(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: -)
الأربعون التيمية القسم: كتب السنة
الكتاب: الأربعون التيمية
المؤلف: تقي الدين أبو العباس أحمد بن عبد الحليم بن عبد السلام بن عبد الله بن أبي القاسم بن محمد ابن تيمية الحراني الحنبلي الدمشقي (ت 728هـ)
رواها عنه: جماعة منهم الإمام الذهبي
خرجها وعلق عليها: أحمد إبراهيم الحاج
الناشر: مؤسسة الريان للتراث، بيروت - لبنان
الطبعة: الأولى، 1418 هـ - 1997 م
عدد الصفحات: 149
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-আরবাউন আত-তাইমিয়্যাহ বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: আল-আরবাউন আত-তাইমিয়্যাহ
লেখক: তাকিউদ্দীন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে আব্দুল হালিম ইবনে আব্দুস সালাম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবিল কাসিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে তাইমিয়্যাহ আল-হাররানি আল-হাম্বলি আদ-দিমাশকি (মৃত্যু ৭২৮ হিজরি)
এটি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: ইমাম যাহাবিসহ একদল আলেম
এটি সংকলন ও টীকা প্রদান করেছেন: আহমদ ইব্রাহিম আল-হাজ্জ
প্রকাশক: মুয়াসসাসাতুর রাইয়ান লিত-তুরাস, বৈরুত - লেবানন
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৮ হিজরি - ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৪৯
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা সংখ্যা মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলাহতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
أَخْبَرَنَا الْإِمَامُ زَيْنُ الدِّينِ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الدَّائِمِ بْنِ نِعْمَةَ بْنِ أَحْمَدَ الْمَقْدِسِيُّ، قَرَأَهُ عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ سَنَةَ 677، أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الْمُنْعِمِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ سَعْدِ بْنِ كُلَيْبٍ، قَرَأَهُ عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلَيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ بَيَانٍ الرَّزَّازُ، قَرَأَهُ عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَخْلَدٍ الْبَزَّازُ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الصَّفَّارُ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ بْنِ يَزِيدَ الْعَبْدِيُّ، حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الْسَبِيعِيِّ، عَنِ الْبَرَّاءِ بْنِ عَازِبٍ، قَالَ: " خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَصْحَابَهُ، فَأَحْرَمْنَا بِالْحَجِّ، قَالَ: فَلَمَّا قَدِمْنَا مَكَّةَ قَالَ: اجْعَلُوا حَجَّكُمْ عُمْرَةً، قَالَ: فَقَالَ النَّاسُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَدْ أَحْرَمْنَا بِالْحَجِّ فَكَيْفَ نَجْعَلُهَا عُمْرَةً؟ قَالَ: فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: انْظُرُوا الَّذِي آمُرُكُمْ بِهِ فَافْعَلُوا، قَالَ: فَرَدُّوا عَلَيهِ الْقَوْلَ، فَغَضِبَ ثُمَّ انْطَلَقَ حَتَّى دَخَلَ عَلَى عَائِشَةَ رضي الله عنها غَضْبَانَ، فَرَأَتِ الْغَضَبَ فِي وَجْهِهِ فَقَالَتْ: مَنْ أَغْضَبَكَ أَغْضَبَهُ اللَّهُ، قَالَ: وَمَالِي لَا أَغْضَبُ وَأنَا آمُرُ بِالْأَمْرِ وَلَا أُتْبَعُ "
ইমাম জয়নুদ্দীন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আব্দুল দায়িম বিন নি'মাহ বিন আহমাদ আল-মাকদিসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ৬৬৭ হিজরি সনে তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম; তিনি বলেন: আবুল ফরাজ আব্দুল মুন'িম বিন আব্দুল ওয়াহহাব বিন সা'দ বিন কুলাইব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছে; তিনি বলেন: আবুল কাসিম আলী বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন বায়ান আর-রাজজাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছে; তিনি বলেন: আবুল হাসান মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম বিন মাখলাদ আল-বাজজাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আবু আলী ইসমাঈল বিন মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল আস-সাফফার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; হাসান বিন আরাফাহ বিন ইয়াজিদ আল-আবদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; আবু বকর বিন আইয়াশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি আবু ইসহাক আস-সাবিঈ থেকে, তিনি বারা বিন আযিব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর সাহাবীগণ বের হলেন এবং আমরা হজের ইহরাম বাঁধলাম। তিনি বলেন: যখন আমরা মক্কায় পৌঁছালাম, তখন তিনি বললেন: তোমরা তোমাদের হজকে ওমরায় পরিণত করো। বর্ণনাকারী বলেন: তখন লোকজন বলল: হে আল্লাহর রাসূল, আমরা হজের ইহরাম বেঁধেছি, এমতাবস্থায় কীভাবে একে ওমরায় পরিণত করব? তিনি বললেন: অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: আমি তোমাদের যা আদেশ করছি তা দেখ এবং তা পালন করো। তিনি বলেন: তারা তাঁর কথার পুনরাবৃত্তি করল, ফলে তিনি রাগান্বিত হলেন এবং প্রস্থান করে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা-এর নিকট রাগান্বিত অবস্থায় প্রবেশ করলেন। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা তাঁর চেহারায় রাগের চিহ্ন দেখে বললেন: যে ব্যক্তি আপনাকে রাগান্বিত করেছে, আল্লাহ তাকে রাগান্বিত করুন। তিনি বললেন: আমার কেন রাগ হবে না অথচ আমি একটি নির্দেশ দিচ্ছি কিন্তু তা অনুসরণ করা হচ্ছে না!"
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْمُسْنَدُ كَمَالُ الدِّينِ أَبُو نَصْرٍ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ الْخَضِرِ بْنِ شِبْلِ بْنِ عَبْدٍ الْحَارِثِيُّ، قَرأَهُ عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ سَادِسِ شَعْبَانَ سَنَةَ بِجَامِعِ دِمَشْقَ، أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو مُحَمَّدٍ الْقَاسِمُ بْنُ الْحَافِظِ أَبِي الْقَاسِمِ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ عَسَاكِرَ، قَرَأَهُ عَلَيْهِ فِي رَبِيعِ الْآخَرِ سَنَةَ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضَائِلِ نَاصِرُ بْنُ مَحْمُودِ بْنِ عَلِيٍّ الْقُدْسِيِّ الْصَائِغُ، وَأَبُو الْقَاسِمِ نَصْرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُقَاتِلٍ السُّوسِيُّ قَرَأَهُ عَلَيْهِمَا، قَالَا: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ زُهَيْرٍ الْمَلَكِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ الْقَطَّانُ، حَدَّثَنَا خَيْثَمَةُ، حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ الْوَلِيدِ، حَدَّثَنَا عُقْبَةُ بْنُ عَلْقَمَةَ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ عَطِيَّةَ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنِّي رَأَيْتُ عَمُودَ الْكِتَابِ انْتُزِعَ مِنْ تَحْتِ وِسَادَتِي، فَنَظَرْتُ فَإِذَا هُوَ نُورٌ عُمِدَ بِهِ إِلَى الشَّامِ! أَلَا إِنَّ الْإِيمَانَ إِذَا وَقَعَتِ الْفِتَنُ بِالشَّامِ»
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, আল-মুসনিদ কামালুদ্দীন আবু নাসর আব্দুল আজিজ ইবন আব্দুল মুনইম ইবন আল-খাদির ইবন শিবল ইবন আব্দ আল-হারিসী; তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করেছি জুমুআর দিনে, শাবান মাসের ছয় তারিখে, [নির্দিষ্ট] সালে, দামেস্কের জামে মসজিদে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফিজ আবু মুহাম্মদ আল-কাসিম ইবন আল-হাফিজ আবুল কাসিম আলি ইবন আল-হাসান ইবন হিবাতুল্লাহ ইবন আসাকির; তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছে রবিউস সানি মাসে, [নির্দিষ্ট] সালে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাদায়িল নাসির ইবন মাহমুদ ইবন আলি আল-কুদসি আস-সায়িগ এবং আবুল কাসিম নাসর ইবন আহমাদ ইবন মুকাতিল আস-সুসি; তাঁদের উভয়ের নিকট এটি পাঠ করা হয়েছে। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলি ইবন আহমাদ ইবন জুহাইর আল-মালিকি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবন আব্দুর রহমান ইবন উবাইদুল্লাহ আল-কাত্তান। আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন খাইসামাহ। আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আব্বাস ইবনুল ওয়ালিদ। আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন উকবাহ ইবন আলকাহামাহ। আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সাঈদ ইবন আব্দুল আজিজ, আতিয়্যাহ ইবন কায়স থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবন আমর থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই আমি কিতাবের খুঁটি আমার বালিশের নিচ থেকে ছিনিয়ে নিতে দেখলাম। এরপর আমি তাকালাম এবং দেখলাম তা একটি নূর যা শামের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে! সাবধান, নিশ্চয়ই ঈমান যখন ফিতনা দেখা দেবে, তখন শামে থাকবে।»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
أَخْبَرَنَا الْإِمَامُ تَقِيُّ الدِّينِ أَبُو مُحَمَّدٍ إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي الْيَسَرِ التَّنُوخِيُّ، قَرَأَهُ عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي سَنَةِ، أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ بَرَكَاتُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْخُشُوعِيُّ، قَرَأَهُ عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ حَمْزَةَ بْنِ الْخَضِرِ السُّلَمِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ طَاهِرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مَحْمُودٍ الْمَحْمُودِيُّ العاني، أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضْلِ مَنْصُورُ بْنُ نَصْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ بْنِ بِنْتِ الْكَاغِدِيِّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرٍو الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ الْعَطَّارُ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ بُكَيْرِ بْنِ الْحَارِثِ الْقَيْسِيُّ، حَدَّثَنَا وَكِيعُ بْنُ الْجَرَّاحِ بْنِ مَلِيحٍ الرُّؤَاسِيُّ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " يُدْعَى نُوحٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، فَيُقَالُ لَهُ: هَلْ بَلَّغْتَ؟ فَيَقُولُ: نَعَمْ، فَيُدْعَى قَوْمُهُ فَيُقَالُ لَهُمْ: هَلْ بَلَّغَكُمْ؟ فَيَقُولُونَ: مَا أَتَانَا مِنْ نَذِيرٍ وَمَا أَتَانَا مِنْ أَحَدٍ! فَيُقَالُ لِنُوحٍ: مَنْ يَشْهَدُ لَكَ؟ فَيَقُولُ: مُحَمَّدٌ وَأُمَّتُهُ فَذَلِكَ قَوْلُهُ: {وَكَذَلِكَ جَعَلْنَاكُمْ أُمَّةً
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম তাকিউদ্দীন আবু মুহাম্মাদ ইসমাঈল ইবনে ইবরাহীম ইবনে আবিল ইয়াসার আত-তানুখী, তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম এক বছরে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির বারাকাত ইবনে ইবরাহীম আল-খুশুয়ী, তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল কারীম ইবনে হামযাহ ইবনুল খাদির আস-সুলামী; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন তাহির ইবনে আহমাদ ইবনে আলী ইবনে মাহমুদ আল-মাহমুদী আল-আনী; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফাদল মানসুর ইবনে নাসর ইবনে আব্দুর রাহীম ইবনে বিনত আল-কাগিদী; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর আল-হাসান ইবনে আলী ইবনুল হাসান আল-আত্তার; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহীম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে বুকাইর ইবনুল হারিস আল-কাইসী; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়াকী ইবনুল জাররাহ ইবনে মালীহ আর-রুয়াসী, আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "কিয়ামতের দিন নূহকে ডাকা হবে, অতঃপর তাঁকে বলা হবে: আপনি কি (বার্তা) পৌঁছিয়েছেন? তিনি বলবেন: হ্যাঁ। এরপর তাঁর সম্প্রদায়কে ডাকা হবে এবং তাদের বলা হবে: তিনি কি তোমাদের নিকট (বার্তা) পৌঁছিয়েছেন? তখন তারা বলবে: আমাদের নিকট কোনো সতর্ককারী আসেনি এবং আমাদের নিকট কেউ আসেনি! অতঃপর নূহকে বলা হবে: আপনার পক্ষে কে সাক্ষ্য দিবে? তিনি বলবেন: মুহাম্মাদ ও তাঁর উম্মত। আর এটাই আল্লাহর বাণী: {আর এভাবেই আমি তোমাদের এক উম্মত বানিয়েছি...}
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
وَسَطًا} [البقرة: 143] قَالَ الْوَسَطُ: الْعَدْلُ "
মধ্যপন্থী} [আল-বাকারা: ১৪৩] তিনি বলেছেন: মধ্যপন্থী অর্থ হলো: ন্যায়পরায়ণ "
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩১)
أَخْبَرَنَا الْفَقِيهُ سَيْفُ الدِّينِ أَبُو زَكَرِيَّا يَحْيَى بْنُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنِ نَجْمِ بْنِ عَبْدِ الْوَهَّابِ الْحَنْبَلِيُّ، قَرَأَهُ عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ عَاشِرِ شَوَّالٍ سَنَةَ 669، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ الْقَوَّاسِ، وَالْمُؤَمَّلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَالِسِيُّ، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْعَامِرِيُّ فِي التَّارِيخِ، وَأَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ شَيْبَانَ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَرَوِيُّ، وَأَبُو زَكَرِيَّا يَحْيَى بْنُ أَبِي مَنْصُورِ بْنِ الصَّيْرَفِيِّ، وَأَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سُلَيْمَانَ الْبَغْدَادِيُّ، وَالشَّمْسُ بْنُ الزَّيْنِ، وَالْكَمَالُ عَبْدُ الرَّحِيمِ، وَابْنُ الْعَسْقَلَانِيِّ، وَزَيْنَبُ بِنْتُ مَكِّيٍّ، وَسِتُّ الْعَرَبِ.
قَالَ الْأَوَّلُ، وَابْنُ شَيْبَانَ، وَزَيْنَبُ أَخْبَرَنَا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ طَبَرْزَدَ.
وَقَالَ الْبَاقُونَ، وَابْنُ شَيْبَانَ أَخْبَرَنَا زَيْدُ بْنُ الْحَسَنِ الْكِنْدِيُّ، زَادَ ابْنُ الصَّيْرَفِيِّ، فَقَالَ: وَأَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مَعَالِي بْنِ غُنَيْمَةَ بْنِ منينَا، قَرَأَهُ عَلَيْهِ، قَالُوا: أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْأَنْصَارِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ الْبَرْمَكِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَيُّوبَ بْنِ مَاسِيٍّ، حَدَّثَنَا أَبُو مُسْلِمٍ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُسْلِمٍ الْكَجِّيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنِي حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ،
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফকিহ সাইফুদ্দীন আবু যাকারিয়্যা ইয়াহইয়া ইবনে আবদুর রহমান ইবনে নাজম ইবনে আবদুল ওয়াহহাব আল-হাম্বালি, ৬৬৯ হিজরি সনের শাওয়াল মাসের দশ তারিখ জুমুআর দিনে তাঁর সামনে এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম; আরও সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবদুল মুনইম ইবনুল কাওয়াস, আল-মুআম্মাল ইবনে মুহাম্মদ আল-বালিসি, ইতিহাসে উল্লিখিত আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর আল-আমিরি, আবু আব্বাস আহমদ ইবনে শাইবান, আবু বকর ইবনে মুহাম্মদ আল-হারাওয়ি, আবু যাকারিয়্যা ইয়াহইয়া ইবনে আবু মানসুর ইবনুল সাইরাফি, আবু আল-ফারাজ আবদুর রহমান ইবনে সুলায়মান আল-বাগদাদি, আশ-শামস ইবনুয যায়ন, আল-কামাল আবদুর রহিম, ইবনুল আসকালানি, যয়নব বিনতে মাক্কি এবং সিত্তুল আরব।
প্রথমজন, ইবনে শাইবান এবং যয়নব বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে তাবারযাদ।
অবশিষ্টরা এবং ইবনে শাইবান বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যায়দ ইবনুল হাসান আল-কিন্দি। ইবনুল সাইরাফি বর্ধিত উল্লেখ করে বলেছেন: এবং আবু মুহাম্মদ আবদুল আজিজ ইবনে মাআলি ইবনে গুনাইমাহ ইবনে মানিনা; তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছিল। তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাজি আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবদুল বাকি ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-আনসারি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে উমর ইবনে আহমদ আল-বারমাকি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে ইবরাহিম ইবনে আইয়ুব ইবনে মাসি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু মুসলিম ইবরাহিম ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুসলিম আল-কাজ্জি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-আনসারি, আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হুমাইদ, আনাস থেকে বর্ণিত,
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩২)
" أَنَّ الرُّبَيِّعَ بِنْتَ النَّضْرِ عَمَّتَهُ لَطَمَتْ جَارِيَةً فَكَسَرَتْ سِنَّهَا، فَعَرَضُوا عَلَيْهِمُ الْأَرْشَ فَأَبَوْا، فَطَلَبُوا الْعَفْوَ فَأَبَوْا، فَأَتَوُا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَمَرَهُمْ بِالْقِصَاصِ، فَجَاءَ أَخُوهَا أَنَسُ بْنُ النَّضْرِ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَتُكْسَرُ سِنُّ الرُّبَيِّعِ؟ وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لَا تُكْسَرُ سِنُّهَا، قَالَ: يَا أَنَسُ، كِتَابُ اللَّهِ الْقِصَاصُ، فَعَفَا الْقَوْمُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: إِنَّ مِنْ عِبَادِ اللَّهِ مَنْ لَوْ أَقْسَمَ عَلَى اللَّهِ لَأَبَرَّهُ "
নিশ্চয়ই নাযরের কন্যা রুবাইয়ি'—যিনি তাঁর ফুফু ছিলেন—একজন বালিকাকে চপেটাঘাত করলেন এবং তার একটি দাঁত ভেঙে ফেললেন। তখন তারা তাদের নিকট ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রস্তাব দিলে তারা তা প্রত্যাখ্যান করল। এরপর তারা ক্ষমা প্রার্থনা করল, কিন্তু তারা তাও প্রত্যাখ্যান করল। অতঃপর তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট উপস্থিত হলে তিনি তাদের কিসাস বা প্রতিবিধানের নির্দেশ দিলেন। তখন তাঁর ভাই আনাস ইবনে নাযর উপস্থিত হয়ে বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! রুবাইয়ি'র দাঁত কি ভেঙে ফেলা হবে? সেই সত্তার কসম, যিনি আপনাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন, তাঁর দাঁত ভাঙা হবে না।’ তিনি বললেন, ‘হে আনাস! আল্লাহর কিতাবের বিধান হলো কিসাস।’ এরপর তারা ক্ষমা করে দিল। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে এমন ব্যক্তি রয়েছেন, যিনি যদি আল্লাহর নামে শপথ করেন, তবে আল্লাহ তা অবশ্যই পূর্ণ করেন।’
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
أَخْبَرَنَا الْحَاجُّ الْمُسْنَدُ أَبُو مُحَمَّدٍ أَبُو بَكْرِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الْوَاسِعِ الْهَرَوِيُّ فِي رَبِيعٍ الْأَوَّلِ سَنَةَ 668، وَالْمَذْكُرُونَ بِسَنَدِهِمْ إِلَى الْأَنْصَارِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنِي حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " انْصُرْ أَخَاكَ ظَالِمًا أَوْ مَظْلُومًا، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَنْصُرُهُ مَظْلُومًا، فَكَيْفَ أَنْصُرُهُ ظَالِمًا؟ قَالَ: تَمْنَعْهُ مِنَ الظُّلْمِ، فَذَاكَ نَصْرُكَ إِيَّاهُ "
আল-হাজ আল-মুসনিদ আবু মুহাম্মদ আবু বকর বিন মুহাম্মদ বিন আবি বকর বিন আব্দুল ওয়াসি আল-হারাভি ৬৬৮ হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, এবং উল্লিখিত ব্যক্তিবর্গ তাঁদের সনদে আল-আনসারি পর্যন্ত পৌঁছেছেন, তিনি বলেন: হুমাইদ আমাকে আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: " তোমার ভাইকে সাহায্য করো, সে জালেম হোক কিংবা মজলুম। তিনি (আনাস) বললেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, মজলুম অবস্থায় আমি তাকে সাহায্য করি, কিন্তু জালেম অবস্থায় আমি তাকে কীভাবে সাহায্য করব? তিনি বললেন: তুমি তাকে জুলুম থেকে বিরত রাখবে, আর এটাই হবে তাকে তোমার সাহায্য করা।"
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْمُسْنَدُ زَيْنُ الدِّينِ أَبُو الْعَبَّاسِ الْمُؤَمَّلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مَنْصُورِ بْنِ الْمُؤَمَّلِ الْبَالِسِيُّ، قَرَأَهُ عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ سَنَةَ 669، وَالْمَذْكُورُونَ بِسَنَدِهِمْ إِلَى الْأَنْصَارِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا، فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ»
আমাদের সংবাদ প্রদান করেছেন শাইখ আল-মুসনিদ যাইনুদ্দীন আবুল আব্বাস আল-মুয়াম্মাল ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে মানসুর ইবনুল মুয়াম্মাল আল-বালিসি; ৬৬৯ হিজরি সালে তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করেছি। এবং উল্লিখিত ব্যক্তিগণ তাঁদের সনদের মাধ্যমে আল-আনসারী পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুলাইমান আত-তাইমি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার প্রতি মিথ্যা আরোপ করে, সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নেয়।"
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৪৮)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْعَدْلُ رَشِيدُ الدِّينِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْعَامِرِيُّ، قَرَأَهُ عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ سَنَةَ 669، وَالْمَذْكُورُونَ بِسَنَدِهِمْ إِلَى الْأَنْصَارِيِّ، حَدَّثَنِي التَّيْمِيُّ، حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، قَالَ: " عَطَسَ عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم رَجُلَانِ فَشَمَّتَ أَوْ فَسَمَّتَ أَحَدَهُمَا وَلَمْ يُشَمِّتِ الْآخَرَ، أَوْ فَسَمَّتَهُ وَلَمْ يُسَمِّتِ الْآخَرَ، فَقِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، عَطَسَ عِنْدَكَ رَجُلَانِ فَشَمَّتَّ أَحَدَهُمَا وَلَمْ تُشَمِّتِ الْآخَرَ؟ أَوْ فَسَمَّتَّهُ وَلَمْ تُسَمِّتِ الْآخَرَ، فَقَالَ: إِنَّ هَذَا حَمِدَ اللَّهَ فَشَمَّتُّهُ، وَإِنَّ هَذَا لَمْ يَحْمَدِ اللَّهَ فَلَمْ أُشَمِّتْهُ "
আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন ন্যায়নিষ্ঠ শাইখ রশীদুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আবি বকর মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান আল-আমিরি, ৬৬৯ হিজরি সনে তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম; এবং তাদের সনদে আনসারি পর্যন্ত যারা উল্লেখিত হয়েছেন; আমাকে আত-তাইমি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আনাস ইবনে মালিক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট দুই ব্যক্তি হাঁচি দিলেন। তিনি তাদের একজনের হাঁচির জবাব দিলেন (দোয়া করলেন) কিন্তু অন্যজনের হাঁচির জবাব দিলেন না; অথবা তিনি একজনের জন্য দোয়া করলেন কিন্তু অন্যজনের জন্য করলেন না। তখন বলা হলো: হে আল্লাহর রাসূল, আপনার নিকট দুই ব্যক্তি হাঁচি দিলেন, আপনি একজনের হাঁচির জবাব দিলেন অথচ অন্যজনের জবাব দিলেন না? অথবা আপনি একজনের জন্য দোয়া করলেন কিন্তু অন্যজনের জন্য করলেন না। তিনি বললেন: নিশ্চয়ই এ ব্যক্তি আল্লাহর প্রশংসা করেছে, তাই আমি তার হাঁচির জবাব দিয়েছি; আর ঐ ব্যক্তি আল্লাহর প্রশংসা করেনি, তাই আমি তার হাঁচির জবাব দিইনি।"
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৫০)
أَخْبَرَنَا الْإِمَامُ الْعَالِمُ الزَّاهِدُ كَمَالُ الدِّينِ أَبُو زَكَرِيَّا يَحْيَى بْنُ أَبِي مَنْصُورِ بْنِ أَبِي الْفَتْحِ بْنِ رَافِعِ بْنِ عَلِيٍّ الْحَرَّانِيُّ ابْنُ الصَّيْرَفِيِّ، قَرَأَهُ عَلَيْهِ فِي شَوَّالٍ سَنَةَ 668، أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ بَرَكَةَ بْنِ الدَّيْبَقَيِّ، قَرَأَهُ عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا أَبُو مَنْصُورٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ الْحَسَنِ الْقَزَّازُ، قَرَأَهُ عَلَيْهِ فِي الْحَادِي وَالْعِشْرِينَ مِنْ جُمَادَى الْأُولَى سَنَةَ 534، أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْمُسْلِمِ الْمُعَدَّلُ إِمْلَاءً مِنْ لَفْظِهِ بِاسْتِمْلَاءِ شَيْخَنَا أَبِي بَكْرٍ الْخَطِيبِ فِي صَفَرٍ سَنَةَ 463، أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضْلِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ الزُّهْرِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْمُسْتَفَاضِ الْفِرْيَابِيُّ، حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ أَبِي سُهَيْلٍ نَافِعِ بْنِ مَالِكِ بْنِ أَبِي عَامِرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " آيَةُ الْمُنَافِقِ ثَلَاثَةٌ: إِذَا حَدَّثَ كَذَبَ، وَإِذَا وَعَدَ أَخْلَفَ، وَإِذَا اؤْتُمِنَ خَانَ "
ইমাম, আলিম, যাহেদ কামালুদ্দীন আবু যাকারিয়া ইয়াহইয়া বিন আবি মানসুর বিন আবিল ফাতহ বিন রাফি বিন আলী আল-হাররানী ইবনুত সাইরাফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ৬৬৮ হিজরীর শাওয়াল মাসে তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছিল। তিনি বলেন, আবু আব্বাস আহমদ বিন ইয়াহইয়া বিন বারাকাহ বিন আদ-দাইবাকী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমি শ্রবণরত থাকাবস্থায় তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছিল। তিনি বলেন, আবু মানসুর আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আল-হাসান আল-কাযযায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ৫৩৪ হিজরীর ২১ শে জুমাদাল উলা-তে তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছিল। তিনি বলেন, আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন উমর বিন আল-মুসলিম আল-মুয়াদদাল তাঁর নিজ শব্দে শ্রুতলিখন হিসেবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যা আমাদের শাইখ আবু বকর আল-খাতিব ৪৬৩ হিজরীর সফর মাসে শ্রুতলিখন করেছেন। তিনি বলেন, আবুল ফদল উবায়দুল্লাহ বিন আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ আয-যুহরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আবু বকর জাফর বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন আল-মুসতাফায আল-ফিরইয়াবী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, কুতাইবা বিন সাঈদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ইসমাঈল বিন জাফর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু সুহাইল নাফি বিন মালিক বিন আবি আমির থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "মুনাফিকের নিদর্শন তিনটি: যখন সে কথা বলে তখন মিথ্যা বলে, যখন সে ওয়াদা করে তখন তা ভঙ্গ করে, এবং যখন তাকে বিশ্বাস করে আমানত রাখা হয় তখন সে খিয়ানত করে।"
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْفَقِيهُ الإِمَامُ الْعَالِمُ الْبَارِعُ جَمَالُ الدِّينِ أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ سَعِيدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْبَغْدَادِيُّ، قَرَأَهُ عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ سَنَةَ 668، أَخْبَرَنَا أَبُو الْيَمَنِ زَيْدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ زَيْدٍ الْكِنْدِيُّ، قَرأَهُ عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْمُقْرِي، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ النَّقُّورِ، أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْعَبَّاسِ الْمُخَلِّصُ سَنَةَ 390، حَدَّثَنَا يَحْيَى، حَدَّثَنَا يُونُسُ، حَدَّثَنَا أَبُو الْأَحْوَصِ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ أَبِي الشَّعْثَاءِ، عَنْ عُمَيْرٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: " نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ بَيْعَتَيْنِ وَعَنْ لُبْسَتَيْنِ: أَنْ يَلْبَسَ الرَّجُلُ الثَّوْبَ الْوَاحِدَ وَيَشْمِلَ بِهِ وَيَطْرَحَ أَحَدَ جَانِبَيْهِ عَلَى مَنْكِبِهِ، وَيَحْتَبِيَ فِي الثَّوْبِ الْوَاحِدِ،
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ, ফকিহ, ইমাম, বিজ্ঞ আলেম জামালুদ্দীন আবুল ফারাজ আব্দুর রহমান ইবন সুলায়মান ইবন সাঈদ ইবন সুলায়মান আল-বাগদাদী; ৬৬৮ হিজরি সালে তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয় এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ইয়ামান যায়িদ ইবনুল হাসান ইবন যায়িদ আল-কিনদী; তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবন আলী ইবন আহমদ ইবনুল মুকরী। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আহমদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আহমদ ইবনুন নাক্কুর। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির মুহাম্মাদ ইবন আব্দুর রহমান ইবনুল আব্বাস আল-মুখাল্লিস ৩৯০ হিজরি সালে। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আহওয়াস, আশআস ইবন আবুশ শা’সা থেকে, তিনি উমায়ের থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দুই ধরণের কেনা-বেচা এবং দুই ধরণের পোশাক পরিধান করা থেকে নিষেধ করেছেন: কোনো ব্যক্তির একটিমাত্র কাপড় পরিধান করা এবং তা দিয়ে নিজেকে এভাবে জড়িয়ে নেওয়া যাতে কাপড়ের এক প্রান্ত তার কাঁধের ওপর থাকে, এবং একটিমাত্র কাপড়ে ইহতিবা করা (পা গুটিয়ে বসা),"
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
وَأَنْ يَقُولَ: انْبِذْ إِليَّ ثَوْبَكَ وَأَنْبِذُ إِلَيْكَ ثَوْبِي مِنْ غَيْرِ أَنْ يُقَلِّبَا "
এবং এভাবে বলা যে: "তুমি তোমার কাপড়টি আমার দিকে নিক্ষেপ করো এবং আমি আমার কাপড়টি তোমার দিকে নিক্ষেপ করব", তারা একে অপরের কাপড় উল্টেপাল্টে দেখা বা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা ছাড়াই।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
أَخْبَرَنَا شَرَفُ الدِّينِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ عُمَرَ بْنِ عَبْدَ اللَّهِ بْنِ غُدَيْرِ بْنِ الْقَوَّاسِ الطَّائِيُّ، قَرَأَهُ عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ سَنَةَ 675، وَأَبُو الْحَسَنِ بْنُ الْبُخَارِيِّ، قَالَا: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ الْخَضِرُ بْنُ كَامِلِ بْنِ سَالِمِ السَّرُوجِيُّ، قَرَأَهُ عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ الْمُقْرِي، وَقَالَ الْفَخْرُ الْبُخَارِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْيَمَنِ الْكِنْدِيُّ أَيْضًا، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ السَّمْرَقَنْدِيُّ، قَالَا: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ النَّقُّورِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ هَارُونَ ابْنِ أَخِي مَيْمِيٍّ الدَّقَّاقُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنَا دَاوُدُ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنْ أَبِي غَسَّانَ مُحَمَّدِ بْنِ مُطَرِّفٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ مَرْجَانَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَنْ أَعْتَقَ رَقَبَةً أَعْتَقَ اللَّهُ عز وجل بِكُلِّ عُضْوٍ مِنْهَا عُضْوًا مِنْهُ مِنَ النَّارِ، حَتَّى فَرْجَهُ بِفَرْجِهِ»
শরফুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবন আব্দুল মুনইম ইবন উমর ইবন আব্দুল্লাহ ইবন গুদাইর ইবনুল কাওয়াস আত-তাঈ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—৬৭৫ হিজরি সালে তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম—এবং আবুল হাসান ইবনুল বুখারী, তাঁরা উভয়ই বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আল-খিদর ইবন কামিল ইবন সালিম আস-সারুজী, তিনি তাঁর নিকট পাঠ করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবন আলী ইবন আহমদ আল-মুকরী। আল-ফাখর আল-বুখারী বলেন: আমাদের আবু আল-ইয়ামান আল-কিনদীও সংবাদ দিয়েছেন। তাঁরা উভয়ই বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম ইসমাইল ইবন আহমদ ইবন উমর আস-সামারকান্দী। তাঁরা উভয়ই বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবনুন নাক্কুর। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবনুল হুসাইন ইবন আব্দুল্লাহ ইবন হারুন ইবনে আখি মাইমী আদ-দাক্কাক। আব্দুল্লাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, দাউদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ওয়ালীদ ইবন মুসলিম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু গাসসান মুহাম্মদ ইবন মুতাররিফ থেকে, তিনি যায়িদ ইবন আসলাম থেকে, তিনি আলী ইবনুল হুসাইন থেকে, তিনি সাঈদ ইবন মারজানাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি কোনো দাসকে মুক্ত করবে, আল্লাহ মহান ও প্রতাপশালী সেই দাসের প্রতিটি অঙ্গের বিনিময়ে মুক্তকারীর প্রতিটি অঙ্গকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দেবেন, এমনকি তার লজ্জাস্থানের বিনিময়ে তার লজ্জাস্থানকেও।»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
أَخْبَرَنَا الْمَشَايِخُ الصُّلَحَاءُ الْمُسْنَدُونَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ بَدْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يَعِيشَ الْجَزَرِيُّ، وَأَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ شَيْبَانَ، وَأَبُوُ الْفَضْلِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْعَسْقَلانِيِّ، وَزَيْنَبُ بِنْتُ أَحْمَدَ بْنِ كَامِلِ، قَرَأَهُ عَلَيْهِمْ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي شَعْبَانَ سَنَةَ 675 بِقَاسْيُونَ، قَالُوا: أَخْبَرَنَا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ طَبَرْزَدَ الْبَغْدَادِيُّ، قَرَأَهُ عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْقَادِرِ بْنِ يُوسُفَ، وَأَبُو مَنْصُورٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ، وَأَبُو الْفَتْحِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبَيْضَاوِيُّ، قَرَأَهُ عَلَيْهِمْ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالُوا: أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُسْلِمِ الْمُعَدِّلُ، أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْعَبَّاسِ الْمُخَلِّصُ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ، حَدَّثَنَي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُطِيعٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ الْبَغَوِيُّ، وَحَدَّثَنِي صَالِحُ بْنُ مَالِكٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ الْبَغَوِيُّ وَحَدَّثَنِي جَدِّي، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، كُلُّهُمْ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ: أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " دَخَلْتُ الْجَنَّةَ فَإِذَا أَنَا بِقَصْرٍ مِنْ ذَهَبٍ فَقُلْتُ: لِمَنْ هَذَا الْقَصْرُ؟ ، فَقَالُوا: لِشَابٍّ مِنْ قُرَيْشٍ فَظَنَنْتُ أَنِّي أَنَا هُوَ، فَقُلْتُ: وَمَنْ هُوَ؟ قَالُوا: عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ "
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন পুণ্যবান মুসনিদ শায়খগণ: আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন বদর বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াইশ আল-জাজারি, আবু আল-আব্বাস আহমদ বিন শায়বান, আবু আল-ফজল ইসমাইল বিন আবু আবদুল্লাহ বিন আল-আসকালানি এবং যয়নব বিনতে আহমদ বিন কামিল। ৬৭৫ হিজরি সালের শাবান মাসে কাসিউনে আমি শ্রবণরত অবস্থায় তাঁদের সামনে এটি পাঠ করা হয়। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর বিন মুহাম্মদ বিন তাবারজাদ আল-বাগদাদি; আমরা শ্রবণরত অবস্থায় তাঁর সামনে এটি পাঠ করা হয়। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আবদুল্লাহ বিন আহমদ বিন আবদুল কাদির বিন ইউসুফ, আবু মনসুর আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল ওয়াহিদ এবং আবু আল-ফাতহ আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-বায়দাউয়ি; আমি শ্রবণরত অবস্থায় তাঁদের সামনে এটি পাঠ করা হয়। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-মুসলিম আল-মুয়াদ্দিল। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন আল-আব্বাস আল-মুখাল্লিস। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ আল-বাগাউয়ি। তিনি বলেন, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুতি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইসমাইল বিন জাফর। আল-বাগাউয়ি বলেন: এবং আমার কাছে বর্ণনা করেছেন সালিহ বিন মালিক, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ। আল-বাগাউয়ি বলেন: এবং আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আমার দাদা, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াযিদ বিন হারুন। তাঁরা সকলে হুমাইদ থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: " আমি জান্নাতে প্রবেশ করলাম, অতঃপর হঠাৎ স্বর্ণের একটি প্রাসাদের সামনে উপস্থিত হলাম। আমি জিজ্ঞেস করলাম: এই প্রাসাদটি কার? তাঁরা বললেন: কুরাইশ বংশীয় এক যুবকের। আমি মনে করলাম যে আমিই সেই ব্যক্তি; অতঃপর আমি জিজ্ঞেস করলাম: সে কে? তাঁরা বললেন: উমর বিন আল-খাত্তাব।"
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৬২)
أَخْبَرَنَا الْفَقِيهُ الْإِمَامُ الْعَالِمُ زَيْنُ الدِّينِ أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي الْفَرَجِ بْنِ أَبِي طَاهِرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ نَصْرٍ عُرِفَ بِابْنِ السَّدِيدِ الْأَنْصَارِيُّ الْحَنَفِيُّ، قَرَأَهُ عَلَيْهِ فِي رَجَبٍ سَنَةَ 675، أَخْبَرَنَا أَبُو الْيَمَنِ زَيْدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ زَيْدٍ الْكِنْدِيُّ، قَرأَهُ عَلَيْهِ، وَأَخْبَرَتْنَا زَيْنَبُ بِنْتُ مَكِّيٍّ، قَالَتْ: أَخْبَرَنَا أَبُو حَفْصِ بْنُ طَبَرْزَدَ، قَالَا: أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْأَنْصَارِيِّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عِيسَى الْبَاقِلَّانِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ الْقَطِيعِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى الْقُرَشِيُّ، حَدَّثَنَا عَوْنُ بْنُ عُمَارَةَ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الصَّائِمُ بِالْخِيَارِ مَا بَيْنَهُ وَبَيْنَ نِصْفِ النَّهَارِ»
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফকিহ, ইমাম, বিজ্ঞ আলেম জাইনুদ্দিন আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন আহমদ বিন আবুল ফারাজ বিন আবু তাহির বিন মুহাম্মদ বিন নাসর, যিনি ইবনাস সাদিদ আল-আনসারি আল-হানাফি হিসেবে পরিচিত; ৬৭৫ হিজরি সালের রজব মাসে এটি তাঁর কাছে পাঠ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ইয়ামান জাইদ বিন হাসান বিন জাইদ আল-কিন্দি, এটি তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জায়নাব বিনতে মাক্কি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস বিন তাবারজাদ। তাঁরা উভয়ই বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাজি আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি বিন মুহাম্মদ আল-আনসারি। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলি বিন ইব্রাহিম বিন ঈসা আল-বাকিলানি। তিনি বলেন, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমদ বিন জাফর বিন হামদান বিন মালিক আল-কাতিয়ি। তিনি বলেন, আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন মুসা আল-কুরাশি। তিনি বলেন, আমাদের বর্ণনা করেছেন আউন বিন উমারা। তিনি বলেন, আমাদের বর্ণনা করেছেন হুমাইদ আত-তাবিল। তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "রোজা পালনকারীর জন্য দিনের মধ্যভাগ পর্যন্ত (রোজা রাখা বা না রাখার) ইখতিয়ার বা স্বাধীনতা রয়েছে।"
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৬৫)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْإِمَامُ الْمُقْرِئُ الرَّئِيسُ الْفَاضِلُ كَمَالُ الدِّينِ أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ فَارِسٍ التَّمِيمِيُّ السَّعْدِيُّ، قَرَأَهُ عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي رَمَضَانَ سَنَةَ 674، أَخْبَرَنَا أَبُو الْيَمَنِ زَيْدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ زَيْدٍ الْكِنْدِيُّ، أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي الْأَنْصَارِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَسْنُونٍ النَّرْسِيُّ سَنَةَ 455، أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُخَلِّصُ، حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، حَدَّثَنَا شُرَيْحُ بْنُ يُونُسَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ الْأَدَمِيُّ، وَابْنُ الْبَزَّارِ، وَهَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالُوا: حَدَّثَنَا مَعْنٌ، عَنْ مُعَاوَيَةَ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ بَحِيرِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ الْجُهَنِيُّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الْمُسِرُّ بِالْقُرْآنِ كَالْمُسِرِّ بِالصَّدَقَةِ، وَالْجَاهِرُ بِالْقُرْآنِ كَالْجَاهِرِ بِالصَّدَقَةِ»
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ, ইমাম, ক্বারী, প্রধান ও ফাযিল কামালুদ্দীন আবু ইসহাক ইবরাহীম ইবনে আহমাদ ইবনে ইসমাঈল ইবনে ফারিস আত-তামীমী আস-সা’দী; ৬৭৪ হিজরী সনের রমজান মাসে আমি শ্রবণরত থাকাবস্থায় তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ইয়ামান যায়িদ ইবনুল হাসান ইবনে যায়িদ আল-কিনদী। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারক আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল বাকী আল-আনসারী। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে হাসনুন আন-নারসী ৪৫৫ হিজরী সনে। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-মুখাল্লিস। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-বাগাবী। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শুরাইহ ইবনে ইউনুস, মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াযীদ আল-আদামী, ইবনুল বাযযার এবং হারুন ইবনে আব্দুল্লাহ। তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মা’ন, মুয়াবিয়া ইবনে সালিহ থেকে, তিনি বাহীর ইবনে সাদ থেকে, তিনি খালিদ ইবনে মা’দান থেকে, তিনি উকবা ইবনে আমির আল-জুহানী থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «গোপনে কুরআন পাঠকারী গোপনে দানকারীর ন্যায়, আর প্রকাশ্যে কুরআন পাঠকারী প্রকাশ্যে দানকারীর ন্যায়।»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৬৭)
أَخْبَرَنَا الْإِمَامُ الْمُسْنَدُ زَيْنُ الدِّينِ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي الْخَيْرِ سَلَامَةُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَلَامَةَ بْنِ الْحَدَّادِ الدِّمَشْقِيُّ، بِقَرَاءَتِي عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي رَبِيعٍ الْأَوَّلِ سَنَةَ 675، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكَ أَبُو سَعِيدٍ خَلِيلُ بْنُ أَبِي الرَّجَاءِ بْنِ أَبِي فَتْحٍ الرَّارَانِيُّ إِجَازَةً، وَقُرِئَ عَلَى وَالِدِي وَأَنَا أَسْمَعُ بِحَرَّانَ سَنَةَ 666، أَخْبَرَكَ يُوسُفُ بْنُ خَلِيلٍ، أَخْبَرَنَا الرَّارَانِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الْحَدَّادُ، أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِسْحَاقَ الْحَافِظُ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ خَلَّادٍ، حَدَّثَنَا الْحَارِثُ بْنُ أَبِي أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَكْرٍ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: رَأَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَبْلًا مَمْدُودًا بَيْنَ سَارِيَتَيْنِ مِنْ سَوَارِي الْمَسْجِدِ، قَالَ: " مَا هَذَا الْحَبْلُ؟ ، قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، فُلَانَةٌ تُصَلِّي مَا عَقَلَتْ، فَإِذَا غُلِبَتْ أَخَذَتْ بِهِ، قَالَ: فَلْتُصَلِّ مَا عَقَلَتْ، فَإِذَا غُلِبَتْ فَلْتَنَمْ "
ইমাম, মুসনাদ যাইনুদ্দিন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে আবিল খায়ের সালামাহ ইবনে ইবরাহিম ইবনে সালামাহ ইবনুল হাদ্দাদ আদ-দিমাশকি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—৬৭৫ হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে তাঁর সামনে আমার পাঠের মাধ্যমে এবং আমি শ্রবণরত ছিলাম। আমি তাঁকে বললাম: আবু সাইদ খলিল ইবনে আবির রাজা ইবনে আবিল ফাতহ আর-ররানি আপনাকে ইজাযত সূত্রে সংবাদ দিয়েছেন। ৬৬৬ হিজরিতে হাররানে আমার পিতার সামনে এটি পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তখন শ্রবণ করছিলাম। ইউসুফ ইবনে খলিল আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন, আর-ররানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলি আল-হাসান ইবনে আহমদ ইবনুল হাসান আল-হাদ্দাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাফেজ আবু নুআইম আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে ইসহাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আহমদ ইবনে ইউসুফ ইবনে খাল্লাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-হারিস ইবনে আবি উসামাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে বকর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, হুমাইদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদের স্তম্ভগুলোর মধ্য হতে দুটি স্তম্ভের মাঝখানে একটি রশি টানা অবস্থায় দেখলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: "এই রশিটি কীসের?" তাঁরা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! অমুক মহিলা যতক্ষণ সজ্ঞান ও সতেজ থাকেন ততক্ষণ সালাত আদায় করেন, আর যখন তিনি পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েন তখন এটি ধরে থাকেন। তিনি বললেন: "যতক্ষণ সজ্ঞান ও সতেজ থাকে ততক্ষণ সে যেন সালাত আদায় করে, আর যখন পরিশ্রান্ত হয়ে পড়বে তখন যেন ঘুমিয়ে নেয়।"
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৭০)
أَخْبَرَنَا الْعَدْلُ الْمُسْنَدُ أَمِينُ الدِّينِ أَبُو مُحَمَّدٍ الْقَاسِمُ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ قَاسِمِ بْنِ غُنَيْمَةَ الْإِرْبِلِيُّ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ عُمَرَ بْنِ يُونُسَ الْمُزِّيُّ الْحَنَفِيُّ، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْعَامِرِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمْ وَأَنَا أَسْمَعُ سَنَةَ 677، قَالَ الْأَوَّلُ أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ الْمُؤَيَّدُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ الْفَرَاوِيِّ، وَقَالَ الآخَرَانِ أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ الْحَرَسْتَانِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا الْفَرَاوِيُّ إِجَازَةً، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ عَبْدُ الْغَافِرِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْغَافِرِ الْفَارِسِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى بْنِ عَمْرَوَيْهِ الْجُلُودِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ الْقُشَيْرِيُّ، حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ، وَأَبُو الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيُّ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، كُلُّهُمْ عَنْ حَمَّادٍ.
قَالَ خَلَفٌ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ مُحَمَّدٌ صلى الله عليه وسلم: «أَمَا يَخْشَى الَّذِي يَرْفَعُ رَأْسَهُ قَبْلَ الْإِمَامِ أَنْ يُحَوِّلَ اللَّهُ رَأْسَهُ رَأْسَ
ন্যায়নিষ্ঠ সনদধারী আমিনুদ্দীন আবু মুহাম্মদ আল-কাসিম ইবনে আবি বকর ইবনে কাসিম ইবনে গুনাইমাহ আল-ইরবিলি, আবু বকর ইবনে উমর ইবনে ইউনুস আল-মুজ্জি আল-হানাফি এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান আল-আমিরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—আমি ৬৭৭ হিজরিতে তাঁদের সামনে পাঠকালে উপস্থিত থেকে শ্রবণ করেছি। প্রথমজন বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আল-মুআইয়্যিদ, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আল-ফজল ইবনে আহমদ আল-ফারাউয়ি থেকে; এবং অপর দুজন বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আব্দুস সামাদ ইবনে আল-হারাস্তানি—তাঁর সম্মুখে পাঠকালে—তিনি ইজাজতসূত্রে ফারাউয়ি থেকে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আব্দুল গাফির ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল গাফির আল-ফারিসি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমদ মুহাম্মদ ইবনে ঈসা ইবনে আমরাওয়াইহ আল-জুলুদি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুফিয়ান, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ আল-কুশাইরি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন খালাফ ইবনে হিশাম, আবু রাবি আজ-জাহারানি এবং কুতাইবাহ ইবনে সাঈদ; তাঁরা সকলে হাম্মাদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
খালাফ বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হাম্মাদ ইবনে যাইদ, তিনি মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি ইমামের আগে নিজের মাথা উঠায়, সে কি এ ভয় করে না যে, আল্লাহ তার মাথাকে মাথা..."
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৭১)
حِمَارٍ؟ !»
গাধা?!»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৭২)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْإِمَامُ الْعَالِمُ قَاضِي الْقُضَاةِ شَمْسُ الدِّينِ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَطَاءِ بْنِ حَسَنٍ الْحَنَفِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي سَنَةِ 667، وَأَبُو الْعَبَّاسِ بْنُ عَلَّانٍ، وَأَبُوالْعَبَّاسِ بْنُ شَيْبَانَ، قَالُوا: أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيِّ حَنْبَلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْفَرَجِ الرَّصَافِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ الْحُصَيْنِ الشَّيْبَانِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُذْهِبِ التَّمِيمِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ الْقَطِيعِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْإِمَامِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ الشَّيْبَانِيُّ رضي الله عنه، حَدَّثَنِي أَبِي أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، سَمِعْتُ عُمَرَ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنِ اقْتَنَى كَلْبًا إِلَّا كَلْبَ مَاشِيَةٍ أَوْ كَلْبَ قَنْصٍ، نَقُصَ مِنْ أَجْرِهِ كُلَّ يَوْمٍ قِيرَاطَانِ»
শায়খ, ইমাম, আলিম, প্রধান বিচারপতি শামসুদ্দিন আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আতা বিন হাসান আল-হানাফী ৬৬৭ হিজরি সনে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করেছি; এছাড়া আবুল আব্বাস বিন আল্লান ও আবুল আব্বাস বিন শাইবান সংবাদ দিয়েছেন—তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী হাম্বল বিন আবদুল্লাহ বিন আল-ফারাজ আর-রাসাফী—তাঁর নিকট পাঠকালে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আল-হুসাইন আশ-শাইবানী; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী হাসান বিন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আল-মুজহিব আত-তামিমী; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন জাফর বিন হামদান বিন মালিক আল-ক্বাতীঈ; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুর রহমান আবদুল্লাহ বিন ইমাম আবু আবদুল্লাহ আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাম্বল আশ-শাইবানী (রাদিয়াল্লাহু আনহু); আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা আহমাদ বিন মুহাম্মাদ; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান; আবদুল্লাহ বিন দিনার থেকে বর্ণিত, আমি উমরকে বলতে শুনেছি, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি গবাদি পশুর রক্ষণাবেক্ষণকারী কুকুর অথবা শিকারি কুকুর ব্যতীত অন্য কোনো কুকুর লালন-পালন করে, প্রতিদিন তার প্রতিদান থেকে দুই কিরাত পরিমাণ হ্রাস পায়।"
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৭৫)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْإِمَامُ الْعَالِمُ الْعَلَّامَةُ الزَّاهِدُ قَاضِي الْقُضَاةِ شَمْسُ الدِّينِ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي عُمَرَ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ قُدَامَةَ الْمَقْدِسِيُّ الْحَنْبَلِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي شَعْبَانَ سَنَةَ 667 بِقَاسْيُونَ، وَابْنُ شَيْبَانَ، وَابْنُ الْعَسْقَلانِيِّ، وَابْنُ الْحَمَوِيِّ، قَالُوا: أَخْبَرَنَا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ طَبَرْزَدَ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ الْحُصَيْنِ، أَخْبَرَنَا أَبُو طَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ غَيْلَانَ الْبَزَّازُ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الشَّافِعِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مسَلَمَةَ الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ النَّهْدِيِّ، عَنْ أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ رضي الله عنه، قَالَ: " كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَكَانَ الْقَوْمُ يَصْعَدُونَ عَقَبَةً أَوْ ثَنِيَّةً، فَإِذَا صَعِدَ الرَّجُلُ قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ، قَالَ: أَحْسَبُهُ قَالَ بِأَعْلَى صَوْتِهِ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى بَغْلَتِهِ يَعْرِضُهَا فِي الْجَبَلِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: " يَا أَبَا مُوسَى، إِنَّكُمْ لَا تُنَادُونَ أَصَمَّ وَلَا غَائِبًا، ثُمّ قَالَ: يَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ قيْسٍ، أَوْ يَا أَبَا مُوسَى، أَلَا أَدُلُّكَ عَلَى كَلِمَةٍ مِنْ كُنُوزِ الْجَنَّةِ؟ قَالَ: قُلْتُ: بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: قُلْ: لَا حَوْلَ
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, ইমাম, বিজ্ঞ আলেম, সুপণ্ডিত, সংসারবিরাগী এবং প্রধান বিচারপতি শামসুদ্দীন আবূ মুহাম্মাদ আবদুর রহমান ইবনু আবী উমর মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু কুদামা আল-মাকদিসী আল-হাম্বালী। ৬৬৭ হিজরীর শাবান মাসে কাসিয়ূনে তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম। ইবনু শায়বান, ইবনু আসকালানী এবং ইবনু হামাবী সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবূ হাফস উমর ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু তাবারযাদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবূ কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল ওয়াহিদ ইবনুল হুসাইন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবূ তালিব মুহাম্মাদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম ইবনু গাইলান আল-বাযযার, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবূ বকর মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু ইবরাহীম আশ-শাফিঈ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামা আল-ওয়াসিতী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ ইবনু হারুন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান আত-তাইমী, তিনি আবূ উসমান আন-নাহদী থেকে, তিনি আবূ মূসা আল-আশআরী (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
“আমরা রাসূলুল্লাহ (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-এর সাথে ছিলাম। লোকজন একটি গিরিপথ বা উঁচু পথ দিয়ে উপরে উঠছিল। যখন কোনো ব্যক্তি উপরে উঠত, তখন সে উচ্চস্বরে বলত: ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই’ এবং ‘আল্লাহ মহান’। বর্ণনাকারী বলেন: আমার ধারণা তিনি বলেছেন যে, লোকটি উচ্চস্বরে তা বলছিলেন। রাসূলুল্লাহ (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) তখন তাঁর খচ্চরের ওপর আসীন ছিলেন এবং পাহাড়ের পথে তা পরিচালনা করছিলেন। এমতাবস্থায় নবী (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বললেন: ‘হে আবূ মূসা! তোমরা তো কোনো বধির কিংবা অনুপস্থিত সত্তাকে ডাকছ না।’ অতঃপর তিনি বললেন: ‘হে আবদুল্লাহ ইবনু কাইস’ অথবা বললেন: ‘হে আবূ মূসা! আমি কি তোমাকে জান্নাতের গুপ্তধনসমূহের মধ্যকার একটি বাক্যের কথা বলে দেব না?’ তিনি (আবূ মূসা) বলেন: আমি বললাম: ‘অবশ্যই, হে আল্লাহর রাসূল!’ তিনি বললেন: ‘তুমি বলো: আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো শক্তি ও সামর্থ্য নেই (লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ)...’।”
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৭৬)
وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ "
এবং আল্লাহ ছাড়া কোনো শক্তি নেই "
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৭৯)
أَخْبَرَنَا الْمُسْنَدُ الْأَصِيلُ الْعَدْلُ مَجْدُ الدِّينِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ الْمُظَفَّرِ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ عَسَاكِرَ الدِّمَشْقِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي شَعْبَانَ 667، أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو مُحَمَّدٍ الْقَاسِمُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ عَسَاكِرَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الدُّرِّ يَاقُوتُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الرُّومِيُّ التَّاجِرُ مَوْلَى ابْنِ الْبُخَارِيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَخْبَرَتْنَا زَيْنَبُ بِنْتُ مَكِّيٍّ، وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ الْعَسْقَلَانِيِّ، قَالَا: أَخْبَرَنَا ابْنُ طَبَرْزَدَ، أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ الْأَنْصَارِيُّ، وَأَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْأَشْقَرِ الدَّلَّالُ، وَأَبُو غَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ قُرَيْشٍ، وَأَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ دَحْرُوجٍ، قَالُوا جَمِيعُهُمْ أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ هَزَارَ مَرْدَ الصَّرِيفِينِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، حَدَّثَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْعَبَّاسِ الْمُخَلِّصُ، إِمْلَاءً فِي شَعْبَانَ سَنَةَ 393، حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخٍ حَدَّثَنَا مُبَارَكُ بْنُ فَضَالَةَ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " يَخْطُبُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ إِلَى جَانِبِ خَشَبَةٍ مُسْنِدًا ظَهْرَهُ إِلَيْهَا، فَلَمَّا كَثُرَ النَّاسُ قَالَ: ابْنُوا لِي مِنْبَرًا لَهُ عَتَبَتَانِ، فلَمَّا قَامَ عَلَى الْمِنْبَرِ يَخْطُبُ حَنَّتِ
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মূল নির্ভরযোগ্য ও ন্যায়পরায়ণ মুসনিদ মাজদুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসমাঈল বিন উসমান বিন আল-মুজাফ্ফার বিন হিবাতুল্লাহ বিন আসাকির আদ-দিমাশকী, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম ৬৬৭ হিজরীর শাবান মাসে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফিজ আবু মুহাম্মদ আল-কাসিম বিন আলী বিন আল-হাসান বিন হিবাতুল্লাহ বিন আসাকির, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আদ-দুর ইয়াকুত বিন আব্দুল্লাহ আর-রূমী আত-তাজির, যিনি ইবনুল বুখারীর মুক্তদাস ছিলেন, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে; এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জয়নব বিনতে মাক্কী এবং ইসমাঈল বিন আল-আসকালানী, তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনু তাবারজাদ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাজী আবু বকর আল-আনসারী, আবু বকর আহমদ বিন আল-আশকার আদ-দাল্লাল, আবু গালিব মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন কুরাইশ এবং আবু বকর আহমদ বিন দাহরুজ—তাঁরা সকলে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন হাজার মার্দ আস-সারিফীনী, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু তাহির মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন আল-আব্বাস আল-মুখাল্লিস, ৩৯৩ হিজরীর শাবান মাসে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আল-কাসিম আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ী; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন শাইবান বিন ফাররুখ; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুবারক বিন ফাদালাহ; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাসান, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমার দিনে একটি কাঠের খণ্ডের পাশে নিজের পিঠ হেলান দিয়ে খুতবা দিতেন। অতঃপর যখন মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেল, তখন তিনি বললেন: তোমরা আমার জন্য এমন একটি মিম্বর তৈরি করো যার দুটি ধাপ থাকবে। এরপর যখন তিনি খুতবা দেওয়ার জন্য মিম্বরের উপর দাঁড়ালেন, তখন সেটি কেঁদে উঠল।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৮০)
الْخَشَبَةُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ أَنَسٌ: وَأَنَا فِي الْمَسْجِدِ، فَسَمِعْتُ الْخَشَبَةَ تَحِنُّ حَنِينَ الْوَالِهِ، فَمَا زَالَتْ تَحِنُّ حَتَّى نَزَلَ إِلَيْهَا فَاحْتَضَنَهَا فَسَكَتَتْ! "
কাঠটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি (ব্যাকুল হলো); আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন: আমি মসজিদে উপস্থিত ছিলাম, তখন আমি কাঠটিকে একজন শোকাতুর ব্যক্তির ন্যায় ব্যাকুলভাবে ক্রন্দন করতে শুনলাম। সেটি ক্রন্দন করতেই থাকল যতক্ষণ না তিনি সেটির নিকট নেমে আসলেন এবং সেটিকে জড়িয়ে ধরলেন, ফলে সেটি শান্ত হলো!
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৮২)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْإِمَامُ الصَّدْرُ الرَّئِيسُ شَمْسُ الدِّينِ أَبُو الْغَنَائِمِ الْمُسْلِمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُسْلِمِ بْنِ عَلَّانٍ الْقَيْسِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي سَنَةِ 680، وَأَبُو الْحَسَنِ بْنُ الْبُخَارِيِّ، قَالَا: أَخْبَرَنَا أَبُو الْيَمَنِ زَيْدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ زَيْدٍ الْكِنْدِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ مُحَمَّدٍ الْأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الْجَوْهَرِيُّ، إِمْلَاءً، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ الْقَطِيعِيُّ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " قَالَ اللَّهُ عز وجل: الصَّوْمُ لِي وَأَنَا أَجْزِي بِهِ، يَدَعُ شَهْوَتَهُ وَأَكلَهُ وَشُرْبَهُ مِنْ أَجْلِي، وَالصَّوْمُ جُنَّةٌ، وَلِلصَّائِمِ فَرْحَتَانِ: فَرْحَةٌ حِينَ يُفْطِرُ، وَفَرْحَةٌ حِينَ يَلْقَى اللَّهَ عز وجل، وَلَخَلُوفُ فَمِ الصَّائِمِ أَطْيَبُ عِنْدَ اللَّهِ مِنْ رِيحِ الْمِسْكِ "
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, ইমাম, সদরুর রইস শামসুদ্দীন আবুল গানায়িম আল-মুসলিম বিন মুহাম্মাদ বিন আল-মুসলিম বিন আল্লান আল-কায়সী, ৬৮০ হিজরি সনে তাঁর নিকট পাঠকালে আমি তা শ্রবণ করেছি, এবং আবুল হাসান বিন আল-বুখারী। তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ইয়ামান যায়েদ বিন আল-হাসান বিন যায়েদ আল-কিনদী তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাজী আবূ বকর মুহাম্মাদ বিন আব্দুল বাকী বিন মুহাম্মাদ আল-আনসারী। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবূ মুহাম্মাদ আল-হাসান বিন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হাসান আল-জাওহারী শ্রুতলিখনের মাধ্যমে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবূ বকর আহমাদ বিন জাফর বিন হামদান বিন মালিক আল-ক্বাতীঈ। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর বিন মূসা। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবূ নুয়াইম। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আ’মাশ, তিনি আবূ সালিহ থেকে, তিনি আবূ হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্ল বলেছেন: রোজা কেবল আমারই জন্য এবং আমিই এর প্রতিদান দেব; সে আমারই সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিজ প্রবৃত্তি, আহার ও পানীয় বর্জন করে। রোজা হলো একটি ঢাল। রোজাদারের জন্য রয়েছে দুটি আনন্দ: একটি আনন্দ যখন সে ইফতার করে, এবং অপর আনন্দটি যখন সে আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্ল-এর সাথে সাক্ষাৎ করবে। আর নিশ্চয়ই রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর নিকট কস্তুরীর সুবাসের চাইতেও অধিক সুগন্ধিময়।"
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৮৬)
أَخْبَرَنَا السَّيَّدُ عِمَادُ الدِّينِ أَبَوُ مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي الصَّعَرِ بْنِ السَّيَّدِ الصَّانِعُ الْأَنْصَارِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي سَنَةِ 676، وَأَبُو الْعِزِّ يُوسُفُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ المُجَاوِر ، وَالْمُسْلِمُ بْنُ عَلَّانٍ، قَالُوا: أَخْبَرَنَا أَبُو الْيَمَنِ زَيْدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ زَيْدٍ الْكِنْدِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا أَبُو مَنْصُورٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زُرَيْقٍ الْقَزَّازُ الشَّيْبَانِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ ثَابِتٍ الْخَطِيبُ الْبَغْدَادِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو عُمَرَ عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا الْقَاضِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْمَحَامِليُّ، حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّي، حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، «أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم لَمَّا جَاءَ إِلَى مَكَّةَ دَخَلَهَا مِنْ أَعْلَاهَا وَخَرَجَ مِنْ أَسْفَلِهَا»
সাইয়্যেদ ইমাদুদ্দীন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান বিন আবিস সা’র বিন আস-সাইয়্যেদ আস-সানি আল-আনসারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—৬৭৬ হিজরি সনে তাঁর নিকট পাঠ করার সময় আমি তা শুনছিলাম—এবং আবুল ইজ্জ ইউসুফ বিন ইয়াকুব বিন আল-মুজাভির ও মুসলিম বিন আল্লান সংবাদ দিয়েছেন। তাঁরা বলেন: আবুল ইয়ামান যায়েদ বিন হাসান বিন যায়েদ আল-কিন্দী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছিল। আবু মানসুর আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন যুরাইক আল-কাযযায আশ-শাইবানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছিল। হাফেজ আবু বকর আহমদ বিন আলী বিন সাবিত আল-খতীব আল-বাগদাদী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আবু উমর আবদুল ওয়াহিদ বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন মাহদী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। কাজী আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন বিন ইসমাইল আল-মাহামিলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। আবু মুসা মুহাম্মদ বিন আল-মুসান্না আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। ইবনে উয়াইনাহ হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন মক্কায় আসতেন, তখন এর উঁচু অংশ দিয়ে প্রবেশ করতেন এবং এর নিচু অংশ দিয়ে বের হতেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৮৮)
أَخْبَرَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ يَحْيَى بْنِ عَلَوِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ الدَّرَجِيُّ الْقُرَشِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي رَجَبٍ سَنَةَ 680، أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ نَصْرِ بْنِ أَبِي الْفَتْحِ الصَّيْدَلَانِيُّ إِجَازَةً، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيِّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الْحَدَّادُ، أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِسْحَاقَ الْحَافِظُ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ فَارِسِ، قَالَ: سَمِعْتُ سُفْيَانَ بْنَ عُيَيْنَةَ، يَقُولُ: حَدَّثَنَا عَاصِمٌ، عَنْ زِرٍّ، قَالَ: أَتَيْتُ صَفْوَانَ بْنَ عَسَّالٍ الْمُرَادِيُّ فَقَالَ لِي: مَا جَاءَ بِكَ؟ قُلْتُ: جِئْتُ ابْتِغَاءَ الْعِلْمِ، قَالَ: فَإِنَّ الْمَلَائِكَةَ تَضَعُ أَجْنِحَتَهَا لِطَالِبِ الْعِلْمِ رِضًا بِمَا يَطْلُبُ، قُلْتُ: حَكَّ فِي نَفْسِي، أَوْ صَدْرِي مَسْحًا عَلَى الْخُفَّيْنِ بَعْدَ الْغَائِطِ وَالْبَوْلِ، فَهَلْ سَمِعْتَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي ذَلِكَ شَيْئًا؟ قَالَ: نَعَمْ، كَانَ يَأْمُرُنَا
إِذَا كُنَّا سَفَرًا، أَوْ مُسَافِرِينَ، أَنْ لَا نَنْزِعَ خِفَافَنَا ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ وَلَيَالِيهِنَّ إِلَّا مِنْ جَنَابَةٍ، وَلَكِنْ مِنْ غَائِطٍ أَوْ بَوْلٍ أَوْ نَوْمٍ
قُلْتُ: هَلْ سَمِعْتَهُ يَذْكُرُ الْهَوَى؟ قَالَ: نَعَمْ، بَيْنَا نَحْنُ مَعَهُ فِي مَسِيرٍ إذْ نَادَاهُ أَعْرَابِيُّ بِصَوْتٍ لَهُ جَهْوَرِيٍّ، فَقَالَ: يَا مُحَمَّدُ، فَأَجَابَهُ عَلَى نَحْوٍ مِنْ كَلَامِهِ:
আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে ইসমাঈল ইবনে ইবরাহিম ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আলাউই ইবনুল হুসাইন আদ-দারাজি আল-কুরাশি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম ৬৮০ হিজরি সালের রজব মাসে—আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে নাসর ইবনে আবিল ফাতহ আস-সাইদালানি আমাদের ইজাজতসূত্রে সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমদ ইবনে আল-হাসান আল-হাদ্দাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাফেজ আবু নুআইম আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে ইসহাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে আহমদ ইবনে ফারিস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জির থেকে, তিনি বলেন: আমি সাফওয়ান ইবনে আসসাল আল-মুরাদির নিকট আসলাম, তখন তিনি আমাকে বললেন: তোমার আগমনের কারণ কী? আমি বললাম: আমি জ্ঞান অন্বেষণের উদ্দেশ্যে এসেছি। তিনি বললেন: নিশ্চয়ই ফেরেশতারা জ্ঞান অন্বেষণকারীর জন্য তাদের ডানা বিছিয়ে দেয়, সে যা অন্বেষণ করছে তার প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশস্বরূপ। আমি বললাম: পায়খানা ও প্রস্রাবের পর মোজার ওপর মাসেহ করার বিষয়টি আমার মনে বা হৃদয়ে খটকা তৈরি করেছে। আপনি কি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ বিষয়ে কিছু শুনেছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, তিনি আমাদের আদেশ করতেন
যখন আমরা সফরে থাকতাম অথবা মুসাফির হতাম, তখন যেন জানাবাত (বড় অপবিত্রতা) ব্যতীত তিন দিন ও তিন রাত আমাদের মোজা না খুলি; তবে পায়খানা, প্রস্রাব বা ঘুমের কারণে (খোলার প্রয়োজন হতো না)।
আমি বললাম: আপনি কি তাঁকে ভালোবাসা সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, আমরা তাঁর সাথে এক সফরে ছিলাম, এমতাবস্থায় এক বেদুইন তার উচ্চকণ্ঠে তাঁকে ডাক দিয়ে বলল: হে মুহাম্মদ! তিনিও তার তদ্রূপ স্বরেই তাকে উত্তর দিলেন:
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৮৯)
هاؤم، قَالَ: أَرَأَيْتَ رَجُلًا يُحِبُّ قَوْمًا وَلَمْ يَلْحَقْ بِهِمْ؟ قَالَ:
الْمَرْءُ مَعَ مَنْ أَحَبَّثُمَّ لَمْ يَزَلْ يُحَدِّثَنَا أَنَّ
مِنْ قِبَلِ الْمَغْرِبِ بَابًا يَفْتَحُ اللَّهُ عز وجل لِلْتَوْبَةِ مَسِيَرةً عَرْضُهُ أَرْبَعُونَ سَنَةً وَلَا يُغْلَقُ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ مِنْ قِبَلِهِ، وَذَلِكَ قَوْلُ اللَّهِ: {يَوْمَ يَأْتِي بَعْضُ آيَاتِ رَبِّكَ لا يَنْفَعُ نَفْسًا إِيمَانُهَا} [الأنعام: 158] "
হাউম (এদিকে শোনো), তিনি বললেন: আপনি কি এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে বলবেন যে একদল লোককে ভালোবাসে অথচ তাদের (স্তরে) পৌঁছাতে পারেনি? তিনি বললেন:
মানুষ তার সাথেই থাকবে যাকে সে ভালোবাসে।অতঃপর তিনি আমাদের নিকট ক্রমাগত বর্ণনা করতে থাকলেন যে,
পশ্চিম দিকে একটি দরজা রয়েছে যা আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল তওবার জন্য উন্মুক্ত করে রেখেছেন, যার প্রশস্ততা চল্লিশ বছরের পথ এবং তা ততক্ষণ পর্যন্ত বন্ধ হবে না যতক্ষণ না সূর্য সেই দিক থেকে উদিত হয়। আর এটিই আল্লাহর বাণী: {যেদিন তোমার প্রতিপালকের কিছু নিদর্শন আসবে, সেদিন কোনো ব্যক্তির ঈমান তার উপকারে আসবে না} [আল-আনআম: ১৫৮]
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৯৫)
أَخْبَرَنَا نَجِيبُ الدِّينِ أَبُو الْمُرْهَفِ الْمِقْدَادُ بْنُ أَبِي الْقَاسِمِ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ الْمِقْدَادِ بْنِ عَلِيٍّ الْقَيْسِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّد عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مَحْمُودٍ الْمُبَارَكُ بْنُ الْأَخْضَرِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي الْأَنْصَارِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو إِسْحَاقَ الْبَرْمَكِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنِ مَاسِيٍّ، حَدَّثَنَا أَبُو مُسْلِمٍ الْكَجِّيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَي سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَا هِجْرَةَ بَيْنَ الْمُسْلِمِينَ فَوْقَ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ، أَوْ قَالَ ثَلَاثِ لَيَالٍ»
আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন নাজিবুদ্দিন আবুল মুরহাফ আল-মিকদাদ বিন আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন আল-মিকদাদ বিন আলী আল-কায়সী—তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম—তিনি বলেন: আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুল আজিজ বিন মাহমুদ আল-মুবারক বিন আল-আখদার—তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে—তিনি বলেন: আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আবদুল বাকি আল-আনসারী; তিনি বলেন: আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক আল-বারমাকী; তিনি বলেন: আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ বিন মাসী; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসলিম আল-কাজ্জী; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারী; তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান আত-তাইমী, তিনি আনাস বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «মুসলিমদের মধ্যে তিন দিনের বেশি—অথবা তিনি বলেছেন তিন রাতের বেশি—সম্পর্ক ছিন্ন রাখা বৈধ নয়।»