(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: -)
شرح شذور الذهب للجوجري   (الجوجري)

القسم: النحو والصرف


الكتاب: شرح شذور الذهب في معرفة كلام العرب

المؤلف: شمس الدين محمد بن عبد المنعم بن محمد الجَوجَري القاهري الشافعي (ت 889 هـ)

المحقق: نواف بن جزاء الحارثي

أصل التحقيق: رسالة ماجستير للمحقق

الناشر: عمادة البحث العلمي بالجامعة الإسلامية، المدينة المنورة، المملكة العربية السعودية

الطبعة: الأولى، 1423 هـ/2004 م

عدد الأجزاء: 2

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আল-জাওজারী কৃত শারহু শুযুরিল যাহাব   (আল-জাওজারী)

বিভাগ: নাহু ও সারফ


গ্রন্থ: আরবদের কালাম বোঝার ক্ষেত্রে শারহু শুযুরিল যাহাব

লেখক: শামসুদ্দিন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল মুনইম ইবনে মুহাম্মদ আল-জাওজারী আল-কাহিরী আশ-শাফিঈ (মৃত্যু ৮৮৯ হিজরি)

গবেষক/সম্পাদনা: নাওয়াফ বিন জাযা আল-হারিসি

গবেষণার উৎস: গবেষকের মাস্টার্স থিসিস

প্রকাশক: বৈজ্ঞানিক গবেষণা অনুষদ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মদিনা মুনাওয়ারা, সৌদি আরব

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৩ হিজরি/২০০৪ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ২

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]

শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: -)
ـ[شرح شذور الذهب في معرفة كلام العرب]ـ

المؤلف: شمس الدين محمد بن عبد المنعم بن محمد الجَوجَري القاهري الشافعي (المتوفى: 889هـ)

المحقق: نواف بن جزاء الحارثي

الناشر: عمادة البحث العلمي بالجامعة الإسلامية، المدينة المنورة، المملكة العربية السعودية (أصل الكتاب: رسالة ماجستير للمحقق)

الطبعة: الطبعة الأولى، 1423هـ/2004م

عدد الأجزاء: 2

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع وهو مذيل بالحواشي]
[শারহু শুযুর ইয-যাহাব ফী মা'রিফাতি কালামিল আরব]

লেখক: শামসুদ্দীন মুহাম্মদ বিন আব্দুল মুনইম বিন মুহাম্মদ আল-জাওজারি আল-কাহিরাভি আশ-শাফিয়ি (মৃত্যু: ৮৮৯ হিজরি)

সম্পাদক: নাওয়াফ বিন জাযা আল-হারিসি

প্রকাশক: বৈজ্ঞানিক গবেষণা ডিনশিপ, ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়, মদিনা মুনাওয়ারা, সৌদি আরব রাজতন্ত্র (মূল গ্রন্থ: সম্পাদকের মাস্টার্স থিসিস)

সংস্করণ: প্রথম সংস্করণ, ১৪২৩ হিজরি/২০০৪ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ২

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং এটি পাদটীকা সংবলিত]
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ৭)
‌‌المجلد الأول

‌‌مقدمة

…

بسم الله الرحمن الرحيم

الحمد لله الحي القيوم، الذي جعل علم النحو مفتاحا للعلوم، وجعل العربية لغة كتابه العظيم ودينه القويم.

والصلاة والسلام على خير الرسل أجمعين وأفصح من نطق بالضاد من العالمين.

وبعد، فإن الله قد حفظ لنا اللغة العربية بحفظه للقرآن العظيم وهيأ لذلك أسباباً، منها اهتمام العلماء بعلم النحو الذي هو عماد العربية فألفوا فيه مصنفات بالغة الأهمية، منذ عصر التأليف وإلى عصرنا الحاضر، كان هدفها الأسمى هو الحفاظ على لغة القرآن العظيم.

وكانت تصانيفهم مختلفة المنهاج بين تصنيف مستقل وشرح مسهب وآخر مختصر.

ومن بين هذه المؤلفات كتاب "شرح شذور الذهب" لمحمد بن عبد المنعم الجوجري المتوفى سنة (889 هـ) . وهو شرح موسع على كتاب "شذور الذهب" لابن هشام الأنصاري.

ويرجع اختياري لهذا الكتاب، موضوعا لرسالة العالمية (الماجستير) للأهمية البالغة في نظري والتي تكمن في الأمور التالية:

الأول: أن هذا الكتاب هو أول وأقدم شرح كامل لشذور الذهب يصل إلينا بعد شرح مؤلفه "ابن هشام" وهذه ميزة خاصة به.

الثاني: أن شخصية "الجوجري" لم تدرس من قبل مطلقا، ولم
প্রথম খণ্ড

ভূমিকা

...

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি চিরঞ্জীব ও সর্বসত্তার ধারক, যিনি নাহু (ব্যাকরণ) শাস্ত্রকে জ্ঞানসমূহের চাবিকাঠি বানিয়েছেন এবং আরবিকে তাঁর সুমহান কিতাব ও সুপ্রতিষ্ঠিত দ্বীনের ভাষা করেছেন।

আর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক সকল রাসূলের শ্রেষ্ঠ এবং জগতসমূহের মাঝে আরবি ভাষায় সর্বাধিক সাবলীলভাবে কথা বলা ব্যক্তির ওপর।

অতঃপর, আল্লাহ তাআলা সুমহান কুরআনকে সংরক্ষণের মাধ্যমে আমাদের জন্য আরবি ভাষাকে সংরক্ষণ করেছেন এবং এর জন্য নানাবিধ উপায় নির্ধারণ করেছেন। তার মধ্যে অন্যতম হলো আলেমদের নাহু শাস্ত্রের প্রতি গুরুত্বারোপ করা, যা হলো আরবি ভাষার মূল স্তম্ভ। ফলে তাঁরা রচনার সূচনালগ্ন থেকে বর্তমান কাল পর্যন্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সব গ্রন্থ রচনা করেছেন, যেগুলোর প্রধান লক্ষ্য ছিল সুমহান কুরআনের ভাষাকে সংরক্ষণ করা।

তাঁদের এই রচনাসমূহ স্বতন্ত্র গ্রন্থ, বিস্তারিত ব্যাখ্যাগ্রন্থ কিংবা সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ হিসেবে বিভিন্ন পদ্ধতির ছিল।

এই গ্রন্থসমূহের মধ্যে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল মুনইম আল-জাওজারি (মৃত্যু ৮৮৯ হি.) রচিত "শারহু শুযুরিত যাহাব" কিতাবটি অন্যতম। এটি ইবনু হিশাম আল-আনসারি রচিত "শুযুরিত যাহাব" কিতাবের একটি বিস্তারিত ব্যাখ্যাগ্রন্থ।

মাস্টার্স থিসিসের বিষয় হিসেবে এই কিতাবটি আমার নির্বাচনের কারণ হলো আমার দৃষ্টিতে এর সুদূরপ্রসারী গুরুত্ব, যা নিম্নোক্ত বিষয়সমূহে নিহিত:

প্রথমত: এই কিতাবটি হলো "শুযুরিত যাহাব"-এর প্রথম এবং প্রাচীনতম পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যাগ্রন্থ যা মূল লেখক "ইবনু হিশাম"-এর ব্যাখ্যার পর আমাদের নিকট পৌঁছেছে। এটি এই কিতাবের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য।

দ্বিতীয়ত: "আল-জাওজারি"-এর ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে পূর্বে কখনোই কোনো গবেষণা করা হয়নি এবং...
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ১১)
يخرج له أي كتاب من كتبه.

وبهذا تكون دراستي هذه، أول دراسة علمية مفصَّلة وشاملة عن حياة "الجوجري" وآثاره العلمية.

الثالث: أن هذا الكتاب شرح شذور الذهب أحد كتب التراث التي يحرص طلاب العلم على اقتنائها، فأحببت أن أسهم في هذا المجال بإحياء أحد هذه الكتب ونشره بين طلاب المعرفة، لما يحتوي عليه من ثروة علمية كبيرة، ولاسيما أن هذا الكتاب شرح لشذور الذهب، وشروح شذور الذهب لم يطبع منها إلى الآن إلَاّ شرح "ابن هشام" نفسه على الشذور.

وقد استقام عمود هذا البحث على قسمين:

قسم الدراسة، وقسم التحقيق.

القسم الأول: قسم الدراسة، وفيه فصلان:

الفصل الأول: ابن هشام الأنصاري وكتابه "شذور الذهب".

وفيه مبحثان:

المبحث الأول: التعريف بابن هشام وما يتعلق بحياته العلمية.

المبحث الثاني: كتاب شذور الذهب وقيمته العلمية.

الفصل الثاني: الجوجري وحياته العلمية.

وفيه مبحثان:

المبحث الأول: التعريف بالجوجري.

وتحته ثمانية مطالب:

المطلب الأول: اسمه ونسبه وشهرته.
তাঁর কোনো কিতাবই ইতিপূর্বে প্রকাশিত হয়নি।

এর ফলে আমার এই গবেষণাটি আল-জাওজারির জীবন ও তাঁর ইলমি কর্মযজ্ঞের ওপর প্রথম বিস্তারিত ও পূর্ণাঙ্গ বৈজ্ঞানিক গবেষণা হিসেবে বিবেচিত।

তৃতীয়ত: এই কিতাবটি হলো 'শুযুরুয যাহাব'-এর একটি ব্যাখ্যাগ্রন্থ, যা জ্ঞানপিপাসু শিক্ষার্থীদের সংগ্রহের তালিকায় থাকা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্যবাহী গ্রন্থ। তাই আমি এই কিতাবগুলোর একটিকে পুনরুজ্জীবিত করে এবং জ্ঞান অন্বেষণকারীদের মধ্যে তা প্রচার করে এই ক্ষেত্রে অবদান রাখতে চেয়েছি; কারণ এতে রয়েছে বিশাল জ্ঞানতাত্ত্বিক সম্পদ। বিশেষ করে এই কিতাবটি 'শুযুরুয যাহাব'-এর একটি ব্যাখ্যাগ্রন্থ, আর এ পর্যন্ত 'শুযুরুয যাহাব'-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থগুলোর মধ্যে কেবল ইবনে হিশামের স্বরচিত ব্যাখ্যাগ্রন্থটিই মুদ্রিত হয়েছে।

এই গবেষণার মূল কাঠামোটি দুটি অংশে বিন্যস্ত করা হয়েছে:

গবেষণা অংশ এবং সম্পাদনা অংশ।

প্রথম অংশ: গবেষণা অংশ, এতে দুটি অধ্যায় রয়েছে:

প্রথম অধ্যায়: ইবনে হিশাম আল-আনসারি এবং তাঁর গ্রন্থ 'শুযুরুয যাহাব'।

এতে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: ইবনে হিশামের পরিচয় এবং তাঁর ইলমি জীবন সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলি।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: 'শুযুরুয যাহাব' কিতাব এবং এর ইলমি গুরুত্ব।

দ্বিতীয় অধ্যায়: আল-জাওজারি এবং তাঁর ইলমি জীবন।

এতে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: আল-জাওজারির পরিচয়।

এর অধীনে আটটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: তাঁর নাম, বংশপরিচয় ও খ্যাতি।
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ১২)
المطلب الثاني: مولده ونشأته وطلبه للعلم.

المطلب الثالث: ثقافته ومكانته العلمية ووظائفه.

المطلب الرابع: أخلاقه ومناقبه وثناء العلماء عليه.

المطلب الخامس: مذهبه الفقهي والنحوي.

المطلب السادس: شيوخه وتلاميذه.

المطلب السابع: مؤلفاته وآثاره العلمية.

المطلب الثامن: وفاته.

المبحث الثاني: دراسة كتاب "شرح شذور الذهب" للجوجري

وتحته ثمانية مطالب:

المطلب الأول: موضوع الكتاب وعنوانه.

المطلب الثاني: توثيق نسبة الكتاب لمؤلفه.

المطلب الثالث: منهج المؤلف في الكتاب.

المطلب الرابع: مصادر الجوجري في هذا الكتاب.

المطلب الخامس: شواهد الكتاب.

المطلب السادس: نقد الكتاب.

المطلب السابع: موازنة بين شرح شذور الذهب للجوجري

وشرح شذور الذهب لابن هشام.

المطلب الثامن: أثره فيمن بعده.

القسم الثاني: قسم التحقيق، وفيه:

أ - وصف النسخ الخطية.
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: তাঁর জন্ম, শৈশব এবং জ্ঞান অন্বেষণ।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: তাঁর পাণ্ডিত্য, ইলমি মর্যাদা এবং কর্মজীবন।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: তাঁর চরিত্র, গুণাবলি এবং তাঁর প্রশংসায় উলামায়ে কেরামের উক্তি।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: তাঁর ফিকহি ও ব্যাকরণিক মাযহাব।

ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: তাঁর শিক্ষক ও ছাত্রবৃন্দ।

সপ্তম পরিচ্ছেদ: তাঁর গ্রন্থাবলি এবং ইলমি নিদর্শনসমূহ।

অষ্টম পরিচ্ছেদ: তাঁর মৃত্যু।

দ্বিতীয় অধ্যায়: আল-জুজারী রচিত "শারহু শুযুর আয-যাহাব" গ্রন্থের পর্যালোচনা

এর অধীনে আটটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: গ্রন্থের বিষয়বস্তু এবং শিরোনাম।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: লেখকের প্রতি গ্রন্থের সম্বন্ধকরণের প্রামাণিকতা।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: গ্রন্থে লেখকের অনুসৃত পদ্ধতি।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: এই গ্রন্থে আল-জুজারীর উৎসসমূহ।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: গ্রন্থের প্রমাণাদি (শাওয়াহিদ)।

ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: গ্রন্থের সমালোচনা।

সপ্তম পরিচ্ছেদ: আল-জুজারী রচিত শারহু শুযুর আয-যাহাব

এবং ইবনে হিশাম রচিত শারহু শুযুর আয-যাহাব এর মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা।

অষ্টম পরিচ্ছেদ: পরবর্তী প্রজন্মের ওপর এর প্রভাব।

দ্বিতীয় অংশ: তাহকিক (সম্পাদনা) অংশ, এতে রয়েছে:

ক - পাণ্ডুলিপিসমূহের বিবরণ।
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ১৩)
ب- المنهج المتبع في التحقيق.

ج- النص المحقق.

د- الفهارس الفنية للكتاب.

وفي الختام أرى لزاما علي أن أتقدم بالشكر للعاملين على هذه الجامعة المباركة، وعلى رأسهم معالي مديرها الموقر وجميع القائمين على قسم الدراسات العليا وكلية اللغة العربية بالجامعة الإسلامية، وفي مقدمتهم فضيلة عميد الكلية.

كما أتقدم بخالص الشكر وجزيل العرفان لفضيلة الشيخ الأستاذ الدكتور عبد الفتاح بحيري إبراهيم، الذي تكرم بالإشراف على هذه الرسالة، فقد منحني الكثير من جهده ووقته، وشملني بعلمه الوافر وأدبه الجم، وقد شهد له بذلك تلاميذه وزملاؤه. فجزاه الله عني خير الجزاء.

كما أشكر، كذلك سائر أساتذتي وزملائي الكرام، وكل من أسدى لي معروفا أو عونا في إنجاز هذا العمل المبارك.

وأخيرا أسأل الله عز وجل أن يجعل هذا العمل خالصا لوجهه الكريم، وأن يتقبله مني إنه ولي ذلك والقادر عليه.

والحمد لله أولا وآخرا.

وصلى الله وسلم على نبينا محمد بن عبد الله وآله وصحبه أجمعين.

الباحث: نواف بن جزاء الحارثي

المدينة النبوية
খ- সম্পাদনায় অনুসৃত পদ্ধতি।

গ- সম্পাদিত পাঠ।

ঘ- বইটির পারিভাষিক নির্ঘণ্ট।

পরিশেষে আমি এই বরকতময় বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ব্যক্তিবর্গের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা আমার জন্য কর্তব্য মনে করছি, যাদের শীর্ষে রয়েছেন এর সম্মানিত পরিচালক মহোদয় এবং ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর শিক্ষা বিভাগ ও আরবি ভাষা অনুষদের সকল দায়িত্বশীলবৃন্দ, বিশেষ করে অনুষদের সম্মানিত ডিন মহোদয়।

অনুরূপভাবে আমি শ্রদ্ধেয় শায়খ প্রফেসর ডক্টর আব্দুল ফাত্তাহ বুহাইরি ইবরাহিমের প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও অশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি, যিনি অনুগ্রহপূর্বক এই গবেষণাপত্রটির তত্ত্বাবধান করেছেন। তিনি আমাকে তাঁর অনেক শ্রম ও সময় দিয়েছেন এবং তাঁর অগাধ জ্ঞান ও অসামান্য শিষ্টাচার দ্বারা আমাকে ধন্য করেছেন, যার সাক্ষ্য তাঁর ছাত্র এবং সহকর্মীরাও দিয়ে থাকেন। আল্লাহ তাঁকে আমার পক্ষ থেকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন।

সেই সাথে আমি আমার অন্যান্য সকল সম্মানিত শিক্ষক ও সহকর্মীদের এবং এই বরকতময় কাজটি সম্পন্ন করতে যারা আমাকে সাহায্য বা সহযোগিতা করেছেন তাঁদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

পরিশেষে আমি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি এই কাজটিকে কেবলমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য কবুল করেন এবং আমার পক্ষ থেকে এটি গ্রহণ করেন; নিশ্চয়ই তিনি এর অভিভাবক এবং এর ওপর ক্ষমতাবান।

শুরু এবং শেষে সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

আমাদের নবী মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ এবং তাঁর পরিবার ও সকল সঙ্গীর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।

গবেষক: নাওয়াফ বিন জাযা আল-হারিসি

আল-মদিনা আন-নাবাবিয়া
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ১৫)
‌‌الباب الأول: قسم الدراسة

‌‌الفصل الأول: ابن هشام الأنصاري وكتابه شذورات الذهب

‌‌المبحث الأول: التعرف بابن هشام الأنصاري وما يتعلق بحياته العلمية

…

المبحث الأول: التعريف بابن هشام وما يتعلق بحياته العلمية بإيجاز

هو أبو محمد جمال الدين عبد الله بن يوسف بن أحمد بن عبد الله ابن هشام، الأنصاري الخزرجي، الحنبلي1.

ولد في القاهرة في شهر ذي القعدة سنة 708 هـ، وتلقى فيها أنواع العلوم على أكابر الشيوخ في ذلك العصر، فمن مشايخه الشهاب عبد اللطيف بن المرحّل وتقي الدين السبكي وتاج الدين الفاكهاني ومحمد بن إبراهيم بن جماعة وشمس الدين بن السراج وأبو حيان الأندلسي.

وقد اشتهر ابن هشام بالتواضع والبر والشفقة ودماثة الخلق وشهد له كثير من العلماء بسعة العلم ودقة التصنيف وبراعة التأليف مع التحقيق لكل مسألة يتعرض لها.

أخذ عنه العلم تلامذة كثيرون منهم إبراهيم الأميوطي ونور الدين النابلسي وابن الفرات وناصر الدين النويري وعبد الله بن مفلح المقدسي.

--------------------------------------------

1 تنظر ترجمته في الدرر الكامنة 2/415 وبغية الوعاة 2/68 وشذرات الذهب 6/191 والبدر الطالع 1/400 وهدية العارفين1/465 والأعلام 4/147 ومعجم المؤلفين 6/163. وقد اختصرت ترجمته نظرا لكثرة الدراسات التي كتبت حوله

منها كتاب (ابن هشام الأنصاري آثاره ومذهبه النحوي للدكتور علي فودة نيل) و (المدرسة النحوية في مصر والشام) للدكتور عبد العال سالم مكرم/ 352- 439.
প্রথম অধ্যায়: গবেষণা অংশ

প্রথম পরিচ্ছেদ: ইবনে হিশাম আল-আনসারী এবং তাঁর গ্রন্থ শুযুরাতুয যাহাব

প্রথম অনুচ্ছেদ: ইবনে হিশাম আল-আনসারীর পরিচয় এবং তাঁর ইলমি জীবন সংক্রান্ত বিষয়াবলি

...

প্রথম অনুচ্ছেদ: ইবনে হিশাম আল-আনসারীর পরিচয় এবং তাঁর ইলমি জীবনের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলির সংক্ষিপ্ত বিবরণ

তিনি হলেন আবু মুহাম্মদ জামালুদ্দিন আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হিশাম, আল-আনসারী আল-খাযরাজি, আল-হাম্বলি১।

তিনি ৭০৮ হিজরি সনের যিলকদ মাসে কায়রোতে জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানে তৎকালীন যুগের বড় বড় শায়খদের নিকট বিভিন্ন প্রকার জ্ঞান অর্জন করেন। তাঁর উস্তাদদের মধ্যে রয়েছেন শিহাব আব্দুল লতিফ ইবনুল মুরাহহাল, তকিউদ্দীন আস-সুবকি, তাজউদ্দীন আল-ফাকিহানি, মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে জামা’আহ, শামসুদ্দিন ইবনুস সিরাজ এবং আবু হাইয়ান আল-আন্দালুসি।

ইবনে হিশাম বিনয়, পুণ্যকর্ম, মমতা ও শিষ্টাচারের জন্য প্রসিদ্ধ ছিলেন এবং বহু আলিম তাঁর জ্ঞানের বিশালতা, রচনার চমৎকার বিন্যাস এবং প্রতিটি মাসআলার সূক্ষ্ম তাহকিকের সাথে গ্রন্থ রচনার দক্ষতার সাক্ষ্য দিয়েছেন।

তাঁর নিকট থেকে বহু ছাত্র ইলম অর্জন করেছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন ইব্রাহিম আল-আমিউতি, নূরুদ্দিন আন-নাবুলুসি, ইবনুল ফুরাত, নাসিরুদ্দিন আন-নুওয়াইরি এবং আব্দুল্লাহ ইবনে মুফলিহ আল-মাকদিসি।

--------------------------------------------

১ তাঁর জীবনী দ্রষ্টব্য: আদ-দুরারুল কামিনাহ ২/৪১৫, বুগয়াতুল উ'আত ২/৬৮, শুযুরাতুয যাহাব ৬/১৯১, আল-বদরুত তালি' ১/৪০০, হাদিয়্যাতুল আরিফিন ১/৪৬৫, আল-আ'লাম ৪/১৪৭ এবং মু'জামুল মুয়াল্লিফিন ৬/১৬৩। তাঁর সম্পর্কে রচিত অধিক গবেষণার কারণে এখানে তাঁর জীবনী সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে।

সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ড. আলী ফাউদাহ নেইল রচিত ‘ইবনে হিশাম আল-আনসারী: আ-সারুহু ওয়া মাযহাবুহু আন-নাহউয়ি’ এবং ড. আব্দুল আল সালিম মাকরাম রচিত ‘আল-মাদরাসাতুন নাহউইয়্যাহ ফি মিসর ওয়াশ শাম’ ৩৫২-৪৩৯।
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ১৬)
وله مؤلفات كثيرة سيأتي ذكرها فيما بعد.

وقد وافته منيته في شهر ذي القعدة سنة 761 هـ بالقاهرة، بعد عمرٍ بَلَغَ ثلاثاً وخمسين سنة، رحمه الله.

تراثه العلمي:

خلّف ابن هشام ثروة علمية كبيرة من المؤلفات، والشروح التي تدل على علو كعبه في مجال التأليف والتحقيق. غالبها في النحو والصرف.

وفيما يلي ذكر لمؤلفاته مرتبة حسب الترتيب الأبجدي، مقتصرا على ما ثبتت نسبته له. وهي كما يلي:

1- اعتراض الشرط على الشرط

وهي رسالة صغيرة حول هذا الموضوع، وقد نقلها السيوطي في كتابه الأشباه والنظائر1.

وقام بتحقيق الرسالة د/ عبد الفتاح الحمّوز، ونشرها سنة 1406 هـ.

2- الإعراب عن قواعد الإعراب

وهو كتاب يتحدث عن الجملة وشبه الجملة بأحكامهما المختلفة وقد طبع الكتاب أكثر من مرة 2.

وقام بتحقيقه د/ رشيد العبيدي ونشره في بيروت سنة 1970م ثم نشر مرة أخرى في الرياض 1981م بتحقيق د/ علي فودة نيل.

--------------------------------------------

1 الأشباه والنظائر 7/107.

2 ينظر: (ابن هشام الأنصاري) للدكتور علي فودة ص 23.
তাঁর অনেকগুলো রচনা রয়েছে যা পরবর্তীতে উল্লেখ করা হবে।

তিনি ৭৬১ হিজরি সনের যিলকদ মাসে কায়রোতে মৃত্যুবরণ করেন, তখন তাঁর বয়স হয়েছিল তিপ্পান্ন বছর, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।

তাঁর জ্ঞানতাত্ত্বিক ঐতিহ্য:

ইবনে হিশাম রচনা ও ব্যাখ্যাগ্রন্থের এক বিশাল জ্ঞানভাণ্ডার রেখে গেছেন যা গ্রন্থ রচনা ও গবেষণার ক্ষেত্রে তাঁর উচ্চ মর্যাদার প্রমাণ দেয়। এগুলোর অধিকাংশ ব্যাকরণ (নাহু) ও রূপতত্ত্ব (সরফ) বিষয়ক।

নিম্নে তাঁর গ্রন্থাবলির বিবরণ বর্ণানুক্রমিকভাবে প্রদান করা হলো, যেখানে কেবল তাঁর প্রতি নিশ্চিতভাবে সম্বন্ধযুক্ত গ্রন্থগুলোই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সেগুলো নিম্নরূপ:

১- ই'তিরাদুশ শর্তি আলাশ শর্তি

এটি এই বিষয়ের ওপর একটি ছোট পুস্তিকা, যা ইমাম সুয়ূতী তাঁর 'আল-আশবাহ ওয়ান নাযাইর' গ্রন্থে উদ্ধৃত করেছেন।১

পুস্তিকাটি সম্পাদনা করেছেন ড. আব্দুল ফাত্তাহ আল-হাম্মুজ এবং এটি ১৪০৬ হিজরিতে প্রকাশিত হয়েছে।

২- আল-ই'রাব আন কাওয়াইদিল ই'রাব

এটি এমন একটি গ্রন্থ যাতে বাক্য ও বাক্যাংশ এবং এগুলোর বিভিন্ন বিধান নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বইটি একাধিকবার মুদ্রিত হয়েছে।২

এটি ড. রশীদ আল-উবায়দী সম্পাদনা করেছেন এবং ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে বৈরুত থেকে প্রকাশিত হয়েছে। এরপর ১৯৮১ খ্রিস্টাব্দে ড. আলী ফাউদা নাইলের সম্পাদনায় রিয়াদ থেকে পুনরায় প্রকাশিত হয়।

--------------------------------------------

১ আল-আশবাহ ওয়ান নাযাইর ৭/১০৭।

২ দ্রষ্টব্য: ড. আলী ফাউদা রচিত 'ইবনে হিশাম আল-আনসারী', পৃষ্ঠা ২৩।
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ১৭)
3- إعراب "لا إله إلا الله"

وهي رسالة صغيرة تقع مخطوطة في اثنتي عشرة صفحه في مكتبة عارف حكمت ضمن مجموع برقم 288.

وقد حققها الدكتور حسن الشاعر ونشرها في مجلة الجامعة الإسلامية في العددين 81- 82، سنة 1409 هـ.

4- إعراب {وَلِلَّهِ عَلَى النَّاسِ حِجُّ الْبَيْتِ مَنِ اسْتَطَاعَ إِلَيْهِ سَبِيلاً} .

وقد أوردها السيوطي في الأشباه والنظائر1.

5- إقامة الدليل على صحة التمثيل وفساد التأويل

وهي رسالة وضعها المصنف ردا على اعتراض ورد إليه لذكره أمثله في التصريف. وهي تتعلق بالأبنية.

وقد نشر الرسالة د/ هاشم طه شلاش في مجلة كلية الآداب ببغداد العدد السادس عشر.

6- أنت أعلَم ومالُك

وهي رسالة صغيرة أوردها السيوطي في الأشباه والنظائر 2.

7- الألغاز النحوية

وهي رسالة صغيرة في أبيات من الشعر مصعبة المباني مغمضة المعاني وقد ألغز قائلها إعرابها.

--------------------------------------------

1 الأشباه والنظائر 7/ 84.

2 الأشباه والنظائر 7/68.
৩- "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ"-এর ব্যাকরণিক বিশ্লেষণ (ই'রাব)

এটি একটি ছোট পুস্তিকা যা আরিফ হিকমত লাইব্রেরিতে ২৮৮ নম্বর সংকলনের অধীনে বারো পৃষ্ঠার একটি পাণ্ডুলিপি হিসেবে সংরক্ষিত।

ডক্টর হাসান আল-শাঈর এটি সম্পাদনা করেছেন এবং ১৪০৯ হিজরি সনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সাময়িকীর ৮১-৮২ সংখ্যায় প্রকাশ করেছেন।

৪- "{মানুষের মধ্যে যার সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য আছে, আল্লাহর উদ্দেশ্যে ঐ ঘরের হজ করা তার অবশ্য কর্তব্য}"-এর ব্যাকরণিক বিশ্লেষণ।

সুয়ূতী এটি আল-আশবাহ ওয়ান নাযাইর-এ উল্লেখ করেছেন।১

৫- উদাহরণের সঠিকতা এবং অপব্যাখ্যার অসারতার সপক্ষে প্রমাণ প্রতিষ্ঠা

এটি গ্রন্থকার কর্তৃক রচিত এমন একটি পুস্তিকা যা রূপতত্ত্বে (তাসরীফ) কিছু উদাহরণ ব্যবহারের কারণে তাঁর প্রতি আসা একটি আপত্তির জবাবে লেখা হয়েছে। এটি শব্দগঠন (আবনিয়া) সংক্রান্ত।

ডক্টর হাশেম ত্বহা শালাশ বাগদাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের সাময়িকীর ১৬তম সংখ্যায় এই পুস্তিকাটি প্রকাশ করেছেন।

৬- তুমি এবং তোমার সম্পদ সম্পর্কে তুমিই ভালো জানো (আংতা আলামু ওয়া মালুকা)

এটি একটি ছোট পুস্তিকা যা সুয়ূতী আল-আশবাহ ওয়ান নাযাইর-এ উল্লেখ করেছেন।২

৭- ব্যাকরণিক ধাঁধা (আল-আলগায আন-নাহবিয়্যাহ)

এটি পদ্য আকারে রচিত একটি ছোট পুস্তিকা, যার শব্দ কাঠামো অত্যন্ত জটিল এবং অর্থ অত্যন্ত অস্পষ্ট; এর রচয়িতা এর ব্যাকরণিক বিশ্লেষণকে ধাঁধায় পরিণত করেছেন।

--------------------------------------------

১ আল-আশবাহ ওয়ান নাযাইর ৭/ ৮৪।

২ আল-আশবাহ ওয়ান নাযাইর ৭/৬৮।
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ১৮)
وقد طبع الكتاب مع حاشية الغزي عليه1.

ثم طبع مفردا بتحقيق أسعد خضير في دمشق سنة 1393 هـ.

8- أوضح المسالك إلى ألفية ابن مالك

وهو كتاب مشهور متداول.

9- التحصيل والتفصيل لكتاب التذييل والتكميل

وهو كتاب كبير يقع في مجلدات2.

1 0- تخليص الشواهد وتلخيص الفوائد

وهو شرح شواهد ابن الناظم على الألفية، ولكنه لم يتمه، وقد نشره محققاً د/ عباس الصالحي في بيروت 1406 هـ.

19- التذكرة في العربية

نسب هذا الكتاب لابن هشام أكثر من ترجموا له، وذكروا أنه يقع في خمسة عشر مجلدا3.

12- توجيه النصب في إعراب و"فضلاً"، "خلافاً"، و"أيضاً" و"هلم جَرًّا".

وهي رسالة صغيرة في توجيه النصب في ألفاظ مشهورة استعملها الناس قديما وحديثا.

--------------------------------------------

1 ينظر (ابن هشام الأنصاري للدكتور على فودة) ص 187.

2 ينظر بغية الوعاة 2/69 وشذرات الذهب 6/192 والبدر الطالع 1/401.

3 ينظر الدرر الكامنة 6/412 وبغية الوعاة 2/69 والبدر الطالع 1/ 401.
এই বইটি গাযযীর হাশিয়াসহ মুদ্রিত হয়েছে১।

অতঃপর এটি পৃথকভাবে আসআদ খুদাইরের তাহকীকসহ ১৩৯৩ হিজরিতে দামেস্কে মুদ্রিত হয়েছে।

৮- আওদাহুল মাসালিক ইলা আলফিয়্যাতি ইবনু মালিক

এটি একটি সুপ্রসিদ্ধ ও প্রচলিত কিতাব।

৯- আত-তাহসীল ওয়াত-তাফসীল লি-কিতাবিত তযয়ীল ওয়াত-তাকমীল

এটি একটি বৃহৎ গ্রন্থ যা কয়েক খণ্ডে সমাপ্ত২।

১০- তাখলীসুশ শাওয়াহিদ ওয়া তালখীসুল ফাওয়াইদ

এটি আলফিয়্যার ওপর ইবনু নাযিমের শাওয়াহিদের একটি ব্যাখ্যাগ্রন্থ, তবে তিনি এটি সমাপ্ত করতে পারেননি। ড. আব্বাস আস-সালিহী এটি তাহকীকসহ ১৪০৬ হিজরিতে বৈরুত থেকে প্রকাশ করেছেন।

১৯- আত-তাযকিরাহ ফিল আরাবিয়্যাহ

ইবনু হিশামের যারা জীবনী লিখেছেন তাদের অধিকাংশ এই কিতাবটি তাঁর দিকে সম্বন্ধ করেছেন এবং উল্লেখ করেছেন যে এটি পনের খণ্ডে সমাপ্ত৩।

১২- 'ফাদলান', 'খিলাফান', 'আইদান' এবং 'হালুম্মা জাররান' শব্দগুলোর ই'রাবে নসব হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ।

এটি প্রাচীন ও আধুনিক কালে মানুষের ব্যবহৃত প্রসিদ্ধ কিছু শব্দের নসব হওয়ার কারণ বর্ণনাকারী একটি সংক্ষিপ্ত পুস্তিকা।

--------------------------------------------

১ দেখুন: (ড. আলী ফাওদার লিখিত ইবনু হিশাম আল-আনসারী) পৃষ্ঠা ১৮৭।

২ দেখুন: বুগয়াতুল উয়াত ২/৬৯, শাযারাতুয যাহাব ৬/১৯২ এবং আল-বাদরুত তালি' ১/৪০১।

৩ দেখুন: আদ-দুরারুল কামিনাহ ৬/৪১২, বুগয়াতুল উয়াত ২/৬৯ এবং আল-বাদরুত তালি' ১/৪০১।
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ১৯)
وقد قام بتحقيق الرسالة د/ حسن موسى الشاعر، وصدرت طبعته الأولى في عمّان سنة 1404 هـ.

13- الجامع الصغير في النحو

نشر الكتاب مرتين الأولى بتحقيق محمد شريف الزيبق في دمشق سنة 1388 هـ والثانية في القاهرة بتحقيق د/ أحمد الهرميل سنة 1400 هـ.

14- حواشٍ على الألفية 1

ومنه نسخة مخطوطة بدار الكتب المصرية برقم (187 - نحو 2) .

15- حواشي التسهيل

ذكره السيوطي والشيخ خالد الأزهري3، وكذلك ذكرها الشمني4 عند حديثه عن (قط) .

قال الشيخ خالد في التصريح 1/128: "قاله الموضح في حاشيته على التسهيل، ومن خطه نقلت". وهذا يدل دلالة قاطعة على نسبة الكتاب لابن هشام، وإن كان مفقوداً.

16- رسالة في الأسماء (أسماء خيل السباق)

تقع الرسالة في ثماني ورقات ضمن المخطوط رقم (545) مجاميع

--------------------------------------------

1 بغية الوعاة 2/69 وشذرات الذهب 6/ 192.

2 مقدمة نزهة الطرف لابن هشام تحقيق د/ هريدي ص 31.

3 بغية الوعاة 2/69 والتصريح 1/125- 128.

4 المنصف من الكلام 2/11.
ড. হাসান মুসা আশ-শা'ইর রিসালাটি সম্পাদনা করেছেন এবং এর প্রথম সংস্করণ ১৪০৪ হিজরিতে আম্মানে প্রকাশিত হয়েছে।

১৩- আল-জামি' আস-সগির ফিন নাহব (ব্যাকরণ শাস্ত্রের সংক্ষিপ্ত সংকলন)

বইটি দুইবার প্রকাশিত হয়েছে; প্রথমবার মুহাম্মাদ শরিফ আয-যাইবিকের সম্পাদনায় ১৩৮৮ হিজরিতে দামেস্কে এবং দ্বিতীয়বার ড. আহমদ আল-হারমিলের সম্পাদনায় ১৪০০ হিজরিতে কায়রোতে।

১৪- হাশিয়া আলাল আলফিয়্যাহ ১

এর একটি পাণ্ডুলিপি মিশরের 'দারুল কুতুব'-এ (১৮৭ - নাহব ২) নম্বরে সংরক্ষিত আছে।

১৫- হাওয়াশুত তাসহিল

সুয়ূতী এবং শেখ খালিদ আল-আযহারী ৩ এটি উল্লেখ করেছেন এবং আশ-শুমুন্নী ৪ 'কাত' (قط) সম্পর্কে আলোচনা করার সময়ও এটি উল্লেখ করেছেন।

শেখ খালিদ আত-তাসরিহ (১/১২৮)-এ বলেছেন: "আল-মুওয়াদ্বিহ (ইবনে হিশাম) তাসহিলের ওপর তাঁর টীকায় এটি বলেছেন এবং আমি তাঁর স্বহস্তলিখিত অনুলিপি থেকে এটি নকল করেছি।" এটি নিশ্চিতভাবে প্রমাণ করে যে বইটি ইবনে হিশামেরই রচনা, যদিও বর্তমানে এটি নিখোঁজ।

১৬- রিসালা ফিল আসমা (প্রতিযোগিতার ঘোড়ার নাম বিষয়ক পুস্তিকা)

পুস্তিকাটি ৫৪৫ নম্বর মাজমুয়া পাণ্ডুলিপির অন্তর্গত আটটি পৃষ্ঠায় বিন্যস্ত।

--------------------------------------------

১ বুগইয়াতুল উয়াত ২/৬৯ এবং শাযারাতুয যাহাব ৬/১৯২।

২ ইবনে হিশাম রচিত নুযহাতুত ত্বরাফ-এর ভূমিকা, ড. হারীদির সম্পাদনা, পৃষ্ঠা ৩১।

৩ বুগইয়াতুল উয়াত ২/৬৯ এবং আত-তাসরিহ ১/১২৫-১২৮।

৪ আল-মুনসিফ মিনাল কালাম ২/১১।
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ২০)
بدار الكتب المصرية1.

17- رسالة في استعمال المنادى في تسع آيات من القرآن الكريم

ومنها نسخة بمكتبة برلين برقم (6884) 2.

18- رسالة في الشروط التي يتحقق بها التنازع

وقد أوردها السيوطي في الأشباه والنظائر3.

19- رسالة في الكلام على "إنما".

أوردها السيوطي في الأشباه والنظائر4.

20 - رسالة في قول السهيلي "أول ما أقول إني أحمد الله" بكسر همزة "إن" وأشار د/ أحمد عبد المجيد هريدي إلى أنها تقع في ورقتين بالمخطوط (102) مجاميع تيمور5.

21- رسالة في قوله تعالى: {لَنْ يَسْتَنْكِفَ الْمَسِيحُ أَنْ يَكُونَ عَبْداً لِلَّهِ}

أشار د/ هريدي إلى أنها تقع في ورقتين ضمن المخطوط رقم 102 مجاميع تيمور6.

--------------------------------------------

1 مقدمة ((نزهة الطرف)) لابن هشام تحقيق د/ هريدي ص 37.

2 المرجع السابق ص 38.

3 الأشباه والنظائر 7/ 252- 262.

4 الأشباه والنظائر 7/ 241- 247.

5 مقدمة نزهة الطرف لابن هشام ص 37.

6 المرجع السابق.
মিসরীয় জাতীয় গ্রন্থাগারে ১।

১৭- পবিত্র কুরআনের নয়টি আয়াতে সম্বোধন পদের (মুনাদা) ব্যবহার সংক্রান্ত একটি রিসালাহ

যার একটি অনুলিপি বার্লিন লাইব্রেরিতে ৬৮৮৪ নম্বরে সংরক্ষিত রয়েছে ২।

১৮- ব্যাকরণিক দ্বন্দ (তানাজু) সংঘটিত হওয়ার শর্তাবলী সংক্রান্ত একটি রিসালাহ

ইমাম সুয়ূতী এটি 'আল-আশবাহ ওয়ান নাজাইর' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন ৩।

১৯- 'ইন্নামা' শব্দের আলোচনার ওপর একটি রিসালাহ।

সুয়ূতী এটি 'আল-আশবাহ ওয়ান নাজাইর' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন ৪।

২০ - সুহাইলির উক্তি "আমার প্রথম কথা হলো আমি আল্লাহর প্রশংসা করি"-তে 'ইন্না' এর হামযাহ-তে কাসরাহ (ই-কার) প্রদান সংক্রান্ত একটি রিসালাহ। ড. আহমাদ আব্দুল মাজীদ হারীদী উল্লেখ করেছেন যে, এটি তায়মুর সংগ্রহশালার ১০২ নম্বর পাণ্ডুলিপির দুই পৃষ্ঠায় অবস্থিত ৫।

২১- মহান আল্লাহর এই বাণী সংক্রান্ত রিসালাহ: {মসীহ আল্লাহর বান্দা হতে কখনোই কুণ্ঠাবোধ করবেন না}

ড. হারীদী উল্লেখ করেছেন যে, এটি তায়মুর সংগ্রহশালার ১০২ নম্বর পাণ্ডুলিপির অন্তর্গত দুই পৃষ্ঠায় অবস্থিত ৬।

--------------------------------------------

১ ইবনে হিশামের 'নুযহাতুত তারাফ'-এর ভূমিকা, ড. হারীদীর সম্পাদনা, পৃষ্ঠা ৩৭।

২ পূর্বোক্ত সূত্র, পৃষ্ঠা ৩৮।

৩ আল-আশবাহ ওয়ান নাজাইর ৭/ ২৫২- ২৬২।

৪ আল-আশবাহ ওয়ান নাজাইর ৭/ ২৪১- ২৪৭।

৫ ইবনে হিশামের 'নুযহাতুত তারাফ'-এর ভূমিকা, পৃষ্ঠা ৩৭।

৬ পূর্বোক্ত সূত্র।
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ২১)
22- رسالة في كاد، وأخواتها

لها نسخة بدار الكتب المصرية تحت رقم 697 نحو 1.

23- رسالة في معاني حروف الجر

لها نسخة بدار الكتب المصرية تحت رقم 96 نحو2.

24- رفع الخصاصة عن قراء الخلاصة 3

25- شذور الذهب، وهو مطبوع وسيأتي الكلام عليه

26- شرح التسهيل

ذكره ابن حجر والسيوطي وابن العماد الحنبلي والشوكاني4 وذكروا أنه لم يتمه.

27- شرح شذور الذهب

وهو شرح على متن الشذور السابق، وقد نشره الشيخ محي الدين عبد الحميد بالقاهرة.

28- شرح قصيدة بانت سعاد

وقد طبع الكتاب مراتٍ عدةٍ 5، وكان آخرها بتحقيق د/ محمود

--------------------------------------------

1 مقدمة شرح اللمحة البدرية تحقيق د/ هادي نهر 1/82.

2 المرجع السابق.

3 الدرر الكامنة 2/416 وبغية الوعاة 2/ 69 وشذرات الذهب 6/ 192.

4 الدرر الكامنة 2/416 وبغية الوعاة 2/ 69 وشذرات الذهب 6/ 192 والبدر الطالع 1/401.

5 ينظر في ذلك (ابن هشام الأنصاري د/ علي فودة) ص 163.
২২- কাদা এবং এর সমজাতীয় ক্রিয়াসমূহ বিষয়ক একটি পুস্তিকা।

মিসরীয় দারুল কুতুব-এ ৬৯৭ নম্বর ব্যাকরণ-১ এর অধীনে এর একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে।

২৩- হরফে জর-এর অর্থসমূহ বিষয়ক একটি পুস্তিকা।

মিসরীয় দারুল কুতুব-এ ৯৬ নম্বর ব্যাকরণ-২ এর অধীনে এর একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে।

২৪- রাফউল খাসাসাহ আন কুররায়িল খুলাসাহ ৩

২৫- শুযুরুল যাহাব; এটি মুদ্রিত এবং এ সম্পর্কে সামনে আলোচনা করা হবে।

২৬- শারহুত তাসহিল।

ইবনে হাজার, সুয়ূতী, ইবনুল ইমাদ আল-হাম্বলী এবং শাওকানী ৪ এটি উল্লেখ করেছেন এবং তারা বর্ণনা করেছেন যে, তিনি এটি সমাপ্ত করতে পারেননি।

২৭- শারহু শুযুরিল যাহাব।

এটি পূর্বোক্ত শুযুর-এর মূলপাঠের ওপর একটি ব্যাখ্যাগ্রন্থ, যা শায়খ মুহিউদ্দিন আব্দুল হামিদ কায়রোতে প্রকাশ করেছেন।

২৮- বানাত সুয়াদ কাসিদার ব্যাখ্যা।

বইটি কয়েকবার মুদ্রিত হয়েছে ৫, যার সর্বশেষ সংস্করণটি ড. মাহমুদের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছে।

--------------------------------------------

১ শারহুল লামহাতিল বদরিয়্যাহ-এর ভূমিকা, ড. হাদী নহর কর্তৃক সম্পাদিত ১/৮২।

২ পূর্বোক্ত সূত্র।

৩ আদ-দুরারুল কামিনাহ ২/৪১৬, বুগয়াতুল উয়াত ২/৬৯ এবং শাযারাতুয যাহাব ৬/১৯২।

৪ আদ-দুরারুল কামিনাহ ২/৪১৬, বুগয়াতুল উয়াত ২/৬৯, শাযারাতুয যাহাব ৬/১৯২ এবং আল-বদরুত তালি ১/৪০১।

৫ এ বিষয়ে দেখুন (ইবনে হিশাম আল-আনসারী, ড. আলী ফুদা) পৃষ্ঠা ১৬৩।
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ২২)
أبو ناجي في دمشق سنة 1982 م.

29- شرح قطر الندى وبل الصدى

وهو شرح لكتابه قطر الندى، وقد نشره الشيخ محي الدين عبد الحميد.

30- شرح اللمحة البدرية لأبي حيان

وقد حقق الكتاب مرتين، الأولى في بغداد سنة 1977م بتحقيق د/هادي نهر والثانية في القاهرة سنة 1405 هـ بتحقيق د/ صلاح روّاي، وهي أفضل من الأولى.

31- عمدة الطالب في تحقيق تصريف ابن الحاجب، في مجلدين

نسبه له ابن حجر والسيوطي وابن العماد والشوكاني1.

32- فوح الشذا بمسألة كذا

وقد نشر الرسالة د/ أحمد مطلوب ببغداد سنة 1963 م كما حققَتْها أيضا د/ سهير محمد خليفة بالقاهرة سنة 1988 م.

33- قطر الندى وبل الصدى

وهي مقدمة صغيرة في النحو، وقد شرحها ابن هشام كما سبق.

34- المباحث المرضية المتعلقة ب"من الشرطية"

وهي رسالة صغيرة قام بتحقيقها د/ مازن المبارك سنة 1408.

--------------------------------------------

1 الدرر الكامنة 2/416 وبغية الوعاة 2/69 وشذرات الذهب 6/192 والبدر الطالع 1/401.
আবু নাজি দামেস্কে ১৯৮২ খ্রিস্টাব্দে।

২৯- শারহু কাতরি আন-নাদা ওয়া বাল্লি আস-সাদা

এটি তাঁর নিজের কিতাব কাতরু আন-নাদা-এর একটি ব্যাখ্যাগ্রন্থ, যা শেখ মহিউদ্দিন আবদুল হামিদ প্রকাশ করেছেন।

৩০- আবু হাইয়ানের আল-লামহাতুল বাদরিয়্যাহ-এর ব্যাখ্যা

কিতাবটি দুইবার তাহকিক করা হয়েছে, প্রথমবার বাগদাদে ১৯৭৭ খ্রিস্টাব্দে ড. হাদি নাহারের তাহকিকে এবং দ্বিতীয়বার কায়রোতে ১৪০৫ হিজরিতে ড. সালাহ রাওয়াই-এর তাহকিকে, যা প্রথমটির চেয়ে অধিকতর উত্তম।

৩১- উমদাতুত তালিব ফি তাহকিক তাসরিফ ইবনিল হাজিব, দুই খণ্ডে

ইবনে হাজার, আস-সুয়ুতি, ইবনুল ইমাদ এবং আশ-শাওকানি এটি তাঁর রচনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন১।

৩২- ফাউহুশ শাযা বি মাসআলাতি কাযা

এই রিসালাহটি ড. আহমদ মাতলুব ১৯৬৩ খ্রিস্টাব্দে বাগদাদে প্রকাশ করেছেন, যেমনটি ড. সুহায়র মুহাম্মদ খলিফাও ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দে কায়রোতে এটি তাহকিক করেছেন।

৩৩- কাতরু আন-নাদা ওয়া বাল্লু আস-সাদা

এটি নাহু শাস্ত্রের একটি সংক্ষিপ্ত ভূমিকা, যা ইবনে হিশাম নিজেই ব্যাখ্যা করেছেন যেমনটি পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।

৩৪- "মান শারতিয়্যাহ" সংক্রান্ত আল-মাবাহিসুল মারদিয়্যাহ

এটি একটি সংক্ষিপ্ত রিসালাহ যা ড. মাজেন আল-মুবারক ১৪০৮ হিজরিতে তাহকিক করেছেন।

--------------------------------------------

১ আদ-দুরারুল কামিনাহ ২/৪১৬, বুগইয়াতুল উয়াত ২/৬৯, শাযারাতুয যাহাব ৬/১৯২ এবং আল-বাদরুত তালি ১/৪০১।
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ২৩)
35- المسائل السفرية

وهي أبحاث نحوية في مواضع من القرآن الكريم، وقد حققها د/علي حسين البواب في الرياض 1402 هـ.

36- مسألة في إعراب "خير" في قول جابر "كان يكفي من هو أوفى منك شعرا وخير منك" أوردها السيوطي في الأشباه والنظائر1.

37- مسألة في الاختلاف في قول القائل: "كأنك بالدنيا لم تكن وبالآخرة لم تزل" أوردها السيوطي في الأشباه والنظائر2.

38 - مسألة في شرح حقيقة الاستفهام والفرق بين أدواته

أوردها السيوطي في الأشباه والنظائر 3. ومنه نسخة بمكتبة خسرو باشا بتركيا 4.

39- مسألة في تعدد ما بعد "إلا" على ثلاثة أقسام

ومنه نسخة بمكتبة خسرو باشا بتركيا5.

40- مسألة في تصغير ووزن "يحيى"

أوردها السيوطي في الأشباه والنظائر6.

--------------------------------------------

1 الأشباه والنظائر 7/93.

2 الأشباه والنظائر 7/58.

3 الأشباه والنظائر 7/42.

4 تنظر مقدمة المسائل السفرية تحقيق د/ الضامن ص 6.

5 المرجع السابق.

6 الأشباه والنظائر 4/266.
৩৫- আল-মাসাইল আস-সাফারিয়্যাহ

এটি পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন বিষয়ের ব্যাকরণগত গবেষণা, যা ড. আলী হুসাইন আল-বাওয়াব ১৪০২ হিজরিতে রিয়াদে সম্পাদনা করেছেন।

৩৬- জাবিরের উক্তি "তোমার চেয়ে যার চুল বেশি এবং তোমার চেয়ে উত্তম ছিল—তার জন্য এটিই যথেষ্ট ছিল"-তে "খাইর" শব্দের ব্যাকরণগত অবস্থান (ইরাব) বিষয়ক মাসআলা। আস-সুয়ূতী এটি আল-আশবাহ ওয়ান নাযাইর গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন ১।

৩৭- কোনো বক্তার এই উক্তিতে মতভেদ বিষয়ক মাসআলা: "যেন তুমি দুনিয়াতে ছিলে না এবং পরকালে সর্বদা আছ।" আস-সুয়ূতী এটি আল-আশবাহ ওয়ান নাযাইর গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন ২।

৩৮- ইস্তিফহাম (জিজ্ঞাসা)-এর স্বরূপ বিশ্লেষণ এবং এর অব্যয়গুলোর মধ্যকার পার্থক্য বিষয়ক মাসআলা

আস-সুয়ূতী এটি আল-আশবাহ ওয়ান নাযাইর গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন ৩। তুরস্কের খুসরো পাশা লাইব্রেরিতে এর একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে ৪।

৩৯- 'ইল্লা'-এর পরবর্তী শব্দগুলো তিন প্রকারে বিভক্ত হওয়া বিষয়ক মাসআলা

তুরস্কের খুসরো পাশা লাইব্রেরিতে এর একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে ৫।

৪০- 'ইয়াহইয়া' শব্দের তাসগীর (ক্ষুদ্রার্থবোধক রূপ) এবং ওযন বিষয়ক মাসআলা

আস-সুয়ূতী এটি আল-আশবাহ ওয়ান নাযাইর গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন ৬।

--------------------------------------------

১ আল-আশবাহ ওয়ান নাযাইর ৭/৯৩।

২ আল-আশবাহ ওয়ান নাযাইর ৭/৫৮।

৩ আল-আশবাহ ওয়ান নাযাইর ৭/৪২।

৪ ড. আদ-দামিনের সম্পাদনায় আল-মাসাইল আস-সাফারিয়্যাহ-এর ভূমিকা দেখুন, পৃষ্ঠা ৬।

৫ পূর্বোক্ত সূত্র।

৬ আল-আশবাহ ওয়ান নাযাইর ৪/২৬৬।
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ২৪)
41- مغني اللبيب عن كتب الأعاريب

وهو أشهر كتب ابن هشام وأعظمها، وقد طبع طبعات عدة آخرها نشرة الشيخ محي الدين عبد الحميد بالقاهرة ثم حققه د/ مازن المبارك وعلى حمد الله في دمشق سنة 1964 م.

42- الموارد إلى عين القواعد

وهو اختصار لكتابه "الإعراب عن قواعد الإعراب" ويسمى أيضا النكت المختصرة من قواعد الإعراب، والقواعد الصغرى وهي رسالة صغيرة، وقد نشرها حسن إسماعيل مروة تحت اسم (القواعد الصغرى) في ضمن كتابه (من رسائل ابن هشام النحوية) .

43- موقد الأذهان وموقظ الوسنان

وهو ألغاز نحوية وأدبية، وقد طبعت طبعات كثيرة.

وقام د/ علي فودة نيل بتحقيقها ونشرها في مجلة كلية الآداب بالرياض سنة 1980 م، كما نشرها حسن إسماعيل مروة في ضمن كتابه (رسائل ابن هشام النحوية) .

44- نزهة الطرف في علم الصرف

وقد ذكره السيوطي في كتابه (النكت على الكافية والخلاصة وشذور الذهب ونزهة الطرف) ونقل منه نصوصا1

--------------------------------------------

1 تنظر مقدمة نزهة الطرف للميداني بتحقيق د/ السيد عبد المقصود ص 4.
৪১- মুগনী আল-লাবীব আন কুতুবিল আ'আরীব

এটি ইবনে হিশামের কিতাবসমূহের মধ্যে সর্বাধিক প্রসিদ্ধ ও শ্রেষ্ঠ কিতাব। এটি বহুবার মুদ্রিত হয়েছে, যার সর্বশেষটি ছিল কায়রোতে শেখ মুহিউদ্দীন আব্দুল হামিদের সংস্করণ। পরবর্তীতে ১৯৬৪ সালে দামেস্কে ড. মাযেন আল-মুবারক এবং আলী হামদুল্লাহ এটি সম্পাদনা করেছেন।

৪২- আল-মাওয়ারিদ ইলা আইনিল কাওয়াঈদ

এটি তাঁর "আল-ই'রাব আন কাওয়াঈদিল ই'রাব" কিতাবটির সংক্ষিপ্তসার। একে "আন-নুকাতুল মুখতাসারা মিন কাওয়াঈদিল ই'রাব" এবং "আল-কাওয়াঈদুল সুগরা"ও বলা হয়। এটি একটি ক্ষুদ্র পুস্তিকা। হাসান ইসমাঈল মারওয়া এটি "আল-কাওয়াঈদুল সুগরা" নামে তাঁর "মিন রাসাইল ইবনু হিশাম আন-নাহবিয়্যাহ" কিতাবের অন্তর্ভুক্ত করে প্রকাশ করেছেন।

৪৩- মুকিদুল আদহান ওয়া মুকিযুস ওয়াসনান

এটি নাহব (ব্যাকরণ) ও সাহিত্য বিষয়ক বুদ্ধিবৃত্তিক ধাঁধার সংকলন, যা বহুবার মুদ্রিত হয়েছে।

ড. আলী ফাউদা নীল এটি সম্পাদনা করে ১৯৮০ সালে রিয়াদের আদাব (কলা) অনুষদের সাময়িকীতে প্রকাশ করেন। পাশাপাশি হাসান ইসমাঈল মারওয়া তাঁর "রাসাইল ইবনু হিশাম আন-নাহবিয়্যাহ" কিতাবের মধ্যেও এটি প্রকাশ করেছেন।

৪৪- নুযহাতুত তারাফ ফী ইলমিস সারফ

ইমাম সুয়ূতী তাঁর "আন-নুকাতু আলাল কাফিয়াহ ওয়াল খুলাসাহ ওয়া শুযূরুয যাহাব ওয়া নুযহাতুত তারাফ" কিতাবে এর কথা উল্লেখ করেছেন এবং এটি থেকে কিছু পাঠ্য উদ্ধৃত করেছেন।১

--------------------------------------------

১ আল-মায়দানী রচিত 'নুযহাতুত তারাফ'-এর ভূমিকা দ্রষ্টব্য, সম্পাদনা: ড. সাইয়্যেদ আব্দুল মাকসূদ, পৃষ্ঠা ৪।
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ২৫)
وذكره أيضا ابن حميد المكي في كتابه (السحب الوابلة) 1.

وقد قام د/ أحمد عبد المجيد هريدي بتحقيقه تحقيقاً علمياً ونشره سنة 1410 هـ - 1990م.

وأنكر نسبته إليه بعض المحققين، بناء على أن المعروف أن هذا الكتاب للميداني2.

وقد نشر كتاب الميداني أيضاً وتصفحت الكتابين فاتضح لي أن بينهما فوارق جوهرية.

قال د/ السيد عبد المقصود: "تأكد لي بما لا يدع مجالا للشك أن ما نقله السيوطي في النكت عن كتاب ابن هشام (نزهة الطرف) بعيد كل البعد عن (نزهة الطرف) للميداني … " 3.

--------------------------------------------

1 السحب الوابلة لابن حميد ص 271

2 ينظر (ابن هشام الأنصاري للدكتور على فودة نيل) ص.35.

3 مقدمة نزهة الطرف للميداني تحقيق د/ السيد عبد المقصود.
ইবনে হুমাইদ আল-মাক্কিও তাঁর গ্রন্থ (আস-সুহুবুল ওয়াবিলাহ)-তে এটি উল্লেখ করেছেন। ১।

ড. আহমদ আবদুল মাজিদ হারীদি এটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সম্পাদনা করেছেন এবং ১৪১০ হিজরি - ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশ করেছেন।

কিছু গবেষক তাঁর প্রতি এর সম্পৃক্ততাকে অস্বীকার করেছেন, এই ভিত্তিতে যে এটি আল-মায়দানীর কিতাব হিসেবে পরিচিত। ২।

আল-মায়দানীর কিতাবটিও প্রকাশিত হয়েছে এবং আমি উভয় কিতাবই পর্যবেক্ষণ করেছি, ফলে আমার কাছে স্পষ্ট হয়েছে যে, এ দুটির মধ্যে মৌলিক পার্থক্য বিদ্যমান।

ড. সাইয়্যেদ আবদুল মাকসুদ বলেন: "নিঃসন্দেহে আমার কাছে এটি নিশ্চিত হয়েছে যে, সুয়ুতী 'আন-নুকাতি' গ্রন্থে ইবনে হিশামের কিতাব 'নুজহাতুত তরফ' থেকে যা উদ্ধৃত করেছেন, তা আল-মায়দানীর 'নুজহাতুত তরফ' থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন … " ৩।

--------------------------------------------

১. ইবনে হুমাইদের আস-সুহুবুল ওয়াবিলাহ, পৃষ্ঠা ২৭১।

২. দেখুন (ড. আলী ফাওদা নীল রচিত ইবনে হিশাম আল-আনসারী), পৃষ্ঠা ৩৫।

৩. ড. সাইয়্যেদ আবদুল মাকসুদ সম্পাদিত আল-মায়দানীর নুজহাতুত তরফ-এর ভূমিকা।
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ২৭)
‌‌المبحث الثاني: كتابه شذورات الذهب وقيمته العلمية

…

المبحث الثاني: كتاب شذور الذهب وقيمته العلمية

"شذور الذهب" لابن هشام من كتب النحو المختصرة وهو على اختصاره جامع لغالب أبواب النحو.

منهجه:

سار ابن هشام في تبويبه لكتاب شذور الذهب على طريقة مختلفة عما ألف في كتب النحو المعروفة في بعض المواضع، فقد بنى كتابه على مقدمة وأربعة عشر باباً مشتملة على بعض الفصول.

أولاً: المقدمة.

وقد عرف فيها الكلمة وأنواعها وعلامة كل نوع، ثم ذكر تعريف الكلام وأقسامه.

ثانيا: الأبواب.

الباب الأول عن الإعراب وأنواعه وعلاماته الأصلية ثم العلامات الفرعية بأبوابها المختلفة. ثم ذكر فصلا في الإعراب التقديري.

الباب الثاني في البناء عَرَّف فيه البناء وذكر أنواع المبنيات وقسَّمها تقسيماً جديداً لم يُسبق إليه.

قال السيوطي في كتابه المطالع السعيدة1: "قسَّم ابن هشام في الشذور المبني تقسيماً غريباً لم يُسْبَق إليه، وجعله على أقسام وقد تبعته على ذلك..".

--------------------------------------------

1 المطالع السعيدة في ضمن الفرائد الجديدة 1/55.
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: তাঁর গ্রন্থ শুযূরুয যাহাব এবং এর ইলমি গুরুত্ব

…

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: শুযূরুয যাহাব গ্রন্থ এবং এর ইলমি গুরুত্ব

ইবনে হিশামের "শুযূরুয যাহাব" নাহু শাস্ত্রের সংক্ষিপ্ত গ্রন্থগুলোর অন্যতম। এটি সংক্ষিপ্ত হওয়া সত্ত্বেও নাহুর অধিকাংশ অধ্যায়কে শামিল করেছে।

তাঁর কর্মপদ্ধতি:

ইবনে হিশাম শুযূরুয যাহাব গ্রন্থের অধ্যায় বিন্যাসের ক্ষেত্রে কিছু কিছু স্থানে সুপরিচিত নাহু গ্রন্থগুলোর অনুসৃত পদ্ধতির চেয়ে ভিন্ন পথ অবলম্বন করেছেন। তিনি তাঁর গ্রন্থটিকে একটি ভূমিকা এবং চৌদ্দটি অধ্যায়ের ওপর ভিত্তি করে সাজিয়েছেন, যা বেশ কিছু পরিচ্ছেদকে অন্তর্ভুক্ত করেছে।

প্রথমত: ভূমিকা।

এতে তিনি কালিমা (শব্দ), এর প্রকারভেদ এবং প্রত্যেক প্রকারের আলামত (চিহ্ন) সংজ্ঞায়িত করেছেন। এরপর কালাম (বাক্য) এর সংজ্ঞা ও এর প্রকারভেদ উল্লেখ করেছেন।

দ্বিতীয়ত: অধ্যায়সমূহ।

প্রথম অধ্যায়টি ইরাব (শব্দর রূপান্তর), এর প্রকারভেদ এবং এর মূল আলামতসমূহ নিয়ে। এরপর এর বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট অধ্যায়ে গৌণ আলামতসমূহ (আলামাত ফারইয়্যাহ) আলোচনা করেছেন। অতঃপর তিনি প্রচ্ছন্ন ইরাব (আল-ইরাব আত-তাকদিরি) সম্পর্কে একটি পরিচ্ছেদ উল্লেখ করেছেন।

দ্বিতীয় অধ্যায়টি বিনা (শব্দের অপরিবর্তনীয়তা) প্রসঙ্গে। এতে তিনি বিনার সংজ্ঞা প্রদান করেছেন এবং মাবনি (অপরিবর্তনীয়) শব্দগুলোর প্রকারভেদ উল্লেখ করেছেন। তিনি এগুলোকে এমন এক নতুন পদ্ধতিতে বিন্যস্ত করেছেন যা ইতিপূর্বে আর কেউ করেনি।

ইমাম সুয়ূতী তাঁর "আল-মাতালিউস সাঈদা" গ্রন্থে বলেছেন: "ইবনে হিশাম শুযূর গ্রন্থে মাবনিকে এমন এক চমৎকার (অপূর্ব) পদ্ধতিতে বিন্যস্ত করেছেন যা ইতিপূর্বে আর কেউ করেনি। তিনি এটিকে কয়েকটি ভাগে বিভক্ত করেছেন এবং আমি এই বিষয়ে তাঁর অনুসরণ করেছি..."

--------------------------------------------

১. আল-মাতালিউস সাঈদা ফী যিমনি আল-ফারাযিদ আল-জাদীদাহ ১/৫৫।
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ২৮)
فقد قسم علامات البناء ثمانية أقسام، جعلها أبوابا

الأول: ما لزم البناء على السكون.

الثاني: ما لزم البناء على السكون أو نائبه.

الثالث: ما لزم البناء على الفتح.

الرابع: ما لزم البناء على الفتح أو نائبه.

الخامس: ما لزم البناء على الكسر.

السادس: ما لزم البناء على الضم.

السابع: ما لزم البناء على الضم أو نائبه.

الثامن: ما ليس له قاعدة مستقرة.

ثم عقد بابا ذكر فيه النكرة والمعرفة، ثم أقسام المعرفة.

وبعد ذلك ذكر "المُعْرَبَات" وقسمها تقسيماً حاصراً، فبدأ أولاً بالمرفوعات من الأسماء والأفعال وهي عشرة أنواع، ثم ذكر المنصوبات من الأسماء والأفعال وهي خمسة، ثم ذكر المجرورات، وجعلها ثلاثة أقسام، ثم ذكر المجزومات، وأنواع الجوازم.

وبعد أن انتهى من ذلك ذكر العوامل من الأفعال والأسماء المشبهة لها، وفي باب عمل الفعل ذكر مبحثا بديعا في تقسيم الفعل بحسب المفعول به فجعله - بحسب ذلك - سبعة أنواع:

النوع الأول: ما لا يتعدى إلى المفعول أصلا، وهو اللازم، وذكر له سبع علامات.

النوع الثاني: ما يتعدى إلى مفعول واحد دائما بحرف الجر نحو
তিনি বিনার (অপরিবর্তনীয়তার) চিহ্নসমূহকে আটটি ভাগে বিভক্ত করেছেন এবং সেগুলোকে পৃথক অধ্যায় হিসেবে বিন্যস্ত করেছেন।

প্রথম: যা সুকুনের ওপর মাবনি হওয়া আবশ্যক।

দ্বিতীয়: যা সুকুন অথবা তার স্থলাভিষিক্তের ওপর মাবনি হওয়া আবশ্যক।

তৃতীয়: যা ফাতহার ওপর মাবনি হওয়া আবশ্যক।

চতুর্থ: যা ফাতহা অথবা তার স্থলাভিষিক্তের ওপর মাবনি হওয়া আবশ্যক।

পঞ্চম: যা কাসরার ওপর মাবনি হওয়া আবশ্যক।

ষষ্ঠ: যা দাম্মার ওপর মাবনি হওয়া আবশ্যক।

সপ্তম: যা দাম্মা অথবা তার স্থলাভিষিক্তের ওপর মাবনি হওয়া আবশ্যক।

অষ্টম: যার কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়ম নেই।

অতঃপর তিনি একটি অধ্যায় রচনা করেছেন যেখানে নাকেরা (অনির্দিষ্ট বিশেষ্য) ও মারেফা (নির্দিষ্ট বিশেষ্য) এবং এরপর মারেফার প্রকারভেদসমূহ উল্লেখ করেছেন।

এর পরে তিনি "মু'রাবাত" (পরিবর্তনশীল শব্দাবলি) আলোচনা করেছেন এবং সেগুলোকে পূর্ণাঙ্গভাবে বিভক্ত করেছেন। প্রথমে তিনি ইসিম (বিশেষ্য) ও ফেয়েলের (ক্রিয়া) মারফুআত (পেশযুক্ত অবস্থা) দিয়ে শুরু করেছেন যা দশ প্রকার, তারপর ইসিম ও ফেয়েলের মানসুবাত (জবরযুক্ত অবস্থা) উল্লেখ করেছেন যা পাঁচ প্রকার, এরপর মাজরুরাত (জেরযুক্ত অবস্থা) উল্লেখ করে সেগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করেছেন, এবং সবশেষে মাজজুমাত (জযমযুক্ত অবস্থা) ও জাযেম (জযম প্রদানকারী) সমূহের প্রকারভেদ আলোচনা করেছেন।

এ বিষয়গুলো সমাপ্ত করার পর তিনি আমেল (প্রভাব বিস্তারকারী) হিসেবে ফেয়েল এবং ফেয়েলের সদৃশ ইসিমসমূহ আলোচনা করেছেন। ফেয়েলের আমল (ক্রিয়ার প্রয়োগ) অধ্যায়ে তিনি মাফউল বিহি (কর্ম)-এর প্রেক্ষাপটে ফেয়েলের প্রকারভেদ সম্পর্কে একটি চমৎকার পরিচ্ছেদ বর্ণনা করেছেন; সেখানে তিনি বিষয়টিকে সাতটি প্রকারে বিন্যস্ত করেছেন:

প্রথম প্রকার: যা মাফউলের দিকে মোটেই অতিক্রম করে না, যাকে লাযেম (অকর্মক ক্রিয়া) বলা হয়; তিনি এর জন্য সাতটি আলামত উল্লেখ করেছেন।

দ্বিতীয় প্রকার: যা হারফে জরের (অব্যয়) মাধ্যমে সর্বদা একটি মাফউলের দিকে অতিক্রম করে; যেমন-
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ২৯)
(غَضِبَ) و (مَرّ) .

النوع الثالث: ما يتعدى إلى مفعول واحد دائما بنفسه كأفعال الحواس.

النوع الرابع: ما يتعدى إلى مفعول واحد تارة بنفسه، وتارة بحرف الجر نحو (شَكَر) و (نَصَح) و (قَصَد) .

النوع الخامس: ما يتعدى لمفعول واحد تارة بنفسه ولا يتعدى إليه أخرى لا بنفسه ولا بالجار، نحو (فَغَر) و (شَحَا) .

النوع السادس: ما يتعدى إلى اثنين، وجعله قسمين:

ما يتعدى لمفعولين تارة ولا يتعدى إليهما تارة أخرى، نحو: (نقص) .

وما يتعدى إليهما دائما، وهو ثلاثة أقسام:

الأول: ما ثاني مفعوليه كمفعول (شكر) وهي عشرة أفعال.

الثاني: ما أول مفعوليه فاعل في المعنى، نحو (أَعْطى) و (كسَا) .

الثالث: ما أول مفعوليه وثانيهما مبتدأ وخبر في الأصل وهو أفعال القلوب.

النوع السابع: ما يتعدى إلى ثلاثة مفاعيل، وهي سبعة أفعال، هي (أَعْلَم) و (أرَى) وما ضُمّن معناهما.

بعد ذلك عقد باباً للأسماء العاملة عمل الفعل، وعددها عشرة أسماء.

ثم ذكر باب التنازع، ثم باب الاشتغال

وعقَّب على ذلك بذكر التوابع، وأقسامها الخمسة ثم بيَّن أحكام
(রাগাম্বিত হওয়া) এবং (অতিক্রান্ত হওয়া)।

তৃতীয় প্রকার: যা সর্বদা সরাসরি একটি কর্মের (মফুল) দিকে ধাবিত হয়, যেমন ইন্দ্রিয়জাত অনুভূতির ক্রিয়াগুলো।

চতুর্থ প্রকার: যা কখনো সরাসরি আবার কখনো অব্যয়ের (হরফে জর) মাধ্যমে একটি কর্মের দিকে ধাবিত হয়, যেমন (কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা), (উপদেশ প্রদান করা) এবং (উদ্দেশ্য করা)।

পঞ্চম প্রকার: যা কখনো সরাসরি একটি কর্মের দিকে ধাবিত হয়, আবার কখনো সরাসরি বা অব্যয় কোনো মাধ্যমেই কর্মের দিকে ধাবিত হয় না, যেমন (মুখ খোলা) এবং (মুখ ব্যাদান করা)।

ষষ্ঠ প্রকার: যা দুটি কর্মের দিকে ধাবিত হয়; একে তিনি দুই ভাগে ভাগ করেছেন:

যা কখনো দুটি কর্মের দিকে ধাবিত হয় আবার কখনো ধাবিত হয় না, যেমন: (কমানো)।

এবং যা সর্বদা দুটি কর্মের দিকে ধাবিত হয়, এটি তিন প্রকার:

প্রথম: যার দ্বিতীয় কর্মটি (শকর) এর কর্মের ন্যায়, এ জাতীয় ক্রিয়া দশটি।

দ্বিতীয়: যার প্রথম কর্মটি অর্থের দিক থেকে কর্তা (ফায়েল), যেমন (প্রদান করা) এবং (পরিধান করানো)।

তৃতীয়: যার প্রথম ও দ্বিতীয় কর্মটি মূলত মুক্তাদা ও খবর ছিল, আর তা হলো মনস্তাত্ত্বিক ক্রিয়াসমূহ (আফ‘আলুল কুলুব)।

সপ্তম প্রকার: যা তিনটি কর্মের (মফুল) দিকে ধাবিত হয়, আর তা সাতটি ক্রিয়া; সেগুলো হলো (জানানো), (দেখানো) এবং যা এগুলোর অর্থ প্রদান করে।

এরপর তিনি এমন বিশেষ্যগুলোর (ইসম) জন্য একটি অধ্যায় রচনা করেছেন যেগুলো ক্রিয়ার (ফেল) ন্যায় কাজ করে, আর সেগুলোর সংখ্যা দশটি।

অতঃপর তিনি তানাজু (ক্রিয়ার দ্বন্দ্ব) অধ্যায় এবং এরপর ইশতিগাল (ক্রিয়ার কর্মে ব্যস্ততা) অধ্যায় উল্লেখ করেছেন।

এর অনুগামী হিসেবে তিনি তাওয়াবে (অনুসারী পদ) এবং এর পাঁচটি প্রকার বর্ণনা করেছেন, অতঃপর সেগুলোর বিধানাবলি স্পষ্ট করেছেন।
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ৩০)
تابع المنادى. وبعد ذلك عقد بابا بيّن فيه (موانع الصرف) .

ثم ختم كتابه بباب العدد وكنايات العدد.

أما بالنسبة لشواهد "شذور الذهب" فإنه كان يستشهد بالآيات القرآنية وأشعار العرب المحتج بشعرهم.

وقد بلغت الشواهد الشعرية فيه سبعة عشر بيتا.

أهم الشروح والحواشي على "شذرو الذهب":

شذور الذهب من أهم المختصرات النحوية التي جمعت غالب أبواب النحو، ولكونه مختصرا كان بحاجة إلى شرح وتوضيح، لذلك كثرت حوله الشروح والحواشي والتقريرات، وكذلك كثرت الشروح حول شواهده.

وقد بلغت شروح شذور الذهب التي وصلت إلينا عشرة شروحات، وبلغت الحواشي على شرح الشذور لابن هشام تسع حواش.

وفيما يلي ذكر لأهم شروح هذا الكتاب:

1- شرح شذور الذهب لابن هشام المتوفى سنة 761 هـ.

2- شرح الصدور لشرح زوائد الشذور لمحمد بن عبد الدائم البرماوي المتوفى سنة 831 هـ1.

وقد نسبه حاجي خليفة2 لبدر الدين حسن بن أبي بكر بن أحمد القدسي الحلبي المتوفى سنة 836 هـ.

--------------------------------------------

1 تنظر ترجمته في الضوء اللامع 7/280 والأعلام 6/188.

2 كشف الظنون 2/1029.
মুনাদার অনুগামী। এরপর তিনি একটি অধ্যায় রচনা করেছেন যাতে তিনি (রূপান্তরহীন বিশেষ্যসমূহ) বর্ণনা করেছেন।

অতঃপর তিনি সংখ্যা এবং সংখ্যার পরোক্ষ ইঙ্গিত সংক্রান্ত অধ্যায়ের মাধ্যমে তাঁর গ্রন্থটি সমাপ্ত করেছেন।

'শুজুরুয যাহাব'-এর প্রমাণাদির (শাওয়াহিদ) ব্যাপারে বলা যায় যে, তিনি কুরআনের আয়াত এবং ঐ সকল আরবদের কবিতা থেকে প্রমাণ পেশ করেছেন যাদের কবিতা দলিল হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

এতে কাব্যিক প্রমাণাদির সংখ্যা সতেরোটি চরণে পৌঁছেছে।

'শুজুরুয যাহাব'-এর গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যাগ্রন্থ (শরাহ) এবং টীকাগুলি (হাশিয়া):

'শুজুরুয যাহাব' নাহুর (ব্যাকরণ) অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত গ্রন্থ যা নাহুর অধিকাংশ অধ্যায়কে অন্তর্ভুক্ত করেছে। সংক্ষিপ্ত হওয়ার কারণে এটি ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণের মুখাপেক্ষী ছিল, তাই একে কেন্দ্র করে অনেক ব্যাখ্যাগ্রন্থ, টীকা ও পাদটীকা রচিত হয়েছে। একইভাবে এর কাব্যিক প্রমাণাদির উপরেও অনেক ব্যাখ্যাগ্রন্থ রচিত হয়েছে।

আমাদের নিকট পৌঁছানো 'শুজুরুয যাহাব'-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থের সংখ্যা দশটি এবং ইবনে হিশাম কর্তৃক রচিত 'শরাহুশ শুজুর'-এর ওপর টীকাগ্রন্থের সংখ্যা নয়টি।

নিম্নে এই গ্রন্থের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যাগ্রন্থসমূহের উল্লেখ করা হলো:

১- ইবনে হিশাম (মৃত্যু ৭৬১ হিজরি) কর্তৃক রচিত 'শরাহু শুজুরিয যাহাব'।

২- মুহাম্মদ বিন আব্দুল দায়েম আল-বারমাভী (মৃত্যু ৮৩১ হিজরি) কর্তৃক রচিত 'শারহুস সুদুর লি-শারহি যাওয়াইদিশ শুজুর'।

হাজি খলিফা একে বদরুদ্দিন হাসান বিন আবি বকর বিন আহমদ আল-কুদসি আল-হালাবি (মৃত্যু ৮৩৬ হিজরি)-এর রচিত বলে উল্লেখ করেছেন।

--------------------------------------------

১ তাঁর জীবনী দেখুন 'আদ-দাওউল লামে' ৭/২৮০ এবং 'আল-আলাম' ৬/১৮৮ গ্রন্থে।

২ কাশফুয যুনুন ২/১০২৯।
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ৩১)
وهذا الكتاب جعله مؤلفه خاصا بشرح الكلمات أو الجمل التي ذكرت في "شذور الذهب" ولم يشرحها ابن هشام في شرحه على الشذور.

قال في مقدمته1: "لما كان كتاب شذور الذهب للعلامة أستاذ المتأخرين جمال الدين عبد الله بن هشام الأنصاري مختصرا جمع مبسوطات في العربية وأنموذجا لمفصّل قواعدها الكلية، وقد شرحه مصنفه رحمه الله بشرح كمّل به مقاصده وسهّل به موارده، غير أن في المتن جملاً خلا الشرح من إيضاحها، وقد حَلِي المتن بأوضاحها، كان الشيخ رحمه الله زاد بعضها بعد أن تم هذا الشرح واشتهر، وترك بعضها إما لوضوحها أو لغير ذلك مما يعتري البشر، جمعت هذه المواضع على الترتيب، شارحا لها على طريقة التسديد والتقريب.."

ومنه نسخة مصورة بمركز البحث العلمي بجامعة أم القرى تحت رقم (355) .

3- السرور في شرح الشذور، لبدر الدين حسن بن أبي بكر بن أحمد القدسي الحنفي المتوفى سنة 831 هـ.

ومنه نسخة مخطوطة بالقاهرة برقم (2/116) 2.

4- شرح شذور الذهب لمحمد بن عبد المنعم الجوجري المصري، المتوفى سنة 889 هـ. وهو الكتاب الذي بين أيدينا، وسيأتي الكلام عليه

--------------------------------------------

1شرح الصدور لشرح زوائد الشذور (الورقة الأولى) .

2 بروكلمان ذيل 2/ 20.
এবং এই গ্রন্থটি এর লেখক সেই সকল শব্দ বা বাক্যসমূহের ব্যাখ্যার জন্য বিশেষায়িত করেছেন যা "শুযুরুয যাহাব" গ্রন্থে উল্লিখিত হয়েছে কিন্তু ইবনে হিশাম "শুযুর"-এর ওপর লিখিত তাঁর ব্যাখ্যাগ্রন্থে সেগুলোর ব্যাখ্যা করেননি।

তিনি তাঁর ভূমিকার ১-এ বলেছেন: "যেহেতু পরবর্তীকালের আলিমদের উস্তাদ আল্লামা জামালুদ্দিন আবদুল্লাহ ইবনে হিশাম আনসারী রচিত 'শুযুরুয যাহাব' গ্রন্থটি একটি সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ যা আরবী ভাষার বিস্তারিত বিষয়সমূহকে একত্রিত করেছে এবং এর সামগ্রিক নিয়মাবলির বিশদ বিবরণের একটি আদর্শ স্বরূপ, এবং এর গ্রন্থকার (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) এটি এমন একটি ব্যাখ্যাগ্রন্থের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেছেন যার দ্বারা তিনি এর উদ্দেশ্যসমূহ পূর্ণ করেছেন এবং এর উৎসসমূহ সহজ করেছেন; তবে মূল পাঠে (মাতন) এমন কিছু বাক্য রয়েছে যার বিশদ ব্যাখ্যা থেকে ব্যাখ্যাগ্রন্থটি মুক্ত ছিল, যদিও মূল পাঠটি স্পষ্ট বিষয়াদির মাধ্যমে সুশোভিত ছিল। শায়খ (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) এই ব্যাখ্যাগ্রন্থটি সমাপ্ত ও প্রসিদ্ধ হওয়ার পর সেগুলোর কিছু অংশ বৃদ্ধি করেছিলেন, এবং কিছু অংশ ছেড়ে দিয়েছিলেন হয়তো সেগুলোর স্পষ্টতার কারণে অথবা মানুষের ক্ষেত্রে ঘটে থাকে এমন অন্য কোনো কারণে। আমি এই স্থানগুলোকে ক্রমানুসারে একত্রিত করেছি এবং সঠিকতা ও সহজবোধ্যতার পদ্ধতিতে সেগুলোর ব্যাখ্যা করেছি।"

এর একটি আলোকচিত্র প্রতিলিপি উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্রে (৩৫৫) নম্বর অধীনে রয়েছে।

৩- আস-সুরুর ফি শারহিশ শুযুর, লেখক: বদরুদ্দিন হাসান বিন আবি বকর বিন আহমদ আল-কুদ্সি আল-হানাফি, মৃত্যু ৮৩১ হিজরি।

এর একটি পাণ্ডুলিপি কায়রোতে (২/১১৬) ২ নম্বর অধীনে সংরক্ষিত আছে।

৪- মুহাম্মদ বিন আবদুল মুনইম আল-জাওজারি আল-মিসরি (মৃত্যু ৮৮৯ হিজরি) রচিত শারহু শুযুরিয যাহাব। এটিই সেই গ্রন্থ যা আমাদের সামনে রয়েছে এবং এর সম্পর্কে আলোচনা সামনে আসবে।

--------------------------------------------

১ শারহুস সুদুর লি-শারহি যাওয়াইদিশ শুযুর (প্রথম পাতা)।

২ ব্রোকলম্যান, পরিশিষ্ট ২/২০।
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ৩২)
بالتفصيل1.

5- بلوغ الأرب بشرح شذور الذهب. تأليف شيخ الإسلام زكريا ابن محمد بن أحمد الأنصاري المتوفى سنة 926 هـ.

ولهذا الشرح نسخ كثيرة، أشار لها بروكلمان2. منها نسخة في (الظاهرية) بدمشق رقم (67) .

وله أيضا نسخ بمكتبة الأزهر، منها نسخة برقم (363) 3 وقد حُقِّق الكتاب ودُرِسَ في رسالة علمية بالأزهر.

6- شفاء الصدور بشرح الشذور

تأليف عبد الملك بن جمال العصامي بن صدر الدين بن عصام الإسفرائيني المشهور بملا عصام، المتوفى سنة 1037 هـ.

وله نسخ في مواضع مختلفة، أشار إليها بروكلمان4، ومنه نسخة بمكتبة الأزهر برقم (1788) 27375.

أما الحواشي على شرح الشذور لابن هشام فكثيرة منها حاشية عبادة العدوي المتوفى سنة 1193 هـ.

وقد طبعت هذه الحاشية بالمطبعة الميمنية بالقاهرة سنة 1318هـ.

--------------------------------------------

1 تنظر دراسة الكتاب ص 77.

2 بروكلمان ذيل 2/ 19، 30.

3 فهرس مكتبة الأزهر 4/117.

4 بروكلمان 2/ 30، 19 ذيل.

5 ينظر فهرس مكتبة الأزهر 4/273.
বিস্তারিতভাবে ১।

৫- বুলুগুল আরাব বি-শারহি শুজুরিজ জাহাব। রচনা: শাইখুল ইসলাম যাকারিয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-আনসারী, মৃত্যু: ৯২৬ হিজরী।

এই ব্যাখ্যার অনেকগুলো পাণ্ডুলিপি রয়েছে, ব্রোকলম্যান সেগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করেছেন ২। এর মধ্যে একটি পাণ্ডুলিপি দামেস্কের (জাহিরিয়া) লাইব্রেরিতে রয়েছে যার নম্বর (৬৭)।

আল-আযহার লাইব্রেরিতেও এর পাণ্ডুলিপি রয়েছে, যার মধ্যে একটির নম্বর (৩৬৩) ৩ এবং বইটি আল-আযহারে একটি বৈজ্ঞানিক অভিসন্দর্ভে সম্পাদিত ও আলোচিত হয়েছে।

৬- শিফাউস সুদূর বি-শারহিশ শুজুর

রচনা: আব্দুল মালিক বিন জামাল আল-ইসামি বিন সদরুদ্দীন বিন ইসাম আল-ইসফারায়িনি, যিনি মোল্লা ইসাম নামে পরিচিত, মৃত্যু: ১০৩৭ হিজরী।

এর বিভিন্ন স্থানে পাণ্ডুলিপি রয়েছে, ব্রোকলম্যান সেগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করেছেন ৪, এর মধ্যে একটি পাণ্ডুলিপি আল-আযহার লাইব্রেরিতে রয়েছে যার নম্বর (১৭৮৮) ২৭৩৭৫।

ইবনে হিশামের শারহুশ শুজুরের ওপর অনেকগুলো হাশিয়া (টীকা) রয়েছে, যার মধ্যে একটি হলো ইবাদাহ আল-আদাবীর হাশিয়া, মৃত্যু: ১১৯৩ হিজরী।

এই হাশিয়াটি ১৩১৮ হিজরীতে কায়রোর আল-মাতবাআতুল মাইমানিয়া থেকে মুদ্রিত হয়েছে।

--------------------------------------------

১ বইটির পর্যালোচনা দেখুন, পৃষ্ঠা ৭৭।

২ ব্রোকলম্যান জাইল ২/ ১৯, ৩০।

৩ আল-আযহার লাইব্রেরির ক্যাটালগ ৪/১১৭।

৪ ব্রোকলম্যান ২/ ৩০, ১৯ জাইল।

৫ আল-আযহার লাইব্রেরির ক্যাটালগ ৪/২৭৩ দেখুন।
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ৩৩)
ومنها حاشية الدسوقي محمد بن أحمد بن عرفة المعروف بالدسوقي المالكي المتوفى سنة 1230 هـ.

ولها نسخة مخطوطة بمكتبة الأزهر برقم (3325) 43061 1

ومنها حاشية الأمير محمد بن محمد بن أحمد بن عبد القادر المعروف بالأمير الكبير، المتوفى سنة 1232 هـ.

وقد طبعت هذه الحاشية مع شرح الشذور لابن هشام في مطبعة مصطفى البابي الحلبي وأولاده بمصر سنة 1359 هـ.

وهناك حواشٍ وتقريرات أخرى كثيرة على "شذور الذهب"2.

--------------------------------------------

1 ينظر فهرس مكتبة الأزهر 4/158.

2 ينظر (ابن هشام الأنصاري للدكتور علي فودة نيل) ص 90- 92.
এবং এর অন্তর্ভুক্ত হলো মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আরাফাহ, যিনি আদ-দাসুকি আল-মালিকি নামে পরিচিত (মৃত্যু ১২৩০ হিজরি), তাঁর রচিত আদ-দাসুকির টীকা।

আল-আজহার লাইব্রেরিতে এর একটি পাণ্ডুলিপি (৩৩২৫) ৪৩০৬১ ১ নম্বরে সংরক্ষিত আছে।

আরও রয়েছে আল-আমীর আল-কাবীর নামে পরিচিত মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আব্দুল কাদির (মৃত্যু ১২৩২ হিজরি)-এর টীকা।

এই টীকাটি ইবনে হিশামের 'শারহুশ শুযুর' গ্রন্থের সাথে মিশরের মোস্তফা আল-বাবি আল-হালাবি এবং তাঁর পুত্রদের ছাপাখানা থেকে ১৩৫৯ হিজরিতে মুদ্রিত হয়েছে।

এছাড়াও "শুযুরুয যাহাব"-এর ওপর আরও অনেক টীকা ও বিশ্লেষণমূলক ব্যাখ্যা রয়েছে।২

--------------------------------------------

১ আল-আজহার লাইব্রেরির সূচিপত্র ৪/১৫৮ দেখুন।

২ দেখুন: (ড. আলী ফুদাহ নীল রচিত 'ইবনে হিশাম আল-আনসারি') পৃষ্ঠা ৯০-৯২।
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ৩৭)
‌‌الفصل الثاني: الجوجري وحياته العلمية

‌‌المبحث الأول: التعرف بالجوجري

‌‌المطلب الأول: اسمه ونسبه وشهرته

…

المطلب الأول: اسمه ونسبه وشهرته

هو محمد بن عبد المنعم بن محمد بن محمد بن عبد المنعم بن أبي الطاهر إسماعيل، شمس الدين بن نبيه الدين الجوجري، ثم القاهري، الشافعي1.

كذا ساق نسبه السخاوي في الضوء اللامع2. وتابعه على ذلك كل من ترجم للجوجري، بيد أن بعضهم اختصر نسبه، كالزركلي في الأعلام؛ حيث قال: "محمد بن عبد المنعم بن محمد الجوجري" 3.

أما كنيته فلم تذكر ذلك كتب التراجم، ولكني وجدت في مقدمة كتابه شرح شذور الذهب أنه يكنى بأبي عبد الله؛ حيث جاء فيها "قال الشيخ الإمام العالم العلامة فريد عصره ووحيد دهره أبو عبد الله شمس الدين محمد الشافعي الجوجري..".

--------------------------------------------

1 مصادر ترجمته:

الضوء اللامع 8/123 وبدائع الزهور في وقائع الدهور ص 520 وشذرات الذهب 7/348 والبدر الطالع 2/200 وهدية العارفين 2/212 وبروكلمان 2/120 والأعلام للزركلي 6/251 ومعجم المؤلفين 10/260 2 الضوء اللامع 8/123.

3 الأعلام 6/251.
দ্বিতীয় অধ্যায়: আল-জাওজারি ও তাঁর ইলমি জীবন

প্রথম পরিচ্ছেদ: আল-জাওজারির পরিচয়

প্রথম অনুচ্ছেদ: তাঁর নাম, বংশপরিচয় ও খ্যাতি

...

প্রথম অনুচ্ছেদ: তাঁর নাম, বংশপরিচয় ও খ্যাতি

তিনি হলেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল মুনইম বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল মুনইম বিন আবু তাহির ইসমাইল, শামসুদ্দিন বিন নাবিহুদ্দিন আল-জাওজারি, অতঃপর আল-কাহিরি, আশ-শাফেয়ি (১)।

আস-সাখাবি 'আদ-দাও আল-লামি' (২) গ্রন্থে তাঁর বংশপরম্পরা এভাবেই উল্লেখ করেছেন। আল-জাওজারির জীবনী রচয়িতা প্রত্যেকেই এক্ষেত্রে তাঁকে অনুসরণ করেছেন; তবে তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ তাঁর বংশপরিচয় সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন, যেমন 'আল-আলাম' গ্রন্থে আয-যিরিকলি (৩); যেখানে তিনি বলেছেন: "মুহাম্মদ বিন আব্দুল মুনইম বিন মুহাম্মদ আল-জাওজারি"।

আর তাঁর কুনিয়াত (উপনাম) সম্পর্কে জীবনীগ্রন্থগুলোতে কোনো উল্লেখ পাওয়া যায় না, কিন্তু আমি তাঁর গ্রন্থ 'শারহু শুযুর আয-যাহাব'-এর ভূমিকায় পেয়েছি যে, তাঁর কুনিয়াত হলো আবু আব্দুল্লাহ; যেখানে বর্ণিত হয়েছে, "শায়খ, ইমাম, বিজ্ঞ আলিম, আল্লামাহ, নিজ যুগের অদ্বিতীয় ও সময়ের অনন্য ব্যক্তিত্ব আবু আব্দুল্লাহ শামসুদ্দিন মুহাম্মদ আশ-শাফেয়ি আল-জাওজারি বলেছেন..."।

--------------------------------------------

১ তাঁর জীবনীর উৎসসমূহ:

আদ-দাও আল-লামি ৮/১২৩; বাদায়িউয যুহুর ফি ওয়াকায়িউদ দুহুর, পৃষ্ঠা ৫২০; শাযারাতুয যাহাব ৭/৩৪৮; আল-বদরুত তালি ২/২০০; হাদিয়াতুল আরিফিন ২/২১২; ব্রোকলম্যান ২/১২০; আয-যিরিকলির আল-আলাম ৬/২৫১ এবং মুজামুল মুআল্লিফিন ১০/২৬০।

২ আদ-দাও আল-লামি ৮/১২৩।

৩ আল-আলাম ৬/২৫১।
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ৩৮)
أما شهرته فقد اشتهر في بلدته بابن نبيه الدين، واشتهر في غيرها بالجوجري نسبة إلى بلدته التي ولد فيها، كما سيأتي.

قال السخاوي: "ويعرف بين أهل بلده بابن نبيه الدين، وفي غيرها بالجوجري" 1.

وجاء في البدر الطالع للشوكاني أنه (الجرجري) بالراء وليس بالواو، وضبطه بذلك، فقال: "محمد بن عبد المنعم بن محمد بن محمد بن عبد المنعم بن إسماعيل الجرجري بجيمين ومهملتين" 2.

والصحيح أنه (الجوجري) بالواو، نسبة إلى بلدة (جوجر) قرب دمياط بمصر.

قال الزركلي: "وعرَّفه بعضهم بالجرجري والجوهري وكلاهما تصحيف" 3.

--------------------------------------------

1 الضوء اللامع 8/123.

2البدر الطالع 2/ 200.

3الأعلام 6/ 251.
তাঁর প্রসিদ্ধির বিষয়ে বলা যায় যে, তিনি তাঁর নিজ শহরে 'ইবনু নাবিহিদ দীন' নামে প্রসিদ্ধ ছিলেন এবং অন্যান্য স্থানে তাঁর জন্মস্থানের সম্পর্কের ভিত্তিতে 'আল-জাওজারী' নামে পরিচিতি লাভ করেন, যেমনটি সামনে বিস্তারিত আসবে।

সাখাভী বলেন: "তিনি তাঁর নিজ শহরের অধিবাসীদের নিকট 'ইবনু নাবিহিদ দীন' নামে এবং অন্যান্য স্থানে 'আল-জাওজারী' নামে পরিচিত।" ১।

শাওকানী রচিত 'আল-বাদরুত তালি' গ্রন্থে এসেছে যে, নামটি হলো (আল-জারজারী) 'রা' বর্ণ সহযোগে, 'ওয়াও' দিয়ে নয়। তিনি এর উচ্চারণ নির্দিষ্ট করে বলেছেন: "মুহাম্মাদ বিন আব্দুল মুনয়িম বিন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল মুনয়িম বিন ইসমাঈল আল-জারজারী; যা দুটি 'জীম' এবং দুটি নুকতাহীন বর্ণ (রা) দিয়ে গঠিত।" ২।

তবে সঠিক কথা হলো যে, এটি (আল-জাওজারী) 'ওয়াও' বর্ণ সহযোগে, যা মিশরের দিমইয়াতের নিকটবর্তী 'জাওজার' নামক জনপদের সাথে সম্পর্কিত।

যিরিকলী বলেন: "কেউ কেউ তাঁকে 'আল-জারজারী' এবং 'আল-জাওহারী' নামে অভিহিত করেছেন, অথচ এ উভয়টিই হলো শব্দের বিকৃতি বা লিখনশৈলীর ভুল।" ৩।

--------------------------------------------

১ আদ-দাওউল লামি‘ ৮/১২৩।

২ আল-বাদরুত তালি‘ ২/২০০।

৩ আল-আলাম ৬/২৫১।
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ৩৯)
‌‌المطلب الثاني: مولده ونشأته وطلبه للعلم.

ولد شمس الدين الجوجري في إحدى الجماديين، سنة إحدى وعشرين وثمانمائة من الهجرة (821) هـ، وقيل: في السنة التي بعدها.

قال السخاوي: "ولد في إحدى الجماديين.، والظن أنه الثانية، سنة إحدى وعشرين وثمانمائة أو التي بعدها.. 1".

وذلك في بلدة (جوجر) ، وهي بلدة صغيرة قرب دمياط.

قال ياقوت الحموي: "جَوجَر بجيمين مفتوحتين وراء، بُليدة بمصر من جهة دمياط، في كورة السَّمَنُّودية.. 2".

وفي هذه البلدة نشأ الجوجري مع عائلته، حتى بلغ السابعة من عمره فتوفي والده هناك، ثم رحل إلى القاهرة بصحبة جده لأبيه.

وحين استقر الجوجري في القاهرة أكبّ على دراسة العلوم وحفظ المتون، وأكمل بها حفظ القرآن الكريم، وحفظ المنهاج في الفقه الشافعي، وألفية ابن مالك في النحو، وكثيرا من المختصرات.

واشتغل بأخذ العلوم عن علماء عصره في صباه فأخذ علم النحو عن كبار العلماء في ذلك العصر، كالشّمُنِّي والكافيجي وجلال الدين المحلّي وأبى القاسم النويري، وغيرهم.

ودرس على هؤلاء العلماء كتب النحو المشهورة، ومنها (شرح التسهيل) لابن مالك، فقد درسه على الكمال بن الهمام. ودرَس (المغني

--------------------------------------------

1 الضوء اللامع 8/123.2 معجم البلدان 178/2.
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: তাঁর জন্ম, বেড়ে ওঠা এবং জ্ঞানার্জন.

শামসুদ্দিন আল-জাওজারি হিজরি ৮২১ সালের জুমাদাল উলা অথবা জুমাদাল আখিরা মাসে জন্মগ্রহণ করেন; এবং বলা হয়ে থাকে যে, তিনি এর পরের বছর জন্মগ্রহণ করেন।

আস-সাখাভী বলেন: "তিনি দুই জুমাদার কোনো একটিতে জন্মগ্রহণ করেন। ধারণা করা হয় যে এটি ছিল জুমাদাল আখিরা, বছরটি ছিল ৮২১ হিজরি অথবা তার পরের বছর.. ১"।

আর তা ছিল (জাওজার) নামক জনপদে, যা দিময়াতের নিকটবর্তী একটি ছোট শহর।

ইয়াকুত আল-হামাভী বলেন: "জাওজার—দুইটি জিম এবং শেষে র-এর সমন্বয়ে গঠিত—মিশরের দিময়াত অঞ্চলের আস-সামানুদিয়ার একটি ছোট শহর.. ২"।

এই জনপদেই আল-জাওজারি তাঁর পরিবারের সাথে বেড়ে ওঠেন। যখন তাঁর বয়স সাত বছর হয়, তখন সেখানে তাঁর পিতা ইন্তেকাল করেন। এরপর তিনি তাঁর দাদার সাথে কায়রোতে পাড়ি জমান।

আল-জাওজারি যখন কায়রোতে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন, তখন তিনি জ্ঞানার্জন এবং ইলমি পাঠ্যসমূহ (মুতুন) মুখস্থ করায় আত্মনিয়োগ করেন। সেখানে তিনি পবিত্র কুরআন হিফজ সম্পন্ন করেন এবং শাফেয়ি ফিকহের 'আল-মিনহাজ', নাহু শাস্ত্রের ইবনে মালিকের 'আলফিয়্যাহ' ও আরও অনেক সংক্ষিপ্ত কিতাব মুখস্থ করেন।

তিনি তাঁর কৈশোরে সমসাময়িক আলেমদের কাছ থেকে জ্ঞান অর্জন শুরু করেন। তিনি সে সময়ের বড় বড় আলেমদের কাছ থেকে নাহু শাস্ত্র শিক্ষা করেন, যেমন আশ-শুমুন্নি, আল-কাফিয়াজি, জালালুদ্দিন আল-মাহাল্লি, আবুল কাসিম আন-নুওয়াইরি এবং আরও অনেকের কাছে।

তিনি এই আলেমদের কাছে নাহু শাস্ত্রের প্রসিদ্ধ কিতাবসমূহ অধ্যয়ন করেন, যার মধ্যে অন্যতম হলো ইবনে মালিকের 'শারহুত তাসহিল'; তিনি এটি কামাল ইবনুল হুমামের কাছে পড়েছেন। আর তিনি অধ্যয়ন করেছেন 'আল-মুগনি...

--------------------------------------------

১ আদ-দউ আল-লামি' ৮/১২৩। ২ মু'জামুল বুলদান ২/১৭৮।
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ৪০)
لابن هشام) على الشمني والكافيجي والقاياتي وجلال الدين المحلي.

وفي الصرف قرأ (شرح الجار بردي للشافية) على الشمس البدرشي وفي العروض والقوافي أخذ عن الشهاب الأبشيطي.

وأخذ علم المعاني والبيان عن النويري والكافيجي والقاياتي وزين الدين جعفر العجمي وغيرهم.

ودرس الفقه على شرف الدين السبكي وابن المجدي وعلم الدين البلقيني والقاياتي وجلال الدين المحلي وغيرهم، فأخذ عنهم (التنبيه) و (الحاوي) و (البهجة) و (المنهاج) وكلها كتب مشهورة في الفقه الشافعي.

وقرأ في أصول الفقه على شيخه جلال الدين المحلي (شرحه لجمع الجوامع) . وأخذ التفسير عن الشمني والكافيجي وابن حجر.

ودرَس علم الحديث وأصوله على الحافظ ابن حجر وزين الدين الزركشي والقاضي سعد الدين بن الديري، فأخذ عنهم الكتب الستة في الحديث وشرح نخبة الفكر لابن حجر والشفا للقاضي عياض.

وفي علم الرياضيات والفرائض أخذ عن ابن المجدي والبوتيجي1.

وبهذا نعرف حرص الجوجري على التزوّد من العلوم، وأخذه من كل علم بطرف. حتى أثمرت هذه الدراسة عن ثقافة واسعة في شتى العلوم.

قال عنه العز الحنبلي: "إنه يعرف كل شيء في الدنيا"2.

--------------------------------------------

1 ينظر في ذلك الضوء اللامع 8/123- 124 والبدر الطالع 2/ 200.

2 ينظر الضوء اللامع 8/125.
(ইবনে হিশামের রচিত কিতাবসমূহ) আশ-শুমুননী, আল-কাফিয়াজী, আল-কায়াতী এবং জালালুদ্দীন আল-মহাল্লীর নিকট পাঠ করেছেন।

সরফ শাস্ত্রে (শব্দরূপতত্ত্ব) তিনি আশ-শামস আল-বাদরাশীর নিকট (আশ-শাফিয়ার ওপর আল-জারবারদীর ব্যাখ্যাগ্রন্থ) পাঠ করেছেন এবং ছন্দতত্ত্ব ও অন্ত্যমিল শাস্ত্র শিহাবুদ্দীন আল-আবছীতীর নিকট থেকে গ্রহণ করেছেন।

তিনি ইলমুল মাআনী ও ইলমুল বায়ান (অলংকারশাস্ত্র) আন-নুওয়াইরী, আল-কাফিয়াজী, আল-কায়াতী, যাইনুদ্দীন জাফর আল-আজমী এবং অন্যদের নিকট থেকে লাভ করেছেন।

তিনি ফিকহ পাঠ করেছেন শরফুদ্দীন আস-সুবকী, ইবনুল মাজদী, ইলমুদ্দীন আল-বুলকিনী, আল-কায়াতী, জালালুদ্দীন আল-মহাল্লী এবং অন্যদের নিকট। তিনি তাঁদের নিকট থেকে (আত-তানবীহ), (আল-হাভী), (আল-বাহজাহ) এবং (আল-মিনহাজ) পাঠ করেছেন; এগুলোর সবই শাফিঈ ফিকহের প্রসিদ্ধ কিতাব।

উসূলে ফিকহ শাস্ত্রে তিনি তাঁর উস্তাদ জালালুদ্দীন আল-মহাল্লীর নিকট (জামউল জাওয়ামি-র ওপর তাঁর রচিত ব্যাখ্যাগ্রন্থ) পাঠ করেছেন। আর তাফসীর শিক্ষা করেছেন আশ-শুমুননী, আল-কাফিয়াজী এবং ইবনে হাজারের নিকট।

তিনি ইলমে হাদীস ও উসূলে হাদীস হাফিজ ইবনে হাজার, যাইনুদ্দীন আজ-যারকাশী এবং কাজী সাদ উদ্দীন ইবনুদ দাইরীর নিকট পাঠ করেছেন। তিনি তাঁদের নিকট হাদীসের ছয়টি কিতাব (কুতুবে সিত্তা), ইবনে হাজারের 'শরহু নুখবাতিল ফিকার' এবং কাজী আয়াযের 'আশ-শিফা' পাঠ করেছেন।

গণিতশাস্ত্র এবং উত্তরাধিকার আইন (ফারায়েজ) বিষয়ে তিনি ইবনুল মাজদী এবং আল-বুতীজীর নিকট থেকে জ্ঞান অর্জন করেছেন।১

এর মাধ্যমে আমরা জ্ঞান অর্জনে আল-জাওজারীর গভীর আগ্রহ এবং প্রতিটি শাস্ত্র থেকে তাঁর জ্ঞান অন্বেষণের বিষয়টি জানতে পারি। পরিশেষে তাঁর এই অধ্যয়ন বিভিন্ন শাস্ত্রে এক সুবিস্তৃত পাণ্ডিত্যের ফল দান করে।

আল-ইয আল-হাম্বলী তাঁর সম্পর্কে বলেন: "নিশ্চয়ই তিনি দুনিয়ার সবকিছুই জানেন।"২

--------------------------------------------

১ এ বিষয়ে দেখুন: আদ-দাউল লামি' ৮/১২৩-১২৪ এবং আল-বাদরুত তালি' ২/২০০।

২ দেখুন: আদ-দাউল লামি' ৮/১২৫।
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ৪১)
‌‌المطلب الثالث: ثقافته ومكانته العلمية ووظائفه.

نال الجوجري ثقافة واسعة، ولم يقتصر على فن معين ولكن برع في العلوم الشرعية واللغوية.

وقد أذن له مشايخه بالإقراء والإفتاء، وتصدى لذلك قديما في حياة كثير من مشايخه، حتى كان شيخه (جلال الدين المحلّي) يرسل له الفضلاء للقراءة عليه في تصانيفه وغيرها.

ونبه كثير من شيوخه بفضله وعلمه، وصار يعرف ب (شيخ القاهرة) 1.

قال السخاوي: "كان المحلّي يرسل له الفضلاء للقراءة عليه في تصانيفه وغيرها ونوّه هو والمناوي به جدا، بل كان المناوي يناوله الفتوى ليكتب عليها، واستنابه في القضاء في ولايته الأولى فباشر قليلا.. 2".

وقال ابن إياس الحنفي عنه: "كان عالما، فاضلا بارعا في العلوم" 3.

وقد اهتم به طلاب العلم ورحلوا إليه من الأمصار، يؤكد ذلك كثرة تلاميذه الذين أخذوا عنه، ونجد منهم الشامي والمقدسي والمكي واليمني وغيرهم.

قال السخاوي: "وأخذ عنه الفضلاء طبقة بعد أخرى، وصار بأخَرَة شيخ القاهرة، وقسموا عليه الكتب" ثم قال: "واتسعت حلقته جدا سيّما

--------------------------------------------

1 ينظر الضوء اللامع 8/124.

2 الضوء اللامع 8/124.

3 بدائع الزهور في وقائع الدهور ص 520
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: তাঁর শিক্ষা-দীক্ষা, ইলমি মর্যাদা ও দায়িত্বসমূহ.

জাওজারী ব্যাপক পাণ্ডিত্য অর্জন করেছিলেন এবং তিনি কেবল নির্দিষ্ট কোনো বিদ্যায় সীমাবদ্ধ ছিলেন না, বরং শরয়ি ও ভাষাগত বিজ্ঞানে পারদর্শিতা অর্জন করেছিলেন।

তাঁর উস্তাদগণ তাঁকে পাঠদান ও ফতোয়া প্রদানের অনুমতি দিয়েছিলেন এবং তিনি তাঁর অনেক উস্তাদের জীবদ্দশাতেই এই দায়িত্ব পালন শুরু করেন, এমনকি তাঁর উস্তাদ (জালালুদ্দিন আল-মহল্লি) তাঁর কাছে গুণী ব্যক্তিদের তাঁর রচিত গ্রন্থ ও অন্যান্য কিতাব পাঠ করার জন্য পাঠাতেন।

তাঁর অনেক উস্তাদ তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব ও ইলমের কথা উল্লেখ করেছেন এবং তিনি 'শাইখুল কাহিরা' (কায়রোর শাইখ) হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন ১।

সাখাভি বলেন: "আল-মহল্লি তাঁর কাছে গুণী ব্যক্তিদের তাঁর রচিত গ্রন্থ ও অন্যান্য কিতাব পাঠ করার জন্য পাঠাতেন। তিনি এবং আল-মুনাভি তাঁর অত্যন্ত প্রশংসা করতেন, এমনকি আল-মুনাভি তাঁর কাছে ফতোয়া পাঠাতেন সেটির উপর মন্তব্য লেখার জন্য। তিনি তাঁর প্রথম বিচারিক মেয়াদে তাঁকে প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন, অতঃপর তিনি অল্প সময় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন... ২।"

ইবনে ইয়াস আল-হানাফি তাঁর সম্পর্কে বলেন: "তিনি ছিলেন একজন আলেম, গুণী এবং বিভিন্ন জ্ঞানে পারদর্শী" ৩।

ইলম অন্বেষণকারীগণ তাঁর প্রতি মনোযোগী হয়েছিলেন এবং বিভিন্ন শহর থেকে তাঁর কাছে সফর করেছিলেন। তাঁর নিকট থেকে ইলম অর্জনকারী অসংখ্য ছাত্রের আধিক্য এটি নিশ্চিত করে, যাঁদের মধ্যে আমরা শামী, মাকদিসি, মাক্কি, ইয়ামানি এবং অন্যদের পাই।

সাখাভি বলেন: "গুণী ব্যক্তিরা একের পর এক প্রজন্ম ধরে তাঁর নিকট থেকে ইলম গ্রহণ করেছেন এবং পরিশেষে তিনি 'শাইখুল কাহিরা' হয়ে ওঠেন। তাঁরা তাঁর কাছে কিতাবসমূহ অধ্যায় অনুযায়ী ভাগ করে নিতেন।" এরপর তিনি বলেন: "তাঁর পাঠদান মজলিস অত্যন্ত বিস্তৃত হয়েছিল, বিশেষ করে...

--------------------------------------------

১ দেখুন: আদ-দউ আল-লামি ৮/১২৪।

২ আদ-দউ আল-লামি ৮/১২৪।

৩ বাদায়ি-উয-যুহুর ফি ওয়াকায়ি-ইদ-দুহুর, পৃষ্ঠা ৫২০
(খণ্ড: ১) শারহু শযূরিল যাহাব লিল জাওজরী (পৃষ্ঠা: ৪২)
حين تحول للمؤيَّديّة ثم جامع الأزهر، وقصد بالفتاوى.. 1".

شعره:

كان الجوجري ذا قريحة شعرية، يقول الشعر، وينظم القريض، وقد نظم في بعض العلوم منظومات بديعة، من ذلك منظومة له في (مبدأ نهر النيل ومنتهاه) تقع في 120 بيتا، ذكر فيها أمكنة مقاييس النهر ومن أنشأها من الخلفاء، وتطرق فيها إلى ذكر ما سوى النيل من الأنهار كنهر سيحون ونهر جيحون2.

وله مراث في شيوخه، ذكر السخاوي3 أنه كتب له مرثية لشيخه المناوي ومقطوعة في النجم بن فهد.

وله نظم مدح فيه شرحه للإرشاد، قال فيه4:

ودونك للإرشاد شرحا منقحا … خليقا بأوصاف المحاسن والمدح

تكفل بالتحرير والبحث فارتقى … وفي الكشف والإيضاح فاق على الصبح

بعين الرضا فانظره إن جاء محسنا … فقابله بالحسنى وإلاّ فبالصفح

--------------------------------------------

1 الضوء اللامع 8/124.

2 ينظر الأعلام 6/ 251.

3 ينظر الضوء اللامع 8/126.

4 الضوء اللامع 8/126.
যখন তিনি মুয়াইয়্যাদিয়্যা ও এরপর জামে আজহারে স্থানান্তরিত হলেন এবং ফতোয়া অন্বেষণকারীদের লক্ষ্যস্থলে পরিণত হলেন... ১।

তাঁর কবিতা:

জাওজারী কাব্যপ্রতিভার অধিকারী ছিলেন, তিনি কবিতা বলতেন এবং কাব্য রচনা করতেন। তিনি কতিপয় শাস্ত্রের ওপর চমৎকার কিছু পদ্য-গ্রন্থ (মানজুমাহ) রচনা করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ‘নীলনদের উৎস ও সমাপ্তি’ বিষয়ে তাঁর ১২০ চরণের একটি কাব্য, যাতে তিনি নদী পরিমাপের স্থানসমূহ এবং কোন খলিফারা তা নির্মাণ করেছেন তা উল্লেখ করেছেন। সেখানে তিনি নীলনদ ছাড়াও অন্যান্য নদী যেমন সায়হুন ও জায়হুন নদীর বর্ণনাও দিয়েছেন ২।

তাঁর উস্তাদদের স্মরণে তাঁর কিছু শোকগাথা রয়েছে। সাখাওয়ী ৩ উল্লেখ করেছেন যে, তিনি তাঁর উস্তাদ মুনাভী-র জন্য একটি শোকগাথা এবং নাজমুদ্দিন ইবনে ফাহাদের স্মরণে একটি পদ্যখণ্ড লিখেছেন।

তাঁর একটি পদ্য রয়েছে যাতে তিনি তাঁর ‘আল-ইরশাদ’-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থের প্রশংসা করেছেন। তাতে তিনি বলেন ৪:

এই নাও ইরশাদের এক পরিমার্জিত ব্যাখ্যাগ্রন্থ … যা সৌন্দর্য ও প্রশংসার গুণাবলীতে ভূষিত হওয়ার যোগ্য

এটি সূক্ষ্ম সম্পাদনা ও গবেষণার দায়ভার নিয়েছে ফলে তা অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে … আর রহস্য উন্মোচন ও বিশদ বর্ণনায় তা প্রভাতকালকেও হার মানিয়েছে

যদি এটি সুন্দর হয়ে থাকে তবে সন্তুষ্টির চোখে দেখো … তবে একে সৌজন্যের সাথে গ্রহণ করো, নতুবা ক্ষমা করো

--------------------------------------------

১ আদ-দাও আল-লামি ৮/১২৪।

২ আল-আলাম ৬/ ২৫১ দ্রষ্টব্য।

৩ আদ-দাও আল-লামি ৮/১২৬ দ্রষ্টব্য।

৪ আদ-দাও আল-লামি ৮/১২৬।