(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: -)
الفرج بعد الشدة لابن أبي الدنيا   (ابن أبي الدنيا)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الفرج بعد الشدة

المؤلف: أبو بكر عبد الله بن محمد بن عبيد بن سفيان بن قيس البغدادي الأموي القرشي المعروف بابن أبي الدنيا (ت 281هـ)

خرجه وعلق عليه: أبو حذيفة عبيد الله بن عالية

الناشر: دار الريان للتراث، مصر

الطبعة: الثانية، 1408 هـ - 1988 م

عدد الصفحات: 91

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইবনে আবিদ দুনিয়া রচিত আল-ফারাজ বা'দাশ শিদ্দাহ (বিপদমুক্তির পর স্বস্তি)   (ইবনে আবিদ দুনিয়া)

বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ


বই: আল-ফারাজ বা'দাশ শিদ্দাহ (বিপদমুক্তির পর স্বস্তি)

লেখক: আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ ইবনে সুফিয়ান ইবনে কাইস আল-বাগদাদি আল-উমাবি আল-কুরাশি, যিনি ইবনে আবিদ দুনিয়া নামে পরিচিত (মৃত্যু ২৮১ হিজরি)

তাখরিজ ও টীকা: আবু হুজাইফা উবাইদুল্লাহ ইবনে আলিয়াহ

প্রকাশক: দারুর রাইয়ান লিত তুরাস, মিশর

সংস্করণ: দ্বিতীয়, ১৪০৮ হিজরি - ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৯১

[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১ হিজরি

(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ١٩)
أَخْبَرَتْنَا فَخْرُ النِّسَاءِ شُهْدَةُ بِنْتُ أَحْمَدَ بْنِ الْفَرَجِ بْنِ عُمَرَ الْإِبْرِيِّ، الْمَعْرُوفَةُ بِالْكَاتِبَةِ، رَحِمَهَا اللَّهُ، قِرَاءَةً عَلَيْهَا، قِيلَ لَهَا: أَخْبَرَكُمْ النَّقِيبُ الْكَامِلُ أَبُو الْفَوَارِسِ طِرَادُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ الزَّيْنَبِيُّ رحمه الله، إِجَازَةً، أنبأ أَبُو الْحُسَيْنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بِشْرَانَ، قَالَ: أنبأ أَبُو عَلِيٍّ الْحُسَيْنُ بْنُ صَفْوَانَ الْبَرْذَعِيُّ، قَالَ: ثنا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ بنِ أَبِي الدُّنْيَا، قَالَ:

⦗ص: 20⦘

1 - حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ شَبِيبِ بْنِ خَالِدٍ الْمَدِينِيُّ، قَالَ: ثنا إِسْحَاقُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفَرْوِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ مُسْلِمِ بْنِ بَانَكَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ سَمِعَ عَلِيَّ بْنَ الْحُسَيْنِ، يَقُولُ عَنْ ⦗ص: 21⦘ أَبِيهِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ⦗ص: 22⦘ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«انْتِظَارُ الْفَرَجِ مِنَ اللَّهِ عز وجل عِبَادَةٌ، وَمَنْ رَضِيَ بِالْقَلِيلِ مِنَ الرِّزْقِ رَضِيَ اللَّهُ عز وجل مِنْهُ بِالْقَلِيلِ مِنَ الْعَمَلِ»
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফখরুন নিসা শুহদাহ বিনতে আহমদ বিন আল-ফারাজ বিন উমর আল-ইবরি, যিনি আল-কাতিবাহ নামে পরিচিত (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন), তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। তাঁকে বলা হয়েছিল: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন পূর্ণাঙ্গ নকীব আবু আল-ফাওয়ারিস তিরাদ বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-হাসান আল-যায়নাবি (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন) অনুমতিস্বরূপ, সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বিশরান, তিনি বলেন: সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হুসাইন বিন সাফওয়ান আল-বারযাঈ, তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন উবাইদ ইবনে আবিদ দুনিয়া, তিনি বলেন:

⦗পৃষ্ঠা: ২০⦘

১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ আব্দুল্লাহ বিন শাবিব বিন খালিদ আল-মাদিনি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন মুহাম্মদ আল-ফারভি, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন মুসলিম বিন বানাক, তাঁর পিতা থেকে, তিনি আলী বিন আল-হুসাইনকে তাঁর ⦗পৃষ্ঠা: ২১⦘ পিতা থেকে এবং তিনি আলী বিন আবি তালিব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ ⦗পৃষ্ঠা: ২২⦘ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আল্লাহর পক্ষ থেকে সংকট মুক্তির অপেক্ষা করা একটি ইবাদত, আর যে ব্যক্তি সামান্য রিজিকে সন্তুষ্ট থাকে, আল্লাহ তাআলাও তার সামান্য আমলেই সন্তুষ্ট হন।»
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٢٢)
2 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْأَزْدِيُّ، ثنا حَمَّادُ بْنُ وَاقِدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ إِسْرَائِيلَ بْنَ يُونُسَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الْهَمْدَانِيِّ، عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«سَلُوا اللَّهَ عز وجل مِنْ فَضْلِهِ، فَإِنَّ اللَّهَ عز وجل يُحِبُّ أَنْ يُسْأَلَ مِنْ فَضْلِهِ، وَأَفْضَلُ الْعِبَادَةِ انْتِظَارُ الْفَرَجِ»
২ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-আযদি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে ওয়াকিদ, তিনি বলেন: আমি ইসরাঈল ইবনে ইউনুস থেকে শুনেছি, তিনি আবু ইসহাক আল-হামদানি থেকে, তিনি আবু আহওয়াস থেকে, আর তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমরা মহামহিম আল্লাহর নিকট তাঁর অনুগ্রহ প্রার্থনা করো, কেননা মহামহিম আল্লাহ পছন্দ করেন যে তাঁর নিকট তাঁর অনুগ্রহ প্রার্থনা করা হোক, আর সর্বোত্তম ইবাদত হলো প্রতীক্ষা করা মুক্তির»
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٢٣)
3 - حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، ثنا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، ⦗ص: 24⦘ ثنا أَبِي، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَطَاءُ بْنُ يَزِيدَ الْجُنْدَعِيُّ، أَنَّ أَبَا سَعِيدٍ، أَخْبَرَهُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ قَالَ: ‌‌«لَمْ تُعْطَوْا عَطَاءً خَيْرًا وَلَا أَوْسَعَ مِنَ الصَّبْرِ»
৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু খাইসামাহ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব বিন ইব্রাহিম বিন সাদ, ⦗পৃষ্ঠা: ২৪⦘ তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, সালেহ বিন কায়সান থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আতা বিন ইয়াজিদ আল-জুন্দায়ি যে, আবু সাঈদ তাকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি বলেছেন: «তোমাদেরকে ধৈর্যের চেয়ে উত্তম এবং অধিক প্রশস্ত আর কোনো দান দেওয়া হয়নি»
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٢٤)
4 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، أنبأ قَيْسُ بْنُ الرَّبِيعِ، ⦗ص: 25⦘ عَنِ الرَّبِيعِ بْنِ الْمُنْذِرِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ الرَّبِيعِ بْنِ خُثَيْمٍ، {وَمَنْ يَتَّقِ اللَّهَ يَجْعَلْ لَهُ مَخْرَجًا} [الطلاق: 2] ، قَالَ: ‌‌«الْمَخْرَجُ مِنْ كُلِّ مَا ضَاقَ عَلَى النَّاسِ»
৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনুল জা‘দ, সংবাদ দিয়েছেন কায়স ইবনুর রাবী‘, ⦗পৃষ্ঠা: ২৫⦘ রাবী‘ ইবনুল মুনযির থেকে, তাঁর পিতা থেকে, তিনি রাবী‘ ইবনে খুসাইম থেকে (বর্ণনা করেন); {আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে, তিনি তার জন্য বের হওয়ার পথ করে দেন} [আত-তালাক: ২], তিনি বলেন: «(এর অর্থ হলো) মানুষের নিকট সংকীর্ণ হওয়া প্রতিটি বিষয় থেকেই বের হওয়ার পথ (তৈরি করে দেওয়া)»
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٢٥)
5 - حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقُرَشِيُّ، ثنا إِسْحَاقُ بْنُ ⦗ص: 26⦘ سُلَيْمَانَ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ يَحْيَى، عَنْ يُونُسَ بْنِ مَيْسَرَةَ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ الْخَوْلَانِيِّ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، رضي الله عنه، قَالَ: سُئِلَ عَنْ هَذِهِ الْآيَةِ، {كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِي شَأْنٍ} [الرحمن: 29] ، قَالَ: سُئِلَ عَنْهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: ‌‌«مِنْ شَأْنِهِ أَنْ يَغْفِرَ ذَنْبًا، وَيَكْشِفَ كَرْبًا، وَيَرْفَعَ قَوْمًا، وَيَضَعَ آخَرِينَ»
৫ - আমাদের নিকট আবু আব্দুর রহমান আল-কুরাশী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইসহাক বিন ⦗পৃষ্ঠা: ২৬⦘ সুলায়মান বর্ণনা করেছেন, মুয়াবিয়া বিন ইয়াহইয়া হতে, ইউনুস বিন মায়সারা হতে, আবু ইদ্রিস আল-খাওলানী হতে, আবু দারদা (আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হন) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: এই আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, {তিনি প্রতিটি দিন কোনো না কোনো মহান কাজে রত থাকেন} [আর-রহমান: ২৯], তিনি বলেন: এ সম্পর্কে আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, অতঃপর তিনি বললেন: ‌‌«তাঁর কাজের অন্তর্ভুক্ত হলো—পাপ ক্ষমা করা, বিপদ দূর করা, কোনো জাতিকে উচ্চমর্যাদা দান করা এবং অন্যদের অবনত করা»
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٢٧)
6 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ سُلَيْمٍ، حَدَّثَنِي عَطَاءُ بْنُ أَبِي رَبَاحٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: بَيْنَا أَنَا رَدِيفٌ، لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذْ قَالَ لِي: «احْفَظْ يَا غُلَامُ،‌‌ احْفَظِ اللَّهَ يَحْفَظْكَ، احْفَظْهُ تَجِدْهُ تِجَاهَكَ، إِذَا سَأَلْتَ فَسَلِ اللَّهَ، وَإِذَا اسْتَعَنْتَ فَاسْتَعِنْ بِاللَّهِ، جَفَّتِ الْأَقْلَامُ، وَرُفِعَتِ الصُّحُفُ، وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ، لَوْ جَهِدَتِ الْأُمَّةُ لِتَنْفَعَكَ بِغَيْرِ مَا كَتَبَ اللَّهُ لَكَ مَا اسْتَطَاعَتْ ذَلِكَ، وَلَوْ أَرَادَتْ أَنْ تَضُرَّكَ بِغَيْرِ مَا قَدَّرَ لَكَ مَا اسْتَطَاعُوا»
৬ - আলী ইবনুল জাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল ওয়াহিদ ইবনু সুলাইম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আতা ইবনু আবী রাবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: একদা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পেছনে আরোহী ছিলাম, এমতাবস্থায় তিনি আমাকে বললেন: «হে বৎস! তুমি (আল্লাহর বিধান) রক্ষা করো, আল্লাহ তোমাকে রক্ষা করবেন। তুমি আল্লাহকে রক্ষা করো, তবে তাঁকে তোমার সামনেই পাবে। যখন তুমি কিছু চাইবে, তখন আল্লাহর কাছেই চাইবে। আর যখন সাহায্যের প্রার্থনা করবে, তখন আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করবে। কলমসমূহ শুকিয়ে গেছে এবং পৃষ্ঠাসমূহ তুলে নেওয়া হয়েছে। সেই সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে! যদি গোটা উম্মত তোমার এমন কোনো উপকার করার চেষ্টা করে যা আল্লাহ তোমার জন্য লিখে রাখেননি, তবে তারা তা করতে সক্ষম হবে না। আর যদি তারা তোমার এমন কোনো ক্ষতি করতে চায় যা আল্লাহ তোমার ভাগ্যে লিখে রাখেননি, তবে তারা তা করতে পারবে না।»
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٢٧)
7 - حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ الْمَدِينِيُّ، حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ ⦗ص: 28⦘ الْحِزَامِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْمُطَّلِبِ بْنِ أَبِي وَدَاعَةَ السَّهْمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي زُهْرَةُ بْنُ عَمْرٍو التَّيْمِيُّ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما: «يَا غُلَامُ، أَلَا أُعَلِّمُكَ كَلِمَاتٍ تَنْتَفِعُ بِهِنَّ؟» قَالَ: بَلِيٍّ يَا رَسُولَ اللَّهِ، ⦗ص: 29⦘ قَالَ: ‌‌«احْفَظِ اللَّهَ يَحْفَظْكَ، احْفَظِ اللَّهَ تَجِدْهُ أَمَامَكَ، تَعَرَّفْ إِلَى اللَّهِ فِي الرَّخَاءِ يَعْرِفْكَ فِي الشِّدَّةِ، إِذَا سَأَلْتَ فَسَلِ اللَّهَ، وَإِذَا اسْتَعَنْتَ فَاسْتَعِنْ بِاللَّهِ، جَفَّ الْقَلَمُ بِمَا هُوَ كَائِنٌ، فَلَوْ جَهَدَ الْعِبَادُ أَنْ يَنْفَعُوكَ بِشَيْءٍ لَمْ يَكْتُبْهُ اللَّهُ لَكَ لَمْ يَقْدِرُوا عَلَيْهِ، وَلَوْ جَهَدَ الْعِبَادُ عَلَى أَنْ يَضُرُّوكَ بِشَيْءٍ لَمْ يَكْتُبْهُ اللَّهُ ⦗ص: 30⦘ عَلَيْكَ لَمْ يَقْدِرُوا عَلَيْهِ، فَإِنِ اسْتَطَعْتَ أَنْ تَعْمَلَ لِلَّهِ بِالصِّدْقِ فِي الْيَقِينِ فَافْعَلْ، وَإِنْ لَمْ تَسْتَطِعْ فَإِنَّ فِي الصَّبْرِ عَلَى مَا تَكْرَهُ خَيْرًا كَثِيرًا، وَاعْلَمْ أَنَّ النَّصْرَ مَعَ الصَّبْرِ، وَأَنَّ الْفَرَجَ مَعَ الْكَرْبِ، وَأَنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا»
৭ - আমাদের নিকট আবু সাঈদ আল-মাদিনী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আবু বকর ইবন আবি শায়বাহ ⦗পৃষ্ঠা: ২৮⦘ আল-হিযামী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবন ইবরাহীম ইবন আল-মুত্তালিব ইবন আবি ওয়াদা’আহ আস-সাহমী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট যুহরাহ ইবন আমর আত-তায়মী বর্ণনা করেছেন আবু হাযিম থেকে, তিনি সাহল ইবন সা’দ আস-সা’ঈদী থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বলেছেন: «হে বালক, আমি কি তোমাকে এমন কিছু বাক্য শিখিয়ে দেব না যার দ্বারা তুমি উপকৃত হবে?» তিনি বললেন: অবশ্যই, হে আল্লাহর রাসূল। ⦗পৃষ্ঠা: ২৯⦘ তিনি বললেন: «আল্লাহর (বিধানের) হিফাযত করো, তিনি তোমাকে হিফাযত করবেন; আল্লাহর (বিধানের) হিফাযত করো, তাঁকে তোমার সামনে পাবে। স্বচ্ছলতার সময় আল্লাহকে চিনো, তিনি বিপদের সময় তোমাকে চিনবেন। যখন তুমি প্রার্থনা করবে তখন আল্লাহর কাছেই প্রার্থনা করো, আর যখন তুমি সাহায্য চাইবে তখন আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাও। যা কিছু হওয়ার তা লিখে কলম শুকিয়ে গেছে; সুতরাং যদি সমস্ত সৃষ্টি তোমার কোনো উপকার করার চেষ্টা করে যা আল্লাহ তোমার জন্য নির্ধারণ করেননি, তবে তারা তা করতে সক্ষম হবে না। আর যদি তারা তোমার কোনো ক্ষতি করার চেষ্টা করে যা আল্লাহ তোমার ⦗পৃষ্ঠা: ৩০⦘ ওপর নির্ধারণ করেননি, তবে তারা তা করতে সক্ষম হবে না। সুতরাং তুমি যদি একীনের সাথে সততার ভিত্তিতে আল্লাহর জন্য আমল করতে পারো তবে তা করো, আর যদি সক্ষম না হও তবে যা তুমি অপছন্দ করো তার ওপর ধৈর্য ধারণের মাঝে প্রভূত কল্যাণ রয়েছে। আর জেনে রেখো, ধৈর্যের সাথেই সাহায্য আসে, বিপদের সাথেই মুক্তি আসে এবং কষ্টের সাথেই স্বস্তি আসে।»
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٣٠)
8 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي بَدْرٍ، ثنا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنِ ⦗ص: 31⦘ الْحَكَمِ بْنِ مُصْعَبٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، رضي الله عنهما، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«مَنْ أَكْثَرَ مِنَ الِاسْتِغْفَارِ جَعَلَ اللَّهُ لَهُ مِنْ كُلِّ هَمٍّ فَرَجًا، وَمِنْ كُلِّ ضِيقٍ مَخْرَجًا، وَرَزَقَهُ مِنْ حَيْثُ لَا يَحْتَسِبُ»
৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে আবি বদর, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম, ⦗পৃষ্ঠা: ৩১⦘ হাকাম ইবনে মুসআব থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: “যে ব্যক্তি অধিক পরিমাণে ইস্তিগফার করবে, আল্লাহ তার প্রতিটি দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তির পথ করে দেবেন, প্রতিটি সংকীর্ণতা থেকে বের হওয়ার পথ করে দেবেন এবং তাকে এমন উৎস থেকে রিযিক দান করবেন যা সে কল্পনাও করতে পারবে না।”
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٣٢)
9 - حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ رَاشِدٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ حَمَّادٍ الشُّعَيْثِيُّ، قَالَ: ثنا كَهْمَسُ بْنُ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي السَّلِيلِ، قَالَ: قَالَ أَبُو ذَرٍّ: كَانَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَتْلُو عَلَيَّ هَذِهِ الْآيَةَ: {وَمَنْ يَتَّقِ اللَّهَ يَجْعَلْ لَهُ مَخْرَجًا، وَيَرْزُقْهُ مِنْ حَيْثُ لَا يَحْتَسِبُ وَمَنْ يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُ} [الطلاق: 3] ثُمَّ يَقُولُ: «يَا أَبَا ذَرٍّ،‌‌ لَوْ أَنَّ النَّاسَ كُلَّهُمْ أَخَذُوا بِهَا لَكَفَتْهُمْ»
৯ - ইবরাহীম ইবনু রাশিদ আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুর রহমান ইবনু হাম্মাদ আশ-শুআইসী আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: কাহমাস ইবনুল হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল সলীল থেকে, তিনি বলেন: আবু যার (রা.) বলেছেন: আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট এই আয়াতটি পাঠ করতেন: {আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে, তিনি তার জন্য (বিপদ থেকে) বের হওয়ার পথ তৈরি করে দেন এবং তাকে এমন উৎস থেকে রিযিক দান করেন যা সে কল্পনাও করতে পারে না। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর ভরসা করে, তবে তিনিই তার জন্য যথেষ্ট} [আত-তালাক: ৩] এরপর তিনি বলতেন: «হে আবু যার,‌‌ যদি সমস্ত মানুষ একে আঁকড়ে ধরত, তবে এটিই তাদের জন্য যথেষ্ট হতো।»
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٣٢)
10 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، ثنا سُفْيَانُ، عَنْ مِسْعَرٍ، ⦗ص: 33⦘ عَنْ عَلِيِّ بْنِ بَذِيمَةَ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: إِنَّ‌‌ بَنِي فُلَانٍ أَغَارُوا عَلَيَّ، فَذَهَبُوا بِإِبِلِي وَابْنِي، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «إِنَّ آلَ مُحَمَّدٍ كَذَا وَكَذَا أَهْلَ بَيْتٍ مَا فِيهِمْ مُدٌّ مِنْ طَعَامٍ، أَوْ صَاعٌ مِنْ طَعَامٍ، فَسَلِ اللَّهَ» . فَرَجَعَ إِلَى امْرَأَتِهِ، فَقَالَتْ: مَاذَا قَالَ لَكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ فَأَخْبَرَهَا، فَقَالَتْ: نِعْمَ مَا رَدَّ عَلَيْكَ، فَمَا لَبِثَ أَنْ رَدَّ اللَّهُ إِلَيْهِ إِبِلَهُ وَابْنَهُ أَوْفَرَ مَا كَانَتْ، فَأَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرَهُ، فَصَعِدَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الْمِنْبَرَ، فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ، وَأَمَرَ النَّاسَ بِمَسْأَلَةِ اللَّهِ عز وجل وَالرَّغْبَةِ إِلَيْهِ، وَقَرَأَ عَلَيْهِمْ: {وَمَنْ يَتَّقِ اللَّهَ يَجْعَلْ لَهُ مَخْرَجًا وَيَرْزُقْهُ مِنْ حَيْثُ لَا يَحْتَسِبُ} [الطلاق: 3]
১০ - ইসহাক ইবন ইসমাঈল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মিসআর থেকে, ⦗পৃষ্ঠা: ৩৩⦘ আলী ইবন বাযীমা থেকে, তিনি আবু উবাইদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বলল: নিশ্চয়ই অমুক গোত্রের লোকেরা আমার ওপর আক্রমণ করেছে, ফলে তারা আমার উট ও আমার ছেলেকে নিয়ে গেছে। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, «নিশ্চয়ই মুহাম্মাদের পরিবারে এমন এমন অনেক পরিবার রয়েছে যাদের মধ্যে এক মুদ পরিমাণ খাদ্য বা এক সা' পরিমাণ খাদ্যও নেই, সুতরাং তুমি আল্লাহর কাছেই চাও»। অতঃপর সে তার স্ত্রীর কাছে ফিরে গেল। স্ত্রী জিজ্ঞেস করল: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাকে কী বলেছেন? সে তাকে সব জানাল। তখন স্ত্রী বলল: তিনি তোমাকে কতই না চমৎকার উত্তর দিয়েছেন। এরপর বেশি সময় অতিবাহিত হওয়ার আগেই আল্লাহ তার উট ও তার ছেলেকে আগের চেয়েও সমৃদ্ধ অবস্থায় তাকে ফিরিয়ে দিলেন। অতঃপর সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে তাঁকে বিষয়টি জানাল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বরে আরোহণ করলেন, আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান গাইলেন এবং মানুষকে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে ও তাঁর প্রতি অনুরাগী হতে নির্দেশ দিলেন। আর তিনি তাদের সামনে পাঠ করলেন: {আর যে আল্লাহকে ভয় করে, তিনি তার জন্য উত্তরণের পথ করে দেন এবং তাকে এমন উৎস থেকে রিযিক দান করেন যা সে কল্পনাও করতে পারে না} [আত-তালাক: ৩]
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٣٤)
11 - حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ خِدَاشٍ، ثنا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ بِشْرِ بْنِ رَافِعٍ الْحَارِثِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ دَوَاءٌ مِنْ تِسْعَةٍ وَتِسْعِينَ دَاءً، أَيْسَرُهَا الْهَمُّ»
১১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ ইবন খিদাশ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুর রাজ্জাক, তিনি বিশর ইবন রাফি আল-হারিসী থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবন আজলান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «‘লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ (আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো পরিবর্তন ও কোনো শক্তি নেই) হলো নিরানব্বইটি রোগের ঔষধ, যার মধ্যে সবচেয়ে সামান্য হলো দুশ্চিন্তা»
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٣٤)
12 - حَدَّثَنِي أَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ سَعْدٍ، أنبأ قُرَّانُ بْنُ تَمَامٍ، ⦗ص: 35⦘ عَنْ أَبِي بِشْرٍ الْحَلَبِيِّ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«سَاعَاتُ الْأَذَى يُذْهِبْنَ سَاعَاتِ الْخَطَايَا»
১২ - আমাকে বর্ণনা করেছেন আবু জাফর আহমদ ইবনে সাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কুররান ইবনে তামাম, ⦗পৃষ্ঠা: ৩৫⦘ আবু বিশর আল-হালাবী থেকে, তিনি আল-হাসান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «কষ্টের মুহূর্তগুলো গুনাহের মুহূর্তগুলোকে মিটিয়ে দেয়»
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٣٥)
13 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، وَإِسْحَاقُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، ⦗ص: 36⦘ قَالَا: ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي السَّوْدَاءِ، عَنْ أَبِي مِجْلَزٍ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رضي الله عنه: ‌‌«مَا أُبَالِي عَلَى أَيِّ حَالٍ أَصْبَحْتُ، عَلَى مَا أُحِبُّ أَوْ عَلَى مَا أَكْرَهُ، وَذَلِكَ لِأَنِّي لَا أَدْرِي الْخَيْرَ فِيمَا أُحِبُّ أَوْ فِيمَا أَكْرَهُ»
১৩ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী ইবনুল জা'দ এবং ইসহাক ইবনু ইসমাঈল, ⦗পৃষ্ঠা: ৩৬⦘ তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনু উয়ায়নাহ, আবু আস-সওদা থেকে, তিনি আবু মিজলায থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উমর ইবনুল খাত্তাব (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) বলেছেন: «আমি কোন অবস্থায় সকালে উপনীত হলাম—তা কি আমার পছন্দনীয় নাকি অপছন্দনীয়—তা নিয়ে আমি পরোয়া করি না। কারণ, আমি জানি না যে কল্যাণ কি আমার পছন্দনীয় বিষয়ের মধ্যে নিহিত নাকি অপছন্দনীয় বিষয়ের মধ্যে।»
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٣٦)
14 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعِيدٍ، ثنا أَبُو أُسَامَةَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، قَالَ:‌‌ إِنْ لَمْ يَكُنْ لَنَا خَيْرٌ فِيمَا نَكْرَهُ، لَمْ يَكُنْ لَنَا خَيْرٌ فِيمَا نُحِبُّ
১৪ - আমাদের কাছে ইবরাহীম ইবন সাঈদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু উসামা আমাদের নিকট আল-আ'মাশ থেকে, তিনি ইবরাহীম আত-তয়মী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের জন্য যা অপ্রিয় তার মধ্যে যদি কোনো কল্যাণ না থাকত, তবে আমাদের জন্য যা প্রিয় তার মধ্যেও কোনো কল্যাণ থাকত না।
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٣٦)
15 - حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْعَبْدِيُّ، نا ⦗ص: 37⦘ إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ مَنْصُورِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: كُنْتُ جَالِسًا مَعَ الْحَسَنِ، فَقَالَ لِي رَجُلٌ: سَلْهُ عَنْ قَوْلِ اللَّهِ عز وجل: ‌‌{مَا أَصَابَ مِنْ مُصِيبَةٍ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي أَنْفُسِكُمْ إِلَّا فِي كِتَابٍ مِنْ قَبْلِ أَنْ نَبْرَأَهَا} [الحديد: 22] ، فَسَأَلْتُهُ عَنْهَا، فَقَالَ: سُبْحَانَ اللَّهِ، وَمَنْ يَشُكُّ فِي هَذَا؟ كُلُّ مُصِيبَةٍ بَيْنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ فَفِي كِتَابٍ مِنْ قَبْلِ أَنْ تُبْرَأَ النَّسَمَةُ
১৫ - আমাদের নিকট ইয়াকুব ইবন ইবরাহীম আল-আবদী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ⦗পৃষ্ঠা: ৩৭⦘ ইসমাইল ইবন ইবরাহীম বর্ণনা করেছেন মানসুর ইবন আবদুর রহমান থেকে, তিনি বলেন: আমি হাসানের সাথে বসা ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি আমাকে বলল: তাঁকে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করুন: {পৃথিবীতে অথবা তোমাদের নিজেদের ওপর যে বিপদই আসে, তা আমি সৃষ্টি করার পূর্বেই একটি কিতাবে (লিপিবদ্ধ) আছে।} [আল-হাদীদ: ২২]। অতঃপর আমি তাঁকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: সুবহানাল্লাহ! এ বিষয়ে কে সন্দেহ পোষণ করতে পারে? আসমান ও জমিনের মধ্যবর্তী প্রতিটি বিপদই প্রাণ সৃষ্টির পূর্বেই কিতাবে লিপিবদ্ধ আছে।
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٣٧)
16 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ، أنبأ يَزِيدُ بْنُ ⦗ص: 38⦘ هَارُونَ، أنبأ شَرِيكُ بْنُ الْخَطَّابِ الْعَنْبَرِيُّ، عَنِ الْمُغِيرَةِ أَبِي مُحَمَّدٍ، عَنِ الْحَسَنِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«أَدْخِلْ نَفْسَكَ فِي هُمُومِ الدُّنْيَا، وَاخْرُجْ مِنْهَا بِالصَّبِرِ، وَلْيَرُدَّكَ عَنِ النَّاسِ مَا تَعْلَمُ مِنْ نَفْسِكَ»
১৬ - মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, সংবাদ দিয়েছেন ইয়াযিদ ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ৩৮⦘ হারুন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শারীক ইবনুল খাত্তাব আল-আনবারী, মুগীরা আবু মুহাম্মদ থেকে, তিনি হাসান থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তুমি নিজেকে দুনিয়ার উদ্বেগের মধ্যে প্রবেশ করাও এবং ধৈর্যের সাথে তা থেকে বের হয়ে আসো; আর মানুষের (দোষ অন্বেষণ) থেকে তোমাকে যেন সেই বিষয় বিরত রাখে যা তুমি জানো নিজের সম্পর্কে।»
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٣٨)
17 - حَدَّثَنِي الْقَاسِمُ بْنُ هَاشِمٍ، نا أَبُو الْيَمَانِ، ثنا صَفْوَانُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي يَحْيَى، عَنْ إِسْحَاقَ الْغَزَوَانِيِّ، قَالَ: زَحَفَ إِلَيْنَا أَزْدَمْهَرُ عِنْدَ مَدِينَةِ الْكِيرَجِ فِي ثَمَانِينَ فِيلًا، فَكَادَتْ تَنْفَضُّ الْخُيُولُ وَالصُّفُوفُ، فَكَرِبَ لِذَلِكَ مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ، فَنَادَى عِمْرَانَ بْنَ النُّعْمَانِ أَمِيرَ أَهْلِ حِمْصٍ وَأُمَرَاءَ الْأَجْنَادِ، فَنَهَضُوا فَمَا اسْتَطَاعُوا،‌‌ فَلَمَّا أَعْيَتْهُ الْأُمُورُ نَادَى مِرَارًا: لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ، فَكَفَّ اللَّهُ عز وجل الْفِيَلَةَ بِذَلِكَ، وَسَلَّطَ عَلَيْهَا الْحَرَّ، فَأَنْضَجَهَا، فَفَزِعَتْ إِلَى الْمَاءِ، فَمَا اسْتَطَاعَ سُوَّاسُهَا وَلَا أَصْحَابُهَا حَبْسَهَا، وَحَمَلَتِ الْخَيْلُ عِنْدَ ذَلِكَ، فَكَانَ الْفَتْحُ بِإِذْنِ اللَّهِ
১৭ - আল-কাসিম ইবনে হাশিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবুল ইয়ামান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সাফওয়ান ইবনে আমর আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু ইয়াহইয়া থেকে, তিনি ইসহাক আল-গাজওয়ানী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আযদামহার আল-কিরাজ শহরের নিকট আশিটি হাতি নিয়ে আমাদের দিকে অগ্রসর হলো। এতে ঘোড়াগুলো এবং সৈন্যবাহিনী প্রায় ছত্রভঙ্গ হওয়ার উপক্রম হলো। বিষয়টি মুহাম্মদ ইবনুল কাসিমকে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন করে তুলল। তিনি হিমসের অধিবাসীদের আমীর ইমরান ইবনুন নুমান এবং অন্যান্য সেনাপতিদের ডাকলেন। তারা অগ্রসর হলেন কিন্তু সফল হতে পারলেন না। যখন পরিস্থিতি তাকে ক্লান্ত করে তুলল, তখন তিনি বারবার উচ্চস্বরে বললেন: আল্লাহ ছাড়া কোনো উপায় ও কোনো শক্তি নেই। এর মাধ্যমে আল্লাহ মহান ও পরাক্রমশালী হাতিগুলোকে আটকে দিলেন এবং সেগুলোর ওপর প্রচণ্ড তাপ চাপিয়ে দিলেন, যা সেগুলোকে দগ্ধ করল। ফলে সেগুলো পানির দিকে ছুটে পালাল। সেগুলোর চালক কিংবা আরোহীরা সেগুলোকে আটকে রাখতে সক্ষম হলো না। সেই মুহূর্তে অশ্বারোহী বাহিনী আক্রমণ করল এবং আল্লাহর অনুমতিক্রমে বিজয় অর্জিত হলো।
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٣٨)
18 - حَدَّثَنِي الْقَاسِمُ بْنُ هَاشِمٍ، ثنا أَبُو الْيَمَانِ، ثنا صَفْوَانُ ⦗ص: 39⦘ بْنُ عَمْرٍو، عَنِ الْأَشْيَاخِ، أَنَّ حَبِيبَ بْنَ مَسْلَمَةَ، كَانَ‌‌ يَسْتَحِبُّ إِذَا لَقِيَ عَدُوًّا، أَوْ نَاهَضَ حِصْنًا، قَوْلَ: لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ، وَأَنَّهُ نَاهَضَ يَوْمًا حِصْنًا فَانْهَزَمَ الرُّومُ، وَتَحَصَّنُوا فِي حِصْنٍ آخَرَ لَهُمْ، أَعْجَزَهُ، فَقَالَهَا الْمُسْلِمُونَ فَانْصَدَعَ الْحِصْنُ
১৮ - আল-কাসিম বিন হাশিম আমাকে বর্ণনা করেছেন, আবুল ইয়ামান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সাফওয়ান ⦗পৃষ্ঠা: ৩৯⦘ বিন আমর শাইখগণের নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন যে, হাবিব বিন মাসলামা যখন শত্রুর মুখোমুখি হতেন অথবা কোনো দুর্গের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতেন, তখন 'আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো উপায় ও কোনো শক্তি নেই' এই বাক্যটি বলা পছন্দ করতেন। একদা তিনি একটি দুর্গের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করলেন, তখন রোমানরা পরাজিত হলো এবং তারা তাদের অন্য একটি দুর্গে আশ্রয় নিল, যা জয় করা তাঁর পক্ষে দুঃসাধ্য হয়ে পড়ল। তখন মুসলিমরা এই বাক্যটি পাঠ করলেন এবং ফলে দুর্গটি বিদীর্ণ হয়ে গেল।
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٣٩)
19 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمنِ بْنُ صَالِحٍ الْأَزْدِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو رَوْحٍ، رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ مَرْوَ عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ، قَالَ: مَرَّ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ بِمُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، فَقَالَ: مَا لِي أَرَاكَ مَغْمُومًا؟ فَقَالَ أَبُو حَازِمٍ: ذَاكَ لِدَيْنٍ قَدْ فَدَحَهُ، قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ: افْتَحْ لَهُ فِي الدُّعَاءِ، قَالَ: ⦗ص: 40⦘ نَعَمْ، فَقَالَ:‌‌ لَقَدْ بُورِكَ لِعَبْدٍ فِي حَاجَةٍ أَكْثَرَ فِيهَا دُعَاءَ رَبِّهِ كَائِنَةً مَا كَانَتْ
১৯ - আব্দুর রহমান ইবনে সালিহ আল-আজদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু রাওহ—যিনি মার্ভের অধিবাসী একজন ব্যক্তি—সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আলী, মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির-এর পাশ দিয়ে অতিক্রম করার সময় বললেন: "কী ব্যাপার, আমি আপনাকে বিষণ্ণ দেখছি কেন?" তখন আবু হাজিম বললেন: "তা এমন এক ঋণের কারণে যা তাকে ভারাক্রান্ত করেছে।" মুহাম্মদ ইবনে আলী বললেন: "তার জন্য দুআর পথ খুলে দিন।" তিনি বললেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৪০⦘ "হ্যাঁ।" অতঃপর তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই বান্দার সেই প্রয়োজনে বরকত দান করা হয়েছে যে বিষয়ে সে তার রবের নিকট অধিক পরিমাণে দুআ করেছে, তা যা-ই হোক না কেন।"
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٠)
20 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، ثنا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، ثنا نَافِعُ بْنُ يَزِيدَ، قَالَ: ثنا عَيَّاشُ بْنُ عَبَّاسٍ، أَنَّ عَبْدَ الْمَلِكِ بْنَ نَافِعٍ الْمَعَافِرِيَّ، حَدَّثَهُ أَنَّ جَعْفَرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَكَمِ حَدَّثَهُ، عَنْ خَالِدِ بْنِ رَافِعٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِابْنِ ⦗ص: 41⦘ مَسْعُودٍ: ‌‌«لَا تُكْثِرْ هَمَّكَ، مَا يُقَدَّرْ يَكُنْ، وَمَا تُرْزَقْ يَأْتِكَ»
২০ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন ইসহাক বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সাঈদ বিন আবু মারইয়াম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট নাফে বিন ইয়াজিদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আয়্যাশ বিন আব্বাস বর্ণনা করেছেন যে, আব্দুল মালেক বিন নাফে আল-মাআফিরি তাঁকে হাদীস শুনিয়েছেন যে, জাফর বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হাকাম তাঁকে বর্ণনা করেছেন খালিদ বিন রাফে থেকে যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ৪১⦘ মাসউদকে বলেছেন: «তুমি তোমার দুশ্চিন্তা প্রলম্বিত করো না; যা তাকদিরে নির্ধারিত আছে তা ঘটবেই, আর তোমার জন্য যে রিজিক বরাদ্দ রয়েছে তা তোমার নিকট অবশ্যই আসবে।»
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤١)
21 - حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ صَالِحٍ الْأَزْدِيُّ، حَدَّثَنِي أَبُو رَوْحٍ، قَالَ: قَالَ ابْنُ عُيَيْنَةَ:‌‌ مَا يَكْرَهُ الْعَبْدُ خَيْرٌ لَهُ مِمَّا يُحِبُّ؛ لِأَنَّ مَا يَكْرَهُهُ يَهِيجُهُ عَلَى الدُّعَاءِ، وَمَا يُحِبُّ يُلْهِيهِ عَنْهُ
২১ - আব্দুর রহমান বিন সালিহ আল-আজদি আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, আবু রাওহ আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবনে উয়ায়নাহ বলেছেন: বান্দা যা অপছন্দ করে তা তার জন্য তার পছন্দনীয় বিষয়ের চেয়ে উত্তম; কারণ যা সে অপছন্দ করে তা তাকে দোয়ার প্রতি উদ্বুদ্ধ করে, আর যা সে পছন্দ করে তা তাকে উদাসীন করে তা থেকে।
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤١)
22 - وَقَالَ أَبُو نَصْرٍ التَّمَّارُ: ثنا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، قَالَ: " قَالَ دَاوُدُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم:‌‌ سُبْحَانَ مُسْتَخْرِجِ الدُّعَاءِ بِالْبَلَاءِ، سُبْحَانَ مُسْتَخْرِجِ الشُّكْرِ بِالرَّخَاءِ "
২২ - আবু নাসর আত-তাম্মার বলেন: সাঈদ ইবনে আব্দুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "নবী দাউদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: পবিত্রতা সেই সত্তার, যিনি বিপদের মাধ্যমে দোয়া বের করে আনেন; পবিত্রতা সেই সত্তার, যিনি সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের মাধ্যমে কৃতজ্ঞতা বের করে আনেন।"
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤١)
23 - حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، أنبا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، ⦗ص: 42⦘ قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا وَائِلٍ، يُحَدِّثُ عَنْ كُرْدُوسَ بْنِ عَمْرٍو، وَكَانَ، مِمَّنْ قَرَأَ الْكُتُبَ، قَالَ: فِيمَا أَنْزَلَ اللَّهُ عز وجل مِنَ الْكُتُبِ أَنَّ اللَّهَ عز وجل‌‌ يَبْتَلِي الْعَبْدَ وَهُوَ يُحِبُّهُ؛ لَيَسْمَعَ تَضَرُّعَهُ
২৩ - আমার নিকট আলী বিন আল-জা'দ বর্ণনা করেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শু'বাহ, তিনি আমর বিন মুররাহ থেকে, ⦗পৃষ্ঠা: ৪২⦘ তিনি বলেন: আমি আবু ওয়ায়েলকে কুরদুস বিন আমর থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি—আর তিনি (কুরদুস) ঐ সকল ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা কিতাবসমূহ পাঠ করেছিলেন—তিনি বলেন: মহান আল্লাহ যে সকল কিতাব অবতীর্ণ করেছেন তাতে রয়েছে যে, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ বান্দাকে পরীক্ষা করেন এমতাবস্থায় যে তিনি তাকে ভালোবাসেন; যাতে তিনি তার আকুল প্রার্থনা শুনতে পান।
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٢)
24 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَمَّارُ بْنُ عُثْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنِي بِشْرُ بْنُ بَشَّارٍ الْمُجَاشِعِيُّ، وَكَانَ مِنَ الْعَابِدِينَ، قَالَ: قُلْتُ لِعَابِدٍ: أَوْصِنِي، قَالَ:‌‌ أَلْقِ نَفْسَكَ مَعَ الْقَدَرِ حَيْثُ أَلْقَاكَ، فَهُوَ أَحْرَى أَنْ يَفْرُغَ قَلْبُكَ، وَأَنْ يَقِلَّ هَمُّكَ، وَإِيَّاكَ أَنْ يُسْخِطَكَ ذَلِكَ فَيَحِلَّ بِكَ السَّخَطُ وَأَنْتَ عَنْهُ فِي غَفْلَةٍ لَا تَشْعُرُ بِهِ
২৪ - মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আম্মার ইবনে উসমান আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বিশর ইবনে বাশশার আল-মুজাশিই—যিনি একজন ইবাদতগুজার ছিলেন—আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমি একজন ইবাদতগুজার ব্যক্তিকে বললাম: আমাকে উপদেশ দিন। তিনি বললেন:‌‌ তাকদির তোমাকে যেখানে নিক্ষেপ করে, নিজেকে সেখানেই সমর্পণ করো; কেননা এটি তোমার অন্তরকে দুশ্চিন্তামুক্ত করার এবং তোমার উদ্বেগ লাঘব করার জন্য অধিকতর উপযোগী। আর সাবধান! বিষয়টি যেন তোমাকে অসন্তুষ্ট না করে, যার ফলে তোমার ওপর আল্লাহর অসন্তুষ্টি নেমে আসবে অথচ তুমি সে বিষয়ে গাফেল থাকবে এবং তা অনুভবও করতে পারবে না।
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٢)
25 - حَدَّثَنِي عَاصِمُ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُقَدَّمٍ، ثنا أَبِي، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، قَالَ: سَمِعْتُ بَشِيرًا أَبَا إِسْمَاعِيلَ، يُحَدِّثُ عَنْ ⦗ص: 43⦘ سَيَّارٍ أَبِي حَمْزَةَ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنْ نَزَلَتْ بِهِ حَاجَةٌ فَأَنْزَلَهَا بِالنَّاسِ لَمْ تُسَدَّ فَاقَتُهُ، فَإِنْ أَنْزَلَهَا بِاللَّهِ أَوْشَكَ اللَّهُ لَهُ بِأَجَلٍ حَاضِرٍ أَوْ رِزْقٍ عَاجِلٍ»
২৫ - আসিম ইবনে উমর ইবনে আলী ইবনে মুকাদ্দাম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান আস-সাওরী থেকে, তিনি বলেন: আমি বাশীর আবু ইসমাঈলকে বর্ণনা করতে শুনেছি ⦗পৃষ্ঠা: ৪৩⦘ সাইয়্যার আবু হামযাহ থেকে, তিনি তারিক ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি কোনো অভাব-অনটনের সম্মুখীন হয় এবং তা মানুষের কাছে পেশ করে, তার অভাব মোচন করা হয় না। আর যে ব্যক্তি তা আল্লাহর কাছে পেশ করে, তবে আল্লাহ তাকে দ্রুত মৃত্যু অথবা সত্বর রিযিক প্রদানের মাধ্যমে অভাবমুক্ত করবেন।"
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٣)
26 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ شَقِيقٍ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْأَشْعَثَ، ثنا فُضَيْلُ بْنُ عِيَاضٍ، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ الْحُصَيْنِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنِ انْقَطَعَ إِلَى اللَّهِ عز وجل كَفَاهُ اللَّهُ كُلَّ مُؤُونَةٍ، وَرَزَقَهُ مِنْ حَيْثُ لَا ⦗ص: 44⦘ يَحْتَسِبُ، وَمَنِ انْقَطَعَ إِلَى الدُّنْيَا وَكَّلَهُ اللَّهُ إِلَيْهَا»
২৬ - মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনুল হাসান ইবনে শাকীক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহীম ইবনুল আশআস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ফুদাইল ইবনে ইয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি ইমরান ইবনুল হুসাইন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি মহান আল্লাহর প্রতি নিবিষ্ট হয়, আল্লাহ তার সকল প্রয়োজন পূরণে যথেষ্ট হয়ে যান এবং তাকে এমন উৎস থেকে রিযিক দান করেন যা সে ⦗পৃষ্ঠা: ৪৪⦘ কল্পনাও করতে পারে না। আর যে ব্যক্তি দুনিয়ার প্রতি আসক্ত হয়, আল্লাহ তাকে দুনিয়ার হাতেই সঁপে দেন।»
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٤)
27 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ خَالِدٍ، قَالَ: نا رُوَيْمُ بْنُ يَزِيدَ، قَالَ: ثنا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ عِيسَى بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِيَاسَ بْنِ بُكَيْرٍ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ، عَنْ رَجُلٍ، مِنْ أَشْجَعَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«اطْلُبُوا الْخَيْرَ دَهْرَكُمْ كُلَّهُ، وَتَعَرَّضُوا لِنَفَحَاتِ رَحْمَةِ اللَّهِ، فَإِنَّ لِلَّهِ عز وجل نَفَحَاتٍ مِنْ رَحْمَتِهِ يُصِيبُ بِهَا مَنْ يَشَاءُ مِنْ عِبَادِهِ، وَسَلُوا اللَّهَ عز وجل أَنْ يَسْتُرَ عَوْرَاتِكُمْ وَيُؤَمِّنَ رَوْعَاتِكُمْ»
২৭ - আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে ইউসুফ ইবনে খালিদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট রুয়াইম ইবনে ইয়াযিদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট লাইস ইবনে সাদ বর্ণনা করেছেন ঈসা ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াস ইবনে বুকাইর থেকে, তিনি সাফওয়ান ইবনে সুলাইম থেকে, তিনি আশজা গোত্রের এক ব্যক্তি থেকে, তিনি আবু হুরাইরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “তোমরা তোমাদের সমগ্র জীবনভর কল্যাণ অনুসন্ধান করো এবং আল্লাহর রহমতের সুবাতাসের সম্মুখীন হও। কেননা মহান আল্লাহর রহমতের এমন কিছু সুবাতাস রয়েছে যার মাধ্যমে তিনি তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা অনুগ্রহ দান করেন। আর তোমরা মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করো যেন তিনি তোমাদের দোষত্রুটি গোপন রাখেন এবং তোমাদের ভয়ভীতিতে নিরাপত্তা দান করেন।”
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٤)
28 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ نَاصِحٍ، ثنا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ يَحْيَى أَبِي مُطِيعٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ عَيَّاشِ بْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمَعَافِرِيِّ، قَالَ: مَرَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِابْنِ مَسْعُودٍ، فَقَالَ: ‌‌«لَا تُكْثِرْ هَمَّكَ، فَإِنَّهُ مَا يُقَدَّرْ يَكُنْ، وَمَا تُرْزَقْ يَأْتِكَ»
২৮ - মুহাম্মদ ইবনে নাসিহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, বাকিয়্যা ইবনুল ওয়ালিদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুয়াবিয়া ইবনে ইয়াহইয়া আবু মুতী থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবু আইয়ুব থেকে, তিনি আইয়্যাশ ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি মালিক ইবনে আবদুল্লাহ আল-মাআফিরি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইবনে মাসউদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি বললেন: «তুমি তোমার দুশ্চিন্তা বৃদ্ধি করো না; কারণ যা নির্ধারিত হয়েছে তা ঘটবেই, আর যা তোমার রিজিক তা তোমার নিকট আসবেই।’»
(খণ্ড: ১) আল ফারাজু বাদাশ শিদ্দাহ লিইবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٥)
29 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْعَبْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي الْعَلَاءُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ، قَالَ: ثنا أَبُو عَبْدِ الصَّمَدِ الْعَمِّيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ مَالِكَ بْنَ دِينَارٍ، يَقُولُ فِي مَرَضِهِ وَهُوَ مِنْ آخِرِ كَلَامٍ سَمِعْتُهُ يَتَكَلَّمُ بِهِ:‌‌ مَا أَقْرَبَ النَّعِيمَ مِنَ الْبُؤْسِ يُعْقِبَانِ وَيُوشِكَانِ زَوَالًا
২৯ - আমাদের নিকট আহমাদ ইবন ইবরাহিম আল-আবদি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আল-আলা ইবন আবদিল জাব্বার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আবদুস সামাদ আল-আম্মি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মালিক ইবন দিনারকে তাঁর অসুস্থতার সময় বলতে শুনেছি, আর এটি ছিল তাঁর নিকট থেকে শোনা আমার শেষ কথাগুলোর অন্তর্ভুক্ত: সুখ ও দুঃখ একে অপরের কতই না নিকটবর্তী, তারা একে অপরের অনুগামী হয় এবং অচিরেই উভয়ই বিলীন হয়ে যায়।