(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: -)
جزء ابن عرفة (الحسن بن عرفة)
القسم: كتب السنة
الكتاب: جزء الحسن بن عرفة العبدي
المؤلف: أبو علي الحسن بن عرفة بن يزيد العبدي البغدادي (ت 257هـ)
حققه وعلق عليه وخرج أحاديثه وآثاره: عبد الرحمن بن عبد الجبار الفريوائي
الناشر: دار الأقصى، الكويت
الطبعة: الأولى، 1406 هـ - 1985 م
عدد الصفحات: 97
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
জুয ইবনু আরাফাহ (আল-হাসান বিন আরাফাহ)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: জুয আল-হাসান বিন আরাফাহ আল-আবদী
লেখক: আবু আলী আল-হাসান বিন আরাফাহ বিন ইয়াযীদ আল-আবদী আল-বাগদাদী (মৃত্যু ২৫৭ হিজরি)
তাহকীক, টীকা প্রদান এবং হাদিস ও আসারগুলোর তাখরীজ করেছেন: আব্দুর রহমান বিন আব্দুল জাব্বার আল-ফারিওয়ায়ী
প্রকাশক: দারুল আকসা, কুয়েত
সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৬ হিজরি - ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৯৭
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা সংখ্যা মুদ্রণ কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
قَرَأْتُ عَلَى الشَّيْخِ الْأَجَلِّ الصَّدْرِ الْكَبِيرِ ، ثِقَةُ الْمُلُوكِ وَالسَّلَاطِينِ ، نَجِيبُ الدِّينِ أَبِي الْفَرَجِ عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنِ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ عَلِيٍّ الْحَرَّانِيِّ بِالْقَاهِرَةِ الْمَحْرُوسَةِ فِي سَابِعِ عَشَرَ شَهْرِ شَعْبَانَ سَنَةَ إِحْدَى وَسِتِّينَ وَسِتِّمِائَةٍ ، ح وَأَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْإِمَامُ الْعَالِمُ الْمُسْنِدُ زَيْنُ الدِّينِ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الدَّائِمِ بْنِ نِعْمَةَ الْمَقْدِسِيُّ بِمَنْزِلِهِ بِسَفْحِ قَاسْيُونَ بِقِرَاءَةِ يَحْيَى بْنِ أَبِي مَنْصُورِ بْنِ أَبِي الْفَتْحِ الْحَرَّانِيِّ ، وَأَنَا أَسْمَعُ فِي عَاشِرِ رَجَبٍ سَنَةَ سِتِّينَ وَسِتِّمِائَةٍ ، ح وَأَنْبَأَنَا الشَّيْخُ الْإِمَامُ الْعَالِمُ بَقِيَّةُ الْمَشَايِخِ شَرَفُ الدِّينِ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْمُحْسِنِ الْأَنْصَارِيُّ شَيْخُ شُيُوخِ حَمَاهَ ، فِيمَا أَذِنَ لِي سَنَةَ إِحْدَى وَسِتِّينَ وَسِتِّمِائَةٍ قَالُوا: أَنْبَأَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الْمُنْعِمِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ سَعْدِ بْنِ صَدَقَةَ بْنِ الْخَضِرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ كُلَيْبٍ الْحَرَّانِيُّ أَنْبَأَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ بَيَانَ ⦗ص: 40⦘ الرَّزَّازُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ فِي يَوْمِ الْخَمِيسِ الثَّالِثِ وَالْعِشْرِينَ مِنْ شَهْرِ رَبِيعٍ الْآخِرِ سَنَةَ سِتٍّ وَخَمْسِمِائَةٍ ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَخْلَدٍ الْبَزَّارُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ فِي سَنَةِ سَبْعَ عَشْرَةَ ، وَأَيْضًا فِي سَنَةِ ثَمَانِ عَشْرَةَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ صَالِحٍ الصَّفَّارُ النَّحْوِيُّ الْمِلْحِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي مَنْزِلِهِ فِي يَوْمِ الثُّلَاثَاءِ ، لِأَرْبَعٍ خَلَوْنَ مِنْ شَعْبَانَ ، سَنَةَ تِسْعٍ وَثَلَاثِينَ وَثَلَاثِمِائَةٍ ، فَأَقَرَّ بِذَلِكَ ، وَالشَّيْخُ يَنْظُرُ فِي الْأَصْلِ. 1 - حَدَّثَنَا أبو علي الحسن بن عرفة بن يزيد العبدي فِي يَوْمِ الثُّلَاثَاءِ ، ثَانِي ذِي الْحِجَّةِ ، مِنْ سَنَةِ سِتٍّ وَخَمْسِينَ وَمِائَتَيْنِ ، حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ الْمُغِيرَةِ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " آتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ بَابَ الْجَنَّةِ فَأَسْتَفْتِحُ، فَيَقُولُ الْخَازِنُ: مَنْ أَنْتَ؟ فَأَقُولُ: مُحَمَّدٌ، فَيَقُولُ: بِكَ أُمِرْتُ أَنْ لَا أَفْتَحَ لِأَحَدٍ قَبْلَكَ "
আমি মহান শায়খ, মহিমান্বিত নেতা, রাজা ও সুলতানদের আস্থাভাজন, নাজিবুদ্দীন আবুল ফারাজ আব্দুল লতিফ ইবনে আব্দুল মুনইম ইবনে আলী আল-হাররানীর নিকট কায়রোতে ৬৬১ হিজরী সালের ১৭ই শাবান পাঠ করেছি। (হা) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, ইমাম, বিজ্ঞ আলেম, মুসনিদ যাইনুদ্দীন আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনে আব্দুল দায়েম ইবনে নি'মাহ আল-মাকদিসী কাসিয়ুন পাহাড়ের পাদদেশে তার নিজ বাসভবনে; যখন ইয়াহইয়া ইবনে আবি মনসুর ইবনে আবিল ফাতহ আল-হাররানী পাঠ করছিলেন এবং আমি শ্রবণ করছিলাম ৬৬০ হিজরী সালের ১০ই রজব। (হা) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, ইমাম, বিজ্ঞ আলেম, পূর্বসূরি শায়খদের যোগ্য উত্তরসূরি শরফুদ্দীন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল আজীজ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল মুহসিন আল-আনসারী—যিনি হামার শায়খদের প্রধান—সে বিষয়ে যা তিনি আমাকে ৬৬১ হিজরী সালে অনুমতি (ইজাজাহ) দিয়েছিলেন। তারা সকলে বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবুল ফারাজ আব্দুল মুনইম ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে সাদ ইবনে সাদাকাহ ইবনে খাদির ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে কুলাইব আল-হাররানী। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আলী ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে বয়ান ⦗পৃষ্ঠা: ৪০⦘ আর-রাজজাজ, তার উপস্থিতিতে পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি শ্রবণ করছিলাম ৫০৬ হিজরী সালের ২৩শে রবিউস সানি, বৃহস্পতিবার। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে মাখলাদ আল-বাজজার, তার নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি শ্রবণ করছিলাম ৪১৭ হিজরী সালে এবং ৪১৮ হিজরী সালেও। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী ইসমাঈল ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল ইবনে সালিহ আস-সাফফার আন-নাহবী আল-মিলহী, তার বাসভবনে ৩৩৯ হিজরী সালের ৪ঠা শাবান মঙ্গলবার তার নিকট পাঠ করা হচ্ছিল, তিনি তা নিশ্চিত করেছেন এবং শায়খ মূল পাণ্ডুলিপির দিকে তাকাচ্ছিলেন। ১ - আবু আলী হাসান ইবনে আরাফাহ ইবনে ইয়াজিদ আল-আবদী ২৫৬ হিজরী সালের ২রা জিলহজ মঙ্গলবার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবুল নজর হাশিম ইবনুল কাসিম বর্ণনা করেছেন, তিনি সুলাইমান ইবনুল মুগীরাহ থেকে, তিনি ছাবিত আল-বুনানী থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: " আমি কিয়ামতের দিন জান্নাতের দরজায় এসে তা খোলার জন্য আবেদন করব, তখন রক্ষী বলবেন: আপনি কে? আমি বলব: মুহাম্মাদ। তখন তিনি বলবেন: আপনার ব্যাপারেই আমাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, যেন আপনার পূর্বে কারো জন্য (জান্নাত) না খুলি। "
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৪০)
2 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَكْرٍ السَّهْمِيُّ، حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ أَبِي صَغِيرَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، أَنَّ كُرَيْبًا أَخْبَرَهُ، أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ أَخْبَرَهُ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم دَعَا لَهُ أَنْ يَزِيدَهُ اللَّهُ فَهْمًا وَعِلْمًا، قَالَ: ثُمَّ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَامَ، حَتَّى سَمِعْتُهُ ⦗ص: 41⦘ يَنْفُخُ، ثُمَّ أَتَاهُ بِلَالٌ يُنَبِّهُهُ لِلصَّلَاةِ، فَصَلَّى وَلَمْ يَتَوَضَّأْ، أَوْ قَالَ: مَا أَعَادَ وُضُوءًا
২ - আমাদের কাছে হাসান ইবন আরাফা বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আবদুল্লাহ ইবন বাকর আস-সাহমী বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে হাতিম ইবন আবি সাগীরা বর্ণনা করেছেন আমর ইবন দীনার থেকে যে, কুরাইব তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, ইবন আব্বাস তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জন্য দোয়া করেছেন যেন আল্লাহ তাঁর বুঝ ও জ্ঞান বাড়িয়ে দেন। তিনি বলেন: এরপর আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ঘুমাতে দেখলাম, এমনকি আমি তাঁকে শুনতে পেলাম ⦗পৃষ্ঠা: ৪১⦘ নাক ডাকছেন। এরপর বিলাল তাঁকে সালাতের জন্য জাগ্রত করতে আসলেন, তখন তিনি সালাত আদায় করলেন এবং ওজু করলেন না, অথবা তিনি বলেছেন: তিনি ওজু পুনরায় করেননি।
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৪২)
3 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَازِمٍ أَبُو مُعَاوِيَةَ الضَّرِيرُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الْقُرَشِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: لَمَّا ثَقُلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ: «ائْتِنِي بِكَتِفٍ؛ حَتَّى أَكْتُبَ لِأَبِي بَكْرٍ كِتَابًا، لَا يُخْتَلَفُ عَلَيْهِ مِنْ بَعْدِي» ، قَالَ: فَلَمَّا قَامَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَبَى اللَّهُ وَالْمُؤْمِنُونَ أَنْ يَخْتَلِفُوا عَلَى أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ رضي الله عنه»
৩ - হাসান ইবনে আরাফাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে খাযিম আবু মুয়াবিয়া আদ-দারীর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান ইবনে আবি বকর আল-কুরায়শী থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি মুলাইকাহ থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অসুস্থতায় কাতর হয়ে পড়লেন, তখন তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবি বকরকে বললেন: «আমার কাছে পশুর একটি কাঁধের হাড় নিয়ে এসো; যাতে আমি আবু বকরের জন্য একটি দলিল লিখে দিতে পারি, যেন আমার পরে তার ব্যাপারে কোনো মতবিরোধ না হয়», তিনি বলেন: যখন আবদুর রহমান উঠতে উদ্যত হলেন, তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «আল্লাহ এবং মুমিনগণ আবু বকর আস-সিদ্দীক (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর ব্যাপারে মতবিরোধ করতে অস্বীকার করেন»
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৪৩)
4 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْعُمَرِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أُتِيتُ فِي الْمَنَامِ بِعُسٍّ مَمْلُوءٍ لَبَنًا، فَشَرِبْتُ مِنْهُ حَتَّى امْتَلَأْتُ، فَرَأَيْتُهُ يَجْرِي فِي عُرُوقِي، فَفَضَلَتْ فَضْلَةٌ، فَأَخَذَهَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رضي الله عنه فَشَرِبَهَا» ، أَوِّلُوا "، قَالُوا: هَذَا عِلْمٌ آتَاكَهُ اللَّهُ عز وجل حَتَّى إِذَا امْتَلَأْتَ مِنْهُ فَضَلَتْ فَضْلَةٌ، فَأَخَذَهَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ، قَالَ: «أَصَبْتُمْ»
৪ - হাসান ইবন আরাফাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুর রহমান ইবন আবদুর রহমান ইবন আবদুল্লাহ আল-উমারী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবন উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «স্বপ্নে আমার নিকট দুধে পূর্ণ একটি বড় পাত্র আনা হলো। আমি তা থেকে পান করলাম এমনকি আমি পূর্ণ তৃপ্ত হলাম। অতঃপর আমি তা আমার শিরা-উপশিরায় প্রবাহিত হতে দেখলাম। এরপর কিছু অংশ অবশিষ্ট থাকল, অতঃপর উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) সেটি গ্রহণ করলেন এবং পান করলেন।» তিনি বললেন, "তোমরা এর ব্যাখ্যা করো।" তারা বললেন, "এটি হলো ইলম (জ্ঞান) যা আল্লাহ আযযা ওয়া জাল আপনাকে দান করেছেন; এমনকি যখন আপনি তা দ্বারা পূর্ণ হয়ে গেলেন তখন যা অবশিষ্ট থাকল, তা উমর ইবনুল খাত্তাব গ্রহণ করলেন।" তিনি বললেন, "তোমরা সঠিক বলেছ।"
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৪৪)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ 5 - حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْغِفَارِيُّ الْمَدَنِيُّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «عُمَرُ سِرَاجُ أَهْلِ الْجَنَّةِ»
আল-হাসান ইবনে আরাফাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। ৫ - আবদুল্লাহ ইবনে ইবরাহিম আল-গিফারি আল-মাদানি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান ইবনে যায়েদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «উমর জান্নাতবাসীদের প্রদীপ»
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৪৪)
6 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْغِفَارِيُّ الْمَدَنِيُّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ أَبِيهِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " لَيْلَةَ عُرِجَ بِي إِلَى السَّمَاءِ، فَمَا ⦗ص: 45⦘ مَرَرْتُ بِسَمَاءٍ إِلَّا وَجَدْتُ فِيهَا اسْمِي مَكْتُوبًا: مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ، وَأَبُو بَكْرٍ الصِّدِّيقُ خَلْفِي "
৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে আরাফাহ, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে ইব্রাহিম আল-গিফারি আল-মাদানি থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে যায়েদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবু সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে, এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যে রাতে আমাকে আসমানে আরোহণ করানো হয়েছিল, আমি যে আসমানই ⦗পৃষ্ঠা: ৪৫⦘ অতিক্রম করেছি সেখানেই আমার নাম লিখিত পেয়েছি: মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল, এবং আবু বকর সিদ্দিক আমার পশ্চাতে।"
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৪৫)
7 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ ابْنِ عُلَيَّةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ، قَالَ: «لَوْ كَانَ قَتْلُ عُثْمَانَ هُدًى، لَاحْتَلَبَتْ بِهِ الْأُمَّةُ لَبَنًا، وَلَكِنَّهُ كَانَ ضُلَّالًا، فَاحْتَلَبَتْ بِهِ الْأُمَّةُ دَمًا»
৭ - আমাদের নিকট হাসান ইবন আরাফাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইসমাঈল ইবন ইবরাহীম ইবন উলাইয়্যাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি সাঈদ ইবন আবী আরুবাহ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আবু মুসা আল-আশআরী (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: “যদি উসমানকে হত্যা করা সঠিক পথনির্দেশনা হতো, তবে উম্মাহ এর দ্বারা দুধ দোহন করত; কিন্তু তা ছিল পথভ্রষ্টতা, ফলে উম্মাহ এর দ্বারা দোহন করেছে রক্ত।”
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৪৬)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ 8 - حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْوَرَّاقُ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْحَزَوَّرِ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا مَرْيَمَ الثَّقَفِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ عَمَّارَ بْنَ يَاسِرٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ لِعَلِيٍّ رضي الله عنه: «يَا عَلِيُّ طُوبَى لِمَنْ أَحَبَّكَ، وَصَدَّقَ فِيكَ، وَوَيْلٌ لِمَنْ أَبْغَضَكَ، وَكَذَّبَ فِيكَ»
আমাদের কাছে আল-হাসান ইবনে আরাফাহ বর্ণনা করেছেন। ৮ - সাঈদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-ওয়াররাক আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনুল হাযাওয়ার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবু মারইয়াম আস-সাকাফীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি আম্মার ইবনে ইয়াসিরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আলীর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) উদ্দেশ্যে বলতে শুনেছি: «হে আলী! সুসংবাদ তার জন্য যে তোমাকে ভালোবাসে এবং তোমার ব্যাপারে সত্যতা স্বীকার করে, আর ধ্বংস তার জন্য যে তোমাকে ঘৃণা করে এবং তোমার ব্যাপারে মিথ্যা আরোপ করে।»
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৪৬)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ 9 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ صَالِحٍ الْوَاسِطِيُّ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ نَافِعٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَائِمًا عَلَى هَذَا الْمِنْبَرِ، يَعْنِي مِنْبَرَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَهُوَ يَحْكِي رَبَّهُ عز وجل، قَالَ: " إِنَّ اللَّهَ عز وجل إِذَا كَانَ يَوْمُ الْقِيَامَةِ جَمَعَ السَّمَاوَاتِ السَّبْعَ، وَالْأَرَضِينَ السَّبْعَ فِي قَبْضَتِهِ، ثُمَّ بَسَطَهَا، ثُمَّ يَقُولُ: أَنَا اللَّهُ، أَنَا الرَّحْمَنُ، أَنَا الْمَلِكُ، أَنَا الْقُدُّوسُ، أَنَا السَّلَامُ، أَنَا الْمُؤْمِنُ، أَنَا الْمُهَيْمِنُ، أَنَا الْعَزِيزُ، أَنَا الْجَبَّارُ، أَنَا الْمُتَكَبِّرُ، أَنَا الَّذِي بَدَأْتُ ⦗ص: 47⦘ الدُّنْيَا، وَلَمْ تَكُ شَيْئًا، أَنَا الَّذِي أَعَدْتُهَا، أَيْنَ الْمُلُوكُ؟ أَيْنَ الْجَبَابِرَةُ؟ "
হাসান ইবনে আরাফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। ৯ - মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে সালিহ আল-ওয়াসিতি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলায়মান ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি উমর ইবনে নাফে থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে উমর বলেছেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এই মিম্বরের ওপর দণ্ডায়মান দেখেছি—অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মিম্বর—এবং তিনি তাঁর মহান ও পরাক্রমশালী প্রতিপালকের কথা বর্ণনা করছিলেন। তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা যখন কিয়ামতের দিন হবে, তখন সাত আসমান এবং সাত জমিনকে তাঁর আল্লাহর হাতের মুঠোয় একত্রিত করবেন, অতঃপর সেগুলো প্রসারিত করবেন, তারপর বলবেন: আমিই আল্লাহ, আমিই পরম করুণাময়, আমিই মালিক, আমিই অতি পবিত্র, আমিই শান্তিদানকারী, আমিই নিরাপত্তা দানকারী, আমিই রক্ষণাবেক্ষণকারী, আমিই মহাপরাক্রমশালী, আমিই প্রবল প্রতাপশালী, আমিই অহঙ্কারের অধিকারী। আমিই সেই সত্তা যিনি দুনিয়ার ⦗পৃষ্ঠা: ৪৭⦘ সূচনা করেছিলেন যখন তা কিছুই ছিল না, আমিই একে পুনরায় ফিরিয়ে আনব। কোথায় রাজন্যবর্গ? কোথায় স্বৈরাচারীরা?"
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
10 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ شُجَاعٍ الْجَزَرِيُّ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، قَالَ: أَتَيْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ، وَهُوَ يَنْزِعُ مِنْ زَمْزَمٍ، وَقَدِ ابْتَلَّتْ أَسَافِلُ ثِيَابِهِ، فَقُلْتُ لَهُ: قَدْ تُكِلِّمَ فِي الْقَدَرِ، فَقَالَ: «أَوَ قَدْ فَعَلُوهَا» ؟ قُلْتُ: نَعَمْ، قَالَ: " فَوَاللَّهِ، مَا نَزَلَتْ هَذِهِ الْآيَةُ إِلَّا فِيهِمْ: {ذُوقُوا مَسَّ سَقَرَ، إِنَّا كُلَّ شَيْءٍ خَلَقْنَاهُ بِقَدَرٍ} [القمر: 49] ، أُولَئِكَ شِرَارُ هَذِهِ الْأُمَّةِ، لَا تَعُودُوا مَرْضَاهُمْ، وَلَا تُصَلُّوا عَلَى مَوْتَاهُمْ، إِنْ أَرَيْتَنِي أَحَدًا مِنْهُمْ، فَقَأْتُ عَيْنَهُ بِإِصْبَعِيَّ هَاتَيْنِ "
১০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবনে আরাফাহ, তিনি মারওয়ান ইবনে শুজা আল-জাজারি থেকে, তিনি আবদুল মালিক ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে আব্বাসের নিকট আসলাম, এমতাবস্থায় তিনি জমজম থেকে পানি তুলছিলেন এবং তাঁর কাপড়ের নিচের অংশ ভিজে গিয়েছিল। আমি তাঁকে বললাম: তাকদির সম্পর্কে চর্চা শুরু হয়েছে। তিনি বললেন: "তারা কি সত্যিই তা করেছে?" আমি বললাম: হ্যাঁ। তিনি বললেন: "আল্লাহর শপথ, এই আয়াতটি কেবল তাদের ব্যাপারেই অবতীর্ণ হয়েছে: ‘আস্বাদন করো সাকারের (জাহান্নামের) স্পর্শ; নিশ্চয়ই আমি প্রতিটি বস্তু সৃষ্টি করেছি নির্ধারিত পরিমাপে।’ [আল-কামার: ৪৯], তারা এই উম্মতের নিকৃষ্টতম লোক। তোমরা তাদের অসুস্থদের দেখতে যেও না এবং তাদের মৃতদের জানাযার সালাত পড়ো না। যদি তুমি আমাকে তাদের কাউকে দেখাও, তবে আমি আমার এই দুই আঙুল দিয়ে তার চোখ উপড়ে ফেলব।"
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৪৮)
11 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ مَخْزُومٍ، عَنْ سَيَّارٍ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ فِي أَصْحَابِ الْقَدَرِ: «يُسْتَتَابُونَ، فَإِنْ تَابُوا، وَإِلَّا نُفُوا مِنْ دِيَارِ الْمُسْلِمِينَ»
১১ - আমাদের নিকট আল-হাসান ইবনে আরাফাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইসমাইল ইবনে উলাইয়্যাহ বর্ণনা করেছেন মাখজুম থেকে, তিনি সাইয়্যার থেকে, তিনি বলেন: উমর ইবনে আবদুল আজিজ কদরপন্থীদের সম্পর্কে বলেছেন: «তাদের নিকট তাওবা চাওয়া হবে; যদি তারা তাওবা করে তবে ভালো, অন্যথায় তাদেরকে মুসলিমদের জনপদ হতে নির্বাসিত করা হবে»
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৪৮)
12 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ بْنِ أَبِي إِسْحَاقَ السَّبِيعِيُّ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ، عَنْ أَبِي الْمُهَاجِرِ، عَنْ بُرَيْدَةَ الْأَسْلَمِيِّ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي بَعْضِ غَزَوَاتِهِ، قَالَ: فَقَالَ: «بَكِّرُوا بِالصَّلَاةِ فِي يَوْمِ الْغَيْمِ، فَإِنَّهُ مَنْ تَرَكَ صَلَاةَ الْعَصْرِ، حَبِطَ عَمَلُهُ»
১২ - আল-হাসান ইবনে আরাফাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ঈসা ইবনে ইউনুস ইবনে আবি ইসহাক আস-সাবিঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আল-আওযাঈ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর থেকে, তিনি আবু কিলাবাহ থেকে, তিনি আবু আল-মুহাজির থেকে এবং তিনি বুরাইদাহ আল-আসলামী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কোনো এক যুদ্ধে ছিলেন। তিনি বলেন: অতঃপর তিনি বললেন: «মেঘলা দিনে সালাত আগেভাগে আদায় করো; কেননা যে ব্যক্তি আসরের সালাত বর্জন করে, তার আমল নিষ্ফল হয়ে যায়»
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
13 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ الْحِمْصِيُّ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ أَبِي سُوَيْدٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: " الطَّلْحُ الْمَنْضُودُ، قَالَ: الْمَوْزُ "
১৩ - হাসান ইবনে আরাফাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনে আইয়্যাশ আল-হিমসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমাইদ ইবনে আবি সুওয়াইদ থেকে, আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে, আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: " ‘থরে থরে সাজানো কাঁদি বিশিষ্ট গাছ’, তিনি বলেন: ‘তা হলো কলা’ "
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
14 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ يُونُسَ بْنِ يَزِيدَ الْأَيْلِيِّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيِّ، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، قَالَ: «إِنَّمَا كَانَتِ الْفُتْيَا فِي الْمَاءِ مِنَ الْمَاءِ رُخْصَةٌ فِي أَوَّلِ الْإِسْلَامِ، ثُمَّ نُهِيَ عَنْهَا»
14 - আমাদের নিকট হাসান ইবন আরাফাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক থেকে, তিনি ইউনুস ইবন ইয়াযীদ আল-আইলি থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি সাহল ইবন সাদ আস-সাঈদী থেকে, তিনি উবাই ইবন কাব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «নিশ্চয়ই ‘পানির কারণে পানি’ (অর্থাৎ বীর্যপাতের ফলে গোসল করা) সংক্রান্ত ফতোয়াটি ইসলামের শুরুতে একটি বিশেষ অনুমতি ছিল, অতঃপর তা থেকে নিষেধ করা হয়েছে।»
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৫০)
15 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَمْرٍو الْفُقَيْمِيِّ، عَنْ مُنْذِرٍ الثَّوْرِيِّ عَنْ مُحَمَّدِ ابْنِ الْحَنَفِيَّةِ، قَالَ: «لَيْسَ بِحَكِيمٍ مَنْ لَمْ يُعَاشِرْ بِالْمَعْرُوفِ، مَنْ لَمْ يَجِدْ مِنْ مُعَاشَرَتِهِ بُدًّا، حَتَّى يَجْعَلَ اللَّهُ لَهُ فَرَجًا» ، أَوْ قَالَ: «مَخْرَجًا»
১৫ - আমাদের নিকট হাসান ইবন আরাফাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক বর্ণনা করেছেন হাসান ইবন আমর আল-ফুকায়মি থেকে, তিনি মুনজির আস-সাওরি থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনুল হানাফিয়্যাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «ঐ ব্যক্তি প্রজ্ঞাবান নয় যে তার সাথে সদ্ব্যবহার করে না যার সাথে মেলামেশা করা ছাড়া তার কোনো উপায় নেই, যতক্ষণ না আল্লাহ তার জন্য কোনো প্রশস্ততা দান করেন», অথবা তিনি বলেছেন: «মুক্তির পথ»
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৫০)
16 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَبُو حَفْصٍ الْأَبَّارُ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: أَوْقَصَتْ بِمُحْرِمٍ نَاقَتُهُ، فَقَتَلَتْهُ، أَوْ قَالَ: فَدَقَّتْ عُنُقَهُ، فَأُتِيَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، ⦗ص: 51⦘ فَقَالَ: «كَفِّنُوهُ بِثَوْبَيْهِ، وَغَسِّلُوهُ بِمَاءٍ وَسِدْرٍ، وَلَا تُقَرِّبُوهُ طَيِّبًا، وَلَا تُغَطُّوا رَأْسَهُ، فَإِنَّهُ يُبْعَثُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مُلَبِّيًا»
১৬ - হাসান ইবনে আরাফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উমর ইবনে আবদুর রহমান আবু হাফস আল-আব্বার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবি লায়লা থেকে, তিনি আমর ইবনে দিনার থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়র থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: জনৈক ইহরামকারী ব্যক্তির উট তাকে ফেলে দিয়ে হত্যা করল, অথবা তিনি (বর্ণনাকারী) বলেছেন: তার ঘাড় মটকে দিল। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট খবর দেওয়া হলো, ⦗পৃষ্ঠা: ৫১⦘ তখন তিনি বললেন: «তোমরা তাকে তার দুই কাপড়েই কাফন দাও, তাকে পানি ও বরই পাতা দিয়ে গোসল করাও, তাকে সুগন্ধি মাখাবে না এবং তার মাথা ঢাকবে না; কেননা কিয়ামতের দিন সে তালবিয়াহ পাঠরত অবস্থায় পুনরুত্থিত হবে।»
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৫১)
17 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ حَدَّثَنِي مُبَارَكُ بْنُ سَعِيدٍ، أَخُو سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ مَسْرُوقٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، قَالَ: «هَمْدَانُ هَامَةُ الْيَمَنِ، وَكِنْدَةُ فِي الْيَمَنِ كَالشَّاسْبِرِنْبِ فِي الرَّيْحَانِ»
১৭ - হাসান ইবনু আরাফাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুবারক ইবনু সাঈদ—যিনি সুফিয়ান আস-সাওরীর ভাই—আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সাঈদ ইবনু মাসরুক থেকে, তিনি আশ-শা'বী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «হামদান হলো ইয়ামেনের মস্তকস্বরূপ, আর ইয়ামেনে কিনদাহ হলো সুগন্ধি উদ্ভিদের মধ্যে শাশবিরিনবের মতো»
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৫১)
18 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ حَدَّثَنَا قُرَّانُ بْنُ تَمَّامٍ الْأَسَدِيُّ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " مَنْ قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَحْدَهُ لَا شَرِيكُ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، بَعْدَمَا يُصَلِّي الْغَدَاةَ عَشْرَ مَرَّاتٍ، كَتَبَ اللَّهُ عز وجل لَهُ عَشْرَ حَسَنَاتٍ، وَمَحَى عَنْهُ عَشْرَ سَيِّئَاتٍ، وَرَفَعَ لَهُ عَشْرَ دَرَجَاتٍ، وَكُنَّ لَهُ بِعَدْلِ عِتْقِ رَقَبَتَيْنِ مِنْ وَلَدِ إِسْمَاعِيلَ، وَكُنَّ لَهُ حِجَابًا مِنَ الشَّيْطَانِ حَتَّى يُمْسِي، فَإِنْ قَالَهَا حِينَ يُمْسِي كَانَ لَهُ مِثْلُ ذَلِكَ، وَكُنَّ لَهُ حِجَابًا مِنَ الشَّيْطَانِ حَتَّى يُصْبِحَ "
১৮ - আল-হাসান ইবনে আরাফাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন কুররান ইবনে তাম্মাম আল-আসাদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুহাইল ইবনে আবি সালিহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: " যে ব্যক্তি বলবে: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই, রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই জন্য, আর তিনি সকল কিছুর ওপর ক্ষমতাবান—এই জিকিরটি পাঠ করার পর যখন সে ফজরের সালাত আদায় করবে দশবার, মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ তার জন্য দশটি নেকি লিখে দেন, তার দশটি পাপ মুছে দেন, তার দশটি মর্যাদা বৃদ্ধি করেন এবং এগুলো তার জন্য ইসমাঈল (আ.)-এর বংশধর থেকে দু’জন গোলাম আজাদ করার সমতুল্য হয়। আর সন্ধ্যা পর্যন্ত এগুলো তার জন্য শয়তান থেকে রক্ষাকবচ হয়ে থাকে। অতঃপর যদি সে সন্ধ্যার সময় এটি বলে, তবে তার জন্য অনুরূপ প্রতিদান হয় এবং সকাল পর্যন্ত এগুলো তার জন্য শয়তান থেকে রক্ষাকবচ হয়ে থাকে।"
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৫২)
19 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ الْحِمْصِيُّ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ قَيْسٍ التَّمِيمِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «أَيُّ الْخَلْقِ أَعْجَبُ إِلَيْكُمْ إِيمَانًا؟» ، قَالُوا: الْمَلَائِكَةُ، قَالَ: «وَمَا لَهُمْ لَا يُؤْمِنُونَ، وَهُمْ عِنْدَ رَبِّهِمْ عز وجل؟» ، قَالُوا: فَالنَّبِيُّونَ، قَالَ: «وَمَا لَهُمْ لَا يُؤْمِنُونَ، وَالْوَحْيُ يَنْزِلُ عَلَيْهِمْ؟» ، قَالُوا: فَنَحْنُ، قَالَ: «وَمَا لَكُمْ لَا تُؤْمِنُونَ، وَأَنَا بَيْنَ أَظْهُرِكُمْ؟» ، قَالَ: فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَلَا إِنَّ أَعْجَبَ الْخَلْقِ إِلَيَّ إِيمَانًا لَقَوْمٌ يَكُونُونَ مِنْ بَعْدِكُمْ، يَجِدُونَ صُحُفًا فِيهَا كُتُبٌ يُؤْمِنُونَ بِمَا فِيهَا»
১৯ - আমাদের নিকট হাসান ইবনে আরাফাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইসমাইল ইবনে আইয়াশ আল-হিমসি বর্ণনা করেছেন মুগিরা ইবনে কায়স আত-তামিমি থেকে, তিনি আমর ইবনে শুআইব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, আর তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, "সৃষ্টির মধ্যে তোমাদের নিকট ঈমানের দিক থেকে সবচেয়ে বিস্ময়কর কারা?" তাঁরা বললেন, "ফেরেশতারা।" তিনি বললেন, "তারা কেনই বা ঈমান আনবে না, অথচ তারা তাদের মহান ও পরাক্রমশালী রবের সান্নিধ্যে রয়েছে?" তাঁরা বললেন, "তাহলে নবীগণ।" তিনি বললেন, "তারা কেনই বা ঈমান আনবে না, অথচ তাঁদের নিকট ওহী অবতীর্ণ হয়?" তাঁরা বললেন, "তবে আমরা।" তিনি বললেন, "আর তোমাদেরই বা কী হয়েছে যে তোমরা ঈমান আনবে না, অথচ আমি তোমাদের মাঝে বিদ্যমান রয়েছি?" বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "জেনে রেখো, সৃষ্টির মধ্যে আমার নিকট ঈমানের দিক থেকে সবচেয়ে বিস্ময়কর হলো এমন এক জাতি যারা তোমাদের পরে আসবে, তারা কিছু সহীফা (পাণ্ডুলিপি) পাবে যাতে কিতাবসমূহ লিপিবদ্ধ থাকবে এবং তারা তাতে যা আছে তার প্রতি ঈমান আনবে।"
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৫২)
20 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ عَبَّادٍ الْمُهَلَّبِيُّ، عَنْ مُجَالِدِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: دَخَلَتْ عَلَيَّ امْرَأَةٌ مِنَ الْأَنْصَارِ، فَرَأَتْ فِرَاشَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَبَاءَةً ثَنِيَّةً، فَانْطَلَقَتْ، فَبَعَثَتْ إِلَيَّ بِفِرَاشٍ حَشْوُهُ الصُّوفُ، فَدَخَلَ عَلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: «مَا هَذَا يَا عَائِشَةُ؟» ، قَالَتْ: فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ فُلَانَةُ الْأَنْصَارِيَّةُ دَخَلَتْ عَلَيَّ، فَرَأَتْ فِرَاشَكَ، فَذَهَبَتْ، فَبَعَثَتْ إِلَيَّ بِهَذَا، فَقَالَ: «رُدِّيهِ يَا عَائِشَةُ» ، قَالَتْ: فَلَمْ أَرُدَّهُ، وَأَعْجَبَنِي أَنْ يَكُونَ فِي بَيْتِي، حَتَّى قَالَ ذَلِكَ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ، قَالَتْ: فَقَالَ: «رُدِّيهِ يَا عَائِشَةُ فَوَاللَّهِ لَوْ ⦗ص: 53⦘ شِئْتُ لَأَجْرَى اللَّهُ عز وجل مَعِيَ جِبَالَ الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ»
২০ - আল-হাসান ইবনে আরাফাহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন আব্বাদ ইবনে আব্বাদ আল-মুহাল্লাবী আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুজালিদ ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি আশ-শা'বী থেকে, তিনি মাসরুক থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আনসারদের একজন নারী আমার নিকট প্রবেশ করলেন। তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বিছানা হিসেবে একটি ভাঁজ করা কম্বল দেখতে পেলেন। অতঃপর তিনি চলে গেলেন এবং আমার নিকট পশম ভর্তি একটি বিছানা পাঠিয়ে দিলেন। এরপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার ঘরে প্রবেশ করলেন এবং বললেন: «হে আয়েশা, এটি কী?» তিনি (আয়েশা) বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, অমুক আনসারী নারী আমার নিকট এসেছিলেন, তিনি আপনার বিছানা দেখে চলে গিয়েছিলেন এবং আমার নিকট এটি পাঠিয়েছেন। তিনি বললেন: «হে আয়েশা, এটি ফেরত দিয়ে দাও।» আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) বলেন: আমি তা ফেরত দিলাম না, কারণ আমার ঘরে এটি থাকুক তা আমি পছন্দ করছিলাম; এমনকি তিনি তিনবার এ কথাটি বললেন। তিনি বলেন: এরপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «হে আয়েশা, এটি ফিরিয়ে দাও। কারণ আল্লাহর শপথ, আমি যদি ⦗পৃষ্ঠা: ৫৩⦘ চাইতাম তবে মহান আল্লাহ আমার সাথে স্বর্ণ ও রৌপ্যের পাহাড়সমূহ প্রবাহিত করে দিতেন।»
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
21 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ الْبَصْرِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلَانَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا وَقَعَ الذُّبَابُ فِي إِنَاءِ أَحَدِكُمْ، فَإِنَّ فِي أَحَدِ جَنَاحَيْهِ دَاءً، وَفِي الْآخَرِ شِفَاءً، وَإِنَّهُ يَتَّقِي بِالْجَنَاحِ الَّذِي فِيهِ الدَّاءُ، فَلْيَغْمِسْهُ كُلَّهُ، ثُمَّ لِيَنْزِعْهُ»
২১ - আমাদের নিকট হাসান ইবনে আরাফাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট বিশর ইবনুল মুফাদ্দাল আল-বাসরি বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে আজলান থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবি সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “তোমাদের কারো পাত্রে যখন মাছি পড়ে, তখন নিশ্চয়ই তার এক ডানায় রয়েছে রোগ এবং অন্যটিতে আরোগ্য। আর সে সেই ডানাটি দিয়ে আত্মরক্ষা করে যাতে রোগ রয়েছে; সুতরাং সে যেন তাকে পূর্ণরূপে ডুবিয়ে দেয়, এরপর যেন তাকে তুলে ফেলে দেয়।”
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
22 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ خَلِيفَةَ، عَنْ حُمَيْدٍ الْأَعْرَجِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّكَ لَتَنْظُرُ إِلَى الطَّيْرِ فِي الْجَنَّةِ، فَتَشْتَهِيهِ، فَيَخِرُّ بَيْنَ يَدَيْكَ مَشْوِيًّا»
22 - হাসান ইবনে আরাফাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খালাফ ইবনে খলিফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমাইদ আল-আরাজ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বলেছেন: «নিশ্চয়ই তুমি জান্নাতের কোনো পাখির দিকে তাকাবে এবং তা খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা করবে, তখন সেটি তোমার সামনে ভুনা অবস্থায় এসে পড়বে»
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
23 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ حَدَّثَنَا سَلْمُ بْنُ سَالِمٍ الْبَلْخِيُّ، عَنْ نُوحِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ هَذِهِ الْآيَةِ: {لِلَّذِينَ أَحْسَنُوا الْحُسْنَى وَزِيَادَةٌ} [يونس: 26] ، قَالَ: «لِلَّذِينَ أَحْسَنُوا الْعَمَلَ فِي الدُّنْيَا» الْحُسْنَى: وَهِيَ الْجَنَّةُ، قَالَ: وَالزِّيَادَةُ: النَّظَرُ إِلَى وَجْهِ اللَّهِ الْكَرِيمِ
২৩ - আমাদের নিকট হাসান ইবনে আরাফাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট সালম ইবনে সালিম আল-বালখি বর্ণনা করেছেন, তিনি নূহ ইবনে আবী মারইয়াম থেকে, তিনি সাবিত আল-বুনানি থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এই আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: {যারা কল্যাণকর কাজ করেছে তাদের জন্য রয়েছে কল্যাণ এবং আরও বেশি} [ইউনুস: ২৬]। তিনি বললেন: «যারা দুনিয়াতে উত্তম আমল করেছে তাদের জন্য» 'আল-হুসনা' হলো জান্নাত। তিনি বললেন: আর 'যিয়াদাহ' হলো আল্লাহর চেহারার দিকে তাকানো মহান।
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
24 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ صُهَيْبٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِذَا دَخَلَ أَهْلُ الْجَنَّةِ الْجَنَّةَ، نُودُوا: أَنْ يَا أَهْلَ الْجَنَّةِ إِنَّ لَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ مَوْعِدًا لَمْ تَرَوْهُ، فَيَقُولُونَ: مَا هُوَ؟ أَلَمْ يُبَيِّضْ وُجُوهَنَا، وَيُزَحْزِحْنَا عَنِ النَّارِ، وَيُدْخِلْنَا الْجَنَّةَ؟، قَالَ: فَيَكْشِفُ الْحِجَابَ تبارك وتعالى، فَيَنْظُرُونَ إِلَيْهِ "، قَالَ: «فَوَاللَّهِ مَا أَعْطَاهُمُ اللَّهُ شَيْئًا هُوَ أَحَبُّ إِلَيْهِمْ مِنْهُ» ، ثُمَّ قَرَأَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: {لِلَّذِينَ أَحْسَنُوا ⦗ص: 55⦘ الْحُسْنَى وَزِيَادَةٌ} [يونس: 26]
২৪ - আমাদের নিকট হাসান ইবনে আরাফাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইয়াযিদ ইবনে হারুন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাম্মাদ ইবনে সালামাহ সাবিত থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবি লায়লা থেকে, তিনি সুহাইব (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যখন জান্নাতবাসীরা জান্নাতে প্রবেশ করবেন, তখন তাঁদেরকে ডেকে বলা হবে: হে জান্নাতবাসী! আল্লাহর নিকট তোমাদের জন্য একটি প্রতিশ্রুতি রয়েছে যা তোমরা এখনও দেখনি। তাঁরা বলবে: সেটি কী? তিনি কি আমাদের চেহারা উজ্জ্বল করেননি, আমাদের জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেননি এবং আমাদের জান্নাতে প্রবেশ করাননি? তিনি বললেন: অতঃপর বরকতময় ও সুউচ্চ আল্লাহ পর্দা উন্মোচন করবেন, তখন তাঁরা তাঁর দিকে দৃষ্টিপাত করবে।" তিনি বলেন: "আল্লাহর শপথ! আল্লাহ তাঁদেরকে এমন কোনো বস্তু দান করেননি যা তাঁদের নিকট এর চেয়ে অধিক প্রিয়।" এরপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিলাওয়াত করলেন: {যারা কল্যাণকর কাজ করেছে তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত ⦗পৃষ্ঠা: ৫৫⦘ এবং আরও অতিরিক্ত।} [ইউনুস: ২৬]
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
25 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ الْهُجَيْمِيُّ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا قَتَادَةُ، عَنْ نَصْرِ بْنِ عَاصِمٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ الْحُوَيْرِثِ، أَنَّهُ قَالَ: «رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَرْفَعُ يَدَيْهِ فِي صَلَوَاتِهِ إِذَا رَكَعَ، وَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ، حَتَّى يُحَاذِيَ بِهِمَا فُرُوعَ أُذُنَيْهِ»
২৫ - আমাদের নিকট হাসান ইবন আরাফাহ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট খালিদ ইবনুল হারিস আল-হুজাইমী আল-বসরী হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সাঈদ ইবনু আবী আরুবাহ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাতাদাহ সংবাদ দিয়েছেন নাসর ইবন আসিম থেকে, তিনি মালিক ইবনুল হুওয়াইরিস থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, তিনি তাঁর সালাতে যখন রুকু করতেন এবং যখন রুকু থেকে তাঁর মাথা উঠাতেন তখন তাঁর দুই হাত উত্তোলন করতেন, এমনকি তা তাঁর দুই কানের উপরিভাগ বরাবর পৌঁছাত।»
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
26 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ عَاصِمًا الْأَحْوَلَ، يَقُولُ: حَدَّثَنِي شُرَحْبِيلُ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا سَعِيدٍ، وَأَبَا هُرَيْرَةَ، وَابْنَ عُمَرَ، يُحَدِّثُونَ أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «الذَّهَبُ بِالذَّهَبِ، وَزْنًا بِوَزْنٍ، مِثْلًا بِمِثْلٍ، مَنْ زَادَ أَوِ ازْدَادَ فَقَدْ أَرْبَى» قَالَ شُرَحْبِيلُ: إِنْ لَمْ أَكُنْ سَمِعْتُهُ مِنْهُمْ، فَأَدْخَلَنِي اللَّهُ عز وجل النَّارَ
২৬ - হাসান ইবনে আরাফাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুতামির ইবনে সুলায়মান আত-তায়মি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আসিম আল-আহওয়ালকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: শুরাহবিল আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবু সাঈদ, আবু হুরায়রা এবং ইবনে উমরকে বর্ণনা করতে শুনেছেন যে, আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "সোনার বদলে সোনা, ওজনে সমান সমান, সমপরিমাণে। যে ব্যক্তি অতিরিক্ত দিল বা নিল, সে অবশ্যই সুদে লিপ্ত হলো।" শুরাহবিল বলেন: আমি যদি এটি শুনে না থাকি তাঁদের থেকে, তবে মহিমান্বিত ও পরাক্রমশালী আল্লাহ আমাকে জাহান্নামে প্রবেশ করান।
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
27 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلَامِ بْنُ حَرْبٍ الْمُلَائِيُّ، عَنْ خُصَيْفٍ، ⦗ص: 57⦘ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَهَلَّ فِي دُبُرِ الصَّلَاةِ»
২৭ - হাসান ইবনে আরাফাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুস সালাম ইবনে হারব আল-মুলায়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি খুসাইফ থেকে, ⦗পৃষ্ঠা: ৫৭⦘ তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, «রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সালাত শেষে তালবিয়াহ পাঠ শুরু করেছিলেন।»
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ 28 - قَالَ: حَدَّثَنِي الْقَاسِمُ بْنُ مَالِكٍ الْمُزَنِيُّ، عَنِ الْمُخْتَارِ بْنِ فُلْفُلٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: بَيْنَمَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ذَاتَ يَوْمٍ إِذْ أُقِيمَتِ الصَّلَاةُ، فَقَالَ: «يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنِّي إِمَامُكُمْ، فَلَا تَسْبِقُونِي بِالرُّكُوعِ، وَلَا بِالسُّجُودِ، وَلَا بِرَفْعِ رُؤُوسِكُمْ، فَإِنِّي أَرَاكُمْ مِنْ أَمَامِي، وَمِنْ خَلْفِي، وَايْمُ الَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ، لَوْ رَأَيْتُمْ مَا رَأَيْتُ، لَضَحِكْتُمْ قَلِيلًا، وَلَبَكَيْتُمْ كَثِيرًا» ، قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ وَمَا الَّذِي رَأَيْتَ؟، قَالَ: «رَأَيْتُ الْجَنَّةَ وَالنَّارَ»
আল-হাসান ইবনে আরাফাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ২৮ - তিনি বলেন: আল-কাসিম ইবনে মালিক আল-মুযানী আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি মুখতার ইবনে ফুলফুল থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: একদা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপস্থিতিতে যখন নামাযের ইকামত দেওয়া হলো, তখন তিনি বললেন: «হে লোকসকল! নিশ্চয়ই আমি তোমাদের ইমাম, সুতরাং তোমরা রুকুতে, সিজদাতে এবং মাথা ওঠানোর ক্ষেত্রে আমাকে অতিক্রম করো না। নিশ্চয়ই আমি তোমাদেরকে আমার সামনে থেকে এবং আমার পেছন থেকে দেখতে পাই। সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ রয়েছে, যদি তোমরা তা দেখতে যা আমি দেখেছি, তবে তোমরা অবশ্যই অল্প হাসতে এবং অধিক কাঁদতে।» তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কী দেখেছেন? তিনি বললেন: «আমি জান্নাত ও জাহান্নাম দেখেছি।»
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনে আরাফাহ
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
29 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ الْقَعْقَاعِ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: أَيُّ الصَّدَقَةِ أَفْضَلُ؟ قَالَ: " لَتُنَبَّأَنَّ: أَنْ تَصَدَّقَ وَأَنْتَ صَحِيحٌ شَحِيحٌ، تَأْمُلُ الْبَقَاءَ، وَتَخَافُ الْفَقْرَ، وَلَا تُمْهِلْ، حَتَّى إِذَا بَلَغَتِ الْحُلْقُومَ، قُلْتَ: لِفُلَانٍ كَذَا، وَلِفُلَانٍ كَذَا، إِلَّا ⦗ص: 58⦘ وَقَدْ كَانَ لِفُلَانٍ "
২৯ - আল-হাসান ইবনে আরাফাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি জারীর ইবনে আব্দুল হামীদ থেকে, তিনি উমারা ইবনুল কাকা’ থেকে, তিনি আবু যুরআ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করা হলো: কোন সদকা সর্বোত্তম? তিনি বললেন: "তোমাকে অবশ্যই জানানো হবে: তা হলো এমন অবস্থায় তোমার সদকা করা যখন তুমি সুস্থ ও সম্পদলোভী, দীর্ঘ জীবনের আশা রাখো এবং দারিদ্র্যের ভয় করো। আর তুমি বিলম্ব করো না, এমনকি যখন প্রাণ কণ্ঠাগত হয়, তখন তুমি বলো: অমুকের জন্য এতটুকু এবং অমুকের জন্য এতটুকু; অথচ ⦗পৃষ্ঠা: ৫৮⦘ তা তখন অমুকের (ওয়ারিশের) হয়েই গেছে।"