(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: -)
الأربعون البلدانية لأبي طاهر القسم: كتب السنة
الكتاب: الأربعون البلدانية لأبي طاهر
المؤلف: أبي طاهر أحمد بن محمد السلفي (ت 576هـ)
تحقيق: عبد الله رابح
الناشر: مكتبة دار البيروتي، دمشق
الطبعة: الأولى، 1412 هـ - 1992 م
عدد الصفحات: 177
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবু তাহেরের আল-আরবাউন আল-বুলদানিয়্যাহ বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আবু তাহেরের আল-আরবাউন আল-বুলদানিয়্যাহ
লেখক: আবু তাহের আহমদ বিন মুহাম্মদ আস-সিলাফি (মৃত্যু: ৫৭৬ হিজরি)
তাহকিক: আবদুল্লাহ রাবাহ
প্রকাশক: মাকতাবাতু দারিল বাইরুতি, দামেস্ক
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১২ হিজরি - ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৭৭
[কিতাবের পৃষ্ঠা নম্বর ছাপানো সংস্করণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
وَالْحَدِيثُ قَدْ أَخْبَرَنَا بِهِ أَبُو نَصْرٍ الْفَضْلُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ الْحَنَفِيُّ الْمُقْرِئُ، وَأَبُو سَعْدٍ هِبَةُ اللَّهِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْفَضْلِ الشِّيرَازِيُّ بِأَصْبَهَانَ، وَأَبُو غَالِبٍ شُجَاعُ بْنُ فَارِسِ بْنُ الْحُسَيْنِ الذُّهْلِيُّ، بِبِغْدَادَ وَآخَرُونَ، قَالَ أَبُو نَصْرٍ أنا أَبُو سَعِيدٍ مُحَمَّدُ َبْنُ عَلِيِّ بْنُ عَمْرِو بْنُ مَهْدِيِّ النَّقَّاشُ الْحَافِظُ، قَالَ الْبَاقُونَ أنا أَبُو طَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنُ غَيْلَانَ الْبَزَّازُ، قَالَا: أنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الشَّافِعِيُّ، ثنا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنُ أَبِي الدُّنْيَا الْقُرَشِيُّ، ثنا الْفَضْلُ بْنُ غَانِمٍ، ثنا عَبْدُ الْمَلِكِ ابْنُ هَارُونَ بْنُ عَنْتَرَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ حَفِظَ عَلَى أُمَّتِي أَرْبَعِينَ حَدِيثًا مِنْ أَمْرِ دِينِهَا، بَعَثَهُ اللَّهُ فَقِيهًا، وَكُنْتُ لَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ شَافِعًا وَشَهِيدًا» .
هَذَا مَا رَوَاهُ مُعَاذٌ، وَأَبُو الدَّرْدَاءِ، وَقَدْ رَوَاهُ أَبُو هُرَيْرَةَ بِلَفْظٍ هُوَ أَرْجَى لِلرَّاوِي مِنْ هَذَا اللَّفْظِ، وَالْحُصُولُ عَلَى
এই হাদিসটি আমাদের শুনিয়েছেন আবু নাসর আল-ফজল ইবনে আলী ইবনে আহমাদ আল-হানাফী আল-মুকরি, এবং আসফাহানে আবু সাদ হিবাতুল্লাহ ইবনে আলী ইবনে আল-ফজল আশ-শিরাজি, এবং বাগদাদে আবু গালিব শুজা ইবনে ফারিস ইবনে আল-হুসাইন আদ-দুহলি ও অন্যান্যরা। আবু নাসর বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আমর ইবনে মাহদি আন-নাক্কাশ আল-হাফিজ। অবশিষ্টরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে গায়লান আল-বাজ্জাজ। তারা উভয়ই বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইবরাহিম আশ-শাফিঈ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবিদ দুনিয়া আল-কুরাশি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ফজল ইবনে গানিম। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক ইবনে হারুন ইবনে আনতারা, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে, এবং তিনি আবু দারদা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি আমার উম্মতের জন্য তাদের দ্বীনি বিষয়ের মধ্য থেকে চল্লিশটি হাদিস সংরক্ষণ করবে, আল্লাহ তাকে ফকিহ হিসেবে পুনরুত্থিত করবেন এবং কিয়ামতের দিন আমি তার জন্য সুপারিশকারী ও সাক্ষী হব।"
এটি মুয়াজ এবং আবু দারদা (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) বর্ণনা করেছেন। আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এটি এমন এক শব্দে বর্ণনা করেছেন যা বর্ণনাকারীর জন্য এই শব্দের চেয়েও অধিক আশাব্যঞ্জক। আর যা লাভ করা...
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
الْأَجْرِ قَبْلَ الْحِفْظِ
أَخْبَرَنَاهُ أَبُو الْمُظَفَّرِ سَعْدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنُ الْحَسَنِ الْجَصَّاصُ الْمُفِيدُ، بِأَصْبَهَانَ، أنا أَبُو سَهْلٍ حَمَدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنُ عُمَرَ الصَّدْفِيُّ، أنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنُ حَفْصٍ، ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْهَيْثَمُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَصْبَهَانِيُّ، ثنا سَهْلُ بْنُ سُقَيْرٍ، أنا أَبُو صَالِحٍ إِسْحَاقُ بْنُ نَجِيحٍ، ثنا عَطَاءٌ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَنْ رَوَى عَنِّي أَرْبَعِينَ حَدِيثًا جَاءَ فِي زُمْرَةِ الْعُلَمَاءِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ»
وَمِنْ أَحْسَنِ مَا نَذْكُرُ هَاهُنَا وَأَغْرَبِهِ، مَا كَتَبَ إِلَيَّ أَبُو الْفِتْيَانِ عُمَرُ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ الدَّهِسْتَانِيُّ، الْحَافِظُ مِنْ خُرَسَانَ، أنا أَبُو مَسْعُودٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْبُجَلِيُّ الْحَافِظُ، قَدِمَ عَلَيْنَا دَهِسْتَانَ، ثنا أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنُ يَعْقُوبَ بْنُ عَمَّارَ الزَّرْقِيُّ، الشَّيْخُ الصَّالِحُ بَزْرَقُ وَهِيَ قَرْيَةٌ مِنْ قُرَى مَرْوٍ، ثنا أَبُو حَامِدُ أَحْمَدُ بْنُ عِيسَى بْنُ مَهْدِيُّ بْنُ عِيسَى، إِمْلَاءً، ثنا أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ رَزَامَ الْمَرْوَزِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَيُّوبَ الْهَنَّائِيُّ، ثنا حُمَيْدُ بْنُ أَبِي حُمَيْدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنَ بْنِ دَلْهَمَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ حَفِظَ عَلَى أُمَّتِي حَدِيثًا وَاحِدًا كَانَ لَهُ أَجْرُ أَحَدٍ وَسَبْعِينَ نَبِيًّا صِدِّيقًا» .
قَالَ أَبُو الْفِتْيَانِ: كَتَبَ عَنِّي هَذَا الْحَدِيثَ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ
হেফজ করার পূর্বেই সওয়াব
ইসফাহানে আবু আল-মুজাফফর সাদ বিন আল-হুসাইন বিন আল-হাসান আল-জাসসাস আল-মুফিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু সাহল হামদ বিন আহমাদ বিন উমর আস-সাদাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ বিন উমর বিন হাফস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আবদুল্লাহ আল-হাইসাম বিন মুহাম্মাদ আল-আসবাহানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাহল বিন সুকাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু সালিহ ইসহাক বিন নাজিহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আতা বর্ণনা করেছেন আবু হুরায়রা (রাযিআল্লাহু আনহু) থেকে যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি আমার পক্ষ থেকে চল্লিশটি হাদিস বর্ণনা করবে, সে কিয়ামতের দিন আলেমদের দলের অন্তর্ভুক্ত হয়ে উপস্থিত হবে।"
আর আমরা এখানে যা উল্লেখ করছি তার মধ্যে সবচেয়ে উত্তম এবং বিস্ময়কর হলো তা, যা খোরাসানের হাফেজ আবু আল-ফিতইয়ান উমর বিন আবি আল-হাসান আদ-দাহিস্তানি আমার কাছে লিখে পাঠিয়েছেন। তিনি বলেন: হাফেজ আবু মাসউদ আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ আল-বাজালি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি দাহিস্তানে আমাদের নিকট এসেছিলেন। তিনি বলেন: নেককার শায়খ আবু আহমাদ মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন ইয়াকুব বিন আম্মার আজ-জারকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—বাযরাক হলো মার্ভ-এর গ্রামসমূহের একটি গ্রাম—তিনি বলেন: আবু হামিদ আহমাদ বিন ঈসা বিন মাহদি বিন ঈসা আমাদের নিকট শ্রুতলিপির মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবু আহমাদ মুহাম্মাদ বিন রাজাম আল-মারওয়াজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: মুহাম্মাদ বিন আইয়ুব আল-হান্নায়ি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: হুমাইদ বিন আবি হুমাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান বিন দালহাম থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিআল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি আমার উম্মতের জন্য একটি হাদিসও সংরক্ষণ করবে, তার জন্য একাত্তরজন সত্যবাদী নবীর সওয়াব থাকবে।"
আবু আল-ফিতইয়ান বলেন: আবু বকর আহমাদ বিন... আমার নিকট থেকে এই হাদিসটি লিখেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
عَلِيِّ بْنِ ثَابِتٍ الْخَطِيبُ الْحَافِظُ الْبَغْدَادِيُّ، بِصُورٍ، وَقَدْ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ غَيْرُ الْهُنَّائِيُّ، عَنْ حُمَيْدٍ، فَقَالَ: «أَجْرُ اثْنَيْنِ وَسَبْعِينَ»
أَخْبَرَنَا بِهِ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنُ أَحْمَدَ بْنُ مُوسَى بْنُ مَرْدَوَيْهِ الْحَافِظُ، بِأَصْبَهَانَ، حَدَّثَنِي أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ شُجَاعِ بْنِ عَلِيِّ الْمِصْقَلِيُّ، ثنا أَبُو مِسْهَرٍ مَعْرُوفُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْرُوفٍ الزِّنْجَانِيُّ، ثَنَا أَبُو الْحَسَنِ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ السَّلَامِ الْهَاشِمِيُّ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ فَهْدٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى، ثنا حُمَيْدُ بْنُ أَبِي حُمَيْدٍ التَّغْلَبِيُّ، ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ دَلْهَمَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ حَفِظَ عَلَى أُمَّتِي حَدِيثًا وَاحِدًا مِنْ أَمْرِ دِينِهِمْ أَعْطَاهُ اللَّهُ عز وجل أَجْرَ اثْنَيْنِ وَسَبْعِينَ صِدِّيقًا»
وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيِّ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ شَهْرَيَارَ الْأَصْبَهَانِيُّ، بِهَا، ثنا أَبُو مُحَمَّدِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنُ الْحُسَيْنِ النَّيْسَابُورِيُّ، إِمْلَاءً، ثنا الْحَاكِمُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، أنا أَبُو عَلِيٍّ الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ الصَّغَانِيُّ، بِمَرْوٍ، ثنا أَبُو رَجَاءٍ مُحَمَّدُ بْنُ حَمْدَوَيْهِ، ثنا الْعَلَاءُ بْنُ مَسْلَمَةَ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ يَحْيَى التَّيِّمِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ طَاوُسَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، رضي الله عنهما، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ أَدَّى إِلَى أُمَّتِي حَدِيثًا وَاحِدًا يُقِيمُ بِهِ سُنَّةً، وَيَرُدُّ بِهِ بِدْعَةً، فَلَهُ الْجَنَّةُ»
আলী ইবনে সাবিত আল-খাতিব আল-হাফিজ আল-বাগদাদী, সুর শহরে; এবং এই হাদিসটি আল-হুন্নায়ী ব্যতীত অন্যরাও হুমাইদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "বাহাত্তর জনের সওয়াব।"
আসবাহানে আবু বকর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুসা ইবনে মারদাওয়াইহ আল-হাফিজ আমাদের তা জানিয়েছেন; আবুল হাসান আলী ইবনে শুজা ইবনে আলী আল-মিসকালী আমার কাছে বর্ণনা করেছেন; আবু মিসহার মারুফ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মারুফ আজ-জিনজানি আমাদের বর্ণনা করেছেন; আবুল হাসান ইব্রাহিম ইবনে আব্দুস সালাম আল-হাশেমি আমাদের বর্ণনা করেছেন; ইব্রাহিম ইবনে ফাহাদ আমাদের বর্ণনা করেছেন; মুহাম্মদ ইবনে মুসা আমাদের বর্ণনা করেছেন; হুমাইদ ইবনে আবি হুমাইদ আত-তাগলাবি আমাদের বর্ণনা করেছেন; আব্দুর রহমান ইবনে দালহাম ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি আমার উম্মতের জন্য তাদের দ্বীনের বিষয়াবলি সংক্রান্ত একটি মাত্র হাদিস মুখস্থ রাখবে, আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা তাকে বাহাত্তর জন সিদ্দীকের সওয়াব দান করবেন।"
এবং আবু আলী আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-ফজল ইবনে শাহরিয়ার আল-আসবাহানি সেখানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু মুহাম্মদ হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন আন-নিশাপুরি শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে আমাদের বর্ণনা করেছেন; আল-হাকিম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ আমাদের বর্ণনা করেছেন; মার্ভ শহরে আবু আলী আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ আস-সাগানি আমাদের জানিয়েছেন; আবু রাজা মুহাম্মদ ইবনে হামদাওয়াইহ আমাদের বর্ণনা করেছেন; আল-আলা ইবনে মাসলামা আমাদের বর্ণনা করেছেন; ইসমাইল ইবনে ইয়াহইয়া আত-তায়েমি আমাদের বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান আস-সাওরি থেকে, তিনি লাইস থেকে, তিনি তাউস থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি আমার উম্মতের কাছে একটি মাত্র হাদিস পৌঁছে দেবে যা দ্বারা কোনো সুন্নাহ প্রতিষ্ঠিত হবে এবং যার মাধ্যমে কোনো বিদআতকে প্রতিহত করা হবে, তার জন্য জান্নাত অবধারিত।"
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
الْبَلَدُ الْأَوَّلُ: مَكَّةُ حَرَسَهَا اللَّهُ تَعَالَىأَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ حَمَدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ حَمَدِ الْهَمَذَانِيُّ الزَّكِيُّ، بِمَكَّةَ سَنَةَ 497، أنا أَبُو طَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ غَيْلَانَ الْبَزَّازُ، بِبَغْدَادَ، أنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الشَّافِعِيُّ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْحَاقَ الْحَرْبِيُّ، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الْهَاشِمِيُّ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ الْقَاسِمِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «كُنْتُ أَغْتَسِلُ مَعَهُ صلى الله عليه وسلم مِنَ الْإِنَاءِ الْوَاحِدِ»
প্রথম শহর: মক্কা, আল্লাহ তাআলা এটিকে হিফাজত করুন।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান হামাদ ইবনে ইসমাঈল ইবনে হামাদ আল-হামাদানি আজ-জাকি, মক্কায় ৪৯৭ হিজরি সালে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে গাইলান আল-বায্যায, বাগদাদে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইব্রাহিম আশ-শাফিঈ; তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে ইসহাক আল-হারবি; তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুলাইমান ইবনে দাউদ আল-হাশেমি; তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে সাদ, ইবনে শিহাব থেকে, তিনি কাসিম থেকে, তিনি আয়িশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে একই পাত্র থেকে গোসল করতাম।»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ৪২)
الْبَلَدُ الثَّانِي: الْمَدِينَةُ حَرَسَهَا اللَّهُ تَعَالَىحَدَّثَنَا أَبُو الْفَرَجِ مُحَمَّدُ بْنُ مَحْمُودَ بْنِ الْحَسَنِ الْقَزْوِينِيُّ، مِنْ فُقَهَاءِ طَبَرِسْتَانَ إِمْلَاءً بِانْتِخَابِي وَاسْتِمْلَائِي بِالْمَدِينَةِ بَيْنَ الْقَبْرِ وَالْمِنْبَرِ، أنا أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبُحَيْرِيُّ، بِنَيْسَابُورَ، و َأَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنُ نَصْرٍ الدَّيْنَوَرِيُّ، بِغَزْنَةَ، قَالَا: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْمَكِّيِّ الْكُشْمِِيهَنِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ مَطَرٍ الْفَرْبَرِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْبُخَارِيُّ، حَدَّثَنِي إِسْمَاعِيلُ، ثنا مَالِكٌ، عَنْ نُعَيْمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمُجْمَرْ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «عَلَى أَنْقَابِ الْمَدِينَةِ الْمَلَائِكَةُ، لَا يَدْخُلُهَا الطَّاعُونُ، وَلَا الدَّجَّالُ»
দ্বিতীয় শহর: মদিনা, মহান আল্লাহ একে হিফাজত করুনতাবারিস্টানের ফকিহগণের অন্যতম আবুল ফারাজ মুহাম্মদ বিন মাহমুদ বিন হাসান আল-কাজভিনি মদিনায় কবর ও মিম্বারের মধ্যবর্তী স্থানে আমার নির্বাচন ও শ্রুতলিখন অনুযায়ী ইমলা হিসেবে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। নিশাপুরে আবু উসমান সাঈদ বিন মুহাম্মদ আল-বুহাইরি এবং গজনীতে আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন নাসর আদ-দিনাওয়ারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তাঁরা উভয়ে বলেন: মুহাম্মদ বিন মাক্কি আল-কুশমিহানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন মাতার আল-ফারবারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-বুখারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। ইসমাইল আমার নিকট বর্ণনা করেছেন। মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নুআইম বিন আব্দুল্লাহ আল-মুজমির থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «মদিনার প্রবেশপথসমূহে ফেরেশতারা পাহারায় রয়েছেন; এতে প্লেগ এবং দাজ্জাল প্রবেশ করতে পারবে না।»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ৪৬)
الْبَلَدُ الثَّالِثُ: بَغْدَادُأَخْبَرَنَا أَبُو الْخَطَّابِ نَصْرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْبَطْرِ الْقَارَّيُّ، بِبَغْدَادَ، وَمَوْلِدُهُ سَنَةَ 398، وَوَفَاتُهُ سَنَةَ 494، قَالَ: أنا أَبُو مُحَمَّدِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ يَحْيَى بْنِ الْبَيْعِ، أنا الْقَاضِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْمَحَامِلِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْبُخَارِيُّ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ يَحْيَى بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبَّادِ الْمَدَنِيُّ، حَدَّثَنِي أَبِي يَحْيَى، عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنِي عَاصِمُ بْنُ عُمَرَ بْنِ قَتَادَةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّهُ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَ رَاحَ قَافِلًا إِلَى الْمَدِينَةِ، وَهُوَ يَقُولُ: «آيِبُونَ تَائِبُونَ إِنْ شَاءَ اللَّهُ عَابِدُونَ، لِرَبِّنَا حَامِدُونَ، أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ وَعْثَاءِ السَّفَرِ، وَكَآبَةِ الْمُنْقَلَبِ، وَسُوءِ الْمَنْظَرِ فِي الْأَهْلِ وَالْمَالِ»
তৃতীয় শহর: বাগদাদআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-খাত্তাব নাসর ইবনে আহমদ ইবনে আল-বাতর আল-কারি, বাগদাদে; তাঁর জন্ম ৩৯৮ হিজরিতে এবং মৃত্যু ৪৯৪ হিজরিতে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আল-বাই। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-কাদি আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ আল-মাহামিলি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-বুখারি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ আল-মাদানি। আমার পিতা ইয়াহইয়া আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে ইসহাক থেকে। আসিম ইবনে উমর ইবনে কাতাদাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে মদিনায় ফেরার পথে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: «আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তওবাকারী, ইনশাআল্লাহ ইবাদতকারী এবং আমাদের রবের প্রশংসাকারী। আমি আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাচ্ছি সফরের ক্লান্তি, প্রত্যাবর্তনের বিষণ্ণতা এবং পরিবার ও সম্পদের অশুভ দৃশ্য থেকে।’
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
الْبَلَدُ الرَّابِعُ: أَصْبَهَانُأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْقَاسِمُ بْنُ الْفَضْلِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مَحْمُودٍ الثَّقَفِيُّ، رَئِيسُ أَصْبَهَانَ سَنَةَ 488، وَتُوُفِّيَ سَنَةَ تِسْعٍ، وَمَوْلِدُهُ سَنَةَ 398، قَالَ: أنا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَحْمَشَ الزِّيَادِيُّ، الْإِمَامُ بِنَيْسَابُورَ، أنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَعْقُوبَ الْكَرْمَانِيُّ، ثنا يَحْيَى بْنُ بَحْرٍ الْكَرْمَانِيُّ، ثنا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ مُجَالِدٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّكُمُ الْيَوْمَ عَلَى دِينٍ، وَإِنِّي مُكَاثِرٌ بِكُمُ الْأُمَمَ، فَلَا تُمْسُوا الْقَهْقَرَى بَعْدِي»
চতুর্থ শহর: আসবাহানআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আল-কাসিম ইবনে আল-ফাদল ইবনে আহমাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মাহমুদ আস-সাকাফি, যিনি ৪৮৮ হিজরি সনে আসবাহানের প্রধান ছিলেন, এবং তিনি (চারশত) নয় সনে ইন্তেকাল করেন, আর তাঁর জন্ম ৩৯৮ সনে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাইশাপুরের ইমাম আবু তাহের মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মাহমাশ আজ-জিয়াদি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াকুব আল-কিরমানি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে বাহর আল-কিরমানি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে যাইদ, তিনি মুজালিদ থেকে, তিনি শাবি থেকে, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই তোমরা আজ একটি দ্বীনের ওপর আছ, আর আমি তোমাদের মাধ্যমে উম্মতগণের মাঝে সংখ্যাধিক্যের গৌরব করব; সুতরাং আমার পরে তোমরা পুনরায় পেছনের দিকে ফিরে যেও না (বিমুখ হয়ো না)»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ৫২)
الْبَلَدُ الْخَامِسُ: الْكُوفَةُأَخْبَرَنَا أَبُو الْبَقَاءِ الْمَعْمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْبَرْمَكِيُّ الْحَبَّالُ، بِالْكُوفَةِ، أنا الْقَاضِي أَبُو مُحَمَّدِ جَنَاحُ بْنُ نَذِيرٍ بْنِ جَنَاحٍ الْمُحَارِبِيُّ، أنا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ دُحَيْمٍ الشَّيْبَانِيُّ، ثنا أَبُو عَمْرٍو أَحْمَدُ بْنُ حَازِمَ بْنِ غِرْزَةَ الْغِفَارِيُّ، ثنا يَحْيَى بْنُ إِسْحَاقَ السُّلَيْحِينِيُّ، ثنا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «خَيْرُكُمْ مَنْ قَرَأَ الْقُرْآنَ وَأَقْرَأَهُ»
পঞ্চম শহর: কুফাআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল বাকা আল-মা’মার বিন মুহাম্মদ বিন আলী আল-বারমাকি আল-হাব্বাল কুফায়, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাযী আবু মুহাম্মদ জানাহ বিন নাযীর বিন জানাহ আল-মুহারিবী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আলী বিন দুহাইম আল-শাইবানী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আমর আহমদ বিন হাযিম বিন গিরযাহ আল-গিফারী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন ইসহাক আল-সুলাইহিনী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহিদ বিন যিয়াদ, আব্দুর রহমান বিন ইসহাক থেকে, তিনি নুমান বিন সাদ থেকে, তিনি আলী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সেই ব্যক্তি, যে কুরআন পাঠ করে এবং তা অন্যকে পাঠ করায় (শিক্ষা দেয়)»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
الْبَلَدُ السَّادِسُ: الْبَصْرَةُأَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْعَسْكَرِيُّ، بِالْبَصْرَةِ، وَسَأَلْتُهُ عَنْ مَوْلِدِهِ فَقَالَ: سَنَةَ 411، ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَعْقُوبَ الْقُسَامِلِيُّ الْحَافِظُ، سَنَةَ 419، ثنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْمُتَنَعِّلِ الْمَقَرِّي، ثنا أَبُو عِيسَى الْوَاسِطَيُّ، ثنا حَمْدُونُ بْنُ سَلَمَ، ثنا أَبُو سُفْيَانَ الْحِمْيَرِيُّ، عَنِ الضَّحَّاكِ بْنِ حُمْرَةَ، عَنْ مَنْصُورٍ بْنِ زَاذَانٍ، عَنِ الْحَسَنِ وَهُوَ الْبَصْرِيُّ، عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ صَلَّى اثْنَتَيْ عَشْرَةَ رَكْعَةً مِنَ النَّهَارِ تَطَوُّعًا، بَنَى اللَّهُ تَعَالَى لَهُ بَيْتًا فِي الْجَنَّةِ»
ষষ্ঠ শহর: বসরাআমাদেরকে আবুল হাসান মুহাম্মাদ ইবনে জাফর ইবনে মুহাম্মাদ আল-আসকারি বসরায় সংবাদ দিয়েছেন, এবং আমি তাঁর জন্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন: ৪১১ হিজরি সনে। আমাদের কাছে আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াকুব আল-কুসামিলি আল-হাফিয ৪১৯ হিজরি সনে বর্ণনা করেছেন। আমাদের কাছে আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে আল-মুতান্নাইল আল-মুকরি বর্ণনা করেছেন। আমাদের কাছে আবু ঈসা আল-ওয়াসিতি বর্ণনা করেছেন। আমাদের কাছে হামদুন ইবনে সালাম বর্ণনা করেছেন। আবু সুফিয়ান আল-হিময়ারি আদ-দাহহাক ইবনে হুমরাহ থেকে, তিনি মানসুর ইবনে যাদান থেকে, তিনি আল-হাসান আল-বাসরি থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী উম্মে হাবিবা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি দিনে নফল হিসেবে বারো রাকাত নামাজ আদায় করবে, আল্লাহ তাআলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করবেন।»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ৬০)
الْبَلَدُ السَّابِعُ: مِصْرُأَخْبَرَنَا أَبُو صَادِقٍ مُرْشِدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ الْقَاسِمِ الْمَدِينِيُّ، بِمِصْرَ، أنا أَبُو طَالِبٍ دَاجِنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ دَاجِنَ السُّدُوسِيُّ، أنا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ رَشِيقٍ الْعَسْكَرِيُّ، ثنا أَبُو بِشْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَمَّادٍ الدُّولَابِيُّ الْأَنْصَارِيُّ، ثنا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ إِسْحَاقَ السَّعْدِيُّ الْجُوزْجَانِيُّ، ثنا عَبْدُ الْغَفَّارِ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى، ثنا صَالِحُ بْنُ أَبِي الْأَخْضَرَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ حَدَّثَهُ، عَنِ الصُّمَيْتَةِ، أَنَّهَا سَمِعَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «مَنِ اسْتَطَاعَ الْمَوْتَ بِالْمَدِينَةِ فَلْيَمُتْ بِهَا، فَمَنْ مَاتَ بِالْمَدِينَةِ كُنْتُ لَهْ شَفِيعًا أَوْ شَهِيدًا»
সপ্তম শহর: মিশরআমাদের নিকট আবু সাদিক মুর্শিদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনুল কাসিম আল-মাদিনি মিশরে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের আবু তালিব দাজিন ইবনে আহমাদ ইবনে দাজিন আস-সুদুসি জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে রাশিখ আল-আসকারি জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু বিশর মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্মাদ আদ-দুলাবি আল-আনসারি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইসহাক আস-সা'দি আল-জুজজানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আব্দুল গাফফার ইবনে আব্দুল আ'লা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সালিহ ইবনে আবিল আখদার বর্ণনা করেছেন যুহরি থেকে, তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, আর তিনি সুমাইতাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: «যে ব্যক্তি মদিনায় মৃত্যুবরণ করতে সক্ষম হয়, সে যেন সেখানেই মৃত্যুবরণ করে। কারণ যে ব্যক্তি মদিনায় মৃত্যুবরণ করবে, আমি তার জন্য সুপারিশকারী অথবা সাক্ষী হব।»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ৬৩)
الْبَلَدُ الثَّامِنُ: زِنْجَانُأَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ زِنْجِوَيْهِ الْإِمَامُ، بِزِنْجَانَ، وَسَأَلْتُهُ عَنْ مَوْلِدِهِ فَقَالَ: سَنَةَ 403، قَالَ أنا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ شَاذَانَ الْبَزَّازُ، بِبَغْدَادَ، أنا أَبُو الْحُسَيْنِ عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مَكْرَمَ الطَّسْتِيُّ، أَخْبَرَنِي أَبُو سَهْلٍ السَّرِيُّ بْنُ سَهْلِ بْنِ حِرْبَانَ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَشِيدٍ، ثنا أَبُو عُبَيْدَةُ مَجَاعَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ الْعَتْكِيُّ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا كَانَ أَحَدُكُمْ فِي الصَّلَاةِ فَلَا يَتْفُلَنَّ أَمَامَهُ وَلَا عَنْ يَمِينِهِ، وَلَكِنْ عَنْ يَسَارِهِ، أَوْ تَحْتَ قَدَمِهِ الْيُسْرَى، فَإِنَّهُ يُنَاجِي رَبَّهُ عز وجل»
অষ্টম শহর: জিনজানআমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন জিনজুওয়াইহ, জিনজানে। আমি তাঁকে তাঁর জন্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: ৪০৩ হিজরি সালে। তিনি বললেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলি আল-হাসান বিন আহমদ বিন শাযান আল-বায্যায, বাগদাদে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আবদুস সামাদ বিন আলি বিন মাকরাম আত-তাসতি। আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু সাহল আস-সাররি বিন সাহল বিন হিরবান। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন রাশিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উবাইদাহ মাজআ বিন আয-যুবাইর আল-আতকি, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমাদের কেউ যখন সালাতে থাকে, সে যেন তার সামনে কিংবা তার ডান দিকে থুতু না ফেলে; বরং তার বাম দিকে অথবা তার বাম পায়ের নিচে ফেলে, কেননা সে তার মহান প্রতিপালকের সাথে নিভৃতে কথা বলে।»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ৬৬)
الْبَلَدُ التَّاسِعُ: الرَّيُّأَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو الْمَحَاسِنِ عَبْدُ الْوَاحَدِ ِبْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَحْمَدَ الرُّويَانِيُّ، بِالرَّيِّ، أنا أَبُو غَانِمِ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ الْكَرَاعِيُّ، بِمَرْوٍ، أنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحُسَيْنِ النَّضْرِيُّ، أنا الْحَارِثُ بْنُ أَبِي أُسَامَةَ التَّمِيمِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ كُنَاسَةَ الْأَسَدِيُّ الْكُوفِيُّ، ثنا الْأَعْمَشُ، عَنْ شَفِيقٍ، عَنِ أَبِي مُوسَى، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، الْمَرْءُ يُحِبُّ الْقَوْمَ وَلَمَّا يَلْحَقْ بِهِمْ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الْمَرْءُ مَعَ مَنْ أَحَبَّ»
নবম শহর: রায়আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাজি আবুল মাহাসিন আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে ইসমাঈল ইবনে আহমাদ আর-রুয়ানি রায় শহরে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু গানিম আহমাদ ইবনে আলি আল-কারায়ি মারভ শহরে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে আল-হুসাইন আন-নাদরি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হারিস ইবনে আবি উসামা আত-তামিমি; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে কুনাসাহ আল-আসাদি আল-কুফি; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-আমাশ, শাফিক থেকে এবং তিনি আবু মুসা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আরজ করলাম, হে আল্লাহর রাসুল! কোনো ব্যক্তি একটি দলকে ভালোবাসে কিন্তু তাদের সমপর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি? তখন আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "মানুষ তার সাথেই থাকবে যাকে সে ভালোবাসে।"
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ৭০)
الْبَلَدُ الْعَاشِرُ: قَزْوِينُأَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو الْفَتْحِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ بْنِ مُحَمَّدِ الْمَاكِيُّ، بِقَزْوِينَ، أنا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ زَاذَانَ الْقَزْوِينِيُّ، ثنا أَبُو بَكْرٍ هِلَالُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبَصْرِيُّ، بِالْبَصْرَةِ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ الْمُثَنَّى الْعَنْبَرِيُّ، وَأَبُو مُسْلِمَ الْكُشِيُّ، و َأَبُو خَلِيفَةَ، و َابْنُ أَبِي سُوَيْدٍ، و َأَبُو عَلِيٍّ الزَّرْيَقِيُّ، قَالُوا: أنا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ رَبْعِيِّ بْنِ حَرَّاشٍ، عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ الْبَدْرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِنَّ مِمَّا أَدْرَكَ النَّاسُ مِنْ كَلَامِ النُّبُوَّةِ الْأُولَى: إِذَا لَمْ تَسْتَحِي فَاعْمَلْ مَا شِئْتَ "
দশম শহর: কাজভিনআমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাজি আবুল ফাতহ ইসমাইল বিন আব্দুল জব্বার বিন মুহাম্মাদ আল-মাকি, কাজভিনে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান মুহাম্মাদ বিন উমর বিন যাদান আল-কাজভিনি; আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু বকর হিলাল বিন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ আল-বাসরি, বসরাতে; আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হাসান বিন আল-মুসান্না আল-আনবারি, আবু মুসলিম আল-কাশি, আবু খলিফা, ইবনে আবি সুওয়াইদ এবং আবু আলি আজ-যারিয়াকি; তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-কানাবি, তিনি শুবা থেকে, তিনি মানসুর থেকে, তিনি রাবঈ বিন হিরাশ থেকে, তিনি আবু মাসউদ আল-বাদরি (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "নিশ্চয়ই মানুষ পূর্ববর্তী নবুওয়াতের বাণীসমূহ থেকে যা লাভ করেছে তার একটি হলো: যখন তুমি লজ্জা বোধ না করো, তবে যা ইচ্ছা করো।"
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ৭৩)
الْبَلَدُ الْحَادِيَ عَشَرَ: الدُّونُأَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ حَمْدٍ بْنِ الْحَسَنِ الدُّونِيُّ السُّفْيَانِيُّ، بِالدُّونِ، أنا أَبُو نَصْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْكَسَّارِ الدِّينَوَرِيُّ، أنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ السُّنِّيِّ الْحَافِظُ، أنا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَحْمَدُ بْنُ شُعَيْبٍ النَّسَوِيُّ، ثنا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ الْبَلْخِيُّ، وَعُتْبَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمَرْوَزِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَطَاءَ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «إِذَا سَمِعْتُمُ النِّدَاءَ فَقُولُوا مِثْلَ مَا يَقُولُ الْمُؤَذِّنُ»
একাদশ শহর: আদ-দুনআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে হামদ ইবনে আল-হাসান আদ-দুনি আস-সুফয়ানি, আদ-দুন নামক স্থানে; আমাদের জানিয়েছেন আবু নাসর আহমদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-কাসসার আদ-দিনাওয়ারি; আমাদের জানিয়েছেন হাফিয আবু বকর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনুস সুন্নি; আমাদের জানিয়েছেন আবু আবদুর রহমান আহমদ ইবনে শুআইব আন-নাসায়ি; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন কুতাইবা ইবনে সাঈদ আল-বালখি এবং উতবা ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মারওয়াযি; তাঁরা মালিক থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াযিদ থেকে এবং তিনি আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যখন তোমরা আযান শুনবে, তখন মুয়াযযিন যা বলে তোমরাও অনুরূপ বলো।»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ৭৬)
الْبَلَدُ الثَّانِي عَشَرَ: هَمَذَانُأَخْبَرَنَا أَبُو غَالِبٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْقَارِيُّ الْمُزَكِّي، بِهَمَذَانَ، أنا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ شَبَانَةَ الْعَدْلُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَرْزَةَ الرُّوذَرَاورِيُّ، ثنا الْحَارِثُ بْنُ أَبِي أُسَامَةَ التَّمِيمِيُّ، ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَنْ أَتَى الْجُمْعَةَ فَلْيَغْتَسِلْ»
দ্বাদশ শহর: হামাদানআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু গালিব আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আল-কারী আল-মুযাক্কী, হামাদানে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে শাবানা আল-আদল; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বারযা আর-রূদারাওয়ারী; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হারিস ইবনে আবু উসামা আত-তামিমী; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াযীদ ইবনে হারূন; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক, তিনি নাফে‘ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি জুমুআর সালাতে আসবে, সে যেন গোসল করে।»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ৭৯)
الْبَلَدُ الثَّالِثَ عَشَرَ: الْمَرَاغَةُأَخْبَرَنَا أَبُو عَلَّانَ سَعْدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ حُمَيْدٍ الْمِصْرِيُّ، بِالْمَرَاغَةِ، أنا الْقَاضِي أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيٍّ التِّرَاسِيُّ، ثنا أَبُو عَبْدُ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ طَاهِرِ بْنِ النَّجْمِ الْمَيَانِجِيُّ، ثنا يَحْيَى بْنُ الْبَخْتَرِيُّ الْحِنَّائِيُّ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، ثنا الْمُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: قَالَ أَبِي: ثنا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، أَنَّ رَجُلَيْنِ عَطَسَا عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَشَمَّتَ أَحَدَهُمَا وَتَرَكَ الْآخَرَ، أَوْ قَالَ: فَسَمَّتَ، فَقَالَ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، هَذَانِ رَجُلَانِ عَطَسَا فَشَمَّتَّ، أَوْ قَالَ فَسَمَّتَّ، أَحَدَهُمَا وَتَرَكْتَ الْآخَرَ؟ قَالَ: «لِأَنَّ هَذَا حَمِدَ اللَّهَ، وَإِنَّ هَذَا لَمْ يَحْمَدِ اللَّهَ» .
أَوْ كَمَا قَالَ
ত্রয়োদশ শহর: মারাগাহআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল্লান সাদ বিন আলী বিন হুমাইদ আল-মিসরি মারাগাহ-তে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাজি আবুল হাসান আহমদ বিন আল-হুসাইন বিন আলী আত-তিরাসি; তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু আবদুল্লাহ আহমদ বিন তাহির বিন আন-নাজম আল-মায়ানিজি; তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন আল-বাখতারি আল-হিন্নায়ি; তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ বিন মুয়ায; তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আল-মুতামির বিন সুলায়মান; তিনি বলেন: আমার পিতা বলেছেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আনাস বিন মালিক যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট দুইজন ব্যক্তি হাঁচি দিলেন। তখন তিনি তাদের একজনের হাঁচির উত্তর দিলেন এবং অপরজনকে ছেড়ে দিলেন—অথবা তিনি বলেছেন: উত্তর দিলেন—তখন এক ব্যক্তি বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, এই দুইজন ব্যক্তি হাঁচি দিলেন, আপনি একজনের হাঁচির উত্তর দিলেন এবং অপরজনকে ছেড়ে দিলেন? তিনি বললেন: «কারণ এ আল্লাহর প্রশংসা করেছে, আর ও আল্লাহর প্রশংসা করেনি»।
অথবা তিনি যেমনটি বলেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ৮১)
الْبَلَدُ الرَّابِعَ عَشَرَ: الْإِسْكَنْدَرِيَّةِأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الرَّازِيُّ الْمِعْدَلُ، بِالْإِسْكَنْدَرِيَّةِ وَغَيْرِهَا، أَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ حِمْصَةَ الْحَرَّانِيُّ الصَّوَّافُ، بِمِصْرَ، ثنا أَبُو الْقَاسِمِ حَمْزَةُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْكِنَانِيُّ الْحَافِظُ، إِمْلَاءً، أنا عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى بْنِ حُمَيْدٍ الطَّبِيبُ، ثنا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَكِيرٍ، حَدَّثَنِي اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ عَامِرِ بْنِ يَحْيَى الْمُعَافِرِيِّ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحَبْلِيِّ، أَنَّهُ قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " يُصَاحُ بِرَجُلٍ مِنْ أُمَّتِي عَلَى رُؤُوسِ الْخَلَائِقِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، فَيُنْشَرُ لَهُ تِسْعَةٌ وَتِسْعُونَ سِجِلًّا كُلُّ سِجِلٍّ مِنْهَا مَدَّ الْبَصَرَ، ثُمَّ يَقُولُ اللَّهُ تبارك وتعالى لَهُ: أَتُنْكِرُ مِنْ هَذَا شَيْئًا؟ ، فَيَقُولُ: لا يَا رَبُّ، فَيَقُولُ عز وجل: أَلَكَ عُذْرٌ أَوْ حَسَنَةٌ؟ فَيَهَابُ الرَّجُلُ، فَيَقُولُ: لَا يَا رَبُّ، فَيَقُولُ عز وجل: بَلَى، إِنَّ لَكَ عِنْدَنَا
চতুর্দশ শহর: আলেকজান্দ্রিয়াআলেকজান্দ্রিয়া ও অন্যান্য স্থানে আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন ইব্রাহিম আর-রাজি আল-মি'দাল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, মিশরে আবুল হাসান আলী বিন উমর বিন হিমসাহ আল-হাররানি আস-সাউওয়াফ আমাদের জানিয়েছেন, আবুল কাসিম হামযাহ বিন মুহাম্মদ বিন আলী আল-কিনানি আল-হাফিয শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ইমরান বিন মুসা বিন হুমাইদ আত-তাবীব আমাদের জানিয়েছেন, ইয়াহইয়া বিন আবদুল্লাহ বিন বুকাইর আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, লাইস বিন সাদ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আমের বিন ইয়াহইয়া আল-মুআফিরি থেকে, তিনি আবু আবদুর রহমান আল-হাবলি থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আমি আবদুল্লাহ বিন আমরকে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "কিয়ামতের দিন সমস্ত সৃষ্টির সামনে আমার উম্মতের একজন লোককে উচ্চস্বরে ডাকা হবে, অতঃপর তার জন্য নিরানব্বইটি দপ্তর উন্মোচন করা হবে, যার প্রতিটি দপ্তর দৃষ্টির সীমা পর্যন্ত বিস্তৃত। তারপর আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা তাকে বলবেন: 'তুমি কি এর মধ্য থেকে কিছু অস্বীকার করো?' সে বলবে: 'না, হে আমার রব।' তখন মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ বলবেন: 'তোমার কি কোনো ওজর বা কোনো নেক আমল আছে?' তখন লোকটি ভীত হয়ে পড়বে এবং বলবে: 'না, হে আমার রব।' তখন মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ বলবেন: 'অবশ্যই, আমাদের নিকট তোমার একটি পুণ্য রয়েছে...'"
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ৮২)
حَسَنَاتٍ، وَإِنَّهُ لَا ظُلْمَ عَلَيْكَ، فَيُخْرِجُ لَهُ بِطَاقَةً فِيهَا: أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ، فَيَقُولُ: يَا رَبُّ، مَا هَذِهِ الْبِطَاقَةُ مَعَ هَذِهِ السِّجِلَّاتِ؟ ، فَيَقُولُ عز وجل: إِنَّكَ لَا تُظْلَمُ، قَالَ: فَتُوضَعُ تِلْكَ السِّجَلَّاتُ فِي كِفَّةٍ، وَالْبِطَاقَةُ فِي كِفَّةٍ، فَطَاشَتِ السِّجِلَّاتُ، وَثَقُلَتِ الْبِطَاقَةُ ".
قَالَ حَمْزَةُ: وَلَا نَعْلَمُهُ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ غَيْرُ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ، وَهُوَ مِنْ أَحْسَنِ الْحَدِيثِ، وَبِاللَّهِ التَّوْفِيقُ.
قَالَ أَبُو الْحَسَنِ الْحَرَّانِيُّ: لَمَّا أَمْلَى عَلَيْنَا حَمْزَةُ هَذَا الْحَدِيثَ صَاحَ غَرِيبٌ مِنَ الْحَلْقَةِ صَيْحَةً فَاضَتْ نَفْسُهُ مَعَهَا، وَأَنَا مِمَّنْ حَضَرَ جِنَازَتَهُ، وَصُلِّيَ عَلَيْهِ رَحِمَهُ اللَّهُ تَعَالَى
পুণ্যসমূহ, আর নিশ্চয়ই তোমার ওপর কোনো জুলুম করা হবে না। অতঃপর তার জন্য একটি চিরকুট বের করা হবে যাতে রয়েছে: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল। তখন সে বলবে: হে আমার রব, এই বিশাল আমলনামাগুলোর বিপরীতে এই ক্ষুদ্র চিরকুটটির কী ওজন আছে? তখন মহাপরাক্রমশালী ও মহান আল্লাহ বলবেন: নিশ্চয়ই তোমার প্রতি কোনো অবিচার করা হবে না। তিনি বলেন: অতঃপর সেই আমলনামাগুলো এক পাল্লায় রাখা হবে এবং চিরকুটটি অন্য পাল্লায় রাখা হবে; ফলে আমলনামাগুলো হালকা হয়ে যাবে এবং চিরকুটটি ভারী হয়ে যাবে।
হামজা বলেন: লাইস ইবনে সাদ ব্যতীত অন্য কেউ এই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। আর এটি অন্যতম উত্তম হাদিস। আর আল্লাহর পক্ষ থেকেই তাওফিক আসে।
আবুল হাসান আল-হাররানী বলেন: হামজা যখন আমাদের কাছে এই হাদিসটি বর্ণনা করছিলেন, তখন মজলিসের একজন আগন্তুক এমন এক চিৎকার দিলেন যার সাথে সাথেই তার প্রাণবায়ু নির্গত হয়ে গেল। আমি তাদের মধ্যে ছিলাম যারা তার জানাজায় উপস্থিত ছিল এবং তার জানাজার সালাত আদায় করা হয়েছে, আল্লাহ তাআলা তার প্রতি রহম করুন।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ৮৬)
الْبَلَدُ الْخَامِسَ عَشَرَ: دِمَشْقُأَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحِنَّائِيُّ، بِدِمَشْقَ، أنا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الشَّوَّاشِ، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ سُلْوَانَ الْمَازِنِيُّ، قَالَ أنا أَبُو الْقَاسِمِ الْفَضْلُ بْنُ جَعْفَرَ بْنِ مُحَمَّدٍ التَّمِيمِيُّ الْمُؤَذِّنُ، ثنا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ الْفَرَجِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْهَاشِمِيُّ، ثنا أَبُو مِسْهَرَ عَبْدُ الْأَعْلَى بْنُ مِسْهَرَ الْغَسَّانِيُّ، ثنا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ الْخَوْلَانِيِّ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، عَنْ جِبْرِيلَ عليه السلام، عَنِ اللَّهِ عز وجل أَنَّهُ قَالَ: " يَا عِبَادِي، إِنِّي حَرَّمْتُ الظُّلْمَ عَلَى نَفْسِي، وَجَعَلْتُهُ بَيْنَكُمْ مُحَرَّمًا فَلَا تَظَالَمُوا، يَا عِبَادِي، إِنَّكُمْ تُخْطِئُونَ بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَأَنَا الَّذِي أَغْفِرُ الذُّنُوبَ وَلَا أُبَالِي، فَاسْتَغْفِرُونِي أَغْفِرْ لَكُمْ، يَا عِبَادِي، كُلُّكُمْ جَائِعٌ إِلَّا مَنْ أَطْعَمْتُهُ، فَاسْتَطْعِمُونِي أُطْعِمْكُمْ،
পঞ্চদশ শহর: দামেস্কদামেস্কে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ আল-হিন্নায়ী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে আলী ইবনুশ শাওওয়াশ এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে সুলওয়ান আল-মাজিনী; তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আল-ফাদল ইবনে জাফর ইবনে মুহাম্মদ আত-তামীমী আল-মুয়াজ্জিন; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আব্দুর রহমান ইবনুল কাসিম ইবনুল ফারাজ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আল-হাশিমী; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মিসহার আব্দুল আ’লা ইবনে মিসহার আল-গাসসানী; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে আব্দুল আযীয, রাবিয়াহ ইবনে ইয়াযীদ থেকে, তিনি আবু ইদরীস আল-খাওলানী থেকে, তিনি আবু যার থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে, তিনি জিবরীল (আলাইহিস সালাম) থেকে এবং তিনি আল্লাহ (আযযা ওয়া জাল্লা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "হে আমার বান্দারা, নিশ্চয়ই আমি নিজের জন্য জুলুমকে হারাম করেছি এবং তোমাদের পরস্পরের মধ্যেও তা হারাম করেছি; সুতরাং তোমরা একে অপরের ওপর জুলুম করো না। হে আমার বান্দারা, তোমরা রাত-দিন গুনাহ করো আর আমিই সকল গুনাহ ক্ষমা করি এবং আমি এতে পরোয়া করি না। অতএব তোমরা আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, আমি তোমাদের ক্ষমা করে দেব। হে আমার বান্দারা, তোমরা সকলেই ক্ষুধার্ত, তবে সে ব্যতীত যাকে আমি আহার করিয়েছি; সুতরাং তোমরা আমার কাছে আহার চাও, আমি তোমাদের আহার করাব।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ৮৭)
يَا عِبَادِي، كُلُّكُمْ عَارٍ إِلَّا مَنْ كَسَوْتُهُ، فَاسْتَكْسُونِي أَكْسُكُمْ، يَا عِبَادِي، لَوْ أَنَّ أَوَّلَكُمْ وَآخِرَكُمْ، وَإِنْسَكُمْ وَجِنَّكُمْ كَانُوا عَلَى أَفْجَرِ قَلْبِ رَجُلٍ مِنْكُمْ لَمْ يَنْقُصْ ذَلِكَ مِنْ مِلْكِي شَيْئًا، يَا عِبَادِي، لَوْ أَنَّ أَوَّلَكُمْ وَآخِرَكُمْ، وَإِنْسَكُمْ وَجِنَّكُمْ كَانُوا عَلَى أَتْقَى قَلْبِ رَجُلٍ مِنْكُمْ لَمْ يَزِدْ ذَلِكَ مِنْ مُلْكِي شَيْئًا، يَا عِبَادِي، لَوْ أَنَّ أَوَّلَكُمْ وَآخِرَكُمْ وَأِنْسَكُمْ وَجِنَّكُمْ كَانُوا فِي صَعِيدٍ وَاحِدٍ فَسَأَلُونِي فَأَعْطَيْتُ كُلَّ إِنْسَانٍ مِنْهُمْ مَا شَاءَ لَمْ يَنْقُصْ ذَلِكَ مِنْ مُلْكِي شَيْئًا إِلَّا كَمَا يَنْقُصُ الْمِخْيَطُ أَنْ يُغْمَسَ غَمْسَةً، وَقَالَ ابْنُ شَوَّاشٍ: فِيهِ غَمْسَةٌ وَاحِدَةٌ، يَا عِبَادِي، إِنَّمَا هِيَ أَعْمَالُكُمْ أَحْفَظُهَا عَلَيْكُمْ، فَمَنْ وَجَدَ خَيْرًا فَلْيَحْمَدِ اللَّهَ، وَمَنْ وَجَدَ غَيْرَ ذَلِكَ فَلَا يَلُومَنَّ إِلَّا نَفْسَهُ ".
قَالَ أَبُو مِسْهَرَ: قَالَ سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ: كَانَ أَبُو إِدْرِيسَ الْخَوْلَانِيُّ إِذَا حَدَّثَ بِهَذَا الْحَدِيثِ جَثَى عَلَى رُكْبَتَيْهِ
হে আমার বান্দাগণ, তোমরা সকলেই বস্ত্রহীন, কেবল সে ব্যতীত যাকে আমি পরিধান করিয়েছি; সুতরাং তোমরা আমার নিকট পরিচ্ছদ প্রার্থনা করো, আমি তোমাদের পরিধান করাব। হে আমার বান্দাগণ, যদি তোমাদের প্রথম ও শেষ ব্যক্তি এবং তোমাদের মানুষ ও জিন জাতি তোমাদের মধ্যকার সর্বাধিক পাপাচারী ব্যক্তির হৃদয়ের ন্যায় হয়ে যাও, তবে তা আমার রাজত্ব হতে কিছুই হ্রাস করতে পারবে না। হে আমার বান্দাগণ, যদি তোমাদের প্রথম ও শেষ ব্যক্তি এবং তোমাদের মানুষ ও জিন জাতি তোমাদের মধ্যকার সর্বাধিক মুত্তাকী ব্যক্তির হৃদয়ের ন্যায় হয়ে যাও, তবে তা আমার রাজত্বে কিছুই বৃদ্ধি করতে পারবে না। হে আমার বান্দাগণ, যদি তোমাদের প্রথম ও শেষ ব্যক্তি এবং তোমাদের মানুষ ও জিন জাতি সকলে এক প্রান্তরে সমবেত হয়ে আমার নিকট প্রার্থনা করো এবং আমি তাদের প্রত্যেককে তার প্রার্থনা অনুযায়ী দান করি, তবে তা আমার রাজত্ব হতে কিছুই হ্রাস করবে না, যেমনটি একটি সূঁচ সমুদ্রে নিমজ্জিত করলে (পানি) হ্রাস পায়। ইবনে শাওওয়াশ বলেছেন: এতে একবার ডুব দেওয়ার কথা রয়েছে। হে আমার বান্দাগণ, এগুলো কেবল তোমাদেরই আমল যা আমি তোমাদের জন্য সংরক্ষণ করি। সুতরাং যে ব্যক্তি কল্যাণ লাভ করবে সে যেন আল্লাহর প্রশংসা করে, আর যে ব্যক্তি এর ব্যতিক্রম কিছু পাবে সে যেন কেবল নিজেকেই তিরস্কার করে।
আবু মিসহার বলেন: সাঈদ ইবনে আব্দুল আজিজ বলেছেন: আবু ইদরিস আল-খাওলানী যখনই এই হাদিস বর্ণনা করতেন, তখন তিনি তাঁর হাঁটু গেড়ে বসে পড়তেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ৯১)
الْبَلَدُ السَّادِسَ عَشَرَ: نَهَاوَنْدُأَخْبَرَنَي أَبُو مَنْصُورٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمُنِ بْنِ عَمْرٍو النَّهَاوَنْدِيُّ، بِنَهَاوَنْدَ، أنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ خَرْجَةَ الْقَاضِيُّ، ثنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الَبَكَّائِيُّ، أنا أَبُو جَعْفَرَ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْحَضْرَمِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ الْمُحَارِبِيُّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْأَجْلَحِ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ عَلِيٍّ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَا تَقْرَأِ الْقُرْآنَ رَاكِعًا وَلَا سَاجِدًا»
ষোড়শ শহর: নাহাওয়ান্দআবু মানসুর মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন আমর আন-নাহাওয়ান্দী আমাকে নাহাওয়ান্দে সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আহমদ বিন আব্দুর রহমান বিন খারজাহ আল-কাজী, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবুল হাসান আলী বিন আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ আল-বাক্কায়ী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন সুলাইমান আল-হাদরামি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন উবাইদ আল-মুহারিবি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন আল-আজলাহ, তিনি ইবনে আবি লায়লা থেকে, তিনি আব্দুল কারীম থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আল-হারিস থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে এবং তিনি আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা রুকু ও সিজদারত অবস্থায় কুরআন তিলাওয়াত করো না।"
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ৯৫)
الْبَلَدُ السَّابِعَ عَشَرَ: أَبْهَرُأَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ مُحَمَّدٍ الشَّافِعِيُّ، الْأَبْهَرِيُّ، بِأَبْهَرَ، وَيُعْرَفُ بِابْنِ مِدِّكَانِ، أنا جَدِّي أَبُو جَعْفَرَ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَحَمَدَ بْنِ عَبْدِ السَّلَامِ الْمَالِكَيُّ، سَنَةَ 428، قَالَ: أنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بَنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكِ بْنِ شَبِيبٍ الْقَطِيعِيُّ، بِبَغْدَادَ سَنَةَ 365، قَالَ: أَنَا أَبُو عَبْدِ الَّرْحَمَنِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلَ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثنا أَبُو النَّضْرِ، ثنا الْمَسْعُودِيُّ، عَنِ الرَّكِينِ بْنِ الرَّبِيعِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ خُرَيْمِ بْنِ فَاتِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " الْأَعْمَالُ سِتَّةٌ، وَالنَّاسُ أَرْبَعَةٌ، فَمُوجِبَتَانِ وَمِثْلٌ بِمِثْلٍ، وَالْحَسَنَةُ بِعَشْرِ أَمْثَالِهَا، وَالْحَسَنَةُ بِسَبْعِ مِائَةٍ، فَأَمَّا الْمُوجِبَتَانِ: مَنْ مَاتَ لَا يُشْرِكْ بِاللَّهِ سُبْحَانَهُ شَيْئًا دَخَلَ الْجَنَّةَ، وَمَنْ مَاتَ يُشْرِكْ بِاللَّهِ دَخَلَ النَّارَ، وَأَمَّا مِثْلٌ بِمِثْلٍ: فَمَنْ هَمَّ بِحَسَنَةٍ حَتَّى
সপ্তদশ শহর: আবহারআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আব্দুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ বিন মুহাম্মদ আশ-শাফিয়ী আল-আবহারী, আবহারে, এবং তিনি ইবনে মিদকান হিসেবে পরিচিত; সংবাদ দিয়েছেন আমার দাদা আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ বিন আহমদ বিন আব্দুস সালাম আল-মালিকী, ৪২৮ হিজরিতে। তিনি বলেন: সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন জাফর বিন হামদান বিন মালিক বিন শাবীব আল-ক্বাতী‘ঈ, বাগদাদে ৩৬৫ হিজরিতে। তিনি বলেন: সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হাম্বল; আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন আমার পিতা; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু নাজর; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মাসউদী, রাকিন বিন রবী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি খুরাইম বিন ফাতিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আমল ছয় প্রকার এবং মানুষ চার প্রকার। অতঃপর দুটি আবশ্যিককারী, একটি সমপরিমাণ বিনিময়ের, একটি দশ গুণ প্রতিদানের এবং একটি সাতশ গুণ প্রতিদানের। অতঃপর দুটি আবশ্যিককারী হলো: যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কোনো কিছুকে শরিক না করা অবস্থায় মারা যাবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে; আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শরিক করা অবস্থায় মারা যাবে, সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। আর সমপরিমাণ বিনিময়ের বিষয়টি হলো: যে ব্যক্তি কোনো সৎ কাজের সংকল্প করল এমনকি..."
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ৯৬)
يُشْعِرَهَا قَلْبَهُ فَيَعْلَمَ اللَّهُ ذَلِكَ مِنْهُ كُتِبَتْ لَهُ حَسَنَةً، وَمَنْ هَمَّ بِسَيِّئَةٍ لَمْ تُكْتَبْ عَلَيْهِ فَإِذَا عَمِلَهَا كُتِبَتْ عَلَيْهِ سَيِّئَةً، وَمَنْ عَمِلَ حَسَنَةً كُتِبَتْ لَهُ عَشْرُ أَمْثَالِهَا، وَمَنْ أَنْفَقَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَحَسَنَةٌ بِسَبْعِ مِائَةٍ، وَالنَّاسُ أَرْبَعَةٌ: مُوَسَّعٌ عَلَيْهِ فِي الدُّنْيَا مَقْتُورٌ عَلَيْهِ فِي الْآخِرَةِ، وَمُوَسَّعٌ عَلَيْهِ فِي الْآخِرَةِ مَقْتُورٌ عَلَيْهِ فِي الدُّنْيَا، وَمُوَسَّعٌ عَلَيْهِ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ، وَمَقْتُورٌ عَلَيْهِ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ "
...সেটি তার অন্তরে জাগ্রত করে এবং আল্লাহ তার থেকে তা অবগত হন, তবে তার জন্য একটি নেকি লিপিবদ্ধ করা হয়। আর যে ব্যক্তি কোনো মন্দ কাজের সংকল্প করে, তা তার বিরুদ্ধে লিপিবদ্ধ করা হয় না; অতঃপর সে যদি তা সম্পাদন করে, তবে তার বিরুদ্ধে একটি পাপ লিপিবদ্ধ করা হয়। আর যে ব্যক্তি কোনো নেক আমল করে, তার জন্য তার দশগুণ সওয়াব লিপিবদ্ধ করা হয়। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে ব্যয় করে, তার জন্য সওয়াব সাতশত গুণ পর্যন্ত। আর মানুষ চার প্রকার: যার জন্য দুনিয়াতে প্রশস্ততা করা হয়েছে কিন্তু আখিরাতে সংকীর্ণতা রাখা হয়েছে; যার জন্য আখিরাতে প্রশস্ততা করা হয়েছে কিন্তু দুনিয়াতে সংকীর্ণতা রাখা হয়েছে; যার জন্য দুনিয়া ও আখিরাত উভয় স্থানে প্রশস্ততা করা হয়েছে; এবং যার জন্য দুনিয়া ও আখিরাত উভয় স্থানেই সংকীর্ণতা রাখা হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ১০০)
الْبَلَدُ الثَّامِنَ عَشَرَ: وَاسِطٌأَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ زَبْزَبَ الْوَاسِطِيُّ، بِهَا، أنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْعَلَوِيُّ، بِالْكُوفَةِ، ثنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي السُّرَيُّ الْبَكَّاِئُّي، ثنا أَبِي حُصَيْنٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْوَادِعِيُّ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ الْيَرْبُوعِيُّ، ثنا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارَ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَلْبَسَ الْمُحْرِمُ ثَوْبًا مَصْبُوغًا بِزَعْفَرَانَ، أَوْ وَرْسٍ، وَمَنْ لَمْ يَجِدْ نَعْلَيْنِ فَلْيَلْبَسْ خُفَّيْنِ وَيَقْطَعْهُمَا أَسْفَلَ مِنَ الْكَعْبَيْنِ»
আঠারোতম শহর: ওয়াসিতআবু নুআইম মুহাম্মদ ইবন আলী ইবন যাবযাব আল-ওয়াসিতি সেখানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবন আলী ইবন আবদুর রহমান আল-আলাওয়ী কুফায় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আবুল হাসান আলী ইবন আবদুর রহমান ইবন আবিস সুরি আল-বাক্কায়ী আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আমার পিতা হুসাইন মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আল-ওয়াদিঈ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আহমদ ইবন ইউনুস আল-ইয়ারবূয়ী আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: মালিক ইবন আনাস আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন দিনার থেকে, তিনি ইবন উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরামকারী ব্যক্তির জাফরান বা ওয়ার্স (এক প্রকার পীতবর্ণের সুগন্ধি গাছ) দ্বারা রঞ্জিত বস্ত্র পরিধান করতে নিষেধ করেছেন। আর যে ব্যক্তি জুতো পাবে না, সে যেন মোজা পরিধান করে এবং তা টাখনুর নিচ থেকে কেটে ফেলে।»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ১০২)
الْبَلَدُ التَّاسِعَ عَشَرَ: سَلَمَاسُأَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ مَحْمُودُ بْنُ سَعَادَةَ بْنِ أَحْمَدَ الْهِلَالِيُّ، بِسِلْمَاسَ، أنا أَبُو عُثْمَانَ إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الصَّابُونِيُّ النَّيْسَابُورِيُّ، قَدِمَ عَلَيْنَا، أنا أَبُو طَاهِرٌ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ السُّلَمِيُّ، بِنَيْسَابُورَ، أنا جَدِّي، ثنا أَبُو مُوسَى، وَمُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالُوا: أنا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، ثنا سُفْيَانُ، حَدَّثَنِي مُوسَى بْنُ أَبِي عَائِشَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، وَعَائِشَةَ: أَنَّ أَبَا بَكْرٍ الصَّدِّيقَ رضي الله عنه قَبَّلَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم بَعْدَمَا مَاتَ "
ঊনবিংশতম শহর: সালমাসসালমাস শহরে আবু আল-কাসিম মাহমুদ বিন সাআদাহ বিন আহমাদ আল-হিলালি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু উসমান ইসমাঈল বিন আব্দুর রহমান আস-সাবুনি আন-নায়সাবুরি আমাদের নিকট আগমনকালে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, নায়সাবুরে আবু তাহির মুহাম্মাদ বিন আল-ফাদল বিন মুহাম্মাদ বিন ইসহাক বিন খুজাইমাহ আস-সুলামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমার দাদা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু মুসা ও মুহাম্মাদ বিন বাশশার এবং মুহাম্মাদ বিন বাশশার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেছেন: ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসা বিন আবি আয়িশাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস ও আয়েশা (রা.) হতে বর্ণনা করেন যে: আবু বকর আস-সিদ্দিক (রা.) নবী (সা.)-এর ইন্তেকালের পর তাঁকে চুম্বন করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ১০৫)
الْبَلَدُ الْعِشْرُونَ: الْحُلَّةُ الْمَزِيدِيَّةُأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ فِدْوَيْهِ الْكُوفِيُّ، بِالْحُلَّةِ الْمَزِيدِيَّةِ عَلَى الْفُرَاتِ، ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْعَلَوِيُّ، بِالْكُوفَةِ إِمْلَاءً، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ التَّيْمَلِِيُّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زِيدَانَ الْبُجَلِيُّ، ثنا هَنَّادُ بْنُ السُّرِيِّ، ثنا وَكِيعُ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ حَفْصَةَ بِنْتِ سِيرِينَ، عَنِ الرَّبَابِ أُمِّ الرَّائِحِ بِنْتِ صُلَيْعٍ، عَنْ سَلْمَانَ بْنِ عَامِرٍ الضَّبِّيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " الصَّدَقَةُ عَلَى الْمُسْلِمِينَ صَدَقَةٌ، وَهِيَ عَلَى ذِي الْقَرَابَةِ اثْنَتَانِ: صِلَةٌ، وَصَدَقَةٌ "
বিংশতম শহর: আল-হুল্লাহ আল-মাজিদিয়্যাহফোরাত নদীর তীরের আল-হুল্লাহ আল-মাজিদিয়্যাহ নামক স্থানে আবু আব্দুল্লাহ ইবনুল হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে ফিদওয়াইহ আল-কুফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আব্দুর রহমান আল-আলাভি কুফাতে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আত-তাইমালি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে জিদান আল-বাজালি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: হান্নাদ ইবনাস সুরি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: ওয়াকি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনে আউন থেকে, তিনি হাফসা বিনতে সিরিন থেকে, তিনি রাবাব উম্মুর রায়িহ বিনতে সুলাই’ থেকে এবং তিনি সালমান ইবনে আমির আদ-দাব্বি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "মুসলিমদের সাদাকাহ প্রদান করা কেবলই সাদাকাহ, আর আত্মীয়-স্বজনকে সাদাকাহ প্রদান করা দুটি বিষয়ের সমষ্টি: আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা এবং সাদাকাহ।"
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ১০৮)
الْبَلَدُ الْحَادِي وَالْعِشْرُونَ: جَرْبَاذَقَانُأَخْبَرَنَا أَبُو سَعْدٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْخَطِيبِ الْخَانَسَارِيُّ، بِجِرْبَاذَقَانِ، أنا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ الْكَاتِبُ، بِأَصْبَهَانَ، أنا أَبُو مُحَمَّدُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرَ بْنِ حَيَّانِ الْحَافِظِ، أنا أَبُو عُمَرُ مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرَ الْقَتَّاتُ، ثنا أَبُو نُعَيْمٍ الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ، ثنا بَشِيرُ بْنُ الْمُهَاجِرِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: كُنْتُ عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَسَمِعْتُهُ، يَقُولُ: «بُعِثْتُ أَنَا وَالسَّاعَةِ جَمِيعًا، إِنْ كَادَتْ لَتَسْبِقُنِي»
একবিংশ শহর: জারবাযাকানআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ আহমদ ইবনুল হাসান ইবনে আহমদ ইবনে আলি ইবনুল খাতিব আল-খানাসারি, জারবাযাকানে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আবদুর রহিম আল-কাতিব, আসফাহানে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে হাইয়ান আল-হাফিজ; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উমর মুহাম্মদ ইবনে জাফর আল-কাত্তাত; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম আল-ফাদল ইবনে দুকাইন; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন বাশির ইবনুল মুহাজির, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে বুরাইদাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ছিলাম এবং তাঁকে বলতে শুনেছি: «আমি এবং কিয়ামত একত্রে প্রেরিত হয়েছি, এমনকি তা প্রায় আমাকে ছাড়িয়ে যাচ্ছিল (অর্থাৎ কিয়ামত আমার অত্যন্ত নিকটবর্তী)।’»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ১১১)
الْبَلَدُ الثَّانِي وَالْعِشْرُونَ: سَاوَةُأَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ أَحْمَدَ الْأَدِيبِ السَّاوِي، بِهَا، أنا أَبُو نَصْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَلِيٍّ الْهَارُونِيُّ الْجُرْجَانِيُّ، أنا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ الْبَصِيرُ الرَّازِيُّ، ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي حَاتِمٍ الْحَنْظَلِيُّ، ثنا أَبِي، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدِّمِشْقِيُّ، ثنا مَرَوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ الْفَزَارِيُّ، قَالَ: قَرَأْتُ فِي كِتَابِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدِ بْنِ جَدْعَانَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الَمُسَيِّبِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ: رَجَعَ إِلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ وَنَحْنُ فِي مَسْجِدِ الْمَدِينَةِ، قَالَ: «لَقَدْ رَأَيْتُ الْبَارِحَةَ عَجَبًا، رَأَيْتُ رَجُلًا مِنْ أُمَّتِي أَتَاهُ مَلَكُ الْمَوْتِ لِيَقْبِضَ رُوحَهُ، فَجَاءَهُ بِرُّهُ بِوَالِدَيْهِ، فَرَدَّهُ عَنْهُ. . . .» الْحَدِيثَ بِطُولِهِ "
দ্বাবিংশতম শহর: সাওয়াআবু আল-আব্বাস আহমাদ ইবনে ইসহাক ইবনে আহমাদ আল-আদীব আস-সাবী আমাদের সেখানে অবহিত করেছেন যে, আমাদের অবহিত করেছেন আবু নাসর মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহীম ইবনে আলী আল-হারুনী আল-জোরজানী, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু আল-আব্বাস আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-হুসাইন আল-বাসির আর-রাযী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান ইবনে আবি হাতিম আল-হানজালী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলায়মান ইবনে আব্দুর রহমান আদ-দিমাশকী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মারওয়ান ইবনে মুআবিয়া আল-ফাযারী, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুর রহমানের কিতাবে পড়েছি, তিনি আলী ইবনে যায়েদ ইবনে জাদআন থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে সামুরা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট ফিরে আসলেন যখন আমরা মদীনার মসজিদে ছিলাম, তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই গত রাতে আমি এক বিস্ময়কর বিষয় দেখেছি; আমি আমার উম্মতের এক ব্যক্তিকে দেখলাম যার নিকট মালাকুল মউত (মৃত্যুর ফেরেশতা) তার রূহ কবজ করার জন্য আসলেন, অতঃপর তার পিতামাতার প্রতি তার সদাচরণ আসলো এবং তা তাকে (মৃত্যুর ফেরেশতাকে) তার থেকে ফিরিয়ে দিল। . . .» দীর্ঘ হাদীসটি।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনাল বুলদানিয়্যাহ লি-আবী তাহির
(পৃষ্ঠা: ১১৯)
الْبَلَدُ الثَّالِثُ وَالْعِشْرُونَ: الدِّينَوَرُأَخْبَرَنَا أَبُو طَالِبٍ نَصْرُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ مَحْمَانَ، قَاضِي الدَّيْنَورِ بِهَا، ثنا أَبُو سَعِيدٍ بِنْدَارُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ الرَّوَّاسُ، إِمْلَاءً، أنا أَبُو الْخَيْرِ زَيْدُ بْنُ رِفَاعَةَ الْكَاتِبُ، أنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ دُرَيْدٍ الْأَزْدِيُّ، عَنْ أَبِي حَاتِمٍ السَّجِسْتَانِيُّ، عَنِ الْأَصْمَعِيِّ، عَنْ أَبِي عَمْرِو بْنِ الْعَلَاءِ، عَنْ نَصْرِ بْنِ عَاصِمٍ اللَّيْثِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: سَمِعْتُ النَّابِغَةَ، يَقُولُ: " أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَنْشَدْتُهُ حَتَّى أَتَيْتُ عَلَى قَوْلِي:
أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ إِذْ جَاءَ بِالْهُدَى
… وَيَتْلُو كِتَابًا وَاضِحَ الْحَقِّ نَيِّرَا
بَلَغْنَا السَّمَاءَ مَجْدًا وَجُدُودُنَا
… وَإِنَّا لَنَرْجُو فَوْقَ ذَلِكَ مَظْهَرَا
فَقَالَ لِيَ: «إِلَى أَيْنَ يَا أَبَا لَيْلَى؟» ، فَقُلْتُ إِلَى الْجَنَّةِ، فَقَالَ عليه السلام: «إِنْ شَاءَ اللَّهُ» ، فَأَنْشَدْتُهُ:
তেইশতম শহর: দিনাওয়ারআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব নাসর বিন আল-হুসাইন বিন মাহমান, তিনি সেখানকার দিনাওয়ারের কাজি ছিলেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু সাঈদ বুন্দার বিন আলী বিন আল-হাসান আল-রাওয়াস শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-খায়র যায়দ বিন রিফায়াহ আল-কাতিব, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আল-হাসান বিন দুরায়দ আল-আজদি, তিনি আবু হাতিম আল-সাজিসতানি থেকে, তিনি আল-আসমাঈ থেকে, তিনি আবু আমর বিন আল-আলা থেকে, তিনি নাসর বিন আসিম আল-লায়সী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আন-নাবিগাহকে বলতে শুনেছি: "আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলাম এবং তাঁকে কবিতা শোনালাম, এমনকি আমি আমার এই বক্তব্যে পৌঁছালাম:
আমি আল্লাহর রাসূলের নিকট এসেছি যখন তিনি হিদায়াত নিয়ে এসেছেন
... আর তিনি পাঠ করেন এমন এক কিতাব যা সুস্পষ্ট সত্য ও জ্যোতির্ময়
আমাদের মর্যাদা ও আমাদের পূর্বপুরুষদের কারণে আমরা আকাশে পৌঁছেছি
... আর নিশ্চয়ই আমরা এর ঊর্ধ্বে আরও উচ্চস্থানের আশা রাখি
তখন তিনি আমাকে বললেন: «হে আবু লায়লা, গন্তব্য কোথায়?» আমি বললাম: জান্নাতের দিকে। তখন তিনি (তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) বললেন: «ইনশাআল্লাহ (যদি আল্লাহ চান)»। অতঃপর আমি তাঁকে কবিতা শুনালাম: