(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: -)
الأربعون حديثا من المساواة   (أبو القاسم ابن عساكر)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الأربعون حديثا من المساواة مستخرجة عن ثقات الرواة

المؤلف: ثقة الدين، أبو القاسم علي بن الحسن بن هبة الله المعروف بابن عساكر (ت 571هـ) من تخريجه لشيخة الفراوي

دراسة وتحقيق: أبو علي طه بو سريح

الناشر: (بدون)

الطبعة: الأولى، 1414 هـ - 1993 م

عدد الصفحات: 286

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

সমতা বিষয়ক চল্লিশটি হাদিস   (আবু আল-কাসিম ইবনে আসাকির)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের থেকে সংগৃহীত সমতা বিষয়ক চল্লিশটি হাদিস

লেখক: সিকাতুদ্দীন, আবু আল-কাসিম আলী বিন আল-হাসান বিন হিবাতুল্লাহ, যিনি ইবনে আসাকির নামে পরিচিত (মৃত্যু ৫৭১ হিজরি), তার শিক্ষক আল-ফারাউয়ীর জন্য তার সংকলন হতে

গবেষণা ও সম্পাদনা: আবু আলী ত্বহা বু সারিহ

প্রকাশক: (নেই)

সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৪ হিজরি - ১৯৯৩ খ্রিষ্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৮৬

[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٤٥)
الْحَدِيثُ الأَوَّلُ وَهُوَ مِمَّا أُسَاوِي فِي إِسْنَادِهِ فِي الْعِدَّةِ إِلَى عَمَّارٍ رضي الله عنه الْبُخَارِيَّ، وَمُسْلِمًا، وَأَبَا دَاوُدَ، وَأَبَا عِيسَى وَالنَّسَائِيَّ.

أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو سَعْدٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ جَعْفَرٍ الْكَنْجَرُوذِيُّ الأَدِيبُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ سَنَةَ ثَمَانٍ وَأَرْبَعِينَ، أَنَا أَبُو عَمْرٍو مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَمْدَانَ الْحِيرِيُّ، أَنَا أَبُو يَعْلَى أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى التَّمِيمِيُّ الْمَوْصِلِيُّ، نَا أَبُو مُوسَى الْهَرَوِيُّ يَعْنِي إِبْرَاهِيمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، نَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الْهَمْدَانِيِّ، عَنْ نَاجِيَةَ الْعَنْزِيِّ قَالَ: تَدَارَأَ عَمَّارٌ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودٍ رضي الله عنهما فِي التَّيَمُّمِ، فَقَالَ: عَبْدُ اللَّهِ: لَوْ مَكَثْتُ شَهْرًا لا أَجِدُ فِيهِ الْمَاءَ مَا صَلَّيْتُ فَقَالَ: لَهُ عَمَّارٌ: مَا تَذْكُرُ إِنْ كُنْتُ أَنَا وَأَنْتَ فِي الإِبِلِ، فَجَنُبْتُ، فَتَمَعَّكْتُ تَمَعُّكَ الدَّابَّةِ فَلَمَّا رَجَعْتُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ
প্রথম হাদিস: এটি সেই সকল হাদিসের অন্তর্ভুক্ত যেখানে আম্মার (রা.) পর্যন্ত পৌঁছাতে সনদের বর্ণনাকারী সংখ্যার দিক থেকে আমি বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, আবু ঈসা এবং নাসায়ির সমপর্যায়ভুক্ত হয়েছি।

আমাদেরকে সংবাদ প্রদান করেছেন শায়খ আবু সাদ মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন আহমদ বিন জাফর আল-কাঞ্জরুজি আল-আদিব, তাঁর সম্মুখে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম ৪৮ হিজরিতে। তিনি বলেন, সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হামদান আল-হিরি। তিনি বলেন, সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়ালা আহমদ বিন আলি বিন আল-মুসান্না আল-তামিমি আল-মাওসিলি। তিনি বলেন, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু মুসা আল-হারাউই, অর্থাৎ ইবরাহিম বিন আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আইয়াশ, আবু ইসহাক আল-হামদানি থেকে, তিনি নাজিয়াহ আল-আনজি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: তায়াম্মুমের বিষয়ে আম্মার এবং আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রা.)-এর মধ্যে বাদানুবাদ হলো। তখন আবদুল্লাহ বললেন: "যদি আমি এক মাস অবস্থান করি এবং সেই সময়ে পানি না পাই, তবে আমি সালাত আদায় করব না।" তখন আম্মার তাঁকে বললেন: "আপনার কি স্মরণে নেই যখন আমি এবং আপনি উটের পালে ছিলাম, অতঃপর আমি অপবিত্র হয়ে গেলাম এবং পশুর ন্যায় মাটিতে গড়াগড়ি দিলাম? অতঃপর যখন আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ফিরে আসলাম..."
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٤٦)
وَسَلَّمَ، وَأَخْبَرْتُهُ بِالَّذِي صَنَعْتُ فَقَالَ: إِنَّمَا كَانَ‌‌ يَكْفِيكَ التَّيَمُّمُ.

هَكَذَا جَاءَ فِي هَذِهِ الرِّوَايَةِ وَالْمَحْفُوظُ أَنَّ ذَلِكَ جَرَى بَيْنَ عَمَّارٍ وَعُمَرَ رضي الله عنهما

أَخْبَرَنَا بِذَلِكَ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْفَقِيهُ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْمُقْرِئُ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ الْمَوْصِلِيُّ، نَا الْقَوَارِيرِيُّ يَعْنِي أَبَا سَعِيدٍ عُبَيْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، نَا سُفْيَانُ هُوَ بْنُ عُيَيْنَةَ، نَا أَبُو إِسْحَاقَ، عَنْ نَاجِيَةَ بْنِ كَعْبٍ: أَنَّ عَمَّارًا قَالَ لِعُمَرَ: تَذْكُرُ حَيْثُ كُنْتُ أَنَا وَأَنْتَ فِي الإِبِلِ، فَأَصَابَتْنِي جَنَابَةٌ، فَتَمَعَّكْتُ تَمَعُّكَ الدَّابَّةِ، فَلَقِيتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، فَذَكَرْتُ لَهُ ذَلِكَ فَقَالَ: إِنَّمَا‌‌ يَكْفِيكَ مِنْ ذَلِكَ التَّيَمُّمُ: فَأَمَّا قِصَّةُ عَبْدِ اللَّهِ: فَإِنَّمَا كَانَتْ مَعَ أَبِي مُوسَى الأَشْعَرِيِّ، وَفِيهَا ذِكْرُ حَدِيثِ عَمَّارٍ

أَخْبَرَنَا بِذَلِكَ الإِمَامُ زَيْنُ الإِسْلامِ عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ هَوَازِنَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ الْقُشَيْرِيُّ، رحمه الله قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ قَالَ: أَنَا أَبُو نُعَيْمٍ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الأَزْهَرِ الأَزْهَرِيُّ الإِسْفَرَائِينِيُّ، أَنَا أَبُو عَوَانَةَ يَعْقُوبُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الإِسْفَرَائِينِيُّ، نَا الصَّغَانِيُّ، وَأَبُو أُمَيَّةَ يَعْنِي مُحَمَّدَ بْنَ إِبْرَاهِيمَ الطَّرَسُوسِيُّ قَالا: نَا يَعْلَى ح.

وَأَخْبَرَنَا الإِمَامُ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيٍّ الْبَيْهَقِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ بْنُ بِشْرَانَ وَهُوَ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّفَّارُ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الصَّاغَانِيُّ، نَا يَعْلَى بْنُ عُبَيْدٍ، نَا الأَعْمَشُ، عَنْ شَقِيقٍ قَالَ: كُنْتُ جَالِسًا مَعَ عَبْدِ اللَّهِ وَقَالَ عَوَانَةُ: عِنْدَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ وَأَبِي مُوسَى، فَقَالَ أَبُو مُوسَى: يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ الرَّجُلُ يُجْنِبُ فَلا يَجِدُ الْمَاءَ أَيُصَلِّي؟ قَالَ: لا.

قَالَ:
...সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, এবং আমি যা করেছিলাম সে সম্পর্কে তাকে জানালাম। তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই তোমার জন্য তায়াম্মুমই যথেষ্ট ছিল।"

এই বর্ণনাটিতে এভাবেই এসেছে। তবে সংরক্ষিত (অধিক নির্ভরযোগ্য) তথ্য হলো, এই ঘটনাটি আম্মার এবং উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মধ্যে ঘটেছিল।

আমাদের নিকট এ সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আবু বকর আল-ফকিহ, আমাদের জানিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-মুকরি, আমাদের জানিয়েছেন আহমদ বিন আলী আল-মাওসিলি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-কাওয়ারিরি অর্থাৎ আবু সাঈদ উবাইদুল্লাহ বিন উমর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান অর্থাৎ ইবনে উয়াইনাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক, নাজিয়াহ বিন কাব থেকে বর্ণিত: আম্মার উমরকে বললেন: "আপনার কি মনে আছে যখন আমি এবং আপনি উটের পালের মধ্যে ছিলাম, তখন আমার জানাবাত (অপবিত্রতা) হয়েছিল এবং আমি চতুষ্পদ জন্তুর ন্যায় মাটিতে গড়াগড়ি দিয়েছিলাম। এরপর আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং তাকে বিষয়টি জানালাম। তখন তিনি বললেন: নিশ্চয়ই তোমার জন্য এর পরিবর্তে তায়াম্মুমই যথেষ্ট ছিল। আর আবদুল্লাহর ঘটনাটি ছিল মূলত আবু মুসা আল-আশআরীর সাথে, এবং তাতে আম্মারের হাদীসের উল্লেখ রয়েছে।" আম্মার

আমাদের নিকট এ সংবাদ দিয়েছেন ইমাম যাইনুল ইসলাম আব্দুল করীম বিন হাওয়াযিন বিন আব্দুল মালিক আল-কুশাইরী (রাহিমাহুল্লাহ), তাঁকে পড়ে শোনানো হচ্ছিল এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু নুআইম আব্দুল মালিক বিন আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-আযহার আল-আযহারী আল-ইসফারাঈনী, আমাদের জানিয়েছেন আবু আওয়ানাহ ইয়াকুব বিন ইসহাক বিন ইব্রাহিম আল-ইসফারাঈনী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আস-সাগানি এবং আবু উমাইয়াহ অর্থাৎ মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আত-তারসুসি, তারা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়ালা (হ)।

এবং আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আবু বকর আহমদ বিন আল-হুসাইন বিন আলী আল-বাইহাকী, তাঁকে পড়ে শোনানো হচ্ছিল এবং আমি তা শুনছিলাম, আমাদের জানিয়েছেন আবু আল-হুসাইন বিন বিশরান—আর তিনি হলেন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ—আমাদের জানিয়েছেন ইসমাইল বিন মুহাম্মদ আস-সাফফার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইসহাক আস-সাগানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়ালা বিন উবাইদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আমাশ, শাকীক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহর সাথে বসা ছিলাম—এবং আওয়ানাহ বলেছেন: আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ ও আবু মুসার নিকট ছিলাম—তখন আবু মুসা বললেন: হে আবু আব্দুর রহমান, যদি কোনো ব্যক্তি অপবিত্র হয় এবং পানি না পায়, তবে সে কি সালাত আদায় করবে? তিনি বললেন: না।

তিনি বললেন:
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٤٧)
أَلَمْ تَسْمَعْ قَوْلَ عَمَّارٍ لِعُمَرَ: إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، بَعَثَنِي أَنَا وَأَنْتَ، فَأَجْنَبْتُ فَتَمَعَّكْتُ بِالصَّعِيدِ فَأَتَيْنَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرْنَاهُ فَقَالَ: إِنَّمَا كَانَ‌‌ يَكْفِيكَ هَكَذَا، وَمَسَحَ وَجْهَهُ وَكَفَّيْهِ وَاحِدَةً زَادَ إِسْمَاعِيلُ إِلَى آخِرِ الْحَدِيثِ فَقَالَ: إِنِّي لَمْ أَرَ عُمَرَ قَنَعَ بِذَلِكَ قَالَ: قُلْتُ فَكَيْفَ تَصْنَعُونَ بِهَذِهِ الآيَةِ: {فَتَيَمَّمُوا صَعِيدًا طَيِّبًا} [النساء: 43] قَالَ: لَوْ رَخَّصْنَا لَهُمْ فِي هَذَا، كَانَ أَحَدُهُمْ إِذَا وَجَدَ الْمَاءَ الْبَارِدَ يَمْسَحُ الصَّعِيدَ قَالَ الأَعْمَشُ: فَقُلْتُ لِشَقِيقٍ: فَمَا كَرِهَهُ إِلا لِهَذَا.

وَلَيْسَ فِي حَدِيثِ أَبِي عَوَانَةَ قَالَ: لا

وَأَخْبَرَنَاهُ أَتَمَّ مِنْ هَذَا الشَّيْخُ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورِ بْنِ خَلَفٍ الْمَعَرِّيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، سَنَةَ تِسْعٍ وَأَرْبَعِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، أَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ زَكَرِيَّا الشَّيْبَانِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَنَا أَبُو حَاتِمٍ مَكِّيُّ بْنُ عَبْدَانَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ بَكْرٍ، نَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ هَاشِمِ بْنِ حَيَّانَ،
আপনি কি ওমরের প্রতি আম্মারের সেই উক্তিটি শোনেননি: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এবং আপনাকে পাঠিয়েছিলেন, অতঃপর আমি জানাবাত অবস্থায় উপনীত হলাম এবং মাটিতে গড়াগড়ি করলাম। এরপর আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে তাঁকে তা জানালাম। তিনি বললেন: তোমার জন্য তো কেবল এমনটিই যথেষ্ট ছিল, অতঃপর তিনি তাঁর মুখমণ্ডল ও উভয় কবজি একবার মাসেহ করলেন। ইসমাইল হাদিসের শেষ পর্যন্ত বর্ধিত বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: আমি ওমরকে এতে সন্তুষ্ট হতে দেখিনি। তিনি বললেন: আমি বললাম, তবে আপনারা এই আয়াতটি নিয়ে কী করবেন: {অতঃপর তোমরা পবিত্র মাটি দিয়ে তায়াম্মুম কর} [নিসা: ৪৩]? তিনি বললেন: আমরা যদি তাদের এই বিষয়ে ছাড় দিতাম, তবে তাদের কেউ যখনই ঠান্ডা পানি পেত, তখনই সে মাটিতে মাসেহ করত। আমাশ বলেন: আমি শাকিককে বললাম: তিনি কেবল এ কারণেই এটি অপছন্দ করতেন।

আর আবু আওয়ানার হাদিসে "তিনি বললেন: না" কথাটি নেই।

আর শায়খ আবু বকর আহমদ ইবনে মনসুর ইবনে খালাফ আল-মা’আরি আমাদের নিকট এটি এর চেয়েও পূর্ণাঙ্গভাবে বর্ণনা করেছেন, যা তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছিল চারশত ঊনপঞ্চাশ হিজরি সালে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাকারিয়া আশ-শাইবানি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছিল; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাতিম মাক্কি ইবনে আবদান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে বকর; আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ ইবনে হাশিম ইবনে হাইয়ান।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٤٨)
نَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ شَقِيقٍ قَالَ: كُنْتُ جَالِسًا مَعَ عَبْدِ اللَّهِ وَأَبِي مُوسَى، فَقَالَ: أَبُو مُوسَى: يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَرَأَيْتَ لَوْ أَنَّ رَجُلا أَجْنَبَ فَلَمْ يَجِدِ الْمَاءَ شَهْرًا أَمَا كَانَ يَتَيَمَّمُ؟ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ: لا يَتَيَمَّمُ وَإِنْ لَمْ يَجِدِ الْمَاءَ شَهْرًا، فَقَالَ لَهُ أَبُو مُوسَى: كَيْفَ تَصْنَعُونَ بِهَذِهِ الآيَةِ فِي سُورَةِ الْمَائِدَةِ {فَلَمْ تَجِدُوا مَاءً فَتَيَمَّمُوا صَعِيدًا طَيِّبًا} [النساء: 43] فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ: لَوْ رَخَّصَ لَهُمْ فِي هَذَا لأَوْشَكُوا إِنْ أَبْرَدَ عَلَيْهِمْ أَنْ يَتَيَمَّمُوا الصَّعِيدَ فَقَالَ لَهُ أَبُو مُوسَى: إِنَّمَا كَرِهْتُمْ هَذَا لِذَا؟ قَالَ: نَعَمْ، فَقَالَ لَهُ أَبُو مُوسَى: أَفَلَمْ تَسْمَعْ قَوْلَ عَمَّارٍ لِعُمَرَ: بَعَثَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي حَاجَةٍ فَأَجْنَبْتُ، فَلَمْ أَجِدِ الْمَاءَ فَتَمَرَّغْتُ فِي الصَّعِيدِ كَمَا تَمَرَّغُ الدَّابَّةُ ثُمَّ جِئْتُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهُ.

فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: أَمَا كَانَ يَكْفِيكَ أَنْ تَضْرِبَ بِيَدَيْكَ عَلَى الأَرْضِ، ثُمَّ تَمْسَحَ إِحْدَاهُمَا بِالأُخْرَى، ثُمَّ تَمْسَحَ بِهِمَا وَجْهَكَ.
আবু মুয়াবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাশ থেকে, তিনি শাকিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহ এবং আবু মুসার সাথে বসা ছিলাম। তখন আবু মুসা বললেন: হে আবু আব্দুর রহমান! আপনি কি মনে করেন যদি কোনো ব্যক্তি অপবিত্র হয় এবং এক মাস পর্যন্ত পানি না পায়, তবে কি সে তায়াম্মুম করবে না? আব্দুল্লাহ বললেন: সে তায়াম্মুম করবে না, যদিও সে এক মাস পর্যন্ত পানি না পায়। তখন আবু মুসা তাকে বললেন: তবে আপনারা সূরা আল-মায়িদার এই আয়াতের ব্যাপারে কী করবেন— "অতঃপর যদি তোমরা পানি না পাও, তবে পবিত্র মাটি দিয়ে তায়াম্মুম করো" [আন-নিসা: ৪৩]? আব্দুল্লাহ বললেন: যদি তাদের জন্য এই বিষয়ে অনুমতি দেওয়া হতো, তবে অচিরেই এমন হতো যে তাদের ওপর ঠান্ডা অনুভূত হলেই তারা পবিত্র মাটি দিয়ে তায়াম্মুম করে নিত। আবু মুসা তাকে বললেন: আপনারা কি কেবল এই কারণেই একে অপছন্দ করেছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ। তখন আবু মুসা তাকে বললেন: আপনি কি ওমরের নিকট আম্মারের সেই কথাটি শোনেননি: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে একটি প্রয়োজনে পাঠিয়েছিলেন, তখন আমি অপবিত্র হয়ে পড়ি এবং পানি পাইনি। ফলে আমি মাটিতে গড়াগড়ি দিয়েছিলাম যেভাবে পশু গড়াগড়ি দেয়। এরপর আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বিষয়টি তাঁর নিকট উল্লেখ করলাম।

তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমার জন্য কি এটাই যথেষ্ট ছিল না যে, তুমি তোমার দুই হাত দিয়ে মাটিতে আঘাত করতে, এরপর এক হাত দিয়ে অন্যটি মাসেহ করতে, তারপর তা দিয়ে তোমার মুখমন্ডল মাসেহ করতে।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٤٩)
قِصَّةُ تَيَمُّمِ عَمَّارِ بْنِ يَاسِرٍ أَبِي الْيَقْظَانِ الْعَنْسِيِّ رضي الله عنه، صَحِيحٌ اتَّفَقَ الأَئِمَّةُ عَلَى إِخْرَاجِهَا فِي كُتُبِهِمْ، فَرَوَاهَا الْبُخَارِيُّ رحمه الله مِنْ طُرُقٍ: عَنْ بُنْدَارٍ مُحَمَّدِ بْنِ بَشَّارٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ عَنْهُ.

وَرَوَاهَا مُسْلِمٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ هَاشِمٍ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الطُّوسِيِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الْقَطَّانِ.

وَعَنْ إِسْحَاقَ بْنِ مَنْصُورٍ الْمَرْوَزِيِّ الْكَوْسَجِ، عَنِ النَّضْرِ بْنِ شُمَيْلٍ الْمَازِنِيِّ الْمَرْوَزِيِّ.

وَرَوَاهَا أَبُو دَاوُدَ، عَنْ مُسَدَّدِ بْنِ مُسَرْهَدٍ، عَنْ يَحْيَى الْقَطَّانِ.

وَرَوَاهَا النَّسَائِيُّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْجَرْمِيِّ، عَنْ بَهْزِ بْنِ أَسَدٍ الْعَمِيِّ الْبَصْرِيِّ.

كُلُّهُمْ: عَنْ شُعْبَةَ بْنِ الْحَجَّاجِ أَبِي بَسْطَامٍ، عَنْ أَبِي مُحَمَّدٍ الْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ الْكُوفِيِّ،
আবু ইয়াকজান আল-আনসি আম্মার ইবনে ইয়াসির (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর তায়াম্মুমের ঘটনাটি সহিহ; ইমামগণ এটি তাঁদের কিতাবসমূহে সংকলন করার ব্যাপারে একমত হয়েছেন। ইমাম বুখারি (রাহিমাহুল্লাহ) এটি বিভিন্ন সূত্রে বর্ণনা করেছেন: বুন্দার মুহাম্মদ ইবনে বাশশার থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে জাফর থেকে, তিনি তাঁর থেকে।

আর ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন আবু আবদুর রহমান আত-তুসি আবদুল্লাহ ইবনে হাশিম থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান থেকে।

এবং ইসহাক ইবনে মানসুর আল-মারওয়াযি আল-কাউসাজ থেকে, তিনি নাদর ইবনে শুমাইল আল-মাযিনি আল-মারওয়াযি থেকে।

ইমাম আবু দাউদ এটি বর্ণনা করেছেন মুসাদ্দাদ ইবনে মুসারহাদ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া আল-কাত্তান থেকে।

ইমাম নাসায়ি এটি বর্ণনা করেছেন আমর ইবনুল জারমি থেকে, তিনি বাহয ইবনে আসাদ আল-আম্মি আল-বাসরি থেকে।

তাঁরা সকলেই: আবু বাসতাম শু'বাহ ইবনুল হাজ্জাজ থেকে, তিনি আবু মুহাম্মদ আল-হাকাম ইবনে উতাইবাহ আল-কুফি থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٥٠)
وَلَهُ حُجَّةٌ عَنْ عَمَّارٍ.

وَرَوَاهُ أَبُو عِيسَى التِّرْمِذِيُّ، عَنْ أَبِي حَفْصٍ عَمْرِو بْنِ عَلِيٍّ الْفَلاسِ الْبَصْرِيِّ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ زُرَيْعٍ الْبَصْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ بْنِ دِعَامَةَ أَبِي الْخَطَّابِ، عَنْ عُزْرَةَ بْنِ ثَابِتٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي أَبْزَى، عَنْ أَبِيهِ.

بِهَذَا الْمَعْنَى وَفِي الأَلْفَاظِ اخْتِلافٌ.

فَسَاوَيْتُ هَؤُلاءِ الأَئِمَّةَ الْخَمْسَةَ، فِي هَذَا الْحَدِيثِ فِي الْعِدَّةِ إِلَى عَمَّارٍ مِنْ طُرُقِ نَاجِيَةَ.

وَقَدْ رَوَاهُ شُعْبَةُ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ الْكُوفِيِّ، عَنْ ذَرٍّ، عَنِ ابْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي أَبْزَى، عَنْ أَبِيهِ.

وَكِلا الرِّوَايَتَيْنِ، عَنْ شُعْبَةَ صَحِيحَةٌ.
আর আম্মার থেকে তাঁর একটি দলিল (বর্ণনাসূত্র) রয়েছে।

এবং আবু ঈসা আত-তিরমিযী এটি বর্ণনা করেছেন আবু হাফস আমর ইবন আলী আল-ফাল্লাস আল-বাসরী থেকে, তিনি ইয়াযীদ ইবন যুরায় আল-বাসরী থেকে, তিনি সাঈদ ইবন আবী আরূবাহ থেকে, তিনি কাতাদাহ ইবন দিআমাহ আবু আল-খাত্তাব থেকে, তিনি উযরাহ ইবন সাবিত থেকে, তিনি সাঈদ ইবন আবদুর রহমান ইবন আবী আবযা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে।

একই অর্থে, তবে শব্দ চয়নে কিছু পার্থক্য রয়েছে।

ফলে নাজিয়াহ-এর সূত্রসমূহ থেকে আম্মার পর্যন্ত বর্ণনাকারীদের সংখ্যার দিক দিয়ে এই হাদিসে আমি এই পাঁচজন ইমামের সমান স্তরে পৌঁছেছি।

আর শু’বাহ এটি বর্ণনা করেছেন সালামাহ ইবন কুহায়ল আল-কূফী থেকে, তিনি যারর থেকে, তিনি ইবন আবদুর রহমান ইবন আবী আবযা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে।

আর শু’বাহ থেকে বর্ণিত উভয় বর্ণনাটিই সহীহ।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٥١)
فَقَدْ رَوَاهُ حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ الأَعْوَرُ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ الْحَكَمِ، وَسَلَمَةَ جَمِيعًا، عَنْ ذَرٍّ.

وَرَوَاهُ حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ النَّخَعِيُّ، وَوَكِيعُ بْنُ الْجَرَّاحِ الرُّوَاسِيُّ، عَنِ الأَعْمَشِ سُلَيْمَانَ بْنِ مِهْرَانَ الْكَاهِلِيِّ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبْزَى، عَنْ عَمَّارٍ.

إِلا أَنَّ حَفْصًا لَمْ يُسَمِّ ابْنَ أَبْزَى وَأَسْقَطَ مِنْهُ ذَرًّا أَوِ ابْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ.

وَرَوَاهُ جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ سَلَمَةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبْزَى، عَنْ أَبِيهِ.

وَأَسْقَطَ مِنْهُ ذَرًّا.

وَرَوَاهُ سُفْيَانُ بْنُ سَعِيدٍ الثَّوْرِيُّ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ أَبِي
হাজ্জাজ ইবন মুহাম্মাদ আল-আওয়ার এটি শু'বাহ থেকে, তিনি আল-হাকাম ও সালামাহ্ উভয় থেকে, তাঁরা যার্র থেকে বর্ণনা করেছেন।

হাফস ইবন গিয়াস আন-নাখাঈ এবং ওয়াকী' ইবনুল জাররাহ আর-রুয়াসী এটি আ'মাশ সুলায়মান ইবন মিহরান আল-কাহিলী থেকে, তিনি সালামাহ্ ইবন কুহাইল থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবন আবযা থেকে, তিনি আম্মার থেকে বর্ণনা করেছেন।

তবে হাফস ইবন আবযার নাম উল্লেখ করেননি এবং এতে যার্র অথবা ইবন আবদুর রহমানের নাম বাদ দিয়েছেন।

জারীর ইবন আবদিল হামীদ এটি আ'মাশ থেকে, তিনি সালামাহ্ থেকে, তিনি সাঈদ ইবন আবদির রহমান ইবন আবযা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং তিনি এতে যার্রকে বাদ দিয়েছেন।

সুফইয়ান ইবন সাঈদ আস-সাওরী এটি সালামাহ্ ইবন কুহাইল থেকে, তিনি আবূ...
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٥٢)
مَالِكٍ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبْزَى، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَمَّارٍ.

وَرَوَاهُ أَبَانُ بْنُ يَزِيدَ الْعَطَّارُ، عَنْ قَتَادَةَ،
মালিক, এবং আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান বিন আবযা, আব্দুর রহমান থেকে, আম্মার থেকে।

এবং এটি আবান বিন ইয়াজিদ আল-আত্তার কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন,
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٥٣)
فَخَالَفَ ابْنَ أَبِي عَرُوبَةَ، فَقَالَ: عَنْ قَتَادَةَ قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَدِّثٌ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبْزَى، عَنْ عَمَّارٍ.

أَمَّا حَدِيثُ أَبِي خَفَّافٍ نَاجِيَةَ بْنِ خَفَّافٍ الْعَنْزِيِّ الَّذِي سُقْنَاهُ أَوَّلا.

فَإِنَّ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ النَّسَائِيَّ أَخْرَجَهُ مُنْفَرِدًا.
তিনি ইবনে আবি আরুবাহ-এর বিরোধিতা করেছেন এবং বলেছেন: কাতাদাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমার কাছে একজন বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন, তিনি শা'বি থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবজা থেকে, তিনি আম্মার থেকে।

আর আবু খাফফাফ নাজিয়া ইবনে খাফফাফ আল-আনযির যে হাদিসটি আমরা প্রথমে উল্লেখ করেছি,

তা আবু আবদির রহমান আন-নাসাঈ এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٥٤)
فَرَوَاهُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْمُحَارِبِيِّ، عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ سَلامِ بْنِ سُلَيْمٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَمْرِو بْنِ عَبْدِ اللَّهِ السَّبِيعِيِّ الْمِهْرَانِيِّ الْكُوفِيِّ.

وَنَاجِيَةُ هَذَا لَمْ يَرْوِ عَنْهُ غَيْرُ أَبِي إِسْحَاقَ فَلِهَذَا لَمْ يُخَرِّجْ حَدِيثَهُ الْبُخَارِيُّ.

وَقَدْ وَقَعَ لَنَا حَدِيثُ مُسْلِمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ هَاشِمٍ مُوَافَقَةً فِي شَيْخِهِ بِعُلُوٍّ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ بِمَعْنَاهُ

أَخْبَرَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الْقَاسِمِ الْقَيْرَوَانِيُّ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الشَّيْبَانِيُّ، أَنَا أَبُو حَاتِمٍ مَكِّيُّ بْنُ عَبْدَانَ بْنِ مُحَمَّدٍ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ هَاشِمِ بْنِ حَيَّانَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ شُعْبَةَ قَالَ: أَنْبَأَنِي الْحَكَمُ، عَنْ ذَرٍّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبْزَى، عَنْ أَبِيهِ: أَنَّ رَجُلا أَتَى عُمَرَ
তিনি এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ ইবনে মুহাম্মদ আল-মুহারিবি থেকে, তিনি আবুল আহওয়াস সালাম ইবনে সুলাইম থেকে, তিনি আবু ইসহাক আমর ইবনে আব্দুল্লাহ আস-সাবিঈ আল-মিহরানি আল-কুফি থেকে।

আর এই নাজিয়া থেকে আবু ইসহাক ব্যতীত অন্য কেউ হাদিস বর্ণনা করেননি, তাই এই কারণেই ইমাম বুখারি তার হাদিস (সহিহ গ্রন্থে) গ্রহণ করেননি।

আর আমাদের নিকট ইমাম মুসলিমের হাদিসটি আব্দুল্লাহ ইবনে হাশিম থেকে তার শায়খের মাধ্যমে উচ্চতর সনদে (মুওয়াফাকাত হিসেবে) পৌঁছেছে এবং আল্লাহর প্রশংসা যে এটি অর্থের দিক থেকে (একই)।

আমাদের তা সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর ইবনে আবিল কাসিম আল-কায়রাওয়ানি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আশ-শায়বানি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাতিম মক্কি ইবনে আবদান ইবনে মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে হাশিম ইবনে হাইয়্যান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ, তিনি শু’বা থেকে, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আল-হাকাম, তিনি যার থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আবজা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন: এক ব্যক্তি উমরের নিকট আসলেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٥٥)
رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَقَالَ: إِنِّي أَجْنَبْتُ فَلَمْ أَجِدْ مَاءً؟ فَقَالَ: لا تُصَلِّ، فَقَالَ عَمَّارٌ: أَمَا تَذْكُرُ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ إِذْ أَنَا وَأَنْتَ فِي سَرِيَّةٍ فَأَجْنَبْنَا فَلَمْ نَجِدْ مَاءً فَأَمَّا أَنْتَ فَلَمْ تُصَلِّ وَأَمَّا أَنَا فَتَمَعَّكْتُ فِي التُّرَابِ ثُمَّ صَلَّيْتُ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: إِنَّمَا‌‌ يَكْفِيكَ أَنْ تَضْرِبَ بِيَدَيْكَ الأَرْضَ ثُمَّ تَنْفُخَ، ثُمَّ تَمْسَحَ بِهِمَا وَجْهَكَ وَكَفَّيْكَ فَقَالَ عُمَرُ: اتَّقِ اللَّهَ يَا عَمَّارُ فَقَالَ: إِنْ شِئْتَ لَمْ أُحَدِّثْ بِهِ فَقَالَ الْحَكَمُ: وَحَدَّثَنِي ابْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبْزَى، عَنْ أَبِيهِ مِثْلَ حَدِيثِ ذَرٍّ.

قَالَ: وَحَدَّثَنِي سَلَمَةُ، عَنْ ذَرٍّ فِي هَذَا الإِسْنَادِ الَّذِي ذَكَرَ الْحَكَمُ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ: بَلْ نُوَلِّيكَ مَا تَوَلَّيْتَ.

الْقَائِلُ: حَدَّثَنِي سَلَمَةُ هُوَ شُعْبَةُ بْنُ الْحَجَّاجِ.

وَلِحَدِيثِ عَمَّارٍ فِي التَّيَمُّمِ مِنْ طَرِيقِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ الْهُذَلِيِِّ، عَنْ أَبِيهِ طُرُقٌ لَيْسَ هَذَا مَوْضِعُ ذِكْرِهَا
আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন; তিনি বললেন: আমি অপবিত্র হয়েছিলাম কিন্তু পানি পাইনি? তিনি বললেন: সালাত আদায় করো না। তখন আম্মার বললেন: হে আমিরুল মুমিনিন! আপনার কি মনে নেই, যখন আমি এবং আপনি এক যুদ্ধাভিযানে ছিলাম এবং আমরা অপবিত্র হয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু পানি পাইনি? আপনার ক্ষেত্রে আপনি তো সালাত আদায় করেননি, কিন্তু আমি মাটিতে গড়াগড়ি দিয়েছিলাম এবং তারপর সালাত আদায় করেছিলাম। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমার জন্য শুধু এটাই যথেষ্ট ছিল যে, তুমি তোমার দুই হাত মাটিতে আঘাত করতে, এরপর তাতে ফুঁ দিতে, তারপর তা দিয়ে তোমার মুখমণ্ডল ও দুই কবজি মাসেহ করতে। উমর বললেন: হে আম্মার! আল্লাহকে ভয় করো। তিনি বললেন: আপনি চাইলে আমি এ হাদিস বর্ণনা করব না। হাকাম বললেন: ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবযা তাঁর পিতার সূত্রে আমাকে যর-এর হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

তিনি বলেন: সালামা এই সনদে যর-এর সূত্রে আমাকে বর্ণনা করেছেন যা হাকাম উল্লেখ করেছেন, তিনি বলেন: উমর বললেন: বরং আপনি যে বিষয়ের দায়িত্ব নিয়েছেন, আমরা আপনাকে তার দায়িত্বশীলই রাখলাম।

বক্তা: 'সালামা আমাকে বর্ণনা করেছেন'—তিনি হলেন শু'বা ইবনুল হাজ্জাজ।

তায়াম্মুম সম্পর্কে ওবায়দুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উতবা ইবনে মাসউদ আল-হুযালির সূত্রে তাঁর পিতার মাধ্যমে বর্ণিত আম্মারের হাদিসটির আরও অনেক পথ বা সূত্র রয়েছে, যা এখানে উল্লেখ করার স্থান নয়।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٥٧)
الْحَدِيثُ الثَّانِي وَهُوَ مِمَّا أُسَاوِي فِي سَنَدِهِ الْبُخَارِيَّ، وَمُسْلِمًا، وَأَبَا دَاوُدَ.

أَخْبَرَنَا الإِمَامُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ الْخَبَّازِيُّ الْمُقْرِئُ، وَأَبُو سَهْلٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ الْحَفْصِيُّ الْمَرْوَزِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمَا، مُفْتَرِقَيْنِ، قَالا: أَنَا أَبُو الْهَيْثَمِ مُحَمَّدُ بْنُ الْمَكِّيِّ الْكُشْمِيهَنِيُّ الْمَرْوَزِيُّ ح.

وَأَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ نُعَيْمِ بْنِ إِشْكَابَ الصُّوفِيُّ النَّيْسَابُورِيُّ، الْمَعْرُوفُ بِالْعَيَّارِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: أَنَا أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ شَبُّوَيْهِ الشَّبُّوِيُّ الْمَرْوَزِيُّ قَالا: أَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ الْفَرَبْرِيُّ، ثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْجُعْفِيُّ، ثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، ثَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ.

وَأَخْبَرَنَا الأُسْتَاذُ أَبُو الْقَاسِمِ الْقُشَيْرِيُّ، أَنَا أَبُو نُعَيْمٍ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ الْحُسَيْنِ الإِسْفَرَائِينِيُّ، ثَنَا أَبُو عَوَانَةَ الإِسْفَرَائِينِيُّ، ثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ سُلَيْمَانَ، أَنَا ابْنُ وَهْبٍ قَالَ: سَمِعْتُ اللَّيْثَ يَقُولُ: حَدَّثَنِي ابْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنِ الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَةَ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ زَادَ قُتَيْبَةُ وَهُوَ عَلَى الْمِنْبَرِ: " إِنَّ‌‌ بَنِي هِشَامِ بْنِ الْمُغِيرَةِ اسْتَأْذَنُونِي فِي أَنْ يُنْكِحُوا ابْنَتَهُمْ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ، فَلا آذَنُ ثُمَّ لا آذَنُ قَالَ ابْنُ وَهْبٍ ثَلاثًا إِلا أَنْ يَشَاءَ وَقَالَ قُتَيْبَةُ: إِلا أَنْ يُرِيدَ ابْنُ أَبِي طَالِبٍ أَنْ يُطَلِّقَ ابْنَتِي وَيَنْكِحَ ابْنَتَهُمْ، فَإِنَّمَا هِيَ بِضْعَةٌ مِنِّي، يُرِيبُنِي مَا أَرَابَهَا وَقَالَ ابْنُ
দ্বিতীয় হাদিস, যার সনদের ক্ষেত্রে আমি বুখারি, মুসলিম এবং আবু দাউদের সমপর্যায়ে রয়েছি।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলী বিন হাসান আল-খাব্বাজি আল-মুকরি এবং আবু সাহল মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন উবায়দুল্লাহ আল-হাফসি আল-মারওয়াযি। তাঁদের নিকট পৃথকভাবে পঠিত হয়েছে। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাইসাম মুহাম্মদ বিন মাক্কি আল-কুশমিহানি আল-মারওয়াযি। (হ)

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু উসমান সাঈদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন নুয়াইম বিন ইশকাব আস-সুফি আন-নাইসাবুরি, যিনি আল-আইয়ার নামে পরিচিত। তাঁর নিকট পঠিত হয়েছে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী মুহাম্মদ বিন উমর বিন শাব্বুয়াইহ আশ-শাব্বুই আল-মারওয়াযি। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আল-ফারাবরি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন ইব্রাহিম আল-জু'ফি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কুতাইবা বিন সাঈদ। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন লাইস, তিনি ইবনে আবি মুলাইকা থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উস্তাদ আবুল কাসেম আল-কুশাইরি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুয়াইম আব্দুল মালিক বিন আল-হুসাইন আল-ইসফারায়িনি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আওয়ানা আল-ইসফারায়িনি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রাবি' বিন সুলাইমান। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে ওয়াহাব। তিনি বলেন: আমি লাইসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি মুলাইকা, মিসওয়ার বিন মাখরামা থেকে। তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি—কুতাইবা এ অংশটুকু বৃদ্ধি করেছেন যে, এমতাবস্থায় তিনি মিম্বারের ওপর ছিলেন—: "নিশ্চয়ই বনু হিশাম বিন আল-মুগিরা আমার নিকট তাদের মেয়েকে আলী বিন আবি তালিবের সাথে বিয়ে দেওয়ার অনুমতি চেয়েছে। আমি অনুমতি দেব না, পুনরায় আমি অনুমতি দেব না। ইবনে ওয়াহাব বলেন, তিনি কথাটি তিনবার বলেছেন—যদি না সে চায়। আর কুতাইবা বলেছেন: যদি না আলী বিন আবি তালিব আমার মেয়েকে তালাক দিয়ে তাদের মেয়েকে বিয়ে করতে চায়। কারণ সে (ফাতিমা) তো আমারই একটি অংশ; যা তাকে বিচলিত করে তা আমাকেও বিচলিত করে।" এবং ইবনে...
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٥٨)
وَهْبٍ: رَابَهَا وَيُؤْذِينِي مَا آذَاهَا "

أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الثِّقَةُ أَبُو الْحُسَيْنِ عَبْدُ الْغَافِرِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْغَافِرِ الْفَارِسِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، سَنَةَ ثَمَانٍ وَأَرْبَعِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، أَنَا أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى بْنِ عُمَرَوَيْهِ الْجُلُودِيُّ، أَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُفْيَانَ، ثَنَا مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، كِلاهُمَا، عَنِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ.

قَالَ ابْنُ يُونُسَ: حَدَّثَنَا لَيْثٌ ح.

وَأَخْبَرَنَا الْحَاكِمُ أَبُو الْفَتْحِ نَصْرُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ الْحَاكِمِيُّ الطُّوسِيُّ قَدِمَ عَلَيْنَا نَيْسَابُورَ، أَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الرُّوذَبَارِيُّ، أَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّزَّاقِ التَّمَّارُ بِالْبَصْرَةِ، ثَنَا أَبُو دَاوُدَ سُلَيْمَانُ بْنُ الأَشْعَثِ السِّجِسْتَانِيُّ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ الْمُعَنَّى قَالَ أَحْمَدُ: ثَنَا اللَّيْثُ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ الْقُرَشِيُّ التَّيْمِيُّ: أَنَّ الْمِسْوَرَ بْنَ مَخْرَمَةَ حَدَّثَهُ: أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْمِنْبَرِ وَهُوَ يَقُولُ: وَلَمْ يَقُلْ أَبُو دَاوُدَ: وَهُوَ وَقَالَ: " إِنَّ‌‌ بَنِي هِشَامِ بْنِ الْمُغِيرَةِ اسْتَأْذَنُونِي أَنْ يُنْكِحُوا ابْنَتَهُمْ مِنْ عَلِيٍّ وَقَالَ مُسْلِمٌ: عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ فَلا آذَنُ لَهُمْ، ثُمَّ لا آذَنُ لَهُمْ، ثُمَّ آذَنُ لَهُمْ وَفِي حَدِيثِ أَبِي دَاوُدَ فِي الْمَوَاضِعِ كُلِّهَا إِلا أَنْ يُحِبَّ وَقَالَ: أَبُو دَاوُدَ يُرِيدُ ابْنُ أَبِي طَالِبٍ أَنْ يُطَلِّقَ ابْنَتِي وَيَنْكِحَ ابْنَتَهُمْ فَإِنَّمَا ابْنَتِي بِضْعَةٌ مِنِّي، يُرِيبُنِي مَا رَابَهَا وَقَالَ: أَبُو دَاوُدَ رَابَهَا وَيُؤْذِينِي مَا آذَاهَا " قَالَ أَبُو دَاوُدَ: وَالإِخْبَارُ فِي حَدِيثِ أَحْمَدَ.
ওয়াহাব: যা তাকে বিচলিত করে এবং যা তাকে কষ্ট দেয় তা আমাকে কষ্ট দেয়।

বিশ্বস্ত শাইখ আবুল হুসাইন আব্দুল গাফির ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল গাফির আল-ফারিসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, চারশত আটচল্লিশ হিজরি সনে; তিনি বলেন: আবু আহমাদ মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা ইবনে উমরওয়াইহ আল-জুলুদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সুফিয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন; তিনি বলেন: আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইউনুস এবং কুতাইবা ইবনে সাঈদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তাঁরা উভয়েই লাইস ইবনে সা'দ থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইবনে ইউনুস বলেন: লাইস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন (হ)।

এবং হাকেম আবুল ফাতহ নাসর ইবনে আলী ইবনে আহমাদ আল-হাকেমি আত-তুসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি নিশাপুরে আমাদের নিকট এসেছিলেন; তিনি বলেন: আবু আলী আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী আর-রূদবারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: বসরার আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে বকর ইবনে আব্দুল রাজ্জাক আত-তাম্মার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আবু দাউদ সুলাইমান ইবনুল আশ'আস আস-সিজিস্তানি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন; তিনি বলেন: আহমাদ ইবনে ইউনুস এবং কুতাইবা ইবনে সাঈদ অর্থগতভাবে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন; আহমাদ বলেন: লাইস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন; তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আবি মুলাইকা আল-কুরাশি আত-তাইমি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন: যে মিসওয়ার ইবনে মাখরামা তাকে হাদীস শুনিয়েছেন: যে তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মিম্বারের ওপর খুতবা দানরত অবস্থায় বলতে শুনেছেন—এবং আবু দাউদ 'অবস্থায়' শব্দটি বলেননি এবং বলেছেন: "নিশ্চয়ই বনু হিশাম ইবনে আল-মুগিরা তাদের কন্যাকে আলীর সাথে বিয়ে দেওয়ার জন্য আমার নিকট অনুমতি চেয়েছে—আর মুসলিম বলেছেন: আলী ইবনে আবি তালিবের সাথে—তবে আমি তাদের অনুমতি দেব না, অতঃপর আমি তাদের অনুমতি দেব না, অতঃপর আমি তাদের অনুমতি দেব না। আর আবু দাউদের হাদীসে প্রতিটি স্থানেই রয়েছে: 'যদি না সে পছন্দ করে'। এবং আবু দাউদ বলেছেন: ইবনে আবি তালিব চান আমার কন্যাকে তালাক দিতে এবং তাদের কন্যাকে বিয়ে করতে। নিশ্চয়ই আমার কন্যা আমারই শরীরের একটি অংশ; যা তাকে বিচলিত করে তা আমাকেও বিচলিত করে—আর আবু দাউদ বলেছেন: যা তাকে বিচলিত করে—এবং যা তাকে কষ্ট দেয় তা আমাকেও কষ্ট দেয়।" আবু দাউদ বলেন: সংবাদ প্রদানের বিষয়টি আহমাদের হাদীসে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٥٩)
وَأَخْبَرَنَاهُ أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورِ بْنِ خَلَفٍ الْبَزَّازُ، أَنَا أَبُو بَكْرٍ الْجَوْزَقِيُّ، أَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ الدَّغُولِيُّ يَعْنِي مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُهَلَّبِ، ثَنَا ابْنُ يُونُسَ، ثَنَا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ ح.

وَأَخْبَرَنَاهُ أَحْمَدُ، أَنَا أَبُو بَكْرٍ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ يُوسُفَ، ثَنَا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو قَالا: أَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، ثَنَا لَيْثٌ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ فَذَكَرَ مِثْلَ حَدِيثِ مُسْلِمٍ، إِلا أَنَّهُ لَمْ يَقُلْ لَهُمْ وَلا لَهُ وَقَالَ: أَرَابَهَا مِثْلَ حَدِيثِ أَبِي دَاوُدَ.

اتَّفَقَ الأَئِمَّةُ عَلَى صِحَّةِ هَذَا الْحَدِيثِ مِنْ حَدِيثِ أَبِي مُحَمَّدٍ، وَيُقَالُ: أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَةَ بْنِ نَوْفَلِ بْنِ أُهَيْبِ بْنِ عَبْدِ مَنَافِ بْنِ زُهْرَةَ بْنِ قُصَيٍّ الزُّهْرِيِّ رضي الله عنه.

فَرَوَاهُ الْبُخَارِيُّ، وَمُسْلِمٌ، وَأَبُو دَاوُدَ، وَأَبُو عِيسَى، وَالنَّسَائِيُّ، عَنْ قُتَيْبَةَ بِهَذَا الإِسْنَادِ.
এবং আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে মানসুর ইবনে খালাফ আল-বাযযার, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আল-জাওযাকি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্বাস আদ-দাগুলি অর্থাৎ মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আল-মুহাল্লাব, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইবনে ইউনুস, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন লাইস ইবনে সা'দ (হ)।

এবং আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন আহমাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইউসুফ, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া এবং মুহাম্মদ ইবনে আমর, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে ইউনুস, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন লাইস, তিনি বলেছেন আমার নিকট আবদুল্লাহ হাদিস বর্ণনা করেছেন। অতঃপর তিনি ইমাম মুসলিমের হাদিসের অনুরূপ উল্লেখ করেছেন, তবে তিনি 'তাদের জন্য' কিংবা 'তার জন্য' বলেননি এবং তিনি আবু দাউদের হাদিসের অনুরূপ 'আরাবাহা' বলেছেন।

ইমামগণ আবু মুহাম্মদ বর্ণিত এই হাদিসটির বিশুদ্ধতার বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেছেন, যাঁকে আবু বকর ইবনে আবি মুলাইকাহ-ও বলা হয়; তিনি আবু আবদুর রহমান আল-মিসওয়ার ইবনে মাখরামাহ ইবনে নাওফাল ইবনে উহাইব ইবনে আবদু মানাফ ইবনে যুহরাহ ইবনে কুসাই আল-যুহরি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন।

অতঃপর ইমাম বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, আবু ঈসা এবং নাসাঈ কুতাইবাহ থেকে এই সনদে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٦٠)
وَرَوَاهُ الْبُخَارِيُّ بِمَعْنَى هَذَا، عَنْ سَعِيدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْجَرْمِيِّ.

وَرَوَاهُ مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ وَأَبُو دَاوُدَ، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ الشَّيْبَانِيِّ.

جَمِيعًا، عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ كَثِيرٍ الْمَخْزُومِيِّ الْمَدِينِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَلْحَلَةَ الدِّيلِيِّ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدِ بْنِ مُسْلِمٌ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ زَيْنِ الْعَابِدِينَ، عَنِ الْمِسْوَرِ.

فَكَأَنِّي سَمِعْتُهُ مَعَ هَؤُلاءِ الأَئِمَّةِ، مِنْ سَعِيدٍ، وَأَحْمَدَ فِي الْعِدَّةِ إِلَى الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَة.

وَقَدْ وَقَعَ لِي بِحَمْدِ اللَّهِ وَمَنِّهِ ، حَدِيثُ قُتَيْبَةَ أَعْلَى مِنْ هَذَا

وَأَنَاهُ أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ الإِشْكَابِيُّ أَحْمَدَ رَحِمَهُ اللَّهُ
ইমাম বুখারী এটি এই অর্থে সাঈদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-জারমি থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং মুসলিম ইবনে হাজ্জাজ ও আবু দাউদ এটি আবু আব্দুল্লাহ আহমদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হাম্বল আশ-শাইবানীর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

তাঁরা সকলে ইয়াকুব ইবনে ইবরাহিম ইবনে সা’দ ইবনে ইবরাহিম ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আউফ আল-জুহরী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ওয়ালিদ ইবনে কাসীর আল-মাখজুমি আল-মাদিনী থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে আমর ইবনে হালহালা আদ-দীলি থেকে, তিনি আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে মুসলিম আজ-জুহরী থেকে, তিনি যয়নুল আবিদীন আলী ইবনে হুসাইন ইবনে আলী ইবনে আবি তালিব থেকে এবং তিনি মিসওয়ার থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

ফলে মনে হচ্ছে যেন আমি এই ইমামদের সাথে সাঈদ এবং আহমদের মাধ্যমে বর্ণনাকারীর সংখ্যায় মিসওয়ার ইবনে মাখরামাহ পর্যন্ত এটি শ্রবণ করেছি।

আল্লাহর প্রশংসা ও তাঁর অনুগ্রহে আমি কুতাইবাহর বর্ণিত হাদীসটি এর চেয়েও উচ্চতর সনদে লাভ করেছি।

আর তা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উসমান সাঈদ ইবনে আবি সাঈদ আল-ইশকাব্বী আহমদ (রাহিমাহুল্লাহ)।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٦١)
سَنَةَ خَمْسٍ وَخَمْسِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضْلِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْفَامِيُّ، ثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ السَّرَّاجُ، ثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، ثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنِ الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَةَ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْمِنْبَرِ وَهُوَ يَقُولُ: «إِنَّ‌‌ بَنِي هِشَامِ بْنِ الْمُغِيرَةِ اسْتَأْذَنُونِي أَنْ يُنْكِحُوا ابْنَتَهُمْ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ، فَلا آذَنُ لَهُمْ ثُمَّ لا آذَنُ لَهُمْ، إِلا أَنْ يُرِيدَ ابْنُ أَبِي طَالِبٍ أَنْ يُطَلِّقَ ابْنَتِي وَيَنْكِحَ ابْنَتَهُمْ، فَإِنَّمَا هِيَ بِضْعَةٌ مِنِّي يُرِيبُنِي مَا رَابَهَا وَيُؤْذِينِي مَا آذَاهَا» .

وَهَذَا الْحَدِيثُ مِنْ هَذَا الطَّرِيقِ مَنْ يَسْمَعُهُ مِنِّي يَكُونُ بِمَنْزِلَةِ الْبُخَارِيِّ، وَمُسْلِمٍ، وَأَبِي دَاوُدَ، وَهُوَ مِنْ أَعَزِّ الْمُوَافَقَاتِ
৪৫৫ হিজরি সনে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফজল উবাইদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-ফামি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আস-সাররাজ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কুতায়বাহ ইবনে সাঈদ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন লাইস ইবনে সাদ, তিনি ইবনে আবি মুলাইকাহ থেকে, তিনি মিসওয়ার ইবনে মাখরামাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মিম্বারের উপর দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই বনী হিশাম ইবনে আল-মুগীরাহ তাদের কন্যাকে আলী ইবনে আবি তালিবের সাথে বিয়ে দেওয়ার জন্য আমার নিকট অনুমতি প্রার্থনা করেছে, কিন্তু আমি তাদের অনুমতি দেব না, অতঃপর আমি তাদের অনুমতি দেব না, যতক্ষণ না আলী ইবনে আবি তালিব আমার কন্যাকে তালাক দিয়ে তাদের কন্যাকে বিয়ে করতে চায়। কেননা, সে (ফাতিমা) আমারই একটি অংশ; যা তাকে বিচলিত করে তা আমাকেও বিচলিত করে এবং যা তাকে কষ্ট দেয় তা আমাকেও কষ্ট দেয়।»।

আর এই হাদিসটি এই সনদে আমার নিকট থেকে যে ব্যক্তি শ্রবণ করবে, সে বুখারি, মুসলিম এবং আবু দাউদের সমপর্যায়ের হবে এবং এটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ মুওয়াফাকাত-সমূহের অন্তর্ভুক্ত।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٦٣)
الْحَدِيثُ الثَّالِثُ وَهُوَ مِمَّا أُسَاوِي فِي سَنَدِهِ مُسْلِمًا وَأَبَا دَاوُدَ وَالنَّسَائِيَّ:

أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْجَنْزَرُوذِيُّ رحمه الله قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَنَا عَمْرُو بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ حَمْدَانَ الْمُقْرِئُ، أَنَا أَبُو يَعْلَى أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى الْمَوْصِلِيُّ، ثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ وَهُوَ زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ.

ح قَالَ أَبُو يَعْلَى: وَثَنَا إِسْحَاقُ يَعْنِي ابْنَ أَبِي إِسْرَائِيلَ الطَّالْقَانِيَّ، ثَنَا سُفْيَانُ.

وَأَخْبَرَنَا زَيْنُ الإِسْلامِ أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ هَوَازِنَ الْقُشَيْرِيُّ رحمه الله، أَنَا أَبُو نُعَيْمٍ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ الإِسْفَرَائِينِيُّ، أَنَا أَبُو عَوَانَةَ يَعْقُوبُ بْنُ إِسْحَاقَ الْحَافِظُ، ثَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، ثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«الْغُسْلُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَاجِبٌ عَلَى كُلِّ مُحْتَلِمٍ» .

وَلَيْسَ فِي حَدِيثِ زُهَيْرٍ ذِكْرُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم

أَخْبَرَنَاهُ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورِ بْنِ خَلَفٍ الْمَغْرِبِيُّ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَكَرِيَّا الْجَوْزَقِيُّ، أَنَا أَبُو حَامِدِ بْنُ الشَّرْقِيِّ يَعْنِي أَحْمَدَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ، وَأَبُو حَاتِمٍ مَكِّيُّ بْنُ عَبْدَانَ، قَالا: ثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ بِشْرٍ، ثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «غُسْلُ يَوْمِ الْجُمُعَةِ وَاجِبٌ عَلَى كُلِّ مُحْتَلِمٍ» صَحِيحٌ مِنْ حَدِيثِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ مَوْلَى حُمَيْدِ بْنِ
তৃতীয় হাদিস, আর এটি এমন একটি হাদিস যার সনদে আমি (ইমাম) মুসলিম, আবু দাউদ এবং নাসায়ীর সমান স্তরে রয়েছি:

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ আল-জানজারুযী (রাহিমাহুল্লাহ), তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে হামদান আল-মুকরি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়ালা আহমদ ইবনে আলী ইবনুল মুসান্না আল-মাওসিলি; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু খাইসামা, আর তিনি হলেন জুহাইর ইবনে হারব।

হ (সনদ পরিবর্তন) আবু ইয়ালা বলেন: এবং আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইসহাক অর্থাৎ ইবনে আবি ইসরাঈল আত-তালকানি; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান।

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যয়নুল ইসলাম আবু কাসিম আব্দুল কারিম ইবনে হাওয়াজিন আল-কুশাইরী (রাহিমাহুল্লাহ); তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম আব্দুল মালিক ইবনে হাসান ইবনে মুহাম্মদ আল-ইসফারায়িনী; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আওয়ানা ইয়াকুব ইবনে ইসহাক আল-হাফিজ; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবনে আব্দুল আ'লা; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উয়ায়না, সাফওয়ান ইবনে সুলাইম থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি আবু সাঈদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি একে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্যন্ত পৌঁছেছেন: ‌‌«জুমার দিনে গোসল করা প্রত্যেক স্বপ্নদোষী (প্রাপ্তবয়স্ক) ব্যক্তির ওপর ওয়াজিব।» .

আর জুহাইরের হাদিসে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উল্লেখ নেই।

আমাদের এই সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবনে মনসুর ইবনে খালাফ আল-মাগরিবি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে জাকারিয়া আল-জাওযাকি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হামিদ ইবনে আশ-শারকি অর্থাৎ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাসান এবং আবু হাতিম মক্কি ইবনে আবদান; তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান ইবনে বিশর; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উয়ায়না, সাফওয়ান ইবনে সুলাইম থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «জুমার দিনে গোসল করা প্রত্যেক স্বপ্নদোষী (প্রাপ্তবয়স্ক) ব্যক্তির ওপর ওয়াজিব।» এটি আবু আব্দুল্লাহ সাফওয়ান ইবনে সুলাইম—যিনি হুমাইদ ইবনে (এর মুক্তদাস)—এর হাদিস থেকে সহিহ।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٦٤)
عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ الْمَدِينِيِّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ مَوْلَى مَيْمُونَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ سَعْدِ بْنِ مَالِكِ بْنِ سِنَانٍ الْخُدْرِيِّ رضي الله عنه.

وَرَوَاهُ الْبُخَارِيُّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْمَدِينِيِّ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ الْمَكِّيِّ.

وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَحْيَى النَّيْسَابُورِيِّ.

وَرَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ، عَنِ الْقَعْنَبِيِّ.

وَرَوَاهُ النَّسَائِيُّ، عَنْ قُتَيْبَةَ بْنِ سَعِيدٍ ثَلاثَتُهُمْ، عَنْ مَالِكٍ جَمِيعًا، عَنْ صَفْوَانَ.

فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا عَالِيًا مِنْ حَدِيثِ مَنْ سُقْنَاهُ عَنْهُ، عَنْ سُفْيَانَ.

وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سَوَّادٍ الْمِصْرِيِّ.

وَرَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَالنَّسَائِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَلَمَةَ الْمِصْرِيِّ.
আবদুর রহমান ইবনে আউফ আল-মাদিনী থেকে, তিনি মাইমুনার আযাদকৃত গোলাম আতা ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি আবু সাঈদ সা'দ ইবনে মালিক ইবনে সিনান আল-খুদরী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইমাম বুখারী এটি আলী ইবনুল মাদিনী থেকে, তিনি সুফিয়ান ইবনে উইয়ায়না আল-মাক্কী থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইমাম মুসলিম এটি ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া আন-নাইসাবুরী থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইমাম আবু দাউদ এটি আল-কানাবী থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইমাম নাসায়ী এটি কুতায়বা ইবনে সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন; তারা তিনজনই ইমাম মালিক থেকে এবং তারা সকলে সাফওয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন।

ফলে আমরা যাদের মাধ্যমে সুফিয়ান থেকে হাদিসটি বর্ণনা করেছি, তাদের তুলনায় এটি আমাদের জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের 'বাদাল' (বিকল্প উচ্চ সনদ) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।

ইমাম মুসলিম এটি আমর ইবনে সাওয়াদ আল-মিসরী থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইমাম আবু দাউদ এবং নাসায়ী এটি মুহাম্মদ ইবনে সালামা আল-মিসরী থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٦٥)
جَمِيعًا عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ وَهْبِ بْنِ مُسْلِمٍ الْقُرَشِيِّ الْمِصْرِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ الْمِصْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلالٍ، وَبُكَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الأَشَجِّ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ التَّيْمِيِّ أَخِي مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سُلَيْمٍ الزُّرْقِيِّ الأَنْصَارِيِّ الْمَدِينِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنْ أَبِيهِ.

وَزَادَ فِيهِ ذِكْرُ السِّوَاكِ وَالطِّيبِ إِلا أَنَّ بُكَيْرًا لَمْ يَذْكُرْ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي سَعِيدٍ فِي حَدِيثِهِ.

فَكَأَنِّي سَمِعْتُهُ مِنَ السَّرْحِيِّ وَابْنِ سَلَمَةَ مِنْ طَرِيقِ بْنِ أَبِي هِلالٍ فِي الْعِدَّةِ إِلَى أَبِي سَعِيدٍ.

وَرَوَاهُ النَّسَائِيُّ، عَنْ هَارُونَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُوسَى الْحَمَّالِ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ سَوَّارٍ الْمَدَائِنِيِّ، عَنِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلالٍ، عَنْ أَبِي هِلالٍ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ
তারা সকলেই আব্দুল্লাহ বিন ওয়াহব বিন মুসলিম আল-কুরাশী আল-মিসরী থেকে, তিনি আমর বিন আল-হারিস আল-মিসরী থেকে, তিনি সাঈদ বিন আবি হিলাল এবং বুকায়র বিন আব্দুল্লাহ আল-আশাজ্জ থেকে, তাঁরা আবু বকর বিন আল-মুনকাদির আত-তাইমি থেকে—যিনি মুহাম্মদ বিন আল-মুনকাদিরের ভাই—তিনি আমর বিন সুলায়ম আজ-জুরাকি আল-আনসারী আল-মাদিনী থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন আবি সাঈদ আল-খুদরী থেকে এবং তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন।

আর এতে মিসওয়াক ও সুগন্ধির কথা অতিরিক্ত উল্লেখ করা হয়েছে, তবে বুকায়র তার বর্ণিত হাদিসে আব্দুর রহমান বিন আবি সাঈদের উল্লেখ করেননি।

সুতরাং আমি যেন এটি আস-সারহী এবং ইবনে সালামাহ থেকে ইবনে আবি হিলালের সূত্রে আবু সাঈদ পর্যন্ত বর্ণনাকারীদের নির্দিষ্ট সংখ্যাসহ শুনেছি।

আর ইমাম নাসাঈ এটি হারুন বিন আব্দুল্লাহ বিন আবি মুসা আল-হাম্মাল থেকে, তিনি হাসান বিন সাওয়ার আল-মাদায়িনী থেকে, তিনি লাইস বিন সাদ থেকে, তিনি খালিদ বিন ইয়াজিদ থেকে, তিনি সাঈদ বিন আবি হিলাল থেকে, তিনি আবু হিলাল থেকে, তিনি আবু বকর বিন আল-মুনকাদির থেকে, তিনি আমর থেকে এবং তিনি আব্দুর রহমান থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٦٧)
فَأَنَا بِمَنْزِلَةِ شَيْخِهِ هَارُونَ، وَمَنْ سَمِعَهُ مِنِّي بِمَنْزِلَتِهِ.

وَقَدْ وَافَقَ شُعْبَةُ بْنُ الْحَجَّاجِ، بُكَيْرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ فِي رِوَايَتِهِ إِيَّاهُ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ نَفْسِهِ.

وَأَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ رحمه الله مِنْ طَرِيقِهِ.
সুতরাং আমি তাঁর উস্তাদ হারুনের স্থলাভিষিক্ত, আর যে ব্যক্তি আমার থেকে এটি শুনেছে সে তাঁর স্থলাভিষিক্ত।

আর শু'বাহ ইবনুল হাজ্জাজ এটি বর্ণনা করার ক্ষেত্রে বুকাইর ইবনে আব্দুল্লাহর সাথে একমত হয়েছেন, তিনি আবু বকর ইবনুল মুনকাদির থেকে, তিনি আমর থেকে, তিনি স্বয়ং আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

আর ইমাম বুখারী (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর সূত্র থেকে এটি উদ্ধৃত করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٦٨)
وَرَوَى هَذَا الْحَدِيثَ نَافِعُ بْنُ أَبِي نُعَيْمٍ، عَنْ صَفْوَانَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَلَمْ يَذْكُرْ بَيْنَهُمَا أَحَدًا

أَخَبْرَنَاهُ أَبُو عُثْمَانَ الْبَحِيرِيُّ، أَنَا أَبُو عَمْرِو بْنُ حَمْدَانَ، أَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ السِّمَنَانِيُّ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يُونُسَ، ثَنَا ابْنُ أَبِي نَاجِيَةَ يَعْنِي مُحَمَّدًا الإِسْكَنْدَرَانِيَّ، ثَنَا زِيَادُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنِي نَافِعٌ الْقَارِئُ، أَنَّ صَفْوَانَ بْنَ سُلَيْمٍ أَخْبَرَهُ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«غُسْلُ يَوْمِ الْجُمُعَةِ وَاجِبٌ عَلَى كُلِّ مُحْتَلِمٍ» .

وَهَذَا وَهْمٌ، وَالصَّوَابُ مَا تَقَدَّمَ
এই হাদিসটি নাফি ইবনে আবি নুয়াইম সফওয়ান থেকে, তিনি আবু হুরাইরা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তাদের মাঝে অন্য কাউকে উল্লেখ করেননি।

আমাদের তা অবহিত করেছেন আবু উসমান আল-বুহাইরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর ইবনে হামদান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আস-সিমনানি আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইউনুস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি নাজিয়াহ অর্থাৎ মুহাম্মাদ আল-ইস্কান্দারানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যিয়াদ ইবনে ইউনুস, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন কারী নাফি যে, সফওয়ান ইবনে সুলাইম তাকে অবহিত করেছেন আবু হুরাইরা থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «জুমার দিনের গোসল প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির জন্য ওয়াজিব (আবশ্যক)।’

আর এটি একটি ভ্রান্তি, এবং সঠিক হলো যা পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٦٩)
الْحَدِيثُ الرَّابِعُ وَهُوَ مِمَّا أُسَاوِي فِي سَنَدِهِ الْبُخَارِيَّ، وَالنَّسَائِيَّ، رَحِمَهُمَا اللَّهُ.

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الأَدِيبُ غَيْرَ مَرَّةٍ، أَنَا أَبُو عَمْرِو بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَمْدَانَ الْحِيرِيُّ، أَنَا أَبُو يَعْلَى أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى الْمَوْصِلِيُّ، ثَنَا هُدْبَةُ هُوَ ابْنُ خَالِدٍ، ثَنَا هَمَّامٌ هُوَ ابْنُ يَحْيَى، ثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ أَنَسٍ: " أَنَّ رَهْطًا قَدِمُوا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ عُرَيْنَةَ، قَالَ: فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ، اجْتَوَيْنَا الْمَدِينَةَ فَعَظُمَتْ بُطُونُنَا وَانْتُهِسَتْ لُحُومُنَا‌‌ فَأَمَرَهُمْ فَأَتَوْا رَاعِيَ الصَّدَقَةِ، فَشَرِبُوا مِنْ أَلْبَانِهَا وَأَبْوَالِهَا حَتَّى صَحَّتْ جُسُومُهُمْ، فَقَتَلُوا الرَّاعِيَ وَاسْتَاقُوا الإِبِلَ، وَارْتَدُّوا، فَبَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي أَثَرِهِمْ فَجِيءَ بِهِمْ، فَقَطَعَ أَيْدِيَهُمْ، وَأَرْجُلَهُمْ وَسَمَرَ أَعْيُنَهُمْ وَأَلْقَاهُمْ فِي الْحَرَّةِ ".
চতুর্থ হাদিস: এটি এমন একটি হাদিস যার সনদে আমি বুখারি ও নাসায়ি (আল্লাহ তাঁদের প্রতি রহম করুন)-এর সমপর্যায়ভুক্ত।

মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর আল-আদিব আমাদের একাধিকবার সংবাদ দিয়েছেন, আবু আমর ইবনে আহমাদ ইবনে হামদান আল-হিরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু ইয়ালা আহমাদ ইবনে আলী ইবনুল মুসান্না আল-মাওসিলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হুদবা—যিনি ইবনে খালিদ—আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, হাম্মাম—যিনি ইবনে ইয়াহইয়া—আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, কাতাদাহ আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন: "উরাইনাহ গোত্রের একদল লোক আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আগমন করল। তিনি বলেন: তারা বলল, হে আল্লাহর রাসুল! মদিনার আবহাওয়া আমাদের প্রতিকূল হয়েছে, ফলে আমাদের পেট ফুলে গেছে এবং আমাদের শরীর জীর্ণ হয়ে গেছে। অতঃপর তিনি তাদের আদেশ দিলেন এবং তারা সদকার উট রক্ষণাবেক্ষণকারীর নিকট গেল। তারা সেই উটের দুধ ও পেশাব পান করল যতক্ষণ না তাদের শরীর সুস্থ হলো। এরপর তারা রাখালকে হত্যা করল এবং উটগুলো হাঁকিয়ে নিয়ে গেল এবং ধর্মত্যাগী হয়ে গেল। তখন আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদের পশ্চাদ্ধাবনে লোক পাঠালেন এবং তাদের ধরে আনা হলো। এরপর তিনি তাদের হাত ও পা কেটে দিলেন, তাদের চোখে তপ্ত শলাকা বিদ্ধ করলেন এবং তাদের হাররাহ-তে (পাথুরে মরুভূমি) ফেলে রাখলেন।"
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٧٠)
أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ إِسْمَاعِيلَ.

وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، عَنْ هُدْبَةَ.

جَمِيعًا، عَنْ هَمَّامٍ.

فَوَقَعَ لَنَا مُوَافَقَةً فِي شَيْخِ مُسْلِمٍ، وَبَدَلا مِنْ شَيْخِ الْبُخَارِيِّ رحمه الله.

وَقَدْ رَوَاهُ حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، وَعَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسٍ أَيْضًا

أَخْبَرَنَاهُ أَبُو سَعِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْكَنْجَرُوذِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، ثَنَا الْحَاكِمُ أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِسْحَاقَ الْحَافِظُ إِمْلاءً، ثَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُبَشِّرٍ الْوَاسِطِيُّ، ثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ يَعْنِي ابْنَ بَيَانٍ الْوَاسِطِيَّ، أَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ حُمَيْدٍ، وَعَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ: أَنَّ نَاسًا، مِنْ عُرَيْنَةَ قَدِمُوا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَدِينَةَ فَاجْتَوَوْهَا، فَقَالَ: لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنْ شِئْتُمْ خَرَجْتُمْ إِلَى إِبِلِ الصَّدَقَةِ
এটি ইমাম বুখারি আবু সালামাহ ইসমাইল থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং ইমাম মুসলিম এটি হুদবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।

তাঁরা উভয়েই হাম্মাম থেকে বর্ণনা করেছেন।

ফলে ইমাম মুসলিমের উস্তাদের ক্ষেত্রে আমাদের জন্য 'মুওয়াফাকাত' (একই উস্তাদে মিলিত হওয়া) এবং ইমাম বুখারি (রহিমাহুল্লাহ)-এর উস্তাদের ক্ষেত্রে 'বাদাল' (বিকল্প উচ্চতর সূত্র) অর্জিত হয়েছে।

হুমাইদ আত-তবিল এবং আবদুল আজিজ বিন সুহাইবও আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

আবু সাঈদ মুহাম্মাদ বিন আবদুর রহমান আল-কাঞ্জারুযি তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাফেজ আল-হাকিম আবু আহমাদ মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন ইসহাক শ্রুতলিপির মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবুল হাসান আলি বিন আবদুল্লাহ বিন মুবাশশির আল-ওয়াসিতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল হামিদ - অর্থাৎ ইবনে বায়ান আল-ওয়াসিতি - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুশাইম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হুমাইদ ও আবদুল আজিজ বিন সুহাইব থেকে, আর তাঁরা আনাস বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন: উরাইনাহ গোত্রের একদল লোক মদিনায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন। কিন্তু মদিনার আবহাওয়া তাদের স্বাস্থ্যের অনুকূল হলো না। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বললেন: «তোমরা যদি চাও তবে সদকার উটের পালের কাছে যেতে পার...
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٧١)
فَشَرِبْتُمْ مِنْ أَلْبَانِهَا وَأَبْوَالِهَا» .

فَفَعَلُوا ذَلِكَ فَصَحُّوا فَأَقْبَلُوا عَلَى الرُّعَاةِ فَقَتَلُوهُمْ، وَاسْتَاقُوا ذَوْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَارْتَدُّوا عَنِ الإِسْلامِ.

فَبَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي آثَارِهِمْ، فَأُتِيَ بِهِمْ، فَقَطَعَ أَيْدِيَهُمْ وَأَرْجُلَهُمْ.

وَسَمَلَ أَعْيُنَهُمْ، وَتَرَكَهُمْ بِالْحَرَّةِ حَتَّى مَاتُوا.

قَالَ الْحَاكِمُ: لا أَعْلَمُ أَحَدًا حَدَّثَ بِهِ مِنْ طَرِيقٍ صَحِيحٍ يَعْنِي، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ هُشَيْمٍ.

هَكَذَا رَوَاهُ أَبُو عُبَيْدٍ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، عَنْ هُشَيْمٍ.

وَرَوَاهُ زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى زَحْمَوَيْهِ الْوَاسِطِيُّ، عَنْ هُشَيْمٍ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ وَحْدَهُ.

وَلَمْ يَذْكُرْ فِيهِ حُمَيْدًا

أَخْبَرَنَاهُ أَبُو سَعِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْفَقِيهُ، أَنَا أَبُو عَمْرٍو مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ عَلِيٍّ التَّمِيمِيُّ، ثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى، ثَنَا هُشَيْمٌ، ثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسٍ قَالَ: قَدِمَ نَاسٌ مِنْ عُرَيْنَةَ الْمَدِينَةَ، فَاجْتَوَوْهَا، فَقَالَ لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«إِنْ شِئْتُمْ أَنْ تَخْرُجُوا إِلَى إِبِلِ الصَّدَقَةِ، فَتَشْرَبُوا مِنْ أَلْبَانِهَا وَأَبْوَالِهَا» قَالَ: فَفَعَلُوا فَاسْتَصَحُّوا فَمَالُوا عَلَى الرِّعَاءِ، فَقَتَلُوهُمْ، وَسَاقُوا ذَوْدَ رَسُولِ اللَّهِ
তোমরা সেগুলোর দুধ ও প্রস্রাব পান করলে।

তারা তাই করল এবং সুস্থ হয়ে গেল। অতঃপর তারা রাখালদের ওপর চড়াও হয়ে তাদের হত্যা করল এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উটগুলো হাঁকিয়ে নিয়ে গেল এবং ইসলাম ত্যাগ করে মুরতাদ হয়ে গেল।

তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের সন্ধানে লোক পাঠালেন এবং তাদের ধরে আনা হলো। অতঃপর তিনি তাদের হাত ও পা কেটে দিলেন।

এবং তাদের চোখ উপড়ে ফেললেন। তিনি তাদের হাররাহ এলাকায় ফেলে রাখলেন যতক্ষণ না তারা মারা গেল।

হাকিম বলেন: আমি জানি না যে আর কেউ আব্দুল আজিজ থেকে হুশায়িমের সূত্রে এটি সহীহভাবে বর্ণনা করেছেন।

আবু উবায়দ এবং আবু বকর ইবনে আবি শায়বাহ হুশায়িম থেকে এভাবেই এটি বর্ণনা করেছেন।

যাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া যাহমাওয়াইহ আল-ওয়াসিতী এটি হুশায়িম থেকে এবং তিনি কেবল আব্দুল আজিজ থেকে বর্ণনা করেছেন।

আর তিনি এতে হুমাইদের নাম উল্লেখ করেননি।

আবু সাঈদ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-ফকিহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আমর মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে হামদান ইবনে আলী আত-তামিমী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, যাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুশায়িম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল আজিজ ইবনে সুহাইব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: উরাইনা গোত্রের কিছু লোক মদীনায় এল। অতঃপর মদীনার আবহাওয়া তাদের স্বাস্থ্যের প্রতিকূল হলো। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বললেন: ‘তোমরা যদি চাও তবে সদকার উটগুলোর কাছে যেতে পার এবং সেগুলোর দুধ ও প্রস্রাব পান করতে পার।’ তিনি বলেন: অতঃপর তারা তাই করল এবং সুস্থ হয়ে গেল। এরপর তারা চড়াও হলো রাখালদের ওপর, তাদের হত্যা করল এবং রাসূলুল্লাহর উটগুলো হাঁকিয়ে নিয়ে গেল।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٧٢)
صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.

وَكَفَرُوا بَعْدَ إِسْلامِهِمْ.

فَبَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي آثَارِهِمْ.

فَأُتِيَ بِهِمْ، فَقَطَعَ أَيْدِيَهُمْ وَأَرْجُلَهُمْ، وَسَمَلَ أَعْيُنَهُمْ، وَتَرَكَهُمْ فِي الْحَرَّةِ حَتَّى مَاتُوا.

وَرَوَاهُ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ أَبِي حُمَيْدٍ الطَّوِيلِ، يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَبُو خَالِدٍ الْوَاسِطِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ الْقَاضِي وَغَيْرُهُمَا

فَأَمَّا حَدِيثُ يَزِيدَ.

فَأَخْبَرَنَاهُ الأُسْتَاذُ أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ هَوَازِنَ الْقُشَيْرِيُّ قِرَاءَةً، أَنَا أَبُو نُعَيْمٍ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ الْحَسَنِ الإِسْفَرَائِينِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ يَعْقُوبُ بْنُ إِسْحَاقَ الإِسْفَرَائِينِيُّ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الْوَاسِطِيُّ الدَّقِيقِيُّ، ثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنَا حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ: قَدِمَ رَهْطٌ مِنْ عُرَيْنَةَ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَاجْتَوَوُا الْمَدِينَةَ.

فَقَالَ لَهُمُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ لَوْ خَرَجْتُمْ إِلَى إِبِلِ الصَّدَقَةِ، فَشَرِبْتُمْ مِنْ أَلْبَانِهَا قَالَ حُمَيْدٌ: فَحَدَّثَ قَتَادَةُ فِي هَذَا الْحَدِيثِ وَأَبْوَالِهَا " وَلَمْ أَسْمَعْهُ يَوْمَئِذٍ مِنْ أَنَسٍ قَالَ: فَفَعَلُوا فَلَمَّا أَصَحُّوا، ارْتَدُّوا عَنِ الإِسْلامِ.

وَقَتَلُوا رَاعِيَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَاسْتَاقُوا الإِبِلَ، وَخَانُوا وَحَارَبُوا اللَّهَ وَرَسُولَهُ.

فَبَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي آثَارِهِمْ فَأُخِذُوا فَقَطَعَ أَيْدِيَهُمْ، وَأَرْجُلَهُمْ وَسَمَرَ أَعْيُنَهُمْ

وَأَمَّا حَدِيثُ الأَنْصَارِيِّ

فَأَخْبَرَنَاهُ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورِ بْنِ خَلَفٍ الْقَيْرَوَانِيُّ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ زَكَرِيَّا الشَّيْبَانِيُّ، أَنَا عَبَّاسُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ مَنْصُورٍ، ثَنَا أَبُو حَاتِمٍ الرَّازِيُّ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنِي حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ.

وَأَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، أَنَا مُحَمَّدٌ، أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ الْبَصْرِيُّ بِمَكَّةَ، ثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّبَّاحُ الزَّعْفَرَانِيُّ، ثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنَا حُمَيْدٌ،
আল্লাহর শান্তি ও আশীর্বাদ তাঁর ওপর বর্ষিত হোক।

এবং তারা ইসলাম গ্রহণের পর কুফরি করল।

অতঃপর আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর শান্তি ও আশীর্বাদ তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) তাদের সন্ধানে লোক পাঠালেন।

পরে তাদের ধরে আনা হলো। তিনি তাদের হাত ও পা কেটে দিলেন, তাদের চোখ উপড়ে ফেললেন এবং তাদের উত্তপ্ত পাথুরে ভূমিতে ফেলে রাখলেন যতক্ষণ না তারা মারা গেল।

হুমায়দ ইবনে আবি হুমায়দ আত-তাবিল থেকে এটি বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবনে হারুন আবু খালিদ আল-ওয়াসিতি, মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আনসারি আল-কাদি এবং আরও অনেকে।

আর ইয়াজিদের হাদিসটি হলো:

ওস্তাদ আবুল কাসিম আব্দুল কারিম ইবনে হাওয়াযিন আল-কুশায়রি পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু নুয়াইম আব্দুল মালিক ইবনে হাসান আল-ইসফরাইনি আমাদের জানিয়েছেন, আবু আওয়ানাহ ইয়াকুব ইবনে ইসহাক আল-ইসফরাইনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল মালিক আল-ওয়াসিতি আদ-দাকিকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াজিদ ইবনে হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমায়দ আত-তাবিল আমাদের জানিয়েছেন আনাস ইবনে মালিক থেকে, তিনি বলেন: উরাইনাহ গোত্রের একদল লোক নবী (আল্লাহর শান্তি ও আশীর্বাদ তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-এর কাছে এলো, কিন্তু মদিনার আবহাওয়া তাদের প্রতিকূল হলো।

তখন নবী (আল্লাহর শান্তি ও আশীর্বাদ তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) তাদের বললেন: "‌‌ তোমরা যদি সদকার উটগুলোর কাছে যেতে এবং সেগুলোর দুধ পান করতে। হুমায়দ বলেন: কাতাদাহ এই হাদিসের বর্ণনায় 'এবং সেগুলোর মূত্র' কথাটিও উল্লেখ করেছেন " তবে সেদিন আমি তা আনাস থেকে শুনিনি। আনাস বলেন: তারা তা-ই করল। অতঃপর যখন তারা সুস্থ হয়ে উঠল, তখন তারা ইসলাম থেকে বিচ্যুত হয়ে ধর্মত্যাগী হয়ে গেল।

তারা নবী (আল্লাহর শান্তি ও আশীর্বাদ তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-এর রাখালকে হত্যা করল, উটগুলো হাঁকিয়ে নিয়ে গেল এবং বিশ্বাসঘাতকতা করল ও আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হলো।

অতঃপর আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর শান্তি ও আশীর্বাদ তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) তাদের সন্ধানে লোক পাঠালেন। ফলে তাদের ধরা হলো। তিনি তাদের হাত ও পা কেটে দিলেন এবং তাদের চোখ দগ্ধ করে দিলেন।

আর আনসারির হাদিসটি হলো:

আবু বকর আহমদ ইবনে মনসুর ইবনে খালাফ আল-কায়রাওয়ানি আমাদের এটি জানিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাকারিয়া আশ-শায়বানি আমাদের জানিয়েছেন, আব্বাস ইবনে হুসাইন ইবনে মনসুর আমাদের জানিয়েছেন, আবু হাতিম আর-রাজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আনসারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমায়দ আত-তাবিল আমার কাছে আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন।

আহমদ আমাদের জানিয়েছেন, মুহাম্মদ আমাদের জানিয়েছেন—যিনি হলেন মক্কার আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জিয়াদ আল-বাসরি—হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ আস-সাব্বাহ আয-জাফরানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াজিদ ইবনে হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমায়দ আমাদের জানিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٧٣)
عَنْ أَنَسٍ: " أَنَّ نَفَرًا مِنْ عُرَيْنَةَ.

الْحَدِيثُ وَفِيهِ: فَلَمَّا‌‌ أَصَحُّوا وَارْتَدُّوا عَنِ الإِسْلامِ وَقَتَلُوا رَاعِيَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَاسْتَاقُوا الإِبِلَ، فَبَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي آثَارِهِمْ، وَأُخِذُوا فَقَطَعَ أَيْدِيَهُمْ وَأَرْجُلَهُمْ وَسَمَرَ أَعْيُنَهُمْ ".

أَخْرَجَهُ م.

وَأَبُو دَاوُدَ.

وَأَبُو عِيسَى.

وَأَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ.

مِنْ حَدِيثِ حُمَيْدٍ الطَّوِيلِ.

وَانْفَرَدَ مُسْلِمٌ بِإِخْرَاجِهِ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ.

وَرَوَاهُ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ جَمَاعَةٌ، سِوَى مَنْ سُقْنَا حَدِيثَهُ.

مِنْهُمْ: مُسْلِمُ بْنُ كَيْسَانَ الأَعْوَرُ، وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَنَسٍ، وَثَابِتٌ
আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত: "উরায়না গোত্রের একদল লোক..."

হাদীসটি দীর্ঘ এবং তাতে রয়েছে: অতঃপর যখন তারা সুস্থ হলো এবং ইসলাম থেকে ধর্মত্যাগী হলো এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রাখালকে হত্যা করল ও উটগুলো হাঁকিয়ে নিয়ে গেল, তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের সন্ধানে লোক পাঠালেন এবং তাদের ধরা হলো। ফলে তিনি তাদের হাত ও পা কেটে দিলেন এবং তাদের চোখ দগ্ধ করলেন।"

এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।

এবং আবু দাউদ।

এবং আবু ঈসা।

এবং আবু আবদুর রহমান।

হুমায়দ আত-তবীলের বর্ণনা থেকে।

আর মুসলিম এককভাবে আব্দুল আজীজ ইবনে সুহাইবের বর্ণনা থেকে এটি উদ্ধৃত করেছেন।

যাঁদের হাদীস আমরা বর্ণনা করেছি, তাঁরা ব্যতীত একদল বর্ণনাকারী এটি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন।

তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: মুসলিম ইবনে কায়সান আল-আওয়ার, উবায়দুল্লাহ ইবনে আবি বকর ইবনে আনাস এবং সাবিত।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٧٤)
فَأَمَّا حَدِيثُ مُسْلِمٍ:

فَأَخْبَرَنَاهُ الشَّيْخُ أَبُو الْحُسَيْنِ عَبْدُ الْغَافِرِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْغَافِرِ الْفَارِسِيُّ التَّاجِرُ، سَنَةَ ثَمَانٍ وَأَرْبَعِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، أَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْعَدْلُ الأَصْفَهَانِيُّ، أَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ الْمَاسَرْجِسِيُّ، ثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْحَنْظَلِيُّ، أَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مُسْلِمٍ الأَعْوَرِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ: «جَاءَ نَاسٌ مِنْ عُرَيْنَةَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَشَكَوْا إِلَيْهِ الْمَرَضَ فَأَمَرَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ‌‌ يَخْرُجُوا إِلَى إِبِلِ الصَّدَقَةِ، فَيَشْرَبُوا مِنْ أَبْوَالِهَا وَأَلْبَانِهَا، فَشَرِبُوا حَتَّى سَمِنُوا، وَاسْتَاقُوا إِبِلَ الصَّدَقَةِ، فَبَلَغَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَأَرْسَلَ فِي آثَارِهِمْ حَتَّى جِيءَ بِهِمْ فَقَطَعَ أَيْدِيَهُمْ، وَأَرْجُلَهُمْ وَسَمَلَ أَعْيُنَهُمْ، ثُمَّ طَرَحَهُمْ فِي الْحَرَّةِ حَتَّى مَاتُوا»

وَأَمَّا حَدِيثُ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ جَدِّهِ:

فَأَخْبَرَنَاهُ الشَّيْخُ أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ أَبِي عُمَرَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ أَبِي الْحُسَيْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ بَحِيرِ بْنِ نُوحِ بْنِ حِبَّانَ بْنِ مُخْتَارٍ الْبَحِيرِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، سَنَةَ خَمْسِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، أَنَا أَبُو عُمَرَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ حَمْدَانَ الْبَحِيرِيُّ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خُشْنَامِ بْنِ سَعْدٍ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي سُرَيْجٍ الرَّازِيُّ، ثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَاصِمٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ جَدِّهِ أَنَسٍ: عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي حَدِيثِ الَّذِينَ اجْتَوَوُا الْمَدِينَةَ، «فَأَمَرَهُمُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ‌‌ يَأْتُوا إِبِلَ الصَّدَقَةِ فَيَشْرَبُوا مِنْ أَبْوَالِهَا، وَأَلْبَانِهَا، وَاسْتَاقُوا الإِبِلَ، وَقَتَلُوا الرَّاعِيَ، فَبَعَثَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي آثَارِهِمْ، فَقَطَعَ أَيْدِيَهُمْ، وَأَرْجُلَهُمْ، وَسَمَلَ أَعْيُنَهُمْ»

ح وَأَمَّا حَدِيثُ ثَابِتٍ:

فَأَخْبَرَنَاهُ أَبُو سَعْدٍ الْجَنْزَرُوذِيُّ، أَنَا أَبُو عَمْرِو بْنُ حَمْدَانَ، أَنَا أَبُو يَعْلَى، نَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْحَجَّاجِ، ثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ
আর মুসলিমের হাদীস:

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু আল-হুসাইন আব্দুল গাফির ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল গাফির আল-ফারিসি আল-তাজির, চারশত আটচল্লিশ হিজরী সালে, আমাদের জানিয়েছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আদল আল-আসফাহানি, আমাদের জানিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-হুসাইন আল-মাসারজিসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম আল-হানজালি, আমাদের জানিয়েছেন জারীর, মুসলিম আল-আওয়ার থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «উরাইনাহ গোত্রের কিছু লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন। তারা তাঁর কাছে অসুস্থতার অভিযোগ করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তারা‌ ‌সদকার উটের পালের কাছে যায়, এবং সেগুলোর প্রস্রাব ও দুধ পান করে। অতঃপর তারা তা পান করল এবং পরিপুষ্ট হলো, আর তারা সদকার উটগুলো হাঁকিয়ে নিয়ে গেল। এ খবর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে পৌঁছালে তিনি তাদের পশ্চাদ্ধাবনে লোক পাঠালেন। অবশেষে তাদের ধরে আনা হলে তিনি তাদের হাত ও পা কেটে ফেললেন এবং তাদের চোখ ফুটিয়ে দিলেন। তারপর তাদের হাররা নামক স্থানে ফেলে রাখলেন যতক্ষণ না তারা মারা গেল।»

আর উবাইদুল্লাহর হাদীস, যা তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন:

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু উসমান সাঈদ ইবনে আবি উমর এবং মুহাম্মাদ ইবনে আবি আল-হুসাইন আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে জাফর ইবনে মুহাম্মাদ বাহীর ইবনে নূহ ইবনে হিব্বান ইবনে মুখতার আল-বাহীরি, তাঁদের সামনে পাঠকালে আমি শ্রবণ করছিলাম, চারশত পঞ্চাশ হিজরী সালে, আমাদের জানিয়েছেন আবু উমর এবং মুহাম্মাদ ইবনে হামদান আল-বাহীরি, আমাদের জানিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে খুশনাম ইবনে সাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে আবি সুরাইজ আল-রাজি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে আসিম, উবাইদুল্লাহ ইবনে আবি বকর ইবনে আনাস থেকে, তিনি তাঁর দাদা আনাস (রা.) থেকে: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে ওই ব্যক্তিদের হাদীসে যারা মদীনার আবহাওয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েছিল, «অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের নির্দেশ দিলেন যেন তারা‌ ‌সদকার উটের কাছে যায় এবং সেগুলোর প্রস্রাব ও দুধ পান করে। তারা উটগুলো হাঁকিয়ে নিয়ে গেল এবং রাখালকে হত্যা করল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের পশ্চাদ্ধাবনে লোক পাঠালেন। অতঃপর তিনি তাদের হাত ও পা কেটে ফেললেন এবং তাদের চোখ ফুটিয়ে দিলেন।»

হা এবং সাবেতের হাদীস:

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ আল-জানজারুদি, আমাদের জানিয়েছেন আবু আমর ইবনে হামদান, আমাদের জানিয়েছেন আবু ইয়ালা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে আল-হাজ্জাজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ, তিনি...
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٧٥)
ثَابِتٍ، وَقَتَادَةَ، وَحُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ: «أَنَّ نَاسًا مِنْ عُرَيْنَةَ قَدِمُوا عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم الْمَدِينَةَ، فَاجْتَوَوْهَا، فَأَرْسَلَهُمُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي إِبِلِ الصَّدَقَةِ،‌‌ فَأَمَرَهُمْ أَنْ يَشْرَبُوا مِنْ أَبْوَالِهَا وَأَلْبَانِهَا» .

أَخْرَجَ الْبُخَارِيُّ مَعْنَى هَذَا الْحَدِيثِ، عَنْ أَبِي يَحْيَى مُحَمَّدِ بْنِ
عَبْدِ الرَّحِيمِ الْبَزَّارِ الْمَعْرُوفِ بِصَاعِقَةَ، عَنْ أَبِي عُمَرَ حَفْصِ بْنِ عُمَرَ الْحَوْضِيِّ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ بْنِ أَبِي تَمِيمَةَ السَّخْتِيَانِيِّ وَحَجَّاجِ بْنِ أَبِي عُثْمَانَ الصَّوَّافِ، عَنْ أَبِي رَجَاءٍ سَلْمَانَ الْجَرْمِيِّ مَوْلَى أَبِي قِلابَةَ، عَنْ أَبِي قِلابَةَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ الْجَرْمِيِّ الْبَصْرِيِّ.

وَأَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ، عَنْ أَبِي الْمُعَافَى مُحَمَّدِ بْنِ وَهْبِ بْنِ أَبِي كُرَيْمَةَ الْحَرَّانِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَلَمَةَ الْحَرَّانِيِّ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ خَالِدِ بْنِ يَزِيدَ وَيُقَالُ: ابْنِ أَبِي يَزِيدَ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ الرَّهَاوِيِّ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ مُصَرِّفٍ الْيَامِيِّ الْكُوفِيِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدِ بْنِ قَيْسٍ الأَنْصَارِيِّ الْقَاضِي.

جَمِيعًا، عَنْ أَنَسٍ.

فَسَاوَيْتُهُمَا مِنْ جَمِيعِ هَذِهِ الطُّرُقِ الَّتِي أَوْرَدْتُهَا فِي الْعِدَّةِ إِلَى أَنَسٍ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَحَدِيثُ يَحْيَى، غَرِيبٌ تَفَرَّدَ بِهِ طَلْحَةُ هَذَا مُسْنَدًا
ছাবিত, কাতাদাহ এবং হুমাইদ, আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন: "উরাইনাহ গোত্রের একদল লোক মদিনায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আসলো। কিন্তু সেখানকার আবহাওয়া তাদের স্বাস্থ্যের অনুকূল হলো না। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে সদকার উটের পালের কাছে পাঠিয়ে দিলেন, অতঃপর তাদেরকে সেগুলোর মূত্র ও দুধ পান করার নির্দেশ দিলেন।"

ইমাম বুখারী এই হাদিসের মর্মার্থ বর্ণনা করেছেন আবু ইয়াহইয়া মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহীম আল-বাযযার থেকে—যিনি সা’ইকাহ নামে পরিচিত—তিনি আবু উমর হাফস ইবনে উমর আল-হাওযী থেকে, তিনি হাম্মাদ ইবনে যাইদ থেকে, তিনি আইয়ুব ইবনে আবু তামিমান আস-সাখতিয়ানি এবং হাজ্জাজ ইবনে আবু উসমান আস-সাওওয়াফ থেকে, তারা আবু রাজা সালমান আল-জারমি থেকে (যিনি আবু কিলাবার মুক্ত দাস), তিনি আবু কিলাবা আবদুল্লাহ ইবনে যাইদ আল-জারমি আল-বাসরি থেকে।

আর নাসাঈ এটি বর্ণনা করেছেন আবুল মুআফা মুহাম্মদ ইবনে ওয়াহাব ইবনে আবু কুরাইমাহ আল-হাররানি থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে সালামাহ আল-হাররানি থেকে, তিনি আবু আবদুর রহমান খালিদ ইবনে ইয়াজিদ থেকে—যাকে ইবনে আবু ইয়াজিদ ইবনে আবু উনাইসা আর-রাহাবিও বলা হয়—তিনি তালহা ইবনে মুসাররিফ আল-ইয়ামি আল-কুফি থেকে, তিনি কাজী ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ ইবনে কায়স আল-আনসারি থেকে।

তাঁরা সকলে আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন।

সুতরাং আমি উল্লেখিত এই সকল সূত্রের মাধ্যমে আনাস (রা.) পর্যন্ত রাবীর সংখ্যার দিক থেকে তাঁদের (বুখারী ও নাসাঈর) সমপর্যায়ের হলাম; সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আর ইয়াহইয়ার বর্ণিত হাদিসটি ‘গারিব’, যা তালহা এককভাবে মুসনাদ (মারফু) হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনা হাদীসান মিনাল মুসাওয়াহ (পৃষ্ঠা: ٧٧)
الْحَدِيثُ الْخَامِسُ وَهُوَ مِمَّا أُسَاوِي فِي سَنَدِهِ مُسْلِمًا، وَالنَّسَائِيَّ، رَحِمَهُمَا اللَّهُ.

أَنَا الأُسْتَاذُ الإِمَامُ أَبُو يَعْلَى بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَائِذِ بْنِ غَافِرٍ الصَّابُونِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، فِي شَعْبَانَ سَنَةَ خَمْسِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، أَنَا أَبُو سَعِيدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَهَّابِ الرَّازِيُّ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَيُّوبَ الرَّازِيُّ، ثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، ثَنَا أَبَانُ بْنُ يَزِيدَ، ثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ: أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ‌‌«الْعَائِدُ فِي هِبَتِهِ كَالْعَائِدِ فِي قَيْئِهِ» .

هَكَذَا رَوَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ أَيُّوبَ، عَنْ مُسْلِمٍ، وَلَمْ يَذْكُرْ مَعَ أَبَانٍ الْعَطَّارِ
غَيْرَهُ.

وَقَدْ رَوَاهُ مُسْلِمٌ، عَنْ شُعْبَةَ بْنِ الْحَجَّاجِ، وَأَبَانٍ، وَهِشَامِ بْنِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الدَّسْتُوَائِيِّ، وَهَمَّامِ بْنِ يَحْيَى، عَنْ قَتَادَةَ.

وَأَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنْهُ، عَنْ شُعْبَةَ وَهِشَامٍ.
পঞ্চম হাদিস; এটি ঐসব বর্ণনার অন্তর্ভুক্ত যেগুলোর সনদের ক্ষেত্রে আমি (ইমাম) মুসলিম ও নাসাঈ (আল্লাহ তাঁদের প্রতি রহম করুন)-এর সমপর্যায়ভুক্ত।

আমাকে সংবাদ দিয়েছেন উস্তাদ ইমাম আবু ইয়ালা বিন আব্দুর রহমান বিন আহমদ বিন ইসমাইল বিন ইবরাহিম বিন আইজ বিন গাফির আস-সাবুনী, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম, ৪৫০ হিজরীর শাবান মাসে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব আল-রাযী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আইয়ুব আল-রাযী, আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন মুসলিম বিন ইবরাহিম, আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন আবান বিন ইয়াযীদ, আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন কাতাদা, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি তার দান ফেরত নেয়, সে ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে নিজের বমি পুনরায় ভক্ষণ করে।»।

মুহাম্মদ বিন আইয়ুব এটি মুসলিম থেকে এভাবেই বর্ণনা করেছেন এবং তিনি আবান আল-আত্তারের সাথে অন্য কাউকে
উল্লেখ করেননি।

আর ইমাম মুসলিম এটি শু'বাহ বিন হাজ্জাজ, আবান, হিশাম বিন আবু আব্দুল্লাহ আদ-দাস্তুওয়ায়ী এবং হাম্মাম বিন ইয়াহইয়া থেকে, তাঁরা কাতাদা থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং ইমাম বুখারী এটি তাঁর থেকে শু'বাহ ও হিশামের সূত্রে উদ্ধৃত করেছেন।