(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: -)
التكميل لما فات تخريجه من إرواء الغليل (صالح آل الشيخ)
القسم: التخريج والأطراف
الكتاب: التكميل لما فات تخريجه من إرواء الغليل
المؤلف: صالح بن عبد العزيز بن محمد بن إبراهيم آل الشيخ
الناشر: دار العاصمة للنشر والتوزيع، الرياض
الطبعة: الأولى، 1417 هـ - 1996 م
عدد الصفحات: 209
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইরওয়াউল গালিল-এর ছুটে যাওয়া তাখরিজসমূহের পরিপূরক (সালেহ আল শেখ)
বিভাগ: তাখরিজ ও আতরাফ
গ্রন্থ: ইরওয়াউল গালিল-এর ছুটে যাওয়া তাখরিজসমূহের পরিপূরক
লেখক: সালেহ বিন আব্দুল আজিজ বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আল শেখ
প্রকাশক: দারুল আসিমাহ প্রকাশনা ও বিতরণ، রিয়াদ
সংস্করণ: প্রথম، ১৪১৭ হিজরি - ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২০৯
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: -)
التَّكْمِيْل لِمَا فَاتَ تَخْرِيْجه مِنْ إِرْوَاءِ الغَلِيْل تأليفصالح بن عبد العزيز بن محمد آل الشيخ
ইরওয়াউল গালিল-এর বাদ পড়া হাদিসসমূহের তাখরিজের পরিপূরক রচনাসালিহ বিন আব্দুল আজিজ বিন মুহাম্মাদ আল আশ-শাইখ
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ৭)
بسم الله الرحمن الرحيمالحمد لله حَمْداً لا يَنْفد، أفضل ماينبغي أن يُحْمَد، وصلى الله وسلم على أفضل المصطَفَيْن محمد، وعلى آله وأصحابه ومن تَعَبَّد.أما بعدفهذا كتابٌ في التخريج وجيزٌ سميتُه: " التكميل لما فات تخريجه من إرواء الغليل ".خرجت فيه جملةً من الأحاديث والآثار التي جاءت في كتاب: " منار السبيل شرح الدليل " للشيخ الفقيه إبراهيم بن ضويان رحمه الله تعالى، مما لم يقفْ على مَخْرَجِها العلامةُ الشيخُ محمد ناصر الدين نوح نجاتي الأرنؤوط الألباني في كتابه: " إرواء الغليل".وشرطي فيه أن أخرج ما لم يخرجه الألباني بأن ذكر الحديث وجعله غفلاً من التخريج، أو قال في تخريجه: " لم أقف عليه" أو " لم أجده" ونحوهما من العبارات المفيدة أنه لم يَعْثُر على مخرج الحديث أو الأثر، وكذا ماعزاه في " منار السبيل" لأحد الأئمة ولم يخرجُه الألباني من ذلك المصدر، ونحو ذلك مما ستراه، إلا قليلاً خرج عن ذلك.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, এমন প্রশংসা যা কখনো শেষ হবে না, যা প্রশংসার দাবিদার সত্তার জন্য সর্বোত্তম প্রশংসা। সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক মনোনীত ব্যক্তিদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন, সাহাবীগণ এবং যারা একনিষ্ঠভাবে ইবাদত করে তাদের সবার ওপর।অতঃপরএটি হাদীসের উৎস নির্ণয় (তাখরিজ) বিষয়ক একটি সংক্ষিপ্ত গ্রন্থ, যার নাম আমি রেখেছি: "আত-তাকমিল লিমা ফাতা তাখরিজুহু মিন ইরওয়াউল গালীল" (ইরওয়াউল গালীল-এ যে হাদীসগুলোর তাখরিজ বাদ পড়েছে, সেগুলোর পরিপূরক)।এতে আমি এমন একগুচ্ছ হাদীস ও আছার (সাহাবী বা তাবেয়ীদের উক্তি) এর উৎস নির্ণয় করেছি যা ফকীহ শায়খ ইব্রাহিম ইবনে দুয়ায়ান (রাহিমাহুল্লাহ)-এর রচিত "মানারুস সাবীল শারহুদ দালীল" গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে, যেগুলোর উৎস সম্পর্কে আল্লামা শায়খ মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন নূহ নাজাতি আল-আরনাউত আল-আলবানী তাঁর "ইরওয়াউল গালীল" গ্রন্থে অবগত হতে পারেননি।এই গ্রন্থে আমার অনুসৃত শর্ত হলো, আমি সেই সব বর্ণনার উৎস নির্ণয় করব যা আলবানী করেননি; যেমন তিনি হাদীসটি উল্লেখ করেছেন কিন্তু তার তাখরিজ (উৎস নির্ণয়) করেননি, অথবা তাখরিজের ক্ষেত্রে বলেছেন: "আমি এটি খুঁজে পাইনি" কিংবা "আমি এটি পাইনি" এবং এ জাতীয় অন্যান্য শব্দাবলী যা দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে তিনি হাদীস বা আছারটির উৎস খুঁজে পাননি। একইভাবে, "মানারুস সাবীল"-এ যা কোনো ইমামের দিকে নিসবত করা হয়েছে কিন্তু আলবানী সেই মূল উৎস থেকে তা বের করেননি, এবং এ জাতীয় অন্যান্য বিষয় যা আপনি সামনে দেখতে পাবেন—তবে অল্প কিছু ক্ষেত্র এই নিয়মের ব্যতিক্রম হতে পারে।
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ৮)
وتركتُ فيه التطويلَ في " التراجم"، وذكرَ أقوال أهل الجرح والتعديل في الرواة، ولو نقلت الكلام عليهم لصار الكتاب أضعاف حجمه كما هو معلوم عند المشتغلين بالحديث وعلومه.ومرادي بقولي: "قال المصنف" ابن ضويان رحمه الله، وبـ "قال مخرجه" الألباني ختم الله لي وله براه، وبـ "قال مقيده " نفسي.والله أسأل أن ينفع به كما نفع بأصله. وصلى الله على سيد ولد آدم والآل والصحب أجمعين. صالح بن عبد العزيز بن محمد آل الشيخ
আর আমি এতে "জীবনী আলোচনা" দীর্ঘ করা এবং বর্ণনাকারীদের ব্যাপারে জারহ ও তাদীল (সমালোচনা ও গুণগান) শাস্ত্রের পণ্ডিতদের উক্তি উল্লেখ করা পরিহার করেছি। যদি আমি তাদের সম্পর্কে আলোচনাগুলো উদ্ধৃত করতাম, তবে হাদিস ও এর সংশ্লিষ্ট জ্ঞানচর্চায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের নিকট যেমনটি সুবিদিত, কিতাবটির কলেবর কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেত।আর আমার "মূল লেখক বলেছেন" উক্তির দ্বারা উদ্দেশ্য হলো ইবনে দুওয়ায়ান (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন), আর "তাকরীজকারী বলেছেন" দ্বারা উদ্দেশ্য হলো আলবানী (আল্লাহ তাঁর অনুগ্রহের মাধ্যমে আমার ও তাঁর শেষ পরিণাম সুন্দর করুন), এবং "টীকা প্রদানকারী বলেছেন" দ্বারা আমি নিজে।আমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন এর মাধ্যমে উপকার দান করেন, যেমনটি তিনি এর মূল কিতাবের মাধ্যমে দান করেছেন। আর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক আদম-সন্তানদের সরদার, তাঁর পরিবারবর্গ এবং সকল সাহাবীর ওপর। সালিহ বিন আব্দুল আজিজ বিন মুহাম্মদ আল আশ-শাইখ
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ৯)
قال المصنف (1/14) :" النبي صلى الله عليه وسلم اغتسل من جفنة، وتوضأ من تور من صفر، وتور من حجارة … ". قال المُخَرّجْ (1/65) :29 - " توضأ من تور من حجارة " لم أقف عليه الآن وإنما رأيت المسند (6/379) عن سليمان بن عمرو بن الأحوص الأزدي قال: حدثتني أمي أنها رأت رسول الله صلى الله عليه وسلم أتته امرأة بابن لها فقالت: يا رسول الله، إن ابني هذا ذاهب العقل فادع الله له، قال لها: ائتيني بماء، فأتته بماء في تور من حجارة فتفل فيه وغسل وجهه ثم دعا فيه، ثم قال: " اذهبي فاغسليه ".وساق الحديث، ثم قال:(قلت: وسنده فيه يزيد بن عطاء، وهو لين الحديث كما في " التقريب"، وروى ابن ماجه: رقم: 473 عن أبي هريرة " أن النبي صلى الله عليه وسلم توضأ في تور". وفيه شريك وهو ابن عبد الله القاضي ضعيف الحفظ) انتهى.قال مقَيّدُه:أقرب مما ساقه المخرج ما رواه البخاري (1/301ـ فتح) عن أنس قال: " حضرت الصلاة، فقام من كان قريب الدار إلى أهله، وبقي قوم، فأُتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بمخضب من حجارة فيه ماء، فصغر المخضب أن يبسط فيه كفه، فتوضأ القوم كلهم … ".
গ্রন্থকার (১/১৪) বলেন :"নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি বড় পাত্র থেকে গোসল করেছেন, এবং পিতলের তৈরি একটি পাত্র ও পাথরের তৈরি একটি পাত্র থেকে ওযু করেছেন … "। তখরীজকারী (১/৬৫) বলেন :২৯ - " তিনি পাথরের তৈরি একটি পাত্র থেকে ওযু করেছেন " এই শব্দে আমি বর্তমানে হাদীসটি খুঁজে পাইনি, তবে আমি আল-মুসনাদে (৬/৩৭৯) সুলাইমান ইবন আমর ইবনুল আহওয়াস আল-আযদি থেকে বর্ণিত হতে দেখেছি, তিনি বলেন: আমার মা আমাকে বলেছেন যে তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছিলেন; জনৈক মহিলা তাঁর নিকট নিজের এক পুত্রকে নিয়ে এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমার এই পুত্রটি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছে, তাই আপনি তার জন্য আল্লাহর কাছে দুআ করুন। তিনি তাকে বললেন: আমার কাছে পানি নিয়ে এসো। তখন মহিলাটি একটি পাথরের পাত্রে করে পানি নিয়ে আসলেন। তিনি তাতে থুথু দিলেন (ফুঁ দিলেন) এবং নিজের মুখমন্ডল ধৌত করলেন, এরপর তাতে দুআ করলেন এবং বললেন: "যাও, তাকে এটি দিয়ে গোসল করিয়ে দাও।"তিনি হাদীসটি বর্ণনা করলেন এবং এরপর বললেন :(আমি বলছি: এর বর্ণনাসূত্রে ইয়াযীদ ইবন আতা রয়েছেন, আর তিনি হাদীস বর্ণনায় শিথিল, যেমনটি 'আত-তাকরীব'-এ বর্ণিত হয়েছে। আর ইবন মাজাহ: ৪৭৩ নম্বর হাদীসে আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি পাত্রে ওযু করেছেন।" আর এতে শারীক রয়েছেন, যিনি হলেন কাযী ইবন আব্দুল্লাহ; তিনি স্মৃতিশক্তির দিক থেকে দুর্বল ছিলেন) সমাপ্ত।টীকাকার বলেন :তখরীজকারী যা বর্ণনা করেছেন তার চেয়ে (মূল ভাষ্যের) অধিক নিকটবর্তী হলো যা ইমাম বুখারী (১/৩০১ - ফাতহ) আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "নামাযের সময় উপস্থিত হলো, তখন যাদের বাড়ি কাছে ছিল তারা তাদের পরিবারের নিকট চলে গেল এবং একদল লোক রয়ে গেল। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট পাথরের তৈরি একটি বড় পাত্র আনা হলো যাতে পানি ছিল। পাত্রটি এতই ছোট ছিল যে তাতে হাতের তালু প্রসারিত করা যাচ্ছিল না, অথচ উপস্থিত সকল লোক তা দিয়ে ওযু সম্পন্ন করলেন … "।
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ১০)
وأما ماساقه من رواية ابن ماجه فقد رواه أبو بكر بن أبي شيبة في " مسنده " عن عائشة أن النبي صلى الله عليه وسلم توضأ في تور، هكذا في النسخة المختصرة من " المطالب العالية " وفي نسخة من المسندة " كوز"، قال الحافظ ابن حجر بعد سياقه (ص4) : " إسناده حسن".قال ابن أبي شيبة: حدثنا الفضل بن دكين، ثنا محمد بن أبي حفص العطار عن البرسي (كذا) عن عائشة به.وما في المسندة خطأ من الناسخ، فقد رواه ابن أبي شيبة في "المصنف" (1/67) ، والبزار (1/135 ـ زوائده) من طريق الفضل ثنا محمد بن أبي حفص عن السدي عن البهي عن عائشة به.فتبين بهذا أنه سقط من الإسناد السُّدّيُّ، وتحرف اسمُ البَهِيّ إلى البرسي.والبَهِيُّ هو عبد الله مولى مصعب بن الزبير، له في مسلمٍ روايةٌ عن عائشة.والسُّدِيُّ هو الكبير معروف، وقال الهيثميُّ في " مجمع الزوائد" (1/219) :(فيه محمد بن أبي حفص العطار، قال الأزدي: يتكلمون فيه) اهـ.
ইবনে মাজাহ থেকে তিনি যে বর্ণনাটি উদ্ধৃত করেছেন, তা আবু বকর ইবনে আবি শায়বা তাঁর 'মুসনাদ'-এ আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একটি তাওর (বড় পাত্র)-এ ওজু করেছিলেন। 'আল-মাতালিবুল আলিয়া'-র সংক্ষিপ্ত পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই রয়েছে এবং মুসনাদের একটি পাণ্ডুলিপিতে 'কুজ' (কুঁজা) শব্দ রয়েছে। হাফেজ ইবনে হাজার এটি উদ্ধৃত করার পর (পৃষ্ঠা ৪) বলেছেন: "এর সনদ হাসান।"ইবনে আবি শায়বা বলেন: ফজল ইবনে দুকাইন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে আবি হাফস আল-আত্তার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-বুর্সি (এভাবেই আছে) থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।আর মুসনাদের পাণ্ডুলিপিতে যা রয়েছে তা অনুলিপিকারের ভুল; কেননা ইবনে আবি শায়বা তাঁর 'আল-মুসান্নাফ' (১/৬৭) এবং আল-বাযযার (১/১৩৫ - যাওয়ায়েদ) গ্রন্থে ফজল-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, মুহাম্মদ ইবনে আবি হাফস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আস-সুদ্দী থেকে, তিনি আল-বাহী থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।এর মাধ্যমে স্পষ্ট হলো যে, সনদ থেকে আস-সুদ্দী নামটি বাদ পড়েছে এবং আল-বাহী নামটি বিকৃত হয়ে আল-বুর্সি হয়ে গেছে।আর আল-বাহী হলেন মুসআব ইবনে জুবায়েরের মুক্তদাস আব্দুল্লাহ, মুসলিম শরীফে আয়েশা (রা.) থেকে তাঁর বর্ণনা রয়েছে।আর আস-সুদ্দী হলেন আল-কাবীর, যিনি সুপরিচিত। আল-হাইসামি 'মাজমাউয যাওয়ায়েদ' (১/২১৯) গ্রন্থে বলেছেন:(এতে মুহাম্মদ ইবনে আবি হাফস আল-আত্তার রয়েছেন, আল-আযদি বলেছেন: তাঁকে নিয়ে তারা সমালোচনা করেছেন) সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ১১)
قال المصنف (1/14ـ15) :" توضأ من مزادة مشركة" يعني النبي صلى الله عليه وسلم قال المُخَرّجُ (1/72) :36 - (لم أجده، والمؤلف تبع فيه مجد الدين بن تيمية فإنه قال في "المنتقى": " وقد صح عن النبي صلى الله عليه وسلم الوضوء من مزادة مشركة".ومر عليه الشوكاني في " نيل الأوطار" (1/70) فلم يخرجه ولم يتكلم عليه من حيث ثبوته بشيء! وأنا أظن أن المجد يعني به حديث عمران بن حصين الطويل، في نوم الصحابة عن صلاة الفجر، لكن ليس فيه أن النبي صلى الله عليه وسلم توضأ من المزادة) اهـ. قال مُقَيّدُه:قال الحافظ ابن عبد الهادي في " المحرر" (ص7) :(وعن عمران بن حصين رضي الله عنهما " أن النبي صلى الله عليه وسلم وأصحابه توضأوا من مزادة امرأة مشركة" متفق عليه، وهو مختصر من حديث طويل) اهـ، ووافقه عليه الحافظ ابن حجر في " بلوغ المرام") حديث 25) .ففي قول الحافظ ابن عبد الهادي ببيان لما ظهر للمخرج، وجزمه بأن النبي صلى الله عليه وسلم توضأ قد يكون أخذه من بعض الطرق، أو من المعنى فإن سياق القصة يقتضيه، وهو الظاهر كما قال النووي في " المجموع " (1/263) .
গ্রন্থকার (১/১৪-১৫) বলেন:"তিনি জনৈক মুশরিক মহিলার পানির মশক থেকে ওযু করেছেন" অর্থাৎ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহকীককারী (১/৭২) বলেন:৩৬ - (আমি এটি খুঁজে পাইনি; লেখক এখানে মাজদুদ্দীন ইবন তাইমিয়াকে অনুসরণ করেছেন, কেননা তিনি 'আল-মুনতাকা' গ্রন্থে বলেছেন: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে জনৈক মুশরিক মহিলার পানির মশক থেকে ওযু করা সহীহভাবে প্রমাণিত হয়েছে।"আর শাওকানী 'নাইলুল আওতার' (১/৭০) গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন, কিন্তু এর উৎস বর্ণনা করেননি এবং এর বিশুদ্ধতা সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেননি! আমার ধারণা, আল-মাজদ এর দ্বারা ইমরান ইবন হুসাইন বর্ণিত দীর্ঘ হাদীসটি বুঝিয়েছেন, যা সাহাবীদের ফজরের সালাত থেকে ঘুমিয়ে পড়ার বিষয়ে বর্ণিত; কিন্তু তাতে এটি নেই যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই মশক থেকে ওযু করেছিলেন।) সমাপ্ত। টীকাকার বলেন:হাফিয ইবন আব্দুল হাদী 'আল-মুহাররার' (পৃ. ৭) গ্রন্থে বলেন:(ইমরান ইবন হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত যে, "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর সাহাবীগণ জনৈক মুশরিক মহিলার মশক থেকে ওযু করেছিলেন।" এটি মুত্তাফাকুন আলাইহি এবং এটি একটি দীর্ঘ হাদীসের সংক্ষিপ্ত অংশ।) সমাপ্ত। হাফিয ইবন হাজার 'বুলুগুল মারাম' (হাদীস ২৫) গ্রন্থে তাঁর সাথে একমত পোষণ করেছেন।হাফিয ইবন আব্দুল হাদীর বক্তব্যে তাহকীককারীর কাছে যা প্রকাশ পেয়েছে তার ব্যাখ্যা রয়েছে। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওযু করেছেন বলে তাঁর দৃঢ় অভিমত সম্ভবত তিনি কোনো বর্ণনাসূত্র থেকে গ্রহণ করেছেন অথবা এর মর্মার্থ থেকে নিয়েছেন; কেননা ঘটনার প্রেক্ষাপট এটিই দাবি করে। আর ইমাম নববী 'আল-মাজমু' (১/২৬৩) গ্রন্থে যেমনটি বলেছেন, এটিই সুস্পষ্ট।
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ১২)
قال المصنف (1/15) :" توضأ عمر رضي الله عنه من جرة نصرانية " اهـ. قال مُقَيّدُه:سكت عنه المخرج، ولم يخرجه.وقد أخرجه الشافعي في " الأم " ك (1/7 ـ ط. بولاق) ، ومن طريقه ابن المنذر في " الأوسط ": (1/314) ، والبيهقي في " معرفة السنن والآثار " (1/252) ، وفي " السنن الكبرى ": (1/32) ، قال الشافعي: " أخبرنا سفيان بن عيينة عن زيد بن أسلم عن أبيه أن عمر بن الخطاب توضأ من ماء نصرانية في جرة نصرانية ". وإسناده صحيح على شرطهما في الظاهر. فقد خرج البخاري بهذا الإسناد في " الجهاد" (6/123) ، ومسلم في " الهبات " (3/1239) ط. عبد الباقي.لكن قال الحافظ في " فتح الباري " (1/299) : " لم يسمعه ابن عيينة من زيد بن أسلم، فقد رواه البيهقي من طريق سعدان بن نصر عنه قال: حَدَّثونا عن زيد بن أسلم [ولم أسمعه منه] فذكره مطولاً. ورواه الإسماعيلي من وجه آخر عنه بإثبات الواسطة، فقال: عن ابن زيد بن أسلم عن أبيه به. وأولاد زيد هم: عبد الله وأسامة، وعبد الرحمن، وأوثقهم وأكبرهم عبد الله وأظنه هو الذي سمع ابن عيينة منه ذلك " اهـ.فعلى هذا هو صحيح الإسناد، ولذا جزم البخاري بأصله معلقاً (1/298) .
গ্রন্থকার (১/১৫) বলেছেন:" উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) এক খ্রিষ্টান মহিলার মাটির পাত্র থেকে উজু করেছিলেন " সমাপ্ত। এর ব্যাখ্যাকারী বলেছেন:হাদিসের উৎস বর্ণনাকারী এ সম্পর্কে নীরব থেকেছেন এবং এটি বর্ণনা করেননি।অথচ ইমাম শাফেঈ এটি 'আল-উম্ম' গ্রন্থে (১/৭ - বুলাক সংস্করণ) বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর সূত্রে ইবনুল মুনযির 'আল-আওসাত' (১/৩১৪) গ্রন্থে, এবং বায়হাকী 'মা'রিফাতুস সুনানি ওয়াল আসার' (১/২৫২) ও 'আস-সুনানুল কুবরা' (১/৩২) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। ইমাম শাফেঈ বলেছেন: "সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যায়দ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, উমর ইবনুল খাত্তাব এক খ্রিষ্টান মহিলার মাটির পাত্রের পানি দিয়ে উজু করেছিলেন।" বাহ্যিকভাবে এর সনদ (সূত্র) বুখারী ও মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ। ইমাম বুখারী এই সনদে 'জিহাদ' অধ্যায়ে (৬/১২৩) এবং ইমাম মুসলিম 'হেবা' (উপহার) অধ্যায়ে (৩/১২৩৯ - আব্দুল বাকী সংস্করণ) হাদিস বর্ণনা করেছেন।তবে হাফেয (ইবনে হাজার) 'ফাতহুল বারী' (১/২৯৯) গ্রন্থে বলেছেন: "ইবনে উইয়াইনা এটি যায়দ ইবনে আসলামের থেকে সরাসরি শোনেননি। বায়হাকী সা'দান ইবনে নাসরের মাধ্যমে তাঁর (ইবনে উইয়াইনা) সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: 'লোকেরা যায়দ ইবনে আসলাম থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন [আমি তাঁর নিকট থেকে শুনিনি]', এরপর তিনি দীর্ঘ বর্ণনাটি উল্লেখ করেছেন। ইমাম ইসমাঈলী অন্যভাবে তাঁর (ইবনে উইয়াইনা) থেকে মধ্যস্থতাকারীর উল্লেখসহ এটি বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেছেন: যায়দ ইবনে আসলামের ছেলের মাধ্যমে তাঁর পিতা থেকে...। আর যায়দের ছেলেরা হলেন: আব্দুল্লাহ, উসামা এবং আব্দুর রহমান। তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য এবং বড় হলেন আব্দুল্লাহ। আমার ধারণা, ইবনে উইয়াইনা তাঁর কাছ থেকেই এটি শুনেছেন।" সমাপ্ত।সুতরাং এই ভিত্তিতে এর সনদ সহীহ। এই কারণেই ইমাম বুখারী এর মূল কথাটিকে 'মুআল্লাক' বা ঝুলন্ত সনদ হিসেবে (১/২৯৮) দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ১৩)
قال المصنف (1/19) : " رُوي أن سعد بن عبادة بال في جحر بالشام ثم استلقى ميتاً " اهـ قال المُخَرِجُ (1/94ـ95) :56 - (لا يصح على أنه مشهور عند المؤرخين، حتى قال ابن عبد البر في " الاستيعاب" (2/37) : " ولم يختلفوا أنه وجد ميتاً في مغتسله قد اخضر جسده " ولكني لم أجد له إسناداً صحيحاً على طريقة المحدثين، فقد أخرجه ابن عساكر (ج7/63/2) عن ابن سيرين مرسلاً، ورجاله ثقات، وعن محمد بن عائذ، ثنا عبد الأعلى به، وهذا مع إعضاله فعبد الأعلى لم أعرفه) اهـ. قال مُقيّدُه:روى القصة عبد الرزاق في " المصنف ": (3/597) ، ومن طريقه الطبراني في " الكبير ": (6/19) ، والحاكم في " المستدرك ": (3/253) عن معمر عن قتادة قال: قام سعد بن عبادة يبول، ثم رجع فقال: إني لأجد في ظهري شيئاً، فلم يلبث أن مات، فناحته الجن فقالوا: قتلنا سيد الخزرج سعد بن عبادة بسهمين فلم نخطئ فؤاده.وروى ابن سعد: (3/617) ، و (7/319) مثله عن ابن أبي عروبة عن ابن سيرين، ورواه الحارث في "مسنده" كما في " المطالب العالية ": ص7، ورواه الطبراني: (6/19) والحاكم: (3/253) عن ابن عون عن ابن سيرين، ورواه الأصمعي حدثنا سلمة بن بلال عن أبي رجاء بنحوه.
গ্রন্থকার (১/১৯) বলেছেন: " বর্ণিত আছে যে, সা'দ ইবন উবাদাহ সিরিয়ার একটি গর্তে প্রস্রাব করেছিলেন, অতঃপর তাকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। " সমাপ্ত। তাহকীককারী (১/৯৪-৯৫) বলেছেন:৫৬ - (এটি বিশুদ্ধ নয় যদিও এটি ঐতিহাসিকদের নিকট প্রসিদ্ধ, এমনকি ইবন আবদিল বার "আল-ইস্তিয়াব" (২/৩৭) গ্রন্থে বলেছেন: "তারা এই বিষয়ে কোনো দ্বিমত করেননি যে তাকে তার গোসলের স্থানে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল এবং তার দেহ সবুজ হয়ে গিয়েছিল।" কিন্তু মুহাদ্দিসগণের পদ্ধতি অনুযায়ী আমি এর কোনো সহীহ সনদ পাইনি। ইবন আসাকির (খণ্ড ৭/৬৩/২) এটি ইবন সিরীন থেকে মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। আর মুহাম্মদ ইবন আইয থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আবদিল আলা এটি বর্ণনা করেছেন। এই বর্ণনাটি মু'দাল (সনদে দুই বা ততোধিক বর্ণনাকারী বাদ পড়া) হওয়ার পাশাপাশি আবদিল আলা-কে আমি চিনি না।) সমাপ্ত। সংকলক বলেছেন:আবদুর রাজ্জাক তার "আল-মুসান্নাফ" (৩/৫৯৭) গ্রন্থে এই কাহিনী বর্ণনা করেছেন, এবং তার সূত্র ধরে তাবারানি "আল-কাবীর" (৬/১৯) গ্রন্থে এবং হাকেম "আল-মুস্তাদরাক" (৩/২৫৩) গ্রন্থে মা'মার থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: সা'দ ইবন উবাদাহ প্রস্রাব করতে দাঁড়ালেন, তারপর ফিরে এসে বললেন: আমি আমার পিঠে কিছু একটা অনুভব করছি। এর কিছুক্ষণ পরই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তখন জিনরা তার জন্য বিলাপ করে বলল: আমরা খাযরাজ গোত্রের নেতা সা'দ ইবন উবাদাহকে দুটি তীরের মাধ্যমে হত্যা করেছি এবং আমরা তার হৃৎপিণ্ড লক্ষ্যভ্রষ্ট হইনি।ইবন সাদ (৩/৬১৭) এবং (৭/৩১৯) ইবন আবি আরুবা থেকে, তিনি ইবন সিরীন থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। হারেস তার "মুসনাদ"-এ এটি বর্ণনা করেছেন যেমনটি "আল-মাতালিবুল আলিয়া" (পৃষ্ঠা ৭)-তে রয়েছে। তাবারানি (৬/১৯) এবং হাকেম (৩/২৫৩) ইবন আউন থেকে, তিনি ইবন সিরীন থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। আসমায়ী এটি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সালামাহ ইবন বিলাল আমাদের নিকট আবু রাজা থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ১৪)
ذكره الذهبي في " السير": (1/278) .وروى ابن سعد عن الواقدي مايقرب من اللفظ المذكور في الكتاب.وهذه المراسيل إذا اجتمعت قوت القصة، وحكم لها بالحسن.وأما عبد الأعلى الذي لم يعرفه المخرج فهو أبو مسهر الدمشقي ثقة مشهور.
আয-যাহাবি এটি "আস-সিয়ার" গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন: (১/২৭৮)।এবং ইবনে সাদ আল-ওয়াকিদি থেকে কিতাবে উল্লেখিত শব্দের কাছাকাছি শব্দে বর্ণনা করেছেন।আর এই মুরসাল বর্ণনাগুলো যখন একত্রিত হয় তখন তা ঘটনাটিকে শক্তিশালী করে এবং একে হাসান হিসেবে গণ্য করা হয়।আর আব্দুল আ'লা—যাকে তাখরীজকারী চিনতে পারেননি—তিনি হলেন আবু মুশহির আদ-দিমাশকি, যিনি একজন প্রসিদ্ধ নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী।
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ১৫)
قال المصنف (1/34) :(وفي حديث أبي أيوب وأم حبيبة: " من مس فرجه فليتوضأ " قال أحمد: " حديث أم حبيبة صحيح ") اهـ. قال مُخرّجُه (1/151) :117 -.. (أما رواية أم حبيبة: فأخرجها ابن ماجه: (رقم 481) ، والطحاوي: (1/45) ، والبيهقي (1/130) .وأما حديث أبي أيوب: فلم أقف على غسناده، وقد خرج الحافظ في " التلخيص " هذا الحديث عن جماعة من الصحابة وليس فيهم أبو أيوب..) انتهى. قال مُقَيّدُه:حديث أبي أيوب: رواه ابن ماجه: (رقم 482) بعد حديث أم حبيبة السابق الذي خرجه الشيخ.وإسناده ضعيف فيه سفيان بن وكيع، وإسحاق بن أبي فروة، لكن المتن صحيح لطرقه الكثيرة، ولذا أورده المخرج في " صحيح ابن ماجه " (1/79) .
গ্রন্থকার (১/৩৪) বলেছেন:(এবং আবু আইয়ুব ও উম্মে হাবিবার হাদীসে রয়েছে: " যে ব্যক্তি তার লজ্জাস্থান স্পর্শ করে, সে যেন ওযু করে " আহমাদ বলেছেন: "উম্মে হাবিবার হাদীসটি সহীহ") সমাপ্ত। এর উদ্ধৃতি প্রদানকারী (১/১৫১) বলেছেন:১১৭ -.. (উম্মে হাবিবার বর্ণনার ক্ষেত্রে: এটি ইবনে মাজাহ: (নম্বর ৪৮১), ত্বহাবী: (১/৪৫), এবং বায়হাকী (১/১৩০) বর্ণনা করেছেন।আর আবু আইয়ুবের হাদীসের ক্ষেত্রে: আমি এর সনদের সন্ধান পাইনি, এবং হাফেজ (ইবনে হাজার) 'আত-তালখিস' গ্রন্থে একদল সাহাবী থেকে এই হাদীসটি উদ্ধৃত করেছেন যাদের মধ্যে আবু আইয়ুব নেই..) সমাপ্ত। এর টীকাকার বলেছেন:আবু আইয়ুবের হাদীস: এটি ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন: (নম্বর ৪৮২) শায়খ কর্তৃক ইতিপূর্বে উদ্ধৃত উম্মে হাবিবার হাদীসের পরে।এবং এর সনদ যয়ীফ (দুর্বল), এতে সুফিয়ান বিন ওয়াকী' এবং ইসহাক বিন আবি ফারওয়াহ রয়েছেন, কিন্তু এর বহু সূত্রের কারণে মূল পাঠটি সহীহ, আর একারণেই উদ্ধৃতি প্রদানকারী একে 'সহীহ ইবনে মাজাহ' (১/৭৯) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ১৬)
قال المصنف (1/101) :(لقول ابن عباس: " من نفخ في صلاته فقد تكلم " رواه سعيد، وعن أبي هريرة نحوه، وقال ابن المنذر: " لا يثبت عنهما ") اهـ. قال مُخَرّجُه (2/123) :395 - (موقوف، ولم أقف على سنده) اهـ. قال مُقَيّدُه:أما أثر ابن عباس: فرواه عبد الرزاق في " المصنف": (2/189) عن الثوري عن منصور عمن سمع ابن عباس يقول: " من نفخ في الصلاة فقد تكلم " وفي إسناده جهالة، لكنه صح بما روى عبد الرزاق وابن أبي شيبة في " المصنف" (2/264) عن أبي الضحى مسلم بن صبيح عن ابن عباس قال: " النفخ في الصلاة كلام ".وأما أثر أبي هريرة: فرواه عبد الرزاق في " المصنف" (2/189) ، عن قيس بن الربيع عن أبي حصين عن أبي صالح عن أبي هريرة قال: " النفخ في الصلاة كلام".وقيس بن الربيع أثنى عليه جماعة بالحفظ، منهم: شعبة وسفيان، وضعفه طائفة: كابن معين، وأحمد. وقال ابن عدي: عامة رواياته مستقيمة.
গ্রন্থকার (১/১০১) বলেন:(ইবনে আব্বাসের উক্তির কারণে: " যে ব্যক্তি তার সালাতে ফুঁ দিল সে কথা বলল " এটি সাঈদ বর্ণনা করেছেন, এবং আবু হুরায়রা থেকে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে, এবং ইবনুল মুনযির বলেছেন: "তাঁদের কারোর থেকেই এটি সাব্যস্ত নয়") সমাপ্ত। এর মুহাক্কিক (২/১২৩) বলেন:৩৯৫ - (এটি মাওকুফ, এবং আমি এর সনদের সন্ধান পাইনি) সমাপ্ত। এর টীকাকার বলেন:ইবনে আব্বাসের আসার (বর্ণনা) সম্পর্কে: আব্দুর রাজ্জাক এটি "আল-মুসান্নাফ" (২/১৮৯) গ্রন্থে সাওরি থেকে, তিনি মানসুর থেকে এবং তিনি এমন এক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেছেন যিনি ইবনে আব্বাসকে বলতে শুনেছেন: "সালাতে যে ফুঁ দিল সে কথা বলল।" এর সনদে একজন অজ্ঞাত বর্ণনাকারী রয়েছে, তবে এটি সেই বর্ণনার মাধ্যমে বিশুদ্ধ প্রমাণিত যা আব্দুর রাজ্জাক এবং ইবনে আবি শাইবা তাঁদের "আল-মুসান্নাফ" (২/২৬৪) গ্রন্থে আবু দুহা মুসলিম ইবনে সাবিহ-এর সূত্রে ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: "সালাতে ফুঁ দেওয়া কথা বলারই অন্তর্ভুক্ত।"আর আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত আসার সম্পর্কে: আব্দুর রাজ্জাক এটি "আল-মুসান্নাফ" (২/১৮৯) গ্রন্থে কাইস ইবনে রাবি থেকে, তিনি আবু হাসিন থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: "সালাতে ফুঁ দেওয়া কথা বলা।"কাইস ইবনে রাবি সম্পর্কে একদল আলেম তাঁর মুখস্থ শক্তির প্রশংসা করেছেন, যাঁদের মধ্যে রয়েছেন: শু'বাহ এবং সুফিয়ান। আবার একদল তাঁকে দুর্বল বলেছেন: যেমন ইবনে মাঈন এবং আহমাদ। ইবনে আদি বলেন: তাঁর অধিকাংশ বর্ণনা সঠিক।
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ১৭)
قال المصنف (1/107) :(روى الأثرم عن ابن مسعود أنه كان يقنت في الوتر، وكان إذا فرغ من القراءة كبر، ورفع يديه، ثم قنت) اهـ. قال مُخَرِّجُه (2/169 ـ 170) :427 - (لم أقف على سنده عند الأثرم، لأنني لم أقف على كتابه، وإنما وجدت قطعة منه في الطهارة في مجموع محفوظ في المكتبة الظاهرية بدمشق، وغالب الظن أنه لا يصح، فقد أخرجه ابن أبي شيبة: (2/58/1) ، والطبراني (3/34/1) ، والبيهقي: 03/41) من طريق ليث عن عبد الرحمن بن الأسود عن أبيه عن عبد الله أنه كان يرفع يديه في قنوت الوتر.وليث هو ابن أبي سليم، وهو ضعيف لاختلاطه.والمؤلف ساقه للاستدلال به على القنوت قبل الركوع، وهو بهذا الدر صحيح) اهـ. قال مُقَيّدُه:الأظهر أن المؤلف ساقه للاستدلال به على التكبير ورفع اليدين قبل القنوت إذا قنت قبل الركوع، ولذا فأمثل مما ساقه المخرج مارواه ابن أبي شيبة (2/307) :ثنا عبد السلام بن حرب عن ليث عن عبد الرحمن بن الأسود عن أبيه أن عبد الله بن مسعود كان إذا فرغ من القراءة كبر ثم قنت.
গ্রন্থকার (১/১০৭) বলেছেন:(আল-আছরাম ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বিতর নামাজে কুনূত পাঠ করতেন এবং যখন তিলাওয়াত শেষ করতেন তখন তাকবির দিতেন, তাঁর দুই হাত উঠাতেন, অতঃপর কুনূত পাঠ করতেন) সমাপ্ত। এর পর্যালোচনাকারী (২/১৬৯-১৭০) বলেছেন:৪২৭ - (আমি আল-আছরামের নিকট এর সনদ সম্পর্কে অবগত হতে পারিনি, কারণ আমি তাঁর কিতাবটি পাইনি। তবে আমি দামেস্কের মাকতাবাতুজ জাহিরিয়াহ-তে সংরক্ষিত একটি সংকলনের মধ্যে পবিত্রতা (তাহারাত) অধ্যায়ের একটি অংশ পেয়েছি। প্রবল ধারণা এই যে, এটি সহিহ নয়। ইবনে আবি শায়বাহ (২/৫৮/১), তাবারানি (৩/৩৪/১) এবং বায়হাকি (৩/৪১) লাইছ-এর সূত্রে আবদুর রহমান ইবনে আসওয়াদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বিতরের কুনূতে তাঁর দুই হাত উঠাতেন।আর লাইছ হলেন ইবনে আবি সুলাইম, এবং তিনি স্মৃতিবিভ্রমের কারণে দুর্বল।আর গ্রন্থকার এটি রুকু’র আগে কুনূত পাঠের দলীল হিসেবে পেশ করেছেন এবং এই পর্যায়ে এটি সহিহ) সমাপ্ত। এর টীকাকার বলেছেন:অধিকতর স্পষ্ট বিষয় হলো যে, গ্রন্থকার এটি রুকু’র আগে কুনূত পাঠের ক্ষেত্রে কুনূতের পূর্বে তাকবির বলা এবং হাত উঠানোর দলীল হিসেবে পেশ করেছেন। তাই পর্যালোচনাকারী যা পেশ করেছেন তার চেয়ে ইবনে আবি শায়বাহ (২/৩০৭) যা বর্ণনা করেছেন তা অধিকতর উপযুক্ত:আমাদের নিকট আবদুস সালাম ইবনে হারব বর্ণনা করেছেন লাইছ থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আসওয়াদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে যে, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ যখন তিলাওয়াত শেষ করতেন তখন তাকবির দিতেন, অতঃপর কুনূত পাঠ করতেন।
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ১৮)
وروى البخاري في " جزء رفع اليدين": (ص173، ط. بديع الدين شاه) قال: حدثنا عبد الرحيم المحاذي ثنا زائدة عن ليث عن عبد الرحمن بن الأسود عن أبيه عن عبد الله أنه كان يقرأ في آخر ركعة من الوتر: (قل هو الله أ؛ د) ثم يرفع يديه، فيقنت قبل الركعة.وروى البيهقي في " الكبرى " (3/41) من طريق شريك عن الليث نحوه.ورواه ابن نصر في " قيام الليل " (ص123) " مختصره".ومن طريق عبد السلام به رواه الطبراني في " المعجم الكبير ": (9/278) .وطرقه كلها فيها ليث وهو ابن أبي سليم وهو ضعيف عند أكثر المحدثين، وفي بعض الطرق علل أخرى.وقد رُوي التكبير عن علي والبراء رضي الله عنهما عند عبد الرزاق في " المصنف ": (3/109) وعن عمر عنده: (3/115) .وقد أخرجه آخرون وليس وليس هذا محله بسطه.
এবং বুখারি "জুযউ রাফইল ইয়াদাইন"-এ (পৃষ্ঠা ১৭৩, তাবা: বাদিউদ্দীন শাহ) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আব্দুর রহিম আল-মুহাযি বর্ণনা করেছেন, তিনি যায়িদাহ থেকে, তিনি লাইস থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনুল আসওয়াদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বিতরের শেষ রাকাআতে পাঠ করতেন: (ক্বুল হুওয়াল্লাহু আহাদ), এরপর তিনি তাঁর দুই হাত তুলতেন এবং রুকুর পূর্বে কুনুত পড়তেন।আর বায়হাকি "আল-কুবরা" গ্রন্থে (৩/৪১) শারিকের সূত্রে লাইস থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।আর ইবনে নাসর এটি "কিয়ামুল লাইল" (পৃষ্ঠা ১২৩) "মুখতাসার"-এ বর্ণনা করেছেন।আর আব্দুস সালামের সূত্রে তাবারানি এটি "আল-মুজামুল কাবীর"-এ (৯/২৭৮) বর্ণনা করেছেন।এর সকল সনদেই লাইস রয়েছেন, আর তিনি হলেন ইবনে আবি সুলাইম, যিনি অধিকাংশ মুহাদ্দিসের নিকট দুর্বল; এছাড়া কিছু সনদে অন্যান্য ত্রুটিও রয়েছে।আর আব্দুর রাজ্জাকের "আল-মুসান্নাফ"-এ (৩/১০৯) আলি এবং বারা রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে তাকবিরের কথা বর্ণিত হয়েছে এবং তাঁর নিকট (৩/১১৫) ওমর (রা.) থেকেও বর্ণিত হয়েছে।আর অন্যান্যরাও এটি উদ্ধৃত করেছেন, তবে এটি তার বিস্তারিত আলোচনার স্থান নয়।
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ১৯)
قال المصنف (1/113) :(وصلاها ستاً كما في حديث جابر بن عبد الله، رواه البخاري في " تاريخه".) اهـ. قال مُخَرّجُهُ (2/216) :463 - (صحيح، لم أتمكن من استخراجه من التاريخ … وقد أخرجه الطبراني في " المعجم الأوسط ": (1/59/1 ـ من الجمع بينه وبين الصغير) بسندين عن محمد بن قيس عن جابر بن عبد الله قال: " أتيت النبي صلى الله عليه وسلم أعرض عليه بعيراً لي، فرأيته صلى الضحى ست ركعات "، وإسناده محتمل للتحسين، فإن محمد بن قيس هذا أورده ابن أبي حاتم في " الجرح والتعديل": (4/1/64) وقال: " روى عنه حميد الطويل، وحماد بن سلمة "، ولم يذكر فيه جرحاً ولا تعديلاً، وقد ذكره ابن حبان في " الثقات " كما قال الهيثمي في " المجمع ": (2/238) ، ولم أجده في نسخة الظاهرية من الثقات، والله أعلم) اهـ. قال مُقَيّدُه:الحديث رواه البخاري في " تاريخه ": (1/1/212) في ترجمة محمد بن قيس عن جابر به.ومحمد بن قيس هو المدني قاص عمر بن عبد العزيز، من رجال التهذيب، وكلام المخرج في ترجمته لا يخفى مافيه، ولهذا ظن أنه لم يعدله إلا ابن حبان، وقد نقل في " التهذيب " توثيقه عن أبي داود ويعقوب
গ্রন্থকার (১/১১৩) বলেছেন:(এবং তিনি তা ছয় রাকাত আদায় করেছেন যেমনটি জাবির বিন আব্দুল্লাহর হাদীসে এসেছে, যা বুখারী তাঁর "তারীখ"-এ বর্ণনা করেছেন।) সমাপ্ত। এর পর্যালোচনাকারী (২/২১৬) বলেছেন:৪৬৩ - (সহীহ, আমি "তারীখ" থেকে এটি বের করতে সক্ষম হইনি … এবং তাবারানী এটি তাঁর "আল-মু'জামুল আওসাত"-এ (১/৫৯/১ — আস-সাগীরের সাথে সমন্বিত সংস্করণ থেকে) দুই সূত্রে মুহাম্মাদ বিন কায়স থেকে, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আমার একটি উট দেখানোর জন্য আসলাম, তখন তাঁকে চাশতের সালাত ছয় রাকাত আদায় করতে দেখলাম", এবং এর সানাদ হাসান হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। কেননা এই মুহাম্মাদ বিন কায়সকে ইবনে আবি হাতিম তাঁর "আল-জারহ ওয়াত-তা'দীল" (৪/১/৬৪) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: "তাঁর থেকে হুমাইদ আত-তাবীল এবং হাম্মাদ বিন সালামাহ বর্ণনা করেছেন", তবে তিনি এতে তাঁর কোনো সমালোচনা (জারহ) বা গুণগান (তা'দীল) উল্লেখ করেননি। ইবনে হিব্বান তাঁকে তাঁর "আত-সিকাত" গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, যেমনটি হাইসামি "আল-মাজমা" (২/২৩৮)-এ বলেছেন, তবে আমি জাহিরিয়া পাণ্ডুলিপির "আত-সিকাত"-এ তাঁকে পাইনি, আল্লাহই সর্বজ্ঞ) সমাপ্ত। এর টীকাকার বলেছেন:হাদীসটি বুখারী তাঁর "তারীখ" (১/১/২১২)-এ জাবির থেকে মুহাম্মাদ বিন কায়স-এর জীবনীর অধীনে বর্ণনা করেছেন।এবং মুহাম্মাদ বিন কায়স হলেন মাদানী, উমর বিন আব্দুল আযীয-এর কাহিনীকার, তিনি "তাহযীব"-এর বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত। তাঁর জীবনী বিষয়ে পর্যালোচনাকারীর বক্তব্যে যা রয়েছে তা অস্পষ্ট নয়; এই কারণেই তিনি ধারণা করেছেন যে, ইবনে হিব্বান ছাড়া আর কেউ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেননি। অথচ "তাহযীব"-এ আবু দাউদ এবং ইয়াকূব থেকে তাঁর বিশ্বস্ততার কথা উদ্ধৃত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ২০)
ابن سفيان وغيرهما، وقال في أول ترجمته: " روى عن أبي هريرة وجابر يقال: مرسل " اهـ.وقال ابن أبي حاتم في " الجرح والتعديل ": (4/1/63) :" عن جابر: مرسل " اهـ.وهو غير م حمد بن قيس الذي ذكر المخرج ترجمته عن الجرح والتعديل، فإن ذاك بصري، وذكره في " التهذيب" للتمييز.والبخاري وصفه بأنه قاص عمر بن عبد العزيز، وهو الذي ساق الخبر في ترجمته، فليس هو الذي ترجم له المخرج بيقين، مع أن محمداً البصري نقل في " التهذيب" توثيقه عن ابن المديني ونعته بأنه مكي. والله أعلم.والمقصود أن قول المخرج: (إسناده محتمل للتحسين) مبني على خفاء أمر محمد بن قيس، ومحمد ثقة كما قدمت، فتبقى علة الإرسال.وبالله التوفيق.
ইবনে সুফিয়ান ও অন্যান্যরা এবং তিনি তার জীবনীর শুরুতে বলেছেন: "আবু হুরায়রা ও জাবির থেকে বর্ণনা করেছেন, বলা হয়: মুরসাল।" সমাপ্ত।আর ইবনে আবি হাতিম 'আল-জারহ ওয়াত-তাদিল'-এ (৪/১/৬৩) বলেছেন:"জাবির থেকে: মুরসাল।" সমাপ্ত।তিনি সেই মুহাম্মদ ইবন কায়স নন যার জীবনী সংকলক 'আল-জারহ ওয়াত-তাদিল' থেকে উল্লেখ করেছেন, কারণ তিনি বসরী ছিলেন এবং পার্থক্যের জন্য 'আত-তাহজিব'-এ তার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।ইমাম বুখারী তাকে উমর ইবন আব্দুল আজিজের গল্পকথক হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং তিনিই তার জীবনীতে এই খবরটি এনেছেন। সুতরাং নিশ্চিতভাবেই সংকলক যার জীবনী লিখেছেন তিনি সেই ব্যক্তি নন, যদিও 'আত-তাহজিব'-এ মুহাম্মদ আল-বসরীর ব্যাপারে ইবনুল মাদিনী থেকে তার নির্ভরযোগ্যতা বর্ণিত হয়েছে এবং তাকে মক্কী হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। আর আল্লাহই ভালো জানেন।উদ্দেশ্য হলো, সংকলকের কথা: (এর সনদটি হাসান হওয়ার সম্ভাবনা রাখে) মুহাম্মদ ইবন কায়সের অবস্থা অস্পষ্ট থাকার ওপর ভিত্তি করে বলা হয়েছে; অথচ মুহাম্মদ হলেন নির্ভরযোগ্য যেমনটি আমি আগে উল্লেখ করেছি, তাই মুরসাল হওয়ার ত্রুটিটি থেকেই যাচ্ছে।আর আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করছি।
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ২১)
قال المصنف (1/120) :(كان عمر يضرب على الصلاة بعد الإقامة) . قال مُخَرِجُه (2/267) :498 - (لم أقف عليه بهذا اللفظ، وقد روى ابن أبي شيبة (1/195/1) عن ابن أبي فروة عن أبي فروة عن أبي بكر بن المنكدر عن سعيد بن المسيب: "أن عمر رأى رجلاً يصلي ركعتين والمؤذن يقيم فانتهره، وقال: لا صلاة والمؤذن يقيم إلا الصلاة التي تقام لها ".وهذا سند ضعيف جداً، لأن ابن أبي فروة واسمه إسحاق بن عبد الله متروك) اهـ كلامه. قال مُقَيّدُه:أثر عمر رواه عبد الرزاق في "مصنفه": (2/436) ومن طريقه ابن حزم في " المحلى ": (3/110، ط. منيرية) عن الثوري عن جابر عن الحسن بن مسافر عن سويد بن غفلة قال: " كان عمر بن الخطاب يضرب على الصلاة بعد الإقامة ".والحسن هذا ينظر من هو؟ فإني لم أعرفه الآن.
মূল লেখক বলেছেন (১/১২০) :(উমর ইকামত দেওয়ার পর সালাত পড়ার কারণে প্রহার করতেন) . এর তাহকীককারী বলেছেন (২/২৬৭) :৪৯৮ - (আমি এই শব্দে এটি খুঁজে পাইনি। তবে ইবনে আবি শায়বা (১/১৯৫/১) ইবনে আবি ফারওয়া থেকে, তিনি আবু ফারওয়া থেকে, তিনি আবু বকর বিন আল-মুনকাদির থেকে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়্যিব থেকে বর্ণনা করেছেন: "উমর এক ব্যক্তিকে দুই রাকাত সালাত পড়তে দেখলেন অথচ মুয়াজ্জিন ইকামত দিচ্ছিলেন, তখন তিনি তাকে ধমক দিলেন এবং বললেন: মুয়াজ্জিন যখন ইকামত দেন তখন যে সালাতের জন্য ইকামত দেওয়া হচ্ছে সেটি ছাড়া অন্য কোনো সালাত নেই")।এবং এটি অত্যন্ত দুর্বল সনদ, কারণ ইবনে আবি ফারওয়া — যার নাম ইসহাক বিন আব্দুল্লাহ — তিনি পরিত্যক্ত (মাতরুক)) — তাঁর বক্তব্য সমাপ্ত। এর টীকা লেখক বলেছেন:উমরের এই আছারটি (বর্ণনাটি) আবদুর রাজ্জাক তাঁর "মুসান্নাফ"-এ (২/৪৩৬) এবং তাঁর সূত্রে ইবনে হাজম "আল-মুহাল্লা"-তে (৩/১১০, মুনিরিয়া সংস্করণ) সাওরি থেকে, তিনি জাবির থেকে, তিনি হাসান বিন মুসাফির থেকে, তিনি সুওয়াইদ বিন গাফালা থেকে বর্ণনা করেছেন যে: "উমর ইবনুল খাত্তাব ইকামত হওয়ার পর সালাত পড়ার কারণে প্রহার করতেন"।আর এই হাসান কে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন; কারণ বর্তমানে আমি তাকে চিনতে পারছি না।
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ২২)
قال المصنف (1/125) :525 - (كان ابن عمر يصلي خلف الحجاج) اهـ. قال مُخرِجُه (2/303) :(صحيح، قال الحافظ في " التلخيص" (128) :" رواه البخاري في حديث ".قلت: ولم أجده عنده حتى الآن..) اهـ. قال مُقَيّدُه:هو في حديث في " الحج" كما أفاده الحافظ ابن حجر، فانظر: " الصحيح") 3/511، و513، و514 ـ ط. السلفية مع الفتح) .
গ্রন্থকার (১/১২৫) বলেছেন:৫২৫ - (ইবনে উমর হাজ্জাজের পিছনে সালাত আদায় করতেন) সমাপ্ত। এর তাখরিজকারী (২/৩০৩) বলেছেন:(সহিহ, হাফেজ "আত-তালখিস" (১২৮) গ্রন্থে বলেছেন:"বুখারি একটি হাদিসে এটি বর্ণনা করেছেন"।আমি বলছি: আমি এখন পর্যন্ত তাঁর নিকট এটি খুঁজে পাইনি...) সমাপ্ত। এর টীকাকার বলেছেন:এটি "হজ" অধ্যায়ের একটি হাদিসে রয়েছে যেমনটি হাফেজ ইবনে হাজার জানিয়েছেন, সুতরাং দেখুন: "সহিহ বুখারি" (৩/৫১১, ৫১৩, এবং ৫১৪ - ফাতহুল বারী সহ সালাফিয়্যাহ সংস্করণ)।
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ২৩)
قال المصنف: (1/127) :(قال ابن مسعود: " لا يؤمن الغلام حتى تجب عليه الحدود " وقال ابن عباس: " لا يؤمن الغلام حتى يحتلم ".رواهما الأثرم، ولم ينقل عن غيرهما من الصحابة خلافه) . قال مُخرجُه (2/313) :532 - (لم أقف على إسنادهما، فإن كتاب الأثرم لم نطلع عليه، اللهم إلا قطعة من كتاب الطهارة منه في المكتبة الظاهرية. ولاوجدت من تكلم عليهما. إلا أثر ابن عباس رواه عبد الرزاق مرفوعاً بإسناد ضعيف كما في " الفتح": (2/156) … ) اهـ. قال مُقَيّدُه:أما أثر ابن مسعود: فينظر.وأما أثر ابن عباس: ففي " مصنف عبد الرزاق ": (1/487) ، و (2/398) ، و"السنن الكبرى " للبيهقي: (3/225) موقوفاً على ابن عباس. وفي إسناده إبراهيم بن محمد بن أبي يحيى الأسلمي، وهو متروك الحديث.
গ্রন্থকার বলেছেন: (১/১২৭):
(ইবনে মাসউদ বলেন: "কোনো বালক ঈমানদার গণ্য হবে না যতক্ষণ না তার ওপর হুদুদ (শরয়ী দণ্ড) কার্যকর হওয়া বাধ্যতামূলক হয়" এবং ইবনে আব্বাস বলেন: "কোনো বালক ঈমানদার গণ্য হবে না যতক্ষণ না সে স্বপ্নদোষের মাধ্যমে প্রাপ্তবয়স্ক হয়"।আল-আছরাম এই দুটি বর্ণনা করেছেন, এবং অন্যান্য সাহাবীদের থেকে এর বিপরীত কিছু বর্ণিত হয়নি।) এর তাহকীককারী বলেছেন (২/৩১৩):৫৩২ - (আমি এ দুটির সানাদ খুঁজে পাইনি, কেননা আল-আছরামের কিতাবটি আমাদের হস্তগত হয়নি; তবে জাহিরিয়া লাইব্রেরিতে তার 'কিতাবুত তাহারাহ' এর একটি খণ্ড রয়েছে। আর আমি এমন কাউকে পাইনি যে এই দুটি বর্ণনার বিষয়ে কোনো আলোচনা করেছেন। কেবল ইবনে আব্বাসের আছারটি ব্যতীত, যা আব্দুর রাজ্জাক মারফু হিসেবে একটি দুর্বল সানাদে বর্ণনা করেছেন, যেমনটি 'আল-ফাতহ' গ্রন্থে রয়েছে: (২/১৫৬) … ) সমাপ্ত। এর ব্যাখ্যাকার বলেছেন:ইবনে মাসউদের আছারটির বিষয়ে কথা হলো: এটি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।আর ইবনে আব্বাসের আছারটির বিষয়ে কথা হলো: এটি 'মুসান্নাফ আব্দুর রাজ্জাক': (১/৪৮৭) এবং (২/৩৯৮), এবং বায়হাকীর 'আস-সুনানুল কুবরা': (৩/২২৫)-তে ইবনে আব্বাসের ওপর মাওকুফ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। এর সানাদে ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আবি ইয়াহইয়া আল-আসলামী রয়েছে, যে 'মাতরুকুল হাদিস' (হাদিসের ক্ষেত্রে পরিত্যাজ্য)।
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ২৪)
قال المصنف (1/127) :(روى عن عمر " أنه صلّى بالناس الصبح، ثم خرج إلى الجرف فأهراق الماء فوجد في ثوبه احتلاماً فأعاد الصلاة ولم يعد الناس" وروى الأثرم نحو هذا عن عثمان وعلي) اهـ. قال مُقَيّدُه:لم يتكلم عليه المخرج بشيء. (2/314)533 -وأثر عمر: أخرجه عبد الرزاق في " مصنفه ": (2/348) بإسناد صحيح عن عروة عن عمر، ورواه من طرق أخرى بعضها مطول وبعضها مختصر. وانظر: "مصنف ابن أبي شيبة": (2/44) .وقد رواه مالك في " الموطأ": (1/49) من طرق عن عمر، وليس فيها التصريح بأن الناس لم يعيدوا، لكنها تفهم من السياق.ورواه الدارقطني: (1/364) بإسناد رجاله ثقات.ورواه ابن الجعد في " مسنده": (رقم 193) مرسلاً بنحوه.وأما أثر عثمان: فرواية الأثرم عنه ساقها ابن عبد البر في " التمهيد ": (1/182) ، قال الأثرم: سمعت أبا عبد الله ـ يعني أحمد بن حنبل ـ يقول: حدثنا هشيم عن خالد بن سلمة قال: أخبرني محمد بن عمرو بن المصطلق " أن عثمان بن عفان صلى بالناس صلاة الفجر فلما أصبح وارتفع النهار فإذا هو بأثر الجنابة فقال: كبرت والله، كبرت والله، فأعاد الصلاة ولم يأمرهم أن يعيدوا ".
মূল লেখক বলেছেন (১/১২৭) :(উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, "তিনি মানুষের সাথে ফজরের সালাত আদায় করলেন, এরপর আল-জুরফ নামক স্থানে বের হলেন এবং সেখানে প্রস্রাব করলেন। অতঃপর তিনি তার পোশাকে স্বপ্নদোষের চিহ্ন দেখতে পেলেন। তখন তিনি সালাত পুনরায় আদায় করলেন কিন্তু মানুষ (মুক্তাদিরা) পুনরায় আদায় করেনি।" এবং আল-আছরাম উসমান ও আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।) সমাপ্ত। এর টীকা লেখক বলেছেন:হাদীস নির্দেশনাকারী (মুখাররিজ) এর ওপর কোনো আলোচনা করেননি। (২/৩১৪)৫৩৩ -উমরের আছারটি: আব্দুর রাজ্জাক তার 'মুসান্নাফ'-এ (২/৩৪৮) উরওয়াহ থেকে উমরের সূত্রে সহীহ সনদে এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি অন্যান্য সূত্রেও বর্ণনা করেছেন যার কোনটি দীর্ঘ এবং কোনটি সংক্ষিপ্ত। দেখুন: 'মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবাহ': (২/৪৪)।মালিক 'আল-মুওয়াত্তা'-তে (১/৪৯) উমর থেকে বিভিন্ন সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন, তবে সেখানে লোকেরা সালাত পুনরায় আদায় করেনি - এ বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই, কিন্তু প্রসঙ্গের মাধ্যমে তা বোঝা যায়।আদ-দারাকুতনী (১/৩৬৪) এটি এমন এক সনদে বর্ণনা করেছেন যার বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।ইবনুল জা'দ তার 'মুসনাদ'-এ (নং ১৯৩) অনুরূপভাবে মুরসাল হিসেবে এটি বর্ণনা করেছেন।আর উসমানের আছারটি: আল-আছরামের বর্ণনাটি ইবনে আব্দুল বার 'আত-তামহীদ'-এ (১/১৮২) উল্লেখ করেছেন। আল-আছরাম বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে—অর্থাৎ আহমাদ ইবনে হাম্বলকে—বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: হুশাইম আমাদের কাছে খালিদ বিন সালামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন আমর বিন আল-মুসতালিক আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, "উসমান ইবনে আফফান রাদিয়াল্লাহু আনহু লোকদের সাথে ফজরের সালাত আদায় করলেন। এরপর যখন সকাল হলো এবং রোদ চড়ল, তখন তিনি নাপাকির (স্বপ্নদোষের) চিহ্ন দেখতে পেলেন। তখন তিনি বললেন: আল্লাহর শপথ, আমি বৃদ্ধ হয়েছি; আল্লাহর শপথ, আমি বৃদ্ধ হয়েছি। অতঃপর তিনি সালাত পুনরায় আদায় করলেন কিন্তু তাদের পুনরায় আদায় করার আদেশ দেননি।"
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ২৫)
ورواه الدارقطني في " سننه ": (1/364) من طريق ابن مهدي عن هشيم به.ومحمد بن عمرو ذكره البخاري وابن أبي حاتم ولم يذكرا فيه جرحاً ولا تعديلاً، وذكره ابن حبان في الثقات ": (7/368) والظاهر أن روايته عن عثمان مرسلة.وأما أثر علي: فرواه ابن أبي شيبة في " المصنف": (2/45) ومن طريقه الأثرم في " سننه " كما في " التمهيد ": (1/182) من طريق حجاج عن أبي إسحاق عن الحارث عن علي في الجنب يصلي بالقوم، قال: يعيد ولا يعيدون (لفظ الأثرم) .وهذا إسنادٌ ضعيف، ورُوي عن علي خلافه. أخرجه عبد الرزاق في " المصنف": (2/350 ـ 351) .
এবং এটি আদ-দারা কুতনী তাঁর "সুনান" গ্রন্থে (১/৩৬৪) ইবন মাহদী সূত্রে হুশাইম থেকে বর্ণনা করেছেন।আর মুহাম্মদ ইবন আমর সম্পর্কে আল-বুখারী এবং ইবন আবু হাতিম উল্লেখ করেছেন, কিন্তু তাঁরা তাঁর ব্যাপারে কোনো জারহ (সমালোচনা) বা তা'দীল (প্রশংসা) উল্লেখ করেননি। আর ইবন হিব্বান তাঁকে "আস-সিকাত" (৭/৩৬৮) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। আর প্রকাশ্য বিষয় হলো, উসমান থেকে তাঁর বর্ণনাটি মুরসাল।আর আলী (রা.)-এর আছর বা বর্ণনার বিষয়টি হলো: এটি ইবন আবু শাইবা তাঁর "আল-মুসান্নাফ" গ্রন্থে (২/৪৫) বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর সূত্র ধরে আল-আছরাম তাঁর "সুনান" গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন যেমনটি "আত-তামহীদ" গ্রন্থে (১/১৮২) বর্ণিত হয়েছে—হাজ্জাজ সূত্রে আবু ইসহাক থেকে, তিনি আল-হারিস থেকে এবং তিনি আলী (রা.) থেকে জনৈক জুনুবী (নাপাক) ব্যক্তির লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করা প্রসঙ্গে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: "সে পুনরায় সালাত আদায় করবে, কিন্তু তারা (মুক্তাদিরা) পুনরায় করবে না" (এটি আল-আছরামের শব্দ)।আর এটি একটি দুর্বল সনদ, এবং আলী (রা.) থেকে এর বিপরীতটিও বর্ণিত হয়েছে। এটি আবদুর রাজ্জাক তাঁর "আল-মুসান্নাফ" গ্রন্থে (২/৩৫০-৩৫১) বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ২৬)
قال المصنف (1/143) :(قال ابن جريج: قلت لعطاء: أكان بأمر النبي صلى الله عليه وسلم؟ قال: نعم) اهـ. يعني التجميع بالمدينة. قال مُخَرِجُه (3/68) :601 - (ضعيف. لأنه مرسل، ولم أقف على إسناده إلى ابن جريج) انتهى. قال مُقَيّدُه:وقفتُ على إسناده في " مصنف عبد الرزاق ": (3/160) قال: عن ابن جريج قال: قلت لعطاء: " من أول من جمع؟ قال: رجل من بني عبد الدار، زعموا قلت: أبأمر النبي صلى الله عليه وسلم؟ قال: فمه ".
গ্রন্থকার (১/১৪৩) বলেছেন:(ইবনে জুরাইজ বলেন: আমি আতা-কে বললাম: এটা কি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আদেশে ছিল? তিনি বললেন: হ্যাঁ) সমাপ্ত। অর্থাৎ মদিনায় জুমার নামাজ কায়েম করা প্রসঙ্গে। এর মুখাররিজ (৩/৬৮) বলেছেন:৬০১ - (দুর্বল। কারণ এটি মুরসাল, এবং আমি ইবনে জুরাইজ পর্যন্ত এর সনদের নাগাল পাইনি) সমাপ্ত। এর টীকাকার বলেছেন:আমি "মুসান্নাফ আবদুর রাজ্জাক" (৩/১৬০) গ্রন্থে এর সনদের সন্ধান পেয়েছি। সেখানে বর্ণিত হয়েছে: ইবনে জুরাইজ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আতা-কে বললাম: "সর্বপ্রথম কে জুমার নামাজ কায়েম করেছিলেন? তিনি বললেন: তারা ধারণা করে যে, বনী আবদুদ দার গোত্রের এক ব্যক্তি। আমি বললাম: এটি কি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আদেশে ছিল? তিনি বললেন: অবশ্যই।"
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ২৭)
قال المصنف (1/153) :(عن علي رضي الله عنه أنه كان يكبر حتى يسمع أهل الطريق) انتهى. قال مُخَرِجُه (3/121) :649 - (لم أقف عليه) اهـ. قال مُقَيّدُه:روى ابن المنذر في الأوسط": (1/216/1) و (4/250 ـ مطبوع) نحوه فقال:حدثنا محمد بن علي، قال: ثنا سعيد، قال: ثنا سويد بن عبد العزيز، قال: ثنا حصين عن أبي جميلة، قال: رأيت علياً خرج من منزله يوم العيد فلم يزل يكبر حتى انتهى إلى الجبانة.وهذا إسناد ضعيف.ورواه الدارقطني في " سننه ": (2/44) من طريق الحجاج عن سعيد ابن أشوع عن حنش بن المعتمر قال: رأيت علياً يوم أضحى لم يزل يكبر حتى أتى الجبانة.
গ্রন্থকার (১/১৫৩) বলেছেন:(আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি তাকবীর পাঠ করতেন যতক্ষণ না রাস্তার লোকেরা তা শুনতে পেত) সমাপ্ত। এর হাদিস সংকলক (৩/১২১) বলেছেন:৬৪৯ - (আমি এটি খুঁজে পাইনি) সমাপ্ত। এর টীকাকার বলেছেন:ইবনুল মুনযির "আল-আওসাত" গ্রন্থে (১/২১৬/১) এবং (৪/২৫০ — মুদ্রিত) এর অনুরূপ বর্ণনা করে বলেছেন:মুহাম্মদ বিন আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: সুওয়াইদ বিন আব্দুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: হুসাইন আমাদের নিকট আবু জামীলা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি আলীকে ঈদের দিন তার ঘর থেকে বের হতে দেখেছি, তিনি নিরন্তর তাকবীর পাঠ করছিলেন যতক্ষণ না তিনি ঈদগাহে পৌঁছালেন।এবং এই সনদটি দুর্বল।এবং আদ-দারাকুতনী তাঁর "সুনান" গ্রন্থে (২/৪৪) হাজ্জাজের সূত্রে সাঈদ ইবনুল আশওয়া থেকে, তিনি হানাশ বিন মুতামির থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি আলীকে ঈদুল আযহার দিন দেখেছি, তিনি অবিরত তাকবীর পাঠ করছিলেন যতক্ষণ না তিনি ঈদগাহে পৌঁছালেন।
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ২৮)
قال المصنف (1/154) :(قول ابن مسعود: إنما التكبير على من صلى في جماعة رواه ابن المنذر) اهـ. قال مُخَرِجُه (3/124) :652 - (لم أقف على إسناده) اهـ. قال مُقَيّده:وقفت عليه، رواه ابن المنذر في " الأوسط" (1/225/1) و (4/305 ـ 306مطبوع) قال:وحدثونا عن إسحاق بن إبراهيم قال: أخبرنا محمد بن سلمة الحراني عن زيد بن أبي أنيسة عن حماد عن إبراهيم عن علقمة عن ابن مسعود قال: ليس على الواحد والاثنين تكبير أيام التشريق، إنما التكبير على من صلى في جماعة.وإسناده جيد، إن كان مشايخ ابن المنذر الذين حدثوه ثقات، وهو الأظهر.
গ্রন্থকার বলেছেন (১/১৫৪):(ইবনে মাসউদের উক্তি: তাকবীর কেবল জামাতে সালাত আদায়কারীর ওপর আবশ্যক এটি ইবনুল মুনযির বর্ণনা করেছেন) সমাপ্ত। এর তাখরীজকারী বলেছেন (৩/১২৪):৬৫২ - (আমি এর সনদের ব্যাপারে অবগত হতে পারিনি) সমাপ্ত। এর টীকাকার বলেছেন:আমি এটি লাভ করেছি, ইবনুল মুনযির এটি "আল-আওসাত" গ্রন্থে (১/২২৫/১) এবং (মুদ্রিত কপির ৪/৩০৫-৩০৬ পৃষ্ঠায়) বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন:এবং তাঁরা আমাদের নিকট ইসহাক ইবনে ইব্রাহীম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে সালামা আল-হাররানী, তিনি যায়িদ ইবনে আবী আনিসা থেকে, তিনি হাম্মাদ থেকে, তিনি ইব্রাহীম থেকে, তিনি আলকামা থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আইয়ামে তাশরীকের তাকবীর একাকী বা দুইজনের জন্য আবশ্যক নয়, তাকবীর কেবল জামাতে সালাত আদায়কারীর ওপর আবশ্যক।এবং এর সনদ উত্তম, যদি ইবনুল মুনযিরের সেই সকল শিক্ষক নির্ভরযোগ্য হন যারা তাঁর নিকট এটি বর্ণনা করেছেন, আর এটিই অধিক স্পষ্ট।
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ২৯)
قال المصنف (1/159) :(وروى الطبراني في " معجمه" بإسناده عن الزهري أن سليمان عليه السلام خرج هو وأصحابه يستسقون فرأى نملة قائمة رافعة قوائمها تستسقي، فقال لأصحابه، ارجعوا فقد سقيتم بدعوة غيركم، وروى الطحاوي وأحمد ونحوه عن أبي الصديق الناجي..) اهـ. قال مُخَرِجُه (3/138) :670 -.. (وأما رواية الطبراني عن الزهري، والطحاوي، وأحمد عن أبي سعيد " كذا " الناجي فلم أقف عليهما، مع كونهما مقطوعتين " اهـ. قال مُقَيّده:أما رواية الطبراني عن الزهري: فقد وقفت عليها في كتاب " الدعاء" للطبراني (رقم 967) ، رواها عن الزهري عبد الرزاق في " المصنف" (3/95ـ96) ومن طريقه أخرجها الطبراني.وأما رواية الطحاوي وأحمد عن أبي الصديق الناجي:فقد وقفت عليها في كتاب " الزهد "لأحمد (ص87) في أخبار يوسف عليه السلام من الطبعة المكية وفيها خلل في الترتيب.ورواها عن أبي الصديق ابن أبي شيبة في " المصنف ": 10/312) و (13/207) وابن أبي حاتم في " تفسيره " والطبراني في " الدعاء ": (رقم 968) ، وأبو نعيم في " الحلية ": 3/101) وابن حبان في
গ্রন্থকার (১/১৫৯) বলেছেন:(এবং তাবারানি তাঁর "মুজাম"-এ তাঁর সনদসহ যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন যে, সুলাইমান আলাইহিস সালাম এবং তাঁর সঙ্গীরা বৃষ্টির প্রার্থনার জন্য বের হলেন। তখন তিনি একটি পিঁপড়াকে দাঁড়িয়ে তার পাগুলো উপরের দিকে তুলে বৃষ্টির প্রার্থনা করতে দেখলেন। তিনি তাঁর সঙ্গীদের বললেন, তোমরা ফিরে চলো, তোমাদের ছাড়া অন্য একজনের দোয়ার বরকতে তোমাদের পানি (বৃষ্টি) দান করা হয়েছে। আর তহাবি ও আহমাদ আবু সিদ্দিক আন-নাজি থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন...) সমাপ্ত। এর উদ্ধৃতি প্রদানকারী (৩/১৩৮) বলেছেন:
৬৭০ -.. (আর যুহরী থেকে তাবারানির বর্ণনা এবং আবু সাঈদ "এইরূপ" আন-নাজি থেকে তহাবি ও আহমাদের বর্ণনার ব্যাপারে বলতে গেলে, আমি এ দুটির সন্ধান পাইনি, যদিও বর্ণনা দুটি বিচ্ছিন্ন [মাকতু]।) সমাপ্ত। টীকাকার বলেছেন:
যুহরী থেকে তাবারানির বর্ণনার ব্যাপারে: আমি তাবারানির "কিতাবুদ দুআ" (নং ৯৬৭)-তে এটি পেয়েছি। আব্দুর রাজ্জাক এটি যুহরী থেকে তাঁর "আল-মুসান্নাফ" (৩/৯৫-৯৬)-এ বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর মাধ্যমেই তাবারানি এটি উদ্ধৃত করেছেন।আর আবু সিদ্দিক আন-নাজি থেকে তহাবি ও আহমাদের বর্ণনার ব্যাপারে:
আমি এটি আহমাদের "কিতাবুয যুহদ" (পৃষ্ঠা ৮৭)-এ ইউসুফ আলাইহিস সালামের সংবাদসমূহের মধ্যে পেয়েছি (মক্কী সংস্করণ), যাতে বিন্যাসে কিছুটা গোলযোগ রয়েছে।আর আবু সিদ্দিক থেকে এটি ইবনে আবি শাইবা তাঁর "আল-মুসান্নাফ" (১০/৩১২) ও (১৩/২০৭), ইবনে আবি হাতিম তাঁর "তাফসির"-এ, তাবারানি "কিতাবুদ দুআ" (নং ৯৬৮), আবু নুয়াইম "আল-হিলয়াহ" (৩/১০১) এবং ইবনে হিব্বান তাঁর...
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ৩০)
"الثقات": (8/414) كلهم عن زيد العمي عن أبي الصديق الناجي به نحوه.وزيد العمي ضعيف، وأبو الصديق الناجي تابعي.تتمة:ذكر رواية الطحاوي ابن القيم في " شفاء العليل": (ص151) قال: (ورواه الطحاوي في " التهذيب" وغيره) اهـ ولم يتبين لي المراد منه.
"আস-সিকাত": (৮/৪১৪) তারা সকলে যায়দ আল-আম্মি থেকে, তিনি আবুস সিদ্দিক আন-নাজি থেকে এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।আর যায়দ আল-আম্মি দুর্বল, এবং আবুস সিদ্দিক আন-নাজি একজন তাবিঈ।পরিশিষ্ট:ইবনুল কাইয়্যিম "শিফাউল আলিল" (পৃষ্ঠা ১৫১) গ্রন্থে আত-তহাউয়ির বর্ণনাটি উল্লেখ করেছেন, তিনি বলেছেন: (এটি আত-তহাউয়ি "আত-তাহজিব" এবং অন্যান্য গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন) সমাপ্ত। এর দ্বারা তাঁর উদ্দেশ্য আমার নিকট স্পষ্ট হয়নি।
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ৩১)
قال المصنف (1/164) :(قول ابن عمر: لا يغسل موتاكم إلا المأمونون) اهـ. قال مُخَرِجُه (3/158) :695 - (لم أجده) اهـ. قال مُقَيِدُه:وجدته من حديث ابن عمر مرفوعاً، رواه ابن ماجه في " سننه" (1461) وابن عدي في " الكامل ": (6/2411) من طريق بقية عن مبشر بن عبيد عن زيد بن أسلم عن ابن عمر مرفوعاً بلفظ: " ليغسل موتاكم المأمونون".ومبشر بن عبيد يضع الحديث وبقية يدلس تدليس التسوية، وعند ابن عدي قال: ثنا مبشر …
গ্রন্থকার (১/১৬৪) বলেছেন:(ইবনে উমরের উক্তি: তোমাদের মৃতদের যেন কেবল আমানতদার ব্যক্তিরাই গোসল দেয়) সমাপ্ত। তাকরিজকারী (৩/১৫৮) বলেছেন:৬৯৫ - (আমি এটি খুঁজে পাইনি) সমাপ্ত। টীকা প্রদানকারী বলেছেন:আমি এটি ইবনে উমরের মারফু হাদিস হিসেবে পেয়েছি। ইবনে মাজাহ তার "সুনান" (১৪৬১) গ্রন্থে এবং ইবনে আদি তার "আল-কামিল" (৬/২৪১১) গ্রন্থে এটি বর্ণনা করেছেন। এটি বাকিয়্যাহর সূত্রে মুবাশশির বিন উবাইদ থেকে, তিনি জায়েদ বিন আসলাম থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে মারফু হিসেবে নিম্নোক্ত শব্দে বর্ণিত হয়েছে: "তোমাদের মৃতদের যেন আমানতদার ব্যক্তিরাই গোসল দেয়"।আর মুবাশশির বিন উবাইদ হাদিস জাল করতেন এবং বাকিয়্যাহ তাদলিসে তাসবিয়্যাহ করতেন; ইবনে আদির বর্ণনায় এসেছে: মুবাশশির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন …
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ৩২)
قال المصنف (1/165) :(قال حذيفة: وجهوني إلى القبلة) اهـ. قال مُخَرِجُه (3/152) :689 - (لم أجده عن حذيفة وإنما رُوي عن البراء بن معرور) اهـ. قال مُقَيّده:وجدته عن حذيفة. رواه ابن أبي الدنيا في " المحتضرين "، ومن طريقه ابن عساكر في " تاريخ دمشق": (4/156/1) ترجمة حذيفة منه، من طريق داود بن رشيد نبأنا عباد بن العوام، نبأنا أبو مالك الأشجعي، عن ربعي بن حِراش أنه حدثهم أن [أخته] امرأة حذيفة قالت: … فذكره أثناء خبر.وإسناده صحيح عن ربعي بن حراش.
গ্রন্থকার বলেন (১/১৬৫): (হুজাইফা বলেন: তোমরা আমাকে কিবলার দিকে মুখ করিয়ে দাও) সমাপ্ত। তখরিজকারী বলেন (৩/১৫২): ৬৮৯ - (আমি এটি হুজাইফা থেকে পাইনি; বরং এটি আল-বারা ইবন মা’রুর থেকে বর্ণিত হয়েছে) সমাপ্ত। টীকাভাষ্যকার বলেন:আমি এটি হুজাইফা থেকে পেয়েছি। ইবন আবিদ দুনিয়া এটি "আল-মুহতারিন" গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, এবং তার সূত্রে ইবন আসাকির "তারিখ দামেশক" (৪/১৫৬/১)-এ হুজাইফার জীবনী অংশে এটি বর্ণনা করেছেন; দাউদ ইবন রশীদের সূত্রে আব্বাদ ইবনুল আওয়াম আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবু মালিক আল-আশজা‘ঈ আমাদের বর্ণনা করেছেন, রিবঈ ইবন হিরাশ থেকে বর্ণিত যে, তিনি তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, [তার বোন] হুজাইফার স্ত্রী বলেছেন: … অতঃপর তিনি এটি একটি বর্ণনার মাঝে উল্লেখ করেছেন।এবং রিবঈ ইবন হিরাশ পর্যন্ত এর সনদটি সহীহ।
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
قال المصنف (1/165) :(وأوصى أنس أن يغسله محمد بن سيرين ففعل) اهـ. قال مُخَرِجُه (3/159) :697 - (لم أقف على إسناده) اهـ. قال مُقَيّدُه:وقفت على إسناده في " الطبقات " لابن سعد (7/25) قال: أخبرنا محمد بن عبد الله الأنصاري، قال: حدثنا هشام بن حسان عن محمد أن أنس بن مالك توُفي، ومحمد بن سيرين محبوس في دين عليه، قال: وأوصى أنس أن يغسله محمد.. فأخرج من السجن فغسله.وهذا إسناد صحيح، رجاله معروفون بالثقة وبرواية بعضهم عن بعض.
গ্রন্থকার বলেন (১/১৬৫):(আর আনাস ওসিয়ত করেছিলেন যে মুহাম্মদ বিন সিরিন যেন তাকে গোসল করান, অতঃপর তিনি তাই করেন) সমাপ্ত। এর তাখরীজকারী বলেন (৩/১৫৯):৬৯৭ - (আমি এর সনদের ব্যাপারে অবগত হতে পারিনি) সমাপ্ত। এর টীকাকার বলেন:আমি ইবনে সা'দের "আত-তাবাকাত" (৭/২৫) গ্রন্থে এর সনদের সন্ধান পেয়েছি। তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হিশাম বিন হাসসান আমাদের নিকট মুহাম্মদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আনাস বিন মালিক ইন্তেকাল করেন, এমতাবস্থায় মুহাম্মদ বিন সিরিন ঋণের দায়ে কারাবন্দী ছিলেন। তিনি বলেন: আর আনাস ওসিয়ত করেছিলেন যেন মুহাম্মদ তাকে গোসল করান... অতঃপর তাকে কারাগার থেকে বের করা হয় এবং তিনি তাকে গোসল করান।আর এটি একটি সহীহ সনদ, এর বর্ণনাকারীরা নির্ভরযোগ্য হিসেবে এবং একে অপরের থেকে বর্ণনার সূত্রে সুপরিচিত।
(খণ্ড: ১)
আত-তাকমীলু লিমা ফাতা তাখরীজুহু মিন ইরওয়াইল গালীল
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
قال المصنف (1/190) :(روى الأثرم بإسناده عن سفيان بن عبد الله الثقفي أنه كتب إلى عمر ـ وكان عاملاً له على الطائف ـ أن قبله حيطاناً فيها من الفرسك " هو الخوخ " والرمان ما هو أكثر غلة من الكروم أضعافاً. فكتب يستأمر في العشر، فكتب إليه عمر أن: ليس عليها عشر، هي من العضاة كلها فليس عليها عشر) اهـ. قال مُخَرِجُه (3/279) :802 - (لم أقف على إسناده) اهـ. قال مُقَيّدُه:وقفت على إسناد له، رواه يحيى بن آدم في " الخراج ": (رقم 548، ط. أحمد شاكر) وعنه البلاذري في " فتوح البلدان ": (1/69) ، والبيهقي في " السنن الكبرى ": (4/125) قال يحيى: حدثنا عبد الرحمن بن حميد الرؤاسي عن جعفر بن نجيح السعدي المدني عن بشر بن عاصم وعثمان بن عبد الله بن أوس، أن سفيان بن عبد الله الثقفي فذكره.وجعفر بن نجيح هو جد علي بن المديني، ذكره ابن حبان في "الثقات" (6/140) وذكره البخاري: 01/2/201) وابن أبي حاتم: (1/1/491ـ 492) ولم يذكرا فيه جرحاً ولا تعديلاً.ورواية بشر بن عاصم عن جده سفيان الظاهر أنها مرسلة، فهو يروي عن أبيه عاصم وأبوه يروي عن سفيان، لكنه مقرون بعثمان والأظهر أن روايته أيضاً مرسلة.
গ্রন্থকার (১/১৯০) বলেন :(আছরাম তাঁর সনদে সুফিয়ান ইবনে আব্দুল্লাহ আল-ছাকাফী থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি উমর (রা.)-এর নিকট লিখে পাঠিয়েছিলেন—আর তিনি তাঁর পক্ষ থেকে তায়েফের গভর্নর ছিলেন—যে তাঁর কাছে এমন কিছু বাগান রয়েছে যাতে 'ফিরসিক' (যা হলো পিচ ফল) এবং ডালিম রয়েছে যার ফলন আঙুর বাগানের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি। তাই তিনি এগুলোর ওপর উশর (দশমাংশ যাকাত) নির্ধারণের ব্যাপারে নির্দেশ চেয়ে লিখলেন। তখন উমর (রা.) তাঁকে লিখে পাঠালেন যে: এগুলোর ওপর কোনো উশর নেই, এগুলো সবই কাঁটাযুক্ত বৃক্ষজাতীয়, তাই এগুলোর ওপর কোনো উশর নেই।) সমাপ্ত। হাদীসটি যাচাইকারী (৩/২৭৯) বলেন :৮০২ - (আমি এর কোনো সনদ খুঁজে পাইনি।) সমাপ্ত। টীকাকার বলেন:আমি এর একটি সনদ পেয়েছি, যা ইয়াহইয়া ইবনে আদম তাঁর 'আল-খারাজ' (নং ৫৪৮, আহমাদ শাকির সম্পাদিত) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বালাযুরী 'ফুতুহুল বুলদান' (১/৬৯) গ্রন্থে এবং বায়হাকী 'আস-সুনানুল কুবরা' (৪/১২৫) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। ইয়াহইয়া বলেন: আমাদের নিকট আব্দুর রহমান ইবনে হুমায়দ আর-রুয়াসী বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে নাজীহ আস-সাদি আল-মাদানী থেকে, তিনি বিশর ইবনে আসিম এবং উসমান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আওস থেকে বর্ণনা করেন যে, সুফিয়ান ইবনে আব্দুল্লাহ আল-ছাকাফী... অতঃপর তিনি তা উল্লেখ করেছেন।আর জাফর ইবনে নাজীহ হলেন আলী ইবনুল মাদীনীর দাদা। ইবনে হিব্বান তাকে 'আত-সিকাত' (৬/১৪০) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। ইমাম বুখারী (১/২/২০১) এবং ইবনে আবী হাতিম (১/১/৪৯১-৪৯২) তাকে উল্লেখ করেছেন, তবে তারা তার ব্যাপারে কোনো জারাহ (সমালোচনা) বা তাদিল (প্রশংসা) উল্লেখ করেননি।আর বিশর ইবনে আসিমের তার দাদা সুফিয়ান থেকে বর্ণিত বর্ণনাটি বাহ্যত মুরসাল। কারণ তিনি তার পিতা আসিম থেকে বর্ণনা করেন এবং তার পিতা সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেন। তবে তিনি উসমানের সাথে মিলিতভাবে বর্ণনা করেছেন, কিন্তু অধিক স্পষ্ট বিষয় হলো যে তার বর্ণনাটিও মুরসাল।