فَإِذَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَأَشَارَ إِلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَأْمُرُهُ أَنْ يُصَلِّيَ، فَرَفَعَ أَبُو بَكْرٍ يَدَهُ فَحَمِدَ اللَّهَ، وَرَجَعَ الْقَهْقَرَى وَرَاءَهُ حَتَّى قَامَ فِي الصَّفِّ، فَتَقَدَّمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَصَلَّى لِلنَّاسِ، فَلَمَّا فَرَغَ أَقْبَلَ عَلَى النَّاسِ، فَقَالَ: " أَيُّهَا النَّاسُ! مَالَكُمْ حِينَ نَابَكُمْ شَيْءٌ فِي الصَّلاةِ أَخَذْتُمْ فِي التَّصْفِيقِ؟ إِنَّمَا التَّصْفِيقُ لِلنِّسَاءِ، مَنْ نَابَهُ شَيْءٌ فِي صَلَاتِهِ فَلْيَقُلْ: سُبْحَانَ اللَّهِ، فَإِنَّهُ لَا يَسْمَعُهُ أَحَدٌ حِينَ يَقُولُ: سُبْحَانَ اللَّهِ إِلَّا الْتَفَتَ.
يَا أَبَا بَكْرٍ! مَا مَنَعَكَ أَنْ تُصَلِّيَ لِلنَّاسِ حِينَ أَشَرْتُ إِلَيْكَ؟ "، فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ: مَا كَانَ يَنْبَغِي لِابْنِ أَبِي قُحَافَةَ أَنْ يُصَلِّيَ بَيْنَ يَدَيْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، حَدِيثٌ مُتَّفَقٌ عَلَى صِحَّتِهِ، رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ قُتَيْبَةَ عَنْ يَعْقُوبَ، وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ، عَنْ قُتَيْبَةَ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ وَيَعْقُوبَ، كلاهما عَنْ أَبِي حَازِمٍ
তিনি কাতারে দাঁড়ালেন, ফলে মানুষ তালি দিতে শুরু করল। আবু বকর সালাতে এদিক-ওদিক তাকাতেন না, কিন্তু যখন মানুষ অধিক তালি দিতে লাগল, তিনি তাকালেন এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখতে পেলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে সালাত চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়ে ইশারা করলেন। তখন আবু বকর তাঁর হাত তুলে আল্লাহর প্রশংসা করলেন এবং পেছনে ফিরে এসে কাতারে দাঁড়ালেন। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সামনে এগিয়ে গেলেন এবং মানুষকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন। যখন তিনি সালাত শেষ করলেন, তখন লোকদের দিকে ফিরে বললেন: "হে লোকসকল! সালাতে কোনো বিষয়ের সম্মুখীন হলে তোমাদের কী হয় যে তোমরা তালি দিতে শুরু করো? তালি তো কেবল নারীদের জন্য। সালাতে কারো কোনো বিষয় উপস্থিত হলে সে যেন 'সুবহানাল্লাহ' বলে। কেননা যখন কেউ 'সুবহানাল্লাহ' বলে, তখন যে কেউ তা শুনলে অবশ্যই সেদিকে লক্ষ্য করে।
হে আবু বকর! আমি যখন তোমাকে ইশারা করলাম, তখন কিসে তোমাকে সালাত চালিয়ে যেতে বাধা দিল?" আবু বকর বললেন: "আবু কুহাফার পুত্রের জন্য আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে দাঁড়িয়ে সালাত পড়ানো সমীচীন নয়।" হাদীসটি সহীহ হওয়ার ব্যাপারে ঐকমত্য রয়েছে। বুখারী এটি কুতাইবা থেকে, তিনি ইয়াকুব থেকে বর্ণনা করেছেন; এবং মুসলিম এটি কুতাইবা থেকে, তিনি আব্দুল আযীয ও ইয়াকুব থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়েই আবু হাযিম থেকে।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২২৪)
الْحَدِيثُ الثَّانِي عَنْ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ أَبِي حَفْصٍ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ الْعَدَوِيِّ رضي الله عنهأَخْبَرَنَا جَدِّيَ الْإِمَامُ أَبُو نَصْرٍ الْقُشَيْرِيُّ، فِي كِتَابِهِ، وَزَاهِرُ بْنُ طَاهِرٍ الشَّحَامِيُّ، وَأَبُو مُحَمَّدٍ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ سَهْلٍ ابْنُ الْمُؤَيَّدِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمَا، قَالُوا: أَنْبَأَنَا أَبُو سَعْدٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْجَنْزَرُوذِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَمْرٍو مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حِمْدَانَ الْحِيرِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو يَعْلَى أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى الْمَوْصِلِيُّ، بِالْمَوْصِلِ، وَأَبُو الْعَبَّاسِ حَامِدُ بْنُ شُعَيْبٍ الْبَلْخِيُّ، بِبَغْدَادَ، وَاللَّفْظُ لَهُ، قَالَا: حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ كَهْمَسٍ.
ح وَأَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ التَّاجِرُ الْمَعْرُوفُ بِجُزْبَارَانَ، أَنْبَأَنَا أَبُو مَسْعُودٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَجَلِيُّ الْحَافِظُ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَلِيٍّ زَاهِرُ بْنُ أَحْمَدَ الْفَقِيهُ، بِسَرْخَسَ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ وَكِيعٍ الْغَازِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَسْلَمَ الطُّوسِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، حَدَّثَنَا كَهْمَسُ بْنُ الْحَسَنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَعْمُرَ، قَالَ: أَوَّلُ مَنْ قَالَ بِالْبَصْرَةِ فِي الْقَدَرِ مِعْبَدٌ الْجُهَنِيُّ، قَالَ: فَخَرَجْتُ أَنَا وَحُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحِمْيَرِيُّ، فَأَتَيْنَا الْمَدِينَةَ فَدَخَلْنَا
দ্বিতীয় হাদিস: আমীরুল মুমিনীন আবু হাফস উমর ইবনুল খাত্তাব আল-আদাভী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিতআমার দাদা ইমাম আবু নাসর আল-কুশাইরী তাঁর কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, এবং যাহির ইবনে তাহির আশ-শাহামী ও আবু মুহাম্মদ হিবাতুল্লাহ ইবনে সাহল ইবনুল মুআইয়্যাদ—তাঁদের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে—তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান আল-জানযারূযী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে হিমদান আল-হীরী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মসুলে আবু ইয়ালা আহমাদ ইবনে আলী ইবনুল মুসান্না আল-মাউসিলী এবং বাগদাদে আবু আব্বাস হামিদ ইবনে শুআইব আল-বালখী—শব্দ চয়ন তাঁর—তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু খাইসামা যুহায়ের ইবনে হারব, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ওয়াকী, তিনি কাহমাস থেকে বর্ণনা করেন।
এবং (সনদান্তরে) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান আত-তাজির, যিনি জুযবারান নামে পরিচিত, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মাসউদ আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আজিজ আল-বাজালী আল-হাফিজ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সারখাস নগরে আবু আলী যাহির ইবনে আহমাদ আল-ফকীহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ওয়াকী আল-গাজী, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আসলাম আত-তূসী, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াযীদ, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন কাহমাস ইবনুল হাসান, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে বুরাইদাহ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে ইয়ামুর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: বসরা নগরীতে সর্বপ্রথম যে ব্যক্তি তাকদীর সম্পর্কে (ভিন্নমত) ব্যক্ত করেছিল সে হলো মাবাদ আল-জুহানী। তিনি বলেন: অতঃপর আমি এবং হুমাইদ ইবনে আবদুর রহমান আল-হিমইয়ারী বের হলাম এবং আমরা মদীনায় পৌঁছলাম। এরপর আমরা প্রবেশ করলাম...
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২২৫)
الْمَسْجِدَ فَإِذَا ابْنُ عُمَرَ خَارِجٌ مِنَ الْمَسْجِدِ أَوْ دَاخِلٌ الْمَسْجِدَ، فَاكْتَنَفْتُهَ أَنَا وَصَاحِبِي، قَالَ: وَظَنَنْتُ أَنَّ صَاحِبِي سَيَكِلُ الْكَلَامَ إِلَيَّ، قَالَ: فَقُلْتُ: يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ! إِنَّ قِبَلَنَا قَوْمًا يَقْرَءُونَ الْقُرْآنَ وَيَتفَقَّرُونَ الْعِلْمَ، يَزْعُمُونَ أَنَّ لَا قَدَرَ وَأَنَّ الْأَمْرَ أُنُفٌ.
قَالَ: فَإِذَا لَقِيتَهُمْ فَأَخْبِرْهُمْ أَنِّي مِنْهُمْ بَرِيءٌ وَأَنَّهُمْ مِنِّي بَرَاءٌ، وَالَّذِي يَحْلِفُ بِهِ ابْنُ عُمَرَ لَوْ أَنَّ أَحَدَهُمْ أَنْفَقَ مِثْلَ أُحُدٍ ذَهَبًا مَا قَبِلَهُ اللَّهُ مِنْهُ حَتَّى يُؤْمِنَ بِالْقَدَرِ كُلِّهِ خَيْرِهِ وَشَرِّهِ "
ثُمَّ قَالَ: حَدَّثَنَا عُمَرُ، قَالَ: كُنَّا جُلُوسًا عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذْ طَلَعَ عَلَيْنَا رَجُلٌ شَدِيدُ بَيَاضِ الثِّيَابِ، شَدِيدُ سَوَادِ الشَّعْرِ لَا يُرَى عَلَيْهِ أَثَرُ سَفَرٍ وَلَا يَعْرِفُهُ مِنَّا أَحَدٌ، حَتَّى جَلَسَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَسْنَدَ رُكْبَتَهُ إِلَى رُكْبَتِهِ وَوَضَعَ يَدَهُ عَلَى رُكْبَتِهِ فَقَالَ: يَا مُحَمَّدُ! " مَا الْإِيمَانُ؟ قَالَ: أَنْ تُؤْمِنَ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَبِالْقَدَرِ خَيْرِهِ وَشَرِّهِ، قَالَ: صَدَقْتَ، فَتَعَجَّبْنَا مِنْهُ يَسْأَلُهُ وَيُصَدِّقُهُ، ثُمَّ قَالَ: يَا مُحَمَّدُ! مَا الْإِسْلَامُ؟ قَالَ: شَهَادَةُ أَنَّ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَإِقَامُ الصَّلَاةِ، وَإِيتَاءُ الزَّكَاةِ، وَحَجُّ الْبَيْتِ، وَصَوْمُ رَمَضَانَ، قَالَ: صَدَقْتَ، قَالَ: فَتَعَجَّبْنَا مِنْهُ يَسْأَلُهُ وَيُصَدِّقُهُ، قَالَ: يَا مُحَمَّدُ! مَا الْإِحْسَانُ؟ قَالَ: أَنْ تَعْبُدَ اللَّهَ كَأَنَّكَ تَرَاهُ، فَإِنَّكَ إِنْ لَمْ تَكُنْ تَرَاهُ فَإِنَّهُ يَرَاكَ، قَالَ: يَا مُحَمَّدُ! مَتَى السَّاعَةُ؟ قَالَ: مَا الْمَسْئُولُ عَنْهَا بِأَعْلَمَ مِنَ السَّائِلِ بِهَا، قَالَ: فَمَا أَمَارَاتُهَا؟ قَالَ: أَنْ تَلِدَ الْأَمَةُ رَبَّتَهَا، وَأَنْ تَرَى الْحُفَاةَ الْعُرَاةَ الْعَالَةَ أَصْحَابَ الشَّاءِ يُطَاوِلُونَ فِي الْبُنْيَانِ "، قَالَ: ثُمَّ انْطَلَقَ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بَعْدَ ثَلَاثٍ: " تَدْرِي مَنِ الرَّجُلُ؟ ، قُلْتُ: لَا، قَالَ: ذَاكَ جِبْرِيلُ أَتَاكُمْ يُعَلِّمُكُمْ دِينَكُمْ "، وَفِي حَدِيثِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ تَصْدِيقُهُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِي جَمِيعِ سُؤَالَاتِهِ، وَالْبَاقِي بِمَعْنَاهُ.
মসজিদে, তখন ইবনে উমর মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন অথবা মসজিদে প্রবেশ করছিলেন। তখন আমি এবং আমার সাথী তাঁকে দুই পাশ থেকে ঘিরে ধরলাম। বর্ণনাকারী বলেন: আমি ধারণা করেছিলাম যে আমার সাথী কথা বলার ভার আমার ওপরই ন্যস্ত করবেন। তিনি বলেন: তখন আমি বললাম: হে আবু আবদুর রহমান! আমাদের এলাকায় এমন কিছু লোকের উদ্ভব হয়েছে যারা কুরআন পাঠ করে এবং ইলম অন্বেষণ করে; তারা দাবি করে যে তকদির বলে কিছু নেই এবং সবকিছুই আকস্মিকভাবে ঘটে।
তিনি বললেন: তুমি যখন তাদের সাথে সাক্ষাৎ করবে, তখন তাদের জানিয়ে দিও যে আমি তাদের থেকে মুক্ত এবং তারাও আমার থেকে বিচ্ছিন্ন। ইবনে উমর যার নামে শপথ করেন, তাঁর কসম! যদি তাদের কেউ ওহুদ পাহাড় পরিমাণ সোনাও ব্যয় করে, তবুও আল্লাহ তার পক্ষ থেকে তা কবুল করবেন না যতক্ষণ না সে তকদিরের ভালো ও মন্দের ওপর পূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন করে।
অতঃপর তিনি বললেন: উমর (রা.) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: একদিন আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম, এমতাবস্থায় আমাদের সামনে অত্যন্ত সাদা পোশাক পরিহিত এবং কুচকুচে কালো চুল বিশিষ্ট একজন লোক উপস্থিত হলেন। তাঁর মাঝে সফরের কোনো চিহ্ন পরিলক্ষিত হচ্ছিল না এবং আমাদের মধ্য থেকে কেউ তাঁকে চিনতও না। পরিশেষে তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে গিয়ে বসলেন। তিনি তাঁর হাঁটু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাঁটুর সাথে মেলালেন এবং তাঁর হাত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাঁটুর ওপর রাখলেন। অতঃপর বললেন: হে মুহাম্মদ! ঈমান কী? তিনি বললেন: তা হলো এই যে, আপনি আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ, তাঁর রাসূলগণ, পরকাল এবং তকদিরের ভালো ও মন্দের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করবেন। তিনি বললেন: আপনি সত্য বলেছেন। আমরা তাঁর ব্যাপারে আশ্চর্যান্বিত হলাম যে, তিনি নিজেই তাঁকে প্রশ্ন করছেন আবার নিজেই তাঁর সত্যতা প্রতিপাদন করছেন। অতঃপর তিনি বললেন: হে মুহাম্মদ! ইসলাম কী? তিনি বললেন: এ সাক্ষ্য দেওয়া যে আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য ইলাহ নেই, সালাত কায়েম করা, জাকাত প্রদান করা, বাইতুল্লাহর হজ সম্পাদন করা এবং রমজানের সিয়াম পালন করা। তিনি বললেন: আপনি সত্য বলেছেন। বর্ণনাকারী বলেন: আমরা তাঁর বিষয়ে অবাক হলাম যে তিনি তাঁকে প্রশ্ন করছেন এবং তাঁর সত্যতা নিশ্চিত করছেন। তিনি বললেন: হে মুহাম্মদ! ইহসান কী? তিনি বললেন: আপনি আল্লাহর ইবাদত এমনভাবে করবেন যেন আপনি তাঁকে দেখছেন, আর আপনি যদি তাঁকে দেখতে না পান তবে তিনি অবশ্যই আপনাকে দেখছেন। তিনি বললেন: হে মুহাম্মদ! কিয়ামত কখন হবে? তিনি বললেন: এ বিষয়ে যাকে প্রশ্ন করা হচ্ছে সে প্রশ্নকারীর চেয়ে অধিক কিছু জানে না। তিনি বললেন: তাহলে এর আলামতসমূহ কী? তিনি বললেন: দাসী যখন তার মালিককে প্রসব করবে এবং যখন আপনি নগ্নপদ, বস্ত্রহীন, দরিদ্র মেষপালকদের সুউচ্চ অট্টালিকা নির্মাণের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হতে দেখবেন। বর্ণনাকারী বলেন: এরপর তিনি প্রস্থান করলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন দিন পর বললেন: তুমি কি জানো সেই ব্যক্তিটি কে ছিলেন? আমি বললাম: না। তিনি বললেন: তিনি ছিলেন জিবরীল, তিনি তোমাদের দ্বীন শিক্ষা দিতে তোমাদের নিকট এসেছিলেন। আবদুল্লাহ ইবনে বুরাইদার হাদিসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সকল প্রশ্নের উত্তর সত্যায়ন করার বিষয়টি রয়েছে এবং অবশিষ্ট অংশ একই অর্থবোধক।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২২৬)
حَدِيثٌ صَحِيحٌ، أَخْرَجَهُ مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ، وَافْتَتَحَ بِهِ كِتَابَهُ الصَّحِيحَ، فَرَوَاهُ عَنْ أَبِي خَيْثَمَةَ زُهَيْرِ بْنِ حَرْبٍ، وَقَعَ إِلَيْنَا عَالِيًا بِحَمْدِ اللَّهِ مِنْ هَذَيْنِ الطَّرِيقَيْنِ، وَأَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ مِنْ حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
এটি একটি সহিহ হাদিস। মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ এটি সংকলন করেছেন এবং এর মাধ্যমে তিনি তাঁর সহিহ গ্রন্থটি শুরু করেছেন। তিনি এটি আবু খাইসামাহ জুহাইর ইবনে হারব থেকে বর্ণনা করেছেন। আল্লাহর প্রশংসায় এটি এই দুটি সুত্রে 'আলি' বা উচ্চতর সনদ হিসেবে আমাদের নিকট পৌঁছেছে। ইমাম বুখারি এটি আবু হুরাইরার হাদিস থেকে সংকলন করেছেন, যা নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২২৭)
الْحَدِيثُ الثَّالِثُ عَنْ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ أَبِي عَمْرٍو عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ رضي الله عنهأَخْبَرَنَا جَدِّي أَبُو نَصْرٍ عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ عَبْدِ الْكَرِيمِ الْقُشَيْرِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو سَعْدٍ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُوسَى الْمُقْرِئُ، أَنْبَأَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، أَنْبَأَنَا جَدِّيَ الْإِمَامُ أَبْو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ الْحَنَفِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ يَعْنِي ابْنَ جَعْفَرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مَحْمُودٍ وَهُوَ ابْنُ لَبِيدٍ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَنْ بَنَى لِلَّهِ مَسْجِدًا بَنَى اللَّهُ لَهُ بَيْتًا فِي الْجَنَّةِ» ، حَدِيثٌ مُتَّفَقٌ عَلَى صِحَّتِهِ، أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ فِي الصَّحِيحِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُثَنَّى، عَنْ أَبِي عَاصِمٍ النَّبِيلِ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جَعْفَرٍ.
وَأَخْرَجَاهُ مِنْ حَدِيثِ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ بْنِ قَتَادَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ
তৃতীয় হাদিস: আমিরুল মুমিনীন আবু আমর উসমান ইবনে আফফান (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিতআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার দাদা আবু নাসর আবদুর রহিম ইবনে আবদিল কারিম আল-কুশাইরী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ আহমাদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে মুসা আল-মুদরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির মুহাম্মাদ ইবনুল ফযল ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক ইবনে খুজাইমাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার দাদা ইমাম আবু বকর, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু বকর আল-হানাফী, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবদুল হামিদ—অর্থাৎ ইবনে জাফর—তাঁর পিতা থেকে, তিনি মাহমুদ থেকে—যিনি হলেন ইবনে লাবীদ—তিনি উসমান ইবনে আফফান (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য একটি মসজিদ নির্মাণ করবে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করবেন।» হাদিসটির বিশুদ্ধতার ওপর ঐকমত্য রয়েছে, ইমাম মুসলিম এটি তাঁর সহিহ গ্রন্থে মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না থেকে, আবু আসিম আন-নাবীল থেকে এবং আবদুল হামিদ ইবনে জাফর থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং তাঁরা উভয়ে (ইমাম বুখারি ও মুসলিম) এটি আসিম ইবনে উমর ইবনে কাতাদাহর হাদিস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে...
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২২৮)
الْأَسْوَدِ الْخَوْلَانِيِّ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ
আসওয়াদ আল-খাওলানি, উসমান ইবন আফফান (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) থেকে।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২২৯)
الْحَدِيثُ الرَّابِعُ عَنْ أَمِيرِ الْمِؤْمِنِينَ أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنهأَخْبَرَنَا جَدِّي أَبُو نَصْرٍ الْقُشَيْرِيُّ، فِي كِتَابِهِ، وَأَبُو مُحَمَّدٍ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ سَهْلٍ ابْنُ الْمُؤَيَّدِ، وَأَبُو الْقَاسِمِ زَاهِرُ بْنُ طَاهِرٍ الشَّحَامِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمَا، قَالُوا: أَنْبَأَنَا أَبُو سَعْدٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْجَنْزَرُوذِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَمْرٍو مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حِمْدَانَ الْحِيرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُوسَى عَبْدَانُ الْأَهْوَازِيُّ، حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ عُثْمَانَ الْعَسْكَرِيُّ، حَدَّثَنَا جُنَادَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْفَضْلِ، عَنِ الْأَعْرَجِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَفْتَتِحُ الصَّلَاةَ يَقُولُ: «وَجَّهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِي فَطَرَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضَ حَنِيفًا مُسْلِمًا وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِينَ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، أَنْتَ رَبِّي وَأنَا عَبْدُكَ، اعْتَرَفْتُ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي ذُنُوبِي جَمِيعًا لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ، وَاصْرِفْ عَنِّي سَيِّئَهَا فَإِنَّهُ لَا يَصْرِفُ سَيِّئَهَا إِلَّا أَنْتَ، لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ فِي يَدَيْكَ، وَأَنَا بِكَ وَإلَيْكَ، لَا مَلْجأَ مِنْكَ إِلَّا إِلَيْكَ، تَبَارَكْتَ وَتَعَاليْتَ وَأَسْتغْفِرُكَ ثُمَّ أَتُوبُ إِلَيْكَ» ، ثُمَّ قَرَأَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَإِذَا رَكَعَ قَالَ: «اللَّهُمَّ لَكَ رَكَعْتُ، وَلَكَ أَسْلَمْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ، وَأَنْتَ رَبِّي، خَشَعَ لَكَ بَصَرِي
চতুর্থ হাদীস: আমিরুল মুমিনীন আবুল হাসান আলী ইবনে আবি তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিতআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার দাদা আবু নাসর আল-কুশাইরী তাঁর কিতাবে, এবং আবু মুহাম্মদ হিবাতুল্লাহ ইবনে সাহল ইবনুল মুয়াইয়্যাদ ও আবু কাসিম জাহির ইবনে তাহির আশ-শাহামী—তাঁদের নিকট পঠনকালে, তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-জানজারুদী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে হিমদান আল-হীরী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে মুসা আবদান আল-আহওয়াজী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাহল ইবনে উসমান আল-আসকারী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন জুনাদা, উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনুল ফাদল থেকে, তিনি আল-আরাজ থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে আবি রাফে থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত শুরু করার সময় বলতেন: «আমি একনিষ্ঠভাবে মুসলিম হয়ে তাঁর দিকে আমার চেহারা ফেরালাম যিনি আসমানসমূহ ও জমিন সৃষ্টি করেছেন, আর আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি, আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, আপনি আমার রব এবং আমি আপনার বান্দা, আমি আমার অপরাধ স্বীকার করলাম, অতএব আপনি আমার সকল অপরাধ ক্ষমা করে দিন, আপনি ছাড়া অপরাধসমূহ কেউ ক্ষমা করতে পারে না। আর আমার থেকে মন্দসমূহ দূর করে দিন, আপনি ছাড়া কেউ মন্দসমূহ দূর করতে পারে না। আমি আপনার দরবারে উপস্থিত ও আপনার আনুগত্যে সদা প্রস্তুত এবং সকল কল্যাণ আপনার দুই হাতে, আমি আপনার সাহায্যেই আছি এবং আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী, আপনার পাকড়াও থেকে বাঁচার জন্য আপনি ছাড়া কোনো আশ্রয়স্থল নেই, আপনি বরকতময় ও সুউচ্চ, আমি আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং আপনার নিকট তওবা করছি», এরপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিলাওয়াত করতেন। অতঃপর যখন তিনি রুকু করতেন, তখন বলতেন: «হে আল্লাহ! আপনার জন্যই আমি রুকু করলাম, আপনার নিকটই নিজেকে সঁপে দিলাম, আপনার প্রতিই ঈমান আনলাম, আর আপনিই আমার রব, আপনার নিকট আমার দৃষ্টি অবনত হয়েছে...
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২৩০)
وَمُخِّي وَعَظْمِي، وَمَا اسْتَقَلَّتْ بِهِ قَدَمِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ» ، فَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ قَالَ: «سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ» ، ثُمَّ يَقُولُ: «اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ مِلْءَ السَّمَوَاتِ وَمِلْءَ الْأَرْضِ وَمِلْءَ مَا شِئْتَ مِنْ شَيْءٍ بَعْدُ» ، ثُمَّ سَجَدَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ: «اللَّهُمَّ لَكَ سَجَدْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ، وَلَكَ أَسْلَمْتُ، أَنْتَ رَبِّي، سَجَدَ وَجْهِي لِلَّذِي خَلَقَهُ وَشَقَّ سَمْعَهُ وَبَصَرَهُ فَتَبَارَكَ اللَّهُ أَحْسَنُ الْخَالِقِينَ» ، قَالَ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ: وَحَدَّثَنِي بِهَذَا الْحَدِيثِ إِسْحَاقُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي فَرْوَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْفَضْلِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، نَحْوَهُ.
حَدِيثٌ صَحِيحُ الْمَتْنِ، مِنْ غَرِيبِ حَدِيثِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، وَتَابَعَهُ مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْفَضْلِ الْهَاشِمِيِّ وَزَادَ بَعْدَ قَوْلِهِ: «لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ» : «وَاهْدِنِي لِأَحْسَنِ الْأَخْلَاقِ لَا يَهْدِي لِأَحْسَنِهَا إِلَّا أَنْتَ» .
وَبَعْدَ قَوْلِهِ: «مِنَ الْمُشْرِكِينَ» : «إِنَّ صَلَاتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ لَا شَرِيكَ لَهُ، وَبِذَلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا مِنَ الْمُسْلِمِينَ» ، رَوَاهُ ابْنُ جُرَيْجٍ عَنْ مُوسَى.
وَرَوَاهُ ابْنُ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ مُوسَى نَحْوَهُ غَيْرَ أَنَّهُ لَمْ يَذْكُرْ قَوْلَهُ:
...এবং আমার মগজ, আমার হাড় এবং আমার পা যা বহন করে আছে, তা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।" অতঃপর তিনি যখন তাঁর মাথা উঠাতেন তখন বলতেন: "আল্লাহ সেই ব্যক্তির কথা শোনেন যে তাঁর প্রশংসা করে।" তারপর তিনি বলতেন: "হে আল্লাহ, আমাদের প্রতিপালক! আপনার জন্যই সমস্ত প্রশংসা; যা আসমানসমূহ পূর্ণ করে দেয়, যা জমিন পূর্ণ করে দেয় এবং এরপর আপনি যা চান তা পূর্ণ করে দেয়।" অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিজদা করলেন এবং বললেন: "হে আল্লাহ! আপনার জন্যই আমি সিজদা করেছি, আপনার প্রতিই ঈমান এনেছি এবং আপনার কাছেই আত্মসমর্পণ করেছি। আপনিই আমার প্রতিপালক। আমার মুখমণ্ডল সেই সত্তার জন্য সিজদা করেছে যিনি একে সৃষ্টি করেছেন এবং এর শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি বিদীর্ণ করেছেন। অতএব বরকতময় আল্লাহ, যিনি সর্বোত্তম স্রষ্টা।" উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর বলেন: ইসহাক ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি ফারওয়া আমার কাছে আব্দুল্লাহ ইবনে ফাদল থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে আবি রাফে থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই হাদিসটি অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
হাদিসটির মূল পাঠ সহীহ, যা উবায়দুল্লাহ ইবনে উমরের গরীব (একক) বর্ণনাসমূহের অন্তর্ভুক্ত। মুসা ইবনে উকবা আব্দুল্লাহ ইবনে ফাদল আল-হাশিমী থেকে এর অনুসরণ করেছেন এবং তাঁর এই উক্তির পর অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন: "আপনি ব্যতীত কেউ পাপ ক্ষমা করতে পারে না" - "আর আমাকে সর্বোত্তম চরিত্রের দিকে পথপ্রদর্শন করুন, আপনি ব্যতীত আর কেউ সর্বোত্তম চরিত্রের দিকে পথপ্রদর্শন করতে পারে না।"
এবং তাঁর এই উক্তির পর: "মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত" - "নিশ্চয়ই আমার সালাত, আমার ইবাদত, আমার জীবন ও আমার মরণ বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। তাঁর কোনো শরিক নেই এবং আমি এরই আদিষ্ট হয়েছি এবং আমি মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত।" ইবনে জুরাইজ এটি মুসা থেকে বর্ণনা করেছেন।
আর ইবনে আবিয যিনাদ এটি মুসা থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি তাঁর এই কথাটি উল্লেখ করেননি:
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২৩১)
«وَاهْدِنِي لِأَحْسَنِ الْأَخْلَاقِ» .
وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ فِي الصَّحِيحِ مِنْ حَدِيثِ الْمَاجَشُونِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْأَعْرَجِ بِهَاتَيْنِ الزِّيَادَتَيْنِ.
أَخْبَرْنَاهُ أَبُو الْقَاسِمِ الْفَضْلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْعَطَّارُ، أَنْبَأَنَا أَبُو مَنْصُورٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَنْصُورِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ الدَّارَقُطْنِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُبَشِّرٍ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سِنَانٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنْبَأَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ الْمَاجَشُونُ، حَدَّثَنَا الْمَاجَشُونُ بْنُ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْأَعْرَجِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ عَلِيٍّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم. . . فَذَكَرَهُ، وَقَالَ: «وَأَنَا أَوَّلُ الْمُسْلِمِينَ» ، وَلَمْ يَذْكُرْ قَوْلَهُ: " وَاهْدِنِي. . إِلَى قَوْلِهِ: سَيِّئَهَا إِلَّا أَنْتَ " بَعْدَ قَوْلِهِ: «وَالْخَيْرُ كُلُّهُ فِي يَدَيْكَ وَالشَّرُّ لَيْسَ إِلَيْكَ» ، وَزَادَ: «خَشَعَ لَكَ سَمْعِي وَبَصَرِي» .
رَوَاهُ مُسْلِمٌ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ عَنْ زُهَيْرٍ، عَنِ ابْنِ مَهْدِيٍّ، وَعَنْ إِسْحَاقَ الْحَنْظَلِيِّ، عَنِ النَّضْرِ بْنِ شُمَيْلٍ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ عَنْ
«এবং আমাকে সর্বোত্তম চরিত্রের দিকে পথ প্রদর্শন করুন।» .
ইমাম মুসলিম এটি তাঁর 'সহীহ' গ্রন্থে মাজাশুনের বর্ণিত হাদিসে আব্দুর রহমান আল-আরাজ থেকে এই দুটি অতিরিক্ত অংশসহ বর্ণনা করেছেন।
আমাদের এটি সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আল-ফাদল ইবনে মুহাম্মাদ আল-আত্তার, আমাদের জানিয়েছেন আবু মানসুর মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-মানসুরি, আমাদের জানিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবনে উমর আদ-দারাকুতনি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আলী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুবাশশির, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আহমাদ ইবনে সিনান, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইয়াযিদ ইবনে হারুন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল আজিজ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি সালামাহ আল-মাজাশুন, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মাজাশুন ইবনে আবি সালামাহ, তিনি আব্দুর রহমান আল-আরাজ থেকে, তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনে আবি রাফি থেকে, তিনি আলী (রা.) থেকে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম... অতঃপর তিনি তা উল্লেখ করেন এবং বলেন: «এবং আমি মুসলিমদের মধ্যে প্রথম», তবে তিনি তাঁর এই উক্তিটি উল্লেখ করেননি: "এবং আমাকে পথ প্রদর্শন করুন. . . তাঁর এই কথা পর্যন্ত: আপনি ব্যতীত এর মন্দগুলোকে কেউ দূর করতে পারে না" যা তাঁর এই উক্তির পর আসত: «এবং সমস্ত কল্যাণ আপনার দুই হাতে এবং মন্দ আপনার দিকে নয়», আর তিনি বৃদ্ধি করেছেন: «আপনার জন্য বিনীত হলো আমার শ্রবণ ও আমার দৃষ্টি»।
এটি ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আবি বকর থেকে, তিনি যুহাইর থেকে, তিনি ইবনে মাহদি থেকে; এবং ইসহাক আল-হানজালি থেকে, তিনি নাদর ইবনে শুমাইল থেকে, তিনি আব্দুল আজিজ থেকে...
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২৩২)
عَمِّهِ، وَعَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الْمَقْدِمِيِّ، عَنْ يُوسُفَ الْمَاجَشُونِ، عَنْ أَبِيهِ وَهُوَ أَتَمُّ الرِّوَايَاتِ.
أَخْبَرْنَاهُ أَبُو الْقَاسِمِ زَاهِرُ بْنُ طَاهِرٍ الشَّحَامِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْبَيْهَقِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ فَوْرَكٍ، أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ حَبِيبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي سَلَمَةَ، حَدَّثَنِي عَمِّيَ الْمَاجَشُونُ.
ح وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ، أَنْبَأَنَا أَبُو بَكْرٍ الْبَيْهَقِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْمُقْرِئُ، أَنْبَأَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ يَعْقُوبَ الْقَاضِي، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ الْمَاجَشُونُ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْأَعْرَجِ، فَذَكَرَهُ بِإِسْنَادِهِ وَالرِّوَيَاتِ الْمَذْكُورَةِ، وَقَالَ فِي آخِرِهِ: ثُمَّ يَكُونُ مِنْ آخِرِ مَا يَقُولُ بَيْنَ التَّشَهُّدِ وَالسَّلَامِ: «اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي مَا قَدَّمْتُ وَمَا أَخَّرْتُ، وَمَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ، وَمَا أَسْرَفْتُ وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّي، أَنْتَ الْمُقَدِّمُ وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ، لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ» ، وَلَمْ يَذْكُرْ يُوسُفُ فِي حَدِيثِهِ قَوْلَهُ: «وَمَا أَسْرَفْتُ» ، وَقَالَ: «وَأَنَا أَوَّلُ الْمُسْلِمِينَ»
তাঁর চাচা হতে, এবং মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর আল-মাকদিমি হতে, তিনি ইউসুফ আল-মাজাশুন হতে, তিনি তাঁর পিতা হতে; আর এটিই বর্ণনাগুলোর মধ্যে অধিকতর পূর্ণাঙ্গ।
আবু আল-কাসিম জাহির ইবনে তাহির আশ-শাহামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আহমদ ইবনে আল-হুসাইন আল-বাইহাকি আমাদের জানিয়েছেন, আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান ইবনে ফাওরাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে আহমদ আমাদের জানিয়েছেন, ইউনুস ইবনে হাবিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু দাউদ আত-তায়ালিসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল আজিজ ইবনে আবু সালামা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার চাচা আল-মাজাশুন আমার নিকট বর্ণনা করেছেন।
এবং (অন্য সনদে) আবু আল-কাসিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আল-বাইহাকি আমাদের জানিয়েছেন, আবু আল-হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-মুকরি আমাদের জানিয়েছেন, আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আমাদের জানিয়েছেন, ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব আল-কাজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ আল-মাজাশুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট আবদুর রহমান আল-আরাজ হতে বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তিনি তাঁর সনদ ও উল্লিখিত বর্ণনাগুলোসহ এটি উল্লেখ করেছেন। তিনি এর শেষে বলেছেন: অতঃপর তাশাহহুদ ও সালামের মাঝে তিনি সর্বশেষ যা বলতেন তার অন্তর্ভুক্ত ছিল: "হে আল্লাহ! আমার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী গুনাহসমূহ ক্ষমা করুন, যা আমি গোপনে করেছি এবং যা প্রকাশ্যে করেছি, আর যাতে আমি সীমালঙ্ঘন করেছি এবং যে বিষয়ে আপনি আমার চেয়ে অধিক অবগত। আপনিই অগ্রসরকারী এবং আপনিই বিলম্বকারী, আপনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই।" ইউসুফ তাঁর হাদিসে "এবং যাতে আমি সীমালঙ্ঘন করেছি" কথাটি উল্লেখ করেননি, এবং তিনি বলেছেন: "এবং আমি মুসলিমদের মধ্যে প্রথম।"
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২৩৩)
الْحَدِيثُ الْخَامِسُ عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَخْرِ بْنِ حَرْبٍ الأُمَوِيِّ رضي الله عنهأَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ التَّاجِرُ الْمَعْرُوفُ بِجُزْبَارَانَ، أَخْبَرَنَا أَبُو مَسْعُودٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَجَلِيُّ الرَّازِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَلِيٍّ زَاهِرُ بْنُ أَحْمَدَ الْفَقِيهُ السَّرْخَسِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ وَكِيعِ بْنِ رَوَاسٍ الْغَازِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَسْلَمَ بْنِ سَالِمِ بْنِ يَزِيدَ الْكِنْدِيُّ الطُّوسِيُّ، حَدَّثَنَا يَعْلَى بْنُ عُبَيْدٍ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَعْبٍ الْقُرَظِيِّ، قَالَ: سَمِعْتُ مُعَاوِيَةَ يَخْطُبُ، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى هَذِهِ الْأَعْوَادِ، يَقُولُ: «اللَّهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلَا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجِدِّ مِنْكَ الْجِدُّ، مَنْ يُرِدِ اللَّهُ بِهِ خَيْرًا يُفَقِّهْهُ فِي الدِّينِ» ، حَدِيثٌ صَحِيحُ الْمَتْنِ، عَالِيَ الْإِسْنَادِ، غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ مُحَمَّدِ بْنِ كَعْبٍ، أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي الصَّحِيحِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَفِيرٍ، عَنِ ابْنِ وَهْبٍ، وَعَنْ حِبَّانَ، عَنِ ابْنِ الْمُبَارَكِ، وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، عَنْ
পঞ্চম হাদীস: উমাইয়া মুয়াবিয়া বিন সাখর বিন হারব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিতআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান বিন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আত-তাজির, যিনি জুজবারান নামে পরিচিত; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মাসউদ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ আল-বাজালি আর-রাজি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফকিহ আবু আলি জাহির বিন আহমদ আস-সারখাসি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ওয়াকি' বিন রাওয়াস আল-গাজি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-হাসান মুহাম্মদ বিন আসলাম বিন সালিম বিন ইয়াজিদ আল-কিন্দি আত-তুসি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়া'লা বিন উবাইদ, উসমান বিন হাকিম থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন কাব আল-কুরাজি থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আমি মুয়াবিয়াকে খুতবা দিতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এই কাঠের মিম্বরে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছি: «হে আল্লাহ! আপনি যা দান করেন তা রোধকারী কেউ নেই এবং আপনি যা রোধ করেন তা দানকারী কেউ নেই। আর কোনো সম্পদশালীর সম্পদ আপনার নিকট কোনো উপকারে আসবে না। আল্লাহ যার কল্যাণ চান তাকে দ্বীনের গভীর প্রজ্ঞা দান করেন»। এটি একটি সহিহ মতন ও সুউচ্চ সনদবিশিষ্ট হাদীস; মুহাম্মদ বিন কাবের বর্ণনা হিসেবে এটি গারিব। ইমাম বুখারি এটি তাঁর সহিহ গ্রন্থে সাইদ বিন আফির থেকে, তিনি ইবনে ওয়াহাব থেকে এবং হিব্বান থেকে, তিনি ইবনুল মুবারক থেকে বর্ণনা করেছেন। আর ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২৩৪)
حَرْمَلَةَ بْنِ يَحْيَى، عَنِ ابْنِ وَهْبٍ، كِلَاهُمَا عَنْ يُونُسَ بْنِ يَزِيدَ عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ مُعَاوِيَةَ.
وَفِي آخِرِ حَدِيثِ الْبُخَارِيِّ: «وَلَنْ تَزَالَ هَذِهِ الْأُمَّةُ قَائِمَةً عَلَى أَمْرِ اللَّهِ لَا يَضُرُّهُمْ مَنْ نَاوَأَهُمْ حَتَّى يَأْتِيَ أَمْرُ اللَّهِ عز وجل» ، وَفِي آخِرِ حَدِيثِ مُسْلِمٍ: «وَإِنَّمَا أَنَا قَاسِمٌ وَيُعْطِي اللَّهُ» .
وَحَدِيثُ الدُّعَاءِ لَمْ يُوْجَدْ إِلَّا فِي رِوَايَةِ مُحَمَّدِ بْنِ كَعْبٍ.
وَإِذَا اعْتُبِرَ إِسْنَادُهُ بَحَدِيثِ الشَّيْخَيْنِ فِي الصَّحِيحَيْنِ فَكَأَنَّ شَيْخِي مِنْ حَيْثُ الْعَدَدُ سَمِعَهَ مِنْ صَاحِبِهِمَا، وَقَعَ إِلَيْنَا عَالِيًا بِحَمْدِ اللَّهِ.
وَرُوِيَ حَدِيثُ الْفِقْهِ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَامِرٍ الْيَحْصَبِيِّ، وَيَزِيدَ بْنِ الْأَصَمِّ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَيْرِيزٍ
হারমালাহ ইবনে ইয়াহইয়া, ইবনে ওয়াহাব থেকে, তাঁরা উভয়েই ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি হুমাইদ ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি মুয়াবিয়া (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে।
বুখারীর হাদিসের শেষে রয়েছে: «এই উম্মত সর্বদা আল্লাহর নির্দেশের ওপর অবিচল থাকবে, তাদের বিরোধিতাকারীরা তাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না যতক্ষণ না মহান আল্লাহর নির্দেশ (কিয়ামত) আসে», আর মুসলিমের হাদিসের শেষে রয়েছে: «আমি তো কেবল বণ্টনকারী এবং আল্লাহই দান করেন»।
দোয়ার হাদিসটি কেবল মুহাম্মদ ইবনে কাবের বর্ণনাতেই পাওয়া গিয়েছে।
আর যদি সহীহাইনের (বুখারী ও মুসলিমের) শাইখদ্বয়ের হাদিসের সাথে এর সনদের তুলনা করা হয়, তবে বর্ণনাকারীর সংখ্যার দিক থেকে আমার উস্তাদ যেন তাঁদের সাথীদের থেকে এটি শুনেছেন; আল্লাহর প্রশংসায় এটি আমাদের নিকট উচ্চ সনদে (আলি) পৌঁছেছে।
আর ফিকহ সংক্রান্ত হাদিসটি আবদুল্লাহ ইবনে আমির আল-ইয়াহসাবি, ইয়াজিদ ইবনুল আসম এবং আবদুল্লাহ ইবনে মুহাইরিজের বর্ণনা থেকেও বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২৩৬)
الْحَدِيثُ السَّادِسُ عَنْ مَيْمُونَةَ بِنْتِ الْحَارِثِ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَرَضِيَ اللَّهُ عَنْهَاأَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْجُزْبَارَانِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو مَسْعُودٍ الْبَجَلِيُّ، أَنْبَأَنَا زَاهِرُ بْنُ أَحْمَدَ، أَنْبَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ وَكِيعٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَسْلَمَ، حَدَّثَنَا مُحَاضِرٌ، حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ مَيْمُونَةَ بِنْتِ الْحَارِثِ، قَالَتْ: وَضَعْتُ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم غُسْلًا مِنَ الْجَنَابَةِ، " فَصَبَّ بِشِمَالِهِ عَلَى يَمِينِهِ فَغَسَلَ يَدَيْهِ، ثُمَّ صَبَّ بِيَمِينِهِ عَلَى شِمَالِهِ فَغَسَلَ فَرْجَهُ، ثُمَّ ضَرَبَ بِيَدِهِ الْأَرْضَ، ثُمَّ تَمَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ، ثُمَّ غَسَلَ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ، ثُمَّ غَسَلَ رَأْسَهُ، ثُمَّ أَفَاضَ الْمَاءَ عَلَى جَسَدِهِ، ثُمَّ تَنَحَّى فَغَسَلَ رِجْلَيْهِ.
قَالَتْ: فَأَتَيْتُهُ بِمِنْدِيلٍ فَلَمْ يَبْغِهِ، وَجَعَلَ يَنْفُضُ عَنْهُ الْمَاءَ «، حَدِيثٌ مُتَّفَقٌ عَلَى صِحَّتِهِ، عَالٍ، أَخْرَجَاهُ مِنْ أَوْجُهٍ عَنِ الْأَعْمَشِ، مِنْهَا رِوَايَةُ الْبُخَارِيِّ، عَنْ عُمَرَ بْنِ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ الْأَعْمَشِ، وَمِنْهَا رِوَايَتُهُ، عَنْ عَبْدَانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، وَمِنْهَا رِوَايَةُ مُسْلِمٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ حَجَرٍ، عَنْ عِيسَى بْنِ
ষষ্ঠ হাদিস: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী মায়মুনা বিনতে আল-হারিস (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিতআবু মুহাম্মদ আল-জুযবারানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মাসউদ আল-বাজালি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, যাহির ইবনে আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে ওয়াকি' আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে আসলাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাদির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আ'মাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালিম ইবনে আবিল জা'দ থেকে, তিনি কুরায়ব থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে এবং তিনি মায়মুনা বিনতে আল-হারিস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য জানাবাতের (অপবিত্রতা দূর করার) গোসলের পানি রাখলাম। অতঃপর তিনি তার বাম হাত দিয়ে ডান হাতের ওপর পানি ঢাললেন এবং তার দুই হাত ধৌত করলেন। এরপর তার ডান হাত দিয়ে বাম হাতের ওপর পানি ঢাললেন এবং তার লজ্জাস্থান ধৌত করলেন। এরপর তিনি তার হাত মাটিতে ঘষলেন। তারপর তিনি কুলি করলেন ও নাকে পানি দিলেন এবং তার মুখমণ্ডল ও দুই হাত ধৌত করলেন। এরপর তার মাথা ধৌত করলেন। অতঃপর তার শরীরের ওপর পানি প্রবাহিত করলেন। এরপর তিনি সেখান থেকে সরে গিয়ে তার দুই পা ধৌত করলেন।"
তিনি (মায়মুনা) বলেন: "অতঃপর আমি তাকে একটি রুমাল দিলে তিনি তা গ্রহণ করলেন না এবং তার শরীর থেকে পানি ঝাড়তে লাগলেন।" এটি এমন একটি হাদিস যার বিশুদ্ধতার ওপর ঐকমত্য রয়েছে এবং এটি উচ্চপর্যায়ের (আলি)। ইমাম বুখারি ও মুসলিম এটি আল-আ'মাশ থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তার মধ্যে রয়েছে বুখারির বর্ণনা যা তিনি উমর ইবনে হাফস ইবনে গিয়াস থেকে, তিনি তার পিতা থেকে এবং তিনি আল-আ'মাশ থেকে বর্ণনা করেছেন। আরও রয়েছে আবদান থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মুবারক থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে এবং তিনি আল-আ'মাশ থেকে প্রাপ্ত বর্ণনা। এর মধ্যে আরও রয়েছে মুসলিমের বর্ণনা যা তিনি আলী ইবনে হুজর থেকে এবং তিনি ঈসা ইবনে... (থেকে বর্ণনা করেছেন)।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২৩৭)
يُونُسَ، عَنِ الْأَعْمَشِ.
فَبِاعْتِبَارِ حَدِيثِ سُفْيَانَ كَأَنَّ شَيْخِي رَوَاهُ عَنْ صَاحِبِ الْبُخَارِيِّ وَفِي هَذِهِ الرِّوَايَةِ، أَعْنِي رِوَايَةَ سُفْيَانَ، زِيَادَةٌ، وَهِيَ قَوْلُ مَيْمُونَةَ» سَتَرْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يَغْتَسِلُ مِنَ الْجَنَابَةِ "، ثُمَّ سَاقَتِ الْحَدِيثَ.
وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْعَطَّارُ رحمه الله، أَنْبَأَنَا أَبُو مَنْصُورٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَنْصُورِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ الدَّارَقُطْنِيُّ الْحَافِظُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ، فَذَكَرَ نَحْوَهُ بِإِسْنَادِهِ وَمَعْنَاهُ، وَقَالَ: «فَغَسَلَ يَدَيْهِ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلَاثًا، ثُمَّ أَدْخَلَ يَدَهُ الْمَاءَ، فَأَفْرَغَ عَلَى فَرْجِهِ وَغَسَلَهُ بِشِمَالِهِ، ثُمَّ دَلَكَ بِشِمَالِهِ الْأَرْضَ دَلْكًا شَدِيدًا، ثُمَّ تَوَضَّأَ وُضَوءَهُ لِلصَّلَاةِ، ثُمَّ غَسَلَ سَائِرَ جَسَدِهِ قَبْلَ كَعْبَيْهِ، ثُمَّ تَنَحَّى عَنْ مَقَامِهِ فَغَسَلَ قَدَمَيْهِ، وَأَتَيْتُهُ بِالْمِنْدِيلِ فَرَدَّهُ» ، قَالَ الدَّارَقُطْنِيُّ: وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ، حَدَّثَنَا الْحَسَّانِيُّ، حَدَّثَنَا
ইউনুস, আ’মাশ থেকে।
সুফইয়ানের হাদিসের বিবেচনায় যেন আমার শাইখ এটি বুখারীর সংকলকের সহচরের নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন। আর এই বর্ণনায়—অর্থাৎ সুফইয়ানের বর্ণনায়—একটি অতিরিক্ত অংশ রয়েছে, তা হলো মায়মুনাহর এই উক্তি: "আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন জানাবাত থেকে গোসল করছিলেন তখন তাঁকে আড়াল করে রেখেছিলাম", এরপর তিনি হাদিসটি বর্ণনা করেন।
আর আবুল কাসিম বিন মুহাম্মদ আল-আত্তার (রহিমাহুল্লাহ) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মানসুর মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-মানসুরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-হাসান আলী বিন উমর আদ-দারাকুতনী আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ বিন উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ঈসা বিন ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আ’মাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; অতঃপর তিনি এর সমরূপ সনদ ও অর্থসহ উল্লেখ করেন এবং বলেন: "অতঃপর তিনি তাঁর দুই হাত দুইবার বা তিনবার ধৌত করলেন, এরপর তাঁর হাত পানির পাত্রে প্রবেশ করালেন এবং তাঁর লজ্জাস্থানে পানি ঢেলে তা বাম হাত দিয়ে ধৌত করলেন। অতঃপর তিনি তাঁর বাম হাত মাটিতে সজোরে ঘষলেন। এরপর তিনি সালাতের অযুর ন্যায় অযু করলেন। এরপর টাখনু পর্যন্ত ধোয়ার পূর্বে তাঁর শরীরের অবশিষ্টাংশ ধৌত করলেন। এরপর তিনি তাঁর স্থান থেকে সরে গিয়ে তাঁর দুই পা ধৌত করলেন। আমি তাঁর নিকট একটি রুমাল নিয়ে আসলাম, কিন্তু তিনি তা গ্রহণ না করে ফিরিয়ে দিলেন।" আদ-দারাকুতনী বলেন: মুহাম্মদ বিন মাখলাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাসসানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২৩৮)
وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ نَحْوَهُ بِإِسْنَادِهِ وَمَعْنَاهُ.
وَقَالَ: «فَغَسَلَ كَفَّيْهِ ثَلَاثًا ثَلَاثًا، ثُمَّ أَدْخَلَ يَدَهُ فِي الْإِنَاءِ فَأَفَاضَ عَلَى فَرْجِهِ، ثُمَّ قَالَ بِيَدِهِ عَلَى الْحَائِطِ أَوْ بِالْأَرْضِ» .
ثُمَّ ذَكَرَ نَحْوًا مِنْ حَدِيثِ مُحَاضِرٍ وَلَمْ يَذْكُرِ الْمِنْدِيلَ
ওকী' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আ'মাশ তাঁর সনদে ও অর্থে অনুরুপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
তিনি বলেন: "অতঃপর তিনি তাঁর উভয় হাতের কবজি তিনবার ধৌত করলেন, এরপর পাত্রের মধ্যে তাঁর হাত প্রবেশ করালেন এবং তাঁর লজ্জাস্থানের ওপর পানি ঢাললেন। এরপর তিনি তাঁর হাত দিয়ে দেয়ালে অথবা মাটিতে (আঘাত) করলেন।"
অতঃপর তিনি মুহাদির-এর বর্ণিত হাদীসের অনুরুপ উল্লেখ করেন এবং এতে রুমালের কথা উল্লেখ করেননি।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২৩৯)
الْحَدِيثُ السَّابِعُ عَنْ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ عَائِشَةَ الصِّدِّيقَةِ بِنْتِ الصِّدِّيقِ رضي الله عنهماأَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْجَزْبَارَانِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو مَسْعُودٍ الْبَجْلِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْفَقِيهُ، أَنْبَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ وَكِيعٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَسْلَمَ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ، أَنْبَأَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «يَبْدَأُ فَيَغْسِلُ يَدَيْهِ، ثُمَّ يَتَوَضَّأُ وُضُوءَهُ لِلصَّلَاةِ، ثُمَّ يُدْخِلُ كَفَّيْهِ فِي الْمَاءِ حَتَّى يُخَلِّلَ بِهَا أُصُولَ الشَّعْرِ حَتَّى إِذَا رَأَى أَنَّهُ قَدِ اسْتَبْرَأَ الْبَشْرَةَ غَرَفَ بِيَدِهِ ثَلَاثَ غَرْفَاتٍ، صَبَّهَا عَلَى رَأْسِهِ ثُمَّ اغْتَسَلَ» ، حَدِيثٌ مُتَّفَقٌ عَلَى صِحَّتِهِ، أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي الصَّحِيحِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُوسُفَ، عَنْ مَالِكٍ، وَعَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ، وَعَنْ عَبْدَانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ، وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ
সপ্তম হাদিস: উম্মুল মুমিনিন আয়েশা আস-সিদ্দীকা বিনতে আস-সিদ্দীক (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিতআবু মুহাম্মাদ আল-জাজবারানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মাসউদ আল-বাজালি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলি আল-ফকিহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে ওয়াকি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আসলাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জাফর ইবনে আওন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে উরওয়াহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (গোসল) শুরু করার সময় প্রথমে তাঁর উভয় হাত ধৌত করতেন, অতঃপর নামাজের ওজুর ন্যায় ওজু করতেন, তারপর তাঁর উভয় হাতের তালু পানির মধ্যে প্রবেশ করাতেন এবং তা দিয়ে চুলের গোড়া খিলাল করতেন। যখন তিনি দেখতেন যে চামড়া (মাথার ত্বক) সিক্ত হয়েছে, তখন তাঁর হাত দিয়ে তিন আঁজলা পানি নিতেন এবং তা মাথার ওপর ঢেলে দিতেন, অতঃপর সারা শরীর ধৌত করতেন। এটি একটি সর্বসম্মত বিশুদ্ধ হাদিস, ইমাম বুখারি এটি তাঁর ‘সহিহ’ গ্রন্থে আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ থেকে, তিনি মালিক থেকে; এবং সুলাইমান ইবনে হারব থেকে, তিনি হাম্মাদ ইবনে যাইদ থেকে; এবং আবদান থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মুবারক থেকে বর্ণনা করেছেন। আর ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২৪০)
يَحْيَى بْنِ يَحْيَى، عَنْ أَبِي مُعَاوِيَةَ، وَعَنْ عَلِيِّ بْنِ حُجْرٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ مِسْهَرٍ، وَعَنْ أَبِي كُرَيْبٍ، عَنِ ابْنِ نُمَيْرٍ، وَعَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، عَنْ وَكِيعٍ، وَعَنْ عَمْرٍو النَّاقِدِ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ زَائِدَةَ، كُلُّهُمْ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ وَلَيْسَ فِي شَيْءٍ مِنْهَا ذِكْرُ غَسْلِ الرِّجْلَيْنِ فِي آخِرِهِ إِلَّا فِي حَدِيثِ أَبِي مُعَاوِيَةَ، وَفِي حَدِيثِ مَالِكٍ: «ثُمَّ يُفِيضُ الْمَاءَ عَلَى جِلْدِهِ كُلِّهِ» ، وَفِي كُلِّهَا: «ثُمَّ يَتَوَضَّأُ وُضُوءَهُ لِلصَّلَاةِ»
أَخْبَرَنَا بِحَدِيثِ مَالِكٍ عَالِيًا أَبُو مُحَمَّدٍ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ سَهْلِ بْنِ الْمُؤَيَّدِ السَّيِّدِيُّ، وَأَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُثْمَانَ الْفَوَاكِهِيُّ، قَالَا: أَنْبَأَنَا أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَحِيرِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَلِيٍّ زَاهِرُ بْنُ أَحْمَدَ السَّرْخَسِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ الْهَاشِمِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو مُصْعَبٍ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الزُّهْرِيُّ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ «إِذَا اغْتَسَلَ مِنَ الْجَنَابَةِ بَدَأَ فَغَسَلَ يَدَيْهِ، ثُمَّ تَوَضَّأَ كَمَا يَتَوَضَّأُ لِلصَّلَاةِ، ثُمَّ يُدْخِلُ أَصَابِعَهُ فِي الْمَاءِ فَيِخَلِّلُ بِهَا أُصُولَ شَعْرِهِ، ثُمَّ يَصُبُّ عَلَى رَأْسِهِ ثَلَاثَ غُرَفٍ بِيَدِهِ، ثُمَّ يُفِيضُ الْمَاءَ عَلَى جِلْدِهِ كُلِّهِ»
ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া (তিনি বর্ণনা করেন) আবু মুআবিয়াহ থেকে, এবং আলী ইবনে হুজর (বর্ণনা করেন) আলী ইবনে মিসহার থেকে, এবং আবু কুরাইব (বর্ণনা করেন) ইবনে নুমাইর থেকে, এবং আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ (বর্ণনা করেন) ওয়াকি থেকে, এবং আমর আন-নাকিদ (বর্ণনা করেন) মুআবিয়াহ ইবনে আমর থেকে, তিনি জায়িদাহ থেকে, তাঁরা সবাই হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে। আর এগুলোর কোনোটিতেই শেষে দুই পা ধোয়ার কথা উল্লেখ নেই, কেবল আবু মুআবিয়াহর হাদিসে আছে। আর মালিকের হাদিসে রয়েছে: "অতঃপর তিনি তাঁর পুরো চামড়ার (শরীরের) ওপর পানি প্রবাহিত করেন।" এবং এগুলোর সবকটিতেই রয়েছে: "অতঃপর তিনি সালাতের অজুর মতো অজু করেন।"
মালিকের হাদিসটি উচ্চ সনদে আমাদের জানিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ হিবাতুল্লাহ ইবনে সাহল ইবনুল মুআইয়াদ আস-সাইয়িদি এবং আবু হাসান আলী ইবনে উসমান আল-ফাওয়াকিহি। তাঁরা বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু উসমান সাঈদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-বুহাইরি, আমাদের জানিয়েছেন আবু আলী জহির ইবনে আহমাদ আস-সারখাসি, আমাদের জানিয়েছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে আব্দুস সামাদ আল-হাশিমি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু মুসআব আহমাদ ইবনে আবি বকর আজ-জুহরি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনে আনাস, তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়িশাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন জানাবাত থেকে গোসল করতেন, তখন প্রথমে তাঁর হাত দুটি ধৌত করতেন, অতঃপর সালাতের অজুর মতো অজু করতেন, তারপর পানির মধ্যে তাঁর আঙুলগুলো প্রবেশ করাতেন এবং তা দিয়ে তাঁর চুলের গোড়াগুলো খিলাল করতেন, অতঃপর তাঁর হাত দিয়ে তাঁর মাথার ওপর তিন অঞ্জলি পানি ঢালতেন, তারপর তাঁর পুরো চামড়ার (শরীরের) ওপর পানি প্রবাহিত করতেন।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২৪১)
وَأَخْبَرَنَا بِحَدِيثِ ابْنِ نُمَيْرٍ أَبُو الْقَاسِمِ الْعَطَّارُ، أَنْبَأَنَا أَبُو مَنْصُورٍ الْمَنْصُورِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْحَسَنِ الدَّارَقُطْنِيُّ، أَنْبَأَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ كَرَامَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، فَذَكَرَهُ بِمَعْنَاهُ، وَقَالَ: «غَرَفَ بِيَدَيْهِ مِلْءَ كَفَّيْهِ ثَلَاثًا فَصَبَّهَا عَلَى رَأْسِهِ، ثُمَّ اغْتَسَلَ وَأَفَاضَ الْمَاءَ عَلى جَسَدِهِ» ، وَهَذِهِ الطُّرُقُ الثَّلَاثُ عَالِيَةٌ جِدًّا لَاسِيَّمَا إِذَا اعْتُبِرَ حَدِيثُ مُسْلِمٍ عَنْ عَمْرٍو النَّاقِدِ فَيَكُونُ كَأَنَّ شَيْخِي سَمِعَهُ عَنْ صَاحِبِ مُسْلِمٍ رَحِمَهُ اللَّهُ
এবং আবুল কাসিম আল-আত্তার ইবনে নুমাইরের বর্ণিত হাদীসটি আমাদের জানিয়েছেন। আবু মনসুর আল-মানসুরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল হাসান আদ-দারা কুতনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে উসমান ইবনে কারামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে নুমাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, আর তিনি আয়িশা (রা.) থেকে। অতঃপর তিনি হাদীসটি এর মর্মার্থসহ উল্লেখ করেন এবং বলেন: “তিনি তাঁর দুই হাত ভরে তিন অঞ্জলি (পানি) নিলেন এবং তা তাঁর মাথার উপর ঢেলে দিলেন, এরপর তিনি গোসল করলেন এবং তাঁর সারা দেহে পানি প্রবাহিত করলেন।” এই তিনটি সনদ অত্যন্ত উচ্চপর্যায়ের (আলি), বিশেষ করে যখন আমর আন-নাকিদ থেকে বর্ণিত ইমাম মুসলিমের হাদীসটি বিবেচনা করা হয়; তখন বিষয়টি এমন হয় যে, যেন আমার উস্তাদ এটি ইমাম মুসলিম (রহি.)-এর কোনো সহচরের নিকট থেকে শুনেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২৪২)
الْحَدِيثُ الثَّامِنُ عَنْ أَبِي ذَرٍّ جُنْدُبِ بْنِ جُنَادَةَ الْغِفَارِيِّ رضي الله عنهأَخْبرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْجَزْبَارَانِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو مَسْعُودٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَجْلِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَلِيٍّ زَاهِرُ بْنُ أَحْمَدَ السَّرْخَسِيُّ، أَنْبَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ وَكِيعٍ الْغَازِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَسْلَمَ الطُّوسِيُّ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، أَخْبَرَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي مُرَاوِحٍ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ: سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " أَيُّ الْعَمَلِ أَفْضَلُ؟ قَالَ: إِيمَانٌ بِاللَّهِ وَجِهَادٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ "، قُلْتُ: " فَأَيُّ الرِّقَابِ أَفْضَلُ؟ قَالَ: أَغْلَاهَا ثَمنًا وَأَنْفَسُهَا عِنْدَ أَهْلِهَا "، قَالَ: قُلْتُ: " فَإِنْ لَمْ أَفْعَلْ؟ قَالَ: تُعِينُ صَانِعًا أَوْ تَصْنَعُ لأَخْرَقَ "، قَالَ: قُلْتُ: " فَإِنْ لَمْ أَفْعَلْ؟ قَالَ: تَدَعُ النَّاسَ مِنَ الشَّرِّ، فَإِنَّهَا صَدَقَةٌ تَصَدَّقُ بِهَا عَلَى نَفْسِكَ "، حَدِيثٌ مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ، أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي الصَّحِيحِ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مُوسَى، وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ أَبِي الرَّبِيعِ، وَخَلَفٌ عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ
অষ্টম হাদিস: আবু যার জুনদুব ইবনে জুনাদা আল-গিফারি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিতআবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবদুর রহমান আল-জাযবারানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মাসউদ আহমদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-বাজলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলি যাহির ইবনে আহমদ আস-সারখাসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে ওয়াকি আল-গাজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আসলাম আত-তুসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ ইবনে মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে উরওয়াহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু মুরাউয়িহ থেকে, তিনি আবু যার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম: "কোন আমলটি সর্বোত্তম?" তিনি বললেন: "আল্লাহর প্রতি ঈমান এবং আল্লাহর পথে জিহাদ।" আমি বললাম: "কোন ধরনের দাস মুক্ত করা সর্বোত্তম?" তিনি বললেন: "মূল্যের দিক থেকে যা সবচেয়ে দামি এবং তার মালিকের নিকট যা সবচেয়ে প্রিয়।" তিনি বলেন, আমি বললাম: "যদি আমি তা করতে না পারি?" তিনি বললেন: "তবে তুমি কোনো কারিগরকে সাহায্য করো অথবা কোনো আনাড়ি বা অক্ষম ব্যক্তির কাজ করে দাও।" তিনি বলেন, আমি বললাম: "যদি আমি তাও করতে না পারি?" তিনি বললেন: "তবে তুমি মানুষকে কষ্ট দেওয়া বা অনিষ্ট করা থেকে বিরত থাকো, কারণ এটি একটি সদকা যা তুমি তোমার নিজের জন্য দান করলে।" এটি একটি মুত্তাফাকুন আলাইহি (সর্বসম্মত) হাদিস। ইমাম বুখারি তাঁর সহিহ গ্রন্থে এটি উবাইদুল্লাহ ইবনে মুসা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম মুসলিম এটি আবু রাবি ও খালাফ—যাঁরা হাম্মাদ ইবনে যাইদ থেকে বর্ণনা করেছেন—তাদের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২৪৩)
كِلَاهُمَا عَنْ هِشَامِ بِنْ عُرْوَةَ.
وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، أَيْضًا، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ رَافِعٍ، وَعَبْدِ بْنِ حُمَيْدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ حَبِيبٍ مَوْلَى عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِي مُرَاوِحٍ.
فَعَلَى هَذَا كَأَنَّ شَيْخِي سَمِعَهُ عَنْ مُسْلِمٍ نَفْسِهِ، فَهُوَ إذًا فِي نِهَايَةِ الْعُلُوِّ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ
উভয়েই হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং ইমাম মুসলিমও এটি মুহাম্মাদ ইবনে রাফি ও আবদ ইবনে হুমাইদ থেকে, তাঁরা আবদুর রাজ্জাক থেকে, তিনি মা’মার থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ ইবনে যুবাইরের মুক্তদাস হাবীব থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে এবং তিনি আবু মুরাউইহ থেকে বর্ণনা করেছেন।
সুতরাং এর ভিত্তিতে প্রতীয়মান হয় যেন আমার শায়খ স্বয়ং ইমাম মুসলিমের নিকট থেকেই এটি শুনেছেন, এমতাবস্থায় এটি সনদের উচ্চতার (উলুউ) চূড়ান্ত পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে; আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২৪৪)
الْحَدِيثُ التَّاسِعُ عَنْ أَبِي حَمْزَةَ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ النَّجَّارِيِّ الْأَنْصَارِيِّ رضي الله عنهأَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ سَهْلِ بْنِ الْمُؤَيَّدِ السَّيِّدِيُّ، وَأَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُثْمَانَ الْفَوَاكِهِيُّ، قِرَاءَةً، وَجَدِّيَ الْإِمَامُ أَبُو نَصْرٍ الْقُشَيْرِيُّ، إِجَازَةً، قَالُوا: أَنْبَأَنَا أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْبَحِيرِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَلِيٍّ زَاهِرُ بْنُ أَحْمَدَ الْفَقِيهُ السَّرْخَسِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ بْنِ مُوسَى الْهَاشِمِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو مُصْعَبٍ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الزُّهْرِيُّ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لَا تَبَاغَضُوا، وَلَا تَحَاسَدُوا، وَلَا تَدَابَرُوا، وَكُونُوا عِبَادَ اللَهِّ إِخْوَانًا، وَلَا يَحِلُّ لِمُسْلِمٍ أَنْ يَهْجُرَ أَخَاهُ فَوْقَ ثَلَاثِ لَيَالٍ» ، حَدِيثٌ مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ، عَالٍ جِدًّا، أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ
নবম হাদিস: আবু হামজা আনাস ইবনে মালিক আন-নাজ্জারি আল-আনসারি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিতআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ হিবাতুল্লাহ ইবনে সাহল ইবনে আল-মুয়াইয়াদ আস-সাইয়িদি এবং আবু হাসান আলি ইবনে উসমান আল-ফাওয়াকিহি—পাঠের মাধ্যমে—এবং আমার দাদা ইমাম আবু নাসর আল-কুশায়রি—ইজাজতের মাধ্যমে। তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান সাঈদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-বাহিরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলি জাহির ইবনে আহমদ আল-ফকিহ আস-সারখাসি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে আব্দুস সামাদ ইবনে মুসা আল-হাশেমি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু মুসআব আহমদ ইবনে আবি বকর আজ-জুহরি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনে আনাস, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা একে অপরের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করো না, একে অপরের প্রতি হিংসা করো না এবং একে অপরের প্রতি পৃষ্ঠপ্রদর্শন করো না; বরং হে আল্লাহর বান্দারা! তোমরা ভাই ভাই হয়ে যাও। কোনো মুসলিমের জন্য তার ভাইয়ের সাথে তিন রাতের বেশি সম্পর্ক ছিন্ন রাখা বৈধ নয়।» এটি একটি মুত্তাফাকুন আলাইহি হাদিস, যা অত্যন্ত উচ্চ সনদসম্পন্ন। ইমাম বুখারি এটি বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে...
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২৪৫)
يُوسُفَ، وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ يَحْيَى بْنِ يَحْيَى، وَأَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ، عَنِ الْقَعْنَبِيِّ، كُلُّهُمْ عَنْ مَالِكٍ.
وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ أَيْضًا مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عُيَيْنَةَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ الزُّهْرِيِّ.
وَأَخْرَجَهُ أَيْضًا عَنْ حَاجِبِ بْنِ الْوَلِيدِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ حَرْبٍ، عَنِ الزُّبَيْدِيِّ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ الزُّهْرِيِّ، فَعَلَى هَذَا كَأَنَّ مَشَايِخِي سَمِعُوهُ عَنْ صَاحِبِ مُسْلِمٍ رحمه الله، وَهُوَ مِنَ الثَّمَانِيَاتِ الْعَالِيَةِ
ইউসুফ থেকে; এবং মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া থেকে, আর আবু দাউদ এটি বর্ণনা করেছেন আল-কানাবি থেকে, তাঁরা সকলেই ইমাম মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন।
মুসলিম এটি ইবনে উয়াইনাহ-এর হাদিস থেকেও বর্ণনা করেছেন, যা তিনি ইবনে শিহাব আল-জুহরি থেকে গ্রহণ করেছেন।
এবং তিনি এটি হাজিব ইবনুল ওয়ালিদ থেকেও বর্ণনা করেছেন, যিনি মুহাম্মাদ ইবনে হারব থেকে, তিনি আজ-জুবাইদি থেকে, আর তিনি ইবনে শিহাব আল-জুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন। এই সূত্র অনুযায়ী মনে হচ্ছে যেন আমার উস্তাদগণ এটি ইমাম মুসলিমের (রাহিমাহুল্লাহ) কোনো এক সাথীর নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন, আর এটি উচ্চপর্যায়ের 'সুমানিয়াত' (আট স্তরের উচ্চ সনদ) সমূহের অন্তর্ভুক্ত।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২৪৬)
الْحَدِيثُ الْعَاشُّرُ عَنْ أَبِي سَعِيدِ سَعْدِ بْنِ مَالِكِ بْنِ سِنَانٍ الْخُدْرِيِّ رضي الله عنهأَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ سَهْلِ بْنِ الْمُؤَيَّدِ، وَأَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُثْمَانَ الْفَوَاكِهِيُّ، وَجَدِّيَ الْإِمَامُ أَبُو نَصْرٍ الْقُشَيْرِيُّ، قَالُوا: أَنْبَأَنَا أَبُو عُثْمَانَ الْبَحِيرِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْفَقِيهُ، أَنْبَأَنَا أَبُو إِسْحَاقَ الْهَاشِمِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو مُصْعَبٍ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لَا تَبِيعُوا الذَّهَبَ بِالذَّهَبِ إِلَّا مِثْلًا بِمِثْلٍ، وَلَا تُشِفُّوا بَعْضَهُ عَلَى بَعْضٍ، وَلَا تَبِيعُوا الْوَرِقَ بِالْوَرِقِ إِلَّا مِثْلًا بِمِثْلٍ، وَلَا تَبِيعُوا مِنْهَا شَيْئًا غَائِبًا بِنَاجِزٍ» ، حَدِيثٌ مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ، أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُوسُفَ، وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ يَحْيَى بْنِ يَحْيَى، كِلَاهُمَا عَنْ مَالِكٍ.
দশম হাদিস: আবু সাঈদ সা’দ ইবনে মালিক ইবনে সিনান আল-খুদরি (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণিতআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ হিবাতুল্লাহ ইবনে সাহল ইবনে আল-মুআইয়িদ, আবু আল-হাসান আলী ইবনে উসমান আল-ফাওয়াকিহি এবং আমার দাদা ইমাম আবু নাসর আল-কুশায়রি। তাঁরা বলেছেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু উসমান আল-বাহিরি, আমাদের অবহিত করেছেন আবু আলী আল-ফকিহ, আমাদের অবহিত করেছেন আবু ইসহাক আল-হাশেমি, আমাদের অবহিত করেছেন আবু মুসআব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক, নাফে’ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রসূল (আল্লাহর রহমত ও শান্তি তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: "তোমরা সমান সমান ব্যতীত সোনার বদলে সোনা বিক্রি করো না এবং এর একটিকে অন্যটির ওপর বর্ধিত করো না। আর সমান সমান ব্যতীত রুপার বদলে রুপা বিক্রি করো না। আর এর মধ্য থেকে কোনো অনাগত বা বাকির বিনিময়ে নগদ হিসেবে বিক্রি করো না।" এটি একটি মুত্তাফাকুন আলাইহি (সর্বসম্মত) হাদিস; ইমাম বুখারি এটি আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ থেকে এবং ইমাম মুসলিম এটি ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ই ইমাম মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২৪৭)
وَقَدْ رَوَاهُ الشَّافِعِيُّ فِي مُسْنَدِهِ عَنْ مَالِكٍ، وَهُوَ فِي الثَّمَانِيَّاتِ الصَّحِيحَةِ الْعَالِيَةِ
ইমাম শাফিঈ এটি তাঁর মুসনাদে ইমাম মালিকের সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং এটি সহিহ ও উচ্চ পর্যায়ের 'সুমানিয়্যাত'-এর অন্তর্ভুক্ত।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২৪৮)
الْحَدِيثُ الْحَادِي عَشَرَ عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رضي الله عنه وَعَنْ أَبِيهِأَخْبَرَنَا الْإِمَامُ أَبُو مُحَمَّدٍ السَّيِّدِيُّ، وَأَبُو الْحَسَنِ الْفَوَاكِهِيُّ، قِرَاءَةً، وَجَدِّيَ الْإِمَامُ أَبُو نَصْرٍ الْقُشَيْرِيُّ، فِي كِتَابِهِ، قَالُوا: أَنْبَأَنَا أَبُو عُثْمَانَ الْبَحِيرِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْفَقِيهُ، أَنْبَأَنَا أَبُو إِسْحَاقَ الْهَاشِمِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو مُصْعَبٍ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «صَلَاةُ الْجَمَاعَةِ تَفْضُلُ عَلَى صَلَاةِ الْفَذِّ بِسَبْعٍ وَعِشْرِينَ دَرَجَةً» ، حَدِيثٌ مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ، رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُوسُفَ، وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَحْيَى، كِلَاهُمَا عَنْ مَالِكٍ.
একাদশ হাদিস: আবু আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু এবং তাঁর পিতা থেকে বর্ণিতআমাদের খবর দিয়েছেন ইমাম আবু মুহাম্মদ আস-সাইয়িদী এবং আবু আল-হাসান আল-ফাওয়াকিহি পঠনের মাধ্যমে, এবং আমার দাদা ইমাম আবু নাসর আল-কুশায়রি তাঁর কিতাবে; তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান আল-বাহিরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলি আল-ফকিহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক আল-হাশেমি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুসআব, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মালিক, নাফে থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «জামায়াতে সালাত একাকী সালাতের ওপর সাতাশ গুণ শ্রেষ্ঠত্ব রাখে।» হাদিসটি মুত্তাফাকুন আলাইহি (সর্বসম্মত)। ইমাম বুখারি এটি আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ থেকে এবং ইমাম মুসলিম এটি ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়েই ইমাম মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২৪৯)
وَرَوَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ أَسْلَمَ، عَنِ الْقَعْنَبِيِّ، عَنْ مَالِكٍ.
وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ أَيْضًا، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ رَافِعٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي فُدَيْكٍ، عَنِ الضَّحَّاكِ بْنِ عُثْمَانَ، عَنْ نَافِعٍ.
فَعَلَى هَذَا كَأَنَّ مَشَايِخِي سَمِعُوهُ مِنْ صَاحِبِ مُسْلِمٍ، وَهُوَ فِي الثَّمَانِيَّاتِ الْعَالِيَةِ الَّتِي يُقَالُ: لِهَذَا الْإِسْنَادِ سِلْسِلَةٌ ذَهَبِيَّةٌ
আর এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আসলাম আল-কা‘নাবী থেকে, তিনি মালিক থেকে।
এবং ইমাম মুসলিমও এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে রাফে‘ থেকে, তিনি ইবনে আবু ফুদাইক থেকে, তিনি দাহহাক ইবনে উসমান থেকে, তিনি নাফে‘ থেকে।
সুতরাং এর ভিত্তিতে প্রতীয়মান হয় যে, যেন আমার শায়খগণ এটি ইমাম মুসলিমের কোনো সহচরের নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন; এটি উচ্চমানের সেই 'আষ্টক' (সামানিয়াত) বর্ণনাসমূহের অন্তর্ভুক্ত যে সনদকে 'স্বর্ণালী সূত্র' বলা হয়ে থাকে।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২৫০)
الْحَدِيثُ الثَّانِي عَشَرَ عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْأَنْصَارِيِّ رضي الله عنهماأَخْبَرَنَا الْإِمَامُ أَبُو مُحَمَّدٍ السَّيِّدِيُّ، وَأَبُو الْحَسَنِ الْفَوَاكِهِيُّ، قِرَاءَةً، وَجَدِّيَ الْإِمَامُ أَبُو نَصْرٍ الْقُشَيْرِيُّ، إِجَازَةً، قَالُوا: أَنْبَأَنَا أَبُو عُثْمَانَ الْبَحِيرِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْفَقِيهُ، أَنْبَأَنَا أَبُو إِسْحَاقَ الْهَاشِمِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو مُصْعَبٍ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ مَحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ أَعْرَابِيًّا بَايَعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْإِسْلَامِ، فَأَصَابَ الْأَعْرَابِيَّ وَعَكٌ بِالْمَدِينَةِ، فَأَتَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: يَا مُحَمَّدُ! أَقِلْنِي بَيْعَتِي، فَأَبَى، ثُمَّ جَاءَهُ فَقَالَ: أَقِلْنِي بَيْعَتِي، فَأَبَى، ثُمَّ جَاءَهُ فَقَالَ: أَقِلْنِي بَيْعَتِي، فَأَبَى، فَخَرَجَ الْأَعْرَابِيُّ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّمَا الْمَدِينَةُ كَالْكِيرِ تَنْفِي خَبَثَهَا، وَيَنْصَعُ طَيِّبُهَا» ، أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ، عَنْ أَبِي نُعَيْمٍ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، وَعَنْ عَمْرٍو، عَنِ ابْنِ مَهْدِيٍّ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنِ ابْنِ الْمُنْكَدِرِ.
দ্বাদশ হাদিস: আবু আবদুল্লাহ জাবির ইবনে আবদুল্লাহ আল-আনসারী (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিতআমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আবু মুহাম্মদ আস-সাইয়িদী এবং আবু আল-হাসান আল-ফাওয়াকিহি পঠনের মাধ্যমে, এবং আমার দাদা ইমাম আবু নাসর আল-কুশায়রি ইজাজতের মাধ্যমে। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান আল-বাহিরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-ফকিহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক আল-হাশেমি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসআব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক, মুহাম্মাদ ইবনে আল-মুনকাদির থেকে, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহ হতে বর্ণনা করেছেন যে, এক বেদুইন ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট ইসলামের ওপর বায়াত গ্রহণ করল। অতঃপর মদিনায় সেই বেদুইন ব্যক্তি জ্বরে আক্রান্ত হলো। তখন সে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল: হে মুহাম্মাদ! আমার বায়াত প্রত্যাহার করে নিন। তিনি তা প্রত্যাখ্যান করলেন। অতঃপর সে পুনরায় তাঁর নিকট এসে বলল: আমার বায়াত প্রত্যাহার করে নিন। তিনি প্রত্যাখ্যান করলেন। সে পুনরায় তাঁর নিকট এসে বলল: আমার বায়াত প্রত্যাহার করে নিন। তিনি প্রত্যাখ্যান করলেন। অতঃপর সেই বেদুইন বেরিয়ে চলে গেল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «নিশ্চয়ই মদিনা হলো হাপরের মতো, যা তার আবর্জনাকে দূর করে দেয় এবং তার উত্তম অংশকে উজ্জ্বল ও পরিচ্ছন্ন করে তোলে»। এটি বুখারি বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম থেকে, তিনি সুফিয়ান আস-সাওরি থেকে; এবং আমর থেকে, তিনি ইবনে মাহদি থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি ইবনে আল-মুনকাদির থেকে।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাউনা মিন মাসানিদিশ মাশায়িখিল ইশরিন লিল কুশাইরি
(পৃষ্ঠা: ২৫১)
وَقَعَ إِلَيْنَا عَالِيًا بِحَمْدِ اللَّهِ، كَأَنَّ مَشَايِخِي سَمِعُوهُ عَنْ صَاحِبِ الْبُخَارِيِّ رَحِمَهُ اللَّهُ
আল্লাহর প্রশংসায় এটি আমাদের নিকট উচ্চ মানের (সংক্ষিপ্ত সনদে) এসে পৌঁছেছে, যেন আমার শাইখগণ এটি বুখারীর সংকলকের নিকট থেকে শুনেছেন, আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন।