(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: -)
الجزء الثاني من حديث يحيى بن معين الفوائد رواية أبي بكر المروزي   (يحيى بن معين)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الجزء الثاني من حديث يحيى بن معين الفوائد

المؤلف: أبو زكريا يحيى بن معين بن عون بن زياد بن بسطام بن عبد الرحمن (ت 233هـ)

رواية: أبي بكر المروزي

المحقق: خالد بن عبد الله السيت

الناشر: مكتبة الرشد - الرياض

الطبعة: الاولى، 1419هـ - 1998م

عدد الصفحات: 260

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনের হাদিসের দ্বিতীয় খণ্ড আল-ফাওয়ায়িদ, আবু বকর আল-মারওয়াজির বর্ণনা   (ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


গ্রন্থ: ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনের হাদিসের দ্বিতীয় খণ্ড আল-ফাওয়ায়িদ

লেখক: আবু যাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন ইবনে আউন ইবনে যিয়াদ ইবনে বাসতাম ইবনে আবদুর রহমান (মৃত্যু: ২৩৩ হিজরি)

বর্ণনা: আবু বকর আল-মারওয়াজি

তাহকিককারী: খালিদ বিন আব্দুল্লাহ আস-সাইত

প্রকাশক: মাকতাবাতুর রুশদ - রিয়াদ

সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৯ হিজরি - ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৬০

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যুলহিজ্জাহ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ৮৩)
بسم الله الرحمن الرحيم

لا إله إلا الله وحده لا شريك له أعدها للقائه

أَخْبَرَنَا الْخَطِيبُ عِمَادُ الدِّينِ أَبُو بَكْرِ بْنِ الْخَطِيبِ، صَائِنِ الدِّينِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ حَسَّانَ بْنِ رَافِعٍ الْعَامِرِيِّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكَ الْمَوْلَى الْأَوَّلُ الْمَلِكُ الظَّافِرُ مُظَفَّرُ الدِّينِ أَبُو الْحَيَّانِ الْخِضْرُ بْنُ السُّلْطَانِ الْمَلِكِ النَّاصِرِ صَلَاحِ الدِّينِ أَبِي الْمُظَفَّرِ يُوسُفَ بْنِ أَيُّوبَ شَادِيٌّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ قِيلَ لَهُ أَخْبَرَكَ الْفَقِيهُ أَبُو الطَّاهِرِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مَكِّيِّ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عِيسَى بْنِ عَوْفٍ الزُّهْرِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ قَالَ: أَنْبَأَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الرَّازِي قِرَاءَةً عَلَيْهِ قَالَ: أَنْبَأَ أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْفَارِسِيُّ قَالَ: أَنْبَأَ أَبُو أَحْمَدَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ النَّاصِحِ بْنِ شُجَاعٍ الْمُفَسِّرُ الدِّمَشْقِيُّ قَالَ: أَنْبَأَ الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ سَعِيدٍ الْمَرْوَزِيِّ قَالَ: ثنا أَبُو زَكَرِيَّا يَحْيَى بْنُ مَعِينِ بْنِ عَوْنٍ الْبَغْدَادِيُّ قَالَ:

 

1 - ثنا ابْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُسْلِمٍ الْعَبْدِيِّ، عَنْ أَبِي الْمُتَوَكِّلِ فِي قَوْلِ اللَّهِ عز وجل: ‌‌{فَرَّتْ مِنْ قَسْوَرَةٍ} [المدثر: 51] قَالَ: «هُوَ لَفْظُ الْقَوْمِ»
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই; আমি একে তাঁর সাথে সাক্ষাতের জন্য প্রস্তুত করেছি।

খতিব ইমাদুদ্দিন আবু বকর বিন খতিব সাইনুদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন হাসসান বিন রাফি আল-আমেরি তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমি তাঁকে বলেছি: প্রথম মাওলা আল-মালিকুজ জাফির মুজাফফারুদ্দিন আবুল হাইয়ান আল-খিজর বিন সুলতান আল-মালিকুন নাসির সালাহুদ্দিন আবুল মুজাফফার ইউসুফ বিন আইয়ুব শাদি কি তাঁর নিকট আপনার পাঠের মাধ্যমে আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন এমতাবস্থায় যে আপনি শুনছিলেন? তাঁকে বলা হলো যে, ফকিহ আবু তাহের ইসমাইল বিন মক্কি বিন ইসমাইল বিন ঈসা বিন আউফ আজ-জুহরি তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আহমদ বিন ইব্রাহিম আর-রাজি তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসেম আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আলী আল-ফারিসি আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আবু আহমদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আন-নাসিহ বিন শুজা আদ-দিমাশকি মুফাসসির আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: কাজি আবু বকর আহমদ বিন আলী বিন সাঈদ আল-মারওয়াজি আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আবু যাকারিয়া ইয়াহইয়া বিন মাঈন বিন আউন আল-বাগদাদি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন:

 

১ - ইবনে মাহদি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইসমাইল বিন মুসলিম আল-আবদি থেকে, তিনি আবুল মুতাওয়াক্কিল থেকে মহান আল্লাহর বাণী সম্পর্কে বর্ণনা করেন: ‌{তা পলায়ন করছে সিংহের ভয়ে} [আল-মুদ্দাসসির: ৫১]। তিনি বলেন: "এটি সেই কওমের ব্যবহৃত শব্দ বা ভাষা।"
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ৮৪)
2 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ ثنا مُحَمَّدُ بْنُ صُبَيْحٍ السَّمَّاكُ، عَنْ أَبِي عَمْرٍو الْقَاصِّ، عَنْ عِكْرِمَةَ، ‌‌{إِنَّ لَدَيْنَا أَنْكَالًا} [المزمل: 12] ، قَالَ: «قُيُودًا»
২ - আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মদ ইবনে সুবাইহ আস-সাম্মাক থেকে, তিনি আবু আমর আল-কাস থেকে, আর তিনি ইকরিমাহ থেকে বর্ণনা করেছেন: {নিশ্চয়ই আমাদের নিকট রয়েছে শিকলসমূহ} [আল-মুয্যাম্মিল: ১২], তিনি বলেছেন: «বেড়িসমূহ»
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ৮৫)
3 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ ثنا ابْنُ نُمَيْرٍ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، " ‌‌{وَلَا تُؤْتُوا السُّفَهَاءَ أَمْوَالَكُمُ} [النساء: 5] " قَالَ: «النِّسَاءُ وَالصِّبْيَانُ»
৩ - আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বর্ণনা করেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে নুমাইর, তিনি আমাশ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেন, "{তোমরা নির্বোধদের হাতে তোমাদের সম্পদ অর্পণ করো না} [আন-নিসা: ৫]" তিনি বলেন: «তারা হলো নারী ও শিশু»
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ৮৬)
4 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ ثنا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عِكْرِمَةَ قَالَ: "‌‌ الْإِسْتَبْرَقُ: الدِّيبَاجُ الْغَلِيظُ "
৪ - আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান বর্ণনা করেছেন, তিনি সাঈদ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, আর তিনি ইকরিমাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "‌‌ ইসতাবরাক হলো: মোটা রেশমি কাপড়। "
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ৮৭)
5 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ ثنا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي يَحْيَى ‌‌{وَتُنْذِرَ بِهِ قَوْمًا لُدًّا} [مريم: 97] قَالَ: «عِوَجٌ عَنِ الْحَقِّ»
৫ - আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ওয়াকী' বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি ইসমাঈল থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু ইয়াহইয়া থেকে বর্ণনা করেন: {এবং এর মাধ্যমে আপনি এক ঝগড়াটে সম্প্রদায়কে সতর্ক করবেন} [মারইয়াম: ৯৭] তিনি বলেন: "(এর অর্থ হলো) সত্য থেকে বিচ্যুতি।"
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ৮৭)
6 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ ثنا وَكِيعٌ، ثنا مَهْدِيُّ بْنُ مَيْمُونٍ قَالَ: سَمِعْتُ الْحَسَنَ، يَقُولُ: ‌‌«صُمًّا»
৬ - আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ওয়াকী' বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মাহদী ইবনে মাইমুন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি হাসানকে বলতে শুনেছি: «বধির»
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ৮৮)
7 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ ثنا وَكِيعٌ، عَنِ النَّضْرِ بْنِ عِيسَى، عَنْ عِكْرِمَةَ قَالَ: ‌‌«خَصْمًا»
৭ - আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনু মাঈন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ওয়াকি বর্ণনা করেছেন নাদর ইবনু ঈসা থেকে, তিনি ইকরিমা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «বিবাদী»
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ৮৮)
8 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ فِي قَوْلِهِ تَعَالَى: ‌‌{وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلَّا مَا ظَهَرَ مِنْهَا} [النور: 31] قَالَ: «الْوَجْهُ وَالْكَفُّ وَالْخَاتَمُ»

 

⦗ص: 89⦘

9 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ ثنا يَحْيَى بْنُ يَمَانٍ، ثنا هِشَامُ بْنُ الْغَازِ ⦗ص: 90⦘، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: «الْكَفُّ وَالْوَجْهُ» ، قَالَ: وَسَمِعْتُ مَكْحُولًا، يَقُولُ ذَلِكَ
৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে মাইন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে নুমাইর, আমাশ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবাইর থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে মহান আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে বর্ণনা করেন: ‌{এবং তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, কেবল যা তা থেকে প্রকাশ পায় তা ছাড়া} [আন-নূর: ৩১], তিনি বলেন: “তা হলো মুখমন্ডল, হাতের তালু এবং আংটি।”

 

⦗পৃষ্ঠা: ৮৯⦘

৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে মাইন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে ইয়ামান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনুল গাজ ⦗পৃষ্ঠা: ৯০⦘, নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: “হাতের তালু এবং মুখমন্ডল।” তিনি (হিশাম) বলেন: আমি মাকহুলকেও তা বলতে শুনেছি।
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ৯০)
10 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ ثنا ابْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ أَبِي سِنَانٍ، عَنِ ⦗ص: 91⦘ الضَّحَّاكِ بْنِ مُزَاحِمٍ فِي قَوْلِهِ تَعَالَى: ‌‌{وَلِمَنْ دَخَلَ بَيْتِيَ مُؤْمِنًا} [نوح: 28] قَالَ: «مَسْجِدِي»
১০ - ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনু নুমায়ের আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু সিনান থেকে বর্ণিত, ⦗পৃষ্ঠা: ৯১⦘ দাহহাক ইবনে মুজাহিম থেকে বর্ণিত মহান আল্লাহর এই বাণী প্রসঙ্গে: ‌{এবং যে আমার ঘরে মুমিন হিসেবে প্রবেশ করবে} [নূহ: ২৮] তিনি বলেন: «আমার মসজিদ»
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ৯২)
11 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ ثنا ابْنُ نُمَيْرٍ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ أَبِي الْبَخْتَرِيِّ قَالَ: «نِعْمَ الْمَرْءَانِ أَبُو بَكْرٍ ⦗ص: 93⦘، وَعُمَرُ، غَيْرَ أَنِّي أَجِدُ لِعَلِيٍّ فِي قَلْبِي مِنَ اللِّيطِ مَا لَا أَجِدُ لَهُمَا» ، قَالَ: " فَعَدَدْنَاهُ مِنْ قَوْلِهِ: الِارْتِفَاعُ "
১১ - ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে নুমাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আ'মাশ থেকে, তিনি হাবিব ইবনে আবি সাবিত থেকে, তিনি আবু আল-বাখতারি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আবু বকর ⦗পৃষ্ঠা: ৯৩⦘ এবং উমর কতই না উত্তম দুই ব্যক্তি, তবে আলীর জন্য আমি আমার অন্তরে এমন এক নিবিড় আসক্তি অনুভব করি যা তাদের উভয়ের জন্য করি না», তিনি বলেন: "আমরা এটাকে তার ‘উঠা’ (উচ্চতা) সংক্রান্ত উক্তি থেকেই গণ্য করেছি।"
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ৯৩)
12 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ ثنا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، عَنْ قُطْبَةَ ⦗ص: 94⦘، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ شِمْرٍ، عَنْ شَهْرٍ يَعْنِي ابْنَ حَوْشَبٍ ⦗ص: 95⦘، قَالَ: «أَخَذَتْ مُعَاذًا قَرْحَةٌ فِي حَلْقِهِ» ، فَقَالَ:‌‌ اخْنُقْ خَنْقَكَ، فَوَعِزَّتِكَ، إِنِّي لَأُحِبُّكَ
১২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন, তিনি বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আদম থেকে, তিনি কুতবাহ থেকে ⦗পৃষ্ঠা: ৯৪⦘, তিনি আ'মাশ থেকে, তিনি শিমর থেকে, তিনি শাহর অর্থাৎ ইবনে হাওশাব থেকে ⦗পৃষ্ঠা: ৯৫⦘ বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "মুয়াযের গলায় একটি ক্ষত সৃষ্টি হয়েছিল", তখন তিনি বললেন: আপনি যেভাবে ইচ্ছা আমাকে শ্বাসরুদ্ধ করুন; আপনার সম্মানের শপথ, নিশ্চয়ই আমি আপনাকে ভালোবাসি।
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ৯৮)
13 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ ثنا عَبْدَةُ، ثنا الْأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي قُرَّةَ قَالَ: قَالَ سَلْمَانُ لِرَجُلٍ: «يَا فُلَانُ‌‌ لَوْ قطَّعْتَ نَفْسَكَ أَعْضَاءً مَا بَلَغْتَ الْإِيمَانَ»
১৩ - আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবদাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আল-আমাশ বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবু কুররাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: সালমান জনৈক ব্যক্তিকে বললেন: «হে অমুক! তুমি যদি নিজের দেহকে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে খণ্ড-বিখণ্ড করে ফেলো, তবুও তুমি ঈমানের (প্রকৃত হাকিকতে) পৌঁছাতে পারবে না।»
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ৯৯)
14 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ ثنا عَبْدَةُ، قَالَ: ثنا الْأَعْمَشُ قَالَ: قَالَ جَابِرٌ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«إِذَا طَبَخْتُمُ اللَّحْمَ فَأَكْثِرُوا الْمَاءَ، وَأَهْدُوا لِلْجِيرَانِ»
১৪ - আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে মায়ীন বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-আমাশ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জাবির বলেছেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যখন তোমরা গোশত রান্না করবে, তখন পানির পরিমাণ বাড়িয়ে দাও এবং প্রতিবেশীদের উপহার দাও»
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ১০০)
15 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ ثنا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ هَانِئٍ، عَنْ أَبِي الْجلوا قَالَ: سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ‌‌ عَنِ الدِّيوَانِ فَقَالَ: «خُذْهُ، فَإِذَا رَأَيْتَ مَا تَكْرَهُ فَاخْتَنِسْ»
১৫ - আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট অকি' বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে হানি থেকে, তিনি আবু আল-জালওয়া থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে উমরকে দিওয়ান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: «তুমি তা গ্রহণ করো, অতঃপর যখন তুমি এমন কিছু দেখবে যা তুমি অপছন্দ করো, তখন তা থেকে সরে থেকো।»
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ১০১)
16 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ ثنا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، حَدَّثَنِي بُرَيْدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى قَالَ: «قَدِمْنَا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ بَعْدَ فَتْحِ خَيْبَرَ بِثَلَاثٍ،‌‌ فَأَسْهَمَ لَنَا، وَلَمْ يُسْهِمْ لِأَحَدٍ لَمْ يَشْهَدِ الْفَتْحَ غَيْرَنَا»
১৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফস ইবনে গিয়াস, তিনি বলেন, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন বুরাইদ ইবনে আব্দুল্লাহ, তিনি আবু বুরদাহ থেকে, তিনি আবু মুসা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমরা খায়বার বিজয়ের তিন দিন পর আল্লাহর রাসূলের নিকট উপস্থিত হলাম, অতঃপর তিনি আমাদের জন্য (গনিমতের) অংশ বরাদ্দ করলেন; অথচ আমাদের ব্যতীত যারা সেই বিজয়ে উপস্থিত ছিল না, তাদের কাউকেই তিনি কোনো অংশ দেননি।»
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ১০২)
17 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ ثنا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ، «أَنَّهَا‌‌ كَانَتْ تُصْبِحُ»
১৭ - আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে মায়ীন বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইবনে উয়াইনাহ বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি আল-কাসিম ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, «তিনি‌‌ ভোরে উপনীত হতেন»
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ১০২)
18 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ ثنا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ ⦗ص: 103⦘ مُجَاهِدٍ، فِي قَوْلِهِ عز وجل: ‌‌{وَخُذْ بِيَدِكَ ضِغْثًا فَاضْرِبْ بِهِ وَلَا تَحْنَثْ} [ص: 44] " قَالَ عَطَاءٌ: «هِيَ لِلنَّاسِ عَامَّةً» ، وَقَالَ مُجَاهِدٌ: «هِيَ لِأَيُّوبَ عليه السلام خَاصَّةً»
১৮ - ইয়াহইয়া ইবনে মায়ীন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে উয়াইনাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবি নাজহ থেকে বর্ণিত, তিনি ⦗পৃষ্ঠা: ১০৩⦘ মুজাহিদ থেকে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন: "আর তুমি তোমার হাতে এক আঁটি তৃণ নাও, তা দিয়ে আঘাত করো এবং শপথ ভঙ্গ করো না" [সোয়াদ: ৪৪]। আতা বলেন: "এটি সকল মানুষের জন্য সাধারণ", আর মুজাহিদ বলেন: "এটি বিশেষভাবে আইয়ুব আলাইহিস সালামের জন্য।"
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ১০৩)
19 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ قَالَ: ثنا ابْنُ رَجَاءٍ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الْأَسْوَدِ، عَنْ عَطَاءٍ، أَنَّ رَجُلًا قَالَ: وَاللَّهِ مَا أَدْرِي أَمُؤْمِنٌ أَنَا أَمْ لَا، فَقَالَ عَطَاءٌ: ‌‌«بِالْغَيْبِ آمَنَّا بِهِ فَنَحْنُ مُؤْمِنُونَ»
১৯ - ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে রাজা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনুল আসওয়াদ থেকে, তিনি আতা থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি বলল: আল্লাহর শপথ! আমি জানি না যে আমি মুমিন কি না। তখন আতা বললেন: «আমরা অদৃশ্যের প্রতি ঈমান এনেছি, সুতরাং আমরা মুমিন»
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ১০৪)
20 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ ثنا غُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ سِمَاكًا، قَالَ: سَمِعْتُ عَبَّادَ بْنَ حُبَيْشٍ يُحَدِّثُ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ قَالَ: " جَاءَتْ خَيْلُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَفَرَرْتُ، وَأَخَذُوا عَمَّتِي، وَنَاسًا، فَلَمَّا أَتَوْا بِهِمُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: فَصُفُّوا لَهُ، قَالَتْ: قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ:‌‌ نَأَى الْوَافِدُ وَانْقَطَعَ الْوَلَدُ، وَأَنَا عَجُوزٌ كَبِيرَةٌ مَا بِي مِنْ خِدْمَةٍ، مُنَّ عَلَيَّ مَنَّ اللَّهُ عَلَيْكَ " فَذَكَرَهُ
২০ - ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি গুন্দার থেকে, তিনি শু’বা থেকে, তিনি বলেন: আমি সিমাককে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আব্বাদ ইবনে হুবাইশকে আদি ইবনে হাতিম থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অশ্বারোহী বাহিনী আসল, তখন আমি পালিয়ে গেলাম। তারা আমার ফুফু এবং আরও কিছু লোককে বন্দী করল। যখন তাদেরকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট নিয়ে আসা হলো, বর্ণনাকারী বলেন: তাদের তাঁর সামনে সারিবদ্ধ করা হলো। তখন তিনি (ফুফু) বললেন: আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! প্রতিনিধি দূরে চলে গেছেন এবং সন্তান বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আমি একজন অতি বৃদ্ধা নারী, আমার সেবা করার মতো সামর্থ্য নেই। আপনি আমার প্রতি অনুগ্রহ করুন, আল্লাহ আপনার প্রতি অনুগ্রহ করবেন।" এরপর তিনি পূর্ণ হাদিসটি উল্লেখ করলেন।
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ১০৯)
ثنا أَبُو زَكَرِيَّا يَحْيَى بْنُ مَعِينِ بْنِ عَوْنِ بْنِ زِيَادِ بْنِ بِسْطَامِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْبَغْدَادِيُّ ثنا غُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ سِمَاكًا، قَالَ: سَمِعْتُ عَبَّادَ بْنَ حُبَيْشٍ ⦗ص: 110⦘ يُحَدِّثُ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ قَالَ: جَاءَتْ خَيْلُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَوْ قَالَ: رُسُلِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَفَرَّتْ، فَأَخَذُوا عَمَّتِي وَنَاسًا، فَلَمَّا أَتَوْا بِهِمُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: فَصُفُّوا لَهُ. قَالَتْ: قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ، نَأَى الْوَافِدُ، وَانْقَطَعَ الْوَلَدُ، وَأَنَا عَجُوزٌ كَبِيرَةٌ، مَا بِي مِنْ خِدْمَةٍ فَمُنَّ عَلَيَّ مَنَّ اللَّهُ عَلَيْكَ، قَالَ: «مَنْ وَافِدُكِ؟» قُلْتُ: عَدِيُّ بْنُ حَاتِمٍ، قَالَ: «الَّذِي فَرَّ مِنَ اللَّهِ وَرَسُولِهِ؟» قَالَتْ: فَمُنَّ عَلَيَّ، قَالَتْ: فَلَمَّا رَجَعَ وَرَجُلٌ إِلَى جَنْبِهِ تَرَى أَنَّهُ عَلِيٌّ، قَالَ: سَلِيهِ حُمْلَانًا، قَالَتْ: فَسَأَلْتُهُ، قَالَتْ: فَأَمَرَ لَهَا، فَقَالَتْ: لَقَدْ فَعَلْتَ فِعْلًا مَا كَانَ أَبُوكَ يَفْعَلُهُ، فَقَالَتْ: ائْتِهِ رَاغِبًا أَوْ رَاهِبًا فَقَدْ أَتَاهُ فُلَانٌ فَأَصَابَ مِنْهُ، فَأَتَيْتُهُ، فَإِذَا عِنْدَهُ امْرَأَةٌ وَصِبْيَانٌ أَوْ صَبِيٌّ، فَذَكَرَ قُرْبَهُمْ مِنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَعَرَفْتُ أَنَّهُ لَيْسَ بِمَلِكِ قَيْصَرَ وَكِسْرَى ⦗ص: 111⦘، فَقَالَ: " يَا عَدِيُّ بْنَ حَاتِمٍ مَا آنَ لَكَ أَنْ تَقُولَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ؟ فَهَلْ شَيْءٌ أَكْبَرُ مِنَ اللَّهِ؟ " فَأَسْلَمْتُ، فَرَأَيْتُ وَجْهَهُ قَدِ اسْتَبْشَرَ، وَقَالَ: «إِنَّ الْمَغْضُوبَ عَلَيْهِمُ الْيَهُودُ، وَإِنَّ الضَّالِّينَ النَّصَارَى» ، فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ، ثُمَّ قَالَ: «أَمَّا بَعْدَ، ذَلِكُمْ أَيُّهَا النَّاسُ ارْتَضِخُوا مِنَ الْفَضْلِ، ارْتَضَخَ امْرُؤٌ بصاعٍ بِبَعْضِ صَاعٍ، بِقَبْضَةٍ بِبَعْضِ قَبْضَةٍ» ، قَالَ شُعْبَةُ: وَأَكْبَرُ عِلْمِي أَنَّهُ قَالَ: " بِتَمْرَةٍ بِشِقِّ تَمْرَةٍ، إِنَّ أَحَدَكُمْ لَاقٍ اللَّهَ عز وجل، فَقَائِلٌ مَا أَقُولُ:‌‌ أَلَمْ أَجْعَلْكَ سَمِيعًا بَصِيرًا؟ أَلَمْ أَجْعَلْ لَكَ مَالًا وَوَلَدًا؟ فَمَاذَا قَدَّمْتَ؟ فَيَنْظُرُ مَا بَيْنَ يَدَيْهِ وَمَنْ خَلْفَهُ وَعَنْ يَمِينِهِ وَعَنْ شِمَالِهِ فَلَا يَجِدُ شَيْئًا، فَلَا يَتَّقِي النَّارَ إِلَّا بِوَجْهِهِ، فَاتَّقُوا النَّارَ، وَلَوْ بِشِقِّ تَمْرَةٍ، فَإِنْ لَمْ تَجِدُوا فَبِكَلِمَةٍ لَيَّنَةٍ، إِنِّي لَا أَخْشَى عَلَيْكُمُ الْفَاقَةَ، لَيَنْصُرَنَّكُمُ اللَّهُ تَعَالَى، وَلَيُعْطِيَنَّكُمْ أَوْ لَيَفْتَحَنَّ لَكُمْ حَتَّى تَسِيرَ الظَّعِينَةُ بَيْنَ الْحِيرَةِ ويَثْرِبَ أَوْ أَكْثَرَ مَا أَخَافُ ⦗ص: 112⦘ عَلَى ظَعِينَتِهَا السَّرَقَ "
আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু জাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন ইবনে আউন ইবনে যিয়াদ ইবনে বিস্তাম ইবনে আব্দুর রহমান আল-বাগদাদী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন গুন্দার, তিনি শু'বাহ থেকে, তিনি বলেন: আমি সিমাককে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আব্বাদ ইবনে হুবাইশকে ⦗পৃষ্ঠা: ১১০⦘ বর্ণনা করতে শুনেছি আদী ইবনে হাতিম থেকে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অশ্বারোহী বাহিনী আসল (অথবা তিনি বলেছিলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দূতগণ আসল), তখন তারা (আমার গোত্রীয়রা) পালিয়ে গেল। ফলে তারা আমার ফুফু এবং আরও কিছু লোককে বন্দি করল। যখন তাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আনা হলো, তিনি বললেন: "তাদেরকে সারিবদ্ধ করো।" ফুফু বললেন: আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! সাহায্যকারী দূরে চলে গেছে, সন্তানবিচ্ছিন্ন হয়েছি, আর আমি এক বৃদ্ধা নারী, আমার দ্বারা কোনো সেবা সম্ভব নয়। সুতরাং আপনি আমার প্রতি অনুগ্রহ করুন, আল্লাহ আপনার প্রতি অনুগ্রহ করবেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: "তোমার সাহায্যকারী কে?" আমি বললাম: আদী ইবনে হাতিম। তিনি বললেন: "সেই ব্যক্তি যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল থেকে পালিয়েছে?" ফুফু বললেন: এরপর তিনি আমার প্রতি অনুগ্রহ করলেন। তিনি আরও বললেন: যখন তিনি ফিরে যাচ্ছিলেন এবং তাঁর পাশে একজন লোক ছিলেন—মনে হচ্ছিল তিনি আলী—তিনি বললেন: তাঁর কাছে বাহন চাও। তিনি বললেন: আমি তাঁর কাছে চাইলাম, এবং তিনি তার জন্য নির্দেশ দিলেন। এরপর তিনি (ফুফু) বললেন: তুমি এমন কাজ করেছ যা তোমার পিতাও করত না। তিনি আরও বললেন: তুমি তাঁর কাছে যাও, ভালোবেসে হোক বা ভয় পেয়ে, কারণ অমুক ব্যক্তি তাঁর কাছে গিয়েছিল এবং তাঁর থেকে কল্যাণ লাভ করেছিল। ফলে আমি তাঁর কাছে আসলাম, তখন তাঁর নিকট এক নারী এবং কিছু শিশু (অথবা একটি শিশু) ছিল। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে তাদের নৈকট্যের কথা উল্লেখ করলেন। তখন আমি বুঝতে পারলাম যে, তিনি কায়সার বা কিসরার মতো কোনো রাজা নন ⦗পৃষ্ঠা: ১১১⦘। তিনি বললেন: "হে আদী ইবনে হাতিম! তোমার জন্য কি এখনো সময় হয়নি যে তুমি বলবে: আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই? আল্লাহর চেয়ে বড় কি কিছু আছে?" তখন আমি ইসলাম গ্রহণ করলাম। আমি দেখলাম তাঁর চেহারা খুশিতে উজ্জ্বল হয়ে উঠল। তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই যাদের ওপর ক্রোধ বর্ষিত হয়েছে তারা হলো ইহুদি, আর যারা পথভ্রষ্ট তারা হলো নাসারা (খ্রিস্টান)।" অতঃপর তিনি আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করলেন, তারপর বললেন: "অতঃপর হে লোকসকল! তোমরা তোমাদের অতিরিক্ত সম্পদ থেকে দান করো; কোনো ব্যক্তি এক সা' থেকে, কেউ সা'-এর কিছু অংশ থেকে, কেউ এক মুষ্টি থেকে, কেউ মুষ্টিের কিছু অংশ থেকে।" শু'বাহ বলেন: আমার যতটুকু মনে পড়ে তিনি বলেছিলেন: "একটি খেজুর থেকে বা খেজুরের অর্ধেক অংশ থেকে। নিশ্চয়ই তোমাদের প্রত্যেকেই মহান আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে, তখন তিনি বলবেন যা আমি বলছি: আমি কি তোমাকে শ্রবণকারী ও দর্শনকারী বানাইনি? আমি কি তোমাকে ধন-সম্পদ ও সন্তানাদি দান করিনি? তবে তুমি কী অগ্রিম পাঠিয়েছ? তখন সে তার সামনে, তার পেছনে এবং তার ডানে ও বামে তাকাবে কিন্তু কিছুই দেখতে পাবে না। সে কেবল তার মুখমণ্ডল দ্বারা আগুন থেকে বাঁচতে চাইবে। সুতরাং তোমরা আগুন থেকে বেঁচে থাকো, এমনকি একটি খেজুরের অর্ধাংশ দিয়ে হলেও। যদি তাও না পাও, তবে নম্র কথার মাধ্যমে। আমি তোমাদের দারিদ্র্যের ভয় করি না। আল্লাহ তা'আলা অবশ্যই তোমাদের সাহায্য করবেন, তোমাদের দান করবেন অথবা তোমাদের জন্য বিজয় দান করবেন, এমনকি একজন উষ্ট্রারোহী নারী হীরা এবং ইয়াসরিবের মধ্যবর্তী স্থানে ভ্রমণ করবে, অথবা তার চেয়েও বেশি যা আমি ভয় করি ⦗পৃষ্ঠা: ১১২⦘ তা হলো তার উষ্ট্রীর ওপর চুরির ভয়।"
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ১১২)
21 - حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ ⦗ص: 113⦘ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: ‌‌«لَقَدْ سُرَّ فِي ظِلِّ سَرْحَةٍ سَبْعُونَ نَبِيًّا لَمْ تَعْبَلْ وَلَمْ تَجَرِّدْ، وَلَمْ تُسْرَحْ»
২১ - আবু মুয়াবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আ'মাশ থেকে, তিনি আবুয যিনাদ থেকে, তিনি ⦗পৃষ্ঠা: ১১৩⦘ ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «অবশ্যই সত্তর জন নবী একটি বড় বৃক্ষের ছায়ায় আনন্দ লাভ করেছেন, যা পত্রহীন হয়নি, নগ্ন করা হয়নি এবং যার ডালপালা ছাঁটা হয়নি।»
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ১১৪)
22 - حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي يُحَدِّثُ، عَنْ أَبِي مِجْلَزٍ، " أَنَّ‌‌ خَدِيجَةَ قَالَتْ لِأُخْتِهَا: اذْهَبِي، فَاذْكُرِينِي لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَذَهَبَتْ، فَأَجَابَهَا بِمَا شَاءَ اللَّهُ، ثُمَّ إِنَّهُمْ تَوَاطَئُوا عَلَى أَنْ يُزَوِّجُوهَا، وَإِنَّ الشَّيْخَ أَبَا خَدِيجَةَ سُقِيَ مِنَ الْخَمْرِ حَتَّى أَخَذَتْ مِنْهُ، ثُمَّ دَعَا مُحَمَّدًا فَزَوَّجَهَا إِيَّاهُ، وَإِنَّهَا سَنَتْ عَلَى الشَّيْخِ حُلَّةً، فَلَمَّا أَصْحَا، قَالَ: مَا هَذِهِ الْحُلَّةُ، قَالَتْ أَوْ قِيلَ: كَسَاكَهَا مُحَمَّدٌ خَتَنُكَ؟، قَالَ: فَغَضِبَ الشَّيْخُ، وَأَخَذَ السِّلَاحَ، وَأَخَذَ مَعَهُ قَوْمُهُ السِّلَاحَ، وَأَخَذَ بَنُو هَاشِمٍ السِّلَاحَ، وَقَالُوا: مَا كَانَتْ لَنَا فِيكُمْ رَغْبَةُ صَبِيِّكُمْ صَبِيَّتَنَا، أَوْ قَالَ صَاحِبَتَنَا ⦗ص: 115⦘، قَالَ: وَكَانَتْ أَيِّمَ قُرَيْشٍ، ثُمَّ إِنَّهُمُ اصْطَلَحُوا بَعْدَ ذَلِكَ "
২২ - মুতামির ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে আবু মিজলাজ থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, খাদিজা তাঁর বোনকে বললেন: "যাও, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে আমার কথা উল্লেখ করো।" অতঃপর তিনি গেলেন এবং তিনি তাঁকে আল্লাহর ইচ্ছানুযায়ী উত্তর দিলেন। অতঃপর তাঁরা তাঁকে বিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে একমত হলেন। আর শায়খ আবু খাদিজাকে (খাদিজার পিতাকে) মদ পান করানো হলো এমনকি তা তাঁর ওপর আচ্ছন্ন হলো। তারপর তিনি মুহাম্মদকে ডাকলেন এবং তাঁর নিকট তাঁকে বিয়ে দিলেন। আর তিনি (খাদিজা) শায়খকে একটি পোশাক পরিয়ে দিলেন। যখন তিনি সচেতন হলেন, তখন বললেন: "এই পোশাকটি কী?" তিনি বললেন অথবা বলা হলো: "আপনার জামাতা মুহাম্মদ আপনাকে এটি পরিয়েছেন।" তিনি বললেন: এতে শায়খ রাগান্বিত হলেন এবং অস্ত্র ধারণ করলেন। তাঁর সাথে তাঁর কওমের লোকেরাও অস্ত্র ধারণ করল এবং বনু হাশিমও অস্ত্র ধারণ করল। তারা বলল: তোমাদের মাঝে তোমাদের যুবকের জন্য আমাদের কন্যার (অথবা তিনি বললেন আমাদের সঙ্গিনীর) প্রতি আমাদের কোনো অনাগ্রহ ছিল না। ⦗পৃ: ১১৫⦘ তিনি বললেন: আর তিনি কুরাইশদের বিধবা ছিলেন। অতঃপর তারা এর পরে আপস-মীমাংসা করে নিল।
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ১১৫)
23 - حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ قَيْسٍ، قَالَ: «رَأَيْتُ‌‌ يَدَ طَلْحَةَ شَلَّاءَ، وَقَى بِهَا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ أُحُدٍ»
২৩ - অকী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল থেকে, তিনি কায়েস থেকে, তিনি বলেন: «আমি দেখেছি তালহার অবশ হাত, যা দ্বারা তিনি উহুদের দিনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রক্ষা করেছিলেন।»
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ১১৫)
24 - حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ ⦗ص: 116⦘ بْنِ أَبِي يَزِيدَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، «أَنَّهُ كَانَ‌‌ يُصَلِّي الْعَصْرَ فِي وَقْتِ الظُّهْرِ، وَالظُّهْرَ فِي وَقْتِ الْعَصْرِ»
২৪ - হাজ্জাজ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন উবাইদুল্লাহ ⦗পৃষ্ঠা: ১১৬⦘ বিন আবি ইয়াজিদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেন যে, «তিনি আসরের নামায যোহরের ওয়াক্তে এবং যোহরের নামায আসরের ওয়াক্তে আদায় করতেন।»
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ১১৭)
25 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ أَبِيهِ، «أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رضي الله عنه‌‌ قَصَرَ الصَّلَاةَ إِلَى خَيْبَرَ»
২৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রাজ্জাক, তিনি মালিক ইবনে আনাস থেকে, তিনি যায়েদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) খায়বার পর্যন্ত সালাত কসর করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ১১৭)
26 - حَدَّثَنَا ابْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، وَابْنِ خُثَيْمٍ، «أَنَّهُمَا كَانَا‌‌ لَا يَرَيَانِ بَأْسًا بِعَرَقِ الْجُنُبِ فِي الثَّوْبِ»
২৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবন মাহদী, হাম্মাদ ইবন সালামাহ থেকে, আতা থেকে, তিনি শাবি এবং ইবন খুসাইম থেকে বর্ণনা করেন যে, তাঁরা উভয়ে কাপড়ে জুনুবী (অপবিত্র) ব্যক্তির ঘাম লাগার মধ্যে কোনো সমস্যা মনে করতেন না।
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ১১৮)
27 - حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، ثنا أَبِي قَالَ: سَمِعْتُ الْأَعْمَشَ، يُحَدِّثُ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ أَبِي الْبَخْتَرِيِّ، عَنْ سَلْمَانَ قَالَ: ‌‌«مَثَلُ الْمُسْلِمِ أَوِ الْمُؤْمِنِ وَأَخِيهِ كَمَثَلِ الْكَفَّيْنِ تَقِي أَحَدُهُمَا الْأُخْرَى»
২৭ - আমাদের নিকট ওয়াহব ইবনে জারীর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমাশকে আমর ইবনে মুররাহ থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি আবু আল-বাখতারী থেকে, তিনি সালমান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «একজন মুসলিম বা মুমিনের এবং তার ভাইয়ের উদাহরণ হলো দুই হাতের তালুর মতো, যাদের একটি অপরটিকে রক্ষা করে»
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ১১৯)
28 - حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي زَائِدَةَ، ثنا سَعْدُ بْنُ طَارِقٍ، عَنْ نُعَيْمِ بْنِ أَبِي هِنْدٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ نُعَيْمٍ قَالَ: شَهِدْتُ مَعَ خَالِدِ بْنِ الْوَلِيدِ يَوْمَ الْيَمَامَةِ، فَلَمَّا شَدَّدْنَا عَلَى الْقَوْمِ ضَرَبْتُ رَجُلًا مِنْهُمْ، فَلَمَّا وَقَعَ، قَالَ: اللَّهُمَّ عَلَى مِلَّتِكَ وَمِلَّةِ رَسُولِكَ وَإِنِّي بَرِيءٌ مِمَّا عَلَيْهِ مُسَيْلِمَةُ، فَعَقَدْتُ فِي رِجْلِهِ خَيْطًا وَمَضَيْتُ مَعَ الْقَوْمِ، فَلَمَّا رَجَعْتُ نَادَيْتُ مَنْ يَعْرِفُ هَذَا الرَّجُلَ؟ فَمَرَّ بِيَ نَاسٌ مِنْ أَهْلِ الْيَمَنِ، فَقَالُوا هَذَا رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْيَمَنِ مِنْ أَهْلِ الرِّضَى مِنَ الْمُسْلِمِينَ، فَرَجَعْتُ إِلَى الْمَدِينَةِ زَمَنَ عُمَرَ رضي الله عنه، فَحَدَّثْتُهُ، فَقَالَ عُمَرُ: ‌‌«قَدْ أَحْسَنْتَ أَنْ بَيَّنْتَ إِنَّ عَلَيْكَ وَعَلَى قَوْمِكَ الدِّيَةَ، وَعَلَيْكَ تَحْرِيرَ رَقَبَةٍ مِنْ أَهْلِ الرِّضَى، وَعَلَى قَوْمِكَ النِّصْفَ، وَعَلَى الْمُسْلِمِينَ النِّصْفَ»
২৮ - ইবন আবি জাইদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সা'দ ইবন তারিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি নুআইম ইবন আবি হিন্দ থেকে, তিনি সালামাহ ইবন নুআইম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি ইয়ামামার যুদ্ধের দিন খালিদ ইবনুল ওয়ালিদের সাথে উপস্থিত ছিলাম। যখন আমরা সেই কাওমের ওপর তীব্র আক্রমণ চালালাম, তখন আমি তাদের মধ্য হতে এক ব্যক্তিকে আঘাত করলাম। সে যখন লুটিয়ে পড়ল, তখন বলল: "হে আল্লাহ! আমি আপনার মিল্লাত এবং আপনার রাসূলের মিল্লাতের ওপর রয়েছি, আর মুসাইলিমা যা অনুসরণ করছে তা থেকে আমি মুক্ত।" এরপর আমি তার পায়ে একটি সুতা বেঁধে দিলাম এবং লোকজনের সাথে সামনে এগিয়ে গেলাম। যখন আমি ফিরে আসলাম, তখন উচ্চস্বরে ডাক দিয়ে বললাম, "এই লোকটিকে কে চেনে?" তখন ইয়েমেনের কিছু লোক আমার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বলল, "এ তো ইয়েমেনের একজন ব্যক্তি, সে সন্তোষভাজন মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত।" অতঃপর উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর যুগে আমি মদিনায় ফিরে আসলাম এবং তাকে বিষয়টি জানালাম। তখন উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বললেন: «তুমি যে বিষয়টি স্পষ্ট করেছ তা ভালো করেছ। নিশ্চয়ই তোমার ও তোমার কওমের ওপর দিয়াত (রক্তপণ) আবশ্যক; আর তোমার ওপর একজন সন্তোষভাজন (মুমিন) দাস মুক্ত করা ওয়াজিব, এবং তোমার কওমের ওপর (দিয়াতের) অর্ধেক এবং মুসলিমদের ওপর অর্ধেক বর্তাবে।»
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সানী মিন হাদীছি ইয়াহইয়া বিন মাঈন আল-ফাওয়াইদ রিওয়ায়াতু আবী বকর আল-মারওয়াযী (পৃষ্ঠা: ১২০)
29 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ الصُّورِيُّ، ثنا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: ‌‌«لَا تَسُبُّوا الشَّيْطَانَ، فَإِنَّهُ يَتَغَيَّظُ، وَلَكِنْ تَعَوَّذُوا بِاللَّهِ مِنْ شَرِّهِ»
২৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনুল মুবারক আস-সুরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা ইবনে ইউনুস, তিনি আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «তোমরা শয়তানকে গালি দিও না, কারণ এতে সে রাগান্বিত হয়; বরং তোমরা আল্লাহর নিকট তার অনিষ্ট থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করো»