(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: -)
المجالس العشرة الأمالي للحسن الخلال   (أبو محمد الحسن الخلال)

القسم: كتب السنة


الكتاب: المجالس العشرة الأمالي للحسن الخلال

المؤلف: أبو محمد الحسن بن محمد بن الحسن بن علي البغدادي الخَلَّال (ت 439هـ)

دراسة وتحقيق: مجدي فتحي السيد

الناشر: دار الصحابة للتراث، طنطا

الطبعة: الأولى، 1411 هـ - 1990 م

عدد الصفحات: 87

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আল-মাজালিসুল আশারাহ আল-আমালি লিল হাসান আল-খাল্লাল   (আবু মুহাম্মদ হাসান আল-খাল্লাল)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আল-মাজালিসুল আশারাহ আল-আমালি লিল হাসান আল-খাল্লাল

লেখক: আবু মুহাম্মদ হাসান বিন মুহাম্মদ বিন হাসান বিন আলী আল-বাগদাদি আল-খাল্লাল (মৃত্যু ৪৩৯ হি.)

গবেষণা ও সম্পাদনা: মাজদি ফাতহি আস-সাইয়িদ

প্রকাশক: দারুস সাহাবা লিত-তুরাস, তান্তা

সংস্করণ: প্রথম, ১৪১১ হিজরি - ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮৭

[কিতাবের সংখ্যায়ন মুদ্রিত কপির অনুরূপ রাখা হয়েছে]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ١٧)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْإِمَامُ الْمُسْنِدُ الْمُعَمَّرُ الرُّحَلَةُ الْخَطِيبُ صَدْرُ الدِّينِ أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ شَرَفِ الدِّينِ مُحَمَّدِ بْنِ الْمَيْدُومِيِّ قِرَاءَةُ عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ خَامِسَ عَشَرَ شَهْرِ الْمُحَرَّمِ سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وَخَمْسِينَ وَسَبْعِمِائَةٍ بِمَقَامِ سَيِّدِنَا الْخَلِيلِ عَلَيْهِ أَفْضَلُ الصَّلَاةِ وَالسَّلَامِ قَالَ: أَنَا الشَّيْخُ الْأَوْحَدُ نَجِيبُ الدِّينِ أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ نَجْمِ الدِّينِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ نَصْرِ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ الصُّقَيْلِ الْحَرَّانِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ قَالَ: أَنَا الشَّيْخُ الثِّقَةُ عَبْدُ الْمُنْعِمِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ سَعْدِ بْنِ كُلَيْبٍ الْحَرَّانِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ قَالَ: أَنَا الشَّيْخُ الْإِمَامُ أَبُو الْخَيْرِ الْمُبَارَكُ بْنُ الْحُسَينِ بْنِ أَحْمَدَ الْعَسَّالُ الْمُقْرِئُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي دَارِهِ بِبَغْدَادَ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي يَوْمِ الْأَرْبِعَاءِ ثَانِيَ عَشَرَ ذِي الْحِجَّةِ سَنَةَ ثَمَانٍ وَخَمْسِمِائَةٍ فَأَقَرَّ بِهِ، ثنا الشَّيْخُ الْحَافِظُ أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْخَلَّالُ إِمْلَاءً فِي يَوْمِ الْجُمْعَةِ بَعْدَ الصلَّاَةِ لِأَرْبَعَ عَشْرَ خَلَوْنِ مِنْ شَعْبَانَ سَنَةَ ثَمَانٍ وَأَرْبَعِمِائَةٍ بِجَامِعِ الْمَنْصُورِ، ثنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ الْقَطِيعِيُّ إِمْلَاءً،

 

1 - ثنا مُحَمَّدُ بْنُ يُونُسَ بْنِ مُوسَى الْقُرَشِيُّ، ثنا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، ثنا شُعْبَةُ بْنُ الْحَجَّاجِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي يَعْقُوبَ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا نَصْرٍ، يَعْنِي الْهِلَالِيَّ، يُحَدِّثُ عَنْ رَجَاءِ بْنِ حَيْوَةَ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ وَاسْمُهُ صُدَيُّ بْنُ عَجْلَانَ، قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ مُرْنِي بِعَمَلٍ يُدْخِلُنِي الْجَنَّةَ؟ قَالَ: ‌‌«عَلَيْكَ بِالصَّوْمِ فَإِنَّهُ لَا عِدْلَ لَهُ» ثُمَّ أَتَيْتُهُ ثَانِيَةً فَقَالَ: «عَلَيْكَ بِالصَّوْمِ فَإِنَّهُ لَا عِدْلَ لَهُ»
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ, ইমাম, মুসনিদ, দীর্ঘজীবী, বিশ্বভ্রমণকারী পর্যটক, খতিব সদরুদ্দীন আবুল ফাতহ মুহাম্মদ ইবনে শরফুদ্দীন মুহাম্মদ ইবনুল মাইদুমি; তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা শ্রবণ করেছি জুমুআর দিনে, পনেরো মহররম, সাতশ বাহান্ন হিজরি সনে, আমাদের নেতা খলীল (আলাইহিস সালাম)-এর মাকামে—তাঁর প্রতি সর্বোত্তম সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন অনন্য শাইখ নাজীবুদ্দীন আবুল ফারাজ আব্দুল লতিফ ইবনে নাজমুদ্দীন ইবনে আলী ইবনে নাসর ইবনে হিবাতুল্লাহ ইবনুস সুকাইল আল-হাররানি; তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শ্রবণ করেছি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নির্ভরযোগ্য শাইখ আব্দুল মুনইম ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে সাদ ইবনে কুলাইব আল-হাররানি; তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শ্রবণ করেছি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ ইমাম আবুল খায়ের আল-মুবারক ইবনুল হুসাইন ইবনে আহমাদ আল-আসসাল আল-মুকরি; বাগদাদে তাঁর বাসভবনে তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শ্রবণ করেছি বুধবার দিনে, বারো জিলহজ, পাঁচশ আট হিজরি সনে, অতঃপর তিনি তা অনুমোদন করেছেন। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শাইখ হাফেজ আবু মুহাম্মদ হাসান ইবনে মুহাম্মদ আল-খল্লাল—শ্রুতলিপি হিসেবে জুমুআর দিনে সালাতের পর, শাবান মাসের চৌদ্দ তারিখ অতিবাহিত হওয়ার পর, চারশ আট হিজরি সনে, মানসুর জামে মসজিদে। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান ইবনে মালিক আল-কাতিয়ি—শ্রুতলিপি হিসেবে।

 

১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইউনুস ইবনে মুসা আল-কুরাশি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুস সামাদ ইবনে আব্দুল ওয়ারিস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ ইবনুল হাজ্জাজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি ইয়াকুব, তিনি বলেন: আমি আবু নাসরকে—অর্থাৎ আল-হিলালিকে—রাজা ইবনে হাইওয়াহ থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি আবু উমামা আল-বাহিলি থেকে বর্ণনা করেছেন—যার নাম সুদাই ইবনে আজলান—তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন একটি আমলের নির্দেশ দিন যা আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে। তিনি বললেন: ‌‌«তুমি রোজা পালন করো, কেননা এর কোনো সমতুল্য নেই।» অতঃপর আমি দ্বিতীয়বার তাঁর নিকট আসলাম, তখন তিনি বললেন: «তুমি রোজা পালন করো, কেননা এর কোনো সমতুল্য নেই।»
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ١٨)
2 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُظَفَّرِ بْنِ مُوسَى الْحَافِظُ، ثنا حَامِدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ شُعَيْبٍ الْبَلْخِيُّ، ثنا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ مُوسَى، ثنا ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ حُيَيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ‌‌«يَطَّلِعُ اللَّهُ عز وجل إِلَى خَلْقِهِ لَيْلَةَ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ، فَيَغْفِرُ لِعِبَادِهِ إِلَّا اثْنَيْنِ مُشَاحِنًا وَقَاتِلَ نَفْسٍ»
২ - আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল মুজাফফর ইবনে মুসা আল-হাফিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হামিদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে শুআইব আল-বালখি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জুহাইর ইবনে হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান ইবনে মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে লাহিয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুয়াই ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবি আবদুর রহমান আল-হুবুলি থেকে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «আল্লাহ (মহা প্রতাপশালী ও পরাক্রমশালী) শাবানের মধ্যবর্তী রাতে তাঁর সৃষ্টির প্রতি দৃষ্টিপাত করেন, অতঃপর তিনি তাঁর বান্দাদের ক্ষমা করে দেন, তবে দুই ব্যক্তি ব্যতীত: বিদ্বেষ পোষণকারী এবং হত্যাকারী।»
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ١٨)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ،

 

3 - ثنا عَلِيُّ بْنُ عَمْرِو بْنِ سَهْلٍ الْحَرِيرِيُّ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ عُمَيْرٍ، ثنا سَعِيدُ بْنُ عُثْمَانَ التَّنُوخِيُّ الْحِمْصِيُّ، وَعَلِيُّ بْنُ مَعْرُوفٍ الْقَصَّارُ، قَالَا: ثنا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُوسَى، عَنْ سَيْفِ بْنِ مُحَمَّدٍ الثَّوْرِيِّ، عَنِ الْأَحْوَصِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ⦗ص: 19⦘ ‌‌«يَهْبِطُ اللَّهُ عز وجل إِلَى سَمَاءِ الدُّنْيَا إِلَى عِبَادِهِ فِي لَيْلَةِ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ، فَيَطَّلِعُ إِلَيْهِمْ، فَيَغْفِرُ لِكُلِّ مُؤْمِنٍ وَمُؤْمِنَةٍ، وَكُلِّ مُسْلِمٍ وَمُسْلِمَةٍ، إِلَّا كَافِرًا أَوْ كَافِرَةً، أَوْ مُشْرِكًا أَوْ مُشْرِكَةً، أَوْ رَجُلًا بَيْنَهُ وَبَيْنَ أَخِيهِ مُشَاحَنَةٌ، وَيَدَعُ أَهْلَ الْحِقْدِ لِحِقْدِهِمْ»
আমাদের কাছে হাসান বর্ণনা করেছেন,

 

৩ - আলী ইবনে আমর ইবনে সাহল আল-হারীরি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনে উমাইর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে উসমান আত-তানুখী আল-হিমসি এবং আলী ইবনে মারুফ আল-কাসসার আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আব্দুল আজিজ ইবনে মুসা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সাইফ ইবনে মুহাম্মাদ আস-সাওরি থেকে বর্ণিত, আল-আহওয়াস ইবনে হাকিম থেকে বর্ণিত, আবু উমামাহ আল-বাহিলি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ⦗পৃষ্ঠা: ১৯⦘ ‌‌«মহান ও মহিমান্বিত আল্লাহ শাবান মাসের মধ্যরাত্রিতে তাঁর বান্দাদের দিকে দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করেন, অতঃপর তাদের প্রতি দৃষ্টিপাত করেন এবং প্রত্যেক মুমিন ও মুমিনা, এবং প্রত্যেক মুসলিম ও মুসলিমাকে ক্ষমা করে দেন; কেবল কাফির পুরুষ বা নারী, অথবা মুশরিক পুরুষ বা নারী, অথবা এমন ব্যক্তি ব্যতীত যার ও তার ভাইয়ের মধ্যে শত্রুতা বিদ্যমান। আর তিনি বিদ্বেষ পোষণকারীদের তাদের বিদ্বেষের ওপরই ছেড়ে দেন (তথা ক্ষমা করেন না)।’»
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ١٩)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ

 

4 - ثنا يُوسُفُ بْنُ عُمَرَ الزَّاهِدُ، رحمه الله وَعَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ عَلِي اللِّحْيَانِيُّ قَالَا: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمِ بْنِ عِيسَى الْوَرَّاقُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ يَزِيدَ الْجُمَحِيُّ، ثنا جَامِعُ بْنُ صُبْحٍ الرَّمْلِيُّ، ثنا مَرْحُومُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ هِشَامِ بْنِ حَسَّانَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي الْعَاصِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ: "‌‌ إِذَا كَانَ لَيْلَةُ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ نَادَى مُنَادٍ: هَلْ مِنْ مُسْتَغْفِرٍ فَأَغْفِرَ لَهُ، هَلْ مِنْ سَائِلٍ فَأُعْطِيَهُ، فَلَا يَسْأَلُ أَحَدٌ شَيْئًا إِلَّا أُعْطِيَ، إِلَّا زَانِيَةً بِفَرْجِهَا أَوْ مُشْرِكًا "
হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন

 

৪ - ইউসুফ ইবনে উমর আজ-যাহিদ (রহিমাহুল্লাহ) এবং আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে আলী আল-লিহইয়ানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে সুলাইম ইবনে ঈসা আল-ওয়াররাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে ইয়াযীদ আল-জুমাহী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জামি' ইবনে সুবহ আর-রামলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মারহুম ইবনে আব্দুল আযীয আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, দাউদ ইবনে আব্দুর রহমান থেকে, তিনি হিশাম ইবনে হাসান থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি উসমান ইবনে আবিল আস থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "যখন শাবানের মধ্যবর্তী রাত আসে, তখন এক আহ্বানকারী আহ্বান করেন: কোনো ক্ষমা প্রার্থনাকারী আছে কি যে আমি তাকে ক্ষমা করব? কোনো সাহায্যপ্রার্থী আছে কি যে আমি তাকে দান করব? তখন কেউ কোনো কিছু প্রার্থনা করে না যাকে তা প্রদান করা হয় না, তবে ব্যভিচারিণী নারী অথবা মুশরিক ব্যতীত।"
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ١٩)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ

 

5 - ثنا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ سَمْعُونَ الْوَاعِظُ، رحمه الله، أَنْبَأَ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْمِصْرِيُّ، أَنْبَأَ مُطَّلِبُ بْنُ شُعَيْبٍ، وَهَاشِمُ بْنُ يُونُسَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ زَيْدَانَ بْنِ سُوَيْدٍ، وَاللَّفْظُ، لِمُطَّلِبٍ، قَالُوا: أَنْبَأَ أَبُو صَالِحٍ، كَاتَبُ اللَّيْثِ، قَالَ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَقِيلُ بْنُ خَالِدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ الْأَخْنَسِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ⦗ص: 20⦘ ‌‌«تُقْطَعُ الْآجَالُ مِنْ شَعْبَانَ إِلَى شَعْبَانَ، حَتَّى إِنَّ الرَّجُلَ لَيَنْكِحُ، وَيُولَدُ لَهُ، وَلَقَدْ خَرَجَ اسْمُهُ فِي الْمَوْتَى»
আমাদের নিকট হাসান বর্ণনা করেছেন

 

৫ - আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন সামউন আল-ওয়ায়েজ (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলি ইবন মুহাম্মদ ইবন আহমদ আল-মিসরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুত্তালিব ইবন শুয়াইব, হাশিম ইবন ইউনুস এবং মুহাম্মদ ইবন যাইদান ইবন সুওয়াইদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—আর হাদিসের শব্দাবলি মুত্তালিবের—তাঁরা বলেছেন: লাইসের লেখক আবু সালেহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, লাইস ইবন সাদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, উকাইল ইবন খালিদ ইবন শিহাবের সূত্রে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, উসমান ইবন মুহাম্মদ ইবন আল-মুগিরা ইবন আল-আখনাস আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ⦗পৃষ্ঠা: ২০⦘ «এক শাবান থেকে পরবর্তী শাবান পর্যন্ত আয়ুষ্কাল নির্ধারিত করা হয়, এমনকি কোনো ব্যক্তি বিবাহ করে এবং তার সন্তান জন্ম লাভ করে, অথচ ইতোমধ্যে তার নাম মৃতদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছে।»
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٢٠)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ

 

6 - ثنا يُوسُفُ بْنُ عُمَرَ الْقَوَّاسُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ صَالِحٍ الْجَوَارِبيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، ثنا إِسْحَاقُ بْنُ بِشْرٍ الْكَاهِلِيُّ، ثنا عَنْبَسَةُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقُرَشِيُّ، عَنْ عَلَّاقِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ أَبَانَ بْنِ عُثْمَانَ، عَنْ أَبِيهِ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ إِنَّ اللَّهَ عز وجل لَيُشَفِّعُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ثَلَاثَةً: الْأَنْبِيَاءَ، ثُمَّ الْعُلَمَاءَ، ثُمَّ الشُّهَدَاءَ "
আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

 

৬ - ইউসুফ ইবনে উমর আল-কাওয়াস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে সালিহ আল-জাওয়ারিবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসহাক ইবনে বিশর আল-কাহিলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আনবাসাহ ইবনে আবদুর রহমান আল-কুরাশি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল্লাক ইবনে মুসলিম থেকে, তিনি আবান ইবনে উসমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা উসমান ইবনে আফফান (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "‌‌ নিশ্চয়ই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা কিয়ামতের দিন তিন শ্রেণির মানুষকে সুপারিশ করার অনুমতি দেবেন: নবীগণ, অতঃপর আলেমগণ, অতঃপর শহীদগণ।"
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٢١)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ

 

7 - ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُطَّلِبٍ الشَّيْبَانِيُّ، ثنا أَبُو تَمَّامٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ الْأَنْصَارِيُّ، بِالْكُوفَةِ، ثنا حُرَيْثُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْحَارِثِيُّ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْحَاقَ الصِّينِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ رَبِّهِ الْعِجْلِيُّ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدِ بْنِ جُدْعَانَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رضي الله عنه: ‌‌«أَحِبُّوا الْأَيَامَى، وَتَوَدَّدُوا إِلَيْهِمْ، وَاعْلَمُوا أَنَّهُ لَا يَتِمُّ شَرَفٌ إِلَّا بِوِلَايَةِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ عَلَيْهِ السَّلَامُ وَمَوَدَّتِهِ»
আল-হাসান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন।

 

৭ - মুহাম্মাদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন মুত্তালিব আশ-শায়বানি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু তাম্মাম আবদুল্লাহ ইবন আহমাদ আল-আনসারি কুফায় আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, হুরাইস ইবন মুহাম্মাদ আল-হারিসি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম ইবন ইসহাক আস-সিনি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবন আবদি রাব্বিহি আল-ইজলি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবন সালামাহ থেকে, আলি ইবন যাইদ ইবন জুদআন থেকে, সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: ‌‌«তোমরা অবিবাহিতদের (বিধবা ও বিপত্নীক) ভালোবাসো এবং তাদের প্রতি মমতা প্রদর্শন করো; আর জেনে রেখো যে, আলি ইবন আবি তালিব (আলাইহিস সালাম)-এর অভিভাবকত্ব ও ভালোবাসার মাধ্যম ছাড়া কোনো মর্যাদাই পূর্ণতা পায় না।»
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٢١)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ

 

8 - ثنا عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ الْحَافِظُ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الرِّجَالِ، ثنا أَبُو اللَّيْثِ يَزِيدُ بْنُ جَهُورٍ، ثنا أَبُو تَوْبَةَ ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ حَيَّانَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنِ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: ‌‌«لُحِدَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَلِأَبِي بَكْرٍ، وَعُمَرَ رضي الله عنهما»
আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন

 

৮ - আলী বিন উমর বিন আহমাদ আল-হাফিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আবির রিজাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আল-লায়স ইয়াযিদ বিন জাহুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু তাওবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলায়মান বিন হাইয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ থেকে বর্ণিত, তিনি নাফে‘ থেকে এবং তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ‌‌“নবী (সা.), আবু বকর এবং উমর (রা.)-এর জন্য লাহাদ কবর খনন করা হয়েছিল।”
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٢٢)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ

 

9 - ثنا عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ الْحَافِظُ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ الْعَبَّاسِ، ثنا عَبَّادُ بْنُ الْوَلِيدِ، ثنا سَلْمُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، ثنا أَبُو دَاوُدَ النَّخَعِيُّ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ أَعْمَالُ الْأَبْرَارِ مِنَ الرِّجَالِ مِنْ أُمَّتِي: الْخِيَاطَةُ، وَأَعْمَالُ الْأَبْرَارِ مِنَ النِّسَاءِ مِنْ أُمَّتِي الْمِغْزَلُ "
আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান

 

৯ - আলী ইবনে উমর আল-হাফিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনুল আব্বাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্বাদ ইবনুল ওয়ালীদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সালম ইবনুল মুগীরাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু দাউদ আন-নাখাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু হাযিম থেকে, সাহল ইবনে সা'দ আস-সাঈদী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "‌‌আমার উম্মতের পুণ্যবান পুরুষদের আমল হলো সেলাই করা, এবং আমার উম্মতের পুণ্যবতী নারীদের আমল হলো সুতা কাটা।"
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٢٢)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ

 

10 - ثنا أَبُو الْحُسَيْنِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ يَعْقُوبَ الْمُقْرِئُ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الْبَوَّابِ، ثنا أَبُو مُوسَى عِيسَى بْنُ مُحَمَّدٍ الدَّقَّاقُ، ثنا عُبَيْدُ بْنُ شَرِيكٍ ثنا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ نَجْدَةَ، ثنا عَيَّاشٌ، ثنا مُبَارَكُ بْنُ حَسَّانَ، ثنا الْحَسَنُ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ رحمه الله قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ لِكُلِّ شَيْءٍ آفَةٌ وَآفَةُ هَذَا الدِّينِ: وُلَاةُ السُّوءِ "
আল-হাসান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন

 

১০ - আবু আল-হুসাইন উবায়দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে ইয়াকুব আল-মুকরি, যিনি ইবনুল বাওয়াব নামে পরিচিত, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন, আবু মুসা ঈসা ইবনে মুহাম্মাদ আদ-দাক্কাক আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন, উবাইদ ইবনে শারিক আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন, আবদুল ওয়াহহাব ইবনে নাজদাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন, আয়্যাশ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন, মুবারক ইবনে হাসসান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন, আল-হাসান আমাদের নিকট ইবনে মাসউদ (রাহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "‌‌প্রত্যেক জিনিসেরই আপদ রয়েছে, আর এই দ্বীনের আপদ হলো মন্দ শাসকবর্গ। "
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٢٢)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ

 

11 - ثنا أَبُو عُمَرَ بْنُ حَيْوِيَةِ الْخَرَّازُ، حَدَّثَنَا أَبُو حَامِدٍ الْحَضْرَمِيُّ، إِمْلَاءً، ثنا عَلِيُّ بْنُ مُسْلِمٍ الطُّوسِيُّ، ثنا زَافِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ يَبْرُعَ، رَجُلٍ مِنْ أَهْلِ مَرْو قَالَ: كُنْتُ أُجَالِسُ ابْنَ سِيرِينَ فَتَرَكَتُ مُجَالَسَتَهُ وَجَلَسْتُ إِلَى الْمُعْتَزِلَةِ فَرَأَيْتُ فِي الْمَنَامِ أَنِّي مَعَ قَوْمٍ يَحْمِلُونَ جَنَازَةَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ مَالِكٌ: «⦗ص: 23⦘‌‌ أَتَدْرِي مَنْ جَالَسْتَ؟ إِنَّكَ مَعَ قَوْمٍ يَدْفِنُونَ مَا جَاءَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ»
আমাদের নিকট হাসান বর্ণনা করেছেন।

 

১১ - আমাদের নিকট আবু উমর ইবনে হাইওয়ইয়াহ আল-খাররাজ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু হামিদ আল-হাদরামি শ্রুতলিপির মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আলী ইবনে মুসলিম আত-তুসি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট জাফির ইবনে সুলাইমান বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে আল-মুবারক বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে মুসলিম থেকে বর্ণিত, মার্ভের অধিবাসী ইয়াবরু’ নামক এক ব্যক্তি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি ইবনে সিরিনের মজলিসে বসতাম, অতঃপর আমি তাঁর মজলিস ত্যাগ করি এবং মুতাযিলাদের সাথে বসতে শুরু করি। তখন আমি স্বপ্নে দেখলাম যে, আমি এমন এক সম্প্রদায়ের সাথে আছি যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জানাজা বহন করছে। অতঃপর মালিক বললেন: «⦗পৃষ্ঠা: ২৩⦘‌‌তুমি কি জানো তুমি কাদের সাথে বসেছিলে? নিশ্চয়ই তুমি এমন এক সম্প্রদায়ের সাথে আছো যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা নিয়ে এসেছেন তা দাফন করছে (মিটিয়ে দিচ্ছে)।»
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٢٣)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ

 

12 - ثنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ الْأَصْبَهَانِيُّ قَدِمَ عَلَيْنَا، ثنا أَحْمَدُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ فُرَيحٍ، ثنا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي مُوسَى، قَالَ: سَمِعْتُ قَاسِمًا الْجَوْعِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ مُنَبِّهَ بْنَ عُثْمَانَ اللَّخْمِيَّ، يَقُولُ: قَالَ آدَمُ عَلَيْهِ وَعَلَى نَبِيِّنَا السَّلَامُ ‌‌«كُنَّا سَبْيًا مِنْ سَبْيِ الْجَنَّةِ فَسَبَانَا إِبْلِيسُ أَخْزَاهُ اللَّهُ بِالْخَطِيئَةِ، فَلَيْسَ يَنْبَغِي لَنَا إِلَّا الْبُكَاءُ وَالْحُزْنُ، حَتَّى نَرْجِعَ إِلَى الدَّارِ الَّتِي مِنْهَا سُبِينَا»
আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

 

১২ - আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ বিন ইউসুফ আল-আসবাহানি আমাদের নিকট আগমন করে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আহমাদ বিন সাঈদ বিন ফুরাইহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু বকর বিন আবি মুসা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি কাসিম আল-জাওয়ি-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: আমি মুনাব্বিহ বিন উসমান আল-লাখমি-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: আদম (আলাইহিস সালাম এবং আমাদের নবীর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) বলেছেন: «আমরা জান্নাতের বন্দীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম, অতঃপর ইবলিস—আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করুন—পাপের মাধ্যমে আমাদের বন্দী করেছে। সুতরাং আমাদের জন্য ক্রন্দন ও দুঃখ করা ছাড়া আর কিছুই উচিত নয়, যতক্ষণ না আমরা সেই আবাসে ফিরে যাই যেখান থেকে আমাদের বন্দী করা হয়েছিল।»
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٢٦)
حَدَّثَنَا الشَّيْخُ أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْخَلَّالُ رحمه الله إِمْلَاءً فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ بَعْدَ الصَّلَاةِ لِسَبْعٍ بَقِينَ مِنْ شَعْبَانَ سَنَةَ ثَمَانٍ وَثَلَاثِينَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ بِجَامِعِ الْمَنْصُورِ

 

13 - ثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ الْقَطِيعِيُّ إِمْلَاءً، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ شَرِيكِ بْنِ الْفَضْلِ الْأَسَدِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ، ثنا زُهَيْرُ بْنُ مُعَاوِيَةَ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَقَّاصٍ اللَّيْثِيِّ قَالَ: سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رضي الله عنه يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: ‌‌«إِنَّمَا الْأَعْمَالُ بِالنِّيَّةِ، وَإِنَّمَا لِكُلِّ امْرِئٍ مَا نَوَى، فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ؛ فَهِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ، وَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ لِدُنْيَا يُصِيبُهَا أَوِ امْرَأَةٍ يَتَزَوَّجُهَا؛ فَهِجْرَتُهُ إِلَى مَا هَاجَرَ إِلَيْهِ»
শাইখ আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ আল-খাল্লাল (রাহিমাহুল্লাহ) ৪৩৮ হিজরি সালের শাবান মাসের সাত দিন অবশিষ্ট থাকতে জুমার দিনে সালাতের পর মানসুর জামে মসজিদে আমাদের নিকট শ্রুতিলিপি প্রদান করেছেন।

 

১৩ - আবু বকর আহমদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান ইবনে মালিক আল-কাতিয়ী আমাদের নিকট শ্রুতিলিপি প্রদান করেছেন, ইব্রাহিম ইবনে শারিক ইবনে আল-ফজল আল-আসাদি ইবনে আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জুহাইর ইবনে মুয়াবিয়া আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আত-তাইমি থেকে, তিনি আলকামা ইবনে ওয়াক্কাস আল-লায়ছি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ওমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই সকল আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল, আর প্রত্যেক ব্যক্তি যা নিয়ত করে তাই সে পায়। সুতরাং যার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের দিকে, তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের দিকেই গণ্য হবে। আর যার হিজরত দুনিয়া লাভের উদ্দেশ্যে অথবা কোনো নারীকে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে হয়, তবে তার হিজরত সেই উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে যার জন্য সে হিজরত করেছে।»
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٢٦)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ

 

14 - ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ الْعَبَّاسِ الْوَرَّاقُ، ثنا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَاعِدٍ، وَثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ سُوَيْدٍ الْعَنْبَرِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ حُصَيْنِ بْنِ خَالِدٍ الْأَوْلَسيُّ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، بِطَرَسُوسَ ثنا مُحَمَّدُ بْنُ زُنْبُورٍ، بِمَكَّةَ، ثنا الْحَارِثُ بْنُ عُمَيْرٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ عليه السلام، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، عليه السلام قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِنَّ‌‌ فَاتِحَةَ الْكِتَابِ، وَأَيَّةَ الْكُرْسِيِّ، وَالْآيَتَيْنِ مِنْ آلَ عِمْرَانَ {شَهِدَ اللَّهُ أَنَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ وَالْمَلَائِكَةُ وَأُولُو الْعِلْمِ} إِلَى قَوْلِهِ: {سَرِيعُ ⦗ص: 27⦘ الْحِسَابِ} [آل عمران: 19] مُعَلَّقَاتٌ مَا بَيْنَهُنَّ وَبَيْنَ اللَّهِ عز وجل حِجَابٌ، يَقُلْنَ: يَارَبَّ أَهْبِطْنَا إِلَى أَرْضِكَ، وَإِلَى مَنْ يَعْصِيكَ فَيَقُولُ اللَّهُ عز وجل: إِنِّي حَلَفْتُ أَنْ لَا يَقْرَأَكُنَّ أَحَدٌ مِنْ عِبَادِي فِي دُبُرِ كُلِّ صَلَاةٍ إِلَّا جَعَلْتُ الْجَنَّةَ مَثْوَاهُ عَلَى مَا كَانَ مِنْهُ وَإِلَّا أُسْكِنُهُ حَظِيرَةَ الْقُدُسِ، وَإِلَّا نَظَرْتُ إِلَيْهِ بِعَيْنَيَ الْمَكْنُونَةِ فِي كُلِّ يَوْمٍ سَبْعِينَ نَظْرَةً، وَإِلَّا قَضَيْتُ لَهُ كُلَّ يَوْمٍ سَبْعِينَ حَاجَةً أَوَّلُهَا الْمَغْفِرَةُ، وَإِلَّا أَعَذْتُهُ مِنْ كُلِّ عَدُوٍّ وَنَصَرْتُهُ مِنْهُ "
আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন

 

১৪ - মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল ইবনুল আব্বাস আল-ওয়াররাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সায়িদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে সুওয়াইদ আল-আনবারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তারসাসে মুহাম্মদ ইবনে হুসাইন ইবনে খালিদ আল-আওলাসী আবু আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মক্কায় মুহাম্মদ ইবনে জুনবুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হারিস ইবনে উমাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা (তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) থেকে, আলী ইবনে আবি তালিব (তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) বলেছেন: "নিশ্চয়ই ফাতিহাতুল কিতাব, আয়াতুল কুরসি এবং আল-ইমরানের দুটি আয়াত {আল্লাহ সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই এবং ফেরেশতাগণ ও জ্ঞানীরা} তাঁর এই বাণী পর্যন্ত: {দ্রুত ⦗পৃষ্ঠা: ২৭⦘ হিসাব গ্রহণকারী} [আল-ইমরান: ১৯] এগুলো ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল, এগুলোর মাঝে এবং মহান ও প্রতাপশালী আল্লাহর মাঝে কোনো পর্দা ছিল না। তারা বলল: হে রব, আপনি কি আমাদের আপনার জমিনে এবং যারা আপনার অবাধ্য হয় তাদের নিকট পাঠাচ্ছেন? তখন মহান ও প্রতাপশালী আল্লাহ বললেন: আমি শপথ করেছি যে, আমার বান্দাদের মধ্যে যে কেউ প্রত্যেক সালাতের পর তোমাদের পাঠ করবে, আমি জান্নাতকে তার আবাসস্থল বানাব তার আমল যা-ই হোক না কেন, নতুবা আমি তাকে পবিত্র প্রাঙ্গণে (হাজিরাতুল কুদস) স্থান দেব, নতুবা প্রতিদিন সত্তরবার আমার গুপ্ত চোখ দিয়ে তার দিকে তাকাব, নতুবা প্রতিদিন তার সত্তরটি প্রয়োজন পূরণ করব যার প্রথমটি হলো ক্ষমা, নতুবা তাকে প্রত্যেক শত্রু থেকে আশ্রয় দেব এবং তার বিরুদ্ধে তাকে সাহায্য করব।"
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٢٧)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ

 

15 - ثنا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ شَاذَانَ الْبَزَّازُ، ثنا عَبْدُ الْغَافِرِ بْنُ سَلَامَةَ الْحِمْصِيُّ، ثنا مُزْدَادُ بْنُ جَمِيلٍ، ثنا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْجُدِّيُّ، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: " نُهِينَا فِي الْقُرْآنِ أَنْ نَسْأَلَ رَسُولَ اللَّهِ عَنْ شَيْءٍ فَكَانَ يُعْجِبُنَا أَنْ يَجِيءَ الرَّجُلُ الْعَاقِلُ مِنَ الْعَرَبِ، فَيَسْأَلَ وَنَسْمَعُ فَجَاءَ رَجُلٌ فَقَالَ: «يَا مُحَمَّدُ أَتَانَا رَسُولُكَ فَزَعَمَ أَنَّ اللَّهَ عز وجل أَرْسَلَكَ؟ قَالَ» صَدَقَ " قَالَ: فَمَنْ خَلَقَ السَّمَاءَ؟ قَالَ: «اللَّهُ عز وجل» ، قَالَ: فَمَنْ خَلَقَ الْأَرْضَ؟ قَالَ: «اللَّهُ عز وجل» قَالَ: فَمَنْ نَصَبَ الْجِبَالَ وَجَعَلَ فِيهَا مَا جَعَلَ؟ قَالَ: «اللَّهُ عز وجل» قَالَ: فَبِالَّذِي خَلَقَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضَ، وَنَصَبَ الْجِبَالَ، وَجَعَلَ فِيهَا مَا جَعَلَ آللَّهُ أَرْسَلَكَ إِلَيْنَا؟ قَالَ: «نَعَمْ قَالَ وَزَعَمَ لَنَا رَسُولُكَ أَنَّ عَلَيْنَا صَوْمَ ⦗ص: 28⦘ شَهْرٍ فِي سُنَّتِنَا؟ قَالَ» صَدَقَ " قَالَ: وَزَعَمَ لَنَا رَسُولُكَ أَنَّ عَلَيْنَا الْحَجَّ مَنِ اسْتَطَاعَ إِلَيْهِ سَبِيلًا؟ قَالَ: «صَدَقَ» قَالَ: فَبِالَّذِي خَلَقَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضَ، وَنَصَبَ الْجِبَالَ وَجَعَلَ فِيهَا مَا جَعَلَ، آللَّهُ أَمَرَكَ بِهَذَا؟ قَالَ: «نَعَمْ» قَالَ: ثُمَّ وَلَّى الرَّجُلُ، فَقَالَ: وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لَا أَزِيدُ عَلَيْهِنَّ وَلَا أَنْقُصُ مِنْهُنَّ شَيْئًا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لَئِنْ صَدَقَ لَيَدْخُلَنَّ الْجَنَّةَ»
আল-হাসান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন

 

১৫ - আহমাদ ইবনে ইবরাহীম ইবনে শাযান আল-বায্যায আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আব্দুল গাফির ইবনে সালামাহ আল-হিমসি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুযদাদ ইবনে জামিল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আব্দুল মালিক ইবনে ইবরাহীম আল-জুদ্দি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান ইবনুল মুগীরা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সাবিত আল-বুনানি থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "কুরআনে আমাদের রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে কোনো বিষয়ে প্রশ্ন করতে নিষেধ করা হয়েছিল, তাই মরুচারী আরবদের মধ্য থেকে কোনো বুদ্ধিমান লোক এসে তাঁকে প্রশ্ন করবে আর আমরা তা শুনব—এটি আমাদের ভালো লাগত। অতঃপর এক ব্যক্তি এসে বলল: «হে মুহাম্মদ, আপনার দূত আমাদের কাছে এসেছিলেন এবং দাবি করেছেন যে, মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ আপনাকে পাঠিয়েছেন?» তিনি বললেন: «সে সত্য বলেছে»। সে বলল: তবে আকাশ কে সৃষ্টি করেছেন? তিনি বললেন: «মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ»। সে বলল: তবে জমিন কে সৃষ্টি করেছেন? তিনি বললেন: «মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ»। সে বলল: তবে পাহাড়সমূহ কে স্থাপন করেছেন এবং সেগুলোতে যা রাখার তা রেখেছেন? তিনি বললেন: «মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ»। সে বলল: তবে যিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন, পাহাড়সমূহ স্থাপন করেছেন এবং সেগুলোতে যা রাখার তা রেখেছেন—সেই আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, আল্লাহই কি আপনাকে আমাদের কাছে পাঠিয়েছেন? তিনি বললেন: «হ্যাঁ»। সে বলল: আপনার দূত আমাদের কাছে দাবি করেছেন যে, আমাদের ওপর বছরে ⦗পৃষ্ঠা: ২৮⦘ এক মাস রোজা রাখা আবশ্যক? তিনি বললেন: «সে সত্য বলেছে»। সে বলল: আপনার দূত আমাদের কাছে দাবি করেছেন যে, সামর্থ্যবান ব্যক্তির ওপর হজ করা আবশ্যক? তিনি বললেন: «সে সত্য বলেছে»। সে বলল: তবে যিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন, পাহাড়সমূহ স্থাপন করেছেন এবং সেগুলোতে যা রাখার তা রেখেছেন—আল্লাহই কি আপনাকে এসবের নির্দেশ দিয়েছেন? তিনি বললেন: «হ্যাঁ»। অতঃপর লোকটি ফিরে চলল এবং বলল: যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন তাঁর কসম, আমি এগুলোর ওপর কোনো কিছু বৃদ্ধি করব না এবং এগুলো থেকে কোনো কিছু কমাবও না। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «সে যদি সত্য বলে থাকে, তবে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে»
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٢٨)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ

 

16 - ثنا عَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي عَزَّةَ الْعَطَّارُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُصَفَّى بْنِ سَلُولٍ، ثنا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ، فَقَالَ: حَدَّثَنِي حَبِيبُ بْنُ صَالِحٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَيَّاشُ بْنُ يُونُسَ، عَنْ شَدَّادِ بْنِ شُرَاحْبِيلَ الْأَنْصَارِيُّ، أَنَّهُ قَالَ: «مَهْمَا نَسِيتُ مِنْ شَيْءٍ فَلَمْ أَنْسَ أَنِّي‌‌ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَائِمًا يُصَلِّي، وَيَدُهُ الْيُمْنَى عَلَى الْيُسْرَى قَابِضًا عَلَيْهِمَا»
আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

 

১৬ - আলী বিন ইব্রাহিম বিন আবি আজ্জাহ আল-আত্তার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন সুলাইমান আল-ওয়াসিতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন মুসাফফা বিন সালুল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বাকিয়্যাহ বিন আল-ওয়ালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তিনি বললেন: হাবীব বিন সালিহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বললেন: আয়্যাশ বিন ইউনুস আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, শাদ্দাদ বিন শুরাহবিল আল-আনসারী থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন: «আমি যা কিছুই ভুলে যাই না কেন, আমি এ কথা ভুলিনি যে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দণ্ডায়মান অবস্থায় সালাত আদায় করতে দেখেছি, আর তাঁর ডান হাত বাম হাতের উপরে ছিল এবং তিনি তা আঁকড়ে ধরে ছিলেন।»
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٢٨)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ

 

17 - ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْوَرَّاقُ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُوسَى بْنِ مُجَاهِدٍ الْمُقْرِئُ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَيُّوبَ

 

18 - وَحَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْجَوْهَرِيُّ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ إِدْرِيسَ، قَالَ: وَثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَيُّوبَ الْمُخَرِّمِيُّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ كَثِيرِ بْنِ جَعْفَرٍ ⦗ص: 29⦘ الْأَنْصَارِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْمُثَنَّى سُلَيْمَانُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، رحمه الله قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«الْمَدِينَةُ قُبَّةُ الْإِسْلَامِ، وَدَارُ الْإِيمَانِ، وَأَرْضُ الْهِجْرَةِ، وَمُبَيِّنُ الْحَلَالِ وَالْحَرَامِ»
আল-হাসান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন

 

১৭ - মুহাম্মদ ইবন ইসমাঈল আল-ওয়াররাক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আহমাদ ইবন মুসা ইবন মুজাহিদ আল-মুকরি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবন আইয়ুব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন

 

১৮ - এবং আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আলী ইবন মুহাম্মদ ইবন ইব্রাহিম আল-জাওহারী, আল-হাসান ইবন ইদ্রিস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: এবং আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন আইয়ুব আল-মুখাররিমি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবন কাসীর ইবন জাফর ⦗পৃষ্ঠা: ২৯⦘ আল-আনসারী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আল-মুসান্না সুলায়মান ইবন ইয়াযীদ, সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে, আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ‌‌«মদীনা হলো ইসলামের গম্বুজ, ঈমানের আবাসভূমি, হিজরতের ভূমি এবং হালাল ও হারামের বর্ণনাস্থল»
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٢٩)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ

 

19 - ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْفَقِيهُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ الْبَخْتَرِيِّ، ثنا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سُفْيَانَ، ثنا الْحَارِثُ بْنُ سُلَيْمَانَ الرَّمْلِيُّ، ثنا عُقْبَةُ بْنُ عَلْقَمَةَ، أَنْبَأَ الْأَوْزَاعِيُّ وَهُوَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، قَالَ: "‌‌ إِذَا أَشَارَ الْعَبْدُ بِأُصْبُعِهِ فِي الصَّلَاةِ، يَقُولُ اللَّهُ عز وجل: أَخْلَصَ لِي عَبْدِي، وَإِذَا رَفَعَ يَدَيْهِ فِي الصَّلَاةِ يَقُولُ اللَّهُ عز وجل: أَخْلَصَ لِي عَبْدِي، وَإِنِّي لَأَسْتَحِي أَنْ أَرُدَّ عَبْدِي "
আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন

 

১৯ - উবাইদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আল-ফকিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন আমর বিন আল-বাখতারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসহাক বিন ইবরাহিম বিন সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হারিস বিন সুলাইমান আল-রামলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উকবাহ বিন আলকামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আওযাঈ (যিনি হলেন আব্দুর রহমান বিন আমর) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আতা বিন আবি রাবাহ থেকে, তিনি বলেন: "‌‌ যখন বান্দা সালাতে তার আঙুল দিয়ে ইশারা করে, তখন আল্লাহ মহা সম্মানিত ও মহিমান্বিত বলেন: আমার বান্দা আমার প্রতি একনিষ্ঠ হয়েছে; এবং যখন সে সালাতে তার হাত দুটি উত্তোলন করে, তখন আল্লাহ মহা সম্মানিত ও মহিমান্বিত বলেন: আমার বান্দা আমার প্রতি একনিষ্ঠ হয়েছে, আর নিশ্চয়ই আমি আমার বান্দাকে (খালি হাতে) ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করি।"
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٣٢)
20 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْخَلَّالُ الشَّيْخُ الْحَافِظُ إِمَلَاءً فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ بَعْدَ الصَّلَاةِ الثَّامِنِ وَالْعِشْرِينَ مِنْ شَعْبَانَ سَنَةَ ثَمَانٍ وَثَلَاثِينَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ بِجَامِعِ الْمَنْصُورِ: ثنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ الْقَطِيعِيُّ إِمْلَاءً، ثنا عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ مَيْمُونٍ الْمَكِّيُّ، ثنا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرٍو، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ الْحُصَيْنِ وَأَبِي بَكْرَةَ، وَأَبِي بَرْزَةَ، وَمَعْقِلِ بْنِ يَسَارٍ، وَأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالُوا: ‌‌«مَا خَطَبَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، إِلَّا أَمَرَ بِالصَّدَقَةِ، وَنَهَى عَنِ الْمُثْلَةِ»
২০ - হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল আশ-শায়খ আল-হাফিজ ৪৩৮ হিজরি সনের ২৮শে শাবান জুমার দিন সালাতের পর আল-মানসুর জামে মসজিদে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু বকর আহমদ বিন জাফর বিন হামদান বিন মালিক আল-কাতিয়ী আমাদের নিকট শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, আলী বিন আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন মাইমুন আল-মাক্কী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি ইমরান বিন আল-হুসাইন, আবু বাকরাহ, আবু বারযাহ, মা’কিল বিন ইয়াসার এবং আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তাঁরা বলেছেন: ‌‌“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখনই কোনো খুতবা প্রদান করতেন, তখনই তিনি সদকা করার নির্দেশ দিতেন এবং অঙ্গহানি (লাশ বিকৃত করা) করতে নিষেধ করতেন।”
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٣٢)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ

 

21 - ثنا أَبُو عُمَرَ مُحَمَّدُ بْنُ الْعَبَّاسِ بْنِ حَيْوِيَةِ الْخَرَّازُ، ثنا عُثْمَانُ بْنُ سَهْلِ بْنِ مَخْلَدٍ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ صَبَاحٍ، ثنا بُهْلُولُ بْنُ عُبَيْدٍ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، رحمه الله قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «⦗ص: 33⦘‌‌ مَنْ فَطَّرَ صَائِمًا كَانَ لَهُ مِثْلُ أَجْرِ الصَّائِمِ، مِنْ غَيْرِ أَنْ يَنْقُصَ مِنْ أَجْرِ الصَّائِمِ شَيْءٌ»
আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন

 

২১ - আবু উমর মুহাম্মাদ ইবনুল আব্বাস ইবনে হাইওয়ইয়াহ আল-খাররাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উসমান ইবনে সাহল ইবনে মাখলাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান ইবনে সাবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বুহলুল ইবনে উবায়েদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি হাম্মাদ থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি আলকামা থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ (রাহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৩৩⦘‌‌ "যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে, তার জন্য ওই রোজাদারের সমান সওয়াব হবে, অথচ রোজাদারের সওয়াব থেকে সামান্যতমও কমানো হবে না।"
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٣٣)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ

 

22 - ثنا عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ الْوَاعِظُ، ثنا هِشَامُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ هِشَامٍ الْقَارِئُ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ جَرِيرٍ، ثنا عُثْمَانُ بْنُ سَعِيدٍ، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ صَالِحٍ، عَنِ ابْنِ ثَوْبَانَ، عَنْ أَبِي عَمَّارٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، رحمه الله قَالَ: خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي آخِرِ يَوْمٍ مِنْ شَعْبَانَ فَقَالَ: «أَيُّهَا النَّاسُ هَلْ تَدْرُونَ مَا تَسْتَقْبِلُونَهُ؟ وَهَلْ تَدْرُونَ مَا يَسْتَقْبِلُكُمْ؟» قُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ نَزَلَ وَحْي، أَوْ حَضَرَ عَدُوٌّ أَوْ حَدَثَ أَمَرٌ؟ قَالَ: ‌‌«هَذَا شَهْرُ رَمَضَانَ يَسْتَقْبِلُكُمْ وَتَسْتَقْبِلُونَهُ، أَلَا وَإِنَّ اللَّهَ عز وجل لَيْسَ بِتَارِكٍ صَبِيحَةَ الصَّوْمِ أَحَدًا مِنْ أَهْلِ الْقِبْلَةِ إِلَّا غَفَرَ لَهُ» فَنَادَى رَجُلٌ مِنْ أَقْصَى النَّاسِ فَقَالَ: طُوبَى لِلْمُنَافِقِينَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «عَلَيَّ بِالرَّجُلِ» فَأُتِيَ بِهِ فَقَالَ: «مَا لِي أَرَاكَ ضَاقَ ذَرْعُكَ؟» ⦗ص: 34⦘ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ ذَكَرْتَ أَهْلَ الْقِبْلَةِ، وَالْمُنَافِقُونَ مِنْ أَهْلِ الْقِبْلَةِ، فَقَالَ: «أَلَا إِنَّ النِّفَاقَ حَالَ بَيْنَهُمْ وَبَيْنَ الْقِبْلَةِ، أَلَا وَإِنَّ الْمُنَافِقِينَ لَيْسَ لَهُمْ هَا هُنَا نَصِيبٌ، وَلَيْسَ هُمْ مِنَّا وَلَا نَحْنُ مِنْهُمْ، أَلَا إِنَّ الْمُنَافِقِينَ هُمُ الْكَاذِبُونَ»
আল-হাসান আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন।

 

২২ - উমর ইবনে আহমাদ আল-ওয়াইজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে আহমাদ ইবনে হিশাম আল-ক্বারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান ইবনে জারীর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উসমান ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান ইবনে সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে সাওবান থেকে, আবু আম্মার থেকে, আনাস ইবনে মালিক (রাহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শাবান মাসের শেষ দিনে আমাদের সামনে বের হলেন এবং বললেন: «হে লোকসকল! তোমরা কি জানো তোমরা কিসের সম্মুখীন হতে যাচ্ছ? এবং তোমরা কি জানো তোমাদের সামনে কী উপস্থিত হতে যাচ্ছে?» আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! কোনো ওহী কি নাযিল হয়েছে, নাকি কোনো শত্রু উপস্থিত হয়েছে, নাকি কোনো ঘটনা ঘটেছে? তিনি বললেন: «এটি রমজান মাস যা তোমাদের সম্মুখীন হতে যাচ্ছে এবং তোমরাও এর সম্মুখীন হতে যাচ্ছ। জেনে রেখো, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ সিয়ামের প্রথম প্রত্যুষে কিবলার অনুসারীদের কাউকেই ক্ষমা না করে ছাড়বেন না» তখন লোকদের শেষ প্রান্ত থেকে এক ব্যক্তি চিৎকার করে বলল: মুনাফিকদের জন্য সুসংবাদ! তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «লোকটিকে আমার কাছে নিয়ে এসো» তাকে নিয়ে আসা হলো, তখন তিনি বললেন: «কী ব্যাপার, আমি তোমাকে বিচলিত দেখছি কেন?» ⦗পৃষ্ঠা: ৩৪⦘ সে বলল: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কিবলার অনুসারীদের কথা উল্লেখ করেছেন, অথচ মুনাফিকরাও তো কিবলার অনুসারীদের অন্তর্ভুক্ত। তখন তিনি বললেন: «জেনে রেখো, নিশ্চয়ই নিফাক তাদের ও কিবলার মধ্যে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়িয়েছে। জেনে রেখো, নিশ্চয়ই মুনাফিকদের জন্য এখানে কোনো অংশ নেই। তারা আমাদের কেউ নয় এবং আমরাও তাদের কেউ নই। জেনে রেখো, নিশ্চয়ই মুনাফিকরাই হলো চরম মিথ্যাবাদী»
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٣٤)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ

 

23 - ثنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ الدَّارَقُطْنيُّ الْحَافِظُ، ثنا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زِيَادٍ النَّيْسَابُورِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْحَكَمِ، أَنْبَأَ ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي الْخَلِيلُ بْنُ مُرَّةَ، أَنَّ يَحْيَى بْنَ أَبِي كَثِيرٍ، حَدَّثَهُ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، رحمه الله أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَفْطَرَ عِنْدَ أَهْلِ بَيْتٍ قَالَ: ‌‌«أَفْطَرَ عِنْدَكُمُ الصَّائِمُونَ، وَأَكَلَ طَعَامَكُمُ الْأَبْرَارُ، وَتَنَزَّلَتْ عَلَيْكُمُ الْمَلَائِكَةُ»
আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

 

২৩ - হাফিজ আবুল হাসান আলী ইবনে উমর ইবনে আহমাদ আদ-দারা কুতনী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে যিয়াদ আন-নাইসাবুরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আব্দুল হাকাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে ওয়াহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-খালীল ইবনে মুররাহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন, আনাস ইবনে মালিক (রাহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক পরিবারের নিকট ইফতার করলেন এবং বললেন: «তোমাদের নিকট সিয়াম পালনকারীরা ইফতার করেছে, তোমাদের খাবার নেককাররা খেয়েছে এবং তোমাদের ওপর ফেরেশতারা অবতীর্ণ হয়েছে।»
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٣٥)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ

 

24 - ثنا الْقَاضِي أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ الْجَرَّاحيُّ، ثنا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُوسَى الْقَارِئُ، ثنا أَبُو عَمْرٍو قَعْنَبُ بْنُ الْمُحْرِزِ، ثنا أَبُو زَيْدٍ الْأَنْصَارِيُّ وَهُوَ سَعِيدُ بْنُ أَوْسٍ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ إِذَا لَقِمَ أَحَدُكُمْ أَوَّلَ لُقْمَةٍ - يَعْنِي عِنْدَ إِفْطَارِهِ - فَلْيَقُلْ: يَا وَاسِعَ الْمَغْفِرَةِ، اغْفِرْ لِي "
আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন

 

২৪ - বিচারক আবু হাসান আলী ইবনুল হাসান আল-জাররাহী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল আজিজ ইবনে মূসা আল-ক্বারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আমর কানাব ইবনুল মুহরিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু যায়েদ আল-আনসারী—যিনি সাঈদ ইবনে আওস—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে আউন থেকে, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "‌‌ তোমাদের কেউ যখন প্রথম লোকমা গ্রহণ করে—অর্থাৎ তার ইফতারের সময়—তখন সে যেন বলে: হে প্রশস্ত ক্ষমার অধিকারী, আমাকে ক্ষমা করুন। "
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٣٥)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ

 

25 - ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْوَرَّاقُ، وَأَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ شَاذَانَ، قَالَا: ثنا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، ثنا أَبُو نَصْرٍ التَّمَّارُ، ثنا الْقَاسِمُ بْنُ الْفَضْلِ الْحُدَّانِيُّ، عَنِ النَّضْرِ بْنِ شَيْبَانَ، قَالَ: قُلْتُ لِأَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ: حَدِّثْنِي بِشَيْءٍ، سَمِعْتَهُ مِنْ، أَبِيكَ يُحَدِّثُ بِهِ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي يَعْنِي عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَوْفٍ رحمه الله قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «إِنَّ‌‌ اللَّهَ عز وجل فَرَضَ عَلَيْكُمْ صِيَامَ رَمَضَانَ، وَسَنَنْتُ لَكُمْ قِيَامَهُ فَمَنْ صَامَهُ وَقَامَهُ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا، أُخْرِجَ مِنَ الذُّنُوبِ كَيَوْمِ وَلَدَتْهُ أُمُّهُ»
হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন

 

২৫ - মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল আল-ওয়াররাক এবং আহমাদ ইবন ইবরাহীম ইবন শাযান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তারা বলেন: আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ আল-বাগাভী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু নাসর আত-তাম্মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-কাসিম ইবনুল ফাদল আল-হুদ্দানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আন-নাদর ইবন শায়বান থেকে, তিনি বলেন: আমি আবু সালামাহ ইবন আব্দুর রহমানকে বললাম: আপনি আপনার পিতার নিকট থেকে যা শুনেছেন এবং তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যা বর্ণনা করেছেন এমন কিছু আমাকে বর্ণনা করুন। তিনি বললেন: আমার পিতা অর্থাৎ আব্দুর রহমান ইবন আউফ (রহিমাহুল্লাহ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই‌‌ মহান আল্লাহ তোমাদের ওপর রমজানের রোজা ফরজ করেছেন এবং আমি তোমাদের জন্য এর কিয়ামকে (রাত্রিকালীন ইবাদত) সুন্নাত করেছি; অতএব যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও সওয়াবের আশায় রোজা রাখবে এবং কিয়াম করবে, সে তার গুনাহসমূহ থেকে এমনভাবে বের হয়ে আসবে যেমন তার মা তাকে জন্ম দেওয়ার দিনে (নিষ্পাপ) ছিল।»
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٣٥)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ

 

26 - ثنا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الزَّيَّاتُ، ثنا أَبُو عِمْرَانَ مُوسَى بْنُ سَهْلٍ الْجَوْنِيُّ، ثنا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، ثنا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا عَمْرُو بْنُ أَبِي عَمْرٍو، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، رحمه الله قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ⦗ص: 36⦘ ‌‌«رُبَّ قَائِمٍ حَظُّهُ مِنْ قِيَامِهِ السَّهَرُ، وَرُبَّ صَائِمٍ حَظُّهُ مِنْ صِيَامِهِ الْجُوعُ وَالْعَطَشُ»
আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান।

 

২৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আজ-যাইয়াত, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইমরান মুসা ইবনে সাহল আল-জাওনী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে আম্মার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে আবি আমর, সাঈদ ইবনে আবি সাঈদ থেকে বর্ণিত, আবু হুরাইরা (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৩৬⦘ «এমন অনেক কিয়ামকারী আছে যার কিয়াম থেকে প্রাপ্তি কেবল রাত জাগরণই, এবং এমন অনেক রোজা পালনকারী আছে যার রোজা থেকে প্রাপ্তি কেবল ক্ষুধা ও পিপাসা।»
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٣٦)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ

 

27 - ثنا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ بْنِ أَحْمَدَ الْمَازِنِيُّ الْكَاتِبُ، ثنا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ النَّيْسَابُورِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ الْمَلِكِ الْوَاسِطِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ يَزِيدَ بْنِ هَارُونَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ الْمَسْعُودِيَّ، يَقُولُ: بَلَغَنِي «أَنَّهُ »‌‌ مَنْ قَرَأَ فِي أَوَّلِ لَيْلَةٍ مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ إِنَّا فَتَحْنَا لَكَ فَتْحًا مُبِينًا فِي التَّطَوُّعِ حُفِظَ فِي ذَلِكَ الْعَامِ "
আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

 

২৭ - আবু বকর ইবন আবদুর রহিম ইবন আহমদ আল-মাজিনী আল-কাতিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বকর আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন যিয়াদ আন-নাইসাবুরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ ইবন আবদুল মালিক আল-ওয়াসিতিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইয়াযীদ ইবন হারুনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল-মাসউদীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, «নিশ্চয়ই» ‌‌যে ব্যক্তি রমজান মাসের প্রথম রাতে নফল সালাতে 'নিশ্চয়ই আমি আপনার জন্য এক সুস্পষ্ট বিজয় উন্মোচন করেছি' (সুরা আল-ফাতহ) পাঠ করবে, তাকে সেই বছরে সুরক্ষিত রাখা হবে। "
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٣٧)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ

 

28 - ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ هَمَّامٍ الشَّيْبَانِيُّ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ طَلْحَةَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْعَامِرِيُّ الْقَاضِي، ثنا أَبِي، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُؤَمَّلِ الْحِمْيَرِيُّ الْغَزِّيُّ، ثنا عَمْرُو بْنُ هَاشِمٍ الْبَيْرُوتيُّ، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ أَبِي كَرِيمَةَ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ الْمُنْذِرِ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، رَفَعَ الْحَدِيثَ، قَالَ: "‌‌ يُوحِي اللَّهُ عز وجل إِلَى الْمَلَكَيْنِ: لَا تَكْتُبَا عَلَى عَبْدِيَ الصَّائِمِ بَعْدَ الْعَصْرِ سَيِّئَةً "
আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন

 

২৮ - মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন হাম্মাম আশ-শাইবানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ বিন তালহা বিন মুহাম্মদ আল-আমিরি আল-কাদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ বিন আল-মুআম্মাল আল-হিমইয়ারি আল-গাজ্জি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমরু বিন হাশিম আল-বাইরুতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান বিন আবি কারিমা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, নুমান বিন আল-মুনজির থেকে বর্ণিত, জুহরি থেকে বর্ণিত, আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণিত, তিনি হাদিসটি মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "‌‌ মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ দুই ফেরেশতার প্রতি ওহি করেন: আসরের পর আমার রোজা পালনকারী বান্দার বিরুদ্ধে কোনো পাপ লিখো না। "
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٣٧)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ

 

29 - ثنا يُوسُفُ بْنُ عُمَرَ الزَّاهِدُ، رحمه الله قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مُحَمَّدِ بْنِ مَخْلَدٍ قُلْتُ لَهُ: حَدَّثَكُمْ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَهْدِيٍّ الْأَيْلِيُّ، ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْمُتَوَكِّلِ أَبُو سَعِيدٍ، ثنا صَالِحُ النَّاجِيُّ قَالَ: شَهِدْتُ الْهَيْثَمَ الْقَارِئَ فَسَمِعْتُهُ يَقُولُ: "‌‌ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْمَنَامِ فَقَالَ لِي: أَنْتَ الْهَيْثَمُ الْقَارِئُ الَّذِي تُزَيَّنُ الْقُرْآنَ بِصَوْتِكَ؟ قُلْتُ: نَعَمْ، قَالَ: جَزَاكَ اللَّهُ خَيْرًا "
আমাদের নিকট হাসান বর্ণনা করেছেন।

 

২৯ - ইউসুফ বিন উমর আল-জাহিদ (রাহিমাহুল্লাহ) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মাদ বিন মাখলাদের নিকট পাঠ করেছি এবং তাঁকে বলেছি: আপনাদের নিকট ইবরাহিম বিন মাহদি আল-আইলি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আব্দুর রহমান বিন আল-মুতাওয়াক্কিল আবু সাঈদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সালিহ আন-নাজি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি কারি হায়সামের সান্নিধ্য পেয়েছি এবং তাঁকে বলতে শুনেছি: "‌‌আমি স্বপ্নে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে দেখেছি, তিনি আমাকে বললেন: আপনিই কি সেই কারি হায়সাম, যিনি কুরআনকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করেন আপনার কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে? আমি বললাম: হ্যাঁ, তিনি বললেন: আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।"
(খণ্ড: ১) আল মাজালিসুল আশরাতুল আমালি লিল হাসান আল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٣٨)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ

 

30 - ثنا عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ الْوَاعِظُ، ثنا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا الْحُسَيْنُ بْنُ الْحَسَنِ، أَنْبَأَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَنْبَأَ مُحَمَّدُ بْنُ مُطَرِّفٍ، عَنِ الْحَجَّاجِ بْنِ فُرَافِصَةَ، قَالَ: بَلَغَنَا فِي بَعْضِ الْكُتُبِ: ‌‌«مَنْ عَمِلَ بِغَيْرِ مَشُورَةٍ فَذَاكَ بَاطِلٌ يَتَعَنَّى، وَمَنْ لَمْ يُنْصَرْ مِنْ ظَالِمِهِ بِيَدٍ وَلَا بِلِسَانٍ وَلَا حِقْدٍ فَذَاكَ عِلْمُهُ يَقِينٌ، وَمَنِ اسْتَغْفَرَ لِظَالِمِهِ فَقَدْ هَزَمَ الشَّيْطَانَ لَعَنَهُ اللَّهُ»
হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

 

30 - উমর ইবন আহমাদ আল-ওয়ায়িজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবন মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হুসাইন ইবন হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবন মুতাররিফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাজ্জাজ ইবন ফুরাফিসাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: কোনো কোনো কিতাবে আমাদের নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে: ‌‌«যে ব্যক্তি পরামর্শ ব্যতীত কোনো কাজ করে, তবে তা বাতিল যা তাকে পরিশ্রান্ত করে; আর যাকে তার যালিমের বিরুদ্ধে হাত দ্বারা, জিহ্বা দ্বারা কিংবা অন্তরের বিদ্বেষ দ্বারা সাহায্য করা হয়নি, তবে তার জ্ঞান হলো সুনিশ্চিত; আর যে ব্যক্তি তার প্রতি যুলুমকারীর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করল, সে শয়তানকে পরাজিত করল, আল্লাহ তার ওপর লানত করুন।’