(খণ্ড: ১) আহাদীসু সিত্তাহ ফী মাআনি সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: -)
أحاديث ستة في معان ستة   (ابن ناصر الدين الدمشقي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: أحاديث ستة في معان ستة (مطبوع ضمن مجموع رسائل لابن ناصر الدين)

المؤلف: محمد بن عبد الله (أبي بكر) بن محمد ابن أحمد بن مجاهد القيسي الدمشقي الشافعي، شمس الدين، الشهير بابن ناصر الدين (ت 842هـ)

تحقيق وتعليق: أبي عبد الله مشعل بن باني جبرين المطيري

الناشر: دار ابن حزم، بيروت

الطبعة: الأولى، 1422 هـ - 2001 م

عدد الصفحات: 444

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ছয়টি অর্থে ছয়টি হাদিস   (ইবনে নাসিরুদ্দিন আদ-দিমাশকি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: ছয়টি অর্থে ছয়টি হাদিস (ইবনে নাসিরুদ্দিনের রিসালা সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে মুদ্রিত)

লেখক: মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ (আবু বকর) বিন মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ বিন মুজাহিদ আল-কাইসি আদ-দিমাশকি আশ-শাফিয়ি، শামসুদ্দিন، যিনি ইবনে নাসিরুদ্দিন নামে প্রসিদ্ধ (মৃত্যু: ৮৪২ হিজরি)

তাহকিক ও টীকা: আবু আব্দুল্লাহ মিশআল বিন বানি জিবরীন আল-মুতাইরি

প্রকাশক: দার ইবনে হাজম، বৈরুত

সংস্করণ: প্রথম، ১৪২২ হিজরি - ২০০১ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৪৪

[বইটির নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রণের অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আহাদীসু সিত্তাহ ফী মাআনি সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ৪২৯)
1 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْمُسْنِدُ الْمُحَدِّثُ أَبُو هُرَيرَةَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْحَافِظِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ الذَّهَبِيِّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِمَنْزِلِهِ مِنْ كَفْرِ بطنا مِنْ غُوطَةِ دِمَشْقَ فِي شَهْرِ رَبِيعٍ الآخِرَ سَنَةَ ثَمَانٍ وَتِسْعِينَ وَسَبْعِ مِائَةٍ، أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْمُسْنِدُ أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ بْنِ عَبَّاسٍ الْقُرَشِيُّ التَّاجِرُ،
1 - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, মুসনিদ, মুহাদ্দিস আবু হুরায়রা আব্দুর রহমান ইবনুল হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন উসমান বিন আয-যাহাবি; তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, দামেস্কের গৌতার অন্তর্গত কাফর বাতনায় অবস্থিত তাঁর নিজ গৃহে, সাতশত আটানব্বই হিজরি সালের রবিউল আখির মাসে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, মুসনিদ আবুল ফাতহ মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহিম বিন আব্বাস আল-কুরাশি আত-তাজির।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সিত্তাহ ফী মাআনি সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ৪৩০)
بِقِرَاءَتِي عَلَى أَبِي سَنَةَ عِشْرِينَ وَسَبْعِ مِائَةٍ وَفِيهَا مَاتَ، أَخْبَرَنَا يُوسُفُ بْنُ مَحْمُودٍ الصُّوفُيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا فِي الْخَامِسَةِ، وَأَخْبَرَنَا الأَشْيَاخُ: مُحَمَّدُ بْنُ الْمُوَفَّقِ، وَأَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ غَشْمٍ الْمُرَدَاوِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ مَحْمُودِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الزَّرَنْدِيِّ، وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الْكَتَّانِيُّ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْمُوَفَّقِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ الذَّهَبِيِّ، وَعَبْدُ الْقَادِرِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الأَرْمَوِيُّ، وَعُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْبَالِسِيُّ، وَعُمَرُ بْنُ الْحَافِظِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْهَادِي الْمَقْدِسِيِّ، وَعَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ رَيَّانَ الطَّائِيُّ، وَعَلِيُّ بْنُ غَازِي بْنِ عَلِيٍّ الْكورِيُّ، وَشَمْسُ الْمُلُوكِ بِنْتُ النَّاصِرِ مُحَمَّدِ بْنِ الْعِمَادِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْمَلِكِ، وَغَيْرُهُمْ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِمْ مُنْفَرِدِينَ، قَالُوا: أَخْبَرَتْنَا الْمُسْنِدَةُ أَمُّ عَبْدِ اللَّهِ زَيْنَبُ ابْنَةُ الْكَمَالِ أَحْمَدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ السَّعْدِيَّةُ، قِرَاءَةً عَلَيْهَا، قَالَ ابْنُ غَشْمٍ، وَالْكَتَّانِيُّ ، وَالأَرْمَوِيُّ ، وَابْنُ الْحَافِظِ، وَبِنْتُ الْمَلِكِ وَنَحْنُ حَاضِرُونَ، وَقَالَ الْبَاقُونَ وَنَحْنُ نَسْمَعُ مُتَفَرِّقِينَ.

قَالَتْ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَكِّيٍّ سِبْطُ السِّلَفِيِّ، إِجَازَةً، قَالَ هُوَ وَالصُّوفِيُّ.

أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ السِّلَفِيُّ.

ح وَقَرَأْتُهُ عَلَى الشِّهَابِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْفَارِقِيِّ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَحْمَدَ الضَّرِيرُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا حَاضِرٌ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الإِرْبِلِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا فِي الْخَامِسَةِ مِنْ عُمْرِي، أَخْبَرَتْنَا شُهْدَةُ بِنْتُ أَحْمَدَ الْكَاتِبَةُ.

ح وَأَخْبَرَنَا الشِّهَابُ الْفَارِقِيُّ أَيْضًا، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا الْقَاسِمُ بْنُ مُظَفَّرِ بْنِ مَحْمُودِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ عَسَاكِرَ الدِّمَشْقِيُّ، أَخْبَرَنَا عَمُّ وَالِدِي الْعِزُّ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ النَّسَّابَةُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، وَالْمَشَايِخُ أَبُو الْفَتْحِ نَصْرُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَكَارِمٍ الأَنْصَارِيُّ، وَأَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِيهِ الصَّالِحِيُّ، وَشَيْخُ الشُّيُوخِ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي الْفَتْحِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ بْنِ حَمُّوَيْهِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمْ، وَأَنَا شَاهِدٌ، قَالُوا: أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ
আমার পিতার নিকট সাতশত বিশ হিজরি সনে আমার পাঠের মাধ্যমে, আর তিনি সেই বছরই মৃত্যুবরণ করেন; ইউসুফ বিন মাহমুদ আস-সুফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যখন আমি পঞ্চম বর্ষে ছিলাম। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খগণ: মুহাম্মদ বিন আল-মুওয়াফফাক, আহমদ বিন আব্দুল হামিদ বিন মুহাম্মদ বিন গাশম আল-মুরদাউয়ি, মুহাম্মদ বিন মাহমুদ বিন মুহাম্মদ বিন আয-যারান্দি, ইবরাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আবি বকর আল-কাত্তানি, আব্দুর রহমান বিন আহমদ বিন আল-মুওয়াফফাক ইসমাইল বিন আয-যাহাবি, আব্দুল কাদির বিন ইবরাহিম আল-আরমাউয়ি, উমর বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-বালিসি, উমর বিন আল-হাফিয আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আব্দুল হাদি আল-মাকদিসি, আলী বিন মুহাম্মদ বিন সাঈদ বিন রাইয়ান আত-তায়ি, আলী বিন গাজি বিন আলী আল-কুরি, শামসুল মুলুক বিনতে আন-নাসির মুহাম্মদ বিন আল-ইমাদ ইবরাহিম বিন আল-মালিক এবং অন্যান্যরা, তাঁদের নিকট পৃথক পৃথকভাবে আমার পাঠের মাধ্যমে। তাঁরা বললেন: মুসনিদাহ উম্মু আব্দুল্লাহ যয়নব বিনতে আল-কামাল আহমদ বিন আব্দুর রহিম আস-সাদিয়্যাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। ইবনে গাশম, আল-কাত্তানি, আল-আরমাউয়ি, ইবনুল হাফিয এবং বিনতুল মালিক বললেন, এমতাবস্থায় যে আমরা উপস্থিত ছিলাম। আর অবশিষ্টরা বললেন, আমরা পৃথক পৃথকভাবে শ্রবণরত ছিলাম।

তিনি বললেন: আবুল কাসিম আব্দুর রহমান বিন মাক্কি সিবত আস-সিলাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইজাজতসূত্রে; তিনি এবং আস-সুফি বললেন।

হাফিয আবু তাহির আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আস-সিলাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

হ (রূপান্তর): এবং আমি এটি পাঠ করেছি শিহাব আব্দুর রহমান বিন আবি আব্দুল্লাহ বিন আল-ফারিকির নিকট; আবু বকর বিন আহমদ আদ-দারির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যখন আমি উপস্থিত ছিলাম; মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আল-ইরবিলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যখন আমার বয়স পাঁচ বছর ছিল; শুহদাহ বিনতে আহমদ আল-কাতিবাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

হ (রূপান্তর): এবং শিহাব আল-ফারিকি আমাদের আরও সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে; কাসিম বিন মুজাফফর বিন মাহমুদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন আসাকির আদ-দিমাশকি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আমার পিতার চাচা ইযযু আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আন-নাসসাবাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এমতাবস্থায় যে আমি শ্রবণ করছিলাম; এবং শায়খ আবু আল-ফাতহ নাসরুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান বিন মাকারিম আল-আনসারি, আবু মুহাম্মদ আব্দুল আযীয বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আবিহি আস-সালিহি, এবং শায়খুশ শুয়ুখ আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আবিল ফাতহ বিন আবিল হাসান বিন হাম্মুওয়াইহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁদের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যখন আমি উপস্থিত ছিলাম। তাঁরা বললেন: হাফিয আবুল কাসিম আলী বিন আল-হাসান বিন...
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সিত্তাহ ফী মাআনি সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ৪৩১)
هِبَةِ اللَّهِ الشَّافِعِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمَدِينِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِمَدِينَةِ جي، قَالَ هُوَ وَشُهْدَةُ، وَالسِّلَفِيُّ، وَاللَّفْظُ لِلسِّلَفِيِّ أَخْبَرَنَا أَبُو الْخَطَّابِ نَصْرُ بْنُ أَحْمَدَ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ يَحْيَى بْنِ زَكَرِيَّا بْنِ الْبَيِّعِ، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْقَاضِي، إِمْلاءً، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ رِبْعِيِّ بْنِ حِرَاشٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: " أَنَّ‌‌ رَجُلا مَاتَ فَدَخَلَ الْجَنَّةَ، فَقِيلَ لَهُ: مَا كُنْتَ تَعْمَلُ؟ فَإِمَّا ذَكَرَ وَإِمَّا ذُكِّرَ، فَقَالَ: إِنِّي كُنْتُ أُبَايِعُ النَّاسَ وَكُنْتُ أُنْظِرُ الْمُعْسِرَ وَأَتَجَوَّزُ فِي السَّكَّةِ أَوْ فِي النَّقْدِ.

فَغُفِرَ لَهُ ".

فَقَالَ أَبُو مَسْعُودٍ رضي الله عنه: وَأَنَا سَمِعْتُهُ مِنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.
হিবাতুল্লাহ আশ-শাফিয়ী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আব্দুল ওয়াহিদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আব্দুর রহমান আল-মাদিনী, জয় নগরে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি এবং শুহদাহ ও আস-সিলাফী বলেছেন—আর শব্দবিন্যাস আস-সিলাফীর—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল খাত্তাব নাসর বিন আহমাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন উবাইদুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া বিন যাকারিয়া বিন আল-বাইয়ি', আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন বিন ইসমাঈল আল-কাদী শ্রুতলিপি প্রদানের মাধ্যমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আল-মুসান্না, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন জাফর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শু'বাহ, আব্দুল মালিক বিন উমাইর থেকে, তিনি রিবয়ী বিন হিরাশ থেকে, তিনি হুযাইফাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে: "এক ব্যক্তি মারা গেল এবং জান্নাতে প্রবেশ করল। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো: তুমি কী আমল করতে? তখন হয় সে স্মরণ করল অথবা তাকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হলো। সে বলল: আমি মানুষের সাথে লেনদেন করতাম এবং অভাবগ্রস্তকে অবকাশ দিতাম এবং মুদ্রায় বা নগদে ছাড় দিতাম।

অতঃপর তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হলো।"

আবু মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বললেন: "আমিও এটি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছি।"
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সিত্তাহ ফী মাআনি সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ৪৩২)
خَرَّجَهُ مُسْلِمٌ فِي صَحِيحِهِ عَنْ أَبِي مُوسَى الزَّمَنِ، مُنْفَرِدًا بِهِ، فَوَافَقْنَاهُ بِعُلُوٍّ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ.

وَهُوَ فِي الصَّحِيحَيْنِ، مِنْ طَرِيقِ شُعْبَةَ أَيْضًا، وَغَيْرِهِ

2 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ النَّاقِدِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا عِيسَى يَعْنِي: ابْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ السِّمْسَارِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا حَاضِرٌ فِي يَوْمِ الإِثْنَيْنِ الْحَادِي عَشَرَ مِنْ شَهْرِ رَبِيعٍ الأَوَّلِ سَنَةَ سَبْعَ عَشْرَةَ وَسَبْعِ مِائَةٍ بِإِيوَانِ دَارِ السَّعَادَةِ مِنْ دِمَشْقَ، وَمَرَّةٌ أُخْرَى بَعْدَ ذَلِكَ، وَأَبُو الْفَضْلِ سُلَيْمَانُ بْنُ حَمْزَةَ الْحَاكِمُ، إِجَازَةً، إِنْ لَمْ يَكُنْ حُضُورًا، قَالا: أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُنْجَى عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ اللَّتِّيِّ، سَمَاعًا، أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْبَنَّا، حُضُورًا، أَخْبَرَنَا أَبُو نَصْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الزَّيْنَبِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَلِيٍّ الْوَرَّاقُ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي دَاوُدَ سُلَيْمَانِ بْنِ الأَشْعَثِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، وَنَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، قَالا: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الصَّمَدِ الْعَمِّيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عِمْرَانَ الْجَوْنِيُّ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قَيْسٍ الأَشْعَرِيِّ، عَنْ أَبِيهِ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«جَنَّتَانِ مِنْ ذَهَبٍ آنِيَتُهُمَا وَمَا فِيهِمَا، وَجَنَّتَانِ مِنْ فِضَّةٍ وَآنِيَتُهُمَا وَمَا فِيهِمَا، وَمَا بَيْنَ الْقَوْمِ وَبَيْنَ أَنْ يَنْظُرُوا إِلَى رَبِّهِمْ إِلا رِدَاءَ الْكِبْرِيَاءِ عَلَى وَجْهِهِ فِي جَنَّةِ عَدْنٍ» .

أخَرَّجَهُ مُسْلِمٌ، عَنْ نَصْرِ بْنِ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيِّ.
ইমাম মুসলিম তাঁর সহীহ গ্রন্থে এটি আবু মুসা আল-যামান থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন। আমরা এটি উচ্চতর সনদে লাভ করেছি এবং আল্লাহর জন্যই সকল প্রশংসা।

আর এটি শু'বাহ ও অন্যান্যদের সূত্রেও সহীহাইন (বুখারী ও মুসলিম)-এ বিদ্যমান।

২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনুন নাকিদ আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আহমদ, তাঁর নিকট আমার পাঠ করার মাধ্যমে। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ঈসা অর্থাৎ ইবনে আবদুর রহমান আস-সিমসার, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, আমি তখন উপস্থিত ছিলাম। এটি ছিল সাতশত সতেরো হিজরি সনের রবিউল আউয়াল মাসের এগারো তারিখ সোমবার দিনে দামেস্কের দারুস সা’আদাহ-র বারান্দায়; এবং এরপর আরও একবার। আর আবুল ফযল সুলাইমান বিন হামযাহ আল-হাকিম ইজাযাহ সূত্রে সংবাদ দিয়েছেন, যদি সরাসরি উপস্থিত না হয়ে থাকেন। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মুনজা আবদুল্লাহ বিন উমর বিন আল-লাত্তি শ্রবণের মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাঈদ বিন আহমদ বিন হাসান বিন আল-বান্না উপস্থিত থাকাকালীন। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আলী আয-যাইনাবী। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন উমর বিন আলী আল-ওয়াররাক। তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু বকর আবদুল্লাহ বিন আবি দাউদ সুলাইমান বিন আল-আশআস। তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন বাশশার এবং নাসর বিন আলী। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু আব্দুস সামাদ আল-আম্মি। তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু ইমরান আল-জাওনী, আবু বকর বিন আবদুল্লাহ বিন কায়স আল-আশআরী থেকে, তিনি তাঁর পিতা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «স্বর্ণের দুটি জান্নাত, যার পাত্রসমূহ এবং তাতে যা কিছু আছে সবই স্বর্ণের; আর রৌপ্যের দুটি জান্নাত, যার পাত্রসমূহ এবং তাতে যা কিছু আছে সবই রৌপ্যের। জান্নাতবাসী এবং তাদের প্রতিপালকের দর্শনের মাঝে আদন জান্নাতে কেবল তাঁর চেহারার ওপর থাকা মহত্ত্বের চাদরটিই বিদ্যমান থাকবে»।

এটি ইমাম মুসলিম নাসর বিন আলী আল-জাহযামী থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সিত্তাহ ফী মাআনি সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ৪৩৩)
وَرَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ، وَالنِّسَائِيُّ، وَابْنُ مَاجَهْ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ بَشَّارٍ، كِلاهُمَا عَنْ أَبِي عَبْدِ الصَّمَدِ الْعَمِّيِّ، وَاسْمُهُ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْبَصْرِيُّ، فَوَقَعَ لَنَا مُوَافَقَةً عَالِيَةً لأَرْبَعَتِهِمْ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ

3 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْمُسْنِدُ الْكَبِيرُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ الدِّمَشْقِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكَ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي طَالِبٍ الصَّالِحِيُّ، أَخْبَرَنَا دَاوُدُ بْنُ مَعْمَرِ بْنِ الْفَاخِرِ، إِجَازَةً مُطْلَقَةً، أَخْبَرَتْنَا فَاطِمَةُ بِنْتُ مُحَمَّدٍ، سَمَاعًا، أَخْبَرَنَا أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ أَحْمَدَ.

ح وَأَخْبَرَنَا الصَّلاحُ عَبْدُ الْقَادِرِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، عَنْ زَيْنَبَ ابْنَةِ أَحْمَدَ الْمَقْدِسِيَّةِ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْخَالِقِ بْنُ الأَنْجَبِ، كِتَابَةً أَنَّ وَجِيهَ بْنَ طَاهِرٍ، أَنْبَأَهُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو حَامِدٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ، سَمَاعًا، قَالا: أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ السَّرَّاجُ، حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، وَعَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ عَائِشَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَتْ: " إِنْ كُنْتُ لأَدْخُلُ الْبَيْتَ لِلْحَاجَةِ وَالْمَرِيضُ فِيهِ فَمَا أَسْأَلُ عَنْهُ إِلا وَأَنَا مَارَّةٌ، وَإِنْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ لَيُدْخِلُ رَأْسَهُ وَهُوَ فِي الْمَسْجِدِ فَأُرْجِلُهُ، قَالَتْ: وَكَانَ لا يَدْخُلُ الْبَيْتَ إِلا لِحَاجَةٍ إِذَا كَانَ مُعْتَكِفًا ".

خَرَّجَهُ الْبُخَارِيُّ، وَمُسْلِمٌ، وَأَبُو دَاوُدَ، وَالتِّرْمِذِيُّ، وَالنِّسَائِيُّ، عَنْ قُتَيْبَةَ، فَوَافَقْنَاهُمْ بِعُلُوٍّ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ

4 - أَخْبَرَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الذَّهَبِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ فِي شَهْرِ رَبِيعٍ الآخِرِ سَنَةَ ثَمَانٍ وَتِسْعِينَ، أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْمُعَمِّرِ رِحْلَةُ زَمَانِهِ أَبُو مُحَمَّدٍ عِيسَى بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَعَالِي بْنِ حَمْدٍ الْمُطْعِمِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا فِي الْخَامِسَةِ، وَمَرَّةٌ أُخْرَى قَبْلَ ذَلِكَ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُنْجَى عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ اللَّتِّيِّ، أَخْبَرَنَا
এবং এটি তিরমিযী, নাসায়ী এবং ইবনে মাজাহ মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ই আবু আবদুস সামাদ আল-আম্মী থেকে, যাঁর নাম আব্দুল আজিজ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-বাসরি; ফলে তাঁদের চারজনের সাথে আমাদের একটি উচ্চপর্যায়ের সামঞ্জস্য (মুওয়াফাকাহ) অর্জিত হলো, এবং সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুপ্রসিদ্ধ মুসনিদ শায়খ আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মাদ আদ-দিমাশকি, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে। আমি তাঁকে বললাম: আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনে আবু তালিব আস-সালিহি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দাউদ ইবনে মা’মার ইবনুল ফাখির সাধারণ অনুমতির মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফাতিমা বিনতে মুহাম্মাদ শ্রবণের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান সাঈদ ইবনে আহমাদ।

(হা) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আস-সালাহ আব্দুল কাদির ইবনে ইবরাহিম, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি যয়নাব বিনতে আহমাদ আল-মাকদিসিয়া থেকে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল খালিক ইবনুল আনজাব লিখিতভাবে যে, ওয়াজিহ ইবনে তাহির তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হামিদ আহমাদ ইবনুল হাসান শ্রবণের মাধ্যমে। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান ইবনে আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আস-সাররাজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন কুতায়বা ইবনে সাঈদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন লায়স ইবনে সা’দ, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উরওয়াহ ও আমরাহ বিনতে আবদুর রহমান থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) বলেছেন: "আমি প্রয়োজনে ঘরে প্রবেশ করতাম অথচ সেখানে অসুস্থ ব্যক্তি থাকতেন, কিন্তু আমি পথ চলার সময় ছাড়া তাঁর অবস্থা জিজ্ঞাসা করতাম না। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে থাকা অবস্থায় তাঁর মাথা (ঘরের ভেতর) বাড়িয়ে দিতেন এবং আমি তা আঁচড়ে দিতাম। তিনি বলেন: আর তিনি যখন ইতিকাফরত থাকতেন, তখন বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘরে প্রবেশ করতেন না।"

এটি বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী এবং নাসায়ী কুতায়বা থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে উচ্চ সনদের মাধ্যমে তাঁদের সাথে আমাদের সামঞ্জস্য অর্জিত হলো, এবং সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হুরায়রা আবদুর রহমান ইবনে আয-যাহাবি, ৯৮ হিজরি সনের রবিউস সানি মাসে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দীর্ঘায়ু শায়খ, স্বীয় সময়ের শ্রেষ্ঠ পর্যটক আবু মুহাম্মাদ ঈসা ইবনে আবদুর রহমান ইবনে মা’য়ালি ইবনে হামদ আল-মুতয়িম, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে যখন আমি পঞ্চম বর্ষে (পাঁচ বছর বয়সে) ছিলাম এবং তার আগে আরও একবার। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মুনজ্বি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ইবনুল লাত্তি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন...
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সিত্তাহ ফী মাআনি সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ৪৩৪)
أَبُو الْوَقْتِ عَبْدُ الأَوَّلِ بْنِ عِيسَى بْنِ السِّجْزِيِّ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ الْفُضَيْلُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَحْمَدَ الأَنْصَارِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، سَمِعْتُ جَابِرًا رضي الله عنه، يَقُولُ: " اسْتَأْذَنْتُ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ:‌‌ مَنْ هَذَا؟ فَقُلْتُ: أَنَا.

فَقَالَ: أَنَا أَنَا كَأَنَّهُ كَرِهَهُ ".

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ عَالٍ جِدًّا.

رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ، عَنْ أَبِي
الْوَلِيدِ هِشَامِ بْنِ الْمَلِكِ الطَّيَالِسِيِّ.

وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ، عَنِ ابْنِ نُمَيْرٍ، عَنِ ابْنِ إِدْرِيسَ، كِلاهُمَا عَنْ شُعْبَةَ

5 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ التُّرْكُمَانِيُّ، سَمَاعًا، أَخْبَرَنَا أَبُو الرَّوْحِ عِيسَى بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الشَّجَرِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا شَاهِدٌ.

ح وَأَنْبَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، وَأَحْمَدُ بْنُ الْعِمَادِ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَحْمَدَ، الْمَقْدِسِيَّانِ، قَالا: أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَمْزَةَ الْحَاكِمُ، سَمَاعًا، قَالَ: هُوَ وَالشَّجَرِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْعَتَّابِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الأَوَّلِ الْهَرَوِيُّ، أَخْبَرَتْنَا أُمُّ الْفَضْلِ ابْنَةُ عَبْدِ الصَّمَدِ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ صَاعِدٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا يُونُسُ بْنُ عُبَيْدٍ، عَنِ الْحَسَنِ، وَهِشَامٍ،
আবু আল-ওয়াক্ত আব্দুল আউয়াল ইবনে ঈসা ইবনে আস-সিজজি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আসিম আল-ফুদাইল ইবনে ইয়াহইয়া; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান ইবনে আহমাদ আল-আনসারি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ; আমাদের বর্ণনা করেছেন আলী ইবনুল জা'দ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শু'বাহ; মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির থেকে বর্ণিত, আমি জাবির (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছি: "আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে প্রবেশের অনুমতি চাইলাম। তিনি বললেন:‌‌ কে এটি? আমি বললাম: আমি।

তিনি বললেন: আমি, আমি! যেন তিনি এটি অপছন্দ করলেন।

এটি একটি অত্যন্ত উচ্চমানের সহিহ হাদিস।

ইমাম বুখারি এটি বর্ণনা করেছেন আবু
আল-ওয়ালিদ হিশাম ইবনে আল-মালিক আত-তায়ালিসি থেকে।

এবং ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন ইবনে নুমাইর থেকে, তিনি ইবনে ইদরিস থেকে, তাঁরা উভয়েই শু'বাহ থেকে।

৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান ইবনে আবি আব্দুল্লাহ আত-তুর্কমানি শ্রবণ মারফত; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-রূহ ঈসা ইবনে আব্দুর রহমান আশ-শাজারি তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, আর আমি তখন উপস্থিত ছিলাম।

হা (পরিণতি) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ এবং আহমাদ ইবনে আল-ইমাদ আবু বকর ইবনে আহমাদ আল-মাকদিসিদ্বয়; তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান ইবনে হামজাহ আল-হাকিম শ্রবণ মারফত; তিনি এবং আশ-শাজারি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে উমর আল-আত্তাবি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল আউয়াল আল-হারাওয়ি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উম্মুল ফাদল বিনতে আব্দুস সামাদ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান ইবনে আহমাদ; আমাদের বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে সায়িদ; আমাদের বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব ইবনে ইবরাহিম; আমাদের বর্ণনা করেছেন হুশাইম; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইউনুস ইবনে উবাইদ; আল-হাসান ও হিশাম থেকে।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সিত্তাহ ফী মাআনি সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ৪৩৫)
عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، أَنَّ رَجُلا سَأَلَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم "‌‌ أَيُصَلِّي الرَّجُلُ فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ؟ ، قَالَ: أَوَكُلُّكُمْ لَهُ ثَوْبَانِ ".

حَدِيثٌ صَحِيحٌ عَالٍ مِنْ حَدِيثِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه

6 - أَخْبَرَنَا الشِّهَابُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ الذَّهَبِيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ فِي سَنَةَ ثَمَانٍ وَتِسْعِينَ، أَخْبَرَنَا جَمَاعَةٌ مِنْهُمْ: الشَّرِيفُ أَبُو الْفَتْحِ مُوسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ الْمُوسَوِيُّ فِي كِتَابِهِ إِلَيَّ مِنْ مِصْرَ، وَتَفَرَّدْتُ بِالرِّوَايَةِ عَنْهُ، قَالُوا: أَخْبَرَنَا الْفَخْرُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُسْلِمٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَنَحْنُ حَاضِرُونَ، أَخْبَرَتْنَا الْكَاتِبَةُ شُهْدَةُ بِنْتُ أَحْمَدَ، سَمَاعًا.

ح وَأَخْبَرَنَا ابْنُ الذَّهَبِيِّ أَيْضًا، وَالرَّئِيسُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ رَيَّانَ الطَّائِيُّ، وَآخَرُونَ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِمْ، قَالُوا: أَخْبَرَتْنَا الْمُسْنِدَةُ أُمُّ عَبْدِ اللَّهِ زَيْنَبُ ابْنَةُ الْكَمَالِ أَحْمَدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ السَّعْدِيَّةُ، سَمَاعًا، قَالَتْ: أَنْبَأَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَحْمُودِ بْنِ سَالِمِ بْنِ الْخَيْرِ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْكَرِيمِ بْنِ السَّيِّدِيِّ، قَالا: أَخْبَرَتْنَا تجنِي الْوَهْبَانِيَّةُ.

قَالَتْ: هِيَ وَشُهْدَةُ، أَخْبَرَنَا طَرَّادُ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَخْبَرَنَا هِلالُ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ يَحْيَى الْقَطَّانُ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَشْعَثِ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ جَمِيلِ بْنِ مُرَّةَ، عَنْ أَبِي الْوَضِيءِ، عَنْ أَبِي بَرْزَةَ الأَسْلَمِيِّ رضي الله عنه، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
মুহাম্মদ ইবনে সিরীন থেকে বর্ণিত, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করলেন: "‌‌একজন মানুষ কি এক কাপড়ে সালাত আদায় করতে পারে? তিনি বললেন: তোমাদের প্রত্যেকেরই কি দুটি করে কাপড় আছে?".

এটি ইবনে সিরীন থেকে বর্ণিত আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর একটি উচ্চমানের সহীহ হাদীস।

৬ - শিহাব আবদুর রহমান ইবনে আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আয-যাহাবী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—আমি আটানব্বই সালে তাঁর উপস্থিতিতে পাঠ শ্রবণ করেছি। একদল ব্যক্তি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, যাদের মধ্যে শরীফ আবুল ফাতহ মুসা ইবনে আলী ইবনে আবু তালিব আল-মুসাভী রয়েছেন—মিসর থেকে আমার কাছে পাঠানো তাঁর চিঠির মাধ্যমে, আর তাঁর থেকে বর্ণনায় আমি একক ছিলাম। তাঁরা বললেন: ফাখর আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে মুসলিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—আমরা উপস্থিত থাকাকালীন তাঁর কাছে পাঠ করা হয়েছে। লিপিকার শুহদাহ বিনতে আহমাদ শ্রবণপূর্বক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

(বর্ণনাসূত্র পরিবর্তন) এবং ইবনুল যাহাবীও আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সেইসাথে রাইস আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ ইবনে রায়য়ান আত-তাঈ এবং অন্যান্যরা—তাদের কাছে আমার পাঠের মাধ্যমে। তাঁরা বললেন: মুসনিদাহ উম্মু আবদুল্লাহ যায়নাব বিনতুল কামাল আহমাদ ইবনে আবদুর রাহীম আস-সাদিয়্যাহ শ্রবণপূর্বক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: ইবরাহিম ইবনে মাহমুদ ইবনে সালিম ইবনুল খাইর এবং মুহাম্মদ ইবনে আবদুল কারীম ইবনে আস-সাইয়িদী আমাদের সংবাদ জানিয়েছেন। তাঁরা উভয়ে বললেন: তুজনি আল-ওয়াহবানিয়্যাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

তিনি (তুজনি) এবং শুহদাহ বলেন: তারাদ্দ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হিলাল ইবনে মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হুসাইন ইবনে ইয়াহইয়া আল-কাত্তান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল আশআস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হাম্মাদ ইবনে যায়দ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, জামীল ইবনে মুররাহ থেকে, তিনি আবুল ওয়াদী থেকে, তিনি আবু বারযাহ আল-আসলামী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম):
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সিত্তাহ ফী মাআনি সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ৪৩৬)
‌‌«الْبَيِّعَانِ بِالْخِيَارِ مَا لَمْ يَتَفَرَّقَا» .

خَرَّجَهُ ابْنُ مَاجَهْ، عَنْ أَبِي الأَشْعَثِ أَحْمَدَ بْنِ الْمِقْدَامِ الْعَجْلِيِّ بِهِ
، فَوَافَقْنَاهُ بِعُلُوٍّ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ.

 

7 - وَأَخْبَرَنَاهُ ابْنُ الذَّهَبِيِّ أيضًا، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنَا الإِمَامُ أَبُو الْحُسَيْنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ الْيُونِينِيُّ، أَخْبَرَنَا الشَّيْخَانِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الإِرْبِلِيُّ، وَالْبَهَاءُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حُضُورًا، قَالا: أَخْبَرَتْنَا فَخْرُ النِّسَاءِ شُهْدَةُ الْكَاتِبَةُ، فَذَكَرَهُ بِمِثْلِهِ.

وَأَبُو الْوَضِيءِ عَبَّادُ بْنُ نَسِيبٍ الْقَيْسِيُّ مَشْهُورٌ بِكُنْيَتِهِ وُثِّقَ.

وَأَبُو بَرْزَةَ نَضْرَةُ بْنُ عُبَيْدٍ الأَسْلَمِيُّ الصَّحَابِيُّ رضي الله عنه

8 - أَنْبَأَنَا الْحَافِظُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ السَّعْدِيُّ، أَنَّ أَبَا نَصْرٍ مُحَمَّدَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْمِزِّيَّ، وَأَبَا الْعَبَّاسِ أَحْمَدَ بْنَ أَبِي طَالِبٍ
‌«ক্রেতা ও বিক্রেতা ততক্ষণ পর্যন্ত ইখতিয়ার (চুক্তি বাতিলের অধিকার) রাখে যতক্ষণ তারা বিচ্ছিন্ন না হয়»।

ইবনে মাজাহ এটি আবু আল-আশআছ আহমদ বিন আল-মিকদাম আল-ইজলির সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
, সুতরাং আমরা উচ্চ সনদে তাঁর সাথে মিলিত হয়েছি এবং সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

 

৭ - ইবনুত জাহাবীও আমাদের এটি সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইমাম আবুল হুসাইন আলী বিন মুহাম্মদ আল-ইউনিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, দুই শায়খ—আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল-ইরবিলি এবং আল-বাহা আব্দুর রহমান বিন ইব্রাহিম আমাদের উপস্থিতিতে সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন: ফখরুন নিসা শুহদাহ আল-কাতিবাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, অতঃপর তিনি এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

আর আবু আল-ওয়াদ্বী আব্বাদ বিন নাসিব আল-কায়সী তাঁর উপনামেই প্রসিদ্ধ এবং তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে।

আর আবু বারজাহ নাদরাহ বিন উবাইদ আল-আসলামী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) একজন সাহাবী।

৮ - হাফেজ আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ আস-সাদি আমাদের জানিয়েছেন যে, আবু নাসর মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-মিজ্জি এবং আবুল আব্বাস আহমদ বিন আবু তালিব...
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সিত্তাহ ফী মাআনি সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ৪৩৭)
الْبَيَّانِيَّ، أَخْبَرَاهُ سَمَاعًا، قَالا: أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْحُرَيْمِيُّ، زَادَ الْمِزِّيُّ، فَقَالَ: وَزَكَرِيَّا بْنُ عَلِيٍّ الْعلبِيُّ، قَالا: أَخْبَرَنَا عَبْدُ الأَوَّلِ بْنُ عِيسَى، سَمَاعًا فِي شَعْبَانَ سَنَةَ ثَلاثٍ وَخَمْسِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ بِجَامِعِ الْمَنْصُورِ مِنْ بَغْدَادَ، أَخْبَرَنَا أَبُو مَنْصُورٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ كلاري، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَحْمَدَ الْهَرَوِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بِبَغْدَادَ سَنَةَ سَبْعَ عَشْرَةَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ الأَشَجُّ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ بَشِيرٍ، حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الْمَلِكِ بْنِ مَيْسَرَةَ، وَنَحْنُ فِي جِنَازَةِ‌‌ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، وَهُوَ يَقُولُ: «إِنِّي لأَحْسَبُهُ خَيْرَ أَهْلِ الأَرْضِ» .

تُوُفِّيَ عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ الْجَمَلِيُّ أَحَدُ الأَعْلامِ سَنَةَ
سِتَّ عَشْرَةَ وَمِائَةٍ، قَالَهُ أَبُو نُعَيْمٍ الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ، وَالأَئِمَّةُ.

أَمَّا عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ الْجُهَنِيُّ الصَّحَابِيُّ سَكَنَ الشَّامَ، فَمَاتَ زَمَنَ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مَرْوَانَ بْنِ الْحَكَمِ، كُنْيَتُهُ: أَبُو مَرْيَمَ

9 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْمُسْنِدُ الصَّالِحُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْقَادِرِ بْنُ الرُّكْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الشَّيْخِ مُحَمَّدِ بْنِ الشَّيْخِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الأَرْمَوِيِّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَتْكَ الْمُسْنِدَةُ أُمُّ عَبْدِ اللَّهِ زَيْنَبُ ابْنَةُ أَحْمَدَ الْمَقْدِسِيَّةُ، إِجَازَةً، إِنْ لَمْ يَكُنْ حُضُورًا، قَالَتْ: أَخْبَرَتْنَا بِنْتُ الْبَاقِدَارِيِّ فِي كِتَابِهَا إِلَيَّ وَهِيَ ضَوْءُ الصَّبَاحِ عَجِيبَةُ، قَالَتْ: أَنْبَأَنِي أَبُو الْفَرَجِ بْنُ الثَّقَفِيِّ وَاسْمُهُ يَحْيَى، قَالَ: كَتَبَ إِلَيَّ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْبُنْدَارِ.

ح وَأَخْبَرَنَا شَيْخُنَا الْمُسْنِدُ الْمُعَمِّرُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ النِّعَالِيُّ، إِجَازَةً، إِنْ لَمْ يَكُنْ سَمَاعًا، قَالَ: أَخْبَرَتْنَا الْمُسْنِدَةُ الْمُعَمِّرَةُ أُمُّ عَبْدِ اللَّهِ فَاطِمَةُ بِنْتُ سُلَيْمَانَ بْنِ عَبْدِ الْكَرِيمِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأَنْصَارِيِّ كِتَابَةً فِي حَادِي عَشَرَ رَبِيعَ الآخِرِ سَنَةَ سَبْعٍ وَسَبْعِ مِائَةٍ، عَنِ الْفَتْحِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ السَّلامِ،
আল-বায়ানি, তারা উভয়ই তাকে শ্রবণের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন। তারা বলেছেন: আব্দুল্লাহ ইবনে উমর আল-হুরাইমি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আল-মিযযি আরও অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: এবং যাকারিয়া ইবনে আলী আল-উলাবি। তারা উভয়ই বলেছেন: আব্দুল আউয়াল ইবনে ঈসা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ৫৫৩ হিজরির শাবান মাসে বাগদাদের জামে আল-মানসুরে শ্রবণের মাধ্যমে। আবু মনসুর আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ কালারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুর রহমান ইবনে আহমদ আল-হারাউই আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ ৩১৭ হিজরিতে বাগদাদে আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে সাঈদ আল-আশাজ্জ আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, আহমদ ইবনে বশির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মিসআর আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন। তিনি বলেন: আমি আব্দুল মালিক ইবনে মাইসারাহকে বলতে শুনেছি, যখন আমরা আমর ইবনে মুররাহর জানাজায় উপস্থিত ছিলাম, তখন তিনি বলছিলেন: "নিশ্চয়ই আমি তাকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষদের একজন মনে করি।"

বরেণ্য ব্যক্তিদের অন্যতম আমর ইবনে মুররাহ আল-জামালি ১১৬ হিজরি
সালে মৃত্যুবরণ করেন। আবু নুয়াইম ফাদল ইবনে দুকাইন এবং অন্যান্য ইমামগণ একথাই বলেছেন।

আর আমর ইবনে মুররাহ আল-জুহানি ছিলেন একজন সাহাবী, যিনি শাম দেশে বসবাস করতেন। তিনি আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ান ইবনে আল-হাকামের শাসনামলে মৃত্যুবরণ করেন। তার উপনাম ছিল আবু মারিয়াম।

৯ - মুসনিদ ও সৎ শায়খ আবু মুহাম্মদ আব্দুল কাদির ইবনে রুকন ইবরাহিম ইবনে শায়খ মুহাম্মদ ইবনে শায়খ ইবরাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আল-আরমাউয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তার কাছে আমার পাঠের মাধ্যমে। আমি তাকে বললাম: মুসনিদাহ উম্মু আব্দুল্লাহ যাইনাব বিনতে আহমদ আল-মাকদিসিয়্যাহ কি আপনাকে ইজাজাত হিসেবে সংবাদ দিয়েছেন, যদি সরাসরি উপস্থিতিতে না হয়ে থাকে? তিনি বললেন: বিনতে আল-বাকদারি তার কাছে পাঠানো চিঠিতে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আর তিনি হলেন দৌউ আস-সাবাহ আজিবা। তিনি বলেছেন: আবু আল-ফারাজ ইবনে আস-সাকাফি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তার নাম ইয়াহইয়া। তিনি বলেছেন: আলী ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-বুন্দার আমার কাছে লিখেছেন।

(হ) আমাদের শায়খ মুসনিদ ও দীর্ঘজীবী আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আন-নিআলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—ইজাজাত হিসেবে, যদি সরাসরি শ্রবণ না হয়ে থাকে। তিনি বলেন: দীর্ঘজীবী মুসনিদাহ উম্মু আব্দুল্লাহ ফাতিমা বিনতে সুলাইমান ইবনে আব্দুল কারিম ইবনে আব্দুর রহমান আল-আনসারি ৭০৭ হিজরির ১১ই রবিউস সানি মাসে লিখিতভাবে ফাতহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুস সালামের সূত্রে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সিত্তাহ ফী মাআনি সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ৪৩৮)
قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مَنْصُورٍ أَنُوشْتِكِينُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الرُضْوَانِيُّ الْحَاجِبُ، سَمَاعًا فِي رَمَضَانَ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَأَرْبَعِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلَيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْبُسْرِيِّ الْبُنْدَارُ، أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُخَلِّصُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ رُشَيْدٍ، حَدَّثَنَا يَعْلَى بْنُ الأَشْدَقِ، سَمِعْتُ النَّابِغَةَ رضي الله عنه، يَقُولُ: " أَنْشَدْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

بَلَغْنَا السَّمَاءَ مَجْدُنَا وَجُدُودُنَا … وَإِنَّا لَنَرْجُو فَوْقَ ذَلَكِ مَظْهَرًا

فَقَالَ صَلَوَاتُ اللَّهِ عَلَيْهِ وَسَلامُهُ:‌‌ أَيْنَ الْمَظْهَرُ يَا أَبَا لَيْلَى؟ ، فَقُلْتُ: فِي الْجَنَّةِ.

قَالَ: أَجَلْ إِنْ شَاءَ اللَّهُ.

ثُمَّ قُلْتُ: وَلا خَيْرَ فِي حِلْمٍ
إِذَا لَمْ تَكُنْ لَهُ بَوَادِرُ تَحْمِي صَفْوَهُ أَنْ يُكَدَّرَا وَلا خَيْرَ فِي جَهْلٍ إِذَا لَمْ يَكُنْ لَهُ حَلِيمٌ إِذَا مَا أَوْرَدَ الأَمْرَ اصْدَرَا فَقَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: لا يَفْضُضِ فُوكَ ".

مَرَّتَيْنِ.
তিনি বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মনসুর আনুশতিকিন ইবনে আব্দুল্লাহ আর-রুদ্বওয়ানি আল-হাজিব, ৫৪৪ হিজরি সনের রমজান মাসে শ্রবণের মাধ্যমে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আলী ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল বুসরি আল-বুন্দার; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-মুখাল্লিস; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দাউদ ইবনে রুশাইদ; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়ালা ইবনুল আশদাক; আমি আন-নাবিগাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: "আমি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কবিতা আবৃত্তি করলাম:

আমাদের মর্যাদা ও আমাদের পিতৃপুরুষগণ আকাশে পৌঁছে গেছে … আর নিশ্চয়ই আমরা এর ঊর্ধ্বে এক উচ্চস্থানের আশা রাখি

অতঃপর আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক—তিনি বললেন:‌‌ হে আবু লায়লা, সেই উচ্চস্থানটি কোথায়? আমি বললাম: জান্নাতে।

তিনি বললেন: হ্যাঁ, ইনশাআল্লাহ।

অতঃপর আমি বললাম: সেই সহনশীলতায় কোনো কল্যাণ নেই
যার মধ্যে এমন কোনো তেজ নেই যা তার নির্মলতাকে কলুষিত হওয়া থেকে রক্ষা করে, আর সেই অজ্ঞতাপূর্ণ আচরণে কোনো কল্যাণ নেই যার জন্য এমন কোনো সহনশীল ব্যক্তি নেই যে কোনো সংকট উপস্থিত হলে তা নিরসন করতে পারে। অতঃপর আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন: "তোমার মুখ যেন ভেঙে না যায়"।"

দুইবার।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সিত্তাহ ফী মাআনি সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ৪৩৯)
10- وَقَرَأْتُهُ عَلَى أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْفَرَضِيِّ غَيْرَ مَرَّةٍ، أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْحَرَّانِيُّ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ شَيْبَانَ، أَنْبَأَنَا عُمَرُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْحَسَّانِيُّ، أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَحْمَدَ الْحَافِظُ، أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبُنْدَارُ، فَذَكَرَهُ.

خَرَّجَهُ الْبَغَوِيُّ الْمَذْكُورُ فِي مُعْجَمِ الصَّحَابَةِ.

وَرَوَاهُ عَنْهُ جَمَاعَةٌ مِنْهُمْ: أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ابْنُ أَخِي مِيمِي، وَعُمَرُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَحْمَدَ الْكَتَّانِيُّ، وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ بَطَّةَ الْعُكْبَرِيُّ، وَعِيسَى بْنُ عَلِيٍّ الْوَزِيرُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيِّ.

تَابَعَهُ أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي الدُّنْيَا، فَرَوَاهُ عَنْ دَاوُدَ بْنِ رُشَيْدٍ، وَإِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، قَالا: حَدَّثَنَا يَعْلَى بْنُ الأَشْدَقِ، فَذَكَرَ نَحْوَهُ.

وَرَوَاهُ أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي دَاوُدَ السِّجِسْتَانِيُّ، عَنْ أَيُّوبَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْوَزَّانِ، عَنْ يَعْلَى.

وَهُوَ عِنْدَ مُحَمَّدِ بْنِ اللَّيْثِ الْجَوْهَرِيِّ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُوسَى الْمُؤَدِّبِ، عَنْ يَعْلَى بْنِ الأَشْدَقِ.

وَرَوَاهُ الْحَارِثُ بْنُ أَبِي أُسَامَةَ، فَقَالَ:
১০- এবং আমি এটি একাধিকবার আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবন ইব্রাহিম আল-ফারাযীর নিকট পাঠ করেছি; তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল ইবন আবি বকর আল-হাররানি থেকে, তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবন শায়বান থেকে, তিনি আমাদের খবর দিয়েছেন উমর ইবন আবি বকর আল-হাসসানি থেকে, তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফেয ইসমাইল ইবন আহমদ থেকে, তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবন আহমদ ইবন মুহাম্মদ আল-বুন্দার থেকে, অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেছেন।

উল্লিখিত বাগাওয়ী এটি ‘মুজামুস সাহাবা’ গ্রন্থে সংকলন করেছেন।

একদল বর্ণনাকারী তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: আবুল হুসাইন মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন আখি মিমি, উমর ইবন ইব্রাহিম ইবন আহমদ আল-কাত্তানি, উবায়দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন বাত্তাহ আল-উকবারি এবং ঈসা ইবন আলী আল-ওয়াযীর; তাঁরা আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ী থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

আবু বকর আবদুল্লাহ ইবন আবিদ দুনিয়া তাঁর অনুসরণ করেছেন, তিনি দাউদ ইবন রুশাইদ এবং ইসমাইল ইবন আবি খালিদ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়ে বলেছেন: ইয়ালা ইবনুল আশদাক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, অতঃপর তিনি অনুরূপ বর্ণনা উল্লেখ করেছেন।

এবং আবু বকর আবদুল্লাহ ইবন আবি দাউদ আস-সিজিস্তানি এটি আইয়ুব ইবন মুহাম্মদ আল-ওয়াযযান থেকে, তিনি ইয়ালা থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং এটি মুহাম্মদ ইবনুল লাইস আল-জাওহারির নিকট ইব্রাহিম ইবন মুসা আল-মুয়াদ্দিব থেকে, তিনি ইয়ালা ইবনুল আশদাক থেকে প্রাপ্ত।

আল-হারিস ইবন আবি উসামা এটি বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তিনি বলেছেন:
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সিত্তাহ ফী মাআনি সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ৪৪০)
أَخْبَرَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ الْفَضْلِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ التَّمِيمِيُّ، حَدَّثَنِي الْحَسَنُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنِي مَنْ سَمِعَ النَّابِغَةَ رضي الله عنه، يَقُولُ: أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.

فَذَكَرَ بِنَحْوِهِ مُطَوَّلا

11 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الذَّهَبِيِّ، فِيمَا قُرِئَ عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، يَوْمَ الأَرْبَعَاءِ ثَالِثُ ذِي الْقِعْدَةِ سَنَةَ ثَمَانٍ وَتِسْعِينَ بِالْغُوطَةِ، أَخْبَرَنَا الأَمِينُ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الأَسَدِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، وَالإِمَامُ أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدٍ الطَّبَرِيُّ، كِتَابَةً مِنْ مَكَّةَ شَرَّفَهَا اللَّهُ تَعَالَى، وَأَبُو الْفَضْلِ سُلَيْمَانُ بْنُ حَمْزَةَ، إِجَازَةً، إِنْ لَمْ يَكُنْ حُضُورًا، وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ يُوسُفَ السُّوَيْدِيُّ، إِجَازَةً، إِنْ لَمْ يَكُنْ سَمَاعًا، وَأَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْكُرْدِيُّ، فِي كِتَابِهِ إِلَيَّ مِنْ مِصْرَ، قَالَ الأَوَلُّ وَالثَّانِي.

أَخْبَرَنَا شُعَيْبُ بْنُ يَحْيَى الزَّعْفَرَانِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ، وَقَالَ أَبُو الْفَضْلِ: أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ هِبَةِ اللَّهِ الْمِصْرِيُّ، سَمَاعًا،
আব্বাস ইবনুল ফাদল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ আত-তামীমী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হাসান ইবনে উবাইদুল্লাহ আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি আমাকে শুনিয়েছেন যিনি আন-নাবিগাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলাম।

অতঃপর তিনি অনুরূপ দীর্ঘ বর্ণনা উল্লেখ করলেন।

১১ - এবং আবু হুরাইরা আবদুর রহমান ইবনুয যাহাবী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, যা তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, ৯৮ হিজরী সনের ৩রা জিলকদ বুধবার গুতায়; আল-আমীন মুহাম্মাদ ইবনে আবি বকর আল-আসাদী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আমি শুনছিলাম; আর ইমাম আবু ইসহাক ইবরাহীম ইবনে মুহাম্মাদ আত-তাবারী মক্কা (যাকে আল্লাহ তা'আলা সম্মানিত করেছেন) থেকে পত্রের মাধ্যমে; এবং আবুল ফাদল সুলাইমান ইবনে হামজাহ অনুমতির (ইজাযাহ) মাধ্যমে যদি সশরীরে উপস্থিত না হয়ে থাকেন; এবং ইসমাঈল ইবনে ইউসুফ আস-সুওয়াইদী অনুমতির (ইজাযাহ) মাধ্যমে যদি সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে না হয়ে থাকে; এবং আবু আলী আল-হাসান ইবনে আলী আল-কুর্দী মিসর থেকে আমার নিকট প্রেরিত তাঁর পত্রের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন; প্রথম এবং দ্বিতীয় জন বললেন।

শুআইব ইবনে ইয়াহইয়া আজ-জা’ফারানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আমরা তা শুনছিলাম; এবং আবুল ফাদল বলেন: আলী ইবনে হিবাতুল্লাহ আল-মিসরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সিত্তাহ ফী মাআনি সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ৪৪১)
وَقَالَ السُّوَيْدِيُّ، وَالْكُرْدِيُّ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُقْرِئُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ.

ح وَأَخْبَرَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، وَابْنُهُ الْمُسْنِدُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالا: أَخْبَرَنَا النَّجْمُ أَبُو بَكْرِ بْنُ مُحَمَّدٍ السُّلَمِيُّ، سَمَاعًا، قَالَ مُحَمَّدٌ: وَأَنَا شَاهِدٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي الْحَرَمِ الْحَاسِبُ، قَالَ هُوَ وَشُعَيْبٌ، وَالْمِصْرِيُّ، وَالْمُقْرِئُ، أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْحَافِظُ، أَخْبَرَنَا أَبُو طَالِبٍ نَصْرُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ محمان قَاضِي الدِّينَوَرِ بِهَا، أَخْبَرَنَا أَبُو سَعْدٍ بُنْدَارُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الرَّوَّاسِيِّ، إِمْلاءً، أَخْبَرَنَا أَبُو الْخَيْرِ زَيْدُ بْنُ رِفَاعَةَ الْكَاتِبُ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ دُرَيْدٍ الأَزْدِيُّ، عَنْ أَبِي حَاتِمٍ السِّجِسْتَانِيِّ، عَنِ الأَصْمَعِيِّ، عَنْ أَبِي عَمْرِو بْنِ الْعَلاءِ، عَنْ نَصْرِ بْنِ عَاصِمٍ اللَّيْثِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: سَمِعْتُ النَّابِغَةَ، يَقُولُ: " أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَأَنْشَدْتُهُ حَتَّى أَتَيْتُ إِلَى قَوْلِي:

أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ إِذْ جَاءَ بِالْهُدَى … وَيَتْلُو كِتَابًا وَاضِحَ الْحَقِّ نَيِّرَا

بَلَغْنَا السَّمَاءَ مَجْدُنَا وَجُدُودُنَا … وَإِنَّا لَنَرْجُو فَوْقَ ذَلِكَ مَظْهَرَا

فَقَالَ صلى الله عليه وسلم:‌‌ إِلَى أَيْنَ يَا أَبَا لَيْلَى؟ فَقُلْتُ: إِلَى الْجَنَّةَ، فَقَالَ صلى الله عليه وسلم: إِنْ شَاءَ اللَّهُ، فَأَنْشَدْتُهُ:

وَلا
خَيْرَ فِي جَهْلٍ إِذَا لَمْ يَكُنْ لَهُ … حَلِيمٌ إِذَا مَا أَوْرَدَ الأَمْرَ أَصْدَرَا

وَلا خَيْرَ فِي حِلْمٍ إِذَا لَمْ يَكُنْ لَهُ … بَوَادِرُ تَحْمِي صَفْوَهُ أَنْ يُكَدَّرَا

فَقَالَ لِي: صَدَقْتَ، لا يَفْضُضِ اللَّهُ فَاكَ ".
সুওয়াইদী এবং কুর্দী বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ আল-মুকরি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা তা শুনছিলাম।

(হা) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হুরায়রা এবং তাঁর পুত্র মুসনিদ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান, তাঁরা উভয়ই বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাজমু আবু বকর বিন মুহাম্মদ আস-সুলামী শ্রবণের মাধ্যমে, মুহাম্মদ বলেন: এবং আমি উপস্থিত ছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান বিন আবিল হারাম আল-হাসিব, তিনি এবং শুআইব, আল-মিসরী ও আল-মুকরি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-হাফিয, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব নাসর বিন আল-হুসাইন বিন মাহমান, যিনি দিনাওয়ারের বিচারক ছিলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ বুন্দার বিন আলী বিন আল-হাসান আর-রাওয়াসি শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল খায়ের যায়েদ বিন রিফায়া আল-কাতিব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন দুরাইদ আল-আযদি, তিনি আবু হাতিম আস-সিজিস্তানি থেকে, তিনি আসমাঈ থেকে, তিনি আবু আমর বিন আল-আলা থেকে, তিনি নাসর বিন আসিম আল-লায়সি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আন-নাবিগাহকে বলতে শুনেছি: "আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলাম এবং তাঁকে কবিতা আবৃত্তি করে শুনালাম, এমনকি আমি আমার এই কথায় পৌঁছালাম:

আমি রাসূলুল্লাহর নিকট এসেছি যখন তিনি হিদায়াত নিয়ে এসেছেন … এবং তিনি পাঠ করেন এমন এক কিতাব যা সত্যকে স্পষ্টকারী ও জ্যোতির্ময়।

আমাদের মর্যাদা ও পূর্বপুরুষদের গৌরব আকাশচুম্বী হয়েছে … এবং আমরা এর ঊর্ধ্বে আরও এক উচ্চতর স্থানের প্রত্যাশা করি।

তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন:‌‌ হে আবু লায়লা, আর কোথায় যাবে? আমি বললাম: জান্নাত পর্যন্ত। তখন তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: ইনশাআল্লাহ। এরপর আমি তাঁকে আবৃত্তি করে শুনালাম:

সেই
অজ্ঞতায় কোনো কল্যাণ নেই যার জন্য এমন কোনো … ধৈর্যশীল ব্যক্তি নেই যে বিষয়টিকে উত্থাপনের পর তার সমাধান করবে।

আর সেই ধৈর্যের মধ্যেও কোনো কল্যাণ নেই যার এমন … তেজ নেই যা এর স্বচ্ছতাকে কলুষিত হওয়া থেকে রক্ষা করবে।

তখন তিনি আমাকে বললেন: তুমি সত্য বলেছ, আল্লাহ তোমার মুখগহ্বর অক্ষত রাখুন।"
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সিত্তাহ ফী মাআনি সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ৪৪২)
قَالَ: فَبَقِيَ عُمْرُهُ أَحْسَنَ ثَغْرًا كُلَّمَا سَقَطَتْ سِنٌّ عَادَتْ أُخْرَى مَكَانَهَا وَكَانَ مُعَمِّرًا.

فَبِاعْتِبَارِ عَدَدَ رِجَالِ هَذِهِ الطَّرِيقِ وَعَدَدَ طَرِيقِنَا الأُولَى، كَأَنِّي سَمِعْتُ هَذَا الْحَدِيثَ مَعَ الْحَافِظِ أَبِي طَاهِرٍ السِّلَفِيِّ، مِنْ شَيْخِهِ أَبِي طَالِبٍ قَاضِي الدِّينَوَرِ وَشَارَكْتُهُ فِيهِ، وَاللَّهُ أَعْلَمُ.

وَلِلْحَدِيثِ طُرُقٌ، مِنْهَا: مَا رَوَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الدُّنْيَا، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي حَاتِمٍ الأَزْدِيِّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْكُوفِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَبِيبٍ، عَنْ مُهَاجِرِ بْنِ سُلَيْمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَرَادٍ، سَمِعْتُ نَابِغَةَ بَنِي جَعْدَةَ، يَقُولُ: أَنْشَدْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَذَكَرَ بِنَحْوِهِ وَحَدَّثَ بِهِ ابْنُ أَبِي الدُّنْيَا أَيْضًا، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ رَاشِدٍ أَبِي إِسْحَاقَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ رَاشِدٍ، أَخْبَرَنَا الرَّحَّالُ بْنُ الْمُنْذِرِ، أَخْبَرَنَا أَبِي، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ
তিনি বললেন: তার সারাজীবন তার দাঁতগুলো অত্যন্ত সুন্দর অবস্থায় ছিল, যখনই কোনো দাঁত পড়ে যেত, তার স্থানে অন্য একটি গজিয়ে যেত। আর তিনি দীর্ঘজীবী ছিলেন।

এই সূত্রের বর্ণনাকারীদের সংখ্যা এবং আমাদের প্রথম সূত্রের সংখ্যার বিচারে, মনে হচ্ছে যেন আমি এই হাদিসটি হাফিজ আবু তাহির আস-সিলাফির সাথে তার শায়খ আবু তালিব কাজী আদ-দিনাওয়ারি থেকে শুনেছি এবং এতে আমি তাঁর অংশীদার হয়েছি। আর আল্লাহই ভালো জানেন।

আর এই হাদিসটির একাধিক সূত্র রয়েছে। তার মধ্যে একটি হলো: যা আবু বকর ইবন আবিদ দুনিয়া বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন আবি হাতিম আল-আজদি থেকে, তিনি বলেন—আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবন মুহাম্মদ আল-কুফি, তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন হাবিব থেকে, তিনি মুহাজির ইবন সুলাইম থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন জারাদ থেকে; তিনি বলেন: আমি নাবিগা বনী জাদা-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে কবিতা আবৃত্তি করেছি—অতঃপর তিনি অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আর ইবন আবিদ দুনিয়া এটি আরও বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবন রাশিদ আবু ইসহাক থেকে, তিনি বলেন—আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবন রাশিদ, তিনি বলেন—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আর-রাহহাল ইবনুল মুনজির, তিনি বলেন—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি...
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সিত্তাহ ফী মাআনি সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ৪৪৩)
كُرَيْزٍ، عَنِ النَّابِغَةِ، فَذَكَرَهُ مُخْتَصَرًا.

كَذَا قَالَ: عَنْ أَبِيهِ، عَنْ كُرَيْزٍ، وَالْمَعْرُوفُ عَنْ أَبِيهِ كُرَيْزٌ، وَقِيلَ فِيهِ: كُرْزٌ، فَهُوَ الرَّحَّالُ بْنُ الْمُنْذِرِ بْنِ كُرْزِ بْنِ سَامَةَ

وَاسْمُ النَّابِغَةُ هَذَا قَيْسُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، سَمَّاهُ كَذَلِكَ أَبُو الْقَاسِمِ الطَّبَرَانِيُّ فِي مُعْجَمِهِ، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ مَنْدَهْ فِي الْمَعْرِفَةِ، وَغَيْرُهُمَا.

وَقِيلَ: اسْمُهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ قَيْسٍ.

وَقِيلَ: حَيَّانُ بْنُ قَيْسٍ، حَكَاهُ أَبُو عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْبَرِّ، وَغَيْرُهُ، وَاللَّهُ أَعْلَمُ.

عَاشَ النَّابِغَةُ مِائَةَ سَنَةٍ وَثَمَانِينَ سَنَةً، وَقِيلَ: مِائَتَيْنِ وَأَرْبَعِينَ سَنَةً.

جَزَمَ بِالأَوَّلِ ابْنُ عَبْدِ الْبَرِّ، وَحُكِيَ الثَّانِي، عَنِ ابْنِ قُتَيْبَةَ.

بَقِيَ النَّابِغَةُ إِلَى زَمَنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، وَكَانَ فِي الْجَاهِلِيَّةِ فِيمَا يُذْكَرُ يَتَدَيَّنُ بِدِينِ إِبْرَاهِيمَ وَالْحَنِيفِيَّةِ، وَيَصُومُ وَيَسْتَغْفِرُ.

وَمِنْ شِعْرِهِ فِي الْجَاهِلِيَّةِ قَصِيدَتُهُ الَّتِي نَسَبَهَا إِلَيْهِ يُونُسُ بْنُ حَبِيبٍ، وَخَلَفٌ الأَحْمَرُ، وَعَلِيُّ بْنُ سُلَيْمَانَ الأَخْفَشُ، وَمُحَمَّدُ بْنُ سَلامٍ الْجُمَحِيُّ، وَغَيْرُهُمْ، وَأَوَّلُهَا: الْحَمْدُ لِلَّهِ لا شَرِيكَ لَهُ مَنْ لَمْ يَقُلْهَا فَنَفْسَهُ ظَلَمَا وَتُرْوَى لأُمَيَّةَ بْنِ أَبِي الصَّلْتِ.
কুরাইয থেকে, তিনি নাবিগাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তিনি তা সংক্ষেপে উল্লেখ করেছেন।

এভাবেই বলা হয়েছে: তাঁর পিতা থেকে, তিনি কুরাইয থেকে; আর প্রসিদ্ধ হলো তাঁর পিতা কুরাইয। তাঁর সম্পর্কে 'কুরয'ও বলা হয়েছে; তিনি হলেন রাহহাল ইবনুল মুনযির ইবনে কুরয ইবনে সামাহ।

এই নাবিগাহ-এর নাম হলো কায়স ইবনে আব্দুল্লাহ। আবুল কাসিম আত-তাবারানি তাঁর 'মুজাম'-এ এবং আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মানদাহ তাঁর 'আল-মারিফাহ' গ্রন্থে এবং অন্যান্যরা তাঁকে এই নামেই অভিহিত করেছেন।

এবং বলা হয়েছে: তাঁর নাম আব্দুল্লাহ ইবনে কায়স।

আবার বলা হয়েছে: হাইয়ান ইবনে কায়স; এটি আবু উমর ইবনে আব্দুল বার ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। আল্লাহই ভালো জানেন।

নাবিগাহ একশত আশি বছর জীবিত ছিলেন; এবং বলা হয়েছে: দুইশত চল্লিশ বছর।

ইবনে আব্দুল বার প্রথমটির ব্যাপারে নিশ্চয়তা ব্যক্ত করেছেন এবং দ্বিতীয়টি ইবনে কুতাইবাহ থেকে বর্ণিত হয়েছে।

নাবিগাহ আব্দুল্লাহ ইবনে আয-যুবাইর-এর সময় পর্যন্ত জীবিত ছিলেন। বর্ণিত আছে যে, জাহেলি যুগে তিনি ইব্রাহিম (আ.)-এর ধর্ম ও হানিফিয়ার অনুসারী ছিলেন এবং তিনি রোজা রাখতেন ও ক্ষমা প্রার্থনা করতেন।

জাহেলি যুগে তাঁর কবিতাগুলোর মধ্যে সেই কাসিদাটিও রয়েছে যা ইউনুস ইবনে হাবিব, খালাফ আল-আহমার, আলী ইবনে সুলাইমান আল-আখফাশ, মুহাম্মাদ ইবনে সালাম আল-জুমাহি এবং অন্যান্যরা তাঁর দিকে নিসবত করেছেন। সেটির প্রারম্ভিক অংশ হলো: 'সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, তাঁর কোনো শরিক নেই; যে ব্যক্তি এটি বলবে না সে নিজের প্রতি জুলুম করল।' এটি উমাইয়াহ ইবনে আবিস সালত-এর কবিতা হিসেবেও বর্ণিত হয়।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সিত্তাহ ফী মাআনি সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ৪৪৪)
قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ سَلامٍ الْجُمَحِيُّ، فِي كِتَابِهِ طَبَقَاتِ الشُّعَرَاءِ الْجَاهِلِيِّينَ وَالإِسْلامِيِّينَ، فِي الطَّبَقَةِ الثَّانِيَةِ مِنْ شُعَرَاءِ الْجَاهِلِيَّةِ: قُلْتُ لِيُونُسَ، يَعْنِي: ابْنَ حَبِيبٍ، كَيْفَ تَقْرَأُ: {وَجِئْتُكَ مِنْ سَبَإٍ بِنَبَإٍ يَقِينٍ} [النمل: 22] فَقَالَ قَالَ النَّابِغَةُ الْجَعْدِيُّ، وَهُوَ أَفْصَحُ الْعَرَبِ: مِنْ سَبَإِ الْحَاضِرِينَ مَأْرِبَ إِذْ يَبْنُونَ مِنْ دُونِ سَيْلِهِ الْعَرِمَا وَهُوَ عَلَى قِرَاءَةِ أَبِي عَمْرٍو، وَيُونُسَ.

وَهَذَا الْبَيْتُ فِي قَصِيدَتِهِ، الَّتِي يَقُولُ فِيهَا: الْحَمْدُ لِلَّهِ لا شريك له من لم يقلها فنفسه ظلما.
আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে সালাম আল-জুমাহি তাঁর 'জাহেলি ও ইসলামি যুগের কবিদের স্তরসমূহ' নামক গ্রন্থে জাহেলি যুগের কবিদের দ্বিতীয় স্তরে বলেছেন: আমি ইউনুসকে অর্থাৎ ইবনে হাবিবকে জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি কীভাবে পাঠ করেন: {এবং আমি সাবা থেকে আপনার নিকট নিশ্চিত সংবাদ নিয়ে এসেছি} [আন-নামল: ২২]? তখন তিনি বললেন: নাবিগা আল-জাদি বলেছেন—আর তিনি ছিলেন আরবদের মধ্যে সর্বাধিক বাগ্মী—: "সাবার সেই অধিবাসীদের থেকে যারা মারিবে উপস্থিত ছিল, যখন তারা এর প্রবল বন্যার বিপরীতে আরিম বাঁধ নির্মাণ করছিল।" আর এটি আবু আমর এবং ইউনুসের পাঠরীতি অনুযায়ী।

এবং এই পঙক্তিটি তাঁর সেই কবিতায় রয়েছে, যাতে তিনি বলেছেন: সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যাঁর কোনো অংশীদার নেই; যে ব্যক্তি তা বলে না সে নিজের প্রতি জুলুম করল।