(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: -)
المسائل الفقهية التي بناها الحنابلة في مذهبهم على الاحتجاج بمذهب الصحابي - من أول كتاب النكاح إلى نهاية كتاب الإقرار) القسم: الفقه الحنبلي
الكتاب: المسائل الفقهية التي بناها الحنابلة في مذهبهم على الاحتجاج بمذهب الصحابي (من أول كتاب النكاح إلى نهاية كتاب الإقرار)
رسالة: ماجستير، مركز الدراسات الإسلامية - كلية الشريعة والدراسات الإسلامية بجامعة أم القرى
إعداد: حميدة بنت غباش بن جامع الجحدلي
إشراف: أ د خالد بن أحمد بن حسن بابطين
العام الجامعي: 1442 هـ - 2021 م
عدد الصفحات: 244
[كتاب إلكتروني بترقيم الشاملة]
تاريخ النشر بالشاملة: 22 ذو الحجة 1443
সেইসব ফিকহি মাসআলা যা হাম্বলিগণ তাদের মাযহাবে সাহাবীর মাযহাবকে দলিল হিসেবে গ্রহণের ওপর ভিত্তি করে সংকলন করেছেন - নিকাহ (বিবাহ) অধ্যায়ের শুরু থেকে ইকরার (স্বীকৃতি) অধ্যায়ের শেষ পর্যন্ত) বিভাগ: হাম্বলি ফিকহ
গ্রন্থ: সেইসব ফিকহি মাসআলা যা হাম্বলিগণ তাদের মাযহাবে সাহাবীর মাযহাবকে দলিল হিসেবে গ্রহণের ওপর ভিত্তি করে সংকলন করেছেন (নিকাহ অধ্যায়ের শুরু থেকে ইকরার অধ্যায়ের শেষ পর্যন্ত)
গবেষণাপত্র: মাস্টার্স থিসিস، ইসলামিক স্টাডিজ সেন্টার - উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীয়াহ ও ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ
প্রস্তুতকারী: হামিদা বিনতে গুব্বাশ বিন জামে আল-জাহদালি
তত্ত্বাবধান: প্রফেসর ড. খালিদ বিন আহমদ বিন হাসান বাবতাইন
শিক্ষাবর্ষ: ১৪৪২ হিজরি - ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৪৪
[আল-শামেলা নাম্বারিং অনুযায়ী ই-বুক]
আল-শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২২ জিলহজ্জ ১৪৪৩
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ৩)
ملخص الرسالة الحمد لله وحده والصلاة والسلام على من لا نبي بعده
… وبعد.
فتعتبر فتاوى الصحابة رضي الله عنهم ثروة فقهية عظيمة، وقد نُقِلَ فقههم إلى من بعدهم من التابعين. وكان للأئمة الأربعة اهتمامًا بآثارهم، ومن أبرزهم الإمام أحمد وأصحابه.
وهذا ملخص رسالة علمية لنيل درجة الماجستير في الدراسات الإسلامية، وهي دراسة فقهية على المذهب الحنبلي.
عنوان الرسالة: المسائل الفقهية التي بناها الحنابلة في مذهبهم على الاحتجاج بمذهب الصحابي، (من أول كتاب النكاح إلى نهاية كتاب الإقرار) -جمعًا ودراسة-
وقد اشتملت على: مقدمة، وتمهيد، وفصلين، وخاتمة، وفهارس عدة
المقدمة: وفيها: أهمية الموضوع، وأسباب اختياره، والدراسات السابقة، ومنهجي في البحث.
التمهيد: وفيه ثلاثة مباحث:
• المبحث الأول: نبذة مختصرة عن أصول مذهب الحنابلة.
• المبحث الثاني: التعريف بمذهب الصحابي.
• المبحث الثالث: حجية مذهب الصحابي عند الأصوليين.
الفصل الأول: المسائل الفقهية التي بناها الحنابلة في مذهبهم على الاحتجاج بمذهب الصحابي في أحكام الأسرة.
الفصل الثاني: المسائل الفقهية التي بناها الحنابلة في مذهبهم على الاحتجاج بمذهب الصحابي في كتاب الجنايات والديات والحدود والأطعمة والأيمان والقضاء والفتيا والإقرار.
وقد بلغت المسائل التي تختص ببحثي 69 مسألة وتم استقرائها من كتابي «كشاف القناع» و «شرح منتهى الإرادات».
الخاتمة: وفيها أهم النتائج والتوصيات.
ومن أهم النتائج: أن المذاهب الفقهية الأربعة تجعل مذهب الصحابي حجة وإن اختلف مرتبة هذا الأصل بين أصولهم الأخرى ودلالة ذلك الأخذ به في فروعهم الفقهية.
ومن أهم التوصيات: إخراج موسوعة علمية فقهية جامعة للآثار ومرتبة على الأبواب الفقهية لتكون مرجعاً للناس عامة وطلبة العلم خاصة.
الباحثة: حميدة بنت غباش الجحدلي.
গবেষণাপত্রের সারসংক্ষেপসমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য এবং দুরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক সেই সত্তার প্রতি যাঁর পরে আর কোনো নবী নেই
… অতঃপর।
সাহাবায়ে কেরামের (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) ফতোয়াসমূহ একটি বিশাল ফিকহী সম্পদ হিসেবে বিবেচিত, এবং তাঁদের ফিকহ তাঁদের পরবর্তী তাবিয়ীগণের নিকট স্থানান্তরিত হয়েছে। চার ইমাম তাঁদের বর্ণিত আছারসমূহের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন, যাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন ইমাম আহমাদ ও তাঁর অনুসারীগণ।
এটি ইসলামি স্টাডিজে মাস্টার্স ডিগ্রি লাভের জন্য একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্রের সারসংক্ষেপ, যা হাম্বলী মাযহাবের আলোকে একটি ফিকহী গবেষণা।
গবেষণাপত্রের শিরোনাম: সাহাবীর মতামতকে দলিল হিসেবে গ্রহণের ওপর ভিত্তি করে হাম্বলী মাযহাবে বিন্যস্ত ফিকহী মাসআলাসমূহ (নিকাহ অধ্যায়ের শুরু থেকে ইকরার অধ্যায়ের শেষ পর্যন্ত) -সংকলন ও পর্যালোচনা-
এটি অন্তর্ভুক্ত করেছে: একটি ভূমিকা, একটি উপক্রমণিকা, দুটি অধ্যায়, একটি উপসংহার এবং বেশ কিছু নির্ঘণ্ট।
ভূমিকা: এতে রয়েছে: বিষয়ের গুরুত্ব, বিষয় নির্বাচনের কারণসমূহ, পূর্ববর্তী গবেষণাসমূহ এবং আমার গবেষণা পদ্ধতি।
উপক্রমণিকা: এতে তিনটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:
• প্রথম পরিচ্ছেদ: হাম্বলী মাযহাবের মূলনীতি (উসুল) সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ধারণা।
• দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: সাহাবীর মাযহাব বা মতামতের পরিচয়।
• তৃতীয় পরিচ্ছেদ: উসুলবিদদের নিকট সাহাবীর মতামতের দালিলিক নির্ভরযোগ্যতা (হুজ্জিয়াত)।
প্রথম অধ্যায়: পারিবারিক বিধিবিধানের ক্ষেত্রে সাহাবীর মতামতকে দলিল হিসেবে গ্রহণের ওপর ভিত্তি করে হাম্বলী মাযহাবে বিন্যস্ত ফিকহী মাসআলাসমূহ।
দ্বিতীয় অধ্যায়: অপরাধ (জিনায়াত), রক্তপণ (দিয়াত), দণ্ডবিধি (হুদুদ), খাদ্যদ্রব্য, শপথ, বিচার ব্যবস্থা, ফতোয়া প্রদান এবং স্বীকৃতি (ইকরার) অধ্যায়ে সাহাবীর মতামতকে দলিল হিসেবে গ্রহণের ওপর ভিত্তি করে হাম্বলী মাযহাবে বিন্যস্ত ফিকহী মাসআলাসমূহ।
আমার গবেষণার সাথে সংশ্লিষ্ট মাসআলা সংখ্যা ৬৯টিতে পৌঁছেছে এবং সেগুলো «কাশশাফুল কিনা» ও «শারহু মুনতাহাল ইরাদাত» গ্রন্থদ্বয় থেকে অনুসন্ধান করে বের করা হয়েছে।
উপসংহার: এতে রয়েছে প্রধান ফলাফল ও সুপারিশসমূহ।
অন্যতম প্রধান ফলাফল হলো: চারটি ফিকহী মাযহাবই সাহাবীর মতামতকে দলিল হিসেবে গণ্য করে, যদিও তাঁদের অন্যান্য মূলনীতির মাঝে এই মূলনীতিটির স্তরবিন্যাসে ভিন্নতা রয়েছে; আর এর প্রমাণ হলো তাঁদের ফিকহী শাখা-প্রশাখায় (ফুরু) এর প্রয়োগ।
অন্যতম প্রধান সুপারিশ হলো: আছারসমূহের (সাহাবী ও তাবিয়ীগণের বর্ণনা) একটি পূর্ণাঙ্গ ফিকহী বিশ্বকোষ প্রকাশ করা যা ফিকহী অধ্যায় অনুযায়ী বিন্যস্ত হবে, যাতে এটি সাধারণ মানুষ এবং বিশেষ করে ইলম অন্বেষণকারীদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য উৎস হতে পারে।
গবেষক: হুমাইদাহ বিনতে গাব্বাশ আল-জাহদালী।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ৫)
الإهداء إلى من أحمل اسمه بافتخار، إلى من زرع فيَّ العزمَ والإصرار، فتجاوزت بفضل الله الصعاب بكل اقتدار، أبي الغالي.
إلى من كانت ولازالت لي غيمة عطاء، إلى من سجاياها الوفاء، إلى من كابدت من أجلي بكل عناء، أمي الغالية.
يامن بدعائكما بلغتُ الرتب، واليوم أصبح غرسكما رَطِب، فالحمد لله على ما نلته من شرف، وحققته من غاية وهدف.
إلى من شاركوني في الحياة إخواني وأخواتي.
إلى الصديقة التي كانت دومًا تسأل وتدعو، فوزية محمد.
إلى رفيقاتي وصديقاتي في الماجستير، أمل، أفنان،، سارة، فاطمة، فردوس.
إلى طلبة العلم الشرعي.
أهدي بحثي المتواضع سائلة المولى الرفعة في الدارين وأن ينفعني به.
উৎসর্গযাঁঁর নাম আমি গর্বের সাথে বহন করি, যিনি আমার মাঝে সংকল্প ও দৃঢ়তা বপন করেছেন, ফলে আল্লাহর অনুগ্রহে আমি পূর্ণ সক্ষমতার সাথে সকল প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠেছি; আমার প্রিয় পিতা।
যিনি আমার জন্য অবারিত দানের মেঘমালার ন্যায় ছিলেন ও আছেন, যাঁর ভূষণ হলো পরম বিশ্বস্ততা, যিনি আমার কল্যাণে সকল কষ্ট ও ক্লেশ সহ্য করেছেন; আমার প্রিয় মা।
হে আমার শ্রদ্ধেয় পিতা-মাতা, আপনাদের দোয়ার বরকতে আমি এই উচ্চ স্তরে উপনীত হয়েছি, আজ আপনাদের রোপিত চারাটি সজীব ও ফলবান হয়েছে; সুতরাং আল্লাহরই যাবতীয় প্রশংসা সেই সম্মানের জন্য যা আমি অর্জন করেছি এবং সেই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের জন্য যা আমি সফলভাবে পূর্ণ করেছি।
জীবনের পথে আমার সঙ্গী প্রিয় ভাই ও বোনদের প্রতি।
সেই বান্ধবীর প্রতি যে সর্বদা খোঁজখবর নিত এবং দোয়া করত; ফৌজিয়া মুহাম্মদ।
মাস্টার্সে আমার সহপাঠী ও বান্ধবীবৃন্দ— আমাল, আফনান, সারা, ফাতিমা ও ফিরদাউস।
শারঈ ইলম অন্বেষণকারীদের প্রতি।
মহান রবের নিকট উভয় জাহানে উচ্চ মর্যাদা এবং এই গবেষণার মাধ্যমে আমার উপকারের প্রার্থনা জানিয়ে আমি আমার এই বিনম্র গবেষণাটি উৎসর্গ করছি।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ৬)
الشكر والتقدير تأسيَّا بقوله تعالى: {لَئِنْ شَكَرْتُمْ لَأَزِيدَنَّكُمْ}
(1)، فإني أتوجه بالشكر لله على جميع نعمه وعلى تيسيره لي لطلب العلم الشرعي، وإتمام هذا البحث، كما أسأله أن يجعل التوفيق والنجاح حليفًا لي في حياتي.
ثم أثني بالشكر لمن قرن طاعتهما بطاعته فأشكر والديَّ الكريمين اللَّذان ربياني فأحسنا تربيتي، وبذلا كل شيء من أجلي وهيأ لي مكاناً معينًا على كتابة بحثي، وألسنتهما تلهج لي بالدعاء، رغم تقصيري معهما، فجزاهما الله خير الجزاء، وأطال في أعمارهما على طاعته وأمدهما بالصحة والعافية.
كما أشكر إخواني وأخواتي على جهودهم ووقفتهم معي خلال مرحلة البحث، أسال الله أن يبارك فيهم ويكتب لهم الأجر والمثوبة ويحقق لهم كل خير.
كما أشكر شكرًا جزيلًا لمن عاصر معي هذا البحث طوال السنوات الماضية، مشرفي الفاضل الأستاذ الدكتور: خالد بن أحمد بابطين، فلقد وجهني وأرشدني، وصبر عليَّ، ولم يتذمر مني يومًا، بل كان ناصحًا ومعينًا، رغم انشغاله وأعبائه الكثيرة، فكتب له المولى الأجر والمثوبة، وأصلح له النية والذرية.
وأشكر جامعتي أم القرى على ما أتاحت من إكمالي للدراسات العليا، والقائمين على كلية الشريعة والدراسات الإسلامية وبالأخص أعضاء هيئة التدريس في مركز الدراسات الإسلامية على جهودهم في بذل العلم وخدمته وأخص منهم من قام بتدريسي وتعليمي فجزاهم الله خيرًا.
وأشكر مناقشتَي هذه الرسالة الدكتورة: إبتسام بنت محمد الغامدي، والدكتورة: صفية بنت أحمد القحطاني، على إعطائي الملحوظات لتقويم هذا البحث فجزاهن الله كل خير.
كما أشكر المرشد، الأستاذ الدكتور: محمد بن مطر السهلي الذي كان له دورٌ بارزًا في فترة تسجيل الموضوع، فكان يجيب على أسئلتي بصدر رحب، ولا يتضجر أبدًا، فجزاه الله خيرًا.
كما أشكر كل من أعان من دكاترة، ومشايخ، وطلبة، داخل الجامعة وخارجها في كل ما يخص البحث سواء في المادة العلمية أو ما يتعلق به من تنسيقات وبرامج يسرت إنجازه وأخص منهم د: فهد القحطاني، و د: جراح الفضلي، وأدعو لهم بظهر الغيب أن يكتب لهم ما تصبو إليه أنفسهم من خيري الدنيا والأخرة.
كما أشكر الطالب ستيفن مصطفى قاسم الذي لم يبخل عليَّ بإعطائي جزءًا من موضوعه الذي تقدم به للقسم حينما وافق طرح موضوعي لموضوعه فكتب الله له الأجر.
وأشكر أيضاً كل صديقاتي على الدعم والمساعدة، وتقديم الرأي الصواب، وخاصة صديقاتي في الماجستير، وأشكر الزميلة: حسنة القرني فبارك الله فيهن ورزقهن كل خير.
--------------------------------------------
কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপনমহান আল্লাহর এই বাণীর অনুসরণ করে: "যদি তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো, তবে আমি অবশ্যই তোমাদের বাড়িয়ে দেব"
(১), আমি আল্লাহর সকল নিআমতের জন্য এবং আমার জন্য শরয়ি ইলম অন্বেষণ ও এই গবেষণা কর্মটি সম্পন্ন করা সহজ করে দেওয়ার জন্য তাঁর শুকরিয়া আদায় করছি। সেই সাথে আমি তাঁর কাছে প্রার্থনা করছি যেন তিনি আমার জীবনে তাওফিক ও সাফল্যকে আমার সাথী করে দেন।
অতঃপর আমি তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি যাঁদের আনুগত্যকে তিনি (আল্লাহ) তাঁর নিজের আনুগত্যের সাথে যুক্ত করেছেন; আমি আমার সম্মানিত পিতা-মাতাকে ধন্যবাদ জানাই যাঁরা আমাকে লালন-পালন করেছেন এবং উত্তমরূপে গড়ে তুলেছেন। তাঁরা আমার জন্য সবকিছু উৎসর্গ করেছেন এবং আমার গবেষণা লেখার জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিবেশের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। তাঁদের সাথে আমার ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও তাঁদের জিহ্বা সর্বদা আমার জন্য দোয়ায় রত থাকে। আল্লাহ তাঁদের সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন, তাঁর আনুগত্যের ওপর তাঁদের দীর্ঘায়ু দান করুন এবং তাঁদের সুস্থতা ও নিরাপত্তা দান করুন।
সেই সাথে আমি আমার ভাই ও বোনদের তাঁদের প্রচেষ্টা এবং গবেষণার সময়কালে আমার পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ জানাই। আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন তাঁদের বরকত দান করেন, তাঁদের জন্য পুণ্য ও প্রতিদান লিখে দেন এবং তাঁদের সকল কল্যাণ পূর্ণ করেন।
এছাড়াও আমি গত কয়েক বছর ধরে এই গবেষণার সাথে জড়িত আমার সম্মানিত তত্ত্বাবধায়ক প্রফেসর ডক্টর খালিদ বিন আহমদ বাবতীনকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই। তিনি আমাকে দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ দিয়েছেন, আমার প্রতি ধৈর্য ধারণ করেছেন এবং একদিনের জন্যও আমার প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করেননি; বরং তিনি ব্যস্ততা এবং অনেক দায়িত্ব থাকা সত্ত্বেও একজন হিতাকাঙ্ক্ষী ও সাহায্যকারী ছিলেন। মহান প্রতিপালক তাঁর জন্য পুণ্য ও প্রতিদান লিখে দিন এবং তাঁর নিয়ত ও সন্তানসন্ততিকে সংশোধন করে দিন।
আমি আমার বিশ্ববিদ্যালয় উম্মুল কুরা-কে ধন্যবাদ জানাই আমাকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করার সুযোগ দেওয়ার জন্য। শরিয়াহ ও ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং বিশেষ করে ইসলামিক স্টাডিজ সেন্টারের অনুষদ সদস্যদের ইলম বিতরণ ও সেবায় তাঁদের প্রচেষ্টার জন্য ধন্যবাদ জানাই। বিশেষভাবে আমি তাঁদের ধন্যবাদ জানাই যাঁরা আমাকে পাঠদান ও শিক্ষা দিয়েছেন; আল্লাহ তাঁদের উত্তম প্রতিদান দিন।
এই গবেষণাপত্রের (থিসিস) দুই পরীক্ষক ডক্টর ইবতিসাম বিনতে মুহাম্মদ আল-গামদি এবং ডক্টর সাফিয়া বিনতে আহমদ আল-কাহতানিকে এই গবেষণার সংশোধনের জন্য মূল্যবান পর্যবেক্ষণ প্রদানের জন্য ধন্যবাদ জানাই। আল্লাহ তাঁদের কল্যাণ করুন।
এছাড়াও আমি পথপ্রদর্শক প্রফেসর ডক্টর মুহাম্মদ বিন মাতার আল-সাহলিকে ধন্যবাদ জানাই, যিনি বিষয়টি নিবন্ধনের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি অত্যন্ত উদার মনে আমার প্রশ্নের উত্তর দিতেন এবং কখনো বিরক্ত হতেন না। আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে ও বাইরে যে সকল ডক্টর, শায়খ এবং শিক্ষার্থী গবেষণার বৈজ্ঞানিক উপাদান বা এর বিন্যাস ও প্রোগ্রাম সংক্রান্ত বিষয়ে সাহায্য করেছেন যা এটি সম্পন্ন করাকে সহজ করেছে, আমি তাঁদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। বিশেষভাবে আমি ডক্টর ফাহাদ আল-কাহতানি এবং ডক্টর জাররাহ আল-ফাদলিকে ধন্যবাদ জানাই। আমি তাঁদের অনুপস্থিতিতে তাঁদের জন্য দোয়া করি যেন আল্লাহ তাঁদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতের সেই কল্যাণ লিখে দেন যা তাঁদের মন কামনা করে।
একইভাবে আমি শিক্ষার্থী স্টিফেন মুস্তাফা কাসিমকে ধন্যবাদ জানাই, যিনি তাঁর বিষয়ের একাংশ আমাকে দিতে কার্পণ্য করেননি যা তিনি বিভাগে জমা দিয়েছিলেন যখন আমার প্রস্তাবিত বিষয়টি তাঁর বিষয়ের সাথে মিলে গিয়েছিল। আল্লাহ তাঁর জন্য প্রতিদান লিখে দিন।
আমি আমার সকল বান্ধবীর সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য এবং সঠিক পরামর্শ প্রদানের জন্য ধন্যবাদ জানাই, বিশেষ করে মাস্টার্সে আমার বান্ধবীদের। আমি সহকর্মী হাসনা আল-কারনিকে ধন্যবাদ জানাই। আল্লাহ তাঁদের বরকত দান করুন এবং তাঁদের সকল কল্যাণ নসিব করুন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ৮)
المقدمةالحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام على أشرف الأنبياء والمرسلين، نبينا محمد وعلى آله وصحابته أجمعين .... وبعد.
فمن فضل الله سبحانه وتعالى أن يشغل الإنسان بما فيه النفع له وللآخرين، وأفضل النفع وأعظمه هو التفقه في دين الله، فقد جاء في الحديث الصحيح ((من يرد الله به خيرًا يفقهه في الدين))
(1)، وهذا مسلك العلماء، وطريق الفقهاء، وإنما تشرف العلوم بشرف مقصودها، وتسمو بنبل غاياتها، وإن أشرف المقاصد، وأنبل المطالب، ما فيه بلاغ إلى مرضاة الله تعالى.
ولما منَّ الله عليَّ بالالتحاق بمركز الدراسات الإسلامية بجامعة أم القرى، للحصول على درجة العالمية (الماجستير)، فقد استشرت المتخصصين للبحث عن موضوع واستخرت الله تعالى فشمَّرت الساعد، لأقدم ما فيه إضافة علمية شرعية للصرح المعرفي الإسلامي العظيم، ووقع اختياري على موضوع [المسائل الفقهية التي بناها الحنابلة في مذهبهم على الاحتجاج بمذهب الصحابي (من أول كتاب النكاح إلى نهاية كتاب الإقرار). جمعًا ودراسةً.
وهذا الموضوع قد أخذ منه الطالب ستيفن مصطفى قاسم ورقمه الجامعي 43280386 (العبادات من أول كتاب الطهارة إلى نهاية كتاب الحج)، والمتبقي منه من (أول كتاب البيع إلى نهاية كتاب الإقرار)، وسيكون مجال بحثي بإذن الله تعالى (من أول كتاب النكاح إلى نهاية كتاب الإقرار).
أسأل الله أن يوفقنا لكل خير، وأن يكتب لهذا المركز ولمعلمينا ومشايخنا الأجر العظيم، والتوفيق والسداد لكل ما يحبه الله ويرضاه، لما بذلوه من وقت وجهد في خدمة دين الله سبحانه وتعالى.
•
أهمية الموضوع:1 - بيان أثر الصحابة وغزارة علمهم في الفقه، وأنهم كانوا ينهلون من معين عظيم، ومنهج قويم.
--------------------------------------------
উপস্থাপনাসকল প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, আর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আম্বিয়া ও রাসূলগণের মধ্যে শ্রেষ্ঠতম আমাদের নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবার এবং তাঁর সকল সাহাবীর ওপর। অতঃপর...
এটি মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার অনুগ্রহ যে, তিনি মানুষকে এমন কাজে ব্যস্ত রাখেন যা তার নিজের এবং অন্যদের জন্য কল্যাণকর। আর সর্বোত্তম ও মহান কল্যাণ হলো আল্লাহর দ্বীন সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জন করা। সহীহ হাদীসে এসেছে: ((আল্লাহ যার কল্যাণ চান, তাকে দ্বীনের প্রজ্ঞা দান করেন))
(১)। এটিই আলিমদের পথ এবং ফকীহদের পন্থা। জ্ঞানের মর্যাদা নির্ভর করে এর উদ্দেশ্যের মর্যাদার ওপর এবং এর লক্ষ্যবস্তুর মহত্ত্বের ওপর। আর আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের বার্তাবাহী লক্ষ্যই হলো মহানতম উদ্দেশ্য ও মহত্তম আকাঙ্ক্ষা।
যখন আল্লাহ আমাকে উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ সেন্টারে উচ্চতর (মাস্টার্স) ডিগ্রি অর্জনের জন্য ভর্তির সুযোগ দান করে অনুগ্রহ করলেন, তখন আমি গবেষণার বিষয়ের জন্য বিশেষজ্ঞগণের পরামর্শ গ্রহণ করি এবং আল্লাহ তায়ালার কাছে ইস্তিখারা করি। এরপর আমি মহান ইসলামী জ্ঞানভাণ্ডারে একটি শরয়ী জ্ঞানতাত্ত্বিক সংযোজন পেশ করার লক্ষ্যে প্রস্তুতি গ্রহণ করি। আমি আমার আলোচনার বিষয় হিসেবে নির্বাচন করেছি: [হাম্বলী মাযহাবের ইমামগণ তাঁদের মাযহাবে সাহাবীর মতকে দলিল হিসেবে গ্রহণ করে যে সকল ফিকহী মাসআলা নির্ধারণ করেছেন (বিবাহ অধ্যায়ের শুরু থেকে স্বীকারোক্তি অধ্যায়ের শেষ পর্যন্ত)। সংগ্রহ ও পর্যালোচনা]।
এই বিষয়ের একটি অংশ (ইবাদত: পবিত্রতা অধ্যায়ের শুরু থেকে হজ্জ অধ্যায়ের শেষ পর্যন্ত) ছাত্র স্টিফেন মোস্তফা কাসেম গ্রহণ করেছেন, যার আইডি নম্বর ৪৩২৮০৩৮৬। আর এর অবশিষ্ট অংশ হলো (ব্যবসা-বাণিজ্য অধ্যায়ের শুরু থেকে স্বীকারোক্তি অধ্যায়ের শেষ পর্যন্ত)। আমার গবেষণার ক্ষেত্র হবে—আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছায়—(বিবাহ অধ্যায়ের শুরু থেকে স্বীকারোক্তি অধ্যায়ের শেষ পর্যন্ত)।
আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদের সকল কল্যাণের তাওফীক দান করেন এবং এই সেন্টারের জন্য এবং আমাদের শিক্ষক ও শায়খদের জন্য মহান প্রতিদান, সফলতা এবং সেই সব কাজে সঠিক পথনির্দেশ দান করেন যা আল্লাহ পছন্দ করেন ও যাতে তিনি সন্তুষ্ট হন; কারণ তাঁরা আল্লাহর দ্বীনের খিদমতে নিজেদের সময় ও শ্রম ব্যয় করেছেন।
•
বিষয়ের গুরুত্ব:১ - ফিকহশাস্ত্রে সাহাবায়ে কিরামের প্রভাব ও তাঁদের জ্ঞানের গভীরতা বর্ণনা করা এবং এটি স্পষ্ট করা যে, তাঁরা এক মহান ঝরনাধারা ও সঠিক আদর্শ থেকে জ্ঞান আহরণ করতেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ৯)
2 - دراسة المسائل الفقهية الخلافية يٌنْشِئُ مَلَكَة لدى طالب العلم الشرعي، وآمل أن أكون بهذا البحث ممن يجعل له دُربة في إنشاء هذه الملكة.
3 - العلوم الشرعية مرتبطة ببعضها ببعض، فمنها الفقهي، ومنها الأصولي، ومنها الحديثي، وبحثي هنا: فقهي، لكننا سيتضح مدى العلاقة بين هذه العلوم تتجلى في طيات هذا البحث، مما يؤكد أن العلوم الشرعية ذات منهجية وترتيب يُكمل بعضها بعضًا.
4 - إن سرد المسائل خلال منهجية واحدة، وطريقة منفردة، يعود لأصل واحد، هو تجميع للمشتت، وبيان لما ضاع بين طيات المسائل واندثر، فجمعه في باب واحد، خدمةً للموضوع خصوصًا، وللفقه على وجه العموم.
•
أسباب اختيار الموضوع:1 - من خلال البحث والتحري - القاصر-لم أقف على من بحث هذا الموضوع، وهو المسائل الفقهية التي بناها الحنابلة في مذهبهم على الاحتجاج بمذهب الصحابي من أول كتاب النكاح إلى نهاية كتاب الإقرار، لذلك من الحري أن يطرق بابه، وترسى مراسيه في بحث جامع يلم شتاته.
2 - الرغبة الصادقة في الإسهام بما يثري الفقه الإسلامي، وما يتعلق به من مسائل وأحكام.
2 - اعتماد مذهب الحنابلة في كثير من أقوالهم على ذكر أقوال الصحابة رضي الله عنهم، وهذه الحقيقة واضحة في كتبهم الفقهية، وأصول استدلالاتهم. قال الإمام أحمد ابن حنبل رحمه الله: (ما أجبت في مسألة إلا بحديث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا وجدت في ذلك السبيل إليه أو عن الصحابة أو عن التابعين، فاذا وجدت عن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم أعدل إلى غيره، فاذا لم أجد عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فعن الخلفاء الأربعة الراشدين المهديين، فاذا لم أجد عن الخلفاء فعن أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم الأكابر فالأكابر من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم، فاذا لم أجد فعن التابعين وعن تابعي التابعين، وما بلغني عن رسول الله صلى الله عليه وسلم حديث بعمل له ثواب إلا عملت به؛
2 - ইখতিলাফি (মতপার্থক্যপূর্ণ) ফিকহী মাসআলাসমূহ অধ্যয়ন করা শরয়ী ইলমের ছাত্রের মধ্যে একটি বিশেষ যোগ্যতা বা দক্ষতা (মালাকাহ) তৈরি করে। আমি আশা করি, এই গবেষণার মাধ্যমে আমি সেই দক্ষতা অর্জনের অভ্যাস গড়ে তুলতে পারব।
3 - শরয়ী ইলমসমূহ একে অপরের সাথে সম্পর্কযুক্ত। এর কোনোটি ফিকহ সংক্রান্ত, কোনোটি উসূল সংক্রান্ত, আবার কোনোটি হাদীস সংক্রান্ত। আমার এই গবেষণাটি ফিকহ ভিত্তিক, তবে এই গবেষণার পরতে পরতে এই বিজ্ঞানগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কের গভীরতা ফুটে উঠবে। এটি নিশ্চিত করে যে, শরয়ী ইলমসমূহ একটি সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি ও বিন্যাসের অধিকারী যা একে অপরকে পূর্ণতা দান করে।
4 - একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতি ও একক পন্থার মাধ্যমে মাসআলাসমূহ বর্ণনা করা একটি মূল ভিত্তির দিকেই ফিরে যায়, আর তা হলো বিক্ষিপ্ত বিষয়গুলোকে একত্রিত করা এবং বিভিন্ন মাসআলার আড়ালে যা হারিয়ে গেছে বা বিলুপ্ত হয়েছে তা স্পষ্ট করা। অতএব, এগুলোকে একটি অধ্যায়ে সংকলন করা বিশেষভাবে এই বিষয়ের জন্য এবং সাধারণভাবে ফিকহ শাস্ত্রের জন্য একটি খিদমত।
•
বিষয়টি নির্বাচনের কারণসমূহ:1 - আমার এই সীমিত অনুসন্ধান ও পর্যালোচনার মাধ্যমে আমি এমন কাউকে পাইনি যিনি এই বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করেছেন। বিষয়টি হলো সেই সকল ফিকহী মাসআলা যা হাম্বলিগণ তাদের মাযহাবে 'বিবাহ অধ্যায়' (কিতাবুন নিকাহ) এর শুরু থেকে 'স্বীকৃতি অধ্যায়' (কিতাবুল ইকরার) এর শেষ পর্যন্ত সাহাবীর মাযহাবকে দলিল হিসেবে গ্রহণের ওপর ভিত্তি করে প্রণয়ন করেছেন। তাই এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা এবং একটি সংকলিত গবেষণার মাধ্যমে এর বিক্ষিপ্ত অংশগুলোকে একত্রিত করা একান্ত আবশ্যক।
2 - ইসলামী ফিকহ এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট মাসআলা ও আহকামকে সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে অবদান রাখার ঐকান্তিক ইচ্ছা।
2 - হাম্বলি মাযহাবের অনেক মতামতের ক্ষেত্রে সাহাবায়ে কেরাম (রাযিয়াল্লাহু আনহুম)-এর উক্তির ওপর নির্ভর করা হয়েছে। এই সত্যটি তাদের ফিকহী গ্রন্থসমূহ এবং তাদের দলিলের মূলনীতিতে সুস্পষ্ট। ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: "আমি কোনো মাসআলার উত্তর দেইনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কোনো হাদীস ব্যতীত—যদি তা পাওয়ার সুযোগ থাকে—অথবা সাহাবী বা তাবিঈদের কোনো উক্তি ব্যতীত। যখন আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে কোনো বর্ণনা পেয়েছি, তখন আমি অন্য কিছুর দিকে ফিরে যাইনি। আর যদি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে কিছু না পেতাম, তবে চারজন হেদায়েতপ্রাপ্ত খোলাফায়ে রাশেদীনের উক্তির দিকে ফিরে যেতাম। যদি খোলাফায়ে রাশেদীন থেকে কিছু না পেতাম, তবে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীদের মধ্যে যারা বড় এবং তারপর যারা বড় তাদের উক্তি গ্রহণ করতাম। আর যদি তাদের থেকে না পেতাম, তবে তাবিঈ এবং তাবি-তাবিঈদের উক্তি গ্রহণ করতাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে কোনো আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে এমন কোনো হাদীস আমার কাছে পৌঁছালে আমি সে অনুযায়ী আমল করেছি।"
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ১০)
رجاء ذلك الثواب ولو مرة واحدة.)
(1)3 - أردتُ من دراسة هذا الموضوع إثراء المكتبة الحنبلية، وإظهار توسعها في أدلتها، وأخذها بأقوال صحابة نبيها صلى الله عليه وسلم؛ ففيه بيان ارتباط فروع المذهب الفقهية بآثارهم.
•
الدراسات السابقة:من خلال البحث وجدتُ أن موضوع البحث فيه دراسات فقهية تتعلق به، ودراسات أصولية، وأخرى حديثية. وهذا يؤكد ما أشرتُ إليه في أهمية الموضوع؛ أن العلوم الشرعية مرتبطة ببعضها البعض وذات منهجية يُكْمل بعضها بعضًا.
أولًا: الدراسات الفقهية.1 - فقه الصحابة رضي الله عنهم.
وهي مجموعة من الرسائل بكلية الشريعة قسم الفقه بجامعة أم القرى تناولت فقه كل صحابي على حدة (كفقه أبي بكر وعمر وعثمان وعلي وابن عمر وابن مسعود ومعاذ بن جبل وحذيفة بن اليمان وآل الدرداء رضي الله عنهم وفقه ابن الزبير رضي الله عنه، وفقه أبي هريرة رضي الله عنه في جامعة الإمام محمد بن سعود. وقد نوقشت جميعها.
2 - المسائل الفقهية التي حكي فيها رجوع الصحابة رضي الله عنهم جمعًا ودراسة.
وهي رسالة دكتوراه بجامعة أم القرى قسم الفقه للدكتور/ خالد بن أحمد بابطين. نوقشت عام 1428 هـ. وبلغ عدد المسائل (51) مسألة وذكر في النكاح خمس مسائل، وفي الطلاق ثلاث مسائل، وفي العدد خمس مسائل، وفي الرضاع مسألة واحدة، وفي الجنايات لم يذكر شيئًا، وفي الديات ثلاث مسائل، وفي الحدود مسألتين، وفي الأطعمة مسألتين، وفي الأيمان مسألة واحدة.
3 - المسائل الفقهية التي تغير رأي الصحابي فيها دراسة تطبيقية في الفقه الإسلامي.
وهي رسالة دكتوراه بجامعة الأزهر بكلية الشريعة والقانون بالقاهرة للباحث محمد عبده شتيوي نوقشت عام 1438 هـ.
4 - الأقوال الفقهية الخلافية بين الصحابة رضي الله عنهم.
--------------------------------------------
সেই সওয়াবের আশায়, যদিও তা একবারের জন্যও হয়।)
(১)৩ - এই বিষয়টি অধ্যয়নের মাধ্যমে আমার উদ্দেশ্য ছিল হাম্বলি লাইব্রেরিকে সমৃদ্ধ করা, এর দলীল-প্রমাণের ব্যাপকতা প্রদর্শন করা এবং নবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাহাবীদের বক্তব্যের ওপর এই মাযহাবের নির্ভরতা ফুটিয়ে তোলা; কেননা এতে মাযহাবের ফিকহী শাখাগুলোর সাথে সাহাবীদের আছারের (বর্ণনার) সম্পৃক্ততার বর্ণনা রয়েছে।
•
পূর্ববর্তী গবেষণাসমূহ:অনুসন্ধানের মাধ্যমে আমি দেখেছি যে, এই গবেষণার বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট ফিকহী গবেষণা, উসূলী গবেষণা এবং হাদীস বিষয়ক গবেষণা বিদ্যমান রয়েছে। এটি বিষয়ের গুরুত্ব সম্পর্কে আমার পূর্বোক্ত বক্তব্যকেই নিশ্চিত করে; আর তা হলো, শরয়ী জ্ঞানসমূহ একে অপরের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং এমন এক পদ্ধতিগত কাঠামোর ওপর প্রতিষ্ঠিত যেখানে একটি অন্যটিকে পূর্ণতা দান করে।
প্রথমত: ফিকহী গবেষণাসমূহ।১ - সাহাবীগণের (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) ফিকহ।
এটি উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শরিয়াহ অনুষদের ফিকহ বিভাগের একগুচ্ছ গবেষণাপত্রের সমষ্টি, যা প্রতিটি সাহাবীর ফিকহ নিয়ে আলাদাভাবে আলোচনা করেছে (যেমন: আবু বকর, উমর, উসমান, আলী, ইবনে উমর, ইবনে মাসউদ, মুআজ বিন জাবাল, হুজাইফা বিন ইয়ামান এবং আবু দারদার পরিবার [রাদিয়াল্লাহু আনহুম]-এর ফিকহ; এবং ইবনে জুবায়ের [রাদিয়াল্লাহু আনহু]-এর ফিকহ এবং ইমাম মুহাম্মাদ বিন সাউদ বিশ্ববিদ্যালয়ে আবু হুরায়রা [রাদিয়াল্লাহু আনহু]-এর ফিকহ)। এই সবগুলো গবেষণাপত্রই আলোচিত ও সমর্থিত হয়েছে।
২ - ঐ সকল ফিকহী মাসআলাসমূহ যাতে সাহাবীগণের (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) মত প্রত্যাহারের কথা বর্ণিত হয়েছে: সংগ্রহ ও পর্যালোচনা।
এটি উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিকহ বিভাগের ড. খালিদ বিন আহমদ বাবাতিনের একটি পিএইচডি থিসিস। এটি ১৪২৮ হিজরীতে উপস্থাপিত হয়েছে। এতে মাসআলার সংখ্যা ৫১টিতে পৌঁছেছে। তিনি বিবাহ অধ্যায়ে পাঁচটি মাসআলা, তালাক অধ্যায়ে তিনটি মাসআলা, ইদ্দত অধ্যায়ে পাঁচটি মাসআলা, দুগ্ধপান অধ্যায়ে একটি মাসআলা উল্লেখ করেছেন। তবে অপরাধ (জিনায়াত) অধ্যায়ে কিছু উল্লেখ করেননি। রক্তপণ (দিয়াত) অধ্যায়ে তিনটি মাসআলা, হদ (দণ্ডবিধি) অধ্যায়ে দুটি মাসআলা, খাদ্যদ্রব্য অধ্যায়ে দুটি মাসআলা এবং শপথ অধ্যায়ে একটি মাসআলা উল্লেখ করেছেন।
৩ - ঐ সকল ফিকহী মাসআলা যাতে সাহাবীর মত পরিবর্তিত হয়েছে: ইসলামী ফিকহের আলোকে একটি প্রায়োগিক গবেষণা।
এটি কায়রোর আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীয়াহ ও আইন অনুষদের গবেষক মুহাম্মদ আবদু শিতিওয়ি-এর একটি পিএইচডি থিসিস, যা ১৪৩৮ হিজরীতে আলোচিত হয়েছে।
৪ - সাহাবীগণের (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) মধ্যকার মতভেদপূর্ণ ফিকহী অভিমতসমূহ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ১১)
وهو مشروع لطلبة الدكتوراه، بكلية الشريعة قسم الفقه بالجامعة الإسلامية، وتناول الباحثون فيها، المسائل التي اختلفت أقوال الصحابة رضي الله عنهم فيها، وقد نوقشت عام 1436 هـ.
وجميع الرسائل السابقة تعتبر جزءًا من موضوع بحثي؛ فالعلاقة عمومٌ وخصوص. وهي تناقش المسائل التي دليلها مذهب الصحابي سواء مع أدلة الكتاب والسنة أم لا. وأما بحثي فهو استقراء لكل المسائل الفقهية التي كان اعتماد الحنابلة فيها على مذهب الصحابي.
5 - الموسوعات التي أصدرها الدكتور محمد رواس قلعجي.
كموسوعة فقه أبي بكر الصديق وموسوعة فقه عمر بن الخطاب وموسوعة فقه عثمان بن عفان وموسوعة فقه عبد الله ابن مسعود رضي الله عنهم وهي مرويات للصحابة رضي الله عنهم مرتبة بحسب حروف المعجم.
6 - معجم فقه السلف عترة وصحابة وتابعين للدكتور محمد المنتصر الكتاني.
وقد جمع فيه فقه الصحابة والتابعين رضي الله عنهم أجمعين.
7 - المسائل الفقهية التي بناها الإمام أحمد بن حنبل على قول الصحابي في أبواب العبادات، (دراسة فقهية مقارنة.)
وهي رسالة ماجستير بجامعة آل البيت، بكلية الشريعة بالأردن، للطالب: محمود بن أحمد الرواي، نوقشت عام 1439 هـ.
والفرق بين بحثي وبين هذه الرسالة:
• هذه الرسالة في قسم العبادات وبحثي من أول كتاب النكاح إلى نهاية كتاب الإقرار.
• بالإضافة إلى أنها ركزت على المذهب الشخصي وبحثي يركز على المذهب الاصطلاحي.
8 - المسائل الفقهية التي بناها الحنابلة في مذهبهم على الاحتجاج بمذهب الصحابي في العبادات. جمعاً ودراسةً.
للطالب ستيفن مصطفى قاسم. بجامعة أم القرى وهو جزء من موضوعي سبقني به الطالب، ونوقشت عام 1439 هـ.
9 - المسائل التي بناها الإمام أحمد على قول الصحابي جمعًا وتوثيقًا ودراسة:
وهي رسائل دكتوراه بجامعة الإمام محمد بن سعود بالرياض، ونوقشت.
ويفارق موضوعي هذا المشروع فيما يلي:
• أن المشروع يركز على مذهب الإمام أحمد نفسه (المذهب الشخصي) بينما بحثي يركز على المذهب الاصطلاحي (مذهب الحنابلة).
এটি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীয়াহ অনুষদের ফিকহ বিভাগের পিএইচডি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি প্রকল্প; গবেষকগণ এতে সাহাবীদের (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) মধ্যকার মতভেদপূর্ণ মাসআলাসমূহ নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং এটি ১৪৩৬ হিজরিতে উপস্থাপিত হয়েছে।
পূর্বোক্ত সকল গবেষণাপত্রই আমার গবেষণার বিষয়ের অংশ হিসেবে বিবেচিত; মূলত এদের মধ্যকার সম্পর্ক হলো সাধারণ ও বিশেষের (উমুম ও খুসুস)। সেগুলোতে এমন মাসআলাসমূহ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে যেগুলোর দলীল হলো সাহাবীর মাযহাব (মতাদর্শ), চাই তা কুরআন ও সুন্নাহর দলীলের সাথে থাকুক বা না থাকুক। আর আমার গবেষণাটি হলো সেই সমস্ত ফিকহী মাসআলাসমূহের বিস্তারিত অনুসন্ধান যাতে হাম্বলী ফকীহগণ সাহাবীর মাযহাবের ওপর নির্ভর করেছেন।
৫ - ডক্টর মুহাম্মদ রওয়াস কালাজি কর্তৃক প্রকাশিত বিশ্বকোষসমূহ।
যেমন: আবু বকর সিদ্দিকের ফিকহ বিশ্বকোষ, উমর ইবনুল খাত্তাবের ফিকহ বিশ্বকোষ, উসমান ইবনে আফফানের ফিকহ বিশ্বকোষ এবং আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদের (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) ফিকহ বিশ্বকোষ। এগুলো হলো সাহাবীদের (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) থেকে বর্ণিত রেওয়ায়াত যা বর্ণমালার ক্রমানুসারে সাজানো হয়েছে।
৬ - ডক্টর মুহাম্মদ আল-মুনতাসির আল-কাত্তানি রচিত 'মু'জামু ফিকহিস সালাফ: ইতরাহ, সাহাবা ওয়া তাবিঈন'।
এতে সাহাবী এবং তাবিঈগণের (রাদিয়াল্লাহু আনহুম আজমাঈন) ফিকহ সংকলন করা হয়েছে।
৭ - ইবাদত অধ্যায়সমূহে ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল সাহাবীর বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে যে ফিকহী মাসআলাগুলো সাব্যস্ত করেছেন (একটি তুলনামূলক ফিকহী গবেষণা)।
এটি জর্ডানের আলুল বাইত বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীয়াহ অনুষদের শিক্ষার্থী মাহমুদ বিন আহমাদ আল-রাওয়াই এর একটি মাস্টার্স থিসিস, যা ১৪৩৯ হিজরিতে উপস্থাপিত হয়েছে।
আমার গবেষণা এবং এই থিসিসটির মধ্যে পার্থক্য হলো:
• এই থিসিসটি কেবল ইবাদত অধ্যায় নিয়ে, কিন্তু আমার গবেষণাটি নিকাহ (বিবাহ) অধ্যায়ের শুরু থেকে ইকরার (স্বীকারোক্তি) অধ্যায়ের শেষ পর্যন্ত।
• তদুপরি, সেই থিসিসটিতে ব্যক্তিগত মাযহাবের (ইমামের নিজস্ব অভিমত) ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, আর আমার গবেষণাটি পারিভাষিক মাযহাবের (হাম্বলী মাযহাবের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত) ওপর গুরুত্বারোপ করে।
৮ - ইবাদতের ক্ষেত্রে সাহাবীর মাযহাবকে দলীল হিসেবে গ্রহণের ভিত্তিতে হাম্বলীগণ তাদের মাযহাবে যেসব ফিকহী মাসআলা সাব্যস্ত করেছেন: সংগ্রহ ও পর্যালোচনা।
উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী স্টিফেন মুস্তফা কাসিমের এই কাজটি আমার গবেষণার বিষয়েরই একটি অংশ যা উক্ত শিক্ষার্থী আমার আগে সম্পন্ন করেছেন এবং এটি ১৪৩৯ হিজরিতে উপস্থাপিত হয়েছে।
৯ - সাহাবীর বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে ইমাম আহমাদ যে মাসআলাগুলো সাব্যস্ত করেছেন - সংগ্রহ, প্রামাণ্যিকরণ এবং পর্যালোচনা:
এগুলো রিয়াদের ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি থিসিস এবং এগুলো উপস্থাপিত হয়েছে।
এই প্রকল্পের সাথে আমার বিষয়ের পার্থক্য নিম্নরূপ:
• উক্ত প্রকল্পটি স্বয়ং ইমাম আহমাদের ব্যক্তিগত মাযহাবের ওপর গুরুত্ব দেয়, যেখানে আমার গবেষণাটি পারিভাষিক মাযহাবের (হাম্বলী মাযহাব) ওপর আলোকপাত করে।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ১২)
• أن المشروع يركز على ما نص الإمام أحمد بنفسه على دليله، بينما بحثي يركز على ما لم ينص الإمام أحمد على دليله، وإنما الذي استدل به الأصحاب من بعده، ولذا فإني لن أتفق معهم في أي مسألة.
وأضرب لهذا مثالاً:
ذهب الإمام أحمد رحمه الله إلى أن الظهار يصح قبل النكاح، فلو قال رجل: كل امرأة أتزوجها هي علي كظهر أمي، ثم تزوجها، فإنها لا تحل له حتى يُكَفِر
(1)، واحتج على ذلك قائلاً: (نذهب إلى حديث عمر بن الخطاب) ويعني به ما جاء عن عمر رضي الله عنه أنه قال في رجل قال: إن تزوجت فلانة، فهي علي كظهر أمي، ثم تزوجها قال: عليه كفارة الظهار.
(2)فهذه المسألة لن تكون ضمن حدود بحثي لكون الإمام ساق حجته من قول عمر رضي الله عنه، بل هي من ضمن مسائل المشروع.
وفي المقابل فقد ذهب الحنابلة -وهو قول الجمهور
(3) -إلى أن المرأة يقام عليها الحد جالسة، واحتجوا على ذلك بوروده عن علي بن أبي طالب رضي الله عنه
(4)، وهذا القول وإن كان قد نص عليه الإمام أحمد رحمه الله في أكثر من موضع؛ لكننا لم أقف من خلال ما بين يدي من المصادر على احتجاج الإمام أحمد رحمه الله بأثر علي رضي الله عنه، وعليه فتكون هذه المسألة ضمن حدود بحثي، ولن تكون -قطعاً-ضمن حدود المشروع.
10 - الأقوال الفقهية المخرجة في مذهب الإمام أحمد جمعًا ودراسة.
وهو مشروع بقسم الفقه كلية الشريعة بجامعة أم القرى. وهي رسائل دكتوراه وقد نوقشت.
--------------------------------------------
• উক্ত প্রকল্পটি সেই সব বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে যেগুলোর দলিলের ব্যাপারে ইমাম আহমাদ নিজে স্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছেন, পক্ষান্তরে আমার গবেষণাটি সেই বিষয়গুলোর ওপর আলোকপাত করে যেগুলোর দলিলের ব্যাপারে ইমাম আহমাদ নিজে কোনো নস বা বক্তব্য প্রদান করেননি, বরং পরবর্তীকালে তাঁর অনুসারীগণ (আসহাব) সেগুলোর পক্ষে দলিল পেশ করেছেন। তাই আমি কোনো মাসআলাতেই তাদের সঙ্গে একমত হব না (অর্থাৎ বিষয়ের পুনরাবৃত্তি ঘটবে না)।
এর একটি উদাহরণ দিচ্ছি:
ইমাম আহমাদ রহ. এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন যে, বিয়ের আগেই যিহার করা শুদ্ধ। সুতরাং কোনো ব্যক্তি যদি বলে: 'আমি যে নারীকেই বিয়ে করি না কেন, সে আমার জন্য আমার মায়ের পিঠের মতো (হারাম)', এরপর সে তাকে বিয়ে করে, তবে কাফফারা আদায় না করা পর্যন্ত সে নারী তার জন্য হালাল হবে না
(১)। তিনি এর স্বপক্ষে দলিল পেশ করে বলেছেন: (আমরা উমর ইবনুল খাত্তাব রা.-এর হাদিসের দিকে যাই/অনুসরণ করি)। এর দ্বারা তিনি উমর রা. থেকে বর্ণিত সেই আছারটি উদ্দেশ্য করেছেন, যেখানে তিনি জনৈক ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছিলেন—যে বলেছিল: 'যদি আমি অমুককে বিয়ে করি, তবে সে আমার জন্য আমার মায়ের পিঠের মতো', এরপর সে তাকে বিয়ে করল—তখন তিনি বলেছিলেন: 'তাকে যিহারের কাফফারা দিতে হবে'।
(২)সুতরাং এই মাসআলাটি আমার গবেষণার সীমানার অন্তর্ভুক্ত হবে না, কারণ ইমাম স্বয়ং উমর রা.-এর উক্তি থেকে তাঁর দলিল উপস্থাপন করেছেন; বরং এটি মূল প্রকল্পের মাসআলাসমূহের অন্তর্ভুক্ত।
পক্ষান্তরে, হাম্বলিগণ—যা জমহুর বা সংখ্যাগরিষ্ঠ ফকীহদেরও অভিমত
(৩)—এই মত পোষণ করেছেন যে, নারীর ওপর বসে থাকা অবস্থায় দণ্ডবিধি (হদ) কার্যকর করা হবে। তাঁরা আলী ইবনে আবি তালিব রা. থেকে বর্ণিত একটি আছারের মাধ্যমে এর সপক্ষে দলিল দিয়েছেন
(৪)। এই অভিমতটি যদিও ইমাম আহমাদ রহ. একাধিক স্থানে ব্যক্ত করেছেন, কিন্তু আমার নিকট বিদ্যমান উৎসসমূহের মাধ্যমে আমি ইমাম আহমাদ রহ. কর্তৃক আলী রা.-এর আছারকে দলিল হিসেবে পেশ করার কোনো প্রমাণ পাইনি। অতএব, এই মাসআলাটি আমার গবেষণার সীমানার অন্তর্ভুক্ত হবে এবং এটি নিশ্চিতভাবেই মূল প্রকল্পের সীমানার অন্তর্ভুক্ত হবে না।
১০ - ইমাম আহমাদ রহ.-এর মাযহাবে উদ্ভাবিত (তাখরীজকৃত) ফিকহী অভিমতসমূহ: সংকলন ও পর্যালোচনা।
এটি উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীআহ অনুষদের ফিকহ বিভাগের একটি প্রকল্প। এগুলো ডক্টরেট থিসিস যা ইতিপূর্বেই পর্যালোচিত ও গৃহীত হয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ১৩)
ويفارق موضوعي هذا المشروع فيما يلي:
• موضوعي أخص من حيث أنه خاص بقول الصحابي دون باقي المسائل الأصولية.
• ويمكن أن يكون موضوعي أعم من موضوع المشروع باعتبار أنه يشمل جميع أقوال الحنابلة سواء أكانت من المفردات أم لا، وموضوع المشروع خاص بما انفرد به الحنابلة عن غيرهم من المذاهب.
• موضوع المشروع الهدف منه الحكم على الآثار والأقوال بالدرجة الأولى، وأما موضوعي فهو لبيان الاستدلال.
ثانيا: الدراسات الأصولية:1 - قول الصحابي وحجية العمل به.
للدكتور أنس محمد رضا القهوجي وهو كتاب مطبوع وأصله رسالة ماجستير في كلية الدعوة الإسلامية في بيروت قسم الفقه وأصوله عام 1431 هـ.
2 - مذهب الصحابي وأثره في مذاهب الأئمة الأربعة تطبيقًا في فقه العبادات.
وهي رسالة ماجستير في أصول الفقه بجامعة أم القرى للدكتور: نزار معروف بنتن نوقشت عام 1414 هـ.
3 - قول الصحابي وأثره في الأحكام الشرعية رسالة ماجستير للطالب كمال بوزيدي بجامعة الجزائر، كلية المعهد العالي الوطني لأصول الدين بالجزائر عام 1991 م.
4 - مذهب الصحابي وأثره في الفقه الإسلامي للطالب خميس الحديدي.
وهي رسالة ماجستير في الفقه وأصوله بكلية الدراسات العليا في الجامعة الأردنية 1995 م.
ويفارق موضوعي هذه الدراسات فيما يلي:
• أن هذه الدراسات تناولت مذهب الصحابي من الناحية الأصولية، وأما بحثي فمن الناحية الفقهية
• ذُكِرت فيها المسائل كأمثلة فليست دراسة استقرائية.
• شرط المسائل المذكورة تختلف عن شرطي، فهي ذكرت للاستدلال بمذهب الصحابي فيها ولو كان تبعاً على وجه الاقتصار، وأما دراستي فهي استقراء لكل المسائل الفقهية التي كان اعتماد الحنابلة فيها على مذهب الصحابي.
ثالثا: الدراسات الحديثية:الآثار المروية عن الصحابة رضي الله عنهم.
আমার বিষয়টি এই প্রকল্প থেকে নিম্নোক্ত দিক দিয়ে ভিন্ন:
• আমার বিষয়টি অধিকতর সুনির্দিষ্ট, কারণ এটি অন্যান্য উসুলী মাসআলাসমূহ বাদ দিয়ে কেবল সাহাবীর উক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট।
• আমার বিষয়টি এই প্রকল্পের বিষয়ের চেয়ে অধিকতর ব্যাপক হতে পারে এই বিবেচনায় যে, এটি হাম্বলীগণের সকল বক্তব্যকে অন্তর্ভুক্ত করে, চাই তা মুফরাদাত (অনন্য বৈশিষ্ট্য) হোক বা না হোক। অথচ এই প্রকল্পের বিষয়টি কেবল সেই সব মাসআলার সাথে সংশ্লিষ্ট যা হাম্বলীগণ অন্যান্য মাযহাবের বিপরীতে এককভাবে পোষণ করেছেন।
• প্রকল্পের বিষয়টির লক্ষ্য হলো প্রাথমিকভাবে আসার ও উক্তিগুলোর ওপর হুকুম প্রদান করা, আর আমার বিষয়ের উদ্দেশ্য হলো দলীল প্রদানের পদ্ধতি বর্ণনা করা।
দ্বিতীয়: উসুলী (মূলনীতি বিষয়ক) অধ্যয়নসমূহ:১ - সাহাবীর উক্তি এবং তার ওপর আমল করার প্রামাণিকতা।
ডক্টর আনাস মুহাম্মদ রেজা আল-কাহওয়াজির রচনা; এটি একটি মুদ্রিত বই এবং এর মূল হলো বৈরুতের কুল্লিয়াতুদ দাওয়াহ আল-ইসলামিয়্যাহ-এর ফিকহ ও উসুল বিভাগে ১৪৩১ হিজরীতে উপস্থাপিত একটি মাস্টার্স থিসিস।
২ - সাহাবীর মাযহাব এবং চার ইমামের মাযহাবে এর প্রভাব: ইবাদতের ফিকহে এর প্রয়োগ।
এটি উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ে উসুলুল ফিকহ বিভাগে ডক্টর নিজার মা'রুফ বিনতেন কর্তৃক উপস্থাপিত একটি মাস্টার্স থিসিস, যা ১৪১৪ হিজরীতে আলোচিত হয়েছে।
৩ - সাহাবীর উক্তি এবং শরয়ী আহকামে এর প্রভাব; আলজিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর জাতীয় উসুলুদ্দীন ইনস্টিটিউটে ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দে ছাত্র কামাল বুজিদি কর্তৃক উপস্থাপিত মাস্টার্স থিসিস।
৪ - সাহাবীর মাযহাব এবং ইসলামী ফিকহে এর প্রভাব; ছাত্র খামিস আল-হাদিদির রচনা।
এটি জর্ডান বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর শিক্ষা অনুষদে ফিকহ ও উসুল বিভাগে ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দে উপস্থাপিত একটি মাস্টার্স থিসিস।
আমার বিষয়টি এই গবেষণাগুলো থেকে নিম্নোক্ত দিক দিয়ে ভিন্ন:
• এই গবেষণাগুলো সাহাবীর মাযহাবকে উসুলী (তাত্ত্বিক) দিক থেকে আলোচনা করেছে, আর আমার গবেষণাটি হলো ফিকহী (ব্যবহারিক) দিক থেকে।
• সেগুলোতে মাসআলাগুলো উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তাই এটি কোনো পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধানমূলক (ইস্তিকরায়ি) অধ্যয়ন নয়।
• উল্লিখিত মাসআলাগুলোর শর্ত আমার শর্তের চেয়ে ভিন্ন; সেগুলো সেখানে সাহাবীর মাযহাবের মাধ্যমে দলীল উপস্থাপনের জন্য উল্লিখিত হয়েছে, এমনকি তা যদি সংক্ষিপ্তভাবে অনুগামী হিসেবেও হয়। পক্ষান্তরে, আমার অধ্যয়নটি হলো এমন সকল ফিকহী মাসআলার পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান যেখানে হাম্বলী মাযহাবের নির্ভরযোগ্য ভিত্তি ছিল সাহাবীর মাযহাব।
তৃতীয়: হাদীস বিষয়ক অধ্যয়নসমূহ:সাহাবীগণের (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) থেকে বর্ণিত আসারসমূহ।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ১৪)
وهو مشروع لطلبة الدكتوراه بكلية الدعوة وأصول الدين قسم الكتاب والسنة بجامعة أم القرى وفكرته، تخريج الآثار المروية عن الصحابة رضي الله عنهم والحكم عليها صحةً وضعفًا فقط.
•
منهجي في بحث الموضوع:سوف أسير على المنهج الذي تم الموافقة عليه للطالب ستيفن مصطفى قاسم حتى يكون البحث متجانسًا، وسوف يكون المنهج كالتالي:
1 - المنهج الاستقرائي، والذي يظهر من خلال استقراء المسائل الفقهية المبنية على الاحتجاج بمذهب الصحابي عند الحنابلة من خلال كتابي «كشاف القناع» و «شرح منتهى الإرادات.».
2 - معنى قولي: بناها الحنابلة في مذهبهم على الاحتجاج بمذهب الصحابي: أن الحنابلة ليس لهم دليل نقلي في هذه المسالة إلا قول الصحابي. فلن يدخل في دراستي وبحثي ما اعتمدوا فيه آيةً، أو حديثًا.
3 - التوثيق للمسائل من خلال كتب الحنابلة المعتمدة.
4 - أذكر الأقوال الفقهية في المسألة، مقتصرة على بيان الروايات في المذهب الحنبلي، وتوثيق نسبة هذه الأقوال من كتب المذهب المعتبرةً.
5 - أستدل بأهم الأدلة التي استدل بها أصحاب كل رواية في المذهب الحنبلي، مع ذكر وجه الدلالة لكل رواية إن لم تكن الرواية صريحة في الحكم.
6 - أختم كل مسألة بجمع بين الرواية إن أمكن لي ذلك، أو ترجيح ما أراه راجحاً، وبيان سبب الترجيح في نظري القاصر، أو التوقف عن الترجيح إن لم يتبين لي ترجيحاً.
7 - أوثق الأقوال والنصوص من مراجعها الأصيلة، بقدر طاقتي واستطاعتي.
8 - ألتزم بالموضوع، ولا أتطرق لما لا يدخل في موضوع البحث، أو الاستطراد فيه، وأرجو أن أكون قد وفقت للحق والصواب، والابتعاد عن التعصب المذموم.
9 - أكتب الآيات القرآنية بالرسم العثماني، وأعزوها إلى سورها، مع ذكر رقم الآية.
10 - أخرِّج الأحاديث من مظانها في كتب الحديث، فإن كان الحديث في الصحيحين أو أحدهما اكتفيت بذلك، وإن كان في غيرهما ذكرت مكانه في الكتب الحديثية المعتمدة، فأذكر الكتاب، والباب، والجزء، ورقم الحديث، أو الأثر، مع بيان ذكر أقوال العلماء فيه.
এটি উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের দাওয়াহ ও উসুলুদ্দিন অনুষদের কিতাব ও সুন্নাহ বিভাগের পিএইচডি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি প্রকল্প, যার মূল ভাবনা হলো সাহাবায়ে কেরাম (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) থেকে বর্ণিত আসারগুলোর তাখরিজ করা এবং কেবল সেগুলোর বিশুদ্ধতা ও দুর্বলতা বিচার করা।
•
বিষয়টির গবেষণায় আমার অনুসৃত পদ্ধতি:গবেষণাটি যাতে সঙ্গতিপূর্ণ হয় সেজন্য আমি শিক্ষার্থী স্টিফেন মোস্তফা কাসেমের জন্য অনুমোদিত পদ্ধতি অনুসরণ করব এবং পদ্ধতিটি নিম্নরূপ হবে:
১ - আরোহী পদ্ধতি (Inductive Method), যা হাম্বলি মাযহাবের 'কাশশাফুল কিনা' এবং 'শারহু মুনতাহাল ইরাদাত' গ্রন্থদ্বয়ের মাধ্যমে সাহাবীর মাযহাবকে দলিল হিসেবে গ্রহণের ওপর ভিত্তি করে রচিত ফিকহি মাসয়ালাগুলোর পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায়।
২ - আমার এই বক্তব্যের অর্থ— 'হাম্বলিগণ তাদের মাযহাবে বিষয়টিকে সাহাবীর মাযহাবকে দলিল হিসেবে গ্রহণের ওপর ভিত্তি করেছেন': অর্থাৎ, এই মাসয়ালায় সাহাবীর বক্তব্য ছাড়া হাম্বলিদের কাছে আর কোনো উদ্ধৃতিমূলক (নকলি) দলিল নেই। সুতরাং তারা যে বিষয়ে কোনো আয়াত বা হাদিসের ওপর নির্ভর করেছেন, তা আমার এই গবেষণা ও অধ্যয়নের অন্তর্ভুক্ত হবে না।
৩ - হাম্বলি মাযহাবের নির্ভরযোগ্য কিতাবসমূহ থেকে মাসয়ালাগুলোর প্রামাণিক উদ্ধৃতি প্রদান।
৪ - আমি মাসয়ালার ফিকহি মতগুলো উল্লেখ করব, যা কেবল হাম্বলি মাযহাবের বর্ণনাগুলোর (রিওয়ায়াত) বিবরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে এবং মাযহাবের নির্ভরযোগ্য কিতাবসমূহ থেকে এই মতগুলোর সম্বন্ধের প্রামাণিকতা নিশ্চিত করব।
৫ - হাম্বলি মাযহাবের প্রতিটি বর্ণনার স্বপক্ষে প্রবক্তাগণ যেসব গুরুত্বপূর্ণ দলিল পেশ করেছেন আমি সেগুলো উল্লেখ করব। যদি বর্ণনার ভাষা বিধানের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট না হয়, তবে প্রতিটি বর্ণনার নির্দেশনার দিকটিও (ওয়াজহুদ দালালাহ) উল্লেখ করব।
৬ - সম্ভব হলে আমি প্রতিটি মাসয়ালা বর্ণনাসমূহের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে শেষ করব, অথবা যা আমার কাছে অগ্রগণ্য মনে হবে তার তারজিহ (প্রাধান্য প্রদান) করব এবং আমার সীমাবদ্ধ জ্ঞান অনুযায়ী সেই তারজিহ-এর কারণ বর্ণনা করব। আর যদি কোনোটিই অগ্রগণ্য হিসেবে আমার কাছে প্রতীয়মান না হয়, তবে তারজিহ করা থেকে বিরত থাকব।
৭ - আমি আমার সাধ্য ও সামর্থ্য অনুযায়ী বক্তব্য ও পাঠ্যসমূহকে তাদের মূল উৎস থেকে প্রামাণিক রূপ দান করব।
৮ - আমি মূল বিষয়ের ওপর অটল থাকব এবং গবেষণার বিষয়ের বাইরে কোনো কিছু বা অবান্তর প্রসঙ্গের অবতারণা করব না। আশা করি আমি সত্য ও সঠিক পথে চলার এবং নিন্দনীয় গোঁড়ামি থেকে দূরে থাকার তাওফিক লাভ করব।
৯ - আমি কুরআনের আয়াতগুলো রসম-ই উসমানি অনুযায়ী লিখব এবং আয়াত নম্বরসহ সংশ্লিষ্ট সুরার দিকে সেগুলোকে সম্বন্ধযুক্ত করব।
১০ - আমি হাদিসের কিতাবসমূহ থেকে হাদিসের উৎস অনুসন্ধান (তাখরিজ) করব। হাদিসটি যদি সহিহাইন (বুখারি ও মুসলিম) বা এর যেকোনো একটিতে থাকে তবে আমি কেবল সেটি উল্লেখ করেই ক্ষান্ত হব। আর যদি অন্য কিতাবে থাকে, তবে নির্ভরযোগ্য হাদিস গ্রন্থসমূহ থেকে তার স্থান উল্লেখ করব; এক্ষেত্রে আমি কিতাব, অধ্যায়, খণ্ড এবং হাদিস বা আসারের নম্বর উল্লেখ করার পাশাপাশি সে সম্পর্কে আলেমদের মতামতও বর্ণনা করব।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ১৫)
11 - أقوم بالتعريف بالمصطلحات العلمية.
12 - أشرح الكلمات الغريبة من مصادرها الأصلية.
13 - أترجم للأعلام الواردة أسماؤهم في الرسالة، ترجمة موجزة، تاركة المشهورين منهم، كالعشرة المبشرين بالجنة ومشاهير الصحابة: كأبي هريرة رضي الله عنه وعائشة رضي الله عنها، والأئمة الأربعة أو من جاء بعدهم كشيخ الإسلام ابن تيمة رحمه الله وتلميذه ابن القيم رحمه الله، ومشاهير المعاصرين: كابن عثيمين رحمه الله.
14 - ألتزم بوضع الفهارس العلمية في آخر الرسالة حسب ما ذكرت في بيان الخطة.
خطة البحث:تتكون خطة البحث من مقدمة، وتمهيد، وفصلين، وخاتمة.
والمقدمة فيها، تمهيد وفيه ثلاثة مباحث:
• المبحث الأول: نبذة مختصرة عن أصول مذهب الحنابلة.
• المبحث الثاني: التعريف بمذهب الصحابي.
• المبحث الثالث: حجية مذهب الصحابي عند الأصوليين.
* الفصل الأول: المسائل الفقهية التي بناها الحنابلة في مذهبهم على الاحتجاج بمذهب الصحابي في أحكام الأسرة، وفيه مبحثان:
• المبحث الأول: المسائل الفقهية التي بناها الحنابلة في مذهبهم على الاحتجاج بمذهب الصحابي في كتاب النكاح والصداق، وفيه اثنا عشر مطلباً:
• المطلب الأول: اجتماع النكاح لصاحب الشهوة مع نوافل العبادات.
• المطلب الثاني: النظر إلى الأمة المستامة.
• المطلب الثالث: القدر المجزئ من خٌطبة النكاح.
• المطلب الرابع: تزويج الأب أولاده الصغار.
• المطلب الخامس: توكيل الولي في إيجاب النكاح مطلقاً.
• المطلب السادس: تولي طرفي العقد في النكاح.
• المطلب السابع: وطء الأمة الزانية.
• المطلب الثامن: من وجدت زوجها خصيًا.
• المطلب التاسع: مقدار متعة النساء.
১১ - আমি তাত্ত্বিক পরিভাষাগুলোর পরিচয় প্রদান করেছি।
১২ - আমি বিরল ও দুর্বোধ্য শব্দগুলোর ব্যাখ্যা তাদের মৌলিক উৎসসমূহ হতে প্রদান করেছি।
১৩ - আমি এই গবেষণাপত্রে উল্লিখিত ব্যক্তিবর্গের সংক্ষিপ্ত জীবনী বর্ণনা করেছি; তবে সুপরিচিত ব্যক্তিবর্গের জীবনী বাদ দিয়েছি, যেমন: জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত দশজন সাহাবী এবং প্রখ্যাত সাহাবীগণ যেমন: আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাঁর উপর সন্তুষ্ট হোন) ও আয়েশা (আল্লাহ তাঁর উপর সন্তুষ্ট হোন), এবং চার ইমাম অথবা তাঁদের পরবর্তীকালে আগত শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) ও তাঁর ছাত্র ইবনুল কাইয়্যিম (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন), এবং সমসাময়িক প্রখ্যাত আলেমগণ যেমন: ইবনে উসাইমীন (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন)।
১৪ - আমি গবেষণা পরিকল্পনায় উল্লিখিত বিবরণ অনুযায়ী গবেষণাপত্রের শেষে তাত্ত্বিক নির্ঘণ্টসমূহ যুক্ত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
গবেষণার পরিকল্পনা:গবেষণার পরিকল্পনাটি একটি প্রস্তাবনা, একটি ভূমিকা, দুটি অধ্যায় এবং একটি উপসংহার নিয়ে গঠিত।
আর প্রস্তাবনার মধ্যে একটি ভূমিকা রয়েছে যাতে তিনটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:
• প্রথম পরিচ্ছেদ: হাম্বলী মাযহাবের মূলনীতিসমূহের একটি সংক্ষিপ্ত পরিচিতি।
• দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: সাহাবীর মাযহাবের সংজ্ঞা।
• তৃতীয় পরিচ্ছেদ: উসুলবিদদের নিকট সাহাবীর মাযহাবের প্রামাণিকতা।
* প্রথম অধ্যায়: পারিবারিক বিধিবিধানের ক্ষেত্রে সাহাবীর মাযহাবকে দলিল হিসেবে গ্রহণের ভিত্তিতে হাম্বলীগণ তাদের মাযহাবে যেসব ফিকহী মাসআলা সাজিয়েছেন; এতে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:
• প্রথম পরিচ্ছেদ: বিবাহ ও মোহরানা অধ্যায়ে সাহাবীর মাযহাবকে দলিল হিসেবে গ্রহণের ভিত্তিতে হাম্বলীগণ তাদের মাযহাবে যেসব ফিকহী মাসআলা সাজিয়েছেন; এতে বারোটি উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:
• প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: কামভাব সম্পন্ন ব্যক্তির জন্য নফল ইবাদতের সাথে বিবাহের সমন্বয়।
• দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: বিক্রয়ের জন্য প্রস্তাবিত দাসীর দিকে দৃষ্টিপাত করা।
• তৃতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: বিবাহের খুতবার যতটুকু অংশ যথেষ্ট।
• চতুর্থ উপ-পরিচ্ছেদ: পিতা কর্তৃক তাঁর নাবালক সন্তানদের বিবাহ দান।
• পঞ্চম উপ-পরিচ্ছেদ: বিবাহের প্রস্তাব প্রদানের ক্ষেত্রে অভিভাবকের নিরঙ্কুশ প্রতিনিধিত্ব প্রদান।
• ষষ্ঠ উপ-পরিচ্ছেদ: বিবাহের চুক্তিতে উভয় পক্ষের দায়িত্ব এক ব্যক্তি কর্তৃক গ্রহণ।
• সপ্তম উপ-পরিচ্ছেদ: ব্যভিচারী দাসীর সাথে সহবাস।
• অষ্টম উপ-পরিচ্ছেদ: যে নারী তার স্বামীকে নপুংসক হিসেবে পায়।
• নবম উপ-পরিচ্ছেদ: নারীদের মুত'আ বা বিচ্ছেদকালীন উপঢৌকনের পরিমাণ।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ১৬)
• المطلب العاشر: من دُعِيَ إلى وليمة وكان صائمًا.
• المطلب الحادي عشر: الحكم فيما لوكان الزوج كثير الجماع.
• المطلب الثاني عشر: عدد المبيت عند الحرة.
• المبحث الثاني: المسائل الفقهية التي بناها الحنابلة في مذهبهم على الاحتجاج بمذهب الصحابي في كتاب الخلع والطلاق والرجعة والإيلاء والظهار واللعان والعدد والرضاع والنفقات، وفيه ثلاثة عشر مطلبًا:
• المطلب الأول: الخلع دون الحاكم.
• المطلب الثاني: طلاق الحرج.
• المطلب الثالث: قول الزوج فراشي عليَّ حرام.
• المطلب الرابع: الموهوبة لأهلها.
• المطلب الخامس: تعليق الطلاق بمشيئة الله.
• المطلب السادس: الكتمان في الإشهاد على الرجعة.
• المطلب السابع: الإيلاء في الغضب والرضا.
• المطلب الثامن: الفيئة من الإيلاء للعاجز عن الجماع.
• المطلب التاسع: ظاهر من نسائه بكلمة واحدة.
• المطلب العاشر: أقل مدة الحمل.
• المطلب الحادي عشر: بداية عدة من فارقها زوجها بطلاق أو موت.
• المطلب الثاني عشر: الرضاع من لبن الفاجرة.
• المطلب الثالث عشر: صفة قوت من يعول.
* الفصل الثاني: المسائل الفقهية التي بناها الحنابلة في مذهبهم على الاحتجاج بمذهب الصحابي في كتاب الجنايات والديات والحدود والأطعمة والأيمان والقضاء والفتيا والإقرار، وفيه ثلاثة مباحث:
• المبحث الأول: المسائل الفقهية التي بناها الحنابلة في مذهبهم على الاحتجاج بمذهب الصحابي في كتاب الجنايات والديات، وفيه ثلاثة عشر مطلبًا:
• المطلب الأول: من أريد قتله فقال شخص أنا القاتل.
• المطلب الثاني: إذا اجتمع اثنان على شخص فجرحه أحدهما وقتله الأخر.
• المطلب الثالث: حبس القاتل حتى بلوغ صاحب الدم.
• المطلب الرابع: قيمة الدية إذا اصطدم حران ثم ماتا.
• দশম অনুচ্ছেদ: যাকে ওলিমার দাওয়াত দেওয়া হয়েছে অথচ সে রোজা পালনকারী।
• একাদশ অনুচ্ছেদ: স্বামী যদি অধিক সহবাসকারী হয় তবে তার বিধান।
• দ্বাদশ অনুচ্ছেদ: স্বাধীন স্ত্রীর নিকট রাত যাপনের সংখ্যা।
• দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: খুলা, তালাক, রাজআত (প্রত্যাবর্তন), ইলা, যিহার, লিআন, ইদ্দত, দুগ্ধপান ও ভরণপোষণ অধ্যায়ে সাহাবীর মতকে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করে হাম্বলী মাজহাবে প্রণীত ফিকহী মাসআলাসমূহ; এতে তেরটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
• প্রথম অনুচ্ছেদ: বিচারকের সিদ্ধান্ত ব্যতীত খুলা।
• দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: তালাকুল হারজ (সংকটাপন্ন অবস্থার তালাক)।
• তৃতীয় অনুচ্ছেদ: স্বামীর উক্তি— 'আমার বিছানা আমার জন্য হারাম'।
• চতুর্থ অনুচ্ছেদ: যাকে তার পরিবারের নিকট দান করা হয়েছে।
• পঞ্চম অনুচ্ছেদ: আল্লাহর ইচ্ছার সাথে তালাককে শর্তযুক্ত করা।
• ষষ্ঠ অনুচ্ছেদ: রাজআতের সাক্ষ্য প্রদানের ক্ষেত্রে গোপনীয়তা।
• সপ্তম অনুচ্ছেদ: ক্রোধ ও সন্তুষ্টি—উভয় অবস্থায় ইলা।
• অষ্টম অনুচ্ছেদ: সহবাসে অক্ষম ব্যক্তির ইলা থেকে ফিরে আসা।
• নবম অনুচ্ছেদ: এক শব্দে স্ত্রীদের সাথে যিহার করা।
• দশম অনুচ্ছেদ: গর্ভধারণের সর্বনিম্ন সময়কাল।
• একাদশ অনুচ্ছেদ: তালাক বা মৃত্যুর কারণে বিচ্ছিন্ন হওয়া নারীর ইদ্দত শুরুর সময়।
• দ্বাদশ অনুচ্ছেদ: পাপাচারী নারীর দুধ পান করা।
• ত্রয়োদশ অনুচ্ছেদ: পোষ্যদের খাদ্যের ধরণ।
* দ্বিতীয় অধ্যায়: অপরাধ (জিনায়াত), রক্তপণ (দিয়াত), দণ্ডবিধি (হুদুদ), খাদ্যদ্রব্য, শপথ, বিচার ব্যবস্থা (কাযা), ফতোয়া ও স্বীকৃতি (ইকরার) অধ্যায়ে সাহাবীর মতকে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করে হাম্বলী মাজহাবে প্রণীত ফিকহী মাসআলাসমূহ; এতে তিনটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:
• প্রথম পরিচ্ছেদ: অপরাধ (জিনায়াত) ও রক্তপণ (দিয়াত) অধ্যায়ে সাহাবীর মতকে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করে হাম্বলী মাজহাবে প্রণীত ফিকহী মাসআলাসমূহ; এতে তেরটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
• প্রথম অনুচ্ছেদ: যাকে হত্যা করার ইচ্ছা করা হয়েছে (বা নিহতের ঘটনায়) যখন অন্য কেউ বলে— 'আমিই হত্যাকারী'।
• দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: যখন দুইজন এক ব্যক্তির ওপর চড়াও হয় এবং একজন তাকে আহত করে ও অন্যজন তাকে হত্যা করে।
• তৃতীয় অনুচ্ছেদ: রক্তের উত্তরাধিকারী (ওয়ারিশ) প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া পর্যন্ত হত্যাকারীকে বন্দী রাখা।
• চতুর্থ অনুচ্ছেদ: দুইজন স্বাধীন ব্যক্তি একে অপরের সাথে ধাক্কা খেয়ে মারা গেলে রক্তপণের পরিমাণ।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ১৭)
• المطلب الخامس: إذا قتل المنجنيق أحد الثلاثة الرماة.
• المطلب السادس: إذا وقع أحد على آخر فمات.
• المطلب السابع: من ادعى فقد بصر العين.
• المطلب الثامن: قيمة الغرة.
• المطلب التاسع: ما تحمله العاقلة من الجراحات.
• المطلب العاشر: دية الشعور الأربعة.
• المطلب الحادي عشر: مقدار دية الترقوة.
• المطلب الثاني عشر: حكم من أتلف شيء بالعبد.
• المطلب الثالث عشر: دية تسويد السن.
• المبحث الثاني: المسائل الفقهية التي بناها الحنابلة في مذهبهم على الاحتجاج بمذهب الصحابي في كتاب الحدود، وفيه عشرون مطلبًا:
• المطلب الأول: من ارتكب حدًا جاهلًا.
• المطلب الثاني: إقامة الحد على الأمة المزوَّجة.
• المطلب الثالث: صفة إقامة الحد على الرجل.
• المطلب الرابع: عدم مد المحدود وربطه وشده.
• المطلب الخامس: اتقاء الضارب في الحد للرأسَ والوجهَ.
• المطلب السادس: صفة إقامة الحد على المرأة.
• المطلب السابع: إذا اجتمعت الحدود.
• المطلب الثامن: من سرق من بيت المال.
• المطلب التاسع: سرقة أحد الزوجين مال الآخر.
• المطلب العاشر: موضع القطع لليد اليمنى في السرقة الأولى.
• المطلب الحادي عشر: موضع القطع للرجل اليسرى في السرقة الثانية.
• المطلب الثاني عشر: ثبوت الإمامة بإجماع المسلمين.
• المطلب الثالث عشر: ثبوت الإمامة بتنصيص الخليفة قبله.
• المطلب الرابع عشر: ثبوت الإمامة بالغلبة.
• المطلب الخامس عشر: حكم مراسلة أهل البغي.
• المطلب السادس عشر: عزل الإمام لنفسه.
• المطلب السابع عشر: غنيمة أموال أهل البغي وسبي ذريتاهم.
• পঞ্চম পরিচ্ছেদ: যদি মিনজানিক তিনজন নিক্ষেপকারীর একজনকে হত্যা করে।
• ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: যদি কেউ অন্য কারো ওপর পড়ে এবং সে মারা যায়।
• সপ্তম পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি দৃষ্টিশক্তি হারানোর দাবি করে।
• অষ্টম পরিচ্ছেদ: গুররাহর (ভ্রূণ হত্যার রক্তপণ) মূল্য।
• নবম পরিচ্ছেদ: জখমের ক্ষেত্রে আকিলা (রক্তপণ বহনকারী আত্মীয়স্বজন) যা বহন করবে।
• দশম পরিচ্ছেদ: চার প্রকারের চুলের দিয়াত (রক্তপণ)।
• একাদশ পরিচ্ছেদ: কণ্ঠাস্থির দিয়াতের পরিমাণ।
• দ্বাদশ পরিচ্ছেদ: গোলামের মাধ্যমে কোনো কিছু নষ্ট করার বিধান।
• ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ: দাঁত কালো করে ফেলার দিয়াত।
• দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: দণ্ডবিধি (হুদুদ) অধ্যায়ে সাহাবীর মাযহাবকে দলিল হিসেবে গ্রহণের ওপর ভিত্তি করে হাম্বলীগণ তাদের মাযহাবে যেসব ফিকহী মাসআলা গড়ে তুলেছেন, এবং এতে বিশটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:
• প্রথম পরিচ্ছেদ: যে অজ্ঞতাবশত কোনো দণ্ডযোগ্য অপরাধ করে।
• দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: বিবাহিত ক্রীতদাসীর ওপর দণ্ড কার্যকর করা।
• তৃতীয় পরিচ্ছেদ: পুরুষের ওপর দণ্ড কার্যকর করার পদ্ধতি।
• চতুর্থ পরিচ্ছেদ: দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে সোজা করে টেনে না ধরা, না বাঁধা এবং শক্ত করে না আটকানো।
• পঞ্চম পরিচ্ছেদ: দণ্ড কার্যকর করার সময় প্রহারকারীর মাথা ও মুখমণ্ডল এড়িয়ে চলা।
• ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: নারীর ওপর দণ্ড কার্যকর করার পদ্ধতি।
• সপ্তম পরিচ্ছেদ: যখন একাধিক দণ্ড একত্রিত হয়।
• অষ্টম পরিচ্ছেদ: যে বায়তুল মাল থেকে চুরি করে।
• নবম পরিচ্ছেদ: স্বামী-স্ত্রীর একে অপরের সম্পদ চুরি করা।
• দশম পরিচ্ছেদ: প্রথমবার চুরির ক্ষেত্রে ডান হাত কাটার স্থান।
• একাদশ পরিচ্ছেদ: দ্বিতীয়বার চুরির ক্ষেত্রে বাম পা কাটার স্থান।
• দ্বাদশ পরিচ্ছেদ: মুসলিমদের ঐকমত্যের মাধ্যমে ইমামত (নেতৃত্ব) সাব্যস্ত হওয়া।
• ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ: পূর্ববর্তী খলিফার স্পষ্ট নির্দেশের মাধ্যমে ইমামত সাব্যস্ত হওয়া।
• চতুর্দশ পরিচ্ছেদ: বিজয়ী হওয়ার (ক্ষমতা দখল) মাধ্যমে ইমামত সাব্যস্ত হওয়া।
• পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ: বিদ্রোহীদের সাথে পত্রালাপের বিধান।
• ষোড়শ পরিচ্ছেদ: ইমাম কর্তৃক স্বীয় পদ ত্যাগ করা।
• সপ্তদশ পরিচ্ছেদ: বিদ্রোহীদের সম্পদ গণিমত হিসেবে গ্রহণ এবং তাদের সন্তানদের যুদ্ধবন্দী করার বিধান।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ১৮)
• المطلب الثامن عشر: قتل مدبر وجريح أهل البغي.
• المطلب التاسع عشر: من أظهر من قول الخوارج.
• المطلب العشرون: من أتى حدًا من أهل البغي.
• المبحث الثالث: المسائل الفقهية التي بناها الحنابلة في مذهبهم على الاحتجاج بمذهب الصحابي في كتاب الأطعمة والأيمان والقضاء والفتيا والإقرار، وفيه أحد عشر مطلبًا:
• المطلب الأول: شَيَّ الجراد حياً.
• المطلب الثاني: الاصطياد بالبندق.
• المطلب الثالث: الحكم في اليمين الغموس.
• المطلب الرابع: حلف الرجل لا يأوي مع امرأته في هذا العيد.
• المطلب الخامس: طلب القاضي الرزق من بيت المال.
• المطلب السادس: جواب ما لا يحتمله السائل.
• المطلب السابع: حكم القاضي لنفسه.
• المطلب الثامن: إحضار المدعى عليه.
• المطلب التاسع: وجود البينة بعد يمين المنكر.
• المطلب العاشر: أمد الحق الغائب.
• المطلب الحادي عشر: شروط قبول المزكيين.
• الخاتمة، وفيها:
• أهم النتائج.
• التوصيات.
• الفهارس وتحتوي على:
1 - فهرس الآيات.
2 - فهرس الأحاديث.
3 - فهرس الآثار.
4 - فهرس الأعلام.
5 - فهرس الأماكن والبلدان.
• আঠারোতম পরিচ্ছেদ: বিদ্রোহী দলের পশ্চাৎপসরণকারী এবং আহতদের হত্যা করা।
• ঊনিশতম পরিচ্ছেদ: যারা খারেজীদের মতাদর্শ প্রকাশ করে।
• বিশতম পরিচ্ছেদ: বিদ্রোহী দলের অন্তর্ভুক্ত কেউ যদি হদ (শরিয়তি দণ্ড) যোগ্য অপরাধ করে।
• তৃতীয় অধ্যায়: খাদ্যদ্রব্য, শপথ, বিচারব্যবস্থা, ফতোয়া এবং স্বীকৃতির অধ্যায়ে সাহাবীর অভিমতকে দলীল হিসেবে গ্রহণের ওপর ভিত্তি করে হাম্বলী মাজহাবে যেসব ফিকহী মাসআলা বর্ণিত হয়েছে; এতে এগারোটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:
• প্রথম পরিচ্ছেদ: জীবিত পঙ্গপাল পুড়িয়ে মারা।
• দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: গুলতির মাধ্যমে শিকার করা।
• তৃতীয় পরিচ্ছেদ: ইয়ামিনে গামূস (মিথ্যা শপথ)-এর হুকুম।
• চতুর্থ পরিচ্ছেদ: কোনো ব্যক্তির তার স্ত্রীর সাথে এই ঈদে অবস্থান না করার শপথ করা।
• পঞ্চম পরিচ্ছেদ: বিচারক কর্তৃক বায়তুল মাল থেকে ভাতা প্রার্থনা করা।
• ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: প্রশ্নকারীর ধারণক্ষমতার বাইরের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া।
• সপ্তম পরিচ্ছেদ: বিচারক কর্তৃক নিজের পক্ষে বিচার করা।
• অষ্টম পরিচ্ছেদ: বিবাদীকে উপস্থিত করা।
• নবম পরিচ্ছেদ: অস্বীকারকারীর শপথের পর প্রমাণের উপস্থিতি।
• দশম পরিচ্ছেদ: অনুপস্থিত পাওনার সময়সীমা।
• একাদশ পরিচ্ছেদ: সাক্ষীর চারিত্রিক সংশোধনকারীদের (মুযাক্কী) গ্রহণযোগ্যতার শর্তাবলি।
• উপসংহার, এতে রয়েছে:
• গুরুত্বপূর্ণ ফলাফলসমূহ।
• সুপারিশমালা।
• নির্ঘণ্টসমূহ, যাতে রয়েছে:
১ - আয়াতের নির্ঘণ্ট।
২ - হাদীসের নির্ঘণ্ট।
৩ - আছারের (সাহাবী ও তাবিঈদের বাণী) নির্ঘণ্ট।
৪ - ব্যক্তিবর্গের নির্ঘণ্ট।
৫ - স্থান ও দেশসমূহের নির্ঘণ্ট।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ১৯)
6 - فهرس الكلمات الغريبة.
7 - فهرس المصطلحات الفقهية.
8 - فهرس المصادر والمراجع.
9 - فهرس الموضوعات.
৬ - অপ্রচলিত শব্দাবলির নির্ঘণ্ট।
৭ - ফিকহী পরিভাষাসমূহের নির্ঘণ্ট।
৮ - উৎস ও তথ্যসূত্রসমূহের নির্ঘণ্ট।
৯ - বিষয়সূচি।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ২০)
التمهيدوفيه ثلاث مباحث:
•
المبحث الأول: نبذة مختصرة عن أصول مذهب الحنابلة، وفيه ثلاثة مطالب:
* المطلب الأول: معنى الأصل لغة واصطلاحًا.
* المطلب الثاني: معنى المذهب لغة واصطلاحًا.
* المطلب الثالث: أصول مذهب الحنابلة مختصرة.
• المبحث الثاني: التعريف بمذهب الصحابي، وفيه ثلاثة مطالب:
* المطلب الأول: معنى الصحابي لغةً واصطلاحًا.
* المطلب الثاني: معنى مذهب الصحابي.
* المطلب الثالث: مكانة الصحابة رضي الله عنهم.
• المبحث الثالث: حجية مذهب الصحابي، وفيه خمسة مطالب:
* المطلب الأول: تحرير محل النزاع في حجية مذهب الصحابي.
* المطلب الثاني: آراء الأئمة الثلاثة (أبي حنيفة ومالك والشافعي) في مذهب الصحابي إجمالًا.
* المطلب الثالث: القائلون بحجية مذهب الصحابي من الحنابلة وأدلتهم.
* المطلب الرابع: النافون لحجية مذهب الصحابي من الحنابلة وأدلتهم.
* المطلب الخامس: الترجيح.
প্রস্তাবনাএতে তিনটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:
•
প্রথম পরিচ্ছেদ: হাম্বলি মাযহাবের মূলনীতিসমূহের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা, এতে তিনটি উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:
* প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থে আসলের (মূল) সংজ্ঞা।
* দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থে মাযহাবের সংজ্ঞা।
* তৃতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: হাম্বলি মাযহাবের সংক্ষিপ্ত মূলনীতিসমূহ।
• দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: সাহাবীর মাযহাবের পরিচিতি, এতে তিনটি উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:
* প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থে সাহাবীর সংজ্ঞা।
* দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: সাহাবীর মাযহাবের অর্থ।
* তৃতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: সাহাবীগণের (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) মর্যাদা।
• তৃতীয় পরিচ্ছেদ: সাহাবীর মাযহাবের প্রামাণ্যতা, এতে পাঁচটি উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:
* প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: সাহাবীর মাযহাবের প্রামাণ্যতা বিষয়ে মতপার্থক্যের মূল বিষয়ের স্বরূপ উন্মোচন।
* দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: সাহাবীর মাযহাব সম্পর্কে তিন ইমামের (আবু হানিফা, মালিক ও শাফেয়ী) মতামতের সংক্ষিপ্ত সার।
* তৃতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: হাম্বলিদের মধ্যে যারা সাহাবীর মাযহাবের প্রামাণ্যতার পক্ষে মত দিয়েছেন এবং তাদের দলিলসমূহ।
* চতুর্থ উপ-পরিচ্ছেদ: হাম্বলিদের মধ্যে যারা সাহাবীর মাযহাবের প্রামাণ্যতাকে অস্বীকার করেছেন এবং তাদের দলিলসমূহ।
* পঞ্চম উপ-পরিচ্ছেদ: অধিকতর সঠিক মত নির্ধারণ।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ২১)
نبذة مختصرة عن أصول مذهب الحنابلة، وفيه ثلاثة مطالب:
* المطلب الأول: معنى الأصل لغة واصطلاحًا.
* المطلب الثاني: معنى المذهب لغة واصطلاحًا.
* المطلب الثالث: أصول مذهب الحنابلة مختصرة.
হাম্বলী মাযহাবের মূলনীতিসমূহের একটি সংক্ষিপ্ত রূপরেখা, এতে তিনটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:
* প্রথম পরিচ্ছেদ: শাব্দিক ও পারিভাষিক অর্থে আসলের (মূলনীতি) সংজ্ঞা।
* দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: শাব্দিক ও পারিভাষিক অর্থে মাযহাবের সংজ্ঞা।
* তৃতীয় পরিচ্ছেদ: সংক্ষেপে হাম্বলী মাযহাবের মূলনীতিসমূহ।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ২২)
التمهيد
المطلب الأول: معنى الأصل لغة واصطلاحًا:
أولًا: معنى الأصل لغة:تطلق كلمة الأصل في اللغة على معانٍ منها:
• أساس الشيء: جاء في «معجم مقاييس اللغة»
(1): الهمزة والصاد واللام، ثلاثة أصول متباعد بعضها من بعض، أحدها: أساس الشيء.
• أسفل الشيء: جاء في «تاج العروس»
(2) الأصل أسفل الشيء يقال: قعد في أصل الجبل، وأصل الحائط، وقلع أصل الشجر، ثم كثر حتى قيل: أصل كل شيء: ما يستند وجود ذلك الشيء إليه.
• القاعدة: جاء في «المفردات في غريب القران»
(3) أصل الشيء قاعدته التي لو توهمت مرتفعة لارتفع بارتفاعه سائره لذلك.
ثانيًا: معنى الأصل اصطلاحًا:1. عبارة عما يبنى عليه غيره، ولا يبنى هو على غيره.
(4)2. الأصل يطلق على أربعة أشياء:
الأول: الدليل، كقولهم أصل هذه المسألة الكتاب والسنة. أي دليلها وهذا المراد هنا في علم الأصول.
الثاني: الرجحان: أي على الراجح من الأمرين. كقولهم الأصل في الكلام الحقيقة دون المجاز.
الثالث: القاعدة المستمرة، كقولهم أكل الميتة على خلاف الأصل أي على خلاف الحالة المستمرة.
--------------------------------------------
প্রারম্ভিকা
প্রথম পরিচ্ছেদ: আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থে আসলের পরিচয়:
প্রথমত: আভিধানিক অর্থে আসল:অভিধানে 'আসল' শব্দটি কয়েকটি অর্থে ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে রয়েছে:
• বস্তুর ভিত্তি: «মু'জামু মাকায়িসিল লুগাহ»
(১)-এ এসেছে: হামযা, সাদ এবং লাম—এই তিনটি বর্ণ থেকে তিনটি মূল অর্থ পাওয়া যায় যা একে অপরের থেকে ভিন্ন, তার একটি হলো: কোনো বস্তুর ভিত্তি।
• কোনো বস্তুর নিচের অংশ: «তাজুল আরুস»
(২)-এ এসেছে: 'আসল' হলো কোনো বস্তুর নিচের অংশ। বলা হয়: সে পাহাড়ের পাদদেশে বা দেয়ালের মূলে বসেছে, এবং সে গাছের মূল উপড়ে ফেলেছে। এরপর এর ব্যবহার এত ব্যাপক হয় যে বলা হতে থাকে: প্রতিটি জিনিসের 'আসল' হলো তা-ই, যার ওপর ওই জিনিসের অস্তিত্ব নির্ভর করে।
• মূলনীতি: «আল-মুফরাদাতু ফি গারিবিল কুরআন»
(৩)-এ এসেছে: কোনো বস্তুর 'আসল' হলো তার সেই মূল ভিত্তি, যাকে যদি অপসারিত বলে কল্পনা করা হয়, তবে তার অপসারণের ফলে ওই বস্তুর অবশিষ্ট অংশও অপসারিত হয়ে যায়।
দ্বিতীয়ত: পারিভাষিক অর্থে আসল:১. এটি এমন একটি বিষয়কে বোঝায় যার ওপর অন্য কিছু গড়ে ওঠে, কিন্তু এটি নিজে অন্য কিছুর ওপর গড়ে ওঠে না।
(৪)২. 'আসল' শব্দটি চারটি অর্থে ব্যবহৃত হয়:
প্রথম: দলিল বা প্রমাণ। যেমন আলেমদের উক্তি: "এই মাসআলার আসল হলো কিতাব ও সুন্নাহ।" অর্থাৎ এর দলিল। উসুলুল ফিকহ শাস্ত্রে এটাই মূলত উদ্দেশ্য।
দ্বিতীয়: প্রাধান্য: অর্থাৎ দুটি বিষয়ের মধ্যে যেটি অধিকতর অগ্রগণ্য। যেমন তাদের উক্তি: "কথার ক্ষেত্রে আসল হলো হাকিকত (প্রকৃত অর্থ), মাজায (রূপক অর্থ) নয়।"
তৃতীয়: ধারাবাহিক বা স্থায়ী মূলনীতি। যেমন তাদের উক্তি: "মৃত পশু ভক্ষণ করা আসলের পরিপন্থী।" অর্থাৎ তা ধারাবাহিক বা স্বাভাবিক অবস্থার পরিপন্থী।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ২৩)
الرابع: المقيس عليه: وهوما يقابل الفرع في باب القياس.
(1)* * *
المطلب الثاني: معنى المذهب لغة واصطلاحًا.
أولاً: معنى المذهب لغة:• جاء في «معجم مقاييس اللغة»
(2) ذهاب الشيء: مضيه. يقال ذَهَب يَذْهَب ذَهابًا وذُهوبًا. وقد ذهب مذهبًا حسنًا.
• وفي «لسان العرب»
(3) الذهاب: السير والمرور. والمذهب: مصدر، كالذهاب. والمذهب: المعتقد الذي يذهب إليه. وذهب فلان لذهبه: أي لمذهبه الذي يذهب فيه.
• وفي «تاج العروس»
(4) الطريقة: يقال: ذهب فلان مذهبًا حسنًا أي طريقة حسنة.
ثانيًا: معنى المذهب اصطلاحًا:هو: ما قاله بدليل ومات قائلًا به، ومذهب كل واحد عرفًا، وعادةً، ما اعتقده جزمًا أو ظنًا بدليل، ويُعْلَم ذلك من قوله، وخطه، وتأليفه، وينقل إلينا جزمًا أو ظنًا.
(5)وعند الأصوليين هو: الطريق الذي يسلكه المجتهد في استنباط الأحكام الشرعية من أدلتها التفصيلية.
(6)وبالتالي فمذهب الإمام أحمد بن حنبل رحمه الله: هو: جملة الأحكام التي ذهب إليها، أو مجموع المسائل الفقهية التي قال بها، وما أُلحِق بذلك مما خرجه أصحابه على قواعده وأصوله.
(7)--------------------------------------------
চতুর্থ: মাকিস আলাইহি (যার সাথে তুলনা করা হয়): এটি কিয়াসের অধ্যায়ে ফার’ (শাখা)-এর বিপরীত বিষয়।
(১)* * *
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: মাযহাবের শাব্দিক ও পারিভাষিক অর্থ।
প্রথমত: মাযহাবের শাব্দিক অর্থ:• «মু’জামু মাকায়িসিল লুগাহ»
(২) গ্রন্থে এসেছে— কোনো কিছুর যাহাব (ذهاب): তার অতিবাহিত হওয়া। বলা হয়: সে গিয়েছে, যাচ্ছে, যাওয়া। আর সে একটি উত্তম পথে (মাযহাব) চলেছে।
• এবং «লিসানুল আরব»
(৩) গ্রন্থে রয়েছে— যাহাব (الذهاب): পথ চলা ও অতিক্রম করা। আর মাযহাব (المذهب): এটি একটি মাসদার (ক্রিয়ামূল), যা ‘যাহাব’-এর সমার্থবোধক। মাযহাব: সেই বিশ্বাস যা মানুষ গ্রহণ করে বা যার দিকে ধাবিত হয়। বলা হয়: অমুক ব্যক্তি তার ‘যাহাব’-এর দিকে গিয়েছে, অর্থাৎ তার সেই মত বা পথের দিকে যা সে অনুসরণ করে।
• এবং «তাজুল আরূস»
(৪) গ্রন্থে রয়েছে— পদ্ধতি: বলা হয়, অমুক ব্যক্তি একটি সুন্দর মাযহাব অবলম্বন করেছে অর্থাৎ একটি সুন্দর পদ্ধতি।
দ্বিতীয়ত: মাযহাবের পারিভাষিক অর্থ:তা হলো: যা তিনি দলীলসহ বলেছেন এবং যে মতের ওপর অটল থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। প্রথা ও অভ্যাসগতভাবে প্রত্যেক ব্যক্তির মাযহাব হলো: যা সে দলীলভিত্তিতে দৃঢ়ভাবে অথবা প্রবল ধারণার সাথে বিশ্বাস করে; এবং তা তার কথা, লেখা ও রচনা থেকে জানা যায় এবং আমাদের নিকট তা নিশ্চিতভাবে অথবা প্রবল ধারণার সাথে বর্ণিত হয়।
(৫)আর উসূলবিদদের নিকট মাযহাব হলো: বিস্তারিত দলীলসমূহ থেকে শরয়ী বিধানসমূহ আহরণের ক্ষেত্রে মুজতাহিদ যে পথ অনুসরণ করেন।
(৬)ফলশ্রুতিতে, ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (রাহিমাহুল্লাহ)-এর মাযহাব হলো: সেই সকল বিধানের সমষ্টি যা তিনি গ্রহণ করেছেন, অথবা সেই সকল ফিকহী মাসআলার সেট যা তিনি ব্যক্ত করেছেন, এবং তার সাথে সংশ্লিষ্ট ঐসব বিষয় যা তাঁর অনুসারীগণ তাঁর মূলনীতি ও উসূলের আলোকে উদ্ভাবন (তাখরীজ) করেছেন।
(৭)--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ২৪)
المطلب الثالث: نبذة مختصرة عن أصول مذهب الحنابلة:مما هو معلوم أن كل إمام من الأئمة الأربعة، كانت له أصول في الاستدلال، من خلالها يتم التوصُّل إلى استنباط الأحكام الشرعية، ومن هؤلاء الأئمة الإمام أحمد بن حنبل رحمه الله مؤسس المذهب الحنبلي، فلقد كانت له أصول يتوصل من خلالها لمعرفة الحكم الشرعي، وكان رحمه الله أعلم بالكتاب والسنة والآثار.
قال ابن تيمية رحمه الله في ثناءه على الإمام أحمد رحمه الله: (كان أعلم من غيره بالكتاب، والسنة، وأقوال الصحابة والتابعين لهم بإحسان؛ ولهذا لا يكاد يوجد له قول يخالف نصًا كما يوجد لغيره، ولا يوجد له قول ضعيف في الغالب إلا وفي مذهبه قول يوافق القول الأقوى، وأكثر مفاريده التي لم يختلف فيها مذهبه، يكون قوله فيها راجحًا).
(1)وقد قام أصحابه من بعده بتدوين هذه الأصول في كتبهم، وكان استنباطهم لها من خلال فتاويه، وأقواله، ومسائله.
قال ابن القيم رحمه الله: (كان أحمد رحمه الله شديد الكراهة لتصنيف الكتب، وكان يحب تجريد الحديث، ويكره أن يكتب كلامه، ويشتد عليه جدًا، فعلم الله حسن نيته وقصده، فَكُتِبَ من كلامه وفتواه أكثر من ثلاثين سِفْرًا
(2)، وَمَنَّ الله سبحانه علينا بأكثرها؛ فلم يَفُتْنَا منها إلا القليل، فقام الخلال
(3) بجمع نصوصه في «الجامع الكبير»
(4) فبلغ نحو عشرين سِفْرًا أو أكثر، ورويت فتاويه ومسائله وحُدِثَّ بها قرنًا بعد قرن، فصارت إمامًا وقدوةً لأهل السنة على اختلاف طبقاتهم).
--------------------------------------------
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: হাম্বলী মাযহাবের মূলনীতিসমূহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:এটি সর্বজনবিদিত যে, চার ইমামের প্রত্যেকেরই দলীল গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু মূলনীতি ছিল, যার মাধ্যমে শরঈ হুকুমসমূহ উদ্ভাবন করা হতো। এই ইমামগণের মধ্যে অন্যতম হলেন হাম্বলী মাযহাবের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল (রহিমাহুল্লাহ)। শরঈ বিধান জানার জন্য তাঁরও কিছু মূলনীতি ছিল এবং তিনি কিতাব, সুন্নাহ ও আসার (সাহাবী ও তাবেয়ীদের বর্ণনা) সম্পর্কে অধিক অভিজ্ঞ ছিলেন।
ইমাম আহমাদ (রহিমাহুল্লাহ)-এর প্রশংসায় ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: (তিনি কুরআন, সুন্নাহ এবং সাহাবী ও ইহসানের সাথে তাঁদের অনুসারী তাবেয়ীদের বক্তব্য সম্পর্কে অন্যদের চেয়ে অধিক জ্ঞানী ছিলেন। এই কারণেই অন্যের ক্ষেত্রে যেমন পাওয়া যায়, তাঁর ক্ষেত্রে তেমন কোনো বক্তব্য পাওয়া যায় না যা নসের (সুস্পষ্ট দলীল) পরিপন্থী। আর অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাঁর কোনো দুর্বল মত পাওয়া যায় না, যার বিপরীতে তাঁর মাযহাবে অধিক শক্তিশালী কোনো মত বিদ্যমান নেই। আর তাঁর একক অভিমতগুলোর (মুফরাদাত) অধিকাংশই, যেগুলোতে তাঁর মাযহাবে কোনো মতভেদ নেই, সেগুলোই রাজেহ বা অধিক গ্রহণযোগ্য মত হয়ে থাকে)।
(১)তাঁর পরবর্তী সময়ে তাঁর ছাত্র ও অনুসারীগণ তাঁদের কিতাবসমূহে এই মূলনীতিগুলো লিপিবদ্ধ করেছেন। তাঁরা তাঁর ফাতাওয়া, উক্তি এবং মাসআলাসমূহ থেকেই এগুলো উদ্ভাবন করেছেন।
ইবনুল কায়্যিম (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: (ইমাম আহমাদ রহিমাহুল্লাহ গ্রন্থ রচনা করা অত্যন্ত অপছন্দ করতেন। তিনি কেবল হাদীস সংকলন করতে ভালোবাসতেন এবং তাঁর কথা লিখে রাখা অপছন্দ করতেন, যা তাঁর কাছে বেশ কঠিন মনে হতো। আল্লাহ তাআলা তাঁর নিয়াত ও উদ্দেশ্যের স্বচ্ছতা সম্পর্কে জানতেন, ফলে তাঁর বক্তব্য ও ফাতাওয়া থেকে তিরিশটিরও বেশি বৃহৎ খণ্ড লিখিত হয়েছে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন যে, তার অধিকাংশ আমরা পেয়েছি এবং খুব সামান্যই আমাদের হাতছাড়া হয়েছে। এরপর আল-খল্লাল তাঁর বর্ণনাগুলো «আল-জামি আল-কাবীর» গ্রন্থে সংকলন করেন, যা প্রায় বিশ খণ্ড বা তার চেয়েও বেশি হয়েছে। তাঁর ফাতাওয়া ও মাসআলাসমূহ যুগের পর যুগ বর্ণিত ও আলোচিত হয়ে আসছে, ফলে তা সকল স্তরের আহলুস সুন্নাহর জন্য আদর্শ ও পথপ্রদর্শক হয়ে দাঁড়িয়েছে)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ২৫)
ثم شرع في تلك الأصول قائلًا: فتاوى الإمام أحمد رحمه الله مبنية على خمسة أصول:
1 - النصوص:فإذا وَجَدَ النص أفتى بموجبه، ولم يلتفت إلى ما خالفه، ولا إلى مَنْ خالفه -كائنًا من كان-، فلم يلتفت إلى خلاف عمر بن الخطاب رضي الله عنه في المبتوتة
(1) لحديث فاطمة بنت قيس
(2)، ولا إلى خلافه في التيمم للجنب لحديث عمار بن ياسر
(3)، إلى غير ذلك.
(4) فإذا لم يكن في المسألة نصًا انتقل إلى الأصل الثاني وهو
2 - فتاوى الصحابة:إذا وَجَدَ الإمام أحمد رحمه الله لبعضهم فتوى، لا يعرف له مخالف منهم فيها، لم يتجاوز إلى غيرها، ولم يقل: إن ذلك إجماع، بل من ورعه في العبارة يقول: (لا أعلم شيئا يدفعه، أو نحو هذا) وإذا وجد هذا النوع عن الصحابة، لم يقدم عليه عملًا، ولا رأيًا، ولا قياسًا.
(5)وكان رحمه الله يقول (ما أجبت في مسألة إلا بحديث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، إذا وجدت في ذلك السبيل
--------------------------------------------
এরপর তিনি সেই মূলনীতিসমূহ বর্ণনা করতে শুরু করেন এই বলে: ইমাম আহমাদ (রাহিমাহুল্লাহ)-এর ফাতাওয়া পাঁচটি মূলনীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত:
১ - নসসমূহ (কুরআন ও সুন্নাহর পাঠ):যখন তিনি কোনো নস (স্পষ্ট প্রমাণ) পেতেন, তখন সেই অনুযায়ী ফাতওয়া দিতেন। এর বিপরীত কোনো কিছুর প্রতি তিনি ভ্রূক্ষেপ করতেন না, আর যেই এর বিরোধিতা করুক না কেন—তিনি তার প্রতি মনোযোগ দিতেন না। ফাতেমা বিনতে কায়েসের হাদীসের কারণে তিনি 'মাবতুতাহ' (চূড়ান্ত তালাকপ্রাপ্তা নারী) প্রসঙ্গে উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মতবিরোধের প্রতি ভ্রূক্ষেপ করেননি। তেমনিভাবে আম্মার ইবনে ইয়াসিরের হাদীসের কারণে জানাবাত (অপবিত্র) অবস্থায় তায়াম্মুম করা সম্পর্কে তাঁর (উমরের) ভিন্নমতের প্রতি ভ্রূক্ষেপ করেননি, এবং এই জাতীয় আরও অনেক বিষয়। সুতরাং যখন কোনো মাসআলায় কোনো নস থাকতো না, তখন তিনি দ্বিতীয় মূলনীতির দিকে অগ্রসর হতেন, আর তা হলো—
২ - সাহাবীগণের ফাতাওয়া:যখন ইমাম আহমাদ (রাহিমাহুল্লাহ) কোনো সাহাবীর ফাতওয়া পেতেন এবং অন্য কোনো সাহাবীর পক্ষ থেকে এর কোনো বিরোধিতার কথা তাঁর জানা থাকতো না, তখন তিনি তা অতিক্রম করে অন্য কিছুর দিকে যেতেন না। তিনি বলতেন না যে এটি 'ইজমা' (সর্বসম্মত ঐক্য), বরং শব্দ চয়নের ক্ষেত্রে তাঁর আল্লাহভীতির কারণে তিনি বলতেন: (আমি এমন কিছু জানি না যা একে খণ্ডন করে, অথবা এই জাতীয় কিছু)। সাহাবীগণের কাছ থেকে যখন তিনি এ ধরনের ফাতাওয়া পেতেন, তখন তার ওপর অন্য কোনো আমল, রায় (ব্যক্তিগত মতামত) কিংবা কিয়াসকে (যৌক্তিক অনুমান) প্রাধান্য দিতেন না।
وكان رحمه الله يقول (ما أجبت في مسألة إلا بحديث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، إذا وجدت في ذلك السبيل
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ২৬)
إليه، أو عن الصحابة، أو عن التابعين، فإذا وجدت عن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم أعدل إلى غيره، فإذا لم أجد عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فعن الخلفاء الأربعة الراشدين المهديين، فإذا لم أجد عن الخلفاء فعن أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم الأكابر فالأكابر من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم، فإذا لم أجد فعن التابعين، وعن تابعي التابعين، وما بلغني عن رسول الله صلى الله عليه وسلم حديث بعمل له ثواب إلا عملت به، رجاء ذلك الثواب ولو مرة واحدة.)
(1) فإذا لم يكن في المسألة نص ولا قول صحابي فإنه ينتقل إلى الأصل الثالث من أصوله وهو:
3 - اختيار أقوال الصحابة عند اختلافهم:إذا اختلف الصحابة تخيَّر من أقوالهم ما كان أقربها إلى الكتاب والسنة، ولم يخرج عن أقوالهم، فإن لم يتبين له موافقة أحد الأقوال حكى الخلاف فيها، ولم يجزم بقول.
(2) قال إسحاق بن إبراهيم بن هانئ
(3) في «مسائله»: (قيل لأبي عبد الله: يكون الرجل في قومه فيسأل عن الشيء فيه اختلاف، قال: يُفْتي بما يوافق الكتاب والسنة، وما لم يوافق الكتاب والسنة: أمسك عنه؛ قِيل له: أفيجاب عليه؟ قال: لا.)
(4) فإن لم يكن في المسألة نص، ولا قول صحابي، أو واحد منهم، انتقل إلى الأصل الرابع من أصوله وهو:
4 - الحديث المرسل(5) والحديث الضعيف.(6):
يأخذ بهما إذا لم يكن في الباب شيء يدفعه، ويرجحه على القياس. وليس مراده بالضعيف
--------------------------------------------
তাঁর নিকট থেকে, অথবা সাহাবায়ে কিরামের নিকট থেকে, অথবা তাবিঈনদের নিকট থেকে। যখন আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কোনো কিছু পেয়েছি, তখন আমি তা বাদ দিয়ে অন্যের দিকে যাইনি। যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কিছু পাইনি, তখন চার খলিফায়ে রাশেদীন আল-মাহদিয়্যীনের নিকট থেকে গ্রহণ করেছি। যখন খলিফাদের নিকট থেকে পাইনি, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মহান সাহাবীদের মধ্যে যারা ক্রমান্বয়ে অগ্রগণ্য তাঁদের থেকে গ্রহণ করেছি। যখন তাঁদের থেকেও পাইনি, তখন তাবিঈন এবং তাবি-তাবিঈনদের নিকট থেকে গ্রহণ করেছি। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আমল সংক্রান্ত কোনো হাদিস যখন আমার নিকট পৌঁছেছে যাতে কোনো সাওয়াবের কথা বর্ণিত হয়েছে, তখন আমি সেই সাওয়াবের আশায় অন্তত একবার হলেও সেই আমলটি করেছি।)
(১) সুতরাং যদি কোনো বিষয়ে নস (সুস্পষ্ট দলিল) কিংবা কোনো সাহাবীর বক্তব্য না থাকত, তবে তিনি তাঁর মূলনীতিসমূহের মধ্য থেকে তৃতীয় মূলনীতির দিকে ফিরে যেতেন, আর তা হলো:
৩ - সাহাবায়ে কিরামের মতভেদের সময় তাঁদের বক্তব্যের মধ্য থেকে নির্বাচন করা:যখন সাহাবায়ে কিরাম কোনো বিষয়ে মতভেদ করতেন, তখন তিনি তাঁদের বক্তব্যের মধ্য থেকে সেই বক্তব্যটি বেছে নিতেন যা কিতাব ও সুন্নাহর অধিক নিকটবর্তী হতো এবং তিনি তাঁদের বক্তব্যের বাইরে যেতেন না। আর যদি কোনো একটি বক্তব্যের সামঞ্জস্যশীলতা তাঁর নিকট স্পষ্ট না হতো, তবে তিনি সেই বিষয়ে বিদ্যমান মতভেদ বর্ণনা করতেন এবং কোনো একটি বক্তব্যের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিতেন না।
(২) ইসহাক বিন ইবরাহিম বিন হানি
(৩) তাঁর 'মাসায়েল'-এ বলেছেন: (আবু আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: কোনো ব্যক্তি যদি তাঁর সম্প্রদায়ের মধ্যে অবস্থানকালে এমন কোনো বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হন যে বিষয়ে মতভেদ রয়েছে, তবে তিনি কী করবেন? তিনি বললেন: যা কিতাব ও সুন্নাহর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ তা দ্বারা তিনি ফতোয়া দেবেন। আর যা কিতাব ও সুন্নাহর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, তা থেকে বিরত থাকবেন। তাঁকে বলা হলো: তবে কি তাঁর ওপর উত্তর প্রদান অবধারিত? তিনি বললেন: না।)
(৪) সুতরাং যদি কোনো বিষয়ে নস, কিংবা কোনো সাহাবীর বক্তব্য অথবা তাঁদের মধ্য থেকে কারও কোনো বক্তব্য না পাওয়া যেত, তবে তিনি তাঁর মূলনীতিসমূহের চতুর্থ মূলনীতির দিকে যেতেন, আর তা হলো:
৪ - মুরসাল হাদিস(৫) এবং যয়ীফ হাদিস।(৬):
তিনি এই উভয় প্রকার হাদিস গ্রহণ করতেন যদি উক্ত বিষয়ে এর পরিপন্থী কিছু না থাকত, এবং তিনি একে কিয়াসের (যৌক্তিক অনুমান) ওপর প্রাধান্য দিতেন। আর যয়ীফ বলতে তিনি যা বুঝিয়েছেন তা...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ২৭)
عنده الباطل ولا المنكر
(1) ولا في روايته مُتَّهم بحيث لا يَسُوغ الذهابُ إليه، والعمل به، بل الحديث الضعيف عنده قَسِيم الصحيح
(2)، وقسم من أقسام الحسن
(3)، فلم يكن رحمه الله يرى تقسيم الحديث إلى: صحيح وحسن وضعيف، بل إلى صحيح وضعيف. والضعيف عنده مراتب فإذا لم يجد في الباب أثرًا يدفعه، ولا قول صحابي، ولا إجماع على خلافه؛ كان العمل به عنده أولى من القياس. ووافقه بقية الأئمة الثلاثة أبو حنيفة، ومالك، والشافعي، على هذا الأصل جُمْلَةً. وأشير بمثالٍ يدل على أنهم يقدمون الحديث الضعيف على القياس.
• فالإمام أبو حنيفة رحمه الله قَدَّمَ حديث القهقهة في الصلاة على محض القياس
(4)، مع إجماع أهل الحديث على ضعفه.
(5).
• والإمام مالك رحمه الله يُقَدِم الحديث المرسل، والمنقطع،
(6) والبلاغات،
(7) وقول الصحابي على القياس.
--------------------------------------------
তাঁর কাছে কোনো বাতিল বা মুনকার বিষয় ছিল না
(১) এবং তাঁর বর্ণিত হাদীসে এমন কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি ছিল না যার কারণে তা গ্রহণ করা বা তার ওপর আমল করা অবৈধ হবে। বরং তাঁর কাছে যয়ীফ হাদীস সহীহ হাদীসেরই সমজাতীয়
(২) এবং হাসানের একটি প্রকার হিসেবে গণ্য ছিল
(৩)। তাই তিনি (রহিমাহুল্লাহ) হাদীসকে সহীহ, হাসান ও যয়ীফ—এই তিন ভাগে বিভক্ত করা সমীচীন মনে করতেন না, বরং তাঁর কাছে হাদীস ছিল দুই প্রকার: সহীহ এবং যয়ীফ। তাঁর নিকট যয়ীফ হাদীসেরও বিভিন্ন স্তর ছিল। যদি তিনি কোনো বিষয়ে এমন কোনো বর্ণনা (আছার) না পেতেন যা একে প্রত্যাখ্যান করে, কিংবা কোনো সাহাবীর বক্তব্য না পেতেন, অথবা এর বিপরীতে কোনো ইজমা (ঐক্যমত) না থাকত; তবে সেই যয়ীফ হাদীসের ওপর আমল করা তাঁর কাছে কিয়াসের (যুক্তি বা অনুমান) চেয়ে উত্তম ছিল। বাকি তিন ইমাম—আবু হানিফা, মালিক এবং শাফেয়ী—সামগ্রিকভাবে এই মূলনীতির ওপর তাঁর সাথে একমত হয়েছেন। আমি এমন একটি উদাহরণ দিচ্ছি যা নির্দেশ করে যে, তাঁরা কিয়াসের ওপর যয়ীফ হাদীসকে প্রধান্য দিতেন।
• ইমাম আবু হানিফা (রহিমাহুল্লাহ) সালাতের মধ্যে অট্টহাসি (কাহকাহাহ) সংক্রান্ত হাদীসটিকে খাঁটি কিয়াসের ওপর প্রাধান্য দিয়েছেন
(৪), যদিও মুহাদ্দিসগণ এই হাদীসটি যয়ীফ হওয়ার ব্যাপারে একমত হয়েছেন।
(৫)।
• এবং ইমাম মালিক (রহিমাহুল্লাহ) মুরসাল হাদীস, মুনকাতি হাদীস,
(৬) বালাগাত (পৌঁছেছে এমন বর্ণনা),
(৭) এবং সাহাবীর বক্তব্যকে কিয়াসের ওপর প্রাধান্য দিতেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ২৮)
• والإمام الشافعي رحمه الله قَدَّمَ خبر جواز الصلاة بمكة في وقت النهي
(1) مع ضعفه ومخالفته لقياس غيرها من البلاد.
(2)فإذا لم يكن في المسألة نص، ولا قول للصحابة، أو لواحد منهم، ولا أثر مرسل، أو ضعيف، انتقل إلى الأصل الخامس وهو:
5 - القياس:كان الإمام أحمد رحمه الله يستعمله للضرورة قال في «كتاب الخلال»: سألت الشافعي عن القياس، فقال: إنما يُصَارُ إليه عند الضرورة، أو ما هذا معناه.
(3)ثم قال ابن القيم رحمه الله: فهذه الأصول الخمسة من أصول فتاويه وعليها مدارها، وقد يتوقف في الفتوى لأسباب إما لتعارض الأدلة عنده، أو لاختلاف الصحابة فيها، أو لعدم اطلاعه فيها على أثرٍ، أو قول أحد من الصحابة، والتابعين. وكان شديد الكراهة والمنع للإفتاء في المسألة التي ليس فيها أثر عن السلف، كما قال لبعض أصحابه: (إياك أن تتكلم في مسألة ليس لك فيها إمام).
(4)ولم يقصد ابن القيم رحمه الله من أن أصول الإمام أحمد رحمه الله منحصرة فيما سبق، وإنما مراده هذه الأصول العامة والغالبة التي عليها الفتوى وإلا كما هو معلوم له أصوله أخرى ذكرها العلماء ومنها:
الإجماع
(5)، والاستصحاب
(6)، والمصالح المرسلة
(7)، وشرع من قبلنا
(8) وسد الذرائع
(9)، والاستحسان
(10)--------------------------------------------
• এবং ইমাম শাফিয়ী (রহিমাহুল্লাহ) মক্কায় নিষিদ্ধ সময়ে সালাত জায়েজ হওয়ার সংবাদকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন
(১) যদিও তা দুর্বল এবং অন্যান্য শহরের কিয়াসের পরিপন্থী।
(২)সুতরাং যখন কোনো মাসআলায় নাস (কুরআন-সুন্নাহর স্পষ্ট দলিল), সাহাবীদের কোনো উক্তি বা তাদের কারো বক্তব্য, অথবা কোনো মুরসাল আছার কিংবা দুর্বল হাদিস পাওয়া যেত না, তখন তিনি পঞ্চম উসুলের দিকে ধাবিত হতেন, আর তা হলো:
৫ - কিয়াস:ইমাম আহমাদ (রহিমাহুল্লাহ) এটি প্রয়োজনের খাতিরে ব্যবহার করতেন। তিনি 'কিতাবুল খাল্লাল'-এ বলেছেন: আমি শাফিয়ীকে কিয়াস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি, তখন তিনি বললেন: কেবল প্রয়োজনের সময়ই এর আশ্রয় নেওয়া হয়, অথবা এই অর্থের কোনো কথা তিনি বলেছিলেন।
(৩)অতঃপর ইবনুল কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: এই পাঁচটি উসুলই হলো তার ফতোয়ার মূল ভিত্তি এবং এগুলোর ওপরই তা আবর্তিত হয়। তবে কখনও কখনও তিনি ফতোয়া প্রদানে বিরত থাকতেন—হয়তো তার নিকট দলিলসমূহের মাঝে বৈপরীত্য পরিলক্ষিত হওয়ার কারণে, অথবা সে বিষয়ে সাহাবীদের মাঝে মতভেদ থাকার কারণে, কিংবা সে বিষয়ে কোনো আছার অথবা সাহাবী ও তাবেয়ীদের কোনো বক্তব্য তার গোচরীভূত না হওয়ার কারণে। যে মাসআলায় সালাফদের থেকে কোনো আছার নেই, সে বিষয়ে ফতোয়া প্রদানকে তিনি অত্যন্ত অপছন্দ করতেন এবং তা নিষেধ করতেন, যেমনটি তিনি তার কোনো কোনো সঙ্গীকে বলেছিলেন: (সাবধান! এমন কোনো মাসআলায় কথা বলো না যাতে তোমার কোনো ইমাম নেই)।
(৪)ইবনুল কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ) এর দ্বারা এটি উদ্দেশ্য নেননি যে ইমাম আহমাদ (রহিমাহুল্লাহ)-এর উসূলসমূহ কেবল পূর্বোল্লিখিত বিষয়গুলোতেই সীমাবদ্ধ, বরং তার উদ্দেশ্য ছিল এই সাধারণ ও প্রধান উসূলসমূহ যার ওপর ফতোয়া নির্ভর করে। নতুবা এটি সুবিদিত যে তার আরও কিছু উসূল রয়েছে যা উলামায়ে কেরাম উল্লেখ করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে:
ইজমা
(৫), ইসতিসহাব
(৬), মাসালিহে মুরসালাহ
(৭), আমাদের পূর্ববর্তীদের শরিয়ত
(৮), সাদ্দুজ যারায়ি' (অকল্যাণের পথ রুদ্ধ করা)
(৯) এবং ইসতিহসান
(১০)--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ২৯)
وغيرها.
(1)--------------------------------------------
এবং অন্যান্য।
(১)--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ৩০)
المبحث الثاني: التعريف بمذهب الصحابي
وفيه ثلاثة مطالب:
* المطلب الأول: معنى الصحابي لغةً واصطلاحًا.
* المطلب الثاني: معنى مذهب الصحابي.
* المطلب الثالث: مكانة الصحابة رضي الله عنهم.
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: সাহাবীর মাযহাবের পরিচয়
আর এতে রয়েছে তিনটি অনুচ্ছেদ:
* প্রথম অনুচ্ছেদ: শাব্দিক ও পারিভাষিক অর্থে সাহাবীর সংজ্ঞা।
* দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: সাহাবীর মাযহাবের অর্থ।
* তৃতীয় অনুচ্ছেদ: সাহাবীগণের (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) মর্যাদা।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ৩১)
المبحث الثاني: التعريف بمذهب الصحابي.وفيه ثلاثة مطالب:
المطلب الأول: معنى الصحابي لغةً واصطلاحًا:لما كان الصحابة رضي الله عنهم هم أول الرواة للشريعة النبوية، وعنهم تلقاها الأمة احْتِيجَ إلى بيان حقيقة الصحابي وعدالته
(1) وهذا ما سيتم بيانه بحول الله تعالى.
أولًا: معنى الصحابي لغة:يطلق الصاحب في اللغة على معانٍ عدة:
• المقارنة والمقاربة: جاء في «معجم مقاييس اللغة»
(2): صَحِبَ الصاد والحاء والباء أصل واحد، يدل على مقارنة شيء ومقاربته من ذلك الصاحب، والجمع الصَّحْب، كما يقال راكبٌ ورَكْبٌ.
• المعاشر: جاء في «لسان العرب»
(3): صَحِبَه يَصْحَبُه صُحْبة، بالضم، وصَحابة، بالفتح، وَصَاحَبَهُ: يقال صاحبه إذا عاشره.
• الملازمة: يقال اسْتَصْحَبَ الرجل: دعاه إلى الصحبة؛ وكل ما لازم شيئا فقد اسْتَصْحَبَهُ.
• الحفظ والمنع: يقال: أَصْحَبَ الرجلَ واصْطَحَبه: حفظه. قال تعالى: {وَلَا هُمْ مِنَّا يُصْحَبُونَ}
(4) أي يمنعون.
(5)
ثانيًا: معنى الصحابي اصطلاحًا:* عرفه الإمام البخاري رحمه الله بقوله: (من صحب النبي صلى الله عليه وسلم، أو رآه من المسلمين، فهو من
--------------------------------------------
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: সাহাবীর মাযহাবের পরিচয়।এবং এতে তিনটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম অনুচ্ছেদ: শাব্দিক ও পারিভাষিক অর্থে সাহাবীর সংজ্ঞা:যেহেতু সাহাবীগণ (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) ছিলেন নববী শরীয়তের প্রথম বর্ণনাকারী এবং তাঁদের কাছ থেকেই উম্মত তা গ্রহণ করেছে, তাই সাহাবীর প্রকৃত স্বরূপ ও তাঁদের ন্যায়পরায়ণতা (আদালাত) বর্ণনা করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে
(১) আর এটিই আল্লাহর শক্তিতে বর্ণনা করা হবে।
প্রথমত: শাব্দিক অর্থে সাহাবীর অর্থ:অভিধানে ‘সাহিব’ শব্দটি বেশ কিছু অর্থে ব্যবহৃত হয়:
• সাথে থাকা ও নৈকট্য: ‘মুজাম মাকায়িসুল লুগাহ’
(২)-তে এসেছে: সদ, হা এবং বা বর্ণত্রয় একটিই মূল অর্থ নির্দেশ করে, যা কোনো বস্তুর সাথে থাকা এবং তার নৈকট্য নির্দেশ করে। সেই থেকেই ‘সাহিব’ শব্দটি এসেছে, আর এর বহুবচন হলো ‘সাহ্ব’, যেমন বলা হয় ‘রাকিব’ ও ‘রাকব’।
• মেলামেশা করা: ‘লিসানুল আরব’
(৩)-এ এসেছে: ‘সাহিবাহু ইয়াসহাবুহু সুহবাতান’ (পেশ দিয়ে) এবং ‘সাহাবাতান’ (যবর দিয়ে), এবং ‘সাহাবাহু’: বলা হয় যখন সে কারো সাথে মেলামেশা বা বসবাস করে।
• অপরিহার্যভাবে লেগে থাকা: বলা হয় ‘ইস্তাসহাবার রাজুল’: সে তাকে সাহচর্যের জন্য ডাকল; আর যা কিছু কোনো জিনিসের সাথে লেগে থাকে বা অবিচ্ছেদ্য হয়, তাকে ‘ইস্তাসহাবাহু’ বলা হয়।
• হিফাযত ও বাধা প্রদান: বলা হয়: ‘আসহাবার রাজুলা ওয়াসতাসহাবাহু’: সে তাকে রক্ষা করল। মহান আল্লাহ বলেন: {এবং তারা আমার পক্ষ থেকে রক্ষিত হবে না}
(৪) অর্থাৎ তাদের বাধা দেওয়া হবে (রক্ষা করা হবে না)।
(৫) দ্বিতীয়ত: পারিভাষিক অর্থে সাহাবীর সংজ্ঞা:* ইমাম বুখারী (রাহিমাহুল্লাহ) এর সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছেন: (মুসলমানদের মধ্যে যিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহচর্য লাভ করেছেন অথবা তাঁকে দেখেছেন, তিনিই সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত...)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ৩২)
أصحابه).
(1)ويظهر للباحثة أن تعريف البخاري رحمه الله للصحابي ليس جامعًا مانعًا فلم يُمْنَع من دخول من رآه مسلمًا ثم كفر ومات على كفره والعياذ بالله.
* وعرفه الإمام أحمد رحمه الله بقوله: (كل من صحبه سنةً، أو شهرًا، أو يومًا، أو ساعةً، أو رآه، فهو: من أصحابه، له من الصحبة على قدر ما صحبه).
(2)ويظهر للباحثة أن تعريف الإمام أحمد رحمه الله للصحابي ليس جامعًا مانعًا، فقوله: (كل من صحبه) وقوله أو (رآه) اختل فيه شرط الإيمان، وهو لازم للصحبة، فالكفار والمشركين كانوا يصحبون النبي صلى الله عليه وسلم ويأتون إلى مجلسه، ومع ذلك ليسوا في زمرة الصحابة.
ولم يُمْنَع في التعريف هذا كسابقه من دخول من رأى النبي صلى الله عليه وسلم مسلمًا، ولكنه مات على الكفر والعياذ بالله. وهذان التعريفان عند اصطلاح المحدثين.
* وعرفه جمهور الأصوليون بقولهم: (من اختص بالنبي صلى الله عليه وسلم، وطالت صحبته معه على طريق التتبع له، والأخذ منه).
(3)وبعد ذكر التعريفات السابقة عند المحدثين، والأصوليين، فالذي أجدني مقتنعة به هو: ما رجحه الحافظ ابن حجر رحمه الله
(4) بقوله: (وأصح ما وقفت عليه، أن الصحابي: من لقي النبي صلى الله عليه وسلم مؤمنًا به، ومات على الإسلام.)
(5)--------------------------------------------
তাঁর সঙ্গীগণ)।
(১)গবেষিকার কাছে এটি প্রতীয়মান হয় যে, সাহাবীর ব্যাপারে ইমাম বুখারী (রাহিমাহুল্লাহ)-এর প্রদানকৃত সংজ্ঞাটি ‘জামে’ মানে’ (সার্বিক ও পরিবেষ্টনকারী) নয়; কারণ এতে এমন ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করা থেকে বাদ দেওয়া হয়নি, যে তাঁকে (নবীকে) মুসলিম অবস্থায় দেখেছে কিন্তু পরবর্তীতে কাফির হয়ে গেছে এবং কুফরি অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে—আল্লাহর কাছে এ থেকে পানাহ চাই।
* আর ইমাম আহমাদ (রাহিমাহুল্লাহ) তাকে সংজ্ঞায়িত করে বলেছেন: (যে ব্যক্তি তাঁর সঙ্গে এক বছর, এক মাস, একদিন বা এক মুহূর্ত সঙ্গ দিয়েছে অথবা তাঁকে দেখেছে, সে-ই তাঁর সঙ্গীদের অন্তর্ভুক্ত; তাঁর সাথে সঙ্গ দেওয়ার সময়কাল অনুযায়ী তিনি সাহচর্য লাভ করবেন)।
(২)গবেষিকার কাছে এটি প্রতীয়মান হয় যে, সাহাবীর ব্যাপারে ইমাম আহমাদ (রাহিমাহুল্লাহ)-এর সংজ্ঞাটিও ‘জামে’ মানে’ নয়। কেননা তাঁর কথা: (যে ব্যক্তি তাঁর সঙ্গ দিয়েছে) এবং (তাঁকে দেখেছে)—এখানে ঈমানের শর্তটি লঙ্ঘিত হয়েছে, যা সাহাবী হওয়ার জন্য অপরিহার্য। কারণ কাফির ও মুশরিকরা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গ দিত এবং তাঁর মজলিসে আসত, তা সত্ত্বেও তারা সাহাবীদের দলভুক্ত নয়।
পূর্বের সংজ্ঞার ন্যায় এই সংজ্ঞাতেও এমন ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা থেকে বিরত থাকা হয়নি, যে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মুসলিম অবস্থায় দেখেছিল কিন্তু কুফরি অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে—আল্লাহর কাছে এ থেকে পানাহ চাই। আর এই দুটি সংজ্ঞা মুহাদ্দিসগণের পরিভাষা অনুযায়ী।
* এবং জুমহুর (অধিকাংশ) উসুলবিদগণ সাহাবীর সংজ্ঞা দিয়েছেন এই বলে যে: (যিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য খাস বা বিশেষায়িত ছিলেন এবং তাঁর অনুসরণ ও তাঁর থেকে শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে দীর্ঘ সময় তাঁর সান্নিধ্যে অতিবাহিত করেছেন)।
(৩)মুহাদ্দিস ও উসুলবিদগণের উল্লিখিত সংজ্ঞাগুলো আলোচনার পর আমি যে বিষয়টিতে আশ্বস্ত হয়েছি তা হলো হাফিয ইবনে হাজার (রাহিমাহুল্লাহ)-এর
(৪) প্রদানকৃত অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মতটি। তিনি বলেছেন: (আমি যা পেয়েছি তার মধ্যে সবচেয়ে বিশুদ্ধ হলো—সাহাবী তিনি, যিনি ঈমান অবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন এবং ইসলামের ওপর মৃত্যুবরণ করেছেন।)
(৫)--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাসাইলুল ফিকহিয়্যাহ আল্লাতী বানাহাল হানাবিলাতু ফী মাযহাবিহিম আলাল ইহতিজাজি বিমাযহাবিস সাহাবী - মিন আউয়ালি কিতাবিন নিকাহ ইলা নিহায়াতি কিতাবিল ইকরার)
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
وهذا التعريف جامعٌ مانعٌ كما يظهر للباحثة، لأن العلاقة والرابطة بين النبي صلى الله عليه وسلم وصحابته، هي رابطة الدين والعقيدة، فمن صحبه في تلك العقيدة فهو صحابي، ومن صحبه على غير ذلك فلا.
شرح التعريف وبيانُ قيوده:
• قوله: (من لقي النبي صلى الله عليه وسلم؛ فيدخل فيمن لقيه من طالت مجالسته له أو قصرت، ومن روى عنه أو لم يرو، ومن غزا معه أو لم يغز، ومن رآه رؤية ولو لم يجالسه، ومن لم يره لعارض كالعمى.
(1) ويخرج من لم يلقَاه، وهم المؤمنون الذي كانوا في زمنه ولم يلتقوا به فلا يطلق عليهم لفظ الصحبة.
• قوله: (مؤمنًا)؛ يخرج من لقيه كافرًا ولو أسلم بعد ذلك إذا لم يجتمع به مرةً أخرى.
(2) ويخرج من لقيه مؤمنًا، لكن، بغيره من الأنبياء.
(3)• قوله: (به)؛ يخرج من لقيه مؤمنًا بغيره، كمن لقيه من مؤمني أهل الكتاب قبل البعثة.
• قوله: (مؤمنًا به)؛ يدخل فيه كل مكلفٍ من الثقلين، الجن، والإنس.
• قوله: (ومات على الإسلام)؛ يخرج من لقيه مؤمنًا به ثم ارتد، ومات على ردته والعياذ بالله. ويدخل فيه من ارتد وعاد إلى الإسلام قبل أن يموت، سواء اجتمع به صلى الله عليه وسلم مرةً أخرى أم لا.
(4)* * *
المطلب الثاني: معنى مذهب الصحابي.مذهب الصحابي: هو: ما نُقِلَ إلينا، وثبت لدينا عن أحد أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم من فتوى، أو قضاء في حادثة شرعية، لم يرد فيها نص من كتابٍ، أو سنةٍ، ولم يحصل عليها إجماع.
(5)--------------------------------------------
এই সংজ্ঞাটি গবেষকের নিকট 'জামে ও মানে' (সুসংহত ও স্বয়ংসম্পূর্ণ) হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে; কেননা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর সাহাবীদের মধ্যকার সম্পর্ক ও যোগসূত্র হলো দ্বীন ও আকিদার সম্পর্ক। সুতরাং যিনি সেই আকিদার ভিত্তিতে তাঁর সান্নিধ্য লাভ করেছেন তিনি সাহাবী, আর যিনি তা ছাড়া অন্য কোনোভাবে তাঁর সান্নিধ্য লাভ করেছেন তিনি সাহাবী নন।
সংজ্ঞার ব্যাখ্যা ও এর শর্তাবলির বিবরণ:
• তাঁর বক্তব্য: (যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন); এর অন্তর্ভুক্ত হবেন তারা যারা তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন, চাই তাঁর সাথে অবস্থান দীর্ঘ হোক বা সংক্ষিপ্ত, এবং যারা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন বা করেননি, যারা তাঁর সাথে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন বা করেননি, যারা তাঁকে কেবল একবার দেখেছেন যদিও তাঁর সাথে বসেননি, এবং যারা কোনো প্রতিবন্ধকতার (যেমন অন্ধত্ব) কারণে তাঁকে দেখতে পাননি।
(১) আর যারা তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করেননি তারা এর বাইরে থাকবেন; তারা হলেন সেই মুমিনগণ যারা তাঁর যুগে জীবিত ছিলেন কিন্তু তাঁর সাথে সাক্ষাৎ হয়নি, তাই তাদের ওপর সাহাবী শব্দটি প্রয়োগ করা হবে না।
• তাঁর বক্তব্য: (মুমিন অবস্থায়); এর দ্বারা ওই ব্যক্তি বাদ পড়বে যে কাফির অবস্থায় তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করেছে, যদিও সে পরবর্তীতে ইসলাম গ্রহণ করে থাকে কিন্তু পুনরায় তাঁর সাথে সাক্ষাৎ না করে থাকে।
(২) আবার এর দ্বারা ওই ব্যক্তিও বাদ পড়বে যে মুমিন অবস্থায় তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করেছে ঠিকই, কিন্তু অন্য কোনো নবীর প্রতি বিশ্বাসী ছিল।
(৩)• তাঁর বক্তব্য: (তাঁর প্রতি); এর দ্বারা ওই ব্যক্তি বাদ পড়বে যে অন্যের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করেছে, যেমন নবুওয়াত প্রকাশের আগে আহলে কিতাবের মুমিনদের মধ্য থেকে যারা তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করেছিল।
• তাঁর বক্তব্য: (তাঁর প্রতি ঈমান এনে); এর দ্বারা জিন ও মানবজাতির সকল 'মুকাল্লাফ' (যাদের ওপর শরিয়তের বিধান কার্যকর) ব্যক্তি অন্তর্ভুক্ত হবে।
• তাঁর বক্তব্য: (এবং ইসলামের ওপর মৃত্যুবরণ করেছেন); এর দ্বারা ওই ব্যক্তি বাদ পড়বে যে তাঁর প্রতি ঈমান এনে সাক্ষাৎ করার পর মুরতাদ (ধর্মত্যাগী) হয়ে গেছে এবং মুরতাদ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে—আল্লাহর কাছে এ থেকে আশ্রয় চাই। আর ওই ব্যক্তি এর অন্তর্ভুক্ত হবে যে মুরতাদ হওয়ার পর মৃত্যুর আগে পুনরায় ইসলামে ফিরে এসেছে, চাই সে পুনরায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাক্ষাৎ লাভ করুক বা না করুক।
(৪)* * *
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: সাহাবীর মাযহাবের অর্থ।সাহাবীর মাযহাব হলো: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোনো সাহাবীর পক্ষ থেকে আমাদের নিকট বর্ণিত এবং সাব্যস্ত হওয়া কোনো ফতোয়া বা কোনো শরয়ি বিষয়ে প্রদত্ত ফয়সালা, যে বিষয়ে কুরআন বা সুন্নাহর কোনো স্পষ্ট দলীল (নস) নেই এবং যে বিষয়ে কোনো ইজমা বা সর্বসম্মত ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
(৫)--------------------------------------------